বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬১ / ১৪০ · ৬,০০১৬,১০০ / ১৪,০৮০

৬,০০১.
কোন যন্ত্রে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়?
  1. টেলিভিশন
  2. টেপরেকর্ডার
  3. রেডিও
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার মূলত বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। ঘরোয়া বা ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র যেমন টেলিভিশন, টেপ রেকর্ডার ও রেডিওতে সাধারণত পাওয়ার সাপ্লাইয়ে মেইন ভোল্টেজকে কমানো প্রয়োজন হয়, যাতে যন্ত্রের ভেতরের সার্কিট নিরাপদভাবে কাজ করতে পারে। তাই এই যন্ত্রগুলিতে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়। এটি মেইন ভোল্টেজকে যন্ত্রের উপযুক্ত ভোল্টেজে নামিয়ে আনে এবং সার্কিটের ক্ষতি বা সংক্ষিপ্ত সংযোগের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো – উপরের সবগুলো।

ট্রান্সফর্মার:

• ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সিকে কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।
• ট্রান্সফর্মার প্রধানত ২ প্রকার। যথা: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার (Step up Transformer):
- যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: দূরদূরান্তে তড়িৎ প্রেরণের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

• অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার (Step down Transformer):
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: অবরোহী বা স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষণ, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০০২.
পর্যায় সারণির কোন গ্রুপের মৌলগুলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত?
  1. গ্রুপ 2
  2. গ্রুপ 16
  3. গ্রুপ 17
  4. গ্রুপ 18
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ 18
ব্যাখ্যা
• পর্যায় সারণির গ্রুপ 18 এর মৌলসমূহ নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত।

• পর্যায় সারণি:

- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে।
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে।
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ 18 এর মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
যথা: হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোন যৌগ গঠন করতে চায় না।
- নিষ্ক্রিয় অন্য মৌলগুলো থেকে হিলিয়াম (He) মৌলটি ব্যতিক্রম। কারণ হিলিয়াম (He) এর বাইরের শক্তিস্তর ২টি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অন্য মৌলগুলোর ক্ষেত্রে ৮টি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে।
- রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে।

• মৃৎক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-২ এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে।
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। যথা: বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra)।
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে।
- এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়।

• হ্যালোজেন:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে।
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• চ্যালকোজেনস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর মৌলসমূহকে (যেমন O, S, Se, Te ইত্যাদিকে) আকরিক উৎপন্নকারী মৌল বা চ্যালকোজেনস (chalcogens) বলা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৩.
কোন রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে?
  1. ক) লসিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) লোহিত রক্তকণিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি- অবতল এবং চাকতি আকৃতির।
- হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না।
- কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- লোহিত কণিকা প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

লোহিত কণিকার কাজ:
- দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
- নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা।
- হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা। 
==============
শ্বেত রক্তকণিকার ১-১৫ দিন এবং অনুচক্রিকার ৫-১০ দিন।

উৎস: নবম দশন শ্রেনীর বিজ্ঞান বই।
৬,০০৪.
কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ওজন
  2. সময়
  3. সরণ
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর
ব্যাখ্যা
• কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা "ভর' বুঝায়।

• কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে আমাদের দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। 
- একটি হচ্ছে বল এবং অপরটি হচ্ছে সরণ। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 
- কাজের মাত্রা, [W] = [ML2T -2]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৫.
যে রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায় তাকে বলে-
  1. ধনুষ্টঙ্কার
  2. হৃদরোগ
  3. জন্ডিস
  4. এইডস
সঠিক উত্তর:
এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইডস
ব্যাখ্যা
এইডস: 
- AIDS রোগের পূর্ণরূপ হচ্ছে Acquired Immune Deficiency Syndrome. 
- Human immunodeficiency virus বা HIV নামক ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। 
- HIV এমনই ভয়ংকর জাতের ভাইরাস যে এ ভাইরাস মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। 
- ফলে HIV আক্রান্ত রোগী যে কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং যা তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০০৬.
একটি Distance relay কোনটি পরিমাপ করে?
  1. Current difference
  2. Voltage difference
  3. Impedance difference
  4. Distance between two CTs
সঠিক উত্তর:
Impedance difference
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Impedance difference
ব্যাখ্যা
- দূরত্বের রিলে হল একটি প্রতিরক্ষামূলক রিলে যা পাওয়ার সিস্টেমে ট্রান্সমিশন লাইন এবং অন্যান্য উচ্চ-ভোল্টেজ সরঞ্জামকে ত্রুটি বা অস্বাভাবিক অবস্থা থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ত্রুটির অবস্থানে Impedance বা দূরত্ব পরিমাপ করার নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ত্রুটিযুক্ত অংশটি বিচ্ছিন্ন করতে সার্কিট ব্রেকারকে ট্রিপ করে।

এর কাজ করার ধাপগুলো হল 
- Impedance Measurement,
- Setting Characteristics,
- Tripping Circuit Breakers.
৬,০০৭.
বায়ু পরাগী ফুল কোনটি? 
  1. ধান 
  2. কদম 
  3. জবা 
  4. পাতা শ্যাওলা 
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 
বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 
পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 
প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০০৮.
দ্বিপদ নামকরণের জনক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  4. রবার্ট হুক
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে তার 'Species Plantarum' গ্রন্থে উদ্ভিদের এবং ১৭৫৮ সালে 'Systema Naturae' গ্রন্থের ১০ম সংস্করণে প্রাণীর দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। এই পদ্ধতিতে একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ (গণ ও প্রজাতি) নিয়ে গঠিত হয়।
- এই বৈপ্লবিক কাজের জন্য তাকে দ্বিপদ নামকরণের জনক বলা হয়।

• দ্বিপদ নামকরণ: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 

- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। 
- ক্যারোলাস লিনিয়াসই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। 
- এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens. 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- অ্যারিস্টটল: জীববিজ্ঞানের জনক বলা হলেও তিনি আধুনিক দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেননি।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল: তিনি বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত এবং মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
- রবার্ট হুক: তিনি সর্বপ্রথম কোষ আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত কিন্তু নামকরণের জনক নন।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬,০০৯.
পিসিকালচার কী উদ্দেশ্য বা বিষয় নির্দেশ করে?
  1. পাখি পালন
  2. মৌমাছি পালন
  3. রেশম পালন
  4. মৎস্য পালন
সঠিক উত্তর:
মৎস্য পালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্য পালন
ব্যাখ্যা

• পিসিকালচার বলতে মূলত মৎস্য পালনকে বোঝায়, অর্থাৎ পরিকল্পিত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাছ চাষ করা। এই প্রক্রিয়ায় পুকুর, দিঘি, হ্রদ বা নিয়ন্ত্রিত জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন করা হয় মানুষের খাদ্য ও বাণিজ্যিক চাহিদা পূরণের জন্য। পিসিকালচারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে অধিক পরিমাণ মাছ উৎপাদন সম্ভব হয়, যা প্রোটিনের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে পিসিকালচার সঠিকভাবে মৎস্য পালনকেই নির্দেশ করে (ঘ)।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• অপশন আলোচনা:
• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।
- যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• এছাড়াও
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার,
- উদ্যান বিদ্যা - হর্টিকালচার,
- সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার।

উৎস:
১. কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬,০১০.
কার্বোহাইড্রেট C, H এবং O- এর অনুপাত কত?
  1. ক) ১: ১ : ২
  2. খ) ১ : ২ : ১
  3. গ) ১ : ৩ : ২
  4. ঘ) ১ : ৩ : ১
সঠিক উত্তর:
খ) ১ : ২ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ : ২ : ১
ব্যাখ্যা
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হল এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যার প্রতিটি অণুতে কার্বনের(C) সাথে হাইড্রোজেন(H) এবং অক্সিজেন(O) থাকে। এতে কার্বন(C), হাইড্রোজেন(H) এবং অক্সিজেন(O)- এর অনুপাত ১ : ২ : ১।
৬,০১১.
অজৈব যৌগ বলা হয় কোনটিকে?
  1. মিথেন
  2. ইউরিয়া
  3. কস্টিক সোডা
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
কস্টিক সোডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কস্টিক সোডা
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন: মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

অজৈব যৌগ: 
- খনিজ অর্থাৎ নির্জীব পদার্থ থেকে প্রাপ্ত যৌগসমূহকে অজৈব যৌগ বলা হয়। 
- যে কোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
- অধিকাংশ অজৈব যৌগ আয়নিক অথবা সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত। 
যেমন: পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৬,০১২.
একটি অর্ধ পরিবাহী পদার্থে তড়িৎ পরিবাহিতার জন্য দায়ী কোনটি?
  1. ক) হোল
  2. খ) মুক্ত ইলেকট্রন
  3. গ) মুক্ত ইলেকট্রন ও হোল
  4. ঘ) মুক্ত ইলেকট্রন ও প্রোটন
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্ত ইলেকট্রন ও হোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্ত ইলেকট্রন ও হোল
ব্যাখ্যা
জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতি অর্ধপরিবাহী পদার্থের পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে 4 টি যোজন ইলেকট্রন থাকার ফলে এগুলো প্রতিবেশী পরমাণুর ইলেকট্রনের সাথে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে বাইরের কক্ষপথে অষ্টক পূর্ণ করে অর্থাৎ সমযোজী বন্ধন (Covalent Band) গঠন করে।
ফলশ্রুতিতে  বিশুদ্ধ জার্মেনিয়াম বা সিলিকনে কোনো স্বাধীন বা মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। তাই নিম্ন তাপমাত্রায় তাদের কোনো পরিবহন ক্ষমতা থাকে না।

কক্ষ তাপমাত্রায় বা একটু বেশি তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর কিছু সংখ্যক সমযোজী বন্ধন ভেঙ্গে যায় এবং মুক্ত ইলেকট্রনের সৃষ্টি হয়
বিভব পার্থক্য বা তড়িৎক্ষেত্রের প্রভাবে এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
একই সময়ে অন্য একটি প্রবাহ যাকে হোল প্রবাহ বলে, ইলেকট্রনের গতির বিপরীত দিকে সৃষ্টি হয়।
তাপীয় শক্তির জন্য ইলেকট্রন যখন কোনো সমযোজী বন্ধন ভেঙ্গে বের হয়ে আসে তখন ইলেকট্রনের এই অপসারণ সমযোজী বন্ধনে একটি শূন্য স্থান রেখে আসে। ইলেকট্রনের এই শূন্যতা বা অনুপস্থিতিকে হোল বলা হয়, যেটি ধনাত্মক আধান হিসেবে কাজ করে।

একটি হোলের চার্জ 1.6x10-19 C। যখনই একটি ইলেকট্রন মুক্ত হয়, তখনই একটি হোলের সৃষ্টি হয়।
সুতরাং তাপীয় শক্তি হোল-ইলেকট্রন জোড় সৃষ্টি করে। যতগুলো মুক্ত ইলেকট্রন সৃষ্টি হয় ততগুলোই হোলের সৃষ্টি হয়।
হোল হলো একটি ইলেকট্রনের অনুপস্থিতি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১৩.
বাতাসের প্রবাহ বাষ্পায়নের উপর কী প্রভাব ফেলে? 
  1. বাতাসের প্রবাহ কম হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
  2. বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
  3. বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন কম হয় 
  4. বাতাসের প্রবাহের কোনো প্রভাব নেই 
সঠিক উত্তর:
বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
ব্যাখ্যা

বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- বর্ষাকালের বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে ভেজা কাপড় কিছুতেই শুকাতে চায় না। আবার শীতকালে ঘরের ভেতর ছায়াতেও কাপড় ধুয়ে শুকাতে দিলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। 
- ভেজা কাপড় শুকানোর বিষয়টি পানির বাষ্পায়ন ছাড়া আর কিছুই না, কাজেই পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- একটা তরলের বাষ্পায়ন কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা নিম্নে দেওয়া হলো- 
১। বাতাসের প্রবাহ: বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 
৩। তরলের প্রকৃতি: তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 
৪। বাতাসের চাপ: বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 
৫। উষ্ণতা: তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
৬। বায়ুর শুষ্কতা: বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০১৪.
চার্লস ডারউইনকে কী বলা হয়?
  1. সেল থিওরির জনক
  2. জীববৈচিত্র্য তত্ত্বের জনক
  3. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জনক
  4. জৈব বিবর্তনের জনক 
সঠিক উত্তর:
জৈব বিবর্তনের জনক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব বিবর্তনের জনক 
ব্যাখ্যা

বিবর্তন (Evolution): 
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। 
- কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জিনরাশি ছড়িয়ে পড়ে তারাই বংশপ্রবাহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে। 
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 
- তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামের একটি বইয়ে বিবর্তন বা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব লিপিবদ্ধ করেন। 
- সর্বপ্রথম জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন। 
- তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন। 
- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন। 
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 
- এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন। 
- চার্লস ডারউইনকে জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০১৫.
সীভনল ও সঙ্গীকোষের সমন্বয়ে কোন টিস্যু গঠিত?
  1. ক) জাইলেম টিস্যু
  2. খ) ফ্লোয়েম টিস্যু
  3. গ) তরুক্ষীর টিস্যু
  4. ঘ) গ্রন্থি টিস্যু
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লোয়েম টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লোয়েম টিস্যু
ব্যাখ্যা
• সীভনল ও সঙ্গীকোষের সমন্বয়ে ফ্লোয়েম টিস্যু গঠিত।
- ফ্লোয়েম টিস্যু মেটাজাইলেম টিস্যুর দুটি বাহুর মাঝখানে অবস্থিত। 
- এতে কোন ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে না।
- ফ্লোয়েমের কাজ পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০১৬.
কৃষ্ণবিবরের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়টি ভুল?
  1. ক) অসীম আয়তন
  2. খ) অসীম ভর
  3. গ) অসীম মুক্তিবেগ
  4. ঘ) অসীম ঘনত্ব
সঠিক উত্তর:
ক) অসীম আয়তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসীম আয়তন
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবরের অসীম ভর, অসীম ঘনত্ব, অসীম মুক্তিবেগ, অসীম অভিকর্ষজ ত্বরণ হলেও এর আয়তন সসীম।
অর্থাৎ ক্ষুদ্র একটি অংশে বিশাল পরিমাণ ভর কেন্দ্রীভূত অবস্থায় থাকে।
কৃষ্ণবিবরের মহাকর্ষ বল এতই প্রবল যে আলোর কণা ফোটনও এই মহাকর্ষ বলকে অতিক্রম করে দৃষ্টিগ্রাহ্য হতে পারে না।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,০১৭.
অর্ধপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায় 
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে 
  4. প্রথম বৃদ্ধি, পরে হ্রাস পায় 
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায় 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, ক্যাডমিয়াম সালফাইড, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ইত্যাদি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬,০১৮.
এন্টিবডি তৈরি করে নিচের কোনটি?
  1. Red blood corpuscle
  2. Thrombocyte
  3. B Lymphocyte
  4. Monocyte
সঠিক উত্তর:
B Lymphocyte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B Lymphocyte
ব্যাখ্যা
◉ B Lymphocyte এন্টিবডি তৈরি করে।

শ্বেত রক্ত কণিকা:
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে।
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম।
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে।
- শ্বেত রক্ত কণিকায় DNA থাকে।

গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন এবং
(খ) গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত।

অ্যাগ্রানুলোসাইট:
- এ ধরনের শ্বেত কণিকাগুলোর সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ।
- অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেত কণিকা দুই রকমের।
যথা-লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট।
- দেহের লিম্ফলোড, টনসিল, প্লীহা ইত্যাদি অংশে এরা তৈরি হয়।
- লিম্ফোসাইটগুলো বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট কণিকা।
- মনোসাইট ছোট, ডিম্বাকার ও বৃক্কাকার নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বড় কণিকা।
- লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে, B-লিম্ফোসাইট (B-Lymphocyte) কোষ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে রস নির্ভর প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে।
- মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবন-দশম শ্রেণি।
২. প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১৯.
প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. প্রায় ৭০ ভাগ
  2. প্রায় ৬০ ভাগ
  3. প্রায় ৫০ ভাগ
  4. প্রায় ৪০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ ভাগ
ব্যাখ্যা
আমিষ: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।

উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার: 
১। প্রাণিজ আমিষ: 
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। 

২। উদ্ভিজ আমিষ: 
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন: ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি। 

- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়। 
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম। 
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। 
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০২০.
টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি প্রধানত কোন সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনেটিক রোগ
  2. বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
  3. সংক্রামক রোগ
  4. হরমোনজনিত রোগ
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
ব্যাখ্যা

• টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি প্রধানত বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।

• টেস্টটিউব বেবি:
- টেস্টটিউব বেবি হলো একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে দেহের বাইরে কৃত্রিমভাবে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ সৃষ্টি করা হয়।
- পরবর্তীতে সেই ভ্রূণ নারীর জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং স্বাভাবিকভাবে ভ্রূণের বৃদ্ধি ঘটে।
- এই পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া শিশুকেই টেস্টটিউব বেবি বলা হয়।

• ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF):
- টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক নাম হলো ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF)।
- এখানে “ইন ভিট্রো” বলতে দেহের বাইরে বিশেষ পাত্রে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাকে বোঝায়।

• টেস্টটিউব বেবির প্রয়োজনীয়তা:
- অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক উপায়ে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন সম্ভব হয় না।
- ফ্যালোপিয়ান নালির সমস্যা, শুক্রাণুর স্বল্পতা বা অন্যান্য জটিলতার কারণে সন্তান ধারণে ব্যর্থতা দেখা দেয়।
- এসব ক্ষেত্রে টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি সন্তান লাভের একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• টেস্টটিউব বেবির ধাপসমূহ:
- দেহ থেকে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়।
- বিশেষ কালচার মিডিয়ামে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়।
- উৎপন্ন ভ্রূণ নারীর জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- এরপর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ভ্রূণের বৃদ্ধি ও শিশুর জন্ম ঘটে।

• টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তির গুরুত্ব:
- বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় আক্রান্ত দম্পতিদের জন্য নতুন আশার সৃষ্টি করেছে।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে আধুনিক প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
- পরিবার গঠন ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- জেনেটিক রোগ → জেনেটিক রোগ প্রতিরোধে PGT (Preimplantation Genetic Testing) করা যায় IVF-এর সময়, কিন্তু IVF-এর প্রধান উদ্দেশ্য নয়। এটি অতিরিক্ত সুবিধা।
- সংক্রামক রোগ → IVF-এর সাথে সংক্রামক রোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
- হরমোনজনিত রোগ → হরমোনজনিত সমস্যা (যেমন PCOS) বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে, কিন্তু IVF-এর প্রধান লক্ষ্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসা নয়, বরং বন্ধ্যাত্বের সমাধান।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৬,০২১.
গোল্ড কোন রাসায়নিক প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1.  Hg
  2. Fe
  3. Au
  4. Ag
সঠিক উত্তর:
Au
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Au
ব্যাখ্যা

- গোল্ড এর রাসায়নিক প্রতীক Au, পারমাণবিক সংখ্যা 79.
- অণু গঠনের সময় কোন মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের কোন পরমাণু   যুক্ত হওয়ার সামর্থ্যকেই যোজনী বা যোজ্যতা বলে। 

অন্যদিকে, 
Hg হচ্ছে পারদের  রাসায়নিক প্রতীক। 
Fe হচ্ছে আয়রনের রাসায়নিক প্রতীক।
Ag হচ্ছে সিলভারের রাসায়নিক সংকেত।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০২২.
ধনাত্মক আধানযুক্ত রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য (Features of Radioactivity):
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ)নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস।
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয় ।
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ। যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রস্থ। আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ।
- ধনাত্মক আধান যুক্ত রশ্মিকে আলফা (c) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান যুক্ত রশ্মিকে বিটা (B) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (Y) রশ্মি বলে।
- আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২৩.
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনা কী নামে পরিচিত? 
  1. স্ট্রোক 
  2. অস্টিওপোরোসিস 
  3. ডায়াবেটিস
  4. অস্টিওআর্থ্রাইটিস
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক 
ব্যাখ্যা

• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনাকে স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়। এটি একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা যেখানে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে রক্ত সরবরাহ ঠিকমত হয় না। রক্ত চলাচল বন্ধ হলে সেই অংশের মস্তিষ্ক কোষগুলি অক্সিজেন ও পুষ্টি না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্ট্রোকের প্রধান কারণ হতে পারে মস্তিষ্কের ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধা বা কোনো ধমনীর ফেটে যাওয়া। এর ফলে হঠাৎ মাথা ব্যথা, পায়ে বা হাতে দুর্বলতা, কথা বলতে বা বোঝাতে সমস্যা, দৃষ্টি ঝাপসা বা মুখের অঙ্গচলনে অসাম্য দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে স্থায়ী অক্ষমতা বা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই স্ট্রোককে দ্রুত সনাক্ত এবং চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ক) স্ট্রোক।

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০২৪.
অভিস্রবণ কোনটি?
  1. তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
  2. বায়বীয় পদার্থের তরলে রূপান্তর
  3. কঠিন পদার্থ গলানো
  4. দ্রাব্যতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
ব্যাখ্যা

• অভিস্রবণ (Absorption) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি পদার্থ (সাধারণত গ্যাস বা বাষ্প) অন্য একটি পদার্থের (সাধারণত তরল বা কঠিন) অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং তার মধ্যে মিশে যায়।

- উদাহরণ: অ্যামোনিয়া গ্যাসের পানি দ্বারা শোষণ।

অভিস্রবণ:
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে।
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে।
- অভিস্রবণ দু'ধরনের।
যথা-

(১) অন্তঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে।
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে।

(২) বহিঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে।

উৎস:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান।
- এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০২৫.
পরিপাকনালীর দীর্ঘতম অংশটির নাম কী?
  1. ক) গলবিল
  2. খ) পাকস্থলী
  3. গ) ক্ষুদ্রান্ত্র
  4. ঘ) বৃহদান্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদ্রান্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদ্রান্ত্র
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র পরিপাকনালীর সবচেয়ে দীর্ঘতম অংশ এবং তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- ডিওডেনাম, জেজুনাম এবং ইলিয়াম। 

ডিওডেনাম- 
এটি পাকস্থলী সংলগ্ন অংশ এবং 'U' আকৃতি বিশিষ্ট। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৫-৩০ সেন্টিমিটার। এই অংশে সাধারণ পিত্তনালি ও অগ্ন্যাশয় নালি উন্মুক্ত থাকে।

জেজুনাম- 
এটি ডিওডিনামের পরবর্তী নলাকার অংশ। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ২-৩ মিটার হয়।

ইলিয়াম- 
এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের শেষ অংশে, যা বৃহদন্ত্রের সঙ্গে সংলগ্ন থাকে। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায়ৎ৩-৪ মিটার হয়। ইলিয়াম যেখানে বৃহদন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকে ঐস্থানে ইলিওসিকাল ভালব বলে।

ক্ষুদ্রান্ত্রের কাজ সমূহ- 
১. শোষণঃ  জল, ভিটামিন, খনিজলবন এবং পচিত সরল খাদ্য সমূহ এখানে শোষিত হয়। শর্করা ও প্রোটিনের সরল অংশ রক্তবাহে এবং ফ্যাটের সরল অংশ লসিকাবাহে প্রবেশ করে।
২. খাদ্যবস্তু গ্রহণঃ পাকস্থলী থেকে অর্ধপাচ্য খাদ্য পাকমন্ডকে গ্রহন করে।
৩. আন্ত্রিকরস ক্ষরণঃ ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে অবস্থিত আন্ত্রিক গ্রন্থি থেকে আন্ত্রিকরস ক্ষরিত হয়। আন্ত্রিকরস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়।
৪. পরিপাকঃ ক্ষুদ্রান্তে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট পাচিত হয়। এখানে আন্ত্রিক রসে অবস্থিত উৎসেচক অ্যামাইলোজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ, সুক্রেজ, ইরিপসিন, লাইপেজ থাকে।

সূত্র- ৫১ পৃষ্ঠা, বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,০২৬.
বিষাক্ত ছত্রাকে কোন পদার্থটি পাওয়া যায়?
  1. হায়ালুরোনিক এসিড
  2. হিপনোটক্সিন
  3. অ্যামাটক্সিন
  4. অ্যামোক্সিসিলিন
সঠিক উত্তর:
অ্যামাটক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাটক্সিন
ব্যাখ্যা
• বিষাক্ত ছত্রাকে অ্যামাটক্সিন নামক বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া যায়। 

• ছত্রাক:
- ছত্রাক হল এককোষী বা বহুকোষী সুকেন্দ্রিক জীব, যারা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা তৈরি করতে পারে না এবং যাদের দৃঢ় কোষ প্রাচীর আছে।

• কিছু ছত্রাক বিষাক্ত এবং কিছু ছত্রাক এত বিষাক্ত যে এরা মানুষ কিংবা প্রাণীর তাৎক্ষণিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
- এসব বিষাক্ত ছত্রাকে অ্যামাটক্সিন (amatoxins) নামক পদার্থ থাকে।

• অ্যামাটক্সিন:
- অ্যামাটক্সিন হলো একটি মারাত্মক বিষাক্ত যৌগ যা Amanita phalloides (ডেথ ক্যাপ মাশরুম) এবং কিছু অন্যান্য বিষাক্ত ছত্রাকে পাওয়া যায়।
- এটি RNA পলিমারেজ এনজাইমকে বাধা দিয়ে কোষের প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়, যার ফলে যকৃত ও কিডনি বিকল হতে পারে।

• ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য:
- ছত্রাক ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ, সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম, অপুষ্পক উদ্ভিদ।
- এরা মৃতজীবী (saprophytic), পরজীবী (parasitic) বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে।
- এরা সুকেন্দ্রিক অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান।
- ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন (এক প্রকার জটিল পলিস্যাকারাইড) নির্মিত।
- ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য প্রধানত গ্লাইকোজেন (glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চবি থাকতে পারে।
- ছত্রাকদেহে ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
- এদের জননাঙ্গ এককোষী (unicellular). 
- স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না।
- হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার হয়।

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৬,০২৭.
সবাত শ্বসনে এক অনু গ্লুকোজ থেকে কত অনু  ATP পাওয়া যায়?
  1. ১২ অনু
  2. ২৪ অনু
  3. ৩৬ অনু
  4. ৩৮ অনু
সঠিক উত্তর:
৩৮ অনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ অনু
ব্যাখ্যা
• সবাত শ্বসন:
- যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় এবং শ্বসনিক বস্তু সম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে CO₂, H₂O এবং জৈবনিক শক্তি ও তাপশক্তি উৎপন্ন করে তাকে সবাত শ্বসন বলে।
যদি গ্লুকোজ শ্বসনিক বস্তু হয় তাহলে সবাত শ্বসনের রাসায়নিক সংকেত নিম্নরুপ-
C6H12O6+6O2+6H₂O → 6CO₂+12H2O+38ATP+তাপ শক্তি

(C6H12O6+6O2+6H2O+38ADP+38iP → 6CO2+12H2O+38ATP+ তাপশক্তি)

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২৮.
ব্যাকটেরিয়া গঠিত রোগ নয় কোনটি?
  1. নিউমোনিয়া
  2. ধনুষ্টংকার
  3. মাম্পস
  4. টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
মাম্পস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাম্পস
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion (little rod) থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি।
- ব্যাকটেরিয়া (একবচনে ব্যাকটেরিয়াম) এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুককে ব্যাকটেরিওলজি ও প্রোটোজুওলজির জনক বলা হয়ে থাকে।
- জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে এসব ক্ষুদ্রজীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা এবং ব্যাকটেরিইয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, এদের কোষে জড় কোষ প্রাচীর থাকে।

- মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া গঠিত কিছু রোগ হলো:
যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, কলেরা, ডিপথেরিয়া, আমাশয়, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি ইত্যাদি।

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
এইডস, জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, নিপাহ, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা, জিকা জ্বর ইত্যাদি

সুতরাং, মাম্পস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, ব্যাকটেরিয়া গঠিত রোগ নয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৬,০২৯.
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করে -
  1. ইনসুলিন
  2. গ্লুকাগন
  3. সোমাটোট্যাস্টিন
  4. গ্যাস্ট্রিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
- ইহা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উল্লেখ্য,
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- বাংলাদেশে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা লক্ষ লক্ষ।
- তাই ইনসুলিনের চাহিদাও ব্যাপক।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩০.
নিচের কোনটি আলফ্রেড নোবেল আবিস্কার করেন?
  1. ক) ডায়নামো
  2. খ) ডিনামাইট
  3. গ) পারমানবিক বোমা
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
খ) ডিনামাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিনামাইট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
সুইডেনের বৈজ্ঞানিক আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিস্কার করেন। মানবকল্যানের জন্য তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করলেও যখন এটি ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যবহৃত হতে থাকে তখন তিনি ডিনামাইট আবিস্কার বাবদ প্রাপ্ত অর্থ মানবকল্যানে দান করেন। সে অর্থে তিনি ১৮৯৬ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন যা ১৯০১ সাল থেকে ৬ টি বিষয়ে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সারা বিশ্বে প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে,
যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো,
ওপেনহাইমার পারমানবিক বোমা এবং
হেনরি বেকরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।

৬,০৩১.
'Dry Ice' is produced from :
  1. ক) Oxygen
  2. খ) Sulphur di oxide
  3. গ) Carbon di oxide
  4. ঘ) Nitrogen
সঠিক উত্তর:
গ) Carbon di oxide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Carbon di oxide
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ বা ‘ড্রাই আইস’ হলো জমাট বা হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -78.5℃ উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৩২.
জাইগোট কী? 
  1. একটি কোষের বিভাজন 
  2. নতুন জীবের প্রথম কোষ 
  3. এক ধরনের দেহকোষ 
  4. একটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ 
সঠিক উত্তর:
নতুন জীবের প্রথম কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন জীবের প্রথম কোষ 
ব্যাখ্যা

কোষ: 
- জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক। 
- বিজ্ঞানী লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য। 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। 
যথা- ১। আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ এবং ২। প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ। 

প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ: 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। 
- এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। 
- ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। 
- কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের। 
যথা- 
ক) দেহকোষ: 
- বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। 
- মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। 
- বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। 

খ) জননকোষ: 
- যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
- মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। 
- অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। 
- পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। 
- পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। 
- জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৩৩.
নিউট্রনের চার্জ কত?
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. নিরপেক্ষ
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা ৩ টি। যথা: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

• ইলেকট্রন:
- পরমাণুর ঋণাত্মক চার্জধারী অতিপারমাণবিক কণা।
- এদের e− প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়,
- প্রকৃত ভর: 9.11×10⁻28 g বা 9.109×10⁻31 kg,
- চার্জ: −1.602×10−19 কুলম্ব, 
-  আবিষ্কারক: জে জে থমসন (১৮৯৭)। 

• প্রোটন: 
- পরমাণুর ধনাত্মক চার্জধারী কণা।
- প্রতীক: p বা H+,
- প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় ১৮৩৬ গুণ,
- চার্জ: +1.602×10−19 কুলম্ব,
- আবিষ্কারক: রাদারফোর্ড,
- ভর: 1.672×10-24 g,

•  নিউট্রন:
- ‘নিউট্রাল’ বা ‘চার্জ নিরপেক্ষ’ শব্দ থেকে নিউট্রন শব্দের উৎপত্তি,
- আবিস্কারক: চ্যাডউইক (1932),
- এরা চার্জ নিরপেক্ষ (0),
- প্রতীক: n,
- নিউট্রনের ভর প্রোটনের চেয়ে সামান্য বেশি,
- ভর: 1.675×10⁻24 g,

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন ১ম পত্র।
৬,০৩৪.
কার্বোহাইড্রেট এ C : H : O হলো -
  1. ক) 1 : 2 : 1
  2. খ) 1 : 1 : 2
  3. গ) 2 : 1 : 1
  4. ঘ) 1 : 3 : 1
সঠিক উত্তর:
ক) 1 : 2 : 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1 : 2 : 1
ব্যাখ্যা
• কার্বোহাইড্রেট এ C : H : O হলো 1 : 2 : 1.

• কার্বোহাইড্রেট:
- উদ্ভিদের সবুজ অংশে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয় কার্বোহাইড্রেট।
- জীবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ গাঠনিক ও সঞ্চয়ী উপাদান হলো কার্বোহাইড্রেট।
- আমাদের খাদ্য তালিকার প্রধান উপাদানও কার্বোহাইড্রেট।
- কার্বোহাইড্রেটকে হাইড্রেট্স অব কার্বন থেকে নামকরণ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো কার্বনের জলায়ন।
- কার্বোহাইড্রেটের প্রতি অণু কার্বনের সাথে দু 'অণু হাইড্রোজেন ও এক অণু অক্সিজেন থাকে।
- কাজেই কার্বোহাইড্রেট হলো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ যেখানে এদের অনুপাত ১:২:১।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৫.
নিচের কোন ভাইরাসটি উদ্ভিদদেহে রােগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) রুবিওলা ভাইরাস
  2. খ) অ্যাডেনাে ভাইরাস
  3. গ) ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
  4. ঘ) টিএমভি ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিএমভি ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিএমভি ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- রুবিওলা ভাইরাস মানবদেহে রুবেলা বা জার্মান হাম রােগের জন্য দায়ী।
- অ্যাডেনাে ভাইরাস মানবদেহে ভাইরাল নিউমােনিয়ার জন্য দায়ী।
- ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস গবাদি পশুর ক্ষেত্রে গাে- বসন্ত রােগের জন্য দায়ী। 
- টিএমভি ভাইরাস তামাকের 'মোজাইক' রােগের জন্য দায়ী। অ্যাডল্ফ মেয়ার (Adlof  Mayer) ১৮৮৬ সালে সর্বপ্রথম তামাক গাছের মোজাইক রোগের কারণ বর্ণনা করেন।

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান- ১ম পত্র বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬,০৩৬.
আলোর প্রতিফলনের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

আলো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোন মাধ্যমে বাধা পেলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে কিছু পরিমাণ আলোক রশ্মি আগের মাধ্যমে ফিরে আসে, এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

আলোর প্রতিফলন দুইটি সূত্র মেনে চলে। যথা:
প্রথম সূত্র: আপাতন রশ্মি এবং লম্ব দিয়ে আমরা যে সমতলটি কল্পনা করে নিয়েছিলাম প্রতিফলিত রশ্মিটি সেই সমতলেই থাকবে।
দ্বিতীয় সুত্র: প্রতিফলন কোনটি হবে আপাতন কোনের সমান।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

৬,০৩৭.
মানব শরীরের কোনটিকে রাজগ্রন্থি বলা হয়?
  1. ক) থাইরয়েড
  2. খ) প্যারাথাইরয়েড
  3. গ) পিটুইটারি
  4. ঘ) মেলানিন
সঠিক উত্তর:
গ) পিটুইটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পিটুইটারি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের মস্তিস্কের মধ্যভাগে অবস্থিত পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ডোপামিন, গ্রোথ হরমোন, অক্সিটোসিন, ভ্যাসোপ্রেসিন নামক হরমোন নিঃসরণ ঘটে যা মানবদেহের অনেক জরুরী কাজ যেমন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রন, বৃক্কের কাজ নিয়ন্ত্রন, জরায়ুর সংকোচন ইত্যাদি করতে উদ্দীপনা জাগায় ।

তাই পিটুইটারি গ্রন্থিকে গ্রন্থিরাজ বলা হয় ।

উৎস: নবম শেণির জীববিজ্ঞান বই।
৬,০৩৮.
রক্তে শ্বেতকণিকার কাজ কী? 
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা 
  2. জীবাণু ধ্বংস করা 
  3. রক্ত জমাট বাঁধা 
  4. খাদ্য সরবরাহ করা 
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করা 
ব্যাখ্যা

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। 
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়। 
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 

রক্তের কাজ: 
- রক্ত দেহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। 
যথা- 
- খাদ্য পরিপাকের পর তার সারাংশ রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়, রক্ত সেই খাদ্যসারকে দেহের সকল অংশে নিয়ে যায় আর এভাবে জীবকোষগুলো পুষ্টি সাধন করে। 
- রক্তের লোহিত কণিকাস্থ হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায় এবং কোষগুলো হতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করে এনে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়। 
- দেহের মধ্যে সর্বদাই দহনক্রিয়া সম্পাদিত হয় আর এতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে যে বিভিন্ন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়, তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয় এবং এভাবে দেহে তাপের সমতা রক্ষা পায়। 
- নালীবিহীন গ্রন্থিগুলোতে অন্তঃনিসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশে যে রসকে হরমোন বলে। সঞ্চালিত রক্তের দ্বারা হরমোন প্রয়োজন অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ হয়। 
- রক্তের শ্বেতকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশকৃত অবৈধ ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রোগমুক্ত রাখে। 
- দেহের কোনো স্থান কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে, ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়। 
- রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রকার দুষিত পদার্থ ও বর্জ্য উপাদান ফুসফুস, মূত্রাশয় ও ত্বকে নিয়ে আসে ও সেখান হতে তাদের নিষ্কাশন করতে সহায়তা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩৯.
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে কোনটির উপর? 
  1. বায়ুর উষ্ণতা
  2. বায়ুর চাপ
  3. বায়ুর ঘনত্ব
  4. বায়ুর প্রকৃতি
সঠিক উত্তর:
বায়ুর উষ্ণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর উষ্ণতা
ব্যাখ্যা
বাষ্পীভবন (Evaporation): 
- বাষ্পীভবন এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলের মিশে যায়।
- এই জলীয়বাষ্প হালকা বলে তা উপরে উঠে বায়ুমন্ডলে অদৃশ্য হয়ে যেতে সক্ষম হয়। 
- এক্ষেত্রে বায়ুর উষ্ণতার পরিমাণের উপর নির্ভর করে যে কতটুকু জলীয়বাষ্প ধারণ করা সম্ভব হবে। 
- জলীয়বাষ্প প্রধানত সমুদ্র থেকে বাষ্পীভূত হলেও নদ-নদী ও উদ্ভিদ জগতও জলীয়বাষ্পের অন্যতম উৎস। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪০.
সময়ের পরিমাপে কোনটি সবচেয়ে ছোট?
  1. ক) ন্যনো সেকেন্ড
  2. খ) পিকো সেকেন্ড
  3. গ) এটো সেকেন্ড
  4. ঘ) মাইক্রো সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) এটো সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
এক মাইক্রো সেকেন্ড সমান 10-6s;
এক ন্যানো সেকেন্ড সমান 10-9s;
এক পিকো সেকেন্ড সমান 10-12s এবং
এক এটো সেকেন্ড সমান 10-18s।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৬,০৪১.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে কোনটি? 
  1. অ্যামিটার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত: দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলী পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলী আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

• ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা - 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী থাকে। 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৪২.
বিগ ব্যাং (Big Bang) থিউরির প্রবক্তা___।
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জি. ল্যামেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) এ. হাবল
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
অন্যদিকে,
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।

সুতরাং বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: ব্রিটানিকা

৬,০৪৩.
রেডিয়াম আবিষ্কার করেন-
  1. ক) পিয়ারে কুরি
  2. খ) মেরি কুরি
  3. গ) উভয়েই
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়েই
ব্যাখ্যা
১৮৯৯ সালে পিয়ারে কুরি এবং মেরি কুরি সর্বপ্রথম রেডিয়াম আবিষ্কার করেন৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
৬,০৪৪.
প্রাণী কোন প্রক্রিয়ায় CO2 তৈরি করে?
  1. ক) শ্বসন
  2. খ) রেচন
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) অভিস্রবন
সঠিক উত্তর:
ক) শ্বসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শ্বসন
ব্যাখ্যা
যে বিশেষ জৈবনিক প্রক্রিয়ায় জারণের ফলে সজীব কোষস্থ খাদ্য স্থিতিশক্তি তাপ ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলে। তাই মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৪৫.
দুইটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুন করা হলে তাদের মহাকর্ষ বল পূর্বের কতগুণ হবে? 
  1. ৪ গুণ
  2. ১/৪ গুণ
  3. ৮ গুণ
  4. ১/৮ গুণ
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক। 
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 
অতএব, দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৬.
লোহার টুকরো সলিনয়েডের ভেতরে রাখলে এবং সলিনয়েডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে কী ঘটে?
  1. চৌম্বক ক্ষেত্র উৎপন্ন হয় না
  2. লোহা চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে
  3. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এলোমেলো থাকে
  4. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
ব্যাখ্যা

• তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। 
- কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৪৭.
নিচের কোন শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়? 
  1. কয়লা 
  2. খনিজ তেল 
  3. বায়োগ্যাস 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা
- 'বায়োগ্যাস' শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়, কারণ এটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশ বান্ধব। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়োগ্যাস,  বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৪৮.
কোথায় দিন রাত্রি সর্বত্র সমান?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. উত্তর গোলার্ধে
  4. দক্ষিণ গোলার্ধে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা: 
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- এই নিরক্ষরেখাটির মান ০ ডিগ্রি, এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান। 
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার। 
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে। 
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। 
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান। 
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়। 

উৎস: ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৯.
বায়ুপ্রবাহ প্রধানত কত প্রকার?
  1. চার
  2. দুই
  3. তিন
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

অন্যদিকে, 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

- সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
• মৌসুমি বায়ু।

- স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
• পার্বত্য বায়ু।
• উপত্যকা বায়ু।

- অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
• ঘূর্ণিবাত বায়ু।
• প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫০.
আমিষ গঠনের একক কোনটি?
  1. ফরমিক এসিড
  2. অ্যামাইনো এসিড
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  4. কার্বোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা
আমিষের গঠন: 
- আমিষ বা প্রোটিনের গঠন উপাদান হলো- কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H2), অক্সিজেন (O2) এবং নাইট্রোজেন (N2)। 
- আমিষে ১৬% নাইট্রোজেন থাকে। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন মৌল সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিনের গঠন একক অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়। 
- একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে পলিপেপটাইড ও পরিশেষে প্রোটিন গঠিত হয়। 
- তাই প্রোটিনের রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফলে বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায়। 
অর্থাৎ, পরিপাকের পর আমিষ বা প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, মটরশুঁটি, শিমেরবিচি, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ পাওয়া যায়। 

অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড: 
- প্রোটিন গঠনকারী অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। 
- এরা দেহে তৈরি হতে পারে না। 
- বিশেষ বিশেষ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য হতে এ সমস্ত অ্যামাইনো অ্যাসিডগুলো মানবদেহে সরবরাহ করতে হয়। 
- এদের অত্যাবশ্যক বা অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে। 
- এ ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিড হলো- 
১। লাইসিন, 
২। লিউসিন, 
৩। আইসোলিউসিন, 
৪। মিথিওনিন, 
৫। ট্রিপটোফ্যান, 
৬। ভ্যালিন, 
৭। ফিনাইল অ্যালানিন এবং 
৮। থ্রিওনিন। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫১.
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে কী বলে? 
  1. অপবর্তন
  2. পোলারন
  3. প্রতিসরণ
  4. বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 
- প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়। 

অন্যদিকে, 
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫২.
উদ্ভিদের প্রজননের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে ______ বলে।
  1. ক) বীজ
  2. খ) ফুল
  3. গ) পরাগায়ন
  4. ঘ) ফল
সঠিক উত্তর:
খ) ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুল
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বংশবিস্তারের (প্রজননের) জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে ফুল বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৬,০৫৩.
প্রোপেনের অণুতে কার্বন পরমাণু সংখ্যা কত?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• প্রোপেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। প্রোপেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C3H8
অর্থাৎ এটি হলো ৩ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। যাতে ৩ টি কার্বনের সাথে ৮ টি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫৪.
সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে নিচের কোন বিজ্ঞানী জানতেন?
  1. থেলিস
  2. গ্যালিলিও
  3. আরিস্তারাকস
  4. কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
থেলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থেলিস
ব্যাখ্যা
- প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন আরিস্তারাকস (310 BC)। 
- থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। 
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস তার একটি বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক একটি সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন। 
- কোপার্নিকাসের তত্ত্বটি দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে ছিলো, গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২) সেটিকে সবার সামনে নিয়ে আসেন। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৫৫.
Covid-19 রোগী প্রথম কোন শহরে দেখা যায়?
  1. দিল্লি
  2. লন্ডন
  3. উহান
  4. কিউবেক
সঠিক উত্তর:
উহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উহান
ব্যাখ্যা
COVID-19 অতিমারী বা মহামারি:
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে COVID-19 কে অতিমারী বা মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
৬,০৫৬.
গ্রিন হাউজে গাছ লাগানো হয় কেন?
  1. উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
  2. অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
  3. আলো থেকে রক্ষার জন্য
  4. ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ: 
- শীতপ্রধান অঞ্চলের অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তাপ ধরে রাখার জন্য কাঁচ নির্মিত ঘরের মধ্যে গাছ লাগানো হয়। 
- এই কাঁচ নির্মিত ঘরকে গ্রীন হাউজ বলা হয়। 
- গাছকে উষ্ণতা প্রদান করার জন্য গ্রিন হাউজে গাছ লাগানো হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৫৭.
কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও মোমের মূল উপাদান কোনটি? 
  1. কার্বন মনোক্সাইড 
  2. ক্লোরিন যৌগ 
  3. নাইট্রোজেন যৌগ 
  4. হাইড্রোকার্বন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন 
ব্যাখ্যা

দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বিষয় রসায়নের বিশ্লেষণ: 
- কাঁচা আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড যেমন: সাক্সিনিক এসিড, ম্যালেয়িক এসিড প্রভৃতি থাকে, যার ফলে কাঁচা আম টক হয়। 
- কিন্তু আম যখন পাকে তখন এই এসিডগুলোর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের সৃষ্টি হয়, তাই পাকা আম মিষ্টি হয়। 

- কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, মোম এগুলোর মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। 
- হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন আর হাইড্রোজেনের যৌগ। 
- তাই যখন এইগুলোর দহন ঘটে তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে এইগুলোর বিক্রিয়া হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো আর তাপশক্তির সৃষ্টি হয়। 

- পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসরিত হলে পেটে এসিডিটির সমস্যা হয়। 
- এন্টাসিডে থাকে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, এই দুটি যৌগ এসিডকে প্রশমিত করে। 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন জিনিস রসায়নের সাথে সম্পর্কিত। কাজেই বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখার একটি হলো রসায়ন। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৫৮.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত
  2. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  3. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
  4. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা
প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫৯.
পিসিকালচার বলতে কী বুঝায়?
  1. পাখি পালন বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  4. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

অন্যদিকে,
• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৬০.
সমগ্র সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের পর্যায় : এটি একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া।
ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ ব্ল্যাকম্যান (১৯০৫) একে দুটি পর্যায়ে ভাগ করেন।
যথা- (ক) আলোক নির্ভর পর্যায় এবং (খ) আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬১.
কোনটি তাপ কুপরিবাহী নয়?
  1. কাঁচ
  2. কাঠ
  3. পানি
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
- যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন - লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

- যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন - তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ ইত্যাদি।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,০৬২.
TNT কী?
  1. ক) রাসায়নিক সার
  2. খ) কীটনাশক
  3. গ) বিস্ফোরক
  4. ঘ) ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ফোরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ফোরক
ব্যাখ্যা
- TNT এর পূর্ণ নাম হচ্ছে Trinitrotoluene,
- আরো বিস্তারিত বললে ২, ৪, ৬ ট্রাইনাইট্রো টলুইন।

ব্যবহার:
- শক্তিশালী বিস্ফোরক রুপে; 
- হাত বোমায়;
- সেনাবাহিনীর Bomb Shell এবং জাহাজ ধ্বংসকারক  Torpedo প্রস্তুতকরণে;
- বিল্ডিং ও পাহাড় Amatol নামক বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণে।

সূত্র- রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, হাজারী ও নাগ, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০৬৩.
কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. গামা তরঙ্গ
  2. এক্সরে
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে বলা হয় আলট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। 
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে বলা হয় ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বেশি বড় হলে রেডিও ওয়েভ। 
 -জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট। 
৬,০৬৪.
উদ্ভিদ কোন মৌলিক উপাদান মাটি থেকে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. নাইট্রোজেন
  4. পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন। বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশিয়ে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। নাইট্রেট হিসাবে উদ্ভিদ মাটি থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে। তাই উদ্ভিদ নাইট্রোজেনকে মাটি থেকে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে।
৬,০৬৫.
প্রাকৃতিক মানচিত্র কোন স্কেলে অঙ্কন করা হয়?
  1. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র
  2. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
  3. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
ব্যাখ্যা
মানচিত্র:
- স্কেলের উপর ভিত্তি করে মানচিত্রকে প্রধান দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা:
১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র:
- যখন ব্যাপক এলাকাকে ছোট করে কাগজে অঙ্কন করা হয় তখন তাকে ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র বলে।
- এ ক্ষেত্রে সমগ্র পৃথিবী বা মহাদেশ বা দেশের বড় এলাকাকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয়।
- ভূ-চিত্রাবলীর মানচিত্র ও দেওয়াল মানচিত্র ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র।

২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র:
- ক্ষুদ্র এলাকাকে বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করে যখন অনেক বড় করে দেখান হয়, তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে।
- যেমন: ১"=১৬ মাইল; ১৬"= ১মাইল।
- যেমন মৌজা মানচিত্র বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র, ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র।

উল্লেখ্য,
প্রাকৃতিক মানচিত্র (Physical map):
- যে মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূমিরূপ যেমন: পর্বত, মালভূমি, ভূমি, নদী, হ্রদ ইত্যানি সম্পর্কে তথ্য থাকে তাকে প্রাকৃতিক মানচিত্র বলে।
- প্রাকৃতিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয়

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,০৬৬.
পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশে কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. নীলস বোর
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ব্যাখ্যা

• ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা করেন।

• পদার্থবিজ্ঞান :
- বিশ্ব প্রকৃতিতে যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে পদার্থ বলে।
- পদার্থ ও শক্তির প্রকৃতি এবং এদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে পদার্থবিজ্ঞান বলে।
- পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বস্তু ও শক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং ফলাফল পরিমাপগতভাবে প্রকাশ করাই পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য।

• পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর :
- বিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হলো পদার্থবিজ্ঞান।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশলশাস্ত্র, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান প্রভৃতি শাখায় পদার্থবিজ্ঞানের নীতি ব্যবহৃত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানকে বলবিজ্ঞান, তাপবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান, চুম্বকত্ববিজ্ঞান, তড়িৎবিজ্ঞান, কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, - নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ :
- প্রাচীন যুগে থেলিস সূর্যগ্রহণ ও জ্যামিতি বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন।
- পিথাগোরাস জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সূত্র প্রবর্তন করেন।
- ডেমোক্রিটাস পদার্থের অবিভাজ্য একক পরমাণু ধারণা প্রদান করেন।
- আর্কিমিডিস ভাসমানতার নীতি ও জ্যামিতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- মধ্যযুগে জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়নে অবদান রাখেন।
- আল-খোয়ারিজমি গণিতে গবেষণা করেন এবং Algebra শব্দটির উৎপত্তি তাঁর গ্রন্থ থেকে।
- ইবনে আল-হাইয়াম আলোকবিজ্ঞানে অবদান রাখেন।
- আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- রজার বেকন পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধারণা প্রদান করেন।
- কপর্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করেন।
- কেপলার গ্রহের গতিসূত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র, ক্যালকুলাসের নীতি ও আলোর কণাতত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেন।
- ওয়েরস্টেড, ফ্যারাডে, লেঞ্জ তড়িৎচুম্বকত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব প্রদান করেন।
- মার্কনি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- বেকেরেল ও মেরি কুরি তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ে অবদান রাখেন।
- জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং ভর-শক্তি সমীকরণ E=mc2 প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ড নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন।
- নীলস বোর পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন।
- অটো হান নিউক্লিয় বিভাজন প্রমাণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব প্রদান করেন।

• অন্যান্য অপশন :
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব ও ভর-শক্তি সমীকরণ প্রদান করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র ও ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- নীলস বোর হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তর তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৬৭.
Autoclave এর কাজ-
  1. ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. টিটেনাস ড্রীবানু মারা
  3. ফাংগাস ধ্বংস করা 
  4. সব জীবানু ধ্বংস করা
সঠিক উত্তর:
সব জীবানু ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব জীবানু ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা

• অটোক্লেভের কাজ (Function of Autoclave): 
- অটোক্লেভ হলো একটি যন্ত্র যা বাষ্পের মাধ্যমে জীবাণুমুক্তকরণ (Sterilization) প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।  
- এটি উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ১২১° সেলসিয়াস) ও চাপ (১৫ পাউন্ড প্রতি বর্গ ইঞ্চি) ব্যবহার করে জীবাণু ধ্বংস করে।  
- অটোক্লেভের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাংগাস এবং স্পোরসহ সকল প্রকার জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা যায়।  
- এটি সাধারণত চিকিৎসা উপকরণ, ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম, সার্জিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- শুধুমাত্র ভাইরাস, টিটেনাস জীবাণু বা ফাংগাস নয় — অটোক্লেভের কাজ হলো সব জীবাণু ধ্বংস করা।  

সুতরাং, অটোক্লেভের প্রধান কাজ হলো সকল প্রকার জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) সব জীবাণু ধ্বংস করা।

সূত্র - sciencedirect [link]

৬,০৬৮.
মেসোফিল টিস্যু কোথায় থাকে?
  1. ক) মূলে
  2. খ) মজ্জায়
  3. গ) বীজে
  4. ঘ) পাতায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতায়
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের মূল, কান্ডের ত্বক, কর্টেক্স, মজ্জা, মজ্জারশ্মি, পাতার মেসোফিল টিস্যু, বীজের ভ্রূণ ও এন্ডোস্পার্ম, ফল ও ফুলের নরম ও মাংসল অংশ ইত্যাদি প্যারেনকাইমা কোষ দ্বারা গঠিত।
কোন কোন প্যারেনকাইমা কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে তাদেরকে ক্লোরেনকাইমা বলা হয়।
পাতার ক্লোরেনকাইমাকে মেসোফিল বলে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬৯.
অ্যালকোহলের কার্যকরী মূলক-
  1. -COOH
  2. -CHO
  3. -OH
  4. -CONH
সঠিক উত্তর:
-OH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-OH
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,০৭০.
ভুট্টায় কোন ধরনের পরাগায়ন ঘটে?
  1. ক) বায়ু পরাগায়ন
  2. খ) পতঙ্গ পরাগায়ন
  3. গ) প্রাণী পরাগায়ন
  4. ঘ) পানি পরাগায়ন
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু পরাগায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু পরাগায়ন
ব্যাখ্যা
ধান, ভুট্টা, গম, ইক্ষু ইত্যাদিতে বায়ু পরাগায়ন ঘটে।
সূত্রঃ ১১তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
৬,০৭১.
দুধে যে শর্করা থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) ফ্রুকটোজ
  2. খ) গ্যালাকটোজ
  3. গ) ল্যাকটোজ
  4. ঘ) অ্যামাইলেজ
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যাকটোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যাকটোজ
ব্যাখ্যা
দুধ একটি আদর্শ খাবার। এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে। এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে এবং দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।
৬,০৭২.
কোন্‌ টিস্যু পেশীকে হাড়ের সাথে সংযুক্ত রাখে? 
  1. তরুণাস্থি 
  2. লিগামেন্ট 
  3. টেন্ডন
  4. অ্যারিওলার টিস্যু
সঠিক উত্তর:
টেন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেন্ডন
ব্যাখ্যা

- টেন্ডন হলো এক ধরনের শক্ত, তন্তুময় ও শ্বেত বর্ণের যোজক কলা, যা কঙ্কাল পেশীকে হাড়ের (অস্থি) সাথে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত রাখে। এটি পেশীর সংকোচনজনিত শক্তি হাড়ে সঞ্চারিত করে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করতে সাহায্য করে 

টেন্ডন (Tendon): 

- মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে, এ শক্ত প্রান্তকে টেন্ডন বলে। 
- ঘন শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেন্ডন গঠিত। এসব টিস্যু শাখা-প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গিত এবং উজ্জ্বল শ্বেততন্তু দ্বারা গঠিত। 
- এরা গুচ্ছাকারে পরস্পর সমান্তরালভাবে বিস্তৃত থাকে। অনেকগুলো তন্তু একত্রে আঁটি বা বান্ডেল তৈরি করে। এদের স্থিতিস্থাপকতা নেই। 
- আঁটিগুলো একত্রে দলবদ্ধ হয়ে আঁটিগুচ্ছ তৈরি করে। আঁটিগুচ্ছগুলো তন্তুময় টিস্যুগুচ্ছ দ্বারা বেষ্টিত হয়ে অধিকতর বড় আঁটিতে শ্রেণিবদ্ধ হয়, একে পেরিটেন্ডিয়াম বলে। 
- টেন্ডন বেশ শক্ত। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেন্ডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাবার সম্ভাবনা অনেক কম। 
- টেন্ডন দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তাদানে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপটানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। 

লিগামেন্ট বা অস্থিবন্ধনী (Ligament): 
- পাতলা কাপড়ের ন্যায় কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক বন্ধনী দ্বারা অস্থিসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, একে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে।
- লিগামেন্ট শ্বেততন্তু ও পীততন্তুর সমন্বয়ে গঠিত।
- লিগামেন্ট অস্থিকে আটকে রাখে। এতে অঙ্গটি সবদিকে সোজা বা বাঁকা হয়ে নড়াচড়া করতে পারে এবং হাড়গুলো স্থানচ্যুত ও বিচ্যুত হয় না। 

তরুণাস্থি: 
- দেহের অভ্যন্তরের নমনীয়, নরম ও স্থিতিস্থাপক যোজক কলাকে তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ বলে। 
- মানুষের নাক, কান, হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তক, বিভিন্ন অস্থিসন্ধি, শ্বাসনালি, আন্তঃকশেরুকা চাকতি ইত্যাদিতে তরুণাস্থি থাকে। 
- তরুনাস্থির ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন (chondrin) বলে। ইহা অর্ধকঠিন, নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক। 

অ্যারিওলার টিস্যু: 
- অ্যারিওলার টিস্যু একটি শিথিল যোজক কলা যা প্রধানত অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে নির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখতে এবং ত্বকের নিচে কুশনিং হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৭৩.
কোনটি রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) কোলেস্টেরল
  2. খ) অ্যামাইনো এসিড
  3. গ) ফ্যাটি এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
ক) কোলেস্টেরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোলেস্টেরল
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ। এটি রক্তে স্নেহ পদার্থের বাহক হিসেবে কাজ করে।
স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগকে বলা হয় লাইপোপ্রোটিন। লাইপোপ্রোটিনের মধ্যে স্নেহের উপস্থিতির মাত্রার ভিত্তিতে একে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
একটি হল উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন High Density Lipoprotein সংক্ষেপে HLD এবং নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন Low Density Lipoprotein বা LDL। রক্তে LDL বেশি থাকা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর।
অন্যদিকে রক্তে HLD এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্যে উপকারি।

(সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি)
৬,০৭৪.
2Na + Cl2 =NaCl , এই বিক্রিয়ায় জারক কোনটি?
  1. Na
  2. Cl
  3. Cl-
  4. Na+
সঠিক উত্তর:
Cl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl
ব্যাখ্যা
• জারণ-বিজারণ:
- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেক্ট্রনের বর্জন ঘটে তাকে জারণ বিক্রিয়া এবং যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। 
- আবার, যে পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে বিজারক এবং যে পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদেরকে জারক পদার্থ বলে। 
- অতএব কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ ধনাত্নক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ- ঋনাত্নক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে সংঘটিত হয়। 

- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে ইলেকট্রন গৃহীত হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। 

- সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 =2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
-  উপরের উদাহরণে একইসাথে সোডিয়ামের জারন ও ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
- উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
- ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক।

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৭৫.
উৎস অনুযায়ী আমিষ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
আমিষের উৎস: আমরা আগেই জেনেছি মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমরা আমিষ পাই।

উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের:
১. প্রাণিজ আমিষ;
২. উদ্ভিজ্জ আমিষ।

• প্রাণিজ আমিষ:
মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় ।

• উদ্ভিজ্জ আমিষ:
ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬,০৭৬.
শক্তির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) শক্তি সৃষ্টি করা যায় না।
  2. খ) শক্তি ধ্বংস করা যায় না।
  3. গ) শক্তির রূপান্তর হয়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
শক্তির নিত্যতার সূত্র:
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চারপাশে যে শক্তি দেখি সেটি সৃষ্টিও হয় না, ধ্বংস ও হয় না। শুধু তার রূপ পরিবর্তন করে। এটাই হচ্ছে শক্তির নিত্যতার সূত্র৷

যেমনঃ
বাশিঁ বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক মটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।
৬,০৭৭.
অর্ধ-পরিবাহী পদার্থের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) সিলভার
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) জার্মেনিয়াম
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
ব্যাখ্যা

১. পরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়ঃ ১০-৮ Ωm ক্রমের। রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।

২. অপরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে।
যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি।

৩. অর্ধপরিবাহী : যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমনঃ জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ ১০-৪ Ωm থেকে ১০-২ Ωm ক্রমের।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৭৮.
মানুষের রক্তকে কয়টি গ্রুপে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
ব্যাখ্যা
• মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- O, A, B এবং AB।
রক্তের গ্রুপ: লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমামেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে রক্ত গ্রুপ বলে।
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে। 
• O রক্তের গ্রুপ: O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই কিন্তু রক্ত রসে a ও b দুই ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।
• AB রক্তের গ্রুপ: AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে। AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারন সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহন করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।
• A রক্তের গ্রুপ: A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে। A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।
• B রক্তের গ্রুপ: B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৭৯.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়? 
  1. তামা 
  2. নাইক্রোম 
  3. স্টেনিয়াম
  4. টাংস্টেন
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
ব্যাখ্যা

• বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে নাইক্রোম (নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু) ব্যবহার করা হয় কারণ এর আপেক্ষিক রোধ অনেক বেশি।
- ফলে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে জারিত হয় না এবং এর গলনাঙ্কও অনেক বেশি।

 • নাইক্রোম তার: 
- বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- তামা: তামার রোধ খুব কম এবং এটি সুপরিবাহী, তাই এটি বিদ্যুৎ পরিবহনের তারে ব্যবহৃত হয়, তাপ উৎপাদনের জন্য নয়।
- স্টেনিয়াম: এটি টিনের ল্যাটিন নাম; এর গলনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি হিটিং এলিমেন্ট হিসেবে অনুপযোগী।
- টাংস্টেন: এটি সাধারণত বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি আলো উৎপন্ন করতে পারে, কিন্তু এটি হিটারের মতো খোলা অবস্থায় থাকলে দ্রুত বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হয়ে যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৬,০৮০.
নিচের কোনটি একমুখী যোগাযোগ মাধ্যমের উদাহরণ?
  1. ই-মেইল
  2. টেলিফোন
  3. মোবাইল ফোন
  4. রেডিও 
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
ব্যাখ্যা

- রেডিও একমুখী যোগাযোগের একটি নিখুঁত উদাহরণ (যাকে ব্রডকাস্ট বা সিমপ্লেক্স মোডও বলা হয়), কারণ এখানে তথ্য শুধুমাত্র একজন প্রেরক (রেডিও স্টেশন) থেকে একাধিক প্রাপকের (শ্রোতা) কাছে প্রবাহিত হয় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সুযোগ থাকে না।  

রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 

অন্যদিকে, 
- ই-মেইল হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার একটি উদাহরণ, যেখানে প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে।
- টেলিফোন হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার উদাহরণ, কারণ এটি দুইজন ব্যক্তিকে একই সময়ে কথা বলতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে।
- মোবাইল ফোনও টেলিফোনের মতোই দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থা ব্যবহার করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬,০৮১.
ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে উঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. ক) এলইডি
  2. খ) আইসি
  3. গ) এলসিডি
  4. ঘ) সিলিকন চিপ
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
ব্যাখ্যা
আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে। বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।

তবে, প্রশ্নে ঝামেলা আছে,
সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয়। এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়। ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই। সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
৬,০৮২.
করোনা ভাইরাসের প্রকৃত নাম কী?
  1. ক) Nobel Corona Virus
  2. খ) Novel Corona Virus
  3. গ) SARS
  4. ঘ) None of them
সঠিক উত্তর:
খ) Novel Corona Virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Novel Corona Virus
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিক সময়ে চীনে ছড়িয়ে পড়া নতুন একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস হলো করোনা ভাইরাস, যার নাম করণ করা হয়েছে 2019 Novel Corona Virus (2019-nCoV)।ভারাসটির প্রথম সংক্রমণ ঘটে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ এবং একে চিহ্নিত করা হয় ৭ জানুয়ারি ২০২০।ধারণা করা হচ্ছে ভাইরাসটি চীনের উহানের সামুদ্রিক খাবার বা পশুপাখির বাজার থেকে ছড়িয়েছে।করোনাভাইরাস প্রথম সনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে। এটা মূলত ভাইরাসের বড় একটা গোত্র। সিভিয়ার অ্যাকুইট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (SARS) ভাইরাসের সঙ্গে বর্তমান ভাইরাসের ৮০% মিল রয়েছে।২০০২-২০০৩ সালে সার্স ভাইরাসের আক্রমণে চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ে প্রায় আট শতাধিক মানুষ মারা যায়।করোনা ভাইরাসের লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে - জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা, পেটে জ্বালাপোড়া, পাতলা পায়খানা। মারাত্মক লক্ষণ সমূহের মধ্যে রয়েছে - নিউমোনিয়া, সিভিয়ার অ্যাকুইট রেসপেটরি সিনড্রোম, কিডনি বিকল, মৃত্যু।
Source: LiveMCQ Lecture
৬,০৮৩.
কৃষিতে 'বাংলামতি' কী?
  1. গম
  2. ধান
  3. পাট
  4. চা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি
⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬,০৮৪.
অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি তৈরিতে কোন ধাতু সংকর ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) ডুরালমিন
  4. ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
ব্যাখ্যা
লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়ার পাত্র, ছুরি, কাঁচি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়।
উড়োজাহাজের কাঠামো (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি তৈরিতে ডুরালমিন ব্যবহার করা হয়।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
৬,০৮৫.
কোন প্রাণির হৃৎপিণ্ড তিনটি?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) অক্টোপাস
  3. গ) তেলাপোকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্টোপাস
ব্যাখ্যা
• ক্যাটল ফিস এবং অক্টোপাসের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি করে।
• অন্যদিকে, ব্যাঙের হৃৎপিণ্ড ৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।

তাছাড়া, 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। উপরের দিকে দুটি অলিন্দ এবং নিচের দিকে দুটি নিলয়।
- তেলাপোকার হৃৎপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৮৬.
মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম কী? 
  1. Homo sapiens 
  2. Apis indica 
  3. Periplaneta americana
  4. Copsychus saularis
সঠিক উত্তর:
Apis indica 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apis indica 
ব্যাখ্যা

- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
• ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
• আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

৬,০৮৭.
শ্রম বিভাজন অনুসারে মৌমাছি কে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
মধু ও মোমের জন্য মৌমাছি সকলের নিকট খুবই প্রিয়। এছাড়াও এরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়। মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়। সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। মৌমাছি একটি সামাজিক পোকা। এরা কলোনী তৈরি করে একসাথে বসবাস করে। এই পোকার মধ্যে শ্রমবিভাজন দেখা যায়।

শ্রমবিভাজন অনুসারে এই পোকাদের ৩টি শ্রেণি বা কাস্টে বিভক্ত করা হয়। যথা –
(১) রাণী মৌমাছি
(২) কৰ্মী বা শ্রমিক মৌমাছি
(৩) পুরুষ মৌমাছি।

উৎস: কৃষিবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,০৮৮.
পাখির দ্বারা পুষ্পরেণু বহন করাকে কী বলে? 
  1. Ornithophily
  2. Anemophily
  3. Entomophily
  4. Hydrophily
সঠিক উত্তর:
Ornithophily
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ornithophily
ব্যাখ্যা
• অর্নিথোফিলি (Ornithophily):
- যখন কোনো উদ্ভিদের পরাগ (pollen) পাখির মাধ্যমে এক ফুল থেকে আরেক ফুলে স্থানান্তরিত হয়, তখন সেই পরাগসংস্থান প্রক্রিয়াকে অর্নিথোফিলি বলে।
- এই ধরনের ফুলগুলো সাধারণত উজ্জ্বল রঙের ও মিষ্টি ঘ্রাণযুক্ত হয়, যাতে পাখিরা আকৃষ্ট হয়। যেমন: হিবিসকাস, বাবলা, কৃষ্ণচূড়া প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
- এনেমোফিলি (Anemophily): বাতাসের মাধ্যমে পরাগ স্থানান্তর। যেমন: ধান, গম।
- এন্টোমোফিলি (Entomophily): কীটপতঙ্গের মাধ্যমে পরাগসংস্থান। যেমন: মৌমাছি, প্রজাপতি, পিপঁড়ে।
- হাইড্রোফিলি (Hydrophily):  পানির মাধ্যমে পরাগ স্থানান্তর। যেমন: জলজ উদ্ভিদ যেমন ভালিসনেড়িয়া।

উৎস: Collins Dictionary ও ব্রিটানিকা।
৬,০৮৯.
In absorption of insolation, the most significant part is played by
  1. ক) Ozone
  2. খ) Carbon dioxide
  3. গ) Haze
  4. ঘ) Oxygen
সঠিক উত্তর:
ক) Ozone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ozone
ব্যাখ্যা
ওজোন এর ভূমিকা: 
- সূর্যের আলোর একটি বৃহৎ অংশ হলো UV রশ্মি যা মানবদেহে ক্যান্সার এর জন্য দায়ী।
- স্ট্রেটোস্ফিয়ার অঞ্চলে অবস্থিত ওজোন সূর্যের এই UV রশ্মির প্রায় ৯৯% শোষণ করে ফেলে।
- ফলে ভূপৃষ্ঠে UV রশ্মি কম আসে। জীবকূল রক্ষিত হয়।
- এভাবেই ওজোন স্তর UV রশ্মিকে শোষণ করে ভূপৃষ্ঠে আসতে বাধা দেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৯০.
ক্রোমোজোম প্রথম কে আবিষ্কার করেন? 
  1. রবার্ট হুক
  2. ওয়াল্ডেয়ার
  3. স্ট্রাসবার্গার
  4. গ্রেগর মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাসবার্গার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাসবার্গার
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯১.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলে-
  1. বিজারিত
  2. জারণ
  3. বিজারক
  4. জারক
সঠিক উত্তর:
জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারক
ব্যাখ্যা

• যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে জারণ বা বিজারক বলে।
• যেমন- সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।
• আবার যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বা জারক বলে।
• যেমন- অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৯২.
বায়ু দ্বারা কোথায় অধিক ক্ষয়ীভবন সংঘটিত হয়?
  1. ক) মেরুঅঞ্চলে
  2. খ) পার্বত্য অঞ্চলে
  3. গ) প্লাবিত সমভূমিতে
  4. ঘ) মরুঅঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরুঅঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরুঅঞ্চলে
ব্যাখ্যা
- যেসব প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয়ীভবনের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয় তাদের মধ্যে বায়ু অন্যতম।
- বায়ু দ্বারা ক্ষয়ীভবন পরিমাণ সর্বাধিক হয় মরুভূমিতে। মরু এলাকা শুষ্ক, বৃষ্টিহীন ও গাছপালা শূন্য হওয়ায় সেখানকার মাটির সুদৃঢ় নয়। যার কারণে বায়ুপ্রবাহের আঘাতে এই অঞ্চলের শিলা সহজেই বাহিত হয়ে ধীর পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষয় সাধন করে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,০৯৩.
alkaline earth metal নিচের কোনটি?
  1. Na
  2. Ca
  3. Cu
  4. Au
সঠিক উত্তর:
Ca
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (alkali metal): 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal): 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr) প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯৪.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি আপেক্ষিক?
  1. ক) স্থান
  2. খ) বস্তুর ভর
  3. গ) সময়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
৬,০৯৫.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষে ঘুরে আসতে যা সময় লাগে তাকে বলা হয় -
  1. ক) সৌরবর্ষ
  2. খ) আলোকবর্ষ
  3. গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
  4. ঘ) পালসার ইয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি-ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে, এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
অর্থ্যাৎ ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।
সোর্সঃ ব্রিটানিকা
৬,০৯৬.
কোন বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায়? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  3. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  4. সবল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল(Gravitation): 
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ। 
- এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, অর্থাৎ নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমকপ্রদ বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৯৭.
পানির রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. CO₂
  2. H₂O
  3. NaCl
  4. O₂
সঠিক উত্তর:
H₂O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H₂O
ব্যাখ্যা
• পানির রাসায়নিক গঠন:
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত।
- এর আনবিক সংকেত H₂O.
- এবং আণবিক ভর ১৮।

• পানির ধর্ম:
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- গলনাংক: আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে।
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়।
- অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- স্ফুটনাংক: প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়।
- তড়িৎ পরিবাহিতা: বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- তবে পানিতে আয়নিক লবণ দ্রবীভূত থাকলে তা তড়িৎ পরিবহন করে।
- তাই নদী পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী।

এছাড়াও,
- দ্রবক: পানি একটি ভাল দ্রাবক।
- এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে।
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়।
- ঘনত্ব: ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে।
- অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ।
- বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না।
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে।
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭,
- তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯৮.
নিচের কোনটি মলাস্কা পর্বের প্রাণী?
  1. ক) তারা মাছ
  2. খ) জোক
  3. গ) ঝিনুক
  4. ঘ) কাঁকড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনুক
ব্যাখ্যা
মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- সাধারণত দেহ নরম।
- দেহটি শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত।
- পেশীবহুল পা দিয়ে চলাচল করে।
- ফুসফুস বা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
- যেমন: শামুক, ঝিনুক। 

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান। 
৬,০৯৯.
মানুষের ভ্রূণীয় স্তর কয়টি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক. একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum) । 

খ. দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita) । 

গ. ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens) । 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১০০.
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন-
  1. গ্যালিলিও
  2. নিউটন
  3. আইনস্টাইন
  4. মার্কনী
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ। 
১. অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 
২. অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। 
৩. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল। 
৪. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। 
৫. অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না। 

- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে। 
১. সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ। 
২. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।