বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ৬০১৭০০ / ১৪,০৮০

৬০১.
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে নিম্ন কম্পাঙ্ক (২ - ৫ MHz) কোন অঙ্গের জন্য উপযোগী?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. ত্বক ও চোখ
  3. লিভার ও কিডনি
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
লিভার ও কিডনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিভার ও কিডনি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) লিভার ও কিডনি
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে (২-৫ MHz) কম্পাঙ্ক (Frequency) সাধারণত শরীরের গভীর স্তরের বা ভেতরের অঙ্গগুলো দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মূল কারণ হলো নিম্ন কম্পাঙ্কের শব্দতরঙ্গ টিস্যুর অনেক গভীর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এই কম্পাঙ্ক প্রধানত নিচের অঙ্গগুলোর পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়:
১. পেটের ভেতরের অঙ্গ (Abdominal Organs): যকৃৎ (Liver), পিত্তথলি (Gallbladder), অগ্ন্যাশয় (Pancreas), কিডনি (Kidney) এবং প্লীহা (Spleen)।

২. প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ (Obstetrics and Gynecology): গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের পরীক্ষার জন্য।

৩. গভীর রক্তনালী: শরীরের গভীরে অবস্থিত বড় রক্তনালীগুলোর প্রবাহ পর্যবেক্ষণে।

সহজ কথা: অঙ্গ যত গভীরে হবে, কম্পাঙ্ক তত কম (যেমন ২-৫ MHz) প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, শরীরের উপরিভাগের অঙ্গ (যেমন- থাইরয়েড বা স্তন) পরীক্ষার জন্য উচ্চ কম্পাঙ্ক (৭-১৫ MHz) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬০২.
নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে কোন প্রক্রিয়ায় অযৌন জনন ঘটে? 
  1. খণ্ডায়নের মাধ্যমে
  2. দেহ অঙ্গের মাধ্যমে
  3. স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে
  4. কুঁড়ি বা বাড উৎপাদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
অযৌন জনন: 
- দুটি গ্যামিটের মিলন ছাড়া অন্য উপায়েও জনন হতে পারে। 
- পুংগ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ছাড়া উদ্ভিদে যে প্রজনন ঘটে তাকে অযৌন জনন বলে।  
- অযৌন জনন বিভিন্নভাবে হতে পারে। 
যথা - 
১। দ্বিভাজন প্রক্রিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া ও কয়েক প্রকার এককোষী শৈবালের ক্ষেত্রে মাতৃকোষটি সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে। 
- প্রতিটি অপত্য কোষ বৃদ্ধি পেয়ে পুর্ণাঙ্গ কোষে পরিণত হয়। 

২। কুঁড়ি বা বাড (Bud) উৎপাদনের মাধ্যমে: 
- এককোষী ছত্রাকের মাতৃকোষ হতে এক বা একাধিক কুঁড়ি বা বাড় উৎপন্ন হয়। 
- কুঁড়িগুলো মাতৃকোষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অপত্য কোষে পরিণত হয়। 

৩। অযৌন রেণু বা স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে: 
নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটে। 
যেমন- শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 
- কিছু কিছু শৈবালে চলরেণু বা জুস্পোর (Zoospore) সৃষ্টির মাধমে মাতৃ উদ্ভিদের অনুরূপ উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- Trentepohlia, Oedogonium, Vaucheria, Chaetophora, Ulothrix ইত্যাদি। 

৪। খণ্ডায়নের মাধ্যমে: 
- কিছু কিছু সূত্রাকর শৈবাল স্রোত বা আঘাতজনিত কারণে অনেকগুলো খণ্ডে বিভক্ত হয়। 
- পরে প্রতিটি খণ্ড বিভাজনের মাধ্যমে অপত্য উদ্ভিদদেহে পরিণত হয়। 
উদাহরণ- Spirogyra, Oscillatoria ইত্যাদি শৈবাল। 

৫। দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। যথা - 
(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং 
(খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৩.
ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র কোনটি?
  1. NIPORT
  2. SPARRSO
  3. BCSIR
  4. BTRC
সঠিক উত্তর:
SPARRSO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SPARRSO
ব্যাখ্যা
SPARRSO:

• পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organizations
• এটি বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র।
• এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
• প্রতিষ্ঠা: ১৯৮০ সাল। 
• এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার সাভারে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
• NIPORT: National Institute of Population Research and Training
• BTRC: Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
• BCSIR: Bangladesh Council of Scientific and Industrial Research

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।
৬০৪.
প্রমাণ দ্রবণ কোনটি?
  1. 1.0M Na2CO3
  2. 1.0g H2SO4
  3. 1.0mL H2SO4
  4. 1.0 mol H2SO4
সঠিক উত্তর:
1.0M Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.0M Na2CO3
ব্যাখ্যা
প্রমাণ দ্রবণ: 
- কোনো প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের নমুনা দিয়ে তৈরি করা দ্রবণের ঘনমাত্রা সঠিকভাবে জানা থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ নমুনা দ্রবের প্রমাণ দ্রবণ বলে। 
যেমন- 1M Na2CO3 দ্রবণ, 0.5M Na2CO3 দ্রবণ, 0.1M Na2CO3 দ্রবণ হলো প্রত্যেকেই এক একটি প্রমাণ দ্রবণ। 
কারণ, Na2CO3 প্রথমত প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ এবং দ্বিতীয়ত প্রতিটি প্রস্তুত করা দ্রবণের বেলায় নির্দিষ্ট পরিমাণ Na2CO3 রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিকভাবে ওজন করে দ্রবণটি তৈরি করা হয়। 

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 
- যেসব কঠিন রাসায়নিক পদার্থকে (১) বিশুদ্ধ অবস্থায় প্রস্তুত করা যায়; (২) এরা বাতাসের সংস্পর্শে জলীয় বাষ্প বা O2 সহ বিক্রিয়া করে না; (৩) এদের ওজন নেয়ার সময় রাসায়নিক নিক্তিকে ক্ষয় করে না এবং (৪) এদের দ্রবণের ঘনমাত্রা দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকে, এদেরকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। 
যেমন- 
(১) অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) ক্ষার, 
(২) কেলাসিত ইথেন ডাইওয়িক এসিড বা অক্সালিক এসিড (H2C2O4.2H2O), 
(৩) পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট (K2Cr2O7) জারক পদার্থ, 
(৪) কেলাসিত সোডিয়াম ইথেন ডাইওয়েট বা অক্সালেট (Na2C2O4.2H2O) বিজারক পদার্থ ইত্যাদি হলো প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ। 

সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 
- যে সব পদার্থের মধ্যে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থের চারটি বৈশিষ্ট্যের যেমন বিশুদ্ধতা, বাতাসে অপরিবর্তিত থাকা, রাসায়নিক নিক্তির ক্ষয় না করা অথবা ঘনমাত্রার পরিবর্তন না ঘটা ইত্যাদির মধ্যে কোনো একটির অভাব ঘটলে, এদেরকে সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। 
যেমন- 
(১) NaOH ক্ষার, 
(২) HCl এসিড, 
(৩) H2SO4 এসিড, 
(৪) পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (KMnO4) জারক পদার্থ, 
(৫) সোডিয়াম থায়োসালফেট (Na2S2O3.5H2O) বিজারক ইত্যাদি। 
- এ সব সেকেন্ডারি পদার্থের মোলার দ্রবণ বা ডেসিমোলার (0.1M) দ্রবণ প্রমাণ দ্রবণ হয় না। 
- সেকেন্ডারি পদার্থের দ্রবণকে অপর পদার্থের প্রমাণ দ্রবণ দ্বারা টাইট্রেশন করে এর সঠিক মোলার ঘনমাত্রা নির্ণয় করা হয়। 
- এরূপ সেকেন্ডারি পদার্থের যেমন KMnO4 এর 0.1M দ্রবণ তৈরি করে জারণ-বিজারণ টাইট্রেশনে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৬০৫.
Which is the symbol for Carbonic acid?
  1. H3C2O4
  2. H2CO3
  3. CH3-COOH
  4. C6H8O7
  5. H3PO4
সঠিক উত্তর:
H2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H2CO3
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• ফসফরিক এসিড - H3PO4
• ফরমিক এসিড - H-COOH
• অ্যাসিটিক এসিড - CH3-COOH
• কার্বনিক এসিড - H2CO3
• সাইট্রিক এসিড - C6H8O7
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড - HCI
• নাইট্রিক এসিড - HNO3
• সালফিউরিক এসিড - H2SO4

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৬.
'পশ্চিমা বায়ু' এক ধরনের-
  1. সাময়িক বায়ু
  2. স্থানীয় বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৭.
যকৃত কৃমি কোন ধরনের প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে? 
  1. অরীয় প্রতিসাম্য 
  2. অপ্রতিসাম্য 
  3. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য 
  4. গোলীয় প্রতিসাম্য 
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য 
ব্যাখ্যা

প্রতিসাম্য: 
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে। 
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)। 

খ. অপ্রতিসাম্য: 
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

গ. অরীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)। 

ঘ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: 
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)। 

ঙ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: 
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০৮.
গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই কোন ট্যাবলেট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়? 
  1. ভিটামিন ডি
  2. ফলিক অ্যাসিড
  3. আয়োডিন
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। 

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী:  
- প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে  বলা হয়। 
- তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
- ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৯.
তরল সাবান তৈরি করতে সাধারণত কোন যৌগ বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. NaOH
  2. NH3
  3. HCI
  4. KOH
সঠিক উত্তর:
KOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KOH
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
- সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।
- শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা (NaOH)।
- কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের (KOH) ব্যবহার হয়ে থাকে।
- সাধারণত তুলনামূলক শক্ত ধরনের সাবান তৈরীর জন্যে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) এবং কোমল ধরনের সাবানের জন্যে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH) ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াও,
- সাবানকে শক্ত ও ভারী করার জন্য সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3) ব্যবহার করা হয়।
- তবে, এটা পরিমাণমত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যাতে বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১০.
কোনটি অপরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) লোহা
  2. খ) তামা
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) সিলিকন
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬১১.
‘ফ্লুরোনা‘ কিসের নাম?
  1. ক) এক প্রকার ভাইরাস
  2. খ) ইতালির একটি শহরের নাম
  3. গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
  4. ঘ) এক জাতীয় গোলাপ ফুল
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লু ও করোনা ভাইরাসের সম্মিলিত লক্ষণ
ব্যাখ্যা
- কারোর যদি একই সঙ্গে সাধারণ ফ্লু ও করোনা—এই দুইয়ের উপসর্গ থাকে তাহলে তাকে বলা হচ্ছে ফ্লুরোনা। - এর লক্ষণগুলো হলো জ্বর, কাশি, ক্লান্তি, সর্দি, গলা ব্যথা ইত্যাদি।
- তবে এটি করোনাভাইরাসের নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট বা রূপ নয়। একে অনেকে ডাবল সংক্রমণও বলছেন।

উৎস : কালের কন্ঠ
৬১২.
100 W এর একটি বাতি জ্বালালে প্রতি সেকেন্ডে কত ওয়াট শক্তি ব্যয় হয়?
  1. ক) 1W
  2. খ) 100W
  3. গ) 100/60 W
  4. ঘ) 100/3600 W
সঠিক উত্তর:
খ) 100W
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 100W
ব্যাখ্যা
যদি প্রতি সেকেন্ডে 1 জুল কাজ করা হয় তাহলে আমরা বলি 1ওয়াট (W) কাজ করা হয়েছে বা শক্তির রূপান্তর হয়েছে।
আমরা যদি 100 W এর একটা বাতি জ্বালাই তার অর্থ এই বাড়িতে প্রতি সেকেন্ডে 100W শক্তি ব্যয় হচ্ছে।

যখন আমরা খবরের কাগজ পড়ি, দেশে 1000 MW নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হবে তার অর্থ সেই নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্রে প্রতি সেকেন্ডে 1000 x 10J বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হবে।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬১৩.
শক্তিশালী চুম্বক তৈরীর জন্য কোন ধরনের চৌম্বক পদার্থ প্রয়োজন?
  1. ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) প্যারা-চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ডায়া-চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) যে কোনো চৌম্বক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো-চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের চৌম্বক পদার্থঃ
- প্যারা-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, এদেরকে প্যারা - চৌম্বক বলে। প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে।
যেমন - অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, পন্টিনিয়াম, টিন ইত্যাদি।
- ডায়া-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি।
- ফেরো-চৌম্বক পদার্থঃ যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৬১৪.
বারিমণ্ডলের জলরাশির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধারণ করে -
  1. ভূগর্ভ
  2. হিমবাহ
  3. হ্রদ
  4. বায়ুমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
ব্যাখ্যা
• বারিমণ্ডলে জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
- সমুদ্র -- ৯৭.২৫%, (সবচেয়ে বেশি)
- হিমবাহ -- ২.০৫%,
- ভূগর্ভস্থ পানি -- ০.৬৮%,
- হ্রদ -- ০.০১% 
- মাটির আর্দ্রতা -- ০.০০৫%, 
- বায়ুমণ্ডল -- ০.০০১%, 
- নদী -- ০.০০০১%, 
- জীবমণ্ডল -- ০.০০০০৪%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬১৫.
সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে -
  1. ১ বছর
  2. ১১ বছর
  3. ২২ বছর
  4. ২৯ বছর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
ব্যাখ্যা
শনি (Saturn):
- সূর্য থেকে শনির গড় দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে ২৯ বছর।
- এর ব্যাস প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৬.
সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করলে উক্ত ঘটনাটিকে কী বলা হয়?
  1. অমাবস্যা
  2. সূর্যগ্রহণ
  3. পূর্ণিমা
  4. চন্দ্ৰগ্ৰহণ
সঠিক উত্তর:
চন্দ্ৰগ্ৰহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্ৰগ্ৰহণ
ব্যাখ্যা
• সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।

• চন্দ্ৰগ্ৰহণ:
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।

• পূর্ণিমা:
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে।

• অমাবস্যা:
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৬১৭.
প্রতিসাম্যতার ভিত্তিতে 'অ্যামিবা' কী ধরনের প্রাণী?
  1. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
  2. অপ্রতিসাম্য
  3. অরীয় প্রতিসাম্য
  4. গোলীয় প্রতিসাম্য
সঠিক উত্তর:
অপ্রতিসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রতিসাম্য
ব্যাখ্যা
অ্যানিমেল ডাইভারসিটি বা প্রাণি বৈচিত্র্য: 

প্রকৃতির বিভিন্ন অঞ্চলে সাফল্যমণ্ডিতভাবে বংশবিস্তার করে টিকে থাকার উদ্দেশ্যে প্রাণি প্রজাতিগুলোর বহিঃঅঙ্গসংস্থান ও অন্তঃঅঙ্গসংস্থান, আকার, আকৃতি, প্রকৃতি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে অভিযোজিত হওয়ার ফলে প্রাণীদের মধ্যে যে বৈচিত্র্যময়তার উদ্ভব ঘটে, তাকে প্রাণিবৈচিত্র্য বলে।

প্রতিসাম্য:
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে।
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus).
খ. অরীয় প্রতিসাম্য- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে খ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus).
গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa).
ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica).
ঙ. অপ্রতিসাম্য- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus).



উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬১৮.
ফলগাছ চাষাবাদ বিদ্যাকে কি বলা হয়ে থাকে ?
  1. ক) পমোলজি
  2. খ) ফাইকোলজি
  3. গ) মাইকোলজি
  4. ঘ) পেট্রলজি
সঠিক উত্তর:
ক) পমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পমোলজি
ব্যাখ্যা
ফলগাছ চাষাবাদ বিদ্যাকে বলা হয়ে থাকে  - পমোলজি। অন্য়দিকে –

শৈবাল সংক্রান্ত বিদ্যা  - ফাইকোলজি
ছত্রাক সংক্রান্ত বিদ্যা- মাইকোলজি
শিলাতত্ত্ব বিদ্যা - পেট্রলজি

SOURCE: জীব বিজ্ঞান ,এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৬১৯.
মানুষের মস্তিষ্কে নিউরন রয়েছে প্রায় -
  1. ক) ১০০ মিলিয়ন
  2. খ) ১০০ বিলিয়ন
  3. গ) ১০০ ট্রিলিয়ন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

মানুষের মস্তিষ্কে নিউরন রয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন এবং প্রতিটি নিউরন অন্য সাত থেকে দশ হাজার নিউরনের সাথে সিন্যাপস সংযোগ করে থাকে। নিউরনের প্রধান কাজ উদ্দীপনা বহন করা।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রাণিবিজ্ঞান বই (HSC programm), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২০.
নিচের কোন মৌলটির ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি? 
  1. Be
  2. Ca
  3. Ra
  4. Mg
সঠিক উত্তর:
Be
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Be
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন আসক্তি: 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 
যেমন- 
- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির ২ নং গ্রুপ-এর মৌল। এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি। আবার Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬২১.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় 'আম্ফান' কবে আঘাত হানে?
  1. ক) ২০১৮
  2. খ) ২০১৯
  3. গ) ২০২০
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০
ব্যাখ্যা
- ২০ মে ২০২০ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান।
- এর নামকরণ করে থাইল্যান্ড। আম্ফান অর্থ দৃঢ়তা।
- বাতাসের গতিবেগের দিক থেকে এটিকে বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে তীব্রতম ঘূর্ণিঝড় বলা হচ্ছে।
- এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় ২৭২ কিলোমিটার।
- ফলে এটি তীব্রতায় ১৯৯৯ সালে উড়িষ্যায় আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের (ঘন্টায় ২৬০ কিমি) গতিকেও ছাড়িয়ে যায়।
- তবে প্রাণহানিতে সবচেয়ে প্রলয়ংকারী সাইক্লোন ছিলো ১৯৭০ সালের ঘূর্নিঝড়। এতে প্রায় ৩-৫ লক্ষ মানুষ মারা যায়।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
৬২২.
ডারউইনের মৌলিক অবদান ছিল- 
  1. বিবর্তনের তত্ত্ব আবিষ্কার
  2. বিবর্তনের প্রমাণ নাকচ করা
  3. জীব কোষের গঠন ব্যাখ্যা
  4. বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্তনের প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া
ব্যাখ্যা
ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব: 
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন। 
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন। 

উল্লেখ্য, 
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন। 
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে। জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন। 
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬২৩.
একটি সম্পূর্ণ ফুলের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
• ফুল:
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ থাকে। যথা:
১। পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।
- সাধারণত এটি গোলাকার এবং ফুলের বৃন্তশীর্ষে অবস্থান করে।
- পুষ্পাক্ষের উপর বাকি চারটি স্তবক পরপর সাজানো থাকে।
- এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।

২। বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি।
- এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য হয়।
- বৃতি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে।
- সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।
- বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কীটপতঙ্গ, পশু-পাখি ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে ।

৩। দলমন্ডল:
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল।
- এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।
- সাধারণত রঙ্গিন হয়।
- উজ্জ্বল ঝলমলে রঙের দলমন্ডল পোকামাকড় ও পশু-পাখি আকর্ষণ করে এবং পরাগায়নে সহায়তা করে।

৪। পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়।
- স্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলা হয়।
- একটি পুংস্তবকে এক বা একাধিক পুংকেশর থাকতে পারে।

৫। স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
- এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়।
- একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ । যথা:
- গর্ভাশয়, গর্ভদন্ড ও গর্ভমুন্ড।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৪.
অক্টোপাসের রক্তের রঙ কি?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল
ব্যাখ্যা
- অক্টোপাস সামুদ্রিক প্রাণী। 
- অক্টোপাসের রক্তের রঙ নীল। 
- এটি মলাস্কা পর্ব ও সেফালোপডা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- এটি আট বাহুবিশিষ্ট। 
- অক্টোপাসের তিনটি হৃৎপিণ্ড রয়েছে। 
- অক্টোপাসের বাহ্যিক গঠন ভীতির সৃষ্টি করে বলে একে ডেভিল ফিশ বলা হয়। 

উৎস: Natural History Museum
৬২৫.
যখন দুটি পদার্থকে ঘর্ষণ করা হয়, তখন চার্জ (আধান) সৃষ্টির প্রধান কারণ কী? 
  1. নতুন ইলেকট্রন তৈরি হয়
  2. নিউট্রন চার্জ উৎপন্ন করে
  3. প্রোটন এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে চলে যায়
  4. এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা
আধান বা চার্জের উৎপত্তি: 
- পদার্থ কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত, যার নাম পরমাণু। 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়ে পরমাণু গঠিত। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস, যা প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়ে গঠিত। 
- ইলেকট্রন এই নিউক্লিয়াসের চারপাশে প্রদক্ষিণ করে। 
- প্রোটন ধনাত্মক (+) আধানযুক্ত, ইলেকট্রন ঋণাত্মক (-) আধানযুক্ত এবং নিউট্রন হলো আধান নিরপেক্ষ কণা। 
- প্রোটনের ধনাত্মক চার্জের পরিমাণ ইলেক্ট্রনের ঋণাত্মক চার্জের সমান ও বিপরীতধর্মী। 

- কিন্তু পরমাণু নিজে আধান নিরপেক্ষ, পরমাণু ধনাত্মক বা ঋণাত্মক কোনোটাই নয়। 
- পরমাণুতে কোনো মোট চার্জ থাকে না, কারণ একটি পরমাণুতে যে কয়টি প্রোটন থাকে, সেই কয়টিই ইলেকট্রন থাকে। যার ফলে পরমাণু চার্জ বা আধান নিরপেক্ষ হয়। 
- কিন্তু যখনই দুটো পদার্থকে ঘর্ষণ করা হয়, তখন একটি পদার্থের ইলেকট্রন অন্য একটি পদার্থে স্থানান্তরিত হয় ফলে একটি পদার্থে ইলেকট্রনের আধিক্য দেখা দিতে পারে। 
- ঘর্ষণের ফলে নতুন কোনো আধানের সৃষ্টি হয় না বরং পদার্থের মধ্যে বিদ্যমান ইলেকট্রনে অবস্থিত আধান ইলেকট্রনের সাথে এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬২৬.
অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন কে?
  1. প্যাঙ্কেল
  2. জন মউসলি
  3. লিবনিৎস
  4. চার্লস ব্যাবেজ
সঠিক উত্তর:
চার্লস ব্যাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ:

- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ।
- ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন।
- তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৬২৭.
"Pillars of Creation" বলা হয় কোনটিকে?
  1. পৃথিবী
  2. নীহারিকা
  3. বৃহস্পতি
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাকাশে বিরাজমান সকল নক্ষত্র, গ্রহ-উপগ্রহ, গ্যালাক্সি, ছায়াপথ, উল্কা, ধূমকেতু এবং জৈব ও অজৈব জগতের সকল মহাজাগতিক পদার্থসমূহকে ব্যাপক মহাবিশ্ব ও জ্যোতিষ্কমন্ডলী অর্থে 'জ্যোতিষ্ক' বলে।

⇒ নীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- নীহারিকা হলো নক্ষত্রের জন্মস্থান।
- মহাকর্ষের টানে গ্যাসীয় কণাগুলো একত্র হয়ে ধীরে ধীরে নক্ষত্র গঠন করে।
- নীহারিকা প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা গঠিত।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৮.
মায়োফাইব্রিল কোন ধরনের কোষে দেখা যায়?
  1. পেশি টিস্যু
  2. স্নায়ু টিস্যু
  3. তন্তুজ যোজক টিস্যু
  4. কঙ্কাল যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
পেশি টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশি টিস্যু
ব্যাখ্যা
পেশি টিস্যু:
- ভ্রণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় পেশি টিস্যু।
-এরা সংকোচন এবং প্রসারণশীল টিস্যু।
- এদের মাতৃকা প্রায় অনুপস্থিত।
- পেশি কোষগুলো সরু, লম্বা ও তন্তুময়। তন্তুগুলো মাকু আকৃতির।
- এ ধরনের তন্তুকে মায়োফাইব্রিলও বলা হয়।
- পেশি কোষের সাইটোপ্লাজমে এক বা একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- এদের কোষ পর্দাকে সারকোলেমা বলা হয়।
- আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় ডোরাকাটা পেশি এবং ডোরাবিহীন মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় মসৃণ পেশি।

কাজ:
- পেশি কোষ সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে অঙ্গ সঞ্চালন, চলন ও অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৯.
শব্দের বেগ ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড হলে, প্রতিফলনের ন্যূনতম কোন দূরত্বে প্রতিধ্বনি শোনা যাবে?
  1. ক) ৩৩ মিটার
  2. খ) ১৭.৬ মিটার
  3. গ) ১৫.৬ মিটার
  4. ঘ) ১৬.৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৫ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৫ মিটার
ব্যাখ্যা
আমরা যখন কোন শব্দ শুনি তার অনুভূতি মস্তিষ্কে ০.১ সেকেন্ড সময় পর্যন্ত থেকে যায়। তাই দুটি শব্দ আলাদাভাবে শুনতে হলে দুটি শব্দের মাঝে কমপক্ষে ০.১ সেকেন্ডের একটি ব্যবধান থাকা দরকার।
শব্দের বেগ ৩৩০ m/s হলে ০.১ সেকেন্ডের ব্যবধান তৈরি করতে শব্দকে কমপক্ষে ৩৩ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে। তাই উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব এর অর্ধেক (১৬.৫ মিটার) হলে, শব্দটি গিয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগবে এবং আমরা প্রতিধ্বনি শুনতে পাব।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩০.
"চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে" এটি নিউটনের গতির কোন সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. নিউটনের প্রথম সূত্র
  2. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র
  3. নিউটনের তৃতীয় সূত্র
  4. নিউটনের চতুর্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
নিউটনের প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
১. নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
• উদাহরণ:
- চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

২. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

৩. নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
• উদাহরণ:
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩১.
বর্ণান্ধ লোকেরা কোন কোন রং বুঝতে পারে না?
  1. লাল ও সবুজ
  2. লাল ও নীল
  3. লাল, নীল ও সবুজ
  4. সবুজ ও নীল
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যা
বর্ণান্ধতা: 
- কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা হলো নির্দিষ্ট রং চেনার অক্ষমতা। 
- বর্ণান্ধতা হলো চোখের দৃষ্টিশক্তির এমন একটি অবস্থা, যখন আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক আলোয় বিশেষ কিছু রঙের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে পান না। 
- সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষদের এই রোগ বেশি হয়। প্রতি ১০ জন পুরুষের ১ জনের এই সমস্যা দেখা যায়। 
- কালার ব্লাইন্ডের অন্য একটি নাম ‘কালার ভিশন ডিফিসিয়েন্সি’। 
- মানুষের চোখের ভেতরে রেটিনা নামে একটি পাতলা স্তর রয়েছে, যেটি দুই ধরনের আলোকসংবেদী কোষ বা ফটোরিসেপ্টর বহন করে। 
- এগুলো হলো রড কোষ ও কোন কোষ। 
- কোন কোষ আমাদের বিভিন্ন রং চেনাতে সাহায্য করে এবং এই কোষের মাধ্যমেই আমরা বিভিন্ন রঙের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারি। 
- অন্যদিকে রড কোষ আমাদের আলো শনাক্ত করতে এবং আলোর ধরন বুঝতে সাহায্য করে, কিন্তু রং চেনানোর ব্যাপারে এই কোষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। 
- বর্ণান্ধ হওয়ার ব্যাপারটি তাই কোন কোষের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। 
- আমাদের চোখে তিন ধরনের কোন কোষ রয়েছে। 
- এগুলো তিনটি মৌলিক রং শনাক্ত করতে পারে- লাল, সবুজ ও নীল। 
- চোখের রেটিনায় কোনোভাবে যদি এই তিন ধরনের কোন কোষের যেকোনো একটির ঘাটতি দেখা যায়, তাহলে বর্ণান্ধতা তৈরি হয়। 
- সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়, যখন কোনো ব্যক্তির চোখের রেটিনায় এই তিন ধরনের কোন কোষই অনুপস্থিত থাকে। 
- ওই ব্যক্তি এ ধরনের সমস্যার কারণে সব রংই ধূসর বা সাদা-কালো দেখেন। 
- এমনকি নিজের রক্তও তিনি সাদা-কালো দেখেন। 
- কালার ব্লাইন্ড তিন ধরনের হতে পারে। 
যেমন লাল-সবুজ, নীল-হলুদ ও কমপ্লিট কালার। 

কারণ: 
- বর্ণান্ধ হওয়ার পেছনে জেনেটিক ও বংশগত উভয় কারণই রয়েছে। 
- এছাড়া আরও কিছু কারণ আছে যেমন- ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, গুরুতর আঘাত, চোখে ছানি পড়া। 
- পারকিনসন রোগ, শরীরে ভিটামিন-এ–এর ঘাটতি হলেও বর্ণান্ধতা দেখা দিতে পারে। 
- অনেক সময় স্রেফ বার্ধক্যজনিত কারণেও বর্ণান্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

প্রতিকার: 
- বর্ণান্ধতার কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা নেই। 
- তবে বিশেষ কিছু চশমা (যেমন এনক্রোমা গ্লাস) ও মোবাইলভিত্তিক অ্যাপের সাহায্যে কাজ চালিয়ে নেওয়া যায়। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (৩০ জানুয়ারি, ২০২৩)।
৬৩২.
বর্তমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য প্রেরণ করা হয়- 
  1. তড়িৎ প্রবাহের মাধ্যমে
  2. শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে
  3. আলোক সংকেতের মাধ্যমে
  4. চৌম্বক তরঙ্গের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

- বর্তমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য প্রেরণ করা হয় আলোক সংকেতের মাধ্যমে। অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি এক ধরণের পাতলা তন্তু, যার মধ্য দিয়ে তথ্য পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) প্রক্রিয়ায় আলোর গতিতে যাতায়াত করে। 

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তনু। এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৩৩.
উদ্ভিদের কোন টিস্যু ক্রমাগত বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ ও টিস্যু উৎপন্ন করে?
  1. সরল টিস্যু
  2. ভাজক টিস্যু
  3. স্থায়ী টিস্যু 
  4. ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা

- ভাজক টিস্যু (Meristematic tissue) এমন কোষ দ্বারা গঠিত যা ক্রমাগত বিভাজনে সক্ষম। এই টিস্যু বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের জন্য নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে এবং উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। 

উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৬৩৪.
মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হিসেবে নিচের কোনটি পরিচিত?
  1. অস্টিওব্লাস্ট
  2. শুক্রাণু
  3. নিউরন
  4. মলিকুলার কোষ
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা

নিউরন: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, আর অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত হয়েছে মস্তিষ্ক। 
- প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে, বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তন্ত্রকে স্নায়ুতন্ত্র বলে। 
- মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরন যা প্রায় 1.37 মিটার লম্বা। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৩৫.
পিঁপড়ার কামড়ে জ্বালাপোড়া করে কোন রাসায়নিক পদার্থের কারণে?
  1. ফরমিক এসিড
  2. ম্যালিক এসিড
  3. টারটারিক এসিড
  4. জিংক সালফাইড
সঠিক উত্তর:
ফরমিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমিক এসিড
ব্যাখ্যা
• ফরমিক এসিড:
- পিঁপড়ার কামড়ের মাধ্যমে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে।
- আর মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যার কারণে জ্বালাপোড়া হয় আবার আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায়।
- এসব জ্বালাপোড়ার কারণ হচ্ছে এসিড, যা নিষ্ক্রিয় করতে জিংক কার্বোনেট, বেকিং সোডা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে,
- আপেল, টমেটোতে ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়।
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড পাওয়া যায়।
- সাপের বিষে জিংক সালফাইড  পাওয়া যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৬৩৬.
মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে? 
  1. মেলানিন
  2. থায়ামিন
  3. ক্যারোটিন
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
মেলানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলানিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের ত্বকে উপস্থিত মেলানোসাইট নামক কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উৎপন্ন করে যা গায়ের রঙ ফর্সা বা কালো হওয়ার জন্য দায়ী। 
- পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নামক রাসায়নিক উৎপন্ন হতে পারে যা ঘুমের উপর প্রভাব বিস্তার করে। 
- মেলানিনের অনুপস্থিতিতে চামড়ায় কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ফলে চামড়া সাদা হয়। এটাই অ্যালবিনিজম নামে পরিচিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৬৩৭.
নিচের কোনটি বায়োমের উদাহরণ?
  1. সুন্দরবন
  2. মেরু অঞ্চল
  3. তৃণভূমি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বায়োম: 
- পৃথিবীর কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের জীবগোষ্ঠীর জীবগুলি যখন ক্রম পরিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে থেকেও সহনশীলভাবে ও শৃঙ্খলা বদ্ধভাবে বসবাস করে তখন সে জীবগোষ্ঠীকে বায়োম বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, জলবায়ু প্রভাবিত এক একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জীব-সম্প্রদায়কে বায়োম বলে।
- বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে একটি বায়োমের জীবগোষ্ঠী অন্য একটি বায়োমের জীবগোষ্ঠী থেকে আলাদা এবং প্রত্যেকেরই ভিন্ন ও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থাকে।
উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে- সুন্দরবন অঞ্চলের আবহাওয়া ও পরিবেশ ভিন্ন ধরনের, সে কারণে সেখানে গড়ে উঠেছে একটি স্বতন্ত্র বায়োম।
- এমনিভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু ও মাটির প্রভাবে গড়ে উঠেছে ভিন্ন ভিন্ন বায়োম।
- যেমন-অরণ্য, মরুভূমি, তৃণভূমি, মেরুঅঞ্চল ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৮.
কোন অ্যালকোহল খাবার বা পানীয়ে ব্যবহারযোগ্য?
  1. প্রোপানল
  2. মেথিলেটেড স্পিরিট
  3. মিথানল
  4. ইথানল
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা

• খাবার বা পানীয়ে ব্যবহারযোগ্য অ্যালকোহল হলো ইথানল (ঘ)। ইথানল সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলে মানবদেহের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং এটি বিভিন্ন খাদ্য, পানীয় ও ওষুধে ব্যবহৃত হয়। মদ্যপ পানীয়, ভিনেগার প্রস্তুতকরণ এবং ফুড ফ্লেভার এক্সট্রাকশনে ইথানল ব্যবহারের প্রচলন আছে। অন্যদিকে প্রোপানল, মিথানল ও মেথিলেটেড স্পিরিট মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও বিষাক্ত। বিশেষ করে মিথানল অল্প পরিমাণে গ্রহণ করলেও অন্ধত্ব বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মেথিলেটেড স্পিরিটে বিষাক্ত পদার্থ মেশানো থাকে, তাই তা খাদ্যে ব্যবহারযোগ্য নয়।

• অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন: 
মিথানল: 
- মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। 
- প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। 
- এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit) । 

ইথানল: 
- সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। 
- প্রাপ্ত কাচাঁমালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। 
- ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 

ফারমেন্টেশন: 
- জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। 
যেমন: শ্বেতসার হতে ইথানল উৎপাদন। 

মেথিলেটেড স্পিরিট: 
- ইথানল একমাত্র অ্যালকোহল যা পানীয় হিসেবে পান করা যায়। 
- অধিক পরিমাণ ইথানল পান বিষ ক্রিয়া প্রদর্শন করে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে বা শিল্পে ব্যবহৃত ইথানলকে মানুষের পানের অযোগ্য করার জন্য এতে বিষাক্ত মিথানল (৪%) মিশিয়ে দেয়া হয়। 
- মিথানল মিশ্রিত এ ধরনের রেকটিফাইড স্পিরিটকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। একে ডিনেচারড অ্যালকোহলও (Denatured alcohol) বলা হয়ে থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩৯.
নিচের কোনটির অভাবে ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়?
  1. ক) আয়রন
  2. খ) বোরন
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বোরন
ব্যাখ্যা
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।


- ম্যাগনেশিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।


- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়।


- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়।


- বোরন (B) কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃড়তা দেয়। বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।


- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃড়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।


- বোরনের অভাবে কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কান্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬৪০.
মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থিটি হচ্ছে - 
  1. থাইরয়েড
  2. ত্বক
  3. যকৃত
  4. নিউরন
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা

• মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত (গ)। এটি আমাদের শরীরের ডান দিকের উপরের অংশে অবস্থান করে এবং ওজন প্রায় ১.৫ কিলোগ্রামের কাছাকাছি হয়। যকৃত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, যেমন রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ, হজমের জন্য পিত্ত (bile) তৈরি, প্রোটিন ও শর্করা সংরক্ষণ এবং রক্তের বিভিন্ন উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা। এটি আমাদের দেহের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। অন্য গ্রন্থিগুলো যেমন থাইরয়েড, যা হরমোন উৎপাদন করে, বা নিউরন, যা স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, সেগুলো যকৃতের তুলনায় আকারে ছোট। তাই বৃহত্তম গ্রন্থি হিসেবে যকৃতকে ধরা হয়।
 
• যকৃত:
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ।
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে।
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট।
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে।
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।

• যকৃতের কাজ:
- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে।
- ক্ষারীয় পিত্তরস পিত্তথলিতে জামা রাখে।
- পিত্তরসে কোন এনজাইম থাকে না, তাই যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত রাখে।
- রক্তে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে গ্লুকোজ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- পিত্তরস চর্বি জাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে পরিপাকে সহায়তা করে।
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রোজনজনিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪১.
রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরীতে সাহায্য করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
খ) আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়রন
ব্যাখ্যা
আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরীতে সাহায্য করে। ফলে রক্তস্বল্পতা দূর হয়।
সূত্রঃ ৩৪তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
৬৪২.
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. নিউমোনিয়া
  4. চোখ ওঠা
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
[নিউমোনিয়া ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম দ্বারাও সৃষ্ট হতে পারে। সে হিসেবে অপশনের সবগুলো রোগই ভাইরাসজনিত। তবে যেহেতু নিউমোনিয়া ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য অনুজীবের সংক্রমণে হতে পারে, তাই এই প্রশ্নের বেস্ট অপশন হিসেবে নিউমোনিয়া উত্তর হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। মূল পরীক্ষায় আপনার নিজস্ব বিবেচনায় উত্তর করতে পারেন।]
===========================

ভাইরাস ঘটিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: এইডস, জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা ইত্যাদি। 

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ট ইত্যাদি। 

• চোখ ওঠা রোগকে বলে কনজাংটিভাইটিস। চোখের কনজাংটিভা নামক পর্দার প্রদাহই চোখ ওঠা রোগ। এ রোগটি মূলত ভাইরাসজনিত এবং ছোঁয়াচে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই [লিঙ্ক]
৬৪৩.
বায়ুমন্ডলে নিচের উপাদানগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে?
  1. জলীয়বাষ্প
  2. আর্গন
  3. অক্সিজেন
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি -- ৭৮.০১%।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ থাকে, অক্সিজেন -- ২০.৭১%,

এছাড়া অন্যান্য উপাদান থাকে,
- আর্গন -- ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প -- ০.৪১%
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড -- ০.০৩%
- অন্যান্য গ্যাস -- ০.০২% ও
- ধূলিকণা ও কণিকা --- ০.০১% 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

অপশনগুলোর মধ্যে বায়মন্ডলে অক্সিজেনের সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।
৬৪৪.
জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে কোন বন্যার সৃষ্টি হয়?
  1. নগর বন্যা
  2. আকস্মিক বন্যা
  3. মৌসুমী বন্যা
  4. উপকূলীয় বন্যা
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood): 
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। 
- অধ্যাপক Chambers এর মতে, 'Flood is a condition of abnormally great flow of water in the river'. 
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়। 

বন্যার প্রকারভেদ: 
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে। 
যথা-মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা। 
১. মৌসুমী বন্যা (Seasonal Flood): 
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে মৌসুমী বন্যা বলে। 
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না বরং ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তবে মাঝে মাঝে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। 

২. আকস্মিক বন্যা (Flash Flood): 
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে। 
- বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়। 
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। 

৩. উপকূলীয় বন্যা (Coastal Flood): 
- উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয়, তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে। 

৪. নগর বন্যা (Urban Flood): 
- নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা দেখা দেয়। এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে। 
- ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৫.
নিচের কোন বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?
  1. ক) সেতার
  2. খ) গীটার
  3. গ) একতারা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্থির তরঙ্গ
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। 
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। 
- এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে। 
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে। 
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে। 
- প্রথমোক্ত বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং শেষোক্ত বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির। 
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। 
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৬.
ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) এক্স রে
  2. খ) আল্ট্রাসাউন্ড
  3. গ) ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম
  4. ঘ) সিটি স্ক্যান
সঠিক উত্তর:
খ) আল্ট্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আল্ট্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা

ইকোকার্ডিওগ্রাফী কি
ইকোকার্ডিওগ্রাফী এক প্রকার পরীক্ষা পদ্ধতি যাতে আলট্রাসাউন্ড ওয়েভ ব্যবহার করে হার্টের বিভিন্ন অংশ দেখা হয়। আলট্রাসাউন্ড ওয়েভ হল অতি দ্রুত গতির শব্দ তরঙ্গ যা মানুষের কানে ধরা পড়ে না।
ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে যন্ত্রের সাহায্যে হৃৎযন্ত্রের কার্যক্রমের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়ন করা যায়। শব্দের প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। শব্দতরঙ্গ হচ্ছে যান্ত্রিক তরঙ্গ যা মাধ্যমের সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে শব্দের প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করা হয়। আল্ট্রাসনোগ্রাফি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ হৃৎপিন্ডের যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। এই প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত তরঙ্গের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব মনিটরে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সুত্রঃ এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪৭.
'মিথাইল অরেঞ্জ' নির্দেশক ক্ষারকে কোন রং প্রদর্শন করে?
  1. ক) লাল
  2. খ) নীল
  3. গ) কমলা
  4. ঘ) হলুদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হলুদ
ব্যাখ্যা
- মিথাইল অরেঞ্জ নির্দেশকের বর্ণ হচ্ছে কমলা।
- এটি এসিডে গোলাপী এবং ক্ষারকে হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করে।

এছাড়া আরো কিছু নির্দেশক হলো-

• লিটমাস কাগজ - এসিডে লাল এবং ক্ষারকে নীল বর্ণ প্রদর্শন করে।
• মিথাইল রেড - নির্দেশকের বর্ণ লাল, এসিডে লাল এবং ক্ষারকে হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করে।
•  ফেনলফথ্যালিন - নির্দেশকের বর্ণ বর্ণহীন, এসিডে বর্ণহীন এবং ক্ষারকে গোলাপী বর্ণ প্রদর্শন করে।

সুত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির রসায়ন বই
৬৪৮.
অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ কোনটি? 
  1. লোহা 
  2. জার্মেনিয়াম 
  3. তামা
  4. প্লাস্টিক 
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে, যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী।
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে, যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪৯.
সেরিকালচার দিয়ে কী বুঝায়? 
  1. মৎস্য চাষ 
  2. রেশম চাষ
  3. চিংড়ি চাষ 
  4. মৌমাছি চাষ 
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ: 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - পিসিকালচার; 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - প্রণকালচার; 
- মৌমাছির চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এপিকালচার; 
- রেশমের চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - সেরিকালচার
- উদ্যানবিদ্যা বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - হর্টিকালচার; 
- পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এভিকালচার; 
- সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যাকে বলে - মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৬৫০.
'ন্যানাস' শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ইংরেজি
  3. গ) স্প্যানিশ
  4. ঘ) তামিল
  5. ঙ) গ্রিক
সঠিক উত্তর:
ঙ) গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) গ্রিক
ব্যাখ্যা
ন্যানো মূলত পরিমাপের একক।গ্রিক শব্দ ন্যানাস থেকে ন্যানো শব্দের উৎপত্ত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৬৫১.
তেল বা চর্বিকে NaOH বা KOH দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে কী উৎপন্ন হয়?
  1. এসিড
  2. লবণ
  3. সাবান
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবান
ব্যাখ্যা

• তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH)–এর জলীয় দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ (Hydrolysis / Saponification) করলে সাবান উৎপন্ন হয়।

• সাবান (Soap):
- সাবান একটি বহুল ব্যবহৃত পরিষ্কারক পদার্থ, যা দেহ ও কাপড়–চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আধুনিক জীবনে সাবানের পাশাপাশি ডিটারজেন্ট, ইমালশন, পলিশ ইত্যাদিও পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• রাসায়নিক গঠন:
- সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
 
• কাঁচামাল:
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো তেল বা চর্বি।
 
• সাবান তৈরির প্রক্রিয়া:
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) অথবা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH)–এর জলীয় দ্রবণের সাথে আর্দ্র বিশ্লেষণ (Hydrolysis) করলে—
- সোডিয়াম সাবান অথবা
- পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
 
• উপজাত পদার্থ:
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন (Glycerin) পাওয়া যায়।

উৎস: রসায়ন, নবম–দশম শ্রেণি।

৬৫২.
কোন খনিজ উদ্ভিদের পানি শোষণ ও পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে?
  1. পটাশিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. আয়রন
  4. ম্যাগনেসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পুষ্টিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের ভূমিকা: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- কিছু ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ভূমিকা নিম্নে বর্ণনা করা হলো- 
১। নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেন নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাঁধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 

২। ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হবে। 

৩। পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

৪। ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 
- উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

৫। আয়রন: 
- আয়রন সাইটোক্রোমের সাংগঠনিক উপাদান, কাজেই বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। 
- ক্লোরোফিল সৃষ্টিতেও আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৫৩.
বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে কত বার দিক পরিবর্তন করে?
  1. আশি
  2. সত্তর
  3. পঞ্চাশ
  4. ষাট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহ: 
- কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। 
যথা- 
(ক) অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা সমপ্রবাহ বা একমুখী প্রবাহ এবং 
(খ) পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা পরিবর্তী প্রবাহ। 

(ক) অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

(খ) পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬৫৪.
কোন কিংডমের প্রাণীরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে?
  1. প্রটিস্টা
  2. ফানজাই
  3. প্লান্টি
  4. অ্যানিমালিয়া
সঠিক উত্তর:
ফানজাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফানজাই
ব্যাখ্যা
সুপার কিংডম ইউক্যারিওটা:
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে সুপার কিংডম ইউক্যারিওটা কে আবার চারটি কিংডমে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-

ফানজাই:
- এরা সাধারণত বহুকোষী এবং দেহ মাইসেলিয়া দ্বারা গঠিত।
- এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
- সালোকসংশ্লেষণকারী বর্ণ কণিকা অনুপস্থিত তাই এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ফলে এরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে।
- এদের পরিবহন টিস্যু নেই।
- হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে।
উদাহরণ- মিউকর, পেনিসিলিয়াম, অ্যাগারিকাস ইত্যাদি। 

প্রটিস্টা:
- প্রটিস্টা কিংডমের অন্তর্ভুক্ত সকল সদস্য প্রকৃতকোষী কিন্তু সত্যিকারের উদ্ভিদ, প্রাণী বা ছত্রাকের কোনোটিই নয়। 
- এদের প্রকৃত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এবং নিউক্লিয়োলাস বিদ্যমান থাকে ।
- এরা অধিকাংশই জলজ ।
উদাহরণ- বিভিন্ন ধরনের অ্যামিবা, শৈবাল, স্লাইম মোল্ড, ওয়াটার মোল্ড, কাইট্রিডস ইত্যাদি।

প্লান্টি:
- অপর নাম মেটাফাইটা।
- এরা বহুকোষী জীব।
- এদের প্রকৃত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান।
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে।
- কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
- সকল মস্, ফার্ণ, নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদ এ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত।

অ্যানিমালিয়া:
- অপর নাম মেটাজোয়া।
- দেহে ক্লোরোফিল অনুপস্থিত তাই নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না।
যেমন- মানুষ, বাঘ, ইলিশ মাছ, গরু, মহিষ, হাঁস, মুরগী ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৫.
নিম্নের কোন উপাদানটি মঙ্গল গ্রহে সবচেয়ে বেশি রয়েছে?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন 
  3. অক্সিজেন 
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ)।

মঙ্গল (Mars):

- মঙ্গল পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৬৫৬.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে বস্তুর ওজন- 
  1. স্থির থাকে
  2. বাড়ে
  3. কমে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬৫৭.
উদ্ভিদে পানি শোষণে সাহায্য করে কোনটি?
  1. পটাশিয়াম
  2. নাইট্রোজেন
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদে পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষ বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হয়। 

ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৫৮.
কোন ধাতুর Ductility সর্বোচ্চ?
  1. কাচা লোহা
  2. তামা
  3. জিঙ্ক
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
• Ductility বা নমনীয়তা:
- Ductility বা নমনীয়তা (নমনশীলতা) হলো একটি পদার্থের সেই বৈশিষ্ট্য, যার মাধ্যমে সেটিকে সহজেই তার (wire) আকারে টানা যায়, ভেঙে না গিয়ে।
- সোনার (Gold - Au) Ductility সর্বোচ্চ।

• কারণ:
- এটি অত্যন্ত নমনীয় এবং প্রসারণযোগ্য ধাতু।
- মাত্র ১ গ্রাম সোনা দিয়ে প্রায় ২ কিলোমিটার (২০০০ মিটার) লম্বা তার তৈরি করা যায়!
- সোনা সহজে না ভাঙে, না ফাটে, বরং খুব পাতলা ও লম্বা আকৃতিতে টানা যায়।
- এটি অন্যান্য ধাতুর তুলনায় বেশি নমনীয়, তাই গয়না, বৈদ্যুতিক তার ও ন্যানো টেকনোলজিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫৯.
মহাদেশীয় ভূত্বক কোন দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  3. নিকেল ও লোহা
  4. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ‘ভূত্বক’ নামে পরিচিত।
- ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।
- মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা ‘সিয়াল’ (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
- মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা ‘সিমা’ (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬৬০.
সরু তারের ব্যাস নির্ণয়ে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. স্লাইড ক্যালিপার্স 
  2. তুলা যন্ত্র
  3. স্ক্রু গজ 
  4. মিটার স্কেল 
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ 
ব্যাখ্যা

স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়। 
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়। 
- স্ক্রু যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬১.
১৯০১ সালে প্রথম মানবদেহের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন-
  1. লুই পাস্তুর
  2. জি. ল্যামেটার
  3. উইলিয়াম হার্ভে
  4. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
সঠিক উত্তর:
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
ব্যাখ্যা
• ১৯০১ সালে প্রথম মানবদেহের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার।

• রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমামেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণিবিন্যাসকে রক্ত গ্রুপ (Blood Group) বলে।
- আমেরিকার জীববিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার (Karl Landsteiner) ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন।
- রক্ত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণিবিন্যাস করেন, তা ABO ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত।
- অনেক সময় একে ল্যান্ডস্টেইনার এর ব্লাড গ্রুপ বলে।

• রক্ত গ্রুপের বৈশিষ্ট্য:

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬২.
চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম কী? 
  1. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. ক্যালসিয়াম সালফেট
  3. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3)
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO). 
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক নাম - Fe2O3.nH2O. 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬৩.
ডায়োডের কোন অংশকে ফরোয়ার্ড টার্মিনাল বলা হয়?
  1. গেট 
  2. সোর্স 
  3. ক্যাথোড
  4. অ্যানোড 
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড 
ব্যাখ্যা

- ডায়োডের অ্যানোড অংশকে ফরোয়ার্ড টার্মিনাল বা ধনাত্মক টার্মিনাল বলা হয়। ডায়োডের কার্যপদ্ধতি অনুযায়ী, যখন অ্যানোডকে ব্যাটারির পজিটিভ (+) প্রান্তের সাথে এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ (-) প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়, তখন ডায়োডটি 'ফরোয়ার্ড বায়াস' অবস্থায় থাকে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয়। 

ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬৪.
নিচের কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য?
  1. বীজে বীজপত্র একটি থাকে
  2. পাতার শিরাবিন্যাস সাধারণত সমান্তরাল
  3. পুষ্প ট্রাইমেরাস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• একবীজপত্রী উদ্ভিদ:
- যেসব আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে তাদেরকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। 
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ হলো ধান, গম, ভুট্টা, আঁখ, পেঁয়াজ ইত্যাদি।

• একবীজপত্রী উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য:
- বীজে বীজপত্র একটি থাকে। 
- এদের মূল সাধারণত গুচ্ছ প্রকৃতির হয়।
- পাতার শিরাবিন্যাস সাধারণত সমান্তরাল।
- পুষ্পে পুষ্পপত্রের সংখ্যা ৩ বা এর গুণিতক (৩টি, ৬টি বা ৯টি) অর্থাৎ পুষ্প ট্রাইমেরাস।
- বীজ পত্রের অবস্থান শীর্ষক এবং ভ্রূণমুকুল পার্শ্বীয়।
- গৌণ বৃদ্ধি ঘটে না।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৬৬৫.
কোনটি দ্বারা শাকসবজির চাষ বোঝায়?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. হর্টিকালচার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি দ্বারা শাকসবজির চাষ বোঝায়?

সমাধান:
শাকসবজি, ফুল ও ফলের বাণিজ্যিক চাষকে উদ্যান তত্ত্ব (Horticulture) বলা হয়।

[অপশনে - olericulture এবং horticulture থাকলে শাকসবজির চাষের ক্ষেত্রে অবশ্যই olericulture দাগাতে হবে,

তবে অপশনে olericulture না থাকলে - horticulture-ই সঠিক উত্তর।]

হর্টিকালচার (Horticulture):
হর্টিকালচার বা উদ্যানপালন পুষ্টি, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ফল, সবজি, ফুল, মশলা এবং শোভাবর্ধক গাছপালা চাষের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, মানুষের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে। এছাড়াও, এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয়ের একটি বড় উৎস। 

অন্যান্য অপসনসমূহ, 
এপিকালচার (Apiculture) — মৌমাছি পালন।
সেরিকালচার (Sericulture) — রেশম উৎপাদনের জন্য রেশমকীট পালন।

উৎস:
১. কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৬৬.
সাধারণত হাইড্রোজেন বলতে হাইড্রোজেনের কোন আইসোটোপকে বোঝায়?
  1. প্রোটিয়াম
  2. ডিউটেরিয়াম
  3. ট্রিটিয়াম
  4. হাইড্রোজেন-৪
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
ব্যাখ্যা
• সাধারণত হাইড্রোজেন বলতে হাইড্রোজেনের প্রথম আইসোটোপ প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 

• হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে।
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।

• সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই (1H) বোঝায়। 


তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৬৬৭.
মিথেনের দহন কোন ধরনের পরিবর্তন? 
  1. রাসায়নিক পরিবর্তন
  2. ভৌত পরিবর্তন 
  3. ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন উভয়ই 
  4. জৈব পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- পরিবেশে সবসময় নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটছে।  
- একটুকরা লোহাকে খোলা অবস্থায় বাতাসে কিছুদিন রেখে দিলে তার উপর এক প্রকার আবরণ পড়ে, এটিকে মরিচা বলে। আবার তাপদিলে বরফ গলে পানি হয় ও পানি এক সময়ে আরো তাপে বাষ্পে পরিণত হয়। 
- পরিবেশে সব সময় পদার্থের দুই প্রকারের পরিবর্তন ঘটে। 
যেমন- একটি হলো ভৌত পরিবর্তন ও অপরটি হলো রাসায়নিক পরিবর্তন। 
১। ভৌত পরিবর্তন (Physical Change): 
- ভৌত পরিবর্তনে কোনো নতুন অণু বা পরমাণুর সৃষ্টি হয় না, বরং পদার্থের অবস্থা (যেমন- ভৌত অবস্থা, বৈদ্যুতিক অবস্থা বা চৌম্বক অবস্থা) পরিবর্তিত হয়। 
যেমন- 
ইস্পাতের চুম্বকত্ব: 
- ইস্পাতকে চুম্বক দ্বারা ঘর্ষণ করলে এটি একসময় লোহাকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা পায়, তবে এতে ইস্পাতের গঠন বা উপাদানে কোনো পরিবর্তন হয় না, শুধুমাত্র তার চৌম্বক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। 

লবণ দ্রবণ: 
- খাবার লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ তৈরি হলে এবং পরে উত্তপ্ত করলে পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায়, এবং শুধু লবণই অবশিষ্ট থাকে। এতে লবণের গঠন বা সংযোগে কোনো পরিবর্তন ঘটছে না, কেবল অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে।

অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পরিবর্তন: 
- তাপে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড বাষ্পীভূত হয়ে শীতল স্থানে জমা হয়, তবে এতে কোনো নতুন উপাদান তৈরি হচ্ছে না, শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। 

২। রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change): 
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের পরমাণু বা আণবিক গঠন পরিবর্তিত হয় এবং নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়।
যেমন- 
জ্বালানি পুড়ানোর মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- কয়লা, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, কেরোসিন ইত্যাদি পুড়িয়ে তাপ, আলো এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই পরিবর্তনে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O2) একত্রিত হয়ে নতুন পদার্থ CO2 সৃষ্টি করে, এবং এতে তাপশক্তির পরিবর্তন ঘটে। 

উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ: 
- উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CO2 ও পানি গ্রহণ করে, এবং ক্লোরোফিলের সাহায্যে স্টার্চ বা সেলুলোজ উৎপন্ন করে। সালোকসংশ্লেষণ একটি রাসায়নিক পরিবর্তন, কারণ নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়। 

মিথেনের দহন: 
- মিথেন (CH4) ও অক্সিজেন (O2) জ্বালালে CO2 ও পানির (H2O) সৃষ্টি হয়, এতে মূল পদার্থের গঠন পরিবর্তিত হয়ে নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় যা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। 

শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়া: 
- দেহে খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী ও অন্ত্রের মাধ্যমে খাবারের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যা শক্তি ও পুষ্টি প্রদান করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬৮.
তড়িৎ প্রবাহের একক কোনটি?
  1. ক্যান্ডেলা
  2. কুলম্ব
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

• তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

অন্যদিকে, 
- আলোক তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা। । 
- রোধেের একক ওহম।
- আধানের একক কুলম্ব।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬৯.
AIDS রোগ প্রথম কোন দেশে চিহ্নিত হয়?
  1. আমেরিকা
  2. ব্রাজিল
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• এইডস রোগ: 
- সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)। 
- এটি একটি সংক্রামক রোগ। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়। 
- রক্তের লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতের মাধ্যমে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে যা AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ধীরে ধীরে এই ক্ষমতা কমতে থাকে। 

- এই কারণে এ রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে- AIDS ( Acquired Immune Deficiency Syndrome)। 
- এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে। 
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। 
- দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর HIV রক্তের শ্বেত কণিকার T- লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। 
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে। 
- প্রধাণত যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমেই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে HIV সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে সদ্যোজাত শিশুর দেহে এ রোগ সংক্রমিত হতে পারে, এছাড়াও রক্ত সঞ্চালন কিংবা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জের মাধ্যমে এ রোগ সঞ্চারিত হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো, HIV সংক্রমণ কীভাবে ঘটে সে সম্পর্কে সবাইকে শিক্ষা দেওয়া। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৭০.
ভাইরাস আবিষ্কার করেন কে?
  1. ওয়াল্টার রিড
  2. হারভে জে. অল্টার
  3. দিমিত্রি আইভানোভস্কি
  4. গ্যালো
সঠিক উত্তর:
দিমিত্রি আইভানোভস্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিমিত্রি আইভানোভস্কি
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস:
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিষ।
- বিজারিঙ্ক প্রথম ভাইরাস নামটি প্রবর্তন করেন।
- ভাইরাসের দেহ বাইরের প্রোটিন আবরণ এবং অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA অথবা RNA) এই দুটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- ভাইরাস জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধির মাধ্যমে রোগ সৃষ্টি করে থাকে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে।
- ভাইরাস অকোষীয়। 
- ১৮৯২ সালে দিমিত্রি আইভানোভস্কি ভাইরাস আবিষ্কার করেন
- ওয়াল্টার রিড ১৯০১ সালে সর্বপ্রথম মানুষের দেহে পীত জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৪ সালে গ্যালো মানুষের মরণব্যাধি এইডস রোগের ভাইরাস HIV আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৯ সালে হারভে জে. অল্টার মানুষের নীরব ঘাতকব্যাধি হেপাটাইটিস-সি ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
- F. C. Bawden এবং N. W. Pirie ভাইরাসের রাসায়নিক প্রকৃতি বর্ণনা করেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান। 
৬৭১.
ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক সাধারণত কত?
  1. 2-10 Hz
  2. 2-10 kHz
  3. 2-10 MHz
  4. 2-10 GHz
সঠিক উত্তর:
2-10 MHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-10 MHz
ব্যাখ্যা

- ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গ বা আল্ট্রাসাউন্ডের কম্পাঙ্ক সাধারণত 2 থেকে 10 মেগাহার্টজ (MHz) এর মধ্যে থাকে। 

ইকোকার্ডিওগ্রাফি: 

- ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের সাহায্যে হৃৎযন্ত্রের কার্যক্রমের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়ন করা যায়। 
- শব্দের প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ হচ্ছে যান্ত্রিক তরঙ্গ যা মাধ্যমের সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে শব্দের প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করা হয়। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। 
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ হৃৎপিণ্ডের যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। এই প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত তরঙ্গের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব মনিটরে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এক্ষেত্রে 2-10 MHz কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- টিস্যুর মধ্যে শব্দ তরঙ্গ সাধারণত 1540 ms-1 এবং রক্তের মধ্যে 1570 ms-1 বেগে সঞ্চালিত হয়। 
- আপতিত শব্দ তরঙ্গ হৃৎযন্ত্রের টিস্যুর সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে হৃৎযন্ত্রের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত হতে থাকে। 
- যত বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, প্রতিফলিত বিম্বের স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা তত বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭২.
পানি পরাগী ফুল -
  1. ক) কদম
  2. খ) পাতাশেওলা
  3. গ) কচু
  4. ঘ) শিমুল
সঠিক উত্তর:
খ) পাতাশেওলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাতাশেওলা
ব্যাখ্যা
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে৷
যেমনঃ পাতাশেওলা।
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়৷ তবে ছোটো হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সাজানো থাকে৷
যেমনঃ কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৭৩.
হিগস কণা (Higgs Boson) আবিষ্কারের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার
  2. স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ
  3. হাবল স্পেস টেলিস্কোপ
  4. কেপলার স্পেস অবজারভেটরি
সঠিক উত্তর:
লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার
ব্যাখ্যা
◉ লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার (LHC) বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী পার্টিকল অ্যাক্সিলারেটর, যা সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের সীমান্তে অবস্থিত CERN-এ স্থাপন করা হয়েছে। ২০১২ সালে এখানেই হিগস বোসনের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়, যা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

হিগস বোসন: 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। 
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্ডরিত হয়। 
এই হিগস বোসন কণাই ঈশ্বর কণা ( God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
৬৭৪.
সুনামি কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) চীনা
  2. খ) উত্তর কোরিয়ান
  3. গ) জাপানি
  4. ঘ) ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানি
ব্যাখ্যা

Tsunami একটি জাপানি শব্দ। সু অর্থ বন্দর এবং নামি অর্থ ঢেউ। সুতরাং সুনামি অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্মরণকালের ভয়ঙ্কর সুনামি ঘটেছিলো।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৬৭৫.
দেহ থেকে হৃদপিন্ডে রক্ত বহন করে নিয়ে যায় যে রক্তনালী -
  1. ক) আর্টারি
  2. খ) ক্যাপিলারি
  3. গ) ভেইন
  4. ঘ) নার্ভ
সঠিক উত্তর:
গ) ভেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভেইন
ব্যাখ্যা
- যে সব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃদপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি (Artory) বলে।
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিন্ডে বহন করে নিয়ে
আসে, তাদের শিরা (Vein) বলে।
 
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৭৬.
যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে কোনটি?
  1. বৈদ্যুতিক মোটর
  2. জেনারেটর
  3. ট্রান্সফর্মার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
ব্যাখ্যা
কয়েকটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র এবং কাজের ধরণ:

• বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
• ডায়নামো বা জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
• লাউড স্পিকার তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
• এমিটার - বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপ করে।
• ভোল্টমিটার- বিভব পার্থক্য পরিমাপ করে।
• ট্রান্সফরমার - একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সির কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি পদার্থবিজ্ঞান বই।
৬৭৭.
কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত রশ্মি নিচের কোনটি? 
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার: 
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ। 
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে। 
- অর্থাৎ কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়। 
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৮.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কোনটি?
  1. হীরক
  2. ইস্পাত
  3. টাইটেনিয়াম
  4. প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
হীরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরক
ব্যাখ্যা
• কার্বন:
- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক।
- হীরক কাঁচ কাটতে ব্যবহার করা হয়।
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস  তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৭৯.
অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয় কোনটিতে?
  1. ক) মোটরে
  2. খ) জেনারেটরে
  3. গ) ট্রান্সফর্মারে
  4. ঘ) সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
চুম্বক:
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায় । 

কৃত্রিম চুম্বক:
কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক, 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮০.
বায়ুমণ্ডলের শীতলতম অঞ্চল কোনটি?
  1. আয়নোস্ফিয়ার
  2. মেসোস্ফিয়ার
  3. ট্রপোস্ফিয়ার
  4. স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
মেসোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর হলো ৫০-৮৫ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত মেসোস্ফিয়ার।
- এ স্তরের শুরু থেকে তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে এবং ৮৩ কি.মি. উচ্চতায় -৯৩°সে. তাপমাত্রায় বায়ুমণ্ডল শীতলতম অবস্থায় পৌঁছে।
- মেসোস্ফিয়ারে তাপমাত্রা হ্রাসের কারণ হলো এ অঞ্চলে UV- রশ্মি শোষণকারী ওজোন গ্যাস এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের অনুপস্থিতি। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬৮১.
নিচের কোনটি ভিটামিন-এ এর কাজ নয়?
  1. ক) দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা সজীব রাখা।
  2. খ) হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ।
  3. গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা।
  4. ঘ) দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করা।
সঠিক উত্তর:
গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা।
ব্যাখ্যা
প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ডিম, গরুর দুধ, মাখন, ছানা, দই, ঘি, যকৃৎ ও বিভিন্ন তেলসমৃদ্ধ মাছে, বিশেষ করে কড মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন A পাওয়া যায়।
উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে ক্যারােটিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি, যেমন- লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পাটশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, পুদিনা পাতা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বাঁধাকপি, মটরশুটি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন: আম, পাকা পেঁপে, কাঁঠাল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে।
ভিটামিন A যেসব কাজ করে সেগুলাে হলাে:

১. দেহের স্বাভাবিক গঠন এবং বর্ধন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ নিশ্চিত করে।
২. দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন: ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে।
৩. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে।
৪. দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করে।
৫. দেহে রােগ সংক্রমণ প্রতিরােধ করে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৬৮২.
সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল কত?
  1. ২ সেকেন্ড
  2. ১ সেকেন্ড
  3. ৫ সেকেন্ড
  4. ১০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

সরল দোলক:
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।

সরল দোলন গতি:
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে।

সেকেন্ড দোলক:
- যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে

কার্যকরী দৈর্ঘ্য:
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

৬৮৩.
নিচের কোনটি সুপরিবাহী?
  1. ক) সিলিকন
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম
  3. গ) জার্মেনিয়াম
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। 
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়।
- যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী।
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে। 
- যেমন- কাঁচ, কাঠ, রাবার, পাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ।
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- যেমন: জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম  ইত্যাদি  অর্ধপরিবাহী পদার্থ।

সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৪.
রোধ পরিমাপের একক কোনটি?
  1. কুলম্ব (C)
  2. অ্যাম্পিয়ার (A)
  3. ওহম (Ω)
  4. ভোল্ট (V)
সঠিক উত্তর:
ওহম (Ω)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওহম (Ω)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ওহম (Ω)

• রোধ:
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ (ইলেকট্রন প্রবাহ) বাধাগ্রস্ত হয় বা বিঘ্নিত হয়, তাকে রোধ (Resistance) বলে।
- এটি পরিবাহীর এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা বিদ্যুৎ চলাচলের বিরোধিতা করে।
- পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদ, উপাদান এবং তাপমাত্রার ওপর রোধ নির্ভর করে।
- এই রোধ বা Resistance-এর একক হচ্ছে ওহম (Ohm)।
- এটাকে গ্রিক অক্ষর Ω (ওমেগা) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- কোনো বস্তুর দুই প্রান্তে 1 V বিভব পার্থক্য প্রযুক্ত হলে যদি দেখা যায় 1 A বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে সেই বস্তুর রোধ 1 Ω।
- বৈদ্যুতিক রোধ (Resistance) পরিমাপের প্রধান যন্ত্রের নাম ওহমমিটার (Ohmmeter)।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব (C)।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (A)।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট (V)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৮৫.
স্ফিগ্‌মোম্যানোমিটার কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ে
  2. খ) মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ে
  3. গ) মোটর গাড়ির গতি নির্ণয়ে
  4. ঘ) সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপে
সঠিক উত্তর:
খ) মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হলো - স্ফিগমোম্যানোমিটার;
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার;
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ওডোমিটার;
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।

সূত্র: ব্রিটানিকা
৬৮৬.
ফার্ণের দেহ ____ বিভক্ত
  1. ক) মূল
  2. খ) কান্ড
  3. গ) পাতা
  4. ঘ) উপরের সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
ফার্ণের দেহ মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত। যেমনঃ ঢেঁকিশাক।
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৬৮৭.
পরাগরেণুর নিউক্লিয়াস কোন প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়?
  1. মিয়োসিস
  2. অ্যামাইটোসিস
  3. মাইটোসিস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোসিস
ব্যাখ্যা
• পরাগরেণু হচ্ছে পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ।
• পরাগরেণুর হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস গঠন করে।
• এদের বড়টিকে বলা হয় নালিকা পরাগধানীর প্রাচীর ফেঁটে গেলে সাধারণত এ দ্বি-নিউক্লিয়াসযুক্ত পরাগরেণু বাইরে বেরিয়ে আসে।
• এ পরাগরেণু বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় এবং পরাগায়ন ঘটায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৮৮.
জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য কোন যন্ত্র আবিষ্কার করেন? 
  1. টেলিস্কোপ
  2. ক্রেস্কোগ্রাফ
  3. ব্যারোমিটার
  4. স্পেকট্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রেস্কোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেস্কোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান: 
- আচার্য স্যার জগদীশচন্দ্র বসু একদিকে ছিলেন একজন প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী; অন্যদিকে একজন সফল জীববিজ্ঞানী। 
- এই উপমহাদেশে তিনি ছিলেন প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া একজন বিজ্ঞানী। জগদীশচন্দ্র বসুর পূর্বপুরুষেরা থাকতেন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে।
- তার জন্ম হয় 1858 সালের 30 নভেম্বর, ময়মনসিংহে।
- তার বাবা ভগবানচন্দ্র বসু ফরিদপুর জেলার একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তার লেখাপড়া শুরু হয় ফরিদপুরের গ্রামীণ বিদ্যালয়ে, পরে কলকাতায় হেয়ার স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন। 1880 সালে বিএ পাস করার পর তিনি ইংল্যান্ড যান এবং 1880-1884 সালের ভেতরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্সসহ বিএ এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। 
- 1885 সালে মাতৃভূমিতে ফিরে এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন। সেই যুগে তার কলেজে গবেষণার তেমন কোনো সুযোগ ছিল না, তার পরও তিনি গবেষণার কাজ চালিয়ে যান। দিনের বেলায় তার নানারকম ব্যস্ততা ছিল। তাই গবেষণার কাজ করতেন রাতের বেলায়। 

- বৈদ্যুতিক তার ছাড়া কীভাবে দূরে রেডিও সংকেত পাঠানো যায় এ বিষয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেন। 1895 সালে তিনি প্রথমবারের মতো বেতারে দূরবর্তী স্থানে রেডিও সংকেত পাঠিয়ে দেখান। 
- মাইক্রোওয়েভ গবেষণার ক্ষেত্রেও তার বড় অবদান আছে, তিনিই প্রথম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণের তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার পর্যায়ে (প্রায় 5 মিলিমিটার) নামিয়ে আনতে সক্ষম হন। 
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রেডিও সংকেতকে শনাক্ত করার জন্য অর্ধপরিবাহী জংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কার পেটেন্ট করে বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার পরিবর্তে তিনি সেটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কারিগরি, প্রযুক্তিবিদ এবং পেশাজীবীদের প্রতিষ্ঠান "ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (IEEE)" তাঁকে রেডিও বিজ্ঞানের একজন জনক হিসেবে অভিহিত করেছে। 

- পরবর্তী সময়ে জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদ শারীরতত্ত্বের ওপর অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেন। এর মাঝে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ আবিষ্কার, খুব সূক্ষ্ম নড়াচড়া শনাক্ত এবং বিভিন্ন উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য। আগে ধারণা করা হতো উদ্দীপকের সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি হচ্ছে রাসায়নিক, কিন্তু তিনি দেখিয়েছিলেন এটি আসলে বৈদ্যুতিক। 
- 1917 সালে উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করার জন্য তিনি কলকাতায় বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু বাংলায় লেখা রচনাবলি 'অব্যক্ত' নামক গ্রন্থে সংকলিত করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য একটি গ্রন্থ হচ্ছে "Response in the living and nonliving". 
- 1937 সালের 23 নভেম্বর জ্ঞানতাপস আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮৯.
কোনো ধাতুর উপর জিংক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে বলে- 
  1. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  2. ভলকানাইজিং
  3. গ্যালভানাইজিং
  4. টিনপ্লেটিং
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
ব্যাখ্যা

• গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়।

• ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

৬৯০.
Which plant organelle is responsible for carrying out photosynthesis?
  1. Ribosome
  2. Golgi body
  3. Nucleus
  4. Lysosome
  5. Chloroplast
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chloroplast
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণুটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী। এতে ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সূর্যের আলোকে শোষণ করতে পারে। এই শোষিত শক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদ কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য ও অক্সিজেন তৈরি করে।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই - অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরী করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)।

• সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান:
- ক্লোরোপ্লাস্ট,
- সূর্যালোক,
- পানি,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড।
 
• সালোকসংশ্লেষণের গুরুত্ব:
- খাদ্য তৈরি: উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে, যা অন্যান্য প্রাণী ও মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে।  
- অক্সিজেন সরবরাহ: সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন নির্গত হয়, যা জীবনের জন্য অপরিহার্য।  
- পরিবেশের ভারসাম্য: কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখে। 

• ক্লোরোপ্লাস্ট:
- ক্লোরোপ্লাস্ট হল উদ্ভিদ কোষের মধ্যে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু, যেখানে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে।
- ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাকা ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ সূর্যালোক শোষণ করে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটিকে সম্পন্ন করে। 

অন্যান্য অপশন:
- Ribosome: রাইবোজোম কোষের প্রোটিন তৈরির প্রধান স্থান হিসেবে কাজ করে এবং এতে সালোকসংশ্লেষণের জন্য কোনো রঞ্জক থাকে না।
- Golgi body: গলগি বডি কোষের বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- Nucleus: নিউক্লিয়াস কোষের বংশগতির তথ্য ধারণ করে এবং সমস্ত বিপাকীয় কাজ পরিচালনা করে তবে সালোকসংশ্লেষণ সরাসরি সম্পন্ন করে না।
Lysosome: লাইসোজোম কোষের ভেতরে আসা জীবাণু ধ্বংস এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ করে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৬৯১.
আবহাওয়ায় ৯০% আদ্রতা মানে-
  1. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
  2. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প
  3. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
  4. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%
সঠিক উত্তর:
বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা বলতে বুঝায়, বায়ু যতখানি জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে সম্পৃক্ত অবস্থায় তার ৯০% জলীয় বাষ্প রয়েছে। 

আর্দ্রতা: 
- কোনো এলাকার বায়ুমণ্ডলে প্রকৃতপক্ষে যতখানি জলীয় বাষ্প আছে এবং যতখানি জলীয় বাষ্প থাকতে পারে তার শতকরা অনুপাতই হলো আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 
- বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে আর্দ্রতা বলে। 
- কোন স্থানের আর্দ্রতা সেই স্থানের বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। 
- যে বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, সে বায়ু জলবায়ুকে অধিক প্রভাবিত করে। 
- ফলে সেই এলাকায় দিনে খুবই গরম পড়ে এবং রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ে। 
- বায়ুর আর্দ্রতা সূর্যকিরণকে ভূপৃষ্ঠে আসতে অধিক বাঁধা সৃষ্টি করে বলে এ অবস্থা হয়। 
- বর্ষাকালে অধিক আর্দ্রতার কারণে রোগবালাই এবং পোকামাকড় দ্বারা ফসল সহজেই আক্রান্ত হয়। 
- শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে অর্থাৎ বাতাসে আর্দ্রতা অনেক কম থাকে। 
- শীতকালে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭২% থেকে ৮৫% হয় থাকে। 
- অপরদিকে গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে এই আর্দ্রতা হয় ৮৩% থেকে ৯০% পর্যন্ত। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯২.
দিনাজপুর জেলার বড় পুকুরিয়ায় কোন খনিজ প্রকল্পের কাজ চলছে?
  1. ক) কঠিন শিলা
  2. খ) কয়লা
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) কাঁদামাটি
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
ব্যাখ্যা
- আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাখনির মধ্যে অন্যতম দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে।

_____________________________
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৬৯৩.
কোন জারক রস পাকস্থলিতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
  1. ক) মেলানিন
  2. খ) হরমোন
  3. গ) এসিটিক এসিড
  4. ঘ) রেনিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেনিন
ব্যাখ্যা

• দুধ একটি আদর্শ খাবার।
• এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
• দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
• এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
• দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬৯৪.
কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে?
  1. ক) এডামেন্টিয়াম
  2. খ) মার্কারি
  3. গ) ড্রাই হিলিয়াম
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) মার্কারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্কারি
ব্যাখ্যা
পারদ(Mercury) একমাত্র মৌলিক ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় (Room temperature) তরল থাকে।
পানি একটি তরল পদার্থ যা দুটি অধাতুর (অক্সিজেন এবং হাইড্রোজন) সমন্বয়ে তৈরি।
কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে উচ্চচাপে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে রাখা হলে তা তরল অবস্থায় থাকে৷
হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস৷
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই৷
৬৯৫.
Among the following, which substance is not radioactive?
  1. Na
  2. Rn
  3. Ra
  4. Th
  5. U
সঠিক উত্তর:
Na
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে। 

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। 
- এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

অন্যদিকে, 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয় - সোডিয়াম (Na)। 
- সোডিয়াম হলো একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক Na এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১১। 
- এটি পর্যায় সারণীর তৃতীয় পর্যায়ে এবং প্রথম শ্রেণীতে অবস্থিত। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৯৬.
যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো-
  1. লাল, হলুদ, নীল
  2. লাল, কমলা, বেগুনী
  3. হলুদ, সবুজ, নীল
  4. লাল, নীল, সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যা
- কেবল তিনটি রঙের মাধ্যমেই সাদাসহ যেকোনো রঙের সৃষ্টি সম্ভব। 
- এই তিনটি রঙকে বলা হয় মৌলিক রং (Primary color)। 
যেমন- লাল, সবুজ আর নীল। 
যেমন: লাল ও সবুজ রঙের সমন্বয়ে হলুদ রং সৃষ্টি হয়। 
- রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ যথা- লাল, সবুজ এবং আসমানী বা নীল রং ব্যবহার করে সকল ধরনের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। 
- রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে। 
- রঙ তিনটি হলো- লাল, নীল ও সবুজ। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬৯৭.
নীচের কোনটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক?
  1. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
• কার্বন মনোক্সাইড:
- দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
- কার্বন মনোক্সাইড ইংরেজিতে Carbon Monoxide (রাসায়নিক সংকেত: CO) হল একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম।
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত।

• কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে:
- দুর্বলতা,
- বমি বমি ভাব,
- মাথা ঘোরানো,
- ক্লান্তি,
- ক্ষুধা,
- মাথা ব্যাথা,
- অজ্ঞান হওয়া,
- খিঁচুনি ইত্যাদি। 

উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website.
৬৯৮.
জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি হলো-
  1. ক) Zoology এবং Mycology
  2. খ) Ecology এবং Botany
  3. গ) Mycology এবং Zoology
  4. ঘ) Botany এবং Zoology
সঠিক উত্তর:
ঘ) Botany এবং Zoology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Botany এবং Zoology
ব্যাখ্যা

• জীবের ধরন অনুযায়ী জীববিজ্ঞানকে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
- Botany (উদ্ভিদবিজ্ঞান) এবং
- Zoology (প্রাণিবিজ্ঞান)।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

৬৯৯.
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?
  1. ক) অবলোহিত বিকিরণ
  2. খ) এক্সরে
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যােগাযােগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
এই ছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৭০০.
কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ করা হলে গতিশক্তির কীরূপ পরিবর্তন হয়?
  1. দ্বিগুণ হয়
  2. অর্ধেক হয়
  3. চারগুন হয়
  4. অপরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
চারগুন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারগুন হয়
ব্যাখ্যা
• গতিশক্তি: কোনো গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকার জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য অর্থাৎ শক্তি অর্জন করে তাকে গতিশক্তি বলে।

• বেগ: সময়ের সাথে সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলা হয়।

• গতিশক্তি ও বেগের মধ্যকার সম্পর্ক- 
Ek= (1/2) mv2
এখানে,
Ek=গতিশক্তি
v= বেগ
এই সূত্রানুযায়ী নির্দিষ্ট ভরের কোনো বস্তুর গতিশক্তি তার বেগের বর্গের সমানুপাতিক।

অর্থাৎ নির্দিষ্ট ভরের কোন বস্তুর বেগ দ্বিগুণ করা হলে তার গতিশক্তি চারগুন হবে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।