বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬২ / ১৪০ · ৬,১০১৬,২০০ / ১৪,০৮০

৬,১০১.
সাধারণভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মোট ভূমির কত ভাগ বনাঞ্চল প্রয়োজন?
  1. ২০
  2. ৩০
  3. ২৫
  4. ৪০
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
- যে সকল স্থানে বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর পরিমানে গাছপালা দেখা যায় তাকে বন ভূমি বলা হয়ে থাকে। 
- এক সময় পৃথিবীর স্থল ভাগের প্রায় ৪০ ভাগ বনভূমি দ্বারা আবৃত ছিল। 
- কিন্তু মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বনভূমি থেকে গাছপালা কেটে ফেলে বর্তমানে তা প্রায় ২৪ ভাগে এসে দাঁড়িয়েছে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের তাপ, মাটি, আলো, জলবায়ু প্রভৃতির কারণে বনভূমির তারতম্য হয়ে থাকে। 
- দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি অপরিহার্য। 
- একটি দেশের জন্য অন্তত ২৫% বনভূমির প্রয়োজন। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৮ শতাংশ। 

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১০২.
কোষের লাইসোজোমের কাজ কোনটি?
  1. খাদ্য তৈরি
  2. জীবাণু ভক্ষণ
  3. শক্তি উৎপাদন
  4. আমিষ সংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ভক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ভক্ষণ
ব্যাখ্যা
- লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। 
- লাইসোজোম উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে ফেলে।
- এর পরিপাক করার উৎসেচকগুলো একটি পর্দা দিয়ে আলাদা করা থাকে, তাই অন্যান্য অঙ্গাণু এর সংস্পর্শে এলেও হজম হয় না।
- দেহে অক্সিজেনের অভাব হলে বা বিভিন্ন কারণে লাইসোজোমের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তখন এর আশেপাশের অঙ্গগুলো নষ্ট হয়ে যায়। কখনো কোষটিই মারা যায়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,১০৩.
কোন পদ্ধতির সাহায্যে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়?
  1. অপবর্তন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিচ্ছুরণ
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৬,১০৪.
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্কের কতটা পরিবর্তন ঘটবে?
  1. ক) অর্ধেক হবে
  2. খ) দ্বিগুণ হবে
  3. গ) তিনগুণ হবে
  4. ঘ) চারগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
ক) অর্ধেক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অর্ধেক হবে
ব্যাখ্যা
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে।
সূত্রঃ এইসএসসি পদার্থবিজ্ঞান
৬,১০৫.
নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয় কারণ-
  1. অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
  2. বিক্রিয়ার তাপমাত্রা শোষিত হয়
  3. বেশি সংখ্যক পরমাণু ভাঙ্গে
  4. অতি দ্রুত শক্তি উৎপাদন করা হয়
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
ব্যাখ্যা
• ক্যাডমিয়াম দণ্ডের ভূমিকা:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
- কারণ এই নিউট্রনই পরমাণু বিভাজন (nuclear fission) প্রক্রিয়াকে চালিত করে।
- ক্যাডমিয়াম একটি শক্তিশালী নিউট্রন শোষক (neutron absorber),
- যা অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে এবং নিয়ন্ত্রিত চেইন বিক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: Stanford University Website.
৬,১০৬.
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো-
  1. ক) মূল মধ্যরেখা
  2. খ) কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. গ) মকরক্রান্তি রেখা
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
খ) কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে সাড়ে তেইশ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে এবং এখানকার জলবায়ু ক্রান্তিয় জলবায়ুর অন্তর্গত।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি)

৬,১০৭.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ১৬০০ বছর হলে মৌলটির ৬০% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ২১০০ বছর
  2. ৯৬০ বছর
  3. ১৭৬০ বছর
  4. ১৯৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১০০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১০০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ১৬০০ বছর হলে মৌলটির ৬০% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে? 

সমাধান:
আমরা জানি,
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ     [λ = ক্ষয়ধ্রুবক]
বা, 1600 = 0.693/λ
বা, λ = 0.693/1600
∴ λ = 0.000433

আবার,
মৌলটির 60% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 60)%
= 40%

∴ তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র:
N = N0e- tλ
বা, N/N0 = e- tλ
বা, e- tλ = 40% = 40/100 = 2/5
বা, ln(e- tλ) = ln(2/5)
বা, - tλ = - 0.92
বা, t = 0.92 /0.000433
∴ t = 2124.71 

অর্থাৎ, অর্ধায়ূ 2124.71 বছর

এই মান অপশন ক) ২১০০ বছর এর কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণ করা হলো।
৬,১০৮.
‘শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়’ - কথাটি নিচের কোন যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. CT scan
  2. MRI
  3. X-ray
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
MRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MRI
ব্যাখ্যা
MRI:
- MRI এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- MRI যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।

MRI এর ব্যবহার:
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেন এবং মেরুরজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ।

MRI ও CT scan এর পার্থক্য:
- CT scan যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয়, আর MRI যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রে রেখে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়।
-  MRI যন্ত্র দিয়ে শরীরের পানির অনুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।
- CT scan দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, MRI দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে MRI দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। CT scan করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে MRI করতে।
- CT scan-এ এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা MRI-এ নেই।
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) MRI করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) মানে Radio Frequency ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬,১০৯.
Which acid is mainly present in tomatoes?
  1. Carbonic acid
  2. Tartaric acid 
  3. Folic acid
  4. Lactic acid
  5. Oxalic acid
সঠিক উত্তর:
Oxalic acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxalic acid
ব্যাখ্যা

- টমেটোতে প্রধানত অক্সালিক এসিড (Oxalic acid) উপস্থিত থাকে, যদিও টমেটোতে ম্যালিক এবং সাইট্রিক অ্যাসিড সহ আরও অনেক অ্যাসিড থাকে, তবে অক্সালিক অ্যাসিডকে সাধারণত প্রধান অ্যাসিড হিসেবে গণ্য করা হয়। 

জৈব এসিড: 
- এসিড সাধারণত টক স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে। 
- লেবু, আমলকি, কাঁচা আমড়া, জলপাই ও করমচায় প্রয়োজনীয় সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টমেটোতে অক্সালিক এসিড থাকে। 
- আপেল ও আনারসে ম্যালিক এসিড থাকে। 
- আমাদের পাকস্থলিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয় যা খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 
- বাজারের সকল সফট ড্রিংকসে যা থাকে তা প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবণ। 

অন্যদিকে, 
- কার্বনিক এসিড হলো CO2 + H2O দ্রবণে তৈরি হওয়া অ্যাসিড যা মূলত সোডা বা carbonated drinks-এ থাকে। 
- ফলিক অ্যাসিড হলো একটি ভিটামিন B9, যা সবজি ও ফল-এ থাকে। 
- ল্যাকটিক অ্যাসিড সাধারণত দুগ্ধজাত পণ্য বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়, টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে এটি প্রধান অ্যাসিড নয়। 
- টারটারিক অ্যাসিড মূলত আঙ্গুরে পাওয়া যায়, এটি টমেটোতে প্রধান অ্যাসিড নয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,১১০.
ত্বকের কোন উপাদান অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে দেহকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে?
  1. মেলানিন
  2. লাইসোজাইম
  3. কেরাটিন
  4. হিস্টিওসাইট
সঠিক উত্তর:
মেলানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলানিন
ব্যাখ্যা
দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা: 
- ত্বক প্রথম স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- ত্বক দেহকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং প্রভাবে সৃষ্ট রোগ (ক্যান্সার) হতে দেহকে রক্ষা করে। ত্বকের এপিডার্মিসের কোষে মেলালিন (melanine) জাতীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 
- ত্বক দেহের বাইরের স্তরে দৃঢ় ও কেরাটিনাইজড (keratinized) আবরণী তৈরি করে, যা দেহের সকল বাহ্যিক অংশকে আচ্ছাদিত করে এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফলপ্রসূ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 
- দেহত্বক ছিঁড়ে গেলে বা কেটে গেলে ত্বকে অবস্থিত হিস্টিওসাইট (ম্যাক্রোফেজ) জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে প্রতিরক্ষা দান করে। 
- ঘাম ও তৈল গ্রন্থির নিঃসরণ ত্বকের উপরিভাগের pH-কে অম্লীয় (pH = 3-5) করে তোলে, ফলে অণুজীবসমূহ বেশি সময় ত্বকে বেঁচে থাকতে পারে না। 
- কিছু সংখ্যক উপকারী ব্যাকটেরিয়া ত্বকে অবস্থানকালে এসিড ও বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণ করে, যা অণুজীবের সংখ্যাবৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। 
- ঘাম নিঃসৃত লবণ ও ফ্যাটি এসিডে অবস্থিত লাইসোজাইম (lysozyme) ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ধ্বংস করে। 
- অশ্রুগ্রন্থি নিঃসৃতেও লাইসোজাইম থাকে যারা চোখে জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিহত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১১১.
'আধুনিক পারমাণবিক মতবাদ' র প্রবর্তক কে?
  1. জন ডাল্টন
  2. ডেমোক্রিটাস
  3. অ্যাভোগাড্রো
  4. হেনরি মোসলে
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
ব্যাখ্যা
• পারমানবিক মতবাদ:
- প্রাচীন গ্রিসে আজ থেকে ২৫০০ বছর পূর্বে লুসিপাস (Leucippus) ও তাঁর ছাত্র ডেমোক্রিটাস (Democritus) এ অভিমত প্রকাশ করেন যে, সব পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য অংশ দ্বারা গঠিত।
- ডেমোক্রিটাস এ অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশের নাম দেন atoma।
- এ শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ যেমন a (not) এবং temnein (to cut) হতে উদ্ভূত।
- অর্থাৎ atoma বলতে বোঝায় যা আর ভাগ করা যায় না।
- কিন্তু বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল (Aristotle) এর বিরোধিতার প্রভাবে এ মতবাদ চাপা পড়ে যায়।
- অ্যারিস্টটলের মতে পদার্থ নিরবচ্ছিন্ন, তাকে যত ইচ্ছা ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়। ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে atom মতবাদ আবার বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিকগণের সমর্থন লাভ করে।
- অবশেষে ব্রিটিশ স্কুল শিক্ষক জন ডাল্টন (John Dalton) এ মতবাদকে বৈজ্ঞানিক মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,১১২.
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো?
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) গ্লাইকোজেন
  3. গ) ফ্রুক্টোজ
  4. ঘ) সুক্রোজ
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
• যকৃত (Liver):
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত।
- এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
- প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত।

• যকৃতের কাজ:
- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে।
- যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজদেহে গ্লাইকোজেনরূপে সঞ্চয় করে রাখে।
- পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে, যা লাইপেজ সহযোগে পরিপাকে সহায়তা করে।
- রক্তে কখনো গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে যকৃতের সঞ্চিত গ্লাইকোজেনের কিছুটা অংশ গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তস্রোতে মিশে যায়। এভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,১১৩.
হ্যালোজেন মৌলগুলো পর্যায় সারণির কোন গ্রুপে অবস্থান করে? 
  1. গ্রুপ-1
  2. গ্রুপ-2
  3. গ্রুপ-17
  4. গ্রুপ-18
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-17
ব্যাখ্যা

হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে- 
• ফ্লোরিন (F), 
• ক্লোরিন (Cl), 
• ব্রোমিন (Br), 
• আয়োডিন (I), 
• অ্যাস্টাটিন (At) এবং 
• টেনেসিন (Ts) । 

- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে। 
যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১১৪.
জলীয় বাষ্পকে যখন ঘনীভবন করা হয়, তখন ক্ণাসমূহের ক্ষেত্রে কী ঘটবে?
  1. ক) আকার সংকুচিত হবে
  2. খ) চলাচল করতে থাকবে
  3. গ) একই অবস্থানে থেকে কাঁপতে থাকবে
  4. ঘ) শক্তি নির্গত করবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি নির্গত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি নির্গত করবে
ব্যাখ্যা


উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই
৬,১১৫.
তৃতীয় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে? 
  1. 18
  2. 8
  3. 2
  4. 32
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

পরমাণুর শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস: 
- বোরের মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
অতএব এই সূত্রানুসারে- 
• K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 অতএব, K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 12) টি = 2 টি। 
• L শক্তিস্তরের জন্য n = 2 অতএব, L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 22) টি = 8 টি। 
M শক্তিস্তরের জন্য n = 3 অতএব, M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 32) টি = 18 টি। 
• N শক্তিস্তরের জন্য n = 4 অতএব, N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 42) টি = 32 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১১৬.
Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. −6
  2. +5
  3. −2
  4. +2
সঠিক উত্তর:
+5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+5
ব্যাখ্যা
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

- মনে করি, Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা = x
আমরা জানি, O এর প্রমাণ জারণ সংখ্যা −2,
যেহেতু, Cl2O5 অণুটি আধান নিরপেক্ষ অণু।
সুতরাং Cl2O5 অণুতে পরমাণুসমূহের মোট জারণ সংখ্যার মান শূন্য। 
তাহলে, 2x + (−2) × 5 = 0
বা, 2x − 10 = 0
বা, 2x = 10
∴ x = +5
অতএব, Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা = +5

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১১৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ: 

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 


• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। এগুলো হলো:

(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১১৮.
বাদুড় অন্ধকারে চলার সময় কীভাবে দিক নির্ণয় করে?
  1. ক) সবগুলোই ঠিক
  2. খ) চোখে দেখে
  3. গ) ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে
  4. ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
বাদুড় অন্ধকারে চলার সময় আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে  দিক নির্ণয় করে। 

- আলট্রাসাউন্ড মূলত আমাদের শোনার বাহিরের শব্দ। 
- বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে।
- আল্টাসনিক শব্দ ২০,০০০ থেকে বেশি কম্পাংকের হয়ে থাকে।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১১৯.
উদ্ভিদের কোন উপাদানগুলোকে প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান বলে?
  1. ক) N, P, K
  2. খ) C, H, O
  3. গ) Ca, Mo, S
  4. ঘ) As, Hg, Si
সঠিক উত্তর:
ক) N, P, K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) N, P, K
ব্যাখ্যা
(ক) মুখ্য পুষ্টি উপাদান (Macro or Major Nutrient Element)
যে সমস্ত মৌল উপাদান (খনিজ) উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য অধিক পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাকে মুখ্য পুষ্টি উপাদান বলে। মুখ্য পুষ্টি উপাদান নয়টি। যথা : C, H, O, N, P, K, Ca, Mg, S। 
মুখ্য পুষ্টি উপাদান আবার দুই প্রকার। 
যথা— (১) অ-খনিজ উপাদান যেমন: C, H, O এবং (২) খনিজ উপাদান যেমন: N, P, K, Ca, Mg, S। 
 
মুখ্য পুষ্টি উপাদানকে নিম্নোক্ত দুভাগেও ভাগ করা হয় :
(i) প্রাথমিক উপাদান (Primary Element) : মুখ্য পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে যে উপাদানগুলো বেশি পরিমাণে উদ্ভিদ দ্বারা গৃহিত হয় তাদেরকে প্রাথমিক উপাদান বলা হয়। যেমন: N, P এবং K এ তিনটিকে প্রাথমিক খনিজ পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। আবার যেহেতু এদেরকে সচরাচর সারের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়, তাই এদেরকে সার উপাদানও বলা হয়।
(ii) মাধ্যমিক উপাদান (Secondary element) : মুখ্য পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে যে উপাদানগুলো উদ্ভিদ দ্বারা কম পরিমাণে গৃহিত হয় তাদেরকে মাধ্যমিক উপাদান বলা হয়। এইগুলো হলো Ca, Mg
পুষ্টিতত্ত্বের বিচারে এ শ্রেণিকরণটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ফসল উৎপাদনের জন্য যেখানে প্রতি হেক্টর জমি হতে প্রতিটি মুখ্য উপাদান কয়েক কেজি হতে কয়েকশত কেজি পরিমাণ পরিশোষিত হয়, সেখানে প্রতিটি গৌন উপাদান মাত্র কয়েক গ্রাম হতে কয়েকশত গ্রাম পরিশোষিত হয়। সুতরাং সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উপাদান সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা প্রয়োজন ।
 
উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,১২০.
1 মোল অণু হাইড্রোজেন গ্যাসের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় কত লিটার? 
  1. 11.2 লিটার 
  2. 2.24 লিটার
  3. 22.4 লিটার
  4. 44.8 লিটার
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
ব্যাখ্যা

মোলার আয়তন: 
- যে কোনো উপাদানের এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা ভেদে মোলার আয়তন ভিন্ন ভিন্ন। 
- কঠিন ও তরল উপাদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মোলার আয়তন বিভিন্ন হয়। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে একই তাপমাত্রা ও চাপে সকল গ্যাসের এক মোলার আয়তন একই হয়। 
- প্রমাণ অবস্থায় এক মোল যে কোনো গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার। 
- 0°C তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা এবং 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপকে প্রমাণ চাপ বলে। 
- তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটালে গ্যাসের আয়তনের বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রার হ্রাস ঘটালে গ্যাসের আয়তনের হ্রাস ঘটে। 
- আবার গ্যাসের উপর আরোপিত চাপের বৃদ্ধি ঘটালে আয়তনের হ্রাস ঘটে। আরোপিত চাপের হ্রাস ঘটালে আয়তনের বৃদ্ধি ঘটে। 
- এক মোল অণু = গ্রাম আণবিক ভর = 6.023×1023 টি অণু। আর প্রতিটির সম্পর্ক হলো যে কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় 22.4 লিটার। 
অর্থাৎ, 
এক মোল অণু হাইড্রোজেন = 2 গ্রাম হাইড্রোজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অণু অক্সিজেন = 32 গ্রাম অক্সিজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অ্যামোনিয়া = 17 গ্রাম অ্যামোনিয়া = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল কার্বন ডাই-অক্সাইড = 44 গ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১২১.
সবাত শ্বসনে ATP তৈরি হয় -
  1. ক) ২৮ অণু
  2. খ) ৩৮ অণু
  3. গ) ৪৮ অণু
  4. ঘ) ৫৮ অণু
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৮ অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৮ অণু
ব্যাখ্যা
অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দুভাগে ভাগ করা হয়−
যথাঃ
ক) সবাত শ্বসন বা বায়বীয় শ্বসন (aerobic respiration); অক্সিজেনের উপস্থিতিতে হয়
খ) অবাত শ্বসন, অবায়বীয় শ্বসন (anaerobic respiration); অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয়।

* সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারিত হয়ে সর্বমোট ছয় অণু কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ছয় অণু পানিএবং ৩৮ অনু ATP উৎপন্ন করে।

উৎস: নবম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।
৬,১২২.
নিউক্লিক এসিড গঠিত হয়-
  1. সুগার + ফসফেট দিয়ে
  2. সুগার + নাইট্রোজেন বেইজ + ফসফেট দিয়ে
  3. সুগার + নাইট্রোজেন বেইজ + সালফেট দিয়ে
  4. প্রোটিন + নাইট্রোজেন বেইজ + সালফেট দিয়ে
সঠিক উত্তর:
সুগার + নাইট্রোজেন বেইজ + ফসফেট দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুগার + নাইট্রোজেন বেইজ + ফসফেট দিয়ে
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক এসিড:
- নিউক্লক এসিড গঠিত হয় মূলত শর্করা, অজৈব ফসফেট, নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক দিয়ে।
- নিউক্লক এসিড মূলত দুই প্রকার:

• DNA :
- DNA এর পুরো নাম Deoxyribo Nucleic Acid.
- এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট পেন্টোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট, নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থাইমিন ও সাইটোসিন) থাকে।

• RNA :
- RNA এর পুরো নাম Ribo Nucleic Acid।
- এটি পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট, নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল ও সাইটোসিন) দ্বারা গঠিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,১২৩.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎ চৌম্বক বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১২৪.
পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার বর্তনীতে ব্যবহৃত ডায়োডের সংখ্যা কয়টি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

• ব্রিজ রেকটিফায়ারের ক্ষেত্রে চারটি ডায়োডকে একটি ব্রিজের মতো বিন্যাসে যুক্ত করা হয়। এতে ট্রান্সফরমারের ইনপুট এসি সিগন্যালের উভয় অর্ধ-চক্রেই (Positive and Negative half cycles) আউটপুট পাওয়া যায়।

• রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার।  
যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার: 
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে। 
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়।
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স। 

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন। 
২. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১২৫.
নিচের কোনটি সংকর ধাতু নয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) ইস্পাত
  4. ঘ) আর্সেনিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু


- আর্সেনিক একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা 33. এর পারমাণবিক ভর 74.92160 (সাধারণ কাজে 75 ব্যবহার করা হয়)।

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,১২৬.
রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. অবলোহিত রশ্মি
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. দৃশ্যমান আলো
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

• অবলোহিত রশ্মি:
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি (infrared ray)।
- বর্ণালির 10- 6 m থেকে 10- 3 m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের।
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ।
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত বিকিরণ।
- রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১২৭.
শিশুদের জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. টিটি
  2. বিসিজি
  3. ডিপিটি 
  4. ডিটি 
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা

- শিশুদের জন্মের এক মাসের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়রকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-ইত্যাদি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১২৮.
এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয় -
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোমার
  3. গ) আইসোটোন
  4. ঘ) আইসোবার
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- সেইজন্য আইসোটোপ তৈরি হয় নিউট্রনের তারতম্যের কারণে।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১২৯.
বর্তমানে পরিবেশ-বান্ধব কোন গ্যাসটি রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়?
  1. টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
  2. টেট্রাফ্লুরো ইথেন
  3. ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
টেট্রাফ্লুরো ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেট্রাফ্লুরো ইথেন
ব্যাখ্যা
পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ:
- ঐতিহ্যবাহী এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেন্টগুলিতে ফ্লোরিনযুক্ত গ্যাস থাকে যা ওজোন স্তরকে ছিদ্র করতে পারে, হ্রাস করতে পারে এবং পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে।
- টেকসই শীতলীকরণ এই গ্যাসগুলিকে জলবায়ু-বান্ধব বিকল্পগুলির সাথে প্রতিস্থাপন করে।
- সেগুলো যখন উন্নত শক্তি-দক্ষতা ব্যবস্থার সাথে মিলিত হয় তখন রেফ্রিজারেন্ট লিকেজ থেকে শক্তি নির্গমন হ্রাস করে।

- একটি রেফ্রিজারেন্টের পরিবেশ-বান্ধবতা তার ওজোন হ্রাস সম্ভাবনা এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং সম্ভাব্য দ্বারা পরিমাপ করা যেতে পারে।
- সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট হল হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (HFC) এবং হাইড্রোফ্লোরো-ওলেফিনস (HFO)।
- বর্তমানে রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসারে হিমায়ক হিসেবে ফ্রেয়নের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব গ্যাস R-134A (টেট্রাফ্লোরো ইথেন), R-290 (আইসোপ্রোপেন), R-600A (আইসোবিউটেন) এর ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: Environmentally Friendly Refrigerants, American Biotech Supply.
৬,১৩০.
মানব দেহের কোন অংশে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. হার্টে
  2. গলায়
  3. ফুসফুসে
  4. নাকে
সঠিক উত্তর:
ফুসফুসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুসফুসে
ব্যাখ্যা

নিউমোনিয়া (Pneumonia): 
- নিউমোনিয়া একটি মানবদেহের ফুসফুসের রোগ। 
- অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে। 
- হাম ও ব্রংকাইটিস রোগের পর ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া হতে দেখা যায়। 
- শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ। 

ফুসফুস রোগের কারণ: 
- নিউমোকক্কাস (Pneumococcus) নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ। 
- এছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে। 
- এমনকি বিষম খেয়ে খাদ্যনালির রস শ্বাসনালিতে ঢুকলে সেখান থেকেও নিউমোনিয়া হতে পারে। 

ফুসফুস রোগের লক্ষণ: 
- ফুসফুসে শ্লেষ্মা-জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হয়। 
- কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়। 
- দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তার্থাৎ বেশি জ্বর হয়। 
- চূড়ান্ত পর্যায়ে বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় আওয়াজ হয় ও মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়। 

ফুসফুস রোগের প্রতিকার: 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা। 
- তরল ও গরম পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। 
- বেশি করে পানি পান করা। 

ফুসফুস রোগের প্রতিরোধ: 
- শিশু ও বয়স্কদের যেন ঠান্ডা না লাগে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা। 
- ধূমপান পরিহার করা। 
- আলো-বাতাসপূর্ণ গৃহে বসবাস করা। 
- রোগীকে সহনীয় উষ্ণতায় ও শুষ্ক পরিবেশে রাখা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৩১.
মৎস্য চাষ সম্পর্কিত বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. এপিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. এভিকালচার 
  4. পিসিকালচার 
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৬,১৩২.
আলোক রশ্মি বহনের কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. ফাইবার গ্লাস
  2. ফ্লোট গ্লাস
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ম্যাগনিফাইং গ্লাস
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু। 
- এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচ অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,১৩৩.
রাফেজ প্রধানত কী জাতীয় খাদ্য? 
  1. শর্করা
  2. আমিষ
  3. চর্বি
  4. খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্করা
ব্যাখ্যা
খাদ্যআঁশ বা রাফেজ: 

• শস্যদানা, ফলমূল ও সবজির অপাচ্য তন্তুময় অংশ অর্থাৎ সেলুলোজই হচ্ছে রাফেজ। 
• এগুলো জটিল শর্করা।
• গবাদি পশু সাধারণ সেলুলোজ হজম করতে পারে। কিছু মানুষ এগুলো হজম করতে পারে না।
• মানুষ রাফেজ হজম করতে পারে না বলে পরিপাকতন্ত্রে এটি প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় থেকে যায়।
• সব ধরনের সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল, ফলের খোসা, শস্যদানার বহিরাবরণ হচ্ছে রাফেজের ভালো উৎস।
• রাফেজ দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের হয়।

রাফেজ বা আঁশের গুরুত্ব: 
১. খাদ্য পরিপাকের সাহায্য করে
২. পানি শোষণ করে মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
৩. শরীর থেকে অপাচ্য বস্তু বের করে দিতে সাহায্য করে
৪. দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে
৫. মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ, অ্যাপেন্ডিকস, পিত্তথলির রোগ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ইত্যাদি রোগ হ্রাসে সাহায্য করে।


ছবির উৎস: কালের কণ্ঠ পত্রিকা 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,১৩৪.
মহাবিশ্ব সম্পর্কিত এডউইন হাবল এর তত্ত্ব অনুসারে -
  1. ক) মহাবিশ্ব প্রসারণশীল।
  2. খ) মহাবিশ্ব তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ দ্বারা পূর্ণ।
  3. গ) মহাবিশ্বের অধিকাংশ ভরই আমাদের দৃষ্টির আড়ালে রয়ে গেছে।
  4. ঘ) মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল।
সঠিক উত্তর:
ক) মহাবিশ্ব প্রসারণশীল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাবিশ্ব প্রসারণশীল।
ব্যাখ্যা
১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল তার ২.৫ মি. টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

১৯২৯ সালে হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।

হাবলের সূত্রানুসারে -
গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।


সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৩৫.
ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটার গতি কোন ধরনের গতি?
  1. ক) চলন গতি
  2. খ) ঘূর্ণন গতি
  3. গ) দোলন গতি
  4. ঘ) উপ-পর্যায়বৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণন গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণন গতি
ব্যাখ্যা
ঘড়ির কাঁটায় সাধারণত ঘূর্ণন ও পর্যায়বৃত্ত উভয় ধরণের গতি থাকে।
৬,১৩৬.
মা এবং নবজাতককে টিটেনাস থেকে রক্ষা করতে কোন ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়?
  1. Zero dose
  2. Measles vaccine
  3. Tetanus toxoid
  4. Bacillus Calmette Guerin
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
ব্যাখ্যা

• মা এবং নবজাতককে টিটেনাস থেকে রক্ষা করতে টিটেনাস টক্সয়েড (Tetanus toxoid) ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নিরাপদ এবং কার্যকরী ভ্যাকসিন যা গর্ভবতী মহিলাকে দেওয়া হলে নবজাতকেও টিটেনাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। ভ্যাকসিনটি মা-এর শরীরে প্রতিরক্ষা শক্তি তৈরি করে এবং শিশুর জন্মের সময় তার শরীরে সেই প্রতিরক্ষা স্থানান্তরিত হয়। এই ভ্যাকসিন সাধারণত গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে নির্দিষ্ট ডোজে দেওয়া হয়। ফলে মা ও শিশু দুজনেই টিটেনাস রোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকে।

- সঠিক উত্তর: গ) Tetanus toxoid.

• ভ্যাকসিনেশন:
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৩৭.
ল্যাকটিক এসিড নিচের কোনটিতে পাওয়া যায়?
  1. দই
  2. পালংশাক
  3. লেবু
  4. ভিনেগার
সঠিক উত্তর:
দই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দই
ব্যাখ্যা

দই তৈরির প্রক্রিয়ায় ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক এসিড এ রূপান্তরিত করে।
- এই ল্যাকটিক এসিডই দইয়ের টক স্বাদ এবং ঘন গঠনের জন্য দায়ী।

ল্যাকটিক এসিড:
- ল্যাকটিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব যৌগ, যা একটি কার্বোক্সিলিক এসিড। এর রাসায়নিক সূত্র হলো C3H6O3
- এটি সাধারণত দুধের শর্করা (ল্যাকটোজ) এবং অন্যান্য শর্করা থেকে গাঁজন (fermentation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 
- এটি দই ও অন্যান্য গাঁজনকৃত দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। এটি খাদ্যকে জমাট বাঁধাতে এবং স্বাদ তৈরি করতে সাহায্য করে।
- তীব্র শারীরিক কাজের সময় (যেমন: ব্যায়াম), শরীরে অক্সিজেন সীমিত হলে গ্লুকোজ ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি দেয়।
- ল্যাকটিক এসিড অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটিয়ে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।

উল্লেখ্য-
- পালংশাক→ অক্সালিক এসিড।
- লেবু → সাইট্রিক এসিড।
- ভিনেগার → অ্যাসেটিক এসিড।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,১৩৮.
নিচের কোনটি টেরিডোফাইটা উদ্ভিদ? 
  1. Spirogyra
  2. Pteris
  3. Chara
  4. Agaricus
সঠিক উত্তর:
Pteris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pteris
ব্যাখ্যা
টেরিডোফাইটা: 
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। 
- এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। 
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
- টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- 
Pteris
• Psilotum, 
• Lycopodium, 
• Equisetum ইত্যাদি। 

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। 
২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। 
৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। 
৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। 
১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। 
১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। 
১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৩৯.
আইপিসিসি ওয়ার্কিং গ্রুপ : চতুর্থ মূল্যায়নের রিপোর্ট অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কত মিটার বৃদ্ধি পেলে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন হারিয়ে যাবে?
  1. ক) ১.৫ মিটার
  2. খ) ০.৫ মিটার
  3. গ) ১ মিটার
  4. ঘ) ২ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ মিটার
ব্যাখ্যা
আইপিসিসি ওয়ার্কিং গ্রুপ II তাদের চতুর্থ মূল্যায়নে রিপোর্ট করেছে যে,
চাল ও গমের উৎপাদন ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে যথাক্রমে ৮ শতাংশ এবং ৩২ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। 
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সরাসরি প্রভাব হিসেবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বিশেষ করে উপকূল অঞ্চল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পেলে, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 
 
উৎস: http://nda.erd.gov.bd/, National Plan for Disaster Management 2010 - 2015
৬,১৪০.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) টেলুরিয়াম
  3. গ) পোলোনিয়াম
  4. ঘ) সেলেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) পোলোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পোলোনিয়াম
ব্যাখ্যা

ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
৬,১৪১.
শব্দের প্রতিধ্বনি তৈরী হতে সর্বনিম্ন ____ লাগে।
  1. ক) ০.১ সেকেন্ড
  2. খ) ১ সেকেন্ড
  3. গ) ১০ সেকেন্ড
  4. ঘ) ১ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ক) ০.১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের প্রতিধ্বনি তৈরী হতে সর্বনিম্ন ০.১ সেকেন্ড লাগে। এই সময়ে শব্দ অতিক্রম করে ৩৩ মিটার৷ শব্দের যাওয়া আসা মিলিয়ে ৩৩ মিটার অতিক্রম করতে হলে বড় দেয়ালের কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দুরত্বে দাড়াতে হবে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৬,১৪২.
পাতায় ক্লোরোফিলের উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত পদার্থ হল-
  1. বেনেডিক্ট দ্রবণ
  2. ম্যাগনেসিয়াম দ্রবণ
  3. অ্যালকোহল
  4. ফেহলিং দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা

◉ পাতায় ক্লোরোফিলের উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য পাতার সবুজ রঙ (ক্লোরোফিল) অপসারণ করতে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনীয় উপকরণ: একদিন অন্ধকারে রাখা টবে লাগানো সবুজ পাতাবিশিষ্ট একটি গাছ, কালো কাগজ, ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল, ১% আয়োডিন দ্রবণ, ক্লিপ প্রভৃতি।
আলো

কাজের ধারা: অন্ধকারে রাখা সবুজ পাতাবিশিষ্ট গাছটির একটি পাতার উভয় পাশের মাঝামাঝি অংশে কালো কাগজ দ্বারা আবৃত করুন। একটি ক্লিপ দ্বারা এমনভাবে আটকে দিন যাতে ঐ অংশে সূর্যালোক প্রবেশ করতে না পারে। এরপর গাছসহ টবটিকে সূর্যালোকে রেখে দিন। একঘণ্টা পর পাতাটিকে গাছ থেকে ছিড়ে ফেলুন। একে ক্লোরোফিল মুক্ত করার জন্য ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহলে সিদ্ধ করুন। এবার সিদ্ধ করা বর্ণহীন পাতাটিকে আয়োডিন দ্রবণে ডুবিয়ে রাখুন।

পর্যবেক্ষণ: আয়োডিন দ্রবণ থেকে পাতাটিকে তুলে ফেললে দেখা যাবে যে, কালো কাগজ দিয়ে আবৃত অংশ ছাড়া পাতার বাকি সবটুকু অংশই নীল (গাঢ় বেগুনি বা কালো) বর্ণ ধারণ করেছে। ক্লোরোফিল অপসারণের পর আয়োডিন দ্রবণ ব্যবহার করা হয় → যাতে শ্বেতসার (Starch) আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।

• অ্যালকোহল মূলত ক্লোরোফিল অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাতে অন্যান্য পরীক্ষাগুলো সহজে করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) বেনেডিক্ট দ্রবণ - এটি গ্লুকোজ পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
ঘ) ফেহলিং দ্রবণ - এটি শর্করা (Reducing Sugar) শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,১৪৩.
তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে দূরত্বে সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়া কে আবিষ্কার করেন? 
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. জি. মার্কনী
  3. হেনরিখ হার্জ
  4. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৪৪.
নবায়ণযোগ্য শক্তির সর্বাধিক ব্যবহৃত উৎস হচ্ছে -
  1. ক) জলবিদ্যুৎ
  2. খ) বায়োমাস
  3. গ) বায়ুশক্তি
  4. ঘ) সৌরশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর পুরো শক্তির পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি।
- সেই এক ভাগের বেশির ভাগ হচ্ছে জলবিদ্যুৎ, নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা।
- জলবিদ্যুতের পর সবচেয়ে বড় নবায়নযোগ্য শক্তি আসে বায়োমাস (Biomass) থেকে, বায়োমাস বলতে বোঝানো হয় লাকড়ি, খড়কুটো এসবকে। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির এই দুটি রূপ, জলবিদ্যুৎ আর বায়োমাসের পর গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎসগুলো হচ্ছে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, বায়ো ফুয়েল আর জিওথার্মাল।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি
৬,১৪৫.
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
  2. শুধু কঠিন পদার্থে পাওয়া যায়
  3. অণুগুলো স্থির থাকে
  4. তাপ পরিবাহিতা নেই
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
ব্যাখ্যা
• প্লাজমা:
-  প্লাজমা হলো পদার্থের একটি অবস্থা যা গ্যাসের মতো কিন্তু এর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়ন থাকে।
-  এটি সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা বা শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগের মাধ্যমে তৈরি হয়।

• প্লাজমার বৈশিষ্ট্য-
 - এটি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা নামে পরিচিত।
 - এটি তড়িৎ পরিবাহী এবং চৌম্বক ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া করে।
 - সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র, বজ্রপাত ইত্যাদিতে প্লাজমা দেখা যায়।
-  পারমানবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৪৬.
বায়োমাস শক্তির প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও ______________। 
  1. সিলিকন
  2. নাইট্রোজেন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস। 
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- আবদ্ধ পাত্রের মধ্যে গোবর ও পানির মিশ্রণ ১ : ২ অনুপাতে রেখে পচানো হলে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৪৭.
‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন কোন উৎস থেকে সংগৃহীত হয়?
  1. মারিজুয়ামা নির্যাস থেকে
  2. আফিম গাছ থেকে
  3. নিম গাছ থেকে
  4. ধুতরা ফুল থেকে
সঠিক উত্তর:
ধুতরা ফুল থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতরা ফুল থেকে
ব্যাখ্যা
• ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন একটি শক্তিশালী মাদকদ্রব্য যা প্রধানত ধুতরা ফুল (ঘ option) থেকে সংগৃহীত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে, বিশেষত মস্তিষ্কের মেমোরি ও সচেতনতা নিয়ন্ত্রণে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্কোপোলামিন গ্রহণের পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি সহজেই মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে পড়ে এবং নিজের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারায়। অপরাধীরা এটিকে প্রায়শই অপহরণ, ডাকাতি বা মানব পাচারে ব্যবহার করে থাকে। ধুতরা উদ্ভিদ ছাড়াও এটি ব্রুগমানসিয়া ও কিছু নাইটশেড গোত্রীয় গাছেও পাওয়া যায়, তবে সবচেয়ে প্রচলিত উৎস ধুতরা ফুল। এজন্যই এটি ভয়ানক ও কুখ্যাত বলে বিবেচিত।

• শয়তানের নিঃশ্বাস: 
- স্কোপোলামিন মূলত একটি সিনথেটিক ড্রাগ। 
- এই স্কোপোলামিন 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের নিঃশ্বাস' নামেও বেশ পরিচিত। 
- তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে   স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ বা মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। 
- স্কোপোলামিন প্রথম দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোয়েন্দা জ্ঞিাসাবাদের ক্ষেত্রে ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তখন এর ব্যবহার হতো লিকুইড হিসেবে, ইনজেকশনের মাধ্যমে। 
- আবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও ওষুধ তৈরিতে এর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে। 
- যখন এটি কথা বলানোর জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা 'ট্রুথ সেরাম'। আবার যখন এটি পাউডার ফর্মে নিঃশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা ‘ডেভিলস ব্রেথ’। আর যখন এটা বমি অথবা মোশন সিকনেসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় তখন এটা আসলে মেডিসিন হিসেবে ব্যবহার হয়। 
- বর্তমানে স্কোপোলামিন মূলত পাউডার হিসেবে প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। অপরাধের ক্ষেত্রে এই ড্রাগ কাগজ, কাপড়, হাত এমনকি মোবাইলের স্ক্রিনে লাগিয়েও এর ঘ্রাণ দিয়ে কিছু সময়ের জন্য কারো মানসিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া সম্ভব। 
- এটা নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঢুকলেই মাত্র ১০ মিনিট বা তারও আগে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মেমোরি আর ব্রেন তখন সচেতনভাবে কাজ করতে পারে না। কারো ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে এক ঘণ্টা লাগে। আবার কেউ তিন/চার ঘণ্টার মধ্যেও স্বাভাবিক হতে পারে না।

উৎস: thedailystar [লিংক]
৬,১৪৮.
নিচের কোনটি জৈব যৌগের উদাহরণ? 
  1. চুন 
  2. খাবার লবণ 
  3. বেনজিন 
  4. কস্টিক সোডা 
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
ব্যাখ্যা

জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন-
• মিথেন, 
• ইথেন, 
বেনজিন
• ইউরিয়া, 
• প্রোপিন, 
• পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
 
অজৈব যৌগ: 
- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
যেমন- 
• পানি, 
• খাবার লবণ, 
• খাবার সোডা, 
• কাপড় কাচার সোডা, 
• কস্টিক সোডা, 
• চুন, 
• মরিচা ইত্যাদি। 
 
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৪৯.
দস্তার ইলেক্ট্রন সংখ্যা কত?
  1. ২৮
  2. ২৯
  3. ৩০
  4. ৩১
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
• Zn (দস্তা):
- দস্তার এর রাসায়নিক প্রতীক  Zn.
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৩০।
- এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা ৩০।
- এটি ৪র্থ পর্যায়ের গ্রুপ ১৪ তে অবস্থিত। 


figure: periodic table. (image source:ptable.com)

অপশন আলোচনা:
- নিকেলের (Ni) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৮।
- নিকেলের (Ni) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৮।
- কপারের (Cu) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৯।
- গ্যালিয়ামের (Ga) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ৩১।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৬,১৫০.
একজন মানুষের দৈনিক সুষম খাদ্য গ্রহণের জন্য কতটুকু আমিষ গ্রহণ করা উচিত?
  1. ক) ৬০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ২০%
  4. ঘ) ৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫%
ব্যাখ্যা
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক সুষম খাদ্যের বিভাজনে দেখা যায় যে তাঁর ৬০% শর্করা, ১৫% আমিষ, ২০% অসম্পৃক্ত স্নেহ এবং ৫% সম্পৃক্ত স্নেহ গ্রহণ করা উচিৎ।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৬,১৫১.
মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- উক্তিটি কার?
  1. ক) অ্যারিস্টটল
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) ডাল্টন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাল্টন
ব্যাখ্যা
ডাল্টনের পারমাণবিক তত্ত্ব:

- মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- স্বীকার্যটি জন ডাল্টনের (১৮০৩ সালে)।
- প্রত্যেক মৌলিক পদার্থ অসংখ্য অবিভাজ্য ও অতিক্ষুদ্র নিরেট কলা দিয়ে গঠিত। এই ক্ষুদ্রতম কণাকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভাঙা যায় না, সৃষ্টি করা যায় না বা ধ্বংস করা যায় না। কোন প্রক্রিয়া দ্বারা পরমাণুগুলির আকার, ওজন বা ধর্মের পরিবর্তন করা যায় না। পরমাণু অবিভাজ্য এবং অবিনশ্বর।
- একই মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর ও ধর্ম অভিন্ন হয়।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর এবং ধর্ম আলাদা।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু গুলি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন করে। পরমাণু অবিভাজ্য বলে কখনও ভগ্নাংশে যুক্ত হয় না।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,১৫২.
পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল ভূগর্ভে ধারণ করে?
  1. ২.০৫%
  2. ০.৬৮%
  3. ০.০১%
  4. ০.০০১%
সঠিক উত্তর:
০.৬৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৬৮%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৫৩.
ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের নাম কী?
  1. BNT162b2
  2. BNT174v2
  3. BNT142b2
  4. BNT122C2
সঠিক উত্তর:
BNT162b2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BNT162b2
ব্যাখ্যা
জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের নাম BNT162b2.
তুর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিম দম্পতি উগুর সাহিন ও তার স্ত্রী ডা. ওজলেম টুরেসি এই ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন।
যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে গত ২ ডিসেম্বর এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে। যুক্তরাষ্ট্র অনুমতি দেয় ১১ ডিসেম্বর।

(সূত্র: বায়োএনটেক ও ফাইজার ওয়েবসাইট)
৬,১৫৪.
প্রাচীনকালে কপার ও টিন মিশিয়ে যে সংকর ধাতু তৈরি করা হতো, তা কী নামে পরিচিত? 
  1. স্টিল 
  2. ব্রোঞ্জ 
  3. পিতল 
  4. ডুরালমিন 
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ 
ব্যাখ্যা

সংকর ধাতু: 
- কোনো গরম গলিত ধাতুর মধ্যে অন্য কোনো গরম গলিত ধাতু বা অধাতু মিশিয়ে সেই মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে কঠিন পদার্থ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সংকর ধাতু। 
যেমন- 
- প্রাচীনকালে মানুষ গলিত কপারের সাথে গলিত টিন মিশিয়ে মিশ্রণকে ঠান্ডা করে ব্রোঞ্জ তৈরি করেছিল, তাই ব্রোঞ্জ মূলত একটি সংকর ধাতু। 
- লোহা এবং কার্বন মিশিয়ে স্টিল নামক সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। ছুরি, কাঁচি, রেলের চাকা, রেললাইন, জাহাজ, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি স্টিল দ্বারা তৈরি করা হয়। 
- গরম গলিত লোহার মধ্যে গলিত কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে যে সংকর ধাতু তৈরি হয় তাকে স্টেইনলেস স্টিল বলে। হাসপাতালে ডাক্তাররা যে ছুরি বা কাঁচি ব্যবহার করে তা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি। 
- গলিত কপার এবং গলিত জিংক একত্রে মিশিয়ে পিতল নামক সংকর ধাতু তৈরি হয়। বৈদ্যুতিক সুইচ, পাতিল ইত্যাদি তৈরিতে পিতল ব্যবহৃত হয়। 
- কপার ও টিন মিশিয়ে সংকর কাঁসা বা ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। থালাবাসন, গ্লাস ইত্যাদি তৈরিতে ব্রোঞ্জ ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যালুমিনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও লোহার মিশ্রণে ডুরালমিন নামক সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। এটি উড়োজাহাজের বডি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৫৫.
গামা রশ্মি (γ) কোন ধরণের রশ্মি?
  1. ধনাত্মক কণিকা
  2. ঋণাত্মক কণিকা
  3. তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎবাহী
  4. তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
সঠিক উত্তর:
তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি (γ) তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ একটি রশ্মি। 

তেজস্ক্রিয়তা: 

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। 
যথা-
১. আলফা কণিকা (α): ধনাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়। 
২. বিটা কণিকা (β): ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়। 
৩. গামা রশ্মি (γ): তড়িৎ নিরপেক্ষ, যা কোনো দিকেই বিচ্যুত হয় না। 
- এই রশ্মিগুলোর উৎপত্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে হয়ে থাকে। 

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। 
৩। এর কোন চার্জ ও ভর নাই। 
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৮। গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৫৬.
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে বলা হয়-
  1. ক) চৌম্বকত্ব
  2. খ) পরিবাহকত্ব
  3. গ) স্থির রোধ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবাহকত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবাহকত্ব
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে। 
স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যের এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের রোধকে আপেক্ষিক রোধ বলে। 
স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যের এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে পরিবাহকত্ব বলে।
পরিবাহকত্বকে σ (সিগমা) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,১৫৭.
শ্বেত বামন কী?
  1. অতি বৃহৎ গ্যালাক্সি
  2. অত্যন্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র
  3. বিশালাকার গ্যাসীয় গ্রহ
  4. ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
সঠিক উত্তর:
ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন তারকা: 
- শ্বেত বামন হলো এক ধরনের ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা, যা মাঝারি ও নিম্ন ভরের তারকাদের জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে গঠিত হয়।
- একটি সাধারণ শ্বেত বামন নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় অংশটি কার্বন এবং অক্সিজেনের মিশ্রণ দ্বারা গঠিত।
- এই কেন্দ্রের চারপাশে হিলিয়ামের একটি পাতলা আবরণ এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, হাইড্রোজেনের আরও পাতলা আবরণ থাকে।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রথম আবিষ্কৃত তারকাগুলোর সাদা রঙের কারণে এদের হোয়াইট ডোয়ার্ফ বলা হয়।
- কম উজ্জ্বলতা সম্পন্ন হয়।
- ভর প্রায় সূর্যের সমান, কিন্তু ব্যাস পৃথিবীর সমান।
- অত্যন্ত ঘন এবং সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়।
- গড় ঘনত্ব পানি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ গুণ বেশি।
- এই তারকারা মহাকাশে নিভে যাওয়া সূর্যের মতো ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে এবং একসময় সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় কালো ডোয়ার্ফে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.
৬,১৫৮.
পর-পরাগায়নের সুবিধা কোনটি?
  1. প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়
  2. পরাগরেণুর অপচয় কম হয়
  3. বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
পর-পরাগায়ন : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।
পর-পরাগায়নের ফলে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়,
বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়,
বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়।

দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয়।
এ বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়।
এ কারণে এ সব গাছের নতুন ভ্যারাইটির সৃষ্টি হয়।
তবে এটি বাহক নির্ভর প্রক্রিয়া হওয়ায় পরাগায়নের নিশ্চয়তা থাকে না, এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৫৯.
হার্টে পেইসমেকার স্থাপনের ক্ষেত্রে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়? 
  1. ফসফরাস–৩২ 
  2. কোবাল্ট–৬০ 
  3. প্লুটোনিয়াম–২৩৮ 
  4. আয়োডিন–১৩১ 
সঠিক উত্তর:
প্লুটোনিয়াম–২৩৮ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লুটোনিয়াম–২৩৮ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার নিম্নে দেওয়া হলো- 
চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৬০.
যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত ______ ।
  1. কম
  2. বেশি
  3. সমান
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,১৬১.
সূর্য থেকে আলোর তাপ কোন বল দিয়ে তৈরি হয়? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এটি হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৬২.
উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয় কোন যন্ত্রে?
  1. এক্স-রে
  2. সিটিস্ক্যান
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. ইসিজি
সঠিক উত্তর:
আল্ট্রাসনোগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্ট্রাসনোগ্রাফি
ব্যাখ্যা
আল্ট্রাসনোগ্রাফি:

- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

তথ্যসূত্র- বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৬৩.
স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে পরিমাপ করা যায়- 
  1. সরু তারের ব্যাস 
  2. সরু চোঙের ব্যাসার্ধ
  3. ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়।
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়।
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৬৪.
তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক কী?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. কুলম্ব
  3. ভোল্ট
  4. ওহম
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) অ্যাম্পিয়ার

তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার।

- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- যার প্রতীক হলো A।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করার জন্য অ্যামিটার নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৬৫.
চিন্তার সঙ্গে মস্তিস্কের যে অংশের সম্পর্ক তাকে বলা হয়-
  1. ক) সেরিব্রাম
  2. খ) সেরিবেলাম
  3. গ) মেডুলা
  4. ঘ) স্পাইনাল কর্ড
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেরিব্রাম
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। এটা ডান ও বাম খন্ডে বিভক্ত। এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত। এই দুইখন্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত। স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে। এগুলো বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে বা সেরিব্রামে অবস্থিত। সূত্রঃ বিজ্ঞান ৮ম শ্রেণি।
৬,১৬৬.
তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা কোনটি? 
  1. গ্রাভিটন
  2. ফোটন
  3. গ্লুঅন
  4. Z বোসন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 

তাড়িতচৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তাড়িতচৌম্বক বল বলে। 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 

অন্যদিকে, 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন) এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৬৭.
কেপলারের ৩য় সূত্রটি কী নামে পরিচিত?
  1. পর্যায়কালের সূত্র
  2. উপবৃত্তের সূত্র
  3. ক্ষেত্রফলের সূত্র
  4. কক্ষপথের সূত্র
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কালের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কালের সূত্র
ব্যাখ্যা

• কেপলারের তৃতীয় সূত্রকে সাধারণত পর্যায়কালের সূত্র বা লক্ষ্যকালের সূত্র (Law of Periods) বলা হয়। এটি গ্রহগুলোর কক্ষপথের আকার ও তাদের সূর্যের চারপাশে আবর্তনের সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। সূত্রটি অনুযায়ী, কোনো গ্রহের কক্ষপথের অর্ধ-প্রধান অক্ষের ঘনের মান (a3) এবং তার কক্ষপথ সম্পূর্ণ করতে লাগা সময়ের বর্গের মান (T2) এর মধ্যে একটি ধ্রুবক অনুপাত থাকে। সহজভাবে বলতে গেলে, বড় কক্ষপথের গ্রহের কক্ষকাল বেশি হয় এবং ছোট কক্ষপথের গ্রহের কক্ষকাল কম হয়। এই সূত্র সৌরজগতে গ্রহের গতিবিধি ও কক্ষপথ বিশ্লেষণে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) পর্যায়কালের সূত্র।
 
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি:

প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র বা, পর্যায়কালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৬৮.
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯৮ নিউটন, মঙ্গল গ্রহে ঐ বস্তুর ভর কত হবে?
  1. ক) ৯৮ কেজি
  2. খ) ১০ কেজি
  3. গ) ১৮ কেজি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ কেজি
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, কোন বস্তুর ওজন = বস্তুর ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ
ভর = ওজন / অভিকর্ষজ ত্বরণ
= ৯৮ / ৯.৮
= ১০ কেজি

সুতরাং, পৃথিবীতে বস্তুর ভর ১০ কেজি

যেহেতু বস্তুর ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাই মঙ্গল গ্রহেও বস্তুর ভর ১০ কেজি হবে।
৬,১৬৯.
ব্ল্যাক হোল কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৬,১৭০.
আলোর প্রতিফলন কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. ক) মাধ্যমের প্রকৃতির উপর
  2. খ) আপতন কোণের মানের উপর
  3. গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
  4. ঘ) সবগুলোর উপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
ব্যাখ্যা
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে।

যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি।
সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে । তা হলো,-
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ। 

** প্রতিফলিত রশ্মি অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিফলন কোণ বলে।
অর্থাৎ, আলো প্রতিফলিত হওয়ার পর অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন হয় সেটাই হচ্ছে প্রতিফলন কোণ। যেহেতু এটি প্রতিফলনের পরে সৃষ্টি হয় তাই এর উপর প্রতিফলন নির্ভর করে না। 
আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে,
∠ i = ∠ r


সূত্র - SSC, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বোর্ড বই
৬,১৭১.
সিটি স্ক্যান (CT Scan) এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Computed Thermal Scan
  2. Comprehensive Tissue Scan
  3. Computerized Testing Scan
  4. Computed Tomography Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা

সিটি স্ক্যান: 
- সিটি স্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan)
- সিটি স্ক্যান এর সাহায্যে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটি স্ক্যান একটি বৃহৎ যন্ত্র, এ যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 

- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটি স্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটি স্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পাশ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটি স্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটি স্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 
- সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় 'ডাই' ব্যবহৃত হরে এলার্জি জনিত বিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৭২.
নিম্নলিখিত কোন মৌলের যোজ্যতা শূন্য? 
  1. হিলিয়াম 
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন ও রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ: 
- কোনো একটি পরমাণুর বন্ধন গঠনের ক্ষমতাকে তার যোজ্যতা বলে। 
- নিষ্ক্রিয় মৌল হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar) এসব মৌলের বন্ধন গঠনের ক্ষমতা নেই, ফলে এদের যোজ্যতা শূন্য। 
- আবার H এর যোজ্যতা এক, O এর যোজ্যতা দুই, N এর যোজ্যতা তিন ও C এর যোজ্যতা সাধারণত চার হয়। 
- কোনো পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে বর্তমান ইলেকট্রনগুলোকে যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে, এই ইলেকট্রনগুলোই বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 
- পরমাণুর সর্ববহি:স্থ শক্তিস্তরকে যোজ্যতাস্তর বলে। 
- রাসায়নিক বন্ধনের আধুনিক মতবাদ অনুসারে রাসায়নিক বন্ধন গঠনকালে পরমাণুগুলো সর্বাধিক স্থায়ী ইলেকট্রন গঠন কাঠামো অর্জনের চেষ্টা করে। - নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ইলেকট্রন গঠনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় He ভিন্ন প্রত্যেকেরই যোজ্যতা স্তরে আটটি করে ইলেকট্রন বর্তমান। 
- He পরমাণুর যোজ্যতা স্তর প্রথম শক্তি স্তর, এখানে মাত্র দুটি ইলেকট্রন বর্তমান থেকেই যোজ্যতাস্তরকে ইলেকট্রন দ্বারা পরিপূর্ণ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৭৩.
একই গ্রুপের মৌলগুলোর কোনগুলো প্রায় একই রকম হয়?
  1. পরমাণু ভর ও অণুর ভর
  2. আকার ও ঘনত্ব
  3. পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা
  4. ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
সঠিক উত্তর:
ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য: 
- পর্যায় সারণি মৌল গুলোকে সাজানোর এমন একটি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা। 
- পর্যায় সারণির মাধ্যমে আবিষ্কৃত মৌলগুলোকে এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে একজন নবীন বিজ্ঞানী বা শিক্ষানবিশ রসায়নবিদ আবিষ্কৃত মৌল সম্পর্কে সঠিক ও পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন। 
- IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) কর্তৃক স্বীকৃত আধুনিক পর্যায় সারণির কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১. মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূলভিত্তি। 
২. সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। 
৩. প্রতিটি পর্যায়ের বামদিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 
৪. পর্যায় সারণি প্রথম পর্যায়ে মাত্র দুটি মৌল থাকে। যেমন- একটি H অপরটি He । H-এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ এবং He এর অবস্থান গ্রুপ-১৮ এ। 
৫. দ্বিতীয় পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে আটটি করে মৌল বর্তমান। এ আটটি মৌল গ্রুপ-১ থেকে গ্রুপ-২ এবং গ্রুপ-১৩ থেকে গ্রুপ-১৮ এর মধ্যে অবস্থিত। 
৬. ৪র্থ পর্যায় ও ৫ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপের প্রত্যেকটিতে একটি করে ১৮টি মৌল অবস্থান করে থাকে। 
৭. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে ও ৭ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম দেখা যায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপে মৌলের সংখ্যা ৩২টি। ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্রুপ-৩ এ ১৫টি করে মৌল অবস্থান করে। বাকী ১৭টি গ্রুপে ১৭টি মৌল অবস্থান করে পর্যায়ে মোট মৌলের সংখ্যা (১৫ + ১৭) = ৩২টি হয়। 
৮. মূল পর্যায় সারণির নিচে ২টি অনুভূমিক সারি এবং ১৪টি খাড়া স্তম্ভ বিশিষ্ট আরো একটি ছক উল্লেখ করা হয়েছে। এটিও মূল পর্যায় সারণির ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায়ের অংশবিশেষ মাত্র। 
৯. সাধারণভাবে মৌলের ধর্ম তার গ্রুপের উপর নির্ভরশীল। একই গ্রুপের সকল মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকম হয়। 
১০. পর্যায় তালিকায় কোনো মৌলের পর্যায় নির্ধারণ করা হয় ঐ মৌলের পরমাণু তার ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বমোট কতটি কক্ষপথ ব্যবহার করেছে তার সংখ্যার ওপর। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৭৪.
এসিডের কার্যকরী ধর্ম প্রদর্শনের জন্য কোনটির উপস্থিতি আবশ্যক? 
  1. পানি
  2. তাপ
  3. আলো
  4. বাতাস
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
এসিডের রাসায়নিক ধর্মে পানির ভূমিকা: 
- এসিডের ধর্ম কার্যকর হয় পানির উপস্থিতিতে, পানির অনুপস্থিতিতে এসিড তার এসিডিয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে না। 
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস ভর্তি গ্যাসজারের মধ্যে শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ ধরলে দেখা যাবে লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত আছে। 
- এ গ্যাসজারের মধ্যে কঠিন ক্যালসিয়াম কার্বনেটের টুকরা ফেললে দেখা যায় কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
- আবার গ্যাসজারের মধ্যে আয়রন ধাতুর টুকরা বা জিংক ধাতুর টুকরা রাখলেও কোনো রূপ বিক্রিয়া সংগঠিত হয় না। 
• HCl(g) + শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ → নীল লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। 
• HCl(g) + CaCO3(s) → কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
• HCl(g) + Fe → কোন বিক্রিয়া ঘটে না এবং H2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৭৫.
তুলার সাদা মাছি পোকার দমনে কোনটি স্প্রে করা হয়?
  1. ফেনডেলারেট ২০
  2. ক্লোরোপাইরিফস ২০
  3. কার্বোসালফান ২০
  4. সাকসেস
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপাইরিফস ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপাইরিফস ২০
ব্যাখ্যা

তুলার ক্ষতিকর পোকা ও তার দমন ব্যবস্থাপনা:
• জ্যাসিড পোকা:
⇒ ক্ষতির লক্ষণ:
- চারা গজানোর ২-৩ সপ্তাহ পর থেকেই এদের আক্রমণ শুরু হয়।
- নিম্ফ ও পূর্ণবয়স্ক উভয় পোকাই পাতার রস শোষণ করে যায় এবং ফলে পাতা হলদে এবং পরে লালচে হয়ে যায়।
⇒ প্রতিকার:
- সাকসেস ১.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত জমিতে স্প্রে করতে হবে।

• বোল ওয়ার্ম:
⇒ লক্ষণ:
- ৫-৬ সপ্তাহ বয়সী তুলাগাছের এই পোকার লার্ভা গাছের ডগা, কুড়ি, ফুল বা বোলছিদ্র করে দেয়।
- এতে গাছের ডগা ঢলে পড়ে ও শুকিয়ে যায়।
- ফুল, কুড়ি বা কচি বোল মাটিতে ঝরে পড়ে ও ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
⇒ দমন ব্যবস্থা:
ক) জমি গভীর চাষ দিয়ে রোদে শুকাতে হবে। এতে পোকা, লার্ভা বা শুককীট মরে যায় ও পাখিতে খেয়ে ফেলে।
খ) জমির আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে হবে।
গ) ঝরে পড়া কুড়ি, ফুল ও বোল সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
ঘ) আলোর ফাঁদ দিয়ে বোল ওয়ার্ম পোকার মথ ধরতে হবে।
ঙ) ফেনডেলারেট ২০ তরল ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

• লাল গান্ধি পোকা:
⇒ ক্ষতির লক্ষণ:
- পূর্ণবয়স্ক পোকা গাছের পাতা, কুড়ি, ফুল ও বল থেকে রস চুষে খায়।
- ফলে বোলের বৃদ্ধি ব্যহত হয়, তুলার আঁশ হলদে হয়ে যায় এবং বীজ নষ্ট হয়।
⇒ প্রতিকার:
ক) ডিমের গাদা ও লার্ভা/ক্রীড়া সংগ্রহ করে মেরে ফেলতে হবে।
খ) পাখি যেন পোকা খেতে পারে তাই জমির পাশে ডাল পুঁতে দিতে হবে।
গ) কার্বোসালফান ২০ তরল ২ মি.লি. ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

• তুলার সাদা মাছি:
⇒ ক্ষতির ধরণ:
- সাদা মাছি পাতার রস শোষণ করে, এরা পাতার উপর এক ধরনর মধুকণা নিঃসরণ করে, ফলে সেখানে সুটি মোল্ড ছত্রাক জন্মায়।
- এর আঠালো পদার্থ তুলার লিন্টের সাথে লেগে লিন্টের গুণগত মান নষ্ট হয়।
⇒ প্রতিকার:
- ক্লোরোপাইরিফস ২০ তরল ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৭৬.
আই.সি তে ইলেকট্রনিক ডিভাইস হিসেবে থাকে-
  1. ক) ট্রানজিস্টার
  2. খ) ডায়োড
  3. গ) রেজিস্টর
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা
আই.সি এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। আই.সি কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ডায়োর ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পনেন্ট সিলিকন চিপ এর উপর নির্মাণ করে জোড়া লাগানো হয়।
৬,১৭৭.
নিচের কোনটি জন্মনিরোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ভ্যাসেকটমি
  2. IVF
  3. Tubectomy
  4. লাইগেশন
সঠিক উত্তর:
IVF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IVF
ব্যাখ্যা
• IVF জন্মনিরোধের পদ্ধতি নয় বরং এটি কৃত্তিম গর্ভধারণের পদ্ধতি। 

• Birth control:
- জন্মনিরোধক (Birth control) হলো এমন পদ্ধতি যা অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধ করে। 

• জন্মনিরোধের জন্য দুইটি পদ্ধতি রয়েছে।
যথা-
- অস্থায়ী পদ্ধতি।
- স্থায়ী পদ্ধতি। 

• অস্থায়ী পদ্ধতি: যে পদ্ধতিতে অস্থায়ীভাবে জন্মনিরোধ করা হয় তাকে জন্মনিরোধের অস্থায়ী পদ্ধতি বলা হয়। 
উদাহরণ- কনডম, বড়ি, ইঞ্জেকশন ইত্যাদি।

• স্থায়ী পদ্ধতি: যে পদ্ধতিতে স্থায়ীভাবে জন্মনিরোধ করা হয় তাকে জন্মনিরোধের স্থায়ী পদ্ধতি বলা হয়। 
উদাহরণ- ভ্যাসেকটমি , লাইগেশন, টিউবেকটমি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• IVF বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন হলো কৃত্তিম গর্ভধারণ পদ্ধতি।
- এটি একটি প্রজনন প্রযুক্তি, যেখানে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুকে দেহের বাইরে পরীক্ষাগারে (in vitro) নিষিক্ত করা হয় এবং এরপর নিষিক্ত ভ্রূণ নারীর জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৬,১৭৮.
পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার বর্তনীতে কয়টি ডায়োড ব্যবহৃত হয়? 
  1. ২টি
  2. ১টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার:
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় ৪ (চার) টি ডায়োড ব্যবহার করে। 
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়।
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৭৯.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. তরল পদার্থ
  2. শূন্য মাধ্যম
  3. বায়বীয় পদার্থ
  4. কঠিন পদার্থ
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থ
ব্যাখ্যা
• কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।
- যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।

• শব্দের গতি:

- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।

উত্তস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৮০.
গর্ভকালীন সময়ে অত্যাবশ্যকীয় টিকা কোনটি?
  1. ক) হেপাটাইটিস-বি
  2. খ) করোনা
  3. গ) রুবেলা
  4. ঘ) টিটেনাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিটেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিটেনাস
ব্যাখ্যা
গর্ভকালীন সময়ে একজন মায়ের টিটেনাস টিকা গ্রহণ করতে হয়। 

টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) থেকে রক্ষ পাওয়ার জন্য টিটি টিকা নিতে হয়। হবু মায়েদের টিটি টিকা নিতে হবে যেন বাচ্চার ধনুষ্টঙ্কার না হয়। যদি আগে কোণ টিকা নেওয়া না থাকে, তবে সবগুলোই দিতে হবে। শিশুদের যে পেন্টা ভ্যালেন্ট টিকা দেয়া হয় তাতে ধনুষ্টঙ্কার প্রতিরোধী টিকা থাকে। কিন্তু এই টিকা নবজাতককে সুরক্ষা দিতে পারে না বিধায় সম্প্রসারিত টিকা দান কর্মসূচির আওতায় আমাদের দেশে সন্তান জন্মদানে সক্ষম নারী—যাদের বয়স ১৫ থকে ৪৯ বছর, তাদের জন্য ধনুষ্টঙ্কার ও রুবেলার বিরুদ্ধে টিটি ও এমআর টিকা দেয়া হয়।

টিটেনাসের ৫টি টিকার ডোজ সম্পন্ন থাকলে আর গর্ভাবস্থায় এই টিকা নেয়ার প্রয়োজন নেই। আর কেউ যদি কোনো টিকা না নিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় ৫ মাসের পর ১ মাসের ব্যবধানে পর পর দুটি টিটি টিকা দিয়ে নিতে হবে। আর যদি পূর্বে দুই ডোজ টিকা নেয়া থাকে তাহলে প্রতি গর্ভাবস্থায় মাত্র একটি বুষ্টার ডোজ নিতে হবে। মাকে দেয়া এই টিকা মা ও বাচ্চা উভয়েরই ধনুষ্টংকার রোগের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলে। প্রসবকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতায় অসতর্কতা এবং অপরিষ্কার ছুরি, ব্লেড বা কাঁচি ব্যবহার করলে (বাচ্চার নাভী কাটার সময়) অথবা নাভীর গোড়ায় নোংরা কিছু লাগিয়ে দিলে নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ হয়।

সূত্র:  উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ ওয়েবসাইট। 
৬,১৮১.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে কী করতে হয়?
  1. ১ দিন যোগ
  2. ২ দিন যোগ
  3. ১ দিন বিয়োগ
  4. ২ দিন বিয়োগ
সঠিক উত্তর:
১ দিন যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ দিন যোগ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাঃ
- ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা এবং ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা মূলত একই। একেই বলে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন যোগ এবং পূর্বগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন বিয়োগ হবে।

• মূল মধ্যরেখাঃ
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০ দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
- প্রতি ১দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৮২.
‘শিমের বিচি’ কোন্ ধরনের খাদ্য?
  1. আমিষ
  2. শ্বেতসার
  3. স্নেহ জাতীয়
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
আমিষের উৎস: 
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। 
যথা - 
১. প্রাণিজ আমিষ ও 
২. উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

প্রাণিজ আমিষ: 
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ।
- এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 

উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৮৩.
মানবদেহে ক্যালসিয়ামের অভাবে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) ডায়াবেটিস
  2. খ) এইডস
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) অস্টিওপরোসিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্টিওপরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্টিওপরোসিস
ব্যাখ্যা
মানবদেহে ক্যালসিয়ামের অভাবে অস্টিওপরোসিস রোগটি হয়ে থাকে। 

- অস্টিওপোরোসিস হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ।
- এ সমস্যায় ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় হালকা ও ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
- সাধারণত বয়স্ক নারী এবং পুরুষ এর মাঝে এ রোগটি দেয়া দেয়। 

সূত্র- ১৯৯ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,১৮৪.
সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে কী বলা হয়?
  1. জিন ক্লোনিং
  2. সেল ক্লোনিং
  3. প্রাকৃতিক ক্লোনিং
  4. রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং
সঠিক উত্তর:
রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত।
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 
- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং। 
যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৮৫.
পাহাড়ী রাস্তার বিপজ্জনক বাঁকে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সমতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) উত্তল লেন্স
  4. ঘ) অবতল লেন্স
সঠিক উত্তর:
ক) সমতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমতল দর্পণ
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি রাস্তায় গাড়িচালনার জন্য অনেক সময় ৯০ ডিগ্রি কোণে বাঁক নিতে হয়। অদৃশ্য বাঁকে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক পরস্পরকে দেখতে পান না, এছাড়া বাঁকের অপর পাশে কী আছে তা আদৌ তারা জানেন না। এ সমস্যা সমাধানের জন্য বিপজ্জনক বাঁকে ৪৫ ডিগ্রি কোণে বৃহৎ আকৃতির সমতল দর্পণ বসানো হয়। এর ফলে গাড়িচালকগণ বাঁকের আশেপাশে সবকিছু দেখতে পান এবং নিরাপদে গাড়ি চালাতে সক্ষম হন।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৬,১৮৬.
কোনটির সাহায্যে বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়?
  1. ক) সিসমোগ্রাফ
  2. খ) সোনোগ্রাফি
  3. গ) থার্মোমিটার
  4. ঘ) অ্যানেমোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) থার্মোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) থার্মোমিটার
ব্যাখ্যা
বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায় থার্মোমিটার এর মাধ্যমে। 

- থার্মোমিটার হল তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র, যার সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায় এবং বিভিন্ন বস্তুর তাপমাত্রার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- থার্মোমিটার শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ থেকে, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ :যবৎসড় মানে 'তাপ' এবং সবঃবৎ মানে পরিমাপ করা।
- থার্মোমিটার হলো তাপমাত্রা নির্ণয়ের এক বিশেষ যন্ত্র। জানা যায়, ষোড়শ শতকে সর্বপ্রথম ইতালিতে থার্মোমিটার আবিষ্কার হয়।
- ১৬১২ সালে ডেনিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. সেন্টোরিয়াস থার্মোমিটার ব্যবহার করে মানবদেহের তাপমাত্রা পরিমাপের কথা উলেস্নখ করেন।
- সিসমোগ্রাফ: ভূমিকম্প লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র। 
- সোনোগ্রাফি: শব্দ বিশ্লেষণ এবং লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র। 
- অ্যানেমোমিটার: বায়ুর গতিবেগ পরিমাপের যন্ত্র।

সূত্র: ৩৭০ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৮৭.
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা বেড়ে যাওয়াকে কী বলে? 
  1. থ্যালাসেমিয়া
  2. পলিসাইথিমিয়া
  3. অ্যানিমিয়া
  4. লিউকেমিয়া
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
• রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা:
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়।
যেমন-
• পলিসাইথিমিয়া:
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
• অ্যানিমিয়া:
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।
• লিউকেমিয়া:
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

• থ্যালাসেমিয়া:
- থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রক্তের রোগ।
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়।
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৮৮.
তরল পদার্থের ক্ষেত্রে সঠিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. পারস্পরিক আকর্ষণ বল নেই 
  2. নির্দিষ্ট আকার এবং আয়তন আছে 
  3. নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
  4. নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন কিছুই নেই 
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৮৯.
Bauxite কিসের আকরিক?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. লেড
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- Bauxite হলো অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক।
- এটি অ্যালুমিনিয়ামের একটি মূলে পরিণত হওয়ার জন্য প্রাথমিক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বক্সাইটে সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al₂O₃) থাকে, যা পরে ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়।

অন্যদিকে,
- লোহার প্রধান আকরিক হেমাটাইট (Hematite) এবং ম্যাগনেটাইট (Magnetite)।
- তামার প্রধান আকরিক কুপ্রাইট (Cuprite) এবং চালকোজাইট (Chalcocite)।
- লেডের প্রধান আকরিক গ্যালেনা (Galena), যা PbS (লেড সালফাইড) আকারে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,১৯০.
পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম কী?
  1. গ্যাস
  2. কঠিন
  3. তরল
  4. প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
ব্যাখ্যা
পদার্থের চতুর্থ অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা হচ্ছে প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে, সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়।
- ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে।
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায়, সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।
- বর্তমানে ফিশান পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়। হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র! 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৯১.
হাড় ভাঙা আছে কিনা তা যাচাই করার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

• হাড় ভাঙা আছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) ব্যবহার করা হয়। রঞ্জন রশ্মি এমন এক ধরনের বিদ্যুৎচুম্বকীয় রশ্মি, যা ঘনত্বের উপর নির্ভর করে পদার্থের মধ্যে দিয়ে ভিন্নভাবে প্রক্ষেপিত হয়। হাড় ঘন ও কঠিন হওয়ায় রঞ্জন রশ্মিকে কম প্রবাহিত করে, আর নরম টিস্যু বা মাংসের মধ্য দিয়ে বেশি প্রবাহিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে রঞ্জন রশ্মি দিয়ে হাড়ের অবস্থান, ভাঙা বা ফাটল সহজেই ধরা যায়। গামা, বিটা বা আলফা রশ্মি মূলত চিকিৎসা বা বিকিরণ সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে হাড় পরীক্ষা করতে এগুলো ব্যবহার করা হয় না। তাই হাড় ভাঙা নির্ণয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মিই সঠিক পদ্ধতি।

- উত্তর: ক) রঞ্জন রশ্মি। 

• এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

• এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৯২.
'মানুষের হাঁটা' নিউটনের কোন সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ক) গতির প্রথম সূত্র
  2. খ) গতির দ্বিতীয় সূত্র
  3. গ) গতির তৃতীয় সূত্র
  4. ঘ) মহাকর্ষ সূত্র
সঠিক উত্তর:
গ) গতির তৃতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গতির তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমানও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। একজন মানুষ হাঁটার সময় পা দিয়ে যখন মাটিকে ধাক্কা দেয়, মাটিও মানুষটিকে পাল্টা ধাক্কা দেয়।
উদাহরণ:
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
- মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস:
১.পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৯৩.
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে? 
  1. উত্তর-পশ্চিম
  2. উত্তর-দক্ষিণ
  3. দক্ষিণ-পূর্ব
  4. পূর্ব-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,১৯৪.
পৃথিবীর কেন্দ্রে ‘g’ এর মান কত?
  1. ০ মি./সে.
  2. ৯.৮ মি./সে.
  3. ৮.৪ মি./সে.
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
['g' এর মানের একক ms-2 কিন্তু এখানে অপশনে মি./সে. বা, ms-1 দেওয়া আছে। তাই কোনটি নয় উত্তর হবে]

• ওজন:

- কোনো বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে তার ওজন বলে।
- আমরা জানি, W = mg
- এখানে, g= অভিকর্ষজ ত্বরণ যার মান 9.8 ms-2
- m = বস্তুর ভর।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে।
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম।
- মেরু অন্ঞলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,১৯৫.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) ওজোন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
খ) ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওজোন
ব্যাখ্যা
• কার্বন ডাই অক্সাইড হলো গ্রীন হাউস গ্যাস।

গ্রীন হাউস অ্যাফেক্ট:
- শীত প্রধান দেশে গ্রীন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমন্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।

গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC),
- ওজোন (O3)
- জলীয় বাষ্প

- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.
৬,১৯৬.
কোন উদ্ভিদের ফুলের পরাগায়ন বায়ু দ্বারা হয়? 
  1. শিমুল
  2. কুমড়া
  3. ধান
  4. কদম
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: 
- পরাগরেণু স্থানান্তরের কাজটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাধ্যমের দ্বারা হয়ে থাকে, যে বাহক পরাগরেণু বহন করে গর্ভমুণ্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে। 
- বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক, এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। 
- মধু খেতে অথবা সুন্দর রঙের আকর্ষণে পতঙ্গ বা পাখি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায়, এ সময়ে পরাগরেণু বাহকের গায়ে লেগে যায়। 
- এই বাহকটি যখন একই প্রজাতির অন্য ফুলে গিয়ে বসে তখন পরাগরেণু ঐ ফুলের গর্ভমুণ্ডে লেগে যায়, এভাবে তাদের অজান্তে পরাগায়নের কাজটি হয়ে যায়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়, একে অভিযোজন বলা হয়।
- বিভিন্ন মাধ্যমের জন্য অভিযোজনগুলোও আলাদা যা নিম্নরূপ: 
১। পতঙ্গপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- ফুল বড়, রঙিন, মধুগ্রন্থিযুক্ত। 
- পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঠালো এবং সুগন্ধযুক্ত, যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

২। বায়ুপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- ফুল বর্ণ, গন্ধ ও মধুগ্রন্থিহীন। 
- পরাগরেণু হালকা, অসংখ্য ও আকারে ক্ষুদ্র। 
- এদের গর্ভমুণ্ড আঠালো, শাখান্বিত, কখনো পালকের ন্যায়, যেমন- ধান। 

৩। পানিপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- এরা আকারে ক্ষুদ্র, হালকা এবং অসংখ্য। 
- এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এসব ফুলে সুগন্ধ নেই। 
-  স্ত্রীফুলের বৃত্ত লম্বা কিন্তু পুং ফুলের বৃত্ত ছোট। 
- পরিণত পুং ফুল বৃত্ত থেকে খুলে পানিতে ভাসতে থাকে, যেমন- পাতাশ্যাওলা। 

৪। প্রাণিপরাগী ফুলের অভিযোজন: 
- এসব ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। 
- এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এসব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,১৯৭.
ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে কোনটি?
  1. ক) লিফ রোল
  2. খ) লিফ ব্লাইট
  3. গ) লিফ কার্ল
  4. ঘ) লিফ বেইন
সঠিক উত্তর:
খ) লিফ ব্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিফ ব্লাইট
ব্যাখ্যা
ধানের পাতা ধ্বসা (leaf blight) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। এছাড়া আলুর লিফরোল (পাতা কুঁচকাইয়া যাওয়া), পেঁপের লিফকার্ল, ক্লোরোসিস (পাতায় হলুদাভ দাগ) ইত্যাদি রোগ ভাইরাস দ্বারা ঘটে থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬,১৯৮.
বিজ্ঞানী গ্যালিলিও কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. গ্রিস
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একজন ইতালিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী,জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন।
- গ্যালিলিওকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন।
- ১৬০৯ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একটি উন্নত ধরণের দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর জন্য তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত যেকোনো বস্তুর পরিমাপের বেলায় ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে,
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
- নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।

উৎস i) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
          ii) Britannica.
৬,১৯৯.
Na মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 23
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা
23
    Na মৌলের নিউট্রন সংখ্যা = 23 - 11 = 12
11
৬,২০০.
গর্ভাবস্থায় কোনটির ঘাটতিতে অ্যানিমিয়া হয়?
  1. ভিটামিন A
  2. ভিটামিন D
  3. ভিটামিন B9
  4. ভিটামিন B1
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B9
ব্যাখ্যা
• গর্ভাবস্থায় ভিটামিন B9 বা ফলিক এসিডের ঘাটতিতে অ্যানিমিয়া হয়। 

• অ্যানিমিয়া:
- গর্ভাবস্থায় যখন শরীরে লোহিত রক্তকণিকা (RBC) যথেষ্ট পরিমাণে তৈরি হয় না তখন সাধারণত অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা) হয়ে থাকে।
- RBC তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফলিক এসিড বা ভিটামিন B9 ।

• অ্যানিমিয়ার লক্ষণ:
- ক্লান্তি, দুর্বলতা, 
- ফ্যাকাশে ত্বক ও চোখ, 
- শ্বাসকষ্ট ও মাথাব্যথা। 

• গর্ভাবস্থায় ফলিক অ্যাসিডের গুরুত্ব:
→ ভ্রূণের নিউরাল টিউব গঠনে সহায়তা:
- ফলিক অ্যাসিড গর্ভাবস্থায় শিশুর মস্তিষ্ক এবং মেরুরজ্জু (neural tube) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  
→ জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ:
- পর্যাপ্ত ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করলে নিউরাল টিউব ত্রুটি যেমন স্পাইনাল বিফিডা এবং অ্যানেনসেফালি (Anencephaly) হওয়ার ঝুঁকি কমে।  
→ কোষ বিভাজন এবং বৃদ্ধি:
- ফলিক অ্যাসিড কোষ বিভাজন এবং বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়। গর্ভাবস্থায়, এটি ভ্রূণের বৃদ্ধি এবং বিকাশে সহায়তা করে।  
→ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি:
- ফলিক অ্যাসিড লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে এবং মায়ের রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।  
→ প্লাসেন্টার স্বাস্থ্য:
- ফলিক অ্যাসিড প্লাসেন্টার স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। 

তথ্যসূত্র:
- Unicef.
- World Health Organization (WHO): Anaemia in pregnancy.