বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ৫০১৬০০ / ১৪,০৮০

৫০১.
কোনটি নিষ্ক্রিয় মৌল না?
  1. ক) He
  2. খ) Fe
  3. গ) Ne
  4. ঘ) Xe
সঠিক উত্তর:
খ) Fe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fe
ব্যাখ্যা
He, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn, Og এই সাতটি মৌল নিষ্ক্রিয় গ্রুপভুক্ত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫০২.
চুম্বকের আকর্ষণ শক্তি মূলত কোথায় বেশি কার্যকর? 
  1. চুম্বকের মাঝামাঝি অঞ্চলে
  2. চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
  3. চুম্বকের উত্তর মেরু অঞ্চলে
  4. চুম্বকের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

• চুম্বকের আকর্ষণ শক্তি মূলত চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে বেশি কার্যকর। চুম্বক একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে, যেখানে ক্ষেত্রের ঘনত্ব এবং লাইনগুলো প্রায়শই প্রান্তের দিকে ঘন হয়ে থাকে। এই কারণে, চুম্বকের মধ্যভাগে চৌম্বকীয় প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে, কারণ সেখানে চৌম্বক ক্ষেত্রের লাইনগুলো সমানভাবে ছড়িয়ে থাকে। অন্যদিকে, চুম্বকের উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা প্রান্তগুলোতে চৌম্বক ক্ষেত্রের ঘনত্ব বেশি হওয়ায় আকর্ষণ শক্তিও সর্বাধিক হয়। তাই যেকোনো লোহার বা চৌম্বকীয় পদার্থ চুম্বকের প্রান্তের দিকে স্থাপন করলে সর্বোচ্চ আকর্ষণ অনুভব করা যায়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে।

চুম্বক: 
- চুম্বক আবিষ্কৃত হয় গ্রীসে। 
- যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে তাদেরকে চুম্বক বলে। 
- প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষের তৈরি চুম্বককে বলা হয় কৃত্রিম চুম্বক। 
- চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাদের বলা চুম্বকীয় পদার্থ। 
- যে কোনো আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৫০৩.
জড়তার ধারণা পাওয়া যায় নিউটনের কোন সূত্র থেকে?
  1. ক) প্রথম সূত্র
  2. খ) দ্বিতীয় সূত্র
  3. গ) তৃতীয় সূত্র
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তুর স্থির এবং গতিশীল বস্তু সম গতিতে চলতে থাকবে। অন্যদিকে স্থির বস্তু স্থির এবং গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকার প্রবণতাকে জড়তা বলে।
৫০৪.
চারটি কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের সংকেত কী?
  1. CH4
  2. CH3-CH2-CH2-CH3
  3. CH3-CH3
  4. CH3-CH2-CH3
সঠিক উত্তর:
CH3-CH2-CH2-CH3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CH3-CH2-CH2-CH3
ব্যাখ্যা
অ্যালকেন: 
- যে সকল হাইড্রোকার্বনের কার্বন শিকলে কার্বন-কার্বন একক বন্ধন বিদ্যমান থাকে তাকে অ্যালকেন বলে। 
- অ্যালকেনের সাধারণ সংকেত CnH2n+2 (n = 1, 2, 3, 4,... ইত্যাদি)। 
- এ শ্রেণির প্রথম সদস্যের নাম মিথেন, প্রথম সদস্য বলে সাধারণ সংকেতে n = 1 , তাই এর সংকেত CH4 এবং দ্বিতীয় সদস্য (n = 2) এর নাম ইথেন, ইথেনের সংকেত C2H6
- অ্যালকেনের কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন বন্ধন ভাঙা অনেক কঠিন, তাই অ্যালকেন রাসায়নিকভাবে অনেকটা নিষ্ক্রিয়। এজন্য এদেরকে প্যারাফিন বলে, প্যারাফিন অর্থ আসক্তিহীন। 
- সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা, উচ্চ চাপ কিংবা শক্তিশালী প্রভাবকের উপস্থিতিতেই অ্যালকেন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 

অ্যালকেনের নামকরণ: 
- IUPAC পদ্ধতিতে অ্যালকেনের নামকরণের নিয়ম হলো- 
(i) সরল শিকলবিশিষ্ট অ্যালকেনে এক কার্বনবিশিষ্ট অ্যালকেন (CH4) কে মিথেন, দুই কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন (CH3-CH3) কে ইথেন, তিন কার্বনবিশিষ্ট অ্যালকেন (CH3-CH2-CH3) কে প্রোপেন এবং চার কার্বনবিশিষ্ট অ্যালকেন (CH3-CH2-CH2-CH3) কে বিউটেন নাম দেওয়া হয়েছে। 
(ii) অ্যালকেনের ক্ষেত্রে কার্বন সংখ্যার গ্রিক সংখ্যাসূচক শব্দের শেষে এন (ane) যোগ করে নামকরণ করা হয়। 
- নিচে কিছু অ্যালকেনের কার্বন সংখ্যা, নাম এবং সংকেত দেওয়া হলো- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৫.
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির-
  1. ক) ঘনত্ব কম
  2. খ) ঘনত্ব বেশি
  3. গ) তাপমাত্রা বেশি
  4. ঘ) দ্রবণীয়তা বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ঘনত্ব বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘনত্ব বেশি
ব্যাখ্যা
বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি।সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে।
Source: britannica.com
৫০৬.
BMI কি নির্দেশ করে?
  1. ক) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির সূচক নির্দেশ করে
  2. খ) পেশী ও চর্বির সূচক নির্দেম করে
  3. গ) উচ্চতা ও স্থুলতার সূচক নির্দেশ করে
  4. ঘ) শক্তির খরচের সূচক নির্দেশ করে
সঠিক উত্তর:
ক) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির সূচক নির্দেশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির সূচক নির্দেশ করে
ব্যাখ্যা
বিএমআই (BMI)
- বডি মাস ইনডেক্স (BMI- Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে ।
- অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট বয়সে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের দৈর্ঘ্যের সাথে চর্বির পরিমাণগত সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী।

বিএমআই (BMI) মান নির্ণয় :
বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)

মান নির্দেশিকা
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান।
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার।
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৭.
কোন উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না? 
  1. ব্রায়াম
  2. টেরিস
  3. নারিকেল
  4. স্পাইরোগাইরা
সঠিক উত্তর:
স্পাইরোগাইরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পাইরোগাইরা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদজগৎ: 
- অধিকাংশ উদ্ভিদ নিজেই নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
- এদের দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। 
- এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত। 
- এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান। 
- উদ্ভিদে সবুজ কণিকা বা ক্লোরোফিল থাকে, তাই এরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 
- সুবিশাল উদ্ভিদজগৎকে তাদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে আবার নানা ভাগে বিভক্ত করা যায়। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫০৮.
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডেঙ্গুর সংক্রমণ হয় ১৯৬০ সালের দিকে।
- চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুর (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪) চারটি ধরন রয়েছে।
- মূলত, কেউ যদি প্রথমবার একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তবে দ্বিতীয়বার সে যখন আবার অন্য একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তখন তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সম্প্রতি, দেশে বিগত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ডেঙ্গুর সেরোটাইপ বা ধরন ‘ডেন-২’-এর প্রাধান্য বিস্তার করছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউিট (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু পজিটিভ অর্ধশত (৫০টি) রোগীর নমুনা বিশ্লেষণ করে সেখানে ৭০ শতাংশ (৬৯ দশমিক ২০ শতাংশ) ডেন-২ এর উপস্থিতি পেয়েছে

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।
৫০৯.
কচুর ফুলের পরাগায়ন ঘটে-
  1. ক) বাতাসের সাহায্যে
  2. খ) পানির সাহায্যে
  3. গ) পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে
  4. ঘ) প্রাণীর সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাণীর সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাণীর সাহায্যে
ব্যাখ্যা
প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। পতঙ্গ পরাগী ফুল জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল ধান, গম, ইক্ষু ইত্যাদি। পানি পরাগী ফুল পাতা শেওলা। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫১০.
ভরা কটাল কখন হয়?
  1. অমাবস্যায়
  2. বর্ষায়
  3. বন্যায়
  4. ঘূর্ণিঝড়ের সময়
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- ভরা কটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ প্রবল হয় এবং পানি বেশি ফুলে ওঠে। এই ধরনের জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একদিকে সূর্য এবং অন্যদিকে চন্দ্র একই সমান্তরালে অবস্থান করে।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, সেখানেই সূর্যের আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
= আবার চন্দ্রের বিপরীত দিকে যেখানে তার আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
- পূর্ণিমা তিথিতে উভয় বিপরীত স্থানেই জোয়ারের বেগ সর্বাধিক হয়। একেও ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১১.
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ সাধারণত কোথায় ঘটে? 
  1. ভূপৃষ্ঠের কেন্দ্রস্থলে
  2. টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের ঠিক নিচে
  4. মহাদেশীয় সমভূমির মধ্যভাগে
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর ভূত্বক কতগুলো বড় বড় শিলাখণ্ড বা প্লেট (Tectonic Plates) দ্বারা গঠিত। এই প্লেটগুলোর সীমানায় যখন সংঘর্ষ হয় বা একটি অন্যটি থেকে দূরে সরে যায়, তখন সেই অস্থিরতার কারণে ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

• প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 

- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত, এগুলোকে প্লেট বলা হয়। 
- এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। 
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। 
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। 
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। 

- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব দ্বারা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়। 
- দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে। 
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে। 
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। - তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে। 
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। 
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। - আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫১২.
মাইক্রোওয়েভ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) রাডার
  3. গ) গোয়েন্দা কাজে
  4. ঘ) ক্যান্সার নির্ণয়ে
সঠিক উত্তর:
খ) রাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাডার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোওয়েভ রাডারে ব্যবহৃত হয়। 
- রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৫১৩.
গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় কোন ধাতুটি সাধারণত লোহার উপর আবরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. দস্তা
  2. সোনা
  3. নিকেল
  4. সিলভার
সঠিক উত্তর:
দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫১৪.
What does Newton’s first law of motion state?
  1. The relationship between force and acceleration
  2. Action-reaction principle
  3. Inertia of matter
  4. Gravitational force effect
  5. The principle of conservation of energy
সঠিক উত্তর:
Inertia of matter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inertia of matter
ব্যাখ্যা
• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"

• এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• জড়তা:
- জড়তা হলো বস্তুর একটি ধর্ম, যা দ্বারা বস্তু তার বর্তমান গতি বা স্থির অবস্থা বজায় রাখতে চায়।
• উদাহরণ:
- গাড়ি হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- টেবিলের উপর রাখা বই যতক্ষণ পর্যন্ত না ঠেলা হয় ততখন পর্যন্ত নিজে থেকে নড়ে না।
 
অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বল ও ত্বরণের সম্পর্ক সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র।
• মহাকর্ষ সূত্র হলো মহাবিশ্বের ভর যুক্ত বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল সম্পর্কিত সূত্র।
• শক্তির সংরক্ষণ সূত্র অনুযায়ী শক্তির কোন ধ্বংস নেই, এটি কেবল এক রূপ থেক অন্য রূপে স্থানান্তরিত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫১৫.
পানির স্থায়ী খরতা দূর করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্লোরিন
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. সোডিয়াম কার্বনেট
  4. সালফিউরিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
পানির খরতা (Hardness of Water): 
- পানির উৎস হলো নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, সমুদ্র বা টিউবওয়েল ইত্যাদি, এসব পানিতে বিভিন্ন খনিজ লবণ দ্রবীভূত থাকতে পারে। 
- পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের ক্লোরাইড, সালফেট, কার্বনেট, বাইকার্বনেট ইত্যাদি লবণ দ্রবীভূত থাকলে উক্ত পানি সাবানের সাথে সহজে ফেনা উৎপন্ন করে না, এ ধরনের পানিকে খর পানি বলে। 
- অবশ্য ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম ছাড়া আয়রন, ম্যঙ্গানিজ প্রভৃতি লবণ দ্রবীভূত থাকলেও পানি খর হতে পারে। 
- খর পানিতে সাবান ঘষলে সহজে ফেনা উৎপাদন করে না, কারণ সাবান হলো উচ্চতর জৈব এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। 
যেমন- সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) হলো স্টিয়ারিক এসিডের সোডিয়াম লবণ, এটি সাবান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এ সাবান দিয়ে খর পানিতে কাপড় কাচা হলে যতক্ষণ পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের লবণ উপস্থিত থাকে ততক্ষণ ফেনা উৎপন্ন হয় না এবং সাবান ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে। 
• 2C17H35COONa + CaCl2 → (C17H35COO)2Ca + 2NaCl 
- ম্যাগনেসিয়াম বা অন্যান্য ধাতুর লবণও একই রূপ বিক্রিয়া করে। 
- পানির পাইপ বা কলকারখানাতে বয়লারের ভিতরে খর পানি ব্যবহার করলে খর পানিতে বিদ্যমান বিভিন্ন খনিজ লবণ পাইপের গায়ে জমা হয়। ফলে পাইপের গায়ে মোটা আস্তরণ পড়ে। এতে পানির পাইপে পানি প্রবাহে বাধা পায়। বয়লারে তাপের অপচয় ঘটে এমনকি বয়লার ফেটে বিস্ফোরণ পর্যন্ত ঘটতে পারে। 
- পানির মধ্যে যে ধর্মের জন্য পানিতে সাবান ভালোভাবে ময়লা পরিষ্কার করতে পারে না পানির সেই ধর্মকে পানির খারতা বলে। 
- পানির খরতা দুই প্রকার। যথা- স্থায়ী খরতা এবং অস্থায়ী খরতা। 

স্থায়ী খরতা: 
- পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন প্রভৃতি ধাতুর ক্লোরাইড বা সালফেট লবণ দ্রবীভূত থাকলে স্থায়ী খরতার সৃষ্টি হয় এবং এই পানি স্থায়ী খর পানি বলে। 
- স্থায়ী খর পানিকে শুধু উত্তপ্ত করলেই স্থায়ী খরতা দূরীভূত হয় না। বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বা বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে স্থায়ী খরতা দূর করা হয়। 
- সাধারণত বদ্ধ জলাশয় যেমন-পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি মৃদু হয় এমনকি বৃষ্টির পানিও মৃদু পানি। মৃদু পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন প্রভৃতি ধাতুর লবণ খুব বেশি দ্রবীভূত থাকে না। 
- স্থায়ী খর পানি থেকে স্থায়ী খরতা অপসারণ করে ঐ পানিকে মৃদু পানিতে পরিণত হয়। 

অস্থায়ী খরতা: 
- পানিতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন প্রভৃতি লবণের বাইকার্বনেট (HCO3-) লবণ দ্রবীভূত থাকলে যে খারতা সৃষ্টি হয় তাকে অস্থায়ী খারতা বলে এবং এই পানিকে অস্থায়ী খর পানি বলা হয়। 
- অস্থায়ী খর পানিকে শুধু উত্তপ্ত করলেই অদ্রবণীয় কার্বনেট লবণ উৎপন্ন হয়। এ লবণ পাত্রের নিচে তলানি আকারে জমা হয়। এই তলানি থেকে ছাঁকনির মাধ্যমে পানিকে সহজেই পৃথক করা যায়। 
- ফলে অস্থায়ী খরতা দূর হয় এবং অস্থায়ী খর পানি মৃদু পানিতে পরিণত হয়। 
• Ca(HCO3)2  → CaCO3(s)↓ + CO2(g)↑ + H2O(l) 

স্থায়ী খরতা দূরীকরণের পদ্ধতি: 
- স্থায়ী খর পানির মধ্যে সোডিয়াম কার্বনেট যোগ করলে সোডিয়াম কার্বনেট ক্যালসিয়াম আয়ন ও ম্যাগনেসিয়াম আয়নের সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেটের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে। ফলে পানি থেকে ক্যালসিয়াম আয়ন এবং ম্যাগনেশিয়াম আয়ন পানি থেকে অপসারিত হয় অর্থাৎ স্থায়ী খরতা দূর হয়। 
• CaCl2 + Na2CO3 → CaCO3↓+ 2NaCl 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১৬.
'তাপমাত্রা' কোন ধরনের ভৌত রাশি?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ভেক্টর রাশি
  3. দিক রাশি
  4. লব্ধ রাশি
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
ব্যাখ্যা

'তাপমাত্রা' একটি স্কেলার রাশি। 

ভৌত রাশি (Physical Quantity):
কিছু ভৌত রাশি প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মান প্রয়োজন, আবার কিছু প্রকাশের জন্য মানের পাশাপাশি দিকও প্রয়োজন। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির মান এবং দিক উভয়ই থাকে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বলা হয়।
উদাহরণ: ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, সরণ ইত্যাদি।
ভেক্টর রাশির ধর্ম:
- সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়, কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
- দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
- দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
- ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
- ভেক্টরকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

২. স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বলা হয়।
উদাহরণ: তাপমাত্রা, দৈর্ঘ্য, কাজ, ভর, সময়, দ্রুতি ইত্যাদি।
স্কেলার রাশির ধর্ম:
- শুধু মানের পরিবর্তন হলে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়।
- স্কেলার রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয়।
- দুটি স্কেলার রাশির গুণফল সর্বদা একটি স্কেলার রাশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১৭.
এন্টিবায়োটিক কাজ করে-
  1. শরীরে প্রতিরোধ বাড়িয়ে
  2. জীবাণু ধ্বংস করে
  3. উপকারী জীবাণু জোরদার করে
  4. ভাইরাস ধ্বংস করে
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর।  

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিকগুলো:
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে।
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়- 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া।
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫১৮.
যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্টি হতে হলে কোনটির প্রয়োজন? 
  1. শূন্য ভ্যাকুয়াম 
  2. অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম 
  3. শক্তিশালী চুম্বকক্ষেত্র 
  4. কোনো নির্দিষ্ট দিকের আলোকরশ্মি 
সঠিক উত্তর:
অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম 
ব্যাখ্যা

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- বিভিন্ন উপায়ে শব্দ সৃষ্টি হয় তা বিভিন্ন জড় পদার্থের কম্পন থেকে। 
- তাই পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. এই তরঙ্গ সৃষ্টি ও সঞ্চালনের জন্য অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
২. এই তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ঘটে। 
৩. মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের বা স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
৪. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৫. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য সময় প্রয়োজন হয়। 
৬. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চারণের দিক এক নাও হতে পারে। 
৭. তরঙ্গের কণাগুলোর বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। 
অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৮. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৯.
আয়নায় প্রতিফলিত হলে নিচের কোন শব্দটির কোনো পরিবর্তন হবে না?
  1. ক) OPT
  2. খ) NOON
  3. গ) SOS
  4. ঘ) OTTO
সঠিক উত্তর:
ঘ) OTTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) OTTO
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫২০.
কোনগুলি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
  2. খ) বার্ষিক গতি
  3. গ) আহ্নিকগতি
  4. ঘ) বায়ুর মৃদুভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
• মৃত্তিকা, অক্ষাংশ জলবায়ুর নিয়ামক।

• জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ:
আবহাওয়া ও জলবায়ু কিছু উপাদানসমূহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিম্নে এদের সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
১. অক্ষাংশ: সূর্যকিরণ একেক অক্ষাংশে একেকভাবে পড়ে। তাই এটি জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই অঞ্চলে বায়ুর তাপ বেশি হয়।
- আবার উচ্চ অক্ষাংশে সূর্য তির্যকভাবে কিরণ দেয়, ফলে বায়ুর তাপ কম হয়। 
২. উচ্চতা: উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বাযুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬°সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়।
৩. সমুদ্র থেকে দূরত্ব: সমুদ্র থেকে দূরত্বও জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
৪. বায়ুপ্রবাহ: বায়ুপ্রবাহের জন্য কোনো এলাকার জলবায়ুতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
- যেমন- কোনো এলাকায় যদি জলীয়বাম্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হয় তবে এ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় । 
৫. সমুদ্রস্রোত: শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন, উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
৬. পর্বতের অবস্থান: উচ্চ পর্বত রয়েছে এমন অঞ্চলে বায়ু প্রবাহ বাধা পাওয়ায় জলবায়ুও ভিন্নরকম হয়।
- পর্বতের অবস্থানের কারণেই হিমালয়ের আশেপাশে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
৭. ভূমির ঢাল: ভূমির ঢালের কারণে সূর্যকিরণ পতিত হবার ধরণেও পার্থক্য হয়।
- তাই ভূমির ঢালের অবস্থান জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।
৮. মৃত্তিকা: অনাবৃত এলাকায় বেলেমাটি দ্রুত ঠান্ডা বা গরম হয়ে উঠে।
- আবার পলিমাটি তাপ সংরক্ষণ ক্ষমতার জন্য ঠান্ডা বা গরম হতে বেশি সময় নেয়।
- সুতরাং মৃত্তিকার গুণাগুনও জলবায়ুর একটি নিয়ামক।
৯. বনভূমির অবস্থান: বনভূমির অবস্থানের জন্যই বায়ুর উষ্ণতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ ইত্যাদির হারকে কমিয়ে নিতে সাহায্য করে।
- বৃষ্টিপাত ঘটানো এবং অন্যান্য আবহাওয়া ও জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই বনভূমির অবস্থান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২১.
BMI কী নির্দেশ করে?
  1. মানব দেহের গড়ন ও চর্বির সূচক
  2. পেশি ও চর্বির সূচক
  3. উচ্চতা ও স্থূলতার সূচক
  4. শক্তি খরচের সূচক
সঠিক উত্তর:
মানব দেহের গড়ন ও চর্বির সূচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব দেহের গড়ন ও চর্বির সূচক
ব্যাখ্যা
বিএমআই (BMI): 
- বডি মাস ইনডেক্স (BMI- Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে ।
- অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট বয়সে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের দৈর্ঘ্যের সাথে চর্বির পরিমাণগত সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী।

বিএমআই (BMI) মান নির্ণয়:
বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)

মান নির্দেশিকা
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান।
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার।
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২২.
নিচের কোনটি সুষম খাদ্যের উপাদান নয়?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) খনিজ লবণ
  3. গ) পানি
  4. ঘ) পুষ্টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুষ্টি
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'পুষ্টি' সুষম খাদ্যের উপাদান নয়।

• সুষম খাদ্য:
- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
- সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
- সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

• সুষম খাদ্যের উপাদান:
১. শর্করা,
২. আমিষ,
৩. ভিটামিন,
৪. খনিজ লবণ,
৫. চর্বি ও
৬. পানি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৩.
৩০ ও ৪০ উর্দ্ধ মহিলারা বেশি কোন ঝুঁকিতে থাকেন ?
  1. ক) ডায়াবেটিস
  2. খ) উচ্চ রক্তচাপ
  3. গ) ক্লোনিক ফ্যাটিগ রোগ
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
৩০ ও ৪০ উর্দ্ধ মহিলারা সুস্থ গর্ভধারণ করতে পারেন।
কিন্তু বয়স্ক মহিলাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কম বয়সী মহিলাদের তুলনায় বেশি হয়।
সোর্স: https://www.urmc.rochester.edu/
৫২৪.
অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন কোনটি? 
  1. মেলানিন
  2. থাইরোসিন
  3. ইনসুলিন
  4. এড্রিনালিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
ডায়বেটিস: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন হরমোন নির্গত হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৫.
পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস নিচের কোনটি? 
  1. সৌরকোষ
  2. ডায়নামো
  3. ব্যাটারি 
  4. ডিসি জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা

- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস হচ্ছে 'জেনারেটর বা ডায়নামো'।

তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। 
যথা- 
১. পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

২. অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫২৬.
ভিটামিন A-এর অভাবে কোন রোগ হতে পারে? 
  1. স্কার্ভি 
  2. রিকেটস 
  3. জেরোফথ্যালমিয়া 
  4. অ্যানিমিয়া 
সঠিক উত্তর:
জেরোফথ্যালমিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরোফথ্যালমিয়া 
ব্যাখ্যা

ভিটামিন A: 
- প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ডিম, গরুর দুধ, মাখন, ছানা, দই, ঘি, যকৃৎ ও বিভিন্ন তেলসমৃদ্ধ মাছে, বিশেষ করে কড মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন A পাওয়া যায়। 
- উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে ক্যারোটিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি, যেমন- লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পাটশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, পুদিনা পাতা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বাঁধাকপি, মটরশুঁটি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন- আম, পাকা পেঁপে, কাঁঠাল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে। 

ভিটামিন A-এর কাজ: 
- ভিটামিন A যেসব কাজ করে সেগুলো হলো- 
১. দেহের স্বাভাবিক গঠন এবং বর্ধন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ নিশ্চিত করে। 
২. দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন- ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে। 
৩. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে। 
৪. দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। 
৫. দেহে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। 

অভাবজনিত রোগ ও প্রতিকার: 
- ভিটামিন A-এর অভাবে জেরোফথ্যালমিয়া রোগ হয়। 
- শুরুতে রাতকানা হিসেবে দেখা দিলেও এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে। এই রোগ হলে আক্রান্ত মানুষ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যেতে পারে। 
- ভিটামিন A-এর অভাবে দেহের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেক সময় ঘা, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, প্রস্রাবের সমস্যা ইত্যাদি উপসর্গও দেখা দেয়। 
- ভিটামিন A-এর অভাবে ত্বকের লোমকূপের গোড়ায় ছোট ছোট গুটির সৃষ্টি হতে পারে। 
- অতিরিক্ত ভিটামিন A গ্রহণ করলেও তা ক্ষতিকারক হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫২৭.
প্রাথমিক তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কোনটি?
  1. ড্যানিয়েল কোষ
  2. লেকল্যান্স কোষ
  3. এসিড স্টোরেজ কোষ
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:
যে তড়িৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তরিত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৫২৮.
'ক্লাউড সিডিং' পদ্ধতিতে নিচের কোনটি সর্বাধিক কার্যকরী?
  1. ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  2. খ) সিলভার আয়োডাইড
  3. গ) কার্বন মনোক্সাইড
  4. ঘ) পটাসিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
খ) সিলভার আয়োডাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলভার আয়োডাইড
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড সিডিং বলতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোকে বোঝায়। একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৃষ্টির পাশাপাশি কৃত্রিম তুষারপাত ঘটানো হয়।
- ১৮৯১ সালে লুই গাথমান প্রথম কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টিতে তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।
- পরে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আরভিং ল্যাংমুর সাথে যৌথভাবে কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টি করার পন্থা উদ্ভাবন করেন।
- ‘ক্লাউড সিডিং' এর জনক বলা হয় মার্কিন রসায়নবিদ ভিনসেন্ট শায়েফারকে।
- যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের গবেষণাগারে শায়েফার ১৯৪৬ সালের জুলাই মাসে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের সফল ব্যহারিক প্রয়োগ ঘটান।
- বিমান, রকেট বা মিসাইলের সাহায্যে মেঘের উপর ড্রাই আইস (জমাটবাধা কার্বন ডাইঅক্সাইড), সিলভার আয়োডাইড, পটাসিয়াম আয়োডাইড, তরল প্রোপেন গ্যাস, এমনকি পটাসিয়াম ক্লোরাইড (লবণ) ছড়িয়ে দিলেও তা মেঘগুলোকে দ্রুত ঘনীভূত হতে সহায়তা করে এবং যার ফলশ্রুতিতে বৃষ্টিপাতে ঘটে।
- বর্তমানে ক্লাউড সিডিং করার জন্য ড্রাই আইস (জমাটবাধা কার্বন ডাইঅক্সাইড) এবং সিলভার আয়োডাইড’ই সবচেয়ে বেশি কার্যকর ও জনপ্রিয়। 

সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট [লিংক]
৫২৯.
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে কোন হরমোন?
  1. ক) ইনসুলিন
  2. খ) ট্রিপসিন
  3. গ) গ্লুকাগন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
প্যানক্রিয়াস একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। এটি গুরুত্বপুর্ন দুইটি হরমোন ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন নিঃসরণ করে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫৩০.
'আকবর' ও 'সোনালিকা' কোন উন্নত জাতের ফসল?
  1. ক) আলু
  2. খ) টমেটো
  3. গ) গম
  4. ঘ) বেগুন
সঠিক উত্তর:
গ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গম
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত
: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত
: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৫৩১.
“গাছের প্রাণ আছে”- কে প্রমাণ করেন?
  1. চার্লস ডারউইন
  2. জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সঠিক উত্তর:
জগদীশ চন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
জগদীশ চন্দ্র বসুর উল্লেখযেযাগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোওয়েভ রিসিভার ও ট্রান্সমিটারের উন্নয়ন, এবং ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র যা দিয়ে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা।
উদ্ভিদের জীবনচক্র তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
তিনি গাছেরও যে প্রাণ আছে এটা আবিষ্কার করেন।
বেতার যন্ত্রের প্রথম উদ্ভাবক হিসাবে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
যদিও বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন মার্কনি, কারণ জগদীশ বসু এটার আবিষ্কারকে নিজের নামে পেটেন্ট করেননি।
উৎসঃ বিবিসি।
৫৩২.
Normal FHR (Fetal heart rate) কত?
  1. ১০০-১৫০ beats/minute
  2. ১৬০-১৮০ beats/minute
  3. ১২০-১৬০ beats/minute
  4. ১২০-১৪০ beats/minute
সঠিক উত্তর:
১২০-১৬০ beats/minute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০-১৬০ beats/minute
ব্যাখ্যা
ভ্রূণ (Fetus) এর হার্টবিট কে fetal heart beat বলে। 
Fetal heart beat গর্ভের শিশুর শারীরিক অবস্থা প্রকাশ করে।

Normal ranges for FHR are 120 to 160 bpm. Many international guidelines define ranges of 110 to 160 bpm which seem to be safe in daily practice. 
৫৩৩.
মানুষের মুখবিবরে কত জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে?
  1. এক 
  2. দুই 
  3. তিন 
  4. চার 
সঠিক উত্তর:
তিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন 
ব্যাখ্যা

মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত, এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে।
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে আর টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৪.
ট্রানজিস্টরকে কোন কাজে ব্যবহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র তাপ উৎপাদনে
  2. উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
  3. ব্যাটারি চার্জ করার জন্য
  4. আলো তৈরি করার জন্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর একটি ইংরেজি শব্দ। Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপণ্ড সংঘটিত করেছে। ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিনজনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার।
যথা- ১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং ২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৫.
নিচের কোনটি ধাতুর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অনমনীয়তা
  2. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহি
  4. ঘাতসহনীয়তা
সঠিক উত্তর:
অনমনীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনমনীয়তা
ব্যাখ্যা
ধাতু:
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। যথা:
• ধাতু ও
•অধাতু।

উল্লেখ্য,
⇒ ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার (Silver), গোল্ড (Gold), কপার (Copper) ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু।
- আবার কার্বন (গ্রাফাইট ও হীরক-Diamond), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ই্যাদি হচ্ছে অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

⇒ ধাতুর বৈশিষ্ট্য:
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়।
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়।
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে।
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহি
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে।
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)।
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি।

উৎস: i) রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩৬.
বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন তারের সঙ্গে আর্গন গ্যাস ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী? 
  1. আলো তীব্র করা 
  2. তাপমাত্রা কমানো 
  3. বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি করা 
  4. টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা
ব্যাখ্যা

- বৈদ্যুতিক বাল্বে টাংস্টেন তারের সাথে আর্গন গ্যাস ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টাংস্টেন ফিলামেন্টের আয়ু বাড়ানো অর্থাৎ টাংস্টেন তারের জারণ রোধ করা। আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় বা নোবেল গ্যাস, যার অর্থ এটি উচ্চ তাপমাত্রায়ও টাংস্টেনের সাথে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে না। এটি ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে বাষ্পীভবনের হার কমিয়ে দেয় এবং এর ফলে বাল্বটি দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

আর্গনের ব্যবহার: 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে বায়ুতে আর্গনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে উচ্চ তাপে টাংস্টেন তারটি ব্যবহার করা হয় যেন জারিত হয়ে কেটে না যায় তার জন্য নিষ্ক্রিয় আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- নাইট্রোজেন থেকে আর্গন অনেক বেশি নিষ্ক্রিয় এবং এর বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতাও কম, এ কারণে বৈদ্যুতিক বাল্ববে নাইট্রোজেনের পরিবর্তে আর্গন ব্যবহার করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরির জন্য আর্গন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে আর্গন সহজলভ্য না হওয়ায় গবেষণাগারসমূহে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরিতে সাধারণত নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়; কিন্তু উন্নত দেশসমূহে এক্ষেত্রে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্র, বিশেষত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।

৫৩৭.
​ক্ষমতার সূত্র কোনটি সঠিক? 
  1. P = বল + বেগ 
  2. P = কাজ / সময়
  3. P = কাজ × সময় 
  4. P = সময় / কাজ
সঠিক উত্তর:
P = কাজ / সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P = কাজ / সময়
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W. 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৮.
মানবদেহের মস্তিষ্কের কোন গ্রন্থিতে বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত হরমোন উৎপন্ন হয়?
  1. থাইমাস
  2. থাইরয়েড
  3. পিটুইটারি
  4. এড্রেনাল
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি
ব্যাখ্যা
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০টি অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 
- মানবদেহের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এই হরমোন উৎপন্ন হয়। 
- বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পরে বৃদ্ধি হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। 
- পরবর্তী প্রতি ১০ বছরে ক্ষরণ প্রায় ১৪% হারে হ্রাস পায়। 
- বৃদ্ধি হরমোন যত কমবে, শরীরে ততই বয়সের ছাপ বাড়বে। 
- এ সময় দেহে বৃদ্ধি হরমোন প্রয়োগ করলে বয়সের ছাপ মিলিয়ে যাবে কিংবা ছাপ পড়ার গতি কমে যাবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৯.
কাঁচা লোহার চৌম্বক প্রবণতা ইস্পাতের তুলনায় কেমন হয়?
  1. কম
  2. বেশি
  3. সমান
  4. চৌম্বক প্রবণতা শূন্য
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
•  চৌম্বক প্রবণতা (Magnetic Susceptibility) হলো একটি পদার্থ কতটা সহজে চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা চুম্বকিত হতে পারে, তার পরিমাপ। এটি পদার্থটির চৌম্বক হওয়ার সক্ষমতা নির্দেশ করে।

কাঁচা লোহা (Soft Iron):
-  কাঁচা লোহার ডোমেইনগুলোকে বহিঃচৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে সহজে বিন্যস্ত করে চুম্বকে পরিণত করা যায়।  কিন্তু চৌম্বকক্ষেত্রের অপসারণে এরা আবার বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ফিরে যায়।
-  ফলে এদের চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায়। এজন্যে কাঁচা লোহাকে কলিংবেলের মতো যেখানে অস্থায়ী চুম্বকের প্রয়োজন হয় সেখানে ব্যবহার করা হয়।

কাঁচা লোহার বৈশিষ্ট্য: 
-  অত্যন্ত উচ্চ চৌম্বক প্রবণতা সম্পন্ন। 
-  দ্রুত চৌম্বকিত হয় ও দ্রুতই চৌম্বকত্ব হারায়। 
-  চুম্বক তৈরির জন্য Temporary Magnet হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

অপরদিকে,
ইস্পাত (Steel):
-  ইস্পাতের ক্ষেত্রে ডোমেইনগুলো সহজে বিন্যস্ত হতে চায় না। এজন্য বেশ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের প্রয়োজন হয় এবং একবার চুম্বকে পরিণত হলে সহজে চুম্বকত্ব হারায় না। এজন্যে ভালো স্থায়ী চুম্বক তৈরি করতে ইস্পাতের প্রয়োজন হয়।

ইস্পাতের বৈশিষ্ট্য: 
-  তুলনামূলকভাবে কম চৌম্বক প্রবণতা সম্পন্ন।
-  ধীরে চৌম্বকিত হয়, কিন্তু একবার চৌম্বক হলে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে।
-  ব্যবহৃত হয় Permanent Magnet তৈরিতে। 

অতএব, কাঁচা লোহা ইস্পাতের তুলনায় অনেক বেশি সহজে চৌম্বকিত হয়, অর্থাৎ কাঁচা লোহার চৌম্বক প্রবণতা বেশি।

তথ্যসূত্র: 
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. শাহজাহান তপন। 
- Encyclopaedia Britannica. 
৫৪০.
বারিমণ্ডলে পানির শতকরা কতভাগ বায়ুমণ্ডল ধারণ করে?
  1. ০.০০০১%
  2. ০.০০১%
  3. ০.০১%
  4. ০.১%
সঠিক উত্তর:
০.০০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০১%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪১.
ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) ফ্যাদোগ্রাফ
  2. খ) সিসমোগ্রাফ
  3. গ) ম্যানোগ্রাফ
  4. ঘ) ব্যারোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প
• ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
• ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
• কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
• সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে। • কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।  
• ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
• ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
• ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪২.
প্রাচুর্যতার ভিত্তিতে ভূত্বকে কোন মৌলিক পদার্থ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. আয়রন
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

• প্রাচুর্যতার ভিত্তিতে ভূত্বকে বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরিমাণ:

- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ - ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ - ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ - ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ - ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ - ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ - ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ - ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪৩.
বার্ষিক গতির ফল হলো- 
  1. দিবারাত্রি সংঘটন
  2. জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
  3. বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি
  4. দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

 বার্ষিক গতি:
- পৃথিবী নিজ অক্ষে আবর্তিত হতে হতে সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির আকর্ষণে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথেনির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারিদিকে আবর্তিত হতে থাকে। 
- পৃথিবীর এইরূপ গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলা হয়।
- সূর্যের চারিদিকে একবার পূর্ণ পরিক্রমণ বা আবর্তনের জন্যে পৃথিবীর মোট সময় প্রয়োজন ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- একে সৌরবছর (Solar Year) বলে। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৩৬৫ দিনে এক সৌর বছর গণনা করা হয়।
- প্রতি বছর অতিরিক্ত ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড সময় কালকে প্রতি চার বছর অন্তর ১ দিন বা ২৪ ঘন্টা হিসেবে ঐ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসকে ২৮ দিনের বদলে ২৯ দিন হিসেবে গণনা করা হয়।
- এই বছরটি অধিবর্ষ (Leap Year) নামে অভিহিত।

- পৃথিবী বার্ষিক গতির ফলাফল প্রধানত দুইটি। যথা:

(ক) দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি;
(খ) ঋতু পরিবর্তন।

দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি:পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ-
(ক) পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি;
(খ) পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ;
(গ) পৃথিবীর অবিরাম আবর্তন পরিক্রমণ গতি;
(ঘ) পৃথিবীর মেরুরেখার সর্বদা একই মুখে অবস্থান;
(ঙ) পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান।

অন্যদিকে,
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
• দিন-রাত্রি সংঘটন,
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি,
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫৪৪.
গাছের পাতা হলুদ হওয়া কোন ধরনের পরিবর্তন?
  1. ভৌত পরিবর্তন
  2. রাসায়নিক পরিবর্তন
  3. জৈব রাসায়নিক পরিবর্তন
  4. সাময়িক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

পদার্থের পরিবর্তন: 
- পরিবেশে সব সময় পদার্থের দুই প্রকারের পরিবর্তন ঘটে।
- একটি হলো ভৌত পরিবর্তন ও অপরটি হলো রাসায়নিক পরিবর্তন।

ভৌত পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে কোন পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোন পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। যেমন:
• পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা,
• লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া,
• বরফ গলে পানি হওয়া,
• তাপ দ্বারা মোম গলানো ইত্যাদি।

রাসায়নিক পরিবর্তন:  
- যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। যেমন: 
• লোহায় মরিচা ধরা,
• দুধ থেকে দই হওয়া,
• গাছের পাতা হলুদ হওয়া,
• উদ্ভিদ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বৃদ্ধি,
• ফল পেকে লাল বা হলুদ হওয়া ইত্যাদি।

উৎস:
১. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
২. রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৪৫.
অমরা (Placenta) কোন কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত? 
  1. রেচন
  2. প্রজনন
  3. শ্বাসক্রিয়া
  4. খাদ্য হজম
সঠিক উত্তর:
প্রজনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজনন
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোনের ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ; যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- এটি রাসায়নিক দূত হিসেবে সরাসরি রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্পমাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরণ হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 

- শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে- 
(i) পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland), 
(ii) থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland), 
(iii) অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland), 
(iv) শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি (Testis), 
(v) ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি (Ovary) এবং 
(vi) অমরা (Placenta)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪৬.
সাবক্লেভিয়াল ধমনির কোন শাখা মেরুদণ্ডে রক্ত সরবরাহ করে? 
  1. মেসেন্টেরিক ধমনি 
  2. সিলিয়াক ধমনি 
  3. ভার্টিব্রাল ধমনি 
  4. ইলিয়াক ধমনি 
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনি 
ব্যাখ্যা

সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
• বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
• জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
• সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে।  
• আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
• থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৭.
কোন অবস্থার কারণে জন্ডিস হয়?
  1. দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি 
  2. রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া
  3. রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া
  4. রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রা
সঠিক উত্তর:
রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রা
ব্যাখ্যা

জন্ডিস হলো একটি শারীরিক অবস্থা, যা রক্তে বিলিরুবিনের উচ্চ মাত্রার কারণে হয়।
-  বিলিরুবিন হলো লাল রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার পর উৎপন্ন একটি হলুদ বর্জ্য পদার্থ।
- সাধারণত, যকৃত (liver) এই বিলিরুবিনকে প্রক্রিয়াজাত করে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- যখন যকৃত সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না বা বিলিরুবিন অতিরিক্ত পরিমাণে তৈরি হয়, তখন এটি রক্তে জমা হতে থাকে, যার ফলস্বরূপ ত্বক, চোখ ও শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।

বিলিরুবিন:
- বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায় এবং এটি জমা থাকে প্লীহাতে।
- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যা রক্তে উপস্থিত লাল রক্তকণিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।
- বিলিরুবিন হলো যকৃতে তৈরি হওয়া পাচক তরল পদার্থ অর্থাৎ পিত্তরস বা বাইলের (bile) একটি উপাদান, যা পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে।
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া।
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কণিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য-
- রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যাওয়া: এই অবস্থাকে লিউকোপেনিয়া বলা হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, কিন্তু জন্ডিসের কারণ নয়।
-  রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া: এই অবস্থাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। এর প্রধান লক্ষণ হলো দুর্বলতা ও মাথা ঘোরা। এটি একটি বিপাকীয় সমস্যা, জন্ডিসের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
- দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি: এই অবস্থাকে পলিসাইথেমিয়া বলা হয়। এটি রক্তকে অতিরিক্ত ঘন করে তোলে এবং রক্ত জমাট বাঁধাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এর সাথেও জন্ডিসের কোনো সম্পর্ক নেই।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। ব্রিটানিকা।

৫৪৮.
নিচের কোনটি হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পেসমেকার
  2. খ) ওপেন হার্ট সার্জারি
  3. গ) এনজিওপ্লাস্টি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, ওপেন হার্ট সার্জারি, করোনারি বাইপাস সার্জারি, এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়।

পেসমেকার
- হৃৎপিন্ডে ডান অ্যাট্রিয়াম-প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত, বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে তাকে পেসমেকার বলে।

ওপেন হার্ট সার্জারি
- শল্যচিকিৎসক যখন রোগীর বুক কেটে উন্মুক্ত করে হৃৎপিন্ডে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন তখন সে প্রক্রিয়াকে ওপেন হার্ট সার্জারি বলে ।

করোনারি বাইপাস সার্জারি
- এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন (গহ্বর) রূদ্ধ হয়ে গেলে হৃৎপিন্ডে রক্ত সরবরাহ অব্যাহত রাখতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে (যেমন-পা থেকে) একটি সুস্থ রক্তবাহিকা (ধমনি বা শিরা) কেটে এনে বৃদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাকে করোনারি বাইপাস বলে । করোনারি বাইপাস সৃষ্টির সামগ্রিক অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়াটিকে করোনারি বাইপাস সার্জারি বলা হয়।

এনজিওপ্লাস্টি
- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ ল্যুমেন (গহ্বর)-যুক্ত বা রূদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত ল্যুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।
- এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যুমেনের ভেতর দিয়ে হৃৎপিন্ডে পর্যাপ্ত O2 সরবরাহ নিশ্চিত করে হৃৎপিন্ড ও দেহকে সচল রাখা।
- বুকে ব্যথা (অ্যানজাইনা), হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায় এনজিওপ্লাস্টি।
- ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে সুইজারল্যান্ডের ডাঃ অ্যানডেস গয়েন জিগ সর্বপ্রথম এ পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ২য়  পত্র(একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি) - গাজী আজমল ও গাজী আসমত ।
৫৪৯.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• ফসফরাস দাঁত ও অস্থি গঠন, রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

অন্যদিকে,
• আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিনের অন্যতম প্রধান উৎস।
• ম্যাগনেসিয়াম শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং
• আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্লান্ডের কর্মকান্ড ব্যাহত হয় এবং গলগন্ড, বামনত্ব, প্রভৃতি দেখা দেয়।

উৎস:- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫০.
সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) বায়ুপ্রবাহ
  2. খ) সমুদ্রের অগভীর মগ্নচড়া
  3. গ) সমুদ্রের তাপের পরিচলন
  4. ঘ) হিমশৈল
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।

নিয়ত বায়ু প্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। এসব বায়ু প্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির আরো কিছু কারণের মধ্যে - পৃথিবীর আহ্নিক গতি, সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য, সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য উল্লেখযোগ্য।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫১.
কোনটি ওয়াটার গ্যাস নামে পরিচিত?
  1. হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন + কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. মিথেন + হাইড্রোজেন
  4. পানি + কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
• ওয়াটার গ্যাস হলো একটি গ্যাসীয় মিশ্রণ যা হাইড্রোজেন (H₂) এবং কার্বন-মনোঅক্সাইড (CO) দ্বারা গঠিত।

• ওয়াটার গ্যাস:

- এটি সাধারণত কোক বা কোলে স্টিম (বাষ্প) দ্বারা উত্তপ্ত করে প্রস্তুত করা হয়।
- এই প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কোক বা কাঠের কার্বন গ্যাসের সাথে প্রতিক্রিয়া করে কার্বন-মনোঅক্সাইড এবং হাইড্রোজেন উৎপন্ন করে, যা ওয়াটার গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
• রাসায়নিক সমীকরণ:
C (s) + H2O (স্টিম) → CO + H2(ওয়াটার গ্যাস)।

উল্লেখ্য,
কার্বন মনোক্সাইড (CO) খুব বিষাক্ত গ্যাস, এটি নীরব ঘাতক গ্যাস নামে পরিচিত এবং স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৫২.
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে -
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) স্নেহ
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
ব্যাখ্যা
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন (আমিষ)

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এ চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে ।
- অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
- উৎস দিয়ে বিবেচনা করা হলে আমিষ দুই প্রকার: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ।
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির এগুলো প্রাণিজ আমিষ।
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম হচ্ছে উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ। 

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫৩.
একটি পূর্ণবয়স্ক (Term) নবজাতকের ওজন কত কম হলে LBW বাচ্চা বলা হয়?
  1. ক) ৩ কেজি
  2. খ) ২.৫ কেজি
  3. গ) ২ কেজি
  4. ঘ) ১.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা

A term used to describe an infant born weighing 5.5 pounds (2500 grams) or less.
A low birth weight may occur when an infant is born too early (premature). These infants may have an increased risk of serious health problems.
Smoking cigarettes, being exposed to secondhand tobacco smoke, drinking alcohol, and taking certain drugs during pregnancy can increase the risk of having an infant with a low birth weight.
Source: cancer.gov
সুতরাং দেখা যাচ্ছে ২.৫ কেজি বা তার কম ওজনের বাচ্চাদের LBW বাচ্চা বলা হয়।

৫৫৪.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে যে গ্যাসীয় পদার্থসমূহের বলয় রয়েছে তা হল -
  1. ধূমকেতু
  2. নক্ষত্র
  3. গ্রহাণুপুঞ্জ
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ সৌরজগতের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত সূর্যের প্রবল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে বিভিন্ন আকারের গ্রহ (Planet) একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, ডিম্বাকৃতির একটি পথে ক্রমাগত আবর্তিত হচ্ছে।
- এই পথটি কক্ষপথ নামে পরিচিত।
- আবার গ্রহসমূহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রাকারের কিছু গোলাকার বস্তু, যা উপগ্রহ (Satellite) পরিচিত।
- যেমন: পৃথিবী নামক গ্রহটিকে ঘিরে আবর্তিত হয় চাঁদ নামক উপগ্রহ।

⇒ প্রায় এক কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট গ্রহাণু সংখ্যা প্রায় ১৭০০টি।
- বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি নামক গ্রহ দুইটির কক্ষপথের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে এক কিলোমিটার বা তার চেয়ে ক্ষুদ্রায়তনের হাজার হাজার গ্রহাণু (Asteroids), লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু (Comet), উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteoroids), সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় পদার্থসমূহের এক বলয়, যা গ্রহানুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫৫.
পানির উপস্থিতি শনাক্তের জন্য পরীক্ষাগারে যে যৌগটি ব্যবহৃত হয়—
  1. ক) CuSO4.5H2
  2. খ) CuSO4 (অনার্দ্র)
  3. গ) CaSO4
  4. ঘ) Na2SO4
সঠিক উত্তর:
খ) CuSO4 (অনার্দ্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CuSO4 (অনার্দ্র)
ব্যাখ্যা
CuSO4
পানির উপস্থিতি শনাক্তের জন্য পরীক্ষাগারে CuSo4 যৌগটি ব্যবহৃত হয়।
- কপার (II) সালফেট (CuSO4) একটি হাইড্রেটেড, নীল কঠিন - এটি পানির অণুর সাথে সংযুক্ত। - যখন এটি হাইড্রেটেড থাকে, তখন সাধারণত একটি কুপার সালফেট অণুর সাথে পাঁচটি পানির অণু সংযুক্ত থাকে (CuSO4.5H2O).
- CuSO4 গরম করলে এটি ডিহাইড্রেট হবে। 

উৎস: National center for biotechnology center. 
৫৫৬.
ভোল্ট কিসের একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তড়িৎ প্রবাহ
  2. খ) তড়িৎ ক্ষেত্র
  3. গ) তড়িৎ বিভব
  4. ঘ) তড়িৎ আধান
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ বিভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ বিভব
ব্যাখ্যা
• বিভব পার্থক্যের একক - ভোল্ট (V);
• চার্জ বা আধানের একক হচ্ছে - কুলম্ব (C).
• তড়িৎ প্রবাহের একক - এম্পিয়ার (A);
• পরিবাহিতার একক সিমেন্স (S);
• রোধের একক - ওহম (Ω);
• কম্পাঙ্কের একক - হার্জ (Hz).

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
৫৫৭.
লাল লিটমাসকে নীল করে-
  1. ক) এসিড
  2. খ) ক্ষারক
  3. গ) পানি
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষারক
ব্যাখ্যা
লিটমাস পেপার এসিডে ডুবালে সেটি নীল লিটমাস লাল হয়। আবার, ক্ষারকের দ্রবণে ডুবালে লাল লিটমাসকে নীল করে এবং লবনের দ্রবনে লিটমাস পেপার ডুবালে তার রংয়ের কোন পরিবর্তন হবে না।
সূত্রঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।
৫৫৮.
পোস্ট অফিস বক্সের সাহায্যে কী পরিমাপ করা যায়? 
  1. প্রবাহ
  2. আধান
  3. রোধ
  4. বিভব পার্থক্য
সঠিক উত্তর:
রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ
ব্যাখ্যা
পোস্ট অফিস বক্স: 
- যে রোধ বাক্সের রোধগুলোকে হুইটস্টোন ব্রিজের তিনটি বাহু হিসেবে বিবেচনা করে এর সাহায্যে হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি ব্যবহার করে কোনো অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে পোস্ট অফিস বক্স বলে। 
- পোস্ট অফিস বক্স হুইটস্টোন ব্রিজের আরেকটি রূপ। 
- পূর্বে পোস্ট অফিসের লোকজন টেলিগ্রাম, টেলিফোন লাইনের তারের রোধ নির্ণয়ের জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করতেন বলে একে পোস্ট অফিস বক্স বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৫৫৯.
বোরনের অভাবজনিত সমস্যা নয় কোনটি?
  1. উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিস হয়
  2. উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়
  3. কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যাওয়া
  4. ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হওয়া
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিস হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিস হয়
ব্যাখ্যা
বোরন (B): 
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে। 
- প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়। 
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে। 
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়। 
- কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

লৌহ (Fe): 
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়। 
- তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬০.
বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- 
  1. Microbiology
  2. Mycology
  3. Evolution
  4. Embryology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা

– বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution. 

অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,  
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬১.
কম্পোজিট কণিকা কোনটি? 
  1. নিউট্রিনো 
  2. ডিউটেরন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. প্রোটন 
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরন 
ব্যাখ্যা

কণিকা: 
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, সাধারণত যার স্বাধীন অস্তিত্ব নেই, কিন্তু ক্ষুদ্রতম একক রূপে সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকে পরমাণু বলে।
- প্রত্যেক মৌলের প্রতীক দ্বারা ঐ মৌলের পরমাণুকে বোঝানো হয়। 
যেমন- H দ্বারা হাইড্রোজেনের পরমাণু বোঝায়। 
- মূল উপাদানরূপে যে সব অতি সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত, তাদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
১। স্থায়ী মূল কণিকা: 
- যে সব মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে, তাদেরকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে। স্থায়ী মূল কণিকা তিনটি। 
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 
 
২। অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- যে সব মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে থাকে, তাদেরকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। 
যেমন: পাইওন, মিউওন, নিউট্রিনো, মেসন প্রভৃতি। 
- অস্থায়ী মূল কণিকাগুলো সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে অন্য কণিকায় পরিণত হয়। 
 
৩। কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী মূল কণিকা ও অস্থায়ী মূল কণিকা ব্যতিত আরও এক শ্রেণীর ভারী কণিকা বিভিন্ন পরমাণু থেকে পাওয়া যায়, এদেরকে যৌগিক কণা বা কম্পোজিট কণিকা বলে। 
যেমন: আলফা কণিকা, ডিউটেরন কণা। 
 
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।

৫৬২.
ড্রাই আইস কী? 
  1. হিমায়িত ভারি পানি
  2. হিমায়িত অক্সিজেন
  3. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. হিমায়িত কার্বন মনো-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
ড্রাই আইস: 
- শুষ্ক বরফ (Dry ice) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন ঘটে, অর্থাৎ এটি তার কঠিন অবস্থান থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা -78.5° C তাপমাত্রায় (বা -109.3° ফারেনহাইট) পরমানন্দ (sublimation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসে পরিণত হয়। 
- এ কারণে এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫৬৩.
আহ্নিক গতির বেগ কোন অক্ষাংশে সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. ক) সুমেরু বিন্দুতে
  2. খ) মেরু প্রদেশে
  3. গ) কর্কটক্রান্তি রেখায়
  4. ঘ) নিরক্ষরেখায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতি:

- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি।
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন।
- এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- পৃথিবী গোলাকার হলেও এর ব্যাস সর্বত্র সমান নয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৪.
তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে বোঝায়- 
  1. আয়তন প্রসারণ
  2. ক্ষেত্রফল প্রসারণ
  3. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  4. পৃষ্ঠতল প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তরল পদার্থের দৈর্ঘ্য বা ক্ষেত্রফল কিছুই নেই, শুধু তরল পদার্থের আয়তন আছে। 
- তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে তার আয়তন প্রসারণকেই বোঝায়। 
- তরল পদার্থের প্রসারণ মাপার সময় একটু সতর্ক থাকতে হয় কারণ তরল পদার্থকে সব সময়ই কোনো পাত্রে রাখতে হয়। কাজেই প্রসারণ সহগ মাপতে চাইলে যখন তরলটিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে পাত্রটিও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পাত্রটিরও একটি প্রসারণ হয়। কাজেই পাত্রে তরল যে প্রসারণ দেখা যায় সেটা সত্যিকারের প্রসারণ না, সেটা হচ্ছে আপাত প্রসারণ। 
- কাজেই প্রকৃত প্রসারণ বের করতে হলে পাত্রের প্রসারণের ব্যাপারটা সব সময়ই মনে রাখতে হবে। 
- সাধারণত তরলের প্রসারণ কঠিন পদার্থের প্রসারণ থেকে বেশি হয়। যদি তা না হতো তাহলে আপাত প্রসারণটি হয়তো দেখা যেত না, মনে হতো আপাত সংকোচন। 
- তরল পদার্থের প্রসারণের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হচ্ছে থার্মোমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬৫.
সূর্য যে গ্যালাক্সিতে আছে তার নাম -
  1. ক) নেবুলা
  2. খ) কোয়াসার
  3. গ) মিল্কিওয়ে
  4. ঘ) পেলিকান
সঠিক উত্তর:
গ) মিল্কিওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিল্কিওয়ে
ব্যাখ্যা
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম Milky Way বা আকাশ গঙ্গা।
এই ছায়াপথে প্রায় 1011 সংখ্যক নক্ষত্র রয়েছে এবং মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে আর প্রত্যেক গ্যালাক্সিতে রয়েছে আমাদের গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫৬৬.
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে কী সৃষ্টি হয়? 
  1. হারিকেন
  2. বজ্রপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব অনুসারে, পৃথিবীর শিলামণ্ডল কয়েকটি পৃথক প্লেটে বিভক্ত, যা গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে সরে যায়, কখনো একে অপরের থেকে দূরে সরে, আবার কখনো পরস্পরের দিকে আসে বা পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খায়।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলেই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা বেশি ঘটে, বিশেষত যেখানে উঁচু পর্বতশ্রেণী বিদ্যমান।
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলিয়ে ফেলে।
- এই গলিত পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত এবং চাপের ফলে ভূপৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে এলে তা লাভা নামে পরিচিত হয় এবং এই প্রক্রিয়াকে আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলা হয়।
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে যখন পৃথিবী কেঁপে ওঠে, তখন ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫৬৭.
বায়ুমণ্ডলের যে স্তরের আবহাওয়া শান্ত ও শুষ্ক থাকে-
  1. মেসোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বশিষ্ট ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমণ্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬৮.
ডায়রিয়ার কারণ নিচের কোনটি?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. রোটা ভাইরাস
  3. Protozoa
  4. ফাংগাস
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
রোটাভাইরাস,
- রোটাভাইরাস, Reoviridae পরিবারের ভাইরাসগুলির একটি গ্রুপ যা বিশ্বব্যাপী শিশুদের মধ্যে গুরুতর ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসাবে পরিচিত।
- রোটাভাইরাসগুলি অন্ত্রের আস্তরণের কোষগুলিতে বৃদ্ধি পায়, যেখানে তারা তীব্র গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিসের জন্ম দেয়, বিশেষ করে শিশুর ডায়রিয়া এবং শীতকালীন ডায়রিয়া হিসাবে পরিচিত।
- ল্যাটিন শব্দ রোটা মানে "চাকা" এবং এইভাবে রোটাভাইরাসগুলি তাদের চাকার মতো চেহারার জন্য নামকরণ করা হয়েছে, যা একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে স্পষ্ট।
- এগুলিকে আরও গঠনগতভাবে চিহ্নিত করা হয় নন-এনভেলপড ডবল-স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস হিসাবে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৫৬৯.
খাদ্যের কাজ হলো-
  1. ক) দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
  2. খ) দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান
  3. গ) রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা
  4. ঘ) উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি৷ যথাঃ দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ; দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান; রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭০.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলা হয়?
  1. বিন্দু
  2. অনুকেন্দ্র
  3. উপকেন্দ্র
  4. সমকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
উপকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:

- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭১.
কোথায় সুনামি হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. খ) ভারত মহাসাগরে
  3. গ) দক্ষিণ চীন সাগরে
  4. ঘ) প্রশান্ত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
সুনামি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এটি মূলত জাপানি শব্দ। এর অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। সমুদ্র তলদেশে প্রচন্ড মাত্রার ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে কিংবা অন্য কোনো কারণেই ভূ আলোড়নের সৃষ্টি হলে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। ভূকম্পনে সৃষ্ট এ সমুদ্র ঢেউ সুনামি নামে পরিচিত। পৃথিবীর মহাসাগর সমূহের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর অংশে সুনামি হবার সম্ভাবনা সর্বাধিক।
৫৭২.
কোনটি শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে?
  1. খনিজ লবণ
  2. ভিটামিন
  3. স্নেহ
  4. আমিষ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা

আমিষ (Protein): 
- আমিষ বা প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা 16 ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে। 
- নাইট্রোজেন এবং শেষোক্ত উপাদানগুলোর উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা। শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

আমিষের উৎস: 
- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমিষ পাওয়া যায়। 
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। 
যথা- প্রাণিজ আমিষ এবং উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

প্রাণিজ আমিষ: 
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 

উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। একসময় ধারণা করা হতো এগুলো প্রাণিজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর, কারণ উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সবকয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে। 
- অনেক সময়, দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭৩.
গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র নিচের কোনটি?
  1. V ∝ n
  2. V ∝ T
  3. P ∝ T
  4. PV = K
সঠিক উত্তর:
P ∝ T
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P ∝ T
ব্যাখ্যা
গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T
 
চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/ 273; 
- এ সূত্রটি অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T. 

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৫৭৪.
পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে কী ধরনের শক্তি সঞ্চিত থাকে?
  1. স্থিতিশক্তি
  2. আলোকশক্তি
  3. তাপশক্তি
  4. গতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতিশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতিশক্তি
ব্যাখ্যা

• পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে স্থিতিশক্তি (Potential Energy) সঞ্চিত থাকে। এটি মূলত ভর এবং উচ্চতার কারণে সঞ্চিত শক্তি। যেহেতু বরফ পাহাড়ের উচ্চ স্থানে অবস্থিত, তাই তার নিজস্ব ভরের কারণে ভূমিকর্ষণের বিপরীতে একটি সম্ভাব্য শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তি তখন প্রকাশ পায় যখন বরফ নেমে আসে বা কোনাে বলের আঘাতে সরানো হয়, তখন তা গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বরফের মধ্যে আলোকশক্তি বা তাপশক্তি অল্প পরিমাণে থাকতে পারে, কিন্তু প্রধানভাবে শক্তি হিসেবে এটি স্থিতিশক্তি হিসাবেই বিবেচিত হয়। তাই পাহাড়ের চূড়ার বরফে প্রধান শক্তি ধরণ হলো স্থিতিশক্তি।

- সঠিক উত্তর: ক) স্থিতিশক্তি।

• পাহাড়ের চূড়ায় বরফের মধ্যে শক্তি (Energy in Snow on Mountain Peak):
- পাহাড়ের চূড়ায় থাকা বরফকে উপরে তুলে রাখা অবস্থায় একটি বিশেষ ধরনের শক্তি সঞ্চিত থাকে।  
- এই শক্তি মূলত উচ্চতাজনিত শক্তি, অর্থাৎ স্থিতিশক্তি (Potential Energy)।  
- কারণ, যেকোনো বস্তুকে উচ্চ অবস্থানে রাখলে তার নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  
- এই সম্ভাব্য শক্তি স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে, যেমন বরফ নেমে আসার সময়।  
- বরফের মধ্যে আলোকশক্তি বা তাপশক্তি থাকলেও এটি মূলত তার উচ্চতা বা অবস্থানের কারণে সঞ্চিত হয়।  

বিভবশক্তি (Potential Energy):
- বিভবশক্তিকে স্থিতিশক্তিও বলা হয়।
- কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক।
- আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি। যেমন পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি।
- বিভবশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ।
- গতি শক্তিও যান্ত্রিকশক্তির একটি রূপ।
- অর্থাৎ যান্ত্রিক শক্তি দু'প্রকার। যথা- একটি হচ্ছে গতি শক্তি এবং অপরটি হচ্ছে বিভবশক্তি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৫.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো-
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ভিটামিন-সি
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) ভিটামিন-এ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান (পৃষ্ঠা নং - ৯৪)



ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস। সম্ভবত প্রচলিত উত্তর লৌহ। কিন্তু, লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু, প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। পাশপাশি সকল তথ্য দেয়া হল।
----------
লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।
৫৭৬.
সাবান মূলত কোন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ?
  1. অ্যালকোহল 
  2. প্রোটিন 
  3. কার্বোহাইড্রেট 
  4. ফ্যাটি অ্যাসিড 
সঠিক উত্তর:
ফ্যাটি অ্যাসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাটি অ্যাসিড 
ব্যাখ্যা

- সাবান মূলত উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি লবণ। 

সাবান: 
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK) । 
এখানে, R কে অ্যালকাইল মূলক বলা হয়, R এর সাধারণ সংকেত CnH2n+1 যেখানে n এর মান 12 থেকে 18 পর্যন্ত। 
যেমন: সোডিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COONa এবং পটাশিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COOK । 
- তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরি হয়। 
- সাবান ও গ্লিসারিন তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে। 
- সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সাবান এবং গ্লিসারিনের মিশ্রণের মধ্যে NaCl যোগ করলে গ্লিসারিন পাত্রের নিচে অবস্থান করে এবং সাবানের অণুগুলো NaCl কে ঘিরে একত্র হয়ে পাত্রের উপরের দিকে কেকের আকারে ভেসে উঠে, একে সোপ কেক বলে। 
- সোপ কেককে ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে পৃথক করে বিভিন্ন আকৃতির ছাঁচে ঢেলে বিভিন্ন আকৃতির সাবান তৈরি করা হয়। 
- সাবান একটি পরিষ্কারক দ্রব্য যা তেল বা চর্বি এবং ক্ষার থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে সাবানকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- ১। প্রসাধনী সাবান এবং ২। লন্ড্রি সাবান। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭৭.
ইথানলকে কোন খাতে জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়? 
  1. বিদ্যুৎ সংরক্ষণে
  2. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে 
  3. তাপ ইঞ্জিনে 
  4. শীতাতপ নিয়ন্ত্রণে 
সঠিক উত্তর:
তাপ ইঞ্জিনে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ইঞ্জিনে 
ব্যাখ্যা
জ্বালানি হিসেবে ইথানলের ব্যবহার: 
- ইথানল-এর অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল। 
- ইথানলের রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH. 
- জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন- কেরোসিন, ডিজেল, পেট্রল প্রভৃতির মতো ইথানলকে পোড়ালেও তাপ উৎপন্ন হয়। 
- তাই জীবাশ্ম জ্বালানির মতো ইথানলকেও তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান, জাহাজ প্রভৃতি চালানো যেতে পারে। 
- উত্তর আমেরিকাসহ অনেক দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে ইথানলকে মিশিয়ে তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সব গাড়িতে পেট্রলের সাথে শতকরা 10 ভাগ ইথানল মিশিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই যত ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে ততই জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৮.
সিলিকনের সাথে বোরন যুক্ত হলে কোন অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়?
  1. ক) n-টাইপ
  2. খ) p-টাইপ
  3. গ) pn-টাইপ
  4. ঘ) np-টাইপ
সঠিক উত্তর:
খ) p-টাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p-টাইপ
ব্যাখ্যা
সিলিকনের সাথে ফসফরাস যুক্ত হলে n-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়।
সিলিকনের সাথে বোরন যুক্ত হলে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী গঠিত হয়।
৫৭৯.
নিচের কোনটি উপধাতু?
  1. ক) জার্মেনিয়াম
  2. খ) আর্সেনিক
  3. গ) টেলুরিয়াম
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ধাতব ধর্ম (Metalic Properties) :
পর্যায় সারণিতে বিভিন্ন সারিতে এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে অবস্থিত মৌলসমূহকে ধাতু, অধাতু এবং অপধাতুতে ভাগ করা হয়েছে।
মৌলের সুনির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে এদের উল্লিখিত নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

ধাতুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন—
- এরা উচ্চ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী,
- এদের ধাতব দ্যুতি আছে এবং
- এরা নমনীয় প্রকৃতির।

ধাতুর এসব বৈশিষ্ট্যই হলো ধাতব ধর্ম। সাধারণত যেসব মৌলের তড়িৎ ধনাত্মকতা যত বেশি হয় এবং আয়নিকরণ শক্তি যত কম হয় ঐ সব মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি হয়। পর্যায় সারণিতে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যেহেতু বাম থেকে যতই ডানে যাওয়া যায় ততই পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ধনাত্মকা হ্রাস পায় তাই মৌলের ধাতু ধর্মও হ্রাস পায়। তাই পর্যায় সারণির বামে 1 এবং 2 শ্রেণির মৌলসমূহের ধাতু ধর্ম প্রবল অথচ ডান পার্শ্বের 17 শ্রেণির মৌলের ধাতব ধর্ম নেই বললেই চলে। পর্যায় সারণির মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থিত জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, টেলুরিয়াম প্রভৃতি উপধাতু ।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৫৮০.
বাদুড় ওড়ার সময় কোন ধরনের শব্দ তৈরি করে?
  1. ক) স্বাভাবিক শব্দ
  2. খ) আলট্রাসাউন্ড
  3. গ) ইনফ্রাসাউন্ড
  4. ঘ) শব্দেতর
সঠিক উত্তর:
খ) আলট্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলট্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা
বাদুড় ওড়ার সময় শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে। বাদুড়ের তৈরি এই শব্দ আমরা শুনতে পাই না, কারণ শব্দটি আলট্রাসাউন্ড অর্থাৎ আমাদের শােনার বাইরের কম্পাঙ্কের শব্দ। বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে। উৎসঃ ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান
৫৮১.
সমুদ্রের জোয়ারভাটা থেকে কোন ধরনের শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. তাপশক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা

জোয়ারভাটা শক্তি (Tidal Energy) হলো সমুদ্রের পানির উত্থান-পতনের ফলে সৃষ্ট যান্ত্রিক শক্তি, যা টারবাইনের সাহায্যে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়। পানির গতি ও চাপের পরিবর্তন থেকে এই শক্তি উৎপন্ন হয়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তির একটি উৎস।

জলবিদ্যুৎ:
- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টার্বাইন ঘোরানো হয়।
- এই ট্রার্বাইনের ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৫৮২.
নিচের কোনটি RNA-এর নাইট্রোজেন বেস?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) ইউরাসিল
  3. গ) পিরিডক্সিন
  4. ঘ) অ্যাসপারজিন
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
- জীবের রাসায়নিক গঠনের উপাদান DNA।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
- RNA তে ও চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল।
- থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি   
৫৮৩.
নিচের কোনটি সঠিক খাদ্য শৃঙখল?
  1. ঘাস ফড়িং → ঘাস → সাপ → ব্যাঙ
  2. ব্যাঙ → ঘাস ফড়িং → ঘাস → সাপ
  3. সাপ → ঘাস ফড়িং → ঘাস → ব্যাঙ
  4. ঘাস → ঘাস ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ
সঠিক উত্তর:
ঘাস → ঘাস ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘাস → ঘাস ফড়িং → ব্যাঙ → সাপ
ব্যাখ্যা
সকল প্রাণীই শক্তির জন্য প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
উদ্ভিদ সূর্যের আলাে ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে। পােকামাকড় উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে। আবার ব্যাঙ পোকামাকড়কে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। একইভাবে সাপ ব্যাঙ খায় এবং ঈগল সাপ খায়। এভাবেই শক্তি উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে প্রবাহিত হয়। বাস্তুসংস্থানে উলি থেকে।
প্রাণীতে শক্তিপ্রবাহের এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়াই হলাে খাদ্যশৃঙ্খল। সবুজ উদ্ভিদ থেকেই প্রতিটি খাদ্য শৃঙ্খলের শুরু।

উৎসঃ বিজ্ঞান, ৫ম শ্রেণি
৫৮৪.
পলিমার ও প্লাস্টিক তৈরিতে কার্বনের কোন বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা
  2. কাঠিন্যতা
  3. যৌগ গঠনের ক্ষমতা
  4. উচ্চ তাপ পরিবাহিতা
সঠিক উত্তর:
যৌগ গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগ গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
পলিমার ও প্লাস্টিক তৈরিতে কার্বনের যৌগ গঠনের ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
-  কার্বন (C) একে একে চারটি বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম, যা তাকে বিভিন্ন ধরনের জটিল যৌগ গঠনে সক্ষম করে তোলে।
-  এটি ক্লোরিন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং অন্যান্য মৌলগুলির সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে, যার ফলে বিভিন্ন ধরনের পলিমার ও প্লাস্টিক তৈরি করা সম্ভব হয়।
-  পলিথিন, পলিপ্রোপিলিন, নাইলন ইত্যাদির পলিমার গঠন করা হয় কার্বন সম্বলিত মনোমারের সাহায্যে।  

অন্যদিকে, 
বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা:  এটি সাধারণত পলিমার ও প্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য নয়।

কাঠিন্যতা: কাঠিন্যতা (hardness) প্লাস্টিকের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়।

উচ্চ তাপ পরিবাহিতা: প্লাস্টিকের মধ্যে সাধারণত কম তাপ পরিবাহিতা থাকে কারন পলিমার সাধারণত তাপ কুপরিবাহী।

তথ্যসূত্র: 
- রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- রসায়ন ২য় পত্রএকাদশ-দ্বাদশ। 
- "Polymer Chemistry: An Introduction" by Malcom P. Stevens. 
৫৮৫.
পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্র সমান হয়-
  1. ২৩ অক্টোবর ও ২২ ডিসেম্বর
  2. ২২ ডিসেম্বর ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত ২২ ডিসেম্বর। 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত ২১ জুন। 
- পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। 
- এই সময় সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় তাই সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫৮৬.
দৃশ্যমান আলোর তুলনায় এক্সরে রশ্মির -
  1. ক) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
  2. খ) কম্পাঙ্ক কম
  3. গ) ভেদন ক্ষমতা বেশি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) ভেদন ক্ষমতা বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভেদন ক্ষমতা বেশি
ব্যাখ্যা

সাধারণ আলো অস্বচ্ছ পদার্থকে ভেদ করতে পারেনা। এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। এক্স-রশ্মি অনেক কিছু ভেদ করে যেতে পারে। যেমন, মানুষের শরীর, কাঠ এমনকি লোহাকেও ভেদ করতে পারে।
এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৮৭.
'কমা' আকৃতির ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Spirillum
  2. Bacillus
  3. Vibrio
  4. Sarcina
সঠিক উত্তর:
Vibrio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vibrio
ব্যাখ্যা
• ভাইব্রিও (Vibrio) বা কমা (Comma):
- সামান্য বাঁকা বা কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে কমা বলে।
- উদাহরণ:` Vibrio cholerae

অন্যদিকে,
- ব্যাসিলাস (Bacillus) বহুবচনে ব্যাসিলি pl. Bacilli]:
- বেলুনাকার বা দন্ডাকৃতির কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাসিলাস বলে।

- স্পাইরিলাম (Spirillum) বহুবচনে স্পাইরিলা, pl. spirillal:
- সর্পিলাকারে কুন্ডলিত বা প্যাঁচানো আকৃতির কোষ বিশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম বলে।

- সারসিনা (Sarcina) :
- এক্ষেত্রে গোলাকৃতির ব্যাকটেরিয়া একত্রে সমান সমান দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা বিশিষ্ট একটি ঘন তলের মত গঠন করে।
উদাহরণ: Sarcina aurantiaca.

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫৮৮.
বিভবশক্তি সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. অপর নাম স্থিতিশক্তি
  2. উচ্চতার উপর নির্ভর করে
  3. যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বিভবশক্তি সম্পর্কিত উল্লিখিত সবগুলো তথ্যই সঠিক।

• বিভবশক্তি:

- বিভবশক্তিকে স্থিতিশক্তিও বলা হয়।
- বিভবশক্তি হচ্ছে বস্তুর স্থিতিজনিত শক্তি।
- বিভবশক্তি নির্ভর করে উচ্চতার উপর।
- কোন বস্তু তার অবস্থা বা অবস্থানে স্থিতিশীল থাকার ফলে যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই বস্তুটির বিভশক্তির পরিমাপক।
- আবার বস্তুও বিভিন্ন অংশের পরিবর্তনের ফলে বস্তু যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে বস্তুর বিভব শক্তি।
- যেমন পানির ট্যাংকে রক্ষিত পানি এবং দেয়ালে ঝুলানো ছবি যে শক্তি প্রাপ্ত হয় তাই হচ্ছে এদের বিভবশক্তি।
- বিভবশক্তি যান্ত্রিক শক্তির একটি রূপ।
- বস্তু কর্তৃক সম্পন্ন কাজ বা বিভবশক্তি,
Ep = বল × সরণ (উচ্চতা)
⇒ Ep = mgh

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৯.
একটি PV cell উৎপন্ন করে
  1. AC voltage
  2. DC voltage
  3. Both AC and DC voltages
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
DC voltage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DC voltage
ব্যাখ্যা
- একটি ফটোভোলটাইক (পিভি) সেল, সাধারণত একটি সৌর কোষ হিসাবে পরিচিত, একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা আলোক শক্তিকে ফটোভোলটাইক প্রভাবের মাধ্যমে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।
- এই কোষগুলি সৌর প্যানেলের বিল্ডিং ব্লক।
- PV কোষ DC voltage উৎপন্ন করে। একাধিক কোষ একটি সৌর প্যানেল বা মডিউল গঠন করতে সংযুক্ত করা হয়।
- এই প্যানেলগুলি উচ্চ শক্তি আউটপুট উত্পাদন করতে সক্ষম। 
- একটি সৌর অ্যারে তৈরি করতে প্যানেলগুলি সংযুক্ত করা যেতে পারে।
৫৯০.
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
  1. যকৃতের
  2. হৃৎপিন্ডের
  3. অগ্ন্যাশয়ের
  4. কিডনীর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিন্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিন্ডের
ব্যাখ্যা
রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়। স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে ।
 
আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়।
 
 হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। 

হার্ট ব্লক: হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ
অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে ।
হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ
সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে ।
হার্ট ফেইলিউর: হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর
বলে।
 
 উৎস : হৃদপিণ্ডের যত কথা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৯১.
ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক কোনটি? 
  1. অ্যালভিওলাস
  2. ট্র্যাকিয়া
  3. ব্রঙ্কিওল
  4. ব্রঙ্কাস
সঠিক উত্তর:
অ্যালভিওলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালভিওলাস
ব্যাখ্যা
অ্যালভিওলাস (Alveolus): 
- ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক হলো অ্যালভিওলাস। 
- অ্যালভিওলাসগুলো ক্ষুদ্র বুদবুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরী বিশেষ। 
- ডান ফুসফুসে ১০টি ও বাম ফুসফুসে ৮টি লোবিউল থাকে। 
- প্রতিটি লোবিউলে ৫০-৮০টি অ্যালভিওলি থাকে। 
- অ্যালভিওলাসের প্রাচীর চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা গঠিত। 
- এতে কোলাজেন ও ইলাস্টিন তন্তু থাকে। 
- ফলে শ্বসনের সময় সংকোচন ও প্রসারণ সহজ হয়। 
- এছাড়া অ্যালভিওলার বায়ু ও প্রাচীরের কৈশিক জালিকার রক্তের মধ্যে যে গ্যাসীয় বিনিময় সম্পাদিত হয় তার মধ্যবর্তী বিভেদক পর্দাকে শ্বাসপর্দা বলে। 
- শ্বাসপর্দাটি দুটি কোষীয় স্তর ও দুটি ভিত্তিপর্দা নিয়ে গঠিত। 
- এদের মধ্যে একটি এপিথেলিয় আবরণী ও অপরটি এন্ডোথেলিয় আবরণী। 
- বায়ু ও রক্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই মিহিপর্দার উপস্থিতি গ্যাসীয় বিনিময়কে সহজ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
টাইফইয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. Salmonella typhosa
  2. Bacillus dysenteriae
  3. Clostridium tetani
  4. Vibrio cholerae
সঠিক উত্তর:
Salmonella typhosa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Salmonella typhosa
ব্যাখ্যা
• টাইফইয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হচ্ছে Salmonella typhosa.

• কয়েকটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা: 
- ধ্নুষ্টংকার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani.
- আমাশয় রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Bacillus dysenteriae.
- কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae.

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫৯৩.
কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে? 
  1. লোহা
  2. প্লাস্টিক
  3. সিলিকন
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৯৪.
কোন পর্বের প্রাণীদেহে শিখাকোষ পাওয়া যায়?
  1. Porifera
  2. Platyhelminthes
  3. Nematoda
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
Platyhelminthes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platyhelminthes
ব্যাখ্যা
Platyhelminthes (চ্যাপ্টাদেহী কৃমি): 
- Platyhelminthes শব্দটি Greek শব্দ Platy = চ্যাপ্টা এবং Helminthes = কৃমি এ দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত।
- ১৮৫৯ সালে Gogenbour এ পর্বের নামকরণ করেন।
- এ পর্বের আবিষ্কৃত প্রজাতির সংখ্যা ২৯,৪৮৭।

Platyhelminthes পর্বের বৈশিষ্ট্য: 
১। এরা ত্রিস্তরী (Triploblastic), চ্যাপ্টাদেহী ও সাধারণত চোষক বা আংটাযুক্ত অন্তঃপরজীবী কৃমিজাতীয়। 
২। এদের দেহগহ্বর অপ্রকৃত সিলোম। 
৩। এরা উভয়লিঙ্গিক ও দেহ সিলিয়াযুক্ত এপিডার্মিস অথবা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। 
৪। এদের স্বনিষেক হয়। 
৫। শিখাকোষ (flame cell) নামক কোষের সাহায্যে রেচন সম্পাদন করে। 
৬। এদের পরিপাকতন্ত্র অসম্পূর্ণ (পায়ুবিহীন)। 
৭। এদের দেহ দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম। 

- শিখাকোষ (flame cell) হলো planaria (মিঠা পানিতে মুক্তভাবে বাস করা ফ্ল্যাটওয়ার্ম) প্রাণীদের মেসোডার্মে বিদ্যমান টিউবের সাথে সংযুক্ত কোষ। 
- এ কোষগুলো গর্তবিশিষ্ট বাল্ব ধরনের যাদের গুচ্ছাকারে সিলিয়া থাকে। 
- সিলিয়াগুলো প্রচণ্ডভাবে আন্দোলিত হয়ে টিউবের ভেতরে পানির স্রোত তৈরি করে। 
- ফলে বর্জ্য বস্তুসমূহ নির্গমন ছিদ্রের মাধ্যমে বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়। 
- এভাবেই শিখাকোষ রেচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। 
উদাহরণ: Taenia solium-ফিতাকৃমি, Fasciola hepatica-যকৃতকৃমি, Schistosoma ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৫৯৫.
হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর কোনটি?
  1. পেরিকার্ডিয়াম
  2. এপিকার্ডিয়াম
  3. মায়োকার্ডিয়াম
  4. এন্ডোকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃদপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃদপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃদপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃদপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। 

হৃদপিণ্ডের অন্তর্গঠন (Internal Structure): 
হৃদপিণ্ডের প্রাচীর: 
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি (Cardiac muscle) বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। 
যেমন - 
ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৬.
বর্ণহীন প্লাস্টিডের কাজ কী?
  1. ক) খাদ্য সঞ্চয় করা
  2. খ) খাদ্য পরিবহন করা
  3. গ) খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) খাদ্য সঞ্চয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাদ্য সঞ্চয় করা
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড:
- প্লাস্টিডগুলোকে বর্ণাধারও বলা হয়।
- সাধারণত প্রাণী কোষে প্লাস্টিড থাকে না।
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- পাতা, ফুল বা ফলের যে বিচিত্র রঙ দেখা যায় তার সবই এই প্লাস্টিডের কারণে।
- সবুজ প্লাস্টিড প্রধানত খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
- অন্যান্য রঙের প্লাস্টিডগুলো উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গকে রঙিন করে আকর্ষণীয় করে তোলে।
- বর্ণহীন প্লাস্টিড খাদ্য সঞ্চয় করে

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫৯৭.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' কোন বিজ্ঞানী প্রথম ধারণা করেছিলেন? 
  1. আইজ্যাক নিউটন 
  2. জোহান কেল্লার 
  3. নিকোলাস কোপার্নিকাস 
  4. গ্যালিলিও গ্যালিলি
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
ব্যাখ্যা

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৮.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম? 
  1. Netum
  2. Cycus
  3. Pteris
  4. Royal Plam
সঠিক উত্তর:
Cycus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cycus
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বা জীবন্ত ফসিল বলা হয়। 
যেমন- সাইকাস (Cycus)। 

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: 
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল। 
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত, ফলে এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে। 
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে। 
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির। 
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৯.
Which vitamin deficit is the cause of scurvy?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin E
  5. Vitamin K
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
ব্যাখ্যা
ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড: 
- ভিটামিন সি টক স্বাদ বিশিষ্ট। 
- টাটকা শাকসবজি ও ফলে ভিটামিন সি থাকে। 
- আমলকি, লেবু, কমলালেবু, পেয়ারা, কাঁচা, মরিচ, লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, ধনে পাতা, টমেটো, আনারস, কামরাঙা, বাতাবি লেবু ইত্যাদি ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। 
- শুকনা ফল ও টিনজাত খাদ্যে ভিটামিন সি থাকে না। 

কাজ: 
১। দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে। 
২। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে। 
৩। ক্ষতস্থান দ্রুত পুনর্গঠন করে। 
৪। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করে। 
৫। আমিষ ও স্নেহ পদার্থ বিপাকে সাহায্য করে। 

অভাবজনিত অবস্থা: 
- দীর্ঘদিন ধরে ভিটামিন সি -এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, ত্বকে ঘা হয়, ক্ষত শুকাতে দেরি হয়। 
- দাঁত দুর্বল হয়ে অকালে ঝরে পড়ে। 
- অস্থির গঠন মজবুত হয় না। 
- রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যায় ও সহজে ঠান্ডা লাগে। 
- এছাড়া চুল পড়ে ও অরুচি হয়। 

অন্যদিকে, 
- ভিটামিন 'এ' এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। 
- ভিটামিন 'কে' এর অভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। 
- ভিটামিন 'ই' এর অভাব থেকে পেশির দুর্বলতা, অসাড়-ভাব বা চলাফেরায় সমস্যা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরটি ভূত্বকের সবচেয়ে নিকটবর্তী?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere): বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪ সেলসিয়াসের নিচে থাকে।

সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।