বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৫৮৮

২০১.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আখতার হামিদ খান
  2. আলতাফ হামিদ খান
  3. আব্দুল্লাহ হামিদ খান
  4. আব্দুল লতিফ খান
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড):
- কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- ডঃ আখতার হামিদ খান একজন উন্নয়ন কর্মী এবং সমাজ বিজ্ঞানী হিসাবে পরিচিত ছিলেন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৯ সালের ২৭ মে।
-  মহাপরিচালক বার্ডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা।
- বার্ড  ৯ টি অনুষদে বিভক্ত এবং প্রতিটি অনুষদ পরিচালিত হয় একজন পরিচালকের অধীনে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বার্ড ক্যাম্পাসে রয়েছে ৫ টি হোস্টেল, ৪ টি কনফারেন্স কক্ষ, ২ টি ক্যাফেটারিয়া, ১ টি মসজিদ, ১ টি গ্রন্থাগার ও ১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
- এটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উল্লেখ্য,
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।
- পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে
- এছাড়া ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২০২.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- সংশপ্তক’: মহান মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য।
- উদ্দেশ্য: মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক।
- অবস্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রন্থাগার ভবনের সামনে।
- কাঠামো: চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য, উচ্চতা ১৫ ফুট।
- স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ ১৯৯০।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- চিত্রনাট্য: যুদ্ধে এক হাত ও এক পা হারানো বীর, পঙ্গুত্ববরণ সত্ত্বেও বন্দুক হাতে লড়াই করে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন; দৈনিক প্রথম আলো।

২০৩.
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক অনু মোহাম্মদ 
  2. অধ্যাপক সলিমুল্লাহ
  3. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  4. অধ্যাপক রেজা এলাহি চৌধুরি
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।  
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।


উৎস:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একডেমি।

২০৪.
কোন মডেলের জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করে?
  1. রাজশাহী মডেল
  2. চট্টগ্রাম মডেল
  3. ঢাকা মডেল
  4. কুমিল্লা মডেল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা মডেল
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 
- এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে এবং ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

২০৫.
দেশের বর্তমান সর্বোচ্চ জাতীয় পতাকা-স্তম্ভ কোথায় অবস্থিত? 
  1. পঞ্চগড় 
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• চির উন্নত বিজয় নিশান:
- 'চির উন্নত বিজয় নিশান' গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে অবস্থিত।
- এটি বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ (ফ্ল্যাগ পোল)।
- উচ্চতা: ১২০ ফুট। 
- এতে উত্তোলিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ২৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৬.৮ ফুট। ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরন্তন প্রতীক হিসেবে জাতির গৌরবগাথাকে বহন করছে।

- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কালিয়াকৈরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে নবনির্মিত এ পতাকা-স্তম্ভের উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এ পতাকা-স্তম্ভের উদ্বোধন করেন। 

উল্লেখ্য,
এর পূর্বে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ছিল পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত পতাকা-স্তম্ভ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

২০৬.
বরেন্দ্র মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. ময়নামতি
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- এটি রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত। 
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন। 
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২০৭.
জাতীয় সংসদ ভবনটি কার সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন?
  1. হ্যারি এম পামবাম
  2. লুই আই কান
  3. হামিদুর রহমান
  4. এফ আর খান
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ ভবন: 
- রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত এই জাতীয় সংসদ ভবন ।
- জাতীয় সংসদ ভবনটি আমেরিকার স্থাপতি লুই আই কান-এর সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে সংসদ ভবনের নকশা সম্পন্ন হয় এবং এর পরপরই  নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মাণাধীন প্রধান অবকাঠামোটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ভবনের মূল নকশায় কোনো রকম পরিবর্তন না এনে নির্মাণ সম্পন্ন করার কৃতিত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- এর মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- এ ভবন কমপ্লেক্সটির সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় ১২৮ কোটি টাকা।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় 
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন। 
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফের্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২০৮.
ষাটগম্বুজ মসজিদ কত সালে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।

⇒ এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত। বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii)  প্রথম আলো।
২০৯.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে?
  1. ৪ (চার) টি
  2. ৫ (পাঁচ) টি
  3. ৬ (ছয়) টি
  4. ৭ (সাত) টি
সঠিক উত্তর:
৫ (পাঁচ) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ (পাঁচ) টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের ৫টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে।
- সুন্দরবনের সাথে যুক্ত জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালি, বরগুনা।

- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উল্লেখ্য,
যে বাংলাপিডিয়া বা নবম দশম শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে সুন্দরবন বাংলাদেশের তিনটি জেলায় বিস্তৃত এমনটি বলা আছে।
তবে যেহেতু অপশনে ০৩ (তিন)টি না থাকার কারণে মানচিত্র এবং অন্যান্য উৎস বিবেচনায় এনে, অধিকতর উপযুক্ত উত্তর হিসেবে ০৫ (পাঁচটি) জেলা নেয়া হয়েছে।  

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২১০.
বলিহার রাজবাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. রংপুর
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

বলিহার রাজবাড়ি:
- বলিহার রাজবাড়ি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
- নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের সনদ বলে বলিহারের এক জমিদার জায়গীর লাভ করেন।
- বলিহারের জমিদারদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণেন্দ্রনাথ রায় একজন লেখক ছিলেন।
- বলিহারের নয় চাকার রথ প্রসিদ্ধ ছিল।
- বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র ১৮২৩ খিস্টাব্দে লোকান্তরিত হবার পূর্বে এখানকার বিখ্যাত দূর্গামন্দিরে রাজরাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মুর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

তথ্যসূত্র - নওগাঁ জেলা ওয়েবসাইট।

২১১.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন কে?
  1. মোস্তফা মনোয়ার
  2. সালেহ চৌধুরী
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
২১২.
২০ টাকার নোটে কোন মসজিদের ছবি দেয়া আছে?
  1. বাইতুল মোকাররম
  2. কুসুম্বা মসজিদ
  3. তারা মসজিদ
  4. ষাট গম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
 ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ২০ টাকার নোটে  ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
২১৩.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ১৩শ শতাব্দী
  2. ১৫শ শতাব্দী
  3. ১৪শ শতাব্দী
  4. ১৭শ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- তবে নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় এটি ১৫শ শতাব্দীতে খান জাহানের আমলে তৈরি।
- এটি বাংলার সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মসজিদটির ছাদে ৭৭টি ছোট গম্বুজ এবং কেন্দ্রে চারটি বৃহৎ গম্বুজসহ মোট ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- ৬০টি পাথরের স্তম্ভের উপর এ মসজিদটি স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে।
- ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশেই রয়েছে 'ঘোড়া দীঘি' ।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রাচীন খলিফাতাবাদ রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান জাহান (র) এর মাজারটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে আড়াই কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস ওয়েবসাইট।
২১৪.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল নির্মাণকাজ চলছে কোন রুটে?
  1. ঢাকা-কুমিল্লা
  2. কক্সবাজার-চট্টগ্রাম
  3. কমলাপুর-বিমানবন্দর
  4. যাত্রাবাড়ী-বিমানবন্দর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল:
- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনায় দেশে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর-কমলাপুর রুটে ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলছে।
- এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে ১২টি স্টেশন এবং ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড পূর্বাচল রুটে ১টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনসহ ৯টি স্টেশন থাকবে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যে পরিষেবা লাইনগুলো স্থানান্তর করা হচ্ছে।

- প্রকল্পে ব্যয় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছেন।
- প্রকল্পের কাজ শেষ হলে মেট্রোরেলে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় প্রতি ঘণ্টায় ৭০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে।
- বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই মেট্রোরেল দিয়ে প্রতিদিন সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ চলাচল করতে পারবে, যা বর্তমানে চলমান এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৮৩ গুণ বেশি।
- সরকার যানজট নিরসনে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ১৪০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
২১৫.
৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
৩৬০ আউলিয়ার দেশ: 
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২১৬.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. এহসান খান
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. রোহানি বাহারিন
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
          ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
২১৭.
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম-
  1. পরীবিবি
  2. ইরান দুখ্‌ত
  3. জাহানারা
  4. মরিয়ম
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ। এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।
২১৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি
  2. ৪৬ মি
  3. ৪৫.৫ মি
  4. ৪৫ মি
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি
ব্যাখ্যা

→ জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার বা ৪৬ মিটার। 

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ  ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- ১৯৭৮ সালে স্মৃতিসৌধের নকশা নির্বাচন করা হয়।
- এর স্থপতি মঈনুল হোসেন।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
- সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।
- স্মৃতিসৌধের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২১৯.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি রাবার নিয়ে গবেষণা করে?
  1. BFIU
  2. BFIDC
  3. BFRI
  4. BSFIC
সঠিক উত্তর:
BFIDC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BFIDC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC):
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সালের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত।
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি'র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।
- দেশের বনভূমি থেকে বনজ সম্পদ আহরণ, কাঠ ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বনজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাত করা এবং রাবার বাগান সৃষ্টি, কাঁচা রাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- BFIDC রাবার নিয়ে গবেষণা করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা BFIU।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন BSFIC.

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২২০.
বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. আবু হোসেন সরকার
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. এ.কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমী:
- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষায় জ্ঞানসাধনা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন।
- ১৯৪০ সালে এ.কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া মুসলিম এডুকেশন কনফারেন্সে তিনি বাংলা সরকারকে একটি অনুবাদ বিভাগ স্থাপনের অনুরোধ করেন।
- বিভাগোত্তরকালে ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ্ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- পরের বছর পূর্ববাংলা আইনসভার নির্বাচনে বিজয়ী  যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
২২১.
‘মনপুরা-৭০’ চিত্রকর্মটি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে আঁকা হয়েছিল?
  1. ১৯৭১ সালের ঘূর্ণিঝড়
  2. ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ
  3. ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
  4. ১৯৮০ সালের বন্যা
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম হলো 'মনপুরা - ৭০'।
- এটি জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিক যুগে জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- তাঁর ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- দুর্ভিক্ষ ও বিপর্যয়ের স্কেচে, তুলির কালো রেখা থেকে বর্ণপ্রয়োগ ও স্পেস ব্যবহারে নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।

• অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজ:
- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’, ‘সংগ্রাম’।
- লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে: ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২২.
লালবাগ কেল্লার পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরী বিবি দুর্গ
  2. আজম শাহ কেল্লা
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. শায়েস্তা খাঁ কেল্লা
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার আদি নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

লালবাগ কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা;
২. পরীবিবির সমাধি;
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২৩.
নিপোর্ট কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক
  2. জনসংখ্যা
  3. রোগ নির্ণয়
  4. শিক্ষা ‍উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: নিপোর্ট ওয়েবসাইট।
২২৪.
অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  2. ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৮০
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য:
অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিতে নির্মিত একটি বিশিষ্ট ভাস্কর্য, যা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধে দেশের মানুষের সংগ্রামী মনোবলকে প্রতীকায়িত করে।

ভাস্কর্যটির বৈশিষ্ট্য:
• অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে।
• ভাস্কর: মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
• নামকরণ: এর নামকরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
• নির্মাণকাল: ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসে এটি উদ্বোধন করা হয়।
• মাপ: ভাস্কর্যটি ৬ ফুট উঁচু বেদির উপর স্থাপিত, যার উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট এবং ব্যাস ৬ ফুট।

প্রতীকী তাৎপর্য:
• এই ভাস্কর্যটি তিনজন মুক্তিযোদ্ধার দৃঢ় অবস্থানকে চিত্রিত করে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের চিত্র তুলে ধরে।
• এর প্রতিচ্ছবি প্রতীকীভাবে অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়কে প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২৫.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. সেগুনবাগিচা
  3. রামপুরা
  4. আগারগাঁও
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকা শহরের সেগুনবাগিচা এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গবেষণা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০০১ সালের ১৫ মার্চ এবং এটি উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবী পরিচালক। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং গবেষণা।

সূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো। 
২২৬.
'ইরান দুখত' নামটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. আহসান মঞ্জিল
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
ব্যাখ্যা
- 'ইরান দুখত' নামটি লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ এর সাথে সম্পর্কিত।

লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ:
- লালবাগ কেল্লার প্রথমে নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন আজম শাহ।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবির অপর নাম ছিল ইরান দুখত।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২৭.
‘আলোকিত মানুষ তৈরি'র কর্মসূচি কোন সংগঠনের?
  1. এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. ব্র্যাক
  4. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
⇒ ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
২২৮.
"Bangladesh Academy for Rural Development" কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

BARD:
- BARD-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Academy for Rural Development বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি। 
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি যাত্রা শুরু করে।
- এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা আখতার হামিদ খান।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ওয়েবসাইট।

২২৯.
কুতুবদিয়া বাতিঘর নির্মাণ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৪৮
  3. ১৮৪০
  4. ১৮৪৬
সঠিক উত্তর:
১৮৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৪৬
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:

- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩০.
নিম্নের কোন স্থাপত্যটির সাথে এহসান খান যুক্ত ছিলেন?
  1. মোদের গরব
  2. বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ
  3. কমলাপুর রেলস্টেশন
  4. হাতির ঝিল
সঠিক উত্তর:
হাতির ঝিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতির ঝিল
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
⇒ মোদের গরব:
- এর অবস্থান বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে।
- মোদের গরব স্থাপত্য'র নকশা করেন শিল্পী অখিল পাল।
- এটি উদ্বোধন হয় ২০০৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানোর আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহিদদের সম্মানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

⇒ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আহবান করে।
- ২২টি নকশার মধ্যে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।

⇒ কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩১.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
২৩২.
সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৪১০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৫৮০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬৯০০ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন: 
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। 

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে। 
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো - সুন্দরী। 
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। 
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট, ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
২৩৩.
ঢাকার রায়ের বাজারে নির্মিত "বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ" এর স্থপতি -
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মাইনুল হোসেন
  3. শামীম শিকদার
  4. মোঃ জামী আল সাফী
সঠিক উত্তর:
মোঃ জামী আল সাফী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঃ জামী আল সাফী
ব্যাখ্যা
রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তিলগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সহযোগীদের সহায়তায় দেশের যে-সকল শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্যদের হত্যা করেছিল তাঁদের শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ এটি নির্মাণ করা হয়।
- যে স্থানটিতে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল সেখানেই এ স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অন্যান্য পেশাজীবী।

⇒ ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার এ নৃশংস হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার স্থানে স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- বর্তমান আধুনিক বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধটি ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৯৯ইং সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এর নকশাকার হলেন স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও মোঃ জামী আল সাফী

⇒ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানী হানাদানর বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধজীবী হত্যা একটি ন্যাক্করজনক ঘটনা।
- পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশনা ও মদদে এদেশীয় একশ্রেনীর দালাল এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, নাট্যকার, শিল্পী প্রভৃতি শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং এই হত্যাযজ্ঞ ঘটায়।
- তারা ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, শহিদুল্লাহ কায়সার, ডাঃ ফজলে রাব্বীসহ এদেশের প্রথম সারির অনেক বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
- বিজয় লাভের কিছুদিন পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ রায়ের বাজারের উক্ত স্মৃতিসৌধের স্থানটিতে পাওয়া যায়।
- তাদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে এই বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয় যা রায়ের বাজার 'বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ” নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩৪.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২৩৫.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোথায় অবস্থিত?
  1. থানচি, বান্দরবান
  2. আলীকদম, বান্দরবান
  3. রুমা, বান্দরবান
  4. নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান। 
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।
২৩৬.
বাংলাদেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর কোনটি? 
  1. বাংলাবান্ধা 
  2. বুড়িমারী
  3. বেনাপোল 
  4. তামাবিল  
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা 
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
 - মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস।

২৩৭.
টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে কোন সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়?
  1. ১৯৬৭ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৭৩ সাল
  4. ১৯৭৪ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সাল
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ইজতেমা:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে শিল্পনগরী টঙ্গীর সুবিশাল ময়দানে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ইজতেমা।
- বিশ্ব ইজতেমা বিশ্ব তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সমাবেশ।
- বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের প্রধান মার্কাজ হলো ঢাকার কাকরাইল মসজিদ।
- এই কাকরাইল মসজিদেই ১৯৪৬ সালে প্রথম বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।
- এরপর নারায়ণগঞ্জে ১৯৫৮ সালে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।
- তারপর টঙ্গীর পাগার নামক স্থানে ইজতেমা হয় ১৯৬৬ সালে।
- এরপর ১৯৬৭ সাল থেকে তুরাগ নদের পূর্ব তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বিশ্ব ইজতেমা।
- মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও ইউরোপীয় দেশগুলোসহ বিশ্বের প্রায় ৫০-এর বেশি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিয়ে থাকেন।
- আখেরি মোনাজাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- বর্তমান বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ১৯৯৫ সালে সরকার স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয়।

উৎস: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
২৩৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. কামরুল হাসান 
  3. মাইনুল হোসেন
  4. তানভীর কবীর
সঠিক উত্তর:
মাইনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্মিলিত প্রয়াস নামে পরিচিত।
- স্থপতি সৈয়দ – মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- তবে মূল সৌধের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- জাতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি -গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট (১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১) কে নির্দেশ করে।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩৯.
আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
  1. খাজা আহসানুল্লাহ
  2. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. নওয়াব আবদুল গনি
  4. নওয়াব কুতুব উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিল ঢাকা শহরের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ ছিল।
- আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেন নওয়াব আবদুল গনি। 
- ১৮৭২ সালে নওয়াব আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামে 'আহসান মঞ্জিল' নামকরণ করেন।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত এই প্রাসাদটি বাংলার একটি প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
- ২৩ টি গ্যালারী নিয়ে ১৯৯২ সালে দর্শনীয় স্থানটি পুন:সংস্কারের মাধ্যমে জাদুঘরে (আহসান মঞ্জিল জাদুঘর) রুপান্তর করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪০.
ঢাকেশ্বরী মন্দির কোন রাজাদের শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সেন 
  2. শাহী
  3. নবাবী
  4. গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
সেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন 
ব্যাখ্যা

ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৪১.
BAEC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Atomic Energy Commission
  2. Bangladesh Agricultural Extension Council
  3. Bangladesh Aeronautical Engineering Council
  4. Bureau of Atomic Energy and Chemistry
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Atomic Energy Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Atomic Energy Commission
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC): 
- পূর্ণরূপ: Bangladesh Atomic Energy Commission.
- ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরমাণু শক্তির ব্যবহার বিষয়ক গবেষণার জন্য একটি ছোট পরীক্ষাগার দিয়ে যাত্রা শুরু।
• AECD (Atomic Energy Centre, Dhaka):
- ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির মাধ্যমে বাংলাদেশে পরমাণু পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রপতির আদেশ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে এটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি আইন, ২০১৭ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

উৎস: BAEC ওয়েবসাইট। [LINK]
২৪২.
বাংলার নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন -
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা - ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর — ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৪৩.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সোমপুর বিহার
  2. ধর্মপাল বিহার
  3. জগদ্দল বিহার
  4. শ্রী বিহার
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করেছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার পাহারপুর গ্রামে অবস্থিত এই বিহার।

- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
২৪৪.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. ফয়েজ উল্লাহ
  2. রোহানি বাহারিন
  3. এহসান খান
  4. সব্যসাচী হাজরা
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
⇒ ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। 
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করতে ২০২৬ সাল লাগতে পারে বলে

⇒ টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার। 

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla. 
২৪৫.
Who is the sculptor of the sculpture “Janani O Garbita Bornomala” commemorating the Language Martyrs?
  1. Mrinal Haque
  2. Shamim Shikder
  3. Hamiduzzaman Khan
  4. Novera Ahmed
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Mrinal Haque
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mrinal Haque
ব্যাখ্যা
• জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- ভাস্কর: মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
২৪৬.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোথায় অবস্থিত?
  1. যমুনা নদীতে
  2. মেঘনা নদীতে
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. ভোলায়
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- প­াইসটোসিন যুগে (২০ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ বছর আগে) নিম্ন সমুদ্রপৃষ্ঠে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর পললের স্তূপ সরাসরি মহীসোপান প্রান্তে নির্গত হয়েছে।
- সোপান প্রান্ত ও সোপান প্রান্তের ঊর্ধ্ব ঢালে উৎপন্ন ঘোলাটে স্রোত ও নদী-প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাব সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গঠনের জন্য দায়ী।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের লক্ষণ প্রমাণাদিও এই ধারণাকে সমর্থন করে বলে মনে হয়।
- পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প­াইসটোসিন যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠ যখন নিম্নতর ছিল তখন বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানে ঘোলাটে স্রোতের প্রভাবে অবক্ষেপণ সংঘটিত হতো; আর উপ-বদ্বীপটিতে পলল বণ্টিত হতো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড থেকে উদ্ভূত আন্তঃসাগরীয় খাল (submarine channel) থেকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৪৭.
’ছোট সোনামসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নওঁগা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বাগেরহাট
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ছোট সোনামসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যাত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম অংশ জুড়ে এর অবস্থান।
- মসজিদের কিছু দূর পশ্চিমে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিপ্তর কর্তৃক কয়েক বছর পূর্বে নির্মিত  একটি আধুনিক দ্বিতল গেষ্ট হাউস রয়েছে। 
- গেষ্ট হাউস ও মসজিদের মধ্য দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে একটি আধুনিক রাস্তা চলে গেছে। 
- মনে হয় রাস্তাটি পুরনো আমলের এবং একসময় এটি কোতোয়ালী দরওয়াজা হয়ে দক্ষিণের শহরতলীর সঙ্গে গৌড়-লখনৌতির মূল শহরের সংযোগ স্থাপন করেছিল।
- ছোট সোনা মসজিদটি শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত। 

উৎস: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা।

২৪৮.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন- 
  1. শহীদ আবুল বরকতের মা
  2. শহীদ শফিউরের মা
  3. শহীদ আব্দুস সালামের বাবা
  4. শহীদ শফিউরের বাবা
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবুল বরকতের মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবুল বরকতের মা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- অবস্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২৪৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা -
  1. লামা
  2. আলীকদম
  3. থানচি
  4. রোয়াংছড়ি
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা

⇒ সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

⇒ সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒ সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

২৫০.
বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন।

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উৎস: বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
২৫১.
পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত 'আট স্তম্ভ' কার স্মরণে নির্মিত হয়েছে?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আবু সাঈদ
  3. মীর মুগ্ধ
  4. জাতীয় আট নেতা
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

• আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’:
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি স্মরণে আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’ বুয়েট–সংলগ্ন পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত। 
- আটটি স্তম্ভ হচ্ছে সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, দেশীয় শিল্প-কৃষি-নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদা।

- ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ‘আট স্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘আট স্তম্ভের অবয়বের চেয়ে, আট স্তম্ভে লিখে রাখা বিষয়গুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই বদ্বীপের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে।’
- আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ নির্মাণে ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫২.
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. অদম্য বাংলা
  3. অদম্য সহসিকতা
  4. বাংলার অদম্য
সঠিক উত্তর:
অদম্য বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদম্য বাংলা
ব্যাখ্যা
• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।
২৫৩.
নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত “সোমপুর বিহার” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. বিগ্রহপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা — শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৫৪.
’অদম্য বাংলা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মুস্তফা মনোয়ার
  4. গোপাল চন্দ্র পাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল চন্দ্র পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল চন্দ্র পাল
ব্যাখ্যা

অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫৫.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই): 
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

২৫৬.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. লালবাগ কেল্লা
  2. কার্জন হল
  3. বঙ্গ ভবন
  4. আহসান মঞ্জিল
সঠিক উত্তর:
আহসান মঞ্জিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মোঘল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙ মহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
২৫৭.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. শাহবাগ
  4. ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের "বড়সর্দারবাড়ি" নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

তথ্যসূত্র - নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
২৫৮.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব আব্দুল গণি
  4. উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
নবাব আব্দুল গণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব আব্দুল গণি
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গণি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি ক্রয় করেন এবং সেটিকে সংস্কার করে তার নিজস্ব বাসভবনে রূপান্তরিত করেন।
- পরবর্তীতে তিনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে এ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- খাজা আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নাম অনুসারে এই প্রাসাদের নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

২৫৯.
দেশের প্রথম টানেল কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে?
  1. পদ্মা নদী
  2. ফেনী নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. যমুনা নদী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল চালু হয়েছে।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৬০.
’স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. মুস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৬১.
কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত হিন্দু ধর্মীয় স্থাপত্য।
- অনেকের মতে, কান্তনগরে অবস্থিত হওয়ায় এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে “কান্তজীউ মন্দির”।
- জনশ্রুতি রয়েছে যে, শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ অধিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।
- দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে পোড়ামাটির কারুকাজে সুসজ্জিত এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তবে তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই মন্দির নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেননি।
- পরবর্তীতে তাঁর পালক পুত্র রাম নাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন।
- টেরাকোটার অলংকরণ ও স্থাপত্যশৈলীর জন্য এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পত্রিকা রিপোর্ট। 
২৬২.
'গল্লামারী বধ্যভূমি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

• গল্লামারী বধ্যভূমি:
- গল্লামারী মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যার স্মৃতি–বিজড়িত একটি স্থান।
- এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ময়ূর নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে খুলনা অঞ্চলের অন্যতম বধ্যভূমি ছিল গল্লামারী।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেডিও স্টেশন (গল্লামারী রেডিও সেন্টার) ভবনে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষদের আটক করে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো।
- নিহতদের মরদেহ গল্লামারী নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।
- শহর থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার অভ্যন্তরে গল্লামারী খালের পাশে এই বধ্যভূমিটির অবস্থান।
- খুলনা মুক্ত হওয়ার পর গল্লামারী খাল ও আশপাশের স্থান থেকে প্রায় পাঁচ ট্রাক মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।
- ধারণা করা হয়, এখানে প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল।
- স্বাধীনতার পর রেডিও সেন্টার (বর্তমান বাংলাদেশ বেতার, খুলনা কেন্দ্র) নূরনগর এলাকায় স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে সেখানে প্রথম একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৬৩.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন কে?
  1. শ্যামল চৌধুরী
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. তানভীর করিম
  4. শামিম শিকদার
সঠিক উত্তর:
তানভীর করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর করিম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত অন্যতম একটি স্থান হল মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ আম্রকাননে বাংলাদেশের অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
- এরপরে বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মুজিবনগর।

- এই ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে উদ্বোধন করা হয় এই স্মৃতিসৌধ।
- এটির নকশা প্রণয়ন করেন স্থপতি তানভীর করিম।
- সৌধটির স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য হল ১৬০ ফুট ব্যাসের গোলাকার স্তম্ভের উপর মূল বেদিটি কেন্দ্র করে ২০ ইঞ্চি পুরু ২৩টি দেয়াল রয়েছে। যা উদীয়মান সূর্যের প্রতিকৃতি ধারণ করে।
- সৌধের ২৩টি স্তম্ভ ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ২৩ বছরের সংগ্রমের প্রতীক।
- ৩০ লাখ শহীদের স্মৃতিকে স্মরণ করে রাখতে বসানো হয়েছে ৩০ লাখ পাথর।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৬৪.
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. সোনারগাঁও
  5. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।
- সুলতান নাসিরউদ্দিন নসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নসরাত শাহ নির্মাণ করেন।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।
 - মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত।
- সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে ।
- আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ।
- মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত।
-  মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান।
- এছাড়া বাঘা মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি মাজার শরীফ।

 উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[Link]
২৬৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতটি কোন সুরে গাওয়া হয়?
  1. ভাটিয়ালি গান
  2. কাওয়ালি গান
  3. বাউল গান
  4. কবিগান
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনার ইতিহাস:
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এ গান প্রচার করেন।
- গানটি সুর করার ক্ষেত্রে গগন হরকরা রচিত কালজয়ী বাউল গান ‘আমি কোথায় পাবো তারে’ এর প্রভাব রয়েছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের গগন হরকরার প্রভাব পড়ে যেভাবে:
- তৎকালীন ভারত উপমহাদেশের নদীয়ার (বর্তমান কুষ্টিয়া) একটি ছোট গ্রামে গগনের বাস।
- ভূ-খন্ডের এই অংশে তখন প্রতিনিধিত্ব লালন সাঁই, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃত কাঙাল হরিনাথ, সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের মতো কালজয়ী প্রতিভাদের। শিলাহদহ এস্টেটে ঠাকুরবাড়ির জমিদারি দেখাশোনার জন্য আসতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

- শিলাইদহ পোস্ট অফিসে ডাকহরকরার কাজের ফাঁকে গান রচনা ও গাইতেন গগন। তিনি বাউল সম্রাট ফকির লালনের অনুসারী ছিলেন।
- রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে এলে চিঠিপত্রাদি দিতে জমিদার কাচারিতে যাওয়া হতো গগনের।
- তার রচিত ও সুরারোপিত ‘আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে’ গানটি শুনে মুগ্ধ হন রবীন্দ্রনাথ।

রবীন্দ্রনাথ গগণের নাম ও তার গানের বিষয়ে তার প্রবন্ধ “An Indian Folk Religion” এ উল্লেখ করেন।
- সেখানে ‘আমি কোথায় পাবো তারে’—গানটির উল্লেখ করে রবীন্দ্রনাথ বলেন, “The first Baul song, which I chanced to hear with any attention, profoundly stirred my mind.”

এই গান রবীন্দ্রনাথকে এতোটাই প্রভাবিত করে যে, তিনি এর সুরে রচনা করেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’।
---------------
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকঘর নাটকটি গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন।
- নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটি তা প্রমাণ করে।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট ও বিডি নিউজ ২৪.কম আর্কাইভ।
২৬৬.
ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত সবচেয়ে পুরনো গির্জা কোনটি?
  1. হলি রোজারি চার্চ
  2. অক্সফোর্ড মিশন চার্চ
  3. সেন্ট থমাস চার্চ
  4. আর্মেনিয়ান চার্চ
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়ান চার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়ান চার্চ
ব্যাখ্যা
আর্মেনীয় গির্জা:
- আর্মেনীয় গির্জা পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন খ্রিস্টধর্মীয় উপাসনালয়।
- এটি ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গির্জা নির্মাণের পূর্বে ওই স্থানে ছিল আর্মেনীয়দের একটি কবরস্থান।
- গীর্জা নির্মাণের জন্য গোরস্থানের আশেপাশে যে বিস্তৃত জমি তা দান করেছিলেন আগা মিনাস ক্যাটচিক নামের এক আর্মেনীয়।
- আর লোকশ্রুতি অনুযায়ী গীর্জাটি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন চারজন আর্মেনীয়।
- এরা হলেন মাইকেল সার্কিস, অকোটাভাটা সেতুর সিভর্গ, আগা এমনিয়াস এবং মার্কার পোগজ।

⇒ গীর্জাটি লম্বায় সাড়ে সাতশো ফুট, দরজা চারটি, জানালা সাতটি।
- এর পাশেই ছিলো একটি ঘড়িঘর। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ঘড়িঘরটি ভেঙে গিয়েছিলো বলে জানা যায়।
- গীর্জায় বৃহৎ আকারের একটি ঘণ্টা ছিলো। এই ঘণ্টা বাজার শব্দ নগরের প্রায় সব স্থান থেকে শুনা যেত বলে সাক্ষ্য পাওয়া যায়। এই ঘণ্টার শব্দ শুনেই নাকি অধিকাংশ ঢাকাবাসী নিজ নিজ সময়ঘড়ি ঠিক করে নিতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আর্মেনী গীর্জার এই বিখ্যাত ঘণ্টাটি স্তব্ধ হয়ে যায়, যা আর কখনো বাজেনি।

অন্যদিকে,
- সেন্ট থমাস চার্চ বাহাদুর শাহ পার্কের উত্তরে শাঁখারীবাজারের পূর্ব পাশে জনসন রোডে অবস্থিত, ১৮১৯ সালে ঢাকা জেলের কয়েদিদের শ্রমে এই গির্জা নির্মিত হয়েছিল।
- অক্সফোর্ড মিশন চার্চ স্থানীয় মানুষের কাছে ‘লাল গির্জা’ নামে পরিচিত। অক্সফোর্ড মিশন গির্জার প্রাতিষ্ঠানিক নাম ‘এপিফানি গির্জা’। ১৯০৩ সালের ২৬ জানুয়ারি এটির উদ্বোধন করা হয়। ওই দিনই ‘এপিফানি গির্জা ভগ্নী সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১১৪ বছরের প্রাচীন এই স্থাপনা বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যের স্মারক।
- হলি রোজারি চার্চ পর্তুগিজ মিশনারিদের দ্বারা নির্মিত একটি গির্জা। ঢাকার তেজগাঁওয়ে  তেজকুনী পাড়ায়, বর্তমান হলিক্রস গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের পূর্বদিকে এটি অবস্থিত। ইতিহাসবিদ জেমস টেলর বলেন, ঢাকার সন্নিকটে তেজগাঁও এর গির্জাটি ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে স্থাপিত। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৬৭.
’অদম্য বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।

২৬৮.
'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  3. ঝিলংজা, কক্সবাজার
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মান মন্দির:
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- যেটা বঙ্গবন্ধু মানমন্দির বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্পেস অবজারভেটরি সেন্টার।
- অর্থাৎ 'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' ভাঙ্গা, ফরিদপুর নির্মিত হচ্ছে। 
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন।
- বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ উদ্‌যাপন কমিটির সভায় ড. জাফর ইকবাল ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু মানমন্দির প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- ১০০ মিটার উচ্চতার এই সেন্টার মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
২৬৯.
কমলাপুর রেলস্টেশন-এর স্থপতি কে?
  1. তানভীর কবির
  2. মৃনাল হক
  3. আব্দুর রাজ্জাক
  4. বব বুই
সঠিক উত্তর:
বব বুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বব বুই
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
         ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
২৭০.
'আনন্দবিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।

⇒ চন্দ্রবংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭১.
তারা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. বাগেরহাট
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

⇒ মসজিদের বর্তমান আকার:
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭২.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর 'বিজয় কেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কুমিল্লা সেনাবিবাস
  3. সাভার সেনাবিবাস
  4. রাজেন্দ্রপুর সেনাবিবাস
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
ব্যাখ্যা

বিজয় কেতন:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।
- বিজয় কেতন জাদুঘরের মূলমন্ত্র 'অতীতকে শ্রদ্ধা কর, ভবিষ্যতকে আলোকিত কর'।
- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের স্মরণে নির্মিত এ জাদুঘর চালু হয় ২০০০ সালের ২১ নভেম্বর।
- ছয়টি গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত বাংলাদেশের সামরিক যোদ্ধাদের নানা কীর্তি, স্মৃতিস্মারক, সেক্টর কমান্ডারদের আলোকচিত্র ও পরিচিতি, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত রাইফেল, কামান, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের মরদেহ বহনের কফিন ইত্যাদিসহ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আরো অনেক সামগ্রী রয়েছে।

এছাড়াও, 
- ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘বিজয় চেতন’।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২৭৩.
কত সালে 'ষাট গম্বুজ মসজিদ' ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ: 
- ষাটগম্বুজ মসজিদ খলিফতাবাদ শহরের সবচেয়ে বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- স্বনামধন্য মুসলমান সাধক ও শাসক খান জাহান আলী ১৪৫৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই মসজিদটি।
- ১৯৮৫ সালে ষাট গম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়।
- এই মসজিদের ছাদে গম্বুজের সংখ্যা সাতাত্তরটি আর চার কোণের কর্নার টাওয়ারে গম্বুজের সংখ্যা চারটি।
- ষাটগম্বুজ মসজিদের স্থাপত্য পরিকল্পনায় দামেস্কের জামে মসজিদ ও বাংলার আদিনা মসজিদ এর প্রভাব রয়েছে।
- এই মসজিদটি খান জাহানের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৭৪.
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার কে?
  1. আব্দুল হালিম চঞ্চল
  2. শহীদ কবির
  3. নাজমুল হক নাঈম
  4. মো. রাঈদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হালিম চঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হালিম চঞ্চল
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল।

⇒ জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজধানীর শাহবাগ ও অন্য ৬৩ জেলার প্রতিটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হবে এই স্মৃতিস্তম্ভ। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে থাকছে গত বছরের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

২৭৫.
‘মনপুরা-৭০’ চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. মাহফুজ আহমেদ
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

• 'মনপুরা-৭০':
- 'মনপুরা-৭০' চিত্রকর্মের শিল্পী - জয়নুল আবেদিন। 
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০’।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।

জয়নুল আবেদীন:
- জন্ম: ১৯১৪ সাল, ময়মনসিংহ।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি শিল্পী।
- বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
- উপাধি: শিল্পাচার্য, বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার জনক হিসেবে পরিচিত।

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো।

২৭৬.
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম কোন শহরে অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা

• শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম
•' শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম'  বগুড়া শহরে অবস্থিত।

- বগুড়া জেলার উত্তরপশ্চিমস্থ প্রান্তে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকায় এটির অবস্থান। 
- এই স্টেডিয়ামে প্রথম ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই স্টেডিয়াম এর ধারন ক্ষমতা ২০, ০০০জন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

২৭৭.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ময়মনসিংহে
  2. বগুড়ায়
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. পুরান ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁওয়ে
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
২৭৮.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক
  2. জলবায়ু বিষয়ক
  3. মানবিক ও উন্নয়ন ধর্মী
  4. প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 
- এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে এবং ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

২৭৯.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই):
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত।

- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র, শেরে বাংলা নগরের মানিক মিয়া এভিনিউতে বিজেআরআই এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- পাটের অঞ্চল ভিত্তিক কৃষি গবেষণার জন্য মানিকগঞ্জে পাটের কেন্দ্রীয় কৃষি পরীক্ষণ স্টেশন।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।
- তারাবো (নারায়নগঞ্জ), মনিরামপুর (যশোর) ও কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) তিনটি পাট গবেষণা উপকেন্দ্র।
- নশিপুরে (দিনাজপুর) একটি পাট বীজ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২৮০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা  কোথায় অবস্থিত?
  1. কমলাপুর
  2. লাকসাম
  3. আখাউড়া
  4. সৈয়দপুর
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- তারা হলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ইত্তেফাক।
২৮১.
নিচের কোন স্থাপনা 'গৌড়ের রত্ন’ নামে পরিচিত?
  1. উত্তরা গণভবন
  2. কান্তজির মন্দির
  3. ছোট সোনা মসজিদ
  4. সোমপুর বিহার
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ: 
- প্রাচীন বাংলার গৌড়ের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় সেন বংশের রাজাদের স্মৃতিচিহ্ন ও সুলতানী আমলে নির্মিত মসজিদই এ এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে সুলতানী স্থাপত্যের ছোট সোনা মসজিদ অন্যতম।
- ছোট সোনা মসজিদ ১৪৯৩ সালে নির্মাণ করা হয়।
- ওয়ালি মোহাম্মদ মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বলে শিলালিপি থেকে জানা যায়।
- উত্তর-দক্ষিণে ৮২ ফুট লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫২.৫ ফুট চওড়া মসজিদটি সম্পূর্ন সোনালী রঙে ঢাকা ছিল তাই একে ‘গৌড়ের রত্ন’ বলা হত।

এছাড়া,
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য।
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দির কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ট্রাভেল নিউজ.গভ.বিডি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮২.
আরডিএ(RDA=Rural Development Academy অবস্থিত-
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা

• পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA): 
- RDA এর পূর্ণরূপ: Rural Development Academy
- স্বাধীনতাত্তোর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের দারিদ্রপীড়িত উত্তরাঞ্চলে পল্লী উন্নয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অন্যতম। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের মাধ্যমে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- অবস্থান: শেরপুর, বগুড়া। 
- একাডেমির মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা। 
- একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উল্লিখিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছে। 
- বর্তমানে আরডিএ সুনির্দিষ্ট ভিশন ও মিশনকে সামনে রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করে  যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৮৩.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. মাহমুদ হাসান
  2. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. এ এফ রহমান
  4. রমেশচন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তর:
এ এফ রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এফ রহমান
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৮৪.
বাগেরহাট খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজবিশিষ্ট?
  1. ষাট
  2. আশি
  3. একাশি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
একাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাশি
ব্যাখ্যা
• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- তবে নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় এটি ১৫শ শতাব্দীতে খান জাহানের আমলে তৈরি।
- এটি বাংলার সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মসজিদটির ছাদে ৭৭টি ছোট গম্বুজ এবং কেন্দ্রে চারটি বৃহৎ গম্বুজসহ মোট ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- ৬০টি পাথরের স্তম্ভের উপর এ মসজিদটি স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে।
- ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশেই রয়েছে 'ঘোড়া দীঘি' ।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রাচীন খলিফাতাবাদ রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান জাহান (র) এর মাজারটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে আড়াই কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস ওয়েবসাইট।
২৮৫.
'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE):
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন ও গবেষণাধর্মী জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় দুই বছর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আইএড) কোর্স পরিচালিত হত।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজগুলো পরিবর্তন হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহ কলেজ অব এডুকেশনে কশনে মৌলিক শিক্ষা একাডেমি (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও (National Academy for Primary Education)।
- ২০০৪ সালের ১লা অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়।

⇒ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রশিক্ষিত ও পেশাগত দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে যোগ্যতাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।
- নেপের প্রশাসনিক ব্যবস্থপনায় নির্বাহী কর্মকর্তা- একজন মহাপরিচালক।
- নেপ পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের বোর্ড অব গভর্নরস রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) ওয়েবসাইট।
২৮৬.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. মুহাম্মদ নূরুল হুদা
  2. সৈয়দ জামিল আহমেদ
  3. আব্দুল্লাহ আল মামুন
  4. আশরাফ সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ জামিল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ জামিল আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো:
• চারুকলা বিভাগ,
• নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ,
• সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ,
• গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ,
• প্রশিক্ষণ বিভাগ,
• প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।

- একাডেমির সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২৮৭.
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. সাভার সেনানিবাস
  3. রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস
  4. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাস
ব্যাখ্যা

বিজয় চেতন:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে -এ অবস্থিত।
- সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।
- কোর অব মিলিটারি পুলিশের (সিএমপি) ১৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন। 
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান।
- শিখা চিরন্তন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।

উৎস: প্রথম আলো।

২৮৮.
'বাঘা মসজিদ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. দিনাজপুর
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৮৯.
‘দুর্বার বাংলা’ ভাস্করটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- দুর্বার বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য। 
- এটির অবস্থান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে প্রশাসনিক ভবনের পূর্বপাশে। 
- ২০১৩ সালে গোপাল চন্দ্র পালের নকশায় ভাস্কর্যটির নির্মাণ করা হয়।

বাংলাদেশের কিছু গুরত্বপূর্ণ ভাস্কর্য এবং তাদের ভাস্কর:
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির ভাস্কর- নিতুন কুণ্ডু
- প্রত্যাশা ভাস্কর্যটির ভাস্কর- মৃণাল হক 
- দোয়েল চত্বর ভাস্কর্যটির ভাস্কর- আজিজুল জলিল পাশা।
- ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' এর ভাস্কর হলেন- আব্দুর রাজ্জাক।
- অপরাজেয় বাংলা  ভাস্কর্য টির ভাস্কর হলেন- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

২৯০.
NIPORT কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরপুর, ঢাকা
  2. ফার্মগেট, ঢাকা
  3. খিলগাঁও, ঢাকা
  4. আজিমপুর, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
২৯১.
‘মওলানা ভাসানী সেতু’ কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
  1. ইছামতী
  2. করতোয়া
  3. তিস্তা
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

• মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উৎস: বাসস।

২৯২.
মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান' কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. বরিশাল
  3. গাজীপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান'।
- রক্তসোপান (গাজীপুর সদর) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনা অর্ডনেন্স কোরের শহীদ ৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধার অবদান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নকশাকার অর্ডনেন্স কোরের মেজর শফিকুল মোস্তফা মুনির।
- ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের আটকৌণিক বেদিতে এ স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপিত হয়েছে।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছাড়াও সবুজ প্রান্তর, ভাষা-আন্দোলন-, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে।
- রক্তসোপানের মর্মকথায় বলা হয়েছে, ৯টি সিঁড়ি- রক্তক্ষয়ী ৯ মাসের যুদ্ধের প্রতীক;
- মূল চত্বরে সবুজ ঘাস- চিরসবুজ বাংলার প্রতীক;
- পেছনের দেয়ালে লাল রং- ৫২-এর ভাষা-আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনের প্রতীক
- ও ৮ ফুট উচ্চতা ৮ই ফাল্গুনকে নির্দেশ করে;
- মাঝের দেয়ালের কালো রং- দুঃসহ দুঃখভরা যুদ্ধের দিনগুলোর নিষ্পেষণের তিক্ত স্মৃতি ও ১১ ফুট উচ্চতা ১১ দফা আন্দোলনকে নির্দেশ করে;
-  সম্মুখের দেয়াল- সাধারণ বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক;
- ১৬ ফুট উচ্চতা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত বিজয়ের নির্দেশক;
- রক্তিম সূর্য মহান স্বাধীনতা সূচনার প্রতিচ্ছবি;
- ৭টি রশ্মি- অমর ৭ বীর শ্রেষ্ঠের অম্লান স্মৃতির নিদর্শন।
- নিজস্ব সেনা তহবিলে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভটি ২০০০ সালের ১৯শে জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান লে. জে. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, বীর বিক্রম উদ্বোধন করেন। [মনিরুজ্জামান শাহীন]


উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৯ম খণ্ড।

২৯৩.
উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. নাটোর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা

উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাসখ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন।
- এটি নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- পরবর্তীতে এই রাজপরিবারের শেষ রাজা প্রতিভানাথ রায় ১৯৫২ সালে সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার রাজপ্রাসাদটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

উল্লেখ্য, 
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সরকার দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- এটি ৪১.৫১ একর জমির উপর বিস্তৃত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা।  

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯৪.
শালবন বিহার কোথায়?
  1. গাজীপুর
  2. মধুপুর
  3. রাজবাড়ী
  4. কুমিল্লার ময়ানমতি পাহাড়ের পাশে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার ময়ানমতি পাহাড়ের পাশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার ময়ানমতি পাহাড়ের পাশে
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৫.
Which one of the following minerals is found at Gopalpur area of Netrokona district? 
  1. Coal
  2. White clay
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None
সঠিক উত্তর:
White clay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
White clay
ব্যাখ্যা
সাদা মাটি/চীনামাটি:
- সাদা মাটি বা চীনামাটি (kaolin) একটি বিশেষ ধরনের মাটি যা প্রধানত সিলিকেট মিনারেল থেকে তৈরি।
- এই সাদা মাটি চীনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের, কিন্তু এর গুণমান ও বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন হতে পারে।
- এই মাটি সিরামিক, পেপার, পেইন্ট, ওষুধ, প্রসাধনী এবং অন্যান্য অনেক শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর এবং গোপালপুর এলাকা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি, চট্টগ্রাম জেলার হায়দগাঁও এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাইটুল ইজ্জত এলাকায় সাদা মাটির তলদেশে বা তলদেশে সাদা মাটির খনি রয়েছে।
- তবে এখানে পাওয়া সাদা মাটি সাধারণত উচ্চ মানের নয় এবং তাই এটি উচ্চ মানের আমদানিকৃত সাদা মাটির সাথে মিশিয়ে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
২৯৬.
কিওক্রাডাং-এর উচ্চতা প্রায়-
  1. ১০১০ মিটার
  2. ১৫৩০ মিটার
  3. ১২৩০ মিটার
  4. ১৩৬৪ মিটার
সঠিক উত্তর:
১২৩০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এখানকার পাহাড়গুলো পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ বেড়েছে।

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং বান্দরবান জেলায় অবস্থিত যার বর্তমান নাম বিজয়। এর উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- আবার এ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বপ্রান্তে বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং পর্বত অবস্থিত যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলে পাহাড়ের মাঝে মাঝে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা দেখা যায়।
- এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালাং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৭.
Which of the following is not one of the three leaders buried at the Tin Netar Mazar?
  1. A.K.Fazlul Huq
  2. Huseyn Shaheed Suhrawardy
  3. Khwaja Nazimuddin
  4. Abdul Hamid Khan Bhashani
সঠিক উত্তর:
Abdul Hamid Khan Bhashani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abdul Hamid Khan Bhashani
ব্যাখ্যা

⇒ 'তিন নেতার মাজার'-এর সাথে সংশ্লিষত ব্যক্তি নয় আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

তিন নেতার মাজার:
- রাজধানী ঢাকার দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত তিন নেতার মাজার বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম নিদর্শন।
- বাংলাদেশের জাতীয় তিন নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং এ কে ফজলুল হক-এর সমাধির উপর ১৯৬৩ সালে স্থপতি মাসুদ আহমদ ও এস এ জহিরুদ্দিনের নকশায় তিন নেতার মাজার স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- তিন নেতার মাজারের কাছেই রয়েছে হাইকোর্ট এবং শিশু একাডেমি।
- স্বাধীনতার পূর্ব সময়ে এই তিন মহান নেতাই তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন।
- বাংলার বাঘ খ্যাত শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী।
- ফজলুল হক ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া যুক্তফ্রন্ট গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
- খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৫১ সালে তাঁকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২৪ সালে কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র হন এবং খাজা নাজিমুদ্দিনের মন্ত্রীসভায় তিনি শ্রমমন্ত্রী নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯৮.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. টাঙ্গাইল
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. মানিকগঞ্জ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। 

⇒ মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ঢাকা থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা যিনি আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

⇒ বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ।
- এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৯.
শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্যটির নাম কী?
  1. সংশপ্তক
  2. সাবাস বাংলাদেশ
  3. স্ফুলিঙ্গ
  4. তর্জনী
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

উৎস: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।
৩০০.
'শাহ সুলতান বলখীর মাজার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. চট্টগ্রাম
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা

শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারে যেসব আধ্যাত্মিক দরবেশ ও যোদ্ধা বড় ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.)। 
- আফগানিস্তান থেকে আগত এ মুসলিম ধর্ম প্রচারক প্রথমে সন্দ্বীপে ইসলাম প্রচার করেন। পরবর্তীতে নদীপথে পুন্ড্রবর্ধন (বর্তমান বগুড়া) অঞ্চলে আগমন করেন এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।
- দীর্ঘদিন ইসলাম প্রচারের একপর্যায়ে ১০৪৯ খ্রিষ্টাব্দে হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.) মৃত্যুবরণ করেন। তাকে তার প্রতিষ্ঠিত মসজিদের পাশে কবর দেওয়া হয়। সেখানে মাজার গড়ে ওঠে। সেই থেকে বাংলা সালের বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ারের (রহ.) বাৎসরিক ওরস মোবারক অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল। এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত। মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) যুগান্তর।