বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৫৮৮

৩০১.
বার্ড এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. কুদরত-ই-খুদা
  3. ড. আখতার হামিদ খান
  4. ড. এম এ বারী
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

বার্ড
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

সূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট। 

৩০২.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়? 
  1. কুমিল্লা 
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিন কালের সোপান:
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ হলো হিমবাহ যুগের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের ওঠানামা ও নদী উপত্যকার ক্ষয়-ক্ষতির ফলস্বরূপ গঠিত স্তরীভূত উঁচু ভূমি।
- এই সোপানসমূহ গঠিত হয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের বারবার ওঠানামা এবং নদীতে পলি জমার কারণে। 
- মাটি সাধারণত লালচে, স্তরীভূত ও অনুর্বর, যা ‘লাল মাটি’ নামে পরিচিত। 
- এগুলো প্রায় ২৫,০০০ বছর আগে গঠিত হয়েছিল এবং প্লাবনভূমির তুলনায় তুলনামূলকভাবে উঁচু ও কম প্লাবিত। 
- সোপানগুলো বেঞ্চের মতো স্তরীভূত গঠনযুক্ত এবং বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিনকালের ভূ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১) বরেন্দ্রভূমি;
২) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং
৩) লালমাই পাহাড়।

- বাংলাদেশে এগুলো দেখা যায়— 
- উত্তর-পশ্চিমের বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা),
- মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর) এবং
- দক্ষিণ-পূর্বের কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

৩০৩.
নিপোর্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৩০৪.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই ৩৬ গেইট - সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।

৩০৫.
‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. শাহবাগে
  3. গাজীপুরের চৌরাস্তায়
  4. বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
ব্যাখ্যা
মোদের গরব:
- মোদের গরব বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৬.
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ কোন জায়গায় অবস্থিত?
  1. মেহেরপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ:

- মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
-
স্থপতি - তানভীর কবির।
- ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের শপথগ্রহণের স্মৃতি রক্ষার্থে এটি নির্মিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল তা উদ্বোধন করা হয়।
- এই সৌধে ২৩টি ত্রিকোণাকৃতি স্তম্ভ রয়েছে যা পাকিস্তান আমলের ২৩ বছরকে নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে এতে উদীয়মান সূর্যের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়কে বুঝানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৭.
প্রাচ্যের ডান্ডি নামে খ্যাত কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টঙ্গী
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

নারায়ণগঞ্জ

⇒ ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামেও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন।

- তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের উদ্দেশ্যে একটি দলিল প্রণয়ন করেন।
- সেই দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এর ফলেই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ।
- সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার মানচিত্রে নারায়ণগঞ্জ নামের কোনো নগরীর অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
- নারায়ণগঞ্জ নামকরণের পূর্বে সোনার গাঁ ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী।
- মুসলিম আমলের সোনার গাঁ নামের উদ্ভব প্রাচীন সুবর্ণগ্রামকে কেন্দ্র করেই।
- বহু অঞ্চলে মুসলিম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ঢাকা নগরের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল সোনার গাঁ।

- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নারায়ণগঞ্জে আগমনের পর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নদীপথে নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে সমুদ্রপথের চট্টগ্রাম বন্দর ও কলকাতার যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- বিভিন্ন নদীপথে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- তখন কলকাতা ও আসাম থেকে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে স্টিমার নারায়ণগঞ্জ নৌবন্দরে ভিড়ত।
- সে সময় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে ভ্রমণের একমাত্র প্রধান পথ ছিল নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর।
- এ কারণেই নারায়ণগঞ্জকে বাংলা ভ্রমণের প্রবেশদ্বার বলা হতো।
- প্রাচ্যের ড্যান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই।
- হাজার বছরের ব্যবসার ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
- মসলিন কাপড় উৎপাদনের কারণে দুনিয়াজুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়েছিল নারায়ণগঞ্জের।
- একসময় পাটের ব্যবসার আধিপত্য ছিল নারায়ণগঞ্জে।
- যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম পাটকল আদমজী জুট মিল গড়ে উঠেছিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বণিক বার্তা।

৩০৮.
ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট কতটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

◊ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দেয়া:
- ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট ৩টি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে:
- এর মধ্যে ২টি সাংস্কৃতিক ও ১টি প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
- এই তিনটি স্থান হলো: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সাংস্কৃতিক),
- বাগেরহাটের মসজিদ শহর (সাংস্কৃতিক) এবং
- সুন্দরবন (প্রাকৃতিক)।

উল্লেখ্য,
⇔ সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার, বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় ৩২২তম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮৫ সালে এটি এই মর্যাদা লাভ করে।
 দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত এই স্থাপনাটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল সম্রাট ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন।
⇔ মসজিদের শহর বাগেরহাট:
-১৯৮৫ সালে মসজিদের শহর বাগেরহাট ইউনেস্কোর “ঐতিহাসিক মসজিদের শহর” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- শহরটির স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই এটি তালিকাভুক্ত হয়।
- একই বছরে ইউনেস্কো বাগেরহাটকে ৩২১তম বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই শহরটি বিশেষভাবে বিখ্যাত প্রায় ৩৬০টিরও বেশি মসজিদ, পাশাপাশি বহু সরকারি স্থাপনা, সমাধি, সেতু, সড়ক ও জলাধারের জন্য - যার মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ সর্বাধিক পরিচিত।
⇔ সুন্দরবন:
- সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে তালিকায় ৭৯৮তম স্থান অর্জন করে। -বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সমৃদ্ধ ও বিরল জীববৈচিত্র্য, এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল হওয়ার কারণে সুন্দরবনকে এই মর্যাদা প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৩০৯.
”শুভলং ঝর্ণা” কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা
- রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় শুভলং ঝর্ণা অবস্থিত।
- মূল ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু ।
- গরম পানির ঝর্ণা এবং শীতল পানির ঝর্ণা বান্দরবানে রয়েছে

এছাড়াও,
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজারে অবস্থিত। 
- বান্দরবান জেলায় পরিচিত জলপ্রপাত শৈলপ্রপাত ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলায় তৈদুছড়া ঝর্ণা এবং রিসাং ঝর্ণা। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর।
৩১০.
চেতনা- ৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান-
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-
  3. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা
চেতনা '৭১' মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

- এটি বৃহত্তর সিলেটের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য।
- ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ মিনি অডিটোরিয়ামের পশ্চিম পাশে চেতনা ’৭১ নামে একটি অস্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণ করেন।
- অস্থায়ী ভাস্কর্যটি স্থায়ী ভাস্কর্যে পুনঃস্থাপনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় “ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন কমিটি”।
- পরবর্তীতে স্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়, আর তারই প্রতিফলিত রূপ চেতনা '৭১'।
৩১১.
বাংলা একাডেমি কত বঙ্গাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৩৬১ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩৬২ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩৬৩ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩৬৪ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমীর মুল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন সেলিনা হোসেন।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩১২.
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬০ সাল
  3. ১৯৫৭ সাল
  4. ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM):
- নায়েম বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management.
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।

উৎস: NAEM ওয়েবসাইট।

৩১৩.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি  শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩১৪.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটির নাম দিয়েছিলেন কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. শামীম শিকদার
  3. সালেহ চৌধুরী
  4. মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
সালেহ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালেহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯।
৩১৫.
'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' হিসেবে আখ্যায়িত কোনটি?
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  3. ছোট সোনা মসজিদ
  4. সাতগম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।

- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩১৬.
’লালবাগ দুর্গের’ অভ্যন্তরে অবস্থিত কার মাজার রয়েছে?
  1. পরী বানু
  2. পরি বিবি
  3. জিনাত মহল
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
পরি বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরি বিবি
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ পরি বিবির মাজার।
লালবাগ কেল্লা:
- এটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে।
- এটি  শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা পরীবিবির সমাধি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩১৭.
উয়ারী-বটেশ্বর কত বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন নগর সভ্যতার কেন্দ্র?
  1. ২০০০ বছরের
  2. ২৫০০ বছরের
  3. ৩০০০ বছরের
  4. ৩৫০০ বছরের
সঠিক উত্তর:
২৫০০ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০০ বছরের
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৩১৮.
নরসিংদী জেলায় নিম্নের কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয়?
  1. মহাস্থানগড়
  2. তাজহাট জমিদার বাড়ি
  3. উয়ারী বটেশ্বর
  4. ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
উয়ারী বটেশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উয়ারী বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

অন্যদিকে,
- মহাস্থানগড়: বাংলাদেশের এই প্রাচীনতম শহুরে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান গ্রামে অবস্থিত। 
- ময়নামতি: অষ্টম শতাব্দীর এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার নিচু ও মৃদু টোল পড়া পাহাড়ি এলাকা ময়নামতিতে। 
- তাজহাট জমিদার বাড়ি: রংপুরের উপকণ্ঠ তাজহাটে অবস্থিত বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদের আরেক নাম তাজহাট জমিদার বাড়ি। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩১৯.
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
​- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরে স্থাপিত বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক রমাপ্রসাদ চন্দ্রের প্রচেষ্টায় ১৯১০ সালে এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
​- বরেন্দ্র জাদুঘরের সংগ্রহ সংখ্যা ৯ হাজারেরও অধিক। এখানে হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। 
​- মোঘল আমলের রৌপ্র মুদ্রা, গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা, সম্রাট শাহজাহানের গোলাকার রৌপ্য মুদ্রা বিশেষ ভাবে উল্যেখয়োগ্য।
​- এখানে প্রায় ৫,০০০ পুঁথি রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৪৬টি সংস্কৃত আর বাকিগুলো বাংলায় রচিত।
​- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

​তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩২০.
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী?
  1. রক্ত সোপান
  2. বিজয় গাঁথা
  3. অনির্বাণ জেড
  4. বীরের প্রত্যাবর্তন
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম অনির্বাণ জেড।

সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:

- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান।
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড।
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

এছাড়াও,
⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ, ঢাকা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি।
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩২১.
দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্স কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. খুলনা
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ 
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্স কোথায় নির্মিত হচ্ছে- ময়মনসিংহের ত্রিশালে ।
- সেনাবাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।
- ত্রিশাল সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকায় প্রায় ১৭৩ একর জমিতে এ কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে।
- ৩৩টি খেলার জন্য এখানে মাঠ থাকছে। ২৩টি ইনডোর গেম, ৭টি আউটডোর গেম ও ৩টি অ্যাকোয়াটিক গেম একসঙ্গে আয়োজন করা যাবে। প্রথম পর্যায়ে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৫০০ আসন থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৩২২.
ঐতিহাসিক ’বাঘা মসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

• বাঘা মসজিদ:
- রাজশাহীর বাঘা শহরটি আয়তনে অনেক ছোট হলেও এর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মসজিদটি ইতিহাসে এক বিরাট স্থান দখল করে আছে।
- ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে হুসেইন শাহী বংশের শাসক সুলতান নুসরাত শাহের শাসনামলে এটি নির্মিত হয়।
- মসজিদটি তার জটিল ফুল ও জ্যামিতিক নকশা মিশ্রিত চিত্তাকর্ষক পোড়ামাটির অলঙ্করণের জন্য সুপরিচিত।

- ৫০০ বছরেরও বেশি পুরানো হওয়া সত্ত্বেও শত শত চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে মসজিদটি এখনও অটুট অবস্থায় রয়েছে।
- শুধু দর্শনার্থীরাই নন; প্রার্থনার জন্য আগত স্থানীয় মুসলমানরাও এর আঙিনা, প্রার্থনা হল এবং সুন্দর খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বারগুলো প্রায়ই ঘুরে দেখেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

৩২৩.
'জুলাই স্মৃতি উদ্যান' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. চট্টগ্রামে
  3. সিলেটে
  4. রংপুরে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

• ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’:
- চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ আবাসিকে অবস্থিত জাতিসংঘ পার্ককে আধুনিকায়ন করে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে পার্কটির নামকরণ করা হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’।
- শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এটি উদ্বোধন করেন।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা।

৩২৪.
‘চেতনা ৭১’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৩২৫.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল
  4. ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৩২৬.
'অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
৩২৭.
 ’মনপুরা-৭০’ কী?
  1. জাদুঘর
  2. চিত্রশিল্প
  3. চলচ্চিত্র
  4. ঘূর্ণিঝড় 
সঠিক উত্তর:
চিত্রশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রশিল্প
ব্যাখ্যা

• মনপুরা-৭১:
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আকাঁ ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা-৭১’ একটি চিত্রশিল্পটি।
- চিত্রশিল্পটি জয়নুল আবেদিনের তৈরি।
- পেইন্টিংটির মাঝে জয়নুলের কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। 

• জয়নুল আবেদিন:

- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:

- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩২৮.
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. সোনারগাঁও
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর (Bangladesh Folk Art & Craft Museum) নারায়ণগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩২৯.
ইউনেস্কো  বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে কত সালে?

  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:

- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৩০.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. পাবনা
  3. রাজশাহী
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩৩১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. বড় সোনা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. সাত গম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
• ষাটগম্বুজ মসজিদ  বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন। 

♦ ষাট গম্বুজ মসজিদ:

• ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে গড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এই বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
• খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে। 
• মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি । 

- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খান জাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ষাট-গম্বুজ-মসজিদ - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-গণপ্রজাতন্ত্রী, parjatan.gov.bd.
৩৩২.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন?
  1. মুঘল
  2. সুলতানি
  3. নবাবী
  4. ইউরোপীয়
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ সুলতানী স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

⇒ ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর  ওয়েবসাইট।

৩৩৩.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. গোপাল চন্দ্র পাল
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

•  শহীদ মিনার:
- শহীদদের উদ্দেশে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে এই স্তম্ভ নির্মিত হয়, যা বর্তমানে ‘শহীদ মিনার’ নামে পরিচিত।
- শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। - এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে। 
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভূক্ত ছিল। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ঢাকা জেলা অফিস।

৩৩৪.
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. রাজশাহী
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি: 
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত। 
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার একটি প্রসিদ্ধ স্থান। 

উৎস: বড়পুকুরিয়া-কয়লা-খনি, dinajpur.gov.bd
৩৩৫.
কান্তজীউ মন্দিরের ভৌগলিক অবস্থান কোন জেলা?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কান্তজীউ মন্দির

- উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম জেলা দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার অন্তর্গত সুন্দরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর গ্রামে এই মন্দিরের অবস্থান।
- জেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের পশ্চিমের নদীটির নাম ঢেঁপা।
- এই নদীর তীরবর্তী শ্যামগড় এলাকার কান্তনগর গ্রামটি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে প্রাচীন কান্তজীউ মন্দিরের জন্য।
- শ্রীকৃষ্ণের নামের এই কান্ত শব্দটি দিয়েই দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ মন্দিরটির নাম রাখেন কান্তজীউ মন্দির।
-  মন্দিরের গোড়াপত্তনের আগে স্থানীয় গ্রামটির নাম ছিলে শ্যামনগর।
- মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রামের নাম বদলে রাখা হয় কান্তনগর।

- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানকে চির স্মরণীয় করে রাখতে জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পোড়ামাটির অলঙ্করণ সমৃদ্ধ এ মন্দিরটি উৎসর্গ করা হয় শ্রীকৃষ্ণ ও তার স্ত্রী রুক্মিণীর প্রতি।

 - মন্দিরের কাজ অসমাপ্ত রেখেই মারা যান প্রাণনাথ। পরে তার পালক পুত্র রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে সফলভাবে মন্দির নির্মাণের বাকি কাজ সম্পন্ন করেন। সব মিলিয়ে পুরো নির্মাণ কাজে সময় লেগেছিলো প্রায় ৪৮ বছর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দ্যা ডেইলি স্টার।

৩৩৬.
'সোমপুর মহাবিহার' প্রাচীন কোন শাসনামলের নির্মিত হয়? 
  1. পাল আমলে
  2. গুপ্ত আমলে
  3. সেন আমলে
  4. মুঘল আমলে
সঠিক উত্তর:
পাল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল আমলে
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

উল্লেখ্য,
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি
দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুণ্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৩৭.
বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে?
  1. জাতীয় গ্রন্থাগার
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলা একাডেমি
  4. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৩৮.
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. তানভীর কবির
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। 
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। 
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩৯.
মহাখালী ফ্লাইওভারে কয়টি স্প্যান আছে?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
মহাখালী ফ্লাইওভার: 
- নির্মাণ সমাপ্তির দিক থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার দেশের প্রথম ফ্লাইওভার।
- মহাখালী ফ্লাইওভার উদ্ধোধন করা হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪ ।
- দৈর্ঘ্য ১০১২ মিটার, প্রস্থ ১৭.৯ মিটার, মোট পাইল ১৮ টি, মোট স্প্যান ১৯ টি ।
- এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ফাস্ট মেটার্লজিক্যাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৪০.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. ঢাকা
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
সাত গম্বুজ মসজিদ
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

অন্যদিকে: 
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
- ছোট সোনা মসজিদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট, parjatan.gov.bd.
৩৪১.
উপমহাদেশের সচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. সোমপুর বিহার
  4. ভাসু বিহার
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার। 
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। 
- সোমপুর বিহারে অবস্থান করতেন প্রাচীন চর্যাগীতিকার কাহ্নপা। 

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর তথ্যানুসারে, 
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।

উৎস: i) নওগাঁ জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
৩৪২.
Which organization publishes the "Banglapedia"?
  1. Asiatic Society of Bangladesh
  2. University of Dhaka
  3. Bangla Academy
  4. Shilpakala Academy
  5. None
সঠিক উত্তর:
Asiatic Society of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Asiatic Society of Bangladesh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে।

বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৪৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি আছে?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন।
- তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি।
- ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান।
- এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে।
- এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন।
- সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে।
- এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের।
- তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়।
- সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য নাতায়ন।
৩৪৪.
কুমিল্লায় কোন বিহার অবস্থিত?
  1. সোমপুর বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. শালবন বিহার
  4. কোন বিহার নেই
সঠিক উত্তর:
শালবন বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালবন বিহার
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:   
- ময়নামতীর প্রত্নতাত্ত্বিক খননস্থানগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- কুমিল্লার কাছে কোটবাড়ির বর্তমান বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর লাগোয়া লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় এর অবস্থান।
- এখানে খননের ফলে পাহাড়পুর বিহারের মতো এক বিরাট বৌদ্ধবিহার ও অন্যান্য উপকরণের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এগুলি সাত থেকে বারো শতকের বলে ধরা যায়।
- শালবন বিহার এলাকায় অনেক গভীরে খনন চালিয়ে এখানে চার স্তরে সংস্কার-মেরামত ও পুনর্নির্মাণ পর্যায়ের প্রমাণ পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩৪৫.
'বর্ধমান হাউস' এর বর্তমান নাম কি?
  1. কার্জন হল
  2. ফজলুল হক হল
  3. লালবাগের কেল্লা
  4. বাংলা একাডেমী
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- 'বর্ধমান হাউস' এর বর্তমান নাম বাংলা একাডেমি।

⇒ ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটির স্বপ্নদ্রষ্টা ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩৪৬.
’ছোট কাটরা’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা নদী
  2. বুড়িগঙ্গা নদী
  3. তুরাগ নদী
  4. ইছামতি নদী
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদী
ব্যাখ্যা
• ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মান কাজ শুরু হয় এবং তা ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান ছিল বড় কাটরার পূর্বদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট এবং এ কারণেই হয়তো এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- তবে ইংরেজ আমলে এতে বেশ কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা।
৩৪৭.
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. শাহ সুজা
  3. টিপু সুলতান
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে — শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
৭২-এর সংবিধান নিয়ে তৈরী ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ধ্রুব ’৭২’
  2. বিপ্লব
  3. নির্মল '৭১'
  4. আলোকবর্তিকা
সঠিক উত্তর:
ধ্রুব ’৭২’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুব ’৭২’
ব্যাখ্যা
‘ধ্রুব ’৭২’:
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালের সংবিধানকেন্দ্রিক দেশের প্রথম ভাস্কর্য-স্থাপনা ‘ধ্রুব ’৭২’।
- ভাস্কর্যটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ভাস্কর্য-স্থাপনাটির রূপকার উপাচার্য সৌমিত্র শেখর।
- এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি সুউচ্চ স্তম্ভে উৎকীর্ণ আছে।
- ‘ধ্রুব ’৭২’ স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের প্লাজায়, যা ‘সংবিধান আঙিনা’ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩।
৩৪৯.
জাইকার সাথে চুক্তি অনুযায়ী, 'MRT Line-6' রেলপথ চালুর কত বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে?
  1. ১০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
জাইকার সাথে চুক্তি অনুযায়ী, 'MRT Line-6' রেলপথ চালুর ৩০ বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬।
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।

MRT Line-6 এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ সরকার (৪১.২২%)।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছরের মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
৩৫০.
ঢাকার “ছোট কাটরা” নির্মাণ করেন-
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. সুবেদার ইসলাম খান
  3. শাহ সুজা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।

ছোট কাটরা:
- ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এবং  ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট।
- এবং এ কারণেই এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।
- ছোট কাটরার সাথে বিবি চম্পার স্মৃতিসৌধ অবস্থিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বড় কাটরা নির্মাণ করেন  শাহ সুজা।
- সুবেদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ নবাব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫১.
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী? 
  1. বিজয়স্তম্ভ
  2. বিজয়কেতন
  3. স্বাধীনতা সোপান
  4. রক্ত সোপান
সঠিক উত্তর:
রক্ত সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্ত সোপান
ব্যাখ্যা
• সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:
- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান। 
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড। 
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

এছাড়াও,
⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ, ঢাকা।
- "স্বাধীনতা সোপান" : সাঁথিয়া উপজেলা, ,পাবনা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি। 
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয়স্তম্ভ: গাইবান্ধা।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫২.
'লৌহিত্য' কোন নদ/নদীর পূর্ব নাম?
  1. মেঘনা
  2. পদ্মা
  3. কর্ণফুলী
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ:
-ব্রহ্মপুত্র নদ এশিয়া মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্মপুত্রের অর্থ হচ্ছে "ব্রহ্মার পুত্র।
- ব্রহ্মপুত্রের পূর্ব নাম ছিল লৌহিত্য।
- ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।
- ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঠিত হবার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়ে যায়।
- পরবর্তিতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয় যা যমুনা নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এক কালের প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমান শীর্ণকায়।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ২ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের খননকাজ করছে।
- বিআইডব্লিউটিএর প্রকল্পে বলা হয়েছে, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ খননের উদ্দেশ্য হলো নাব্যতা ফিরিয়ে এনে সারা বছর যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী নৌযান চলাচল নিশ্চিত করা, যেন শুকনো মৌসুমেও ৯০ মিটার প্রস্থে ৮ থেকে ১০ ফুট গভীর পানি থাকে।

উৎস: প্রথমআলো। 
৩৫৩.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. নওগাঁ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩৫৪.
দেশের প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
  2. সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
  3. লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
  4. মীরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহাগড়া, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বুক চিরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার প্রথম 'এলিফ্যান্ট ওভারপাস'।
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে বন্যপ্রাণী চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।
- এ ওভারপাসের ওপর অংশ দিয়ে হাতি ও নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেললাইনের চুনতি, ফাঁসিয়াখালি ও মেধাকচ্ছপিয়ায় তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- এর মধ্যে চুনতিতে হয়ে গেছে প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস।

তথ্যসূত্র: i) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, The Business Standard। [লিঙ্ক]
         ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, কালবেলা।[লিঙ্ক]
৩৫৫.
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকার সাভার
  2. রাজশাহীর সারদা
  3. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
  4. ঢাকার সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহীর সারদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহীর সারদা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী: 
- বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী পুলিশ অফিসারদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- এটি রাজশাহী শহর থেকে ২০ মাইল দূরে পদ্মা নদীর পূর্ব পাড়ে সারদায় অবস্থিত।
- ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক একাডেমীটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯১২ সালে পুলিশ ট্রেনিং কলেজ নামে তৎকালীন বাংলা ও আসাম প্রদেশের পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রথম যাত্রা করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী ওয়েবসাইট। 
৩৫৬.
Parki beach is situated in ______.
  1. Chittagong
  2. Khulna
  3. Cox's Bazar
  4. Potuakhali
সঠিক উত্তর:
Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chittagong
ব্যাখ্যা
পারকী সৈকত:
- পারকী সৈকত চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানায় অবস্থিত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- স্থানীয়দের কাছে এটির পরিচয় পারকীর চর হিসেবে।
- এছাড়া অনেকে এটিকে পারকী বিচ বলেও পরিচয় দেন।
- চট্টগ্রাম শহর থেকে এই বিচটির দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- এটি মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে এই পারকী সমুদ্র্র সৈকত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৩৫৭.
“অপরাজেয় বাংলা”র স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক 
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
ব্যাখ্যা

"অপরাজেয় বাংলা”:- 
- অপরাজেয় বাংলা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- এই ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে স্থাপিত।
- এর স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
- এই ভাস্কর্যটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
- অপরাজেয় বাংলা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য হিসেবে স্বীকৃত। 

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎ: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

৩৫৮.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার কোন এলাকায় অবস্থিত?
  1. সেগুনবাগিচা
  2. ধানমণ্ডি
  3. মগবাজার
  4. বনানী
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর 'সেগুনবাগিচা' এলাকায় ছিলো।
কিন্তু, 
২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
--------------- 
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:

- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকাস্থ সেগুনবাগিচার একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ। 
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৫৯.
সোনাকান্দা দুর্গ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. সাভার
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
সোনাকান্দা দুর্গ:
- সোনাকান্দা দুর্গ  শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বতীরে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে অবস্থিত একটি মুগল জলদুর্গ।
- হাজীগঞ্জ দুর্গের প্রায় বিপরীত দিকে এ দুর্গের অবস্থান।
- নদীপথে ঢাকার সাথে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলির নিরাপত্তা বিধানের জন্য মুগলগণ কতকগুলি জলদুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, সোনাকান্দা দুর্গ তার অন্যতম।
- বন্দর উপজেলা সদর হতে ১.৫ কিঃ মিঃ দূরত্বে অবস্থিত এ দূর্গটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির একটি নিদর্শণ।
- আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান মীর জুমলা ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীতে জলদস্যুদের নিধন করার জন্য শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরবর্তী সোনাকান্দা এলাকায় এ দূর্গটি স্থাপন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬০.
পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ১২৫
  2. ১৪০
  3. ১২০
  4. ১৬১
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।
- সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক। কক্সবাজারের সন্নিকটেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান রামু।
- কক্সবাজারের উত্তর-পশ্চিমে সমুদ্র মাঝে রয়েছে মহেশখালী দ্বীপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৬১.
'তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী 
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।

⇒ এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে। পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে। ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
৩৬২.
'সংশপ্তক' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- ‘সংশপ্তক’ মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে এই ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্য
- এর উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ, ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি।
- যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৬৩.
‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ‍উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের’ পরিবর্তিত নতুন নাম কী?
  1. বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
  2. জাতীয় যুব উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ‍উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের’ নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নাম বাদ দিয়ে এর নাম করা হয়েছে জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এসংক্রান্ত শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪ জারি করেছেন।
- রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট অধ্যাদেশ জারি করার পর ২৭ আগস্ট তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। 
- আইনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৪ নম্বর আইনের ধারা ১-এর সংশোধন করা হয়েছে। উল্লিখিত ‘শেখ হাসিনা’ শব্দটি বিলুপ্ত হবে। আইনে অন্যান্য যেসব জায়গায় ‘শেখ হাসিনা’ শব্দটি রয়েছে সেটাও বিলুপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। 

জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
-  বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় যুব উন্নয়ন বিষয়ক কার্যক্রম এদেশের উন্নয়ন মাত্রার গতি নির্ধারক।
- যুবদের উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার সঠিক বিকাশ ও উপযুক্ত লালনের জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ।
- যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় ২৭১০.২৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দে একটি উন্নয়ন প্রকল্প হিসাবে ১৯৯৮ইং সনে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ইন্সটিটিউটের যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় যুব উন্নয়ন ইন্সটিটিউট। 
৩৬৪.
সংশপ্তক ভাস্কর্যের ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুন্ডু
  3. হামিদুর রহমান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৬৫.
বাংলার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার 'শালবন বিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. বিক্রমপুর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
ব্যাখ্যা
• শালবন বিহার:
- এটি কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- এর সন্নিহিত গ্রামটির নাম শালবনপুর।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের ছয়টি নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ পর্বের কথা জানা যায়।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারের চার দিকের দেয়াল পাঁচ মিটার পুরু।
- কক্ষগুলো বিহারের চার দিকের বেষ্টনী দেয়াল পিঠ করে নির্মিত।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।

উল্লেখ্য
- বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬৬.
‘চেতনা ৭১’ ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন কে?
  1. নিতুন কন্ডু
  2. মোবারক হোসেন নৃপাল
  3. হামিদুর রহমান
  4. মৃনাল হক
সঠিক উত্তর:
মোবারক হোসেন নৃপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবারক হোসেন নৃপাল
ব্যাখ্যা
‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি মোবারক হোসেন নৃপাল।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৬৭.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল
সঠিক উত্তর:
২৪০০ বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৩৬৮.
দেশের প্রথম 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. রাজশাহী
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৬৯.
'চুকনগর বধ্যভূমি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বগুড়া
  3. কুষ্টিয়া 
  4. খুলনা 
সঠিক উত্তর:
খুলনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা 
ব্যাখ্যা

চুকনগর বধ্যভূমি:
- পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম যেসব গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে একটি চুকনগর গণহত্যা।
- এটি খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার ছোট্ট শহরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে খুলনার ডুমুরিয়ার ছোট্র শহর চুকনগরে পাকিস্তানি বর্বর সেনারা নির্মম এ হত্যাকান্ড ঘটায়।
- এ স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে।

⇒ চুকনগর গণহত্যা:
- অতর্কিত এ হামলা চালিয়ে মুক্তিকামী ১০-১২ হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে তারা।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা যে নির্মম অত্যাচার, নির‌যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তারও এক নীরব সাক্ষী হয়ে আছে আজকের চুকনগর।
- ওই দিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগ পুরুষ হলেও বহু নারী ও শিশুকেও হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।
- পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দক্ষিণাঞ্চলের জনগোষ্ঠী বাঁচার তাগিদে ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনা, ফরিদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশে রওনা হন।
- ভারতে যাবার জন্যে তারা ট্রানজিট হিসেবে বেছে নেন ডুমুরিয়ার চুকনগরকে।
- ২০মে সকাল ১০টার দিকে ৩টি ট্রাকে করে হঠাৎ পাকিস্তানি সেনারা চুকনগর বাজারের ঝাউতলায় (তৎকালীন পাতখোলা) এসে থামে।
- দুপুর ৩টা পর্যন্ত তারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে থাকে।
- মাঠে, ক্ষেতে, খালে-বিলে পড়ে থাকে লাশ আর লাশ।
- এসব স্থান থেকে লাশ নিয়ে নদীতে ফেলার কাজ শুরু করেন স্থানীয়রা।
- চুকনগরের ফসলি জমিগুলোয় আজও পাওয়া যায় সেদিনের শহীদদের হাড়গোড়, তাদের শরীরে থাকা বিভিন্ন অলঙ্কার। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৭০.
বাংলাদেশের একমাত্র লােকশিল্প জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত ?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. বাগেরহাট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।

৩৭১.
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. সৈয়দ জাহাঙ্গীর
  3. মনিরুজ্জামান
  4. আবদুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ মার্চ, ১৯৭১ সালের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীর যোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে এই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ভাস্কর্যটি অবস্থান: চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর।
- স্থপতি: আবদুর রাজ্জাক।
- নির্মিত হয়: ১৯৭৩ সাল।
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভাস্কর্যটির বেদি ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।
- বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।

৩৭২.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান ভূমি জরিপের কাজে LANDSAT ও NOAA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে?
  1. আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. ভূমি জরিপ অধিদপ্তর
  3. দূরসম্পর্ক অধ্যয়ন কেন্দ্র
  4. স্পারসো
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁও- এ অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদানে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সংস্থাটি LANDSAT ও NOA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট ইমেজারিগুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো), sparrso.gov.bd.
৩৭৩.
বিনত বিবির মসজিদ অবস্থিত-
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. পুটিয়া
  4. ঢাকার নারিন্দা
সঠিক উত্তর:
ঢাকার নারিন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার নারিন্দা
ব্যাখ্যা

• বিনত বিবি মসজিদ:
- ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ সকল মসজিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
- পুরান ঢাকার ৬নং নারিন্দা রোডে এখনো গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকার সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে পরিচিত নারিন্দা বিনত বিবির মসজিদটি। 

- এটি ঢাকার সবচেয়ে পুরোনো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি; যা প্রায় ৬০০ বছর আগের।
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।

- সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে বাণিজ্যে আসতেন।
- পুরান ঢাকার এ এলাকা (নারিন্দা-ধোলাইখাল) দিয়ে তখন বয়ে যেত বুড়িগঙ্গার একটি শাখা যা বুড়িগঙ্গা হয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে মিশত। 

- পুরান ঢাকার নারিন্দা-ধোলাইখাল অঞ্চলে ব্যবসার জন্য আসেন আরাকান আলী নামের একজন সওদাগর।
- নামাজের সুবিধার জন্য তিনি মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- তার মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যুর পর মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় এবং পরে আরাকান আলীও এখানেই দাফন হন।
- পরবর্তীতে বিনত বিবির নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩৭৪.
‘সাত গম্বুজ মসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বাগেরহাট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• সাত গম্বুজ মসজিদ:
- ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকার সাত মসজিদ রোডে এই ঐতিহাসিক ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি অবস্থিত।
- ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত মোগল শাসনের ধারাবাহিকতায় যে স্থাপত্যরীতি প্রচলিত রয়েছে তারই উদাহরণ ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি।
- ধারণা করা যায়, ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- অন্য এক তথ্যে জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ) খাঁ এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।
- বর্তমানে, মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আছে।

উৎস:  বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা অফিস।
৩৭৫.
বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. গুলিস্তান, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4. শাহবাগ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গুলিস্তান, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুলিস্তান, ঢাকা
ব্যাখ্যা

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র:
- বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ ঢাকার গুলিস্তানে (শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ) অবস্থিত।

• প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। 
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে ১৭ (সতের) সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা বোর্ড প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা বিষয়ক নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। 
- প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক নির্বাহী হিসাবে দায়িত্বে থাকেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মনোনীত একজন পরিচালক। 
- রূপকল্প: গ্রন্থমনস্ক আলোকিত মানুষ।
- অভিলক্ষ্য: মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশজ সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভে সহায়তার উদ্দেশ্যে গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির আলোকিত সমাজ গঠন।

উল্লেখ্য,
- যেকোন দেশ, জাতি এবং তার মানবসম্পদ উন্নয়নের অপরিহার্য্য উপাদান হলো গ্রন্থ এবং তার ব্যবহার।
- গ্রন্থের উন্নয়ন ও প্রসারকে সামনে রেখে ১৯৬০ সালে ইউনেস্কোর সার্বিক সহযোগিতায় তৎকালীন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন বলে ‘ন্যাশনাল বুক সেন্টার অব পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যার একটি শাখা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় অবস্থিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে গৌরবোজ্জ্বল  স্বাধীনতা লাভের পর প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বাংলাদেশ’।
- ১৯৮৩ সালে এনাম কমিটির প্রতিবেদনে এই সংস্থাটিকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা প্রদান করা হয়।
- ১৯৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৭নং আইন বলে ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’ আইন প্রণয়ন করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র’।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩৭৬.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চাঁদপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং মেঘনা নদীর পলিতে গঠিত বাংলাদেশ।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণ রোডে “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরি” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পরে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার “নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট” প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুরে ৮৬ একর জমিতে এই প্রতিষ্ঠানটি নির্মিত হয়।
- অর্থাৎ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।

- ১৯৯০ সালের ৫৩ নং আইনের মাধ্যমে এটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এটি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আলাদা হয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
৩৭৭.
ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন।
  2. চায়না সিনোহাইড্রো করপোরেশন।
  3. ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
  4. জাপান-আন্তর্জাতিক-উন্নয়ন-সংস্থা (জাইকা)।
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
ব্যাখ্যা
ঢাকা মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহণের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’-এর অর্থায়নে একটি সরকারি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।
-অর্থাৎ ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬। এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- ডিএমটিসিএলের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করছে-জাইকা (৭৫%) ও বাংলাদেশ সরকার।
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম- দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন।
- মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যবস্থার নাম-কমিউনিকেশন বেজড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম।

তথ্যসূত্র : Dhaka Metro Mass Rapid Transit System ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
৩৭৮.
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী?
  1. মুহম্মদ নূরুল হুদা
  2. সেলিনা হোসেন
  3. হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  4. শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ নূরুল হুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ নূরুল হুদা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:

- বাংলা একাডেমীর মুল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন সেলিনা হোসেন।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩৭৯.
ঢাকার ঐতিহাসিক 'আহসান মঞ্জিল' কে নির্মাণ করেন?
  1. নবাব আবদুল গণি
  2. নবাব কুতুব উদ্দিন
  3. নবাব আব্দুল লতিফ
  4. নবাব হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
নবাব আবদুল গণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব আবদুল গণি
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।
- তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে।
- এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।
- আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এখন পর্যন্ত সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭। 
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮০.
'সাগর কন্যা' বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. পটুয়াখালী
  2. বরগুনা
  3. বরিশাল
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
• সাগরকন্যা:

- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৮১.
বাংলাদেশের শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. রূপগঞ্জ 
  3. আড়াইহাজার 
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নামেও পরিচিত।
- জাদুঘরটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও-এ অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রাচীন লোকশিল্প ও কারুশিল্প সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জাদুঘরটি ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন দ্বারা জাদুঘরটি পরিচালিত হয়।

- জাদুঘরটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
• এটি বাঙালির হস্তশিল্প, পটচিত্র, মুখোশ, মাটির কাজ, লোকজ বাদ্যযন্ত্র এবং গ্রামীণ জীবনের নানা নিদর্শনের এক বিশাল সংগ্রহশালা। 
• সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক বড়সর্দারবাড়ি প্রাসাদে এটি স্থাপিত।
• জাদুঘরের এলাকা জুড়ে রয়েছে কারুপল্লী, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং একটি বিশাল লেক, যা দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণ বাড়ায়।
• ঢাকা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে জাদুঘরটি অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩৮২.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. নড়াইল
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাঃ
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের অগ্রগামী ছিলেন।
- ময়মনসিংহের স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনি একটি আর্ট গ্যালারী প্রতিষ্ঠা শুরু করেন, যা ১৫ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এটির উন্নতি করা হয় এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। 
- প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির সম্মানে যাদুঘরের নামকরন করা হয় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা।
- এটি ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৩.
গুপ্ত যুগে নির্মিত 'ভরত রাজা দেউল' কোথায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. যশোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা

ভরত রাজা দেউল:
- অবস্থান:  যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায়, ভদ্রা নদীর তীরে।
- উচ্চতা ও পরিধি: উচ্চতা প্রায় ১২.২০ মিটার, পরিধি ২৬৬ মিটার।
- সময়কাল: গুপ্ত যুগে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননকাল: ১৯৮৪–২০০১ সাল।
- স্থাপনাটির প্রধান অংশ: টি-আকৃতির স্থাপনা, একটি মঞ্চ মূল মন্দির।
- মোট কক্ষ : ৯৪টি কক্ষ।
-  স্হাপনাটির গোড়ায় দিকে চারপাশে ৩ মিটার চওড়া রাস্তা রয়েছে।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

৩৮৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. গয়াল
  4. রয়েল বেঙ্গল টাইগার
সঠিক উত্তর:
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের:
- জাতীয় গাছ : আম গাছ, 
- জাতীয় পাখি : দোয়েল, 
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল, 
- জাতীয় মাছ : ইলিশ, 
- জাতীয় ফুল : শাপলা, 
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৩৮৫.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• সাবাস বাংলাদেশ:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘সাবাস বাংলাদেশ’।
- ভাস্কর্যটির ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয়।
 
• নিতুন কুন্ডু:
- নিতুন কুন্ডু চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর, শিল্পপতি।
- জন্ম ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে।
- নিতুন কুন্ডু সিনেমার ব্যানার এঁকে নিজের আয়ে শিক্ষা অর্জন করেন।
- ১৯৫৪ সালে তিনি ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে তথ্য ও প্রচার বিভাগে ডিজাইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওই সময়ে তাঁর আঁকা একটি পোস্টারের স্লোগান ছিল: ‘সদাজাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৩৮৬.
ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার কে নির্মাণ করেন?
  1. ভবদেব
  2. আনন্দদেব
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ভবদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবদেব
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৩৮৭.
কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক শালবন বৌদ্ধ বিহারটি কার প্রতিষ্ঠিত কীর্তি?
  1. রাজা বিজয় সেন
  2. শ্রী আনন্দদেব
  3. ধর্মপাল
  4. শ্রী ভবদেব
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
ব্যাখ্যা

◉ শালবন বৌদ্ধ বিহার ৮ম শতকে দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব প্রতিষ্ঠা করেন

শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  3. তানভির কবির
  4. মাযহারুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মাইনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- এটি একটি স্মারক স্থাপনা যা সাভার অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে প্রথম বিজয় দিবসে।
- সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫ মিটার। 
- এই স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলক।
- বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৯.
বিখ্যাত তারা মসজিদ নির্মাণ করেন -
  1. মির্জা গোলাপ পীর
  2. মির্জা আহমদ খান
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. মির্জা মোহাম্মদ খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৩৯০.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. তানবির কবির
  2. হামিদুর রহমান
  3. অস্কার বাদল
  4. হামিদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান। 

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:

- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। 
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
-  ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। 
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩৯১.
সীতাকোট বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৩৯২.
সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. মাজহারুল হক
  2. লুই আই কান
  3. এফ আর খান
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯৩.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাউজান, চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাউজান, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউজান, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মহামুনি বিহার:
- মহামুনি বিহার চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে অবস্থিত
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়।

উৎস - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট ও দৈনিক সমকাল।

৩৯৪.
ষাটগম্বুজ মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. খান জাহান আলী
  3. বায়েজীদ বোস্তামী
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
খান জাহান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান জাহান আলী
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ:
- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৯৫.
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম কোন শহরে অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
- শহীদ চান্দু” স্টেডিয়াম বগুড়া শহরে অবস্থিত।
- বগুড়া জেলার উত্তরপশ্চিমস্থ প্রান্তে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকায় এটির অবস্থান। 
- এই স্টেডিয়ামে প্রথম ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই স্টেডিয়াম এর ধারন ক্ষমতা ২০, ০০০জন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৯৬.
কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত-
  1. নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
  2. চট্টগ্রামের বাঁশখালি
  3. খুলনার মংলা
  4. পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত- পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।

• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান: 
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, কুয়াকাটা।
৩৯৭.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
  1. ফরিদপুর
  2. চাঁদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

• নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (আরআরআই বা বাংলায় নগই) হলো বাংলাদেশের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা প্রধানত-
- বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
- নদীর নাব্যতা রক্ষা ও পাললিকীকরণ,
- সেচব্যবস্থা এবং
- নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে জরিপ পরিচালনা ও ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ করে থাকে।

- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট তিনটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সেগুলো হলো: হাইড্রলিক রিসার্চ, জিওটেকনিক্যাল রিসার্চ এবং অর্থ ও প্রশাসন পরিদপ্তর।

উল্লেখ্য,
- মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

উৎস: নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৩৯৮.
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩৯৯.
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি জেলায়
  2. রাঙ্গামাটি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. কক্সবাজার জেলায়
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি জেলায়
ব্যাখ্যা
আলুটিলা গুহা:

অবস্থান:
আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের — খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।

কিভাবে যাওয়া যায়:
মাটিরাঙ্গা থেকে ১১ কিলোমিটার জেলা শহর পথে। অথবা জেলা শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার পশ্চিমে আলুটিলার অবস্থান।

স্থানীয় নাম:
স্থানীয়রা এই গুহাকে "মাতাই হাকড়" বা দেবতার গুহা বলে থাকেন।

গুরুত্ব:
- আলুটিলা খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
- যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
- মাটিরাঙ্গা উপজেলার ওয়েবসাইট।
৪০০.
চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য-
  1. ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা
  2. বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা
  3. ঢাকা-আরিচা রোডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানো
  4. দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
সঠিক উত্তর:
দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
ব্যাখ্যা
• চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১: 
- বুড়িগঙ্গা সেতু হলো বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু।
- এটি প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু হিসেবেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে তৈরি করেছে।
- সেতুটি ৭২৫ মিটার দীর্ঘ।
- এই সেতু নির্মাণ শুরু হয় ৮০-এর দশকে এবং শেষ হয় ১৯৮৯ সালে। ঐ বছর সেতুর উদ্বোধন হয়।
- এই সেতু ঢাকার সঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- এই সেতু ঢাকা-খুলনা মহাসড়ককেও যুক্ত করেছে।

তাই বলা যায়,
চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য- দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা। 

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, বাংলাপিডিয়া।