বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮৯ / ১৪০ · ৮,৮০১৮,৯০০ / ১৪,০৮০

৮,৮০১.
নিচের কোনটির ভর সবচেয়ে কম?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
- পরমাণু মূলত ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন কণিকা দিয়ে গঠিত।
- প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত নিউক্লিয়াস পরমাণুর কেন্দ্রে খুব স্বল্প স্থান নিয়ে অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন ও প্রোটন চার্জিত কণা। 
- ইলেকট্রনের ভর সবচেয়ে কম। 
- প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের ভরের 1836 গুণ।
- নিউট্রনের ভর ইলেকট্রনের ভরের 1839 গুণ ।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন নেই, শুধু একটি প্রোটন আছে।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৮০২.
রংধনু কিভাবে তৈরি হয়?
  1. আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণের মাধ্যমে
  2. আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
  3. কেবল আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে
  4. কেবল আলোর বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• রংধনু তৈরি হয় আলোর প্রতিসরন, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরনের মাধ্যমে।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে (θc) আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোক রশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

•  আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য:
- পাকা রাস্তায় বা মরুভূমিতে মরীচিকার সৃষ্টি হয়।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে এন্ডোস্কোপির ব্যবহার।
- পদ্মপাতার উপর জলবিন্দুকে মুক্তোর মতো দেখায়।
- হীরক উজ্জ্বল দেখায়।
- রংধনু তৈরি হয় আলোর প্রতিসরন, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮০৩.
নিচের কোনটি এক্সরে রশ্মির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এটি তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গ
  2. এটি সরল পথে গমন করে
  3. এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
  4. এটি আলোক তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শন করে
সঠিক উত্তর:
এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
ব্যাখ্যা
এক্সরের ধর্মঃ
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮০৪.
ভূগর্ভের ভাগগুলোকে বলে-
  1. ক) টেকটোনিক প্লেট
  2. খ) লেয়ার
  3. গ) স্ট্রাটা
  4. ঘ) অশ্মমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
খ) লেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেয়ার
ব্যাখ্যা

ভূগর্ভ বা ভূঅভ্যন্তর প্রধাণত ৩টি স্তরে তথা Layer এ বিভক্ত। প্রত্যেকটা স্তরকে কে বাংলায় মণ্ডল বলা হয়ে থাকে। ৩টি মণ্ডল নিয়ে ভূঅভ্যন্তর গঠিত, যথা, অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল, কেন্দ্রমণ্ডল।
এর মধ্যে, অশ্মমণ্ডল বা ভূত্বক কতগুলো প্লেট দ্বারা গঠিত এগুলোকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়ে থাকে।
প্রশ্নানুসারে, সঠিক উত্তর হয়, Layer বা মণ্ডল।
সুত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই।

৮,৮০৫.
যদি একটি ডিসি মোটর-এর Speed বেড়ে যায়, তবে তার আর্মেচার কারেন্ট-
  1. বেড়ে যায়
  2. কমে যায়
  3. একই থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
ব্যাখ্যা
যখন একটি DC মোটরের গতি বাড়ানো হয়, তখন আর্মেচার কারেন্ট কমতে থাকে। এটি আর্মেচার উইন্ডিংয়ে উত্পন্ন back electromotive force(EMF) এর কারণে হয়ে থাকে। 

তাছাড়া, 
ডিসি মোটর এর ক্ষেত্রে, 
E ∝ N 

সুতরাং, Speed বেড়ে গেলে E এর মান বাড়ে। 

আবার, 
E = V - IaRa

E এর মান বেড়ে গেলে Ia এর মান কমবে। 
৮,৮০৬.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. f = c/λ
  2. E = hf
  3. E = hc/λ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) উপরের সবগুলো 

• ফোটন কণা:
 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে। 

• প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ
বা, E = hf 
বা, E = h × c/λ 
E = hc/λ 

এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮০৭.
নিচের কোন শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা যায়?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. কয়লা
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- 'জলবিদ্যুৎ' শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা যায় কারণ এটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশবান্ধব ও বারবার ব্যবহার করা হয়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা - 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তি (সবুজ শক্তি)ও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮০৮.
নিচের কোন কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি? 
  1. অ্যানথ্রাসাইট
  2. বিটুমিনাস
  3. লিগনাইট
  4. কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ রকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। 
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ। পরবর্তীতে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। যথা: 
১। অ্যানথ্রাসাইট: অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
২। বিটুমিনাস: বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
৩। লিগনাইট: লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮০৯.
কোনটি তরল যোজক টিস্যুর উদাহরণ?
  1. ক) রক্ত
  2. খ) হরমোন
  3. গ) রেজিন
  4. ঘ) মিউসিলেজ
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত
ব্যাখ্যা
তরল যোজক টিস্যু : তরল যোজক টিস্যুর মাতৃকা তরল। মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ কলয়েড এবং দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

কাজ : তরল যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা, রোগ প্রতিরোধ এবং রক্ত জমাট বাঁধায় বিশেষ ভূমিকা রাখা।

প্রকারভেদ- এরা দু’প্রকারের হয়। যথা- ১. রক্ত এবং ২. লসিকা।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৮১০.
ইথিলিন থেকে কী পাওয়া যায়?
  1. ক) পলিথিন
  2. খ) PVC
  3. গ) নাইলন ৬ঃ৬
  4. ঘ) পলিপ্রপিন
সঠিক উত্তর:
ক) পলিথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলিথিন
ব্যাখ্যা
ইথিলিন থেকে পলিথিন  পাওয়া যায়। 
ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 
 
অথবা

তবে উচ্চ চাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতি টি জনপ্রিয় নয়। এখন টাইটেনিয়াম ট্রাই ক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পলিথিন তৈরি হয়। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৮,৮১১.
সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে উদ্ভিদ কী তৈরি করে? 
  1. পানি
  2. নাইট্রোজেন
  3. গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৮,৮১২.
কোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় -
  1. ক) চৌম্বক মেরু
  2. খ) চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  3. গ) চৌম্বক অক্ষ
  4. ঘ) চৌম্বক মধ্যতল
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক অক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক অক্ষ
ব্যাখ্যা

চুম্বক:
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে।
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায় ।

চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব।
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। 

• চৌম্বক মেরু (Magnetic pole):
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে।
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মের° N ও S দেখানো হয়েছে।


N = North Pole (উত্তরমেরু)
S = South Pole (দক্ষিণমেরু)। 

• চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis):
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।
- চিত্রে AB দন্ডচুম্বকের অক্ষ। 

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length):
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে।
- চিত্রে NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

• চৌম্বক মধ্যতল (Magnetic meridian):
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে।

• ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographical meridian):
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে।
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৮,৮১৩.
কোনটি একটি দ্বিপরমাণুক অণু হিসেবে পরিচিত?
  1. CO2
  2. CH4
  3. O3
  4. O2
সঠিক উত্তর:
O2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O2
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮১৪.
রেললাইনের ফিস প্লেট কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ট্রেনের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে
  2. খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
  3. গ) উষ্ণতার কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া নিবারণ করে
  4. ঘ) রেলকে সমদূরত্বে রাখে
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
ব্যাখ্যা
- রেললাইনের ফিস প্লেট দুইটি রেলকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ফিস প্লেট (Fish plate) এর অপর নাম Joint Bar. কারণ ইহা রেলের এক প্রান্তকে অপর প্রান্তের সাথে সংযোগ করে। 
 
 
৮,৮১৫.
উদ্ভিদ কোষে খাদ্য সাধারণত কোন আকারে সংরক্ষিত থাকে?
  1. গ্লুকোজ
  2. স্টার্চ
  3. স্নেহ 
  4. প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
স্টার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার্চ
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য (গ্লুকোজ) নিজেই তৈরি করে, তবে এই তৈরি করা অতিরিক্ত গ্লুকোজ উদ্ভিদ সরাসরি নিজের দেহে জমিয়ে রাখতে পারে না, কারণ এটি পানিতে দ্রবণীয় এবং কোষের অসমোটিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাই উদ্ভিদ এই গ্লুকোজকে অদ্রবণীয় জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড স্টার্চ (শ্বেতসার) হিসেবে পাতা, মূল, কাণ্ড এবং বীজে সঞ্চয় করে রাখে। 

উদ্ভিদ কোষের বৈশিষ্ট্য: 
- উদ্ভিদ কোষের চারদিকে সেলুলোজ নির্মিত জড় কোষপ্রাচীর বিদ্যমান থাকে। এর নিচে প্লাজমা ঝিল্লী থাকে। 
- কিছু নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ ব্যতীত অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। ব্যতিক্রম- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে প্লাস্টিড থাকে না। 
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য সাধারণত শ্বেতসার বা স্টার্চ। 
- উদ্ভিদ কোষে কোন সেন্ট্রোসোম থাকে না। ব্যতিক্রম- কিছু শৈবাল, মস ও ছত্রাকে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- উদ্ভিদ কোষে সাধারণত বড় আকারের এক বা একাধিক কোষ গহ্বর থাকে এবং স্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ কোষের আকার সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে না। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের পরিধির দিকে থাকে। 
- শুধুমাত্র ভাজক কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য তরল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮১৬.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রী?
  1. ৯৭.২
  2. ৯৪.৮
  3. ৯৬.৪
  4. ৯৮.৪
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪
ব্যাখ্যা
মানবদেহের তাপমাত্রা: 
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে। 
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে। 
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৮,৮১৭.
নিম্নের কোনটি বহিঃকঙ্কালের উদাহরণ?
  1. করোটি
  2. নখ
  3. উরু অস্থি
  4. মেরুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
নখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নখ
ব্যাখ্যা

• নখ: বহিঃকঙ্কালের উদাহরণ।
- নখ দেহের বাইরের অংশে অবস্থিত কঙ্কালীয় গঠন, তাই এটি বহিঃকঙ্কাল।

• মানব কঙ্কালের সাধারণ পরিচিতি:
- আমাদের দেহের গঠন কাঠামো হলো কঙ্কাল।
- অস্থি, এবং তরুণাস্থি দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের মূল কাঠামো গঠন করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- কঙ্কালতন্ত্র দেহের অভ্যন্তরীণ কোমল অঙ্গসমূহকে সুরক্ষা দেয়।
- এটি দেহের ভার বহন করে।
- পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে।
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট 206টি অস্থি নিয়ে গঠিত।

• কঙ্কালতন্ত্রের শ্রেণিবিভাগ:
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত।
যথা- বহিঃকঙ্কাল (Exoskeleton) এবং অন্তঃকঙ্কাল (Endoskeleton).

• বহিঃকঙ্কাল (Exoskeleton):
- কঙ্কালের যে অংশগুলো দেহের বাইরে অবস্থান করে সেগুলো বহিঃকঙ্কাল।
উদাহরণ: নখ, চুল, লোম।

• অন্তঃকঙ্কাল (Endoskeleton):
- কঙ্কালের যে অংশগুলো বাইরে থেকে দেখা যায় না সেগুলো অন্তঃকঙ্কাল।
- অস্থি এবং তরুণাস্থি নিয়ে অন্তঃকঙ্কাল গঠিত।
- করোটি, মেরুদণ্ড, পাঁজর ইত্যাদি অন্তঃকঙ্কালের অন্তর্ভুক্ত।

• কঙ্কালতন্ত্রের কাজ:
- কাঠামো দান: দেহকে নির্দিষ্ট আকার প্রদান করে।
- সংরক্ষণ: করোটি মস্তিষ্ককে, বক্ষপিঞ্জর হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসকে রক্ষা করে।
- নড়াচড়া: অস্থি ও পেশির সমন্বয়ে চলাচল সম্ভব হয়।
- রক্তকণিকা উৎপাদন: অস্থিমজ্জায় রক্তকণিকা তৈরি হয়।
- খনিজ সঞ্চয়: ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি খনিজ সঞ্চিত থাকে।
- ভারবহন: দেহের সব অঙ্গ কঙ্কালের উপর নির্ভরশীল।
 
• অন্যান্য অপশন:
- করোটি → অন্তঃকঙ্কালের অংশ, যা মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়।
- উরু অস্থি → অন্তঃকঙ্কালের দীর্ঘ অস্থি, চলাচলে সহায়ক।
- মেরুদণ্ড → অন্তঃকঙ্কালের অক্ষীয় অংশ, দেহকে সোজা রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮১৮.
আলুর একটি জাতের নাম-
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা

• আলুর একটি জনপ্রিয় জাত হলো ডায়মন্ড। এই জাতটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধক্ষম। ডায়মন্ড আলুর গাছ মাঝারি উচ্চতার হয় এবং পাতাগুলো গাঢ় সবুজ রঙের। এর কন্দ বা আলু মাঝারি আকারের, খোসা মসৃণ ও হালকা বাদামি বর্ণের। এই জাতটি মূলত মাঝারি ও শীতপ্রধান অঞ্চলে ভালো ফলন দেয়। ডায়মন্ড জাতের আলু রান্নার জন্য খুব উপযুক্ত এবং সংরক্ষণক্ষমতাও ভালো। কৃষকরা কম সময়ের মধ্যে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য এটি চাষ করতে আগ্রহী। এজন্য ডায়মন্ড বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় আলুর জাত হিসেবে পরিচিত।

• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
• ড্রামহেড, গ্রীন এক্সপ্রেস ও গোল্ডেন ক্রস হচ্ছে উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৮,৮১৯.
কোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলে-  
  1. টিনপ্লেটিং
  2. ভলকানাইজিং
  3. গ্যালভানাইজিং
  4. ইলেকট্রোপ্লেটিং 
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। 
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। 
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮২০.
মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও সমাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায় -
  1. ক) সেরেব্রাম
  2. খ) থ্যালামাস
  3. গ) সেরেবেলাম
  4. ঘ) হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
খ) থ্যালামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থ্যালামাস
ব্যাখ্যা
সেরেব্রাম (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- সংবেদী অঙ্গ থেকে আসা অনুভূতি গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করে।
- চিন্তা, বুদ্ধি, ইচ্ছাশক্তি, উদ্ভাবনীশক্তি প্রভৃতি উন্নত মানসিক বোধের নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিভিন্ন সহজাত প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- দেহের সব ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। 

থ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- এটি সংজ্ঞাবহ স্নাউর রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে।
- চাপ, স্পর্শ, যন্ত্রণা প্রভৃতি স্থূল অনুভূতির কেন্দ্র, আবেগের কেন্দ্র ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও সমাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায়। 
- ঘুম্নত মানুষকে হঠাৎ জাগিয়ে তোলা ও পরিবেশ সম্বন্ধে সতর্ক করে তোলে।

হাইপোথ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘাম, ঘুম, রাগ, পীড়ন, ভালোবাসা, ঘৃণা, উদ্বেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 

সেরেবেলাম (পশ্চাৎমস্তিষ্ক): 
- ঐচ্ছিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ঐচ্ছিক পেশির পেশিটান নিয়ন্ত্রণ করে।
- দেহের ভারসাম্য ও দেহভঙ্গি বজায় রাখে।
- চলাফেরার দিক নির্ধারণ করে।
  
সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজি আজমল ও গাজী আসমত।
৮,৮২১.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব কত মিটার? 
  1. ১৬.৬ মিটার
  2. ১৪.৮ মিটার
  3. ১৮.৬ মিটার
  4. ১৯.৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮২২.
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ-
  1. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
  3. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
  4. বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
ব্যাখ্যা
• কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান।

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- ঘনত্বের একক kgm3.
- ঘনত্বের মাত্রা ML-3.
- যখন কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান হয়, তখন বস্তুটি পানিতে নিরপেক্ষ ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- অর্থাৎ, বস্তুটি পানিতে পুরোপুরি ডুবে থাকে কিন্তু কোনো দিকে ভেসে ওঠে না বা নিচে ডুবে যায় না। এই অবস্থায় বস্তুর ওজন এবং পানির বুয়েন্ট ফোর্স একে অপরের সমান হয়।
- যদি কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বস্তুটি পানির নিচে ডুবে যাবে।
- যদি কো্নো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হয়, তাহলে বস্তুটি পানির উপর ভেসে উঠবে
- আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে, কোনো বস্তুকে পানিতে ডুবালে বস্তুটি তার ওজনের সমান পরিমাণ পানিকে স্থানচ্যুত করে। যদি বস্তুর ঘনত্ব পানির সমান হয়, তাহলে বস্তুটি সম্পূর্ণভাবে পানিতে ডুবলেও সেটা পানির মধ্যে একই স্থানে অবস্থান করবে।

উৎস:
১. Principles of Physics by David Halliday, Robert Resnick, and Jearl Walker.
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮২৩.
ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি হওয়ার শেষ ধাপ দেহের কোন অঙ্গে ঘটে?
  1. ত্বক
  2. কিডনি
  3. লিভার
  4. অন্ত্র 
সঠিক উত্তর:
কিডনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিডনি
ব্যাখ্যা

রিকেটস (Rickets) রোগ: 
- রিকেটস (Rickets) রোগ কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়। 
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন। 
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি কিডনিতে সংঘটিত হয়
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ। এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়। 

- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। 
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো, এতে সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়। 
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮২৪.
NaCl যৌগে নিচের বিক্রিয়াটি - 
  1. জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
  2. বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া
  3. জারণ বিজারন বিক্রিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও
যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

NaCl যৌগেঃ


উৎস - নবম দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৮,৮২৫.
সাবানকে শক্ত করতে কোন যৌগ ব্যবহার করা হয়?
  1. গ্লিসারিন
  2. সোডিয়াম সিলিকেট
  3. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা

সাবান:
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮২৬.
Embryology হলো-
  1. ক) অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা
  2. খ) ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যা
  3. গ) বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা
  4. ঘ) ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে Embryology বলা হয়।
অন্যদিকে,
Microbiology – অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা,
Evolution – বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা এবং
Mycology – ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮,৮২৭.
৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে কী বলে?
  1. রেক্টিফাইড স্পিরিট
  2. ফরমালিন
  3. ভিনেগার
  4. ক্লোরোপিক্রিন
সঠিক উত্তর:
রেক্টিফাইড স্পিরিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেক্টিফাইড স্পিরিট
ব্যাখ্যা
প্রাত্যহিক জীবনে রসায়ন:

• ক্লোরোফরমের রাসায়নিক সংকেত: CHCl3 (চেতনানাশক রূপে ব্যবহৃত হয়)।
• ক্লোরোফরমের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় কাঁদুনে গ্যাস বা ক্লোরোপিক্রিন তৈরি হয়।
• ফল পাকানোর জন্য দায়ী ইথিলিন (CH2=CH2)
• ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেক্টিফাইড স্পিরিট বলে।
• ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
• পিঁপড়ার কামড়ের সময় পিঁপড়ার লালার সাথে ফরমিক এসিড বা মিথানোয়িক এসিড নিঃসৃত হয়।
• অ্যাসিটিক এসিডের ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে।
• পাকা কলায় এমাইল এসিটেট এস্টার থাকে।
• কঁচুতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকার কারণে কঁচু খেলে গলা চুলকায়।

 উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই।
৮,৮২৮.
উদ্ভিদের জন্য মাইক্রো উপাদানের উদাহরণ কোনটি?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. সালফার
  3. কার্বন 
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তাদের মাইক্রো উপাদান বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলা হয়। ম্যাঙ্গানিজ (Mn) একটি অত্যাবশ্যকীয় মাইক্রো উপাদান যা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ, ক্লোরোফিল উৎপাদন এবং এনজাইম সক্রিয়করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০ টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। 
- এ ৬০ টি উপাদানের মধ্যে ১৬ টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এ ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৯ টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

২। মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭ টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮২৯.
নিচের কোনটি আগ্নেয় পর্বত?
  1. আন্দিজ
  2. কিলিমাঞ্জারো
  3. ব্ল্যাক ফরেস্ট
  4. হেনরী পর্বত
সঠিক উত্তর:
কিলিমাঞ্জারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা
- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে সৃষ্ট পর্বত আগ্নেয় পর্বত নামে পরিচিত।
উদাহরণ:
- কিলিমাঞ্জারো (আফ্রিকা)
- ফুজিয়ামা (জাপান)
- ভিসুভিয়াস (ইতালি)
- পিনাটুবো (ফিলিপাইন) ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ : ভঙ্গিল পর্বত
- ব্ল্যাক ফরেস্ট (জার্মনি) : চ্যূতি-স্তূপ পর্বত
- হেনরী (যুক্তরাষ্ট্র) : ল্যাকোলিথ পর্বত।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৮৩০.
Among these materials, which is classified as a paramagnetic material?
  1. Iron
  2. Cobalt
  3. Oxygen
  4. Nickel
  5. All are paramagnetic materials
সঠিক উত্তর:
Oxygen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxygen
ব্যাখ্যা
• ডায়া চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• প্যারা চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরো চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৩১.
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ৪৭
  3. গ) ৭৯
  4. ঘ) ১২
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
ব্যাখ্যা
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩।
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা ৪৭। 
গোল্ডের পারমাণবিক সংখ্যা ৭৯। 
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
৮,৮৩২.
শূন্য মাধ্যমে তাপ সঞ্চালিত হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) পরিচালন
  3. গ) বিকিরণ
  4. ঘ) সঞ্চালন
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
ব্যাখ্যা
তাপ তিনটি পদ্ধতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে। যথা:
পরিবহন: পরিবহন পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলো কোনো স্থান পরিবর্তন না করে তাপ উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চারিত হয়। যেমন—একটি লোহার দণ্ডের এক প্রান্ত আগুনে ধরে অন্য প্রান্ত হাত দিয়ে ধরলে দেখা যাবে, হাতে ধরা প্রান্ত ধীরে ধীরে গরম হয়ে উঠছে। কিছুক্ষণ পর এত গরম হবে সে আর ধরে রাখা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চারিত হয়।
পরিচলন: পরিচলন পদ্ধতিতে পদার্থের উত্তপ্ত কণাগুলো নিজেরাই স্থান পরিবর্তন করে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ বয়ে নিয়ে যায়। যেমন—একটি কাচের পাত্রে পানি নিয়ে এর সঙ্গে কিছু রং মিশিয়ে পাত্রের তলায় তাপ প্রয়োগ করলে দেখা যাবে যে পাত্রের তলা থেকে রঙিন পানির স্রোত উপরের দিকে উঠে যায়, অন্য একটি স্রোত নিচে নেমে আসে। এর ফলে সব পানি উত্তপ্ত হয়।
বিকিরণ: বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ কোনো জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই অথবা মাধ্যম থাকলে তাকে উত্তপ্ত না করে উষ্ণতর বস্তু থেকে শীতলতর বস্তুতে সঞ্চারিত হয়। শূন্য মাধ্যমে তাপ বিকিরণ পদ্ধতির সাহায্যে সঞ্চালিত হয়। যেমন: সূর্য থেকে তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে পৌঁছায়।বিকিরণের সময় তাপ তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণী।
৮,৮৩৩.
পৃথিবীতে বিদ্যমান শক্তির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ভূ-তাপীয় শক্তি
  2. সূর্য কিরণ
  3. জলবিদ্যুৎ 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সূর্য কিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য কিরণ
ব্যাখ্যা

সৌরশক্তি: 
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি।
- সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি। 
- প্রাচীনকাল থেকে মানুষ সূর্য কিরণকে সরাসরি ব্যবহার করছে কোনো কিছু শুকানোর কাজে। 
- বর্তমানে সূর্যের শক্তিকে সবসময় ব্যবহারের জন্য মানুষ নানান রকম উপায় অবলম্বন করছে। 
- লেন্স বা দর্পণের সাহায্যে সূর্য রশ্মিকে অভিসারী করে আগুন জ্বালানো যায়। 
- সৌরচুল্লির সাহায্যে সূর্য কিরণকে প্রতিফলিত করে গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার করা যায়। 
- শীত প্রধান দেশে ঘরবাড়ি গরম করার কাজে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। 
- সৌর শক্তি ব্যবহার করে হিটার ও কুকার ব্যবহার করা যায়। 
- আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে সৌরকোষ। 
- সৌরকোষের বৈশিষ্ট্য হলো এর উপর সূর্যের আলো পড়লে এ থেকে সরাসরি তড়িৎ পাওয়া যায়। সৌরকোষের নানা রকম ব্যবহার রয়েছে। 
- সৌরশক্তি পরিবেশ বান্ধব, এটির ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয়না। 
- সৌরশক্তির শেষ হবার কোন সম্ভাবনা নেই, এ শক্তির তাই প্রচলিত শক্তির উৎস জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা খুব বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৩৪.
সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. সূর্যের উন্নতি
  2. ধ্রুবতারার উন্নতি
  3. সূর্যের অবনতি
  4. ধ্রুবতারার অবনতি
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উন্নতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উন্নতি
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি: 
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
- সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০° - (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ± বিষুবলম্ব)।

২। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয়:
- ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০° এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়।
- সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,৮৩৫.
ডিএনএ (DNA) কী?
  1. ক) নিওক্লিওপ্লাজম
  2. খ) ক্রোমোজোম
  3. গ) নিউক্লিক এসিড
  4. ঘ) এনজাইম
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিক এসিড
ব্যাখ্যা

- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান ডিএনএ।
- ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিডের সংক্ষিপ্ত রূপ ডিএনএ।
- নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। যথাঃ ডিএনএ ও আরএনএ।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
যথাঃ
১. অ্যাডেনিন,
২. গুয়ানিন,
৩. সাইটোসিন ও
৪. থাইমিন।

৮,৮৩৬.
p-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়? 
  1. এন্টিমনি
  2. আর্সেনিক
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
p- টাইপ অর্ধপরিবাহী: 
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে। 
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়। 
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে। 
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে। 
- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে। 
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে। 
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। 
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন। 
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৩৭.
কোনটি বলের একক নয়?
  1. ক) ডাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) পাউন্ডাল
  4. ঘ) জুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুল
ব্যাখ্যা
• বলের  এককসমূহ:
- ডাইন,
- নিউটন,
- পাউন্ডাল।

• ১ ডাইন = ০.০০০০১ নিউটন। 

==========
- জুল হলো কাজ/শক্তি/তাপের একক।
৮,৮৩৮.
হার্টে পেইসমেকার বসাতে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. কার্বন- 14
  2. ফসফরাস- 32
  3. আয়োডিন-131
  4. প্লুটোনিয়াম- 238
সঠিক উত্তর:
প্লুটোনিয়াম- 238
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লুটোনিয়াম- 238
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে আইসোটোপের ব্যবহার: 
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু'ধরনের ব্যবহার আছে। 
যেমন - 
ক) রোগ নিরাময়ে ও 
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়। 

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। 
- আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131(131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 

- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of  Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 
- এ ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৩৯.
ফসফরাসের অভাব হলে কোন রোগটি দেখা যেতে পারে?
  1. রিকেটস
  2. অস্থিক্ষরতা
  3. দন্তক্ষয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- দেহে পরিমাণের দিক থেকে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরই ফসফরাসের স্থান। 
- ফসফরাসও ক্যালসিয়ামের মতো হাড়ের একটি প্রধান উপাদান।
-  ফসফরাস হাড়, যকৃৎ এবং রক্তরসে সঞ্চিত থাকে। 
- নিউক্লিক এসিড, নিউক্লিয় প্রোটিন তৈরি এবং শর্করা বিপাকের দ্বারা শক্তি উৎপাদনে ফসফরাস প্রধান ভূমিকা রাখে।
- ফসফরাসের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: দানা শস্য, শিম, বরবটি, মটরশুঁটি, বাদাম ইত্যাদি। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, কলিজা ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের মতো হাড় এবং দাঁত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ। 
- ফসফরাসের অভাবে রিকেটস, অস্থিক্ষরতা, দন্তক্ষয়— এইসব রোগ দেখা দেয়। 
- খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকলে ফসফরাসের অভাব হয় না।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৮,৮৪০.
বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবন্ধনে উদ্ভিদের কোন পুষ্টি উপাদানটি আবশ্যক?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) মলিবডেনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) মলিবডেনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মলিবডেনাম
ব্যাখ্যা
ফসফরাস (P)- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, ঘঅউচ, অঞচ ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্তপ্রয়োজনীয় উপাদান।

পটাসিয়াম (K)- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে।

ম্যাগনেসিয়াম (Mg)- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

মলিবডেনাম (Mo)- অণুজীব দ্বারা বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য এটি আবশ্যক।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৪১.
শান্ট হলাে যন্ত্রের সাথে-
  1. ক) সমান্তরালে যুক্ত উচ্চমানের রােধ
  2. খ) সমান্তরালে যুক্ত নিম্নমানের রােধ
  3. গ) শ্রেণিতে যুক্ত উচ্চমানের রােধ
  4. ঘ) শ্রেণিতে যুক্ত নিম্নমানের রােধ
সঠিক উত্তর:
খ) সমান্তরালে যুক্ত নিম্নমানের রােধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমান্তরালে যুক্ত নিম্নমানের রােধ
ব্যাখ্যা
গ্যালভানােমিটার বা সুক্ষ্ম ও সুবেদী বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাতে উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহিত না হতে পারে তার জন্য যন্ত্রের সাথে সমান্তরালে স্বল্প মানের যে রােধ যুক্ত তা হয় তাতে শান্ট বলে। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৮,৮৪২.
কোন জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. তেল বা চর্বি
  2. আমিষ
  3. খনিজ
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
তেল বা চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেল বা চর্বি
ব্যাখ্যা
ক্যালরি: 
- ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ হচ্ছে ১ ক্যালরি। 
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এই তাপ আমাদের দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। 
- শারীরিক পরিশ্রমে শক্তি ব্যয় হয়। খাদ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে। আমরা খাবার থেকেই শক্তি পাই। 
- খাদ্যের তাপশক্তি মাপার একক হলো কিলোক্যালরি। 
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়। 
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। 
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 

নিচে কয়েকটি উচ্চ ও নিম্ন ক্যালরিযুক্ত খাদ্যের তালিকা দেখানো হলো: 


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৮,৮৪৩.
প্রাণিজগতে সর্ববৃহৎ পর্ব কোনটি? 
  1. Arthropoda 
  2. Protozoa 
  3. Chordata 
  4. Mollusca 
সঠিক উত্তর:
Arthropoda 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthropoda 
ব্যাখ্যা

Arthropoda (আর্থ্রোপোডা): 
- আর্থ্রোপোডা (গ্রিক, arthron = joint, সন্ধি + pous, podos = foot, পা) পর্বটি প্রাণিজগতে সর্ব বৃহৎ পর্ব। 
- এদের পা দেখলেই বোঝা যায়, এরা কয়েকটি ভিন্ন অংশ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, তাই এদের সন্ধিপদী নাম করা হয়েছে। 
- এরা পাহাড়, পর্বত, সমুদ্রের তলদেশ, মরুভূমির বালুকাময় স্থানসহ সর্বত্র বাস করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বর্তমান। প্রতিটি খণ্ডে সাধারণত একজোড়া উপাঙ্গ থাকে। 
- দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, ত্রিস্তরী, খণ্ডায়িত দেহ। 
- উন্মুক্ত সংবহনতন্ত্র যা পৃষ্ঠীয় সংকোচনশীল হৃদপিণ্ড, ধমনীসমূহ এবং হিমোসিল নিয়ে গঠিত। 
- দেহ প্রাচীর ফুলকা, ট্রাকিয়া বা পুস্তক ফুসফুস দ্বারা শ্বাসকার্য সম্পাদিত হয়। 
- কক্সাল, এন্টেনাল, ম্যালপিজিয়ান নালিকা দ্বারা রেচন সম্পাদিত হয়। 
- স্ত্রী-পুরুষ আলাদা সাধারণত অন্তঃনিষেক সম্পন্ন হয় এবং প্রায় ক্ষেত্রেই মেটামরফোসিস বিদ্যমান। 
- পৌষ্টিকতন্ত্র সম্পূর্ণ, উপাঙ্গ পরিবর্তিত হয়ে মুখোপাঙ্গ গঠিত যা বিভিন্ন প্রকার খাদ্য গ্রহণের জন্য অভিযোজিত। 
উদাহরণ: Periplaneta americana (আরশোলা), Penaeus monodon (বাগদা চিংড়ি), Carcinus maenas (কাঁকড়া)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৪৪.
অ্যানথ্রাক্স রোগের টিকা আবিষ্কার করেন -
  1. ক) ডারউইন
  2. খ) মার্কনি
  3. গ) লুই পাস্তুর
  4. ঘ) আলেকজান্ডার
সঠিক উত্তর:
গ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
- লুই পাস্তুর অ্যানথ্রাক্স রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
- এ্যানথ্রাক্স Bacillus Anthracis ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি।
- গ্রীক শব্দ এ্যানথ্রাক্স-এর অর্থ Coal বা কয়লা।
- এ রোগের কারণে শরীরে কালো রঙের ক্ষত সৃষ্টি হয় বলেই এর এই নামকরণ, বাংলায় একে তড়কা রোগ বলা হয়।
- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি গৃহপালিত প্রাণি আক্রান্ত হতে পারে। এটি ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু বাহিত রোগ।
- এ জীবাণুর মূল উৎস মাটি।
- দীর্ঘদিন (অন্তত ৩/৪ দশক) রড আকৃতির এই জীবাণু স্পোর মাটিতে টিকে থাকতে পারে।
- গবাদিপশু বা কোনো তৃণভোজী প্রাণি মাটি থেকে ঘাস খাবার সময় সহজেই এ রোগের জীবাণু (Spore) দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।
- এ রোগের জীবাণু সংক্রমিত পানি পান করলেও গবাদিপশু এ্যানথ্রাক্স দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।
- প্রাণি থেকে এ রোগ মানুষেও ছড়ায় এবং এটি একটি জোনোটিক (zoonotic) রোগ, তবে মানুষ থেকে মানুষে এ রোগের বিস্তার ঘটেনা।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৮,৮৪৫.
আইসোবারের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
  2. প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন
  3. নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
  4. ইলেকট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন
সঠিক উত্তর:
ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
ব্যাখ্যা

• যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা (প্রোটন + নিউট্রন) সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের একে অপরের আইসোবার বলা হয়।

• আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

• আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।

• আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৪৬.
মায়োপিয়া (Myopia) কী?
  1. এক প্রকার হাতের রোগ
  2. এক প্রকার হৃদরোগ
  3. এক প্রকার হাড়ের রোগ
  4. এক প্রকার চোখের রোগ
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার চোখের রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার চোখের রোগ
ব্যাখ্যা
- মায়োপিয়া (Myopia) হচ্ছে এক প্রকার চোখের রোগ যার ফলে চোখ কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia): 
- মানুষ যখন তার চোখ দ্বারা কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে 
হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া বলা হয়। 
- এক্ষেত্রে চোখের দুর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা কিছুটা নিকটে অবস্থান করে এবং বস্তুটিকে স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে স্পষ্ট দেখা যায়। - সাধারণত অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। 
- চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
- দূরের বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনার সামনে কোনো বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠন করে, এজন্য লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৪৭.
নিচের কোনটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ?
  1. ছোলা
  2. গাজর
  3. কাঁঠাল
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
ছোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোলা
ব্যাখ্যা
• একবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
- ধান, মটর, ছোলা, কলা এসব আপনাদের অতি পরিচিতি উদ্ভিদ।
- এদের জীবনকাল এক বছর।
- এ জন্য এদেরকে একবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলা হয়।

• দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ:
যেসকল উদ্ভিদের জীবনকাল দুই বছর তাদের দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
- মূলা, গাজর, ফুলকপি ইত্যাদি দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ।

• বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
আম, কাঁঠাল, বট, তাল ইত্যাদি অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যারা বহু বছর বেঁচে থাকে। এসব উদ্ভিদকে বহু বর্ষীজীবী উদ্ভিদ বলে।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৪৮.
জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?
  1. Ultra-violet
  2. Infrared
  3. Visible
  4. X-ray
সঠিক উত্তর:
Infrared
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Infrared
ব্যাখ্যা
• জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ Infrared রেডিয়েশন ব্যবহার করে।

• জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ:
- বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচাইতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের একটি হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- নাসার দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি বা জুপিটারের কিছু বিস্ময়কর ছবি তুলেছে।
- এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতি গ্রহের অরোরা বা বর্ণচ্ছটা, দানবীয় ঝড়, বৃহস্পতির চাঁদ এবং গ্রহটিকে ঘিরে থাকা বলয়।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ একটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ অভিযান প্রকল্প।
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নেতৃত্বে এটির অন্যান্য অংশীদার হচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি।
- এটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি এখন পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ (ষোল লাখ) কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রঙিন ছবি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১২ই জুলাই।
- বলা হয় এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তারিত "অবলোহিত (ইনফ্রারেড)" চিত্র এটি যাতে এমন সব ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে, যেখান থেকে পৃথিবী পর্যন্ত আলো পৌঁছাতে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- তখন থেকেই মহাবিশ্বের নিত্যনতুন দৃশ্য দেখে আসছে হাবল টেলিস্কোপের এই উত্তরসূরী।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে তোলা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ক্যারিনা নেবুলা নিহারীকার নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কিছু তারকা।
- ক্যারিনা নেবুলা মহাকাশের বৃহত্তম এবং উজ্জ্বলতম নিহারীকাগুলোর একটি।
- এটির অবস্থান পৃথিবী থেকে কম বেশি ৭ হাজার ৬শ আলোকবর্ষ দূরে।

উৎস: NASA,  BBC NEWS বাংলা, ২৪ আগস্ট, ২০২২ এবং ব্রিটানিকা।
৮,৮৪৯.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যুর কাজ নয়? 
  1. কোষ বিভাজন
  2. খাদ্য পরিবহন
  3. দেহ গঠন
  4. দৃঢ়তা প্রদান
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৮৫০.
অগ্রমস্তিষ্কের অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) সেরেব্রাম
  2. খ) মেডুলা অবলংগাটা
  3. গ) হাইপোথ্যালামাস
  4. ঘ) থ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
খ) মেডুলা অবলংগাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেডুলা অবলংগাটা
ব্যাখ্যা
মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত।
যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক, (২) মধ্যমস্তিষ্ক ও (৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

অগ্রমস্তিষ্ক - অগ্রমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা- (ক) সেরেব্রাম, (খ) থ্যালামাস ও (গ) হাইপোথ্যালামাস

মধ্যমস্তিষ্ক - হাইপোথ্যালামাসের নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গোলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত, প্রথম দুটি সেরেব্রাল পেডাংকল এবং শেষের দুটি কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা।

পশ্চাৎমস্তিষ্ক - এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(প্রাণিবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৮৫১.
প্রণকালচার বলতে কী বোঝানো হয়? 
  1. মৎস্য চাষ
  2. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ
  3. রেশম চাষ
  4. চিংড়ি চাষ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
ব্যাখ্যা

• প্রণকালচার বলতে সাধারণত জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত চাষকেই বোঝানো হয়, যার মধ্যে চিংড়ি, মাছ, কচ্ছপ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এটি প্রাকৃতিক জলাশয় বা কৃত্রিম পুকুরে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রাণীর বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিশেষ যত্ন ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রণকালচারের প্রধান উদাহরণ হলো চিংড়ি চাষ, যা খাদ্যসামগ্রী ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মৎস্য চাষ বা রেশম চাষ সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্রে পড়ে।
- সুতরাং, প্রণকালচার বলতে মূলত চিংড়ি চাষকেই বোঝানো হয়। এটি আধুনিক কৃষি ব্যবস্থায় একটি লাভজনক এবং দায়িত্বশীল জলজ চাষ প্রক্রিয়া।

 
আধুনিক চাষ: 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- পাখী পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৮,৮৫২.
এক্সরে উৎপাদনে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. ক্যাথোড রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড রশ্মি
ব্যাখ্যা

Cathode rays focused on a hard target (anticathode) produce X-rays or focused on a small object in a vacuum generate very high temperatures (cathode-ray furnace). When cathode rays strike certain molecules used to coat a cathode screen, they cause the molecules (and hence the screen) to emit light.

Source: britannica.com

৮,৮৫৩.
কোনটি উভধর্মী অক্সাইড? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. জিংক অক্সাইড
  3. কার্বন মনো-অক্সাইড
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
জিংক অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক অক্সাইড
ব্যাখ্যা
অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3)। 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন- অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো-অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৫৪.
বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্ব্বোচ্চ?
  1. ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. খ) জলীয় বাষ্প
  3. গ) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রুপ।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে (CFC+O302+…..)।
- এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বই।
৮,৮৫৫.
মানূষের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় কোন রোগে আক্রান্ত হলে?
  1. ক) কোভিড-১৯
  2. খ) জন্ডিস
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) ধনুষ্টংকার
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
ব্যাখ্যা

AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৮,৮৫৬.
মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত থাকে?
  1. হৃদপিণ্ডে
  2. প্লীহাতে
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. পিত্তথলিতে
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহাতে
ব্যাখ্যা

• লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৮,৮৫৭.
সরল প্রোটিন কোনটি?
  1. পেপটোন
  2. লাইপোপ্রোটিন
  3. গ্লোবিউলিন
  4. গ্লাইকোপ্রোটিন
সঠিক উত্তর:
গ্লোবিউলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবিউলিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন বা আমিষ: 
- দেহ গঠনে প্রোটিনের প্রয়োজনীয়তা সর্বাধিক। 
- মানবদেহের মাংসপেশি, অস্থি, রক্ত ইত্যাদি গঠনের প্রধান উপাদান প্রোটিন। 
- প্রোটিনকে ভাঙলে বা সম্পূর্ণরূপে আর্দ্র বিশ্লেষিত করলে কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও নাইট্রোজেন (N) মৌল পাওয়া যায়, তবে কোনো কোনো প্রোটিনে সালফার, ফসফরাস ও লৌহের সামান্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে প্রোটিনের মূল গঠন উপাদান হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন, এ চারটি মৌল মিলিত হয়ে প্রথমে এ্যামাইনো এসিড এবং পরে এ্যামাইনো এসিডগুলো পেপটাইট বন্ধনী দিয়ে সংযুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু গঠিত হয়। 
অর্থাৎ, প্রোটিন হলো এ্যামাইনো এসিডের পলিমার। 

প্রোটিনের শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রোটিনে এ্যামাইনো এসিড ও অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা: 
১। সরল প্রোটিন: 
- যেসব প্রোটিনকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে শুধুমাত্র এ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় অর্থাৎ এ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য কোনো উপাদান পাওয়া যায় না তাদের সরল প্রোটিন বলে। 
যেমন- এলবুমিন, গ্লোবিউলিন, গ্লুটেনিন, প্রোলামিন, হিস্টোন ইত্যাদি। 

২। যৌগিক প্রোটিন: 
- যেসব প্রোটিনকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে এ্যামাইনো এসিড ছাড়াও অন্যান্য অপ্রোটিন উপাদান পাওয়া যায় তাদের যৌগিক প্রোটিন বলে। 
যেমন- ফসফোপ্রোটিন, লাইপোপ্রোটিন, নিউক্লিওপ্রোটিন, গ্লাইকোপ্রোটিন ইত্যাদি। 
- প্রোটিনের সাথে সংযুক্ত অপ্রোটিন অংশের নামানুসারে এদের নামকরণ করা হয়। 
উদাহরণ স্বরূপ- প্রোটিনের সাথে ফসফেট যুক্ত থাকে বলে ফসফোপ্রোটিন। প্রোটিনের সাথে নিউক্লিয়িক এসিড যুক্ত থাকলে নিউক্লিওপ্রোটিন। এভাবে লিপিড যুক্ত থাকলে লাইপোপ্রোটিন ইত্যাদি। এদের সংযুক্ত প্রোটিনও বলা হয়ে থাকে। 

৩। উদ্ভুত প্রোটিন: 
- সরল ও যৌগিক প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত প্রোটিনকে উদ্ভুত প্রোটিন বলে। 
যেমন- পেপটাইডসমূহ, পেপটোন, প্রোটিওজ ইত্যাদি। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৫৮.
গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়
  2. এগুলো অত্যন্ত সহিষ্ণু
  3. এদের কান্ড নরম
  4. উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো
সঠিক উত্তর:
এদের কান্ড নরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের কান্ড নরম
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদজগৎ: 

• কোনো অঞ্চলের প্রকৃতি ও সেই প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থানরত উদ্ভিদকুলকে Flora এবং প্রাণীকুলকে Fauna বলে।
• মরু অঞ্চলে যে সকল উদ্ভিদ জন্মায় তাদেরকে মরুজ উদ্ভিদ (Xerophyte) বলে।
• উদ্ভিদের প্রাণ আছে এ কথা প্রথম বলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু।
• যেসব উদ্ভিদের কান্ড শক্ত কিন্তু গুঁড়িহীন অর্থাৎ ক্ষুদ্র কান্ড বিশিষ্ট এবং মাটির সামান্য উপরে ঝোপের মতো শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি করে, সেসব উদ্ভিদকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে।
- যেমন – জবা, রঙ্গন, গোলাপ, বেলি, জুঁই,কাগজি লেবু, গন্ধরাজ ইত্যাদি।

• গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
- এ জাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত মাঝারি আকারে হয়ে থাকে।
- এদের কান্ড শক্ত
- এদের শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না।
- এদের গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়
- এ উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো দেখায়।
- কিছু কিছু গুল্ম উদ্ভিদ ফুল ও ফল প্রদান করে।
- এগুলো অত্যন্ত সহিষ্ণু এবং এরা প্রায় সব ধরণের মাটিতে জন্মায়। 


ছবির উৎস: বাংলাপিডিয়া 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৮৫৯.
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) হিলিয়াম
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
পূর্বে সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে নাইট্রোজেন এবং টিউবলাইটে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হতো।
তবে বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসাবে আর্গন ব্যবহৃত হয়।

আর্গনের ব্যবহার:
১. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
২. রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল এ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
৪. তেজষ্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।।

উল্লেখ্য, প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকলে নাইট্রোজেন উত্তর হবে।

উৎস: রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৬০.
শুষ্ককোষের তড়িচ্চালক বল -
  1. ক) ১ ভোল্ট
  2. খ) ১.৫ ভোল্ট
  3. গ) ২ ভোল্ট
  4. ঘ) ২.৫ ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫ ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫ ভোল্ট
ব্যাখ্যা
• শুষ্ক কোষ (Dry Cell) কোষ মূলত লেকল্যান্স কোষের ভিন্ন সংস্করণ।
• লেকল্যান্স কোষের উপাদান দিয়ে এ কোষ গঠিত হয়।
• এ কোষে তরল NH4Cl এর পরিবর্তে NH4Cl এর পেষ্ট এবং পোলারক হিসাবে কঠিন MnO2 ব্যবহার করা হয়। 
• এ কোষের তড়িচ্চালক বল ১.৫ ভোল্ট ।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৬১.
ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করতে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. কার্বন-১৪ 
  2. ফসফরাস-৩২
  3. কোবাল্ট-৬০ 
  4. আয়োডিন-১৩১ 
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-৬০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-৬০ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন-
চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৬২.
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে কী বলে? 
  1. ট্রানজিস্টর 
  2. ট্রান্সফরমার 
  3. রেকটিফায়ার 
  4. অ্যামপ্লিফায়ার 
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
ব্যাখ্যা

রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৬৩.
পালমোনারি শিরা কী ধরনের রক্ত পরিবহন করে? 
  1. নাইট্রোজেনযুক্ত
  2. অক্সিজেনযুক্ত
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত
  4. দূষিত রক্ত
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনযুক্ত
ব্যাখ্যা
শিরা: 
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিণ্ডে বহন করে নিয়ে আসে, তাদের শিরা বলে। 
- ব্যতিক্রম পালমোনারি শিরাটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে এবং Umbilical Vein মাতৃদেহ থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ভ্রূণে নিয়ে আসে। 
- শিরার প্রাচীর ধমনির মতো ৩টি স্তরে গঠিত হলেও প্রাচীর বেশ পাতলা ও গহ্বর বড়। 
- শিরায় কপাটিকা থাকায় শিরা দিয়ে রক্ত ধীরে ধীরে একমুখে প্রবাহিত হয়। 
- ধমনি প্রান্তের কৌশিক জালিকাগুলো ক্রমশ একত্রিত হয়ে প্রথমে সূক্ষ্ম শিরা বা উপশিরা গঠন করে। 
- উপশিরাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে পরে শিরা গঠন করে। 
- কতগুলো শিরা মিলে মহাশিরা গঠন করে, এভাবে শিরা কৈশিক জালিকা থেকে শুরু হয় এবং হৃৎপিণ্ডে শেষ হয়। 

ধমনি: 
- যে সব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি (Artory) বলে। 
- ধমনির প্রাচীর পুরু এবং তিনটি স্তরে গঠিত, এদের গহ্বর (Lumen) ছোট। 
- ধমনিতে কোনো কপাটিকা থাকে না, ফলে ধমনি দিয়ে রক্ত বেগে প্রবাহিত হয়। 
- ধমনির স্পন্দন আছে। 
- ধমনি দেহের বিভিন্ন অংশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়, এদের শাখা ধমনি (Arteriol) বলে। এগুলো ক্রমশ শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে অবশেষে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কৈশিক জালিকায় শেষ হয়। এভাবে ধমনি হৃদপিণ্ড থেকে শুরু হয়ে কৈশিক জালিকায় শেষ হয়। 
- ধমনির মাধ্যমে হৃদপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশ অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়। 
- তবে ব্যতিক্রম হলো পালমোনারি ধমনি যা কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) যুক্ত রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে আসে এবং Umbilical artery CO2 যুক্ত রক্ত ভ্রূণ থেকে মাতৃদেহে নিয়ে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৬৪.
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒
  1. ইথেন
  2. এমোনিয়া
  3. মিথেন
  4. বিউটেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
- প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় মিথেন।
- প্রাণীর মলমূত্র বিশেষ করে গরু, ঘােড়া, মহিষ ইত্যাদির গােবরের কিছু পচা লতা-পাতা ও পানি মিশালে গাঁজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সংগঠিত হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় যে গ্যাসীয় মিশ্রণ উৎপন্ন হয় তাই বায়ােগ্যাস।
- বায়ােগ্যাসের উপাদানগুলাের মধ্যে মিথেন (CH4), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), হাইডােজেন সালফাইড (H2S) ও হাইড্রোজেন (H2) থাকে।
- এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৬৫.
HIV ভাইরাস প্রধানত কোন রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে?  
  1. প্লেটলেট 
  2. লোহিত কণিকা 
  3. B-লিম্ফোসাইট 
  4. T-লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
T-লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T-লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

এইডস রোগ: 
- এইডস (AIDS) একটি সংক্রামক রোগ যা সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় এই রোগ চিহ্নিত হয়, এবং তখন থেকেই এটি একটি মরণব্যাধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এই রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। 
- প্রাকৃতিকভাবে মানুষের শরীরে রোগজীবাণু প্রতিরোধের ক্ষমতা থাকে, যা ইমিউনিটি হিসেবে পরিচিত। 
-  HIV (Human Immuno Deficiency Virus) ভাইরাসটি AIDS রোগ সৃষ্টি করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। 
- HIV ভাইরাস যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন এটি রক্তের T-লিম্ফোসাইট (শ্বেত রক্তকণিকা) আক্রমণ করে, ফলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। 
- HIV সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত শরীরে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে এই সময়েই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়াতে পারে। 
- এইডস সংক্রমিত হয় প্রধানত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে, তবে মায়ের বুকের দুধ বা রক্ত সঞ্চালন বা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জ ব্যবহারের মাধ্যমে এটিতে সংক্রমণ হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৬৬.
রংধনুতে হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ দুইটি কি কি?
  1. নীল, কমলা
  2. সবুজ, লাল
  3. বেগুনি, নীল
  4. সবুজ, কমলা
সঠিক উত্তর:
সবুজ, কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ, কমলা
ব্যাখ্যা

রংধনু: 
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে। 
- শুধু তা-ই নয়, যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারেনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছে। 
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে, তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। 
- এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়। 

- সঠিক উত্তর: ঘ) সবুজ, কমলা। 

রংধনুর ৭টি রঙের ক্রম (বাইরে থেকে ভিতরে):
লাল (Red) - R
কমলা (Orange) - O
হলুদ (Yellow) - Y ← এটি আমাদের প্রশ্নের রঙ
সবুজ (Green) - G
নীল (Blue) - B
আসমানি (Indigo) - I
বেগুনি (Violet) - V
মনে রাখার কৌশল: VIBGYOR বা "বেনীআসহকলা" (বেগুনি-লাল-কমলা-হলুদ-নীল-আসমানি-বেগুনি)

হলুদ রঙের দুই পাশে:
উপরে (বাইরের দিকে): কমলা,
নিচে (ভিতরের দিকে): সবুজ,
সুতরাং, হলুদ রঙের দুই পাশের সংলগ্ন রঙ হলো সবুজ এবং কমলা।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৬৭.
নিচের তত্ত্বগুলো বিবেচনা করুন-
i. আলোর প্রতিফলন
ii. আলোর বিচ্ছুরণ
উপরের কোনটি রংধনু তৈরীর সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. শুধু i
  2. শুধু ii
  3. i ও ii উভয়
  4. i ও ii কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শুধু ii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু ii
ব্যাখ্যা
- রংধনু তৈরির সাথে আলোর বিচ্ছুরণ সম্পর্কিত। 
- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাঁচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাত রঙ বিশিষ্ট হয়। 
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। 
- আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে। 
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৬৮.
The word 'ecological' is directly related to
  1. ক) demography
  2. খ) atmosphere
  3. গ) environment
  4. ঘ) none of these
সঠিক উত্তর:
গ) environment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) environment
ব্যাখ্যা
ইকোলজি:

- পরিবেশের সাথে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে ইকোলোজি বলে।
- ইকোলজি হলো বাস্তুসংস্থান।
- একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ আদান-প্রদান ও একাত্মতার মাধ্যমে সুপ্রতিষ্ঠিত আন্তঃসম্পর্ককে ইকোলজি বলে।
- ইকোলজি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ বাড়ি সংক্রান্ত আলোচনা।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সম্মিলিত অবস্থান যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তাই মূলত ইকোলজি।
- Ernest Haeckel নামক জার্মান বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ১৮৬৯ সালে Ecology শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইকোলজি হল জীববিজ্ঞানের একটি শাখা।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৬৯.
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো-
  1. শাজিমাটি
  2. চুনাপাথর
  3. জিপশাম
  4. বালি
সঠিক উত্তর:
বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালি
ব্যাখ্যা
কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হল বালি। 
- কাঁচ স্বচ্ছ পদার্থ এবং এটি স্বচ্ছ বলেই এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি ভেদ করে চলে যেতে পারে। 
- কাঁচ তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে বালু এবং বালুর প্রধান উপাদান হলো সিলিকা অর্থাৎ সিলিকন-ডাই-অক্সাইড। 
- কাঁচ হচ্ছে মূলত সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণ। 
- রাসয়নিকভাবে কাঁচ একটি ক্ষারীয় দ্বি-লবণ। 
- সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণকে উত্তপ্ত করে সম্পূর্ণরূপে গলিয়ে শীতল করলে যে শক্ত, অনিয়তাকার স্বচ্ছ ও ভঙ্গুর কঠিন পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কাঁচ বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৭০.
pH স্কেলে pH মানের সীমা কোনটি?
  1. 7 থেকে 14
  2. 0 থেকে 14
  3. 1 থেকে 7
  4. 1 থেকে 14
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৭১.
ভয় পেলে কোন হরমন নিঃসৃত হয়?
  1. অ্যাড্রেনালিন
  2. পিটুইটারি
  3. অক্সিটোসিন
  4. থাইরক্সিন
সঠিক উত্তর:
অ্যাড্রেনালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাড্রেনালিন
ব্যাখ্যা
• ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয় অ্যাড্রেনালিন হরমোনের প্রভাবে।

- অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে।
- থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন মানুষের বৃদ্ধি এবং বিকাশে ভূমিকা রাখে। 
- মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম হচ্ছে পিটুইটারি গ্রন্থি। 
- পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ডোপামিন, গ্রোথ হরমোন, অক্সিটোসিন, ভ্যাসোপ্রেসিন নামক হরমোন নিঃসরণ ঘটে যা মানবদেহের অনেক জরুরী কাজ যেমন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রন, বৃক্কের কাজ নিয়ন্ত্রন, জরায়ুর সংকোচন ইত্যাদি করতে উদ্দীপনা জাগায় ।

উৎস- অক্সফোর্ড এবং নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৮,৮৭২.
লেন্সের ক্ষমতার একক কোনটি? 
  1. কিলোওয়াট-ঘণ্টা
  2. ওয়াট
  3. ডায়াপ্টার
  4. অশ্বক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
ব্যাখ্যা
লেন্স: 
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলা হয়। 
- লেন্স সাধারণত কাঁচের তৈরি হয়, এছাড়াও কোয়ার্টজ, স্বচ্ছ প্লাস্টিক দ্বারা লেন্স তেরি করা হয়। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। উত্তল লেন্স: 
- এই ধরনের লেন্সের মধ্য ভাগ মোটা ও প্রান্তদ্বয় সরু। 
- আলোক রশ্মি উত্তল লেন্সে আপতিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয়। 

২। অবতল লেন্স: 
- এই ধরনের লেন্সের মধ্যভাগ সরু ও প্রান্তদ্বয় মোটা। 
- আলোক রশ্মি অবতল লেন্সে আপতিত হলে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

- লেন্সের ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- লেন্সের একক হচ্ছে ডায়াপ্টার (Diopter)। 
- একগুচ্ছ আলোক রশ্মিকে কোনো লেন্সের অভিসারী বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত করার প্রবণতাকে লেন্সের ক্ষমতা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৭৩.
পেট্রোলিয়াম অর্থ হলো -
  1. ক) সৌর শক্তি
  2. খ) তেল
  3. গ) পেট্রোলের তেল
  4. ঘ) পাথরের তেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাথরের তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাথরের তেল
ব্যাখ্যা
- খনিজ তেল হিসাবে আমরা পেট্রোল,ডিজেল,অকটেন নামসমূহের সাথে পরিচিত।
- না পরিবহনের জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায় নানা রকম কৃত্রিম বস্তু ।
- ল্যাটিন ভাষায় পেট্রো শব্দের অর্থ পাথর এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ তেল। সুতরাং পেট্রোলিয়াম হলো পাথরের তেল অর্থাৎ পাথরের মধ্যে সঞ্চিত তেল।

উৎসঃ ৯ম- দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,৮৭৪.
রাইবোজোম প্রধানত কোন কাজটি করে থাকে?
  1. পানি পরিবহনে
  2. শক্তি উৎপাদনে 
  3. নিউক্লিক অ্যাসিড ভাঙনে 
  4. প্রোটিন সংশ্লেষণে
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন সংশ্লেষণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন সংশ্লেষণে
ব্যাখ্যা

রাইবোজোম (Ribosome): 
- প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয় ধরনের কোষেই রাইবোজোম পাওয়া যায়।
- রাইবোজোম নামক ঝিল্লিবিহীন বা পর্দাবিহীন অঙ্গাণুটি প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে। 
- প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমে হয়ে থাকে। 
- এছাড়া রাইবোজোম এ কাজে প্রয়োজনীয় উৎসেচক সরবরাহ করে থাকে। 
- উৎসেচক বা এনজাইমের কাজ হলো প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেওয়া। 

উল্লেখ্য, 
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্স এবং প্লাস্টিডের স্ট্রোমাতেও রাইবোজোম থাকে, যেগুলো ঐ অঙ্গাণুসমূহের নিজস্ব ডিএনএ-এর সংকেত অনুযায়ী প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়, ঠিক যেমন একটি ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত রাইবোজোম সেই কোষের জন্য প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। জৈব অভিব্যক্তির ধারায় অন্য কোষের অংশ হয়ে ওঠার আগে এই দুটি অঙ্গানু যে একসময় স্বাধীনভাবে বসবাস করতো, তার সপক্ষে এটিও একটি প্রমাণ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৭৫.
হৃৎপিণ্ডের সংকোচনকে কী বলা হয়? 
  1. শিরা 
  2. সিস্টোল 
  3. অক্সিজেনেশন 
  4. ডায়াস্টোল 
সঠিক উত্তর:
সিস্টোল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টোল 
ব্যাখ্যা

হৃৎপিণ্ড(Heart): 
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হচ্ছে হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে। 
- হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো নির্দিষ্ট তালে ও ছন্দে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- হৃৎপিণ্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (systole) বলে এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (diastole) বলে। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয় তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৭৬.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত যে রশ্মি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায় তা মূলত কোন ধরনের রশ্মি?
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত যে রশ্মি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়, তা মূলত আলফা রশ্মি (Alpha rays)। কারণ আলফা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা (He2+) দ্বারা গঠিত, তাই এটি ঋণাত্মক পাতের দিকে আকৃষ্ট হয়ে সেদিকেই বেঁকে যায়। অপরদিকে বিটা রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত (ইলেকট্রন) হওয়ায় ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায় এবং গামা রশ্মি আধান নিরপেক্ষ হওয়ায় ক্ষেত্রে বেঁকে যায় না।

তেজস্ক্রিয়তা: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে কয়েক ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ, তাকে আলফা কণিকা (α) বলে। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ, তাকে বিটা কণিকা (β) বলে। 
- যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, তাকে গামা রশ্মি (γ) বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে, এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৭৭.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত? 
  1. 11
  2. 23
  3. 34
  4. 12
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

ভরসংখ্যা (Mass Number): 
- কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে। 
- ভরসংখ্যাকে A দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।  যেমন- সোডিয়ামের (Na) ভরসংখ্যা হলো 23, এর প্রোটন সংখ্যা 11, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে 23 - 11 = 12 । 
- কোনো পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা পরমাণুর প্রতীকের নিচে বাম পাশে লেখা হয়, পরমাণুর ভরসংখ্যা প্রতীকের বাম পাশে উপরের দিকে লেখা হয়।  যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর প্রতীক Na, এর পারমাণবিক সংখ্যা 11 এবং ভরসংখ্যা 23 । 
- এটাকে নিম্নোক্তভাবে প্রকাশ করা যায়- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৭৮.
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অবস্থান পর্যায় সারণির কোন গ্রুপে?
  1. ১৮ তম গ্রুপে
  2. ১৭ তম গ্রুপে
  3. ১৬ তম গ্রুপে
  4. ১৫ তম গ্রুপে
সঠিক উত্তর:
১৮ তম গ্রুপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ তম গ্রুপে
ব্যাখ্যা
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির ১৮ নম্বর গ্রুপে বা শূন্য গ্রুপে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের অবস্থান।
যেমন - হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)। 
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
- আবার বায়ুতে এদের পরিমাণ খুবই কম (<1%); এ কারণে এদেরকে বিরল বা দুর্লভ গ্যাসও বলা হয়।
- এই গ্যাসগুলো খুব একটা ক্ষতিকরও নয়; তাই এদেরকে ‍উত্তম গ্যাসও বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৮,৮৭৯.
কোন মৌলটির উপস্থিতি কয়লার মান নষ্ট করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. ফসফরাস
  3. সালফার
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা

• কয়লার মান নষ্টকারী মৌল (সালফার):
- কয়লায় সালফারের উপস্থিতি কয়লার গুণগত মান কমিয়ে দেয়।
- সালফারযুক্ত কয়লা জ্বালালে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস (SO2) উৎপন্ন হয়, যা পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
- এই গ্যাস বায়ু দূষণ ও অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী।
- শিল্পকারখানায় সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করলে যন্ত্রপাতিতে ক্ষয় (corrosion) দেখা যায়।
- তাই উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লাকে নিম্নমানের কয়লা হিসেবে ধরা হয়।

• অন্যান্য মৌলগুলোর প্রভাব:
- নাইট্রোজেন সাধারণত কয়লার মান নষ্ট করার প্রধান কারণ নয়।
- ফসফরাস ধাতব শিল্পে ক্ষতিকর হলেও কয়লার প্রধান মাননষ্টকারী মৌল নয়।
- অক্সিজেন কয়লার দহন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, কিন্তু সরাসরি কয়লার মান নষ্ট করে না।

সুতরাং, কয়লার মান নষ্ট করার জন্য প্রধানত দায়ী মৌল হলো সালফার।  
সঠিক উত্তর: গ) সালফার। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৮,৮৮০.
ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে কতকগুলো অনুমোদিত কক্ষপথে আবর্তন করে- কে এই তত্ত্ব প্রদান করেন?
  1. ক) বোর
  2. খ) সক্রেটিস
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ডাল্টন
সঠিক উত্তর:
ক) বোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বোর
ব্যাখ্যা
বোরের পরমাণু তত্ত্ব অনুসারে আমরা জানি যে, ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসকে কেন্দু করে কতকগুলো অনুমোদিত কক্ষপথে আবর্তন করে। এই কক্ষপথগুলোর ব্যাসার্ধ সুনির্দিষ্ট। এই কক্ষপথগুলোর সাথে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি জড়িত থাকে। পরমাণুর ইলেকট্রন যে কক্ষপথে আবর্তন করে সেই কক্ষপথের শক্তি ধারণ করে। ইলেকট্রনের কক্ষপথগুলোর শক্তিকে কতকগুলো সুনির্দিষ্ট শক্তিস্তর হিসেবে প্রকাশ করা হয়। এই গুলোকে ইলেকট্রনের শক্তিস্তর বলে।

সূত্র: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৮,৮৮১.
BOD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Basic Oxygen Demand
  2. Biological Oxygen Demand
  3. Biological Oxidation Demand
  4. Biochemical Oxygen Determination
সঠিক উত্তর:
Biological Oxygen Demand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Biological Oxygen Demand
ব্যাখ্যা

BOD: 
- BOD এর পূর্ণরূপ হলো Biological Oxygen Demand
অর্থাৎ, BOD এর বাংলা অর্থ হলো জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত পচনযোগ্য জৈব দূষককে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির BOD বলে। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

COD: 
- COD এর পূর্ণরূপ হলো Chemical Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। 
- কোনো পানির COD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

- BOD ও COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা, পানিতে উপস্থিত শুধু জৈব বস্তুকে ভাঙতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ হলো BOD। অপরদিকে, সকল জৈব ও অজৈব দূষক তা অণুজীব দ্বারা পচনযোগ্য হোক বা না হোক তাদের রাসায়নিকভাবে সম্পূর্ণরূপে জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। সুতরাং, একই পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৮২.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ কয়টি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
আইসোেটাপ (Isotopes): 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৮৩.
২৫.২ জুল কত ক্যালরির সমতুল্য?
  1. ৪ ক্যালরি
  2. ৫ ক্যালরি
  3. ৬ ক্যালরি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৬ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
∴ ২৫.২ জুল = ২৫.২/৪.২ = ৬ ক্যালরির সমতুল্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৮৪.
বায়ুমণ্ডল না থাকলে কোনটি সম্ভব হতো না?
  1. শব্দ শোনা
  2. আলো দেখা
  3. তাপ উৎপন্ন হওয়া
  4. ছায়া পড়া
সঠিক উত্তর:
শব্দ শোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ শোনা
ব্যাখ্যা

• শব্দ তরঙ্গ চলাচলের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন; বায়ুমণ্ডল না থাকলে শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলিত ও পরিবাহিত হতো না, ফলে শব্দ শোনা সম্ভব হতো না।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের গুরুত্ব (Importance of Different Atmospheric Layers):
- বায়ুমণ্ডল না থাকলে পৃথিবী থেকে প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গ ফিরে আসতে পারত না; ফলে কোনো শব্দ শোনা যেত না।
- ট্রপোস্ফিয়ার স্তর ছাড়া পৃথিবীতে কোনো আবহাওয়াজনিত ঘটনা ঘটত না; যেমন—মেঘ সৃষ্টি, বৃষ্টি, কুয়াশা, শিশির, ঝড়, শিলাবৃষ্টি ইত্যাদি সম্ভব হতো না, ফলে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় বৃষ্টিও হতো না।
- বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের কারণে সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির বড় অংশ শোষিত বা প্রতিহত হয়; বিশেষ করে ওজোন স্তর না থাকলে এসব রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছে জীবজগতের মারাত্মক ক্ষতি করত।
- বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ না থাকলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব থাকত না; তখন পৃথিবী চাঁদের মতো শুষ্ক, নিষ্প্রাণ ও বসবাসের অনুপযোগী হতো।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৮,৮৮৫.
বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. ক) ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. খ) মকরক্রান্তি রেখা
  3. গ) মূল মধ্যরেখা
  4. ঘ) কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) দেশের মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর অতিক্রম করেছে।
- রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় পরস্পরকে অতিক্রম করেছে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৮৮৬.
কে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন?
  1. ক) থমসন
  2. খ) রাদারফোর্ড
  3. গ) চ্যাডউইক
  4. ঘ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
- পরমাণু আবিষ্কার করেন ডেমোক্রিটাস
- পরমাণুর প্রোটন, নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন লর্ড রাদারফোর্ড।
- পরমাণুর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে. জে. থমস।।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান নিউট্রন আবিষ্কার করেন চ্যাডউইক।

-১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন, এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৮৭.
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল কোন বিষয়ের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? 
  1. ইলেকট্রনের অস্তিত্ব
  2. প্রোটনের উপস্থিতি
  3. নিউক্লিয়াসের অস্তিত্ব প্রমাণ
  4. পরমাণুর বর্ণালী ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর বর্ণালী ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর বর্ণালী ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

পরমাণু মডেল (Atom Model): 
- ১৮৯৭-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিজ্ঞানী পরমাণুর উপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রাপ্ত তথ্য থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে যে মতবাদ উপস্থাপন করেন, তা পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। 
যেমন- থমসন পরমাণু মডেল, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল, বোর পরমাণু মডেল ইত্যাদি। 

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল: 
- পরমাণুতে মৌলিক কণিকাগুলো কিভাবে সজ্জিত আছে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড একটি মডেল প্রস্তাব করেন যা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। 
- তিনি পরমাণুর গঠনকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন, তাই তাঁর প্রস্তাবিত মডেলকে পরমাণুর সৌর মডেলও বলা হয়। 
- প্রস্তাবগুলো হলো- 
১। পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে ক্ষুদ্র পরিসরে ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট ভারী কেন্দ্র থাকে এবং এটি পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর বহন করে যার নাম নিউক্লিয়াস কিন্তু আয়তন খুবই নগণ্য। 
২। নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে। পরমাণু মোট আধান নিরপেক্ষ, অর্থাৎ নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক আধানের সমান সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে। 
৩। ইলেকট্রনের ঘূর্ণনকে সূর্যের চারপাশে গ্রহের ঘূর্ণনের সাথে তুলনা করা হয়। ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়াসের মধ্যে কেন্দ্রমুখী ও কেন্দ্রবিমুখী বল সমান ও বিপরীতমুখী, যা ইলেকট্রনকে স্থিতিশীলভাবে আবর্তন করতে সাহায্য করে। 

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা: 
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল পরমাণুতে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসের চারিদিকে পরিভ্রমণরত ইলেকট্রনের অস্তিত্ব সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করলেও এর সীমাবদ্ধতার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। 
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিসমূহ নিম্নরূপ- 
১. সৌরমন্ডলের গ্রহগুলো তড়িৎ নিরপেক্ষ। কিন্তু পরমাণুর কক্ষপথে আবর্তনকারী ইলেকট্রনসমূহ ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এবং এরা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। 
২। তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্ব অনুযায়ী, ঘূর্ণায়মান চার্জযুক্ত ইলেকট্রন অবিচ্ছিন্ন শক্তি বিকিরণ করবে। এভাবে শক্তি হারালে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসে পতিত হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে তা ঘটে না। 
৩। ইলেকট্রনের কক্ষপথের আকার ও আকৃতি সম্পর্কে কোনো ধারণা মডেলে নেই। 
৪। একাধিক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুর ক্ষেত্রে ইলেকট্রন কিভাবে পরিভ্রমণ করে তার কোনো উল্লেখ নেই। 
৫। পরমাণুর বর্ণালী সম্পর্কেও কোনো সঠিক ব্যাখ্যা এই মডেলটি দিতে পারেনি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৮৮.
নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলে-
  1. ক) সাইটোকাইনেসিস
  2. খ) ক্যারিওকাইনেসিস
  3. গ) সেন্ট্রোকাইনেসিস
  4. ঘ) নিউক্লিয়কাইনেসিস
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যারিওকাইনেসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যারিওকাইনেসিস
ব্যাখ্যা
সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস এবং নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে৷
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,৮৮৯.
কচুরীপানা সহজে পানিতে ভাসতে পারে, কারণ-
  1. ক) শিকড় লম্বা বলে
  2. খ) কান্ডে বায়ু কুঠুরী থাকে
  3. গ) এরা পানিতে জন্মে বলে
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
খ) কান্ডে বায়ু কুঠুরী থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কান্ডে বায়ু কুঠুরী থাকে
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ যেমন কচুরীপানা সহজে ভাসতে পারে কারন এরা আকারে অনেক ছোট হয়, এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে, এদের পাতা অনেক কম থাকে।
সূত্রঃ ১০তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
৮,৮৯০.
__________ এর অভাবে রক্তশূন্যতা ও স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় দেখা যায়।
  1. ক) ভিটামিন 'এ'
  2. খ) ভিটামিন 'বি'
  3. গ) ভিটামিন 'সি'
  4. ঘ) ভিটামিন 'ডি'
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন 'বি'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন 'বি'
ব্যাখ্যা

ভিটামিন বি-১ বা থায়ামিন এর চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
ভিটামিন বি-২ বা রাইবোফ্ল্যাভিন এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা যায়, মুখে ও জিভে ঘা হয়।
ভিটামিন বি-৩ বা নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা হয়।
ভিটামিন বি-১২ বা সায়ানোকোবালামিনের অভাবে রক্তশূন্যতা ও স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় দেখা যায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৯১.
নিম্নের কোন রোগের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে?
  1. দাদ
  2. পীতজ্বর
  3. আমাশয়
  4. এইডস
সঠিক উত্তর:
পীতজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীতজ্বর
ব্যাখ্যা
- দাদ, আমাশয়, এইডস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন প্রচলিত নেই।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, হাম, রুবেলা, জলবসন্ত, পীতজ্বর, যক্ষ্মা, পোলিও ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে৷

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৮,৮৯২.
’ডলোরাইট' কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

• আগ্নেয় শিলা:
-  
গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ব্যাসল্ট, পিউমিস, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিখ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:

- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

• পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৯৩.
ডিসি মোটর এ Back emf সবোর্চ্চ হয় যখন-
  1. No load
  2. Full load
  3. Half full load
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
No load
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No load
ব্যাখ্যা
- একটি ডিসি মোটরে ব্যাক ইলেক্ট্রোমোটিভ ফোর্স (EMF) সবচেয়ে বেশি হয় যখন মোটর কোন লোড ছাড়াই চলে।

- যখন একটি DC মোটর কোনো লোড ছাড়াই কাজ করে, মানে এটি কোনো বাহ্যিক লোড চালায় না, তখন আরমেচার ঘূর্ণনের কম বিরোধিতা অনুভব করে।
- অতএব, এটি তার সর্বোচ্চ গতিতে ঘোরাতে পারে, এই অবস্থার অধীনে সর্বোচ্চ ব্যাক EMF তৈরি করে।
৮,৮৯৪.
ধান গাছের টুংগ্রো রোগ কোনটির সংক্রমণে?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস ঘটিত উদ্ভিদের আরো কিছু রোগের নাম:


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৮৯৫.
কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ হচ্ছে- 
  1. কপার সালফেট
  2. পটাশিয়াম নাইট্রেট
  3. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  4. অ্যামোনিয়াম ফসফেট
সঠিক উত্তর:
কপার সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার সালফেট
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এই তুঁতে বা কপার সালফেট শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৯৬.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ উভমুখী
  2. বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ চক্রাকার
  3. বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ অনুপস্থিত
  4. বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ একমুখী
সঠিক উত্তর:
বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ একমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুসংস্থানে শক্তিপ্রবাহ একমুখী
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য বাস্তুসংস্থানে শক্তির প্রবাহ একমুখী।
- শক্তির উৎস সূর্য।
- এ উৎস থেকে শক্তি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদক তথা সবুজ উদ্ভিদে প্রবাহিত হয়।
- উৎপাদক থেকে তা পর্যায়ক্রমে উচ্চশ্রেণীর খাদকের কাছে যায়।
- খাদকের দেহ থেকে শক্তি পরিবেশে মুক্ত হয়।
- শক্তি প্রাথমিক উৎসের কাছে আর ফিরে যায় না।
অর্থাৎ বাস্তুসংস্থানে শক্তির প্রবাহ একমুখী। 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৯৭.
কোন দুইটি ধাতুর সংকরায়ণের মাধ্যমে ব্রোঞ্জ তৈরি করা হয়?
  1. ক) তামা ও দস্তা
  2. খ) দস্তা ও টিন
  3. গ) কপার ও টিন
  4. ঘ) কপার ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
গ) কপার ও টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কপার ও টিন
ব্যাখ্যা
দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। যেমন:
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৯৮.
বিশুদ্ধ পানির pH মান কত? 
  1. 0
  2. 7
  3. 10
  4. 14
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো জলীয় দ্রবণের প্রকৃতি অম্লীয় নাকি ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ প্রকৃতির ইত্যাদি জানার জন্য pH একক ব্যবহার করা হয়। 
- কোনো দ্রবণের pH হলো ঐ দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়নের (H+) ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম। 
অর্থাৎ, pH = -log[H+
- বিশুদ্ধ পানির pH মান = 7 । 
- যদি বিশুদ্ধ পানিতে এসিড যোগ করা হয় এবং এসিড যোগের কারণে যদি H+ এর সংখ্যা 10 গুণ বেড়ে গিয়ে প্রতি লিটারে 10-6 মোল হয়, তাহলে দ্রবণের pH কমে যাবে।
• pH = -log[10-6] = 6
- H+ আয়নের ঘনমাত্রা যত বেশি হবে pH এর মান তত কমতে থাকবে। 

- যদি বিশুদ্ধ পানির মধ্যে ক্ষার যোগ করা হয় তবে ক্ষারের OH- বিশুদ্ধ পানির H+ এর সাথে বিক্রিয়া করে ঐ দ্রবণে বিশুদ্ধ পানির তুলনায় H+ এর সংখ্যা কমে যাবে।
যেমন: পানির মধ্যে ক্ষার যোগ করার কারণে যদি H+ এর সংখ্যা কমে গিয়ে প্রতি লিটারে 10-10 মোল হয় তাহলে তার pH হবে- 
• pH = -log[10-10] = 10 
- pH এর মান 7 থেকে বেড়ে যাবে, অর্থাৎ ক্ষারীয় দ্রবণের pH এর মান 7 থেকে বেশি। 
- pH এর মান 7 হওয়ার অর্থ এটি ক্ষারও নয় আবার এসিডও নয়, এটি নিরপেক্ষ দ্রবণ। 
- যদি কোনো দ্রবণের pH এর মান 7 থেকে কম হয় তাহলে সেই দ্রবণটি এসিডিক দ্রবণ এবং যদি কোনো দ্রবণের pH মান 7 থেকে বেশি হয় তবে সেই দ্রবণটি ক্ষারীয় দ্রবণ। 
- বাস্তব জীবনে ব্যবহারিক ক্ষেত্রে pH এর মান 0 থেকে 14 পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৯৯.
What is the division of the nucleus called?
  1. ক) mason
  2. খ) Fusion
  3. গ) Fission
  4. ঘ) Fusion and Mason
সঠিক উত্তর:
গ) Fission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Fission
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিভাজনকে ফিশন বলে।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। প্রক্রিয়া দুটি হল:
১.  নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন।
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন।

১.  নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে। 
- উচ্চ শক্তিসম্পন্ন প্রোটন, নিউট্রন বা ডিউটেরনের আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস ৩টি নিউট্রনসহ দুটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে পড়ে। 

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- অত্যধিক উচ্চ তাপে ফিউশন সংঘটিত হয়।
- চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস ফিউশন প্রক্রিয়াতে জড়িত হয়ে একটি করে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯০০.
রূপান্তরিত মূল কোনটি?
  1. ক) ওলকপি
  2. খ) আদা
  3. গ) মিষ্টি আলু
  4. ঘ) কচু
সঠিক উত্তর:
গ) মিষ্টি আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিষ্টি আলু
ব্যাখ্যা

যখন রূপান্তরিত মূল অনিয়মিতভাবে স্ফীত হয় তখন তাকে কন্দাল মূল বলে। যেমন - মিষ্টি আলু৷
যখন পর্যায়ক্রমে স্ফীত ও সংকুচিত হয় তখন তাকে মালাকৃতির মূল বলে। যেমন - করলার মূল।
উৎসঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণি