বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১২ / ১২৬ · ১,১০১১,২০০ / ১২,৬০৫

১,১০১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪২৩ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি

৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
১,১০২.
ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়। দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
১,১০৩.
'ক’ একজন বিবাদী। তাকে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ২ এর অধীন ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ‘ক’ এই জামানত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৬ সপ্তাহ
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে জামানত দিতে ব্যর্থ হলে ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম হলে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ এই আটক হলো আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒ যেহেতু ‘ক’ আদালতের নির্দেশে ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাই ৬ সপ্তাহের জন্য আটক হতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমাণ ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।
- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka:
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
১,১০৪.
প্রদত্ত কোন রায়টি 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় খালাস পেয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।চার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম।
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে।
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে।
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেওয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে।
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।
> পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে,অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।
১,১০৫.
একজন ব্যক্তি কোন পরিস্থিতিতে মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য অপরাধী হবে না?
  1. সত্য না জানলে
  2. যা জানে না, তা জানার দাবি করলে
  3. যা বিশ্বাস করে না, তা বিশ্বাস করার দাবি করলে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
সত্য না জানলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য না জানলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:
কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা ২:
সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্তর্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা জানে না, তা জানার দাবি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।

Section 191- Giving false evidence:
Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.

Explanation 1.-
A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
 
Explanation 2.-
A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.
১,১০৬.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় 'অভিন্ন অভিপ্রায়' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. একক ব্যক্তির উদ্দেশ্য
  2. সাক্ষীর মতামত
  3. একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা
• 'অভিন্ন অভিপ্রায়' বলতে বুঝানো হয় যে, একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে কোনো উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্যে কাজ করছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

যখন যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে বিশ্বাস করার যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে একটি অপরাধ বা একটি নালিশযোগ্য অন্যায় কার্য করতে ষড়যন্ত্র করেছে, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজনের দ্বারা উক্ত সময়ের পর যেকোনো কিছু বলা, করা বা লেখা, যা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা প্রতিটি ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক সত্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং দেখানোর জন্য যে ঐ ব্যক্তিগণ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল, উভয়ের উদ্দেশ্যে প্রযোজ্য।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১,১০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে কত মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের সময় দেওয়া হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪, বিধি-২(১) অনুসারে, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রিতে আদালত বন্ধকদাতাকে সর্বোচ্চ ৬ মাস সময় দেয়। এই সময়ের মধ্যে পুরো টাকা পরিশোধ করলে সম্পত্তি ফেরত পাবে, না দিলে রিডেম্পশনের অধিকার চিরতরে বন্ধ (foreclosed) হয়ে যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৪, বিধি ২(১)(গ) অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b)"

- অর্থাৎ, ফোরক্লোজার মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি পাওয়ার পর ৬ মাসের মধ্যে বিবাদীকে (বন্ধকদাতা) বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হলে বাদী (বন্ধকগ্রহীতা) চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যা বিবাদীর প্রতিপূরণ অধিকার (right of redemption) বাতিল করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-34 Rule-2. Preliminary decree in foreclosure suit:
(1) In a suit for foreclosure, if the plaintiff succeeds, the Court shall pass a preliminary decree -
(a) ordering that an account be taken of what was due to the plaintiff at the date of such decree for-
(i) principal and interest on the mortgage,
(ii) the costs of suit, if any, awarded to him, and
(iii) other costs, charges and expenses properly incurred by him up to that date in respect of his mortgagesecurity, together with interest thereon; or
(b) declaring the amount so due at that date; and
(c) directing
(i) that, if the defendant pays into Court the amount so found or declared due on or before such date as the Court may fix within six months from the date on which the Court confirms and countersigns the account taken under clause (a), or from the date on which such amount is declared in Court under clause (b), as the case may be, and thereafter pays such amount as may be adjudged due in respect of subsequent costs, charges and expenses as provided in rule 10, together with subsequent interest on such sums respectively as provided in rule 11, the plaintiff shall deliver up to the defendant, or to such person as the defendant appoints, all documents in his possession or power relating to the mortgaged . property, and shall, if so required, retransfer the property to the defendant at his costs free from the mortgage and from all encumbrances created by the plaintiff or any person claiming under him, or, where the plaintiff claims by derived title, by those under whom he claims, and shall also, if necessary, put the defendant in possession of the property; and
(ii) that, if payment of the amount found or declared due under or by the preliminary decree is not made on or before the date so fixed, or the defendant fails to pay, within such time as the Court may fix, the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest, the plaintiff shall be entitled to apply for a final decree debarring the defendant from all right to redeem the property.
(2) The Court may, on good cause shown and upon terms to be fixed by the Court, from time to time, at any time before a final decree is passed, extend the time fixed for the payment of the amount found or declared due under sub-rule (1) or of the amount adjudged due in respect of subsequent costs, charges, expenses and interest.
(3) Where, in a suit for foreclosure, subsequent mortgagees or persons deriving title from, or subrogated to the rights of, any such mortgagees are joined as parties, the preliminary decree shall provide for the adjudication of the respective rights and liabilities of the parties to the suit in the manner and form set forth in Form No. 9 or Form No. 10, as the case may be, of Appendix D with such variations as the circumstances of the case may require. 

১,১০৮.
ধারা ১২৪ অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা কখন তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হবেন না?
  1. সবসময়
  2. তথ্য সাধারণ জনগণের জন্য জরুরি হলে
  3. আদালতের নির্দেশে
  4. তথ্য প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872- ধারা ১২৪: সরকারি যোগাযোগ:
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে তাঁর কাছে সরকারি গোপনীয়তায় করা যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না, যখন তিনি মনে করেন যে এই প্রকাশের ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

[No public officer shall be compelled to disclose communications made to him in official confidence, when he considers that the public interests would suffer by the disclosure.]

১,১০৯.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
--------
---------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
১,১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন অভিযোগকে নালিশ (Complaint) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

১,১১১.
The Penal Code, 1860 অনুসারে মনুষ্যহরণ কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
১,১১২.
'A' আদালতের কাছে বলছে যে, 'B' এই অপরাধটি করেছে এবং তার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে-
  1. আদালত শাস্তি দিবে
  2. 'A' কে প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
  3. 'B' কে প্রমাণ করতে হবে সে নির্দোষ
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
সঠিক উত্তর:
'A' কে প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' কে প্রমাণ করতে হবে 'B' অপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ 'A' যদি বলে যে 'B' অপরাধী, তাহলে তা 'A' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'B' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'B'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustrations
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
১,১১৩.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
  4. দায়রা জজের নিকট আপীল
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
১,১১৪.
নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত চলবে, এমন নিষেধাজ্ঞাকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ নিষেধাজ্ঞা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায়, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এমন নিষেধাজ্ঞা যা নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি আদালতের আদেশের ভিত্তিতে মামলার যেকোনো পর্যায়ে দেওয়া যেতে পারে এবং মূলত সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকে যতক্ষণ না পরবর্তী আদেশ আসবে।
অন্যদিকে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখনই দেওয়া হয় যখন আদালত মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তিতে পক্ষগুলোর অধিকারের বিরোধিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন একটি নিষেধাজ্ঞা, যা আদালত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি সাধারণত একটি জরুরি বা প্রাথমিক আদেশ হিসেবে দেওয়া হয়, যাতে কোনো পক্ষ কোনো কাজ করতে না পারে বা কোনো ক্ষতি না করতে পারে, যতক্ষণ না মূল মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালত প্রদান করে, যাতে মামলা চলাকালীন সময়ে পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো বড় ধরনের ক্ষতি না হয়, এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অথবা অন্য কোনো আদেশ দেওয়া হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি জমি দখল করার চেষ্টা করে, তবে আদালত প্রথমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যাতে সে ওই জমি দখল করতে না পারে, যতক্ষণ না মামলা শেষ হয়।
১,১১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, আদালত কখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যখন বাদী বা বিবাদী আবেদন করে
  2. যখন তৃতীয় পক্ষ কোন দলিল দাখিল করতে চায়
  3. যখন সাক্ষী পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকে
  4. যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬, বিধি ১৪ অনুযায়ী, যখন আদালত নিজে মনে করে যে ওই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে প্রয়োজন তখন তৃতীয় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।

⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলি এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
১,১১৬.
আগাম জামিনের দরখাস্ত দায়ের করা হয় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৬
  2. ৪৯৭
  3. ৪৯৮
  4. ৪৯৯
সঠিক উত্তর:
৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
১,১১৭.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
Order-21 Rule-85.Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
১,১১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ২০ অনুসারে আদালত প্রতিদিন সর্বাধিক কতটি মোকদ্দমা peremptory hearing এর জন্য দৈনিক cause list-এ নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. পাঁচটি
  2. সাতটি
  3. দশটি
  4. পনেরটি
সঠিক উত্তর:
দশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশটি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

১,১১৯.
দণ্ডবিধির অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১,১২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৩৬ ধারায়
  2. ৪৩৯ ধারায়
  3. ৪৩৯ক ধারায়
  4. ৪৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১,১২১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটের জবাব দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. শুনানীর ২ দিন আগে
  2. শুনানীর ৫ দিন আগে
  3. শুনানীর ৭ দিন আগে
  4. শুনানীর ১০ দিন আগে
সঠিক উত্তর:
শুনানীর ৭ দিন আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানীর ৭ দিন আগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধি অনুযায়ী, অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটকে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব শুনানীর তারিখের কমপক্ষে ৭ দিন আগে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করতে হবে। এই জবাবের সাথে ২ কপি জমা দিতে হবে, যার একটি কপি অভিযোগকারী এবং অপরটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করা হবে।
- এই বিধির উদ্দেশ্য হলো অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেটের জবাব পর্যালোচনা করার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, যাতে শুনানী সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন হতে পারে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
-He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
১,১২২.
নিচের কোনটি Private Document?
  1. খতিয়ান
  2. আরজি
  3. ঋণ চুক্তিপত্র
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
ঋণ চুক্তিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ চুক্তিপত্র
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর:  (গ) ঋণ চুক্তিপত্র।

প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই দলিল যা ব্যক্তিগত বা স্বতন্ত্র ব্যক্তিগত চুক্তি/লেনদেন প্রমাণ করে এবং যা সরকারি বা সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি নয়।
(ক) খতিয়ান → সরকারি দলিল, জমির রেকর্ড; প্রাইভেট নয়।
(খ) আরজি → সরকারি দফতরে দাখিলকৃত আবেদন বা অভিযোগ; প্রাইভেট নয়।
(গ) ঋণ চুক্তিপত্র → ব্যক্তি বা সংস্থার মধ্যে স্বতন্ত্র চুক্তি; প্রাইভেট দলিল।
(ঘ) ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বক্তব্য → আদালত/ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে রেকর্ড করা; সরকারি দলিল; প্রাইভেট নয়।

১,১২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. চতুর্থ অধ্যায়
  3. দ্বিতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ তফসিলে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

♦ অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
১,১২৪.
A জানে যে B, Z-কে হত্যা করেছে। A, B,-কে শাস্তি হতে বাঁচাতে মৃত লাশটি গুম করতে B কে সহায়তা করেছে। A দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩ ধারা
  2. ১৯৬ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১,১২৫.
সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় কোনটির প্রয়োজন নাই?
  1. সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নাই
  2. আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করার প্রয়োজন নাই
  3. ক ও খ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৩ অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেনঃ

(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ; 
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
১,১২৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, তামাদি সময়সীমা কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. আবেদন গ্রহণের দিন থেকে
  2. আবেদনকারীর জ্ঞাত হওয়ার দিন থেকে
  3. মামলার রায় ঘোষণার দিন থেকে
  4. অধিকার উদ্ভবের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১-
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।

১,১২৭.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে, সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি _______ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১,১২৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে স্বেচ্ছায় সহায়তা করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখার কাজে সহায়তা করা:- কোন ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 414. Assisting in concealment of stolen property:
-Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,১২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
১,১৩০.
সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ১৩০ ধারায়
  2. ১৩১ ধারায়
  3. ১৩২ ধারায়
  4. ১৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা ধারণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 131. Power of commissioned military officers to disperse assembly: 
- When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
১,১৩১.
দণ্ডবিধি,১৮৬০ কোথায় কার্যকর হয়?
  1. সমগ্র বাংলাদেশে
  2. পার্বত্য চট্রগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  3. নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
  4. খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে
সঠিক উত্তর:
সমগ্র বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমগ্র বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ধারা ১- শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:
এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

Section 1- Title and extent of operation of the Code:
This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.
১,১৩২.
কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৬ ধারার বিধান ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগঃ (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথাঃ

(অ) দায়রা আদালত; এবং (আ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(অ) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (আ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(অ) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(আ) মহানগর এলাকায় প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(আ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঈ)তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” শব্দ দুটিকে যথাক্রমে “অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় ২য়/৩য় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাই।

♦ মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে। অর্থাৎ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ অর্থাৎ ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত। তাই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,১৩৩.
According to the definition given in Section 63, who can give oral accounts of the contents of a document?
  1. Only legal professionals
  2. The document's author only
  3. Anyone who knows about the document
  4. A person who has personally perceived document
সঠিক উত্তর:
A person who has personally perceived document
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person who has personally perceived document
ব্যাখ্যা
Section-63: Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. একটি দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ যা সেই ব্যক্তির দ্বারা দেওয়া হয়েছে যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
১,১৩৪.
দালিলিক সাক্ষ্যের প্রকারভেদ দেওয়া আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১,১৩৫.
Section 32 (5) of the Evidence Act applies when the statement relates to the existence of any relationship by________.
  1. Blood
  2. Marriage
  3. Adoption
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যদি বিবৃতিটা কোন বিদ্যমান রক্তের, বৈবাহিক বা দক্তকগ্রহণ সূত্রে কোন সম্বন্ধের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটা ৩২(৫) অনুসারে প্রাসঙ্গিক হবে।
১,১৩৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হতে আহত ব্যক্তির কমপক্ষে কতদিন প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করা লাগবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩২০–এ গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি আঘাতে আহত হন “যাতে আহত ব্যক্তি ২০ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করেন অথবা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হন, তাহলে তা ‘গুরুতর আঘাত’ হিসেবে গণ্য হবে।”
অর্থাৎ, কমপক্ষে ২০ দিন যদি কেউ তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ভোগ করেন, সেটি গুরুতর আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১,১৩৭.
আদেশ ২৬ বিধি ১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. সাক্ষী স্বেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে না চাইলে
  2. সাক্ষী মামলার বিবাদী হলে
  3. অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
  4. সাক্ষী আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বাইরে বাস করলে
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুস্থতার কারণে সাক্ষী উপস্থিত হতে অক্ষম হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি ১: যে সকল ক্ষেত্রে আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারে:
আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীনে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হয়ে থাকলে বা অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে এতে উপস্থিত হতে অক্ষম হলে আদালত প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে বা অন্যভাবে উক্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য যে কোন আদালত যে কোন মোকদ্দমায় কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

Order 26 Rule 1: Cases in which Court may issue commission to examine witness:
Any Court may in any suit issue a commission for the examination on interrogatories or otherwise of any person resident within the local limits of its jurisdiction who is exempted under this Code from attending the Court or who is from sickness or infirmity unable to attend it.
১,১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দণ্ড স্থগিত বা পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০২ক
  4. ধারা ৪০৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২ক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৪০২ক।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ক-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৪০১ (দণ্ড স্থগিত/মওকুফ) ও ৪০২ (দণ্ড রূপান্তর)-এর অধীনে সরকারের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.

১,১৩৯.
"Witnesses to be examined in open Court"-কোন আদেশে দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ৬
  2. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ২
  4. আদেশ ১৮ বিধি ৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
১,১৪০.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতা সম্পর্কে কোন ধরনের অনুমানের কথা উল্লেখ আছে?
  1. চূড়ান্ত প্রমান (Conclusive proof)
  2. অনুমান করবে(May presume)
  3. অনুমান করতে পারে( Shall presume)
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমান (Conclusive proof)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমান (Conclusive proof)
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ১১২: বিবাহ স্থির থাকাকালে সন্তানের জন্মই তাহার বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ: কোনো লোকের মাতার সহিত এক লোকের আইনত সিদ্ধ বিবাহ কায়েম থাকাকালে, কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের মধ্যে তাহার মাতা অবিবাহিতা থাকাকালে যদি তাহার জন্ম হইয়া থাকে, এবং যদি না প্রমাণিত হয় যে, ঐ লোক যখন মাতৃগর্ভে আসিয়া থাকিতে পারে, অনুরূপ কোনো সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের পরস্পরের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিলো না, তবে জন্মের ঘটনা দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হইবে যে, সে তাহার মাতার সহিত বিবাহিত উক্ত লোকের বৈধ সন্তান।
------------------------------
The Evidence Act 1872,Section112,Birth during marriage conclusive proof of legitimacy: The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

১,১৪১.
‘A’ একজন প্রতিনিধি হিসেবে ‘B’-এর জন্য কাজ করে। ‘A’ অবহেলার কারণে ‘B’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে। ‘B’ এই অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে কত তারিখ পর্যন্ত?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৮
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, মালিক কর্তৃক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অবহেলা বা অসদাচরণের মামলার সময়সীমা হলো ৩ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন বাদী অবহেলা বা অসদাচরণের বিষয়টি জানতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’ অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। সুতরাং, ৩ বছরের সময়সীমা গণনা করে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।

 

১,১৪২.
According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, Which court cannot order sale of immovable property in execution of decrees?
  1. High Court
  2. District Court
  3. Civil Judge's Court
  4. Court of Small Causes
সঠিক উত্তর:
Court of Small Causes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Small Causes
ব্যাখ্যা

⇒ According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, 1908,
“Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.”
This means all courts — except the Court of Small Causes — have the authority to order the sale of immovable property when executing a decree.

Sale of Immoveable Property:
⇒ Order XXI, Rule 82 – Code of Civil Procedure, 1908- What Courts may order sales:
- Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.

অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৮২ – যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে:
ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ Court of Small Causes আদালত ব্যতীত যেকোনো আদালত দিতে পারে।

১,১৪৩.
According to Section 60 of The Evidence Act, 1872, 'Oral evidence must be ______.'
  1. direct
  2. indirect
  3. proved
  4. disproved
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)।

অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
-Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১,১৪৪.
‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে, কিন্তু বৃষ্টির কারণে আগুন জ্বলে না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'D' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১১৭
  2. ধারা ১২৩
  3. ধারা ৫০৬
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ Z-এর সম্পত্তি ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তার বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৩৫ (অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ) এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪৩৫ অনুসারে, এই অপরাধের শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু ‘D’ অপরাধটি সম্পূর্ণ করেনি, বরং চেষ্টা করেছে, তাই এটি ধারা ৫১১-এর অধীনে সম্পত্তি ধ্বংসের চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৩ বছর ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

- অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ, অর্থাৎ সম্পত্তি ধ্বংসের জন্য অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৪৩৫-এর সাথে সম্পর্কিত) অনুসারে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৫১১।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১,১৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মতে আপিল আদালত পুনর্বিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ১০৪
  2. ১০৭
  3. ১৪০
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে- 
১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];
২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;
৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।
8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ CPC Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
১,১৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক আসামী নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯
  3. ৩৪০
  4. ৩৪১
সঠিক উত্তর:
৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৪০ অনুযায়ী-
- যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা আছে।
- তবে শর্ত এই যে, সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না অথবা সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
১,১৪৭.
তামাদি আইনের কোন ধারা বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১১ বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারা অনুযায়ী: ধারা ১১(১): বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলা, যদি তা বিদেশে অনুষ্ঠিত কোনো চুক্তির উপর ভিত্তি করে হয়, তবে তামাদি আইন, ১৯০৮-এর নিয়ম অনুসারে তামাদি মেয়াদ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিদেশি চুক্তির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে।
ধারা ১১(২): কোনো বিদেশি তামাদি নিয়ম (foreign rule of limitation) বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলায় প্রতিরক্ষা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না সেই নিয়ম চুক্তিটিকে বিলুপ্ত করে দেয় এবং উভয় পক্ষ সেই বিদেশি দেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেখানে বসবাস করে থাকে।

অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ১১ স্পষ্টভাবে বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে, এবং এটি নিশ্চিত করে যে বাংলাদেশে দায়েরকৃত এই ধরনের মামলায় তামাদি আইন, ১৯০৮-এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
---------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

১,১৪৮.
ডিক্রি জারির আবেদনটি স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদন হবে-
  1. আবেদনকারী কর্তৃক
  2. উক্ত বিষয়ের সাথে পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক
  3. আইনজীবী কর্তৃক
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-

ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

নিন্মলিখিত ভাবে আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে:
১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা,
৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
১,১৪৯.
নিচের কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমির ফসল
  2. জমি
  3. ব্যাংকের টাকা
  4. কোম্পানীর শেয়ার
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।

- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment: 
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
১,১৫০.
দেওয়ানি মোকদ্দমার শুনানির সময় বাদী অনুপস্থিত এবং বিবাদী উপস্থিত থাকলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকার:
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

⇒ ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
১,১৫১.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে বল প্রয়োগকে 'অপরাধমূলক' বলা হবে?
  1. যখন এটি শান্তিপূর্ণ হয়
  2. যখন এটি সম্মতির ভিত্তিতে হয়
  3. যখন এটি কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে
  4. যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
সঠিক উত্তর:
যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
১,১৫২.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার আওতাধীন দস্যুতার অপরাধের জন্য মূল শাস্তি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১,১৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ কোন বিষয়ে সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা
  2. আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মামলার বিচারের নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী, সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার জন্য। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে এই বিধি প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের প্রতিটি আদালতে কোন ভাষা ব্যবহার হবে তা সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:-
- এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 558- Power to decide language of Courts:
- The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১,১৫৪.
What is the provision of Section 36 of the Specific Relief Act,1877?
  1. Effect of declaration
  2. Rescission for mistake
  3. When rescission may be adjudged
  4. Principles of rectification
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
-কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
১,১৫৫.
ধারা ৬৮ অনুযায়ী সত্যায়িত দলিল প্রমাণ করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
  3. অন্তত দুইজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
  4. শুধুমাত্র দলিলের মূল কপি
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী
ব্যাখ্যা

উত্তর: অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী।

• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি- রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

১,১৫৬.
অবিরাম চুক্তির ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে
  2. চুক্তিভঙ্গের পর তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকে
  3. চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ
 ♦যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
১,১৫৭.
A তার ব্যবসায়ের অংশীদার B কে অংশীদারি দেনা ও লাভ গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে একটি নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করলো। দেখা গেল A অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বই দখল করে রেখেছে এবং B কে তা দেখতে দিচ্ছেনা। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে।
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
  3. শর্তসাপেক্ষে জরিমানা করবে।
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৬ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে নাঃ

(ক) মামলায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে মামলা রুজুর প্রেক্ষিতে একটি বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার উদ্দেশ্যে, যদি না কার্যধারার পৌনঃপুনিকতা রোধের জন্য তেমন নিবৃত্তি আবশ্যক হয়;

(খ) যে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে আদালতের অধীনস্থ নয় এমন কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হতে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোন বিভাগের সরকারী কর্তব্যের বা বিদেশী সরকারের কোন সার্বভৌম কাজের হস্তক্ষেপের জন্য;

(ঙ) কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) যে চুক্তির কাজ সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে;

(ছ) উৎপাতের অজুহাতে এমন কোন কাজ নিরোধকের জন্য যা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুস্পষ্ট হয় যে, তা উৎখাতের পর্যায়ে পড়বে;

(জ) এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রদান করেছে:

(ঝ) যখন জিম্মা ভঙ্গের মামলা ব্যতীত সমপরিমাণ ফলোৎপাদক প্রতিকার নিশ্চিতভাবেই অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়;

(ঞ) যখন আবেদনকারী বা তার এজেন্টের আচরণ এমন হয় যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে;

(ট) যেখানে মামলার সারবস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
১,১৫৮.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে C.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
  2. সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
ব্যাখ্যা
জি.আর ও সি.আর মামলা:
বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুইভাবে রুজু হয়—জি.আর (জেনারেল রেজিস্ট্রার) মামলা ও সি.আর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার) মামলা।

জি.আর মামলা:
যে মামলা থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শুরু হয়, তাকে জি.আর মামলা বলা হয়। এটি সাধারণত আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী থানায় দায়ের করা হয়।
⇒ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করেন।
⇒ অভিযোগের সত্যতা না পেলে ১৬৯ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন।
⇒ অভিযোগ সত্য হলে ১৭০ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় রিপোর্ট পেশ করে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
⇒ পুলিশ কাউকে অব্যাহতির সুপারিশ করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের হাতে থাকে।

সি.আর মামলা (নালিশী মামলা):
যদি থানায় মামলা গ্রহণ না করা হয়, তবে সরাসরি আদালতে গিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(জ) ধারায় সি.আর মামলা বা নালিশী মামলা দায়ের করা যায়।
⇒ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
⇒ আমলি ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের জন্য পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
১,১৫৯.
“Good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention - এই সংজ্ঞাটি তামাদি আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৪) ধারায়
  3. ২(৬) ধারায়
  4. ২(৭) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৭) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৭) ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় Good faith এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(7)-
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
১,১৬০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ‘‘de minimus non corat lex’’ মতবাদটি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৮৫ ধারায়
  2. ১০৫ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা অনুযায়ী সামান্য, উপেক্ষাযোগ্য এবং তুচ্ছ ঘটনা অপরাধমূলক হলেও দণ্ড দেয়া যাবে না।
♦দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায় 'de minimus non curat lex' মতবাদটির প্রতিফলন ঘটেছে। 'de minimus non curat lex' means law would not take action on small & trifling matter.
১,১৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে হলে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. মামলার বাদীকে
  2. মামলার বিবাদীকে
  3. মামলার সকল পক্ষকে
  4. মামলার সাক্ষীকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ ধারা- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:
 (১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে
ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২) কোন মামলা (১) উপধারা অনুসারে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে পরে যে আদালতে ইহার বিচার হয়, সেই আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ সাপেক্ষে পূর্ণ বিচার করতে পারেন, অথবা যে পর্যায় হতে উহা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ও সহকারী জজের আদালতকে জেলা কোর্টের অধীন বলে গণ্য করতে হবে।
(৪) স্মলকজ কোর্ট হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মামলার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মামলার ব্যাপারে স্মলকজ কোর্ট বলে গণ্য করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-24. General power of transfer and withdrawal:
(1) On the application of any of the parties and after notice to the parties and after hearing such of them as desire to be heard, or of its own motion without such notice, the High Court Division or the District Court may at any stage-
(a) transfer any suit, appeal or other proceeding pending before it for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same, or 
(b) withdraw any suit, appeal or other proceeding pending in any Court subordinate to it, and 
(i) try or dispose of the same; or 
(ii) transfer the same for trial or disposal to any Court subordinate to it and competent to try or dispose of the same; or 
(iii) retransfer the same for trial or disposal to the Court from which it was withdrawn. 
(2) Where any suit or proceeding has been transferred or withdrawn under sub-section (1), the Court which thereafter tries such suit may, subject to any special directions in the case of any order of transfer, either retry it or proceed from the point at which it was transferred or withdrawn. 
(3) For the purposes of this section, Courts of Additional and Assistant Judges shall be deemed to be subordinate to the District Court. 
(4) The Court trying any suit transferred or withdrawn under this section from a Court of Small Causes shall, for the purposes of such suit, be deemed to be a Court of Small Causes.

১,১৬২.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
  4. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

⇒  তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
------------------------ 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
১,১৬৩.
A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো-
  1. বলপ্রয়োগ করা
  2. অপরাধমূলক কুকুর লেলিয়ে দেওয়া
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
  4. অপরাধমূলক ক্ষতি করা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩৫০ মতে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦অর্থাৎ A, B-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে B-এর প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য লেলিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে যদি A, B-কে ক্ষতি, ভীতিপ্রদর্শন ও বিরক্ত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে A এর অপরাধ হলো- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
----------
Criminal force

Section 350. Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
১,১৬৪.
একজন কর্মচারী তার জিম্মায় থাকা প্রতিষ্ঠানের অর্থ বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। এই কাজ নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৪০৫ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার অধীন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

• দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
১,১৬৫.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংক্রান্ত অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে-
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত আদেশে
  2. ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  4. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবে না।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
১,১৬৬.
এডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনপত্রে কোনো প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দাখিল করলে, তিনি কত সময়ের জন্য তালিকাভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ঘোষিত হবেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

- শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
১,১৬৭.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ৫০২ ধারার আওতায় পড়বে?
  1. মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া
  2. অজ্ঞাতে মানহানিকর বই বিক্রি করা
  3. জেনেশুনে মানহানিকর পুস্তিকা বিক্রয়ের জন্য দোকানে রাখা
  4. ব্যক্তিগত চিঠিতে মানহানিকর কথা লেখা
সঠিক উত্তর:
জেনেশুনে মানহানিকর পুস্তিকা বিক্রয়ের জন্য দোকানে রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেশুনে মানহানিকর পুস্তিকা বিক্রয়ের জন্য দোকানে রাখা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]

১,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় “ডিক্রী জারীতে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের” বিধান রয়েছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৬৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
 • ডিক্রী জারী করার জন্য কিছু সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যায় না।
• পরিধেয় বস্ত্রাদি, বিছানা, রান্না বাসন, চাষির বাসগৃহ, হিসাবের খাতাপত্র ইত্যাদি।
১,১৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুসারে, নিম্নের কোনটি মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না?
  1. মৌখিক চুক্তির শর্তাবলী
  2. ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু
  3. বিশেষজ্ঞের মতামত
  4. একজন সাক্ষীর দ্বারা দেখা ঘটনা
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সেই ডকুমেন্টের নিজস্ব প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়।
- এছাড়া, চুক্তির শর্তাবলী (যদি সেটা মৌখিক চুক্তি হয়) এবং বিশেষজ্ঞের মতামত বা একজন সাক্ষীর দ্বারা দেখা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ অনুযায়ী, "All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, সমস্ত তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে, কিন্তু দলিল বা ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু (contents of documents) এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে হলে সাধারণত সেই ডকুমেন্টটি নিজেই উপস্থাপন করতে হয়, যা লিখিত সাক্ষ্যের (documentary evidence) আওতায় পড়ে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৯ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে: "All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, "ডকুমেন্টের বিষয়বস্তু ছাড়া সকল সত্যতা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়।"
১,১৭০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করবে?
  1. তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
  2. তা বেসরকারি সংস্থার জন্য প্রযোজ্য
  3. তা কর্তৃপক্ষের দ্বারা যাচাই করা হয়নি
  4. তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে অগ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তা সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৩ অনুসারে, আদালত এই মর্মে প্রাকধারণা (presumption) করবে যে সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রণীত হয়েছে এবং তা নির্ভুল। তবে, কোনো মামলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এর সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন (Evidence Act) এর ধারা ৮৩ (Section 83) অনুযায়ী:
“The Court shall presume that maps or plans purporting to be made by the authority of the Government were so made, and are accurate; but maps or plans made for the purposes of any cause must be proved to be accurate.”
- অর্থাৎ, যদি কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের তৈরি মানচিত্র বা পরিকল্পনা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে —
- তা যথাযথভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং তা সঠিক।
- তবে, যদি এটি কোনো মামলার উদ্দেশ্যে তৈরি মানচিত্র হয়, তখন সেটির সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে।
১,১৭১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে "কোর্ট" (Court) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. বিচারক (Judge)
  2. সালিশকারী (Arbitrator)
  3. ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrate)
  4. আইনত অনুমোদিত সাক্ষ্য গ্রহণকারী ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী (Arbitrator)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী (Arbitrator)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: সালিশকারী (Arbitrator)।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, "কোর্ট" বলতে বোঝায়:
১) বিচারক (Judge)
২) ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrate)
৩) যে কেউ, যিনি আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা সম্পন্ন
তবে, সালিশকারী (Arbitrator) "কোর্ট" এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ সালিশকারী আদালতের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করলেও, তিনি আইনত সাক্ষ্য গ্রহণ বা বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত নন।
⇒ অতএব, সালিশকারী "কোর্ট" নয়, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর "খ) সালিশকারী (Arbitrator)"।

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
১,১৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী শুনানির দিন কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত কী করবে?
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. একতরফা রায় দেবে
  4. নতুন সমন জারি করবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি শুনানির দিন বাদী এবং বিবাদী উভয়ই আদালতে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত মামলা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে।
- Order IX, Rule 4-এ বলা হয়েছে, মামলাটি খারিজ হওয়ার পর বাদী নতুন মামলা দায়ের করতে পারে বা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে, তবে এটি তামাদি আইন সাপেক্ষে।
১,১৭৩.
তামাদি আইনের কত ধারায় ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৫ ধারায়
  4. ২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না, তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের [compensation] মামলা

যখন কোন কাজ দ্বারা তাৎক্ষনিক কোন ক্ষতি হয় না তবে পরবর্তীতে কোন ক্ষতি হয়, তখন ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে।

ব্যাখ্যা: যে কাজের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভব হয় না, সে রকম ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয় তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

Section 24- Suit for compensation for act not actionable without special damage
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration 
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
১,১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে?
  1. যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত
  2. যারা সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত
  3. যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি একসঙ্গে ঘটেছে
  4. উপরের সব
সঠিক উত্তর:
উপরের সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সব
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারার বিধান নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে:
(ক) যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই অপরাধ একই লেনদেনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(খ) যারা এক অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা সেই অপরাধে সহায়তা করার জন্য বা সেই অপরাধ করার চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(গ) যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি ধারা ২৩৪ অনুযায়ী একসঙ্গে এক বছর সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যারা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত, যা একই লেনদেনের মধ্যে ঘটেছে।
(ঙ) যারা চুরি, দখলদারি, বা অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি দখলের জন্য অভিযুক্ত, এবং যারা সেই অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বা রক্ষা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(চ) যারা দণ্ডবিধির ধারা ৪১১ এবং ৪১৪ অনুযায়ী চুরির সম্পত্তি গ্রহণের জন্য অভিযুক্ত, যেখানে সেই সম্পত্তির মালিকানা এক অপরাধে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(ছ) যারা দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২-এর আওতায় ভুয়া মুদ্রার সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা একই মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত অন্য অপরাধে অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
এই শর্তগুলি পূর্বের অংশের বিধি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section- 239. What persons may be charged jointly:
The following persons may be charged and tried together, namely:- 
(a) persons accused of the same offence committed in the course of the same transaction; 
(b) persons accused of an offence and persons accused of abetment, or of an attempt to commit such offence; 
(c) persons accused of more than one offence of the same kind, within the meaning of section 234 committed by them jointly within the period of twelve months; 
(d) persons accused of different offences committed in the course of the same transaction; 
(e) persons accused of an offence which includes theft, extortion, or criminal misappropriation, and persons accused of receiving or retaining, or assisting in the disposal or concealment of, property possession of which is alleged to have been transferred by any such offence committed by the first-named persons, or of abetment of or attempting to commit any such last named offence; 
(f) persons accused of any offence under sections 411 and 414 of the Penal Code or either of those sections in respect of stolen property the possession of which has been transferred by one offence; and 
(g) persons accused of any offence under Chapter XII of the Penal Code relating to counterfeit coin, and persons accused of any other offence under the said Chapter relating to the same coin, or of abetment of or attempting to commit any such offence; 
and the provisions contained in the former part of this Chapter shall, so far as may be, apply to all such charges.
১,১৭৫.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে-
  1. অসাধুভাবে
  2. বিশ্বাসভরে
  3. সরল বিশ্বাসে
  4. প্রতারণামূলকভাবে
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসভরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসভরে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অপরাধী প্রাথমিকভাবে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করে বিশ্বাসভরে তার পর অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজে ব্যবহার করে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
- Section 405 Criminal breach of trust: Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,১৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে "পাবলিক অফিসার" (public officer) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. একজন বিচারক
  2. একজন আইনজীবী
  3. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য
  4. একজন ব্যক্তি যিনি সরকারী খরচ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় বিচারক, সিভিল সার্ভিসের সদস্য এবং সরকারি খরচ করতে পারেন এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) একজন আইনজীবী।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংজ্ঞায় যারা অন্তর্ভুক্ত তাদের মধ্যে রয়েছে:
(ক) প্রত্যেক বিচারক (Judge)।
(খ) বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য।
(গ) বাংলাদেশের সামরিক, নৌ, বা বিমান বাহিনীর কমিশন্ড বা গেজেটেড অফিসার।
(ঘ) আদালতের এমন কর্মকর্তা যারা আইন বা তথ্য তদন্ত, নথি প্রস্তুত, সম্পত্তি হেফাজত বা বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের দায়িত্ব পালন করেন।
(ঙ) যে ব্যক্তি কাউকে বন্দি রাখার ক্ষমতা রাখেন।
(চ) অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা বা জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুবিধা রক্ষার দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা।
(ছ) সরকারের পক্ষে সম্পত্তি গ্রহণ, ব্যয়, জরিপ, চুক্তি, রাজস্ব প্রক্রিয়া সম্পাদন, তদন্ত বা নথি প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা।
(জ) সরকারের বেতনে বা ফি/কমিশনের মাধ্যমে জনসেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 2(17) "public officer" means a person falling under any of the following descriptions, namely:-
(a) every Judge;
(b) every member of the Civil Service of The Republic;
(c) every commissioned or gazetted officer in the military, naval or air forces of Bangladesh while in the service of the Republic;
(d) every officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order, in the Court, and every person especially authorised by a Court of Justice to perform any of such duties;
(e) every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement;
(f) every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience;
(g) every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report on, any matter affecting the pecuniary interest of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interests of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government; and
(h) every officer in the service or pay of the Republic, or remunerated by fees or commission for the performance of any public duty.

১,১৭৭.
Section 32(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898 allows Magistrates to:
  1. Refer sentencing to a higher court
  2. Impose only one type of sentence at a time
  3. Combine any lawful sentences authorized by law
  4. Increase the punishment beyond authorized limits
সঠিক উত্তর:
Combine any lawful sentences authorized by law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Combine any lawful sentences authorized by law
ব্যাখ্যা
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১,১৭৮.
কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগের জন্য কার সম্মতি প্রয়োজন?
  1. বাদীর
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষের
  3. সরকারের
  4. কালেক্টরের নিজস্ব
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের নিজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের নিজস্ব
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪০ বিধি ৫: কখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেখানে সম্পত্তি এমন ভূমি যা সরকারকে রাজস্ব প্রদান করে, বা এমন ভূমি যার রাজস্ব হস্তান্তরিত বা খালাসকৃত হয়েছে, এবং আদালত বিবেচনা করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নীত হবে, তাহলে আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারে।

১,১৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারার অধীন জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোন প্রকার প্রলোভন দেখাবেন না-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩ অনুযায়ী পুলিশ অফিসার অথবা কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রকার প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিবেন না।

• তাছাড়া তদন্ত চলার সময় কোন ব্যক্তি তাহার স্বাধীন ইচ্ছায় কোন বিবৃতি দিতে চাইলে অফিসার বা অপর কেউ তাকে হুঁশিয়ারি দ্বারা বা অন্য কোনভাবে বারণ করবেন না।
১,১৮০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে-
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০),
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
১,১৮১.
রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় আদালত কোন শর্তে পক্ষকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে?
  1. যখন মামলাটি গুরুতর হয়
  2. যখন অভিযুক্ত আবেদন করে
  3. যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
  4. যখন উকিল উপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

১,১৮২.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা করা যায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act. 
১,১৮৩.
মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর বাদি কখন তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
  2. শুধুমাত্র বিচার শুরুর আগে
  3. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণের আগে
  4. মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, এই বিধানে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, বরং বলা হয়েছে "মোকদ্দমা রুজুর পর যে কোন সময়", তাই বাদী মামলার যেকোনো স্তরে, এমনকি রায় ঘোষণার আগমুহূর্তেও, তার মামলা বা দাবির একটি অংশ প্রত্যাহার করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.
১,১৮৪.
যে ফৌজদারি মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত থাকে এবং এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে আদালত-
  1. অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে, অভিযুক্তকে হাজিরা থেকে মুক্তি দিতে পারে
  2. মামলার অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন
  3. মামলার পরবর্তী পর্যায়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১,১৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়।
কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
-----------
CPC- Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১,১৮৬.
সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦ রেস সাব-জুডিস- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী একই বিষয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে একই সময়ে একাধিক মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।

ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। 

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;

ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;

iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;

iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
১,১৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রী জারী করা
  2. অনুরোধ পত্র
  3. কালেক্টর
  4. ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৪ ধারায় ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দান করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দিলে বাধাদানকারীকে
• অনধিক ৩০ দিন দেওয়ানী কারাগারে আটক 
• সম্পত্তির দাবীদারকে সম্পত্তি স্থানান্তরের আদেশ দিবেন।
১,১৮৮.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. রেফারেন্স
  4. আপিল
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
১,১৮৯.
ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা রয়েছ-
  1. ৪০৮ ধারায়
  2. ৪২৫ ধারায়
  3. ৪১৬ ধারায়
  4. ৩৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা মতে অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে।
- প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
- যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।
১,১৯০.
মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয় কখন?
  1.  ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে
  2. মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে
  3. নতুন পক্ষের আবেদনের দিন থেকে
  4. আদালতের নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে
ব্যাখ্যা

মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদি সময় গণনা শুরু হয়- মৃত বাদী আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৬:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার
করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন। এমন সময় গণনার শুরু হয় যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
---------------
The Limitation Act 1908, Article 176: Under the same Code to have the legal representative of a deceased plaintiff or of a deceased appellant made a party the period of limitation is 90 days. The period begins from the date of the death of the deceased plaintiff or appellant.

১,১৯১.
Code of Criminal Procedure এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  2. ভূমি বিরোধজনিত দাঙ্গার শায়েস্তা
  3. হরতালজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
ব্যাখ্যা
• ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)-

স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
> ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
> ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
> ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।

অন্যথায়, ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১,১৯২.
বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন 
  2. ৬০ দিন 
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

১,১৯৩.
Who has the authority to fix the remuneration of a receiver under Order 40 Rule 2?
  1. The Court
  2. The Plaintiff
  3. The Defendant
  4. Both Plaintiff & Defendant
সঠিক উত্তর:
The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule-2: Remuneration:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.

আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক:
আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
১,১৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ডিক্রি বলতে বুঝায়-
  1. চূড়ান্ত ডিক্রি
  2. প্রাথমিক ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।
ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
১,১৯৫.
ক রেজিস্টার্ড দলিলমূলে খ-এর নিকট একটি জমি বিক্রি করলো। বিক্রির পরে খ দেখলো যে এই জমির উপর গ এর চলাচলের অধিকার (easement) আছে যা শুধু ক জানতো। খ-এর প্রতিকার কী?
  1. দলিল সংশোধনের মামলা করা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করা
  3. চুক্তি অবসানের মামলা করা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি অবসানের মামলা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি অবসানের মামলা করা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১,১৯৬.
পাবলিক জায়গায় দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি লড়াই করে জনশান্তি বিঘ্নিত করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. Rioting
  2. Affray
  3. Public nuisance
  4. Unlawful assembly
সঠিক উত্তর:
Affray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Affray
ব্যাখ্যা

⇒ দুজন বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো পাবলিক জায়গায় পরস্পরের সাথে লড়াই করে এবং তা দেখে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়, তখন সেই অপরাধটি Affray (আফ্রে) বা "জনসমক্ষে হুল্লোড় বা মারামারি" নামে পরিচিত। এটি দণ্ডবিধির Section 159 এ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

- Rioting (দাঙ্গা) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) দ্বারা সহিংসতা বা disturbance সৃষ্টি করা (Section 146)।
- Public nuisance (জনউপদ্রব) হলো এমন কোনো কাজ যা সাধারণ জনগণের inconvenient বা harmful (Section 268)।
- Unlawful assembly (বেআইনি জমায়েত) হলো পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন সমাবেশ যাদের সাধারণ অবৈই লক্ষ্য থাকে (Section 141)।
- যেহেতু প্রশ্নে শুধু দুজন বা ততোধিক ব্যক্তির লড়াই এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করার কথা উল্লেখ আছে, তাই এটি Affray এর সংজ্ঞার সাথে মেলে।

- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১,১৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব সম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮ – বিক্রেতার অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকলে ক্রেতার অধিকার (Specific Relief Act):
যদি কেউ কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করে এবং তার মালিকানা সম্পূর্ণ না থাকে (অর্থাৎ অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকে), তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে নিম্নোক্ত অধিকার ভোগ করবেন (যদি এই অধ্যায়ে অন্যথা কিছু না বলা থাকে):

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা বিক্রয় বা ভাড়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে তাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(খ) যদি সম্পত্তির বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করতে অন্য কারো সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে সম্মতি দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(গ) যদি বিক্রেতা সম্পত্তিকে মুক্ত বলে দাবি করেন, কিন্তু তা বন্ধক থাকে (এবং বন্ধকের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে), তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই বন্ধক মুক্ত করতে এবং বন্ধকদাতার কাছ থেকে দলিল গ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(ঘ) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা specific performance মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অসম্পূর্ণ মালিকানার কারণে খারিজ হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতার অধিকার আছে—
- তার জমা দেওয়া টাকার ফেরত পাওয়ার,
- উক্ত টাকায় সুদ পাওয়ার,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার, এবং
- উপরোক্ত অর্থের জন্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে লিয়েন (lien) বা দাবী প্রতিষ্ঠা করার।
১,১৯৮.
নোটিশ জারির মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমা করা হলে, সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ কত দিন সময় পাবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়। যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না, কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে। কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে। রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।

Section 80- Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-

(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and

(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.

(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১,১৯৯.
Continuing breaches and wrongs বিধানটি তামাদি আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের  ২৩ ধারা মতে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ/ অন্যায় করা হলে যতদিন/ যতবার  তা করা হবে তার প্রতিদিন/ প্রতিবার হতেই তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হবে।
১,২০০.
A, B-এর মুখমণ্ডলে স্থায়ী বিকৃতি করার উদ্দেশ্যে তাকে আঘাত করে। কিন্তু সেই আঘাতে B-এর মুখে স্থায়ী বিকৃতি না হলেও সে ২০ দিন ধরে গুরুতর শারীরিক ব্যথায় ভোগে। A-এর অপরাধ কী?
  1. স্বেচ্ছায় সাধারণ আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা
  3. স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
  4. কোনো অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, কেউ যদি গুরুতর আঘাত (grievous hurt) করার ইচ্ছা বা জ্ঞান রেখে কাউকে আঘাত করে, এবং প্রকৃতপক্ষে আঘাত গুরুতর হয়, তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী বলা হয়।
দণ্ডবিধির ধারা ৩২২ অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতেও A স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাতকারী হিসেবে দণ্ডনীয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩২২: স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা:
যে কেউ স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে যে আঘাত করার ইচ্ছা করে বা জানে যে সে করতে পারে তা গুরুতর আঘাত হয়, এবং যদি সে যে আঘাত করে তা গুরুতর আঘাত হয়, তাহলে তাকে বলা হয় "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা"।

ব্যাখ্যা: একজন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয় না যদি না সে গুরুতর আঘাত করে এবং গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রাখে বা জানে যে সে সম্ভবত গুরুতর আঘাত করবে। কিন্তু তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা বলা হয়, যদি একধরনের গুরুতর আঘাত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, সে প্রকৃতপক্ষে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত করে।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করার ইচ্ছা রেখে বা জেনেশুনে, 'খ' কে একটি আঘাত করে যা 'খ' এর মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত করে না, কিন্তু যা 'খ' কে বিশ দিন ধরে তীব্র শারীরিক ব্যথা ভোগ করায়। 'ক' স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করেছে।

⇒ The Penal Code,1860, Section-322: Voluntarily causing grievous hurt:
Whoever voluntarily causes hurt, if the hurt which he intends to cause or knows himself to be likely to cause is grievous hurt, and if the hurt which he causes is grievous hurt, is said “voluntarily to cause grievous hurt". 
Explanation.-A person is not said voluntarily to cause grievous hurt except when he both causes grievous hurt and intends or knows himself to be likely to cause grievous hurt. But he is said voluntarily to cause grievous hurt, if intending or knowing himself to be likely to cause grievous hurt of one kind, he actually causes grievous hurt of another kind. 
 
Illustration:
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. A has voluntarily caused grievous hurt.