বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০৭ / ১২৬ · ১০,৬০১১০,৭০০ / ১২,৬০৫

১০,৬০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসারে, কোন শর্তে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে?
  1. অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার বিধান মেনে
  4. অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্য নেওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার বিধান মেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার বিধান মেনে
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১০,৬০২.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার কার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. অভিযোগকারীর
  4. আদালতের
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন। 

Section 155: Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১০,৬০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক(খ) অনুসারে, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কখন আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. রায় ঘোষণার সময়
  2. মামলা দায়েরের সময়
  3. চুক্তি সম্পাদনের সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়েরের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হবে।
এই ধারা অনুযায়ী, বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলা দায়েরের সময় আদালতে জমা দিতে হয়।
অর্থাৎ, যখন বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়, তখনই অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তি সম্পাদনের সময়, রায় ঘোষণার সময় বা বিচার্য বিষয় গঠনের সময় জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) মামলা দায়েরের সময়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– 
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and 
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

১০,৬০৪.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
১০,৬০৫.
তামাদি আইনের বিধান অনুসারে সাধারণ সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জনের জন্য কত বছর শান্তিপূর্ণ, প্রকাশ্য ও অব্যাহত ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬(১) এর বিধান অনুযায়ী, সাধারণ বেসরকারি সম্পত্তির উপর সুখাধিকার (Easement) অর্জনের জন্য ২০ (বিশ) বছর ধরে শান্তিপূর্ণ, প্রকাশ্য, অব্যাহতভাবে ও অধিকার দাবি করে ভোগ করতে হয়।
- তবে ধারা ২৬(২) অনুসারে, সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৬০ (ষাট) বছর।
- সুতরাং, প্রশ্নে "সাধারণ সম্পত্তি" বলতে বেসরকারি সম্পত্তি বোঝায়, যার জন্য ২০ বছর ভোগ আবশ্যক।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা : এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।

১০,৬০৬.
বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়-
  1. ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  2. ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  3. ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  4. ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
♦Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয় ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
১০,৬০৭.
কোনো দলিল গোপন করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনা কখন শুরু হবে?
  1. দলিল গোপন করার দিন থেকে
  2. দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
  3. দলিল তৈরি করার দিন থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, এবং সেই দলিল তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় অথবা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করতে বাধ্য করতে সক্ষম হয়, সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১০,৬০৮.
'সময়ের অবিরাম চলন' The Limitation Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তি কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্বপালঙ্কালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
♦অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
১০,৬০৯.
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called _______ relief.
  1. temporary
  2. preventive
  3. mandatory
  4. substantive
সঠিক উত্তর:
preventive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preventive
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 6- Preventive relief:
-Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১০,৬১০.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ চুরি বলে গণ্য হবে যদি সম্পত্তিটি যেকোন ব্যক্তির দখল হতে-
  1. ভয় দেখিয়ে গ্রহণ করা হয়
  2. জোরপূর্বক (Extortion) গ্রহণ করা হয়
  3. অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
  4. প্রতারণামূলকভাবে (Fraudulently) গ্রহণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে (Dishonestly) গ্রহণ করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১০,৬১১.
তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. মামলা খারিজ
  4. কোর্ট ফি বাতিল
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ফলাফল: ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমা খারিজ হবে।
♦ অর্থাৎ, প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত দায়ের করলে বিবাদীপক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও মোকদ্দমা খারিজ হবে।
১০,৬১২.
Can a police officer act without prior authorization under Section 152 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. No, they must wait for a court order
  2. Yes, but only after informing the local magistrate
  3. No, they need permission from a superior officer
  4. Yes, the officer can act on their own authority
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
ব্যাখ্যা
• Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
১০,৬১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কোন ধারায় “মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরে ক্ষমতা” বিধান রয়েছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে।
• যদি মোকদ্দমাটি ২ বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
• বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে সম্ভাব্য ১ম সুযোগে বা যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় বা পূর্বে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়।
১০,৬১৪.
'A', residing in Chittagong, publishes defamatory statements about 'B' in Dhaka. Where can 'B' file a lawsuit against 'A'?
  1. In any district court
  2. Only in Dhaka
  3. Only in Chittagong
  4. Either in Dhaka or in Chittagong
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either in Dhaka or in Chittagong
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা:
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.

Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১০,৬১৫.
কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগ গঠনে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা আবশ্যক নয়?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাত অপরাধের অভিযোগ গঠনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করলেও চলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-

(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।

(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে।তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
১০,৬১৬.
একটি দেওয়ানি মামলায় বিবাদী সমনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়। আদালত তাকে আরও ৩০ কার্যদিবস সময় দেয়, কিন্তু সে তাতেও লিখিত জবাব দাখিল করেনি। এই পরিস্থিতিতে আদালত কী পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করে দেবে
  2. পুনরায় সময় বৃদ্ধি করবে
  3. বিবাদীকে জরিমানা করবে
  4. একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১০,৬১৭.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারায় ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র নিজের দেহ রক্ষার অধিকার আছে
  2. শুধুমাত্র নিজের সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকার রয়েছে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97- Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend-
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১০,৬১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আপীলের স্মারকলিপির সাথে কোন নথি অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে?
  1. মামলার সমস্ত দলিল
  2. সাক্ষীদের হলফনামা
  3. নিম্ন আদালতের রেকর্ড 
  4. আপীলকৃত ডিক্রির নকল
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলকৃত ডিক্রির নকল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ১(১) অনুসারে, আপীলের স্মারকলিপির (memorandum) সাথে অবশ্যই যে ডিক্রি থেকে আপীল করা হচ্ছে তার একটি নকল (copy of the decree appealed from) সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া, (যদি না আপীল আদালত ছাড় দেয়) সেই রায়ের নকলও যার উপর ডিক্রি প্রতিষ্ঠিত, তা সংযুক্ত করতে হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (মামলার সমস্ত দলিল, সাক্ষীদের হলফনামা বা নিম্ন আদালতের সম্পূর্ণ রেকর্ড) এই বিধির অধীনে বাধ্যতামূলক নয়; সেগুলো পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুসারে দাখিল করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির সারমর্মঃ যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 

১০,৬১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার অধীনে সদাচরণের জন্য মুচলেকার সময়সীমা কত হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ছয় মাস
  2. সর্বোচ্চ এক বছর
  3. সর্বোচ্চ দুই বছর
  4. সর্বোচ্চ তিন বছর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারায় বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সন্দেহভাজন বা ভবঘুরে ব্যক্তির কাছ থেকে তার সদাচরণের নিশ্চয়তা হিসেবে একটি মুচলেকা নিতে পারেন। এই মুচলেকার সময়সীমা এক বছরের বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারেন এক বছরের মধ্যে, যা এই ব্যক্তির ভাল আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োগ করা হয়। তাই, সময়সীমা সর্বোচ্চ এক বছর ধরা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যে-রূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দেওয়ার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 109. Security for good behaviour from vagrants and suspected persons:
Whenever a District Magistrate or an Executive Magistrate receive information- 
(a) that any person is taking precautions to conceal his presence within the local limits of such Magistrate's jurisdiction, and that there is reason to believe that such person is taking such precautions with a view to committing any offence, or 
(b) that there is within such limits a person who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself,
such a Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding one year, as the Magistrate thinks fit to fix.
১০,৬২০.
আপীল আদালত আপীল পুনঃশুনানীর [Re hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী-
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানী করত
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৪১ বিধি-১৯ আনুযায় বিধি ১১, ১৫, ১৭ বা ১৮ এর অধীন আপিল খারিজ করা হলে আপিলকারী আপিল আদালতে আপিল পুনঃগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারে; এবং আদালত খরচ সম্পর্কিত শর্ত সাপেক্ষে আপিলটি পুনঃগ্রহণ করবেন।
আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন- নামঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করা হলে- আপিল করা যাবে এবং মঞ্জুর করা হলে- রিভিশন করা যাবে।

♦ আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায় আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। আপিল পুনঃশুনানির আবেদন- প্রত্যাখ্যান হলে- আপিল করা যাবে এবং  মঞ্জুর হলে- রিভিশন করা যাবে

♦ আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুন:শুনানীর আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুন:শুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। 
১০,৬২১.
No ___________ shall lie from any order passed in appeal under section 104 of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. revision
  2. appeal
  3. review
  4. reference
সঠিক উত্তর:
appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৪(২) অনুসারে আপিলে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল চলবে না। অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
১০,৬২২.
কত বছরের মধ্যে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
 
- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
-  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
---------------------------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১০,৬২৩.
'ফৌজদারি আদালতের বিচার কার্যক্রমে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারে।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫১ ধারায়
  2. ৩৫৩ ধারায়
  3. ৩৫২ ধারায়
  4. ৩৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
 
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
 
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১০,৬২৪.
A তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করে ঢাকায়। মামলায় রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে একই বিষয়ে আরেকটি মামলা করে। উক্ত স্বামী আদালতকে জানায় যে, এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে তাই এই মামলা চলতে পারে না। এক্ষেত্রে, উক্ত স্বামীর দাবি করা বিষয় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালতে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৮ ধারা
  2. ৩৯ ধারা
  3. ৪০ ধারা
  4. ৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);
ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১০,৬২৫.
ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত কোন পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে না?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে
  3. মীমাংসার মাধ্যমে
  4. দেনাদারকে গ্রেফতারের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীমাংসার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১ অনুযায়ী, মীমাংসার মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা সম্ভব নয়। মীমাংসা মূলত একটি সমঝোতা বা সমাধানের প্রক্রিয়া, যা আদালতের দ্বারা নির্ধারিত রায়কে কার্যকর করতে সহায়তা করে না।

ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:

নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেনঃ
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা

খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সঙ্গতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপণ করেছে বা করতেছে; বা

গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সঙ্গতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
১০,৬২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয় এবং তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করেন, তবে-
  1. গ্রেপ্তারের আবেদন অগ্রাহ্য হবে
  2. হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  4. সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে অনুলিপি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ১৩৬ – যেখানে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তি বা জব্দযোগ্য সম্পত্তি ভিন্ন জেলার মধ্যে অবস্থান করছে, সেই ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
(১) যদি কোন আবেদন এই মর্মে করা হয় যে, কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হোক বা কোন সম্পত্তি জব্দ করা হোক—এবং সেই আবেদন এমন কোনও বিধানের অধীনে হয় যা ডিক্রির বাস্তবায়ন সম্পর্কিত নয়—তাহলে, যদি ঐ ব্যক্তি বা সম্পত্তি আবেদনকৃত আদালতের এলাকার বাইরে অবস্থান করে, তবে আদালত তার বিবেচনায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে বা সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে এবং উক্ত পরোয়ানা বা আদেশের একটি অনুলিপি সেই জেলা আদালতে পাঠাতে পারে, যার বিচারিক এলাকার মধ্যে উক্ত ব্যক্তি বা সম্পত্তি অবস্থান করে, সেইসাথে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণও পাঠাবে (গ্রেপ্তার বা জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য)

(২) জেলা আদালত সেই অনুলিপি ও খরচ পাওয়ার পর নিজস্ব অফিসার বা তার অধীনস্থ আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার বা জব্দ কার্য সম্পাদন করবে এবং যে আদালত পরোয়ানা বা আদেশ দিয়েছে তাকে বিষয়টি অবহিত করবে।

(৩) যে আদালত এই ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার কার্য সম্পাদন করেছে, সে আদালত সেই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে প্রেরণ করবে যেখান থেকে পরোয়ানা জারি হয়েছিল, যদি না ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, তাকে সেখানে প্রেরণ করা অনুচিত; অথবা সে যদি যথাযথ জামিন দেয় তার হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য কিংবা সম্ভাব্য ডিক্রি পূরণের জন্য, তবে সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারে।
১০,৬২৭.
কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার প্রশ্নে
  2. শুধুমাত্র আইনের প্রশ্নে
  3. ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যের প্রশ্নে
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১০,৬২৮.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Criminal liability never ends
  2. Delay defeats equity
  3. Justice delayed is justice denied
  4. Possession is nine-tenths of the law
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ধারা ২৮ “Delay defeats equity” নীতিকে প্রতিফলিত করে।

এই নীতির অর্থ হলো-
যে ব্যক্তি দীর্ঘসময় ধরে নিজের অধিকার দাবি করেন না, আইনও আর তাকে সহায়তা করে না। তাই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্ধারিত তামাদি সময়সীমা (limitation period) অতিক্রম করলে— শুধু মামলা করার অধিকার নয়, সম্পত্তির অধিকারই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

১০,৬২৯.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার মতে, কত বছরের কম বয়সী নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেলে তা মনুষ্যহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুসারে, যদি ১৪ বছরের কম বয়সী নাবালক (ছেলে) অথবা ১৬ বছরের কম বয়সী নাবালিকা (মেয়ে) অথবা বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তি-কে তার আইনগত অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে তা মনুষ্যহরণ (Kidnapping from lawful guardianship) বলে গণ্য হবে।
এখানে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের (নাবালিকা) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য, তাই সঠিক উত্তর গ) ১৬ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১০,৬৩০.
দেওয়ানী মামলায় সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেয়া যায়?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
১০,৬৩১.
How is preventive relief granted?
  1. By the choice of the plaintiff
  2. By the discretion of the Court
  3. By the discretion of the defendant
  4. By mutual agreement of both parties
সঠিক উত্তর:
By the discretion of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By the discretion of the Court
ব্যাখ্যা
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
১০,৬৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালত অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২৪১ এবং ২৬৫গ
  2. ২৪৩ এবং ২৬৫ঘ
  3. ২৪১ক এবং ২৬৫গ
  4. ২৪১ক এবং ২৬৫চ
সঠিক উত্তর:
২৪১ক এবং ২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪১ক এবং ২৬৫গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন।
অর্থাৎ  ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। এই আদালতগুলো অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস অথবা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় বর্ণিত, এবং দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ২৬৫ক-২৬৫জ ধারায় বিবৃত।

- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানির জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে। এই ধারাগুলির আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জ গঠনের শুনানির দিন অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠন এবং অব্যাহতির আবেদন একই দিনে শোনা যাবে।

- যদি আদালত মামলার নথি এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করেই, অর্থাৎ চার্জ গঠনের পূর্বেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
১০,৬৩৩.
ডিক্রিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ৬ঃ ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর,পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
১০,৬৩৪.
ধারা-১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্ট কোন বিষয়ে বিধিমালা প্রণয়ন করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি
  2. শুধুমাত্র অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
  3. নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত কার্যপদ্ধতি
  4. সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ধারা-১২২: বিধিমালা প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা:
সুপ্রিমকোর্ট সময়ে সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পর তার প্রত্যেক বিভাগের কার্যপদ্ধতি এবং অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণপূর্বক বিধি প্রণয়ন ও প্রকাশ করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধিবলে প্রথম তফসিলের সমস্ত বা যে কোন বিধি রদ, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।

[The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.]
১০,৬৩৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।

অর্থাৎ 'আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যার' ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না।
১০,৬৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য বলে গণ্য করতে হয়?
  1. The Registration Act, 1908
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে,
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এ যেসব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যেসব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
[all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.]
১০,৬৩৭.
Under which clause of Section 5 of The Specific Relief Act, 1877 is preventive relief granted?
  1. Clause (a)
  2. Clause (b)
  3. Clause (c)
  4. Clause (d)
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clause (c)
ব্যাখ্যা
Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
১০,৬৩৮.
সেট অফ কে দাবি করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. মোকদ্দমায় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো পক্ষ
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদীর নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদী তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১০,৬৩৯.
যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে আইনসম্মত অভিভাবক মনে করে এবং কোন বেআইনী উদ্দেশ্য ছাড়া দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার অধীন বর্ণিত মনুষ্যহরণের অপরাধ করে, তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম: যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 

Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
১০,৬৪০.
আদেশ ৪৬ বিধি ১ অনুসারে, আদালত কোন ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে?
  1. আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
  3. উভয় ধরনের ডিক্রির ক্ষেত্রে
  4. আবেদনকারী যে ডিক্রির ক্ষেত্রে আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলঅযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-১: হাইকোর্ট বিভাগে প্রশ্নের রেফারেন্স:
যেক্ষেত্রে ডিক্রি আপিলযোগ্য নয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বা আপিলের শোননির সময় বা যেক্ষেত্রে ঐরূপ কোন ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত এমন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়, যার উপর মোকদ্দমা বা আপিল বিচারকারী বা ডিক্রি নির্বাহী আদালত যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ পোষণ করে, সেক্ষেত্রে এটা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন পক্ষদের কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে মোকদ্দমাটির ঘটনাবলী ও সন্দেহের বিষয়সমূহ সম্বলিত একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগে সিদ্ধান্তের জন্য ঐ বিষয় নিজস্ব অভিমতসহ একই ধরণের বিবৃতি প্রেরণ করতে পারে।

সহজ ভাষায় বলা যায়:
যখন কোনো ডিক্রি (সিদ্ধান্ত) আপিল করা যায় না, তখন আদালতে বা আপিলের শুনানির সময় কিছু আইন বা আইনের নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদি বিচারক বা নির্বাহী আদালত সেই প্রশ্নে সন্দেহে থাকে, তাহলে তারা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মামলার ঘটনা ও সন্দেহগুলো লিখে রাখতে পারে। এরপর সেই বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে নিজের মতামতসহ পাঠাতে পারে।
১০,৬৪১.
সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ নয় কোনটি?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ [Offences Relating to Property]-
১। চুরি;
২। জোরপূর্বক গ্রহণ;
৩। দস্যুতা;
৪। ডাকাতি;
৫। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ;
৬। অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ;
৭। চোরাই মাল;
৮। প্রতারণা;
৯। প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর;
১০। ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন;
১১। অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ধারা।

উল্লিখিত সবগুলো সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ।
১০,৬৪২.
আদেশ ৭ বিধি ১১ এ আরজি প্রত্যাখ্যানের কয়টি কারণ উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
১০,৬৪৩.
'A' 'C' কে হত্যা করতে 'B'কে প্ররোচিত করে। কিন্তু 'B' 'C' কে হত্যা করতে রাজি হয় না। 'A' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে।
• যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের
• সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে।
• অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।
১০,৬৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ এর অধীন নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. উক্ত ধারায় শুধু বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  2. উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
  3. একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়েরযোগ্য মোকদ্দমা হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ধারায় বাদী এবং বিবাদী উভয়ে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে, যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে,সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে,এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts,any defendant,after notice to the other parties, may,at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement,apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made,after considering the objections the other parties(if any), shall determine which of the several Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১০,৬৪৫.
ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক করা যায় না? 
  1. চাষীর বাসগৃহ,
  2. কৃষিজাত দ্রব্য,
  3. গৃহভৃত্যের বেতন,
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারামতে ডিক্রি জারিতে ক্রোকযোগ্য এবং নিলামে বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি (Property liable to attachment and sale in execution of decree):  ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে- জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।

⇒ যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না- ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি।
১০,৬৪৬.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
  2. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের আবেদন ছাড়া এবং আদালতের খরচে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
[Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.]
১০,৬৪৭.
কোন ক্ষেত্রে ৪৯১ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  2. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
১০,৬৪৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কাউকে ইচ্ছাপূর্বক পথরোধ করা “অবৈধ বাধা” হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৩৩৮
  2. ধারা ৩৩৯
  3. ধারা ৩৪০
  4. ধারা ৩৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯-এ "অবৈধ বাধা" (Wrongful Restraint)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
→ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধা দেয় যার ফলে উক্ত ব্যক্তির অধিকারপ্রাপ্ত দিকে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়, তবে তাকে অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint) দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হয়।
→ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক অন্য কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে বাধা দেয় যাতে সে ব্যক্তি তার চলাচলের অধিকারের যেকোনো দিকে যেতে না পারে, তবে সেটিকে "অবৈধ বাধাদান" (Wrongful Restraint) বলা হয়।

- দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
- Illustration: A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১০,৬৪৯.
জেলা জজ আদালতে নিচের কোন কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের হতে পারে?
  1. সহকারি জজ
  2. সিনিয়র সহকারি জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ এর মাধ্যমে কোনো যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত আপিলঅযোগ্য কোনো আদেশ প্রদান করলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
১০,৬৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭, বিধি-১০ অনুযায়ী আদালত কখন আরজি ফেরত দিতে পারে?
  1. যদি আরজিতে ত্রুটি থাকে
  2. যদি বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আদালতের আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার না থাকে
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ১০(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যদি আরজিটি এমন একটি আদালতে দায়ের করা হয়, যার মোকদ্দমাটি বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তাহলে আদালত যেকোনো পর্যায়ে আরজিটি ফেরত দিতে পারবে, যাতে তা সঠিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করা যায়।

অন্যান্য অপশনগুলো এই বিধির আওতায় পড়ে না:
ক) আরজিতে ত্রুটি থাকলে আদালত সংশোধনের সুযোগ দিতে পারেন বা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন (আদেশ ৭, বিধি ১১)।
খ) বিবাদীর অনুপস্থিতি আরজি ফেরতের কারণ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint: On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.

১০,৬৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে কে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে 
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১২(২) অনুসারে, যদি এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, যা মৃত্যুদণ্ড বা পরিবহন দণ্ডে (transportation) দণ্ডনীয় এবং অপরাধী অজ্ঞাত থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত পরিচালনা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের এই ক্ষমতা রয়েছে।
- অতএব, ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

১০,৬৫২.
আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রণীত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
  3. আদালতের কোন এখতিয়ার নেই
  4. প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
১০,৬৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, কমিশনাররা পৃথক প্রতিবেদন কখন প্রণয়ন করবেন?
  1. তাদের কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হলে
  2. তারা একমত না হলে
  3. আদালত নির্দেশ দিলে
  4. সময়সীমা অতিক্রম করলে
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা একমত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তারা একমত না হলে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুসারে, যদি একাধিক কমিশনার নিয়োগ করা হয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে একমত না হন, অর্থাৎ কেউ কেউ একটি ভাগ বা সীমানা নির্ধারণের পক্ষে থাকেন, আর অন্যরা বিপক্ষে অবস্থান নেন, তখন তারা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেন।
এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ, প্রতিটি অংশের পরিমাণ ও সীমানা (যদি আদালতের আদেশে তা উল্লেখ থাকে), সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিবেদনগুলো নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- অর্থাৎ কমিশনারদের মধ্যে মতভেদ হলে প্রতিবেদন বিলম্বিত না করে প্রত্যেকে পৃথকভাবে প্রতিবেদন তৈরি ও দাখিল করবেন, যাতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪(২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন। প্রতিটি পৃথক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশ এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করবে এবং পরে এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতে দাখিল করতে হবে।
এতে বলা হয়েছে যে, একাধিক কমিশনারের মধ্যে একমত না হলে, তারা পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন এবং আদালতে তা দাখিল করবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(1) Dividing Property and Allotting Shares:
The Commissioner, after conducting the necessary inquiry, will divide the property into as many shares as directed by the order under which the commission was issued. The Commissioner will allot these shares to the parties involved and may, if authorized by the order, award sums to equalize the value of the shares.

(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

(3) Court's Action on the Report:
If the Court confirms or varies the report(s), it will pass a decree based on the report as confirmed or varied. However, if the Court sets aside the report(s), it may either issue a new commission or make any other order it deems fit.
১০,৬৫৪.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।

⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

⇒ আদেশ ৯ বিধি- ১৩ক অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান হলে রিভিশন দায়ের করা যায়।

অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার রিভিশন দায়ের।
১০,৬৫৫.
কোন আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় কয়টি মামলা চূড়ান্ত শুনানীর জন্য ধার্য করতে পারে?
  1. ০৩টি
  2. ০৫টি
  3. ০৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৫টি
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order XVIII, Rule 20 দোতরফা শুনানীর মামলাসহ চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ৫ টির অধিক মোকদ্দমা রাখবে না।
♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
♦তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
১০,৬৫৬.
কোন তারিখ থেকে আপিল আদালত ৯০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. অভিযোগের তারিখ
  2. নোটিশ জারির তারিখ
  3. আদালতের আদেশের তারিখ
  4. মামলার রেকর্ড প্রেরণের তারিখ
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ জারির তারিখ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১০,৬৫৭.
‘ক’ নিজেকে সরকারি ঠিকাদার পরিচয় দিয়ে ‘খ’-এর কাছ থেকে একটি বড় প্রকল্পে কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫ লক্ষ টাকা নেয়। পরে জানা যায় ‘ক’ কোনো ঠিকাদার নয় এবং শুরু থেকেই তার উদ্দেশ্য ছিল টাকা আত্মসাৎ করা। ‘ক’-এর অপরাধ কোন ধারায় পড়বে?
  1. দণ্ডবিধি ৪০৩
  2. দণ্ডবিধি ৪১৫
  3. দণ্ডবিধি ৪২০
  4. দণ্ডবিধি ৪২৪
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৪২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৪২০
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) দণ্ডবিধি ৪২০।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০- ধারা ৪২০ : প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি প্রদান করানো:
- যে ব্যক্তি প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে প্রতারিত ব্যক্তিকে অসাধুভাবে প্ররোচিত করে-
- কোনো ব্যক্তির নিকট কোনো সম্পত্তি প্রদান করতে, অথবা
- কোনো মূল্যবান জামানত (valuable security) অথবা
- এমন কোনো স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু তৈরি করতে, পরিবর্তন করতে বা সম্পূর্ণ কিংবা আংশিকভাবে ধ্বংস করতে,
- যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য, সে ব্যক্তি দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে।

শাস্তি:
উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১০,৬৫৮.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, পরিশোধের স্বীকৃতি কীভাবে প্রদান করতে হবে?
  1. ঋণদাতার মৌখিক স্বীকৃতি
  2. আদালতের অনুমোদন
  3. পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
  4. কোনো স্বীকৃতি প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি।

তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, সুদ পরিশোধের পর তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য একটি লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।
- এটি হতে হবে পরিশোধকারী ব্যক্তির হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত একটি লিখিত স্বীকৃতি।
- এটা মৌখিক বা অন্য কোনো অপ্রমাণিত উপায়ে হতে পারবে না।
- এটি সুদের পরিশোধের প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত হবে, যা তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
১০,৬৫৯.
যদি কোনো চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত যেটুকু সম্ভব সেই অংশের জন্য চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে যদি বাদী পক্ষ-
  1. বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে
  2. বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি না করে
  3. বাকি অংশের বাস্তবায়নের দাবি না করে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫:
যদি একটি চুক্তির কোনো পক্ষ তার দায়িত্বের সবটুকু পালন করতে না পারে এবং যেই অংশটুকু অপূর্ণ থাকবে, সেটি চুক্তির একটি বড় অংশ হয় অথবা অর্থ প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে সেই পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য রায় পাওয়ার যোগ্য নয়। তবে অন্য পক্ষের মামলায়, আদালত বিলম্বকারী পক্ষকে যেটুকু সম্ভব তাই সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে এবং বিবাদী পক্ষের বিলম্বের কারণে হওয়া ক্ষতি বা ক্ষয়ের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে।

[Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.]

এই নীতি অনুসারে,
যদি একটি চুক্তির একটি বড় অংশ অপূর্ণ থাকে বা ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিস্থাপন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত পুরোপুরি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের রায় দিতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে আদালত যেটুকু সম্ভব, সেইটুকুর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতে পারে, যদি বাদী পক্ষ বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি না করে এবং আরো কোনো বাস্তবায়নের দাবি না করে। অর্থাৎ বাদীকে সীমিত বাস্তবায়নই গ্রহণ করতে হবে।
১০,৬৬০.
সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করে। জেলা জজ উক্ত আপীল শুনানীর জন্য যুগ্ম জেলা জজের নিকট প্রেরণ করে। যুগ্ম জেলা জজ উক্ত আপীল খারিজ করে দেয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে
  2. জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হবে
  3. হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু একবার আপীল খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, তাই দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই। যেহেতু দ্বিতীয় আপীলের সুযোগ নেই, তাই যুগ্ম জেলা জজের উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে কারণ এখানে যুগ্ম জেলা জজের আদেশ জেলা জজের সমান। কারণ জেলা জজটি আপীলটি যুগ্ম জেলা জজ প্রেরণ করেছে এবং এই ক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ, জেলা জজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আপীলটি খারিজ করেছে।
অর্থাৎ হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
১০,৬৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ববান ব্যক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব এবং মালিকানা আছে এমন কোনো ব্যক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
  4. স্থাবর সম্পত্তিতে দখলে আছে এইরূপ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি থেকে অবৈধভাবে বেদখল হয়েছে এইরূপ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
১০,৬৬২.
'ক' যদি 'চ'-এর বাড়ির সামনের রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করে 'চ'-এর যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করে, তবে দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক'-এর অপরাধ কী?
  1. অবৈধ আটক
  2. জনদুর্ভোগ সৃষ্টি
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধাদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধাদান
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত পরিস্থিতিতে, 'ক' 'চ'-এর বাড়ির সামনের রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করে 'চ'-এর যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করেছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৩৯ অনুসারে, এটি অবৈধ বাধাদান (Wrongful Restraint) হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এতে ইচ্ছাপূর্বকভাবে কোনো ব্যক্তির চলাচলের অধিকারপ্রাপ্ত পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
- Illustration: A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.

১০,৬৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫০৯ক
  3. ধারা ৫১০
  4. ধারা ৫১০ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক-এ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিশেষ বিধান দেওয়া হয়েছে, যেখানে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক যদি মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন বা দেশের বাইরে থাকেন এবং তাকে আদালতে তলব করা অযৌক্তিক হয়, তখন তার রিপোর্টকে তলব ছাড়াই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, Section 509A: Report of post-mortem examination:-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১০,৬৬৪.
মামলার কোনো পর্যায়ে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও কোন পক্ষ দলিল দাখিল করতে অস্বীকৃতি জানালে, পরবর্তীতে উক্ত দলিল-
  1. দাখিল করা যাবে না
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  3. অপর পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে দাখিল করা যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে-
কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে, পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না। অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।

Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.
১০,৬৬৫.
'ক' একটি নিলামে অংশগ্রহণ করে এবং আদালতের ডিক্রি জারির মাধ্যমে একটি সম্পত্তি ক্রয় করে। তবে, বিক্রয়টি বাতিলের জন্য তৃতীয় পক্ষ একটি মামলা দায়ের করে, যা ২ বছর ধরে চলে। 'ক' এই সময়ের পর দখল নিতে চাইলে তামাদি আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী সময় গণনা কীভাবে হবে?
  1. ২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
  2. নিলামের তারিখ থেকেই তামাদির সময় গণনা হবে
  3. বিক্রয় বাতিলের মামলা থাকলেও তামাদির মেয়াদ পরিবর্তন হবে না
  4. ক্রেতার দখল পাওয়ার জন্য নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হবে না
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
১০,৬৬৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৯৭২ সর্বশেষ কবে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৩
  2. ২০২২
  3. ২০২১
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন সর্বশেষ ২০২২ সালের সংশোধনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।
১০,৬৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের পরে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে
  3. অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
  4. অভিযুক্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই, তাহলে চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করেন—
- মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র
- এফআইআর, চার্জশিট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল
- তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট ও সাক্ষ্যপ্রমাণ

অর্থাৎ অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয় এবং চার্জ গঠনের মতো যথেষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন (ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
১০,৬৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কী ধরনের সার্টিফিকেট দাখিল করা যায়?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসির সুপারিশ
  2. জেলার জজের ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের বাইরের কোনো সাক্ষীর বিবৃতি
  4. কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী দণ্ড (previous conviction) প্রমাণ করতে হয়, তাহলে তার একটি উপায় হলো:
- যে কারাগারে সাজা কার্যকর করা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-charge) কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেট আদালতে দাখিল করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
১০,৬৬৯.
সর্বপ্রথম ১৮৫০ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন কে?
  1. স্যার হেনরি সামার মেইন
  2. স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন
  3. প্রফেসর তেইর
  4. জন ম্যাকলে
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি সামার মেইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫০ সালে স্যার হেনরি মেইন প্রথমবার সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছিলেন।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ সালে স্যার জেমস ফিট্জ জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন।
- ১লা সেপ্টেম্বর ১৮৭২ সালে তা কার্যকর হয়।
১০,৬৭০.
অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ ৪৮- হারানো, চুরি বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা ক্ষতিপূরণের মামলা:

প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এমন অস্থাবর সম্পত্তি যেটি-
▸ হারিয়ে গেছে,
▸ চুরি হয়েছে,
▸ অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে,
▸ অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয়েছে।

মামলার ধরন: উক্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দাবিতে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৩ বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন সম্পত্তির অধিকারী প্রথমবার জানতে পারেন যে, ওই সম্পত্তি বর্তমানে কার নিকট আছে।

১০,৬৭১.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence’ - এই বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি কার্যধারায়
  2. কেবল দেওয়ানি কার্যধারায়
  3. কেবল প্রশাসনিক কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
১০,৬৭২.
সাধারণভাবে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের-
  1. মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  2. মে মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
  3. মার্চ মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  4. মার্চ মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে বছর বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়, সেই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে ।
১০,৬৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. স্থানীয় তদন্ত পরিচালনা
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সম্পত্তি বিক্রি
  4. হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান: কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ সম্পত্তি বিক্রি–এর জন্য ধারা ৭৫–এ কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা নেই।

The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.

- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.

১০,৬৭৪.
The Penal Code এর কোন ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪১০ ধারায়
  2. ৪১২ ধারায়
  3. ৪১৫ ধারায়
  4. ৪১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার বিধান রয়েছে।
• প্রতারণা বলতে ফাঁকি দিয়ে বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা কাউকে এমনভাবে প্রভাবিত করা যে, প্রতারিত ব্যক্তি যেন প্রতারণাকারীর ইচ্ছামাফিক কোন কাজ করে যা প্রতারিত ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি করে অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা না করতে বা সম্পত্তি অর্পনে বাধ্য করে।
১০,৬৭৫.
একজন আইনজীবী কোন মামলায় তার মক্কেলের জন্য আনুষ্ঠানিক বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষী হলে তিনি মামলাটি(র) ___________।
  1. নিজের কাছে রাখলেও স্বাক্ষ্য দিবেন না
  2. ছেড়ে দিলেও সাক্ষ্য দিবেন
  3. নিজের কাছে রাখবেন ও সাক্ষা দিবেন
  4. বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকার্য অন্য আইনজীবীর নিকট ছেড়ে দিবেন
ব্যাখ্যা
♦পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ২য় অধ্যায় (CHAPTER-II)-মক্কেলেদের প্রতি আচরণ (CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS)-বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা ।

♦অর্থাৎ কোন আইনজীবী মক্কেলের মামলায় সাক্ষী হলে, সেই মামলার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর অর্পণ করতে হবে। তবে সাক্ষ্য যদি দলিল বা জিম্মাদার বিষয়ে হয় তাহলে, তিনি নিজেই মামলা চালাতে পারবেন।
১০,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কে আবেদন করতে পারে?
  1. যার আবেদনের ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে সেই ব্যক্তি
  2. উক্ত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি
  3. যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারামতে-
যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে, যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না,
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
১০,৬৭৭.
আদালতের কোন ক্ষমতাবলে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. আইনগত
  4. আবশ্যিক
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
১০,৬৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির বিচার চলাকালে মানসিক সুস্থতা এবং অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক অসুস্থতা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬৭
  2. ধারা ৪৬৯
  3. ধারা ৪৭১
  4. ধারা ৪৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯ (Section 469) নির্ধারণ করে, যখন কোনো আসামি বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ প্রতীয়মান হয়, কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণিত হয় যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল এবং তার অপরাধমূলক কাজের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম ছিল, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, আসামির বর্তমান মানসিক সুস্থতার ভিত্তিতে বিচার চলবে, অপরাধের সময় তার মানসিক অবস্থা আদালত পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করবে।
- এ ধারা মূলত মানসিক অবস্থা সংক্রান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে বিচার চালানোর নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে বিচার প্রক্রিয়া থেমে না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯- আসামিকে যখন বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হয় কিন্তু অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে প্রতীয়মান হয় সেক্ষেত্রে করণীয়
অনুসন্ধান বা বিচারের সময় আসামি যখন মানসিক সুস্থ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামি যখন অপরাধমূলক কাজটি করেছিল তখন মানসিক অসুস্থতার দরুন অপরাধমূলক কাজটির প্রকৃতি জানতে অসমর্থ ছিল, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কাজ চালিয়ে যাবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 469- When accused appears to have been insane:
- When the accused appears to be of sound mind at the time of inquiry or trial, and the Magistrate or, as the case may be, the Court is satisfied from the evidence given before him or it that there is reason to believe that the accused committed an act which, if he had been of sound mind, would have been an offence, and that he was, at the time when the act was committed, by reason of unsoundness of mind, incapable of knowing the nature of the act or that it was wrong or contrary to law, the Magistrate or, as the case may be, the Court shall proceed with the case.
১০,৬৭৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬খ ধারায় কার মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. আপিল বিভাগের
  2. দায়রা জজের
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।
১০,৬৮০.
অ্যাডভোকেটের পাবলিক অফিসারের সাথে পেশাগত ক্ষমতায় যোগাযোগের পূর্বে নিজের পরিচয় প্রকাশ করার নির্দেশ কোন অধ্যায় এবং বিধিতে দেয়া হয়েছে?
  1. অধ্যায় ৪, বিধি ২
  2. অধ্যায় ৪, বিধি ৪
  3. অধ্যায় ৪, বিধি ৬
  4. অধ্যায় ৩, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৪, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ৪, বিধি ৬
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ৪, বিধি ৬-এ উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট পেশাগত ক্ষমতায় কোনো পাবলিক অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করার পূর্বে অথবা তাদের সামনে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে প্রথমে প্রকাশ করবেন যে তিনি একজন অ্যাডভোকেট এবং এমন স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করছেন যা উক্ত অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার কার্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ৪ (Conduct with Regard to the Public Generally) বিধি ৬-এ বলা হয়েছে যে, একজন অ্যাডভোকেট তার পেশাগত ক্ষমতায় কোনো পাবলিক অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা body-এর কাছে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে যে তিনি একজন অ্যাডভোকেট এবং তিনি যে স্বার্থগুলি প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেগুলি উক্ত অফিসার, বোর্ড, কমিটি বা body-এর কার্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

- এই বিধির উদ্দেশ্য হল স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব (conflict of interest) এড়ানো। এটি অ্যাডভোকেটদের পেশাগত নৈতিকতা এবং সম্মান বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১০,৬৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কত ধারা অনুযায়ী আদালত যে পক্ষকে চুক্তি রদের প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরন দেওয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে,
• আদালত চুক্তি বাতিলের রায় মঞ্জুর করলে যে পক্ষের অনুকূলে রায় মঞ্জুর করবেন তাদের নিকট থেকে অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরন প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
১০,৬৮২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অন্যায় লাভ" (Wrongful Gain) এবং "অন্যায় ক্ষতি" (Wrongful Loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৩-এ “অন্যায় লাভ” (Wrongful gain) এবং “অন্যায় ক্ষতি” (Wrongful loss) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে:
অন্যায় লাভ (Wrongful gain): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি অর্জন করা, যার উপর অর্জনকারী ব্যক্তির আইনি অধিকার নেই।
অন্যায় ক্ষতি (Wrongful loss): এটি হলো অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তি থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা, যার উপর তার আইনি অধিকার রয়েছে।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ধারা ২৩।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-23:
→ “Wrongful gain”
 "Wrongful gain" is gain by unlawful means of property to which the person gaining is not legally entitled.
→ “Wrongful loss”
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
→ Losing wrongfully.
- A person is said to gain wrongfully when such person retains wrongfully, as well as when such person acquires wrongfully.
- A person is said to loss wrongfully when such person is wrongfully kept out of any property, as well as when such person is wrongfully deprived of property.

১০,৬৮৩.
নিম্নলিখিত কোনটি শারীর সম্বন্ধীয় সাক্ষ্যের উদাহরণ নয়?
  1. চুল
  2. ডিএনএ
  3. হস্তাক্ষর
  4. পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তাক্ষর
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য:
রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।

হস্তাক্ষর (Handwriting) শারীরিক বা বস্তুগত প্রমাণের উদাহরণ নয়, কারণ এটি মূলত একটি লিখিত নিদর্শন বা ডকুমেন্টারি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
১০,৬৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারার বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য, কে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারকারী আদালত
  4. পুলিশ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
-যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
-কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:
(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।
---------------
CrPC-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
-Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১০,৬৮৫.
পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন কার অনুমতি সাপেক্ষে করতে হয়?
  1. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর
  2. আদালতের অনুমতি
  3. পিপি’র অনুমতি
  4. প্রতিপক্ষের অনুমতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
১০,৬৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন?
  1. ৪১০
  2. ৪৩১
  3. ৪১৭
  4. ৪১৭ক
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১০ অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। এই ধারাটি সাধারণভাবে দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১০ অনুযায়ী: “একজন দণ্ডিত ব্যক্তি যিনি কোনো বিচারকের আদালতে বিচারশেষে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন...”
অর্থাৎ, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজেই যদি মনে করেন যে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় বা দণ্ড অন্যায্য হয়েছে, তবে তিনি ধারা ৪১০ অনুযায়ী যথাযথ আপিল আদালতে আপিল করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 410. Appeal from sentence of Court of Session:
Any person convicted on a trial held by a Sessions Judge, or an Additional Sessions Judge, may appeal to the High Court Division.
১০,৬৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩ অনুসারে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা _______ হবে।
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. আংশিক সশ্রম এবং আংশিক বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩- কারাদণ্ডের প্রকার:
(৫) শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

Section 123- Kind of imprisonment:
(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple.
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
১০,৬৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে আদালত বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৬
  2. ধারা ৫১৬ক 
  3. ধারা ৫১৭
  4. ধারা ৫১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৬ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৬ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৬ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সম্পত্তি, যার সাথে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে হয় বা যা কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়, তদন্ত বা বিচার চলাকালীন কোনো ফৌজদারি আদালতে উপস্থাপিত হয়, তবে আদালত সেই সম্পত্তির যথাযথ হেফাজতের জন্য আদেশ দিতে পারে। এছাড়াও, যদি সম্পত্তিটি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে পচনশীল হয়, তবে আদালত প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করার পর সেই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ৫১৬ক এর উদ্দেশ্য হলো তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যদি সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে (যেমন, খাদ্যদ্রব্য বা অন্যান্য পচনশীল জিনিস)।
আদালত এই ধরনের সম্পত্তির নিষ্পত্তির আগে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করে, যাতে পরবর্তীতে বিচারে কোনো সমস্যা না হয়।
এই ধারা সম্পত্তির মূল্য বা অবস্থা রক্ষার জন্য ব্যবহারিক সমাধান প্রদান করে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬ক এ বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হলে বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া যায়।

১০,৬৮৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুযায়ী, কতটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গৃহে প্রবেশ বা প্রস্থান করলে অপথে গৃহে প্রবেশ হয়?
  1. ১১টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় এই ৬ ধরনের গৃহপ্রবেশকে 'অপথে গৃহপ্রবেশ' (House- breaking) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building.
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened.
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass.
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault.
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass.
Explanation.- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

১০,৬৯০.
দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে শাস্তি কত হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের সমান
  2. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত
  3. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
  4. সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের অর্ধেক পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।

- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
১০,৬৯১.
যদি কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তি আইনচর্চা করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে,
আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডাদেশ।

Article- 41:
Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
১০,৬৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XV এর Rule-1 অনুযায়ী, আদালত যদি দেখে যে পক্ষগুলির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই, তাহলে তিনি কী করতে পারেন?
  1. মামলা খারিজ করতে পারেন
  2. তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. পক্ষগুলিকে শাস্তি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎক্ষণাৎ রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৫ বিধি-১ অনুযায়ী যদি প্রথম শুনানিতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে কোনো আইনগত বা তথ্যগত বিরোধ নেই, তাহলে আদালত দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে রায় ঘোষণা করতে পারে। এর মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিচার প্রক্রিয়ার সময় নষ্ট রোধ করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১০,৬৯৩.
একজন আইনজীবীর জন্য নিম্নের কোন কাজটি আচরণ বিধির লংঘন?
  1. মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত না হওয়া
  2. নিজে অপরাগ হলে অন্য কোনো সন্তোষজনক ব্যসস্থাপনায় শুনানী সম্পন্ন করা
  3. আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
  4. ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সময় ও শ্রমকে বিবেচনায় নেওয়া
সঠিক উত্তর:
আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন পেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা
ব্যাখ্যা
BBC chapter 4 (8) এর বিধান মতেঃ  স্বাভাবিক বিধি এই যে, একজন আইনজীবী অন্য কোন পেশা অবলম্বন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। এমনকি অংশীদার হিসাবেও কোন পেশা অবলম্বন কিংবা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেনা কিংবা বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসাবেও কোথাও কোন দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা।
১০,৬৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে "Simultaneous execution"–এর বিষয়টি সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. আদেশ-২১, বিধি-২০
  2. আদেশ-২১, বিধি-২১
  3. আদেশ-২০, বিধি-২১
  4. আদেশ-২২, বিধি-২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১, বিধি-২১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তি (ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই নীতিকে বলা হয় Simultaneous execution।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় (in its discretion) সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, একই সময়ে দায়িকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা (গ্রেফতার ও কারাবাস) এবং তার সম্পত্তির বিরুদ্ধে একযোগে (simultaneous) ডিক্রি কার্যকর না করাও যেতে পারে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-21. Simultaneous execution:
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment-debtor.
১০,৬৯৫.
বর্তমানে নিম্নে লিখিত কোন পদ্ধতিতে সমন জারি করা যায়?
  1. পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে
  2. কুরিয়ার সার্ভিস
  3. বার্তা /ই-মেইল
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  ( সংশোধন ২০১২) অনুযায়ী আদেশ ৫ এর বিধি ৯ মতে আদালত তার অধঃস্তন অফিসার বা জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভূক্ত ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে, বার্তা বা ই মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট প্রেরণ করে সমন জারি করার আদেশ দিতে পারে।
⇒ উলে­খ্য যে, কোন কুরিয়ার সার্ভিস সমন প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীর নিকট তা প্রেরণ করতে হবে।
⇒ যদি ব্যর্থ হয় তাহলে তার অসদাচরনের জন্য তালিকা থেকে উক্ত কোরিয়ার সার্ভিসের নাম বাদ দিবে।
১০,৬৯৬.
দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্যমান ন্যূনতম কত হলে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়?
  1. ২০ হাজার টাকা
  2. ৫০ হাজার টাকা
  3. ২০ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ CPC Section-110. Value of subject-matter.
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
১০,৬৯৭.
ধারা ১৮(২) অনুসারে, আপিল আদালত কখন এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করবে?
  1. যখন এখতিয়ার নিয়ে যুক্তিসঙ্গত অনিশ্চয়তা ছিল
  2. যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
  3. যখন আপিলকারী পক্ষ পরিবর্তন করেছে
  4. যখন ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে নাই
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন এখতিয়ার নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ. যখন কোনো অনিশ্চয়তা ছিল না।

ধারা ১৮(২) – Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে:
যদি কোনো মামলা দায়ের করা হয় যেখানে সম্পত্তির অবস্থান নিয়ে স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত ছিল, এবং উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা হয়নি, এবং পরে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না, সেই মামলা নিষ্পত্তি করেছে- তাহলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দেখা যায় যে:
- মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে কোনো যৌক্তিক অনিশ্চয়তা ছিল না,
- এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে (failure of justice)।

অর্থাৎ, যদি পূর্বেই যৌক্তিক অনিশ্চয়তা থাকত, আপিল আদালত আপত্তি গ্রহণ করবে না। শুধুমাত্র ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ও অনিশ্চয়তার অনুপস্থিতি থাকলে আপত্তি গ্রহণযোগ্য।

ধারা ১৮- যেখানে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমা অনিশ্চিত, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
(১) যদি এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকে যে, কোনো অস্থাবর সম্পত্তি (immovable property) দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে কোথায় অবস্থিত, তাহলে ঐ আদালতগুলোর যেকোনো একটি আদালত, যদি সে অনিশ্চয়তার যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়, তবে সে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি (statement) রেকর্ড করতে পারবে এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমাটি শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবে। এবং সেই আদালতের প্রদত্ত ডিক্রি (decree) এমনভাবে কার্যকর হবে যেন সম্পত্তিটি তার এখতিয়ারভুক্ত এলাকায়ই অবস্থিত।
তবে শর্ত হলো- মামলাটির প্রকৃতি ও মূল্যের বিচারে আদালতটি এখতিয়ারপ্রাপ্ত হতে হবে।

(২) যদি উপধারা (১) অনুসারে কোনো বিবৃতি রেকর্ড করা না হয়, এবং পরবর্তীতে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালতে আপত্তি তোলা হয় যে, মূল আদালত যার এখতিয়ার ছিল না সে মামলা নিষ্পত্তি করেছে - তাহলে আপিল বা পুনর্বিবেচনা আদালত সেই আপত্তি গ্রহণ করবে না, যদি না দেখা যায় যে - মামলা দায়েরের সময় এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

১০,৬৯৮.
Under section 167 of The Criminal Procedure Code,1898 the longest period for which an accused can be remanded to police custody is-
  1. 07 days
  2. 14 days
  3. 15 days
  4. 20 days
সঠিক উত্তর:
15 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Criminal Procedure Code-এর Section 167 অনুযায়ী, একজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে (police custody) সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত রিমান্ডে রাখা যেতে পারে।
- এই ১৫ দিনের বেশি সময় পুলিশ হেফাজত আইনসম্মত নয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনে আদালত অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে (judicial custody) পাঠাতে পারেন, কিন্তু পুলিশ হেফাজত আর বাড়ানো যায় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

১০,৬৯৯.
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ কত?
  1. ২০ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন শাস্তি:

⇒ সর্বোচ্চ শাস্তি বা দণ্ড- মৃত্যুদণ্ড; (১০টি ক্ষেত্রে)
⇒ সর্বোচ্চ কারাবাস- ২০ বছর;

⇒ সর্বনিম্ন কারাবাসের মেয়াদ- ২৪ ঘন্টা;
⇒ সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড- ১০ টাকা।
[দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশোভন আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বা জরিমানাসহ যার পরিমান ১০ টাকা পর্যন্ত বা উভয়ই।
১০,৭০০.
দণ্ডবিধির ১১ ধারায় 'ব্যক্তি' বলতে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বতন্ত্র ব্যক্তি
  2. সমিতি
  3. আদালত
  4. কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

-ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.