বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৭ / ১২৬ · ১,৬০১১,৭০০ / ১২,৬০৫

১,৬০১.
What type of information is not assumed to be correct in a Digital Signature Certificate?
  1. Date of issue
  2. Verified subscriber information
  3. Information about the certificate authority
  4. Subscriber information that has not been verified
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
ব্যাখ্যা
⇒ Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates:
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.

সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
১,৬০২.
Limitation Act, 1908- এর অনুচ্ছেদ ১০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Right to sue
  2. Right of damage
  3. Right of Pre-emption
  4. Right to adverse possession
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Right of Pre-emption
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১০ অনুচ্ছেদ- অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের জন্য,
যেই অধিকার আইন, প্রথা/রেওয়াজ, অথবা বিশেষ চুক্তি-র উপর ভিত্তি করেই হোক না কেন –
তামাদি মেয়াদ: এক (১) বছর।

সময়সীমা গণনার শুরু:
- যেদিন বিক্রেতার কাছ থেকে সম্পত্তির দখল (physical possession) ক্রেতা গ্রহণ করে, অথবা,
- যদি বিক্রিত সম্পত্তির প্রকৃতি এমন হয় যে তার শারীরিক দখল সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল নিবন্ধিত হওয়ার দিন থেকে সময় গণনা শুরু হবে।
১,৬০৩.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে বাদী এই ক্ষেত্রে-
  1. মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে পারবে না
  2. পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে তার ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করবে
  3. পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
  4. নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে
সঠিক উত্তর:
পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় যেদিন আদালত খুলবে ঐদিন দায়ের করবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়: যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
-----------------
⇒ Section-4. Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১,৬০৪.
তামাদি আইনের সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ১২০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বা তামাদির মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন হয়। এই মেয়াদগুলি প্রথম তফসিলের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।
→ সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ এ বন্ধক (mortgage) সংক্রান্ত মামলা ও অন্যান্য নির্দিষ্ট সিভিল দাবির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ৬০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

 উদাহরণ:
- যদি কেউ কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দিয়ে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা ফেরত না পায়, তাহলে সে ৬০ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারবে।
১,৬০৫.
মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব নিয়ন্ত্রিত হয় ________ দ্বারা।
  1. The direction of the court
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Specific Relief Act, 1877
  4. The Code of Civil Procedure,1908
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব,মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিশেষ করে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশ (Order 40) তে রিসিভারের নিয়োগ, তার ক্ষমতা, অধিকার এবং দায়দায়িত্বের বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১,৬০৬.
ক একটি বক্স থেকে সোনা চুরির উদ্দেশ্যে বক্সটি ভেঙ্গে দেখলো বক্সটি খালি। ক-এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য।
  1. ক কোনো অপরাধ করেনি
  2. ক চুরির অপরাধ করেছে
  3. ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. ক চুরির প্রস্তুতির অপরাধ করেছে
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক চুরির প্রচেষ্টার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ আলোচ্য সমস্যাতে ক চুরির চেষ্টা বা attempt to commit theft করেছে।  পেনাল কোড-এর ৫১১ ধারার (a) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১,৬০৭.
X একটি গুদামে স্টোর কিপারের দায়িত্বে আছে। Y-এর কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য X কে দায়িত্ব দেওয়া হলো। পণ্যগুলো X এর দখল হতে জনৈক B গ্রহণ করলে X উক্ত পন্যগুলো ফেরত পাবার জন্য B এর বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা করবে?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• X উক্ত পন্যের জিম্মাদার হওয়ায় উক্ত  পণ্যের বর্তমান দখলের অধিকারী, সে পণ্যের মালিক না হলেও পণ্যটি দখলে রাখার বিশেষ অধিকার রাখে।
• তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য X সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় B এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।
১,৬০৮.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার (summary trial)-এ কোনটি এক সেশনে করা যেতে পারে?
  1. চার্জ গঠন
  2. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  3. রায় ঘোষণা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচার: বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত মামলায়, আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে এবং যদি তা সম্ভব হয়, তখন নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ প্রবর্তন (Framing of charges);
- সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ (Recording of evidence);
- অভিযুক্তের পরীক্ষা (Examination of the accused);
- রায় ঘোষণা (Pronouncement of judgment).

১,৬০৯.
কোন ব্যক্তিকে _______ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
-The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা: 
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
----------
Section 320. Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১,৬১০.
‘ক' ' খ ' কে খুন করার জন্য ‘গ’ -কে প্ররোচিত করে । গ কাজটি করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বক্তব্যটি সত্য?
  1. যেহেতু খুন সংঘটিত হয়নি, তাই ক প্ররোচনার এর জন্য দোষী হবে না
  2. ক এবং খ উভয় অপরাধজনক ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী হবে
  3. যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  4. ক এবং গ এর সমান শাস্তি হবে
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদিও গ কাজটি অস্বীকার করেছে, তবুও ক প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ১০৮, ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী,  যে অপরাধটি সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে তা না হলেও প্ররোচিত করার জন্য প্ররোচনাকারী [Abettor ] দোষী সাব্যস্ত হবে।
♦ তাই গ কাজটি করতে অস্বীকার করলেও ক খুন করার প্ররোচনার জন্য শাস্তি পাবে। যেহেতু গ কাজটি করেনি, তাই সে দায়ী হবে না।
১,৬১১.
তামাদি আইনের ৪ ধারার শিরোনামের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
  2. আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
  3. আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
  4. আদালত খোলা থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
১,৬১২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-26, Rule-17(1) অনুসারে কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের জন্য কোন বিষয়গুলো প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ এবং দলিল উপস্থাপন
  2. সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ
  3. কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের হাজিরা, জবানবন্দি গ্রহণ, দলিল উপস্থাপন, সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান এবং সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে এবং কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীর হাজিরা ও জবানবন্দি প্রদান:
(১) সাক্ষীদের সমন প্রদান, হাজিরা এবং জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীর পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর দণ্ড আরোপ সংক্রান্ত অত্র কোডের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক, না কেন, উক্ত কমিশন কর্তৃক অত্র আদেশ অনুসারে সাক্ষ্য দানের জন্য বা দলিল উপস্থিত করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং অত্র বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানী আদালত হিসাবে গণ্য করা হবে।
(২) যে আদালতের স্থানীয় সীমানার ভিতর কোন সাক্ষী বসবাস করে, তিনে প্রয়োজনীয়তা খুঁজিয়া পেলে সে সাক্ষীর প্রতি বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ নহে) কমিশনার আবেদন করতে পারেন, এবং উক্ত আদালত ইচ্ছা করলে যুক্তিসংগত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারেন।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-26, Rule-17. Attendance and Examination of Witnesses before Commissioner:
(1) The provisions of this Code relating to the summoning, attendance and examination of witnesses, and to the remuneration of, and penalties to be imposed upon, witnesses, shall apply to persons required to give evidence or to produce documents under this order whether the commission in execution of which they are so required has been issued by a Court situate within or by a Court situate beyond the limits of Bangladesh, and for the purposes of this rule the commissioner shall be deemed to be a Civil Court.
(2) A Commissioner may apply to any Court (not being the High Court Division) within the local limits of whose jurisdiction a witness resides for the issue of any process which he may find it necessary to issue to or against such witness, and such Court may, in its discretion, issue such process as it considers reasonable and proper.
১,৬১৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. মামলা শেষ হওয়ার পর
  2. আরজি দাখিল করার সময়
  3. পরোয়ানা জারি করার পর
  4. মামলার শুনানির সময়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
১,৬১৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি কার পক্ষে মামলা দায়ের করেন?
  1. কেবল নিজের পক্ষে
  2. শুধু আদালতের পক্ষে
  3. নিজের এবং আদালতের পক্ষে
  4. নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,৬১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ দেওয়া যাবে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ২টি ক্ষেত্রে রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিতে পারে (সম্পত্তি সংরক্ষনের জন্য, ডিক্রী জারির জন্য)।
• রিসিভারের দায় দায়িত্ব ও অধিকার CPC অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হয়।
১,৬১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব কী?
  1. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা
  2. ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করা
  3. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করা
  4. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ:
কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
১,৬১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার অধীনে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত হচ্ছে-
  1. দায়রা আদালত ও জেলা আদালত
  2. জেলা আদালত ও হাইকোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট ও জেলা আদালত
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
১,৬১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় ডিক্রী জারি সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫ ধারা
  2. ৩৭ ধারা
  3. ৩৮ ধারা
  4. ৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ডিক্রি জারি করা যাবে: ১) যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত দ্বারা, অথবা ২) যে আদালতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত দ্বারা।
অর্থাৎ, ডিক্রি কার্যকর বা জারি করার ক্ষেত্রে এই ধারা নির্দেশিকা প্রদান করে যে, ডিক্রি প্রেরিত বা মূল আদালত উভয়ই ডিক্রি জারি করতে পারে। এটি ডিক্রি জারি সম্পর্কিত মূল বিধান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১) যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২) যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

- আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
- ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।
- ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

১,৬১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা 
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
------------------
Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.

১,৬২০.
বার কাউন্সিলের 'ত্রাণ তহবিল' এর গঠন বিষয়ক বিধান রয়েছে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর-
  1. ১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১৫ অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ১৫:
(১) যখন প্রয়োজন হবে, বার কাউন্সিল কোনো বিপদগ্রস্ত অ্যাডভোকেট, তার পরিবার ও নির্ভরশীলদের সাহায্যার্থে, অথবা যুদ্ধবিধ্বস্ত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বার অ্যাসোসিয়েশনসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য একটি ত্রাণ তহবিল গঠন করতে পারবে।

(২) ধারা (১)-এর অধীনে গঠিত ত্রাণ তহবিল নিম্নলিখিত উৎস থেকে গঠিত হতে পারে:
(ক) বার কাউন্সিলের অন্য কোনো তহবিল থেকে স্থানান্তরিত অর্থ;
(খ) সরকারের অনুদান;
(গ) অ্যাডভোকেটদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান বা চাঁদা;
(ঘ) জনসাধারণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত দান।

(৩) ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান নিম্নোক্তভাবে হতে পারে:
- ঋণ প্রদান,
- ঋণ পরিশোধের জন্য গ্যারান্টি,
- এককালীন অনুদান,
- পণ্য/উপকরণ ক্রয় ও বিতরণ।

(৪) এই অনুচ্ছেদের অধীনে যেভাবে এবং যেসব শর্তে সহায়তা প্রদান করা হবে, তা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
১,৬২১.
Under Criminal Procedure Code, 1898 what is the period of limitation prescribed for taking cognizance of an offence which is punishable with imprisonment for a term exceeding 3 years?
  1. 2 years
  2. 3 years
  3. 5 years
  4. No limit of period prescribed
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No limit of period prescribed
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) No limit of period prescribed.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী ফৌজদারি (Criminal) মামলার জন্য সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত নেই।
অর্থাৎ, যদি অপরাধের শাস্তি ৩ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য হয়, আদালত যে কোনো সময় সেই অপরাধের বিচার শুরু করতে পারে।
কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তবে যতদিন পর্যন্ত অপরাধের বিষয়ে মামলা দায়ের না হয়, ততদিনও মামলা করা যেতে পারে,
যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত মনে করে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা গ্রহণযোগ্য।

- এছাড়াও, তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলা বা বৈধ দাবির জন্য প্রযোজ্য। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত এই আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, CrPC) অনুসারে, কোনো ফৌজদারী ঘটনার (অপরাধ) প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (First Information Report, FIR) দায়ের করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। অর্থাৎ, কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট কেউ ঘটনার পর যেকোনো সময় থানায় গিয়ে FIR দায়ের করতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ৩ বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আদালত ন্যায়ের স্বার্থে যে কোনো সময় cognizance নিতে পারে।

১,৬২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১২ অনুসারে, সাক্ষীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১২ এর বিধান অনুযায়ী, কোনো সাক্ষী আদালতের সমন পাওয়ার পরও যদি উপস্থিত না হন বা সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত তার জীবনযাত্রার অবস্থা ও মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৫০০ (পাঁচশ) টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 16 Rule-12-Procedure if witness fails to appear: 
- The Court may, where such person does not appear, or appears but fails so to satisfy the Court, impose upon him such fine not exceeding five hundred Taka as it thinks fit, having regard to his condition in life and all the circumstances of the case, and may order his property, or any part thereof, to be attached and sold or, if already attached under rule 10, to be sold for the purpose of satisfying all costs of such attachment, together with the amount of the said fine, if any: Provided that, if the person whose attendance is required pays into Court the costs and fine aforesaid, the Court shall order the property to be released from attachment.

১,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।

♦  ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১,৬২৪.
একটি আরজিতে সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে কে?
  1. সম্পাদনকারী
  2. বাদীর উকিল
  3. পুলিশ
  4. বিবাদীর উকিল
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনকারী
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
১,৬২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১০ বিধি ৪ (২) অনুসারে আদালত কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষনা করে কোন আদেশ দিলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার হলো?
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিউ করতে পারবে
  3. রিভিশন করতে পারবে
  4. রেফারেন্স পাঠাতে পাারবে
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি  আদেশ ১০ বিধি ৪ (২) অনুযায়ী শুনানীর নির্ধারিত দিনে পক্ষ হাজির না হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষনা করতে পারে।
⇒ সংক্ষুব্ধ পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করবে
১,৬২৬.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কোন সময় টা বাদ দেওয়ার বিধান নেই?
  1. যেদিন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে সেদিন
  2. যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
  3. রায়-ডিক্রির কপি প্রাপ্ত হতে যে সময় লাগে
  4. রোয়েদাদের কপি প্রাপ্ত হতে ব্যয়কৃত সময়
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে। যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন বাদ দেওয়ার বিধান নেই।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
রায় ঘোষণার দিন।
রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
১,৬২৭.
ফৌজদারী মামলার কোন পর্যায়ে আসামী ডিসচার্জের আবেদন করতে পারেন?
  1. অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী পরীক্ষাকালে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।
- উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।
- অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

⇒ অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
- অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
- প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং
- প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে

⇒ মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
- মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
১,৬২৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কত বছর ধরা হয়?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ যদিও প্রাথমিক অর্থে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে আমৃত্যু কারাদণ্ডকে বোঝায়, কিন্তু দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে (In calculating fractions of terms of Punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years)।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল-
কোন অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি দশ হাজার (১০,০০০/-) টাকা জরিমানা করা হলে। যদি অপরাধী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কত বছর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না, কারণ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই কেননা কোন ব্যক্তি কতদিন বাঁচবে তা কেউ বলতে পারে না।
- এ রকম অনিশ্চয়তা দূর করতে অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হলে উক্ত ব্যক্তির অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড কীভাবে নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা রয়েছে যে, শুধুমাত্র শাস্তির ভগ্নাংশ হিসেব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরা হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-57: Fractions of terms of punishment:
-In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
১,৬২৯.
চুক্তি রদের ক্ষেত্রে আদালত কোন পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. তৃতীয় পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চায়
  3. যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
  4. কোনো পক্ষকে নয়
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১,৬৩০.
'চ' কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমায় আদালত 'ম' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ম' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন-
  1. 'ম' এর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. 'ম' কে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক বা খ কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে।
১,৬৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিকল্প রায় (Judgment in Alternative) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩৬৭(৩)
  2. ৩৬৯(২)
  3. ৩৬৭(১)
  4. ৩৬৯(১)
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১,৬৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-৪৭ , বিধি-২ অনুসারে নিচের কোনটি পুনর্বিবেচনার আবেদনের ভিত্তি নয়?
  1. ক্লারিক্যাল ভুল
  2. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
  4. গাণিতিক ভুল
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ-৪৭, বিধি-২ অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যেতে পারে যদি:
- ক্লারিক্যাল ভুল (যেমন, টীকা বা ভাষাগত ভুল),
- গাণিতিক ভুল (যেমন, গাণিতিক হিসাবের ভুল),
- নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ আবিষ্কার হওয়া, এছাড়া, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামতের ভিত্তিতে কোন আবেদন পুনর্বিবেচনা করা যাবে না।
অতএব, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত পুনর্বিবেচনার আবেদনের বৈধ ভিত্তি নয়।

আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
১,৬৩৩.
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার অর্থ অনুযায়ী ____________ বলে বিবেচিত হবে।
  1. সাধারণ অধিকার
  2. ব্যক্তিগত অধিকার
  3. বিশেষ অধিকার
  4. ব্যতিক্রমী অধিকার
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অধিকার
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

১,৬৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৯ ধারার মামলায় নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না-
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলাকরেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশী সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে। এই ধারায় স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
১,৬৩৫.
তামাদি আইনের ৬ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে 
  4. উল্লিখিতর সকল ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৬ ধারা শুধুমাত্র মোকদ্দমা দায়ের, আদালতের কার্যধারা পরিচালনা, এবং ডিক্রি জারির আবেদন সংক্রান্ত তামাদি গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটি আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধি হয়, তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি গণনা শুরু হবে তখনই, যখন সে এই অপারগতা থেকে মুক্ত হবে। তবে এটি কেবল প্রাথমিক মামলা (suit), আদালতের কার্যধারা (proceeding), বা ডিক্রি জারির আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য।
- আপিল দায়ের একটি পৃথক অধিকার: মোকদ্দমা (suit) বা কার্যধারা (proceeding) দায়ের করার অধিকার এবং আপিল দায়ের করার অধিকার আলাদা। আপিল সাধারণত একটি আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়, যা স্বতন্ত্র এবং The Limitation Act-এর অন্যান্য ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
- তামাদির গণনার প্রভাব: ৬ ধারায় উল্লেখিত বৈধ অপারগতার কারণে যে সময় গণনা বন্ধ রাখা হয়, তা শুধুমাত্র মূল মামলা বা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আপিলের ক্ষেত্রে নয়।

অর্থাৎ আপিলের জন্য নির্ধারিত সময়: আপিল দায়েরের জন্য The Limitation Act-এ স্বতন্ত্র সময়সীমা নির্ধারিত আছে (যেমন, ৩০ বা ৯০ দিন, নির্ভর করে আদেশ বা ডিক্রির ধরন অনুযায়ী)। এই সময়সীমা ৬ ধারার বিধান দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

সুতরাং, The Limitation Act, 1908-এর ৬ ধারা মোকদ্দমা দায়ের, কার্যধারা পরিচালনা, এবং ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কিন্তু আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ, আপিল দায়েরের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারিত আছে এবং তা ৬ ধারার আওতাভুক্ত নয়।

১,৬৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের (Impeaching credit of witness) বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৫০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী বর্তমানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় তিনটি উপায়ে। যথা:-
(i) সাক্ষী যে বিশ্বাসের অযোগ্য তা ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা;
(ii) সাক্ষীকে যে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সাক্ষী যে ঘুষের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, অথবা অন্যকোন দুর্নীতিমূলক প্রলোভনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তা প্রমাণ করে;
(iii) বর্তমান সাক্ষের সাথে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষের অসামঞ্জসতা প্রমাণ করে।

---------------
⇒ Impeaching credit of witness
Section 155. The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

⇒ Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১,৬৩৭.
'ক' ৫০ কেজি চাল 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত চাল 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কী?
  1. শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
  4. কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা

এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে:
১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ;
২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।

এ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা-
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের পরিবর্তে [In Substitution of] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন, অথবা
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের আদেশসহ অতিরিক্ত হিসেবে [In Addition to] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন।

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী,
চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
১,৬৩৮.
বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি-এর পরিমাণ হবে-
  1. ১০০ টাকা
  2.  ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ৪১ক বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করতে হলে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
----------------------------------------
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972, 41(A )The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.

১,৬৩৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্র 'মানহানির' অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে
  2. কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে
  3. অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে।
১,৬৪০.
তামাদি আইন অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
১,৬৪১.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ করবে। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিধান, স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান সম্পর্কেও এখানে নির্দেশনা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
১,৬৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
১,৬৪৩.
একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908- এর কত Article-এ বর্ণিত আছে?
  1. 169
  2. 170
  3. 173
  4. 181
সঠিক উত্তর:
169
উত্তর
সঠিক উত্তর:
169
ব্যাখ্যা
•  তামাদি আইনের ১৬৯ অনুচ্ছেদে একতরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

- একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন।
১,৬৪৪.
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরির সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরি করার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ বছর হতে পারে। এছাড়া, শাস্তি হিসেবে অর্থ দণ্ডও প্রদান করা যেতে পারে বা উভয় দণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,৬৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর বিধান অনুসারে Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে কারা থাকবে?
  1. Sessions Judge
  2. Executive Magistrates
  3. Judicial Magistrates
  4. Metropolitan Magistrates
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrates
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭(২) অনুসারে, গ) Judicial Magistrates সঠিক উত্তর।
- ধারা ১৭(২) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate...”
অর্থাৎ, Chief Judicial Magistrate-এর অধীনে থাকবে: অন্যান্য Judicial Magistrates (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণির) এবং Benches of Judicial Magistrates.

ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো অনুযায়ী:
Chief Judicial Magistrate (CJM): তিনি জেলার প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং তার প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক বন্টন (distribution of business) ক্ষমতা তার অধীনস্থ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর প্রযোজ্য। তার অধীনে থাকেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।
Sessions Judge: জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহ (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সহ) প্রশাসনিকভাবে সেশন জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ। তবে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশাসনিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।
Executive Magistrates: ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকেন এবং তারা মূলত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ইত্যাদি নির্বাহী কাজ করেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন।
Metropolitan Magistrates: মহানগর এলাকার জন্য সমান্তরাল পদ হলো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), যার অধীনে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ থাকেন। তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নন, বরং মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীনে থাকেন। 
- সুতরাং, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি অধীনস্থ হলেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

১,৬৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি সংশোধন করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  4. চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে, যদি কোনো ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের আদেশ অনুসারে চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের (Rescission) নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে বা অন্য কোনো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, এবং সে সম্পত্তির দখলে থাকে, তাহলে—
১) আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে
২) দখলকারীর দখলকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে
৩) বিক্রেতা বা ইজাদাতার ক্ষতিপূরণের জন্য ভাড়া বা লভ্যাংশ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে

উদাহরণ:
→ কোনো ব্যক্তি যদি সম্পত্তি কেনার চুক্তি করে, কিন্তু অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য আদালতে যেতে পারেন।
→ কোনো ইজারাদার (Lessee) যদি ইজারার শর্ত মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মালিক চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।

অর্থাৎ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১,৬৪৭.
একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমান করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায়-
  1. ০৭ বছর যাবৎ
  2. ১০ বছর যাবৎ
  3. ১৫ বছর যাবৎ
  4. ৩০ বছর যাবৎ
সঠিক উত্তর:
০৭ বছর যাবৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৭ বছর যাবৎ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107 Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১,৬৪৮.
কোন ধরনের কাজের জন্য বার কাউন্সিল বা এর ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না?
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে করা
  2. সৎ উদ্দেশ্যে করা
  3. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা
  4. ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে করা
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮-
বার কাউন্সিল বা কোনো ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা বার কাউন্সিলের কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই আদেশের বা এর অধীনে প্রণীত বিধির কোনো বিধানের অধীনে সৎ উদ্দেশ্যে করা বা করার উদ্দেশ্যে করা কোনো কাজের জন্য কোনো মামলা বা অন্যান্য আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

Article 18-
No suit or other legal proceeding shall lie against the Bar Council or any Tribunal, Committee, officer or servant of the Bar Council for any act in good faith done or intended to be done in pursuance of the provisions of this Order or rules made thereunder.
১,৬৪৯.
'The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court'- কত বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা

Order 18, Rule 4- Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪- প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

১,৬৫০.
মামলা প্রমাণের দায়ভার কার উপর?
  1. আদালত
  2. বাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. বিবাদীর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
মামলা প্রমাণ করার দায়িত্ব সর্বদা বাদীপক্ষের ওপর থাকবে। এর মানে হলো, যিনি আদালতকে কোনো বিষয়ের সত্যতা আছে বলে বিশ্বাস করাতে চান, তিনিই তা প্রমাণ করবেন। সুতরাং বিবাদীর প্রতি আনা অভিযোগ বাদীকেই প্রমাণ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, মামলা চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। আইনে বলা আছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে গণ্য হবেন। তাই মামলার শুরুতে আসামি বা অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন নেই। মামলা প্রতিষ্ঠা করার সম্পূর্ণ ভার বাদীপক্ষের ওপর বর্তায়। তবে বাদী যদি মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হন, তখন বাদীর দেওয়া তথ্য-প্রমাণ খণ্ডনের জন্য বিবাদীকে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হবে।
১,৬৫১.
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এর ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. বিশ্বাসভরে
  2. অসাধুভাবে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাসে
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, সরল বিশ্বাসে বা সৎ উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে পরে সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করাই অসাধুভাবে আত্মসাৎ।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
১,৬৫২.
কোন আদালতে একটি দেওয়ানী আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. যে আদালত রায় দেয়
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত রায় দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। যেমন সহকারী জজ ডিক্রি দিলে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
১,৬৫৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর ৯৯ক ধারা মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য কত দিনের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
•[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯৯ক ধারা] মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাজেয়াপ্তির আদেশের তারিখ থেকে ২ মাসের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে।
১,৬৫৪.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে-
  1. পরিবর্তন করা যায়
  2. যেকোনো ভুল সংশোধন করা যায়
  3. করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
  4. রিভিউ করা যায়
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণিক ভুল সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
• বিচার সমাপ্ত হবার পর নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে

Section 369: Court not to alter judgment
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
১,৬৫৫.
Pleadings সংশোধন করা যায়-
  1. অনুসন্ধানের যে কোন পর্যায়ে
  2. তদন্তের যে কোন পর্যায়ে
  3. প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
  4. ডিক্রি জারির কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।

♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।

♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস বা আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে-
   (i) যদি সংশোধনটি পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়।
   (ii) যদি সংশোধনটি অপর পক্ষের জন্য অবিচার না হয়।
১,৬৫৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না
  2. বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
  3. এটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  4. বাদী সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়েছেন
সঠিক উত্তর:
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।

♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।

♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

অর্থাৎ, The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে "বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন" কথাটি সঠিক নয়।
১,৬৫৭.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির "prerogative" বা বিশেষ অধিকারের মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক্ষমা প্রদান
  2. দণ্ড স্থগিত করা
  3. শাস্তি হ্রাস করা
  4. রায় বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বাতিল করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার হিসেবে ক্ষমা প্রদান (grant pardons), দণ্ড স্থগিত (reprieves), মুলতুবি (respites) বা শাস্তি হ্রাস/মওকুফ (remissions of punishment)-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রায় বাতিল করা রাষ্ট্রপতির এই বিশেষ অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। রায় বাতিল বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা আদালতের এখতিয়ারভুক্ত (যেমন: আপিল, পুনর্বিবেচনা ইত্যাদি)।
রাষ্ট্রপতি শাস্তি হ্রাস বা ক্ষমা করতে পারেন, কিন্তু আদালতের দেওয়া রায় বা দণ্ডাদেশ আইনগতভাবে বাতিল করতে পারেন না।
- সুতরাং, ঘ) রায় বাতিল করা সঠিক উত্তর, কারণ এটি রাষ্ট্রপতির "prerogative" অধিকারের অংশ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

১,৬৫৮.
'All other documents are private.' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ Private documents

Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১,৬৫৯.
বার কাউন্সিলের প্রাতিষ্ঠানিক নাম কী?
  1. Bangladesh Legal Council
  2. National Bar Council
  3. Bangladesh Bar Council
  4. Bangladesh Legal Practitioner's Council
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bar Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bar Council
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: C) Bangladesh Bar Council.

The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩:
(1) There shall be constituted in accordance with the provisions of this Order a Bar Council to be called the Bangladesh Bar Council.
(১) এই আদেশের বিধান অনুযায়ী একটি বার কাউন্সিল গঠিত হবে, যার নাম হবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।

(2) The Bar Council shall be a body corporate having perpetual succession and a common seal, with power to acquire and hold property, both movable and immovable, and to contract, and shall by the said name sue and be sued.
(২) বার কাউন্সিল একটি আইনগত সত্তা (body corporate) হিসেবে বিবেচিত হবে, যার থাকবে চিরস্থায়ী উত্তরাধিকার (perpetual succession) এবং একটি সাধারণ সিল (common seal)। এটি অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ধারণ করার, চুক্তি সম্পাদনের, এবং উক্ত নামেই মামলা করার ও মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখবে।
১,৬৬০.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ৫টি ব্যতিক্রম রয়েছে, যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।
১,৬৬১.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোন অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই?
  1. অবৈধ বাধাদান
  2. স্বেচ্ছাকৃত আঘাত দান
  3. মারামারি
  4. দাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

• ধারা: ১৬০- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা: ১৪৭ - দাঙ্গার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং, The Penal Code, 1860 অনুসারে দাঙ্গার অপরাধে অর্থদণ্ডের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নাই।
১,৬৬২.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার নিম্নলিখিত কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে স্বামী বা স্ত্রীকে বাধ্য করা যাবে না?
  1. বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
  2. স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার কোন মামলায়
  3. বিবাহ পূর্বকালীন বা পরবর্তী কালীন যে কোন যোগাযোগ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমায় স্বামী এবং স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী এবং ফৌজদারী মামলায় স্বামী এবং স্ত্রী অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী।  তবে ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়নি বরং স্বামী এবং স্ত্রী কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য না, তা ১২২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উক্ত ধারানুযায়ী, বিবাহ বলবৎ থাকাকালে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ (যোগাযোগ) প্রকাশ করতে তারা বাধ্য না।

কিন্তু নিম্নলিখিত স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ বা যোগাযোগ প্রকাশে কোন পক্ষকে বাধ্য করা যাবে-

১. যখন যে ব্যক্তি এমন যোগাযোগ করেছিল সে বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি সম্মতি প্রদান করে এবং

২. বিবাহিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন মামলায় তা ফৌজদারী হোক বা দেওয়ানী হোক যেক্ষেত্রে একজনকে অন্যজনের প্রতি সংঘটিত কোনো অপরাধের জন্য বিচার করা হচ্ছে। যেমন- তালাক মামলায় স্বামী বা স্ত্রী তাদের মধ্যেকার যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে বা তাদের বাধ্য করা যাবে।
১,৬৬৩.
'দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা সাতদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে'- উক্ত বিধান আদালতের জন্য-
  1. ঐচ্ছিক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. ঐচ্ছিক তবে গুরুত্বপূর্ণ
  4. আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

• উক্ত বিধিতে ''shall'' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। যার দরুণ এই বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১,৬৬৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারবে।
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
১,৬৬৫.
রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা কীভাবে নির্ধারণ করে হয়?
  1. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে
  2. জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে 
  3. রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(১) ধারা অনুযায়ী, রাজস্ব আদালতের কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে যদি কোনো বিশেষ আইনে কোনো বিষয় উল্লেখ না থাকে, তবে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানগুলো রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার যদি মনে করে যে, এই বিধানগুলোর কিছু অংশ রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয় বা কিছু সংশোধনীর মাধ্যমে প্রযোজ্য হওয়া উচিত, তাহলে সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করতে পারে।

→ অর্থাৎ রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্ধারণ করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
১,৬৬৬.
The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. প্রতারণার ফলাফল
  2. বৈদেশিক রায়
  3. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
  4. ক্ষতিপূরণ মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
১,৬৬৭.
The Code of Civil Procedure,1908 এর ৯৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে-
  1. প্রাথমিক ডিক্রি বাতিল হয়ে যাবে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না
  3. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে
  4. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
১,৬৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র জেরায়
  2. শুধুমাত্র জবানবন্দিতে
  3. শুধুমাত্র পুনঃজবানবন্দিতে
  4. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) শুধুমাত্র জেরায়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) সাধারণত জেরা (Cross-examination) পর্বে জিজ্ঞাসা করা যাবে। জেরার সময়, প্রশ্নকারী পক্ষ বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে, যেগুলোর মধ্যে উত্তর দেওয়ার ইঙ্গিত থাকে, অর্থাৎ প্রশ্নটি এমনভাবে করা হয় যাতে সাক্ষী সহজে "হ্যাঁ" বা "না" উত্তর দিতে পারে।
তবে, জবানবন্দি বা পুনঃজবানবন্দি পর্বে সাধারণত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা নিষিদ্ধ থাকে, কারণ সেই সময় সাক্ষীর বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা এবং সত্যতা যাচাই করা দরকার, এবং জেরার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীকে প্রভাবিত করা সম্ভব হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন সেগুলো জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরা (cross-examination) এর সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 143.When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

১,৬৬৯.
'A', 'B'- এর বিরুদ্ধে জমির দখলের একটি রায় পেয়েছে। 'B' এর পুত্র 'C', এর প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে 'A'- কে হত্যা করে। উক্ত খুনের ক্ষেত্রে প্রদত্ত দেওয়ানি রায়ের অস্তিত্ব-
  1. অপ্রাসঙ্গিক
  2. প্রাসঙ্গিক
  3. কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারা অনুযায়ী,
৪০, ৪১ এবং ৪২ ধারায় উল্লিখিত রায়, আদেশ বা নির্দেশনা ব্যতীত অন্য সকল রায়, আদেশ বা নির্দেশনা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। তবে যদি এমন রায়, আদেশ বা নির্দেশনার অস্তিত্বই মামলার বিচার্য বিষয় হয়, অথবা এই আইনের অন্য কোনো বিধানে তা প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে।

উদাহরণটিতে দেখা যাচ্ছে, A কর্তৃক B'র বিরুদ্ধে জমির দখল নেওয়ার রায়ের অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক কারণ এটি B এর পুত্র C এর A-কে হত্যা করার উদ্দেশ্য দেখায়। অর্থাৎ, এই রায়ের অস্তিত্ব অপরাধের প্রেরণা বা মোটিভকে প্রদর্শন করায় তা প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

Section 43:

Judgments, orders or decrees, other than those mentioned in sections 40, 41 and 42, are irrelevant, unless the existence of such judgment, order or decree is a fact in issue, or is relevant under some other provision of this Act.

Illustration-
(d) A has obtained a decree for the possession of land against B. C, B's son, murders A in consequence. The existence of the judgment is relevant, as showing motive for a crime.
১,৬৭০.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৫০: মিথ্যা, অমূলক বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা পুলিশ/ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং মামলায় অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা অব্যাহতি দেন, এবং তাঁর মত হয় যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল—
তাহলে, অভিযোগকারী (বা তথ্যদাতা) উপস্থিত থাকলে, ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সাথে সাথে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি অভিযুক্তকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না।
যদি অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকেন, তবে তাঁকে হাজির করার জন্য সমন জারি করা হবে।

(২) অভিযোগকারী যদি কারণ দর্শান, ম্যাজিস্ট্রেট তা বিবেচনা করবেন।
যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক/অমূলক ছিল, তবে তিনি লিখিত কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা হতে পারবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে পারবেন।

(২ক) যদি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান না করা হয়, তবে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের সাধারণ কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।

(২খ) এ ধরনের কারাদণ্ড হলে দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা প্রয়োগ হবে।

(২গ) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া মানে এই নয় যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা অন্য কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।
তবে, পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময়, এখানে প্রদত্ত টাকার পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।

(৩) যদি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কারও বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন, তবে অভিযোগকারী সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

(৪) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা আসামিকে প্রদান করা যাবে না।
যেসব ক্ষেত্রে আপিল করার সুযোগ নেই, সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের টাকা এক মাস পর প্রদান করা যাবে।

(৫) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন যে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করতে হবে।

১,৬৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ৬
  2. আদেশ ৭, বিধি ৯
  3. আদেশ ৮, বিধি ৬
  4. আদেশ ৯, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর আদেশ ৮, বিধি ৬-এ পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই বিধি অনুসারে, অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী বাদীর দাবীর বিরুদ্ধে নিজের পূর্বের নির্দিষ্ট পাওনা (Legal Set-off) দাবি করতে পারে, যাতে দায়শোধ সম্ভব হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা: ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6], খ) Equitable Set-off.

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

Equitable Set-off একটি বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা, যা নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে প্রযোজ্য:
⇒ যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে পারস্পরিক দাবী-দাওয়া থাকে এবং উভয় দাবীই একই উত্স থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ উভয়ের দাবী একই চুক্তি, লেনদেন বা ঘটনার সাথে জড়িত।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী বাদীর দাবীর চেয়ে কম। কারণ যদি বিবাদীর দাবী বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে ক্রস-মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী নগদ টাকার নয়, বরং কোন অনিষ্পন্ন কাজের জন্য। যেমন - বাদী যদি বাকি বেতনের দাবী করে আর বিবাদী দাবী করে কিছু অসম্পূর্ণ কাজের জন্য।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী সুস্পষ্টভাবে অর্থগত মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যেমন - ক্ষতিপূরণের চাহিদা ইত্যাদি।

১,৬৭২.
'গ'-কে গুরুতর জখম করার জন্য 'ক', 'খ'-কে প্ররোচিত করে। 'খ' উক্ত প্ররোচনার ফলে 'গ'-কে গুরুতর জখম করে ফলে 'গ' মারা যায়, 'ক' জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবেনা শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ যেহেতু ক জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাই ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।

♦ দণ্ডবিধির ১১৩ ধারার বিধান সাহায্যকৃত কার্যের কারণে দুষ্কর্মে সহায়তাকারী কর্তৃক অভিপ্রেত পরিণতি হইতে ভিন্ন পরিণতির ক্ষেত্রে দুষমের্মে সহায়তাকারীর দায়িত্ব:
- একটি কাজের জন্য সহায়তা করার ফলে-এবং সে কাজটি যদি এমন হয় যে, তাতে সহায়তা করলে সহায়তাকারী সহায়তার জন্য দায়ী হবেসহায়তাকার কাজটি সম্পাদনে যে ফল সৃষ্ট হবে বলে প্রত্যাশা বা উদ্দেশ্য করেছিল সৃষ্ট ফল যদি তার সে উদ্দিষ্ট বিশেষ ফল হতে ভিন্ন হয়, তবে সৃষ্ট ফল প্রত্যাশা বা উদেম পর্যন্ত দণ্ডিত হত, এই ক্ষেত্রেও সে সেভাবে ততদূর পর্যন্তই দণ্ডিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, যে কার্যটিতে সহায়তাকারী সহায়তা করেছে তার কর্তৃক যে ফল সৃষ্ট হয়েছে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদনে সে ফল সৃষ্টি হতে পারে বলে সহায়তাকারীর জানা ছিল।

♦ উদাহরণ:
- চ-কে গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। তার প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে খ চ- কে গুরুতর আঘাত করে এবং ফলে চ-এর মৃত্যু ঘটে। এই ক্ষেত্রে খ কে প্ররোচনা দেওয়ার সময় ক-এর যদি জানা থেকে থাকে যে, গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য প্ররোচিত কাজটি সম্পাদনের ফলে চ-এর মৃত্যু হতে পারে, তবে ক খুনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,৬৭৩.
Documents must be proved by primary evidence except in cases hereinafter mentioned. বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কত ধারার বিধান?
  1. ৬৫ ধারা
  2. ৬৪ ধারা
  3. ৬৩ ধারা 
  4. ৬২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা

উত্তর:৬৪ ধারা

সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা, প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।
-----------
Section 64, Proof of documents by primary evidence: Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

১,৬৭৪.
১৫ বছর বয়সী রিপন একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার চাচা সজীব তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে সহায়তা করে। রিপন সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। সজীব এই কাজের জন্য কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটিই হতে পারে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১,৬৭৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায়-
  1. শুধু অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  2. শুধু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  3. স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
-------------
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

১,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কে জামিনযোগ্য অপরাধে আটক ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী, জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তি যদি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকেন বা আদালতে হাজির হন এবং জামিন দিতে প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এই মুক্তি দিতে পারে, আদালত অথবা পুলিশ অফিসার (ওসি বা দায়িত্বরত অফিসার)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
- তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
- এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
১,৬৭৭.
কোন ধারায় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষকে নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেয়?
  1. ধারা ১৩৭
  2. ধারা ১৩৮
  3. ধারা ১৫০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষীর সংজ্ঞা:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীনে, যখন কোনো সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিপরীতে বক্তব্য প্রদান করে বা বিরোধী পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়, তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে ঘোষণা করা হয়। বৈরী সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বৈরী সাক্ষ্য বলা হয়। সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। সাক্ষীকে তখনই বৈরী ঘোষণা করা হয়, যখন:
- নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে;
- পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার অধিকার বিরুদ্ধ পক্ষের থাকে, তবে বৈরী সাক্ষীর ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। কোনো সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষকে আদালতে আবেদন করতে হয়। আদালত যদি সেই আবেদন মঞ্জুর করে, তবে সাক্ষী বৈরী হিসেবে গণ্য হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার মূল উদ্দেশ্য হলো তার বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা।

উদাহরণস্বরূপ:
ধরা যাক, একজন সাক্ষী মামলার একটি পক্ষের সমর্থনে আদালতে হাজির হয়। কিন্তু সাক্ষী যখন সাক্ষ্য প্রদান শুরু করে, তখন সে এমন বক্তব্য দেয় যা তার নিজপক্ষের স্বার্থের বিরোধিতা করে এবং অপর পক্ষের পক্ষে যায়। এই পরিস্থিতিতে, সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করতে পারে এবং তাকে জেরা করতে পারে।
১,৬৭৮.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী দাবি/উল্লেখ করতে হয়?
  1. বিলম্বের কারণ
  2. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
  3. মামলার গুরুত্ব
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
১,৬৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও অধিকতর তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৭৩(১) ধারা
  2. ১৭৩(২) ধারা
  3. ১৭৩(৩খ) ধারা
  4. ১৯০(১) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ) ধারা
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] এবং ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১,৬৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান কী?
  1. Power of Court to issue commissions.
  2. Suits by or against the Government.
  3. Commissions issued by foreign Courts.
  4. Letter of request.
সঠিক উত্তর:
Commissions issued by foreign Courts.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commissions issued by foreign Courts.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন। নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।
----------
- Section 78. Commissions issued by foreign Courts:

Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of- 
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or 
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
১,৬৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে, তবে সম্পত্তি কার নিয়ন্ত্রণে থাকে?
  1. পুলিশের নিয়ন্ত্রণে
  2. সরকারের নিয়ন্ত্রণে
  3. আদালতের নিয়ন্ত্রণে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিয়ন্ত্রণে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, যদি ছয় মাসের মধ্যে জব্দকৃত সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসে এবং যে ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে সে যদি প্রমাণ করতে না পারে যে সম্পত্তিটি বৈধভাবে অর্জিত হয়েছে, তবে সেই সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই সম্পত্তি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বিক্রি করা যেতে পারে।

- ধারা ৫২৩(২) অনুসারে, যদি সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এক মাসের মধ্যে দাবিদারকে হাজির হওয়ার জন্য প্রকাশনা জারি করেন।
- ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে কোনো দাবিদার না এলে এবং সম্পত্তির বৈধতা প্রমাণ না হলে, সম্পত্তি সরকারের হয়ে যায় এবং বিক্রির নির্দেশ দেওয়া যায়।
- ধারা ৫২৪(২) অনুসারে, এই ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, যেখানে আপিল সংশ্লিষ্ট আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা হয় সেখানে দায়ের করা যায়।
অতএব, ধারা ৫২৪(১) অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে সম্পত্তির কোনো দাবিদার না আসলে সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

১,৬৮২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হয়?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. বিবাদী দেওলিয়াত্ব
  4. মোকদ্দমার মহিলা পক্ষের বিবাহের কারণে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী দেওলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের, বিধি-৮ মতে যখন বাদীর দেউলিয়াত্ব/অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমায় বাধা হয় (When plaintiff's insolvency bars suit):
কোন বাদীর অস্বচ্ছলতা মোকদ্দমা বাতিল করবে না, যদি বাদীর স্বত্বনিয়োগী (assignee) বা রিসিভার (receiver) তার পাওনাদারদের উপকারার্থে মোকদ্দমা চালাতে থাকে।
স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমা চালু রাখতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, তখন বিবাদী বাদীর অস্বচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমা খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে ।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্ত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে।
১,৬৮৩.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি মুদ্রা নয়?
  1. বাংলাদেশি টাকা
  2. কড়ি
  3. স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য
  4. ফারুখাবাদ টাকা
সঠিক উত্তর:
কড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কড়ি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, 'মুদ্রা' বলতে সেই ধাতব দ্রব্যকে বোঝায় যা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়।
ক) বাংলাদেশি টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
খ) কড়ি: এটি মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
গ) স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য: এটি মুদ্রা হতে পারে যদি এটি কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয় এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ফারুখাবাদ টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি পূর্বে ভারত সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়েছিল এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো।

উদাহরণ:
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার উদাহরণ (Illustration) অনুসারে, কড়ি (Cowries) মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কড়ি।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশি মুদ্রা (Bangladesh Coin):-
বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে, এবং অর্থরুপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরুপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।
(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।
(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।
(ঙ) "ফারুখাবাদ” টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশি মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230: “Coin” defined Bangladesh coin: Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustration:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
১,৬৮৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেনা?
  1. To examine any person
  2. To arrest any person
  3. To make a partition
  4. To make a local investigation
সঠিক উত্তর:
To arrest any person
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To arrest any person
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাঃ ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:  
নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত  উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে (To arrest any person) দেওয়ানী আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেনা। 
--------------------------------
⇒  Section-75: Power of Court to issue commissions. Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
১,৬৮৫.
আপিল আদালত কত দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. আপিল আবেদন দাখিলের ৯০ দিনের মধ্যে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১,৬৮৬.
দেওয়ানি আদালতের মামলা বিচার করার এখতিয়ার (jurisdiction) না থাকলে, উক্ত আদালত মামলার ব্যয় নির্ধারণের ক্ষমতা-
  1. প্রয়োগ করতে পারে
  2. প্রয়োগ করতে পারে না
  3. কেবল পক্ষদ্বয়ের আবেদনে প্রয়োগ করতে পারে
  4. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে প্রয়োগ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫- Costs (খরচের বিধান):
(১) যে নিয়ম বা সীমাবদ্ধতা বিধিবদ্ধ আছে, এবং বর্তমানে কার্যকর যে কোনো আইনের বিধানের অধীনে সব ধরনের মামলা এবং মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যয় (costs) আদালতের বিবেচনাধীন থাকবে।
আদালত সম্পূর্ণ ক্ষমতা রাখে- কার দ্বারা ব্যয় প্রদান করতে হবে, কোন সম্পত্তি থেকে ব্যয় আদায় করা হবে, এবং কোন মাত্রায় তা প্রদান করতে হবে- এসব নির্ধারণ করার জন্য, এবং এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সব নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

আদালতের মামলাটি বিচার করার এখতিয়ার না থাকলেও, ব্যয় নির্ধারণের এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে আদালত বাধাগ্রস্ত হবে না।

(২) যদি আদালত নির্দেশ দেয় যে ব্যয় মামলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হবে না (costs shall not follow the event),
তাহলে আদালতকে অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৩) আদালত চাইলে ব্যয়ের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ হারে সুদ প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ব্যয় হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।

১,৬৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের জন্য ইশতেহার লাগানোর পর কত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
  1. ৭ দিন পর্যন্ত
  2. ১৫ দিন পর্যন্ত
  3. ২১ দিন পর্যন্ত
  4. ৩০ দিন পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৬৮ এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পত্তির (movable property) ক্ষেত্রে ইশতেহারের নকল আদালত ভবনে লাগানোর তারিখ থেকে অন্তত ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত Judgment-debtor-এর লিখিত সম্মতি ছাড়া নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
- অন্যদিকে, স্থাবর সম্পত্তির (immovable property) ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অন্তত ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতাহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.

১,৬৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৫(১) অনুযায়ী, সমন ফেরত আসার পর কত দিনের মধ্যে পুনরায় সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৫(১) অনুযায়ী, যদি কোন বিবাদীর কাছে জারিকৃত সমন (summons) অজারি (unserved) অবস্থায় ফেরত আসে, তাহলে আদালতের কর্মকর্তা কর্তৃক ফেরত সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিন (এক মাস) এর মধ্যে বাদীকে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন করতে হবে। যদি বাদী এই সময়ের মধ্যে আবেদন না করে, তাহলে আদালত ওই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-9 Rule-5: Dismissal of suit where plaintiff, after summons returned unserved, fails for one month to apply for fresh summons:
(1) Where, after a summons has been issued to the defendant, or to one of several defendants, and returned unserved, the plaintiff fails, for a period of one month from the date of return made to the Court by the officer ordinarily certifying to the Court returns made by the serving officers, to apply for the issue of a fresh summons the Court shall make an order that the suit be dismissed as against such defendant, unless the plaintiff has within the said period satisfied the Court that:
(a) he has failed after using his best endeavours to discover the residence of the defendant who has not been served, or
(b) such defendant is avoiding service of process, or
(c) there is any other sufficient cause for extending the time, in which case the Court may extend the time for making such application for such period as it thinks fit.
(2) In such case the plaintiff may (subject to the law of limitation) bring a fresh suit.

১,৬৮৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য মামলা করার জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য মামলা করার তামাদি ১২ বছর।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী: যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিল, কিন্তু পরে বেদখল হয়ে যায় বা নিজে থেকে দখল ত্যাগ করে, তখন সেই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়) মামলা করতে হয় ১২ বছরের মধ্যে। এই সময় গণনা শুরু হয় বেদখল হওয়ার বা দখল ত্যাগের তারিখ থেকে।
__________________
⇒ The Limitation Act 1908, Article 142: The period of limitation of a suit for the recovery of possession of an immoveable property when the plaintiff, while in possession of the property, has been dispossessed or has discontinued the possession.
 is 12 years. The period begins from the date of the dispossession or discontinuance.

১,৬৯০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩০৩ ধারা
  2. ৩১৩ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ৩১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------------
⇒ Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৬৯১.
'বিশেষজ্ঞদের মতামত' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. আদালতের জন্য বাধ্যকর
  2. এটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়
  3. অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
  4. পক্ষদ্বয় মানতে বাধ্য
সঠিক উত্তর:
অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসমর্থন প্রকৃতির সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।
 
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ এবং ৪৫ক ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। পূর্বে পাঁচটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কিন্তু সাক্ষ্য আইন (সংশোধন) ২০২২ এর ফলে ৪৫ ধারাটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। নতুন ৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;

(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;

(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
১,৬৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন কমিটিতে কতজন সুপ্রীম কোর্টের বিচারক থাকবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৬ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে);
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে চর্চা করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে।এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
১,৬৯৩.
অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কোন আইন অনুযায়ী ধরে নিতে হবে?
  1. দণ্ড বিধি অনুযায়ী
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী
  3. প্রচলিত সাধারণ আইন অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধটি দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোনো অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
১,৬৯৪.
সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য নিম্নলিখিত কাকে কমিশন দেয়া যায়?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবায়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,

উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
১,৬৯৫.
বার কাউন্সিলে কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের সময় প্রদত্ত ফি এর পরিমাণ-
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ. ১,০০০ টাকা।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৪১:
কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে উক্ত আইনজীবীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ বা একাধিক অভিযোগ থাকতে হবে এবং অভিযোগকারীর হাতে যেসব দলিল বা দলিলের কপি রয়েছে, তা অভিযোগপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

যদি অভিযোগটি কোনো আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার দ্বারা তাদের দাপ্তরিক ক্ষমতাবলে করা না হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের সঙ্গে ঘটনার বিবরণ সম্বলিত একটি হলফনামাও দাখিল করতে হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল প্রয়োজনে হলফনামা দাখিলের শর্ত মওকুফ করতে পারবে।

বিধি ৪১ক:
একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বার কাউন্সিলে দাখিল করতে হবে এবং সঙ্গে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা ফি প্রদান করতে হবে।
১,৬৯৬.
'Fraudulently’- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
[A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.]
১,৬৯৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭০ অনুসারে নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৭০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নিজেকে নি:স্ব বা দরিদ্র (pauper) দাবি করে এবং কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করতে চান, তাহলে তাকে ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে "leave to appeal as a pauper" দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।
- এই ধারা দরিদ্র বা আর্থিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিকে ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে সহযোগিতা করে।

উদাহরণস্বরূপ:
- একজন দরিদ্র ব্যক্তি যদি কোনো দেওয়ানি মামলায় হেরে যান এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, কিন্তু আদালতের ফি দিতে অক্ষম হন — তাহলে তিনি ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করে বিনা খরচে আপিল করার অনুমতি চাইতে পারেন।
১,৬৯৮.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে সহকারি জজ আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান-
মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে। আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

• Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১,৬৯৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালত কয়ভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

অর্থাৎ  সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী আদালত দুইভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারে।
-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১,৭০০.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হল-
  1. সাধারণ জখম
  2. হত্যার চেষ্টা
  3. মারাত্মক জখম
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.