বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৩ / ১২৬ · ১,২০১১,৩০০ / ১২,৬০৫

১,২০১.
অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া যথাযথ যত্ন ও সতর্কতার সহিত আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে দুর্ঘটনা অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে না- বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৮১ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

--------------
♦ Accident in doing a lawful act:
- Section 80. Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 
 
♦ Illustration-
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
১,২০২.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  3. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
১,২০৩.
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অভিযুক্তকে একসাথে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন।

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings

(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১,২০৪.
কোন ধারায় চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাওয়া যায়?
  1. ১৮ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা করেছে সে উক্ত চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাইতে পারে।
১,২০৫.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  2. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  3. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
  4. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,

- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
১,২০৬.
'A' একটি বই 'Z'-এর লাইব্রেরি থেকে 'Z'-এর অনুপস্থিতিতে নিয়ে যায়, এই ভেবে যে 'Z' তাকে বইটি নিতে দিতেন। পরে 'A' বইটি বিক্রি করে। এই ক্ষেত্রে 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮৩ ধারা
  3. ৪০৩ ধারা
  4. ৪০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রশ্নে যে পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে তা সরাসরি দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৩ ধারা (Dishonest misappropriation of property)-এর অধীন পড়ে।

ঘটনার বিশ্লেষণ:
‘A’ বন্ধুত্বের কারণে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, তখন তার বিশ্বাস ছিল যে Z হয়তো সম্মতি দিতেন (অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃত চুরি নয় — তাই ৩৭৮ ধারা [চুরি] প্রযোজ্য নয়),
কিন্তু পরে ‘A’ বইটি নিজের লাভের জন্য বিক্রি করে, অর্থাৎ নিজের জন্য আত্মসাৎ করে নেয়, যা অসৎ উদ্দেশ্যে মোচড়যোগ্য সম্পত্তি আত্মসাৎ এর মধ্যে পড়ে।
-  এই আচরণটি ধারা ৪০৩ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।
অর্থাৎ ‘A’ যেহেতু বইটি পরবর্তীতে নিজের লাভের জন্য বিক্রি করেছে, এটি অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সে দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী দোষী হবে।
সঠিক উত্তর: গ) ৪০৩ ধারা।

Illustration(b)
- A, being on friendly terms with Z, goes into Z's library in Z's absence, and takes away a book without Z's express consent. Here, if A was under the impression that he had Z's implied consent to take the 
book for the purpose of reading it, A has not committed theft. But if A afterwards sells the book for his own benefit, he is guilty of an offence under this section.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
১,২০৭.
'চুরি' দস্যুতার শামিল হইবে, যদি চুরির উদ্দ্যেশ্যে চোরাইমাল লইয়া যাইবার সময় অপরাধী ইচ্ছাপূর্বক-
  1. কোন ব্যক্তির মৃত্যু, আঘাত বা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ঘটাইলে বা ঘটাইবার চেষ্টা করিলে,
  2. আশু মৃত্যুর বা আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয় সৃষ্টি করিলে বা ভয় সৃষ্টির চেষ্টা করিলে,
  3. 'ক' বা 'খ'
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১,২০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দানের ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৩৭৪
  2. ৩৭৫
  3. ৩৭৬
  4. ৩৭৭
সঠিক উত্তর:
৩৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
-হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 -------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১,২০৯.
বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি —
  1. সে সরকারকে নিজে থেকে জানায়
  2. অন্য দেশ থেকে অভিযোগ আনে
  3. সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়
  4. বাংলাদেশি কূটনীতিক অনুমোদন দেয়
সঠিক উত্তর:
সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে।
- এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দণ্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
---------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
 When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.
১,২১০.
ক” নাবালক থাকাকালে উইলবলে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা মিরাস[Legacy] আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার অর্জন করে। এর ১১ বৎসর পর ক” সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক” মামলা দায়ের করার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। প্রকৃতপক্ষে ক” সর্বোচ্চ কত বছর এর মধ্যে মামলা করলে মামলা খারিজ হবে না?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৪ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃতের সম্পত্তির জন্য অথবা উইল করা সম্পত্তির অবশিষ্টাংশের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হলো ১২ বৎসর। এই প্রশ্নে ক আইনগতভাবে অপারগ বা নাবালক ছিল ১১ বৎসর। সুতরাং তার মামলা করার অবশিষ্ট মেয়াদ ছিল ১ বৎসর। যেহেতু অবশিষ্ট মেয়াদ ৩ বৎসরের কম আছে, তাই ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপরাগতার সুবিধা দাবী করা যেতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত ৮ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত ২ বৎসর সময় বাড়ায়ে ৩ বৎসর করতে পারে। অর্থাৎ ক সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে পারবে।
১,২১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করার সময় স্পর্শ করার প্রয়োজন নেই যদি-
  1. কোর্ট থেকে অনুমতি না আসে।
  2. আসামি পালানোর চেষ্টা করে।
  3. পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা না থাকে।
  4. আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
সঠিক উত্তর:
আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
 গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
⇒ পুলিশ বা অন্য যিনি গ্রেফতার করবেন, তাকে সরাসরি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে স্পর্শ করতে হবে বা তাকে আটক করতে হবে। তবে, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় কথা বা কাজের মাধ্যমে হেফাজতে যেতে সম্মতি দেয়, তাহলে স্পর্শ করা প্রয়োজন নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- Resisting endeavour to arrest:
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with 71[transportation for life].
১,২১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ২ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-

প্রথম অংশ- ধারা [Sections] 
দ্বিতীয় অংশ- তফসিল [Schedules]। মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে

• তফসিলসমূহ (Schedules]-

১ম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ
২য় তফসিল: বাতিল
৩য় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
৪র্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
৫ম তফসিল: বাতিল
১,২১৩.
কত বয়সের নিচে কোনো নাবালককে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তার অভিভাবকের কাছ থেকে নিয়ে গেলে, সেটি অপহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম: যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১,২১৪.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
Illustration:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
১,২১৫.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত
  2. বিনা পরোয়ানায় আটককৃত
  3. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত
  4. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটককৃত
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটককৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটককৃত
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 
 
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
 
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১,২১৬.
আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. অপ্রাসঙ্গিক হবে
  3. চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. আংশিক প্রাসঙ্গিক ও আংশিক অপ্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারামতে পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না (Confession by accused while in custody of police not to be proved against him): পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকাকালে কোন ব্যক্তি দোষ স্বীকার করলে, তা যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে না হয়, তাহলেতা ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় 'ম্যাজিস্ট্রেট' বলতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য সম্পাদনকারী গ্রামপ্রধানকে বুঝাবে না। তবে গ্রামপ্রধান যদি ১৮৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন, তবে তাকে বুঝাবে।
------------------------------
⇒ Section 26: Confession by accused while in custody of police not to be proved against him:
-No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person. 
⇒ Explanation:– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure,1898.
১,২১৭.
সর্বশেষ কত সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
♦ সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়। ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ দুইটি সংশোধন করা হয়।

♦ ১৭৯৩ সালে সর্ব প্রথম তামাদি আইন ইংরেজীতে প্রবর্তিত হলেও ১৮৫৯ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন প্রণীত হয়। অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৯ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭১ সালে নতুন করে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, ১৮৭১ সালের তামাদি আইনে সরকার কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা দায়েরের সময় ছিল ৬০ বৎসর। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭৭ সালে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়।

♦ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।

♦ তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে পদ্ধতিগত আইন উল্লেখ না থাকলে বিধিবদ্ধ আইন হবে।
১,২১৮.
আদেশ ৪৬ বিধি-৬ কোন বিষয়ের এখতিয়ার নির্ধারণে সহায়তা করে?
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল এখতিয়ার
  3. দেওয়ানী আদালতের মূল এখতিয়ার
  4. জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
১,২১৯.
দণ্ডবিধির ২৬৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ভুল ওজন বা মাপের যন্ত্র নিজের কাছে রাখে এবং তা প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে থাকে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৬ ধারা অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি কোনো ভুল ওজন বা মাপ বা ওজন করার যন্ত্র জেনে-বুঝে নিজের কাছে রাখে, এবং প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তা সংরক্ষণ করে, তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।”
-------
⇒The Penal Code, 1860, Section- 266. Being in possession of false weight or measure:
Whoever is in possession of any instrument for weighing, or of any weight, or of any measure of length or capacity, which he knows to be false, and intending that the same may be fraudulently used, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,২২০.
যেক্ষেত্রে বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপের ফলে যে প্রকৃত বা বাস্তব ক্ষতি হয়েছে বা হবে তা নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই, তখন আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি নিতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. অন্তর্বতীকালীন নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
-----------------------
54. Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

১,২২১.
আদেশ ৪৭ বিধি ৯ অনুসারে রিভিউ আবেদনের নিষেধাজ্ঞা কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যে কোনো আদেশের ক্ষেত্রে
  2. হাইকোর্টের আদেশের ক্ষেত্রে
  3. আপিল আদালতের আদেশের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
১,২২২.
যুগ্ম জেলা জজের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ৩৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
১,২২৩.
ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত আসামী-
  1. শুধুমাত্র রাষ্ট্রপক্ষের বা prosecution witness (Pw) হতে পারে
  2. শুধুমাত্র বিবাদীপক্ষের বা defence witness (DW) হতে পারে
  3. আত্মপক্ষসমর্থনে সাক্ষী হতে পারে।
  4. খ এবং গ উভয়।
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারামতে ফৌজদারি মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে ও সাক্ষী হতে পারবে। অর্থাৎ আসামী তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং একই মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য সকল আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার ক্ষমতাবলে কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি উকিলের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (to be defended by an advocate or pleader)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হবার যোগ্যতাঃ
(১) ফৌজদারী আদালতে কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই কার্যবিধি অনুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেরূপ কোন ব্যক্তির অধিকার বলে এ্যাডভোকেট কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবে।
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ধারা-১০৭ ধারা বা অধ্যায়-১০, অধ্যায়-১১, অধ্যায়-১২, অধ্যায়-২৬ অথবা ধারা-৫৫২ অনুসারে কার্যধারা আরম্ভ করা হয়েছে, সে ব্যক্তি স্বয়ং উক্ত কার্যধারায় সাক্ষী রূপে উপস্থিত হতে পারবে।
(৩) কোন অপরাধ এর দায়ে ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামী পক্ষে সাক্ষী হবার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী রূপে আনা যাবে না; অথবা
(খ) সে সাক্ষ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন প্রকান মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সঙ্গে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না ।
১,২২৪.
বাংলাদেশে কোন দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত আছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট ও দায়রা আদালত
  2. সুপ্রিম কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. জেলা জজ আদালত এবং সহকারি জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
১,২২৫.
'The admission of a party to an attested document of its execution by himself shall be sufficient proof of its execution as against him.'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৬২ ধারায়
  2. ৬৫ ধারায়
  3. ৬৮ ধারায়
  4. ৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
একটি স্বাক্ষরিত দলিলের ক্ষেত্রে, যদি দলিলে একটি পক্ষ নিজের দ্বারা এই দলিলের স্বাক্ষর করার স্বীকৃতি দেয়, তাহলে এটি সেই পক্ষের বিরুদ্ধে সেই দলিলের স্বাক্ষর করার যথেষ্ট প্রমাণ হবে, যদিও এই দলিলটি আইন অনুসারে স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রয়োজন ছিল।

[The admission of a party to an attested document of its execution by himself shall be sufficient proof of its execution as against him, though it be a document required by law to be attested.]
১,২২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৯ ধারায় রায়সিদ্ধ দেনাদারকে কোন কারণে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  2. আর্থিক অক্ষমতার কারণে
  3. ডিক্রি মেটানোর পর
  4. মোকদ্দমা বাতিলের কারণে
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতার কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সালের আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
১,২২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, একই বিষয়ে পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় পূর্বে প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ বিবেচনায় নেওয়া হবে?
  1. ধারা ৫৪৭
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৪
  4. ধারা ৫৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৬
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বে ধারা ৫৪৫-এর অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদান বা আদায় করা হয়ে থাকে, তবে সেই একই বিষয়ে পরবর্তী কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময় আদালত অবশ্যই পূর্বের সেই অর্থপ্রদানকে বিবেচনায় নেবে।
 অর্থাৎ, একবার ক্ষতিপূরণ প্রদান হয়ে গেলে, ভবিষ্যতে দেওয়ানি আদালত যাতে একই ক্ষতির জন্য আবার অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ না দেয় – তা নিশ্চিত করতেই এই বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬- টাকা প্রদান পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় বিবেচনা করতে হবে:
- একই বিষয়ে পরবর্তী কোন দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময় ৫৪৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কোন পরিমাণ অর্থ দেয়া বা আদায় হয়ে থাকলে আদালত তা হিসাবে ধরবেন।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 546-payments to be taken into account in subsequent suit:
At the time of awarding compensation in any subsequent civil suit relating to the same matter, the Court shall take into account any sum paid or recovered as compensation under section 545.
১,২২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ অনুসারে আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার পর অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে _______ অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
  1. ১০দিন
  2. ১৫দিন
  3. ৩০দিন
  4. ৬০দিন
সঠিক উত্তর:
১৫দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময়: বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale: Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১,২২৯.
দেওয়ানি কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে স্থানান্তর করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি আদালতের
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের
  3. দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
  4. যেকোনো ফৌজদারি আদালতের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
১,২৩০.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৭ক কোন ধরনের চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধকী চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তির ইজার চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির ইজার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির ইজার চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract: Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.

১,২৩১.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. রাষ্ট্রদ্রোহ
  3. মানহানি
  4. ডাকাতি
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১,২৩২.
'P' তার ঘোড়া থেকে পড়ে যায় এবং অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সার্জন 'A' দেখতে পায় যে, 'P'-এর মাথার খুলি ছিদ্র করা প্রয়োজন। 'A' 'P' কে হত্যা করার উদ্দেশ্য ছাড়া, সরল বিশ্বাসে 'P' এর মঙ্গলের জন্য তার হুঁশ ফেরার পূর্বে 'P' এর মাথায় ছিদ্র করে। এই ক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. হত্যার চেষ্টা করেছে
  3. নর হত্যার চেষ্টা করেছে
  4. গুরুতর জখম করেছে
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯২ ধারার বিধান সম্মতি ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কার্য: যদি কোন ব্যক্তির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে বা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে সম্পাদিত কাজের ফলে তার কোনরূপ ক্ষতি হয়, তবে উক্ত ক্ষতি হয়েছে বলে কার্যটি অপরাধ হবে না।

যদি কাজটি সম্পাদনকালে বাস্তব অবস্থাবলি এমন হয়ে থাকে যে, সে অবস্থায় উক্ত ব্যক্তির পক্ষে কাজটি করায় সম্মতি জ্ঞাপন করা অসম্ভব ছিল, অথবা সে ব্যক্তি সম্মতিদানে অপরাগ ছিল এবং তার এমন কোন অভিভাবক বা তার সম্পর্কে আইনসম্মত দায়িত্বসম্পন্ন অপর কোন ব্যক্তি ছিল না; যার নিকট থেকে উক্ত ব্যক্তির মঙ্গলার্থে যে কার্যটি করা হচ্ছে, সে কাজে যথাসময়ে সম্মতি নেয়া সম্ভব ছিল:

তবে শর্ত থাকে যে-

প্রথমত (First):- এই ব্যতিক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটালে সে ক্ষেত্রে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাবার চেষ্টা করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

দ্বিতীয়ত (Secondly):-
এই ব্যতিক্রম যে কাজটি সম্পাদনের ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে বলে কাজটি সম্পাদনকারী জানে, সে কাজটি যদি মৃত্যু নিরোধের বা গুরুতর আঘাত এড়াবার কিংবা কোন মারাত্মক রোগ নিরাময়ের বা অশক্তি বিদূরণের উদ্দেশ্য ছাড়াই অপর কোন উদ্দেশ্যে সম্পাদন হয়, তবে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

তৃতীয়ত (Thirdly):- এই ব্যতিক্রম মৃত্যু নিরোধের বা আঘাত এড়াবার উদ্দেশ্য ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা অথবা আঘাত করার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

চতুর্থত (Fourthly):- এই ব্যতিক্রম যে অপরাধ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না, সে অপরাধ করতে সহায়তার বা যোগসাজশের ক্ষেত্রেও এই ব্যতিক্রম প্রয়োগযোগ্য হবে না।

উদাহরণসমূহ - Illustrations:
(ক) চ ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে গিয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে যায়। ক একজন অস্ত্রচিকিৎসক। তিনি চ-কে পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, তার মাথার খুলতে অন্ত্রোপচার করে চিকিৎসা করা আশু আবশ্যক। তদানুসারে ক চ-এর মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তার উপকার হবে এইরূপ আন্তরিক সদিচ্ছায় বা সরল বিশ্বাসে চ-এর স্বয়ং বিচার করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের আগেই তার মাথার খুলিতে অস্ত্রোপচার করেন। ক এর কাজটি অপরাধ বলে বিবেচনা হবে না।

(খ) গুলির ফলে চ নিহত হতে পারে জেনেও বাঘের কবলে পতিত চ-কে নিহত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তাকে বাঘের কবল হতে উদ্ধার করার বা বাচাবার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে ক বাঘটির প্রতি গুলিবর্ষণ করে। গুলির ফলে চ গুরুতরভাবে আহত বা নিহত হয়। ক-এর এইরূপ গুলিবর্ষণ অপরাধজনক হবে না।

(গ) ক একজন সার্জন। তিনি একটি শিশুকে দুর্ঘটনায় পতিত হতে দেখেন এবং শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখেন যে, দুর্ঘটনার ফলে শিশুটি এমন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে যে, অবিলম্বে শিশুটির উপর অস্ত্রোপচার না করলে তার মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতিটি এমন যে শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি প্রার্থনার অবকাশ নাই বা শিশুটির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে তিনি শিশুটির কাকুতি-মিনতি সত্ত্বেও তার উপর অস্ত্রোপচার করেন। ক-এর কাজটি অপরাধ নয়।
১,২৩৩.
এককালীন নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে ________?
  1. ১৪ দিন
  2. ৩ মাসের বেশী
  3. ৩ মাস
  4. ১৪ দিনের বেশী
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাসের সীমাঃ নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
১,২৩৪.
জারির জন্য নতুন দরখাস্ত দাখিল করা যায় না-
  1. ০৩ বছর পর
  2. ০৬ বছর পর
  3. ০৯ বছর পর
  4. ১২ বছর পর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর পর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী বারিতঃ 

(১) নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতিত অন্য কোন ডিক্রি জারীর জন্য আবেদন না করা হয়ে থাকলে সেই একংই ডিক্রি জারীর জন্য—

ক) যে ডিক্রি জারীর আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা
খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা আবর্তক মেয়াদে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারীর প্রার্থনা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ১২ বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলে কোন নতুন আবেদনের উপর জারীর আদেশ প্রদান করা যাবে না।
অর্থাৎ
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়েরের তামাদির সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর উল্লেখ করা হয়েছে।
১,২৩৫.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী কে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত নয়?
  1. অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
  2. বোবা
  3. এমন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
  4. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

⇒ অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি  সাক্ষ্য প্রদানের জন্য উপযুক্ত নয়।
১,২৩৬.
ধারা ১৫০-এর অধীনে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার জন্য কার বিরুদ্ধে আদালত রিপোর্ট করতে পারে?
  1. সাক্ষী
  2. বিচারক
  3. অভিযুক্ত
  4. আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০- যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আদালতের পদ্ধতি:
যদি আদালত মনে করে যে কোনো প্রশ্ন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া করা হয়েছে, তবে আদালত সেই প্রশ্নটি যদি কোনো অ্যাডভোকেট (আইনজীবী) করে থাকে, তাহলে আদালত উক্ত বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগে বা সেই কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে পারে, যাদের কাছে উক্ত আইনজীবী তার পেশাগত কার্যক্রমের জন্য দায়বদ্ধ।

Article 150- Procedure of Court in case of question being asked without reasonable grounds:
If the Court is of opinion that any such question was asked without reasonable grounds, it may, if it was asked by any Advocate, report the circumstances of the case to the High Court Division or other authority to which such Advocate is subject in the exercise of his profession.
১,২৩৭.
যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ বা সহায়তা করে, দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে তার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ, নিযুক্ত, উৎসাহিত বা সহায়তা করে, তবে তাকে সেই বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মতোই শাস্তি প্রদান করা হবে। অর্থাৎ, সে নিজে সমাবেশে সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও অপরাধ সংঘটনের দায়ে দণ্ডনীয় হবে।

⇒ দণ্ডবিধি ১৫০ ধারা: বেআইনি সমাবেশে যোগদানের জন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ বা সহায়তা করা: 
যে কেউ যদি কাউকে বেআইনি সমাবেশে যোগদান বা সদস্য হওয়ার জন্য নিয়োগ করে, নিয়োজিত করে, কাজে লাগায়, উৎসাহিত করে বা এ ধরনের নিয়োগ, নিয়োগপ্রক্রিয়া বা নিয়োজিত করার কাজে সহযোগিতা করে, তবে সে ব্যক্তি ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে।
এছাড়া, সে ব্যক্তি যে কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে বা ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে, তখন এই ধারা অনুসারে নিয়োগকারী বা সহযোগিতা প্রদানকারী ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য সমানভাবে দোষী বলে গণ্য হবে এবং সেই অনুযায়ী শাস্তি পাবে, যেন সে নিজেই ঐ বেআইনি সমাবেশের সদস্য ছিল বা নিজেই অপরাধটি সংঘটিত করেছিল।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 150. Hiring, or conniving at hiring, of persons to join unlawful assembly:
Whoever hires or engages, or employs, or promotes, or connives at the hiring, engagement or employment of any person to join or become a member of any unlawful assembly, shall be punishable as a member of such unlawful assembly, and for any offence which may be committed by any such person as a member of such unlawful assembly in pursuance of such hiring, engagement or employment, in the same manner as if he had been a member of such unlawful assembly, or himself had committed such offence.
১,২৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে চুক্তি বাতিলের মামলা দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১১২
  2. অনুচ্ছেদ-১১৩
  3. অনুচ্ছেদ-১১৪
  4. অনুচ্ছেদ-১১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ এর বিধান: চুক্তি প্রত্যাহার করার (For recession of a contract] মামলা ।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

- যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হয় তখন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
১,২৩৯.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যকর করা যাবে না?
  1. যে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে
  2. যে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না
  3. যে ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেছে
  4. উপরের সকল
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১,২৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুসারে, পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় - 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে:
- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা
- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

১,২৪১.
মোকদ্দমার শুনানির দিন কোন পক্ষই হাজির না হলে আদালত কী করবে?
  1. নোটিশ পাঠাবে
  2. শুনানি স্থগিত করবে
  3. একতরফা রায় দিতে পারবে
  4. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.
১,২৪২.
"Burden of poof" সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আলোচনা হয়েছে?
  1. ২৪ থেকে ৩০ ধারায়
  2. ৫৯ থেকে ৬৯ ধারায়
  3. ৯৩ থেকে ১০০ ধারায়
  4. ১০১ থেকে ১১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০১ থেকে ১১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০১ থেকে ১১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।

- প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)- সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব।
- প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
 সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলির অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
-  কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরুদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
-  দেওয়ানি মামলার পক্ষগণের মধ্যে প্রমাণের দায়িত্ব সদা সর্বদা স্থান পরিবর্তন করে। ফৌজদারি মামলায় সাধারণত আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব অভিযোগকারীর।
- তবে সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে কোন আসামির বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত বলে আসামিপক্ষ দাবি করলে তা প্রমাণের দায়িত্ব আসামি পক্ষের।
------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 101. Burden of proof: 
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist.
When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.
১,২৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল শুনানিতে কতবার পক্ষের অনুরোধে মুলতবি দেওয়া যাবে?
  1. সর্বোচ্চ ১ বার
  2. সর্বোচ্চ ৩ বার
  3. সর্বোচ্চ ৪ বার
  4. সর্বোচ্চ ৬ বার
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক (Order XLI, Rule 12A) অনুযায়ী, আপিলের শুনানি চলাকালে, কোনো পক্ষ যদি মুলতবির আবেদন করে, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত আদালত শুনানি স্থগিত/মুলতবি দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১,২৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) ধারায়, যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত না হন, তবে তদন্ত কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামি জামিনে মুক্তি পাবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) ধারায়, যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত না হন, তবে তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামি জামিনে মুক্তি পাবে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-167:
(5) If the investigation is not concluded within one hundred and twenty days from the date of receipt of the information relating to the commission of the offence or the order of the Magistrate for such investigation- 
(a) the Magistrate empowered to take cognizance of such offence or making the order for investigation may, if the offence to which the investigation relates is not punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Magistrate; and 
(b) the Court of Session may, if the offence to which the investigation relates is punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Court: 
Provided that if an accused is not released on bail under this subsection, the Magistrate or, as the case may be, the Court of Session shall record the reasons for it: 
Provided further that in cases in which sanction of appropriate authority is required to be obtained under the provisions of the relevant law for pthe rosecution of the accused, the time taken for obtaining such sanction shall be excluded from the period specified in this sub-section.
১,২৪৫.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬৪‑এর মৌলিক নীতি কী?
  1. সব দলিল মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণিত হবে
  2. প্রত্যেক দলিল শুধু সার্টিফায়েড কপি দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
  3. ইলেকট্রনিক রেকর্ডে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রযোজ্য নয়
  4. দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: 
এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

Section 64- Proof of documents by primary evidence:
Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.
১,২৪৬.
ধারা ১৪৪ অনুসারে প্রত্যর্পণের আবেদন কখন করা যায়?
  1. ডিক্রি জারির আগে
  2. মামলা শুরুর সময়
  3. ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ হলে
  4. যেকোনো সময় মামলার পক্ষের ইচ্ছায়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ হলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

১,২৪৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের –
  1. ৩২ (১) ধারায়
  2. ২৭ ধারার জন্য
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬২ ধারার মূল কথা হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারার কোন সাক্ষীর জন্য লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা তদন্তাধীন কোন অপরাধ সম্পর্কে কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু এই নিয়মটি সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) এবং ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
♦অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদ্ঘাটন হলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
১,২৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোথায় তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগের বিধান আছে?
  1. আদেশ ৩৮
  2. আদেশ ৪০
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০
ব্যাখ্যা
⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
- অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর বিধি-১ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-
(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১,২৪৯.
বার কাউন্সিল বা এর ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর কোন কাজের জন্য তাদের  বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না,যদি কাজটি করা হয়-
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে 
  2. সৎ উদ্দেশ্যে 
  3. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে
  4. ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৮: বার কাউন্সিল বা কোনো ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা বার কাউন্সিলের কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই আদেশের বা এর অধীনে প্রণীত বিধির কোনো বিধানের অধীনে সৎ উদ্দেশ্যে করা বা করার উদ্দেশ্যে করা কোনো কাজের জন্য কোনো মামলা বা অন্যান্য আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
----------------
Article 18: No suit or other legal proceeding shall lie against the Bar Council or any Tribunal, Committee, officer or servant of the Bar Council for any act in good faith done or intended to be done in pursuance of the provisions of this Order or rules made thereunder.

১,২৫০.
A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে, এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। এক্ষেত্রে, A ________ করেছে।
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধু সম্পত্তি গোপন
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

১,২৫১.
অ্যাডভোকেট কর্তৃক মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায়ের মামলার তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ৮৪ অনুযায়ী, যদি কোন অ্যাডভোকেট তার মামলা বা কাজের জন্য খরচ আদায় করতে চায়, এবং সেই খরচ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা প্রকাশ্যে নির্ধারিত না থাকে, তবে এমন মামলার তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
→ এই ৩ বছরের গণনা শুরু হয়:
- সংশ্লিষ্ট মামলা বা কাজ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে, অথবা
- যদি অ্যাডভোকেট যথাযথভাবে সেই মামলা বা কাজ পরিত্যাগ করে, তাহলে কাজ পরিত্যাগের তারিখ থেকে।
→ অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটের খরচ আদায়ের দাবি দাখিল করার জন্য ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে, না হলে তামাদি হয়ে যাবে।
১,২৫২.
কত জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৬ জন
  3. ৫ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা
• ধারা-২ (১৮): বিধি বলতে প্রথম সিডিউলে বর্ণিত নিয়ম বা ফর্ম বা দেওয়ানী কার্যবিধির ১২২ ধারার অধীন প্রণীত নিয়ম [Rules] বুঝায়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে নিম্নলিখিত ২টি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে- সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের (হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধি প্রণয়ণের ক্ষমতা এবং দেওয়ানী আদালতের পদ্ধতি সম্পর্কে এবং প্রথম তফসিলের যেকোন নিয়ম বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করার ক্ষমতা।

• ধারা-১২৩ অনুযায়ী সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রাক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানী আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে।এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
১,২৫৩.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই-
  1. আপিলের জন্য
  2. রিভিশনের জন্য
  3. রিভিউ এর জন্য
  4. এবেটমেন্ট রদের জন্য
সঠিক উত্তর:
রিভিশনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনের জন্য
ব্যাখ্যা
রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। আদালতে একটি প্রথা চালু আছে যে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে প্র্যাক্টিক্যালি ব্যবহার করা হয়।
১,২৫৪.
সুদ পরিশোধের ফলে তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে প্রয়োজন- 
  1. মৌখিক স্বীকৃতি
  2. স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
  3. আদালতের অনুমোদন
  4. দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি 
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ধারা ২০ (Section 20) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার ঋণের সুদ বা ঋণের কোনো অংশ তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিশোধ করে, তাহলে নতুন করে তামাদি মেয়াদ শুরু হয়, তবে তা তখনই কার্যকর হবে যখন এই পরিশোধের একটি লিখিত স্বীকৃতি থাকবে।
- এই স্বীকৃতি অবশ্যই, হস্তলিখিত (handwritten) অথবা স্বাক্ষরিত (signed) হতে হবে, এবং অবশ্যই পরিশোধকারী ব্যক্তি বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের মাধ্যমে হতে হবে।
- মৌখিক স্বীকৃতি, সাক্ষী বা আদালতের অনুমোদন – এগুলো এই ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক নয় এবং তামাদি নবায়নের জন্য যথেষ্ট নয়।

উদাহরণস্বরূপ:
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি তার ঋণের সুদ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ পরিশোধ করেছে এবং সেই পরিশোধ তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি লিখিত কাগজে উল্লেখ আছে, তাহলে নতুন তামাদি মেয়াদ শুরু হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.

১,২৫৫.
যখন আদালতকে কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন কার মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. ট্রাইব্যুনালের 
  2. বিশেষজ্ঞদের
  3. উক্ত ব্যক্তির
  4. সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ক অনুযায়ী, যখন আদালতের কারো ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন প্রয়োজন হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের মতামতকে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৭ক: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক: যখন আদালতের কোন ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করা প্রয়োজন হয়, তখন যেই ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রস্তুতকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ ইস্যু করেছে, তার মতামত প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।
--------------------------------------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 47A,Opinion as to digital signature where relevant: When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.

১,২৫৬.
ডিক্রি জারির জন্য নিম্নের কোন সম্পত্তি বিক্রি করা যাবে না?
  1. ব্যাংক নোট
  2. হিসাবের খাতা
  3. হুন্ডি
  4. বিল অফ এক্সচেঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হিসাবের খাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিসাবের খাতা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৬০ অনুসারে,

♦ ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি  ও বিক্রি করা যাবে তা হলো:

জমি, বাসগৃহ বা অন্যান্য দালানকোঠা, মালপত্র, নগদ টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অফ এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিজরি নোট, গভর্নমেন্ট সিকিউরিটি, কোম্পানির শেয়ার।

♦ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করা যাবে না তা হলো:
দেনাদার বা তাহার স্ত্রীর বা সন্তানের পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার  বাসনপত্র, এমন গহনা যা ধর্মীয় বিধানমতে খুলে ফেলা উচিত নহে, দেনাদার কারিগর  হলে কারিগরের হাতিয়ারপত্র বা চাষি হলে চাষের হাতিয়ার পত্র, গো- মহিষাদি, বীজ, হিসাবের খাতা-পত্র ইত্যাদি।
১,২৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান অনুসারে একজন রায় সিদ্ধ ডিক্রির দেনাদার ব্যক্তিকে আদালত কোন পরিস্থিতিতে মুক্তি দিতে পারে?
  1. যদি সে পুরুষ হয়
  2. যদি সে মহিলা হয়
  3. যদি সে অসুস্থ থাকে
  4. যদি সে জামানত দেয়
সঠিক উত্তর:
যদি সে অসুস্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি সে অসুস্থ থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৯ অনুযায়ী, যদি রায় সিদ্ধ ডিক্রির দেনাদার ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হন বা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোনো সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায় সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীন তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায় সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লিখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on grounds of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the grounds of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not, in the aggregate, exceed that prescribed by section 58.
১,২৫৮.
In legal terms, a perpetual injunction implies:
  1. A judicial process
  2. Preventive in nature
  3. Thing prevented is a wrongful act
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
Perpetual injunction হল একটি স্থায়ী আদেশ, যা আদালত থেকে একটি নির্দেশনা যা একজন ব্যক্তি বা পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করে। এটি মূলত একটি প্রতিরোধমূলক (preventive) ব্যবস্থা যা কোনো অপরাধমূলক কাজ বা অনুপযুক্ত কর্মকাণ্ড (wrongful act) বন্ধ করতে নেয়া হয়। এটি আদালতের একটি বিচারিক প্রক্রিয়ার (judicial process) অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53- Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১,২৫৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে Judicial Magistrate কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬(৩) অনুসারে Judicial Magistrate বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোট চার প্রকার (চার শ্রেণির):
১. মেট্রোপলিটন এলাকায় - চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায় - চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (মেট্রোপলিটন এলাকায় যাদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়)।
৩. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৪. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

- ধারা ৬(৩)-এর ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে আরও উল্লেখ আছে যে "চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" পদগুলোতে তাদের "অতিরিক্ত" (Additional) পদধারী ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত হন।
সুতরাং, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোট ৪ প্রকার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; সুপ্রিম
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section-6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

১,২৬০.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
  2. আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
  3. আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
  4. মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে-মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে।

⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারার বিধান মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল: 
১.কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।
2.একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
3. উপধারা ১ ও ২ এর বিধানাবলি, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-------------------
17.The Limitation Act 1908, Section-17, Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.

১,২৬১.
একজন ব্যক্তি পুলিশের সামনে একটি আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করল, কিন্তু নিজের নাম-ঠিকানা বলতে অস্বীকৃতি জানাল। এক্ষেত্রে পুলিশ-
  1. তাকে জরিমানা করবেন
  2. অন্য কোনো অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত করবেন
  3. কোর্টের নির্দেশ ছাড়া তাকে আটক রাখতে পারবে না
  4. প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
১,২৬২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের (Murder) সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০১ ধারায়
  4. ৩০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
১,২৬৩.
ব্যবসাকালীন সময়ে কোন মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩২(২) ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৩) ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২(৭) ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(২) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২(২) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------
⇒  Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
Section 32. Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–

⇒ When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.

⇒ or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.

⇒ or against interest of maker;
(3) When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.

⇒ or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
(4) When the statement gives the opinion of any such person as to the existence of any public right or custom or matter of public or general interest, of the existence of which, if it existed, he would have been likely to be aware, and when such statement was made before any controversy as to such right, custom or matter has arisen.

⇒ or relates to existence of relationship;
(5) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or is made in will or deed relating to family affairs;
(6) When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
(7) When the statement is contained in any deed, will or other document which relates to any such transaction as is mentioned in section 13, clause(a).

⇒ or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
(8) When the statement was made by a number of persons, and expressed feelings or impressions on their part relevant to the matter in question.
১,২৬৪.
মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিয়ে যদি দেখে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তি আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
  1. শাস্তি দিবেন
  2. চার্জ গঠন করবেন
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন
  4. মামলার রায় দিবেন
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০);
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

Section 242- Charge to be framed:
If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
১,২৬৫.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' এর বিধান আছে?
  1. ১১
  2. ২৩
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
-অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:

Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
১,২৬৬.
তামাদি আইনের ৬ ধারায় কয় ধরনের অপারগতাকে 'আইনগত অপারগতা' হিসেবে বৈধতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ২ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

⇒ মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

১,২৬৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি তদন্তে দেখা যায় যে আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই কিন্তু আরও তদন্ত প্রয়োজন, তখন কী হবে?
  1. আসামিকে শাস্তি দেওয়া হবে
  2. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে
  3. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে না
  4. আসামিকে অবশ্যই কারাগারে রাখতে হবে
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুসারে, যদি তদন্তের কোন পর্যায়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, আসামি জামিন অযোগ্য (নন-বেইলেবল) অপরাধ করেছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, কিন্তু তার অপরাধ সম্পর্কে আরও তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তাহলে আসামিকে সেই তদন্ত চলাকালীন জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে আদালত বা কর্মকর্তা নিজ বিবেচনায় তাকে বিনা জামানতে (কেবল নিজের বন্ডে) কিংবা জামানতসহ জামিন দিতে পারেন।
- সুতরাং, ধারা ৪৯৭(২) এর শর্ত পূরণ হলে জামিন দেওয়া একটি স্পষ্ট বিধান।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

১,২৬৮.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি কখন গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. যখন রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে
  2. যখন রেকর্ডটি পুরনো হবে
  3. যখন রেকর্ডটি ডিজিটালি স্বাক্ষরিত হবে
  4. যখন রেকর্ডটি আদালতে জমা হবে
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
১,২৬৯.
Who must be restored to their original position for a contract to be rescinded due to mistake under Section 36?
  1. Both parties involved
  2. The party who made the mistake
  3. The court deciding the case
  4. The party against whom rescission is adjudged
সঠিক উত্তর:
The party against whom rescission is adjudged
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The party against whom rescission is adjudged
ব্যাখ্যা
Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
১,২৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. লিখিত চুক্তি
  2. মৌখিক চুক্তি
  3. মৌখিক ও লিখিত চুক্তি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধন (rectification) শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, এবং আদালতকে নিশ্চিত হতে হয় যে উভয় পক্ষ একটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিচারমূলক চুক্তি করতে চেয়েছিল। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১,২৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুসারে কোন প্রক্রিয়ার নোটিশ উকিল সরবরাহ করতে পারে না?
  1. সাক্ষীর সমন
  2. ডিক্রি কার্যকরের রিট
  3. দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
  4. বিবাহবিচ্ছেদ মামলার নোটিশ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকরের রিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকরের রিট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৯, বিধি ১ অনুযায়ী, নিম্নোক্ত বিচারিক প্রক্রিয়া উকিল (advocate) বা তার নিযুক্ত ব্যক্তি পরিবেশন (serve) করতে পারেন:
- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ (Notice to produce documents)
- সাক্ষীদের সমন (Summons to witnesses)
- অন্যান্য বিচারিক প্রক্রিয়া (other judicial processes)
→ যখন সেগুলো হাইকোর্ট বিভাগের আসল দেওয়ানি, বিবাহ সম্পর্কিত, উইল সংক্রান্ত বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিচারিক ক্ষমার আওতায় পড়ে।

তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, যেগুলো উকিল বা তার লোক পরিবেশন করতে পারবেন না:
- Defendants-এর সমন (summonses to defendants)
- ডিক্রি কার্যকরের রিট (writs of execution) 
- প্রতিপক্ষের প্রতি নোটিশ (notices to respondents) 

তাই, প্রশ্ন অনুযায়ী এর সঠিক উত্তর হলো:
খ) ডিক্রি কার্যকরের রিট — কারণ এটি স্পষ্টভাবে আদেশ ৪৯, বিধি ১-এ ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order- XLIX, Rule-1: Who may serve processes of the High Court Division:
Notices to produce documents, summonses to witnesses, and all other judicial processes issued by the High Court Division while exercising its original civil jurisdiction (including matrimonial, testamentary, and intestate jurisdictions)—except for summonses to defendants, writs of execution, and notices to respondents—may be served by: The advocates involved in the suits, Persons employed by those advocates, or Any other persons as directed by the High Court Division through its rules or orders.
১,২৭২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪
  2. ধারা-১০৭
  3. ধারা-১০৮
  4. ধারা-১২০
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১০৭-এ "অপরাধে প্ররোচনা" (Abetment of a thing) এর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কেউ অপরাধে প্ররোচনা দেয় যদি সে প্ররোচিত করে (Instigates), বা ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে, এবং তাতে কোনো বেআইনি কাজ সংঘটিত হয়, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (intentionally aids), কোনো কাজ করে বা বেআইনি অব্যাহতি দিয়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১,২৭৩.
ফরিয়াদী কত দিনের মধ্যে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:
 
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
 
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
১,২৭৪.
তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কীভাবে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
  2. কেবল ১২ বছরের মধ্যে মামলা করা যাবে
  3. নির্দিষ্ট সময়সীমার পর মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কেবল উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ক) যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।
⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে কারও কাছে ন্যস্ত (vested) থাকে, তাহলে সেই সম্পত্তির মালিক বা তার আইনি প্রতিনিধি বা অধিকারী (assigns) – যদি তারা বিনিময়ে কোনো মূল্য পরিশোধ না করে থাকেন – তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে তামাদি সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য নয়।
এর অর্থ হলো, সুনির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি উদ্ধার বা তার হিসাব চাওয়ার জন্য মামলা দায়েরের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, যেকোনো সময় মামলা করা সম্ভব।
তবে, এই বিধান সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, এটি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি ও ধর্মীয় বা দাতব্য ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি-এর জন্য প্রযোজ্য।

→ ধারা ১০-এর বিশেষ দিকসমূহ:
- সাধারণ তামাদি সময়সীমা প্রযোজ্য নয় – সাধারণত দেওয়ানি মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিভিন্ন ধারা নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়, তবে ধারা ১০-এর আওতাভুক্ত ট্রাস্ট সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা নেই।
- ধর্মীয় বা দাতব্য ট্রাস্টও অন্তর্ভুক্ত – মুসলিম, হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সংক্রান্ত সম্পত্তিকে নির্দিষ্ট ট্রাস্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এসব ট্রাস্টের ম্যানেজারকে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে – ট্রাস্টের সম্পত্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের দখলে চলে যায়, তাহলে ট্রাস্টি বা তার উত্তরাধিকারী যেকোনো সময় মামলা করতে পারবেন।

→ অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
(খ) কেবল ১২ বছরের মধ্যে মামলা করা যাবে – এটি ভুল, কারণ ধারা ১০-এর আওতায় ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট তামাদি সীমা নেই।
(গ) নির্দিষ্ট সময়সীমার পর মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না – এটি ভুল, কারণ নির্দিষ্ট ট্রাস্টের জন্য সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।
(ঘ) কেবল উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে – এটি ভুল, কারণ মূল ট্রাস্টির বিরুদ্ধেও মামলা করা যেতে পারে।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। তাই যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।
১,২৭৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৫ ধারায় কাকে সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. ক এবং খ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।

Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
১,২৭৬.
চিকিৎসায় অবহেলাজনিত (Medical Negligence) কারণে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায়, তাহলে ডক্তারকে দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত করা যায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ Causing death by negligence:
Section 304A. Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১,২৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কয়টি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

১,২৭৮.
Direct re-admission of appeal –এর বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ২০ রুল ২১
  2. আদেশ ৪০ রু ল ১৯
  3. আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
  4. আদেশ ৪৩ রুল ২১ক
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৪১ এর ১৯ক বিধির বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Direct re-admission of appeal): বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে। এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
♦অর্থাৎ আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক তে আপিলকারীর ব্যর্থতার কারণে আপিল খারিজ হলে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে কোনো সাক্ষ্যগ্রহণ ব্যতীত আদালত সরাসরি আপিল পুনরায় গ্রহণ করতে পারবেন।
১,২৭৯.
অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
 
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
 
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
১,২৮০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় ফৌজদারী আদালতসমূহের শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:

(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
১,২৮১.
মিথ্যা সাক্ষ্য (False Evidence) প্রদানের সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. ১৯১ ধারা
  2. ১৯২ ধারা
  3. ২৯১ ধারা
  4. ১৯৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ১৯১ ধারা মতে কোন ব্যাক্তি যখন শপথ সহ বা শপথ ছাড়া কোন বিষয়ে আইনগত বাধ্য হয়ে এমন কোন মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি দেয় যা তার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে মিথ্যা বা অসত্য, তখন এরূপ বিবৃতিকে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বলে।
১,২৮২.
কোনটি ফরেনসিক সাক্ষ্য নয়?
  1. চুল
  2. ডিএনএ
  3. মাইক্রোফিল্ম
  4. তালুর ছাপ
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফিল্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোফিল্ম
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 ধারা ৩:
যে সকল উপাদান বা বস্তু রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের যেকোনো উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA), আঙুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের আইরিসের ছাপ এবং পদচিহ্ন বা অন্যান্য অনুরূপ উপাদানের সাথে সম্পর্কিত এবং যা—
(i) কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে বা কোনো অপরাধ ও তার ভুক্তভোগী বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে; এবং
(ii) কোনো তথ্য প্রমাণ বা খণ্ডন করতে পারে—

সে সকল উপাদান বা বস্তু "শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ" (Physical or Forensic Evidence) বলে।

উল্লেখ্য, 'মাইক্রোফিল্ম' ডিজিটাল সাক্ষ্য।
১,২৮৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে কাউকে আটক রাখার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা 340
  2. ধারা 342
  3. ধারা 343
  4. ধারা 344
সঠিক উত্তর:
ধারা 343
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 343
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ধারা 343.
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক রাখে, তবে সে ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860- Section 343. Wrongful confinement for three or more days:
- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,২৮৪.
যদি কোনো মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত থাকেন, তবে মামলা পরিচালনার অধিকার কার?
  1. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
  2. কনিষ্ঠ আইনজীবী
  3. যিনি আগে নিযুক্ত হয়েছেন
  4. যিনি পরে নিযুক্ত হয়েছেন
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

• Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য-
বিধি ১১: যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হইয়া থাকেন, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করিবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাহাকে সহযোগীতা করিবেন।

[Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.]
১,২৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা কোন বিষয়ে বিশেষ বিধান প্রদান করে?
  1. হত্যার অপরাধ
  2. চুরির অপরাধ
  3. জালিয়াতির অপরাধ
  4. স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর সঙ্গে সংঘটিত যৌন সম্পর্ক সংক্রান্ত ধর্ষণের অভিযোগে বিশেষ বিধান প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী, সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট এ ধরনের অভিযোগ আমলে নিতে পারেন না এবং কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-ই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 561. Special provisions with respect to offence of rape by a husband:
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall– 
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or 
(b) send the man for trial for the offence. 
(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
১,২৮৬.
পেনাল কোডের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ না করা সত্বেও শুধু সাধারণ উদ্দেশ্য থাকায় অপরাধ সংঘটনের অপরাধে অভিযুক্ত হতে হয়?
  1. ৩৪
  2. ১৪৯
  3. ১৮৬
  4. ১৩৯
সঠিক উত্তর:
১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ১৪৯ ধারায় বেআইনী সমাবেশের দায় সম্পর্কে বলা হয়েছে। পেনাল কোডের ১৪৯ ধারা অনুযায়ী কোন বেআইনী সমাবেশের যেকোন সদস্য কর্তৃক সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে, অথবা সমাবেশের সদস্যগণ সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উক্ত অপরাধ সংঘটিত হতে পারে মর্মে জ্ঞাত থাকলে তাদের প্রত্যেকে উক্ত অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
♦পেনাল কোডের ৩৪ ধারায় যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অভিযুক্তদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। ৩৪ ধারার ক্ষেত্রে উপস্থিতি প্রয়োজনীয় না। অন্যদিকে ১৪৯ ধারা প্রয়োগ করতে হলে অপরাধ সংঘটনের অংশগ্রহণ প্রয়োজনীয় না বরং সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাধ সংঘটনের সময় বেআইনী সমাবেশে উপস্থিত ছিল এটাই তাকে দায়ী করার জন্য যথেষ্ট ।
১,২৮৭.
According to Section 368(2), what restriction applies to a sentence of transportation?
  1. It must specify the exact prison
  2. It must specify the duration only
  3. It shall not specify the place of transportation
  4. It must include the country of transportation
সঠিক উত্তর:
It shall not specify the place of transportation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It shall not specify the place of transportation
ব্যাখ্যা

Section- 368: Sentence of death, Sentence of transportation:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) নির্বাসনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

১,২৮৮.
চোরাইমাল যার কাছে পাওয়া গেছে সে কারণ দর্শাতে না পারলে, আদালত তাকে চোর বা জেনেশুনে চোরাইমাল গ্রহণ করেছে বলে অনুমান করে নিতে পারে- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১১১ ধারায়
  2. ১১২ ধারায়
  3. ১১৩ ধারায়
  4. ১১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -

(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;

(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
১,২৮৯.
করিম সুস্থ থাকা অবস্থায় মোকদ্দমা করার অধিকার অর্জন করে। কিন্তু মোকদ্দমা দায়ের করার আগেই সে উন্মাদ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য তামাদি গণনার পরিণতি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. স্থগিত থাকবে
  2. অপারগতা শেষ হবার পর গণনা শুরু হবে
  3. স্থগিত থাকবে না
  4. শুধু ৩ বছর স্থগিত খাকবে
সঠিক উত্তর:
স্থগিত থাকবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত থাকবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

উল্লিখিত ক্ষেত্রেও করিম সুস্থ থাকা অবস্থায় মোকদ্দমা করার অধিকার অর্জন করে। পরবর্তীতে অপারগ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে মোকদ্দমার তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে না।
১,২৯০.
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই-
  1. লিখিত এবং বৈধ হতে হবে
  2. মৌখিক এবং বাতিল হতে হবে
  3. লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  4. মৌখিক এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে।

৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
১,২৯১.
যে উৎপাত দ্বারা জনগণকে ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদগ্রস্থ বা অসুবিধার সৃষ্টি করা হয়, তাহাকে বলা হয়-
  1. উৎপাত (nuisance)
  2. গণ উৎপাত (Public nuisance)
  3. ব্যক্তিগত উৎপাত
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
গণ উৎপাত (Public nuisance)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ উৎপাত (Public nuisance)
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

---------------------------------------
♦ Public nuisance:
Section 268. A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
১,২৯২.
ফৌজদারি আদালতের রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, কোন পরিস্থিতিতে রায় পরিবর্তন বা রিভিউ করা যেতে পারে?
  1. রায়ে করণিক ভুল থাকলে
  2. অপরাধী অনুপস্থিত থাকলে
  3. মামলার কোন নতুন সাক্ষ্য পাওয়া গেলে
  4. কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে করণিক ভুল থাকলে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) রায়ে করণিক ভুল (clerical mistake) থাকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.

১,২৯৩.
X, Y এর অধীনে ৩ বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন _________।
  1. বলবৎযোগ্য
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
  3. বলবৎযোগ্য নয়
  4. আংশিক বলবৎযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 

(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 

And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১,২৯৪.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আইনগত অপারগতার বিধানসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ৬, ৭ ধারায়
  2. ৬,৭,৮, ৯ ধারায়
  3. ৭,৮, এবং ৯ ধারা
  4. ৬, এবং ৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬,৭,৮, ৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,৭,৮, ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦কোন গুলো আইনগত অপারগতা তা ৬ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, যেক্ষেত্রে একাধিক বাণী বা আবেদনকারী আইনগত অক্ষম থাকে সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা ৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং ধারায় ৬ ও ৭ ধারার ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং ৮ ধারায় উল্লেখিত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬৭ ধারা ব্যাখ্যা করতে হবে। ৯ ধারায় বলা হয়েছে, একবার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা তা বন্ধ করতে পারবেনা। অর্থাৎ ৬ ধারা প্রযোজ্য করতে হলে দেখাতে হবে যে, মামলা দায়েরের অধিকার যখন সৃষ্টি হয়েছিল তখন বাদী আইনগত অক্ষম ছিল। সুতরাং ৯ ধারা অনুযায়ী মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হওয়ার পর কোন বাদী আইনগত অক্ষম হলে সেই ক্ষেত্রে ৬ ধারা প্রযোজ্য হবেনা এবং তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবেনা।
১,২৯৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪২ ধারায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত কী করবে?
  1. নতুন সাক্ষী ডাকবে
  2. রায় ঘোষণা করবে 
  3. ন্যায়সঙ্গত অনুমান করবে
  4. অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪২ – অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতা:
(১) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণে যে কোনো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আদালত তদন্ত বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে, পূর্বে কোনো সতর্কীকরণ ছাড়াই, তাকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারে। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এবং অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আহ্বান করার পূর্বে আদালত মামলার বিষয়ে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

(২) অভিযুক্ত ব্যক্তি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানালেও বা ভুল উত্তর দিলেও সে জন্য তাকে কোনো শাস্তির অধিকারী হবে না; তবে এর ফলে আদালত যে ন্যায়সঙ্গত ধারণা বা অনুমান গঠন করতে পারে, তা গ্রহণ করতে পারবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তির দেওয়া উত্তরসমূহ সংশ্লিষ্ট তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে- যদি সেই উত্তর তার অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের ইঙ্গিত দেয়।

(৪) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই শপথবদ্ধ করা যাবে না।

১,২৯৬.
What type of allegations does the Court examine under Order 10 Rule 1?
  1. Witness statements
  2. The personal opinions of the plaintiff
  3. Oral arguments made by both parties
  4. Allegations mentioned in the plaint or written statement
সঠিক উত্তর:
Allegations mentioned in the plaint or written statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Allegations mentioned in the plaint or written statement
ব্যাখ্যা
Order 10 Rule 1: Ascertainment whether allegations in pleadings are admitted or denied-
At the first hearing of the suit the Court shall ascertain from each party or his pleader whether he admits or denies such allegations of fact as are made in the plaint or written statement (if any) of the opposite party, and as are not expressly or by necessary implication admitted or denied by the party against whom they are made. The Court shall record such admissions and denials.

• বিধি-১ (আরজি জবাবের অভিযোগাদি স্বীকৃত না অস্বীকৃত তা নিশ্চিতকরণ)-
আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে প্রত্যেক পক্ষ কিংবা পক্ষের উকিল হতে নিশ্চিত করবে যে, সেই পক্ষ অপর পক্ষের আরজিতে কিংবা লিখিত বিবৃতিতে (যদি থাকে) রচিত তথ্যগত উক্তি সমূহ স্বীকার না কি অস্বীকার করে, এবং যা সংশ্লিষ্ট পক্ষ দ্বারা প্রকাশ্য কিংবা প্রয়োজনীয় অর্থে স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়নি-আদালত একই ধরণের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিসমূহ রেকর্ড করবে।
১,২৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৫(১) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কখন আসামিকে খালাস দেবেন?
  1. যখন সাক্ষীরা উপস্থিত না হয়
  2. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
  4. যখন আসামি অপরাধ স্বীকার করে
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৫(১) অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ২৪৪ অনুসারে সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রয়োজনমতো অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের পরে এবং যদি অভিযুক্তকে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দোষ মনে করেন, তখন খালাসের আদেশ দিবেন।
- এখানে মূল শর্ত হলো ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দোষ সাব্যস্ত করার সিদ্ধান্ত। তিনি ধারা ২৪৪ অনুযায়ী সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্য সংগ্রহ এবং (প্রয়োজনে) আসামির জবানবন্দি নেওয়ার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।


⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - খালাস:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ২৪৪ ধারায় উল্লেখিত সাক্ষ্যগ্রহণ করে এবং তিনি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে যে অতিরিক্ত সাক্ষ্য (যদি থাকে) হাজির করতে বলেন তা গ্রহণ করে এবং (যদি তিনি উপযুক্ত মনে করেন) আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করেন, তাহলে তিনি খালাসের আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
শাস্তি:
(২) যদি ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ না করেন, তবে যদি তিনি অভিযুক্তকে দোষী মনে করেন, তাহলে তিনি আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের উপর দণ্ড আরোপ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 245. Acquittal:
(1) If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.
Sentence:
(2) Where the Magistrate does not proceed in accordance with the provisions of section 349 , he shall, if he finds the accused guilty, pass sentence upon him according to law.

১,২৯৮.
‘A’ একটি মামলায় দাবি করে যে একটি ডিজিটাল রেকর্ডে তার স্বাক্ষর জাল। ‘A’ মৌখিকভাবে বলে যে ডিজিটাল রেকর্ডটি তার নয়। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই মৌখিক বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (22A) অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে ‘A’ দাবি করছে যে ডিজিটাল রেকর্ডে তার স্বাক্ষর জাল, অর্থাৎ রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তাই তার মৌখিক বক্তব্য, “ডিজিটাল রেকর্ডটি আমার নয়,” ধারা ২২ক-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১,২৯৯.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার,  যাকে গ্রেফতার করা হবে-
  1. তার থেকে গ্রেফতারী পরোয়ানা গোপন রাখবেন।
  2. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং অবশ্যই উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
  3. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন কিন্তু কোন ভাবে তাকে পরোয়ানাটি দেখাবেন না।
  4. তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারার বিধান পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

♦ Section 80. Notification of substance of warrant: The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
১,৩০০.
Set off বা পাল্টা দাবী কখন হতে পারে?
  1. বন্টনের মামলায়
  2. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  3. স্বত্বের মামলায়
  4. অর্থের মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮ আদেশের ৬(১) বিধিতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, পাওনা অর্থ উদ্ধারের দাবিতে দায়েরকৃত কোন মামলায় যদি বাদির নিকট থেকে বিবাদী যে পরিমাণ টাকা দাবি করে তা যদি বাদির দাবিকৃত অর্থ দ্বারা পরিশোধ করতে চায় এবং এই টাকার পরিমাণ যদি নির্ধারিত থাকে এবং তা যদি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং বাদির মামলার মতো  বিবাদির দাবির ক্ষেত্রেও বাদী এবং বিবাদী একই পর্যায়ে পড়ে, তবে মামলার প্রথম শুনানির তারিখেই বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সহ একটি লিখিত জবাব দাখিল করার অধিকারী হবে।