বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬৩ / ১৪০ · ৬,২০১৬,৩০০ / ১৪,০৮০

৬,২০১.
একজন মানুষ কী অবস্থায় পৃথিবীকে সবচেয়ে কম চাপ দেয়?
  1. ক) দৌড়ানো অবস্থায়
  2. খ) দাঁড়ানো অবস্থায়
  3. গ) বসা অবস্থায়
  4. ঘ) শোয়া অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোয়া অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোয়া অবস্থায়
ব্যাখ্যা
• চাপ বলতে একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই বোঝায়।
- মানুষ দাঁড়িয়ে অথবা, বসা অবস্থায় ক্ষেত্রফলের পরিমাণ এর থেকে শোয়া অবস্থায় ক্ষেত্রফলের পরিমাণ অনেক বেশি হয়। 
- শোয়া অবস্থায় মানুষের দৈহিক ওজন ক্ষেত্রফলের পুরোটা ছড়িয়ে পড়ে বলে চাপের পরিমাণ কমে যায়। 
- এই কারণে, একজন মানুষ শোয়া অবস্থায় পৃথিবীকে কম চাপ দেয়।
৬,২০২.
কোন উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম‌ ঘটে?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) তেঁতুল
  3. গ) কেওড়া
  4. ঘ) গর্জন
সঠিক উত্তর:
গ) কেওড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেওড়া
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদে থাকা অবস্থায় ফলের অভ্যন্তরে বীজের অঙ্কুরোদগমকে বলা হয় জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম দেখা যায়।
- উদাহরণ: সুন্দরী, পশুর, গোলপাতা, কেওড়া, হারগোজা ইত্যাদি উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম দেখা যায়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬,২০৩.
যে পদার্থগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়া শেষে তৈরি হয়, সেগুলোকে কী বলা হয়? 
  1. বিক্রিয়ক
  2. উৎপাদ
  3. প্রতিক্রিয়া
  4. সমীকরণ
সঠিক উত্তর:
উৎপাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বিক্রিয়া: 
- যদি কোনো পরিবর্তনের ফলে কোনো পদার্থ তার নিজের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য হারিয়ে নতুন ধর্ম লাভ করে সেই পরিবর্তনকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। 
- যে প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সেই প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করার জন্য যে সমীকরণ ব্যবহার করা হয় সেই সমীকরণকে রাসায়নিক সমীকরণ বলা হয়। 
- রাসায়নিক সমীকরণকে প্রকাশ করার জন্য প্রতীক, সংকেত এবং নানা রকম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- যে সকল পদার্থ নিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা হয় সেই সকল পদার্থকে বলা হয় বিক্রিয়ক। 
- বিক্রিয়ার ফলে নতুন ধর্মবিশিষ্ট যে সকল পদার্থ উৎপন্ন হয় সেই সকল পদার্থকে উৎপাদ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২০৪.
কোন গ্যাসের অণুতে দুটি পরমাণু বিদ্যমান নেই?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) ক্রিপ্টন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিপ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিপ্টন
ব্যাখ্যা

পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা।
আমাদের চারপাশের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু।
যেমনঃ N2 , O2 , H2 , F2 , Clইত্যাদি।
তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে।
নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলি হচ্ছে হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন(Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)
সূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,২০৫.
small pox কী ধরনের রোগ?
  1. DNA ভাইরাস ঘটিত
  2. RNA ভাইরাস ঘটিত
  3. ব্যাকটেরিয়া ঘটিত
  4. mRNA ভাইরাস ঘটিত
সঠিক উত্তর:
DNA ভাইরাস ঘটিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA ভাইরাস ঘটিত
ব্যাখ্যা
smallpox - রোগটি DNA ভাইরাস ঘটিত। অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র খ) স্মলপক্স DNA টাইপ ভাইরাসঘটিত।

Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।

- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে। (DNA Type)
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
ভ্যাক্সিনঃ এডয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে তৈরি করেন।

গণস্বাস্থ্যের ইতিহাসে এটাকেই সবচেয়ে বড় সফলতা বলা যায়।

Smallpox is an acute contagious disease caused by the variola virus, a member of the orthopoxvirus family. It was one of the most devastating diseases known to humanity and caused millions of deaths before it was eradicated. It is believed to have existed for at least 3000 years.

The smallpox vaccine, created by Edward Jenner in 1796, was the first successful vaccine to be developed. He observed that milkmaids who previously had caught cowpox did not catch smallpox and showed that a similar inoculation could be used to prevent smallpox in other people.

The World Health Organization launched an intensified plan to eradicate smallpox in 1967. Widespread immunization and surveillance were conducted around the world for several years. The last known natural case was in Somalia in 1977. In 1980 WHO declared smallpox eradicated – the only infectious disease to achieve this distinction. This remains among the most notable and profound public health successes in history.

Source: WHO

Poxviruses are brick or oval-shaped viruses with large double-stranded DNA genomes. Poxviruses exist throughout the world and cause disease in humans and many other types of animals. Poxvirus infections typically result in the formation of lesions, skin nodules, or disseminated rash.
Infection in humans usually occurs due to contact with contaminated animals, people, or materials. While some poxviruses, such as smallpox (variola virus), no longer exist in nature, other poxviruses can still cause disease. These include monkeypox virus, orf virus, molluscum contagiosum, and others.

Content source: Centers for Disease Control and Prevention (CDC), USA Govt.
৬,২০৬.
ফলের রং হলুদ হওয়ার জন্য দায়ী -
  1. ক) জ্যান্থোফিল
  2. খ) ক্যারোটিন
  3. গ) লাইকোপেন
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যান্থোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জ্যান্থোফিল
ব্যাখ্যা
জ্যান্থোফিল - হলুদ বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্যারোটিন - কমলা বর্ণের জন্য দায়ী।
লাইকোপেন - লাল বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্লোরোফিল - সবুজ বর্ণের জন্য দায়ী।
৬,২০৭.
নিচের কোনটি উদ্বায়ী পদার্থ?
  1. ক) মোম
  2. খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. গ) বরফ
  4. ঘ) মার্কারি
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

উর্ধ্বপাতন (Sublimation):
কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,২০৮.
উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ উঁচু পর্বত চূড়ায় -
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি
  2. খ) বায়ুর চাপ কম
  3. গ) অক্সিজেন কম
  4. ঘ) ঠাণ্ডা বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম
ব্যাখ্যা
উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ-
- বায়ুর চাপ কম
- শুষ্ক বায়ু 
- অক্সিজেন স্বল্পতা 

ইত্যাদি কারণে রক্তনালিতে চাপ পড়ে। ফলে রক্তপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬,২০৯.
ভর ও বেগ উভয়ই বেড়ে দ্বিগুণ হলে, গতিশক্তি কতগুণ হবে? 
  1. দ্বিগুণ
  2. তিনগুণ
  3. চারগুণ
  4. আটগুণ
সঠিক উত্তর:
আটগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটগুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ভর ও বেগ উভয়ই বেড়ে দ্বিগুণ হলে, গতিশক্তি কতগুণ হবে? 

সমাধান: 
গতিশক্তি = (1/2)mv2

নতুন বেগ = 2v 
নতুন ভর = 2m 

গতিশক্তি = (1/2) × (2m) × (2v)2
= (1/2) × 4 × 2 × mv2
= 8 × (1/2)mv2

গতিশক্তি ৮ গুণ হবে। 
৬,২১০.
সৌরজগতের কোন গ্রহটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়?
  1. বুধ 
  2. শুক্র
  3. নেপচুন
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা

• শুক্র (Venus):
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা। তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি।
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়। (বোর্ড বই)

 উল্লেখ্য নাসার তথ্য মতে,
- শুক্রের মতো, ইউরেনাসও পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘূর্ণন করে।
- তবে ইউরেনাসের বিশেষত্ব হলো এটি পার্শ্বাভিমুখে ঘূর্ণন করে, যা একে অনন্য করে তুলেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২১১.
স্নেহ পদার্থের কাজ কি?
  1. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে
  2. দেহে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে
  3. শরীরের ক্ষত পূনর্গঠনের কাজ করে
  4. ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
সঠিক উত্তর:
ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বকের মসৃণতা এবং সজীবতা বাজায় রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধ করে
ব্যাখ্যা
- স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা দেয়৷ 
- ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়৷ 
- দীর্ঘদীন স্নেহ পদার্থের অভাব হলে শরীরের সঞ্চিত প্রোটিন ক্ষয় হয় এবং দেহের ওজন কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,২১২.
হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টির ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখা যায় না।
  2. খ) অক্ষিগোলকের ব্যসার্ধ বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
  3. গ) লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা কমে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা কমে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা কমে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা
হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia or Short Sight):

- মানুষ যখন তার চোখ দ্বারা কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি বলা হয়।
- এক্ষেত্রে চোখের দূর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা কিছুটা নিকটে অবস্থান করে এবং বস্তুটিকে স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে স্পষ্ট দেখা যায়।
- সাধারণত অক্ষিগোলকের ব্যসার্ধ বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
- চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। 
- দূরের বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনার সামনে কোনো বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠন করে। এজন্য লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২১৩.
নিচের কোন রোগটির জন্য ব্যাকটেরিয়া দায়ী?
  1. ক) আনডিউলেটেড ফিভার
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) পীত জ্বর
  4. ঘ) টুংরো রোগ
সঠিক উত্তর:
ক) আনডিউলেটেড ফিভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আনডিউলেটেড ফিভার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- মানুষের অধিকাংশ মারাত্মক রোগগুলিই ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয়ে থাকে। মানুষের যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, কলেরা, ডিপথেরিয়া, আমাশয়, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। এ ছাড়াও এনথ্রাক্স, মেনিনিজাইটিস, কুষ্ঠ, আনডিউলেটেড ফিভার ইত্যাদি রোগও ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয়ে থাকে।
- AIDS, ডেঙ্গু, বার্ড ফ্লু, চিকুনগুনিয়া, সোয়াইন ফ্লু, SARS, জলাতঙ্ক, গুটি বসন্ত, জলবসন্ত, ভাইরাল নিউমোনিয়া, সাধারণ সর্দি, হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, পীত জ্বর, গো- বসন্ত, এনোজেনিটাল ক্যান্সার, তামাক, সিম, গোল আলু ইত্যাদির মোজাইক রোগ, কলার বানচি টপ রোগ, ধানের টুংরো রোগ ইত্যাদি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,২১৪.
কম্পাঙ্কের একক কী?
  1. হার্জ
  2. সেকেন্ড
  3. নিউটন 
  4. মিটার 
সঠিক উত্তর:
হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্জ
ব্যাখ্যা

- কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি (Frequency) পরিমাপের আন্তর্জাতিক (SI) একক হলো হার্জ (Hertz), যাকে সংক্ষেপে Hz লিখে প্রকাশ করা হয়। জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী হাইনরিখ হার্জের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে একটি তরঙ্গ যতগুলো পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করে, তাকেই হার্জ বলা হয়। 

বিস্তার: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে। 

পর্যায়কাল: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। 
- পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)। 

কম্পাঙ্ক: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। 
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত ƒ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২১৫.
নিচের কোনটি মৌলিক অণু?
  1. ক) NH3
  2. খ) HCl
  3. গ) S8
  4. ঘ) CH4
সঠিক উত্তর:
গ) S8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) S8
ব্যাখ্যা
• নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr) প্রভৃতি এক পরমাণুক অণু হিসেবে প্রকৃতিতে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে। নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যাতীত অন্যান্য মৌলের পরমাণুগুলো প্রকৃতিতে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে না। অন্যান্য মৌলের পরমাণুগুলো অণু হিসেবে অবস্থান করে ।
• একই মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে মৌলের অণু গঠন করে। যেমন H2, O2, N2, Cl2, O2, P4, S8 ইত্যাদি।
• আবার ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু সংযুক্ত হয়ে যৌগের অণু গঠন করে। যেমন, H2O, NH3, CH4, NaCl, HCl, CO, প্রভৃতি যৌগের অণু। অণুর মধ্যে পরমাণুসমূহ এক বিশেষ আকর্ষন শক্তি দ্বারা যুক্ত থাকে। এ শক্তিই বন্ধন শক্তি।


উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,২১৬.
গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় সাধারণত লোহার উপর কোন ধাতুর প্রলেপ দেয়া হয়?
  1. দস্তা
  2. তামা
  3. ক্রোমিয়াম
  4. নিকেল
সঠিক উত্তর:
দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় সাধারণত লোহার উপর দস্তার  প্রলেপ দেয়া হয়

• গ্যালভানাইজিং:

- যে কোন ধাতুর উপর জিংকের (দস্তা) প্রলেপ দেয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এ ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।
- লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,২১৭.
কোনটি নিয়ে n-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠিত হয় -
  1. সিলিকন ও ফসফরাস
  2. সিলিকন ও বোরন
  3. সিলিকন ও জার্মেনিয়াম
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা

সিলিকনের সর্বশেষ কক্ষপথে ৪টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। সিলিকন ক্রিস্টালের সাথে এমন একটা পরমাণু (যেমন ফসফরাস) মিশিয়ে দেওয়া হয় যার শেষ কক্ষপথে থাকে ৫টি ইলেকট্রন। ফসফরাসের এই ৫ম ইলেকট্রনটি বাড়তি একটা ইলেকট্রন, কোনো পরমানুরই তার প্রয়োজন নেই, তাই সেসব পরমাণুর মাঝেই প্রায় মুক্তভাবে ঘোরাঘুরি করতে পারে।
ফসফরাস মেশানো এ রকম সেমিকন্ডাক্টর অনেকটাই পরিবাহী, কারণ চার্জ পরিবহনের জন্য এখানে কিছু মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফসফরাসের মতো শেষ কক্ষপথে ৫ম ইলেকট্রনসহ পরমাণু যোগ করে সেমিকন্ডাক্টরকে মোটামুটি পরিবাহক তৈরি করে ফেলা এই সেমিকন্ডাক্টরকে বলে n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর।
জার্মেনিয়ামের সর্বশেষ কক্ষপথেও ৪টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। তাই জার্মেনিয়াম ও ফসফরাস যুক্ত হয়েও n-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠন সম্ভব।

৬,২১৮.
লাউয়ে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ক) ভিটামিন - এ
  2. খ) ভিটামিন - সি
  3. গ) ভিটামিন - কে
  4. ঘ) ভিটামিন - ই
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন - সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন - সি
ব্যাখ্যা
লাউয়ের পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে -
• কার্বোহাইড্রেট ২.৫ গ্রাম,
• প্রোটিন ০.২ গ্রাম,
• ফ্যাট ০.৬ গ্রাম,
 ভিটামিন সি ৬ গ্রাম,
• ক্যালসিয়াম ২০ মিলিগ্রাম,
• ফসফরাস ১০ মিলিগ্রাম,
• পটাশিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম,
• নিকোটিনিক অ্যাসিড ০.২ মিলিগ্রাম।

এ ছাড়া এতে রয়েছে খনিজ লবণ, ভিটামিন বি-১, বি-২, আয়রনসহ আরও নানা উপাদান।
লাউয়ের ৯৬ শতাংশ পানি।

সূত্র: প্রথম আলো।
৬,২১৯.
জোয়ার-ভাটার ফলে নিচের কোনটি ঘটে? 
  1. নদীর পানি বরফে পরিণত হয়
  2. নদীখাত গভীর হয়
  3. নদীর পানি শুকিয়ে যায়
  4. নদীর প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
নদীখাত গভীর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীখাত গভীর হয়
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটার প্রভাব: 
- মানব-জীবনের উপর জোয়ার-ভাটার যথেষ্ট প্রভাব আছে। 
- বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশসমূহে জোয়ার-ভাটার নিম্নের প্রভাবসমূহ লক্ষ করা যায়- 
১। জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখণ্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়। 
২। দৈনিক দু'বার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না। 
৩। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়। 
৪। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ (Hydroelectricity) উৎপাদন করা হয়। 
৫। জোয়ারের পানি নদীর মাধ্যমে সেচে সহায়তা করে এবং অনেক সময় খাল খনন করে জোয়ারের পানি আটকিয়ে সেচকার্যে ব্যবহার করা হয়। 
৬। শীতপ্রধান দেশে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জোয়ারের সাহায্যে নদীতে প্রবেশ করে এবং এর ফলে নদীর পানি সহজে জমে না ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২২০.
রোডিয়ামের রাসায়নিক প্রতীক কোনটি?
  1. Ra
  2. Rn
  3. Re
  4. Rh
সঠিক উত্তর:
Rh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rh
ব্যাখ্যা
রোডিয়াম:
- রোডিয়াম (Rhodium) পর্যায় সারণীর ৪৫তম মৌলিক পদার্থ।
- রোডিয়াম এর  রাসায়নিক প্রতীক Rh.
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৪৫।
- রোডিয়াম পর্যায় সারণির ৫ম পর্যায়ের গ্রুপ ৯ - এ অবস্থিত।


figure: periodic table (image source: ptable.com)

অপশন আলোচনা:
- রেডিয়ামের (Radium) প্রতীক Ra.
- রেডনের (Radon) প্রতীক হচ্ছে Rn.
- রেনিয়ামের (Rhenium) প্রতীক হচ্ছে Re.

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৬,২২১.
গবাদিপশুর 'তড়কা' রোগ কোনটির কারনে হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. ছত্রাক
  4. পরজীবী
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
তড়কা (Anthrax)ঃ এটি গবাদিপশুর ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি মারাত্মক সংক্রামক রােগ। বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে তড়কা রােগ হয়ে আসছে, তবে বিগত বছরগুলাের তুলনায় বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা অধিক হওয়ায় তা ব্যাপকভাবে আলােচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতেঃ
• তড়কা এক ধরনের Acute রােগ যা Bacillus Anthracis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে।
• পশু থেকে পশু ও পশু থেকে মানুষের শরীরেও সংক্রমিত হতে পারে।
• পশু অথবা মানুষের শরীরে জীবাণু প্রবেশের পর রােগের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে ৬০ দিনের মত সময় লাগে।
• বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ফুসফুস সংক্রমিত হলে অতি অল্প সময়ে তার লক্ষণ পরিলক্ষিত হতে পারে।
• তড়কা রােগ মূলত: শরীরে তিন ধরনের অংশকে আক্রান্ত করে। যেমন- ত্বক, ফুসফুস ও অন্ত্র
• শতকরা ৯৫% ক্ষেত্রে ত্বকেই সরাসরি সংক্রমিত হয়। ত্বকে ফোড়া/ক্ষত সৃস্টি হয় এবং Toxin এর কারণে রােগী অস্বস্তিতে ভােগে ।
• ৪-৫% ক্ষেত্রে ফুসফুসে সংক্রমণ হয়। এ সময় সাধারণ সর্দি কাশির মত লক্ষণ দেখা যায়।
• ১% এর কম ক্ষেত্রে অন্ত্রে সংক্রমণ হয়। এ অবস্থায় অরুচি, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি লক্ষণসমূহ প্রকাশ পায়।
• পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং রােগের লক্ষণসমূহ দেখে তড়কা রােগ নির্ণয় করা সম্ভব । আক্রান্ত মানুষদের সাধারণ Antibiotic প্রয়ােগে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ করে তােলা যায়। এ রােগের প্রতিষেধকও পাওয়া যায়।

উৎস:  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
৬,২২২.
পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) বোর
  2. খ) ডাল্টন
  3. গ) রাদারফোর্ড
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
গ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সােলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। আবার, এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়। রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২২৩.
কোন বস্তুর বেগ আলোর বেগের সমান হলে,তার ভর হবে -
  1. ক) শুন্য
  2. খ) সমান
  3. গ) দ্বিগুন
  4. ঘ) অসীম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম
ব্যাখ্যা
আইন্সটাইনের থিউরি অফ রিলেটিভিটি অনুযায়ী, বস্তুর বেগ যদি কখনো আলোর বেগের সমান হয়ে যায়, তখন তার ভর অসীম হয়ে যাবে।
৬,২২৪.
এক্স-রে কোন সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৮৯৫ সালে
  2. খ) ১৮৯৮ সালে
  3. গ) ১৮৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯০০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
এক্স-রে:
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামাণুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি। 
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে। 

এক্স-রের ব্যবহার
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২২৫.
কোনটি 'আপেক্ষিক গুরুত্ব' এর একক ?
  1. gm/cm3
  2. gm/m3
  3. kg/m3
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'আপেক্ষিক গুরুত্ব':
- আপেক্ষিক গুরুত্ব বলতে কোন বস্তুর ঘনত্ব এবং অন্য একটি প্রসঙ্গ বস্তুর ঘনত্বের অনুপাত অথবা কোন বস্তুর ভর এবং একই আয়তনের অন্য একটি বস্তুর ভরের অনুপাতকে বোঝায়।
- আপেক্ষিক গুরুত্ব যেহেতু সমরাশির অনুপাত তাই এর কোনো একক নেই।

• ব্যবহার:
• ভাসা ও ডোবা নির্ধারণ:
- আপেক্ষিক গুরুত্বের মাধ্যমে বোঝা যায় কোনো বস্তু পানিতে ভাসবে নাকি ডুবে যাবে।
- যেমন, কাঠের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১-এর কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে, কিন্তু লোহার আপেক্ষিক গুরুত্ব বেশি হওয়ায় এটি ডুবে যায়।

• গহনার বিশুদ্ধতা পরীক্ষা:
- স্বর্ণের মতো মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ধারণে আপেক্ষিক গুরুত্ব ব্যবহার করা হয়।

• ইঞ্জিনিয়ারিং ও নির্মাণ:
- বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্বের তুলনা করে উপযুক্ত নির্মাণসামগ্রী নির্বাচন করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,২২৬.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে গণ্য নয়?
  1. বিটুমিনাস কয়লা
  2. শেল গ্যাস
  3. এনথ্রাসাইট
  4. বায়োগ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা

বায়োগ্যাস হলো জৈব পদার্থের পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন একটি নবায়নযোগ্য শক্তি, যা জীবাশ্ম থেকে আসে না।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- মৃত গাছপালা, মৃত প্রাণীদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে যে জ্বালানি তৈরি হয় তাকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।
- এগুলো অ-নবায়নযোগ্য এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ করে।

জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- পেট্রোলিয়াম।

• বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। কারণ এটি জৈব বর্জ্য থেকে উৎপন্ন হয়।

বায়োগ্যাসের বৈশিষ্ট্য:
- বায়োগ্যাস হলো একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
- এটি এটি জৈব বর্জ্য (গোবর, উদ্ভিজ্জ বর্জ্য ইত্যাদি) থেকে ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়।
- এতে প্রধানত মিথেন গ্যাস (CH4) থাকে।
- এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, কারণ এটি দীর্ঘকাল ধরে গঠিত নয় এবং পুনরায় উৎপাদনযোগ্য।

উল্লেখ্য-
- শেল গ্যাস: এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাস যা শিলা বা Shale-এর মধ্যে আটকা থাকে। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির একটি রূপ।
- বিটুমিনাস কয়লা: এটি এক ধরনের কয়লা, যা জীবাশ্ম জ্বালানির অন্যতম প্রধান উৎস।
- এনথ্রাসাইট: এটি কয়লার একটি বিশেষ প্রকার, যা সর্বোচ্চ কার্বন সমৃদ্ধ এবং উচ্চ তাপশক্তি সম্পন্ন। এটিও জীবাশ্ম জ্বালানি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,২২৭.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ -
  1. অণুর বিন্যাস
  2. তাপের প্রভাব
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রায়ায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন: বই, খাতা, কলম, চেয়ার টেবিল, বাতাস, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সবই পদার্থ। 
- এদের ভর ও আয়তন আছে। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন অর্থাৎ তাপের প্রভাব পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২২৮.
'গ্রাভিটন' কোন বলের বাহক কণা? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তাড়িতচৌম্বক বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- এই মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন। 

অন্যদিকে, 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন। 
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
৬,২২৯.
কোনটি তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নয়?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
তেজষ্ক্রিয় রশ্মি:
- তেজষ্ক্রিয় নিউক্লিয়াস এর ভাঙ্গনের ফলে যে রশ্মিগুলো নির্গত হয় তাদেরকে তেজষ্ক্রিয় রশ্মি বলে।

তিন ধরনের তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। যথা -
- আলফা
- বিটা
- গামা

উৎস: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই।
৬,২৩০.
মানুষের রক্তে অতিরিক্ত পরিমাণ গ্লুকোজ বেড়ে যায় কোন রোগের কারণে?
  1. অ্যাজমা
  2. ডায়বেটিস
  3. হেপাটাইটিস
  4. ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
ডায়বেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়বেটিস
ব্যাখ্যা
• ডায়বেটিস হলে মানুষের রক্তে অতিরিক্ত পরিমাণ গ্লুকোজ বেড়ে যায়।

• ডায়বেটিস:

- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৩১.
ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে কোনটি?
  1. ক) ক্যাপসিউল
  2. খ) ফ্ল্যাজেলা
  3. গ) কোষ প্রাচীর
  4. ঘ) প্লাজমিড
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপসিউল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপসিউল
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো-
 
- ফ্ল্যাজেলা
- ক্যাপসিউল
- কোষ প্রাচীর
- প্লাজমামেমব্রেন
- মেসোসোম
- সাইটোপ্লাজম
- ক্রোমোসোম
- প্লাজমিড

ফ্ল্যাজেলা - ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।

ক্যাপসিউল - ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে । এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয় । এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে। 

• কোষ প্রাচীর - ক্যাপসিউলের নিচেই জড় কোষ প্রাচীর অবস্থিত। কোষ প্রাচীর পেপটিডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত। কোষ প্রাচীর সাধারণত ১০-২৫um (মাইক্রোমিটার) পুরু হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া কোষের নির্দিষ্ট আকার ও দৃঢ়তা দান করে। কোষ প্রাচীরে প্রায় ১um ব্যাসের অনেকগুলো ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এ সমস্ত ছিদ্রের মধ্য দিয়ে রাসায়নিক পদার্থসমূহ চলাচল করে।

• সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন - কোষ প্রাচীরের ঠিক নিচে সাইটোপ্লাজমকে ঘিরে সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অবস্থান করে। এটি একটি সজীব ঝিল্লী। সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে গঠিত। এর সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক মেটাবোলিক কাজ করে।

• মেসোসোম - ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়। এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে।

• সাইটোপ্লাজম - সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম থাকে। এটি সাধারণত বর্ণহীন। এতে কোষ গহবর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন যার অধিকাংশই এনজাইম, বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ যেমন- ফসফরাস, লৌহ ও সালফার ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে। ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে কিছু পদার্থ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় দেখা যায়। যেমন- ১। রাইবোসোম (70S), ২। ক্রোম্যাটোফোর, ৩। কোষ গহ্বর এবং ৪ । ভলিউটিন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,২৩২.
নিচের কোনটি রঞ্জক পদার্থহীন?
  1. লিউকোপ্লাস্ট
  2. ক্রোমোপ্লাস্ট
  3. ক্লোরোপ্লাস্ট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
লিউকোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের প্লাস্টিড ৩ ধরনেরঃ
- ক্লোরোপ্লাস্ট- সবুজ রঙের;
- ক্রোমোপ্লাস্ট- সবুজ ব্যতীত অন্যান্য রঙের  এবং ক্রোমোপ্লাস্টের উপস্থির জন্য পুষ্প, পাতা, ফল ও বীজ সুন্দর হয়।এবং
 -লিউকোপ্লাস্ট- রঞ্জক পদার্থহীন।

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৬,২৩৩.
নিউক্লিয়ন সংখ্যা A, প্রোটন সংখ্যা P, নিউট্রন সংখ্যা N হলে, পারমাণবিক ভর সংখ্যা-
  1. ক) A = P + N
  2. খ) Z = A + P
  3. গ) M = P + N
  4. ঘ) N = A + P
সঠিক উত্তর:
ক) A = P + N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) A = P + N
ব্যাখ্যা
কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়। প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যাকে z দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ঐ মৌলের বা পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে।

অর্থাৎ, ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।
ভর সংখ্যাকে 'A' অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
৬,২৩৪.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. ক) কপার
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম
  3. গ) জিংক
  4. ঘ) লৌহ
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। 
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে। এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৩৫.
‘জার্মপ্লাজম মতবাদ’ এর প্রবক্তা হলেন-
  1. ক) অগাস্ট ভাইসম্যান
  2. খ) আর্নেস্ট হেকেল
  3. গ) লুই পাস্তুর
  4. ঘ) ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
ক) অগাস্ট ভাইসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগাস্ট ভাইসম্যান
ব্যাখ্যা
Germ-plasm theory, concept of the physical basis of heredity expressed by the 19th-century biologist August Weismann. According to his theory, germ plasm, which is independent from all other cells of the body (somatoplasm), is the essential element of germ cells (eggs and sperm) and is the hereditary material that is passed from generation to generation. সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৬,২৩৬.
কোন বাদ্য যন্ত্রে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয় না?
  1. গীটার
  2. একতারা
  3. সেতার
  4. বাঁশি
সঠিক উত্তর:
বাঁশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশি
ব্যাখ্যা
স্থির তরঙ্গ: 
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। 
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। 
- এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে। 
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে। 
- তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই। 
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে। 
- যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির। 
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। 
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

অন্যদিকে, 
- বাঁশি বাদ্যযন্ত্রে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয় না। কারণ, বাঁশি এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র যেখানে বাঁশের ভিতর বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের হোল থাকে। ফলে এর থেকে একই আবৃত্তির তরঙ্গ সৃষ্টি হয় না। বরং ভিন্ন ভিন্ন আবৃত্তির অস্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৩৭.
কোন বর্তনী পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী প্রবাহে (D.C) পরিবর্তন করে? 
  1. সমন্বিত বর্তনী
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রানজিস্টর
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী প্রবাহে (D.C) পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে। 
- যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দু'প্রকারের। 
যথা- 
১। অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
২। পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৩৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. ক) গলদা চিংড়ি
  2. খ) মৎস্য
  3. গ) পোশাক শিল্প
  4. ঘ) ঔষধ
সঠিক উত্তর:
ক) গলদা চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গলদা চিংড়ি
ব্যাখ্যা
- প্রতিবছর গলদা চিংড়ি রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্যে বাংলাদেশে গলদা চিংড়িকে সাদা সোনা বা হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
- চিংড়ি রপ্তানি করে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।
- চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় দেশের খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি নামে ডাকা হয়।
- দেশের অধিকাংশ চিংড়ি খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। 
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট এবং বনিকবার্তা।
৬,২৩৯.
Fathometer is used to measure -
  1. ক) Sound intensity
  2. খ) Earthquakes
  3. গ) Rainfall
  4. ঘ) Ocean depth
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ocean depth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ocean depth
ব্যাখ্যা
• ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
• ব্যারোমিটার - বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার।
• ট্যাকোমিটার - উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকোমিটার।
• ভিক্টোমিটার - ভিন্টেজ এয়ারক্রাফট বা ভিক্টোমিটার একটি কেন্দ্রাতিক ট্যাকোমিটার উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ে ব্যবহার করে ইউ. এস নেভি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,২৪০.
পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে কোন খনিজ উপাদান?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) পটাসিয়াম
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
খনিজ লবণ:
- গলগণ্ড, রক্তাস্বল্পতা খনিজ লবণের অভাবে দেহে এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- দেহ কোষ ও দেহের তরল উপাদানের জন্য (যেমন- রক্ত, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি) খনিজ লবণ খুবই দরকারি।
- খনিজ লবণ দেহ গঠন, দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ (যেমন- পেশি সংকোচন, স্নায়ু উত্তেজনা) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- হাড়, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি খনিজ লবণ শোষণ করে। 
- আমাদের দেহের ওজনের ১% পরিমাণ লবণ থাকে। 
- এ উপাদানগুলো হলো ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- এছাড়া লোহা, আয়োডিন, দস্তা, তামা ইত্যাদি খনিজ লবণ আমাদের দেহের জন্য অতি সামান্য পরিমাণে থাকে। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। গলগণ্ড রোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত।


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৬,২৪১.
কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যা কোনটি?
  1. ক) Geology
  2. খ) Anthropology
  3. গ) Neurology
  4. ঘ) Entomology
সঠিক উত্তর:
ঘ) Entomology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Entomology
ব্যাখ্যা
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে কীটতত্ত্ব বা Entomology বলে। Geology হচ্ছে ভূতত্ত্ব, Anthropology হচ্ছে নৃবিজ্ঞান এবং Neurology হচ্ছে স্নায়ুবিদ্যা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৪২.
কোনটি Fat Soluble Vitamin-
  1. ক) Vitamin A
  2. খ) Vitamin D
  3. গ) Vitamin K
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা
Fat-Soluble Vitamins: A, D, E, and K.
৬,২৪৩.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশকে কোন রোগ মুক্ত ঘোষণা করেছে?
  1. পোলিও
  2. ফাইলেরিয়া
  3. কালাজ্বর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
পোলিও: 
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত। 
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন। 
- ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন। 
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। 
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন। 
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে। 

কালাজ্বর: 
- কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বে প্রথম স্বীকৃতি পায় - বাংলাদেশ।
- কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পক্ষ থেকে বিশ্বের প্রথম কোনো দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ।
- ৩১ অক্টোবর ভারতের দিল্লীতে তিন দিনব্যাপী আয়োজিত ডব্লিউএইচওর ৭৬তম দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে বাংলাদেশকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এর আগে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া ও পোলিও নির্মূল করে সনদ পেয়েছিল। এবার কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বে প্রথম হয় বাংলাদেশ। 

ফাইলেরিয়া: 
- কিউলেক্স মশার কামড়ে ফাইলেরিয়া বা গোদরোগের পাশাপাশি চর্মরোগের ঝুঁকি রয়েছে। 
- দেশে কিউলেক্স মশার প্রভাব দেখা দেয় অক্টোবর থেকে, অবশ্য শীতের তীব্রতা বাড়লে মশার কামড়ের মাত্রা কমে। 
- কিউলেক্স মশার কামড়ে ফাইলেরিয়া বা গোদরোগ ও জাপানি এনসেফালাইটিস হয়। 
- বাংলাদেশে লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস নির্মূলে ২০০১ সালে জাতীয় কর্মসূচি চালু হয়। 
- মালদ্বীপ, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডের পর বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের চতুর্থ দেশ হিসাবে লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল করেছে। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো ও যুগান্তর পত্রিকা।
৬,২৪৪.
পানি একটি- 
  1. প্যারাচৌম্বক পদার্থ
  2. ফেরোচৌম্বক পদার্থ
  3. ডায়াচৌম্বক পদার্থ
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• প্যারাচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ডায়াচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরোচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৫.
থাইমিন কোথায় পাওয়া যায়?
  1. আর এন এ (RNA)
  2. জিন
  3. লোকাস
  4. ডি এন এ (DNA)
সঠিক উত্তর:
ডি এন এ (DNA)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডি এন এ (DNA)
ব্যাখ্যা
ডি এন এ তে থাকে এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন।
আর এন এ তে থাকে এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল।

সুত্রঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী।
৬,২৪৬.
বিড়াল কিংবা কুকুর কামড়ালে কোন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়?
  1. ক) OPV
  2. খ) HDCV
  3. গ) DPT
  4. ঘ) MMR
সঠিক উত্তর:
খ) HDCV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) HDCV
ব্যাখ্যা
বিড়াল কিংবা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগের সম্ভাবনা থাকে; তাই জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হয়।

• জলাতঙ্ক রোগের টিকার নাম - HUMAN DIPLOID CELL VACCINES (HDCV).
• জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন - লুই পাস্তুর।

১৮৮৫ সালের ৬ই জুলাই জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মানবদেহে টিকা প্রয়োগ করা হয়। 
জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। এটি সংক্রামক রোগের বিভাগের অধীনে আসে এবং খামার বা বন্য প্রাণীদের দ্বারা সংক্রামিত হয়; সাধারণত মাংসাশী যেমন কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, রেকুন। এটি বেশিরভাগ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। 

জলাতঙ্কের লক্ষণ:
সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে। অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- OPV (Oral Polio Vaccine) - পোলিও রোগের টিকার নাম ।
- DPT - ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা।
- MMR - ভ্যাকসিন হাম রোগের টিকা।

সূত্র: National Library of Medicine Website, ও ব্রিটানিকা.
৬,২৪৭.
রাতের আকাশে “ছুটন্ত তারা” হিসেবে দেখা জ্বলন্ত বস্তুর নাম কী?
  1. উপগ্রহ
  2. গ্রহ
  3. উল্কা
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
উল্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্কা
ব্যাখ্যা

উস্কা (Meteor):
- রাতের আকাশে “ছুটন্ত তারা” হিসেবে দেখা জ্বলন্ত বস্তুর নাম- উল্কা।
-  রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোনো নক্ষত্র যেন এই মাত্র খসে পড়ল।
- এই ঘটনাকে নক্ষত্রপতন বা তারা খসা বলে।
- এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা ।
- মহাশুন্যে অজস্র জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায়।
- এই জড়পিণ্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচণ্ড গতিতে (সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার) পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে।
- বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে।
- ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়।
- বেশিরভাগ উল্কাপিন্ডই আকারে বেশ ক্ষুদ্র।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,২৪৮.
একটি মৌল যত বেশি ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তার জারণ সংখ্যা কেমন হয়? 
  1. শূন্য
  2. ঋণাত্মক
  3. ধনাত্মক
  4. অপরিবর্তিত
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
ব্যাখ্যা
জারণ সংখ্যা (Oxidation Number): 
- মৌলের পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ বা দানের মাধ্যমে আয়নে পরিণত হয়। 
- পরমাণু এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয়। বিপরীতভাবে এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- কোনো পরমাণু যত সংখ্যক ইলেকট্রন দান করে তত ধনাত্মক চার্জযুক্ত হয় এবং যত সংখ্যক ইলেকট্রন গ্রহন করে তত ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয়। 
- যৌগের মধ্যে কোন মৌলের জারণ সংখ্যা মৌলটির পরমাণুকে মুক্ত অবস্থা থেকে যৌগের অণুর মধ্যে যে অবস্থায় বর্তমান সে অবস্থায় পরিণত করতে কী পরিমাণ জারণ বা বিজারণ প্রয়োজন তা নির্দেশ করে। 
- এ পরিবর্তনের জন্য যদি জারণের প্রয়োজন হয় তবে জারণ সংখ্যা হবে ধনাত্মক। 
- বিজারণের প্রয়োজন হলে জারণ সংখ্যা হবে ঋণাত্মক। 
- মুক্ত অবস্থায় থাকা মৌলের অণু বা পরমাণুর জারণ সংখ্যাকে শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- Na, K, Fe, O2, H2, N2, P4, S8, ইত্যাদি অণুতে স্ব স্ব পরমাণুর জারণ সংখ্যার মান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৯.
সুষম খাদ্যের মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) স্নেহ
  3. গ) খনিজ লবণ
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) স্নেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্নেহ
ব্যাখ্যা

সুষম খাদ্যের উপাদান ছয়টি। যেমন ০- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি।
- এদের মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ হলো খাদ্যের মুখ্য উপাদান।
- আর ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি হলো সহায়ক উপাদান।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৬,২৫০.
কোন প্রাণীকে ডেভিল মাছ বলে?
  1. ক) তিমি
  2. খ) অক্টোপাস
  3. গ) হাঙ্গর
  4. ঘ) ডলফিন
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
ব্যাখ্যা
- অক্টোপাস সামুদ্রিক প্রাণী। 
- এটি মলাস্কা পর্ব ও সেফালোপডা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- অক্টোপাসের তিনটি হৃৎপিণ্ড রয়েছে। 
- অক্টোপাসের বাহ্যিক গঠন ভীতির সৃষ্টি করে বলে একে ডেভিল ফিশ বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা
৬,২৫১.
নিচের কোনটি ফরমিক অ্যাসিডের সংকেত?
  1. ক) HCl
  2. খ) H-COOH
  3. গ) COOH-COOH
  4. ঘ) CH-COOH-C
সঠিক উত্তর:
খ) H-COOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) H-COOH
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন এসিডের সংকেত:

- ফরমিক অ্যাসিডের সংকেত - H-COOH.
- অ্যাসিডটক অ্যাসিডের সংকেত - CH3-COOH.
- অক্সালিক অ্যাসিডের সংকেত - COOH-COOH.
- সাইট্রিক অ্যাসিডের সংকেত - C6H8O7.
- হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সংকেত - HCl.
- নাইট্রিক অ্যাসিডের সংকেত - HNO3.
- সালফিউরিক অ্যাসিডের সংকেত - H2SO4.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৫২.
সাপ কোন বর্গের প্রাণি?
  1. Crocodillia
  2. Squamata
  3. Rhyncocepalia
  4. Chelonia
সঠিক উত্তর:
Squamata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Squamata
ব্যাখ্যা

• সাপের বর্গ (Snake Classification):
- সাপ হলো Reptilia (সাপ, ছিপোকা, কুমির ইত্যাদি) প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, তবে আরও বিশেষভাবে এটি Squamata বর্গের অন্তর্গত।
- Squamata বর্গের প্রাণীর মধ্যে সাপ এবং ছিপোকা থাকে।
- এই বর্গের প্রাণীর লাঠির মতো শক্তি ও নমনীয় ত্বক থাকে, যা তাদের চামড়ার আকার পরিবর্তনে সাহায্য করে।
- Crocodillia বর্গের প্রাণীর মধ্যে কুমির অন্তর্ভুক্ত, Rhyncocepalia প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ছিপোকা, আর Chelonia বর্গের মধ্যে কচ্ছপ অন্তর্ভুক্ত।
- সাপের শারীরিক গঠন, চলাচল পদ্ধতি এবং দাঁতের ধরন অনুযায়ী এটি Squamata বর্গের সঠিক উদাহরণ।  

সুতরাং, সাপের সঠিক বর্গ হলো - খ) Squamata.

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৬,২৫৩.
কোনটি মৌলের স্থায়ী কণিকা নয়?
  1. ক) নিউট্রিনো
  2. খ) অ্যান্টিনিউট্রিনাে
  3. গ) পজিট্রন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্থায়ী মূল কণিকা:
কত গুলাে মূল কণিকা আছে যা সব মৌলের পরমাণুতেই থাকে, তাদের কে স্থায়ী মূল কণিকা বলে।
স্থায়ী মূল কণিকা ৩ টি যথা- ১) প্রােটন, ২) নিউট্রন ৩) ইলেকট্রন।

• অস্থায়ী মূল কণিকা:
কত গুলাে মূল কনিকা আছে যা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে থাকে। এদেরকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। এ ধরনের কণিকার সংখ্যা প্রায় একশ, এদের মধ্যে কিছু হলাে-
১) নিউট্রিনাে, ২) অ্যান্টিনিউট্রিনাে, ৩) পজিট্রন, ৪) মেসন ইত্যাদি।
৬,২৫৪.
‘রেডিও আইসোটোপ পরীক্ষা’ দ্বারা নিরূপণ করা হয়?
  1. তেজষ্ক্রিয়তা
  2. ঘন বস্তুর বয়স
  3. ঘনত্ব
  4. গতি
সঠিক উত্তর:
ঘন বস্তুর বয়স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘন বস্তুর বয়স
ব্যাখ্যা
- কোন কোন আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে। ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে। এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়।

- রেডিওআইসোটোপ পরীক্ষা (Radioisotope Testing): তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে বস্তু বা পদার্থের বয়স নির্ধারণের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতির মূল ধারণা হলো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের হ্রাসের হার, যাকে হাফ-লাইফ (অর্ধ-জীবনকাল) বলা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী কমে। এর মাধ্যমে ভূতাত্ত্বিক স্তর, জীবাশ্ম এবং প্রাচীন জৈব পদার্থের বয়স নির্ধারণ করা হয়।

এতে প্রধানত ব্যবহার করা হয়:
কার্বন-১৪ ডেটিং:
যা জীবাশ্ম বা জৈব পদার্থের বয়স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। কার্বন-১৪ হল এক ধরনের রেডিওআইসোটোপ, যা জীবন্ত প্রাণীর শরীরে থাকে। প্রাণী মারা গেলে কার্বন-১৪-এর পরিমাণ ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এবং এর ভিত্তিতে বয়স নির্ধারণ করা হয়।

ইউরেনিয়াম-সিসি পদ্ধতি:
যা বিশেষভাবে ভূতাত্ত্বিক স্তর বা শিলার বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। ইউরেনিয়াম একসময় সিসি তে পরিণত হয়, এবং এই রূপান্তরের হারের উপর ভিত্তি করে শিলার বয়স নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। লিঙ্ক
৬,২৫৫.
অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যম দিয়ে আলো কোন প্রক্রিয়ায় চলে? 
  1. প্রতিসরণ
  2. ব্যতিচার
  3. অপবর্তন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

• অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে, এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে বিকিরণআলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 

৬,২৫৬.
এক্সরে রশ্মি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যান্সার চিকিৎসায়
  2. খ) চোরাচালান রোধে
  3. গ) পাকস্থলীতে পাথর শনাক্তকরণে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

এক্সরের ব্যবহার

চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঃ রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়।
কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় যুগান্তকারী উন্নতি সাধনের জন্য এক্সরের অবদান অকল্পনীয়।
এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে।
বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়।

গোয়েন্দা বিভাগে ঃ চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,২৫৭.
জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য কোন সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) পটাশ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) সুপার ফসফেট
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে রসায়ন:

- জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়।
• চুনাপাথর,
- এর রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3)।
- এটি মৃদু এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে এসিডকে প্রশমিত করে। এজন্য মাটিতে চুনাপাথর মিশিয়ে মাটির pH মান বৃদ্ধি করা যায়।
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট মাটির pH মান বৃদ্ধির সাথে সাথে মাটিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণও বৃদ্ধি করে।
• কলি চুন বা কুইক লাইম,
- মাটিতে কলিচুন বা কুইক লাইম মিশিয়ে মাটির pH বৃদ্ধি করা যায়।
- চুনাপাথরকে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে কুইক লাইম বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) উৎপন্ন হয়।
• ইউরিয়া,
- উদ্ভিদের মৌলিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- মাটিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়।
-  ইউরিয়েজ নামক এক প্রকার এনজাইম ইউরিয়াকে ধীরে ধীরে বিয়োজিত করে এ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করে। উৎপন্ন এ্যামোনিয়া মাটিতে উপস্থিত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে।
• অ্যামোনিয়াম সালফেট,
- মাটির ক্ষারকত্ব যদি বেশি হয় তবে অ্যামোনিয়াম সালফেট প্রয়োগ করে তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- অ্যামোনিয়াম সালফেটের জলীয় দ্রবণ এসিড ধর্মী। ফলে জমিতে এই সার প্রয়োগ করলে জমির অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৫৮.
ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় কি উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ATP
  2. খ) ADP
  3. গ) NADP
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ATP
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণের সময় ADP সৌর শক্তি গ্রহণ করে ATP এ পরিণত হয়। আলোর উপস্থিতিতে ATP তৈরির এ প্রক্রিয়াকে ফটোফসফোরাইলেশন বলা হয়।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৫৯.
লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক কি?
  1. ক) মিটার
  2. খ) রেডিয়াম
  3. গ) ডায়াপ্টার
  4. ঘ) লুমেন
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়াপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়াপ্টার
ব্যাখ্যা
দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।

লেন্স দু-প্রকার। যথা-
১. উত্তল বা অভিসারী লেন্স এবং
২.অবতল বা অপসারী লেন্স।

লেন্সের ক্ষমতা বলতে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক হলো ডায়াপ্টার। এসআই একক হলো রেডিয়ান/মিটার।
লেন্সের ক্ষমতার মান ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক উভয় প্রকার হতে পারে।

(সূত্রঃ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৬,২৬০.
কোনো স্থানের বায়ুচাপ হঠাৎ কমে গেলে কী হয়?
  1. বায়ুপ্রবাহ কমে যায়
  2. বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
  3. বায়ুপ্রবাহ থেমে যায়
  4. বায়ুপ্রবাহ অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে বায়ুচাপ কমে যায় এবং আবার বায়ুচাপ কমে গেলে বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়। 
- বায়ুতে তাপমাত্রা বাড়লে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে। 
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে। 
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত। 
- অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬১.
কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজেই প্রবাহিত হতে পারে?
  1. কাঁচ
  2. লোহা
  3. সিলিকন
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না, সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন - কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন - রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬২.
মহাকর্ষ বল কী? 
  1. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা 
  2. পৃথিবীর নিজস্ব শক্তি 
  3.  বস্তুর ভরের পরিমাণ 
  4. পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি  
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি  
ব্যাখ্যা

মহাকর্ষ: 
- মানুষ লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠতে পারে না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে কারণ পৃথিবী তাদেরকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। এই ঘটনাকে (Phenomenon) বলে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬,২৬৩.
জীব বিজ্ঞানের কোন শাখায় কীট পতঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) ইকোলজি
  2. খ) এন্টোমোলজি
  3. গ) এন্ডোক্রাইনোলজি
  4. ঘ) মাইক্রোবায়োলজি
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টোমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টোমোলজি
ব্যাখ্যা
- ইকোলজি: এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। ইকোলজির বাংলা প্রতিশব্দ হলো বাস্তুবিদ্যা


- এন্ডোক্রাইনোলজি: জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি শাখায়।


- এন্টোমোলজি: কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো এন্টোমোলজি


- মাইক্রোবায়োলজি: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো মাইক্রোবায়োলজি


- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: এ শাখায় জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।


-জেনেটিক্স: জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি 
৬,২৬৪.
সমুদ্রের জল প্রধানত ফুলে উঠে কার আকর্ষণে?
  1. ক) সূর্য
  2. খ) চন্দ্র
  3. গ) পৃথিবী
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
খ) চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চন্দ্র
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণে সমুদ্রের জল প্রধানত ফুলে উঠে। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত প্রবল হয় না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বই
৬,২৬৫.
Normal Saline এ কী আছে?
  1. ক) 0.9% NaCl
  2. খ) 0.5% NaCl
  3. গ) 0.75% NaCl
  4. ঘ) 0.3% NaCl
সঠিক উত্তর:
ক) 0.9% NaCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0.9% NaCl
ব্যাখ্যা
• Normal Saline এ 0.9% NaCl আছে। 

খাওয়ার স্যালাইন:
- খাওয়ার স্যালাইন (Oral Rehydration Saline/Orsaline)  শরীরের পানি ও লবণের (Electrolytes) ঘাটতিপূরণ করার জন্য মুখে গ্রহনযোগ্য লবণ ও গ্লুকোজ মিশ্রিত পানি।
- ডায়রিয়া/কলেরায় ঘন ঘন পাতলা পায়খানার কারণে অতি অল্প সময়ে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। বিশেষ করে সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের ঘাটতি জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়। তখন খাওয়ার স্যালাইন ব্যবহার করা হয়। 
- নরমাল স্যালাইনে পানি, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও গ্লুকোজ বা শর্করা থাকে।
- প্রতি লিটার নরমাল স্যালাইনে ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড, গ্লুকোজের পরিমাণ ২০ গ্রামের বেশি নয় এবং এর প্রায় পুরোটাই অন্ত্রে লবণ শোষণে ব্যবহৃত হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬,২৬৬.
কোনটি গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া?
  1. ই. কোলাই
  2. স্ট্যাফাইলোকক্কাস
  3. সালমোনেলা
  4. ভিব্রিও
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাফাইলোকক্কাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাফাইলোকক্কাস
ব্যাখ্যা
• গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া হলো স্ট্যাফাইলোকক্কাস। 

• গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতি:

- ১৮৮৪ সালে ড্যানিশ চিকিৎসক Hans Christian Gram ব্যাকটেরিয়ার জন্য একটি রঞ্জন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যাকে বলা হয় Gram staining বা গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতি।
- স্লাইডে ব্যাকটেরিয়া স্মিয়ার (Smear) নিয়ে তাতে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রং দিতে হবে, এরপর আয়োডিন দিতে হবে। এরপর এটি অ্যালকোহলে ধুয়ে স্যাফ্রানিন-এর লাল রং-এ কাউন্টার স্টেইন করতে হবে।

• গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া:
- যে সকল ব্যাকটেরিয়া গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতিতে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রং ধরে রাখতে পারে তাদেরকে গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
- ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, ক্লসট্রিডিয়াম, স্ট্রেপ্টোকক্কাস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রাম পজিটিভ।

• গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া:
- যে সকল ব্যাকটেরিয়াতে ভায়োলেট রং ধুয়ে চলে যাবে এবং স্যাফ্রানিনের লাল রং ধরে রাখবে তাদেরকে বলা গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
 - এনটেরোব্যাকটেরিয়া, সকল সায়ানোব্যাকটেরিয়া, শিগেলা, সালমোনেলা, রাইজোবিয়াম, ভিব্রিও, ই. কোলাই ইত্যাদি গ্রাম নেগেটিভ।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে গ্রাম স্টেইনিং অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
- পেনিসিলিন বা পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, ফলে নতুন সৃষ্ট কোষ টিকে থাকতে পারে না।
- আবার টেট্রাসাইক্লিন, স্ট্রেস্টোমাইসিন জাতীয় ওষুধ গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়, তাই নতুন সৃষ্ট কোষ টিকে থাকতে পারে না। এভাবে রোগী আরোগ্য হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৬,২৬৭.
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন হয়?
  1. যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করে
  2. অমাবস্যা তিথিতে
  3. অষ্টমী তিথিতে
  4. একাদশীতেে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
ব্যাখ্যা

পানির উচ্চতা ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ: 
- পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জোয়ার ভাঁটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. তেজ কটাল বা ভরা কটাল এবং 
২. মরা কটাল। 
 
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৬৮.
কোনো দ্রবণের pH মান 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি কী ধরনের হবে? 
  1. ক্ষারীয়
  2. এসিডীয় 
  3. নিরপেক্ষ
  4. অম্লীয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্মক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়, pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- pH স্কেলে দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- কোনো দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি হবে প্রশমন বা নিরপেক্ষ। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৬৯.
কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রথম প্রস্তাব করেন কে এবং কখন? 
  1. ম্যাক্স প্লাঙ্ক, ১৯০০
  2. বোর, ১৯১৩
  3. নিউটন, ১৬৮৭
  4. আইনস্টাইন, ১৯০৫
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্লাঙ্ক, ১৯০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্লাঙ্ক, ১৯০০
ব্যাখ্যা
কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৭০.
প্যানক্রিয়াস থেকে কোন হরমোন রক্তে গ্লুকোজ কমায়?
  1. গ্লুকাগন
  2. অ্যাড্রেনালিন
  3. ইনসুলিন
  4. থাইরক্সিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা

বহুমূত্র রোগ: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৭১.
পাকা টমেটোর রং লাল হওয়ার জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ক্লোরোফিল
  2. খ) লাইকোপিন
  3. গ) জ্যানথোফিল
  4. ঘ) ক্যারোটিন
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপিন
ব্যাখ্যা
ক্যারোটিন -  কমলা বর্ণের জন্য দায়ী।
জ্যান্থোফিল - হলুদ বর্ণের জন্য দায়ী।
লাইকোপিন - লাল বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্লোরোফিল - সবুজ বর্ণের জন্য দায়ী।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,২৭২.
খাদ্যের উপাদান মোট কতটি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে তাদেরকেই খাদ্য বলে যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ এক কথায় দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস ( Nutrients) বলে। 
যেমন - গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি। 
যথা- 
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। 
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে। 
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে। 

- খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি (৬) টি। 
যথা- 
• শর্করা, 
• আমিষ, 
• স্নেহ, 
• ভিটামিন, 
• খনিজ লবণ এবং 
• পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ (ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য। 
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য। 
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৭৩.
দিন-রাত্রি হওয়ার কারণ কোনটি?
  1. আহ্নিক গতি 
  2. মধ্যাকর্ষণ শক্তি
  3. বার্ষিক গতি
  4. দোলন গতি
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীতে দিন-রাত্রি সংঘটিত হয় আহ্নিক গতির কারণে। আহ্নিক গতি বলতে পৃথিবী তার অক্ষের চারপাশে ঘূর্ণনকে বোঝায়। এই ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবীর এক পাশ সূর্যের দিকে থাকে, যা দিন, আর বিপরীত পাশ অন্ধকারে থাকে, যা রাত সৃষ্টি করে। পৃথিবী একবার পূর্ণ ঘূর্ণন করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তাই প্রতিদিন এই ঘূর্ণনের কারণে সূর্য উঠা ও অস্ত যাওয়ার পরিবর্তন ঘটে এবং দিন-রাত্রির পর্যায়বতী চক্র চলতে থাকে। মধ্যাকর্ষণ শক্তি, দোলন গতি বা বার্ষিক গতি দিন-রাত্রির জন্য নয়, বরং অন্যান্য প্রাকৃতিক ঘটনা ও ঋতু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাই দিন-রাত্রির জন্য সঠিক কারণ হলো আহ্নিক গতি।

আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ-
দিন-রাত্রি সংঘটন,
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি,
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৭৪.
শুষ্ক কোষে কে ইলেকট্রন দান করে?
  1. ক) দস্তার খোল
  2. খ) কার্বন দন্ড
  3. গ) ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) কয়লার গুড়া
সঠিক উত্তর:
ক) দস্তার খোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দস্তার খোল
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ কোষ প্রধাণত দুই প্রকার। যথা- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ ও শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ।

শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দন্ড ব্যবহৃত হয়। দস্তার চোঙে নিশাদল, কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে লেই বা কাদার মত অবস্থায় দস্তার চোঙের মধ্যে ভর্তি করা হয়। চোঙের মধ্যে একটি কার্বনের দন্ড এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা চোঙটিকে স্পর্শ না করে।
কার্বন দন্ডটির মাথায় পিতলের টুপি লাগানো থাকে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচের স্তর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

অ্যানোডে বিক্রিয়া:  Ζn(s) → Zn2+(aq) + 2e
ক্যাথোডে বিক্রিয়া:  2NH4+(aq) + 2MnO2(s) + 2e → Mn2O3(s) + H2O(l) + 2NH3(aq) 

অর্থাৎ, জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে।

এ কোষের দস্তার চোঙটি ঋণ-মেরু এবং কার্বন দন্ড ধন-মেরু হিসেবে কাজ করে। এ কোষে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড পোলারন নিবারনের কাজ করে।
এতে সাধারণত ১.৫ ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৬,২৭৫.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. জ্যৈষ্ঠ থেকে ভাদ্র
  2. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  3. শ্রাবণ থেকে আশ্বিন
  4. চৈত্র থেকে আষাঢ়
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

ফসলের মৌসুম:
- একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম বলে।
- অর্থাৎ কোনো ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে ফসলের মৌসুম বলে।
- বাংলাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. রবি মৌসুম
খ. খরিপ মৌসুম

⇒ রবি মৌসুম:
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে।
- রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয়, তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে।
- এ মৌসুমে তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম। 
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬,২৭৬.
রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠিত হয় -
  1. জিংক এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
  2. কপার এবং লিপিডের সমন্বয়ে
  3. ম্যাঙ্গানিজ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
  4. লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৭৭.
পরমাণুর আধান -
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক
সঠিক উত্তর:
গ) নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে যার নাম নিউক্লিয়াস।
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত।
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট প্রোটন আছে ততটি ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট ইলেকট্রনও আছে।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৭৮.
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম কী? 
  1. রেটিনল
  2. এসকরবিক এসিড
  3. টোকোফেরল
  4. নিকোটিনামাইড
সঠিক উত্তর:
এসকরবিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসকরবিক এসিড
ব্যাখ্যা
ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (Vitamin C): 
- ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম এসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)। 
- এটি তাপ, আলো, বাতাস ও ক্ষারে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। 
- টাটকা শাক-সবজি ও ফল-মূল ভিটামিন সি এর উত্তম উৎস। 
- টক জাতীয় ফল যেমন- কমলা, লেবু, পেয়ারা, আমলকী, বাতাবি লেবু, আমড়া, কামরাঙা, আঙুর, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া, লেটুস পাতা, কাঁচা মরিচও ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। 

এসকরবিক এসিডের কাজ: 
১। ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী জারণরোধী ভিটামিন। 
২। ভিটামিন সি নিজে জারিত হয়ে অন্যান্য উপাদানের জারণ প্রতিরোধ করে। (সাধারণভাবে কোনো কিছুর সাথে অক্সিজেন যুক্ত হওয়াকে জারণ বলে।) 
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। 
৪। ক্ষতস্থানের ঘা শুকাতে সাহায্য করে। 
৫। দেহের পেশি, কলা ও অস্থির সংযোজক কলা তৈরিতে সহায়তা করে। 
৬। ভিটামিন সি অন্ত্রে লৌহের শোষণ এবং হিমোগ্লোবিনে লৌহ যুক্তকরণে সাহায্য করে। 
৭। ত্বক, দাঁত, মাড়ি প্রভৃতির দৃঢ়তা রক্ষা করে। 
৮। রক্তবাহী নালীর প্রাচীর মজবুত করতে সহায়তা করে। 

এসকরবিক এসিডের অভাবজনিত অবস্থা: 
১। ভিটামিন সি এর দীর্ঘদিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। স্বার্ভি রোগে দাঁতের মাড়ি ফুলে স্পঞ্জের মতো হয়ে যায়, রক্তক্ষরণ হয়, গোড়া আলগা ও নরম হয়ে যায়, অনেক সময় দাঁত পড়ে যায়। 
২। ত্বক খসখসে হয়, ফুসকুড়ি ওঠে এবং ত্বক চুলকায়। 
৩। অস্থি দুর্বল হয় ও অস্থি সন্ধিতে বা গাঁটে ব্যথা হয়, অস্থি দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়। 
৪। লৌহের পরিশোষণ ব্যহত হয় ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 
৫। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজেই সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। 
৬। রক্তবাহী নালী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ত্বকের ভিতরে ও বাইরে রক্তক্ষরণ হতে পারে। 
৭। ক্ষুধামন্দা, অলসতা, খিটখিটে মেজাজ পরিলক্ষিত হয়। 

অন্যদিকে, 
- রেটিনল হচ্ছে ভিটামিন A-এর একটি রূপ। 
- টোকোফেরল হলো ভিটামিন E-এর রাসায়নিক নাম। 
- নিকোটিনামাইড হলো ভিটামিন B3 (নিয়াসিন)-এর একটি রূপ। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৭৯.
নিচের কোনটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন?
  1. ইথিন
  2. বিউটিন
  3. ইথাইন
  4. ইথেন
সঠিক উত্তর:
ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথেন
ব্যাখ্যা
• ইথেন হলো একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো CnH2n+2 যেখানে n=1,2,3 ইত্যাদি।

• ইথেন:
- ইথেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। ইথেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C2H
- এটি হলো ২ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। এতে ২ টি কার্বনের সাথে ৬ টি হাইড্রোজেন পরমাণু একক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৮০.
যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ বা শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদেরকে বলা হয়- 
  1. এপিফাইটিক শৈবাল 
  2. ফাইটোপ্লাঙ্কটন 
  3. বেনথিক শৈবাল 
  4. লিথোফাইটিক শৈবাল 
সঠিক উত্তর:
এপিফাইটিক শৈবাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিফাইটিক শৈবাল 
ব্যাখ্যা

শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
অর্থাৎ, আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 

- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৮১.
নিচের কোনটি DNA-এর নাইট্রোজেন বেস?
  1. হিস্টিডিন
  2. গুয়ানিন
  3. গ্লুটামিন
  4. ট্রিপটোফান
সঠিক উত্তর:
গুয়ানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুয়ানিন
ব্যাখ্যা

গুয়ানিন হলো DNA এর চারটি নাইট্রোজেন ক্ষারের মধ্যে একটি।
- DNA-এর নাইট্রোজেন ক্ষারগুলি দুই ধরনের:
১। পিউরিন: অ্যাডেনিন (A) ও গুয়ানিন (G),
২। পাইরিমিডিন: সাইটোসিন (C) ও থাইমিন (T)।
- গুয়ানিন সর্বদা সাইটোসিনের সাথে তিনটি শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন (G≡C) গঠন করে, যা DNA স্ট্র্যান্ডকে স্থায়িত্ব প্রদান করে।
- এই গঠনে গুয়ানিন DNA-এর দ্বিসূত্রক কাঠামো ও জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণে অপরিহার্য।

• ডিএনএ (DNA):
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান।
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%।
- এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে।
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে।
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গোয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড।

• আরএনএ (RNA):
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid.
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়।
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%।
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট।
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত।
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৬,২৮২.
নিচের কোনটি ফোটন কণার সাথে সম্পর্কিত?
  1. আলো
  2. শব্দ
  3. বিদ্যুৎ
  4. মহাকর্ষ
সঠিক উত্তর:
আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬,২৮৩.
কোনটিকে কোষের প্রাণশক্তি বলা হয়?
  1. ক) প্লোটোপ্লাজম
  2. খ) ক্রোমোজোম
  3. গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক, প্রাণকেন্দ্র বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
যদিও, মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়।
এটি কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে।
কিন্তু, কোষে সংগঠিত সকল ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয় নিউক্লিয়াস দ্বারা।
তাই, নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণশক্তি বলা যায়।

এছাড়াও,
রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।
৬,২৮৪.
পরিবেশের বিভিন্ন দূষকের মধ্যে ওজনহীন প্রভাবক কোনটি?
  1. তেল
  2. ছাই
  3. ধূলিকণা
  4. গামারশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামারশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামারশ্মি
ব্যাখ্যা

১। কঠিন আবর্জনা (Solid Wastes):
- যে সকল কঠিন পদার্থ পরিবেশের দূষণ ঘটায় সেগুলো কঠিন আবর্জনার অন্তর্ভুক্ত।
- যেমন- গৃহস্থালি ও জবাইখানার কঠিন বর্জ্য (সবজির অব্যবহৃত অংশ, মাছ, মুরগির ময়লা) পরিবেশকে দূষিত করে।
- এছাড়াও নির্মাণ কাজের পর অবশিষ্ট কঠিন পদার্থ বাতাসের সাথে মিশে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
- রান্নার পরে অব্যবহৃত ছাই (Ashes) বাংলাদেশের গ্রামীণ পরিবেশে দূষণ ঘটায়।
- শিল্পজ আবর্জনাও নদী ও সাগরের পানিকে দূষিত করে এবং নির্গত ধোঁয়া বায়ুদূষণও ঘটায়।
- যেমন চিনি কারখানা, সার কারখানা, লৌহ ও ইস্পাত নির্মাণ কারখানা, ইটের ভাঁটা ও চামড়া শিল্পের কারখানা থেকে কঠিন বর্জ্য ও ধোঁয়া পরিবেশকে মারাত্মকভাবে দূষিত করে।

২। তরল আবর্জনা (Liquid Wastes):
- পরিবেশের তরল দূষকসমূহ হলো- তেল, অ্যাসিড, অ্যাসিড বৃষ্টি, তরল কীটনাশক ও অন্যান্য বিষাক্ত তরল পদার্থ।
- বর্তমানে বাংলাদেশের হাওড়, বাওড়, নদীতে ইঞ্জিন চালিত নৌকা, লঞ্চ, স্টিমারের চলন চালু হওয়ার কারণে তেল নিঃসারণের ফলে জলজ প্রতিবেশ দূষিত হচ্ছে।
- এছাড়া তেলবাহী জাহাজ এর দুর্ঘটনার ফলে সামুদ্রিক প্রতিবেশও দূষিত হয়।
- পানিতে অ্যাসিডের পরিমাণ অধিক হলে এটি জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে যায়।
-   কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত তরল কীটনাশক মাটির উর্বরতা হ্রাস করে এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদী ও সাগরের পানিতে মিশে ও জলজ প্রতিবেশের ক্ষতি করে।
- কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত জীবানুনাশক, কীটনাশক যেমন- D.D.T. এলড্রিন, ক্লোরোডেন ব্যবহৃত হচ্ছে, যা পরিবেশ এবং মানুষের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।

৩। গ্যাসীয় অবর্জনা (Gaseous Wastes):
- উদ্ভিদ ও প্রাণিকূলের অস্তিত্বের জন্য বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য অত্যন্ত প্রয়োজন।
- প্রাণী শ্বাসপ্রশ্বাস তথা জীবনধারণের জন্য অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং উদ্ভিদ সূর্যালোকের সাহায্যে পানি ও ক্লোরোফিল ব্যবহার করে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে প্রস্তুত করে এবং অক্সিজেন (O2) ত্যাগ করে।
- কিন্তু বর্তমানে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন এবং নগরায়নের কারণে বাতাসে কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), ওজোন (O3) প্রভৃতি গ্যাসের মাত্রা বেড়ে গিয়ে পরিবেশকে দূষিত করছে।
- এই সব গ্যাসকে পরিবেশের গ্যাসীয় দূষক হিসেবে ধরা হয়।

৪। ওজনহীন প্রভাবক (Waste without weight):
- পরিবেশের ওজনহীন প্রভাবক হিসেবে ধরা হয় এক্সরে রশ্মি, আলফা রশ্মি ও গামা রশ্মিকে
- এই সকল রশ্মির কারণে ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়া শব্দকে ওজনহীন দূষক হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৮৫.
g-এর মান সর্বোচ্চ -
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রে
  2. বিষুব অঞ্চলে
  3. ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে
  4. মেরু অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৮৬.
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. International Code of Botanical Nomenclature
  2. International Code of Bioligical Nomenclature
  3. International Code of Botanical Nomenculture
  4. International Code of Biological Nomenclature
সঠিক উত্তর:
International Code of Botanical Nomenclature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Code of Botanical Nomenclature
ব্যাখ্যা
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো International Code of Botanical Nomenclature।
- এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত নিয়মবিধি যা উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ICBN অনুযায়ী নামকরণের কয়েকটি নীতিমালা দেয়া হল :
- প্রজাতির উপরের ছয়টি স্তরের নাম হবে একপদী (uninomial).
- প্রজাতির নাম হবে দ্বিপদী (binomial)। প্রথম পদ হল গণ নাম এবং দ্বিতীয় পদ হল প্রজাতিক পদ।
- নামকে বৈধভাবে প্রকাশিত (validly published) হতে হবে।
- গোত্র বা গোত্রের নিচে যে কোনো ট্যাক্সনের জন্য একটি মাত্র শুদ্ধ নাম থাকবে।
-  উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামের ভাষা হবে ল্যাটিন।
- গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদের সব অক্ষরই ছোট হাতের হবে।
- বৈজ্ঞানিক নাম ছাপার অক্ষরে ইটালিক (ডান দিকে একটু বাঁকা) বা মোটা অক্ষরের হবে। হাতে লিখলে সাধারণত নামের নিচে একটি বা পৃথকভাবে দুটি দাগ টেনে দিতে হবে।
- বৈজ্ঞানিক নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম (সাধারণত সংক্ষিপ্ত) লিখতে হয়। যেমন- Mangifera infica খ. এখানে খ হচ্ছে লিনিয়াস-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- যদি একাধিক বিজ্ঞানী একই উদ্ভিদকে বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন (Law of Priority) অনুসারে বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও IAPT Website.
৬,২৮৭.
লেবুর রসে লালবর্ণের লিটমাস কাগজ ডুবালে, লিটমাস কাগজের রঙ পরিবর্তিত হবে-
  1. ক) নীল রঙে
  2. খ) গোলাপি রঙে
  3. গ) হলুদ রঙে
  4. ঘ) রঙের পরিবর্তন হবে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঙের পরিবর্তন হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঙের পরিবর্তন হবে না
ব্যাখ্যা
লিটমাস কাগজ তৈরি করা হয় সাধারণ কাগজে লাইকেন (Lichens) নামক এক ধরনের গাছ থেকে প্রাপ্ত রঙের সাহায্যে। এভাবে প্রাপ্ত লিটমাস কাগজ দেখতে লালবর্ণের হয়। লেবুর রসে থাকে সাইট্রিক এসিড। এতে যখন লাল লিটমাস ডুবানো হয়, তখন কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় না, ফলে লিটমাস কাগজের রঙের কোনোই পরিবর্তন হয় না। পক্ষান্তরে নীল লিটমাস কাগজ ডুবালে, রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, ফলে লিটমাস কাগজের রং পরিবর্তিত হয়ে যায়। লালবর্ণের লিটমাস কাগজকে ক্ষারীয় দ্রবণে ডুবালে তা নীলবর্ণ ধারণ করে। অন্যদিকে নীলবর্ণের লিটমাস কাগজে কোনো এসিড যোগ করলে তা লাল বর্ণের লিটমাস কাগজে পরিণত হয়। এসিডের একটি ধর্ম হলো এরা নীল লিটমাসকে লাল করে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি]
৬,২৮৮.
সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়ায় জারক পদার্থ কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাইঅক্সাইড
  3. গ্লুকোজ
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাইঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় দরকার হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি, সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিল। 
- উৎপন্ন হয় শর্করা এবং অক্সিজেন। কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহৃত হয় শর্করা তৈরির জন্য। 
- এ বিক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে অক্সিজেন ও পানি উৎপন্ন হয়। এটি একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কার্বন-ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়।
 
6CO2 + 12H2O —→ C6H12O6 + 6O2 + 6H2O
 
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
 
 [সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৬,২৮৯.
কোনটি বায়ুর উপাদান নয়?
  1. ক) জলীয় বাষ্প
  2. খ) আর্গন
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম বায়ুর উপাদান নয়।

বায়ুমন্ডলের উপাদান (Elements of Atmosphere):
-বায়ুমন্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।
- বায়ুমন্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
- অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 



উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,২৯০.
যে কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে কী বলে?
  1. তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ
  2. গ্যালভানিক কোষ
  3. ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষ
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানিক কোষ:
- যে কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে গ্যালভানিক কোষ বলে।

অন্যদিকে,
- যে কোষে তড়িৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বা ইলেক্ট্রোলাইটিক কোষ  বলে।



উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৯১.
নিচের কোনটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র?
  1. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  2. আলফা সেন্টারাই 'এন'
  3. আলফা সেন্টারাই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রক্সিমা সেন্টারাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্সিমা সেন্টারাই
ব্যাখ্যা
প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।
- প্রক্সিমা সেন্টারাই সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে আলফা সেন্টারাই সিস্টেমে অবস্থিত।
- এটি একটি লাল বামন, যা নক্ষত্রের সবচেয়ে সাধারণ ধরন।
- এটি সূর্যের চেয়ে সাত গুণ ছোট।
- এর তাপমাত্রা প্রায় ৩,১০০ কেলভিন, যা সূর্যের তাপমাত্রার অর্ধেকের একটু বেশি।
- আকারে এটি বৃহস্পতি গ্রহের চেয়ে মাত্র ৫০% বড়।
- লাল বামন নক্ষত্র তাদের হাইড্রোজেন জ্বালানি খুব কার্যকরভাবে ব্যবহার করে, ফলে এদের আয়ুষ্কাল অত্যন্ত দীর্ঘ।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রক্সিমা সেন্টারাই চার ট্রিলিয়নেরও বেশি বছর একই অবস্থায় থাকবে (তুলনামূলকভাবে, মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর)।
- আলফা সেন্টারাই সিস্টেমটি সেন্টরাস নক্ষত্রপুঞ্জে দেখা যায়।
- তবে প্রক্সিমা সেন্টারাই সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৯১৫ সালে এটি স্কটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট ইনেস আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,২৯২.
অ্যামিবার চলনে সহায়তা করে -
  1. ক) পিল্লি
  2. খ) ফ্ল্যাজেলা
  3. গ) শীথ
  4. ঘ) ক্ষণপদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষণপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষণপদ
ব্যাখ্যা
• অ্যামিবা ও এন্টামিবা এককোষী প্রাণি।
- সকল জীবিত প্রাণী কোষ নামক এক বা একাধিক একক নিয়ে গঠিত। 
- শুধুমাত্র একটি কোষ নিয়ে গঠিত জীবগুলোকে এককোষী জীব বলা হয়।
- এদের চলন অঙ্গ ক্ষণপদযুক্ত। 
- এদের দেহে কোনো অক্ষীয় তন্তু থাকে না।

অ্যামিবা:
- প্রোটিস্টা রাজ্যের সদস্য অ্যামিবা এককোষী প্রাণী। এদের দেহ ক্ষুদ্রাকার।
- অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায়না। ক্ষণপদ এর সাহায্যে অ্যামিবা গ্রহণ ও চলাচল করে।
- এদের দেহে পানিগহ্বর, খাদ্যগহ্বর ও সংকোচন গহ্বর থাকে।
- এদের সারা দেহ একটি পাতলা পর্দা দ্বারা ঘেরা থাকে। একে প্লাজমালেমা বলা হয়।
- আ্যামিবা পানিতে, স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতে, পুকুরের তলার পচা জৈব আবর্জনার মধ্যে জন্মে।

• এন্টামিবা:
এন্টামিবা প্রোটিস্টা রাজ্যভূক্ত আরেক ধরনের এককোষী জীব।
- খালি চোখে এদের দেখা যায়না।
- এদের দেহ কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নাই।
- এদের দেহ স্বচ্ছ জেলীর ন্যায়। 

• অন্যদিকে, ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার তার যে গঠন দায়ী হলো ফ্ল্যাজেলা

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
৬,২৯৩.
পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের ভরের অনুপাত -
  1. ক) ২ঃ১
  2. খ) ১ঃ২
  3. গ) ১ঃ১৬
  4. ঘ) ১ঃ৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ঃ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ঃ৮
ব্যাখ্যা

পানির আনবিক সংকেত H2O.
পানির একটি অণুতে রয়েছে ২টি হাইড্রোজেন ও ১টি অক্সিজেন পরমানু।
সুতরাং পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের ভরের অনুপাত
= (হাইড্রোজেনের পারমাণবিক ভর × 2) : (অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর × 1)
= (1 × 2) : (16 × 1)
= 2 : 16
= 1 : 8

৬,২৯৪.
যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলে পরস্পরের-
  1. আইসোটোন
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোমার
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
ব্যাখ্যা

আইসোবার: 
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়। 

আইসোটোন: 
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে। 

আইসোটোপ: 
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 

আইসোমার: 
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৯৫.
খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ক্রু গজ
  2. খ) তুলা যন্ত্র
  3. গ) ডিজিটাল স্কেল
  4. ঘ) স্লাইড ক্যালিপার্স
সঠিক উত্তর:
খ) তুলা যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তুলা যন্ত্র
ব্যাখ্যা
তুলা যন্ত্র :

- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নে খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপার জন্য তুলা যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
- তখন সাধারণ নিক্তির সাহায্যে তা পরিমাপ করা সম্ভব হয় না।
- বস্তু বা পদার্থের ভর যত কম হবে, তার ভর পরিমাপের জন্য তত সুক্ষ্ম নিক্তির প্রয়োজন হবে।
- এই রকম একটি নিক্তি হল তুলা যন্ত্র।
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের ল্যাবরেটরীতে খুব অল্প পরিমাণ নমুনার ভর পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯৬.
কাঁচ কাটা এবং পাথর ছিদ্র ও পালিশের কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. গ্রাফাইট
  2. হীরক
  3. লেড
  4. কয়লা
সঠিক উত্তর:
হীরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরক
ব্যাখ্যা
কার্বন: 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক। 
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক। 

হীরকের ব্যবহার: 
- উজ্জ্বলতার জন্য হীরক মূল্যবান রত্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- বস্তুত এটি সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন। 
- এ কারণে বিভিন্ন হীরক খণ্ডের বিশেষ বিশেষ নাম আছে। 
যেমন কোহিনুর, দি হোবা, কুলিনান প্রভৃতি হীরক খণ্ড পৃথিবী বিখ্যাত। 
- অত্যন্ত কঠিন পদার্থ বলে হীরক কাঁচ কাটা, পাথর ছিদ্র ও খোদাইয়ের কাজে ও পালিশের কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- অতি সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি তৈরি করতে হীরক ব্যবহৃত হয়। 

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৬,২৯৭.
দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির কত শতাংশ শর্করা জাতীয় খাদ্য থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) ৪০%-৫০%
  2. খ) ৫০%-৬০%
  3. গ) ৬০%-৭০%
  4. ঘ) ৭০%-৮০%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%-৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%-৭০%
ব্যাখ্যা
•শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যতম প্রধান খাদ্য বা প্রধান পুষ্টি উপাদান। •দেহের শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদানের মধ্যে শর্করা অপরিহার্য।
•প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন খাদ্যসমূহের বেশিরভাগই শর্করা জাতীয় খাদ্য।
•আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি ও তাপশক্তির ৬০%-৭০% শক্তি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য হতে গ্রহণ করা হয়।
•১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা হতে ৪ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
•শর্করার শ্রেণিবিভাগ গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শর্করাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. এক-শর্করা (Monosaccharide),
২. দ্বি- শর্করা (Disaccharide),
৩. বহু-শর্করা (Polysaccharide)

উৎস : গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,২৯৮.
উচ্চ রক্তচাপের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
  1. ক) অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি
  2. খ) পিটুইটারি গ্রন্থি
  3. গ) ঘর্ম গ্রন্থি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি
ব্যাখ্যা

- অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে হরমোন তৈরি হওয়া বেড়ে গেলে হাইপার টেনশন বা উচ্চ-রক্তচাপ হয়।
- অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি হলো একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা অ্যাড্রেনালিন, অ্যালডোস্টেরন ও কর্টিসলসহ নানাবিধ হরমোন তৈরি করে থাকে। এটি সুপ্রারিনাল গ্রন্থি (suprarenal gland) নামেও পরিচিত। এরা বৃক্কের উপরিভাগে অবস্থিত।

- পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের পাদদেশে অবস্থিত মটর দানার মতো দেখতে একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি । পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিক, সোমাটোট্রপিক, TSH ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয় । এই গ্রন্থি অন্যান্য গ্রন্থিকে প্রভাবিত করা ছাড়াও মানবদেহের বৃদ্ধির হরমোন নির্গত করে ।
- ঘাম গ্রন্থিগুলিকে সাধারণত তথাকথিত একক্রাইন ঘাম গ্রন্থি বলা হয়। তাদের কাজটি ঘাম নিঃসরণ করা, যা তাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ভারসাম্য আমাদের শরীরের।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান

৬,২৯৯.
রোধ কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলে
  2. উপাদান
  3. তাপমাত্রা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• রোধ:
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।
- রোধের এস আই একক হলো ও'ম।
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম।
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে।
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০০.
নিচের কোনটিকে জীব ও জড়ের সেতুর সেতুবন্ধন বলে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) সকল অনুজীব
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
প্রাণ-রসায়নবিদগণ ভাইরাসের জড়-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন, আর অনুজীব বিজ্ঞানিগণ ভাইরাসের জীব-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন। এজন্য ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।