বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮৬ / ১৪০ · ৮,৫০১৮,৬০০ / ১৪,০৮০

৮,৫০১.
The unit of pressure is -
  1. ক) Watt
  2. খ) Joule
  3. গ) Pascal
  4. ঘ) Newton
সঠিক উত্তর:
গ) Pascal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pascal
ব্যাখ্যা
- একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই চাপ বলে।
- চাপের একক হল প্যাসকেল
- চাপের মাত্রা হল- ML-1T-2

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
৮,৫০২.
কর্মদক্ষতা কী নির্দেশ করে? 
  1. যন্ত্রের শক্তি সব সময় বৃদ্ধি পায় 
  2. যন্ত্রের শক্তি কোনো কাজে ব্যবহার না হওয়া  
  3. যন্ত্রে প্রদত্ত শক্তির সবই অপচয় হয় 
  4. যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
ব্যাখ্যা

কর্মদক্ষতা: 
- শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে একটি যন্ত্রের কার্যকর শক্তি (output energy) যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির (input energy) সমান হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে কার্যকর শক্তি সকল সময় মোট শক্তির চেয়ে কম হয়। 
- নানা কারণে যন্ত্রে শক্তির অপচয় ঘটে এবং এ কারণে যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে শক্তির এই তারতম্যের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে শক্তির অপচয় হয় যা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে শক্তির মোট স্থানান্তর স্থির থাকে। 
- যন্ত্রেও কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়। 
কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি 
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
= (E1 - E2)/E1 × 100%  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫০৩.
​রকেটে জ্বালানি ও সোনা আহরণে কোন এসিড ব্যবহার করা হয়? 
  1. কার্বোলিক এসিড 
  2. নাইট্রিক এসিড 
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. সালফিউরিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক এসিড 
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
​- সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
– আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
- সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
- এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
- ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৮,৫০৪.
মানবদেহে কত খানা হাড় আছে?
  1. ক) ২০৬
  2. খ) ২০৪
  3. গ) ২০২
  4. ঘ) ২০৮
সঠিক উত্তর:
ক) ২০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০৬
ব্যাখ্যা

অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।

- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৮,৫০৫.
কাপড় কাঁচার সোডা কোনটি?
  1. K2CO3
  2. CaCO3
  3. Na2CO3
  4. Li2CO3
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
- জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) নামক লবণ ।
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত তাও একটি লবণ।
- তুঁতে বা ফিটকিরি যা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেটিও লবণ।
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) নামক লবণ ।
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে তুঁতে বা কপার সালফেটকে (CuSO4,5H2O) ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।
- তবে শৈবালের উৎপাদন বন্ধে এটি খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH4)3PO4], পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।

উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫০৬.
পৃথিবী থেকে পাঠানো বেতার তরঙ্গ কোন স্তরে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় ফিরে আসে?
  1. ক) মেসোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) আয়নমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ কিলোমিটার উর্ধ্বে এটির অবস্থান।
- পৃথিবী থেকে প্রেরিত বেতার তরঙ্গ আয়নমণ্ডলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৫০৭.
দুটি আলোক রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল ও অন্ধকার অবস্থা সৃষ্টির ঘটনাকে কী বলে?
  1. বর্ণালী
  2. প্রতিসরণ
  3. ব্যতিচার
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
ব্যাখ্যা

• দুটি আলোক রশ্মির উপরের বা মিলিত অবস্থানে উজ্জ্বল এবং অন্ধকার অংশ তৈরি হওয়ার ঘটনা ব্যতিচার (ইন্টারফেরেন্স) নামে পরিচিত। যখন দুটি সমমিত বা সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর রশ্মি একসাথে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায়, তখন তাদের তীব্রতার সংযোজন বা কমিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ঘটে। একই ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তীব্রতা বাড়ে এবং উজ্জ্বল স্থান তৈরি হয়, যা উজ্জ্বল লব (Bright Fringe) নামে পরিচিত। অন্যদিকে বিপরীত ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তারা পরস্পরের প্রভাব কমিয়ে দেয়, ফলে অন্ধকার বা ডার্ক লব (Dark Fringe) তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গের প্রকৃতি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়, যা পদার্থবিদ্যায় আলো সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্যতিচার।
 
• ব্যতিচার (Interference):
- দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
- সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।

• ব্যতিচারের শর্তঃ-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫০৮.
কোন তারিখে পৃথিবীতে দিন-রাত্রি সমান থাকে?
  1. ক) ২২ মার্চ
  2. খ) ২১ জুন
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
- ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর দিন-রাত্রি সমান থাকে।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ২১ জুন ও সবচেয়ে ছোট রাত ২১ জুন।
- আবার, দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ২১ জুন ও সবচেয়ে বড় রাত ২১ জুন। 

- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ২২ ডিসেম্বর ও সবচেয়ে ছোট দিন ২২ ডিসেম্বর।
- আবার, দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট রাত ২২ ডিসেম্বর ও সবচেয়ে বড় দিন ২২ ডিসেম্বর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫০৯.
প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণু কোনটিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন
  3. নিউট্রন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
- তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১০.
ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে কোনটি?
  1. ক) ক্যাপসিউল
  2. খ) ফ্ল্যাজেলা
  3. গ) কোষ প্রাচীর
  4. ঘ) প্লাজমিড
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপসিউল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপসিউল
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো-


- ফ্ল্যাজেলা
- ক্যাপসিউল
- কোষ প্রাচীর
- প্লাজমামেমব্রেন
- মেসোসোম
- সাইটোপ্লাজম
- ক্রোমোসোম
- প্লাজমিড

ক্যাপসিউল - ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়। এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৮,৫১১.
স্বাভাবিক প্রজনন সহায়তা ও বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে -
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন বি
  3. ভিটামিন ডি
  4. ভিটামিন ই
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ই (Vitamin E):
- ভিটামিন ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরল।
- এটি তাপ ও অম্লে বিনষ্ট হয় না। তবে ক্ষারে সামান্য নষ্ট হয়।

ভিটামিন ই এর উৎস:
- সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, যেমন- নারিকেল তেল, সরিষার তেল, চালের কুঁড়ার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস।
- শস্যদানার ভ্রূণ, বাদাম, গোটা শস্য, শাক-সবজি, মাখন ইত্যাদিতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে।
- ডিমের কুসুম, দুধ ও যকৃতেও ভিটামিন ই পাওয়া যায়।

ভিটামিন ই এর কাজ:
১। ভিটামিন এ রক্তের লোহিত কণার জারণসহ অবাঞ্ছিত জারণ রোধ করে।
২। জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে ।
৩। নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।
৪। নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে।
৫। অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
৬। ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ভিটামিন ই এর অভাবজনিত অবস্থা:
১। নারী ও পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
২। ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
৩। গর্ভপাত হতে পারে।
৪। অকাল বার্ধক্য দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র - গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১২.
পৃথিবীর বিভব -
  1. শূন্য
  2. ঋণাত্মক
  3. অসীম
  4. ধনাত্মক
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর তড়িৎ বিভব:
কোনো আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে বস্তুটি নিস্তাড়িত বা আধান নিরপেক্ষ হয়, ধনাত্মক আধানে আহিত বস্তুকে ভু-সংযুক্ত করলে পৃথিবী থেকে ইলেকট্রন এসে বস্তুটিকে নিস্তাড়িত করে। আবার ঋণাত্মকভাবে আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত করলে বস্তু থেকে ইলেকট্রন ভূমিতে চলে যায়। ফলে বস্তুটি নিস্তাড়িত হয়। পৃথিবী এত বড় যে, এতে ইলেকট্রন যুক্ত হলে বা এ থেকে ইলেকট্রন চলে গেলে এর বিভবের আদৌ কোনো পরিবর্তন হয় না। পৃথিবী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বস্তু থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করছে এবং বিভিন্ন বস্তুতে ইলেকট্রন প্রদানও করছে। ফলে পৃথিবীকে বিভবশূন্য মনে করা হয় এবং ভু-সংযুক্ত পরিবাহীর বিভবও শূন্য ধরা হয়। উল্লেখ্য যে, বিভব নির্ণয়ের সময় পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রা্‌ম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৫১৩.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. সিলভার সালফেটের
  4. সিলভার নাইট্রেটের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা

ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে|
- সিলভার ব্রোমাইডের। ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।
- এটি −১ (Br−) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু।
- যেমন সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br−) এর প্রতি ।
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়।
- সালফার ডাই ব্রোমাইড এর মত সমযোজী যৌগ ব্রোমাইড শব্দটি একটি ভ্রমণ পরমাণু কেউ বোঝাতে পারে যার জারণ সংখ্যা-১।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

৮,৫১৪.
কোন ধরনের কোষে নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. স্নায়ু কোষ
  3. শুক্রাণু
  4. শ্বেত রক্তকণিকা
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকার ফলে এটি সর্বাধিক পরিমাণ হিমোগ্লোবিন ধারণ করে এবং অক্সিজেন পরিবহনের জন্য যথেষ্ট স্থান পায়।
- হিমোগ্লোবিন হলো একটি লৌহযুক্ত প্রোটিন, যা অক্সিজেন অণুকে আবদ্ধ করে এবং RBC-কে লাল রঙ দেয়।

• লোহিত রক্ত কণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- নিউক্লিয়াসের পাশাপাশি এতে মাইটোকন্ড্রিয়াও অনুপস্থিত থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৫১৫.
দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা কোনটির কাজ?
  1. ক) রেচনতন্ত্র
  2. খ) স্নায়ুতন্ত্র
  3. গ) রক্ত সংবহনতন্ত্র 
  4. ঘ) শ্বসনতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) স্নায়ুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্নায়ুতন্ত্র
ব্যাখ্যা

স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সাথে সমন্বয় সাধন করা।

স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হল মস্তিস্ক।
স্নায়ুতন্ত্র ২ প্রকার- মূল স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System) এবং পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral Nervous System) । মানবদেহের মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ড মূল স্নায়ুতন্ত্রের অংশবিশেষ। মূল স্নায়ুতন্ত্রের কাজ হচ্ছে শরীরের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে উপস্থিত থাকা এবং সকল অন্তর্গামী ও বহির্গামী বার্তা প্রক্রিয়াজাত করা। পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ঐসকল শিরা-উপশিরা, যা মূল স্নায়ুতন্ত্রে বার্তা বহন করে এবং পুনরায় মূল স্নায়ুতন্ত্র থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রেরণ করে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৮,৫১৬.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. ক) কক্কাস
  2. খ) ব্যাসিলাস
  3. গ) র‍্যাবিস
  4. ঘ) কমা
সঠিক উত্তর:
গ) র‍্যাবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) র‍্যাবিস
ব্যাখ্যা
কোষের আকারের ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণিবিন্যাস
কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- (ক) কক্কাস,
(খ) ব্যাসিলাস,
(গ) স্পাইরিলাম এবং
(ঘ) কমা আকৃতি।

কক্কাস: গোলাকার ব্যাকটেরিয়াকে বলা হয় কক্কাস। কক্কাস ব্যাকটেরিয়া আবার পাঁচ রকমের। যথা-
১। মাইক্রোকক্কাস, ২। ডিপ্লোকক্কাস, ৩। স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ৪। স্ট্রেপটোকক্কাস এবং ৫। সারসিনা।
ব্যাসিলাস: দন্ডাকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
স্পাইরিলাম: কুন্ডলাকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম ব্যাকটেরিয়া বলে
কমা: কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে কমা ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।

-------------------------------
র‍্যাবিস হচ্ছে এক ধরণের ভাইরাস, যার দ্বারা জলাতঙ্ক রোগ হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৫১৭.
বৈদ্যুতিক বাল্বের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের সময় তাপ উৎপন্ন হওয়ার কারণ কী?
  1. ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
  2. খ) ফিলামেন্টের রোধ কম
  3. গ) ফিলামেন্টের রোধ থাকে না
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- সাধারণত একটি কাঁচের বাল্বে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা বায়ুশূন্য থাকে।
- দুইটি মোটা তার বাল্বটির বায়ু নিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয়।
- এই দুই তারের দুই প্রান্তের সঙ্গে সরু টাংস্টেনের তার কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে। এটিকে ফিলামেন্ট বলে।
- ফিলামেন্টের রোধ অনেক বেশি থাকায় তড়িৎ চালনার সময় তাপের উদ্ভব হয় এবং আলো পাওয়া যায়।
- ফিলামেন্টের রোধের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার ক্ষমতার বাল্ব তৈরি হয়ে থাকে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১৮.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী-
  1. ইথার
  2. এস্টার
  3. ইথিলিন
  4. এলকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
• এস্টার (Ester):
- এস্টার হলো এমন যৌগ, যা কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের (-COOH) হাইড্রোক্সিল (-OH) অংশ প্রতিস্থাপন করে অ্যালকক্সি (-OR) বা অ্যারাইলক্সি (-OAr) দ্বারা গঠিত হয়।
- এস্টারের সাধারণ কার্যকরী মূলক হলো -CO-O-R।
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সাধারণত সুগন্ধিযুক্ত।
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- রাসায়নিকভাবে সংশ্লেষিত এস্টার ব্যবহার করে কৃত্রিম ফলের সুগন্ধি প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১৯.
ঈষ্ট কি?
  1. একটি ভাইরাস
  2. একটি ব্যাকটেরিয়া
  3. একটি ছত্রাক
  4. একটি অ্যালগি
সঠিক উত্তর:
একটি ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ছত্রাক
ব্যাখ্যা
• ঈস্ট:
- ঈস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
- বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও এক কোষীয় প্রোটিন তৈরীতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়।
- ঈস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
- সাইট্রিক এসিড বা ভিটামিন সি উৎপাদনে ঈস্টের ব্যবহার নেই।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৮,৫২০.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ক্রেসকোগ্রাফ
  3. ক্রনোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র।

এছাড়া,
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণায়ক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্র - অ্যানিমোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।
- বায়ুতে আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি।

৮,৫২১.
নিচের কোন মিশ্রণে ঊর্ধ্বপাতন ব্যবহার করে পদার্থ আলাদা করা যায় না? 
  1. কর্পূর + বালি 
  2. বালি + গ্লুকোজ 
  3. নিশাদল + লবণ 
  4. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড + লবণ 
সঠিক উত্তর:
বালি + গ্লুকোজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালি + গ্লুকোজ 
ব্যাখ্যা

ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়। 

ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার প্রয়োগ: 
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি উদ্বায়ী পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ উদ্বায়ী পদার্থকে মিশ্রণ থেকে সহজে পৃথক করা যায়।
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যাবে। 
- বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণের মধ্যে কোনো উদ্বায়ী পদার্থ নেই, কাজেই তাপ প্রয়োগ করে বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণ থেকে বালি বা গ্লুকোজকে আলাদা করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৫২২.
নিচের কোনটি রক্তের ধর্ম নয়?
  1. ক) স্বচ্ছ
  2. খ) অস্বচ্ছ
  3. গ) লবণাক্ত
  4. ঘ) তরল
সঠিক উত্তর:
ক) স্বচ্ছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বচ্ছ
ব্যাখ্যা

প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরণের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, লবণাক্ত ও ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে (মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%)
রক্তের উপাদানগুলো হচ্ছে রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা(৪৫%)।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম ও দশম শ্রেণি। পৃষ্ঠা ৪২।

৮,৫২৩.
এক্সরে অপর নাম কী? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে: 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। তাই এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২৪.
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতি গ্রহের কতদিন সময় লাগে?
  1. ২৯ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ৮৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১৬টি।
- বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (এসএসসি প্রোগ্রাম)।
৮,৫২৫.
গ্যালভানাইজিং পদ্ধতিতে লোহার উপর কিসের প্রলেপ দেয়া হয়?
  1. ক) জিঙ্ক
  2. খ) কপার
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক
ব্যাখ্যা
• যে কোন ধাতুর উপর জিংকের (দস্তা) প্রলেপ দেয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
এ ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।

লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়। গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। 
এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরের খাবার নষ্ট হয় না।

• তড়িৎ বিশ্লেণের মাধমে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে।
যেমন- লোহার উপর তামার প্রলেপ দেয়া। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৮,৫২৬.
সর্বপ্রথম তড়িৎ চুম্বকের ধারণা দেন কে?
  1. ওয়েবার
  2. ওয়েরস্টেড
  3. গিলবার্ট
  4. কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
ওয়েরস্টেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েরস্টেড
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া:
- আধুনিক বিজ্ঞান জগতে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে।
- ফ্যান, মোটর, ইত্যাদি ঘূর্ণায়মান সকল যন্ত্রই তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাবে কাজ করে।
- তড়িৎ প্রবাহ চারিদিকে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করে।
- এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনার আবিষ্কারক কোপেনহেগেনের অধ্যাপক বিজ্ঞানী হেন্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (1820)।
- ওয়েরস্টডের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁর নাম অনুসারে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড (Oersted) করা হয়েছিল।
- তড়িৎ প্রবাহ যেহেতু গতিশীল তড়িৎ আধান, অতএব তড়িৎ আধান গতিশীল হলেই চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।
- আধান স্থির থাকলে একে ঘিরে যে তড়িৎ ক্ষেত্র বর্তমান থাকে, আধান গতিশীল হলে তা দূরীভূত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উদ্ভব হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২৭.
ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কোন পদার্থ দ্বারা গঠিত? 
  1. কাইটিন 
  2. সেলুলোজ 
  3. লিগনিন 
  4. পেকটিন 
সঠিক উত্তর:
কাইটিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইটিন 
ব্যাখ্যা

ছত্রাক: 
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক। 
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত। 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়। 
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ। 

ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য: 
- ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ। 
- ছত্রাকেরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
- ছত্রাকেরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। 
- ছত্রাকের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে। 
- ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। 
- ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি। 
- এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২৮.
উইন্ড টারবাইনে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তি মূলত কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. আলোক শক্তিতে 
  2. শব্দ শক্তিতে 
  3. তাপ শক্তিতে 
  4. তড়িৎ শক্তিতে 
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে 
ব্যাখ্যা

বায়ু শক্তি: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- উইন্ড টারবাইনে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে। 
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো। 
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। 
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫২৯.
SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক কোনটি? 
  1. লুমেন (Lumen)
  2. ক্যান্ডেলা (Candela)
  3. লুক্স (Lux)
  4. ওয়াট (Watt)
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
ব্যাখ্যা

ক্যান্ডেলা (Candela)

SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা
Lumen হলো লুমিনিয়াস ফ্লাক্স এর SI একক।
লুক্স হলো আলোর প্রাপ্তি ঘনত্ব এর SI একক।
ওয়াট হলো শক্তির SI একক।


SI পদ্ধতিতে মৌলিক একক ৭ টি

-দৈর্ঘ্য (Meter)   
-ভর (Kilogram)
-সময় (Second)
-তাপমাত্রা (Kelvin)
-পদার্থের পরিমাণ (Mole)
-আলোক তীব্রতা (Candela)
-বিদ্যুৎ প্রবাহ(Ampere)

তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। 

৮,৫৩০.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা কোনটি?
  1. ক) বিটুমিনাস
  2. খ) অ্যানথ্রাসাইট
  3. গ) ক্যালাসাইট
  4. ঘ) লিগনাইট
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট, 
২। বিটুমিনাস এবং 
৩। লিগনাইট। 

- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,৫৩১.
ফলকে টিন জাত করে সংরক্ষণ কে কী বলে?
  1. ক্যানিং
  2. মোম আবৃতকরণ
  3. নির্জলীকরণ
  4. স্টোরেলাইজেশন
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ক্যানিং বা টিনজাত করে সংরক্ষণ (Canning) :
- আম, আনারস, লিচু, কমলা ইত্যাদি ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করা যায়।
- সাধারণত মানসম্পন্ন টাটকা, পাকা ফল পরিস্কার করে খোসা ছাড়ানো হয় এবং ছোট ছোট টুকরা করা হয়।
- টিনজাত করার আগে ফলকে ষ্টেরিলাইজেশন করে নেয়া হয় এবং প্রিজারভেটিভ যোগ করে স্টেরিলাইজড পাত্রে রাখা হয় । পাত্রটিকে বায়ুশুন্য করা হয় এবং বায়ুরোধী অবস্থায় ঠান্ডা করে লেবেল লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।

মোম আবৃতকরণ পদ্ধতি :
সম্পূর্ণ ফলকে মোম দিয়ে আবৃত করা হয়। এ কারণে ফলে শ্বসন ও প্রস্বেদন কম হয়। রোগ জীবাণু ও পোকামাকড় দ্বারাও ফল আক্রান্ত হয় না । এই অবস্থায় ফলকে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

 স্টোরেলাইজেশন:
স্টোরেলাইজেশন বলতে একটি পৃষ্ঠ, উপাদান বা পরিবেশ থেকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং স্পোর সহ সমস্ত ধরণের অণুজীবকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল বা মেরে ফেলার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এটি সাধারণত চিকিৎসা, পরীক্ষাগার এবং শিল্প সেটিংসে ব্যবহৃত হয় যাতে নিশ্চিত করা হয় যে সরঞ্জাম, যন্ত্র এবং পৃষ্ঠগুলি যে কোনও কার্যকর অণুজীব থেকে মুক্ত যা সম্ভাব্য সংক্রমণ বা দূষণের কারণ হতে পারে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৩২.
একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে যে পরিমাণ রক্ত থাকে তা দেহের মোট ওজনের শতকরা কত?
  1. ক) প্রায় ৬%
  2. খ) প্রায় ১০%
  3. গ) প্রায় ১২%
  4. ঘ) প্রায় ৮%
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রায় ৮%
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,৫৩৩.
নিচের কোনটি প্রস্বেদনের ধরন নয়? 
  1. কিউটিকুলার প্রস্বেদন
  2. পত্ররন্ধ্রীয়  প্রস্বেদন
  3. মূলরোমীয় প্রস্বেদন
  4. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
মূলরোমীয় প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলরোমীয় প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য, তাই উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। 
- শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমন্ডলে পরিত্যাগ করে। 
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে। 
- প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে হয়। 
- এছাড়া কান্ড ও পাতার কিউটিক্স এবং কান্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামক এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়। 
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। 
যথা- 
১. পত্ররন্ধ্রীয়  প্রস্বেদন, 
২. ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং 
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উল্লেখ্য, 
- প্রস্বেদনের ধরন নয়- মূলরোমীয় প্রস্বেদন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৫৩৪.
৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট সেলসিয়াস স্কেলে কত?
  1. ৩৬.৯
  2. ৩৮.৪
  3. ৩৪.২
  4. ৩২.৪
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯
ব্যাখ্যা

ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলোঃ C/5 = (F - 32)/9
F=98.4 হলে,
C/5 = (98.4 - 32)/9
বা, C/5 = 66.4/9
বা, C = (66.4 × 5)/9
বা C = 36.9

৮,৫৩৫.
একটি 2000/200V, 20KVA Ideal transformer এর সেকেন্ডারিতে 66 turns আছে। তাহলে প্রাইমারিতে turn সংখ্যা কত হবে?
  1. 440
  2. 660
  3. 550
  4. 330
সঠিক উত্তর:
660
উত্তর
সঠিক উত্তর:
660
ব্যাখ্যা
transformer এর ক্ষেত্রে,
E2/E1 = N2/N1
⇒ N1 = ( E1/E2) × N2
= (2000/200)  × 66
= 660


তাহলে প্রাইমারিতে turn সংখ্যা 660 টি। 
৮,৫৩৬.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেজিস্টর
  4. ক্যাপাসিটর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) তৈরি করতে সাধারণত ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক সংকেত নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে, ট্রান্সফরমার সাধারণত IC তে ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি একটি বড় এবং যান্ত্রিক উপাদান যা ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সফরমার মূলত পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজন হয়। IC তে ছোট, দ্রুত এবং ক্ষুদ্র উপাদান প্রয়োজন, যা সহজেই সিলিকন চিপের ভিতরে তৈরি করা যায়, কিন্তু ট্রান্সফরমার এমন ধরনের নয়। তাই, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরিতে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয় না।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৮,৫৩৭.
পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল কোনটি?
  1. Cygnus X-1
  2. Gaia BH1
  3. Sagittarius A
  4. TON 618
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
ব্যাখ্যা

•  Gaia BH1 হলো পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- Gaia-BH3 হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হলো মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না।
- এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না
- আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করে যে, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
- ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- Cygnus X-1: এটি প্রথম আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোল যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- Sagittarius A: এটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একদম কেন্দ্রে অবস্থিত একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল, যার দূরত্ব প্রায় ২৬,০০০ আলোকবর্ষ।
- TON 618: এটি মহাবিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ব্ল্যাক হোল, কিন্তু এটি ১০ বিলিয়নেরও বেশি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।

উৎস:
১. NASA website.
২. [scientificamerican.com]
৩. [space.com]

৮,৫৩৮.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম-
  1. ক) ক্রোনোমিটার
  2. খ) টেকোমিটার
  3. গ) ক্রেসকোগ্রাফ
  4. ঘ) ওডোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- এটির আবিষ্কারক জগদীশচন্দ্র বসু।
- তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে।

৮,৫৩৯.
রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন: 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৪০.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম- 
  1. Escherichia coli
  2. Mycobacterium tuberculosis
  3. Staphylococcus aureus
  4. Plasmodium vivax
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা

• যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম হচ্ছে Mycobacterium tuberculosis. 

- যক্ষ্মা  Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি।
- এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ।
- সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়।
- এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে।
- শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। 
- দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।
- যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়।
- এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।

৮,৫৪১.
পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে -
  1. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২১ মার্চ ও ২২ ডিসেম্বর
  4. ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
• দিন-রাত্রি সমান:
- প্রতি বছর ৩৬৫ দিনের মধ্যে দুটি দিন পৃথিবীর দিন ও রাতের ব্যাপ্তি সমান হয়ে থাকে।
- এর একটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর।
- সূর্য উত্তর আর দক্ষিণ অয়নান্তের মাঝামাঝি ঠিক বিষুব রেখা বরাবর কিরণ দেয়।
- সেই হিসেবে পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান।
- পক্ষান্তরে ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড়, রাত ছোট আর ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড়, রাত ছোট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৪২.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক -
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) মাইকেল ফ্যারাডে
  3. গ) রবার্ট ওপেনহাইমার
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
গ) রবার্ট ওপেনহাইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রবার্ট ওপেনহাইমার
ব্যাখ্যা
রবার্ট ওপেনহাইমার পারমাণবিক বোমা আবিষ্কার করেন। 

- জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহাইমার, (জন্ম 22 এপ্রিল, 1904, নিউ ইয়র্ক, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মৃত্যু 18 ফেব্রুয়ারি, 1967 সালে প্রিন্সটন, নিউ জার্সি)। 
- রবার্ট ওপেনহেইমার নিউ মেক্সিকোতে লস আলামোসের ল্যাবরেটরির পরিচালক ছিলেন যেখানে পরমাণু বোমার নকশা করা হয়েছিল। 
- তাকে 'Father of Atomic Bomb' হিসবেও অভিহিত করা হয়।
- পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় ইউরেনিয়াম-২৩৫।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলার সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান নামের যে দুটি বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল, ওই দুটি বোমা তৈরিতেই ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়েছিল। 

সূত্র: হিস্টোরি ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৮,৫৪৩.
কোনটি প্রাইমারি দূষক?
  1. SO3
  2. N2O5
  3. NO
  4. HNO3
সঠিক উত্তর:
NO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NO
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)

• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
- যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂)
- ওজোন (O3)

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৪৪.
মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল কতগুণ বেশি শক্তিশালী?
  1. ১০০ গুণ
  2. ১০১২ গুণ
  3. ১০২০ গুণ
  4. ১০৩৬ গুণ
সঠিক উত্তর:
১০৩৬ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৩৬ গুণ
ব্যাখ্যা

 মৌলিক বল মাত্র চারটি। সেগুলো হচ্ছে: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল ও সবল নিউক্লীয় বল।

মহাকর্ষ বল (Gravitational Force):
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। - - - - পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ। এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetic Force):
- তড়িৎ বা বিদ্যুৎ এবং চুম্বকের বলকে আলাদা ধরনের বল মনে হয়, আসলে দুটি একই বল শুধু দুভাবে দেখা যায়।
- তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল হলো প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি, যা বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত কণাগুলির মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলকে বোঝায়, যেমন দুটি আহিত বস্তুর মধ্যে বল বা চুম্বকীয় মেরুর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল, যা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মিথস্ক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয়।
- এই বল পরমাণু ও অণুগুলোকে একত্রে ধরে রাখে এবং আলো, বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মতো দৈনন্দিন ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী। 
- মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল অনেক বেশি শক্তিশালী (১০৩৬ গুণ বা ট্রিলিওন ট্রিলিওন ট্রিলিওন গুণ শক্তিশালী!)। 

দুর্বল নিউক্লীয় বল (Weak Nuclear Force):
- এটাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মহাকর্ষ বলের মতো এত দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বকীয় বল যেকোনো দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই বলটা খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করতে পারে।
- তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে যে বিটা (β) রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় সেটার কারণ এই দুর্বল নিউক্লীয় বল।

সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force):
- এটি হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫m) কাজ করে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মধ্যকার এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বলের মাধ্যমে তারা নিজেদের আটকে রাখে। প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী।
- সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বলের কারণে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি

৮,৫৪৫.
নিচের কোন এসিড সিরকা হিসেবে বেশ পরিচিত?
  1. সাইট্রিক এসিড
  2. ল্যাকটিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. অ্যাসিটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যা
ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
- তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
১. মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
২. যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
৩. ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
৪. পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
৫. দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৪৬.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
  1. ক) বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. গ) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. ঘ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
৮,৫৪৭.
উন্নত শ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহকোষ কোন প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়?
  1. এমাইটোসিস
  2. এমিয়োসিস
  3. মাইটোসিস
  4. মিয়োসিস
সঠিক উত্তর:
মাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোসিস
ব্যাখ্যা

জীবদেহে তিন ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথাঃ এমাইটোসিস, মাইটোসিস এবং মিয়োসিস।
উন্নত শ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহকোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৮,৫৪৮.
আলট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) রেডিওথেরাপিতে
  2. খ) প্রসূতি বিজ্ঞানে
  3. গ) এন্ডোস্কোপিতে
  4. ঘ) ধমনি প্রসারিত হলে
সঠিক উত্তর:
খ) প্রসূতি বিজ্ঞানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রসূতি বিজ্ঞানে
ব্যাখ্যা
আলট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিজ্ঞানে। এছাড়াও এর সাহায্যে জরায়ুর টিউমার, অন্যান্য পেলভিক উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,৫৪৯.
নিচের কোনটি ব্যাটারির অংশ নয়?
  1. ক) অ্যানোড
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) ডায়োড
  4. ঘ) ইলেকট্রোলাইট
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।
যথা- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং ইলেকট্রোলাইট।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৫৫০.
কোন ধরণের কোষ বিভাজনে অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয় ?
  1. অ্যামাইটোসিস
  2. মাইটোসিস
  3. মায়োসিস
  4. মেটাফেজ
সঠিক উত্তর:
মায়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়োসিস
ব্যাখ্যা
• জীবজগতে তিন প্রকারের কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথা- 
ক) অ্যামাইটোসিস বা প্ৰত্যক্ষ কোষ বিভাজন,
(খ) মাইটোসিস বা সমীকরণিক কোষ বিভাজন 
(গ) মায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন ।

অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়। 

মাইটোসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়েই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয় ।

মায়োসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র একবার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু'বার বিভক্ত
হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা (n) মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার (2n) অর্ধেক হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,৫৫১.
কয়লা পোড়ালে শক্তির রূপান্তর হয়-
  1. রাসায়নিক শক্তি শব্দ শক্তিতে
  2. রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. তাপ শক্তি শব্দ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
• কয়লা পোড়ালে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• শক্তির রূপান্তর: 
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
- শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ:
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫২.
কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যেই Energy উৎপন্ন হয় তাকে কী বলে?
  1. Kinetic Energy
  2. Potential Energy
  3. Electrical Energy
  4. Chemical Energy
সঠিক উত্তর:
Potential Energy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Potential Energy
ব্যাখ্যা
• স্থিতিশক্তি (Potential Energy):
- কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যে শক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে বলে স্থিতিশক্তি (Potential Energy)।
- স্থিতিশক্তি হলো সেই শক্তি, যা কোনো বস্তু তার অবস্থান বা গঠনের কারণে ধারণ করে।
- অর্থাৎ, কোনো বস্তুকে যখন এমন জায়গায় রাখা হয় যেখান থেকে এটি নিচে পড়তে পারে বা কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তখন সেই অবস্থানের কারণে তার মধ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে এটাই স্থিতিশক্তি।

উদাহরণ:
যদি একটা পাথর পাঁচতলার ছাদে রাখা হয়, তাহলে তার একটি স্থিতিশক্তি থাকে, কারণ সেটা নিচে পড়লে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৫৫৩.
কোন মশা ফাইলেরিয়া রোগের জীবাণু বহন করে? 
  1. কিউলেক্স
  2. অ্যানোফিলিস
  3. এডিস
  4. অ্যাডালিস
সঠিক উত্তর:
কিউলেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউলেক্স
ব্যাখ্যা
• ফাইলেরিয়া রোগের জীবাণু বহন করে কিউলেক্স মশা।
- যখন কিউলেক্স মশা কোনো আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন সেই ফাইলেরিয়া জীবাণু মশার শরীরে প্রবেশ করে।
- পরবর্তীতে সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে জীবাণু দেহে প্রবেশ করে এবং রোগ সৃষ্টি করে।

অন্যদিকে,
- ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা ভাইরাস ইত্যাদির বাহক এডিস মশা।
- ম্যালেরিয়ার বাহক অ্যানোফিলিস মশা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও World Health Organization (WHO)।
৮,৫৫৪.
pH স্কেলের উদ্ভাবন করেন কে?
  1. মেন্ডেলিফ
  2. সোরেনসেন
  3. ডাল্টন
  4. ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
•  pH :
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের [H+] মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pH বলে।
- 1909 সালে ড্যানিশ প্রাণ-রসায়নবিদ সোরেনসেন কোনো দ্রবণের H+ ও OH- আয়নের ঘনমাত্রা প্রকাশের জন্য pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH হলো Puissance d' Hydrogen অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়নের প্রাবল্য। 

• pH pOH এর মধ্যে সম্পর্ক-
pH + pOH = 14

• বিশুদ্ধ পানির pH এবং pOH একই অর্থাৎ pH = pOH = 7 I অর্থাৎ বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ।
- বিশুদ্ধ পানিতে এসিড যোগ করা হলে pH এর মান কমতে থাকে এবং ক্ষার যোগ করলে pH এর মান বাড়তে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫৫.
বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) জি. ল্যামেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। 
- জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

অন্যদিকে,
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.

সুতরাং, বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৫৫৬.
একই বৈশিষ্ট্যের জন্য ক্রোমোজোমে অবস্থানরত জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে কী বলা হয়?
  1. অ্যালিল
  2. লোকাস
  3. জিনোটাইপ
  4. ফিনোটাইপ
সঠিক উত্তর:
অ্যালিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালিল
ব্যাখ্যা

◉ একটি জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে অ্যালিল বলা হয়। এগুলো একই লোকাসে (chromosome-এর নির্দিষ্ট অবস্থান) অবস্থান করে এবং কোনো বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: মটরশুঁটির ফুলের রঙের জন্য একটি অ্যালিল বেগুনি রঙের, আরেকটি অ্যালিল সাদা রঙের হতে পারে।

জিন: 
- জিন (Gene) W. L. Johannsen (গ্রিক genes = born) ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জিন শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মেন্ডেল এর অনুমানকৃত জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক বস্তুটি হলো এলিমেন্টিস বা ফ্যাক্টর যা পরবর্তীকালে জিন নামে অভিহিত হয়। 
- জিন হচ্ছে বংশগতির মৌলিক একক এবং এরা বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়ে বংশগতিধারা অব্যাহত রাখে। 
- জিন হচ্ছে পলিপেপটাইড সংশ্লেষের জন্য সংকেত প্রদানকারী DNA অণুর অংশ বিশেষ। 

লোকাস: 
- ক্রোমোসোমে একটি জিনের অবস্থানকে লোকাস বলে। 

অ্যালিল: 
- ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়। 

অ্যালিলোমর্ফ: 
- জিনগুলোর একত্রে অবস্থান করাকে অ্যালিলোমর্ফ বলে। 

জিনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। 

ফিনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। 
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৫৭.
নিম্নের কোন বিষয়টি ভূ-রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব
  2. সমস্থিতি তত্ত্ব
  3. হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
  4. ক্ষয়চক্র তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্টল্যান্ড তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
হার্টল্যান্ড তত্ত্ব:
- স্যার হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার ছিলেন একজন ব্রিটিশ ভূগোলবিদ যিনি ১৯০৪ সালে "ইতিহাসের ভৌগলিক পিভট" নামে একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন। ম্যাকিন্ডারের গবেষণাপত্রটি পরামর্শ দিয়েছে যে পূর্ব ইউরোপের নিয়ন্ত্রণ বিশ্বের নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যাবশ্যক ছিল।
- ম্যাকিন্ডার যা অনুমান করেছিলেন, তা হার্টল্যান্ড তত্ত্ব হিসাবে পরিচিত হয়েছিল:
- পূর্ব ইউরোপ কে শাসন করে হার্টল্যান্ডকে নির্দেশ করে,
- হার্টল্যান্ড কে শাসন করে বিশ্ব দ্বীপকে,
- বিশ্ব দ্বীপ কে শাসন করে বিশ্বকে,
- তিনি সমগ্র ইউরোপ এবং এশিয়াকে বিশ্ব দ্বীপ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮,৫৫৮.
হ্যালির ধূমকেতু কোন কক্ষপথে সূর্যকে আবর্তন করে?
  1. ক) পর্যাবৃত্তাকার
  2. খ) বৃত্তাকার
  3. গ) উপবৃত্তাকার
  4. ঘ) উল্লম্বাকার
সঠিক উত্তর:
গ) উপবৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপবৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
সূর্যকে ঘিরে হ্যালির ধূমকেতুর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার যা একধরনের পর্যায়বৃত্ত গতি। সূর্যকে যারা প্রদক্ষিণ করে তারা সূর্যকে ঘিরে উপবৃত্তাকার বা Elliptical পথে ঘুরে৷
উৎসঃ নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,৫৫৯.
তড়িচ্চালক শক্তির একক-
  1. Joule
  2. Volt
  3. Coulomb
  4. NC-1
সঠিক উত্তর:
Volt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volt
ব্যাখ্যা
তড়িচ্চালক শক্তিঃ কোষ বা উৎসকে এক কুলম্ব পরিমান আধানকে তার নিম্ন বিভব প্রান্ত থেকে উচ্চ বিভব প্রান্তে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে হয় তাকে কোষ বা উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি বলে।
একে E দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এর একক ভোল্ট (V)। খোলা বর্তনীতে কোষের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্যই কোষের তড়িচ্চালক শক্তি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,৫৬০.
উদ্ভিদের দৃঢ়তা প্রদান করে কোন টিস্যু?
  1. প্যারেনকাইমা
  2. স্ক্লেরেনকাইমা
  3. কোলেনকাইমা
  4. জাইলেম
সঠিক উত্তর:
স্ক্লেরেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্লেরেনকাইমা
ব্যাখ্যা
সরল টিস্যু:
- যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন, তাকে সরল টিস্যু বলে।

• কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা: প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা এবং স্ক্লেরেনকাইমা।

স্ক্লেরেনকাইমা (Sclerenchyma):
- এ টিস্যুর কোষগুলো শক্ত, অনেক লম্বা এবং পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট হয়।
- প্রোটোপ্লাজমবিহীন, লিগনিনযুক্ত এবং যান্ত্রিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুকে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু বলে।
- প্রাথমিক অবস্থায় কোষগুলোতে প্রোটোপ্লাজম উপস্থিত থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি তা নষ্ট হয়ে মৃত কোষে পরিণত হয়।
- কোষগুলো প্রধানত দুই ধরনের, ফাইবার এবং স্ক্লেরাইড।
- উদ্ভিদদেহে দৃঢ়তা প্রদান এবং পানি এবং খনিজ লবণ পরিবহন করা এর মূল কাজ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৮,৫৬১.
২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. সুমেরুবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
মকরক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা।

সুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
কুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৫৬২.
আলফা কণায় থাকে ___। 
  1. ১ প্রোটন + ১ নিউট্রন 
  2. ২ ইলেকট্রন
  3. ১ প্রোটন + ২ নিউট্রন 
  4. ২ প্রোটন + ২ নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
২ প্রোটন + ২ নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রোটন + ২ নিউট্রন
ব্যাখ্যা

• আলফা কণার সঠিক গঠন হলো ২ প্রোটন + ২ নিউট্রন।

আলফা কণা:
- আলফা কণা হলো একটি পারমাণবিক বিকিরণ (radioactive decay) কণার ধরণ।
- এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (Helium nucleus)।

গঠন:
- প্রতিটি আলফা কণায় থাকে: ২টি প্রোটন (Proton), ২টি নিউট্রন (Neutron)
- এতে কোনো ইলেকট্রন নেই।

বৈশিষ্ট্য:
- ধনাত্মক চার্জযুক্ত (+2e)।
- ভারী এবং ধীরে চলমান, তাই কাগজ বা মানুষের ত্বক সহজেই আটকাতে পারে।
- পারমাণবিক বিকিরণ ও নিউক্লিয়ার প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৮,৫৬৩.
প্লুটোনিয়াম -২৩৮ ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যান্সার চিকিৎসায়
  2. খ) থাইরয়েড গ্রন্থিতে
  3. গ) পেইসমেকার বসাতে
  4. ঘ) রক্তস্বল্পতা চিকিৎসায়
সঠিক উত্তর:
গ) পেইসমেকার বসাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেইসমেকার বসাতে
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৮,৫৬৪.
হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) মূলক থাকা সত্ত্বেও নিচের কোনটি অ্যালকোহল নয়?
  1. ইথানল
  2. মিথানল
  3. ফেনল
  4. প্রোপানল
সঠিক উত্তর:
ফেনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল (Alcohol): 
- যে জৈব যৌগে হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) বিদ্যমান থাকে তাকে অ্যালকোহল বলে। 
- তবে কিছু কিছু যৌগে হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) বিদ্যমান থাকলেও তাদেরকে অ্যালকোহল বলা হয় না (যেমন- ফেনল C6H5-OH) । 
- অ্যালকোহলের সাধারণ সংকেত CnH2n+1OH । 
- এ শ্রেণির প্রথম সদস্য হচ্ছে মিথানল (CH3-OH), দ্বিতীয় সদস্য ইথানল (CH3-CH2-OH)। 
- অ্যালকোহলকে R-OH দিয়ে প্রকাশ করা যায়, যেখানে R হলো অ্যালকাইল মূলক। 
- এ শ্রেণির প্রথম দিকের সদস্যগুলো বর্ণহীন তরল পদার্থ এবং পানিতে যে কোনো অনুপাতে মিশ্রিত হয়। 

নামকরণ: 
- অ্যালকেনের নামের শেষের 'e' বাদ দিয়ে অল (ol) যোগ করে অ্যালকোহলের নামকরণ করা হয়।
যেমন: ইথানল (CH3CH2OH) । 

অ্যালকোহলের প্রস্তুতি: 
ইথাইল ব্রোমাইড থেকে: 
- ব্রোমো ইথেন এর মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর জলীয় দ্রবণ যোগ করে উত্তপ্ত করলে ইথানল এবং সোডিয়াম ব্রোমাইড উৎপন্ন হয়। 

অ্যালকোহলের ব্যবহার: 
- স্টার্চ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া চিনি শিল্পের উপজাত উৎপাদ (by-product) চিটাগুড় থেকে একই প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল (ইথানল) পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশের দর্শনায় কেরু এন্ড কেরু কোম্পানিতে ইথানল প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা পূরণ করা হয়। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে একদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমে, অপরদিকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৬৫.
ইলেট্রোলাইটিক সেল বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সেল
  2. এদের অ্যানোড ঋণাত্মক ও ক্যাথোড ধনাত্মক
  3. ডেনিয়েল সেল এর উদাহরণ
  4. তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
ব্যাখ্যা
ইলেট্রোলাইটিক সেল:
- এখানে বাহিরের উৎস হতে সেলে বিদ্যুৎ প্রবেশ করে। ফলে তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
- এটি বিদ্যুৎ শোষণকারী সেল।
- ইলেকট্রোডদ্বয় বাহিরের কোন তড়িৎচালক বলের উৎসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- এদের অ্যানোড ধনাত্মক ও ক্যাথোড ঋণাত্মক। 
- নেলসন ডায়ফ্রাম সেল এর উদাহরণ।

গ্যালভানিক সেল:
- এখানে ইলেকট্রোডের উপর রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সেল।
- এদের ইলেকট্রোডদ্বয় পরিবাহী তারের সাথে যুক্ত থাকে ফলে উৎপাদিত বিদুৎ পরিচালিত হতে পারে।
- এদের অ্যানোড ঋণাত্মক ও ক্যাথোড ধনাত্মক।
- ডেনিয়েল সেল এর উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৬৬.
মানবদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় বিনিময় হচ্ছে -
  1. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন বিনিময়
  3. নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়
  4. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিনিময়
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়
ব্যাখ্যা

• গ্যাসীয় বিনিময়:
- গ্যাসীয় বিনিময় বলতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়কে বুঝায়।
- এটি মূলত বায়ু ও ফুসফুসের রক্তনালির ভিতরে ঘটে।
- সব ধরনের গ্যাসীয় বিনিময়ের মূলে রয়েছে ব্যাপন প্রক্রিয়া।
- গ্যাসীয় বিনিময়কে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়, অক্সিজেন শোষণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ।

• অক্সিজেন শোষণ:
- ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলি ও রক্তের চাপের পার্থক্যের জন্য অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে।
- ফুসফুস থেকে ধমনির রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ করার পর রক্তে অক্সিজেন দুভাবে পরিবাহিত হয়। সামান্য পরিমাণ অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে পরিবাহিত হয়।
- বেশির ভাগ অক্সিজেনই হিমোগ্লোবিনের লৌহ অংশের সাথে হালকা বন্ধনের মাধ্যমে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামে একটি অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। অক্সিহিমোগ্লোবিন থেকে অক্সিজেন সহজে বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

হিমোগ্লোবিন + অক্সিজেন  →  অক্সিহিমোগ্লোবিন (অস্থায়ী যৌগ)
অক্সিহিমোগ্লোবিন  →  মুক্ত অক্সিজেন + হিমোগ্লোবিন

- রক্ত কৈশিকনালিতে পৌঁছার পর অক্সিজেন পৃথক হয়ে প্রথমে লোহিত রক্তকণিকার আবরণ ও পরে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে। অবশেষে লসিকা থেকে কোষ আবরণ ভেদ করে কোষে পৌঁছে।

• কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহণ:
- খাদ্য জারণ প্রক্রিয়ায় কোষে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে।
- এই কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রথমে কোষ আবরণ ভেদ করে আন্তঃকোষীয় তরল ও লসিকাতে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO3) রূপে রক্তরসের মাধ্যমে এবং পটাশিয়াম বাই কার্বোনেট (KHCO3) রূপে লোহিত রক্তকণিকা দিয়ে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে, সেখানে কৈশিকনালি ও বায়ুথলি ভেদ করে দেহের বাইরে নির্গত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৮,৫৬৭.
কোন রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়? 
  1. অণুচক্রিকা
  2. প্লাজমা
  3. শ্বেত রক্তকোষ
  4. লোহিত রক্তকোষ
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকোষ
ব্যাখ্যা

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। 
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। 
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- রক্তের উপাদান দুটি। যথা- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)। 

রক্তরস: 
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। 
- রক্তরসের প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে। 

রক্তকোষ: 
- রক্তকোষ তিন ধরনের। 
যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)। 
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। 
- মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৫৬৮.
n- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্যালিয়াম
  2. খ) ইন্ডিয়াম
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮,৫৬৯.
মানবদেহে HIV প্রবেশ করার কতদিনের মধ্যে শরীরে এইডস-এর লক্ষণ দেখা যায় ?
  1. ক) ১ মাস থেকে ২ মাস
  2. খ) ১ বছর থেকে ২ বছর
  3. গ) ৬ মাস থেকে ১০ বছর
  4. ঘ) ৩ মাস থেকে ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ মাস থেকে ১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ মাস থেকে ১০ বছর
ব্যাখ্যা
• মানবদেহে HIV প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডস-এর লক্ষণ দেখা যায়।
- এইচআইভি একটি ভাইরাস।
- আমাদের প্রত্যেকের শরীরে নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। এই প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকার কারণে কোনো রোগের জীবাণু প্রবেশ করলে সহজে শরীরের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। এমন কিছু ভাইরাস আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আস্তে আস্তে দুর্বল করে। এক সময় তা সম্পূর্ণভাবেই নিঃশেষ করে ফেলতে পারে। এইচআইভি এমনই একটি ভাইরাস।
- এইচআইভি মানুষের শরীরে উৎপন্ন তরল পদার্থ যেমন- রক্ত, বীর্য ও বুকের দুধ ইত্যাদিতে থাকে।
- এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির এই তরল পদার্থগুলো (রক্ত, বীর্য, যোনিরস) বিভিন্নভাবে সুস্থ লোকের শরীরে প্রবেশ করলে এবং সংক্রমিত মায়ের দুধ সুস্থ শিশু পান করলে তার শরীরেও এইচআইভির সংক্রমণ ঘটবে।
- HIV এর পূর্ণ রূপ:
H = Human (মানুষ)
I = Immuno-deficiency (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস)
V = Virus (জীবাণু)
- HIV কে সম্প্রসারণ করলে দাঁড়ায় Human Immunodeficiency Virus যার বাংলা অর্থ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী জীবাণু।
- এই ভাইরাস কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে পরিণামে তার এইডস হয়।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭০.
পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ কোনটি?
  1. চন্দ্র 
  2. সূর্য 
  3. ডিমোস 
  4. মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র 
ব্যাখ্যা

পৃথিবী: 
- 'পৃথিবী' সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য একটি গ্রহ। 
- এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যাস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে। 
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ। 

চন্দ্র: 
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি. মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। 
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়। 
- এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দিয়ে থাকে। 

অন্যদিকে, 
- মঙ্গল আলাদা একটি গ্রহ। 
- ডিমোস মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ। 
- সূর্য একটি তারা এবং সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত, এটি কোনো গ্রহের উপগ্রহ নয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৭১.
কোনো গ্যাসের আণবিক ভর বেশি হলে তার ব্যাপনের হার কী হবে? 
  1.  শূন্য হবে 
  2.  কম হবে 
  3.  বেশি হবে 
  4. অপরিবর্তিত থাকবে 
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
ব্যাখ্যা

ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম, আবার যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৭২.
প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না -
  1. ক) কার্বন
  2. খ) জার্মেনিয়াম
  3. গ) টিন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টিন
ব্যাখ্যা
কার্বন: প্রাচূর্যের দিক দিয়ে বিশ্বে কার্বনের অবস্থান চতুর্দশ। জীবন প্রক্রিয়ায় কার্বন একটি অত্যাবশ্যকীয় মৌল বলে এর অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
কার্বন প্রকৃতিতে মূক্ত ও যৌগ উভয় অবস্থায় বিদ্যমান। মুক্ত অবস্থায় ডায়মন্ড ও গ্রাফাইট এ দু'টি স্ফটিকাকার এবং কার্বন অনিয়তাকার বা অদানাদার। কার্বন মূলত: কয়লা হিসেবে থাকে। যৌগাবস্থায় কার্বন চুনাপাথর বা ক্যালসাইট, CaCO3; ম্যাগনেসাইট, MgCO3; ডলোমাইট, CaCO3.MgCO3 ইত্যাদিতে থাকে। এ ছাড়া খনিজ তৈল ও প্রাকৃতিক গ্যাসসহ জৈব যৌগে কার্বন থাকে। অজৈব যৌগ যেমন CO, কার্বনেট ও বাইকার্বনেট যৌগেও উলে-খযোগ্য পরিমাণে কার্বন থাকে ।

সিলিকন: অক্সিজেনের পরই প্রকৃতিতে প্রাচুর্যতার দিক দিয়ে সিলিকনের অবস্থান। অক্সিজেনের প্রতি সিলিকনের প্রবল আসক্তি থাকায় প্রকৃতিতে সিলিকন অক্সাইড যৌগ। বালি, পাথর ও কোয়ার্ডে সিলিকা রূপে (SiO2) সিলিকন বিদ্যমান থাকে। এছাড়া সিলিকন ফেল্ডস্পার, মাইকা, এ্যাসবেসটস ইত্যাদিতে সিলিকেট রূপে থাকে ।

টিন: টিন প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়না। এর প্রধান আকরিক হচ্ছে ক্যাসিটেরাইট বা টিন-স্টোন, SnO2 । Fe, Cu ও Zn এর বিভিন্ন পাইরাইট্স আকরিকের সাথেও স্বল্প পরিমাণে টিন মিশ্রিত থাকে ।

সূত্র: ৪২৪ পৃষ্ঠা, রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭৩.
কোন ফাইটোহরমােন বা উদ্ভিদ হরমােনটি ফল, শস্য এবং ডাবের পানিতে পাওয়া যায়?
  1. ক) অক্সিন
  2. খ) জিবেরেলিন
  3. গ) সাইটোকাইনিন
  4. ঘ) ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
গ) সাইটোকাইনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাইটোকাইনিন
ব্যাখ্যা

সাইটোকাইনিনঃ
এই ফাইটোহরমােন বা উদ্ভিদ হরমােনটি ফল, শস্য এবং ডাবের পানিতে পাওয়া যায়। কোনাে কোনাে উদ্ভিদের মূলেও এদের পাওয়া যায়। সাধারণভাবে এটি বিভিন্ন ঘনত্বে অক্সিনের সাথে যুক্ত হয়ে কোষ বিভাজনকে উদ্দীপিত করে।

৮,৫৭৪.
ক্লাউড সিডিং বলতে কি বোঝায়?
  1. ক) বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম মাছ উৎপাদন
  2. খ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো
  3. গ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বীজ উৎপাদন
  4. ঘ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে সূর্যরশ্মি ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
খ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সিডিং বলতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোকে বোঝায়। 

- ১৮৯১ সালে লুই গাথমান প্রথম কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টিতে তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালের জুলাইতে তিনি কৃত্রিম বৃষ্টির মূলনীতি আবিষ্কার করেন।
- পরে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আরভিং ল্যাংমুর সাথে যৌথভাবে কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টি করার পন্থা উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক গেমসের ঠিক আগে ক্লাউড সিডিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টি ঝরিয়েছিল চীন।
- ‘ক্লাউড সিডিং’ এর জনক বলা হয় মার্কিন রসায়নবিদ ভিনসেন্ট শায়েফারকে।
- যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের গবেষণাগারে শায়েফার ১৯৪৬ সালের জুলাই মাসে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের সফল ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটান। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৮,৫৭৫.
পড়ন্ত বস্তুর কোন সূত্রটি বস্তুর সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রমকে বোঝায়? 
  1. তৃতীয় সূত্র 
  2. দ্বিতীয় সূত্র 
  3. প্রথম সূত্র 
  4. চতুর্থ সূত্র 
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র 
ব্যাখ্যা

পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- এই ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। 
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। 
- পড়ন্ত বস্তুর সূত্রগুলো হচ্ছে- 
১। প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t

৩। তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৫৭৬.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যাপাসিটর
  2. রেজিস্টর
  3. ডায়োড
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৭৭.
তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে কোনটির আয়তন কমে যায়?
  1. ক) পিতল
  2. খ) বরফ
  3. গ) ঢালাই লোহা
  4. ঘ) প্যারাফিন মোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যারাফিন মোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যারাফিন মোম
ব্যাখ্যা
তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরকে কঠিনীভবন (Solidification) বলে।
১. সাধারণত তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে আয়তন কমে যায়। তামা, প্যারাফিন মোম।
২. তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে আয়তন বেড়ে যায় - বরফ, ঢালাই লোহা, পিতল, বিসমাথ, অ্যান্টিমনি, ছাপার হরফ।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৭৮.
তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. লাইকেন 
  2. পাইন 
  3. তেলাপাতা
  4. ফার্ন 
সঠিক উত্তর:
লাইকেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন 
ব্যাখ্যা

বায়োম: 
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। 
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । 
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। 
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়। 

তুন্দ্রা বায়োম: 

- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে। 
- দীর্ঘ শীতের সময় এখানে বরফ জমা থাকে। 
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন। 
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম। 
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৭৯.
ইনসুলিন কি?
  1. এক ধরনের এনজাইম
  2. এক ধরনের হরমোন
  3. এক ধরনের ঔষধ
  4. এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের হরমোন
ব্যাখ্যা
প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই৷
৮,৫৮০.
প্রোটিনের মূল উপাদান কোনটি?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) কার্বন
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত।
আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
সালফার, ফসফরাস ও আয়রন সামান্য পরিমাণে থাকে।
শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮,৫৮১.
নিচের কোন প্রাণীটি আর্থ্রোপোডার উদাহরণ? 
  1. জেলি ফিস
  2. আরশোলা
  3. সরীসৃপ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আরশোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরশোলা
ব্যাখ্যা
Arthropoda (আর্থ্রোপোডা): 
- আর্থ্রোপোডা (গ্রিক, arthron = joint, সন্ধি + pous, podos = foot, পা) পর্বটি প্রাণিজগতে সর্ব বৃহৎ পর্ব। 
- এদের পা দেখলেই বোঝা যায়, এরা কয়েকটি ভিন্ন অংশ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, তাই এদের সন্ধিপদী নাম করা হয়েছে। 
- এরা পাহাড়, পর্বত, সমুদ্রের তলদেশ, মরুভূমির বালুকাময় স্থানসহ সর্বত্র বাস করে। 

বৈশিষ্ট্য: 
- সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বর্তমান। প্রতিটি খণ্ডে সাধারণত একজোড়া উপাঙ্গ থাকে। 
- দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, ত্রিস্তরী, খণ্ডায়িত দেহ। 
- উন্মুক্ত সংবহনতন্ত্র যা পৃষ্ঠীয় সংকোচনশীল হৃদপিণ্ড, ধমনীসমূহ এবং হিমোসিল নিয়ে গঠিত। 
- দেহ প্রাচীর ফুলকা, ট্রাকিয়া বা পুস্তক ফুসফুস দ্বারা শ্বাসকার্য সম্পাদিত হয়। 
- কক্সাল, এন্টেনাল, ম্যালপিজিয়ান নালিকা দ্বারা রেচন সম্পাদিত হয়। 
- স্ত্রী-পুরুষ আলাদা সাধারণত অন্তঃনিষেক সম্পন্ন হয় এবং প্রায় ক্ষেত্রেই মেটামরফোসিস বিদ্যমান। 
- পৌষ্টিকতন্ত্র সম্পূর্ণ, উপাঙ্গ পরিবর্তিত হয়ে মুখোপাঙ্গ গঠিত যা বিভিন্ন প্রকার খাদ্য গ্রহণের জন্য অভিযোজিত। 
উদাহরণ: Periplaneta americana (আরশোলা), Penaeus monodon (বাগদা চিংড়ি), Carcinus maenas (কাঁকড়া)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৮২.
এনট্রপি হলাে-
  1. ক) শৃঙ্খলার পরিমাপ
  2. খ) শক্তির রূপান্তর ক্ষমতার পরিমাপ
  3. গ) রূপান্তরের জন্য শক্তি পাওয়ার পরিমাপ
  4. ঘ) তাপীয় মৃত্যুর সম্ভাবনার পরিমাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপীয় মৃত্যুর সম্ভাবনার পরিমাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপীয় মৃত্যুর সম্ভাবনার পরিমাপ
ব্যাখ্যা

এনট্রপির তাৎপর্য

তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। এর নিম্নলিখিত তাৎপর্য রয়েছে :
১) এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান।
২) এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে।
৩) এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে।
৪) এটি তাপমাত্রা, চাপ, আয়তন, অন্তর্নিহিত শক্তি, চুম্বকীয় অবস্থার ন্যায় কোনাে বস্তুর অবস্থা প্রকাশ করে।
৫) এনট্রপি বৃদ্ধি পেলে বস্তু শৃঙ্খল অবস্থা (ordered state) হতে বিশৃঙ্খল অবস্থায় (disordered state) পরিণত হয়।
৬) তাপমাত্রা ও চাপের ন্যায় একে অনুভব করা যায় না।
(উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৮,৫৮৩.
ক্যান্সার চিকিৎসায় কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্স রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

• চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার:
- চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু'ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন- 
ক) রোগ নিরাময়ে ও 
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131(131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of  Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

• গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:

- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
- এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

উৎস: রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান , এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৮৪.
উদ্ভিদের কোন অংশ  প্রধানত সালোকসংশ্লেষণের কাজ করে? 
  1. ফুল
  2. ফল
  3. মূল
  4. পাতা
সঠিক উত্তর:
পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা
ব্যাখ্যা

• সালোকসংশ্লেষণ:
- সালোকসংশ্লেষণ হলো প্রক্রিয়া, যেখানে উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাবার তৈরি করে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে পাতার ক্লোরোপ্লাস্ট।
- ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল আলো শোষণ করে।
- পাতা কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জল নিয়ে খাবার তৈরি করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে।
- তাই, উদ্ভিদের পাতা সালোকসংশ্লেষণের মূল অংশ।
- কচি অবস্থায় সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কিছু পরিমাণ খাদ্য প্রস্তুত করে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৮,৫৮৫.
প্রতিটি লোবিউলে কত সংখ্যক অ্যালভিওলি থাকে?
  1. ২০-৩০টি
  2. ৪০-৫০টি
  3. ৫০-৮০টি
  4. ৮০-১০০টি
সঠিক উত্তর:
৫০-৮০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০-৮০টি
ব্যাখ্যা
অ্যালভিওলাস (Alveolus): 
- ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক হলো অ্যালভিওলাস। 
- অ্যালভিওলাসগুলো ক্ষুদ্র বুদবুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরী বিশেষ। 
- ডান ফুসফুসে ১০টি ও বাম ফুসফুসে ৮টি লোবিউল থাকে। 
- প্রতিটি লোবিউলে ৫০-৮০টি অ্যালভিওলি থাকে। 
- অ্যালভিওলাসের প্রাচীর চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। 
- এতে কোলাজেন ও ইলাস্টিন তন্তু থাকে। 
- ফলে শ্বসনের সময় সংকোচন ও প্রসারণ সহজ হয়। 
- এছাড়া অ্যালভিওলার বায়ু ও প্রাচীরের কৈশিক জালিকার রক্তের মধ্যে যে গ্যাসীয় বিনিময় সম্পাদিত হয় তার মধ্যবর্তী বিভেদক পর্দাকে শ্বাসপর্দা বলে। 
- শ্বাসপর্দাটি দুটি কোষীয় স্তর ও দুটি ভিত্তিপর্দা নিয়ে গঠিত। 
- এদের মধ্যে একটি এপিথেলিয় আবরণী ও অপরটি এন্ডোথেলিয় আবরণী। 
- বায়ু ও রক্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই মিহিপর্দার উপস্থিতি গ্যাসীয় বিনিময়কে সহজ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৫৮৬.
শুষ্ক কোষের তড়িচ্চালক বল-
  1. ক) 1.2 Volt
  2. খ) 1.6 Volt
  3. গ) 1.5 Volt
  4. ঘ) 1.7 Volt
সঠিক উত্তর:
গ) 1.5 Volt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1.5 Volt
ব্যাখ্যা

শুষ্ক কোষ (Dry Cell):
এ কোষ মূলত লেকল্যান্স কোষের ভিন্ন সংষ্করণ। লেকল্যান্স কোষের উপাদান দিয়ে এ কোষ গঠিত হয়। একোষে তরল NH4Cl এর পরিবর্তে NH4Cl এর পেষ্ট এবং পোলারক হিসাবে কঠিন MnO2 ব্যবহার করা হয়।
উভয়ই শুষ্ক বলে একে শুষ্ক কোষ বলা হয়। এ কোষের তড়িচ্চালক বল ১.৫ ভোল্ট।

সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৮৭.
জেনারেটরে শক্তির কোন রূপান্তরটি ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা
জেনারেটর: 
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।

জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- 
১। ডি. সি. জেনারেটর ও
২। এ. সি. জেনারেটর।

- এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়।
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়, আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৮৮.
পাতার টিস্যু কোন ধরনের ভাজক টিস্যু?
  1. মাস ভাজক টিস্যু
  2. প্লেট ভাজক টিস্যু
  3. রিব ভাজক টিস্যু
  4. গ্রাউন্ড ভাজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
প্লেট ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেট ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
বিভাজন প্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ:
- বিভাজন প্রক্রিয়ার ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়।
যথা-
১। মাস ভাজক টিস্যু
২। রিব ভাজক টিস্যু ও
৩। প্লেট ভাজক টিস্যু।

প্লেট ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদের প্লেট ভাজক টিস্যু বলা হয়।
যেমন- পাতার টিস্যু।

মাস ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে মাস ভাজক টিস্যু বলে। এ প্রকার বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দেহের আয়তন বাড়ে।
যেমন- কর্টেক্স, এন্ডোস্পার্ম।

রিব ভাজক টিস্যু: যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো মাত্র একটি তলে বিভক্ত হয় তাকে রিব ভাজক টিস্যু বলে। এ ধরনের বিভাজনের ফলে এক সারি কোষ সৃষ্টি হয়। যেমন- মূল ও কান্ডের মজ্জা ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৮৯.
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশের কোন জেলা জলমগ্ন হয়ে পড়বে?
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার পরিণতি: 
- সম্পদের অধিক ব্যবহারে জলজ, বনজ ও স্থলজ এই তিন ধরনের বাস্তুসংস্থান বিদ্যমান, প্রত্যেকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। 
- জলজ বাস্তুসংস্থান নষ্ট হওয়ার ফলে অনেক জলজ প্রাণী ও মাছ বিলুপ্ত। 
- বনজ সম্পদের অনেক বৃক্ষ বিলুপ্ত ও কিছু বৃক্ষ বিলুপ্তির মুখে, এমন কি অনেক বনজ প্রাণী ধ্বংস হয়েছে। বনজঙ্গল বেশি কেটে ফেলার ফলে শৃগাল, খরগোশ, বনবিড়াল প্রভৃতির বাসস্থান নষ্ট হয়েছে, যা খাদ্য শৃঙ্খলকে ভেঙে দিয়েছে। এর প্রভাব স্থলজ প্রাণীর বাস্তুসংস্থানের উপর তথা মানব সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। 
- অতিরিক্ত মাত্রায় সম্পদ ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে উত্তরাঞ্চলে উত্তপ্ততা এবং শৈত্যপ্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- উন্নত বিশ্বে অতিরিক্ত শিল্পায়নের কারণে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে আমাদের দেশের সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে সাতক্ষীরা, বরিশাল ও নোয়াখালী জেলার অনেক অংশ সমুদ্রের জলমগ্ন হয়ে পড়বে। 
- এছাড়া ভূনিম্নস্থ পানিতে লোনা পানি প্রবেশ করছে। ফলে স্বাভাবিক উদ্ভিদ জন্মানোর পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে; পাহাড় ও ভূমিধস বৃদ্ধি পাচ্ছে ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। 
- পরোক্ষভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে মানুষের বিভিন্ন সংক্রমণ রোগ, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ ও পেটের পীড়া। এভাবে চলতে থাকলে পুরো পরিবেশ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে, দেখা দেবে নানা বিপর্যয়। তাই সহনশীল টেকসই পরিবেশই সকলের কাম্য। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৯০.
কোনটি আদর্শ খাবার?
  1. ক) ডিম
  2. খ) মাছ
  3. গ) দুধ
  4. ঘ) ডাল
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
ব্যাখ্যা

- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- কারণ এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

৮,৫৯১.
ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. চার্জহীন
  2. ভরহীন 
  3. ধনাত্মক চার্জধারী
  4. ঋণাত্মক চার্জধারী 
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জধারী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জধারী 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৯২.
প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য দ্বারা কী বোঝানো হয়? 
  1. জীবনের বয়স
  2. মানুষের গায়ের রং
  3. জীবের গড় আকার
  4. ভিন্ন প্রজাতির জীবের বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রজাতির জীবের বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রজাতির জীবের বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্য: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের জল ও স্থলভাগে বসবাসকারী সকল প্রকার জীবের মধ্যে বিরাজমান জীনগত, প্রজাতিগত ও বাস্তুতান্ত্রিক বিভিন্নতা ও সংখ্যা প্রাচুর্যতা রয়েছে এবং কালের ক্রমধারায় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিজেদের বৈচিত্র্যময় অবস্থার পরিবর্তন ও বিকাশ ঘটানোকে বলা হয় জীববৈচিত্র্য। 
- ভৌগোলিক বৈচিত্র্যময় পরিবেশে বিভিন্ন প্রজাতিসমূহের মধ্যে আন্তঃগোষ্ঠিয় বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। 
- প্রাকৃতিক পরিবেশে মানবসৃষ্ঠ কারণে নানা রকম পরিবর্তনের সাথে সাথে তাই জীবজগত ও পরিবেশের বিকাশ, বসবাস, বংশবিস্তারের মধ্যেও ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। 
- পৃথিবীতে সময়ের সাথে সাথে হাজার হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণির আবির্ভাব হয়েছে। তবে জীবের প্রয়োজনে অন্য জীবের সৃষ্টি ও বিলুপ্তির প্রক্রিয়াও প্রচলিত রয়েছে। 

জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ: 
- জীববৈচিত্র্যকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য: 
- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিরাজমান জীবের ভৌত ও পারিবেশগত বিভিন্নতাকে বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য বলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজমান। প্রত্যেকটি বাস্তুতন্ত্রে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত বৈচিত্র্যময় জীবজগতের সৃষ্টি হয়। 

২. প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য: 
- ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্যতা বিদ্যমান তাকে প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য বলা হয়। এরূপ বৈচিত্র্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বিরাজমান মোট প্রজাতির সংখ্যা দ্বারা পরিমাপিত হয়। 

৩. জীনগত জীববৈচিত্র্য: 
- উদ্ভিদ ও প্রাণির প্রতিটি সদস্যই তাদের জীনগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে পরস্পর আলাদা। জীবগোষ্ঠির এই জীনগত বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতাই জীনগত জীববৈচিত্র্য। জীনগত ভিন্নতার কারণেই আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ ও আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের গায়ের রং, চুলের প্রকৃতি, নাক ও ঠোঁটের আকৃতি, উচ্চতা ইত্যাদির অনেক পার্থক্য বিদ্যমান। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৯৩.
কোন ধরনের আইসিতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে? 
  1. LSI
  2. MSI
  3. VLSI
  4. SSI
সঠিক উত্তর:
LSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSI
ব্যাখ্যা

সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে। 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে। 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৫৯৪.
পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে কী বলে?
  1. ক) উষা
  2. খ) গোধূলি
  3. গ) গুরুবৃত্ত
  4. ঘ) ছায়াবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ছায়াবৃত্ত: পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৯৫.
p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর ডোপায়‌নের ক্ষেত্রে কিরূপ মৌল ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পঞ্চযোজী
  2. খ) ত্রিযোজী
  3. গ) দ্বিযোজী
  4. ঘ) একযোজী
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিযোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিযোজী
ব্যাখ্যা
বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরের সাথে প্রয়ােজনমত ত্রিযােজী ভেজাল উপাদান মিশিয়ে যে সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয় তাকে p-type সেমিকন্ডাক্টর বলে।
বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়াম পরমাণুর সাথে একটি ত্রি-যােজী পরমাণু ভেজাল হিসেবে যুক্ত করলে ত্রি-যােজী পরমাণুর তিনটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রন নিকটবর্তী তিনটি সিলিকনের ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সাথে শেয়ারিং এর মাধ্যমে সমযােজী বা কো-ভ্যালেন্ট বন্ড সৃষ্টি করে।
কিন্তু ত্রিযােজী পরমাণুর যােজ্যতা স্তরে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকায় সিলিকনের চতুর্থ ইলেকট্রনের সাথে বন্ধন তৈরি করতে পারে না। ফলে একটি ফাঁকা স্থান বা হােল সৃষ্টি হয়। এরকমভাবে প্রত্যেকবার ত্রি-যােজী পরমাণু মেশানাের ফলে একটি করে হােল সৃষ্টি হয়। আর এই হােল পজেটিভ চার্জ বহন করে বলে এই নতুন সেমিকন্ডাক্টরকে বলা হয় P- টাইপ সেমিকন্ডাক্টর। এখানে P দ্বারা পজেটিভ বোঝানো হয়।
৮,৫৯৬.
নিচের কোনটি মহাকাশের মধ্যে পড়ে না? 
  1. নক্ষত্র
  2. গ্যালাক্সি
  3. ধূমকেতু
  4. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মহাকাশ (Space): 
- আকাশের দিকে তাকালে দূর দূরান্তের অনেক বস্তু দেখা যায়। 
- দিনের আকাশের সূর্য আর রাতের আকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি চোখে পড়ে। 
- যদি দুরবীক্ষণ দিয়ে আকাশের দিকে দেখা হয়, তখন আরও অনেক কিছু দেখা যায়। যেমন- বৃহস্পতি গ্রহ তার উপগ্রহসহ জ্বলজ্বল করতে থাকে। 
- গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ইত্যাদির মাঝখানে যে খালি জায়গা, তাকে মহাকাশ বা মহাশূন্য বলে। 
- মহাকাশের দিকে তাকালে যেসব বস্তুকে দেখতে পাওয়া যায় তা হলো পদার্থ। 

মহাকাশ বা মহাশূন্যের শুরু যেখান থেকে: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথেই মহাকাশে ঘুরছে, এজন্য বায়ুমণ্ডলকে মহাকাশের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; একে পৃথিবীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- অধিকাংশ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বেশ কাছাকাছি। 
- পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, বায়ুমণ্ডল তত হালকা হতে থাকে এবং ১৬০ কিলোমিটারের পর বায়ুমণ্ডল থাকে না বললেই চলে। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানী মনে করেন যে, পৃথিবী থেকে ১৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের শেষ এবং মহাকাশের শুরু। 
- এক সময় মানুষ ভাবত যে, যত দূর পর্যন্ত সবচেয়ে দূরের বস্তুটি তারা দেখতে পায়, সে পর্যন্তই মহাকাশ বিস্তৃত এবং মহাকাশ বক্রাকৃতির। 
- পরবর্তীতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের পর মানুষ তার দৃষ্টিসীমার বাইরের অনেক গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু ও গ্যালাক্সি দেখতে পাই। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৫৯৭.
কম ভরবিশিষ্ট নবজাতক -
  1. ৪ কেজির কম
  2. ২.৫ কেজির কম
  3. ৫ কেজির কম
  4. ৩ কেজির কম
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজির কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজির কম
ব্যাখ্যা
সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু বলা হয়।
মায়ের অপুষ্টি, মা ও গর্ভস্থ শিশুর বিভিন্ন রোগের কারণে শিশু কম ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে পারে।

উৎসঃ প্রথম আলো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন আর্কাইভ।
৮,৫৯৮.
কোনটি অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বহুগুণে বিবর্ধিত করে-
  1. ক) ট্রান্সফর্মার
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) অ্যামপ্লিফায়ার
  4. ঘ) রেক্টিফায়ার
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
অ্যামপ্লিফায়ার এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বহুগুণে বিবর্ধিত করে। যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (AC) একমুখী প্রবাহে (DC) পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৮,৫৯৯.
করোটিতে মোট কতটি অস্থি থাকে? 
  1. ৮টি
  2. ৩৩টি
  3. ২৪টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
অক্ষীয় কঙ্কাল: 
- কঙ্কালতন্ত্রের যে অস্থিগুলো দেহের অক্ষ রেখা বরাবর অবস্থান করে কোমল, নমনীয় অঙ্গগুলোকে ধারণ করে ও রক্ষা করে এবং দেহ কাণ্ডের গঠনগুলো সংযুক্ত করে অবলম্বন দান করে তাদের একত্রে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে। 
- অক্ষীয় কঙ্কাল প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা-  
(ক) করোটি, 
(খ) মেরুদণ্ড ও 
(গ) বক্ষপিঞ্জর। 

করোটি: 
- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঙ্কালিক গঠনকে করোটি বলে। 
- করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে। 

করোটিকা: 
- করোটির যে অংশ মস্তিষ্ক আবৃত করে রাখে তাকে করোটিকা বলে। 
- করোটিকা ছয় প্রকারের মোট ৮টি অস্থিপাত নিয়ে গঠিত। 

মেরুদণ্ড: 
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দণ্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়া বলে। 
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখণ্ডক সমন্বয়ে মেরুদণ্ড গঠিত। 
- এ সকল অস্থিখণ্ডককে কশেরুকা ( vertebra) বলে। 
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে। 
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। 

বক্ষপিঞ্জর: 
- বক্ষদেশীয় ১২টি কশেরুকার সঙ্গে ১২ জোড়া পশুকা যুক্ত হয়ে যে খাঁচার মত আকৃতি গঠন করে তাকে বক্ষপিঞ্জর বলে। 
- এই খাঁচার ভেতরের গহ্বরকে বক্ষগহ্বর বলে। 
- এই গহ্বরে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুস অবস্থান করে। 
- দু'পাশের পর্শকাগুলো স্টার্নাম নামক অস্থির সাথে যুক্ত থাকে। 
- বুকের কেন্দ্রীয় সম্মুখ অংশে অবস্থিত চাপা অস্থিটির নাম স্টার্নাম। 
- এটি ৩টি অংশে বিভক্ত। 
যথা- উপরের ত্রিকোণাকার ম্যানুব্রিয়াম, মাঝের লম্বা দেহ এবং নিচের ক্ষুদ্র জিফয়েড প্রসেস। 
- স্টার্নাম বুকের খাঁচার সামনের অংশ গঠন করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬০০.
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা কতভাগ 238U আইসোটোপ থাকে?
  1. 50%
  2. 99.3%
  3. 0%
  4. 69.3%
সঠিক উত্তর:
99.3%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
99.3%
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা 99.3 ভাগ 238U আইসোটোপ থাকে।

আইসোটোপ:
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- বর্তমানে সর্বমোট আইসোটোপের সংখ্যা প্রায় ১৩০০।

ইউরেনিয়াম:
- ইউরেনিয়াম একটি তেজস্ক্রিয় মৌল।
- ইউরেনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ৯২ এবং পারমাণবিক ভর ২৩৮।
- ইউরেনিয়ামের তিনটি প্রধান আইসোটোপ হলো-

238U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 146,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 99.3% এবং
• অর্ধায়ু: 4.47 বিলিয়ন বছর।

235U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 143,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.7% এবং
• অর্ধায়ু: 703.8 মিলিয়ন বছর।

234U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 142,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.0057% এবং
• অর্ধায়ু: 245,500 বছর।

- 238U প্রাকৃতিকভাবে অবস্থিতিশীল এবং অতি দীর্ঘজীবী।
- অন্যদিকে, 235U আইসোটোপটি বিভক্ত হতে পারে এবং পারমাণবিক বিস্ফোরণের জন্য দায়ী, এটিই পারমাণবিক চুল্লী ও বোমায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস: United States Nuclear Regolatory Commission এবং ব্রিটানিকা।