উত্তর
ব্যাখ্যা
- চাপের একক হল প্যাসকেল।
- চাপের মাত্রা হল- ML-1T-2
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৬ / ১৪০ · ৮,৫০১–৮,৬০০ / ১৪,০৮০
কর্মদক্ষতা:
- শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে একটি যন্ত্রের কার্যকর শক্তি (output energy) যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির (input energy) সমান হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে কার্যকর শক্তি সকল সময় মোট শক্তির চেয়ে কম হয়।
- নানা কারণে যন্ত্রে শক্তির অপচয় ঘটে এবং এ কারণে যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে শক্তির এই তারতম্যের সৃষ্টি হয়।
যেমন- জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে শক্তির অপচয় হয় যা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে শক্তির মোট স্থানান্তর স্থির থাকে।
- যন্ত্রেও কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত।
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়।
কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা
= (E1 - E2)/E1 × 100% ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এসিডের ব্যবহার:
- দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য।
- সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়।
– আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
- বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
- আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড।
- সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড।
- এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
- কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে।
- ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়।
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
• দুটি আলোক রশ্মির উপরের বা মিলিত অবস্থানে উজ্জ্বল এবং অন্ধকার অংশ তৈরি হওয়ার ঘটনা ব্যতিচার (ইন্টারফেরেন্স) নামে পরিচিত। যখন দুটি সমমিত বা সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর রশ্মি একসাথে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায়, তখন তাদের তীব্রতার সংযোজন বা কমিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ঘটে। একই ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তীব্রতা বাড়ে এবং উজ্জ্বল স্থান তৈরি হয়, যা উজ্জ্বল লব (Bright Fringe) নামে পরিচিত। অন্যদিকে বিপরীত ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তারা পরস্পরের প্রভাব কমিয়ে দেয়, ফলে অন্ধকার বা ডার্ক লব (Dark Fringe) তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গের প্রকৃতি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়, যা পদার্থবিদ্যায় আলো সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্যতিচার।
• ব্যতিচার (Interference):
- দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
- সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।
• ব্যতিচারের শর্তঃ-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে|
- সিলভার ব্রোমাইডের। ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।
- এটি −১ (Br−) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু।
- যেমন সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br−) এর প্রতি ।
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়।
- সালফার ডাই ব্রোমাইড এর মত সমযোজী যৌগ ব্রোমাইড শব্দটি একটি ভ্রমণ পরমাণু কেউ বোঝাতে পারে যার জারণ সংখ্যা-১।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী
• লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকার ফলে এটি সর্বাধিক পরিমাণ হিমোগ্লোবিন ধারণ করে এবং অক্সিজেন পরিবহনের জন্য যথেষ্ট স্থান পায়।
- হিমোগ্লোবিন হলো একটি লৌহযুক্ত প্রোটিন, যা অক্সিজেন অণুকে আবদ্ধ করে এবং RBC-কে লাল রঙ দেয়।
• লোহিত রক্ত কণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- নিউক্লিয়াসের পাশাপাশি এতে মাইটোকন্ড্রিয়াও অনুপস্থিত থাকে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সাথে সমন্বয় সাধন করা।
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হল মস্তিস্ক।
স্নায়ুতন্ত্র ২ প্রকার- মূল স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System) এবং পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral Nervous System) । মানবদেহের মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ড মূল স্নায়ুতন্ত্রের অংশবিশেষ। মূল স্নায়ুতন্ত্রের কাজ হচ্ছে শরীরের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে উপস্থিত থাকা এবং সকল অন্তর্গামী ও বহির্গামী বার্তা প্রক্রিয়াজাত করা। পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ঐসকল শিরা-উপশিরা, যা মূল স্নায়ুতন্ত্রে বার্তা বহন করে এবং পুনরায় মূল স্নায়ুতন্ত্র থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রেরণ করে।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
• ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র।
এছাড়া,
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণায়ক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্র - অ্যানিমোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।
- বায়ুতে আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি।
ঊর্ধ্বপাতন:
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার প্রয়োগ:
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি উদ্বায়ী পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ উদ্বায়ী পদার্থকে মিশ্রণ থেকে সহজে পৃথক করা যায়।
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যাবে।
- বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণের মধ্যে কোনো উদ্বায়ী পদার্থ নেই, কাজেই তাপ প্রয়োগ করে বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণ থেকে বালি বা গ্লুকোজকে আলাদা করা যায় না।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরণের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, লবণাক্ত ও ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে (মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%)
রক্তের উপাদানগুলো হচ্ছে রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা(৪৫%)।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম ও দশম শ্রেণি। পৃষ্ঠা ৪২।
• তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া:
- আধুনিক বিজ্ঞান জগতে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে।
- ফ্যান, মোটর, ইত্যাদি ঘূর্ণায়মান সকল যন্ত্রই তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাবে কাজ করে।
- তড়িৎ প্রবাহ চারিদিকে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করে।
- এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনার আবিষ্কারক কোপেনহেগেনের অধ্যাপক বিজ্ঞানী হেন্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (1820)।
- ওয়েরস্টডের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁর নাম অনুসারে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড (Oersted) করা হয়েছিল।
- তড়িৎ প্রবাহ যেহেতু গতিশীল তড়িৎ আধান, অতএব তড়িৎ আধান গতিশীল হলেই চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।
- আধান স্থির থাকলে একে ঘিরে যে তড়িৎ ক্ষেত্র বর্তমান থাকে, আধান গতিশীল হলে তা দূরীভূত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উদ্ভব হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ছত্রাক:
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক।
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত।
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়।
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য:
- ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ।
- ছত্রাকেরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম।
- ছত্রাকেরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে।
- ছত্রাকের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে।
- ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত।
- ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি।
- এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়ু শক্তি:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়।
- উইন্ড টারবাইনে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো।
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়।
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ক্যান্ডেলা (Candela)
SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা।
Lumen হলো লুমিনিয়াস ফ্লাক্স এর SI একক।
লুক্স হলো আলোর প্রাপ্তি ঘনত্ব এর SI একক।
ওয়াট হলো শক্তির SI একক।
SI পদ্ধতিতে মৌলিক একক ৭ টি
-দৈর্ঘ্য (Meter)
-ভর (Kilogram)
-সময় (Second)
-তাপমাত্রা (Kelvin)
-পদার্থের পরিমাণ (Mole)
-আলোক তীব্রতা (Candela)
-বিদ্যুৎ প্রবাহ(Ampere)
তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলোঃ C/5 = (F - 32)/9
F=98.4 হলে,
C/5 = (98.4 - 32)/9
বা, C/5 = 66.4/9
বা, C = (66.4 × 5)/9
বা C = 36.9
• Gaia BH1 হলো পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- Gaia-BH3 হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হলো মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না।
- এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না
- আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করে যে, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
- ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে।
অন্যান্য অপশন:
- Cygnus X-1: এটি প্রথম আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোল যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- Sagittarius A: এটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একদম কেন্দ্রে অবস্থিত একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল, যার দূরত্ব প্রায় ২৬,০০০ আলোকবর্ষ।
- TON 618: এটি মহাবিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ব্ল্যাক হোল, কিন্তু এটি ১০ বিলিয়নেরও বেশি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
উৎস:
১. NASA website.
২. [scientificamerican.com]
৩. [space.com]
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- এটির আবিষ্কারক জগদীশচন্দ্র বসু।
- তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে।
• যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম হচ্ছে Mycobacterium tuberculosis.
- যক্ষ্মা Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি।
- এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ।
- সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়।
- এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে।
- শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে।
- দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।
- যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়।
- এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
• প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)
• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
- যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂)
- ওজোন (O3)
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মৌলিক বল মাত্র চারটি। সেগুলো হচ্ছে: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল ও সবল নিউক্লীয় বল।
মহাকর্ষ বল (Gravitational Force):
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। - - - - পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ। এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।
তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetic Force):
- তড়িৎ বা বিদ্যুৎ এবং চুম্বকের বলকে আলাদা ধরনের বল মনে হয়, আসলে দুটি একই বল শুধু দুভাবে দেখা যায়।
- তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল হলো প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি, যা বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত কণাগুলির মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলকে বোঝায়, যেমন দুটি আহিত বস্তুর মধ্যে বল বা চুম্বকীয় মেরুর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল, যা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মিথস্ক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয়।
- এই বল পরমাণু ও অণুগুলোকে একত্রে ধরে রাখে এবং আলো, বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মতো দৈনন্দিন ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী।
- মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল অনেক বেশি শক্তিশালী (১০৩৬ গুণ বা ট্রিলিওন ট্রিলিওন ট্রিলিওন গুণ শক্তিশালী!)।
দুর্বল নিউক্লীয় বল (Weak Nuclear Force):
- এটাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মহাকর্ষ বলের মতো এত দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বকীয় বল যেকোনো দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই বলটা খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করতে পারে।
- তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে যে বিটা (β) রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় সেটার কারণ এই দুর্বল নিউক্লীয় বল।
সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force):
- এটি হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫m) কাজ করে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মধ্যকার এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বলের মাধ্যমে তারা নিজেদের আটকে রাখে। প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী।
- সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বলের কারণে তৈরি হয়।
উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি
জীবদেহে তিন ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথাঃ এমাইটোসিস, মাইটোসিস এবং মিয়োসিস।
উন্নত শ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহকোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।
যথা- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং ইলেকট্রোলাইট।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
◉ একটি জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে অ্যালিল বলা হয়। এগুলো একই লোকাসে (chromosome-এর নির্দিষ্ট অবস্থান) অবস্থান করে এবং কোনো বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: মটরশুঁটির ফুলের রঙের জন্য একটি অ্যালিল বেগুনি রঙের, আরেকটি অ্যালিল সাদা রঙের হতে পারে।
জিন:
- জিন (Gene) W. L. Johannsen (গ্রিক genes = born) ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জিন শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মেন্ডেল এর অনুমানকৃত জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক বস্তুটি হলো এলিমেন্টিস বা ফ্যাক্টর যা পরবর্তীকালে জিন নামে অভিহিত হয়।
- জিন হচ্ছে বংশগতির মৌলিক একক এবং এরা বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়ে বংশগতিধারা অব্যাহত রাখে।
- জিন হচ্ছে পলিপেপটাইড সংশ্লেষের জন্য সংকেত প্রদানকারী DNA অণুর অংশ বিশেষ।
লোকাস:
- ক্রোমোসোমে একটি জিনের অবস্থানকে লোকাস বলে।
অ্যালিল:
- ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়।
অ্যালিলোমর্ফ:
- জিনগুলোর একত্রে অবস্থান করাকে অ্যালিলোমর্ফ বলে।
জিনোটাইপ:
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে।
ফিনোটাইপ:
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে।
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আলফা কণার সঠিক গঠন হলো ২ প্রোটন + ২ নিউট্রন।
• আলফা কণা:
- আলফা কণা হলো একটি পারমাণবিক বিকিরণ (radioactive decay) কণার ধরণ।
- এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (Helium nucleus)।
• গঠন:
- প্রতিটি আলফা কণায় থাকে: ২টি প্রোটন (Proton), ২টি নিউট্রন (Neutron)
- এতে কোনো ইলেকট্রন নেই।
• বৈশিষ্ট্য:
- ধনাত্মক চার্জযুক্ত (+2e)।
- ভারী এবং ধীরে চলমান, তাই কাগজ বা মানুষের ত্বক সহজেই আটকাতে পারে।
- পারমাণবিক বিকিরণ ও নিউক্লিয়ার প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই।
- ব্রিটানিকা [লিংক]
• গ্যাসীয় বিনিময়:
- গ্যাসীয় বিনিময় বলতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড বিনিময়কে বুঝায়।
- এটি মূলত বায়ু ও ফুসফুসের রক্তনালির ভিতরে ঘটে।
- সব ধরনের গ্যাসীয় বিনিময়ের মূলে রয়েছে ব্যাপন প্রক্রিয়া।
- গ্যাসীয় বিনিময়কে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়, অক্সিজেন শোষণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ।
• অক্সিজেন শোষণ:
- ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলি ও রক্তের চাপের পার্থক্যের জন্য অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে।
- ফুসফুস থেকে ধমনির রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ করার পর রক্তে অক্সিজেন দুভাবে পরিবাহিত হয়। সামান্য পরিমাণ অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে পরিবাহিত হয়।
- বেশির ভাগ অক্সিজেনই হিমোগ্লোবিনের লৌহ অংশের সাথে হালকা বন্ধনের মাধ্যমে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামে একটি অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। অক্সিহিমোগ্লোবিন থেকে অক্সিজেন সহজে বিচ্ছিন্ন হতে পারে।
হিমোগ্লোবিন + অক্সিজেন → অক্সিহিমোগ্লোবিন (অস্থায়ী যৌগ)
অক্সিহিমোগ্লোবিন → মুক্ত অক্সিজেন + হিমোগ্লোবিন
- রক্ত কৈশিকনালিতে পৌঁছার পর অক্সিজেন পৃথক হয়ে প্রথমে লোহিত রক্তকণিকার আবরণ ও পরে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে লসিকাতে প্রবেশ করে। অবশেষে লসিকা থেকে কোষ আবরণ ভেদ করে কোষে পৌঁছে।
• কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহণ:
- খাদ্য জারণ প্রক্রিয়ায় কোষে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে।
- এই কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রথমে কোষ আবরণ ভেদ করে আন্তঃকোষীয় তরল ও লসিকাতে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO3) রূপে রক্তরসের মাধ্যমে এবং পটাশিয়াম বাই কার্বোনেট (KHCO3) রূপে লোহিত রক্তকণিকা দিয়ে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে, সেখানে কৈশিকনালি ও বায়ুথলি ভেদ করে দেহের বাইরে নির্গত হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তের উপাদান দুটি। যথা- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)।
রক্তরস:
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ।
- রক্তরসের প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে।
রক্তকোষ:
- রক্তকোষ তিন ধরনের।
যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)।
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়।
- মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে।
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
পৃথিবী:
- 'পৃথিবী' সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য একটি গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যাস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)।
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে।
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ।
চন্দ্র:
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি. মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়।
- এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দিয়ে থাকে।
অন্যদিকে,
- মঙ্গল আলাদা একটি গ্রহ।
- ডিমোস মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ।
- সূর্য একটি তারা এবং সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত, এটি কোনো গ্রহের উপগ্রহ নয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাপন:
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে।
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে।
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম, আবার যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক।
নিঃসরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়।
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সাইটোকাইনিনঃ
এই ফাইটোহরমােন বা উদ্ভিদ হরমােনটি ফল, শস্য এবং ডাবের পানিতে পাওয়া যায়। কোনাে কোনাে উদ্ভিদের মূলেও এদের পাওয়া যায়। সাধারণভাবে এটি বিভিন্ন ঘনত্বে অক্সিনের সাথে যুক্ত হয়ে কোষ বিভাজনকে উদ্দীপিত করে।
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies):
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে।
- এই ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন।
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়।
- পড়ন্ত বস্তুর সূত্রগুলো হচ্ছে-
১। প্রথম সূত্র:
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে।
২। দ্বিতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, v ∝ t.
৩। তৃতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, h ∝ t2.
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
বায়োম:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়।
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি ।
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে।
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।
তুন্দ্রা বায়োম:
- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা।
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে।
- দীর্ঘ শীতের সময় এখানে বরফ জমা থাকে।
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে।
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন।
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম।
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এনট্রপির তাৎপর্য
তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। এর নিম্নলিখিত তাৎপর্য রয়েছে :
১) এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান।
২) এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে।
৩) এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে।
৪) এটি তাপমাত্রা, চাপ, আয়তন, অন্তর্নিহিত শক্তি, চুম্বকীয় অবস্থার ন্যায় কোনাে বস্তুর অবস্থা প্রকাশ করে।
৫) এনট্রপি বৃদ্ধি পেলে বস্তু শৃঙ্খল অবস্থা (ordered state) হতে বিশৃঙ্খল অবস্থায় (disordered state) পরিণত হয়।
৬) তাপমাত্রা ও চাপের ন্যায় একে অনুভব করা যায় না।
(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
• সালোকসংশ্লেষণ:
- সালোকসংশ্লেষণ হলো প্রক্রিয়া, যেখানে উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাবার তৈরি করে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে পাতার ক্লোরোপ্লাস্ট।
- ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল আলো শোষণ করে।
- পাতা কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জল নিয়ে খাবার তৈরি করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে।
- তাই, উদ্ভিদের পাতা সালোকসংশ্লেষণের মূল অংশ।
- কচি অবস্থায় সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কিছু পরিমাণ খাদ্য প্রস্তুত করে।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
শুষ্ক কোষ (Dry Cell):
এ কোষ মূলত লেকল্যান্স কোষের ভিন্ন সংষ্করণ। লেকল্যান্স কোষের উপাদান দিয়ে এ কোষ গঠিত হয়। একোষে তরল NH4Cl এর পরিবর্তে NH4Cl এর পেষ্ট এবং পোলারক হিসাবে কঠিন MnO2 ব্যবহার করা হয়।
উভয়ই শুষ্ক বলে একে শুষ্ক কোষ বলা হয়। এ কোষের তড়িচ্চালক বল ১.৫ ভোল্ট।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- কারণ এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।
মৌলিক কণিকা:
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে।
যেমন-
১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন।
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।
ইলেকট্রন:
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন।
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন।
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা।
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা।
প্রোটন:
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা।
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়।
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান।
নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (IC):
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস।
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী।
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না।
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে।
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে।
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।