বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৬ / ১২৬ · ১,৫০১১,৬০০ / ১২,৬০৫

১,৫০১.
ধারা ৩৯ অনুসারে, ডিক্রিদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে ডিক্রি জারির জন্য অন্য কোন আদালতে ডিক্রি স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে
  2. এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
  3. এখতিয়ার বহির্ভূত কোনো আদালতে
  4. এখতিয়ার সম্পন্ন সম পর্যায়ের অন্য আদালতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্তরিতকরণ:
১) কোন ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রিদারের আবেদন ক্রমে তা জারির জন্য আদালতে প্রেরণ করতে পারেন,-
ক) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে তিনি যদি উক্ত অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে স্বোচ্ছায় বসবাস করেন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করেন অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কাজ করেন: বা

খ) যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ডিক্রির দাবি পূরণের জন্য উক্ত ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকলে এবং অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমায় তার সম্পত্তি থাকলে; বা

গ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাহিরে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের জন্য নির্দেশ থাকলে; বা
ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য কোন কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করে যে, ডিক্রিটি অন্য আদালত কর্তৃক জারি হওয়া উচিত।

২) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন অধঃস্তন আদালতে তা জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১,৫০২.
দেওয়ানী আদালতের ২০ ধারার বিধান অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. আরজি দাখিলের দিন বিবাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  2. মোকদ্দমার শুনানির দিন বাদীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে
  3. বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
  4. বিবাদী যেখানে বসবাস করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী যেখানে ব্যবসা করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার বিষয়ে ২০ ধারার বিধান:
যে সকল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ থেকে ১৯ ধারায় উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হয়না, সেই সকল অন্যান্য মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিবাদী যেখানে বসবাস করে অথবা যেখানে মোকদ্দমার কারণ উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে

সুতরাং-
১. যেখানে বিবাদী বসবাস করে, ব্যবসা পরিচালনা করে, বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে; অথবা
২. যেখানে মোকদ্দমার কারণ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে উৎপত্তি হয়, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৩. যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে, সেই ক্ষেত্রে তাদের প্রত্যেকে বা যে কোন একজন যেখানে বসবাস করে বা ব্যবসা করে বা লাভজনক কাজ করে, সেখানে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
১,৫০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে, মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি রিপোর্ট দাখিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আইনে সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এ মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট যেভাবে ইনকোয়ারি করবেন তার ক্ষমতা এবং কার্যপ্রণালী বর্ণিত আছে, তবে সেখানে রিপোর্ট দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,৫০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি মতে ডিক্রি (decree ) সম্পর্কে নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ডিক্রি সর্বদা চূড়ান্ত হবে
  2. ডিক্রি প্রাথমিক হতে পারে না
  3. ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় → সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

• ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞায় প্রাথমিক ডিক্রি ও চূড়ান্ত ডিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২(২) ধারার ব্যাখায় প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রির উল্লেখ করা হয়েছে।

২(২) ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে। যখন এমন বিচারিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে, তখন এটা চূড়ান্ত ডিক্রি। এটা আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে [A decree is preliminary when further proceedings have to be taken before the suit can be completely disposed of. It is final when such adjudication completely disposes of the suit. It may be partly preliminary and partly final]
১,৫০৫.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১৯৪০ সালের সালিশী আইনের অধীনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি সময় কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।

- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।

অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
১,৫০৬.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) কখন দেয়া হয়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে,
  2. মোকদ্দমার শুরুতে,
  3. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১,৫০৭.
The Evidence Act, 1872 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী The Penal Code, 1860 'Confession' caused by ________ is irrelevant in criminal proceeding.
  1. Inducement
  2. Threat
  3. Promise
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা ২৪ অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্তৃক প্রদত্ত অপরাধমূলক স্বীকারোক্তি ফৌজদারী কার্যধারায় অপ্রাসঙ্গিক, যদি আদালতের নিকট মন হয় যে, অপরাধমূলক স্বীকারোক্তি প্ররোচনা [inducement], হুমকি [threat] বা প্রতিশ্রুতি [promise] দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে।
১,৫০৮.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়। এই ২৪ ঘণ্টা হিসাব করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময় বাদ দিতে হব? 
  1. কোন সময় বাদ দিতে হবে না
  2. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়
  3. গ্রেফতারের স্থান হতে থানাতে যাওয়ার সময়
  4. গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাওয়ার সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে নাঃ কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

----------------------------------------
Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১,৫০৯.
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "__________".
  1. honestly
  2. dishonestly
  3. legally
  4. fraudulently
সঠিক উত্তর:
dishonestly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
dishonestly
ব্যাখ্যা
• Section 24- “Dishonestly”:
Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

- কোনো ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি অবৈধ লাভ বা অবৈধ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত কাজটি অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে।
১,৫১০.
কোন পরিস্থিতিতে বিবাদীর শুনানি শুরু করার অধিকার থাকে?
  1. বাদী অনুপস্থিত থাকলে
  2. বাদী সাক্ষী না আনলে
  3. যখন বিবাদীর আইনজীবী উপস্থিত থাকে না
  4. বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী বাদীর তথ্য স্বীকার করে বাদীর প্রতিকার চ্যালেঞ্জ করলে
ব্যাখ্যা

শুরু করার অধিকার (Order 18, Rule 1):
সাধারণভাবে মামলার শুনানি শুরু করার অধিকার বাদীর (plaintiff) রয়েছে। তবে, যদি বিবাদী (defendant) বাদীর উত্থাপিত তথ্যসমূহ স্বীকার করে এবং দাবি করে যে, আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে (point of law) অথবা বিবাদীর উল্লেখিত অতিরিক্ত কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বাদী তার চাওয়া কোনও প্রতিকার (relief) পাওয়ার অধিকারী নন, তাহলে এই বিশেষ পরিস্থিতিতে শুনানি শুরু করার অধিকার বিবাদীর (defendant) থাকবে।

Right to Begin (Order 18 Rule 1)
The plaintiff has the right to begin unless the defendant admits the facts alleged by the plaintiff and contends that either in point of law or on some additional facts alleged by the defendant the plaintiff is not entitled to any part of the relief which he seeks, in which case the defendant has the right to begin.

১,৫১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি General Clauses Act এর কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
১,৫১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় নিম্নের কোন বিষয়টি বিবেচনায় আনা যাবেনা?
  1. স্বত্ব
  2. দখলের অধিকার
  3. মালিকানা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন দখলের অধিকার, স্বত্ব, মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
১,৫১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার শর্ত কী?
  1. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে দিতে হবে
  2. উচ্চতর আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. কমপক্ষে ৩ মাসের সময় দিতে হবে
  4. অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দিবার ক্ষমতা: 
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোন নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:

Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
১,৫১৪.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে, সরকারী স্ট্যাম্প জাল করার অপরাধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা: সরকারী স্ট্যাম্প জালকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:
এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

Section 255- Counterfeiting Government stamp:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:
A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
১,৫১৫.
কোন একটি আঘাতেই মারা যেতে পারে Z এমন একটি রোগে ভুগছে। এরূপ অবস্থায় A একদিন Z কে আঘাত করে। ফলে Z এর মৃত্যু ঘটে, যদিও এরূপ একটিমাত্র আঘাত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সুস্থ সবল দেহের অধিকারী একজন লোককে মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট ছিল না। Z এর রোগ বিষয়ে A অবগত ছিলো না। A এর কৃত কাজটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুন করেছে
  2. অপরাধমূলক নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা
ব্যাখ্যা
• ২৯৯ ধারা মতে যদি কোন ব্যক্তির মারাত্মক অসুস্থতা বা দৈহিক বৈকল্যে ভোগার অবস্থা জানার পরেও আঘাত করে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয় তাহলে তা খুন হবে কিন্তু এ অসুস্থতার কথা না জেনে যদি তাকে আঘাত দ্বারা হত্যা করা হয় তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা অপরাধমূলক নরহত্যা হবে।
১,৫১৬.
ধারা ১৪৮-এর অধীনে স্থানীয় তদন্তের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।

Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
১,৫১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা
  2. স্থানীয় তদন্ত
  3. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১,৫১৮.
কোন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল দায়ের করতে পারবে না
  2. দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
  3. শুধু রিভিশন করতে পারবে
  4. আপিল বা রিভিশনের সুযোগ নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
১,৫১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।
⇒ আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
-------------------
ORder-6 Rule-17:Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
 Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit.
১,৫২০.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশ আপিলঅযোগ্য?
  1. আদেশ-৮ এর বিধি-১০
  2. আদেশ-১০ এর বিধি-৪
  3. আদেশ-১১ এর বিধি-২১ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ-৪৩ বিধি-১ অনুযায়ী-
খ) আদেশ-৮ বিধি-১০ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
ঙ) আদেশ-১০ বিধি-৪ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ → মোতাবেক আদেশ → আপিলযোগ্য।

সুতরাং কোনোটিই আপিলঅযোগ্য নয়। তাই সঠিক অপশন: ঘ) কোনটিই নয়।

১,৫২১.
ফৌজদারি মামলায় আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
অর্থাৎ কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
১,৫২২.
"Forgery" শব্দটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৪ ধারা
  3. ৪৬৫ ধারা
  4. ৪৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা-তে "Forgery" (জালিয়াতি) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। "যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি বা জনগণের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে বা মিথ্যা দাবি সমর্থনের উদ্দেশ্যে বা কাউকে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন মিথ্যা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল তৈরি করে, সে Forgery করেছে।" এ ধারা মূলত Forgery এর সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করে, অর্থাৎ কাগজপত্র বা দলিল জাল করে প্রতারণা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
১,৫২৩.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
১,৫২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কোন বিষয়ে বিধান নেই?
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. আগাম জামিন
  4. হেবিয়াস কর্পাস
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে রিভিউ এর কোনো বিধান নেই। রিভিশনের বিধান ৪৩৫, ৪৩৯ ও ৪৩৯ক ধারায় আছে। ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাসের বিধান আছে। ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের বিধান আছে।
১,৫২৫.
A, Z এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার নিজের মনে করে সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়। A এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয় নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয় নাই
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা ‘Mens rea' নামে পরিচিত। এটা 'অপরাধীর দুষ্টমন নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয়না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

♦ লর্ড গোড়ার্ডের মতে, জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবে না, যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। যদি অপরাধীর মনে অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য না থাকে,তাহলে তার কার্যকে অপরাধ বলে বিবেচনা করা যাবেনা (The act itself does not constitute guilt, unless with a guilty intent).

♦ফৌজদারি মামলায় আসামীকে শাস্তি দিতে হলে প্রসিকিউসন পক্ষকে আসামীর দুষ্ট মন প্রমাণ করতে হয়।

♦ দণ্ডবিধি অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। চুরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়সহ অন্য যে কোন ফৌজদারী অপরাধে কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করার প্রথম শর্ত হলো উক্ত ব্যক্তির উক্ত অপরাধ করার দুষ্ট মন ( Guilty Mind) ছিল কিনা। যেহেতু A, Z এর দখলীয় সম্পত্তিটি সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়, তাই সে কোন অপরাধ করেনি এবং তার এমন কর্ম দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমে মধ্যে পড়ে।
১,৫২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল আছে।
• বর্তমানে বলবৎ ৩টি তফসিল এর মধ্যে ১ম তফসিলে ৫১ টি আদেশ আছে।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় এবং ৫ম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
• এই আইনে অধ্যায় ১১টি, ধারা ১৫৮ টি, প্রস্তাবনা ১টি।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ এবং আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ ও সুপ্রীম কোর্ট উভয়ে।
১,৫২৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "বছর" ও "মাস"-এর গণনা পদ্ধতি ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৯ ধারায়
  3. ৫১ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, “year” বা “month” শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করতে হবে।
- সুতরাং, "বছর" ও "মাস" এর গণনা পদ্ধতি সম্পর্কিত একমাত্র সুনির্দিষ্ট বিধান ধারা ৪৯-এ রয়েছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

১,৫২৮.
সরেজমিনে পরিদর্শন [Local inspection] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৫৩৮
  2. ৫৩৯
  3. ৫৩৯ক
  4. ৫৩৯খ
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৩৯খ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই স্থান অথবা উক্ত অনুসন্ধান বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করবেন।
১,৫২৯.
'ক' একটি বাড়ী ১ লক্ষ টাকায় 'খ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তি করে। পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ীটি ধ্বংস হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. ক, খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. খ, ক বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
  3. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
  4. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছেঃ

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১,৫৩০.
Res Gestae বক্তব্য কোন অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বতঃস্ফূর্ত হলে
  2. পূর্বপরিকল্পিত হলে
  3. বাহ্যিক চাপবিহীন হলে
  4. ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হলে
সঠিক উত্তর:
পূর্বপরিকল্পিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বপরিকল্পিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ রেস গেস্তে (Res Gestae) বিবৃতি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬-এর অধীনে গ্রহণযোগ্য হয় যখন এটি ঘটনার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, স্বতঃস্ফূর্ত, এবং ঘটনার সমসাময়িক বা তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হয়। এই বিবৃতি হিয়ারসে (hearsay) নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কারণ এটি সাধারণত নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তবে, রেস গেস্তে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়, এবং এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো বিবৃতিটি পূর্বপরিকল্পিত বা পরিকল্পিতভাবে দেওয়া যাবে না।

অপশন গুলির বিশ্লেষণ:
ক) স্বতঃস্ফূর্ত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতির একটি প্রধান শর্ত হলো এটি স্বতঃস্ফূর্ত হতে হবে। অর্থাৎ, বিবৃতিটি ঘটনার সময় বা তাৎক্ষণিকভাবে, কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা চিন্তাভাবনা ছাড়াই দেওয়া হয়। সুতরাং, স্বতঃস্ফূর্ত হলে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হয়, এটি অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।
খ) পূর্বপরিকল্পিত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য এটি অবশ্যই স্বতঃস্ফূর্ত হতে হবে এবং বিবৃতিদাতার মিথ্যা বলার বা তথ্য বিকৃত করার সুযোগ থাকতে পারবে না। যদি বিবৃতিটি পূর্বপরিকল্পিত বা চিন্তাভাবনা করে দেওয়া হয়, তবে এটি রেস গেস্তের মানদণ্ড পূরণ করে না, কারণ এতে মিথ্যা বা বানোয়াট তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকে। ফলে, পূর্বপরিকল্পিত বিবৃতি রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
গ) বাহ্যিক চাপবিহীন হলে: রেস গেস্তে বিবৃতি বাহ্যিক চাপ, প্রভাব বা জবরদস্তি ছাড়া দেওয়া হতে হবে। যদি বিবৃতিটি বাহ্যিক চাপবিহীন হয়, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত হয় এবং গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। সুতরাং, বাহ্যিক চাপবিহীন হওয়া অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।
ঘ) ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হলে: রেস গেস্তে বিবৃতির আরেকটি শর্ত হলো এটি অবশ্যই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হতে হবে এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট, পরিস্থিতি বা আবেগ বোঝাতে সহায়ক হতে হবে। ঘটনার সাথে সম্পর্কিত হওয়া বিবৃতির গ্রহণযোগ্যতার জন্য অপরিহার্য, তাই এটি অগ্রহণযোগ্যতার কারণ নয়।

প্রেক্ষাপট: রেস গেস্তে বিবৃতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এর অধীনে গ্রহণযোগ্য হয় যখন এটি ঘটনার সাথে সময় ও পরিস্থিতির দিক থেকে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেওয়া হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনার পরপরই বলেন, “সে আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে!” এটি রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু যদি একই ব্যক্তি ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পরিকল্পিতভাবে বা চিন্তাভাবনা করে বিবৃতি দেন, তবে তা রেস গেস্তে হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, কারণ এতে মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থাৎ রেস গেস্তে বিবৃতি তখনই গ্রহণযোগ্য নয় যখন এটি পূর্বপরিকল্পিত বা চিন্তাভাবনা করে দেওয়া হয়, কারণ এটি স্বতঃস্ফূর্ততা ও নির্ভরযোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) পূর্বপরিকল্পিত হলে।

১,৫৩১.
একটি চায়ের দোকানে দুইজন ব্যক্তির ছুরিকাঘাতের ঘটনায়, পুলিশ সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য নেবার জন্য ক্ষমতাবান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ১৫৯ ধারা 
  2. ১৬০ ধারা
  3. ১৬১ ধারা
  4. ১৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা এবং ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

১৬০ ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না। যদি কোন ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
১,৫৩২.
What is the minimum age requirement for a wife under Section 376 to not be considered under the exception?
  1. 9 years
  2. 12 years
  3. 13 years
  4. 16 years
সঠিক উত্তর:
12 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৫৩৩.
'Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ৯৪ ধারার
  2. ৯৫ ধারার
  3. ৯৭ ধারার
  4. ৯৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারার
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৫- Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds (অযৌক্তিক বা অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ):
(১) যদি কোনো মোকদ্দমায় গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করা হয় এবং—
(ক) আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে উক্ত গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার আবেদন অপ্রতুল বা অযৌক্তিক ভিত্তিতে করা হয়েছে, অথবা
(খ) মামলাটি ব্যর্থ হয় এবং আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে মামলাটি দায়ের করার জন্য কোনো যৌক্তিক বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,

তবে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত, উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, আদেশের মাধ্যমে বিবাদীর খরচ বা ক্ষতির জন্য যথাযথ বলে গণ্য পরিমাণ ক্ষতিপূরণ (সর্বাধিক দশ হাজার টাকা) আদায়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে কোনো ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে না।

(২) উক্ত আবেদনের বিষয়ে আদালতের আদেশ হলে, সংশ্লিষ্ট গ্রেফতার, সম্পত্তি আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণের পৃথক কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।

১,৫৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় কাদের ক্ষেত্রে বিশেষ এখতিয়ারের বিধান করা হয়েছে?
  1. কিশোরদের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারীদের
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্তদের
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৫৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারানুসারে একজন আসামীর দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষমতা কার?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন জজ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর বিবৃতি এবং আসামীর স্বীকারোক্তি উভয়ই রেকর্ড করতে পারেন। তবে, এরূপ দোষ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুযায়ী লিপিবদ্ধ ও স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরিত হবে।
১,৫৩৬.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
১,৫৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী কমিশন সম্পাদিত হওয়ার পর তা কোথায় ফেরত দিতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত হতে কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.

(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১,৫৩৮.
'ক' এবং 'খ' দুই ভাই। 'ক' ফেনী এবং 'খ' ঢাকায় বাস করে। যৌথ মালিকানায় তাদের একটি জমি কুমিল্লায় রয়েছে। 'ক', সেই জমিতে তার ভাই 'খ' এর স্বত্ব অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় 'খ', কোন আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঢাকার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  2. কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  3. ফেনীর এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  4. উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি আদালতে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

⇒ ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে 'খ', কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে।
১,৫৩৯.
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. হাজির হতে বাধ্য
  2. হাজির হতে বাধ্য নয়
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ১৬০ ধারা অনুযায়ী,
তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে লিখিতভাবে তলব করতে পারে। এই ধারায় যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়, সে হাজির হতে বাধ্য কিন্তু পুলিশ তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।

Section 160- Police-officer's power to require attendance of witnesses:
Any police-officer making an investigation under this Chapter may, by order in writing, require the attendance before himself of any person being within the limits of his own or any adjoining station who, from the information given or otherwise, appears to be acquainted with the circumstances of the case; and such person shall attend as so required.

যদি কোনো ব্যক্তি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সে দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায় দণ্ডিত হতে পারে যা ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা জরিমানাসহ যা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়।
১,৫৪০.
'ক' কে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'খ' দাবি করে যে আত্মরক্ষার্থে সে এই কাজটি করেছে, অনুরুপ অবস্থা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. 'ক'-এর উপর,
  2. 'খ'-এর উপর,
  3. 'ক' ও 'খ' উভয়ের উপরে,
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এর উপর,
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর উপর,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর উপর,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারার বিধান: আসামীর মোকদ্দমা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমানের দায়িত্বঃ- কোন অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে মোকদ্দমাটি যাতে দণ্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা এর অন্য কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্পিত থাকে এবং এ রূপ ক্ষেত্রে অবশ্যই আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ উদাহরণ

⇒ (ক) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে; মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে সে তার কৃতকার্যের বিষয় জ্ঞাত ছিল না 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ (খ) হত্যার দায়ে অভিযুক্ত 'ক' নালিশ করে যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সে গুরুতর ও আকস্মিক উস্কানির কারণে হারিয়ে ফেলেছিল। 'ক'-এর উপর এটা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত। বিশেষভাবে যে ঘটনা কারও অবগতির মধ্যে রয়েছে।
১,৫৪১.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী দণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
  3. মৃত্যুদণ্ডের জন্য আসামির শারীরিক পরীক্ষা
  4. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আসামির গলায় ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১,৫৪২.
নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
  2. অন্যায় কাজকে বারিত করা
  3. বিরোধীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা
  4. অন্যায় কাজকে উৎসাহিত করা
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় কাজকে বারিত করা
ব্যাখ্যা
নিষেধাজ্ঞা:
নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আইনে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫২-৫৭ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ এর বিধি ১ থেকে ৫ এ নিষেধাজ্ঞার বিধান বর্ণিত রয়েছে। সাধারণভাবে, নিষেধাজ্ঞা বলতে বোঝায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি আদেশ যা কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা কোন কাজ থেকে বিরত রাখে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকরকরণ, মামলার বিষয়বস্তু সংরক্ষণ এবং বিচার নিষ্পত্তির স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।

বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি বিচার বিষয়ক কার্যধারা।
- এর মাধ্যমে কোন পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
- অন্য পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করা যেতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উদ্দেশ্য:
নিষেধাজ্ঞার সাধারণ উদ্দেশ্য হলো অন্যায় কাজকে প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ, অনুচিত অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা, সম্ভাব্য ক্ষতি নিবারণ করা, দখল পুনরুদ্ধার করা এবং স্থায়ী ভোগের অধিকার রক্ষা করা। অধিকারকে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত, বিরোধীয় সম্পত্তি ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং তা অন্য পক্ষের দখলে যাওয়া রোধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। এর মাধ্যমে বৈধ অধিকার রক্ষা, মামলা চলাকালীন ভবিষ্যৎ ক্ষতি এড়ানো এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়বস্তু বজায় রাখা হয়।
১,৫৪৩.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যাদের অনুকূলে করা যায় না তাদের সম্পর্কে বর্ণনা কোন ধারায় দেয়া আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা-২৪ অনুসারে প্রতিকারের পথে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন নিম্নোক্ত ৪ ধরনের ব্যক্তিদের পক্ষে করা যায় নাঃ

(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না:

(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;

(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা

(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পর্ণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
১,৫৪৪.
THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972 এর ৭৫ক বিধিতে কয়টি কমিটির কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
THE BANGLADESH LEGAL PRACTITIONERS AND BAR COUNCIL RULES, 1972

বিধি ৭৫ক - বার কাউন্সিল কর্তৃক কমিটি গঠন:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, তার বিদ্যমান কার্যাবলি ও দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনের জন্য নিম্নলিখিত কমিটিসমূহ গঠন করতে পারে, যথা—

১। আইন সংস্কার কমিটি (Law Reform Committee) –
যার সদস্য সংখ্যা হবে সর্বাধিক নির্ধারিত, এবং কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত হবে। (উল্লেখিত অনুচ্ছেদে সংখ্যাটি অসম্পূর্ণ আছে, মূল আইনে নির্ধারিত)

২। মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কমিটি (Human Rights & Legal Aid Committee) –
যার সদস্য সংখ্যা হবে সর্বাধিক ৫ জন, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৩। হাউস কমিটি (House Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৪। রিলিফ কমিটি (Relief Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৫। রোল ও প্রকাশনা কমিটি (Roll and Publication Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।

৬। অভিযোগ ও নজরদারি কমিটি (Complaint and Vigilance Committee) –
সর্বাধিক ৫ জন সদস্য, কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত।
১,৫৪৫.
অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ করার ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি সময়-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান-
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার
তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।

The limitation Act-1908- Schedule-1 Article 29: 
For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.

১,৫৪৬.
Who can apply to the Court to order the plaintiff to be dis-paupered under Order 33 Rule 9 of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. Only the defendant
  2. Only the Government pleader
  3. Only the plaintiff
  4. Either the defendant or the Government pleader
সঠিক উত্তর:
Either the defendant or the Government pleader
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either the defendant or the Government pleader
ব্যাখ্যা
Order 33 Rule 9: Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dis-paupered-
a) if he is guiltyof vexatious or improper conduct in the course of the suit;
b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper, or
c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter ofthe suit under which any other person has obtained an interest in such subject- matter.

আদেশ ৩৩ বিধি-৯- নিঃস্ব মুক্তি:
আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য হোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
১,৫৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারেন ________?
  1. আদালত সমন জারি করে।
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা।
  3. ক এবং খ উভয়।
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সমন দ্বারা।
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৪(১) (দলিলাদি অথবা অন্য জিনিস দাখিল করার সমন) মোতাবেক যখন কোন আদালত বা কেস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই কার্যবিধির অধীন কোন তদন্ত অনুসন্ধান এই কার্যবিধি অধীন কোন তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং চলাকালে মনে করেন যে, উক্ত কার্যের জন্য কোন দলিল বা কোন জিনিস প্রয়োজনীয় বা বাঞ্চনীয় তখন উক্ত আদালত বা অফিসার সমন বা লিখিত আদেশ দ্বারা যে ব্যক্তির নিকট দলিল বা বস্তু রয়েছে বলে অনুমতি হয়, তাকে সমন বা আদেশে লিখিত সময়ে ও স্থানে হাজির হতে এবং উহা হাজির করতে অথবা উহা দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
১,৫৪৮.
A ধোঁয়া দ্বারা বাতাসকে এতো দূষিত করে যে তা পাশ্ববর্তী বাড়িতে বসবাসরত B ও C এর দৈনন্দিন আরাম-আয়েশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। B ও C সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. এই আইনে প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ উক্ত বিষয়টি নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা আওতাধীন হবে। যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন পক্ষকে কোন অন্যায় কার্য করা হতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেয়, তাকে নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা বা Prohibitory injunction বলে। সাধারনত কোন চুক্তিভঙ্গ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেতে পারে।নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা SR Act এর ৫৪ ধারা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে
১,৫৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১,৫৫০.
যদি একজন পুলিশ কর্মকর্তা সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধে কাউকে গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে নতুন বিধান অনুযায়ী তার কী করতে হবে?
  1. কিছুই করার প্রয়োজন নেই, এটি তার বিবেচনার বিষয়।
  2. গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
  3. ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানাতে হবে।
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নিতে হবে যে সে আবার অপরাধ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) দ্বিতীয়ত অংশের প্রদত্ত শর্তাংশ (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;"
"তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;"

সুতরাং, সাত বছরের কম মেয়াদের অপরাধের ক্ষেত্রে যদি পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant)
(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:
প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন;
দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:—
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং
(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:—
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;
এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;
তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;
চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;
পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;
ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;
সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;
অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;
নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;
দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;
একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন।
(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or 
      (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
        and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

১,৫৫১.
ট” তার ছেলের মঙ্গলের জন্য একজন সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করাতে চায়। সার্জন শিশুটির পিতার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে অপারেশন করে। শিশুটি মারা যায়। সার্জনের অপরাধ কি?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৯ ধারা মতে সার্জনের অপরাধ না হবার কারণ হলো শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এবং শিশুর মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে। এই ক্ষেত্রে শিশুটির বয়স ১২ বৎসরের কম হতে হবে।
১,৫৫২.
Execution of a 30 years old document may be presumed to be correct , if it is-
  1. Produced from a Lawyer
  2. Produced from any custody
  3. Produced from a proper custody
  4. Produced from a Judge
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

⇒ ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

-------------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old.
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 
⇒ This explanation applies also to section 81.
১,৫৫৩.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু ঘটানো শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যদি কেউ আত্মহত্যা করে
  2. যদি কোনো সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু হয়
  3. যদি অসাবধানতাবশত মৃত্যু ঘটে
  4. যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যদি রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ এর ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, যদি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা হয়, তবে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,৫৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় যখন-
  1. চুক্তিটি প্রাকৃতিকভাবে প্রত্যাহারযোগ্য হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তির শর্তাবলি আদালত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না 
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২,যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন কার্যকরযোগ্য: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, যে কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কার্যকর করা যাইবে-
(ক) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিলে প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতি সাধিত হইবে উহা নির্ণয় করিবার কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যখন চুক্তিভুক্ত কাজটি এইরূপ হয় যে, উহা সম্পাদন না করিয়া আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না;
(ঘ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিবার জন্য কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
-------------
The Specific Relief Act,1877, Section: 12, Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief;
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

১,৫৫৫.
দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) করলে শাস্তি হলো যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড যা ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১,৫৫৬.
৫২৩ ধারায় জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার কত দিনের মধ্যে হাজির না হলে, তা সরকারের হেফাজতে চলে যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৪ -

ক্রোকের আদেশ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে দাবীদার এমন সম্পত্তিতে দাবী প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং এই ১ মাসের মধ্যে দাবী প্রতিষ্ঠা না করলে এবং যদি কোন দাবীদার ৬ মাসের মধ্যে হাজির না হয়, তখনই সম্পত্তিটি সরকারের হেফাজতে চলে যাবে।

Section 524- Procedure where no claimant appears within six months

(1) If no person within such period establishes his claim to such property, and if the person in whose possession such property was found, is unable to show that it was legally acquired by him, such property shall be at the disposal of the Government, and may be sold under the orders of the Chief Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate], or of a Magistrate of the first class empowered by the Government in this behalf. 
 
(2) In the case of every order passed under this section, an appeal shall lie to the Court to which appeals against sentences of the Court passing such order would lie.
১,৫৫৭.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। 'ক' কোন ধরণের অপরাধ করেছে?
  1. সাধারণ জখম
  2. গুরুতর জখম
  3. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ

⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১,৫৫৮.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধীকে আশ্রয়দানে আশ্রয়দাতার সর্বোচ্চ সাজা কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম: দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১,৫৫৯.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) অর্থ _______
  1. আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত মৌলিক সাক্ষ্য
  2. আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
  3. মামলার ঘটনা সম্পর্তিত সাধারণ প্রমাণ
  4. শ্রুত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থাপিত আসল দলিল
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

♦ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।
১,৫৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৭ অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভুলভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কী করা যাবে না?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সাক্ষীকে জেরা করা যাবে না
  3. আদালতের আদেশ খারিজ করা যাবে না
  4. পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৭ বলছে যদি আদালত ভুলভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে, তবুও যদি মামলায় এমন যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যার ভিত্তিতে রায় দেওয়া সম্ভব, তাহলে শুধু এই কারণে পুনর্বিচার বা রায় পরিবর্তনের দাবি করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে:
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১,৫৬১.
একজন অ্যাডভোকেট কোনো সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবিশ (Pupil) হিসাবে গ্রহণ করতে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১,৫৬২.
একজন প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট কারাদন্ড দিতে পারে অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১,৫৬৩.
দোষ স্বীকার কখন গ্রহণযোগ্য হয় না?
  1. দোষ স্বীকার যদি স্বেচ্ছামূলক হয়
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  3. দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোষ স্বীকার যদি কোনো ভীতির কারণে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, 1872 এর ধারা ২৪ এ দেয়া আছে:

"দোষ স্বীকারোক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হইবে না যখন এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে, ইহা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলক আশ্বাস প্রদান করিয়া আদায় করা হইয়াছে।"

অর্থাৎ, যদি দোষ স্বীকার করানোর জন্য কোনো ভীতি দেখানো হয়, বা মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

অন্যদিকে,
যদি দোষ স্বীকার স্বেচ্ছামূলক এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হয় বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট হয়, তাহলে সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। তবে প্রমাণিত হলে যে স্বীকারোক্তি ভীতি বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, তখন তা অগ্রহণযোগ্য হবে।
১,৫৬৪.
What does Section 43 of the Specific Relief Act primarily deal with?
  1. Effect of declaration
  2. Cause of declaration
  3. Execution of declaration
  4. Conditions of declaration
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effect of declaration
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
১,৫৬৫.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, একজন ঠগের (Thug) জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১১ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি 'ঠগ' (Thug) হিসেবে সাব্যস্ত হন (অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণের মাধ্যমে ডাকাতিতে জড়িত থাকেন), তাহলে তার শাস্তি হলো: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্তভাবে অর্থদণ্ড। এই ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড-এর বিধান রয়েছে।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug: -Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment: - Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১,৫৬৬.
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয় এবং আইনজীবী যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত-
  1. আইনজীবীকে জরিমানা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. পক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১০ বিধি ৪(১,২) অনুসারে,
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে।

• উল্লেখ্য যে,
আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
১,৫৬৭.
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – ধারা ৩৮০ (The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় — সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।
১,৫৬৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১৪ ধারার বিধান বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি-না?
  1. প্রযোজ্য নয় যদি না সেই আইনে প্রযোজ্যতা দেওয়া হয়
  2. প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
  3. এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারার প্রযোজ্যতা বারিত করা না হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে তামাদি আইনের ৪, ৬-১৮ ধারার বিধান অন্য বিশেষ আইনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য যদি সেই আইনে এই ধারাগুলোর প্রযোজ্যতা কে বারিত না করে।
১,৫৬৯.
যে ক্ষেত্রে অপরাধী কারাবাস এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়, কিন্তু অর্থদণ্ড পরিশোধ না করার কারণে আদালত অপরাধীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করে তা
  1. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  2. অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে তার যেকোন বর্ণনার
  3. শুধুমাত্র সশ্রম
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦এখানে যেকোন বর্ণনার বলতে সশ্রম বা বিনাশ্রম উভয়কে বোঝানো হয়েছে। ৬৬ ধারা প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে অপরাধী কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ডে প্রদানে ব্যর্থ হয়। ৬৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে কারাবাস বিনাশ্রম হবে। অর্থাৎ ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে।
১,৫৭০.
দেওয়ানি আদালত কখন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সম্পত্তির বিক্রয়ের পরে
  2. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পূর্বে
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানের পরে
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ১- রিসিভার নিয়োগ:

(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরূপ ভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১,৫৭১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. কোন পক্ষের প্রতারণার কারণে;
  2. পক্ষদের পারস্পরিক ভুলের কারণে;
  3. কোন পক্ষের ভুলের কারণে;
  4. উপরোক্ত সব।
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে।-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুণ কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
♦অর্থাৎ যে সব ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তা হলো-
i) প্রতারনা (fraud);
ii) পারষ্পরিক ভুল (mutual mistakes); অথবা
iii) চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না পেলে।
১,৫৭২.
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে, অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ বা দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে বাধা দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছর কারাদণ্ড
  2. দুই বছর কারাদণ্ড
  3. তিন বছর কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে, বা দাঙ্গা দমন করতে গিয়ে আক্রমণ করে, বাধা দেয়, বা হুমকি দেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.
১,৫৭৩.
মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১,৫৭৪.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় কোন বয়সসীমার নিচে ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১,৫৭৫.
ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে কত দিনের বেশি আসামীকে রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১,৫৭৬.
সংক্ষিপ্ত বিচারের কোন দণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১,৫৭৭.
কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে একবার পরীক্ষা করার পর কোনো কারণে পূণঃপরীক্ষা (Re-examination) করিতে পারে?
  1. পূর্বের বক্তব্য ভুল শোধরানো
  2. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
  3. কোনো কিছু মিথ্যা প্রমাণ
  4. বিশেষজ্ঞদের মতামতের বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ,
ব্যাখ্যা
⇒  পুনঃজবানবন্দীর সংজ্ঞা (Re-Examination)- জেরার পরে জবানবন্দী গ্রহণকারী পক্ষ পুনরায় যখন জবানবন্দী নেন তখন তাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। অর্থাৎ জেরার পর আহবানকারী পক্ষ আবার নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় পুনঃজবানবন্দি বা Re-Examination।

⇒  পুনঃজবানবন্দীর মূল উদ্দেশ্য হবে জেরার উল্লেখিত সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করে, পুনঃজবানবন্দীতে সেগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে।  আদালত অনুমতি দিলে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয়ে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায়।

⇒ পুনঃ জবানবন্দীর সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন কোন বিষয়ের অবতারণা করে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা বা Further cross-examination করতে পারে।

⇒  সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় জবানবন্দী, বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে বলা হয় জেরা; অন্যদিকে নিজের সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম, পুনসাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ: প্রথমে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। অতঃপর (বিরুদ্ধে পক্ষ ইচ্ছা করলে) সাক্ষীকে জেরা করা হবে, তৎপর (সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ ইচ্ছা করলে) পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।

⇒ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং জেরা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্বন্ধে হতে হবে। তবে সাক্ষী তার জবানবন্দিতে যে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জবানবন্দি দিয়েছেন, সে সকল বিষয়ে কেবলমাত্র জেরা করা চলবে এমন নয়।

⇒ সাক্ষী জেরা প্রসঙ্গে যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করেন, পুনঃজবানবন্দিতে সেগুলোর ব্যাখ্যা চাইতে হবে, যদি পুনঃজবানবন্দি গ্রহণের সময় আদালতের সম্মতি নিয়ে কোন নূতন বিষয়ের অবতারণা করা হয়, তবে সে সকল বিষয়ে বিরুদ্ধপক্ষ আরো জেরা করতে পারবেন।
--------------
⇒ Order of examinations
Section 138. Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
 
⇒ The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ Direction of re-examination

The re-examination shall be directed to the explanation of matters referred to in cross-examination; and, if new matter is, by permission of the Court, introduced in re-examination, the adverse party may further cross-examine upon that matter.
১,৫৭৮.
বিশেষজ্ঞদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বিবেচনামূলক
  2. নির্দেশনামূলক
  3. উপদেশমূলক
  4. বাধ্যকর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত:-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

-------------------
Opinion of Experts:
Section 45.
 When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.

Such persons are called experts.
১,৫৭৯.
বিবাদী খ-এর হাতে একটি দলিল আছে, কিন্তু খ উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করেনি। অন্যদিকে বাদী ক উক্ত দলিল আদালতে দাখিলের জন্য খ-কে বললেও সে তা দাখিল করেনি। এই দলিলের বিষয়ে আদালত কী অনুমান করতে পারেন?
  1. দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
  2. দলিল টি বাদীর অনুকূলে যাবে
  3. দলিলটি বিবাদীর অনুকূলে যাবে
  4. দলিলের বিষয়ে আদালত কোনো অনুমান করতে পারবে না।
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিবাদীর বিরুদ্ধে যাবে
ব্যাখ্যা
১১৪ ধারার বলা হয়েছে-the Court may presume- that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it;

♦ অর্থাৎ, যে পক্ষ কোনো দলিল দাখিলে বাঁধা দিবে উক্ত দলিল তাঁর বিরুদ্ধে যাবে এইমর্মে অনুমান করা যাবে।
১,৫৮০.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হবে
  3. দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
  4. দলিলটির দ্বারা দায় সৃষ্টি হলেও অধিকার সৃষ্টি হবে না
সঠিক উত্তর:
দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য: যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪১ ধারার বিধান যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা। দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে।
১,৫৮১.
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সাধারণত কত দিনের মধ্যে করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ৯০ দিন।
- রিভিশনের তামাদির মেয়াদ সরাসরি তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ নেই। তবে আদালতের রীতি ও প্রথা অনুযায়ী, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়। 
এ ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সময়সীমা অনুসরণ করা হয়:
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
১,৫৮২.
‘E’ একটি বই বিক্রি করে, যাতে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় রয়েছে, এবং তিনি জানেন যে এটি মানহানিকর। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০২ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত কোনো মুদ্রিত বা খোদিত উপাদান বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, সে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘E’ জেনেশুনে Z-এর সম্পর্কে মানহানিকর বিষয় সম্বলিত একটি বই বিক্রি করেছে, যা ধারা ৫০২-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৫০২-এর অধীনে মানহানিকর বিষয় বিক্রি হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 502-Sale of printed or engraved substance containing defamatory matter:
- Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৫৮৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, একটি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় প্রদত্ত হলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও পূর্বে তা প্ররোচনার মাধ্যমে আদায় করা হয়েছিল?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, “If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.”
অর্থাৎ, যদি আদালতের মতামতে ধারা ২৪-এর অধীনে দেওয়া কোনো স্বীকারোক্তির ক্ষেত্রে প্ররোচনা, ভয়, বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যায়, এবং পরে আসামি স্বতঃস্ফূর্তভাবে (স্বেচ্ছায়) সেই স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।
- ধারা ২৪ বলছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের (যেমন পুলিশ) প্ররোচনা, ভয় দেখানো, বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, এবং তা আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
- ধারা ২৮ বলছে, যদি আদালতের মতে সেই প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির প্রভাব সম্পূর্ণরূপে দূর হয় এবং আসামি পরে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি প্রদান করে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৮ বলছে, অর্থাৎ,যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্রথমে ভয়, প্ররোচনা বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হয়ে থাকে এবং পরে আদালতের মতে সেই ভয় বা প্ররোচনার প্রভাব সম্পূর্ণভাবে দূর হয়, এবং আসামি পরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকারোক্তি দেয় — তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য (relevant) হতে পারে।
১,৫৮৪.
রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করলে সংক্ষুদ্ধ বাদীর প্রতিকার হতে পারে-
  1. কোন প্রতিকার নাই
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. আপীল
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রদত্ত আদেশ আপীলযোগ্য না। তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১,৫৮৫.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত
  2. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  3. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
১,৫৮৬.
‘D’, ‘Z’-এর চাকর হিসেবে কাজ করত, এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি (টাকা ও আসবাব) অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারের জন্য নিয়ে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মৃত ব্যক্তির অধিকারে থাকা সম্পত্তি, যা মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং পরবর্তীতে কোনো বৈধ অধিকারীর অধিকারে আসেনি, অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করে, সে অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয়ের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি অপরাধী মৃত ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর চাকর ছিল এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে, তাই ধারা ৪০৪-এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘D’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৪ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 404. Dishonestly misappropriation of property possessed by deceased person at the time of his death:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use property, knowing that such property was in the possession of a deceased person at the time of that person's decease and has not since been in the possession of any person legally entitled to such possession, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years and shall also be liable to fine; and if the offender at the time of such person's decease was employed by him as a clerk or servant, the imprisonment may extend to seven years. 

Illustration:
Z dies in possession of furniture and money. His servant A, before the money comes into possession of any person entitled to such possession dishonestly misappropriates it. A has committed the offence defined in this section.

১,৫৮৭.
ডিক্রি রদের আবেদন সম্পর্কে _______ নোটিশ জারি করা না হলে, উক্ত আবেদনক্রমে ডিক্রি রদ করা যাবে না।
  1. আদালতকে
  2. উভয় পক্ষকে
  3. অপর পক্ষকে
  4. উল্লেখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
ব্যাখ্যা
অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে কোন ডিক্রি রদ করা যাবে না।
[No decree to be set aside without notice to opposite party]

আদেশ ৯ বিধি ১৪ অনুযায়ী-
ডিক্রি রদের আবেদন সম্পর্কে অপর পক্ষকে নোটিশ জারি করা না হলে্‌ উক্ত আবেদনক্রমে ডিক্রি রদ করা যাবে না।
[No decree shall be set aside on any such application as aforesaid unless notice thereof has been served on the opposite party.]
১,৫৮৮.
'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখায়। দণ্ডবিধি অনুসারে ক-এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' খ-এর পকেট থেকে মানিব্যাগ ছিনতাই (snatching) করার সময় খ-কে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়েছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯০ অনুসারে, এটি দস্যুতা (Robbery) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ চুরি (theft) করার সময় অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে আশু আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখিয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.

১,৫৮৯.
নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. হিসাব সংশোধনের জন্য
  2. হিসাব সমন্বয় করা জন্য
  3. স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
  4. স্থানীয় তদন্তের জন্য
সঠিক উত্তর:
হিসাব সংশোধনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিসাব সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

অর্থাৎ হিসাব সংশোধনের জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না। 
-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১,৫৯০.
আলম ও রানা একটি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি করেছেন। চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে রানা ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চায়। এই ক্ষেত্রে মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

১,৫৯১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৫৮ ধারার বিষয়বস্তু কি?
  1. গ্রেফতার ও আটক
  2. আটক ও মুক্তি
  3. খোরপোষ ভাতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮  আইনের  ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেনাদারকে আটক ও মুক্তির বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের জন্য ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম পরিশোধের জন্য  ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে ।
• তবে দেনাদার অর্থ পরিশোধ করলে তাকে মুক্তি দিবেন।
১,৫৯২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মারামারির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫৯-এ বলা হয়েছে: “যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে ও শান্তিভঙ্গ ঘটায়, তখন বলা হয় যে তারা ‘মারামারি’ করেছে (commit an affray)।”

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১,৫৯৩.
নিচের কোনটি পুলিশ ডায়েরি এর ব্যবহার নয়?
  1. ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  2. ফৌজদারি আদালত অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারে।
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে।
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারা অনুযায়ী জেরায় ব্যবহার করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭২(২) মোতাবেক যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়েরি সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নয়, তবে মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

• আদালত কেবল এই ডায়েরি দেখেছেন বা এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি তাচেয়ে পাঠাবার বা দেখার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়েরি প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
১,৫৯৪.
পুলিশ কর্মকর্তা 'Police Diary' তে কী লিপিবদ্ধ করে থাকেন?
  1. জামিননামার শর্তসমূহ
  2. তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
  3. বিচারিক কার্যক্রমের তথ্য
  4. পক্ষদ্বয়ের পারিবারিক তথ্য
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত কার্যক্রমের তথ্য
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
 
• ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে,
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
 
• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
 
• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
১,৫৯৫.
৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
  3. আসামীর সম্মতি
  4. আইনজীবীর অনুমতি
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
- ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
- ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
১,৫৯৬.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ _____ মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
• ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
---------
• Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept. 

(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree: 
 
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.
১,৫৯৭.
'আদালত সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫১
  3. ধারা ৩৫২
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
১,৫৯৮.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to Digital Signature Certificates
  4. Presumption as to physical or forensic evidence
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Digital Signature Certificates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Digital Signature Certificates
ব্যাখ্যা
⇒ Section 85C Presumption as to Digital Signature Certificates (ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume) 

⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to Digital Signature Certificates
Section 85C. The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.]
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১,৫৯৯.
নিচের কোন ধারায় বলা হয়েছে, “একটি দলিল যদি একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে প্রতিটি অংশই প্রাথমিক সাক্ষ্য”?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬২
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২-এ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই ধারার Explanation-1 অনুযায়ী: “Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.”
অর্থাৎ, যখন একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয় (যেমন: চুক্তির প্রতিলিপি দুই পক্ষের জন্য করা হয়), তখন প্রতিটি অংশই মূল দলিলের মতো প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
- এটাই ধারা ৬২-এর মূল ব্যাখ্যার অংশ।
তাই সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৬২। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য: কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।
ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথা: মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 62- Primary evidence: Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court.
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it.
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
Illustration
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
১,৬০০.
গাজীপুরে অবস্থিত একটি কারখানার একজন শ্রমিককে তার পাওনা মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে, উক্ত শ্রমিক তামাদি আইনের বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে মজুরি আদায়ের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৭ অনুসারে,
গৃহ-ভৃত্য, কারিগর বা শ্রমিকের মজুরী বকেয়া হলে তার মামলা করার সময়সীমা হলো ১ বছর।

⇒ অর্থাৎ, শ্রমিকের মজুরী যে তারিখে বকেয়া হবে সেই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে তাকে মামলা করতে হবে।