বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

PrepBank · পাতা / · ৪০১৫০০ / ৫৮৮

৪০১.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কি ছিল?
  1. বর্ধমান হাউজ
  2. বাংলা ভবন
  3. আহসান মঞ্জি
  4. চামেলী হাউজ
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

⇒ ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষায় জ্ঞানসাধনা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন।
- ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৪০২.
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান -
  1. NICAR
  2. NAEM
  3. NAPE
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NIPORT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIPORT
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান NIPORT।
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

অন্যদিকে,
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education. এটি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management. এটি জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform. এটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪০৩.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
- রাজশাহী শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার পূর্বদিকে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ড. ইতরাত হোসেন জুবেরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য।
- উত্তর বাংলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে ১৯১৭ সালে গঠিত Calcutta University Commission (যা স্যাডলার কমিশন নামেও পরিচিত) রাজশাহী শহরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪০৪.
বাংলাদেশ পুলিশ একডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. রাঙ্গামাটি
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি:
- বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি পুলিশ অফিসারদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি রাজশাহী শহর থেকে ২০ মাইল দূরে পদ্মা নদীর পূর্ব পাড়ে সারদায় অবস্থিত।
- ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক একাডেমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১২ সালের জুলাই মাসে একাডেমি প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অবিভক্ত বাংলার বিভিন্ন প্রদেশ সহ ভারত, ব্রিটেন এবং আসামের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ অফিসারগণ প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন।
- ভারত বিভক্তির পর এই একাডেমি ছিল পাকিস্তানের উভয় অংশের পুলিশ সার্ভিসে (পিএসপি) কর্মরত অফিসারদের প্রশিক্ষণের একমাত্র কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই একাডেমি বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের সকল পদমর্যাদার অফিসারদের প্রশিক্ষণের একমাত্র প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ২০০০ আসন বিশিষ্ট কুঠিবাড়ি আকৃতির কাঠামোয় এটি প্রতিষ্ঠিত।
- এখানে রয়েছে অধ্যক্ষের বাংলো এবং এসপি, অতিরিক্ত এসপি, এএসপি, নতুন প্রশিক্ষণার্থী, মহিলা অফিসার, ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট, প্রধান কনস্টেবল, কনস্টেবল এবং ভৃত্যদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা।

উৎস: বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি ওয়েবসাইট।

৪০৫.
ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনটির নাম -
  1. এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
  2. পারাবত এক্সেপ্রেস
  3. উপকূল এক্সপ্রেস
  4. সৈকত এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
উপকূল এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূল এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
• উপকূল এক্সপ্রেস: 
- নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন হতে ঢাকা পর্যন্ত চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন।
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১৭ই জানুয়ারি ১৯৮৬ সালে উদ্বোধন হয় ।
- নোয়াখালী থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাতায়াত করে। এই রুটের একটি জনপ্রিয় ট্রেন।

- এটি নোয়াখালী থেকে ছাড়ে ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে সময় ।
- আর ঢাকা গিয়ে পৌঁছায় দুপুর ২ টা ২৫ মিনিটে।
- অপর দিক থেকে ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকেল ৪ টা ০০ মিনিটে।
- নোয়াখালী গিয়ে পৌঁছায় রাত ১০ টা ০০ মিনিটে।
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের ছয়দিন চলাচল করে।

অন্যদিকে, 
• 'এগারো সিন্দুর এক্সপ্রেস' - ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচল করে,
• 'পারাবত এক্সপ্রেস' - ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচল করে। 

Source: https://railway.com.bd
৪০৬.
'অপরাজেয় বাংলা' কে নির্মাণ করেন?
  1. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  2. নিতুন কুন্ডু
  3. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  4. শ্যামল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা: 
- বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্তপ্রতীক অপরাজেয় বাংলা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে ৬ ফুট উঁচু বেদির ওপর নির্মিত।
- মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রসমাজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ-প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়।
- মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭৩-১৯৭৯ সাল পর্যন্ত এই ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ চলে।
- এই ভাস্কর্যে অসম সাহসী তিনজন তরুণ-তরুণী মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব অপূর্ব দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দুইজন তরুণ রাইফেল হাতে শত্রুর মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর ঔষধের ব্যাগ কাঁধে তরুণী মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ।
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য,
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।
- রাজু ভাস্কর্য নির্মাণ করেন শ্যামল চৌধুরী। 
- সাবাশ বাংলাদেশ, সার্ক ফোয়ারা প্রমূখ বিখ্যাত ভাস্কর্যের স্থপতি নিতুন কুন্ডু। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪০৭.
পানাম নগরের অবস্থান কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়নগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পানাম নগর: 
- পানাম নগরের অবস্থান নারায়নগঞ্জ এর সোনারগাঁয়ে। 
- পানাম বাংলাদেশের চারশত বছর প্রাচীন বাংলাদেশের নগর ভিত্তিক একটি প্রাচীন নগরীর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- ‘‘পাইনাম’’ ফার্সি শব্দ। পাইনাম থেকে পানাম। অর্থ আশ্রয়।
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- সে সুবাদে পানাম নগরী ‘‘সরকার-ই-সোনারগাঁওয়ের’’ পরগনার হেড কোয়ার্টার হিসেবে ও বিবেচিত।
- পানামের প্রাচীনত্ব বহন করে ট্রেজারার হাউস, সেতু, কোস্পানীর কুঠি এবং প্রাচীন বনেদি ইমারত সমূহ।
- সোনারগাঁয়ের নান্দনিক চারু ও কারু শিল্পের জন্যে বিখ্যাত মসলিনের আড়ং ছিল পানাম নগর।
- পানাম নগরের বিভাশিত বর্নাঢ্য-ইমারত সমূহ স্বাক্ষ্য দেয় একসময় সোনারগাঁয়ের অভিজাত নাগরিকদের বসবাসের কেন্দ্র ছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৪০৮.
কোন প্রতিষ্ঠান হতে ‘বাংলাপিডিয়া’ প্রকাশিত হয়?
  1. এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. শিল্প সাহিত্য কেন্দ্র
  3. বাংলা একাডেমি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
এশিয়াটিক সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালের ৩ জানুয়ারি ‘এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীনের পর এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নামধারণ করে।
- এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- ১৭৮৪ সালে কলকাতায় সর্বপ্রথম ইংরেজ বিচারপতি উইলিয়াম জোন্সের উদ্যোগে কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ২০২৪-২৫ বর্ষের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।
- নতুন সভাপতি হয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।
- সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪০৯.
'ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান:

- ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত।
- এর মোট আয়তন ৫০২২ হেক্টর।
- এটি ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি একটি ক্রান্তিয়, আর্দ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের বন।

তথ্যসূত্র - বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪১০.
আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত জেবুন নেসা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. টঙ্গী
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• জেবুন নেসা মসজিদ: 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- এটি নকশা করেছেন স্থপতি সায়কা ইকবাল।
- ২০২৩ সালে স্টুডিও মরফোজেনেসিস-এর মাধ্যমে নির্মিত মসজিদটি ৬০৬০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিস্তৃৃত।
- মসজিদটি মূলত আইডিএস গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মীর নামাজের জন্য বানানো।
- তবে অন্যরাও সেখানে নামাজ পড়তে পারেন।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

উল্লেখ্য,
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’– এ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের জেবুন নেসা মসজিদ। 
- ২০১৮ সাল থেকে টাইম ম্যাগাজিন প্রতিবছর বিশ্বের ১০০টি স্থাপনাকে ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’ হিসেবে ঘোষণা করছে।
- প্রথমবারের মতো এই বছর কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৪১১.
বাংলা একাডেমি কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. সাহিত্য প্রতিষ্ঠান
  2. গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
  4. সামাজিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:

- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমি অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৪১২.
'মনপুরা ৭০' চিত্রকর্মটি কার?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

 • মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ৩০ অক্টোবর ২০১৬, প্রথম আলো।

৪১৩.
'বিজয় উল্লাস' ভাস্কর্যটি কোথায় অবিস্থত?
  1. খুলনা
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত বিভিন্ন ভাস্কর্য:

• বিজয় উল্লাস
- এটি কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৭ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভার উদ্যোগে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য 'বিজয় উল্লাস'।
- ১৯৯৫ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভার সামনের চত্বরে ভাস্কর মাহাবুব জামিল শামীমের নিপুণ হাতে ভাস্কর্য নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- দুই বছর পর ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান আনোয়ার আলী ভাস্কর্য 'বিজয় উল্লাস' সবার জন্য উন্মুক্ত করেন।

উৎস: কুষ্টিয়া পৌরসভা ওয়েবসাইট।
৪১৪.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মহেশখালী
  3. হাতিয়া
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• প্রবাল দ্বীপ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো — সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপর নাম — নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো — মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে — বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৪১৫.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে।
- এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে।
- প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়, গম্বুজ, ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪১৬.
ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।
৪১৭.
সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. নভেরা আহমেদ 
  2. লুই আই কান 
  3. এফ আর খান 
  4. মাজহারুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান 
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- এটি রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে ১৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমিত ব্যয় ধরে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- সমস্ত সুবিধাদিসহ ৩২ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তিত ব্যয়ে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
- কমপ্লেক্সটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে মূল সংসদ ভবন, সংসদ সদস্য, মিনিস্টার ও সেক্রেটারিদের হোস্টেল, অর্থিতি ভবন ও কমিউনিটি বিল্ডিং।
- মাটির উপরে কাঠামোটির উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার। মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪১৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (BDF) এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. বাংলাদেশ উন্নয়ন কমিশন
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি
  3. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কমিশন
  4. বাংলাদেশ এইড গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ এইড গ্রুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ এইড গ্রুপ
ব্যাখ্যা
BDF:
- BDF-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Economic Relations Division ওয়েবসাইট।
৪১৯.
বিনত বিবি মসজিদ কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাঙামাটি
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বিনত বিবি মসজিদ:
- বিনত বিবি মসজিদ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকা অঞ্চলের নারিন্দা এলাকায় অবস্থিত।
- এটি ঢাকার সর্বপ্রাচীন মসজিদ এবং মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- মসজিদটি নারিন্দা পুলের কাছে, ৬নং নারিন্দা রোডে অবস্থিত।
- এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিষ্টাব্দে  মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- তখনকার সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ (১৪৩৫–১৪৫৯) এর শাসনামলে তার কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবির নামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৪২০.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. অপরাজেয় বাংলা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  2. শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: শামীম শিকদার
  3. জাগ্রত চৌরঙ্গী: আবদুর রাজ্জাক
  4. জাতীয় স্মৃতিসৌধ: সৈয়দ মাইনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।

অপরাজেয় বাংলা:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা।
- অপরাজেয় বাংলার স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
- অপরাজেয় বাংলা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ঢাকা আর্ট কলেজের সেই সময়ের অধ্যক্ষ দেশের খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাকের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছিল এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকর্ম।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২১.
কোন প্রাচীন নগরী ২০১৬ সালে সার্কের 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ময়নামতি
  2. মহাস্থানগড়
  3. সোমপুর বিহার
  4. ওয়ারী-বটেশ্বর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী।
- প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট; ২৪ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪২২.
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সিংহদ্বার কি নামে পরিচিত?
  1. সুবাহর তোরণ
  2. দশভুজা তোরণ
  3. ঈশ্বরী তোরণ
  4. নহবতখানা তোরণ
সঠিক উত্তর:
নহবতখানা তোরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নহবতখানা তোরণ
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:

- ঢাকেশ্বরী শব্দের অর্থ 'ঢাকার ঈশ্বরী' বা 'ঢাকা শহরের রক্ষাকর্ত্রী'।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম হিন্দু মন্দির।
- এই মন্দিরটিকে বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ও বলা হয়।
- এই মন্দিরটি ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত শক্তিপীঠ গুলির একটি।
- অনেকের মতে, দেবী ঢাকেশ্বরীর নাম থেকেই ঢাকা নামের উৎপত্তি।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য একটি সিংহদ্বার রয়েছে, যা নহবতখানা তোরণ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে এখানে প্রতি বছর ধুমধামের সাথে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
৪২৩.
রামগড় স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. রাজশাহী
  3. খাগড়াছড়ি
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
রামগড় স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত রামগড় স্থলবন্দর।
- স্থলবন্দরটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার রামগড় সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের এিপুরা রাজ্যের সাবরুম আইসিপি রয়েছে।
- ০৭ নভেম্বর ২০১০ তারিখ রামগড় শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার লোড করে রামগড় হয়ে ভারতের সাব্রুম এবং সেখান থেকে সেভেন সিস্টারে পণ্য পরিবহনের জন্য এই বন্দর তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- ১২ জানুয়ারি ২০২৫ সালে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা নিউজ [লিঙ্ক]
৪২৪.
সোমপুর বিহারের নির্মাতা কে?
  1. রামপাল
  2. ধর্মপাল
  3. শশাঙ্ক
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:

- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য।
- পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষদিকে মতান্তরে নবম শতকের প্রথমদিকে বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোমপুর বিহার অদ্যাবধি নির্মিত ভারতবর্ষের বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো সোমপুর বিহারকে ৩২২তম বিশ্ব ঐহিত্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৪২৫.
'কুসুম্বা মসজিদ'- কোন শাসকের রাজত্বকালে নির্মিত হয়?
  1. শেরশাহ
  2. বাহাদুর শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
  4. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:

- কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত।
- প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনার ভেতরে মসজিদটি অবস্থিত।
- এ আঙ্গিনায় প্রবেশের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় একটি প্রবেশদ্বার, যেখানে প্রহরীদের দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে।
- বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।

সূত্র: নওগাঁ জেলা ওয়েব সাইট।
৪২৬.
ভোজবিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া 
  2. কুমিল্লা 
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
ব্যাখ্যা

ভোজবিহার:
- ভোজবিহার কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী সংলগ্ন কোটবাড়ির কেন্দ্রে অবস্থিত।
- কুমিল্লার কাছে ময়নামতীর শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারের পর তৃতীয় বৃহদায়তন ভিক্ষু নিবাস ও স্থাপনা।
- এ যাবৎ খননকাজ যতটুকু এগিয়েছে তাতে মধ্যস্থলের মন্দিরের উপরের অংশ এবং বর্গাকার বিহারের রূপরেখা ও এর উত্তরাংশের মধ্যস্থলে অবস্থিত আকর্ষণীয় এক প্রবেশদ্বার লক্ষ্য করা যায়।
- কেবল সামান্য ছোটখাটো পার্থক্য ছাড়া এ বৌদ্ধমঠটি সবদিক দিয়েই অবিকল শালবন বিহার ও আনন্দ বিহারএর অনুরূপ।
- বিহারের মধ্যস্থলের ক্রুশাকার মন্দিরটি হলো এ প্রত্নস্থলের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় সৌধ।
- বিহারের আঙিনায় আরও রয়েছে অনেক আনুষঙ্গিক ভবন, উপাসনা  সূতপ, গৌণ মন্দিরসমূহ ও ভজনালয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪২৭.
মুঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন 'বড় কাটরা' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:
- এটি একটি মুঘল নিদর্শন।
- ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে 'বড় কাটরা' অবস্থিত।
- সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়।
- বড় কাটরা মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকা দক্ষিণে ও উত্তরে ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ এবং ধারণা করা হয় পূর্ব-পশ্চিমে ৭০.১০ মিটার।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে। এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২৮.
ভাস্কর্য 'দুর্জয়' কোথায় অবস্থিত?
  1. আমতলা, বরিশাল
  2. সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
  3. রংপুর সেনানিবাস, রংপুর
  4. রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:
- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান।
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড।
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি।
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২৯.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. চট্টগ্রাম
  3. নওগা
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মহামুনি বিহার:
- মহামুনি বিহার চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৪৩০.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির ওপর নির্মিত?
  1. ৩২০ একর
  2. ২১৫ একর
  3. ১৮৫ একর
  4. ১২২ একর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩১.
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. সুন্দরবনের দক্ষিণে
  2. সন্দ্বীপের পশ্চিমে
  3. হাতিয়ার উত্তরে
  4. ভোলার পশ্চিমে
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান।

উৎস: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো। 
৪৩২.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মহান মুক্তিযুদ্ধ
  3. ছয় দফা আন্দোলন
  4. স্বদেশি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
মহান মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহান মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- এটি মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির অকুতোভয় বীরত্বগাথার স্মারক।
- ভাস্কর্যটির অবস্থান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি।
- ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ ১৯৯০ সালে এটি স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৩৩.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. শায়েস্তা খান
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা আহমেদ জান
  4. মির্জা গোলাম খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
ব্যাখ্যা
• ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন — 'মির্জা আহমেদ জান'। 

• তারা মসজিদ: 
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

উল্লেখ্য, 
- ছোট কাটরা  নির্মান করেন শায়েস্তা খান এবং বড় কাটরা নির্মান করেন শাহ সুজা ।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৪৩৪.
মহাস্থানগড়কে কোন সালে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সার্ক কালচারাল সেন্টার (শ্রীলঙ্কা) ২০১৫ সাল থেকে ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণার আয়োজন শুরু করেছে।
- প্রথমবারের মতো ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণা করা হয় আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক নগরী বামিয়ানকে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৪৩৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর?
  1. ঢাকা জাদুঘর
  2. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  3. বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর
  4. জাতীয় জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধা জাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩৬.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সাধারণত কোথায় হয়ে থাকে?
  1. বায়তুল মোকাররম – ঢাকা
  2. শাহ মখদুম মসজিদ – রাজশাহী
  3. জাতীয় ঈদগাহ - ঢাকা
  4. শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• শোলাকিয়া ঈদ জামাত: 
- বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অন্যতম সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত।
- কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঐতিহ্যবাহী এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জনশ্রুতি আছে যে, 
- ১৮২৮ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে এটি শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৩৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে কোন দেশকে বিবেচনা করা হতো?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও কুমিল্লা সেনানিবাস:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কুমিল্লা সেনানিবাস ছিল ব্রিটিশদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
- ব্রিটিশ কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল উইলিয়াম জোসেফ স্লিম বার্মার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানিজরা সিঙ্গাপুর দখল করার পাশাপাশি চীনের অনেক জায়গা দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
- পরে জাপানিরা বার্মায় রেঙ্গুন দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন ভারতকে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
- কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে উইলিয়াম স্লিম তাঁর সৈনিকদের প্রস্তুত করেন। তখন প্রতিপক্ষও ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- একপর্যায়ে উইলিয়াম স্লিম একটা আন্ডারগ্রাউন্ড কমান্ডো ফোর্স গঠন করেন; কুমিল্লা সেনানিবাসে যা এখনো আছে।
- কুমিল্লায় যুদ্ধ না হলেও এর কৌশলগত অবস্থান এবং ময়নামতির হাসপাতাল অঞ্চলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
- যুদ্ধকালে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হাসপাতাল তৈরি হয়। আহত মিত্র সৈনিকদের চিকিৎসা ও মৃত্যুপরবর্তী সমাহিত করতে ময়নামতিতে যুদ্ধসমাধি স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান স্থানটিতে প্রথমে ব্রিটিশদের সমাহিত করার কাজ শুরু হয়।
- জাপানিরা শত্রুপক্ষ হওয়ায় তাঁদের সমাধিস্থলের একটি কোণে জায়গা দেওয়া হয়।
- যাঁরা মুসলিম ছিলেন, তাঁদের পৃথকভাবে একটি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পাশে দাফন করা হয়। কারণ, মুসলিমদের কবর দেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন।
- সেখানে সমাহিত করা বেশির ভাগই আহত অবস্থায় ময়নামতিতে চিকিৎসার জন্য এসে মারা গিয়েছিলেন।
- পাহাড়ি ও বন্যামুক্ত সুন্দর পরিবেশ থাকার কারণে ময়নামতিকে সমাধিস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
- বার্মায় যুদ্ধে অনেক সৈনিক নিহত হন। ওই সময় কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে যুদ্ধসমাধি তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশরা। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৪৩৮.
”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির  ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।

এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি হামিদুজ্জামান।
-  বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৩৯.
গৌড়ের সোনা মসজিদ কার আমলে নির্মিত হয়?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ঈশা খাঁ
  3. ফকরুদ্দনি মোবারক শাহ
  4. হুসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন। এটি 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত৷
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনা মসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন'।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৪০.
'মোদের গরব' ভাস্কর্যের নকশাকার কে?
  1. শ্যামল চৌধুরী
  2. অখিল পাল
  3. শামীম সিকদার
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল
ব্যাখ্যা
মোদের গরব:
- মোদের গরব বাংলা একাডেমী ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশাকার ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৪১.
’বেলা’ কী ধরনের সংগঠন?
  1. মানবাধিকার সহায়তা সংগঠন
  2. জেন্ডার সমতা বিষয়ক সংগঠন
  3. অর্থনৈতিক সংগঠন
  4. পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
ব্যাখ্যা

 BELA (Bangladesh Environmental Lawyers Association)
-বাংলাদেশের বেসরকারি পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন হলো ’বেলা’।
- ১৯৯২ সালে মহিউদ্দীন ফারুক এটি প্রতিষ্ঠা করে । 
- নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে বিস্ফোরনের কারণে  এটি সারাদেশে প্রসংশা কুড়ায়।
- বাংলাদেশ মহিলা সমিতি নারীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করার পাশাপাশি নারীদের বিভিন্ন আইনি বিষয়গুলিতেও সহায়তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে।
- বর্তমানে এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- তিনি ২০১২ সালে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার হিসেবে বিবেচ্য ফিলিপাইনভিত্তিক রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো। 

৪৪২.
বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অর্থায়নে নির্মিত প্রথম শহিদ মিনার কোথায় অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিজের অর্থায়নে ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়। 

• দেশের বাহিরে শহিদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহিদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহিদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৪৪৩.
পাহাড়পুর প্রত্নস্থল সর্বপ্রথম কে পরিদর্শন করেন?
  1. ওয়েস্টম্যাকট
  2. আলেকজান্ডার কানিংহাম
  3. বুকানন হ্যামিল্টন
  4. এনড্রো জেড ফায়ার
সঠিক উত্তর:
বুকানন হ্যামিল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুকানন হ্যামিল্টন
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। 

⇒ পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন।
- পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন।
- স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন।
- প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪৪.
কোন আমলে ঢাকায় "লালবাগ কেল্লা" প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সুলতানী আমলে
  2. বৃটিশ আমলে
  3. মোগল আমলে
  4. নবাবী আমলে
সঠিক উত্তর:
মোগল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোগল আমলে
ব্যাখ্যা
লালবাগের কেল্লা মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত।

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৪৪৫.
‘ভিক্টোরিয়া পার্ক'-এর নাম পরিবর্তন করে কী নামকরণ করা হয়?
  1. আর্মেনীয় ক্লাব
  2. ‘খাজা হাফিজুল্লাহ পার্ক
  3. লালবাগকেল্লা
  4. বাহাদুর শাহ পার্ক
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- এরপর এর নামকরণ হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।
- এখন এটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত।

⇒ ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল এই ময়দানে। স্থানীয়ভাবে ‘আন্টাঘর’ নামে পরিচিত ছিল এটি। ক্লাবঘরটির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ঢাকার নবাব আব্দুল গণি ও নবাব আহসান উল্লাহ। 

⇒ ১৮৫৭ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের আমলে এই ময়দান বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে। ১৮৫৭ সালের ২২ নভেম্বর ইংরেজ মেরিন সেনারা ঢাকার লালবাগের কেল্লায় দেশীয় সেনাদের নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে আক্রমণ চালায়। কিন্তু সিপাহীরা বাধা দিলে যুদ্ধ বেঁধে যায়। যুদ্ধে আহত ও পালিয়ে যাওয়া সিপাহীদের ধরে এনে সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারের পর ১১ জন সিপাহীকে আন্টাঘর ময়দানে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণের পর এই ময়দানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’। ১৯৫৭ সালের আগ পর্যন্ত পার্কটি এই নামেই পরিচিত ছিল।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মধ্য দিয়ে ময়দানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টি কোন শহরে অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- স্থলজ ও জলজ উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখাই এর কার্যক্রমভুক্ত।
- ‘পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৬১’-এর প্রেক্ষিতে ১৯৫৯ সালে জাতীয় শিক্ষা কমিশন এবং খাদ্য ও কৃষি কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্থাপিত হয়: ১৮ আগস্ট ১৯৬১ সালে।
- ১৯৬১-১৯৬২ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এটি স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য,
- ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ (চার) কিলোমিটার দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।
- যাত্রা শুরুকালে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিধি ছিল ছোট।
- ভেটেরিনারি ও কৃষি -এ দু’টি অনুষদ এবং এর অর্ন্তভূক্ত বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, সময়ের প্রয়োজনেই এর অনুষদ ও বিভাগের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
- বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদ এবং এই ৬ টি অনুষদের অর্ন্তভূক্ত ৪৪টি বিভাগ রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪৭.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৮২ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সাল
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৪৮.
রাজউক (RAJUK)-এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
  2. নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
  4. নগর পরিকল্পনা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা
রাজউকের ইতিহাস
- ১৯৫৬ সালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের উন্নয়ন ও পরিবর্ধনের “ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট” (ডিআইটি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৭ সালে উক্ত আইন সংশোধনের মাধ্যমে “রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ” বা রাজউক হিসেবে পরিবর্তিত  হয়।
- ১৯৮৭ সালে রাজউকের পরিধি সাভার, কেরানিগঞ্জ ও অন্যান্য এলাকায়।
- ১৯৫৯ সালে সর্ব প্রথম ঢাকার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়।
- প্রাথমিকভবে ২২০ বর্গমাইল এলাকা অন্তর্ভূক্ত ছিল যা পরবর্তীতে ৩২০ বর্গমাইলে উন্নীত করা হয়।
- ২০১০ সালে ডিটেল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রনয়ন করা হয়।
- বর্তমানে চেয়ারম্যান এবং পাঁচ জন সদস্য পর্ষদের পরিচালনায় রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের শহরাঞ্চল। 

উৎস: রাজউক ওয়েবসাইট।
৪৪৯.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সনে
  2. ১৯৬৯ সনে
  3. ১৯৭২ সনে
  4. ১৯৮২ সনে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সনে
ব্যাখ্যা

- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়। 
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৫০.
নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার বাড়িটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. গণভবন
  4. উত্তরা গণভবন
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫১.
'আলোকিত মানুষ চাই' - এটি কোন প্রতিষ্ঠানের শ্লোগান?
  1. জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
  2. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
  3. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  4. পাবলিক লাইব্রেরী
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

⇒ ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
৪৫২.
’শিখা চিরন্তন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. বঙ্গভবন
  3. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ব্যাখ্যা

• শিখা চিরন্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরূক রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৯৭ সালের ২৬শে মার্চ শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ শেখ মুজিক তার ঐতিহাসিক ভাষণে এই স্থান থেকেই 'মুক্তির সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামের' ডাক দিয়েছিলেন।
- ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে এই শিখা চিরন্তন স্থাপন করাহয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৫৩.
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (মে, ২০২৫)
  1. মোহাম্মদ হারুন রশিদ
  2. সমীর কুমার সরকার
  3. মোঃ সেলিম রেজা
  4. মোহাম্মদ আজম
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আজম
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৩৬২ বঙ্গাব্দ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সাল)।
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম: বর্ধমান হাউস।
- বর্তমান মহাপরিচালক: অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। (মে, ২০২৫)
- বর্তমান সভাপতি: আবুল কাসেম ফজলুল হক। (মে, ২০২৫)
- প্রথম মহাপরিচালক: প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- প্রথম সভাপতি: মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৪৫৪.
দেশের নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

 নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতিতাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।

উল্লেখ্য।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ময়নামতি জাদুঘর কুমিল্লায় অবস্থিত।

উৎস: i) জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট ।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

৪৫৫.
দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর 
  3. রাজশাহী 
  4. মুন্সীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১':
- দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১' মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত। 

⇒ ভাস্কর্যটি মুন্সিগঞ্জ শহরের দক্ষিণ কোটগাঁও এলাকার লিচুতলায় অবস্থিত। 
- মুষ্টিবদ্ধ ছয়টি হাতের চারটি ধরে রেখেছে পতাকাদণ্ড। সেটির মাথায় যে পতাকাটি উড়ছে তা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার; বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ঐতিহাসিক পতাকা তবে রংহীন। এটিই পতাকা একাত্তর ভাস্কর্য।
- নকশা করেছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ঘাটশীলার ভাস্কর ইমরান হোসেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৫৬.
‘স্বাধীনতা স্তম্ভ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. সাভার
  3. মুজিবনগর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা স্তম্ভ:
- স্বাধীনতা স্তম্ভ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মারক হিসেবে নির্মিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ।
- এটি ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।
- সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উত্তর পাশে স্থাপিত শিখা চিরন্তন-এর বরাবর দক্ষিণ দিকে এটির অবস্থান।
- এর নকশা করেছেন দুই স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরী ও মেরিনা তাবাসসুম।
- এই স্মৃতিস্তম্ভটি কাচ দ্বারা নির্মিত।
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৯৮ সালে এবং শেষ হয় ২০১৩ সালে। 
 
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৪৫৭.
বাংলাদেশের কোন সমুদ্র সৈকতকে সাগরকন্যা বলা হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. সেন্টমার্টিন
  3. কুয়াকাটা
  4. পতেঙ্গা
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকট:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
• অবস্থান:
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার,
- বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।

• ইতিহাস
:
- কুয়াকাটা নামের পেছনে রয়েছে আরকানীদের এদেশে আগমনের সাথে জড়িত ইতিহাস।
- 'কুয়া' শব্দটি এসেছে 'কুপ' থেকে।
- ১৮ শতকে মুঘল শাসকদের দ্বারা বার্মা থেকে বিতারিত হয়ে আরকানীরা এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে।
- তখন এখানে সুপেয় জলের অভাব পূরণ করতে তারা প্রচুর কুয়ো বা কুপ খনন করেছিলনে,
- সেই থেকেই এই অঞ্চলের নাম হয়ে যায় কুয়াকাটা।

• দৈর্ঘ্যে: ১৮ কিলোমিটার।
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়,
- সব চাইতে ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে।
- আর সূর্যাস্ত দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫৮.
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য‒
  1. ৪.৮ কিলোমিটার
  2. ৭.২ কিলোমিটার
  3. ৬.০ কিলোমিটার
  4. ৬.২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু সেতু:
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি.
- ভায়াডাক্ট দৈর্ঘ্য (উভয় প্রান্ত) : ১২৮ মি.
- সেতুর প্রস্থ: ১৮.৫ মি.
- স্প্যান: ৪৭+২ টি।।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৪৫৯.
গুমাই বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্রগ্রাম
  2. সিলেট
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
গুমাই বিল
- প্রায় তিন হাজার হেক্টর আয়তনের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধানের গোলাখ্যাত গুমাই বিল চট্টগ্রামের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত।
- রাঙ্গুনিয়ার নিশ্চিন্তাপুর পাহাড়ের পাদদেশে চন্দ্রঘোনা, মরিয়মনগর, হোসনাবাদ, স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, লালানগর ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে যার অবস্থান।
- দেশের বৃহত্তম চলন বিলের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাঙ্গুনিয়ার এই গুমাই বিলের মোট আবাদি জমির পরিমান ২ হাজার ৪’শ হেক্টর।
- এই বিল রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়ম নগর থেকে শুরু হয়ে এ জমি শেষ হয়েছে রাঙ্গামাটির নিশ্চিন্তপুর গিয়ে। আরেক অংশে রয়েছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা।
- বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ‘গুমাই বিল’। এই বিল উৎপাদন ও অর্থনীতির গতি প্রবাহ চট্টগ্রামকে করেছে সমৃদ্ধ।
- স্থানীয়দের মধ্যে একটি কথা প্রচলিত আছে, এই বিলের এক মৌসুমের উৎপাদিত ধান দিয়ে নাকি সারা দেশের আড়াই দিনের খাদ্যের চাহিদা মেটানো যায়!
- গুমাই বিলের জমিতে প্রতি বছরই হয় ইরি এবং আমনের বাম্পার ফলন। পাকিস্তান শাসনামলে এই বিলে শুরু হয়েছিলো ধান চাষ। আর স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুলো এখানে আধুনিক সেচের ব্যবস্থা করে।

সূত্র- ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। 
৪৬০.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪৬১.
হলুদ বিহার বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নীলফামারী
  3. নাটোর
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

হলুদ বিহার :
- হলুদ বিহার  একটি প্রত্নস্থল।
- এটি নওগাঁ জেলা শহর হতে আঠারো কিলোমিটার উত্তরে বদলগাছি উপজেলার বিলাসবাড়ি ইউনিয়নে তুলসীগঙ্গা এবং যমুনা নদীর মাঝখানে অবস্থিত হলুদবিহার ।
- এ নিদর্শনগুলি এক বিশাল এলাকা জুড়ে বিদ্যমান।
-  বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হারুনুর রশীদ ১৯৭৪ সালে এ এলাকাটি পরিদর্শন করেন এবং দেখতে পান যে, সমগ্র এলাকা, বিশেষকরে হলুদ বিহার গ্রামের দক্ষিণপূর্ব দিকে এক বিশাল পুরানো দিঘির চারপাশে অসংখ্য  নিচু টিবি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। 
- স্থানটি ১৯৭৬ সালে সংরক্ষিত করা হয় এবং বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ প্রথমে ১৯৮৪ সালে এবং পরে ১৯৯৩ সালে এটি খনন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৪৬২.
'শেখ হাসিনা সরণি' কত লেনের সড়ক?
  1. ১০ লেন
  2. ১২ লেন
  3. ১৬ লেন
  4. ১৪ লেন
সঠিক উত্তর:
১৪ লেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ লেন
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা সরণি:
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক 'শেখ হাসিনা সরণি' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
উল্লেখ্য:
- পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে দেশের প্রথম ১৪ লেনের মহাসড়ক, যার ৮টি এক্সপ্রেসওয়ে রয়েছে।
- রাজউক এই সড়কের নাম দিয়েছে 'শেখ হাসিনা সরণি'।
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।
- এর মাধ্যমে ঢাকার পূর্ব থেকে পশ্চিমে তৈরি হচ্ছে নতুন সংযোগ।
- মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ১০০ ফুট খাল।
- কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত ১২.৩০ কিলোমিটার দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক।
- রাজউকের তত্ত্বাবধানে এই পথের কাজ করেছে সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড।

উৎস: রাজউকের ওয়েবসাইট।
৪৬৩.
'বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০১ সালে
  2. ১৯১০ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
'বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর' ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রত্ন সংগ্রহে সমৃদ্ধ।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৬৪.
ঘুমধুম সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
ঘুমধুম সীমান্ত:
- ঘুমধুম সীমান্ত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
- এর উত্তরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন; পশ্চিমে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন, রত্নাপালং ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন ও পালংখালী ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে ও পূর্বে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার।
- এর বড় অংশ পড়েছে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায় যুদ্ধ জোরালো করেছে আরাকান আর্মিসহ কয়েকটি গোষ্ঠী।
- তুমব্রু ও ঘুমধুমের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৪৬৫.
শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কোথায় নির্মাণ করা হয়?
  1. রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে
  2. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  3. ঢাকার মিরপুরে
  4. ঢাকার সাভারে
সঠিক উত্তর:
ঢাকার মিরপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার মিরপুরে
ব্যাখ্যা
শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শেষ হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬৬.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মৃণাল হক
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী – মৃণাল হক।
• তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের 'বলাকা' -
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে- 'রত্নদ্বীপ',
- হোটেল শেরাটনের সামনে 'রাজসিক', -
- পরীবাগ মোড়ে - 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা',
- ইস্কাটনে - 'কোতোয়াল',
- সাতরাস্তায়- 'ময়ূর',
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে 'অতলান্তিকে বসতি' ইত্যাদি। 

 উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৪৬৭.
‘সাত গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন কে? 
  1. খান জাহান আলী
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. উমিদ খাঁ
  4. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মুঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
• ১৬৮০ সালে মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- মসজিদটি লালবাগ দূর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
• এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়।
- মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি।
- কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি 'বিবির মাজার' বলেও খ্যাত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৪৬৮.
আর্টেমিসের মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ইতালি
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• আর্টেমিসের মন্দির:
- এটি পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত।
- এটি ছিল বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে একটি ।
-  মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন লিডিয়ার রাজা ক্রয়েসাস , প্রায় ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- আর্টেমিসিয়াম আকার ছিল, ৩৫০ বাই ১৮০ ফুট (প্রায় ১১০ বাই ৫৫ মিটার) এরও বেশি,
-  এটি  অসাধারণ শিল্পকর্মের জন্যও বিখ্যাত ছিল ।
- ২৬২ খ্রিস্টাব্দে গোথদের আক্রমণে মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কখনও পুনর্নির্মাণ করা হয়নি।
- মন্দিরের সামান্য অবশিষ্টাংশ রয়েছে।
-  ব্রিটিশ জাদুঘরে অনেক টুকরো, বিশেষ করে ভাস্কর্যযুক্ত স্তম্ভ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৬৯.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. শামিম শিকদার
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

• উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- অপরাজেয় বাংলা'র ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। 
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। 
- রাজসিক বিহার এর ভাস্কর মৃণাল হক। 
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- সংশপ্তক এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটির ভাস্কর - চারুকলার শিক্ষক অধ্যাপিকা শামিম শিকদার।
- 'রাজু ভাস্কর্য' এর ভাস্কর্যের স্থপতি ছিলেন ভাস্কর শ্যামল চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৭০.
পানাম নগরের স্থাপত্যে কোন শিল্পরীতির মিশ্রণ দেখা যায়?
  1. তুর্কি ও পার্সীয় শিল্পরীতি
  2. ইউরোপীয় ও মোঘল শিল্পরীতি
  3. ভারতীয় ও চীনা শিল্পরীতি
  4. বাংলা ও জাপানি শিল্পরীতি
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ও মোঘল শিল্পরীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ও মোঘল শিল্পরীতি
ব্যাখ্যা

পানাম নগর:
- পানাম সোনারগাঁয়ের একটি প্রাচীন এলাকা।
- পানাম নগর বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও অঞ্চলে অবস্থিত।
- পানাম নগরীর রাস্তার দুই ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- রাস্তার উত্তরদিকে ৩১টি এবং দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত।
- স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সাথে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
- এখানে আবাসিক ভবন ছাড়াও উপাসনালয়, গোসলখানা, পান্থশালা, দরবার কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে।
- পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও  চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এর ফলশ্রুতিতেই গড়ে উঠেছিল বর্তমান পানামনগর।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নীলচাষের নির্মম ইতিহাসের নীরব সাক্ষী পানামের নীলকুঠি।
- এ ছাড়াও আমিনপুর ও দুলালপুর গ্রামের সংযোগ রক্ষাকারী পানাম পুলটি পঙ্খীরাজ খালের ওপর ১৭ শতকে নির্মিত হয়। 
- পানামের ইমারতগুলির সবই ইটনির্মিত।
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- ২০০৬ সালে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের তৈরি বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০ টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় পানাম নগর স্থান পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৭১.
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. টেকনাফ
  2. কক্সবাজার
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্ট মার্টিন
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক:
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত।
- বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও অন্যান্য পর্যটন স্পটসমূহের জন্য কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চিত্ত বিনোদন ও নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা দেখার জন্য অন্যতম গন্তব্যস্থল।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের অবস্থান খুবই চমৎকার জায়গায়।
- এর একদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি, অন্যদিকে সবুজবেষ্টিত পাহাড়।
- বেজা জানিয়েছে, ৯৫০ একরের বেশি আয়তনের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে ট্যুরিজম পার্কের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের ভেতরে ১০০ একর জায়গায় বিদেশিদের জন্য একটি 'এক্সক্লুসিভ জোন' স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চফল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- বিদেশি পাসপোর্ট দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে এ জোনে।
- অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলায় প্রায় ৩০০ একর জমিতে দেশের প্রথম দ্বীপভিত্তিক নাফ ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের কাজ করছে বেজা।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩)
প্রথম আলো (১৭ জুলাই ২০২৪)
৪৭২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের নাম কী?
  1. পিলখানা
  2. যমুনা
  3. বঙ্গভবন
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। 
- এটি ঢাকার রমনা থানার মিন্টো রোডে অবস্থিত।[
- পূর্বে এটি বাংলাদেশে সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য সরকারি অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- ২০০৮ সালে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও যমুনায় ছি‌লেন।
- এর আগে ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতে থেকেই তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। 
৪৭৩.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান হলো-
  1. আলোকিত মানুষ চাই
  2. জ্ঞানই শক্তি
  3. বইই ভবিষ্যৎ
  4. শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে
সঠিক উত্তর:
আলোকিত মানুষ চাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোকিত মানুষ চাই
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর উদ্যোগে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান হলো "আলোকিত মানুষ চাই"।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

⇒ ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

৪৭৪.
ষাট গম্বুজ মসজিদে মোট গম্বুজের সংখ্যা কত?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৭৯টি
  4. ৮১টি
সঠিক উত্তর:
৮১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১টি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৪৭৫.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজবাড়ী
  2. রাজশাহী
  3. টাঙ্গাইল
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৪৭৬.
দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে কত সালে 'দুর্নীতি দমন কমিশন' গঠিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

• দুর্নীতি দমন কমিশন:
-  বাংলাদেশের 'দুর্নীতি দমন কমিশন' এর একটি প্রকাশনাতে দুর্নীতি বলতে বোঝান হয়েছে, "ব্যক্তি স্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি।" যেমন- রাষ্ট্রীয় সম্পদের অব্যবহার, সরকারি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে অস্বচ্ছতা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবই দুর্নীতি।

• দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক কমিশন গঠিত হয়।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৪৭৭.
জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. নভেরা আহমেদ
  3. শামীম শিকদার
  4. নিতুন কুন্ডু
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
৪৭৮.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড রাঙ্গামাটি জেলায় অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি রাষ্ট্রয়াত্ব কাগজ কল।

- কারখানাটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কারখানাটির বার্ষিক নিজস্ব পাল্প উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,০০০ মে. টন এবং কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মে. টন।
- কারখানা স্থাপিত হওয়ার পর হতে প্রথমে পিআইডিসি (১৯৫৩-১৯৫৮), দাউদ (১৯৫৯-১৯৭১), পেপার এন্ড বোর্ড কর্পোরেশন (১৯৭১-৭৪) এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪-৭৫ হতে অদ্যাবধি বিসিআইসি কারখানা পরিচালনা করে আসছে ।

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৪৭৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
ব্যাখ্যা

ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৮০.
প্রাচীন বাংলার কোন শহরকে 'পুন্ড্রনগর' বলা হতো?
  1. ঢাকা
  2. মহাস্থানগড়
  3. চট্টগ্রাম
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল ।
- মহাস্থান গড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- মাজার জিয়ারত করতে এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান হতে বহু লোক সমাগম ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮১.
‘তারা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. মির্জা গোলাম পীর
  2. মির্জা মোহাম্মদ খান
  3. ইসলাম খান
  4. মির্জা আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৪৮২.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোট কতটি ফলক রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
- এর স্থপতি: সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন: ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর (প্রথম বিজয় দিবস)।
- নির্মাণ কাজ শেষ: ১৯৮২ সালের আগস্ট।
- উচ্চতা: ১৫০ ফুট (৪৫ মিটার)।
- গঠন: স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলক।
- বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৮৩.
'জগদ্দল বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নাটোর
  3. নওগাঁ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
জগদ্দল বিহার:
- জগদ্দল বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার এক অতি প্রাচীন নিদর্শন।
- নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট থানার জয়পুর-ধামুইরহাট সড়কের উত্তর দিকে অবস্থিত এই প্রাচীন কীর্তি।
- বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এটিকে বটকৃষ্ণ রায় নামক এক জন জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করে।

⇒ ইতিহাস থেকে জানা যায় যে,
- রাজা রামপাল গৌড় রাজ্য পুনরুদ্ধারের পর রামাবতী নগরে রাজধানী স্থাপন করেন।
- আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন।
- দীনেশ চন্দ্র সেন বলেছেন যে, এই রামাবতী নগরে রাজা রামপাল জগদ্দল মহাবিহারের প্রতিষ্ঠা করেন।
- একাদশ বা দ্বাদশ শতাব্দীতে রাজা রামপাল এই মন্দির নির্মাণ করেন বলে নীহাররঞ্জন রায়ের বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ আছে।
- এ গ্রন্থে আরও উল্লেখ আছে যে এ মন্দিরের অধিষ্ঠাতা দেবতা ছিলেন অবলোকিতেশ্বর, আর অধিষ্ঠাত্রী দেবী ছিলেন মহাতারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮৪.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অন্য কি নামে পরিচিত?
  1. সোনদিয়া
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. নারিকেল জিঞ্জিরা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো কক্সবাজার জেলায় বঙ্গোসাগরের মাঝে অবস্থিত সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ।
- এটি স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।
- সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ টেকনাফ উপেজেলা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমার উপকূল থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এটির গড় উচ্চতা ৩.৬ মিটার।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৮৫.
নিচের কোনটি মুঘল আমলের স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন নয়?
  1. পরির বিবির মাজার
  2. লালবাগ কেল্লা
  3. আঙ্গিনা মসজিদ
  4. সাফি খানের মসজিদ
সঠিক উত্তর:
আঙ্গিনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্গিনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
- ১৬৬৪ সালে বাংলার সুবাদার হিসেবে শায়েস্তা খান কে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তিনি মগদের উৎখাত করে করে বাংলার মানুষের জান মাল রক্ষা করেন।
- তিনি আরকান জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন চট্টগ্রাম থেকে।
- শায়েস্তা খানের শাসনকাল বাংলার স্থাপত্য শিল্পের জন্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
- তার আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে, হোসাইনি দালান,  সাফি খানের মসজিদ, লালবাগ কেল্লা, পরি বিবির মাজার, ছোট কাটরা উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে,
• আঙ্গিনা মসজিদ:
- লালমনিরহাট শহরের কালীবাড়ি এলাকায় একই খতিয়ানের একই দাগের জমির একই আঙ্গিনায় রয়েছে পুরান বাজার জামে মসজিদ ও কালীবাড়ি সার্বজনীন মন্দির।
- কালীবাড়ি মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছর পুরনো।
- ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর এই আঙ্গিনায় গড়ে উঠে একটি জামে মসজিদ।
- নাম দেওয়া হয় পুরান বাজার জামে মসজিদ।
- এ মসজিদটি আঙ্গিনা নামে পরিচিত।

• উৎস: ১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।
৪. দ্যা ডেইলি স্টার।
৪৮৬.
বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা পরিচালনা করে?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৪৮৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুতে কোন ধরনের রেললাইন নির্মাণ করা হবে?
  1. ব্রডগেজ ডাবল লাইন
  2. মিটারগেজ ডাবল লাইন
  3. ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন
  4. ব্রডগেজ সিংগেল লাইন
সঠিক উত্তর:
ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি  টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন। 

এছাড়াও,
- বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ ও রেলওয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
- অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রান্সএশিয়ান রেলপথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
- একই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বেগবান হবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা।
- বর্তমানে এই সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করে।

উৎস: i) ১০ মে, ২০২৪, প্রথম আলো। 
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪৮৮.
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত-
  1. সোমপুর মহাবিহার
  2. পানাম নগর
  3. আহসান মঞ্জিল
  4. আনন্দ বিহার
সঠিক উত্তর:
সোমপুর মহাবিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমপুর মহাবিহার
ব্যাখ্যা

• সোমপুর মহাবিহার:

- নওগাঁর পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে।
- রাজা ধর্মপাল এটি প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: জাতীয় তথ্যবাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৮৯.
ঢাকা গেইট এর নির্মাতা কে?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. নবাব আবদুল গণি
  3. লর্ড কার্জন
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন। 
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
৪৯০.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুমিল্লা
  3. ঢাকা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা

Rural Development Academy (RDA): 
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- একাডেমিটির মূল দায়িত্ব হলো প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লার কোটবাড়ীতে অবস্থিত। 

উৎস: RDA ওয়েবসাইট।

৪৯১.
‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’— কোন সামরিক শাসকের মুখ ব্যবহার করে কামরুল হাসান এই পোস্টারটি তৈরি করেন?
  1. জেনারেল আইয়ুব খান
  2. জেনারেল ইয়াহিয়া খান 
  3. জেনারেল নিয়াজি
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইয়াহিয়া খান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইয়াহিয়া খান 
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- এটি আকেঁন চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কণ্ঠ।

৪৯২.
সংশপ্তক' ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. হামিদুর রহমান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- সংশপ্তক' ভাস্কর্যটির স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উল্লেখ্য,
- 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- এর স্থপতি নিতুন কুণ্ডু।

 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৯৩.
১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে দেনদরবার করার ক্ষেত্রে কোন নেতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. হাকিম আজমল খান
  2. শেরে বাংলা এ, কে. ফজলুল হক
  3. স্যার সলিমুল্লাহ
  4. স্যার আব্দুর রহিম
সঠিক উত্তর:
স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে দেনদরবার করার ক্ষেত্রে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

♦ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস:
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
→ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
→ বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় 'সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন' এবং 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির' সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
→ নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
→ ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
→ ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
→ ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৯৪.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কত সালে প্রতিষ্ঠিত?
  1.  ১৯৫৮ সালে
  2.  ১৯৬০ সালে
  3.  ১৯৬৯ সালে
  4.  ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 
- এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে এবং ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

৪৯৫.
In which of the following district is the 'Bijoy 71' sculpture located?
  1. Mymensingh
  2. Rajshahi
  3. Bogra
  4. Tangail
সঠিক উত্তর:
Mymensingh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mymensingh
ব্যাখ্যা
ভাস্কর্য বিজয় ’৭১':
- ভাস্কর্য বিজয় ’৭১' ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে তুলে ধরা হয়েছে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিজয় ’৭১ ভাস্কর্যে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের সামনে স্থাপিত ভাস্কর্যটিতে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মুক্তিসংগ্রামে বাংলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের বিষয়টি।
- ভাস্কর শ্যামল চৌধুরী ২০০০ সালে এটি নির্মাণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ছয় ফুট উঁচু একটি বেদীর ওপর অবস্থিত এ ভাস্কর্যের মূলে রয়েছে তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নজরকাড়া বিপ্ল­বী ভঙ্গিমা।
- যেখানে স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা আকাশের দিকে তুলে ধরেছেন একজন কৃষক মুক্তিযোদ্ধা।
- তার ডান পাশেই রাইফেল শোভিত এক নারী দৃঢ়চিত্তে মুক্তিযুদ্ধে সকলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন।
- অন্যদিকে এক ছাত্র যোদ্ধা গ্রেনেড ছোড়ার ভঙ্গিমায় বাম হাতে রাইফেল নিয়ে তেজোদীপ্ত চিত্তে দাঁড়িয়ে আছেন।
- ভাস্কর্যের মূল অংশের নিচে টেরাকোটায় চিত্রিত হয়েছে ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা, শিক্ষা আন্দোলন।
 
 উৎস: i) ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ইত্তেফাক।
          ii) ৯ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
৪৯৬.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  2. রফিকুল ইসলাম
  3. আবুল কাসেম ফজলুল হক
  4. শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৩৬২ বঙ্গাব্দে (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সাল) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম বর্ধমান হাউস।
- বর্তমান মহাপরিচালক: অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- বর্তমান সভাপতি: আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- প্রথম মহাপরিচালক: প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- প্রথম সভাপতি: মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

⇒ কার্যাবলি:
১. জাতীয় আশা আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন, লালন ও প্রসার।
২. বাংলা ভাষার প্রামাণ্য অভিধান, পরিভাষা ও ব্যাকরণ রচনা, রেফারেন্স গ্রন্থ, গ্রন্থপঞ্জি এবং বিশ্বকোষ প্রণয়ন, প্রকাশন ও সহজলভ্যকরণ।
৩. বাংলা শব্দের প্রমিত বানান ও উচ্চারণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকতর ও সমৃদ্ধতরকরণ।
৪. বাংলা ভাষায় উচ্চতর পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক রচনা করা এবং উক্ত উদ্দেশ্যে গবেষণা, অনুবাদ গ্রন্থ এবং ভাষা-আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কিত গবেষণা ও সংকলন গ্রন্থ প্রকাশকরণ।
৫. আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা সাহিত্যের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় বাংলা সাহিত্যকর্মের অনুবাদ এবং অন্যান্য ভাষার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বাংলায় অনুবাদের ব্যবস্থা করা।
৬. সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তথা সকল পর্যায়ের গণকর্মচারীদের বাংলা ভাষায় দক্ষতা অর্জন, বাংলা বানানরীতি ও ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা।
৭. সাহিত্য পুরস্কার প্রদান এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং ফেলো, জীবনসদস্য ও সদস্যপদ প্রদান।
৮. বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চা বহির্বিশ্বে প্রচার ও পরিচিতকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৪৯৭.
নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মোনায়েম খান
  3. নরসিংহ রায়
  4. রাণী ভবানী
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। 
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৯৮.
‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্য কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত?
  1. ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে
  2. মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে
  3. ছয় দফা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে
  4. গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৯৯.
'আনন্দ বিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁ
  2. ময়নামতি
  3. পাহাড়পুর
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
ব্যাখ্যা

⇒ আনন্দ বিহার:
- কুমিল্লা জেলা সদরের কোটবাড়ির ময়নামতিতে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য আনন্দ বিহার ।

- চন্দ্রবংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫০০.
’মুক্তি ও গণতন্ত্র’ তোরণের স্থপতি কে?
  1. অখিল পাল
  2. রবিউল হুসাইন
  3. শামীম শিকদার
  4. নিতুন কুন্ডু
সঠিক উত্তর:
রবিউল হুসাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবিউল হুসাইন
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তি ও গণতন্ত্র' তোরণের স্থপতি হলেন প্রখ্যাত স্থপতি, কবি ও লেখক রবিউল হুসাইন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থিত একটি সুপরিচিত স্থাপনা,
- যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেট হিসেবেও পরিচিত।
- ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখায় ২০১৮ সালে একুশে পদক পান তিনি।

অন্যদিকে,
- শামীম শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসিতে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা এর স্থপতি।
- সার্ক ফোয়ারা, শাবাশ বাংলাদেশ এর স্থপতি নিতুন কুন্ডু।

•অখিল পাল:
- মোদের গরব,
- বিজয়োল্লাস,
- শ্রেষ্ঠ সন্তান (ভাস্কর্য),
- স্বাধীনতা চত্বর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ডিবিসি নিউজ।