বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১ / ১২৬ · ১,০০১১,১০০ / ১২,৬০৫

১,০০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুসারে, এই ধারার বিধান কার্যকর করার জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. জেলা প্রশাসক
  4. কারা মহাপরিদর্শক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ কার্যকর করার জন্য সরকার বিধি প্রণয়ন করতে পারে। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারেন। কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন (rules) প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সরকারকে।
অর্থাৎ, সরকারই নির্ধারণ করবে কীভাবে অপরাধী তার বাসস্থান, পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: সরকার (খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) এর বিধান: "সরকার এই ধারার মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদীদের আবাস বা আবাসের পরিবর্তন কিংবা আবাসস্থল থেকে অনুপস্থিতি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিষয়ে বিধান কার্যকর করার উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়ন করতে পারিবেন।"
"সরকার" বলতে এখানে বাংলাদেশ সরকার/গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার-কে বোঝায়।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য হলো, মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী কীভাবে তার ঠিকানা, ঠিকানা পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত জানাবে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রক্রিয়া বা বিধিমালা প্রণয়ন করা।

১,০০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'What instruments may be partially cancelled' এর বিধান কত ধারায় আছে?
  1. ৩৭ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৩১ ধারায়
  4. ৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
-----------------
SR Act Section-40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.

Illustration
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
১,০০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে নিচের কোনটি “ডিক্রি” হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  3. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  4. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

১,০০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের কত বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধের বিধান রয়েছে?
  1. ১নং বিধিতে
  2. ৪নং বিধিতে
  3. ৬নং বিধিতে
  4. ৮নং বিধিতে
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
 
৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—

১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।
 
২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।
 
৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১,০০৫.
'Exclusion Of Time In legal Proceedings' সম্পর্কিত বিধান The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় রয়েছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১২ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে(Exclusion of time in legal proceedings)-
(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।
১,০০৬.
যদি একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করেন এবং চুক্তির পরদিন সেটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে:
  1. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  2. ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
  3. বিক্রেতা চুক্তি পালনের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হবে
  4. সম্পত্তি পুনঃনির্মাণ না করা পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা সম্পত্তির মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হবে
ব্যাখ্যা
Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.
[চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।]

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১,০০৭.
১১৮ ধারার অধীনে মুচলেকার অর্থের পরিমাণ কেমন হবে?
  1. অত্যধিক
  2. আদালতের চাহিদা অনুযায়ী
  3. পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
  4. অভিযোগকারীর চাহিদা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
১,০০৮.
কোনো ধর্ষণ মামলার ভুক্তভোগীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে চাইলে, নিচে বর্ণিত কোন ধরনের প্রশ্ন করা থেকে সাক্ষ্য আইনে বারিত করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অসামঞ্জস্যতা
  2. সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
  3. পূর্ববর্তী একই ধরণের মামলার রায় আছে কি না
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৪৬ – জেরা (Cross-examination)-এর সময় বৈধ প্রশ্নসমূহ:
যখন কোনো সাক্ষীকে জেরা করা হয়, তখন পূর্বে উল্লিখিত প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি তাকে এমন প্রশ্নও করা যেতে পারে, যা—
১/ তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে, 
২/ তার পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান বা জীবনের অবস্থান জানতে, অথবা 
৩/ তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য, অর্থাৎ তার চরিত্র ক্ষুণ্ণ করার মাধ্যমে, যদিও এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাক্ষীকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে, অথবা তাকে কোনো শাস্তি বা সম্পত্তি হানির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

তবে শর্তসাপেক্ষে:
প্রথমত, যদি কোনো মামলায় ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ থাকে, তাহলে উপধারা (৩)-এর অধীনে ভুক্তভোগীর সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন জেরা করার সময় করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, তবে আদালত যদি মনে করে যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এমন প্রশ্ন করা অত্যাবশ্যক, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সে ধরনের প্রশ্ন করা যেতে পারে।

১,০০৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৩৯ বিধি-২
  2. আদেশ-৮ বিধি-১০
  3. আদেশ-১০ বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬ বিধি-২০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী আদেশ-১০ বিধি-৭ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়।

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
১,০১০.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পত্তি কী ধরনের হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি।

⇒ যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাসের ভিত্তিতে অর্পিত সম্পত্তি আইন বা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন, ব্যক্তিগত ব্যবহারে পরিণত করেন, অন্যকে হস্তান্তর করেন বা কাউকে তা করতে অনুমতি দেন, তবে এটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
উপাদান:
- বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া
- স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
- অসাধুভাবে আত্মসাৎ বা অন্যভাবে ব্যবহার করা
- নিজস্ব ব্যবহারে পরিণত করা, হস্তান্তর করা বা অনুমতি দেওয়া

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১,০১১.
আদালত কোন ধরনের বিষয় থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সাক্ষীদের মৌখিক সাক্ষ্য
  2. আদালতের পর্যবেক্ষণ
  3. বিরোধী পক্ষের মন্তব্য
  4. পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ কর্তৃক উত্থাপিত শপথের অভিযোগসমূহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatoriesdelivered in the suit:c) the contents of documents produced by either party.
১,০১২.
নিচের কোনটি তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)-
  1. দণ্ডবিধি-1860
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি 1898
  3. সাক্ষ্য আইন- 1872
  4. তামাদি আইন-1908
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি-1860
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি-1860
ব্যাখ্যা
♦যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটি একটি তত্ত্বগত আইন।
১,০১৩.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের কোন প্রাসঙ্গিক কাজ সাক্ষ্য হিসেবে কত ধারা অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য?
  1. ৮ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের কোন কাজ প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী। উল্লেখ্য, কোন ঘটনার উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী।
 
♦ অর্থাৎ
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অপরাধ সংগঠনের জন্য ষড়যন্ত্র করে এবং সেই (Common design) অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষে, (Conspirator) ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা কোন কিছু করা, বলা বা লেখা হলে সেগুলো ষড়যন্ত্র এবং অভিন্ন অভিপ্রায় প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
১,০১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় _________ বিধান রয়েছে।
  1. রিভিউর
  2. আপিলের
  3. ২য় রিভিশনের
  4. ২য় আপিলের
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১,০১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারায় রায়ের কপির জন্য আসামি পক্ষ আবেদন করলে তা দিতে হবে-
  1. খরচসহ ৭ দিনের মধ্যে
  2. খরচবাদে ১৫ দিনের মধ্যে
  3. খরচসহ ১৫ দিনের মধ্যে
  4. খরচবাদে কোনো বিলম্ব ছাড়া
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোনো বিলম্ব ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচবাদে কোনো বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
১,০১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নিজেই বিচার করবেন
  2. আসামিকে মুক্তি দেবেন
  3. মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন
  4. মামলার তদন্ত পুনরায় শুরু করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫গ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন। 
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 
১,০১৭.
Who has the authority to declare that certain provisions of the CPC shall not apply to Revenue Courts?
  1. High Court
  2. Government
  3. District Judge
  4. Revenue Court
সঠিক উত্তর:
Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Government
ব্যাখ্যা
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
১,০১৮.
সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  2. মামলার বিষয় বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  3. পক্ষগণের প্রতিনিধির স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
  4. দলিলের বিষয় সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১,০১৯.
ডাকাতি সংঘটনে প্রস্তুতির সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৯৯ ধারা মতে ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতির শাস্তি হলো অনধিক ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। প্রস্তুতি বলতে ডাকাতির দল সংগঠন করা, পরিকল্পনা করা, প্রভৃতি বোঝায়।
১,০২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত সম্পত্তি-
  1. ক্রয় করবেন না
  2. নিলাম ডাকবেন না
  3. নিলাম ডাকতে পারেন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬০- সম্পত্তি বিক্রয়ের সহিত সংশ্লিষ্ট অফিসারগণ উহা ক্রয় করতে বা নিলাম ডাকতে পারবেন না

এই কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নিলাম ডাকবেন না। 

Section 560- Officers concerned in sales not to purchase or bid for property
A public servant having any duty to perform in connection with the sale of any property under this Code shall not purchase or bid for the property.
১,০২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না?
  1. জিআর মামলা
  2. নালিশী মামলা
  3. নন-জিআর মামলা
  4. এফআইআর দ্বারা দায়েরকৃত মামলা
সঠিক উত্তর:
নালিশী মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
-অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
-----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant: 
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
১,০২২.
প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটনের ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
১,০২৩.
ধারা ১২৬ অনুযায়ী, নিম্নের কোন তথ্য ব্যারিস্টার/অ্যাটর্নি/উকিল প্রকাশ করতে পারবে?
  1. মক্কেলের সাধারণ তথ্য
  2. বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রেরিত বার্তা
  3. মক্কেলের ব্যক্তিগত অভিমত
  4. মক্কেলের দলিলের বিষয়বস্তু
সঠিক উত্তর:
বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রেরিত বার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনি উদ্দেশ্যে প্রেরিত বার্তা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান- পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না-
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

১,০২৪.
'ক' জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারির এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সাপে কামড়ের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে?
  1. ১৭৬ ধারা
  2. ১৭৭ ধারা
  3. ১৮১ ধারা
  4. ১৭৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ-
(ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সৰ্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
অর্থাৎ 'ক' দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।


ব্যাখ্যা (Explanation): ১৭৬ ধারায় ও এই ধারায় অপরাধ’ কথাটি বলতে বাংলাদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে যে কাজ নিম্নোক্ত ধারাসমূহে যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, দেশের বাইরে যে কোন স্থানে অনুরূপ কোন কাজ অনুষ্ঠিত হলে তার বুঝাবে যথাঃ ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ ও ৪৬০ ধারা; এবং অপরাধী বলতে অনুরূপ যে কোন কার্যের জন্য অপরাধী বলে অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
------------------
⇒ Section 177: Furnishing false information:
-Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১,০২৫.
নিচের কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. আরজি
  2. গেজেট নোটিফিকেশন
  3. আদালতের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রিকৃত কবলা দলিলের আসল
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত কবলা দলিলের আসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত কবলা দলিলের আসল
ব্যাখ্যা
♦ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। রেজিস্টার্ড কবলা দলিলের আসল পাবলিক দলিল নয়
♦ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল। কবলার আসল সরকার সংরক্ষণ করে না, বরং এর লেখা সরকার কপি করে বালামে সংরক্ষণ করে। সেই বালাম হতে সার্টিফাইড দিলে সেটি সরকারি দলিল হবে, মূল কবলা দলিল সরকারি দলিল হবে না, কারণ এটি ব্যক্তির হেফাজতে থাকে।
১,০২৬.
দেওয়ানী মামলায় বিচারক কোন মানদণ্ড অনুযায়ী প্রমাণ মূল্যায়ন করেন?
  1. যুক্তিসংগত সন্দেহের বাইরে
  2. স্বীকারোক্তির ওপর নির্ভর করে
  3. ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
  4. প্রত্যক্ষ প্রমাণ দ্বারা বিচারককে বুঝানো
সঠিক উত্তর:
ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী মামলায় বিচারক ভারসাম্যপূর্ণ সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রমাণ মূল্যায়ন করেন।

প্রমাণের মান (Standard of Proof) ও তার ধরন:

- প্রমাণের মান হলো মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য কতটুকু প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, তার নির্দিষ্ট মানদণ্ড। এটি মামলার ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
১. দেওয়ানি মামলার প্রমাণের মান:
- দেওয়ানি মামলায় Balance of Probability বা Preponderance of Evidence নীতি অনুসরণ করা হয়।
- যে পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ বেশি গ্রহণযোগ্য, সেই পক্ষ মামলায় জয়ী হয়।
- সত্যের সম্ভাবনা মিথ্যার চেয়ে বেশি (more probably true than false) হলেই প্রমাণ যথেষ্ট।
- সাধারণভাবে, ৫১% সত্যতা প্রমাণ করাই যথেষ্ট।

২. ফৌজদারি মামলার প্রমাণের মান:
- ফৌজদারি মামলায় Beyond Reasonable Doubt নীতি অনুসরণ করা হয়।
- অপরাধীকে দোষী প্রমাণ করতে হলে এমনভাবে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে কোনো যৌক্তিক সন্দেহ অবশিষ্ট না থাকে।
- সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ না হলে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- এভাবে, দেওয়ানি মামলায় সম্ভাবনার ভারসাম্য এবং ফৌজদারি মামলায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ নীতি অনুসরণ করা হয়।
১,০২৭.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনা চুরির চেষ্টা করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় তাতে কোনো গহনা নেই। 'ক' The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 411
  2. 379
  3. 380
  4. 511
সঠিক উত্তর:
511
উত্তর
সঠিক উত্তর:
511
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উদ্যোগ (attempt) করলে এবং সেই উদ্যোগে কোনো কাজ করলে (যদি এর জন্য আলাদা বিধান না থাকে), তাহলে অপরাধটির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দ্বারা শাস্তিযোগ্য। এখানে ‘ক’-এর বাক্স ভাঙ্গা চুরির উদ্যোগের কাজ (act towards commission), যা ধারা ৫১১-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই। চুরি সংঘটিত না হলেও উদ্যোগ শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১,০২৮.
কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. সিঁধ কাটিয়া প্রবেশ
  2. তালা ভাঙ্গিয়া প্রবেশ
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখাইয়া প্রবেশ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);

iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);

v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
----------------
Section 445 House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
১,০২৯.
কোনটি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারি নথি
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. আদালতের রায়
  4. সংসদের আইন
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সরকারি দলিল (Public Document) হলো সেই সকল দলিল যা সরকারি সংস্থা, বিচার বিভাগীয় সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক তৈরি ও সংরক্ষিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি নথি, আদালতের রায়, সংসদের আইন ইত্যাদি।
→ বিক্রয় চুক্তি একটি বেসরকারি দলিল (Private Document), কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লেনদেনের দলিল, যা সরকারের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রণীত হয় না।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) সরকারি নথি:
- সরকারি সংস্থা বা অফিসের তৈরি করা নথি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
(গ) আদালতের রায়:
- আদালতের রায় সরকারি দলিল, কারণ এটি আদালতের কার্যক্রমের অংশ।
(ঘ) সংসদের আইন:
- সংসদের আইনও একটি সরকারি দলিল, কারণ এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কার্যক্রমের অংশ।

→ অর্থাৎ বিক্রয় চুক্তি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি একটি ব্যক্তিগত দলিল।
তাই সঠিক উত্তর: (খ) বিক্রয় চুক্তি।
১,০৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 540
  2. 539
  3. 539B
  4. 538
সঠিক উত্তর:
539B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
539B
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 (ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮) এর গ) 539B ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন। 
ধারা ৫৩৯খ (Section 539B) অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত চলাকালীন মামলার সঠিক নিষ্পত্তির জন্য যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে তিনি মামলার ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন এবং পরিদর্শনের একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন। এই স্মারকলিপিটি মামলার নথির অংশ হবে এবং পক্ষগণকে তা দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

১,০৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. The Contract Act, 1872
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Limitation Act, 1908
  4. The Registration Act, 1908
সঠিক উত্তর:
The Registration Act, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Registration Act, 1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৪ ধারা এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।
 
সংক্ষেপে,এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তাহলে এ আইনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
-তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ছাড়াও অন্যান্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর বিধানাবলী এ আইনের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১,০৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

১,০৩৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ এর কোন বিধি অনুযায়ী সরকারী উন্নয়ন প্রকল্পে হস্তক্ষেপের সামিল এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার আদেশ বারিত?
  1. Rule 3
  2. Rule 3A
  3. Rule 5
  4. Rule 5A
সঠিক উত্তর:
Rule 5A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule 5A
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
১,০৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে কোথায় স্বাক্ষর করতে হয়?
  1. সমনের সামনের অংশে
  2. একটি পৃথক কাগজে
  3. অপর কপির পেছনের দিকে
  4. স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
অপর কপির পেছনের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর কপির পেছনের দিকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৯(২) অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।
সুতরাং, সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৯: সমন কীভাবে জারি করতে হবে: 
(১) সমনটি, যদি কার্যকরভাবে সম্ভব হয়, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে জারি করতে হবে, তার নিকট সমনের দুটি কপির একটি বিতরণ বা অর্পণের মাধ্যমে।
- সমনের রসিদে স্বাক্ষর: 
(২) সমনপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, যদি সমন জারিকারী কর্মকর্তা তাহাকে অনুরোধ করেন, তবে অপর কপিটির পশ্চাতে উহার রসিদ স্বাক্ষর করিবেন।
(৩) নিগমিত কোম্পানি বা অন্য কোন নিগমিত সংস্থার নিকট সমন জারি করা যেতে পারে কর্পোরেশনের সচিব, স্থানীয় ব্যবস্থাপক বা অন্য কোন প্রধান কর্মকর্তার নিকট জারি করার মাধ্যমে অথবা বাংলাদেশে কর্পোরেশনের প্রধান কর্মকর্তার নামে রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে। এই ক্ষেত্রে, চিঠিটি সাধারণ ডাকযোগে যখন পৌঁছানোর কথা তখনই সমন জারি হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৪) আদালত, পূর্ববর্তী উপ-ধারাসমূহে প্রদত্ত জারির পদ্ধতিসমূহ ছাড়াও, এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, সমনটি স্বল্প বার্তা পরিসেবা (এসএমএস), ভয়েস কল, তাৎক্ষণিক বার্তাপ্রেরণ পরিসেবা বা ইলেকট্রনিক মেইলের মত ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে জারি করতে হবে এবং এইরূপ জারির প্রমাণ রেকর্ডের সাথে সংরক্ষণ করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-69. Summons how served:
(1) The summons shall, if practicable, be served personally on the person summoned, by delivering or tendering to him one of the duplicates of the summons.

Signature of receipt for summons:
(2) Every person on whom a summons is so served shall if so required by the serving officer, sign a receipt therefor on the back of the other duplicate.
(3) Service of a summons on an incorporated company or other body corporate may be effected by serving it on the secretary, local manager or other principal officer of the corporation or by registered post letter addressed to the chief officer of the corporation in Bangladesh. In such case the service shall be deemed to have been effected when the letter would arrive in ordinary course of post.
(4) The Court may, in addition to the modes of service provided in the foregoing sections, direct that the summons be served through electronic means such as Short Message Service (SMS), voice call, instant messaging service, or electronic mail, and the proof of such service shall be preserved with the record.

১,০৩৫.
একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশ অপর্যাপ্ত হলে, রাষ্ট্রপক্ষ দণ্ড বৃদ্ধির জন্য কোথায় আপিল করতে পারে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে (রাষ্ট্রপক্ষকে) নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,০৩৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১(২) ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. পুলিশ অফিসারকে
  4. মামলার পক্ষগণকে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১,০৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে।

⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
১,০৩৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে অবরোধ বা আটক সর্বনিম্ন কতদিন হতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ দিন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
১,০৩৯.
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূণ্য থাকায় A পকেট মারতে পারেনি। A শাস্তি হতে পারে অপরাধের সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদের -
  1. অর্ধেক
  2. এক চতুর্থাংশ
  3. এক তৃতীয়াংশ
  4. এক পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
ব্যাখ্যা
♦৫১১ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধসমূহ সংঘটনের উদ্যোগ গ্রহণ করে বা সেটা অনুযায়ী কোন কাজ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের শাস্তির ব্যাপারে দণ্ডবিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকলে উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার হতে পারে।
A, B এর পকেট মারার উদ্দেশ্যে তার পকেটে হাত দেয়। কিন্তু B এর পকেট শূন্য থাকায় A পকেট মারতে ব্যর্থ হয়। এটা মূলত চুরির উদ্যোগ। দণ্ডবিধিতে চুরির শাস্তি ৩৭৯ ধারায় উল্লেখ আছে। কিন্তু চুরির উদ্যোগ যেমন পকেট মারার উদ্যোগ গ্রহণের কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে নেই। সেহেতু A এর শান্তি নির্ধারিত হবে ৫১১ ধারা অনুসারে এবং ৫১১ ধারা অনুসারে, ৩৭৯ ধারায় চুরির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাবাসের অর্ধেক দণ্ডে A দণ্ডিত হতে পারে।
১,০৪০.
Z-নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে। গণনা শুরু হবে যখন-
  1. Z-এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  2. Z-নাবালক থাকবে
  3. Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. উপরের কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
♦ আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability)- নাবালকত্ব, পাগল বা উম্মাদ অবস্থা অথবা নিবুদ্ধিতার কারণে মামলা দায়ের করতে অসমর্থ হওয়াকে আইনগত অক্ষমতা বা বৈধ অপারগতা (legal disability) বলে। কোন মামলা বা প্রসিডিংস দায়ের করার অধিকারী ব্যক্তি অথবা ডিক্রিজারির দরখাস্ত পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত পেশ করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ যেদিন হতে গণনা শুরু হবে সেদিন নাবালক, পাগল বা উম্মাদ থাকেন তাহলে তিনি তার নাবালকত্ব, পাগলামি বা উম্মত্ততা শেষ হওয়ার পর ঐ একই মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত দায়ের বা পেশ করতে পারবেন।

♦ মামলা করার কারণ সৃষ্টির সময় (cause of action) মামলা করার অধিকারী ব্যক্তি আইনগতভাবে মামলা করতে অপারগ হলে উক্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬-৯ ধারা কার্যকর হবে। কোন ব্যক্তি যতদিন নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধ/নির্বোধ থাকে ততদিন তার তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ শুরু হবে। অন্যভাবে বলা যায়, আইনগত সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত তামাদি সময়সীমা গণনা করা হয় না অর্থাৎ কোন ব্যক্তি আইনগতভবে সক্ষম হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী মামলা করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane); এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot)।
আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয় । 
কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয় । 

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপরাগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হবে।
১,০৪১.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. case
  3. time
  4. proceeding
সঠিক উত্তর:
time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
time
ব্যাখ্যা
Section 9: Continuous running of time

Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
১,০৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908 came into force on:
  1. 21st March, 1908
  2. 1st July, 1909
  3. 1st January, 1909
  4. 1st January, 1908
সঠিক উত্তর:
1st January, 1909
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st January, 1909
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ আইনটি পাস হয় ২১শে মার্চ, ১৯০৮ তারিখে, কিন্তু এটি কার্যকর হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯০৯ থেকে।
- আইনের ধারা ১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(2) It shall come into force on the first day of January, 1909."
অর্থাৎ, আইনটি পাস হওয়ার তারিখ এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যেসব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কিভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কিভাবে দিতে হয়।
- কিভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কিভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কিভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ এটি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

১,০৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ কে বিচার করতে পারে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে,  যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী,  এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,০৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করার বৈধ কারণ (গ্রাউন্ড) মোট কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুসারে, একজন ব্যক্তি যদি সংক্ষুব্ধ (aggrieved) হন, তাহলে তিনি ৩টি নির্দিষ্ট কারণে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করতে পারেন।
- সেই ৩টি গ্রাউন্ড হলো:
১. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি।
২. যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই আইনমতে কোনো আপিল করা যায় না।
৩. স্বল্প-এখতিয়ার আদালতের রেফারেন্স অনুযায়ী গৃহীত আদালতের প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে।
তবে, উক্ত ব্যক্তি ডিক্রি বা আদেশদানকারী আদালতের নিকট এর রায় পুনর্বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে এবং আদালত তৎসম্পর্কে যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী এই ৩টি গ্রাউন্ডে রিভিউ বা পুনর্বিচারের আবেদন করা যায়। 
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved:
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
১,০৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, 117[Chief Judicial Magistrate, as the case may be] [or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১,০৪৬.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদী কোন বিষয়ে তার লিখিত বিবৃতিতে নির্দিষ্টভাবে জবাব দিতে বাধ্য নয়?
  1. আইনি ব্যাখ্যা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. সম্পত্তির বিবরণ
  4. আদালতের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
 আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
১,০৪৭.
নিচের কোনটি ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে?
  1. Actus Rea
  2. Mens Rea
  3. Lex Fori
  4. Plea of Alibi
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]
- 'Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

- অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
অর্থাৎ “Mens rea' ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির 'দোষযুক্ত মন' নির্দেশ করে।
১,০৪৮.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৬
  2. ধারা ৪১৯
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৬
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-

যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
১,০৪৯.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার: কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
---------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 151: Arrest to prevent such offences:
-A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
১,০৫০.
জবানবন্দি অথবা পুনঃজবানবন্দির সময় আদালত কোন ক্ষেত্রে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করার অনুমতি দেবেন?
  1. প্রমাণিত তথ্যের ক্ষেত্রে
  2. অবিসংবাদিত তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে
  3. পরিচয়মূলক তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে
  4. বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

জবানবন্দি (examination-in-chief) বা পুনঃজবানবন্দি (re-examination)-এর সময় সাধারণত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (leading question) করা যায় না। তবে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় অনুমতি দিতে পারেন-
• প্রমাণিত তথ্যের ক্ষেত্রে – অর্থাৎ ইতিমধ্যে প্রমাণিত বা গৃহীত তথ্যের বিষয়ে।
• অবিসংবাদিত তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে – যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।
• পরিচয়মূলক তথ্যের প্রশ্নের ক্ষেত্রে – যেমন সাক্ষীর নাম, পেশা, ঠিকানা ইত্যাদি।

সুতরাং, এই তিনটি ক্ষেত্রেই আদালত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্নের অনুমতি দিতে পারেন।  
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

১,০৫১.
একটি মামলায় A বিগত ৩০ বছর যাবৎ জীবিত আছে বলে দেখানো হচ্ছে। B দাবি করে যে, A মৃত। A যে মৃত তাহা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. A - এর উপর
  2. A - এর আত্মীয়ের উপর
  3. B - এর উপর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
B - এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B - এর উপর
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৭ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ৩০ বছর জীবিত আছে বলে জ্ঞাত থাকা কালে কেউ উক্ত জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দাবি করলে, উক্ত ব্যক্তি যে মৃত তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।
- এখানে A মৃত বলে B দাবি করায় তা প্রমাণের দায়িত্ব B এর উপর বর্তায়।
১,০৫২.
Penal Code 1860 এর কত ধারায় Private defence (আত্মরক্ষা বা প্রতিরক্ষার) কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৩ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৯৬ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
• কোন ব্যক্তি তার নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল এবং সরকারি সম্পত্তিকে যে কোন প্রকার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলে।
১,০৫৩.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে, দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।
 
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-
 
(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।
 
(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।
 
(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।
 
(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।
 
(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।
 
(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।
 
(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
১,০৫৪.
ফৌজদারি মামলায় বিচারক কখন সম্পূর্ণ রায় পড়ে শুনাবেন?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে
  3. ফরিয়াদি পক্ষ অনুরােধ করলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬- রায় ঘােষণার পদ্ধতি:
১) মূল এখতিয়ারবান ফৌজদারি আদালতের প্রত্যেকটি বিচারের রায় ঘােষণা করতে হবে বা রায়ের সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে-
ক) প্রকাশ্য আদালতে বিচার সমাপ্ত হওয়ার অব্যাহতির পরই বা পরবর্তী কোন সময়ে, যে সময় সম্পর্কে পক্ষগণকে কিংবা তাদের কৌসুলীগণকে নােটিশ দিতে হবে, এবং
খ) আদালতের ভাষায়, বা আসামি বা তার কৌসুলীর বােধগম্য কোন ভাষায়। তবে শর্ত থাকে যে, বাদীপক্ষ বা আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে জজ সম্পূর্ণ রায় পড়িয়া শুনাইবেন।

২) আসামি কারাগারে থাকলে রায় শুনাইবার জন্য তাকে আনয়ন করতে হবে বা কারাগারে না থাকলে তাকে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে হবে, তবে বিচারের সময় তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দেওয়া হলে এবং তাকে শুধুমাত্র জরিমানা করা হলে বা খালাস দেওয়া হলে তার কৌসুলীর উপস্থিতিতে রায় ঘােষণা করা যাবে।

৩) রায় ঘােষণার জন্য বিজ্ঞাপিত দিনে বা স্থানে কোন পক্ষ বা তার কৌসুলী হাজির না থাকলে কিংবা উক্ত দিন ও স্থান সম্পর্কে পক্ষসমূহ ও তাদের কৌসুলীগণ বা তাদের কাহাকেও নােটিশ প্রদান করা না হলে বা নােটিশ জারিতে ভুল থাকলে শুধু সেই কারণে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে না।

৪) এই ধারার কোন বিধান কোনভাবে ধারা ৫৩৭ এর বিধানসমূহের আওতা সীমিত করবে বলে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
১,০৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করা কোনো আইনজীবী সেই আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. ধারা ৫৫৫
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫৭
  4. ধারা ৫৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৭-এ বলা হয়েছে: "যে আইনজীবী (pleader) কোনো জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তিনি উক্ত আদালতে কিংবা সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।"
- এই ধারাটির উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পরিচালনায় স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো।
- এতে ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়, যাতে বিচারক ব্যক্তিগতভাবে বা পেশাগতভাবে সংশ্লিষ্ট না থাকেন।
- এটি natural justice বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার নীতির অন্তর্গত — যেখানে নিরপেক্ষতা একটি প্রধান শর্ত।
-  অতএব, ধারা ৫৫৭ এই বিধানটি সরাসরি প্রদান করে এবং এই কারণে উত্তর (গ) ধারা ৫৫৭ সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
১,০৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, কোন ধরণের ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. গোপন ঘটনা
  2. স্বীকৃত ঘটনা
  3. সন্দেহজনক ঘটনা
  4. প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত ঘটনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৮ অনুযায়ী, যে ঘটনা পক্ষগণ আদালতে স্বীকার করে নেয় বা লিখিতভাবে স্বীকার করে, সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এটি "স্বীকৃত ঘটনা" হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণস্বরূপ, যদি পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ আদালতে শুনানির সময় কোন ঘটনা স্বীকার করেন, অথবা শুনানির পূর্বে নিজে লিখিতভাবে সে ঘটনা স্বীকার করেন, তবে সেটি প্রমাণ করার দরকার নেই। আদালত তাদের স্বীকৃত ঘটনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে আদালত চাইলে সেই ঘটনার অতিরিক্ত প্রমাণও দাবি করতে পারে।
এছাড়া, "গোপন ঘটনা", "সন্দেহজনক ঘটনা" অথবা "প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা প্রত্যক্ষ ঘটনা" প্রমাণের ক্ষেত্রে পৃথক বিধান রয়েছে, এবং সেগুলির প্রমাণ আদালতে হতে হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.

১,০৫৭.
রায় ঘোষণার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৫ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি, তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-

''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
১,০৫৮.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে?
  1. অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. বন্টনের ক্ষেত্রে
  3. বন্ধকের ক্ষেত্রে
  4. অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
১,০৫৯.
ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধানমতে মিথ্যা সাক্ষ্যের জন্য বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ৩৩৮
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
ব্যাখ্যা
• ৩৩৭ এবং ৩৩৮ ধারার অধীন থাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে যদি ক্ষমা মঞ্জুরের শর্ত লঙ্ঘণ করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় তাহলে যে অপরাধের জন্য তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী বলে প্রতীয়মান হয়, সে অপরাধের জন্য তার বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারায় করা যাবে।
 
৩৩৯ ধারা- যাকে ক্ষমা প্রদান করা হয়েছে তার বিচার
(১) যেক্ষেত্রে ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারা এর আলোকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সার্টিফাই করেন যে, তাঁর মতে ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে যে শর্তে ক্ষমা করা হয়েছে তা পালন করেনি, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয় সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী রূপে প্রতীয়মান হয়, সেই অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবেঃ
শর্ত থাকে যে, এরূপ ব্যক্তিকে অন্যান্য আসামীদের কারোও সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না, এবং এরূপ বিচারে সে বলতে পারবে যে, যে শর্তে তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা সে পালন করেছে, এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত যে পালন করা হয়নি তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তির বিবৃতি এরূপ বিচারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য রূপে দাখিল করা যাবে।

(৩) হাইকোর্ট ডিভিশনের বিনা অনুমোদনে এরূপ কোন বিবৃত্তি সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধের নালিশ গ্রহণ করা যাবে না।

Section 339 (Trial of person to whom pardon has been tendered)-
(1) Where a pardon has been tendered under section 337 or section 338, and the Public Prosecutor certifies that in his opinion any person who has accepted such tender has, either by wilfully concealing anything essential or by giving false evidence, not complied with the condition on which the tender was made such person may be tried for the offence in respect of which the pardon was so tendered, or for any other offence of which he appears to have been guilty in connection with the same matter:
Provided that such person shall not be tried jointly with any of the other accused, and that he shall be entitled to plead at such trial that he has complied with the conditions upon which such tender was made; in which case it shall be for the prosecution to prove that such conditions have not been complied with.

(2) The statement made by a person who has accepted a tender of pardon may be given in evidence against him at such trial.

(3) No prosecution for the offence of giving false evidence in respect of such statement shall be entertained without the sanction of the High Court Division.
১,০৬০.
যে রাস্তা দিয়ে 'Y' নিয়মিত যাতায়াত করে, সেখানে 'X' ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করে 'Y' এর চলাচল ব্যাহত করে। এই কার্যটি কী ধরনের অপরাধ?
  1. Criminal force
  2. Wrongful restraint
  3. Wrongful confinement
  4. Kidnapping
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমনভাবে বাধা সৃষ্টি করে যার ফলে কোনো ব্যক্তি যে পথে যাবার অধিকার রাখে, সেই পথে যেতে না পারে, তবে এটি “অবৈধ বাধা” (Wrongful Restraint) হিসেবে গণ্য হবে।
- এই ক্ষেত্রে ‘X’ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি পথ রুদ্ধ করেছে যেটি ‘Y’-এর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। ফলে, ‘Y’ তার আইনসম্মত পথে চলাচল করতে না পারায় ‘X’ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী “Wrongful restraint” অপরাধে দোষী।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।ঃ
ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
 Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১,০৬১.
আপীল বা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন
  2. শুধু রায় ঘোষণার দিন
  3. শুধু নকল গ্রহণের সময়
  4. রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
১,০৬২.
আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয়
  2. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  3. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ আছে
  4. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বৈধ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void or voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
১,০৬৩.
সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন কোন ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. ২০ ও ২১ ধারা
  2. ২২ ও ২৩ ধারা
  3. ২৪ ও ২৫ ধারা
  4. ২৬ ও ২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬ ও ২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ও ২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে;
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা;
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে;
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

Section 29- Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১,০৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় একতরফা মূল ডিক্রির আপিলের ক্ষেত্রে কী বিধান রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়
  2. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
  3. একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
  4. নিম্ন আদালতে একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রির ক্ষেত্রে আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল: দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
১. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপীল শ্রবণের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করতে হবে।
২. একতরফা মূল ডিক্রি হতেও আপীল দায়ের করা যায়।
৩. পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তা হতে কোন আপীল চলবে না।

সুতরাং আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে, প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
১,০৬৫.
তামাদি আইনের প্রথম বিভাগে কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

১,০৬৬.
মৃত্যুদণ্ড যোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনাধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৯ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১,০৬৭.
সাক্ষ্য প্রদানের সময় সাক্ষী সব প্রশ্নের উত্তর করতে বাধ্য - এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২৬ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩২ অনুসারে,
একজন সাক্ষীকে কোনো মামলার বা ফৌজদারি বা দেওয়ানি কার্যক্রমের বিষয় সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে অব্যাহতি পাবে না, যদিও সেই উত্তর দেওয়ার ফলে সাক্ষী নিজেকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু, যে উত্তর তাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই উত্তর তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তার বা মামলা দায়েরের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে যদি সে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মামলা করা যেতে পারে।

Section-132: Witness not excused from answering on ground that answer will criminate:
A witness shall not be excused from answering any question as to any matter relevant to the matter in issue in any suit or in any civil or criminal proceeding, upon the ground that the answer to such question will criminate, or may tend directly or indirectly to criminate, such witness, or that it will expose, or tend directly or indirectly to expose, such witness to a penalty or forfeiture of any kind: 
 
Provided that no such answer, which a witness shall be compelled to give, shall subject him to any arrest or prosecution, or be proved against him in any criminal proceeding, except a prosecution for giving false evidence by such answer.
১,০৬৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কতগুলো ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১,০৬৯.
Who may suggest questions during the oral examination under Order 10, Rule 2?
  1. Only the Judge
  2. Either party to the suit
  3. Only the plaintiff’s lawyer
  4. Only the defendant’s lawyer
সঠিক উত্তর:
Either party to the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either party to the suit
ব্যাখ্যা
• Order 10 Rule 2- Oral examination or party of companion of party:
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.

আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:

মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
১,০৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোথায় আছে?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯গ
  4. সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
♦তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
♦সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১,০৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কী ধরণের শাস্তি দিতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লিখিত সব ধরণের
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
-কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
-যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
-If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
১,০৭২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ফেরত [return of complaint] দিতে পারেন?
  1. ২০৩ ধারা
  2. ২০১ ধারা
  3. ২০৪ ধারা
  4. ২০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে-

• লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

• মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে মালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
১,০৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৮৬
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪-এ বিদেশী রাষ্ট্রের বাংলাদেশের আদালতে মামলা করার অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৮৪ এর মূল বিষয়বস্তু: কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবে, যদি সরকার তাকে স্বীকৃতি প্রদান করে, এবং মামলার উদ্দেশ্য হয় সেই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা কোনো কর্মকর্তার সরকারি ক্ষমতার অধীনে ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করা।
- আদালতকে অবশ্যই বিচার বিভাগীয় নজরে (judicial notice) রাখতে হবে যে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কি না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৪ - কখন বিদেশী রাষ্ট্র মামলা করতে পারে:
(১) কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের যে কোন আদালতে মামলা করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এরূপ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানের বা এরূপ রাষ্ট্রের কোন কর্মকর্তার হাতে সরকারী ক্ষমতায় নিহিত কোন ব্যক্তিগত অধিকার কার্যকর করাই মামলার উদ্দেশ্য হতে হবে।
(২) কোন বিদেশী রাষ্ট্র, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে কিনা তা প্রত্যেক আদালত বিচার বিভাগীয় নজরে নিবেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 84.When foreign States may sue.
(1) A foreign State may sue in any Court in Bangladesh:
Provided that such State has been recognized by the Government: 
Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity. 
(2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
১,০৭৪.
বিচারিক আদালত যদি কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয়, তাহলে আপিল আদালত এক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নিবে?
  1. নিজেই মোকদ্দমাটি পুনরায় বিচার করবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের আদেশ দিবে না
  3. মোকদ্দমাটি নতুন করে গ্রহণ করবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
১,০৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে, তা স্বাক্ষর করবে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে

৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
১,০৭৬.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. বন্টনের
  3. অর্থের
  4. বন্ধকের
সঠিক উত্তর:
অর্থের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application: (1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
১,০৭৭.
Which of the following statements is true regarding Section 303?
  1. It mandates a life sentence for all murderers.
  2. It applies only to those with a prior murder conviction.
  3. It imposes the death penalty for murder committed by life convicts.
  4. It allows for parole for life convicts who commit murder.
সঠিক উত্তর:
It imposes the death penalty for murder committed by life convicts.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It imposes the death penalty for murder committed by life convicts.
ব্যাখ্যা
Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১,০৭৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারা অনুসারে, অস্থাবর সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করা যায়?
  1. যেখানে ক্ষতি হয়েছে
  2. যেখানে বিবাদী বাস করেন
  3. যেখানে বিবাদী কাজ করেন
  4. উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোনো একটি আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১,০৭৯.
Under Section 151, the Court can forbid questions that are:
  1. Unimportant
  2. Relevant to the case
  3. Indecent or scandalous
  4. Provided by the defense
সঠিক উত্তর:
Indecent or scandalous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indecent or scandalous
ব্যাখ্যা
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন, প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
১,০৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ কর্মকর্তার করণীয় কী?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো
  2. তাকে জামিন দেওয়া
  3. তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া 
  4. তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ কর্মকর্তাকে অবশ্যই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা। গ্রেফতারের সময়ই কারণ জানানো বাধ্যতামূলক, যা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা:
- পরোয়ানা ছাড়া যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের সময়, যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সেই কারণসমূহ তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১,০৮১.
তামাদি আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ধারা বা ধারাগুলি অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ৬ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৬ এবং ৭ ধারা
  4. ৯ এবং ১০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ এবং ৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ এবং ৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-

৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১,০৮২.
নাবালকের মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে, উক্ত চুক্তি বা আপস-
  1. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বৈধ হবে
  2. চুক্তি বা আপস পুনঃমূল্যায়ন করা হবে
  3. নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
  4. চুক্তি বা আপসে আইনগত প্রভাব ফেলবে না
সঠিক উত্তর:
নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
১,০৮৩.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬) অনুসারে, মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে কে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকবে?
  1. আদালত
  2. অভিযোগকারী
  3. বার কাউন্সিল
  4. অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
১,০৮৪.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, ঋণের সুদ পরিশোধ করা হলে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে নতুন করে শুরু হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. ঋণ নেওয়ার দিন থেকে
  3. সুদ পরিশোধের দিন থেকে
  4. ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময় অতিক্রমের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
সুদ পরিশোধের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদ পরিশোধের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন দায়ের (ঋণের) সুদ বা আংশিক অর্থ প্রদান করা হয়, তবে সেই অর্থ পরিশোধের তারিখ থেকে তামাদি মেয়াদ নতুন করে গণনা শুরু হবে।
- অর্থাৎ সুদের অর্থ পরিশোধের দিন থেকেই তামাদি মেয়াদ পুনরায় শুরু হয় — এইটাই ২০ ধারার মূল কথা। তাই সঠিক উত্তর: গ) সুদ পরিশোধের দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী, ঋণ বা লিগ্যাসির সুদ পরিশোধ করার ফলে তামাদির মেয়াদ নবায়ন হবে।
অর্থাৎ, যখন ঋণগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি সুদ পরিশোধ করেন, তখন তামাদির মেয়াদ পুনরায় শুরু হবে এবং নতুন মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
তবে, এটা শর্তসাপেক্ষ যে, পরিশোধের জন্য লিখিত স্বীকৃতি বা সাক্ষর থাকা উচিত, যাতে পরিশোধের প্রমাণ থাকে।
এটি ঋণগ্রহীতা বা লিগ্যাসির অধিকারী ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা পরিশোধের মাধ্যমে নতুন সময় শুরু করতে পারেন।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১,০৮৫.
পুলিশ রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের পর পুলিশ নিম্মলিখিত কোন কাজটি করতে পারে-
  1. অধিকতর [Further investigation] করতে পারে
  2. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক চার্জশীট জমা দিতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে পারে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে [do further investigation]। অধিকতর তদন্ত করে অধিকতর সাক্ষ্য পেলে পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক সার্জশীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে একবার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে অধিকতর তদন্ত করে পুলিশ ফাইনাল রিপোর্ট দিতে পারে না।
১,০৮৬.
নিম্নলিখিত কোন অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন সদস্য থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. বেআইনী সমাবেশ
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

---------------------------------
♦ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনী সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।

♦ সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-

১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

♦ ডাকাতির উপাদান:

(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;

(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত।
১,০৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান আছে?
  1. আদেশ-১৭ বিধি-৩
  2. আদেশ-২৫ বিধি-৫
  3. আদেশ-২৪ বিধি-১
  4. আদেশ-২৬ বিধি-৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৬ বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৬ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.

Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১,০৮৮.
সরকার কতৃর্ক বেআইনিভাবে বেদখল হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

উল্লেখ্য,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে কেননা এই ধারায় স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। যেহেতু সরকার কারো স্বত্ব দখল করার অধিকার রাখে না তাই সরকার কারো স্বত্ব দখল করলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
১,০৮৯.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
  1. ডিএনএ ডাটা
  2. ড্রোন ডাটা
  3. সিসিটিভি ফুটেজ
  4. সফট ডাটা
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ ডাটা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

• ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-

• প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
১,০৯০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী, কারো উপর আঘাতের ভয় দেখিয়ে Extortion করার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শনের সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৮৫ অনুসারে, যে কেউ চাঁদাবাজি (Extortion) করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তার শাস্তি হলো ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যা ৫ বছরের কম হবে না, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, এই অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো ৫ বছর কারাদণ্ড।
------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-385. Putting person in fear of injury in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts any person in fear, or attempts to put any person in fear, of any injury, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than five years, or with fine, or with both.

১,০৯১.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
  2. শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে
  3. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৩ দিনের কম
  4. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
------------
⇒  Section 299. Culpable homicide
 Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
⇒  Illustrations 
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১,০৯২.
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ______ দিন সময় দিতে পারে।
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ৩০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
 
তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১,০৯৩.
সরকার কর্তৃক কোনো প্রকাশনা বাজেয়াপ্তির ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারক নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
১,০৯৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অনুযায়ী দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির চরিত্র ও খ্যাতি প্রাসঙ্গিক?
  1. ৫৫
  2. ৬৫
  3. ৭৫
  4. ৬৩
সঠিক উত্তর:
৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায় অনুযায়ী দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির চরিত্র ও খ্যাতি প্রাসঙ্গিক।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 55. Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
১,০৯৫.
"দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৬ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।


⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
১,০৯৬.
X তার স্ত্রী Y কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। Y কিভাবে মৃত্যূবরণ করেছে তা প্রমাণের বাধ্যবাধকতা কার?
  1. X - এর
  2. অভিযোগকারী পক্ষের
  3. রাষ্ট্রের
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
X - এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X - এর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত প্রমাণের দায়িত্ব মামলা দায়ের যে করে তার/ রাষ্ট্রপক্ষের তবে এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো স্ত্রী কিভাবে মারা গেল তা তার স্বামীর বিশেষ অবগতির মধ্যে থাকে তাই X - এর স্ত্রী কিভাবে মারা গেল তা X কেই  প্রমাণ করতে হবে।
- কারণ The Evidence Act 1872 এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা বিশেষ ভাবে কারো জানা থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব তারই।
১,০৯৭.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে,তা সংশোধন করা যাবে-
  1. পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
  2. আপিলের মাধ্যমে
  3. রিভিশনের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত যেকোনো মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনঃরীক্ষণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
[The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল(clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির(accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
১,০৯৮.
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রন থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও বিচারিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,০৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ৩ অনুসারে, আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন করতে পারেন কোনটি থেকে?
  1. শপথে প্রদত্ত অভিযোগ থেকে
  2. দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
  3. প্লিডিংস বা ইন্টারোগেটরির উত্তর থেকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৪, বিধি-৩-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারবেন নিম্নলিখিত সকল অথবা যে কোনো একটি উপাদান থেকে:
- শপথে প্রদত্ত অভিযোগ (পক্ষগণ/তাদের প্রতিনিধি/উকিল কর্তৃক)
- আরজি-জবাব বা প্রশ্নমালার উত্তরে উল্লেখিত অভিযোগ (প্লিডিংস/ইন্টারোগেটরি)
- যে কোনো পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
তাই তিনটি উপাদানই (ক, খ, গ) সঠিক, এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর হবে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো থেকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit:
c) the contents of documents produced by either party.

১,১০০.
ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ধরনের সম্পত্তি রক্ষায় পুলিশ অফিসার হস্তক্ষেপ করতে পারবেন?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  2. সরকারী সম্পত্তি
  3. ব্যবসায়িক সম্পত্তি
  4. সব ধরনের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
সরকারী সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.