বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৮ / ১২৬ · ১০,৭০১১০,৮০০ / ১২,৬০৫

১০,৭০১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের নিয়ম উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ৬১
  3. ধারা ৯০
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬১ (Section 61 – Proof of contents of documents)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
অর্থাৎ, কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার নিয়ম এই ধারায় বলা হয়েছে, এবং এতে উল্লেখ আছে যে —
এটি হতে পারে
- প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা অথবা
- মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা।

→ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হচ্ছে মূল দলিল, যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখন ব্যবহার করা হয় যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, এবং তখন তার প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

১০,৭০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ফরিয়াদি সরকারি কর্মচারী হলে,ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ২৪৫
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
সঠিক উত্তর:
২৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------------
CrPC- Section-247.Non-appearance of complainant:
 If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১০,৭০৩.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ২ দিন
  2. ৩ দিন
  3. ৪ দিন
  4. ৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 343. Wrongful confinement for three or more days:- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৭০৪.
আপোষমূলক ডিক্রির [Compromise Decree] বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউতে
  3. রেফারেন্সে
  4. রিভিশনে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
- অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায়।
--------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.

⇒ CPC Section-115.Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
১০,৭০৫.
‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করে, যাতে তার ঋণদাতারা তা পেতে না পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৪ অনুসারে, যে কেউ অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি গোপন বা অপসারণ করে, বা এতে সহায়তা করে, অথবা তার প্রাপ্য কোনো দাবি বা অধিকার অসাধুভাবে মুক্তি দেয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। এখানে, ‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করেছে, যাতে ঋণদাতারা তা পেতে না পারে, যা ধারা ৪২৪-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।

- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪২৪-এর অধীনে জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন হিসেবে গণ্য, এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒The Penal Code, 1860- Section-424 Dishonest or fraudulent removal or concealment of property:
-Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১০,৭০৬.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনার উপলক্ষ
  2. ঘটনার কারণ
  3. ঘটনার পরিণাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ধরনের ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক:
উপলক্ষ (Occasion): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার উপলক্ষ হিসেবে কাজ করে।
কারণ (Cause): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিণাম (Effect): যে ঘটনা বা অবস্থা বিচার্য বিষয়ের ঘটনার পরিণাম হিসেবে দেখা যায়।

Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
১০,৭০৭.
'ক' একজন নিঃস্ব বাদী হিসেবে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার চলাকালীন, 'ক' মারা যায় এবং মামলাটি বাতিল হয়। আদালত আদেশ দেয় যে, 'ক'-এর সম্পত্তি থেকে সরকার কোর্ট ফি আদায় করতে পারবে। এই সিদ্ধান্ত কোন আদেশ ও বিধির অধীনে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ৩৩, বিধি ৫
  2. আদেশ ৩৩, বিধি ৬
  3. আদেশ ৩৩, বিধি ৭
  4. আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক
ব্যাখ্যা
• এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে আদেশ ৩৩, বিধি ১১ক বিধির অধীনে।

আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বাদী বা সহবাদী হিসাবে যুক্ত কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমাটি বাতিল হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, যদি বাদীকে নিঃস্ব হিসাবে মামলা করার অনুমতি না দেওয়া হতো, তবে যে পরিমাণ কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হতো, তা সরকারের পক্ষ থেকে মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য হবে।

Order 33 Rule 11A- Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid bythe plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
১০,৭০৮.
রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার বাদী
  3. সম্পত্তির মালিক
  4. বাদী ও বিবাদীর সম্মতিতে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ পারিশ্রমিক:
রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১০,৭০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা অনুসারে কে পুলিশ ডায়েরী দেখার অধিকারী হবেন না?
  1. আদালত
  2. ফরিয়াদি
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
  4. কেউই অধিকারী নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী নয়।

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়,সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী।ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে,তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন-কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন,কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে,আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
১০,৭১০.
অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকার মেয়াদ?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকা - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
১০,৭১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের বিধান রয়েছে।
- এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
কোন চুক্তিতে যদি একটি ইতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ করা) এবং একটি নেতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ না করা) একসাথে থাকে, এবং আদালত যদি সেই ইতিবাচক অঙ্গীকারটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করানোর আদেশ (Specific Performance) দিতে না পারে,
তবুও আদালত চুক্তির নেতিবাচক অংশটি (কাজটি না করা) ভঙ্গ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী নিজে চুক্তির(যে অংশটি তার উপর বাধ্যবাধকতা তৈরি করে) পালনে ব্যর্থ হয়নি।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

১০,৭১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
সঠিক উত্তর:
বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা (Section 561A, CrPC) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ করে এবং এই ধারা তিনটি উদ্দেশ্যে হাইকোর্টকে ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দেয়:
১। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা
২। কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
৩। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
কিন্তু "বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো" — এই উদ্দেশ্য ৫৬১ক ধারার উদ্দেশ্যের মধ্যে নেই।
- এটি একটি সামাজিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এই ধারার অধীনে হাইকোর্টের inherent power প্রয়োগের কোনো উদ্দেশ্য নয়।

-একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)। 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১০,৭১৩.
সমন যদি আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে জারি করতে হয়, তবে উক্ত সমন কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. সরাসরি ব্যক্তির নিকট
  3. সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. সমন বাতিল করা হবে
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
১০,৭১৪.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণের বছরে বার কাউন্সিল নির্বাচন যে তারিখে বা তারিখের পূর্বে সম্পন্ন করতে হবে তা হলো-
  1. ৩১ জানুয়ারী
  2. ১ ডিসেম্বর
  3. ৩১ মে
  4. ৩১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
ব্যাখ্যা
♦ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।

♦ অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণের বছরে বার কাউন্সিল নির্বাচন ৩১ শে মে বা তার পূর্বে সম্পন্ন করতে হবে।
১০,৭১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুযায়ী, সরাসরি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা সম্ভব না হলে কাকে সমন প্রদান করা যাবে?
  1. যেকোনো পরিচিত ব্যক্তিকে
  2. শুধু পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যকে
  3. পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
  4. বিবাদীর ভৃত্যকে
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ১৫: বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর সমন জারি:
আদেশ ৫, বিধি ১৫ অনুসারে, যদি বিবাদী বা তার প্রতিনিধির উপর সরাসরি সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের (নারী বা পুরুষ) কাছে সমন জারি করা যেতে পারে। পরিবারের কোনো ভৃত্য (Servant) সদস্য হিসেবে গণ্য হবে না এবং তার কাছে সমন দেওয়া যাবে না।

২০১২ সালের সংশোধনী:
পূর্বে শুধুমাত্র পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যের (Adult Male Member) কাছে সমন দেওয়ার বিধান ছিল। তবে ২০১২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে এখন পরিবারের যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট সমন প্রদান করা যেতে পারে।
১০,৭১৬.
কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম বাতিল হবে না?
  1. ভুলক্রমে অপরাধ আমলে নিলে
  2. ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে এখতিয়ারের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে
  3. ক্ষমতাবান না হলেও সরল বিশ্বাসে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
 
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;

(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
 
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ উল্লেখিত কোনো কারনে কার্যক্রম বাতিল হবে না।
১০,৭১৭.
A একজন গুদামরক্ষক। Z কে কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য A কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পণ্য গুলো A এর দখল হতে B গ্রহণ করেছে। এই ক্ষেত্রে A,B এর বিরুদ্ধে পণ্যগুলো প্রাপ্তির জন্য মামলা করতে পারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের _______ ধারায়।
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦A হলো উক্ত পণ্যের জিম্মাদার [Bailee] এবং এই কারণে A উক্ত পণ্য বর্তমান দখলের অধিকারী। A উক্ত পণ্যের মালিক না হলেও যেহেতু পণ্যটির দখলে রাখার বিশেষ অধিকার A এর আছে, তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য A,B এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ১০ ধারায় বলা আছে সুনির্দিস্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারঃ
♦সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় উহার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সেই ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-২ঃসম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
১০,৭১৮.
এক ব্যক্তি ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত ও ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। দণ্ডাদেশ দানের কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
১০,৭১৯.
Easement Right কয়ভাবে অর্জন করা যায়?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী ২ ভাবে (ভোগ দখল ও ব্যবহার) Easement Right অর্জন হয়।
১০,৭২০.
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্য কোন সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের সদস্যদের কী অপরাধ হবে?
  1. ডাকাতি
  2. দাঙ্গা
  3. অপহরণ
  4. বলপ্রয়োগের অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার অনুযায়ী, যদি একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা ঐ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে, তবে সেই সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গা (Rioting) এর অপরাধে দোষী হবে। "দাঙ্গা" হল এমন একটি অপরাধ যেখানে একটি অবৈধ সমাবেশ বা তার সদস্যরা অন্যদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা বলপ্রয়োগ করে।
- এটি "ডাকাতি", "অপহরণ", বা "বলপ্রয়োগের অপরাধ" নয়, কারণ দাঙ্গা এক ধরনের গ্রুপ ভিত্তিক অপরাধ যেখানে বড় সংখ্যক ব্যক্তি আইন ভঙ্গ করতে সহিংসতার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান: দাঙ্গার শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে, বা জরিমানা করা যেতে পারে, বা উভয় শাস্তি একসাথে দেওয়া যেতে পারে।
-----
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 146. Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 147. Punishment for rioting:
 Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৭২১.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
১০,৭২২.
একটি চুক্তির সংশোধনের জন্য আদালত কী বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে?
  1. চুক্তি আইনের সব শর্ত পূরণ করে
  2. সকল পক্ষ চুক্তি সম্পর্কে একমত
  3. চুক্তির নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে
  4. চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত করার উদ্দেশ্য ছিল
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১০,৭২৩.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৩৫ নং আইন
  3. ৪৫ নং আইন
  4. ৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই  আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি  ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
১০,৭২৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২ এর অধীনে মামলা হস্তান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে-
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বিচারিক আদালত
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২২- একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য মামলা হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
যদি কোনো মামলা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়ের করা যায় এবং তা এক আদালতে দায়ের করা হয়, তবে যে কোনো বিবাদী (defendant), অন্যান্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে, সর্বোত্তম সুযোগে (যখন মামলার ইস্যু স্থির হয় বা স্থির করার আগে), আবেদন করতে পারবে মামলাটি অন্য কোনো আদালতে হস্তান্তরের জন্য।
যে আদালতকে এই আবেদন করা হয়, সে অন্য পক্ষের আপত্তি বিবেচনা করার পর, নির্ধারণ করবে কোন আদালত যথাযথ এখতিয়ারসম্পন্ন, এবং মামলাটি সেই আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

১০,৭২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে কয়টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে।
যথা-
- ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব,
- পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে,
- চুক্তি পালনে অক্ষম,
- পূর্বেই বিষয় বস্তু নিষ্পত্তি হয়েছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
-চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না:
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
-----------------
⇒ SR Act Section-24.Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১০,৭২৬.
Who has power to decide language of Courts?
  1. The Court itself
  2. The Government
  3. Presiding Officer of Court
  4. High Court Division
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১০,৭২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে গ্রহণ করতে পারেন?
  1. Chief Metropolitan Magistrate
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. Magistrate of the first class
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০(১)(গ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে (cognizance) গ্রহণ করতে পারেন:
ক) Chief Metropolitan Magistrate
খ) Chief Judicial Magistrate
গ) Magistrate of the first class
এছাড়াও বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট। 
সুতরাং, উপরের সবগুলো শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হল All of the above.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190-Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence- 
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence; 
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer; 
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
(2) the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial.
(3) The Government may empower any Magistrate of the second class to take cognizance under sub-section (1), clause (c), of offences for which he may try or send for trial. 
(4) Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.

১০,৭২৮.
বাদী আরজির সাথে পেশকৃত দলিলসমূহ কোন পদ্ধতিতে জমা দিবে?
  1. আরজির উপর তালিকা লিখে
  2. আরজির সাথে সংযুক্ত করে
  3. ক বা খ
  4. আরজি জমা দেয়ার পর দলিল জমা দিবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• বাদী আরজির সাথে যেসকল দলিল পেশ করে (যদি থাকে),আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে।

• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা  বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবীকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লেখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

• আদেশ ৭ বিধি ৯ (আরজি গ্রহণের পদ্ধতি)-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9: Procedure of admitting plaint-
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.

(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.

(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct. 
১০,৭২৯.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০-৪৮৬ ধারায় আদালত অবমাননা (Contempt of Court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে।

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480: Procedure in certain cases of contempt
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১০,৭৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী WARRANT OF ARREST বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কতদিন কার্যকর থাকবে?
  1. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত
  2. কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালত কর্তৃক বাতিল না করা পর্যন্ত
  4. খ অথবা গ
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিতভাবে থাকবে এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়। অর্থাৎ, পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; শুধু আদালতের রদ বা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শেষ হয়।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

১০,৭৩১.
'ক' 'খ' কে একটি নকল গহনা দেখিয়ে বলে যে, এটি আসল হীরা এবং এই বলে টাকা নেয় যে 'খ' যদি এটি কিনে, তবে লাভবান হবে। 'খ' প্রতারিত হয়ে গহনাটি কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 'ক' এর এই কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে অপরাধ?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪১৫
  4. ধারা ৪৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৫ অনুসারে, প্রতারণা (Cheating) তখনই সংঘটিত হয় যখন কেউ ছলনা বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে:
- সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে, অথবা
- এমন কোনো কাজ করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বন্ধ করত না, এবং যার ফলে তার শরীর, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- এখানে 'ক' 'খ'-কে একটি নকল গহনাকে আসল হীরা বলে প্রতারণা করেছে, যার ফলে 'খ' গহনাটি কিনে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ধারা ৪১৫-এর সংজ্ঞার সাথে পুরোপুরি মিল আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

১০,৭৩২.
সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১০,৭৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীন আদালত কখন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ পরস্পর নির্ভরশীল হলে
  2. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
  3. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হলে
  4. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে বড় হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন:
যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
১০,৭৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি এক বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে আদালতকে সেই প্রতিপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এটি করার উদ্দেশ্য হলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রতিপক্ষকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।

- অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হলে প্রতিপক্ষের উপস্থিতির পর ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
১০,৭৩৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩৮ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রতিবেদন প্রাসঙ্গিক মনে করে?
  1. সংবাদপত্রের প্রতিবেদন
  2. টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিবেদন
  3. আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮:
যখন আদালতের কোনো দেশের আইন সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত বা প্রকাশিত যে কোনো আইনের বিবৃতি, এবং সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন, যা একটি বইয়ে প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রাসঙ্গিক

[When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.]
১০,৭৩৬.
দলিলের সময় গণনা ক্ষেত্রে কোন বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করতে হবে?
  1. গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
  2. বাংলা বর্ষপঞ্জি
  3. আরবী বর্ষপঞ্জি
  4. শাস্ত্রীয় বর্ষপঞ্জি
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
১০,৭৩৭.
যদি কোন দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখিত না থাকে, তবে কখন থেকে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১:
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
১০,৭৩৮.
আপিল আদালত সরাসরি আপিল খারিজ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪১৭ ধারায়
  2. ৪২০ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২১ধারার বিধান আপীল খারিজের সারবস্তুঃ (১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপীল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপীল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপীল খারিজ করা যাবে না ।
(২) এই ধারার আওতায় আপীল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal) - ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
১০,৭৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতির জন্য আদেশ ৩৭ কোন আদালতে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্টে
  2. জেলা আদালতে
  3. সকল দেওয়ানি আদালতে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৩৭ বিধি-১ অনুসারে, হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে প্রযোজ্য। এটি সকল দেওয়ানী আদালতে প্রযোজ্য নয়, কারণ এর সীমাবদ্ধতা নির্দিষ্ট আদালতের ক্ষেত্রে সীমিত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-Summary Procedure on Negotiable Instruments:
Rule-1: Application of Order: This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.

১০,৭৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. গ্রেপ্তারের পর জামিনের অধিকার
  2. গ্রেপ্তারের পর শারীরিক পরীক্ষা 
  3. গ্রেপ্তারের পর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা
  4. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর (Act No. V of 1898) দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে ধারা ৫৪ক (Section 54A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় গ্রেপ্তারের সময়ে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক (Section 54A)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলে গ্রেপ্তারের সময়েই (at the time of making arrest) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ (reasons for arrest) অবহিত করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১০,৭৪১.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শারীরিক ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সম্পত্তির ক্ষতি
  4. পরিবেশগত ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশগত ক্ষতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী "Injury" বলতে শারীরিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি ও সম্পত্তির ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত কিন্তু পরিবেশগত ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- পরিবেশগত ক্ষতি (Environmental Injury): প্রাকৃতিক সম্পদ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব। যেমন: বন উজাড়, জলদূষণ।
- দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি": "ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।
----------------------
- The Penal Code, 1860 Section-44: “Injury”- The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
১০,৭৪২.
Under Order 16, who can request the Court to issue summons to witnesses?
  1. Only the plaintiff
  2. Only the defendant
  3. Any party to the suit
  4. Any third party to the suit
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any party to the suit
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছে-

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
১০,৭৪৩.
According to Section 265E under The Criminal Procedure Code, 1898 who can plead guilty? 
  1. The Public Prosecutor
  2. The Investigating Officer
  3. The Victim of the Offence
  4. The Accused of the Offence
সঠিক উত্তর:
The Accused of the Offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Accused of the Offence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) The Accused of the Offence.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC 1898)-এ plea bargaining শব্দটি সরাসরি নেই, তবে Plea of Guilty সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- Section 265D → দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।
- Section 265E → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে (pleads guilty), আদালত তা রেকর্ড করবে এবং বিবেচনার ভিত্তিতে তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
- Section 265F → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে।
- Section 412 → অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং সেই ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়, তবে সাধারণত আপিল করা যাবে না, শুধু শাস্তির মাত্রা বা বৈধতা নিয়ে আপিল করা যাবে।
 
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তি (Accused) আদালতে অপরাধ স্বীকার করতে পারে এবং সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.

১০,৭৪৪.
'Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯২
  2. ধারা ৪৯৩
  3. ধারা ৪৯৪
  4. ধারা ৪৯৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৫
ব্যাখ্যা
Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

• ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:

(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে, কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।
১০,৭৪৫.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, কোন ব্যক্তিকে আদালত সমন দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষকে
  2. মোকদ্দমার আইনজীবীকে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
১০,৭৪৬.
৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া আদালতের জন্য
  1. বিবেচনামূলক
  2. নিদর্শনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৩৫ক মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবী কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে আদালত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে যা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক
১০,৭৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৬ এর বিধান মতে ডিক্রিতে কোন বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকবে?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  3. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
----------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-20 Rule-6: Contents of decree:
-(1) The decree shall agree with the judgment; it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit. 
-(2) The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.
-(3) The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.
১০,৭৪৮.
রাশেদ ১ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে করিমের জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। করিম ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চান। সর্বোচ্চ কোন তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ১ জানুয়ারি ২০২৩।

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass)–এর জন্য-
ক্ষতিপূরণ দাবির তামাদি মেয়াদ = ৩ বছর
তামাদি গণনা শুরু হবে = অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে

এখানে,
অনধিকার প্রবেশের তারিখ: ১ জানুয়ারি ২০২০;
তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর;
সুতরাং সর্বশেষ মামলা দায়েরের তারিখ হবে: ১ জানুয়ারি ২০২৩।

১০,৭৪৯.
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে দুইটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। জমি একটি অংশ নারায়ণগঞ্জে এবং অপর অংশ ঢাকাতে অবস্থিত। 'খ' যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে 'খ' এর উকিল হিসেবে, আপনি কোথায় মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. নারায়ণগঞ্জ জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

♦ দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।

♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।

♦ যেহেতু জমির দুইটি অংশ দুইটি জেলায় অবস্থিত তাই যে কোন একটি জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে। যেহেতু বাদী 'ক' ঢাকাতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে এবং ‘খ’ মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করে নারায়ণগঞ্জের দেওয়ানী আদালতে নিতে চাই, তাহলে আমাকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। 
১০,৭৫০.
পেনাল কোডের যে ধারায় ‘ডাকাতি' সংজ্ঞায়িত হয়েছে তা হলো-
  1. ৩৯০
  2. ৩৯১
  3. ৩৯২
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
১০,৭৫১.
‘এ’ বলে যে ‘বি’ একটি অপরাধ করেছে। এখন ‘এ' বলে আদালতের রায়ে ‘বি’ এর সাজা হোক। কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. ‘বি’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, সে অপরাধটি করেনি
  2. আদালতকে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  3. ‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
  4. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেনি
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘এ' কে অবশ্যই প্রমান করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ‘Burden of Proof” শিরোনামে ১০১ ধারার মূল বিধান হলোঃ যিনি কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করবেন তিনিই তা প্রমাণ করবেন; যদি দাবিটি সঠিক, যৌক্তিক ও আইনানুগ হয় । সংক্ষেপে বললে: ‘যে যা দাবি করবে সে তা প্রমাণ করবে”।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা মতে প্রমাণের দায়িত্বঃ
যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।
কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্ৰমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।
১০,৭৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

The Specific Relief Act, 1877-Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
 A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
 A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১০,৭৫৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫০
  2. ১৫১
  3. ১৫৩
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৫১ অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন উল্লেখ আছে।

-তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগ করে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমা হলো ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার প্রয়োগে কোনো মামলার ক্ষেত্রে যে চূড়ান্ত রায় বা আদেশ দেওয়া হয়, সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আবেদনকারীকে সেই রায় বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ২০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে না বা তামাদি হয়ে যাবে।

১০,৭৫৪.
অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩-এ অধিকার বা প্রথা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যেসকল ক্ষেত্রে কোনো অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত বিষয় প্রমাণিত হওয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ প্রাসঙ্গিক হবে:
১) যেকোনো লেনদেন বা কার্যক্রম যা ওই অধিকার বা প্রথার সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তন, স্বীকৃতি বা বিরোধিতা করার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক হবে।
২) কোনো অধিকার বা প্রথার প্রয়োগ বা বিরোধিতা সংক্রান্ত বিশেষ ঘটনা, যা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেটিও প্রাসঙ্গিক।
এটি মূলত অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব বা তার প্রয়োগের ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
এবং ধারা ১০, ধারা ৭, বা ধারা ১২ এসবের মধ্যে কোনোটি অধিকার বা প্রথার প্রমাণের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-13. Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.
১০,৭৫৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৭৮
  2. ২৭৮
  3. ২৬৮
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
২৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
---------------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 268-Public nuisance:
-A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
১০,৭৫৬.
নিম্নের কোনটি দেওয়ানি আদালত নয়?
  1. Court of District Judge
  2. Court of Assistant Judge
  3. Court of Metropolitan Magistrate
  4. Court of Senior Assistant Judge
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge].

অপশনে উল্লিখিত 'Court of Metropolitan Magistrate' ফৌজদারি আদালতের অন্তর্ভুক্ত।
১০,৭৫৭.
কোন ক্ষেত্রে চুরির অপরাধ সম্ভব নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. আসবাবপত্র
  3. জমি
  4. অলংকার
সঠিক উত্তর:
জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
 (iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
১০,৭৫৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪-এর অধীন, কতিপয় ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায়ে (common intention) অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করলে, প্রত্যেকে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হবে, যেন অপরাধটি সে এককভাবে করেছে। এই ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের পূর্ব পরিকল্পনা এবং অংশগ্রহণের উপাদানগুলো উল্লেখিত, কিন্তু সকল ব্যক্তির একসাথে উপস্থিতি আবশ্যক নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে।
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।

এখানে, সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা এই শর্তটি প্রয়োজন নয়। কারণ, সাধারণ অভিপ্রায় থাকতে হবে, কিন্তু অপরাধ সংঘটিত করতে সকল ব্যক্তি একসাথে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তারা আলাদাভাবে অংশ নিতে পারে, তবে তাদের অভিপ্রায় ও পরিকল্পনা এক হতে হবে।
অতএব,সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention)  প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।
-----
⇒ The Penal Code, 1860 Section-34: Acts done by several persons in furtherance of common intention: 
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

১০,৭৫৯.
যদি বাদী উপস্থিত না থাকে এবং বিবাদী বাদীর দাবি স্বীকার না করে, তাহলে আদালত কী করবেন?
  1. বিবাদীর পক্ষে রায় দেবেন
  2. মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
  3. নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দেশ দেবেন
  4. মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য স্থগিত করবেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করে দেবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.
১০,৭৬০.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে, মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ফৌজদারি কারাগারে ৩ মাস
  2. দেওয়ানী কারাগারে ৩ মাস
  3. দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
  4. ফৌজদারি কারাগারে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে। 

ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
১০,৭৬১.
Under Section 61, how can the contents of a document be proven?
  1. Only by oral testimony
  2. Only by primary evidence
  3. By primary or secondary evidence
  4. By physical inspection of the document only
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By primary or secondary evidence
ব্যাখ্যা
• দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু দুই প্রকার দালিলিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় -
১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং
২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
 
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 61⇒ Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
১০,৭৬২.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে, নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ২১ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে,নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে,অস্বীকারকারী বা অবহেলাকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

• আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।

Order 12 Rule 2: Notice to admit documents-
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
১০,৭৬৩.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী _________ ব্যতীত সকল বিষয় মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. দলিল
  3. প্রচলিত রীতি সম্পর্কে অভিমত
  4. এক ব্যক্তির সাথে অপর ব্যক্তির সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ধারা: ৫৯ মতে মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণঃ দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে ।

• দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
১০,৭৬৪.
গৌণ সাক্ষ্যের (Secondary evidence) সংজ্ঞা সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৬২ ধারা
  4. ৬৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে। সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒  গৌণ সাক্ষ্যঃ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-

১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।

২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।

৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;

৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;

৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

----------------------------
⇒ Secondary evidence:

Section 63. Secondary evidence means and includes- 
 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
 
(3) copies made from or compared with the original; 
 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
১০,৭৬৫.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 14-এর অধীনে সময়সীমা বাদ দেওয়ার জন্য কোন শর্ত বাধ্যতামূলক? 
  1. মামলা ফৌজদারি হতে হবে
  2. বাদী অবশ্যই আপিল করতে হবে
  3. মামলা সরকারের বিরুদ্ধে হতে হবে 
  4. বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য হল যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ যত্ন (due diligence) এবং সৎ বিশ্বাসে (good faith) একটি দেওয়ানি মামলা বা দরখাস্ত এমন কোনো আদালতে দায়ের করেন যেটি এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে সেই মামলার বিচার করতে অক্ষম, তবে উক্ত মামলায় যে সময় ব্যয় হয়, তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

এখানে "সৎ বিশ্বাসে" দায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- কারণ যদি বাদী জানার পরও ভুল আদালতে মামলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করেন, তাহলে সেটা “সৎ বিশ্বাসে” ধরা হবে না।
- সৎ বিশ্বাসের মানে হলো যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে, ভুল না করে, বিশ্বাসযোগ্য ও ন্যায্য উদ্দেশ্যে মামলা করা।

⇒ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা-১: যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।
ব্যাখ্যা-২: এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।
ব্যাখ্যা-৩: এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 14. Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
Explanation I: - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted. 
Explanation II: - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.  
Explanation III: - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.

১০,৭৬৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৬ ধারায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করার ক্ষেত্র কয়টি?
  1. ৯ টি
  2. ৭ টি
  3. ১০ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
১০,৭৬৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment to suicide) শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------
⇒ Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৭৬৮.
‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করায় যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে ‘Z’ তার সাথে সহবাস করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৫
  3. ধারা ৪৯৬
  4. ধারা ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো নারীকে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করান যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে তাকে সহবাস বা যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে বৈধ বিবাহের বিশ্বাসে সহবাসে প্ররোচিত করেছে, যা ধারা ৪৯৩-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৯৫: এটি পূর্ববর্তী বিবাহের তথ্য গোপন করে বিগ্যামি করার জন্য প্রযোজ্য, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
গ) ধারা ৪৯৬: এটি প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে জেনেশুনে অবৈধ বিবাহের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু এখানে সহবাসের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ঘ) ধারা ৪৯৭: এটি ব্যভিচারের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে কোনো পুরুষ অন্যের স্ত্রীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে।
অর্থাৎ: ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৯৩-এর অধীনে প্রতারণামূলক সহবাস হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৯৩।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section-493. Cohabitation caused by a man deceitfully inducing a belief of lawful marriage:
Every man who by deceit causes any woman who is not lawfully married to him to believe that she is lawfully married to him and to cohabit or have sexual intercourse with him in that belief, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১০,৭৬৯.
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে কাকে উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।


Section 79- Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

১০,৭৭০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।
⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
১০,৭৭১.
The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II অনুসারে, আদালত নিম্নলিখিত কোন কারণে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. বাদী বা বিবাদী হাজির না হলে
  2. বিবাদী হাজির না হলে
  3. বাদী হাজির না হওয়ার কারণে
  4. বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১০,৭৭২.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে যোগ্যতার মানদণ্ড কী?
  1. মামলা সম্পর্কে জ্ঞান
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
  3. জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারার বিধান- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।
সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।
১০,৭৭৩.
প্রশ্নমালা কর্তন (Strike out) করা যেতে পারে যদি প্রশ্নমালাটি-
  1. দীর্ঘ শব্দবহুল হয় (profix)
  2. অপ্রয়োজনীয় হয় (unreasonably)
  3. যাতনাদায়ক হয় (oppressive)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
> প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
> দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

• ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

• ১১ নং আদেশ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-

কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Rule.-7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
১০,৭৭৪.
A, Z সম্পর্কে একটি বদনাম ছড়াবে বলে ভয় দেখায়, যদি না Z তাকে টাকা দেয়। এতে Z বাধ্য হয়ে টাকা দেয়। এক্ষেত্রে, A _________ করেছে।
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)-
কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণ-
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
১০,৭৭৫.
তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

ধারা ২৯-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
১০,৭৭৬.
মুচলেকা, বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৬৬ থেকে ৮০ পর্যন্ত মুচলেকা [bond], বিনিময়পত্র [bill of exchange], প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ [promissory note] সম্পর্কে কোন মামলা দায়েরের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র, প্রতিজ্ঞাপত্র এবং মুচলেকা সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর হবে।
১০,৭৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত কোন বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন?
  1. দলিল সম্পাদনের সময়কালে
  2. দলিলের শব্দ ও বাক্য গঠনে
  3. দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
  4. দলিলের আনুষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তায়
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও দলিলের আইনি ফলাফল সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। আদালতের অনুসন্ধান শুধু দলিলের ভাষা বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ কী হওয়া উচিত ছিল, সেটি নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।
অতএব, দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত সর্বাধিক গুরুত্ব দেন দলিল সম্পাদনকারীর প্রকৃত উদ্দেশ্যে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১০,৭৭৮.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়,যদি না-
  1. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
  2. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় 
  3. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
  4. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট না হয়
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক  অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা/ বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ২২ক ধারা, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক: দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

১০,৭৭৯.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগরে আটক রাখা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুযায়ী জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়া কারাগারে আটক রাখা যাবে।
১০,৭৮০.
'প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা' এর বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 1 এর কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৮  মতে একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest)।

♦ যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।

♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
১০,৭৮১.
বাদী প্রশ্নোত্তর প্রদানের আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার মামলা-
  1. ডিক্রি হবে
  2. প্রত্যাখ্যাত হবে
  3. খারিজ হবে
  4. ফেরত দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-২১ এর বিধান আদেশ পালন না করা (Inspection of documents referred to in pleadings or affidavits): যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ মোকদ্দমা সম্পর্কিত প্রশ্নমালার উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হয়, বা দলিল প্রকাশে ব্যর্থ হয়, বা দলিল পরিদর্শনে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে বা বিবাদীর ক্ষেত্রে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বাতিলের আদেশ দিতে পারে।
১০,৭৮২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ______ আদালতে হাজির করবেন।
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

- Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
১০,৭৮৩.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে-
  1. অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
  2. আইন জানার তারিখ থেকে
  3. চুক্তির বিষয়ে জানার তারিখ হতে
  4. চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
♦তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ হতে অথবা যখন অনুরুপ কোন তারিখ নির্দিষ্ট না থাকে, তখন বাদী যখন অবগত হয় যে চুক্তি পালন অস্বীকৃত হয়েছে তখন হতে। 
১০,৭৮৪.
নাবালকের মোকদ্দমায় নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগের ক্ষেত্রে শপথপত্রে কী দেখাতে হবে?
  1. ব্যক্তির পূর্বের অভিজ্ঞতা
  2. ব্যক্তির আর্থিক স্থিতি
  3. ব্যক্তির আইনি যোগ্যতা
  4. ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোন স্বার্থ নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৮: নেক্সট ফ্রেন্ড এর অবসর গ্রহণ:
১) আদালত ভিন্নরূপ কোন আদেশ প্রদান না করলে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড তার স্থলে সমাসীন হওয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি সংগ্রহ করে না দিয়ে এবং ইতোপূর্বে ব্যয়িত খরচাদির জন্য জামানত না দিয়ে অবসর গ্রহণ করতে পারবে না।

২) নতুন নেক্সট ফ্রেন্ডর নিয়োগের জন্য আবেদন প্রস্তাবিত ব্যক্তির যোগ্যতা দেখিয়ে একটি শপথপত্র দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং নাবালকের স্বার্থের বিরুদ্ধে তার কোন স্বার্থ নেই এটারও দেখাতে হবে।
১০,৭৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. এক বা ততোধিক
  2. দুই বা ততোধিক
  3. তিন বা ততোধিক
  4. পাঁচ বা ততোধিক
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বা ততোধিক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩(১) অনুসারে তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে দুই বা ততোধিক সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১০,৭৮৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন ধারা বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর মামলা সংক্রান্ত?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর ধারা ১১ (Section 11) হলো:
- "Suits on foreign contracts" অর্থাৎ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলা সংক্রান্ত ধারা।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

(১) উপধারা:
বাংলাদেশে দায়েরকৃত সেই সব মামলা যেগুলি বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে হয়, তাদের তামাদি গণনা হবে বাংলাদেশের তামাদি আইন অনুযায়ী।  অর্থাৎ, বাংলাদেশের আইনই প্রযোজ্য, বিদেশি তামাদি আইন নয়।
(২) উপধারা: কোনো বিদেশি তামাদি বিধান সাধারণভাবে প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই বিদেশি আইন চুক্তিটিকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত (extinguished) করে দেয় এবং চুক্তির উভয় পক্ষ সেই বিদেশি দেশে বসবাসরত (domiciled) থাকে তামাদি মেয়াদের পুরো সময়কাল, তবে সেই ক্ষেত্রে বিদেশি তামাদি আইন গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-11. Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

১০,৭৮৭.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  2. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-

i) Inculpatory Confessional Statement; ও

ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;

ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও

iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।

⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।

⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
১০,৭৮৮.
The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. শুধু মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা  করতে 
  2. শুধু আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  3. আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  4. মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭। মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
----------
17, Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.

১০,৭৮৯.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে সাক্ষীর সাক্ষ্য লিখিত ভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  4. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল এবং রিভিউ অনুমোদিত নয়
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো- আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
১০,৭৯০.
'ক' বলছে 'খ' অপরাধী এবং আদালতের কাছে বিচার প্রার্থনা করে। তাহলে 'খ' যে সত্যিই অপরাধটি করেছে, তা এর প্রমাণ করার দায়িত্ব-
  1. 'ক' এর
  2. 'খ' এর
  3. আদালতের
  4. 'ক' এবং আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ, 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustration-
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.
১০,৭৯১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, যদি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক (Section 406A) অনুযায়ী, ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা জামানত নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে নিম্নরূপ:
(c) যদি আদেশটি অন্য কোনো নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (i.e. neither Chief Metropolitan Magistrate nor Chief Judicial Magistrate nor District Magistrate) দেন,
তাহলে আপীল করা যাবে— জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট।
এখানে প্রশ্নে বলা হয়েছে আদেশটি দিয়েছেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কাজেই তিনি "any other Magistrate" হিসেবে গণ্য হবেন।
- অতএব, তিনি যদি জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান বা নাকচ করেন, তবে আপীল করা যাবে: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (Option ক) অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Option খ)
- এজন্য সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
১০,৭৯২.
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. এক তরফা নিষ্পত্তি
  4. মোকদ্দমা চালিয়ে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
১০,৭৯৩.
'A' puts jewels into a box belonging to 'Z', with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause 'Z' to be convicted of theft. What crime did 'A' commit?
  1. Theft
  2. Cheating
  3. Criminal conspiracy
  4. Fabricating false evidence
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
ব্যাখ্যা
Section 192⇒  Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations-
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence.

(ক) A, Z এর মালিকানাধীন একটি বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, এই উদ্দেশ্যে যে সেই বাক্সে রত্নপাথর পাওয়া গেলে Z-কে চুরির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে। এই কাজের মাধ্যমে A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে। এখানে A ইচ্ছাকৃতভাবে প্রমাণ তৈরির জন্য Z এর বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, যাতে Z-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা যায়। এটি আইনত মিথ্যা প্রমাণ বা false evidence তৈরির অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
১০,৭৯৪.
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট অধিকার অর্জনের জন্য কত বছরের শান্তিপূর্ণ ভোগ প্রয়োজন?
  1. ২০ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৯০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬(২) অনুসারে, সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট (সুবিধাভোগী অধিকার) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, নিরবচ্ছিন্ন ও অধিকার হিসেবে ভোগ করতে হয়। তবে যদি সম্পত্তিটি সরকারি হয়, সেক্ষেত্রে ৬০ বছর ভোগ করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬ ‘সুখাধিকার’ (Easement) সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। 
এই ধারা অনুযায়ী:
সুখাধিকারের সংজ্ঞা ও অর্জন: সুখাধিকার বলতে এমন অধিকার বোঝায় যা কোনো চুক্তি ছাড়াই উদ্ভূত হয়, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তির কোনো অংশ (যেমন, মাটি, গাছপালা, বা অন্য কিছু) নিজের লাভের জন্য ব্যবহার বা অপসারণ করতে পারে। ধারা ২৬(১) বলে, যদি কেউ শান্তিপূর্ণভাবে, প্রকাশ্যে এবং অধিকার হিসেবে ২০ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে আলো, বাতাস, পথ, পানি বা অন্য কোনো সুখাধিকার উপভোগ করে, তবে তা পরম ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে গণ্য হবে।
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে: ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যদি সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির উপর দাবি করা হয়, তবে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছরের সময় প্রয়োজন।
মামলার সময়সীমা: সুখাধিকার দাবি করার জন্য মামলা দায়ের করতে হলে, ২০ বছরের উপভোগের সময়টি মামলা দায়েরের ২ বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে।
-------- 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 26: Acquisition of right to easements-
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.

১০,৭৯৫.
What does the term "injury" denote under Section 44 of the Penal Code?
  1. Only bodily harm
  2. Only harm to property
  3. Only psychological harm
  4. Harm to mind, body, reputation, or property
সঠিক উত্তর:
Harm to mind, body, reputation, or property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harm to mind, body, reputation, or property
ব্যাখ্যা
⇒ যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

দণ্ডবিধির ধারা ৪৪: "ক্ষতি":
"ক্ষতি" শব্দটি এমন যে কোনো ধরনের ক্ষতি বা হানি বোঝায়, যা অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, খ্যাতি বা সম্পত্তির ওপর ঘটানো হয়।

Section-44: “Injury”-
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
১০,৭৯৬.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো
  1. অ্যাটর্নী জেনারেল
  2. সচিব
  3. ভাইস- চেয়ারম্যান
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।
১০,৭৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী, রিসিভার যদি ইচ্ছাকৃত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলা করে সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে, তবে-
  1. আদালত তাকে দায়মুক্ত রাখবে
  2. ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
  3. তাকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হবে
  4. দেওয়ানি কারাদণ্ড দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতির জন্য সে দায়ী থাকবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
১০,৭৯৮.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় না?
  1. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণের ক্ষেত্রে
  2. দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
  3. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণের ক্ষেত্রে
  4. আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিয়ে অবৈধভাবে আটক রাখলে
সঠিক উত্তর:
দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইব্যক্তির মারামারি করার সময়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা মতে যখন নিজ দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু ঘটানো যা:- উপরে বর্ণিত সর্বশেষ ধারণাটিতে আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে দেহ রক্ষার প্রয়োজনে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করে স্বেচ্ছাক্রমে আক্রমণকারী প্রতিপক্ষের মৃত্যু সংঘটন বা অপর যে কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করা যেতে পারে যদি যে অপরাধটির বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করার আবশ্যকীয়তা দেখা দিয়েছে সে অপরাধটি নিম্নোক্ত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়। যথা:-

প্রথমত:- এইরূপ আক্রমণ যার ফলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই এমন আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, ব্যক্তিগত আত্মরক্ষামূলক অধিকারের অবাধ প্রয়োগ না করলে সে আঘাতে সে আসন্ন মৃত্যু অনিবার্য;

দ্বিতীয়ত:- এইরূপ আক্রমণ যার ফলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই এমন আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, প্রতিরোধ না করলে সে আঘাতের বা আক্রমণের ফলে আসন্ন মৃত্যু অনিবার্য;

তৃতীয়ত:- ধর্ষণের উদ্দেশ্যে আঘাত বা আক্রমণ;

চতুর্থত:- অস্বাভাবিক কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে আঘাত বা আক্রমণ;

পঞ্চমত:- শিশু অপহরণ বা ব্যক্তি হরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা আঘাত;

ষষ্ঠত:- কোন ব্যক্তিকে অন্যায় বা বেআইনীভাবে আটক করার উদ্দেশ্যে এমন পরিস্থিতিতে *অর উপর হামলা, যে পরিস্থিতিতে ন্যায়সঙ্গতভাবেই সে ব্যক্তির মনে এই আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, সে মুক্তির জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষের আশ্রয় নিতে সমর্থন হবে না।


♦ অর্থাৎ ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:

      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।

♦ অর্থাৎ দুইব্যক্তির মারামারি করার সময় দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায় না।
১০,৭৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী নিচের কোন আদালত রিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সহকারী জজ
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. 'খ' এবং 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ ও ২) হাইকোর্ট বিভাগ

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে সহকারী জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই। তাই সঠিক উত্তর 'খ' এবং 'গ'।
 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
-এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। 
- যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
১০,৮০০.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারা অনুসারে সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে অন্য যেকোনো দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে?
  1. 44
  2. 54
  3. 64
  4. 74
সঠিক উত্তর:
54
উত্তর
সঠিক উত্তর:
54
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত অন্য যেকোনো দণ্ডে (যেমন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড ইত্যাদি) রূপান্তর (Commute) করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.