বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯০ / ১৪০ · ৮,৯০১৯,০০০ / ১৪,০৮০

৮,৯০১.
Which is the chemical name of 'vitamin C'?
  1. Ascorbic acid
  2. Tartaric acid
  3. Citric acid
  4. Amino Acid
  5. Folic acid
সঠিক উত্তর:
Ascorbic acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ascorbic acid
ব্যাখ্যা
ভিটামিন 'সি':
- ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম হচ্ছে 'অ্যাসকরবিক’ এসিড।
- ভিটামিন 'সি' কে স্কার্ভি প্রতিরোধক ভিটামিন ও বলা হয়।
- বিশুদ্ধ এসকরবিক এসিড সাদা, দানাদার, সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- এ ভিটামিন খুবই অস্থিতিশীল তাপ, আলো, বাতাস, ক্ষার ও ধাতবের সংস্পর্শে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।
- পানিতে দ্রবনীয় বলে শাকসবজি পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিলে বা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পর্যন্ত ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।
- তরকারি চুলায় বসিয়ে রাখলে বা বারে বারে গরম করলেও ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।
- সবজি ও ফলে সামান্য চিনি মেশালে ভিটামিন 'সি' অনেকটা বেড়ে যায়।
- কচুশাক, মুলাশাক, সজিনাপাতা, ধনেপাতা, লাল শাক, খেসারি শাক, বথুয়া শাক, পালং শাক, লাউ শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ইত্যাদিতে ভিটামিন 'সি' পাওয়া যায়। তবে আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে।
- ভিটামিন 'সি' এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ হয়। এতে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়।
- শিশুদের হাঁটুর জয়েন্টে ব্যাথা হয় ও ফুলে যায় এবং রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৯০২.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ম্যানোমিটার 
  2. ক্রনোমিটার 
  3. ওডোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
ব্যাখ্যা

শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৮,৯০৩.
লোহায় মরিচা ধরার জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. পানি
  2. অক্সিজেন
  3. কেরোসিন
  4. পানি ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
পানি ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের জন্য এক বা একাধিক বস্তু প্রত্যেকে তার নিজস্ব সত্তা হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট এক বা একাধিক নতুন বস্তুতে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। 
উদাহরণ: পানি এবং অক্সিজেনের সংযোগে লোহায় মরিচা ধরা, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে পানি তৈরি হওয়া, দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানো এগুলো রাসায়নিক পরিবর্তন। 

মরিচা: 
- আদ্র বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আয়রন অক্সাইডের একধরনের যৌগ। এই যৌগই মরিচা। 
- মরিচা সৃস্টিকে নিম্নরূপ সমীকরণের আকারে দেখানো সম্ভব - 
লোহার সামগ্রী + আর্দ্র বাতাস = আয়রন অক্সাইড বা মরিচা। 
- মরিচার সংকেত Fe2O3.nH2
- মরিচায় পানির অণুর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। 
এখানে, n এর মান 1, 2, 3 ইত্যাদি যে কোন পূর্ণ সংখ্যা হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ও রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯০৪.
ক্লোরোফিলের প্রধান উপকরণ কী?
  1. নাইট্রোজেন ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. মিথেন ও সালফার
  3. মিথেন ও ম্যাগনেসিয়াম
  4. নাইট্রোজেন ও মিথেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ক্লোরোফিল ও সালোকসংশ্লেষণ:
- ক্লোরোফিলের প্রধান উপকরণ হচ্ছে নাইট্রোজেন এবং ম্যাগনেসিয়াম।
- লোহার অনুপস্থিতিতে পাতা ক্লোরোফিল সংশ্লেষণ করতে পারে না, ফলে পাতা হলুদ হয়ে যায়।
- পাতার ক্লোরোফিলের পরিমাণের সাথে সালোকসংশ্লেষণের হারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, কারণ একমাত্র ক্লোরোফিলই আলোকশক্তি গ্রহণ করতে পারে।
- পুরাতন ক্লোরোপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে যায় এবং তখন নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট সংশ্লেষিত হয়।
- নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট এবং ক্লোরোপ্লস্টের উপাদান সৃষ্টির হারের উপর সালোকসংশ্লেষণের হার নিভর্রশীল।
- সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন উপাদান দ্রুত এবং প্রচুর পরিমাণে পুনর্গঠিত হওয়া প্রয়োজন।
- তবে কোষে খুব বেশি পরিমাণ ক্লোরোফিল থাকলে এনজাইমের অভাব দেখা দেয় এবং সালোকসংশ্লেষণ কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯০৫.
প্রাকৃতিকভাবে গঠিত কার্বনের তিনটি আইসোটোপের ভর সংখ্যা-
  1. ১০, ১১, ১২
  2. ১১, ১২, ১৩
  3. ১২, ১৩, ১৪
  4. ১১, ১২, ১৪
সঠিক উত্তর:
১২, ১৩, ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২, ১৩, ১৪
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার:

- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ।
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে।
- অর্থাৎ, কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়।
- কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটনের সংখ্যা মৌলটিকে অনন্য রূপে শনাক্ত করে।
- কিন্তু নীতিগতভাবে একটি মৌলের যে কোনো সংখ্যক নিউট্রন থাকতে পারে।
- মৌলের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের সংখ্যার সমষ্টি হলো এর ভরসংখ্যা।
- এ কারণেই কোনো মৌলের প্রত্যেকটি আইসোটোপের ভরসংখ্যা বিভিন্ন হয়।

• কার্বনের আইসোটোপ:

- কার্বনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে। 
- যাদের ভরসংখ্যা যথাক্রমে 12,13,14.
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা 6, অর্থাৎ প্রত্যেকটি কার্বন পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন আছে, যার ফলে কার্বনের আইসোটোপগুলোতে যথাক্রমে 6, 7 এবং ৪ টি নিউট্রন রয়েছে।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে 'পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্রধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯০৬.
HMPV (এইচএমপিভি) ভাইরাসের পূর্ণরূপ কী?
  1. Human micropneumoniavirus
  2. Human Multiple Pathogenic Virus
  3. Human Metapneumovirus 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Human Metapneumovirus 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Human Metapneumovirus 
ব্যাখ্যা

• HMPV (এইচএমপিভি):

- HMPV (এইচএমপিভি) ভাইরাসের পূর্ণরূপ Human Metapneumovirus। 
- এটি মূলত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়।
- ছোট শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা এর গুরুতর জটিলতায় বেশি আক্রান্ত হন।
- হাঁচি-কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়।

- অন্যান্য অপশন গুলো সঠিক নয়।

উৎস: WHO

৮,৯০৭.
নিষেকক্রিয়ার পরে গর্ভাশয় কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. ফল
  2. বীজ 
  3. ফলত্বক
  4. টেস্টা
সঠিক উত্তর:
ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল
ব্যাখ্যা

নিষেকক্রিয়ার পরে গর্ভাশয় ফল এ রূপান্তরিত হয়। 

• নিষেকক্রিয়ার পর গর্ভাশয় ও ডিম্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
নিষেকক্রিয়ার পূর্বে --- নিষেকক্রিয়ার পরে
গর্ভাশয় --------------- ফল,
গর্ভাশয় ত্বক ----------- ফলত্বক,
ডিম্বক ---------------- বীজ,
এক্সাইন -------------- টেস্টা,
ইন্টাইন -------------- টেগমেন,
ভ্রূণপোষক টিস্যু ------- নিঃশেষ হয়ে যায়,
ডিম্বাণু (নিষিক্ত) ------ ভ্রূণ,
সস্য মাতৃকোষ -------- সস্য,
সাহায্যকারী কোষ ----- নষ্ট হয়ে যায়,
প্রতিপাদ কোষ -------- নষ্ট হয়ে যায়,
মাইক্রোপাইল -------- মাইক্রোপাইল,
হাইলাম ------------- হাইলাম,
ডিম্বকনাড়ী ---------- বীজবৃন্ত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯০৮.
কয়টি মৌলক উপাদান নিয়ে পরমাণু গঠিত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

পরমাণু তিনটি মৌলিক উপাদান নিয়ে গঠিত।
যথা: ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন।

- ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মূল কণিকা যার আধান ঋণাত্মক। ইলেক্ট্রনকে সর্ব প্রথম নাম করণ করেন স্টোনি। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে স্যার জে. জে. থমসন সর্বপ্রথম ইলেকট্রনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।

- প্রোটন ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট কণিকা যা নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকে। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।

- ইলেকট্রন ও প্রোটনের ন্যায় নিউট্রনও একটি মৌলিক কণিকা তবে এটি আধানবিহীন। আধানবিহীন (neutral) হওয়ায় এর এই নাম দেয়া হয়েছে।


উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন পাঠ্যবই।

৮,৯০৯.
অ্যাসিড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে কী উৎপন্ন করে? 
  1. লবণ ও পানি
  2. পানি ও ক্ষার
  3. লবণ ও ক্ষারক
  4. অক্সিজেন ও লবণ
সঠিক উত্তর:
লবণ ও পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণ ও পানি
ব্যাখ্যা
লবণ (Salt): 
- অ্যাসিড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে
- কোনো অ্যাসিডের হাইড্রোজেন কোনো ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলকের সাহায্যে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে প্রতিস্থাপিত হয়ে লবণ উৎপন্ন করে।
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি লবণ।
- HCI অ্যাসিডের H পরমাণুকে সোডিয়াম (Na) ধাতুর প্রতিস্থাপনে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) নামক লবণ উৎপন্ন হয়েছে।

- এ ছাড়াও K2SO4, KNO3, CaCO3, NaHCO3, Na2CO3, CuSO4 ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের লবণ। 
- এই লবণগুলোর মধ্যে কোনটি অম্লীয়, আবার কোনো কোনটি ক্ষারীয়ও হতে পারে। 
i) পূর্ণ সরল লবণ: NaCl, KNO3, CaCO3
(ii) অম্লীয় বা আংশিক লবণ: Mg(HSO4)2, NaHCO3
(iii) ক্ষারকীয় লবণ: Na2CO3, CuSO4 ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৯১০.
সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না কোন আলোতে?
  1. ক) হলুদ আলোতে
  2. খ) লাল আলোতে
  3. গ) নীল আলোতে
  4. ঘ) বেগুনি আলোতে
সঠিক উত্তর:
ক) হলুদ আলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হলুদ আলোতে
ব্যাখ্যা
আলোকবর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয়। সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৮,৯১১.
লোহার কুরি তাপমাত্রা কত?
  1. ক) 7700℃
  2. খ) 770℃
  3. গ) 650℃
  4. ঘ) 6500℃
সঠিক উত্তর:
খ) 770℃
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 770℃
ব্যাখ্যা

- যে তাপমাত্রায় কোন একটি চুম্বকের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়, তাকে উক্ত চুম্বকের উপাদানের কুরি বিন্দু বলে।
- লোহার কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা ৭৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সূত্র: ১১-১২শ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান 

৮,৯১২.
ম্যালেরিয়া নিরাময়ের ওষুধ কুইনাইন কোন গাছ হতে তৈরি করা হয়?
  1. গজার
  2. সিনকোনা
  3. শাল
  4. উলফিয়া
সঠিক উত্তর:
সিনকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনকোনা
ব্যাখ্যা
• সিনকোনা গাছের বাকল হতে ম্যালেরিয়া নিরাময়ের ওষুধ কুইনাইন তৈরি করা হয়। 

• ম্যালেরিয়া:
- ম্যালেরিয়া একটি মশকীবাহিত রোগ। 

• ম্যালেরিয়া রোগীর চিকিৎসা (Treatment):
- ম্যালেরিয়া রোগীকে অবশ্যই উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা আবশ্যক। রোগ শনাক্ত করা ও উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করলে ম্যালেরিয়া রোগ হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
- সিনকোনা গাছের বাকল হতে তৈরি কুইনাইন ম্যালেরিয়া নিরাময়ের মূল ওষুধ।
- এ কুইনাইন দ্বারাই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি হয়েছে। যেমন-ক্লোরোকুইন, নিভাকুইন, কেমোকুইন, অ্যাভলোক্লোর, ম্যাপাক্রিন, প্যালুড্রিন ইত্যাদিসহ ম্যালেরিয়া পরজীবী ধ্বংসের ভালো মানের বেশ কিছু ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৮,৯১৩.
মহাকাশে পাঠানো স্যাটেলাইট অবস্থান করে কোন স্তরে ?
  1. স্ট্রাটোমন্ডল
  2. মেসোমন্ডল
  3. তাপমন্ডল
  4. এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
- মহাকাশে পাঠানো স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহসমূহ তাপমন্ডলে অবস্থান করে।
- তাপমন্ডলের বিস্তৃতি ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. এর মধ্যে। রকেটও এ স্তর দিয়ে চলাচল করে।
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত যেখানে পৃথিবী থেকে প্রেরিত বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসে।
- পৃথিবীর দিকে ধেয়ে উল্কাপিণ্ড এই স্তরেই পুড়ে যায়। এটি বায়ুমন্ডলের চতুর্থ স্তর।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৯১৪.
সরল ছন্দিত গতিতে ত্বরণের মান কিসের সমানুপাতিক? 
  1. গতির
  2. সরণের
  3. বস্তুর ভরের
  4. সময়ের
সঠিক উত্তর:
সরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণের
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি: 
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। 
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচে গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ। 

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য: 
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি। 
৩. এটি সরল রৈখিক গতি। 
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক। 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯১৫.
একটি আদর্শ খাদ্য পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে -
  1. ক) স্নেহ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) স্নেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্নেহ
ব্যাখ্যা
আদর্শ খাদ্য পিরামিড
- যে কোনো একটি সুষম খাদ্য তালিকায় শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- শর্করাকে নিচু স্তরেরেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফল-মূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে আদর্শ খাদ্য পিরামিড বলে।
- পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য আর সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে শর্করা।



উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৯১৬.
সুনামি অগভীর জলের দিকে অগ্রসর হলে তার কী পরিবর্তন ঘটে?
  1. বিস্ফোরণ ঘটে
  2. এর গতি বাড়ে
  3. শক্তি হ্রাস পায়
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
শক্তি হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯১৭.
একজন সুস্থ মানুষের রক্তে অক্সিজেনের সম্পৃক্ততা কত শতাংশ থাকা উচিৎ?
  1. ক) ৯৭ - ১০০%
  2. খ) ৯০ - ৯৫%
  3. গ) ৮৫ - ৯৫%
  4. ঘ) ৮৮ - ১০০%
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭ - ১০০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭ - ১০০%
ব্যাখ্যা
একজন সুস্থ মানুষের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৭ থেকে ১০০ শতাংশ থাকা উচিত।
যদি অক্সিজেন মাত্রা ৯২ শতাংশের নিচে নেমে যায় তবে মস্তিষ্কে ও অন্যান্য অঙ্গে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়।

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় 'হাইপোক্সিয়া' বলা হয়। 
অক্সিজেনের মাত্রা ক্রমাগত কমতে থাকলে হৃৎপিণ্ড, যকৃৎ, কিডনি ইত্যাদি বিকল হতে শুরু করে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে কথাবার্তা অসংলগ্ন হতে শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ‘সাইলেন্ট হাইপোক্সিয়া’ হয়। অর্থাৎ, অক্সিজেনের মাত্রা কম, কিন্তু শ্বাসকষ্ট না হওয়ায় তিনি তা উপলব্ধি করতে পারেন না। ফলে চিকিৎসা পেতে অনেক দেরি হয়ে যায়। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটেছে। একে বলে ‘হ্যাপি হাইপোক্সিয়া’। 

সূত্র: প্রথম আলো 
৮,৯১৮.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
  1. ক) পুকুরে
  2. খ) সাগরে
  3. গ) নদীতে
  4. ঘ) খালে
সঠিক উত্তর:
খ) সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাগরে
ব্যাখ্যা
যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
• সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে যার ফলে পুকুর, নদী বা বিলের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি। তাই সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৯১৯.
ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কী দ্বারা গঠিত?
  1. পেকটিন
  2. লিগনিন
  3. সেলুলোজ
  4. কাইটিন
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
ব্যাখ্যা

ছত্রাক: 
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক।
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত। 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়। 
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ। 

ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য: 
- ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
- এরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
- এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। 
- ছত্রাকের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে। 
- ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। 
- ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি। 
- এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯২০.
হীরা অন্ধকারে চকচক করে কেন?
  1. ক) হীরায় তেজস্ক্রিয়তা বিদ্যমান তাই আলো বিচ্ছুরিত হয়
  2. খ) উচ্চ প্রতিসরাঙ্কের কারণে অভ্যন্তরীণভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটে
  3. গ) হীরাতে রেডিয়াম থাকে বিধায় আলো বিচ্ছুরিত হয়
  4. ঘ) হীরার ধর্ম হলো আধারে আলো বিচ্ছুরিত করা
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চ প্রতিসরাঙ্কের কারণে অভ্যন্তরীণভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চ প্রতিসরাঙ্কের কারণে অভ্যন্তরীণভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটে
ব্যাখ্যা
• আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয়, তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণভাবে ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এ ঘটনাকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দায়ী -
- হীরার ঔজ্জ্বল্যের জন্য,
- মরুভূমির মরিচীকার জন্য,
- পদ্ম পাত্র ওপর বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে তা চকচক করার জন্য

সূত্র: মাধমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯২১.
ফায়ার এক্সটিংগুইশারে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) কার্বনডাই অক্সাইড
  3. গ) ক্লোরিন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বনডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বনডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
অগ্নি নির্বাপনের জন্য মূলত চার ধরনের এক্সটিংগুইসার ব্যবহার হয়ে থাকে।
১. ওয়াটার টাইপ এক্সটিংগুইসার
2. ফোম টাইপ এক্সটিংগুইসার
3. গ্যাস টাইপ এক্সটিংগুইসার
4. পাউডার টাইপ এক্সটিংগুইসার

তার মধ্যে গ্যাস টাইপ এক্সটিংগুইসারে কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
৮,৯২২.
ট্রানজিস্টর কয় ধরনের?
  1. তিন ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. পাঁচ ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামে পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯২৩.
নিচের কোনটি মৌলিক বল নয়?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. সান্দ্র বল
  4. তাড়িৎ চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
সান্দ্র বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান্দ্র বল
ব্যাখ্যা

মৌলিক বল হলো ৪ ধরনের, যেমন- মহাকর্ষ বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল, সবল নিইক্লিয় বল, তাড়িৎ চৌম্বক বল।
মহাবিশ্বে আমরা যত ধরনের বলই দেখি না কেনো- সবই বিভিন্ন মৌলিক বলের প্রকারভেদ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮,৯২৪.
ইউরেনাস-কে বলা হয় _______ গ্রহ।
  1. ক) বামন
  2. খ) প্রাচীন
  3. গ) নীলাভ
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ
ব্যাখ্যা
• ইউরেনাস (Uranus):
- দূরত্বের দিক থেকে সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ ও তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ ইউরেনাসকে সবুজ গ্রহ বলা হয়। 
- এটি সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যার নাম গ্রীক পুরান থেকে নেয়া হয়েছে।
- সূর্য থেকে ইউরেনাস এর গড় দূরত্ব ২৯০ কোটি কিলোমিটার।
- ৮৪ বছরে এটি সূর্যের চতুর্দিকে নিজ কক্ষপথে ঘুরে।
- এ গ্রহেরও শনির মত বলয় রয়েছে। তবে বলয়গুলো উজ্জ্বল নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯২৫.
ভাইরাসের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) আদি কোষবিশিষ্ট
  2. খ) বাধ্যতামূলক পরজীবী
  3. গ) অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা
  4. ঘ) DNA অথবা RNA উপস্থিত
সঠিক উত্তর:
ক) আদি কোষবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আদি কোষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিষ। এটি প্রোটিন আবরণ এবং অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিক এসিড (DNA অথবা RNA) এই দু'টি অংশ নিয়ে গঠিত। ভাইরাস অকোষীয় (আদি কোষীয় নয়), অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা, বাধ্যতামূলক পরজীবী জৈবকণা যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
সত্যিকার অর্থে এরা অণুজীব নয়, অণুজীবের মতো। ভাইরাস দেহে কোষীয় বৈশিষ্ট্য তথা কোষ প্রাচীর, কোষঝিল্লি ও সাইটোপ্লাজম নেই- তাই ভাইরাসকে অকোষীয় বলা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮,৯২৬.
'ডুরালুমিন' সংকর ধাতুতে কোন উপাদান সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. ক্রোমিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'ডুরালুমিন' সংকর ধাতুতে "অ্যালুমিনিয়াম" উপাদান সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে, যা শতকরা ৯৫ ভাগ। 

সংকর ধাতু: 

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচের কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯২৭.
কোন খনিজটি কেবল একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত? 
  1. ডলোমাইট
  2. জিপসাম
  3. সোনা
  4. বক্সাইট
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ: 
- মানুষ ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠ হতে যেসব বস্তু সংগ্রহ করে নিজের চাহিদা পূরণ করে তাকে খনিজ সম্পদ বলে। 
- ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, 'প্রকৃতিপ্রদ ও অজৈব কঠিন পদার্থ, যাদের মধ্যে কতিপয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি থাকে তাদেরকেই খনিজ পদার্থ বলে'। 
- কোনো কোনো খনিজ কেবল একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত। 
যেমন- সোনা, রূপা, হীরা ইত্যাদি। 
- কিন্তু বেশিরভাগ খনিজ দুই বা তার বেশি মৌলিক উপাদানের রাসায়নিক যৌগের ফলে বা সংমিশ্রণে গঠিত হয়।
- সাধারণত দু'ভাবে খনিজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়।
যেমন- 
১। উৎপত্তি অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- কোন বস্তু থেকে খনিজের উদ্ভব ঘটেছে তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর যাবতীয় খনিজ দ্রব্যকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) জৈব খনিজ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
(খ) অজৈব খনিজ: লোহা, নিকেল, সীসা, ম্যাঙ্গানিজ, অভ্র, জিপসাম প্রভৃতি। 

২। প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে খনিজ দ্রব্যগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) ধাতব খনিজ: 
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- লৌহ আকরিক। 
- অলৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- তামা, টিন, বক্সাইট, সোনা, রূপা, দস্তা ইত্যাদি। 
- লৌহ সঙ্কর ধাতব খনিজ, যথা- ম্যাঙ্গানিজ, নিকেল। 

(খ) অধাতব খনিজ: 
- রাসায়নিক অধাতব খনিজ, যথা- গন্ধক, লবণ, পটাস, ডলোমাইট। 
- সড়ক ও গৃহনির্মাণের অধাতব খনিজ, যথা- চুন, চুনাপাথর, মার্বেল। 
- অন্যান্য অধাতব খনিজ, যথা- অভ্র, চীনামাটি, গ্রাফাইট। 

(গ) জ্বালানি খনিজ: 
- কঠিন জ্বালানি খনিজ, যথা- কয়লা। 
- তরল জ্বালানি খনিজ, যথা- খনিজ তেল। 
- গ্যাসীয় জ্বালানি খনিজ, যথা- প্রাকৃতিক গ্যাস। 
- পারমাণবিক জ্বালানি খনিজ, যথা- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৮,৯২৮.
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর যে দিক পরিবর্তন হয়, তাকে কী বলে? 
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. মৌসুমী বায়ু
  4. প্রত্যয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু: 
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু। 
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়। 
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু। 

মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।  
- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। 
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়, কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯২৯.
নিচের কোন উদ্ভিদটি পানির পাশাপাশি মাটিতেও জন্মায়? 
  1. শাপলা 
  2. হাইড্রিলা 
  3. ওড়িপানা 
  4. কলমি
সঠিক উত্তর:
কলমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলমি
ব্যাখ্যা

জলজ উদ্ভিদের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা: 
- কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা, ওড়িপানা, সিংগারা, টোপাপানা, শাপলা, পদ্ম, শ্যাওলা, হাইড্রিলা, কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম ইত্যাদি নানা রকম জলজ উদ্ভিদ। এদের বেশির ভাগই পানিতে জন্মে এবং কিছু কিছু আছে (যেমন- কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম) যারা পানিতে আর মাটিতে দু'জায়গাতেই জন্মে। 
অর্থাৎ, পানি না থাকলে বেশির ভাগ জলজ উদ্ভিদ জন্মাতই না, কিছু কিছু হয়তো জন্মাত কিন্তু বাঁচতে পারত না কিংবা বেঁচে থাকলেও বেড়ে উঠতে পারত না। 
- তখন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটত, কারণ এই জলজ উদ্ভিদগুলো একদিকে যেমন সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখে, অন্যদিকে এদের অনেকগুলো বিশেষ করে শ্যাওলাজাতীয় জলজ উদ্ভিদগুলো জলজ প্রাণীদের খাদ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করে। 

- এসব জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতেই পারত না, যেটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতো। যে উদ্ভিদগুলো সাধারণত মূলের মাধ্যমে পানি আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে। 
- কিন্তু জলজ উদ্ভিদগুলো সারা দেহের মাধ্যমেই পানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিশেষ করে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে থাকে। তাই এদের পুরো দেহ পানির সংস্পর্শে না এলে এদের বেড়ে ওঠাই হতো না। 
- জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড আর অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যেটা পানির স্রোত আর জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। 
- পানি ছাড়া শুকনো মাটিতে এদের জন্ম হলে এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না, এমনকি বাঁচতেও পারত না। 
- পরিবেশের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকে থাকতে গিয়ে লক্ষ কোটি বছরের প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা এসব উদ্ভিদ উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। 
- জলজ উদ্ভিদগুলো সাধারণত অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে, পানি না থাকলে এই বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হতো। 
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদগুলোর জন্ম খুবই জরুরি এবং তাদের বেড়ে উঠার জন্য পানির ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৯৩০.
কোন দুটি হরমোন অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হয়?
  1. ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন
  2. পেপসিন এবং গ্লুকাগন
  3. অ্যামাইলেজ এবং লাইপেজ
  4. ট্রিপসিন এবং স্যালিভারি এমাইলেজ
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন
ব্যাখ্যা
- 'ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন' এই দুটি হরমোন অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হয়। 

অগ্ন্যাশয়: 

- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলির পেছনে এবং ডিওডেনামের দু'বাহুর মধ্যে প্রায় আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। 
- অগ্ন্যাশয়নালি পিত্তনালির সাথে মিলিত হয়ে যকৃত অগ্ন্যাশয়নালি গঠন করে ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়। 
- অগ্ন্যাশয়ে নালীযুক্ত ও নালিবিহীন উভয় প্রকার গ্রন্থি থাকে বলে একে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়। 
- নালিযুক্ত গ্রন্থির নিঃসৃত রসকে অগ্ন্যাশয় রস এবং নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন তৈরি হয়। 
- অগ্ন্যাশয় রসে থাকে ট্রিপসিন, অ্যামাইলেজ ও লাইপেজ নামক উৎসেচক। 
- অগ্ন্যাশয় রস খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, খাদ্যের পরিপাকে অম্ল ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা দেহ তাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে, ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

অন্যদিকে, 
- অ্যামাইলেজ এবং লাইপেজ হলো অগ্ন্যাশয়ের উৎসেচক, হরমোন নয়। 
- ট্রিপসিন এবং স্যালিভারি এমাইলেজ: ট্রিপসিন অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হলেও, স্যালিভারি এমাইলেজ মুখগহ্বরে তৈরি হয়। 
- পেপসিন এবং গ্লুকাগন: পেপসিন পাকস্থলীতে তৈরি হয় এবং গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হয়, তবে এভাবে মিলিতভাবে এটি সঠিক নয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৩১.
কাঁঠাল কোন জাতীয় ফল?
  1. রসালো ফল
  2. সরল ফল
  3. যৌগিক ফল
  4. গুচ্ছ ফল
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ফল
ব্যাখ্যা

- ফলের উৎস ও প্রকৃতি অনুসারে ফলকে তিনটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা- সরস ফল, গুচ্ছ ফল ও যৌগিক ফল।
- আনারস, কাঁঠাল, ডুমুর ইত্যাদি যৌগিক ফল।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,৯৩২.
প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য কোন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়?
  1. ICBN
  2. ICZN
  3. IUPAC
  4. ICNCP
সঠিক উত্তর:
ICZN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICZN
ব্যাখ্যা

• প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য ICZN নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।

• দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) - এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
- ICBN (International Code of Botanical Nomenclature): এটি শুধুমাত্র উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদ্ভিদবিজ্ঞানীগণ এই নিয়ম মেনে গাছপালা, শৈবাল ও ছত্রাকের নামকরণ করেন। (বর্তমানে এটি ICN নামেও পরিচিত)।
- IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry): এটি জীববিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নয়; এটি রসায়নের বিভিন্ন মৌল এবং রাসায়নিক যৌগের নামকরণের আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- ICNCP (International Code of Nomenclature for Cultivated Plants): এটি মূলত চাষাবাদকৃত বা কৃত্রিমভাবে উদ্ভাবিত উদ্ভিদের (যেমন: হাইব্রিড ফুল বা ফসল) নামকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৩। ব্রিটানিকা।

৮,৯৩৩.
কঠিন বস্তুতে কোন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
পরিবহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে। তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। যথা-
১. পরিবহন:
- যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে।
- এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়।
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

২. পরিচলন:
- কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়।
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

৩. বিকিরণ:
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই।
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি। এর প্রায় পুরোটাই শূন্য, কোনো জড় মাধ্যম নেই।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গাকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৩৪.
ক্ষতিকারক গ্যাস 'সিএফসি' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) ডাই ক্লোরো ডাই ফ্লোরো কার্বন
  2. খ) ক্লোরোফ্লোরো ইথেন
  3. গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. ঘ) ক্লোরোফ্লোরো মিথেন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
সিএফসি 
- সিএফসি এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি হলো ওজনস্তররের ক্ষতি সাধনকারী কতগুলো গ্যাস।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে- কার্বন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, মিথেন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি।
- এদের মধ্যে ক্লোরিন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ-
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি। 
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়। 
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে। 
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে।

সিএফসি এর ব্যবহারের দিকসমূহ
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: American Chemical Society এবং দ্য ওজনহোল ওয়েবসাইট
৮,৯৩৫.
ইলেকট্রোস্কোপ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়? 
  1. তাপমাত্রা মাপার জন্য
  2. চুম্বকত্ব যাচাইয়ের জন্য
  3. স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
  4. চলমান তড়িৎ পরিমাপের জন্য
সঠিক উত্তর:
স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোস্কোপ: 
- ইলেকট্রোস্কোপ স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য খুব চমৎকার একটা যন্ত্র। 
- যন্ত্রটা খুবই সহজ, এখানে চার্জের অস্তিত্ব বোঝার জন্য রয়েছে খুবই হালকা সোনা, অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য কোনো ধাতুর দুটি পাত। 
- এই পাত দুটো একটা সুপরিবাহী দণ্ড দিয়ে একটা ধাতব চাকতির সাথে লাগানো থাকে, পুরোটা একটা অপরিবাহী ছিপি দিয়ে কাচের বোতলের ভেতর রাখা হয়, যেন বাইরে থেকে দেখা যায় কিন্তু বাতাস বা অন্য কিছু যেন পাতলা ধাতব পাত দুটোকে নাড়াচাড়া করতে না পারে। 

চার্জ আহিতকরণ: 
- একটা কাচের টুকরোকে সিল্ক দিয়ে ঘষা হলে কাচ দণ্ডটাতে পজিটিভ চার্জ জমা হবে। 
- এখন কাচ দণ্ডটা যদি ইলেকট্রোস্কোপের ধাতব চাকতিতে ছোঁয়ানো যায় তাহলে সাথে সাথে খানিকটা চার্জ চাকতিতে চলে যাবে। 
- চাকতি যেহেতু ধাতব দণ্ড আর সোনার পাতের সাথে লাগানো আছে, তাই চার্জটুকু সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে। 
- সোনার পাতে যখন একই পজিটিভ চার্জ এসে হাজির হবে আর তখন দেখা যাবে পাত দুটো বিকর্ষণ করে তাদের মাঝে একটা ফাঁক তৈরি হয়েছে। 
- ঠিক একইভাবে একটা চিরুনিকে যদি ফ্লানেল দিয়ে ঘষা হয় তাহলে চিরুনিটাতে নেগেটিভ চার্জ জমা হবে, এখন সেটা যদি চাকতিতে স্পর্শ করা হয় তাহলে নেগেটিভ চার্জ সোনার পাত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে এবং দুটো পাত একটা আরেকটাকে বিকর্ষণ করে ফাঁক হয়ে যাবে। 

চার্জের প্রকৃতি বের করা: 
- কোনো একটা বস্তুতে যদি চার্জ জমা হয় তাহলে সেটা কি পজিটিভ নাকি নেগেটিভ চার্জ সেটা ইলেকট্রোস্কোপ দিয়ে বের করা যায়। প্রথমে ইলেকট্রোস্কোপের চাকতিতে পরিচিত কোনো চার্জ দিতে হবে। 

চার্জের আবেশ: 
- কোনো একটা বস্তুতে চার্জ আছে কি না সেটা চাকতিকে স্পর্শ না করেই বোঝা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৩৬.
গ্রাইসিওফুলভিন কোন ধরনের রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ
  2. ভাইরাসজনিত রোগ
  3. ছত্রাকজনিত ত্বকের রোগ
  4. পরজীবীজনিত রোগ
সঠিক উত্তর:
ছত্রাকজনিত ত্বকের রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাকজনিত ত্বকের রোগ
ব্যাখ্যা

• গ্রাইসিওফুলভিন দাদ ও অন্যান্য ছত্রাকজনিত ত্বক রোগে ব্যবহৃত হয়।

• অ্যান্টিবায়োটিক ও ঔষধ শিল্পে ছত্রাকের ব্যবহার:

- গ্রাইসিওফুলভিন প্রস্তুতকরণ:
- Penicillium griseofulvum নামক ছত্রাক প্রজাতি থেকে গ্রাইসিওফুলভিন নামক ঔষধ প্রস্তুত করা হয়।
- এই ঔষধ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দাদ ও ত্বকের বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।

- পেনিসিলিনের আবিষ্কার ও উৎপাদন:
- ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কার করেন।
- তিনি প্রথমে Penicillium notatum ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন প্রস্তুত করেন।

- বাণিজ্যিক উৎপাদন:
- পরবর্তীতে Penicillium notatum থেকে উৎপাদন কম হওয়ায়,
- Penicillium chrysogenum থেকে উচ্চ মানের ও অধিক পরিমাণে পেনিসিলিন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৩৭.
একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য দৈনিক কত লিটার তরল প্রয়োজন?
  1. ক) ১.৬ লিটার
  2. খ) ০.৬ লিটার
  3. গ) ০.৫ লিটার
  4. ঘ) ০.২৫ লিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৬ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৬ লিটার
ব্যাখ্যা

একজন গর্ভবর্তী মা দৈনিক ১.৬ লিটার তরল পান করা উচিত।
সোর্সঃ tommys.org

৮,৯৩৮.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. ক) পটকা মাছ ও ডলফিন
  2. খ) হাঙ্গর ও তিমি
  3. গ) তিমি ও ডলফিন
  4. ঘ) জেলী ফিস ও হাঙ্গর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি ও ডলফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি ও ডলফিন
ব্যাখ্যা
- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 
- This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

Source: uk.whales.org

- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে।
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই।
৮,৯৩৯.
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলা তৈরি হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. মার্বেল
  4. নিস
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
যেমন:
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৯৪০.
ফুসফুসের আবরণী পর্দার নাম -
  1. ক) অ্যালভিওলাস
  2. খ) পেরিঅস্টিয়াম
  3. গ) প্লুরা
  4. ঘ) মেনিনজিস
সঠিক উত্তর:
গ) প্লুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লুরা
ব্যাখ্যা
• ফুসফুসের আবরণী পর্দার নাম - প্লুরা;
• ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক হলো - অ্যালভিওলাস;
• হৃদপিন্ডের আবরণী পর্দার নাম - পেরিকার্ডিয়াম;
• অস্থির আবরণীর নাম - পেরিঅস্টিয়াম;
• মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম -  মেনিনজিস;
• খুলির হাড়ে থাকা আবরণ হলো পেরিক্রেনিয়াম;
• বৃক্কের আবরণকে বলা হয় - ক্যাপসুল।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮,৯৪১.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) ডায়াবেটিস
  2. খ) এপিলেপসি
  3. গ) পারকিনসন
  4. ঘ) গলগণ্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) গলগণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গলগণ্ড
ব্যাখ্যা
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে গলগণ্ড রোগটি হয়ে থাকে। 

গলগন্ড (Goiter)  খাদ্য ও খাবার পানিতে আয়োডিনের অভাব, সংক্রমণজনিত প্রদাহ, টিউমার, অথবা গলগ্রন্থির কম কার্যকারিতার কারণে গলগ্রন্থির (thyroid) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ফুলে ওঠা গলগ্রন্থি গলার সামনে সহজদৃষ্ট হয়ে ওঠে। বেশির ভাগ গলগন্ড গলায় সীমাবদ্ধ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলি বুকের উপর দিকে বা কদাচিৎ অন্তর্বক্ষীয়ও হতে পারে।

বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে গলগন্ড ও আয়োডিনঘটিত অন্যান্য অসুস্থতা প্রশমনের কার্যক্রম শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় ৯টি জেলার প্রায় ৯৫,০০০ লোককে লেপিওডল ইনজেকশন দেওয়া হয়। একইভাবে ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ইউনিসেফের সহযোগিতায় রংপুর জেলার জলঢাকা উপজেলায় ৮০,০০০ লোককে ইনজেকশন দেয়। ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক এবং প্রায় দু’ডজন উদ্যোক্তা এ ধরনের খাবার লবণ তৈরি করছে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিলের খাদ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট এ পণ্যের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনের সহজ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে এবং এ কর্মসূচির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে থাকে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৮,৯৪২.
তড়িৎ প্রলেপন প্রক্রিয়ায় ধাতুর প্রলেপ কোথায় পড়ে? 
  1. অ্যানোডে 
  2. ক্যাথোডে 
  3. ব্যাটারিতে 
  4. ইলেকট্রোলাইটে 
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোডে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোডে 
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন (Electroplating): 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর ওপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে। 
- সাধারণত কোনো কম দামি ধাতু (যেমন- তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা করার জন্য কিংবা সুন্দর দেখানোর জন্য সেগুলোর ওপর সোনা, রুপা, নিকেল এরকম মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।
- যে ধাতব বস্তুটিকে প্রলেপ দিতে হবে, সেটি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এটি হবে ক্যাথোড ইলেকট্রোড।
- যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়।
- তড়িৎ দ্রব হিসেবে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে, তার কোনো একটি লবণের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোডে রাখা ধাতব বস্তুর ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৪৩.
STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা কত ধরা হয়?
  1. 0° C
  2. 25° C
  3. 298 K
  4. - 298° C
সঠিক উত্তর:
0° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে।
যেমন-

(১) STP পদ্ধতি:
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure.
- STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol-1

(২) SATP পদ্ধতি: 
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure.
- এ পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 25°C বা 298K ও চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়।
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, V = 24.789 Lmol-1

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৮,৯৪৪.
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যার জন্য নোবেল পুরষ্কার পান কে?
  1. ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  4. রজার পেনরোজ
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
• কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।
১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

• কার্ল আর্নস্ট লুডভিগ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, কোয়ান্টাম তত্ত্বের কারণে ১৯১৮ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

• ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী রজার পেনরোজ আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ করেছিলেন যে, মুমুর্ষ তারা থেকে ব্ল্যাক হোল গঠন সম্ভব। তার স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।

• ডাচ গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ এবং পদার্থবিদ - ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস, যিনি আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, শনি গ্রহের রিংগুলির প্রকৃত আকৃতি আবিষ্কার করেছিলেন এবং গতিবিদ্যা বিজ্ঞানে মূল অবদান রেখেছিলেন।

উৎস: nobelprize.org, ব্রিটানিকা ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৯৪৫.
কোন রোগের ভাইরাসে নিউক্লিয়িক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে?
  1. Rabies
  2. Harpes simplex
  3. Mumps 
  4. Influenza B
সঠিক উত্তর:
Harpes simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harpes simplex
ব্যাখ্যা

DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Harpes simplex (Human), Tipula Iridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), Variola (Human), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic, Adenoassociaed ইত্যাদি। 

RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Influenza B (Human), পোলিও (মানব), Rubella (Human), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), Mumps (Human), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rous sarcoma (bird), Rabies (dog), Potato yellow dwarf, Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, filamentous bacteriophage fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic, f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।

৮,৯৪৬.
Which vitamin deficiency is the cause of Rickets disease?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin E
  5. Vitamin K
সঠিক উত্তর:
Vitamin D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin D
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 

- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি -এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৪৭.
নিম্নের কোন খাদ্যে ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়?
  1. বাঁধাকপি
  2. মুগডাল
  3. আটা
  4. মাছের তেল
সঠিক উত্তর:
মাছের তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছের তেল
ব্যাখ্যা
- 'মাছের তেলের' মধ্যে ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 

খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: 

- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিনের পরিমাণ খুব কম হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য ভিটামিন আবশ্যক। 
- সুষম খাদ্যে বিভিন্ন প্রকার উপাদান থাকে। 
- ভিটামিনকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
(ক) চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন:  ভিটামিন ‘এ’, ‘ডি’, ‘ই’ এবং ‘কে’। 
(খ) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স ও ‘সি’। 


উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৪৮.
মহাকাশে প্রেরণকৃত প্রথম মহাকাশযান কোনটি?
  1. ক) লুনা-২
  2. খ) স্পুটনিক-১
  3. গ) আর্টেমিস-৩
  4. ঘ) লুনা-৯
সঠিক উত্তর:
খ) স্পুটনিক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পুটনিক-১
ব্যাখ্যা
মহাকাশে প্রেরণকৃত প্রথম মহাকাশযানটির নাম হচ্ছে স্পুটনিক-১। 

- ১৯৫৭ সালে ৪ই অক্টোবর, সোভিয়েত রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম মহাকাশে স্পুটনিক-১ নামের কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণ করেন।
- এ পর্যন্ত উৎক্ষিপ্ত কৃত্রিম উপগ্রহের সংখ্যা প্রায় ৬,৬০০। 
- উৎক্ষিপ্ত কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে প্রায় ৩,৬০০টি বর্তমানে কক্ষ পথে অবস্থান করছে। 
- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ টানের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং ছোট কক্ষপথ নিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে।
- একই বছরের ২ নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ রাশিয়া মহাকাশে পাঠায়।  

সূত্র- ১৭৭ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৪৯.
মানসিক চাপ, আলসার ও আন্ত্রিক পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বাড়িয়ে দেয় নিচের কোনটি?
  1. শব্দ দূষণ
  2. পানি দূষণ
  3. বায়ু দূষণ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
শব্দ দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা

শব্দ দূষণ:
-অতি উচ্চ শব্দ আমাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়, মেজাজ খারাপ করে ফেলে এধরণের অতি শব্দ দ্বারা পরিবেশ নষ্ট হয়। এ অবস্থাকে বলা হয় শব্দ দূষণ।
- উচ্চ শব্দ মানুষের মস্তিষ্কে স্নায়বিক চাপ সৃষ্টি করে।
- অর্থাৎ স্নায়ুর স্বাভাবিক সংযোগ ব্যহত করে, কাজে মনোযোগ কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে, কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়, পরিপাক ক্রিয়া ব্যহত করে।
- পাকস্থলী ও পরিপাক তন্ত্রের পীড়া বা ব্যাধি সৃষ্টি করে।
- আলসার ও আন্ত্রিক পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বাড়িয়ে দেয়।
- সারাক্ষণ কানে মাইক্রোফোন লাগিয়ে উচ্চ স্বরে গান শুনলে পেটের পীড়া ও কানের অসুখ দেখা দেয়, বিশেষ করে শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়।
- ফলে অল্প বয়সেই বধিরতা আসতে পারে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৫০.
অপটিক্যাল ফাইবার হলো -
  1. সরু ধাতব তার
  2. খুব সরু কাঁচতন্তু
  3. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক নল
  4. খুব সরু ফাইবার নল
সঠিক উত্তর:
খুব সরু কাঁচতন্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুব সরু কাঁচতন্তু
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৯৫১.
ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক কোনটি?
  1. বৃতি
  2. দলমণ্ডল
  3. পুষ্পমঞ্জরি
  4. পুংস্তবক
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক
ব্যাখ্যা

বৃতি ও দলমণ্ডলকে ফুলের সাহায্যকারী স্তবক এবং পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে৷
পুংস্তবক ফুলের তৃতীয় স্তবক। এই স্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। পুংকেশরের পরাগধানীর মধ্যে বিদ্যমান পরাগরেণু থেকে পুং জননকোষ উৎপন্ন হয় যা সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে।
স্ত্রীস্তবকও পুংস্তবকের মতো সরাসরি জন কাজে অংশগ্রহণ করে৷
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৮,৯৫২.
রিখটার স্কেলে প্রতি এক সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ভূমিকম্পের শক্তি কত গুন বেড়ে যায়?
  1. ৪০ গুন
  2. ২০ গুন
  3. ৩০ গুন
  4. ১৬ গুন
সঠিক উত্তর:
৩০ গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ গুন
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র  (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।  
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
-  ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। 
- এই রিখটার স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 

ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
• পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
• আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
• শিলাচ্যুতি,
• তাপ বিকিরণ,
• ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
• ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
• হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

- অধিকাংশ ভূমিকম্প (শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ) পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গায় সংঘটিত হয়। যেমন- পৃথিবীর বৃত্তচাপীয় দ্বীপমালা জাপান, ফিলিপাইন, নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা ও সামুদ্রিক শৈলশিরাসমূহ।
- ভূমিকম্পের সংখ্যার দিক থেকে জাপান বিশ্বে প্রথম।
- বছরে প্রায় গড়ে ৭,৫০০টি ভূমিকম্প হয় জাপানে।
- জাপানের পর সর্বাধিক ভূমিকম্প হয় ইতালিতে, গড়ে প্রায় ৫০০টি।
- এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও চিলি এবং আমেরিকার গুয়েতেমালায় অধিক ভূমিকম্প হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে জাপানে ৭.৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- এরপর জাপানি কর্তৃপক্ষ ইশিকাওয়া, নিগাতা, নাগানো এবং তোয়ামা প্রশাসনিক অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করেছে।
- পৃথিবীর ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত। এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত।

- ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা
Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো -
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।) 
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)। 
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি) ।

তথ্যসূত্র:  ১. ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
৮,৯৫৩.
একটি 3-phase সিস্টেমে সংযুক্ত লোডগুলো ব্যালেন্স হবে যদি ___ একই হয়।
  1. Impedance
  2. Power factor
  3. Inpedance and Power factor
  4. Current
সঠিক উত্তর:
Inpedance and Power factor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inpedance and Power factor
ব্যাখ্যা
একটি 3-ফেজ সিস্টেম ব্যালেন্সড হিসাবে বিবেচিত হয় যখন নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করা হয়:

- ফেজ ভোল্টেজ: প্রতিটি ফেজে ভোল্টেজের মাত্রা সমান।
- Phase Angles 120 ডিগ্রি আলাদা। 
- সমান লোড প্রতিটি ফেজ জুড়ে সংযুক্ত করা হয়। 
৮,৯৫৪.
কোন প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়?
  1. ক) রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  2. খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. গ) শীতলীকরণ প্রক্রিয়া
  4. ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া : যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ
ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে।

ধরি, কোনো একটি সিস্টেম এক পরিবেশে এক অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হয়ে অন্য অবস্থায় যাওয়ার সময় সিস্টেমটি কিছু
তাপ শোষণ করে এবং কিছু কাজ সম্পাদন করে। ধরি, এ প্রক্রিয়াটি সম্মুখবর্তী প্রক্রিয়া। সিস্টেমটি এখন যদি একই
পরিবেশে বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার সময় একই পরিমাণ তাপ হারায় এবং সিস্টেমটির ওপর
বাহির হতে যদি একই পরিমাণ কাজ করা হয়, তাহলে এ সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা যায়।

উদাহরণ: আমরা জানি, বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ
অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

উৎস: এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৫৫.
পেঁপে - এর ‘রিং স্পট’ রোগ হয় কোনটির কারনে?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. পরজীবী
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
 ভাইরাস পোষকের নাম রোগের নাম
 মোজাইক ভাইরাস তামাক, ফুলকপি, শিম ও শসা মোজাইক
 পিআরএসভি ভাইরাস পেঁপে রিং স্পট
 বুশিষ্ট্যান্ট ভাইরাস টমেটো বুশিষ্ট্যান্ট
 টুংগ্রো ভাইরাস ধান টুংগ্রো
 টারনিপ ইয়েলো ভাইরাস শালগম পীত

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৮,৯৫৬.
কোন পদার্থটি বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. টলুইন
  2. ফরমালিন
  3. গ্লুটারাল্ডিহাইড
  4. গ্লিসারিন
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
ব্যাখ্যা

• বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য সাধারণত ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। ফরমালিন মূলত পানিতে দ্রবীভূত ফরমালডিহাইড, যা জীবন্ত কোষ ও টিস্যুর প্রোটিনকে কঠিন করে দেয় এবং জীবাণু নিধন করে। এর ফলে উদ্ভিদ ও প্রাণীর নমুনাগুলি দীর্ঘ সময় ধরে পচনরোধী অবস্থায় রাখা যায়। ফরমালিন নমুনার আকার, রঙ এবং কাঠামো বেশি পরিবর্তন না করে সংরক্ষণ করে, যা শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্য বিকল্প যেমন টলুইন, গ্লুটারাল্ডিহাইড বা গ্লিসারিনও ব্যবহৃত হয়, তবে প্রধান ও প্রচলিত সংরক্ষক হিসেবে ফরমালিনই সর্বাধিক কার্যকর এবং জনপ্রিয়। এটি বায়োলজি ল্যাবে নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে।
 
• উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত পদার্থ (Preservative in Biology Lab):
- বায়োলজি ল্যাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণ করার জন্য একটি রসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা পচন রোধ করে।
- এটি কোষ এবং টিস্যুর কাঠামো দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত রাখে।
- সাধারণত ব্যবহৃত কিছু সংরক্ষণকারী পদার্থ হলো: টলুইন, ফরমালিন, গ্লুটারাল্ডিহাইড, এবং গ্লিসারিন। 
- তবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকরী পদার্থ হলো ফরমালিন।  
- ফরমালিন হলো ৩-৪% ফর্মালডিহাইড সমাধান যা জীবদেহের প্রোটিনকে স্থিতিশীল করে এবং পচন প্রক্রিয়া রোধ করে।  
- টলুইন মূলত রঙিন পদার্থের জন্য, গ্লুটারাল্ডিহাইড মাইক্রোবায়োলজি বা টিস্যু ফিক্সেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং গ্লিসারিন শোষণীয় বা আর্দ্রতা রোধে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি সংরক্ষণের জন্য নয়।  

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

৮,৯৫৭.
"স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক।" - সূত্রটি কার?
  1. রবার্ট বয়েল
  2. জ্যাকুইস চার্লস
  3. গে লুসাক
  4. চার্লস বয়েল
সঠিক উত্তর:
রবার্ট বয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট বয়েল
ব্যাখ্যা
• গ্যাস সূত্রাবলি (Gas laws):
- একই পরিমাণ গ্যাস একটি ছোট পাত্র থেকে বড় পাত্রে রাখলে গ্যাসের আয়তন বেড়ে যায়।
- তবে এক্ষেত্রে পাত্রের গায়ে গ্যাসের চাপ কমে যায়।
- এ থেকে বুঝা যায় গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধির সাথে চাপ এবং তাপ দুটিরই সম্পর্ক আছে।
- অথবা বলা যায় যে আয়তন, চাপ ও তাপমাত্রা তিনটি রাশি বা চলক এক সাথে গ্যাসের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এই তিনটি চলকের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তিনটি সূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এগুলো গ্যাস সূত্রাবলি নামে পরিচিত।

• সূত্রগুলো নিচে বর্ণনা ও ব্যাখ্যা করা হলো।

• প্রথম সূত্র (বয়েলের সূত্র):
- ১৬৬২ সালে রবার্ট বয়েল এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি বয়েলের সূত্র বলে পরিচিত।
- সূত্রটি হলো, তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নিদিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক।

• দ্বিতীয় সূত্র (চার্লসের সূত্র):
- ১৭৮৭ সালে জ্যাকুইস চার্লস এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি চার্লসের সূত্র নামে পরিচিত।
- সূত্রটি হলো, চাপ স্থির থাকলে কোনো নিদিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বৃদ্ধির বা হ্রাসের জন্য শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0° C) তাপমাত্রায় ঐ গ্যাসের আয়তনের 1/273 অংশ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

• তৃতীয় সূত্র (গ্যাসের চাপীয় সূত্র বা গে লুসাকের সূত্র):
- ১৮০২ সালে জোসেফ গে লুসাক স্থির আয়তনের গ্যাসের তাপমাত্রার সাথে চাপের সম্পর্কটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটি গ্যাসীয় পদার্থের চাপীয় সূত্র নামে পরিচিত। এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন গে লুসাক। তাই এটি গে লুসাকের সূত্র নামেও পরিচিত।
- সূত্রটি হলো, স্থির আয়তনের কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসের জন্য জন্য শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0° C) তাপমাত্রায় ঐ গ্যাসের চাপের 1/273 অংশ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৫৮.
হাইড্রা কোন পর্বের প্রাণী?
  1. ক) আর্থোপোডা
  2. খ) নিডারিয়া
  3. গ) পরিফেরা
  4. ঘ) একাইনোডার্মাটা
সঠিক উত্তর:
খ) নিডারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিডারিয়া
ব্যাখ্যা

নিডারিয়াঃ এই পর্ব ইতােপূর্বে সিলেন্টারেটা নামে পরিচিত ছিল।
পৃথিবীর প্রায় সকল অঞ্চলে এই পর্বের প্রাণী দেখা যায়। এদের অধিকাংশ প্রজাতি সামুদ্রিক।
দেহ দুটি ভ্রণীয় কোষন্তর দ্বারা গঠিত। দেহের বাইরের দিকের স্তরটি এক্টাডার্ম এবং ভিতরের স্তরটি এন্ডাডার্ম।
দেহ গহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। এটা একাধারে পরিপাক ও সংবহনে অংশ নেয়।
এক্টোডার্মে নিডােব্লাস্ট নামে এক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কোষ থাকে। এই কোষগুলো শিকার ধরা, আত্মরক্ষা, চলন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়।
উদাহরণঃ Hydra, Obelia

৮,৯৫৯.
নিচের কোনটি ধাতু?
  1. ফসফরাস
  2. টিন
  3. আয়োডিন
  4. কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন
ব্যাখ্যা

- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, কপার/তামা, রূপা, সোনা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, লৌহ, দস্তা, টিন, সীসা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি হলো ধাতু।
- হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, অক্সিজেন, সালফার, কার্বন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অধাতু।
- অ্যামোনিয়াম, হাইড্রোক্সিল, নাইট্রাইট, নাইট্রেট, কার্বনেট, সালফেট, ফসফেট ইত্যাদি হলো যৌগমূলক।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৮,৯৬০.
পোলিও ভাইরাস আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯০০ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯২৩ সালে
  4. ১৯৩৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা

- The poliovirus itself was discovered in 1908 by a team led by Viennese immunologist and future Nobel Prize winner Karl Landsteiner.
- The existence of telltale antibodies specific to the virus circulating in the blood of infected persons was discovered only two years later.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

৮,৯৬১.
শব্দের তীব্রতা কত ডেসিবেল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়?
  1. ক) ৮৫ ডিবি
  2. খ) ১২০ ডিবি
  3. গ) ৪৫ ডিবি
  4. ঘ) ৬০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
খ) ১২০ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২০ ডিবি
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)।
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং
- মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৯৬২.
'bios' শব্দের অর্থ কি?
  1. ক) জ্ঞান
  2. খ) জীবন
  3. গ) জল
  4. ঘ) বিজ্ঞান
  5. ঙ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবন
ব্যাখ্যা
Biology শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ 'bios' যার অর্থ 'জীবন' এবং 'logos' যার অর্থ 'জ্ঞান' এর সমন্বয়ে গঠিত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৮,৯৬৩.
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রে বলের মান কিসের উপর নির্ভর করে? 
  1. কণাদ্বয়ের আকার ও রঙ
  2. কণাদ্বয়ের আয়তন ও তাপমাত্রা
  3. কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
  4. মাধ্যমের ধরন ও তড়িৎ প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
- শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: 
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৯৬৪.
ঈশ্বর কণা কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) পিটার হিগস
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) জি. লেমেটার
সঠিক উত্তর:
খ) পিটার হিগস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পিটার হিগস
ব্যাখ্যা
পিটার হিগস একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, যার পুরো নাম পিটার ওয়ার হিগস।

তিনি ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানের উপর নোবেল পুরস্কার পান। পিটার ওয়ার হিগস এবং তার সহকর্মী ১৯৬৪ সালে এই বসন কণা সম্পর্কে ধারণা দেন। পরবর্তীকালে, বিজ্ঞানীরা ২০১২ সালে এর অস্তিত্ব খুজে পান। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
 
৮,৯৬৫.
কার আবিষ্কার বল ও গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) কোপার্নিকাস
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) অটোহান
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
ব্যাখ্যা
1687 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল ও গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
আলােকবিজ্ঞান এবং অন্য আরাে কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৮,৯৬৬.
তরল পদার্থ মাপার যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) হাইড্রোমিটার
  2. খ) ব্যারোমিটার
  3. গ) থার্মোমিটার
  4. ঘ) ফেরোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোমিটার
ব্যাখ্যা

হাইড্রোমিটার(hydrometer) - তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
অ্যাটমোমিটার(atmometer) - বাষ্পীভবনের হার 
অডিওমিটার(audiometer) - শ্রাব্যতা
ব্যারোমিটার(barometer) - বায়ুচাপ 
বলোমিটার(bolometer) - তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ
ক্যালোরিমিটার(calorimeter) - রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ
ক্রোনোমিটার(chronometer) - সময়
গ্যালভানোমিটার(galvanometer) - বিদ্যুৎ
হাইগ্রোমিটার(hygrometer) - আর্দ্রতা
ল্যাক্টোমিটার(lactometer) - দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
পাইরোমিটার(pyrometer) - উচ্চ তাপমাত্রা
স্পিডোমিটার(speedometer) - ধাবমান বস্তুর গতি, বেগ
স্ফিগোমোম্যানোমিটার(sphygmomanometer) - রক্ত চাপ

৮,৯৬৭.
কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে? 
  1. শ্বসন
  2. প্রস্বেদন
  3. সালোকসংশ্লেষণ
  4. অভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ। 
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে। 
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ। 
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। 
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৬৮.
নিচের কোনটি মৌলিক বল নয়?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. স্থিতিস্থাপক বল
  3. সবল নিউক্লিয় বল
  4. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
স্থিতিস্থাপক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতিস্থাপক বল
ব্যাখ্যা

• স্থিতিস্থাপক বল কোনো মৌলিক বল নয়। এটি মূলত পদার্থের অভ্যন্তরে অণু-পরমাণুর মধ্যকার তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের একটি সামষ্টিক রূপ যা বস্তুর বিকৃতিকে বাধা দেয়।

• মৌলিক বল:
- যা কোন স্থির বস্তুতে প্রয়োগ করলে তা গতিশীল হয় বা কোন গতিশীল বস্তুর উপর প্রয়োগ করলে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- প্রকৃতিতে ৪টি বল আছে যাদের অন্য কোন বলে বিশ্লেষণ করা যায় না তাদেরকে মৌলিক বল বলে। যথা-

১. মহাকর্ষ বল,
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল,
৩. সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪. দূর্বল নিউক্লিয় বল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।

৮,৯৬৯.
AIDS কবে প্রথম ধরা পড়ে?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৪
  4. ঘ) ১৯৮১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮১
ব্যাখ্যা

On June 5, 1981, the first cases of an illness subsequently defined as acquired immunodeficiency syndrome (AIDS) were reported by health-care providers in California and CDC.
In September of 1982, the CDC used the term AIDS to describe the disease for the first time.
Scientists have traced the origin of HIV back to chimpanzees and simian immunodeficiency virus (SIV), an HIV-like virus that attacks the immune system of monkeys and apes.
Source: CDC and History.com 

৮,৯৭০.
ভিটামিন B12 এর রাসায়নিক নাম কী?
  1. থায়ামিন
  2. নায়াসিন
  3. রিবোফ্লাভিন
  4. কোবালামিন
সঠিক উত্তর:
কোবালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবালামিন
ব্যাখ্যা

ভিটামিন B12:
- ভিটামিন B12, যা কোবালামিন নামে পরিচিত, একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।
- কোবালামিন নামটি এসেছে কারণ এই ভিটামিনের অণুতে কোবাল্ট নামক একটি খনিজ পদার্থ থাকে, যা এর কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য।
- এটি নতুন লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। এর অভাবে পার্নিসাস এ্যনিমিয়া (রক্তস্বল্পতা) হয়, যেখানে লোহিত রক্তকণিকা অস্বাভাবিকভাবে বড় হয় এবং তাদের সংখ্য কমে যায়।
- এটি স্নায়ু কোষের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রের আবরণ (myelin sheath) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এর অভাবে স্নায়বিক দুর্বলতা, হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা অসাড়তা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে।
- এটি শরীরের প্রতিটি কোষে ডিএনএ সংশ্লেষণ এবং নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- সাধারণত প্রাণিজ উৎসে পাওয়া যায়, যেমন: যকৃত, মাছ, মাংস, ডিম, এবং দুগ্ধজাত পণ্য।

উল্লেখ্য-
- থায়ামিন: এটি ভিটামিন B1 এর রাসায়নিক নাম।
- নায়াসিন: এটি ভিটামিন B5 এর রাসায়নিক নাম।
- রিবোফ্লাভিন: এটি ভিটামিন B2 এর রাসায়নিক নাম।

উৎস:
১। গার্হস্থ্য বিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৮,৯৭১.
নিচের কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে?
  1. চাঁদ
  2. শুক্র
  3. ডিমোস
  4. লুব্ধক
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন: সূর্য, লুব্ধক, প্রক্সিমা সেন্টরাই।
- পৃথিবীর আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম হল লুব্ধক। লুব্ধক একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে শুধু লুব্ধক এর নিজস্ব আলো আছে,
-বাকি অপশনের শুক্র একটি গ্রহ এবং চাঁদ ও ডিমোস দুইটি উপগ্রহ যারদের  নিজস্ব আলো নেই।


উল্লেখ্য,
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭২.
রক্ত মানবদেহের মোট ওজনের কত শতাংশ? 
  1. ৮%
  2. ৫%
  3. ১০%
  4. ১২%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৭৩.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চিংড়ি চাষের জন্য কী করা হয়?
  1. মিঠা পানি সংরক্ষণ করা হয়
  2. গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়
  3. নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
  4. বৃষ্টির পানি পরিশোধন করা হয়
সঠিক উত্তর:
নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
ব্যাখ্যা

• সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় চিংড়ি চাষের জন্য নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়।

• বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব:
- বর্তমানে গ্রীষ্মকালে অনেক বেশি গরম পড়ে।
- মাঝে মাঝে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ৪৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়।
- গ্রীষ্ম ও শীত—উভয় ঋতুতেই আগের তুলনায় তাপমাত্রা বেশি থাকে।
- এটি বৈশ্বিক উষ্ণতার স্পষ্ট প্রমাণ।

• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীতে সঞ্চিত বরফ গলতে শুরু করে।
- সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
- এর ফলে বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানির নিচে চলে যেতে পারে।

• লবণাক্ততার বিস্তার:
- সাগরের লবণাক্ত পানি মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করে।
- নদনদী, খালবিল ও ভূগর্ভস্থ পানি লবণাক্ত হয়ে পড়ে।
- মিঠা পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

• দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাস্তব চিত্র:
- সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় চিংড়ি চাষের জন্য নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়।
- এর ফলে ঐ এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিসহ অন্যান্য মিঠা পানির উৎস লবণাক্ত হয়েছে।
- অনেক স্থানে মিঠা পানির একমাত্র উৎস এখন বৃষ্টির পানি।
- ১০–১৫টি গ্রামের মানুষ একটি পুকুরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে সারা বছর ব্যবহার করে।
- পানি সংগ্রহের জন্য অনেক গৃহবধূকে ৭–৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়।

• আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
- মালদ্বীপ ও ভারতের কিছু অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে আংশিকভাবে ডুবে গেছে।
- বহু মানুষ জলবায়ু শরণার্থী হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৮,৯৭৪.
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির দেহের ওজনের কত শতাংশ পানি?
  1. ৫৫ শতাংশ
  2. ৬০ শতাংশ
  3. ৭০ শতাংশ
  4. ৯০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পানি:
- পরিমাণের দিক থেকে দেহের প্রধান গঠন উপাদান পানি। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির দেহের ওজনের প্রায় ৭০% পানি। দেহের প্রতিটি কোষেই পানি থাকে। দেহে মোট পানির ৫০% থাকে কোষের মধ্যে। অবশিষ্ট পানি কোষের বাইরে দুই কোষের মধ্যবর্তী স্থান, রক্ত, লসিকা, কলারস ইত্যাদিতে অবস্থান করে। পানি ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব।

⇒ উৎস: বিশুদ্ধ খাবার পানি, ডাবের পানি, দুধ, বিভিন্ন রসালো ফল, শাক সবজি পানির প্রাকৃতিক উৎস। প্রস্তুতকৃত বা রন্ধনকৃত খাবারের মধ্যে স্যুপ, সরবত, চা, ঘোল, লাচ্ছি, ফলের রস ইত্যাদি পানীয় জাতীয় খাদ্য।

⇒ কাজ:
১। পানি খাদ্য পরিপাক ও শোষণে সহাযতা করে।
২। পুষ্টি উপাদানসমূহ দেহের এক অংশ হতে অন্য অংশে বহন করে নিয়ে যায়।
দেহের বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান পানিতে দ্রবীভূত হয়ে বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়।
৩। ৪। বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে দেহ হতে বের করে দেয়।
৫। দেহ হতে ঘাম নিঃসরণ করে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৬। রক্তের তারল্য বজায় রাখে।
৭। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৮। দেহ তরতাজা ও সজীব রাখে।

⇒ অভাবজনিত অবস্থা:
১ । কোনো কারণে দেহ হতে প্রচুর পানি বের হয়ে গেলে (বমি, ডায়রিয়া, কলেরা, ঘাম) দেহে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।
২। পানিশূন্যতায় ঠোঁট শুকিয়ে যায়, গলা শুকিয়ে যায়, ত্বক ঢিলা হয়ে কুঁচকে আসে ইত্যাদি।
৩। দেহের পরিপাক, শোষণ ও বিপাক ব্যাহত হয়।
৪। কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
৫। রক্তের তারল্য কমে যায়।
৬। মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭৫.
ফিটকিরি কত অণু কেলাস পানি ধারণ করে?
  1. 10
  2. 12
  3. 24
  4. 18
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা
ফিটকিরি অথবা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭৬.
অ্যালভিওলাই মানবদেহের কোন অঙ্গের অংশ?
  1. স্নায়ুতন্ত্র
  2. শ্বসনতন্ত্র
  3. পরিপাকতন্ত্র
  4. রেচনতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
শ্বসনতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বসনতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• শ্বসনতন্ত্র (Respiratory system):
- নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই এবং একজোড়া ফুসফুস নিয়ে মানুষের শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এই তন্ত্র পরিবেশ থেকে গৃহীত অক্সিজেনের সাহায্যে মানুষের দেহের সঞ্চিত খাদ্য থেকে জারণ প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করে।
- এ শক্তি দেহের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করে।

অন্যদিকে,
- মুখছিদ্র, মুখগহ্বর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলী, ডিওডেনাম, ইলিয়াম, রেকটাম বা মলাশয় এবং পায়ুছিদ্র ইত্যাদি নিয়ে পরিপাকতন্ত্র  গঠিত।
- একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি (ইউরেথ্রা) নিয়ে মানুষের রেচন তন্ত্র গঠিত।
- মস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ড এবং করোটিক স্নায়ু নিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৭৭.
জন্মের কত দিনের মধ্যে শিশুকে পোলিও ভ্যাকসিন (OPV-0) দিতে হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• টিকা দেওয়া বা ভ্যাকসিনেশন (Vaccination):
- ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দেহের মধ্যে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার পদ্ধতিতে টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনেশন বলে।
- টিকা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেহে প্রবেশ করিয়ে ইমিউনিটি গড়ে তোলা হয়। এই পদ্ধতিতে সক্রিয় অনাক্রমীকরণের মাধ্যমে ইমিউনোলজিক্যাল মেমোরির (immunological memory) সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে রোগ সংক্রামক জীবাণু শরীরে প্রবশে করলে দেহ দ্রুততার সঙ্গে প্রবিষ্ট জীবাণুকে ধ্বংস করে।
- প্রকৃতপক্ষে, দেহে প্রবিষ্ট ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিজেন নির্দিষ্ট T ও B-লিম্ফোসাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং মেমোরি সেল উৎপন্ন ভ্যাকসিনেশন প্রধানত অণুজীবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বিভিন্ন বিষ (toxins), যেমন-সাপের বিষ (snake venoun), মাকড়সার বিষ প্রভৃতির বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা হয়।
- জীবাণু বা পরজীবীর আক্রমণে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে ভ্যাকসিনেশন আর কোনো কাজে আসে না। 

• পোলিও:
পোলিও (Poliomyelitis) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ, যা Poliovirus দ্বারা সৃষ্ট। এটি মূলত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে এবং স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে স্থায়ী পক্ষাঘাত ঘটাতে পারে।
- পোলিও প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকাকে পোলিও ভ্যাকসিন বলা হয়। এটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।

 • পোলিও টিকার প্রকারভেদ: 
১। OPV (Oral Polio Vaccine):
- মুখে খাওয়ানো টিকা।
- জীবিত কিন্তু দুর্বল ভাইরাস থাকে।
- বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত। 
- জন্মের একমাস বা ৩০ দিনের মধ্যে শিশুকে পোলিও ভ্যাকসিন (OPV-0) দিতে হয়। যা দ্রুত সুরক্ষার জন্য নিয়মিত টিকাদান তালিকার অংশ হিসেবে ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে দেওয়া ডোজের আগে দেওয়া হয়। 

২। IPV (Inactivated Polio Vaccine):
- ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।
- মৃত ভাইরাস ব্যবহার করা হয়।
- এটি পোলিও ভাইরাসের কারণে হওয়া পক্ষাঘাত প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।
- সাধারণত শিশুদের পোলিও টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম ডোজ হিসেবে ২ মাস বয়সে দেওয়া হয়।



উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৭৮.
কোন কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না?
  1. শুক্রাণু
  2. ডিম্বাণু
  3. লোহিত রক্তকণিকা
  4. হৃদকোষ
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়াস: 
- নিউক্লিয়াস (Nucleus) হল কোষের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, যা ডিএনএ ধারণ করে এবং কোষীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
- তবে কিছু বিশেষ কোষে নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে।
- লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell - RBC) – মানুষের পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
- জন্মের সময় নিউক্লিয়াস থাকলেও পরিপক্ব হওয়ার সময় এটি হারিয়ে যায়, যাতে রক্তে বেশি হিমোগ্লোবিন ধরে রাখতে পারে এবং অক্সিজেন পরিবহন আরও কার্যকর হয়।
- এর ফলে RBC নমনীয় হয়ে ছোট রক্তনালীগুলোর মধ্য দিয়ে সহজে প্রবাহিত হতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৮,৯৭৯.
মানুষের হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয়ের সঙ্গে কতটি পালমোনারি শিরা যুক্ত থাকে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড:
- হৃৎপিণ্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত এক ধরনের পাম্প।
- হৃৎপিণ্ড অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরে ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার ওপরে অবস্থিত।
- হৃৎপিণ্ডের প্রশস্ত প্রান্তটি ওপরের দিকে এবং ছুঁচালো প্রান্তটি নিচের দিকে বিন্যস্ত থাকে।
- হৃৎপিণ্ডটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দিয়ে বেস্টিত থাকে।
- উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যেটি হৃৎপিণ্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত।
- ওপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান এবং বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে  ডান  এবং বাম নিলয় ( Ventricles) বলে।
- দুটি অলিন্দের ভেতরকার প্রাচীর পাতলা কিন্তু নিলয় দুটির প্রাচীর পুরু এবং পেশিবহুল।
- ডান অলিন্দের সঙ্গে একটি ঊর্ধ্ব মহাশিরা এবং একটি নিম্ন মহাশিরা যুক্ত থাকে।
- বাম নিলয়ের সঙ্গে চারটি পালমোনারি শিরা যুক্ত থাকে
- ডান নিলয় থেকে ফুসফুসীয় ধমনি এবং বাম নিলয় থেকে মহাধমনি উৎপত্তি হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,৯৮০.
অম্লের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. ক) লিটমাসকে নীল করে
  2. খ) টক স্বাদ যুক্ত
  3. গ) ক্ষয়কারী পদার্থ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) লিটমাসকে নীল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লিটমাসকে নীল করে
ব্যাখ্যা
সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত, এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত, এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে, এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে, লঘু এসিড ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৮,৯৮১.
নিচের কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ?
  1. মটর
  2. নারকেল
  3. ভুট্টা
  4. তাল
সঠিক উত্তর:
মটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মটর
ব্যাখ্যা
• একবীজপত্রী উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে তাকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: ধান, সুপারি, গম, ভুট্টা, তাল, নারকেল এসব একবীজপত্রী উদ্ভিদ।

• দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ :
- যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে ।
- যেমন - আম, জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।

দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য:
১. বীজে বীজপত্র দুইটি;
২. মূল প্রধান মূল; 
৩. পাতার শিরাবিন্যাস সাধারণত জালিকাকার। 

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৮২.
দৈর্ঘ্যের আপেক্ষিকতা সম্পর্কে সঠিক বিবৃতি কী?
  1. দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
  2. দৈর্ঘ্য পরম রাশি
  3. দৈর্ঘ্য সকল কাঠামোতে সমান থাকে
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক বিবৃতি 
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
ব্যাখ্যা

- লরেঞ্জ রূপান্তর বিধি অনুসারে, স্থানাঙ্ক এবং সময়াঙ্ক জড় কাঠামোর আপেক্ষিক বেগের উপর নির্ভরশীল। 
- সুতরাং দৈর্ঘ্য এবং সময় পরম হতে পারে না। 
- দৈর্ঘ্য ও সময়ের আপেক্ষিকতার বিষয়গুলো আইনস্টইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়। 

দৈর্ঘ্যের আপেক্ষিকতা: 
- কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ দৈর্ঘ্যের পরিমাপ পরম নয়। 
- এর দৈর্ঘ্য পর্যবেক্ষক ও বস্তুর মধ্যে আপেক্ষিক গতির উপর নির্ভরশীল। 
- সুতরাং কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক। 

সময়ের আপেক্ষিকতা: 
- সময়ের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ সময়ের পরিমাপ পরম নয়।
- দুটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর মধ্যে যদি আপেক্ষিক গতি থাকে তবে এই দুই কাঠামোতে অবস্থিত দুইজন পর্যবেক্ষকের নিকট সংঘটিত দুটি ঘটনার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান সমান হবে না। 

ভরের আপেক্ষিকতা: 
- ভরের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ ভর পরম নয়। 
- দুটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর মধ্যে যদি আপেক্ষিক গতি থাকে তবে একই ভরের কোনো বস্তু দুই কাঠামোতে অবস্থিত দুইজন পর্যবেক্ষকের নিকট বস্তুটির পরিমাপকৃত বস্তুর ভর সমান হবে না। 
- স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের নিকট বস্তুর ভর গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের পরিমাপকৃত বস্তুর ভর অপেক্ষা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৮৩.
স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু কেমন হয়? 
  1. অসীম 
  2. শূন্য 
  3. অর্ধেক সেকেন্ড
  4. এক সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
অসীম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসীম 
ব্যাখ্যা

- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় ক্ষয় হয় না, অর্থাৎ তারা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় না। অর্ধায়ু হলো সেই সময় যে সময়ে একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থের অর্ধেক ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। যেহেতু একটি স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস কখনও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না, তাই এর ক্ষয় হওয়ার সময়কাল অসীম। 

অর্ধায়ু (Half Life): 

- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য 'অর্ধায়ু' (Half Life)-এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অর্ধায়ু। 
- যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে 'অসীম' বলে বিবেচনা করতে পারি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। 
- ভিন্ন নিউক্লিয়াস চার্জহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৯৮৪.
অধাতুর তুলনায় ধাতুর ঘনত্ব সাধারণত- 
  1. বেশি 
  2. কম
  3. সমান 
  4. অপরিবর্তনশীল
সঠিক উত্তর:
বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি 
ব্যাখ্যা

ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৮৫.
মানুষের প্রধান খাদ্য কোনটি?
  1. ক) প্রোটিন
  2. খ) শর্করা
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শর্করা
ব্যাখ্যা
- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হলাে-মানবদেহের কর্মশক্তি ও তাপশক্তির প্রধান উৎস। মানুষের প্রধান খাদ্য শর্করা।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, ও অক্সিজেন নিয়ে শর্করার যৌগ গঠিত হয়।
- এটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং গন্ধ ও বর্ণহীন।

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৯৮৬.
‘রুন্টজেন’ কিসের একক?
  1. এক্সরে
  2. লেন্সের ক্ষমতা
  3. তেজস্ত্রিয়তা
  4. দীপন ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
ব্যাখ্যা
এক্সরে: 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। তাই এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 
- ‘রুন্টজেন’ এক্সরে বা রঞ্জন রশ্মির একটি একক। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৮৭.
প্রোটোপ্লাজমে নিচের কোন অঙ্গাণুটি দেখা যায়-
  1. কোষঝিল্লি
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত হয়।
- একটি আদর্শ উদ্ভিদ কোষ প্রধানত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা- কোষপ্রাচীর এবং প্রোটোপ্লাজম।

১) কোষপ্রাচীর: 
- উদ্ভিদকোষের ক্ষেত্রে কোষঝিল্লির বাইরে জড় পদার্থ দিয়ে তৈরি একটি পুরু প্রাচীর থাকে, একে কোষপ্রাচীর বলে। 
- এটি সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। 
- প্রাণিকোষে এ ধরনের প্রাচীর থাকে না, প্রাণিকোষের আবরণটি প্লাজমা পর্দা দ্বারা গঠিত। 
- কোষের সজীব অংশকে রক্ষা করা এবং কোষের সীমারেখা নির্দেশ করা কোষপ্রাচীরের প্রধান কাজ। 

২) প্রোটোপ্লাজম: 
- একটি প্রোটোপ্লাজম প্রধানত কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত। 
- প্রোটোপ্লাজম কোষের অর্ধতরল, জেলির মতো আঠালো ও দানাদার বর্ণহীন সজীব অংশ। 
- প্রোটোপ্লাজমের নানাবিধ বিক্রিয়ার ফলে জীবনের বৈশিষ্ট্যগুলো পরিলক্ষিত হয়। 
- এটি বিভিন্ন জৈব ও অজৈব যৌগ সমন্বয়ে গঠিত। 
- প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬৭ থেকে ৯০ ভাগ। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৯৮৮.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের ফাইটোহরমোন নয়? 
  1. সাইটোকাইনিন
  2. অক্সিন
  3. জিবেরেলিন
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
- এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
- এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

অন্যদিকে, 
- 'ইনসুলিন' উদ্ভিদের ফাইটোহরমোন নয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৮৯.
ভিটামিন বি-২ এর অন্য নাম কোনটি?
  1. ক) ফলিক এসিড
  2. খ) নায়াসিন
  3. গ) রিবোফ্লাভিন
  4. ঘ) থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
গ) রিবোফ্লাভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিবোফ্লাভিন
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন বি-২ এর রাসায়নিক নাম রিবোফ্লাভিন
- এটি তাপে নষ্ট হয় না।
- তাই রান্না করলেও রিবোফ্লাভিনের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

অপরদিকে,
- ভিটামিন বি-৯ এর অন্য নাম ফ্লিক এসিড।
- ভিটামিন -৩ এর রাসায়নিক নাম নায়াসিন।
- এটি তাপ, অম্ল, ক্ষার বা অক্সিজেনে নষ্ট হয় না।
- নায়াসিনকে পেলেগ্রা প্রতিরোধক ভিটামিন বলা হয়।
- ভিটামিন ব-১ এর রাসায়নিক নাম থায়ামিন।
- থায়ামিন পানি, উচ্চ তাপ ও ক্ষারে নষ্ট হয়।

সূত্র: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯০.
কোথায় অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
  1. ক) হ্রদ
  2. খ) পাহাড়ি ঝরনা
  3. গ) পুকুর
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ি ঝরনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ি ঝরনা
ব্যাখ্যা
আবদ্ধ পানি (যেমন: হ্রদের পানি, পুকুরের পানি) এর চেয়ে দ্রুত চলমান পানিতে (যেমন: পাহাড়ি ঝরনা, নদী) অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। 
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.

Source: usgs.gov and others.
৮,৯৯১.
অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিড কোনটি?
  1. আইসােলিউসিন
  2. মিথিওনিন
  3. ট্রিপটোফ্যান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এরা দেহে তৈরি হতে পারে না। বিশেষ বিশেষ প্রােটিন জাতীয় খাদ্য হতে এসমস্ত অ্যামাইনাে অ্যাসিডগুলাে মানবদেহে সরবরাহ করতে হয়। এদের অত্যাবশ্যক বা অপরিহার্য অ্যামাইনাে অ্যাসিড বলে।

এ ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে-
১। লাইসিন
২। লিউসিন
৩। আইসােলিউসিন
৪। মিথিওনিন
৫। ট্রিপটোফ্যান
৬। ভ্যালিন
৭। ফিনাইল অ্যালানিন
৮। থ্রিওনিন

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮,৯৯২.
জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত টিস্যুতন্ত্র কোনটি?
  1. ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র
  2. ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র
  3. পরিবহন টিস্যু তন্ত্র
  4. এপিডার্মাল টিস্যুতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু তন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু তন্ত্র
ব্যাখ্যা
জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুর সমন্বয়ে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র গঠিত হয়।

• টিস্যু তন্ত্র:
- একই ধরনের কাজ সম্পাদন করে এ রকম কতগুলো টিস্যু মিলিতভাবে গঠন করে টিস্যু তন্ত্র।
• উদ্ভিদের টিস্যু তন্ত্র তিন প্রকারের। যথা: ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র, ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র এবং পরিবহন টিস্যু তন্ত্র।

১. পরিবহন টিস্যু তন্ত্র:
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুর সমন্বয়ে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র গঠিত হয়।
- ভিত্তি টিস্যুর মাঝখানে এর অবস্থান।
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু পাশাপাশি অবস্থান করে এবং এদের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম নামক ভাজক টিস্যু থাকে।
- ফ্লোয়েম টিস্যু কান্ডের পরিধির দিকে এবং জাইলেম টিস্যু কান্ডের কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে ক্যাম্বিয়াম থাকে না।

২. ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র:
- মূল, কান্ড, শাখা প্রশাখা, পাতা, ফল এ সব উদ্ভিদ অঙ্গের ত্বক (বহিরাবরণ) ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র দ্বারা গঠিত।
- সাধারণত একসারি ঘন সন্নিবেশিত প্যারেনকাইমা কোষ ত্বকীয় টিস্যু তন্ত্র গঠন করে।

৩. ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র:
- ভিত্তি টিস্যু তন্ত্র মূল বা কান্ডের প্রধান টিস্যু।
- একে বহির্মজ্জা বা কর্টেক্স এবং অন্তঃমজ্জা এ দুইটি অংশে ভাগ করা যায়।
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কান্ডের কর্টেক্স অধঃত্বক, সাধারণ বহির্মজ্জা এবং অন্তঃত্বক দ্বারা গঠিত।
- অন্তঃত্বক দ্বারা পরিবেষ্টিত এক বা একাধিক কোষের স্তরকে বলা হয় পরিচক্র।
- পরিচক্র দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায় মজ্জা এবং মজ্জারশ্মি থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯৩.
কোনটি আলোর তরঙ্গ ধর্ম প্রকাশ করে?
  1. আলোক তড়িৎ ক্রিয়া
  2. কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ
  3. ব্যতিচার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
ব্যাখ্যা
আলোর ব্যতিচার, সমবর্তন, বিচ্ছুরণ ইত্যদি ঘটনা আলোর তরঙ্গ ধর্ম প্রকাশ করে। আবার আলোকতড়িৎ ক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণের মতো ঘটনা ব্যাখ্যায় আলোর কণিকা ধর্ম প্রকাশ পায়। ফলে আলো কণা না তরঙ্গ এই বিতর্কের অবসান ঘটে নাই।
আধুনিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর তরঙ্গ এবং কণিকা উভয় ধর্মই বিদ্যমান। আরও ব্যাপকভাবে বলা যায় সব বস্তুরই কণা এবং তরঙ্গ ধর্ম বিদ্যমান। বিভিন্ন পরীক্ষণ থেকে দেখা যায় আলো ও বস্তু এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত করা যায়।
বস্তুর ভর বেশি হলে সহজেই তার কণা ধর্ম প্রকাশ পায়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯৪.
ধান কি জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. বৃক্ষ
  2. বীরুৎ
  3. গুল্ম
  4. উপগুল্ম
সঠিক উত্তর:
বীরুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরুৎ
ব্যাখ্যা

*** ধান হচ্ছে বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ।

• বীরুৎ: 
- বীরুৎ (Herb) ছোট ও নরম কাণ্ডবিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদ। যেমন: ধান, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।
- বীরুৎ বর্ষজীবী থেকে বহুবর্ষজীবী। 

• বৃক্ষ:
- বৃক্ষ (Tree) হলো বিশাল, কাষ্ঠল এবং সাধারণত একটি প্রধান কাণ্ড বিশিষ্ট উদ্ভিদ, যা ধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে মেলে না। যেমন: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

• গুল্ম:
- গুল্ম (Shrub) হলো মাঝারি আকারের কাষ্ঠল উদ্ভিদ যার শাখা-প্রশাখা মাটির কাছাকাছি থেকে বের হয়। ধানের কাণ্ড নরম, কাষ্ঠল নয়।
যেমন: জবা, রঙ্গন, গোলাপ ইত্যাদি।

• উপগুল্ম:
- উপগুল্ম (Subshrub) গুল্মের চেয়ে ছোট হয়, তবে এতে কিছুটা কাষ্ঠল ভাব থাকতে পারে, যা ধানে অনুপস্থিত। যেমন: কালকাসুন্দা, দাদমর্দন।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৮,৯৯৫.
'যক্ষা' রোগের টিকার নাম কী?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
সঠিক উত্তর:
খ) বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিসিজি
ব্যাখ্যা
- যক্ষা বায়বাহিত রোগ।
- যক্ষা রোগের টিকার নাম বিসিজি।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

------------------------
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine)।
- ডিপিটি ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা।
- এমএমআর ভ্যাকসিন হাম রোগের টিকা।

উৎস: ব্রিটানিকা
৮,৯৯৬.
পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন হয় কেন? 
  1. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য 
  2. পরিবাহীর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করার জন্য 
  3. বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ ও বিভব পরিবর্তনের জন্য 
  4. রোধের মান পরিবর্তন না করার জন্য 
সঠিক উত্তর:
বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ ও বিভব পরিবর্তনের জন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ ও বিভব পরিবর্তনের জন্য 
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায়ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৯৭.
কুরি তাপমাত্রা চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব কতটুকু নষ্ট হয়?
  1. আংশিক নষ্ট হয়
  2. দুই ভাগের এক ভাগ
  3. সম্পূর্ণ নষ্ট হয়
  4. চার ভাগের এক ভাগ
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ নষ্ট হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ নষ্ট হয়
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

চুম্বকত্ব: 
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম, কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। 


চৌম্বক মেরু: 
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে। চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মের N ও S দেখানো হয়েছে। N = North Pole (উত্তরমেরু), S = South Pole (দক্ষিণমেরু)। 

চৌম্বক অক্ষ: 
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে। চিত্রে AB দন্ডচুম্বকের অক্ষ। 

কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। 

রিমেনেন্স: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে। 

চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক বা চৌম্বক ভ্রামক: 
- কোনো একটি চুম্বকের যে কোনো একটি মেরু শক্তি এবং চৌম্বক দৈর্ঘ্যের গুণফলকে ঐ চুম্বকের দ্বিমেরু ভ্রামক বা চৌম্বক ভ্রামক বলে। 
- কোনো চুম্বকের মেরু শক্তি m এবং চৌম্বক দৈর্ঘ্য 2l হলে চৌম্বক ভ্রামক M = m (2l)। 
- চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামকের একক অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2)। 

চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক আবেশ: 
- কোনো চৌম্বকক্ষেত্রের একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যাকে চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্ব বা চৌম্বকক্ষেত্র ভেক্টর বলে। 
- চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্বের একক ওয়েবার/মি2 (Wbm-2) বা টেসলা। 

চৌম্বক দৈর্ঘ্য: 
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে। চিত্রে NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

চৌম্বক মধ্যতল: 
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলন্ত কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে। 

ভৌগলিক মধ্যতল: 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমেরু বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে। 
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯৮.
কোন বায়ু সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. সাময়িক বায়ু
  2. অনিয়মিত বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়।
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৯৯.
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে কোনো বস্তুর ওজন কেন কমে যায়?
  1. ঘনত্ব কমে যায়
  2. ভর কমে যায়
  3. অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়
  4. আয়তন কমে যায় 
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বস্তুর ওজন কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়, কারণ উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে পৃথিবী ও বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব বাড়ে এবং মহাকর্ষ বল দুর্বল হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান (g) হ্রাস পায়, ফলে ওজন (W = mg) কমে যায়, ভর অপরিবর্তিত থাকে। 

ভর ও ওজনের সম্পর্ক: 
- বস্তুর মধ্যে পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে এর ভর। 
- ভর হচ্ছে একটি ধ্রুব রাশি যা ভূপৃষ্ঠে বা ভূপৃষ্ঠের উপরে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় না। 
- ৭৫ কেজি ভরের একজন মহাশূন্যচারীর ভর চাঁদে কিংবা পৃথিবীর কক্ষপথেও ৭৫ কেজিই থাকবে। 
- মহাশূন্যচারী বা কোনো বস্তু যতটুকু পদার্থ দিয়ে তৈরি, বস্তু বা মহাশূন্যচারীর স্থান পরিবর্তনের ফলে তাতে কোনো পরিবর্তন হয় না বলে তার ভর সর্বত্র অপরিবর্তিত থাকে।

- যেহেতু বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি, সুতরাং বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে।
- যেসব কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে সেসব কারণে বস্তুর ওজনও পরিবর্তিত হয়।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন তত কমতে থাকে।
- বস্তুর ওজন বস্তুর মৌলিক ধর্ম নয়, কোনো বস্তুর ওজন থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য।
- মহাশূন্যে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য হলে তখন বস্তুর উপর কোনো মহাকর্ষ বল কাজ করে না।
- চাঁদের অভিকর্ষজনিত ত্বরণের মান পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের প্রায় ৬ ভাগ।
সুতরাং, চাঁদে ১ কেজি ভরের বস্তুর ওজন হবে প্রায় ৯.৮/৬ নিউটন ≈ ১.৬৩ নিউটন (N)। 
- কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- যদি দূরত্ব বাড়ানো হয় তাহলে তার উপর পৃথিবীর আকর্ষণ কমে যায়, ফলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। 
- ভূপৃষ্ঠে ১ কেজি ভরের কোনো বস্তুতুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলেও পৃথিবী থেকে দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে বস্তুর ওজন কমতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৯,০০০.
তরল পদার্থের কোন বৈশিষ্ট্যটি সত্য? 
  1. আকার ও আয়তন উভয়ই নেই
  2. নির্দিষ্ট ওজন থাকে, কিন্তু কোনো পাত্র ধারণ করতে পারে না
  3. নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে
  4. নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি এ সকল তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।