বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৫ / ১২৬ · ১,৪০১১,৫০০ / ১২,৬০৫

১,৪০১.
"A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death." এখানে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
১,৪০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি-
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,
 
চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
১,৪০৩.
ডিক্রি জারিমূলে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে ক্রেতা কর্তৃক ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২১
  2. ১৫
  3. ৩০
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি ৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
১,৪০৪.
সমন অমান্যের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারানুযায়ী আদালত সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি
  3. সম্পত্তি বিক্রয়
  4. অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১,৪০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-৫ অনুযায়ী নিচের কোন কারণে নিঃসম্বল হিসাবে মামলা করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যাবে না?
  1. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে ধনী হলে
  2. আবেদন সঠিকভাবে দাখিল না হলে
  3. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে
  4. আবেদনকারী সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে হস্তান্তর করলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩, বিধি ৫ (Order XXXIII, Rule 5) অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তি (pauper) হিসাবে মামলা করার অনুমতি চাওয়া হলে আদালত কিছু নির্দিষ্ট কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই কারণগুলো হলো:
১. আবেদনটি বিধি ২ ও ৩ অনুযায়ী গঠিত ও দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল না হলে।
৩. আবেদনকারী আবেদন দাখিলের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে।
৪. অভিযোগে কোনো কার্যকারণ (cause of action) না থাকলে।
৫. মামলার বিষয়ে আবেদনকারী এমন কোনো চুক্তিতে উপনীত হলে যার ফলে অন্য কেউ স্বার্থবান হয়।
 কিন্তু, “আবেদনকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে মামলা থাকলে” — এটি আদেশ ৩৩ বিধি ৫ অনুযায়ী আবেদন প্রত্যাখ্যান করার বৈধ কারণ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।


⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
১,৪০৬.
'ক' কোনো মহিলাকে ভীতিগ্রস্থ বা আহত করার উদ্দেশ্যে যদি তার ঘোমটা খুলে ফেলে, তবে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচে বর্ণিত কোন অপরাধটি হবে?
  1. আক্রমণ
  2. শ্লীলতাহানী
  3. ব্যভিচার
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

১,৪০৭.
কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading Question) করা যায়?
  1. তর্কিত বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
  4. যে কোন বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

⇒ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
--------------------------
Section-142: When they must not be asked:
 -Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 

The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
১,৪০৮.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেওয়ার সময়, তার সাধারণ এখতিয়ারের সীমার সর্বোচ্চ-
  1. তিনগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  2. দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  3. চারগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
  4. সমান দণ্ড দিতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

১,৪০৯.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে। 
১,৪১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-৬ অনুযায়ী, ইন্টারপ্লিডার মামলায় বাদীর মামলার খরচ কীভাবে ব্যবস্থা করা যায়?
  1. দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
  2. বিবাদীদের কাছ থেকে সরাসরি আদায় করে
  3. সরকারের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে
  4. কোনো খরচ ব্যবস্থা করা যায় না
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXXV, Rule-6 অনুযায়ী, যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে বা অন্য কার্যকর পন্থায় তার খরচের ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-৬ বাদীর মামলার খরচের জন্য দায়: যেক্ষেত্রে মামলাটি যথারীতি দায়ের করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত মূল বাদীকে তার দাবীকৃত সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করে অথবা অন্য কোন কার্যকর পথে মামলার খরচার ব্যবস্থা করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-35 Rule-6. Charge for plaintiff's costs:
Where the suit is properly instituted the Court may provide for the costs of the original plaintiff by giving him a charge on the thing claimed or in some other effectual way.

১,৪১১.
The Penal Code, 1860 অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১,৪১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১,৪১৩.
ডিক্রিতে বাদীর জমির মোট পরিমাণ ভুল লেখা হলে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারানুযায়ী প্রতিকার আছে?
  1. ১৫২
  2. ১৫১
  3. ১৫৪
  4. ১৫৩
সঠিক উত্তর:
১৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫২ ধারা মতে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক [Clerical] বা গাণিতিক (Arithmetical) ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি [Accidental slip] বা বিচ্যুতির [Omission] কারণে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ বা সংশোধন করতে পারে।
১,৪১৪.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া এবং মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারন আঘাত
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. মর্যাদা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section-350. Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
১,৪১৫.
নাবালকের অভিভাবক মোকদ্দমা পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে নিম্নলিখিত কোন কাজটি করতে পারেনা?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে পারেনা।
  2. আদালতে হাজির হতে
  3. মোকদ্দমা নতুন করে দায়ের করতে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা আপোষ মীমাংসা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXXII, Rule 7 এর বিধান মামলার নেকষ্ট ফেণ্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপোষঃ (১) মামলার কোন নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক, আদালতের কার্যক্রমে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া যে মামলায় যে নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ড বা অভিভাবক হিসাবে কাজ করে, সেই মামলা প্রসংগে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছতে পারবে না ।
(২) আদালতের উক্তরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ছাড়া অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপোষ পৌছানো হলে উক্ত নাবালক ব্যতিত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে উহা বাতিলযোগ্য হবে। 
১,৪১৬.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারা অনুসারে, "Rioting" এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক বছরের কারাদণ্ড
  2. দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী: "যে কেউ দাঙ্গার (Rioting) জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।"
→ দাঙ্গা (Rioting) হলো একটি বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) যেটি বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section,147. Punishment for rioting:
- Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,৪১৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. নতুন মোকদ্দমা করা
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ১ ও ২ অনুসারে, যদি আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (Temporary Injunction) আবেদন নামঞ্জুর করেন, তবে সেই আদেশটি "আদেশ" (Order) হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি আপীলযোগ্য (appealable order)।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। যদি আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করে তাহলে আপীল করা যাবে। কেননা দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুসারে এটি একটি আপীল যোগ্য আদেশ।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে–
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
১,৪১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২-এর বিধি-৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি deceased plaintiff বা defendant-এর legal representative কি না—এটি কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকারি প্রশাসন
  2. সংশ্লিষ্ট আদালত
  3. স্থানীয় সরকার
  4. উত্তরাধিকার আদালত
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৫ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court."

- অর্থাৎ, মৃত বাদী বা বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধি (legal representative) কে বা কিনা—এই প্রশ্নটি সংশ্লিষ্ট আদালতই (the Court) নির্ধারণ করবে। এটি একটি বিচারিক সিদ্ধান্ত, যা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের উপর অর্পিত নয়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-22 Rule-5.Determination of question as to legal representative:
- Where a question arises as to whether any person is or is not the legal representative of a deceased plaintiff or a deceased defendant, such question shall be determined by the Court. 

১,৪১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারা অনুসারে, অপরাধী অজানা হলে কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ 
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫১২(২) অনুযায়ী, যদি প্রতীয়মান হয় যে কোনও অজানা ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিতে পারেন যে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই অপরাধ সম্পর্কিত তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
- অন্যান্য কর্মকর্তা (জেলা জজ, দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষেত্রে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

১,৪২০.
দন্ডবিধির কোন ধারায় Volentinon fit injuria মতবাদের প্রকাশ ঘটেছে?
  1. ২৮৩
  2. ৩০৪ খ
  3. ৮৭
  4. ৩০৪ ক
সঠিক উত্তর:
৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী, মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নহে, তবে অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ কোন কার্য কারোর সম্মতিতে করলে তা অপরাধ নয়; তবে যে সম্মতি দান করেছে তার বয়স নূন্যতম ১৮ বছর হতে হবে। Volenti non fit injuria অর্থ হলো-সম্মতিতে কৃত কোন ক্ষতিকারক কার্য অপরাধ নয়।
১,৪২১.
What is the punishment for issuing or signing a false certificate under Section 197?
  1. Only a fine
  2. Warning only
  3. Life imprisonment
  4. Same as the punishment for giving false evidence
সঠিক উত্তর:
Same as the punishment for giving false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Same as the punishment for giving false evidence
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১,৪২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে?
  1. ৫২১
  2. ৫২৩
  3. ৫২৫
  4. ৫২২
সঠিক উত্তর:
৫২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারার বিধান:-ধ্বংসশীল সম্পপত্তি বিক্রয়ের ক্ষমতা: 
উক্ত সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত হয় বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ধ্বংসশীল হয়, অথবা যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট উহা জদের খরব দেয়া হয়েছে তিনি যদি মনে করেন যে, ইহা বিক্রয় করা মালিকের পক্ষে মঙ্গলজনক হবে অথবা উহার মূল্য দশ এবং ৫২৩ ও ৫২৪ ধারার বিধানসমূহ যথাসম্ভব উক্ত বিক্রয় লব্ধ অর্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 525. Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if theMagistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১,৪২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. ১২০
  2. ১২২
  3. ১২৩
  4. ১২৪
সঠিক উত্তর:
১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন।
১,৪২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI অনুযায়ী যদি আদালত কমিশনারের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হন, তবে কী করতে পারেন?
  1. মামলা স্থগিত করতে পারেন
  2. কমিশন বাতিল করতে পারেন
  3. অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 10(3) অনুযায়ী,“যে ক্ষেত্রে আদালত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তুষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।”
- এখানে “অতিরিক্ত তদন্ত” বলতে বোঝানো হয়েছে যে আদালত কমিশনের কার্যক্রম যথাযথ না মনে করলে নতুন করে বা সম্পূরকভাবে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারেন।
- কমিশন বাতিল বা মামলা স্থগিত করার উল্লেখ নেই। এছাড়া, আদালত কমিশনারকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে না, তবে পক্ষগণ আবেদনের মাধ্যমে তাকে সাক্ষ্য দিতে ডাকতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-১০: কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
(১) কমিশনার যেরূপ পয়োজন মনে করেন, সেরূপ স্থানীয় পরিদর্শনের পর এব তার গৃহীত প্রমাণাদিকে লিখিত রূপ দেয়ার পর উক্ত প্রমাণাদির সাথে তার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।
(২) প্রতিবেদন এবং জবানবন্দী মামলায় প্রমাণ হিসাবে থাকবেঃ কমিশনারের প্রতিবেদন এবং তার র্গহীত প্রমাণাদি (কিনউ প্রতিবেদন ব্যতিত প্রমাণ নহে) মামলার প্রমাণ এবং নথির অংশরূপে গণ্য হবে, কিন্তু আদালত বা আদলতের অনুমতি ক্রমে মামলার কোন পক্ষ কমিশনারকে প্রকাশ্য আদালতে ব্যক্তিগতভাবে তাহার নিকট অর্পণ করা হয়েছিল বা তার প্রতিবেদনে উল্লেখিত হয়েছে, এমন সব বিষয় সম্পর্কে বা তার প্রতিবেদন সম্পর্কে অথবা যে পদ্ধতিতে তিনি তদন্ত করেছেন সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে আদলত কমিশনারের কার্যক্রম সম্পর্কে কোন কারণে অসন্তষ্ট হন, সেক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১,৪২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: চুক্তি আইন, ১৮৭২।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩ (ব্যাখ্যা ধারা) অনুযায়ী, এই আইনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, যদি এই আইনে কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সেই শব্দের সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই শব্দকে চুক্তি আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞার ভিত্তিতেই ব্যাখ্যা করতে হবে।
এটি করা হয়েছে আইনি ধারাবাহিকতা ও সুস্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য, যাতে বিভিন্ন আইনের মধ্যে সংজ্ঞাগত পার্থক্যের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-3: Words defined in Contract Act:
and all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
১,৪২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার[Mediation]মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিসন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
১,৪২৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ নয়? 
  1. রক্ত, বীর্য, চুল
  2. ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
  3. ডিএনএ, আঙুলের ছাপ
  4. আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল → এগুলো সরাসরি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ → এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ → এগুলোও সরাসরি ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]

⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

১,৪২৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে অর্থদণ্ড ছাড়া খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২-এর অধীন, খুনের (murder) অপরাধের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। অর্থাৎ, অর্থদণ্ড ছাড়া সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

১,৪২৯.
রিভিশন দায়েরের শর্ত কি?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রি বা আদেশ
  2. গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে
  3. আপিলযোগ্য আদেশ বা ডিক্রি কিন্তু আপিল করা হয় নি
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশন বলতে বুঝায়, নিম্নে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ উচ্চ আদালত কর্তৃক বিচারিক প্রতিকার সংশোধন করা।দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশন সম্পর্কিত বিধান আছে।

ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ যে কোন পক্ষ আবেদন করতে পারে।নিম্ন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিভিশন দায়ের করতে হয়। রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতকে দেয়া আছে।

রিভিশন দায়েরে শর্তসমূহ:

♦২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-

♦ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

♦ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।

♦ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।

♦ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে ।

♦ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না ।
১,৪৩০.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) গঠনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে বা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হন, তখন তাদের সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন হতে হবে, এবং তারা একসাথে ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে যদি কোনও অবৈধ কাজ সংঘটিত করার জন্য সম্মত হন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section, 120A. Definition of criminal conspiracy.
When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof. 
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১,৪৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৬০
  2. ১৬১
  3. ১৬২
  4. ১৬৪
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ধারার বিধান পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:
(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।
(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।
(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১,৪৩২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৮ বিধি ১২ এর অধীন, আদালত কার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে?
  1. বিবাদীর
  2. বাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবীর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালত কোন সাক্ষীর জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
১,৪৩৩.
মূল্যমান শুদ্ধ করার জন্য বা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য আদালত কতদিন সময় নির্ধারণ করতে পারবেন?মূল্যমান শুদ্ধ করার জন্য বা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য আদালত কতদিন সময় নির্ধারণ করতে পারবেন?
  1. সর্বোচ্চ ৭ দিন
  2. সর্বোচ্চ ১৪ দিন
  3. সর্বোচ্চ ২১ দিন
  4. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৭ বিধি ১১ তে কি কি কারণে আরজি প্রত্যাখান (Reject) করা যায় তা বলা হয়েছে:
   (i)  কারণ উল্লেখ না থাকলে
   (ii) দাবীকৃত প্রতিকার কম উল্লেখ করলে
   (iii) অপর্যাপ্ত অর্থাৎ কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লিখলে
   (iv) আইন দ্বারা বারিত হলে
♦শর্ত থাকে যে, আদালত মোকদ্দমা মূল্যায়ন শুদ্ধ করার জন্য  কিংবা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিল করার জন্য যে সময় নির্ধারণ করবেন, তা ২১ (একুশ) দিনের অধিক সময় বাড়াতে পারবেন না।
১,৪৩৪.
কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয় (Savings)?
  1. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ৩টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
যেমন-
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকার,
রেজিষ্ট্রেশন আইন,
কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট কার্য্য সম্পাদন ছাড়া যা সে চুক্তির অধীন পেতে পারতো।
১,৪৩৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জীবনের সংজ্ঞা বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

⇒ Section 45: 'Life': The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
১,৪৩৬.
কোন মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. অর্থ মামলায়
  2. বাটোয়ারা মামলায়
  3. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  4. ফোর ক্লোজারের মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলায়
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ১ হতে ৪ বিধিতে রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন।

- রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায়, যেমন- বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোর ক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার মামলায় মঞ্জুর করা যায় না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮নং আদেশের ১ থেকে ৪ বিধিতে রায় ঘোষণার পূর্বে বিবাদীকে কতিপয় ক্ষেত্রে গ্রেফতার এবং আদালতে হাজিরার জন্য কেন তাকে জামানত দিতে হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে।
- তবে বিবাদী যদি বাদীর দাবিযোগ্য অর্থ জামানত হিসেবে আদালতে জমা দেয় তবে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।

আদেশ-৩৮ বিধি-১: বিবাদীকে হাজিরার জন্য জামানত প্রদান-
বিবাদী আদালতের কোন পরোয়ানা এড়ানো বা তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রিজারি বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি-
ⅰ) আত্মগোপন বা আদালতের আঞ্চলিক সীমানা ত্যাগ করে বা এর উদ্যেগ গ্রহণ করে: অথবা
ii) তার সম্পত্তি বা এর অংশ হস্তান্তর করে বা আদালতের স্থানীয় সীমা থেকে অপসারন করে; অথবা
iii) বাংলাদেশ ত্যাগ করার প্রচেষ্টা করে; তাহলে এসব ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীকে রায়ের পূর্বেই আটক বা আদালতে হাজির হয়ে কেন জামানত দেয়া হবে না এই মর্মে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তবে পর্যাপ্ত জামানত দিতে চাইলে আদালত আটকের আদেশ দিবেন না।

 আদেশ-৩৮ বিধি-২: কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে জামানত:- ১ বিধি অনুযায়ী বিবাদী উপযুক্ত কারণ দর্শানোয় ব্যর্থ হলে, আদালত বিবাদীকে প্রয়োজনীয় অর্থ বা সম্পদ জামানত হিসাবে আদালতে জমা প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
১,৪৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী কোথায় আপিল আদালতের রায় ঘোষণার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২৭
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩০
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৩২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ৩১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলে রায়:
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩০ এর বিধান রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়:
আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
-------------
⇒ Judgment in appeal:
Order 41 Rule.-30: Judgment. When and where pronounced.- The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
১,৪৩৮.
বলপূর্বক গ্রহণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের শান্তি (Punishment for extortion) হলো অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,৪৩৯.
যদি কেউ অন্য কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, "যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।"
অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:-
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 374. Unlawful compulsory labour.
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
১,৪৪০.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৮১
  2. ১৮২
  3. ১৭৩
  4. ১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
১,৪৪১.
পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে যদি-
  1. রেকর্ডটি সম্প্রতি সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে
  2. এটি অভিযুক্তের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়
  3. এটি কোনো সরকারি নথি হিসাবে বিবেচিত হয়
  4. এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:
যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
১,৪৪২.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নয় কে?
  1. বোবা 
  2. অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক 
  3. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম 
  4. বার্ধ্যকের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম 
সঠিক উত্তর:
বার্ধ্যকের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধ্যকের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
অর্থাৎ, জিজ্ঞাসাকৃত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হলে, কোনো ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হবে না।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।
--------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section118, Who may testify: 
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.-A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.

১,৪৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী, আপিল বিভাগের নিকট আপিল করার জন্য দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সর্বনিম্ন মূল্য কত টাকা হতে হবে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী,ধারা ১০৯ এর (ক) ও (খ) দফার অধীনে আপিল বিভাগের নিকট আপিল করতে হলে:
- প্রথম আদালতে (Court of First Instance) মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা হতে হবে;
- এবং আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে;
- অথবা আপিলযোগ্য রায়, ডিক্রি বা আদেশের সাথে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে ২০,০০০ টাকার দাবি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকতে হবে।
যদি আপিলযোগ্য আদেশ নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে, তাহলে আপিলে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন (substantial question of law) থাকতে হবে।

অর্থাৎ আপিল বিভাগের নিকট দেওয়ানী আপিল করার জন্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্য সংবলিত বিষয়বস্তু থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: গ) ২০,০০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-110. Value of subject-matter:
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
১,৪৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯ক ধারার বিধান অনুযায়ী, মধ্যস্থতা কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হয়?
  1. ৩০ দিন, সর্বোচ্চ ৬০ দিন
  2. ৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন, সর্বোচ্চ ১০০ দিন
  4. ৯০ দিন, সর্বোচ্চ ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯(ক) অনুসারে মধ্যস্থতা (Mediation) সংক্রান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে স্পষ্টভাবে।
- মূল সময়সীমা: মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরুর দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- বর্ধিত সময়সীমা: যদি উপযুক্ত কারণ থাকে, তাহলে আদালতের অনুমতিক্রমে সময়সীমা আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে তা শেষ করা বাধ্যতামূলক।
- সঠিক উত্তর: খ) ৬০ দিন, সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
১,৪৪৫.
দন্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৯৮
  2. ১৮৬০
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮০
সঠিক উত্তর:
১৮৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬০
ব্যাখ্যা
♦ প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনটি বাংলাদেশে ফৌজদারী অপরাধ সংক্রান্তীয় দণ্ড দান করার জন্য প্রধান আইন।
১,৪৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৩৮০
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৫
  4. ধারা ৩৭৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ দায়রা আদালতের প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন, বাতিল, পরিবর্তন, কিংবা আসামিকে খালাস দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তবে এই অনুমোদন আপিলের সময়সীমা পার না হওয়া পর্যন্ত বা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দেওয়া যাবে না।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামিকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামিকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপিলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপিল পেশ করা হলে উহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
- In any case submitted under section 374, the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or
(c) may acquit the accused person:
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
১,৪৪৭.
মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত যদি ১২০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হয়, তবে আসামী
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. শাস্তি ভোগ করতে পারে
  3. দন্ডিত হতে পারে
  4. জামিনে মুক্ত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনে মুক্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিকা মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
১,৪৪৮.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী আক্রমণের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস
  2. শুধুমাত্র মুখের কথা
  3. শারীরিক বল প্রয়োগ
  4. অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
উত্তর: অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১,৪৪৯.
পেনাল কোডের অধীনে কোনটি অনুমোদিত সাজা নয়?
  1. কারাদন্ড
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  3. বেত্রাঘাত
  4. জরিমানা
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
♦ অর্থাৎ পেনাল কোডের অধীনে অনুমোদিত সাজা পাঁচটি। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুযায়ী বেত্রাঘাত  অনুমোদিত সাজা নয়।
১,৪৫০.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কারও মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,৪৫১.
সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রমের সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
  2. Examination-in-chief → Re-examination → Cross-examination
  3. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  4. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

১,৪৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. দলিল বাতিল
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১,৪৫৩.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি করলে দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার অধীনে শাস্তি হতে পারে?
  1. বিচারকের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা
  2. আদালতে বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা-বিচার কার্যক্রমের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি:
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 228- Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,৪৫৪.
আপিল শুনানির জন্য কোন পক্ষের অনুরোধে (খরচ ছাড়া) সর্বোচ্চ কতবার মুলতবি আদেশ দেওয়া যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।
১,৪৫৫.
ধারা ৫২ অনুসারে, 'সদবিশ্বাসে' কাজ করার মূল শর্ত কী?
  1. পেশাদারিত্ব
  2. আইনি পরামর্শ
  3. সতর্কতা ও মনোযোগ
  4. যে কোনো তৎপরতা ও পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
ব্যাখ্যা
Section 52- “Good faith”
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
১,৪৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(৮)
  4. ধারা ২(১৩)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
১,৪৫৭.
'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে, যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। 'ক' কে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ২ বছরের মধ্যে
  2. ৩ বছরের মধ্যে
  3. ৬ বছরের মধ্যে
  4. ১২ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ এর বিধান:
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এক্ষেত্রে, 'ক' ও 'খ' এর মধ্যে ০১/০১/২০১০ তারিখে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হয়েছে যার শর্ত ছিল ০১/০৩/২০১০ তারিখের মধ্যে 'খ' কর্তৃক 'ক' কে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের। কিন্তু 'খ' উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে এবং টাকাও প্রদান করেনি। এখন ১১৬ ধারা অনুসারে, 'ক' এর উক্ত টাকা আদায়ের জন্য বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে ৬ বছরের মধ্যে অর্থাৎ ০১/০৩/২০১৬ তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। অন্যথায় মোকদ্দমা তামাদি আইনের ১১৬ ধারায় বাধাগ্রস্ত হবে এবং খারিজ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, চুক্তি অনিবন্ধিত হলে ১১৫ ধারা প্রযোজ্য হবে এবং সময়সীমা হবে ৩ বছর।
১,৪৫৮.
'ক’ ও ‘খ’ আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সাথে তরবারি খেলা খেলতে সম্মত হয়। খেলার এক পর্যায়ে অজান্তে 'ক' কর্তৃক 'খ' মারাত্মক আহত হয়। এখানে 'ক' কোন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে?
  1. অসাধুতার দায়ে
  2. অবহেলামূলকভাবে আঘাত করার দায়ে
  3. গুরুতর জখমের দায়ে
  4. কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা:
যদি কোনো কাজ মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে করা না হয় এবং কর্তার জানা না থাকে যে এটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের কারণ হতে পারে, তাহলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সেই ক্ষতি বা আঘাত গ্রহণ করতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তি সম্মতি দিয়ে থাকে (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে)। এছাড়াও, যদি সেই ব্যক্তি সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের জন্য সম্মতি দেয়, তাতেও এটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
A এবং Z নিজেদের বিনোদনের জন্য পরস্পরের সঙ্গে ফেন্সিং (তলোয়ার খেলা) করতে সম্মত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকে সম্মতি দেয় যে, খেলায় নির্দোষভাবে যদি কোনো আঘাত লাগে, তাহলে তারা তা মেনে নেবে। ফলে, যদি A ন্যায্য খেলার মধ্যে Z-কে আঘাত করে, তাহলে A কোনো অপরাধ করবে না।
১,৪৫৯.
দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. অস্ত্রসহ চুরি
  2. খুনসহ ডাকাতি
  3. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
  4. ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত দলভুক্ত হওয়া। 
⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ এমন একটি দলে অন্তর্ভুক্ত থাকে যেটি অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ, তবে তাকে দণ্ডিত করা হবে।
- এখানে অপরাধ হলো – ডাকাতির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দলে সদস্য হওয়া, অর্থাৎ ডাকাত দলভুক্ত হওয়া, যদিও সে নিজে ডাকাতি না-ও করে থাকে।
- এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 400. Punishment for belonging to gang of dacoits:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to a gang of persons associated for the purpose of habitually committing dacoity, shall be punished with 134[imprisonment] for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,৪৬০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের রিপোর্টে কোনটি থাকা উচিত নয়?
  1. পরীক্ষার তারিখ
  2. বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষর
  3. ব্যবহৃত প্রযুক্তির বিবরণ
  4. বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বিশেষজ্ঞের ব্যক্তিগত মত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক বিশেষজ্ঞের কাজ হলো আদালতকে সহায়তা করা নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তথ্য দিয়ে। তাই তার রিপোর্টে থাকা উচিত: কোন পরীক্ষাগুলো করা হয়েছে (ব্যবহৃত প্রযুক্তির বিবরণ), সেগুলোর ফলাফল, পরীক্ষার তারিখ ও সময়, নিজস্ব স্বাক্ষর।

কিন্তু ব্যক্তিগত মতামত বা পক্ষপাতদুষ্ট মত রাখা সম্পূর্ণ অনুচিত, কারণ এটি রিপোর্টের নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। বিশেষজ্ঞ কেবল তথ্য-ভিত্তিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দিতে পারেন, পক্ষপাতহীনভাবে।


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

১,৪৬১.
যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২১ ধারার অধীনে আদালত আদেশ দিতে পারে যে উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি-
  1. ধ্বংস করা হবে
  2. আদালতে জমা দিতে হবে
  3. অভিযুক্ত পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে
  4. আদালতে সংরক্ষণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
১,৪৬২.
আদেশ ৪১-এর বিধি ১৯ক অনুযায়ী, পুনঃগ্রহণ এর নোটিশ জারির খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বিবাদী
  3. আপিলকারী
  4. উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক: আপিলের সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
(১) বিধি ১৯ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়াতে এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করতে, বিধি ১৯-এর অধীনে প্রয়োজনীয় যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য আপিলকারীকে প্রমাণ পেশ করতে না দিয়ে সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করাতে পারে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে আপিল পুনঃগ্রহণ করানো হবে না যদি না আপিল ডিফল্টে খারিজ হওয়ার তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে আদালতে পুনঃগ্রহণ এর জন্য শপথপত্রসহ একটি আবেদন দাখিল করা হয়:
আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোনো আপিল একবারের বেশি পুনঃগ্রহণ করানো যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১)-এর অধীনে আপিল পুনঃগ্রহণ এরআদেশ দেওয়া হলে, আদালত আপিলকারীর খরচে আপিলে উপস্থিত থাকা বিবাদীর উপর এই আদেশের নোটিশ জারি করবে।

১,৪৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  2. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
  4. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটক ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১,৪৬৪.
দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ কে দিবে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. সরকার
  3. মোকদ্দমার বাদী
  4. দায়িক নিজেই
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।

⇒ আদেশ ২১ বিধি-৩৯ জীবন নির্বাহ ভাতা:
১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
---------------
Order-21 Rule-39. Subsistence allowance:
(1) No judgment-debtor shall be arrested in execution of a decree unless and until the decree-holder pays into Court such sum as the Judge thinks sufficient for the subsistence of the judgment-debtor from the time of his arrest until he can be brought before the Court.  (2) Where a judgment-debtor is committed to the civil prison in execution of a decree, the Court shall fix for his subsistence such monthly allowance as he may be entitled to according to the scales fixed under section 57, or, where no such scales have been fixed, as it considers sufficient with reference to the class to which he belongs.  (3) The monthly allowance fixed by the Court shall be supplied by the party on whose application the judgmentdebtor has been arrested by monthly payments in advance before the first day of each month. .  (4) The first payment shall be made to the proper officer of the Court for such portion of the current month as remains unexpired before the judgment-debtor is committed to the civil prison, and the subsequent payments (if any) shall be made to the officer in charge of the civil prison.  (5) Sums disbursed by the decree-holder for the subsistence of the judgment-debtor in the civil prison shall be deemed to be costs in the suit:  Provided that the judgment-debtor shall not be detained in the civil prison or arrested on account of any sum so disbursed.
১,৪৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না?
  1. সরকারের
  2. সরকারি কর্মচারীর
  3. সম্পত্তির সহ-দখলদারের
  4. উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১,৪৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৩ ধারার শিরোনাম হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. Facts relevant when right or custom is in question
  2. Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue
  3. Motive, preparation and previous or subsequent conduct
  4. Things said or done by conspirator in reference to common design
সঠিক উত্তর:
Facts relevant when right or custom is in question
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facts relevant when right or custom is in question
ব্যাখ্যা
Section 13- Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.

Illustration-
The question is whether A has a right to a fishery. A deed conferring the fishery on A's ancestors, a mortgage of the fishery by A's father, a subsequent grant of the fishery by A's father, irreconcilable with the mortgage, particular instances in which A's father exercised the right, or in which the exercise of the right was stopped by A's neighbours, are relevant facts.

সাক্ষ্য আইন (ধারা ১৩): অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—
(ক) যে কোনো লেনদেন যার মাধ্যমে উক্ত অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত, প্রতিষ্ঠিত বা অস্বীকৃত হয়েছে, অথবা যা এর অস্তিত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা যেখানে উক্ত অধিকার বা প্রথা দাবি, স্বীকৃত বা প্রয়োগ করা হয়েছিল, অথবা যেখানে এর প্রয়োগ বিতর্কিত, প্রতিষ্ঠিত বা পরিত্যাগ করা হয়েছিল।
১,৪৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪(ক) ধারা অনুযায়ী আবেদন ব্যতীত যদি দেওয়ানি মামলা স্থানান্তরিত হয়, তাহলে পক্ষগণকে কী করতে হবে?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে হবে
  2. নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. হাজির না হলেও চলবে
  4. স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
১,৪৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে, মধ্যবর্তী মুনাফা কোন ধরনের দখলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অস্থায়ী দখল
  2. বেআইনী দখল
  3. আইনসম্মত দখল
  4. সকল ধরনের দখল
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে, "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits) বলতে বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে লাভ (স্বাভাবিক নিয়মে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায়) তৈরি হয় বা হতে পারতো, তা বোঝায়। এখানে স্পষ্টভাবে "wrongful possession" (বেআইনী দখল) উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার মূল ভিত্তি।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "Mesne Profits" বা মধ্যবর্তী মুনাফা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এটি সেই মুনাফাকে বোঝায় যা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সম্পত্তি থেকে প্রকৃতপক্ষে অর্জন করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করতে পারতো, তবে বেআইনীভাবে দখলদারের উন্নয়নের ফলে হওয়া মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম- বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

১,৪৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে আদালত কখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে?
  1. যদি বাদী জালিয়াতির শিকার হয়
  2. যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
  3. যদি উভয় পক্ষ ক্ষতিপূরণে সম্মত হয়
  4. যদি বিবাদী ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম না হয়
সঠিক উত্তর:
যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।

ii. বিবাদীর প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,৪৭০.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আবেদন কখন করা যায়?
  1. চুক্তি লিখিত না হলে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর সম্ভব হলে
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
  4. ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১,৪৭১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক সাক্ষীকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন?
  1. ধারা ১৬৪
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৫
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার অধীন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে যথাযথ প্রমাণ পেতে আদালত কোন সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারেন।
১,৪৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি যদি করা হয়, তবে তা কোন ধারায় লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হবে?
  1. ২৬১ ধারা
  2. ২৬৪ ধারা
  3. ৩৬৪ ধারা
  4. ৩৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায়, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে জানিয়ে দেবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নন এবং তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হতে পারে। স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারার পদ্ধতিতে রেকর্ড করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪. ধারায় বিবৃতি এবং দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করার ক্ষমতা:
(১) যে কোন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট এবং যে কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, যাকে সরকার এই বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রদান করেছে, যদি তিনি পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তবে তিনি তদন্তের সময় বা তদন্তের পরবর্তী সময়ে, তদন্ত শুরু বা বিচারের পূর্বে, যে কোন বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন।

(২) উক্ত বিবৃতিগুলি এমনভাবে রেকর্ড করা হবে, যা পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন। উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি, ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী রেকর্ড এবং স্বাক্ষরিত হবে, এবং এই বিবৃতি বা দোষ স্বীকারোক্তি পরবর্তীতে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, যিনি মামলাটি তদন্ত বা বিচারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 164: Power to record statements and confessions:
(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class] and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may if he is not a police officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterward before the commencement of the inquiry or trial.
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried.
১,৪৭৩.
তামাদি আইনের তফসিলে যে সকল আবেদনে দাখিলের জন্য কোন তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই সে সকল আবেদন দাখিলের জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৬ বছর 
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১: দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
---------------
The Limitation Act,1908, Article181: Applications for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule or by section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908 is 3 years from the day when the right to apply accrues.

১,৪৭৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. শুধু দায়রা জজকে
  3. চীফ মেট্রোপলিটন/ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।
১,৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. দায়রা আদালতে রিভিশন
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
১,৪৭৬.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার মূল অপরাধ কোনটি?
  1. ব্যভিচার
  2. অবৈধ বিবাহ করা
  3. স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
  4. প্রতারণার মাধ্যমে বিবাহ করা
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

১,৪৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৮ অনুসারে আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮-এর বিধান অনুযায়ী, এই কোডের উদ্দেশ্যে সরকার (Government) তার প্রশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেক আদালতের ভাষা কী হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

১,৪৭৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন সম্পর্কিত ধারা কোনগুলো?
  1. ৫৩ ও ৫৩ক
  2. ৫৪ ও ৫৫
  3. ৫৫ক ও ৫৬
  4. ৫৫ ও ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন (commutation) সম্পর্কিত ধারা হলো ৫৪ এবং ৫৫।
- ধারা ৫৪: মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।
- ধারা ৫৫: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দুই ধরনের যেকোনো কারাদণ্ডে (কঠোর বা সাধারণ) পরিবর্তন করতে পারে, যার মেয়াদ ২০ বছরের বেশি হবে না।
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ ও ৫৫

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

১,৪৭৯.
মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না- এটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার বিধান?
  1. ১৩৩
  2. ১৩৪
  3. ১৪৫
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৩৪ অনুযায়ী, মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হবে না।
- এটি প্রতিষ্ঠিত করে যে, একটি মামলার কোনো বিষয় প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং সাক্ষীর গুণগত মান এবং প্রমাণের সত্যতা প্রধান বিষয়।
এই ধারায় বলা হয়েছে: "No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact."
অর্থাৎ, এক বা একাধিক সাক্ষী দ্বারা মামলার প্রমাণ সম্ভব হতে পারে এবং সংখ্যার চেয়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সাক্ষ্যের সঠিকতা বেশি গুরুত্ব পায়।

- তাহলে, ধারা ১৩৪ হল সঠিক উত্তর।
১,৪৮০.
আমানতি অর্থের জন্য মামলা করতে হবে -
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬০ অনুযায়ী আমানতের অর্থ উদ্ধরের মামলা ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
১,৪৮১.
'একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।'- এই নীতির ব্যতিক্রম কখন হয়?
  1. নাবালকের সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. বৈদেশিক চুক্তির ক্ষেত্রে
  3. দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
  4. পাওনাদার দেনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন:
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম:
যদি কোনো পাওনাদারের সম্পত্তির পরিচালনার পত্রনামা তার দেনাদারকে দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দেনা আদায়ের জন্য মামলা করার নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ পরিচালনা চলাকালীন স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

⇒ এই ধারা অনুযায়ী,
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তীকালে যে কোনো অপারগতা বা অক্ষমতা এসে পড়লেও তা তামাদির গণনাকে বন্ধ করবে না। অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ অবিরত চলতে থাকবে। যখন দেনাদারই পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা করছে, সেক্ষেত্রে পাওনার টাকা আদায়ের মামলা করার মেয়াদ বা সময়সীমা স্থগিত বা বন্ধ হয়ে যায়। কারণ এক্ষেত্রে দেনাদারের হাতেই আসলে পাওনাদারের সম্পত্তি থাকে। সুতরাং মামলার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমে যায়।
১,৪৮২.
প্রত্যেকটি সমন স্বাক্ষরিত হবে কার দ্বারা?
  1. আইনজীবী দ্বারা
  2. বিচারক
  3. স্বাক্ষরের উদ্দেশ্যে বিচারক কর্তৃক নিয়োগকৃত কোনো অফিসার দ্বারা
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৫ বিধি ১  মোতাবেক মামলা দায়ের হওয়ার পর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করা হবে। সমনে বিচারক বা তাঁর দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বাক্ষর করবেন এবং সমনে আদালতের সীল থাকবে।
১,৪৮৩.
কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি-
  1. একই পুশিল ষ্টেশনের হয়।
  2. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
  3. পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের একই পদমর্যাদা লিখা থাকেন।
  4. দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অসুস্থ থাকেন।
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানার উপর পুশিল অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারামতে কোন পুলিশ অফিসারের নিকট নির্দেশিত পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক কার্যকর হতে পারে, যদি পরোয়ানার উপর অপর কোন পুলিশ অফিসারের নাম লিখে হস্তান্তর করেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৯ ধারার বিধান পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত পরোয়ানাঃ কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত কোন পরোয়ানা অপর কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃকও কার্যকরী হতে পারে, যদি নির্দেশ অথবা অনুমোদনপ্রাপ্ত অফিসার পরোয়ানার উপর তাঁর নাম লিখিতভাবে অনুমোদন করে।

♦ Section 79. Warrant directed to police-officer: A warrant directed to any police- officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
১,৪৮৪.
ডিক্রি জারিতে বাধাদানের ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের আবেদনে আদালত দেনাদার বা অপর কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত মেয়াদে দেওয়ানী কয়েদে আটকের আদেশ দিতে পারিবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
১,৪৮৫.
Canons of Professional Conduct & Etiquette-এর প্রথম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কি?
  1. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  2. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
১,৪৮৬.
ফৌজদারি মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোন আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
---------------------
⇒ CrPC-Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১,৪৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিশেষ আইনসমূহকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না।

ধারা ৪: সংরক্ষণ-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
১,৪৮৮.
কোনো ব্যক্তি যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, তবে তার অপরাধ কী হবে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,৪৮৯.
সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কী?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যাবজ্জীবন
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৪০৯ সরকারী কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকরণ:

কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদা বলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নী বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনভাবে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনের ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
১,৪৯০.
বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে-
  1. ৫০৭ ধারায়
  2. ৫০৫ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭:
 • বেনামী চিঠিপত্রের সাহায্যে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি (Criminal intimidation by an anonymous communication)- নাম ঠিকানা গোপন করে বা বেনামী চিঠির মাধ্যমে (by an anonymous communication) অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা হলে ৫০৬ ধারায় উল্লেখিত শাস্তিসহ আরও অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড হবে।
১,৪৯১.
'The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.'- বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৬
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৬ :
(1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.
(১) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সকল অ্যাডভোকেটের উপর প্রাক-শ্রবণের (pre-audience) অধিকার রাখবেন। অর্থাৎ, আদালতে শুনানির সময় তিনি অন্যদের আগে বক্তব্য পেশ করতে পারবেন।

(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.
(২) অন্যান্য অ্যাডভোকেটদের মধ্যে প্রাক-শ্রবণের অধিকার নির্ধারিত হবে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে।
১,৪৯২.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী একজন কতবার সরাসরি একতরফা ডিক্রি বাতিলের প্রতিকার পেতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

 ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
১,৪৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক কোন ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য?
  1. ধারা ২৬১
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৪৫
  4. ধারা ৩৪২ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করে, যা ধারা ২৬২–এর সাধারণ বিধানের ব্যতিক্রম হিসেবে প্রযোজ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৪ক: সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য বিশেষ পদ্ধতি:
- ২৬২ ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ, ৩৪২ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা এবং রায় ঘোষণা, যদি সম্ভব হয়, আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যে কোনো স্থানে একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 264A. Special procedure for summary trials:
Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

১,৪৯৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি কয় ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. ৯ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৩ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৪৯৫.
"When rescission may be adjudged" এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩৫
  3. ৩৭
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

- যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
- একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
 
উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
----------------
⇒ SR Act Section-35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
 
Illustrations:
to (a)-
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)-
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১,৪৯৬.
'ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৮ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২০ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

১,৪৯৭.
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না করলে,ম্যাজিস্ট্রেট কি আদেশ দিতে পারেন?
  1. কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
  2. যেকোনো অপরাধে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. যেকোনো অপরাধের অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিতে পারেন
  4. পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরিমানার শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটা নির্দেশনামূলক।যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হয় তাহলে-
যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন,যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয় অথবা
দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে ।
১,৪৯৮.
সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে নোটিশ দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য কত সময় পাবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮০ ধারার বিধান নোটিশ (Notice)- 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়।
- যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না,

- কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

 - সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
------------------
CPC Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- 
 
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and 
 
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway, 
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. 
 
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: 
 
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১,৪৯৯.
কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো
  2. উত্তরটি আদালতে প্রকাশ করার যোগ্য নয়
  3. উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননাকারী
  4. উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে অনুকূল হতো না
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে।

আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
১,৫০০.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
  2. ১৪ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  3. ১০ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার বিধান খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,

অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।

♦ অর্থাৎ ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-
১)মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।
২) মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড।
 
♦তাইলে বলা যায় যে খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড।