বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২০ / ১২৬ · ১১,৯০১১২,০০০ / ১২,৬০৫

১১,৯০১.
নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property) বলে গণ্য হবে?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
  2. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
  3. দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি;
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒  Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
১১,৯০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কী বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের দণ্ড
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অভিযুক্তের অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

⇒৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
-প্রতিকার-
-যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
--------------------
⇒ Section 345(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded.
১১,৯০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. চুক্তি বাস্তবায়ন
  2. চুক্তির ব্যাখ্যা
  3. ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
  4. সুনির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণ আদায়
সঠিক উত্তর:
ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা চুক্তি বাতিলের (Rescission) নিয়ম নিয়ে আলোচনা করে, বিশেষ করে যখন ভুলের (Mistake) কারণে চুক্তি রদ করার দাবি আসে।
এই ধারা অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভুলের কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না চুক্তি বাতিলের ফলে যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া হচ্ছে, তাকে এমন অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, যেন চুক্তিই করা হয়নি।
অর্থাৎ, যদি চুক্তি বাতিল করার ফলে বিপরীত পক্ষ অন্যায্য ক্ষতির শিকার হয়, তবে শুধুমাত্র ভুলের ভিত্তিতে চুক্তি বাতিল করা যাবে না।
- ৩৬ ধারা ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে, যেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রত্যেক পক্ষের অবস্থান বিবেচনা করতে হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
১১,৯০৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

 অর্থাৎ চুরির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োেগ অপরিহার্য উপাদান নয়। 
অন্যদিকে বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, ডাকাতির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান। 
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft: 
Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation-1: A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation-2: A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation-3: A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation-4: A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation-5: The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১১,৯০৫.
কীভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটিত হতে পারে?
  1. কোন অবৈধ কাজ করার সম্মতির মাধ্যমে
  2. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
  3. ক ও খ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ 
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি অপরাধ তথা কোন অবৈধ কাজ করার জন্য অথবা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার জন্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বা Criminal Conspiracy বলে। ১২০ক ধারামতে ২ ভাবে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অপরাধ হতে পারে। যথা:

⇒ (i) কোন অবৈধ কাজ করার জন্য সম্মতির মাধ্যমে
⇒(ii) কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করার সম্মতির মাধ্যমে
১১,৯০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারার বিধান-
  1. Power of Appellate Division to transfer cases and appeals
  2. High Court Division may transfer case or itself try it
  3. Power of Sessions Judge to transfer cases
  4. Power to appoint Public Prosecutors
সঠিক উত্তর:
High Court Division may transfer case or itself try it
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division may transfer case or itself try it
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কে মামলা স্থানান্তর এর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন বা স্বয়ং এর বিচার করতে পারবেন (High Cour Division may transfer case or itself try it)
 
- হাইকোর্ট কোন মামলা বা আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন ফৌজদারি স্বয়ং হাইকোর্ট বা দায়রা আদালতে হস্তান্তর বা প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে।ধারা- ৫২৬(১)
 
- নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এরূপ আদেশ দিতে পারে; যথা-
১) ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা বিচার পাওয়া যাবে না, অথবা
২) কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা আছে, অথবা
৩) যে স্থানে বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। 
৪) পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগণের সাধারণভাবে সুবিধা হবে।
৫) ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে [ধারা- ৫২৬(১)]
-------------------------------
CrPC Section 526. High Court Division may transfer case or itself try it:
(1) Whenever it is made to appear to the High Court Division-
(a) that a fair and impartial inquiry or trial cannot be had in any Criminal Court subordinate thereto, or
(b) that some question of law of unusual difficulty is likely to arise, or
(c) that a view of the place in or near which any offence has been committed may be required for the satisfactory inquiry into or trial of the same, or
(d) that an order under this section will tend to the general convenience of the parties or witnesses, or
(e) that such an order is expedient for the ends of justice, or is required by any provision of this Code; it may order-
 
(i) that any offence be inquired into or tried by any Court not empowered under sections 177 to [183] (both inclusive), but in other respects competent to inquire into or try such offence;
(ii) that any particular case or appeal, or class of cases or appeals, be transferred from a Criminal Court subordinate to its authority to any other such Criminal Court of equal or superior jurisdiction;
(iii) that any particular case or appeal be transferred to and tried before itself; or
(iv) that an accused person be sent for trial to itself or to a Court of Session.
 
(2) When the High Court Division withdraws for trial before itself any case from any Court it shall observe in such trial the same procedure which that Court would have observed if the case had not been so withdrawn.
(3) The High Court Division may act either on the report of the lower Court, or on the application of a party interested, or on its own initiative:
Provided that no application shall lie to the High Court Division for transferring a case from one Criminal Court to another Criminal Court in the same sessions division, unless an application for such transfer has been made to the Sessions Judge and rejected by him.
 
(4) Every application for the exercise of the power conferred by this section shall be made by motion, which shall, except when the applicant is the Attorney-General, be supported by affidavit or affirmation.
 
(5) When an accused person makes an application under this section, the High Court Division may direct him to execute a bond, with or without sureties, conditioned that he will, if so ordered, pay any amount which the High Court Division may under this section award by way of compensation to the person opposing the application.
১১,৯০৭.
What is a mandatory requirement for a contract of sale of immovable property to be specifically enforced?
  1. It must be oral but witnessed by two people
  2. It must be approved by the land revenue officer
  3. It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
  4. The transferee must have taken possession of the property
সঠিক উত্তর:
It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be in writing and registered under the Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, nocontract for sale of any immovable propertycan be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:

এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১১,৯০৮.
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

নির্বাহী, জুডিসিয়াল ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের অধীনতা (ধারা ১৭, The Code of Criminal Procedure, 1898)
(১) ধারা ১০ ও ১২(১)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান (Code) অনুযায়ী বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন, যাতে ওই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(২) ধারা ১১ ও ১২(৩)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান এবং সরকারের দ্বারা ধারা ১৬-এর অধীনে প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৩) ধারা ১২(৫)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যার মধ্যে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত) এবং ধারা ১৯-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান ও ধারা ১৬-এর অধীনে সরকারের প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৪) সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ) দায়রা জজের অধীন হবেন; এবং সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ) মেট্রোপলিটন দায়রা জজের অধীন হবেন।

১১,৯০৯.
মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত প্রদানের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _________।
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২৬ মতে স্বেচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক অস্ত্ৰ বা মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দান করা:

কোন ব্যক্তি যদি ৩৩৫ ধারায় বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে কোন গুলিবর্ষণের, ছুরিকাঘাতের বা কাটার যন্ত্র বা হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা যে হাতিয়ার দিয়ে একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য এই হাতিয়ারটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, সে হাতিয়ার দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিষ বা ক্ষয়কারী দ্রব্য কর্তৃক গুরুতর আঘাত করে, অথবা কোন বিস্ফোরক দ্রব্য দ্বারা গুরুতরভাবে আহত করে, অথবা যে দ্রব্য শ্বাস কর্তৃক গ্রহণ করলে, উদরস্থ করলে বা রক্তে গ্রহণ করলে তা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর হয়, সে দ্রব্য দ্বারা গুরুতর আহত করে অথবা কোন পশু দ্বারা গুরুতর আঘাত করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
১১,৯১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিকল্প রায় (Judgment in Alternative) এর বিধান আছে?
  1. ৩৭১(৩)
  2. ৩৬৮(২)
  3. ৩৬৭(৩)
  4. ৩৬৮
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
-দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 367(3)- Judgment in alternative
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১১,৯১১.
সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন আদেশ হলে সেটি হবে একটি-
  1. রায়
  2. ডিক্রি
  3. আদেশ
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারার বিধান: ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে,

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

♦ব্যাখ্যাঃ ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে; মোকদ্দমা যখন চূড়ান্তরূপে নিষ্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

♦অর্থাৎ সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন আদেশ হলে সেটি হবে একটি  ডিক্রি।
১১,৯১২.
'The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive.'- ফৌজদারি কার্যবিধির নিম্নের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case' অর্থাৎ 'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় বলা আছে।

• ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
 
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১১,৯১৩.
আদেশ-৬ বিধি-১৬ অনুযায়ী আদালতে প্লিডিংস কেটে দেওয়া বা সংশোধন করা হয় কোন ক্ষমতাবলে?
  1. সরকারি আদেশবলে
  2. সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে
  3. আইন কমিশনের সুপারিশক্রমে
  4. আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে: কোনো প্লিডিংসে (যেমন: বাদীর আরজি বা বিবাদীর জবাব)
- অপ্রয়োজনীয় বিষয় রয়েছে, অথবা
- কুৎসাজনক (scandalous) বক্তব্য রয়েছে, অথবা
- যা সুষ্ঠু বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত করতে পারে—
তাহলে আদালত তার নিজস্ব বিচারবুদ্ধি বা স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেই প্লিডিংস কেটে দেওয়ার (strike out) বা সংশোধন (amend) করার আদেশ দিতে পারে।

→ এটি আদালতের বিচারিক স্বার্থে দেওয়া একধরনের discretionary power, যা মামলার মেরিট ঠিক রাখতে এবং বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গতি নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।


→ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৬, বিধি ১৬ ইংরেজিতে বলা হয়েছে:
- "The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter..."
→ এখানে "may" শব্দটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বোঝায়।

১১,৯১৪.
কোন ধরনের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য নয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি লাভের
  2. স্থাবর সম্পত্তির দখলের
  3. বংশগত পদ লাভের
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর  ১৭ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।

একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে। এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।

Section 17: Effect of death before right to sue accrues
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application. 
 
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application. 
 
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১১,৯১৫.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব
  2. কোনো দলিলের সঠিকতা প্রমাণের দায়িত্ব
  3. ৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
  4. বিগত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত থাকা কারো মৃত্যু প্রমাণের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারার বিষয়বস্তু- যে ব্যক্তি সম্পর্কে ৭ বৎসর যাবত কোন খবর পাওয়া যায়নি সে যে জীবিত আছে তা প্রমাণের দায়িত্ব সম্পর্কে।

এই ধারা মতে, বিগত ৭ বছর যাবৎ নিখোজ ব্যক্তিকে যে জীবিত বলে দাবি করবে, তার উপরই প্রমানের ভার বর্তাবে।
 
⇒ ১০৭ ও ১০৮ ধারার মধ্যে পার্থক্য-

সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবত জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
অর্থাৎ একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায় ৭ বছর যাবৎ।
১১,৯১৬.
অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে দায়রা আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. অব্যাহতি দিতে পারে
  2. মুক্তি দিতে পারে
  3. খালাস দিতে পারে
  4. দণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দন্ডিত করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-

> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ )

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেনা বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
১১,৯১৭.
No _______ shall lie from any order passed in appeal under Section 104(2) of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. appeal
  2. review
  3. revision
  4. reference
সঠিক উত্তর:
appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।

Section-104: Orders from which appeal lies-
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95;
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree;
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules:
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made.

(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
১১,৯১৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১১,৯১৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় একটি ডিক্রি বা আদেশ নিচের কোন ক্ষেত্রে সংশোধনের আদেশ দেয়া যায়?
  1. করণিক ভুল থাকলে
  2. গাণিতিক ভুল থাকলে
  3. আকস্মিক কোন বিচ্যুতি থাকলে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১১,৯২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি নথিভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
  2. সাক্ষীদের বয়স
  3. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  4. চূড়ান্ত রায়ের তারিখ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের বয়স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের বয়স
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে, সাক্ষীদের বয়স নথিভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নয়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন:
(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ;
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদির (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশি অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-263. Record in cases where is no appeal:
- In cases where no appeal lies, the Magistrate or Bench of Magistrates need not record the evidence of the witnesses or frame a formal charge; but he or they shall enter in such form as the Government may direct the following particulars:- 
(a) the serial number; 
(b) the date of the commission of the offence; 
(c) the date of the report or complaint; 
(d) the name of the complainant ( if any); 
(e) the name, parentage and residence of the accused; 
(f) the offence complained of and the offence (if any) proved, and in cases coming under clause (d), clause (e), clause (f) or clause (g) of sub-section (1) of section 260 the value of the property in respect of which the offence has been committed; 
(g) the plea of the accused and his examination (if any); 
(h) the finding, and, in the case of a conviction, a brief statement of the reasons therefor; 
(i) the sentence or other final order; and 
(j) the date on which the proceedings terminated.
১১,৯২১.
কোনো শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবেদনপত্রের সাথে তার Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি ফৌজদারি মামলার নোট করতে হবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১১,৯২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা কত ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৩৭
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার বিধান: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------------
⇒ SR Act Section:- 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১১,৯২৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদালত কোন ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে (মোকদ্দমার পক্ষ নয়) সমন দিতে পারেন?
  1. সাক্ষ্য দিতে
  2. দলিল দাখিল করতে
  3. ক,খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক,খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।বলা আছে-

হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে,যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি,এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে। 

[Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document]

• অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল।
১১,৯২৪.
দণ্ডবিধির ধারা ২১২ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২১২ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে বা যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করে যে কোনো ব্যক্তি অপরাধী এবং তাকে আইনি শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে আশ্রয় দেয় বা লুকিয়ে রাখে, তিনি নিম্নলিখিত শাস্তির জন্য দায়ী হবেন:
→ যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হয়, তবে শাস্তি হবে ৫ বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
→ যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য হয়, তবে শাস্তি হবে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
→ যদি অপরাধটি ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য হয় (১০ বছরের কম), তবে শাস্তি হবে সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
ব্যতিক্রম: এই বিধান স্বামী বা স্ত্রী কর্তৃক অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
--------
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
-দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 212. Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment
Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with 70[imprisonment] for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
"Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
Exception: This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.

১১,৯২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩, বিধি-৪ অনুযায়ী আইনজীবী (Pleader) নিযুক্ত করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. মৌখিক অনুমতি
  2. লিখিত নিযুক্তিপত্র
  3. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি
  4. কোনো ফরমালিটি নেই
সঠিক উত্তর:
লিখিত নিযুক্তিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত নিযুক্তিপত্র
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩, বিধি-৪(১) অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী (Pleader) আদালতে কারো পক্ষে কাজ করার জন্য লিখিত নিযুক্তিপত্র (Written Document of Appointment) আবশ্যক।
আইনজীবীর (Pleader) নিয়োগ: 
→ কোনো আইনজীবী আদালতে কারো পক্ষে কাজ করতে পারবেন না, যদি না তিনি লিখিতভাবে নিযুক্ত হন। এই নিযুক্তি হতে হবে— সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত দলিলের মাধ্যমে, অথবা স্বীকৃত এজেন্ট কর্তৃক, অথবা পাওয়ার-অফ-অ্যাটর্নির মাধ্যমে অনুমোদিত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক।

দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালতে কোনো আইনজীবী (pleader) তখনই কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করতে পারবেন, যদি তাকে লিখিতভাবে নিযুক্ত করা হয়।
এই নিযুক্তিপত্র হতে হবে—
- মক্কেল স্বাক্ষরিত লিখিত দলিল, অথবা
- স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে অনুমোদিত নিযুক্তিপত্র, অথবা
- পাওয়ার-অফ-অ্যাটর্নির মাধ্যমে অনুমোদিত দলিল।
এটি আদালতে দাখিল করতে হবে এবং যতক্ষণ না তা প্রত্যাহার করা হয় বা সংশ্লিষ্ট পক্ষ মারা যায়, ততক্ষণ কার্যকর থাকবে।
তাই সঠিক উত্তর "খ"।
১১,৯২৬.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. স্বত্ব ঘোষণা
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  4. চুক্তি বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
 - সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১২ ধারায় চুক্তি বাস্তবায়ন, ৪২ ধারায় স্বত্ব ঘোষণা, ৫৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার,
-এই আইনের কোথাও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিকার দেওয়ার বিষয়ে বলা হয় নাই।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
১১,৯২৭.
একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করা হবে?
  1. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. চীফ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৭: দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল-
যেকোন ব্যক্তি যিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত বিচারে দোষী সাব্যস্ত হন, তিনি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর নিকট আপিল করতে পারবেন। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেই আপিল শুনে নিষ্পত্তি করতে পারেন অথবা তা যেকোন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে স্থানান্তর করে দিতে পারেন।

এছাড়াও, তিনি ইচ্ছা করলে পূর্বে স্থানান্তরিত আপিল পুনরায় নিজ দায়িত্বে নিতে (withdraw) পারেন।

১১,৯২৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের কার্যাবলী উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯
  3. অনুচ্ছেদ ১০
  4. অনুচ্ছেদ ১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।

Article-10: Subject to the provisions of this Order and the rules made thereunder the functions of the Bar Council shall be-
(a) to admit persons as advocates on its roll, to hold examinations for purposes of admission, and to remove advocates from such roll;
(b) to prepare and maintain such roll;
(c) to lay down standard of professional conduct and etiquette for advocates;
(d) to entertain and determine cases of misconduct against advocates on its roll and to order punishment in such cases;
(e) to safeguard the rights, privileges and interests of advocates on its roll;
(f) to manage and invest the funds of the Bar Council;
(g) to provide for the election of its members;
(h) to lay down the procedure to be followed by its committees;
(i) to promote legal education and to lay down the standards to such education in consultation with the universities in Bangladesh imparting such education;
(j) to perform all other functions conferred on it by or under this Order;
(k) to do all other things necessary for discharging the aforesaid functions.
১১,৯২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী সাধারণত প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
→ প্লিডিংস সংশোধনের সময়সীমা: আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট সময় না দেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত যদি সময় বর্ধিত না করেন, তবে আর প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
→ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -১৪ দিন।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
১১,৯৩০.
The Evidence Act,1872 এর ৮৫ক ধারায় আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করে?
  1. ডিজিটাল আকারে চুক্তির
  2. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  3. ডিজিটাল যোগাযোগ
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল আকারে চুক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল আকারে চুক্তির
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।

Section 85A: Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.
১১,৯৩১.
"Affray" এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১১,৯৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী হলফনামায় শপথগ্রহণ করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৪০
  2. ধারা ১৩৯
  3. ধারা ১৩৮
  4. ধারা ১৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩৯-এ বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীনে প্রদত্ত কোনো হলফনামার (affidavit) ক্ষেত্রে কে বা কারা শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।
- এই ধারা অনুযায়ী শপথ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা রয়েছে:
১) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের,
২) সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তির, এবং
৩) সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আদালতের কোনো কর্মকর্তার।
- এটি একটি প্রক্রিয়াগত বিধান যা নিশ্চিত করে যে, হলফনামা যথাযথভাবে শপথসহ সম্পাদিত হয়েছে এবং তা আদালতে গ্রহণযোগ্য।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-139. Oath on affidavit by whom to be administered.
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.

১১,৯৩৩.
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা অনুযায়ী নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।
-৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
১১,৯৩৪.
কোনো বিচারক বেঞ্চে শুনানি হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাঁদের অভিমতে সমানভাবে ভাগ হলে, সিদ্ধান্ত কীভাবে নেয়া হয়?
  1. প্রথমে যে বিচারক মতামত দেন, তার অভিমত অনুযায়ী
  2. বেঞ্চের প্রবীণতম বিচারকের অভিমত অনুযায়ী
  3. মতামতের জন্য অন্য বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
মতামতের জন্য অন্য বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মতামতের জন্য অন্য বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৮ মতানৈক্যের ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ

এরূপ কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শুনানী হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাঁদের অভিমতে সমানভাবে ভাগ হলে তাঁদের অভিমতসহ অন্য একজন  বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে এবং তিনি যেরূপ সঠিক মনে করেন, শুনানীর পর সেরূপ তাঁর অভিমত প্রদান করবেন এবং রায় বা আদেশ তাঁর অভিমত অনুযায়ী হবে।

Section 378 (Procedure in case of difference of opinion)-

When any such case is heard before a bench of Judges and such Judges are equally divided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge, and such Judge, after such hearing as he thinks fit shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
১১,৯৩৫.
The Penal Code, 1860 এর ________ ধারায় মানহানির ১০টি ব্যতিক্রমের বিষয় উল্লেখ আছে।
  1. ৪৯৮
  2. ৪৯৯
  3. ৫০০
  4. ৫০১
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে। অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না।

⇒ ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না।
১১,৯৩৬.
মামলার গুনাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি দানের মাধ্যমে যে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় তা হলো-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১১,৯৩৭.
The punishment under Section 392 of the Penal Code is applicable to a person who is found guilty of:
  1. Assault
  2. Robbery
  3. Extortion
  4. Dacoity
সঠিক উত্তর:
Robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robbery
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
১১,৯৩৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১০৭ ধারা
  2. ১০৮ ধারা
  3. ১০৯ ধারা
  4. ১১০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১০ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ১১০: মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব  যখন প্রশ্ন হইতেছে, যে লোকের দখলে কিছু আছে বলিয়া বুঝায়, সেই লোক উহার মালিক কিনা, তখন যে লোক দাবি করে যে, দখলকারী লোক সেই জিনিসের মালিক নহে, সেই লোকের উপরই উহা প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত হয়।
--------------------
The Evidence Act, 1872, Section 110: Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

১১,৯৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. দণ্ড কার্যকর
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. আপিল
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।
-অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।

-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost. 

-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১১,৯৪০.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তার পর অপরাধটি সংঘটিত না হলে শাস্তি কি ?
  1. ৫ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত (সশ্রম বা বিনাশ্রম ) কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণঃ
♦অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলেঃ কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে (If act causing harm be done in consequence):- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১১,৯৪১.
আদেশ ৩৩ বিধি ৫ অনুসারে আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ না থাকলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির দখলে না থাকলে
  4. আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করার আবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।
১১,৯৪২.
"Testes ponderantur, non numerantur" এর অর্থ কী?
  1. সাক্ষীদের সংখ্যা গণনা করা হয়
  2. সাক্ষীদের অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে
  3. সাক্ষীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট সংখ্যক হতে হবে
  4. সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়
ব্যাখ্যা
• "Testes ponderantur, non numerantur" একটি ল্যাটিন বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হল: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"

এই বাক্যাংশটি প্রাচীন রোমান আইনের একটি নীতি থেকে উদ্ভূত। এটি সাক্ষীদের গুণগত মূল্যায়নের গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর তাৎপর্য হল, একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় সাক্ষীদের গুণগত মান এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই বিবেচনা করা উচিত, তাদের সংখ্যাকে নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
১১,৯৪৩.
ধারা ৯ অনুযায়ী দখলের জন্য প্রমাণ করতে হয়-
  1. বিনা অনুমতিতে দখলচ্যুত করা হয়েছে
  2. বাদী সম্পত্তির দখলে ছিলো
  3. বেআইনিভাবে দখলচ্যুত করা হয়েছে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। 
ধারা ৯ অনুযায়ী দখলের জন্য প্রমাণ করতে হয়
১)বিনা অনুমতিতে দখলচ্যুত করা হয়েছে
২)বাদী সম্পত্তির দখলে ছিলো
৩) বেআইনিভাবে দখলচ্যুত করা হয়েছে
১১,৯৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করার জন্য কত বছরের অনুপস্থিতির প্রমাণ প্রয়োজন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৮-এর প্রভিশন অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি জীবিত কিনা মৃত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে এবং প্রমাণিত হয় যে সে ৭ (সাত) বছর ধরে যাদের কাছে স্বাভাবিকভাবে খবর পাওয়া যেত তাদের কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তখন ব্যক্তিটিকে মৃত বলে অনুমান করা হয়। এই অনুমানের ফলে জীবিত বলে দাবি করলে প্রমাণের বোঝা (burden of proof) সেই দাবিকারীর উপর স্থানান্তরিত হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 108: Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.

১১,৯৪৫.
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬ এর বিধান: লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে- চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
১১,৯৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৫৪৮
  2. ৫৫৭
  3. ৫৫৮
  4. ৫৬১ক
সঠিক উত্তর:
৫৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১১,৯৪৭.
ডিক্রি জারী মূলে কোন সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২:
স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

বিধি ৮৪-
স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

বিধি ৮৫-
ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
১১,৯৪৮.
চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ-এর অপরাধ কখন দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে না?
  1. চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
  2. চুরি করার সময় মৃত্যুর হুমকি দিলে
  3. চুরি করার সময় অবৈধ আটকের ভয় প্রদর্শন করলে
  4. চুরি করার সময় তাতক্ষণিক আঘাতের ভয় দেখালে
সঠিক উত্তর:
চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৩৯০ এর বিধান যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হয়ঃ প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ ৷ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।
♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দসুযতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
১১,৯৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করা বা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৫৩৯ ধারা
  2. ৫৩৯খ ধারা
  3. ৫৪০ ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী কোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যধারার যেকোনো পর্যায়ে, আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারেন, এমনকি যদি তিনি পূর্বে সমন না-ও হয়ে থাকেন, তবুও আদালত উপস্থিত ব্যক্তিকে জবানবন্দি দিতে বলতে পারেন, এবং যে ব্যক্তির সাক্ষ্য ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে জেরা করা যেতে পারে, যদি আদালতের মতে, সেই সাক্ষ্য ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনোো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
১১,৯৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত হিসেবে কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
  1. সর্বনিম্ন ১০০০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds): কোন মোকদ্দমায় অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়ে থাকলে বা বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার পর আদালত যদি দেখে যে উক্ত মোকদ্দমা দায়েরের জন্য বাদীর কোন সঙ্গত কারণ ছিলনা, তখন বিবাদী তার ব্যয় ও ক্ষতির জন্য বাদীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাইলে আদালত বিবাদীকে অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাদীকে আদেশ দিতে পারবেন।
 ♦ উল্লেখ্য যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করবেন না।
১১,৯৫১.
ডাকাতি চলাকালে যদি খুন সংঘটিত হয়, তাহলে অপরাধীদের সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 396- Dacoity with murder:
If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৯৫২.
ক, গ-কে ধরে ফেলে এবং গ-এর সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে গ-এর পোশাক হতে গ -এর অর্থ ও গহনাসমূহ নিয়ে নেয়। উক্ত গহনা গ্রহণের সময় ক, গ কে স্বেচ্ছাকৃতভাবে বেআইনীভাবে বাধা দেয়। এই ক্ষেত্রে ক এর অপরাধ?
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৯০ ধারা মতে যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্যহয়ঃ প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ  কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা ;
♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
♦যেহেতু ক, গ এর সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে গ এর পোশাক হতে গ এর অর্থ ও গহনাসমূহ নিয়ে নেয়, তাই চুরি করেছে বলে গণ্য হবে এবং যেহেতু চুরি করার সময় ক, গ কে স্বেচ্ছাকৃতভাবে এবং বেআইনিভাবে বাধা দেয়, তাই উক্ত চুরি দস্যুতায় পরিণত হয়েছে এবং ক দস্যুতা করেছে বলে গণ্য হবে।
১১,৯৫৩.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় নিম্নের কোন বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. মৃত্যুর কারণ
  2. সম্পত্তি দান
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক
  4. পিতৃত্বের দাবী
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি দান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

⇒ অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সম্পত্তি দান বিষয় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
১১,৯৫৪.
ক” দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬মাস। ক” ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে।বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদী শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
১১,৯৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি কীভাবে মামলা পরিচালনা করতে পারেন?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, “Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.”
- অর্থাৎ, যিনি বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করছেন, তিনি নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) অথবা একজন অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে মামলাটি পরিচালনা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
১১,৯৫৬.
করিম নিজেকে সরকারি স্বাস্থ্য পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে কয়েকটি দোকানে গিয়ে লাইসেন্স পরীক্ষা করেন এবং জরিমানা নেওয়ার চেষ্টা করেন। তার এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ২ বছর।

দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে কাজ করলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১১,৯৫৭.
কোনটি দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমার উদাহরণ?
  1. চুক্তি রদের মোকদ্দমা
  2. দলিল বাতিল ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  3. বন্ধকি সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ৯ ধারার ব্যাখ্যায় বিধান করা হয়েছে, যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেই মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও উক্ত অধিকার সম্পূর্ণরুপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে । সুতরাং, ৯ ধারায় নিম্নলিখিত ২টি অধিকার বিষয়ক মোকদ্দমাকে দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-

১. সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা-
যেমন, বন্ধকি সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার বা ঋণ উদ্ধারের অধিকার বা সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার ইত্যাদি দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।

২. পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা-
যেমন, মোতায়াল্লির পদের অধিকারহানী করা হয়েছে এই মর্মে ঘোষণার মোকদ্দমা বা কোন ব্যক্তি কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদের অধিকারী মর্মে ঘোষণা সংক্রান্ত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।

চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা বা ভাড়া আদায়ের মোকদ্দমা বা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার যেমন চুক্তি বলবৎ, চুক্তি রদ, দলিল সংশোধন, দলিল বাতিল ঘোষণামূলক মোকদ্দমা, নিষেধাজ্ঞা, সম্পত্তিতে দখল উদ্ধার ইত্যাদি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা। ধর্মীয় আচার বা উৎসবের প্রশ্নযুক্ত মোকদ্দমা সাধারণত দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা না। কিন্তু ধর্মীয় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি বা পদের অধিকারের প্রশ্নযুক্ত মোকদ্দমা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে বিবেচিত হবে।
১১,৯৫৮.
"দলিল সংশোধন" (Rectification of Instruments) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অধ্যায় ৩
  2. অধ্যায় ৪
  3. অধ্যায় ৫
  4. অধ্যায় ৭
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৩
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877)-এর অধ্যায় ৩-এ দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) বিষয়ক বিধানাবলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। Chapter III OF THE RECTIFICATION OF INSTRUMENTS.
- এই অধ্যায়ে, মূলত ভুলবশত বা অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিপূর্ণ দলিল সংশোধনের জন্য আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অধ্যায়সমূহ নিচে দেওয়া হলো:
1. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property) - ধারা (৮-১১);
2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific performance of contract) - ধারা (১২-৩০);
3. দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) - ধারা (৩১-৩৪);
4. চুক্তি রদ (Rescission of a contract) - ধারা (৩৫-৩৮);
5. দলিল বাতিল (Cancellation of instrument) - ধারা (৩৯-৪১);
6. ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) - ধারা (৪২-৪৩);
7. তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (Appointment of receiver) - ধারা ৪৪;
8. বিলুপ্ত (Omitted) - ধারা (৪৫-৫১);
9. সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা (Injunction generally) - ধারা (৫২-৫৩);
10. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunction) - ধারা (৫৪-৫৭)।

১১,৯৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২০ অনুসারে বিধি-১৮ এবং ১৯-এর বিধান কোন ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র টাকার ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি অর্পণের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  3. দায়িকের গ্রেফতারের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  4. বন্ধকী বা চার্জ বাস্তবায়নের জন্য বিক্রয়ের ডিক্রির ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী বা চার্জ বাস্তবায়নের জন্য বিক্রয়ের ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী বা চার্জ বাস্তবায়নের জন্য বিক্রয়ের ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২০ অনুসারে বলা হয়েছে: “The provisions contained in rules 18 and 19 shall apply to decrees for sale in enforcement of a mortgage or charge.”
অর্থাৎ, বিধি ১৮ ও ১৯ যেগুলো ক্রস-ডিক্রি বা একে অপরের বিরুদ্ধে আর্থিক পাওনা সম্পর্কিত ডিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সেগুলো বন্ধক বা চার্জ বাস্তবায়নের জন্য বিক্রয়ের ডিক্রির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
- তাই সঠিক অপশন: ঘ) বন্ধকী বা চার্জ বাস্তবায়নের জন্য বিক্রয়ের ডিক্রির ক্ষেত্রে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule- 20. Cross-decrees and crossclaims in mortgage-suits:
The provisions contained in rules 18 and 19 shall apply to decrees for sale in enforcement of a mortgage or charge.
১১,৯৬০.
বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. পদটি দখল করার তারিখ থেকে
  3. ক্ষতিপূরণের দাবি জানানোর তারিখ থেকে
  4. পদটি বংশগতভাবে পাওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
পদটি দখল করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদটি দখল করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী, বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর।
- এই মেয়াদ বিবাদী যখন বাদীর প্রতিকূলে পদটি দখল করে সেই তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
- পদ দখল করার তারিখ বলতে সেই তারিখকে বোঝায় যখন বিবাদী বাদীর অধিকার লঙ্ঘন করে বংশগত পদটি দখল করে।
- এই তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) পদটি দখল করার তারিখ থেকে।
১১,৯৬১.
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারীর দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদকাল গণনা করা হয়-
  1. ডিক্রির স্বাক্ষরের তারিখ হতে
  2. ডিক্রি অমান্য করার তারিখ হতে
  3. ডিক্রি কার্যকর করার তারিখ হতে
  4. ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
⇒ মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন,
⇒ রায় ঘোষণার দিন,
রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়,
⇒ রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।

Section 12: Exclusion of time in legal proceedings

(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 

(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
১১,৯৬২.
‘E’ জেনেশুনে একটি জাল ব্যাংক-নোট দখলে রাখে এবং তা সত্য বলে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে রাখে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'E' এর অপরাধটি শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪৮৯ক
  2. ধারা ৪৮৯খ
  3. ধারা ৪৮৯গ
  4. ধারা ৪৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯গ
ব্যাখ্যা

⇒ ‘E’ জেনেশুনে একটি জাল ব্যাংক-নোট দখলে রাখে এবং তা সত্য বলে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে রাখে। দণ্ডবিধি (Penal Code) অনুসারে, এই অপরাধটি ধারা ৪৮৯গ (Section 489C) এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।
⇒ ধারা ৪৮৯গ এ বলা আছে: যে কেউ জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকা সত্ত্বেও কোনো জাল বা নকল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট দখলে রাখে এবং তা সত্য বলে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে রাখে, সে উভয় প্রকারের কারাদণ্ডে, যা সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
- সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৪৮৯গ।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-489C. Possession of forged or counterfeit currency-notes or bank-notes:
Whoever has in his possession any forged or counterfeit currency-note or bank-note, knowing or having reason to believe the same to be forged or counterfeit and intending to use the same as genuine or that it may be used as genuine, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.

১১,৯৬৩.
চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে কোনো পক্ষকে খরচ ব্যতীত কতবার মূলতবী মনজুর করা যায়?
  1. ৩ বার
  2. ৬ বার
  3. ৯ বার
  4. একবারও নয়
সঠিক উত্তর:
৬ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বার
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মূলতবির আবেদন করতে হয়। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন । আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মূলতবি রাখতে পারে। চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। 
♦ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে; তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।
♦ মূলতবি খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে। মূলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১১,৯৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় কোন আদালত সম্পর্কিত বিশেষ বিধান রয়েছে?
  1. রাজস্ব আদালত
  2. গ্রাম আদালত
  3. পারিবারিক আদালত
  4. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
১১,৯৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, জৈবিক নমুনা (যেমন ডিএনএ) তুলনার জন্য আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
  2. নমুনাটি আদালতে জমা দিতে
  3. নমুনার ফটোকপি জমা দিতে
  4. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, যদি কোনো জৈবিক নমুনার সাথে সম্পর্কিত পরিচয়ের দাবি করা হয়, তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে নমুনাটি তুলনা করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, জৈবিক নমুনা (যেমন রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ ইত্যাদি) তুলনার বিষয়ে বলা আছে:
"If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison."

অর্থাৎ, যদি দাবি করা হয় যে কোনো জৈবিক নমুনা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বা তার দ্বারা সৃষ্ট, তবে আদালত সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে তুলনা করা সম্ভব হয়।
১১,৯৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৬(২) অনুযায়ী, একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করতে হবে
  2. আপিল দায়ের করা যাবে না
  3. আপিল দায়ের করা যাবে
  4. রিভিশন দায়ের করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করা যাবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

১১,৯৬৭.
একজন বিচারাধীন আসামী কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার defence-এর সমর্থনে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
সঠিক উত্তর:
৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-

(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader.

(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings.

(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:

Provided that-
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or

(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

১১,৯৬৮.
স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের ক্ষতিপূরণের মামলা কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. মামলার রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
  2. অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে
  3. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের তারিখ থেকে
  4. অনধিকার প্রবেশ সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৯:
স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের (trespass) জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
৩ বৎসর -অনধিকার প্রবেশের তারিখ হতে।
১১,৯৬৯.
স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ :- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------------------------
Causing miscarriage without women's consent:
Section 313. Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৯৭০.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারা অনুসারে, দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তি সম্পর্কে কে সাক্ষ্য প্রদান করতে সক্ষম?
  1. আদালত
  2. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  3. শুধুমাত্র দলিলের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
  4. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি বা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিরা
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি বা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি বা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিরা
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৯: দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনের চুক্তি সম্পর্কে কে সাক্ষ্য দিতে পারে: দলিলের সংশ্লিষ্ট পক্ষ নহে এইরূপ লোকেরা বা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিরা এমন কোনো ঘটনার সাক্ষ্য দিতে পারে, যা দ্বারা বুঝা যাইবে, উক্ত দলিলে লিপিবদ্ধ শর্তাবলীর রদবদল করিয়া একটি চুক্তি একটি সময়ে হইয়াছিল।
উদাহরণ: 'ক' এবং 'খ'-এর মধ্যে এই মর্মে একটি লিখিত চুক্তি হইল যে, 'খ' কিছু পরিমাণ তুলা 'ক'-এর নিকট বিক্রয় করিবে এবং যাহার মূল্য পণ্য অর্পিত হইলে পরিশোধ করা হইবে। একটি সময়ে তাহাদের মধ্যে একটি মৌখিক চুক্তি হয় এই মর্মে যে, তিন মাসের জন্য 'ক'-কে ধারে মাল সরবরাহ করা হইবে। 'ক'-এর মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হইলে শেষোক্ত চুক্তিটি প্রমাণ করা যাইবে না। কিন্তু উহা দ্বারা যদি 'গ'-এর স্বার্থ ব্যাহত হয়, তবে 'গ' উহা প্রমাণ করিতে পারিবে।
-------------
The Evidence Act 1872, Section, 99, Who may give evidence of agreement varying terms of document: Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.
Illustration: A and B make a contract in writing that B shall sell A certain cotton, to be paid for on delivery. At the same time they make an oral agreement that three months' credit shall be given to A. This could not be shown as between A and B, but it might be shown by C, if it affected his interests.

১১,৯৭১.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় 'Comparison of signature, writing of seal with others admitted or proved' সংক্রান্ত বিধানটি বর্ণিত আছে?
  1. ৭১ ধারায়
  2. ৭২ ধারায়
  3. ৭৩ ধারায়
  4. ৭৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 73. Comparison of signature, writing or seal with others, admitted or proved:
- In order to ascertain whether a signature, writing or seal is that of the person by whom it purports to have been written or made, any signature, writing or seal admitted or proved to the satisfaction of the Court to have been written or made by that person may be compared with the one which is to be proved, although that signature, writing or seal has not been produced or proved for any other purpose. 
- The Court may direct any person present in Court to write any words or figures for the purpose of enabling the Court to compare the words or figures so written with any words or figures alleged to have been written by such person. 
- This section applies also, with any necessary modifications, to finger-impressions.
১১,৯৭২.
'ক', এক মামলায় 'খ' কে নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। আদালত 'খ' কে, 'ক' এর স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে 'গ' নামক এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, 'খ' তার স্ত্রী এবং তিনি 'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কে ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা করে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মামলার রায়-
  1. স্থগিত থাকবে
  2. বাতিল হবে
  3. 'গ' এর উপর কার্যকর হবে
  4. 'গ' এর উপর কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
'গ' এর উপর কার্যকর হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'গ' এর উপর কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।

এক্ষেত্রে,
'ক' ও 'খ' এর মধ্যকার মামলার রায় 'গ' এর উপর বাধ্যকর নয়। কারণ 'গ' সেই মামলার পক্ষ ছিলেন না। সুতরাং তার দাবি আদালতে নতুন করে বিচার করা হবে এবং পূর্বের রায় তার উপর প্রযোজ্য হবে না।
১১,৯৭৩.
‘A’ মিথ্যাভাবে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করে এবং তাকে ঋণে পণ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করে সফল হয়, যা পরিশোধের ইচ্ছা তার ছিল না। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণা (Cheating) হলো কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণামূলকভাবে প্ররোচিত করা যাতে সে সম্পত্তি হস্তান্তর করে বা এমন কাজ করে যা সে আইনত করতে বাধ্য নয়, এবং এতে তার ক্ষতি হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখানে, ‘A’ মিথ্যাভাবে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে এবং তাকে ঋণে পণ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করেছে, যা পরিশোধের ইচ্ছা তার ছিল না। এটি স্পষ্টতই প্রতারণার অপরাধ। ধারা ৪১৭ অনুসারে, সাধারণ প্রতারণার শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। তবে, যদি প্রতারণার ফলে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তবে ধারা ৪২০ (প্রতারণা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনা) প্রযোজ্য, যার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’-এর কাজ ধারা ৪২০-এর অধীনে পড়ে, কারণ সে অসৎ উদ্দেশ্যে ‘Z’-কে সম্পত্তি (পণ্য) হস্তান্তরে প্ররোচিত করে সফল হয়েছে।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪২০-এর অধীনে প্রতারণা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনা হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৭ বছরের কারাদণ্ড।
---- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 420. Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১১,৯৭৪.
X ইচ্ছাকৃতভাবে Y (নারী)’র নেকাব খুলে দেয় এবং X জানতো যে Y’র মুখাবরণ খুলে দিলে সে বিরক্ত হবে। এই ক্ষেত্রে X এর অপরাধ-
  1. অপরাধ করার চেষ্টা করা
  2. বলপ্রয়োগ করা
  3. অপরাধমূলক ক্ষতি করা
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৫০ মতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগকোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
♦অর্থাৎ X উক্ত মহিলার নেকাব যেটা তার মুখের সাথে সংযুক্ত ছিল তা খুলে দেয় এবং যেহেতু X জানতো উক্ত নেকাব খুলে দিলে উক্ত নারী বিরক্ত হবে, তাই X এর কাজটি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে বলে গণ্য হবে।
১১,৯৭৫.
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন বিষয়ে অবহিত করবেন?
  1. দণ্ড কার্যকরের সময়সীমা সম্পর্কে
  2. আপিল বা রিভিশনের সময়সীমা সম্পর্কে
  3. দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে
  4. আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
• বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

• তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।

Section 371- 
On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 
When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১১,৯৭৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত মামলায় মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা:
  1. স্থগিত হয়
  2. অব্যাহত থাকে
  3. নতুন করে শুরু হয়
  4. আদালত নির্ধারণ করে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহত থাকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অব্যাহত থাকে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী: "Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office."
অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি মারা যান এবং তাঁর বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত মামলা দায়ের করার অধিকার সৃষ্টি হয়, তাহলে ধারা ১৭(২) অনুযায়ী যে সুবিধা বা সময় গণনার বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য—তা স্থাবর সম্পত্তির দখলের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
ফলে, এমন কোনো মামলা হলে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি থাকুক বা না থাকুক, তামাদির সময় গণনা অব্যাহত থাকবে, স্থগিত বা পুনরায় শুরু হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১১,৯৭৭.
যদি বিবাদী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করে, তবে আদালত কী করবে?
  1. অতিরিক্ত সময় দিবে
  2. মামলাটি খারিজ করবে
  3. বিবাদীকে জরিমানা করবে
  4. একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি (১)-
১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১১,৯৭৮.
FIR কার নিকট দায়ের করা যায়?
  1. স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিচারকারী আদালত
  3. স্থানীয় থানা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় থানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় থানা
ব্যাখ্যা
FIR স্থানীয় থানার নিকট দায়ের করা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
১১,৯৭৯.
"দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটা" – এটি কোন ধরনের অপরাধ?
  1. খুন
  2. নরহত্যা নয়
  3. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
  4. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুসারে, শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) সংঘটিত হয় যদি কেউ:
→ মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে, অথবা
→ এরূপ দৈহিক জখম ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে, অথবা
→ এমন কোনো কাজ করে যা দ্বারা মৃত্যু ঘটতে পারে বলে সে জানে এবং তার দ্বারা মৃত্যু ঘটে।
প্রশ্নে উল্লিখিত "দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটা" সরাসরি ধারা ২৯৯ এর দ্বিতীয় শর্তের অন্তর্ভুক্ত। তাই এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) এর অপরাধ গঠন করে।
→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) শাস্তিযোগ্য নরহত্যা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 299. Culpable homicide:
Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
- Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
- Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
- Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

১১,৯৮০.
Section 27 of The Specific Relief Act,1877 has provisions regarding-
  1. For whom Contracts may be specifically enforced.
  2. For whom Contracts cannot be specifically enforced.
  3. Against whom contracts may be specifically enforced.
  4. Against whom Contracts cannot be specifically enforced.
সঠিক উত্তর:
Against whom contracts may be specifically enforced.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Against whom contracts may be specifically enforced.
ব্যাখ্যা
⇒ Section 27 of The Specific Relief Act,1877 has provisions regarding "Against whom contracts may be specifically enforced."

⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারার বিধান পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্বাধীনে দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকারঃ যদি এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারেঃ (ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;

(খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব দ্বারা তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্পর্কে অনবহিত থেকে তার অর্থ প্রদান করেছে;

(গ) এমন স্বত্বের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদীর জানা ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;

(ঘ) যখন পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সথে একত্রিত হয়, তখন একত্রিত হওয়ার ফলে উদ্ভূত নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;

(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা, কোম্পানি গঠিত হওয়ার পূর্বেই চুক্তি করে, তখন কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমোদন ও গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

-----------------
⇒ Section 27 of The Specific Relief Act:- Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title- Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 

⇒ Illustrations 
to clause (b)- 
A contracts to convey certain land to B by a particular day. A dies intestate before that day without having conveyed the land. B may compel A's heir or other representative in interest to perform the contract specifically. 
A contracts to sell certain land to B for taka 5,000. A afterwards conveys the land for taka 6,000 to C, who has notice of the original contract. B may enforce specific performance of the contract as against C. 
A contracts to sell land to B for taka 5000. B takes possession of the land. Afterwards A sells it to C for taka 6,000. C makes no inquiry of B relating to his interest in the land. B's possession is sufficient to affect C with notice of his interest, and he may enforce specific performance of the contract against C. 
A contracts, in consideration of taka 1,000 to bequeath certain of his lands to B. Immediately after the contract A dies intestate, and C takes out administration to his estate. B may enforce specific performance of the contract against C. 
A contracts to sell certain land to B. Before the completion of the contract, A becomes a lunatic and C is appointed his committee. B may specifically enforce the contract against C. 
to clause (c)- 
A, the tenant for life of an estate, with remainder to B, in due exercise of a power conferred by the settlement under which he is tenant for life, contracts to sell the estate to C, who has notice of the settlement. Before the sale is completed, A dies. C may enforce specific performance of the contract against B. 
A and B are joint tenants of land, his undivided moiety of which either may alien in his life time, but which, subject to that right, devolves on the survivor. A contracts to sell his moiety to C and dies. C may enforce specific performance of the contract against B.
১১,৯৮১.
ক’ খ’ এর বিরুদ্ধে দুইটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। জমির একটি অংশ নারায়ণগঞ্জে এবং অপর অংশ ঢাকাতে অবস্থিত। খ যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তন করতে চায়, তাহলে খ এর উকিল হিসেবে আপনি কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. নারায়ণগঞ্জ জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. ঢাকা জুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦যেহেতু জমির দুইটি অংশ দুইটি জেলায় অবস্থিত তাই যে কোন একটি জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে। যেহেতু বাদী 'ক' ঢাকাতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে এবং ‘খ’ মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করে নারায়ণগঞ্জের দেওয়ানী আদালতে নিতে চাই, তাহলে আমাকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
১১,৯৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে সমন অমান্যের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত কি আদেশ দিতে পারেন?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন
  2. অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশ গুলো দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec. 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১১,৯৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুসারে, কোন বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়?
  1. শুধুমাত্র মামলার সম্পর্কিত আইন
  2. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশিত ঘটনা
  3. বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  4. যে কোনো ঘটনা, প্রাসঙ্গিকতা নির্বিশেষে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act, 1872) এর ধারা ৫ (Section 5) বলছে:
“Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.”
 অর্থাৎ, আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে শুধুমাত্র Fact in issue – অর্থাৎ মামলার মূল বিতর্কিত বিষয় (বিচার্য বিষয়) এবং Relevant facts – অর্থাৎ আইনে যেসব প্রাসঙ্গিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব  এ ছাড়া অন্য কোনো তথ্যের উপর সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

→ অর্থাৎ ধারা ৫ অনুযায়ী, সাক্ষ্য শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় (fact in issue) এবং আইনে নির্ধারিত প্রাসঙ্গিক ঘটনা (relevant facts) সম্পর্কেই দেওয়া যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: গ) বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা "Evidence may be given of facts in issue and relevant facts"
- Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.- This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
১১,৯৮৪.
রেফারেন্স পাঠাতে পারবে-
  1. হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে
  2. আদালত স্ব-প্রণোদিত হয়ে
  3. কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।

- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
১১,৯৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য কোন ধরনের হতে হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে প্রত্যক্ষ
  2. মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে পরোক্ষ
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে অনুমোদিত
  4. মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে অনুমানভিত্তিক
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে প্রত্যক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য হতে হবে প্রত্যক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে, মৌখিক সাক্ষ্য সবসময় প্রত্যক্ষ হতে হবে। এর অর্থ, যদি সাক্ষ্য কোনো ঘটনা সম্পর্কিত হয় যা দেখা, শোনা, বা অন্য কোনো অনুভূতির মাধ্যমে অনুধাবন করা সম্ভব, তাহলে সেই সাক্ষীকে অবশ্যই সেই ঘটনা নিজে দেখেছে, শুনেছে বা অন্য কোনোভাবে অনুভব করেছে এমন হতে হবে।
অন্যথায়, পরোক্ষ বা অনুমানভিত্তিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে:
"Oral evidence must, in all cases whatever, be direct"
অর্থাৎ "মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ হতে হবে"।
প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের বৈশিষ্ট্য (ধারা ৬০ অনুযায়ী):
- দেখা ঘটনার ক্ষেত্রে - যিনি দেখেছেন তিনিই সাক্ষ্য দেবেন।
- শোনা ঘটনার ক্ষেত্রে - যিনি শুনেছেন তিনিই সাক্ষ্য দেবেন।
- অন্য কোনোভাবে উপলব্ধি করা ঘটনা - যিনি উপলব্ধি করেছেন তিনিই সাক্ষ্য দেবেন।
- মতামতের ক্ষেত্রে - যিনি মতামত দিচ্ছেন তিনিই সাক্ষ্য দেবেন।
১১,৯৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০, বিধি ৬ অনুযায়ী, ডিক্রির সাথে কীসের সাদৃশ্য থাকবে?
  1. রায়
  2. সাক্ষ্যের বিবরণ
  3. মোকদ্দমার আবেদনপত্র
  4. পক্ষগণের আইনজীবীর বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০, বিধি ৬ অনুসারে, ডিক্রির রচনায় আদালতের রায়ের (Judgment) সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। এতে রায় অনুযায়ী মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার ও অন্যান্য নির্ধারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 20 Rule 6: Contents of decree:
1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.
2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other set-off against any sum which is admitted or found to be due from the shall be set-off former to the latter.
১১,৯৮৭.
চোরদের দলে থাকার সাজার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দেয়া হয়
  2. প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই বিনাশ্রম হবে
  3. প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম যেকোনো কারাদণ্ড দেয়া যায়
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১১,৯৮৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৫৩ অনুসারে আদালত কখন মামলার কার্যধারায় ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে?
  1. মামলা শুরুর সময়
  2. যে কোনো সময়
  3. আপিল চলাকালীন
  4. মামলার রায় ঘোষণার পর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫৩ অনুযায়ী:
- “The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit…”
- অর্থাৎ, আদালত যেকোনো সময়, অর্থাৎ মামলার যেকোনো পর্যায়ে—প্রারম্ভ, মধ্যবর্তী বা রায় ঘোষণার পূর্বে—যদি প্রয়োজন মনে করে, মামলার কার্যধারায় ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে।
- এতে করে মামলার প্রকৃত বিষয়বস্তু নির্ধারণে সহায়তা হয় এবং ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) যে কোনো সময়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যে কোনো সময়, এবং তার উপযুক্ত মনে হলে খরচ বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, কোনো মামলার কার্যধারায় যে কোনো ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে; এবং মামলার কার্যধারার উপর নির্ভরশীল বা উত্থাপিত প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সকল প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.

১১,৯৮৯.
‘আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার’ সংক্রান্ত বিধানটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আছে?
  1. 339A
  2. 339C
  3. 339B
  4. 339
সঠিক উত্তর:
339B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
339B
ব্যাখ্যা
 ♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারাঃ ৩৩৯-খা(১) মতে যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামীকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে(।
২) আসামীকে হাজির করার পর কিংবা আসামী হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে
(১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন। 
১১,৯৯০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগের ক্ষেত্রে সাজার প্রকৃতি কিরূপ হবে?
  1. সশ্রম
  2. বিনাশ্রম
  3. সাধারণ শ্রম
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার ব্যাখ্যাতে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে তা অবশ্যই সশ্রম হবে।

• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);

(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);

(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);

(v) অর্থদণ্ড (fine)।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
১১,৯৯১.
'ক' উন্মাদ থাকাকালীন অবস্থায় ২০১৬ সালে অগ্রক্রয়ের মামলা করার অধিকার অর্জন করে এবং ৩ বছর পর ২০১৯ সালে 'ক' সুস্থ হয়। 'ক' কখন মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. সুস্থ হওয়ার পর যেকোন সময়
  2. ২০২২ সালের মধ্যে
  3. ২০১৭ সালের মধ্যে
  4. ২০২৫ সালের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

যেহেতু উল্লিখিত মামলা অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার সম্পর্কিত, সেক্ষেত্রে 'ক' তামাদির মেয়াদ থেকে অব্যাহতি পাবে না।
তামাদি আইন,১৯০৮ এর ১ম শিডিউলের অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের মামলা দায়েরের অধিকার অর্জনের ১ বছরের মধ্যে তা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ 'ক' কে ২০১৭ সালের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
১১,৯৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কোন অবস্থায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
  2. রায় ঘোষণার পরে
  3. কেবল চার্জ গঠনের পরে
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
১১,৯৯৩.
'C', 'D' সম্পর্কে একটি বিবৃতি প্রকাশের হুমকি দিয়েছে, যা দণ্ডবিধি এর অধ্যায় XXI অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। প্রকাশনাটি প্রতিরোধ করার জন্য আদালত -
  1. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর হলে শুধু নিষেধাজ্ঞা দিবে
  2. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলে, নিষেধাজ্ঞা দিবে না
  3. 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলেও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলেও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর না হলেও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা/ Mandatory Injunction-
কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যেই কাজ করতে বাধ্য, তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে, আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

উদহারণ:
'এ' 'বি' সম্পর্কে একটি বিবৃতি প্রকাশের হুমকি দিয়েছে, যা দণ্ডবিধি এর অধ্যায় XXI অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে। আদালত প্রকাশনাটি প্রতিরোধ করার জন্য একটি নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যদিও এটি প্রমাণিত হতে পারে যে এটি 'বি' এর সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর নয়।

[A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the Penal Code. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property.]
১১,৯৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭, ধারা-২৩ অনুসারে, কে সাধারণত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে?
  1. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষ
  3. শুধুমাত্র চুক্তির প্রাথমিক পক্ষ
  4. শুধুমাত্র আদালতনির্ধারিত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, সাধারণভাবে চুক্তির যেকোনো পক্ষ (any party thereto) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারে।
- এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে প্রতিনিধিও চাইতে পারে, তবে মৌলিকভাবে যেকোনো পক্ষেরই এই অধিকার রয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by-
(a) any party thereto;
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed;
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder;
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman;
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant;
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach;
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
১১,৯৯৫.
নৈতিক অবক্ষয়জনিত অপরাধে দণ্ডিত হলে, একজন ব্যক্তি কত বছর পর্যন্ত অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্য থাকবেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এর অনুচ্ছেদ ২৭(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নৈতিক অবক্ষয়জনিত অপরাধে দণ্ডিত হন, তবে তাকে ৫ বছর পর্যন্ত অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। তবে, সরকার চাইলে গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা এই সময়সীমা কমাতে পারে।
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.

১১,৯৯৬.
ক এর প্রতিবেশিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন যে ক-কে তারা গত ১০ বছরের মধ্যে দেখেনি এবং কোথায় আছে জানে না, কিন্তু বাদী দাবি করেছেন যে ক বেঁচে আছেন। ক বেঁচে আছেন এটি প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. ক-এর প্রতিবেশীদের
  4. বাদী-বিবাদী সকলের
সঠিক উত্তর:
বাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায় বলা হয়েছে- when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it. এখানে বাদীর দাবি যে ক বেঁচে আছে। তাহলে বাদীকেই তা প্রমাণ করতে হবে।
১১,৯৯৭.
চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত উভয় পক্ষকে খরচ ছাড়া এবং খরচসহ মোট কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ৯ টি
  2. ১৮ টি
  3. ৬ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১১,৯৯৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. যেকোনো সম্পত্তির জন্য
  2. শুধুমাত্র জরিমানা আরোপের জন্য
  3. আইনানুগ প্রতিনিধির ব্যক্তিগত সম্পত্তির জন্য
  4. মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫২ ধারার মূল বিষয় হলো, যখন কোনো ডিক্রি মৃত ব্যক্তির আইনানুগ (legal) প্রতিনিধির বিরুদ্ধে প্রদান করা হয়, এবং ডিক্রির বিষয়বস্তু মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে অর্থ আদায়, তখন সেই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি: যদি আইনানুগ প্রতিনিধির দখলে থাকে, তবে সেই সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে।
উল্লেখযোগ্য দিক, প্রতিনিধির ব্যক্তিগত সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে না, যতক্ষণ না প্রমাণ হয় যে তিনি মৃতের সম্পত্তি গ্রহণ করে যথাযথভাবে ব্যবহার করেননি।
সেই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সেই অংশের জন্য, যা তিনি অপব্যবহার করেছেন বা আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি, ডিক্রি তার ব্যক্তিগতভাবে কার্যকর হতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative) কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 52. Enforcement of decree against legal representative:
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property.
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
১১,৯৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুসারে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে-
  1. তদন্ত শেষে। 
  2. গ্রেফতারের সময়ই। 
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। 
  4. আদালতে হাজির করার সময়। 
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের সময়ই। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের সময়ই। 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, যদি কোনো পুলিশ অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেফতার করে, তবে তাকে গ্রেফতারের সময়ই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান, যা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ক ধারার বিধান: বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ অফিসার, গ্রেফতারের সময়, তাহাকে যে কারণে গ্রেফতার করা হইল সেই কারণ জ্ঞাপন করিবেন।

- সুতরাং, বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক এবং তা করতে হবে গ্রেফতারের ঠিক সময়েই (at the time of making arrest), অর্থাৎ গ্রেফতার করার মুহূর্তে বা সঙ্গে সঙ্গে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54A: Person arrested to be informed of reason of arrest:
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১২,০০০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence)?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনেনি।
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি।
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত।
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.