উত্তর
ব্যাখ্যা
অল্প বিস্তারে আন্দোিলত কোনো সরল দোলকের দোলনকাল চারটি সূত্র মেনে চলে। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এই সূত্রগুলো আবিস্কার করেন।
সুত্রঃ এইচএসসি পদার্থ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৭ / ১৪০ · ৮,৬০১–৮,৭০০ / ১৪,০৮০
অল্প বিস্তারে আন্দোিলত কোনো সরল দোলকের দোলনকাল চারটি সূত্র মেনে চলে। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এই সূত্রগুলো আবিস্কার করেন।
সুত্রঃ এইচএসসি পদার্থ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সেরিবেলাম (Cerebellum) হলো মস্তিষ্কের এমন একটি অংশ যা শরীরের ভারসাম্য, অঙ্গভঙ্গি ও পেশির সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি মস্তিষ্কের পেছনের অংশে অবস্থিত এবং ব্রেইনস্টেমকে ঘিরে থাকে।
- আমাদের শরীরের বিভিন্ন সংবেদী অঙ্গ, যেমন; কান, চোখ, পেশি ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত তথ্য সেরিবেলাম খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে।
- এর ফলে শরীরের প্রতিটি নড়াচড়া যথাযথভাবে, মসৃণভাবে এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
- সেরিবেলাম ক্ষতিগ্রস্ত হলে চলাফেরায় অসামঞ্জস্য, দুলে যাওয়া, হাত কাঁপা এবং শরীরের ভারসাম্য হারানো দেখা দেয়।
অন্যদিকে,
- সেরিব্রাম: চিন্তা, স্মৃতি, ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেডুলা: শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দণের মতো অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- থ্যালামাস: ইন্দ্রিয় সংকেত মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।
তথ্যসূত্র:
- NCTB জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।
• বল:
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে।
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে।
- যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।
২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন
গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।
৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
চুম্বক:
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে।
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়।
চুম্বক সংক্রান্ত কয়েকটি প্রয়োজনীয় সংজ্ঞা:
১. চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব।
- কোনো চুম্বকের আকষর্ণী ও দিক নির্দেশক ধর্মকে এর চুম্বকত্ব বলে।
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে।
২. চৌম্বক মেরু (Magnetic pole):
- চুম্বকের দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি।
- এই দুই প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে।
৩. চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis):
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।
৪. চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length):
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'বোসন কণা' হলো মৌলিক কণা।
• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
দুধ:
- দুধ হচ্ছে লিপিড, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন এবং পানিতে দ্রবীভূত অথবা বিক্ষিপ্ত বিভিন্ন অজৈব এবং জৈব লবণের মিশ্রণ।
- দুধ একটি কলয়েড বা ইমালশন।
- স্তন্যপায়ী স্ত্রী প্রাণীর দেহে এটি তৈরি হয় যা তাদের নবজাতক শিশুর খাদ্যের প্রধান উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- দুধের প্রধান উপাদানগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো-
১. চর্বি (Lipids):
- দুধের মধ্যে চর্বি অদ্রবণীয় সূক্ষ্ম কণারূপে বিদ্যমান থাকে। চর্বির পরিমাণ দ্বারা দুধের গুণগতমান নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। উচ্চ চর্বি বিশিষ্ট দুধ অধিক ক্রিম বহন করে ও মসৃণ হয় এবং বেশি মাখন ও পনির উৎপন্ন করে। এটি শক্তির একটি উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে কাজ করে।
২. প্রোটিন (Protein):
- দুধে উচ্চমান সম্পন্ন প্রোটিন বিদ্যমান। সাধারণত প্রতি লিটার দুধে 30-35g প্রোটিন উপস্থিত থাকে। দুধে উপস্থিত 76-86% প্রোটিনই কেজিন (Casein) দ্বারা গঠিত। প্রধানত চার প্রকার কেজিন দুধের মধ্যে পাওয়া যায়। যেমন: αS1, αS2, β এবং K-কেজিন। এর সাথে অল্প পরিমাণ অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউনিন বিদ্যমান যা বিভিন্ন অসুখের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
৩. কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate):
- দুধে বিদ্যমান প্রধান শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হচ্ছে ল্যাকটোজ। এক অণু গ্লুকোজ এবং এক অণু গ্ল্যাক্টোজ এর সমন্বয়ে ল্যাকটোজ তৈরি হয়। এটি দুধের মিষ্টতা বাড়ায়। দুধের মধ্যে প্রায় 4.8% ল্যাকটোজ বিদ্যমান যা দুধের 40% ক্যালরি উৎপন্ন করে।
8. খনিজ লবণ (Minerals):
- দুধে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস অধিক পরিমাণে বিদ্যমান। এছাড়া অল্প পরিমাণে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্লোরাইড, সাইট্রেট প্রভৃতি বিদ্যমান থাকে। ক্যালসিয়াম হাড়ের বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। দাঁতের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই প্রয়োজন।
৫. ভিটামিন (Vitamins):
- দুধ ভিটামিনের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। দুধের মধ্যে ভিটামিন A, B6, B12, C, D, K, F আছে। এছাড়াও থায়ামিন, নায়াসিন, রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথ্যানিক এসিড প্রভৃতি উপাদান বিদ্যমান।
৬. পানি (Water):
- দুধে পানির পরিমাণ গড়ে ৪7%। পানিতে দ্রবণীয় বিভিন্ন খাদ্য উপাদান দ্রবীভূত থাকে। এদের মধ্যে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও সি উল্লেখযোগ্য।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এসিড বৃষ্টি:
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া।
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে।
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2) ।
এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব:
- বর্তমানে রিপোর্টে প্রকাশিত ভারতের 'মথুরা অয়েল রিফাইনারি' থেকে নির্গত SO2 বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড বৃষ্টি ঘটাচ্ছে।
- এ এসিড বৃষ্টি থেকে 'তাজমহল'-এর মার্বেল পাথর আক্রান্ত হচ্ছে। এসিড বৃষ্টিতে বিভিন্ন ধাতুর তৈরি ব্রিজ ও অট্টালিকার ক্ষতি হয়।
- এসিড বৃষ্টির ফলে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ আক্রান্ত হয়। কম pH এর পানিতে মাছের ডিম হ্যাচিং (hatching) বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। অধিক অম্লত্বের কারণে জলাশয়ে সমগ্র বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে জলাশয় বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
- এসিড বৃষ্টির প্রভাবে বৃষ্টি অরণ্য (rain forest)- এর বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম এসিড বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- মাটির উপাদান ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, জিংক ধাতুর ফসফরাস যৌগ এসিড বৃষ্টি ধুয়ে নিয়ে মাটিকে অনুর্বর করে দেয়।
এসিড বৃষ্টির প্রতিকার:
- এসিড বৃষ্টি হওয়ার পরে পুকুর ও হ্রদের পানিতে এবং কৃষি জমিতে চুন বা লাইম অথবা চুনাপাথর গুঁড়া ছিটানো দরকার। তখন অতিরিক্ত এসিড ক্যালসিয়াম লবণে পরিণত হয়। এরূপ লাইমিং কাজে অর্থ ব্যয় খুব বেশি।
- দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো ট্রপোস্ফিয়ারকে SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা।
- এজন্য শিল্পক্ষেত্রে FGD প্ল্যান্ট ও মোটর-কারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করে NOx গ্যাসকে বিজারিত করে N2 গ্যাসে পরিণত করা।
অন্যদিকে,
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়।
যেমন- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে।
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর।
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম এমিটার (Emitter)।
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো।
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়।
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামেও পরিচিত।
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
রৈখিক বিবর্ধন:
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়, কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়।
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে।
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়।
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে।
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L০ এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li ।
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo ।
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে।
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে।
• m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কাজ করার হারকেই ক্ষমতা (Power) বলা হয়। অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে সেই সময় দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা পাওয়া যায়। গাণিতিকভাবে: ক্ষমতা (P) = কাজ (W) / সময় (t) ।
ক্ষমতা (Power):
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
অর্থাৎ, ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়)
সুতরাং, ক্ষমতা = বল × বেগ (P = Fv)
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W.
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3.
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- গর্ভাবস্থায় জরায়ু ও ভ্রূণের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে প্রোজেস্টেরন হরমোন সহায়তা করে।
মানব প্রজননে হরমোনের ভূমিকা:
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোনগুলো হলো-
১। শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি:
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম- টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন।
- এ হরমোন শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায়।
২। পিটুইটারী গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) বৃদ্ধি উদ্ধীপক হরমোন এবং (খ) উৎপাদক হরমোন।
- এ হরমোন জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মাতৃদেহের স্তন দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। থাইরয়েড গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- থাইরক্সিন হরমোন।
- এ হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশ ও বিপাকে সহায়তা করে।
৪। অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি:
- এ গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- অ্যাড্রানালিন হরমোন।
- এ হরমোন যৌন অঙ্গের বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।
৫। ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি:
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) ইস্ট্রোজেন, (খ) প্রোজেস্টেরন এবং (গ) রিলাক্সিন।
- এ হরমোন নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৬। অমরা গ্রন্থি:
- অমরা থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) গোনাডোট্রপিক এবং (খ) প্রোজেস্টেরন।
- এ হরমোন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ চুনাপাথর (Limestone) সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল। এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) থাকে, যা পোড়ালে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) তৈরি হয় এবং অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সিমেন্ট তৈরি করে।
সিমেন্ট উৎপাদন:
- সিমেন্ট উৎপাদনের জন্য দু'ধরনের কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। যথা-
১। ক্যালকেরিয়াস (Calcareous): চুনাপাথর, সিমেন্ট রক, মার্বেল, চক ইত্যাদি।
২। আরজিলেসিয়াস (Argillaceous): সিলিকা (SiO2), অ্যালুমিনা (Al2O3), আয়রন অক্সাইড (Fe2O3) ইত্যাদি।
সাধারণভাবে পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের শতকরা সংযুক্তি নিম্নরূপ:
• চুন (CaO) → 60-70%,
• সিলিকা (SiO2) → 20-25%,
• অ্যালুমিনা (Al2O3) → 5-10%,
• ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) → 2-3%,
• ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) → 1-5%,
• ক্ষার → 1%.
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• লাল বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়।
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম:
- বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- সংক্ষেপে বেনীআসহকলা।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে আমরা আলোক শক্তি ও তাপ শক্তি পাওয়া যায়।
- তাপ শক্তির সাথে সূর্য থেকে সরাসরি আর যে শক্তিটি আসে তা হচ্ছে আলোক শক্তি।
- আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না।
- সূর্য আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
- অপরদিকে, তাপ শক্তি সরাসরি সূর্য থেকে সরাসরি আসে। এই তাপ শক্তি পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে।
- তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী বা, উদ্ভিদ বেঁচে থাকতে পারে না।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
• বসন্ত বায়ুবাহিত রোগ।
- বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ সাধারণত সেই রোগের জন্য হয় যা শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে পরিবেশে ছড়িয়ে থাকা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে টাইফয়েড, পোলিও, এবং জন্ডিস সাধারণত খাদ্য বা পানি দ্বারা সংক্রমিত হয়। অন্যদিকে, বসন্ত বা হালকা জ্বর ও চর্মরোগের সাথে যুক্ত রোগটি প্রধানত শ্বাসনালি বা বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। অর্থাৎ, আক্রান্ত ব্যক্তির কাশির ফোঁটা বা শ্বাস-প্রশ্বাসে থাকা জীবাণু অন্য ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করলে তারাও আক্রান্ত হতে পারে। তাই বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত রোগের উদাহরণ হিসেবে “বসন্ত” সঠিক উত্তর।
• বায়ুবাহিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হপিং কফ, নিউমোনিয়া, সাধারণ ঠান্ডা জ্বর, বসন্ত, হাম ইত্যাদি।
- প্রতিরোধ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হপিং কফ এবং হামের টিকা নেয়া। এই জাতীয় রুগী থেকে দূরে থাকা। পরিবারের কেউ অসুস্থ্য হলে আলাদা রেখে চিকিৎসা করা।
• সংক্রামক রোগ:
- রোগের জীবাণু যখন পরোক্ষভাবে বাতাস, পানি, মশা-মাছি, কীট-পতঙ্গ, জীব-জন্তু ইত্যাদি দ্বারা অথবা সরাসরি পরস্পরের সংস্পর্শে এক দেহ থেকে অন্য দেহে খুব সহজেই বিস্তার লাভ করে তখন তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলা হয়।
• পানিবাহিত রোগ:
- জন্ডিস, পোলিও, ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, রক্ত আমাশা (ডিসেন্ট্রি) বিভিন্ন ধরনের কৃমি রোগ ইত্যাদি।
- প্রতিরোধ: পানি ফুটিয়ে পান করা, টিউবওয়েলের পানি পান করা, ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, যেখানে সেখানে মলমূত্র পরিত্যাগ না করা, জুতা স্যান্ডেল পায়ে চলাফেরা করা, পোলিও রোগের টিকা নেয়া।
উৎস: পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামকের একক অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2), কারণ M = m(2l) এবং মেরুশক্তি ও চৌম্বক দৈর্ঘ্যের গুণফলই ভ্রামক।
• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক:
- কোনো চুম্বকের একটি মেরুশক্তি (m) ও চৌম্বক দৈর্ঘ্য (2l)-এর গুণফলকে চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক বলে।
- গাণিতিক রূপ: M = m(2l)।
- এটি একটি ভেক্টর রাশি।
- একক = অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2)।
• চৌম্বক দৈর্ঘ্য:
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর দুই মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্ব।
- জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের তুলনায় কিছুটা কম।
• চৌম্বক মেরু:
- চুম্বকের দুই প্রান্তে আকর্ষণ বল সর্বাধিক।
- উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু থাকে।
• অন্যান্য অপশন:
- ওয়েবার → চৌম্বক ফ্লাক্সের একক।
- টেসলা → চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্বের একক।
- নিউটন-মিটার → কাজ বা টর্কের একক।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পৃষ্ঠদেশ একক ও ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু- কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য।
কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. ভ্রূণ অবস্থায় অথবা সারা জীবন পৃষ্ঠ মধ্যরেখা বরাবর নিরেট (Solid), দণ্ডাকৃতির (Rod-shaped) ও স্থিতিস্থাপক (Elastic) নটোকর্ড (Notochord) বর্তমান যা মেরুদণ্ডীদের (Vertebrates) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
২. নটোকর্ডের (Notochord) পৃষ্ঠদেশ (Dorsal side) বরাবর ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ু-রজ্জু (Nerve cord) উপস্থিত। মেরুদণ্ডীদের ক্ষেত্রে এটির অগ্রপ্রান্তে মস্তিষ্ক (Brain) এবং এর পশ্চাতে সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal cord) গঠিত হয়।
৩. উন্নত কর্ডেট (Higher Chordates) ছাড়া অধিকাংশ প্রাণীতে সারা জীবন অথবা জীবনের যে কোন দশায় গলবিলে পার্শ্বীয়ভাবে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র (Gill slits) বর্তমান।
৪. মেরুদণ্ডীদের অন্তঃকঙ্কাল বিশিষ্ট দু’জোড়া পদ (অগ্রপদ ও পশ্চাৎ পদ) বর্তমান।
৫. এন্ডোস্টাইল (Endostyle) উপস্থিত যা পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে (Thyroid glands) রূপান্তরিত হয়।
৬. পায়ু (Anus) পরবর্তী পেশীবহুল ও স্থিতিস্থাপক লেজ (Tail) উপস্থিত।
৭. উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিপাক গ্রন্থিবিশিষ্ট এবং পাকস্থলী (Stomach) ও অন্ত্র (Intestine) সুস্পষ্টভাবে আলাদা।
৮. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির। অঙ্কীয় দিকে অবস্থিত হৃদযন্ত্র, পৃষ্ঠীয় ও অঙ্কীয় রক্তনালী নিয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত। হেপাটিক পোর্টাল তন্ত্র (Hepatic portal system) উন্নত প্রকৃতির।
৯. জলজ শ্বসন (Aquatic respiration) ফুলকার (Gill) সাহায্যে এবং বায়বীয় শ্বসন (Arial respiration) ফুসফুসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
১০. অধিকাংশ প্রাণীতে কোমলাস্থি (Cartilage) অথবা অস্থি (Bone) নির্মিত কঙ্কাল দৈহিক অবকাঠামো তৈরি করে।
১১. বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া সকলেই একলিঙ্গ (Dioecious) প্রাণী।
সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
কর্টিসল হরমোনকে সাধারণত "স্ট্রেস হরমোন" বলা হয়।
কারণ এটি শরীরের মানসিক ও শারীরিক চাপের (stress) প্রতি প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং চাপপূর্ণ পরিস্থিতিতে শরীরকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
কেন অন্য অপশনগুলো ভুল
ক) বৃদ্ধি হরমোন: এটি সোমাটোট্রপিন হরমোন নামেও পরিচিত এবং শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
গ) ইনসুলিন: এটি একটি পেপটাইড হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ঘ) থাইরক্সিন: এটি থাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত একটি হরমোন যা শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া (metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে।
• সালোক সংশ্লেষণ:
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে (১) আলো, (২) ক্লোরোফিল, (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই- অক্সাইড।
- সূর্য হতে যে আলো পৃথিবীতে আসে তার যে অংশ উদ্ভিদের পাতায় পতিত হয় সে অংশের শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, বাকী ৯৮ থেকে ৯৯ ভাগ সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে অথবা কিছু অংশ তাপ শক্তি রূপে শোষিত হয়।
- বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এর মতে সূর্যের আলো এ পৃথিবীতে আসে তড়িৎ চুম্বকীয় বিচ্ছুরিত রশ্মি বা তরঙ্গ হিসাবে এবং সৌর শক্তি ফোটন (photon) নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনিকাসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- সূর্যের যে আলো পৃথিবীতে আসে তা বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের হয়।
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য মিটার, সেন্টিমিটার, ন্যানোমিটার, মিলিমাইক্রন এবং অ্যাংস্ট্রম হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মহাকর্ষ:
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন।
- কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মন্ডলীর গ্রহ উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না।
- ১৭৬৪ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন যার নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল।
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল।
অর্থাৎ, যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন যা নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত।
সূত্র- 'মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে'।
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological/Biochemical Oxygen Demand - BOD):
পানিতে উপস্থিত অনুজীব কর্তৃক জৈব ও অজৈব পদার্থকে বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড BOD বলে।
পানির উৎকর্ষতা নির্ধারণে BOD নির্দেশক রূপে কাজ করে।
রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Chemical Oxygen Demand - COD):
পানির মধ্যে কিছু অপচনশীল বা জৈব বিয়োজনের অযোগ্য (nonbiodegradable) বস্তু থাকে যাদের বিয়োজন ব্যাকটেরিয়া বা জীবণু দ্বারা সম্পন্ন হয় না।
এগুলিকে বিয়োজনের জন্য শক্তিশালী জারক পদার্থ যেমন K2Cr2O7 (যা অক্সিজেন সরবরাহ করে) প্রয়োজন হয়। এরা দূষক পদার্থকে জারিত করে। পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (COD) বলে।
উল্লেখ্য যে,
কোন নমুনার COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা COD নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জৈব ভাঙ্গনযোগ্য বা বিয়োজন যোগ্য এবং বিয়োজন অযোগ্য এই উভয় প্রকার জৈব বস্তুই জারিত হয়। পানিতে COD এর মান বৃদ্ধির অর্থ হলো দূষণের হার বৃদ্ধি।
উৎসঃ পরিবেশ রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• জ্বালানিতে সঞ্চিত শক্তি রাসায়নিক শক্তি।
• জ্বালানি ও শক্তির ব্যবহার:
- রান্নার কাজে আমরা জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করি।
- কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালে এর ভেতরে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• তাপশক্তির ব্যবহার:
- কাঠ পোড়ালে যে তাপ উৎপন্ন হয়, সেই তাপ ব্যবহার করে—
- রান্না করা হয়,
- ইটের ভাটা ও
- ইস্পাত বা সিরামিক শিল্পে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়।
• শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার:
- লোহা, ইস্পাত ও সিরামিক শিল্পে প্রচুর তাপশক্তির প্রয়োজন হয়।
এক্ষেত্রে—
- কয়লা,
- পেট্রোলিয়াম এবং
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি খনিজ জ্বালানি তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়।
• যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর:
- তাপ ইঞ্জিনে জ্বালানি দহন চেম্বারে পোড়ানোর ফলে যে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
এই যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে—
- মোটরগাড়ি,
- জাহাজ,
- বিমান এবং
- রেলগাড়ি চালানো হয়।
উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
সমুদ্রস্রোত:
- একস্থান থেকে অন্যস্থানে মহাসাগর ও সাগরের পানির নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে মহাসাগরীয় স্রোত বা সমুদ্রস্রোত (Ocean Current) বলে।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে এবং সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী সমুদ্রস্রোতকে প্রধান দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা: (ক) উষ্ণ স্রোত ও (খ) শীতল স্রোত।
সমুদ্র স্রোতের কারণ:
পানির স্বাভাবিক নিয়ম হচ্ছে তার উপরিভাগের সমতা রক্ষা করা। তাই সমুদ্রের একস্থানের পানি অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
নিম্নলিখিত কারণে সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি হয়। যথা:
১. বায়ুপ্রবাহ (Wind Movement) - প্রধান কারণ।
২. পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of Earth);
৩. তাপমাত্রার তারতম্য (Variation in Temperature);
৪. লবণাক্ততার তারতম্য (Variation in Salinity);
৫. স্থলভাগের অবস্থান (Presence of Landmasses);
৬. অসম বাষ্পীভবন (Unequal Evaporation);
৭. সমুদ্রের গভীরতা (Depth of the Ocean).
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
ফরমালিন (Formalin):
- ফরমালডিহাইড অর্থাৎ মিথান্যাল (Methanal)-এর ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- অর্থাৎ এতে থাকে ৪০ ভাগ মিথান্যাল এবং ৬০ ভাগ পানি।
- এটি একটি সংরক্ষণকারী পদার্থ, যা বিভিন্ন মৃত প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।
রেকটিফাইড স্পিরিট (Rectified Spirit):
- এটি ৯৫.৬% ইথানল এবং ৪.৪% পানির মিশ্রণ।
- এটি সাধারণত জীবাণুনাশক, ঔষধ প্রস্তুতি এবং পরীক্ষাগারে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভিনেগার (Vinegar):
- (৬ - ১০)% ইথানোয়িক অ্যাসিডের (Ethanoic acid) জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়।
- এটি খাদ্য সংরক্ষণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
• সৌরকোষে ব্যবহৃত হয় সিলিকন।
• সৌরশক্তি:
- সৌরশক্তি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। সৌর শক্তিকে নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সৌরশক্তির তাপশক্তি ও আলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবহার করা যায়।
- সৌরশক্তির প্রত্যক্ষ ব্যবহার হিসেবে সূর্যালোকের তাপশক্তির মাধ্যমে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ উৎপাদনে, কৃষিজ শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহার করা যায়। পরোক্ষভাবে, সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।
- সৌরশক্তি ব্যবহারের প্রযুক্তি হল সৌরকোষ। সৌরকোষে ব্যবহৃত হয় সিলিকন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ সবুজ রঙের দুই পাশের দুইটি রং হলো- আসমানী এবং হলুদ।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
পতঙ্গ পরাগী ফুল- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
বায়ুপরাগী ফুল - ধান
পানিপরাগী ফুল - পাতাশ্যাওলা
প্রাণিপরাগী ফুল - কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
- বাংলাদেশের ব্যবহৃত সারগুলোর মধ্যে ইউরিয়াতে সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন থাকে (প্রায় ৪৬%), যা অন্যান্য বিকল্প অপশনগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যেও ইউরিয়া প্রধান।
- নাইট্রোজেন জাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ প্রধানত নাইট্রোজেন লাভ করে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে। ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।
উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর: খ) 0.6 ms-1
শব্দের বেগের পরিবর্তন:
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms-1 নির্দিষ্ট।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 ।
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন-
১. বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1,
২. পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং
৩. লোহার মধ্যে 5220 ms-1।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ত্বরণ শূন্য থাকবে — অভিকর্ষজ বল ও টেবিলের প্রতিক্রিয়া বল সমান ও বিপরীতমুখী হলে লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য হয়, ফলে বস্তু সমতাবস্থায় থাকে।
• বল:
- কোনো স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায়, অথবা গতিশীল বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়—তাকে বল বলা হয়।
- বল বস্তুর আকার পরিবর্তনও করতে পারে।
- বল একটি ভেক্টর রাশি।
• সমবল ও অসমবল:
- একাধিক বল ক্রিয়া করে যদি লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য হয়, বস্তু সমতাবস্থায় থাকে।
- সমতাবস্থায় ত্বরণ শূন্য।
- লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য না হলে ত্বরণ সৃষ্টি হয়।
• অভিকর্ষজ বল ও প্রতিক্রিয়া বল:
- অভিকর্ষজ বল → পৃথিবীর আকর্ষণে বস্তুর ওজন।
- প্রতিক্রিয়া বল → টেবিলের দ্বারা উপরের দিকে প্রয়োগকৃত বল।
- দুই বল সমান ও বিপরীতমুখী হলে বস্তু স্থির থাকে।
উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.
ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী ও অন্তরক -
পরিবাহী:
- যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে।
- যেমন: তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী।
- পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না।
অন্তরক বা অপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক বলে।
- শক্তি ব্যান্ডের আলোকে, অন্তরক পদার্থের যোজন ব্যান্ড ইলেকট্রন দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ থাকে এবং পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে।
- এ ছাড়া যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান অনেক বেশি হয়।
অর্ধপরিবাহী:
- অর্ধপরিবাহী হলো সেই সব পদার্থ, যাদের তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী এবং অন্তরক পদার্থের মাঝামাঝি।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের শক্তি ব্যান্ড কাঠামো অন্তরক পদার্থের অনুরূপ।
- কিন্তু অর্ধপরিবাহী পদার্থের নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের মান অন্তরক পদার্থের তুলনায় অনেক কম।
- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড প্রায় পূর্ণ এবং পরিবহন ব্যান্ড প্রায় খালি থাকে।
তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত,
এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত,
এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে,
এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে,
লঘু এসিড ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
- পানির জীব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদার মান ১-২ ppm এর মধ্যে থাকলে তা খুবই ভালো। এই মান ৩ ppm হলে তা মোটামুটি ভালো।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এই মান অবশ্যই ৬ ppm এর কম হতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত দূষণমাত্রা তাই ধরা হয় ৬ ppm।
- এই মান ১০ ppm এর বেশি হলে দূষণমাত্রা খুব খারাপ ধরা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি