বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৯ / ১২৬ · ১১,৮০১১১,৯০০ / ১২,৬০৫

১১,৮০১.
স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য গঠিত কমিশন অনূর্ধ্ব কত দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
------------------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-26 Rule-14: Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.
(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
১১,৮০২.
রায় প্রচারের পূর্বে শর্তধীনে বিবাদী পক্ষের কোনো সম্পত্তি ক্রোক সংক্রান্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Order XXXVIII rule 5
  2. Order XXI rule 54
  3. Order XXI rule 32
  4. Order XXXVIII rule 4
সঠিক উত্তর:
Order XXXVIII rule 5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXXVIII rule 5
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী যেক্ষেত্রে বিবাদী তার বিরুদ্ধে জারিকৃত ডিক্রি জারিকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করতে উপক্রম করেছে (ইত্যাদি), সেই ক্ষেত্রে আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করার জন্য বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিশোধ হওয়ার মতো উপযুক্ত অংশ আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য; বা বিবাদী কেন জামানত দাখিল করবেনা, উহার কারণ দর্শাতে হাজির হওয়ার জন্য বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে। আদালত উক্ত আদেশের সাথে এইরুপ নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকেরও নির্দেশ দিতে পারে।
১১,৮০৩.
যদি কোন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কারো মৃত্যু ঘটায় তবে তা খুন না হয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে-
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০১ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ৩০০ ধারা ব্যতিক্রম-২: অপরাধী সরল বিশ্বাসে তার শরীর বা সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা অতিক্রম করে হত্যা করলে নিন্দনীয় নরহত্যা হবে।
• শর্ত হলো অপরাধীর পূর্ব পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনের অধিক ক্ষতিসাধনের ইচ্ছা ছিল না।
১১,৮০৪.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
১১,৮০৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১(২) অনুযায়ী দণ্ড স্থগিত বা মওকুফের আবেদন করলে সরকার কাকে মতামত দেওয়ার জন্য বলতে পারে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
সঠিক উত্তর:
বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০১(২)-এ বলা হয়েছে: "Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion..."
অর্থাৎ, যখন কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরকারের কাছে দণ্ড স্থগিত (suspension) বা মওকুফ (remission) চেয়ে আবেদন করে, তখন সরকার চাইলে, সেই বিচারকের মতামত চাইতে পারে, যিনি: মামলায় রায় দিয়েছেন, অথবা উক্ত দণ্ড বহাল রেখেছেন (যদি আপিলে দণ্ড নিশ্চিত হয়)। বিচারকের কাছে সরকারের চাওয়া হয়: আবেদন গ্রহণযোগ্য কি না, এবং তাঁর মন্তব্য ও কারণসহ একটি মতামত।

→ সুতরাং, সরকার ধারা ৪০১(২) অনুযায়ী রায়দানকারী বিচারকের মতামত চাইতে পারে।
 সঠিক উত্তর: ঘ) বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.
১১,৮০৬.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে, হাইকোর্ট কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. দণ্ডাদেশ কার্যকর স্থগিত রাখা
  2. দণ্ড হ্রাস করা
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১১,৮০৭.
কোন ব্যক্তি কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ফৌজদারী মামলা দায়ের করলে, তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২২০ ধারায়
  2. ২১১ ধারায়
  3. ৩০৫ ধারায়
  4. ৪১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান- ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগঃ

কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে,

তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১১,৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. সাজা পাবে
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।

- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-169: Release of accused when evidence deficient:
-If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police-station or to the police-officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
১১,৮০৯.
'যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোনো সাক্ষীকে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না' - এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৩৯
  2. ধারা ১৪৯
  3. ধারা ১৫৯
  4. ধারা ১৬১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
ব্যাখ্যা
Section 149- Question not to be asked without reasonable grounds:
No such question as is referred to in section 148 ought to be asked, unless the person asking it has reasonable grounds for thinking that the imputation which it conveys is well-founded.

অর্থ:
ধারা ১৪৮-এ যে ধরণের প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ধরণের প্রশ্ন শুধুমাত্র তখনই করা উচিত, যখন প্রশ্নকারী ব্যক্তির কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ বা প্রমাণ থাকে যে, প্রশ্নে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা ভিত্তিসম্পন্ন বা সঠিক হতে পারে।

অর্থাৎ, কোনো ভিত্তি ছাড়াই এমন প্রশ্ন করা যাবে না, যা অন্য কারো সুনাম বা চরিত্রকে আঘাত করতে পারে।
১১,৮১০.
'Any accused person of an offence shall be a competent witness for the defence.' ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৪৪০ ধারায়
  4. ৪৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজ পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness for the defence) হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে।
 
উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবেনা।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 

Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১১,৮১১.
সমন জারি সংক্রান্ত আদেশ ৫, বিধি ৯-এর উদ্দেশ্যে জেলা জজ কী প্রস্তুত করবেন?
  1. ফি কাঠামো
  2. বিচারক তালিকা
  3. পুলিশি সহায়তা ব্যবস্থা
  4. কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
সঠিক উত্তর:
কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৪) অনুসারে, সমন (Summon) দ্রুত এবং কার্যকরভাবে জারি করার জন্য জেলা জজকে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে, যেটি নিয়মিত হালনাগাদ (update) করতে হবে।
- এই তালিকা তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রভুক্ত সকল দেওয়ানি আদালতকে অবহিত করতে হবে।
- এই তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেই আদালত সমন প্রেরণ করতে পারবে।
- যদি কোনো কুরিয়ার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে জেলা জজ তালিকা থেকে সেই কুরিয়ারকে বাদ দিতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।
(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।
(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।
(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।
(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
১১,৮১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা 'nemo debet bis vexari' নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. ৪০২
  2. ৪০৩
  3. ৪০১
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।
১১,৮১৩.
সাক্ষ্য আইনের নিচের কোন ধারায় Best Evidence নীতির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৬২
  2. ৬৪
  3. ৬৬
  4. ৬৮
সঠিক উত্তর:
৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের নিচের ৬৪ ধারায় (প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ)  Best Evidence নীতির উল্লেখ রয়েছে। কোন বিষয় প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত হলে সেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কোন গুরুত্ব থাকে না, সুতরাং প্রাথমিক সাক্ষ্য হলো সর্বোত্তম সাক্ষ্য বা Best Evidence।
১১,৮১৪.
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য অন্য ব্যক্তির লেখা নথি দেখতে হলে, একজন সাক্ষীকে কী করতে হবে?
  1. নথিটি আদালতে জমা দিতে হবে
  2. নথিটি আদালতে পড়তে হবে
  3. নথি পুনরায় লেখার নির্দেশ দিতে হবে
  4. নথির সঠিকতা নিশ্চিত করতে হবে
সঠিক উত্তর:
নথির সঠিকতা নিশ্চিত করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নথির সঠিকতা নিশ্চিত করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারা-স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory):
একজন সাক্ষী, যখন সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নিজে দ্বারা লিপিবদ্ধ কোনো লেখা দেখতে পারে, যদি তা ঘটনার সময় বা ঘটনার পর এত তাড়াতাড়ি লেখা হয়ে থাকে যে আদালত মনে করে ঘটনার স্মৃতি তখনও তাজা ছিল।

সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা লেখা এমন কোনো লেখাও দেখতে পারে এবং তা পড়ে যদি সাক্ষী জানে যে লেখা সঠিক ছিল।

Section 159- Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
১১,৮১৫.
খুন বলে গণ্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গণ্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মুখ্য পার্থক্যকারী উপাদান কোনটি?
  1. খুনের অভিপ্রায় বা পূর্ব পরিকল্পনা
  2. আঘাতের গুরুতর প্রকৃতি
  3. ব্যবহৃত অস্ত্রের গুরুতর প্রকৃতি
  4. যে কারণে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
সঠিক উত্তর:
খুনের অভিপ্রায় বা পূর্ব পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের অভিপ্রায় বা পূর্ব পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
• খুন বলে গন্য হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যা এবং খুন বলে গন্য না হওয়া দণ্ডনীয় নরহত্যার মধ্যে মূখ্য পার্থক্যকারী উপাদান হলো: ৩০০ ধারায় উল্লেখিত ৫টি ব্যতিক্রম অনুযায়ী খুনের অভিপ্রায় বা পূর্ব পরিকল্পনার উপস্থিতি ও মৃত্যুর সম্ভাবনা।
১১,৮১৬.
নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে কাজ করার জন্য কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. ব্যক্তি অবশ্যই বিবাদী পক্ষ হতে হবে
  2. ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
  3. ব্যক্তি অবশ্যই আদালতের কর্মচারী হতে হবে
  4. ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল হতে হবে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি নাবালকের “নেকস্ট ফ্রেন্ড” হিসেবে মামলায় কাজ করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কিছু নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো হলো:
১) সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে- মানসিক ভারসাম্য থাকতে হবে।
২) প্রাপ্তবয়স্ক (Adult) হতে হবে- নাবালক নয়।
৩) নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো স্বার্থ থাকা চলবে না।
৪) যদি তিনি নেকস্ট ফ্রেন্ড হন, তাহলে তিনি বিবাদী হতে পারবেন না।
৫) যদি তিনি মামলার অভিভাবক হিসেবে নিয়োগ পেতে চান, তাহলে তিনি বাদী হতে পারবেন না।
অতএব, “সুস্থ মনের এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি” হওয়াটাই হলো নেকস্ট ফ্রেন্ড হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
১১,৮১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের বিধি-৪(৩) অনুসারে, কমিশন জারি করার সময় আদালত কোন দিকনির্দেশনা দেয়?
  1. কমিশন প্রক্রিয়া কতদিন চলবে
  2. কমিশন কার নিকট ফেরত পাঠানো হবে
  3. কমিশনের জন্য কত টাকা ফি দিতে হবে
  4. কমিশন রিপোর্ট কতটুকু তৈরি করতে হবে
সঠিক উত্তর:
কমিশন কার নিকট ফেরত পাঠানো হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন কার নিকট ফেরত পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ৪(৩) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে:
"The Court on issuing any commission under this rule shall direct whether the commission shall be returned to itself or to any subordinate Court."

অর্থাৎ, কমিশন জারি করার সময় আদালত এই দিকনির্দেশনা দেয় যে কমিশনটি কার নিকট ফেরত পাঠানো হবে - সরাসরি আদালতের নিজের নিকট নাকি কোনো অধস্তন আদালতের নিকট।

- এটি একটি procedural নির্দেশনা যা কমিশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর রিপোর্ট জমা দেওয়ার স্থান নির্ধারণ করে। অন্যান্য অপশন গুলো যেমন কমিশনের সময়সীমা, ফি বা রিপোর্টের পরিমাণ এই বিধিতে উল্লেখিত নয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-4. Persons for whose examination commission may issue:
(1) Any Court may in any suit issue a commission for the examination of
(a) any person resident beyond the local limits of its jurisdiction;
(b) any person who is about to leave such limits before the date on which he is required to be examined in Court; and
(c) any person in the service of the [Republic] who cannot, in the opinion of the Court, attend without detriment to the public service. 
(2) Such commission may be issued to any Court, not being the High Court Division, within the local limits of whose jurisdiction such person resides, or to any pleader or other person whom the Court issuing the commission may appoint.
(3) The Court on issuing any commission under this rule shall direct whether the commission shall be returned to itself or to any subordinate Court.

১১,৮১৮.
আপীল যোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪১
  2. ৪৩
  3. ৪৬
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ অনুযায়ী আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
⇒ আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

- সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। তবে, যদি আদেশটি আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪-এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা প্রদান করা হয়েছে।
- এই বিধানগুলো নির্ধারণ করে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সুযোগ রয়েছে।
- আদেশ ৪৩-এ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আপীল যোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ২৫টি আপীল যোগ্য আদেশের কথা উল্লেখ আছে।
- ধারা ১০৪-এ কিছু নির্দিষ্ট আদেশ উল্লেখ করা হয়েছে যা আপীলযোগ্য।
- যে আদেশগুলো আপীল যোগ্য নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রিভিশন বা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য আবেদন করা যায়।
- আপীলযোগ্য আদেশগুলো আইনত নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী হতে হবে, এবং সংশ্লিষ্ট আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে।
১১,৮১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা কী বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  2. নতুন তদন্তের পদ্ধতি
  3. যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত
  4. একক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা আদালতকে অনুমতি দেয় একই লেনদেনে সংঘটিত অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযোগ গঠন এবং একত্রে বিচার করার। এতে যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত বা সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, তারা একসঙ্গে বিচার হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারার বিধান নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে:
(ক) যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই অপরাধ একই লেনদেনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(খ) যারা এক অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা সেই অপরাধে সহায়তা করার জন্য বা সেই অপরাধ করার চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(গ) যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি ধারা ২৩৪ অনুযায়ী একসঙ্গে এক বছর সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যারা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত, যা একই লেনদেনের মধ্যে ঘটেছে।
(ঙ) যারা চুরি, দখলদারি, বা অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি দখলের জন্য অভিযুক্ত, এবং যারা সেই অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বা রক্ষা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(চ) যারা দণ্ডবিধির ধারা ৪১১ এবং ৪১৪ অনুযায়ী চুরির সম্পত্তি গ্রহণের জন্য অভিযুক্ত, যেখানে সেই সম্পত্তির মালিকানা এক অপরাধে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(ছ) যারা দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২-এর আওতায় ভুয়া মুদ্রার সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা একই মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত অন্য অপরাধে অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
এই শর্তগুলি পূর্বের অংশের বিধি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section- 239. What persons may be charged jointly:
The following persons may be charged and tried together, namely:- 
(a) persons accused of the same offence committed in the course of the same transaction; 
(b) persons accused of an offence and persons accused of abetment, or of an attempt to commit such offence; 
(c) persons accused of more than one offence of the same kind, within the meaning of section 234 committed by them jointly within the period of twelve months; 
(d) persons accused of different offences committed in the course of the same transaction; 
(e) persons accused of an offence which includes theft, extortion, or criminal misappropriation, and persons accused of receiving or retaining, or assisting in the disposal or concealment of, property possession of which is alleged to have been transferred by any such offence committed by the first-named persons, or of abetment of or attempting to commit any such last named offence; 
(f) persons accused of any offence under sections 411 and 414 of the Penal Code or either of those sections in respect of stolen property the possession of which has been transferred by one offence; and 
(g) persons accused of any offence under Chapter XII of the Penal Code relating to counterfeit coin, and persons accused of any other offence under the said Chapter relating to the same coin, or of abetment of or attempting to commit any such offence; 
and the provisions contained in the former part of this Chapter shall, so far as may be, apply to all such charges.
১১,৮২০.
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তি দান করা
  2. চুক্তির লঙ্ঘন প্রতিরোধ করা
  3. আদালতের নির্দেশ মানা
  4. সরকারের স্বার্থ রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
চুক্তির লঙ্ঘন প্রতিরোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির লঙ্ঘন প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১১,৮২১.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন দিতে পারে কে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ
  3. ক বা খ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পুলিশের হেফাজত হতে মুক্তি দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে আদালতে হাজিরা শর্তে জামিনদারের নিকট সমর্পণ করাকেই জামিন বলে।

ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

- ৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

- ৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
১১,৮২২.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী কমপক্ষে কতজন ব্যক্তি একত্র হলে তা বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ (৫) বা ততোধিক ব্যক্তি এমন উদ্দেশ্যে একত্র হয়, যার মধ্যে যেকোনো একটি নিচের উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে তা "বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly)" হিসেবে বিবেচিত হবে:
১. সরকার বা সরকারি কর্মচারীকে ভীতি প্রদর্শন করতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা তার হুমকি প্রদান।
২. কোনো আইন বা আইনগত প্রক্রিয়া কার্যকর করায় বাধা সৃষ্টি করা।
৩. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্য কোনো দুষ্কর্ম সংঘটিত করা।
৪. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে কারো সম্পত্তি দখল বা অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
৫. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা তার হুমকি দ্বারা কাউকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা, যা সে আইনত বাধ্য নয় বা অধিকার থাকা সত্ত্বেও তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

১১,৮২৩.
নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দেওয়ার কারণে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকলে সেই সময় তামাদির মেয়াদ থেকে……….
  1. যোগ হবে
  2. বাদ যাবে
  3. কিছুই হবে না
  4. মামলা খারিজ হবে
সঠিক উত্তর:
বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদির আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞার কারণে কোন মামলা বা ডিক্রি জারির  জন্য আবেদন করা না গেলে, সেই ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কালীন সময় মামলা বা ডিক্রি জারির আবেদনের তামাদি সময় বাদ যাবে
১১,৮২৪.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে ৩ বারের অধিক সময়ের জন্য আপিল শুনানি মুলতুবির আবেদন করা হলে, আদালত অনধিক কত টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন?
  1. ২০০
  2. ১০০০
  3. ৩০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি: আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   - আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   - প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১১,৮২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে
  2. ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে
  3. শুধুমাত্র আর্থিক জরিমানা করার মাধ্যমে
  4. সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে হস্তান্তর করার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে হস্তান্তর করার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে হস্তান্তর করার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে হস্তান্তর করার মাধ্যমে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) প্রদানের উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত অধিকার রক্ষা করা এবং ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট প্রতিকার নিশ্চিত করা। এটি নিম্নলিখিত উপায়ে প্রদান করা হতে পারে—
১) সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও দাবিদারের কাছে হস্তান্তর করা
২) বাধ্যতামূলক নির্দেশের মাধ্যমে কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা
৩) কাউকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখা (Preventive Relief)
৪) পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ করা (Declaration of Rights)
৫) আদালতের মাধ্যমে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা
- এটি শাস্তি প্রদান বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয় না বরং প্রতিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার প্রকৃত অধিকার ফিরে পান বা নিশ্চিত করেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১১,৮২৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২২ ধারা অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে আপিলের নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করা হলে
  2. সংক্ষেপে বাতিল হওয়া আপিলের ক্ষেত্রে
  3. ধারা ৪১৭ অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
  4. ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ (Notice of Appeal):
যদি আপিল আদালত (Appellate Court) কোনো আপিল সংক্ষেপে বাতিল না করে, তবে আদালত নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের নোটিশ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে:
- আপিলকারী (Appellant) অথবা তার আইনজীবী;
- যে কর্মকর্তা সরকার এই উদ্দেশ্যে নিয়োগ করবে।

নোটিশে আপিল শোনার সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। সেই কর্মকর্তা চাইলে আদালত তাকে আপিলের ভিত্তি (grounds of appeal) এর কপি সরবরাহ করবে। আর যদি আপিল ধারা ৪১৭ অনুযায়ী হয়, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও (Accused) নোটিশ প্রদান করতে হবে।

১১,৮২৭.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষ সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা: (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
১১,৮২৮.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা;
⇒ চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে;
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে;
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

ধারা ২৯-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
১১,৮২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪১
  3. ৩৪২
  4. ৩৪৩
সঠিক উত্তর:
৩৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৩৪২(৪) ধারায় (আসামীকে পরীক্ষা করার ক্ষমতা)  আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে।
১১,৮৩০.
মোকদ্দমার কোনো পক্ষই সাক্ষ্য না দিলে প্রমাণ করার দায়িত্ব কার ওপর বর্তায়?
  1. আদালতের
  2. মোকদ্দমায় কোনো সাক্ষ্য না দিলে যে জিতবে
  3. মোকদ্দমায় যে পক্ষের প্রাইমা ফেসি কেইস আছে
  4. মোকদ্দমায় কোনো সাক্ষ্য না দিলে যে পক্ষ ঠকবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় কোনো সাক্ষ্য না দিলে যে পক্ষ ঠকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় কোনো সাক্ষ্য না দিলে যে পক্ষ ঠকবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।
 
⇒ উদাহরণঃ
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
১১,৮৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অনুযায়ী অধীনস্থ আদালতের মামলার নথি পর্যালোচনাকালীন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  2. আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. আসামিকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
---------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
১১,৮৩২.
রায় ঘোষনাকারী বিচারক ডিক্রি স্বাক্ষর না করে অফিস পরিত্যাগ করলে,সেক্ষেত্রে তৈরীকৃত ডিক্রি কে স্বাক্ষর করতে পারেন?
  1. পরবর্তী বিচারক
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  3. আদালতের প্রধান কেরানী
  4. সরকার দ্বারা নিয়োগ প্রাপ্ত আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এর ৮নং বিধি অনুযায়ী- যেক্ষেত্রে রায় ঘোষণা করার পর কিন্তু ডিক্রি স্বাক্ষর না করে কোন বিচারক অফিস পরিত্যাগ করেছেন, সেক্ষেত্রে এরূপ রায় অনুযায়ী তৈরীকৃত ডিক্রি তার পরবর্তী বিচারক স্বাক্ষর করতে পারেন।
উক্ত আদালত যদি অস্তিত্ববিহীন হয়, সেক্ষেত্রে ঐ আদালত যে আদালতের অধঃস্তন ছিল ঐ আদালতের বিচারক কর্তৃক তা স্বাক্ষরিত হতে পারে।

[Where a Judge has vacated office after pronouncing judgment but without signing the decree, a decree drawn up in accordance with such judgment may be signed by his successor or if the Court has ceased to exist, by the Judge of any Court to which such Court was subordinate.]
১১,৮৩৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর Section 27A কোন ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে?
  1. লিজ চুক্তি
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. জমি বায়না চুক্তিপত্র
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
লিজ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিজ চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একটি লিজ চুক্তি লিখিতভাবে এবং পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষরিত হয়, তবে নিবন্ধন না হলেও চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

১১,৮৩৪.
বিশেষ আইনের অধীন কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪ ধারা
  2. ৯-১৮ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন
-বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১১,৮৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদার কখন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিননামা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন?
  1. যে কোনো সময়
  2. আসামি পলাতক হলে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. আসামি দণ্ডিত হলে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
১১,৮৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা অনুসারে ৫টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়।
যথা-
- বিবাদী বাদীর সম্পত্তির জিম্মাদার ক্ষতিপূরন নির্ধারন সম্ভব না হলে,
- আর্থিক ক্ষতিপূরন পর্যাপ্ত না হলে,
- ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে,
- একাধিক মামলা রোধ করার জন্য।
• এ ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৬ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
১১,৮৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৭ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
  2. যে আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য
  3. আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১১,৮৩৮.
মিথ্যা সাক্ষ্যদান (Giving false evidence) দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. দণ্ডবিধির ১৯০ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৯২ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্যদান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।

-----------------------
♦ Giving false evidence:
Section 191. Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.

Explanation 1.-A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
 
Explanation 2.-A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.

♦ Illustrations
(d) A, being bound by an oath to state the truth, states that he knows that Z was at a particular place on a particular day, not knowing anything upon the subject. A gives false evidence whether Z was at that place on the day named or not.
১১,৮৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায় করা হয়-
  1. স্বয়ংক্রিয়ভাবে
  2. পক্ষগণের সম্মতিতে
  3. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
  4. আদালতের বাধ্যতামূলক ক্ষমতায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।

১১,৮৪০.
"অভিযোগ" (Complaint) বলতে কী বোঝায়?
  1. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
  2. আদালতে দায়েরকৃত মামলার চার্জশিট
  3. সরকারি উকিলের দাখিলকৃত প্রতিবেদন
  4. আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer

১১,৮৪১.
According to Section 5, what type of facts can be proven in a suit or proceeding?
  1. Only the facts in issue
  2. Only irrelevant facts
  3. Any opinion of witnesses
  4. Facts in issue and relevant facts
সঠিক উত্তর:
Facts in issue and relevant facts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facts in issue and relevant facts
ব্যাখ্যা
Section 5⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.

সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী-
'বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা'- এই দুই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
১১,৮৪২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী একটি কাজ দুর্ঘটনাক্রমে না ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে তা প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫ বিশেষভাবে নির্দেশ করে যে, যখন প্রশ্ন ওঠে যে একটি কাজ দুর্ঘটনাক্রমে নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত হয়েছে, তখন নিম্নলিখিত তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে:
- যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি একই ধরনের কাজ বারবার করে থাকে,
- তাহলে তা প্রমাণ করে যে কাজটি দুর্ঘটনাজনিত নয়, বরং ইচ্ছাকৃত বা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

⇒ ধারা ১৫ অনুযায়ী, যখন একটি কাজ দুর্ঘটনাক্রমে বা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, বা কোন বিশেষ জ্ঞান বা উদ্দেশ্য সহ করা হয়েছে কিনা তার প্রশ্ন ওঠে, তখন এমন তথ্য প্রাসঙ্গিক হবে যা একই ধরনের ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। এর মাধ্যমে এটা প্রমাণ করা যেতে পারে যে, ঐ কাজটি দুর্ঘটনাক্রমে হয়নি বরং ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে।

উদাহরণ:
বীমা কেলেঙ্কারি: কেউ যদি একাধিক বীমাকৃত সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন দেয়, তাহলে তা প্রমাণ করে যে ঘটনাগুলো দুর্ঘটনাজনিত নয়।
জালিয়াতি: কেউ যদি একাধিক ব্যক্তিকে জাল নোট দেয়, তাহলে তা ইচ্ছাকৃত কর্মকাণ্ডের প্রমাণ।

⇒ ধারা ১৫-ই সঠিক উত্তর, কারণ এটি সরাসরি একটি কাজের ইচ্ছাকৃত বা দুর্ঘটনাজনিত চরিত্র নির্ণয়ের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য নির্ধারণ করে। এটি বিশেষভাবে ফৌজদারি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য প্রমাণ করা প্রয়োজন।
১১,৮৪৩.
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুসারে, জালিয়াতি সংঘটিত হয় যদি মিথ্যা দলিল তৈরি করা হয়-
  1. প্রতারণার উদ্দেশ্যে
  2. ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে
  3. স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা- জালিয়াতি:
কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 463- Forgery: 
Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
১১,৮৪৪.
দণ্ডবিধির অধীন কার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ (Unnatural offences) সংঘটিত হলে তা শাস্তিযোগ্য?
  1. পুরুষ
  2. স্ত্রীলোক
  3. প্রাণী বা পশু
  4. পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
সঠিক উত্তর:
পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশু
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:
Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১১,৮৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান কী?
  1. Liability of ancestral property
  2. Arrest and detention
  3. Release on ground of illness
  4. Powers of Court to enforce execution
সঠিক উত্তর:
Release on ground of illness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Release on ground of illness
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒CPC Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১১,৮৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে?
  1. Fact in Issue
  2. Relevant Facts
  3. Conclusive proof
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক বিষয় ব্যতীত আদালতে অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবেনা
(Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are declared to be relevant, and of no others)

⇒ সুতরাং ৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে। যথা-
ⅰ) বিচার্য বিষয় (Fact in Issue) সম্পর্কে।
ii) প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) সম্পর্কে।

⇒ বিচার্য বিষয় (Facts in Issue)- বিচার্য বিষয় হলো এমন কোন ঘটনা যাকে কোন মামলার মূল বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করে তাকে বিচার্য বিষয় বলে। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় মামলার এক পক্ষ স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। যে কোন মামলার প্রকৃত বিষয় ও সত্যতা উদঘাটনে বিচার্য বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts)- যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
১১,৮৪৭.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত নির্ধারিত সময়ের পরেও আপিল বা আবেদন গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ নম্বর ধারা (Section 5) অনুযায়ী—
যদি কোন আপিল, রিভিশন, রিভিউ বা অন্যান্য প্রযোজ্য আবেদন নির্ধারিত সময়সীমার পরে দায়ের করা হয়, এবং আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে বিলম্বের জন্য যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কারণ ছিল, তাহলে আদালত সেই বিলম্ব মওকুফ করতে পারে এবং আবেদনটি গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করতে পারে।

- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ এর বিধান, “যদি কোনো আপীল বা আবেদন তামাদির মেয়াদ শেষে দাখিল করা হয়, তবে আদালত সেই দাখিল গ্রহণ করতে পারে যদি আপীলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, দেরি হওয়ার জন্য যুক্তিসংগত কারণ ছিল।”

- এই ধারা প্রযোজ্য হয়:
১. Appeal (আপিল)
২. Application for leave to appeal (আপিলের অনুমতির আবেদন)
৩. Review of judgment (রায়ের পুনর্বিবেচনা/রিভিউ)
৪. Revision (রিভিশন আবেদন)
৫. Any other application to which this section may apply

এই ধারা প্রযোজ্য নয়:
এই ধারা মৌলিক স্যুট বা মূল মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যেমন:
- ঘোষণামূলক মামলা
- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা
 এই ধরনের মামলার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করলে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফ চাওয়া যায় না।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 5. Extension of period in certain cases:
 Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.

১১,৮৪৮.
কোনো একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোরকম প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি ছাড়াই যখন স্বেচ্ছায় কোনো দোষ স্বীকারোক্তি করে তখন তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করা হয়?
  1. ২৪ ধারা 
  2. ২৬ ধারা
  3. ২৮ ধারা 
  4. ৩০ ধারা 
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারার বিধান: প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে সৃষ্ট প্রভাব দূর হওয়ার পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক:
-যদি ধারা ২৪-এ উল্লেখিত প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে সৃষ্ট কোনো প্রভাব আদালতের মতে সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে যাওয়ার পর স্বীকারোক্তি প্রদান করা হয়, তবে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ এই ধারার মূল লক্ষ্য হলো নিশ্চিত করা, যে স্বীকারোক্তিটি পূর্ণ স্বাধীন ইচ্ছায় এবং কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই করা হয়েছে। যখন প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি করেছেন, তখনই সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

⇒ বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে এক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে যে প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা সম্পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই তার স্বীকারোক্তি করেছেন।

১১,৮৪৯.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী ________ শিশুর কৃত কোন কার্য অপরাধ হবে না।
  1. ১২ বছরের কম বয়স্ক
  2. ৯ বছরের কম বয়স্ক
  3. ৮ বছরের কম বয়স্ক
  4. ৭ বছরের কম বয়স্ক
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের কম বয়স্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের কম বয়স্ক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৮২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "৯ বছরের কম বয়সী শিশু দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।"
- অর্থাৎ, এমন কোনো শিশু যদি কোনো কার্য করে যা সাধারণভাবে অপরাধ হতো, তবুও তার বয়স যদি ৯ বছরের কম হয়, তবে সেটি আইনের চোখে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code Section 82. Act of a child under nine years of age - Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
১১,৮৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯ অনুযায়ী, সাধারণত সাক্ষ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
  1. বিবরণ আকারে
  2. প্রশ্নোত্তর আকারে
  3. সংক্ষিপ্ত টীকা আকারে
  4. অডিও রেকর্ডিং আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion, take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১১,৮৫১.
'X' মামলার বাদী এবং 'Y' মামলার বিবাদী। 'X' 'Y' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী 'Y' উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. 'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা মতে যেহেতু 'Y' মামলায় বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা 'Y' এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে 'X'-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

♦ তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা শুধুমাত্র বাদী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে - খ) 'X' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে।
১১,৮৫২.
"The specific performance of a contract may be obtained by any party thereto" বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 - এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. 25 (a)
  2. 27 (a)
  3. 23 (a)
  4. 12 (a)
সঠিক উত্তর:
23 (a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
23 (a)
ব্যাখ্যা
Section 23: Who may obtain specific performance

Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by- 
 
(a) any party thereto; 
 
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed; 
 
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder; 
 
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman; 
 
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant; 
 
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach; 
 
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
 
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
১১,৮৫৩.
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় "culpable homicide" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. আত্মরক্ষার জন্য হত্যা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে হত্যা করা
  4. অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
সঠিক উত্তর:
অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১১,৮৫৪.
নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ার নেই?
  1. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. সকল আদালতের আছে
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের আদি এখতিয়ার নেই।

• মূল বা আদি এখতিয়ার (Original Jurisdiction)-
আদি এখতিয়ার বলতে প্রাথমিকভাবে মোকদ্দমা আমলে নেয়া বিচার করাকে বোঝায়; অর্থাৎ যেখানে সরাসরি মূল মোকদ্দমা দায়ের করা যায়। অন্যভাবে বলা যায়, যে সকল আদালত প্রাথমিকভাবে কোন দেওয়ানী মোকদ্দমা আমলে নিয়ে বিচার করতে এবং রায় প্রদান করতে পারেন, সেই সকল আদালতের মূল (আদি) এখতিয়ার আছে। তবে সকল অধঃস্তন দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার নেই।

• দেওয়ানি কার্যবিধি এবং Civil Courts Act অনুযায়ী প্রকার দেওয়ানি আদালতের মধ্যে ৩ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার রয়েছে এবং বাকী ২ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার নেই ।

নিম্নোক্ত আদালতসমূহের আদি এখতিয়ার রয়েছে-
⇒ সহকারী জজ আদালত,
⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং
⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত

২ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার নেই-
⇒ জেলা জজ আদালত এবং
⇒ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত

তবে কিছু ক্ষেত্রে জেলা জজের আদি এখতিয়ার রয়েছে। যেমন- বিশেষ আইন অনুযায়ী দেউলিয়া আদালত, অভিভাবক, প্রবেট এবং এডমিনিষ্ট্রেশন, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত মামলায় জেলা জজের আদি এখতিয়ার রয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোনো আইনেই আদি এখতিয়ার নেই।
১১,৮৫৫.
তামাদি শব্দটি কোন ভাষা থেকে উৎপত্তি?
  1. খাঁটি বাংলা
  2. আরবি
  3. ফারসি
  4. উর্দু
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি শব্দটি আরবি ভাষা হতে উৎপত্তি। তামাদির আভিধানিক অর্থ বিলুপ্ত বা অচল।
১১,৮৫৬.
একজন অভিযুক্তকে প্রথমে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, তাকে মুক্তি দেওয়া হবে যদি সে অপরাধ স্বীকার করে। পরবর্তীতে এই প্রতিশ্রুতি অপসারিত হয় এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় একটি স্বীকারোক্তি প্রদান করে। আদালত এই স্বীকারোক্তি-
  1. গ্রহণ করবে
  2. প্রত্যাখ্যান করবে
  3. মুলতবি রাখবে
  4. নতুনভাবে তদন্ত শুরু করবে
সঠিক উত্তর:
গ্রহণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ এই ধারার মূল লক্ষ্য হল নিশ্চিত করা যে স্বীকারোক্তিটি পূর্ণ স্বাধীন ইচ্ছায় এবং কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই করা হয়েছে। যখন প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি করেছেন, তখনই সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

⇒ বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে এক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে হবে যে প্রলোভন, ভয় বা প্রতিশ্রুতিজনিত ধারণা সম্পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত কোনো প্রভাব বা চাপ ছাড়াই তার স্বীকারোক্তি করেছেন।
১১,৮৫৭.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ', এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।
⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।
১১,৮৫৮.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করার ক্ষমতা কার অধীনে রয়েছে?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করার ক্ষমতা সরকারের অধীনে রয়েছে।

→ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
--------------------------
→ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:
- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১১,৮৫৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৬-এর অধীনে, ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার সময়সীমা কখন থেকে শুরু হয়?
  1. ভুলের তারিখ থেকে
  2. প্রতিকার দাবির তারিখ থেকে
  3. ভুল জানতে পারার তারিখ থেকে
  4. ক্ষতি সাধিত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ভুল জানতে পারার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুল জানতে পারার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৬ অনুযায়ী, ভুলের কারণে প্রতিকার (Relief for mistake) লাভের মামলা করার তামাদি কাল ৩ বছর।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন বাদী ভুলের বিষয়টি জানতে পারে (বা অবগত হয়)।
- অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯৬ অনুযায়ী, ভুলের (mistake) কারণে প্রতিকার (relief) লাভের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা ৩ বছর।
- এই সময়সীমা শুরু হয় যেদিন বাদী সেই ভুলের বিষয়ে জানতে পারে, অর্থাৎ ভুল আবিষ্কারের তারিখ থেকেই তামাদি গণনা শুরু হয়।
১১,৮৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-৩০
  3. ধারা ৩৫-৩৮
  4. ধারা ৫২-৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২-৩০
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারাগুলোতে চুক্তির শর্তাবলী কার্যকর করার জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের বিধান বর্ণিত রয়েছে।সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন বলতে বোঝায় যখন আদালত কোনো পক্ষকে চুক্তির শর্ত পালন করতে বাধ্য করে, যেমন কোনো সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়ন বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ।

অন্যদিকে,
ক) ধারা ৮-১১: এই ধারাগুলো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovery of Possession of Property) নিয়ে আলোচনা করে।
গ) ধারা ৩৫-৩৮: এই ধারাগুলো চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করে। এটি চুক্তি বাতিল করার প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী নিয়ে কাজ করে।
ঘ) ধারা ৫২-৫৭: এই ধারাগুলো নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করে। এগুলো বেআইনি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য আদেশ প্রদানের বিষয়ে কাজ করে।

১১,৮৬১.
আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৭ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৬  ধারার বিধান- আর্থিক এখতিয়ার:
- অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
• The Civil Courts (Amendment) Act-2021 অনুসারে
•সসহকারী জজের আদালতে ১ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা,
•সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে ১৫ লক্ষ ১ টাকা  থেকে ২৫ লক্ষ টাকা,
•যুগ্ম জেলা জজের আদালতে ২৫ লক্ষ ১ টাকা থেকে সীমাহীন মূল্যের বিচার করতে পারবে।

• তবে যুগ্ম জেলা জজ এর ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ এর নিকট আপীল করা যাবে যদি মূল্যমান ৫ কোটির অধিক না হয়।
• যদি ৫ কোটি টাকার অধিক হয় তাহলে হাইকোর্টে আপীল করতে হবে।
----------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
- Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
১১,৮৬২.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের বিধান আছে-
  1. ৪৪১ ধারায়
  2. ৪৪২ ধারায়
  3. ৪৪৩ ধারায়
  4. ৪৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারায় অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের বিধান রয়েছে।
- অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশের পর বিরক্তি সৃষ্টি বা ভয় দেখানো অথবা অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায় থাকলে তাকে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা Criminal Trespass বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে নিম্নলিখিত ২টি কারণে প্রবেশ করলে তা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বলে গণ্য হবে-

(i) অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়  
অথবা
(ii) সম্পত্তির দখলকার ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করা ।
১১,৮৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশি কার্যক্রমে সাক্ষী কে হতে হবে?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসি
  2. আসামির আত্মীয়
  3. যেকোনো ব্যক্তিকে
  4. সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য বাসিন্দা
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য বাসিন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য বাসিন্দা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রমের আগে তল্লাশি করার স্থান সম্পর্কিত এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১১,৮৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী তথ্য উদঘাটন বা আবিষ্কার কয় ভাবে হতে পারে?
  1. ৪ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ২ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
• Discovery বলতে মোকদ্দমার পক্ষগণের দখলে থাকা তথ্যকে প্রকাশে করা বোঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-

১- প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং
২- দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।
বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়।আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবেনা। ১১ নং আদেশের ২ নং বিধিমতে প্রশ্নমালা প্রদানের অনুমতির সিদ্ধান্ত আদালত ১৪ দিনের মধ্যে প্রদান করবেন।

• দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)-

১১ নং আদেশের ১২ নং বিধিতে দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents) এর আবেদন করার বিধান রয়েছে। মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সাথে কোন দলিল প্রাসঙ্গিক হলে মোকদ্দমার কোন পক্ষ উক্ত দলিল দাখিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারবে।
এই আদেশের ১৪ নং বিধি অনুযায়ী আদালত মামলা চলাকালে যে কোন সময় মামলার কোন . পক্ষকে মামলার বিষয় সম্পর্কিত কোন দলিল আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে।
১১,৮৬৫.
দায়রা আদালতের প্রত্যেকটি বিচারে পাবলিক প্রসিকিউটর কার পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. অভিযােগকারীর
  2. অভিযুক্তের
  3. যার পক্ষে প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করতে ইচ্ছুক
  4. আদালত যার পক্ষে পরিচালনার আদেশ দেন
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারীর
ব্যাখ্যা
• দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• কে মামলা পরিচালনা করবে-
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Who Conduct the Trial-
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
১১,৮৬৬.
যুগ্ম দায়রা জজ আদালত হতে একটি মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট-
  1. দায়রা জজ
  2. বিভাগীয় জজ
  3. স্পেশাল জজ
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮ ধারার বিধান দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছ হতে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেনঃ (১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।
(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এমর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিস্ট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।


♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ তার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজের নিকট হতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারবেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------
Sessions Judge may withdraw cases from Assistant Sessions Judge.
528.(1) Any Sessions Judge may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any [Joint] Sessions Judge subordinate to him. 
  
(1A) At any time before the trial of the case or the hearing of the appeal has commenced before the Additional Sessions Judge, any Sessions Judge may recall any case or appeal which he has made over to any Additional Sessions Judge. 
 
(1B) Where a Sessions Judge withdraws or recalls a case under sub-section (1) or recalls a case or appeal under sub-section (IA), he may either try the case in his own Court or hear the appeal himself, or make it over in accordance with the provisions of this Code to another Court for trial or hearing, as the case may be.
১১,৮৬৭.
রিসিভার নিয়োগ, তার অধিকার এবং কর্তব্য কোন আইনের বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে?
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Penal Code, 1860
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর 44 ধারা বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলকঃ—প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

♦দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
১১,৮৬৮.
সাংবিধানিক আইনের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যদি সরকার সম্পর্কিত হয় তাহলে কাকে নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করবে না?
  1. সরকার পক্ষের আইনজীবিকে
  2. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  3. রাষ্ট্রপতিকে
  4. এটর্নি জেনারেলকে
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলকে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, এর আদেশ-২৭ক বিধি-১ অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ (Notice to the Attorney General) : কোন মোকদ্দমায় যদি সাংবিধানিক আইনের ব্যাখ্যা সম্বন্ধে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত থাকে, তবে সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেলকে নোটিশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করবেন না।
১১,৮৬৯.
দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত হয়?
  1. The Court Fees act,1870
  2. The Suit Valuation Act,1887
  3. The Civil Courts Act,1887
  4. The Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে,সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছেন এবং আর্থিক এখতিয়ার The Civil Courts Act,1887 অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge) = ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ টাকার উপরে
১১,৮৭০.
'ক' 'খ' কে নিহত করিবার উদ্দেশ্যে তাহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' কী অপরাধে করিয়াছে?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. আত্মহত্যার সহায়তাকরণ
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা:ক)। 'ক' 'চ'-কে নিহত করার উদ্দেশ্যে তার প্রতি গুলিবর্ষণ করে ফলে ''চ-এর মৃত্যু হয়। 'ক' খুন করেছে।
--------------------
⇒ Section 300: Murder:
 Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid. 
 
Illustrations:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
১১,৮৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ৮ অনুসারে, প্রশ্নাবলীর (Interrogatories) জবাব কত দিনের মধ্যে হলফনামার মাধ্যমে দাখিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ৮ (Order XI Rule 8) অনুসারে, প্রশ্নাবলী (Interrogatories) পাওয়ার পর উত্তরদাতাকে ১০ দিনের মধ্যে হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে এর জবাব দাখিল করতে হবে। এই সময়সীমা প্রশ্নাবলী প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
-------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule-8.Affidavit in answer, filing: 
Interrogatories shall be answered by affidavit to be filed within ten days. 

১১,৮৭২.
'ক'-তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে, 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। এক্ষেত্রে, 'খ' কার বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে?
  1. শুধু 'গ' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধু 'ক' এর বিরুদ্ধে
  3. 'ক' এবং 'গ' উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. 'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে, 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।
১১,৮৭৩.
কোন পরিস্থিতিতে ৮৪ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যাবে না?
  1. যদি সে আত্মরক্ষার জন্য অপরাধ করে
  2. যদি সে অর্ধেক পাগল এবং অর্ধেক সুস্থ থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
  4. যদি সে অপরাধ করার পর নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি করে
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
ব্যাখ্যা
→ যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে তাহলে ৮৪ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
- এমন কোনো ব্যক্তির কোনো কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 84: Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
১১,৮৭৪.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারায় Doctrine of Transfer of Malice বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
ব্যাখ্যা

 ⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩০১–এ Doctrine of Transfer of Malice বা দূষ্প্রেচ্ছেদ হস্তান্তর নীতি বর্ণিত হয়েছে। এই নীতির মূল বক্তব্য হলো - যদি কোনো ব্যক্তি কারও মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা জেনে কোনো কাজ করে, কিন্তু সেই কাজের ফলে অন্য কারও মৃত্যু ঘটে, তবে অপরাধীর যে অপরাধমূলক ইচ্ছা বা জ্ঞান প্রথম ব্যক্তির প্রতি ছিল, তা দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত হবে। অর্থাৎ, অপরাধী দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর জন্যও ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে প্রথম ব্যক্তিকেই হত্যা করত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ৩০১।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

১১,৮৭৫.
অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারমূলক জবানবন্দী নিম্নের কে রেকর্ড করতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ (১) ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এ ধরনের জবানবন্দি তদন্ত বা অনুসন্ধানকালে বা বিচার শুরু হওয়ার আগে বা পরে যেকোনো সময়  করা যাবে। তবে লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধ বিচারের এখতিয়ার এখানে বিবেচ্য হবে না।

কার্যবিধির ১৬৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, জবানবন্দির পূর্বেই ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন এবং স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় হচ্ছে বলে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবেন না। উপরোক্ত বিষয়গুলো পালন করা হয়েছে মর্মে একটি স্মারক মন্তব্য ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করবেন। অতঃপর সেই জবানবন্দি ঘটনা সম্পর্কে যিনি অনুসন্ধান করবেন বা বিচার করবেন তার কাছে পাঠাবেন।

ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসিত প্রতিটি প্রশ্ন জবাবসহ সমগ্র জবানবন্দি আসামি যে ভাষায় বলবে বা আদালতের ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পড়ে শুনাবেন। জবানবন্দি আসামির বোধগম্য ভাষায় লিখিত না হলে সারমর্ম বুঝিয়ে দেবেন। জবানবন্দির সত্যতা স্বীকার করলে আসামি এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেটাতে সই করবেন। এছাড়া উপরোক্ত বিষয় প্রতিপালন হয়েছে মর্মে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয়ন করবেন।
১১,৮৭৬.
'ক' রাস্তায় 'খ' কে ছুরি দেখিয়ে 'খ' এর নিকট তার কাছে থাকা সমস্ত টাকা দাবি করে এবং 'খ' ভয়ে তার কাছে যা ছিলো সব 'ক' কে দিয়ে দেয়। এখানে 'ক' দ্বারা সংঘটিত অপরাধ-
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। - যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
'ক' রাস্তায় 'খ' কে ছুরি দেখিয়ে 'খ' এর নিকট তার কাছে থাকা সমস্ত টাকা দাবি করে এবং 'খ' ভয়ে তার কাছে যা ছিলো সব 'ক' কে দিয়ে দেয়।- এখানে 'ক' দ্বারা সংঘটিত অপরাধ 'দস্যুতা' হবে।
১১,৮৭৭.
আদেশ ৪১ বিধি ৩০(২) অনুযায়ী, শুনানির সময় উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করবে
  2. মামলাটি ফেরত পাঠাবে
  3. নতুন করে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে
  4. নথিপত্র যথেষ্ট হলে রায় ঘোষণা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
নথিপত্র যথেষ্ট হলে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নথিপত্র যথেষ্ট হলে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ৩০: রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত- পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর, এবং আপিলে থাকা নথি বা মূল আদালতের নথির যে কোনো অংশ প্রয়োজন মনে করলে তা বিবেচনা করে ওপেন কোর্টে (সবার সামনে) রায় ঘোষণা করবে। রায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে, অথবা পরবর্তী নির্দিষ্ট কোনো তারিখে দেওয়া হতে পারে—এ ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের আগেই সেই তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

(২) উপ-বিধি (১)-এ যাই বলা থাকুক না কেন- যদি উভয় পক্ষ বা তাদের কোনো আইনজীবীই আপিল শুনানির সময় উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত নথিপত্র পর্যালোচনা করে যদি মনে করে যে আপিল নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য যথেষ্ট আছে, তাহলে ওপেন কোর্টে তাৎক্ষণিকভাবে, অথবা আদালত নির্ধারিত কোনো পরবর্তী তারিখে, কারণ লিপিবদ্ধ করে, রায় ঘোষণা করতে পারবে।

১১,৮৭৮.
মধ্যস্থতাকারীর তালিকা কে প্রণয়ন করিবেন?
  1. জেলা জজ
  2. দায়রা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
১১,৮৭৯.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ৬ মাস
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন।
১১,৮৮০.
যদি বাদী অনুপস্থিত থাকে এবং মামলাটি আদেশ ৯, বিধি ৮ অনুসারে খারিজ হয়ে যায়, তবে বাদী খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য কোন বিধির অধীনে আবেদন করতে পারে?
  1. আদেশ-৯, বিধি-৯
  2. আদেশ-৯, বিধি-১০
  3. আদেশ-৯, বিধি-১১
  4. আদেশ-৯, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৯, বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৯, বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৮ অনুসারে, যদি বাদী শুনানির দিনে অনুপস্থিত থাকে এবং আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়, তাহলে বাদী নিম্নলিখিত প্রতিকার নিতে পারে—
→ বিধি ৯ অনুসারে প্রতিকার:
- বাদী আদেশ ৯, বিধি ৯-এর অধীনে মামলা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আবেদন করতে পারে।
- বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে তার অনুপস্থিতির যথেষ্ট কারণ ছিল, যা আদালত গ্রহণযোগ্য মনে করলে মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে।
- এই বিধির অধীনে আবেদন করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত আছে, যা সাধারণত ৩০ দিন।

এছাড়াও, 
বিধি ৯(ক)-এর অধীনে বাদী সরাসরি মামলা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে।
- একবার মামলা খারিজ হয়ে গেলে বাদী একই কারণে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারে না, তবে বিধি ৯ বা ৯(ক) অনুসারে পুনরুজ্জীবনের জন্য আবেদন করতে পারে।

- সুতরাং, বাদী মামলাটি পুনরায় চালু করতে চাইলে, তাকে আদেশ ৯, বিধি ৯-এর অধীনে আদালতে আবেদন করতে হবে।
১১,৮৮১.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পরিকল্পিত হত্যা
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. অবহেলাজনিত মৃত্যু
  4. আত্মহত্যার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
অবহেলাজনিত মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবহেলাজনিত মৃত্যু
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা- অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১১,৮৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ৩য় পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা
  2. বাদীপক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
  3. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
  4. আদালত কর্তৃক পক্ষদ্বয়কে ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, দলিল বাতিল করার রায়ের সময়ই আদালত এক পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। ৪১ ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সে পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১১,৮৮৩.
স্থানীয় তদন্ত বা পরিদর্শনে কোন কাজটি করা যায় না?
  1. বিরোধীয় বিষয় ব্যাখ্যা করা
  2. সম্পত্তির দখলকার নির্ধারণ
  3. সম্পত্তির বাজার দর নিরূপণ
  4. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখলকার নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখলকার নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
♦ধারা-৭৫(খ)+আদেশ-২৬,বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ (local investigation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ নং আদেশের ৯ নং বিধিমতে আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ করতে পারে। যথা-
i) মামলার বিরোধীয় বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য; অথবা
ii) কোন সম্পত্তির বাজার দর, অন্তবর্তীকালীন মুনাফা, ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করতে স্থানীয় তদন্তের জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে ।
♦অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
♦অর্থাৎ সম্পত্তির দখলকার নির্ধারণ স্থানীয় তদন্ত কমিশনের কাজ না।
১১,৮৮৪.
বিবাদী একাধিক হলে, সমন কিভাবে জারি করা হয়?
  1. প্রত্যেক বিবাদীর উপর
  2. যেকোনো একজনের উপর
  3. ক বা খ
  4. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক বিবাদীর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক বিবাদীর উপর
ব্যাখ্যা

বিবাদী একাধিক হলে, সমন প্রত্যেক বিবাদীর উপর জারি করা হয়।

• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে।
সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।

মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ(৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। মোকদ্দমায় এক বা একাধিক বিবাদী থাকতে পারে। যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে সেক্ষেত্রে সমন আদেশ ৫ এর বিধি ১১ নং অনুসারে জারি করতে হবে।
 
• বিধি ১১-
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।
[Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.]

১১,৮৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুসারে “complaint” এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ
  2. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হবে – খ) পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(h) অনুযায়ী “অভিযোগ” (Complaint) বলতে বোঝায়— ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক বা লিখিতভাবে দাখিলকৃত অভিযোগ, যার মাধ্যমে অভিযোগকারী জানায় যে কোনো ব্যক্তি (চেনা বা অচেনা) অপরাধ করেছে এবং উদ্দেশ্য থাকে ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্বুদ্ধ করা। তবে এই সংজ্ঞার মধ্যে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মৌখিক অভিযোগ কিংবা লিখিত অভিযোগ সবই “অভিযোগ”-এর মধ্যে পড়ে, কিন্তু পুলিশ রিপোর্ট কখনোই “অভিযোগ” হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

১১,৮৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন মুচলেকার মেয়াদের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর
  2. অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
  3. রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
  4. ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
সঠিক উত্তর:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-
 
ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর
 
ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।
 
ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।
 
ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর
 
ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর
১১,৮৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'Simultaneous execution' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-২১ বিধি-২২
  2. আদেশ-২১ বিধি-২১
  3. আদেশ-২১ বিধি-২৮
  4. আদেশ-২১ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-২১
ব্যাখ্যা
⇒ Order-21 Rule-21. Simultaneous execution: The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgmentdebtor. 
---------
⇒ আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান যুগপৎ জারি:- আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে।
১১,৮৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত নোটিশ প্রদানের প্রয়োজন হয় না, কিন্তু কোন ক্ষেত্রে নোটিশ দিতে হয়? 
  1. দেনাদারের সম্মতি থাকলে
  2. ডিক্রি জারির আবেদন প্রথম দিনেই করলে
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর আবেদন করলে
  4. ডিক্রির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে আবেদন করলে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর আবেদন করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর আবেদন করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২২ অনুযায়ী, সাধারণত ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে, যদি ডিক্রি জারির জন্য আবেদন ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর করা হয়, তখন দেনাদারকে বাধ্যতামূলকভাবে নোটিশ দিতে হয়।
- এর কারণ হলো, দীর্ঘ সময় পরে ডিক্রি জারির আবেদন করলে দেনাদারের পক্ষ থেকে তর্ক বা প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকা উচিত, যাতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই ২ বছরের সীমার বাইরে আবেদন করলে নোটিশ দিয়ে দেনাদারকে জবাব দেওয়ার সুযোগ দিতে হয়।
- অন্য কোনো পরিস্থিতিতে, যেমন ডিক্রি জারি প্রাথমিক পর্যায়ে বা দেনাদারের সম্মতি থাকলে নোটিশ বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍া:
- ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
- পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে। তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
- এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-22. Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made-
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for, requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
১১,৮৮৯.
বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে রদ প্রার্থনা:
- প্রার্থনা জানাতে পারে যে, যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা না যায়। তবে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন তবে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
⇒ চুক্তির রদের মোকদ্দমায় বিকল্প হিসাবে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আবেদন করতে পারেনা। কিন্তু চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্পভাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে।
-----------------
SR Act: Section-37. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance.
-A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
১১,৮৯০.
রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন আদালত প্রত্যাখ্যান করলে সংক্ষুদ্ধ বাদীর প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোন প্রতিকার নাই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ হলো আপীলযোগ্য আদেশ, তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
কিন্তু কোন আদালত যদি রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তখন এটি আপীলযোগ্য আদেশ না। 

- যেহেতু রায়ের পূর্বে ক্রোকের আবেদন প্রত্যাখ্যান আপীলযোগ্য না তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১১,৮৯১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের আদেশে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে কত দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ধারা ৩৬ (Appeal সংক্রান্ত):
(১) যে কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক অনুচ্ছেদ ৩৪-এর অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশে সংক্ষুব্ধ হইলে, আদেশটি তাঁহার নিকট যোগাযোগের তারিখ হইতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারিবেন।

(২) উক্ত প্রকার প্রতিটি আপিল হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শুনানি করা হইবে, এবং ডিভিশন বেঞ্চ যাহা প্রয়োজন মনে করিবে সেইরূপ আদেশ দিতে পারিবে; এবং হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত আদেশ চূড়ান্ত হইবে।
১১,৮৯২.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে স্বাক্ষর এবং সম্পাদনার সত্যতা অনুমান করতে পারেন?
  1. দলিলটি অর্ধেক নতুন হলে
  2. দলিলটি আদালতের বাইরে থেকে পাওয়া গেলে
  3. দলিলটি কোনো পক্ষের হাতে ভুলভাবে থাকলে
  4. দলিলটি সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল হলে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল হলে
ব্যাখ্যা
৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান-
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।
১১,৮৯৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২১ ধারায় কার প্রতিনিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. আদালতের
  2. ৩য় পক্ষের
  3. অক্ষম ব্যক্তির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অক্ষম ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষম ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)-

যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
১১,৮৯৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত খালাস পাবে?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক যেকোন সময় মামলা প্রত্যাহার করলে
  2. অভিযোগ প্রণয়নের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
  3. অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৪- মামলা প্রত্যাহারের ফল

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন; এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১১,৮৯৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. সরকারের আবেদনে
  2. শুধুমাত্র নিজের ইচ্ছায়
  3. শুধুমাত্র সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
---------
34(8) The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.

১১,৮৯৬.
মোহরানা বা দেনমোহরের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে।
- উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
১১,৮৯৭.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন এর ৩৫ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
  2. জন্ম সনদ 
  3. মৃত্যু সনদ 
  4. ব্যক্তিগত ডায়েরি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরি
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন এর ৩৫ ধারা অনুসারে ব্যক্তিগত ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়।
কারণ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি বা ডিজিটাল রেকর্ড তখনই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ হবে যখন তা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তাঁর দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৩৫,কর্তব্য সম্পাদন প্রসঙ্গে সরকারি নথিপত্রে অন্তর্ভুক্ত বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা: কোনো সরকারি বা অন্য অফিসের কোনো খাতায়, রেজিস্টারে বা নথিতে যদি কোনো বিচার্য ঘটনা বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং কোনো সরকারি কর্মচারী যদি তাহার চাকুরির কিংবা অপর কোনো লোক যদি, যে দেশে উক্ত খাত, রেজিস্টার বা নথি রাখা হইয়াছে তথাকার আইনের বিধান অনুযায়ী তাহার উপর আরোপিত কর্তব্য পালন প্রসঙ্গে উহা লিখিয়া থাকে, তবে উক্ত লেখাই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
-------------------------
The Evidence Act 1872,Section 35,Relevancy of entry in public record or digital record made in performance of duty: An entry in any public or other official book, register or record [, or digital record], stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register [, record or digital record] is kept, is itself a relevant fact.

১১,৮৯৮.
নিম্নলিখিত কোনটি তথ্যগত বিচার্য বিষয়ের উদাহরণ?
  1. সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য কিনা
  2. হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
  3. আসামী দোষী কিনা
  4. আসামীর কাজ আইনের ভাষায় অপরাধ কিনা
সঠিক উত্তর:
হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হত্যাকাণ্ডের সময় ও স্থান
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, বিচার্য বিষয় বা Facts in Issue দুই প্রকারের হয়ে থাকে:

১. তথ্যগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই ঘটনাগত বা বাস্তবিক তথ্যসমূহ যা মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত এবং যেগুলির প্রমাণ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি হত্যা মামলায় হত্যাকাণ্ডের সময়, স্থান ও নিহতের বয়স প্রভৃতি তথ্যগত বিচার্য বিষয়।

২. আইনগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই আইনগত বিষয়সমূহ যেগুলির বিচার করা মামলার আওতাধীন এবং যেগুলি প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চুরি মামলায় বিচার্য হবে যে আসামীর কাজটি আইনের ভাষায় চুরি কিনা।
১১,৮৯৯.
আদালত লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় কোন বিষয়ে অনুসন্ধান করবে?
  1. দলিলটির উদ্দেশ্য
  2. দলিলের ভাষা
  3. দলিলের আইনগত পরিণতি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৩: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১১,৯০০.
Which one of the following provisions of Criminal Procedure Code provides that no court shall alter the Judgement after it has been signed?
  1. Section 368(1)
  2. Section 368(2)
  3. Section 369
  4. Section 372
সঠিক উত্তর:
Section 369
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 369
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬৯ অনুযায়ী এই কোড বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে, কোনো আদালত তার রায়ে স্বাক্ষর করার পরে সেই রায় পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না, শুধুমাত্র টাইপিং বা লিপিগত ভুল (clerical error) সংশোধনের জন্য ছাড়া।
- এটি "রায়ের চূড়ান্ততা নীতি" (Doctrine of Finality of Judgment) হিসেবে পরিচিত, যা আদালতকে রায় স্বাক্ষরের পর তা পরিবর্তন থেকে বিরত রাখে।
- অর্থাৎ, কোনো আদালত একবার তার রায় স্বাক্ষর করার পর তা আর পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না। তবে, আদালত শুধুমাত্র clerical error (লেখার ভুল বা টাইপের ভুল) সংশোধন করতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 369.Court not to alter judgment:
 Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.