বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র

মোট প্রশ্ন৩৯০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৯০

২০১.
‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ গানটির গীতিকার কে?
  1. খান আতাউর রহমান
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আব্দুল গফফার চৌধুরী
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
• খান আতাউর রহমান:
- তিনি গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক ও অভিনেতা।
- ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- চলচ্চিত্রের সঙ্গে খান আতাউর যুক্ত হন জং কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ দিয়ে।
- 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রের ‘এ খাঁচা ভাঙবো আমি কেমন করে’ কিংবা ‘এ কি সোনার আলোয়’, ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ এর মত জনপ্রিয় গানগুলো খান আতাউরের লেখা।
- খান আতাউর পরিচালনা শুরু করেন ১৯৬৩ সালে ‘অনেক দিনের চেনা’ চলচ্চিত্র দিয়ে।
- ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।
- একই বছর ১২ই ডিসেম্বর চলচ্চিত্রটি মুক্তির দিনও ধার্য করেছিলেন।
- কিন্তু তার আগেই ১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

• তার পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ‘রাজা সন্ন্যাসী’,
- ‘আবার তোরা মানুষ হ’,
- ‘দিন যায় কথা থাকে’,
- ‘আরশি নগর’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা নিউজ টুয়েন্টি ফোর ও প্রথম আলো।
২০২.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮
  2. খ) ১৮ জুলাই, ১৯৭৯
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
‘অপরাজেয় বাংলা’ কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২০৩.
"যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” - গানটির গীতিকার কে?
  1. মলয় কুমার
  2. কামরুজ্জামান বাবু
  3. হাসান মতিউর রহমান
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
হাসান মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
• "যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই
যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই!” - গানটির গীতিকার হাসান মতিউর রহমান।

- হাসান মতিউর রহমান হলেন বাংলাদেশী লোকসংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
- হাসান মতিউর রহমান দেশে বিদেশে ৩৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন।
- এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ এই গানটির জন্য প্রাপ্ত পুরস্কার।
- গানটি গেয়েছেন শিল্পী মলয় কুমার ও সাবিনা ইয়াসমিন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো ও জাগো নিউজ।
২০৪.
'অনিল বাগচীর একদিন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. নজরুল ইসলাম খান
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
অনিল বাগচীর একদিন:
- 'অনিল বাগচীর একদিন' একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন আরেফ সৈয়দ, জ্যোতিকা জ্যোতি, গাজী রাকায়েত, মিশা সওদাগর।
- ২০১৫ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটি ৪০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ পরিচালক, শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী, এবং শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
২০৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র-
  1. ক) Stop genocide
  2. খ) Macbeth
  3. গ) A state dream
  4. ঘ) Sultana's Dream
সঠিক উত্তর:
ক) Stop genocide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Stop genocide
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়। এটি মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহিত ফুটেজের একটি সম্পাদনা।
- এটিতে বাঙালিদের উপর পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)

২০৬.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'আগামী'-এর নির্মাতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. হাবিবুল ইসলাম হাবিব
  4. এনায়েত করিম বাবুল
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আগামী।
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
২০৭.
জহির রায়হান নির্মিত চলচ্চিত্র না কোনটি?
  1. ক) সঙ্গম
  2. খ) ভাত দে
  3. গ) বাহানা
  4. ঘ) আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
খ) ভাত দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাত দে
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান -এর চলচ্চিত্রসমূহঃ কখনো আসে নি (প্রথম ছবি), সঙ্গম (তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানের প্রথম টেকনিকালার ছবি), বাহানা (প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি), কাঁচের দেয়াল ( নিগার পুরস্কার পাওয়া), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), বেহুলা, আনোয়ারা। এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রামান্য চিত্র - Stop Genocide নির্মান করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
২০৮.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. ওরা ১১ জন
  3. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  4. আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র: ওরা ১১ জন।
- এর নির্মাতা চাষি নজরুল ইসলাম।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’।

আরো কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- সংগ্রাম, নাটক নির্মাণ করেন চাষি নজরুল ইসলাম।
- আবার তোরা মানুষ হ, চলচ্চিত্রটির প্রযোজক খান আতাউর রহমান। 
- আলোর মিছিল, এই সিনেমার নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
২০৯.
'টিয়ার্স অব ফায়ার' তথ্যচিত্রটির পরিচালক কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সন্তু রায়
  3. সোহেল রানা
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
সন্তু রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তু রায়
ব্যাখ্যা
টিয়ার্স অব ফায়ার:
- 'টিয়ার্স অব ফায়ার' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র।
- সন্তু রায় পরিচালিত 'টিয়ার্স অফ ফায়ার' ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে একটি ডকুমেন্টারি।
- বুদ্ধিজীবীসহ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়রা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নয় মাসের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার ভয়াবহ বিবরণ দেয়।

উৎস: ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪, The daily Star.
২১০.
'মুক্তির গান' চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আব্দুল জব্বার খান
  3. সমর দাস
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
মুক্তির গান:
- ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।

⇒ মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন। এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান।
-  ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন। লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।

⇒ তারেক মাসুদ পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছ- সোনার বেড়ি, অন্তর্যাত্রা, আদম সুরত, মাটির ময়না, রানওয়ে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১১.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সূর্য দীঘল বাড়ি
  2. গেরিলা
  3. সঙ্গম
  4. আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সরকার মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৭৬-৭৭ সাল থেকে চলচ্চিত্রে অনুদানের প্রথা চালু করে।

⇒ ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্র নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদেরই পরিচালনায় নির্মিত হয় তার প্রথম চলচ্চিত্র।
- এটি হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়।
- ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।

এছাড়াও,
⇒ সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৭৯) ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। ১৯৭৬ সালে আড়াই লাখ টাকা করে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়।

⇒ এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৮০) ১৯৮০ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। জার্মান লেখক এরিখ কাস্টনার রচিত ‘এমিলের গোয়েন্দা দল’ কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়েছে।
⇒ গেরিলা (২০১১) নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সমকাল।
২১২.
কোনটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ২০১৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে?
  1. আবার বসন্ত
  2. মায়া দ্য লস্ট মাদার
  3. ফাগুন হাওয়ায়
  4. সাপলুডু
সঠিক উত্তর:
ফাগুন হাওয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাগুন হাওয়ায়
ব্যাখ্যা
- গত ১৭ জানুয়ারি ২০২১ মোট ২৬টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করা হয়।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯:
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র:
- ফাগুন হাওয়ায় (পরিচালক- তৌকির আহমেদ)
- ন ডরাই (পরিচালক- তানিম রহমান অংশু)
সেরা অভিনেতা:
- তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত)
সেরা অভিনেত্রী:
- সুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)
সেরা পরিচালক:
- তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই)
সেরা খলনায়ক:
- জাহিদ হাসান (সাপলুডু)
শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী:
- আফরিন আক্তার
- নাইমুর রহমান
আজীবন সম্মাননা:
- সোহেল রানা
- সুচন্দা।
(তথ্যসূত্র: তথ্য মন্ত্রণালয়)
২১৩.
'অজ্ঞাতনামা' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. আবু শাহেদ ইমন
  2. মোস্তফা সরোয়ার
  3. তৌকির আহমেদ
  4. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা
- অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- ২০১৯ সালে অস্কারে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আলফা। এর পরিচালক নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।
- ডুব, টেলিভিশন, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ইত্যাদি চলচ্চিত্রের পরিচালক মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী।
- জালালের গল্প চলচ্চিত্রের পরিচালক আবু শাহেদ ইমন।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২১৪.
আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান 
  2. পলাশী থেকে ধানমন্ডি
  3. ডানপিটে শওকত
  4. নাম না জানা ভোর
সঠিক উত্তর:
পলাশী থেকে ধানমন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশী থেকে ধানমন্ডি
ব্যাখ্যা

- আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচিত উপন্যাস নয় পলাশী থেকে ধানমন্ডি।

• “পলাশী থেকে ধানমন্ডি”:
- আব্দুল গাফফার চৌধুরীর “পলাশি থেকে ধানমন্ডি” মূলত একটি নাট্যগ্রন্থ, যেখানে ১৭৫৭ সালের পলাশীর বিপর্যয়কে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনধারার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
- পলাশি থেকে ধানমন্ডি” মূলত একটি মঞ্চনাটক, নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় ২০০৪ সালে এবং পরে নিউইয়র্কেও প্রদর্শিত হয়।
- এটি পরে মঞ্চ নাটক থেকে চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়।
- চলচ্চিত্রটির  মূল বিষয়বস্তু হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড।
-------------------------------
আব্দুল গাফফার চৌধুরী:
- আব্দুল গাফফার চৌধুরী (১২ ডিসেম্বর ১৯৩৪ – ১৯ মে ২০২২) ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও কলাম রচয়িতা।
- ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবহ “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো” গানটি রচনার কারণে তিনি সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত স্বাধীন বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

∗ তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান 
- নীল যমুনা,
- নাম না জানা ভোর,
- শেষ রাত্রির চাঁদ। 

∗ তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- সম্রাটের ছবি,
- সুন্দর হে সুন্দর,
- কৃষ্ণপক্ষ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- ডানপিটে শওকত। 

তাঁর সম্পাদনা গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়। 

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১৫.
‘নোনা জলের কাব্য’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
  2. মাসুদ পথিক
  3. রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত
  4. নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের তরুণ চলচ্চিত্রকার রেজওয়ান শাহরিয়ারের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নোনা জলের কাব্য’ গ্ল্যাসগোর জলবায়ু সম্মেলনের ভেন্যুতে প্রদর্শিত হয়েছে।
- কপ-২৬ এর জন্য তৈরি গ্রিন জোনে ছবিটি দেখানো হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা কীভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে – সেটাই এই ছবির মূল কাহিনী।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকার গল্পে আবর্তিত সিনেমাটির শুটিং হয়েছে পটুয়াখালীতে। 
উৎস : বিবিসি, ডেইলি ষ্টার।
২১৬.
‘মা গো ভাবনা কেন / আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে’ গানটির গীতিকার কে ছিলেন?
  1. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. গোবিন্দ হালদার
সঠিক উত্তর:
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
ব্যাখ্যা

- মা গো ভাবনা কেন / আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে’ গানটির গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

• মা গো ভাবনা কেন / আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে:
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ নামের জাতিরাষ্ট্রের স্বাপ্নিকদের দুটি গান যেমন অশেষ প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করেছে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নয় মাস ধরে তন্মধ্যে ‘মা গো ভাবনা কেন/ আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে' গানটি অন্যতম।
- এই গানটির রচয়িতা বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। 
- তাঁকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- গানটির সুরকার ও গায়ক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
-  বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে তাঁকে (গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারকে) মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননায় (মরণোত্তর) ভূষিত করে।
 
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (লিংক)

২১৭.
'যদি রাত পোহালেই শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই' গানটির সুরকার কে?
  1. ক) হাসান মতিউর রহমান
  2. খ) মলয় কুমার গাঙ্গুলী
  3. গ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. ঘ) আবদুল গাফফার
সঠিক উত্তর:
খ) মলয় কুমার গাঙ্গুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মলয় কুমার গাঙ্গুলী
ব্যাখ্যা
- "যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই/ যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই!” - বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার হাসান মতিউর রহমান।
- গানটি লেখা হয় ১৯৯০ সালে।
- গানটির সুরকার মলয় কুমার গাঙ্গুলী
- গানটি গেয়েছেন বাংলাদেশের কিংবদন্তী সংগীত শিল্পী  সাবিনা ইয়াসমীন।

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।
২১৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. ওরা ১১ জন 
  4. একাত্তরের যীশু
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন 
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা ও তার প্রভাব চলচ্চিত্রে বিভিন্নভাবে ফুটে উঠেছে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’। 
-  নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- এটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়।
- ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিনেমা।
- এটি ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ১১ জন যুবকের সাহসিকতা, পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতা এবং দেশের স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষার জীবন্ত দলিল হিসেবে পরিচিত।
--------------------------
উল্লেখ্য,
• সরাসরি যুদ্ধ দেখানোহয়েছে এমন চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- 'ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘হাঙর নদীর গ্রেনেড’, ‘একাত্তরের যীশু’।

• কিছু চলচ্চিত্র যুদ্ধকে পরোক্ষভাবে উপস্থাপন করেছে, যেমন— শরণার্থী বা পালিয়ে বেড়ানো মানুষের জীবনের কাহিনী—
- ‘মুক্তির গান’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘খেলাঘর’।

• এছাড়াও, যুদ্ধ পূর্বকালীন ও পরবর্তী বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে চলচ্চিত্রগুলো, যেমন:
- ‘জীবন থেকে নেওয়া’, ‘এখনো অনেক রাত’, ‘মেঘের অনেক রং’, ‘আলোর মিছিল’।

উৎস:
বাংলা মুভি ডেটাবেজ;
প্রথম আলো পত্রিকা। 

২১৯.
গম্ভীরা কোন অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা লোকসঙ্গীতের উৎপত্তি ভারতের মালদহ জেলার হিন্দু সমাজে। দেশভাগের পর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মুসলিম সম্প্রদায় গম্ভীরা গানের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে।

- আদিতে গম্ভীরা গানের মূল বিষয়ে শিবের বন্দনা থাকলেও মুসলিম সমাজে এই গানের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিষয়বস্তু হয়ে উঠে।

- নানা-নাতির সংলাপের মাধ্যমে গম্ভীরা গান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২২০.
'ভাটিয়ালি' কোন অঞ্চলের গান?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ভাটিয়ালি:
- ভাটিয়ালি এক ধারার  লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২২১.
কোন পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of Polities' হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
  1. রয়টার্স
  2. দ্য গার্ডিয়ান
  3. বিবিসি
  4. নিউজউইক
সঠিক উত্তর:
নিউজউইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজউইক
ব্যাখ্যা
• Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব'।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক - 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা।
- ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত 'নিউজউইক ম্যাগাজিন' বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of Politics' বাঁ 'রাজনীতির কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উৎস:
i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
২২২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ‘ এর পরিচালক কে?
  1. ক) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। 
- ১৯৭১ সালে মফস্বল শহরের কয়েকজন কিশোর কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তারই কিছু চিত্র ফুঁটে উঠেছে গল্পে। 
- মোরশেদুল ইসলাম কিশোর চলচ্চিত্র দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬) এবং খেলাঘর (২০০৬) নামে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেন।

সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো। 
২২৩.
একুশের প্রথম গান কোনটি?
  1. আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
  2. ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
  3. ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
  4. মা গো ওরা বলে
সঠিক উত্তর:
ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
ব্যাখ্যা
একুশের প্রথম গান রচনা করেন ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক। গানটির প্রথম চরণ- ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না।
- এটি সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 
- দূর হটো দূর হটো আই দুনিয়া ওলালো, হিন্দুস্তান হামারা হ্যায়'- জনপ্রিয় এ হিন্দি গান থেকে নেয়া হয় গানটির সুর।
- ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় এ গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- এটা ছিলো তখনকার দিনে রাজপথের গান। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২৪.
‘ওঙ্কার’ উপন্যাসের বিষয়বস্তু কী?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ওঙ্কার:
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ওঙ্কার' (১৯৭৫)।
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা। 
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
- আহমদ ছফা একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, কবি ও অনুবাদক।

উৎস: প্রথম আলো।
২২৫.
'আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম'- গানটির গীতিকার কে?
  1. হাসন রাজা
  2. শাহ আবদুল করিম
  3. সাইদুর রহমান বয়াতি
  4. আমীর উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
শাহ আবদুল করিম:
- শাহ আবদুল করিম (জন্ম: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৬ - মৃত্যু: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৯) বাংলা বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিত।
- স্বল্প শিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন।
- বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। 
- বাউল শাহ আবদুল করিমের এ পর্যন্ত ৬টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। 
- বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

শাহ আবদুল করিমের জনপ্রিয় কিছু গান:
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে,
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, 
- গাড়ি চলে না,
- আমি কূলহারা কলঙ্কিনী,
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া,
- কোন মেস্তরি নাও বানাইছে,
- কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু,
- বসন্ত বাতাসে সইগো,
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু,
- মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খী নাও,
- আমি তোমার কলের গাড়ি, 
- সখী কুঞ্জ সাজাও গো,
- জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে,
- মানুষ হয়ে তালাশ করলে,
- আমি বাংলা মায়ের ছেলে,
- রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২৬.
“বসুন্ধরা” চলচ্চিত্রটি কোন উপন্যাসের আলোকে নির্মিত?
  1. স্মৃতিস্তম্ভ
  2. কর্ণফুলী
  3. শাশ্বতবঙ্গ
  4. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা

তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটি আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস। 
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
(পরিচালক: সুভাষ দত্ত) উপন্যাস অবলম্বনে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা:
- কর্ণফুলী উপন্যাসটি পাহাড়-সমুদ্র ধরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- স্মৃতিস্তম্ভ একটি কাব্যগ্রন্থ যার উল্লেখযোগ্য কবিতা মানচিত্র।

- শাশ্বত বঙ্গ প্রবন্ধ কাজী আবদুল ওদুদ রচিত।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২২৭.
গেরিলা ছবির পরিচালক কে?
  1. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. জহির রায়হান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
ব্যাখ্যা
গেরিলা: 
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ছবি গেরিলা। 
- এই ছবিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালে।
- ছবিটিতে অভিনয় করেন শতাধিক শিল্পী।
- প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

উৎস: The Daily Star বাংলা (মার্চ ২৬, ২০২০)
২২৮.
‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. তৌকির আহমেদ
  3. আতাউর রহমান
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা
ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’।
- চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- এর নামকরণে ফুটে উঠেছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চলাকালে বাংলা মাস ফাল্গুনের নামটি।
- এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, আবুল হায়াত ও রওনক হাসানের মতো অভিনয়শিল্পীরা।

⇒ ফাগুন হাওয়ায় ছবিতে এক মফস্বল শহরে ভাষা আন্দোলনের সময়ে মানুষের ভাবনা, আন্দোলন আর চেতনাকে রূপক অর্থে তুলে ধরেছেন তৌকীর আহমেদ।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা ‘বউ কথা কও’ গল্প অবলম্বনে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) প্রথম আলো।
২২৯.
মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জীবন থেকে নেয়া
  2. ধীরে বহে মেঘনা
  3. ওরা এগারো জন
  4. আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া।

জীবন থেকে নেয়া:
- পরিচালক: জহির রায়হান। 
- মুক্তি: ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল (পাকিস্তান)। 
- সময়: ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট (প্রায়)। 
- সংগীত পরিচালক: খান আতাউর রহমান। 
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭০— এ সময়ের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। 

⇒ চলচ্চিত্রটির মধ্যে আগামী দিনের উত্তাল বিদ্রোহের অনুপ্রেরণা ছিল। এটি সম্পূর্ণভাবেই রাজনৈতিক চেতনাসম্পন্ন চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র নির্মাতা আলমগীর কবির তাই এ চলচ্চিত্রকে ‘বাংলাদেশের প্রথম জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী চলচ্চিত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের গণ-অভ্যুত্থান যখন তুঙ্গে, তখন জহির রায়হান জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। 

⇒ এ চলচ্চিত্রে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির মর্মস্পর্শী চিত্রায়ণ রয়েছে। গানটি পরিবেশনের সময় প্রভাতফেরি দৃশ্য পর্দায় প্রতিফলিত হয়। যে রবীন্দ্র সংগীতটি এ চলচ্চিত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে এটি স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। চলচ্চিত্রে দুইটি নজরুল সংগীত ব্যবহৃত হয়। এগুলো হচ্ছে :‘কারার ঐ লৌহ কপাট/ভেঙে ফেল কররে লোপাট/রক্ত জমাট শিকল পূজার পাষাণবেদী।’ এবং ‘এই শিকল-পরা ছল মোদের/এ শিকল পরা ছল।’

অন্যদিকে,
- ‘ধীরে বহে মেঘনা’ ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির পরিচালক আলমগীর কবির।
- ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এটি হচ্ছে ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- ‘ওরা ১১ জন’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র। এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালে এটি নির্মিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

২৩০.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. কৃষ্ণপক্ষ
  2. টেলিভিশন
  3. আমার আছে জল
  4. জয়যাত্রা
সঠিক উত্তর:
আমার আছে জল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার আছে জল
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)

উল্লেখ্য,
- হুমায়ূন আহমেদের ‘কৃষ্ণপক্ষ’ উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওন 'কৃষ্ণপক্ষ' চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৩১.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ –গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আবদুল লতিফ
  2. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ -গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
এটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২৩২.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি' গানটি কে রচনা করেন?
  1. ক) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. খ) শিব নারায়ণ দাস
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) ড. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৩.
Song of Bangladesh গানের রচয়িতা কে?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. বব ডিলান
  3. এলেন গিন্সবার্গ
  4. জোয়ান বায়েজ
সঠিক উত্তর:
জোয়ান বায়েজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ান বায়েজ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও বর্বরতা নিয়ে মার্কিন শিল্পী জোয়ান বায়েজ Song of Bangladesh শিরোনামের বিখ্যাত গানটি রচনা করেন।
তিনি নিজেই এটিতে সুর ও কণ্ঠ দেন। প্রথমে গানটির শিরোনাম ছিলো The Story of Bangladesh.
জোয়ান বায়েজ সম্প্রতি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে গানটির কপিরাইট স্বত্ব প্রদান করেন।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর)
২৩৪.
'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল' গানটির রচয়িতা কে?
  1. সমর দাস
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আপেল মাহমুদ
  4. স্বপ্না রায়
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২৩৫.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি?
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. একুশের গল্প
  3. কবর
  4. জীবন আমার বোন
সঠিক উত্তর:
জীবন আমার বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যা
• জীবন আমার বোন।
এটি মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
অন্যদিকে,
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস - আরেক ফাল্গুন।
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক ছোটগল্প -  একুশের গল্প।
• মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক - কবর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩৬.
‘লোকে বলে, বলে রে, ঘর বাড়ী ভালা না আমার’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. শাহ আব্দুল করিম
  2. মনসুর বয়াতি
  3. হাসন রাজা
  4. লালন শাহ
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা
- হাসন রাজা মরমি কবি ও সাধক হিসেবে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী।
- তিনি ১৮৫৪ সালের ২৪ জনিুয়ারি সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার গান রচনা করেন।

তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রযেছে:
- ‘লোকে বলে, বলে রে, ঘর বাড়ী ভালা না আমার’
- ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’ প্রভৃতি।

- তিনি ১৯২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২৩৭.
শিশুতোষ চলচ্চিত্র 'ছুটির ঘণ্টা'-এর পরিচালক কে?
  1. আজিজুর রহমান
  2. তানভীর আহমেদ
  3. নূর-ই আলম
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আজিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছুটির ঘণ্টা:
- ছুটির ঘণ্টা ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী শিশুতোষ চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন আজিজুর রহমান।

⇒ ১৯৮০ সালে নির্মিত হয় ‘ছুটির ঘণ্টা’ ছবিটি।
- প্রযোজনা করেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক সত্য সাহা।
- পরিচালক আজিজুর রহমান।
- ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শওকত আকবর, খান আতাউর রহমান, শাবানা, সুজাতা, এ টি এম শামসুজ্জামান, জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, শিশুশিল্পী সুমন। 

⇒ ঈদের ছুটি ঘোষণার দিন স্কুলের বাথরুমে সবার অজান্তে তালাবদ্ধ হয়ে আটকে পড়ে একটি ১২ বছর বয়সের ছাত্র।
- আর তালাবদ্ধ বাথরুমে ১১ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার প্রতীক্ষার মধ্যে দিয়ে হৃদয়বিদারক নানা ঘটনা ঘটে।
- অমানবিক কষ্ট সহ্য করার পর কীভাবে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, এমনই একটি করুণ ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে।

উৎস: প্রথম আলো।
২৩৮.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদায়ী গান ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ এর শিল্পী কে ছিলেন?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আপেল মাহমুদ
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি':
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটি দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ। 
- আপেল গানটি রেকর্ড করেন এবং স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে তাঁর কণ্ঠেই গানটির প্রচার শুরু হয়।
- ‘জয়বাংলার গান’ রূপে পরিচিত গোবিন্দ হালদারের সঙ্গীতগুলো  'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' থেকে প্রচারিত হত। 
 
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

২৩৯.
'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে? 
  1. তারেক মাসুদ
  2. আলমগীর কবীর
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

মাটির ময়না:
- ১৯৬০-এর দশকের শেষভাগে, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে পূর্ব পাকিস্তানের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র মাটির ময়না।
- এটি একটি পরিবারের গল্প, যেখানে ধর্মীয় গোঁড়ামি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, এবং মানবিকতার সংঘাত ও সমন্বয় অপূর্ব নান্দনিকতায় উঠে এসেছে।
- এর পরিচালক তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে মুক্তি পায়।
- কান চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছিল চলচ্চিত্রটি।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও মাদ্রাসা শিক্ষা, ধর্মানুভূতি-ধর্মান্ধতার মতো বিষয় উঠে আসায় একুশ শতকেও ছবিটি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।

⇒ ‘মাটির ময়না’ (২০০২) তারেক মাসুদের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এ ছবির জন্য তিনি ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস ফোর্থনাইটসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো

২৪০.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন' মুক্তি পায় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭২ সালে।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

২৪১.
'Stop Genocide' প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির স্থায়িত্বকাল কত মিনিট?
  1. ২০ মিনিট
  2. ৪৮ মিনিট
  3. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  4. ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
২০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মিনিট
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- নির্মাতা জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড।
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন।
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
২৪২.
Stop Genocide প্রামাণ্য চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়। এটি মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত ফুটেজের একটি সম্পাদনা।
- এটিতে বাঙালিদের উপর পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
২৪৩.
সুতরাং চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেছেন?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. এনায়েত করিম বাবুল
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
সুতরাং:
- সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত। 
- তিনি এই ছবিতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
- সুভাষ দত্ত ছাড়াও ছবির প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।
- সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন.

উল্লেখ্য,
- এটি সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
- এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল।
- ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: BBC.
২৪৪.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্র বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কে?
  1. আহমেদ রুবেল
  2. আরিফিন শুভ
  3. দিব্য জ্যোতি
  4. চঞ্চল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আরিফিন শুভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরিফিন শুভ
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
• খন্দকার মোশতাক আহমদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু।
• কিশোর শেখ মুজিব চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্য জ্যোতি।
• রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা।
• শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া।
• শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ।
• তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ।
• এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চু।
• টিক্কা খান চরিত্রে জায়েদ খান।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১৫ অক্টোবর ২০২৩।
২৪৫.
গোবিন্দ হালদার নিম্নের কোন গানটির গীতিকার?
  1. জয় বাংলা বাংলার জয়
  2. সবকটা জানালা খুলে দাও না
  3. আমাদের সংগ্রাম চলবেই
  4. মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
সঠিক উত্তর:
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
ব্যাখ্যা
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটি দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ।
- ‘জয়বাংলার গান’ রূপে পরিচিত গোবিন্দ হালদারের সঙ্গীতগুলো 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' থেকে প্রচারিত হত।

উল্লেখ্য,
- একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যাঁরা’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা ও গীতিকার গোবিন্দ হালদার।

অন্যদিকে -
• নজরুল ইসলাম বাবু এর লেখা কালজয়ী দুটি গান: 'সবকটা জানালা খুলে দাও না' এবং 'একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার'।
• 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
• সিকান্দার আবু জাফর রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

উৎস: i) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২৪৬.
'৩৬শে জুলাই' তথ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. দেবাশীষ বিশ্বাস
  2. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
  3. অনম বিশ্বাস
  4. শঙ্খ দাশগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
দেবাশীষ বিশ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবাশীষ বিশ্বাস
ব্যাখ্যা

৩৬শে জুলাই:
- ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন নিয়ে নির্মিত।
- ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটির নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস।
- ‘তথ্যচিত্রটিতে কোমলমতি ছাত্রদের চিন্তা-চেতনা প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া, 
- জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৌমিত্র দস্তিদার। ‘৩৬ জুলাই’ নামের তথ্যচিত্রে কথা বলেছেন বাংলাদেশের প্রবীণ বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দিন উমর, সাংবাদিক তাসনিম খলিল, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমেদ, ছাত্রনেতা মেঘমল্লার বসু ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কর্মী উমামা ফাতেমা।

উৎস: কালের কন্ঠ।

২৪৭.
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

আমার বন্ধু রাশেদ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ’।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম।
- মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে সরকারি অনুদানে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। 

⇒ প্রেক্ষাপট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মফস্বলের ছোট্ট একটা শহর। আর চরিত্রগুলো কয়েকজন স্কুলছাত্রকে কেন্দ্র করে।
- যার মূল চরিত্র রাশেদ।
- এ ছাড়া ছবিতে দেখা যায়, একাত্তরের উত্তাল দিনগুলো যখন ছোট ছেলেরা বুঝতে পারছে না, রাজনীতি সচেতন রাশেদ তখন ঠিক তার মতো করে সেটা সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।
- একসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ওই ছোট্ট শহরেও তারা এসে হাজির হয়।
- ভয়ংকর এক ধ্বংসলীলার সাক্ষী হয়ে থাকে রাশেদ।

উৎস: প্রথম আলো।

২৪৮.
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের রচয়িতা কে?
  1. খন্দকার নূরুল আলম
  2. খান আতাউর রহমান
  3. সেলিমা রহমান
  4. গৌরি শংকর
সঠিক উত্তর:
সেলিমা রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিমা রহমান
ব্যাখ্যা
• ক্রীড়া সংগীত:
 - বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের রচয়িতা - সেলিমা রহমান।
- সেলিমা রহমান রচিত 'বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয়' নামক গানটি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত। 
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার - খন্দকার নূরুল আলম।
- এটি ১০ চরণ বিশিষ্ট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪৯.
'কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া, অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া' গানটির রচয়িতা-
  1. উস্তাদ আলাউদ্দিন
  2. রাধারমণ দত্ত
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. লালন ফকির
সঠিক উত্তর:
রাধারমণ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাধারমণ দত্ত
ব্যাখ্যা

- 'কারে দেখাবো মনের দুঃখ' গানটি হল রাধারমন দত্তের গাওয়া।
- তিনি নিজেই গানটির কথা লিখেছেন।
- গানটি কভার করেছেন সইফ জোহান।

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া

ঘর বাঁধিলাম প্রাণবন্ধের সনে
কত কথা ছিল‌ মনে গো
ভাঙ্গিলো আদরের জোড়া
কোনজন বাদী হইয়া
জ্বলে গইয়া গইয়া

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া

কথা ছিল সঙ্গে নিবো গো আমায়
সঙ্গে আমায় নাহি নিলো গো
রাধারমন ভবে রইলো
জিতে মরা হইয়া
জ্বলে গইয়া গইয়া

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২৫০.
প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. বসুন্ধরা
  2. আমরা তোমাদের ভুলব না
  3. শঙ্খনীল কারাগার
  4. মেঘের অনেক রং
সঠিক উত্তর:
মেঘের অনেক রং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘের অনেক রং
ব্যাখ্যা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
- এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার।
- স্বাধীনতার চার বছর পর ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- প্রতি বছর সরকার নিযুক্ত জাতীয় প্যানেল বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের প্রথম অনুষ্ঠানিকতা ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল সম্পন্ন হয়।

⇒ ১৯৭৬ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মেঘের অনেক রং’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- রত্না কথাচিত্রের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন আনোয়ার আশরাফ ও শাজীদা শামীম।
- এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

এছাড়াও,
- ১৯৭৭ সালে ‘বসুন্ধরা’ চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- ১৯৯০ সালে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ পুরস্কার পায়।
- ১৯৯২ সালে ‘শঙ্খনীল কারাগার’ চলচ্চিত্রকে শ্রেষ্ঠ কাহিনির জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়। 

উৎস: i) Jagonews24 পত্রিকা।
ii) প্রথম আলো।
২৫১.
'ওরা ১১ জন' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
  3. খান আতাউর রহমান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
২৫২.
"মাঝি বাইয়া যাও রে
অকুল দরিয়ার মাঝে আমার ভাঙা নাও রে
মাঝি বাইয়া যাও রে ।।" - কী জাতীয় গান?
  1. জারিগান
  2. সারিগান
  3. ঠুমরিগান
  4. ভাটিয়ালি গান
সঠিক উত্তর:
ভাটিয়ালি গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাটিয়ালি গান
ব্যাখ্যা
"মাঝি বাইয়া যাও রে
অকুল দরিয়ার মাঝে আমার ভাঙা নাও রে
মাঝি বাইয়া যাও রে ।।"
- এটি একটি ভাটিয়ালি গান। 

ভাটিয়ালি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নিজস্ব গান। 
- গানের মূল বিষয় ব্যক্তিপ্রেম ও ঈশ্বরচেতনা। 
- আবহমান বাংলার মাকজি-মাল্লা-জেলেরা নদী -খাল-বিল-হাওরে নৌকা চালানোর সময় একান্তে এই গান গেয়ে  লৌকিক এবং আধ্যাত্মিক জীবনের স্বাদ লাভ করে থাকে।
- এই গানের উল্লেখযোগ্য শিল্পী - আব্বাসউদ্দিন, শচীন্দেব বর্মণ, নির্মলেন্দু চৌধুরী, নীনা হামিদ, অমর পাল প্রমুখ।
- ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বৃহত্তর ঢাকা জেলার নদীর মাঝি মল্লাদের মুখে এ গান শোনা যায়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫৩.
নিচের কোনটি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র নয়?
  1. ক) অপুর সংসার
  2. খ) চারুলতা
  3. গ) তিন কন্যা 
  4. ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
ব্যাখ্যা
– সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯২) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি চলচ্চিত্রকার হিসেবে সুপরিচিত।
– পিতা প্রখ্যাত লেখক সুকুমার রায় ও পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী একজন খ্যাতনামা কবি।
–  পথের পাঁচালী (১৯৫৫) চলচ্চিত্রের জন্য সত্যজিৎ রায় বিশেষ ‘অস্কার’ (১৯৯২) পুরস্কার লাভ করেন।

সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রসমূহের (২৮টি) উল্লেখযোগ্য হলো: 
- পথের পাঁচালী (১৯৫৫), 
- অপরাজিত (১৯৫৬), 
- অপুর সংসার (১৯৫৯)
- দেবী (১৯৬০), 
- তিন কন্যা (১৯৬১), 
- রবীন্দ্রনাথ (১৯৬১), 
- কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২), 
- অভিযান (১৯৬২), 
- চারুলতা (১৯৬৪), 
- নায়ক (১৯৬৬), 
- অশনি সংকেত (১৯৭৩), 
- হীরক রাজার দেশে (১৯৮০), 
- ঘরে বাইরে (১৯৮৪), 
- আগন্তুক (১৯৯১)

দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) এর উপন্যাস।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সমূহ:
- জননী (১৯৩৫), 
- দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), 
- পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), 
- পুতুলনাচের ইতিকথা(১৯৩৬)।

ছোটগল্পগুলো:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫), 
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), 
- সরীসৃপ (১৯৩৯),
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬)।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর 
২. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম
৩. বাংলাপিডিয়া।
২৫৪.
'ফাগুন হাওয়ায়' চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তৌকীর আহমেদ
  2. জহির রায়হান
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
ব্যাখ্যা

ফাগুন হাওয়ায়:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫৫.
‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ গানটির সুরকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. সমর দাস
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
ব্যাখ্যা
সমর দাস: 
- ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘নোঙ্গর তোলো তোলো’, ‘মাগো ভাবনা কেন’ শিরোনামের গানের সুরকার হলেন সমর দাস।
- ১৯৫৬ সালে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা ‘মুখ ও মুখোশ’ এর সংগীত পরিচালনা করেছিলেন তিনি।
- তিনি সংগীতে অবদানের জন্য ১৯৭৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ২০০১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: The Daily Star বাংলা (সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০)
২৫৬.
'একাত্তরের যীশু' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন?
  1. নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
  2. নারায়ণ ঘোষ মিতা
  3. মাসুদ আকন্দ
  4. শহীদুল হক খান
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
ব্যাখ্যা
একাত্তরের যীশু:
- শাহরিয়ার কবির’র উপন্যাস অবলম্বনে ‘একাত্তরের যীশু’ নির্মাণ করেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
- মুক্তি পায় ১৯৯৩ সালে।
- অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পীয়াল, আবুল খায়ের, আনোয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ ও শহীদুজ্জামান সেলিম।

উল্লেখ্য,
- একাত্তরের যীশু নামের গল্পটি প্রথম ছাপা হয় ১৯৭৩ সালে দৈনিক বাংলা পত্রিকায়।
- তারপর বাংলা একাডেমীর একটা সংকলনে সবশেষে বইয়ে ছাপা হয়েছে ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
২৫৭.
 মুক্তির গান চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মোরশেদুল ইসলাম
  2. তারেক মাসুদ
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

মুক্তির গান:
- ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন।
বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন।
- এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান।
- ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন।
- এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন।
- লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫৮.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জয়যাত্রা' পরিচালনা করেছেন কে?
  1. হুমায়ুন আহমেদ
  2. তৌকির আহমেদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. মোর্শেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা
জয়যাত্রা:
- জয়যাত্রা ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।
- ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২৫৯.
স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জলাঙ্গী
  2. ওরা ১১ জন
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন:
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র হলো "ওরা ১১ জন"।
- ১৯৭২ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ও ত্যাগের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম এবং প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।

বিশেষ তথ্য:
- এই চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার যোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা।
- বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- এটি পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

অন্যদিকে,
• 'জলাঙ্গী'- শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
• 'হাঙর নদী গ্রেনেড'- সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
• 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'- সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
২৬০.
Who is the director of the internationally acclaimed short film ‘Chaka’?
  1. Sheikh Niyamat Ali
  2. Tareque Masud
  3. Tanveer Moqammel
  4. Morshedul Islam
সঠিক উত্তর:
Morshedul Islam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Morshedul Islam
ব্যাখ্যা

• স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'চাকা': 
- মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত 'চাকা' এর আগে বেশ কয়েকটি দেশি ও আন্তর্জাতিক উৎসবে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখে।
- এ ছবির জন্য ১৯৮৫ সালে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দশম ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার অর্জন করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- ১৯৯৩ সালে জার্মানির ম্যানহাইম চলচ্চিত্র উৎসবে আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কার ও ইন্টারফিল্ম পুরস্কার জেতে 'চাকা'।
- ছবিটির জন্য ১৯৯৪ সালে ফ্রান্সের ডানকার্ক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা পরিচালকের সম্মান অর্জন করেন মোরশেদুল ইসলাম। 
-এ ছাড়া ১৯৯৫ সালে 'চাকা' ছবিটি ফ্রান্সের মর্যাদাপূর্ণ 'জর্জেস ও রুতা সাদুল' পুরস্কার জিতে নেয়।
তথ্যসূত্র: সমকাল, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

২৬১.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) ধীরে বহে মেঘনা
  2. খ) আগুনের পরশমণি
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) চিত্রা নদীর পাড়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
'চিত্রা নদীর পাড়ে' ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।
এটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় এবং ১৯৯৯ সালে শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ সাতটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে, ‘আগুনের পরশমণি’; ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ এবং ‘ধীরে বহে মেঘনা’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(সূত্রঃ প্রথম আলো এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
২৬২.
‘শ্যামল ছায়া’ হুমায়ুন আহমেদের কোন ধরনের চলচ্চিত্র?
  1. ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক
  2. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
  3. গণঅভ্যুত্থান ভিত্তিক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
ব্যাখ্যা
শ্যামল ছায়া:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যাত্রাপথে যখনই দেখা পেয়েছেন সাধারণ বাঙালিদের, তখনই পেয়েছেন তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা পেয়েছে পরম আন্তরিকতায়।
- এ রকম একটি অখ্যান নিয়ে প্রখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'শ্যামলছায়া'।
- ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে যুদ্ধকালীন কিছু বিশেষ দিক।
- সিনেমাটির বিশেষত্ব হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও এতে যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মূল চরিত্রে ছিলেন হুমায়ূন ফরিদী, মেহের আফরোজ শাওন, শিমুল, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সৈয়দ আক্তার আলী, তানিয়া আহমেদ, এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

উৎস: বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ। 
২৬৩.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র “ওরা এগারো জন” এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জাহির রায়হান
  4. রবি রঞ্জন
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- জয়দেবপুরে ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল।
- এর চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয়।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।

২৬৪.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত 'গেরিলা' চলচ্চিত্রটি কোন লেখকের রচিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. শামসুর রাহমান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
গেরিলা:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- এটি 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার' পেয়েছে।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।

উল্লেখ্য,
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা।
- তিনি নাট্য নির্দেশক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংগঠক।
- তার বিভিন্ন চলচ্চিত্রের মধ্যে একাত্তরের যীশু, গেরিলা ও আলফার উল্লেখযোগ্য।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক (২০২০) সহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরষ্কার-সম্মাননা পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১।
২৬৫.
”ভুলব না, ভুলব  না, একুশে ফ্রেব্রুয়ারি ভুলব না” গানের রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. আ ন ম গাজীউল হক
  4. আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আ ন ম গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ ন ম গাজীউল হক
ব্যাখ্যা

- একুশের প্রথম গান রচনা করেন- ভাষা সৈনিক আ ন ম  গাজীউল হক।
- গানটির প্রথম চরণ- ”ভুলব না, ভুলব  না, একুশে ফ্রেব্রুয়ারি ভুলব না”।
- ”দূর হটো দূর হটো আই দুনিয়াওলালো, হিন্দুস্থান হামারা হায়”- জনপ্রিয় হিন্দি গান থেকে এ গানের সুর নেওয়া হয়।
- ১৯৫৩ সালের একুশে ফ্রেবুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬৬.
নিম্নের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস? 
  1. চিলেকোঠার সেপাই
  2. জলাঙ্গী
  3. তালপাতার সেপাই
  4. ওঙ্কার
সঠিক উত্তর:
জলাঙ্গী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাঙ্গী
ব্যাখ্যা

জলাঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জলাঙ্গী'।
- রচনা করেছেন শওকত ওসমান।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শওকত ওসমান চারটি উপন্যাস রচনা করেন। উপন্যাসগুলো হচ্ছে 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' (১৯৭১), 'দুই সৈনিক' (১৯৭২), 'জলাঙ্গী' (১৯৭৩) এবং 'নেকড়ে অরণ্য'

অন্যদিকে,
- 'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি উপন্যাসটি।
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।

উৎস: যুগান্তর।

২৬৭.
‘মােরা একটি ফুলকে বাঁচাবাে বলে যুদ্ধ করি’ বিখ্যাত এ বাংলা গানটির রচয়িতা কে?
  1. মোস্তফা মজুমদার
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. নজরুল ইসলাম বাবু
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা

 মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটি দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ।
- ‘জয়বাংলার গান’ রূপে পরিচিত গোবিন্দ হালদারের সঙ্গীতগুলো 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' থেকে প্রচারিত হত।

উৎস: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো এবং বাংলাপিডিয়া।

২৬৮.
‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের কাহিনি কোন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. আর্তনাদ
  3. আলোহারা 
  4. আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
ব্যাখ্যা
‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র,
- এটি পরিচালনা করেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
- এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এবং এর কাহিনি সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ অবলম্বনে রচিত।
- চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য যৌথভাবে রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
- গেরিলা মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো।
২৬৯.
বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের প্রথম কত চরণ বাজানো হয়?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার সোনার বাংলা' গানের প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত।
- গানটির প্রথম ১০ চরণ কণ্ঠসংগীত এবং প্রথম ৪ চরণ যন্ত্রসংগীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭০.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক?
  1. রাইফেল রোটি আওরাত
  2. বীরাঙ্গনা কাব্য
  3. দুই সৈনিক
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে মেধাবী কবি, নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫- ২০১৬)।
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক।
- নাট্যকার পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকে গ্রাম্য মোড়লের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান ও তার বহুরূপী ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের শোষণ বঞ্চনার নাগপাশ ছিন্ন করে এদেশের মানুষ একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তির সংগ্রামে।
- তবে এক শ্রেণির মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধাচরণ করেছিল।
- নাটকে সেই শ্রেণিচরিত্রকে মুখ্য করে নাট্যকার নির্মাণ করেন রাজাকার চরিত্র।
- এ ছাড়া নাট্যকার সুকৌশলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ধর্মের ব্যবহার, নারী- নির্যাতন, সাধারণ মানুষের সম্পদ লুণ্ঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের নির্যাতন এবং সর্বোপরি স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক-দালাল মাতবরের নির্মম পরিণতি উপস্থাপন করেছেন।

উৎস: জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি জার্নাল অব আর্টস।
২৭১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হুলিয়া’র নির্মাতা?
  1. ক) চাষি নজরুল ইসলাম
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
গ) তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র - হুলিয়া
- এটি নির্মাণ করেন তানভীর মোকাম্মেল। 
- ষাটের দশকে প্রগতিশীল সংগঠনের কর্মীদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যে হুলিয়া বুকে নিয়ে ঘরছাড়া এক তরুণকে নিয়ে লেখা কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতাকে ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে এনেছেন তানভীর মোকাম্মেল।

তানভীর মোকাম্মেলের নদীর নাম মধুমতি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ চলচিত্র
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা-র পরিচালক আলমগীর কবির

উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট 

২৭২.
‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. বাউল আব্দুল করিম
  2. হাসন রাজা
  3. লালন শাহ
  4. মনসুর বয়াতি
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা
- হাসন রাজা মরমি কবি ও সাধক হিসেবে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- তিনি ১৮৫৪ সালের ২৪ জনিুয়ারি সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি আঞ্চলিক ভাষা প্রায় এক হাজার গান রচনা করেন।
তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রযেছে:
- ‘লোকে বলে, বলে রে, ঘর বাড়ী ভালা না আমার’
- ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’ প্রভৃতি।
- তিনি ১৯২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২৭৩.
'জয় বাংলা, বাংলার জয়' গানটির সুর করেন কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. রথীন্দ্রনাথ রায়
  3. সমর দাস
  4. আনোয়ার পারভেজ
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে কালজয়ী ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটি সারা জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছে, সেই গানের সুরস্রষ্টা আনোয়ার পারভেজ।
-  গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 

উল্লেখ্য,
‘জয় বাংলা বাংলার জয়
জয় বাংলা বাংলার জয়
হবে হবে হবে হবে নিশ্চয়
কোটি প্রাণ এক সাথে জেগেছে অন্ধ রাতে
নতুন সূর্য ওঠার এই তো সময়...’

উৎস: প্রথম আলো।
২৭৪.
’মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. আব্দুল জব্বার খান
  2. তারেক মাসুদ
  3. হুমায়ুন আহমেদ
  4. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল জব্বার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র পরিচালক আব্দুল জব্বার খান।
- মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্র পরিচালক আব্দুল জব্বার খান।
- ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাতা হীরালাল সেন।
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জনক আব্দুল জব্বার খান।

⇒ উল্লেখ্য,
হুমায়ন আহমেদ:
- আগুনের পরশমণি।
- শ্রাবণ মেঘের দিন।
- নয় নম্বর বিপদ সংকেত।

তারেক মাসুদ:
- মাটির ময়না।
- মুক্তির গান।
- আদম সুরত।

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ।
২৭৫.
“আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” -কে লিখেছেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়। এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এ গান প্রচার করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
২৭৬.
‘ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানটি কোন নাটকে আছে?
  1. সিরাজদৌল্লাহ
  2. নূরজাহান
  3. সাজাহান
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
ব্যাখ্যা

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত ঐতিহাসিক নাটক ‘সাজাহান’ -এ এই গানটি ছিল।
- মোগল সম্রাট সাজাহানের করুণ পরিণতি ও ছেলে আরঙ্গজেবের ক্ষমতাগ্রহণকে কেন্দ্র করে এই নাটকটি রচিত হয়েছে।
তাঁর অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটক হলো :
- প্রতাপসিংহ
- দুর্গাদাস
- মেবার পতন
- নূরজাহান
- চন্দ্রগুপ্ত
- সিংহল বিজয়
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

২৭৭.
‘বাঙলা’ চলচ্চিত্রটি কোন উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত?
  1. ক) যাত্রা
  2. খ) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
  3. গ) চিলেকোঠার সেপাই
  4. ঘ) ওঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওঙ্কার
ব্যাখ্যা
• ওঙ্কার:
- ‘ওঙ্কার’ উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা হয়েছে।
- আহমদ ছফা রচিত ওঙ্কার উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে। 
- আহমদ ছফা রচিত এই উপন্যাসের নায়ক, আবু নসরের বোবা মেয়েকে বিয়ে করে। আবু নসরের সঙ্গে আইয়ুব খানের সম্পর্ক থাকায় সে এক ধরনের ক্ষমতা লাভ করে। আর এই ঘটনার সূত্র ধরে উপন্যাসটির কাহিনী গতি লাভ করেছে।
- ওঙ্কার উপন্যাস অবলম্বনে 'বাঙলা' চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। 

• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- সূর্য তুমি সাথী,
- ওঙ্কার,
- মরণ বিলাস,
- গাভি বিত্তান্ত,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- বিহঙ্গ পুরাণ,
- একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন।

অন্যদিকে,
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত প্রথম উপন্যাস - চিলেকোঠার সেপাই।
• আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস তেইশ নম্বর তৈলচিত্র।
• যাত্রা- শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৭৮.
'একাত্তরের বর্ণমালা' বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) এম আর আখতার মুকুল
  2. খ) সুফিয়া কামাল
  3. গ) রাবেয়া খাতুন
  4. ঘ) মেজর রফিকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক) এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘একাত্তরের বর্ণমালা’ বইটির রচয়িতা এম আর আখতার মুকুল।
তার রচিত অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে:
- আমি বিজয় দেখেছি
- মুজিবের রক্ত লাল প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- সুফিয়া কামাল রচিত বই: একাত্তরের ডায়েরি
- রাবেয়া খাতুন রচিত বই:
- একাত্তরের নিশান
- ফেরারি সূর্য
- বাগানের নাম মালিনীছড়া
- মেজর রফিকুল ইসলাম রচিত বই:
- একাত্তরের বিজয় গাথা
- শেখ মুজিব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
- প্রতিরোধের প্রথম প্রহর প্রভৃতি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌমিত্র শেখর)
২৭৯.
‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্রটি কোন ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত? 
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ছয় দফা আন্দোলন
  4. গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’।
- চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- এর নামকরণে ফুটে উঠেছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চলাকালে বাংলা মাস ফাল্গুনের নামটি।
- এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, আবুল হায়াত ও রওনক হাসানের মতো অভিনয়শিল্পীরা।

⇒ ফাগুন হাওয়ায় ছবিতে এক মফস্বল শহরে ভাষা আন্দোলনের সময়ে মানুষের ভাবনা, আন্দোলন আর চেতনাকে রূপক অর্থে তুলে ধরেছেন তৌকীর আহমেদ।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা ‘বউ কথা কও’ গল্প অবলম্বনে।

তথ্যসূত্র:
i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) প্রথম আলো।

২৮০.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা 'মাগো ওরা বলে' এর লেখক কে?
  1. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  4. সিকান্দার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে — আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত বিখ্যাত কবিতা — 'মাগো ওরা বলে'।

মাগো ওরা বলে- কবিতা, 
রচয়িতা- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। 

“কুমড়ো ফুলে ফুলে
নুয়ে পড়েছে লতাটা,
সজনে ডাঁটায়
ভরে গেছে গাছটা,
আর আমি
ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।
------------------
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন কবি ও সরকারি কর্মকর্তা।
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: 
- সাত নরীর হার,  
- কখনো রং কখনো সুর,  
- কমলের চোখ,  
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,  
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,  
- প্রেমের কবিতা, 
- নির্বাচিত কবিতা,  
- আমার সকল কথা,  
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘মাগো ওরা বলে’ কবিতা।
২৮১.
বাংলাদেশের কোন চলচ্চিত্রটি ২০১৬ সালের জন্য শ্রেষ্ঠ বলে মনোনিত হয়েছে?
  1. ক) অজ্ঞাতনামা
  2. খ) আয়নাবাজি
  3. গ) অস্তিত্ব
  4. ঘ) শংখচিল
সঠিক উত্তর:
ক) অজ্ঞাতনামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অজ্ঞাতনামা
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৮২.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ নির্মাতা কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খান আতাউর রহমান
  3. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  4. নারায়ণ ঘোষ মিতা
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী:
- যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা নারীকে মর্যাদাদান এবং যুদ্ধ শিশুদের বরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে এ সিনামায়।
- এর নির্মাতা: সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
- এর বিখ্যাত গান: মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে।

কয়েকটি বিখ্যাত  চলচ্চিত্র:
- সংগ্রাম, নাটক নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- আবার তোরা মানুষ হ, চলচ্চিত্রটির প্রযোজক খান আতাউর রহমান। 
- আলোর মিছিল, এই সিনেমার নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র: ওরা ১১ জন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
২৮৩.
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. জহির রায়হান
  4. তৌকির আহমেদ
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

জীবন থেকে নেয়া:
• পটভূমি - একটি দেশ। একটি সংসার। একটি চাবির গোছা। একটি আন্দোলন। নান্দনিক পোস্টারের এই স্লোগান পড়ে মনে হতে পারে কয়েকজন নারী আর একটি চাবির গোছা নিয়ে এক আটপৌরে বাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু সেটি ছিল আসলে একটি রাষ্ট্রের গল্প। রাষ্ট্রের অধিকার আদায়ের গল্প। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির গল্প।

- চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন জহির রায়হান।
- চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণ করেন আফজাল চৌধুরী।
- আনিস ফিল্মস করপোরেশনের পরিবেশনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল চলচ্চিত্রটি।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন খান আতাউর রহমান, আনোয়ার হোসেন, শওকত আকবর, রওশন জামিল, রাজ্জাক, রোজী সামাদ, আমজাদ হোসেন।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত হয়েছে আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি যা পরবর্তীকালে একুশের প্রভাতফেরীর অত্যাবশ্যকীয় গান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এছাড়াও সিনেমাটির সঙ্গীত নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহার হয় কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি যা আন্দোলন কর্মীদের গুরুত্বকে পর্দায় ফুটিতে তোলে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩।

২৮৪.
'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি কত সালে রচিত হয়?
  1. ক) ১৯০৫
  2. খ) ১৯০৬
  3. গ) ১৯১২
  4. ঘ) ১৯১৩
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত। এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি পরে তার ‘গীতবিতান’ গ্রন্থের স্বরবিতান অংশে অন্তর্ভূক্ত। এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে। উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮৫.
একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. শ্যামল ছায়া
  2. আবার তোরা মানুষ হ
  3. জীবন থেকে নেয়া
  4. ওরা ১১ জন
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা

- একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা জীবন থেকে নেয়া।
- সিনেমাটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
- এতে অভিনয় করেন রাজ্জাক, সুচন্দা, আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান ও রওশন জামিল।
- এ ছবির চিত্রগ্রাহক আফজাল চৌধুরী।
- চলচ্চিত্রের গানগুলোয় সুরারোপ করেন খান আতাউর রহমান।
- জীবন থেকে নেয়া সিনেমার পরিবেশক আনিস ফিল্ম। মুক্তি পায় ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল।
- এই চলচ্চিত্রে এক গৃহকর্ত্রীর স্বেচ্ছাচারী ভূমিকার মাধ্যমে পাকিস্তানি স্বৈরতন্ত্রকে তুলে ধরা হয়েছে।

 অন্যদিকে,
- শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন বাংলাদেশী যুদ্ধভিত্তিক নাট্য চলচ্চিত্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

২৮৬.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে? 
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল আহাদ
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• একুশে ফেব্রুয়ারি:
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির সুরকার — আলতাফ মাহমুদ।
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি -গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

২৮৭.
‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. সোহেল রানা
  2. তৌকির আহমেদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’।
- চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- এর নামকরণে ফুটে উঠেছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চলাকালে বাংলা মাস ফাল্গুনের নামটি।
- এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, আবুল হায়াত ও রওনক হাসানের মতো অভিনয়শিল্পীরা।

⇒ ফাগুন হাওয়ায় ছবিতে এক মফস্বল শহরে ভাষা আন্দোলনের সময়ে মানুষের ভাবনা, আন্দোলন আর চেতনাকে রূপক অর্থে তুলে ধরেছেন তৌকীর আহমেদ।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা ‘বউ কথা কও’ গল্প অবলম্বনে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) প্রথম আলো।

২৮৮.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. স্টপ জেনোসাইড
  2. ধূসর যাত্রা
  3. আগামী
  4. চাকা
সঠিক উত্তর:
আগামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগামী
ব্যাখ্যা

প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'আগামী'।
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম ৷
- মোরশেদুল ইসলামের চলচ্চিত্র পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছিল ১৯৮৪ সালে।
- যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের গল্প তুলে ধরা হয়েছে ২৫ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে।
- ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে চট্টগ্রামে সিনেমাটি প্রথম প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
- সিনেমাটি প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

২৮৯.
একুশের প্রভাতফেরীর প্রথম গানের রচয়িতা কে?
  1. ক) আ ন ম গাজীউল হক
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৫৩ সালের প্রথম শহিদ দিবসের প্রথম প্রচাতফেরীতে গাওয়া গান হলো- 
"মৃত্যুকে যারা তুচ্ছ করিল
ভাষা বাচাবার তরে
আজিকে স্মরিও তারে"
- গানটির রচয়িতা প্রকৌশলী মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯০.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ঘেটুপুত্র কমলা
  2. দুই দুয়ারী
  3. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
  4. আমার আছে জল
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৯১.
মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে ১৯৭১ সালে কোন প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মিত হয়?
  1. স্টপ জেনোসাইড
  2. ইনোসেন্ট মিলিয়নস
  3. আ স্টেট ইজ বর্ন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রামাণ্যচিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ১৯৭১ সালে চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়।
- এসব প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি মিলিটারির গণহত্যা ও নৃশংসতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানানো।
- এ ছাড়া শরণার্থীদের দেশত্যাগ ও আশ্রয়শিবিরের দুঃখ-যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে এসব প্রামাণ্যচিত্রে।
- এগুলো হলো জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’, ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’; আলমগীর কবিরের ‘লিবারেশন ফাইটার্স’ ও বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’।
- জহির রায়হান চারটি প্রামাণ্যচিত্রের নাম দেন ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র’।

উৎস: প্রথম আলো।
২৯২.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক 'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরী করেছেন কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯৩.
নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার সময় পরিবেশিত গানের নাম কী?
  1. ক) জারিগান
  2. খ) টপ্পা গান
  3. গ) সারি গান
  4. ঘ) ভাটিয়ালি
সঠিক উত্তর:
গ) সারি গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সারি গান
ব্যাখ্যা
সারি গান:

- সারি গান এক প্রকার লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।
- দলবদ্ধভাবে গানের তালে তালে কাজ করলে শ্রম লাঘব হয়, কাজে উদ্দীপনা বাড়ে এবং কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়। এ কারণে শ্রমিকদের মধ্যে সারি গানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৯৪.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরী করেছেন -
  1. মফিজুল হক
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সত্য সাহা
  4. ফিরোজ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৫.
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. চন্দ্রকথা
  2. শ্রাবণ মেঘের দিন
  3. জয়যাত্রা
  4. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ:

- 'মুক্তির গান' হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত চলচ্চিত্র নয়।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

জয়যাত্রা তৌকীর আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র; যা ২০০৪ সালে মুক্তি পায়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৯৬.
'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) হুমায়ূন আহমেদ
  2. খ) লালন শাহ
  3. গ) হাছন রাজা
  4. ঘ) পাগলা কানাই
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা লালন শাহ।

লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না।
- তাই তিনি গেয়েছেন: ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে/ লালন কয় জাতির কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।’
- তাঁর জনপ্রিয় গান- 
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’,
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’,
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯৭.
চাকমা ভাষায় নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. দাভা টেঙা
  2. মর থেংগারি
  3. পোড়া কবাল্লে
  4. ম মনান হিঙিরী বুঝেম
সঠিক উত্তর:
মর থেংগারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মর থেংগারি
ব্যাখ্যা
মর থেংগারি:
- মর থেংগারি বাংলাদেশে নির্মিত চাকমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র।
- পরিচালক: অং রাখাইন।
- চাকমা ভাষায় 'মর থেংগারি' শব্দের অর্থ আমার বাইসাইকেল।

উল্লেখ্য,
- এক চাকমা পুরুষকে ঘিরে এই চলচ্চিত্রটির কাহিনী, যার শেষ সম্বল একটি বাইসাইকেল।
- এই চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ্য ৬৪ মিনিট।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি। 
২৯৮.
’আবার তোরা মানুষ হ’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. তারেক মাসুদ
  3. খান আতাউর রহমান
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:  
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমা ।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'। পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম। 
- হারুনর রশীদ পরিচালিত 'মেঘের অনেক রং' সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। 
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা'।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস থেকে নির্মিত হয় সিনেমাটি।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। 

২৯৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র “নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ” এর পরিচালক কে ?
  1. তারেক মাসুদ
  2. মাসুদ পথিক
  3. নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
মাসুদ পথিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসুদ পথিক
ব্যাখ্যা

- মাসুদ পথিক “নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ” চলচ্চিত্রের পরিচালক । এটি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা অবলম্বনে নির্মিত।

- একাত্তরের যীশু ও গেরিলা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু পরিচালিত চলচ্চিত্র ।
- আগুনের পরশমণি শ্যামল ছায়া হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- মুক্তির কথা তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পথিক পরিচালিত চলচ্চিত্র।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৩০০.
‘কলকাতায় মুজিব’ তথ্যচিত্রটি নির্মান করেছেন কে?
  1. শ্যামল দত্ত
  2. জহির রায়হান
  3. নীলাদ্রি শেখর
  4. গৌতম ঘোষ
সঠিক উত্তর:
গৌতম ঘোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌতম ঘোষ
ব্যাখ্যা
‘কলকাতায় মুজিব’ তথ্যচিত্র
- বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনে কলকাতা শহরের বড় ভূমিকা রয়েছে।
- সে বিষয়টিকে উপজীব্য করেই ‘কলকাতায় মুজিব’ শীর্ষক তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত  চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ।
- বঙ্গবন্ধুর কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়া, বেকার হোস্টেলে থাকা, কলকাতায় ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে পড়া, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে মুসলিম লীগ অফিসে রাত কাটানো, ৪৩’র দুর্ভিক্ষের সময় দুস্থ-নিরন্ন মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, কলকাতা দাঙ্গার সময় বিপন্ন-দুর্গত মানুষদের আশ্রয় দান ও দাঙ্গা দমনে সহায়তা করা ছাড়াও সমসাময়িক ঘটনাবলী এবং স্বাধীনতা পরবর্তী ’৭২ সালে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানের জনসমুদ্রে ভাষণ, ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাড়ির কিছু করুণ স্মৃতিসহ আরও অনেক কিছু বঙ্গবন্ধুর প্রিয় এই শহরের অলিগলি থেকে তুলে এনে তথ্যচিত্রটিতে ক্যামেরাবন্দি করেছেন পরিচালক গৌতম ঘোষ।
- ‘কলকাতায় মুজিব’ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হচ্ছে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের যৌথ প্রযোজনায়।

সূত্র- প্রথম আলো।