বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯১ / ১৪০ · ৯,০০১৯,১০০ / ১৪,০৮০

৯,০০১.
মাইটোকনড্রিয়া কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) বেনডা
  2. খ) রবার্ট হুক
  3. গ) ওয়াটসন ও ক্রিক
  4. ঘ) থ্রিওফাস্টাস
সঠিক উত্তর:
ক) বেনডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেনডা
ব্যাখ্যা
শ্বসনে অংশগ্রহণকারী মাইটোকন্ড্রিয়া দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী বা ঝিল্লি দিয়ে ঘেরা। ১৮৯৮ সালে বেনডা (Benda) এ অঙ্গাণুটি আবিষ্কার করেন। জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস।
আবিষ্কার নিয়ে অবশ্য বিতর্ক আছে। তবে, প্রচলিত উত্তর হিসেবে বেনডা ঠিক আছে।
রেফারেন্সঃ জীববিজ্ঞান বই, এসএসসি লেভেল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০০২.
রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রে কয়টি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়? 
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৭টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি 
ব্যাখ্যা

◉ রঙিন টেলিভিশনের (CRT) গ্রাহক যন্ত্রে সাধারণত ৩টি ইলেকট্রন গান ব্যবহার করা হয়। 
প্রতিটি প্রাথমিক রং (লাল, সবুজ, নীল - RGB) এর জন্য আলাদা ইলেকট্রন গান ব্যবহৃত হয়। এই তিনটি রঙের সমন্বয়ে সমস্ত রং তৈরি করা হয়।

রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০০৩.
ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) এক্স রে
  2. খ) আলট্রাসাউন্ড
  3. গ) ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম
  4. ঘ) সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
খ) আলট্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলট্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা
হৃৎপিন্ড পরীক্ষা করার জন্য যখন আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করা হয়, তখন এই পরীক্ষাকে ইকোকার্ডিওগ্রাফি বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,০০৪.
শারীরবিদ্যার জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) অ্যারিস্টোটল
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) উইলিয়াম হার্ভে
  4. ঘ) থিওফ্রাস্টাস
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম হার্ভে পেশাগত কাজের পাশাপাশি রক্ত সংবহন এ হৃদপিন্ডের ভূমিকা বিভিন্ন প্রাণীর শারীরবিদ্যা এবং পোস্টমর্টেম এর মাধ্যমে রোগ তথ্য জানার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে তাদের শারীরবিদ্যার জনক বলা হয়।
৯,০০৫.
পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. সোডিয়াম
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক চুল্লি:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর (Nuclear Reactor) বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র।
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. IAEA ওয়েবসাইট।
৯,০০৬.
বিবর্তন নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে, সেটার নাম কী?
  1. Evolution
  2. Embryology
  3. Mycology
  4. Microbiology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা
– বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution.

অন্যদিকে,
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology,
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology.

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০০৭.
সামুদ্রিক পর্বের প্রাণীরা কোন পর্বের অন্তর্গত?
  1. Nematoda
  2. Echinodermata
  3. Mollusca
  4. Platyhelminthes
সঠিক উত্তর:
Echinodermata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Echinodermata
ব্যাখ্যা
• সামুদ্রিক পর্বের প্রাণীরা একাইনোডার্মাটা পর্বের অন্তর্গত।

• Echinodermata পর্বের প্রাণী:
- এরা কণ্টকত্বকী প্রাণী।
- এদের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৭,৫৫০।
- Echinodermata শব্দটি গ্রিক শব্দ Echinus (কণ্টক) এবং Derma (ত্বক)-এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
- ১৭৩৪ সালে Jacob Kline এর নামকরণ করেন।

• Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য:
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম অথবা পাঁচটি সমভাগে বিভাজ্য।
- এদের দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত।
- এই পর্বে পানি সংবহনতন্ত্রের সাহায্যে চলন ও শ্বসনক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- মস্তক অনুপস্থিত।
- দেহে সুস্পষ্ট মৌখিক তল (oral) ও বিমৌখিক তল (aboral) বিদ্যমান।
- এ পর্বের সকল প্রাণীই সামুদ্রিক।
- রেচনতন্ত্র নেই।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২. জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৯,০০৮.
তাপের বিকিরণ বলতে কী বোঝায়? 
  1. তাপ কঠিন মাধ্যমে পরিবাহিত হওয়া 
  2. তাপ তরল মাধ্যমে প্রবাহিত হওয়া 
  3. তাপ শব্দ তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হওয়া 
  4. তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হওয়া 
সঠিক উত্তর:
তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হওয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হওয়া 
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- সূর্য থেকে তাপ পাওয়া যায়।
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০০৯.
ট্রান্সফরমার কোন নীতির উপর কাজ করে?
  1. চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন
  2. রাসায়নিক বিক্রিয়া
  3. তড়িৎ বিভবের পরিবর্তন
  4. তাপ বিকিরণ
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার(Transformer): 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০১০.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ক) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  2. খ) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
  4. ঘ) বায়ু বলতে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনকেই বোঝায়
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ।

- অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন হল বায়ুর প্রধান দুইটি উপাদান।
- অক্সিজেন বায়ুর একটি সক্রিয় উপাদান যা, শ্বসনে এবং দহনে সহায়তা করে।
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদ এবং জীবদেহে প্রোটিন গঠনের প্রদান উপাদান।
- এছাড়াও বায়ুতে সামান্য পরিমাণে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই অক্সাইড, ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস আছে।

সূত্র- পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০১১.
কোনটি WHO কর্তৃক অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ নয়?
  1. লবণের দ্রবণ
  2. ভিনেগার
  3. সোডিয়াম বেনজোয়েট
  4. ফরমালডিহাইড
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইড
ব্যাখ্যা
ফুড প্রিজারভেটিভ (Food preservative):
- খাদ্যদ্রব্যে অনেক সময় কিছু রাসায়নিক পদার্থ মিশানো হয় যাতে খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে না পারে, খাবার দুর্গন্ধযুক্ত না হয় এবং পচন না ধরে।
- এই রাসায়নিক দ্রব্যকে ফুড প্রিজারভেটিভ বলে।
- কিছু ফুড প্রিজারভেটিভ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) কর্তৃক অনুমোদিত।
- যে সব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং যেগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে, তাদেরকে অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলে।
- যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, ভিনেগার, লবণের দ্রবণ, ইত্যাদি অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ।

অন্যদিকে,
- যেগুলো আমাদের শরীরে গেলে আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়, সেগুলোকে অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়।
যেমন- ফরমালডিহাইড বা ফরমালিন।

উৎস: ৮ম শ্রেণি, বিজ্ঞান ও WHO ওয়েবসাইট।
৯,০১২.
ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়-
  1. ইউরেনিয়াম আইসোটোপ
  2. আয়োডিন আইসোটোপ
  3. টেকনিশিয়াম আইসোটোপ
  4. ইরিডিয়াম আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্নি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৯,০১৩.
অনবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে? 
  1. পরিবেশকে দূষণমুক্ত করে
  2. পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখে
  3. গ্লোবাল ওয়ার্মিং সৃষ্টি করে
  4. নতুন শক্তির উৎস সৃষ্টি করে
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল ওয়ার্মিং সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল ওয়ার্মিং সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য মানেই হলো যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। 
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে এদের তৈরি করতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে ব্যায়িত হয়। 
যেমন- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা মূলত দুটি দিক থেকে বিবেচনা করা হয়- দাম ও প্রাচুর্য। 
- বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বা যানবাহন অনবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চলে, এদের নবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চালাতে অনেক বেশি খরচ লাগে। 
যেমন: সাধারণ বা প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেলে কম খরচে যানবাহন বা যন্ত্রপাতি চলে। অপরপক্ষে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যেমন- সৌরশক্তি দ্বারা কোনো যানবাহন চালানো কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানি সস্তা, এদের অল্প পরিমাণ থেকে বেশি শক্তি পাওয়া যায় যেমন- পারমানবিক চুল্লিতে অল্প ইউরেনিয়াম থেকে অনেক বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির সীমাবদ্ধতা: 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানির অসুবিধাগুলো হলো- 
• এটি অনবায়নযোগ্য ও দ্রুত ফুরিয়ে যায়, এরা মূলত নিঃশেষ হয়ে যায়। 
• পরিবেশকে বেশ উচ্চমাত্রায় দূষিত করে। 
• এদের দহনে কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসে ছড়ায়, ফলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং তৈরি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯,০১৪.
তরল ও বায়বীয় পদার্থে কোন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়?
  1. তাপ পরিচলন
  2. তাপ বিকিরণ
  3. তাপ পরিবহন
  4. তাপ শোষণ
সঠিক উত্তর:
তাপ পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ পরিচলন
ব্যাখ্যা
• তরল ও বায়বীয় পদার্থে পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়।

• তাপ সঞ্চালন:

- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে। তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। যথা-

১. পরিচলন পদ্ধতি:
- কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়।
- তরল ও বায়বীয় পদার্থে পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়।
- একটি পাত্রে পানি নিয়ে চুলার উপরে বসিয়ে তাপ দিলে পুরো পাত্রের পানিই গরম হতে থাকে।
- এক্ষেত্রে পানির কণাগুলো তাপ গ্রহণ করে শক্তি অর্জন করে।
- শক্তি অর্জন করে গরম পানিকণা হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়।
- উপরের ঠাণ্ডা পানির কণাগুলো নিচে নেমে এসে তাপ গ্রহণ করে।
- এভাবে পর্যায়ক্রমে সকল কণা তাপ গ্রহণ করে উত্তপ্ত হয়, তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়।
- এভাবে কণাদের স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়ার নাম পরিচলন।
- তরল পদার্থের কণার মতো বায়বীয় পদার্থের কণারাও উত্তপ্ত হয়ে সহজেই স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে তাপ সঞ্চালন করে।

২. বিকিরণ পদ্ধতি:
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।

৩. পরিবহন পদ্ধতি:
- যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে। এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়।
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০১৫.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক পলিমার নয়?
  1. পলিস্টারিন
  2. স্টার্চ
  3. উল
  4. সিল্ক
সঠিক উত্তর:
পলিস্টারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিস্টারিন
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- পলিমার বলতে একই ধরনের অনেকগুলো ছোট ছোট অংশ যুক্ত হয়ে যে উচ্চ আণবিক ভর বিশিষ্ট বৃহদাকার যে অণু তৈরি হয় তাকে বোঝায়। 
- যে প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মনোমার যুক্ত হয়ে উচ্চ আণবিক ভরবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয়, তাকে পলিমারকরণ বলে।
- পিভিসি (PVC) পাইপ ভিনাইল ক্লোরাইড মনোমার থেকে তৈরি করা হয়। 
- পলিমার দুই ধরনের। 
যথা - 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে প্রাপ্ত পলিমারকে প্রাকৃতিক পলিমার বলে।
যেমন - প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, তুলা, রেশম, পশম, সিল্ক, উল, পাট ইত্যাদি প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার:
- পরীক্ষাগারে বা শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায় তাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে।
যেমন - পলিইথিলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), পলিস্টারিন, টেফলন, টেরিলিন,নাইলন ইত্যাদি কৃত্রিম পলিমার। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০১৬.
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লঘুমস্তিষ্কে
  2. খ) গুরুমস্তিষ্কে
  3. গ) মধ্যমস্তিষ্কে
  4. ঘ) পশ্চাৎমস্তিষ্কে
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুমস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুমস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা

মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম৷ এটি ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত৷
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত৷

উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৯,০১৭.
হৃদপিণ্ডের স্তর নয়?
  1. এন্ডোকার্ডিয়াম
  2. মায়োকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
• পেরিকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডের স্তর নয়। 

• হৃদপিণ্ডের গঠন:

- হৃদপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দু'ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ।
- এটি হৃদপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিণ্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে।
যথা -
• বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম:
- বহিঃস্তর মূলত যোজক কলা দ্বারা গঠিত।
- এতে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি থাকে।
- এটি আবরণী কলা দিয়ে আবৃত থাকে।

• মধ্যস্তর মায়োকার্ডিয়াম:
- এটি বহিঃস্তর এবং অন্তঃস্তরের মাঝখানে অবস্থান করে।
- এটি দৃঢ় অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

• অন্তঃস্তর এন্ডোকার্ডিয়াম:
- এটি সব থেকে ভেতরের স্তর। হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো অন্তঃস্তর দিয়ে আবৃত থাকে।
- অন্তঃস্তরটি হৃদপিণ্ডের কপাটিকাগুলোকেও আবৃত করে রাখে।
- হৃদপিণ্ডের ভেতরের স্তর ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
৯,০১৮.
পঁচা ডিমের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী কোন গ্যাস?
  1. ইথেন
  2. অ্যাসিটিলিন
  3. হাইড্রোজেন সালফাইড
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন সালফাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন সালফাইড
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন সালফাইড পঁচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী। 

হাইড্রোজেন সালফাইড: 
- হাইড্রোজেন সালফাইড গন্ধ পঁচা ডিম প্রতিম, সমস্ত পরিচিত। 
- স্বাভাবিক অবস্থায় অধীনে, পদার্থ বায়বীয় অবস্থায় রয়েছে। 
- এটা কোন রঙ আছে, জলে দুর্বল দ্রবণীয়, বিষাক্ত হয়। 
- গড়ে, 20 ডিগ্রীর সেলসিয়াস 2.4 হাইড্রোজেন সালফাইড জল আয়তনের অবসান ঘটাবে। 
- হাইড্রোজেন সালফাইড ব্যবহার করে মিথেন থাইয়ল, ইথেন থাইয়ল ও থায়োগ্লাইকোলিক এসিডসহ বেশ কিছু জৈব যৌগ প্রস্তুত করা হয়। 
- হাইড্রোজেন সালফাইড দ্বারা গ্যাস অথবা পানি দূষিত হলে ধাতব সালফাইডে রূপান্তরিত করে দূষণমুক্ত করা হয়। 
- ডিউটেরিয়াম অক্সাইড বা সাধারণ পানি থেকে ভারী পানি পৃথকীকরণে গার্ডলার সালফাইড পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন সালফাইড ব্যবহার করা হয়। 
- হাইড্রোজেন সালফাইড সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস, বায়োগ্যাস এবং তরলকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসে (এলপিজি) পাওয়া যায়। একে কয়েকটি উপায়ে সরিয়ে ফেলা যায়। 

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৯,০১৯.
আধানের একক -
  1. ক) ওহম
  2. খ) হার্জ
  3. গ) কুলম্ব
  4. ঘ) সিমেন্স
সঠিক উত্তর:
গ) কুলম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুলম্ব
ব্যাখ্যা
চার্জ বা আধানের একক হচ্ছে - কুলম্ব (C).

তাছাড়া,
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স (S);
- তড়িৎ প্রবাহের একক এম্পিয়ার (A);
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট (V);
- রোধের একক ওহম (Ω);
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz).

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৯,০২০.
চোখের কর্নিয়ায় আলসার রোগটির নাম কী?
  1. অঞ্জনি
  2. রাতকানা
  3. চোখ ওঠা
  4. জেরপথ্যালমিয়া
সঠিক উত্তর:
জেরপথ্যালমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরপথ্যালমিয়া
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ: 
- প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ডিম, গরুর দুধ, মাখন, ছানা, দই, ঘি, যকৃত ও বিভিন্ন তেলসমৃদ্ধ মাছে, বিশেষ করে ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন A পাওয়া যায়। 
- উদ্ভিজ উৎসের মধ্যে ক্যারোটিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি যেমন: লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পাটশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, পুদিনা পাতা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বাঁধাকপি, মটরশঁটি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন: আম, পাকা পেঁপে, কাঁঠাল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে। 

ভিটামিন A - এর কাজ হলো: 
- দেহের স্বাভাবিক গঠন এবং বর্ধন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ নিশ্চিত করে, 
- দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন: ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে, 
- হাঁড় এবং দাঁতের গঠন ও দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে, 
- দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। 

- দেহে রোগ সংক্রমন প্রতিরোধ করে। 
- ভিটামিন A- এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন A- এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে, এ অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া রোগ বলে। এই রোগে আক্রান্ত মানুষ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যেতে পারে। 
- ভিটামিন A- এর অভাবে দেহের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেক সময় ঘা, সর্দি, কাশি,গলাব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গও দেখা দেয়। 
- ভিটামিন A- এর অভাবে ত্বকের লোমকূপের গোড়ায় ছোট ছোট গুটির সৃষ্টি হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০২১.
বংশগত রোগ কোনটি?
  1. নিউমোনিয়া
  2. হুপিং কাশি
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা
থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে একটি রক্তজনিত সমস্যা। 

থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে এমন একটি রোগ, যেটি উত্তরাধিকারসূত্রে হয়ে থাকে। আর এ রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে রক্তের ব্যাধি হয়ে থাকে, যা শরীরের হিমোগ্লোবিন এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরির ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

লক্ষণসমূহ- 
১. জন্ডিস ও ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
২. তন্দ্রা ও ক্লান্তি
৩. বুকে ব্যথা
৪. হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫. নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে, ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, হুপিং কাশি ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৯,০২২.
'চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া' নিউটনের গতির কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. তৃতীয় সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. চতুর্থ সূত্র
  4. প্রথম সূত্র
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র: 
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে। 
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। 

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র: 
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে। 

নিউটনের তৃতীয় সূত্র: 
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। 
উদাহরণ- 
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে। 
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০২৩.
নিচের কোনটি একটি ধাতু? 
  1. ক্লোরিন
  2. সালফার
  3. কার্বন
  4. সিলভার
সঠিক উত্তর:
সিলভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

ধাতু: 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি।

অধাতু: 
- অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০২৪.
মানুষের চোখের রং ও চুলের প্রকৃতি কী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়? 
  1. প্লাজমা
  2. আরএনএ
  3. ডিএনএ
  4. এটিপি
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএনএ
ব্যাখ্যা
নিউক্লিক এসিড: 
- নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) এবং RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)। 
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA। 
- বংশগতি ধারা পরিবহনে ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA ও RNA এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- সাধারণত ক্রোমোজোমের DNA অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং জীবদেহের বৈশিষ্ট্যগুলো বহুন করে। 
- তাই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়। 
সুতরাং, DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ। 

- যেসব জীবে DNA থাকে না কেবল RNA থাকে সে ক্ষেত্রে RNA জিন হিসেবে কাজ করে। 
যেমন- তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাস (TMV)। 
- জীবের এক একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটিমাত্র জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই DNA বা জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলোও তাদের ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- ক্রোমোজোম জিনকে এক বংশ থেকে পরবর্তী বংশে বহন করার জন্য বাহক হিসাবে কাজ করে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে। 
- মিয়োসিস কোষ বিভাজনের দ্বারা বংশগতির এ ধারা অব্যাহত থাকে। 
- ক্রোমোজোম বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য কোষ বিভাজনের সময় জিনকে সরাসরি মাতাপিতা থেকে বহন করে পরবর্তী বংশধরে নিয়ে যায়। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,০২৫.
অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিংচার আয়োডিন
  2. খ) ক্লোরোফরম
  3. গ) নাইট্রোগ্লিসারিন
  4. ঘ) ইথার
সঠিক উত্তর:
ক) টিংচার আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিংচার আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন MRI, CT-Scan, X-Ray এবং বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম যেমন - সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদিতে রয়েছে রসায়নের অবদান।
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,০২৬.
কোন গ্রুপের রক্তে কোনো ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে না? 
  1. 'O' গ্রুপ
  2. 'AB' গ্রুপ
  3. 'A' গ্রুপ
  4. 'B' গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
'AB' গ্রুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'AB' গ্রুপ
ব্যাখ্যা
- 'AB' গ্রুপের রক্তে কোনো ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে না।  

রক্তের গ্রুপ (Blood group): 
- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় 'A' এবং 'B' নামক দু'ধরনের অ্যান্টিজেন (Antigen) এবং রক্ত রসে 'a' ও 'b' দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (Antibodies) থাকে। 
- অ্যান্টিজেন এক প্রকারের পদার্থ যা কোন জীবদেহে প্রবেশ করানোর ফলে ঐ জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের পদার্থ যা জীবদেহে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। 
- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয় যাকে রক্তের গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্লল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- আজীবন মানুষের রক্তের গ্রুপ একই রকম থাকে যা পরিবর্তন হয় না। 
- অতএব রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তের গ্রুপকে চিহ্নিত করা যায়। 
- নিম্নের ছকে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি দেখানো হলো- 


উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০২৭.
‘সিএফসি’ কী ক্ষতি করে?
  1. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  2. পানির আর্সেনিক দূষণ ঘটায়
  3. মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে
  4. বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতার পরিমাণ কমিয়ে দেয়
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা

• CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০২৮.
'শামখোল' হলো এক ধরনের-
  1. ক) মাছ
  2. খ) পাখি
  3. গ) পতঙ্গ
  4. ঘ) জলজ উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
খ) পাখি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাখি
ব্যাখ্যা

- শামখোল এক ধরনের বড় পাখি। এরা লম্বায় প্রায় ৬৮ সেমি.। এদের ডানা সাদা। তবে ডানা ও লেজের প্রান্ত কালো।
- এদের ইংরেজি নাম Asian Openbill। বৈজ্ঞানিক নাম Anastomus oscitans।
- পুরুষ ও স্ত্রী শামখোল পাখি দেখতে অভিন্ন। -এদের খাদ্য তালিকায় রয়েছে শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া, স্তন্যপায়ী প্রাণী।
উৎসঃ যুগান্তর পত্রিকা

৯,০২৯.
জাইলেমে কোন কোষটি থাকে না? 
  1. ভেসেল
  2. সীভনল
  3. ট্রাকিড
  4. জাইলেম প্যারেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
সীভনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভনল
ব্যাখ্যা
- জাইলেমে থাকে না- সীভনল কোষটি। 

জটিল টিস্যু: 

- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এ টিস্যু দুই ধরনের। 
যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ (vascular bundle) গঠন করে। 

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৩০.
পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করছে তার নাম কী?
  1. মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
  2. সৌরজগৎ
  3. আলফা সেন্টোরি
  4. অ্যান্ড্রোমিডা
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্ব (Universe): 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- মহাবিশ্ব যে কত বড় তা কেউ জানে না এবং কেউ জানে না মহাবিশ্বের আকার বা আকৃতি কেমন। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। 
- গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,০৩১.
সবুজ আলোতে গোলাপ ফুলকে কেমন দেখাবে?
  1. ক) কালো
  2. খ) লাল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) গোলাপী
সঠিক উত্তর:
ক) কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালো
ব্যাখ্যা
সবুজ আলোতে গোলাপ ফুল থেকে কোনো রঙই প্রতিফলিত হয় না বলে গোলাপ ফুলকে কালো দেখায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,০৩২.
ট্রান্সফরমারে বিভব বৃদ্ধি করলে কী হয়? 
  1. তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় 
  2. তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায় 
  3. তড়িৎ শক্তি বৃদ্ধি পায় 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৩৩.
বাহ্যিক চাপের প্রভাবে সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে একমুখী বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) শ্বসন
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) অভিস্রবন
  4. ঘ) নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ:
- নিঃসরণ শব্দের অর্থ হচ্ছে নির্গমন বা বাইরে বেরিয়ে আসা। 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়।
- রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৩৪.
ফুলের কোন অংশ কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় থেকে সুরক্ষা দেয়?
  1. পুংস্তবক
  2. স্ত্রীস্তবক
  3. বৃতি
  4. পুষ্পাক্ষ
সঠিক উত্তর:
বৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃতি
ব্যাখ্যা
ফুল: 
- যে ফুলে পাঁচটি অংশ যেমন- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দল বা পাপড়ি, পুংকেশর ও গর্ভকেশর দেখা যায়, সে ফুলগুলোকে বলে সম্পূর্ণ ফুল। 
- আর যদি এই পাঁচটি অংশের মধ্যে একটি বা দুটি অংশ না থাকে, তবে সে ফুলগুলোকে বলে অসম্পূর্ণ ফুল। 
- কখনো কখনো ফুলে এই পাঁচটি অংশ ছাড়াও বৃতির নিচে একটি অতিরিক্ত অংশ থাকে, একে উপবৃতি বলে। 
যেমন- জবা ফুলে এমন উপবৃতি দেখা যায়। 
- আবার কোনো কোনো ফুলে বৃন্ত থাকে, এগুলোকে সবৃন্তক ফুল এবং যে ফুলগুলোয় বৃন্ত থাকে না সেগুলোকে অবৃন্তক ফুল বলে। 

ফুলের বিভিন্ন অংশ: 
বৃতি: 
- ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবককে বৃতি বলে। 
- সাধারণত এরা সবুজ রঙের হয়। 
- বৃতি খণ্ডিত না হলে সেটি যুক্ত বৃতি, কিন্তু যখন এটি খণ্ডিত হয় তখন বিযুক্ত বৃতি বলে। 
- এর প্রতি খণ্ডকে বৃত্যাংশ বলে। 
- বৃতি ফুলের অন্য অংশগুলোকে বিশেষত কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা করে। 

দলমণ্ডল: 
- এটি বাইরের দিক থেকে দ্বিতীয় স্তবক। 
- কতগুলো পাপড়ি মিলে দলমণ্ডল গঠন করে, এর প্রতিটি অংশকে পাপড়ি বা দলাংশ বলে। 
- পাপড়িগুলো পরস্পর যুক্ত (যেমন-ধুতরা) অথবা পৃথক (যেমন-জবা) থাকতে পারে, এরা বিভিন্ন রঙের হয়। 
- দলমণ্ডল রঙিন হওয়ায় পোকা-মাকড় ও পশুপাখি আকর্ষণ করে এবং পরাগায়ন নিশ্চিত করে। 
- এরা ফুলের অন্য অংশগুলোকে রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। 

পুংস্তবক বা পুংকেশর: 
- এটি ফুলের তৃতীয় স্তবক, এই স্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। 
- পুংকেশরের দণ্ডের মতো অংশকে পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলির মতো অংশকে পরাগধানী বলে। 
- পরাগধানীর মধ্যে পরাগরেণু উৎপন্ন হয়, পরাগরেণু থেকে পুং জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
- এরা সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে। 

স্ত্রীস্তবক বা গর্ভকেশর: 
- এটি ফুলের চতুর্থ স্তবক, এক বা একাধিক গর্ভপত্র নিয়ে একটি স্ত্রীস্তবক গঠিত হয়। 
- একের অধিক গর্ভপত্র সম্পূর্ণভাবে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকলে তাকে যুক্তগর্ভপত্রী, আর আলাদা থাকলে বিযুক্তগর্ভপত্রী বলে। 
- একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ যথা- গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড থাকে। 
- গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বক সাজানো থাকে, ডিম্বকে স্ত্রী জননকোষ বা ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়। 
- এরা পুংস্তবকের মতো সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে। 
- বৃতি ও দলমণ্ডলকে ফুলের সাহায্যকারী স্তবক এবং পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে। 

থ্যালামাস ও পুষ্প পত্রাধার: 
- এ অংশ উপরের সবগুলো স্তবককে ধারণ করে। 

পুষ্পমঞ্জরি: 
- কান্ডের শীর্ষমুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষ একটি নিয়মে সাজানো থাকে, ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে। 
- পরাগায়নের জন্য এর গুরুত্ব খুব বেশি। 
- এ শাখার বৃদ্ধি অসীম হলে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি ও বৃদ্ধি সসীম হলে তাকে নিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,০৩৫.
শ্বেত রক্তকণিকাকে প্রধানত কতভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা:

- গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। - যথা-
• অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন।
• গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত।

- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- এই রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৩৬.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা নয়?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) নিস
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) মার্বেল
সঠিক উত্তর:
গ) চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
• পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা। এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে। পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

• পাললিক শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।

• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৩৭.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয় কোনটি?
  1. কুইন্টিয়াম
  2. প্রোটিয়াম
  3. ডিউটেরিয়াম
  4. ট্রাইটিয়াম
সঠিক উত্তর:
কুইন্টিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুইন্টিয়াম
ব্যাখ্যা
• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (¹H, ²H, ³H, ⁴H, ⁵H, ⁶H এবং ⁷H) আছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৩৮.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো-
  1. ভিটামিন 'এ'
  2. ভিটামিন 'সি'
  3. লৌহ
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
খনিজ উপাদান: 
- ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস। 
- কিন্তু লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে ক্যালসিয়াম প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। 
- লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎস: ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷

- যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।

উৎস: বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৩৯.
উভচর প্রাণীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে - 
  1. জীবন চক্রে সাধারণত ব্যাঙ্গাচি দশা দেখা যায়
  2. পানিতে ফুলকার সাহায্যে ও স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়
  3. হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• উভচর (Amphibia):
- এরা কর্ডাটা পর্বের ভারটেব্রাটা উপপর্বের প্রাণি।
- (গ্রীক amphi= উভয়, bios= জীবন)- এ শ্রেণির প্রাণিরা প্রথম স্থলচর মেরুদণ্ডী।
- মূলত স্থলচর হলেও জননকালে ডিম পাড়তে এরা পানিতে আসতে বাধ্য হয়।
- এরা পরিণত বয়সে ডাঙ্গায় বাস করে।
- মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর প্রায় সব বসবাসযোগ্য স্থানে উভচর পাওয়া যায়। 

বৈশিষ্ট্য-
১। দেহ মস্তক, গ্রীবা ও দেহ কাণ্ডে বিভক্ত।
২। দেহত্বক সাধারণত আঁইশবিহীন, নরম, আর্দ্র ও গ্রন্থিযুক্ত।
৩। পানিতে ফুলকার সাহায্যে ও স্থলে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়।
৪। হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। এতে সাইনাস ভেনোসাস বিদ্যমান।
৫। শীতল রক্তের প্রাণি।
৬। জীবন চক্রে সাধারণত ব্যাঙ্গাচি দশা দেখা যায়।
উদাহরণ- সোনাব্যাঙ, কুনোব্যাঙ।

উৎস: ১) জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২) National Geographic. Link

৯,০৪০.
এন্টোমলজি কোন বিষয়ের বিজ্ঞান?
  1. ক) মাছ
  2. খ) কীটপতঙ্গ
  3. গ) পিপড়া
  4. ঘ) শামুক
সঠিক উত্তর:
খ) কীটপতঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কীটপতঙ্গ
ব্যাখ্যা
কীটতত্ত্ব (Entomology): কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষিত, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯,০৪১.
রেডক্স বিক্রিয়ায় বিজারণ কীভাবে ঘটে?
  1. নিউট্রন দান করে
  2. প্রোটন দান করে
  3. ইলেকট্রন গ্রহণ করে
  4. ইলেকট্রন দান করে
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের স্থানান্তর: 
- রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 
- ইলেকট্রনের স্থানান্তর এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া। 
- এটি মূলত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া এমন একটি শ্রেণি যেখানে জারণ (Oxidation) ও বিজারণ (Reduction) একই সাথে সংঘটিত হয়। প্রচুর সংখ্যক রাসায়নিক বিক্রিয়া ও জৈবিক বিক্রিয়া এ শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত। 
- জ্বালানিকে দহন করে শক্তি উৎপাদন, তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে কস্টিক সোডা ও ক্লোরিন উৎপাদন, ব্যাটারীতে তড়িৎ উৎপাদন, লোহায় মরিচা পড়া, ধাতুর ক্ষয়, তড়িৎ প্রলেপন এ সবই জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার উদাহরণ। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে, এটি রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৪২.
Vit-D এর অভাবে-
  1. ক) বেরিবেরি
  2. খ) স্কার্ভি
  3. গ) রিকেটস
  4. ঘ) পেলেগ্রা
সঠিক উত্তর:
গ) রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিকেটস
ব্যাখ্যা

ভিটামিন-বি১(B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি; ভিটামিন-ডি(D) এর অভাবে রিকেটস; এবং ভিটামিন-এ(A) এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৯,০৪৩.
Which field is associated with honey production?
  1. Pisciculture
  2. Sericulture
  3. Apiculture
  4. Horticulture
  5. Aquaculture
সঠিক উত্তর:
Apiculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apiculture
ব্যাখ্যা
• মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার। 

• এপিকালচার:
- যে পদ্ধতিতে কৃত্রিম ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়, তাকে এপিকালচার বলা হয়।

• এটি কৃষির একটি বিশেষায়িত শাখা যেখানে মৌমাছির প্রজনন, পরিচর্যা এবং মধু, মোম, পরাগরেণু, রয়‍্যাল জেলি ও প্রোপোলিসের মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
- মধু উৎপাদন বা মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার।
- এটি কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৌমাছি পালন একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।

• এপিকালচারের গুরুত্ব:
→ অর্থনৈতিক উপকারিতা:
- মধু ও মৌমাছির অন্যান্য উপজাত দ্রব্য (যেমন মোম, প্রোপোলিস) বিক্রি করে আয় করা যায়।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক পেশা।
→ পরাগায়নে ভূমিকা:
- মৌমাছি ফসলের পরাগায়নে সাহায্য করে, যা কৃষি উৎপাদন ২০-৩০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
→ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা:
- মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে,
• পিসিকালচার- এটি হলো আধুনিক কৃষির একটি বিশেষ শাখা যেখানে মাছ চাষ, ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• সেরিকালচার- এ শাখায় রেশমকীট পালন ও রেশম উৎপাদন অর্থাৎ রেশম চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• হর্টিকালচার- আধুনিক কৃষির এ শাখায় ফলমূল, শাকসবজি ও ফুলের চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• অ্যাকুয়াকালচার- এ শাখায় মাছ, শেলফিশ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- FAO (Food and Agriculture Organization).
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।
৯,০৪৪.
স্থির তাপমাত্রায়, একই উপাদানের তৈরি এবং একই দৈর্ঘ্যের একটি চিকন ও একটি মোটা তারের রোধ-
  1. ক) সমান হবে
  2. খ) মোটা তারের রোধ অপেক্ষা চিকন তারের রোধ বেশি হবে
  3. গ) চিকন তারের রোধ অপেক্ষা মোটা তারের রোধ বেশি হবে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মোটা তারের রোধ অপেক্ষা চিকন তারের রোধ বেশি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোটা তারের রোধ অপেক্ষা চিকন তারের রোধ বেশি হবে
ব্যাখ্যা

প্রস্থচ্ছেদের সূত্র:- অন্যান্য ভৌত অবস্থা, তাপমাত্রা এবং দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে পরিবাহীর রোধ-এর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিক।
পরিবাহীর রোধ R এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল A হলে সূত্রানুসারে R ∝ 1/A, যখন এর দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকে।
অর্থাৎ, স্থির তাপমাত্রায়, একই পদার্থের এবং নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যরে পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল যত বড় হবে রোধ তত হ্রাস পাবে।
যদি স্থির তাপমাত্রায়, একই পদার্থের এবং নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যরে 1m2 প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহীর রোধ ১০Ω হয় তবে 2m2 প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহীর রোধ ৫Ω হবে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,০৪৫.
নিউক্লিয়ার ফিশনে কী ধরনের শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. রাসায়নিক শক্তি 
  2. তড়িৎ শক্তি 
  3. পারমাণবিক শক্তি 
  4. যান্ত্রিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয় ফিশন (Nuclear Fission): 
- কোনো ভারী নিউক্লিয়াসকে (A>230) সঠিক গতির নিউট্রন বা ফোটন দিয়ে আঘাত করে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে প্রায় সমান অংশে বিভক্ত করে প্রচণ্ড পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে নিউক্লীয় বিভাজন বা নিউক্লিয় ফিশান বলে। 
- ইউরেনিয়ামকে তাপীয় নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এই ভারী নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভাবে দুটি নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে যায়। এর সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত করে। 

নিউক্লীয় ফিউশন বা সংযোজন (Nuclear Fusion): 
- একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একসঙ্গে জুড়ে অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং ভারী একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে নিউক্লীয় সংযোজন বলা হয়। 
- নিউক্লীয় সংযোজনকে নিউক্লীয় বিভাজনের বিপরীত ঘটনা বলা যায়। 
- দুটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ দুটি প্রোটনের মধ্যে সংযোজনের সম্ভাবনা খুবই কম। 
- নিউক্লীয় সংযোজনের সহজতম উদাহরণ হলো দুটি ডিউটেরন (deuteron)-এর সংযোজন। 
- এছাড়া হাইড্রোজেনের আর একটি আইসোটোপ ট্রিটিয়াম এর নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ ট্রাইটন (triton) এর সঙ্গে ডিউটেরনের সংযোজনের সম্ভাবনাও খুব বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৪৬.
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য কী বোঝায়?
  1. বংশগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন
  2. পৃথিবীতে জীবের মোট প্রজাতির সংখ্যা
  3. পৃথিবীর সকল জীবের আকার ও আচরণ
  4. বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে পরিবেশগত পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীতে জীবের মোট প্রজাতির সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীতে জীবের মোট প্রজাতির সংখ্যা
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্য (Biodiversity): 
- পৃথিবীর পরিবেশ জীব ও জড় উপাদান নিয়ে গঠিত, এখানে রয়েছে বিচিত্র ধরনের জীব ও অজস্র জড় পদার্থ। 
- প্রতিটি প্রজাতি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত এবং স্বকীয় বৈশিষ্ট্য দিয়ে যে কোনো একটি প্রজাতি অন্য সব প্রজাতি হতে ভিন্ন ও শনাক্তকরণযোগ্য। 
- জীববৈচিত্র্যকে তিন ভাগে বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity): 
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ের ভিন্নতাই হলো প্রজাতিগত বৈচিত্র্য। 
- সাধারণভাবে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বোঝায়। 
যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা, বৃদ্ধির ধরন ইত্যাদি ভিন্ন হয়। 

২। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): 
- বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান ও জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে। 
- এ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়। 
- এ পরিবর্তনের জন্য যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। 
যেমন- একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যে সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর। 

৩। বংশগতীয় বৈচিত্র্য (Genetical diversity): 
- এ পৃথিবীতে একই প্রজাতিভুক্ত সদস্যদের মধ্যেও অনেক বিষয়ে পার্থক্য দেখা যায়, এ পার্থক্যগুলো তৈরি হয় তাদের জিন সংগঠনের সামান্য বৈচিত্র্যের কারণে। 
- এ বৈচিত্র্যতার কারণ হচ্ছে জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চালিত হয়। 
- প্রাণিদেহের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য আলাদা আলাদা জীন দায়ী। 
- বিভিন্ন কারণে এ জীনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটায় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। 
- এ বংশানুক্রমিক প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে তাকেই বংশগতীয় বৈচিত্র্য বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৪৭.
পাতায় তৈরি খাদ্য উদ্ভিদে কী অবস্থায় পরিবাহিত হয়? 
  1. স্ফটিক অবস্থায়
  2. গ্যাসীয় অবস্থায়
  3. কঠিন অবস্থায়
  4. দ্রবীভূত তরল অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
দ্রবীভূত তরল অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রবীভূত তরল অবস্থায়
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। 
- এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- নিম্নস্তরের সবুজ উদ্ভিদের প্রায় সকল কোষেই খাদ্য তৈরি হয়। 
- কিন্তু উচ্চস্তরের উদ্ভিদে কেবলমাত্র সবুজ অংশ এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 
- পাতায় সংশ্লেষিত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় খাদ্য পরিবহন। 
- উদ্ভিদ পাতা থেকে বিভিন্ন স্থানে যে খাদ্য পরিবহন করে তা দ্রবীভূত তরল অবস্থায় থাকে বলে একে খাদ্যরস বলা হয়। 
- এ খাদ্যরস বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের পর উদ্ভিদ অতিরিক্ত খাদ্যরসকে অদ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত করে এবং সংরক্ষণ করে। 

- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। 
- তৈরির পর ফ্লোয়েমের মাধ্যমে খাদ্য বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌঁছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। 
- এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে আবার সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৪৮.
চায়ের পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ভিটামিন ই
  2. ভিটামিন এ
  3. ভিটামিন বি
  4. ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি
ব্যাখ্যা
- চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে।
- শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।
- সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন-কে এর প্রধান উৎস।
- মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৪৯.
মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে ব্যবহৃত লবণ কোনটি?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
  3. গ) সিলভার ক্লোরাইড
  4. ঘ) অ্যামোনিয়াম ফসফেট
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- অনেক লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে। 
যেমন - 
• সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), 
• সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ। 

- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
যেমন - 
• ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), 
• সিলভার সালফেট (Ag2SO4), 
• সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি। 

- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্যও লবণ ব্যবহার করা হয়। 
যেমন - 
চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3) । 

- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। 
যেমন - 
• অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), 
• অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), 
• পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 

- কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও কিছু লবণ ব্যবহার করা হয় যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। 
যেমন - 
• তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) । 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯,০৫০.
কোন প্রাণীকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়?
  1. ঘোড়া
  2. বলগা হরিণ
  3. উট
  4. খেচর
সঠিক উত্তর:
উট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উট
ব্যাখ্যা
- উট প্রাণীকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। 
- উট মরুজীবনের জন্য চমৎকারভাবে অভিযোজিত। 
- এদের প্রশস্ত পদ বালির উপর চলাচলের জন্য যেমন উপযুক্ত, তেমনি নাসারন্ধ্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ক্ষমতা এবং সংবদ্ধ করার উপযোগী। 
- দুই সারি চোখের পাপড়ি মরুভূমিতে বসবাসের জন্য খুবই সহায়ক। 
- আর এসব উপযোগিতার কারণে উট মরুভূমিতে সহজেই মালামাল বহন করতে পারে। 

উৎস: dw.com
৯,০৫১.
পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে কী বলা হয়? 
  1. এপিফাইটিক
  2. এন্ডোফাইটিক
  3. লিথোফাইটিক
  4. ফাইটোপ্লাঙ্কটন
সঠিক উত্তর:
লিথোফাইটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথোফাইটিক
ব্যাখ্যা
শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
- অর্থাৎ আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 
- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৫২.
দুটি নিউরনের সংযোগস্থলকে বলা হয়-
  1. ক) অ্যাক্সন
  2. খ) ডেনড্রন
  3. গ) সিন্যাপস
  4. ঘ) ডেনড্রাইট
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্যাপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্যাপস
ব্যাখ্যা
সিন্যাপস (Synapse):
- দুটি নিউরনের সংযোগস্থলকে অথবা একটি নিউরন ও একটি ইফেক্টরের (যেমন পেশি অথবা গ্রন্থি) সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে। 
- সিন্যাপস এর মাধ্যমে উত্তেজনা বা তথ্য এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে প্রেরিত হয়।
- এগুলোর মাধ্যমেই প্রান্তীয় স্নায়ু দ্বারা গৃহীত উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রেরিত হয়বং কেন্দ্রের নিদের্শাবলি প্রান্তের সুনির্দিষ্ট অঙ্গে পৌছায়।
- কেন্দ্ৰীয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল উচ্চতর কার্যাবলি যেমন- সমন্বয়, শিক্ষণ, স্মৃতি ইত্যাদি সবকিছুই সম্ভব হয় কেবল সিন্যাপসের জন্য।
- স্নায়ুতন্ত্রে সিন্যাপস অসংখ্য এবং ধারণা করা হয় এর সংখ্যা প্রায় ১০%।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৫৩.
পৃথিবী পৃষ্ঠের অক্ষাংশ মানের সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের সম্পর্ক কী?
  1. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান বাড়ে
  2. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
  3. অক্ষাংশ মান কমলে g-এর মান বাড়ে
  4. অক্ষাংশ মান ও অভিকর্ষজ ত্বরণ সম্পর্কিত নয়
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান বাড়ে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনাে বতুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণকে 'g' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের একক - মিটার/সেকেন্ড-২
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g -এর মান তত বাড়তে থাকে।
--------
পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে g-এর মান:
- বিষুব রেখা বরাবর সবচেয়ে কম = 9.78 ms-2
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ = 9.83 ms-2
- এভারেস্ট শৃঙ্গে = 9.81 ms-2
- সমুদ্রতলে = 9.75 ms-2

ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়।
- এই আদর্শ মান হলো = 9.80665 ms-2 বা 9.81 ms-2

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৫৪.
নিচের কোনটি অধাতু?
  1. ক) লোহা
  2. খ) এলুমিনিয়াম
  3. গ) পটাশিয়াম
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

- এলুমিনিয়াম, লোহা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি হলো ধাতু। ধাতুসমূহ দেখতে চকচকে, তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। 
- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি হলো অধাতু। সাধারণত এরা তাপ ও বিদ্যুৎ কুপরিবাহী এবং ধাতুর মতো চকচকে হয় না। 

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, ষষ্ঠ শ্রেণি 

৯,০৫৫.
তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উদ্ভাবক কে?
  1. ক) ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক
  2. খ) বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  3. গ) সি. এফ. ডুফে
  4. ঘ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা

- লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক ১৭৪৬ সালে তড়িৎ ধারক অবিষ্কার করেন.।
- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন ১৭৪৭ সালে আবিষ্কার করেন যে চার্জ দুই প্রকারঃ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক।
- সি. এফ. ডুফে ১৭৩৩ সালে আবিষ্কার করেন যে ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন চার্জ বিপরীতধর্মী।
- জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উদ্ভাবন করেন এবং এর সাহয্যে তিনি তড়িৎ বল এবং চৌম্বক বলকে একীভূত করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯,০৫৬.
অ্যাডিনো ভাইরাস মানুষের দেহে কোন রোগ সৃষ্টি করে?
  1. জলাতঙ্ক
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গুটিবসন্ত
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
- অ্যাডিনো ভাইরাস মানুষের দেহে 'নিউমোনিয়া' রোগ সৃষ্টি করে।  

ভাইরাস: 

- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো - 


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,০৫৭.
নিচের কোনটি অকোষীয়?
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) শৈবাল
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস হল এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অনুজীব যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
- ভাইরাস অকোষীয়। অর্থাৎ দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত।
- কেবল প্রোটন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA or RNA) দিয়ে ভাইরাসের দেহ গঠিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯,০৫৮.
০° C তাপমাত্রায় প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব কত? 
  1. ১২.৬ মিটার
  2. ১৬.৬ মিটার 
  3. ২০.০ মিটার
  4. ২৫.০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- ০°C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- ০°C বা ২৭৩ K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব ০.৩ m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m (০° C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৫৯.
নিচের কোনটি জিনবাহিত রোগ?
  1. বেরিবেরি 
  2. হিমোফিলিয়া
  3. স্ট্রোক
  4. এইডস 
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া
ব্যাখ্যা

• হিমোফিলিয়া একটি জিনবাহিত রোগ (genetic disorder)। 

• হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া (Hemophilia) হলো একটি জিনগত রক্তক্ষরণজনিত রোগ।
-  এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দায়ী প্রোটিনের ঘাটতি থাকে।
-  এর ফলে সামান্য আঘাতেও রক্তক্ষরণ বন্ধ হতে দেরি হয় বা বন্ধ হয় না।
-  এটি এক্স লিঙ্কড ডিজঅর্ডার বা এক্স ক্রোমোসোম বাহিত রোগ, যা সাধারণত ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। 
-  কারন যেহেতু এটি কেবল এক্স ক্রমোসোম এর মাধ্যমে বাহিত হয় এবং ছেলেদের মধ্যে একটি এক্স ক্রোমোসোম থাকে তাই সেটি আক্রান্ত থাকলে ছেলেদের মধ্যে রোগটি হয়। কিন্তু মেয়েদের মধ্যে দুটি এক্স ক্রোমোসোম থাকে বিধায় একটি এক্স আক্রান্ত থাকলেও মেয়েদের মাঝে রোগ প্রকট না হয়ে মেয়েরা বাহক ও হতে পারে। 

• হিমোফিলিয়া দুইরকমের হয়ে থাকে। এগুলো হলো- 
- Hemophilia A: রক্ত জমাট বাঁধার Factor VIII এর অভাবে এটি হয়।
- Hemophilia B: রক্ত জমাট বাঁধার Factor IX এর অভাবে এটি হয়। 

• হিমোফিলিয়া রোগের লক্ষন:
- সহজে রক্তপাত হওয়া।
- হাড়-জোড়ায় রক্ত জমা হওয়া।
- দাঁতের চিকিৎসা বা কাটা লাগলে দীর্ঘ সময় রক্ত পড়া।
- মস্তিষ্কে রক্তপাত মারাত্মক হতে পারে।

• প্রতিকার/চিকিৎসা:
→ ক্লটিং ফ্যাক্টর প্রতিস্থাপন থেরাপি:
নিয়মিতভাবে রক্তে জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় Factor VIII বা Factor IX ইনজেকশন দেওয়া হয়।
→ জিন থেরাপি (Gene Therapy):
- সাম্প্রতিক গবেষণায় জিন থেরাপি ব্যবহার করে দেহে ঘাটতিপূর্ণ জিন প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা চলছে।
- এটি ভবিষ্যতে স্থায়ী প্রতিকারের সম্ভাবনা তৈরি করছে।

অন্যদিকে,
 • স্ট্রোক (Stroke): এটি মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হলে ঘটে। এটি জিনবাহিত নয়, বরং জীবনধারা ও শারীরিক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত।
 • বেরিবেরি (Beriberi): এটি ভিটামিন-B1 (থায়ামিন) এর অভাবে হয়। এটি পুষ্টিজনিত রোগ, জিনবাহিত নয়।
 • এইডস (AIDS):  এটি এইচআইভি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। জিনবাহিত নয়।

তথ্যসূত্র: 
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; গাজী আজমল।
- ব্রিটানিকা। 

৯,০৬০.
মানুষের রক্তে লোহিত রক্ত কণিকা কোথায় সঞ্চিত থাকে? 
  1. বৃক্কে
  2. প্লীহায়
  3. হৃৎযন্ত্রে
  4. ফুসফুসে
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৬১.
যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদেরকে বলা হয়-
  1. ক) রিব ভাজক টিস্যু
  2. খ) মাস ভাজক টিস্যু
  3. গ) প্লেট ভাজক টিস্যু
  4. ঘ) গ্রাউন্ড ভাজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
গ) প্লেট ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লেট ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
বিভাজন প্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ:
- বিভাজন প্রক্রিয়ার ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
১। মাস ভাজক টিস্যু
২। রিব ভাজক টিস্যু ও
৩। প্লেট ভাজক টিস্যু।

১। মাস ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে মাস ভাজক টিস্যু বলে। এ প্রকার বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দেহের আয়তন বাড়ে।
যেমন- কর্টেক্স, এন্ডোস্পার্ম।

২। রিব ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো মাত্র একটি তলে বিভক্ত হয় তাকে রিব ভাজক টিস্যু বলে। এ ধরনের বিভাজনের ফলে এক সারি কোষ সৃষ্টি হয়। যেমন- মূল ও কান্ডের মজ্জা ।

৩। প্লেট ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদের প্লেট ভাজক টিস্যু বলা হয়।
যেমন- পাতার টিস্যু।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,০৬২.
পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. ইউরেনিয়াম
  3. কয়লা
  4. গ্রাফিন
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
• মডারেটর:
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন ।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।

- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো: 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট।
- পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয় গ্রাফাইট। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৯,০৬৩.
ধানের টুংরো ভাইরাস ছড়ায় কোন পোকা?
  1. সবুজ পাতা ফড়িং
  2. মাজরা পোকা
  3. গলমাছি
  4. পামরি পোকা
সঠিক উত্তর:
সবুজ পাতা ফড়িং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ পাতা ফড়িং
ব্যাখ্যা
সবুজ পাতা ফড়িং (Green leaf hopper):
⇒ ক্ষতির লক্ষণ:
১) পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয় অবস্থায় এ পোকা ধানের পাতার রস শুষে খায়।
২) গাছের বৃদ্ধি কমে যায় ও গাছ খাটো হয়।
৩) এ পোকা টুংরো ভাইরাস ছড়ায়।

⇒ দমন ব্যবস্থা:
১) আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২) হাতজাল ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৩) প্রতিরোধী জাত যেমন বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৫, বিআর-৬, বিআর-১০, বিআর-১২ জাতের ধান চাষ করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৬৪.
নিচের কোনটি রবি মৌসুমের শাকসবজি নয়?
  1. বাঁধাকপি
  2. মূলা
  3. গাজর
  4. পটল
সঠিক উত্তর:
পটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটল
ব্যাখ্যা
→ পটল খরিপ মৌসুমের শাকসবজি।

• রবি মৌসুম:
- শাকসবজি: ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, গাজর, লাউ, সীম, টমেটো, আলু।

- এ ছাড়া বোরো ধান, গম, ডাল ও সরিষা রবি মৌসুমের ফসল।

• খরিপ মৌসুমকে পুনরায় দু'ভাগে ভাগ করা হয়।
• খরিপ-১:
- ফাল্গুন মাস হতে আষাঢ় মাস (মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস) পর্যন্ত সময় খরিপ-১ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এ সময়কালকে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ সময় তাপমাত্রা বেশি থাকে। মাঝে মাঝে ঝড় বৃষ্টি হয়।
- আউশ ধান, পাট, ঢেঁড়শ, করলা, পটল, কাঁকরোল, বরবটি ইত্যাদি ফসলের চাষ হয়।
- আম, জাম, কাঠাল, লিচু, পেঁপে ইত্যাদি এ মৌসুমের প্রধান ফল।

• খরিপ-২:
- আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস (মধ্য জুলাই থেকে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কাল খরিপ-২ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এ মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- এ মৌসুমকে তাই বর্ষাকাল বলে।
- আমন ধান ও বর্ষাকালীন শাকসবজি এ মৌসুমের প্রধান ফসল।
- প্রধান ফলের মধ্যে জাম্বুরা, তাল, আমলকি, কাঁঠাল, জলপাই উল্লেখযোগ্য।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৬৫.
পরমাণুর কেন্দ্রকে কী বলা হয়?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. ইলেকট্রন
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলা হয়।
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৬৬.
GMO -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Genetically Manipulated Object
  2. General Modified Organism
  3. Genetically Modified Organism
  4. Gene Managed Organism
সঠিক উত্তর:
Genetically Modified Organism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genetically Modified Organism
ব্যাখ্যা

- GMO-এর পূর্ণরূপ হলো Genetically Modified Organism. এটি দিয়ে এমন কোনো জীব বোঝানো হয় যার জিনকে জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে পরিবর্তন বা পরিবর্তিত করা হয়েছে।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic engineering): 
- একটি জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী ডিএনএ খণ্ড পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশল হচ্ছে জিন প্রকৌশল (Genetic engineering)। 
অর্থাৎ, কাঙ্ক্ষিত নতুন একটি বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোনো জীবের ডিএনএর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বলে। 
- এই জিন যে কৌশলগুলোর মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়, তাদের একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ কৌশল বলে। এই কৌশল অবলম্বন করে একটি ডিএনএ অণুর কাঙ্ক্ষিত অংশ কেটে আলাদা করে অন্য একটি ডিএনএ অনুতে প্রতিস্থাপন করার ফলে যে নতুন ডিএনএ অণুর সৃষ্টি হয়, তাকে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বলে। 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ তৈরির প্রক্রিয়াকে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি বা জিন ক্লোনিং বলা হয়। 
- জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে উৎপন্ন নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের কোনো কোনোটিকে বলা হয় GMO (Genetically Modified Organism) আর কোনোটিকে বলে ট্রান্সজেনিক (Transgenic)। জিএমও এবং ট্রান্সজেনিক জীব এক নয়। 
- আধুনিক জীবপ্রযুক্তি বা জিন কৌশলের মাধ্যমে জিন স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য অল্প সময়ে সুচারুভাবে স্থানান্তর করা সম্ভব হয় বলে সংশ্লিষ্ট উদ্ভাবক বা উদ্যোক্তাগণের নিকট প্রচলিত প্রজননের তুলনায় এ প্রযুক্তিটি অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,০৬৭.
রঞ্জক পদার্থ সাধারণত কোন উৎস থেকে তৈরি করা হয়? 
  1. লৌহ থেকে
  2. তামা থেকে
  3. মাইকা থেকে
  4. জিংক থেকে
সঠিক উত্তর:
মাইকা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকা থেকে
ব্যাখ্যা
রঞ্জক পদার্থ: 
- রঞ্জক পদার্থ বিশেষ এক ধরনের জৈব যৌগ। 
- এদের বৈশিষ্ট্য হলো এরা না পানিতে দ্রবণীয় না তেলে দ্রবণীয়। এ বিশেষ গুণের কারণে রঞ্জকসমূহ ব্যবহার করা হয়। 
- রঞ্জকের আরও একটি বিশেষ গুণ হলো এরা শরীরের মিউকাস পর্দার উপর কোনো প্রকার বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। 
- বিভিন্ন উপাদানের বর্ণ নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থকে ব্যবহার করা হয়। 
- রঞ্জকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য এর সাথে TiO2 ব্যবহার করা হয়। 
- সাধারণত মাইকা থেকে রঞ্জক তৈরি করা হয় এবং এর উপর TiO2 এর প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- ইয়োসিন (Eosin) একটি বহুল পরিচিত রঞ্জক পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৬৮.
কোনটির উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি (Camotherapy) গঠিত?
  1. ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  2. খ) কোষ বিভাজন
  3. গ) চৌম্বকক্ষেত্র
  4. ঘ) আলোর প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
খ) কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
কেমোথেরাপি (Camotherapy) :
কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনের কোষ ধ্বংস করা হয়। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়।
জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত।

কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে।
যেমন প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি । সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।

উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৬৯.
সিলিন্ডার কোন গ্যাস দ্বারা পূর্ণ থাকে?
  1. ক) অকটেন 
  2. খ) প্রোপেন
  3. গ) পেন্টেন
  4. ঘ) ইথেন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোপেন
ব্যাখ্যা

বাসাবাড়ীতে আমরা যে সিলিন্ডার ব্যবহার করে থাকি সেইটা মূলত প্রোপেন এবং বিউটেন গ্যাসকে উচ্চচাপে সংকোচিত করে তরল অবস্থায় সিলিন্ডারে ভর্তি করা হয়।
আমাদের দেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ রান্নার কাজে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে থাকেন, যা এলপিজি বা এলপি গ্যাস নামে পরিচিত।
এটি মূলত দাহ্য হাইড্রোকার্বন গ্যাসের মিশ্রণ এবং জ্বালানি হিসাবে রন্ধন কার্যে, গাড়িতে ও ভবনের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হয়।
১৯১০ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ১৯১২ সালে এ গ্যাস বাণিজ্যিকরূপে উৎপাদন শুরু হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়নবিজ্ঞান, যুগান্তর পত্রিকা ১০ই অগাস্ট, ২০২২ (ব্যাখ্যা)

৯,০৭০.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা কত? 
  1. ১০ জোড়া
  2. ১২ জোড়া
  3. ১৬ জোড়া 
  4. ২৩ জোড়া
সঠিক উত্তর:
১২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জোড়া
ব্যাখ্যা

করোটিক স্নায়ু: 
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে। 
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া। 
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে। 
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে। 
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু। 
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে। 
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু। 
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে। 
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৭১.
T2 ভাইরাস কোনটিকে আক্রমণ করে?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) মাছি
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের পরজীবিতা সাধারণত সুনির্দিষ্ট অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রকারের ভাইরাস কোনো সুনির্দিষ্ট জীবদেহে পরজীবী হয়।
প্রকৃতপক্ষে কোনো ভাইরাসের প্রোটিন আবরণটিই নির্ণয় করে তার আক্রমণের সুনির্দিষ্টতা।

- ফায ভাইরাস কেবল ব্যাকটেরিয়া কোষেই আক্রমণ করে।
- ফায ভাইরাসের মধ্যে T2- ব্যাকটেরিওফায E. coli ব্যাকটেরিয়াকেই আক্রমণ করে।
- TMV ভাইরাস কেবল তামাক গাছকেই আক্রমণ করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,০৭২.
কোনটি মাইক্রোওয়েভ ওভেনের কার্যনীতিকে সর্বোত্তমভাবে বর্ণনা করতে পারে?
  1. উচ্চ তাপ বিকিরণ এবং খাদ্য কণাগুলিতে পরিবহন
  2. খাদ্য কণাগুলিতে ইনফ্রা-রেড বিকিরণ এবং শোষণ
  3. পানির অণুগুলির ইন্ডাকশন হিটিং
  4. ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং
ব্যাখ্যা

- মাইক্রোওয়েভ ওভেনের কার্যনীতিকে সর্বোত্তমভাবে ঘ) ঘূর্ণনের কারণে ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং - অপশনটি বর্ণনা করে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন খাদ্যের উপর উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ প্রয়োগ করে। এই বিকিরণের প্রভাবে খাদ্যের ভেতরে থাকা পানির অণুগুলো দ্রুত ঘূর্ণন শুরু করে, কারণ পানির অণু ডাইপোল প্রকৃতির। এই ঘূর্ণনের ফলে অণুগুলোর মধ্যে ঘর্ষণ সৃষ্টি হয় এবং সেই ঘর্ষণ থেকেই তাপ উৎপন্ন হয়। ফলে খাদ্য ভেতর থেকে সমানভাবে গরম হয়। এটি ইনফ্রা-রেড বা সাধারণ তাপ পরিবহণের মাধ্যমে নয়, বরং ডাই-ইলেকট্রিক হিটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন: 
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন হলো এমন একটি যন্ত্র যা ম্যাগনেট্রন নামক একটি ইলেকট্রনিক ভ্যাকুয়াম টিউব দ্বারা উৎপাদিত মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে খাবার রান্না করে বা গরম করে। 
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন ধাতব আবরণ, কাচ/সিরামিক রান্নার পৃষ্ঠ, ম্যাগনেট্রন, ওয়েভগাইড ও নিয়ন্ত্রণ সার্কিট সমন্বয়ে গঠিত একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র। 
- ম্যাগনেট্রন বিদ্যুৎ শক্তিকে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ (মাইক্রোওয়েভ) এ রূপান্তর করে। উৎপন্ন মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ ধাতব ওয়েভগাইডের মাধ্যমে রান্নার গহ্বরে প্রবেশ করে। স্টিরার ফ্যান (wave stirrer) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গকে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়। খাবার মাইক্রোওয়েভ শোষণ করে এবং অল্প সময়ে দ্রুত উত্তপ্ত বা রান্না হয়। 
- ম্যাগনেট্রন বিদ্যুৎকে তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণে (মাইক্রোওয়েভ) রূপান্তরিত করে, যা বৈদ্যুতিক এবং চৌম্বকীয় শক্তির তরঙ্গ দিয়ে তৈরি। 
- ম্যাগনেট্রন দ্বারা উৎপন্ন হওয়ার পরে মাইক্রোওয়েভগুলো একটি ওয়েভগাইড নামক ধাতব ঘেরের মধ্য দিয়ে একটি স্টিরার ফ্যানে ভ্রমণ করে, যা মাইক্রোওয়েভগুলোকে রান্নার গহ্বরে বিতরণ করে। রান্নার এলাকার ভিতরে মাইক্রোওয়েভগুলো খাবার দ্বারা শোষিত হয়, যা কয়েক মিনিট বা সেকেন্ডের মধ্যে রান্না বা উত্তপ্ত হয়।  
- মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ কাচ, প্লাস্টিক, সিরামিক ও কাগজের মধ্য দিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধাতু দ্বারা প্রতিফলিত হয় এবং খাবার দ্বারা শোষিত হয়। খাবারের ভেতরের পানির অণুগুলোকে কম্পিত করে মাইক্রোওয়েভ তাপ উৎপন্ন করে; এই তাপেই খাবার রান্না হয়। কম্পনের ফলে অণুগুলোর মধ্যে ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়, যা তাপ উৎপাদনের প্রধান কারণ। 
- মাইক্রোওয়েভ রান্না প্রচলিত ওভেনের তুলনায় বেশি কার্যকর, কারণ এটি সরাসরি খাবারকে উত্তপ্ত করে, ওভেনের দেয়াল বা বাতাসকে নয়। মাইক্রোওয়েভ শোষিত হয়ে তাপে রূপান্তরিত হয়, তাই খাবার তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণে দূষিত হয় না। 

উৎস: encyclopedia.com ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] এবং দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক]।

৯,০৭৩.
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) প্লুটনিয়াম
  2. খ) রেডিয়াম
  3. গ) ক্যাডমিয়াম
  4. ঘ) ক্রোমিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) প্লুটনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লুটনিয়াম
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক বােমা তৈরি হয় ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239 ধাতু দিয়ে।
বােমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে বেরিয়াম এবং ক্রিপ্টনে পরিণত হয়।
Verified From: Britannica Encyclopaedia.

৯,০৭৪.
ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?
  1. ক) মদ্য শিল্পে
  2. খ) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
  3. গ) রুটি শিল্পে
  4. ঘ) এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে
সঠিক উত্তর:
খ) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
ব্যাখ্যা
- ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
- বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও এক কোষীয় প্রোটিন তৈরীতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়।
- ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। 
- সাইট্রিক এসিড বা  ভিটামিন সি উৎপাদনে ইস্টের ব্যবহার নেই

 উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯,০৭৫.
খাদ্যের কোন উপাদান রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে?
  1. ক) আমিষ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) স্নেহ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষ
ব্যাখ্যা

দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্তকণিকা ইত্যাদি অধিকাংশই আমিষ দ্বারা তৈরি।
আমিষ দেহের এন্টিবডি উৎপাদনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতেও সাহায্য করে।

৯,০৭৬.
নিচের কোনটি অতি-আণুবীক্ষণিক?
  1. ছত্রাক
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ভাইরাস
  4. সায়ানোব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস:
- সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি ভাইরাসজনিত রোগ।
- মানুষের ন্যায় অন্যান্য প্রাণীসহ গাছপালারও ভাইরাসজনিত রোগ হয়। 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না।
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
- বায়ু, মাটি, পানি ইত্যাদি জড় মাধ্যমে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- কাজেই ভাইরাস জীব এবং জড় উভয় অবস্থায় অবস্থান করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৭৭.
ধান কোন প্রকার পরাগী ফুলের উদাহরণ?
  1. বায়ু পরাগী
  2. প্রাণী পরাগী
  3. পতঙ্গ পরাগী
  4. পানি পরাগী
সঠিক উত্তর:
বায়ু পরাগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু পরাগী
ব্যাখ্যা

পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যাদের মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন।
- এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
- এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৭৮.
শব্দ তরঙ্গের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি ঘটবে না?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) উপরিপাতন
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
ব্যাখ্যা
শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ৷ যেকোনো তরঙ্গের মতই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৯,০৭৯.
নিচের কোন উদ্ভিদ দেহের খণ্ডায়নের মাধ্যমে জনন করে? 
  1. পটল
  2. সেগুন
  3. মিউকর
  4. মিষ্টি আলু
সঠিক উত্তর:
মিউকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিউকর
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন: 
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে স্বাভাবিক নিয়মেই এ ধরনের অঙ্গজ জনন দেখা যায়। 
যেমন- 
১. দেহের খণ্ডায়ন: 
- সাধারণত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে এ ধরনের জনন দেখা যায়। 
- Spirogyra, Mucor ইত্যাদি উদ্ভিদের দেহ কোনো কারণে খণ্ডিত হলে প্রতিটি খণ্ড একটি স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে। 

২. মূলের মাধ্যমে: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। 
যেমন- পটল, সেগুন ইত্যাদি। 
- কোনো কোনো মূল খাদ্য সঞ্চয়ের মাধ্যমে বেশ মোটা ও রসাল হয়, এর গায়ে কুঁড়ি সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে নতুন উদ্ভিদ গজায়। 
যেমন- মিষ্টি আলু। 

৩. রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে: 
- উদ্ভিদের কোন অংশকে কাণ্ড বলে তা নিশ্চয়ই সবাই জানে তবে কিছু কাণ্ডের অবস্থান ও বাইরের চেহারা দেখে তাকে কাণ্ড বলে মনেই হয় না, এরা পরিবর্তিত কাণ্ড। 
- বিভিন্ন প্রতিকূলতায়, খাদ্য সঞ্চয়ে অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,০৮০.
শিশুদের জন্মের কত বছর পর পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে?
  1. ক) ১২ মাস
  2. খ) ২০ মাস
  3. গ) ১৮ মাস
  4. ঘ) ২৪ মাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ মাস
ব্যাখ্যা
পুষ্টিকর উপাদান নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে তাকে সিরিয়াল এবং শাকসবজি ও ডিমের মতো পারিবারিক খাবার চটকে খাওয়াতে হবে।
দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে। একেই বলে পরিপূরক খাবার খাওয়ানো। এর মধ্য দিয়ে শিশু শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়া থেকে পারিবারিক খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। শিশুর ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে ছয় মাস থেকে ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং এমন একটি সময়ে এটা হয় যখন তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

সূত্র: ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। 
৯,০৮১.
সালোকসংশ্লেষণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
  2. খ) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
  3. গ) পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
  4. ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৯,০৮২.
নিচের কোনটি উপধাতু?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) বেরেলিয়াম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্সেনিক
ব্যাখ্যা

যে মৌলের মধ্যে ধাতু ও অধাতু উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তাকে উপধাতু বা অপধাতু বলে।
যেমন-বােরন (B), সিলিকন (Si), আর্সেনিক (As), টেলুরিয়াম (Te) ইত্যাদি।
সূত্রঃ রসায়ন বিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৯,০৮৩.
ইথানল জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কী ধরনের ইঞ্জিনে প্রয়োগ করা হয়? 
  1. বাষ্প ইঞ্জিন
  2. বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিন
  3. তাপ ইঞ্জিন
  4. হাইড্রোলিক ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
তাপ ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
জ্বালানি হিসেবে ইথানলের ব্যবহার: 
- ইথানল-এর অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল। 
- ইথানলের রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH. 
- জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন- কেরোসিন, ডিজেল, পেট্রল প্রভৃতির মতো ইথানলকে পোড়ালেও তাপ উৎপন্ন হয়। 
- তাই জীবাশ্ম জ্বালানির মতো ইথানলকেও তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান, জাহাজ প্রভৃতি চালানো যেতে পারে। 
- উত্তর আমেরিকাসহ অনেক দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে ইথানলকে মিশিয়ে তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সব গাড়িতে পেট্রলের সাথে শতকরা ১০ ভাগ ইথানল মিশিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই যত ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে ততই জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৮৪.
ক্লোরোপিকরিন এর রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. CH₃CHOHCH₃
  2. CCl3-NO2
  3. H-CHO
  4. CH₃ -CHO
সঠিক উত্তর:
CCl3-NO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CCl3-NO2
ব্যাখ্যা
ক্লোরোপিকরিন 
- কাঁদুনে গ্যাস/টিয়ার গ্যাস ক্লোরোপিকরিন CCl3-NO2। রাসায়নিক নাম ট্রাইক্লোরো নাইট্রোমিথেন।
- এটি একটি জৈব। কারণ এটি মিথেন CH4 এর ৪টি H পরমাণু ১ নাইট্রো মূলক -NO2 ও ৩টি ক্লোরিন পরমাণু -Cl দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- নাইট্রোক্লোরোফর্মের এই ব্যবহারের জন্য এটিকে ‘রায়ট কন্ট্রোল এজেন্ট’ও বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন দেশে ‘অবৈধ’ জমায়েত হটাতে এই গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- এই গ্যাসের কারণে চোখ দিয়ে অবিরত জল পড়া, চোখ জ্বালা করা, চামড়ায় দাগ হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তবে অধিক মাত্রায় এই গ্যাস ব্যবহার করা হলে ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে।
- সিডব্লিউসি অনুযায়ী, যুদ্ধে ক্লোরোপিকরিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ।
- ওপিসিডব্লিউ-এর তালিকায় এটি ‘চোকিং এজেন্ট’ হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে।

সূত্র-  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর  রসায়ন প্রথম পত্র। 
৯,০৮৫.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি? 
  1. বায়ু 
  2. শূন্যস্থান 
  3. ইস্পাত 
  4. পানি 
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত 
ব্যাখ্যা

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- অর্থাৎ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,০৮৬.
নিচের কোন আলোকযন্ত্রটির সাথে চোখের মিল আছে?
  1. ক) ক্যামেরা
  2. খ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  3. গ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যামেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যামেরা
ব্যাখ্যা

আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র এমন একটি যন্ত্র, যেটি দৃশ্যমান আলোতে ক্রিয়া করে।
লেন্সের সাহায্যে যন্ত্রটি ছোট জিনিসকে বড় করে দেখতে সাহায্য করে। আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র সবচেয়ে পুরাতন অণুবীক্ষণ যন্ত্র।
সপ্তদশ শতাব্দীতে যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান

৯,০৮৭.
বায়ু পরাগী ফুল কোনটি? 
  1. কদম
  2. জবা
  3. ধান
  4. পাতা শ্যাওলা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৮৮.
গ্রাডিমিটার কী?
  1. ক) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র
  2. খ) পানির নিচে মাটি কাটার যন্ত্র
  3. গ) পানির তলায় শব্দ নিরুপণের যন্ত্র
  4. ঘ) পানির তলায় তেলের সঞ্চয় নির্ণায়ক যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানির তলায় তেলের সঞ্চয় নির্ণায়ক যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানির তলায় তেলের সঞ্চয় নির্ণায়ক যন্ত্র
ব্যাখ্যা
পানির তলায় তেলের সঞ্চয় নির্ণেয়ের জন্য়  যন্ত্র  = গ্রাডিমিটার।

অপরদিকে 
ফ্যাদোমিটার – সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র
ড্রেজার — পানির নিচে মাটি কাটার যন্ত্র
হাইড্রোফোন — পানির তলায় শব্দ নিরুপণের যন্ত্র
৯,০৮৯.
স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন প্রসারণ সহগের মান কত? 
  1. 0.0366°C-1
  2. 36.66° C-1 
  3. 1/273° C-1
  4. -1/273° C-1
সঠিক উত্তর:
1/273° C-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/273° C-1
ব্যাখ্যা

1/273 Degree C-1

প্রসারণ সহগ:
- স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন প্রসারণ সহগ হলো গ্যাসের আয়তন পরিবর্তনের হার যা প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ঘটে, যখন চাপ স্থির থাকে।
- চার্লসের সূত্র অনুযায়ী, স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন তাপমাত্রার সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।

নিখুঁত গ্যাসের জন্য:
β=1/T​
T = কেলভিন তাপমাত্রা
স্ট্যান্ডার্ড অবস্থায় (0°C = 273° K)
β= 1 / 273 C-1

- পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গেছে, 0°C তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রাথমিক আয়তনের 1/273 অংশ বৃদ্ধি পায়।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই

৯,০৯০.
কোনটিকে দেহ গঠনের খাদ্য বলা হয়?
  1. আমিষ
  2. শর্করা
  3. ভিটামিন
  4. ফ্যাট
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে তাদেরকেই খাদ্য বলে যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ এক কথায় দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করে এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি।
যথা:
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। 
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে।
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে।

- খাদ্যের উপাদান মোট ৬ টি।
যথা: শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ  এবং পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ ( বা ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য।
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,০৯১.
দুটি নিউরনের সংযোগ স্থলকে কী বলে?
  1. অ্যাক্সন
  2. ডেনড্রাইট
  3. সিন্যাপস
  4. সোমা
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্যাপস
ব্যাখ্যা
• দুটি নিউরনের সংযোগ স্থলকে সিন্যাপস বলে।
• সিন্যাপস:
- দুটি নিউরনের সংযোগস্থলকে অথবা একটি নিউরন ও একটি ইফেন্টরের (যেমন- পেশি অথবা গ্রন্থি) সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে।
- সিন্যাপস এর মাধ্যমে উত্তেজনা বা তথ্য এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে প্রেরিত হয়।
- এগুলোর মাধ্যমেই প্রান্তীয় স্নায়ু দ্বারা গৃহীত উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রেরিত হয় এবং কেন্দ্রের নির্দেশাবলি প্রান্তের সুনির্দিষ্ট অঙ্গে পৌছায়। 
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল উচ্চতর কার্যাবলি, যেমন- সমন্বয়, শিক্ষণ, স্মৃতি ইত্যাদি সব কিছুই সম্ভব হয় কেবল সিন্যাপসের জন্য।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৯২.
কুকুরের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা কত?
  1. ক) 20,000Hz
  2. খ) 35,000Hz
  3. গ) 45,000Hz
  4. ঘ) 1,00,000Hz
সঠিক উত্তর:
গ) 45,000Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 45,000Hz
ব্যাখ্যা
• মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
• কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz
• বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz
• ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz
• বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৯৩.
কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যাই হচ্ছে ঐ মৌলের- 
  1. প্রোটন সংখ্যা
  2. পজিট্রন সংখ্যা
  3. নিউট্রন সংখ্যা
  4. ইলেকট্রন সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়। 
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা, Z= 11 । 
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা, Z = 17 । 
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রন সংখ্যার পরিবর্তন ঘটায়; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটায় না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৯,০৯৪.
ফোটন কণার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. শূন্য ভর
  2. বিদ্যুৎ চার্জ আছে
  3. আলোর গতিতে চলে
  4. আয়নিত করা যায় না
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চার্জ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চার্জ আছে
ব্যাখ্যা
• ফোটন কণা চার্জবিহীন। অর্থাৎ এর কোন বৈদ্যুতিক চার্জ নেই। 
• ফোটন:

- কোনো বস্তু থেকে আলো বা কোনো শক্তির নিঃসরণ নিরবচ্ছিন্নভাবে হয়না। আলোর এই কণা বা প্যাকেট বা কোয়ান্টাকে ফোটন (Photon) বলে। এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ যা আলোর কোয়ান্টাম হিসেবে কাজ করে।

• ফোটনের বৈশিষ্ট্য:
- প্রতিটি ফোটন কণাই চার্জহীন। তাই তড়িৎ ক্ষেত্র বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা এর কোনো বিক্ষেপ হয় না।
- প্রতিটি ফোটন কণা আলোর বেগে চলে। এই বেগের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি নেই।
-  ফোটন কণার স্থির ভর শূন্য।।
-  এদের আয়নিত করা যায় না।
-  ফোটন ভরহীন কণা হলেও এর সুনির্দিষ্ট ভরবেগ আছে। 

তথ্যসূত্র:
-  ব্রিটানিকা। 
৯,০৯৫.
ক্রিটিনিজমে কোন হরমোনের ঘাটতি শিশুর বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করে? 
  1. অক্সিটোসিন
  2. ইনসুলিন
  3. থাইরয়েড
  4. অ্যাড্রেনালিন
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধি প্রতিবন্ধীতার সাথে সম্পর্কিত কিছু রোগ রয়েছে যা দেখে সহজে শনাক্ত করা যায়। 
যেমন- 
ক) মাইক্রোসেফালি: 
- মাথার আকৃতি অস্বাভাবিক ছোট, এরা গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়। 

খ) হাইড্রোসেফালি: 
- মাথার ভিতরে তরল পদার্থ জমে থাকে, ফলে মাথার আকৃতি অস্বাভাবিক বড় হয়। 

গ) ডাউন সিনড্রোম: 
- মুখোমন্ডল গোলাকার, তীর্যক চোখ, চোখের পাতা পুরু হয়। জন্মের সময় শিশু দুর্বল ও শিথিল থাকে। হাত, পা ও ঘাড় খাটো হয়। উপুর হওয়া, বসা, হাঁটা দেরি হয়। 

ঘ) ক্রিটিনিজম: 
- শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বিলম্ব হয়। শিশুর দেহে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন কম হয়। ফলে শিশু খুব ধীরে বেড়ে ওঠে, কপাল ছোট, মুখমন্ডল ও হাত-পা ফোলা ইত্যাদি। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৯৬.
নিচের কোনটিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড/প্রভু গ্রন্থি বলা হয়?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. পিটুইটারি গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি গ্রন্থি
ব্যাখ্যা

পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বা Master Gland বলা হয়।

পিটুইটারি গ্রন্থি:
- পিটুইটারি গ্রন্থি হলো মানব মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র, লালচে-ধূসর রঙের মটর-সদৃশ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
- এটি অন্তঃক্ষরাতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার ওজন মাত্র ০.৫ গ্রাম।
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা নিয়ামক গ্রন্থি (Principal/Master gland) বলে।
- এটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ করে এবং অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির (যেমন থাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল ও প্রজনন গ্রন্থি) কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি হাইপোথ্যালামাসের সাথে সংযুক্ত থাকে।

প্রধান অংশ ও হরমোনসমূহ:
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধানত দুইটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা:
১। অগ্র পিটুইটারি (Anterior Pituitary/Adenohypophysis):
- দেহের বৃদ্ধি, বিপাক এবং অন্যান্য গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর প্রধান হরমোনগুলো হলো:
- গ্রোথ হরমোন (GH): দেহের সামগ্রিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
- থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH): থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- অ্যাড্রেনোকর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH): অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) এবং লিউটিনাইজিং হরমোন (LH): এ দুটি হরমোনকে একত্রে গোনাডোট্রপিক হরমোন (GTH) বলা হয়, যা প্রজনন অঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রোল্যাকটিন (Prolactin): দুগ্ধ উৎপাদনে সহায়তা করে।
- মেলানোসাইট স্টিমুলেটিং হরমোন (MSH): ত্বক ও চুলের বর্ণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

২। পশ্চাৎ পিটুইটারি (Posterior Pituitary/Neurohypophysis):
- এই অংশটি নিজে কোনো হরমোন তৈরি করে না, বরং হাইপোথ্যালামাস থেকে আসা দুটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন সংরক্ষণ করে ও প্রয়োজনে নিঃসরণ করে।
• হরমোন দুটি হলো:
- ভ্যাসোপ্রেসিন (Vasopressin): এটি অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন (ADH) নামেও পরিচিত, যা কিডনির মাধ্যমে মূত্র নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- অক্সিটোসিন (Oxytocin): এটি সন্তান প্রসবকালে জরায়ুর সংকোচন ঘটানো এবং দুগ্ধ নিঃসরণে সাহায্য করে।

অন্যান্য অপশন:
থাইরয়েড গ্রন্থি: এটি থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা বিপাক (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিজে মাস্টার গ্ল্যান্ড নয়, বরং এটি পিটুইটারি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি: এটি কিডনির উপরে অবস্থিত এবং স্ট্রেস হরমোন (যেমন অ্যাড্রেনালিন, করটিসল) নিঃসরণ করে। এটিও পিটুইটারি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অগ্ন্যাশয়: এটি একটি মিশ্র গ্রন্থি। এটি ইনসুলিন ও গ্লুকাগন (রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী) হরমোন এবং পাচক এনজাইম নিঃসরণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

৯,০৯৭.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1.  ৫ ভাগ 
  2.  ৭ ভাগ 
  3.  ৩ ভাগ 
  4.  ৬ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

৯,০৯৮.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কোনটি?
  1. 2100 Jkg-1K-1
  2. 2000 Jkg-1K-1
  3. 4200 Jkg-1K-1
  4. 2400 Jkg-1K-1
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তাপ: 
- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
যেমন- আঁধা লিটার (0.5 kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5 kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। 
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1 kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
- তাই 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
- আপেক্ষিক তাপকে ইংরেজি S অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1 । 
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৯৯.
‘অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা’- কে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Embryology
  3. Microbiology
  4. Mycology
সঠিক উত্তর:
Microbiology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microbiology
ব্যাখ্যা
Microbiology - অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা।

অন্যদিকে,
Embryology - ভ্রণ সম্পর্কিত বিদ্যা।
Evolution - বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা।
Mycology - ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যা।

উৎস: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৯,১০০.
মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনার জন্য সাধারণত কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ফিগমোম্যানোমিটার
  2. খ) ব্যারোরিসেপ্টর
  3. গ) স্টেথোস্কোপ
  4. ঘ) ক্রেসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেথোস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেথোস্কোপ
ব্যাখ্যা
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনার জন্য সাধারণত স্টেথোস্কোপ ব্যবহৃত হয়। 

- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়। এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- আমাদের হাতের কবজির রেডিয়াল ধমনিতে এই স্পন্দন গোনা যায় আবার বুকের বাম দিকে নির্দিষ্ট স্থানে স্টেথোস্কোপ বসিয়ে শব্দ শোনা যায়।
- হাতের কবজিতে হৃৎস্পন্দন অনুভব করাকে পালস বলে।
- স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায়, তাকে হার্টসাউন্ড বলে। হৃৎস্পন্দন বা হার্ট-বিটকে যখন প্রতি মিনিটে হাতের কবজিতে গণনা করা হয়, তখন তাকে পালস রেট বলে।

------------------------
- স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
- ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র।
- ব্যারোরিসেপ্টর মানুষের রক্তবাহিকার প্রাচীরে বিশেষ সংবেদী স্নায়ু প্রান্ত (sensory nerve ending) থাকে। এগুলো রক্তচাপ পরিবর্তনে বিশেষভাবে সাড়া দেয় এবং দেহে রক্ত চাপের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই সংবেদী স্নায়ু প্রান্তকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে। 

সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই