বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮৫ / ১৪০ · ৮,৪০১৮,৫০০ / ১৪,০৮০

৮,৪০১.
সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ কোন খনিজ উপাদানের ভালো উৎস?
  1. সোডিয়াম
  2. আয়োডিন
  3. ফসফরাস
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
ব্যাখ্যা
খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪০২.
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম কী?
  1. মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র
  2. জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র
  3. পৃথকীকরণ সূত্র
  4. ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র
সঠিক উত্তর:
ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র
ব্যাখ্যা
• মেন্ডেলের সূত্র:
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র

• মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র:
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়।
- ‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'।

• মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র:
- ‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়'।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৩.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) কম হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) খুব কম হয়
  4. ঘ) একই হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। 
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরান পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৪.
নিম্নের কোন বাক্যটি সত্য নয়?
  1. ক) প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
  2. খ) ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
  3. গ) পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে
  4. ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান থাকে। নিউট্রন সংখ্যা কখনো সমান আবার কখনো বেশি থাকে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।  

ইলেকট্রন: পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। এর ভর অতি সামান্য। একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। ইলেকট্রনের সংকেত e¯। ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10 -19 C। আপেক্ষিক আধান -1।

প্রোটন: ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। ইহার সংকেত H+। প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60×10-19 C। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। প্রোটনের আরেকটি সংকেত P। আপেক্ষিক আধান +1।

নিউট্রন: নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n। নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g। আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০৫.
নিচের কোন পদার্থটির নির্দিষ্ট আকার ও নির্দিষ্ট আয়তন উভয়ই থাকে? 
  1. অ্যামোনিয়া 
  2. পানি 
  3. কয়লা 
  4. অ্যালকোহল 
সঠিক উত্তর:
কয়লা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি এ সকল তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪০৬.
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় কোনটি?
  1. ক) LDL
  2. খ) HDL
  3. গ) ট্রাই-গ্লিসারাইড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) LDL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) LDL
ব্যাখ্যা

কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন (Cholestane) থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ। উচ্চশ্রেণির প্রাণিজ কোষের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোলেস্টেরল লিপপাপ্রােটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। রক্তে তিন ধরনের লিপােপ্রােটিন দেখা যায়।
(a) LDL (Low Density Lipoprotein): একে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদ্‌রােগের ঝুঁকি বাড়ায়। সাধারণত আমাদের রক্তে 70% LDL থাকে। ব্যক্তিবিশেষে এই পরিমাপের পার্থক্য দেখা যায়।
(b) HDL (High Density Lipoprotein): একে সাধারণত ভালাে কোলেস্টেরল বলা হয়। এটি হৃদ্‌রােগের ঝুঁকি কমায়।
(c) ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride): এই কোলেস্টেরল চর্বি হিসেবে রক্তের প্লাজমায় অবস্থান করে। ট্রাইগ্লিসারাইড আমাদের খাদ্যের প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণী, জীববিজ্ঞান

৮,৪০৭.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে-
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. গ) পাঞ্চকার্ড
  4. ঘ) বায়ুশূন্য টিউব
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
ব্যাখ্যা

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪০৮.
পানিবাহিত রোগ নয় কোনটি?
  1. কলেরা
  2. টাইফয়েড
  3. চর্মরোগ
  4. আমাশয়
সঠিক উত্তর:
চর্মরোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
পানিবাহিত রোগ: 
- পানিবাহিত রোগ হলো সেইসব রোগ যা দূষিত পানি পান, ব্যবহার বা খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই রোগগুলো সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্রোটোজোয়া ও অন্যান্য প্যাথোজেনের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। 
- পানিবাহিত রোগ এর মধ্যে অন্যতম হলো- কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-এ, ডায়রিয়া ও আমাশয় ইত্যাদি। 
- পানিবাহিত রোগের কারণগুলো হচ্ছে - 
• অপরিষ্কার পানি পান করা। 
• দূষিত পানিতে রান্না/ফল ধোয়া। 
• সঠিক স্যানিটেশন না থাকা। 
• অপরিচ্ছন্ন নালা/ব্রিজের পানি ব্যবহার। 

অন্যদিকে, 
- চর্মরোগ (Skin disease) পানির মাধ্যমে নয়, সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ভাইরাস বা অ্যালার্জি ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে। কিছু চর্মরোগ ছোঁয়াচে হলেও পানিবাহিত নয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং WHO-Waterborne Diseases.
৮,৪০৯.
জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয় কত তারিখ?
  1. পহেলা আষাঢ়
  2. পহেলা পৌষ
  3. পহেলা অগ্রহায়ণ
  4. পহেলা কার্তিক
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৪১০.
নিচের কোনটিকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. নিউক্লিয়াস
  3. রাইবোজোম
  4. ক্লোরোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
• রাইবোজোম:
- অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কিংবা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরে অথবা সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো অঙ্গানুগুলোকে বলা হয় রাইবোজোম।
- ১৯৫৫ সালে প্যালাডে প্রথম রাইবোজোম আবিষ্কার করেন।
- রাইবোজোম এর প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।
- এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
- ক্লোরোপ্লাস্টকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৭ সংস্করণ]
৮,৪১১.
তাপমাত্রার এস. আই (SI) একক হচ্ছে -
  1. ফারেনহাইট
  2. ক্যালরি
  3. সেন্টিগ্রেড
  4. কেলভিন
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) কেলভিন

• তাপ:

- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- তাপ শক্তির একটি রূপ।
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের SI একক জুল (J)।
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে 1 ক্যালরি (Cal) বলে।
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। অতএব, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল।

• তাপমাত্রা:
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- তাপমাত্রার SI একক কেলভিন
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি একক আছে। এগুলোর একটি হল সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং অন্যটি ফারেনহাইট।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪১২.
হিলিয়াম ভর্তি বেলুন বাতাসে উপরে উঠে যায়, কারণ- 
  1. হিলিয়াম বিস্ফোরণযোগ্য গ্যাস
  2. হিলিয়ামের ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে কম
  3. হিলিয়ামের ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে বেশি
  4. হিলিয়াম গ্যাসের ঘনত্ব বাতাসের ঘনত্বের সমান
সঠিক উত্তর:
হিলিয়ামের ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়ামের ঘনত্ব বাতাসের চেয়ে কম
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
গাণিতিকভাবে বলা হয়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V.
এখানে, বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ঘনত্বের একক হচ্ছে কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার বা কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kgm-3)। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা [ρ] = ML-3 পাওয়া যায় । 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
-  পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 

দৈনন্দিন জীবনে ঘনত্বের ব্যবহার: 
- দেহের ঘনত্ব বাতাসের ঘনত্ব থেকে বেশি বলে মাটিতে হাটতে, বসতে বা চলাফেরা করা যায়। পানিতে ভাসার ক্ষেত্রে দেহের অভ্যন্তরের বাতাস সহায়তা করে। বাতাসের ঘনত্ব পানির ঘনত্ব থেকে কম। নৌকা, ভেলা, পানিতে ভাসমান দ্রব্য নির্মাণে পানি থেকে কম ঘনত্ব সম্পন্ন বস্তু ব্যবহৃত হয় বা এমন কৌশল ব্যবহৃত হয় যাতে ভাসমান বস্তুকে পানি থেকে হালকা করে দেয়। 
- বেলুন ওড়ানোর জন্য এর মধ্যে হিলিয়াম গ্যাস পূর্ণ করা হয়। হিলিয়াম গ্যাসের ঘনত্ব বাতাসের ঘনত্ব থেকে কম তাই বেলুন বাতাসের মধ্যে উপরে উঠে যায়। 
- কার্বন মনো অক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড অত্যন্ত বিষাক্ত গ্যাস, এর মধ্যে শ্বাস নেয়া যায় না। কিন্তু এরা অক্সিজেন, নাইট্রোজেন থেকে ভারি বলে বায়ুমণ্ডলের একেবারে নিচে অবস্থান করে, ফলে বায়ুতে স্বচ্ছন্দে শ্বাস নেওয়া যায়। 
- পানি থেকে পানির বাষ্প বা গরম বাতাসের ঘনত্ব কম বলে খাবার রান্না করার সময় বা তপ্ত খাবার ঠান্ডা করার জন্য পাত্রের মুখ খোলা রাখা হয়। 
- জলীয় বাষ্প কম ঘনত্বের কারণে আকাশে উঠে, যা মেঘের সৃষ্টি করে। আবার, বায়ুমণ্ডলের বাতাস থেকে পানির ঘনত্ব বেশি বলে বৃষ্টির পানি পৃথিবী পৃষ্ঠে নেমে আসে। তাপের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের বাতাসের ঘনত্বের তারতম্য হয় বলেই পৃথিবীতে বায়ু প্রবাহ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪১৩.
ফিউজের তারের কোন বৈশিষ্ট্য উল্লেখযোগ্য?
  1. কম রোধ এবং কম গলনাংক
  2. উচ্চ রোধ এবং উচ্চ গলনাংক
  3. কম রোধ এবং উচ্চ গলনাংক
  4. উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
সঠিক উত্তর:
উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
ব্যাখ্যা

• ফিউজের তার একটি সুরক্ষা উপকরণ যা অতিরিক্ত কারেন্ট বা শর্ট সার্কিটের সময় সার্কিটকে রক্ষা করে। ফিউজের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি কারেন্ট পেলে গলে যায় এবং সার্কিট খোলার মাধ্যমে যন্ত্রাংশ বা তারকে ক্ষতি হতে বাধা দেয়। এজন্য ফিউজের তারকে এমন উপাদান থেকে তৈরি করা হয় যার গলনাংক খুব কম এবং রোধ তুলনামূলকভাবে বেশি। কম গলনাংকের কারণে এটি সহজেই গলে যায়, আর উচ্চ রোধ নিশ্চিত করে যে তা মাত্রাসীমার উপরে কারেন্টে দ্রুত উত্তপ্ত হয়। তাই ফিউজের তারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক, যা এটিকে সুরক্ষা প্রদানকারী হিসেবে কার্যকর করে।
 
 • বৈদ্যুতিক ফিউজ তার: 
- তড়িৎ যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। 
- অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে আগুন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। 
- এ ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বর্তনীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় যা হলো ফিউজ তার ব্যবহার করা। 
- ফিউজ সাধারণত টিন ও সীসার একটি সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার। 
- এটি একটি চিনামাটির কাঠামোর উপর দিয়ে আটকানো থাকে। 
- এই তারটি সরু এবং গলনাঙ্ক কম। 
- এই তারের মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। 
- ফলে তড়িৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
- এভাবে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে ফিউজ যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। 

• ফিউজের তারের বৈশিষ্ট্য (Fuse Wire Properties):
- ফিউজের তারে সাধারণত  উচ্চ রোধ (High Resistance) এবং কম গলনাংক (Low Melting Point) থাকে।  
- এটি করার কারণ হলো, অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলে তারে দ্রুত গলে যায় এবং সার্কিটকে নিরাপদ রাখে।  
- ফিউজের মূল কাজ হলো সার্কিটে অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক প্রবাহ (Overcurrent) প্রবেশ করতে না দেওয়া।  
- তাই ফিউজের তারের উচ্চ রোধ ও কম গলনাংক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  
- এতে করে সার্কিটে সমস্যা দেখা দিলে ফিউজ দ্রুত গলে যায় এবং বাকি যন্ত্রপাতি সুরক্ষিত থাকে।  

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৮,৪১৪.
P একটি কাজ 25 দিনে করে। Q, P এর চাইতে 25% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে Q কাজটি কতদিনে করতে পারবে?
  1. 22 দিনে
  2. 18 দিনে
  3. 20 দিনে
  4. 24 দিনে
সঠিক উত্তর:
20 দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P একটি কাজ 25 দিনে করে। Q, P এর চাইতে 25% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে Q কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

সমাধান:
P, 25 দিনে করে 1 অংশ কাজ
Q, P-এর চাইতে 25% বেশি কর্মক্ষম।
Q, 25 দিনে করে = 1 + 1 এর 25%
= 1 + (25/100)
= 1 + (1/4)
= 5/4 অংশ কাজ

খ, 5/4 অংশ কাজ করে 25 দিনে
1 অংশ কাজ করে (25 × 4)/5 দিনে
= 20 দিনে
৮,৪১৫.
'Alkaline Earth Metals' নিচের কোনটি? 
  1. রুবিডিয়াম
  2. সিজিয়াম
  3. বেরিয়াম
  4. লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (Alkali Metals): 
- পর্যায় সারণির 1 নং গ্রুপে 7টি মৌল আছে। 
- এদের মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি 6 টি মৌল লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs) এবং ফ্রান্সিয়াম (Fr) -কে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই ছয়টি মৌলের প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals): 
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra) এই 6টি মৌল আছে, যাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪১৬.
সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ কোনটি?
  1. মার্কারি
  2. ভেনাস
  3. স্যাটার্ন
  4. নেপচুন
সঠিক উত্তর:
মার্কারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কারি
ব্যাখ্যা
• সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ (Mercury)।
- এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ।
- বুধের কোন উপগ্রহ নেই।
- সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি।

• গ্রহগুলো  হলো:
- বুধ (Mercury)
- শুক্র (Venus)
- পৃথিবী (Earth)
- মঙ্গল (Mars)
- বৃহস্পতি (Jupiter)
- শনি (Saturn)
- ইউরেনাস (Uranus)
- নেপচুন (Neptune) I

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়: নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪১৭.
কোনটি হৃদরোগের কারণ?
  1. ক) পরিমিত ঘুম
  2. খ) ধূমপান
  3. গ) সুষম খাদ্য গ্রহণ
  4. ঘ) রক্তপাত
সঠিক উত্তর:
খ) ধূমপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধূমপান
ব্যাখ্যা
হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণঃ
১) অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
২) বাবা-মায়ের হৃদরোগ থাকলে তাদের সন্তানদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অধিক থাকে। এর মূল কারণ পরিবারের একই খাদ্যাভ্যাস ও ধূমপানের অভ্যাস।
৩) উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের একটি মারাত্মক রিস্ক ফ্যাক্টর। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিন্ডের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
৪) রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রার আধিক্য হৃদরোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ রিস্ক ফ্যাক্টর।
৫) হৃদরোগ হওয়ার পেছনে ডায়াবেটিসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
৬) অধিক ওজন হলে শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে হৃদপিণ্ডের অধিক কাজ করতে হয়। যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৭) শারীরিকভবে নিস্ক্রিয় লোকদের হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অলস জীবন-যাপন করোনারি হৃদরোগের জন্য আরেকটি রিস্ক ফ্যাক্টর।
৮) হৃদরোগ হওয়ার পেছনে ধূমপানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যক্তি নিয়মিত ধূমপান করে থাকেন তার হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করার ঝুঁকি থাকে।
উৎসঃ একুশে টিভি, ব্রিটানিকা, বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা
৮,৪১৮.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
  1. পুকুরে
  2. নীতে
  3. বিলে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।
- পুকুরের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ, কারন সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানি বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি।
- যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
- সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৪১৯.
মানবদেহে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ করে কোন উপাদান?
  1. হিমোগ্লোবিন
  2. প্লাজমা
  3. ইরিথ্রোসাইট ও লিউকোসাইট
  4. এন্টিজেন ও এন্টিবডি
সঠিক উত্তর:
এন্টিজেন ও এন্টিবডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্টিজেন ও এন্টিবডি
ব্যাখ্যা

◉ মানবদেহের রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ করে লোহিত রক্তকণিকার (RBC) গায়ে থাকা বিশেষ প্রোটিন উপাদান, যাকে এন্টিজেন (Antigen) বলা হয়। এছাড়া, প্লাজমাতে উপস্থিত এন্টিবডি (Antibody) ও রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রক্তের গ্রুপ (Blood group):
- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় 'A' এবং 'B' নামক দু'ধরনের অ্যান্টিজেন (Antigen) এবং রক্ত রসে 'a' ও 'b' দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (Antibodies) থাকে।
- অ্যান্টিজেন এক প্রকারের পদার্থ যা কোন জীবদেহে প্রবেশ করানোর ফলে ঐ জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের পদার্থ যা জীবদেহে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয় যাকে রক্তের গ্রুপ বলে।
- বিজ্ঞানী কার্লল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
- আজীবন মানুষের রক্তের গ্রুপ একই রকম থাকে যা পরিবর্তন হয় না।
- অতএব রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তের গ্রুপকে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৮,৪২০.
বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণ কত ভোল্ট থেকে বেশি হলে আমরা অনুভব করতে পারি?
  1. ক) ১.৫ ভোল্ট
  2. খ) ৫০ ভোল্ট
  3. গ) ১১০ ভোল্ট
  4. ঘ) ২২০ ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ ভোল্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বাসাবাড়িতে যে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া হয় সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি বলা হয়। বাসাবাড়িতে বিদ্যুতের সাপ্লাই ভোল্টেজ হলো ২২০ ভোল্ট এসি। একটি সাধারণ ব্যাটারির সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ ভোল্ট। বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ ভোল্ট থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি। ২২০ ভোল্ট ইলেকট্রিক শক খেলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৮,৪২১.
'প্রণকালচার' শব্দটি দ্বারা কী বুঝায়?
  1. রেশম চাষ
  2. চিংড়ি চাষ
  3. মৎস্য চাষ
  4. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
ব্যাখ্যা
- 'প্রণকালচার' শব্দটি দ্বারা চিংড়ি চাষ বুঝায়। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৮,৪২২.
সয়াবিন ফসলে কোন পোকার আক্রমন দেখা যায়?
  1. বিছাপোকা
  2. কাটালে পোকা
  3. লেদা পোকা
  4. গান্ধী পোকা
সঠিক উত্তর:
বিছাপোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিছাপোকা
ব্যাখ্যা
সয়াবিন ফসল:
⇒ সয়াবিনের ইংরেজি নাম হলো Soybean এবং বৈজ্ঞানিক নাম হলো Glycine max.
- এ ফসল খুব বেশি বা খুব কম তাপমাত্রা কোনটিই সহ্য করতে পারে না।
- দোআঁশ, বেলে দোআঁশ ও এটেল দোআঁশ মাটি সয়াবিন চাষের জন্য উত্তম।
- ব্রাগ, ডেভিস, সোহাগ ইত্যাদি এর অনুমোদিত জাত। 

- সয়াবিন ফসলে বিছাপোকা ও কান্ডের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা যায়।
- বিছাপোকার মথের ডিম ফোটার পর প্রথম অবস্থায় শুককীটগুলো দলবদ্ধভাবে পাতার নিচের দিকে অবস্থান করে এবং পাতা খেয়ে ঝাঁঝড়া করে ফেলে।
- এ অবস্থায় আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে বিছাপোকা মেরে ফেলতে হয়।
- কান্ডের মাছি পোকা কান্ড ছিদ্র করে ভিতরের নরম অংশ খায়।
- সেজন্য আক্রান্ত অংশ বা সম্পূর্ণ গাছ মরে যায়।
- অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করে উভয় পোকাই দমন করা সম্ভব।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪২৩.
pH মান 7 এর নিচে হলে দ্রবণটি কী হবে?
  1. ক্ষারীয়
  2. ধাতব 
  3. নিরপেক্ষ 
  4. অম্লীয় 
সঠিক উত্তর:
অম্লীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লীয় 
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪২৪.
In which process is CO2 produced in living organisms?
  1. Excretion
  2. Osmosis
  3. Respiration
  4. Photosynthesis
  5. Diffusion
সঠিক উত্তর:
Respiration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Respiration
ব্যাখ্যা
• জীবদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO2 উৎপন্ন হয়। 

• শ্বসন:
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ খাদ্যবস্তু জারিত হয়ে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন বলা হয়। 

• প্রকারভেদ:
শ্বসন প্রধানত দুই প্রকার-
- সবাত শ্বসন- এটি অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ঘটে।
- অবাত শ্বসন- এটি অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ঘটে। 

• শ্বসন বিক্রিয়া:
শর্করা + O2 → CO2 + H2O + শক্তি 

• শ্বসন প্রক্রিয়ায় জীবদেহস্থ শর্করা জাতীয় খাদ্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ভেঙ্গে কার্বনডাইঅক্সাইড (CO2), পানি ও শক্তি উৎপন্ন করে।
- জীব এই CO2 বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে।
- উৎপন্ন শক্তি দেহের বিপাকীয় কাজে ব্যায়িত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৮,৪২৫.
নিচের কোনটি পরিবেশের জড় উপাদান? 
  1. বায়ুমণ্ডল 
  2. গাছপালা 
  3. কীটপতঙ্গ 
  4. পশুপাখি 
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল 
ব্যাখ্যা

পরিবেশের উপাদান (Elements of Environment): 
- পরিবেশের প্রধান দুটি উপাদান হলো জড় ও জীব উপাদান। 
- যাদের জন্ম, মৃত্যু, বৃদ্ধি আছে অর্থাৎ যাদের জীবন আছে তারা হলো জীব। 
যেমন- গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণি হলো জীব; অর্থাৎ, এরা পরিবেশের জীব উপাদান। 
- অপরদিকে ভূমি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, সৌরজগত, উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বায়ুমণ্ডল হলো পরিবেশের জড় উপাদান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রধান উপকরণ। 
- জীব এবং জড় এই প্রধান দুটি পরিবেশের উপাদান সম্মিলিতভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সামাজিক পরিবেশ তৈরি করছে। 
- প্রাকৃতিক এবং সামাজিক এই উভয় পরিবেশের উপাদানসমূহই পরস্পর নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। 

পরিবেশের প্রকারভেদ (Types of Environment): 
- পরিবেশ মূলত দুই প্রকার। 
যথা- ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ। 
- প্রকৃতির জড় ও জীব উপাদান যে পরিবেশ তৈরি করে তাকে ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। 
- অপরদিকে মানুষের আচার-আচরণ, বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় উৎসব, সাংস্কৃতিক উৎসব, রীতি-নীতি, শিক্ষা, মূল্যবোধ, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গড়ে উঠে তা হলো সামাজিক পরিবেশ। 
- প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সামাজিক পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করাই হলো ভূগোলের প্রধান আলোচ্য বিষয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪২৬.
In a neutralization reaction, what substance is typically generated?
  1. Water
  2. Sodium hydroxide
  3. Hydrochloric acid
  4. Carbon dioxide
  5. Methane
সঠিক উত্তর:
Water
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Water
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়া (Neutralization Reaction):
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
- এই বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়।

- যেমন - লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়।
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪২৭.
কোনটি কমে গেলে পারকিনসন রোগ হতে পারে?
  1. ক) রক্ত চলাচল
  2. খ) ডোপামিন
  3. গ) শ্বেত রক্তকণিকা
  4. ঘ) প্রজেস্টোরন
সঠিক উত্তর:
খ) ডোপামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডোপামিন
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪২৮.
প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখা বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে?
  1. ক) ভূমিরূপবিদ্যা
  2. খ) সমুদ্রবিদ্যায়
  3. গ) জলবায়ুবিদ্যা
  4. ঘ) জীব ভূগোলে
সঠিক উত্তর:
গ) জলবায়ুবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জলবায়ুবিদ্যা
ব্যাখ্যা
- জলবায়ুবিদ্যা শাখাতে বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে।

• জলবায়ুবিদ্যা (Climatology):
- এই শাখা বায়ু, বায়ুস্তর, বায়ুর গঠন, বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও তাপমাত্ৰা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, ঘূর্ণিবাত, প্রতীপ ঘূর্ণিবাত, বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে।
- সংক্ষেপে বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে।
 
• প্রাকৃতিক ভূগোল:
- ভূগোল বিষয়ের যে অংশ পাঠ করলে পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বারিমন্ডল, বায়ুমন্ডল প্রভৃতি বিষয় ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা যায় তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রধান প্রকৃতি হলো- প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়কে প্রাকৃতিক ভূগোল এককভাবে প্রকাশ করে।
- তাই প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধিও ব্যাপক এবং ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধি আরো অধিক বিস্তৃত হবে।

১. ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): প্রাকৃতিক ভূগোলের এই শাখায় পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন বা ভূ-আন্দোলন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, ভূ-তাত্ত্বিক সময় মাপনি, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদ, খনিজ, শিলা প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়।
- মূলত অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বকের সকল বিষয় ভূমিরূপবিদ্যার অন্তর্গত।
২. জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): এই শাখা বায়ু, বায়ুস্তর, বায়ুর গঠন, বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও তাপমাত্ৰা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, ঘূর্ণিবাত, প্রতীপ ঘূর্ণিবাত, বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে। সংক্ষেপে বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে ।
৩. সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography): বারিমন্ডলের প্রধান উপাদান সাগর, মহাসাগরসমূহের উৎপত্তি, বিন্যাস, বিস্তরণ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ, জোয়ার-ভাঁটা, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ও বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্রপথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
8. মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): মৃত্তিকা ভূগোল ভূ-ত্বকের বা অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের অংশ অর্থাৎ মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে ।
৫. জীব ভূগোল (Biogeography): উদ্ভিদ বাস্তব্যবিদ্যা, উদ্ভিদের ক্রমবিকাশ, পরিবেশের উপর উদ্ভিদের প্রভাব প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
৬. প্রাণি ভূগোল (Zoogeography): এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও প্রাণিজগতের বণ্টন নিয়ে আলোচনা করে।
৭. গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography): গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমন্ডলী, সৌরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪২৯.
জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা কেমন হয়? 
  1. দেহ কোষের দ্বিগুণ 
  2. দেহ কোষের সমান 
  3. দেহ কোষের অর্ধেক 
  4. নির্দিষ্ট নয় 
সঠিক উত্তর:
দেহ কোষের অর্ধেক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহ কোষের অর্ধেক 
ব্যাখ্যা

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান। তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন "Cell"। 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
(ক) অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) দেহ কোষ এবং (ii) জনন কোষ। 
(i) দেহ কোষ: 
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
যেমন- পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি। 
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে। তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড (2n) কোষ বলা হয়। 

(ii) জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
যেমন- শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক। তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ বলা হয়। 

(খ) নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) আদি কোষ এবং (ii) প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৩০.
বারিমন্ডলের আলোচ্য অংশ না কোনটি?
  1. ক) সমুদ্র স্রোত
  2. খ) জোয়ার ভাটা
  3. গ) মহাসাগর
  4. ঘ) নদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নদী
ব্যাখ্যা
মহাসাগর, এর তলদেশ, সমুদ্রস্রোত, জোয়ার ভাটা হলো বারিমন্ডলের আলোচ্য বিষয়৷
উৎস: ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৮,৪৩১.
নিচের কোনটি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. পটাশিয়াম নাইট্রেট
  3. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  4. সিলভার ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
সিলভার ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
দ্রব (Solute): 
- দুটি উপাদানের সমন্বয়ে উৎপন্ন দ্রবণে যে উপাদানটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে এবং যে উপাদানটি অপর উপাদানের মধ্যে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রব বলা হয়। 
- খাদ্য লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাতে খাদ্য লবণ দ্রব, আবার চিনির জলীয় দ্রবণে চিনি দ্রব। 
- দ্রাবকের মধ্যে দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা অনুযায়ী দ্রবকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 001 mol.L-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
যেমন - সিলভার ক্লোরাইড (AgCl), সিলভার ব্রোমাইড (AgBr), সিলভার আয়োডাইড (AgI), সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3),  ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড (CaF2), ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, লেড ক্লোরাইড (PbCl2) ইত্যাদি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব। 

২। অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৩২.
খাদ্য হজম প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের ক্রমসংকোচন নিচের কোন পেশি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) ঐচ্ছিক
  2. খ) বিশেষ ধরনের ঐচ্ছিক
  3. গ) অনৈচ্ছিক
  4. ঘ) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
সঠিক উত্তর:
গ) অনৈচ্ছিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনৈচ্ছিক
ব্যাখ্যা
অনৈচ্ছিক পেশী প্রধানত দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গদির সঞ্চালনে অংশ নেয়। যেমন খাদ্য হজম প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের ক্রমসংকোচন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৩৩.
শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ-
  1. ক) নাসিকা
  2. খ) ফুসফুস
  3. গ) ব্রংকাস
  4. ঘ) স্বরযন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুস
ব্যাখ্যা
শ্বসনতন্ত্র:
- ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ।
- যে সকল অঙ্গ শ্বসনকার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদের একসাথে শ্বসনতন্ত্র বলে।
- নাসিকা, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা এগুলো নিয়ে শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ।
- এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত এবং প্লুরা নাম পর্দা দ্বারা আবৃত। বাতাসের সঙ্গে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে। পরে তা রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয়ে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়।

• শ্বসনতন্ত্রের কাজসমূহ,
- শ্বসন গ্যাসের বিনিময়: শ্বাসক্রিয়ার সময় পরিবেশের O2 রক্তে মিশে এবং রক্ত থেকে CO2 পরিবেশে বের হয়।
- শক্তি উৎপাদন: শ্বসনতন্ত্রের মাধ্যমে গ্রহণ করা CO2 কোষীয় শ্বসনে ব্যবহৃত হয়ে শক্তি উৎপন্ন করে।
- পানি সাম্যতা: নিঃশ্বাসের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০০-৬০০ মিলিলিটার পানি দেহ থেকে বের হয়ে যায়। এতে দেহের পানির সাম্যতা বজায় রাখতে সহায়তা হয়।
- তাপ নিয়ন্ত্রণ: নিঃশ্বাসের সময় CO2 এর সাথে দেহের কিছু তাপ নির্গত হয়ে দেহের তাপমাত্রা বজায় থাকে।
- এসিড ও ক্ষারের সাম্যতা: নিঃশ্বাস বায়ুর মাধ্যমে দেহের বাইরে বের হওয়ায় pH নিয়ন্ত্রণে সহায়তা হয়।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৩৪.
প্রাণির নাম নিচের কোন সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত হবে?
  1. ICBN
  2. ICVN
  3. ICZN
  4. IVZN
সঠিক উত্তর:
ICZN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICZN
ব্যাখ্যা
• জীবের নামকরণ (Nomenclature):
- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম নামকরণের একটি প্রথা প্রবর্তন করেন এটি দ্বিপদ নামকরণ প্রথা (Binomial Nomenclature System) নামে পরিচিত।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature) বর্তমানে ICN (International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code on Zoological Nomenclature)- এর নীতিমালা অনুযায়ী।

 • নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দু'টি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতিক পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে হবে। হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দু'অংশে দু'টি টানা দাগ দিতে হবে; যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.
৬. দ্বিপদ নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম উল্লেখ করতে হয়, যেমন- Mangifera indica L., L. হলো লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ। এ নামটি লিনিয়াস দিয়েছিলেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৩৫.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ভেজাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৮,৪৩৬.
ভাইরাসের অভ্যন্তরে কোন ধরনের পদার্থ থাকে এবং জেনেটিক তথ্য বহন করে?
  1. Amino acids
  2. Polysaccharides
  3. Chlorophyll
  4. Nucleic acid
সঠিক উত্তর:
Nucleic acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nucleic acid
ব্যাখ্যা
• ভাইরাসের অভ্যন্তরে Nucleic acid থাকে এবং জেনেটিক তথ্য বহন করে।

• ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

• ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

• ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয় তাই এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৩৭.
AIDS এর পূর্ণরূপ-
  1. Acquired Immune Deficiency Symptom
  2. Acquired Immunodeficiency Syndrome
  3. Acquired Immunity Deficiency Syndrome
  4. Acquired Immunodeficiency Symptom
সঠিক উত্তর:
Acquired Immunodeficiency Syndrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquired Immunodeficiency Syndrome
ব্যাখ্যা
• এইডস:
- AIDS এর পুর্ণরূপ: Acquired immunodeficiency syndrome।
- বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ।
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়।
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৩৮.
RFID বলতে বােঝায়-
  1. ক) Random Frequency Identification
  2. খ) Random Frequency Information
  3. গ) Radio Frequency Information
  4. ঘ) Radio Frequency Identification
সঠিক উত্তর:
ঘ) Radio Frequency Identification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা

Radio Frequency Identification (RFID) technology uses radio waves to identify people or objects. There is a device that reads information contained in a wireless device or “tag” from a distance without making any physical contact or requiring a line of sight.

RFID technology has been commercially available in one form or another since the 1970s. It is now part of our daily lives and can be found in car keys, employee identification, medical history/billing, highway toll tags and security access cards.

Source: Official website of the Department of Homeland Security, USA Govt.

বাংলায় বিস্তারিত জানতে এই পেজটি পড়তে পারেন। বেশ সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা আছে। [পোস্ট লিঙ্ক]

৮,৪৩৯.
টেলিস্কোপে মূলত কোন ধরনের আয়না ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল আয়না
  2. সমতল আয়না
  3. অবতল আয়না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অবতল আয়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবতল আয়না
ব্যাখ্যা
উত্তল আয়না: 
- উত্তল আয়নায় যেহেতু সোজা এবং ছোট প্রতিবিম্ব তৈরি করা যায়, তাই বড় কোনো দৃশ্যকে ছোট জায়গায় দেখতে হলে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- গাড়ির দক্ষ ড্রাইভাররা গাড়ি চালানোর সময় সব সময় পেছনে কী হচ্ছে তা দেখার জন্য গাড়ির ড্রাইভারের সামনে রিয়ার ভিউ মিরর থাকে। এই মিররগুলোতে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয় যেন ছোট একটা আয়না দিয়েই গাড়ির ড্রাইভাররা পেছনের বড় একটা জায়গা দেখতে পারেন। 

অবতল আয়না: 
- অবতল আয়নার সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে টেলিস্কোপে। 
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সুক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
- টেলিস্কোপের দায়িত্ব অনেক, কম আলোতেও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা। 
- সেজন্য অবতল আয়নার আকার যত বড় হবে, সেটি তত বেশি আলো সংগ্রহ করে তত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করতে পারবে। 
- অবতল আয়নার আরেকটি ব্যবহার হচ্ছে আলোকের সমান্তরাল বিম বা রশ্মি গুচ্ছ তৈরি করা। 
- জাহাজ বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
- আলোর উৎসটুকু থাকে ফোকাস বিন্দুতে, তাই সেটি অবতল আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল বিম হিসেবে বের হয়ে যায়। 
- দৈনন্দিন কাজে যে টর্চলাইট ব্যবহার করা হয় সেখানেও বাল্বটি রাখা হয় একটি অবতল আয়নার ফোকাস বিন্দুতে। 
- অবতল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের ভেতরে কিছু থাকলে যেহেতু সোজা এবং বড় প্রতিবিম্ব তৈরি হয় তাই কোনো কিছু বড় করে দেখতে হলেও অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।
- ডাক্তার কিংবা ডেন্টিস্টরা তাই অনেক সময়ই কিছু দেখার জন্য অবতল আয়না ব্যবহার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৪০.
পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রতি ঘন্টায় প্রায় কত বেগে ঘুরতে থাকে?
  1. ৫৭,০০০ মাইল
  2. ৬১,০০০ মাইল
  3. ৬৩,০০০ মাইল
  4. ৬৭,০০০ মাইল
সঠিক উত্তর:
৬৭,০০০ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭,০০০ মাইল
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর সুর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার ।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
- পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল (১,০৭,০০০ কিলোমিটার) বেগে প্রতি ঘন্টায় ঘুরতে থাকে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।

উৎস: i) NASA (.gov).
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৪১.
মানবদেহের দেহকোষে অটোজোম থাকে- 
  1. ০২টি
  2. ২২টি
  3. ৪৬টি
  4. ৪৪টি
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- মানবদেহের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে অটোজোমের কোনো ভূমিকা নেই। 
- অন্য এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৪২.
পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্ল্যাকহোল ইউনিকর্ন কত আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত?
  1. ১৫০০
  2. ১৬০০
  3. ১৭০০
  4. ১৮০০
সঠিক উত্তর:
১৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০০
ব্যাখ্যা
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি পৃথিবীর নিকটতম যে ব্ল্যাকহোল খুঁজে পেয়েছেন, তার নাম ইউনিকর্ণ।
এটি পৃথিবী থেকে মাত্র 1,500 আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
এটি সূর্যের চেয়ে তিনগুণ বেশি বিশাল।

উৎস: www.space.com
৮,৪৪৩.
যে পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে কী বলা হয়?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়

আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪৪৪.
১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ৩৬.৮৭
  2. ৩৭.৮৭
  3. ৩৬.৭৮
  4. ৩৭.৭৮
সঠিক উত্তর:
৩৭.৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৭৮
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক:
C/5 = (F - 32)/9 [ এখানে, C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]
এখন,
C/5 = (F - 32)/9
⇒ C/5 = (100 - 32)/9
⇒ C/5 = 68/9
⇒ 9C = 340
⇒ C = 340/9
∴ C = 37.78
∴ ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা = ৩৭.৭৮° ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৮,৪৪৫.
কোন কোষ বিভাজনটি হ্রাসমূলক বিভাজন নামেও পরিচিত?
  1. ক) মাইটোসিস 
  2. খ) মিয়োসিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়োসিস
ব্যাখ্যা

মিয়োসিস কোষ বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজনও বলা হয়। 

মিয়োসিস কোষ বিভাজনে একটি মাতৃ কোষ থেকে চারটি অপত্য কোষ পাওয়া যায়, যেগুলোর প্রতিটি মাতৃ কোষই অর্ধেকসংখ্যক ক্রোমোজম ধারণ করে। সেজন্য, এর আরেক নাম হ্রাসমূলক বিভাজন।
যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি কোষ বিভাজিত হয়ে মাতৃকোষের অর্ধেক ক্রোমোসোম সম্পন্ন চারটি অপত্য কোষ তৈরি করে তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলে।
ডিপ্লয়েড জীবে জনন মাতৃকোষ , পরাগধানী, গর্ভাশয়, ডিম্বাশয়, শুক্রাশয় এবং হ্যাপ্লয়েড জীবে জাইগোটে মিয়োসিস ঘটে।

মিয়োসিসের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. নিউক্লিয়াস দু’বার ও ক্রোমোসোম একবার বিভাজিত হয়
২. জনন মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসে মায়োসিস ঘটে
৩. একটি নিউক্লিয়াস থেকে চারটি অপত্য নিউক্লিয়াসের জš§ হয়
৪. সমসংস্থ বা হোমোলগাস ক্রোমোসোমগুলো জোড়ায় জোড়ায় মিলিত হয়ে বাইভ্যালেন্ট বা দ্বিযোজী ক্রোমোসোমের সৃষ্টি হয়
৫. অপত্য নিউক্লিয়াসের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃ-নিউক্লিয়াসের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়
৬. কায়াজমা সৃষ্টি ও ক্রসিং-ওভারের ফলে নন্-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে
৭. মায়োসিসের ফলে নিউক্লিয়াসে নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৮,৪৪৬.
সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে বলা হয়-
  1. ক) সৌরজগৎ
  2. খ) পৃথিবী
  3. গ) বুধ
  4. ঘ) নক্ষত্র
সঠিক উত্তর:
ক) সৌরজগৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৌরজগৎ
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে বলা হয় সৌরজগৎ।
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা আটটি।
• বুধ।
• শুক্র।
• পৃথিবী।
• মঙ্গল।
• বৃহস্পতি।
• শনি।
• ইউরেনাস।
• নেপচুন।

তথ্যসূত্র - অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।
৮,৪৪৭.
মহাবিশ্ব গঠনকারী মূল উপাদান সমূহের মধ্যে ডার্ক এনার্জির পরিমাণ শতকরা কত?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২৫%
  4. ৭০%
সঠিক উত্তর:
৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০%
ব্যাখ্যা
The Universe is thought to consist of three types of substance: normal matter, ‘dark matter’ and ‘dark energy’.

Normal matter consists of the atoms that make up stars, planets, human beings and every other visible object in the Universe.

As humbling as it sounds, normal matter almost certainly accounts for the smallest proportion of the Universe, somewhere between 1% and 10%.

In the currently popular model of the Universe, 70% is thought to be dark energy, 25% dark matter and 5% normal matter.

source: esa.int

৮,৪৪৮.
বাংলাদেশে যখন দুপুর ১টা, লন্ডনে তখন কয়টা বাজে?
  1. ক) সকাল পাঁচটা
  2. খ) সকাল সাতটা
  3. গ) সন্ধ্যা সাতটা
  4. ঘ) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা
সঠিক উত্তর:
খ) সকাল সাতটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সকাল সাতটা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মানমন্দির লন্ডন শহরে অবস্থিত। এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে। বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ছয়ঘন্টা এগিয়ে থাকে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে দুপুর একটা বাজলে লন্ডনে তখন সকাল সাতটা বাজবে।
Source: Greenwich Mean Time website
৮,৪৪৯.
নিচের কোনটি স্থায়ী টিস্যু নয়?
  1. ক) জটিল টিস্যু
  2. খ) সরল টিস্যু
  3. গ) ভাজক টিস্যু
  4. ঘ) ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
গ) ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে৷
ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে৷
স্থায়ী টিস্যু তিন ধরনের। যথা- সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী (ক্ষরণকারী) টিস্যু৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম ও নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৫০.
ধানের ক্ষেতে যে ঢেউ সৃষ্টি হয় সেটা কী ধরণের তরঙ্গ?
  1. ক) লম্বিক তরঙ্গ
  2. খ) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. গ) আড় তরঙ্গ
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
গ) আড় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
ধানক্ষেতে বাতাস প্রবাহের ফলে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে ধানের শীষগুলো সাম্য অবস্থানে থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু, তরঙ্গ উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয়, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।
স্প্রিং এর তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ ইত্যাদি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এস.এস.সি. প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫১.
অভিস্রবনে কোনটির স্থানান্তর ঘটে?
  1. দ্রবণ
  2. দ্রাবক
  3. দ্রব
  4. প্রথমে দ্রব ও এরপর দ্রাবক
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবনে দ্রবণের দ্রাবক অণুর স্থানান্তর ঘটে। 

• অভিস্রবণ:

- অভিস্রবণ (Osmosis) হল একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে একটি অর্ধভেদ্য পর্দা (semi-permeable membrane) দিয়ে ঘেরা দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ এর মধ্যে দ্রাবক (যেমন: পানি) কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে (spontaneously) চলাচল করে। 

• অভিস্রবণের বৈশিষ্ট্য:
→ অর্ধভেদ্য পর্দা:
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার জন্য একটি অর্ধভেদ্য পর্দা অপরিহার্য। এই পর্দা শুধুমাত্র দ্রাবক অণুগুলোকে (যেমন: পানি) চলাচল করতে দেয়, কিন্তু দ্রবীভূত পদার্থ (যেমন: লবণ) চলাচল করতে দেয় না।
→ ঘনত্বের পার্থক্য:
- দ্রবণ দুটির মধ্যে দ্রাবকের ঘনত্বের পার্থক্য থাকতে হবে। অভিস্রবণ প্রক্রিয়া এই পার্থক্যের কারণে ঘটে।
- যতক্ষণ পর্যন্ত উভয় দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এই চলাচল  চলতে থাকে।
→ স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া:
- অভিস্রবণ একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া, অর্থাৎ এখানে কোনো বাহ্যিক শক্তির প্রয়োজন হয় না।
→ ব্যাপনের একটি প্রকার:
- অভিস্রবণ মূলত ব্যাপন প্রক্রিয়ার একটি বিশেষ রূপ, যেখানে দ্রাবক অণুগুলি চলাচল করে।  
→ অভিস্রবণের গুরুত্ব:  
- উদ্ভিদের শিকড় দিয়ে পানি শোষণ, কোষের অভ্যন্তরে পানি চলাচল, এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় অভিস্রবণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

তথ্যসূত্র:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, NCTB।
৮,৪৫২.
কোনো উপকূলে পর পর দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো-
  1. প্রায় ৬ ঘণ্টা
  2. প্রায় ১২ ঘণ্টা
  3. প্রায় ১৮ ঘণ্টা
  4. প্রায় ২৪ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটা:
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং এক স্থানে নেমে যায়।
- পানির এরকম ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- উপকূলের কোন একটি স্থানে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
- সাধারণত একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়।
- অতএব, পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫৩.
শক্তি উৎপাদক খাদ্য -
  1. ক) আমিষ
  2. খ) খনিজ লবণ
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
গ) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শর্করা
ব্যাখ্যা
খাদ্যের উপাদান ছয়টি - শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। 
শর্করা, আমিষ ও স্নেহ হচ্ছে দেহ পরিপোষক খাদ্য।
খাদ্যের স্নেহ ও শর্করাকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য।
আমিষ যুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য।
খাদ্যের উপাদান দুই ধরনের -
(১) মুখ্য উপাদান ( শর্করা, আমিষ ও স্নেহ )
(২) সহায়ক উপাদান ( ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি )

[সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই]
৮,৪৫৪.
পিরিডক্সিনের অন্য নাম কোনটি?
  1. ভিটামিন বি১২
  2. ভিটামিন বি২
  3. ভিটামিন বি৫
  4. ভিটামিন বি৬
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি৬
ব্যাখ্যা
ভিটামিন B কমপ্লেক্স:
- পানিতে দ্রবণীয় ১২টি ভিটামিন B রয়েছে।
- ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়। 
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক।

থায়ামিন(ভিটামিন বি১): 
♦ উৎস:
আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ ইত্যাদি। 
♦ অভাবজনিত রোগ:
বেরিবেরি, অরুচি, ওজনহীনতা।

রাইবোফ্ল্যাভিন(ভিটামিন বি২):
♦ উৎস: যকৃৎ, দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি। 
♦ অভাবজনিত রোগ: 
- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
- এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।

নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড(ভিটামিন বি৩):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, ছোলা, শাক- সবজি।
♦ অভাবজনিত রোগ: 
- এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। পেলেগ্রা রোগে ত্বকে রঞ্জক পদার্থ জমতে শুরু হয় এবং সূর্যের আলোয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। | ফলে ত্বকে লালচে দাগ পড়ে এবং ত্বক খস খসে হয়ে যায়।
- এছাড়া জিভে রঞ্জক পদার্থ জমে জিভের এট্রোফি হয়।

পিরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬)
♦ উৎস: চাল, আটা, মাছ, মাংস, শাক- সবজি, ছোলা, ছত্রাক, বৃক্ক, ডিমের কুসুম।
♦ অভাবজনিত রোগ :
অরুচি, বমিভাব, অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়। 

কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (ভিটামিন বি১২):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, দুধ ইত্যাদি 
♦ অভাবজনিত রোগ :
- রক্তশূন্যতা,
- স্নায়বিক অবক্ষয়।
৮,৪৫৫.
মানবদেহের বৃদ্ধিজনিত হরমোন দেহের কোন গ্রন্থিতে উৎপন্ন হয়? 
  1. এড্রেনাল
  2. থাইরয়েড
  3. থাইমাস
  4. পিটুইটারি
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি
ব্যাখ্যা
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০টি অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 
- মানবদেহের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে এই হরমোন উৎপন্ন হয়। 
-  বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পরে বৃদ্ধি হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। 
- পরবর্তী প্রতি ১০ বছরে ক্ষরণ প্রায় ১৪% হারে হ্রাস পায়। 
- বৃদ্ধি হরমোন যত কমবে, শরীরে ততই বয়সের ছাপ বাড়বে। 
- এ সময় দেহে বৃদ্ধি হরমোন প্রয়োগ করলে বয়সের ছাপ মিলিয়ে যাবে কিংবা ছাপ পড়ার গতি কমে যাবে। 
 
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫৬.
নিউক্লিয়াস গঠনের ভিত্তিতে কোষ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়াস গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ।

যেসব কোষে আদর্শ এবং সংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, কোষে পর্দাঘেরা কোষ অঙ্গাণু থাকে না, ক্রোমোজোম গঠিত হয় না, তাদের আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক কোষ বলে। ব্যাকটেরিয়া নীলাভ সবুজ শৈবাল ইত্যাদি প্রোক্যারিওটিক কোষের উদাহরণ।
যেসব কোষে নিউক্লিয়াসকে সংগঠিত (নিউক্লিয় পর্দা, নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস এবং নিউক্লিয় জালক উপস্থিত) এবং নিউক্লিয় পর্দা বেষ্টিত, ক্রোমোজোম ক্ষারীয় প্রোটিনযুক্ত , কোষে পর্দাঘেরা একাধিক কোষ অঙ্গাণু থাকে, তাদের আদর্শ ইউক্যারিওটিক কোষ বলে। উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের প্রকৃত উদাহরণ।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান 

৮,৪৫৭.
মৌলের প্রতীক কোনটি নির্দেশ করে?
  1. মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
  2. মৌলের একটি পরমাণু
  3. মৌলের একটি অণু
  4. মৌলের পারমাণবিক ভর
সঠিক উত্তর:
মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
ব্যাখ্যা
মৌলের প্রতীক (Symbol of Elements):
রসায়নে প্রতিটি মৌলের পরমাণুকে একটি প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ভিন্ন ভিন্ন পরমাণুর প্রতীক ভিন্ন ভিন্ন হয়।
যে কোনাে মৌলের পরমাণুর পূর্ণ নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলে।

উৎসঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫৮.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম? 
  1. বেগুনি 
  2. সাদা 
  3. কালো 
  4. হলুদ 
সঠিক উত্তর:
সাদা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা 
ব্যাখ্যা

তাপ শোষণ ক্ষমতা: 
​- সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম, কারণ সাদা রঙের বস্তু তার উপর আপতিত প্রায় সমস্ত আলো বা তাপ বিকিরণ করে। 
- ফলে গরমের সময় সাদা কাপড় পরলে আরাম পাওয়া যায়।
- অপরদিকে কালো রঙের বস্তু বা কাপড়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- কালো রঙের বস্তু বা কাপড় তাপ বিকিরণ করতে পারে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৫৯.
স্নায়ুটিস্যুর একক হচ্ছে -
  1. ডেনড্রন
  2. অ্যাক্সন
  3. কোষদেহ
  4. স্নায়ুকোষ
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুকোষ
ব্যাখ্যা
স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু: 
- প্রাণী দেহের যে টিস্যু উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে তাকে স্নায়ুটিস্যু বা নার্ভটিস্যু বলে। 
- স্নায়ুটিস্যুর একক হচ্ছে স্নায়ুকোষ বা নিউরন। 
- মস্তিষ্ক অসংখ্য স্নায়ুকোষ বা নিউরন দিয়ে তৈরি। 
- প্রতিটি নিউরন তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
(ক) কোষদেহ, 
(খ) ডেনড্রন এবং 
(গ) অ্যাক্সন। 

স্নায়ুটিস্যুর কাজ: 
- দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় ও সংবেদন গ্রহণকারী অঙ্গ থেকে গৃহীত উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। 
- দেহের কার্যকর অংশ এ উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। 
যেমন- মশা কামড়ালে এ অনুভূতি মস্তিষ্কে পাঠায়। মস্তিষ্ক হাতকে এ কথা জানায় তখন হাত মশা মারার চেষ্টা করে। 
- উদ্দীপনা বা ঘটনাকে স্মৃতিতে ধারণ করে। 
- দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৪৬০.
মানুষ কোন কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে? 
  1. ৩০ Hz থেকে ৩০,০০০ Hz 
  2. ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
  3. ৪০ Hz থেকে ৫০,০০০ Hz 
  4. ৬০ Hz থেকে ৫০,০০০ Hz 
সঠিক উত্তর:
২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
ব্যাখ্যা

রেডিও: 
- রেডিও সম্প্রচার স্টেশনের স্টুডিওতে যখন কেউ মাইক্রোফোনে কথা বলে, তখন সেই শব্দ বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।
- আমরা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্ক পর্যন্ত শুনতে পারি।
- তাই  বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তরিত সিগন্যালটিও এই কম্পাঙ্কের হয়। 
- এটিকে পাঠানোর জন্য উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এই উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বাহক তরঙ্গ বলে।
- বাহক তরঙ্গের সাথে যুক্ত করার এই প্রক্রিয়াটিকে মডুলেশন বলা হয়।
- গ্রাহক যন্ত্রের ভেতর যে এন্টেনা থাকে সেটি এই রেডিও তরঙ্গকে বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তর করে নেয়।
- এরপর প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করে বাহক তরঙ্গ থেকে আলাদা করে নেওয়া হয়- এই প্রক্রিয়াটিকে ডিমডুলেশন বলা হয়।
- ডিমডুলেটেড বৈদ্যুতিক সিগন্যালটিকে এমপ্লিফায়ার দিয়ে বিবর্ধন করে শোনার জন্য স্পিকারে পাঠানো হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪৬১.
ডিটারজেন্ট নিচের কোনটি থেকে তৈরি হয়?
  1. ক) সাবান
  2. খ) চর্বি
  3. গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
ব্যাখ্যা
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। 
- যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- রসায়ন শিল্পের কল্যাণে বিভিন্ন ধরনের সিনথেটিক পরিষ্কারক উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
-  এর প্রত্যেকের আবার রয়েছে আলাদা উপাদান এবং রাসায়নিক যৌগ। 
- এ ছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রং এবং কখনও জীবাণুনাশক পদার্থ।
 
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, সাধারণ বিজ্ঞান; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৪৬২.
ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে সমুদ্রপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা কত হতে হয়?
  1. ২০° সেলসিয়াস
  2. ২৬.৫° সেলসিয়াস
  3. ৩০° সেলসিয়াস
  4. ৩৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৬.৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬.৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

◉ ট্রপিক্যাল সাইক্লোন গঠনের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের জলকে অন্তত ২৬.৫° সেলসিয়াস বা তার বেশি উষ্ণ হতে হয়।

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ:
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়।
- এই দুর্যোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ।
- সাধারণত এই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি হয়।
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান।
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৬৩.
ভ্রূণের হৃৎপিণ্ড গঠিত হয় কততম সপ্তাহে?
  1. ৪র্থ
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৫ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
৪র্থ তম সপ্তাহে ভ্রূণের হৃৎপিণ্ড গঠিত হয়।

• ভ্রূণ ও ফিটাসের বিকাশ 
- ১ম সপ্তাহ - নিষেক ও ক্লিভেজ; ৪–৫ দিনে ব্লাস্টোসিস্ট উৎপত্তি; কোষ >১০০; ৬–৯ দিনে ইমপ্লান্টেশন।
- ২য় সপ্তাহ - তিনটি অঙ্কুর স্তর (এক্টোডার্ম, এন্ডোডার্ম, মেসোডার্ম) গঠিত হয়।
- ৩য় সপ্তাহ - মাসিক বন্ধ হয় (প্রথম লক্ষণ); মেরুদণ্ড, মস্তিষ্ক ও সুষুমা স্নায়ুর উৎপত্তি; ভ্রূণের দৈর্ঘ্য ২ মিমি।
- ৪র্থ সপ্তাহ - হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, রক্ত গঠন শুরু; আমবিলিক্যাল কর্ড গঠিত; ভ্রূণ ৫ মিমি।
- ৫ম সপ্তাহ - মস্তিষ্ক দ্রুত বৃদ্ধি পায়; লিম্ব বাড (limb bud) তৈরি হয়।
- ৬ষ্ঠ সপ্তাহ - চোখ ও কান গঠনের সূচনা।
- ৭ম সপ্তাহ - মুখমণ্ডল গঠিত হয়; চোখে রঙ দেখা যায়।
- ১২তম সপ্তাহ - অঙ্গ, পেশি, হাড়, হাত-পায়ের আঙুল পরিপূর্ণ; জনন অঙ্গ সুগঠিত; দৈর্ঘ্য ১০ সেমি।
- ২০তম সপ্তাহ - ভ্রূ ও চোখের পাতা (lashes) গঠিত; আঙুলের রেখা দৃশ্যমান।
- ২৪তম সপ্তাহ - চোখের পাতা খুলতে পারে।
- ২৬তম সপ্তাহ - অপ্রাপ্তকালীন জন্ম হলেও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে।
- ২৮তম সপ্তাহ - নড়াচড়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি; স্পর্শ ও অতিশব্দ অনুভব করে; মূত্র ত্যাগ করে; দৈর্ঘ্য ৩৭ সেমি।
- ৩০তম সপ্তাহ - মাথা নিচের দিকে চলে আসে – জন্মের জন্য প্রস্তুত। 
- ৩৮তম সপ্তাহ - সাধারণত ৯ মাসের শিশুর জন্ম হয় (পূর্ণাঙ্গ গর্ভকাল)।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৮,৪৬৪.
সোডিয়ামের ভর সংখ্যা কত?
  1. ২৩ 
  2. ১২ 
  3. ২২ 
  4. ১১ 
সঠিক উত্তর:
২৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে। 
- মৌলের ধর্ম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে, পারমাণবিক সংখ্যাই মৌলের মৌলিক ধর্ম (Fundamental property)। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে। 
- ইহাকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ১ টি প্রোটন আছে, কাজেই উহার পারমাণবিক সংখ্যা ১ । আবার, কার্বনের পরমাণুতে ৬ টি প্রোটন আছে, বিধায় কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ । কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ৬ টি এবং নিউট্রন সংখ্যা ৬ টি। 

ভর সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়। 
- ইলেকট্রনের ভর প্রায় শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ধাতুর পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ১১ টি এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২ টি, তাই সোডিয়ামের ভর সংখ্যা ২৩ । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৬৫.
কোন হরমোন উদ্ভিদের ভ্রূণমুকুলাবরণীর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং আলোর প্রভাবের প্রতি উত্তেজনাবোধ সৃষ্টি করে?
  1. আভিলিন
  2. অক্সিন
  3. জিব্বেরেলিন
  4. সাইটোকিনিন
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা
অক্সিন: 
- চার্লস ডারউইন এ হরমোন প্রথম আবিষ্কার করেন। 
- তিনি উদ্ভিদের ভ্রূণমুকুলাবরণীর উপর আলোর প্রভাব লক্ষ্য করেন। 
- যখন আলো তীর্যকভাবে একদিকে লাগে তখন ভ্রূণমুকুলাবরণী আলোর উৎসের দিকে বাঁকা হয়ে বৃদ্ধি লাভ করে। 
- প্রকৃতপক্ষে ভ্রূণমুকুলাবরণীর অগ্রভাগে অবস্থিত রাসায়নিক পদার্থটি ছিল বৃদ্ধি সহায়ক হরমোন অক্সিন। 
- অক্সিন প্রয়োগে শাখা কলমে মূল গজায়, ফলের অকালে ঝরেপড়া রোধ হয়। 
অর্থাৎ, অক্সিন হরমোন উদ্ভিদের ভ্রূণমুকুলাবরণীর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং আলোর প্রভাবের প্রতি উত্তেজনাবোধ সৃষ্টি করে। 

জিব্বেরেলিন: 
- চারাগাছ, বীজপত্র ও পত্রের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে এদের দেখা যায়। 
- এর প্রভাবে উদ্ভিদের পর্বমধ্যগুলো দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পায়। 
- এ জন্য খাটো উদ্ভিদে এ হরমোন প্রয়োগ করলে উদ্ভিদটি অন্যান্য সাধারণ উদ্ভিদ থেকেও অধিক লম্বা হয়। 
- বীজের সুপ্তাবস্থা কাটাতে এর কার্যকারিতা রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৪৬৬.
সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর' শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. গ্যালিলিও
  2. জন হুইলার
  3. জর্জ ল্যামেটার
  4. আমস্ট্রং
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর' শব্দটি ব্যবহার করেন।

• কৃষ্ণগহ্বর:
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা এবং ব্রিটানিকা।
৮,৪৬৭.
পানিতে ডুব দিয়ে কেউ হাততালি দিলে, সেই তালির শব্দ জোরে শুনতে পাবে-
  1. ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
  2. পানির তীরে দাঁড়ানো ব্যক্তি
  3. ডুবন্ত অবস্থায় কেউ শব্দ শুনতেই পাবে না
  4. সকলেই জোরে শব্দ শুনতে পারবে
সঠিক উত্তর:
ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
শব্দের গতি:
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
- মাধ্যমগুলোতে শব্দের বেগের ক্রম হলো: বায়বীয় > তরল > কঠিন।

তাই, পানিতে ডুব দিয়ে কেউ হাততালি দিলে, সেই তালির শব্দ পানির তীরে দাঁড়ানো থাকা ব্যক্তির তুলনায় ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি জোরে শুনতে পাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৬৮.
পৃথিবীর তলে কোন বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম হলে বস্তুর ওজন হবে- 
  1. ০.৯৮ নিউটন
  2. ৯.৮ নিউটন
  3. ৯৮ নিউটন
  4. ৯৮০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
৯৮ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ নিউটন
ব্যাখ্যা
দেওয়া আছে, 
পৃথিবীর তলে কোন বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম। 
অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g' এর আদর্শ মান ৯.৮১ ms−2

আমরা জানি, 
বস্তুর ওজন, w = mg 
⇒ w = ১০ × ৯.৮১ 
= ৯৮.১ নিউটন 
≈ ৯৮ নিউটন। 

অভিকর্ষ বল: 
→ অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। 
→ যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
→ অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
→ যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ, ms−2
→ পৃথিবীর কেন্দ্রে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি শূন্য থাকে। সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৬৯.
সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক কোনটি? 
  1. লোহা
  2. সোনা
  3. রূপা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
রূপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা
ব্যাখ্যা
পরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। 
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। 
যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। 
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের। 
- রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। 
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 
- ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৭০.
আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে কী গ্রহণ করে?
  1. ইউরিয়া
  2. অক্সিজেন
  3. গ্লুকোজ
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ গ্রহণ করে।

- আমাদের দেহে সকল কাজের জন্য অক্সিজেন দরকার।
- অক্সিজেন না হলে জীবকোষ বাঁচতে পারে না।
- রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে প্রতিটি কোষে বহন করে।
- দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে।

• রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৪৭১.
সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. মাইকা
  2. কোয়ার্টজ
  3. চুনাপাথর
  4. ম্যাগনেটাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো- 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে- 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৭২.
শব্দের ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) এর সৃষ্টি হয় বস্তুর কম্পনের ফলে
  2. খ) সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যম দরকার
  3. গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  4. ঘ) এই তরঙ্গের প্রবাহ ও কম্পনের দিক এক
সঠিক উত্তর:
গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারন বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারন এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক ও কম্পনের দিক একই।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৮,৪৭৩.
পৃথিবীর সাথে কোনো বস্তুর আকর্ষণ বলকে কী বলা হয়? 
  1. অভিকর্ষ 
  2. চৌম্বক বল 
  3. তড়িৎচুম্বক বল 
  4. সবল নিউক্লিয় বল 
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
ব্যাখ্যা

অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ, কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- প্রত্যেকটি বস্তুকে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরের যেকোনো উচ্চতা থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে তা নিচের দিকে পড়তে থাকে বা গতিশীল হয়। 
- যতই নিচে নামে বলের প্রভাবে বস্তুর গতি তত বৃদ্ধি পেতে থাকে বা ত্বরণ হয়। 
- নিউটনের সূত্র থেকে পাওয়া যায়, বস্তুর উপর বল প্রয়োগে বস্তুর ত্বরণ হয়, তাই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তুর ত্বরণ হয়। 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্টে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ এর একক ms-2 এবং এর মাত্রা LT -2 । 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৭৪.
কোনটি প্রাকৃতিক তন্তু নয়?
  1. ক) বণ্টন
  2. খ) রেয়ন
  3. গ) সিল্ক
  4. ঘ) উল
সঠিক উত্তর:
খ) রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেয়ন
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক তন্তু:
- প্রাকৃতিক উৎস এবং খনিজ হতে যে সমস্ত তন্তু পাওয়া যায় সেগুলোকে প্রাকৃতিক তন্তু বলা হয়। যেমন - তুলা, পাট, উল, সিল্ক ও অ্যাসবেসটস ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তন্তু।
- এই জাতীয় তন্তুর মধ্যে কার্পাস তুলা বা কটন সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রাকৃতিক তন্তু।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত বস্ত্রাদির অর্ধেকেরও বেশি চাহিদা মেটানো হয় প্রাকৃতিক তন্তু থেকে।

প্রাকৃতিক তন্তুকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা
১) উদ্ভিজ তন্তু
২) প্রাণিজ তন্তু এবং
৩) খনিজ তন্তু।

উদ্ভিজ তন্তু: উদ্ভিদ থেকে যে সব তন্তু পাওয়া যায় সেগুলোকে উদ্ভিজ তন্তু বলে। পাট, তুলা ইত্যাদি এ জাতীয় তন্তুর উদাহরণ।

প্রাণিজ তন্তু: প্রাণিজ উৎস থেকে যে সব তন্তু পাওয়া যায় তাদেরকে প্রাণিজ তন্তু বলে। পশম বা উল এবং রেশম প্রাণিজ তন্তুর উদাহরণ।
- পশম জাতীয় তন্তু তৈরি হয় ভেরা বা মেষ, খরগোশ, উট এবং বিভিন্ন এ জাতীয় পশুর লোম বা চুল থেকে।
- উলের তন্তুর তল অমসৃণ থাকায় এর মধ্যে বাতাস আঁটকে থাকে। তাই উলের তৈরি পোশাক পরলে বেশ গরম অনুভূত হয়।
- পলু পোকা নামে এক জাতীয় পোকার গুটি থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়।
- প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে শক্ত। তুতে নামক গাছের পাতা খেয়ে রেশম পোকা গুটি বাধে। সে গুটি থেকে সিল্ক আহরণ করা হয়। বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার রেশম পৃথিবী বিখ্যাত।

খনিজ তন্তু: খনিতে কঠিন শিলার স্তরের ভাঁজে ভাঁজে জমা এক প্রকার আঁশ থেকে যে তন্তু পাওয়া যায় তাকে খনিজ তন্তু বলে।
- অ্যাসবেসটস (Asbestos) ধাতব তন্তু এ জাতীয় তন্তুও উদাহরণ।
- ইনসুলেশন, অগ্নিরোধক ও শব্দরোধক ইত্যাদিতে তন্তু হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই তন্তু অগ্নিনিরোধক হিসেবে জাহাজ এবং নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হতো।
- কিন্তু এ তন্তুতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক রয়েছে যা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে। তাই এর ব্যবহার সীমিত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে,
- রেয়ন ও ভিসকাস হলো কৃত্রিম (সেলুলোজিক) তন্তু।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৭৫.
লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কত গুণ দ্রুত চলে?
  1. ২০ গুণ
  2. ১৮ গুণ
  3. ১৫ গুণ
  4. ১২ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
ব্যাখ্যা

• লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় প্রায় ১৫ গুণ দ্রুত চলে। শব্দের বেগ নির্ভর করে মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর। লোহা একটি কঠিন পদার্থ, যার কণাগুলি খুব ঘনভাবে সজ্জিত থাকে এবং তাদের মধ্যে কম ফাঁকা জায়গা থাকে। ফলে শব্দের কম্পন এক কণার থেকে অন্য কণায় খুব দ্রুত সঞ্চারিত হয়। অন্যদিকে, বাতাস একটি গ্যাসীয় মাধ্যম, যেখানে কণাগুলি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই শব্দ সেখানে তুলনামূলকভাবে ধীরে চলে। গড়পড়তা হিসাবে, লোহায় শব্দের বেগ প্রায় ৫০০০ মিটার/সেকেন্ড এবং বাতাসে প্রায় ৩৪০ মিটার/সেকেন্ড। তাই সঠিক উত্তর হলো: (গ) ১৫ গুণ।

শব্দের সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টিকরে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
যেমন- একটি লম্বা স্প্রিং নিয়ে এর এক প্রান্তে আঘাত করলে দেখবে স্প্রিংটির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আন্দোলন সঞ্চালিত হচ্ছে, শব্দের ঢেউ এভাবেই সঞ্চালিত হয়। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়; আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৮,৪৭৬.
কৃত্রিমভাবে প্রথম জৈব যৌগ কত সালে তৈরি করা হয়? 
  1. ১৮২৮ সালে 
  2. ১৮২৫ সালে 
  3. ১৮৩০ সালে 
  4. ১৮৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে 
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- ১৮১৫ সালে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস প্রস্তাব করেন যে, জৈব যৌগসমূহ কেবল সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে এক রহস্যময় প্রাণশক্তির প্রভাবে উৎপন্ন হয়ে থাকে। 
- তাই একে পরীক্ষাগারে উৎপন্ন করা সম্ভব নয়। একে প্রাণশক্তি মতবাদ বলা হয়। তখন সব বিজ্ঞানী এ মতবাদ গ্রহণ করেন। 
- ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলার পরীক্ষাগারে অজৈব অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড লেড সায়ানেট দ্রবণের বিক্রিয়া ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে পরীক্ষাগারে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন। 
- ১৮২৮ সালে প্রস্তুতকৃত ইউরিয়া হলো প্রথম জৈব যৌগ যা পরীক্ষাগারে উৎপাদন করা সম্ভব হয়। 
- এজন্য বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৪৭৭.
লেজার রশ্মি কে কত সালে আবিষ্কার করেন?
  1. বোর, ১৯৬৩
  2. রাদারফোর্ড, ১৯১৯
  3. হাইগ্যান, ১৯৬১
  4. মাইম্যান, ১৯৬০
সঠিক উত্তর:
মাইম্যান, ১৯৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইম্যান, ১৯৬০
ব্যাখ্যা
- LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Light Amplification by Stimulated Emission Radiation. 
অর্থাৎ, উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক। 
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম ওয়েবসাইট।
৮,৪৭৮.
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি কোনটি?
  1. চড়ুই
  2. বাবুই
  3. হাউক
  4. হার্মিং বার্ড
সঠিক উত্তর:
হার্মিং বার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্মিং বার্ড
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি হলো হামিংবার্ড (Bee Hummingbird) I
• বৈজ্ঞানিক নাম: Mellisuga helenae
• আকার: মাত্র ৫-৬ সেমি (প্রায় একটি মৌমাছির সমান)
• ওজন: প্রায় ১.৬ গ্রাম
• বসবাস: কিউবা এবং পাশের কিছু দ্বীপে পাওয়া যায়
• বিশেষত্ব: এটি এত ছোট যে অনেক সময় মৌমাছির সঙ্গে ভুল হয়, এবং এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৮০ বার ডানা ঝাপটাতে পারে!
* তাই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট পাখি হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ,
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাখি হলো দক্ষিণ আফ্রিকান উটপাখি (Common Ostrich)।
- বিশ্বের দ্রুততম পাখি হলো পেরেগ্রিন ফ্যালকন (Peregrine Falcon)।

উৎস: Guinness World Records ওয়েবসাইট।
৮,৪৭৯.
বিস্ফোরক দ্রব্য খুঁজে বের করতে সাধারণত কোন রশ্মি ব্যবহার হয়?
  1. বেকেরেল রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. X-রশ্মি
সঠিক উত্তর:
X-রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X-রশ্মি
ব্যাখ্যা

বিস্ফোরক দ্রব্য খুঁজে বের করতে সাধারণত এক্স-রে ব্যবহার হয়।

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি।
- এক্স-রে উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স- রে সরলপথে গমন করে।
- এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

এক্স রে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ, আকরিকের অপদ্রব্য নির্ণয়, খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ।
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়।
- গোয়েন্দা বিভাগে: কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৮০.
মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণির ভিত্তি কী ছিল?
  1. পারমাণবিক ব্যাসার্ধ
  2. ইলেকট্রন বিন্যাস
  3. নিউট্রনের সংখ্যা
  4. পারমাণবিক ভর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভর
ব্যাখ্যা

• মেন্ডেলিফ তাঁর পর্যায় সারণি পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়েছিলেন।
- 1869 সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ সকল মৌলের ধর্ম পর্যালোচনা করে একটি পর্যায় সূত্র প্রদান করেন।

• সূত্রটি হলো: "মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।"

• এ সূত্র অনুসারে তিনি তখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত 63টি মৌলকে তার তৈরি পর্যায় সারণিতে 12টি আনুভূমিক সারি আর ৪টি খাড়া কলামের একটি ছকে পারমাণবিক ভর বৃদ্ধি অনুসারে সাজান। 
- এই পর্যায় সারণির ভিত্তি ছিলো মৌলের পারমাণবিক ভর। 
- তার পর্যায় সারণি অনুসারে "একই কলাম বরাবর সকল মৌলের ধর্ম একই রকমের এবং একটি সারির প্রথম মৌল থেকে শেষ মৌল পর্যন্ত মৌলগুলোর ধর্মের ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন ঘটে।" 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

৮,৪৮১.
যেসকল অনুজীব রোগ সৃষ্টি করতে পারে তাদেরকে কী বলে?
  1. টক্সিন
  2. জীবাণু
  3. প্যাথজেনিক
  4. হোস্ট
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাথজেনিক
ব্যাখ্যা
• প্যাথজেনিক:
- প্যাথজেনিক শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "pathos" (রোগ) এবং "gen" (উৎপাদন করা) থেকে, যার অর্থ "রোগ সৃষ্টিকারী"।
- এই ধরনের অনুজীব বিভিন্ন জীবের (হোস্টের) দেহে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটিয়ে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
যেমন:
- ব্যাকটেরিয়া: টিউবারকুলোসিস (যক্ষ্মা), কলেরা। 
- ভাইরাস: ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু। 
- ছত্রাক: দাদ, কান্ডিডিয়াসিস। 
- প্রোটোজোয়া: ম্যালেরিয়া, অ্যামিবিক ডায়রিয়া। 

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- টক্সিন (Toxin): এটি জীবাণু বা অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দ্বারা নিঃসৃত বিষাক্ত পদার্থ, যা দেহের ক্ষতি করে। যেমন: ব্যাকটেরিয়ার উৎপন্ন বটুলিনাম টক্সিন।
- জীবাণু (Germ/Microbe): এটি সাধারণভাবে সকল অনুজীবকে বোঝায়, তবে সব জীবাণুই রোগ সৃষ্টি করে না।
- হোস্ট (Host): এটি সেই জীবকে বোঝায় যার দেহে প্যাথজেনিক অনুজীব প্রবেশ করে এবং রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৪৮২.
পানি মাধ্যমে শব্দের বেগ -
  1. 1020 ms- 1
  2. 1450 ms- 1
  3. 5220 ms- 1
  4. 5560 ms- 1
সঠিক উত্তর:
1450 ms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1450 ms- 1
ব্যাখ্যা
• পানি মাধ্যমে শব্দের বেগ 1450 ms- 1.

• শব্দের বেগের পরিবর্তন:

- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms- 1 নির্দিষ্ট।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms- 1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms- 1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। যেমন-
১. বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms- 1,
২. পানি মাধ্যমে 1450 ms- 1 এবং
৩. লোহার মধ্যে 5220ms- 1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮৩.
মানুষের শ্রবণযন্ত্রের স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ১-৫০ ডেসিবল
  2. ১-৭৫ ডেসিবল
  3. ১-৪৫ ডেসিবল
  4. ১-৬০ ডেসিবল
সঠিক উত্তর:
১-৭৫ ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-৭৫ ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দ দূষণ: 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার অতিরিক্ত আওয়াজই শব্দ দূষণ। 
- মানুষের শ্রবণযন্ত্রের স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা ১-৭৫ ডেসিবল। 
- কিন্তু ৮৫ ডেসিবল অথবা তার অধিক হলে একজন মানুষ শ্রবণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। 
- শব্দ দূষণ প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট উভয় কারণেই হতে পারে। 
- তবে মানবসৃষ্ট কারণই মুখ্য। 
- শব্দ দূষণের ফলে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়। 
- সাধারণত শহরাঞ্চলে পরিবেশগত এই সমস্যা অধিক হয়ে থাকে। 


উৎস: ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮৪.
পরমাণুতে শক্তিস্তর সম্পর্কে ধারণা দেন নীচের কোন বিজ্ঞানী?
  1. চ্যাডউইক
  2. নীলস বোর
  3. ম্যাক্সওয়েল
  4. রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
নীলস বোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলস বোর
ব্যাখ্যা

বোর পরমাণু মডেল (Bohr Atom model):
- পরমাণুর গঠন সম্পর্কে ১৯১৩ সালে ডেনমার্কের পদার্থবিজ্ঞানী নীলস বোর রাদার ফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা দূরীকরণসহ ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব যুক্ত করে একটি মডেল প্রদান করেন।
- এটি বোর পরমাণু মডেল নামে পরিচিত।

বোর মডেলের প্রস্তাবনা সমূহ হলো- 
• শক্তিস্তর সম্পর্কিত প্রস্তাব: নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত বৃত্তাকার কক্ষপথে ইলেকট্রন আবর্তন করে। এসব কক্ষপথে আবর্তনকালে ইলেকট্রন কোন শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এসব কক্ষপথকে শক্তিস্তর (energy level) বলা হয়।

• কৌনিক ভরবেগ সম্পর্কিত প্রস্তাব: অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিক্রমণরত ইলেকট্রনের কৌনিক ভরবেগ নির্দিষ্ট এবং তা h/2π এর গুণিতক। এখানে h হল প্লাঙ্কের ধ্রুবক। 

• শক্তির বিকিরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব: ইলেকট্রন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে লাফ দিয়ে উচ্চ শক্তিস্তরে অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে নিম্ন শক্তি স্তরে গমন করতে পারে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,৪৮৫.
একটি গাড়ি ব্রেক কষার পর থেমে যায়। এর জন্য দায়ী কোন বল?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. ঘর্ষণ বল 
  3. চৌম্বক বল
  4. স্থিতিস্থাপক বল 
সঠিক উত্তর:
ঘর্ষণ বল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘর্ষণ বল 
ব্যাখ্যা

◉ যখন একটি গাড়ি ব্রেক কষে, তখন ব্রেক প্যাড চাকায় ঘর্ষণ সৃষ্টি করে। এই ঘর্ষণ বল চাকাকে ঘুরতে বাধা দেয় এবং ক্রমান্বয়ে গাড়ির গতি কমিয়ে এনে একসময় থামিয়ে দেয়।

ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল:
- যখন দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থাকে এবং একটি বস্তু অপরটির উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে, তখন বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এই বাধাকে ঘর্ষণ বলা হয়।
- যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলা হয়।

• ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। যথা:
১. প্রবাহী ঘর্ষণ:
- যখন কোনাে বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ।
- প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে।
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আর এ বাঁধার ফলে প্রবাহী ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়।
- আবার, মানুষ পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়, আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ।

২. স্থিতি ঘর্ষণ:
- যখন দুটি বস্তু একে অপরের সাপেক্ষে স্থির থাকে, তখন যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, সেটি স্থিতি ঘর্ষণ।
- স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আমরা হাঁটতে পারি, কারণ আমাদের পা বা জুতার তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের ফলে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে না।

৩. গতি ঘর্ষণ:
- একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ।
- সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়।
- গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে।

৪. আবর্ত ঘর্ষণ:
- একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু গড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘর্ষণ।
- সবগুলাে ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছােট তাই আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানাে সুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতাে।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৮৬.
রোধের এস.আই একক কোনটি? 
  1. ভোল্ট
  2. ও'ম
  3. সিমেন্স
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ও'ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ও'ম
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ। 
- রোধের এস.আই একক হলো ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম। 

অন্যদিকে,
- তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে- অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক হচ্ছে- সিমেন্স।
- বিভব পার্থ্যকের একক হচ্ছে- ভোল্ট । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৮,৪৮৭.
Milky Way কী?
  1. ক) সুপারনোভা
  2. খ) সৌরজগত
  3. গ) তারা
  4. ঘ) ছায়াপথ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
অন্ধকার রাতে পরিষ্কার আকাশে জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর দিকে তাকালে আকাশে সাদা মেঘের মতো বিস্তীর্ণ এলাকা দেখা যায়, যা উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে চলে গেছে, একে ছায়াপথ বলে।
- ছায়াপথ  আসলে লক্ষকোটি নক্ষত্র ও তাদের গ্রহ-উপগ্রহ নিয়ে গঠিত।
-মহাজাগতিক বস্তুর দূরত্ব পরিমাপ করতে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। 
-এক বছরে আলো যত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে তাই হল আলোকবর্ষ এক আলোকবর্ষ সমান নয় লক্ষ কোটি কিলোমিটার। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৮,৪৮৮.
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু কোনটি? 
  1. বোসন
  2. কোয়াসার
  3. কৃষ্ণবিবর
  4. নিউট্রন স্টার
সঠিক উত্তর:
কোয়াসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াসার
ব্যাখ্যা
কোয়াসার (Quasar): 
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। 
- অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বণ্ঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বণ্ঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮৯.
গ্যাসীয় পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কেমন থাকে? 
  1. সবচেয়ে বেশি 
  2. বেশি 
  3. সবচেয়ে কম 
  4. মধ্যম 
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে। ফলে অণুসমূহ স্থির অবস্থানে এবং পরস্পরের যথাসম্ভব নিকটে থাকে। 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন অবস্থায় অণুর স্থানান্তর ও আবর্তন গতি প্রায় থাকে না; তবে অণুসমূহের কম্পন গতি থাকে। যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম। 

 তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে, তাই অণু বা কণাসমূহ স্থির অবস্থানে থাকে না। 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। কিন্তু যেহেতু তরল অবস্থাতেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে থাকে; সেহেতু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে। কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে। তবে তরল পদার্থের অণুসমূহ কঠিন পদার্থের তুলনায় কম সুশৃঙ্খল থাকে। 

 গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে, তাই গ্যাসীয় অবস্থায় অণুসমূহ সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। 
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে। 
- তখন অণুসমূহ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই। 
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

৮,৪৯০.
মরিচাবিহীন ইস্পাতে শতকরা লোহার পরিমাণ-
  1. ক) ৮%
  2. খ) ১৮%
  3. গ) ৭৪%
  4. ঘ) ৯৯%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪%
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু:
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে।
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়।
আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৪৯১.
অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে কোন ধমনি?
  1. জনন
  2. মেসেন্টেরিক
  3. ইলিয়াক
  4. সিলিয়াক
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
• ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
• বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
• সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
• ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
• সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
• থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৯২.
মানুষের হৃৎপিণ্ড দ্বিস্তরী ______ পর্দা দিয়ে বেষ্টিত থাকে।
  1. পেরিকার্ডিয়াম
  2. প্লুরা
  3. এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
• হৃৎপিণ্ড:
- হৃৎপিণ্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত একরকমের পাম্প।
- হৃৎপিণ্ড অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরে ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার ওপরে অবস্থিত।
- হৃৎপিণ্ডের প্রশস্ত প্রান্তটি ওপরের দিকে এবং ছুঁচালো প্রান্তটি নিচের দিকে বিন্যস্ত থাকে।
- হৃৎপিণ্ডটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দিয়ে বেষ্টিত থাকে।
- উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যেটি হৃৎপিণ্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত।
- ওপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান এবং বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান ও বাম নিলয় (Ventricles) বলে।
- দুটি অলিন্দের ভেতরকার প্রাচীর পাতলা কিন্তু নিলয় দুটির প্রাচীর পুরু এবং পেশিবহুল।
- ডান অলিন্দের সঙ্গে একটি ঊর্ধ্ব মহাশিরা এবং একটি নিম্ন মহাশিরা যুক্ত থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৯৩.
DPT vaccine কোন রোগের প্রতিষেধক নয়?
  1. ক) ডিপথেরিয়া
  2. খ) পোলিওমাইলাইটিস
  3. গ) হুপিং কাশি
  4. ঘ) ধনুষ্টঙ্কার
সঠিক উত্তর:
খ) পোলিওমাইলাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পোলিওমাইলাইটিস
ব্যাখ্যা
ডিপিটি টিকা (DPT Vaccine) তিনটি রােগ ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি এবং ধনুষ্টংকার-এর জন্য একত্রে একটি মাত্র টিকা দেওয়া হয়। টিকাটিতে ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকফ রােগের জীবাণু ব্যাকটেরিয়াকে অকার্যকর করার উপাদান রয়েছে যা এ সকল রােগের জীবাণুকে মেরে ফেলে।
৮,৪৯৪.
পানি এ দুটোর সংমিশ্রণে একটি কম্পাউন্ড-
  1. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন ও হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানির সংকেত হলো H2O. 
- পানিতে উপস্থিত থাকে হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম) এবং অক্সিজেন।  
- ভারী পানির সংকেত হলো D2O. 
- ভারী পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। 
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। 
- সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৯৫.
কেরোসিনের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. ক) C12H15
  2. খ) CHCl3
  3. গ) C3H4Cl4
  4. ঘ) C10H15O12
সঠিক উত্তর:
ক) C12H15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) C12H15
ব্যাখ্যা
• কেরোসিনের রাসায়নিক সংকেত: C12H15

------------------------------
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক সংকেত:

• ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত: CHCl3
- ক্লোরোফরম  চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত: Ca(OCl)Cl
- বলপেন এর কালি বা অন্য কোনাে রং যেগুলাে সাবান এবং ডিটারজেন্ট দিয়ে তােলা যায় না সেগুলােকে কাপড় থেকে উঠানাের জন্য তথা বর্ণহীন করার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মেঝে, কমােড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজেও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।

• ইথানয়িক এসিড একটি জৈব এসিড, যার রাসায়নিক সংকেত: CH3COOH
• কাঁদুনে গ্যাস এর রাসায়নিক সংকেত: CCl3NO2
৮,৪৯৬.
জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়?
  1. ১৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট
  2. ১২ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  3. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট
  4. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাঁটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৯৭.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য ম্যাক্রো উপাদান কতটি? 
  1. ৬ টি
  2. ৮ টি 
  3. ১০ টি 
  4. ১৬ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি 
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- উদ্ভিদের মাইক্রো উপাদান ৬টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৪৯৮.
মানবদেহের সবচেয়ে ছোট অস্থির অবস্থান কোথায়?
  1. নাকে
  2. কানে
  3. হাটুতে
  4. মস্তিস্কে
সঠিক উত্তর:
কানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানে
ব্যাখ্যা
স্টেপিস:
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান।
- মানুষের দেহে সবচেয়ে ছোট অস্থি হলো স্টেপিস যা কানে অবস্থিত।

⇒ মানুষের কানে ৩টি অস্থি রয়েছে।
- এগুলো হলো: মেলিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস।
- স্টেপিস মধ্যকর্ণে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি।

উৎস: i) প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ii) Healthline.
৮,৪৯৯.
নিম্নের কোন রোগের ফলে হৃদপিন্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. ডেঙ্গু
  2. বাতজ্বর
  3. জন্ডিস
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
বাতজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতজ্বর
ব্যাখ্যা
বাতজ্বর: 
- স্ট্রেপটোকক্কাস নামক অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগ।
- এর ফলে শ্বাসনালীর প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
- সাধারণত শিশুকালেই এই রোগের আক্রমণ শুরু হয় এবং দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিশেষ করে হৃদপিন্ড আক্রান্ত হয়।
- হৃদপিন্ড পুরোপুরি আক্রান্ত না হলেও হৃদপেশি ও হৃদপিন্ডের কপাটিকা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ফলে হৃদপিন্ড যথাযথ ভাবে রক্ত পাম্প করতে সক্ষম হয় না এবং দেহে রক্ত প্রবাহের পরিমাণ কমে যায়।
এছাড়া,
স্ট্রোকের ফলে মস্তিষ্ক, জন্ডিসের ফলে যকৃত এবং নিউমোনিয়ার ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
৮,৫০০.
প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে, এমন Amino Acid এর সংখ্যা-
  1. ক) ২২টি
  2. খ) ২০ টি
  3. গ) ১০ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ টি
ব্যাখ্যা
সাধারণত ২০ টি অ্যামিনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামিনো এসিড।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
মানব শরীরে ২০ টি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।