বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৮৮এই পাতা৮০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

PrepBank · পাতা / · ৫০১৫৮০ / ৫৮৮

৫০১.
বাংলাদেশে শীতল পানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. রাঙ্গামাটি
  3. মাধবকুণ্ড
  4. সীতাকুণ্ড
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটির বরকলে অবস্থিত।
- রিসাং ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবানে অবস্থিত।
- তৈদুছড়া ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
৫০২.
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কোনটি?
  1. আম
  2. কাঁঠাল
  3. কলা
  4. পেঁপে
সঠিক উত্তর:
কাঁঠাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁঠাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের:
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল, 
- জাতীয় পাখি : দোয়েল, 
- জাতীয় গাছ : আম গাছ, 
- জাতীয় মাছ : ইলিশ, 
- জাতীয় ফুল : শাপলা, 
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার, 
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৫০৩.
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর কার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. এসএম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  4. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর: 
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫০৪.
সার্ক ফোয়ারার ভাস্কর কে?
  1. মৃণাল হক
  2. হামিদুর রহমান
  3. নিতুন কুণ্ডু
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা
• সার্ক ফোয়ারার:
- সার্ক ফোয়ারা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি ফোয়ারা।
- এটি প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলের সামনে অবস্থিত।
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংস্থা বা সার্কের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ১৯৯৩ সালে এটি নির্মিত হয়।
- এটির নকশাকারী হলেন নিতুন কুণ্ডু।
- সপ্তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে হোটেল সোনারগাঁও-র মোড়ে নির্মিত করা হয় দৃষ্টি নন্দন সার্ক ফোয়ারা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৫০৫.
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন (ময়নসিংহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরো ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- গবেষণা কেন্দ্র গুল হচ্ছেঃ
- স্বাদু পানির মৎস্য কেন্দ্র - ময়মনসিংহ
- লোনাপানির মৎস্য কেন্দ্র - খুলনা
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র - চাঁদপুর
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র - বাগেরহাট।

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫০৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ভোলা
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার। 
------------------ 
• সীমান্তবর্তী স্থান, উপজেলা, জেলা:

- সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান — বাংলাবান্ধা।
- সর্ব উত্তরের উপজেলার — তেঁতুলিয়া।
- সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়।
- সর্ব পূর্বের স্থান — আখাইনঠং।
- সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা — থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা — বান্দরবান।
- সর্ব পশ্চিমের স্থান — মনাকষা।
-  সর্ব পশ্চিমের উপজেলা — শিবগঞ্জ।
- সর্ব পশ্চিমের জেলা — চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- সর্ব দক্ষিণের স্থান — ছেড়াদ্বীপ।
- সর্ব দক্ষিণের উপজেলা — টেকনাফ।
- সর্ব দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখান, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: মেহেরপুর।

উৎ: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫০৭.
'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্সে:
- দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্স 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' একটি মেগা প্রকল্প, যা ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলায় নির্মাণাধীন। 
-  ১৭৩.৫৯ একর জায়গা নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স।
- ত্রিশাল মিলিটারি ট্রেনিং এরিয়াতে হতে যাচ্ছে এই কমপ্লেক্স।
- পুরো জায়গাটিই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।  
- প্রাথমিক নকশা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে মোট ৩৩টি খেলার অবকাঠামো তৈরি হবে। 
- বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
- 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টি-স্পোর্টস কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত হবে এবং ভবিষ্যতে 'অলিম্পিক ভিলেজ' হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। (Link)

৫০৮.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. নরসিংদী
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫০৯.
বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালী
  2. কক্সবাজার
  3. চাঁদপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম:
- এ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদনের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো ফিস ওয়ার্ল্ড এ্যাকুরিয়াম হয়েছে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায়।
-যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন হয়েছে বিনোদনের নতুন ধাপ।
- বেসরকারিভাবে এটি তৈরি করেন রেডিয়েন্ট গ্রুপ।
- এটি মালেশিয়ার টেকনিক্যাল প্রকৌশলির সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। 
- এই এ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগরের থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য সংক্ষণ করা হয়েছে। 
- অচেনা এবং বিলুপ্ত প্রায় অনেক মাছও রয়েছে।
- সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। 
- কক্সবাজারে স্থাপিত এটিই হচ্ছে দেশের প্রথম সামুদ্রিক ফিস এ্যাকুরিয়াম।

তথ্যসূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ।
৫১০.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১১.
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কবে?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: 
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে - ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট। 
- দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়৷ কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখা এর আওতাভূক্ত। 
-কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. ওসমান গণি। 
- বর্তমান উপাচার্য পদ শূন্য রয়েছে। 

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট। 
৫১২.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. চট্টগ্রাম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- ১৫ মার্চ ২০০১ সালে ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি এ আনান-এর উপস্থিতিতে এ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও ক্ষুদ্র জাতিসমূহের ভাষা সংগ্রহ, সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বাংলাসহ অন্যান্য ভাষা আন্দোলনের তথ্যসংগ্রহ ও গবেষণা এবং ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে এ-সংক্রান্ত তথ্যাবলি পৌঁছে দেওয়া।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আইন ২০১০ অনুযায়ী তিনিই এ ইনস্টিটিউটের প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
- তাঁর সরকারের উদ্যোগের ফলেই ইনস্টিটিউট পরিণত হয়েছে ইউনেস্কো-র ক্যাটেগরি ২ প্রতিষ্ঠানে।

উৎস: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫১৩.
মোঘল আমল এর নিদর্শন কোনটি?
  1. শালবন বিহার
  2. বাহাদুর শাহ পার্ক
  3. লালবাগ দুর্গ
  4. তারা মসজিদ
সঠিক উত্তর:
লালবাগ দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালবাগ দুর্গ
ব্যাখ্যা
• লালবাগ দুর্গ:
- লালবাগ দুর্গ মোঘল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।

 উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৫১৪.
ঐতিহাসিক 'বিনত বিবির মসজিদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

• বিনত বিবি মসজিদ:
- ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ সকল মসজিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
- পুরান ঢাকার ৬নং নারিন্দা রোডে এখনো গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকার সর্বপ্রথম মসজিদ হিসেবে পরিচিত নারিন্দা বিনত বিবির মসজিদটি। 

- এটি ঢাকার সবচেয়ে পুরোনো স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর একটি; যা প্রায় ৬০০ বছর আগের।
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।

- সে সময় পারস্য উপসাগরের আশেপাশের লোকজন প্রায়ই জলপথে এ অঞ্চলে বাণিজ্যে আসতেন।
- পুরান ঢাকার এ এলাকা (নারিন্দা-ধোলাইখাল) দিয়ে তখন বয়ে যেত বুড়িগঙ্গার একটি শাখা যা বুড়িগঙ্গা হয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে মিশত। 

- পুরান ঢাকার নারিন্দা-ধোলাইখাল অঞ্চলে ব্যবসার জন্য আসেন আরাকান আলী নামের একজন সওদাগর।
- নামাজের সুবিধার জন্য তিনি মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- তার মেয়ে বিনত বিবির আকস্মিক মৃত্যুর পর মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় এবং পরে আরাকান আলীও এখানেই দাফন হন।
- পরবর্তীতে বিনত বিবির নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫১৫.
শিল্পী জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালাটি কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. ময়মনসিংহে
  3. চট্টগ্রামে
  4. নড়াইলে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৫১৬.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. হাসিনা খাতুন
  2. হাসিনা বেগম
  3. হাসিনা আক্তার
  4. হাসিনা বানু
সঠিক উত্তর:
হাসিনা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসিনা বেগম
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৫১৭.
’নাইওর’ চিত্রকর্মটি কে এঁকেছেন?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. মিশুক মুনির
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫১৮.
কান্তজীউ মন্দির কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ষোড়শ শতাব্দী
  2. সপ্তদশ শতাব্দী
  3. অষ্টাদশ শতাব্দী
  4. উনবিংশ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির।
- কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- টেরাকাটা অলঙ্কারের বৈচিত্র্যে এবং ইন্দো-পারস্য স্থাপনা কৌশল অবলম্বনে মন্দিরটি নির্মিত।
- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এই মন্দির নির্মিত হয়।
- মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।
- মন্দিরের উত্তরের ভিত্তিবেদির শিলালিপি থেকে জানা যায়, মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭০৪ খ্রিঃ থেকে মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়।
- তার নির্দেশ মতে মহারাজার দত্তক পুত্র রাজ রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিঃ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। 
- মন্দিরের টেরাকোটা চিত্রে রামায়ণ ও মহাভারতের ঘটনা সম্বলিত চিত্র ও মুঘল আমলের বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মন্দিরটি দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এস্টেটের একটি অংশ।
- দেবোত্তর এস্টেট বর্তমানে মন্দিরটি দেখাশোনা করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫১৯.
কান্তজীউ মন্দির কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা নদী
  2. ধরলা নদী
  3. মহানন্দা নদী
  4. ঢেপা নদী
সঠিক উত্তর:
ঢেপা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢেপা নদী
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীউ মন্দির।
- কান্তজীউ মন্দির দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত
- টেরাকাটা অলঙ্কারের বৈচিত্র্যে এবং ইন্দো-পারস্য স্থাপনা কৌশল অবলম্বনে মন্দিরটি নির্মিত।
- শ্রীকৃষ্ণের যুদ্ধ-বিগ্রহ অধিষ্ঠানের জন্য এই মন্দির নির্মিত হয়।
- মন্দিরটি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।
- মন্দিরের উত্তরের ভিত্তিবেদির শিলালিপি থেকে জানা যায়, মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭০৪ খ্রিঃ থেকে মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়।
- তার নির্দেশ মতে মহারাজার দত্তক পুত্র রাজ রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিঃ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন। 
- মন্দিরের টেরাকোটা চিত্রে রামায়ণ ও মহাভারতের ঘটনা সম্বলিত চিত্র ও মুঘল আমলের বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মন্দিরটি দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এস্টেটের একটি অংশ।
- দেবোত্তর এস্টেট বর্তমানে মন্দিরটি দেখাশোনা করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২০.
বর্তমানে কোন প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর পরিচালনা করে?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
  3. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় নাটোরের দিঘাপাতিয়া রাজপরিবারের জমিদার শরত্কুমার রায়, আইনজীবী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক রামপ্রসাদ চন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আবদান রয়েছে।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

⇒ ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে জাদুঘরটি বন্ধ হবার উপক্রম হলে ঐ বছরের ১০ অক্টোবর তারিখে এর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিগ্রহণ করে।
- জাদুঘরটির পরিদর্শকদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ সহ আনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।
- বরেন্দ্র জাদুঘরের সংগ্রহ সংখ্যা ৯ হাজারেরও অধিক।
- এখানে হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে।
- মহেনজোদারো সভ্যতা থেকে সংগৃহীত প্রত্নতত্ত, পাথরের মূর্তি, খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে নির্মিত বুদ্ধ মূর্তি, ভৈরবের মাথা, গঙ্গা মূর্তি সহ অসংখ্য মূর্তি এই জাদুঘরের অমূল্য সংগ্রহের অন্তর্ভুত। মোঘল আমলের রৌপ্র মুদ্রা, গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা, সম্রাট শাহজাহানের গোলাকার রৌপ্য মুদ্রা বিশেষ ভাবে উল্যেখয়োগ্য। এখানে প্রায় ৫,০০০ পুঁথি রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৪৬টি সংস্কৃত আর বাকিগুলো বাংলায় রচিত।
- পাল যুগ থেকে মুসলিম যুগ পযর্ন্ত সময় পরিধিতে অঙ্কিত চিত্রকর্ম, নূরজাহানের পিতা ইমাদ উদ দৌলার অঙ্কিত চিত্র এখানে রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২১.
NAPE বা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির অবস্থান নিচের কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE):
- National Academy for Primary Education।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে, জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে ।
- অবস্থান: ময়মনসিংহ।
- স্বাধীনতার পর রূপান্তর: ১৯৭২ সালে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু ।
- পুনর্গঠন: ১৯৭৮ সালে “মৌলিক শিক্ষা একাডেমি” নামে প্রতিষ্ঠিত ।
- নামকরণ: ১৯৮৫ সালে নামকরণ হয় “জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) ।
- স্বায়ত্তশাসন: ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম শুরু।

তথ্যসূত্র: NAPE ওয়েবসাইট।

৫২২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি (War Cemetery) রয়েছে?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কক্সবাজার
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি:
- ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিয়ানমারে (তৎকালীন বার্মা) সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈন্য নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মিয়ানমার, আসাম এবং বাংলাদেশে মােট ৯টি সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র রয়েছে।
- যার একটি কুমিল্লার ময়নামতিতে এবং অন্যটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫২৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-
  1. ২ মার্চ
  2. ২৩ মার্চ
  3. ১০ মার্চ
  4. ২৫ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
ব্যাখ্যা
•পতাকা:
- প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- প্রথম নকশাকার – শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)
- প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্তোলন – ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন – কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত – ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৪.
বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের স্থপতি -
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস ও মৃণাল হক
  2. ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  3. ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি
  4. নিতুন কুণ্ডু ও জামি-আল-শফি
সঠিক উত্তর:
ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি
ব্যাখ্যা
বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি।
- ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- এরপর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ একটি জাতীয় ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
- এই প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ২২টি নকশার মধ্যে ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।
- এ নকশা ছিল প্রতীকী ও আবেগনির্ভর, যা বধ্যভূমির বেদনা ও শোককে শৈল্পিকভাবে তুলে ধরে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় গণপূর্ত বিভাগ এবং কাজটি ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
- তাঁদের নকশায় ইতিহাস, শোক, এবং স্থাপত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ ঘটেছে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫২৫.
ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদের নাম কী?
  1. বায়তুল মোকাররম
  2. চকবাজার শাহী মসজিদ
  3. বেগমবাজার মসজিদ
  4. বিনত বিবির মসজিদ
সঠিক উত্তর:
বিনত বিবির মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনত বিবির মসজিদ
ব্যাখ্যা

বিনত বিবির মসজিদ:
- ‘বিনত বিবির মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। 
- বিনত বিবির মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকায় অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ।
- নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করান। 
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
- বাংলা ১৩৩৭ সালে এ মসজিদটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয় এবং দ্বিতীয় গম্বুজটি স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ইতিহাসবিদেরা একমত যে এটিই রাজধানীর সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ এবং প্রাক্‌–মোগল যুগের অন্যতম প্রধান স্থাপত্য নিদর্শন। 
- লিপি প্রমাণে এটিই ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। সেই অর্থে ঢাকার প্রথম মসজিদ বলা হয় একে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫২৬.
'উদীচী' কোন ধরনের সংগঠন?
  1. মানবাধিকার সংগঠন
  2. রাজনৈতিক সংগঠন
  3. অর্থনৈতিক সংগঠন
  4. সাংস্কৃতিক সংগঠন
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
উদীচী:
- উদীচী বাংলাদেশের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে বিপ্লবী কথাশিল্পী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, সহ একঝাঁক তরুণ উদীচী গঠন করেন।
- জন্মলগ্ন থেকে উদীচী অধিকার, স্বাধীনতা ও সাম্যের সমাজ নির্মাণের সংগ্রাম করে আসছে।
- ১৯৭১ সালে উদীচীর কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।
- ২০১৩ সালে এই সংঠনটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক লাভ করে।
- বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকার তোপখানা সড়ক (দোতলায়) অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ওয়েবসাইট।
৫২৭.
পানাম নগরীতে কয়টি স্থাপনা রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২টি
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:
- পানাম নগর বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও অঞ্চলে অবস্থিত।
- পানাম নগরীর রাস্তার দুই ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- রাস্তার উত্তরদিকে ৩১টি এবং দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত।
- স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সাথে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।
- এখানে আবাসিক ভবন ছাড়াও উপাসনালয়, গোসলখানা, পান্থশালা, দরবার কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে।
- পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি।  

⇒ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নীলচাষের নির্মম ইতিহাসের নীরব সাক্ষী পানামের নীলকুঠি। এ ছাড়াও আমিনপুর ও দুলালপুর গ্রামের সংযোগ রক্ষাকারী পানাম পুলটি পঙ্খীরাজ খালের ওপর ১৭ শতকে নির্মিত হয়। 
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- ২০০৬ সালে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের তৈরি বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০ টি ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় পানাম নগর স্থান পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২৮.
নিম্নের কোন স্থানটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে?
  1. মহাস্থানগড়
  2. ময়নামতি
  3. সোনারগাঁও
  4. উয়ারী বটেশ্বর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

এছাড়াও, 
• সোনারগাঁও:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

• উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২৯.
‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি কে নির্মাণ করেন?
  1. শামীম শিকদার
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. নিতুন কুন্ডু
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভাস্কর্য: 
- মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ‘ডাকসু’ কলাভবনের সামনে ১৯৭২ সালে ‘অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।
- টিএসসি সড়ক দ্বীপে ১৯৮৮ সালে শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাড়াও বায়ান্নর মহান ভাষা দিবস, ছেষট্টির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান প্রাধান্য পেয়েছে এ ভাস্কর্যে।
- এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে উৎসর্গকৃত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য (১৯৯৭)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩০.
সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. UNICEF
  3. UNESCO
  4. UNO
সঠিক উত্তর:
UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এটি ২৬০টি পাখির প্রজাতি, বেঙ্গল টাইগার, কুমির এবং অন্যান্য বিপন্ন প্রজাতি সহ বিস্তৃত প্রাণীজগতের জন্য পরিচিত।
- বাংলায় সুন্দরবন - এর আক্ষরিক অর্থ সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি।
- সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা সেখানে প্রচুর জন্মায়।
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 
- ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- সুন্দরবন UNESCO ঘোষিত ৭৯৮ তম (১৯৯৭ সালে) বিশ্ব ঐতিহ্য।
- ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস:i) UNESCO World Heritage Centre website
ii) খুলনা জেলার সরকারি ওয়েবসাইট
৫৩১.
How many domes are there in the Shat Gambuj Mosque?
  1. 60
  2. 61
  3. 78
  4. 80
  5. 81
সঠিক উত্তর:
81
উত্তর
সঠিক উত্তর:
81
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে । 
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের ৪টি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ৩টি ।
- এগুলো হলো নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, বাগেরহাটের মসজিদ শহর এবং সুন্দরবন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
৫৩২.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সালের
  2. ১৯৬০ সালের
  3. ১৯৫৭ সালের
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালের
ব্যাখ্যা
• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমান বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ষাটের দশকে গ্রামাঞ্চলে বিরাজিত সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে বার্ড পরিচালিত হয় যার সভাপতি হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- মহাপরিচালক একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যাকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নয় জন পরিচালক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা।
৫৩৩.
ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন -
  1. মির্জা আহমদ খান
  2. মির্জা গোলাপ পীর
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. মির্জা মুহাম্মদ জান
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৫৩৪.
হিমালয় কন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. পঞ্চগড়
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়
- ঢাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা।
- হাজার বছরের গৌরবগাথা আর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগণিত স্মৃতিমণ্ডিত জেলা পঞ্চগড়।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।
-  অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় একটি শীতপ্রবণ জেলা।
- অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে প্রচণ্ড কুয়াশাসহ শীত পড়ে।
- আর নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এখানকার তাপমাত্রা ৪-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।
- পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, তেঁতুলিয়া জিরো পয়েন্ট, বারো আউলিয়ার মাজার, শাহী মসজিদ, সমতল ভূমির আরগনিক চায়ের বাগান, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট, আনন্দ ধারা, ভিতরগড় ও মহারাজের দীঘি, বোদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, গোলক ধাম মন্দির, বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, পাহাড়ি স্বচ্ছ জলের মহানন্দা নদী, পাথর সমৃদ্ধ রকস মিউজিয়াম, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, চতুর্থ চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, খয়ার বাগানসহ বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চল ময়নামতিরচর।
- পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের দূরত্ব মাত্র ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার ও শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার। 

সূত্র: পঞ্চগড় জেলার ওয়েবসাইট।
৫৩৫.
ঐতিহাসিক 'পানাম নগর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:
- পানাম নগর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা।
- গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।
- বর্তমানে পানাম নগরের দু’ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও পানামনগর সেতু।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৩৬.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. তুরাগ
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
• বাকল্যান্ড বাঁধ:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদাদাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- ঢাকার প্রায় সকল সম্পদশালী লোকের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সত্ত্বেও এই বিশাল প্রকল্পের জন্য তা ছিল অপ্রতুল। বাকল্যান্ড তখন সরকারি সহযোগিতার জন্য ধর্না দেন।
- এই বাঁধ প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫৩৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কোন বাঙালি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন?
  1. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. হাজী মুহম্মদ মহসিন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৩৮.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লাহ
  3. ঢাকা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়। 
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে । 
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৫৩৯.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. কালীগঞ্জ, গাজীপুর
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অংশীদার হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৫৪০.
’সোমপুর মহাবিহার’ ইউনেস্কো কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• সোমপুর বিহার: 
- এটি পরিচিত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার।
- বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- সময়: অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।


উল্লেখ্য, 
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল। 
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

৫৪১.
ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা-এর স্থপতি কে?
  1. মৃণাল হক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. সৈয়দ মাঈনুল হোসেন
  4. শ্যামল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- একুশের ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা।
- এটি ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত।
- এর স্থপতি শিল্পী মৃণাল হক।

⇒ জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
- তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ।
- পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।

উৎস: i) banglanews24.com 
ii) প্রথম আলো।

৫৪২.
মধ্যযুগে সোনারগাঁও কাদের রাজধানী ছিল?
  1. পাল রাজাদের
  2. মুঘল সম্রাটদের
  3. চন্দ্র রাজাদের
  4. মুসলিম সুলতানদের
সঠিক উত্তর:
মুসলিম সুলতানদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম সুলতানদের
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৪৩.
কত শতকে ঢাকার আর্মেনীয় গির্জা নির্মিত হয়?
  1. সপ্তদশ শতক
  2. অষ্টাদশ শতক
  3. ঊনবিংশ শতক
  4. বিংশ শতক
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতক
ব্যাখ্যা

আর্মেনীয় গির্জা:
- পুরনো ঢাকার আর্মেনীটোলায় যে আর্মেনীয় গীর্জাটি রয়েছে তা-ই ‘আর্মেনিয়ান চার্চ’ (Armanian Church)  হিসেবে পরিচিত।
- এটি নির্মিত হয় ১৭৮১ সালে। 
- গির্জা নির্মাণের পূর্বে ওই স্থানে ছিল আর্মেনীয়দের একটি কবরস্থান।
- গীর্জা নির্মাণের জন্য গোরস্থানের আশেপাশে যে বিস্তৃত জমি তা দান করেছিলেন আগা মিনাস ক্যাটচিক নামের এক আর্মেনীয়।
- আর লোকশ্রুতি অনুযায়ী গীর্জাটি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন চারজন আর্মেনীয়।
- এরা হলেন মাইকেল সার্কিস, অকোটাভাটা সেতুর সিভর্গ, আগা এমনিয়াস এবং মার্কার পোগজ।

⇒ গীর্জাটি লম্বায় সাড়ে সাতশো ফুট, দরজা চারটি, জানালা সাতটি।
- এর পাশেই ছিলো একটি ঘড়িঘর। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ঘড়িঘরটি ভেঙে গিয়েছিলো বলে জানা যায়।
- গীর্জায় বৃহৎ আকারের একটি ঘণ্টা ছিলো। এই ঘণ্টা বাজার শব্দ নগরের প্রায় সব স্থান থেকে শুনা যেত বলে সাক্ষ্য পাওয়া যায়। এই ঘণ্টার শব্দ শুনেই নাকি অধিকাংশ ঢাকাবাসী নিজ নিজ সময়ঘড়ি ঠিক করে নিতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আর্মেনী গীর্জার এই বিখ্যাত ঘণ্টাটি স্তব্ধ হয়ে যায়, যা আর কখনো বাজেনি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৪৪.
’শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’-র নির্মাতা কে?
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  2. তানভীর করিম
  3. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  4. মঈনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
• শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ :
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। 

অন্যদিকে: 
- ’মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের’ স্থপতি ছিলেন তানভীর করিম।
- ’অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ নির্মাণ করেন।
- ’জাতীয় স্মৃতিস্তম’-র স্থপতি মঈনুল হোসেন।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫৪৫.
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর মহাবিহার:

- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।

⇒ ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৪৬.
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে কোনটি?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. পদ্মা
  3. মেঘনা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি। এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- দক্ষিণপশ্চিম তিব্বতের উৎপত্তি স্থল থেকে ব্রহ্মপুত্রের সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিমি।
- আসামের হিমালয় অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র দিহাঙ নামে পরিচিত।
- এই বিশাল নদটির প্রভাবিত এলাকার আয়তন ৫,৮৩,০০০ বর্গ কিমি, যার ৪৭,০০০ বর্গকিলোমিটারের অবস্থান বাংলাদেশ এলাকায়। - বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নদীটি বিনুনি ধরনের। 

- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৭.
'উয়ারী-বটেশ্বর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. নরসিংদী
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৪৮.
'দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫' তালিকায় স্থান পায়-
  1. ছোট কাটরা
  2. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  3. জেবুন নেসা মসজিদ
  4. লালবাগ কেল্লা
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
ব্যাখ্যা
• জেবুন নেসা মসজিদ :
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- স্থপতি- সায়কা ইকবাল।
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এর ১০০ স্থাপনার তালিকায় স্থান পায় মসজিদটি।
- স্থাপত্যের উদ্ভাবন ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির মেলবন্ধনের কথা মাথায় রেখে মসজিদটির নকশা করেছেন সায়কা।

উৎস : প্রথম আলো।
৫৪৯.
কক্সবাজার জেলার প্রাচীন নাম কী ছিল?
  1. বাকলা
  2. সুধারাম
  3. সলসবেরি
  4. পালংকী
সঠিক উত্তর:
পালংকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালংকী
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে  কক্সবাজার নামের উৎপত্তি।
- জেলার প্রায় অর্ধেক এলাকা জুড়ে পার্বত্য অঞ্চল এবং অর্ধেক সমুদ্র উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চল।
- প্রধান দ্বীপসমূহ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, মাতার বাড়ি, সোনাদিয়া, শাহ পরীর দ্বীপ এবং সেন্ট মার্টিনস বা জিনজিরা দ্বীপ। 
- প্রধান নদী: মাতামুহুরী, বাকখালী, নাফ এবং মহেশখালী চ্যানেল, কুতুবদিয়া চ্যানেল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- কক্সবাজারে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫০.
বাবা আদম মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. নওগা
  3. দিনাজপুর
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বাবা আদম মসজিদ:
- বাবা আদম মসজিদ মুন্সিগঞ্জ জেলার রামপালের অন্তর্গত রেকাবি বাজার ইউনিয়নের কাজী কসবা গ্রামে অবস্থিত। 
-  মসজিদটি বহু গম্বুজবিশিষ্ট এবং ভূমি পরিকল্পনায় আয়তাকৃতির।
- মসজিদের সম্মুখভাগে কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের শীর্ষে উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মসজিদের নির্মাণ তারিখ ৮৮৮ হিজরি/১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দ।
- সুলতান ফতেহ শাহের শাসনকালে মালিক কাফুর এ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- বাবা আদমের মসজিদটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষিত ইমারত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৫১.
সোমপুর মহাবিহার কত সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৮০ সাল 
  2. ১৯৮৩ সাল 
  3. ১৯৮৫ সাল 
  4. ১৯৮২ সাল 
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সাল 
ব্যাখ্যা

• সোমপুর মহাবিহার:
- এটি বাংলার প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অভিজাত নিদর্শন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে রাজা ধর্মপাল কর্তৃক।
-  ১৯৮৫ সাল থেকে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- নওগাঁর পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৫২.
লালবাগ কেল্লার আদি নাম কী?
  1. শায়েস্তাখান দুর্গ
  2. আওরঙ্গবাদ দুর্গ
  3. পরীবিবির দুর্গ
  4. হুমায়নের দুর্গ
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গবাদ দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ব্যাখ্যা

লালবাগ কেল্লা: 
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙ্গজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
 - এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- শায়েস্তা খাঁ দরবার হলে বসে রাজকাজ পরিচালনা করতেন।
- ১৬৮৮ সালে শায়েস্তা খাঁ অবসর নিয়ে আগ্রা চলে যাবার সময় দুর্গের মালিকানা উত্তরাধিকারীদের দান করে যান।
- শায়েস্তা খাঁ ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানা কারণে লালবাগ দুর্গের গুরুত্ব কমতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

৫৫৩.
'ধর্মসাগর' দীঘিটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. মাদারীপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধর্মসাগর:
- ধর্মসাগর মূলত একটি প্রাচীন দীঘি।
- দীঘিটি কুমিল্লা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
- এই দীঘির আয়তন ২৩.১৮ একর।
- ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য এই দীঘিটি খনন করেন।
- তারই নামানুসারে দিঘিটির নামকরণ করা হয় ‘ধর্মসাগর’।
- ১৪৫৮ সালে দীঘিটি খনন করা হয়।
- 'রাজমালা' গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)।
- কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য দীঘিটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র - কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট।
৫৫৪.
বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর নিচের কোনটি?
  1. বলধা জাদুঘর
  2. ময়নামতি জাদুঘর
  3. লোকশিল্প জাদুঘ
  4. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাদুঘর:
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায করেন।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধাজাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এ সর্বপ্রথম একটি কক্ষে প্রত্নস্থল জাদুঘর স্থাপিত হয়।
- কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহস্থ কুঠিবাড়ি নামে পরিচিত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এর বাড়ি ১৯৫৭ সালে ‘সংরক্ষিত সৌধ’ হিসেবে ঘোষিত হয়। পরে এটি রূপান্তরিত হয় ব্যক্তিগত স্মৃতিরক্ষামূলক জাদুঘরে।
- ১৯৮৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৫৫.
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকার আগারগাঁও
  2. গাজীপুর চৌরাস্তায়
  3. ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  4. ঢাকা সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
শিখা অনির্বাণ:
- শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়।
- ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৫৫৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধ কয়টি খাঁজ রয়েছে? 
  1. ৩টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫৭.
'গম্ভীরা' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৫৮.
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন -
  1. ইসলাম খান
  2. টিপু সুলতান
  3. শাহ সুজা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা 'ইরান দুখত রহমত বানুর' সমাধি অবস্থিত।
- ইরান দুখত 'পরীবিবি' নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫৫৯.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ২০০০
  4. ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর হলো ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত যা ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৫৬০.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. ময়মনসিংহ
  4. নড়াইল
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

• বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৬১.
সোমপুর মহাবিহার কে নির্মাণ করেন?
  1. গোপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• সোমপুর মহাবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানেও ধর্মপাল এ বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত।
- এই স্থাপত্য জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ)স্বীকৃত হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ায় এটি ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম বিহার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫৬২.
সোমপুর মহাবিহার কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. রাজশাহী জেলায়
  2. নওগাঁ জেলায়
  3. জয়পুরহাট জেলায়
  4. বগুড়া জেলায়
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ জেলায়
ব্যাখ্যা

ধর্মপাল:
- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- বাংলার ইতিহাসে ধর্মপালই প্রথম রাজা যিনি সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে স্বল্পকালের জন্য হলেও কিছু সাফল্য অর্জন করেন। ধর্মপালের সময়ে বাংলা নতুন শক্তি ও উদ্দীপনার প্রতীক হয়েছিল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার।
- এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত।
- পালবংশের অন্যতম রাজা দেবপাল ছিলেন ধর্মপালের পুত্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৬৩.
দহগ্রাম সীমান্ত অঞ্চল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. কুড়িগ্রাম
  3. নীলফামারী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
→ দহগ্রাম সীমান্ত অঞ্চল লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।

দহগ্রাম সীমান্ত অঞ্চল:
- লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের সাথে যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ ছিল, বর্তমানে এটি ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ সাল থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন 'দহগ্রাম ইউনিয়ন' হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালে ১ জানুয়ারি ও ৭ জানুয়ারিতে ভারতের বিএসএফ পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি করতে চেষ্টা করে।
- আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা নিষিদ্ধ কিন্তু ভারত আইন ভঙ্গ করছিল।
- বিজিবি বলেছে, আইন ভঙ্গ করে কোনো নির্মাণ হলে তা প্রতিহত করা হবে।
- সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে বিজিবি সক্রিয়। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করেছে। 
- বিএসএফ ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৫৬৪.
কত তারিখে ‘ঢাকা গেট’ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়?
  1. ০১ জানুয়ারি ২০২৪
  2. ২০ জানুয়ারি ২০২৪
  3. ২৪ জানুয়ারি ২০২৪
  4. ৩০ জানুয়ারি ২০২৪
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি ২০২৪
ব্যাখ্যা
⇒ ঢাকা গেট:
• ২৪ জানুয়ারি ২০২৪ ঢাকার দোয়েল চত্বরে ‘ঢাকা গেট’ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

 উল্লেখ্য,
•  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ৩ নেতার মাজার সংলগ্ন দোয়েল চত্বরের অদূরে বছরের পর বছর অবহেলিত ছিল ঐতিহাসিক স্থাপনা ঢাকা গেট বা ঢাকা ফটক।
•  নগরবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে ৭১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯১ টাকা ব্যয়ে গেটটির সংস্কার করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
• ঢাকা ফটক (বাংলার সুবেদার মীর জুমলা ফটক) সংস্কার কাজ করছে মূলত ডিএসসিসির প্রকৌশল বিভাগ।
• গেটের অংশগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণের পাশাপাশি এখানে করা হয়েছে নান্দনিক চত্বর
• এছাড়া রাখা হয়েছে ইতিহাস সম্বলিত ফলক, বসার স্থান এবং চারদিকে নান্দনিক বাতি।
• এই কাজের আশেপাশের সৌন্দর্যবর্ধনের নকশা প্রণয়ন করেছেন প্রকৌশলী অধ্যাপক আবু সাঈদ এম আহমেদ।
• এর আগে গত ২৪ মে, ২০২৩ এই ঢাকা গেট বা ঢাকা ফটকের সংস্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
 • ঐতিহাসিক ঢাকা ফটক আগে রমনা ফটক নামেও পরিচিত ছিল।
• একসময় তৎকালীন বাংলার সুবেদার মীর জুমলা এটি নির্মাণ করেছিলেন। এই ফটকই ছিল ঢাকার মূল প্রবেশদ্বার।
 • বুড়িগঙ্গা নদী দিয়ে আসার পরেই এই প্রবেশদ্বার দিয়ে সবাই ঢাকায় প্রবেশ করতো। এই ফটকের চারপাশে হাতি পাহারারত অবস্থায় থাকতো। 

তথ্যসূত্র - Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ফেব্রুয়ারি-২০২৪
৫৬৫.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. মহস্থানগড়
  2. নেত্রকোনা
  3. খুলনা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মহস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহস্থানগড়
ব্যাখ্যা

শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৬৬.
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. সিরাজুল ইসলাম
  4. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
ব্যাখ্যা
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা স্যার উইলিয়াম জোন্স।
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।
৫৬৭.
সোমপুর বিহার বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৬৮.
বাংলাদেশে একমাত্র 'World Trade Center' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. নারায়ণঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড' ট্রেড সেন্টার:
- দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- ২১ তলা ভবনের শীর্ষস্থানীয় এই ভবনটির উচ্চতা ৯০,৭০ মিটার (২৯৮ ফুট)।
- সব আধুনিক সুবিধার ব্যবস্থাসহ ট্রেড সেন্টারটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে আমদানির-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাহায্য করে।
- ভবনটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়ে।

উল্লেখ্য,
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

উৎস: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।
৫৬৯.
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জেনোসাইড মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• গণহত্যা জাদুঘর:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিকে জনমানসে তুলে ধরতে ২০১৪ সালে খুলনায় বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর'
, সংক্ষেপে যেটি 'গণহত্যা জাদুঘর' নামে পরিচিত।
- এই গণহত্যা জাদুঘর দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জাদুঘর যারা একাত্তরের নির্মমতার স্মৃতি সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও একাত্তরে সংগঠিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করে চলেছে।
- ১১ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে এটি পরিচালিত হয়।
- একাত্তরের গণহত্যায় শহিদদের নানা স্মৃতি স্মারক-এরমাধ্যমেমুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- জাদুঘরের দেয়ালজুড়ে একাত্তরের আলোকচিত্র আর শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে শিউরে ওঠেন জাদুঘর পরিদর্শনেআসা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দেশি ও বিদেশি পরিদর্শকবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫৭০.
সাগরকন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. ভোলা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্রগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা। 
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট। 
৫৭১.
পাহাড়পুরের 'সোমপুর বিহার' কোন শাসনামলের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- প্রাচীন বাংলার এই বৌদ্ধ বিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।

⇒ প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৭২.
ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত?
  1. চকবাজার
  2. সদরঘাট
  3. লালবাগ
  4. ইসলামপুর
সঠিক উত্তর:
চকবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকবাজার
ব্যাখ্যা
• বড় কাটরা ও ছোট কাটরা:
বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ঢাকা শহরের — চকবাজার এলাকায় অবস্থিত।

বড় কাটরা:
- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুজা বাংলাদেশে অন্যতম মুঘল স্থাপত্য ‘বড় কাটরা’ নির্মাণ করেন।
- ১৬৪৪ সালে শাহ সুজা বড় কাটরা নির্মাণ করেন।

ছোট কাটরা:
- পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৭৩.
‘আদিনাথ মন্দির’ কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপে
  2. কুতুবদিয়া দ্বীপে
  3. সোনাদিয়া দ্বীপে
  4. মহেশখালী দ্বীপে
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী দ্বীপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী দ্বীপে
ব্যাখ্যা
আদিনাথ মন্দির:
- চর্তুদিকে সাগর বেষ্টিত মহেশখালী দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান আদিনাথ মন্দির।
- ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে আদিনাথ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ধারণা করা হয়। 
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২৮৮ ফুট উঁচু মৈনাক পাহাড় চূঁড়ায় আদিনাথ মন্দিরটি অবস্থিত।
- মন্দিরের দৈর্ঘ্য ১০.৮৭ মিটার,  প্রস্থ ৮.৬২ মিটার, উচ্চতা ৫.৯৩ মিটার।
- আদিনাথ মন্দিরের পাদদেশে রাখাইন সম্প্রদায়ের একটি পাড়া ও ঠাকুরতলা বৌদ্ধ বিহার নামে একটি বিহার রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৭৪.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. আত্রাই
  3. কপোতাক্ষ
  4. মধুমতি
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৭৫.
বাঘা মসজিদ জেলায় অবস্থিত্য?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. টাঙ্গাইল
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৫৭৬.
'চেতনা ৭১' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

'চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৫৭৭.
বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম কী?
  1. পিকচার হাউজ
  2. সিনেমা হাউজ
  3. মধুমিতা
  4. রূপমহল
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
ব্যাখ্যা
পিকচার হাউজ:
- বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম পিকচার হাউজ (পরবর্তীকালে শাবিস্তান)।

উল্লেখ্য,
- ১৮৯৮ সালে কলকাতার ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র দেখায়। ১৮৯৮ সালের ২৪ এপ্রিলের বাংলা সাপ্তাহিক ‘ঢাকা প্রকাশ’ জানাচ্ছে, ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি কর্তৃক সদরঘাটের কাছে পাটুয়াটুলীর ক্রাউন থিয়েটারে এ অঞ্চলে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছিল।
- ঢাকার প্রথম প্রেক্ষাগৃহ হচ্ছে পিকচার হাউস, যেটি পরে হয় নিউ পিকচার হাউস। আরো পরে শাবিস্তান। ১৯১৩-১৪ সালে প্রথম প্রডাকশন কম্পানি হিসেবে পিকচার হাউসের যাত্রা শুরু।
- ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে ৮০টির মতো সিনেমা হল ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।
৫৭৮.
‘উত্তরা গণভবন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. নওগাঁ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা

 উত্তরা গণভবন:
- নাটোর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
- ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সরকারি ভবন হিসেবে সংস্কার হয়।
- ১৯৭২ সালে এটিকে উত্তরা গণভবন হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- চারিদিকে মনোরম লেক, সুউচ্চ প্রাচীর পরিবেষ্টিত ছোট বড় ১২টি কারুকার্যখচিত ও দৃষ্টিনন্দন ভবন নিয়ে উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এর অভ্যন্তরে রয়েছে ইতালী থেকে সংগৃহীত মনোরম ভাস্কর্যে সজ্জিত বাগান, যেখানে রয়েছে বিরল প্রজাতির নানা উদ্ভিদ।

উৎস: নাটোর জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৭৯.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ২০০০
  4. ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর হলো ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত যা ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস:
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
৫৮০.
Where is the 'Ethnological Museum of Bangladesh' located?
  1. Agargaon, Dhaka
  2. Agrabad, Chattogram
  3. Rajshahi
  4. Khulna
সঠিক উত্তর:
Agrabad, Chattogram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agrabad, Chattogram
ব্যাখ্যা

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর (Ethnological Museum): 
- জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর বাংলাদেশের একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান।
- চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত জাদুঘরটির বিষয়বস্তু জাতিতত্ত্ব।
- আদিবাসী ও মূলজনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি সম্প্রীতি সুনিবিড় করণের জন্যে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এই জাদঘুরে প্রায় ২৫টি আদিবাসীসহ বিদেশি ৫টি দেশের জাতিতাত্ত্বিক সামগ্রীর তুলনামূলক বিশ্লেষণের জন্যে প্রদর্শিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া