বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২২ / ১২৬ · ১২,১০১১২,২০০ / ১২,৬০৫

১২,১০১.
এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে কোন কর্তৃপক্ষ?
  1. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ
  2. সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত
  3. সুপ্রীম কোর্টের রেজিষ্টার
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ, আর  জেলা জজ আদালত শুধু তার অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন।
♦কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
♦স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
১২,১০২.
'জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে' এটি পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালার-
  1. ২য় অধ্যায়ের ৯ বিধি
  2. ১ম অধ্যায়ের ১০ বিধি
  3. ১ম অধ্যায়ের ১১ বিধি
  4. ২য় অধ্যায়ের ৫ বিধি
সঠিক উত্তর:
১ম অধ্যায়ের ১০ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম অধ্যায়ের ১০ বিধি
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীর সাথে আচরণ (Conduct with advocates) ১০ বিধি-জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।
⇒ বিধি ১০: জুনিয়র আইনজীবীরা সিনিয়র আইনজীবীদেরকে অবশ্যই সম্মান দেখাবেন এবং সিনিয়র আইনজীবীরা জুনিয়রদেরকে স্নেহের দৃষ্টিতে সহায়তা করবেন।
⇒ Rule 10: Junior and younger members should always be respectful to senior and older members. The latter are expected to be not only courteous but also helpful to their junior and younger brethren at the Bar.
১২,১০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে তদন্ত কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ১৭৩খ (Section 173B)-এর উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে তদন্ত এই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ রেকর্ড করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে (ধারা ১৭৩খ(২))।
অর্থাৎ ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে, তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(২) যৌক্তিক কারণে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হলে—তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিতে দেরির কারণ লিখবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করবেন, এবং সেই আবেদনটির একটি কপি তদন্তের তদারককারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে তদন্ত সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে অবশ্যই সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
(৪) যদি বর্ধিত সময়েও তদন্ত শেষ না হয়, তবে তদন্ত কর্মকর্তা—দেরির কারণ লিখিতভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন, এবং সেই কপিটি তাঁর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছেও পাঠাবেন।
(৫) ম্যাজিস্ট্রেট ব্যাখ্যা বিবেচনা করার পর (বা ব্যাখ্যা না দিলে)—
(a) অন্য কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারবেন;
(b) বিলম্বকে তদন্ত কর্মকর্তার অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করতে পারবেন,
এবং তা কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) নোট আকারে লিপিবদ্ধ করবেন,
এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলবেন।
(৬) তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর, আদালত যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী হিসেবে রাখা ন্যায়ের স্বার্থে উপযুক্ত, তবে আদালত আদেশ দিয়ে সেই ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে গণ্য করতে পারবেন।
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা—
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-173B. Provisions for completion of investigation.-(1) Notwithstanding anything contained in this Code, every investigation under this Chapter shall be completed within sixty working days from the date of receipt of the information relating to the offence.
(2) Where, for reasonable cause, the investigation cannot be completed within the period specified in sub-section (1), the investigating officer shall record the reasons for such delay in the case diary, apply to the Magistrate for extension of time stating the specific grounds and the additional time required, and forward a copy of such application to the superior officer supervising the investigation.
(3) Upon consideration of the application made under sub-section (2), the Magistrate may, by order, extend the time for investigation as may be deemed reasonable, and the investigating officer shall conclude the investigation within the extended time.
(4) Where the investigation is not completed within the time so extended under sub-section (3), the investigating officer shall, upon expiry of such period, report the reasons in writing to the Magistrate and send a copy thereof to the superior officer supervising the investigation.
(5) Upon consideration of the explanation submitted under sub-section (4), or where no such explanation is submitted by the investigating officer, the Magistrate may-
(a) direct that the investigation be conducted by another officer;
(b) treat such delay as incompetence or misconduct on the part of the investigating officer, cause a note thereof to be recorded in the officer's Annual Confidential Report, and direct the appropriate authority to take action in accordance with the relevant service rules.
(6) If, upon submission of the investigation report, the Court is satisfied, having regard to the materials on record, that any person named as an accused ought, in the interest of justice, to be treated as a witness, the Court may pass an order to that effect, and such person shall be treated as a witness in the case.
(7) If, upon conclusion of the trial, the Court finds that the investigating officer either negligently or with intent to protect any person from criminal liability-
(i) failed to collect or consider any admissible evidence;
(ii) treated any person as a witness who ought to have been made an accused; or
(iii) failed to examine a material witness without justification, the Court may record a finding to that effect, treat such act or omission as misconduct or incompetence, and direct the controlling authority to take appropriate legal action against the officer in accordance with law.

১২,১০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৩ অনুযায়ী, বিবাদী তার লিখিত বিবৃতিতে কী করতে বাধ্য?
  1. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের দাবী মেনে নেওয়া
  2. বাদীর সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা
  3. সাধারণভাবে অভিযোগের সত্যতা মেনে নেওয়া
  4. অভিযোগের প্রত্যেকটি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের প্রত্যেকটি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের প্রত্যেকটি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
- বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
- It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
১২,১০৫.
তদন্তকালে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে পুলিশ হেফাজতে রাখার জন্য তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারেন অনধিক-
  1. ০৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না ।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিকা মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
১২,১০৬.
According to Section 143, when can leading questions be asked?
  1. During the chief examination
  2. During cross-examination
  3. During re-examination
  4. At any time during the trial
সঠিক উত্তর:
During cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
During cross-examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান- যখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরার সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

Section 143.When they may be asked:
Leading questions may be asked in cross-examination.
১২,১০৭.
সরকারি কর্মচারীকে দাঙ্গা দমনের সময় বাধাদান করলে The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫২ ধারায়
  4. ১৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:-
-কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১২,১০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করা নিষিদ্ধ?
  1. ধারা ৫৩৬
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৫৫৬
  4. ধারা ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো মামলার একজন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট থাকেন, তবে তিনি উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না।
তবে, ব্যতিক্রম:
- এই ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র একজন পৌর কমিশনার হন বা কোনো মামলার স্থান পরিদর্শন করেন, তবে শুধুমাত্র এই কারণে তিনি মামলার বিচার থেকে অযোগ্য হবেন না।
- যদি একজন জেলা প্রশাসক (Collector) কোনো তথ্যের ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে মাদক বা আবগারি (Excise) আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, তবে তিনি ঐ মামলার বিচার করতে পারবেন না, কারণ তিনি মামলার একজন পক্ষ হয়ে গেছেন।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারাই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার নিষিদ্ধ করেছে।
১২,১০৯.
একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৪]।
৫) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]।
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
১২,১১০.
According to Section 352, who has the authority to limit the public's access to the court during a trial or inquiry?
  1. The district magistrate
  2. The public prosecutor
  3. The presiding Judge or Magistrate
  4. The police officer in charge of the case
সঠিক উত্তর:
The presiding Judge or Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The presiding Judge or Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
১২,১১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে, তদন্ত শেষে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা কী করবেন?
  1. আসামিকে আদালতে প্রেরণ করবেন
  2. আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করবেন
  3. আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন
  4. মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেবেন
সঠিক উত্তর:
আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে, তদন্ত শেষে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
-------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
১২,১১২.
একটি চুক্তির বিষয়বস্তুর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের পর শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের প্রাপ্য হবে না। এমন অবস্থায় আদালত কী করতে পারে?
  1. অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিবে
  2. চুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিতে পারে
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
  4. কোন প্রতিকার প্রদান করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১২ ধারায় উল্লিখিত চারটি ক্ষেত্র তুলে ধরেছেন যেখানে আদালত কোনো চুক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দিতে পারবে।
এই চারটি ক্ষেত্র হলো:
ক) যদি সেই চুক্তি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
খ) যদি চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কোনো মানদণ্ড না থাকে।
গ) যদি চুক্তিভঙ্গের জন্য কেবল আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান অপর্যাপ্ত হয়।
ঘ) যদি চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই না থাকে।

এই চারটি অবস্থায়, আদালত চুক্তির পালন বা বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করতে পারবে। কারণ এসব ক্ষেত্রে কেবল আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান সমস্যার সমাধান হবে না বা চুক্তি বলবৎকরণ ছাড়া ন্যায্য প্রতিকার সম্ভব হবে না।

সুতরাং এই ক্ষেত্রেও আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারবে।
১২,১১৩.
বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য কোনটি প্রয়োজনীয়?
  1. আদালতে পক্ষগণের সাক্ষ্য গ্রহণ।
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ের লিখিত বক্তব্য।
  3. একপক্ষ আদালতে উপস্থিতি স্বীকার করে।
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়ের মধ্যে বিরোধী বক্তব্য।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অর্ডার XIV, রুল ১ অনুসারে, বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করার জন্য প্রয়োজন যে, বাদী ও বিবাদীর মধ্যে কোনো বিষয়ে বিরোধ থাকতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XIV Rule 1 অনুসারে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য:
- গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির (Material Proposition) প্রয়োজন
- এক পক্ষের দাবি ও অপর পক্ষের অস্বীকার থাকতে হবে
- বিরোধ না থাকলে (যেমন বিবাদী সব দাবি মেনে নিলে) বিচার্য বিষয়ের প্রয়োজন নেই। 

- বিচার্য বিষয় প্রণয়নের জন্য বিরোধী বক্তব্য প্রয়োজনীয়।
- এর মানে হলো, যখন একটি পক্ষ একটি তথ্য বা আইনগত বিষয়ের প্রতি তার দাবি ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ সেটি অস্বীকার করে, তখন এই ধরনের বিরোধী বক্তব্য বা বিবৃতি বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব ঘটায়।
- আদালত তখন এই বিরোধী বিষয়গুলির উপর ভিত্তি করে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করে এবং মামলার নিষ্পত্তির জন্য এগুলি গুরুত্ব দেয়।

ORDER-XIV, Rule-1: Framing of Issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
১২,১১৪.
আদেশ ৪০ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিসিভারের সম্পত্তি বিক্রি করার পর যদি অবশিষ্ট অর্থ থাকে, আদালত তা-
  1. বাজেয়াপ্ত করবে
  2. বাদী ও বিবাদীর মাঝে বণ্টন করবে
  3. রিসিভারের নিকট ফেরত দেবে
  4. সরকারি তহবিলে জমা করবে
সঠিক উত্তর:
রিসিভারের নিকট ফেরত দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভারের নিকট ফেরত দেবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

১২,১১৫.
রিসিভারের গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে, আদালত কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. জরিমানা করতে পারে
  2. দায়িত্ব স্থগিত করতে পারে
  3. দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারে
  4. রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করতে পারে
সঠিক উত্তর:
রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

Rule 4: Enforcement of receiver's duties:
Where a receiver-
a) fails to submit his accounts at such periods and in such form as the Courtdirects, or
b) fails to pay the amount due from him as the Court directs, or
c) occasions loss to the property by his wilful default or gross negligence, the Court may direct his property to be attached and may sell such property, and may the proceeds to make good any amount found to due from him or any loss occasi-oned by him, and shall pay the balance (if any) to the receiver.
১২,১১৬.
ধারা ১৫৩(২) অনুযায়ী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন পরিস্থিতিতে ওজন বা পরিমাপের যন্ত্রপাতি আটক করতে পারবেন?
  1. যদি যন্ত্রপাতি খাঁটি না হয়
  2. যদি তা সরকারি অনুমোদনহীন হয়
  3. যদি যন্ত্রপাতি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যদি যন্ত্রপাতি খাঁটি না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি যন্ত্রপাতি খাঁটি না হয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা:
(১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

Section 153- Inspection of weights and measures:
(1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
১২,১১৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ অনুযায়ী, কয়টি ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০০ এ বলা হয়েছে- সব নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে, তবে কিছু নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম ছাড়া। এই ধারায় মোট ৫টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে, যেগুলোর আওতায় কোনো নরহত্যা সংঘটিত হলে তা খুন (Murder) হিসেবে গণ্য হবে না, বরং তা অপহত্যা (Culpable Homicide not amounting to murder) হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই ৫টি ব্যতিক্রম হলো:
- আকস্মিক ও মারাত্মক প্ররোচনার ফলে আত্মসংযম হারিয়ে হত্যা।
- আত্মরক্ষা বা সম্পত্তি রক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে সীমা অতিক্রম করে মৃত্যু ঘটানো।
- সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইনানুগ দায়িত্ব পালনের সময় সীমা অতিক্রম করে মৃত্যু ঘটানো।
- আকস্মিক ঝগড়া বা উত্তেজনায় পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া মৃত্যু ঘটানো।
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তির সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করানো।
সুতরাং, সঠিক উত্তর – খ) ৫টি

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
⇒ ব্যতিক্রম ১:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
১২,১১৮.
বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ৩৭০ধারায়
  2. ৩৭১ ধারায়
  3. ৩৭৩ ধারায়
  4. ৩৭৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
 ♦ দণ্ডবিধি ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা :- (১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে এম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ এই “যুদ্ধবন্দী” এবং “আশ্রিত ব্যক্তি” অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই :- আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

দণ্ডবিধি ৩৭৪ ধারা মতে বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের ২ ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে।
(i) কোন ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমদান করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড।
(ii) কোন যুদ্ধবন্ধী বা অন্য কোন আশ্রিত লোককে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড।
১২,১১৯.
এ্যাডভোকেট কর্তৃক কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে মক্কেলের অনুমতি লাগবে না?
  1. বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন তথ্য
  2. এমন তথ্য যা অপরাধ বা প্রতারণার জন্য
  3. মক্কেলের এবং অ্যাডভোকেটের মধ্যে পেশাগত তথ্য
  4. ক+খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক+খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: 
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
১২,১২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় কোন আদালত মোকদ্দমা স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে?
  1. সকল দেওয়ানি আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] এবং প্রত্যাহারের [Withdrawal] সাধারণ ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ হাইকোর্ট বিভাগ এবং
⇒ জেলা জজ আদালত

• আদালত যে আদেশ দিতে পারে-
হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ কোন পক্ষের (বাদী বা বিবাদীর) আবেদনক্রমে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে [at any stage of the suit]-
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] আদেশ দিতে পারে, বা
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে।

• যে কারণে স্থানান্তরের বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ যদি মামলাকারীর মনে যুক্তিযুক্ত আশঙ্কা থাকে যে, যে আদালতে মোকদ্দমাটি বিচারাধীন আছে সেই আদালতে সে ন্যায় বিচার নাও পেতে পারে;
⇒ যে ক্ষেত্রে বিচারক কোন একপক্ষের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়;
⇒ মামলার বহুত্ব কমানোর জন্য;
⇒ আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে;
⇒ পক্ষদ্বয়ের সুবিধার জন্য ইত্যাদি।
১২,১২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুসারে, একই ধরনের কতটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যায়?
  1. সর্বোচ্চ দুটি
  2. সর্বোচ্চ তিনটি
  3. সর্বোচ্চ চারটি
  4. সর্বোচ্চ পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ তিনটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৩৪ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হন, এবং উক্ত অপরাধগুলো ১২ (বারো) মাস সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধ একত্রে অভিযোগ (charge) আকারে গঠন করে একটিমাত্র বিচার কার্যক্রমে বিচার করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

১২,১২২.
অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায়যোগ্য?
  1. ৬ বছরের মধ্যে
  2. ১২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৫ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৭০ মতে অনাদায়ী অর্থদন্ড দন্ডাদেশ প্রদানের ৬ বছরের মধ্যে আদায় করা যায়। দন্ডাদেশের মধ্যে ৬ বছরের অধিক সময়ের জন্য কারাদণ্ড থাকলে উক্ত সময় শেষ হওয়ার আগে যেকোন সময়ে আদায় করা যাবে। এ সময়ে মৃত্যু হলে তার সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকবে।
১২,১২৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে কোন অপরাধ আপোষযোগ্য নয়?
  1. চুরি
  2. বেআইনী সমাবেশ
  3. দাঙ্গা
  4. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বেআইনী সমাবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী সমাবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
- দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ এর মাঝে রয়েছে যে, দণ্ডবিধির অপরাধটি আপোষযোগ্য কি-না।

- ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ অনুযায়ী দণ্ডবিধির বেআইনী সমাবেশ  আপোষযোগ্য অপরাধ নয়।

-অনন্য দিকে
চুরি, দাঙ্গা, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ আপোষযোগ্য অপরাধ।



উৎস: BDlaws

১২,১২৪.
ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শান্তি ভঙ্গের আশংকায় কোন ক্রোককৃত সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগ করেন কে?
  1. দায়রা জজ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. সম্পত্তির মালিক
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১২,১২৫.
What is the maximum fine that can be imposed for rash navigation of a vessel according to Section 280?
  1. 300 taka
  2. 500 taka
  3. 1,000 taka
  4. 3,000 taka
সঠিক উত্তর:
1,000 taka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1,000 taka
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্তধারা অনুসারে ছয় মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১২,১২৬.
যে সকল ঘটনা অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক না সেইগুলি কখন প্রাসঙ্গিক হবে-
  1. যদি সেটা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ন হয়
  2. যদি সেটা ন্যায় বিচারের জন্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি সেটা প্রয়োজন হয়
  4. মূল ঘটনার ব্যাখ্যা জন্য প্রয়োজন হয়
সঠিক উত্তর:
যদি সেটা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি সেটা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারার বিধান: যে সকল ঘটনা অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলি যখন প্রাসঙ্গিক হয়: যে সকল বিষয় অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, নিম্নবর্ণিত ভাবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক-

(১) যদি সেগুলি কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।

(২) যদি সেগুলি স্বয়ং অথবা অন্যকোন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।


--------------
⇒  When facts not otherwise relevant become relevant:
Section 11. Facts not otherwise relevant are relevant– 
 
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact; 
 
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
১২,১২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  2. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন সময়
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
- ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
- ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।
(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
১২,১২৮.
সরকারী বই, এজহার বা এফআইআর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় কত ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইন ৩৪ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৩৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৩৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৩৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৩৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৩৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন সরকারী বা অন্য অফিসের কোন খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোন বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ থাকে এবং কোন সরকারী কর্মচারী যদি তার চাকরির কর্তব্য পালনকালে তা লিখে থাকে অথবা অপর কোন ব্যক্তি যদি যে দেশে উক্ত খাতা, রেজিষ্টার বা নথি রাখা হয়েছে সেখানকার আইনের বিধান অনুসারে তার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে তা লিখে থাকে তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

⇒ যেমন- সরকারী বই, এজাহার বা এফ,আই, আর বিবরণ, বিবাহ, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত সরকারী রেকর্ড, বিদ্যালয়ের খাতা, নথি ও প্রমাণপত্র, মিউটেশন, বেতার বার্তা প্রভৃতি সরকারী দলিলের বিষয় ৩৫ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী সরকারী কর্মকর্তা কর্তৃক কর্তব্য সম্পাদন কালে সরকারী দলিলে বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক, যেমন: জন্ম সনদ, মৃত্যু সনদ, বিবাহের রেজিস্ট্রি ইত্যাদি।
১২,১২৯.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. দালিলিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. মৌখিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
১২,১৩০.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে আমলে নিতে পারেন না?
  1. আরজি বা লিখিত জবাব
  2. কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু
  3. কোন পক্ষের মোট সাক্ষীর সংখ্যা
  4. পক্ষগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষের মোট সাক্ষীর সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষের মোট সাক্ষীর সংখ্যা
ব্যাখ্যা
⇒ কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
-আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে-আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]

- সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
 
- সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদণ্ডে হওয়া উচিত নয়।
-বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
১২,১৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় কোন আদালত সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. গ্রাম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
১২,১৩২.
Complaint ব্যতীত অন্যভাবে রুজুকৃত একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে-
  1. মুক্তি দিতে পারেন
  2. অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. খালাস দিতে পারেন
  4. দন্ড দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
♦যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
১২,১৩৩.
যখন আদালতকে একটি দলিলের হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত গ্রহণ করতে হয়, তখন কাদের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. যেকোনো সাধারণ সাক্ষী
  2. আদালতের কোনো কর্মকর্তা
  3. যে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছেন
  4. দলিল লিখিত বা স্বাক্ষরকারী ব্যক্তির যে কোন পরিচিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছেন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
১২,১৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুযায়ী, অপরাধগুলি যদি এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে তা কীভাবে বিচার করা হবে?
  1. পৃথক পৃথক মামলায়
  2. একত্রে একটি মামলায়
  3. শুধুমাত্র প্রথম অপরাধের ভিত্তিতে
  4. উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
একত্রে একটি মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রে একটি মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 
 
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১২,১৩৫.
দণ্ডবিধির ৩৩ ধারায় নিচের কোনটির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. Act
  2. Omission
  3. Offence
  4. 'A' & 'B' Both
সঠিক উত্তর:
'A' & 'B' Both
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' & 'B' Both
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারায় কার্য বিচ্যুতি বা “Act” “Omission” এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারার বিধান:- কার্য বিচ্যুতি:

-কার্য বলতে একক কাজ হিসেবে কার্যসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে। বিচূতি বলতে একক বিচূতি হিসেবে বিচূতি সমূহের শ্ৰেণীকেও বুঝাবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section-33: “Act” “Omission”:
 The word "act" denotes as well a series of acts as a single act: the word "omission” denotes as well a series of omissions as a single omission.
১২,১৩৬.
দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধর্ষণের অপরাধ
  2. শ্লীলতাহানির অপরাধ
  3. অপহরণের অপরাধ
  4. বলপ্রয়োগের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণের অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণের অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৬ ধর্ষণের (Rape) অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে। এই ধারায় ধর্ষণের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে, যদি না ধর্ষিত ব্যক্তি অপরাধীর স্ত্রী হয় এবং ১২ বছরের কম বয়স্ক না হয় (যাতে শাস্তি হালকা হয়)।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,১৩৭.
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ধারা ৩৭(২) অনুযায়ী, যদি কোনো বিষয়ে স্থানীয় আইন বা বিধি না থাকে, আদালত কী করবে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনা করবে
  3. হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবে
  4. সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
সঠিক উত্তর:
সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ধারা -৩৭: স্থানীয় আইন অনুসারে কতিপয় সিদ্ধান্ত প্রদান: 
(১) কোনো দেওয়ানি মামলা বা অন্যান্য বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো আদালতের যদি উত্তরাধিকার, উইল ব্যতীত উত্তরাধিকার, বিবাহ বা জাত বা ধর্মীয় প্রথা বা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির বিষয় নিষ্পত্তির প্রয়োজন হয়, তাহা হইলে আদালত অনুরূপ মামলায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, পক্ষগণ [মুসলিম] হইলে, ২[মুসলিম] আইন এবং পক্ষগণ হিন্দু হইলে, হিন্দু আইন অনুসরণ করিবে, যদি না বিধিবদ্ধ কোনো আইন দ্বারা অনুরূপ আইন পরিবর্তন বা বিলুপ্ত করা হয়।

(২) যেসকল বিষয়ে উপ-ধারা (১) বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে কোনো বিধান নাই, সেই সকল বিষয়ে আদালত ন্যায় বিচার, ন্যায়পরায়ণতা এবং সুবিবেচনার ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করিবে।

১২,১৩৮.
"গ্রাম আদালত আইন" প্রণীত হয়েছে কোন সনে?
  1. ১৯৭৬
  2. ১৯৮৫
  3. ২০০২
  4. ২০০৬
সঠিক উত্তর:
২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন:

- গ্রামীণ পর্যায়ে সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিস্পত্তির প্রাথমিক প্রচেষ্টা হল গ্রামীণ আদালত। 
- 'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় ৯ মে, ২০০৬ সালে। 
- দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ থেকে দুই করে মোট ৫ পাঁচ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
গ্রাম আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বর্ধিতকরন সুপারিশকল্পে গত ৫ মার্চ,২০২৪ এ সংশোধনী বিল উত্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র-  গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬, পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,১৩৯.
The Evidence Act 1872 এর ১৫২ ধারায় কোন বিষয় বলা হয়েছে?
  1. অশ্লীল প্রশ্ন
  2. কুৎসামূলক প্রশ্ন
  3. অপমান ও উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অপমান ও উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমান ও উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫২ ধারার বিধান মতে সাক্ষীকে অপমান ও উত্যক্ত বা বিরক্তকর কোন প্রশ্ন করা হতে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষীকে এই ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না।
১২,১৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা সংবাদে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. সাক্ষীর
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  4. সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

১২,১৪১.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  4. আদালতের বিবেচনামতো
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনামতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামীকে দন্ড দিতে পারেন।

- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামী যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামীর ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দন্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামী যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে দন্ডিত করতে পারবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দন্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামী যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দন্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।

সুতরাং, আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দন্ড দিতে পারেন।
১২,১৪২.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিল বিভাগে আপিল করতে চাইলে কোথায় দরখাস্ত দায়ের করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. সরাসরি আপিল বিভাগে
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ৪৫ বিধি-২: যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সে আদালতে আবেদন:
যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সেই আদালতেই তাকে আবেদনপত্র দ্বারা আবেদন করতে হবে।

Rule.-2:
Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.

১২,১৪৩.
দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে এর খোরপোষ কে দিবে?
  1. সরকার
  2. দায়িক নিজেই
  3. মোকদ্দমার বাদী
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বাদী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে তার খোরপোষ বাদীকে দিতে হবে।
⇒ আদেশ ২১ বিধি-৩৯ জীবন নির্বাহ ভাতা:
১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
---------------
Order-21 Rule-39. Subsistence allowance:
(1) No judgment-debtor shall be arrested in execution of a decree unless and until the decree-holder pays into Court such sum as the Judge thinks sufficient for the subsistence of the judgment-debtor from the time of his arrest until he can be brought before the Court.  (2) Where a judgment-debtor is committed to the civil prison in execution of a decree, the Court shall fix for his subsistence such monthly allowance as he may be entitled to according to the scales fixed under section 57, or, where no such scales have been fixed, as it considers sufficient with reference to the class to which he belongs.  (3) The monthly allowance fixed by the Court shall be supplied by the party on whose application the judgmentdebtor has been arrested by monthly payments in advance before the first day of each month. .  (4) The first payment shall be made to the proper officer of the Court for such portion of the current month as remains unexpired before the judgment-debtor is committed to the civil prison, and the subsequent payments (if any) shall be made to the officer in charge of the civil prison.  (5) Sums disbursed by the decree-holder for the subsistence of the judgment-debtor in the civil prison shall be deemed to be costs in the suit:  Provided that the judgment-debtor shall not be detained in the civil prison or arrested on account of any sum so disbursed.
১২,১৪৪.
দণ্ডবিধি ১৬১ ধারা অনুসারে সরকারি কর্মচারী যদি কোনও অবৈধ পুরস্কার (ঘুষ) গ্রহণ করেন, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
→ দণ্ডবিধি ১৬১ ধারায়, সরকারি কর্মচারী যদি কোনও অবৈধ পুরস্কার (ঘুষ) গ্রহণ করেন, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে- কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক কোনি সরকারি কাজ বৈধ পারিশ্রমিক ছাড়া অন্যকোনো রকম বখশিস নিয়ে করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বখশিস গ্রহণ বা গ্রহণে সম্মত বা গ্রহণের চেষ্টা করলে সেই কর্মকর্তা-কর্মচারী যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ড হতে পারে।
নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করে দেওয়ার জন্য বখশিস গ্রহণও এই ধারা অনুসারে ঘুষের মধ্যে পড়ে। ঘুষ চাওয়া যেমন অপরাধ, তেমনি ঘুষ না দিলে বিপদ হবে এ ধরনের ধমক দেওয়াও ঘুষ নেওয়ার শামিল। আবার কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবও অপরাধ।

দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ:
যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।

ব্যাখ্যা:
"সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়।
"গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
"আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে।
"কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:

(ক) এ, একজন মুনসিফ, জেড, একজন ব্যাংকারের কাছ থেকে তার ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি পায়, জেডের পক্ষে কোনো মামলার সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য পুরস্কার হিসেবে। এ এই অপরাধটি করেছেন।
(খ) এ, একজন কনসুল, একটি বিদেশী শক্তির আদালতে, ওই শক্তির মন্ত্রীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা গ্রহণ করেন। এখানে এটা মনে হয় না যে এ টাকা গ্রহণ করেছেন কোনো নির্দিষ্ট সরকারি কাজ করার জন্য, তবে তিনি এটি গ্রহণ করেছেন সাধারণভাবে ওই শক্তির প্রতি তার অনুকম্পা প্রদর্শন করার জন্য, যা দণ্ডবিধি ১৬১ ধারায় অপরাধ।
(গ) এ, একজন সরকারি কর্মচারী, জেডকে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে তার সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে জেডের জন্য একটি শিরোনাম অর্জিত হয়েছে এবং এর জন্য জেড তাকে টাকা দেন। এ এই অপরাধটি করেছেন।
------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 161. Public servant taking gratification other than legal remuneration in respect of an official act:
Whoever, being or expecting to be a public servant, accepts or obtains, or agrees to accept, or attempts to obtain from any person, for himself or for any other person any gratification whatever, other than legal remuneration, as a motive or reward for doing or forbearing to do any official act or for showing or for bearing to show, in the exercise of his official functions, favour or disfavour to any person, or for rendering or attempting to render any service or disservice to any person, with the Government or Legislature, or with any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both. 
 
Explanations-“Expecting to be a public servant.” If a person not expecting to be in office obtains a gratification by deceiving others into a belief that he is about to be in office, and that he will then serve them, he may be guilty of cheating but he is not guilty of the offence defined in this section. 
“Gratification.” The word “gratification” is not restricted to pecuniary gratifications, or to gratifications estimable in money. 
“Legal remuneration.” The words “legal remuneration” are not restricted to remuneration which a public servant can lawfully demand, but include all remuneration which is permitted by the authority by which he is employed, to accept. 
“A motive or reward for doing.” A person who receives a gratification as a motive for doing what he does not intend to do, or as a reward for doing what he has not done, comes within these words. 
 
Illustrations:
(a) A, a munsif, obtains from Z, a banker, a situation in Z's bank for A's brother, as a reward to A for deciding a cause in favour of Z. A has committed the offence defined in this section. 
(b) A, holding the office of Consul at the Court of a foreign Power, accepts a lakh of taka from the Minister of that Power. It does not appear that A accepted this sum as a motive or reward for doing or forbearing to do any particular official act, or for rendering or attempting to render any particular service to that Power with the Government of Bangladesh. But it does appear that A accepted the sum as a motive or reward for generally showing favour in the exercise of his official functions to that Power. A has committed the offence defined in this section. 
(c) A, a public servant, induces Z erroneously to believe that A's influence with Government has obtained a title for Z and thus induces Z to give A money as a reward for this service. A has committed the offence defined in this section.
১২,১৪৫.
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে, তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে-
  1. জামিনযোগ্য মামলায় খালাস পেতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য মামলায় অব্যাহতি পেতে পারে
  3. উভয় ধরনের মামলায় মুক্তি পেতে পারে
  4. উভয় ধরনের মামলায় অব্যাহতি পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
উভয় ধরনের মামলায় মুক্তি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ধরনের মামলায় মুক্তি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৬৬ অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক অসুস্থ ও আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত জামানত প্রদান সাপেক্ষে মুক্তি পাবেন। যেক্ষেত্রে উন্মাদকে জামিন প্রদান করা যায় না, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত তাকে নিরাপদ হেফাজতে আটক রাখার নির্দেশ দিবেন।

Section 466- Release of lunatic pending investigation or trial

(1) Whenever an accused person is found to be of unsound mind and incapable of making his defence, the Magistrate or Court, as the case may be, whether the case is one on which bail may be taken or not, may release him on sufficient security being given that he shall be properly taken care of and shall be prevented from doing injury to himself or to any other person, and for his appearance when required before the Magistrate or Court or such officer as the Magistrate or Court appoints in this behalf. 
 
(2) If the case is one in which, in the opinion of the Magistrate or Court, bail should not be taken, or if sufficient security is not given, the Magistrate or Court, as the case may be, shall order the accused to be detained in safe custody in such place and manner as he or it may think fit, and shall report the action taken to the Government:
১২,১৪৬.
একজন ব্যক্তি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে জেলখানায় থাকাকালীন অন্য একজন আসামিকে হত্যা করে। তার শাস্তি নির্ধারণের জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারাটি সরাসরি প্রযোজ্য?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ক ধারা
  4. ৩০৪খ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকাকালীন খুন (Murder) সংঘটন করে, তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
- এক্ষেত্রে সাধারণ খুনের ধারা ৩০২ প্রযোজ্য হবে না, কারণ ৩০৩ ধারা একটি বিশেষ ও কঠোরতর বিধান যা বিশেষভাবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য এবং এর শাস্তি অবশ্যমাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

১২,১৪৭.
According to Section 498 of The Code of Criminal Procedure, While fixing the bail amount, what is the primary consideration?
  1. Severity of crime
  2. Circumstances of the case
  3. Accused's financial status
  4. Prosecutor's recommendation
সঠিক উত্তর:
Circumstances of the case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Circumstances of the case
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১২,১৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করা
  2. ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা
  3. চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা
  4. চুক্তির পূর্বেই বিষয়বস্তুর নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে" চুক্তি সম্পাদনের যথাযথ সক্ষমতা থাকা" প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হয় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.

১২,১৪৯.
সাক্ষ্য আইনের স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. দেওয়ানি মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. জমি সংক্রান্ত মামলা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
-----------------
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।
১২,১৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১৭, বিধি-১(৩) অনুযায়ী, একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মামলা মুলতবি করার আবেদন করতে পারে?
  1. একবার
  2. তিনবার
  3. চারবার
  4. ছয়বার
সঠিক উত্তর:
চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারবার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭, বিধি ১(৩) (Order XVII, Rule 1(3)) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে যে: একটি পক্ষ কোনো মামলা সর্বোচ্চ চারবার (4 বার) খরচ ছাড়া (without cost) মুলতবি করার আবেদন করতে পারবে।
- সংশোধনের আগে এই সংখ্যা ছিল ছয়বার, কিন্তু Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 অনুযায়ী, sub-rule (3)-এ “six” শব্দের পরিবর্তে “four” শব্দটি প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।
---------
 ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1.Court may grant time and adjourn hearing:
(1) The Court may, if sufficient cause is shown, at any stage of the suit grant time to the parties or to any of them, and may from time to time adjourn the hearing of the suit.
Costs of adjournment:
(2) In every such case the Court shall fix a day for the further hearing of the suit, and may make such order as it thinks fit with respect to the costs occasioned by the adjournment:
Provided that, when the hearing of evidence has once begun, the hearing of the suit shall be continued from day to day until all the witnesses in attendance have been examined, unless the Court finds the adjournment of the hearing beyond the following day to be necessary for reasons to be recorded.
(3) Notwithstanding anything contained in sub-rules (1) and (2), the Court shall not grant more than four adjournments in a suit before peremptory hearing at the instance of either party to the suit, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay a cost of not less than two hundred taka and not more than one thousand taka to the other party, within time to be specified by it; noncompliance with which, by the plaintiff shall render the suit liable to be dismissed and, by the defendant shall render the suit liable to be disposed of ex parte:
Provided that the Court shall not grant more than three adjournments to a party even with cost under this rule.

১২,১৫১.
“Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.” – এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার?
  1. ৭৪
  2. ৭৫
  3. ৭৬
  4. ৭৭
সঠিক উত্তর:
৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

- সুতরাং, "Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed" - এই বিধানটি ধারা ৭৫(২)-এ বর্ণিত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৭৫: গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম ও কার্যকরতার মেয়াদ:
(১) এই সংহিতা অনুসারে কোন আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যেক গ্রেফতারি পরোয়ানা লিখিত আকারে হতে হবে, আদালতের প্রধানের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে উক্ত বেঞ্চের কোন সদস্যের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং আদালতের সীলমোহর সংযুক্ত করতে হবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

১২,১৫২.
আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীর পক্ষে যে দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে, তার একটি হলো—
  1. অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করা
  2. ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করা
  3. ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: (সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is make the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
১২,১৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী, কে একটি লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন?
  1. যে ব্যক্তি দলিলটি তৈরি করেছে
  2. যে ব্যক্তি দলিলটি নিবন্ধন করেছে
  3. যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলিলটি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলিলটি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলিলটি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলিলটি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি লিখিত দলিলটির বিরুদ্ধে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য হওয়ার কারণে মামলা দায়ের করতে চান এবং তার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, সেই দলিলটি যদি ছেড়ে দেওয়া হয়, তা তাকে গুরুতর ক্ষতির মুখে ফেলবে, সে ব্যক্তি সেই দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।
- এছাড়া, এই ধারা অনুযায়ী আদালত এমন এক ব্যক্তি, যাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, তাকে এই দলিল বাতিল করার জন্য আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
১২,১৫৪.
ডিক্রি জারীর মাধ্যমে বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মুলতবি থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে-তামাদি আইনের কত ধারায় এই
বিধান দেয়া আছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে- 'ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়' অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
------------------
Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.

১২,১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ অমান্য করার মধ্য দিয়ে কোনো ক্ষতি সংঘটিত হলে দণ্ডবিধি অনুসারে সর্বোচ্চ সাজা কত?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৬ মাসের কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধি ১৮৮ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বিধিসম্মত ঘোষিত আদেশ অমান্য করা-

যে কেউ, যদি জানে যে কোনো সরকারি কর্মচারী, যিনি আইনানুযায়ী কোনো আদেশ ঘোষণার ক্ষমতা রাখেন, তাকে (অর্থাৎ ওই ব্যক্তিকে) কোনো বিশেষ কাজ থেকে বিরত থাকতে বা তার দখলে বা তত্ত্বাবধানে থাকা কোনো সম্পত্তির বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, এবং সে ব্যক্তি সেই আদেশ লঙ্ঘন করে—

তাহলে: যদি তার এই অবাধ্যতা কোনো বৈধভাবে নিযুক্ত ব্যক্তির জন্য বাধা, বিরক্তি, ক্ষতি বা তার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা
- ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

আর যদি এই অবাধ্যতা মানবজীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপদ সৃষ্টি করে বা এর সম্ভাবনা থাকে, অথবা দাঙ্গা বা সংঘর্ষের কারণ হয় বা তার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের যে কোনো ধরণের (সাধারণ বা সশ্রম) কারাদণ্ড, বা
- ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, কোন এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলার জন্য বিশেষ আদেশ জারি করা হয়। যদি কেউ জেনে-শুনে ১৪৪ ধারা অমান্য করেন, এবং তার ফলে দাঙ্গা, বিপদ, বা মানবজীবনের ক্ষতি ঘটে, তাহলে সেটা ১৮৮ ধারার গুরুতর অংশে পড়ে। তাই দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
১২,১৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারায় কোন আদালত কর্তৃক কমিশন প্রেরণের বিধান আছে?
  1. হাইকোর্ট
  2. জেলা আদালত
  3. বিদেশি আদালত
  4. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
বিদেশি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
১২,১৫৭.
সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. দশ বছর কারাদণ্ড
  3. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯ - সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদাবলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নি বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনোভাবে কোনো সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
১২,১৫৮.
যদি একজন ব্যক্তি ক্ষতি করবার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে, তবে তার শাস্তি কি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা: ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:

কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে,
অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে-
(i)  ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজাদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড 
(ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যদণ্ড বা যাবজ্জীবন করাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদুর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যাক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১২,১৫৯.
সাধারণ নাগরিক কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. জামিনঅযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  2. জামিনযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১২,১৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আবেদনপত্র শুনানির জন্য কত দিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনপত্র যদি প্রত্যাখ্যানের কারণ না দেখায়, তাহলে আদালত শুনানির জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবে। এই শুনানির তারিখ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে কমপক্ষে ১০ দিনের পূর্বে পরিষ্কার নোটিশ দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬: আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখের নোটিশ:
যেক্ষেত্রে ৫ নম্বর বিধিতে বর্ণিত কোনো অজুহাতে আদালত আবেদনপত্র খারিজের কারণ না দেখেন, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারী তার নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য যে রকম সাক্ষ্য হাজির করবে তা গ্রহণের জন্য এবং তা অপ্রমাণের জন্য যে সাক্ষ্য হাজির করা হয়, তা শুনানির জন্য একটি দিন ধার্য করবেন।
(যার কমপক্ষে ১০ দিনের পরিস্কার নোটিশ বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে দিতে হবে)।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-6: Notice of day for receiving evidence of applicant's pauperism:
Where the Court sees no reason to reject the application on any of the grounds stated in rule 5, it shall fix a day (of which at least ten days' clear notice shall be given to the opposite party and the Government pleader) for receiving such evidence as the applicant may adduce in proof of his pauperism, and for hearing any evidence which may be adduced in disproof thereof.
১২,১৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১১৫ ধারর বিধান কি?
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. আপীল
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
•  দেওয়ানী কার্যবিধি ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন ।
রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা।
রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
• ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ ও
২)হাইকোর্ট বিভাগ
১২,১৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুযায়ী কে অঙ্গীকারনামায় শপথ করাতে পারেন না?
  1. আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, ধারা ১৩৯- 
যে কোনো অঙ্গীকারনামা এই বিধিমালার অধীন করা হলে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন-
(ক) যে কোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা
(খ) এমন কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি, যাকে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে নিয়োগ দিতে পারে, অথবা
(গ) এমন কোনো কর্মকর্তা, যাকে অন্য কোনো আদালত নিয়োগ দিয়েছে এবং যার ক্ষমতা সরকার সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে এই উদ্দেশ্যে প্রদান করেছে—

→ তারা প্রত্যয়কারীকে (deponent) শপথ করাতে পারবেন।
১২,১৬৩.
‘A’ একটি দোকানের তালা ভেঙে চুরি করার উদ্যোগ করে, কিন্তু ভিতরে কোনো মালামাল না পেয়ে চুরি সংঘটিত হয় না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘A’-এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ৩০৭ ধারা
  2. ৩০৪ ধারা
  3. ৫১১ ধারা
  4. ৫০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫১১ অনুসারে, যখন কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ (Attempt) করে এবং সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো সক্রিয় কাজ করে, কিন্তু কোনো কারণে অপরাধটি সম্পূর্ণ হয় না, তখন সে ধারা ৫১১ এর অধীনে শাস্তি পাবে।
- এখানে, 'A' দোকানের তালা ভেঙ্গে চুরি করার উদ্দেশ্যে সক্রিয় কাজ (তালা ভাঙা) করেছে। যদিও চুরি সম্পন্ন হয়নি কারণ ভিতরে মালামাল ছিল না, তবুও এটি চুরির উদ্যোগ হিসেবে গণ্য হবে।
- চুরি (Theft) দণ্ডবিধির অধীনে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তাই এর উদ্যোগ ধারা ৫১১ এর আওতায় পড়ে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৫১১ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১২,১৬৪.
যদি কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি ক্ষতিসাধন করা হয় এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে বসবাস করে, তবে বাদী কোন আদালতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বিবাদী বসবাস করে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখায় ক্ষতিসাধন হয়েছে
  4. 'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৯: ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা:
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
১২,১৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য কী ধরনের প্রতিকার প্রদান করা যাবে?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. কোনো প্রতিকার প্রদান করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার প্রদান করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোনো প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ, দণ্ডমূলক আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন বা শাস্তি প্রদান করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (যেমন, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন) প্রদান করা যাবে না।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কেবলমাত্র চুক্তি বা অধিকার লঙ্ঘনের জন্য দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
- এটি মূলত বিচারিক ব্যবস্থাকে দণ্ডমূলক আইনের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব থেকে আলাদা করে রাখে, যা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা পরিচালিত হতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
১২,১৬৬.
দণ্ডবিধির নিচের কোন ধারার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড-
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তিঃকোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
♦ দন্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
১২,১৬৭.
মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার নির্ধারিত সময়সীমা আদালতের জন্য-
  1. বাধ্যতামূলক
  2. আদেশসূচক
  3. অবশ্যকরণীয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদেশসূচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশসূচক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 339C (Time for disposal of cases)-

(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within [one hundred and eighty days] from the date on which the case is received by him for trial. 

(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 

(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.

(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.

(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.

(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.

(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
১২,১৬৮.
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে প্রদত্ত প্রশ্নমালা দীর্ঘ ও শব্দবহুল হলে, আদেশ ১১ বিধি ৭ এর অধীন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. প্রশ্নমালা গ্রহণ করা হবে
  2. প্রশ্নমালা কর্তন করা যাবে
  3. প্রশ্নমালা অগ্রাহ্য করা হবে
  4. প্রশ্নমালা বাতিল ঘোষণা করা হবে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালা কর্তন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালা কর্তন করা যাবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১২,১৬৯.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কে আহ্বান করবেন?
  1. সিনিয়র সদস্য 
  2. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  3. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  4. ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

১২,১৭০.
সাক্ষ্য আইন কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২
  2. ১৫ মার্চ ১৮৭২
  3. ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
  4. ১ মার্চ ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্যের ইংরেজী প্রতিশব্দ Evidence। Latin শব্দ Evidence বা Evidere শব্দ হতে Evidence শব্দটি উদ্ভুত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের মূল বিষয় হলো সাক্ষ্য দ্বারা কোন বিষয় বা ঘটনাকে প্রমাণ করা। সাক্ষ্য আইন অনেকাংশেই পদ্ধতিগত আইনের (Adjective Law) অংশ। মামলা পরিচালনার যাবতীয় পদ্ধতি এবং তার প্রয়োগ তথা পদ্ধতিগত আইনের সাধারণ নিয়মাবলী দেওয়ানি কার্যবিধি এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। পদ্ধতিগত আইনের অবশিষ্ট অংশ তথা “প্রমাণ” পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে সাক্ষ্য আইন।
⇒ সুতরাং সাক্ষ্য আইন হল পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)

⇒ সাক্ষ্য আইনকে সাক্ষ্য সম্পর্কে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন বলা যায় না। কারণ সাক্ষ্য গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান সাক্ষ্য আইন ছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, রেজিস্ট্রেশন আইন, উত্তরাধিকারী আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, স্ট্যাম্প আইনেও রয়েছে।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।
⇒ Commencement of Act: it shall come into force on the first day of September, 1872.
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।

⇒  ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) এবং ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
⇒ ৩য় আইন কমিশন সাক্ষ্য আইন প্রণয়নের সুপারিশ করেছিল।
১২,১৭১.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জরিমানা অনাদায়ে কারাদন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতার বিধান রয়েছে-
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৩ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ ধারার বিধান জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেটগণের দত্ত প্রদানের ক্ষমতা (Power of Magistrates to sentence to imprisonment in default of fine): জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন- তবে শর্ত হলোঃ
(ক) কারাদণ্ডের মেয়াদ এই কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার বাইরে হবে না;
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট যে মামলার বিচার করবেন তাতে মূল দণ্ডের অংশ হিসাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে জরিমানা অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হবে তার মেয়াদ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হিসাবে ছাড়া অন্যভাবে যে দণ্ড দিতে পারেন তার এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না।

♦৩২ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট যে সর্বাধিক মেয়াদের মূল কারাদণ্ড দিতে পারেন তার সাথে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কারাদণ্ড যোগ করা যেতে পারে।

♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান কেবল অর্থদন্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ডঃ
অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

♦জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন অপরাধের বিচার করার সময় মূল দণ্ডের অংশ হিসেবে সাজা প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য কারাবাস উক্ত অপারাধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড প্রদান করে তার ১/৪ অংশের বেশী হবে না। এই বিধানটি শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে কারাবাসসহ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ী কারাবাসের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে।
১২,১৭২.
তামাদি আইনের কত ধারার বিধান ‘Equity aids the vigilant, not the indolent’ নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
'Equity aids the vigilant, not the indolent'
অর্থ: ন্যায়বিচার সেই ব্যক্তিদের সাহায্য করে যারা সচেতন এবং সজাগ থাকে, অলস বা উদাসীনদের নয়।

ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটি ইংরেজি আইনের একটি নীতি যা বোঝায় যে ন্যায়বিচার বা অধিকার তারাই পায় যারা তাদের অধিকার সুরক্ষার জন্য সময়মতো পদক্ষেপ নেয়। যদি কেউ তাদের অধিকার সঠিক সময়ে দাবি করতে ব্যর্থ হয় বা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেরি করে, তবে আদালত বা ন্যায়বিচার তাদের সাহায্য করতে দ্বিধাগ্রস্ত হবে।

এক কথায়, যদি কেউ সময়মতো সচেতন ও সক্রিয় থাকে, তবে আইন তাদের সহায়তা করবে। কিন্তু যারা অলস বা গাফিলতি করে, তাদের সহায়তা করার জন্য ন্যায়বিচার পিছপা হয়।

তামাদি আইন ৩ ধারার বিধান:
যদি মামলাটি তামাদি আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করা না হয়, তবে মামলা খারিজ হয়ে যাবে, এমনকি যদি বিবাদী তামাদির প্রশ্ন না তোলে।

এই ধারাটি ‘Equity aids the vigilant, not the indolent’ নীতির উপর ভিত্তি করে, অর্থাৎ যিনি তার অধিকার আদায়ে সতর্ক তিনি ইকুইটি পাবেন, আর যারা উদাসীন তাদের জন্য ইকুইটি নেই।
১২,১৭৩.
যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়, সেই ক্ষেত্রে-
  1. প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য,
  2. মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়,
  3. প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা। 
ব্যাখ্যা-১ কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য: কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২ঃ যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

------------------
⇒ Section 62- Primary evidence: Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
 
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
 
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original. 
 
Illustration 
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
১২,১৭৪.
'Birth during marriage conclusive proof of legitimacy' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১১০ ধারা
  2. ১১১ ধারা
  3. ১১২ ধারা
  4. ১১৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা- সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণ:
কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

Section 112- Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

১২,১৭৫.
Which of the following court has inherent power under The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. All Criminal Courts
  2. Court of Sessions
  3. High Court Division
  4. Both High Court Division & Court of Sessions
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-

i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১২,১৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে, নিম্নের কোনটি সুনির্দিষ্ট কাজ আদায়ের একটি যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি?
  1. চুক্তি মৌখিক হওয়া
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  3. প্রতিপক্ষের আর্থিক অবস্থা যাচাই করা
  4. আদালতকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানানো
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২-এ সুনির্দিষ্টভাবে কাজ আদায়ের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে:
১) আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় (ধারা ১২(গ))
২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কোনো মানদণ্ড নেই (ধারা ১২(খ))
৩) ট্রাস্ট বা আমানত সংক্রান্ত কাজ (ধারা ১২(ক))
৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই (ধারা ১২(ঘ))
অন্যদিকে, মৌখিক চুক্তি (ক), প্রতিপক্ষের আর্থিক অবস্থা (গ) বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (ঘ) - এই বিষয়গুলো ধারা ১২-এর শর্ত হিসেবে গণ্য নয়।

- মূল আইনের: "যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না" (ধারা ১২(গ))
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

১২,১৭৭.
'A' shakes his fist at 'Z', intending or knowing it to be likely that he may thereby cause 'Z' to believe that 'A' is about to strike 'Z'. What offense has 'A' committed?
  1. Affray
  2. Battery
  3. Assault
  4. Criminal intimidation
সঠিক উত্তর:
Assault
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Assault
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
-----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-351:Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

- Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১২,১৭৮.
রহিমকে মিথ্যা অভিযোগে ১ জুন, ২০২৩ তারিখে আটক করা হয় এবং ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি হেফাজতে রাখা ও মিথ্যা কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চান। তিনি সর্বশেষ কোন সময়ের মধ্যে মামলা করতে পারবেন?
  1. ১ জুন, ২০২৪
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯- মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী—
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের ক্ষতিপূরণের মামলা করতে হলে, মুক্তির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

রহিম মুক্তি পেয়েছেন → ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
তাই তামাদি সময় শেষ হবে → ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

১২,১৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান মতে নিম্নের কে কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
- কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।

- ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
---------------------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 125: Information as to commission of offences:
-No Magistrate or Police-officer shall be compelled to disclose the source from which they obtained information about the commission of any offence. Similarly, no Revenue-officer shall be compelled to disclose the source of information regarding any offence against public revenue.

-Explanation: In this section, "Revenue-officer" refers to any officer employed in or engaged with public revenue matters.
১২,১৮০.
বেআইনী সমাবেশের সদস্যদের কী থাকতে হবে?
  1. সকলের সম্মতি
  2. সাধারণ উদ্দেশ্য
  3. অপরাধের পরিকল্পনা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সাধারণ উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-

১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
♦ বেআইনী সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লেখিত ৫ ধরনে সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) রযে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।
১২,১৮১.
নিচের কোনটি আদেশ ১৮ বিধি ৪ অনুযায়ী সঠিক নয়?
  1. সাক্ষ্য মৌখিকভাবে দিতে হবে
  2. সাক্ষ্য প্রকাশ্য আদালতে দিতে হবে
  3. সাক্ষ্য লিখিত ভাবে দিতে হবে 
  4. সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য লিখিত ভাবে দিতে হবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য লিখিত ভাবে দিতে হবে 
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]

১২,১৮২.
ক একজন সরকারি কর্মচারী। ক এর স্ত্রী খ একজন মক্কেলকে অবৈধ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তার স্বামীকে পরামর্শ দিবে এই উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেলের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করে। সরকারি কর্মচারী ক কাজটি সম্পন্ন করে তার স্ত্রীকে সহায়তা করে। পেনাল কোডের অধীনে ক এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
- ১৬৪ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারার অপরাধ সমূহ সংঘটনে সহায়তা করার শাস্তি অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। সুতরাং ক এর সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড হবে।
- ১৬২ ধারায় বলা হয়েছে- অবৈধ উপায়ে সরকারি কর্মচারীকে প্রভাবিত করার জন্য পারিতোষিক গ্রহণ করার শাস্তি অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
- ১৬৩ ধারায় বলা হয়েছে- সরকারি কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ করার শাস্তি অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১২,১৮৩.
‘ক’, ‘গ’-এর ক্ষমতা প্রদান ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি ‘খ’-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়, যে সম্পর্কে ‘ক’ জানে যে, তা ‘গ’ এর মালিকানাধীন। ‘গ’ উক্ত চুক্তি অনুমোদন দানের ইচ্ছা পোষণ করে। তবুও-
  1. চুক্তিটি বাতিল হবে
  2. ‘খ’ কে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য করা যাবে
  3. 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে না
  4. ‘খ’, ‘ক’- কে এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: এমন ব্যক্তির দ্বারা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি, যার কোনো মালিকানা নেই, বা যিনি স্বেচ্ছায় সম্পত্তি দান করেছেন-
যদি কোনো ব্যক্তি স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন, তবে তিনি নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়নের (specific performance) দাবি করতে পারবেন না-
(ক) যিনি জানেন যে, তার ওই সম্পত্তির উপর কোনো মালিকানা বা অধিকার নেই, তবুও তিনি সেটি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করেছেন।

(খ) যিনি চুক্তির সময় বিশ্বাস করতেন যে তার বৈধ মালিকানা আছে, কিন্তু চুক্তি সম্পূর্ণ করার নির্ধারিত সময় (চুক্তি অনুযায়ী বা আদালতের নির্ধারিত সময়) আসার পর তিনি ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে সন্দেহমুক্ত মালিকানা দিতে পারেন না।

(গ) যিনি চুক্তি করার আগেই ওই সম্পত্তির উপর কোনো বিনিময় ছাড়াই (without valuable consideration) সেটেলমেন্ট করেছেন, অর্থাৎ সম্পত্তি দান বা অন্যভাবে হস্তান্তর করেছেন।

উদাহরণ:
(ক) ‘ক’ অনুমতি ছাড়াই ‘গ’-এর সম্পত্তি ‘খ’-এর কাছে বিক্রি করার চুক্তি করলেন, যখন ‘ক’ জানেন যে ওই সম্পত্তি মূলত ‘গ’-এর মালিকানাধীন। এমন ক্ষেত্রে, এমনকি যদি ‘গ’ রাজি থাকেন চুক্তি নিশ্চিত করতে, তবুও ‘ক’ এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা করতে পারবেন না।
১২,১৮৪.
নিম্নের কোনটি physical or forensic evidence হিসেবে গণ্য হয়?
  1. চুক্তিপত্র
  2. ফটোকপি
  3. আঙুলের ছাপ
  4. সাক্ষীর মৌখিক বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
আঙুলের ছাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙুলের ছাপ
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872 এর ধারা ৩-এ ৬নং উপধারার মাধ্যমে physical or forensic evidence-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে- যেকোনো বস্তু বা উপাদান যেমন: রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের অংশ, DNA, আঙুলের ছাপ (finger impression), হাতের ছাপ, চোখের ছাপ, পায়ের ছাপ, ইত্যাদি যেগুলো: অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা প্রমাণ করতে, অথবা অপরাধ ও ভিকটিম/অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণ বা অপ্রমাণ করতে সহায়ক, সেগুলোকে বলা হয় physical or forensic evidence.

- আঙুলের ছাপ হলো physical or forensic evidence, কারণ এটি বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার মাধ্যমে অপরাধ এবং অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো- গ) আঙুলের ছাপ।
১২,১৮৫.
অভিযোগ (Complaint) কার নিকট দায়ের করা হয়?
  1. দায়রা জজের নিকট
  2. পুলিশ অফিসারের নিকট
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
♦নালিশ (Complaint) হলো অভিযোগ যা মৌখিক বা লিখিত আকারে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হয়। ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ (Complaint) -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবেনা। অভিযোগটি (Allegation) অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে; জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে; অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে । নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে ।
সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।
১২,১৮৬.
সরকারি কর্মকর্তাকে জলদি কাজ করতে বাধ্য করার জন্য 'ক' উক্ত কর্মকর্তাকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়। এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১২,১৮৭.
ক-এর বিরুদ্ধে খ- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে চেক ডিজঅনারের জন্য মামলা দায়ের করে। শুনানীর সময় ক তাঁর দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় আদালত তাঁকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ক কি আপিল করতে পারবে?
  1. পারবে না, কারণ সে দোষ স্বীকার করে নিয়েছে
  2. পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
  3. পারবে না, কারণ চেক ডিজঅনারের মামলায় আপিলের বিধান নেই
  4. ক মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিয়েছে এই দাবিতে আপিল করতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
♦ তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।
♦ ৪১২ ধারায় বলা হয়েছে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবেনা। তবে, ঘোষিত দণ্ড যদি বেআইনি হয় তবে সেটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেই কারণে আপিল চলবে। চেকের মামলায় সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে। ২ বছর দণ্ড দেওয়ায় এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করতে পারবে।
১২,১৮৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট কয়টি ভাগে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি মূল ভাগে বিভক্ত।
- প্রতিটি বিভাগে নির্দিষ্ট ধরনের মামলা, আপীল, অথবা দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত রয়েছে।
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।

→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।

→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিষয়: দরখাস্ত (Application) দাখিলের তামাদি সময়সীমা।
ধারা: অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

১২,১৮৯.
নালিশী মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না থাকলে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. ওয়ারেন্ট জারি
  2. মামলা খারিজ
  3. আসামী খালাস
  4. আসামী ডিসচার্জ
সঠিক উত্তর:
আসামী খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামী খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফরিয়াদী অনুপস্থিত থাকলে তার ফলাফল কি হবে, তা ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে। শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে ফরিয়াদী / অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস ( Acquittal) দিতে পারে।
১২,১৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় কমিশন ফেরত প্রদানের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫০৫
  2. ধারা ৫০৬
  3. ধারা ৫০৭
  4. ধারা ৫০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী, ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীনে প্রদত্ত কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হলে তা সাক্ষীর জবানবন্দিসহ আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মামলার রেকর্ডের অংশ হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১২,১৯১.
আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর কী করা হয় না?
  1. অভিযোগ পাঠ করে শোনানো
  2. সে বিচার প্রার্থনা করে কিনা জিজ্ঞাসা করা
  3. তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
  4. অভিযোগ ব্যাখ্যা করা
সঠিক উত্তর:
তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
ব্যাখ্যা
২৬৫ডি ধারার বিধান অভিযোগ গঠনঃ (১) যদি, উপরিউক্তরূপ বিবেচনা ও শুনানী অন্তে, আদালত মনে করেন যে, আসামী এরূপ অপরাধ করেছে মর্মে মনে করার কারণ আছে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির (আসামীর) বিরুদ্ধে একটা লিখিত অভিযোগ গঠন করবেন।
(২) যেক্ষেত্রে আদালত উপধারা (১) এর বিধানমতে কোন অভিযোগ গঠন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে (আসামীকে) পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখ্যা করে দিতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আনীত হয়েছে সে অভিযোগে তিনি নিজেকে দোষী কহিতে চাহেন কিনা অথবা তার সম্পর্কে বিচারকার্যের পরিচালনা দাবি করেন কিনা।

অর্থাৎ তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
---------------------------

265D. Framing charge: (1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused.
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
১২,১৯২.
ফৌজদারি মামলায় আসামি কোন পর্যায়ে ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে?
  1. অপরাধ আমলে নেয়ার তারিখে
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক চার্জ গঠনের সময় আসামী ডিসচার্জের জন্য আবেদন করতে পারে।
১২,১৯৩.
বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা অনুসারে আবেদন করার সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো সংবাদপত্র, বই বা দলিল সম্পর্কে ৯৯ক ধারায় বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ দেওয়া হয়, তবে এতে স্বার্থসম্পন্ন ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস, যা গণনা করা হবে সরকারি আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে।
- আবেদন করার কারণ হতে হবে যে উক্ত দলিলে ৯৯ক(১)-এ বর্ণিত নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু ছিল না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

১২,১৯৪.
ধর্ষন অপরাধ সংঘটনের উপাদান হলো-
  1. ৮টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বিধান নারী ধর্ষণ:

কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ৫টি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।

দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।

তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।

চতুর্থত- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।

পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যতি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception):-
কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।

♦ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী ধর্ষনের অপরাধ সংঘটনের উপাদান হলো-৫টি।
১২,১৯৫.
The Penal Code is a/an _______________ law.
  1. Adjective Law
  2. Substantive Law
  3. Preventive Law
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
১২,১৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় মেডিকেল সাক্ষীর জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০৯
  3. ধারা ৫০৯ক
  4. ধারা ৫১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯(১)-এ সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো মেডিকেল সাক্ষীর জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের বিধান রয়েছে।
- এই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নেওয়া হতে হবে বা অধ্যায় XL-এর অধীন কমিশনের মাধ্যমে নেওয়া হতে পারে।
- এ ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সরাসরি আদালতে হাজির না করেও তার জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
ধারা ৫০৯ অনুযায়ী: একজন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল সাক্ষী, যাঁর জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বা কমিশনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে, তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও ওই সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না হয়।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে, আদালত যদি মনে করে, তবে সাক্ষীকে আদালতে ডেকে তার জবানবন্দি পুনরায় শোনা যেতে পারে।
এতে বলা হয় যে, আদালত সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো মেডিকেল ডেপোজিশনার দ্বারা দেওয়া জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, যদি সেই সাক্ষী আদালতে হাজির হতে না পারেন।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৫০৯।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 509. Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness:
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
১২,১৯৭.
What is the maximum punishment for committing theft under Section 379 of the Penal Code?
  1. Imprisonment for a term of up to three years
  2. Imprisonment for a term of up to five years
  3. Imprisonment for a term of up to seven years
  4. Imprisonment for life
সঠিক উত্তর:
Imprisonment for a term of up to three years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Imprisonment for a term of up to three years
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860-Section-379:Punishment for theft:
-Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:
-কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১২,১৯৮.
কোনো পক্ষ কীভাবে অন্য পক্ষের মামলার অংশ বা পুরো সত্যতা স্বীকার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৌখিকভাবে
  2. শুধুমাত্র আদালতের মাধ্যমে আবেদন করে
  3. শুধুমাত্র প্লিডিং এর মাধ্যমে
  4. প্লিডিং বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশ দিয়ে
সঠিক উত্তর:
প্লিডিং বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লিডিং বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশ দিয়ে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ১:
কোনো মোকদ্দমার পক্ষ তার বিবৃতি (pleading) বা অন্য কোনো লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাতে পারে যে- সে অপর কোনো পক্ষের মামলার পুরোটা অথবা কোনো অংশের সত্যতা স্বীকার করছে।

Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

১২,১৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭১(২) অনুযায়ী, অভিযোগকারী বা সাক্ষীর আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. অভিযুক্ত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. সরকারি আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭১(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "উপ-ধারা (১)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শুনানির সময় বাদী বা সাক্ষী যেন আদালতে হাজির হন, তাহা নিশ্চিত করা পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব হইবে।"

সুতরাং, এই ধারা অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার উপরই এই দায়িত্ব বর্তায় যে, তিনি নিশ্চিত করবেন মামলার শুনানির সময় বাদী (complainant) এবং সাক্ষী (witness) আদালতে উপস্থিত হবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-171.Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1) No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed. 
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.

১২,২০০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০৩
  4. ধারা ৪০২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০১-এ বলা হয়েছে:
“When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time… suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment…”
 অর্থাৎ, সরকারের অধিকার রয়েছে,  একজন ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হন, তাহলে সরকার: তার দণ্ড স্থগিত (suspend) করতে পারে, অথবা সম্পূর্ণ বা আংশিক দণ্ড মওকুফ (remit) করতে পারে, শর্তযুক্ত বা শর্তবিহীনভাবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে, বিশেষ করে যদি শর্ত আরোপ করা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.