বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮৪ / ১৪০ · ৮,৩০১৮,৪০০ / ১৪,০৮০

৮,৩০১.
ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২ টার সময় লন্ডনে সময় হবে -
  1. ক) ২৪ মে সন্ধ্যা ৬ টা
  2. খ) ২৪ মে রাত ১২ টা
  3. গ) ২৫ মে রাত ১২ টা
  4. ঘ) ২৪ মে সকাল ৬ টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ মে সকাল ৬ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ মে সকাল ৬ টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মানমন্দির লন্ডন শহরে অবস্থিত। এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে। বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ সময়ের চেয়ে ছয়ঘন্টা এগিয়ে থাকে। তাই ঢাকায় ২৪ মে দুপুর বারোটা হলে, লন্ডনে তখন সময় হবে ২৪ মে সকাল ছয়টা।
Source: Greenwich Mean Time website
৮,৩০২.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি হতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে কত তাপের প্রয়োজন?
  1. ক) ৫ ক্যালরি
  2. খ) ১০ ক্যালরি
  3. গ) ১৫ ক্যালরি
  4. ঘ) ১.৫ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
আমরা জানি এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে ১ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন।
তাহলে, এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১০ (৩০ ডিগ্রি হতে ৪০ ডিগ্রি) ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে ১০ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,৩০৩.
কার্বোহাইড্রেট এ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এর অনুপাত কত?
  1. ক) ১:১:২
  2. খ) ১:২:১
  3. গ) ১:৩:২
  4. ঘ) ১:৩:১
সঠিক উত্তর:
খ) ১:২:১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১:২:১
ব্যাখ্যা
হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ যেখানে কার্বন ও হাইড্রোজেন বন্ধন এর মাধ্যমে যৌগটি গঠিত। কার্বোহাইড্রেট এক ধরনের জৈব যৌগ যেখানে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেনের অনুপাত-১:২:১।
৮,৩০৪.
বাংলাদেশে তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক (frequency) প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল-এর তাৎপর্য কি?
  1. ক) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বদ্ধ হয়
  2. খ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে
  3. গ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
  4. ঘ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার উঠানামা করে
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
ব্যাখ্যা
যে প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে দিক বা দশা পরিবর্তন করে তাকে দিক পরিবর্তী প্রবাহ বলে(A.C.)।
বাংলাদেশের তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল বলতে- প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩০৫.
বায়ুমণ্ডলের কোন উপাদান উদ্ভিদ ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. ওজোন
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এবং গাছকে সবুজ ও সতেজ করতে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশের কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হচ্ছে ইউরিয়া। 
- সার ছাড়া বায়ু থেকে নাইট্রোজেন পাওয়া যায়। 
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ - ৭৮.০২%। 
- বায়ু থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন চক্র বলে। 
- নাইট্রোজেন চক্র এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাইট্রোজেন বিভিন্নভাবে রূপান্তরিত হয়। 
 
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩০৬.
পানিতে কোনো বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা না যাওয়ার কারণ কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর প্রতিফলন
  3. আলোর বিক্ষেপণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
• আলো:
- আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে 3 × 108 মিটার, বা ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল এবং কিলোমিটারে আলোর গতি ৩ লাখ কিলোমিটার।
- সূর্য হতে পৃথিবীর দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য হতে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগবে ৫০০ সেকেন্ড বা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
- আলো এক সেকেন্ডে যায় ৩,০০,০০০ কিলোমিটার। আলো এই গতিতে চলে এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই হলো এক আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ হলো প্রায় ৯.৪৬ × ১০১৫ মিটার বা ৯.৪৬ × ১০১২ কিলোমিটার।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে।
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না।

• আলোর প্রতিফলন:
- আলোক রশ্মি যখন কোন স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যম থেকে এসে অন্য এক মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হয়, তখন ওই আলোক রশ্মির কিছু অংশ দ্বিতীয় মাধ্যমের তল থেকে দিক পরিবর্তন করে আবার প্রথম মাধ্যমের ফিরে আসে, একে আলোর প্রতিফলন বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩০৭.
নিচের কোনটি আয়রনের আকরিক?
  1. ম্যাগনেটাইট
  2. জিপসাম
  3. ডলোমাইট
  4. ক্রায়োলাইট
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেটাইট
ব্যাখ্যা
আয়রনের আকরিক:
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
- সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩০৮.
সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে কোন ধরনের কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাবান তৈরির উপাদান
  2. খ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
  3. গ) উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- দেহ, কাপড়-চোপড় এবং দ্রব্য সামগ্রীর উপর জমা ময়লা পরিষ্কার করার জন্য যে সব দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয় তাদেরকে পরিষ্কারক সামগ্রী বলে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়।
- সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। 
- এছাড়াও ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং জীবাণুনাশক পদার্থ।
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৩০৯.
এক্স রে মূলত-
  1. ধনাত্মক আধান যুক্ত
  2. ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  3. আধান নিরপেক্ষ
  4. কখনো ধনাত্মক, কখনো ঋণাত্মক
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে আদান নিরপেক্ষ বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩১০.
পাকা ফলের রং হলুদ হয় কোন রাসায়নিক পদার্থের কারণে?
  1. লাইকোপেন বেশি হলে
  2. ক্যারোটিন বেশি হলে
  3. মেলানিন বেশি হলে
  4. জ্যান্থোফিল বেশি হলে
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল বেশি হলে
ব্যাখ্যা
•  জ্যান্থোফিল (হলুদ বর্ণ কণিকা) বেশি পরিমাণে থাকে এজন্য পাকা ফলের রং হলুদ হয়।

- ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন (কমলা বর্ণ কণিকা)।
- ক্লোরোফিল (সবুজ বর্ণ কণিক) অল্প পরিমাণে থাকে।
- ফুলের পাপড়িতেও ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়।
- ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে প্রজাপতি ও পাখি পরাগায়নে ও বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
- টমেটোর পাকলে যে লাল টকটকে রং হয় তা ক্রোমোপ্লাস্টের লাইকোপেন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৩১১.
কোন প্রাণির দুগ্ধে ক্যালরি শক্তি বেশি থাকে?
  1. ভেড়া
  2. গাভী
  3. মহিষ
  4. ছাগল
সঠিক উত্তর:
মহিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিষ
ব্যাখ্যা
- 'মহিষ' প্রাণীর দুগ্ধে ক্যালরি শক্তি বেশি থাকে। 

দুধের শতকরা সংযুক্তি: 

- প্রাকৃতিক খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে দুধ অদ্বিতীয় ও অতুলনীয়। 
- দুধ হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাতৃ প্রজাতির দুগ্ধ গ্রন্থি বা mammary glands থেকে নিঃসৃত সাদা বর্ণের তরল পদার্থ। 
- দুধে প্রাণিদেহের প্রয়োজনীয় সব প্রকার পুষ্টি উপাদান সুষমভাবে থাকে বলে, একে আদর্শ খাদ্য বলে। 
- নবজাতক ও শিশুর দৈহিক প্রবৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠনের জন্য দুধ অপরিহার্য, এ কারণে শিশুর জন্য মায়ের দুধের অন্য কোনো বিকল্প নেই। 
- বড় হলে সকলের জন্য গরুর দুধ আদর্শ খাদ্য। 
- দুধে রয়েছে চর্বি, প্রোটিন বা আমিষ, শর্করা ল্যাকটোজ, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও পানি। 
- গাভীর দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব হলো 1.029-1.039  । 
- দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব ল্যাকটোমিটারের সাহায্যে মাপা হয়। 
- দুধের pH মান হলো 6.6-6.9 । 
- দুধকে সংরক্ষণের জন্য 10°C তাপমাত্রা ও ব্যাকটেরিয়ামুক্ত পরিবেশ দরকার। 
- তাই ব্যাকটেরিয়ামুক্ত পাস্তুরিত দুধকে প্যাকেটজাত করে রেফ্রিজেরেটরে সংরক্ষণ করা হয়। 
- পানি হলো দুধের প্রধান উপাদান; প্রাণিভেদে দুধে পানির পরিমাণ 82 - 88% হয়। 
- দুধের চর্বিতে অল্প পরিমাণে কোলস্টেরল ও ফসফোলিপিড থাকে, প্রাণিভেদে চর্বির পরিমাণ 3.5-7.4% হয়। 

- দুধের প্রধান খনিজ উপাদানসমূহ হলো: Ca2+(0.12%), K+(0.13%), Na+(0.05%, Mg2+(0.02%) P(0.09%), Cl-(0.11%)। 
- প্রতিগ্রাম চর্বি, প্রোটিন ও শর্করার খাদ্য মান যথাক্রমে 9 ক্যালরি, 4 ক্যালরি, 4 ক্যালরি। 
- দেহের ক্যালরির চাহিদা = দেহের ওজন (কি. গ্রাম) × 30 ক্যালরি। 
- খাদ্য গ্রহণের অনুমোদিত অনুপাত হলো চর্বি : প্রোটিন : শর্করা = 1g : 1.36g : 5.4g . 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৮,৩১২.
ডায়াবেটিস রোগের কারণ-
  1. উত্তেজনা
  2. বংশগত
  3. স্থূলতা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস হচ্ছে একটি ক্লিনিক্যাল লক্ষণ যেখানে ইনসুলিনের অভাব বা গুণগত ত্রুটির কারণে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিক পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। নানাবিধ কারণে এই রোগ হতে পারে - তবে যে কারণেই হোক না কেন, শরীরে ইনসুলিনের কাজের ত্রুটির কারণে শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ, পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট বিপাকে বিঘ্ন ঘটে। 

কারণ:
১। বংশগত,
২। স্থূলতা,
৩। অলস জীবনযাপন,
৪ । মানসিক অশান্তি,
৫। উত্তেজনা,
৬। রোগ সংক্রমণ।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩১৩.
গামা রশ্মির বেগ কত? 
  1. শূন্য
  2. শব্দের বেগের সমান 
  3. আলোর বেগের সমান 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগের সমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগের সমান 
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই। 
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 
- গামা রশ্মি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
- গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩১৪.
কৃষি জমিতে চুন ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. মাটির অম্লতা বৃদ্ধির জন্য
  2. মাটিতে লবণাক্ততা বাড়াতে
  3. মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
  4. মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়াতে
সঠিক উত্তর:
মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
ব্যাখ্যা

কৃষি জমিতে চুন (সাধারণত ক্যালসিয়াম কার্বনেট CaCO3 বা ডলোমাইট CaMg(CO3)2 ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মাটির অম্লতা বা অ্যাসিডিটি হ্রাস করা।
- এসিড মাটি অনুর্বর।
- জমিতে বার বার অ্যামোনিয়াম সালফেটকে সার হিসেবে ব্যবহার করলে মাটিতে এসিডের মাত্রা বাড়ে।
- ফলে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়।
- এই সারের সাথে চুন মিশালে এসিডের তীব্রতা হ্রাস পায়।
- তাই মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য চুন ব্যবহার করা হয়।

সূত্র- রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮,৩১৫.
মানব দেহের এক পায়ে সর্বমোট কয়টি অস্থি বিদ্যমান?
  1. ৮০টি
  2. ৩০টি
  3. ২৫টি
  4. ৬০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
মানবদেহে অক্ষীয় কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা ৮০টি। এক পায়ে মোট ৩০টি এবং দুই পা মিলিয়ে মোট ৬০টি অস্থি রয়েছে। এছাড়া বক্ষপিঞ্জরে মোট অস্থির সংখ্যা ২৫টি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮,৩১৬.
আকাশে বিজলী চমকায়-
  1. ক) দুই খন্ড মেঘ পর পর এলে
  2. খ) মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তেরি হলে
  3. গ) মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
  4. ঘ) মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
- আকাশে বিজলী চমকায় মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে। 
- ধনাত্নক' ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। 
- ফলে ইলেক্ট্রনের চার্জ গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, পদার্থ বিজ্ঞান, বোর্ড বই।
৮,৩১৭.
একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করে, তাকে কী বলে?
  1. ক) আর্দ্রতা
  2. খ) বায়ুচাপ
  3. গ) স্থিরাঙ্ক
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা

বায়ু তার ওজনের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের উপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ।
একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করে, তাকে বায়ুচাপ বলে।
বায়ুচাপের একক হল প্যাসকেল।

বায়ুচাপ দুই প্রকার। যথাঃ
১। বায়ুর নিম্নচাপ উষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়, ২। বায়ুর উচ্চচাপ সাধারণত ঠাণ্ডা এলাকায় দেখা যায়।
বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ও যুগান্তর পত্রিকা (ব্যাখ্যা)

৮,৩১৮.
মশা, আরশোলা ও পিঁপড়া মারার জন্য ব্যবহৃত অ্যারোসলের গন্ধ কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে?
  1. অভিস্রবণ
  2. নিঃসরণ
  3. ব্যাপন
  4. পাতন
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩১৯.
ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোন স্থানের ঠিক বিপরীত স্থানকে ঐ স্থানের ________ স্থান বলে।
  1. সমতাপীয়
  2. প্রতিপাদ
  3. সমান্তরাল
  4. সমমণ্ডলীয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিপাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপাদ
ব্যাখ্যা

প্রতিপাদ স্থান (Antipodes):
- পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে একটি কল্পিত রেখা যা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়, ওই কল্পিত রেখার উভয় বিন্দুই একটি অপরটির প্রতিপাদ স্থান।
- অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোন স্থানের ঠিক বিপরীত স্থানকে ঐ স্থানের প্রতিপাদ স্থান বা Antipodes বলে।
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীত দিকে থাকে।
- কোনো বিন্দুর অক্ষাংশ যত ডিগ্রি হবে, তার প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশও তত ডিগ্রি হবে।
- তবে স্থান দুটি নিরক্ষরেখার দুই পাশে অবস্থান করে বিধায় একটি উত্তর অক্ষাংশ হলে অন্যটি দক্ষিণ অক্ষাংশ হবে।
- যেমন: ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩২০.
‘ইবোলা’ ভাইরাস-এর উৎপত্তিস্থল কোথায় ?
  1. ক) সিয়েরালিওন
  2. খ) কঙ্গো
  3. গ) লিবিয়া
  4. ঘ) ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) কঙ্গো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কঙ্গো
ব্যাখ্যা
ইবোলা ভাইরাস হচ্ছে ইবোলাভাইরাস গণের পাঁচটি ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম একটি।
এই ভাইরাস ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ বা ইবোলা হিমোরেজিক ডিজিজ করে এবং ২০১৩-২০১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় মহামারী সৃষ্টি করে। যা প্রায় ২৮, ৬১৬ জনকে আক্রান্ত করে এবং ১১, ৩১০ জনের নিশ্চিত মৃত্যু হয়।

ইবোলা ভাইরাস প্রথম দেখা দেয় গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে
৮,৩২১.
কোন প্রকার বন্ধনের ক্ষেত্রে পোলারায়ন ঘটে? 
  1. ধাতব বন্ধন
  2. আয়নিক বন্ধন
  3. কোভালেন্ট বন্ধন
  4. ভ্যানডার-ওয়ালস বন্ধন
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
ব্যাখ্যা
পোলারায়ন বা আয়নের বিকৃতি (Polarization): 
- যখন কোনো ধাতব পরমাণু এবং অধাতব পরমাণুর মধ্যে বন্ধন গঠিত হয় তখন ধাতব পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অধাতব পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের কাঠামো অর্জন করে। 
- ইলেকট্রন ত্যাগ করার ফলে ধাতব পরমাণু ধনাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাটায়নে পরিণত হয় এবং অধাতব পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়নে পরিণত হয়। 
- পরবর্তীতে ক্যাটায়ন এবং অ্যানায়ন ইলেকট্রোস্ট্যাটিক আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে আয়নিক বন্ধন গঠন করে। 

- আয়নিক বন্ধন গঠনের সময় কোনো ক্যাটায়ন যখন কোনো অ্যানায়নের খুব নিকটে আসে তখন ক্যাটায়নের নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জ দ্বারা অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে, একই সাথে ক্যাটায়নের নিউক্লিয়াস কর্তৃক অ্যানায়নের নিউক্লিয়াসকে বিকর্ষণ করে। 
- এ আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বলের সম্মিলিত প্রভাবে উভয় পরমাণু নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করে কিন্তু অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘ ক্যাটায়নের দিকে সরে আসে, একে ক্যাটায়ন দ্বারা অ্যানায়নের বিকৃতি বা পোলারায়ন বলে।
- এক্ষেত্রে অ্যানায়নটি পোলারায়িত হয়েছে বলা হয়। 
- ক্যাটায়ন দ্বারা এভাবে অ্যানায়নের পোলারায়িত হওয়ার ক্ষমতাকে ক্যাটায়নের পোলারায়ন ক্ষমতা বলে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩২২.
নিচের কোন লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. AgCl
  2. CaCO3
  3. CuSO4
  4. Ag2SO4
সঠিক উত্তর:
CuSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- অনেক লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে। 
যেমন- 
• সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), 
• সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ। 

- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
যেমন- 
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3)
সিলভার সালফেট (Ag2SO4)
সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।  

- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্যও লবণ ব্যবহার করা হয়। 
যেমন - 
• চুনাপাথর (CaCO3) । 

- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন - 
• অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), 
• অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), 
• পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 

- কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও কিছু লবণ ব্যবহার করা হয় যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। 
যেমন- 
তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) । 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩২৩.
ফলের রং লাল হয় কিসের জন্য ?
  1. ক) ইথিলিন
  2. খ) প্রপিন
  3. গ) লাইকোপেন
  4. ঘ) মিথিলিন
সঠিক উত্তর:
গ) লাইকোপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাইকোপেন
ব্যাখ্যা
ফল পাকানোর জন্য দায়ী ফাইটোহরমোনের নাম ইথিলিন। লাইকোপেনের কারণে ফলের রং লাল হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৮,৩২৪.
ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কী দিয়ে তৈরি?
  1. প্রোটিন
  2. লিপিড
  3. কাইটিন
  4. পলিস্যাকারাইড
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
ব্যাখ্যা
কোষপ্রাচীর: 
- কোষপ্রাচীর উদ্ভিদ কোষের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। 
- এটি মৃত বা জড়বস্তু দিয়ে তৈরি। 
- প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর থাকে না। 
- কোষপ্রাচীরের রাসায়নিক গঠন বেশ জটিল, এতে সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, লিগনিন, পেকটিন, সুবেরিন নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে। 
- তবে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর প্রোটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড দিয়ে এবং ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি। 
- প্রাথমিক কোষপ্রাচীরটি একস্তরবিশিষ্ট। 
- মধ্য পর্দার উপর প্রোটোপ্লাজম থেকে নিঃসৃত কয়েক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য জমা হয়ে ক্রমশ গৌণপ্রাচীর সৃষ্টি হয়। 
- এ প্রাচীরে মাঝে মাঝে ছিদ্র থাকে, যাকে কুপ বলে। 
- কোষপ্রাচীর কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে, কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে। 
- পাশের কোষের সাথে প্লাজমোডেজঘাটা (আণুবীক্ষণিক নালি) সৃষ্টির মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিরক্ষণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,৩২৫.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রধান উপাদান হিসাবে কোনটি তৈরি হয়?
  1. আমিষ
  2. শর্করা
  3. এনজাইম
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্করা
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া: 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রধান উপাদন হিসাবে 'শর্করা জাতীয় খাদ্য' উৎপাদিত হয়।  
- শর্করা স্টার্চ রূপে উদ্ভিদদেহে সঞ্চিত থাকে। 
- প্রাণিদেহে অতিরিক্ত শর্করা গ্লাইকোজেন রূপে সঞ্চিত থাকে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসাবে অক্সিজেন তৈরি হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩২৬.
পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয় কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) স্ফুটন
  2. খ) পাতন
  3. গ) পরিস্রাবণ
  4. ঘ) ক্লোরিনেশন
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
ব্যাখ্যা
সাধারণত যেসব প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়, সেগুলাে হলাে পরিস্রাবণ, ক্লোরিনেশন, স্ফুটন, পাতন ইত্যাদি। নিচে এই প্রক্রিয়াগুলাে বর্ণনা করা হলােঃ

পরিস্রাবণঃ পরিস্রাবণ হলাে তরল আর কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার একটি প্রক্রিয়া। পানিতে অদ্রবণীয় ধুলা-বালির কণা থেকে শুরু করে নানারকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকে। এদেরকে পরিস্রাবণ করে পানি থেকে দূর করা হয়। এটি করার জন্য পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়, তখন পানিতে অদ্রবণীয় ময়লার কণাগুলাে বালির স্তরে আটকে যায়। বালির স্তর ছাড়াও খুব সূক্ষ্মভাবে তৈরি কাপড় ব্যবহার করেও পরিস্রাবণ করা যায়। বর্তমান সময়ে আমাদের অনেকের বাসায় আমরা যেসব ফিল্টার ব্যবহার করি, সেখানে আরাে উন্নতমানের সামগ্রী দিয়ে পরিস্রাবণ করা হয়।

ক্লোরিনেশনঃ যদি পানিতে রােগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে, তবে তা অবশ্যই দূর করতে হবে এবং সেটি করা হয় জীবাণুনাশক ব্যবহার করে। নানারকম জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এদের মাঝে অন্যতম হচ্ছে ক্লোরিন গ্যাস। এছাড়া ব্লিচিং পাউডার এবং আরও কিছু পদার্থ যার মাঝে ক্লোরিন আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সেগুলাে ব্যবহার করা হয়।

স্ফুটনঃ পানিকে খুব ভালােভাবে ফুটালে এতে উপস্থিত জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। প্রশ্ন হতে পারে, জীবাণুমুক্ত করার জন্য কতক্ষণ পানি ফুটাতে হয়? স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট ফুটালে সেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়। বাসা-বাড়িতে খাওয়ার জন্য এটি একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া।

পাতনঃ যখন খুব বিশুদ্ধ পানির প্রয়ােজন হয়, তখন পাতন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়। যেমন: ঔষধ তৈরির জন্য, পরীক্ষাগারে রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়ায় একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাপ দিয়ে সেটাকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। পরে ঐ বাষ্পকে আবার ঘনীভূত করে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা পানিতে অন্য পদার্থ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩২৭.
কম্পনশীল বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতটি স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে তাকে কী বলে?
  1. কম্পাঙ্ক
  2. পর্যায়কাল
  3. দশা
  4. বিস্তার
সঠিক উত্তর:
কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
• কম্পাঙ্ক:
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা বা কম্পনশীল বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতটি স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
- কোনাে কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক, f = N/t
- কম্পাঙ্কের একক s- 1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- কোনাে কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।

• পর্যায়কাল:
- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনাে কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল T বলে।
- পর্যায়কালের একক সেকেন্ড।

• বিস্তার:
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে।

• দশা:
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে।

উৎস: 
১. পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান।
৮,৩২৮.
এক ঘনমিটার গ্যাসের আয়তন = কত? 
  1. 103 cm3
  2. 108 cm3
  3. 106 cm3
  4. 109 cm3
সঠিক উত্তর:
106 cm3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
106 cm3
ব্যাখ্যা
গ্যাসের আয়তন (Volume of Gas): 
- গ্যাস অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই নগণ্য হওয়ায় যে পাত্রে গ্যাসকে রাখা হয় সে পাত্রকে গ্যাস পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাস রাখা হয় গ্যাস অণুগুলো কর্তৃক দখলকৃত আয়তনকে ঐ গ্যাসের আয়তন বলা হয়। 
- প্রকৃত পক্ষে গ্যাস রক্ষিত পাত্রের আয়তনকে গ্যাসের আয়তন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- গ্যাসের আয়তনকে SI এককে ঘনমিটার (Cubic metre) বা m3 এ প্রকাশ করা হয়। 
- এছাড়া ঘন ডেসিমিটার (Cubic decimetre) বা dm3 এবং ঘন সেন্টিমিটার (Cubic Centimetre) বা cm3 এ প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- 1 m3 = 1000 L = 103 dm3 = 106 cm3

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩২৯.
কোনটি শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে?
  1. আমিষ
  2. ভিটামিন
  3. খনিজ লবণ
  4. স্নেহ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা

◉ শরীরে নাইট্রোজেন (Nitrogen) সরবরাহ করে মূলত আমিষ (Protein)।
- কার্বোহাইড্রেট ও স্নেহে নাইট্রোজেন থাকে না, আর ভিটামিন/খনিজ লবণ নাইট্রোজেনের উৎস নয়।

আমিষ (Protein): 
– আমিষ বা প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
– আমিষে শতকরা 16 ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
– আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে। 
– নাইট্রোজেন এবং শেষোক্ত উপাদানগুলোর উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা। শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

আমিষের উৎস: 
– মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমিষ পাওয়া যায়। 
– উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। 
যথা- প্রাণিজ আমিষ এবং উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

প্রাণিজ আমিষ: 
– মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 

উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
– ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। একসময় ধারণা করা হতো এগুলো প্রাণিজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর, কারণ উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সবকয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে। 
– অনেক সময়, দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৩০.
শব্দকে যান্ত্রিক ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলা হয় কেন?
  1. কারণ শব্দ মাধ্যম ছাড়াই চলতে পারে
  2. কারণ শব্দ কণার স্পন্দনের দিকের সাথে লম্বভাবে অগ্রসর হয়
  3. কারণ শব্দ মাধ্যমের কণার কম্পনের মাধ্যমে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হয়
  4. কারণ শব্দ কেবল কঠিন মাধ্যমে চলতে পারে
সঠিক উত্তর:
কারণ শব্দ মাধ্যমের কণার কম্পনের মাধ্যমে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ শব্দ মাধ্যমের কণার কম্পনের মাধ্যমে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হয়
ব্যাখ্যা

• শব্দ যান্ত্রিক ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, কারণ এটি মাধ্যমের কণার কম্পনের মাধ্যমে স্পন্দনের দিকের সমান্তরালে অগ্রসর হয়।

• শব্দ:
- যা শোনা যায় তাই শব্দ।
- শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে শোনার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ এর সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দ এক প্রকার অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, কারণ এতে মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিক ও তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক সমান্তরাল।
- বস্তুর কম্পন থেকে শব্দের উৎপত্তি হয়।
- কম্পন বন্ধ হলে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়।

• শব্দের উৎপত্তি:
- কোনো বস্তুতে আঘাত করলে বা কম্পন সৃষ্টি করলে তার চারপাশের মাধ্যমের কণাগুলো স্পন্দিত হয়।
- এই স্পন্দনের ফলে মাধ্যমের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সংকোচন ও প্রসারণ সৃষ্টি হয়।
- সংকোচন অংশে কণাগুলো ঘনভাবে অবস্থান করে এবং প্রসারণ অংশে কণাগুলো তুলনামূলকভাবে দূরে সরে যায়।
- এই সংকোচন ও প্রসারণ ক্রমান্বয়ে সামনে অগ্রসর হয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি করে।
- মাধ্যমের কণাগুলো তাদের সাম্য অবস্থানের আশেপাশে সামনে-পেছনে স্পন্দিত হয়, কিন্তু স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয় না।
- শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো নিজ অবস্থান ত্যাগ করে না।

• শব্দের সঞ্চালন প্রক্রিয়া:
- উৎসে কম্পন সৃষ্টি হলে সংলগ্ন বায়ু স্তরে কম্পন শুরু হয়।
- এই কম্পন অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- বায়ু, তরল বা কঠিন মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে।
- মাধ্যম না থাকলে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে না।
- শব্দ তরঙ্গ কানে প্রবেশ করলে কর্ণঝিল্লিতে কম্পন সৃষ্টি করে।
- কর্ণঝিল্লির কম্পন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

• শব্দের বৈশিষ্ট্য:
- এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- এটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- এটি শক্তি পরিবহন করে।
- এটি সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়।
- শব্দের সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম অপরিহার্য।

• অন্যান্য অপশন:
- মাধ্যম ছাড়াই চলতে পারে: তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য।
- স্পন্দনের দিকের সাথে লম্বভাবে অগ্রসর হয়: অনুপ্রস্থ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য।
- কেবল কঠিন মাধ্যমে চলতে পারে: শব্দ কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে চলতে পারে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৮,৩৩১.
কোন গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের -
  1. ক) সমান
  2. খ) অর্ধেক
  3. গ) দ্বিগুণ
  4. ঘ) চারগুণ
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা

যে কোন গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের দ্বিগুন।
সূত্র: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী।

৮,৩৩২.
দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-আয়নান্ত ঘটে কখন?
  1. ক) ২৩ জুন
  2. খ) ২২ ডিসেম্বর
  3. গ) ২৩ জুলাই
  4. ঘ) ২১ শে মে
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।
- তাই ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-আয়নান্ত ঘটে।

অন্যদিকে,
- ধ্রুবতারা: এটি সব সময়ই পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে সারা বছর উত্তর আকাশে দেখা যায়।
- নামের সাথে এর মিল আছে; এটি সবসময়ই স্থির থাকে উত্তর আকাশে; যা দেখে একসময় নাবিকেরা উত্তর দিক নিরূপণ করতেন।
- এর দিকে তাকিয়ে থাকা মানে আপনার ডানে পূর্ব, বাঁয়ে পশ্চিম আর পেছনে দক্ষিণ।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণি । 
৮,৩৩৩.
শক্তি তরঙ্গের বিস্তারের ________।
  1. ক) বর্গের সমানুপাতিক
  2. খ) সমানুপাতিক
  3. গ) ব্যস্তানুপাতিক
  4. ঘ) বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
ক) বর্গের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বর্গের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
তরঙ্গের ভেতর দিয়ে শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। শক্তি যত বেশি হয় তরঙ্গের বিস্তার তত বেশি হয়। শক্তি তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। অর্থাৎ বিস্তার যদি দ্বিগুণ হয় শক্তি হয় চার গুণ। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৮,৩৩৪.
p-n সংযোগ বা ডায়োডকে কী বলা হয়?
  1. ক) রেকটিফায়ার
  2. খ) অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ক) রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
p-n সংযোগ বা ডায়োড একমুখীকরণ হিসাবে কাজ করে।
তাই p-n সংযোগ ডায়োডকে রেক্টিফায়ার বলা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৩৩৫.
প্রোটিস্টার কোষের ক্রোমাটিন পদার্থে কী থাকে?
  1. Protein
  2. DNA
  3. RNA
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

প্রোটিস্টা (Protista): 
প্রোটিস্টা (Protista) জগতের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
- এরা এককোষী বা বহুকোষী, একক বা কলোনিয়াল (দলবদ্ধ) বা ফিলামেন্টাস এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট। 
- কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। 
- ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA এবং প্রোটিন থাকে। 
- কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে। 
- খাদ্যগ্রহণ শোষণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে। 
- মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ জৈবনিকভাবে ভিন্ন কিন্তু গঠনগতভাবে এক, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন প্রজনন ঘটে। 
- কোনো ভ্রুণ গঠিত হয় না। 
উদাহরণ: অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, এককোষী ও বহুকোষী শৈবাল ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৩৬.
Which material exhibits the highest electrical conductivity?
  1. Platinum
  2. Copper
  3. Gold
  4. Aluminum
  5. Silver
সঠিক উত্তর:
Silver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Silver
ব্যাখ্যা
• পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশী তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশী। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশী। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 

- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩৭.
বায়ুর তাপমাত্রা 1k বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগের ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন হবে?
  1. ক) 0.6 ms-1 বৃদ্ধি পাবে।
  2. খ) 0.6 ms-1 হ্রাস পাবে।
  3. গ) 1.2 ms-1 বৃদ্ধি পাবে।
  4. ঘ) অপরিবর্তিত থাকবে।
সঠিক উত্তর:
ক) 0.6 ms-1 বৃদ্ধি পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0.6 ms-1 বৃদ্ধি পাবে।
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।

কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পাবে।
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৮,৩৩৮.
কোনটিকে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. ক্রোমোসোম
  2. DNA
  3. RNA
  4. জিন
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোসোম
ব্যাখ্যা
• বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোসোম। 
• কোনটিকে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলে আখ্যায়িত করা হয়।

• ক্রোমোসোমের কাজ হচ্ছে মাতা পিতা হতে সন্তানের মধ্যে জিনকে বহন করা। 
• একটি ক্রোমোসোমের সাধারণত দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৩.৫ থেকে ৩০ মাইক্রন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৩৯.
যদি একটি খাবারের মধ্যে ২০ গ্রাম চর্বি থাকে, তাহলে এটি মোট ক্যালরিতে কতটুকু যুক্ত হবে?
  1. ১২০ ক্যালরি
  2. ১৬০ ক্যালরি
  3. ১৮০ ক্যালরি
  4. ২০০ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১৮০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
- সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
- তৈলের গলনাঙ্ক 20° C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20° C এর অধিক হয়। 
- তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 

১ গ্রাম তৈল বা চর্বি = ৯ ক্যালরি খাদ্যমান। 

∴ ২০ গ্রাম তৈল বা চর্বি = (৯ × ২০) ক্যালরি
= ১৮০ ক্যালরি

(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং, বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহৃত হয়। 

(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন, সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।
৮,৩৪০.
জড় পরিবেশের মূল উপাদান নয় কোনটি?
  1. পানি 
  2. মাটি
  3. উদ্ভিদ 
  4. বায়ু 
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

পরিবেশের উপাদান: 
- পরিবেশকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। 
- একটি হলো পরিবেশের সকল সজীব উপাদান, যা জীব উপাদান নামে পরিচিত। 
- এই জীব উপাদানকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল উপাদান নিয়ে আর একটি পরিবেশ গঠিত। যাকে বলা হয় জড় পরিবেশ বা অজীব পরিবেশ। 
- জীব পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী। 
- পরিবেশের প্রাণহীন সব উপাদান নিয়ে জড় পরিবেশ গঠিত । এগুলো অজীব বা জড় উপাদান নামে পরিচিত। 
- জড় পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ু; কারণ এ উপাদানগুলো ছাড়া কোন জীবই বেঁচে থাকতে পারে না। 
- মাটি, পানি, বায়ু, আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, জলবায়ু ইত্যাদি বিভিন্ন অজীব উপাদান বিভিন্নভাবে পরিবেশের প্রতিটি জীবের স্বভাব এবং বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করে 
- এসব উপাদানের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরনের জীব উপাদান থাকবে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৮,৩৪১.
ডিটারজেন্টকে পাউডার হিসেবে তৈরি করার জন্য কোন পদার্থ যোগ করা হয়? 
  1. H2SO
  2. Na2SO4 
  3. NaOH 
  4. C12H26O
সঠিক উত্তর:
Na2SO4 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2SO4 
ব্যাখ্যা

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট সাবানের মতোই এক প্রকার পরিষ্কারক দ্রব্য। 
- ডিটারজেন্ট সাধারণত পাউডারের মতো হয় এবং তরল আকারেও পাওয়া যায়। 
- লরাইল অ্যালকোহলের (C12H26O) সাথে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) বিক্রিয়া করে লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট (C12H26SO4) এবং পানি উৎপন্ন করে। 
- এই লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট (C12H26SO4) এর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) বিক্রিয়া করে সোডিয়াম লরাইল সালফেট (C12H25SO4Na) এবং পানি (H2O) উৎপন্ন হয়। 
- সোডিয়াম লরাইল সালফেট (C12H25SO4Na) ডিটারজেন্ট নামে পরিচিত। 
• C12H26O + H2SO4  → C12H26SO4 + H2
• C12H26SO4 + NaOH → C12H25SO4Na + H2
- ডিটারজেন্টকে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য ডিটারজেন্টের মধ্যে বিভিন্ন পদার্থ যোগ করা হয়। 
- ডিটারজেন্টকে পাউডার আকৃতির করার জন্য সোডিয়াম সালফেট (Na2SO4) যোগ করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৪২.
মানবদেহে অটোসোম সংখ্যা- 
  1. ৪৩ টি
  2. ৪২ টি
  3. ৪৪ টি
  4. ৪৬ টি
সঠিক উত্তর:
৪৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪ টি
ব্যাখ্যা

মানুষের দেহে অটোসোমের সংখ্যা ২২ জোড়া অর্থাৎ ৪৪ টি।

• ক্রোমোজোম:

- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৪৩.
মাতৃগর্ভে একজন শিশু প্রতিদিন কত মিলিলিটার পানি পান করে?
  1. ক) ৩০০ মিলিলিটার
  2. খ) ৪০০ মিলিলিটার
  3. গ) ৫০০ মিলিলিটার
  4. ঘ) ৬০০ মিলিলিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০০ মিলিলিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০০ মিলিলিটার
ব্যাখ্যা
মাতৃগর্ভে একজন শিশু প্রতিদিন সাধারণত ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করে থাকে।
৮,৩৪৪.
আলোক রশ্মি একবিন্দুতে মিলিত হয় -
  1. ক) উত্তল লেন্সে
  2. খ) অবতল লেন্সে
  3. গ) গোলীয় দর্পনে
  4. ঘ) সমতল দর্পনে
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল লেন্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল লেন্সে
ব্যাখ্যা
- উত্তল লেন্সের প্রান্তভাগ সরু ও মধ্যভাগ মোটা।
- অবতল লেন্সের প্রান্তভাগ মোটা ও মধ্যভাগ সরু। 
- আলোক রশ্মি একবিন্দুতে মিলিত হয় উত্তল লেন্সে।
- অবতল লেন্সে আলোকরশ্মি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৮,৩৪৫.
গর্ভবতী মায়ের রক্ত স্বল্পতাকালীন সময় কোন ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. আয়োডিন
  2. জিঙ্ক
  3. আয়রন ও ক্যালসিয়াম
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
আয়রন ও ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন ও ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড(ভিটামিন B9) এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৪৬.
কোন তত্ত্বের সাহায্যে বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করার ধারণা ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ক) আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. খ) থিওরি অব রিলেটিভিটি
  3. গ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
  4. ঘ) ওয়েব পার্টিকেল ডুয়ালিটি
সঠিক উত্তর:
খ) থিওরি অব রিলেটিভিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থিওরি অব রিলেটিভিটি
ব্যাখ্যা
- আলাের বেগ স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমানা
- 1905 সালে ভৌত রাশি এবং পরিমাপ অইিনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
- থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৮,৩৪৭.
মানবদেহের মোট ক্রোমোসোমের সংখ্যা কত?
  1. ২২ 
  2. ২৩ 
  3. ৪৪ 
  4. ৪৬ 
সঠিক উত্তর:
৪৬ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ 
ব্যাখ্যা

সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোসোমের ভূমিকা: 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোসোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 
- স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমই 'X' ক্রোমোসোম, অর্থাৎ XX । 
- অন্যদিকে, পুরুষের ক্ষেত্রে দুটি লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমের একটি 'X' ক্রোমোসোম এবং অপরটি 'Y' ক্রোমোসোম অর্থাৎ XY । 
- 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে, দুটি 'XX' ক্রোমোসোমের আবির্ভাব ঘটে এবং সন্তানটি কন্যা হবে। 
- অন্যদিকে 'Y' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে, 'XY' ক্রোমোসোমের আবির্ভাব ঘটে এবং সন্তানটি পুত্র হবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৪৮.
ইস্ট একটি-
  1. শৈবাল
  2. মস
  3. ছত্রাক
  4. ফার্ন
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা

- ছত্রাক বহুকোষী জীব।
- এদের আগে উদ্ভিদ জগতের সদস্য মনে করা হতো।
- বর্তমানে এদের উদ্ভিদ জগৎ থেকে আলাদা একটি জগতে স্থান দেওয়া হয়।
- দেহে প্লাস্টিড (ক্লোরোফিল) না থাকায় ছত্রাক পরভোজী বা মৃতজীবী।
- উদাহরণ: মিউকর, ইস্ট, ব্যাঙের ছাতা, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি।
- পিনিসিলিন হচ্ছে পেনিসিলিয়াম থেকে আবিষ্কৃত এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৪৯.
কোনটিকে কোষের 'প্রোটিন ফ্যাক্টরি' বলা হয়?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) ক্রোমোজোম
  4. ঘ) রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বলা হয়।
রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৫০.
গামা রশ্মি সম্পর্কিত নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক? 
  1. এটি আলোর ন্যায় গতিশীল
  2. এতে চার্জ থাকে 
  3. এতে ভর থাকে
  4. এটি বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় 
সঠিক উত্তর:
এটি আলোর ন্যায় গতিশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি আলোর ন্যায় গতিশীল
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। 
- এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই। 
- গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,৩৫১.
কোন বর্তনী পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে?
  1. সমন্বিত বর্তনী
  2. ট্রানজিস্টর
  3. রেকটিফায়ার
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে। 
- যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দু'প্রকারের। 
যথা- 
১। অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
২। পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৩৫২.
গ্যালভানিক কোষ এক ধরনের -
  1. তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
  2. তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ
  3. ইলেকট্রোলাইটিক কোষ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ কোষ (Electric Cell):
- যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক শক্তি থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তড়িৎ শক্তি পাওয়া যায় তাকে তড়িৎ কোষ বলে।
- প্রতিটি বৈদ্যুতিক কোষের দুটি প্রান্ত থাকে।
- একটি হলো পজেটিভ বা ক্যাথোড (Cathode) এবং অন্যটি নেগেটিভ বা অ্যানোড (Anode)।
- বৈদ্যুতিক কোষ সর্বপ্রথম ১৮০০ সালে আবিষ্কার সবন ইটালির বিজ্ঞানী আলেকসান্দ্রো ভোল্টা।
- তড়িৎ কোষ দুই প্রকার।
যথা-
• তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বা গ্যালভানিক সেল: যে তড়িৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। একে গ্যালভানিক কোষ বা ভোল্টার কোষও বলা হয়।

• তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ:
- যখন কোন তড়িৎ-বিশ্লেষ্য পদার্থের দ্রাবকে দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করা হয়, তখন ঐ তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের রাসায়নিক বিয়োজন ঘটে এবং নতুন রাসায়নিক ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ উৎপন্ন হয়, এই পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ (Electrolysis) বলে।
- যে পাত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ চালানো হয়, তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলা হয়।
- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি খনিজ পদার্থ থেকে বিভিন্ন ধাতু উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়।
- হামফ্রে লেভি তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সর্বপ্রথম অনেকগুলো মৌলিক পদার্থ আলাদা করতে সক্ষম হন।
- তন্মধ্যে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, বেরিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, স্ট্রনসিয়াম, আয়োডিন উল্লেখযোগ্য।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৮,৩৫৩.
ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য নয় কোনটি? 
  1. এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের। 
  2. এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক। 
  3. এদের মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়।
  4. এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
ব্যাখ্যা
ব্রায়োফাইটা: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের ফুল হয় না, এদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ব্রায়োফাইটা এবং টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদসমূহ হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ। 

ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য: 
১) এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) অর্থাৎ গ্যামিট উৎপাদনকারী। 
২) গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। 
৩) এরা থ্যালয়েড হতে পারে অথবা দেহ রাইজয়েড, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪) দেহে মূল সৃষ্টি হয় না, মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়। 
৫) এদের দেহে কোন পরিবহন টিস্যু থাকে না। 
৬) জাইগোট হতে মাইটোটিক বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
৭) এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের, অর্থাৎ সচল ছোট শুক্রাণুর সাথে নিশ্চল বড় ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। 
৮) জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৯) এদের স্পোরোফাইট সর্বদাই পুষ্টি ও আশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৫৪.
ক্রোমােজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ-
  1. ক) DNA
  2. খ) RNA
  3. গ) নিউক্লিক এসিড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) DNA
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- DNA এর পূর্ণনাম- Deoxyribonucleic acid.
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডাবল হেলিক্সের বর্ণনা দেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৮,৩৫৫.
ব্যাঙের হৃৎপিণ্ডের কয়টি প্রকোষ্ঠ থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
- ক্যাটল ফিস এবং অক্টোপাসের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি করে। 
- ব্যাঙের হৃৎপিণ্ড ৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 
- তেলাপোকার হৃৎপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৫৬.
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে কোনটি? 
  1. জেনারেটর
  2. বৈদ্যুতিক ঘন্টা
  3. মাইক্রোফোন
  4. বৈদ্যুতিক মোটর 
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটর 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৫৭.
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় -
  1. ক) গ্যাসীয় পদার্থ
  2. খ) তরল পদার্থ
  3. গ) কঠিন পদার্থ
  4. ঘ) এটি নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাসীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাসীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
• তাপ প্রয়োগে করলে সব ধরনের পদার্থই প্রসারিত হয়।
- তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়।
- কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম।
- তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৫৮.
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে কী অংশ থাকে?
  1. ফ্ল্যাজেলা
  2. ক্যাপসিউল
  3. প্লাজমামেমব্রেন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন : ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলাে থাকে তা হলাে-
(ক) ফ্ল্যাজেলা,
(খ) ক্যাপসিউল,
(গ) কোষ প্রাচীর,
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন,
(ঙ) মেসােসােম,
(চ) সাইটোপ্লাজম,
(ছ) ক্রোমােসােম এবং
(জ) প্লাজমিড।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮,৩৫৯.
লাইপেজ স্নেহজাতীয় খাদ্যকে ভেঙে কোন সরল উপাদানগুলোতে পরিণত করে?
  1. পেপটাইড ও পেপটোন
  2. গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ
  3. অ্যামিনো অ্যাসিড ও মনোস্যাকারাইড
  4. ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল
সঠিক উত্তর:
ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল
ব্যাখ্যা

লাইপেজ স্নেহজাতীয় খাদ্যকে ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।

লাইপেজ:
- লাইপেজ হলো একটি পাচক এনজাইম যা স্নেহ জাতীয় খাদ্য বা ফ্যাট পরিপাকে সহায়তা করে।
- লাইপেজ (Lipase) হলো এক ধরনের হাইড্রোলাইটিক এনজাইম, যা স্নেহ পদার্থের (ফ্যাট) অণুগুলোকে ফ্যাটি অ্যাসিড (Fatty acid) ও গ্লিসারলে (Glycerol) পরিণত করে।
- স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাকের জন্য পিত্তরসের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পিত্তরস ফ্যাটকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ইমালসিফাই (Emulsify) করে, যা লাইপেজ এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে।
- এই পরিপাক প্রক্রিয়াটি প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে সম্পন্ন হয়, যেখানে স্নেহ কণাগুলো সম্পূর্ণরূপে বিশ্লেষিত হয়।
- জমা হওয়া ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লিসারল পরবর্তীতে অন্ত্রের লসিকাতন্ত্র (Lymphatic system) এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শোষিত হয়।
- লাইপেজের অভাবে ফ্যাট হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে স্বাস্থ্যগত জটিলতা যেমন ডায়রিয়া বা ভিটামিনের অভাব হতে পারে।
- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়।
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে।
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

উৎস: 
১। বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২। প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,৩৬০.
কোন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ সংঘটিত হয় না?
  1. দহন বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রশমন বিক্রিয়া
  4. বিয়োজন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ সংঘটিত হয় না। 

• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- রেডক্স অর্থ জারণ-বিজারণ। যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে।   

- Reduction (বিজারণ) শব্দের প্রথমাংশ Red এবং Oxidation (জারণ) শব্দের প্রথমাংশ Ox এর সমন্বয়ে গঠিত শব্দ হলো Redox. 

• রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া:  
- জারণ এবং বিজারণ উভয় প্রক্রিয়া একই সাথে ঘটে।
- একটি পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করার সাথে সাথেই অন্য একটি পদার্থ সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
- এই কারণে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াগুলিকে একত্রে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়।
- জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ বিক্রিয়া। 

• কিছু বিক্রিয়াতে জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে থাকে।
→ উদাহরণ-
- সংযোজন বিক্রিয়া, 
- বিয়োজন বিক্রিয়া, 
- প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া,
- দহন বিক্রিয়া। 

• নন-রেডক্স বিক্রিয়া:
- এ ধরণের বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ তথা ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।

→ উদাহরণ-
- প্রশমন বিক্রিয়া,
- অধ:ক্ষেপণ বিক্রিয়া ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৮,৩৬১.
সিলিকা বিদ্যমান আছে কোনটিতে?
  1. চুনাপাথর
  2. হেমাটাইট
  3. কোয়ার্টজ
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা

অক্সিজেনের পরই প্রকৃতিতে প্রাচুর্যতার দিক দিয়ে সিলিকনের অবস্থান। অক্সিজেনের প্রতি সিলিকনের প্রবল আসক্তি থাকায় প্রকৃতিতে সিলিকন অক্সাইড যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়।
বালি, পাথর ও কোয়ার্টজে সিলিকা রূপে সিলিকন বিদ্যমান থাকে।
এছাড়া সিলিকন ফেল্ডস্পার, মাইকা, এ্যাসবেসটস ইত্যাদিতে সিলিকেট রূপে থাকে।
উৎসঃ রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮,৩৬২.
কোনটি উভলিঙ্গ ফুল?
  1. ধুতুরা
  2. জবা
  3. গোলাপ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ:
২. বৃতি:
৩. দলমন্ডল: 
৪. পুংস্তবক:
৫. স্ত্রীস্তবক:
 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৬৩.
চৌম্বক কম্পাস বা দিকদর্শন যন্ত্রে কী ধরনের চুম্বক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্রাকৃতিক চুম্বক
  2. খ) সংকর চুম্বক
  3. গ) স্থায়ী চুম্বক
  4. ঘ) অস্থায়ী চুম্বক
সঠিক উত্তর:
গ) স্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
• চৌম্বক কম্পাস বা দিকদর্শন যন্ত্রে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহৃত হয়।

স্থায়ী চুম্বক:
- যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত চুম্বক স্থায়ী হলেও তা দুর্বল প্রকৃতির হয়। তাই চৌম্বক পদার্থের সাথে অন্য পদার্থের মিশ্রণে অথবা বিশেষ প্রক্রিয়ায় (স্পর্শ-ঘর্ষণ পদ্ধতি) স্থায়ী শক্তিশালী চুম্বক তৈরি করা হয়।

স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহার:
- সমুদ্রে জাহাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য চৌম্বক কম্পাস বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- এটি Navigation-এর অন্তর্ভুক্ত একটি যন্ত্র।  
- পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠে মুক্তভাবে ঘূর্ণনক্ষম চুম্বক শলাকা সর্বদা উত্তর দক্ষিণ দিক বরাবর অবস্থান করে।
- চুম্বকের এ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে চৌম্বক কম্পাস তৈরি করা হয়েছে।
- চৌম্বক কম্পাস একটি মুক্তভাবে ঘূর্ণনক্ষম চৌম্বক শলাকা দিয়ে গঠিত। চুম্বক শলাকার অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করা হয়।
- এছাড়াও মাইক্রোফোন ও স্পিকার, বৈদ্যুতিক মোটরে ইত্যাদিতে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৩৬৪.
যে সব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয়-
  1. ক) টক্সিন
  2. খ) প্যাথোজেনিক
  3. গ) প্রিয়ন
  4. ঘ) জীবাণু
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাথোজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাথোজেনিক
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানে ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে আদি এবং ব্যাপকতর অর্থে রােগ সংক্রামক জীবাণু হচ্ছে এমন যেকোন কিছু যা রােগ উৎপন্ন করতে পারে। এর পশ্চিমা পরিভাষা প্যাথােজেন।

Oxford Dictionary অনুসারে,
Pathogenic = (of a bacterium, virus, or other microorganism) causing disease.

১৮৮০ সালে সাধারণত রােগ সংক্রমণ সংঘটক (এজেন্ট) যেমন : ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, প্রিয়ন, এমনকি অন্য কিছু অণুজীবকে বােঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এক কথায়, যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয় প্যাথজেনিক।

অন্যদিকে,
- 'প্রিয়ন' হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা যা PrP (Prion Protein) নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি ।
- টক্সিন হলো বিষাক্ত পদার্থ।
- জীবাণু হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুজীব যারা রোগ সৃষ্টি করতেও পারে, নাও পারে।
৮,৩৬৫.
কোন খনিজ উপাদান পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে? 
  1. আয়রন
  2. পটাসিয়াম
  3. আয়োডিন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'পটাসিয়াম' খনিজটি পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে। 

খনিজ লবণ: 

- গলগণ্ড, রক্তাস্বল্পতা খনিজ লবণের অভাবে দেহে এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- দেহ কোষ ও দেহের তরল উপাদানের জন্য (যেমন- রক্ত, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি) খনিজ লবণ খুবই দরকারি। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন, দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ (যেমন- পেশি সংকোচন, স্নায়ু উত্তেজনা) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- হাড়, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি খনিজ লবণ শোষণ করে। 
- আমাদের দেহের ওজনের ১% পরিমাণ লবণ থাকে। 
- এ উপাদানগুলো হলো ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- এছাড়া লোহা, আয়োডিন, দস্তা, তামা ইত্যাদি খনিজ লবণ আমাদের দেহের জন্য অতি সামান্য পরিমাণে থাকে। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। গলগণ্ড রোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত। 


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৮,৩৬৬.
নিচের কোনটি ফাইটোহরমোন নয় ?
  1. ক) অক্সিন
  2. খ) সাইটোকাইনিন
  3. গ) পেপসিন
  4. ঘ) জিবেরেলিন
সঠিক উত্তর:
গ) পেপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেপসিন
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন বলে।
অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোকাইনিন এরা ফাইটোহরমোন।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান-নবম দশম শ্রেণী

৮,৩৬৭.
পৃথিবীর সঙ্গে আপনার যে আকর্ষণ তাকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. পীড়ন
  4. স্থিতিস্থাপকতা
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৬৮.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) মূলতঃ তড়িৎ-চুম্বকীয় বর্ণালীর কোন্ অংশে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. অবলোহিত অঞ্চল
  2. দৃশ্যমান এবং নিকট-অবলোহিত অঞ্চল
  3. অতিবেগুনী এবং দৃশ্যমান অঞ্চল
  4. এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত অঞ্চল
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি (JWST) প্রাথমিকভাবে ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো সনাক্ত করে যাতে প্রথম ছায়াপথ এবং প্রোটোস্টারের মতো উৎসগুলো পর্যবেক্ষণ করা যায় যা এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিকিরণ করে। যেহেতু ইনফ্রারেড উপগ্রহ পর্যবেক্ষণকে তাপীয় বিকিরণ থেকে রক্ষা করতে হবে , তাই প্রায় ১৫০ বর্গমিটার (১,৬০০ বর্গফুট) আয়তনের একটি সূর্যের ঢাল টেলিস্কোপটিকে রক্ষা করে। যেহেতু JWST কে তার স্থাপন করা অবস্থায় ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট প্রশস্ত কোনও রকেট নেই , তাই সূর্যের ঢাল এবং আয়না উভয়ই ভাঁজ করা হয়েছিল এবং মহাকাশে উন্মোচিত হয়েছিল

উল্লেখ্য, খ) অপশন আংশিক সত্য, কিন্তু অসম্পূর্ণ—কারণ JWST কেবল দৃশ্যমান+নিকট-অবলোহিত নয়,মিড-অবলোহিতসহ মোটামুটি 0.6–28.8 µm রেঞ্জে কাজ করার জন্য ডিজাইন। NASA স্পষ্টভাবে বলে Webb “optimized for infrared wavelengths”- অর্থাৎ মূল ফোকাস Infrared।
আর Webb-এর একটি প্রধান যন্ত্র MIRI পুরো mid-infrared (~5–28 µm) কভার করে, যা খ) অপশনে বাদ পড়ে যায়। 

Image Source: NASA Website.

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ: 
- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র যা ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন। মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা। 

উৎস: ব্রিটানিকা [লিঙ্ক] ওয়েবসাইট, নাসা ও স্পেস ডট কম ওয়েবসাইট।

৮,৩৬৯.
Rubber এর অপর নাম
  1. Plastomer
  2. Elastomer
  3. Resin
  4. Soft Plastic
সঠিক উত্তর:
Elastomer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Elastomer
ব্যাখ্যা
Rubber এর অপর নাম Elastomer.
Elastomer হলো এমন উপাদান যা রাবারের মতো বৈশিষ্ট্যযুক্ত। যেমন: প্রসারিত হওয়ার ক্ষমতা, বিকৃতির পরে পূনরায় আসল আকারে ফিরে আসার ক্ষমতা।
৮,৩৭০.
ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক কোনটি?
  1. ক) বৃতি
  2. খ) স্ত্রীস্তবক
  3. গ) দলমণ্ডল
  4. ঘ) পুষ্পমঞ্জুরি
সঠিক উত্তর:
খ) স্ত্রীস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ত্রীস্তবক
ব্যাখ্যা

ফুলের স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে।  

বৃতি ও দলমণ্ডলকে সাহায্যকারী স্তবক বলে।

পুংস্তবক ও অত্যাবশ্যকীয় স্তবকের অংশ। 

বৃতি:-
এটি ফুলের প্রথম স্তবক এবং সবুজ বর্ণের হয়। বৃতি প্রতিটি অংশকে বৃত্যংশ বলে। 
কাজ : বৃতি ফুলের বিভিন্ন অংশগুলিকে রক্ষা করে।

দলমন্ডল:-
এটি ফুলের দ্বিতীয় স্তবক। এটি সাধারণত উজ্জ্বল বর্ণের হয়। এর এক একটি অংশকে দল বা পাপড় বলে।
দল উজ্জ্বল বর্ণের সাহায্যে পরাগযোগের এর জন্য কীটপতঙ্গের আকর্ষণ করে।

পুংকেশর চক্র বা পুংস্তবক:
এটি ফুলের পুং জনন অঙ্গ তথা তৃতীয় স্তবক। প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। প্রতিটি পুংকেশর পুং দন্ড ও পরাগধানী নিয়ে গঠিত। পরাগধানীর মধ্যে হলুদাভ রঙের পরাগরেণু উৎপন্ন হয়।

গর্ভকেশর চক্র বা স্ত্রী স্তবক:
এটি ফুলের স্ত্রী জনন অঙ্গ তথা চতুর্থ ও শেষ স্তবক। স্ত্রী স্তবকের এক একটি অংশকে গর্ভপত্র বা গর্ভকেশর বলে। প্রতিটি গর্ভপত্র তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত, যথা-গর্ভমুন্ড, গর্ভদন্ড এবং গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয়। ডিম্বাশয়ের মধ্যে অসংখ্য ডিম্বক থাকে। প্রত্যেক ডিম্বক এর মধ্যে ডিম্বাণু যাকে।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৮,৩৭১.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. বিষুব রেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়। 
- আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৭২.
কোন যন্ত্র ব্যবহার করে তাড়িতচুম্বক তৈরি করা হয়?
  1. সলিনয়েড
  2. ব্যাটারি
  3. ক্যাপাসিটর 
  4. রেজিস্টর
সঠিক উত্তর:
সলিনয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সলিনয়েড
ব্যাখ্যা

- তাড়িতচুম্বক (Electromagnet) তৈরির মূল ভিত্তি হলো বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র। একটি অন্তরিত তামার তারকে যখন সিলিন্ডার বা কুণ্ডলীর আকারে পেঁচানো হয়, তখন তাকে সলিনয়েড বলা হয়। এই সলিনয়েডের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে এর ভেতরে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা এটিকে একটি সাময়িক চুম্বকে পরিণত করে। সলিনয়েডের ভেতরে কাঁচা লোহার দণ্ড রাখলে এর চৌম্বক শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়। 

তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৭৩.
স্নায়ুকোষের কত শতাংশ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় হতে শুরু করে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৭৪.
কোনো পরিবাহকের রোধ কয়টি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে?
  1. ক) চারটি
  2. খ) দুটি 
  3. গ) তিনটি 
  4. ঘ) পাচঁটি 
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
ব্যাখ্যা
একটি পরিবাহকের রোধ চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।
১.পরিবাহীর দৈর্ঘ্য,
২.পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, 
৩.পরিবাহীর উপাদান এবং 
৪.পরিবাহীর তাপমাত্রা।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ,ড. শাহজাহান তপন
৮,৩৭৫.
সুস্থ দেহের জন্য দৈনিক একজন মানুষের কত গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন?
  1. ১০০ গ্রাম
  2. ১১৫ গ্রাম
  3. ১৫০ গ্রাম
  4. ১৭৫ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
১১৫ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
• ফল:
- ফুলের গর্ভাশয় নিষিক্ত, পরিপুষ্ট ও পরিপক্কতা লাভ করে পূর্ণাঙ্গ ফলে পরিণত হয়।
- সুস্থ দেহের জন্য দৈনিক একজন মানুষের ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা পাচ্ছি মাত্র ৩৮ গ্রাম।
- বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে ফলকে একবীজপত্রী ও বহু বীজপত্রী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।
- পরাগায়নের ভিত্তিতে স্ব-পরাগী, পর-পরাগী, স্ব ও পর- পরাগী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।
- জীবনকালের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ফলে ভাগ করা হয়েছে।
- গাছের ফল প্রদানের প্রকৃতি অনুযায়ী মনোকারপিক ও পলিকারপিক ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।
- উৎপত্তি অনুসারে প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফল এই দুই ভাগে ভাগ করতা হয়েছে।
- পুষ্পমঞ্জরীর ভূমিকার ওপর ভিত্তি করে সরল, যৌগিক ও গুচ্ছফল এবং পেরিকার্পের বুনটের ওপর ভিত্তি করে নিরস ও সরস ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।


উৎস: স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৭৬.
১ কিউবিক মিটার পানির ভর কত?
  1. ১০ কেজি
  2. ১০০ কেজি
  3. ১০০০ কেজি
  4. ১০০০০ কেজি
সঠিক উত্তর:
১০০০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ কেজি
ব্যাখ্যা
গলনাঙ্ক: 
- পানি যখন কঠিন অবস্থায় থাকে তখন তা বরফ। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাঙ্ক। 
- বরফের গলনাঙ্ক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফুটনাঙ্ক: 
- য়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে বলে স্ফুটনাঙ্ক। 
- পানির স্ফুটনাঙ্ক ৯৯.৯৮০ সেলসিয়াস যা ১০০° সেলসিয়াসের খুবই কাছাকাছি, তাই সাধারণভাবে পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০° সেলসিয়াস। 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি আর তা হচ্ছে ১ গ্রাম/সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
অর্থাৎ, ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৭৭.
Father of Bacteriology বলা হয় কাকে? 
  1. লুই পাস্তুর
  2. লিউয়েন হুক
  3. রবার্ট কচ
  4. এহরেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 
- অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। 
- তাই লিউয়েন হুককে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব। 
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৭৮.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ-
  1. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
  3. সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
  4. সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ বায়ু প্রবাহের প্রভাব। 

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৭৯.
মহাশূন্যে একটি বস্তুর ওজন শূন্য হয় কারণ- 
  1. বস্তুর ভর নেই
  2. সেখানে বাতাস নেই
  3. সূর্যের আলো পড়ে না
  4. কোনো অভিকর্ষ বল কাজ করে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অভিকর্ষ বল কাজ করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অভিকর্ষ বল কাজ করে না
ব্যাখ্যা
ভর ও ওজনের সম্পর্ক: 
- বস্তুর মধ্যে পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে এর ভর। 
- ভর হচ্ছে একটি ধ্রুব রাশি যা ভূপৃষ্ঠে বা ভূপৃষ্ঠের উপরে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় না। 
- ৭৫ কেজি ভরের একজন মহাশূন্যচারীর ভর চাঁদে কিংবা পৃথিবীর কক্ষপথেও ৭৫ কেজিই থাকবে। 
- মহাশূন্যচারী বা কোনো বস্তু যতটুকু পদার্থ দিয়ে তৈরি, বস্তু বা মহাশূন্যচারীর স্থান পরিবর্তনের ফলে তাতে কোনো পরিবর্তন হয় না বলে তার ভর সর্বত্র অপরিবর্তিত থাকে। 

- যেহেতু বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি, সুতরাং বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে।
- যেসব কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে সেসব কারণে বস্তুর ওজনও পরিবর্তিত হয়।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন তত কমতে থাকে।
- বস্তুর ওজন বস্তুর মৌলিক ধর্ম নয়, কোনো বস্তুর ওজন থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য।
- মহাশূন্যে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য হলে তখন বস্তুর উপর কোনো মহাকর্ষ বল কাজ করে না
- চাঁদের অভিকর্ষজনিত ত্বরণের মান পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের প্রায় ৬ ভাগ।
সুতরাং, চাঁদে ১ কেজি ভরের বস্তুর ওজন হবে প্রায় ৯.৮/৬ নিউটন ≈ ১.৬৩ নিউটন (N)। 
- কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- যদি দূরত্ব বাড়ানো হয় তাহলে তার উপর পৃথিবীর আকর্ষণ কমে যায়, ফলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। 
- ভূপৃষ্ঠে ১ কেজি ভরের কোনো বস্তুতুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলেও পৃথিবী থেকে দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে বস্তুর ওজন কমতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৩৮০.
পোলিও টীকা আবিস্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম-
  1. ক) La Martini
  2. খ) La Zola
  3. গ) San Antonio
  4. ঘ) San Hose
সঠিক উত্তর:
খ) La Zola
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) La Zola
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং
- ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
- জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের La Zola নামক শহরে মারা যান।
৮,৩৮১.
দ্রবণের মধ্যে যা কম পরিমাণে থাকে এবং দ্রবীভূত হয় তাকে কী বলা হয়? 
  1. দ্রব 
  2. যৌগ 
  3. অণু 
  4. দ্রাবক 
সঠিক উত্তর:
দ্রব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রব 
ব্যাখ্যা

দ্রবণ (Solution): 
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়।

দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ: 
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন-
ক) সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

খ) অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। 

গ) অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৮২.
আদিকোষে কোনটি অনুপস্থিত থাকে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. প্লাস্টিড
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

আদিকোষে নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং প্লাস্টিড সবই অনুপস্থিত।

কোষের প্রকারভেদ:
- সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য।
- নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের।
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ।

১। আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell):
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না, এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে।
- ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে।
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়।

২। প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell):
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত।
- এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।
- ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে।
- অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৮৩.
বিভব শক্তির অন্য কী নামে পরিচিত? 
  1. তাপ শক্তি
  2. গতি শক্তি
  3. স্থিতি শক্তি
  4. শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
ব্যাখ্যা
বিভবশক্তি: 
- বিভবশক্তিকে স্থিতিশক্তি বলা হয়। 
- বিভবশক্তি হচ্ছে বস্তুর স্থিতিজনিত শক্তি। 
- কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক। 
- আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি। 
যেমন- পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি। 
- একইভাবে একটি বস্তুকে টান টান করলে এর মধ্যে বিভব শক্তি জমা থাকে। 
- বিভবশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ। 
- গতি শক্তিও যান্ত্রিকশক্তির একটি রূপ। 
অর্থাৎ, যান্ত্রিক শক্তি দু'প্রকার। 
যথা- গতি শক্তি এবং বিভবশক্তি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৮৪.
পাতার যে কোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে? 
  1. ক) প্যারেনকাইমা
  2. খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
  3. গ) কোলেনকাইমা
  4. ঘ) স্ক্লেরেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
ব্যাখ্যা
- প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ পত্ররন্ধ্র দ্বারা বাষ্পাকারে পানি নির্গত করে। 
- সাধারণত পাতার নিম্নত্বকে পত্ররন্ধ্র অবস্থান করে।
- বিষমপৃষ্ঠে পাতার উপরের ত্বকের দিকে থাকে প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং নিচের ত্বকের দিকে থাকে স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা।
- পাতার প্যালিসেড কোষগুলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়। 

সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৮,৩৮৫.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  2. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
  4. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বুঝায়
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়।
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়।
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৩৮৬.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে কী বলা হয়? 
  1. ঘূর্ণিচক্র
  2. চোখ
  3. মূলকেন্দ্র
  4. কেন্দ্রীয় তাপবিন্দু
সঠিক উত্তর:
চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখ
ব্যাখ্যা
সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone। 
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। 
- ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- এই দুর্যোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়। 
- সাধারণত এই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৮৭.
পৃথিবী নিজ অক্ষে কত সময়ে আবর্তন করে? 
  1. ২৩ ঘণ্টা ৬০ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
  2. ২৩ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড
  3. ২৩ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৪০ সেকেন্ড 
  4. ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

পৃথিবী (Earth): 
- সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রহ হলো 'পৃথিবী'। 
- এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে। 
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ। 

চন্দ্র (Moon): 
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। 
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়। 
- এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দেয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৮৮.
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ কত?
  1. ক) তিন লাখ মিটার/ সেকেন্ড
  2. খ) ত্রিশ লাখ সেন্টিমিটার/ সেকেন্ড
  3. গ) তিন লাখ কিলোমিটার/ সেকেন্ড
  4. ঘ) তিন কোটি কিলোমিটার/ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) তিন লাখ কিলোমিটার/ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিন লাখ কিলোমিটার/ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে তিন লাখ কিলোমিটার বা ত্রিশ কোটি মিটার বা তিন হাজার কোটি সেন্টিমিটার বা এক লাখ ছিয়াশি হাজার মাইল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৮,৩৮৯.
কার্ডিওলজি চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোন শাখা?
  1. মস্তিষ্ক সম্পর্কিত
  2. কিডনি সম্পর্কিত
  3. হৃদযন্ত্র সম্পর্কিত
  4. ফুসফুস সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
হৃদযন্ত্র সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃদযন্ত্র সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

কার্ডিওলজি (Cardiology) হল চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যা হৃদযন্ত্র (Heart) এবং রক্ত সংবহনতন্ত্র (Circulatory System) নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত।

কার্ডিওলজির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- হৃদযন্ত্রের গঠন ও কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ, 
- হৃদরোগের কারণ ও প্রতিরোধ, 
- হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন ব্যাধি, যেমন হার্ট অ্যাটাক, ব্লকেজ ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় ও চিকিৎসা। 

কার্ডিওলজির কিছু প্রধান রোগ:
- হৃদরোগ (Heart Disease), 
- উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension), 
- হার্ট অ্যাটাক (Myocardial Infarction), 
- অ্যারিথমিয়া (Arrhythmia) – অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, 
- কার্ডিওমায়োপ্যাথি (Cardiomyopathy) – হৃদপেশির দুর্বলতা। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে গবেষণা করা হয় 'নিউরোলজি (Neurology)' শাখায়।
খ) কিডনির চিকিৎসা 'নেফ্রোলজি (Nephrology)' শাখার অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিয়ে গবেষণা করা হয় 'পালমোনোলজি (Pulmonology)' শাখায়।

উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

৮,৩৯০.
কুমিল্লা থেকে ঢাকায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে কোন ধরনের ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হবে?
  1. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
  2. আধুনিক ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ-ডাউন ট্রানফরমার
  4. তাড়িত চৌম্বক ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• কুমিল্লা থেকে ঢাকায় বিদ্যুৎ পরিবহণের ক্ষেত্রে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ দীর্ঘ দূরত্বে পরিবহন করার সময় ভোল্টেজ বৃদ্ধি করা হয় যাতে বিদ্যুৎ লাইনগুলোতে শক্তি ক্ষয় কম হয় এবং পরিবহণ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ভোল্টেজকে বাড়িয়ে দেয়, ফলে বিদ্যুৎ লাইনগুলোতে কারেন্ট কমে এবং তাপীয় ক্ষয় কমে। তাই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও নিরাপদভাবে দূরত্ব পারাপারের জন্য স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারই উপযুক্ত। ঢাকায় পৌঁছে বিদ্যুৎকে ব্যবহারযোগ্য মাত্রায় নামানোর জন্য স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়। অতএব, বিদ্যুৎ পরিবহণের শুরুতে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার প্রয়োজন।

ট্রান্সফর্মার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।

ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• যে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারনে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায় তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য এই ধরনের ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
অর্থাৎ, স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই।
৮,৩৯১.
আল্ট্রাসনোগ্রাফির জন্য সাধারণত কোন কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ১০-১০০ হার্টজ 
  2. ১-১০ মেগাহার্টজ 
  3. ১-১০ কিলোহার্টজ 
  4. ১০-১০০ মেগাহার্টজ 
সঠিক উত্তর:
১-১০ মেগাহার্টজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-১০ মেগাহার্টজ 
ব্যাখ্যা

আল্ট্রাসনোগ্রাফি: 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। 
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। 
 - রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে। 
- আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়। 
- আট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে ভ্রূণের আকার, পূর্ণতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়। 
- প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়। 
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯২.
প্রস্বেদন বলতে বোঝায়- 
  1. পানি সঞ্চয়ের প্রক্রিয়া 
  2. উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া 
  3. উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
  4. উদ্ভিদদেহে পানি শোষণ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন: 
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়, এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। 
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'. 
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। 
- কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে। 
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: ১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, ২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং ৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৩৯৩.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আলু চাষ করে কারা?
  1. পর্তুগিজরা
  2. ডাচরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. দিনেমাররা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
প্রথম আলু চাষ:
- ভারতীয় উপমহাদেশে সতেরো শতকের গোড়ার দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতে প্রথম আলু নিয়ে আসে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত The Gardening Monthly ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম রেকর্ড দেখা যায়।
- প্রথমদিকে আলুর চাষ হতো কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে, সেখান থেকে আলু চাষের প্রবর্তন হয় চেরাপুঞ্জিতে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর থাকাকালীন সময়ে (১৭৭২-১৭৮৫), তাঁর উদ্যোগে আলুর চাষ বোম্বেসহ অনেক প্রদেশে বিস্তার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- আলু সম্ভবত আমেরিকার স্থানীয় ফসল।
- স্পেনীয় অনুসন্ধানকারীরা ষোল শতকে পেরু থেকে এটি নিয়ে আসে স্পেনে যেখান থেকে তা উত্তর ও পূর্বে সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকরা সম্ভবত ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে এটিকে উত্তর আমেরিকায় নিয়ে আসে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৯৪.
বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী? 
  1. অ্যামিটার 
  2. ভোল্ট মিটার 
  3. গ্যালভানোমিটার 
  4. ট্রান্সফরমার 
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার 
ব্যাখ্যা

- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার। 
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,৩৯৫.
বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্যের জন্য ‘প্রয়োজনীয় ক্ষতি বা Necessary Evil’ বলা হয়-
  1. ক) ইমবাইবিশনকে
  2. খ) ব্যাপনকে
  3. গ) অভিস্রবণকে
  4. ঘ) প্রস্বেদনকে
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদনকে
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয় তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। এছাড়া কান্ড এবং শাখা-প্রশাখা থেকেও প্রস্বেদন হয়ে থাকে। পানি শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার বেশি হলে উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রস্বেদন কিছু ক্ষতিসাধন করলেও এই প্রক্রিয়া উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্যের জন্য বিজ্ঞানী কার্টিস প্রস্বদনকে ‘প্রয়োজনীয় ক্ষতি বা Necessary Evil’ নামে অভিহিত করেছেন।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৮,৩৯৬.
আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক কোথায় শুরু হয়? 
  1. মুখগহ্বরে 
  2. পাকস্থলিতে 
  3.  বৃহদান্ত্রে 
  4. খাদ্যনালিতে 
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলিতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলিতে 
ব্যাখ্যা

পরিপাকতন্ত্রে খাদ্যদ্রব্যের পরিপাক ও পরিশোষণ: 
- দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে সব আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে তন্মধ্যে দুধ, মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল উল্লেখযোগ্য। 
- এ সকল খাদ্য পরিপাকে যে সকল সাহায্যকারী এনজাইম ভূমিকা রাখে তা হলো- 
১. পাচক রস: পেপসিনোজেন ও জিলেটিনেজ। 
২. অগ্ন্যাশয় রস: ট্রিপসিনোজেন, কার্বক্সিপেপটাইডেজ- এ. বি ইলাস্টেজ, কোলাজিনেজ প্রভৃতি। 
৩. আন্ত্রিক রস: অ্যামাইনোপেপটাইডেজ, ট্রাইপেপটাইডেজ ও প্রোলিডেজ। 

- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। 
- মুখবিবরের লালা রসে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম না থাকায় মুখবিবরে আমিষের কোনো পরিপাক হয় না। 
- কেবলমাত্র খাদ্য চিবানোর ফলে লালারস মিলে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯৭.
যদি রৈখিক বিবর্ধন m < 1 হয়, তাহলে প্রতিবিম্ব কীরূপ হবে?
  1. বিবর্ধিত হবে
  2. খর্বিত হবে
  3. সমান হবে
  4. দ্বিগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
খর্বিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর্বিত হবে
ব্যাখ্যা

• রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। 
- কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L0 এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য L
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/L0 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
• m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯৮.
The study of fungi is known as -
  1. ক) Parasitology
  2. খ) Mycology
  3. গ) Cytology
  4. ঘ) Ecclesiology
সঠিক উত্তর:
খ) Mycology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mycology
ব্যাখ্যা
Mycology, the study of fungi, a group that includes the mushrooms and yeasts.
Many fungi are useful in medicine and industry.
Fungus, plural fungi, any of about 144,000 known species of organisms of the kingdom Fungi, which includes the yeasts, rusts, smuts, mildews, molds, and mushrooms. 

Source: Britannica
৮,৩৯৯.
কোন বস্তুকে স্থির তরলে নিমজ্জিত করলে বস্তুর উপর যে লব্ধি বল অনুভুত হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) নিম্নমুখী চাপ
  2. খ) প্লবতা
  3. গ) বস্তুর ওজন
  4. ঘ) বস্তুর হারানো ওজন
সঠিক উত্তর:
খ) প্লবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লবতা
ব্যাখ্যা
কোন বস্তুকে স্থির তরলে নিমজ্জিত করলে বস্তুর উপর যে লব্ধি বল অনুভুত হয় তাকে প্লবতা  বলে। 

- পদার্থ যখন তরল ও বায়বীয় অবস্থায় থাকে তখন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হতে পারে, তাই তরল ও বায়বীয় পদার্থকে প্রবাহী পদার্থ বলা হয়।
- প্রবাহী পদার্থ বিশেষ ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থ থেকে কিছু আলাদা ভৌত বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। তার মধ্যে অন্যতম একটি বৈশিষ্ট হচ্ছে প্লবতা।
- তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোন বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে ঊর্ধমুখী বল বা চাপ প্রয়োগ করে। এই ঊর্ধ্বমুখী বলকে বলা হয় প্লবতা।
- প্লবতার মান বস্তুর নিমজ্জিত অংশ কর্তৃক অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান হয়।

সূত্র: ৯৭ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪০০.
অ্যালকোহল কী ধরনের পদার্থ? 
  1. দাহ্য
  2. বিস্ফোরক
  3. বিষাক্ত 
  4. উত্তেজক 
সঠিক উত্তর:
দাহ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাহ্য
ব্যাখ্যা

বিষাক্ত পদার্থ: 
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ। 
- এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। 

বিস্ফোরক পদার্থ: 
- এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। 
- তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়। 
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এ ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ। 

দাহ্য পদার্থ: 
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। 
- এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে, তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সব সময় দূরে রাখতে হবে। 

উত্তেজক পদার্থ: 
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ। 
- এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে। তাই এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ব্যবহার করতে হবে। 

উল্লেখ্য,
- কিছু অ্যালকোহল (যেমন- মিথানল) বিষাক্ত হলেও, "অ্যালকোহল" শব্দটি সাধারণভাবে সবসময় বিষাক্ত বোঝায় না। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।