বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৬ / ১২৬ · ১১,৫০১১১,৬০০ / ১২,৬০৫

১১,৫০১.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষী উত্তর প্রদানে বাধ্য?
  1. মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করলে
  2. সাক্ষীর পরিচয় আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করতে পারে এমন মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦১৪৬ ধারায় উল্লেখিত জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত হয়, উক্তরূপ কোন প্রশ্ন যদি এমন বিষয় সম্পর্কিত হয়, যা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমা বা কার্যক্রমের সাথে প্রাসঙ্গিক, তবে সেক্ষেত্রে ১৩২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে।
♦কারণ ১৩২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত এরূপ প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এই অজুহাতে উত্তর দান করা হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে।
১১,৫০২.
আপিল বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারেন কোন উদ্দেশ্যে?
  1. মামলার সময় সাশ্রয় করতে
  2. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  3. মামলা পরিচালনার খরচ কমাতে
  4. ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ও পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সুবিধার্থে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
 (১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
 
Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:

(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.

(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১১,৫০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার অধীনে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে কোন ধারাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১০, ১১, ১২
  2. ধারা ১৪, ১৫, ১৬
  3. ধারা ১৮, ১৯, ২০
  4. ধারা ২১, ২২, ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪, ১৫, ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪, ১৫, ১৬
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ প্রদান করবেন না, যদি না এটি ১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার আওতায় আসে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে চুক্তির সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব না হলে তার আংশিক বাস্তবায়ন আদালত দ্বারা বাধ্যতামূলক করা না হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ মোতাবেক, ধারা ১৪,১৫,১৬ এই তিনটি ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান:
অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
--------------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
১১,৫০৪.
ধারা ১২৫ অনুযায়ী অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন কে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. অপরাধের সহযোগী
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।

১১,৫০৫.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন কাজটি চুরির ক্ষেত্রে দস্যুতা অপরাধ সংঘটিত করতে পারে?
  1. চুরির সময় শুধুমাত্র সম্পত্তি স্থানান্তর করা
  2. চুরির সময় সম্পত্তি মালিকের সম্মতি নেওয়া
  3. চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
  4. চুরির সময় কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি ছাড়া সম্পত্তি নেওয়া
সঠিক উত্তর:
চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, চুরি (Theft) তখন দস্যুতা (Robbery) হয়ে যায়, যখন চুরি করার সময়, বা চুরি করে পালানোর সময়, বা চুরি করা মাল বহনের সময় অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, আঘাত করে, অবৈধভাবে আটকায়, অথবা তাৎক্ষণিক মৃত্যু / গুরুতর আঘাত / অবৈধ আটকের ভয় সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে।
- অতএব, সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর হলো: গ) চুরির সময় কাউকে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ভয় দেখানো — কারণ এটিই চুরিকে দস্যুতা হিসেবে পরিগণিত করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১১,৫০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ এর অধীন দেওয়ানি আদালত রায়ের পূর্বে কয় ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৪ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি প দালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
১১,৫০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে কত ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
- অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে।
-অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে।
-অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
১১,৫০৮.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারানুসারে, Evidence so given shall be deemed to be-
  1. oral evidence
  2. digital evidence
  3. forensic evidence
  4. documentary evidence
সঠিক উত্তর:
oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral evidence
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
১১,৫০৯.
স্থায়ীত্বের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ১ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর, কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথা-
১/ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা; ও
২/ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।

⇒ মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
১১,৫১০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চুরি হয়ে যাওয়া কোন সম্পত্তি উদ্ধারের নিমিত্তে কোন পুরস্কার গ্রহণ করার বিধান রয়েছে?
  1. ২০৭ ধারায়
  2. ২১৪ ধারায়
  3. ২১৫ ধারায়
  4. ২১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
-কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------------------- 
⇒The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
-Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১১,৫১১.
কোন পারস্পরিক সহযোগিতাকারী (Reciprocating territory) দেশের কোন উচ্চ আদালতের কোন ডিক্রি বাংলাদেশে জারি করা যায় যদি উক্ত ডিক্রির সইমোহর (সার্টিফাইড কপি) দাখিল করা হয়।
  1. জেলা জজের আদালতে 
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপীল বিভাগে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৪ক ধারার বিধান যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত দেশ দ্বারা প্রদত্ত ডিক্রি জারি। ১) যখন পারস্পরিক সহযোগীতাকারী দেশের কোন ঊর্ধ্বতন আদালতের ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল কোন জেলা আদালতে পেশ করা হয়, তখন উক্ত ডিক্রি বাংলাদেশে এরূপে জারি করা হবে, যেন জেলা আদালত কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছিল।

২) এই সইমোহরকৃত ডিক্রির নকলের সঙ্গে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের একটি সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে, যাতে ডিক্রিতে বর্ণিত দাবির কোন অংশ পরিশোধ বা সমন্বয় করা হলে বা সার্টিফিকেটে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকলে এবং ঐরূপ সার্টিফিকেট এই ধারার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে এরূপ পরিশোধ বা সমন্বয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে।

৩) এই ধারা অনুসারে ডিক্রি জারিকারক জেলা আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল পেশ করার সময় থেকে ৪৭ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে; এবং যদি আদালতের সন্তুষ্টি মোতাবেক প্রমাণ করা যায় যে, ডিক্রিটি ১৩ ধারার (ক) থেকে (চ) দফা পর্যন্ত ব্যতিক্রমের কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে জেলা আদালত এরূপ কোন ডিক্রি জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।

ব্যাখ্যা ২।-“পারস্পরিক সহযোগিতাকারী দেশ" বলতে এই ধারার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাকারী বলে সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশ বা রাজ্যকে বুঝায় ও অনুরূপ কোন রাজ্য সম্পর্কে 'ঊর্ধ্বতন আদালত' বলতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অনুরূপ আদালতসমূহকে বুঝায়।

ব্যাখ্যা ৩। ঊর্ধ্বতন আদালত প্রসঙ্গে "ডিক্রি" বলতে কর বা একই ধরণের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত বা অন্য শাস্তি সম্পর্কিত প্রদানযোগ্য অর্থ নয়, এরূপ প্রদানযোগ্য অর্থের জন্য নির্দেশকারী ঐরূপ আদালতের ডিক্রি বা রায়কে বুঝানো হয়; এবং

খ) ডিক্রি কিংবা রায় হিসাবে যদিও কার্যকরী হয় তথাপি সালিশের রোয়েদাদকে কোন ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করে না।
১১,৫১২.
অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করলে, সেই বিষয়ে কে তদন্ত করবেন?
  1. দায়রা আদালত
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১২- আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ

(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

Section 512: Record of evidence in absence of accused

(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
১১,৫১৩.
ধারা-৮৪ অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে মোকদ্দমা করতে পারে, যদি রাষ্ট্রটি-
  1. বাংলাদেশে ব্যবসা করে
  2. বাংলাদেশে অর্থ বিনিয়োগ করে
  3. বাংলাদেশে তার দূতাবাস স্থাপন করে
  4. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৪: বিদেশি রাষ্ট্র কখন মোকদ্দমা করতে পারে: 

১) কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশে যেকোন আদালতে মোকদ্দমা করতে পারবেঃ তবে শর্ত এই যে, ঐ রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছেঃ আরও শর্ত এই যে, ঐরূপ রাষ্ট্রের প্রধান বরাবরে বা সরকারি ক্ষমতায় ঐ রাষ্ট্রে যে কোনকর্মকর্তা বরাবরে ন্যস্ত কোন ব্যক্তিগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই মোকদ্দমার উদ্দেশ্য হবে।

২) কোন বিদেশি রাষ্ট্র সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়েছে কি-না, তা সম্পর্কে প্রত্যেক আদালত বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবে।

Sec. 84: When foreign States may sue-

1) A foreign State may sue in any Courin Bangladesh: Provided that such State has been recognized by the Government: Provided, also, that the object of the suit is to enforce a private right vested in the head of such State or in any officer of such State in his public capacity.

2) Every Court shall take judicial notice of the fact that a foreign State has or has not been recognized by the Government.
১১,৫১৪.
'A' জানে যে 'B', 'Z' কে হত্যা করেছে, তবুও 'B' কে শাস্তি হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে 'Z' এর মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলতে 'A', 'B' কে সাহায্য করে। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'A' শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 304
  2. 302
  3. 202
  4. 201
সঠিক উত্তর:
201
উত্তর
সঠিক উত্তর:
201
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

১১,৫১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতের চার্জ গঠনের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২৬৫ক ধারায়
  2. ২৬৫ঘ ধারায়
  3. ২৬৫ছ ধারায়
  4. ২৬৫চ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ তে দায়রা আদালতের চার্জ গঠনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যদি বিচার শুরুর আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য পর্যাপ্ত সন্দেহের ভিত্তি আছে, তাহলে সে লিখিত চার্জ গঠন করবে এবং তা অভিযুক্তকে পড়ে শোনানো ও ব্যাখ্যা করার পরে তার জবাব গ্রহণ করবে—সে দোষ স্বীকার করে কিনা বা বিচার চায় কিনা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ২৬৫ঘ: চার্জ গঠন করা:
(১) যদি উক্ত পর্যালোচনা এবং শুনানির পর আদালত এই মতামত ব্যক্ত করে যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করার যথেষ্ট কারণ আছে, তবে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত চার্জ গঠন করবে।
(২) যখন আদালত উপধারা (১) অনুযায়ী একটি চার্জ গঠন করে, তখন ওই চার্জটি অভিযুক্তকে পড়া এবং ব্যাখ্যা করা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে অভিযুক্ত অপরাধে দোষী কিনা, অথবা সে বিচার প্রার্থনা করে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

১১,৫১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় সংজ্ঞা দেওয়া আছে-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
----------------
SR Act: Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:
-Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১১,৫১৭.
'কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা উক্ত নিলামে বিক্রীত সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ-২১ বিধি-৭৩
  2. আদেশ-২১ বিধি-৭৫
  3. আদেশ-২১ বিধি-৭০
  4. আদেশ-২১ বিধি-৭৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৩: কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নিলাম ডাকা বা খরিদে বাধা-নিষেধ:
কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা বা ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিলাম ডাকতে পারবে না বা উক্ত বিক্রীত সম্পত্তিতে কোন স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।

Order-21 Rule-73: Restriction on bidding or purchaser by officers:
No officer or other person having any duty to perform in connection with any sale shall, either directly or indirectly, bid for, acquire or attempt to acquire any interest in the property sold.
১১,৫১৮.
একজন এডভোকেটের মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য কোন এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করবে, যদি তাঁকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয়-
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তিয় বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তিয় বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তিয় বিষয়ে
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি ১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

♦  মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যয়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন এডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে পারে না। কিন্তু মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তির বিষয়ে একজন এ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এডভোকেটকে অর্পণ করতে পারে।
১১,৫১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর জেরা
  2. সাক্ষীর নিরাপত্তা
  3. সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  4. সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮৫ক (Section 485A) একটি সংক্ষিপ্ত বিচারপদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অনুপস্থিতির জন্য শাস্তির বিধান প্রদান করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন সাক্ষী আদালতের সমন (summons) পাওয়ার পরও বৈধ কারণ ছাড়া আদালতে উপস্থিত না হন, কিংবা পূর্বেই আদালত ত্যাগ করেন;
তবে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি আদালত, সাক্ষীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে, সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন;
এবং এই প্রক্রিয়াটি সংক্ষিপ্ত বিচারপদ্ধতির (summary procedure) মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
→ অতএব, এটি সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে শাস্তি সংক্রান্ত বিধান – এবং উত্তর “ঘ” সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
- সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: -Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty.
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১১,৫২০.
'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
  1. খাস দখল পুনরুদ্ধার
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধার
  4. বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
-'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে The Specific Relief Act, 1877 এর  ধারা ৫৪ এবং ৫৫ এর অধীন বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা। 
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।
অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।
 
- এক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘খ’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
১১,৫২১.
কোন কারণে interrogatory–র বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা যেতে পারে?
  1. প্রশ্নটি অশালীন হলে
  2. প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হলে
  3. প্রশ্নটি bona fide উদ্দেশ্যে না করা হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

আদেশ ১১ বিধি ৬: জিজ্ঞাসাবাদের (interrogatories) উত্তরে আপত্তি তোলার বিধান:
কোনো interrogatory (লিখিত প্রশ্ন) এর উত্তর না দেওয়ার জন্য যদি কোনো পক্ষ মনে করে যে- প্রশ্নটি অশালীন / কুরুচিপূর্ণ (scandalous), অথবা অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant), অথবা মামলার স্বার্থে সৎ উদ্দেশ্যে (bona fide) করা হয়নি, অথবা মামলার সেই পর্যায়ে প্রশ্নটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়, অথবা অন্য যে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে উত্তর দেওয়া প্রয়োজন নেই, তাহলে সে পক্ষ তার উত্তর-শপথনামা (affidavit in answer)-এ এই আপত্তিগুলো উল্লেখ করতে পারবে।

১১,৫২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  2. আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. অভিযুক্তকে নির্দোষ প্রমাণ করা
  4. অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হল অভিযোগের মধ্যে যেকোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা। যদি অভিযোগে কোনো ত্রুটি থাকে বা কিছু বাদ পড়ে যায়, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে এটি সংশোধন বা সংযোজন করতে পারে, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে সঠিক অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১১,৫২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪৩ অনুযায়ী ঘোষণার প্রভাব কাদের উপর বাধ্যকর হয়?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ
  3. সমগ্র জনসাধারণের উপর
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪৩ অনুযায়ী, একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি (declaratory decree) নিম্নলিখিতদের উপর বাধ্যকর হয়:
ক) মোকদ্দমার পক্ষগণ (parties to the suit)
খ) পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ (persons claiming through them respectively)
এবং জিম্মাদার (trustees) থাকলে তাদের ক্ষেত্রে, ঘোষণার তারিখে যারা জীবিত থাকবে তাদের জন্য।
সুতরাং, "ক এবং খ উভয়"ই সঠিক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল : এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act,1877, Section 43:- Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees. 
Illustration 
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

১১,৫২৪.
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out)  করে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ সংযুক্ত করার জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. আদেশ ১ বিধি ০৯ (১)
  2. আদেশ ১ বিধি ১০ (১)
  3. আদেশ ১ বিধি ১০ (৪)
  4. আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১ বিধি ১০ (২)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১  এবং বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালাত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out)  বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভূক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।
১১,৫২৫.
মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক প্রক্রিয়া নয়?
  1. সংবাদ লিপিবদ্ধ করা
  2. সংবাদ দাতাকে তা পড়ে শোনানো
  3. সংবাদ দাতার স্বাক্ষর নেওয়া
  4. পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে, মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করার পর সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে (Informant) তা পড়ে শোনাতে হবে এবং সংবাদদাতাকেই তা স্বাক্ষর করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তার কাজ হলো সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা ও পড়ে শোনানো, না হয়ে সংবাদদাতার পরিবর্তে নিজে স্বাক্ষর করা নয়। তাই "পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা" সঠিক প্রক্রিয়া নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শোনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

১১,৫২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১০
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৩
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৫ অনুযায়ী, প্লিডিংস (আরজি বা লিখিত জবাব) সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে পক্ষদের আরজি বা লিখিত জবাবের সত্যতা প্রতিপাদনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোন আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতিত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখ পূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
১১,৫২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারানুসারে,কে ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন বেঞ্চের উপর সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের ক্ষমতা দিতে পারবেন?
  1. সরকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়,সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 

• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী- সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
১১,৫২৮.
'A' শপথ অনুসারে সত্য বলতে বাধ্য হয়ে এই বলে বিবৃতি দান করে যে- 'Z' কোন বিশেষ দিনে, বিশেষ জায়গায় উপস্থিত ছিল। যদিও 'A' ঐ বিষয়ে কিছু জানে না। দণ্ডবিধি অনুযায়ী 'A 'এর কৃতকাজ কী অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. সত্য গোপন
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  4. ইচ্ছাকৃত সত্য গোপন
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্যদান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
-----------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section-191: Giving false evidence:
-Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.
Explanation 1.-A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
Explanation 2.-A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.
- Illustrations:
(d) A, being bound by an oath to state the truth, states that he knows that Z was at a particular place on a particular day, not knowing anything upon the subject. A gives false evidence whether Z was at that place on the day named or not.
১১,৫২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, বাদী যদি নাবালক হয় তবে বাদী লিখনে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদী ও বিবাদীর সম্পর্ক
  2. বাদীর অভিভাবকের নাম
  3. নাবালক হওয়ার বিষয়টি
  4. বাদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
নাবালক হওয়ার বিষয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক হওয়ার বিষয়টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC) অনুযায়ী, যদি বাদী নাবালক (minor) হন, তবে বাদী লিখনে (plaint) নাবালক হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এটি আদেশ-৭, বিধি-১(ঘ)-এ উল্লেখিত।

- দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-৭, বিধি-১. Plaint-এ নিম্নলিখিত বিষয়গুলো থাকতে হবে:
(a) মামলাটি যেখানে আনা হয়েছে সেই আদালতের নাম;
(b) বাদীর নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থানের ঠিকানা;
(c) বিবাদীর নাম, বর্ণনা এবং বাসস্থানের ঠিকানা, যতটা সম্ভব জানা যায়;
(d) যদি বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হন, তবে সেই বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে;
(e) মামলা দায়েরের কারণের বিস্তারিত বর্ণনা এবং তার উত্পত্তি কবে হয়েছে;
(f) যে আদালত এই মামলা শোনার জন্য এখতিয়ার রাখে, সেই বিষয়টি দেখানোর জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য;
(g) বাদী যে আর্থিক বা অন্যান্য সহায়তা চায়, তা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে;
(h) যদি বাদী তার দাবি থেকে কিছু পরিমাণ টাকা কমিয়েছেন বা মেনে নিয়েছেন, তবে সেই পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে;
(i) মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য, যা আদালতের এখতিয়ার এবং আদালত ফি নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন, সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি থাকতে হবে, যতটা সম্ভব।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-7 Rule-1: contained in plaint:
1. The plaint shall contain the following particulars:−
(a) the name of the Court in which the suit is brought;
(b) the name, description and place of residence of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence of the defendant, so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.
১১,৫৩০.
“Statement made in will or deed relating to family affairs” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩২(৪)
  2. ৩২(৫)
  3. ৩২(৬)
  4. ৩২(৮)
সঠিক উত্তর:
৩২(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩২(৬)-এ বলা হয়েছে:
- “When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family... it is relevant.”
অর্থাৎ, যদি কোনো ব্যক্তি যিনি এখন মৃত, তাঁর উইল (will) বা পারিবারিক দলিলে (deed relating to family affairs) রক্ত, বিবাহ বা দত্তক সম্পর্ক সম্পর্কে কোনো বিবৃতি দিয়ে যান — এবং সেই বিবৃতি বিরোধের উদ্ভব হওয়ার আগেই দেওয়া হয় — তাহলে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক বিবৃতি হিসেবে গণ্য হবে।

 অতএব, “Statement made in will or deed relating to family affairs” = ধারা ৩২(৬)
 সঠিক উত্তর: গ) ৩২(৬)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
১১,৫৩১.
এক নাবালকের পক্ষে তার নেক্সট ফ্রেন্ড আদালতের অনুমতি ছাড়াই বিবাদীর সঙ্গে চুক্তি করে। পরে বিবাদী চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. চুক্তিটি কার্যকর থাকবে
  2. চুক্তিটি কেবল নাবালকের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
  3. আদালত উভয় পক্ষকে জরিমানা করবে
  4. চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি নাবালক ব্যতীত অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।

২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.

2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
১১,৫৩২.
আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে সমন জারি করার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৭১ ধারায়
  2. ৭৩ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৭৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
- যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 73. Service of summons outside local limits:
 When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
১১,৫৩৩.
'ক', 'খ'-এর নিকট মাঠ বিক্রয় করিল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াত করিবার অধিকার সম্পর্কে 'ক' জ্ঞাত ছিল, কিন্তু তা সে 'খ' এর নিকট গোপন রাখিল। এইক্ষেত্রে 'খ'-প্রতিকার কী?
  1. চুক্তি পরিবর্তন
  2. চুক্তি রদ
  3. চুক্তি সংশোধন
  4. ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

- যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
- একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
 
উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
----------------
SR Act Section-35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
 
Illustrations:
to (a)-
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)-
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১১,৫৩৪.
'ক' এবং 'খ' দুই ভাই। 'ক' কুমিল্লায় এবং 'খ' ঢাকায় বাস করে। যৌথ মালিকানায় তাদের একটি জমি খুলনায় রয়েছে। 'ক', সেই জমিতে তার ভাই 'খ' এর স্বত্ব অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় 'খ', কোন আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  2. ঢাকার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  3. বাংলাদেশের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো আদালতে
  4. কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।
১১,৫৩৫.
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে আসামিকে তার ক্ষমতার চেয়ে বেশি দণ্ড দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি কী করবেন?
  1. হাইকোর্টে আবেদন করবেন
  2. নিজেই সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন
  3. মামলা স্থগিত করবেন
  4. মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
১১,৫৩৬.
"There shall be _______ classes of judicial Magistrate under The Code of Criminal Procedure, 1898"
  1. two
  2. three
  3. four
  4. five
সঠিক উত্তর:
four
উত্তর
সঠিক উত্তর:
four
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
-------------------------------------------------
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
১১,৫৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত কী কারণে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
  2. বাটোয়ারা করার জন্য
  3. হিসাব পর্যালোচনার জন্য
  4. পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করতে পারে, যেগুলো হল—
(ক) কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য
(খ) স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
(গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য
(ঘ) বাটোয়ারা (partition) করার জন্য
- এই চারটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ধারা ৭৫-এ উল্লেখ আছে এবং এই কাজগুলো কমিশনের মাধ্যমে আদালতের পক্ষে সম্পাদন করা যেতে পারে।
কিন্তু "পক্ষগণের মধ্যস্থতা (mediation)" করার জন্য আদালত ধারা ৭৫ এর অধীনে কমিশন প্রেরণ করতে পারে না।
মধ্যস্থতার বিষয়টি সাধারণত সিপিসির ধারা ৮৯ এবং সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) এর অন্তর্গত।
অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যস্থতা করার জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষমতা ধারা ৭৫-এ নেই। তাই এটি কমিশনের বৈধ উদ্দেশ্যের বাইরে। এই কারণে "ঘ" অপশনটি সঠিক উত্তর।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
১১,৫৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারা অনুযায়ী, কে গ্রেফতারী পরোয়ানা শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশ করতে বাধ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭(১) ধারা অনুযায়ী, গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণত এক বা একাধিক পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হয়। তবে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত পরোয়ানা সর্বদা শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে:
(১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।
(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন।
---------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed:
(1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.

Warrants to several persons:
(2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.

১১,৫৩৯.
প্রত্যেক শপথনামার খরচ দাখিলকারী পক্ষ বহন করবে, যদি উক্ত শপথনামায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে-
  1. জনশ্ৰুতিমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  2. বিতর্কমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  3. কোন দলিলের অংশ বর্ণনা করা হয়
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• শপথনামা (Affidavit): শপথ নেয়ার ক্ষমতা আছে এমন কোনো কর্তৃপক্ষের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৯ তে এ বিষয়ে বিধি-বিধান রয়েছে। কোন আদালত যেকোন কারণে যথেষ্ট যুক্তি থাকলে আদেশ দিতে পারে যে কোন বিশেষ তথ্য বা তথ্যসমূহ শপথনামার মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে। কোন আবেদনপত্রের উপর শপথনামা দ্বারা সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে, কিন্তু যে কোন পক্ষের অনুরোধক্রমে আদালত জবানবন্দিকারকের জেরার জন্য হাজির হওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারে। 

• আদেশ ১৯ বিধি ৩ (যেসকল বিষয়ে শপথনামা সীমাবদ্ধ থাকবে)-

১) জবানবন্দিকারকের বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবৃতি যে আবেদন পত্রের উপর গৃহীত হতে পারে উক্ত অন্তবর্তী আবেদন পত্রের ক্ষেত্র ব্যতীত জবানবন্দিকারক নিজস্ব জ্ঞানমতে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়, এরূপ ঘটনাবলীতে শপথনামা সীমাবদ্ধ রাখতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, উহার কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে।

২) যে শপথনামায় জনশ্রুতিমূলক বিষয় কিংবা বিতর্কমূলক কোন বিষয়, কিংবা দলিলের নকল বা অংশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বর্ণনাকারে থাকে, উক্ত শপথনামার ব্যয় (যদি না আদালত অন্যরকম কোন আদেশ দিলে) যে পক্ষ তা দাখিল করেছে তাকেই বহন করতে হবে।

Order 19 Rule 3: Matters to which affidavits shall be confined-
1) Affidavits shall be confined to such facts as the deponent is able of his own knowledge to prove, except on interlocutory applications, on which statements of his belief may be admitted: Provided that the grounds thereof are stated.

2) The costs of every affidavit which shall unnecessarily set forth matters of hearsay or argumentative matter, or copies of or extracts from documents, shall (unless the Court otherwise directs) be paid by the party filing the same.
১১,৫৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা 265H অনুসারে, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত যদি মনে করেন যে অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে কোনো প্রমাণ নেই, তাহলে কী করবেন?
  1. চার্জ পরিবর্তন করবেন
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেবেন
  3. অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
  4. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির 265H ধারা (Acquittal) অনুযায়ী, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণ, অভিযুক্তের জেরা এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর যদি আদালতের মতে অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে কোনো প্রমাণ না থাকে, তবে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দেবেন এবং এই মর্মে একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.

১১,৫৪১.
নিচের কোন সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণা হবে?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  3. দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি

(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি

(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 

(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

♦ ধারা ৪১০ মতে চোরাই সম্পত্তি :- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
১১,৫৪২.
'ক’, ‘গ’ কে খুন করার জন্য ‘খ’ কে প্ররোচিত করে। ‘খ’ কার্যটি করতে অস্বীকৃতি জানায়। এখানে 'ক' দণ্ডবিধি অনুযায়ী কী নামে অভিহিত হবে?
  1. Conspirator
  2. Abettor
  3. Murderer
  4. Initiator of a attempt of murder
সঠিক উত্তর:
Abettor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abettor
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারার মতে, যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য অন্যকে প্ররোচিত বা উসকানি দেয়, সে "Abettor" বা উসকানিদাতা হিসেবে গণ্য হবে, এমনকি যদি অপরাধ সংঘটিত না হয় তবুও।

এক্ষেত্রে 'ক' 'খ'-কে 'গ'-কে খুন করার জন্য প্ররোচিত করেছে, যদিও 'খ' তা করতে অস্বীকার করেছে, তবুও 'ক' উসকানিদাতা (Abettor) হিসেবে দোষী হবে।

ধারা ১০৮- উসকানিদাতা (Abettor)
যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটিত করতে অন্যকে উসকানি বা প্ররোচনা দেয়, অথবা এমন কোনো কাজ করতে উৎসাহিত করে যা আইনত অপরাধ বলে গণ্য হবে (যদি তা এমন কোনো ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়, যিনি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ করার সক্ষমতা রাখেন এবং উসকানিদাতার মতোই অভিপ্রায় বা জ্ঞান রাখেন), সে ব্যক্তি উসকানিদাতা (Abettor) বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা:
- অবৈধ কোনো কাজ না করার জন্য উসকানি দেওয়া হলেও তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যদিও উসকানিদাতা নিজে সে কাজ করতে বাধ্য না থাকেন।
- উসকানির অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য অপরাধমূলক কাজটি করা আবশ্যক নয়, বরং কাজটি না হলেও উসকানি দেওয়াটাই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
১১,৫৪৩.
'জ' মিথ্যা কুৎসা রটনার ভয় দেখিয়ে 'ঝ'-কে ১ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'জ' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:

কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক', 'গ'- এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' 'বল প্রয়োগে' সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১১,৫৪৪.
দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হয় কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ৭ ধারা
  2. ৮ ধারা
  3. ৯ ধারা
  4. ১০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে। ৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
১১,৫৪৫.
ORDER-XII-এর Rule-1 অনুসারে মামলার কোন পক্ষ কীভাবে অপর পক্ষের দাবির সত্যতা স্বীকার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য প্রদানের সময়
  2. শুধুমাত্র মৌখিকভাবে আদালতে
  3. শুধুমাত্র মিডিয়া বিবৃতির মাধ্যমে
  4. লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে প্লিডিং বা অন্য কোন মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XII, Rule 1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার প্লিডিং (আরজি বা জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের দাবির সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি আদালতের কার্যক্রম সহজতর করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
এতে বলা হয়েছে যে, “Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.”
অর্থাৎ, মামলার পক্ষ তার লিখিত জবাবের মাধ্যমে বা আলাদাভাবে লিখিত নোটিশ দিয়ে এই স্বীকারোক্তি প্রদান করতে পারে।

⇒ ORDER-XII-এর Rule-1 অনুযায়ী, মামলার যেকোনো পক্ষ তার লিখিত প্লিডিং (আরজি/জবাব) বা অন্য কোনো লিখিত মাধ্যমে অপর পক্ষের মামলার সত্যতা স্বীকার করতে পারে। এটি মৌখিকভাবে বা সাক্ষ্য প্রদানের সময় করা যায় না।
- স্বীকারোক্তি অবশ্যই লিখিত হতে হবে এটি প্লিডিং-এর মাধ্যমে (আরজি/জবাব) অথবা পৃথক নোটিশ আকারে দেওয়া যেতে পারে
-তবে মৌখিক স্বীকারোক্তি (ক অপশন) বা মিডিয়া বিবৃতি (গ অপশন) ORDER-XII-এর আওতায় গ্রহণযোগ্য নয়। 

উদাহরণ:
- যদি বিবাদী বাদীর দাবিকৃত ঘটনা স্বীকার করে, তাহলে সে তার লিখিত জবাবে বা পৃথক নোটিশের মাধ্যমে তা জানাতে পারে।
--------------
ORDER XII- ADMISSIONS
Rule-1: Notice of Admission of Case: 
Any party to a suit may give notice, either in their pleading or in writing, admitting the truth of the whole or any part of the case of the opposing party.
১১,৫৪৬.
What is the maximum fine that can be imposed for criminal trespass under Section 447 of the Penal Code?
  1. 100 taka
  2. 200 taka
  3. 500 taka
  4. 1000 taka
সঠিক উত্তর:
500 taka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
500 taka
ব্যাখ্যা
• Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে-
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,৫৪৭.
According to Section 359 of The Penal Code Kidnapping is-
  1. kidnapping from lawful guardianship.
  2. kidnapping from Bangladesh.
  3. kidnapping from home.
  4. 'A' & 'B' Both
সঠিক উত্তর:
'A' & 'B' Both
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' & 'B' Both
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১১,৫৪৮.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, বাদী কোন ধরনের বিকল্প আর্জি জানাতে পারেন?
  1. চুক্তি রদের
  2. চুক্তি সম্পাদনের
  3. চুক্তির শর্ত পরিবর্তনের
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মােকদ্দমার বিকল্প হিসেবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মােকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসেবে আবেদনে অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হােক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হােক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং তদমােতাবেক ত্যাগের নির্দেশ দিতে করতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
১১,৫৪৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারায় কার দ্বারা সাক্ষী পরীক্ষা করার বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ফরিয়াদির আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈরি করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
-------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১১,৫৫০.
বিবাদী নাবালক হলে মামলার ফল কী হবে?
  1. মামলা স্থগিত থাকবে
  2. একতরফা ডিক্রি হবে
  3. মামলা খারিজ হবে
  4. উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশের ৩ বিধি অনুসারে- বিবাদী নাবালক হলে (১৮ বছরের কম বয়স্ক) তার পক্ষে আদালত একজন অভিভাবক নিযুক্ত করবেন। নাবালক বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করেন আদালত।
১১,৫৫১.
নিচের কোনটি দেওয়ানি মোকদ্দমায় রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না?
  1. জমি
  2. ব্যাংকের টাকা
  3. জমির ফসল
  4. কোম্পানির শেয়ার
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির ফসল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ নং আদেশের এর ১২ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত কৃষি পণ্য আটকের আদেশ দিতে পারে না যদি উক্ত কৃষি পণ্য কৃষকের দখলে থাকে।
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
অর্থাৎ জমির ফসল রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যায় না।
------------------
⇒ CPC Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
১১,৫৫২.
স্বীকৃতি কী হিসাবে বিবেচিত হয়?
  1. সমর্থনমূলক সাক্ষ্য
  2. এস্টোপেল
  3. নির্দিষ্ট আইনগত অবস্তান নেই
  4. মৌলিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
এস্টোপেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টোপেল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।
- স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১১,৫৫৩.
জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো রায়ের পক্ষ নয় এমন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাধ্যকর হবেনা। কিন্তু এই নিয়মের প্রথম ব্যতিক্রম ৪১ ধারায় এবং দ্বিতীয় ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, একই পক্ষ হোক বা না হোক, জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির বিষয় যেমন প্রথা, প্রেসক্রিপশন (অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার অধিকার) ইত্যাদি বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক।

⇒ উদাহরণ
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' উক্ত জমিতে সাধারণ জনগণের চলাচলের অধিকার আছে বলে দাবী করে। 'ক' এই দাবী অস্বীকার করে। 'ক' এবং 'গ' এর মধ্যে উক্ত জমি নিয়ে পূর্বের কোন এক মামলায় আদালত উক্ত জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে বলে ডিক্রি প্রদান করেছিল। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু এটা চলাচলের অধিকার যে আছে তার চূড়ান্ত প্রমাণ না।

----------------
⇒ Relevancy and effect of judgments, orders or decrees, other than those mentioned in section 41:
Section 42. Judgments, orders or decrees other than those mentioned in section 41 are relevant if they relate to matters of a public nature relevant to the inquiry; but such judgments, orders or decrees are not conclusive proof of that which they state.
১১,৫৫৪.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়?
  1. যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার
  2. যেক্ষেত্রে শর্তাবলী পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা সংকল্পের উপর নির্ভরশৌল
  3. যেক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনে ক্রমাগত ৩ বছরের অধিক সময় প্রয়োজন
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
♦যে সকল চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না সেগুলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারায় বলা হয়েছে। ২১ ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার বা যেক্ষেত্রে শর্তাবলী পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা সংকল্পের উপর নির্ভরশীল বা যেক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনে ক্রমাগত ৩ বছরের অধিক সময় প্রয়োজন, সেই সকল চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না।
১১,৫৫৫.
এক ব্যক্তি তার বাড়ির দখল সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে চান এবং বাড়ির কিছু অংশ ঢাকা এবং কিছু অংশ কুমিল্লা আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত। মামলাটি কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. হাইকোর্টে
  2. ঢাকা আদালতে
  3. কুমিল্লা আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

ধারা ১৭ অনুযায়ী,
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ এক আদালতের অধিক্ষেত্রে এবং অন্য অংশ অন্য আদালতের অধিক্ষেত্রে থাকে, তখন সেই সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা যে আদালতে দায়ের করা হবে, সেখানে সম্পত্তির অংশ অবস্থিত থাকে। অর্থাৎ, একাধিক আদালতেও মামলাটি দায়ের করা যেতে পারে, কিন্তু আদালতটি সেই আদালত হবে যেখানে সম্পত্তির অংশ রয়েছে।

অতএব, এই ক্ষেত্রে ব্যক্তি তার বাড়ির দখল সংক্রান্ত মামলা ঢাকা আদালতেও দায়ের করতে পারেন (যেখানে সম্পত্তির কিছু অংশ অবস্থিত) অথবা কুমিল্লা আদালতেও (যেখানে অন্য অংশ অবস্থিত)। দুটো ক্ষেত্রেই মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
১১,৫৫৬.
"ফৌজদারি কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৪০৪ ধারায়
  2. ৪১৪ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

• ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না-
উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie-
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
১১,৫৫৭.
ম্যজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে ____________এর নিকট।
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৭ মতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা জাজ কর্তৃক প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট। 
১১,৫৫৮.
দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী নিচের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. প্রতারণা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির বিধান প্রতারণার ক্ষেত্রে বলপ্রয়োেগ অপরিহার্য উপাদান নয়। 
অন্যদিকে বলপূর্বক গ্রহণ, দস্যুতা, ডাকাতির ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ অপরিহার্য উপাদান। 
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 415: Cheating:
 Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".

Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
১১,৫৫৯.
একই বিচারে কোনো ব্যক্তি কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া যাবে?
  1. ৭ বছরের
  2. ১০ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ২০ বছরের
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
 
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
১১,৫৬০.
প্রতারণার শাস্তি রয়েছে-
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪১৭ ধারা মতে প্রতারণার শাস্তি (Punishment for cheating) হলো অনধিক ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,৫৬১.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক বাদী/ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৫
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
১১,৫৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২ অনুযায়ী কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সিভিল জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার বিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সিভিল জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.

১১,৫৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইন প্রয়োগের জন্য প্রতিকার দেওয়া যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৭ এ বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্যে প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
- অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে কোনও ব্যক্তি শুধুমাত্র শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রতিকার দাবি করতে পারবে না।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মূলত তখনই প্রদান করা হয় যখন কোনও ব্যক্তি তার নির্দিষ্ট অধিকার বা সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেন, তবে দণ্ডমূলক শাস্তি আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য নয়।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে-
দণ্ডমূলক আইন বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 7. Relief not granted to enforce penal law:
-Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
১১,৫৬৪.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলায় সরকার পক্ষকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'

Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
১১,৫৬৫.
নিচের কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়?
  1. সম্পত্তি অর্পণ
  2. সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ
  3. সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণ
  4. আইনের নির্দেশনা লঙ্ঘন বা আইনানুগ চুক্তি ভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪০৫ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে, অভিযুক্তকে বিশ্বাসভরে সম্পত্তি অর্পণ থাকতে হবে এবং অতপর তিনি আইনের নির্দেশনা লংঘন করে বা যে চুক্তি অনুসারে তাকে সম্পত্তি অর্পণ করা হয়েছিল সেই চুক্তিভঙ্গ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছে বা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, সেই ক্ষেত্রে এটা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।
♦সুতরাং সম্পত্তি প্রতারণামূলক আত্মসাৎকরণ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান না।  বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণ Idishonest misappropriation] থাকতে হবে, প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ [misappropriation by cheating) থাকার প্রয়োজন নেই।

♦অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শর্ত/ উপাদান:
•বিশ্বাসের ভারপ্রাপ্ত হয়ে বা আধিপত্যের মাধ্যমে
•কারো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
•অসাধুভাবে
•আত্মসাৎ, নিজের ব্যবহারে পরিণত বা হস্তান্তর করলে বা কাউকে এরূপ করার অনুমতি দান করলে।
১১,৫৬৬.
ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় ভিকটিমের সাধারণ _______সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
  1.  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার প্রশ্ন
  2. তার পরিচয় মর্যাদা জানার প্রশ্ন
  3. অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
  4. তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করে প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
   (i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
   (ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
   (iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায়
   ♦তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
১১,৫৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য সম্পর্কে বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১৩১
  2. ধারা ১৩২
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩-এ বলা হয়েছে: দুষ্কর্মের সহযোগী একজন সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য ব্যক্তি এবং তার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতেও আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা বেআইনি হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।
⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

১১,৫৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন 1877 এর ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য?
  1. মালিকানা প্রমাণ করতে হয়
  2. দখল প্রমাণ করতে হয় না
  3. 12 বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে শুধুমাত্র দখলের অধিকারী ব্যক্তি। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে 'দখলের অধিকারী’ বলতে মালিক বা দখলদার হিসাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে ।যেমন: চুক্তিবলে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা অনুমতি সাপেক্ষে দখলের অধিকারী বা দখলি স্বত্বের উপর ভিত্তি করে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। আপনি দখলের অধিকারী কারণ সম্পত্তিতে আপনার স্বত্ব আছে। সুতরাং যে স্বত্বের কারণে আপনি দখলের অধিকারী আপনাকে সেই স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে। বা যে স্বত্বের কারণে আপনি দখল দাবী করছেন, আপনাকে সেই স্বত্ত্বই প্রমাণ করতে হবে। দখলে আছেন কিনা সেটা বিবেচ্য বিষয় না।
১১,৫৬৯.
পুনর্বিবেচনার (Review) আবেদন কোন আদালতে করা হয়?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালত আপিল শুনেছে
  3. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
  4. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা
পুনর্বিবেচনা (Review) – ধারা ১১৪, দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
উপরে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীনতা সাপেক্ষে, যে কোনো ব্যক্তি যদি নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন:
(ক) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায়, কিন্তু এখনো আপিল করা হয়নি, অথবা

(খ) এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা, যা থেকে এই কোড অনুযায়ী আপিল করা যায় না, অথবা

(গ) ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত (Court of Small Causes) থেকে পাঠানো কোনো রেফারেন্সের ওপর প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা,

তিনি রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারেন, সেই আদালতে, যে আদালত উক্ত ডিক্রি প্রদান করেছে বা আদেশ জারি করেছে, এবং সেই আদালত উক্ত আবেদনের উপর যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, যা তার বিবেচনায় উপযুক্ত মনে হয়।
১১,৫৭০.
আদেশ ১৮ _____ এর অধীনে, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
  1. বিধি ১৮
  2. বিধি ১৯
  3. বিধি ২০
  4. বিধি ২২
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৮
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
১১,৫৭১.
A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় এবং বিক্রি করে বিক্রির পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে। তার এই কাজ-
  1. Mischief
  2. Fraud
  3. Criminal Breach of Trust
  4. Dishonest Misappropriation
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappropriation
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধাড়া ৪০৩: সম্পত্তির অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ (Dishonest Misappropriation):
যে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A, Z-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি Z-এর দখল থেকে সরিয়ে নেয়, সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করে যে সেই সম্পত্তি তার নিজের। তখন এটি চুরির অপরাধ নয়। তবে, যদি A পরে তার ভুল বুঝতে পেরে অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(খ) A, Z-এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে, Z-এর অনুপস্থিতিতে Z-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, যা Z-এর স্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই। যদি A মনে করে যে Z তাকে পড়ার জন্য বইটি নিতে পরোক্ষ অনুমতি দিয়েছেন, তবে এটি চুরি নয়। কিন্তু, যদি A পরে সেই বইটি বিক্রি করে এবং তার নিজের স্বার্থে অর্থ ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

(গ) A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। যেহেতু A-এর ঘোড়া ব্যবহারের অধিকার আছে, এটি অসৎ আত্মসাৎ নয়। তবে, যদি A ঘোড়াটি বিক্রি করে এবং পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

১১,৫৭২.
Set-off দাবি করা হলে ডিক্রির আপিলের অধিকার-
  1. বাতিল হয়ে যায়
  2. পরিবর্তিত হয়
  3. কেবল বাদীর থাকে
  4. পরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

Order 20, Rule 19- Decree when set-off is allowed:
(১) Set-off গ্রহণযোগ্য হলে ডিক্রি কীভাবে হবে-
যখন বিবাদীর set-off (বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর পাল্টা দাবির সমন্বয়) গ্রহণ করা হয়, তখন আদালতের ডিক্রিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- বাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য, এবং বিবাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য। এবং ডিক্রি হবে যে পক্ষের পাওনা থাকে, সেই পক্ষের পাওনা আদায়ের জন্য।

(২) Set-off সম্পর্কিত ডিক্রির আপিলযোগ্যতা
যে মামলায় set-off দাবি করা হয়েছে, সেই মামলার ডিক্রি একইভাবে আপিলযোগ্য, যেমনটি হতো যদি কোনো set-off দাবি না করা হতো। অর্থাৎ, set-off দাবি করার কারণে ডিক্রির আপিলের অধিকার বদলায় না।

(৩) এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে-set-off Order 8, Rule 6 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক সবক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য।

১১,৫৭৩.
হিসাবের খাতায় বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৩৬ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারার বিধান: হিসাবের খাতায় বা ডিজিটাল রেকর্ডে লিপিবদ্ধ বিষয় যখন প্রাসঙ্গিক (Entries in books of account when relevant)- সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন- ক ১০০০ টাকার দাবিতে খ এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। খ এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে তবে খ এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

------------
⇒  Entries in books of account or digital record when relevant:
Section 34. Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
১১,৫৭৪.
এক বছরের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধ করে, তাহলে সর্বোচ্চ কতটি অপরাধের জন্য একটি চার্জ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ থেকে ২৩৬ ধারা অনুযায়ী যখন বিভিন্ন অপরাধের চার্জ একত্রিত করা যায় তা উল্লেখ করা হলো:

১) এক বছরের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধ করে তাহলে সর্বোচ্চ তিনটি অপরাধের জন্য একটি চার্জ গঠন করে বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৪)

২) পরপর সংঘটিত কাজ যদি এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে কাজগুলি একটি বিষয়ের শামিল এবং একই ব্যক্তি সেই ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে, তাহলে প্রত্যেক অপরাধের জন্য ভিন্ন ভিন্ন চার্জ গঠন করা যাবে এবং একত্রে বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৩) পরপর সংঘটিত কাজ যদি এমন অপরাধ হয় যে তা দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে প্রত্যেক অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৪) পরপর সংঘটিত কাজের একটি যদি একক ভাবে অথবা একাধিক কাজ একত্রে করলে পৃথক অপরাধ গঠন করে, তাহলে একটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৫)

৫) যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হবে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে একই মামলায় তার বিচার করা যাবে। (ধারা ২৩৬)
১১,৫৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪খ অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির ক্ষেত্রে মুচলেকা কে দেবে?
  1. আসামি নিজে
  2. অভিভাবক
  3. জামিনদার
  4. উল্লিখিত সকলেই 
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪খ অনুযায়ী, যদি মুচলেকা প্রদানের জন্য অভিযুক্ত নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক) হয়, তবে আদালত তার পরিবর্তে শুধুমাত্র জামিনদার দ্বারা মুচলেকা গ্রহণ করতে পারে।
অর্থাৎ, জামিনদার (surety) এই মুচলেকা বা বন্ডে দস্তখত করবে। আসামি নিজে (নাবালক হওয়ায়) বা তার অভিভাবক সরাসরি এই মুচলেকা দিতে পারবেন না। আদালত নাবালকের সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার বদলে একজন জামিনদারের মাধ্যমে আইনগত নিশ্চয়তা গ্রহণ করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-514B: Bond required from a minor:
When the person required by any Court or officer to execute a bond is a minor, such Court or officer may accept, in lieu thereof, a bond executed by a surety or sureties only.

১১,৫৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, চার্জের ভাষা সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২২০
  2. ধারা ২২১
  3. ধারা ২২২
  4. ধারা ২২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২১
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে:
(১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।
(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণ: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।
(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কীভাবে উল্লেখ করতে হবে: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।
(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।
(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়: কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যে-সব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।
(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজিতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।
(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবে: আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
------------ 
→ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 221: (1) Charge to state offence-
- Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.
(2 )Specific name of offence sufficient description-
- If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.
(3) How stated where offence has no specific name-
- If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.
(5) What implied in charge-
- The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.
(6) Language of charge- The charge shall be written either in English or in the language of the Court.
(7) Previous conviction when to be set out-
- If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.
১১,৫৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
-------------------
⇒ CrPC- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police-station or to the police-officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
১১,৫৭৮.
মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার পর অপারগতা দেখা দিলে-
  1. তামাদি মেয়াদ চলতে থাকবে
  2. তামাদি মেয়াদ বন্ধ থাকবে
  3. অপারাগতা থাকাকালীন সময় মামলা করা যাবে
  4. তার পক্ষে অন্য কেউ মামলা চালাবে
সঠিক উত্তর:
তামাদি মেয়াদ চলতে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি মেয়াদ চলতে থাকবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন বা Continuous running of time-এর বিধান রয়েছে। ৯ ধারামতে তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে পরবর্তীকালীন কোন আইনগত অক্ষমতা বা অপরাগতা একে থামাতে পারে না।
১১,৫৭৯.
নিম্নের কে সাক্ষী হতে পারবে না?
  1. বধির
  2. শিশু
  3. উন্মাদ
  4. উপরের কেউই হতে পার বে না।
সঠিক উত্তর:
উন্মাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মাদ
ব্যাখ্যা
♦ পাগল বা উন্মাদ ছাড়া সকলেই সাক্ষী হতে পারবে। সাক্ষী হওয়ার জন্য সেই যোগ্য যে প্রশ্ন বুঝতে পারে এবং প্রেক্ষিতে উত্তর প্রদানে সক্ষম
১১,৫৮০.
সড়ক দুর্ঘটনায় অসাবধানতাবশত কারও মৃত্যু ঘটালে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ৩০২
  2. ধারা ৩০৪ক
  3. ধারা ৩০৪খ
  4. ধারা ৩০৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৪খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৪খ
ব্যাখ্যা
⇒ যদি সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ অসাবধানতাবশত (negligently) কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, এবং তা ইচ্ছাকৃত খুন নয়, তাহলে দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারা প্রযোজ্য হয়।
- দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ বিশেষভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় অসাবধানতাবশত (rash or negligent driving) কারও মৃত্যু ঘটালে প্রযোজ্য।
- এই ধারায় শাস্তি হিসেবে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

→ ধারা ৩০৪খ – বেপরোয়া বা অসতর্ক ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটানো “যে ব্যক্তি জনসাধারণের পথে বেপরোয়া বা অসতর্কভাবে কোনো যানবাহন চালানোর ফলে কারো মৃত্যু ঘটায়,
অথচ তা culpable homicide নয়, সে ব্যক্তি দণ্ডিত হবেন, সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে।”

⇒ The Penal Code, 1860- Section 304B. Causing death by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,৫৮১.
খুনের অপরাধের জন্য ‘A’ -এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ নাই কিন্তু ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ‘A’ দস্যুতা করে ছিল;। এক্ষেত্রে ‘A’ কে দস্যুতার জন্য____________।
  1. পুনঃবিচার করা যাবে
  2. পুনঃবিচার করা যাবেনা
  3. দোবারা সাজার নীতি প্রযোজ্য হওয়ায় পুনঃবিচার করা যাবেনা
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করা যাবে
সঠিক উত্তর:
পুনঃবিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনঃবিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারামতে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কোন ব্যক্তিকে একবার দণ্ডিত বা খালাস প্রদান করলে, ঐ একই অপরাধের জন্য উক্ত ব্যক্তির পুনরায় বিচার করা যাবেনা । এই নীতিকে Double Jeopardy নীতি বলা হয়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাতে বলা আছেঃ কোন উপযুক্ত এখতিয়ারবান আদালতে কোন অপরাধের জন্য যে ব্যক্তির একবার বিচার করা হয়েছে এবং তাকে উক্ত অপরাধের জন্য দণ্ড দান করা বা অপরাধ হতে খালাস দেয়া হয়েছে, তখন উক্ত খালাস বা দণ্ড বলবৎ থাকার সময় তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না অথবা একই ঘটনা হতে উদ্ভুত অন্য কোন অপরাধের জন্যও পুনরায় তার বিচার করা যাবে না, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে ২৩৬ অনুসারে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত বা যার জন্য তাকে ২৩৭ ধারা অনুসারে দণ্ডিত করা যেত।
(২) কোন অপরাধে দণ্ডিত বা খালাস প্ৰাপ্ত কোন ব্যক্তিকে পরে এমন একটি পৃথক অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে, যে অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী বিচারে ২৩৫ ধারার (১) উপধারার অধীন তার বিরুদ্ধে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত।
♦(৩) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন কার্য কর্তৃক সৃষ্ট কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং উক্ত কার্য ও উহার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তার চেয়ে আলাদা প্রকৃতির একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে তাকে এরূপ শেষোক্ত অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
(৪) কোন ব্যক্তি কোন কার্যধারা সৃষ্ট অপরাধ হতে খালাস বা উহার জন্য দণিত হলে এই খালাস বা দণ্ড একই কার্য দ্বারা সৃষ্ট অন্য কোন অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে, যদিও যে আদালতে তার অথবা বিচার হয়েছিল সেই আদালত পরবর্তী অপরাধের বিচার করার জন্য উপযুক্ত নহেন।
(৫) এই ধারার কোন কিছুই জেনারেল ক্লজেজ এ্যক্ট এর ২৬ ধারা বা এই বিধির ১৮৮ ধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে না। 

ব্যাখ্যাঃ নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।

♦ উদাহরণঃ
ক) চাকর হিসাবে চুরির অভিযোগে ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো। পরে এই খালাস বলবৎ থাকাকালে তাকে চাকুর হিসাবে চুরি বা একই ঘটনার ভিত্তিতে কেবল মাত্র চুরি বা অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযুক্ত করা যাবে না।

খ) খুনের অপরাধের জন্য ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেয়া হলো তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ নাই কিন্তু ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ক দস্যুতা করে ছিল; পরে তার দস্যুতার জন্য অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে।

♦অর্থাৎ A’ কে দস্যুতার জন্য পুনঃবিচার করা যাবে।
১১,৫৮২.
'A', 'B' এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে চুরির ফলে 'B' এর ______ হলো এবং 'A' ________ করলো।
  1. অবৈধ লাভ, অবৈধ ক্ষতি
  2. অসাধু লাভ, অবৈধ ক্ষতি
  3. অবৈধ ক্ষতি, অবৈধ লাভ
  4. অবৈধ ক্ষতি, বৈধ লাভ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ ক্ষতি, অবৈধ লাভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ ক্ষতি, অবৈধ লাভ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২৩ যারায় অবৈধ লাভ এবং অবৈধ ক্ষতি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অবৈধ লাভ [Wrongful Gain]:
অবৈধ লাভ অর্থ হলো বেআইনীভাবে এরুপ সম্পত্তি লাভ করা, যে সম্পত্তিতে লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নেই। যেমন 'ক' একটি ঘড়ি চুরি করলো। উক্ত ঘড়িতে চোর, ক-এর কোন আইনানুগ অধিকার নেই। সুতরাং ক সম্পত্তিটি অবৈধ লাভ করেছে বলে গণ্য হবে।

অবৈধ ক্ষতি [Wrongful Loss]:
অবৈধ ক্ষতি হলো বেআইনীভাবে এমন সম্পত্তির ক্ষতি, যাতে ক্ষতিগ্রস্থ লোকের আইনানুগ অধিকার আছে। A, B এর একটি ঘড়ি চুরি করলো। এখানে B হলো ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি এবং উক্ত ঘড়িতে B এর আইনানুগ অধিকার ছিল। সুতরাং চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি, B এর অবৈধ ক্ষতি হলো এবং চোর, A অবৈধ লাভ করলো।

১১,৫৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে?
  1. ৮৮(গ) ধারা
  2. ৯০ ধারা
  3. ৯৪ উভয়
  4. ৯৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৩ ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে।
• ৯২ ও ৯৩ ধারা অনুযায়ী এটর্নি জেনারেল (Attorney General) কে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তা সরকারের অনুমতিক্রমে কালেক্টর বা সরকার নিযুক্ত অন্য কর্মকর্তাও তা প্রয়োগ করতে পারবে।
১১,৫৮৪.
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত আদেশ ১৫ বিধি ৪-এর অধীনে-
  1. পক্ষকে জরিমানা করতে পারে
  2. মামলা পরিত্যাগ করতে পারে
  3. তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. কেবলমাত্র বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
১১,৫৮৫.
ফৌজদারি জামিনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে
  3. ১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তি সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন পাবে
  4. জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তি সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তি সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন পাবে
ব্যাখ্যা
জামিনযোগ্য ও জামিন অযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ (খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে- এমন একটি অপরাধ যা (ফৌজদারি কার্যবিধির) দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে অথবা যা বর্তমানে বলবৎ কোনো আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হয়েছে।
 
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে: 
জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার। তাই জামিনযোগ্য অপরাধে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন চাইলে এবং জামিনদার দিতে প্রস্তুত থাকলে তাকে জামিন দেওয়াটা আদালতের জন্য বাধ্যকর। কারণ বিষয়টি ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারায় স্পষ্ট করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে-
`জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার হলে বা আটক থাকলে বা আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে, সে যদি উক্ত অফিসারের হেফাজতে থাকার সময় বা উক্ত আদালতের কার্যক্রমের কোনো পর্যায় জামিন দিতে প্রস্তুত থাকে তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে। ’
 
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে:
জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অপরাধে অপরাধী হওয়ার মতো বিশ্বাসযোগ্য কারণ ব্যতীত আদালত এই বিবেচনা প্রয়োগ করতে পারেন। তবে সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে তিনটি কারণে জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়ার বিষয় বিবেচনার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে।
এই তিনটি কারণ হলো-
(১) ১৬ বছরের কম বয়স্ক;
(২) স্ত্রীলোক; ও
(৩) পীড়িত বা অক্ষম ব্যক্তি।

আগাম জামিন:
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ;
২. দায়রা আদালত।

অর্থাৎ '১৮ বছরের কম বয়স্ক ব্যক্তি সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন পাবে' - এই বিধান সঠিক নয়। বরং ১৬ বছরের কম বয়স্ক হলে আদালত সব ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। এক্ষেত্রে জামিন পাওয়া অধিকার নয়, বরং আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১১,৫৮৬.
আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি নিঃস্ব হতে মুক্তি (Dispaupering) হওয়ার কারণ-
  1. মোকদ্দমা চলাকালে অসঙ্গত আচরণ
  2. মোকদ্দমা চলাকালে বিরক্তিকর আচরণ
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে অন্য কাউকে স্বার্থ প্রদান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি:  আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে- 
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা 
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
--------------- 
⇒ CPC Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit; 
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or 
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
১১,৫৮৭.
নালিশকারী বরাবর সমন ইস্যুর পর নির্ধারিত দিনে যদি অভিযোগকারী হাজির না হয় তাহলে আদালত
  1. আসামিকে খালাস দিতে পারে
  2. পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. ক বা খ যে কোনটি
  4. আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ যে কোনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ যে কোনটি
ব্যাখ্যা
♦শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে অভিযোগকারী হাজির না হলে আদালত কি করবে তা ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে। অভিযোগকারী বা সংবাদদাতা হাজির না হলে আদালত আসামিকে খালাস দিতে পারে [Acquit the accused] বা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি মুলতুবি রাখতে হবে [To the hearing of the case to some other day]। কিন্ত পরবর্তী কোন দিনের জন্য শুনানি মুলতুবির আদেশ দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোক্তকে খালাস দিবে না।
১১,৫৮৮.
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা অনুসারে নিচের কোন অপরাধটি public place এ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বেআইনি সমাবেশ
  2. অবরোধ
  3. দাঙ্গা
  4. মারামারি
সঠিক উত্তর:
মারামারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারামারি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
 When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
 Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

উল্লিখিত প্রশ্নে শুধুমাত্র মারামারি (Affray) public place এ অনুষ্ঠিত হয়।
১১,৫৮৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য করা হলে তজ্জন্য নতুন করে বিচার হবে না?
  1. ১৬৫ ধারা
  2. ১৬৬ ধারা
  3. ১৬৭ ধারা
  4. ১৬৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের কারণে নতুন করে বিচার হবে না (No new trial for improper admission or rejection of evidence)- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।

------------------
⇒  No new trial for improper admission or rejection of evidence:
Section 167. The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১১,৫৯০.
দণ্ডবিধির ধারা ১৩৩ অনুসারে, কোনো সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনা কর্তৃক তাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপর আক্রমণে প্ররোচনার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৩৩ অনুসারে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমান বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনা কর্তৃক তাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপর, তিনি দায়িত্ব পালনকালে, আক্রমণে প্ররোচনার শাস্তি হলো যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানাও হতে পারে।
--------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section-133. Abetment of assault by soldier, sailor or airman on his superior officer, when in execution of his office:
Whoever, abets an assault by an officer, soldier, sailor or airman, in the Army, Navy or Air Force of Bangladesh, on any superior officer being in the execution of his office, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

১১,৫৯১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে না, তার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৪০
  2. ধারা ১৪১
  3. ধারা ১৪২
  4. ধারা ১৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪২-এই স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে না তার বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142. When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

১১,৫৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯সি ধারা বলে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে অনধিক -
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

♦ ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১১,৫৯৩.
'ক' এর বিরুদ্ধে ১০ই অক্টোবর ঢাকায় একটি ডাকাতির মামলা হয়েছে। 'ক' Plea of Alibi দাখিল করে এবং প্রমাণ করে যে, সেই তারিখে সে ছিল চট্টগ্রামে। উক্ত প্রমান সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা

⇒ Plea of Alibi অর্থ:- "Alibi" একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ "অন্যত্র"। ফৌজদারি মামলায় আসামি যদি দাবি করে যে, অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং অন্যত্র ছিল, তাহলে সেটিই Plea of Alibi।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১ অনুসারে, যে সকল ঘটনা (ফ্যাক্ট) অন্য কোনোভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হয় যদি: (১) এগুলো কোনো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়, অথবা (২) এগুলো স্বয়ং বা অন্য বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিক সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।

- এখানে 'ক'-এর Plea of Alibi (অর্থাৎ, ১০ অক্টোবর ঢাকায় ডাকাতির সময় সে চট্টগ্রামে ছিল) অপরাধের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলে, কারণ আসামি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি ধারা ১১(২)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারার বিধান: যে সকল ঘটনা অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলি যখন প্রাসঙ্গিক হয়: যে সকল বিষয় অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, নিম্নবর্ণিত ভাবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক-
(১) যদি সেগুলি কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
(২) যদি সেগুলি স্বয়ং অথবা অন্যকোন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

১১,৫৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে মামলা সংক্রান্ত ফরমসমূহ দেয়া আছে?
  1. ১ম তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে।
যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
--------------
ফৌজদারি কার্যবিধির পাঁচটি তফসিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গঠিত। প্রতিটি তফসিল আলাদা আলাদা দিক নির্দেশ করে, যা নীচে ব্যাখ্যা করা হলো:
1. ১ম তফসিল (First Schedule): এই তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে, অর্থাৎ বর্তমানে এর কোনো কার্যকারিতা নেই।
2. ২য় তফসিল (Second Schedule): এই তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং ফৌজদারি দন্ডবিধির অধীন অপরাধগুলো কোন আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলটি অপরাধ শ্রেণিবিন্যাস এবং বিচারিক ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
3. ৩য় তফসিল (Third Schedule): এখানে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ রয়েছে। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা এই তফসিলে নির্ধারিত।
4. ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule): এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার উল্লেখ রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে বা কিছু নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ম্যাজিস্ট্রেটগণ এই অতিরিক্ত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।
5. ৫ম তফসিল (Fifth Schedule): এখানে বিভিন্ন ফরমের বিবরণ রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যে সকল ফরম ব্যবহৃত হয়, যেমন জামিননামা, সমন, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি, সেগুলোর কাঠামো এবং প্রয়োগের নিয়মাবলী এই তফসিলে অন্তর্ভুক্ত।

এগুলো ফৌজদারি কার্যবিধির কাঠামো ও ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
১১,৫৯৫.
বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটলে যে অপরাধ হয় তা-
  1. জামিনযোগ্য
  2. অ-জামিনযোগ্য
  3. তফসিলভুক্ত
  4. তফসিল বহির্ভূত
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী  দণ্ডবিধির ৩০৪খ ধারায়, বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধটি জামিনযোগ্য এবং আমলযোগ্য। মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার্য  এবং দণ্ডবিধি অনুযায়ী  শাস্তি তিন বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই।
১১,৫৯৬.
'No one shall be judge of his own case' এই নীতিটি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৫৫৬
  2. ৫৫৭
  3. ৫৬৮
  4. ৫৬০
সঠিক উত্তর:
৫৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
-No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
১১,৫৯৭.
ফৌজদারি আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১১,৫৯৮.
B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে, The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭ অনুসারে, A আদালতের মাধ্যমে-
  1. B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
  3. B-কে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে
  4. B-কে চুক্তি বাতিলের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

উদাহরণসমূহ-
(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

১১,৫৯৯.
Who may pass any sentence authorized by law according to Section 31(1) of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. High Court Division
  2. Sessions Judge
  3. Joint Sessions Judge
  4. Both A & B
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.

• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
১১,৬০০.
সদ্য প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এক পুত্র তার পিতার কাছে কিছু সম্পদ বিক্রি করেছে এবং সেই বিক্রয়ের সৎ বিশ্বাস নিয়ে পুত্র আদালতে মামলা করেছে। এখানে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব কার?
  1. আদালতের
  2. পিতার
  3. পুত্রের
  4. আইনজীবীর
সঠিক উত্তর:
পিতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতার
ব্যাখ্যা
ধারা ১১১- আস্থা সম্পর্কযুক্ত লেনদেনে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ:
যেখানে কোনো লেনদেনে সৎ বিশ্বাস (good faith) নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে একজন অপরের প্রতি সক্রিয় আস্থার (active confidence) অবস্থানে থাকে, সেখানে সেই পক্ষের ওপর সৎ বিশ্বাসের প্রমাণের দায় বর্তায়, যে সক্রিয় আস্থার অবস্থানে আছে।

উদাহরণসমূহঃ
(ক) একজন মক্কেল তার আইনজীবীর নিকট একটি বিক্রয় করেছেন এবং সেই লেনদেনের সৎ বিশ্বাস নিয়ে মক্কেল আদালতে মামলা করেছেন। এখানে সেই লেনদেনটি সৎ বিশ্বাসে হয়েছে কিনা—তার প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব আইনজীবীর।

(খ) সদ্য প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এক পুত্র তার পিতার কাছে কিছু সম্পদ বিক্রি করেছে এবং সেই বিক্রয়ের সৎ বিশ্বাস নিয়ে পুত্র আদালতে মামলা করেছে। এখানে সৎ বিশ্বাসের প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্ব পিতার ওপর।