বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র

মোট প্রশ্ন৩৯০এই পাতা৮৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩৮৮ / ৩৯০

৩০১.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না, ওরা আসবে চুপি চুপি' এই জনপ্রিয় গানের সুরকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  3. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান:
- নজরুল ইসলাম বাবু এর লেখা কালজয়ী গান: 'সবকটা জানালা খুলে দাও না', গানটির সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার, গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ। 

এছাড়াও,
- একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যাঁরা’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা ও গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।   
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট  এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০২.
‘চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি কোন প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত হয়েছে?
  1. দেশভাগ 
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. স্বদেশী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
দেশভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশভাগ 
ব্যাখ্যা

- ’চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি দেশ ভাগ নিয়ে নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের জীবনী।
- চিত্রা নদীর পাড়ে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৮ সালের নির্মিত চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৯৯ সালে ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
• তানভীর মোকাম্মেল বিখ্যাত কয়েকটি চলচ্চিত্র:
- নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, লালন, রাবেয়া, জীবনঢুলী ও রূপসা নদীর বাঁকে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৩০৩.
আমদের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ করেছেন কোন কবি?
  1. ক) সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন
  2. খ) সৈয়দ আলী আহসান
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজীতে অনুবাদ করেন। তার রচিত অনুবাদ মূলক কাব্যগ্রন্থঃ হুইট্ম্যানের কবিতা, ইডিপাস ইত্যাদি। তার অন্যান্য কাব্যঃ অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, সহসা সচকিত, উচ্চারণ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০৪.
নিম্নের কোনটি থেকে ‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্রের কাহিনী রচিত হয়েছে?
  1. আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
  2. হুমায়ূন আহমেদের গল্প থেকে
  3. সেলিনা হোসেনের গল্প থেকে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
ব্যাখ্যা
‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল। 
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৩০৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক -
  1. ক) রুবাইয়াত হোসেন
  2. খ) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  3. গ) মোরশেদুল ইসলাম
  4. ঘ) তৌকীর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক - মোরশেদুল ইসলাম।
- আগামী মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ১৯৮৪ সালের বাংলাদেশী স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক এই চলচ্চিত্রের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এতে অভিনয় করেছেন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ফাহমিদা পারভীন মিঠু, আলী যাকের, মুজিবুর রহমান দিলু, রওশন জামিল প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৩০৬.
“জীবন থেকে নেয়া” চলচ্চিত্রটি কত সালে মুক্তি পায়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

'জীবন থেকে নেওয়া':
- 'জীবন থেকে নেওয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়৷
- চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।

ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

• ১৯৫৬ সালে জহির রায়হান চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র “কখনও আসেনি” মুক্তি পায়। তারপর একের পর এক তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকে।

এসব চলচ্চিত্র হলো:
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- জীবন থেকে নেয়া,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম এবং
- বাহানা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩০৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র-
  1. আলোর মিছিল
  2. রক্তাক্ত বাংলা
  3. অস্তিত্বে আমার দেশ
  4. বাঘা বাঙালি
সঠিক উত্তর:
অস্তিত্বে আমার দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্তিত্বে আমার দেশ
ব্যাখ্যা

• ২৯ অক্টোবর, ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
• তাঁর পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায়।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন।
• ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ছিনতাই করে নিয়ে দেশে ফেরার পথে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
• তাঁকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'অস্তিত্বে আমার দেশ'।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও নরসিংদী জেলার ওয়েবসাইট।

৩০৮.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. আবার তোরা মানুষ হ
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. কখনও আসেনি
  4. মাটির ময়না
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না:
- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে মাসুদের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
- এই চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম। - ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সময় নিউজ, ১৩ এপ্রিল ২০২২।
৩০৯.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক-
  1. জহির রায়হান 
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
  4. খান আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:  
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা'।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস থেকে নির্মিত হয় সিনেমাটি।
- ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন- 
- জয়া আহসান, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।

• মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো:
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমা ।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'। পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম। 
- হারুনর রশীদ পরিচালিত 'মেঘের অনেক রং' সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। 
- প্রথম সিনেমা 'আগুনের পরশমণি' দিয়েই পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে হুমায়ূন আহমেদের। 

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।

৩১০.
‘বল নৃত্য’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. যশোর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
যশোর অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ বল নৃত্য এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যান নাচ হলো জারি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি - বাংলা একাডেমি)
৩১১.
‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ নামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিটির পরিচালক ছিলেন-
  1. জহির রায়হান
  2. শাহরিয়ার কবির
  3. খান আতাউর রহমান
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা

- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।

• অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২):
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। 
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান। 
- কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় নিজের বিবেকের দংশন। 
- এভাবেই এগিয়ে চলে ছবিটির গল্প। 
- ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেন সত্য সাহা। 
- ছবিতে দারুণ লাগসইভাবে ব্যবহৃত হয় আপেল মাহমুদের কণ্ঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানটি।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

৩১২.
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার'-প্রামাণ্য চিত্রটি নির্মাণ করেছেন কে?
  1. অতুল তিওয়ারি
  2. কিশোর চৌধুরী
  3. শামা জাইদি
  4. শ্যাম বেনেগাল
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- ‘মুজিব’ শুধু একটি সিনেমা নয়, বাংলাদেশের ইতিহাসের অমূল্য প্রামাণ্য চিত্রও।
- সিনেমাটির প্রতিটি দৃশ্যে রূপায়ণ করা হয়েছে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক জীবনকে।
- তার জীবনী নিয়ে নির্মিত হওয়া ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো বায়োপিক।
- সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। 
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি। 
- এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে।

এছাড়া,
- রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা,
- শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া,
- শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর,
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ,
- তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ,
- এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চুসহ অনেকেই অভিনয় করেছেন।

উৎস: ১৪ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
৩১৩.
বঙ্গবন্ধু রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. চিরঞ্জীব মুজিব
  2. 'মুজিব' একটি জাতির রূপকার
  3. দ্য অল টাইম হিরো
  4. মুজিব আমার পিতা
সঠিক উত্তর:
চিরঞ্জীব মুজিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরঞ্জীব মুজিব
ব্যাখ্যা
চিরঞ্জীব মুজিব:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র হলো চিরঞ্জীব মুজিব।
- এটির পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- হায়দার এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্রটি আগস্ট মাসে মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করেন আহমেদ রুবেল।

অন্যদিকে -
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুর আলোচিত ইংরেজি তথ্যচিত্র 'দ্য অল টাইম হিরো'- এর বাংলায় নির্মিত শিরোনাম 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি'। এটি পরিচালনা করেন নোমান রবিন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলেবেলা নিয়ে সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র 'টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা'।
- বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় এবং ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিতব্য জীবনীচিত্রের নাম 'মুজিব', যার ট্যাগলাইন 'একটি জাতির রূপকার', ইংরেজিতে 'MUJIB: THE MAKING OF A NATION'.

উৎস: ১ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
৩১৪.
বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র আর্কাইভ কবে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৮
  3. ১৯৮২
  4. ১৯৮৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
ব্যাখ্যা
চলচ্চিত্র আর্কাইভ: 
- চলচ্চিত্রের প্রিন্ট এবং চলচ্চিত্র সংক্রান্ত যাবতীয় নিদর্শনের বৈজ্ঞানিক সংগ্রহশালা ও সংরক্ষণাগার।
- হেনরি ল্যাংলোয়া ১৯৩৫ সালে ফ্রান্সে পৃথিবীর প্রথম চলচ্চিত্র বা ফিল্ম আর্কাইভ স্থাপন করেন।
- চলচ্চিত্র আর্কাইভে ছবির প্রিন্ট, চলচ্চিত্রের ইতিহাস, বইপুস্তক, পত্র-পত্রিকা, স্থিরচিত্র, ট্রেলার, সেন্সর সার্টিফিকেট, ডিস্ক, ক্যাসেট, টেপ, চিত্রনাট্য, পোস্টার, ব্যানার ও অন্যান্য নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
- এ ছাড়াও এখানে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়; পত্রিকা, বই, ক্যাটালগ ও বুলেটিন প্রকাশ করা হয়; গবেষণা ও জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৮ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র আর্কাইভ স্থাপিত হয়।
- এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান নির্বাহীর পদবি মহাপরিচালক (আগে পদবি ছিল কিউরেটর)।
- প্রতিষ্ঠালগ্নে সংস্থাটির নাম ছিল বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড আর্কাইভ (বিফিয়া)।
- ১৯৮৪ সালে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং ফিল্ম আর্কাইভকে আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়।
- প্রতিষ্ঠাপর্বে কিউরেটর এ.কে.এম আব্দুর রউফের নেতৃত্বে ফিল্ম আর্কাইভের কাজ শুরু হয় রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে ভাড়া করা এক বাড়িতে।
- ১৯৮৬ সালে  তা প্রথমে শেরে-বাংলা নগরস্থ গণভবন এলাকায় এবং ১৯৯৮ সালে লালমাটিয়া এলাকায়, পরে ২০০৮ সালে শাহবাগস্থ বেতার ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- আগারগাঁও এলাকায় ‘ফিল্ম কমপ্লেক্স’ স্থাপনের একটি সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ফিল্ম আর্কাইভের দপ্তর সেখানে স্থায়িভাবে স্থানান্তর করা হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩১৫.
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. খান আতাউর রহমান
  3. নারায়ণ ঘোষ মিতা
  4. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী:
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে নির্মিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।
৩১৬.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র 'মেঘের অনেক রং' কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মেঘের অনেক রং:
- মেঘের অনেক রং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়।
- যুদ্ধের সময় রুমা নামের একজন চিকিৎসকের স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়।
- এরপর সন্তানসহ কীভাবে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, এর মর্মস্পর্শী চিত্র রয়েছে।
- এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।
৩১৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ত্রিমাত্রিক (3D) চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. স্ফুলিঙ্গ
  2. অলাতচক্র
  3. নরকের লাল গোলাপ
  4. আলোর মিছিল
সঠিক উত্তর:
অলাতচক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলাতচক্র
ব্যাখ্যা

অলাতচক্র:
- দেশের প্রথম ত্রিমাত্রিক (3D) সিনেমা ‘অলাতচক্র’।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
- এটি পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।

⇒ ‘অলাতচক্র’ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ ছবিতে তায়েবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও দানিয়েল চরিত্রে আহমেদ রুবেল।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৩১৮.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. গুরু দত্ত
  2. শিবু সিরিল
  3. শ্যাম বেনেগাল
  4. বিশাল ভরদ্বাজ
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত হওয়া ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো বায়োপিক।
- সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি।

এছাড়া,
- রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা,
- শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া,
- শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর,
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ,
- তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ,
- এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চুসহ অনেকেই অভিনয় করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৩১৯.
"Millions of babies watching the skies/ Bellies swollen, with big round eyes" চরণ দুটির রচয়িতা কে?
  1. রড স্টুয়ার্ট
  2. জর্জ হ্যারিসন
  3. বব ডিলান
  4. এ্যালেন গিন্সবার্গ
সঠিক উত্তর:
এ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যালেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

• "Millions of babies watching the skies/ Bellies swollen, with big round eyes" চরণ দুটির রচয়িতা এলেন গিন্সবার্গ।
- এটি তার বিখ্যাত কবিতা সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড এর অন্তর্গত।

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড (September on Jessore Road):

- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড- বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা। 

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা এদেশে হামলা করলে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী জনগণ অস্থায়ী শরণার্থী হিসেবে ভারতে গমন করে। সে সময় নিরাপদে ভারতের ভূখণ্ডে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের পথ হিসেবে শরণার্থীরা বেছে নেয় এই যশোর রোডকে।
- ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ভারতের কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌছান।
- সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। 
- দেশে ফিরে গিন্সবার্গ একটি কবিতা লেখেন: 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি।
- এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। 
- ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর কবিতাটি নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৩২০.
‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়……’ গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) সত্যব্রত বিশ্বাস
  2. খ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  3. গ) নচিকেতা ঘোষ
  4. ঘ) হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
খ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
ব্যাখ্যা

‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়……’
গানটির কথা লিখেছেন / গীতিকার - গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
সুর দিয়েছেন - নচিকেতা ঘোষ , হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
কণ্ঠ - হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, গীতা দত্ত

৩২১.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খা'র জন্ম কোন জেলায়-
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খা কে সুর সম্রাট বলা হয়। তার জন্ম ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শিবপুর গ্রামে। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের রাগ সঙ্গীতকে পাশ্চাত্যে পরিচিত করেন। তার বড় ভাই ছিলেন বিখ্যাত সুরসাধক ওস্তাদ আফতাব উদ্দিন খা। আলী আকবর খা এবং অন্নপূর্ণা দেবী তার ছেলে ও মেয়ে। পণ্ডিত রবিশংকর ছিলেন তার শিষ্য ও জামাতা। (সূত্রঃ বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া - বাংলা একাডেমি)
৩২২.
'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির রচয়িতা কে?
  1. আনোয়ার পারভেজ
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা বাংলার জয়:
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

উল্লেখ্য,
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

উৎস: ১৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
৩২৩.
Stop Genocide (স্টপ জেনোসাইড) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. শহীদুল্লা কায়সার
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২৪.
প্রামাণ্যচিত্র ‘A State Is Born’ কে নির্মাণ করেন?
  1. গীতা মেহতা
  2. মোস্তফা কামাল
  3. জহির রায়হান
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
A State Is Born:
- ‘এ স্টেট ইজ বর্ন’ প্রামাণ্যচিত্রর নির্মাতা জহির রায়হান।
- এটি ‘জাতীয় মুক্তিসংগ্রামভিত্তিক চলচ্চিত্র’-এর দ্বিতীয় খণ্ড।
- ১৯ মিনিটের এ প্রামাণ্যচিত্রটি ৩৫ মি.মি. ফরম্যাটে নির্মাণ করা হয়েছিল।
- চিত্রনাট্য, প্রযোজনা ও পরিচালনা: জহির রায়হান,
- ধারা বর্ণনা রচনা ও পাঠ: আলমগীর কবির,
- চিত্রগ্রহণ– অরুণ রায়, সম্পাদনা: দেবব্রত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য,
- প্রামাণ্যচিত্রটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসকে চলচ্চিত্রের পর্দায় প্রতিফলিত করার চেষ্টা করে। এতে নির্মাতা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চিত্রায়িত করেছেন। প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের গঠন, যাবতীয় কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার কথা এ ছবিতে প্রতিফলিত হয়েছে। ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এ ছবির গুরুত্ব অপরিসীম। ছবিটির ইংরেজি ধারাভাষ্য বর্ণনা করেন আলমগীর কবির। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৩২৫.
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) চিরঞ্জীব মুজিব
  2. খ) মুজিব আমার পিতা
  3. গ) হাসিনা: আ ডটার’স টেল
  4. ঘ) দ্য অল টাইম হিরো
সঠিক উত্তর:
খ) মুজিব আমার পিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুজিব আমার পিতা
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
-  অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব'।
- হাসিনা: আ ডটার’স টেল এর পরিচালক পিপলু খান। 
- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র '৫৭০'।
- বঙ্গবন্ধুর আলোচিত ইংরেজি তথ্যচিত্র 'দ্য অল টাইম হিরো’-এর বাংলায় নির্মিত শিরোনাম 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি'। এটি পরিচালনা করেন নোমান রবিন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলেবেলা নিয়ে সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র 'টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা'।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৩২৬.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক?
  1. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. কবর
  3. নূরলদীনের সারাজীবন
  4. রক্তাক্ত প্রান্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক।

⇒ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।

⇒ তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য: নুরুলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন, গণনায়ক, বাংলার মাটি বাংলার জল ইত্যাদি।

অন্যদিকে -
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকের পটভূমি ভাষা আন্দোলন।
- সৈয়দ শামসুল হকের লেখা "নূরলদীনের সারাজীবন" একটি কাব্যনাটক, যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ব্রিটিশ শাসনামলে কৃষক বিদ্রোহ, যেখানে নূরলদীন নামের এক সাহসী কৃষকনেতা জমিদার ও নীলকরদের শোষণ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। 
- "রক্তাক্ত প্রান্তর" মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক। এটি মূলত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২৭.
বাংলাদেশের কোন চলচ্চিত্রটি বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছে?
  1. সুড়ঙ্গ
  2. মুজিব
  3. রেহানা মরিয়ম নূর
  4. বলী
সঠিক উত্তর:
বলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলী
ব্যাখ্যা
বলী:
- ২৮তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের নিউ কারেন্টস বিভাগে পুরস্কার জিতেছে ইকবাল হোসাইন চৌধুরী পরিচালিত ‌'বলী’ (দ্য রেসলার) সিনেমাটি।
- ১৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- বুসান উৎসবের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে পুরস্কারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
- নিউ কারেন্টস বিভাগে দুটি সিনেমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
-‌ 'বলী' ছাড়া এ বিভাগে পুরস্কার জিতেছে জাপানের ‌মোরি তাতসুয়ার ‘সেপ্টেম্বর ১৯২৩’।
- দুই সিনেমাই পুরস্কার হিসেবে ৩০ হাজার ডলার পেয়েছে।
- দক্ষিণ কোরিয়ার মিনিস্ট্রি অব কালচার স্পোর্টস অ্যান্ড ট্যুরিজমের সহযোগিতায় ও বুসান সিটি এবং কোরিয়ান ফিল্ম কাউন্সিলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়া উৎসবটি ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ক্যালন্ডারে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি অনুদানের ছবি ‘বলী’ (দ্য রেসলার)।
- ছবিটির প্রযোজক পিপলু আর খান।
- প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান।
- সাগরপাড়ের এক খ্যাপাটে জেলের চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে।

উৎস: ১৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
৩২৮.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পথের পাঁচালী
  3. গেরিলা
  4. নয়নমণি
সঠিক উত্তর:
গেরিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেরিলা
ব্যাখ্যা
• গেরিলা:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- এটি 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার' পেয়েছে।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।

অন্যদিকে, 
• 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ।
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।

• ‘ময়নামতি’:
কিংবদন্তী অভিনেতা নায়ক রাজ রাজ্জাক ও অভিনেত্রী কবরী অভিনীত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘ময়নামতি’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পূর্বকালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।

• নয়নমণি: 
 ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।

উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, প্রথম আলো, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২৯.
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র নিচের কোনটি?
  1. চন্দ্রকথা
  2. জয়যাত্রা
  3. দারুচিনি দ্বীপ
  4. লালসালু
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রকথা
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:

- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৩০.
'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. ইউসুফ আলী
  3. খান আতাউর রহমান
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩):
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো। 
৩৩১.
মারমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. ক) গিরিকন্যা
  2. খ) সাগরকন্যা
  3. গ) মেঘকন্যা
  4. ঘ) পাহাড়ীকন্যা
সঠিক উত্তর:
ক) গিরিকন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গিরিকন্যা
ব্যাখ্যা
- মারমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্রের নাম - তংস্মাসে (গিরিকন্যা)
- ‘গিরিকন্যা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ।
- অনুষ্ঠানে ‘গিরিকন্যা’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও কাহিনিকার চিকিৎসক মং উষা থোয়াই।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
৩৩২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ”যুদ্ধশিশু”এর পরিচালক কে?
  1. মমতাজ আলী
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
  4. আলমগীর কুমকুম
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "যুদ্ধশিশু" এর পরিচালক- মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত।

অন্যদিকে,
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- নদীর নাম মধুমতী- তানভীর মোকাম্মেল।
- আমার জন্মভূমি - আলমগীর কুমকুম।

• কয়েকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- বাঘা বাঙ্গালী - আনন্দ।
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- শ্লোগান - কবীর আনোয়ার।
- কার হাসি কে হাসে - আনন্দ।
- এখনো অনেক রাত খান আতাউর রহমান।
- '৭১-এর লাশ'- নাজিরউদ্দীন রিজভী।
- ইতিহাস কন্যা-শামীম আখতার।
- জয় বাংলা - ফখরুল আলম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো[লিঙ্ক]

৩৩৩.
ভাওয়াইয়া লোকসংগীত কোন জেলার?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

নরনারীর জীবন প্রবাহ, প্রেম বিরহ, ব্যাকুলতা, যৌন আবেগ, নারীর জীবন ইত্যাদি ভাওয়াইয়া গানের বিষয়বস্তু। বাংলাদেশের দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলে এগুলো বেশি প্রচলিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৩৪.
সরকারি অনুদানে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. সূর্য দীঘল বাড়ি
  3. গেরিলা
  4. আমার জন্মভূমি
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা
সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সরকার মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৭৬-৭৭ সাল থেকে চলচ্চিত্রে অনুদানের প্রথা চালু করে।

⇒ সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৭৯) ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র।  ১৯৭৬ সালে আড়াই লাখ টাকা করে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়।

⇒ এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৮০) ১৯৮০ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। জার্মান লেখক এরিখ কাস্টনার রচিত ‘এমিলের গোয়েন্দা দল’ কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়েছে। 

⇒ আগুনের পরশমণি (১৯৯৪) নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে হুমায়ূন আহমেদেরই পরিচালনায় নির্মিত হয় তার প্রথম চলচ্চিত্র। ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।

⇒ গেরিলা (২০১১) নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সমকাল।
৩৩৫.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার কে?
  1. নজরুল ইসলাম বাবু
  2. আপেল মাহমুদ
  3. আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  4. আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
ব্যাখ্যা
সব ক'টাজানালা খুলে দাও না:

- এটি একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান।
- গানের গীতিকার - নজরুল ইসলাম বাবু।
- সুরকার - আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩৬.
When was the movie "Mujib: The Making of a Nation" released?
  1. 7 October, 2023
  2. 13 October, 2023
  3. 15 October, 2023
  4. 17 October, 2023
সঠিক উত্তর:
13 October, 2023
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 October, 2023
ব্যাখ্যা
• মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ ১৩ অক্টোবর সারা দেশে মুক্তি পায়।
- এই চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা।
- বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া।
- বঙ্গবন্ধুর জীবন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম ও ১৯৭৫ সালের মর্মন্তুদ ঘটনাকে এই চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ভারত যৌথ প্রযোজনার এই মুভিটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাই ফিল্ম সিটিতে শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে সিনেমা নির্মাণ।

সূত্র: প্রথম আলো।
৩৩৭.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ গানের বর্তমান সুরকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. আব্দুল লতিফ
  4. সোহেল খান
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
 ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গান:
- "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।”
- এটি রচনা করেছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ছাত্রমিছিলে গুলি চালানোর প্রেক্ষাপটেই রচিত হয়েছিল কবিতাটি।
- এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ও মোহাম্মদ সুলতান কর্তৃক প্রকাশিত "একুশে ফেব্রুয়ারি" সংকলনে 'একুশের গান' হিসেবে ছাপা হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে।
- এটি প্রথমে সুর করেন আবদুল লতিফ।
- এবং বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয়, তা করেছেন- আলতাফ মাহমুদ।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ড সৌমিত্র শেখর।
৩৩৮.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র নিচের কোনটি?
  1. মেঘের অনেক রং
  2. সূর্য দীঘল বাড়ী
  3. বাঙলা
  4. পদ্মা মেঘনা যমুনা
সঠিক উত্তর:
বাঙলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙলা
ব্যাখ্যা

বাঙলা:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'বাঙলা'।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি লাভ করে ২০০৬ সালে।
- আহমদ ছফার উপন্যাস ‘ওঙ্কার’ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন শহীদুল ইসলাম খোকন।
- এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন হুমায়ুন ফরীদি, মাহফুজ আহমেদ ও শাবনূর সহ আরও অনেকেই।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বণিক বার্তা পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৩৯.
'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর' গানটির সুরকার কে?
  1. সমর দাস
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. রথীন্দ্রনাথ রায়
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৪০.
'কবর' নাটকটি কোন আন্দোলন নিয়ে রচিত হয়?
  1. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান 
  2. শিক্ষা আন্দোলন 
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. অসহযোগ আন্দোলন 
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নাটকের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরীর লেখা ‘কবর’ নাটকটি স্মরণীয় নাম।
- কারাগারের ভেতরে বসে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই নাটকটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা এবং মঞ্চস্থ করা হয়েছিল।
- 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে।
- রাতে কারাগারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হলে লণ্ঠনের আলোয় সেই নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ঢাকা কারাগারে।
- তখন কারাগারে থাকা কমিউনিস্ট নেতা রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ভাষা আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি ‘কবর’ নাটক লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক কারাবন্দী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকটি মুনীর চৌধুরী লেখা শেষ করেছিলেন ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আর জেলখানায় অভিনীত হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি।
- পরবর্তীতে এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশে মঞ্চায়িত হওয়া অন্যতম জনপ্রিয় নাটকে পরিণত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৩)
৩৪১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ এর পরিচালক কে?
  1. খান আতাউর রহমান
  2.  সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  3. আলমগীর কবির
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা ১১ জন:
- 'ওরা ১১ জন' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র।
- প্রযোজক: মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- পরিচালক: চাষী নজরুল ইসলাম (এটি তার পরিচালনায় প্রথম সিনেমা)।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে। এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।

৩৪২.
বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তি পায় কত সালে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।

৩৪৩.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
  2. অনন্য মামুন
  3. শ্যাম বেনেগাল
  4. শিহাব শাহীন
সঠিক উত্তর:
অনন্য মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্য মামুন
ব্যাখ্যা
রেডিও:

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘রেডিও’।
- চলচ্চিত্রটির প্রযোজক মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন অনন্য মামুন।
- অভিনয় করেছেন রিয়াজ, জাকিয়া বারী মম, লুৎফর রহমান জর্জ, নাদের চৌধুরী, প্রাণ রায় এবং এলিনা শাম্মীসহ অনেকেই।
- একটি গ্রামে ঐতিহাসিক সেই ৭ মার্চের ভাষণ শোনাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প।

তথ্যসূত্র - দ্য ডেইলি স্টার বাংলা, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩।
৩৪৪.
মমতাজউদদীন আহমদ রচিত 'বিবাহ' নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. দেশভাগ
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- ১৯৬০ সালে মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উৎস: The Daily Star Bangla.
৩৪৫.
মুক্তির গান চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোরশেদুল ইসলাম
  2. খ) তানভীর মোকাম্মেল
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) বাদল রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বাংলা প্রামাণ্য চিত্র। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
৩৪৬.
'খাঁচা' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. আকরাম খান
  2. তৌকির আহমেদ
  3. তারেক মাসুদ
  4. আবু শাহেদ ইমন
সঠিক উত্তর:
আকরাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকরাম খান
ব্যাখ্যা

• ২০১৭ সালে ৯০ তম অস্কারে যাওয়া বাংলাদেশী চলচ্চিত্র খাঁচা।
• এর পরিচালক আকরাম খান।
• তৌকির আহমেদ অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক।
• জালালের গল্প চলচ্চিত্রের পরিচালক আবু শাহেদ ইমন।
• মাটির ময়না চলচ্চিত্রের পরিচালক তারেক মাসুদ।

৩৪৭.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্ৰ করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম -
  1. ক) তর্জনী
  2. খ) রেডিও
  3. গ) মাইক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

• চলচ্চিত্র:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘তর্জনী’, রেডিও, মাইক।
- ‘তর্জনী চলচ্চিত্রের পরিচালক সোহেল রানা বয়াতী।
- ‘মাইক’ চলচ্চিত্রের গল্পকার, প্রযোজক ও পরিচালক এফ এম শাহীন।
- 'রেডিও' চলচ্চিত্রের পরিচালক অনন্য মামুন।

এছাড়াও,
- ‘তর্জনী’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য করছেন নির্মাতা শাহাদাত রাসেল।
- ‘মাইক’ সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাদের চৌধুরী।

উৎস: প্রথম আলো এবং কালেরকন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৪৮.
২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত তথ্যচিত্রটির নাম কী?
  1. রক্তাক্ত প্রহর
  2. তারুণ্যের জাগরণ 
  3. শ্রাবণ বিদ্রোহ
  4. মুক্তির পথ
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

• শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’।
- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে এই তথ্যচিত্র।
- তথ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান।
- জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের নৃশংস ও ভয়াবহ বাস্তবতার রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই ৩০ মিনিটের তথ্যচিত্রে।
- এ তথ্যচিত্রে আন্দোলনকালীন দুর্লভ ভিডিওচিত্র, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’-এর প্রিমিয়ার শো ৭ জুলাই, ২০২৫ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাসস। 

৩৪৯.
মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী গান 'জয় বাংলা বাংলার জয়' এর গীতিকার কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী গান 'জয় বাংলা বাংলার জয়' এর গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

জয় বাংলা বাংলার জয়:

- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- আনোয়ার পারভেজ ২০০৬ সালের ১৭ জুন মারা গেছেন।
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

এছাড়াও, 
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি'—এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা গোবিন্দ হালদার।
- মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণাদায়ক গান 'তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবো রে' গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ।

উৎস: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রাম।

৩৫০.
'নদীর নাম মধুমতি' চলচ্চিত্রটি কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. গ্রামীন জীবন
  4. ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নদীর নাম মধুমতি:
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘নদীর নাম মধুমতি’।
- 'নদীর নাম মধুমতি' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- এতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আফসানা মিমি, আলী যাকের, সারা যাকের, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ঝুনা চৌধুরী প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৫১.
বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'Let There Be light' কে পরিচালনা করেন?
  1. জহির রায়হান
  2. মৃণাল সেন
  3. খান আতাউর রহমান
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ ‘সূর্যগ্রহণ’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনও আসেনি’ মুক্তি পায়।
- তাঁর লিখিত বইগুলো হচ্ছে—‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘বরফ গলা নদী’ ও ‘আর কত দিন’।
- তিনি ১৯৬৪ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে ‘কাঁচের দেয়াল’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র বিভাগে নিগার পুরস্কার, ১৯৭২ সালে গল্প সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭১, মরণোত্তর), ১৯৭৭ সালে শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (মরণোত্তর)সহ আরো অনেক পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Let There Be Light,
- Stop Genocide,
- কখনো আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, সমকাল।
৩৫২.
'আমি কুল হারা কলঙ্কিনী' গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) কাঙ্গালিনি সুফিয়া
  2. খ) হাসন রাজা
  3. গ) লালন শাহ্‌
  4. ঘ) শাহ্‌ আবদুল করিম
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ্‌ আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ্‌ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
'আমি কুল হারা কলঙ্কিনী' গানটির রচয়িতা শাহ্‌ আবদুল করিম।

 তাঁর আরও কয়েকটি বিখ্যাত গান- 
- আগে কী সুন্দর দীন কাটাইতাম। 
- কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া,
- গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে।
- বন্ধে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে, 
- গান গাই আমার মন রে বুঝাই, মন থাকে পাগলপারা। 
- আসি বলে গেল বন্ধু আইল না।
- বসন্ত বাতাসে সই গো বসন্ত বাতাসে। ইত্যাদি। 

লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার শাহ্‌ আবদুল করিম ১৯১৬ সালে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। 
- ১৯৫৪ সালে শাহ আবদুল করিম প্রণীত গণসঙ্গীত গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। 
তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য গানের সংকলন হলো
- আফতাব সঙ্গীত (১৯৪৮),
- কালনীর ঢেউ (১৯৮১),
- ভাটির চিঠি (১৯৯৮),
- ধলমেলা (১৯৯০),
- কালনীর কূলে (২০০১)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৫৩.
'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর' গানটির সুরকার কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. আনোয়ার পারভেজ
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. সমর দাস
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৫৪.
'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. রোহিঙ্গা সমস্যা
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২):
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় নিজের বিবেকের দংশন।
- এভাবেই এগিয়ে চলে ছবিটির গল্প।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।
৩৫৫.
ঝুমুর নাচ কোন অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর
ব্যাখ্যা
ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ। এটি পূর্বে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে তা সাধারণের নিকটও বেশ জনপ্রিয়। সাঁওতালরা তাদের করম উৎসবে ঝুমুর নাচ ও গান পরিবেশন করে থাকে। সিলেট অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ মণিপুরী নৃত্য। যশোর অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ বল নৃত্য এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যান নাচ হলো জারি। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি - বাংলা একাডেমি)
৩৫৬.
ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রটি কত সালে মুক্তি পায়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন: 
- ওরা ১১ জন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ।
- ১৯৭১ এ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত, স্বাধীনতাউত্তর প্রথম চলচ্চিত্র।
- বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৭২)
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম এই চলচ্চিত্রটি।
- মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি ও অ্যাকশন নিয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্র বাঙালির মরণপণ মুক্তি সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।
- এতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১৯৭২ সালের ১৩ আগস্ট মুক্তি পায় ‘ওরা ১১ জন’।
- চাষী নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেন চরিত্রে অভিনয় করেন ১১ মুক্তিযোদ্ধা, যারা পেশাদার শিল্পী ছিলেন না।
- এরা হলেন_ খসরু, মঞ্জু, হেলাল, ওলীন, আবু, আতা, নান্টু, বেবী, আলতাফ, মুরাদ ও ফিরোজ।
- ১১ দফার ছাত্র আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরকে মাথায় রেখে প্রতীকী অর্থে এ চলচ্চিত্রের নামকরণ করা হয় ‘ওরা ১১ জন’।
- চলচ্চিত্রের শুরুতে টাইটেলে ছয়টি কামানের গোলার শব্দ শোনা যায়।
- নির্মাতার মতে, এ ছয়টি শব্দ হচ্ছে ছয়দফা দাবির প্রতীকী শব্দ।
- এই চলচ্চিত্রে যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ব্যবহার হয়েছিল সবই ছিল সত্যিকারের।
- ‘ওরা ১১ জন’ মস্কো, ইংল্যান্ড, জামশেদপুর, রাচী, কলকাতা ও বোম্বেতে প্রদর্শিত হয়েছিল।
- বলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা রাজকাপুর চলচ্চিত্রটি দেখে এ চলচ্চিত্রের নির্মাতাকে প্রশ্ন করেছিলেন ‘হাউ- ইট পসিবল’, সদ্য স্বাধীন দেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এমন জীবন্ত চলচ্চিত্র নির্মাণ কীভাবে সম্ভব।
- তিনি বলেন, বলিউডে আমরা এ ধরনের বিষয় নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে সাহস পাইনি’।
- এ চলচ্চিত্রের প্রযোজক মাসুদ পারভেজ (অভিনেতা সোহেল রানা) বলেন, ‘এটি আসলে শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিলও বটে।

উৎস: চ্যনেল আই অনলাইন (১৯ জানুয়ারি, ২০১৬)
৩৫৭.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
  1. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  4. ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
ব্যাখ্যা

শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’।
- পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান।

⇒ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রযোজনা এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সহযোগিতায় শ্রাবণ বিদ্রোহ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- তথ্যচিত্রটিতে তুলে ধরা হয়েছে নিহতদের স্বজন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রনেতা, শিক্ষার্থী এবং বিশিষ্টদের আন্দোলনকালীন স্মৃতিকথা ও নির্যাতনের চিত্র।
- এতে দেখানো হয়েছে আন্দোলনের পটভূমি, ঘটনাপ্রবাহ এবং ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ ও চেতনার গতিপথ।
- ৩০ মিনিটের এ তথ্যচিত্রে আন্দোলনকালীন দুর্লভ ভিডিওচিত্র, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। 
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৩৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. হাঙ্গর নদী গ্রেনেড
  3. ওরা ১১ জন
  4. জয়যাত্রা
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন: 
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ছবি ওরা ১১ জন।
- চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালে ছবিটি নির্মাণ করেন।
- ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, খসরু, সৈয়দ হাসান ইমাম ও খলিলউল্লাহ খানসহ অনেকে।

উৎস: The Daily Star বাংলা (মার্চ ২৬, ২০২০)
৩৫৯.
কোন সালে সর্বপ্রথম প্রভাতফেরিতে একুশের গান গাওয়া হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
একুশের গান:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্রদের মিছিলে গুলি চালালে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অনেক ছাত্র।
- ঢাকা কলেজের ছাত্র ও দৈনিক সংবাদের অনুবাদক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলেন আহত ছাত্রদের দেখতে।
- রফিকউদ্দিনের মরদেহ দেখে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মনে হয়েছিল, এটি যেন তার আপন ভাইয়েরই রক্তমাখা মরদেহ। 
- সে রাতেই কবিতাটি লিখতে শুরু করেন তিনি। 
- পরে গান হিসেবে স্বীকৃত এই রচনাটির প্রথম চরণ লেখা হয়েছিল কবিতা হিসেবেই।
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলনে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর নাম ও একুশের গান শিরোনামে কবিতাটি  প্রকাশিত হয়।
- একুশের গানে প্রথম সুর দিয়েছিলেন তৎকালীন যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ।
- গানটি প্রথম গাওয়া হয় ১৯৫৩ সালের ঢাকা কলেজের ছাত্র সংসদের অভিষেক অনুষ্ঠানে। 
- ১৯৫৪ সালে প্রখ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদ গানটিতে সুরারোপ করেন।
- ১৯৫৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরিতে আলতাফ মাহমুদের সুরে গাওয়া হয় 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো'।
- ধীরে ধীরে এই সুরটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

উল্লেখ্য,
- চলচ্চিত্রে প্রথম গানটি ব্যবহার করা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহির রায়হানের কালজয়ী 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে। 
- গানটি গাওয়া হয়েছে ইংরেজি, ফরাসি, জাপানি, হিন্দিসহ মোট ১২টি ভাষায়।

উৎস: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
৩৬০.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. শ্রাবণ মেঘের দিন
  2. আমার আছে জল
  3. আয়নাবাজি
  4. চন্দ্রকথা
সঠিক উত্তর:
আয়নাবাজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নাবাজি
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

অন্যদিকে,
- আয়নাবাজি একটি বাংলাদেশী অপরাধ ধর্মী থ্রিলার চলচ্চিত্র।
- ছবিটির পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৬১.
কবিগানের আদি গুরু কে?
  1. ক) গোঁজলা গুঁই
  2. খ) ফকির গরীবুল্লাহ
  3. গ) নিধু বাবু
  4. ঘ) এন্টনি ফিরিঙ্গি
সঠিক উত্তর:
ক) গোঁজলা গুঁই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গোঁজলা গুঁই
ব্যাখ্যা
গোঁজলা গুঁই কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন।
- তিনি কবিগানের আদিগুরু বলে পরিচিত।
- কবি ঈশ্বর গুপ্তের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৭০৪ থেকে ১৭১৪ সালের মধ্যে জীবিত ছিলেন।
- তাঁর গান থেকেই ঈশ্বর গুপ্ত কবিগানের প্রথম সূচনা ধরেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক
৩৬২.
'তিতাস পারের মানুষটি' প্রামাণ্যচিত্রটি কে নির্মাণ করেন?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. জহির রায়হান
  3. আলমগীর কবির
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জীবন ও কর্মের ওপর ‘তিতাস পারের মানুষটি : শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’ শিরোনামে ৭০ মিনিট দৈর্ঘ্যরে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন।
- প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সদস্য-সদস্যরা।
- পাকিস্তান গণপরিষদে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করা সংসদ সদস্য শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ওপর নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্র।

উৎস: ৫ নভেম্বর, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৩৬৩.
The documentary film 'Stop Genocide' related to independence war of Bangladesh was directed by-
  1. Khan Ataur Rhaman
  2. Zahir Raihan
  3. Munir Chowdhury
  4. Selim Al-Din
সঠিক উত্তর:
Zahir Raihan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zahir Raihan
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৩৬৪.
‘ভুলব না,ভুলব না,একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’-গানটির সুর করেছিলেন কে?
  1. গাজীউল হক
  2. নিজাম উল হক
  3. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  4. আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
নিজাম উল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজাম উল হক
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ঘটনা নিয়ে প্রথম গান লেখেন ভাষাসংগ্রামী গাজীউল হক।
- ‘ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’

- গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন তাঁরই অনুজ নিজাম উল হক।
- তিনি ‘দূর হাঁটো দূর হাঁটো।/ঐ দুনিয়াওয়ালে, হিন্দুস্তান হামারা হায়’

—জনপ্রিয় এই হিন্দি গানটির সুর অনুসরণ করেছিলেন।
- অমর একুশের সূচনাপর্বের গান হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- অমর একুশের আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একাধিক ভাষাসংগ্রামী তাঁদের একুশের স্মৃতিচারণামূলক রচনায় গাজীউল হকের গানটিকে একুশের প্রথম গান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৬৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানাে একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটি কে রচনা করেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান:
- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

- বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- এটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৬৬.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ধামাইল' লোকসঙ্গীতের প্রচলন রয়েছে?
  1. ক) রংপুর অঞ্চল
  2. খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
ব্যাখ্যা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত লোকসঙ্গীত:
- ধামাইল : সিলেটের হাওরাঞ্চল
- ভাটিয়ালি : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভাওয়াইয়া : রংপুর অঞ্চল
- গম্ভীরা : চাপাইনবাবগঞ্জ
- জারি গান : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভান্ডারী গান : চট্টগ্রাম অঞ্চল।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩৬৭.
Ode কী?
  1. ক) শোককবিতা
  2. খ) পত্রকাব্য
  3. গ) খণ্ড কবিতা
  4. ঘ) কোরাসগান
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোরাসগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোরাসগান
ব্যাখ্যা
Ode:
- কবিতাবিশেষ (গাথাকবিতা);
- সাধারণত অনিয়মিত ছন্দে রচিত ও মহৎ অনুভূতি প্রকাশক এই কবিতা প্রায়ই কোনো বিশেষ ঘটনা বা বস্তুর মহিমাকীর্তন করে।
- কোরাসগান: সমবেত সংগীত; বৃন্দগীতি, (কবিতার) স্তবক।
উৎস: বাংলা একাডেমী অভিধান।
৩৬৮.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র?
  1. জঁ ক্যা ১৯৭১
  2. দ্য লাস্ট কমান্ড
  3. দ্য ট্রুথ অব সেভেনটি ওয়ান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জঁ ক্যা ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জঁ ক্যা ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।
- ছবিটি নির্মাণ করছেন ‘ভুবন মাঝি’ ও ‘গণ্ডি’ খ্যাত পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খান।
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যেখানে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো।
৩৬৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. হুলিয়া
  2. ওরা ১১ জন
  3. আগামী
  4. লেট দেয়ার বি লাইট
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন:
- ওরা ১১ জন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ।
- এটি ১৯৭১ এ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত, স্বাধীনতাউত্তর প্রথম চলচ্চিত্র।
- বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৭২)
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'।
- মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি পটভূমি ও অ্যাকশন নিয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্র বাঙালির মরণপণ মুক্তি সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।
- ১৯৭২ সালের ১৩ আগস্ট মুক্তি পায় ‘ওরা ১১ জন’।
- চাষী নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেন ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রটি। 
- এতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করেন ১১ মুক্তিযোদ্ধা, যারা পেশাদার শিল্পী ছিলেন না।
- এরা হলেন খসরু, মঞ্জু, হেলাল, ওলীন, আবু, আতা, নান্টু, বেবী, আলতাফ, মুরাদ ও ফিরোজ।
- ১১ দফার ছাত্র আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরকে মাথায় রেখে প্রতীকী অর্থে এ চলচ্চিত্রের নামকরণ করা হয় ‘ওরা ১১ জন’।
- চলচ্চিত্রের শুরুতে টাইটেলে ছয়টি কামানের গোলার শব্দ শোনা যায়।
- নির্মাতার মতে, এ ছয়টি শব্দ হচ্ছে ছয়দফা দাবির প্রতীকী শব্দ।
- এই চলচ্চিত্রে যে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ব্যবহার হয়েছিল সবই ছিল সত্যিকারের।

উৎস: চ্যনেল আই অনলাইন (১৯ জানুয়ারি, ২০১৬)
প্রথম আলো (১৮ ডিসেম্বর ২০২১)
৩৭০.
তারেক মাসুদ পরিচালিত "আদম সুরত" প্রামাণ্যচিত্রটি কার জীবন কাহিনী নিয়ে নির্মিত?
  1. লালন শাহ
  2. এসএম সুলতান
  3. হাসন রাজা
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
এসএম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসএম সুলতান
ব্যাখ্যা
- তারেক মাসুদ নির্মিত আদম সুরত হলো চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জীবনীভিত্তিক প্রমাণ্যচিত্র।
- ১৯৯১ সালে প্রামাণ্যচিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালে উন্নত প্রযুক্তিতে এর প্রদর্শনী হয়।
- এটি প্রযোজনা করেন তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথেরিন মাসুদ। আদম সুরত তারেক মাসুদ নির্মিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র।
তার চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- সোনার বেড়ি
- অন্তর্যাত্রা
- মুক্তির গান
- মাটির ময়না
- রানওয়ে প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় দৈনিক)
৩৭১.
'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর' গানটির শিল্পী কে?
  1. স্বপ্না রায়
  2. সমর দাস
  3. রথীন্দ্রনাথ রায়
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
রথীন্দ্রনাথ রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রথীন্দ্রনাথ রায়
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৭২.
"মনরে কৃষি কাজ জান না এমন মানবজমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলতো সোনা।" গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) নিধু বাবু
  2. খ) এন্টনি ফিরিঙ্গি
  3. গ) গোজলা গুই
  4. ঘ) রামপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামপ্রসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
বাংলা ভক্তিগীতির, বিশেষত শ্যামাসঙ্গীতের বা শাক্তসঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ রূপকার রামপ্রসাদ সেন  (আনু. ১৭২০-১৭৮১)
- তাঁর গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত। 
- তার রচিত শ্যামাসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিনশ।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গান -
"আমি কি দুঃখেরে ডরাই।
ভবে দেও দুঃখ মা, আর কত চাই।।"

- আরেকটি বিখ্যাত গান:
"মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।"
-----------------------------
- রামনিধি গুপ্ত/নিধু বাবু  ছিলেন - টপ্পা গানের পথিকৃৎ।
- এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন - আঠারো শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল। 
- গোজলা গুই ছিলেন - আঠারো শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৭৩.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. চাঁদনী
  2. বসুন্ধরা
  3. জয়যাত্রা
  4. ভাত দে
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা

জয়যাত্রা:
- জয়যাত্রা ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।
- ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৭৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. তারেক মাসুদ
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন।

• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।

• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৭৫.
‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শাহ আবদুল করিম
  2. খ) আবদুর রহমান বয়াতি
  3. গ) বাউল শফি মণ্ডল
  4. ঘ) লালন শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
- ‘মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ

লালন শাহের অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩৭৬.
'ওরা ১১ জন' চলচ্চিত্রটি কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ওরা ১১ জন:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'।
- পরিচালক: চাষী নজরুল ইসলাম।
- প্রযোজক: মাসুদ পারভেজ সোহেল।

⇒ এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ। সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে। এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন'।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৭৭.
গেরিলা চলচ্চিত্রের পটভূমি কোন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত?
  1. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  2. নিষিদ্ধ লোবান
  3. জাহান্নাম হইতে বিদায়
  4. নেকড়ে অরণ্য
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
ব্যাখ্যা

গেরিলা চলচ্চিত্র:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
- এটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার' পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাংলা স্বাধীনতার বীরমুক্তিযোদ্ধা।
- তিনি নাট্য নির্দেশক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংগঠক।
- ১৯৫০ সালের ১৫ এপ্রিল নাসিরউদ্দিন ইউসুফ জন্মগ্রহন করেন।
- তার বিভিন্ন চলচ্চিত্রের মধ্যে একাত্তরের যীশু, গেরিলা ও আলফার উল্লেখযোগ্য।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক (২০২০) সহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরষ্কার-সম্মাননা পেয়েছে।

উৎস:  প্রথম আলো।

৩৭৮.
'একুশের গান' কবিতার রচয়িতা কে?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আ ন ম গাজীউল হক
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'একুশের গান' কবিতার রচয়িতা- আবদুল গাফফার চৌধুরী।

→ আবদুল গাফফার চৌধুরীর অমর-কর্ম হচ্ছে ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত (একুশের গান) শিরোনামের গান: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো /একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রকাশিত লিফলেটে এটি 'একুশের গান' শিরোনামে প্রকাশিত হয়। 
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনেও এটি প্রকাশিত হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৭৯.
'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রে কী চিত্রিত হয়েছে?
  1. গ্রামীণ জীবনের চিত্র
  2. ভাষা আন্দোলনের সংগ্রাম
  3. মুক্তিযুদ্ধকালীন লড়াই
  4. মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সামাজিক বিশৃঙ্খলা
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সামাজিক বিশৃঙ্খলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সামাজিক বিশৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা

আবার তোরা মানুষ হ:
- ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এটি হচ্ছে ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- এই সিনেমার মূল উদ্দেশ্য হলো- মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধ করেনি, পরে তারাই বিভিন্ন কাজে বেশি সুবিধা নিয়েছে, যা পরিচালক অভিনয়ের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

উৎস: দৈনিক ইনকিলাব।

৩৮০.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. আব্দুল লতিফ
  4. প্রিন্স মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গান:
- "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।”
- এটি রচনা করেছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ছাত্রমিছিলে গুলি চালানোর প্রেক্ষাপটেই রচিত হয়েছিল কবিতাটি।
- এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ও মোহাম্মদ সুলতান কর্তৃক প্রকাশিত "একুশে ফেব্রুয়ারি" সংকলনে 'একুশের গান' হিসেবে ছাপা হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে।
- এটি প্রথমে সুর করেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয়, তা করেছেন- আলতাফ মাহমুদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ড সৌমিত্র শেখর।
৩৮১.
"জনতার সংগ্রাম চলবেই
আমাদের সংগ্রাম চলবেই
জনতার সংগ্রাম চলবেই।।" - বিখ্যাত গানটির গীতিকার কে?
  1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. ডি এল রায়
  3. দাউদ হায়দার
  4. সিকান্দার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
সিকান্দার আবু জাফর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
"জনতার সংগ্রাম চলবেই
আমাদের সংগ্রাম চলবেই
জনতার সংগ্রাম চলবেই।।" - বিখ্যাত গানটির গীতিকার সিকান্দার আবু জাফর। 
- গানটির সুরকার ছিলেন শেখ লুৎফর রহমান। 
- তাঁর রচিত এই গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

সিকান্দার আবু জাফর:

- তাঁর পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখ্ত সিকান্দার।
- ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০) ছিলেন।

তাঁর রচিত কবিতা:
- প্রসন্ন শহর,
- তিমিরান্তিক, 
- বৈরী বৃষ্টিতে,
- বৃশ্চিক-লগ্ন।

তাঁর রচিত নাটক:
- সিরাজ-উদ-দৌলা,
- মহাকবি আলাওল,
- শকুন্ত উপাখ্যান।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু,
- জয়ের পথে,
- নবী কাহিনী,
- পূরবী।

তাঁর কয়েকটি অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস,
- সেন্ট লুইয়ের সেতু,
- রুবাইয়াৎ: ওমর খৈয়াম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮২.
'Let There Be Light' ছবিটির পরিচালক কে ছিলেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. শওকত ওসমান 
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- 'Let There Be Light' ছবিটির পরিচালক ছিলেন জহির রায়হান। 
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৮৩.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত 'জয়যাত্রা' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন?
  1. সুভাষ দত্ত
  2. তৌকির আহমেদ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত 'জয়যাত্রা' চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল। 
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

• বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- ‘জয়যাত্রা’ তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৮৪.
কোন চলচ্চিত্রটি দেশ ভাগ নিয়ে নির্মিত হয়েছে? 
  1. আবার তোরা মানুষ হ
  2. মাটির ময়না
  3. মেঘের অনেক রং
  4. চিত্রা নদীর পাড়ে
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা

- ’চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি দেশ ভাগ নিয়ে নির্মিত হয়েছে।

- ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের জীবনী।
- চিত্রা নদীর পাড়ে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৮ সালের নির্মিত চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৯৯ সালে ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

• তানভীর মোকাম্মেল বিখ্যাত কয়েকটি চলচ্চিত্র:
- নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, লালন, রাবেয়া, জীবনঢুলী ও রূপসা নদীর বাঁকে।

অন্যদিকে,
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি যুদ্ধ-পরবর্তী সামাজিক চিত্র তুলে ধরে।
- মাটির ময়না ২০০২ সালের বাংলাদেশি বাংলা যুদ্ধভিত্তিক নাট্য চলচ্চিত্র।
- মেঘের অনেক রং ১৯৭৬ সালে নির্মিত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন হারুনর রশিদ।

উৎস: প্রথম আলো। 

৩৮৫.
কার গল্প অবলম্বনে 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সেলিনা হোসেন
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হাঙর নদী গ্রেনেড।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

উল্লেখ্য,
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন।
- তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৮৬.
'রেহেনা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন-
  1. ক) জেরেমি চুয়া
  2. খ) আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
  3. গ) রাজীব মহাজন
  4. ঘ) আজমেরী হক বাঁধন
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
ব্যাখ্যা
'রেহেনা মরিয়ম নূর' একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। এটি ২০২১ সালের জুলাইয়ে মুক্তি পায়।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেন - প্রতিভাবান তরুন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা - আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ।
- ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদান করেন: বাংলাদেশী অভিনেত্রী - আজমেরী হক বাঁধন।
- চলচ্চিত্রটি ২০২১ সালের কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সার্তে রিগা পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ইতিহাস গড়েছে৷ 

একজন মানুষকে জীবনে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ কোনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সত্যিই কঠিন৷ কোনো সিদ্ধান্তের জন্য যদি তাকে কঠিন মূল্য দিতে হয় এবং তা জেনেও কেউ তার অবস্থানে অবিচল থাকলে তাকে দৃঢ় চরিত্রের বলতেই হয়৷ তেমনই এক চরিত্র রেহানা মরিয়ম নূর৷

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে ও বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।
৩৮৭.
Who is the director of the documentary 'A State is Born'?
  1. Jahir Raihan
  2. Tanvir Mokammel
  3. Chashi Najrul Islam
  4. Alamgir Kabir
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Jahir Raihan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jahir Raihan
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ ‘সূর্যগ্রহণ’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনও আসেনি’ মুক্তি পায়।
- তাঁর লিখিত বইগুলো হচ্ছে—‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘বরফ গলা নদী’ ও ‘আর কত দিন’।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- তিনি ১৯৬৪ সালে ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে ‘কাঁচের দেয়াল’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র বিভাগে নিগার পুরস্কার, ১৯৭২ সালে গল্প সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭১, মরণোত্তর), ১৯৭৭ সালে শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (মরণোত্তর)সহ আরো অনেক পুরস্কার লাভ করেন।

‘এ স্টেট ইজ বর্ন’ (৩৫ মিমি/সাদাকালো/ইংরেজি/২০ মিনিট ৪০ সেকেন্ড):
- চিত্রনাট্য, প্রযোজনা ও পরিচালনা: জহির রায়হান,
- ধারা বর্ণনা রচনা ও পাঠ: আলমগীর কবির,
- চিত্রগ্রহণ– অরুণ রায়, সম্পাদনা: দেবব্রত সেনগুপ্ত।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
        iii) ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, সমকাল।
৩৮৮.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. ফাগুন হাওয়ায়
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. বাঙলা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হাঙর নদী গ্রেনেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঙর নদী গ্রেনেড
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- 'হাঙর নদী গ্রেনেড' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন রচিত হাঙর নদী গ্রেনেড-এর কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত।
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অবলম্বনে রচিত এই উপন্যাসটিতে ফুটে উঠেছে দেশের স্বাধীনতার জন্য এক মায়ের সর্বোচ্চ ত্যাগ।
- হাঙর নদী গ্রেনেড ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়।
- এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- সংগীত পরিচালনা করেছেন শেখ সাদী খান।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন জেড এইচ পিন্টু।
- চলচ্চিত্রটিতে চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুচরিতা, সোহেল রানা, অরুণা বিশ্বাস, অন্তরা, ইমরান, দোদুল ও আশিক প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ফাগুন হাওয়ায় ও বাঙলা ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।