বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮৩ / ১৪০ · ৮,২০১৮,৩০০ / ১৪,০৮০

৮,২০১.
একই রকম প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হয়, তখন কী ধরনের তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?
  1. ক) অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) স্থির তরঙ্গ
  4. ঘ) আড় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৮,২০২.
শব্দের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন
  2. খ) শব্দের সঞ্চালন অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গাকারে মাধ্যমের সবদিকে হয়
  3. গ) শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন হয়
  4. ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
ব্যাখ্যা
শব্দের বৈশিষ্ট্যঃ শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা) ওপর নির্ভর করে। শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন হয়। বায়ু বা যে কোন জড় মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করলে তা শুধু একদিকে নয় অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গাকারে (গোলকাকৃতিকভাবে) সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
৮,২০৩.
জিওথার্মাল শক্তির প্রধান উৎস কী?
  1. সূর্যের তাপশক্তি
  2. বায়ুর গতি
  3. ভূগর্ভস্থ তাপ
  4. সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ তাপ
ব্যাখ্যা

◉ জিওথার্মাল এনার্জি (Geothermal Energy) হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরে সংরক্ষিত তাপশক্তি, যা মূলত গলিত শিলা (magma), গরম পানি ও বাষ্প থেকে পাওয়া যায়।

জিওথার্মাল এনার্জি: 
- জিওথার্মাল এনার্জি হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপশক্তি, যা প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে রান্না, স্নান, ঘর গরম রাখা, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপ এবং তেজস্ক্রিয় উপাদানের ক্ষয়ের ফলে এই তাপ উৎপন্ন হয়। এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- পৃথিবীতে বিদ্যমান মোট জিওথার্মাল শক্তির পরিমাণ বিশ্বের বর্তমান জ্বালানি চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এ শক্তিকে ব্যবহার করা প্রযুক্তিগতভাবে চ্যালেঞ্জিং। 
- তবুও, এটি জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের বিপরীতে একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস হিসেবে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮,২০৪.
শব্দের তীক্ষ্ণতা প্রধানত কোনটির উপর নির্ভর করে? 
  1. শব্দের অনুরণন
  2. শব্দের কম্পাঙ্ক
  3. শব্দের তীব্রতা
  4. শব্দের প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
শব্দের কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দের কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শব্দের তীক্ষ্ণতা: 
- যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে কোন সুর চড়া বা সরু এবং কোন সুর মোটা বা খাদের তা বুঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে। 
- শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্কের ওপর নির্ভর করে। 
- কপাঙ্ক যত বেশি হবে শব্দের তীক্ষ্ণতা তত বৃদ্ধি পাবে। 
- ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা বেশি ও বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা কম। 
- পুরুষ অপেক্ষা মহিলা ও শিশুদের কন্ঠস্বরের কম্পাঙ্ক বেশি বলে তাদের স্বরও চড়া হয়। 
- মনে রাখতে হবে তীক্ষ্ণতা কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক হলেও দুটি এক জিনিস নয়। 
- কম্পাঙ্ক হলো যান্ত্রিক আন্দোলন যা নিখুঁতভাবে মাপা যায় আর তীক্ষ্ণতা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি। 
- কম্পাঙ্ক কারণ, আর তীক্ষ্ণতা তার ফল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২০৫.
বয়েলের সূত্রে কোনটি অপরিবর্তিত থাকে? 
  1. চাপ
  2. তাপমাত্রা
  3. আয়তন
  4. এনট্রপি
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
বয়েলের সূত্র: 
- ১৬৬২ সালে রবার্ট বয়েল এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি বয়েলের সূত্র বলে পরিচিত। 
- সূত্রটি হলো- "তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক"। 

ব্যাখ্যা: 
- এই সূত্রানুসারে, তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তার আয়তন চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে তাপমাত্রা T, আয়তন V এবং চাপ p হলে; 
V ∞ 1/p [যখন T স্থির থাকে] 
বা, pV = K [এখানে K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক] 
- K এর মান গ্যাসের ভর এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
সুতরাং, যদি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন যথাক্রমে V1, V2, V3, V4......... Vn ইত্যাদি এবং চাপ যথাক্রমে P1, P2, P3, P4........ Pn ইত্যাদি হয় তাহলে, 
P1V1 = P2V2 = P3V3 = P4V4 .......= PnVn = ধ্রুবক (K) । 
- অতএব, চাপ দ্বিগুণ হলে আয়তন অর্ধেক হবে, চাপ তিনগুণ হলে আয়তন এক তৃতীয়াংশ হবে, বা চাপ অর্ধেক হলে আয়তন দ্বিগুণ হবে এভাবে একটি বাড়লে অন্যটি কমবে। 

এনট্রপি: 
- তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। 
- এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান। 
- এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে। 
- এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,২০৬.
অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬
ব্যাখ্যা

কোন মৌলের একটি পরমাণুর ভর কার্বন 12 আইসোটোপের 1/12 অংশের তুলনায় যত গুণ ভারী,সেই সংখ্যাকে ওই মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর (বা সংক্ষেপে পারমাণবিক ভর) বলা হয়।

আণবিক ভর (ইংরেজি: Molecular mass, সংক্ষেপে m) হল সংশ্লিষ্ট কোন পদার্থের একটি অণুর ভর: এটিকে ডাল্টন এককে (Da বা u) পরিমাপ করা হয়। একই যৌগের বিভিন্ন অণুর বিভিন্ন আণবিক ভর থাকতে পারে, কারণ তারা একটি পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন আইসোটোপ দ্বারা গঠিত হয়ে থাকতে পারে।

বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেনের আণবিক ভর হল 32 একক। অক্সিজেনের রাসায়নিক সংকেত O2 এতে ২টি পরমাণু উপস্থিত রয়েছে। সুতরাং, অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর ১৬।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন

৮,২০৭.
নীহারিকার ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) এর আভিধানিক অর্থ ‘কুয়াশা বা মেঘ’
  2. খ) নীহারিকা হলো নক্ষত্রের জন্মস্থান
  3. গ) নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন
  4. ঘ) এতে শতকরা ৫ ভাগ কার্বন রয়েছে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এতে শতকরা ৫ ভাগ কার্বন রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এতে শতকরা ৫ ভাগ কার্বন রয়েছে
ব্যাখ্যা
নীহারিকার:

- প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত।
- বেশির ভাগ নীহারিকায়ই শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন, শতকরা ৯ ভাগ হিলিয়াম আছে।
- এ ছাড়া বাকি শতকরা ১ ভাগ হিসেবে রয়েছে কার্বন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাসিয়াম।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ জুন ২০২৩। [লিঙ্ক]
৮,২০৮.
বেশিরভাগ ফসলের ক্ষেত্রে মাটির pH কত হলে ফলন সর্বোচ্চ হয়?
  1. ৫ থেকে ৬ এর কাছাকাছি
  2. ১৪ এর কাছাকাছি
  3. ৭ এর কাছাকাছি
  4. ০ এর কাছাকাছি
সঠিক উত্তর:
৭ এর কাছাকাছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ এর কাছাকাছি
ব্যাখ্যা
মাটির pH:
ফসল উৎপাদনের জন্য মাটির অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি মানদণ্ড হলাে এর pH। মাটির pH মান জানা থাকলে এটি এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ সেটি বােঝা যায়।

বেশির ভাগ ফসলের বেলাতেই মাটির pH নিরপেক্ষ হলে অর্থাৎ এর মান ৭ বা তার খুব কাছাকাছি হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায়। তাই, কোনাে একটি জমির মাটি পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় এর pH ৭-এর চেয়ে বেশ কম বা অনেক বেশি তাহলে এর pH ৭ করার জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।

তবে কিছু কিছু ফসল আছে, যেমন: আলু এবং গম— এরা মাটির pH ৫-৬ হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন দেয়। অন্যদিকে কিছু ফসল যেমন: যব, মাটির pH ৮ হলে ভালাে উৎপাদন হয়। তাহলে বুঝতেই পারছ ভালাে ফলনের জন্য মাটির pH অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মাটির pH অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা বেশ জরুরি।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম, ২০২১
৮,২০৯.
সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্লুঅন 
  2. গ্রাভিটন 
  3. ফোটন 
  4. Z বোসন 
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
ব্যাখ্যা

- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন। 
 
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- এই মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 
 
অন্যদিকে, 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন। 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

৮,২১০.
অসংক্রামক ব্যাধি-
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) উচ্চ রক্তচাপ
  4. ঘ) আমাশয়
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
এইডস, যক্ষ্মা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, হার্পিস, কোভিড-১৯, দাদ, নিউমোনিয়া, আমাশয় ইত্যাদি হল সংক্রামক রোগ। অন্যদিকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, কিডনি রোগ ইত্যাদি হল অসংক্রামক রোগ।
৮,২১১.
'স্থির আয়তনে কোনো গ্যাসের চাপ তার তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক' -এটি দ্বারা নিচের কোন সূত্রটিকে বুঝায়? 
  1. বয়েলের সূত্র
  2. চার্লসের সূত্র
  3. গে-লুস্যাকের সূত্র
  4. আর্গনের সূত্র
সঠিক উত্তর:
গে-লুস্যাকের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গে-লুস্যাকের সূত্র
ব্যাখ্যা

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোনো নির্দিষ্ট ভরের যেকোনো গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0(273 + t)/273; 
- এই সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোনো গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৮,২১২.
প্রতিটি বৃক্ক স্বচ্ছ ও পাতলা কোন ধরনের ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে?
  1. ক) প্লুরা
  2. খ) পেরিটোনিয়াম
  3. গ) মধ্যচ্ছদা
  4. ঘ) পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিটোনিয়াম
ব্যাখ্যা
বৃক্ক:
- বৃক্ক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ। 
- মানুষের উদরগহ্বরের পশ্চাৎ মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি বৃক্ক থাকে।
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতিটি বৃক্ক প্রায় ১১-১২ সে.মি. লম্বা, ৫-৬ সে.মি. প্রস্থ এবং ৩ সে.মি. পুরু হয়।
- সজীব অবস্থায় বৃক্কের রং খয়েরি লাল।
- আকৃতিতে অনেকটা শীম বীজের মত।
- এর বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল। 
- অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম (hilum) বলে।
- এর ভেতর দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনী ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে। 
- সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ ও পাতলা পেরিটোনিয়াম ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে।  

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,২১৩.
সোডা অ্যাসের সাথে কত অনু পানি যুক্ত হলে কাপড় কাচার সোডা তৈরি হয়?
  1. ক) ৩ অনু
  2. খ) ৭ অনু
  3. গ) ১০ অনু
  4. ঘ) ১২ অনু
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ অনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ অনু
ব্যাখ্যা
কাপড় কাচা সোডা:
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) কে সোডা অ্যাস বলা হয়।
- সোডা অ্যাসের 1 অণুর সাথে 10 অণু পানি রাসায়নিকভাবে যুক্ত হলে তাকে কাপড় কাচা বা ওয়াশিং সোডা বলে।
- কাপড় কাচা সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম কার্বনেট ডেকা হাইড্রেট (Na2CO3.10H2O)।

উৎপাদন প্রনালী: 
- গাঢ় NaOH এর দ্রবণের মধ্যে CO2 কে অধিক পরিমাণে চালনা করলে সোডিয়াম কার্বনেট উৎপন্ন হয় যা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- বিক্রিয়া পাত্রের মধ্যে Na2CO3 এবং পানি থাকে। সোডিয়াম কার্বনেট 10 অণু পানির সাথে যুক্ত হয়ে কাপড় কাচা সোডা (Na2CO3.10H2O) উৎপন্ন হয় ৷



উৎস: মাধ্যমিকের রসায়ন বই।
৮,২১৪.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) উইলিয়াম হার্ভে
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

- প্রাণিদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিনাস করা হয়। এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর বা ধাপে সাজানো হয়। জীবজগৎকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।

- শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় ক্যারোলাস লিনিয়াসকে।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই

৮,২১৫.
নিচের ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হচ্ছে
  2. ফুলের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে
  3. কিসমিস পানি শোষণ করে ফুলে উঠেছে
  4. গাছ মূলরোম দিয়ে পানি শোষণ করছে
সঠিক উত্তর:
ফুলের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুলের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে
ব্যাখ্যা
• ব্যাপন (Diffusion): 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাসের বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বত:স্ফূর্ত অনু প্রবেশকে ব্যাপন বলা হয়। 
যেমন- 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনা-হেনা বা গোলাপ ফুল ফুটলে তার গন্ধও ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- ছাতিম গাছের ফুলের গন্ধও ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে যার ফলে মন উদাস হয়ে যায়। 
- ঘরের মসা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তার গন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 

অন্যদিকে,
- গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হচ্ছে নিঃসরণের উদাহরণ।
- কিসমিস পানি শোষণ করে ফুলে উঠেছে  অভিস্রবণের উদাহরণ।
- গাছ মূলরোম দিয়ে পানি শোষণ অভিস্রবণের উদাহরণ।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২১৬.
ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে তৈরী করা হয়-
  1. ক) ENIAC
  2. খ) IBM
  3. গ) ORPANET
  4. ঘ) INTRANET
সঠিক উত্তর:
ক) ENIAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ENIAC
ব্যাখ্যা
1946 সালে 1800 ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে ENIAC নামে প্রথম কম্পিউটার তৈরী হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,২১৭.
GSM এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. General System  for Mobile Communications
  2. Global Standard for Mobile Technology
  3. Global System for Mobile Communications
  4. General Standard for Mobile Technology
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile Communications
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile Communications
ব্যাখ্যা

• মোবাইল যোগাযোগ (Mobile Communications):
- একাধিক চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা/তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিকেশন সিস্টেমকে মোবাইল কমিউনিকেশন বলা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ক্যাবল ছাড়া যোগাযোগের প্রযুক্তি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের উৎকর্ষতার ফসল হলো মোবাইল কমিউনিকেশন।
- এটি একটি ডুপ্লেক্স বা দ্বিমুখী কমিউনিকেশন সিস্টেম, যার সাহায্যে সুনির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এরিয়ার মধ্যে স্থির বা চলমান উভয় অবস্থায় যে কোনো ধরনের ডেটা কমিউনিকেশন সম্ভব হয়ে থাকে। তবে চলমান অবস্থাতে ডেটা কমিউনিকেশনের বিশেষ সুবিধাটির জন্য এটি মোবাইল কমিউনিকেশন হিসেবেই ব্যাপকভাবে সুপরিচিত।
- বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মোবাইল কমিউনিকেশন একটি অতি প্রয়োজনীয় এবং জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এর জন্য অসংখ্য দেশীয় বা আন্তর্জাতিক মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার রয়েছে।
- কোনো মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার যে ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে তার স্থানীয় সেবাকে বিস্তৃত রাখে, তাকে ঐ মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ক কাভারেজ এরিয়া বলা হয় অর্থাৎ মোবাইল কোম্পানিগুলোর স্থানীয় সার্ভিস প্রধানত দেশীয় সীমা দ্বারা নির্ধারিত।

• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (SMS)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো GSM-এর সাথে সংযুক্ত হয়। এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ)- মাহবুবুর রহমান।

৮,২১৮.
মরীচিকার ক্ষেত্রে নিচের কোন আলোকীয় ঘটনাটি লক্ষ্য করা যায়?
  1. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  2. ব্যাতিচার
  3. অপবর্তন
  4. বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয়, তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণভাবে ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এ ঘটনাকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দায়ী -
- হীরার ঔজ্জ্বল্যের জন্য
- মরুভূমির মরিচীকার জন্য
- পদ্ম পাত্র ওপর বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে তা চকচক করার জন্য
সূত্র: মাধমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৮,২১৯.
মহাজাগতিক রশ্মি কে আবিষ্কার করেন?
  1. ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
  2. টলেমি
  3. ইয়োহান কেপলার
  4. গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays):
- মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক হলেন ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।

- উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন আহিত কণাগুলো যখন মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন তাদের সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয়, ছায়াপথের বাইরের নক্ষত্র বিস্ফোরণের ফলেই বেশিরভাগ মহাজাগতিক রশ্মি উৎপন্ন হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বেলুনের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমাপযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে হেস ও তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন যে মহাজাগতিক রশ্মি বায়ুমণ্ডলকে আয়নিত করতে পারে এবং এর উৎস মহাজাগতিক বিকিরণ। 
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৮,২২০.
মানুষের ক্রোমোজোমের মধ্যে কত জোড়া অটোসোম থাকে?
  1. ২২
  2. ২৪ 
  3. ২০ 
  4. ২৩ 
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা

ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোসোম। অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২২১.
উদ্ভিদে উপস্থিত জাইলেম ও ফ্লোয়েম কী ধরনের কোষকলা?
  1. ক) জটিল টিস্যু
  2. খ) সরল টিস্যু
  3. গ) নিঃস্রাবী টিস্যু
  4. ঘ) ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ক) জটিল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জটিল টিস্যু
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। এ টিস্যু দুই ধরনের- জাইলেম ও ফ্লোয়েম। এরা একত্রে টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে।

সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৮,২২২.
বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝরর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. শুভলং
  2. হিমছড়ি
  3. কুলাউড়া
  4. সীতাকুণ্ড
সঠিক উত্তর:
সীতাকুণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝরণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝরনা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।
- শুভলং ঝরণা রাঙ্গামাটির বরকলে অবস্থিত।
- রিসাং ঝরণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত ঝরণা বান্দরবানে অবস্থিত।
- তৈদুছড়া ঝরনা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
৮,২২৩.
সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক্রেসকোগ্রাফ
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. ক্রনোমিটার
  4. অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
ব্যাখ্যা

• সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম - ক্রনোমিটার।

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্নায়ক যন্ত্র - ক্রেসকোগ্রাফ।
- বিমানের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করার যন্ত্র হল-  সেক্সট্যান্ট।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,২২৪.
Mpox (monkeypox) কী?
  1. ভাইরাসজনিত রোগ
  2. ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ
  3. ছত্রাকজনিত রোগ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসজনিত রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসজনিত রোগ
ব্যাখ্যা
Monkeypox:
- মাঙ্কিপক্স একটি ভাইরাসজনিত প্রাণীজাত (জুনোটিক) রোগ।
- মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে অর্থোপক্স ভাইরাস।
- এ জাতির ভাইরাসের মধ্যে রয়েছে গুটিবসন্ত ও কাউপক্স।
- এ জন্য মাঙ্কিপক্সের সাথে গুটিবসন্ত বা স্মলপক্সের মিল দেখা যায়।
- আবার মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের রয়েছে দু’টো ক্লেড বা উপজাতি।
- দুটি ভিন্ন ক্লেড বিদ্যমান: ক্লেড-১ এবং ক্লেড-২।
- একটি হচ্ছে মধ্য আফ্রিকা ক্লেড-এ উপজাতির মাঙ্কিপক্সে মৃত্যুহার ১০% পর্যন্ত হতে পারে।
- আরেকটি হচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকা ক্লেড-এ উপজাতির মাঙ্কিপক্সে মৃত্যু তেমন হয়নি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৮ সালে ডেনমার্কের একটি বিজ্ঞানাগারে এক বানরের দেহে সর্বপ্রথম এ রোগ শনাক্ত হয় বলে একে মাঙ্কিপক্স বলা হয়।
- এ নামটি বদল করে নতুন বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়ার জন্য বিশ্বস্বাস্থ্যসংস্থা উদ্যোগ নিয়েছে।
- কারণ এ নাম থেকে মনে হতে পারে বানরই এ রোগের জন্য দায়ী, যা সঠিক নয়।
- এ রোগটির প্রাদুর্ভাব ১৯৭০ সাল থেকে প্রধানত মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার ১১টি দেশে দেখা যায়।
- ২০২২-২৩ সালে ক্লেড IIb নামে পরিচিত একটি স্ট্রেন দ্বারা mpox-এর একটি বিশ্বব্যাপী প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল।
- আফ্রিকা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে ২০২৪ সালের শুরু থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত সাড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ এমপক্সে আক্রান্ত হয়েছে আর এতে ৪৫০’রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

⇒ লক্ষণ:
- এর সাধারণ লক্ষণগুলি হলো ত্বকের ফুসকুড়ি বা মিউকোসাল ক্ষত যা জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, পিঠে ব্যথা, কম শক্তি এবং ফোলা লিম্ফ নোড সহ ২-৪ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।
- Mpox সংক্রামক, দূষিত পদার্থ বা সংক্রামিত প্রাণীর সাথে শারীরিক যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ হতে পারে।

⇒ প্রতিকার:
- গুটিবসন্তের জন্য উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন এবং থেরাপিউটিকস এবং কিছু দেশে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত কিছু পরিস্থিতিতে mpox- এর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
- Mpox আছে এমন কারো সাথে শারীরিক যোগাযোগ এড়িয়ে Mpox প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
- টিকা ঝুঁকিপূর্ণ লোকেদের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

উৎস: World Health Organization.
৮,২২৫.
'হিমোগ্লোবিন' কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. ভিটামিন
  4. ফ্যাট
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
• হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন আমিষ/প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৮,২২৬.
জোয়ার-ভাটার জন্য কোনটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
  1. আহ্নিক গতি
  2. সূর্য
  3. চন্দ্র
  4. সমান প্রভাব বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং
- পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি।
- ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়।

জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২২৭.
নিচের কোনটির নিজস্ব আলো রয়েছে?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. উপগ্রহ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒ মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।

নক্ষত্র:
- যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে, তাদেরকে নক্ষত্র বলে।
যেমন- সূর্য।

গ্রহ:
- আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।

উপগ্রহ:
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২২৮.
জীববৈচিত্র্যকে কয়টি স্তরে ভাগ করা যায়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্যকে তিন ভাগে বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity), ২। বংশগতীয় বৈচিত্র্য (Genetical diversity) এবং ৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)।

প্রজাতিগত বৈচিত্র্য:
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ের ভিন্নতাই হলো প্রজাতিগত বৈচিত্র্য।
- সাধারণভাবে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বোঝায়। যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা, বৃদ্ধির ধরন ইত্যাদি ভিন্ন হয়।

বংশগতীয় বৈচিত্র্য:
- এ বৈচিত্র্যতার কারণ হচ্ছে জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চালিত হয়।
- প্রাণিদেহের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য আলাদা আলাদা জীন দায়ী।
- বিভিন্ন কারণে এ জীনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটায় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। এ বংশানুক্রমিক প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে তাকেই বংশগতীয় বৈচিত্র্য বলা হয়।

বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য:
- একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান ও জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে।
- এ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়।
- এ পরিবর্তনের জন্য যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য।
যেমন- একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যে সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২২৯.
বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর জন্য কোন বৈজ্ঞানিকের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  2. আইজ্যাক নিউটন
  3. টমাস এডিসন
  4. ভোল্টা
সঠিক উত্তর:
টমাস এডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস এডিসন
ব্যাখ্যা
- টমাস এডিসন বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের জন্য ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে বিশাল অবদান রেখেছিলেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব উদ্ভাবন করেন এবং বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য একটি কার্যকর বৈদ্যুতিক গ্রিড সিস্টেম চালু করেন।
- এর ফলে বিদ্যুৎ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল।

অন্যদিকে,
- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন: বিদ্যুতের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন এবং বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ প্রবাহের বিষয়টি আবিষ্কার করেন।
- আইজ্যাক নিউটন: তার কাজ মূলত পদার্থবিজ্ঞান ও মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ছিল, বিদ্যুৎ ব্যবহারে তার সরাসরি অবদান নেই।
- ভোল্টা: তিনি ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছিলেন, যা বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে সাধারণ মানুষের ব্যবহারে বিদ্যুতের প্রসারে তার ভূমিকা সীমিত।
তাই, বিদ্যুৎকে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে টমাস এডিসনের অবদান সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,২৩০.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলিক পদার্থ কয়টি? 
  1. ৭৮টি
  2. ৯০টি
  3. ৯৮টি
  4. ১১৮টি
সঠিক উত্তর:
৯৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- আর বাকী ২০টি কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থেরই একটি নাম আছে। 
- আর এদেরকে সংক্ষিপ্ত ও সুবিধাজনকভাবে প্রকাশের জন্যই আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতীক সাধারণত মৌলের ল্যাটিন, গ্রিক বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮,২৩১.
পানি কত ডিগ্রী তাপমাত্রায় ফোটে?
  1. ১০০°F
  2. ১০০°C
  3. ১২০°F
  4. ১২০°C
সঠিক উত্তর:
১০০°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০°C
ব্যাখ্যা
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 
 
পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৩২.
বরফ পানিতে ভাসে কেন?
  1. বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম
  2. বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে বেশি
  3. বরফের দ্রবণীয়তা পানির চেয়ে কম
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে কম
ব্যাখ্যা

◉ বরফ হলো পানির কঠিন রূপ। পানি বরফে পরিণত হলে তার অণুগুলো স্ফটিক আকারে সাজানো হয়, ফলে ফাঁকা জায়গা (empty spaces) তৈরি হয়। এই কারণে বরফের ঘনত্ব (Density ≈ 0.917 g/cm3) পানির ঘনত্বের (Density ≈ 1 g/cm3) চেয়ে কম হয়। কম ঘনত্বের কারণে বরফ পানির উপরে ভেসে থাকে।

ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V . 
- বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার, সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)। ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা gcm-3) বহুল প্রচলিত। এটি S.I এককের উপগুণিতক। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। 
যেমন- [ρ] = ML-3

- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়। 
- তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

৮,২৩৩.
রেল লাইনের স্লিপার তৈরিতে কোন গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়?
  1. সেগুন
  2. গর্জন
  3. শাল
  4. গরান
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা
গর্জন:
- সুতাগোলা বা লেকুয়া গর্জন  স্থানীয়ভাবে লাইসা গর্জন নামেও পরিচিত।
- গাছটি মহাবিপন্ন।
- চিরসবুজ লেকুয়া গর্জন সাধারণত ১২ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে।
- এ গাছের কাঠ প্রধানত নির্মাণকাজ, তক্তা ও ঘরের খুঁটি তৈরিতে ব্যবহার্য। 
- কাঠে সূক্ষ্ম বুনন থাকায় কাপড় বোনার মাকু, সুতা রাখার ববিন এবং গণিত শাস্ত্রের যন্ত্রাদি তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত।
- রেলপথের স্লিপার হিসেবেও এই কাঠ বেশি ব্যবহার করা হতো।
-  তা ছাড়া এ গাছের বাকল ও কাঠ থেকে প্রাপ্ত রেজিন ধূপ হিসেবে ব্যবহার করে তামাকপাতার সুগন্ধি করা হয়।
- রেকর্ড অনুযায়ী এই গাছ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের চিরহরিৎ অরণ্যে জন্মে।

উৎস: ৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
৮,২৩৪.
প্রাইমারি দূষক নয় কোনটি?
  1. SO2
  2. CO2
  3. NH3
  4. SO3
সঠিক উত্তর:
SO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SO3
ব্যাখ্যা

প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO),
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2),  
- কার্বন মনোক্সাইড (CO), 
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), 
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), 
- অ্যামোনিয়া (NH3), 
- ছাই, ধুলিকণা, 
- Volatile organic compounds (VOCs).

• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে। যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3), 
- নাইট্রিক এসিড (HNO3),
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), 
- সালফিউরিক এসিড (H2SO4), 
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H2O2), 
- অ্যামোনিয়াম (NH4+),  
- ওজোন (O3).

উল্লেখ্য: কিছু দূষণকারী পদার্থ প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উভয় দূষকই হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ: নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড জীবাশ্ব-জালানী থেকে এবং বজ্রপাত থেকে সৃষ্টি হয়, আবার এটি অন্যান্য রাসায়নিক থেকেও বায়ুমণ্ডলে তৈরি হতে পারে।


image source: vibe and brie

তথ্যসূত্র: সূত্র: University of California এবং Energy Education

৮,২৩৫.
পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড় কোনটি?
  1. ক) বুধ
  2. খ) বৃহস্পতি 
  3. গ) শনি
  4. ঘ) মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহস্পতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহস্পতি 
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। তাই একে গ্রহরাজ বলা হয়। বৃহস্পতি গ্রহের ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়। সূর্য থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৮,২৩৬.
কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যাকে বলা হয় - 
  1. ইলেকট্রন সংখ্যা
  2. পজিট্রন সংখ্যা
  3. নিউট্রন সংখ্যা
  4. প্রোটন সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন সংখ্যা
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা: 

- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়। 
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11.
- তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রন সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,২৩৭.
তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যদি কোনো আয়নের ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. অণু
  2. নিউক্লিয়াস
  3. ক্যাটায়ন
  4. অ্যানায়ন
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বিশ্লেষণ:
- কোনো দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্নক ও ঋণাত্নক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
- তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবনের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
- সকল অ্যাসিড, ক্ষার, কয়েকটি নিরপেক্ষ লবণ, অ্যাসিড মেশানো পানি ইত্যাদি তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ।
যেমন- H2SO4, NaOH, NaCl ইত্যাদি।

- তড়িৎ বিশ্লেষণে পদার্থের মূলকগুলো আয়নিক হয়।
- কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকে যদি স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম বা বেশি ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে আয়ন বলে।
- যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়ন বলে
- আর যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তাকে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন বলে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকের মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা নিউক্লিয়াসে অবস্থিত মোট প্রোটনের সংখ্যার সমান হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২৩৮.
এক্সোমণ্ডলে প্রধানত কোন দুটি গ্যাস থাকে? 
  1. নাইট্রোজেন ও আর্গন
  2. হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
  3. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
এক্সোমণ্ডল (Exosphere): 
- তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। 
এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। 
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। 
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলাে সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৩৯.
নিম্নের কোনটিতে ল্যাকটিক এসিড পাওয়া যায়?
  1. পালংশাক
  2. তেঁতুল
  3. লেবু
  4. দই
সঠিক উত্তর:
দই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দই
ব্যাখ্যা

দই:
- দইতে ল্যাকটিক এসিড পাওয়া যায়।

- দই তৈরির প্রক্রিয়ায় ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিড এ রূপান্তরিত করে।
- এই ল্যাকটিক এসিডই দইয়ের টক স্বাদ এবং ঘন গঠনের জন্য দায়ী।

⇒ ল্যাকটিক এসিড:
- ল্যাকটিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব যৌগ, যা একটি কার্বোক্সিলিক এসিড।
- এটি সাধারণত দুধের শর্করা (ল্যাকটোজ) এবং অন্যান্য শর্করা থেকে গাঁজন (fermentation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
- এটি দই ও অন্যান্য গাঁজনকৃত দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়।
- এটি খাদ্যকে জমাট বাঁধাতে এবং স্বাদ তৈরি করতে সাহায্য করে।
- তীব্র শারীরিক কাজের সময় (যেমন: ব্যায়াম), শরীরে অক্সিজেন সীমিত হলে গ্লুকোজ ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি দেয়।
- ল্যাকটিক এসিড অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটিয়ে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।

অন্যদিকে,
- পালংশাকে থাকে অক্সালিক এসিড।
- লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।

উৎস: i) বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
ii) Britannica.

৮,২৪০.
কোন গ্রুপের রক্তে a ও b উভয় ধরনের এন্টিবডি থাকে?
  1. গ্রুপ O
  2. গ্রুপ AB
  3. গ্রুপ B
  4. গ্রুপ A
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ O
ব্যাখ্যা
• রক্তের গ্রুপ:
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে।
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে।
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়।
যেমন-
• গ্রুপ A:
এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ B:
এশ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ AB:
এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।

• গ্রুপ O:
এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে।

উল্লেখ্য,
- O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)।
- AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৪১.
Minimum distance for clear vision of an object -
  1. 25 m
  2. 2.5 cm
  3. 25 mm
  4. 25 cm
সঠিক উত্তর:
25 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 cm
ব্যাখ্যা
দর্শনের ন্যুনতম দূরত্ব: 

- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে। 
- কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে.মি.।
- চোখের লেন্স থেকে ২৫ সে.মি. দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়। 
- এর থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৪২.
বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপশক্তি কিসে পরিণত হয়?
  1. শব্দ শক্তিতে
  2. রাসায়নিক শক্তিতে
  3. যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. পারমাণবিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- রেলগাড়ি চলে বাষ্পিয় ইঞ্জিনের বা ইলেকট্রিক শক্তির সাহায্যে। 
- আবার, তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করে বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালনা করা হয়। 
অর্থাৎ, বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে পরিণত হয়। 
 - বাষ্পকে আবার বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালনা করা ছাড়াও আরো অনেক কাজে ব্যবহার করে থাকি। 
যেমন - বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন চালনা করা যায়। এ টারবাইন ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,২৪৩.
নিচের কোনটি প্রাণী শ্রেণীবিন্যাসের ধাপ নয়?
  1. ক) শ্রেণি
  2. খ) গোত্র
  3. গ) দল
  4. ঘ) প্রজাতি
সঠিক উত্তর:
গ) দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দল
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্রাণী শ্রেণিবিন্যাসে সাতটি ধাপ ব্যবহার করা হয়। যথা-
1. Kingdom (রাজ্য)
2. Phylum (পর্ব)
3. Class (শ্রেণি)
4. Order (বর্গ)
5. Family (গোত্র)
6. Genus (গণ)
7. Species (প্রজাতি)

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৪৪.
কোন বিজ্ঞানী প্রমাণ করেছিলেন যে, মুমুর্ষ তারা থেকে ব্ল্যাক হোল গঠন সম্ভব?
  1. ক) হাইজেনবার্গ
  2. খ) জর্জ লেমেটার
  3. গ) রজার পেনরোজ
  4. ঘ) জন হুইলার
সঠিক উত্তর:
গ) রজার পেনরোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রজার পেনরোজ
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী রজার পেনরোজ আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ করেছিলেন যে, মুমুর্ষ তারা থেকে ব্ল্যাক হোল গঠন সম্ভব। তার স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
সোর্সঃ nobelprize.org
৮,২৪৫.
একটি আহিত বস্তুর চারপাশের যে অঞ্চলে তার প্রভাব থাকে তাকে কী বলা হয়? 
  1. তড়িৎ প্রাবল্য
  2. তড়িৎ বিভব
  3. তড়িৎ ক্ষেত্র
  4. তড়িৎ দ্বিমেরু
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
তড়িৎ ক্ষেত্র: 
একটি আহিত বস্তুর চারপাশে যে অঞ্চলব্যাপী তার প্রভাব বজায় থাকে অর্থাৎ অন্য কোনো আহিত বস্তু আনা হলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল লাভ করে সেই অঞ্চলকে ঐ আহিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্র বলে। 

তড়িৎ বিভব: 
- অসীম থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে। 

তড়িৎ দ্বিমেরু: 
- এক জোড়া সমান ও বিপরীত বিন্দু আধান অল্প দূরত্বে অবস্থিত থাকলে তাকে তড়িৎ দ্বিমেরু বলে। 

তড়িৎ প্রাবল্য: 
- তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ প্রাবল্য বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৮,২৪৬.
কক্ষ তাপমাত্রায় নিম্নের কোনটি তরল?
  1. ক) Fe
  2. খ) CI2
  3. গ) Br2
  4. ঘ) I2
সঠিক উত্তর:
গ) Br2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Br2
ব্যাখ্যা
- ব্রোমিন সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে। 
- এর সংকেত Br2। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 
৮,২৪৭.
কোনটি পলিমার যৌগ?
  1. পলিথিন
  2. ইথিলিন
  3. বিউটেন
  4. ফরমালিন
সঠিক উত্তর:
পলিথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিথিন
ব্যাখ্যা
পলিমার (Polymer):
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরােস (Meros) থেকে।
- পলি শব্দের অর্থ হলাে অনেক (Many) এবং মেরােস শব্দের অর্থ অংশ (Part)।
- অর্থাৎ অনেকগুলাে একই রকম ছােট ছােট অংশজোড়া দিয়ে যে একটি বড় জিনিস পাওয়া যায়, সেটি হচ্ছে পলিমার।

•পলিথিন: 
-  পলিথিন ইথিলিনের পলিমার।
- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়।
- তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 
- তবে উচ্চ চাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতি টি জনপ্রিয় নয়।
- এখন টাইটেনিয়াম ট্রাই ক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পলিথিন তৈরি হয়। 


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৮,২৪৮.
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথম কোন প্রাণীর জিন নকশা উন্মোচন করেন?
  1. ক) ছাগল
  2. খ) মহিষ
  3. গ) ভেড়া
  4. ঘ) হাঁস
সঠিক উত্তর:
খ) মহিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহিষ
ব্যাখ্যা

প্রাণী হিসেবে প্রথম মহিষের জিন নকশা উন্মোচনে সফলতা লাভ করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
বেসরকারি কোম্পানি লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড চীনের বেইজিং জেনোম ইনস্টিটিউটের (বিজেআই) সহায়তায় ২০১৪ সালে এই সফলতা অর্জন করে।
মহিষের জীবনরহস্য উন্মোচনের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বিজেআইয়ের চেয়ারম্যান জিয়ান উয়াং এবং লাল তীরের বিজ্ঞানী মো. মনিরুজ্জামান। মোট ১৪ জন বিজ্ঞানী দুই বছর তিন মাস সময় ধরে এই গবেষণাটি করেছেন।
এর আগে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাটবিষয়ক মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশি ও তোষা পাট এবং ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচিত করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
সূত্র: প্রথম আলো ও banglanews24.com

৮,২৪৯.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. ক) বিভব
  2. খ) তাপমাত্রা
  3. গ) বল
  4. ঘ) ত্বরণ
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি:
কিছু কিছু মূল রাশি আছে, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয়। এসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
- রাশিগুলোকে পরিমাপ করতে অন্য কোন এককের উপর নির্ভর করতে হয় না।

যৌগিক বা লব্ধ রাশি: 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।
- যে গুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৫০.
সূর্যপৃষ্ঠের উত্তাপ কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ৫০০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৭০০০° সেলসিয়াস
  4. ৮০০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun):
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এর পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস।
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৫১.
গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন -
  1. ক) জোনাস সক
  2. খ) জ্যাকব হেইন
  3. গ) ইভান পাভলভ
  4. ঘ) এডওয়ার্ড জেনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা
গুটি বসন্তের প্রথম টিকা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮ শতকের শেষভাগে ১৭৯৬ সালে। এডওয়ার্ড জেনার এ টিকা আবিষ্কার করেন। এটিই ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল টিকা।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা
৮,২৫২.
একটি পাত্রে ১ লিটার পানি নিয়ে ১০ মিনিট তাপ দেয়ার পর পানির তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। আরো ৩ মিনিট তাপ প্রয়োগ করলে পানির তাপমাত্রা কত ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) ১০০ ডিগ্রি
  2. খ) ৫০ ডিগ্রি
  3. গ) ০ ডিগ্রি
  4. ঘ) ২৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
গ) ০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাই পানির তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর পর যতই তাপ প্রয়োগ করা হোক না কেন পানির তাপমাত্রা আর বৃদ্ধি পাবে না।
এই অতিরিক্ত প্রযুক্ত তাপ তরল পানিকে বাষ্পে রূপান্তর করে।
তবে পানির উপরে চাপ বৃদ্ধি করলে এর স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। যেমন প্রেসার কুকারে পানি ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে।
৮,২৫৩.
হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে বাইরের স্তর কোনটি?
  1. এন্ডোকার্ডিয়াম
  2. মায়োকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃৎপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃৎপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর: 
- হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। 
- এসব পেশীকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। যেমন- 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- মায়োকার্ডিয়াম হৃৎপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃৎকপাটিকাসমূহ সৃষ্টি করে তা ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃৎপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৫৪.
নিচের কোনটি ফ্রেয়ন নামে পরিচিত? 
  1. CClF3
  2. CCl2F2
  3. CCl2F4
  4. CCl3F4
সঠিক উত্তর:
CCl2F2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CCl2F2
ব্যাখ্যা
ফ্রেয়ন: 
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাঁপা নলের কুণ্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুণ্ডলী বলে। 
- এই কুণ্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়। 
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরােডাইফ্লোরাে মিথেন (CCl2F2)। 
- এই নলের সাথে একটি সংকোচন পাম্প সংযুক্ত থাকে।
- পাম্প চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়।
- এজন্য যে সুপ্ততাপ প্রয়ােজন তার খানিকটা ফ্রেয়ন নিজে সরবরাহ করে আর বাকীটা আসে শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে ফলে শীতলীকরণ ঘটে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৫৫.
To hear an echo, the minimum distance between the source and the reflector must be:
  1. 16.6 meters
  2. 15 meters
  3. 12.6 meters
  4. 8 meters
  5. 20 meters
সঠিক উত্তর:
16.6 meters
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16.6 meters
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
- সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৫৬.
নিচের কোনটির ভেদন ক্ষমতা সবথেকে বেশি?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি। স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন, এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে ও ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এর কোন ভর নেই।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই।

৮,২৫৭.
কোন স্থানে একটি জোয়ারের পর প্রায় কতক্ষণ পরে ভাটার সময় আসে?
  1. ১২ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. ৮ ঘন্টা ২৬ মিনিট
  3. ৫ ঘন্টা ১৭ মিনিট
  4. ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

জোয়ার এবং ভাটার সময়ের মধ্যে গড়ে প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট ব্যবধান থাকে। এটি ঘটতে থাকে চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে। চাঁদের আকর্ষণীয় শক্তি সমুদ্রের জলকে টানিয়ে জোয়ার সৃষ্টি করে, এবং যখন সমুদ্রের জল সবচেয়ে বেশি উঁচু থাকে, তখন সেটি জোয়ার। জোয়ার সর্বোচ্চ হওয়ার প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে জল নেমে যায়, যা ভাটার সময়। এই সময়ের ব্যবধান প্রায় সমান থাকে, তবে স্থানভেদে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে। তাই, জোয়ার শেষ হওয়ার প্রায় ছয় ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় পরে ভাটা শুরু হয়।

• জোয়ার ভাঁটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়।
- এক মুখ্য জোয়ার চলে যাবার ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সাড়ে বার ঘন্টা পরে সেই জায়গায় গৌণ জোয়ার এবং ঐ স্থানের প্রত্যেক জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়।

• জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
১.মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
২. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২৫৮.
প্রোটিন সংশ্লেষণ করা কোনটির প্রধান কাজ? 
  1. নিউক্লিয়াস
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. রাইবোসোম
  4. মাইটোকন্ড্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
ব্যাখ্যা
রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে বলা হয় রাইবোসোম। 
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই উপস্থিত থাকে। 
- সাধারণত অমসৃণ অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার উভয় দিকে এরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন করা। 
- এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। 
- এটি আমিষ সংশ্লেষণের স্থান নির্ধারণ করে, প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন করে এবং এ সকল কাজে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে। 

অন্যদিকে, 
- ক্লোরোপ্লাস্টকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়। 
- মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বলা। হয়। 
- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৫৯.
মায়োটম পেশী থাকে কোথায়? 
  1. Urochordata
  2. Cephalochordata
  3. Vertebrata
  4. Cyclostomata
সঠিক উত্তর:
Cephalochordata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cephalochordata
ব্যাখ্যা

মায়োটম পেশী (Myotome):
- মায়োটম হলো ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন খণ্ডিত পেশী।
- এটি দেহের পার্শ্বদেশে V বা W আকৃতির পেশীখণ্ড হিসেবে সাজানো থাকে।
- মায়োটম মূলত দেহের চলন ও সাঁতারে সাহায্য করে। - এই পেশী সাধারণত কর্ডেট প্রাণীদের দেহে খণ্ডিত আকারে দেখা যায়।
- মায়োটম পেশী নটোকর্ডের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে।

Cephalochordata-তে মায়োটম পেশী:
- Cephalochordata পর্বের প্রাণী যেমন Amphioxus (Branchiostoma)-এ মায়োটম পেশী অত্যন্ত সুস্পষ্ট।
- এদের দেহে সারাজীবন খণ্ডিত মায়োটম পেশী বিদ্যমান থাকে।
- মায়োটম পেশীর সাহায্যে এরা দক্ষভাবে সাঁতার কাটতে পারে।
- Cephalochordata-কে মায়োটম পেশীর আদর্শ উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।

অন্যান্য অপশনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ:
- Urochordata-তে লার্ভা অবস্থায় কিছু পেশী দেখা গেলেও পূর্ণাঙ্গ মায়োটম সুস্পষ্ট নয়।
- Vertebrata-তে মায়োটম ভ্রূণীয় অবস্থায় থাকলেও পরিণত অবস্থায় তা পরিবর্তিত হয়।
- Cyclostomata-তে মায়োটম আংশিকভাবে দেখা গেলেও Cephalochordata-এর মতো স্পষ্ট নয়।

সুতরাং, মায়োটম পেশী প্রধানত ও স্পষ্টভাবে পাওয়া যায় Cephalochordata পর্বে।

সঠিক উত্তর: খ) Cephalochordata.

সূত্র - sciencedirect journal.

৮,২৬০.
জেরোফথ্যালমিয়া নামক রোগ কোন ভিটামিনের অভাবে হয়? 
  1. ভিটামিন 'এ'
  2. ভিটামিন 'বি'
  3. ভিটামিন 'সি'
  4. ভিটামিন 'ডি'
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন 'এ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন 'এ'
ব্যাখ্যা

রাতকানা (Night Blindness): 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia) নামক রোগ হয়
অর্থাৎ, এই রোগের সর্বনিম্ন মাত্রা রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন 'এ'-এর অভাব পূরণ না হলে রোগটির মাত্রা ও তীব্রতা বাড়তে থাকে। 
- জেরোফথ্যালমিয়ার সাত থেকে আটটি মাত্রা রয়েছে, যার সর্বনিম্ন মাত্রা হচ্ছে রাতকানা। 
- সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা দেয়। 
- এতে চোখের সংবেদী 'রড' কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, স্বল্প আলোতে ভালো দেখতে পায় না, চোখে সবকিছু ঝাপসা দেখা যায়। 
- রোগটা বেড়ে গেলে কর্নিয়া ঘোলাটে হয়ে যায়। 
- রাতকানা দশা থেকে শুরু করে চতুর্থ বা পঞ্চম মাত্রার জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ'-সহ কিছু ওষুধ প্রয়োগে ভালো হয়, কিন্তু রোগ চূড়ান্ত মাত্রায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছে গেলে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার ছাড়া আর তেমন কিছু করার থাকে না। 
- এই রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন: মাছের যকৃতের তেল, কলিজা, সবুজ শাকসবজি, রঙিন ফল (পাকা আম, কলা ইত্যাদি) ও সবজি (মিষ্টি কুমড়া, গাজর ইত্যাদি) এবং মলা-ঢেলা মাছ খাওয়া উচিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,২৬১.
মানব দেহে সাধারণভাবে অটোজোম থাকে -
  1. ক) ২৩ জোড়া
  2. খ) ২৪ জোড়া
  3. গ) ২১ জোড়া
  4. ঘ) ২২ জোড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮,২৬২.
ভিটামিন D-এর অভাবে শিশুদের কোন রোগ হতে পারে?
  1. স্কার্ভি
  2. রিকেট
  3. গোইটার
  4. বেরিবেরি
সঠিক উত্তর:
রিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিকেট
ব্যাখ্যা
ভিটামিন D:
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন D পাওয়া যায়।
- এই ভিটামিন সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে উপস্থিত কোলেস্টেরল হতে ধাপে ধাপে লিভার ও কিডনির সহায়তায় সংশ্লেষিত হয়।
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন D-এর প্রধান উৎস।
- বাঁধাকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন D পাওয়া যায়।
- ভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে।
- ভিটামিন D-এর অভাবে শিশুদের রিকেট রোগ হতে পারে।
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন D গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়।
- এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিণ্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৮,২৬৩.
মাইটোসিস ঘটে কোনটিতে?
  1. ক) স্নায়ুকোষ
  2. খ) লোহিত রক্তকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) দেহকোষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষ
ব্যাখ্যা
মাইটোসিস ঘটে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অংশের ভাজক টিস্যু এবং প্রাণীর দেহকোষে৷ প্রাণীর স্নায়ুকোষ, পরিণত স্তন্যপায়ীদের লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকা এবং উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যুর কোষে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে না৷
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৮,২৬৪.
মৌলিক রাশি কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা

যে সকল রাশি পরিমাপের জন্য অন্য রাশির সাহায্য দরকার হয় না বা অন্য রাশি পরিমাপের জন্য যে রাশিগুলাে দরকার হয় সেইসব রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
মৌলিক রাশি সাতটি।
যথাঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ এবং দীপন তীব্রতা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই

৮,২৬৫.
এক্সরে কে আবিষ্কার করেন?
  1. ‌‌হ্গ
  2. রন্টজেন
  3. স্টিফেন হকিং
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
রন্টজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রন্টজেন
ব্যাখ্যা
1885 সালে উইল হেলোম রন্টজেন উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন এক ধরনের রশ্মি আবিষ্কার করেন তার নাম এক্সরে।
৮,২৬৬.
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের বিস্তৃতি কতটুকু?
  1. ক) ৬০ কিলোমিটার
  2. খ) ৯৭ কিলোমিটার
  3. গ) ৫০০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ১০০০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। বায়ুমণ্ডলের ব্যপ্তি যত বিশালই হোক না কেন এর ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
৮,২৬৭.
নিম্নের কোন রক্তকণিকাটি রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) অণুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অণুচক্রিকা
ব্যাখ্যা
অণুচক্রিকা
• ইংরেজিতে এদেরকে প্লেইটলেট (Platelet) বলে।
• অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন।
অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে৷ থ্রমবিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন- ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়। ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষত স্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৮,২৬৮.
বীজপত্রের সংখ্যা অনুসারে গুপ্তবীজী উদ্ভিদ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই 
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই 
ব্যাখ্যা
বীজপত্রের সংখ্যা অনুসারে গুপ্তবীজী উদ্ভিদ দুধরণের হয়ে থাকে।
যথা —
একবীজপত্রী উদ্ভিদ, দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।
যেসব উদ্ভিদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে , তাদেরকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — ধান , ভুট্টা , গম , তাল , সুপারি , নারকেল ইত্যাদি একবীজপত্রী উদ্ভিদ।
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৮,২৬৯.
কোন তেজষ্ক্রিয় রশ্মিটি ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট?
  1. ক) আলফা
  2. খ) বিটা
  3. গ) গামা
  4. ঘ) এক্স-রে
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।

এর মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। বিটা (B) রশ্মি  ঋণাত্মক আধান বহন করে এবং গামা রশ্মি তড়িৎ নিরপেক্ষ।

আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- আলফা রশ্মি দুইটি প্রোটন ও দুইটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। 
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 
- এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
- এই রশ্মির তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আয়নিত করবার ক্ষমতা অনেক বেশি। 
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৭০.
লিউকোপ্লাস্ট প্লাস্টিডের বর্ণ কীরূপ হয়ে থাকে?
  1. ক) সবুজ
  2. খ) হলুদ
  3. গ) কমলা
  4. ঘ) বর্ণহীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বর্ণহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বর্ণহীন
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষনীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।

প্লাস্টিড তিন ধরনের।
যথা-
১. ক্লোরোপ্লাস্ট,
২. ক্রোমোপ্লাস্ট এবং
৩. লিউকোপ্লাস্ট।

- লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন অর্থাৎ এদের কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না,
- ক্রোমোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে এবং
- সবুজ প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট।
- ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে। সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর কাজ। ক্লোরোফিল অনুর উপাদান ম্যাগনেসিয়াম।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৭১.
নিচের কোন উপাদানটির অভাবে গাছের কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়?
  1. ক) বোরন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ম্যাগনেশিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লৌহ
ব্যাখ্যা

লৌহের অভাবে গাছের কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।
লৌহের অভাবে প্রথমে গাছের কচি পাতার রঙ হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৮,২৭২.
ট্যাকোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে নিম্নের কোনটি নির্ণয় করা হয়?
  1. বায়ুর গতিবেগ
  2. তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব
  3. সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ
  4. উড়োজাহাজের গতি
সঠিক উত্তর:
উড়োজাহাজের গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড়োজাহাজের গতি
ব্যাখ্যা
ট্যাকোমিটার:
- কোনাে ঘূর্ণন যন্ত্রের গতি পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ট্যাকোমিটার (Techometer)।
- এটি সাধারণত রেভোলিউশনস পার মিনিট (RPM) হিসেবে গতি পরিমাপ করে।
- ট্যাকোমিটারের সাহায্যে উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
- আনেমোমিটার: সাধারণত বায়ুর গতিবেগ মাপা হয় নট (knot) নামক একক দিয়ে। ১ নট = ১.৮২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। সাধারণত অ্যানিমোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয়।
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার। বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র হাইড্রোমিটার।

উৎস: Britannica.
৮,২৭৩.
নিচের কোন লবণের জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ প্রকৃতির হয়?
  1. FeCl3
  2. Na2CO3
  3. CH3COONa
  4. Na2SO4
সঠিক উত্তর:
Na2SO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2SO4
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। 
- লবণের ধনাত্মক আয়নটি ক্ষার থেকে আসে। তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয় মূলক (Basic radical) বলে। 
- আর লবণের ঋণাত্মক আয়নটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে। তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক (Acid radical) বলে। 
- তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ প্রকৃতির। 
যেমন- NaCl, Na2SO4 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ। 

- তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 
যেমন— FeCl3, Zn(NO3)2 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ অম্লীয়। 

- তীব্র ক্ষার ও মৃদু এসিডের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 
যেমন- Na2CO3, CH3COONa (সোডিয়াম ইথানয়েট) ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,২৭৪.
রঙিন টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রঙের সংখ্যা-
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন:
- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৭৫.
পানিবাহিত রোগ নয় কোনটি?
  1. ডায়রিয়া
  2. টাইফয়েড
  3. ম্যালেরিয়া
  4. আমাশয়
সঠিক উত্তর:
ম্যালেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা
পানিবাহিত রোগ:

• যে সব রোগ দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বা ছড়ায় তাদেরকে পানিবাহিত রোগ বলে।
• পানিবাহিত অনুজীবসমূহ মূলত দেহের পাকস্থলিতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে অভীষ্ট অঙ্গে বা অন্ত্রে স্থানান্তরিত হয়।
• পানিবাহিত রোগসমূহের মধ্যে - ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, কলেরা, পোলিও, হেপাটাইটিস বি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

• ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- অ্যানোফিলিস।

• ভেক্টর বাহিত রোগ:
- মশাঃ ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসিস।
- মাছি:  উদরাময়, আমাশয়, ক্রিমি সংক্রমণ, কালাজ্বর, চ্যাগাস ডিজিস, স্লিপিং সিকনেস, চোখের কৃমি (deer fly)।

অন্যদিকে, 
- যে সকল রোগ হাঁচি-কাশি বা কথাবার্তা বলার সময় বায়ুতে জীবাণু ছড়ানোর মাধ্যমে হয় সেগুলোকে বায়ুবাহিত রোগ বলে। 
- যেমন: সোয়াইন ফ্লু, হাম, গুটিবসন্ত, যক্ষা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,২৭৬.
Which plant organelle carries out photosynthesis?
  1. Mitochondria
  2. Chloroplast
  3. Nucleus
  4. Ribosome
  5. Golgi body
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
ব্যাখ্যা
• ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণুতে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই - অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরী করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)।

• সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান:
- ক্লোরোপ্লাস্ট,
- সূর্যালোক,
- পানি,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড।
 
• সালোকসংশ্লেষণের গুরুত্ব:
→ খাদ্য তৈরি: উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে, যা অন্যান্য প্রাণী ও মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে।  
→ অক্সিজেন সরবরাহ: সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন নির্গত হয়, যা জীবনের জন্য অপরিহার্য।  
→ পরিবেশের ভারসাম্য: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখে। 

• ক্লোরোপ্লাস্ট:
- ক্লোরোপ্লাস্ট হল উদ্ভিদ কোষের মধ্যে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু, যেখানে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে।
- ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ সূর্যালোক শোষণ করে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৮,২৭৭.
নিচের কোন উদ্ভিদে নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী উভয় ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়?
  1. সাইকাস
  2. নিটাম
  3. নারিকেল
  4. ইক্ষু
সঠিক উত্তর:
নিটাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিটাম
ব্যাখ্যা

- জীবাশ্মের পরীক্ষা থেকে অন্তর্বর্তী উদ্ভিদের অস্তিত্ব বিরল ঘটনা হলেও এমন কিছু উদ্ভিদের কথা জানা যায়, যাদের মধ্যে পাশাপাশি দুটি গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য বর্তমান।
- নিটাম নামক উদ্ভিদে নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী উভয় ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৮,২৭৮.
টেলিফোনের আবিষ্কারকের নাম কী?
  1. ক) লজি বেয়ার্ড
  2. খ) গ্রাহাম বেল
  3. গ) ওপেন হেইমার
  4. ঘ) মাদাম কুরী
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাহাম বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাহাম বেল
ব্যাখ্যা
১৮৭৫ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন। 

- টেলিফোনে পাঁচটি উপাংশ পাঁচটি। যথা- সুইচ, রিংগার, কী প্যাড, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার। 
- টেলিফোন মানুষের মুখের কথা তাত্ক্ষণিক প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- টেলিফোন একটি ইংরেজি শব্দ। টেলি অর্থ দূর এবং ফোন অর্থ ধ্বনি।

সূত্র- ৩৭৮ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮,২৭৯.
কোথায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম?
  1. ভূ-পৃষ্ঠে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৮,২৮০.
একটি বাল্বে "30W - 120V" লেখা আছে। রোধ কত?
  1. 806.67 Ohm
  2. 16.67 Ohm
  3. 480 Ohm
  4. 320 Ohm
সঠিক উত্তর:
480 Ohm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
480 Ohm
ব্যাখ্যা
R = V2/P = 1202/30 = 120 ×120/30 = 480 Ohm
৮,২৮১.
Who is the father of Big Bang model?
  1. Stephen Hawking
  2. Georges Lemaître
  3. Galileo Galilei
  4. Archimedes
সঠিক উত্তর:
Georges Lemaître
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Georges Lemaître
ব্যাখ্যা
বিগ-ব্যাংগ:

- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রাড় তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়।
- জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুর করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব।
- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ আমাদের পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা।
- বিগ-ব্যাংগ সংঘটিত হয়েছিল সর্বত্র। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুরু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির ‘শুর' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ‍ বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৮২.
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিন অবস্থারই অস্তিত্ব পাওয়া যায়-
  1. ক) মোমে
  2. খ) পারদে
  3. গ) কর্পূরে
  4. ঘ) লবণে
সঠিক উত্তর:
ক) মোমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোমে
ব্যাখ্যা
তাপের প্রভাবে মোমের কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিন অবস্থারই অস্তিত্ব পাওয়া যায়। মোম হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। হাইড্রোজেন ও কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলো হাইড্রোকার্বন। মোম জ্বালালে হাইড্রোকার্বন অণুগুলো তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। ঐ তরল মোম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়। বাষ্পীয় মোম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো এবং তাপ উৎপন্ন করে। তরল মোমের কিছু অংশ ঠান্ডা হলে কঠিন মোমে পরিণত হয়।
[সূত্রঃ রসায়নবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৮,২৮৩.
ডিম্বকের নিউসেলাসের বাইরের আবরণকে কী বলে?
  1. ক) ডিম্বকমূল
  2. খ) ডিম্বকরন্ধ্র
  3. গ) ডিম্বকত্বক
  4. ঘ) ডিম্বকনাভী
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বকত্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বকত্বক
ব্যাখ্যা
ডিম্বকের পরিস্ফুটন:
- সপুষ্পক উদ্ভিদের স্ত্রী জননাঙ্গ বলতে স্ত্রীস্তবকের প্রত্যেকটা স্ত্রীকেশর (Carpel) কে বুঝায়।
- প্রতিটি স্ত্রীকেশর তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা- গর্ভমুন্ড, গর্ভদন্ড ও গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয় ।
- ডিম্বাশয়ের অভ্যন্তরে অবস্থিত স্ফিত অংশকে ডিম্বক (Ovule) বলে ।
- ডিম্বক সৃষ্টি হয় গর্ভাশয়ের ভেতরের অমরা (Placenta) হতে।
- প্রথমে অমরাতে একটি ছোট স্ফিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, পরে সেটা বড় হয়ে ডিম্বকে পরিণত হয়।
- ক্ষেত্র বিশেষে একটি ডিম্বাশয়ে এক বা একাধিক ডিম্বক থাকতে পারে।
- প্রাথমিকভাবে ডিম্বকের টিস্যুকে মূলত দুটি অঞ্চলে ভাগ করা চলে । যথা- চারপাশের আবরণী টিস্যু ও মাঝের নিউসেলাস (Nucellus) টিস্যু।
- পরে বাইরের আবরণটির নিচে অন্য একটি আবরণের সৃষ্টি হয়।
- বাইরের আবরণকে বহিঃত্বক এবং ভেতরের আবরণকে অন্তঃত্বক বলে।
- ডিম্বকের অগ্রভাগে একটি অংশে ত্বক না থাকায় নিউসেলাস উন্মুক্ত থাকে।
- এটিতে একটি ছিদ্র পথ থাকে, যাকে ডিম্বকরন্ধ্র বা মাইক্রোপাইল (Micropyle) বলা হয়। 
- ডিম্বক সৃষ্টির শুরু সবক্ষেত্রে একইভাবে হলেও পরে ডিম্বকের বৃদ্ধি একইভাবে হয় না।
- এ ব্যতিক্রমের জন্য পূর্ণ গঠিত ডিম্বক নানা আকৃতির হয়।

ডিম্বকের গঠন:
- একটি ডিম্বক (Megasporangium = ovule) নিম্নলিখিত অংশগুলো নিয়ে গঠিত-
১। ডিম্বকনাড়ী (Funiculus): ডিম্বকের বোঁটার ন্যায় অংশকে ডিম্বকনাড়ী বলে। এ বোঁটার সাহায্যে ডিম্বক অমরার সাথে যুক্ত থাকে ।
২। ডিম্বকনাভী (Hilum): ডিম্বকের যে অংশের সাথে ডিম্বকনাড়ী সংযুক্ত থাকে তাকে ডিম্বকনাভী বলে ।
৩। নিউসেলাস (Nucellus): ডিম্বকের মূল দেহকে ভ্ৰূণপোষক টিস্যু বা নিউসেলাস বলে। এটি প্যারেনকাইমা টিস্যু দ্বারা গঠিত এবং ডিম্বকত্বক দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। 
৪। ডিম্বকমূল (Chalaza): ডিম্বকের গোড়ার দিকে যে অংশ হতে ডিম্বকত্বক উৎপন্ন হয় তাকে ডিম্বকমূল বলে ।
৫। ডিম্বকত্বক (Integument): নিউসেলাসের বাইরের আবরণকে ডিম্বকত্বক বলে। এটি সাধারণত দু'স্তরবিশিষ্ট হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে একস্তর বিশিষ্টও হতে পারে।
৬। ডিম্বকরন্ধ্র (Micropyle): ডিম্বকত্বক ডিম্বককে সম্পূর্ণ আবৃত না করায় শীর্ষদেশে একটি ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষুদ্র ছিদ্রপথকে ডিম্বকরন্ধ্র বলে। 
৭। ভ্রূণথলি (Embryosac) : নিউসেলাসের মধ্যে অবস্তিত থলির ন্যায় অংশকে ভ্রণথলি বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,২৮৪.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
  1. ক) এইডস
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) ডেঙ্গু
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
এইডস রোগটি হয় HIV ভাইরাস দ্বারা।
জলাতঙ্ক রোগটি হয় র‍্যাবিস ভাইরাস দ্বারা।
ডেঙ্গু রোগটি হয় ফ্ল্যাভি ভাইরাস দ্বারা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮,২৮৫.
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির ডিজিটাল সংকেতের স্তরগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হয়?
  1. ০ এবং ১
  2. উচ্চ এবং নিম্ন
  3. সত্য এবং মিথ্যা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system) এবং 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- ডিজিটাল সংকেত একটি বিশেষ ধরনের সংকেত যা একটি নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ মান ধারণ করে। এই সংকেতের মধ্যে অন্য কোনো স্তর বা মধ্যবর্তী মান থাকে না। 
- এই ধরনের সংকেতকে চৌকো তরঙ্গ (square waves) বলা হয়, কারণ এটি কেবল দুটি স্তরের (উচ্চ এবং নিম্ন) মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
- ডিজিটাল সিগন্যালের ক্ষেত্রে ক্রমানুসারে পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহৃত হয়।
- ইলেকট্রনিক্সে এই ধরনের সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারি (binary) সংকেত বলা হয়।
- ডিজিটাল সংকেতের জন্য, দুটি আলাদা অবস্থায় কাজ করা যন্ত্রাংশ প্রয়োজন হয়।
উদাহরণস্বরূপ, ট্রানজিস্টরের সচল (on) বা অচল (off) অবস্থা দ্বারা এই সংকেতকে বোঝানো সম্ভব।
- এছাড়াও, প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি, অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা এবং অচৌম্বকায়িত অবস্থা ব্যবহার করেও ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটি চিহ্নিত করা যায়।
- ডিজিটাল সংকেতের দুটি স্তরকে সাধারণত 0 এবং 1, সত্য এবং মিথ্যা, অথবা উচ্চ এবং নিম্ন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি জনপ্রিয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৮৬.
কোন পদার্থটির আপেক্ষিক তাপ বেশি?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. মাটি
  3. তামা
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত পদার্থগুলোর মধ্যে পানির আপেক্ষিক তাপ বেশি।

• আপেক্ষিক তাপ:
- 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg- 1K- 1.
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 kg- 1K- 1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130J তাপের প্রয়োজন।
- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়।

• নিচে কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো:
- পানির আপেক্ষিক তাপ 4200 Jkg- 1K- 1.
- জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক তাপ 2000 Jkg- 1K- 1.
- রূপার আপেক্ষিক তাপ 230 Jkg- 1K- 1.
- মাটির আপেক্ষিক তাপ 800 থেকে 1400 Jkg- 1K- 1.
- বরফের আপেক্ষিক তাপ 2100 Jkg- 1K- 1.
- তামার আপেক্ষিক তাপ 400 Jkg- 1K- 1.
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg- 1K- 1.
- বায়ুর আপেক্ষিক তাপ 700 থেকে 1000 Jkg- 1K- 1.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৮৭.
পরিবেশ দূষককে প্রধানত কতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষক:

- Environmental Pollutant নানাবিধ কারণে পরিবেশ দূষিত হতে পারে।
- যে সকল উপাদানের কারণে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হয় পরিবেশের সেই সকল উপাদানকে পরিবেশ দূষক (Environmental Pollutant) বলে।
- Smith (১৯৭৭) এর মতে, “মানুষের কার্যকলাপে সৃষ্ট বস্তু বা পদার্থ যে মাত্রায় জীবমণ্ডলে প্রবেশ করলে বাস্ত প্রতিবেশের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এবং কার্যকারিতা বিনষ্ট হয় এবং জীব-প্রজাতি ও মানুষের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাকে দূষক বলে।”
- দূষকের প্রকারভেদ Classification of Pollutant বিভিন্ন ধরনের দূষক রয়েছে।

দূষককে প্রধানত ৪ টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১. কঠিন বর্জ্য পদার্থ।
২. তরল বর্জ্য পদার্থ।
৩. বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ।
৪. ওজনহীন প্রভাবক।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ দূষক ও দূষণ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৮৮.
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক কত লিটার পানি পান করা প্রয়োজন?
  1. ক) ১-২ লিটার
  2. খ) ২-৩ লিটার
  3. গ) ৩-৪ লিটার
  4. ঘ) ৪-৫ লিটার 
সঠিক উত্তর:
খ) ২-৩ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২-৩ লিটার
ব্যাখ্যা
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন।


- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।  এ ছাড়া পানি শরীর থেকে ঘাম নিঃসরণ এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে।


- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেক দিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবিজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 


- গরম আবহাওয়া ও কঠোর পরিশ্রমে দেহে পানির অভাব দেখা দেয়। শরীরে পানির অভাব হলে তীব্র পিপাসা হয়, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ত্বক কুঁচকে যায়। পানির অভাবে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে।


- দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খাবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে।


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৮,২৮৯.
EPI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Extensive Programme on immunization
  2. খ) Expanded programme on immunization
  3. গ) Extend Programme on immunization
  4. ঘ) Exclusive programme on immunization
সঠিক উত্তর:
খ) Expanded programme on immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Expanded programme on immunization
ব্যাখ্যা
EPI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Expanded programme on immunization. 

বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির বিকাশ ও সম্প্রসারণের জন্য দ্য এক্সপেন্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন (ইপিআই) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রতিটি শিশুর জন্য ডিপথেরিয়া, পের্টুসিস, টিটেনাস, পোলিওমাইলাইটিস, হাম এবং যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সূত্র: National Library of Medicine Website. 
৮,২৯০.
নিউট্রনের চার্জ কেমন? 
  1. ধনাত্মক 
  2. ঋণাত্মক 
  3. শূন্য 
  4. পরিবর্তনশীল 
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
ব্যাখ্যা

পরমাণুর সাংগঠনিক কণা: 
- একমাত্র হাইড্রোজেন ছাড়া সকল পদার্থের পরমাণু তিনটি কণা দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। 
- এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundmental) বা মৌলিক কণা বলে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। 

ইলেকট্রন: 
- ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মৌলিক কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক (নেগেটিভ)। 
- এ আধানের পরিমাণ -1.60×10-19 কুলম্ব। 
- একে e প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একটি ইলেকট্রনের ভর 9.11×10-28 g। 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1 ধরা হয় এবং এর ভর প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের তুলনায় 1840 গুণ কম। তাই এর আপেক্ষিক ভরকে শূন্য ধরা হয়। 

প্রোটন: 
- প্রোটন হলো পরমাণুর অপর একটি মৌলিক কণিকা যার চার্জ বা আধান ধনাত্মক (পজেটিভ)। 
- এ আধানের পরিমাণ +1.60×10-19 কুলম্ব। 
- একে p প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একটি প্রোটনের ভর 1.67×10-24 g। 
- প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1 এবং আপেক্ষিক ভর 1 ধরা হয়। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন হলো পরমাণুর আরেকটি মৌলিক কণিকা যার কোনো আধান বা চার্জ নেই। 
- হাইড্রোজেন ছাড়া সকল মৌলের পরমাণুতেই নিউট্রন রয়েছে। 
- একে n প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- এর ভর প্রোটনের ভরের চেয়ে সামান্য বেশি। 
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান 0 আর আপেক্ষিক ভর 1 ধরা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,২৯১.
'ভাইল ফার্মিয়ন' কণার অস্তিত্ব আবিস্কারের নেতৃত্ব দেন কোন পদার্থবিজ্ঞানী?
  1. জামান নজরুল ইসলাম
  2. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. এম জাহিদ হাসান
  4. আতাউল করিম
সঠিক উত্তর:
এম জাহিদ হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম জাহিদ হাসান
ব্যাখ্যা
- পঁচাশি বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০১৫ সালে খুঁজে পাওয়া যায় বহুল প্রতীক্ষিত অধরা কণা ফার্মিয়ন, ভাইল ফার্মিয়ন। 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে একদল গবেষক পরীক্ষাগারে এই কণা খুঁজে পান।
- এই আবিষ্কার এখনকার মুঠোফোন, কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক সামগ্রীর গতি বাড়াবে, হবে শক্তিসাশ্রয়ী। 
- ফার্মিয়নের অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে দ্রুতগতির এবং অধিকতর দক্ষ নতুন যুগের ইলেকট্রনিকসের সূচনা হবে।
- এই আবিষ্কার কাজে লাগিয়ে তৈরি নতুন প্রযুক্তির মুঠোফোন ব্যবহারের সময় সহজে গরম হবে না। কারণ, এই কণার ভর নেই।
- এটি ইলেকট্রনের মতো পথ চলতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে না।’
- গ্রহ-নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, গাছপালা, ফুল কিংবা মানুষ—সবই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার পিণ্ড। দু
- নিয়ার এসব বস্তুকণাকে বিজ্ঞানীরা দুই দলে ভাগ করেন। 
 - এসব কণার একটি ফার্মিয়ন, যার একটি উপদল হলো ভাইল ফার্মিয়ন।
-  ১৯২৯ সালে হারম্যান ভাইল এই কণার অস্তিত্বের কথা প্রথম জানিয়েছিলেন।
 - ২০১৫ সালে পরীক্ষামূলক প্রমাণ হাজির করলেন জাহিদ হাসান। 
- আরেক জাতের কণা হলো ‘বোসন’, যার নামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছেন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু। 
- তাঁর আবিষ্কারের ৯১ বছর পর ভাইল ফার্মিয়নের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়ে পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে যুক্ত হলেন আরেক বাঙালি জাহিদ হাসান।
 
উৎস: প্রথম আলো। 
৮,২৯২.
শরীরের কোষে অক্সিজেন সরবরাহের জন্য কোন রক্তকণিকা দায়ী?
  1. নিউট্রোফিল
  2. প্লাজমা
  3. এরিথ্রোসাইট
  4. থ্রম্বোসাইট
সঠিক উত্তর:
এরিথ্রোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিথ্রোসাইট
ব্যাখ্যা

এরিথ্রোসাইট (লোহিত রক্তকণিকা) এর প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করা। 

এরিথ্রোসাইট (লোহিত রক্ত কণিকা): 
- এরিথ্রোসাইট বা লোহিত রক্তকণিকা হলো মানবদেহের অন্যতম প্রধান রক্তকণিকা, যা রক্তের মোট আয়তনের প্রায় ৪৫% দখল করে।
- এর প্রধান কাজ হলো হিমোগ্লোবিন নামক লৌহযুক্ত প্রোটিনের সাহায্যে ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেওয়া।
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উল্লেখ্য-
- নিউট্রোফিল: এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cells) যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্লাজমা: রক্তের তরল অংশ যা হরমোন, প্রোটিন, এবং পুষ্টির মতো উপাদান পরিবহন করে।
- থ্রম্বোসাইট: থ্রম্বোসাইট হলো অণুচক্রিকার (Platelets) অপর নাম যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

৮,২৯৩.
সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি ‘অলিম্পাস মন্স’ কোন গ্রহে অবস্থিত?
  1. শনি
  2. বুধ
  3. মঙ্গল
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল
ব্যাখ্যা

‘অলিম্পাস মন্স’ আগ্নেয়গিরি:
- সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি অলিম্পাস মন্স এর অবস্থান মঙ্গল গ্রহে।
- ১৯৭১ সালে নাসার মেরিনার ৯ মহাকাশযান এটি আবিষ্কার করে।
- অলিম্পাস মন্স প্রায় ২৭ কিলোমিটার উঁচু ও এর ভিত্তি ৬০০ কিলোমিটারের বেশি চওড়া।
- ধারণা করা হয়, মঙ্গল গ্রহের প্রাথমিক ভূতাত্ত্বিক যুগে, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে অলিম্পাস মন্স গঠিত হয়।
- আগ্নেয়গিরিটি বর্তমানে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৮,২৯৪.
নিচের কোন যৌগটি একটি লবণ?
  1. ক) ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) কার্বনিক এসিড
  4. ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম নাইট্রেট
ব্যাখ্যা

- প্রশমন বিক্রিয়ার সাহায্যে এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয় মূলক বলে।
- আর লবণের ঋণাত্মক অংশটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে। তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক বলে৷
- ক্যালসিয়াম অক্সাইড এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড হলো ক্ষার।
- কার্বনিক এসিড হলো একটি অম্ল।
- পটাশিয়াম নাইট্রেট হলো একটি লবণ।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৮,২৯৫.
ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে?
  1. ক) নিঃসরণ
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) ঊর্ধপাতন
  4. ঘ) বাষ্পীভবন
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাপন
ব্যাখ্যা
কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।

কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম।


উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি
৮,২৯৬.
কোনটির প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) অভিকর্ষ বল
  3. গ) বেগ
  4. ঘ) ত্বরণ
সঠিক উত্তর:
খ) অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- মূলত এই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না।
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার আকর্ষণ মূলত হচ্ছে মহাকর্ষ।
- পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৯৭.
বাল্বের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে কোন শক্তি সৃষ্টি হয়?
  1. আলোক ও চৌম্বক শক্তি
  2. তাপ ও আলোক শক্তি
  3. চৌম্বক ও শব্দ শক্তি
  4. তাপ ও শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
তাপ ও আলোক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও আলোক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি: কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৯৮.
পর্যায় সারণিতে কয়টি পর্যায় বিদ্যমান?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। 
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৯৯.
জেনারেটর হচ্ছে -
  1. ক) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র
  3. গ) রাসায়নিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার যন্ত্র
ব্যাখ্যা

যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।
জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে।
যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি.জেনারেটর।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮,৩০০.
কোনটি মূখ্য পুষ্টি উপাদান?
  1. কার্বন
  2. মলিবডেনাম
  3. বোরন
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদে প্রায় 60টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে, তবে এই 60টি উপাদানের মধ্যে মাত্র 16টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।
- এ 16টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।

-ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা -
১. নাইট্রোজেন,
২. পটাসিয়াম,
৩. ক্যালসিয়াম,
৪. লৌহ,
৫. ম্যাগনেসিয়াম,
৬. কার্বন,
৭. হাইড্রোজেন,
৮. অক্সিজেন,
৯. ফসফরাস ও
১০. সালফার।

- ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।