বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২১ / ১২৬ · ১২,০০১১২,১০০ / ১২,৬০৫

১২,০০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারার শর্তাংশ (proviso) প্রধানত কোন ধরনের এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. স্থানীয় এখতিয়ার (Territorial)
  2. আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary)
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার (Subject-matter)
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭-এর প্রভিশন বা শর্তাংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে"।
- এটি আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction)-এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, কারণ শর্তটি হলো মামলার সম্পূর্ণ দাবির মূল্য যেন সেই আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ, আদালতটি শুধু স্থানীয় এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction) থাকলেই হবে না, তার আর্থিক এখতিয়ারও মামলার মোট দাবির মূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

১২,০০২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় Leave for Revision-এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১৫(৫) ধারায়
  2. ১১৫(৪) ধারায়
  3. ১১৫(৩) ধারায়
  4. ১১৫(২) ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) অনুযায়ী, Leave for Revision বা "রিভিশনের অনুমতি" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- এটি মূলত Second Revision এর সুযোগ সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক ধারা ১১৫(২) বা ১১৫(৩)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করা যায়, তবে একটি শর্তে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে ঐ আদেশে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে ভুল হয়েছে যা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়েছে, তখনই হাইকোর্ট Leave (অনুমতি) দেবে এবং রিভিশনের আবেদন গ্রহণ করবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ (৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------
⇒ Section 115(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
১২,০০৩.
কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. বিক্রয় দলিল
  3. কবলা দলিল
  4. সংসদের আইন
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইন
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

♦ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

♦ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
১২,০০৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৯ ধারায় কোন আদালতের আপিল শুনানীর পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. আপিল বিভাগ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
 
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।
 
Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
১২,০০৫.
ঢাকার একটি আদালত X এর দখলে থাকা একটি দলিল উপস্থাপনের জন্য তার প্রতি সমন প্রদান করেন। কিন্তু X সমন মোতাবেক আদালতের উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হন। আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩২ ধারা অনুযায়ী X এর বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে পারেন?
  1. তার উপস্থিতির জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দান;
  2. অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা;
  3. ৩০ দিনের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটকাদেশ;
  4. হুলিয়া জারি।
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতির জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দান;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতির জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দান;
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908,এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, ৩০ ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশে সমন জারি সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি দলিল উপস্থাপনে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত ব্যক্তির উপর গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে, তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারে, অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে কিংবা তার হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
♦অর্থাৎ আদালত The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩২ ধারা অনুযায়ী X এর বিরুদ্ধে তার উপস্থিতির জন্য জামানত প্রদানের আদেশ  দিতে পারে।
১২,০০৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় নিচের কোনটির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. Fact
  2. Evidence
  3. Admission
  4. Confession
সঠিক উত্তর:
Admission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admission
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান: স্বীকৃতির (Admission) সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা ঐ দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় - বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
---------------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 17: Admission defined:
-An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
১২,০০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
  2. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ।
  3. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ।
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে। অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

♦ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।

---------------------------------------------
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
১২,০০৮.
The Evidence Act, 1872 এর ১৪৭ ধারা অনুসারে, সাক্ষীকে উত্তর দিতে বাধ্য করার ব্যাপারে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হয়ে থাকে?
  1. ১৩২ ধারা
  2. ১৩৬ ধারা
  3. ১৪১ ধারা
  4. ১৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৭ - সাক্ষীকে উত্তর দিতে বাধ্য করা:
যদি কোনো প্রশ্ন এমন একটি বিষয় সম্পর্কিত হয় যা মোকদ্দমা বা কার্যবিবরণী সম্পর্কিত, তবে ধারা ১৩২ এর বিধান এটির উপর প্রযোজ্য হবে।

When witness to be compelled to answer-
If any such question relates to a matter relevant to the suit or proceeding, the provisions of section 132 shall apply thereto.
১২,০০৯.
'Limit of solitary confinement' এর বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. Section 73
  2. Section 74
  3. Section 75
  4. Section 71
সঠিক উত্তর:
Section 74
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 74
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

♦ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-------------
♦ Limit of solitary confinement:
- Section 74. In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১২,০১০.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী 'খুন'-এর সংজ্ঞা ও শর্তাবলি দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০
  3. ধারা ৩০২
  4. ধারা ৩০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী ধারা ৩০০ (Section 300) তে "Murder" বা 'খুন'-এর সংজ্ঞা ও শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, "Culpable Homicide" কখন Murder হিসেবে পরিগণিত হবে এবং কখন ব্যতিক্রম হিসাবে Murder হবে না।
- ধারা ৩০০-তে মোট চারটি মূল অবস্থা উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলো থাকলে খুনের অপরাধ সংঘটিত হয়, যেমন:
১) মৃত্যুর ইচ্ছা থাকলে,
২) এমন আঘাত দিলে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে অপরাধী জানে,
৩) এমন আঘাত যা সাধারণভাবে মৃত্যু ঘটানোর পক্ষে যথেষ্ট,
৪) এমন আশু বিপজ্জনক কাজ করা যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা ছিল।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.

১২,০১১.
"Persons for whose examination commission may issue"- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order-XXI, rule 1
  2. Order-XXVI, rule 4
  3. Order-XXXIX, rule 7
  4. Order-IX, rule 13
সঠিক উত্তর:
Order-XXVI, rule 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXVI, rule 4
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure,1908: Order 26, Rule 4-

 দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ রয়েছে। Order XXVI, Rule 4 অনুসারে, নিম্নোক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেন [Persons for whose examination commission my issue]:

i) এমন ব্যক্তি যে আদালতের অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে বসবাস করে;
ii) সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সে ব্যক্তি অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে চলে যাবে;
iii) প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি; যার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হলে জনস্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।
১২,০১২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. হাইকোর্ট বিচারক
  2. আপিল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
----------------
---
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article-33. (1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman:
Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.
১২,০১৩.
তামাদি আইনের ২১ ধারা মূলত কাদের স্বীকৃতি বা অর্থপ্রদানের বৈধতা নির্ধারণ করে?
  1. মুসলিম উত্তরাধিকারী
  2. যৌথ ব্যবসায়িক অংশীদার
  3. হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের সদস্য
  4. আদালতের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের সদস্য
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারা মূলত হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ম্যানেজার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির দায় স্বীকার বা অর্থ প্রদানের বৈধতা নিশ্চিত করে, যা পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার হিসেবে গণ্য হয়।
⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো, কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে দায় স্বীকার বা অর্থ প্রদানকে বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা — বিশেষ করে যখন এটি একজন অক্ষম ব্যক্তি বা হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের পক্ষ থেকে আসে।
২১ ধারায় যাদের স্বীকৃতি বৈধ হিসেবে গণ্য হয়:
→ অক্ষম ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার যদি স্বীকৃতি দেয় বা অর্থ প্রদান করে — তা ধারা ১৯ ও ২০ অনুসারে বৈধ গণ্য হয়।
→ হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের বর্তমান ম্যানেজার যদি স্বীকৃতি দেয় বা অর্থ প্রদান করে, তাহলে তা পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
→ বিধবা বা সীমিত স্বত্বভোগী নারী যদি স্বীকৃতি দেয় (বা তার যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট দেয়), তবে তা পরবর্তী উত্তরাধিকারীর প্রতিকূলে বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে ধরা হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।
(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;
(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment.
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them.
(3) For the purposes of the said sections-
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.
১২,০১৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১২,০১৫.
'দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে'- কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫(১)
  4. ধারা ৫(২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(১)
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীনে সমস্ত অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং এর পরে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

অন্যান্য আইনের অধীনে অপরাধের বিচার:
(২) যেকোনো অন্যান্য আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধ একই বিধানের অধীনে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং পরিচালিত হবে, তবে বর্তমান প্রচলিত কোনো আইন অনুসারে এমন অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যভাবে পরিচালনার পদ্ধতি বা স্থান নিয়ন্ত্রণের জন্য যেকোনো বিধানের অধীন থাকবে।

Section 5- Trial of offences under Penal Code:
(1) All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.

Trial of offences against other laws-
(2) All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.
১২,০১৬.
রিভিউর আবেদন শুনানিতে বিচারকদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হলে কী হবে?
  1. আবেদন মুলতবি থাকবে
  2. আবেদনটি গ্রহণ করা হবে
  3. আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  4. আবেদনটি অন্য আদালতে জমা দিতে বলা হবে
সঠিক উত্তর:
আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৭ বিধি ৬: আবেদন প্রত্যাখ্যানের বিধান:
(১) কোনো পুনর্বিবেচনা (review) আবেদন যদি একাধিক বিচারকের সমন্বয়ে শোনা হয় এবং বিচারকদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হয়, তাহলে আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত বলে গণ্য হবে

(২) কিন্তু বিচারকদের মধ্যে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কোনো মত গৃহীত হয়, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

১২,০১৭.
আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধু দায়রা জজ
  3. শুধু আপিল বিভাগ
  4. যেকোনো আপিল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আপিল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো আপিল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪২৬ – আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত ও আপিলকারীর মুক্তির বিধান:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করেন, তখন আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তার দণ্ড বা আদেশের কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে। একই সঙ্গে, যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন, তবে আদালত তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) এই ধারার ক্ষমতা যে কোনো আপিল আদালত যেমন প্রয়োগ করতে পারে, তেমনি হাইকোর্ট বিভাগও তার অধঃস্তন আদালতের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তির করা আপিলের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

(২ক) যদি কোনো আদালত কোনো ব্যক্তিকে এক বছর বা তার কম মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করে এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার থাকে, তাহলে অভিযুক্ত আদালতকে সন্তুষ্ট করলে যে তিনি আপিল করতে ইচ্ছুক, আদালত তাকে এমন একটি সময় পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দিতে পারে, যা আদালতের মতে আপিল দায়ের করা এবং আপিল আদালতের আদেশ পাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এ সময়ের মধ্যে যতদিন অভিযুক্ত জামিনে থাকবেন, তার দণ্ড স্থগিত আছে বলে গণ্য হবে।

 (২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আরোপিত বা বহাল রাখা দণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিশেষ অনুমতি (special leave) পেয়েছেন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে তার দণ্ড বা আদেশ আপিল চলাকালে স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

(৩) যদি আপিল শেষে অভিযুক্ত পুনরায় কারাদণ্ড বা transportation দণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে জামিনে মুক্ত অবস্থায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন তা দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। অর্থাৎ, জামিনে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

১২,০১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০০ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করার পর কী করতে হবে?
  1. পরোয়ানা ধ্বংস করতে হবে
  2. পরোয়ানা সংরক্ষণ করতে হবে
  3. পরোয়ানা পুলিশ স্টেশনে জমা দিতে হবে
  4. পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে
ব্যাখ্যা

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০০ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত: যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-400: Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed. 

১২,০১৯.
‘ক’ একজন নাবালক ব্যক্তি। ‘ক’ এর অভিভাবক হিসাবে কোন ব্যক্তি উপযুক্ত না হলে বা অভিভাবক হিসাবে কোন কাজ করতে ইচ্ছুক না হলে, আদালত কাকে ‘ক’/ বিবাদীর অভিভাবক নিয়োগ করবে?
  1. সরকারী উকিলকে
  2. জি.পি কে
  3. রাষ্ট্র পক্ষের উকিলকে
  4. আদালতের কোন কর্মচারীকে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন কর্মচারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন কর্মচারীকে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩২ অনুযায়ী নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনার বিষয়ে বলা আছে।
আদেশ ৩২ এর বিধি ৪ (৪) অনুযায়ী নাবালক যদি বিবাদী হয় এবং তার পক্ষে কোন অভিভাবক পাওয়া না গেলে আদালতের কোন কর্মচারীকে অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ করবেন।
⇒ আদেশ ৩২ এর বিধি ৪ (৪) তে বলা হয়েছে , যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পারেন এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
১২,০২০.
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে দখলদার ব্যক্তি যে মুনাফা লাভ করে, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে দেওয়ানি কার্যবিধিতে__________ বলে।
  1. Unwanted Profits
  2. Gross Profits
  3. Mesne Profits
  4. Unlawful Profits
সঠিক উত্তর:
Mesne Profits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mesne Profits
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

 ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
১২,০২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৪নং বিধির অধীনে খারিজকৃত মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. শুরু থেকে
  2. পক্ষদ্বয়ের আবেদনক্রমে যে কোন পর্যায় থেকে
  3. আদালতের নির্দেশমত যে কোন পর্যায় থেকে
  4. যে পর্যায় থেকে খারিজ বা রদ হয়েছিল সেই পর্যায় থেকে
সঠিক উত্তর:
যে পর্যায় থেকে খারিজ বা রদ হয়েছিল সেই পর্যায় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পর্যায় থেকে খারিজ বা রদ হয়েছিল সেই পর্যায় থেকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
১২,০২২.
'ক' রাজপথের উপর একটি টাকার থলে দেখতে পায়। সে জানে না যে ঐ টাকার মালিক কে। 'ক' টাকার থলেটি গ্রহণ করে এবং মালিকের খোঁজ না নিয়ে নিজে টাকা খরচ করে ফেলে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. কোন অপরাধ করেনি
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
১২,০২৩.
প্রশ্নমালা রদ বা কর্তনের জন্য দরখাস্ত কবে পেশ করা যেতে পারে?
  1. মামলার যেকোনো সময়
  2. প্রশ্নমালা জারির ৩ দিনের মধ্যে
  3. প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে
  4. প্রশ্নমালা জারির ১০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

১২,০২৪.
দেওয়ানী কারাগারে দায়িককে আটক রাখা হলে এর খোরপোষের পরিমাণ কে নির্ধারণ করবে?
  1. বাদী
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. দায়িক নিজে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩৯ এর বিধান জীবন নির্বাহ দাতা (Subsistence-allowance): 
১) কোন দায়িককেই ডিক্রি জারিতে গ্রেফতার করা যাবে না, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিক্রিদার দায়িককে গ্রেফতার করার তারিখ হতে তাকে আদালতে হাজিরের তারিখ পর্যন্ত তার খোরাকীর জন্য বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা ডিক্রিদার আদালতে জমা দেয়।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে কোন দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার খোরাকীর জন্য ৫৭ ধারার অধীনে নির্ধারিত হার অনুসারে যেরকম অধিকারী সেরকম মাসিক ভাতা নির্ধারণ করবে কিংবা যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন হার নির্ধারিত না হয়, সেক্ষেত্রে তার শ্রেণীর সূত্রে আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করে করে।
৩) যে পক্ষের আবেদনক্রমে দায়িককে গ্রেফতার করা হয়, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত মাসিক ভাতা সে পক্ষ মাসিক পরিশোধের দ্বারা প্রতি মাসের প্রথম দিনের পূর্বে অগ্রিম সরবরাহ করবে।
৪) দায়িককে দেওয়ানি জেলে সোর্পদ করার পূর্বে চলতি মাসের অবশিষ্ট অসমাপ্ত অংশের জন্য আদালতের সঠিক কর্মকর্তার নিকট প্রথম প্রদেয় টাকা প্রদান করতে হবে এবং তৎপরবর্তীকালে দেয় (যদি কোন) টাকা দেওয়ানি জেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হবে।
৫) দেওয়ানি জেলে আটক দায়িকের খোরাকী বাবদ ডিক্রিদারের খরচ মোকদ্দমার খরচ হিসাবে বিবেচিত হবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ঐ অর্থ ব্যয়ের নিমিত্তে দায়িককে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করা যাবে না।
১২,০২৫.
একটি Complaint Case এর cognizance taking stage- এ ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখতে পান যে তার কোনো এখতিয়ার নেই, তখন নিম্নের কোন আদেশটি সঠিক হবে?
  1. Complaint টি সরাসরি reject করা
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে রিলিজ করা
  3. ২০৩ ধারায় Complaint টি ডিসমিস করা
  4. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য Complaint টি ফেরত পাঠানো
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য Complaint টি ফেরত পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য Complaint টি ফেরত পাঠানো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।

Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
১২,০২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কি বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের দণ্ড
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অভিযুক্তের অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।

⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded. 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386(7) No offence shall be compounded except as provided by this section.
১২,০২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর __________ অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা যিনি বিক্রয় প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত, তিনি কোনো সম্পত্তিতে নিলামে অংশ নিতে বা স্বার্থ অর্জন করতে পারেন না।
  1. আদেশ-২১, বিধি-৭৪
  2. আদেশ-২১, বিধি-৭৩
  3. আদেশ-২১, বিধি-৭২
  4. আদেশ-২১, বিধি-৭১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-৭৩
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) আদেশ-২১, বিধি-৭৩।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৭৩ অনুযায়ী- Restriction on bidding or purchase by officers:
“No officer or other person having any duty to perform in connection with any sale shall, either directly or indirectly, bid for, acquire or attempt to acquire any interest in the property sold.”
অর্থাৎ, যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি যিনি আদালতের আদেশ মোতাবেক কোনো সম্পত্তি বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত, তিনি সেই বিক্রয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না, বিড করতে পারবেন না বা বিক্রিত সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জনের চেষ্টা করতে পারবেন না। এটি ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
- এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বার্থের দ্বন্দ্ব (conflict of interest) এড়ানো এবং নিলাম বা বিক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা (transparency) নিশ্চিত করা।
১২,০২৮.
নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে ধারা ১০৪–এর অধীনে আপিল করা যায়?
  1. ধারা ৩৫ক-এর অধীনে আদেশ
  2. ধারা ৯৫-এর অধীনে আদেশ
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা

ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।

১২,০২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ২১ আদেশ মতে
  2. ২৫ আদেশ মতে
  3. ৩৩ আদেশ মতে
  4. ৩৪ আদেশ মতে
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ আদেশ মতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ আদেশের বিধান মতে নিঃসম্বল ব্যক্তি মামলা দায়ের (Suit by Paupers] করতে পারে। যে ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারণ থাকে না, সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতেঃ  নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
-------------
⇒ CPC Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis:
Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.

Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
১২,০৩০.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) একাদিক্রমে সর্বোচ্চ কত দিনের বেশি হবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না। অর্থাৎ দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) একাদিক্রমে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের বেশি হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ Section 73: Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ Section 74: Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১২,০৩১.
নিম্নের কোন আদেশটি ডিক্রি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আরজি ফেরত আদেশ
  2. আরজি গ্রহণ আদেশ
  3. আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
  4. আরজি সংশোধন আদেশ
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে। ২(২) ধারামতে আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারামতে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলোও ডিক্রি বলে বলে গণ্য হবে।  

♦ ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধির অধীন আরজি প্রত্যাখান বা খারিজের আদেশ (Rejection of plaint)।
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যর্পন (Restitution) বিষয়ে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত ডিক্রি বলে বিবেচিত হবে।
১২,০৩২.
বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ নয় তাই ১১৫ ধারার অধীন রিভিশন করা যাবে।
♦অর্থাৎ
প্লিডিংস সংশোধনের বা কর্তনের দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়।
১২,০৩৩.
কমপক্ষে ৫ জন সদস্যের প্রয়োজন হয় কোনটিতে?
  1. ডাকাতি
  2. বেআইনী সমাবেশে
  3. দস্যুতা
  4. ক ও খ উভই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভই
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

♦ ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;

(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

♦ ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-

১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
♦ বেআইনী সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লেখিত ৫ ধরনে সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) রযে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।

♦অর্থাৎ কমপক্ষে ৫ জন সদস্যের প্রয়োজন হয় ডাকাতির এবং বেআইনী সমাবেশে।
১২,০৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় কোন ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমা,আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] বা প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার কোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  2. স্বপ্রণোদিত হয়ে
  3. ক বা খ
  4. মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ৩য় কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপীল, বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer], এবং প্রত্যাহারের [Withdrawal] সাধারণ ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উল্লেখিত ধারায় যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ এবং
২. জেলা জজ আদালত

• হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (at any stage of the suit) কোন মোকদ্দমা,আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] বা প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে।

• যে কারণে স্থানান্তরের বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-

১. যদি মামলাকারীর মনে যুক্তিযুক্ত আশঙ্কা থাকে যে,যে আদালতে মোকদ্দমাটি বিচারাধীন আছে সেই আদালতে সে ন্যায় বিচার নাও পেতে পারে;
২. যে ক্ষেত্রে বিচারক কোন একপক্ষের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়;
৩. মামলার বহুত্ব কমানোর জন্য;
৪. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে;
৫. পক্ষদ্বয়ের সুবিধার জন্য ইত্যাদি।
১২,০৩৫.
যদি কোনো চুক্তিতে তা ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে, তবে কি তা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনকে বাধা দেয়?
  1. হ্যাঁ, চুক্তি কার্যকর হবে না
  2. না, চুক্তি কার্যকর হতে পারে
  3. আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে
  4. চুক্তি পুরোপুরি বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
না, চুক্তি কার্যকর হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, চুক্তি কার্যকর হতে পারে
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
১২,০৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১-এর শিরোনাম কী?
  1. PUBLIC NUISANCES
  2. DISPUTES AS TO IMMOVABLE PROPERTY
  3. PREVENTIVE MEASURES AGAINST OFFENCES
  4. TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER
সঠিক উত্তর:
TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১২,০৩৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শক্তি বা বল প্রয়োগ করলে তাকে-
  1. হরতাল বলে
  2. বিক্ষোভ বলে
  3. দাঙ্গা বলে
  4. নাশকতা বলে
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা বলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা মতে দাঙ্গার সংজ্ঞা: বেআইনি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শক্তি বা বল প্রয়োগ করলে তাকে দাঙ্গা বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান দাঙ্গা:- কোন বেআইনী সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উক্ত বেআইনী সমাবেশ দ্বারা বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তি কর্তৃক বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান দাঙ্গা করার সাজা :- কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-146. Rioting:- Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.
⇒ The Penal Code, 1860- Section-147:- Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২,০৩৮.
যদি একজন বিদেশী 'ক' জাপানের একটি বন্দরে অবস্থানকালে বাংলাদেশের নিবন্ধিত একটি জাহাজে আরেকজন বিদেশী 'গ' কে হত্যা করে, তাহলে 'ক' এর কী হবে?
  1. বিদেশীকে হত্যায় কোন অপরাধ করেনি
  2. বাংলাদেশে বিচার করা যাবেনা এবং খুনের জন্য দণ্ডিত করা যাবেনা
  3. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের জন্য দণ্ডিত করা যাবে
  4. বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশী জাহাজে হত্যা করায় কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের জন্য দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের জন্য দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে।
- বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে বা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।

অর্থাৎ 'ক' এর হত্যার অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যাবে এবং খুনের জন্য দণ্ডিত করা যাবে।
১২,০৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী নিচের কে বেত্রদণ্ড (Whipping) এর সাজা দিতে পারেন?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত বেত্রদণ্ড (Whipping) এর সাজা দিতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 32: Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১২,০৪০.
দায়রা জজ কোন পর্যায়ে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হতে আপিল প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পর
  2. আপিল কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে
  3. আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পূর্বে
  4. আপিল নিষ্পত্তির পর
সঠিক উত্তর:
আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পূর্বে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপিল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপিলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপিল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপিল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
১২,০৪১.
The Evidence Act,1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নের কোন দলিলটি Private Document?
  1. কমনওয়েলথ সচিবালয়ের দাপ্তরিক পত্র
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা
  3. সার্টিফাইড কপি অব রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব এটর্নি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।

অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

অপশনে উল্লিখিত লিখিত বিবরণ ও নথিপত্র সমূহ ৭৪ ধারার সংজ্ঞার অধীনে পড়ে, তাই সবগুলোই সরকারী দলিল বা Public Document।
১২,০৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান কোথায় পাওয়া যায়?
  1. আদেশ ৩৩
  2. আদেশ ৩৪
  3. আদেশ ৩৫
  4. আদেশ ৩৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার সাধারণ বিধান ধারা ৮৮-এ উল্লেখ থাকলেও, এই মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি, আরজির বিষয়বস্তু, শর্তাবলী এবং অন্যান্য বিস্তারিত বিধান আদেশ ৩৫-এ সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এর ধারা ৮৮ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার সাধারণ বিধান বর্ণনা করে, যেখানে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই সম্পত্তি বা অর্থের উপর দাবি করলে এবং বাদীর (যিনি দাবির সম্মুখীন) সেই সম্পত্তির উপর কোনো স্বার্থ না থাকলে (শুধুমাত্র মোকদ্দমার খরচ ছাড়া) তিনি এই ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন। এর উদ্দেশ্য হলো আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যে সম্পত্তি কার কাছে অর্পণ করতে হবে এবং বাদীর কোনো ক্ষতিপূরণ (যদি থাকে) আদায় করা। বাদী এখানে নিরপেক্ষ থাকেন এবং কোনো পক্ষপাতিত্ব বা ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকবেন না।

কিন্তু ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার বিস্তারিত বিধান (যেমন আরজির বিষয়বস্তু, বিবাদীদের দাবি, জমা বা হস্তান্তর ইত্যাদি) আদেশ ৩৫ (Order XXXV)-এ বর্ণিত আছে। এই অর্ডারে নির্দিষ্ট করা হয়েছে:
- বিধি ১ (Rule 1): আরজিতে (plaint) উল্লেখ করতে হবে যে (ক) বাদীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই (শুধুমাত্র খরচ বা ফি ছাড়া); (খ) বিবাদীদের দাবিগুলি পৃথকভাবে প্রণীত; (গ) বাদী এবং কোনো বিবাদীর মধ্যে কোনো যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।
- বিধি ২ (Rule 2): বিবাদিত সম্পত্তি (যেমন টাকা বা সম্পত্তি) যদি আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে বাদীকে আদালতের হেফাজতে রাখতে হতে পারে।
- বিধি ৫ (Rule 5): প্রতিনিধি বা প্রজাগণ (representative or tenant) এই মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
- এই অর্ডারে কমপক্ষে দুজন বিবাদী থাকতে হবে, এবং বাদী নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বাধ্য।

১২,০৪৩.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা করা যায়___________মাঝে।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর Article 19 মতে মিথ্যা বা অন্যায় কারাভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা করা যায় ১ বছরের মাঝে।
১২,০৪৪.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৩ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ৩ টি 
  2. ২ টি 
  3. ৪ টি 
  4. ৫ টি 
সঠিক উত্তর:
২ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি 
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৩ ধারা অনুযায়ী ২ টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৩ দেওয়ানি মোকদ্দমার স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক: দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোনো স্বীকৃতি যদি এইরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীনে করা হয় যে, উহা সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া হইবে না, কিংবা যদি এইরূপ পরিস্থিতিতে করা হয়, উহা সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া হইবে না বলিয়া পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হইয়াছে বলিয়া আদালত অনুমান করিতে পারে, তবে তাহা প্রাসঙ্গিক হইবে না।
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যরিস্টার, কৌসুলি, এটর্নি বা উকিল ১২৬ ধারা অনুযায়ী বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোনো বিধান অনুযায়ী তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হইতে অব্যাহতি পাইবেন না।
-------------------------
The Evidence Act 1872,Section 23,Admissions in civil cases when relevant: In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation. Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.

১২,০৪৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬২(২) অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ধারা ২৬২: সংক্ষিপ্ত বিচারের প্রক্রিয়া-
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে বিচারকরণের ক্ষেত্রে, অধ্যায় XX-এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তবে এখানে উল্লেখিত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া।

→ কারাদণ্ডের সীমা:
(২) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছরের অধিক কারাদণ্ডের রায় প্রদান করা যাবে না।

১২,০৪৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেপরোয়াভাবে নৌযান চালানোর শাস্তি কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৯
  2. ২৮১
  3. ২৭৬
  4. ২৮০
সঠিক উত্তর:
২৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 280: Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১২,০৪৭.
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো জামা টেনে ধরে, তাহলে তা দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. ধারা ৩৪৭
  2. ধারা ৩৪৮
  3. ধারা ৩৪৯
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী, যদি কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির জামা টেনে ধরে, তাহলে সে ব্যক্তি বলপ্রয়োগ করেছে বলে গণ্য হবে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অন্য কারো গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা কোনো বস্তুতে এমন গতি সৃষ্টি করে যা অপর ব্যক্তির দেহের অংশের সাথে সংস্পর্শে আসে, তখন এটি বলপ্রয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১২,০৪৮.
To be held liable under Section 209, what must the individual intend when making the false claim?
  1. To get fame and recognition
  2. To escape punishment
  3. To delay court proceedings
  4. To injure or annoy any person
সঠিক উত্তর:
To injure or annoy any person
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To injure or annoy any person
ব্যাখ্যা
Section 209- Dishonestly making false claim in Court:
Whoever fraudulently or dishonestly, or with intent to injure or annoy any person, makes in a Court of Justice any claim which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা: আদালতে অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা দাবি করা:

যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা অসৎ উদ্দেশ্যে, অথবা কারো ক্ষতি করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, আদালতে এমন কোনো দাবি করে যা সে মিথ্যা বলে জানে, তাহলে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সেই সাথে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১২,০৪৯.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি ও শিষ্টাচার অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট কখন অন্য কোনো পেশা গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যদি তা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হয়
  2. যদি তা আদালতের অনুমোদন ছাড়া হয়
  3. যদি তা আইন পেশার সাথে সাংঘর্ষিক হয়
  4. যদি তা তার ব্যক্তিগত সময় ব্যস্ত করে ফেলে
সঠিক উত্তর:
যদি তা আইন পেশার সাথে সাংঘর্ষিক হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তা আইন পেশার সাথে সাংঘর্ষিক হয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি ও শিষ্টাচার অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের মূল দায়িত্ব হলো আইন পেশা পরিচালনা করা এবং এর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য রাখা। তাই, তিনি এমন কোনো পেশা গ্রহণ করতে পারবেন না যা তার আইন পেশার দায়িত্বের সাথে সাংঘর্ষিক হয় বা তার পেশাগত স্বাধীনতাকে ব্যাহত করে।

→ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯ এর অধ্যায় IV, বিধি ৮ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না, যদি তা আইন পেশার সাথে সাংঘর্ষিক হয়। অ্যাডভোকেটের মূল দায়িত্ব হলো আইন পেশার মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা। অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা যদি এই মূলনীতির সাথে সংঘাত তৈরি করে বা অ্যাডভোকেটের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে তা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ।

→ উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো অ্যাডভোকেট এমন কোনো ব্যবসা বা পেশায় জড়িত হন যা আইন পেশার স্বাধীনতা বা নৈতিকতার পরিপন্থী, যেমন—কোনো অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত হওয়া বা এমন কোনো পেশা যা আদালতের প্রতি তার আনুগত্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তাহলে তা গ্রহণ করা যাবে না।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) যদি তা আইন পেশার সাথে সাংঘর্ষিক হয়।
১২,০৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার অধীনে কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতার বহির্ভূত?
  1. বিচার্য বিষয় গঠন
  2. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির
  3. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

অর্থাৎ উল্লিখিত সব অপশন আপিল আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
১২,০৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি অপরাধ একাধিক জায়গায় সংঘটিত হয়, তাহলে কোথায় বিচার হবে?
  1. প্রথম ঘটনার স্থানে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. শেষ ঘটনার স্থানে
  4. যে কোন এক আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে কোন এক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন এক আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১৫ তে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে । এই অধ্যায়ের শিরোনাম ‘অনুসন্ধান ও বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ার। ধারা ১৭৭ থেকে ১৮৯ পর্যন্ত এখতিয়ার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন স্থানে বা এলাকায় অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা অনিশ্চিত থাকে অথবা আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অপর একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, সেক্ষেত্রে যেকোনো একটি এলাকা যে আদালতের অধিক্ষেত্রভুক্ত সেই আদালতে উক্ত অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার করা যাবে - এতে কোনো বাধা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৮২: অপরাধের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক জেলার মধ্যে অথবা অপরাধ চলমান হলে বা একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হলে অনুসন্ধান বা বিচার কোথায় হবে:
যখন এটি অনিশ্চিত যে, কোন একাধিক এলাকার মধ্যে কোথায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা
যখন অপরাধটি এক এলাকার একটি অংশে এবং অন্য একটি এলাকায় তার অন্য অংশে সংঘটিত হয়, অথবা
যখন অপরাধটি চলমান এবং একাধিক এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে, অথবা
যখন অপরাধটি একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হয় যা বিভিন্ন এলাকায় করা হয়েছে,
তাহলে এই ধরনের অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে কোনো একটি এলাকার আদালতে করা যেতে পারে, যেখানে সেই এলাকার বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-182: Place of inquiry or trial where the scene of offence is uncertain or not in one district only or where the offence is continuing or consists of several acts:
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or
where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or
where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or
where it consists of several acts done in different local areas,
it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
১২,০৫২.
কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলে-
  1. Extortion
  2. Theft
  3. Dishonest Misappropriation of property
  4. Dacoity
সঠিক উত্তর:
Extortion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extortion
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে।

♦ অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
১২,০৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তদন্তের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. জেলা সিভিল সার্জন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
- তিনি অভিযুক্তকে জেলা সিভিল সার্জন বা সরকার নির্ধারিত অন্য কোনো মেডিকেল অফিসারের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিবেন।
- সেই মেডিকেল অফিসারকে সাক্ষ্য হিসেবে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন, এবং সেটি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এরপর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে তিনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
→ অর্থাৎ, তদন্ত শুরু ও পরিচালনার দায়িত্ব সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের উপর বর্তায় — তিনি সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করেন।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.

১২,০৫৪.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর Order 26 Rule 14(2) অনুসারে, কমিশনারদের প্রতিবেদন দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ বিধি ১৪(২) অনুসারে, কমিশনার বা কমিশনারগণকে তাদের প্রতিবেদন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে হবে, এবং এই সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
তবে, যথার্থ কারণ দেখিয়ে কমিশনার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আদালতের নিকট আবেদন করতে পারেন এবং আদালত সন্তুষ্ট হলে সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী:
- যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করে স্বাক্ষর করবেন।
- এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- তবে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
- যদি যথার্থ কারণ দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সেই সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।
 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

১২,০৫৫.
নিম্বের কোন ব্যক্তি পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
♦ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
♦অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস। দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস ।
১২,০৫৬.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪১৫ ধারায়
  3. ৪০৬ ধারায়
  4. ৪০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
- The Penal Code, 1860 এর ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে। প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে (damage or harm to that person in body,mind,reputation or property) অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।

- যে ব্যক্তি প্রতারণা করেন তাকে প্রতারণাকারী বলে, অন্যদিকে যে ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হন তাকে প্রতারিত বলে।

- The Penal Code, 1860 এর ৪১৫ ধারা অনুযায়ী অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা (A dishonest concealment of facts) ছলনা (deception) বলে গণ্য হবে।
১২,০৫৭.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকে, তবে—
  1. সবাই একই অপরাধে দোষী হবে
  2. প্রত্যেকে বিভিন্ন অপরাধে দোষী হতে পারে
  3. কেবল মূল অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হবে
  4. কাউকে শাস্তি দেওয়া যাবে না
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকে বিভিন্ন অপরাধে দোষী হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকে বিভিন্ন অপরাধে দোষী হতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
১২,০৫৮.
পলাতক আসামির ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকের কত দিনের মধ্যে তার নিজ স্বার্থ দাবি করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৮ (৬ক) সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে যে উক্ত সম্পত্তিতে তার স্বার্থ আছে এবং এটা ক্রোকযোগ্য না।
১২,০৫৯.
দণ্ডবিধি অনুসারে, অর্থদণ্ড আদায় করার জন্য সর্বাধিক সময়সীমা কত বছর নির্ধারিত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860 -Section- 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

১২,০৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯ অনুসারে, অপসংযোগ (Misjoinder) বা অ-সংযুক্তি (Nonjoinder) এর কারণে কী হবে?
  1. মামলা বাতিল হবে
  2. মামলা স্থগিত হবে
  3. মামলা খারিজ হবে
  4. মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ৯ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties"
- অর্থাৎ, অপসংযোগ (Misjoinder) বা অ-সংযুক্তি (Nonjoinder)-এর কারণে মামলার কোনো ক্ষতি হবে না বা মামলা ব্যর্থ হবে না।অপসংযোগ (Misjoinder): যখন ভুলভাবে বা অপ্রয়োজনে কোনো ব্যক্তিকে মামলার পক্ষ করা হয়।
অ-সংযুক্তি (Nonjoinder): যখন প্রয়োজনীয় কোনো ব্যক্তিকে মামলার পক্ষ করা হয় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder:
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.

১২,০৬১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কখন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. নিজের পেশা সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানালে
  2. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে
  3. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে জানাতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

অর্থাৎ, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে যদি সে নাম এবং বাসস্থান এর ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে।
১২,০৬২.
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. খুনের প্ররোচনা
  2. আত্মহত্যার চেষ্টা
  3. নরহত্যার চেষ্টা
  4. আত্মহত্যায় প্ররোচনা
সঠিক উত্তর:
আত্মহত্যার চেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মহত্যার চেষ্টা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১২,০৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট একবারে কত দিনের জন্য রিমান্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার বিচার বা অনুসন্ধান স্থগিত করেন, এবং আসামিকে হাজির করা হয়, তখন তিনি একবারে সর্বোচ্চ ১৫ (পনেরো) দিন পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠাতে পারেন।
“…the Magistrate may by a warrant remand the accused person for a term not exceeding fifteen days at a time…”
- এখানে “at a time” শব্দগুচ্ছটি গুরুত্বপূর্ণ। এর মানে, একবারে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য রিমান্ড দেওয়া যাবে, তবে প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আবার রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামি হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন:
রিমান্ড: শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামিকে একসঙ্গে ১৫ (পনেরো) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যা: আসামি অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামিকে রিমান্ডে দেওয়ার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

১২,০৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭১
  2. ১৭২
  3. ১৭৩
  4. ১৭৫
সঠিক উত্তর:
১৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত ও তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। 
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো তদন্ত শুরু হলে তা অযথা বিলম্ব না করেই সম্পন্ন করতে হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
(ক) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন, যেখানে: মামলার পক্ষগুলোর নাম, তথ্যের প্রকৃতি, মামলার পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের নাম, অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে কি না,
গ্রেপ্তার হলে কি জিম্মায় রাখা হয়েছে বা মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ থাকবে।
(খ) যিনি মামলার প্রথম তথ্য দিয়েছেন, তাকে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে তদন্তে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করবেন।
(২) যদি ধারা ১৫৮-এর অধীনে কোনো উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা নিযুক্ত থাকেন, তবে সরকারের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট তার মাধ্যমে জমা দিতে হবে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(৩) যদি রিপোর্টে উল্লেখ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট ওই মুচলেকা বাতিল করার জন্য বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদেশ দেবেন।
(৩ক) যদি রিপোর্ট ধারা ১৭০-এর অধীনে হয়, তবে পুলিশ কর্মকর্তা রিপোর্টের সঙ্গে নিম্নলিখিত নথিপত্র জমা দেবেন: মামলার প্রাসঙ্গিক সব নথি বা তথ্যের কপি,
সাক্ষীদের বক্তব্য (ধারা ১৬১-এর উপধারা ৩ অনুযায়ী রেকর্ড করা)।
(৩খ) যদি প্রথম রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর নতুন প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নতুন প্রমাণ সম্বলিত আরও একটি রিপোর্ট জমা দিতে পারবেন।
(৪) কোনো রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আবেদন করেন, তাহলে তাকে রিপোর্টের একটি কপি প্রদান করা হবে। তবে এর জন্য ফি দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে তা বিনামূল্যে দেওয়ার আদেশ দেন।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ পুলিশ কর্তৃক তদন্তের দায়িত্ব ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে। এই ধারা তদন্ত শেষ করার সময়সীমা, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়া, পুনরায় তদন্তের সুযোগ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রিপোর্টের কপি দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173. Report of police-officer:
(1) Every investigation under this Chapter shall be completed without unnecessary delay, and, as soon as it is completed, the officer in charge of the police-station shall- 
(a) forward to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report a report, in the form prescribed by the Government, setting forth the names of the parties, the nature of the information and the names of the persons who appear to be acquainted with the circumstances of the case, and stating whether the accused (if arrested) has been forwarded in custody or has been released on his bond, and, if so, whether with or without sureties, and 
(b) communicate, in such manner as may be prescribed by the Government, the action taken by him to the person, if any, by whom the information relating to the commission of the offence was first given. 
(2) Where a superior officer of police has been appointed under section 158, the report shall in any cases in which the Government by general or special order so directs, be submitted through that officer, and he may, pending the orders of the Magistrate, direct the officer-in-charge of the police-station to make further investigation. 
(3) Whenever it appears from a report forwarded under this section that the accused has been released on his bond, the Magistrate shall make such order for the discharge of such bond or otherwise as he thinks fit. 
(3A) When such report is in respect of a case to which section 170 applies, the police-officer shall forward to the Magistrate along with the report- 
(a) all documents or relevant extracts thereof on which the prosecution proposes to rely other than those already sent to the Magistrate during investigation; 
(b) the statements recorded under sub-section (3) of section 161 of all the persons whom the prosecution proposes to examine as its witnesses. 
(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
(4) a copy of any report forwarded under this section shall on application, be furnished to the accused before the commencement of the inquiry or trial: 
Provided that the same shall be paid for unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
১২,০৬৫.
একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. আপিল ট্রাইব্যুনালে
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে, আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
১২,০৬৬.
"The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor"- এটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধির অংশ?
  1. আদেশ-২১, বিধি-১৯
  2. আদেশ-২১, বিধি-২০
  3. আদেশ-২১, বিধি-২১
  4. আদেশ-২১, বিধি-২২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আদেশ-২১, বিধি-২১।
⇒The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 21, Rule 21 এর মূল ভাষ্য: “The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor.”
- এই বিধানে আদালতের বিবেচনার ক্ষমতা (discretionary power) সম্পর্কে বলা হয়েছে, যার মাধ্যমে আদালত একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা (যেমন গ্রেফতার) এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে (যেমন ক্রোক বা বিক্রয়) ডিক্রি কার্যকর না করতেও পারে।
- এটি দায়িকের বিরুদ্ধে একযোগে (simultaneous) কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল করে তোলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় (in its discretion) সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা (গ্রেফতার ও কারাবাস) এবং তার সম্পত্তির বিরুদ্ধে একযোগে (simultaneous) ডিক্রি কার্যকর না করাও যেতে পারে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-21. Simultaneous execution:
- The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor.
১২,০৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশের ১৫নং বিধি অনুযায়ী, যদি বিবাদীকে পাওয়া না যায় এবং তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে সমন জারি করা যাবে কোন ব্যক্তির উপর?
  1. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো নাবালক সদস্যের উপর
  2. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো পুরুষ সদস্যের উপর
  3. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
  4. বিবাদীর যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিবেশীর উপর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশের ১৫নং বিধিমতে বিবাদীকে যদি পাওয়া না যায় এবং বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি না থাকে, তখন বিবাদীর পরিবারের যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক লোক (নারী বা পুরুষ) এর উপর সমন জারি করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ১ থেকে ৩০ বিধিতে সমন জারির বিভিন্ন পদ্ধতির বর্ণনা করা হয়েছে।
বিবাদীর উপর সমন জারি করার ৩টি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
১) ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা
২) বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বিকল্পভাবে বা ঝুলিয়ে সমন জারি করা
৩) ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে সমন জারি করা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫, বিধি-১৫: যখন কোন মোকদ্দমায় যদি সমন জারির সময় বিবাদী তার বসবাসের স্থানে অনুপস্থিত থাকে, এবং সমন গ্রহণের ক্ষমতা প্রাপ্ত তার কোনো প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে বিবাদীর সাথে বসবাস করে, তার পরিবারের এইরুপ যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের উপর সমন জারি করা যাবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২০১২ সালের সংশোধনী দ্বারা প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য এর পরিবর্তে প্রাপ্ত বয়স্ক শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ এখন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী বা পুরুষ উভয়ের নিকট দেয়া যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 15: Where service may be on adult member of defendant's family-
Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him.
১২,০৬৮.
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণের অপরাধ সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ২৩৫ ধারা
  4. ২৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

Section 255- Counterfeiting Government stamp:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
১২,০৬৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-২৯ অনুসারে আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করলেও তা অন্যায়ভাবে (wrongfully) হয়ে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করা যাবে।
- তামাদির সময়সীমা: ১ বছর।
- সময় গণনা শুরু হবে: যেদিন জব্দ করা হয়, সেই তারিখ থেকে।
১২,০৭০.
সুরতহাল তদন্তের আগে পুলিশ কাকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করবে?
  1. জেলা জজ
  2. নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৪ – আত্মহত্যা ইত্যাদি সংক্রান্ত পুলিশী তদন্ত ও রিপোর্ট:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যখন খবর পান যে কোন ব্যক্তি—
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অন্য কেউ, কোনো প্রাণী, যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কেউ অপরাধ করেছে—

তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবিলম্বে তথ্য জানাতে হবে, যিনি সুরতহাল (inquest) পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন।

সরকারের বিধি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ না থাকলে পুলিশ কর্মকর্তাকে:
- মৃত ব্যক্তির দেহের স্থানে যেতে হবে,
- স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করতে হবে,
- দেহে থাকা জখম, অস্থিভঙ্গ, থেতলে যাওয়া বা অন্যান্য চিহ্নের বর্ণনা দিতে হবে,

এই চিহ্নগুলি কোন উপায়, অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে তা উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে রিপোর্ট প্রণয়ন করতে হবে। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report)।

১২,০৭১.
যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তিকে দন্ডিত করা হয় এবং তাদের মধ্য যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র উক্ত ব্যক্তি আপীল দায়ের করতে পারে।
  2. দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলে আপীল করতে পারে।
  3. দণ্ডিত ব্যক্তিদের যেকোনো একজন আপীল করতে পারে।
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৫ক মোতাবেক- যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তি দণ্ডিত হয় এবং তাদের মধ্যে যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ দেয়া হয়, তখন এরূপ বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলের বা যেকোন একজনের আপীল করার অধিকার থাকবে।
১২,০৭২.
'Extinguishment of right to property'- তামাদি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২৬ ধারার
  2. ২৯ ধারার
  3. ২৮ ধারার
  4. ২৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১২,০৭৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৪০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, গ্রন্থস্বত্ব বা বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি সময়-
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৪০ অনুচ্ছেদ অনুসারে-
গ্রন্থস্বত্ব বা অন্য কোন বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-৩ বছর।
এ মেয়াদ গণনা শুরু হবে- লঙ্ঘনের তারিখ হতে।

Article 40 of the Limitation Act:
The period of limitation of the  suit for compensation for infringing copyright or any other exclusive privilege is-3 years. The period begins from the date of infringement

১২,০৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী ‘মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল’ প্রস্তুত করার দায়িত্ব কার?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. জেলা জজ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী, জেলা জজ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করেন।
এই প্যানেলে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:
- আইনজীবী,
- অবসরপ্রাপ্ত বিচারক,
- বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি,
- প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত নন এমন অন্য কোনো যোগ্য ব্যক্তি।
এছাড়াও, জেলা জজ এই প্যানেল সময়ে সময়ে হালনাগাদ করেন এবং তার এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ সম্পর্কে অবহিত করেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
১২,০৭৫.
বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারপতি নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন বিচারপতি
  2. ৫ জন বিচারপতি
  3. ৪ জন বিচারপতি
  4. ৩ জন বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
৩ জন বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানীঃ তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

♦  Section 99C. Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges. 
১২,০৭৬.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল করে কোন আদেশ দিলে বা অন্যকোনো আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের কপি (নকল) পাঠাতে হবে-
  1. কারা কর্তৃপক্ষের নিকট
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. পলিশ সুপারের নিকট
  4. জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নিমিত্তে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক অনুমোদনের আদেশ বা অন্য কোন আদেশ প্রদানের পর হাইকোর্ট ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনতিবিলম্বে উক্ত আদেশের একটি কপি হাইকোর্ট ডিভিশনের সীলমোহরকৃত ও তার সরকারী স্বাক্ষর দ্বারা সার্টিফাই করে দায়রা আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

♦  হাইকোর্ট বিভাগের নিকট কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ অনুমোদনের জন্য কার্যক্রম ৩৭৪ ধারায় দাখিল করা হলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত বিষয়ে ৩৭৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা অন্যকোনো আদেশ দিক না কেন, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা উক্ত আদেশের কপি কোন বিলম্ব ছাড়া দায়রা আদালতের নিকট পাঠাবে।
১২,০৭৭.
যদি বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করে এবং বিবাদীর উপর সমন জারি না হয়, তবে আদালত কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. মামলার শুনানি স্থগিত করতে পারে
  2. মামলা খারিজ করতে পারে
  3. মামলা পুনরায় বিবেচনা করতে পারে
  4. বাদীর বিরুদ্ধে জরিমানা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২:

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১২,০৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত বলে যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. চার্জশিট
  2. চূড়ান্ত প্রতিবেদন
  3. মিসকেস প্রতিবেদন
  4. খারিজ প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
চার্জশিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জশিট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, পুলিশ তদন্ত শেষে যদি দেখে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য এবং প্রমাণিত, তাহলে তারা আদালতে অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিটের মাধ্যমে আদালতকে জানানো হয় যে, অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে।

⇒ পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।
খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১২,০৭৯.
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান নাই?
  1. Code of Civil Procedure,1908
  2. Code of Criminal Procedure,1898
  3. Family Courts Ordinance,1985
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure,1898
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure,1898
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ তে মামলার বিচারের শুনানিপূর্ব (প্রি-কেস) পর্যায়ে আদালতের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আপস বা সমঝোতার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার এমনকি বিচার শেষ হবার পরও রায় প্রদানের পূর্বে (পোস্ট-কেস) উক্ত প্রক্রিয়ায় মীমাংসাকরণের বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের ১০ ও ১৩ নম্বর ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উল্লেখ ছিল। এই আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ১১ এবং ১৪ ধারায় এই সংক্রান্ত বিধান করা হয়েছে।

২০০৩ সালে মধ্যস্থতা ও সালিশের মাধ্যমে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এ  এই আইনে ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) দুটি ধারা সংযোজিত হয়েছে এবং ২০১২ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এরই সূত্র ধরে পরবর্তী সময়ে অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ তে বিধান ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও শ্রমিক আইন, ২০০৬-এর ধারা-২১০ (১, ২, ৪, ৬, ১৬)-এ এই বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা আইনে ২০১৩ সালে ২১(ক) ধারা সংযোজন করে মধ্যস্থতার বিধান আনা হয়। সর্বোপরি ২০১৫ সালে আইনগত পরামর্শ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র নীতি প্রণীত হয়, যার মাধ্যমে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে। 

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ADR এর কোনো বিধান নেই। ৩৪৫ ধারায় যে আপস-সমঝোতার বিধান রয়েছে,তা আইনি প্রক্রিয়ার ই অন্তর্ভুক্ত।
১২,০৮০.
মৃত্যুদণ্ড এবং খালাস আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৫:
অনুচ্ছেদ ১৫০ (মৃত্যুদণ্ড) এবং অনুচ্ছেদ ১৫৭ (খালাস) আদেশ ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিলের তামাদির মেয়াদ- ৬০ দিন।
তামাদি শুরু হবে- যে দিন দণ্ডাদেশ বা আদেশ প্রদান করা হয়, সেই দিন থেকে।।
১২,০৮১.
তামাদি আইনের কত ধারায় অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
- যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
১২,০৮২.
যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে এবং দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৪ অনুযায়ী কী অনুমান করতে পারে?
  1. সেই ব্যক্তি নিজেই চোর
  2. সেই ব্যক্তি জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে
  3. কোনো কিছু অনুমান করবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।

১২,০৮৩.
"সরকার বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারে"। বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৯গ ধারায়
  2. ৩৩ক ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒  ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

---------------------------------
⇒  Higher powers of certain Magistrates
-Section 33A. The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
১২,০৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, আদালতের প্লিডিং সংশোধনের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে সংশোধন কার্য কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী, আদালত যদি প্লিডিং সংশোধনের আদেশ দেন কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করেন, তবে সংশোধন আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যায়।
- অর্থাৎ, সর্বোচ্চ সময়সীমা ১৪ দিন, যদি না আদালত বিশেষভাবে মেয়াদ বাড়ান।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

১২,০৮৫.
'কোনো দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ যা কেউ নিজে দেখেছে,'- কোন ধরনের সাক্ষ্য?
  1. অনুমান
  2. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  3. তৃতীয় পক্ষের সাক্ষ্য
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয়, এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
১২,০৮৬.
'Forged document'- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৬৩ ধারায়
  2. ৪৬৪ ধারায়
  3. ৪৬৮ ধারায়
  4.  ৪৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
 ৪৭০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৪৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭০: জাল দলিল (forged document)-
একটি দলিল, যা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়, তাকে “জাল দলিল”  বলা হয়।

[A false document made wholly or in part by forgery is designated “a forged document"]
১২,০৮৭.
তামাদি আইন কত অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের( pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ দেওয়া আছে?
  1. ১০
  2. ৩৮
  3. ১৪
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒  তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ শুরু হবে যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিকৃত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করেন না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয় তখন থেকে।

অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ক্রেতার দখল গ্রহণ অথবা দখল সম্ভব না হলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের (preemption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়ের করতে হবে।
১২,০৮৮.
একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোনো কূপের পানি ব্যবহার করার অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে কাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. যারা উক্ত অধিকার ভোগ করে
  2. উক্ত অধিকার যারা প্রকাশ করেছে
  3. যারা উক্ত অধিকার দিয়েছে
  4. উক্ত অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানা স্বাভাবিক
সঠিক উত্তর:
উক্ত অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানা স্বাভাবিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানা স্বাভাবিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে পানি ব্যবহারের অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানা স্বাভাবিক, তাদের অভিমত প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
১২,০৮৯.
দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি না প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত হয়, তবে তা বিশ্বাসের অযোগ্য। সাক্ষ্য আইনের______ ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ১১৪(ক)
  2. ১১৪(খ)
  3. ১১৪(গ)
  4. ১১৪(১)
সঠিক উত্তর:
১১৪(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪(খ)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৪খ ধারায় বলা হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদিসহ সমর্থিত না হইলে দুস্কর্মের সহচর বিশ্বসের অযোগ্য। মনে করেন ৫ জন ব্যক্তি মিলে ডাকাতি করেছে। এই ক্ষেত্রে প্রত্যেকে উক্ত দুষ্কর্মের (ডাকাতির) সহযোগী এবং যখন কোন একজন দুষ্কর্মের সহযোগী কোন তথ্য দিবে সেটাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং যদি না হয় তাহলে তা বিশ্বাসের অযোগ্য বলে গণ্য হবে। 
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১৪খ ধারা মতে দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি না প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত হয়, তবে তা বিশ্বাসের অযোগ্য।
১২,০৯০.
একজন আইনজীবী তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ১১টি
  2. ৯টি
  3. ১৪টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
♠ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
১২,০৯১.
'দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করার ফলাফল'- দণ্ডবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৩
  3. ধারা ২২৫
  4. ধারা ২২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২৭
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৭- দণ্ড হ্রাসের শর্ত অমান্য করা:
যে লােক, কোন শর্তাধীনে দণ্ড হ্রাসের সুবিধা গ্রহণ করার পর, যে শর্তের উপর ভিত্তি করে এরূপ দণ্ড হ্রাসের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়েছিল, জ্ঞাতসারে সেই শর্ত অমান্য করে, সেই লােক, সে ইতিমধ্যেই ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ না করে থাকলে, তাকে মূলত যে দণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছিল সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও সে ঐ দণ্ডের কোন অংশ ভােগ করে থাকলে সে ইতিমধ্যেই দণ্ডের যেই অংশ ভােগ করে নি, সেই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 227- Violation of condition of remission of punishment:
Whoever, having accepted any conditional remission of punishment, knowingly violates any condition on which such remission was granted, shall be punished with the punishment to which he was originally sentenced, if he has already suffered no part of that punishment, and if he has suffered any part of that punishment, then with so much of that punishment as he has not already suffered.
১২,০৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কয় প্রকার বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের উল্লেখ আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ১ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate) তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate). 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।ঃ
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
১২,০৯৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে জেরায় কয় ধরনের প্রশ্ন বৈধ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

⇒অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় ৩ ধরনের প্রশ্ন বৈধ বা আইনসম্মত।
---------------------------
⇒ Section-146.Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.
১২,০৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ অনুযায়ী যদি বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা প্রত্যাহার করে, তবে কী ঘটবে?
  1. বাদী নতুন মামলা দায়েরে বাধা পাবে
  2. বাদী মামলার খরচের জন্য দায়ী হবে
  3. বিবাদীকে মামলার খরচ বহন করতে হবে
  4. 'ক' এবং 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১(৩) অনুযায়ী, “যদি বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা প্রত্যাহার করে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করে, তাহলে সে মামলার খরচ বহনের জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা দাবির অংশ সম্পর্কে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না।”
অর্থাৎ, বাদী দুটি ফলাফলের সম্মুখীন হবে:
১) মামলার খরচ তাকে বহন করতে হবে, এবং
২) পুনরায় একই বিষয়ে মামলা করতে পারবে না।
এই কারণে উত্তর: 'ঘ' (ক এবং খ) সঠিক।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩, বিধি-১ মামলা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
(১) মামলা দায়ের হবার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মামলা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে ।
(২) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে পরিতুষ্ট হন—
ক) যে, মামলাটি কোন আনুষ্ঠানিক ক্রটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা
খ) যে, মামলার বিষয় বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নুতনভাবে মামলা দায়েরের জন্য বাদীকে অনুমতি দেয়ার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত রয়েছে। সেক্ষেত্রে আদালত ইহার বিবেচনা মত উপযুক্ত শর্তে বাদীকে উক্ত মামলার বিষয় বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নূতনভাবে মামলা দায়ের করার স্বাধীনতা সহ উক্ত মামলা হতে প্রত্যাহার করার বা দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জর করতে পারেন।
(৩) উপবিধি (২) এ উল্লেখিত অনুমতি ছাড়া যেক্ষেত্রে বাদী মামলা প্রত্যাহার করে, বা দাবীর অংশ পরিত্যাগ করে, সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মামলার খরচের জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নূতনভাবে কোন মামলা দায়ের করা হতে বাধা গ্রস্থ হবে।
(৪) অত্র বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে হতে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতিত মামলা প্রত্যাহার করার অনুমতি দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim:
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
(2) Where the Court is satisfied—
(a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
(b) that there are other sufficient grounds for allowing the plaintiff to institute a fresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,
it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.
(3) Where the plaintiff withdraws from a suit, or abandons part of a claim, without the permission referred to in sub-rule (2), he shall be liable for such costs as the Court may award and shall be precluded from instituting any fresh suit in respect of such subject-matter or such part of the claim.
(4) Nothing in this rule shall be deemed to authorise the Court to permit one of several plaintiffs to withdraw without the consent of the others.
১২,০৯৫.
A, B এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে B এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. ঘোষণা ও খাস দখলের পুনরুদ্ধার
  3. বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও খাস দখলের পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে, 'B' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে চিরস্থায়ী ও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে,
আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।
 
- এক্ষেত্রে আদালত ‘A’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘B’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
১২,০৯৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আদালত অশ্লীল বা কেলেঙ্কারীজনক প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. ১৪৮ ধারায়
  2. ১৫১ ধারায়
  3. ১৬১ ধারায়
  4. ১৬৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫১ এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালতের মতে অশ্লীল বা কেলেঙ্কারিজনক হয়, তবে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব বা প্রাসঙ্গিকতা থাকলেও আদালত তা নিষিদ্ধ করতে পারেন।
তবে ব্যতিক্রম: যদি প্রশ্নটি বিচার্য বিষয় (facts in issue) বা তার অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তাহলে আদালত তা অনুমোদন করতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

১২,০৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের মামলায় কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. শুধুমাত্র অপরাধের সময়ের তথ্য
  2. শুধুমাত্র আদালতের সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত তথ্য
  3. শুধুমাত্র মূল বিষয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত তথ্য
  4. শুধুমাত্র ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের মামলায় শুধুমাত্র সেই তথ্যই প্রাসঙ্গিক যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সাহায্য করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
১২,০৯৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩০৪
  2. ধারা ৩০৫
  3. ধারা ৩০৬
  4. ধারা ৩০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত আছে। এই ধারা অনুসারে, যদি ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেয়, তাকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায় এবং অর্থদণ্ডও দেওয়া যায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
-If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

১২,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুসারে দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দেয়া হয়?
  1. ৩৯৭
  2. ৩৯৮
  3. ৩৯৯
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান অনুসারে দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দেয়া হয়। 
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-400: Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
১২,১০০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর অধীন আদালত বাদীকে কোন ধরনের খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র বাদীর হাজির হওয়ার খরচ
  2. শুধুমাত্র বিবাদীর সম্ভাব্য খরচ
  3. মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
  4. বিবাদীর সম্ভাব্য এবং মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর সম্ভাব্য এবং মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর সম্ভাব্য এবং মোকদ্দমার ব্যয়ের যাবতীয় খরচ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিষয়বস্তু হচ্ছে খরচের জন্য জামানত [Security for costs]।

⇒ বিধি ১- অনুসারে,
বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।