বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৫ / ১২৬ · ১১,৪০১১১,৫০০ / ১২,৬০৫

১১,৪০১.
পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'Justices of the Peace' কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. এটর্নি জেনারেল
  4. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস-
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন
এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

১১,৪০২.
Under which section of the Penal Code is "House-trespass" defined?
  1. 441
  2. 442
  3. 443
  4. 444
সঠিক উত্তর:
442
উত্তর
সঠিক উত্তর:
442
ব্যাখ্যা
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ ৪৪২ ধারায় গৃহ বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান  অনধিকার গৃহে প্রবেশ:-
কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
১১,৪০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০৯
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪২৯
  4. ধারা ৪৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮-এ “Appeals on what matters admissible”, অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য—এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে: “An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.”
অর্থাৎ, ঘটনার প্রশ্ন (Question of Fact) এবং আইনের প্রশ্ন (Question of Law)—উভয়ের উপর ভিত্তি করে আপিল করা যেতে পারে।
এছাড়াও, ধারার ব্যাখ্যায় উল্লেখ আছে যে,
“The alleged severity of a sentence shall be deemed to be a matter of law.”
অর্থাৎ, দণ্ডের কথিত কঠোরতাকেও আইনের প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রাসঙ্গিক ধারাসমূহের ভূমিকা:
- ধারা ৪০৯: দায়রা আদালতে আপিলের শুনানীর পদ্ধতি
- ধারা ৪২৯: আপিল আদালতের বিচারকদের মতবিরোধে করণীয়
- ধারা ৪৩৯ক: দায়রা আদালতে রিভিশন ক্ষমতা 

→ তবে আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু ঠিক কোনগুলো হতে পারে তা একমাত্র ধারা ৪১৮-তেই নির্ধারণ করা হয়েছে।
 - তাই, প্রশ্নে চাওয়া “আপিলের গ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু” সম্পর্কিত ধারা হলো — ধারা ৪১৮।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
- An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
- Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১১,৪০৪.
'The Court may presume that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it'. বিধানটি কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. 114 (b)
  2. 114 (e)
  3. 114 (f)
  4. 114(g)
সঠিক উত্তর:
114(g)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114(g)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১১৪ ধারায় ৯টি ক্ষেত্রে আদালত কোন ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারবে। উল্লেখিত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ১১৪ (ছ) [114 (g)] ধারায় বলা হয়েছে, যে সাক্ষ্য হাজির করা যেতো, কিন্তু হাজির করা হয় নাই, তা হাজির হলে যে লোক হাজির হতে দেয়নি, তার বিপক্ষে যেতো বলে আদালত অনুমান করতে পারে।
♦সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১১৪ ধারায় বলা আছে, The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; া
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it
১১,৪০৫.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি কখন সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে?
  1. পৃথক বিচার হলে
  2. যৌথ বিচার হলে
  3. অভিযুক্তের অনুরোধে
  4. আদালতের অনুমতিতে
সঠিক উত্তর:
যৌথ বিচার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথ বিচার হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) যৌথ বিচার হলে। 
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার (joint trial) পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত তার দোষ স্বীকার করে এবং সে স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের (co-accused) বিরুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য হয়, তবে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ এই ধারা প্রযোজ্য যখন:
- একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।
- তাদের যৌথভাবে বিচার করা হয়।
- একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে এবং তা অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে আদালত মনে করে যে, একজন অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচারিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে শুধুমাত্র যৌথ বিচারেই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে যৌথভাবে বিচারের সম্মুখীন হন, এবং তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দেন, তবে আদালত সেই স্বীকারোক্তি স্বীকারোক্তিদাতা ব্যক্তি ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.
Illustrations (a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.

১১,৪০৬.
Chapter XXI of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. DEFAMATION
  3. OFFENCES AGAINST PROPERTY
  4. CRIMINAL CONSPIRACY
সঠিক উত্তর:
DEFAMATION
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DEFAMATION
ব্যাখ্যা
⇒ Chapter XXI of The Penal Code deals with-DEFAMATION.
 ⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

  ⇒ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
১১,৪০৭.
একজন বিচারক কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রিকে একই বিচারক কর্তৃক পূনরায় বিবেচনা করাকে কী বলা হয়?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
- অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। 
-  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে।
১১,৪০৮.
একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন যে তার ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫২ ধারার অধীনে কোন আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র দায়রা জজ
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা-
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females-
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১১,৪০৯.
৩০ বছর পুরাতন দলিলের সম্পাদন সঠিক ধরে নেয়া যেতে পারে যদি তা উপস্থাপিত হয়-
  1. একজন আইনজীবীর নিকট হতে।
  2. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
  3. উপযুক্ত হেফাজত হতে
  4. প্রাথমিক সাক্ষ্যদানের সময়
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত হেফাজত হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত হেফাজত হতে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ মতে- যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলে বুঝতে দেয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলে আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরে নিতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষর বলে বুঝতে দেওয়া হয়, তা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরে নিতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা এটি সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলে বুঝতে দেয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা এটি যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়েছে।
১১,৪১০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে,"A previous conviction is relevant as evidence of bad character."?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৩ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৫৪: পূর্ববর্তী অসচ্চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহে: ফৌজদারি মোকদ্দমায় দোষী লোকের চরিত্র খারাপ, ইহা অপ্রাসঙ্গিক। তবে তাহার চরিত্র ভাল এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া হইয়া থাকিলে তাহার চরিত্র খারাপ ইহা প্রাসঙ্গিক হইয়া পড়ে.
ব্যাখা ১: যে মোকদ্দমায় কোনো লোকের খারাপ চরিত্রই বিচার্য ঘটনা, সেইক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নহে।
ব্যাখা ২: খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
-----------------------
The Evidence Act 1872, Section54, In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1.-This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2.-A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

১১,৪১১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিলে
  2. মূল মামলায়
  3. জারির কার্যক্রমে
  4. দায়েরকৃত মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
আপিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক (Section 35A of the Code of Civil Procedure) মিথ্যা বা হয়রানিমূলক (false or vexatious) দাবি বা জবাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory Cost) পাওয়ার সুযোগ দেয়।
তবে এই ধারা “কোনো আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়” — এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখ আছে।
অর্থাৎ, যদি একটি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি মূল মামলায়, জারির কার্যক্রমে, অথবা দায়েরকৃত মোকদ্দমায় করা হয়, তাহলে ধারা ৩৫ক প্রযোজ্য হবে।
কিন্তু আপিলের পর্যায়ে এই ধারা প্রয়োগ করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।
২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।
৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences:
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
১১,৪১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ১টি ব্যাখ্যা আছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
 
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১১,৪১৩.
কোন ক্ষেত্রে সংঘবদ্ধ দলে থাকার জন্য দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. সম্পত্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে
  2. সংঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে
  3. ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে
  4. চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি বা দস্যুতা করার উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা: চোরদের দলে থাকার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১১,৪১৪.
'It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৪৬গ
  2. ধারা ৪৬ঘ
  3. ধারা ৪৬ঙ
  4. ধারা ৪৬চ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898: section 46D: Health and safety of arrested person:
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

ধারা ৪৬ঘ - গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা:
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকা ব্যক্তির কর্তব্য হবে তার স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

১১,৪১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনের জন্য আসামি ও জামিনদার কর্তৃক বন্ড সম্পাদনের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৯৭
  2. ৪৯৮
  3. ৪৯৯
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ (Section 499 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি জামিনে মুক্ত হয়, তখন তাকে ও তার জামিনদারকে আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য একটি বন্ড বা জামিননামা (Bond) সম্পাদন করতে হয়।
- এ বন্ডে উল্লেখ থাকে আসামি নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে উপস্থিত থাকবে, জামিনদার আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ থাকবে, বন্ডে নির্ধারিত অর্থও থাকে, যা আদালতে হাজির না হলে জব্দ হতে পারে।
- অর্থাৎ জামিনের শর্তে বন্ড বাধ্যতামূলক। আসামি এবং জামিনদার উভয়কেই বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয়। এই বিধান ধারা ৪৯৯-এ উল্লেখিত।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be. 
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
১১,৪১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন, তাহলে তিনি কাকে অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. তার অধীনস্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন, তাহলে তিনি অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন, এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারেন।
- এর মানে, ম্যাজিস্ট্রেট এই কাজের জন্য বিভিন্ন পক্ষকে নিযুক্ত করতে সক্ষম, যেমন পুলিশ কর্মকর্তা, তার অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১১,৪১৭.
ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত কোনো বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে-
  1. বিবাদী এবং বাদী পক্ষ আবেদনের সাপেক্ষে
  2. বাদী পক্ষের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত হয়েছে বলে মনে হলে এবং বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  3. আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to attend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
১১,৪১৮.
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধারা অনুযায়ী তাঁর অধঃস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে মামলা তুলে নিতে পারেন?
  1. ধারা ৫২৬
  2. ধারা ৫২৭
  3. ধারা ৫২৮
  4. ধারা ৫২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৮
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৮: দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন-

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।
১১,৪১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার কোন আসামিকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ২৩৬ ধারা
  2. ২৪৪ ধারা
  3. ২৬০গ ধারা
  4. ৩৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারামতে ফৌজদারি মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে ও সাক্ষী হতে পারবে। অর্থাৎ আসামী তার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং একই মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য সকল আসামীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারবে।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার ক্ষমতাবলে কোন মামলার আসামী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি উকিলের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (to be defended by an advocate or pleader)।

♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হবার যোগ্যতাঃ
(১) ফৌজদারী আদালতে কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই কার্যবিধি অনুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেরূপ কোন ব্যক্তির অধিকার বলে এ্যাডভোকেট কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবে।
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ধারা-১০৭ ধারা বা অধ্যায়-১০, অধ্যায়-১১, অধ্যায়-১২, অধ্যায়-২৬ অথবা ধারা-৫৫২ অনুসারে কার্যধারা আরম্ভ করা হয়েছে, সে ব্যক্তি স্বয়ং উক্ত কার্যধারায় সাক্ষী রূপে উপস্থিত হতে পারবে।
(৩) কোন অপরাধ এর দায়ে ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামী পক্ষে সাক্ষী হবার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণ পূর্বক সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী রূপে আনা যাবে না; অথবা
(খ) সে সাক্ষ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন প্রকান মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সঙ্গে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না ।
১১,৪২০.
"একজন আইনজীবী তার পেশা স্থগিত করতে পারেন" – এটি বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৮
  2. অনুচ্ছেদ ২৯
  3. অনুচ্ছেদ ৩১
  4. অনুচ্ছেদ ৩৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩১
ব্যাখ্যা
⇒ "একজন আইনজীবী তার পেশা স্থগিত করতে পারেন" বিষয়টি অনুচ্ছেদ ৩১-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, একজন আইনজীবী তার পেশা স্থগিত করার জন্য একটি নির্ধারিত পদ্ধতিতে তা করতে পারবেন, তবে সেই পদ্ধতি কী হবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্ধারিত হবে।

অনুচ্ছেদ ২৮ এবং ২৯-এ নারীদের আইনজীবী হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের লিঙ্গের ভিত্তিতে কোনো অযোগ্যতা রাখা যাবে না এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৩৪ এর সাথে এই প্রসঙ্গ সম্পর্কিত নয়।
এছাড়া, অনুচ্ছেদ ৩১-এ পেশা স্থগিতকরণের বিষয়ে স্পষ্টভাবে নির্দেশনা রয়েছে, যা অন্য অনুচ্ছেদে নেই।
------------------
 → The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article-31.
- An advocate may suspend his practice in such manner as may be prescribed. 
১১,৪২১.
A একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে চায়। এক্ষেত্রে উক্ত দলিলটি যে হারিয়ে গেছে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর-
  1. A এর বিরোধী পক্ষের উপর
  2. ভূমি অফিসের উপর
  3. আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর
  4. A এর উপর              
সঠিক উত্তর:
A এর উপর              
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর              
ব্যাখ্যা
♦  যে ব্যক্তি কোন বিষয়ের অস্তিত্ব দাবী করে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর- ১০১ ধারা। ১০৪ ধারা অনুযায়ী কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার পূর্বে যদি অন্য কোন ঘটনা প্রমাণ আবশ্যক হয় তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা প্রমাণের দায়িত্ব যে সাক্ষ্য দিতে চায় তার উপর।
অতএব দলিলটি যে হারিয়ে গেছে তা প্রমাণের দায়িত্ব A এর উপর।

♦ যেমন A যদি B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় তাহলে এক্ষেত্রে A কে অবশ্যই B এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে।
১১,৪২২.
বহু বিবাদির মধ্যে কোনো একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে, আদালত-
  1. উক্ত বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. সকল বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদির বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING).

আদেশ ১৫ বিধি ২- 

যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদি থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদিদের কোন একজনের সাথে যদির সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখন ঐ বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।
[Where there are more defendants than one and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.]
১১,৪২৩.
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য কোন ধরনের সাক্ষ্য ব্যবহার করা যায়?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Section 61: Proof of contents of documents) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে।"
অর্থাৎ, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য নিম্নলিখিত দুই ধরনের সাক্ষ্য ব্যবহার করা যায়:

→ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence): ধারা ৬২ অনুযায়ী, এটি হলো মূল দলিল নিজে বা তার আইনি প্রতিলিপি। এটি সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং আদালতে প্রাধান্য পায়।
→ মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence): ধারা ৬৩-এ সংজ্ঞায়িত, এটি হলো মূল দলিলের অনুলিপি, প্রতিলিপি, বা অন্য কোনো প্রমাণ যা মূল থেকে প্রাপ্ত নয়। ধারা ৬৫-এ উল্লেখিত শর্ত (যেমন মূল দলিল হারিয়ে যাওয়া, ধ্বংস হওয়া, বা উপস্থাপন অসম্ভব হওয়া) পূরণ হলে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয়।

→ দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য উভয়ই ব্যবহার করা যায়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।
১১,৪২৪.
'ক', একজন সরকারি কর্মকর্তা, যাকে আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে ইচ্ছাকৃতভাবে সেই নির্দেশ না মানে এবং জানে যে, এর ফলে 'খ' এর ক্ষতি হবে, তাহলে 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬: আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা:
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।

১১,৪২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত যেকোন একজন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন একজন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১১,৪২৬.
আদালত কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. ক বা খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১১,৪২৭.
'No _________ shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any _______ of any order or decree be allowed'- The specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারা অনুসারে শূন্যস্থানে সন্নিবেশিত শব্দ দুইটি যথাক্রমে-
  1. revision, appeal
  2. appeal, review
  3. review, appeal
  4. revision, review
সঠিক উত্তর:
appeal, review
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal, review
ব্যাখ্যা
⇒ Section 9 Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit. 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof. 
No suit under this section shall be brought against the Government. 

⇒ No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

-----------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

⇒  এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগযোগ্য নেই। আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।

ক) কোন সম্পত্তিতে জনসাধারণের যত ভাল স্বত্ব থাকে না কেন তাদেরকে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া হতে নিরুৎসাহ করাই এই ধারার লক্ষ্য।
খ) এই ধারায় ফরিয়াদীকে কোন স্বত্ব প্রদান করা হয়নি। আইনের মাধ্যম ছাড়া কেউ কাউকে সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত করলে অধিকার বিচার না করে দখলচ্যুত ব্যক্তি বর্তমান ধারার মাধ্যমে দখল লাভ করতে পারে। শান্তিভঙ্গ রোধই এই ধারার অন্যতম লক্ষ্য।
গ) বর্তমান ধারার লক্ষ্য হল, বলপ্রয়োগ করে বেদখল নিরুৎসাহিত করা। এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার নীতিঃ দখলদারই দখলে থাকবেন, এটিই সাধারণ নীতি। তবে যার স্বত্ব আছে কিন্তু দখল নেই, তিনি আইন হাতে তুলে নিয়ে বলপ্রয়োগ করে দখলদারকে দখলচ্যুত না করে বরং প্রচলিত আইনের বিধান মতে স্বত্বের মোকদ্দমা রুজুর মাধ্যমে দখলে আসতে পারেন। মূলত এটিই আলোচ্য আইনের প্রধান নীতি।

⇒ বেদখল বলতে কি বুঝ?
বেদখল অর্থ প্রকৃত উচ্ছেদ বা তাড়ানো অর্থাৎ যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে ছিল তাকে দখল থেকে উচ্ছেদ করাই হল বেদখল। একজন প্রজাকে ইজারার শেষে দখলে থাকা শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা যাবে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার আওতায় হোল্ডিন ওভার বিশিষ্ট একজন প্রজা বা টেন্যান্টের দখল বৈধ। অবৈধ নয় এরূপ প্রজাকে বেদখল করলে ৯ ধারা অনুসারে তা পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে। আইনের যথার্থ মাধ্যম অর্থ নিয়মিত, স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা দ্বারা কোন কিছু সিদ্ধান্তের জন্য আদালতে উত্থাপন করা হয়।

⇒ বেদখল বাস্তবে হতে হবে, শুধুমাত্র কাগজপত্রে বেদখল হলে তাকে ৯ ধারা মোতাবেক বেদখল বলা যায় না। ৯ ধারার অধীন দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বেদখল অবশ্যই আইনের পরিপন্থি হতে হবে। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তির ঘর বাড়ী বা সম্পত্তি থেকে আইনগত পদ্ধতিতে উচ্ছেদ হলে তাকে বেদখল বলা যায় না।
১১,৪২৮.
Principle of Res judicata একটি ________ বিষয়।
  1. আইনগত
  2. ঘটনাগত
  3. আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
  4. আদালতের স্বেচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার সম্মিলিত
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।

♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
১১,৪২৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।

→ উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির জমি দখল বা সম্পত্তি সম্পর্কিত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রম করে যায়, তাহলে দরখাস্তটি তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যেতে পারে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বছর।
১১,৪৩০.
জবানবন্দি অথবা পুনঃজবানবন্দির সময় আদালত কোন ক্ষেত্রে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করার অনুমতি দেবেন?
  1. পরিচয়মূলক বিষয়
  2. অবিসংবাদিত বিষয়
  3. ইতিমধ্যেই প্রমাণিত বিষয়
  4. বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারা ১৪২- কখন ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন (Leading Questions) জিজ্ঞাসা করা যাবে না-
যদি বিপক্ষ পক্ষ (adverse party) আপত্তি করে, তাহলে জবানবন্দি (examination-in-chief) অথবা পুনঃজবানবন্দিতে (re-examination) ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে।

আদালত ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিতে পারে, যদি সেগুলো হয়—
- পরিচিতিমূলক তথ্য (introductory matters),
- অবিসংবাদিত (undisputed) বিষয়, অথবা
- যে বিষয়গুলি ইতোমধ্যে যথেষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালতের ধারণা হয়।
১১,৪৩১.
“বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ”- কোন ধারার অধীনে সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৭২
  2. ধারা ৭৩
  3. ধারা ৭৪
  4. ধারা ৭৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৪
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ধারা ৭৪- সরকারি দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলি সরকারি দলিল:
(১) যে সকল দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

Section 74: Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 

(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১১,৪৩২.
‘ক’ তার জমি ‘খ’-কে লিজ দেয়, এবং ‘খ’ সেখানে একটি স্থাপনা তৈরি করার কথা বলে। কিন্তু ‘খ’ সেখানে অন্য কাজে জমি ব্যবহার শুরু করলে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ‘ক’ কী করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবে
  2. ‘খ’-এর কাছ থেকে বাড়তি টাকা দাবি করতে পারবে
  3. ‘খ’-এর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারবে
  4. আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) তখনই দেওয়া হয় যখন কোনো পক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন করে এবং যার ফলে বাদীর আইনি অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ তার জমি ‘খ’-কে লিজ দিয়েছে নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে (স্থাপনা নির্মাণের জন্য), কিন্তু ‘খ’ সেই উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে জমিটি অন্য কাজে ব্যবহার করছে। এটি চুক্তির লঙ্ঘন, যা ‘ক’-এর অধিকার ক্ষুণ্ন করছে।
এমতাবস্থায়, ‘ক’ আদালতে একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে, যাতে ‘খ’ চুক্তিভঙ্গ করে জমিটি অন্য কাজে ব্যবহার করতে না পারে এবং চুক্তির শর্ত মেনে চলে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।
(খ) একজন জিম্মাদার জিম্মা ভঙ্গের হুমকি প্রদান করে। তার সহ-জিম্মাদার যদি থেকে থাকে, অবশ্যই এবং উপকার লাভকারী মালিক চুক্তিভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
১১,৪৩৩.
সাক্ষ্য আইনে "Conclusive proof" কী নির্দেশ করে?
  1. তদন্তযোগ্য তথ্য
  2. খণ্ডনযোগ্য প্রমাণ
  3. আদালতের সন্দেহ
  4. চূড়ান্তভাবে সত্য প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে সত্য প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে সত্য প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীনে যখন কোনো এক তথ্যকে "conclusive proof" বা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখন তা আদালতে প্রমাণিত বলে গণ্য হবে এবং সেই তথ্যকে খণ্ডন বা বিরোধিত করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
- এককথায়, "conclusive proof" মানে হল, প্রমাণের উপর ভিত্তি করে আর কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না এবং আদালত সেই তথ্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ করবে।
- "Conclusive proof" (চূড়ান্ত প্রমাণ) মানে, একটি বিষয় যদি "conclusive proof" হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে আদালত সেই বিষয়টি প্রমাণিত বলে মনে করবে এবং ওই বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত প্রমাণ প্রদান বা খণ্ডন করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
- এটি এক ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, যেখানে প্রমাণিত বিষয়টি আর কোনো সন্দেহের বা প্রশ্নের বাইরে চলে যায়।
১১,৪৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে যদি ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় কেউ ডিক্রিদারকে ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধা প্রদান করে, তবে কোন বিধান প্রযোজ্য?
  1. আদেশ ২১, বিধি ৯৮
  2. আদেশ ২১, বিধি ৯৭
  3. আদেশ ২১, বিধি ৯৫
  4. আদেশ ২১, বিধি ১০১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৯৮ এটি প্রযোজ্য হয় যখন ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় কেউ ডিক্রির বাস্তবায়নে বাধা দেয়, এবং সে বাধার কোন ন্যায়সঙ্গত কারণ নেই। এই অবস্থায়, ডিক্রিদার আদালতে দরখাস্ত করতে পারেন, এবং আদালত তাকে দখল নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে, এবং প্রয়োজন হলে দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে পাঠাতে পারে।

​⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule-97.Resistance or obstruction to possession of immovable property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property or the purchaser of any such property sold in execution of a decree is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction.
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule-98.Resistance or obstruction by Judgmentdebtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.

১১,৪৩৫.
হাসান তার বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। তামাদি আইনের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাসানের মামলা কত বছরের মধ্যে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ১২ বছর
  2. ২৪ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা;
তামাদি- ৬০ বৎসর;
তামাদি শুরু - যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।
১১,৪৩৬.
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে দায়িকের (judgment-debtor) সম্পর্কে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা যায় না?
  1. সিভিল জেলে আটক করা
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা
  3. উভয় পদ্ধতি একসাথে ব্যবহার করা
  4. দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
সঠিক উত্তর:
দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারি করার জন্য শুধুমাত্র সিভিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যায়, যেমন দায়িককে সিভিল জেলে আটক করা (ক), সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা (খ), অথবা উভয় পদ্ধতি একসাথে (গ)। কিন্তু ফৌজদারি মামলা দায়ের করা (ঘ) এর আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সিভিল এক্সিকিউশনের অংশ নয় এবং ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
-----------

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.

১১,৪৩৭.
যদি কোনো ব্যক্তি আইনগতভাবে চুক্তি অনুযায়ী একজন অক্ষম ব্যক্তির সাহায্য করার জন্য দায়বদ্ধ থাকে কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি হবে না
  2. এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. দুই মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯১:
যদি কোনো ব্যক্তি আইনগতভাবে একটি চুক্তির আওতায় থাকে, যা অনুযায়ী তাকে কোনো এমন ব্যক্তির সাহায্য করতে হবে যিনি বয়সের কারণে, মানসিক অসুস্থতার কারণে, রোগ বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে নিজের সুরক্ষা বা প্রয়োজন পূরণ করতে অক্ষম, এবং সেই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এই দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে

তাকে নিম্নলিখিত শাস্তি দেওয়া হবে:
কারাদণ্ড: তিন মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড।
জরিমানা: দুই শত টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়ই।
১১,৪৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুসারে দেওয়ানি মোকদ্দমার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধি-বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ৩৬
  2. আদেশ ৩৯
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়।
-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধানাবলী আদেশ ৩৯-এ বর্ণিত আছে।


- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
-দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
১১,৪৩৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় মৃত্যু কালীন ঘোষনা (Dying declaration) এর বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা: যে ব্যক্তি মৃত অথবা যাকে খুঁজে পাওয়া যায় না অথবা যে সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অথবা যাকে হাজির করা এরূপ সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যে, সংশ্লিষ্ট মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালতের মতে তা অযৌক্তিক; সেইরূপ ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিজেরাই প্রাসঙ্গিক বিষয়:

(১) যখন এটি মৃত্যুর কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট (When it relates to cause of death): যখন মামলায় কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই মামলায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক তার মৃত্যু সম্পর্কে অথবা যে পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু ঘটেছে তার কোন একটি সম্পর্কে দেওয়া বিবৃতি; এরূপ বিবৃতি দেওয়ার সময় ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কা করুক বা না করুক এবং যে কার্যক্রমে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে তার প্রকৃতি যাই হোক না কেন উক্ত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

(২) সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রদত্ত (Made in course of business) : যখন বিবৃতিটি ঐ ব্যক্তি কর্তৃক কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (in the ordinary course of business) দেয়া হয়, এবং বিশেষভাবে যখন তা কাজের স্বাভাবিক রীতিতে, বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে রক্ষিত বইয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত কোনো লিখন (entry) বা স্মারকের (memorandum) অন্তর্ভূক্ত হয়; অথবা যখন তা অর্থ, মালামাল, জামানত বা যে কোনো সম্পত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত স্বীকারোক্তি (acknowledgment) হয়; অথবা যখন তা ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত কোন ব্যবসায়িক ব্যবহৃত দলিলে লেখা হয়; অথবা তা সাধারণভাবে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত বা তারিখ প্রদত্ত চিঠি বা অন্য দলিলের তারিখ প্রসঙ্গে লেখা হয়।
১১,৪৪০.
The Code of Criminal Procedure, 1860 এর কোন দুইটি ধারার অধীনে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৫৪ ও ২০০
  2. ১৫৬ ও ২০০
  3. ১৫৫ ও ২০৪
  4. ১৫৪ ও ২০৪
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ও ২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ও ২০০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য ।

⇒ ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1860 এর ১৫৪ এবং ২০০ ধারার অধীনে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়।
১১,৪৪১.
The Bangladesh Legal practitioners and Bar council orders 1972 রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ?
  1. ৪৪
  2. ৪৫
  3. ৪৮
  4. ৪৬
সঠিক উত্তর:
৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal practitioners and Bar council orders 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ।
১১,৪৪২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. Courts-martial convened under the Army Act, 1952
  2. Judicial proceedings in courts
  3. Proceedings before the arbitrator
  4. All the above
সঠিক উত্তর:
Judicial proceedings in courts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial proceedings in courts
ব্যাখ্যা
⇒ Extent: It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;

⇒ এই আইন সমগ্র বাংলাদেশে বলবৎ হবে ও ১৯৮২ সালের সেনাবাহিনী আইন বা ১৯৬১ সালের নৌ- শৃঙ্খলা আইন বা ১৯৫৩ সালের বিমান বাহিনী আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালত ব্যতীত সকল আদালত এবং সামরিক আদালতে যাবতীয় বিচার কার্যে প্রযোজ্য হবে। তবে অত্র আইন কোন আদালতে অথবা কোন কর্মকর্তার নিকট উপস্থিত হলফনামা অথবা সালিসের কার্যধারায় প্রযোজ্য হবে না।
 
⇒ Case Law:
Judicial proceedings-The term "Judicial proceedings" is not defined by the Evidence Act, but it is defined by section 4(m) of the Criminal Procedure Code as a "proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath. "An enquiry is judicial if the object of it is to determine a jural relation between one person and another or a group of persons or between him and the community.
-QE vs Tulja. 12 ILR (BOM) 36. P42. 

Departmental enquiries-In departmental enquiries the strict laws of evidence according to the Evidence Act are not applicable.
-Sisir Kumar Das vs State, 1955 AIR (Cal) 183.
১১,৪৪৩.
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant under Section ______ of The Evidence Act,1872.
  1. 55
  2. 53
  3. 57
  4. 52
সঠিক উত্তর:
53
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53
ব্যাখ্যা
Section 53In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
১১,৪৪৪.
কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমা
  2. যে কোন ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে
  4. মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
সঠিক উত্তর:
মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের বিধান: 
⇒ দেওয়ানি সকল মোকদ্দমায় এবং ফৌজদারি আপিল, রিভিশনে তামাদির বিধান প্রযোজ্য।
⇒ তবে ফৌজদারি মোকদ্দমা যে কোন সময় দায়ের করা যায়, তাই তামাদির বিধান ফৌজদারি মূল মোকদ্দমায় প্রযোজ্য নয়।
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে পাঁচটি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করার কথা বলা হয়েছে; সেগুলো হলো: আপিল, আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত, রিভিউ, রিভিশন, অন্য কোন আবেদন।  
⇒ এখানে মূল মামলার মেয়াদ বৃদ্ধি করার সুযোগ নাই, তাই বলা যায় যে মূল ফৌজদারি মোকদ্দমায় তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়, তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশনে তামাদির বিধান প্রযোজ্য।
১১,৪৪৫.
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী যদি গর্ভবতী থাকে, তাহলে ৩৮২ ধারায় হাইকোর্ট কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. দণ্ড বাতিল করতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  3. শুধুমাত্র জরিমানা দিতে পারে
  4. মামলা বাতিল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ মোতাবেক-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

১১,৪৪৬.
'খ'- Penal Code,1860 এর ৩৭৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'খ' কে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'খ' উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করে এবং জামিনের আবেদন করেন। আপিল আদালত 'খ' এর জামিন মঞ্জুর করে। The Code of Criminal Procedure,1898 এর কত ধারা উক্ত কার্যক্রম সমর্থন করে?
  1. ধারা ৪২৮
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৪২৬
  4. ধারা ৪২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৬
ব্যাখ্যা
আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond. 
 
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto. 
 
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended. 
 
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail. 
 
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
১১,৪৪৭.
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে _________ দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল।
  1. Plea of jeopardy
  2. Plea of alibi
  3. Plea of estoppel
  4. Plea of immunity
সঠিক উত্তর:
Plea of alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of alibi
ব্যাখ্যা
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না।

'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে,
অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।
১১,৪৪৮.
দণ্ডবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী কোন অপরাধে সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রযোজ্য?
  1. প্রতারণা
  2. দস্যুতা
  3. মানহানি
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১০৩ অনুযায়ী, সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার এমন পর্যায় পর্যন্ত প্রয়োগ করা যেতে পারে যে প্রয়োজনে অপরাধীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো সম্ভব হয়। তবে এই অধিকার কেবলমাত্র কিছু নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- ধারা ১০৩-এ উল্লেখিত অপরাধগুলোর মধ্যে একটি হলো দস্যুতা (Robbery)। দস্যুতা এমন একটি গুরুতর অপরাধ, যেখানে বলপ্রয়োগ বা ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সম্পত্তির মালিক বা রক্ষক যুক্তিসঙ্গতভাবে নিজের ও নিজের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনবশত প্রাণঘাতী প্রতিরোধ করতে পারেন।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দস্যুতা একমাত্র সেই অপরাধ, যার ক্ষেত্রে সম্পত্তির রক্ষার্থে ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-103. When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;

১১,৪৪৯.
আদালত সর্বোচ্চ কত বার সরাসরি মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করবে?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ১ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৯কঃ সরাসরি খারিজ রদকরণ —
১) বিধি ৯ কিংবা অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকে না কেন, আদালতে বিলম্ব এড়ানো ও বিচার নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর উদ্দেশ্যে বিধি ৯ এর অধীন বাদিকে আদালতকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য উপস্থাপন করার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি খারিজ নিষ্পত্তি করে দিতে পারেন।
তবে উক্ত বাদিকে অনধিক এক হাজার টাকার খরচ যা যথাযথ ও নির্ধারিত বলে মনে করবেন, প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ৮ এর অধীন কোন খারিজ এই বিধির অধীন রহিত করা যাবে না, যদি না খারিজের আদেশ প্রদানের তারিখ হতে ত্রিশদিনের মধ্যে খারিজের আদেশ রহিতকরণের উদ্দেশ্যে এফিডেবিট সহযোগে আদালতে আবেদন দাখিল করা না হয়ে থাকেঃ

আরো শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন খারিজের আদেশ একাধিকবার রহিত করা যাবে না।

২) উপ-বিধি (১) এর অধীন কোন একতরফা খারিজ রহিতকরণের আবেদন দর্শিত হওয়ার সঙ্গে আদালতে বাদির খরচায় মোকদ্দমায় উপস্থিত হয়েছেন এমন বিবাদির বরাবরে নোটিশ জারির ব্যবস্থা করাবেন।
১১,৪৫০.
'স্বীকৃতি হলাে মৌখিক বা লিখিত বক্তব্য, যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে।'- এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ১৭: স্বীকৃতি বা Admission-
স্বীকৃতি হলাে মৌখিক বা লিখিত বক্তব্য, যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে।

প্রকারভেদ: স্বীকৃতি ২ প্রকার-
১। মৌখিক স্বীকৃতি;
২। লিখিত স্বীকৃতি।

সাক্ষ্য আইনের ভাষায়-
An admission is a statement, oral or documentary which suggest any inference as to any fact in issue or relevant fact and which is made by any of the persons and under the circumstances hereinafter mentioned.
১১,৪৫১.
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য কীভাবে গ্রহণযোগ্য?
  1. যেকোনো সাক্ষী দ্বারা
  2. প্রত্যক্ষ সাক্ষী দ্বারা
  3. সাক্ষ্যকে পর্যালোচনা করে
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সাক্ষী দ্বারা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ সাক্ষী দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ সাক্ষী দ্বারা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) প্রত্যক্ষ সাক্ষী দ্বারা।
- সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য শুধুমাত্র প্রত্যক্ষ সাক্ষীর দ্বারা গ্রহণযোগ্য হতে পারে, অর্থাৎ যা সে নিজে দেখেছে বা শোনেছে বা কোনো বিশেষ পদ্ধতিতে অনুভব করেছে। অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ,
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা দেখা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি দেখেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি শুনেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা অন্য কোনো অনুভূতি বা পদ্ধতিতে অনুভব করা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে সেই অনুভূতির মাধ্যমে এটি অনুভব করেছে;
যদি এটি কোনো মতামত বা সেই মতামতের ভিত্তি সম্পর্কে হয়, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি ওই মতামতটি ধারণ করেছে এবং তার ভিত্তি জানে।
এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের মতামত যে কোনো বইয়ে প্রকাশিত থাকে, সেটি যদি সাধারণভাবে বিক্রয়ের জন্য পাওয়া যায় এবং সেই লেখক মৃত অথবা পাওয়া না যায়, অথবা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়, বা সাক্ষীকে ডাকার জন্য সময় ও খরচ অধিক হয়, তাহলে আদালত সেই বইটির উত্থাপন করার মাধ্যমে সেই মতামত প্রমাণ করতে পারে।

এছাড়া, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো পদার্থের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, যা একটি দলিল ছাড়া অন্য কোনো বস্তু, তবে আদালত, যদি তা প্রযোজ্য মনে করে, তখন সেই বস্তুটির পরিদর্শনের জন্য উত্থাপন করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১১,৪৫২.
কত দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
১১,৪৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করা যায়-
  1. স্বত্বের উপর ভিত্তি করে 
  2. দখলি স্বত্বের উপর ভিত্তি করে 
  3. শুধুমাত্র পূর্ববর্তী দখলের উপর ভিত্তি করে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে
- ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।
---------------------------
Section 8- Recovery of specific immovable property: A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

১১,৪৫৪.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য কে তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
 
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
 
Section 100- Search for persons wrongfully confined
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
১১,৪৫৫.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের জেল
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড বা ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড বা ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড বা ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১২৪ক তে বলা হয়েছে- রাষ্ট্রদ্রোহীতার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড বা ৩ বছর মেয়াদী কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড।
১১,৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত শ্রেণির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6: Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class.

Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
১১,৪৫৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মোকদ্দমার ________ মঞ্জুর করা যেতে পারে।
  1. শেষ পর্যায়ে
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে
  3. সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে
  4. যে কোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।
১১,৪৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে মামলা স্থানান্তরের আবেদন ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক, তবে কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আরোপ করতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে মামলা স্থানান্তরের জন্য করা আবেদন ভিত্তিহীন (frivolous) বা হয়রানিমূলক (vexatious), তবে আদালত আবেদনকারীকে আবেদনের বিরোধিতাকারী ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে। এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আদালত পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করে।
- ধারা ৫২৬(৬ক) এর উদ্দেশ্য হলো আদালতের সময় অপচয় রোধ করা এবং ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক আবেদন দায়েরের বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয় বিরোধিতাকারী পক্ষের ক্ষতি পূরণের জন্য, যিনি অযৌক্তিক আবেদনের কারণে সময় এবং সম্পদের ক্ষতি সহ্য করেছেন।
- ধারা ৫২৬ এর অন্যান্য উপ-ধারা, যেমন ৫২৬(৪) এবং ৫২৬(৬), মামলা স্থানান্তরের আবেদনের প্রক্রিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ প্রদানের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক।
- অতএব, ধারা ৫২৬(৬ক) অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক মামলা স্থানান্তরের আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আরোপ করতে পারে।

১১,৪৫৯.
ORDER-XII-এর Rule-6 অনুযায়ী স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আদালত কী করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন
  2. মামলা খারিজ করতে পারেন
  3. আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
  4. জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 6 অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ মামলার প্লিডিং বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে যে কোনো পর্যায়ে আদালত সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন, অন্য কোনো বিরোধপূর্ণ প্রশ্ন নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই।

ORDER XII, Rule 6-এর মূল বক্তব্য:
- যদি মামলার পক্ষগণ কোনো ঘটনা স্বীকার করে, তবে অন্য বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির অপেক্ষা না করেই আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় বা আদেশ দিতে পারেন।
- আদালত নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, যা ন্যায়সংগত বলে মনে হয়।

এ কারণে, আদালত শুধুমাত্র সাক্ষ্য নিতে পারেন (ক), মামলা খারিজ করতে পারেন (খ), কিংবা জরিমানা আরোপ করতে পারেন (ঘ)—এই অপশন গুলো সঠিক নয়।
- বরং আদালত আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় (গ) দিতে পারেন, যা ORDER XII, Rule 6-এর মূল উদ্দেশ্য।

ORDER XII, Rule 6:- Judgment on Admissions:
At any stage of a suit, if any party has made admissions of fact—either in pleadings or otherwise—another party may apply to the Court for a judgment or order based on those admissions. The Court does not need to wait for the resolution of other disputed matters between the parties. Upon such an application, the Court has the discretion to pass any order or give judgment as it deems just.
১১,৪৬০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী অপরাধের "প্রস্তুতি" প্রমাণের জন্য নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. অপরাধের পূর্বে অস্ত্র ক্রয়
  2. অপরাধের সময়ের আচরণ
  3. অপরাধের পরবর্তী আচরণ
  4. শুধুমাত্র অপরাধের সাথে সম্পর্কহীন ঘটনা
সঠিক উত্তর:
অপরাধের পূর্বে অস্ত্র ক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের পূর্বে অস্ত্র ক্রয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) অপরাধের পূর্বে অস্ত্র ক্রয়।
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, "প্রস্তুতি" প্রমাণের জন্য এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক যা অপরাধ সংঘটিত করার উদ্দেশ্যে বা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঘটেছে।
যেহেতু অপরাধের পূর্বে অস্ত্র ক্রয় মূলত অপরাধের প্রস্তুতি হিসেবে গণ্য হতে পারে, তাই এটি প্রাসঙ্গিক। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র ক্রয় করে এবং সেই অস্ত্র পরে অপরাধে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই অস্ত্র ক্রয়ের ঘটনা অপরাধের প্রস্তুতি হিসেবে আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনযোগ্য।
অন্যদিকে, অপরাধের পরবর্তী আচরণ বা অপরাধের সময়ের আচরণ মূলত অপরাধের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত থাকে, কিন্তু সেগুলি "প্রস্তুতি" হিসেবে গণ্য হয় না। "শুধুমাত্র অপরাধের সাথে সম্পর্কহীন ঘটনা" তো পরিষ্কারভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এটি অপরাধের প্রস্তুতি বা ঘটনাকে প্রভাবিত করে না।
১১,৪৬১.
কোনো ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টা মামলার অভিযোগকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে চাইলে, নিচে বর্ণিত কোন ধরণের প্রশ্ন করা থেকে বারিত করা হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র সাধারণ অনৈতিক চরিত্র
  2. শুধুমাত্র পূর্ববর্তী যৌন আচরণ
  3. পূর্ববর্তী একই ধরণের মামলার রায় আছে কী না
  4. সাধারণ অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ 
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান- জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:

আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

১১,৪৬২.
The Evidence Act, 1872 এর ৯০ ধারা প্রযোজ্য হবে যদি
  1. ৩ বৎসরের পুরাতন হয়
  2. ৩০ বৎসরের পুরাতন হয়
  3. উপযুক্ত ব্যক্তির হেফাজতে থেকে কে উপস্থাপিত হয়
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
১১,৪৬৩.
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে উল্লেখ করবে-
  1. দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
  2. মূল অর্থসহ জরিমানার পরিমাণ
  3. মূল অর্থ এবং সুদ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ (precise amount) উল্লেখ করবে।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-

⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
১১,৪৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে জেলা জজ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগকালে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
  3. অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন করা যাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১১,৪৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি সরকার কর্তৃক "Proclaimed Offender" হিসেবে ঘোষিত হয়, পুলিশ তাকে —
  1. জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. গ্রেফতার করতে পারে না
  3. পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে
  4. কেবল আদালতের নির্দেশে গ্রেফতার করতে পারে
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা (Section 54 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াও কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র হলো: ৫৪ ধারা (৩ নম্বর ভিত্তি): “যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার ‘Proclaimed Offender’ হিসেবে ঘোষণা করে,” তাহলে পুলিশ তাকে পরোয়ানা ছাড়াই (without warrant) গ্রেফতার করতে পারে।
→ Proclaimed Offender বলতে বোঝায়: একজন Proclaimed Offender হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি, যাকে আদালত বা সরকার আইনসম্মতভাবে অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করেছে, সাধারণত তখন যখন সে পলাতক থাকে এবং আদালতের আদেশ অমান্য করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে:
৯টি ক্ষেত্র যেখানে পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে:
১) যদি কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable Offence) করে বা তাতে জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ থাকে।
২) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট আইনসংগত কারণ ছাড়া ঘরভাঙার সরঞ্জাম (Implement of House Breaking) পাওয়া যায়।
৩) যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার "Proclaimed Offender" হিসাবে ঘোষণা করে।
৪) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (Stolen Property) পাওয়া যায় বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে যুক্তিযুক্ত সন্দেহ হয়।
৫) যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনসংগত হেফাজত (Lawful Custody) থেকে পলায়ন করে বা পলায়নের চেষ্টা করে।
৬) যদি কোনো ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়নকারী (Deserter) হয়।
৭) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে এমন কোনো কাজ করে যা বাংলাদেশে অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে এবং যার জন্য তাকে বন্দি বা গ্রেফতার করা যেতে পারে।
৮) যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি (Released Convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারার অধীনে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯) যদি কোনো পুলিশ অফিসার অন্য কোনো পুলিশ অফিসারের অনুরোধে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে, তবে শর্ত থাকে যে অনুরোধে গ্রেফতারযোগ্য অপরাধের উল্লেখ থাকতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking;
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ;
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.

১১,৪৬৬.
According to Section 56 of the Evidence Act, which of the following statements is correct?
  1. The court can ignore judicially noticeable facts.
  2. Only documentary evidence is exempt from proof.
  3. Facts judicially noticeable by the court need not be proved.
  4. Facts that are judicially noticeable must be proved with evidence.
সঠিক উত্তর:
Facts judicially noticeable by the court need not be proved.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facts judicially noticeable by the court need not be proved.
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.

⇒ Section 56 of the Evidence Act states that facts which are judicially noticeable by the court do not need to be proved. Judicial notice refers to facts that are widely known or universally accepted, and the court automatically recognizes them as true without requiring formal evidence to establish them.
⇒  Examples include the laws of the country, the fact that the sun rises in the east, or public holidays declared by the government.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
১১,৪৬৭.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক অনুযায়ী, আদালত কোন পরিস্থিতিতে আপিল সরাসরি পুনঃশুনানি করতে পারেন?
  1. আপিলকারী পক্ষের অনুরোধে
  2. বিবাদী পক্ষের অনুরোধে
  3. প্রাথমিক শুনানির সময় ভুলত্রুটি থাকলে
  4. বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃতবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ

তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
১১,৪৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা অনুসারে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দেওয়ার আগে আপিল আদালত কী করতে হবে?
  1. সাক্ষীর সম্মতি নিতে হবে
  2. বিচারকার্য স্থগিত করতে হবে
  3. অভিযোগকারীকে অবহিত করতে হবে
  4. সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৮(১) অনুসারে, যদি আপিল আদালত মনে করে যে, মামলাটির সুষ্ঠু নিষ্পত্তির জন্য অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহলে সে নিজেই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে অথবা উপযুক্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষকে (যেমন: দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট) সেই সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
→ তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগের আগে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো— “তাদের এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিক কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।”
- এই ধারা অনুযায়ী, অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেওয়া একটি ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা, এবং যাতে এই ক্ষমতা অপব্যবহার না হয়, সে জন্য আদালতকে অবশ্যই তা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে কারণ স্পষ্টভাবে রেকর্ড করতে হবে।
- অর্থাৎ বিচারিক স্বচ্ছতা ও যুক্তিপূর্ণতা নিশ্চিত করা, যাতে আপিল আদালতের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে তার ভিত্তি সুস্পষ্ট থাকে।
তাই, সাক্ষীর সম্মতি নেওয়া বা অভিযোগকারীকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক নয়— মূল বিষয় হলো আদালতের নিজের কারণে লিপিবদ্ধ করা।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১১,৪৬৯.
বিচারক রায়ের সময় কাকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে
  3. যাবজ্জীবনদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে
  4. যেকোনো দণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে,
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন। অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।
 
উল্লেখ্য,
তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের বিরুদ্ধে রায়ের ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।
 
Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application. Case of person sentenced to death-
 
 ⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 
 
⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১১,৪৭০.
মোকদ্দমা ভুল আদালতে দায়ের করা হলে বিচারাক কী করবেন?
  1. আরজি ফেরত দিবেন
  2. আরজি খারিজ করবেন
  3. স্থানান্তর করবেন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১০ নং বিধিতে আরজি ফেরতের বিধান রয়েছে। কোন আরজি এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করা হলে, আরজিটি সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়াকে আরজি ফেরত বা Return of plaint বলে।

♦ সঠিক আদালতে মামলা দায়ের করা না হলে অর্থাৎ এখতিয়ার বহির্ভূত আদালতে মামলা দায়ের করা হলে, উক্ত আদালত আরজিটি উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দায়ের করার জন্য দাখিলকারী অ্যাডভোকেটের নিকট ফেরত পাঠাবে।

♦ আরজি ফেরতের সময় আদালত দাখিল ও ফেরতের তারিখ, দাখিলকারকের নাম ও ফেরতের কারণ সম্পর্কে বিবৃতি লিখবেন ।
১১,৪৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১০৬ অনুসারে শান্তিরক্ষার মুচলেকা কত বছরের জন্য দেওয়া যায়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.

১১,৪৭২.
দায়রা আদালতে বিচারের সময় আসামি উম্মাদ বা মানসিকভাবে অসুস্থ হলে আদালত-
  1. মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে বিচার করবেন
  2. মামলার পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন
  3. মামলা চালিয়ে রাখবেন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৬৫ মতে দায়রা আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে আসামী উম্মাদ বা পাগল হলে দায়রা আদালত নিজেই আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাগল আসামীর বিচারের বিধান এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৫ ধারায় দায়রা আদালতে পাগল আসামীর বিচারের বিধান উল্লেখ রয়েছে। আসামী উম্মাদ বা পাগল হলে আদালত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
১১,৪৭৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় মারামারির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১৪৯
  2. ১৬৯
  3. ১৬০
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
১১,৪৭৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন অনুচ্ছেদে রিভিউ দায়েরের সময়সীমা নির্ধারিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৭৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৭৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৭৩
  4. অনুচ্ছেদ ১২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৭৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৩ (Article 173)-এ রিভিউ (Review) আবেদন দায়েরের সময়সীমা নির্ধারিত আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশ জারির তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন দায়ের করতে হয়।
- অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে। 

১১,৪৭৫.
কোনো মানচিত্র বা নকশা যদি কোনো মামলার উদ্দেশ্যে (for the purpose of any cause) তৈরি হয়, তবে-
  1. আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা গ্রহণ করবে
  2. সেটি আদালতে প্রমাণযোগ্য নয়
  3. সেটির সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সেটির সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটির সঠিকতা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 – ধারা ৮৩- সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রণীত মানচিত্র বা নকশা সম্পর্কে অনুমান (Presumption as to maps or plans made by authority of Government):
আদালত অনুমান করবে যে- যেসব মানচিত্র (map) বা নকশা (plan) সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা নির্দেশে প্রস্তুত বলে প্রতীয়মান,
সেগুলো আসলেই সরকারের কর্তৃত্বে প্রস্তুত করা হয়েছে, এবং সেগুলো যথাযথভাবে সঠিক (accurate)।
তবে, যদি কোনো মানচিত্র বা নকশা কোনো মামলার উদ্দেশ্যে (for the purpose of any cause) তৈরি করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটির সঠিকতা (accuracy) আদালতে প্রমাণ করতে হবে।

১১,৪৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৫-এর অধীনে জরুরি পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে পারেন
  2. বিরোধের বিষয় জব্দ করতে পারেন
  3. মামলাটি হাইকোর্টে পাঠাতে পারেন
  4. সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বিরোধের বিষয় জব্দ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধের বিষয় জব্দ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিরোধের বিষয় জব্দ করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৫ এমন পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য যেখানে জমি, জলাশয় বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দেয়।
- এ ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, বিরোধ থেকে জনশৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, তাহলে তিনি তদন্ত শুরু করতে পারেন এবং উভয় পক্ষকে দখলের দাবিসমূহ উপস্থাপন করতে বলেন।

Proviso to Section 145(4)):
"Provided also, that if the Magistrate considers the case one of emergency, he may at any time attach the subject of dispute, pending his decision under this section."
- অর্থাৎ, জরুরি পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধপূর্ণ জমি বা স্থাবর সম্পত্তি জব্দ (attach) করার আদেশ দিতে পারেন, যাতে পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।
১১,৪৭৭.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি হলে ৩০ দিন
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হলে ১৫ দিন 
  3. স্থাবর বা অস্থাবর উভয় ক্ষেত্রে ৩০ দিন
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১১,৪৭৮.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৪ ধারায় কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার বিধান করা হয়েছে?
  1. অস্থায়ী
  2. চিরস্থায়ী
  3. বাধ্যতামূলক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়ঃ এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন। মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেনঃ

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;

(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
১১,৪৭৯.
কোনো অ্যাডভোকেট সর্বোচ্চ কত বার ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকতে পারেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।

-The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A:
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.
-(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.
১১,৪৮০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১১৫
  2. ১১৬
  3. ১১৭
  4. ১১৮
সঠিক উত্তর:
১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ:
- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 117: Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons: 
- Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,৪৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ অনুসারে, আদালত কোন ধারায় উল্লিখিত আংশিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. উল্লিখিত সব ধারায়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877)-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী, আদালত শুধুমাত্র ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬-এ বর্ণিত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে আংশিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (specific performance of part of a contract) অনুমোদন করতে পারে।
- ধারা ১৭ এর মূল বক্তব্য: “The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.”
- অর্থাৎ: আদালত আংশিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ করতে পারবে না, যদি না তা ধারা ১৪, ১৫ অথবা ১৬ এর অধীনে পড়ে।

ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬ সংক্ষেপে:
→ ধারা ১৪: যখন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট এবং টাকার দ্বারা ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব। আদালত এটি কার্যকর করতে পারে।
→ ধারা ১৫: যখন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় এবং ক্রেতা সম্মত থাকে শুধু সম্পাদনযোগ্য অংশ গ্রহণ করতে ক্ষতিপূরণ ছাড়াই — তখন আদালত বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারে।
→ ধারা ১৬: যখন চুক্তির অংশবিশেষ স্বতন্ত্র এবং আলাদাভাবে কার্যকরযোগ্য — তখন সেই অংশের কার্যকর আদেশ আদালত দিতে পারে।

→ অর্থাৎ ধারা ১৭ স্পষ্টভাবে বলে দেয়, আংশিক চুক্তির কার্যকর আদেশ কেবল ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬-এর সীমায় আদালত দিতে পারে।
- এই তিনটি ধারাই আংশিক চুক্তির কার্যকর করার ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা বর্ণনা করে।
→ তাই সঠিক উত্তর: "ঘ) উল্লিখিত সব ধারায়"।
১১,৪৮২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর গঠন কয়টি ভাগ, অধ্যায় এবং ধারা নিয়ে গঠিত?
  1. ৩টি ভাগ, ১০টি অধ্যায়, ১৫০টি ধারা
  2. ৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
  3. ২টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৫টি ধারা
  4. ৪টি ভাগ, ১২টি অধ্যায়, ১৭০টি ধারা
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি ভাগ, ১১টি অধ্যায়, ১৬৭টি ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) গঠিত হয়েছে—
- ৩টি ভাগ (Parts)
- ১১টি অধ্যায় (Chapters)
- ১৬৭টি ধারা (Sections)
এই আইনটি একটি পদ্ধতিগত আইন এবং এটি ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের পূর্ব ইতিহাস ও গঠন:
১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ কোনো সাক্ষ্য আইন ছিল না।
১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামার একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন, তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়।
উৎপত্তি: Latin শব্দ Evidere বা Evidence থেকে এসেছে।
মূল উদ্দেশ্য: সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিষয় প্রমাণ করা।
আইনের ধরন: এটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)।
আইন প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
প্রণেতা: স্যার জেমস স্টিফেন (Fitz-James Stephen), যাকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
সংগঠন: ৩টি ভাগ (Part), ১১টি অধ্যায় (Chapter), ১৬৭টি ধারা (Section) আছে।
১১,৪৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশের কোথায় অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে?
  1. আদেশ ১ বিধি ০২
  2. আদেশ ১ বিধি ০৮
  3. আদেশ ১ বিধি ০৯
  4. আদেশ ১ বিধি ০৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ০৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১ এবং বিধি ৯ এর মাঝে অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।
অপসংযোগ (Mis-joinder) হল প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভূক্ত করা।
অসংযোগ (Non-joinder) হল মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তুর্ভূক্ত না করা।
⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
১১,৪৮৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপহরণ (Abduction) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৬০
  2. ধারা ৩৬২
  3. ধারা ৩৬৫
  4. ধারা ৩৭০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২-এ অপহরণের (Abduction) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে বলপ্রয়োগ বা প্রতারণামূলকভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে বাধ্য করে, তাকে অপহরণ বলা হয়।
- অর্থাৎ, অপহরণ (Abduction) হল এমন একটি অপরাধ যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা প্রতারণার মাধ্যমে বা শারীরিক শক্তি ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যায়।
⇒ The Penal Code, 1860- Section, 362. Abduction:
 - Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

১১,৪৮৫.
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় হওয়ার সাথে সাথে ক্রেতা ক্রয়মূল্যের কত টাকা নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করবে?
  1. ১৫%
  2. ২৫%
  3. ৫০%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ এর বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়।-১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে।
--------------
⇒ Order 21 Rule-84: Deposit by purchaser and re-sale on default-1) On every sale of immovable property the person declared to be the purchaser shall pay immediately after such declaration a deposited of twenty-five per cent. on the amount of his purchase-money to the officer or other person conducting the sale, and in default of such deposit, the property shall forthwith be re-sold.
2) Where the decree-holder is the purchaser and is entitled to set-off the purchase-money under rule 72, the Court may dispense with the requirements of this rule.
১১,৪৮৬.
Assault or criminal force to woman with intent to outage hermodesty করার শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১১,৪৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯-এর বিধান কোন পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করে?
  1. বিবাদীর অধিকারকে
  2. বাদীর অধিকারকে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকারকে
  4. সকল পক্ষের অধিকারকে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৯ সরাসরি বাদীর অধিকারকে প্রভাবিত করে। এই ধারা অনুসারে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের জন্য আলাদা মামলা দায়ের করার অধিকার হারান।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

১১,৪৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০২
  3. ধারা ৫০৩
  4. ধারা ৫০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৩-এ সুনির্দিষ্টভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করার বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষ্য প্রয়োজন হলে এবং সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে অযৌক্তিক বিলম্ব/খরচ/অসুবিধা হলে আদালত সাক্ষীর হাজিরা মওকুফ করে কমিশন জারি করতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাৎ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

১১,৪৮৯.
একটি ডিক্রি কার্যকর করতে গিয়ে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয়টি রদের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষ কতদিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৬:
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree]:
তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু-নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।
১১,৪৯০.
যদি কোনো ফৌজদারি মামলা দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত হয়, তাহলে তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. আদালতের
  2. আসামী পক্ষের
  3. বাদী পক্ষের
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
আসামী পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামী পক্ষের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের।

বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।

Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
১১,৪৯১.
আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে কোন পরিস্থিতিতে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (Solatium) দিতে পারেন?
  1. যদি বাদী অন্যায় সুবিধা নেয় এবং চুক্তি বিবাদীর জন্য কঠোর হয়
  2. যদি চুক্তিটি রেজিস্ট্রিকৃত না হয়
  3. যদি বাদী আদালতে হাজির না হয়
  4. যদি বিবাদী চুক্তি মানতে রাজি না হয়
সঠিক উত্তর:
যদি বাদী অন্যায় সুবিধা নেয় এবং চুক্তি বিবাদীর জন্য কঠোর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি বাদী অন্যায় সুবিধা নেয় এবং চুক্তি বিবাদীর জন্য কঠোর হয়
ব্যাখ্যা
⇒ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান করা আইনসম্মত হলেও এটি বাধ্যতামূলক নয়। আদালতের এই ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারী নয়, বরং তা যুক্তিসঙ্গত, ন্যায়সংগত এবং বিচারিক নীতির দ্বারা সীমাবদ্ধ। এছাড়া, এই ক্ষমতা আপিল আদালত দ্বারা পর্যালোচনা ও সংশোধনযোগ্য। ধারা ২২ অনুযায়ী, আদালত দুইটি বিশেষ ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদানের আদেশ দিতে পারে। এই ক্ষেত্রগুলো হলো:
১.বাদীর দ্বারা বিবাদির প্রতি অন্যায় সুবিধা গ্রহণ:
যদি চুক্তিটি এমন পরিস্থিতিতে সম্পাদিত হয় যেখানে বাদী বিবাদির উপর অন্যায় সুবিধা অর্জন করে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। এমনকি যদি বাদীর পক্ষ থেকে কোনো প্রতারণা বা ভুল তথ্য প্রদানের অভিযোগ না থাকে, তবুও আদালত এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
২.বিবাদির প্রতি কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি:
যদি চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী কার্যসম্পাদন বিবাদির জন্য অযৌক্তিক কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি করে, এবং বিবাদি এই কঠোরতা বা অসুবিধা সম্পর্কে সচেতন না থাকে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। অন্যদিকে, চুক্তি বাস্তবায়ন না করলে বাদীর জন্য তেমন কোনো কঠোরতা বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে না।

এই দুই ক্ষেত্রে আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১১,৪৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ব্যভিচারের ক্ষেত্রে আদালত কার অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিবেন?
  1. পুলিশের
  2. আইনজীবীর
  3. সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের
  4. সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের স্বামীর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের স্বামীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের স্বামীর
ব্যাখ্যা

→  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯৫-১৯৯ তে কিছু অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান দেয়া হয়েছে। এই সকল অপরাধের ক্ষেত্রে উল্লিখিত ব্যক্তিসমূহের অভিযোগ ব্যতীত আদালত অপরাধ আমলে নিবেন না।
- যেমন- ধারা ১৯৯ এ দেয়া আছে, আদালত দণ্ডবিধির ধারা ৪৯৭ অথবা ৪৯৮ এর অধীন কোন অপরাধ সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের স্বামীর অভিযোগ ব্যতীত,অথবা তার অনুপস্থিতিতে স্ত্রীলোকের তত্ত্বাবধায়ক ব্যতীত আমলে নিবেন না।
------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 199. Prosecution for adultery or enticing a married woman: 
 No Court shall take cognizance of an offence under section 497 or section 498 of the Penal Code, except upon a complaint made by the husband of the woman, or, in his absence, made with the leave of the Court by some person who had care of such woman on his behalf at the time when such offence was committed:
Provided that, where such husband is under the age of eighteen years, or is an idiot or lunatic, or is from sickness or infirmity unable to make a complaint, some other person may, with the leave of the Court, make a complaint on his behalf: 
Provided further that where such husband is serving in any of the armed forces of Bangladesh under conditions which are certified by his Commanding Officer as precluding him from obtaining leave of absence to enable him to make a complaint in person, and where for any reason no complaint has been made by a person having care of the woman as aforesaid, some other person authorized by the husband in accordance with the provisions of sub-section (1) of section 199B may, with the leave of the Court, make a complaint on his behalf.

১১,৪৯৩.
'Power to sell perishable property'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৫২১ ধারা
  2. ৫২৩ ধারা
  3. ৫২৫ ধারা
  4. ৫২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-

আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property

If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১১,৪৯৪.
কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, আদালত কখন সম্পাদনযোগ্য অংশ যতটুকু আছে তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে
  2. বাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদনের দাবি পরিত্যাগ করলে
  3. বিবাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুসারে,
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে বাদী চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে, আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।

Section 15- Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
১১,৪৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে দায়রা জজ তাকে কী জানাবেন?
  1. দণ্ড কার্যকরের সময়
  2. সাজা কমানোর সুযোগ
  3. ক্ষমা প্রার্থনার প্রক্রিয়া
  4. আপিলের সময়সীমা
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
১১,৪৯৬.
কোন জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার ___________ এর মধ্যে তা দাবি না করলে সেটি সরকারের হেফাজতে চলে যায়।
  1. ১ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৩ মাস
  4. মামলা নিষ্পত্তি কালতক
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির  ৫২৩ ধারা অনুযায়ী ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। জব্দকৃত মালের মালিক অজ্ঞাত হলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
♦যেহেতু প্রশ্নটিতে জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার কর্তৃক দাবী প্রতিষ্ঠার মেয়াদ জানতে চাওয়া হয়েছে, সেহেতু উত্তর হবে ১ মাস। কারণ ৫২৩ (২) ধারা অনুসারে হাজির হয়ে দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট দাবীদারকে সময় দিবে ১ মাস। পূর্বে এই মেয়াদটি ৬ মাস ছিল। ১৯৭৩ সালে সংশোধন করে ১ মাস করা হয়।
১১,৪৯৭.
নিম্নের কোন কার্যটি চুরি হিসাবে গণ্য হবে না ?
  1. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
  2. অপরের জমিতে দন্ডায়মান গাছ কেটে ফেলা।
  3. টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী নিয়ে যাওয়া।
  4. অপরের জমিতে দন্ডায়মান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া।
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ যেহেতু রাস্তায় পড়ে থাকা আংটির মালিক কে বা প্রকৃত দখলদার কে তা যে ব্যক্তি আংটি কুড়িয়ে নিয়েছে, সে জানে না, তাই সে আংটি টি মালিকের বা প্রকৃত দখলদারের অসম্মতিতে নিয়েছে তা বলা যাবে না। সুতরাং চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেয়া চুরি বলে গণ্য হবে না বরং এটা অপরাধমূলক সম্মত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
১১,৪৯৮.
যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদি আইনে নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮১
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের ১৮১ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান:
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
১১,৪৯৯.
'ক' একটি সম্পত্তি 'ঘ' কে দান করে। 'ক' পরে 'ঘ'- কে তার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে, সে একই সম্পত্তি 'খ' এর কাছে হস্তান্তর করে একটি দলিল প্রণয়ণ করে। তার উদ্দেশ্য- 'ঘ' কে প্রদানের ছয় মাস অগেই সম্পত্তিটি 'খ' কে প্রদান করা হয়েছে এরকম বিশ্বাস সৃষ্টি করা। এক্ষেত্রে 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. জালিয়াতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক' জালিয়াতির অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;

১. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।

উল্লিখিত ক্ষেত্রেও 'ক', 'ঘ' কে প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে নতুন দলিল প্রস্তুত করে, তাই উক্ত অপরাধ 'জালিয়াতি' হিসেবে গণ্য হবে।
১১,৫০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি আপিল আদালতের অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ৪২৭ ধারা
  2. ৪২৮ ধারা
  3. ৪৩০ ধারা
  4. ৪৩১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section: 428- The Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.