বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২৩ / ১২৬ · ১২,২০১১২,৩০০ / ১২,৬০৫

১২,২০১.
‘ক’ একজন মেডিকেল অ্যাডভাইজার, সে ‘খ’-এর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ‘খ’ কী আইনি প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নৈতিক আপত্তি জানাতে পারে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে
  3. আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
  4. ‘ক’-এর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অধীনে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) মঞ্জুর করা যায় যখন কোনো ব্যক্তি অন্যের আইনি অধিকার লঙ্ঘনের হুমকি দেয় বা এমন কোনো কাজ করতে চায় যা অন্যের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়।
এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ একজন মেডিকেল অ্যাডভাইজার হিসেবে ‘খ’-এর ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করার নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব বহন করে। কিন্তু যদি ‘ক’ এই তথ্য প্রকাশ করার হুমকি দেয়, তাহলে এটি স্পষ্টতই তার দায়িত্ব লঙ্ঘন এবং ‘খ’-এর গোপনীয়তার অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ।
যেহেতু আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়, তাই ‘খ’ আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে, যাতে ‘ক’ তার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করতে না পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ:
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১২,২০২.
The Civil Courts Act, 1887 এর ৯ অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. দাপ্তরিক
  4. স্বেচ্ছামূলক
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১২,২০৩.
একজন লেখক একটি প্রকাশনা সংস্থার সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি উপন্যাস লিখবেন। পরবর্তীতে অন্য প্রকাশনা সংস্থার জন্য তিনি উপন্যাস লিখেন। এক্ষেত্রে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
  4. লেখককে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না। যথা-
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব;
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদন করা যায় না;
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য;
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত;
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত;
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা;
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়;
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নে প্রথম চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
১২,২০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারার বিধান কী?
  1. Legal representative
  2. Powers of Court to enforce execution
  3. Liability of ancestral property
  4. Enforcement of decree against legal representative
সঠিক উত্তর:
Powers of Court to enforce execution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Powers of Court to enforce execution
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫১ ধারার বিধান জারি কার্যকর করার জন্য আদালতের ক্ষমতা:
যে সকল শর্তাদি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়, তৎসাপেক্ষে আবেদনক্রমে আদালত ডিক্রি জারীর আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) স্পষ্টভাবে ডিক্রিভূক্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় অথবা ক্রোক ব্যতিত কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) গ্রেফতার ও কারাগারে আটক করে;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ করে; অথবা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতি অনুসারে অন্য কোন পন্থায়ঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিটি যদি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়, তবে কারাগার আটকের আদেশ দেয়া যাবে না, যদি না রায়ের দেনাদারকে কেন কারাগারে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাইবার জন্য সুযোগ দেয়ার পর আদালত সম্ভষ্ট হয়ে তার জন্য যে কোন কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করেন
ক) যে রায়ের দেনাদার ডিক্রি জারীর বাধাদান বা উহা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে
(১) পলাতক হতে পারে অথবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা পরিত্যাগ করতে পারে, অথবা
(২) যে মামলায় ডিক্রি দেওযা হয়েছে তা দায়েরের পর তার সম্পত্তির কোন অংশ অসদুপায়ে হস্তান্তরিত, গোপন বা অপসারিত করেছে বা তার সম্পত্তি নিয়ে অন্য কোনরূপ খারাপ বিশ্বাসের কাজ করেছে; অথবা
খ) ডিক্রির তারিখ পর্যন্ত বা তৎপর ডিক্রির টাকা সম্পূর্ণ বা তার উপযুক্ত অংশ পরিশোধের সংগতি রায়ের দেনাদারের ছিল বা আছে, এবং সেই টাকা পরিশোধে সে অস্বীকার বা অবহেলা করে বা অস্বীকার বা অবহেলা করেছে, অথবা
গ) ডিক্রিটি যে পরিমাণ অর্থের জন্য ছিল, সেই পরিমাণের জন্য রায়ের দেনাদার আস্থাভাজন ব্যক্তির ভূমকিয় হিসেবে জন্য দায়ী ছিল।
ব্যাখ্যাঃ দফা (খ) এ বর্ণিত রায়ের দেনাদারের সংগতি হিসেবে করার সময় রায়ের দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অপর কোন রীতি অনুসারে ডিক্রিজারীর দরুণ ক্রোক হতে অব্যাহতি লাভের যোগ্য, তা হিসেবে ধরা চলবে না।
-----------
⇒ Section 51. Powers of Court to enforce execution.

-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree- 
(a) by delivery of any property specifically decreed; 
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property; 
(c) by arrest and detention in prison; 
(d) by appointing a receiver; or 
(e) in such other manner as the nature of the relief granted may require: 
 
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied- 
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,- 
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or 
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or 
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or 
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account. 
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
১২,২০৫.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদার দায়িকের বিরুদ্ধে জারি মামলা করতে পারে না?
  1. স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
  2. দখল উদ্ধারের ডিক্রি
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  4. বাটোয়ারার চূড়ান্ত ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারীর মামলা করার প্রয়োজন হয় না। কারণ এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদার (স্বত্ব ঘোষণা প্রার্থীত ব্যক্তির) অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
যেমন 'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি আবেদন দায়ের করতে হয়।
১২,২০৬.
X একজন আহত সৈনিক। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে, X তার নেতা Y কে অনুরোধ করে তাকে গুলি করতে। Y উক্ত অনুরোধে অনুযায়ী গুলি করে। Y এর অপরাধ কি?
  1. খুন
  2. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা, ব্যতিক্রম-৫ (Exception-5): সম্মতি নিয়ে হত্যার ক্ষেত্রে (killing with consent)- ১৮ বছরের অধিক বয়স্ক ব্যক্তির সম্মতি নিয়ে তাকে হত্যা করা হলে তা খুন না হয়ে তা নিন্দনীয় নরহত্যা হবে।
তবে ১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তির সম্মতি নিয়ে তাকে হত্যা করা হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি তার পক্ষে defence হিসেবে ৩০০ ধারার ব্যতিক্রমসমূহ আদালতে উত্থাপন করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির উপরই ৩০০ ধারার ব্যতিক্রমসমূহ প্রমানের দায়িত্ব বর্তাবে।
⇒ X একজন আহত সৈনিক। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে, X তার নেতা Y কে অনুরোধ করে তাকে গুলি করতে। Y উক্ত অনুরোধে অনুযায়ী গুলি করে। Y এর অপরাধ সে খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা করেছেন।

------------
⇒ The penal code Section 300, Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
১২,২০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৭
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪১৯
  4. ধারা ৪২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮-এ আপিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, আপিল হতে পারে ঘটনার প্রশ্ন বা আইনের প্রশ্ন উভয়ের ওপর। এছাড়া, দণ্ডের কঠোরতা আইনের বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
- An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
- Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১২,২০৮.
একপক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমানের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. ঐতিহাসিক সত্য
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
১২,২০৯.
যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটার এখনো নিযুক্ত হয়নি, সেখানে মামলা পরিচালনার জন্য কে পাবলিক প্রসিকিউটার নিয়োগ দিতে পারবেন?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্টেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে- পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হন নাই সে ক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এই সম্পর্কে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ অফিসার ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
১২,২১০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারার অধীন একজন অপরাধীর দোষ স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধেই প্রমাণযোগ্য
  2. আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  3. যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা অনুসারে,
একজন অপরাধীর দোষ স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধেই প্রমাণযোগ্য নয়, বরং একই অপরাধের জন্য অন্য যৌথ অভিযুক্তদের (co-accused) বিরুদ্ধেও তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

এই ধারার সম্পূর্ণ অংশটি নিম্নরূপ:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।
১২,২১১.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে Shall Presume করতে বললে আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই প্রমাণিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১২,২১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী ধ্যস্থতার আদেশ পাওয়ার পর পক্ষগণ কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের তথ্য আদালতকে জানাবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুযায়ী:
Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator...”
বাংলায় অর্থ: ধারা ৮৯ক(১) এর অধীনে আদালত যখন মধ্যস্থতার আদেশ দেন বা রেফার করেন, তখন সেই তারিখ থেকে গণনা করে ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পক্ষগণ আদালতকে লিখিতভাবে জানাবে যে, তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে।
- যদি তারা ১০ দিনের মধ্যে কাউকে নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নিজে ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন।

- তাই সঠিক উত্তর: খ) ১০ দিন। 
১২,২১৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮
  2. ৪৪
  3. ৩৪
  4. ৩৭
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
 অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের বিধান রয়েছে।

-দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
১২,২১৪.
Asaduzzaman Vs. Bangladesh (4 BSCD 194) মামলায় Specific Performance of Contract কে কী হিসেবে গণ্য করা হয়েছে?
  1. Moral right
  2. Personal right
  3. Administrative right
  4. Property-related right
সঠিক উত্তর:
Property-related right
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Property-related right
ব্যাখ্যা

⇒ Asaduzzaman Vs. Bangladesh (4 BSCD 194) মামলায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ এর অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance of Contract) এর অধিকারকে সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার (property-related right) হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে, সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকার একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার, যা আইনের বিপরীতে কোনো বিধান না থাকলে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। এই অধিকার তখনই কার্যকর থাকে যখন এটি হুমকির সম্মুখীন হয় বা লঙ্ঘিত হয় এবং আদালতের মাধ্যমে এটি সুরক্ষিত করা যায়।

মামলার প্রেক্ষাপট:
- Asaduzzaman Vs. Bangladesh মামলায় বাদী (Asaduzzaman) ১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর একটি চুক্তির মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য টাকা প্রদান করেন এবং সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেন। চুক্তি অনুসারে, বিক্রেতার এক বছরের মধ্যে বাকি টাকা গ্রহণ করে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও নিবন্ধন করার কথা ছিল। কিন্তু বিক্রেতা তা না করায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের(Specific Performance) জন্য মামলা দায়ের করেন।
- এই মামলায় আদালত বিবেচনা করে যে, সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অর্থাৎ Asaduzzaman Vs. Bangladesh মামলায় চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারকে(Specific Performance of Contract) সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, কারণ এটি সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এবং আইনত সুরক্ষিত। এই রায়টি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ এর ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

১২,২১৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুযায়ী, বিচারক কোন সময়ে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. রায় ঘোষণার পরে
  2. কেবল বাদীর জবানবন্দির সময়
  3. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণের সময়
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা চলাকালীন যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা চলাকালীন যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
১২,২১৬.
যদি কেবল বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং মোকদ্দমার পক্ষ আপত্তি না করে, আদালত আদেশ-১৫, বিধি-৩ অনুসারে কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত করতে পারে
  2. রায় বাতিল করতে পারে
  3. সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. নতুন মামলা শুরু করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যদি মামলার পক্ষদের মধ্যে আইন বা ঘটনার কোনো প্রশ্ন বিচারযোগ্য হয় এবং আদালত আগে থেকেই বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে, তবে আদালত যদি মনে করেন যে আরও যুক্তি বা প্রমাণের দরকার নেই এবং তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করলে কারো প্রতি অবিচার হবে না, তাহলে আদালত সরাসরি বিচার্য বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে রায় দিতে পারেন।

তবে, যদি শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য সমন দেওয়া হয়ে থাকে এবং মামলার পক্ষ বা তাদের উকিল উপস্থিত থেকে কোনো আপত্তি না করেন, তাহলে আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারেন।

২) কিন্তু, যদি আদালত মনে করেন যে পর্যাপ্ত প্রমাণ বা যুক্তি উপস্থাপিত হয়নি, তাহলে তিনি মামলার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করতে পারেন।

১২,২১৭.
The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ থাকে, তবে তার আইনানুগ প্রতিনিধি সর্বোচ্চ কত বছরের মধ্যে মামলা করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ থাকে (যেমন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি), তবে তার আইনানুগ প্রতিনিধি মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।

 ৮ ধারার মূল বক্তব্য:
 অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলায় ৬ ও ৭ ধারার সুবিধা প্রযোজ্য নয়।
 যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ থাকে, তবে তার উত্তরাধিকারী বা আইনানুগ প্রতিনিধি সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে পারবে।
 এই সময়সীমা ৩ বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না।

 উদাহরণ:
"ক" একজন নাবালক, যিনি অগ্রক্রয়ের অধিকার অর্জন করেন, কিন্তু সাবালক হওয়ার আগেই মারা যান।
 তার উত্তরাধিকারী বা আইনানুগ প্রতিনিধি মৃত্যুর তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে পারবে।

The Limitation Act, 1908-এর ৮ ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপারগ (যেমন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি) থাকে, তাহলে তার আইনানুগ প্রতিনিধি (যেমন উত্তরাধিকারী বা আইনগত অভিভাবক) অপারগতা অবসানের পর (অর্থাৎ ব্যক্তির মৃত্যুর পর) সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে।
১২,২১৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ৪৯ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কে?
  1.  বার কাউন্সিলের সচিব
  2. বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান
  3. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত কোন সদস্য
সঠিক উত্তর:
 বার কাউন্সিলের সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বার কাউন্সিলের সচিব
ব্যাখ্যা

⇒ বিধি ৪৯ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সচিব পদাধিকার বলে (ex-officio) ট্রাইব্যুনালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এই বিধি অনুযায়ী, সচিব শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেনই না, বরং তিনি ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করার দায়িত্বেও নিয়োজিত থাকবেন।
---------------------------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972: Rule-49: "The Secretary of the Bar Council shall be ex-
officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by the Tribunal and for compliance with the rules in this Chapter."

১২,২১৯.
গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  4. রিমান্ডের সময় শেষে
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
 
- ধারা ৮১- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবে:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।
 --------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section- 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
১২,২২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫২-এর অধীনে কোনটি সংশোধনের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. গাণিতিক ভুল
  2. করণিক ভুল
  3. আকস্মিক বিচ্যুতি
  4. আইনের ভুল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
আইনের ভুল প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ভুল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ধারা ১৫২ (Section 152 CPC) অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ত্রুটি সংশোধন করতে পারে:
- করণিক ভুল (Clerical mistake) – যেমন লেখা বা টাইপিং এর ভুল
- গাণিতিক ভুল (Arithmetical mistake) – যেমন হিসাবের ভুল
- আকস্মিক বিচ্যুতি বা ছোঁড়া ত্রুটি (Accidental slip or omission)
কিন্তু আইনের ভুল প্রয়োগ বা বিচারকের সিদ্ধান্তের নীতিগত ভুল সংশোধনের জন্য ধারা ১৫২ প্রযোজ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১২,২২১.
একটি দেওয়ানী মামলায় কোন ঘটনা প্রমাণের জন্য সর্বনিম্ন যে ক'জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
  1. ৩ জন
  2. ১ জন
  3. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।

⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
১২,২২২.
আলম একটি জমি ক্রয় করার জন্য নুরের সাথে চুক্তি করেন। নুর জমিটি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হন এবং আলম আদালতে মামলা করেন। আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেন। এই পরিস্থিতিতে আদালত ১৯ ধারায় অতিরিক্ত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. জমির মূল্য পুনরায় নির্ধারণ
  2. আলমকে জমির মেয়াদ বৃদ্ধি
  3. নুরকে নতুন চুক্তি করার নির্দেশ
  4. নুরকে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর
সঠিক উত্তর:
নুরকে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরকে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ১৯ অনুসারে,
আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দিলে, এটি শুধুমাত্র চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য নয়, বরং চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণও মঞ্জুর করতে পারে। এর মানে হলো:

চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ: আদালত চুক্তি অনুযায়ী জমিটি আলমকে হস্তান্তর করার জন্য নুরকে নির্দেশ দিতে পারে।
ক্ষতিপূরণের আদেশ: যদি আদালত মনে করে যে, শুধু চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যথেষ্ট নয় এবং আলমের ক্ষতি হয়েছে, তাহলে আদালত নুরকে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে।

বিকল্প অপশনগুলো ব্যাখ্যা:
b) জমির মূল্য পুনরায় নির্ধারণ: আদালত জমির মূল্য পুনঃনির্ধারণ করতে পারে না যদি না এটি চুক্তির শর্তগুলির অংশ হয়।
c) আলমকে জমির মেয়াদ বৃদ্ধি: জমির মেয়াদ বৃদ্ধি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে, কারণ আদালত মূলত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়, না যে মেয়াদ পরিবর্তন।
d) নুরকে নতুন চুক্তি করার নির্দেশ: নতুন চুক্তি করার নির্দেশ দেওয়া আদালতের সাধারণ কার্য নয়। আদালত সাধারণত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন বা ক্ষতিপূরণ দেয়, নতুন চুক্তির নির্দেশ দেয় না।
১২,২২৩.
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাজ সম্পর্কে The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর কত বিধিতে বিধান রয়েছে?
  1. ৫৩ বিধি
  2. ৫৪ বিধি
  3. ৫৫ বিধি
  4. ৫৬ বিধি
সঠিক উত্তর:
৫৩ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ বিধি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৫৩:
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অর্ডার ও বিধিমালার বিধানসমূহ যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবেন। তাকে অর্ডার ও বিধিমালার মাধ্যমে যে সকল ক্ষমতা প্রদান ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, তা তিনি প্রয়োগ ও পালন করবেন।

The Chairman shall be responsible for ensuring due compliance with the provisions of the Order and the Rules. He shall exercise the powers and perform the functions assigned to him by the Order and the rules.
১২,২২৪.
'ক' এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে । 'খ' এই কথা না জেনে 'ক'-কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে না উক্ত আঘাতের ফলে ‘ক’ মার যায়। ‘খ’ এর অপরাধ কী?
  1. হত্যা
  2. খুন
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
নিন্দনীয় নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিন্দনীয় নরহত্যা
ব্যাখ্যা
 'খ' জানতো না যে, ক এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু খ ক-কে এমন আঘাত করেছে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে না। খ এর এই কাজটি হত্যা হবে না কারন খ হত্যার উদ্দশ্য নিয়ে ক কে আঘাত করে নি। তাই খ এর কাজটি নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে।
 
♦ 'খ' নিন্দনীয় নরহত্যার দায়ে অভিযুক্ত হবে।
১২,২২৫.
আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়?
  1. আদেশ ৪৩-এর নিজস্ব নিয়মাবলি
  2. আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
  3. আদেশ ২১-এর নিয়মাবলি
  4. আদেশ ৪৫-এর নিয়মাবলি
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) অনুযায়ী:
"The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."

- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর আওতাভুক্ত আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে যখন আপিল করা হয়, তখন আদেশ-৪১ (Order XLI)–এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়, যতদূর প্রয়োগযোগ্য হয়।

১২,২২৬.
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, যে আদালতের এখতিয়ারধীন-
  1. বাদী বসবাস করে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
  3. বিবাদী বসবাস করে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

• তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
১২,২২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১(১) ধারা অনুসারে, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা অধস্তন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪১(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করিতে পারবেন।"
অর্থাৎ, এই কার্যবিধির অধীনে কোনো ব্যক্তি বা সরকারের অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তাকে যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, তা প্রত্যাহারের ক্ষমতা একমাত্র সরকারের (Government) আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

১২,২২৮.
যদি কোনো পক্ষ অনুপস্থিত থাকেন বা স্বাক্ষর দিতে অক্ষম হন, তখন তার প্লিডিং এ স্বাক্ষর করতে পারেন কে?
  1. কোনো সাক্ষী
  2. মামলার প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের বিচারক
  4. তার অনুমোদিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
তার অনুমোদিত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অনুমোদিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

Order VI Rule 14 – Pleading to be signed:
প্রতিটি প্লিডিং (pleading) অর্থাৎ plaint (আরজি) বা written statement (বিবাদীর উত্তর) পক্ষ নিজে এবং তার নিযুক্ত আইনজীবী (pleader) উভয়ের স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে।

তবে শর্ত হলো:
দি কোনো কারণে (যেমন অনুপস্থিতি বা অন্য যুক্তিসঙ্গত কারণবশত) পক্ষ নিজে স্বাক্ষর করতে না পারেন, তাহলে তার পক্ষে যথাযথভাবে অনুমোদিত (duly authorized) অন্য কোনো ব্যক্তি তার হয়ে সেই প্লিডিং এ স্বাক্ষর করতে পারবেন অথবা মামলা করতে বা আত্মরক্ষা দিতে পারবেন।

১২,২২৯.
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা অনুযায়ী নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত দিন?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
♦ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
১২,২৩০.
ফৌজদারি মামলার কোনো অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতির কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. ক্রোকাদেশ > সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  2. সমন > ক্রোকাদেশ > গ্রেফতারি পরোয়ানা
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ > সমন
  4. সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ
ব্যাখ্যা
• সমন > গ্রেফতারি পরোয়ানা > ক্রোকাদেশ।

• ফৌজদারি মামলার কোন আসামিকে আদালতে হাজির করার পদ্ধতি: 
i) সমন জারি;
ii) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি; অথবা
iii) হুলিয়া জারি এবং সম্পত্তি ক্রোক করার মাধ্যমে।
 
ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
১. সর্বপ্রথম আদালত সমন (সাধারণ নোটিশ) জারি করে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হওয়ার জন্য।
২. যদি সমন অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত ওয়ারেন্ট বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হাজির করার জন্য।
৩. যদি ওয়ারেন্টও অমান্য করা হয়, তাহলে আদালত হুলিয়া বা ক্রোকাদেশ প্রদান করে।
১২,২৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে কয় শ্রেণীর বিচারিক আদালত আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
-------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
১২,২৩২.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
♦The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী  খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
♦যেহেতু The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কথা বলা হয়াছে তাই উত্তর হবে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭(৩) ধারা অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে।
♦ খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১২,২৩৩.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির সম্মতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

- এই ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠিত হয় যখন দুইজন বা ততোধিক ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোনো একটি কাজ করতে বা করানোর জন্য সম্মত হয়:
- একটি অবৈধ কাজ করা: এটি এমন কোনো কাজ যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
- বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করা: এটি এমন কাজ যা নিজে অবৈধ নয়, কিন্তু অবৈধ উপায় বা পদ্ধতি ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১২,২৩৪.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা কী সংজ্ঞা দেয়?
  1. অর্থের সংজ্ঞা
  2. মুদ্রার সংজ্ঞা
  3. নোটের সংজ্ঞা
  4. ব্যাংকের সংজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রার সংজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রার সংজ্ঞা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশি মুদ্রা (Bangladesh Coin):-
বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে, এবং অর্থরুপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইসুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরুপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।
(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।
(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।
(ঙ) "ফারুখাবাদ” টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশি মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 230: “Coin” defined Bangladesh coin:  Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustration:
(a) Cowries are not coin. 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.

১২,২৩৫.
আপিল আদালত সংক্ষিপ্তভাবে আপিল খারিজ [Summary disposal of appeal] করতে পারে কত ধারায়?
  1. ৪১১ ধারা
  2. ৪১৯ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪২১ ধারা মতে যদি আপিল আদালত মনে করে আপিলের কোন কারণ নেই, তাহলে আপিল আদালত আপিলটি সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করে দিতে পারে। এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে কিন্তু তলব করতে বাধ্য না।
১২,২৩৬.
A অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A তা বিক্রি করে। A যে অপরাধে দোষী হবে তা
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. দস্যুতা
  4. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ :- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।

♦ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

♦অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে ।

♦এখানে ‘A’আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। ‘A’সেটার মালিককে আবিস্কার না করে আংটি বিক্রয় করেছে অর্থাৎ সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই ‘A’ অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
১২,২৩৭.
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয়, সেই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে কবে থেকে গণ্য হবে?
  1. বিক্রয় প্রস্তাবের তারিখ থেকে
  2. ডিক্রি জারির তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
  4. বিক্রয়টি চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং ওই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন সেই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছিল, না যে সময়ে বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.
১২,২৩৮.
দায়রা আদালতে কার দ্বারা বাদীপক্ষের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা হয়?
  1. মামলার বাদী দ্বারা
  2. একজন পুলিশ অফিসার দ্বারা
  3. একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন আইনজীবী দ্বারা
সঠিক উত্তর:
একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২৬৫ক অনুযায়ী: “In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.”
- অর্থাৎ দায়রা আদালত বা সেশন্স আদালতে বিচারের সময় বাদীপক্ষের (প্রসিকিউশনের) মামলা বাধ্যতামূলকভাবে পাবলিক প্রসিকিউটর (PP বা এপিপি) পরিচালনা করবেন।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) একজন পাবলিক প্রসিকিউটর দ্বারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
 -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.

১২,২৩৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. 544(2)
  2. 542
  3. 540(2)
  4. 543
সঠিক উত্তর:
544(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
544(2)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪(২) অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:

(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses and protection of complainants, witnesses and victims:

(1) Subject to any order made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Government, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.

(2) Any Court may, on the application of any aggrieved person or on its own motion, at any stage of a criminal proceeding, pass such order or take such steps as may be necessary for the protection or security of any informant, complainant, victim or witness.

১২,২৪০.
একজন দায়রা জজ কোন এলাকার জন্য 'জাস্টিস অব দ্য পিস' হতে পারেন?
  1. শুধু বিভাগীয় শহরের জন্য
  2. শুধু মহানগরী এলাকার জন্য
  3. তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
  4. দায়রা জজ জাস্টিস অব দ্য পিস হতে পারেন না
সঠিক উত্তর:
তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নিজ বিচারিক এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন।

Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
১২,২৪১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ অনুযায়ী, লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা কতদিনের মধ্যে দায়ের করা যাবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী, লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর। এই মেয়াদ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
• লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তি বলতে এমন চুক্তিকে বোঝায় যা লিখিত আকারে তৈরি করা হয়েছে এবং আইনগতভাবে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রি) করা হয়েছে।
• চুক্তিভঙ্গ বলতে চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন করা বা চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন না করাকে বোঝায়।
এই মামলা দায়ের করার জন্য চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
- যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
১২,২৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির _______ অনুযায়ী আদালত প্লিডিংসের কোনো অংশ কর্তন করার আদেশ দিতে পারে।
  1. আদেশ ৬, বিধি ৬
  2. আদেশ ৭, বিধি ১১
  3. আদেশ ৬, বিধি ১০
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬ বিধি ১৬ (Order 6 Rule 16) অনুসারে আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখিত কোনো অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), কুৎসাজনক (scandalous) অথবা সুষ্ঠু বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত করতে পারে এমন বিষয় কর্তন (strike out) বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি  আদেশ-৬ বিধি-১৬ আরজি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লেখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। 
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: 
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.

১২,২৪৩.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি বাধা?
  1. আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাওয়া
  2. আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া
  3. আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া
ব্যাখ্যা
♦ঘোষণার মোকদ্দমায় যেক্ষেত্রে বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম, সেই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু যেক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করার প্রয়োজন নেই, সেই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার ব্যতীত শুধুমাত্র ঘোষণার মোকদ্দমা রক্ষণীয়।
♦ঘোষনামূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাওয়া একটি বাধা কারণ যে ক্ষেত্রে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম ছিল কিন্তু করেনি সেই ক্ষেত্রে আদালত কোনো ঘোষণা মঞ্জুর করবেনা।
১২,২৪৪.
'কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।'- কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩১৭
  2. ৩১৮
  3. ৩১৯
  4. ৩২০
সঠিক উত্তর:
৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৯
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা- আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
১২,২৪৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় আঘাতের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২২০
  2. ৩২০
  3. ৩১৯
  4. ১১৯
সঠিক উত্তর:
৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
⇒ Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
১২,২৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারা কার বিবৃতিকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিচারক
  3. মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়
সঠিক উত্তর:
মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারা অনুসারে মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে  তার বিবৃতিকে স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হবে।কারণ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
১. মোকদ্দমার পক্ষ। 
২. পক্ষের প্রতিনিধি।
৩. মামলার বিষয়বস্তুতে যার মালিকানা বা স্বার্থ আছে।
৪. পক্ষগণ যাদের নিকট থেকে বিষয়বস্তুতে মালিকানা বা স্বার্থ লাভ করেছে ।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ১৮, মোকদ্দমার পক্ষ কিংবা তাহার প্রতিনিধি কর্তৃক স্বীকৃতি: কোনো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ, কিংবা কোনো পক্ষের কোনো প্রতিনিধি, আদালত যাহাকে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে উক্ত পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিবৃতি দানের জন্য প্রকাশ্যের বা ইঙ্গিতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলিয়া মনে করেন তিনি কোনো বিবৃতি দিলে তাহা স্বীকৃতি।
------------------------------
The Evidence Act,1872,section-18: Admission by party to proceeding or his agent: Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.

১২,২৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ-১২ বিধি-১
  2. আদেশ-১২ বিধি-২
  3. আদেশ-১২ বিধি-৪
  4. আদেশ-১২ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।
আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যে-রূপ সংগত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১২,২৪৮.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় কয় শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১২,২৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করা হয় কখন?
  1. রায় ঘোষণার পরে
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে
  3. মামলা নিষ্পত্তির পরে
  4. মামলা দায়েরের সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
ব্যাখ্যা
উত্তর: রায় ঘোষণার পূর্বে।
আদালত রায় ঘোষণার আগে দুইটি কারণে ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন:
১) যদি বিবাদী জামানত ও অন্যান্য খরচ আদালতে জমা দেয়।
২) যদি মোকদ্দমা খারিজ হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১২,২৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে কয় প্রকারের বিচারক থাকে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
---------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

১২,২৫১.
সাধারণত কোন পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে-
  1. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  2. জেরা গ্রহণকারী পক্ষ বা সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেখুন জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এবং যেহেতু জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবদির সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না, তাই সাধারণত সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দি এবং পুনঃজবানবন্দির সময় সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করতে পারে।
১২,২৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী আপিল কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. হাইকোর্টে সরাসরি
  2. যেকোনো দেওয়ানি আদালতে
  3. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতে
  4. আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
১২,২৫৩.
প্লিডিংসে কোন কোন বিষয়াবলীর বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হয়?
  1. ভ্রান্ত বিবরণ, প্রতারণা
  2. বিশ্বাসভঙ্গ, স্বেচ্ছাকৃত খেলাপ
  3. অন্যায়, অবাঞ্চিত প্রভাবের
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• প্লিডিংস সম্পর্কে নিয়ম:
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [ Material Facts] উল্লেখ করতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। সেসব তথ্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ(concise form) দান করতে হবে, এতদসম্বন্ধীয় প্রমাণাদি দরখাস্তে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।

• ৬নং আদেশের বিধি-৪ তে কখন প্লিডিংসে বিস্তারিত বর্ণনা দান করতে হবে, তা বলা আছে-
যেক্ষেত্রে প্লিডিংস কোন ভ্রান্ত বিবরণ, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, স্বেচ্ছাকৃত খেলাপ, অযথা অন্যায় অথবা অবাঞ্চিত প্রভাবের উপর নির্ভর করে এবং অন্যান্য যে সকল ক্ষেত্রে উপরোক্ত ফরমসমূহে প্রদর্শিত বিবরণ ব্যতীত আরও বেশী বিবৃতি দেয়ার প্রয়োজন পড়ে, ঐ সকল ক্ষেত্রে (প্রয়োজনবোধে তারিখ ও দফা উল্লেখ করে) এর বিশদ বিবৃতি(particulars) দিতে হবে।
১২,২৫৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৮৩ অনুযায়ী, অন্য কোনো চুক্তির ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলার মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ৮৩ অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি কারো বিরুদ্ধে চুক্তিভিত্তিক ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চান, তবে তাঁকে ক্ষতির ঘটনার দিন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৮৩ অনুযায়ী, অন্য কোনো চুক্তির ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বাদী যখন প্রকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই তারিখ থেকে।
১২,২৫৫.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের _____________ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
  1. ২৩
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
১২,২৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না______এর ক্ষেত্রে।
  1. সালিসি আইন, ২০০১
  2. অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. The Negotiable Instrument Act, 1881
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় [Explanation No. (1) ] মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

♦অন্যান্য আইনে ADR
Muslim Family Laws Ordinance 1961
The Family Courts Ordinance, 1985 (ধারা: ১০, ১৩)
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫)
যেহেতু অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫) তে মধ্যস্থতার বিধান আছে এই জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না।
১২,২৫৭.
বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

⇒ উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
------------
⇒ Section 193. Punishment for false evidence:
Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine. 
 
⇒ Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding. 

⇒ Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice. 
 
Illustration 
A, in an enquiry before a Magistrate for the purpose of ascertaining whether Z ought to be committed for trial, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding. A has given false evidence. 
 
⇒ Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice. 
 
Illustration 
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
১২,২৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি কী ধরনের আইন?
  1. Criminal Law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. Constitutional Law
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ ।
- ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure,1908 (ACT NO. V OF 1908)

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি।
- এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কীভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি, পক্ষসমূহের শুনানির সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানি, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ, আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। তাই এটি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যে-সব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

১২,২৫৯.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধী ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় দেয় তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. দুই বছর কারাদণ্ড
  2. তিন বছর কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:-
দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

উদাহরণ:
খ ডাকাতি করেছে জেনে ক জ্ঞাতসারে ক-কে লুকিয়ে রাখে। আইনের সাজা হতে খকে বাঁচাবার মানসেই ক এই কাজ করে। এক্ষেত্রে, যেহেতু খ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় সেহেতু ক অনধিক তিন বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১২,২৬০.
একটি মামলা গ্রামবাসীর পক্ষে সদবিশ্বাসে দায়ের করা হয় এবং দুই পক্ষের শুনানির পর তা খারিজ হয়। পরবর্তীতে, পূর্বের মামলার ব্যাপারে না জেনে ‘ঘ’ একই বিষয়ে আবার মামলা দায়ের করেন। এ ক্ষেত্রে কী হবে?
  1. মোকদ্দমাটি খারিজ করা হবে।
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে না।
  3. মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পূর্বের মোকদ্দমা সম্পর্কে ‘ঘ’-এর জ্ঞান না থাকলে আরজি প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির "কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা" (Constructive Res Judicata) নীতি:
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- পরোক্ষ রেস জুডিকাটা বলতে বোঝায়, যে বিষয় পূর্ববর্তী মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল সেটাও উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিচার্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে।
- অর্থাৎ, যেখানে পূর্বের মামলায় কোনো পক্ষের পক্ষে এমন যুক্তি ছিল, যা সেই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, পরবর্তী মামলায় সেই যুক্তি আর উপস্থাপন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১ ধারার ৬ নং ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রেও রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করা হবে।
এই মামলায় ‘ঘ’ পূর্বের মোকদ্দমার কথা না জানলেও সে উক্ত মোকদ্দমা করতে পারবে না। কারণ একই বিচার্য বিষয়ে পূর্বে একবার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এখানে 'ঘ' ভিন্ন ব্যক্তি হলেও ইস্যু একই এবং তাঁদের স্ট্যাটাসও একই। এই কারণে রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।

যেমন: ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে জমির মালিকানার বিরোধ জনিত এক মোকদ্দমায় আদালত রায় দিলেন যে, জমিটি বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা আদালতে উল্লেখ করেন নি যে, জমিতে গোপন ত্রুটি রয়েছে। পরে আবার নতুন করে এই গোপন ত্রুটির ভিত্তিতে আরেকটি মামলা দায়ের করা যাবে না। এক্ষেত্রে অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটাকে (Constructive Res Judicata) পরোক্ষ রেস জুডিকাটাও বা Indirect Res Judicata বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court.
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto.
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court.
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other.
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit.
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused.
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
১২,২৬১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি নকশা বা পরিকল্পনা সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করবে?
  1. তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য
  2. সঠিকতা যাচাই ব্যতীত তা গ্রহণযোগ্য নয়
  3. তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
  4. তা কর্তৃপক্ষের দ্বারা যাচাই করা হয়নি
সঠিক উত্তর:
তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
ব্যাখ্যা

সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা তৈরি নকশাবা পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রণীত হয়েছে এবং তা নির্ভুল। তবে, কোনো মামলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এর সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।

ধারা ৮৩: সরকারি কর্তৃত্বাধীনে প্রণীত নকশা কিংবা পরিকল্পনা সম্পর্কে অনুমান: যে সমস্ত মানচিত্র কিংবা পরিকল্পনা সরকারের কর্তৃত্বাধীনে প্রণীত বলিয়া অনুমিত হয়, আদালত অবশ্যই সেইগুলিকে অনুরূপভাবে প্রণীত ও সঠিক বলিয়া অনুমান করিবেন; কিন্তু যে সমস্ত মানচিত্র কিংবা পরিকল্পনা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রণীত, সেইগুলি সঠিক বলিয়া অবশ্যই প্রমাণ করিতে হইবে।
-------------------------------
The Evidence Act, 1872, Section 83.Presumption as to maps or plans made by authority of Government: The Court shall presume that maps or plans purporting to be made by the authority of the Government were so made, and are accurate; but maps or plans made for the purposes of any cause must be proved to be accurate.

১২,২৬২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তি খুন করিলে তাহার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. ৩০২ ধারায়
  2. ৩০৩ ধারায়
  3. ৩০৪ ধারায়
  4. ৩০৪-এ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দন্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 
-------------
Section 303 Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
১২,২৬৩.
কবির এই মর্মে আদালতে রায় কামনা করে যে, ফারুক এর দখলভূক্ত কোন একটি জমি সে পাওয়ার অধিকারী। সে এর সমর্থনে কতগুলি বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করে এবং ফারুক এই সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই কবিরকে প্রমাণ করতে হবে।
  2. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ফারুককে প্রমাণ করতে হবে।
  3. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই পুলিশকে প্রমাণ করতে হবে।
  4. উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ফারুকের আইনজীবীকে প্রমাণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই কবিরকে প্রমাণ করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই কবিরকে প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০১ অনুযায়ী- যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করে এর উপর নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করবেন
১২,২৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ কখন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে?
  1. মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত
  3. নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার পর এক বছর পর্যন্ত
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) আদেশ-XXXIX, বিধি-১ এবং বিধি-২ এর বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশের কার্যকর থাকার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত, অথবা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত – আদালত চাইলে যেকোনো সময় নিষেধাজ্ঞা বাতিল, পরিবর্তন বা স্থগিত করতে পারে।

আদেশ- XXXIX, বিধি- ১ এর বিধান:
- বিধি- ১ এ বলা হয়েছে:
"The Court may by order grant a temporary injunction to restrain such act, or make such other order for the purpose of staying and preventing the wasting, damaging, alienation, sale, removal or disposition of the property as the Court thinks fit, until the disposal of the suit or until further orders."
অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত এমন আদেশ দিতে পারে যা সম্পত্তির ক্ষতি, নষ্ট, হস্তান্তর বা বিক্রয় রোধ করবে।
- এই নিষেধাজ্ঞা মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত বা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে, যেটি আদালত উপযুক্ত মনে করে।

আদেশ- XXXIX, বিধি- ২(২) এর বিধান:
- বিধি- ২(২) এ বলা হয়েছে: "The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit."
অর্থাৎ বিধি- ২ এর অধীনে, আদালত চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি রোধ করার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে।
- এই নিষেধাজ্ঞার সময়কাল আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে, এবং এটি সাধারণত মামলার নিষ্পত্তি বা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
১২,২৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুসারে, অভিযোগ প্রণয়নের পর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামির কী হবে?
  1. শাস্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. জামিন পাবে
  4. নতুন করে বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪(খ) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে অভিযোগ প্রণয়নের পর (চার্জ ফ্রেমিং-এর পর) মামলা প্রত্যাহার করা হলে আসামি সংশ্লিষ্ট অপরাধ থেকে খালাস (Acquittal) পাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

১২,২৬৬.
Who will be the Chairman of the Bar Council Tribunal?
  1. The person elected by the Council
  2. The Chief Justice
  3. The Attorney-General
  4. Most Senior Advocate amongst the members
সঠিক উত্তর:
Most Senior Advocate amongst the members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Most Senior Advocate amongst the members
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী-
1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman: 
 Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.

বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।

১২,২৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা অনুসারে ট্রেডমার্ককে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. চুক্তি
  2. সেবা
  3. সম্পত্তি
  4. অধিকার
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে "এই ধারার উদ্দেশ্যে ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।"
অর্থাৎ, ট্রেডমার্ককে একটি আইনি সম্পত্তি (legal property) হিসেবে বিবেচনা করে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
১২,২৬৮.
যদি কোনো ব্যক্তি জানে যে অপরাধী মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছে এবং তাকে লুকিয়ে রাখে, তবে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২১২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার যথাযথ কারণ থাকা সত্ত্বেও — যে একজন অপরাধী মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছে — এবং সেই ব্যক্তিকে আইনের সাজা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেয়, তাহলে: সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
তবে, ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম আছে: যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেয়, তাহলে তারা এই ধারায় দণ্ডিত হবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
- অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

১২,২৬৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে আদালতকে কিছু বিষয়ে বাধ্যতামূলকভাবে বিচারিক নোটিশ নিতে হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৭
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৭৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭–তে বলা হয়েছে, কিছু বিষয়ে আদালতকে বাধ্যতামূলকভাবে বিচারিক নোটিশ নিতে হবে। 
- এর অধীনে আদালত কিছু সাধারণ বা স্বীকৃত বিষয়, যেমন বাংলাদেশের সকল আইন, সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি, সংসদের কার্যক্রম, সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে প্রকাশিত নাম, স্বীকৃত রাষ্ট্রের নাম, জাতীয় পতাকা, এবং সময় ও ভূগোল সম্পর্কিত বিষয়াবলী, সম্পর্কে স্বপ্রমাণ গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে। এই ধরনের বিষয়গুলি আদালতে যুক্ত করা হলে, আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলোকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করবে এবং এর জন্য কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে না।
এটি আদালতের কার্যক্রম সহজ করে এবং সময় বাঁচাতে সহায়ক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৭ আদালতকে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিচারিক নোটিশ (judicial notice) নিতে বাধ্য করে।
-----------
⇒The Evidence Act,1872, Section 57 of the Evidence Act outlines the facts that the Court must take judicial notice of, including:
1. All Bangladesh Laws.
2. Articles of War for the Armed Forces.
3. The proceedings of Parliament and any legislature with power over Bangladesh's territories.
4. The seals of all courts in Bangladesh, including Admiralty and Maritime Courts and Notaries Public.
5. Names, titles, functions, and signatures of public officeholders, as published in the official Gazette.
6. The existence, title, and national flag of recognized States.
7. Geographical divisions, public festivals, fasts, and holidays notified in the official Gazette.
8. The territories of Bangladesh.
9. Hostilities between Bangladesh and other States or entities.
10. The names of court members, officers, advocates, and authorized persons.
11. The rule of the road on land and sea.
The Court may refer to books or documents of reference for these facts. If any person requests judicial notice, the Court may refuse unless the necessary documents are presented.

১২,২৭০.
দেওয়ানি আদালত কত ধারায় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করার সাধারন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যেকোনো সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ, এই ধারার অধীন আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।

Section 153- General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
১২,২৭১.
দেওয়ানি আদালত কখন মোকদ্দমায় কোনো পক্ষকে বাদ দিতে বা সংযুক্ত করতে আদেশ দিতে পারে?
  1. রায়ের আগে
  2. মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
  3. বিচার্য বিষয় চূড়ান্ত হবার আগে
  4. মামলার প্রথম শুনানির আগে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : মামলার যেকোনো পর্যায়ে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

১২,২৭২.
কোনটি ডিজিটাল রেকর্ডের উদাহরণ নয়?
  1. ড্রোন ভিডিও
  2. সেল ফোনে ধারণকৃত ছবি
  3. ডিএনএ
  4. মাইক্রোফিল্মে সংরক্ষিত ডাটা
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) ডিএনএ (DNA)।
- ডিএনএ (DNA) ডিজিটাল রেকর্ড নয়; এটি শারীরিক/ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।

• ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।ঃ

শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence):
যে সকল বস্তু বা উপাদান যেগুলো অপরাধের প্রমাণ বা সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে, তাদের শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য বলা হয়। এগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
- রক্ত, বীর্য, চুল বা অন্যান্য শারীরিক পদার্থ;
- অঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ;
- ডিএনএ (DNA);
- আঙ্গুলের ছাপ (Finger impression), হাতের তালুর ছাপ (Palm impression), চোখের কনীর ছাপ (Iris impression), পায়ের ছাপ (Footprint) অন্য যে কোন সদৃশ বস্তু বা উপাদান, যা:
প্রমাণ করতে পারে যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা অপরাধ ও তার শিকার বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে বা কোনো ঘটনা সত্য বা মিথ্যা প্রমাণ করতে সাহায্য করতে পারে।

১২,২৭৩.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হওয়ার প্রথম শর্ত কোনটি?
  1. দখল হস্তান্তর আবশ্যক
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকতে হবে
  3. চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত হতে হবে
  4. বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

১২,২৭৪.
পুলিশ হেফাজতে কেউ মারা গেলে কে ইনকোয়ারি করবেন?
  1. থানার অফিসার ইনচার্জ
  2. দায়রা আদালত
  3. নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র অপরাধ আমল গ্রহণে যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।

১২,২৭৫.
অবৈধ ক্রিয়া (Malfeasance), অনুচিত ক্রিয়া (Misfeasance) বা নিষ্ক্রিয়তার (Nonfeasance) ফলে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, অবৈধ ক্রিয়া, অনুচিত ক্রিয়া বা নিষ্ক্রিয়তার ফলে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ২ বছর।
-
এই মেয়াদ অবৈধ কাজ, অনুচিত কাজ বা নিষ্ক্রিয়তা সংঘটিত হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
১২,২৭৬.
তামাদি আইনের কত ধারায় তামাদি গননায় প্রতারণার ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৬ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- 
যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
১২,২৭৭.
'ক' দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬ মাস। 'ক' ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে। বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্ন লিখিত কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী-
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১২,২৭৮.
দন্ডবিধির কোন ধারার অভিন্ন ইচ্ছা (Common intention) জনিত দায় সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ১০৯
  2. ১৪১
  3. ১৪৯
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে;
(i)  সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে
(ii)  তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।
১২,২৭৯.
তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী, একটি মামলা দায়ের করতে হলে, প্রতিবন্ধকতার অবসানের পর কত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১২,২৮০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৪৩
  2. ৩৪৪
  3. ৩৪৫
  4. ৩৪২
সঠিক উত্তর:
৩৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১২,২৮১.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে আইন বিষয়ে ডিগ্রি লাগবে এবং বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে এটি কোন আইনের বিধান?
  1. Article 20, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  2. Article 21, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  3. Article 25, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  4. Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
সঠিক উত্তর:
Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
ব্যাখ্যা
♦আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা
আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
১২,২৮২.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' উপস্থিত থাকলেও, 'ক' অনুপস্থিত থাকে। এক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. 'খ' কে খালাস দিবে
  2. মামলা বাতিল করবে
  3. মামলা স্থগিত রাখবে
  4. মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
ব্যাখ্যা
• উক্ত ক্ষেত্রে আদালত মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন; ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১২,২৮৩.
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১ লাখ টাকা
  2. ২ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ৫ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩২: বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে সাজা দিতে পারবেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা দিতে সক্ষম-
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব (solitary confinement) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
- সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী যে কোনো সাজা দিতে পারবে, একাধিক ধরণের সাজা একত্রিত করে।

১২,২৮৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বা আপিল বিভাগের রায় কার্যকর করার মামলার সময়সীমা নির্ধারণ করে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৮২
  3. অনুচ্ছেদ ১৮১
  4. অনুচ্ছেদ ১৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।
১২,২৮৫.
আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোনো পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
১২,২৮৬.
According to Section 93, no communication made in _______ is an offence if it is made for the _______ of the person to whom it is made.
  1. bad faith, harm
  2. good faith, benefit
  3. negligence, detriment
  4. ill will, advantage
সঠিক উত্তর:
good faith, benefit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
good faith, benefit
ব্যাখ্যা
Section 93.-Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.

দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান- সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুন অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
১২,২৮৭.
আদালতের কাছে প্রশ্ন হল, 'ক' একটি নির্ধারিত দিনে চট্টগ্রামে একটি অপরাধ করেছে কিনা। এক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারা অনুসারে নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. 'ক' উক্ত দিনে সৌদি আরব ছিল
  2. 'ক' উক্ত অপরাধের ব্যাপারে সচেতন ছিল
  3. 'ক' এর সাথে মামলার বাদীর বৈরী সম্পর্ক ছিল
  4. সবগুলো প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
'ক' উক্ত দিনে সৌদি আরব ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' উক্ত দিনে সৌদি আরব ছিল
ব্যাখ্যা
⇒ "Plea of alibi" শব্দবন্ধটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "alibi" থেকে, যার অর্থ "অন্য কোথাও"।
সাধারণভাবে, Plea of alibi হল একটি প্রতিরক্ষামূলক বক্তব্য, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন যে অপরাধ সংঘটনের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, বরং অন্য কোনো স্থানে ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি অপরাধ সংঘটনে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারতেন না, তাই তিনি দায়ী নন। সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ১১:
যে ঘটনা সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তা তখনই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে-
- যদি এটি কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
- যদি এটি এককভাবে বা অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য করে তোলে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
যদি প্রমাণিত হয় যে ওই দিনে A ঢাকায় ছিল, তাহলে এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
এছাড়াও, যদি দেখা যায় যে অপরাধ সংঘটনের সময় A এমন একটি স্থানে ছিল, যেখান থেকে অপরাধস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত অসম্ভব, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক হবে।

(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
পরিস্থিতি এমন যে, অপরাধটি হয় A, B, C অথবা D—এদের মধ্যে কেউ করেছে।
যে কোনো ঘটনা যা প্রমাণ করে যে অপরাধটি B, C বা D করেনি এবং অপরাধী শুধুমাত্র A হতে পারে, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
১২,২৮৮.
দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা উদ্ভাবন করে এবং তার ফলে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর হবে।
- মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে, সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। 

দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার মূল বিধান:
যদি কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা তৈরি করে এবং তা দ্বারা অন্য কেউ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে জেনেও তা করে, তবে তার শাস্তি হবে—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
কিন্তু যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে— মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১২,২৮৯.
Where 'A' loosens the muzzle of a ferocious dog to cause 'Z' to believe that the dog will attack, what is 'A' committing under the penal code?
  1. Assault
  2. Criminal force
  3. Criminal intimidation
  4. Wrongful restraint
সঠিক উত্তর:
Assault
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Assault
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 351. Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
-কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:-
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণসমূহ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
১২,২৯০.
বিচারক নিয়োগে কোন বিষয়টি প্রতিহত করা আইনজীবীদের কর্তব্য?
  1. প্রশাসনিক প্রক্রিয়া
  2. নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
  3. রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা
  4. নিয়োগ বোর্ড গঠন
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা
ব্যাখ্যা

• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে। অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

আদালতের প্রতি কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

১২,২৯১.
বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের অভিযোগ X অভিযুক্ত হয়। X-এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ট্রেন টিকেট চেকারের
  2. স্টেশন মাস্টারের
  3. ট্রেনের গার্ডের
  4. X-এর
সঠিক উত্তর:
X-এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X-এর
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।

♦ কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী কোন বিষয় যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যস্ত। X যে টিকিট কেটেছিল তা X বিশেষভাবে অবগত । তাই X এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব X এর।
১২,২৯২.
সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা অতিক্রমের ফলে মৃত্যু হলে তা খুন নয় তা উল্লেখ আছে-
  1. ৩০০ এর ব্যতিক্রম-১
  2. ৩০০ এর ব্যতিক্রম-২
  3. ৩০০ এর ব্যতিক্রম-৩
  4. ৩০০ এর ব্যতিক্রম-৪
সঠিক উত্তর:
৩০০ এর ব্যতিক্রম-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ এর ব্যতিক্রম-৩
ব্যাখ্যা
• অপরাধী সরকারি কর্মচারী হিসাবে বা জনগণের ন্যায়বিচারের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে এমন সরকারি কর্মচারীকে সাহায্য করতে গিয়ে সরল বিশ্বাসে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা অতিক্রম করে মৃত্যু ঘটালে নিন্দনীয় নরহত্যা হবে।
• অর্থাৎ সরকারি কর্মচারী আইনসম্মত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরল বিশ্বাসে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা অতিক্রম করে কারো মৃত্যু ঘটালে, তা খুন না হয়ে তা নিন্দনীয় নরহত্যা হবে।
১২,২৯৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) সরাসরি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908. 
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply. 
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority. 
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease. 
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
১২,২৯৪.
দেওয়ানি রিভিশন The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১০৭
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর  ১১৫ ধারায় রিভিশন, ১১৪ ধারায় রিভিউ এবং ১০৭ ধারায় দেওয়ানী আপীলের ক্ষেত্রে আপীল আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
♦১১৫ ধারা অনুযায়ীধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ ও
২)হাইকোর্ট বিভাগ
১২,২৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী, প্রিসেপ্ট (precept) দ্বারা ক্রোকের কার্যকারিতা কত সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়?
  1. ছয় মাস
  2. তিন মাস
  3. দুই মাস
  4. এক মাস
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”
- অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবে অনুরোধপত্রে ভিত্তি করে সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept.
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree:
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.

১২,২৯৬.
আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল;
  2. রিভিউ;
  3. নতুন আরজি দাখিল;
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলঃ ধারা ২(২) অনুযায়ী আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ একটি ডিক্রি তাই এর বিরুদ্ধে ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী আপীল করা যায়। আপীল না করলে ধারা ১১৪/Order XLVII অনুযায়ি রিভিউ করা যায় এবং আদেশ ৭ বিধি ১৩ এর অধীন পুনরায় একই কারণে নতুন আরজি দাখিল করা যায়।
১২,২৯৭.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননা করলে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

১২,২৯৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের
অযোগ্যতাসমূহ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ২৭(৩), কোনো ব্যক্তি এডভোকেট হিসাবে অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য হইবেন যদি-
(ক) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অভিযোগে সরকারি চাকরি বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্পোরেশন হইতে বরখাস্ত হন, যদি না তাহার বরখাস্তের পর দুই বৎসর অতিক্রান্ত হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, যদি না শাস্তির মেয়াদ শেষ হইবার পর পাঁচ বৎসর অথবা সরকার কর্তৃক, এতদুদ্দেশ্যে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, তদাপেক্ষা কম সময়, অতিক্রান্ত হয়।
-------------
27(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.

১২,২৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারায় আদালত কোন পরিস্থিতিতে দেনাদারকে দেওয়ানি জেলে আটক করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  2. ডিক্রিদার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করলে
  3. দেনাদার আদালতের অবমাননা করলে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:

যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
১২,৩০০.
দেনা আংশিক পরিশোধের ফলাফল কী?
  1. তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে
  2. নতুন করে তামাদি গণনা
  3. পূর্বের তামাদির মেয়াদ অব্যাহত থাকবে
  4. তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি গণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি গণনা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ১৯ মতে- দেনা আংশিক পরিশোধ বা লিখিত স্বীকৃতি ফলে নতুন করে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে,
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
------------
The Limitation Act, 1908, Section-19. Effect of acknowledgement in writing:
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation-I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation-II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation-III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.