উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: Greenwich Mean Time website
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৪ / ১৪০ · ৮,৩০১–৮,৪০০ / ১৪,০৮০
গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই।
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- গামা রশ্মি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কৃষি জমিতে চুন (সাধারণত ক্যালসিয়াম কার্বনেট CaCO3 বা ডলোমাইট CaMg(CO3)2 ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মাটির অম্লতা বা অ্যাসিডিটি হ্রাস করা।
- এসিড মাটি অনুর্বর।
- জমিতে বার বার অ্যামোনিয়াম সালফেটকে সার হিসেবে ব্যবহার করলে মাটিতে এসিডের মাত্রা বাড়ে।
- ফলে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়।
- এই সারের সাথে চুন মিশালে এসিডের তীব্রতা হ্রাস পায়।
- তাই মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য চুন ব্যবহার করা হয়।
সূত্র- রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা:
মানবদেহে অক্ষীয় কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা ৮০টি। এক পায়ে মোট ৩০টি এবং দুই পা মিলিয়ে মোট ৬০টি অস্থি রয়েছে। এছাড়া বক্ষপিঞ্জরে মোট অস্থির সংখ্যা ২৫টি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
বায়ু তার ওজনের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের উপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ।
একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করে, তাকে বায়ুচাপ বলে।
বায়ুচাপের একক হল প্যাসকেল।
বায়ুচাপ দুই প্রকার। যথাঃ
১। বায়ুর নিম্নচাপ উষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়, ২। বায়ুর উচ্চচাপ সাধারণত ঠাণ্ডা এলাকায় দেখা যায়।
বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ও যুগান্তর পত্রিকা (ব্যাখ্যা)
প্রতিপাদ স্থান (Antipodes):
- পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে একটি কল্পিত রেখা যা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়, ওই কল্পিত রেখার উভয় বিন্দুই একটি অপরটির প্রতিপাদ স্থান।
- অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোন স্থানের ঠিক বিপরীত স্থানকে ঐ স্থানের প্রতিপাদ স্থান বা Antipodes বলে।
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীত দিকে থাকে।
- কোনো বিন্দুর অক্ষাংশ যত ডিগ্রি হবে, তার প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশও তত ডিগ্রি হবে।
- তবে স্থান দুটি নিরক্ষরেখার দুই পাশে অবস্থান করে বিধায় একটি উত্তর অক্ষাংশ হলে অন্যটি দক্ষিণ অক্ষাংশ হবে।
- যেমন: ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
◉ শরীরে নাইট্রোজেন (Nitrogen) সরবরাহ করে মূলত আমিষ (Protein)।
- কার্বোহাইড্রেট ও স্নেহে নাইট্রোজেন থাকে না, আর ভিটামিন/খনিজ লবণ নাইট্রোজেনের উৎস নয়।
আমিষ (Protein):
– আমিষ বা প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।
– আমিষে শতকরা 16 ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
– আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে।
– নাইট্রোজেন এবং শেষোক্ত উপাদানগুলোর উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা। শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আমিষের উৎস:
– মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমিষ পাওয়া যায়।
– উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের।
যথা- প্রাণিজ আমিষ এবং উদ্ভিজ্জ আমিষ।
প্রাণিজ আমিষ:
– মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
উদ্ভিজ্জ আমিষ:
– ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। একসময় ধারণা করা হতো এগুলো প্রাণিজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর, কারণ উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সবকয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে।
– অনেক সময়, দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• শব্দ যান্ত্রিক ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, কারণ এটি মাধ্যমের কণার কম্পনের মাধ্যমে স্পন্দনের দিকের সমান্তরালে অগ্রসর হয়।
• শব্দ:
- যা শোনা যায় তাই শব্দ।
- শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে শোনার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ এর সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দ এক প্রকার অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, কারণ এতে মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিক ও তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক সমান্তরাল।
- বস্তুর কম্পন থেকে শব্দের উৎপত্তি হয়।
- কম্পন বন্ধ হলে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়।
• শব্দের উৎপত্তি:
- কোনো বস্তুতে আঘাত করলে বা কম্পন সৃষ্টি করলে তার চারপাশের মাধ্যমের কণাগুলো স্পন্দিত হয়।
- এই স্পন্দনের ফলে মাধ্যমের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সংকোচন ও প্রসারণ সৃষ্টি হয়।
- সংকোচন অংশে কণাগুলো ঘনভাবে অবস্থান করে এবং প্রসারণ অংশে কণাগুলো তুলনামূলকভাবে দূরে সরে যায়।
- এই সংকোচন ও প্রসারণ ক্রমান্বয়ে সামনে অগ্রসর হয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি করে।
- মাধ্যমের কণাগুলো তাদের সাম্য অবস্থানের আশেপাশে সামনে-পেছনে স্পন্দিত হয়, কিন্তু স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয় না।
- শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো নিজ অবস্থান ত্যাগ করে না।
• শব্দের সঞ্চালন প্রক্রিয়া:
- উৎসে কম্পন সৃষ্টি হলে সংলগ্ন বায়ু স্তরে কম্পন শুরু হয়।
- এই কম্পন অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- বায়ু, তরল বা কঠিন মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে।
- মাধ্যম না থাকলে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে না।
- শব্দ তরঙ্গ কানে প্রবেশ করলে কর্ণঝিল্লিতে কম্পন সৃষ্টি করে।
- কর্ণঝিল্লির কম্পন স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
• শব্দের বৈশিষ্ট্য:
- এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- এটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- এটি শক্তি পরিবহন করে।
- এটি সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়।
- শব্দের সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম অপরিহার্য।
• অন্যান্য অপশন:
- মাধ্যম ছাড়াই চলতে পারে: তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য।
- স্পন্দনের দিকের সাথে লম্বভাবে অগ্রসর হয়: অনুপ্রস্থ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য।
- কেবল কঠিন মাধ্যমে চলতে পারে: শব্দ কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে চলতে পারে।
উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.
যে কোন গ্যাসের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের দ্বিগুন।
সূত্র: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী।
প্রোটিস্টা (Protista):
প্রোটিস্টা (Protista) জগতের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো-
- এরা এককোষী বা বহুকোষী, একক বা কলোনিয়াল (দলবদ্ধ) বা ফিলামেন্টাস এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট।
- কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে।
- ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA এবং প্রোটিন থাকে।
- কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে।
- খাদ্যগ্রহণ শোষণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে।
- মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ জৈবনিকভাবে ভিন্ন কিন্তু গঠনগতভাবে এক, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন প্রজনন ঘটে।
- কোনো ভ্রুণ গঠিত হয় না।
উদাহরণ: অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, এককোষী ও বহুকোষী শৈবাল ইত্যাদি।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
পরিবেশের উপাদান:
- পরিবেশকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি হলো পরিবেশের সকল সজীব উপাদান, যা জীব উপাদান নামে পরিচিত।
- এই জীব উপাদানকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সকল উপাদান নিয়ে আর একটি পরিবেশ গঠিত। যাকে বলা হয় জড় পরিবেশ বা অজীব পরিবেশ।
- জীব পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী।
- পরিবেশের প্রাণহীন সব উপাদান নিয়ে জড় পরিবেশ গঠিত । এগুলো অজীব বা জড় উপাদান নামে পরিচিত।
- জড় পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি এবং বায়ু; কারণ এ উপাদানগুলো ছাড়া কোন জীবই বেঁচে থাকতে পারে না।
- মাটি, পানি, বায়ু, আলো, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, জলবায়ু ইত্যাদি বিভিন্ন অজীব উপাদান বিভিন্নভাবে পরিবেশের প্রতিটি জীবের স্বভাব এবং বিস্তৃতিকে প্রভাবিত করে
- এসব উপাদানের প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোন ধরনের জীব উপাদান থাকবে।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
ডিটারজেন্ট:
- ডিটারজেন্ট সাবানের মতোই এক প্রকার পরিষ্কারক দ্রব্য।
- ডিটারজেন্ট সাধারণত পাউডারের মতো হয় এবং তরল আকারেও পাওয়া যায়।
- লরাইল অ্যালকোহলের (C12H26O) সাথে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) বিক্রিয়া করে লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট (C12H26SO4) এবং পানি উৎপন্ন করে।
- এই লরাইল হাইড্রোজেন সালফেট (C12H26SO4) এর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) বিক্রিয়া করে সোডিয়াম লরাইল সালফেট (C12H25SO4Na) এবং পানি (H2O) উৎপন্ন হয়।
- সোডিয়াম লরাইল সালফেট (C12H25SO4Na) ডিটারজেন্ট নামে পরিচিত।
• C12H26O + H2SO4 → C12H26SO4 + H2O
• C12H26SO4 + NaOH → C12H25SO4Na + H2O
- ডিটারজেন্টকে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য ডিটারজেন্টের মধ্যে বিভিন্ন পদার্থ যোগ করা হয়।
- ডিটারজেন্টকে পাউডার আকৃতির করার জন্য সোডিয়াম সালফেট (Na2SO4) যোগ করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
• মানুষের দেহে অটোসোমের সংখ্যা ২২ জোড়া অর্থাৎ ৪৪ টি।
• ক্রোমোজোম:
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোসোমের ভূমিকা:
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে।
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোসোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।
- স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমই 'X' ক্রোমোসোম, অর্থাৎ XX ।
- অন্যদিকে, পুরুষের ক্ষেত্রে দুটি লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোমের একটি 'X' ক্রোমোসোম এবং অপরটি 'Y' ক্রোমোসোম অর্থাৎ XY ।
- 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে, দুটি 'XX' ক্রোমোসোমের আবির্ভাব ঘটে এবং সন্তানটি কন্যা হবে।
- অন্যদিকে 'Y' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে, 'XY' ক্রোমোসোমের আবির্ভাব ঘটে এবং সন্তানটি পুত্র হবে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ছত্রাক বহুকোষী জীব।
- এদের আগে উদ্ভিদ জগতের সদস্য মনে করা হতো।
- বর্তমানে এদের উদ্ভিদ জগৎ থেকে আলাদা একটি জগতে স্থান দেওয়া হয়।
- দেহে প্লাস্টিড (ক্লোরোফিল) না থাকায় ছত্রাক পরভোজী বা মৃতজীবী।
- উদাহরণ: মিউকর, ইস্ট, ব্যাঙের ছাতা, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি।
- পিনিসিলিন হচ্ছে পেনিসিলিয়াম থেকে আবিষ্কৃত এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল।
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই।
- গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- DNA এর পূর্ণনাম- Deoxyribonucleic acid.
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডাবল হেলিক্সের বর্ণনা দেন।
উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান
শক্তির রূপান্তর:
- লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন : ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলাে থাকে তা হলাে-
(ক) ফ্ল্যাজেলা,
(খ) ক্যাপসিউল,
(গ) কোষ প্রাচীর,
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন,
(ঙ) মেসােসােম,
(চ) সাইটোপ্লাজম,
(ছ) ক্রোমােসােম এবং
(জ) প্লাজমিড।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• লাইপেজ স্নেহজাতীয় খাদ্যকে ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।
• লাইপেজ:
- লাইপেজ হলো একটি পাচক এনজাইম যা স্নেহ জাতীয় খাদ্য বা ফ্যাট পরিপাকে সহায়তা করে।
- লাইপেজ (Lipase) হলো এক ধরনের হাইড্রোলাইটিক এনজাইম, যা স্নেহ পদার্থের (ফ্যাট) অণুগুলোকে ফ্যাটি অ্যাসিড (Fatty acid) ও গ্লিসারলে (Glycerol) পরিণত করে।
- স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাকের জন্য পিত্তরসের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পিত্তরস ফ্যাটকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ইমালসিফাই (Emulsify) করে, যা লাইপেজ এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে।
- এই পরিপাক প্রক্রিয়াটি প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে সম্পন্ন হয়, যেখানে স্নেহ কণাগুলো সম্পূর্ণরূপে বিশ্লেষিত হয়।
- জমা হওয়া ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লিসারল পরবর্তীতে অন্ত্রের লসিকাতন্ত্র (Lymphatic system) এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শোষিত হয়।
- লাইপেজের অভাবে ফ্যাট হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে স্বাস্থ্যগত জটিলতা যেমন ডায়রিয়া বা ভিটামিনের অভাব হতে পারে।
- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়।
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে।
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
উৎস:
১। বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২। প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
অক্সিজেনের পরই প্রকৃতিতে প্রাচুর্যতার দিক দিয়ে সিলিকনের অবস্থান। অক্সিজেনের প্রতি সিলিকনের প্রবল আসক্তি থাকায় প্রকৃতিতে সিলিকন অক্সাইড যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়।
বালি, পাথর ও কোয়ার্টজে সিলিকা রূপে সিলিকন বিদ্যমান থাকে।
এছাড়া সিলিকন ফেল্ডস্পার, মাইকা, এ্যাসবেসটস ইত্যাদিতে সিলিকেট রূপে থাকে।
উৎসঃ রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন বলে।
অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোকাইনিন এরা ফাইটোহরমোন।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান-নবম দশম শ্রেণী
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি (JWST) প্রাথমিকভাবে ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো সনাক্ত করে যাতে প্রথম ছায়াপথ এবং প্রোটোস্টারের মতো উৎসগুলো পর্যবেক্ষণ করা যায় যা এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিকিরণ করে। যেহেতু ইনফ্রারেড উপগ্রহ পর্যবেক্ষণকে তাপীয় বিকিরণ থেকে রক্ষা করতে হবে , তাই প্রায় ১৫০ বর্গমিটার (১,৬০০ বর্গফুট) আয়তনের একটি সূর্যের ঢাল টেলিস্কোপটিকে রক্ষা করে। যেহেতু JWST কে তার স্থাপন করা অবস্থায় ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট প্রশস্ত কোনও রকেট নেই , তাই সূর্যের ঢাল এবং আয়না উভয়ই ভাঁজ করা হয়েছিল এবং মহাকাশে উন্মোচিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, খ) অপশন আংশিক সত্য, কিন্তু অসম্পূর্ণ—কারণ JWST কেবল দৃশ্যমান+নিকট-অবলোহিত নয়,মিড-অবলোহিতসহ মোটামুটি 0.6–28.8 µm রেঞ্জে কাজ করার জন্য ডিজাইন। NASA স্পষ্টভাবে বলে Webb “optimized for infrared wavelengths”- অর্থাৎ মূল ফোকাস Infrared।
আর Webb-এর একটি প্রধান যন্ত্র MIRI পুরো mid-infrared (~5–28 µm) কভার করে, যা খ) অপশনে বাদ পড়ে যায়।
Image Source: NASA Website.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র যা ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন। মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা।
উৎস: ব্রিটানিকা [লিঙ্ক] ওয়েবসাইট, নাসা ও স্পেস ডট কম ওয়েবসাইট।
ফুলের স্ত্রীস্তবককে অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে।
বৃতি ও দলমণ্ডলকে সাহায্যকারী স্তবক বলে।
পুংস্তবক ও অত্যাবশ্যকীয় স্তবকের অংশ।
বৃতি:-
এটি ফুলের প্রথম স্তবক এবং সবুজ বর্ণের হয়। বৃতি প্রতিটি অংশকে বৃত্যংশ বলে।
কাজ : বৃতি ফুলের বিভিন্ন অংশগুলিকে রক্ষা করে।
দলমন্ডল:-
এটি ফুলের দ্বিতীয় স্তবক। এটি সাধারণত উজ্জ্বল বর্ণের হয়। এর এক একটি অংশকে দল বা পাপড় বলে।
দল উজ্জ্বল বর্ণের সাহায্যে পরাগযোগের এর জন্য কীটপতঙ্গের আকর্ষণ করে।
পুংকেশর চক্র বা পুংস্তবক:
এটি ফুলের পুং জনন অঙ্গ তথা তৃতীয় স্তবক। প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। প্রতিটি পুংকেশর পুং দন্ড ও পরাগধানী নিয়ে গঠিত। পরাগধানীর মধ্যে হলুদাভ রঙের পরাগরেণু উৎপন্ন হয়।
গর্ভকেশর চক্র বা স্ত্রী স্তবক:
এটি ফুলের স্ত্রী জনন অঙ্গ তথা চতুর্থ ও শেষ স্তবক। স্ত্রী স্তবকের এক একটি অংশকে গর্ভপত্র বা গর্ভকেশর বলে। প্রতিটি গর্ভপত্র তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত, যথা-গর্ভমুন্ড, গর্ভদন্ড এবং গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয়। ডিম্বাশয়ের মধ্যে অসংখ্য ডিম্বক থাকে। প্রত্যেক ডিম্বক এর মধ্যে ডিম্বাণু যাকে।
সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
- তাড়িতচুম্বক (Electromagnet) তৈরির মূল ভিত্তি হলো বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র। একটি অন্তরিত তামার তারকে যখন সিলিন্ডার বা কুণ্ডলীর আকারে পেঁচানো হয়, তখন তাকে সলিনয়েড বলা হয়। এই সলিনয়েডের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে এর ভেতরে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়, যা এটিকে একটি সাময়িক চুম্বকে পরিণত করে। সলিনয়েডের ভেতরে কাঁচা লোহার দণ্ড রাখলে এর চৌম্বক শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়।
তাড়িতচুম্বক (Electromagnet):
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়।
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক।
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়।
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
স্নায়ুতন্ত্র:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন।
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক।
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে।
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
দ্রবণ (Solution):
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়।
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়।
দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ:
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
ক) সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution):
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
খ) অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution):
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়।
গ) অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution):
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• আদিকোষে নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং প্লাস্টিড সবই অনুপস্থিত।
• কোষের প্রকারভেদ:
- সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য।
- নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের।
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ।
• ১। আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell):
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না, এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে।
- ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে।
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়।
• ২। প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell):
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত।
- এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।
- ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে।
- অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
পৃথিবী (Earth):
- সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রহ হলো 'পৃথিবী'।
- এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)।
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে।
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ।
চন্দ্র (Moon):
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি.মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়।
- এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দেয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা:
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে তিন লাখ কিলোমিটার বা ত্রিশ কোটি মিটার বা তিন হাজার কোটি সেন্টিমিটার বা এক লাখ ছিয়াশি হাজার মাইল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
◉ কার্ডিওলজি (Cardiology) হল চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যা হৃদযন্ত্র (Heart) এবং রক্ত সংবহনতন্ত্র (Circulatory System) নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত।
কার্ডিওলজির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- হৃদযন্ত্রের গঠন ও কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ,
- হৃদরোগের কারণ ও প্রতিরোধ,
- হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন ব্যাধি, যেমন হার্ট অ্যাটাক, ব্লকেজ ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় ও চিকিৎসা।
কার্ডিওলজির কিছু প্রধান রোগ:
- হৃদরোগ (Heart Disease),
- উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension),
- হার্ট অ্যাটাক (Myocardial Infarction),
- অ্যারিথমিয়া (Arrhythmia) – অনিয়মিত হৃদস্পন্দন,
- কার্ডিওমায়োপ্যাথি (Cardiomyopathy) – হৃদপেশির দুর্বলতা।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে গবেষণা করা হয় 'নিউরোলজি (Neurology)' শাখায়।
খ) কিডনির চিকিৎসা 'নেফ্রোলজি (Nephrology)' শাখার অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিয়ে গবেষণা করা হয় 'পালমোনোলজি (Pulmonology)' শাখায়।
উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Accessible Dictionary by Bangla Academy.
আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়।
- আট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে ভ্রূণের আকার, পূর্ণতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়।
- প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন:
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়।
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়, এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে।
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়।
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'.
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া।
- কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে।
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, ২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং ৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার।
অন্যদিকে,
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার।
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র।
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
পরিপাকতন্ত্রে খাদ্যদ্রব্যের পরিপাক ও পরিশোষণ:
- দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে সব আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে তন্মধ্যে দুধ, মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল উল্লেখযোগ্য।
- এ সকল খাদ্য পরিপাকে যে সকল সাহায্যকারী এনজাইম ভূমিকা রাখে তা হলো-
১. পাচক রস: পেপসিনোজেন ও জিলেটিনেজ।
২. অগ্ন্যাশয় রস: ট্রিপসিনোজেন, কার্বক্সিপেপটাইডেজ- এ. বি ইলাস্টেজ, কোলাজিনেজ প্রভৃতি।
৩. আন্ত্রিক রস: অ্যামাইনোপেপটাইডেজ, ট্রাইপেপটাইডেজ ও প্রোলিডেজ।
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়।
- মুখবিবরের লালা রসে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম না থাকায় মুখবিবরে আমিষের কোনো পরিপাক হয় না।
- কেবলমাত্র খাদ্য চিবানোর ফলে লালারস মিলে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• রৈখিক বিবর্ধন:
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়।
- কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়।
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে।
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়।
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে।
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L0 এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/L0
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে।
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে।
• m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বিষাক্ত পদার্থ:
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ।
- এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
বিস্ফোরক পদার্থ:
- এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়।
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এ ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ।
দাহ্য পদার্থ:
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ।
- এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে, তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সব সময় দূরে রাখতে হবে।
উত্তেজক পদার্থ:
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ।
- এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে। তাই এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখ্য,
- কিছু অ্যালকোহল (যেমন- মিথানল) বিষাক্ত হলেও, "অ্যালকোহল" শব্দটি সাধারণভাবে সবসময় বিষাক্ত বোঝায় না।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।