বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬৪ / ১৪০ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ১৪,০৮০

৬,৩০১.
নীহারিকা কী?
  1. গ্রহ
  2. অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
  3. উল্কা পিণ্ড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
ব্যাখ্যা
• নীহারিকা (Nebula):
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ।
- এদের আকার বিচিত্র।
- কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ।
- এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে।
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক।
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৩০২.
নিচের কোন ব্যাকটেরিয়া লম্বা দন্ডের ন্যায়?
  1. ক) কক্কাস
  2. খ) ব্যাসিলাস
  3. গ) কমা
  4. ঘ) স্পাইরিলাম
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাসিলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাসিলাস
ব্যাখ্যা

- ব্যাসিলাস দেখতে লম্বা দণ্ডের ন্যায়। ধনুষ্টংকার, রক্তামাশয় ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে। 
- কক্কাস ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি গোলাকার। এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে, যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া। 
- কমা ব্যাকটেরিয়া বাঁকা দণ্ডের ন্যায়। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরনের। 
- স্পাইরিলাম ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি প্যাঁচানো। 

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণি

৬,৩০৩.
সরাসরি হৃৎপিণ্ড দিয়ে সর্বনিম্ন কী পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে মানুষ মারা যেতে পারে?
  1. ক) 1000 A
  2. খ) 100 A
  3. গ) 10 mA
  4. ঘ) 0.05 mA
সঠিক উত্তর:
গ) 10 mA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10 mA
ব্যাখ্যা
- সরাসরি হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ চলে গেলে মাত্র 10mA বিদ্যুতেই মানুষ মারা যেতে পারে।
- ব্যবহার করার জন্য আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি AC এবং AC বিদ্যুৎ DC বিদ্যুৎ থেকে প্রায় 5 গুণ বেশি ক্ষতিকর।
- শুকনো অবস্থায় মানুষের চামড়ার রোধ প্রায় 30,000 Ω থেকে 50,000 Ω হলেও ভেজা অবস্থায় সেটি হাজার গুণ কমে আসে। কাজেই ও'মের সূত্র ব্যবহার করে আমরা দেখাতে পারি আমাদের দেশের 220 V শরীরের ভেতর দিয়ে মানুষকে মেরে ফেলার মতো বিদ্যুৎ প্রবাহ করতে পারে। যখন কেউ ভেজা মাটিতে ভেজা পা নিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সেটি হয় সবচেয়ে বিপজ্জনক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৬,৩০৪.
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে তৈরি হয় -
  1. ক্রিপ্টন
  2. বেরিয়াম
  3. হিলিয়াম
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক শক্তি
- ফ্রেঞ্চ পদার্থবিদ হেনরি বেকেরেল সর্বপ্রথম ১৮৯৬ সালে পারমাণবিক শক্তি উদ্ভাবন করেন।
- যে প্রক্রিয়ায় পরমাণুর সংযোজন বা বিভাজন ঘটিয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি পাওয়া যায় তাকে পারমাণবিক বিক্রিয়া বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিইয়াসই পারমাণবিক শক্তির উৎস। 
- পারমাণবিক শক্তি মূলত দুই ভাবে পাওয়া যায়, যথা- 
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া,
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর হতে শক্তির রূপান্তর আইনস্টাইনের E = mc2 শক্তির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে  E=উৎপন্ন শক্তি, m=শক্তি উৎপন্নকারী পদার্থের ভর এবং c=আলোর গতিবেগ (শূণ্য মাধ্যমে)। 
- নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রয়োজন মত সঠিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন করে যা বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে যা খুবই বিপজ্জনক। পারমাণবিক বোমা মূলত অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া। 
- তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ধাতু পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম রাশিয়া থেকে বিশেষ উড়োজাহাজে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

তথ্যসূত্র - ১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
৬,৩০৫.
নিচের কোনটি তীব্র ক্ষারধর্মী যৌগ নয়?
  1. Ca(OH)2
  2. NH4OH
  3. NaOH
  4. KOH
সঠিক উত্তর:
NH4OH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NH4OH
ব্যাখ্যা
ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সকল হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকেই ক্ষার বলা হয়। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 
যেমন- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড প্রত্যেকেই জলীয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 


ক্ষারক: 
- ক্ষারক হলো ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলকের অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
যেমন- কপার অক্সাইড, আয়রন (II) অক্সাইড, আয়রন (III) অক্সাইড এর প্রত্যেকেই ক্ষারক। 
- পানিতে দ্রবীভূত হয় না বলে এরা ক্ষার নয়, ক্ষারক। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
-  যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (II) অক্সাইড Fe(OH)2, আয়রন (III) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম (III) হাইড্রোক্সাইড Al(OH)3 ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য যে, 
- অ্যামোনিয়া (NH3) ক্ষার বা ক্ষারক নয় বরং এটি একটি ক্ষার ধর্মী যৌগ। 
- অ্যামোনিয়া পানিতে দ্রবীভূত হয়ে অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH) উৎপন্ন করে। 
- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার। 
   NH3 (g) + H2O (l) → NH4OH (aq) । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৬.
সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ ____________ পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
  1. বৃত্তাকার
  2. উপবৃত্তাকার
  3. সর্পিলাকার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
উপবৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপবৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন।
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন।
- গ্রিক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করেন।
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- তিনি সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তাঁর নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত

• প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্রের সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক।

- গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৭.
অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনীতে কতটির অধিক উপাদান থাকে?
  1. প্রায় ১০ টি
  2. প্রায় ১০০ টি
  3. প্রায় ১,০০০ টি
  4. প্রায় ১০,০০০ টি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০,০০০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০,০০০ টি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি: 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে। 

২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে। 

৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩০৮.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 104°F । সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. - 40° C
  2. 38° C
  3. 40° C
  4. 48° C
সঠিক উত্তর:
40° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
40° C
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 104°F । সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা, F = 104°F
সেলসিয়াস তাপমাত্রা, C = ?

আমরা জানি,
C/5 = (F - 32)/9
বা, C/5 = (104 - 32)/9
বা, C/5= 72/9
বা, C = 8 × 5
∴ C = 40
উত্তর: 40° C
৬,৩০৯.
রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে-
  1. প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে
  2. অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
  3. নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
  4. হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
- একটি নিরাপদ অগ্নিনির্বাপণ উপাদান হচ্ছে ড্রাই কার্বন- ডাই-অক্সাইড। 
- যখন নির্বাপণ যন্ত্রের ভালব খোলা হয় তখন কার্বন-ডাই- অক্সাইড সম্প্রসারিত হয়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাসে পরিণত হয়। 
- যেহেতু কার্বন-ডাই-অক্সাইড অক্সিজেনের চেয়ে ভারী তাই এটি জ্বালানীর চারপাশ থেকে অক্সিজেনকে সরিয়ে দেয়। 
- অক্সিজেনের অভাবে আগুন আর জ্বলতে পারে না। 
- রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 

উৎস: National Emergency Service, 999.gov.bd
৬,৩১০.
নিচের কোন রেখায় সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মূল মধ্যরেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষরেখার উভয় পার্শ্বে ৫ ডিগ্রি করে এলাকায় সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- যার কারণে এখানে দিনরাত্রি সবসময় প্রায় সমান এবং তাপমাত্রার সারাবছর একই থাকে।
- ঋতুপরিবর্তন বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয় না। অধিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত এখানকার জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
৬,৩১১.
নিচের কোনটি মানবদেহে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে?
  1. লোহিত রক্তকণিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা 
  3. অণুচক্রিকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা 
ব্যাখ্যা

• রক্তের উপাদান:
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা। এর অন্তঃকোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত। এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে। এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- রক্তের দু'টি উপাদান- (১) রক্তরস এবং (২) রক্ত কণিকা। সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা। রক্ত কণিকা প্রধানত তিন ধরনের, যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্ত কণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াস বিহীন। এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি ভাসমান ব্যাগ এবং চ্যাপ্টা আকৃতির। এ কারণে লোহিত কণিকা তার আকারের পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না। এ কণিকাগুলো সার্বক্ষণিক অস্থিমজ্জার ভেতরে উৎপন্ন হয় এবং রক্তরসে চলে আসে। - মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে লোহিত কণিকা প্লিহা-তে সঞ্চিত থাকে। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে এখান থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- আমাদের জীবনের প্রতি মুহূর্তে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয় আবার সমপরিমাণ তৈরি হয়।

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে দেহে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে।
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়।
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে।

• অণুচক্রিকা:
- এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে। অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন। এরা গুচ্ছাকারে থাকে।
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ।
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে। যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১২.
নিচের কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়?
  1. রূপা
  2. তামা
  3. নিকেল
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকেল
ব্যাখ্যা
চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশির ভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থও বলা হয়। 
- ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩১৩.
প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) লাইসোজোম
  3. গ) ক্রোমোজোম
  4. ঘ) রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩১৪.
কিসের সংক্রমণে রিউম্যাটিক ফিভার হয়?
  1. ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
  2. খ) স্টেফাইলোকক্কাস
  3. গ) ই কোলাই
  4. ঘ) টি টু ফাজ
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেপটোকক্কাস
ব্যাখ্যা
স্ট্রেপটোকক্কাসের সংক্রমণে রিউম্যাটিক ফিভার বা বাতজ্বর হয়৷ এর লক্ষণগুলো হচ্ছে শ্বাসনালীর প্রদাহ, টনসিলের প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৬,৩১৫.
নিচের কোনটি ​স্তন্যপায়ী প্রাণী? 
  1. বাদুড় 
  2. টিকটিকি 
  3. কুমির 
  4. কচ্ছপ 
সঠিক উত্তর:
বাদুড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদুড় 
ব্যাখ্যা

সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী: 
- এরা বুকে ভর দিয়ে চলে, ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়।
যেমন- সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর প্রভৃতি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী।

স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে।
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে।
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়।
- যেমন- তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬,৩১৬.
কোন বস্তুর স্থিতিস্থাপকতা সর্বাপেক্ষা বেশি? 
  1. সোনা
  2. ইস্পাত
  3. রবার
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপকতা: 
- বল প্রয়োগ যদি কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বস্তু বিকৃত হয় তাহলে প্রযুক্ত বল সরিয়ে নিলে যে ধর্মের ফলে বিকৃত বস্তু আগের আকার ও আয়তন ফিরে পায় তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে। 
- যে বস্তুর বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতাও বেশি হবে। 
- লোহা ও রাবারের মধ্যে বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা লোহার বেশি তাই লোহা রাবারের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক। 

স্থিতিস্থাপক সীমা: 
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। 
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়। 
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন। 
যেমন- ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। 
৬,৩১৭.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত একটি জীবন্ত জীবাশ্ম হলো-
  1. কিং ক্র্যাব
  2. পিঁপড়া
  3. পেঁচা
  4. কিং ফিশ
সঠিক উত্তর:
কিং ক্র্যাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিং ক্র্যাব
ব্যাখ্যা
• King Crab বা রাজ কাঁকড়া:
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাঁকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হওয়ায় অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ছাড়াই এরা পৃথিবীতে টিকে আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৩১৮.
নিচের কোন উপাদানটি ফিটকিরিতে অনুপস্থিত?
  1. K
  2. H2O
  3. Na
  4. Al
সঠিক উত্তর:
Na
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na
ব্যাখ্যা
ফিটকিরি বা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরি এর রাসায়নিক সংকেত হলো [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O]
- ফিটকিরি সাধারণ মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩১৯.
ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. ক) উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ডের শীর্ষে অবস্থান করে
  2. খ) উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটায়
  3. গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
  4. ঘ) ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
ব্যাখ্যা
যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে। ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে।
- ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্য:-  
- ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ এরা লম্বা হয় এবং এদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়,
- ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়,
- উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ডের শীর্ষে অবস্থান করে। 

উৎস- এইচ.এস. সি উদ্ভিদবিজ্ঞান  (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
৬,৩২০.
জোয়ার-ভাঁটার তেজ কটাল কখন হয়?
  1. অষ্টমী তিথিতে
  2. যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণ অবস্থান করে
  3. একাদশীতে
  4. অমাবস্যার তিথিতে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যার তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যার তিথিতে
ব্যাখ্যা

পানির উচ্চতা ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ: 
- পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জোয়ার ভাঁটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. তেজ কটাল বা ভরা কটাল এবং 
২. মরা কটাল। 

তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে, এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৩২১.
সংকর ধাতু কী?
  1. খনিজমল মিশ্রিত ধাতু
  2. শতভাগ বিশুদ্ধ ধাতু
  3. একাধিক ধাতুর মিশ্রণ
  4. একাধিক ধাতুর যৌগ
সঠিক উত্তর:
একাধিক ধাতুর মিশ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ধাতুর মিশ্রণ
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচের টেবিলে কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যাবহার উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২২.
রাদারফোর্ড আলফা কণার পরীক্ষা দ্বারা কোনটির অস্তিত্ব পেয়েছিল?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
• রাদারফোর্ড কর্তৃক আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা ও নিউক্লিয়াস আবিষ্কার:
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে রাদারফোর্ড আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষাটি করেন।
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড প্রচণ্ড শক্তিসম্পন্ন' আলফা কণাসমূহকে একটি পাতলা সোনার পাতের (0.0004 cm) উপর নিক্ষেপ করেন।
- সোনার পাতের পেছনে জিংক সালফাইড (ZnS) আবরণযুক্ত একটি গোলাকার পর্দা রাখেন।
- ZnS আবরণীর উপর পতিত ∝-কণা আলোকচ্ছটা সৃষ্টি করে।

• পরীক্ষালব্ধ সিদ্ধান্ত:
- পরমাণুর কেন্দ্রে পরমাণুর সমগ্র ভর অতি ক্ষুদ্র স্থান দখল করে আছে।
- যেহেতু আলফা কণাসমূহ ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং এক্ষেত্রে বিকর্ষিত হয়, সেহেতু পরমাণুর কেন্দ্রও ধনাত্মক চার্জযুক্ত হবে।
- তিনি ভারী ও ধনাত্মক চার্জযুক্ত পরমাণুর এ কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস (nucleus) নামকরণ করেন।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩২৩.
কৃত্রিম উপগ্রহ কী জন্যে ব্যবহার করা হয়?
  1. গোয়েন্দা নজরদারি
  2. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
  3. খনিজ সম্পদের সন্ধান
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম উপগ্রহ:
- মানুষের তৈরি বিভিন্ন উপগ্রহ আছে যারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- এদের বলে কৃত্রিম উপগ্রহ।
- আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তথ্য আদান-প্রদান, গোরেন্দা নজরদারি, খনিজ সম্পদের সন্ধান,পরিবেশ দূষণ নির্ণয় ইত্যাদি কাজে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৩২৪.
আলুর লেট ব্লাইট রোগের জন্য দায়ী হলো -
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. শৈবাল
  4. ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
আলুর লেট ব্লাইট রোগ: 
- আলুর লেট ব্লাইট (নাবিধসা বা মড়ক) রোগের জন্য দায়ী ছত্রাকের জিনোটাইপ (জিনের বিন্যাস) ও ফিনোটাইপ (বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য)। 
- এই শনাক্তকরণের গবেষণা করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. রসিদুল ইসলাম। 
- বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৯০ শতাংশ জমিতে ছত্রাকটির যে জিনোটাইপ পাওয়া গেছে সেটি হলো ‘ইইউ-১৩-এ২’, যেটি ব্লু-১৩ হিসেবেও পরিচিত। 
- আলুর মড়ক রোগ ছত্রাকজনিত একটি মারাত্মক রোগ। 
- এই রোগের কারণে আলু নষ্ট হওয়া, অতিরিক্ত ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা ইত্যাদি ক্ষতি হচ্ছে। 
- মূলত এই ক্ষতি কমাতেই ২০১৪ সাল থেকে ছত্রাকের জিনোটাইপ ও ফিনোটাইপ শনাক্তকরণ এবং এর জৈবিক ছত্রাকনাশক উদ্ভাবনের কাজটি শুরু করা হয়। 
- ওই সময় দেশের ১৫টি জেলা থেকে মড়ক রোগাক্রান্ত মোট ৯০টি আলুর পাতার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। 

- এতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্লু-১৩ জিনোটাইপের ছত্রাকের উপস্থিতি পাওয়া যায়। 
- জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেই মূলত মড়ক রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। 
- এ সময় সংক্রমণ তীব্র মাত্রায় হতে থাকলে ছত্রাকনাশক (ডাইথেন এম-৪৬ বা ইন্ডোফিল এম-৪৫) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ২ থেকে ৩ বার ৬ থেকে ৭ দিন পর পর এমনভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে, যাতে গাছ ভালোভাবে ভিজে যায়। 
- মড়ক হলো একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ।
- বাতাসের মাধ্যমেও এটি এক জমি থেকে অন্য জমিতে ছড়িয়ে পড়ে।
- একটি গাছ আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগটি পুরো জমিতে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ সময় প্রতিরোধী কোনো ব্যবস্থা না নিলে ছত্রাক আক্রমণের তীব্রতার পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন কমার আশঙ্কা থাকে সর্বোচ্চ ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ।
- তবে রোগ সংক্রমণ শুরু হয়ে গেলে ‘সাইমোক্সানিল ও ম্যানকোজেব মিশ্রণ’ বা ‘সাইমোক্সালিন ও ডাইমেথোমর্ফ মিশ্রণ’ অথবা ‘ডাইমেথোমর্ফ ও ম্যানকোজেব মিশ্রণ’ ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ থেকে ৪ বার ৪ থেকে ৫ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে। 

উৎস: Bachelor of Agriculture Education প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৪)।
৬,৩২৫.
বাংলাদেশে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোনটি হয়েছিল কোন সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ ও করণীয়: 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে, তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সহজসাধ্য নয়। 
- তবে যে দুটি কারণ মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হলো নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 

- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 
- সম্প্রতি আমেরিকাতে ঝড়ের সময় সিলভার আয়োডাইড (AgI) নামক রাসায়নিক দ্রব্য বাতাসে ছড়িয়ে পানিকে শীতল করে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমানোর চেষ্টা করা হলেও নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি ঠিকভাবে কাজ করেনি। 
- এছাড়া সাগরে তেল বা অন্যান্য  রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে বাষ্পীভবন কমিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা করা হয়। তবে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করা কখনোই বাস্তবভিত্তিক নয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়ের আরেকটি মারাত্মক দিক হলো জলোচ্ছ্বাস। তাই ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় নিচু এলাকায় বসবাস করা মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 
- জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর জন্য উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ তৈরি করা যেতে পারে, সাথে সাথে সেখানে প্রচুর গাছপালা লাগিয়েও ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩২৬.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়? 
  1. অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  2. পানি ও অক্সিজেন
  3. শর্করা ও পানি
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও শর্করা
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- যে জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অংশ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে কেন গণ্য করা হয়। কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৬,৩২৭.
'এল নিনো' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
  2. সৌর কার্যকলাপের পরিবর্তন
  3. অস্বাভাবিক মেরু বরফ গলন
  4. ভারত মহাসাগরের জোয়ার-ভাটা প্রভাব
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
ব্যাখ্যা

◉ এল নিনো হলো একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা, যা ঘটে যখন পূর্ব-মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। সাধারণত প্রতি ২–৭ বছর অন্তর ঘটে এবং কয়েক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

​এল নিনো:
- এল নিনো এক প্রকার উষ্ণ স্রোত।
- 'এল নিনো' (El Nino) একটি 'স্প্যানিশ' শব্দ।
- এল নিনো প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ঘটে।
- তা বিরাজমান থাকে প্রায় ১ বছর কখনো কখনো ১৮ মাস পর্যন্ত যখন, সমুদ্র পৃষ্ঠ’র তাপমাত্রা বিস্তর পার্থক্য হয় (প্রায় ০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস)।
- এল নিনোর কারণে অস্ট্রেলিয়াতে খড়া দেখা দিতে পারে।
- এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে অতিবর্ষণ ও ভারতে বর্ষাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
- চলমান এল নিনো বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে রাখার লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করে যেতে পারে।
- সাধারণত যে বছর এল নিনো শুরু হয়, তার পরের বছরটিতে তীব্র গরম অনুভূত হয়।
- এর আগে ২০১৫ সালে এল নিনো হয়েছিল বলে ২০১৬ সালে বিশ্বে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল।

​অপরদিকে, 'লা নিনো' শব্দটিও ''স্প্যানিশ' যার অর্থ বালিকা। এল নিনো প্রভাবে সাগরে উষ্ণ পানির স্রোত প্রবাহিত হবার পর পরবর্তীতে সাগরের পানির উষ্ণতা কমে আসে। সাগরের পানির এ উষ্ণতা কমে আসাই লা নিনো নামে পরিচিত। লা নিনোর প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়।

উৎস: National Geographic Society.

৬,৩২৮.
‘ব্ল্যাকবক্স’ যন্ত্রটি কিসে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) জাহাজে
  2. খ) বিমানে
  3. গ) রকেটে
  4. ঘ) সাবমেরিনে
সঠিক উত্তর:
খ) বিমানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিমানে
ব্যাখ্যা

সব প্লেনেই ব্ল্যাকবক্স থাকে। এসব বক্স প্লেন চলার সময় বিভিন্ন তথ্য ধারণ করে রাখে।
ব্ল্যাকবক্সের সংখ্যা এক বা ক্ষেত্রবিশেষে দুটি হয়।
একটি ককপিটে পাইলটদের কথোপকথন ধারণ করে, যা ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) নামে পরিচিত।
অপরটি প্লেন চলাচলের বিভিন্ন তথ্য ধারণ করে, যা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফডিআর) নামে অভিহিত।
সূত্রঃ প্রথম আলো

৬,৩২৯.
কোনটি পরিবহন টিস্যুতন্ত্রের অন্তর্গত?
  1. ক) জাইলেম
  2. খ) স্ক্লেরেনকাইমা
  3. গ) এরেনকাইমা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) জাইলেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাইলেম
ব্যাখ্যা
পরিবহন টিস্যু তন্ত্র (Vascular Tissue System): জাইলেম ও ফ্লোয়েম এর সমন্বয়ে গঠিত টিস্যুতন্ত্রকে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র বলা হয়।
সমস্ত ভাস্কুলার উদ্ভিদের ও পাতার শিরা উপশিরায় এ টিস্যুতন্ত্র থাকে। এ টিস্যুতন্ত্র খাদ্যের উপাদান ও তৈরি খাদ্য পরিবহন করে বলে একে সংযোজনকারী টিস্যুতন্ত্রও (Conducting tissue system) বলা হয়।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩০.
নিচের কোনটি ছোট দিনের উদ্ভিদ?
  1. ক) লেটুস
  2. খ) পালংশাক
  3. গ) ঝিঙা
  4. ঘ) সয়াবিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সয়াবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সয়াবিন
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
• বড় দিনের উদ্ভিদ:
- আফিম,
- যব,
- মূলা,
- পালংশাক,
- লেটুস
- ঝিঙা,
- মটরশুটি ইত্যাদি।

• ছোট দিনের উদ্ভিদ:
- শিম
- আলু
- ডালিয়া
- সাজিনা
- ইক্ষু
- সয়াবিন
- পাট
- আম
- সূর্যমুখী
- চন্দ্রমল্লিকা,

• নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ:
- আউশ ধান
- কার্পাস
- শসা
- টমেটো
- সূর্যমুখী

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

৬,৩৩১.
কোনো সিলিকন চিপে লক্ষ লক্ষ বর্তনী সংযোজিত হলে তাকে কী বলে?
  1. ক) সমান্তরাল বর্তনী
  2. খ) অর্ধপরিবাহী ট্রানজিস্টর
  3. গ) সমন্বিত বর্তনী
  4. ঘ) অর্ধপরিবাহী ডায়োড
সঠিক উত্তর:
গ) সমন্বিত বর্তনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমন্বিত বর্তনী
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ডায়ােড ইত্যাদি ব্যবহার করে অনেক প্রয়ােজনীয় সার্কিট তৈরি করা হয়। ধীরে ধীরে প্রযুক্তির উন্নতি হতে থাকে এবং এই ধরনের নানা কিছু ব্যবহার করে তৈরি করা আস্ত একটি সার্কিট ছােট একটা জায়গার মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া শুরু হলাে এবং তার নাম দেওয়া হলাে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।

একটা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হয়তাে একটা নখের সমান। তার ভেতরে প্রথমে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর দিয়ে তৈরি সার্কিট ঢােকানাে শুরু হয় এবং দেখতে দেখতে একটা আইসির ভেতর বিলিয়ন ট্রানজিস্টর পর্যন্ত বসানাে সম্ভব হয়ে উঠতে থাকে।

একটি ছােট চিপের ভেতর বিলিয়ন ট্রানজিস্টর ঢােকানাের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় VLSI বা Very Large Scale Integration. এই প্রক্রিয়াটি এখনাে থেমে নেই এবং চিপের ভেতর আরাে ট্রানজিস্টর ঢুকিয়ে আরাে জটিল সার্কিট তৈরি করার প্রক্রিয়া এখনাে চলছে।
উৎসঃ নবন-দশম শ্রেণী, পদার্থবিজ্ঞান।
৬,৩৩২.
নিচের কোনটি স্নায়বিক রোগ?
  1. এনজাইনা
  2. মায়োকার্ডাইটিস
  3. অ্যাজমা
  4. স্ট্রোক
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক
ব্যাখ্যা
স্ট্রোক:
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়।
- স্ট্রোক একটি স্নায়বিক রোগ।

• স্ট্রোকের কারণ:
- সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্ত চাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ হতে পারে।
- অনেক সময় অত্যধিক স্নায়ুবিক চাপ, যেমন- উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
- নির্গত রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে, রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বরে ও মাথার খুলিতে ঢুকে গেলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

• লক্ষণ:
- প্রচন্ড মাথা ব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারিয়ে যাওয়া, মাংস পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া, শ্বসন ও নাড়ির স্পন্দন কমে যাওয়া, মুখমন্ডল লালবর্ণ ধারণ করা ইত্যাদি।

• প্রতিরোধের উপায়:
- ধূমপান চিরতরে পরিহার করা।
- উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, সুষম খাবার, পরিমিত ঘুম এবং ব্যায়াম করা।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৩.
নেফ্রন কী? 
  1. বৃক্কের রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী অঙ্গ
  2. অন্ত্রের পুষ্টি শোষণ একক
  3. লিভারের প্রধান কার্যকারী একক
  4. বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একক
সঠিক উত্তর:
বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকরী একক
ব্যাখ্যা

নেফ্রনের গঠন: 
- বৃক্কের লম্বচ্ছেদ অনুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, এর ভেতরে অসংখ্য কুণ্ডলীকৃত সূক্ষ্ম নালিকা দেখা যায়, এদেরকে নেফ্রন (nephron) বলে। 
- নেফ্রন হলো বৃক্কের গাঠনিক ও কাজের একক। 
- প্রচুর রক্তনালি ও কিছু যোজক কলাসহ প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে। 
- প্রতিটি নেফ্রনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ সে.মি.। 
- প্রতিটি নেফ্রনকে ৬টি অঞ্চলে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. রেনাল করপাসল (Renal corpuscle), 
২. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা (Proxinal convoluted tubule), 
৩. হেনলির লুপের অবরোহন বাহু (Descending limb of Henle's loop), 
৪. হেনলির লুপের আরোহন বাহু (Ascending limb of Henle's loop), 
৫. দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকা (Distal convoluted tubule) ও 
৬. সংগ্রাহী নালিকা (Collecting tubule)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৩৪.
কঠিন পদার্থে তাপ প্রধানত কোন প্রক্রিয়ায় সঞ্চালিত হয়?
  1. পরিচলন
  2. পরিবহন
  3. বাষ্পীভবন
  4. বিকিরণ
সঠিক উত্তর:
পরিবহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন
ব্যাখ্যা

• কঠিন পদার্থে তাপ প্রধানত পরিবহন পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়।

• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে গমন করে।
- তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়, পরিবহন, পরিচলন, বিকিরণ।

• পরিবহন পদ্ধতি:
- এ পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না।
- অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে।
- উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়।
- কঠিন পদার্থে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

• পরিচলন পদ্ধতি:
- অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে স্থান পরিবর্তন করে।
- তরল ও বাষ্পীয় পদার্থে তাপ পরিচলনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

• বিকিরণ পদ্ধতি:
- কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই তাপ সঞ্চালিত হয়।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ বিকিরণের মাধ্যমে আসে।
- এ পদ্ধতিতে সঞ্চালিত তাপকে বিকীর্ণ তাপ বলে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
2) পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৩৫.
বেগ যদি সব সময় ধ্রুব থাকে তাহলে তাকে কী বলে? 
  1. মধ্যবেগ
  2. সমবেগ
  3. অসমবেগ
  4. তাৎক্ষণিক বেগ
সঠিক উত্তর:
সমবেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমবেগ
ব্যাখ্যা
বেগ (Velocity): 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

সমবেগ (Uniform velocity): 
- বেগ যদি সব সময় ধ্রুব থাকে তাহলে তাকে সমবেগ বলে। 
- অর্থাৎ কোনো বস্তু যদি নির্দিষ্ট দিকে সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে তাহলে বস্তুর বেগকে সমবেগ বলে। 
যেমন শব্দের বেগ, আলোর বেগ ইত্যাদি। 

অসমবেগ (Non-uniform Velocity): 
- বেগ যদি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম হয় তাহলে তাকে অসম বেগ বলে। 
- যদি কোনো বস্তুর বেগের মান বা দিক বা উভয় পরিবর্তিত হয় তখন সেই বেগকে অসম বেগ বলে।

গড় বেগ (Average Velocily): 
- যেকোনো সময় ব্যবধানে বস্তুর গড়ে প্রতি একক সময়ে যে সরণ হয় তাকে বস্তুটির গড় বেগ বলে। 
- যেকোনো সময় ব্যবধানে কোনো বস্তুর মোট সরণকে ঐ সময় ব্যবধান দ্বারা ভাগ করে গড় বেগ নির্ণয় করা হয়। 

তাৎক্ষণিক বেগ (Instantaneous Velocity): 
- বস্তু কণার কোনো বিশেষ মুহূর্তের বেগকে তাৎক্ষণিক বেগ বলা হয়ে থাকে। 
- কোনো বস্তুর তাৎক্ষণিক বেগ নির্ণয় করতে হলে সময় ব্যবধান অবশ্যই অত্যন্ত ক্ষুদ্র (প্রায় শূন্যের কাছাকাছি) হতে হবে। 
- সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে তাৎক্ষণিক বেগ বলে। 

মধ্যবেগ (Mean Velocity): 
- কোনো একটি গতিশীল বস্তুর প্রথম ও শেষ বেগ এর অভিমুখ একই হলে তাদের গড়কে মধ্য বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৬.
অ্যামিটার দিয়ে মূলত কী পরিমাপ করা হয়?
  1. শক্তি 
  2. বিভব পার্থক্য
  3. রোধ 
  4. তড়িৎ প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
ব্যাখ্যা

অ্যামিটার: 
- অ্যামিটার একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- অ্যামিটারের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়। 
- অ্যামিটার বর্তনীর সাথে শ্রেণি সংযোগে যুক্ত থাকে। 
- এই যন্ত্রে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে। গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। 
- এই গ্যালভানোমিটারে বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি অ্যাম্পিয়ার, মিলিঅ্যাম্পিয়ার বা মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার এককে দাগকাটা একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
- বিদ্যুৎ কোষের মতো অ্যামিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
- সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

অন্যদিকে,
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে ভোল্টমিটার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬,৩৩৭.
'Flora' বলতে কী বুঝায়?
  1. মৎস্যকূল
  2. প্রাণিকূল
  3. উদ্ভিদকূল
  4. পক্ষীকূল
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদকূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদকূল
ব্যাখ্যা
Flora বলতে বুঝায় পৃথিবীর সকল উদ্ভিদকে।
'Fauna' বলতে বুঝায় পৃথিবীর সকল প্রাণীকে।
Fauna অর্থ প্রাণিকূল এবং Flora অর্থ উদ্ভিদকূল।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৩৮.
ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয় - 
  1. ইথানল 
  2. আয়োডিন
  3. ন্যাপথলিন
  4. নিশাদল
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
ব্যাখ্যা

• ইথানল ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয়। 

ঊর্ধ্বপাতন:
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
- নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।

অন্যদিকে, ইথানল তরল পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৬,৩৩৯.
মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৫ ইঞ্চি
  2. ১৮ ইঞ্চি
  3. ২০ ইঞ্চি
  4. ২৪ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর:
১৮ ইঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
• সুষুম্না কান্ড:
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৪০.
পাকা কলায় কোন ধরনের এস্টার বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) ইথাইল বিউটারেট
  2. খ) অকটাইল অ্যাসিটেড
  3. গ) মিথাইল বিউটারেট
  4. ঘ) অ্যামাইল অ্যাসিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যামাইল অ্যাসিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যামাইল অ্যাসিটেড
ব্যাখ্যা
এস্টার হলো জৈব কার্বক্সিলিক এসিডের একটি জাতক।
এস্টার বিভিন্ন ফুল ও ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী।
পাকা কলায় অ্যামাইল অ্যাসিটেড,
পাকা কমলায় অকটাইল অ্যাসিটেড,
পাকা আনারসে ইথাইল বিউটারেট,
নাশপাতিতে ৩-মিথাইল বিউটাইল ইথানোয়েট এস্টার বিদ্যমান থাকে।
৬,৩৪১.
বেকিং সোডায় তাপ দিলে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয়? 
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  2. অক্সিজেন 
  3. নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড 
  4. হাইড্রোজেন ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড 
ব্যাখ্যা

হাইড্রোক্লোরিক এসিড: 
- সাধারণত মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) -এর প্রয়োজন হয়। 
- কোমল পানীয়গুলো অল্প মাত্রায় এসিডিক, তাই গুরুপাক খাবার পর কোমল পানীয় আমাদের পরিপাকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) তৈরিতে সাহায্য করে। 

এসকরবিক এসিড: 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি ফলের মধ্যে ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (C6H8O6) আছে। 
- এটি দেহের ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক এবং এর অভাবে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ হয়। 

এসিটিক এসিড: 
- আম, জলপাই ইত্যাদি নানা রকম আচার সংরক্ষণ করতে ভিনেগার বা এসিটিক এসিড (CH3COOH) ব্যবহার করা হয়। 

ল্যাকটিক এসিড: 
- কোমল পানীয়ের মতো বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড [(CH3-CH(OH)-COOH] আমাদের হজম শক্তিতে সাহায্য করে। 
- কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি বেকিং সোডা (NaHCO3) ব্যবহার করে ফোলানো হয়। 
- তাপ দিলে এই বেকিং সোডা ভেঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা কেক, বিস্কুট, পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৪২.
রক্তে কোলেস্টেরল-এর পরিমাণ বেড়ে গেলে কোনটি খাওয়া উচিত নয়?
  1. ক) বেলে মাছ
  2. খ) খাসির মাংস
  3. গ) পালংশাক
  4. ঘ) মুরগীর মাংস
সঠিক উত্তর:
খ) খাসির মাংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাসির মাংস
ব্যাখ্যা
-  'রেড মিট' বলতে গরু বা খাসির মাংসকে বুঝায়। 
- রক্তে কোলেস্টেরল-এর পরিমাণ বেড়ে গেলে গরু বা খাসির মাংস খাওয়া উচিত নয়। 
- কারণ রেড মিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। 
- আর উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। 
- রেড মিটে যে কোলেস্টেরল থাকে সেটি বেশি বেড়ে গেলে হার্টের শিরায় জমে রক্ত জমাট বাঁধিয়ে দেয়।
 
উৎস : বিবিসি 
৬,৩৪৩.
বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা কত অংশ? 
  1. ০.৪১% 
  2. ২০.৭১%
  3. ০.০৩% 
  4. ০.৮০%
সঠিক উত্তর:
০.৪১% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৪১% 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১ । 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৪৪.
জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি কী কী?
  1. ক) Zoology এবং Mycology
  2. খ) Ecology এবং Botany
  3. গ) Mycology এবং Zoology
  4. ঘ) Botany এবং Zoology
সঠিক উত্তর:
ঘ) Botany এবং Zoology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Botany এবং Zoology
ব্যাখ্যা
জীবের ধরন অনুযায়ী জীববিজ্ঞান কে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যথা- Botany (উদ্ভিদবিজ্ঞান) এবং Zoology (প্রাণিবিজ্ঞান)।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৪৫.
কোন ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রংধনু তৈরি হয়?
  1. ক) আলোর প্রতিফলন
  2. খ) আলোর প্রতিসরণ
  3. গ) পানির কণায় পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ঘ) আলোর বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
গ) পানির কণায় পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির কণায় পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যক্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে। বৃষ্টি হবার পরপর যদি রােদ ওঠে তাহলে আমরা রংধনু দেখি। তার কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হবার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলাে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। এই আলাের রশ্মিগুলাে দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (band) তৈরি হয়। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৬,৩৪৬.
অণুজীব বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক) রবার্ট কক্
  2. খ) লুইস পাস্তুর 
  3. গ) এডওয়ার্ড জেনার
  4. ঘ) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
ব্যাখ্যা
• ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণি। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়।

অর্থাৎ, অনুজীব বিজ্ঞানের জনক - এন্টনি ভন লিউয়েনহুক।

পরবর্তীতে, জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

অন্যদিকে, 
• রবার্ট কক্ যক্ষা রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন।
• বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। তিনি  জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন এবং টিকাজগতে বিপ্লব ঘটান। এছাড়াও তিনি মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন। 
• এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। এজন্য জানার কে প্রতিষেধক বিদ্যার জনক বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৪৭.
পর্যায় সারণীর কোন মৌলসমূহ রঙিন যৌগ গঠন করে?
  1. চ্যালকোজেনস
  2. হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল
  3. অবস্থান্তর মৌল
  4. নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
ব্যাখ্যা

• পর্যায় সারণীর অবস্থান্তর মৌলসমূহ (গ্রুপ ৩ থেকে ১২) রঙিন যৌগ গঠন করে।

• অবস্থান্তর মৌল:

- পর্যায় সারণির ৩নং গ্রুপ থেকে ১২নং গ্রুপের মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল বলে।

• অবস্থান্তর মৌলসমূহের বৈশিষ্ট্য :
- পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে।
- রঙিন যৌগ গঠন করে।
- জটিল যৌগ গঠন করে।
- প্রভাবকরূপে ক্রিয়া করে।
- প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম প্রদর্শন করে।

• হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে।
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ 18 এর মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
- যথা: হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn)।।
- রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে।

• চ্যালকোজেনস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর মৌলসমূহকে (যেমন O, S, Se, Te ইত্যাদিকে) আকরিক উৎপন্নকারী মৌল বা চ্যালকোজেনস (chalcogens) বলা হয়।

উৎস:
১. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২. রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৪৮.
নিচের কোনটি কয়লার রূপান্তরিত রূপ?
  1. ক) মার্বেল
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কোয়ার্টজাইট
  4. ঘ) গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৬,৩৪৯.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য-
  1. ভিটামিন- এ
  2. ভিটামিন- সি
  3. লৌহ
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷ 
লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎস: ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷

ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস।
যেহেতু, প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে ক্যালসিয়াম সরাসরি বলা আছে, 
তাই ক্যালসিয়াম উত্তর নেয়া হয়েছে। 
৬,৩৫০.
সোডিয়ামের প্রোটন সংখ্যা কত?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১
ব্যাখ্যা
কোনো মৌলের একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়।

- হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১
- অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬
- সোডিয়ামের প্রোটন সংখ্যা ১১

সূত্র- ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৬,৩৫১.
P-N জংশন ডায়োডে কারেন্ট কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. P থেকে N এ
  2. N থেকে P এ
  3. উভয় দিকে
  4. কারেন্ট প্রবাহ হয় না 
সঠিক উত্তর:
P থেকে N এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P থেকে N এ
ব্যাখ্যা

◉ P-N জংশন ডায়োড একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। এটি শুধু একদিক দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত করতে পারে, যাকে বলে Forward Bias condition. যখন ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত P-টাইপ এর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত N-টাইপ এর সাথে যুক্ত করা হয়। তখন কারেন্ট P থেকে N দিকে প্রবাহিত হয়।

​ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৫২.
জিনতত্ত্ব ও আধুনিক জীববিজ্ঞানে ভাইরাস কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. অনুঘটক
  2. এনজাইম
  3. ভেক্টর
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস জিন স্থানান্তরের বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ভাইরাসের উপকারিতা:

- বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসকে মানবকল্যাণে বিভিন্নভাবে ব্যবহারযোগ্য উপাদানে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য উপকারিতাগুলো হলো—

- বসন্ত, পোলিও এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিরোধক টিকা (Vaccine) ভাইরাস ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়।
- ভাইরাসের মাধ্যমে উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধক টিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- ভাইরাসকে কখনো কখনো অ্যালার্জি, জিনতত্ত্ব ও আধুনিক জীববিদ্যা গবেষণায় বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহৃত হয়। যেমন— ফাজ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
- কিছু ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
- কোষীয় প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও জেনেটিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে ভাইরাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ভাইরাস জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যা জীববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক।
 
• ভাইরাসের কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব (উদাহরণ):

- লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ সৃষ্টি হয়।
- এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাজারে ফুলের মূল্য বেড়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫৩.
নীল তিমি কোন শ্রেণির প্রাণী? 
  1. সরীসৃপ
  2. পক্ষীকুল
  3. স্তন্যপায়ী
  4. মৎস্যকুল
সঠিক উত্তর:
স্তন্যপায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্তন্যপায়ী
ব্যাখ্যা
Chordata পর্বের Mammalia শ্রেণির স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- নীল তিমি
- বাদুড়, 
- ডলফিন, 
- মানুষ, 
- বানর ইত্যাদি। 

Chordata পর্বের Reptalia শ্রেণির সরীসৃপ প্রাণী: 
- ঘড়িয়াল, 
- কুমির, 
- কচ্ছপ, 
- সাপ, 
- টিকটিকি ইত্যাদি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩৫৪.
ধানের পরাগরেণু স্থানান্তরের প্রধান মাধ্যম কোনটি?
  1. বায়ু
  2. প্রাণি
  3. পানি
  4. পতঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে, যে বাহক পরাগরেণু বহন করে গর্ভমুণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে। 
- বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক, এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়, একে অভিযোজন বলা হয়।
- বিভিন্ন মাধ্যমের জন্য অভিযোজনগুলোও আলাদা যা নিম্নে বর্ণনা করা হলো: 
১। বায়ুপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- ফুল বর্ণ, গন্ধ ও মধুগ্রন্থিহীন। 
- পরাগরেণু হালকা, অসংখ্য ও আকারে ক্ষুদ্র। 
- এদের গর্ভমুণ্ড আঠালো, শাখান্বিত, কখনো পালকের ন্যায়, যেমন- ধান। 

২। পতঙ্গপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- ফুল বড়, রঙিন, মধুগ্রন্থিযুক্ত। 
- পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঠালো এবং সুগন্ধযুক্ত, যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

৩। প্রাণিপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- এসব ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। 
- এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এসব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

৪। পানিপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- এরা আকারে ক্ষুদ্র, হালকা এবং অসংখ্য।  
- এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এসব ফুলে সুগন্ধ নেই। 
-  স্ত্রীফুলের বৃত্ত লম্বা কিন্তু পুং ফুলের বৃত্ত ছোট। 
- পরিণত পুং ফুল বৃত্ত থেকে খুলে পানিতে ভাসতে থাকে, যেমন- পাতাশ্যাওলা। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,৩৫৫.
ফোটন কণা সম্পর্কে যে তথ্যটি ভুল-
  1. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
  2. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
  3. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
  4. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
সঠিক উত্তর:
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ নয়।
ব্যাখ্যা
• ফোটন:
- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon) I

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
- পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
-  ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
- ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
- প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
- ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
- ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৫৬.
ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের টিকা কোন শ্রেণির মধ্যে পড়ে? 
  1. টক্সয়েড টিকা
  2. মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা
  3. জীবন্ত টিকা
  4. ডিএনএ টিকা
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা
ব্যাখ্যা
টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৫৭.
দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত সংঘটিত হয় কবে?
  1. ২১ জুন
  2. ২২ ডিসেম্বর
  3. ২১ মার্চ
  4. ২৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২২ ডিসেম্বর।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত - ২২ ডিসেম্বর।
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত - ২১ জুন।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২১ জুন।
• পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান - ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৩৫৮.
১০ মিটার পানির গভীরতায় চাপ আনুমানিক কত atm বেড়ে যায়?
  1. ০.৫ 
  2. ১ 
  3. ৫ 
  4. ১০
সঠিক উত্তর:
১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ 
ব্যাখ্যা

- পানির গভীরতায় নামলে চাপ বৃদ্ধি পায়।
- এই চাপ বৃদ্ধি হয় মূলত হাইড্রোস্ট্যাটিক প্রেসার কারণে, যা তরলের ঘনত্ব, গভীরতা ও মহাকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভর করে।
চাপের সূত্র, P = ρgh. 
যেখানে,
ρ = ১০০০ কেজি/মি
g = ৯.৮ মি/সে
h = ১০ মিটার।
P = ১০০০ × ৯.৮ × ১০ = ৯৮০০০ প্যাস্কেল।
আর ১ atm = ১০১৩২৫ প্যাস্কেল।
∴ P = ৯৮০০০ ÷ ১০১৩২৫ = ০.৯৭ atm ≈ ১ atm (আনুমানিক)।

∴ ১০ মিটার পানির গভীরতায় চাপ আনুমানিক ১ atm বেড়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৫৯.
কোন গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন নির্গত হয়?
  1. আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
  2. সাবম্যান্ডিবুলার
  3. পিটুইটারি
  4. প্যারোটিড
সঠিক উত্তর:
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস:
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৬০.
সুস্থ মানুষের হৃদস্পন্দন মিনিটে -
  1. ক) ৬০ - ১০০ বার
  2. খ) ৫০ - ১১০ বার
  3. গ) ৮০ - ১২০ বার
  4. ঘ) ৬০ - ১২০ বার
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০ - ১০০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০ - ১০০ বার
ব্যাখ্যা
- সুস্থ মানুষের হৃদস্পন্দন মিনিটে ৬০ - ১০০ বার হয়। এটাকে হার্টবিট বলে। 
- আমাদের হাতের কব্জির রেডিয়াল ধমনিতে এই স্পন্দন পরিমাপ করা যায়। 
- হাতের কব্জির রেডিয়াল ধমনিতে এই স্পন্দন অনুভব করাকে পালস বলে।

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৬,৩৬১.
রক্তে উচ্চ কোলেস্টরেলের কারণে কোন রোগ হয়?
  1. ক) এনিমিয়া
  2. খ) এনজিনা
  3. গ) লিউকোমিয়া
  4. ঘ) অস্টিওপরোসিস
সঠিক উত্তর:
খ) এনজিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনজিনা
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি গাত্রে চর্বি জমা হলে রক্তের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন ও খাদ্যসার পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বুকে ব্যাথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে এনজিনা বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৬,৩৬২.
মৎস্যচাষ বিষয়ক বিদ্যাকে কি নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) Sericulture
  2. খ) Pisciculture
  3. গ) Horticulture
  4. ঘ) Fishiculture
সঠিক উত্তর:
খ) Pisciculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Pisciculture
ব্যাখ্যা

মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার;
মৌমাছির চাষ - এপিকালচার;
রেশমের চাষ - সেরিকালচার;
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার;
পাখি পালন বিদ্যা - এভিকালচার;
সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার;

৬,৩৬৩.
ফ্যাদোমিটার কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উচ্চতা নির্ণয়ে
  2. খ) উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ে
  3. গ) বায়ুর গতিবেগ নির্ণয়ে
  4. ঘ) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম এনোমোমিটার ।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র অলটিমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র অডিওমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ওডোমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র ল্যাকটোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৩৬৪.
পৃথিবীর আবর্তন বেগ ঘন্টায় প্রায়-
  1. ক) ১৫০০ কি.মি.
  2. খ) ১৬০০ কি.মি.
  3. গ) ১৭০০ কি.মি.
  4. ঘ) ১৮০০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০০ কি.মি.
ব্যাখ্যা

- পৃথিবী গতিশীল।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এজন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি।
- যা ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
উৎসঃ‌ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৬৫.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে নদীবন্দরের জন্য কয়টি সংকেত প্রচার করা হয়?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৮
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নদীবন্দরের জন্য ১ থেকে ৪ নম্বর এবং সমুদ্রবন্দরের জন্য ১ থেকে ১১ নম্বর পর্যন্ত হুঁশিয়ারি সংকেত প্রচার করা হয়। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৬৬.
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ফ্রান্সিস হেস কোন সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯৩৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৬ সালে
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে  বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক-  ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৬,৩৬৭.
বাংলাদেশের চেয়ে পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশে দিন কখন শুরু হয়?
  1. পরে 
  2. আগে 
  3. একসাথে 
  4. ঋতুর উপর নির্ভর করে 
সঠিক উত্তর:
আগে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগে 
ব্যাখ্যা

- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে, তাই সূর্য সবসময় পূর্ব দিকে আগে উদিত হয়। বাংলাদেশের চেয়ে পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলো (যেমন: থাইল্যান্ড, জাপান) ভূ-পৃষ্ঠের ঘূর্ণন অনুযায়ী সূর্যের সামনে আগে আসে। তাই পূর্ব দিকের দেশগুলোর সময় বাংলাদেশের সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, জাপানের অবস্থান বাংলাদেশের পূর্বে হওয়ায় সেখানে বাংলাদেশের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে দিন শুরু হয়। 

স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য: 
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। 
- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে, এজন্যই পূর্ব দিকের স্থানগুলোতে আগে দিন হচ্ছে এবং পশ্চিম দিকের স্থানগুলোতে পরে দিন হচ্ছে। এতে বুঝা যায়, বাংলাদেশ থেকে যেসব দেশ পূর্ব দিকে অবস্থিত, সেসব দেশে আগে সকাল হবে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলোতে পরে সকাল হবে। 
- প্রতি ডিগ্রি দূরত্বের জন্য সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৪ মিনিট। এই প্রতিটি ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয় এবং প্রতি ১ মিনিট দূরত্বের জন্য ৪ সেকেন্ড সময়ের পার্থক্য হয়। 
- এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করতে হবে দূরত্বের ব্যবধানের মিনিটকে অনেকে সময়ের মিনিট হিসেবে ধরে ভুল করে। আসলে দূরত্বের মিনিটের ক্ষেত্রে ১ ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয়। এই দূরত্বের ৬০ মিনিটের প্রতি মিনিটের জন্য সময়ের ৪ সেকেন্ড লাগে। এভাবে দূরত্বের ব্যবধানের ৬০ মিনিটের জন্য লাগে ৬০ × ৪ = ২৪০ সেকেন্ড অর্থাৎ ৪ মিনিট সময়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬,৩৬৮.
আলোর তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্ব কে প্রস্তাব করেছিলেন?
  1. ম্যাক্স প্ল্যাংক
  2. ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  3. ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড
  4. হেন্রিখ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা

• আলোর তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্ব (Electromagnetic Theory of Light) প্রস্তাব করেছিলেন ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল। তিনি  Maxwell’s Equations এর মাধ্যমে দেখান, আলো একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ যা স্থান জুড়ে প্রলেপিত হয়। তাঁর তত্ত্ব অনুসারে, বৈদ্যুতিক ও চুম্বকীয় ক্ষেত্র একে অপরকে উত্পন্ন করে এবং তরঙ্গের আকারে স্থান মাধ্যমে ছড়ায়। এটি আলোর প্রকৃতি বোঝার ক্ষেত্রে এক বিপ্লবাত্মক ধারণা।

তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্ব:
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভ‚তপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (১৮৩১-১৮৭৯) আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্তে¡র ধারণা দেন।
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেন্রিখ হার্জের (১৮৫৭-১৮৯৪) পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী (১৮৭৪-১৯৩৭) তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে
সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন।
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও (১৮৫৮-১৯৩৭) একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৬৯.
কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদের পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে বের হয়ে যায়? 
  1. শ্বসন
  2. অভিস্রবণ 
  3. নিঃসরণ
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন: 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার সামান্য অংশই বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যয় করে। 
- অধিকাংশ পানি উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে। 
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। 
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদে তিন ধরনের প্রস্বেদন দেখা যায়।
যথা- 
(ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
(খ) ত্বকীয় প্রস্বেদন এবং 
(গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৭০.
জগদীশচন্দ্র বসু রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) বিজ্ঞানের কথা
  2. খ) বিশ্বপরিচয়
  3. গ) বিজ্ঞানের গল্প
  4. ঘ) অব্যক্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) অব্যক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অব্যক্ত
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু ছিলেন একজন বাঙালি বিজ্ঞানী। তিনি ছোটদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ 'অব্যক্ত' রচনা করেন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৭১.
চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ ও চৌম্বক তীব্রতার অনুপাতকে কী বলে?
  1. চৌম্বক প্রবেশ্যতা
  2. চৌম্বক প্রাবল্য
  3. চৌম্বক প্রবণতা
  4. চৌম্বক গ্রাহিতা
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রবেশ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রবেশ্যতা
ব্যাখ্যা
• চৌম্বক প্রবেশ্যতা:
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ (B) ও চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুাতকে ঐ পদার্থের চৌম্বক প্রবশ্যেতা বলে।
- একে μ (মিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয়
- এর একক TmA-1.

• চৌম্বক প্রাবল্য:
- চৌম্বকক্ষেত্রের কোনো চৌম্বক আবেশ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতকে চৌম্বক প্রাবল্য বা তীব্রতা বলে ।
- একে H দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এর একক Am-1

• চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা:
- কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা (I) এবং চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা বলে ।
- এটি একটি এককবিহীন রাশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৭২.
কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে প্রধানত কোন গ্যাস উৎপন্ন হয়?
  1. নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. সালফার ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

-  কার্বনকে বাতাসের অক্সিজেনে পোড়ালে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন হয়। এটি একটি দহন বিক্রিয়া যেখানে কার্বন (C) এবং অক্সিজেন (O2) মিলে একটি নতুন যৌগ তৈরি করে। অন্যদিকে, বাতাসে পর্যাপ্ত অক্সিজেন থাকলে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়; তবে অক্সিজেনের সরবরাহ সীমিত বা অপর্যাপ্ত হলে তখন কার্বন মনোক্সাইড (CO) উৎপন্ন হতে পারে। সাধারণ দহনে প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডই উৎপন্ন হয়।

প্রশমন বিক্রিয়া: 
- এসিড দ্রবণ ও ক্ষার দ্রবণ যোগ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। বিক্রিয়ার সময় এসিড তার এসিড ধর্ম এবং ক্ষার তার ক্ষার ধর্মকে হারিয়ে ফেলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে। 
- এসিড জলীয় দ্রবনে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে থাকে। এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষারের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) যুক্ত হয়ে পানি উৎপন্ন করে। 
যেমন- HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l)

দহন বিক্রিয়া: 
- এই প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়। 
যেমন- কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

পানিযোজন বিক্রিয়া: 
- আয়নিক যৌগ দ্রবণ থেকে কেলাস গঠনের সময় এক বা একাধিক সংখ্যক পানির অণু সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে পানি যোজন বিক্রিয়া বলে। 
- আয়নিক যৌগের কেলাসের সাথে সংযুক্ত পানিকে কেলাস পানি বলে। 

বিয়োজন বিক্রিয়া: 
- বিয়োজন বিক্রিয়া সংযোজন বিক্রিয়ার ঠিক বিপরীত ক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় যৌগের অণু ভেঙ্গে একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয়। 
- প্রকৃতপক্ষে যৌগের অণু উহার উপাদানসমূহে বিভক্ত হয়। 
যেমন- মারকারী (II) অক্সাইড উচ্চ তাপে বিয়োজিত হয়ে উহার সরলতম উপাদান মারকারী ও অক্সিজেনে পরিণত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৭৩.
কোনটি শুষ্ক বরফের উপাদান?
  1. H2O
  2. PH3
  3. CO2
  4. NH3
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এর কঠিন রূপ। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাই, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৬,৩৭৪.
বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. Cytology
  2. Evolution
  3. Embryology
  4. Entomology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা

• বিবর্তন: 
- চার্লস ডারউইনকে বিবর্তনবাদের জনক বলা হয়।
- ল্যাটিন শব্দ 'Evolveri' থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে।
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার প্রথম ইভোলিউশন বা বিবর্তন কথাটি ব্যবহার করেন।
- বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution. 

উল্লেখ্য, 
- কোষ সম্পর্কিত বিদ্যা বা কোষের গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনাকে বলা হয় Cytology,
- কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা পতঙ্গতত্ত্বকে বলা হয় Entomology,
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology, 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৭৫.
নিচের কোন উদ্ভিদে অগুচ্ছ মূল দেখা যায়?
  1. ক) কেয়া
  2. খ) ধান
  3. গ) নারিকেল
  4. ঘ) সুপারি
সঠিক উত্তর:
ক) কেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেয়া
ব্যাখ্যা

অস্থানিক মূল হতে পারে দুই ধরনের, যেমন- গুচ্ছ মূল এবং অগুচ্ছ মূল। 
- যেসব মূল একত্রে গাদাগাদি করে গুচ্ছাকারে জন্মায় না বরং পরস্পর থেকে আলাদা থাকে, তাকে অগুচ্ছ মূল বলে। 
কেয়া গছের ঠেশমূল, বটের ঝুরিমূল এ ধরনের অগুচ্ছ মূল। 
- ধান, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি উদ্ভিদের থাকে গুচ্ছ মূল।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, ষষ্ঠ শ্রেণি 

৬,৩৭৬.
কোনটি নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরে মডারেটরের কাজ করে? 
  1. ভারী জল 
  2. ক্যাডমিয়াম দণ্ড
  3. তরল সোডিয়াম
  4. ইউরেনিয়াম-২৩৫
সঠিক উত্তর:
ভারী জল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারী জল 
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরে ফিশন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিসম্পন্ন নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে মডারেটর বলে। ভারী জল (D2O) বা গ্রাফাইট মডারেটর হিসেবে সবচেয়ে বেশি কার্যকর। নিউট্রনের গতি কমলে তা পরবর্তী ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে একটি নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) বজায় রাখতে সাহায্য করে।

• নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

• মডারেটর: 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং ২। গ্রাফাইট। 

অন্যান্য অপশন:
- ক্যাডমিয়াম দণ্ড: এটি অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের জন্য 'কন্ট্রোল রড' হিসেবে কাজ করে।
- তরল সোডিয়াম: এটি রিঅ্যাকটরে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য 'শীতলকারক' বা কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে।
- ইউরেনিয়াম-২৩৫: এটি রিঅ্যাকটরের মূল জ্বালানি (Fuel) যা ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৭৭.
রক্তে উচ্চ কোলেস্টরেলের কারণে কোন রোগ হয়?
  1. ক) বাতজ্বর
  2. খ) এনজিনা
  3. গ) কোলেস্টেরোল্ফোবিয়া
  4. ঘ) রিউম্যাটিক ফিভার
সঠিক উত্তর:
খ) এনজিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনজিনা
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি গাত্রে চর্বি জমা হলে রক্তের সাহায্যে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন ও খাদ্যসার পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বুকে ব্যাথা অনুভূত হয়। এ অবস্থাকে এনজিনা বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৬,৩৭৮.
কাকে 'সবুজ গ্রহ' বলা হয়? 
  1. শনি
  2. মঙ্গল
  3. ইউরেনাস
  4. নেপচুন
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
ব্যাখ্যা

- ইউরেনাসকে  সবুজ গ্রহ' বলা হয়।

ইউরেনাস: 

- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই  ইউরেনাস কে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।

• সৌরজগৎ (Solar System):
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ এবং এটির সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে।
- সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহের নাম শুক্র।
- শুক্র পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দুরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- পৃথিবীকে নীল গ্রহ বলা হয়।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়। মঙ্গলের ২টি উপগ্রহ হলো: ডিমোস ও ফোবস।
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। একে গ্রহরাজ বলা হয়।

উৎস: NASA  ওয়েবসাইট।

৬,৩৭৯.
এক ঘনমিটার পানির ভর ১০০০ কিলোগ্রাম হয় কোন তাপমাত্রায়? 
  1. ০° C
  2. ৪° C
  3. ২৫° C
  4. ১০০° C
সঠিক উত্তর:
৪° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° C
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা হয়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4°C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়। 
- তাই পানির ঘনত্ব 1000kg m-3 অথবা 1gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৩৮০.
নিচের কোনটি থার্মোসেটিং পলিমার? 
  1. স্টার্চ
  2. পলিথিন
  3. সেলুলোজ
  4. ফাইবার গ্লাস
সঠিক উত্তর:
ফাইবার গ্লাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইবার গ্লাস
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- গ্রিক শব্দ 'পলি' (poly) অর্থ বহু বা অনেক এবং 'মেরোস' (meros) অর্থ একক বা অংশ। 
- এ দুটি শব্দ থেকেই পলিমার শব্দের উৎপত্তি। 
- প্রকৃত অর্থে পলিমার বলতে বোঝায় বহু অংশযুক্ত উচ্চ আণবিক ভর সম্পন্ন বৃহদাকার অণু। 
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) প্রাকৃতিক পলিমার ও 
খ) কৃত্রিম পলিমার। 

ক) প্রাকৃতিক পলিমার:  
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি। 

খ) কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি। 
- গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। থার্মোপ্লাস্টিক ও 
২। থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক। 

থার্মোসেটিং প্লাস্টিক: 
- এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়। 
- তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়। 
- এ জাতীয় পলিমার অণুতে পরমাণুগুলোর শিকলের মধ্যে সমযোজী এবং পার্শ্ববর্তী শিকলের গঠনের সাথে দৃঢ়ভাবে হাইড্রোজেন বন্ধন বর্তমান থাকে। 
যেমন- ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮১.
বায়োগ্যাস প্লান্টে গোবর ও পানির অনুপাত কত?
  1. ১ : ২
  2. ১ : ৩
  3. ২ : ৩
  4. ২ : ৫
সঠিক উত্তর:
১ : ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ : ২
ব্যাখ্যা
বায়োমাস শক্তি:
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস। 

- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- আবদ্ধ পাত্রের মধ্যে গোবর ও পানির মিশ্রণ ১ : ২ অনুপাতে রেখে পচানো হলে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮২.
কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  2. খ) সোডিয়াম কার্বনেট
  3. গ) কপার সালফেট
  4. ঘ) পটাসিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
লবণের ব্যবহার:
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে তুঁতে বা কপার সালফেটকে (CuSO4, 5H2O) ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।
- তবে শৈবালের উৎপাদন বন্ধে এটি খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH4)3PO4],, পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।

- লবন ছাড়া তরি-তরকারি, মাছ-মাংস রান্না করে খাওয়ার কথা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। খাবার লবণ হল সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) যা সাধারণ লবণ নামেও পরিচিত।
- খাবার লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাদ্যকে খাবার উপযোগী করে তোলে। তরি-তরকারি, পাউরুটি, বিস্কুট, আচার ছাড়াও আরও অনেক খাবারে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়।
- খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট বা টেস্টিং সল্টের ব্যবহারও আমাদের খুবই পরিচিত। জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) নামক লবণ।
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত তাও একটি লবণ। তুঁতে বা ফিটকিরি যা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেটিও লবণ।
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) নামক লবণ।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৩.
শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক হিসেবে কোন বিজ্ঞানীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য?
  1. থিওফ্রাস্টাস 
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. অ্যারিস্টটল 
  4. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল 
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

- শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস, কারণ তিনি জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণের দ্বিপদ পদ্ধতি (Binomial Nomenclature) এবং একটি শ্রেণিবদ্ধ পদ্ধতি চালু করে আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেন। 

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

অন্যদিকে, 
- অ্যারিস্টটল প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক, যিনি জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রাথমিক প্রচেষ্টা করেছিলেন এবং জীববিজ্ঞানের জনকও বলা হয়। 
- থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত। 
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল জিনতত্ত্ব বা বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬,৩৮৪.
একটি কর্মী মৌমাছির জীবনকাল-
  1. ক) ১০ দিন
  2. খ) ৩০ দিন
  3. গ) ৫০ দিন
  4. ঘ) ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০ দিন
ব্যাখ্যা
একটি কর্মী মৌমাছির আয়ুষ্কাল প্রায় ৫০ দিন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬,৩৮৫.
H-O-H কোন ধরনের সংকেতকে নির্দেশ করে? 
  1. স্থূল সংকেত
  2. গাঠনিক সংকেত
  3. আণবিক সংকেত
  4. রাসায়নিক সংকেত
সঠিক উত্তর:
গাঠনিক সংকেত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঠনিক সংকেত
ব্যাখ্যা
সংকেত (Formula):  
- দুই বা ততোধিক মৌলের নির্দিষ্ট সংখ্যক পরমাণু রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত হয়ে যৌগিক অণু গঠন করে। 
- যৌগের অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের প্রতীক ও তাদের পরমাণু সংখ্যার সাহায্যে যৌগের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকেই যৌগের সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানির একটি অণুর ক্ষেত্রে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি পানির অণু গঠন করে। সুতরাং পানির সংকেত H2O. 
- রসায়নে অনেক ধরনের সংকেতের ব্যবহার আছে। 
যেমন- 
(১) রাসায়নিক সংকেত (Chemical Formula): 
- যৌগিক অণুর ক্ষেত্রে দেখা যায় দুই বা ততোধিক মৌল বা মূলক ওদের যোজ্যতার বিপরীত অণুপাতে যুক্ত হয়ে অণুগঠন করে। 
যেমন- Al মৌলটির যোজ্যতা 3 এবং O মৌলটির যোজ্যতা 2, সুতরাং Al এর 2 টি পরমাণু O এর 3 তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করবে। অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত Al2O3
- যৌগের অণুতে মৌল ও যৌগমূলকের যোজ্যতাভিত্তিক সংকেতকে রাসায়নিক সংকেত বলা হয়। 

(২) আণবিক সংকেত (Molecular Formula): 
- কোনো অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে যে সংকেত প্রকাশ করা হয় তাকে আণবিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- অক্সিজেনের আনিবক সংকেত O2, পানির আণবিক সংকেত H2O, গ্লুকোজের আণবিক সংকেত C6H12O6

(৩) স্থূল সংকেত (Empirical Formula): 
- কোনো যৌগের অণুতে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রকাশ না করে কেবল ওদের ক্ষুদ্রতম অণুপাতকে প্রকাশ করা হয়, তখন ওই সংকেতকে ওই যৌগের স্থূল সংকেত বলা হয়। 
যেমন- গ্লুকোজ এর আণবিক সংকেত C6H12O6
- C, H ও O পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যার অণুপাত 6 : 12 : 6 হলেও ক্ষুদ্রতম অণুপাত 1 : 2 : 1. সুতরাং গ্লুকোজের স্থূল সংকেত CH2O. 

(৪) গাঠনিক সংকেত (Structural Formula): 
- মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের অণুর মধ্যে বিভিন্ন পরমাণু পরস্পরের সাথে যেভাবে সংযুক্ত থাকে তা যে সংকেত এর মাধ্যমে দেখানো হয় তাকে ওই অণুর গাঠনিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O) অণুর গাঠনিক সংকেত H-O-H, হাইড্রোজেন (H2) অণুর গাঠনিক সংকেত H-H ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৬.
আমাশয় রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Vibrio cholerae
  2. Clostridium tetani
  3. Bacillus dysenteriae
  4. Salmonella typhosa
সঠিক উত্তর:
Bacillus dysenteriae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bacillus dysenteriae
ব্যাখ্যা
- কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae.
- টাইফইয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Salmonella typhosa.
- আমাশয় রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Bacillus dysenteriae.
- ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani.

- কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
• ডিপথেরিয়া,
• গণোরিয়া,
• টাইফয়েড,
• জ্বর,
• কুষ্ঠ,
• টিটেনাস,
• নিউমোনিয়া,
• কলেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,৩৮৭.
এল নিনো মূলত কী?
  1. ঝড়
  2. মহাসাগরের উষ্ণ জলস্রোত
  3. ভূমিকম্পের একটি প্রকার
  4. আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা
সঠিক উত্তর:
মহাসাগরের উষ্ণ জলস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাসাগরের উষ্ণ জলস্রোত
ব্যাখ্যা
• এল নিনো:
- এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবীয় অঞ্চলের (Equatorial Pacific Ocean) এক ধরনের অস্বাভাবিক উষ্ণ জলস্রোতের প্রাকৃতিক ঘটনা।
- এটি বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন, যেমন খরা, অতিবৃষ্টি, ও ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত করতে পারে।

• এল নিনোর মূল বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণত প্রতি ২-৭ বছর পরপর ঘটে। 
- প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব অংশের (দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে) পানি অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে পড়ে। 
- লা নিনো হলো এর বিপরীত, যেখানে সাগরের পানি অস্বাভাবিকভাবে শীতল হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৬,৩৮৮.
কোন তেজস্ক্রিয় রশ্মিটি ঋণাত্মক চার্জ বহন করে?
  1. আলফা (α) রশ্মি
  2. বিটা (β) রশ্মি
  3. গামা (γ) রশ্মি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিটা (β) রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটা (β) রশ্মি
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ) নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

অপশন আলোচনা:
• আলফা রশ্মি:
 ১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর  6.6 × 10-27 কেজি।
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2 × 10-19 কুলম্ব।
৩। এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশী। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশী।
৬। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম।

• বিটা রশ্মি:
১। বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ। এর ভর 9.1 × 10-31 কেজি।
২। এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6 × 10-19 কুলম্ব।
৩। তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়। এর বেগ প্রায় 0.9 × 108 ms-1 পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
৪। এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম।
৬। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশী।

• গামা রশ্মি:
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
৩। বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৪। ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
৫। শক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি সর্বাধিক।
৬। চার্জ ও ভর নেই।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৮৯.
হৃদপিন্ডের আবরণকে বলা হয়-
  1. ক) Pleura
  2. খ) Peritoneum
  3. গ) Periosteum
  4. ঘ) Pericardium
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pericardium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pericardium
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ড বক্ষ গহব্বরের বাম দিকে দু’ফুসফুসে মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ। এটি হৃদপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত। এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এছাড়া ফুসফুসের আবৃতকারী ঝিল্লীকে প্লুরা(Pleura) বলে; Abdomen এর আবরণ Peritoneum; এবং Bone এর আবরণ Periosteum। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,৩৯০.
থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে কোন রক্ত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়? 
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. প্লাজমা
  3. শ্বেত রক্ত কণিকা
  4. অনুচক্রিকা
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যা
রক্ত ও রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- রক্ত হলো প্রাণীদেহের একটি লাল বর্ণের, অস্বচ্ছ, লবণাক্ত এবং সামান্য ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষের রক্ত লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতির কারণে লাল রঙের হয়। 
- রক্তের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়। 
রক্তের বিভিন্ন অস্বাভাবিক অবস্থা: 
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে অ্যানিমিয়া হয়। 

২। লিউকেমিয়া: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে (৫০,০০০-১,০০০,০০০) একে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। 

৩। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া হলো বংশগত রক্তের রোগ, যা সাধারণত শিশু অবস্থায় শনাক্ত হয়। 
- এ রোগে হিমোগ্লোবিনের গঠনগত ত্রুটির কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- রোগীকে সাধারণত প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমতে পারে। 

৪। পলিসাইথেমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে একে পলিসাইথেমিয়া বলে। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে একে থ্রম্বোসাইটোসিস বলা হয়। 
- রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধাকে থ্রম্বোসিস বলা হয়। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং 
- মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২০,০০০-৩০,০০০ হলে একে লিউকোসাইটোসিস বলা হয়। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এটি হতে পারে। 

৭। পারপুরা: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে পারপুরা হয়। 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা দেখা দিতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৯১.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি? 
  1. টিটি
  2. বিসিজি
  3. ডিটি
  4. ডিপিটি
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা
- Bacillus Calmatte Guerin-BCG হলো যক্ষ্মা রোগের টিকা। 
- যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা। 
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন। 
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়। 
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়। 
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine). 
- হাম রোগের টিকা এমএমআর। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৩৯২.
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) লাইসোজাইম
  2. খ) গ্যাসট্রিক জুস
  3. গ) সিলিয়া
  4. ঘ) লিস্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিস্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিস্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর লিম্ফোসাইট।
- ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন, সিলিয়া, লালারস, পাকস্থলী রস, অশ্রু, মূত্র প্রবাহ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তর।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩৯৩.
1 হর্সপাওয়ার (H.P) কত ওয়াটের সমান? 
  1. 464 W 
  2. 746 W 
  3. 764 W 
  4. 1000 W 
সঠিক উত্তর:
746 W 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
746 W 
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
সুতরাং, ক্ষমতা, P = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
1 H.P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা হলো ML2T-3 । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯৪.
কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না?
  1. বায়োগ্যাস
  2. সৌরশক্তি
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না কারণ শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। 
- তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধানে কাজ করছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- তাই শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

২। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 
যেমন- জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, সৌরশক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৫.
নিচের কোনটি নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরে মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  3. হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
  4. ডাইহাইড্রোজেন মনোঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরে মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়- ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। 

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 

- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো - 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৬.
কোনটির সাহায্যে ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়? 
  1. টেলিস্কোপ 
  2. পেরিস্কোপ 
  3. নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র 
  4. অণুবীক্ষণ যন্ত্র 
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৬,৩৯৭.
বিমান চলাচলের জন্য বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরটি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. এক্সোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• বিমান চলাচলের জন্য বায়ুমণ্ডলের স্তর হিসেবে প্রধানত স্ট্রাটোমণ্ডল ব্যবহার করা হয়। স্ট্রাটোমণ্ডল মেসোস্ফিয়ারের নিচে এবং তাপমণ্ডলের উপরে অবস্থিত। এই স্তরে বাতাস বেশ স্থিতিশীল থাকে এবং ঝড় বা বায়ুর গরমাগরম পরিবর্তন কম হয়, যা বিমানের জন্য নিরাপদ ও সুষম উড্ডয়নের পরিবেশ তৈরি করে। তাপমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলে বায়ুর গতিবেগ বেশি ও অস্থির হওয়ায় বিমান চলাচলের জন্য কম সুবিধাজনক। এক্সোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তর যা মহাকাশের খুব কাছে, সেখানে বিমান চলাচল সম্ভব নয়। তাই বিমান চলাচলের জন্য প্রধানত স্ট্রাটোমণ্ডল ব্যবহার করা হয়।

স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):

- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে।
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা । বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়।

- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
- এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৮.
ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করে কোনটি? 
  1. গলজি বস্তু
  2. ক্রোমোপ্লাস্ট
  3. লিউকোপ্লাস্ট
  4. ক্লোরোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
প্লাস্টিড তিন ধরনের- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩৯৯.
জীবজন্তুর বৈচিত্র্যের নিয়ন্ত্রক কোনটি?
  1. ক) জিন
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
ক) জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিন
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের ভিতর DNA এর যে দীর্ঘ শেকল রয়েছে, তার একটি অংশে বংশগতির কোনো একটি একক লিপিবদ্ধ থাকে সেটিকে বলা হয় জিন।
ক্রোমোজোমের গায়েই সন্নিবেশিত থাকে অসংখ্য জিন বা বংশগতির একক। 
জীবজন্তুর বৈচিত্র্যের নিয়ন্ত্রক জিন। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৬,৪০০.
কোনটি আবৃতবীজী উদ্ভিদ নয়?
  1. কাঁঠাল
  2. সাইকাস
  3. সুপারি
  4. নারিকেল
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
ব্যাখ্যা

নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে ডিম্বাশয় থাকে না, ফলে ডিম্বকগুলো নগ্ন থাকে।
যেমনঃ সাইকাস, পাইনাস।

যেসব উদ্ভিদের ফুলে ডিম্বাশয় থাকে এবং ডিম্বক গুলো ডিম্বাশয়ের ভিতরে সজ্জিত থাকে তারা আবৃতবীজী উদ্ভিদ।
যেমনঃ আম, জাম, কাঁঠাল, তাল, নারিকেল, সুপারি ইত্যাদি।

উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি