বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ৪০১৫০০ / ১৪,০৮০

৪০১.
ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য কোন মশা দায়ী?
  1. স্যান্ড ফ্লাই
  2. অ্যানোফিলিস
  3. কিউলেক্স
  4. এডিস
সঠিক উত্তর:
অ্যানোফিলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোফিলিস
ব্যাখ্যা

• ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য প্রধানভাবে অ্যানোফিলিস মশা দায়ী। এটি একটি প্রজাতির মশা যা ম্যালেরিয়ার পারাসাইট Plasmodium বহন করে এবং মানুষকে কামড় দিয়ে সংক্রমণ ছড়ায়। অ্যানোফিলিস মশা সাধারণত সন্ধ্যা ও রাতের দিকে সক্রিয় থাকে এবং পরিষ্কার জলাশয় বা পুকুরে ডিম দেয়। কামড়ের সময়, এই মশা শরীরে থাকা Plasmodium স্পোরোজয়াইট রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করায়, যা পরবর্তীতে লিভার ও রক্তকোষে আক্রমণ চালায়। অন্য মশা প্রজাতি যেমন কিউলেক্স, এডিস বা স্যান্ড ফ্লাই বিভিন্ন রোগ ছড়াতে পারে, কিন্তু ম্যালেরিয়ার জন্য অ্যানোফিলিসই প্রধান বাহক। তাই ম্যালেরিয়ার নিয়ন্ত্রণে অ্যানোফিলিস মশার বৃদ্ধির স্থান ও কামড় প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, 
- ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস। 
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স। 
- কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা- স্যান্ড ফ্লাই। 
- Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪০২.
কোনটি কলয়েডধর্মী না?”
  1. ক) পানি
  2. খ) স্টার্চ
  3. গ) সেলুলোজ
  4. ঘ) জিলেটিন
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদদেহের কলয়েডধর্মী পদার্থের (স্টার্চ, সেলুলোজ, জিলেটিন) পানি শোষণের প্রক্রিয়াকে ইমবাইবিশন বলে।
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪০৩.
প্রোটন আবিস্কার করেন কে?
  1. ক) জে জে থমসন
  2. খ) রাদারফোর্ড
  3. গ) জেমস্‌ চ্যাডউইক
  4. ঘ) রবার্ট হুক
সঠিক উত্তর:
খ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
পরমানুর মৌলিক কণিকা ৩ টি।
ইলেক্ট্রন - জে জে থমসন আবিস্কার করেন।
প্রোটন - রাদারফোর্ড আবিস্কার করেন।
নিউট্রন - জেমস্‌ চ্যাডউইক আবিস্কার করেন।

- রবার্ট হুক কোষ আবিস্কার করেন।

উৎস: মাধ্যমিকের রসায়ন বই।
৪০৪.
চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কী হয়?
  1. মার্বেল
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. স্লেট
  4. নিস
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
ব্যাখ্যা

• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন: 
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৪০৫.
উচ্চ পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাষ্ক কমে যায়, কারণ ঐ উচ্চতায় __
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি
  2. খ) বায়ুর চাপ কম
  3. গ) সূর্য তাপের প্রখরতা বেশি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম
ব্যাখ্যা
• পানির স্ফুটনাঙ্ক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সাথে পরিবর্তিত হয়।
- নিম্নচাপ বা উচ্চ উচ্চতায়, স্ফুটনাঙ্ক কম থাকে।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সবচেয়ে বেশি। তাই পৃথিবীর পৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১০০° সেলসিয়াস।
- কিন্তু পৃথিবী হতে যত উপরে উঠা যায় তত বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে স্ফুটনাঙ্ক হ্রাস পায়।
- সুউচ্চ পর্বতে বায়ুর চাপ পৃথিবীর বায়ুর চাপ অপেক্ষা কম বিধায় পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কম। তাই পর্বতের উপর পানি কম তামপাত্রায় ফুটতে থাকে।
- মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষে নিম্ন বায়ুমণ্ডলীয় চাপে, বিশুদ্ধ জল প্রায় 154°F (68°C) এ ফুটতে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪০৬.
সেরিকালচার কী?
  1. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. পাখি পালন বিদ্যা
  4. চিংড়ি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

 • সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- মৎস্য চাষ বিদ্যা - পিসিকালচার.।
- পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা

৪০৭.
হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ডায়াস্টল
  2. খ) সিস্টল
  3. গ) ডায়াসিস্টল
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টল
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে।
- হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং
- সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪০৮.
অগভীর পানিতে সুনামির শক্তি কেমন হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. কমে যায়
  3. অনির্ধারিত
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ, সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪০৯.
ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গটি সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন? 
  1. S তরঙ্গ
  2. P তরঙ্গ
  3. L তরঙ্গ
  4. H তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের তরঙ্গ (Earthquake Waves): 
- পুকুরের ঠিক মধ্যে কোনো পাথর নিক্ষেপ করলে যেমন পানির তরঙ্গগুলো পুকুরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেরূপে ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো তার মূল উৎস হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
- সাধারণত ভূমিকম্পের তরঙ্গ তিন প্রকারের, এরা উৎস হতে গন্তব্য স্থানের দিকে তিনটি ভিন্ন পথে গমন করে। 
যেমন- 
(ক) প্রাথমিক বা P তরঙ্গ (Primary wave): 
- এটি সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন তরঙ্গ। 
- এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৫ থেকে ৮ কি.মি.। 
- এ জাতীয় তরঙ্গ কেবলমাত্র কঠিন বস্তু নয়, নরম বস্তুর মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে।
অর্থাৎ, এ তরঙ্গ সরাসরি পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করেও অপর প্রান্তে যেতে পারে। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের গঠন সম্পর্কে এই P-তরঙ্গের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি জানা সম্ভব। 

(খ) দ্বিতীয় বা S তরঙ্গ (Secondary wave): 
- এই S-তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৫ কি. মি. হয়। 
- এটি প্রধানত সমকোণে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরে বেশি দূর যেতে পারে না, কারণ এ তরঙ্গ তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। 

(গ) পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে L তরঙ্গ বলা হয়। 
- প্রাথমিক ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের ওপরে পৌঁছবার পর যে তরঙ্গটি খুব মৃদুগতিতে পৃথিবীর উপরিভাগ দিয়ে চলে, তাকে পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ বলে । কারণ, এ তরঙ্গটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ দিয়ে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘপথ অতিক্রম করে। এ কারণে দূরবর্তী ভূমিকম্পে প্রথম ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের অভ্যন্তর দিয়ে সর্বপ্রথম যে স্থানে পৌছে, তার কিছু সময় পর পৃষ্ঠ তরঙ্গও সে স্থানে পৌছে। 
- তরঙ্গের এ গতির দ্বারাই ভূমিকম্পের কেন্দ্র নিরূপণ করা যায়। 
- এ তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৪ কি. মি.। 


উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৪১০.
একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে কী পরিমাণে চর্বির প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১০-২০ গ্রাম
  2. খ) ৫০-৬০ গ্রাম
  3. গ) ১৫০-১৮৫ গ্রাম
  4. ঘ) ৮০-১০০ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০-৬০ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০-৬০ গ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
উৎস অনুযায়ী স্নেহপদার্থ দুই ধরনের : উদ্ভিজ্জ এবং প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।
সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখীর তেল ভোজ্যতেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।
চর্বি, ঘি, ডালডা ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহপদার্থ। ডিমের কুসুমে স্নেহপদার্থ আছে, কিন্তু সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫০-৬০ গ্রাম চর্বির প্রয়োজন হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪১১.
Which of the following inert gases is used in tube lights?
  1. ক) Helium
  2. খ) Neon
  3. গ) Argon
  4. ঘ) Radon
সঠিক উত্তর:
গ) Argon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Argon
ব্যাখ্যা
পূর্বে সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে নাইট্রোজেন এবং টিউবলাইটে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হতো।
তবে বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসাবে আর্গন ব্যবহৃত হয়।

আর্গনের ব্যবহার:
১. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
২. রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল এ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
৪. তেজষ্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।।

উল্লেখ্য, প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকলে নাইট্রোজেন উত্তর হবে।

উৎস: রসায়ন বই, SSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১২.
সৌর কোষ কি ধরনের ডিভাইস?
  1. p-n জাংশন ডিভাইস
  2. একটি ট্রানজিস্টর ডিভাইস
  3. একটি অর্ধপরিবাহী ডিভাইস
  4. ধাতব অর্ধপরিবাহী ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
p-n জাংশন ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
p-n জাংশন ডিভাইস
ব্যাখ্যা
- সৌর কোষ হলো এমন এক ধরনের কোষ যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- তাই একে সৌরশক্তি রূপান্তরক বলা হয়। 
- মূলত: এটি একটি p-n জাংশন ডিভাইস। 
- এটি একটি সিলিকন p-n জাংশন। এর ওপরের পৃষ্ঠে গ্লাস বা প্লাস্টিকের তৈরি একটি স্বচ্ছ জানালা থাকে। যার মধ্যদিয়ে
আলোক রশ্মি সহজে প্রবেশ করতে পারে।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪১৩.
কোন পদার্থটি কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তনে হ্রাস পায়?
  1. মোম
  2. তামা
  3. বরফ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
বরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরফ
ব্যাখ্যা
(ক) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায় যেমন মোম, তামা ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।

(খ) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায় যেমন লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি। চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়।
অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়-
  1. সোডিয়াম
  2. ম্যাগনেসিয়াম
  3. হাইড্রোজেন
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক চুল্লি:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর (Nuclear Reactor) বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র।
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. IAEA ওয়েবসাইট।
৪১৫.
মিউকর (Mucor) কী?
  1. এক ধরনের শৈবাল
  2. এক ধরনের ছত্রাক
  3. এক ধরনের ভাইরাস
  4. এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ছত্রাক
ব্যাখ্যা
ছত্রাক:
- প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতিতে ছত্রাক থ্যালোফাইটা বিভাগের অন্তর্গত কিন্তু পঞ্চরাজ্য (five kingdom) শ্রেণিবিন্যাসে ছত্রাক প্রজাতিসমূহ পৃথক fungi রাজ্যের অন্তর্গত।
- Fungi (একবচনে fungus)-এর বাংলা প্রতিশব্দ করা হয়েছে ছত্রাক।
- সত্যিকার ছত্রাক হলো ক্লোরোফিলবিহীন, নিউক্লিয়াসযুক্ত বহুকোষী, অভাস্কুলার, হাইফিসমৃদ্ধ মাইসেলিয়াম দ্বারা গঠিত হেটেরোট্রফিক সুকেন্দ্রিক জীব যারা শোষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
- ছত্রাক সম্বন্ধে স্টাডি করাকে বলা হয় মাইকোলজি (Mycology) বা ছত্রাকতত্ত্ব।
- এ পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রায় ৯০,০০০ প্রজাতির ছত্রাক পাওয়া গিয়েছে।
- যেমন- মিউকর, ইস্ট, ব্যাঙের ছাতা, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১৬.
সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে কোন ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহৃত হয়?
  1. Na2O
  2. ZnO
  3. Al2O3
  4. CuO
সঠিক উত্তর:
ZnO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ZnO
ব্যাখ্যা
- সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে ব্যবহৃত পার্টিকেল হচ্ছে জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO)। 

ন্যানো পার্টিকেল বা ন্যানো কণা: 
- ন্যানো শব্দের সাধারণ অর্থ হলো 'খুবই ক্ষুদ্র'; যেমন, সংখ্যার একক মানের 1x 10-9 বোঝায় এবং মিটার এককে এর প্রতীক হলো 1nm = 10-9 m. 
- ন্যানোস্কেল সিস্টেম বলতে ক্ষুদ্রতম কণার প্রস্থ 1nm থেকে 50mm পরিসর হলে তাকে ন্যানো কণা বলে। 

ন্যানো কণার শ্রেণিবিভাগ: 
১. ন্যানো-লেয়ার (nanolayer): 
- ন্যানো স্কেল মতে One dimension বা একমাত্রিক বা রৈখিক বস্তুকণার পরিসর (range) 1nm - 100nm হলে, এদেরকে ন্যানো-লেয়ার (nanolayer) বলে। 

২. ন্যানো-টিউব: 
- ন্যানো স্কেল মতে, 1nm-100nm এর দ্বিমাত্রিক (বা two dimensions) ক্ষুদ্রকণার নাম হলো ন্যানো-টিউব বা ন্যানো-ওয়্যার (nanotube বা, nanowire)। 

৩. ন্যানো পার্টিকেল: 
- ন্যানো স্কেল মতে, 1nm-100nm এর ত্রিমাত্রিক ক্ষুদ্রকণাকে ন্যানো পার্টিকেল বলে। 

- পদার্থের স্বাভাবিক অবস্থায় বস্তুর স্থূলতা বা পরিমাণ ভৌত ধর্মকে প্রভাবিত করে না; কিন্তু ন্যানো পার্টিকেলের আকার ছোট বা বড় হলে এদের ভৌত ধর্মসমূহে বিশেষত অপটিকেল (optical), চুম্বকীয় (magnetic), বৈদ্যুতিক (electrical), যান্ত্রিক (mechanical) ইত্যাদি ধর্মে বিশেষ পরিবর্তন দেখা যায়। 
- এর মূলে রয়েছে ন্যানো কণার তলের ক্ষেত্রফল (surface area) পদার্থের স্বাভাবিক স্থল অবস্থা থেকে অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। 
যেমন- 
(a) সাধারণ অবস্থায় সোনার বর্ণ হলো সোনালী হলুদ এবং সিলিকন হলো ধূসর বর্ণের। কিন্তু ন্যানো আকারে সোনার ও সিলিকনের বর্ণ হলো লাল। 
(b) সাধারণ অবস্থায় স্বর্ণের গলনাঙ্ক হলো 1064°C; কিন্তু 2.5 nm আকারের স্বর্ণের গলনাঙ্ক হয় প্রায় 300°C. 
(c) ফটোভোল্টিক সেলে (Photovoltic cell) সৌর রশ্মির শোষণের পরিমাণ ঐ সেলের ভেতরের পদার্থের আকারের ওপর নির্ভর করে। এতে সাধারণ অবস্থার পদার্থ যে পরিমাণ সৌর রশ্মি শোষণ করে, ন্যানো কণা যত ছোট হয়। ততো বেশি পরিমাণে সৌর রশ্মি শোষণ করতে পারে। 
(d) আবার ZnO স্বাভাবিক অবস্থায় UV রশ্মি যে পরিমাণ প্রতিহত করে এর চেয়ে ন্যানো কণা অবস্থায় ZnO অনেক বেশি UV রশ্মি প্রতিহত করে। এজন্য ZnO ন্যানো কণা অবস্থায় 'Sun-screen lotion' তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
(e) সাধারণত অদ্রবণীয় কঠিন বস্তুর গুঁড়া তরল পদার্থে মিশ্রিত করলে ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে ঐ কঠিন বস্তুর গুঁড়া তরলে ভাসবে অথবা তলায় পড়ে জমা হবে। কিন্তু ন্যানো স্কেলের সূক্ষ্ম গুঁড়া বিস্তারণ বল, আয়ন ডাইপোল সম্পর্ক মতে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সাসপেনশন অবস্থায় থাকে।
(f) ন্যানো কণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভৌতধর্ম হলো চুম্বকীয় ধর্ম ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ধর্ম। যেমন ফেরো-ইলেকট্রিক কঠিন পদার্থ 10 nm এর ছোট আকারে থাকলে কক্ষ তাপমাত্রার তাপীয় শক্তি ব্যবহার করে সুপার প্যারা ম্যাগনেটিজম ধর্ম প্রকাশ করে। তখন এসব ন্যানো পার্টিকেল মেমোরি স্টোরেজ (memory storage)-এর অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই সব সময় এরূপ ধর্ম ন্যানো পার্টিকেলে সুবিধাজনক বা কাম্য নয়। অনেক ন্যানো কণা বিশেষত গ্রাফিন ও কার্বন ন্যানো টিউব সাধারণ গ্রাফাইটের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৪১৭.
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কি বলা হয়?
  1. ক) কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র
  2. খ) প্রোটিন ফ্যাক্টরি
  3. গ) কোষের প্রাণশক্তি
  4. ঘ) কোষের মস্তিষ্ক
সঠিক উত্তর:
ক) কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণশক্তি ও কোষের মস্তিষ্কও বলা হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
৪১৮.
কোন মৌলিক পদার্থের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬?
  1. ক) ক্লোরিন
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়রন
ব্যাখ্যা

ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা 17
পটাশিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 19
ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 20
আয়রনের পারমাণবিক সংখ্যা 26

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

৪১৯.
যক্ষ্মার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ
  2. খ) সংক্রমিত গরুর দুধ খেলে আক্রান্ত হবে
  3. গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
  4. ঘ) অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪২০.
কোন পদ্ধতিতে গ্যাস পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বাইরে বের হয়ে যায়? 
  1. পাতন
  2. ব্যাপন
  3. নিঃসরণ
  4. ঊর্ধ্বপাতন
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২১.
নিচের কোনটি এক শর্করার (Monosaccharide) উদাহরণ? 
  1. শ্বেতসার
  2. সুক্রোজ
  3. গ্লুকোজ
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

- গ্লুকোজ একটি এক শর্করা (Monosaccharide), অর্থাৎ এটি শর্করার সবচেয়ে সরল রূপ এবং একে আর্দ্রবিশ্লেষণ (hydrolysis) দ্বারা আরও সরল উপাদানে ভাঙা যায় না। এটি জীবদেহের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। 

শর্করার গঠন: 
- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হলো-মানবদেহের কর্মশক্তি ও তাপশক্তির প্রধান উৎস। 
- মানুষের প্রধান খাদ্য শর্করা। 
- কার্বন (C) হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) নিয়ে শর্করার যৌগ গঠিত হয়। 
- এটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং গন্ধ ও বর্ণহীন। 

শর্করার উৎস: 
- কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা প্রাণি এবং উদ্ভিদ উভয় ধরনের উৎস থেকেই পাওয়া যায়। 
- উদ্ভিদ হতে প্রাপ্ত শর্করাগুলো হলো- চিনি, মধু, মিষ্টি ফল (আম, আঙ্গুর, কলা, কাঠাল, খেজুর ইত্যাদি), আখের রস, গুড়, খেজুরের রস, চাল, গম, ভুট্টা, আলু, কচু ইত্যাদি। 
- প্রাণি হতে প্রাপ্ত শর্করার ভালো উৎস হলো- দুধের শর্করা, প্রাণিদেহের যকৃত ও পেশিকোষের শর্করা। 

শর্করার প্রকারভেদ: 
- গঠন অনুসারে শর্করা তিন প্রকার। 
যথা: এক শর্করা (মনোস্যাকারাইড), দ্বি-শর্করা (ডাইস্যাকারাইড) ও বহু শর্করা (পলিস্যাকারাইড)। 
১। এক শর্করা: 
- এক শর্করাগুলো হলো- গ্লুকোজ, ফ্রক্টোজ ও গ্যালাক্টোজ। 
ক) গ্লুকোজ- চিনি, মিষ্টি ফল ইত্যাদি। 
খ) ফ্রুক্টোজ- মধু আঙ্গুর, বেদানা, আপেল, পাকা আম, পাকা কলা ইত্যাদি। 
গ) গ্যালাক্টোজ- দুধের শর্করা ল্যাক্টোজ ভেঙ্গে গ্যালাক্টোজ ও গ্লুকোজ পাওয়া যায়। 

২। দ্বি-শর্করা: 
- দ্বি-শর্করাগুলো হলো- সুক্রোজ, মলটোজ ও ল্যাক্টেজ। 
ক) সুক্রোজ- আখের চিনি, গুড়, খেজুর রস। 
খ) মলটোজ- চালের শর্করা (দু'টি গ্লুকোজের অণু একত্রে)। 
গ) ল্যাক্টোজ- দুধের শর্করা। 

৩। বহু শর্করা: 
- বহু শর্করাগুলো হলো- শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন ও সেলুলোজ। 
ক) শ্বেতসার- চাল, গম, আলু, কচু। 
খ) সেলুলোজ- ফল ও শাক পাতার আঁশ, আঁশযুক্ত ফল, শস্যের খোসা। 
গ) গ্লাইকোজেন- প্রাণিদেহের যকৃত ও পেশিতে পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২২.
এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস কোনটি?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. কার্বন মনোঅক্সাইড
  3. কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. সালফার ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
এসিড বৃষ্টি: 
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন- NO, NO2)
- এর মূলে তিনটি এসিডের (H2SO3, H2SO4, HNO3) ভূমিকা রয়েছে; যা প্রাইমারি বায়ুদূষক SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (NOx) হতে উৎপন্ন হয়। 
 
অন্যদিকে, 
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
 
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৪২৩.
সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন উভয় প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) সবুজ উদ্ভিদ
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা

- সালোকসংশ্লেষণ শুধু সবুজ উদ্ভিদেই ঘটে থাকে যাদের ক্লোরোফিল আছে। শ্বসন সকল সজীব কোষে ঘটে থাকে।
- ছত্রাক, ভাইরাস, অ্যামিবা ইত্যাদিতে সালোকসংশ্লেষণ হয় না, কারণ এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না।
- সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন উভয় প্রক্রিয়াই সংঘটিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪২৪.
নিয়ত বায়ুর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. পশ্চিমা বায়ু
  4. মেরু বায়ু 
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

- মৌসুমি বায়ু নিয়ত বায়ুর (গ্রহীয় বায়ু বা স্থায়ী বায়ু) অন্তর্ভুক্ত নয়। নিয়ত বায়ু সারা বছর ধরে নির্দিষ্ট পথে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়, কিন্তু মৌসুমি বায়ু একটি পর্যায়ক্রমিক বায়ু (সাময়িক বায়ু) যা ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে তার প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৫.
স্ক্যাপুলার কোন অংশ হিউমেরাসের মস্তকের সঙ্গে সংলগ্ন থাকে?
  1. ক্ল্যাভিকল
  2. স্ক্যাপুলার কাঁটা
  3. অ্যাক্রোমিয়ন 
  4. গ্লিনয়েড গহ্বর 
সঠিক উত্তর:
গ্লিনয়েড গহ্বর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লিনয়েড গহ্বর 
ব্যাখ্যা

বক্ষ অস্থিচক্র (Pectoral girdle): 
- মানুষের দেহের দুই পাশে স্কন্ধ অঞ্চলে দুটি বক্ষ অস্থিচক্র অবস্থিত। 
- এরা পরস্পর থেকে পৃথকভাবে অবস্থান করে। 
- এদের একজোড়া ক্ল্যাভিকল ও একজোড়া স্ক্যাপুলা থাকে। 
- ক্ল্যাভিকল বাঁকা অস্থি, এ অস্থির কোন মজ্জাগহ্বর নেই। 
- প্রতিটি স্ক্যাপুলা প্রশস্ত চ্যাপ্টা ত্রিকোণাকার অস্থি। 
- এটি বক্ষ পিঞ্জরের উপরের প্রান্তের দু'পাশে অবস্থিত। 
- এর পশ্চাৎ তলে আনুভূমিকভাবে একটি কাঁটা থাকে একে স্ক্যাপুলার কাঁটা বলে। 
- স্ক্যাপুলার যে অংশে হিউমেরাসের মস্তক সংলগ্ন থাকে তাকে গ্লিনয়েড গহ্বর বলে। 
- স্ক্যাপুলার পার্শ্বীয় প্রান্তের বর্ধিত অংশকে অ্যাক্রোমিয়ন বলে। 
- বাহুর পেশিকে সংযোগ দেয়া ও হিউমেরাসকে সঞ্চালন করা বক্ষ অস্থিচক্রের প্রধান কাজ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৬.
যদি একটি তামার তারের ব্যাস দ্বিগুণ করা হয় তবে এর কারেন্ট বহন করার ক্ষমতা -
  1. ক) চতুর্গুণ বৃদ্ধি পায়
  2. খ) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়
  3. গ) অর্ধেক হ্রাস পায়
  4. ঘ) এক-চতুর্থাংশ হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্গুণ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্গুণ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
একটি তামার তারের ব্যাস দ্বিগুণ করা হলে এর রোধ এক-চতুর্থাংশ হয় এবং এর কারেন্ট বহন করার ক্ষমতা চারগুণ হয়।
৪২৭.
সর্বপ্রথম Genetics শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. Bateson
  2. Mendel
  3. Karl Correns
  4. de Vries
সঠিক উত্তর:
Bateson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bateson
ব্যাখ্যা

Genetics শব্দের উৎপত্তি:
- Genetics শব্দটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা বংশগতি ও বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করে।
- এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী William Bateson।
- তিনি 1905 সালে প্রথম “Genetics” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- Genetics শব্দটি গ্রিক শব্দ “Genesis” থেকে এসেছে, যার অর্থ উৎপত্তি বা জন্ম।
- Bateson মূলত Mendel-এর কাজকে ভিত্তি করে Genetics শাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- যদিও Gregor Mendel বংশগতির সূত্র আবিষ্কার করেন, তিনি “Genetics” শব্দটি ব্যবহার করেননি।
- Karl Correns এবং de Vries Mendel-এর কাজ পুনরাবিষ্কার করেন, কিন্তু শব্দটির প্রবর্তক নন।

সুতরাং, সর্বপ্রথম Genetics শব্দটি ব্যবহার করেন William Bateson.
সঠিক উত্তর: ক) Bateson.

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

৪২৮.
মানবদেহে সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ২২ টি
  4. ৪৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
A sex chromosome is a type of chromosome that participates in sex determination. Humans and most other mammals have two sex chromosomes, the X and the Y.
Females have two X chromosomes in their cells, while males have both X and a Y chromosomes in their cells.
Source: britannica.com
৪২৯.
UDMC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Union Disaster Management Committee
  2. Union Development Management Council
  3. Urban Development Monitoring Council
  4. Urban Disaster Monitoring Committee
সঠিক উত্তর:
Union Disaster Management Committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Union Disaster Management Committee
ব্যাখ্যা

UDMC:
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

⇒ বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৪৩০.
শর্করা কোন উপাদানগুলোর সমন্বয়ে তৈরি হয়? 
  1. কার্বন ও নাইট্রোজেন
  2. কার্বন ও অক্সিজেন
  3. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  4. কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন- 

উদ্ভিজ্জ উৎস: 
১। শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 
২। সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 
৩। সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 
৪। ফ্রোক্টোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে। 
৫। গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর,খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 
১। ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 
২। গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩১.
ফিতা কৃমি কি ধরনের প্রাণী?
  1. ক) মৃতজীবী
  2. খ) আংশিক পরজীবী
  3. গ) বহিঃজীবী
  4. ঘ) অন্তঃপরজীবী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্তঃপরজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্তঃপরজীবী
ব্যাখ্যা
পরজীবী এক ধরনের জীব যা মানুষ সহ অন্যান্য পশুপাখির দেহে বসবাস করে। পরজীবী দুই ধরনের। বহিঃপরজীবী এবং অন্তঃপরজীবী।
দেহাভ্যন্তরের পরজীবী বা অন্তঃপরজীবীর উদাহরণঃ ফিতাকৃমি (Tapeworms), সুতাকৃমি (Threadworm), গোলকৃমি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৩২.
চা-পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ক) E
  2. খ) K
  3. গ) B Complox
  4. ঘ) A
সঠিক উত্তর:
গ) B Complox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) B Complox
ব্যাখ্যা
- চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে।
- শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।
- সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন-কে এর প্রধান উৎস।
- মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩৩.
ম্যালেরিয়া জীবাণু বহনকারী মশার গণ হলো-
  1. ক) Aedes
  2. খ) Mansonia
  3. গ) Culex
  4. ঘ) Anopheles
সঠিক উত্তর:
ঘ) Anopheles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Anopheles
ব্যাখ্যা
Malaria is a life-threatening disease caused by parasites that are transmitted to people through the bites of infected female Anopheles mosquitoes. It is preventable and curable. সূত্রঃ World Health Organization.
৪৩৪.
বায়ুর আর্দ্রতা কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. বায়ুর গতি এবং তাপমাত্রার উপর
  2. বায়ুর আর্দ্রতার প্রকারের উপর
  3. বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
  4. বায়ুর তাপমাত্রা এবং চাপের উপর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
ব্যাখ্যা
• বায়ুর আর্দ্রতা:
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা- পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৫.
কোন ধরনের পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা ধাতব পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি থাকে?
  1. রাবার
  2. কাচ
  3. রূপা
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা

◉ অর্ধপরিবাহী (Semiconductors) যেমন সিলিকন, জার্মেনিয়াম—এদের পরিবাহিতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি।

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে (যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি) যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৬.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্দেশ করে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
    ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় মৌল। 
    অপশনের গ) তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্দেশ করে।

    সূত্র - রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
    ৪৩৭.
    বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি? 
    1. নাইট্রোজেন 
    2. অক্সিজেন 
    3. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
    4. জলীয়বাষ্প
    সঠিক উত্তর:
    অক্সিজেন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অক্সিজেন 
    ব্যাখ্যা

    - বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে অক্সিজেন। 

    বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 

    - বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
    - বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
    - ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
    - আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 
     
    বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
    ১. নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২%, 
    ২. অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১%, 
    ৩. আর্গন (Ar) ⇒ o.৮০%, 
    ৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩%, 
    ৫. ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১%, 
    ৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
    ৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
    ৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

    উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৩৮.
    Infrasound frequency range -
    1. ক) < 20 Hz
    2. খ) > 20 Hz
    3. গ) > 200 Hz
    4. ঘ) < 200 Hz
    সঠিক উত্তর:
    ক) < 20 Hz
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) < 20 Hz
    ব্যাখ্যা
    - Spectrum are very low-frequency sounds (below 20 Hz), known as infrasound.
    - Elephants use infrasound for communication, making sounds too low for humans to hear.
    - Because low-frequency sounds travel farther than high-frequency ones, infrasound is ideal for communicating over long distances.

    Source: www.nps.gov
    ৪৩৯.
    'প্লেগ' সৃষ্টিকারী অনুজীব কোনটি?
    1. ব্যাকটেরিয়া
    2. ভাইরাস
    3. ছত্রাক
    4. অ্যামিবা
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাকটেরিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাকটেরিয়া
    ব্যাখ্যা
    • প্লেগ (Plague) :
    - এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি, যা Yersinia pestis নামক একটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
    - এটি প্রধানত ইঁদুরের মত প্রাণীর দেহে থাকা ফ্লি (প্যারাসাইট) মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে এটি মহামারির রূপ নিয়েছিল এবং লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছিল

    • ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:

    - ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
    - কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

    উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ৪৪০.
    নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় -
    1. ক) ধ্রুবক
    2. খ) পরিবর্তনীয়
    3. গ) আপেক্ষিক
    4. ঘ) কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ক) ধ্রুবক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) ধ্রুবক
    ব্যাখ্যা
    নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়।
    কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে
    দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল।
    একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে।

    উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ৪৪১.
    নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট মান নির্দেশ করে? 
    1. পিকো
    2. ফেমটো
    3. ন্যানো
    4. মাইক্রো
    সঠিক উত্তর:
    ফেমটো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফেমটো
    ব্যাখ্যা
    - ফেমটো = 10−15 যা সবচেয়ে ছোট মান নির্দেশ করে, কারণ এর সূচক সবচেয়ে বড় ঋণাত্মক (−15)। 

    উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 
    - বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানা কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
    - কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6 × 1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1 × 10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়েই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু SI উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। 
    - এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝাতে পারা যায়। 
    - কিছু উপসর্গ নিচের টেবিলে দেখানো হয়েছে- 


    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৪৪২.
    পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয়-
    1. সান্দ্রতা
    2. স্থিতিস্থাপকতা
    3. প্লবতা
    4. পৃষ্ঠটান
    সঠিক উত্তর:
    পৃষ্ঠটান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পৃষ্ঠটান
    ব্যাখ্যা
    • তলটান বা পৃষ্ঠটান:
    - তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
    - পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
    ১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
    ২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা।
    ৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
    ৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

    • পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারণে।
    - পানির ফোঁটাগুলি পৃষ্ঠ স্তরের সমন্বিত শক্তি দ্বারা একটি গোলাকার আকৃতি হয়।
    - মাধ্যাকর্ষণ সহ অন্যান্য শক্তির অনুপস্থিতিতে, কার্যত সমস্ত তরলের ফোঁটাগুলি প্রায় গোলাকার হবে।

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৪৪৩.
    গ্যালিলিওর দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর বেগ (v) ও সময় (t) এর সম্পর্ক কী?
    1. বেগ সময়ের সমানুপাতিক
    2. বেগ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক
    3. বেগ সমান থাকে সব সময়
    4. বেগ দূরত্বের সমানুপাতিক
    সঠিক উত্তর:
    বেগ সময়ের সমানুপাতিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বেগ সময়ের সমানুপাতিক
    ব্যাখ্যা

    স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ের প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক।

    • পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ:
    - ষোড়শ শতাব্দীতে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র প্রদান করেন।

    ১. প্রথম সূত্র:
    - স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা ধাঁধায় পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে।
    - অর্থাৎ বায়ু শূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি পাথর একই উচ্চতা থেকে ছেড়ে দিলে দুটি বস্তুই একই সময়ে একই পথ অতিক্রম করে মাটিতে গড়বে।

    ২. দ্বিতীয় সূত্র:
    - স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ের প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক।
    - এই ক্ষেত্রে বেগ v ও সময় t হলে, v ∝ t ।

      ৩. তৃতীয় সুত্র:
    - স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব, ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক।
    - এই ক্ষেত্রে অতিক্রান্ত দূরত্ব h ও সময় t হলে, h ∝ t2

    উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৪৪.
    করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত কতদিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়?
    1. ক) ৬ দিন
    2. খ) ৩০ দিন 
    3. গ) ২১ দিন
    4. ঘ) ২৮ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ক) ৬ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) ৬ দিন
    ব্যাখ্যা
    করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত ৫-৬ দিনের মধ্যেই লক্ষণ প্রকাশ পায়। তবে, কোন কোন ক্ষেত্রে ইহা ১৪ দিনের উপরেও সময় নিয়ে থাকে। 

    করোনা ভাইরাস সমগোত্রীয় ভাইরাসের একটি বড় পরিবার, যেগুলি সাধারণ সর্দিজ্বর থেকে শুরু করে মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (মার্স) ও সিভিয়ার অ্যাকিউট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোমের (সার্স) মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

    ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে একটি নতুন করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সনাক্ত করা হয়েছিল। এটি একটি নতুন করোনা ভাইরাস যা আগে কখনো মানুষের মধ্যে দেখা যায়নি।

    রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।
    এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। 
    সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।
    সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

    সূত্র: World Health Organization Website. 
    ৪৪৫.
    ভিনেগার অন্য কী নামে পরিচিত?
    1. ম্যালিক এসিড
    2. অ্যাসিটিক এসিড
    3. ল্যাকটিক এসিড
    4. সাইট্রিক এসিড
    সঠিক উত্তর:
    অ্যাসিটিক এসিড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অ্যাসিটিক এসিড
    ব্যাখ্যা
    ভিনেগার: 
    - প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
    ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
    - এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
    - এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
    - খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
    - তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
    - তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

    ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
    - মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
    - যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
    - ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
    - পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
    - দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

    উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৪৬.
    একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ফুসফুস সর্বোচ্চ কত লিটার বায়ু ধারণ করতে পারে?
    1. ২ লিটার
    2. ৪ লিটার
    3. ৬ লিটার
    4. ৮ লিটার
    সঠিক উত্তর:
    ৬ লিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬ লিটার
    ব্যাখ্যা

    • একজন পূর্ণাঙ্গ ও সুস্থ মানুষের ফুসফুসের মোট বায়ু ধারণ ক্ষমতা (Total Lung Capacity) গড়ে প্রায় ৬ লিটার। 
    - তবে ব্যক্তিভেদে, বিশেষ করে উচ্চতা, লিঙ্গ এবং শারীরিক সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই পরিমাণের কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

    ফুসফুস (Lungs): 
    - মানুষের হালকা গোলাপী বর্ণের স্পঞ্জের মত নরম দুটি ফুসফুস থাকে। 
    - বাম ফুসফুসটি আকারে ছোট, দুই লোব বিশিষ্ট এবং ডান ফুসফুসটি আকারে বড় ও তিন লোব বিশিষ্ট। 
    - ফুসফুস দুই স্তর যুক্ত প্লিউরা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। 
    - ভেতরের পর্দাকে ভিসেরাল প্লিউরা এবং বাইরের পর্দাকে প্যারাইটাল প্লিউরা বলে। 
    - ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা ৬ লিটার। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৪৭.
    জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কোথায় সঞ্চিত হয়?
    1. অগ্নাশয়
    2. পিত্ততলি
    3. প্লীহা
    4. যকৃত
    সঠিক উত্তর:
    যকৃত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যকৃত
    ব্যাখ্যা
    - জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ  সঞ্চিত হয় যকৃতে।
    - যকৃত বক্ষপিঞ্জরে মধ্যচ্ছেদের নিচের অংশে অবস্থিত। 
    - যকৃৎ দেহের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি। 
    - এটি ২টি খণ্ডে বিভক্ত: ডান এবং বাম।
    - প্রাণীদেহে বিপাকে ও অন্যান্য কিছু শারীরবৃত্তীয় কাজে যকৃত প্রধান ভূমিকা পালন করে। 
    - ক্ষুদ্রান্ত থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে গ্লুকোজ যকৃতে প্রবেশ করে।
    - রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হয়ে যকৃতের সঞ্চয়ী কোষে জমা থাকে।
    - যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা গুলো হল: 
    ১. গ্লাইকোজেনের সঞ্চয়
    ২. রক্ত সঞ্চয়
    ৩. ভিটামিন সঞ্চয়
    ৪. খনিজদ্রব্য সঞ্চয়
    ৫. পিত্তরস সঞ্চয়
    ৬. লিপিড ও অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়।

    উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৪৮.
    মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় -
    1. অণু
    2. পরমাণু
    3. প্রোটন
    4. ইলেকট্রন
    সঠিক উত্তর:
    পরমাণু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পরমাণু
    ব্যাখ্যা
    - মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

    পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
    ১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
    ২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
    যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
    ৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
    ৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

    অন্যদিকে, 
    - দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 

    উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
    ৪৪৯.
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে কী করতে হয়? 
    1. ১ দিন যোগ
    2. ১ দিন বিয়োগ
    3. ২ দিন যোগ
    4. ২ দিন বিয়োগ
    সঠিক উত্তর:
    ১ দিন যোগ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১ দিন যোগ
    ব্যাখ্যা

    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাঃ
    - ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা এবং ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা মূলত একই। একেই বলে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা।
    - আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় পশ্চিমগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন যোগ এবং পূর্বগামী যানের ক্ষেত্রে একদিন বিয়োগ হবে।

    • মূল মধ্যরেখাঃ
    - যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০° দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
    - গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
    - প্রতি ১ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়।

    উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

    ৪৫০.
    কোনো যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে কতটি অণুকে বুঝায়?
    1. 6.023×10 - 17
    2. 6.023×1017
    3. 6.023×10 - 23
    4. 6.023×1023
    সঠিক উত্তর:
    6.023×1023
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    6.023×1023
    ব্যাখ্যা
    অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা:  
    - রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল। 
    - কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
    - পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। 
    - অ্যাভোগেড্রো সংখ্যার মান 6.023×1023। 
    - কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023। 
    - কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023 টি অণুকে বুঝায়। 
    - আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023 টি পরমাণু বুঝায়। 

    উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৫১.
    সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন অক্সিজেনের উৎস -
    1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    2. বায়ু
    3. মিথেন
    4. পানি
    সঠিক উত্তর:
    পানি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পানি
    ব্যাখ্যা
    সালোকসংশ্লেষণে নির্গত অক্সিজেনের উৎসঃ
    সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে উৎপন্ন অক্সিজেন, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পানি থেকে আসে, কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে নয়।
    অক্সিজেনের রেডিও আইসোটোপ (18O2) ব্যবহার করে এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

    জল এ কার্বন ডাই অক্সাইড যখন পাতার মধ্যে আসে তখন ক্লোরোপ্লাস্ট ( সবুজ প্লাসটিড) সূর্যালোকের সাহায্যে গ্লুকোজ বানায়।
    অক্সিজেন পাতা থেকে হাওয়ায় বেরিয়ে যায় ।

    নিচে equation দেয়া হল :-

    6CO2 + 12H2O —→ C6H12O6 + 6O2 + 6H2O

    সুত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৫২.
    ইউরোনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা -
    1. ৯২
    2. ৮৯
    3. ৯৮
    4. ৯০
    সঠিক উত্তর:
    ৯২
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯২
    ব্যাখ্যা
    পারমাণবিক সংখ্যা:
    - কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
    - প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
    যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11।
    তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
    - মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
    - রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

    অন্যদিকে, 
    - ইউরোনিয়ামের (U) পারমাণবিক সংখ্যা  ৯২। 
    - অ্যাক্টিনিয়ামের (Ac) পারমাণবিক সংখ্যা  ৮৯। 
    - ক্যালিফোর্নিয়ামের (Cf) পারমাণবিক সংখ্যা  ৯৮।  
    - থোরিয়ামের (Th) পারমাণবিক সংখ্যা ৯০।

    উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
    ৪৫৩.
    ইলেকট্রনের বিপরীত কণা কোনটি?
    1. ক) প্রোটন
    2. খ) নিউট্রন
    3. গ) মেসন
    4. ঘ) পজিট্রন
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) পজিট্রন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) পজিট্রন
    ব্যাখ্যা
    মহাবিশ্বের বিভিন ধরনের কণা:
    মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন।

    ⇒ ফার্মিওন (Fermion):
    - মহাবিশ্বের সকল পদার্থ এই কণিকা দ্বারা গঠিত। এদের স্পিন 1/2.
    - ফার্মিওন কণা আবার দু'রকমের (১) কোয়ার্ক ও (২) লেপ্টন।

    কোয়ার্ক (Quark):
    - কোয়ার্ক দিয়ে প্রোটন ও নিউট্রন গঠিত।
    - দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে প্রোটন; এবং দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক নিয়ে নিউট্রন গঠিত।
    - কোয়ার্ক মূলত ৬ টি। এগুলো হলো আপ (u) ও ডাউন (d), চার্ম (c) ও স্ট্রেঞ্জ (s) এবং টপ (t) ও বটম (b)। 
    - কোয়ার্ক সব সময় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে।
    - কোয়ার্কের এক একটি দলকে বলে হ্যাড্রন (Hadron)।

    - তিনটি কোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন গঠিত হয় তাদেরকে বলা হয় বেরিয়ন (Baryon)। যেমন- প্রোটন, নিউট্রন হলো বেরিয়ন কণা।
    - একটি কোয়ার্ক ও তার এন্টিকোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন হয় তাদের বলা হয় মেসন (Meson )।

    লেপ্টন (Lepton):
    - ছয় প্রকার লেপ্টন কণিকা রয়েছে।
    - তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইলেকট্রন ও মিউওন। 
    - ইলেকট্রনের স্পিন 1/2.
    - ইলেকট্রনের বিপরীত কণা পজিট্রন।

    ⇒ বোসন (Boson):
    - বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
    - এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
    - স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের। (i) গেজ বোসন ও (ii) হিগস বোসন

    সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৫৪.
    নিচের কোনটি উৎকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা?
    1. বিটুমিনাস 
    2. পিট 
    3. অ্যানথ্রাসাইট 
    4. লিগনাইট 
    সঠিক উত্তর:
    অ্যানথ্রাসাইট 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অ্যানথ্রাসাইট 
    ব্যাখ্যা

    কয়লা (Coal): 
    - কোনো এক যুগে ভূপৃষ্ঠস্থ বিশেষ এক ধরনের গাছপালা ভূগর্ভে প্রোথিত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ তাপ ও উপরের শিলাস্তরের চাপের ফলে তা রূপান্তরিত হয়ে এক ধরনের শিলাস্তরে পরিণত হয় তাকে কয়লা বলে। 
    - কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
    - কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
    - কয়লা কার্বনের সমাবেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
    - কার্বনের পরিমাণ বেশি হলে তাপ প্রদানের ক্ষমতাও অধিক হয়।
    সুতরাং, তাপ প্রদানের ক্ষমতা দ্বারাই কয়লার গুণাগুণ বিচার করা হয়।
    - গুণাগুণের পার্থক্য অনুযায়ী কয়লাকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
    যথা- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পিট।
    যথা - 
    ১। অ্যানথ্রাসাইট: 
    - অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
    - অ্যানথ্রাসাইট হলো উৎকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা। 

    ২। বিটুমিনাস: 
    - বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 

    ৩। লিগনাইট: 
    - লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

    ৪। পিট:
    - পিট হচ্ছে এক ধরণের নিকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা। 

    উল্লেখ্য, 
    - নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই অনুসারে, কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
    যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস, লিগনাইট। 

    উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজজেম হোসেন চৌধুরী)।

    ৪৫৫.
    শিশুর বয়স কয় মাস পূর্ণ হলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিতে হয়?
    1. ক) ৩ মাস
    2. খ) ৯ মাস
    3. গ) ৬ মাস
    4. ঘ) কোনটি নয়
    সঠিক উত্তর:
    গ) ৬ মাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) ৬ মাস
    ব্যাখ্যা
    - গত ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুদের জন্য জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়।
    - ক্যাম্পেইন চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের শিশুকে নিকটস্থ ইপিআই ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো।
    - নীল রঙের ১টি করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ৬-১১ মাস বয়সের শিশুকে দেওয়া হয়। 
    - লাল রঙের ১টি করে ভিটামিন ‘এ; ক্যাপসুল  ১২-৫৯ মাস বয়সের শিশুকে দেওয়া হয়।

    সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট। 
    ৪৫৬.
    জন্মদিনে কেক ফলানোর জন্য শেহতাজ একটি রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। উল্লিখিত রাসায়নিক পদার্থটি কি?
    1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
    2. সোডিয়াম গ্লুটামেট
    3. সোডিয়াম কার্বনেট
    4. সোডিয়াম বাইকার্বনেট
    সঠিক উত্তর:
    সোডিয়াম বাইকার্বনেট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সোডিয়াম বাইকার্বনেট
    ব্যাখ্যা
    বেকিং সোডা (Baking Soda) :
    - বেকিং সোডা (NaHCO3) বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
    - বেকিং সোডা ব্যবহার করে খাবার তৈরির বেলায় খাবারের উপাদান হিসেবে ভিনেগার বা লেবুর রস বা টক দই অথবা অন্য এমন কোন উপাদান থাকে যা অম্লধর্মী।
    - এক্ষেত্রে NaHCO3 খাবারের অম্ল উপাদানের (যেমন- ভিনেগার) সাথে বিক্রিয়া করে H2CO3 এসিড উৎপন্ন করে। H2CO3 সহজেই বিয়োজিত হয় এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে। 

    উৎস: রসায়ন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৫৭.
    স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন খুব বিখ্যাত -
    1. ক) দার্শনিক
    2. খ) পদার্থবিদ
    3. গ) রসায়নবিদ
    4. ঘ) কবি
    সঠিক উত্তর:
    খ) পদার্থবিদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) পদার্থবিদ
    ব্যাখ্যা
    স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
    তাঁর রচিত বইসমূহ-
    - A Brief History of Time,
    - The Universe in a Nutshell
    - The Grand Design, ইত্যাদি। 

    - বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.

    সূত্র: ব্রিটানিকা
    ৪৫৮.
    নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
    1. ক) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
    2. খ) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
    3. গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
    4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
    ব্যাখ্যা
    বায়ু এক ধরণের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরণের পদার্থ রয়েছে।
     
    যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।
    যেমন- লোহা, তামা, সোনা, রূপা হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি।

    যে সব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।
    যেমন- পানি, লবণ, চিনি, ইস্পাত ইত্যাদি।


    সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি। 
    ৪৫৯.
    কোনটি অধাতুর বৈশিষ্ট নয়? 
    1. ক) তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়
    2. খ) বিজারক 
    3. গ) আঘাত করলে শব্দ হয় না
    4. ঘ) ঘষলে চকচক করে না 
    সঠিক উত্তর:
    খ) বিজারক 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) বিজারক 
    ব্যাখ্যা
    অধাতুর বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:  

    - তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়।
    - আঘাত করলে শব্দ হয় না।
    - অধাতু ঘাত সহনশীল ও নমনীয় নয়।
    - ঘষলে চকচক করে না।
    - অধাতু সমূহের দ্যুতি নেই।
    - ওজনে হালকা হয়।
    - সহজে জোড়া লাগানো যায় না।
    - পিটিয়ে পাত করা যায় না।
    - কার্বন ব্যতীত অন্যান্য অধাতুগুলো জারক পদার্থ।
    - অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলনাংক ও স্ফুটনাংক বিশিষ্ট।
    - অধাতুসমূহ এসিডের হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপন করে লবণ উৎপন্ন করে না।
    - চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ ডায়াম্যাগনেটিক প্রকৃতির।
    ৪৬০.
    একজন শিশুর স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব-
    1. ক) ৫ সেমি
    2. খ) ১৫ সেমি
    3. গ) ২৫ সেমি
    4. ঘ) ৩৫ সেমি
    5. ঙ) কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ক) ৫ সেমি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) ৫ সেমি
    ব্যাখ্যা
    একজন শিশুর স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব৫ সেন্টিমিটার এবং একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের এই দূরত্ব ২৫ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
    উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
    ৪৬১.
    চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
    1. অপবর্তনে
    2. আলোর বিচ্ছুরণে
    3. বায়ুমণ্ডলের প্রতিসরণে
    4. দৃষ্টিপ্রেমে
    সঠিক উত্তর:
    বায়ুমণ্ডলের প্রতিসরণে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বায়ুমণ্ডলের প্রতিসরণে
    ব্যাখ্যা
    - চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে। 
    - দিগন্তের কাছে তা অধিক পরিমাণে বেঁকে যায় বলেই চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায়। 

    উৎস: scientificamerican.com
    ৪৬২.
    জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ হচ্ছে - 
    1. বায়োগ্যাস
    2. জিওথার্মাল
    3. পেট্রোলিয়াম
    4. জলবিদ্যুৎ
    সঠিক উত্তর:
    পেট্রোলিয়াম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পেট্রোলিয়াম
    ব্যাখ্যা

    • জীবাশ্ম জ্বালানি হলো সেই ধরনের জ্বালানি যা প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীতে সৃষ্টি হওয়া মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্ট থেকে তৈরি হয়। পেট্রোলিয়াম, কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাস এর মধ্যে প্রধান উদাহরণ। এই জ্বালানি নির্দিষ্ট সময়ে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং পুনঃপ্রয়োগযোগ্য নয়।
    - প্রশ্নে উল্লিখিত অপশন গুলির মধ্যে, পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানির একটি উদাহরণ। বায়োগ্যাস এবং জিওথার্মাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আর জলবিদ্যুৎও পুনঃনবীকরণযোগ্য উৎস থেকে উৎপন্ন হয়, তাই সেগুলো জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ নয়।

    • জীবাশ্ম জ্বালানি:
    - কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

    • জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
    - কয়লা,
    - খনিজ তেল,
    - প্রাকৃতিক গ্যাস।

    • পেট্রোলিয়াম:
    - পেট্রোলিয়াম এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি।
    - তেলের প্রতিশব্দ হচ্ছে পেট্রোলিয়াম।
    - ইহা একটি ল্যাটিন শব্দ যা দুটো শব্দ নিয়ে গঠিত পেট্রো + অলিয়াম। পেট্রো শব্দের অর্থ রক বা শিলা এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ অয়েল বা তৈল। অর্থাৎ পাথরের বা শিলার স্তরে সঞ্চিত যে তেল তাহাকে পেট্রোলিয়াম বলে।
    - আজ থেকে প্রায় পাঁচশত কোটি বছর আগে সমুদ্রের তলদেশে পাললিক শিলার স্তরে গাছ-পালা ও প্রাণিদেহের দেহাবশেষ জৈব বিধ্বংসী পাতন প্রক্রিয়ার ফলে খনিজ তেলের সৃষ্টি হয়।
    - ইহা কার্বন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ। তাই পেট্রোলিয়াম হচ্ছে তরল জীবাশ্ম জ্বালানি।

    • অন্যান্য অপশন আলোচনা:
    - জল বিদ্যুৎ ও জিও থার্মাল, বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

    উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৬৩.
    মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রন করে -
    1. ক) ডিএনএ
    2. খ) জিন
    3. গ) ক্রোমোজোম
    4. ঘ) ক্যারোটিন
    সঠিক উত্তর:
    খ) জিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) জিন
    ব্যাখ্যা
    » জীবের সব দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে।
    ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাকে লোকাস বলে। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন গবেষণার তত্ত্ব থেকে জানা গেছে জিনই বংশগতির নিয়ন্ত্রক।

    • মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

    উৎস:
    জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।


    [বি. দ্র. - এই প্রশ্নের উত্তর অপশনের উপর নির্ভর করে। অপশন দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
    জিন, ক্রোমোজোম, DNA এই ৩টার মধ্যে সর্বোত্তম উত্তর হবে জিন। তারপরে ক্রোমোজোম। তবে, অপশনে শুধু DNA থাকলে উত্তর DNA দেয়া যেতে পারে।
    এখানে, অপশনে অনুসারে উত্তর জিন ধরা হয়েছে।]
    ৪৬৪.
    উদ্ভিদ কোষে সাধারণত কত ধরনের প্লাস্টিড থাকে?
    1. ২ ধরনের
    2. ৩ ধরনের
    3. ৪ ধরনের
    4. ৫ ধরনের
    সঠিক উত্তর:
    ৩ ধরনের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ ধরনের
    ব্যাখ্যা
    প্লাস্টিড: 
    - সাইটোপ্লাজমের মধ্যে যে সকল ক্ষুদ্র, দানাদার বিভিন্ন আকারের বস্তু দেখা যায় তাদেরকে বলা হয় প্লাস্টিড। 
    - প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। 
    - প্লাস্টিডের উপস্থিতির কারণে উদ্ভিদের পাতা, ফুল ও ফলের বর্ণ বৈচিত্র্য দেখা যায়। 
    - প্লাস্টিডের কাজ হলো- খাদ্য প্রস্তুত করে, খাদ্য সঞ্চয় করে, পরাগায়নে সাহায্য করে এবং ক্লোরোপ্লাস্টের প্রয়োজনে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড তৈরি করে। 
    - উদ্ভিদ কোষে সাধারণত তিন প্রকার প্লাস্টিড থাকে। 
    যথা- ক্রোমোপ্লাস্ট, ক্লোরোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 
    ১। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
    - সবুজ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ যেমন- লাল, হলুদ ইত্যাদি বহনকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। 
    - ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল বেশি পরিমাণে এবং ক্লোরোফিল অল্প পরিমাণে থাকে। 
    - ফুলের পাপড়িতে ও ফলে ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে, এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। 
    - ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পতঙ্গ ও পাখি পরাগায়নে এবং বংশবিস্তারে সাহায্য করে। 

    ২। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
    - ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণ কণিকা থাকে, এজন্য পাতা ও কচি শাখা প্রশাখা সবুজ দেখায়। 
    - এতে ক্লোরোফিল ব্যতীত অন্যান্য বর্ণ কণিকাও অল্প পরিমাণে থাকে। 
    যেমন- হলুদ বর্ণ কণিকা জ্যান্থোফিল ও কমলা বর্ণ কণিকা ক্যারোটিন। 
    - ক্লোরোপ্লাস্ট বিভিন্ন আকৃতির হয়, তবে বড় বড় উদ্ভিদে সাধারণত লেন্স আকৃতির হয়। 
    - এটি প্রধানত সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে। 

    ৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
    - বর্ণহীন প্লাস্টিড হচ্ছে লিউকোপ্লাস্ট। 
    - মাটির নিচের অংশ, তথা রাইজোম, ভূ-নিম্নস্থ কান্ড, মূল প্রভৃতিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকে। 
    - এটি খাদ্য সঞ্চয় করে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৬৫.
    শিখা পরীক্ষার ইটের মত লাল বর্ণ ধারণ করে কোনটি? 
    1. ক) সোডিয়াম 
    2. খ) পটাসিয়াম 
    3. গ) তামা  
    4. ঘ) ক্যালসিয়াম 
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ক্যালসিয়াম 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ক্যালসিয়াম 
    ব্যাখ্যা
    শিখা পরীক্ষা হল রসায়নের পরীক্ষায় ব্যবহার করা একটি বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি, এটি বিভিন্ন উপাদানের সনাক্তকরণের পরীক্ষা। শিক্ষা পরীক্ষার ধাতুসমূহ নিন্মোক্ত বর্ন ধারণ করে। 

    ধাতু  --  শিখা পরীক্ষায় বর্ণ 
    সোডিয়াম - সোনালি হলুদ 
    পটাশিয়াম - বেগুনী 
    তামা - গাঢ সবুজ 
    ক্যালসিয়াম - লাল বর্ণ (ইটের ন্যায়)
    ৪৬৬.
    নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণুকে আঘাত করা হয়-
    1. ইলেক্ট্রন দ্বারা
    2. নিউট্রন দ্বারা
    3. পজিট্রন দ্বারা
    4. প্রোটন দ্বারা
    সঠিক উত্তর:
    নিউট্রন দ্বারা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউট্রন দ্বারা
    ব্যাখ্যা


    সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৬৭.
    আলফা কণিকার চার্জ কোনটি? 
    1. শূন্য 
    2. ধনাত্মক 
    3. ঋণাত্মক 
    4. পরিবর্তনশীল 
    সঠিক উত্তর:
    ধনাত্মক 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধনাত্মক 
    ব্যাখ্যা

    আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
    ১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
    ২। আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে, এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব
    ৩। আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
    ৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
    ৫। আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
    ৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
    ৭। আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়, এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
    ৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
    ৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৬৮.
    লাউড স্পিকার কোন শক্তিকে রূপান্তর করে?
    1. যান্ত্রিক → তড়িৎ
    2. শব্দ → যান্ত্রিক
    3. তড়িৎ → যান্ত্রিক 
    4. তড়িৎ → শব্দ
    সঠিক উত্তর:
    তড়িৎ → শব্দ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তড়িৎ → শব্দ
    ব্যাখ্যা

    শক্তির রূপান্তর: 
    - মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
    - বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
    - লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
    - জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
    - মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

    উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৬৯.
    অকেলাসিত পদার্থ কোনটি? 
    1. চিনি
    2. কাঁচ
    3. মাইকা
    4. কোয়ার্টজ
    সঠিক উত্তর:
    কাঁচ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কাঁচ
    ব্যাখ্যা
    কেলাসিত পদার্থ: 
    - যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ও নিয়মিত ভাবে সুসজ্জিত থাকে, তাকে কেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
    - কেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কোয়ার্টজ, মাইকা, চিনি, তামা, সোডিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি। 

    কেলাসিত পদার্থর বৈশিষ্ট্য: 
    ১. কেলাসিত পদার্থতে অণু বা পরমাণুগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে সুসজ্জিত থাকে। 
    ২. কেলাসিত পদার্থগুলো সমতল তল দ্বারা আবদ্ধ থাকে। 
    ৩. কেলাসিত পদার্থ হলো অসমসত্ত্বক। কেলাসিত পদার্থের ভৌত ধর্ম অর্থাৎ‍ তাপীয় পরিবাহিতা, তড়িৎ পরিবাহিতা, সঙ্কোচনশীলতা ইত্যাদি বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন। 
    ৪. কেলাসিত পদার্থগুলো সুষম রাসায়নিক যৌগ দিয়ে গঠিত। 
    ৫. কেলাসিত পদার্থের নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক আছে অর্থাৎ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হঠাৎ তরলে রূপান্তরিত হয়। 

    অকেলাসিত পদার্থ: 
    - যে সকল কঠিন বস্তুর অণু ও পরমাণুগুলো অনির্দিষ্ট ও অনিয়মিত ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে অকেলাসিত কঠিন বস্তু বলে। 
    - অকেলাসিত কঠিন বস্তুর কয়েকটি উদাহরণ হলো- কাঁচ, রবার, সালফার ইত্যাদি। 

    উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৭০.
    হৃদপিন্ডকে রক্ত সরবারহ করে-
    1. ক) ইনমিনেট ধমনি
    2. খ) করোনারি ধমনি
    3. গ) পালমোনারি শিরা
    4. ঘ) পালমোনারি ধমনি
    সঠিক উত্তর:
    খ) করোনারি ধমনি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) করোনারি ধমনি
    ব্যাখ্যা
    করোনারি ধমনি: 
    - হৃদপিন্ডের নিজের জন্যও পুষ্টি এবং অক্সিজেন প্রয়োজন। 
    - এ চাহিদা পূরণ করা হয় করোনারি সংবহনের মাধ্যমে।
    - সিস্টেমিক ধমনির গোড়া থেকে সৃষ্ট করোনারি ধমনির মাধ্যমে হৃদপিন্ডের প্রাচীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সংবাহিত হয়।
    - হৃদপিন্ডের প্রাচীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত করোনারি শিরার মাধ্যমে ডান অলিন্দে প্রবেশ করে। 

    ইনমিনেট ধমনি:
    - এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি।
    - এটি অভিন্ন কারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

    পালমোনারি ধমনি:
    - দেহ থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

    পালমোনারি শিরা: 
    - ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবারহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে। 

    সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
    ৪৭১.
    HIV কী?
    1. ভাইরাস
    2. ব্যাকটোরিয়া
    3. রোগের নাম
    4. ফসলের জাত
    সঠিক উত্তর:
    ভাইরাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভাইরাস
    ব্যাখ্যা
    • HIV:
    - এটি এক ধরনের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus (HIV), এটি AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
    - HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
    - HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
    - এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

    • এইডস রোগ:
    - ‘AIDS’ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Acquired Immunodeficiency Syndrome.
    - সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী রোগ হচ্ছে ‘এইডস’ (AIDS)।
    - এটি একটি সংক্রামক রোগ।
    - ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
    - আফ্রিকার দেশগুলোতে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
    - প্রাকৃতিক নিয়মে সব মানুষের দেহেই রোগ-জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে, একে ইমিউনিটি বলা হয়।

    উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৪৭২.
    পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান কত? 
    1. ০ মিটার/সেকেন্ড2
    2. ৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড2
    3. ৯.৮০ মিটার/সেকেন্ড2
    4. ৯.৮৩ মিটার/সেকেন্ড2
    সঠিক উত্তর:
    ০ মিটার/সেকেন্ড2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ০ মিটার/সেকেন্ড2
    ব্যাখ্যা
    পৃথিবীর আকৃতির জন্য বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজন বিভিন্ন হওয়ার কারণ: 
    - পৃথিবী সুষম গোলক না হওয়ায় পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের সকল স্থান সমদূরে নয়। 
    - যেহেতু g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। 
    - বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে কম (৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড)। সুতরাং বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
    - বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত যাওয়া যায়, কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব তত কমতে থাকে এবং g এর মান বাড়তে থাকে (৯.৮৩ মিটার/সেকেন্ড)। এর ফলে বস্তুর ওজনও বাড়তে থাকে। 
    - মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি, ফলে ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়। 
    - আবার, পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
    ৪৭৩.
    একটি পেন্ডুলাম ঘড়ি বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নিলে ঘড়িটি-
    1. ক) স্লো হবে
    2. খ) ফাস্ট হবে
    3. গ) ঠিক সময় দেবে
    4. ঘ) কোনো রকম প্রভাবিত হবে না
    সঠিক উত্তর:
    খ) ফাস্ট হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) ফাস্ট হবে
    ব্যাখ্যা

    একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
    কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
    সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
    এখানে, t= দোলনকাল, L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ), g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

    উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
    ১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
    ২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
    ৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
    ৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
    ৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
    ৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
    ৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।

    ৪৭৪.
    ধূমকেতু কীভাবে ছুটে চলে?
    1. গ্রহসমূহের আবর্তন পথের সোজাদিকে
    2. গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে
    3. বৃত্তাকার কক্ষপথে
    4. ক ও গ
    সঠিক উত্তর:
    গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে
    ব্যাখ্যা
    ধূমকেতু (Halley's Comet):
    - ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক।
    - ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
    - অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে।
    - জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।

    ⇒ হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়। 
    - ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
    - হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ২০৬১ সালে।

    উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ii) NASA ওয়েবসাইট।
    ৪৭৫.
    পালতোলা নৌকা সম্পূর্ণ অন্য দিকের বাতাসকেও এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে। কারণ-
    1. ক) ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়
    2. খ) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
    3. গ) পালের দাড়িতে টানের নিয়ন্ত্রণ বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে
    4. ঘ) পালের আকৃতিকে সুকৌশলে ব্যবহার করা যায়
    সঠিক উত্তর:
    খ) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
    ব্যাখ্যা
    পালতোলা নৌকাতে বাতাস দুইভাবে কাজ করে।একটি বলের অভিমূখে অন্যটি বলের বিপরীত। যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে বিপরীতমূখী বলকে নিষ্ক্রিয় করা গেলে নৌকা অন্যদিকের বাতাসকে সম্মুখ অভিমূখে বলের উপাংশটিকে কাজে লাগিয়ে তা নৌকার সম্মুখগতিতে ব্যাবহার করতে পারে।
    ৪৭৬.
    জন্ডিসের প্রধান কারণ হিসেবে কোন ভাইরাসকে চিহ্নিত করা হয়?
    1. র‍্যাবিস 
    2. ফ্ল্যাভি 
    3. হেপাটাইটিস-বি
    4. অ্যাডিনো 
    সঠিক উত্তর:
    হেপাটাইটিস-বি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হেপাটাইটিস-বি
    ব্যাখ্যা

    - হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা জন্ডিসের অন্যতম প্রধান কারণ। হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো (A, B, C, D, E) বিশ্বব্যাপী জন্ডিস রোগের প্রধান উৎস। 

    ভাইরাস ও তার প্রভাব: 
    - ভাইরাস প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে। 
    - কিছু ভাইরাস মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব, এমনকি অকাল মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যদিও স্বল্প পরিসরে ভাইরাস কিছু উপকারও করে, তবে অপকারের পরিমাণই বেশি। 

    ভাইরাসের অপকারিতা: 
    - ভাইরাস বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের নানা রকমের রোগের কারণ। 
    - নিচে কিছু ভাইরাসজনিত রোগ, পোষকের নাম ও ভাইরাসের নাম উল্লেখ করা হলো-  


    উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪৭৭.
    পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ-
    1. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়
    2. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
    3. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
    4. খ ও গ উভয়ই ঠিক
    সঠিক উত্তর:
    খ ও গ উভয়ই ঠিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ ও গ উভয়ই ঠিক
    ব্যাখ্যা
    - পেট্রোল একধরনের প্রাকৃতিক হাইড্রোকার্বন যা পানির চেয়ে অনেক হালকা। 
    - এজন্য পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে পানি নিচে চলে যায় এবং তা পেট্রোলের সাথে মিশে না। 
    - পেট্রোল উপরে উঠে আগুন জ্বলতেই থাকে। 
    - পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রােলের আগুন নেভানো যায় না।
    ৪৭৮.
    গ্রিনহাউজ কি?
    1. ক) কাচের তৈরি ঘর
    2. খ) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
    3. গ) সবুজ ভবনের নাম
    4. ঘ) সবুজ গাছপালা
    সঠিক উত্তর:
    ক) কাচের তৈরি ঘর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) কাচের তৈরি ঘর
    ৪৭৯.
    মানব শরীরে মোট কত ধরনের মৌল আছে? 
    1. ৩৩ 
    2. ১৬ 
    3. ২৬ 
    4. ৫০ 
    সঠিক উত্তর:
    ২৬ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৬ 
    ব্যাখ্যা

    মৌলিক পদার্থ: 
    - যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
    যেমন- সোনা, রূপা বা লোহা ইত্যাদি বিশুদ্ধ পদার্থকে যতই ভাঙ হউক না কেন সেখানে তাদের ক্ষুদ্রতর কণা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাবে না। 
    উদাহরণ- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম ও সালফার ইত্যাদি। 
    - এই পর্যন্ত ১১৮ টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮ টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে যেগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলা হয়। 
    - মানব শরীরে মোট ২৬ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌল আছে। 

    উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৪৮০.
    কোনটি বহুরূপী মৌল?
    1. ক) আর্সেনিক
    2. খ) সোডিয়াম
    3. গ) কার্বন
    4. ঘ) অক্সিজেন
    সঠিক উত্তর:
    গ) কার্বন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) কার্বন
    ব্যাখ্যা

    - প্রকৃতিতে একই মৌলের বিভিন্ন ভৌত রূপে অবস্থান করার প্রবণতাকে বহুরূপতা বলে।
    - কার্বন, ফসফরাস, সিলিকন, সালফার, জার্মেনিয়াম, বোরন, টিন ইত্যাদি মৌল বহুরূপতা প্রদর্শন করে।
    - কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক।
    - অদানাদার রূপভেদ হলো- কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক।
    উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৪৮১.
    যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা কোনটি?
    1. ক) পরমাণু
    2. খ) ইলেক্ট্রন
    3. গ) অণু
    4. ঘ) নিউক্লিয়াস
    সঠিক উত্তর:
    গ) অণু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) অণু
    ব্যাখ্যা
    পরমাণু:
    পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা ঐ পদার্থের বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে।
    পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

    অণু:
    মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলী অক্ষুন্ন রেখে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে তাকে অণু বলে। দুই বা ততোধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে।
    যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠন করে।
    আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠন করে।

    অণুর বৈশিষ্ট:
    - স্বাধীন অস্তিত্ব আছে।
    - বস্তুর বৈশিষ্ট বজায় রাখে।
    - সব চেয়ে ছোট অণু হাইড্রোজেন অণু।
    - খালি চোখে দেখা যায় না।
    - কোন চার্জ নাই।

    সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
    ৪৮২.
    [Fe(CN)6]-4 এ Fe এর জারণ সংখ্যা কত?
    1. -2
    2. +2
    3. -4
    4. +6
    সঠিক উত্তর:
    +2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    +2
    ব্যাখ্যা
    ধরি [Fe(CN)6]-4 এ Fe এর জারণ সংখ্যা x
    আমরা জানি, CN এর প্রমাণ জারণ সংখ্যা -1 এবং সম্পূর্ণ যৌগটির আয়ন -4 ।

    অতএব,
     x + (-1) × 6 = -4
    ⇒  x = 6 - 4
    ∴ x = + 2

    ∴ Fe এর জারণ সংখ্যা +2

    উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি
    ৪৮৩.
    কোন কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক থাকে? 
    1. দেহকোষে
    2. প্রাককেন্দ্রিক কোষে
    3. জননকোষে
    4. আদিকোষে
    সঠিক উত্তর:
    জননকোষে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জননকোষে
    ব্যাখ্যা
    জীবকোষ: 
    - জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক। 
    - কোনো কোনো বিজ্ঞানী জীবকোষকে জীবদেহের গঠন ও জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 
    - লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য (selectively permeable) পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন। 

    কোষের প্রকারভেদ: 
    - সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য। 
    - নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। 
    যথা- 
    (a) আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell): 
    - এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না, এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়। 
    - এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। 
    - এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। 
    - নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়। 

    (b) প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell): 
    - এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। 
    - এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। 
    - কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের। 
    যথা- 
    ১। দেহকোষ (Somatic cell): 
    - বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। 
    - মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। 

    ২। জননকোষ (Gametic cell): 
    - যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
    - মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। 
    - অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। 
    - পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৪৮৪.
    কোন হরমোন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে? 
    1. অক্সিন 
    2. সাইটোকাইনিন
    3. জিবেরেলিন 
    4. ফ্লোরিজেন 
    সঠিক উত্তর:
    ফ্লোরিজেন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্লোরিজেন 
    ব্যাখ্যা

    ফাইটোহরমোন: 
    - যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
    - উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
    - যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 

    - উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি।
    - এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
    - এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
    - এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
    - ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
    - ফ্লোরিজেন নামক হরমোন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৪৮৫.
    গ্লুকোজের স্থূল সংকেত কোনটি?
    1. CH2O
    2. C6H10O6
    3. C6H12O5
    4. C6H12O6
    সঠিক উত্তর:
    CH2O
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    CH2O
    ব্যাখ্যা
    সংকেত (Formula):  
    - দুই বা ততোধিক মৌলের নির্দিষ্ট সংখ্যক পরমাণু রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত হয়ে যৌগিক অণু গঠন করে। 
    - যৌগের অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের প্রতীক ও তাদের পরমাণু সংখ্যার সাহায্যে যৌগের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকেই যৌগের সংকেত বলা হয়। 
    যেমন- পানির একটি অণুর ক্ষেত্রে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি পানির অণু গঠন করে। সুতরাং পানির সংকেত H2O. 
    - রসায়নে অনেক ধরনের সংকেতের ব্যবহার আছে। 
    যেমন- 
    ১। রাসায়নিক সংকেত (Chemical Formula): 
    - যৌগিক অণুর ক্ষেত্রে দেখা যায় দুই বা ততোধিক মৌল বা মূলক ওদের যোজ্যতার বিপরীত অণুপাতে যুক্ত হয়ে অণুগঠন করে। 
    যেমন- Al মৌলটির যোজ্যতা 3 এবং O মৌলটির যোজ্যতা 2, সুতরাং Al এর 2টি পরমাণু O এর 3 তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করবে। অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত Al2O3
    - যৌগের অণুতে মৌল ও যৌগমূলকের যোজ্যতাভিত্তিক সংকেতকে রাসায়নিক সংকেত বলা হয়। 

    ২। আণবিক সংকেত (Molecular Formula): 
    - কোনো অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে যে সংকেত প্রকাশ করা হয় তাকে আণবিক সংকেত বলা হয়। 
    যেমন- অক্সিজেনের আনিবক সংকেত O2, পানির আণবিক সংকেত H2O, গ্লুকোজের আণবিক সংকেত C6H12O6

    ৩। স্থূল সংকেত (Empirical Formula): 
    - কোনো যৌগের অণুতে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রকাশ না করে কেবল ওদের ক্ষুদ্রতম অণুপাতকে প্রকাশ করা হয়, তখন ওই সংকেতকে ওই যৌগের স্থূল সংকেত বলা হয়। 
    যেমন- গ্লুকোজ এর আণবিক সংকেত C6H12O6
    - C, H ও O পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যার অণুপাত 6 : 12 : 6 হলেও ক্ষুদ্রতম অণুপাত 1 : 2 : 1. সুতরাং গ্লুকোজের স্থূল সংকেত CH2O

    ৪। গাঠনিক সংকেত (Structural Formula): 
    - মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের অণুর মধ্যে বিভিন্ন পরমাণু পরস্পরের সাথে যেভাবে সংযুক্ত থাকে তা যে সংকেত এর মাধ্যমে দেখানো হয় তাকে ওই অণুর গাঠনিক সংকেত বলা হয়। 
    যেমন- পানি (H2O) অণুর গাঠনিক সংকেত H-O-H, হাইড্রোজেন (H2) অণুর গাঠনিক সংকেত H-H ইত্যাদি। 

    উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৮৬.
    একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য কত?
    1. ৫ - ৬ সেন্টিমিটার
    2. ১০ - ১২ সেন্টিমিটার
    3. ৩ - ৪ সেন্টিমিটার
    4. ১৫ - ১৭ সেন্টিমিটার
    সঠিক উত্তর:
    ১০ - ১২ সেন্টিমিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০ - ১২ সেন্টিমিটার
    ব্যাখ্যা
    • একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০ - ১২ সেন্টিমিটার।

    • বৃক্কের গঠন ও কাজ:
    - বৃক্ক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ।
    - মানুষের উদরগহ্বরের পশ্চাৎ মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি বৃক্ক থাকে।
    - মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
    - পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতিটি বৃক্ক প্রায় ১১-১২ সে.মি. লম্বা, ৫-৬ সে.মি. প্রস্থ এবং ৩ সে.মি. পুরু হয়।
    - পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।
    - সজীব অবস্থায় বৃক্কের রং খয়েরি লাল।
    - আকৃতিতে অনেকটা শীম বীজের মত।
    - এর বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল।
    - অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম বলে।
    - এর ভেতর দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনী ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে।
    - সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ, পাতলা পেরিটোনিয়াম ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে।

    উৎস:
    ১. প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
    ৪৮৭.
    তামাকে সর্বাপেক্ষা বিষাক্ত বস্তুর নাম কি?
    1. সায়ানইড
    2. নিকোটিন
    3. আয়োডিন
    4. কার্বাইড
    সঠিক উত্তর:
    নিকোটিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিকোটিন
    ব্যাখ্যা
    ধুমপান: 
    - ধুমপান হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণ প্রক্রিয়া। 
    - ধুমপায়ী যে অবস্থায় জলন্ত সিগারেট বা বিড়ি থেকে উদ্ভূত ধোঁয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে টেনে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করায় তাকে সক্রিয় ধুমপান বলে। 
    - অপরদিকে ধুমপানের সময় ধোঁয়ার যে অংশ চারপাশের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনৈচ্ছিকভাবে মানুষের দেহে নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধুমপান বলে। 
    - ধুমপানে সৃষ্ট ধোয়াতে প্রায় ৫০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে। 
    - তামাকের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানগুলো হলো নিকোটিন, টার ও কার্বন মনো-অক্সাইড। 

    ধুমপানের প্রভাব: 
    ১। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে; কার্বন মনোক্সাইড শ্বাসনালীতে ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে। 
    ২। ধুমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আয়তন বেড়ে যায়। 
    ৩। ধোয়ার প্রভাবে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময়ে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে এ অবস্থাকে এমফাইসিমা বলে। 
    ৪। কার্বন মনোক্সাইড এর বৃদ্ধি ঘটে এবং রক্তের O2 পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে। ধমনি গাত্রে কোলেস্টেরল জমতে সাহায্য করে। এতে উচ্চ রক্তচাপ হয়। 
    ৫। ধুমপান এর ফলে গলবিল ও অন্ননালীতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ধুমপায়ীদের অধুমপায়ীর চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশি। 
    ৬। ধুমপায়ী মহিলাদের বন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 
    ৭। ধুমপান পরিবেশ দূষণ ঘটায় এবং অধুমপায়ীদের শ্বাস গ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৮৮.
    কোন দ্রাঘিমা রেখাটি 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসেবে পরিচিত?
    1. ০° দ্রাঘিমা রেখা
    2. ৯০° দ্রাঘিমা রেখা
    3. ১২০° দ্রাঘিমা রেখা
    4. ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা
    সঠিক উত্তর:
    ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা
    ব্যাখ্যা
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
    - পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
    - এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

    ⇒ ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
    - ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
    - তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
    - আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৮৯.
    'তামা'-এর আপেক্ষিক তাপ কত?
    1. 130 Jkg-1K-1
    2. 230 Jkg-1K-1
    3. 400 Jkg-1K-1
    4. 420 Jkg-1K-1
    সঠিক উত্তর:
    400 Jkg-1K-1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    400 Jkg-1K-1
    ব্যাখ্যা
    - তামা'র আপেক্ষিক তাপ হচ্ছে- 400 Jkg-1K-1

    আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat): 
    - একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
    যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
    - সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। 
    - তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
    - তাই 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
    - আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1
    - সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন।  
    নিচের তালিকায় কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো- 


    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৯০.
    কোন কোন কোষে মাইটোসিস বিভাজন ঘটে না? 
    (i) প্রাণীর স্নায়ুটিস্যুর স্নায়ুকোষে
    (ii) স্তন্যপায়ী প্রাণীর লোহিত রক্তকণিকা
    (iii) উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যু

    নিচের কোনটি সঠিক?
    1. ক) i ও ii
    2. খ) i ও iii
    3. গ) ii ও iii
    4. ঘ) i, ii ও iii
    সঠিক উত্তর:
    খ) i ও iii
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) i ও iii
    ব্যাখ্যা
    মাইটোসিস সংঘটিত হওয়ার স্থান:
    - প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত (উন্নত জীব কোষ) দেহকোষ মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়। 
    - উদ্ভিদের বর্ধনশীল অংশ যথা কান্ড ও মূলের অগ্রভাগ, ভ্রুণ মুকুল, ভ্রুণ মূল পুষ্পমুকুল, অগ্রমুকুল, বর্ধনশীল পত্র ইত্যাদির ভাজক টিস্যুর কোষ এ প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। 
    - প্রাণির স্নায়ুকোষ ছাড়া সকল দেহকোষও এ প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়।

    উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৯১.
    জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় সর্বশেষ কোন রোগটির বিরুদ্ধে টিকাদান কার্যক্রম সংযোজিত হয়েছে?
    1. হেপাটাইটিস-বি
    2. নিউমোনিয়া
    3. পোলিও
    4. ধনুষ্টংকার
    সঠিক উত্তর:
    নিউমোনিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউমোনিয়া
    ব্যাখ্যা

    সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Program on Immunization) হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি।
    - এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলিতে শিশুদের সংক্রামক রোগগুলির বিরুদ্ধে টিকাদানের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত একটি চলমান কর্মসূচি।
    - ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের বহুল পরিচালিত সংক্রামক রোগ যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, হাম, পোলিও এবং মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার বিষয়ে কাজ শুরুকরে।
    - পরবর্তীকালে এর অধীনে ২০০৩ সাল থেকে হেপাটাইটিস রোগের টিকা, ২০০৯ সাল থেকে হিমোফাইলাস রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
    - ২০১৫ সাল থেকে নিউমোকক্কাস ব্যাকটেরিয়াঘটিত নিউমোনিয়ার (ফুসফুস প্রদাহ) টিকা দেওয়া হচ্ছে।
    সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট

    ৪৯২.
    পর্যায় কাল ও কম্পাঙ্কের মধ্যে সম্পর্ক হলো-
    1. T = f
    2. T = 1/f
    3. f = 2π/T
    4. T = 2π/f
    সঠিক উত্তর:
    T = 1/f
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    T = 1/f
    ব্যাখ্যা
    • সরল দোলন গতি:
    - কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ওই কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়।
    - অন্য ভাবে বলা যায়, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে।

    • সরল দোলন গতি সম্বন্ধীয় কয়েকটি রাশি:
    - দোলনকাল (Time Period): একটি পূর্ণদোলনের জন্য কোনো কণা যে সময় নেয় তাকে পর্যায়কাল বা দোলনকাল (T) বলা হয়।
    - এর মাত্রা হলো সময়ের মাত্রা T এবং একক হলো সেকেন্ড (s)।

    - কম্পাঙ্ক (Frequency): একক সময়ে কোনো কণা যে কয়টি পূর্ণদোলন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক (f) বলা হয়।
    - যেহেতু T সময়ে 1 টি পূর্ণদোলন হয় তাই, একক সময়ে পূর্ণদোলনের সংখ্যা = 1/T
    - অর্থাৎ, পর্যায় কাল ও কম্পাঙ্কের মধ্যে সম্পর্ক হলো, f = 1/T বা, T = 1/f
    - কম্পাঙ্কের মাত্রা হল T-1 এবং একক হার্জ (Hz) বলা হয়। 1Hz = 1s-1

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৯৩.
    বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- 
    1. Evolution 
    2. Entomology
    3. Ethology
    4. Mycology
    সঠিক উত্তর:
    Evolution 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Evolution 
    ব্যাখ্যা

    • বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution. 
    - Evolution বা বিবর্তনবিদ্যা জীববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা যেখানে সময়ের সাথে জীবের বংশগতিমূলক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন এবং নতুন প্রজাতির উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়। চার্লস ডারউইন এই ধারার প্রধান প্রবক্তা।
     
    অন্যদিকে, 
    - পতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Entomology।
    - প্রাণীর আচরণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Ethology।
    - ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology।

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

    ৪৯৪.
    সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে -
    1. অ্যাটমোমিটার
    2. ক্রনোমিটার
    3. অডিওমিটার
    4. ফ্যাদোমিটার
    সঠিক উত্তর:
    ক্রনোমিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রনোমিটার
    ব্যাখ্যা
    ক্রনোমিটার (Chronometer):
    - সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার।
    - বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    অন্যদিকে -
    - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
    - ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল ।
    - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
    - তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র হাইড্রোমিটার।
    - বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।
    - শ্রাব্যতা মাপার যন্ত্র মাপার যন্ত্র অডিওমিটার।
    - বায়ুচাপ বলোমিটার(bolometer) - তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
    - রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ মাপার যন্ত্র ক্যালোরিমিটার।
    - দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব মাপার যন্ত্র ল্যাক্টোমিটার।
    - উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
    - ধাবমান বস্তুর গতি/বেগ মাপার যন্ত্র স্পিডোমিটার।
    - রক্ত চাপ মাপার যন্ত্র স্ফিগোমোম্যানোমিটার।

    উৎস: Britannica.
    ৪৯৫.
    নিচের কোন প্লাস্টিক পুড়ে যাওয়ার সময় হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস নির্গত করে?
    1. পলিইউরেথেন
    2. পিভিসি
    3. পলিস্টার
    4. ব্যকেলাইট
    সঠিক উত্তর:
    পিভিসি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পিভিসি
    ব্যাখ্যা
    প্লাস্টিক: 
    - প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজেই ছাঁচযোগ্য। 
    - নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছামতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট বস্তু সামগ্রী তৈরি করা যায়। 
    যেমন- মগ, বালতি, জগ, মেলামাইনের থালা-বাসন, পিভিসি পাইপ, বাচ্চাদের খেলনা, গাড়ির সিটবেল্ট, এমনকি আসবাবপত্র সবকিছুই প্লাস্টিকের তৈরি। 
    - এ সবই প্লাসটিক জাতীয় পলিমার থেকে তৈরি। 

    প্লাস্টিকের ভৌত ধর্ম: 
    - বেশির ভাগ প্লাস্টিকই পানিতে অদ্রবণীয় যা দ্রবীভূত হয় না। 
    - প্লাস্টিকের বিদ্যুৎ এবং তাপ নিরোধক হিসেবে বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
    - প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো গলিত অবস্থায় এদেরকে যেকোনো আকার দেওয়া যায়। 
    - পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্চাদের খেলনা-এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যতবারই এদেরকে তাপ দেওয়া যায়, এরা নরম হয় ও ঠান্ডা করলে শক্ত হয়, এগুলোকে থার্মোপ্লাস্টিকস (Thermoplastics) বলে। 
    - অন্যদিকে মেলামাইন, ব্যকেলাইট (যা ফ্রাইং প্যানের হাতলে এবং বৈদ্যুতিক সকেটে ব্যবহার করা হয়) এগুলো তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না। এই সকল প্লাস্টিককে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস (Thermosetting Plastics) বলে। 

    প্লাস্টিকের রাসায়নিক ধর্ম: 
    - বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাই বাতাসের জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। 
    - এমনকি পাতলা এসিড বা ক্ষারের সাথেও প্লাস্টিক বিক্রিয়া করে না, তবে শক্তিশালী ও ঘনমাত্রার এসিডে কিছু কিছু প্লাস্টিক দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
    - প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 
    - প্লাস্টিক পচনশীল নয়, দীর্ঘদিন মাটি বা পানিতে পড়ে থাকলেও এসব পচে না। 
    - অবশ্য বর্তমানে বিজ্ঞানীরা পচনশীল প্লাস্টিক আবিষ্কার করেছেন, সেগুলো বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
    - হাত-পা কেটে গেলে বা মেডিক্যাল অপারেশনে সেলাইয়ের কাজে যে সুতা ব্যবহৃত হয়, সেগুলো এক ধরনের পচনশীল প্লাস্টিক। 
    - প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হয়। 
    যেমন- পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন (Polyurethane) প্লাস্টিক (যা আসবাবপত্র, যেমন: চেয়ার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। 

    উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ৪৯৬.
    Which of the following is the longest bone in the human body?
    1. Humerus
    2. Stapes
    3. Femur
    4. Ulna
    5. Fibula
    সঠিক উত্তর:
    Femur
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Femur
    ব্যাখ্যা

    • মানবদেহের দীর্ঘতম হাড় হলো ফিমার। একে Thigh Bone বলা হয়।

    • ফিমার (Femur):
    -নিম্নবাহুর প্রথম অস্থিকে ফিমার বলা হয়।

    • এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী হাড়।।
    - এর ঊর্ধ্বপ্রান্তে একটি গোল হেড (মস্তক), নেক (গ্রীবা) এবং ছোট ও বড় ট্রোক্যান্টার অবস্থিত।
    - দেহটি শক্ত ও নলাকার। এর পশ্চাত্তল একটি অমসৃণ আলযুক্ত।
    -নিম্নপ্রান্ত দুটি কন্ডাইলবিশিষ্ট। দুই কন্ডাইলের মাঝখানে থাকে আন্তঃকন্ডাইলার ছিদ্র, প্যাটেলার সংযোগী তল এবং দুপাশে একটি করে এপিকন্ডাইল নামে সামান্য উঁচু জায়গা।

    উল্লেখ্য:
    - Stapes: এটি কানের ভেতরে অবস্থিত মানবদেহের ক্ষুদ্রতম অস্থি (হাড়)।

    তথ্যসূত্র:
    - জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

    ৪৯৭.
    কর্মদক্ষতা হচ্ছে -
    1. কাজ ও বলের অনুপাত
    2. ক্ষমতা ও শক্তির অনুপাত
    3. কাজ ও ক্ষমতার অনুপাত
    4. কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
    সঠিক উত্তর:
    কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
    ব্যাখ্যা
    কর্মদক্ষতা (Efficiency): 
    - শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে একটি যন্ত্রের কার্যকর শক্তি (output energy) যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির (input energy) সমান হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে কার্যকর শক্তি সকল সময় মোট শক্তির চেয়ে কম হয়। 
    - নানা কারণে যন্ত্রে শক্তির অপচয় ঘটে এবং এ কারণে যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে শক্তির এই তারতম্যের সৃষ্টি হয়। 
    যেমন- জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে শক্তির অপচয় হয় যা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে শক্তির মোট স্থানান্তর স্থির থাকে। 
    - যন্ত্রেও কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
    - কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
    - যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
    - কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
    - কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়। 
    কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি 
    = কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
    = (E1 - E2)/E1 × 100%  । 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪৯৮.
    Panthera Leo কিসের নাম?
    1. ক) বাঘ
    2. খ) ভাল্লুক
    3. গ) কুমির
    4. ঘ) সিংহ
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) সিংহ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) সিংহ
    ব্যাখ্যা
    সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera Leo.
    উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
    ৪৯৯.
    FET হচ্ছে এক ধরনের ____________।
    1. ভ্যাকসিন
    2. আইসি
    3. ট্রানজিস্টার
    4. জীবাণু
    সঠিক উত্তর:
    ট্রানজিস্টার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ট্রানজিস্টার
    ব্যাখ্যা

    FET: 
    - ফিল্ড এফেক্ট ট্রানজিস্টর বা FET 'তিন প্রান্ত' (three terminal) বিশিষ্ট একধরনের সলিড স্টেট ডিভাইস।
    - বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করে এ ডিভাইসের ভিতর প্রবাহিত কারেন্ট পরিবর্তন করা হয় বলে একে ফিল্ড এফেক্ট ট্রানজিস্টর বা FET বলে।
    - যেহেতু সংখ্যাগুরু বাহক দ্বারা কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাই একে একধ্রুবী (Unipolar) ডিভাইসও বলা হয়।

    FET এর ব্যবহার: 
    ১। বাইপোলার ট্রানজিস্টর যে সমস্ত কাজে ব্যবহার করা হয়, FET ও একই ধরনের কাজ করতে পারে। এছাড়াও FET অনেক কাজে ব্যবহৃত হয় যেখানে বাইপোলার ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা যায় না।
    ২। FET এর ইনপুটে উচ্চ রোধ এবং আউটপুটে স্বল্প পরিমাণের রোধ থাকায় বাইপোলার ট্রানজিস্টরের চেয়ে FET উন্নতমানের। এ কারণে FET এর ব্যবহারও বেশি। 
    ৩। FET এর ইনপুটে উচ্চ রোধ থাকায় বর্তনীতে লোডিং ক্রিয়া খুব কম হয়। তাই উন্নতমানের ভোল্টমিটার, দোলনদর্শী (Oscilloscope), বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পরিমাপক যন্ত্রপাতিতে FET এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
    ৪। লজিক বর্তনীতে (logic circuit) FET বহুল পরিমাণে ব্যবহার করা হয়।
    ৫। ক্ষুদ্র আকৃতির জন্য LSI বর্তনী এবং কম্প্যুটারের মেমোরিতে FET ব্যবহার করা হয়।
    ৬। মিশ্রণ ক্রিয়া সম্পাদনে Fm, TV ইত্যাদি গ্রাহকযন্ত্রে FET ব্যবহার করা হয়।

    তথ্যসুত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ৫০০.
    সাম্প্রতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে কোন রোগ বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি হবে?
    1. ক) এইডস
    2. খ) এইডিস মশা দ্বারা আক্রান্ত জ্বর
    3. গ) স্ট্রোক ও করোনারি ধমনির রোগ
    4. ঘ) ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগ
    সঠিক উত্তর:
    গ) স্ট্রোক ও করোনারি ধমনির রোগ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) স্ট্রোক ও করোনারি ধমনির রোগ
    ব্যাখ্যা
    সাম্প্রতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে স্ট্রোক ও করোনারি ধমনির রোগ বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি হবে।
    উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।