বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৯ / ১২৬ · ১০,৮০১১০,৯০০ / ১২,৬০৫

১০,৮০১.
অভ্যাসগত দাস ব্যবসায় পরিচালনা করার শাস্তি কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: অভ্যাসগত দাস ব্যবসায় পরিচালনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি অভ্যাসগতভাবে দাসদের আমদানি করে, রপ্তানি করে, অপসারণ করে, ক্রয় করে, বিক্রয় করে, বা ব্যবসায় পরিচালনা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা অনধিক ১০ বৎসরের যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ Section 371. Habitual dealing in slaves:- Whoever habitually imports, exports, removes, buys, sells, traffics or deals in slaves, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১০,৮০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর খসড়া প্রণয়ন করে কে?
  1. Lord Macaulay
  2. James Stephen
  3. Dr. Whitley Stokes
  4. G.W Anderson
সঠিক উত্তর:
Dr. Whitley Stokes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Whitley Stokes
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
⇒ খসড়া প্রণয়নকারী: The New York Civil Code, 1862 এর আদলে বা অনুকরণে Dr. Whitley Stokes ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেন।
১০,৮০৩.
নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তেই বাড়তে পারে?
  1. নাবালকের ক্ষেত্রে
  2. উন্মাদ ব্যক্তির ক্ষেত্রে
  3. প্রতারণা করার ক্ষেত্রে
  4. অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-

যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
১০,৮০৪.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পরও উক্ত আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

- দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

- যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________________________________________
 Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
-and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
১০,৮০৫.
দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় "সম্পত্তি চিহ্ন" [Property mark] কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি
  4. সকল ধরনের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:-কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারায় "সম্পত্তি চিহ্ন" অস্থাবর সম্পত্তির জন্য প্রযোজ্য।
-----------------------  
⇒ The Penal Code, 1860- Section-479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
১০,৮০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ঘোষণা সংক্রান্ত বিধান
  2. চুক্তি কার্যকর করার বিধান
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান
  4. নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধান
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ সরাসরি নিষেধাজ্ঞা (Injunctions) সংক্রান্ত বিধানের সাথে সম্পর্কিত। এই ধারাটি বিশেষভাবে দু'ধরনের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আলোচনা করে: 
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction)

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
-চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act,1877, Section-53: Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

১০,৮০৭.
রোয়েদাদ (award) নাকচ করার দরখাস্তের তামাদি সময় গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. নকল নিতে যে সময় লাগে
  3. মামলার নোটিশের সময়
  4. তামাদি সময় গণনার শুরুর দিন
সঠিক উত্তর:
নকল নিতে যে সময় লাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নকল নিতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।

(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।


(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।


(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

১০,৮০৮.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়?
  1. মূল দলিল
  2. স্বাক্ষরিত নথিপত্র
  3. দলিলের প্রতিলিপি
  4. আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রতিলিপি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬১ ও ৬২ ধারার আলোকে, প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বোঝায় মূল দলিল বা প্রামাণ্য নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
 ৬২ ধারা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, প্রাথমিক সাক্ষ্য হল সেই মূল দলিল যা আদালতে সরাসরি উপস্থাপিত হয়।

⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- মূল দলিল (যেমন: চুক্তিপত্র, উইল, বিক্রয় চুক্তি ইত্যাদি) 
- স্বাক্ষরিত নথিপত্র (যেমন: নিজ হাতে স্বাক্ষরিত চুক্তি বা দলিল) 
- আদালতে উপস্থাপিত লিখিত চুক্তি (মূল নথি যদি আদালতে জমা দেওয়া হয়) 

⇒ মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ:
- দলিলের প্রতিলিপি (যেমন: ফটোকপি, টাইপকপি, সার্টিফায়েড কপি) 
- অনুলিপি বা ট্রান্সক্রিপ্ট 

⇒ দলিলের প্রতিলিপি শুধুমাত্র মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়, যা তখনই গ্রহণযোগ্য যখন—
- মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে।
- দলিল আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।
- দলিল এমন ব্যক্তির দখলে আছে, যিনি তা আদালতে আনতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

অর্থাৎ
 - মূল দলিল (Primary Document) → প্রাথমিক সাক্ষ্য।
 - দলিলের প্রতিলিপি (Copy/Photocopy) → মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
- তাই, ‘গ) দলিলের প্রতিলিপি’ প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।
১০,৮০৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারায় কত ধরনের আদালতকে ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী, দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.

১০,৮১০.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩২ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩১ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
⇒ আইনটি ১৯০৮ সালের ৭ ই আগস্ট প্রণীত হয়।
⇒ এটি কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১ লা জানুয়ারী।
⇒ এটি একটি পদ্ধতিগত আইন।
তামাদি আইনের মোট ধারা ৩২ টি , ৩ টি ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ২৯ টি ধারা।
⇒মোট তফসিল ৩ টি ( ২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে)। বর্তমানে বলবৎ আছে ১টি তফসিল। 
⇒ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৮৩ টি।
১০,৮১১.
খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা মতে পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গে ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহেঃ ফৌজদারী মামলায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, ইহা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। তবে তাহার চরি এ ভাল এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া হইয়া থাকিলে তাহার চিরত্র খারাপ ইহা প্রাসঙ্গিক হইয়া পড়ে।
♦ব্যাখ্যা ১ঃ যে মামলায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেই ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নহে।
♦ব্যাখ্যা ২ঃ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে পূর্ববর্তী দন্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
১০,৮১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. উক্ত স্ত্রীলোকের পরিবারের যেকোন সদস্য
  2. শালীনতা বজায় রেখে নারী পুলিশ
  3. শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
  4. শালীনতা বজায় রেখে নারী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 

Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১০,৮১৩.
মামলার এখতিয়ার সম্পর্কিত আপত্তি যথাসময়ে না তোলার ফলে, আপীল বা রিভিশন আদালত তখনই তা গ্রহণ করবে যদি-
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  2. বাদী ও বিবাদী উভয়ে সম্মত হয়
  3. নিম্ন আদালত ভুল স্বীকার করে
  4. আদালত নিজে থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- এখতিয়ারে আপত্তি:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
১০,৮১৪.
আরজি সংশোধন করা যাবে -
  1. ইস্যু গঠনের আগে
  2. চূড়ান্ত শুনানীর আগে
  3. যে কোন পর্যায়ে
  4. যুক্তিতর্কের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
১০,৮১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় না
  1. কোন পক্ষকে কোন বে-আইনী কাজ করা থেকে বারিত করার জন্য
  2. আংশিক চুক্তি পালনের জন্য
  3. শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
  4. সম্পত্তির দখল উদ্ধারের জন্য
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দন্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
১০,৮১৬.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের ধারা ৩ প্রযোজ্য হবে। ধারা ৩ বলে, যদি কোনো বিশেষ আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে সেই বিশেষ আইনটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযোজ্য হবে এবং তামাদি আইনের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিধান, যেমন ধারা ৪, ৯, ১৮, প্রযোজ্য হবে না যদি সেগুলি বিশেষ আইনে এক্সক্লুড করা না থাকে।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১০,৮১৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় আদালত কখন বিচারাধীন কোনো মামলা স্থানান্তরিত করতে পারে?
  1. বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
  2. প্রথম শুনানির পূর্বে
  3. চূড়ান্ত শুনানির আগে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাকালীন যেকোনো স্তরে
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যেকোনো স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১০,৮১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি চুক্তির শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি কাঙ্খিত আইনি ফলাফল দিতে পারে না, তাহলে কী হবে?
  1. চুক্তি কার্যকর হবে না
  2. চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
  3. চুক্তি পুনরায় সংশোধন করা হবে না
  4. পক্ষরা সমস্যা উপেক্ষা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী, যদি চুক্তির শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি কাঙ্খিত আইনি ফলাফল দিতে পারে না, তবে চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে।
অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি এমনভাবে তৈরি হয় যে তা একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করতে পারে না, তাহলে আদালত চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবর্তন করতে পারে, যাতে তা কাঙ্খিত আইনি ফলাফল প্রদান করে। তবে, চুক্তিটি পুরোপুরি বাতিল করা হবে না; পরিবর্তে, সেটি সংশোধন সহ কার্যকর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: খ) চুক্তি পরিবর্তন সহ কার্যকর হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ধারা ২৬: পরিবর্তন ছাড়া কার্যকরী করা যাবে না:
যখন কোনো বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চায় এবং প্রতিরোধকারী তা পরিবর্তনের দাবি জানায়, তখন বাদী সেই কার্যসম্পাদন লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সেই পরিবর্তনটি কার্যকর করা হয়, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
(ক) যেখানে প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্তগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন তখন তিনি যেভাবে এটি ভাবছিলেন তেমন ছিল না;
(খ) যেখানে প্রতারণা, সত্যের ভুল বা বিস্ময়ের কারণে প্রতিরোধকারী চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, যখন তিনি সঠিকভাবে চুক্তির ফলাফল বোঝেননি এবং বাদীর সঙ্গে চুক্তির সম্পর্কেও ভুল ধারণা করেছিলেন;
(গ) যেখানে প্রতিরোধকারী চুক্তির শর্তগুলো জানতেন এবং তার প্রভাব বুঝতেন, এবং চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন বাদীর কিছু ভুল বিবৃতি বা বাদীর শর্তের ভিত্তিতে যা চুক্তিতে সংযোজন ছিল, কিন্তু বাদী সেই শর্ত পূর্ণ করতে অস্বীকার করেছিলেন;
(ঘ) যেখানে পক্ষদের উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করা, কিন্তু চুক্তির বর্তমান শর্তগুলো সেই ফলাফল অর্জন করার জন্য উপযুক্ত নয়;
(ঙ) যেখানে পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পরে চুক্তির শর্তাবলী পরিবর্তন করতে চুক্তি করেছেন।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):- 
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it; 
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff; 
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil; 
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce; 
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
১০,৮১৯.
কোন দেশের আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয় তখন নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সরকারের কর্তৃত্বে প্রকাশিত আইন সম্বলিত কোন পুস্তক
  2. কোন পুস্তকে প্রকাশিত আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট
  3. ক ও খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেশের কোন আইন সম্পর্কে যখন আদালতকে কোন অভিমতে উপনীত হতে হয়, তখন উক্ত আইন সম্পর্কে ঐ দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত ও প্রকাশিত উক্ত আইন সম্বলিত কোন পুস্তকে এবং ঐ দেশের আদালতসমূহের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট বলে কথিত কোন পুস্তকে প্রকাশিত কোন সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক হবে।

---------------------
⇒ Relevancy of statements as to any law contained in law-books:
Section 38. When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.
১০,৮২০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারাঃ ৭২ হল যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন নয়, তার প্রমাণ: কোন একটি দলিলের সত্যায়ন আইনত আবশ্যকীয় না হলেও যদি তা সত্যায়িত হয়ে থাকে তাৰে। অসত্যায়িত দলিল হিসাবেই তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিল দাতা যখন কোন দলিল লিখিত হওয়ার পর দলিলের মর্ম অবগত হয়ে তাতে দলি দাতারূপে স্বাক্ষর দান করে দলিল বিষয়ে দাতার কাজ শেষ করেন তখন বলা যায় দলিলটি সম্পাদিত হল।

⇒ যে ব্যক্তি নিজের নাম দস্তখত করতে পারেন তিনি নিজের নাম দস্তখত করে দলিল সম্পাদন করবেন। দাতা নিরক্ষর হলে টিপসহি দিয়ে অথবা দলিল স্বাক্ষরের স্থানে একটি চিহ্ন দিয়ে দলিলের স্বাক্ষর এবং সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন এই জাতীয় স্বাক্ষর টিপসহি বা টানসহি নামে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারার বিধান: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।

------------------------
⇒ Proof of document not required by law to be attested:
Section 72. An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
১০,৮২১.
কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা কোন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে

⇒ তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
১০,৮২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত কী সম্পর্কে?
  1. দলিল হস্তান্তর
  2. দলিল সংশোধন
  3. দলিল নিবন্ধন
  4. দলিল বাতিলকরণ
সঠিক উত্তর:
দলিল সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) সম্পর্কিত। এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দলিল ভুলবশত বা অসাবধানতাবশত ভুলভাবে রচিত হয় এবং এতে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত ফলাফল প্রতিফলিত না হয়, তবে আদালত দলিল সংশোধনের জন্য আদেশ দিতে পারেন।
→ এখানে মূলত আদালতের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তিনি দলিলের ভাষার পরিবর্তে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত পরিণতি বিবেচনা করতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১০,৮২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান মতে আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি জরিমানা
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করা
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
১০,৮২৪.
যখন আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয়, তখন সংশোধনীতে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. আপিলকারীর
  2. কেবল বিচারকের
  3. নোটারি পাবলিকের
  4. বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

১০,৮২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী বিনা পরোয়ানায় পুলিশ একজন ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
১০,৮২৬.
তামাদি আইন অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি- ৬ মাস।

⇒ তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে। 
- যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।
-------------------
 ⇒ According to Section 3 of the Limitation Act: Under the Specific Relief Act, 1877, section 9, the period of limitation to institute a suit to recover possession of immoveable property is six months. The period of limitation begins from the when the dispossession occurs.

১০,৮২৭.
দেওয়ানি আদালতকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।
১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে
১০,৮২৮.
বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত হবে না যদি:
  1. রায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত হলে
  2. রায়ে কোনো প্রমাণের অভাব থাকলে
  3. মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া হলে
  4. উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-

কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।
১০,৮২৯.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২১
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
--------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.
১০,৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্ত(Post-mortem) এর কথা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭৪ (৩)
  2. ধারা ১৭৬ (২)
  3. ধারা ১৭৫ (২)
  4. ধারা ১৭৬ (১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে।কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে,অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে

অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের(Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন।তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে।সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
১০,৮৩১.
আবেদন সাপেক্ষে আসামী পক্ষকে কতদিনের মধ্যে রায়ের নকল দিতে হবে?
  1. অনতিবিলম্বে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
অনতিবিলম্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনতিবিলম্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজাদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী,
আসামি আবেদন করলে আদালত অনতিবিলম্বে রায়ের নকল খরচ ছাড়া উক্ত পক্ষকে দিতে বাধ্য থাকবে।
 
Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application
 
⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
১০,৮৩২.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. রিভিশন আদালত
  2. রেফারেন্স আদালত
  3. আপিল আদালত
  4. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

♦এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে। সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।
১০,৮৩৩.
‘ক’ আত্মহত্যার জন্য ১৬ বছর বয়সী তরুণী ‘খ’ কে প্ররোচিত করে তাঁকে দিয়ে আত্মহত্যা করালো। এখানে ‘ক’-এর অপরাধ কী?
  1. আত্মহত্যার প্ররোচনা
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুনের প্ররোচনা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বছর উপ হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
♦ ৫ নং ব্যতিক্রম হলো প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই মৃত্যুর ঝুঁকি নেয় তাহলে মৃত্যুর সংঘটনকারী ব্যক্তি খুনের দায়ে নয়, শুধু নিন্দনীয় নরহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হবে এবং ৩০৪ ধারায় শাস্তি প্রাপ্ত হবে। কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে সে খুনের প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে।
♦ উদাহরণঃ A প্ররোচনা দিয়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে C- কে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে, C- এর বয়স আঠারো বছর অপেক্ষ কম। এক্ষেত্রে C যেহেতু অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই সে তার নিজের মৃত্যুকে সম্মতি দানে অপারগ ছিল; সুতরাং এ খুনে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করেছে।
১০,৮৩৪.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায় "অপরাধমূলক বল প্রয়োগ" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. অনুমতি নিয়ে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
  2. শখের বশে কোন ধরনের শারীরিক আঘাত
  3. অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
  4. নিজের অধিকার আদায়ের জন্য শক্তি প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের সম্মতি ছাড়া শারীরিক শক্তি প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

Illustration:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
১০,৮৩৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৩৩ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উপদ্রব অপসারণ
  2. রাজনৈতিক সন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. ভূমি বিরোধ জনিত শান্তি ভংগের আশঙ্কা
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব অপসারণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোন ভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গণউপদ্রব অপসারনের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন-
i) জনসাধারনের আইনসঙ্গত ব্যবহৃত পথ, নদী, খাল, প্রকাশ্য স্থান (public place) থেকে বেআইনী বাধা বা উৎপাত অপসারণ।
ii) জনসাধারনের স্বাস্থ্য বা শারীরিক আরামের জন্য ক্ষতিকর ব্যবসা, পেশা বা পণ্যদ্রব্যকে নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রন বা অপসারণ।
iii) অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণের আশংকাযুক্ত দ্রব্যের নিরাপদ সংরক্ষণের আদেশ।
iv) যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে এরকম ঘর, তাবু বা গাছ প্রভৃতির অপসারণ বা ঠেস দেয়ার নির্দেশ। v) সর্বসাধারণের স্থানে (public place) পুকুর, কূপ বা গর্তের চারদিকে বেড়া দেয়ার নির্দেশ।
vi) বিপজ্জনক পশু বা প্রাণীকে আটক বা ধ্বংসের নির্দেশ।
১০,৮৩৬.
রাজন একজন সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দিয়েছিল যে, যদি সে রাজনের মেয়েকে তার অফিসে চাকরি না দেয়, তবে তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেবে। রাজন কর্তৃক উক্ত কাজ-
  1. শাস্তিযোগ্য নয়
  2. সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছর শাস্তিযোগ্য
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর শাস্তিযোগ্য
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছর শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,৮৩৭.
একজন এ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করবে,যদি তাকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয় নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে
ব্যাখ্যা

উত্তর: মামলায় উক্ত আইনজীবীর নিযুক্তি বিষয়ে।

⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা ,২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩: যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette,Rule-13: When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.

১০,৮৩৮.
নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই।
- কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
১০,৮৩৯.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. দণ্ড
  3. খালাস
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১০,৮৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. আপিল
  4. অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.
১০,৮৪১.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে চুরির সংজ্ঞায় কোনটি অপরিহার্য শর্ত নয়?
  1. অসাধু উদ্দেশ্য
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. সম্পত্তির দখল থেকে স্থানান্তর
  4. সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির (Penal Code, 1860) ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরির জন্য পাঁচটি মূল উপাদান অপরিহার্য:
১) অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে;
২) সম্পত্তিটি কারো দখলে থাকতে হবে;
৩) দখলদারের সম্মতি ছাড়া নিতে হবে;
৫) অসাধু উদ্দেশ্যে নিতে হবে;
ঐ সম্পত্তিকে স্থানান্তর করতে হবে।
কিন্তু "সম্মতি" শব্দটি আইন অনুযায়ী প্রকাশ্য (express) অথবা পরোক্ষ (implied) হতে পারে। এটি লিখিত হওয়া আবশ্যক নয়।
অতএব, "লিখিত সম্মতি" চুরির সংজ্ঞায় অপরিহার্য নয়। এজন্য লিখিত সম্মতি চুরির অপরিহার্য শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১০,৮৪২.
The Limitation Act, 1908 এ 'Bill of Exchange'-এর সংজ্ঞায় কোনগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. কেবল হুন্ডি
  2. কেবল প্রমিসরি নোট
  3. কেবল চেক
  4. হুন্ডি ও চেক উভয়ই
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি ও চেক উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি ও চেক উভয়ই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

১০,৮৪৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি আইন কার্যকর হয়-
  1. ১লা মার্চ ১৯৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ১লা জুলাই ১৮৬০
  4. ২২ মার্চ ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
১০,৮৪৪.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১০,৮৪৫.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
১০,৮৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির __________ অনুসারে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে হয়।
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৪০, বিধি-৩
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) আদেশ-৪০, বিধি-২।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪০, বিধি-২ এ বলা হয়েছে:
"The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver."
অর্থাৎ, আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের সেবার জন্য যে পরিমাণ অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে প্রদান করা হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
- এটি স্পষ্টভাবে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান।

আদেশ ৪০ – রিসিভার নিয়োগ:
১. রিসিভার নিয়োগ:
১.(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১.(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

২. পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।

Order XL – Appointment of Receivers
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১০,৮৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. Rescission for mistake
  2. Principles of rectification
  3. What instruments may be partially cancelled
  4. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Principles of rectification
ব্যাখ্যা
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

৩৩ ধারা: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

এর বিস্তারিত অর্থ হলো: লিখিত দলিল সংশোধন বা ব্যাখ্যা করার সময়, আদালত কেবলমাত্র দলিলের শব্দগুলির অর্থ কী ছিল সে বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আদালত এ ছাড়াও অনুসন্ধান করতে পারবে যে:
১) দলিলটির মূল অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য কী ছিল;
২) দলিলটির আইনগত প্রভাব বা পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।

অর্থাৎ আদালত দলিলটির শুধু শব্দগত অর্থই নয়, বরং দলিলের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য এবং আইনগত পরিণামও বিবেচনা করতে পারবে। এটি আদালতকে দলিলটির প্রকৃত অর্থ এবং উদ্দেশ্য অনুধাবন করতে সহায়তা করবে।
১০,৮৪৮.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে কোন দণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  2. অনূর্ধ্ব ১৫ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  4. অনূর্ধ্ব ৩০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১০,৮৪৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণের বিধান আছে?
  1. ৩৫৯
  2. ৩৬২
  3. ৩৬০
  4. ৩৬১
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
 দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হইতে মনুষ্যহরণ:
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
-------------------------
Section-360: Kidnapping from Bangladesh, etc.
-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
১০,৮৫০.
আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির আবেদন অগ্রাহ্য করবে?
  1. যদি আবেদনকারীর সম্পত্তি কম থাকে
  2. আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করলে
  4. আবেদনের পূর্বের ৩ মাসের মধ্যে তঞ্চকতামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারী অভিযোগের কারণ প্রদর্শন না করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করারআবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।
১০,৮৫১.
Which of the following defines a “not proved” fact?
  1. A fact that is definitely proved
  2. A fact that is definitely disproved
  3. A fact that is legally irrelevant
  4. A fact that is neither proved nor disproved
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fact that is neither proved nor disproved
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.

অন্যদিকে,
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

১০,৮৫২.
হারানো বা আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ ৪৮- হারানো, চুরি বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা ক্ষতিপূরণের মামলা:

প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এমন অস্থাবর সম্পত্তি যেটি-
▸ হারিয়ে গেছে,
▸ চুরি হয়েছে,
▸ অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে,
▸ অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয়েছে।

মামলার ধরন: উক্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দাবিতে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৩ বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন সম্পত্তির অধিকারী প্রথমবার জানতে পারেন যে, ওই সম্পত্তি বর্তমানে কার নিকট আছে।
১০,৮৫৩.
'বৈরী সাক্ষী' বলতে সাধারণত বুঝায়-
  1. যে সাক্ষী নীরবতা পালন করে
  2. যে সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয় না
  3. যে সাক্ষী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
  4. যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
⇒ ‘বৈরী সাক্ষী’ (Hostile Witness) বলতে বোঝায়— যে সাক্ষীকে কোনো পক্ষ (বাদী/বিবাদী) নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির করে, কিন্তু সে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, পূর্ববর্তী জবানবন্দি (যেমন ১৬৪ দঃবিপ্র) থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৪ অনুযায়ী এই ধরনের সাক্ষীকে আদালত বৈরী ঘোষণা করলে, যে পক্ষ তাকে হাজির করেছে, সেই পক্ষই আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

⇒ বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

 কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

উদাহরণ:
- একজন সাক্ষী যদি পুলিশের সামনে একরকম বক্তব্য দেয়, কিন্তু আদালতে এসে তার বিপরীত কথা বলে, তাহলে সে বৈরী সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে।

⇒ অর্থাৎ যদি একজন সাক্ষী তার পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলে অথবা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয় এবং সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা করতে পারে।
- এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় যে সাক্ষী সত্যিই বৈরী কি না।

১০,৮৫৪.
দেওয়ানী মোকদ্দমার আরজি ভুল আদালতে দাখিল করলে কী পরিণতি হবে?
  1. আরজি খারিজ হবে
  2. আরজি ফেরত হবে
  3. মোকদ্দমা ডিসমিস হবে
  4. মোকদ্দমার কার্যক্রম চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
- আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১০,৮৫৫.
'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত এক দেওয়ানী মোকদ্দমায় আদালত 'ক' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ক' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন 'ক' এর বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. ১ বছরের কারাবাস
  3. ৬ মাসের কারাবাস
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাবাস
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে। ৬ মাসের অধিক কারাবাস দেয়ার এখতিয়ার বিধিতে উল্লেখ নেই।
১০,৮৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে ফৌজদারি আদালতের অধিবেশনের স্থানকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. বন্ধ আদালত
  2. উন্মুক্ত আদালত
  3. সীমিত আদালত
  4. গোপনীয় আদালত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা বলছে, "কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, সেই স্থানটিকে 'উন্মুক্ত আদালত' (open court) হিসেবে বিবেচনা করা হবে, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে স্থান সংকুলান হয়, ততক্ষণ সর্বসাধারণ সেখানে প্রবেশ করতে পারবে।"
- অর্থাৎ, ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জনগণের দৃষ্টিসীমায় রাখার জন্য আদালতের কার্যক্রম সাধারণত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- তবে, ধারা ৩৫২-এ একটি শর্ত আছে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে কোনো মামলার নির্দিষ্ট ধাপে গোপনীয়তা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি আদালতের কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১০,৮৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, অপহরণ ইত্যাদি বিশেষ অপরাধের বিচারের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮৮ ধারা
  2. ১৮১ ধারা
  3. ১৮২ ধারা
  4. ১৮৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৮১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮১ ধারায় বিশেষ কিছু অপরাধের বিচারের স্থান ঠগ,ডাকাতি,অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ,চুরি এবং অপহরনের ক্ষেত্রে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে

ক) ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ও খুনসহ ডাকাতির অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody etc.)- ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ইত্যাদি অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান(Criminal misappropriation and criminal breach of trust)-
অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোন অংশ রেখেছে বা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) চুরি বা চোরাইমাল দখল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (theft or the possession of stolen property)-
চুরি বা চোরাইমাল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে চুরি সংঘটিত হয়েছে বা চোরাইমাল রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।
১০,৮৫৮.
The Court of Small Causes is subordinate to-
  1. Only the District Court
  2. Only the High Court Division
  3. the Sessions Court
  4. Both the High Court Division and District Court
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
Section-3: Subordination of Courts:
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।
১০,৮৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার অনুযায়ী আদালত দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন। যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখ করা হয়-
  1. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ দ্বারা
  2. শক্তি প্রদর্শন দ্বারা
  3. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধানঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

(৩) যেকোন আপীল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
১০,৮৬০.
পাবলিক কোম্পানীর পরিচালকগণ কর্তৃক অনুমোদিত প্রস্তাব দ্বারা A কতিপয় শেয়ার বরাদ্ধ পাওয়ার অধিকারী হয়। A উক্ত প্রস্তাবের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ও উক্ত প্রস্তাব প্রতিপালন না করার জন্য সাধিত ক্ষতিপূরণের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। মোকদ্দমা দায়ের করার পূর্বে সকল শেয়ার বরাদ্ধ করা হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে আদালত-
  1. প্রস্তাবের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে।
  2. প্রস্তাব প্রতিপালন না করার কারণে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
  3. শেয়ার বরাদ্ধের সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ  সম্ভব না হলেও ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
  4. যেহেতু চুক্তি প্রতিপালন অসম্ভব হয়েছে সেহেতু A কোন প্রতিকার পাবে না।
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বরাদ্ধের সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ  সম্ভব না হলেও ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বরাদ্ধের সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ  সম্ভব না হলেও ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় আদালত কতিপয় ক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রতিকার দিতে পারে। চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ২ ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়। যথা- ক) ক্ষতিপূরণ এবং খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন

♦ তবে উভয় ধরনের প্রতিকার থাকলেও চুক্তিভঙ্গের জন্য সাধারণত ক্ষতিপূরণের প্রতিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না অথবা যেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয় না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের প্রতিকার প্রদান করে থাকে । আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯, ৩৮ এবং ৪১ ধারায় ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।

♦ চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে অথবা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরের সময় চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে।

♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারামতে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় ক) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয়, অথবা খ) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে কেবল ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালত ২ ধরণের প্রতিকার দিতে পারে-

i) ন্যায়বিচার স্বার্থে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ও ক্ষতিপূরণ উভয় ধরনের প্রতিকার প্রদান করতে পারে। 
ii) বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য বিবাদী দায়ী হলে, এবং আদালত চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যথাযথ নয় বলে বিবেচনা করলে আদালত বাদীকে কেবল ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবাদীকে বাধ্য করতে পারবে।

♦ যেহেতু শেয়ার বরাদ্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু শেয়ার বরাদ্ধ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য করা অসম্ভব  , এইজন্য  A ক্ষতিপূরণ পাবে।
১০,৮৬১.
অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতা বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. ২৭ (১)
  2. ২৭ (২)
  3. ২৭ (৩)
  4. ২৭ (৪)
সঠিক উত্তর:
২৭ (৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ (৩)
ব্যাখ্যা
⇒  The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।

- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
১০,৮৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬ অনুসারে আপিল আদালত আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিত রাখার পাশাপাশি আর কী করতে পারে?
  1. শাস্তি বাড়াতে পারে
  2. দণ্ড বাতিল করতে পারে
  3. নতুন করে বিচার করতে পারে
  4. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬(১) অনুসারে, আপিল আদালত আপিল চলাকালীন দুইটি কাজ করতে পারে:
১. দণ্ড বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে।
২. যদি দণ্ডিত ব্যক্তি বন্দী থাকেন, তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
অতএব, দণ্ড স্থগিত রাখার পাশাপাশি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৪২৬: আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিতকরণ এবং আপিলকারীকে জামিনে মুক্তি:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করে এবং সেই আপিল বিচারাধীন থাকে, তখন আপিল আদালত, লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যে দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তা কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি সেই ব্যক্তি বন্দী থাকে, তবে তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
(২) আপিল আদালতের উপর যে ক্ষমতা এই ধারায় আরোপ করা হয়েছে, তা হাইকোর্ট বিভাগও প্রয়োগ করতে পারে, যদি আপিল তার অধীনস্থ কোনো আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়ে থাকে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ১ (এক) বছরের বেশি নয় এমন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার থাকে, এবং যদি দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে তিনি আপিল দায়ের করতে চান, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারে যে তাকে এমন একটি সময়ের জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে যা আপিল দায়ের ও আপিল আদালতের আদেশ প্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট মনে করে, এবং যতদিন তিনি জামিনে মুক্ত থাকবেন, ততদিন তার দণ্ড স্থগিত থাকবে বলে গণ্য হবে।
(২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রতি বিশেষ অনুমতি (special leave to appeal) পেয়েছেন, সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে যা হাইকোর্ট বিভাগ প্রদান বা বহাল রেখেছে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে আদেশ দিতে পারে যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা আদেশ স্থগিত থাকবে, এবং যদি ঐ ব্যক্তি কারাবন্দী থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে।
(৩) যদি আপিলকারী শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পরিবহণে (transportation) দণ্ডিত হন, তাহলে তিনি যে সময় জামিনে মুক্ত ছিলেন, তা সেই দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না, অর্থাৎ সে সময় বাদ যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail:
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond.
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto.
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended.
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail.
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.

১০,৮৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় কোন কোন ব্যক্তি দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. দলিলের পক্ষগণ
  2. যে কেউ যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. যে ব্যক্তি দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে
  4. উপরের সকলে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ শুধুমাত্র দলিলের পক্ষরাই যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। ৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
১. দলিলের পক্ষ;
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য; বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

অর্থাৎ, দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে দলিলের পক্ষ হতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তবে সেই ব্যক্তি মামলার জন্য যোগ্য।
১০,৮৬৪.
ফৌজদারি সমনে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আদালতের কর্মচারী
  2. আদালতের বিচারক
  3. বাদির অ্যাডভোকেট
  4. সমন জারিকারক
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরমঃ (১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারকঃ এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
১০,৮৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করা যায় না?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মূল কথা হচ্ছে-
⇒ যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
⇒ তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগ নেই।
এই ধারার অধীন আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউর আবেদন করা যাবে না।

৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১০,৮৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. নাবালক,মানসিক ভারসাম্যহীন
  2. অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু এবং অভিভাবক
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রকাশ (Discovery) অর্থ হলো এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষকে তার দখলে বা এখতিয়ারে যে বিষয় রয়েছে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা। বিরোধী পক্ষের দখলে আছে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত এমন কোন দলিল বা বিষয় বিরোধী পক্ষকে প্রকাশ করতে মোকদ্দমার কোন পক্ষ ১১ আদেশ অনুসারে আবেদন করতে পারে।

প্রকাশ [Discovery] ২ (দুই) প্রকার-
১. প্রশ্ন দ্বারা কোন ঘটনা বা বিষয় প্রকাশ করা [Discovery by Interrogatories]
২. কোন দলিল প্রকাশ করা [Discovery of Documents]

• ১১নং আদেশে উদঘাটন এবং পরিদর্শন সম্পর্কে যাবতীয় বিধি-বিধান রয়েছে।সেই সাথে উক্ত আদেশের বিধি ২৩ এ বলা হয়েছে-
এই আদেশ নাবালক বাদি এবং বিবাদিগণের ক্ষেত্রে এবং অক্ষম ব্যক্তিদের মোকদ্দমার জন্য তাদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[This order shall apply to minor plaintiffs and defendants, and to the next friends and guardians for the suit of persons under disability.]

১০,৮৬৭.
"বেআইনী সমাবেশ" বলতে কমপক্ষে কতজনের সমাবেশ বোঝায়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:
 বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:
 কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:
 কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:
 কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:
 অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:
যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
১০,৮৬৮.
যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে কোনো বিষয়ের অস্তিত্বে বিশ্বাস করাতে চায়, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব -
  1. আদালতের
  2. আসামির
  3. ঐ ব্যক্তির নিজের
  4. বাদী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার বিধান: কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে। অন্যদিকে, যদি আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে।
১০,৮৬৯.
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১০,৮৭০.
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের মামলার ক্ষেত্রে কার অনুমতি সাপেক্ষে মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির অনুমতিক্রমে
  2. হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের অনুমতিক্রমে
  3. সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে
  4. বিচারিক আদালতের অনুমতিক্রমে
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো আদালত এমন কোনো অপরাধের বিচার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না, যা দণ্ডবিধির অধ্যায় VI অথবা অধ্যায় IXA এ উল্লিখিত, বা দণ্ডবিধির ধারা ১০৮ক, ১৫৩্ক, ২৯৪A, ২৯৫ক ও ৫০৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য, যদি না সেই অপরাধের বিষয়ে সরকার বা সরকারের কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার আদেশে কিংবা অনুমোদনে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে এই নিয়মের আওতাভুক্ত নয় দণ্ডবিধির ১২৭ ধারা।

[No Court shall take cognizance of any offence punishable under Chapter VI or IXA of the Penal Code (except section 127), or punishable under section 108A, or section 153A, or section 294A, or section 295A or section 505 of the same Code, unless upon complaint made by order of, or under authority from, the Government, or some officer empowered in this behalf by the Government].
১০,৮৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিধান অনুসারে, যদি নির্ধারিত শুনানির দিনে বাদী ও বিবাদী উভয়েই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করতে পারে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারে
  3. একতরফা রায় দিতে পারে
  4. মামলা খারিজ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 3 অনুযায়ী, যদি নির্ধারিত শুনানির দিনে বাদী এবং বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করতে পারে।

তবে, Order IX, Rule 4 অনুযায়ী, বাদী পরবর্তীতে নতুনভাবে মামলা দায়ের করতে পারেন অথবা আদালতের নিকট খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে এটি Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করতে হবে।

অর্থাৎ, শুনানির দিনে কোনো পক্ষই উপস্থিত না হলে আদালত একতরফা রায় দিতে পারে না বা নতুন সমনও জারি করতে পারে না—এটি মামলার কার্যধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং, আদালতের এখতিয়ার থাকবে মামলা খারিজ করার।
১০,৮৭২.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান উল্লেখ রয়েছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২৪১
  2. ২৪৪
  3. ২৪৫
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর অধ্যায় XX এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিধান আছে।

ধারাসমূহ:
২৪১। মামলার কার্যবিধি;
২৪১ক। কখন আসামী খালাস পাবে;
২৪২। অভিযোগ প্রস্তুত করা;
২৪৩। অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্তকরণ;
২৪৪। যখন এমন কোনো স্বীকারোক্তি নেই তখন কার্যবিধি;
২৪৫। খালাস দেওয়া;
২৪৭। ফরিয়াদীর অনুপস্থিতি;
২৪৮। অভিযোগ প্রত্যাহার;
২৪৯। যখন কোনো ফরিয়াদী থাকে না তখন কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা।

ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আলাদা ভাবে উল্লেখ করা নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'ঘ) কোনোটিই নয়' নেয়া হয়েছে।
১০,৮৭৩.
নিম্নলিখিত কোনটি জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না?
  1. প্রতারণা করা
  2. কোন দাবী বা অধিকার সমর্থন করা
  3. কাউকে উপহার দেওয়া
  4. ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে উপহার দেওয়া
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি [Forgery]:
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে-
১. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে ; বা
২. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে; বা
৩. কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে: বা
৪. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে।

সুতরাং, জালিয়াতি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম এবং প্রাথমিক শর্ত হলো মিথ্যা দলিল বা দলিলের অংশ তৈরী করা এবং সেই দলিলের উপর ভিত্তি করে কোন অধিকার দাবী করা বা পরিত্যাগ করা বা চুক্তি সম্পাদনের বাধ্য করা বা প্রতারণা করা। 'কাউকে উপহার দেওয়া'- জালিয়াতি করার উদ্দেশ্য হতে পারে না।
১০,৮৭৪.
অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ১০ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১০,৮৭৫.
'ক' আদালতে এমন একটি দলিলের অস্তিত্বের কথা উপস্থাপন করলো, যেই দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য নয়। এরূপ অবস্থায় আদালত এটি কীভাবে প্রমাণ করার নির্দেশ দেবেন?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. বিচারক দলিলটি নিজেই পরিদর্শন করবেন
  4. বর্ণিত যেকোনো উপায় অনুসারে
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
১০,৮৭৬.
‘ক’ আইনানুসারে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য লিখে স্বাক্ষর করে, যা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। ‘ক’ The Penal Code, 1860-এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩
  2. ১৯৭
  3. ৪৬৩
  4. ৪৬৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒  প্রদত্ত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা তাতে স্বাক্ষর করে, এবং তিনি জানেন বা বিশ্বাস করেন যে সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তিনি এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

১০,৮৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল কাদের নিকট প্রেরণ করবে না?
  1. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (মহানগর ক্ষেত্রে) অথবা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ক্ষেত্রে) এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।
- তবে এই ধারায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট নকল প্রেরণের কোনো বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

১০,৮৭৮.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
  2. ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে।
  3. ১৮ ধারায় প্রতারণার ফলাফল দেয়া আছে।
  4. ১৭ ধারায় মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল দেয়া আছে।
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন তৃতীয় অধ্যায় - তামাদির সময় /মেয়াদ গণনা-
ধারা ১২- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে
ধারা ১৩ - বাংলাদেশ ও অনান্য কয়েকটি এলাকা থেকে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীন সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।
ধারা ১৪ - এখতিয়ারবিহীন আদালতের সুউদ্দেশ্যমূলক কার্যক্রমে যে সময় গণনা হতে বাদ দিতে হয়।
ধারা ১৫ - কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৬ - ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মূলতবী থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
ধারা-১৭ - মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল।
ধারা-১৮ - প্রতারণার ফলাফল।
ধারা-১৯ - লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
ধারা ২০ - উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল।

ধারা ২১ - অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি।
ধারা-২২ - নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারো স্থলাভিষিক্ত কিংবা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল।
ধারা-২৩ - অবিরাম চুক্তিভঙ্গ অথবা অন্যায় করা।
ধারা-২৪ - বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা।
ধারা-২৫ - দলিলের উল্লিখিত সময়ের হিসাব।
১০,৮৭৯.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
  4. স্বীকারোক্তি জোরপূর্বক আদায় করা না হলে।
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আলামত উদ্ধার হলে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৭ মোতাবেক, কোন বিষয় সম্পর্ক যদি এরুপ সাক্ষ্য পাওয়া যায় যে, অপরাধে অভিযুক্ত ব্যাক্তি পুলিশ অফিসারের হেফাজতে ছিল এবং তার নিকট হতে প্রাপ্ত খবরের ফলে একটা বিষয় উদঘাটিত হয়েছে, তা হলে খবরের যে অংশ উদঘাটিত বিষয়ের সাথে স্পষ্ট রূপে সংশ্লিষ্ট, তা স্বীকারোক্তী হোক বা না হোক, প্রমাণ করা যেতে পারে।
১০,৮৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৬
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৯
  4. আদেশ ১২ বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে  "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১০,৮৮১.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারায় মুদ্রা জালকরণ অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কোন ধরনের শাস্তি নির্ধারিত?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা- মুদ্রা জাল করণ: 
কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
১০,৮৮২.
পুলিশ 'ক' কে অবৈধ মাদক আমদানির জন্য গ্রেফতার করে। 'ক' পুলিশের নিকট বলে যে, তার উত্তরার বাড়িতে আরও ১০ বস্তা মাদক আছে। পুলিশ 'ক' এর বাড়ি তল্লাশী করে ১০ বস্তা মাদক উদ্ধার করে। এই ক্ষেত্রে ক-এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে।
  1. সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ধারাঃ-২৫। পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদান করা স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা হবে নাঃ- পুলিশ কর্মকর্তার নিকট অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি দেয় স্বীকার করে থাকলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।

⇒ পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারামতে পুলিশের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) অগ্রহনযোগ্য হবে, তবে সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারামতে পুলিশের নিকট আসামীর প্রদত্ত confession বা তথ্যের ভিত্তিতে কোন আলামত উদ্ধার হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
---------------
How much of information received from accused may be proved:
Section 27. Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
১০,৮৮৩.
ধারা ৯৬ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬- কখন তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করা যেতে পারে:

১. পরোয়ানা বা আদেশের কারণে:
যে কোনো আদালত বিশ্বাস করার কারণ পায় যে, যাকে ৯৪ ধারার অধীনে সমন বা ৯৫ ধারার (১) উপ-ধারার অধীনে রিকুইজিশন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সে ব্যক্তি উক্ত সমন বা রিকুইজিশনের মাধ্যমে যে দলিল বা বস্তু দাখিল করতে হবে তা দাখিল করবে না বা সম্ভবত দাখিল করবে না।

২. অজানা দখল:
যদি আদালত জানে না যে উক্ত দলিল বা বস্তু কোনো ব্যক্তির দখলে আছে।

৩. সাধারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন:
যদি আদালত মনে করে যে, এই কার্যবিধির অধীনে পরিচালিত কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে, আদালত তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবে। যাকে এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে, সে উক্ত পরোয়ানার অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবে এবং পরবর্তী বিধান অনুসরণ করবে।

সীমাবদ্ধতা:
এই ধারার অধীনে কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এটি করার অনুমতি নেই, বিশেষ করে ডাকঘর বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা দলিল, পার্সেল বা অন্য কোনো বস্তু তল্লাশির জন্য।

১০,৮৮৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার (sedition) শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১২৩ ধারায়
  2. ১২৩ক ধারায়
  3. ১২৪ক ধারায়
  4. ১২৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১২৪ক এর মাঝে রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা স্বল্প মেয়াদের কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড যার সাথে অর্থদণ্ড যুক্ত হতে পারে অথবা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

♦  সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত আদালত রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আমলে নিবেনা।

♦ শুধুমাত্র দায়রা আদালত, চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিচার করে  থাকে।

♦ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা ছাড়াও সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান রয়েছে।
১০,৮৮৫.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলবৎকরণের জন্য আনীত মামলায় চুক্তিতে উল্লেখিত টাকা আদালতে জমা দিতে হবে কখন?
  1. মামলা দায়েরের আগে
  2. মামলা দায়েরের সময়
  3. মামলা দায়েরের পরে
  4. রায়ের আগে
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে।
এই ধারা অনুযায়ী, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হয়।

- অর্থাৎ, যখন বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তখনই অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তি সম্পাদনের সময়, রায় ঘোষণার সময় বা বিচার্য বিষয় গঠনের সময় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মামলা দায়েরের সময়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
১০,৮৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের জন্য আদালত কিসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. দলিলের শর্তাবলী 
  2. দলিলের ভাষা এবং তার ব্যাখ্যা
  3. দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
  4. দলিলের স্বাক্ষরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
- শুধুমাত্র দলিলের ভাষা কী হতে চেয়েছিল, এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৩, সংশোধনের নীতিসমূহ: একটি দলিল সংশোধন করিবার সময় আদালত অনুসন্ধান করিতে পারিবে যে, দলিলটি কী অর্থে ছিল, এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে কী অভিপ্রায় ছিল, এবং দলিলের ভাষা কিরূপ ছিল এই বিষয়ের মধ্যে অনুসন্ধান সীমিত থাকিবে না।
----------
The Specific Relief Act,1877, Section 33, Principles of rectification: In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

১০,৮৮৭.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
১০,৮৮৮.
দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা- দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:
কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

১০,৮৮৯.
দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য করা হয় যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ মিথ্যা মামলা এমন অপরাধের জন্য দায়ের করেন, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আজীবন কারাদণ্ড, বা সাত বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড, তাহলে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবেন।
অন্য সাধারণ ক্ষেত্রে, যেখানে এই ধরনের গুরুতর শাস্তির বিধান নেই, তখন সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 211. False charge of offence made with intent to injure:
Whoever, with intent to cause injury to any person, institutes or causes to be instituted any criminal proceeding against that person, or falsely charges any person with having committed an offence, knowing that there is no just or lawful ground for such proceeding or charge against that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both; 
 
and if such criminal proceeding be instituted on a false charge of an offence punishable with death, 69[imprisonment] for life, or imprisonment for seven years or upwards, shall be punishable with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১০,৮৯০.
দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদানের পর যদি তা স্বীকার করতে অবহেলা করে,তাহলে
  1. ডিক্রিদায়িক মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
  2. ডিক্রিদার মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
  3. অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
  4. আদালত মোকদ্দমার খরচ বহন করবে
সঠিক উত্তর:
অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবহেলাকারী পক্ষ মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে।তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে, অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

আদেশ-১২, বিধি-২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
১০,৮৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে যেক্ষেত্রে বাদি শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়াও আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করতে সক্ষম সেক্ষেত্রে এমন আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা-
  1. নির্দেশনামূলক 
  2. বাধ্যতামূলক 
  3. আদেশমূলক
  4. বিবেচনামূলক 
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪২, মর্যাদা বা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা: কোনো আইনগত পরিচয় অথবা কোনো সম্পত্তির অধিকারী কোনো ব্যক্তি, যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন যিনি এইরূপ পরিচয় বা অধিকারের বিষয়ে তাহার স্বত্ব অস্বীকার করেন অথবা অস্বীকার করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, এবং আদালত উহার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করিতে পারিবে যে, তাহার এইরূপ অধিকার রহিয়াছে এবং এইরূপ মামলায় বাদির আর কোনো প্রতিকার দাবি করিবার প্রয়োজন নাই।
এইরূপ ঘোষণার প্রতিবন্ধকতা: তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বাদি শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার পাইতে সমর্থ অথচ উহা চাওয়া হইতে বিরত রহিয়াছেন, সেক্ষেত্রে আদালত ঐরূপ কোনো ঘোষণা প্রদান করিবে না।
---------------------
Specific Relief Act, Section 42: Discretion of Court as to declaration of status or right: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Bar to such declaration: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

১০,৮৯২.
According to Order 20 Rule 3, what must the judge do with the judgment at the time of pronouncement?
  1. File the judgment with the court registry
  2. Date and sign the judgment in open court
  3. Send the judgment to the parties for review
  4. Review and amend the judgment before signing
সঠিক উত্তর:
Date and sign the judgment in open court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Date and sign the judgment in open court
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৩: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed:
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.
১০,৮৯৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত তামাদির বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪৫
  3. ১৫০
  4. ১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
১০,৮৯৪.
কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্ট লেনদেন ও পূর্বতন ব্যবহার প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩ বলছে, যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হয়:
(ক) লেনদেন যার মাধ্যমে সেই অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়েছে
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা বা দৃষ্টান্ত যেখানে সেই অধিকার প্রয়োগ, স্বীকৃতি বা বিতর্কিত হয়েছে
এটি মূলত Customary Right বা Usage প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রস্তাব করতে সহায়তা করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩: অধিকার বা প্রথা সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যখন কোনো অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—
(ক) যে কোনো লেনদেন যার মাধ্যমে উক্ত অধিকার বা প্রথা সৃষ্টি, দাবি, পরিবর্তিত, স্বীকৃত, প্রতিষ্ঠিত বা অস্বীকৃত হয়েছে, অথবা যা এর অস্তিত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
(খ) নির্দিষ্ট ঘটনা যেখানে উক্ত অধিকার বা প্রথা দাবি, স্বীকৃত বা প্রয়োগ করা হয়েছিল, অথবা যেখানে এর প্রয়োগ বিতর্কিত, প্রতিষ্ঠিত বা পরিত্যাগ করা হয়েছিল।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section 13- Facts relevant when right or custom is in question:
Where the question is as to the existence of any right of custom, the following facts are relevant:–
(a) any transaction by which the right or custom in question was created, claimed, modified, recognized, asserted or denied, or which was inconsistent with its existence;
(b) particular instances in which the right or custom was claimed, recognized or exercised, or in which its exercise was disputed, asserted or departed from.

Illustration-
The question is whether A has a right to a fishery. A deed conferring the fishery on A's ancestors, a mortgage of the fishery by A's father, a subsequent grant of the fishery by A's father, irreconcilable with the mortgage, particular instances in which A's father exercised the right, or in which the exercise of the right was stopped by A's neighbours, are relevant facts.
১০,৮৯৫.
A জেনেশুনে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর ও ইস্যু করে। A কোন ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে?
  1. প্রতারণা করেছে
  2. জাল দলিল করেছে
  3. জালিয়াতি করেছে
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি করেছে
ব্যাখ্যা
♦এখানে A, দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার অধীনে মিথ্যা দলিল প্রণয়ন করার মাধ্যমে জালিয়াতির অপরাধ করেছে। কেননা ৪৬৪ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।
১০,৮৯৬.
সাক্ষ্য আইনে ঘটনা (Fact) এর অর্থ-
  1. কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
  2. কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।
  3. যে কোন ঘটনা যার সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় ঘটনা (Fact) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
- ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -
১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।
২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
-------------------
⇒The Evidence Act,1872: Section-3: Interpretation-clause:
 "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
১০,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিলের বিধান
  2. জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ
  3. রিভিশন শুনানির সময় পক্ষের বক্তব্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন শুনানির সময় পক্ষের বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন শুনানির সময় পক্ষের বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ 
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
১০,৮৯৮.
দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৬ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে

অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
-----------------
- The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১০,৮৯৯.
দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার (Burden of Proof) কার উপর থাকে?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. বাদীর উপর
  3. বিবাদীর উপর
  4. বিচারকের উপর
সঠিক উত্তর:
বাদীর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ এবং ১০২ অনুসারে, দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার (Burden of Proof) সাধারণত বাদী (Plaintiff) বা যিনি মামলা দায়ের করেন তার উপর থাকে। এর কারণ হলো, বাদীই আদালতে কোনো আইনি অধিকার বা দায়িত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নির্দিষ্ট তথ্যের অস্তিত্ব দাবি করেন। তিনি যে তথ্য বা দাবি উপস্থাপন করেন, তা প্রমাণ করার দায়িত্ব তারই। যদি কোনো পক্ষ কোনো প্রমাণ না দেয়, তবে যিনি মামলায় ব্যর্থ হবেন, প্রমাণের ভার তার উপর বর্তায়। দেওয়ানি মামলায় এটি সাধারণত বাদী হন, কারণ তিনিই মামলার দাবি নিয়ে আদালতে আসেন।

দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভারের মানদণ্ড:
দেওয়ানি মামলায় বাদীকে সাধারণত প্রাধান্যের প্রমাণ (Preponderance of the Evidence) প্রদান করতে হয়, অর্থাৎ তাদের দাবি ৫০% এর বেশি সম্ভাব্য সত্য বলে প্রমাণ করতে হয়। এটি ফৌজদারি মামলার তুলনায় কম কঠোর মানদণ্ড, যেখানে প্রসিকিউশনকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে (Beyond a Reasonable Doubt) প্রমাণ করতে হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের ভার সাধারণত বাদীর উপর থাকে, কারণ তিনিই আদালতে দাবি উত্থাপন করেন এবং সেই দাবির সমর্থনে তথ্য প্রমাণ করার দায়িত্ব তার। এটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০১ ও ১০২-এর মূলনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

১০,৯০০.
সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত সাধারণ ফৌজদারি আদালত কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকারের
  2. ৪ প্রকারের
  3. ৫ প্রকারের
  4. ৬ প্রকারের
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬-এ বলা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্ট ও অন্যান্য স্পেশাল আদালত ছাড়া দেশে ফৌজদারি ২ প্রকারের আদালত থাকবে- দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।