বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২৪ / ১২৬ · ১২,৩০১১২,৪০০ / ১২,৬০৫

১২,৩০১.
What constitutes a "criminal breach of trust" according to Section 405 of the Penal Code?
  1. Using property in violation of legal contract terms
  2. Dishonestly misappropriating property entrusted to one
  3. Allowing another person to misuse property entrusted to one
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- Section-405. Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
--------------------
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
১২,৩০২.
Under Order 22 Rule-9A of The Code of Civil Procedure, 1908, who can apply for setting aside abatement or dismissal?
  1. the assignee of any insolvent plaintiff
  2. legal representative of a deceased plaintiff
  3. the receiver of any insolvent plaintiff
  4. all of them
সঠিক উত্তর:
all of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of them
ব্যাখ্যা
Order 22 Rule-9A- Directly setting aside abatement or dismissal: 
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand takaas the Court may deem appropriate.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ:
এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং দেরি এড়ানো। যদি কোনো মামলার বাদী মারা যান বা দেউলিয়া হয়ে যান, তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধি অথবা দেউলিয়া বাদীর অধিগ্রহণকারী বা রিসিভার আদালতে আবেদন করতে পারেন মামলা বাতিল বা খারিজের আদেশ বাতিল করার জন্য। তবে-
- এই আবেদন অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
- আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করতে পারে, কোনো প্রমাণ চাওয়া ছাড়াই।
- আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা খরচ দিতে বলতে পারে।
১২,৩০৩.
সাকিব ও রাসেল একটি বাজারের মধ্যে প্রকাশ্যে ঝগড়ায় লিপ্ত হয় এবং মারামারি শুরু করে। সাকিব ও রাসেল এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধিতে সর্বোচ্চ কোন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  2. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  3. ৪ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১২,৩০৪.
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার শর্ত নয় কোনটি?
  1. চুক্তিটি লিখিত হতে হবে
  2. নিবন্ধন আইন এর অধীনে নিবন্ধিত হতে হবে
  3. অবশ্যই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে
  4. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়ের করিবার সময় আদালতে জমা প্রদান করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক, বিক্রয়ের জন্য অনিবন্ধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না: এই আইন বা আপাতত বলবৎ
অন্য কোনো আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাইবে না যদিনা-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা ইহার অংশ বিশেষের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তির বিনিময় মূল্যের অবশিষ্ট অংশ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার সময় আদালতে জমা প্রদান করা হয়।
-------------------------------------
The Specific Relief Act,1877, Section-21A, Unregistered Contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless-
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

১২,৩০৫.
চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক-
  1. ২৫ হাজার টাকা
  2. ২০ হাজার টাকা
  3. ১৫ হাজার টাকা
  4. ১০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-
> মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ, ৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা, ৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
১২,৩০৬.
কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের গ্রেফতার কাজে সহয়তা করতে অস্বীকার করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. ১৮৯
  2. ১৮৮
  3. ১৮৭
  4. ১৮৬
সঠিক উত্তর:
১৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
Section 187. Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both; 
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
১২,৩০৭.
'জ', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে জ-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'জ' -
  1. অপরাধী বলে গণ্য হবে না
  2. কোনো রকম শাস্তি পাবে না
  3. অপরাধী বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
অপরাধী বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
 
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
 
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
 
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
 
Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
১২,৩০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এর অধীন কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. ডাক্তার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. পরিবারের সদস্য
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২)-এর অধীন, যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে ইতিপূর্বে কবর দেওয়া কোনো ব্যক্তির লাশ পরীক্ষা করা মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য যুক্তিযুক্ত, তখন তিনি লাশটি কবর থেকে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটের, অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

১২,৩০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ফরমের বিবরণ
  2. জামিনযোগ্য অপরাধ 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্দেশ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে।
যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
--------------
ফৌজদারি কার্যবিধির পাঁচটি তফসিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গঠিত। প্রতিটি তফসিল আলাদা আলাদা দিক নির্দেশ করে, যা নীচে ব্যাখ্যা করা হলো:
1. ১ম তফসিল (First Schedule): এই তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে, অর্থাৎ বর্তমানে এর কোনো কার্যকারিতা নেই।
2. ২য় তফসিল (Second Schedule): এই তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং ফৌজদারি দন্ডবিধির অধীন অপরাধগুলো কোন আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলটি অপরাধ শ্রেণিবিন্যাস এবং বিচারিক ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
3. ৩য় তফসিল (Third Schedule): এখানে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ রয়েছে। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা এই তফসিলে নির্ধারিত।
4. ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule): এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে বা কিছু নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।
5. ৫ম তফসিল (Fifth Schedule): এখানে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যে সকল ফরম ব্যবহৃত হয়, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি, সেগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত।

এগুলো ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো ও ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

১২,৩১০.
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার ক্ষেত্রে কোন বিধান মানা বাধ্যতামূলক?
  1. পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে করতে হবে
  2. গোপনীয় কক্ষে নারী পুলিশের উপস্থিতিতে করতে হবে
  3. শালীনতার রেখে নারী পুলিশ সদস্য দ্বারা করতে হবে
  4. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
সঠিক উত্তর:
শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে।
৫২ ধারা অনুযায়ী-
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১২,৩১১.
কোনো জলপথে বর্তস্বত্ব(Easement) অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছর ব্যবহার
  2. নিরবচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  3. নিরবচ্ছিন্নভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে ২০ বছর ব্যবহার
  4. নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• সুখাধিকার হলাে এমন কোন এক ধরণের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যকোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
সুখাধিকার দুইভাবে অর্জন হতে পারে যথা:
১) প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে (by prescription);
২) সুখাধিকার অর্জন এর মাধ্যমে (by easement) যখন সুখাধিকারসমূহ অর্জন হয়।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-

যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহত ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং  যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবী করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

কিভাবে সুখাধিকার অর্জন করা হয়-
১। কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসেবে এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।
২। কোন পথ বা জলস্রোত বা কোন পানির ব্যবহার বা ইতিবাচক-নেতিবাচক সুখাধিকার, যদি সুখাধিকার এবং অধিকার হিসেবে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভােগ করার মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর ধরে ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমিতে একনাগারে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
১২,৩১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ভাগের বিধানবলী শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য?
  1. ৭ম ভাগ
  2. ৮ম ভাগ
  3. ৯ম ভাগ
  4. ১০ম ভাগ
সঠিক উত্তর:
৯ম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম ভাগ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ম ভাগ হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বিধানগুলির সাথে সম্পর্কিত। নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদগুলি উচ্চ আদালত বিভাগের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে:

১১৬ ধারা-
এই অধ্যায়টি শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য।

১১৭ ধারা-
এই অধ্যায়ে বা অধ্যায় ১০-এ বা বিধিমালায় যা উল্লেখ করা হয়নি, সেই অংশগুলি হাইকোর্ট বিভাগে প্রযোজ্য হবে।

১১৮ ধারা-
যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে মোকদ্দমার খরচ নির্ধারণ করা হওয়ার আগেই তাদের আদেশটি কার্যকর করা প্রয়োজন, তাহলে তারা আদেশ দিতে পারেন যে খরচ সম্পর্কিত অংশ বাদে অন্য অংশগুলি প্রথমেই কার্যকর করা হবে। খরচ নির্ধারণের পর সেই অংশটিও কার্যকর করা হবে।

১১৯ ধারা-
এই কোডের কোনো কিছুই এমন অর্থ বহন করবে না যে অন্য কারো পক্ষে কেউ হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি বক্তব্য রাখতে বা সাক্ষী পরীক্ষা করতে পারবেন, যদি না আদালত তাদের এই অধিকার দেয়। তবে আইনজীবীদের সম্পর্কে বিধি প্রণয়নের উচ্চ আদালতের ক্ষমতা থাকবে।

১২০(১) ধারা-
১৬, ১৭ এবং ২০ ধারা হাইকোর্ট বিভাগের মৌলিক দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।
১২,৩১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য সম্পত্তি জব্দের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ২ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ২(৪) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “No attachment under this rule shall remain in force for more than one year…”
অর্থাৎ, এই বিধির আওতায় কোনো সম্পত্তি ১ বছরের বেশি সময় জব্দ রাখা যাবে না।
-  যদি এক বছরের মধ্যে আদেশ পালন না হয়, তবে আদালত জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারে এবং বিক্রয়ের অর্থ থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।

- আদেশ XXXIX, বিদ্ধি- ২(৪) এ বলা হয়েছে:
- "No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto."

- অর্থাৎ এই বিধি অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে বা লঙ্ঘন করে, তবে আদালত তার সম্পত্তি জব্দ করতে পারে। জব্দকৃত সম্পত্তি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত জব্দ অবস্থায় থাকতে পারে।
- এক বছরের পর, যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তবে আদালত জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে। বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে এবং বাকি অর্থ (যদি থাকে) সম্পত্তির মালিককে ফেরত দেওয়া হবে।
 
অর্থাৎ সম্পত্তি জব্দের সর্বোচ্চ সময়সীমা = ১ বছর
- ১ বছরের মধ্যে আদেশ মানা না হলে → বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ।
- তাই সঠিক উত্তর: খ) ১ বছর। 
১২,৩১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী _________ কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১২,৩১৫.
প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা কত ধারায় বর্নিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
----------
-The Specific Relief Act, 1877 Section 6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১২,৩১৬.
দেওয়ানী মামলায় মিথ্যাভাবে অন্য কারও নাম ব্যবহারে কোনো স্বীকারোক্তি দিলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ________ বছর।
  1. 2
  2. 1
  3. 3
  4. 5
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

♦ উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

♦ অর্থাৎ প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১২,৩১৭.
"_____________" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath.
  1. Judicial proceeding
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Judicial confession
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial proceeding
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী,
(ড) "বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম" অর্থ সেসব কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত হবে যেন আইনসঙ্গতভাবে শপথপূর্বক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে;

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:

(ট) "ইনকোয়ারী" অর্থ হল এই আইন অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা আদালত দ্বারা পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত ইনকোয়ারী;

(ঠ) “তদন্ত" অর্থ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের লক্ষ্যে কোন পুলিশ অফিসার অথবা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হতে এতদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি (ম্যাজিষ্ট্রেট নন) দ্বারা পরিচালিত সকল কার্যক্রম;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ধারা অনুযায়ী বিচারিক দোষ স্বীকার (Judicial confession)- যখন কোন ব্যক্তি আদালত বা বিচারকের নিকট কোন দোষ স্বীকার করে, তখন তাকে বিচারিক দোষ স্বীকার বা Judicial confession বলে।

----------------------------
♦ The code of Criminal Procedure, 1908 Section 4:
(k) "inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court: 
 
(l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf: 

(m) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:
১২,৩১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে কোন ধারার বিধানগুলি প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ অনুসরণ করা হয়?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯ঘ
  4. ধারা ৮৯ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) অনুযায়ী, আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১২,৩১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-৯
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৭
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির- আদেশ:-৬ বিধি-১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
------------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 
১২,৩২০.
কোন আইনের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯ক (১) অনুযায়ী,
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে বা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়, তাহলে আদালত শুনানী মুলতুবি রেখে-
ক. মোকদ্দমার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা
খ. মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিরোধটি-
১. The Legal Aid Act 2000 এর অধীন নিয়োগকৃত সংশ্লিষ্ট আইন সহায়তা কর্মকর্তার নিকট বা
২. মোকদ্দমার পক্ষগণের নিযুক্ত উকিল এর নিকট পাঠাতে পারে; বা
৩. যেক্ষেত্রে কোন উকিল নিযুক্ত করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমার পক্ষ বা পক্ষগণের নিকট পাঠাতে পারে; বা
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য না। কারণ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর অধীন মধ্যস্থতা সম্পর্কিত আলাদা বিধান আছে।
১২,৩২১.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. নির্বুদ্ধিতা
  2. নাবালকত্ব
  3. অপ্রকৃতিস্থতা
  4. বাক্‌শক্তিহীনতা
সঠিক উত্তর:
বাক্‌শক্তিহীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্‌শক্তিহীনতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু বাক্‌শক্তিহীনতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
১২,৩২২.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনটি অনধিকার গৃহে প্রবেশ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট?
  1. সম্পূর্ণ দেহ প্রবেশ
  2. মাথা প্রবেশ
  3. কেবল পা প্রবেশ
  4. দেহের যে কোনো অংশের প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
দেহের যে কোনো অংশের প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের যে কোনো অংশের প্রবেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান- অনধিকার গৃহে প্রবেশ:
কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।

১২,৩২৩.
আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৩৪১ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪৫ ধারায়
  4. ৩৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারামতে ফৌজদারি মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে ও সাক্ষী হতে পারবে। অর্থাৎ আসামী তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং একই মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য সকল আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে। কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি উকিলের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে।
১২,৩২৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৫ক
  2. ধারা ৬৭ক
  3. ধারা ৬৮ক
  4. ধারা ৭০ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৭ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুযায়ী, সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান: সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।

⇒ The Evidence Act, 1872 section- 67A. Proof as to digital signature: - Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved.

১২,৩২৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেহের আত্মরক্ষার অধিকার কখন শুরু হয় এবং কতক্ষণ বজায় থাকে, তা বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৯৬
  2. ধারা ৯৯
  3. ধারা ১০০
  4. ধারা ১০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১০২-এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে যে, দেহ বা শরীরের আত্মরক্ষার অধিকার (right of private defence of the body) কখন শুরু হয় এবং কতক্ষণ পর্যন্ত বজায় থাকে। এই ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে:
- আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয় যেই মুহূর্তে দেহে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি হয় (যদিও অপরাধটি সম্পূর্ণ না হয়)।
- এই অধিকার যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আশঙ্কা অব্যাহত থাকে ততক্ষণ স্থায়ী হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.

১২,৩২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সরকার বিশেষ কোন দিবসে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় দণ্ড মওকুফ করতে পারেন?
  1. ৪০১ ও ৪০২ ধারায়
  2. ২০৩ ও ২০৪ ধারায়
  3. ৩০৪ ও ৩০৫ ধারায়
  4. ৩২৬ ও ৩২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০১ ও ৪০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১ অনুযায়ী সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড স্থগিত [Suspend] বা মণ্ডকৃষ্ণ  করতে পারে এবং ৪০২ ধারায় দত্ত পরিবর্তন বা রদবদল [ Commutation] করতে পারে। বিশেষ কোন দিবস বলতে ২৬ই মার্চ ইত্যাদি দিনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ ক্ষমতার আওতায় সরকার দত্ত মওকুফ করতে পারে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতাঃ (১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দত্ত প্রাপ্ত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড কিংবা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করবার জন্য সরকার বরাবর আবেদন করা হয়, সেক্ষেত্রে যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত অথবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত কিনা সে সম্পর্কে তাঁর মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং উক্ত বিবৃতির সহিত বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(৩) যেরূপ শর্তে কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি মর্মে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করবেন এবং অতঃপর যে যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছিল সে মুক্ত থাকলে যেকোন পুলিশ অফিসার তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবেন এবং তার দণ্ডের অনতিবাহিত অংশ ভোগ করার জন্য তাকে কারাগারে প্রেরণ করা যাবে।
(৪) যে শর্তে এই ধারার অধীন দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় যা, যে ব্যক্তির দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করা হয় সেই ব্যক্তি পূরণ করবে অথবা শর্ত এমন হবে যা পূরণে সে স্বাধীন থাকবে।
(৪ক) এই বিধি বা অন্য কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোন ফৌজদারী আদালত কোন আদেশ দান করলে তা যদি কোন ব্যক্তির স্বাধীনতা খর্ব করলে বা তার বা তার সম্পত্তির উপর দায় আরোপ করলে,উপরে বর্ণিত উপ-ধারা সমূহের বিধান এই আদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে ।
(৫) প্রেসিডেন্টের অনুকম্পা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরীকরণের বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকারে এই ধারার কোন কিছু হস্তক্ষেপ করবে মর্মে মনে করা যাবে না ।
(৫ক) প্রেসিডেন্ট কোন শর্ত সাপেক্ষে ক্ষমা মঞ্জুর করলে উক্ত শর্ত যে প্রকৃতিরই হোক না কেন তা এই আইন অনুসারে কোন উপযুক্ত আদালতের দণ্ড কর্তৃক আরোপিত শর্ত মর্মে আখ্যায়িত হবে এবং সেই অনুসারে বলবৎ যোগ্য হবে।
(৬) সরকার সাধারণ বিধিমালা বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক দণ্ড স্থগিত রাখা এবং আবেদন পেশ ও বিবেচনার শর্তাবলী সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন ।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০২ ধারার বিধান সাজা রদ বদলের ক্ষমতাঃ (১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেনঃ
মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এরর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।
১২,৩২৭.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  3. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
১২,৩২৮.
দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে দণ্ডিত হওয়ার পর আবার একই ধরনের অপরাধ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কেমন হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারার মতে, যদি কোনো ব্যক্তি পূর্বে ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের শাস্তি পেয়ে থাকে এবং পুনরায় একই ধরনের অপরাধ করে, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be 
subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
১২,৩২৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারার অধীনে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকা সম্পাদন না করেন, তাহলে তাকে কতদিন পর্যন্ত হেফাজতে রাখা যেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
  3. অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
  4. আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১১৭(৩) ধারা অনুসারে,
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মনে করেন যে, শান্তিভঙ্গ বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট বা কোন অপরাধ নিবারণ বা জননিরাপত্তার জন্য আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন তাহলে (১) উপধারা অনুসারে পরিচালিত অনুসন্ধানের সমাপ্তি সাপেক্ষে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তিনি যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১২ ধারা অনুসারে আদেশ দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তির অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত শান্তি রক্ষার জন্য অথবা সদাচরণের জন্য জামিনদারসহ বা ব্যতীত একটি মুচলেকা সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ মুচলেকা সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত অথবা সম্পাদন না করলে অনুসন্ধান সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন।

(3) Pending the completion of the inquiry under sub-section (1) the Magistrate, if he considers that immediate measures are necessary for the prevention of a breach of the peace or disturbance of the public tranquillity or the commission of any offence or for the public safety, may, for reasons to be recorded in writing, direct the person in respect of whom the order under section 112 has been made to execute a bond, with or without sureties, for keeping the peace or maintaining good behaviour until the conclusion of the inquiry, and may detain him in custody until such bond is executed or, in default of execution, until the inquiry is concluded:
১২,৩৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুসারে, কে আদালতের কার্যধারার নকল নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. বাদী পক্ষ
  3. যে কোনো সাধারণ নাগরিক
  4. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবেঃ শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548: Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
১২,৩৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫ ধারার অধীন আদালত কি ধরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
  2. দণ্ডিত ব্যক্তির পারিবারিক তথ্য জানানোর আদেশ
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির বাংলাদেশ ত্যাগ না করার আদেশ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত ব্যক্তির ঠিকানা জানানোর আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা-৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)-

কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,
তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে।

তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
১২,৩৩২.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এর কোন অনুচ্ছেদে বার এসোসিয়েশন বিষয়ে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা
♣♣
• The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৯ তে বার এসোসিয়েশন বিষয়ে বলা আছে
• শর্তসাপেক্ষে বার কাউন্সিল বার এসোসিয়েশনকে অনুমোদন করে। 
১২,৩৩৩.
তামাদি আইনের ২০ ধারায় কোন বিষয়ের স্বীকৃতির ফলে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়?
  1. মৌখিক প্রতিশ্রুতি
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর
  3. লিখিত দায় স্বীকার
  4. সুদ বা আংশিক অর্থ পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
সুদ বা আংশিক অর্থ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদ বা আংশিক অর্থ পরিশোধ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো দায় বা ঋণের ক্ষেত্রে সুদ প্রদান বা আংশিক অর্থ পরিশোধ করা হয়, তাহলে সেই পরিশোধের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
অর্থাৎ ২০ ধারায় বলা হয়েছে — কোনো দায় বা ঋণের সুদ বা আংশিক অর্থ পরিশোধ হলে, সেদিন থেকেই তামাদি মেয়াদ নতুন করে শুরু হবে।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) সুদ বা আংশিক অর্থ পরিশোধ।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করার ফলে তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য লিখিত স্বীকৃতি বা সাক্ষর থাকা উচিত, যাতে পরিশোধের প্রমাণ থাকে।
এটি ঋণগ্রহীতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারেন।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১২,৩৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কার্যকর করার এখতিয়ার কার আছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, যদি কোন মহিলা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং দেখা যায় যে তিনি গর্ভবতী, তাহলে "The High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life."
অর্থাৎ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে।
- এছাড়া হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
- দায়রা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারা অনুযায়ী এ ধরনের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখে না।
অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) হাইকোর্ট বিভাগ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

১২,৩৩৫.
পেনাল কোড এর কোন ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৫০৬ ধারা
  2. ৫০৭ ধারা
  3. ৫০৮ ধারা
  4. ৫০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারার বিধান কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।

♦ Eve Teasing এর শাব্দিক অর্থ : Eve অর্থ প্রাক্কাল, প্রাথমিক অবস্থা আর Teas অর্থ উক্ত্যক্ত করা, ক্ষেপানো।
♦ সুতরাং Eve Teasing অর্থ পরিচিত, অপিরিত, কোন মেয়ে কোন ছেলেকে/কোন ছেলে কোন মেয়েকে প্রাথমিকভাবে উক্ত্যক্ত করাকেই Eve Teasing বলে।
♦ ইভটিজিং এর সংজ্ঞাঃ- কোন ছেলে রাস্তায়, স্কুলে, কলেজে বা যে কোন অলিতে গলিতে কোন মেয়েকে দেখার পর মুখ দিয়ে শিষ দেয়া, এমন কোন বাজে মন্তব্য করা যা শুনলে মেয়েটির খুব খারাপ লাগবে, হাসি ঠাট্টা করা অর্থ্যাৎ তাকে উক্ত্যক্ত করার নামই হল ইভটিজিং।
১২,৩৩৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে মুদ্রা জাল করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------
- Counterfeiting coin:
Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
১২,৩৩৭.
দেওয়ানি কার্যধারার কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করেন The Code of Civil Procedure, 1908 এর -
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫১ ধারায়
  4. Order VI, Rule-17 অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যধারার ১৫৩ ধারায়  মতে মোকদ্দমার কার্যধারায় কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আদালত যে কোন সময় কোন মামলার কার্যধারার ত্রুটি সংশোধন [amend any defect or error in any proceeding in a suit] করতে পারবে।
১২,৩৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিবেন
  2. মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
  3. মালিক খুঁজে না পাওয়ায় তা নষ্ট করবেন
  4. পুলিশ অফিসারের জিম্মায় দিয়ে দিবেন
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মাল আটক রেখে ঘোষণা দিবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩(২) ধারা অনুসারে, যদি জব্দকৃত মালিক অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং সম্পত্তির বিস্তারিত বর্ণনাসহ একটি ঘোষণা (proclamation) জারি করবেন যাতে বলা হবে যদি কেউ ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন, তাহলে ঘোষণার তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে সেই দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
১২,৩৩৯.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৩ অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে তামাদি গণনা স্থগিত থাকে?
  1. আদালতের ছুটি থাকলে
  2. বাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
  3. বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
  4. নিলাম বিক্রয় চলাকালীন
সঠিক উত্তর:
বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী সরকারি কাজে বিদেশে থাকলে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী-
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
১২,৩৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকেন?
  1. ৪৯২
  2. ৪৯৩
  3. ৪৯৪
  4. ৪৯৫
সঠিক উত্তর:
৪৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯২
ব্যাখ্যা
⇒  সরকারপক্ষে দায়রা আদালতে যে মামলা পরিচালনা করে তাকে পাবলিক প্রসিকিউটর বলা হয়। 
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২ এর অধীন সরকার বা ক্ষেত্রমতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতিত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
১২,৩৪১.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:  Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large: Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
 
⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract.-When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
১২,৩৪২.
তামাদি আইনের কত ধারায় সুখাধিকার (Easement) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন (Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
১২,৩৪৩.
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. Habeas Corpus
  2. Right to Fair Trial
  3. Res Judicata
  4. Burden of Proof
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Judicata
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১২,৩৪৪.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী কখন একজন শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ৯ বছরের বেশি বয়স্ক হলে
  2. ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক হলে শিশু কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে
  3. নয় বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধসম্পন্ন হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক হলে শিশু কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক হলে শিশু কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা মতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধশক্তি সম্পন্ন শিশুর কাজ অপরাধ নয় তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি এবং ১২ বছরের কম বয়সে শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
১২,৩৪৫.
ধারা ৭৩ক অনুযায়ী, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ যাচাইয়ে নির্দেশ দিতে পারে:
  1. সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে
  2. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  3. শুধুমাত্র আইনজীবীকে
  4. ক ও খ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
 
Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১২,৩৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল কোন ধরনের দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. বেসরকারি দলিল
  2. সরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. সকল দলিলের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিল
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল) সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"

[Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.]
১২,৩৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
  3. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে 'যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য' তা উল্লেখ আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
-যা নিম্নরূপ-
 -দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি 
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১২,৩৪৮.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. বিভিন্ন দাবি প্রতিষ্ঠা
  2. তার মর্যাদা পরীক্ষা
  3. তার ব্যক্তিত্বের ধরণ পরীক্ষা
  4. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন
ব্যাখ্যা
⇒ জেরা (Cross examination): সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, কোন পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ পরীক্ষা করলে তাকে জেরা বলে। মামলার কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে পরীক্ষার মাধ্যমে জবানবন্দি সম্পন্ন করে। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ এসে উক্ত সাক্ষীকে পরীক্ষা করে, এটিই জেরা। জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ জবানবন্দির বক্তব্য খন্ডন করে। এছাড়া জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ তার বক্তব্য উপস্থাপন করে।

⇒ জেরার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
কাজী মাহবুবউদ্দিন আহমেদ ওরফে মাহবুব বনাম রাষ্ট্র ৩৮২ এই মামলা অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় জেরা হলো একজন ব্যক্তির দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা পরীক্ষা করার অন্যতম দুর্দান্ত আধুনিক অস্ত্র। সাক্ষীদের জেরা করে সত্যতা আবিষ্কারের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আইনি ইঞ্জিন। সত্য বা মিথ্যা বের করে আনার জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এক পক্ষের সাক্ষী যে বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছে, সেসব বিষয় স্পষ্ট করে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে নিজ বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেরা করা হয়। এজন্য একে আক্রমণের তরবারি এবং নিজপক্ষের সমর্থনের ঢাল দুটোই বলা হয় (both a sword of attack & a shield of defence)।

জেরার উদ্দেশ্য নিচে দেয়া হল-
⇒ সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে সন্দেহ তৈরি করা
⇒ অপর পক্ষের মামলা নিয়ন্ত্রণ করা
⇒ অপর পক্ষের মামলা দুর্বল করে নষ্ট করা
⇒ অপর পক্ষের মামলার অসামঞ্জস্যতা শনাক্ত করে প্রকাশ করা
⇒ নিজ পক্ষের মামলা প্রতিষ্ঠা করা
⇒ আদালতের সামনে মিথ্যাচার থামানো
⇒ সত্য উন্মোচন করা বা তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
১২,৩৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত প্রকার নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 -এ নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত তিন প্রকারের হতে পারে, যেমন-
১. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [Temporary Injunction] -[ধারা ৫৩],
২. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা [Perpetual Injunction] -[ধারা ৫৩],
৩. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা [Mandatory Injunction] [ধারা ৫৫];  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞাকে আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞাও বলা হয়ে থাকে।
১২,৩৫০.
কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তাকে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ৩৫৪ ধারা মতে কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তাকে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি- অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড।
১২,৩৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি পদ্ধতিগত (Procedural Law or Adjective) আইন।

 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধের সংজ্ঞা, অপরাধ সংঘটনের উপাদান এবং শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ করা হলেও উক্ত অপরাধের বিচারের পদ্ধতির কোন বিধান নেই। দন্ডবিধির অধীন অপরাধসমূহ কিভাবে বিচার দন্ডবিধি প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানসমূহ করা হবে তা ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন। 
১২,৩৫২.
তামাদির মেয়াদ গণনার সময় যে দিন গুলো বাদ যাবে-
  1. রায় বা ডিক্রির নকল পেতে ব্যয়িত সময়
  2. রায় ঘোষণার দিন
  3. রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময়
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।

♦ তামাদি আইনের ১২ ধারামতে তামাদির মেয়াদ গণনার সময় নিম্নলিখিত দিনগুলো বাদ দিয়ে তামাদি গণনা করতে হবে। যথা-

i) তামাদির মেয়াদ আরম্ভের দিন বা যে তারিখ হতে তামাদি গণনা শুরু হবে;

ii) রায় ঘোষণার দিন 

iii) রায় বা ডিক্রির নকল পেতে ব্যয়িত সময় 

iv) রোয়েদাদ নামঞ্জুর করার দরখাস্তের জন্য রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময়

v) যে তারিখে কোন নাবালক সাবালকত্ব অর্জন করে ঐ তারিখটিও ১২ ধারার বিধান অনুসারে তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে। নিলাম ডিক্রিতে কোন সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে এবং ঐ নিলামের কোন ক্রেতার ক্রয়কে আটকানোর জন্য কোন দরখাস্ত বা মামলা (রদ) হলে ঐ সময় বাদ যাবে।

♦ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন উক্ত রায় ঘোষণা করা হয়েছে, সেদিনটি এবং যে ডিক্রি, আদেশ বা দণ্ডাদেশ সম্পর্কে আপীল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যে সময় ব্যয় হবে, তা বাদ দিতে হবে।
১২,৩৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Res-subjudice শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Sub-judice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Sub-judice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে, সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি, তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানি মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
১২,৩৫৪.
ক একজন নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চিকিৎসালয়ে নিয়ে যায় এবং জোর করে গর্ভপাত করায়। নারীটি ভ্রূণের গতি অনুভব করছিল না। দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা অনুসারে ক-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত (যা ৩১২ ধারায় বর্ণিত অপরাধ) সংঘটন করে – স্ত্রীলোক আসন্ন প্রসবা (quick with child, অর্থাৎ ভ্রূণের গতি অনুভব করা) হোক বা না হোক – তাহলে তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হবে। এখানে 'ক'-এর কাজ (ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে গর্ভপাত) সরাসরি ৩১৩ ধারার অধীনে পড়ে, এবং "ভ্রূণের গতি অনুভব করছিল না" হওয়া শাস্তির মাত্রাকে প্রভাবিত করে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ :- কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১২,৩৫৫.
সংযুক্তি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কখন আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বিবাদী আবেদন করলে
  2. বিচারকে বিলম্বিত করলে
  3. বাদী আবেদন করলে
  4. উল্লেখিত যেকোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিচারকে বিলম্বিত করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকে বিলম্বিত করলে
ব্যাখ্যা
• সংযুক্তি মোকদ্দমায় বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি যদি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-

১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
১২,৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬(২) ধারা অনুযায়ী, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো দলিল, পার্সেল বা অন্য কোনো বস্তুর তল্লাশির জন্য পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬(২) ধারা অনুযায়ী, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোনো দলিল, পার্সেল বা বস্তু তল্লাশির পরোয়ানা কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইস্যু করতে পারেন।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পারসেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশি করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১২,৩৫৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ অনুমোদন করতে পারেন?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
১২,৩৫৮.
সরকারী কর্মচারী নয় জেনেও সরকারী কর্মচারীর ছদ্মবেশে কোন কাজ করলে বা করার চেষ্টা করলে তা দণ্ডবিধির কত ধারামতে দণ্ডনীয়?
  1. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৭১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

-----------------------
♦ Section 170. Personating a public servant:- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২,৩৫৯.
দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারা অনুযায়ী, সরকারি সড়কে অসাবধানতাজনিত গাড়ি চালনায় মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. পাঁচ বছর
  2. দশ বছর
  3. তিন বছর
  4. সাত বছর 
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় অবহেলা বা বেপরোয়া চালনার কারণে কারো মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।
- তাহলে সঠিক উত্তর হবে: গ) ৩ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারার বিধান- বেপরোয়াভাবে যান চালনা বা অশ্বরোহণের কর্তৃক মৃত্যু ঘটানো:
কোন ব্যক্তি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলামূলকভাবে জনপথে যান চালিয়ে বা অশ্বারোহণের কর্তৃক নিন্দনীয় নরহত্যা নয় এমন মৃত্যু ঘটাইলে, সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section- 304B. Causing death by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১২,৩৬০.
তামাদির গণনায় লিখিতভাবে দায় স্বীকারের প্রভাব কী?
  1. কোনো প্রভাব পড়বে না
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  3. তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
  4. তামাদির মেয়াদ অবৈধ ঘোষিত হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.

Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১২,৩৬১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৮ অনুযায়ী কোন ধারা অধীনে কমিশন ইস্যু হলে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যাবে?
  1. ৫০২ ও ৫০৪ ধারা
  2. ৫০৪ ও ৫০৫ ধারা
  3. ৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
  4. ৫০৭ ও ৫০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ও ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬-এর অধীন কমিশন জারি করা হলে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যেতে পারে। এই মুলতবি রাখার সময়কাল কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

১২,৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিন্মোক্ত কোন ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকার প্রদান করতে
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ব্যতীত অন্য কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করতে
  3. দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করতে 
  4. উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ধারা ৪,হেফাজত- এই আইনে সুস্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, এই আইনের কোনো কিছুই-
(ক) চুক্তি নহে এইরূপ সম্মতি সম্পর্কে প্রতিকারের কোনো অধিকার প্রদান করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া কোনো প্রতিকারের অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না, যাহা তিনি কোনো চুক্তির অধীন লাভ করিতেন; অথবা
(গ) দলিলের উপর নিবন্ধন আইন, ১৯০৮] এর প্রয়োগকে প্রভাবিত করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না।
---------------
Section 4,Savings . Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the [Registration Act, 1908] on documents.

১২,৩৬৩.
বিগত ________ যাবত খবর পাওয়া যায় না, এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য।
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
১২,৩৬৪.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি (Admission)
  2. স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
  3. দাবী ত্যাগ (Waiver)
  4. মৌন সম্মতি ।
সঠিক উত্তর:
স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel)
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
♦ এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
১২,৩৬৫.
"No new trial for improper admission or rejection of evidence" এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১৬৫
  2. ধারা ১৬৬
  3. ধারা ১৬৭
  4. ধারা ১৬৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৭ (Section 167– No new trial for improper admission or rejection of evidence)-এ বলা হয়েছে, যদি আদালত ভুলভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে, তবুও যদি মামলার অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের সিদ্ধান্ত ন্যায়সঙ্গত হয়, অথবা যদি বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও রায়ের কোন পরিবর্তন হতো না, তাহলে কেবলমাত্র সেই ভুল গ্রহণ বা বর্জনের কারণে মামলার নতুন বিচার (retrial) বা রায় পরিবর্তন (reversal) করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
- আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

১২,৩৬৬.
মানহানি হতে পারে-
  1. কথিত বা পাঠের জন্য অভিপ্রেত শব্দাবলীর মাধ্যমে
  2. চিহ্নাদির দ্বারা
  3. দৃশ্যমান কল্পমূর্তির মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১২,৩৬৭.
আদেশ ৪৪ বিধি-১ এ কার আপিল করার অনুমতি প্রদানের ব্যাপারে বলা হয়েছে?
  1. নাবালকের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির
  4. ক এবং খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
১) আপিল করার অধিকার যার আছে, যদি আপিলের স্মারকলিপির জন্য এধরণের যে কোন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অপারগ হয়, তাহলে স্মারকলিপির সাথে সে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার জন্য একটি আবেদন পেশ করতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্বন্ধীয় এই আইনের বিধানসমূহ যতদূর প্রযোজ্য তৎসাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার অনুমতি প্রদান করা যাবেঃ

আপিল গ্রহণের জন্য দরখাস্তের পদ্ধতিঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আপিলের আবেদন এবং যে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো দেখে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ বা আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধে নয় বা অন্য কোন কারণেও অসঙ্গত নয়, তবে আদালত ঐ আবেদন অগ্রাহ্য করবেন।

Rule.-1: Who may appeal as pauper-
Any person entitled to prefer an appeal, who is unable to pay the fee required for the memor-andum of appeal,may present an application accompanied by a memor-andum of appeal, and maybe allowed to appeal as a pauper, subject, in all matters, including the presentation of such application, to the provisions relating to suits by paupers, in so far as those provisions are applicable:

Procedure on application for admission of appeal:
Provided that the Court shall reject the application unless, upon a perusal thereof and of the judgment and decree appealed from, it sees reason to think that the decree is contrary to law or to some usage having the force of law, or is otherwise erroneous or unjust.
১২,৩৬৮.
বিচারকারী আদালত রায় দেওয়ার সময় জরিমানায় টাকা থেকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে ___________।
  1. মামলা পরিচালনায় ব্যয়িত খরচ বহনে
  2. অপরাধের শিকার ব্যক্তির দেওয়ানি আদালতে আদায়যোগ্য ক্ষতিপূরণ
  3. চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ইত্যাদিতে অপরাধে সংশ্লিষ্ট পণ্য সরল বিশ্বাসে ক্রয়কারীকে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৪৫ ধারার বিধান জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতাঃ
(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে কোন জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-

(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,

(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোরাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান ।

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
১২,৩৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিলের আবেদন এর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি (Limitation) আইন এর ১৭৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীনে আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য আবেদন করতে চান, তাকে আপিলের জন্য অনুমতি লাভ করতে হলে, যে দিন থেকে ডিক্রি আপিল করা হয়েছে তার তারিখ থেকে নব্বই দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
১২,৩৭০.
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যু হলে মোকদ্দমার কী হবে?
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত হবে
  3. বাতিল হবে না
  4. নতুন করে শুনানি শুরু হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৬: শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না:
পূর্ববর্তী বিধিসমূহে কোন বিধান থাকা সত্ত্বে মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হোক বা না হোক শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার বিদ্যাবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যুর কারণে কোন মোকদ্দমা বাতিল হবে না, কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে মৃত্যু সত্ত্বেও রায় ঘোষণা করা যাবে এবং উক্ত মৃত্যু হওয়ার পূর্বে রায় প্রকাশিত হলেও যেরূপ শক্তি ও কার্যকারীতা থাকত এটিরও সেটাই থাকবে।

Rule-6: No abatement by reason of death after hearing-
Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of of the hearing and ed pronouncing either pat but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronouncedbefore the death took place.
১২,৩৭১.
দণ্ডবিধিতে কত ধরণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ৫ ধরণের
  4. ৭ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৫ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

---------------------------------------------------
♦ Punishments
Section 53. The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 

(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 
 
♦ Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১২,৩৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মতে পুলিশ নাম ও ঠিকানা না জানালে বা জানাতে অস্বীকার করলে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে যদি সে নাম এবং বাসস্থান এর ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-57.Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained.
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required:
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh.
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.
১২,৩৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা অনুযায়ী একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে উদ্দেশ্য করে প্রণীত হতে হবে?
  1. পুলিশকে
  2. বাদীপক্ষকে
  3. আদালতকে
  4. বিবাদীপক্ষকে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক (৪৫A) ধারা অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক প্রমাণ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে, কোনও নির্দিষ্ট পক্ষের জন্য নয়। বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান দায়িত্ব আদালতকে সহায়তা করা, এবং তার প্রতিবেদন মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
১২,৩৭৪.
'X', The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'X' কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'X' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'X' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
♦ আপীল চলমান থাকাবস্থায় দণ্ড স্থগিতপূর্বক জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় বিচারিক আদালত, আপীল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ কে আপীল চলাকালীন দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]
♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]
♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]
♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]
♦ অর্থাৎ দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে আপিল আদালত দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারেন এবং তাঁকে জেল হতে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে পারেন।
১২,৩৭৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায়ের সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় আদায় করা যাবে।
  2. ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে আদায় করা যাবে।
  3. আসামি নাবালক বা উম্মাদ হলে তার আইনগত প্রতিনিধি থেকে আদায় করা যাবে।
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
আসামি নাবালক বা উম্মাদ হলে তার আইনগত প্রতিনিধি থেকে আদায় করা যাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি নাবালক বা উম্মাদ হলে তার আইনগত প্রতিনিধি থেকে আদায় করা যাবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

 ⇒ আসামি নাবালক বা উম্মাদ হলে তার আইনগত প্রতিনিধি থেকে অর্থদণ্ড আদায়ের সম্পর্কে দণ্ডবিধিতে কোন বিধান নেই।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
------------------
⇒ Section 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
 The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
১২,৩৭৬.
মূল দণ্ডবিধিতে কয়টি ধারা ছিল?
  1. ৫১১ টি
  2. ৪৮৮ টি
  3. ৪৮২ টি
  4. ৫৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৪৮৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮৮ টি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)। 

♦ ইংরেজ শাসন আমলে লর্ড মেকলের নেতৃত্বে একটি আইন কমিশন গঠন করেন। লর্ড মেকলে ১৮৩৮ সালে দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করেন।  ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা হয় এবং ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে আইন হিসেবে কার্যকর হয়।

♦ ১৯৪৭ সালে বৃটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত একটি প্রস্তাবে উপমহাদেশটির স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। ভারত ও বর্তমান বাংলাদেশসহ পাকিস্তান উভয় রাষ্ট্রই ইংরেজগণ কর্তৃক প্রবর্তিত ভারতীয় দণ্ডবিধি চালু রাখে।

♦ ১৯৭২ সালের ২২শে মে জারীকৃত প্রেসিডেন্টের ৪৮নং জরুরী আদেশ বলে পাকিস্তান আমলে চালু অপরাপর আইনসহ দণ্ডবিধি বহাল রাখা হয়েছে। আদেশটি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ২৬শে মার্চ হতে কার্যকরী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে যে, দণ্ডবিধির যে সকল ধারায় পাকিস্তান, কেন্দ্রীয় সরকার, প্রাদেশিক সরকার অথবা পর্ব পাকিস্তান সরকার উল্লেখ আছে, তথায় ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার উল্লেখ করতে হবে।

 ♦ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৯৬০ মোট ২৩টি অধ্যায় ও ৫১১টি ধারা আছে। সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংসদে এই আইনটি গৌণ পরিবর্তন (মাশুল বাড়ানো ও অন্যান্য) আনা হয়।
১২,৩৭৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পরে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসারের জন্য Memorandum of Arrest প্রস্তুত করা বাধ্যতামূলক?
  1. 43A
  2. 47A
  3. 46A
  4. 45A
সঠিক উত্তর:
46A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
46A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

১২,৩৭৮.
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক ডিক্রী জারী স্থগিত রাখার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশে?
  1. ৪২
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
⇒ Order 41 হলো "Appeals from Original Decrees" সম্পর্কিত আদেশ।
Order 41 Rule 5-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: আপিল করা হয়েছে বললেই কোনো ডিক্রী বা আদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয় না।
তবে, যদি আপিল করা হয় এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়, তাহলে আপিল আদালত অথবা ডিক্রী প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রী দিয়েছে) ডিক্রী কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে।
Rule 5(2) বলছে: ডিক্রী প্রদানকারী আদালতও (original court) ডিক্রী জারী স্থগিত রাখতে পারে, যদি আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করা হয়; এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়।

⇒ আদেশ ৪১ বিধি-৫- স্থগিতাদেশ (Stay) সম্পর্কে বিধান:

(১)আপিল করা হয়েছে বলে কোনো ডিক্রি বা আদেশের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হবে না, তবে আপিল আদালত (Appellate Court) প্রয়োজনীয় কারণ দেখাতে পারলে কার্যকরির স্থগিতাদেশ দিতে পারে। শুধুমাত্র আপিল করা হয়েছে বলে ডিক্রির কার্যকরী বন্ধ হবে না; তবে যথোপযুক্ত কারণ দেখালে আপিল আদালত কার্যকরী স্থগিত রাখতে আদেশ দিতে পারবে।
(২)যদি কোনো আপিলযোগ্য ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করা হয়, এবং তা আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হয়, তাহলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রি দিয়েছে) যথাযথ কারণ দেখানো হলে কার্যকরী স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারবে।

(৩)সাব-রুল (১) বা (২)-এর অধীনে কার্যকরী স্থগিত রাখার কোনো আদেশ আদালত দেবে না, যদি না নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়:
(ক) আবেদনকারী পক্ষের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে যদি স্থগিতাদেশ দেওয়া না হয়;
(খ) আবেদনটি অনাহেতুক বিলম্ব না করে করা হয়েছে;
(গ) আবেদনকারী ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (security) প্রদান করেছে বা ভবিষ্যতে তা তার ওপর বাধ্যতামূলক হবে।
(৪) সাব-রুল (৩)-এর যেকোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, আদালত শুনানির পূর্বে ex parte (একতরফা) আদেশ দিয়ে ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে।
১২,৩৭৯.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন ধরনের আপিল শুনানির ক্ষমতা রাখেন?
  1. শুধুমাত্র জামিন সংক্রান্ত আপিল
  2. সরকার নির্দেশিত আপিল
  3. দায়রা জজ কর্তৃক অর্পিত আপিল
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
১২,৩৮০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী, হিসাব বইয়ের এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. যখন শুধুমাত্র ডিজিটাল ফর্মে থাকে
  2. যখন তা আদালতের অনুমতি পায়
  3. যখন তা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
  4. যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নিয়মিত রক্ষণ করা হয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- ধারা ৩৪: হিসাব বহিতে বা ডিজিটাল রেকর্ডে এন্ট্রি কখন প্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো হিসাব বহি বা ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবসার স্বাভাবিক ধারায় নিয়মিতভাবে রক্ষণ করা হয়, এবং তাতে এমন কোনো বিষয়ের উল্লেখ থাকে যা সম্পর্কে আদালতকে তদন্ত করতে হয়, তবে সেসব এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।

তবে, কেবলমাত্র ঐ এন্ট্রিগুলো কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না—অর্থাৎ, অন্য সহায়ক প্রমাণ ছাড়া কেবল হিসাব বইয়ের এন্ট্রি দিয়ে কাউকে দায়ী করা যাবে না।
১২,৩৮১.
কোন ধরনের সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  3. দস্যুতা কর্তৃক অর্জিত সম্পত্তি
  4. প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

ধারা ৪১০: চোরাই সম্পত্তি
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

Section 410: Stolen property
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
১২,৩৮২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট আমলযোগ্য অপরাধ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৯০
সঠিক উত্তর:
১৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৬: আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases)
(১) কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন, যা সেই থানার এলাকার মধ্যে ঘটে এবং যার বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতের রয়েছে (চ্যাপ্টার XV অনুযায়ী)।

(২) তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রমকে এই যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্তে অধিকারী ছিলেন না।

(৩) ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও উক্ত ধরনের অপরাধে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
১২,৩৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত বা আপিলকারী মৃত্যুবরণ করলে আপিল বাতিল হওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪৩০
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত বা আপিলকারী ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং উক্ত আপিল কেবল তার সাজা বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণভাবে আপিল বাতিল (abate) হয়ে যায়।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায় নির্ভর করে কে আপিলকারী তার উপর। এই ধারার মূল বক্তব্য হলো:
- ধারা ৪১৭ (খালাসের বিরুদ্ধে আপিল) এবং ধারা ৪১৭ক (অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল) এর অধীন যেসব আপিল হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেলে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়।
- এই দুটি ধারায় সাধারণত পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী আপিলকারী হন, তাই আপিলকারীর মৃত্যু তেমন প্রভাব ফেলে না।
- কিন্তু অন্যান্য আপিল—যেমন ধারা ৪০৭, ৪০৮, ৪১০ ইত্যাদির অধীনে যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই আপিলকারী—সেক্ষেত্রে যদি সে মারা যায়, তবে আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 431. Abatement of appeals:
- Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
১২,৩৮৪.
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে একজন ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে কিন্তু ভুলক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তাহলে দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা অনুযায়ী এটি কী অপরাধ হবে?
  1. অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
  4. কোন অপরাধ হবে না
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১২,৩৮৫.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি দাখিলের ত্রুটি দূরীকরণে আদালত সর্বোচ্চ কত সময় মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১২,৩৮৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৬০ ধারা 
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬১ ধারা 
  4. ৬৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬১ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে। কোনো দলিলের বিষয়বস্তু ২ প্রকার সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।যথাঃ
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
২.মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬১: দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য কিংবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।
-----------------------
The Evidence Act 1872, Section 61, Proof of contents of document: The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

১২,৩৮৭.
আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কারণে ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা: চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।
- ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
- ২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
- ৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
১২,৩৮৮.
এক ব্যক্তি “খ” আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে আহত হলো এবং “গ” আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। উল্লেখিত ব্যক্তির সাথে সংঘঠিত অপরাধের বিচার কোন আদালতে করা যাবে?
  1. খ আদালতে
  2. গ আদালতে
  3. বাদী যেখানে চাইবে
  4. খ বা গ যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
খ বা গ যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭ অনুসারে, প্রত্যেকটি অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারধীন সীমানার মধ্যে সংঘটিত হয় সাধারণত সেই আদালত কর্তৃক এর অনুসন্ধান ও বিচার হবে।

• তবে ধারা ১৭৯ এ দেয়া আছে-
যেক্ষেত্রে কোন কিছু সম্পাদন এবং এর পরিণতির কারণে কোন কাজ অপরাধ হয় সেক্ষেত্রে এরূপ অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার নিম্নোক্ত যেকোনো একটি আদালতে হতে পারবে-

>যে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত সীমানার মধ্যে উক্ত কাজ করা হয়েছে
সেই আদালতে অথবা
>যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে এর ফলাফল দেখা দিয়েছে। 
১২,৩৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা অনুযায়ী, যদি সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে পড়ে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা গ্রহণ করতে পারবে না
  2. মোকদ্দমাটি স্থগিত রাখতে হবে
  3. মোকদ্দমা উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করতে হবে
  4. অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান: স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
১২,৩৯০.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে?
  1. মোকদ্দমার রিভিউ চলমান থাকলে
  2. মোকদ্দমায় নতুন সাক্ষ্য-প্রমাণ পেলে
  3. মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
  4. মোকদ্দমাটি আপিলের জন্য প্রস্তুত করা হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:

অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.
১২,৩৯১.
ক জানে যে খ, ম -কে হত্যা করেছে। ক, খ,-কে শাস্তি হতে বাঁচাতে মৃত লাশটি গুম করতে খ কে সহায়তা করেছে। ক এর শাস্তি হতে পারে-
  1. ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১২ বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদন্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুযায়ী- যেহেতু সংঘটিত অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং খ, কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য ক মৃত দেহটি গোপন করতে খ কে সহায়তা করেছে, তাই ক, ২০১ ধারায় সাক্ষ্য অদৃশ্য করে ফেলার জন্য ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১২,৩৯২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৬ অনুযায়ী আত্মহত্যায় প্ররোচনার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে এবং কেউ সেই আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১২,৩৯৩.
অপরাধী গুরুতর ও আকস্মিক উত্তেজনার (Grave and Sudden Provocation) ফলে হত্যা ঘটালে তা নিন্দনীয় নরহত্যা হবে যদি-
  1. যে উত্তেজনা দিয়েছে শুধুমাত্র তাকে হত্যা করা হয় 
  2. উত্তেজনা প্রদানকারী ব্যতীত ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাবসত অন্যকোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
  3. উত্তেজনা প্রদানকারী ব্যতীত অন্যকোন ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।
  4. ক এবং খ উভয়।
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়।
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারা

ব্যতিক্রম ১:-
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:-
প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ অপরাধী গুরুতর ও আকস্মিক উত্তেজনার (Grave and Sudden Provocation) ফলে হত্যা ঘটালে তা নিন্দনীয় নরহত্যা হবে যদি- যে উত্তেজনা দিয়েছে শুধুমাত্র তাকে হত্যা করা হয়। অথবা উত্তেজনা প্রদানকারী ব্যতীত ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাবসত অন্যকোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়। তবে যদি উত্তেজনা প্রদানকারী ব্যতীত অন্যকোন ব্যক্তিকে হত্যা করা হয় তাহলে তা খুন হিসেবে গণ্য হবে।
---------------
Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
১২,৩৯৪.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না
ব্যাখ্যা
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:

তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন। তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধানবলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় বটে; কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়। মামলা-মোকদ্দমা ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
১২,৩৯৫.
কারাদণ্ড ছয় মাসের কম হলে, সর্বোচ্চ কত সময়ের জন্য নির্জন কারাবাসে রাখা যেতে পারে?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. চার মাস
সঠিক উত্তর:
এক মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান: নির্জন কারাবাস:
যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না- নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
- কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
- কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
- কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

Section-73: Solitary confinement:
Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say-
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
১২,৩৯৬.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, রেফারেন্স পাঠানোর পর আদালত কী করতে পারে?
  1. কার্যক্রম বাতিল করতে পারে
  2. সঙ্গে সঙ্গে রায় প্রদান করতে পারে
  3. কার্যক্রম স্থগিত বা মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.

১২,৩৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারা মতে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property) কে করিবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. যে কোন ব্যক্তি
  3. সেনাবাহিনী
  4. পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

- কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

--------------------
♦ Prevention of injury to public property
Section 152. A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
১২,৩৯৮.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন অপ্রযোজ্য?
  1. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৯৬৯ সালের ৪নং আইন)
  2. ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারা
  3. মূল ফৌজদারী মামলা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♠♠ 
- তমাদি আইনের ২৯ ধারা মতে কিছু আইনকে সংরক্ষণ করা হয়েছে অর্থাৎ কিছু কিছু আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইন অপ্রযোজ্য
- যেমন: 
বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৯৬৯ সালের ৪নং আইন), 
• ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারা,
মূল ফৌজদারী মামলা,
• বিশেষ ক্ষমতা আইন ইত্যাদি। 
১২,৩৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুযায়ী আদালত কোন সময় কোর্ট ফি হিসাব করবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. বাদী আবেদন করলে
  3. বাদী মামলায় সফল হলে
  4. প্রতিপক্ষ আপত্তি জানালে
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুসারে, যখন কোনো নিঃসম্বল ব্যক্তি (pauper) আদালতের অনুমতি নিয়ে কোর্ট ফি না দিয়ে মামলা করে এবং সে মামলায় সফল হয়, তখন আদালত হিসাব করে দেখে "যদি সে নিঃসম্বল না হতো, তাহলে তাকে কত কোর্ট ফি দিতে হতো।"
এই হিসাবকৃত পরিমাণটি তখন সরকার কর্তৃক ডিক্রির মাধ্যমে যাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কাছ থেকে আদায়যোগ্য হয় এবং মামলার বিষয়বস্তুর উপর ‘first charge’ বা প্রথম দায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাই, কোর্ট ফি মামলার শুরুতে নয়, শুধুমাত্র তখনই হিসাব করা হয়, যখন বাদী মামলায় সফল হন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-১০: নিঃসম্বল ব্যক্তি সফল হলে মামলার খরচ: 
যেক্ষেত্রে বাদী মামলায় সফল কার্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃসম্বলব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি না পাইত, তবে তাহলে তাকে যে পরিমাণ কোর্ট ফি প্রদান করতে হতো, সেই পরিমাণ কোর্ট ফি হিসাব করবেন, সেই পরিমাণ অর্থ ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সেই পক্ষের নিকট হতে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে, এবং উহা মামলার বিষয় বস্তুর উপর প্রথম দায় হিসাবে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-10. Costs where pauper succeeds:
Where the plaintiff succeeds in the suit, the Court shall calculate the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper; such amount shall be recoverable by the Government from any party ordered by the decree to pay the same, and shall be a first charge on the subject-matter of the suit.
১২,৪০০.
দণ্ডবিধি কোন ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৪ ধারার
  4. ৩০৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
 ⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.