বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ৩০১৪০০ / ১৪,০৮০

৩০১.
বিজ্ঞানে ‘ঈশ্বর কণা’ হিসেবে কোন কণাটি পরিচিত?
  1. হিগস বোসন কণা
  2. লেপটন কণা
  3. নিউট্রন কণা
  4. মেসন কণা
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
ব্যাখ্যা

•  বিজ্ঞানে ‘ঈশ্বর কণা’ হিসেবে পরিচিত হিগস বোসন কণা। কারণ এটি অন্যান্য কণার ভর উৎপন্ন করতে সাহায্য করে।

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়। 
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩০২.
আমিষ তৈরি হয় -
  1. ক) ফ্যাটি এসিড দিয়ে।
  2. খ) অ্যামাইনো এসিড দিয়ে।
  3. গ) ফলিক এসিড দিয়ে।
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড দিয়ে।
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামাইনো এসিড দিয়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামাইনো এসিড দিয়ে।
ব্যাখ্যা
অ্যামাইনো এসিড
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিন গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। (উৎস: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
- সাধারণত ২০ টি অ্যামিনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামিনো এসিড। (উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান)
- মানব শরীরে ২০ টি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে। (উৎস: ব্রিটানিকা)
৩০৩.
পানির একটি অণুকে ভাঙলে কয়টি পরমাণু পাওয়া যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

পানির একটি অণুকে ভাঙলে তিনটি পরমাণু পাওয়া যায়। 

দুইটি হাইড্রোজেন এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলে পানির একটি অণু গঠিত হয়।
অক্সিজেনের একটি অণুকে ভাঙলে দুইটি পরমাণু পাওয়া যায়।
অণু হচ্ছে কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক, যাতে ঐ পদার্থের সকল গুণাগুণ বিদ্যমান থাকে।
মৌলিক পদার্থের যে ক্ষুদ্রতম কণার মধ্যে মৌলটির সমস্ত ধর্ম উপস্থিত থাকে এবং যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে মৌলিক পদার্থটির পরমাণু বলে।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩০৪.
The density of milk is measured by -
  1. lactometer
  2. Fadometer
  3. Seismograph
  4. Barometer
  5. Manometer
সঠিক উত্তর:
lactometer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lactometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩০৫.
এক্সোমণ্ডলে কোন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়? 
  1. আর্গন ও নাইট্রোজেন 
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেন 
  3. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন 
  4. হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

এক্সোমণ্ডল (Exosphere): 
- তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত যে বায়ুর স্তর আছে, তাকে এক্সোমণ্ডল বলে। 
- এক্সোমণ্ডলে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। 

এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়, এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। 
- এই স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। 
- এই স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেন না মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলাে সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০৬.
নিচের কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু?
  1. Ra
  2. Na
  3. K
  4. Fe
সঠিক উত্তর:
Ra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ra
ব্যাখ্যা

• রেডিয়াম (Ra) হচ্ছে মৃৎক্ষার ধাতুর উদাহরণ।

• মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়।
- মৌলগুলো হলো: বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra)।
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল, দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে, এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

• ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। - এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৭.
কোন পদার্থ পরম শূন্য তাপমাত্রায় অন্তরকের ন্যায় কাজ করে?
  1. অতিপরিবাহী পদার্থ
  2. অপরিবাহী পদার্থ 
  3. অর্ধপরিবাহী পদার্থ
  4. প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী পদার্থ
ব্যাখ্যা

• পরম শূন্য তাপমাত্রায় তাপীয় শক্তির অভাবে অর্ধপরিবাহীর ইলেকট্রনগুলো যোজন ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে যেতে পারে না। ফলে কোনো মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায় এটি একটি নিখুঁত অন্তরকের ন্যায় আচরণ করে।

• অর্ধপরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। 
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়। 

• অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য: 
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম। 
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৮.
কোনটি স্ব-পরাগী ফুল?
  1. ক) শিমুল
  2. খ) পেঁপে
  3. গ) ধান
  4. ঘ) সরিষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরিষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা
স্ব-পরাগায়ন : একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়।
ধুতুরা, সরিষা, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।

পর-পরাগায়ন : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৯.
কোনটিতে ঋণাত্মক আধান থাকে?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা । 
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11 × 10-28 গ্রাম ও 1.60 × 10-19 কুলম্ব। 
- ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67 × 10-24 গ্রাম ও 1.60× 10-19 কুলম্ব। 
- ধণাত্মক আধান বিশিষ্ট। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 গ্রাম। 

উৎস: রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১০.
বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের উপস্থিতির ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
  3. নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
  4. অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.৮০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০..০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৩১১.
স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে?
  1. অভিকর্ষজ ত্বরণ
  2. মহাকর্ষ বল
  3. আপেক্ষিক বল
  4. সমান্তরাল বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

- স্যাটেলাইট প্রধানত মহাকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে।
- স্যাটেলাইটের নিজস্ব ভরবেগ (Momentum) বা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার গতি এবং পৃথিবীর টান এমনভাবে ভারসাম্য বজায় রাখে যে, এটি পৃথিবীতে আছড়ে না পড়ে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে।
- স্যাটেলাইটের  ঘূর্ণন বজায় রাখার পেছনে দুটি প্রধান কারণ কাজ করে। যথা:

• মহাকর্ষ বল (Gravitational Force):
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল কাজ করে, তাই মহাকর্ষ বল। এটি একটি সর্বজনীন আকর্ষণ বল।
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি স্যাটেলাইটকে সবসময় নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে ধরে রাখে।

• কেন্দ্রমুখী বল (Centripetal Force):
- কেন্দ্রমুখী বল হলো সেই বাহ্যিক বল যা কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরানোর জন্য কেন্দ্রের দিকে কাজ করে।
- মহাকর্ষ বলই মূলত এখানে কেন্দ্রমুখী বল হিসেবে কাজ করে, যা স্যাটেলাইটটিকে সোজা পথে চলে যেতে না দিয়ে বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার পথে ঘুরতে বাধ্য করে।

• অন্যান্য অপশন সমূহ:

আপেক্ষিক বল: 
- আপেক্ষিক বল বলতে সাধারণত একটি চলন্ত বা অ-জড় (non-inertial) প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে পরিমাপ করা কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বলকে বোঝায়, যার মধ্যে প্রকৃত বলের সাথে কাল্পনিক বলও (pseudo-force) অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি পর্যবেক্ষকের গতির ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। 

সমান্তরাল বল:
- যখন দুই বা ততোধিক বলের ক্রিয়ারেখা পরস্পর সমান্তরাল হয়, তখন তাদের সমান্তরাল বল বলে। এই বলগুলো একই দিকে (সদৃশ/সমমুখী) অথবা বিপরীত দিকে (বিসদৃশ) কাজ করতে পারে।

অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational acceleration) হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার, যাকে 'g' দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর মান প্রায় 9.8 m/s2 । 

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
২। National Environmental Satellite, Data & Information Service- USA [Link]

৩১২.
কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে মহাবিশ্বে ইথারের কোনো অস্তিত্ব নেই?
  1. ক) বোর-রাদারফোর্ড পরীক্ষা
  2. খ) হকিং-বোস পরীক্ষা
  3. গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
  4. ঘ) আইনস্টাইন-হাইজেনবার্গ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

অ্যালবার্ট মাইকেলসন ও এডওয়ার্ড মােরলে ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে ইথারের অস্তিত্ব নির্ণয়ের জন্য একটি বিখ্যাত পরীক্ষা সম্পাদন করেন।
এটি মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা নামে সুপরিচিত।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, মহাবিশ্বে ইথারের কোনাে অস্তিত্ব নেই।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

৩১৩.
কাগজের প্রধান রাসায়নিক উপাদান-
  1. ক) লিগনিন
  2. খ) কুইনিন
  3. গ) রেজিন
  4. ঘ) হেমিসেলুলোজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেমিসেলুলোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেমিসেলুলোজ
ব্যাখ্যা
[কাগজের প্রধান রাসায়নিক উপাদান সেলুলোজ। তবে কাগজে হেমিসেলুলোজও ব্যবহৃত হয়। অপশনে সেলুলোজ না থাকায় হেমিসেলুলোজ অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

কাগজ তৈরির মূল উপাদান তন্তুজাতীয় বস্তু। এটি হতে পারে উদ্ভিদ কিংবা অন্য কিছু। কাগজ তৈরির সেলুলোজের প্রাথমিক উৎস কাঠ। বিশেষ করে আঁশযুক্ত উদ্ভিদ। বাঁশ, মালবেরি বা তুঁতগাছ ও প্যাপিরাস উদ্ভিদ থেকে বিশেষভাবে মণ্ড তৈরি করে যান্ত্রিক উপায়ে চাপ প্রয়োগ করে তারপর তৈরি করা হয় কাগজ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৪.
Gamma rays in electric and magnetic fields- 
  1. are scattered
  2. are not scattered
  3. travel in curved paths
  4. are partially scattered
  5. are scattered in electric fields but not in magnetic fields
সঠিক উত্তর:
are not scattered
উত্তর
সঠিক উত্তর:
are not scattered
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রে বিক্ষিপ্ত হয় না (not scattered), কারণ গামা রশ্মি আধান নিরপেক্ষ (কোনো চার্জ নেই), ফলে এটি তড়িৎ ক্ষেত্র বা চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিচ্যুত বা বক্র পথে চালিত হয় না, বরং সরলরেখায় চলে যায়। 

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মি আলোর বেগের ন্যায় গতিশীল। 
- বেগের কোনো চার্জ ও ভর নাই। 
- গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- গামা রশ্মিটি ফটোগ্রাফিক পেণ্টটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩১৫.
চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে বলে-
  1. মহাসাগর
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. সাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
• চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে হ্রদ বলে।

- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এবং হ্রদ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯০ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে।
- পৃথিবীতে মোট ৫টি মহাসাগর রয়েছে।
- আয়তন ও গভীরতার দিক দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ।
- তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৬.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা কত ডিবি?
  1. ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
  2. খ) ৩৫ - ৪৫ ডিবি
  3. গ) ৫৫ - ৬৫ ডিবি
  4. ঘ) ২৫ - ৩৫ ডিবি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫ - ৫৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
• যে কোনো বস্তুতে ঘর্ষণের ফলে এক ধরনের তরঙ্গ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ ধ্বনি মূলত এক প্রকার শক্তি । এই তরঙ্গ শক্তি মানুষের কানে প্রবেশ করে শ্রবণ অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে আমরা শুনতে পাই। একে শব্দ বলে।
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ধারণ ক্ষমতার ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে শব্দ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাকে শব্দ দূষণ বলে।
-  National Center for Environmental Health (NCEH) এর তথ্যমতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫-৫৫ ডেসিবল। 


উৎস:  National Center for Environmental Health (NCEH) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৭.
বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক কে?
  1. ওপেন হ্যামার
  2. আর্কিমিদিস
  3. জন ডাল্টন
  4. চার্লস ডারউইন
সঠিক উত্তর:
চার্লস ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা
বিবর্তনবাদ:

- বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক চার্লস ডারউইন।
- এই থিওরি বিজ্ঞানের জগতে বৈপ্লবিক তত্ত্ব হিসেবে পরিচিত।
- এই তত্ত্বে দেখানো হয়েছে প্রাণীরা সময়ের সাথে সাথে প্রাকৃতিক নিয়মে ধীরে ধীরে কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।
- বিবর্তনবাদের এই তত্ত্বটি আমাদের পৃথিবীর পশুপাখি ও উদ্ভিদ জগৎ সম্পর্কে বুঝতে বড়ো ধরনের ভূমিকা রেখেছে।
- তার এই প্রক্রিয়াকে ইংরেজিতে বলা হয় ন্যাচারাল সিলেকশন বা প্রাকৃতিক নির্বাচন যার মাধ্যমে একটি প্রাণীর জনগোষ্ঠী থেকে নতুন প্রজাতির উদয় ঘটে।
- অন দ্য অরিজিন অফ স্পেশিস নামে চার্লস ডারউইনের এই বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।
- তার এই গ্রন্থে তিনি বিবর্তনবাদকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বলেছেন, এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে কোনো প্রাণী ক্রমাগত অভিযোজনের ফলে আপন পরিবেশের জন্যে বিশেষায়িত হতে হতে এক সময় নতুন একটি প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ২ মার্চ ২০১৯।
৩১৮.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় হরমোনের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Ecology
  2. খ) Endocrinology
  3. গ) Cytology
  4. ঘ) Embryology
সঠিক উত্তর:
খ) Endocrinology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Endocrinology
ব্যাখ্যা

এন্ডোক্রিনোলজি শখায় জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।

- ইকোলজি শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
- সাইটলজি শাখায় জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলী ও বিভাজন সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
- ভ্রূণবিদ্যা শাখায় জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগট থেকে ভ্রুনের সৃষ্টি, গঠন, বিকাশ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩১৯.
কোন প্রক্রিয়ার সাহায্যে স্টার্চকে অ্যালকোহলে রূপান্তর করা হয়?
  1. ক্রিস্টালাইজেশন
  2. ক্লোরিনেশন
  3. ডিস্টিলেশন
  4. ফার্মেন্টেশন
সঠিক উত্তর:
ফার্মেন্টেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্মেন্টেশন
ব্যাখ্যা

• স্টার্চকে অ্যালকোহলে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটি ফার্মেন্টেশন। এই প্রক্রিয়ায় স্টার্চ প্রথমে সহজ চিনিতে রূপান্তরিত হয়, সাধারণত অ্যামাইলেজ নামক এনজাইমের মাধ্যমে। এরপর সেই সহজ চিনি খামির বা অন্য মাইক্রোবায়ালের সাহায্যে আলকোহলে রূপান্তরিত হয়। ফার্মেন্টেশনের সময় চিনি ভেঙে ইথানল এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সংমিশ্রণ, যা বীয়ার, রম, ভদকা ইত্যাদির উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। অন্য তিনটি প্রক্রিয়া—ক্রিস্টালাইজেশন, ক্লোরিনেশন, এবং ডিস্টিলেশন—স্টার্চকে সরাসরি অ্যালকোহলে রূপান্তর করতে সক্ষম নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ফার্মেন্টেশন।
 
অ্যালকোহল: 
- মিথানল বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। 
- মিথানল মূলত অন্য রাসায়নিক পদার্থ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- রাসায়নিক শিল্পে ইথানয়িক এসিড, বিভিন্ন জৈব এসিডের এস্টার প্রস্তুত করা হয়। 
- ইথানলকে প্রধানত পারফিউম, কসমেটিকস ও ওষুধ শিল্পে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রেডের ইথানলকে ওষুধ শিল্পে এবং রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলের ৯৬% জলীয় দ্রবণকে রেকটিফাইড স্পিরিট (rectified spirit) বলে। 
- পারফিউম শিল্পেও ইথানলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। পারফিউমে ইথানল ব্যবহারের পূর্বে তাকে গন্ধমুক্ত করা হয়। 

- ওষুধ ও খাদ্য শিল্প ব্যতীত অন্য শিল্পে রেকটিফাইড স্পিরিট সামান্য মিথানল যোগে বিষাক্ত করে ব্যবহার করা হয়, একে মেথিলেটেড স্পিরিট (methylated spirit) বলে। 
- কাঠ এবং ধাতুর তৈরি আসবাবপত্র বার্নিশ করার জন্য মেথিলেটেড স্পিরিট ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে ব্রাজিলে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- স্টার্চ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া চিনি শিল্পের উপজাত উৎপাদ (by-product) চিটাগুড় থেকে একই প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল (ইথানল) পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশের দর্শনায় কেরু এন্ড কেরু কোম্পানিতে ইথানল প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা পূরণ করা হয়। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে একদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমে, অপরদিকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩২০.
নিচের কোনটি খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ?
  1. হেপাটাইটিস বি
  2. এইডস
  3. হেপাটাইটিস এ
  4. সিফিলিস
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস এ
ব্যাখ্যা
• বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ:
যক্ষ্মা (TB),করোনা ভাইরাস (COVID-19),ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu),হাম (Measles),হুপিং কাশি (Whooping Cough/Pertussis)

• খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমণ:
- হেপাটাইটিস এ,
- হেপাটাইটিস ই,
- কলেরা,
- টাইফয়েড,
- ডায়রিয়া ।

• সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- সিফিলিস, গনোরিয়া (যৌন সংক্রমিত রোগ - STDs)
- জন্ডিস (Hepatitis B, C)
- চিকেনপক্স (Varicella)
- স্কেবিস (Scabies - চর্মরোগ)

• প্রাণী বা কীটপতঙ্গের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- ম্যালেরিয়া (Anopheles মশা)
- ডেঙ্গু (Aedes মশা)
- জিকা ভাইরাস (Zika - Aedes মশা)
- রেবিস (Rabies - কুকুর কামড়)

• রক্ত ও শরীরের তরলের মাধ্যমে সংক্রমণ:
- এইচআইভি/এইডস (HIV/AIDS)
- হেপাটাইটিস বি, সি (Hepatitis B, C)

উৎস: WHO website.
৩২১.
হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলা হয়-
  1. ক) সিস্টোল
  2. খ) ডায়াস্টোল
  3. গ) হাইপারটেনশন
  4. ঘ) কেনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়াস্টোল
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৩২২.
শূন্য মাধ্যমে নিচের তিনটি বস্তুকে একসাথে ছেড়ে দিলে কোনটি আগে মাটিতে পড়বে?
  1. পালক
  2. পাথর
  3. কাঠ
  4. সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর পরীক্ষা:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে, একই উচ্চতা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু একই সময়ে মাটিতে এসে পড়ে।

• প্রথম সূত্র:
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে ।
• দ্বিতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
• তৃতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h∝ t.

- তাই শূন্য মাধ্যমে ৩টি বস্তুকে একসাথে ছেড়ে দিলে সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে।

উৎস: পসার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে কী তৈরি হয়?
  1. রেডন ও থোরিয়াম
  2. হাইড্রোজেন ও ক্রিপ্টন 
  3. হিলিয়াম ও বেরিয়াম
  4. ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
ব্যাখ্যা

• বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

• পারমাণবিক শক্তি:
- ফ্রেঞ্চ পদার্থবিদ হেনরি বেকেরেল সর্বপ্রথম ১৮৯৬ সালে পারমাণবিক শক্তি উদ্ভাবন করেন।
- যে প্রক্রিয়ায় পরমাণুর সংযোজন বা বিভাজন ঘটিয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি পাওয়া যায় তাকে পারমাণবিক বিক্রিয়া বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিইয়াসই পারমাণবিক শক্তির উৎস।
- পারমাণবিক শক্তি মূলত দুই ভাবে পাওয়া যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া,
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর হতে শক্তির রূপান্তর আইনস্টাইনের E = mc2 শক্তির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে E = উৎপন্ন শক্তি, m = শক্তি উৎপন্নকারী পদার্থের ভর এবং c = আলোর গতিবেগ (শূণ্য মাধ্যমে)।
- নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রয়োজন মত সঠিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন করে যা বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে যা খুবই বিপজ্জনক। পারমাণবিক বোমা মূলত অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ধাতু পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

উৎস:
১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।

৩২৪.
দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী?
  1. পাইরোমিটার
  2. ল্যাকটোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. ফ্যাদোমিটার
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩২৫.
সরল দোলকের প্রথম সূত্র (সমকাল সূত্র) অনুযায়ী নিচের কোনটি সত্য?
  1. কার্যকরী দৈর্ঘ্য এবং স্থান অপরিবর্তিত থাকলে সকল দোলকের দোলনকাল সমান
  2. দোলনকাল দৈর্ঘ্যের বর্গমূলের সমানুপাতিক
  3. দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের সমানুপাতিক
  4. দোলনকাল দোলকের ভরের উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
কার্যকরী দৈর্ঘ্য এবং স্থান অপরিবর্তিত থাকলে সকল দোলকের দোলনকাল সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যকরী দৈর্ঘ্য এবং স্থান অপরিবর্তিত থাকলে সকল দোলকের দোলনকাল সমান
ব্যাখ্যা

কার্যকরী দৈর্ঘ্য এবং স্থান অপরিবর্তিত থাকলে ৪°  কৌণিক বিস্তারের মধ্যে সকল সরল দোলকের দোলনকাল ধ্রুব থাকে।

• সরল দোলক (Pendulum):
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকে ওজনহীন, অপ্রসারণশীল ও নমনীয় সুতার সাহায্য বুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে থাকে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও সরল দোলকের চারটি সূত্র প্রদান করেন।

- কৌণিক বিস্তার ৪°  এর বেশি না হলে, সরল দোলকের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত চারটি সূত্র প্রযোজ্য হবে।
সূত্রগুলো নিম্নরূপ-

• প্রথম সূত্র (সমকাল সূত্র):
- কার্যকরী দৈর্ঘ্য এবং স্থান অপরিবর্তিত থাকলে ৪°  কৌণিক বিস্তারের মধ্যে সকল সরল দোলকের দোলনকাল ধ্রুব থাকে।

• দ্বিতীয় সূত্র (দৈর্ঘ্যের সূত্র):
- স্থান অপরিবর্তিত থাকলে ৪° কৌণিক বিস্তারের মধ্যে সকল সরল দোলকের দোলনকাল তার কার্যকরী দৈর্ঘ্যোর বর্গমূলের সমানুপাতিক। অর্থাৎ T ∝ √L যেখানে T দোলনকাল এবং L কার্যকরী দৈর্ঘ্য

তৃতীয় সূত্র (ত্বরণের সূত্র):
- কার্যকরী দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে ৪° কৌণিক বিস্তারের মধ্যে সকল সরল দোলকের দোলনকাল ঐ স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।

• চতুর্থ সূত্র (ভরের সূত্র):
- একটি নির্দিষ্ট স্থানে যদি সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য স্থির থাকে এবং কৌণিক বিস্তার ৪° এর বেশি না হয়, তবে সরল দোলকের দোলনকাল দোলক পিন্ডের ভর, আকার এবং উপাদানের উপর নির্ভর করে না।
- বিভিন্ন ভর আয়তন বা উপাদানের ভরের জন্য দোলনকাল একই হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৩২৬.
ক্রোমোজোমে কত ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের রাসায়নিক গঠন:
- বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের সমন্বয়ে ক্রোমোজোম গঠিত।
- ক্রোমোজোমের রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে রয়েছে- (১) নিউক্লিক অ্যাসিড, (২) প্রোটিন এবং (৩) অন্যান্য উপাদান ।
- ক্রোমোজোমে দুই ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড রয়েছে। যথা-
• ডিএনএ (DNA)।
• আরএনএ (RNA)।

ডিএনএ (DNA):
- এটি হলো সকল জীবের আদি বস্তু যার অবস্থান সর্ব প্রকার জীব কোষের নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোমে।
- ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক বিজ্ঞানীদ্বয় ডিএনএ অণুর গঠন আবিষ্কার করেন।
- ১৯৬২ সালে তাঁরা এ যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ডিএনএ হলো দ্বিসূত্রকবিশিষ্ট পলিনিউক্লিয়োটাইডের সর্পিলাকার গঠন।
- এর প্রতিটি একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। এর একটি সূত্র অন্যটির পরিপূরক। 
- এতে পাঁচ কার্বনযুক্ত শর্করা, নাইট্রোজেনঘটিত বেস বা ক্ষারক এবং ফসফেট থাকে। 

আরএনএ (RNA):
- অধিকাংশ আরএনএতে একটি হেলিক্স থাকে।
- এটি একটিমাত্র পলিনিউক্লিয়োটাইড শৃঙ্খলে ভাঁজ হয়ে থাকে।
- আরএনএ পাঁচ কার্বনযুক্ত রাইবোজ শর্করা ও ফসফেট নির্মিত একটি মাত্র পার্শ্ব কাঠামো দ্বারা গঠিত।
- যার চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক ডিএনএ এর ন্যায়, পার্থক্য শুধু পাইরিমিডিন ক্ষারকে।
- আরএনএতে পাইরিমিডিন গঠনে ইউরাসিল ও সাইটোসিন থাকে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
কোনটির গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) নিশাদল
  3. গ) মোম
  4. ঘ) কর্পূর
সঠিক উত্তর:
গ) মোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোম
ব্যাখ্যা
- মোম পদার্থটির গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়।

গলন
:
- কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তিত করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়।
যেমন- কঠিন মোমকে তাপ দেয়ার ফলে তা গলে তরল মোমে পরিণত হয়।
- কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ হলে এটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলতে আরম্ভ করে এবং গলন যতক্ষণ শেষ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তাপমাত্রা স্থির থাকে।
- এরূপ যে স্থির তাপমাত্রায় কোনো বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাংক বলে।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে অপদ্রব্য বা ভেজাল মিশ্রিত থাকলে উহা অপেক্ষাকৃত নিম্ন তাপমাত্রায় গলতে শুরু করে।

উর্ধ্বপাতন
:
- পদার্থের সাধারণ পরিবর্তনের ধারাক্রম হলো তাপের প্রভাবে কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তর।
- কিন্তু এমন কিছু পদার্থ আছে যাদেরকে তাপ দিয়ে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্প এবং বাষ্পকে শীতল করলে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়।
- এক্ষেত্রে কঠিন থেকে বাষ্প এবং বাষ্প থেকে কঠিন অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার সময় পদার্থ তার মধ্যবর্তী তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয় না, যাদের উদ্বায়ী পদার্থ বলে।
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
যেমন- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৮.
ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম সাহায্য করে পেশীর-
  1. প্রসারণে
  2. সংকোচনে
  3. শক্তিবর্ধনে
  4. বৃদ্ধিতে
সঠিক উত্তর:
সংকোচনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংকোচনে
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

পটাসিয়াম: 
- পটাসিয়াম পেশির সংকোচনে ভূমিকা রাখে। 
- পটাসিয়ামের ভালো উৎস হলো- মাছ, দুধ, ডাল, আখের গুড় ও শাকসবজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৩২৯.
পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন ব্যক্তির ভর ৮০ কেজি, চাঁদের পৃষ্ঠে তার ভর কত হবে?
  1. ক) ৬ গুণ কমে যাবে
  2. খ) ৬ গুণ বেড়ে যাবে
  3. গ) অপরিবর্তিত থাকবে
  4. ঘ) অর্ধেক কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
গ) অপরিবর্তিত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা
ভর: প্রত্যেক বস্তু পদার্থ দ্বারা গঠিত। ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ। বস্তুর ধর্ম এর অবস্থান, আকৃতি  ও গতি পরিবর্তিনের জন্য পরিবর্তিত হয় না। যে পরমাণু ও অণু দিয়ে বস্তুটি গঠিত হয়, তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর বস্তুটির ভর নির্ভর করে।

অতএব, চাঁদের পৃষ্ঠে ব্যক্তির ভরের কোনো পরিবর্তন হবে না
৩৩০.
একটি পরমাণুর প্রধান শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে- 
  1. n2
  2. 2n2
  3. 2n
  4. 3n2
সঠিক উত্তর:
2n2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2n2
ব্যাখ্যা

শক্তিস্তর: 
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- একটি পরমাণুর প্রধান শক্তি স্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2,(যেখানে, n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি)।
- এ সূত্রানুসারে, 
• প্রথম বা K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে, 2n2 
= ( 2 x 12) টি, 
= 2 টি। 

• দ্বিতীয় বা L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে, 2n2 
= ( 2 x 22) টি, 
= 8 টি। 

• তৃতীয় বা M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে, 2n2 
= ( 2 x 32) টি, 
= 18 টি। 

• চতুর্থ বা N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে, 2n2
= ( 2 x 42) টি,
= 32 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩১.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে কারণ -
  1. সরকারি নির্দেশ
  2. দূর থেকে চোখে পড়বে বলে
  3. তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
  4. দেখতে সুন্দর লাগে
সঠিক উত্তর:
তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
ব্যাখ্যা
• তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে।

- সূর্যের সাদা আলো সাতটি বর্ণের সমম্বয়ে গঠিত।
- সাদা বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা একেবারেই কম।
- গ্রীষ্মকালে সাদা কাপড় আরামদায়ক হয়, কেননা সাদা কাপড় সূর্যের আলোর সব বর্ণকেই প্রতিফলিত করে এবং সামান্য অংশ জামা কর্তৃক শোষিত হয়।
- সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম, এজন্যই গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক।
- কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, সেজন্য তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩৩২.
বাড়িতে ব্যবহৃত ফ্রিজে হিমায়করূপে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) নিয়ন
  2. খ) ফ্রেয়ন /অ্যামোনিয়া
  3. গ) স্পিরিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন /অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন /অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
বাড়িতে ব্যবহৃত ফ্রিজে হিমায়করূপে ফ্রেয়ন /অ্যামোনিয়া ব্যবহৃত হয়। 

- অ্যামোনিয়া হিম হিসাবে কাজ করে এবং জল শোষণকারী হিসাবে কাজ করে।

- একটি সরলীকৃত আকারে গ্যাস মডেলটিতে নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগত মডিউল রয়েছে:
১. গ্যাস গরম করার মডিউল।
২. জেনারেটর (আরো সঠিকভাবে, একটি বয়লার)।
৩. ক্যাপাসিটর।
৪. শোষক। 
৫. ইভাপোরেটর।

- গ্যাস হিটার জেনারেটরের বিষয়বস্তু গরম করে। জেনারেটর মডিউলটি বাষ্পযুক্ত অ্যামোনিয়া তৈরি করতে এবং শোষক এলাকায় একটি দুর্বল অ্যামোনিয়া দ্রবণ সরবরাহ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

- কনডেন্সার মডিউল অ্যামোনিয়া বাষ্পকে ঘনীভূত তাপমাত্রায় ঠান্ডা করতে কাজ করে। এবং "শোষক" নামক একটি মডিউল অ্যামোনিয়া শোষকের কার্য সম্পাদন করে। গ্যাস রেফ্রিজারেটরের বাষ্পীভবন একটি ঠান্ডা জেনারেটর হিসাবে কাজ করে।

সূত্র: American Society of Heating Website [লিঙ্ক]
৩৩৩.
উচ্চতা বাড়লে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা কী হয়? 
  1. হ্রাস পায়
  2. বৃদ্ধি পায় 
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
জলবায়ু: 
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ। 
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি। 

উচ্চতা: 
- উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। 
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম হয়। দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৪.
HCl + NaOH → NaCl + H2O -এই বিক্রিয়ায় NaCl কী ধরনের লবণ?
  1. অম্লীয়
  2. ক্ষারীয় 
  3. পূর্ণ সরল
  4. আংশিক লবণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ সরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ সরল
ব্যাখ্যা

- NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড) একটি পূর্ণ সরল (Neutral) লবণ কারণ এটি একটি শক্তিশালী অ্যাসিড (HCl) এবং একটি শক্তিশালী ক্ষার (NaOH) এর প্রশমন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। শক্তিশালী অ্যাসিড ও শক্তিশালী ক্ষার সম্পূর্ণরূপে একে অপরকে প্রশমিত করে। 

লবণ (Salt): 
- অ্যাসিড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
- কোনো অ্যাসিডের হাইড্রোজেন কোনো ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলকের সাহায্যে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে প্রতিস্থাপিত হয়ে লবণ উৎপন্ন করে।
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি লবণ।
- HCI অ্যাসিডের H পরমাণুকে সোডিয়াম (Na) ধাতুর প্রতিস্থাপনে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) নামক লবণ উৎপন্ন হয়েছে। 
যেমন- 
• HCl + NaOH → NaCl + H2
• এসিড + ক্ষার → লবণ + পানি 

- এছাড়াও K2SO4, KNO3, CaCO3, NaHCO3, Na2CO3, CuSO4 ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের লবণ। এই লবণগুলোর মধ্যে কোনোটি অম্লীয়, আবার কোনোটি ক্ষারীয়ও হতে পারে। 
১) পূর্ণ সরল লবণ: NaCl, KNO3, CaCO3 ইত্যাদি। 
২) অম্লীয় বা আংশিক লবণ: Mg(HSO4)2, NaHCO3 ইত্যাদি। 
৩) ক্ষারকীয় লবণ: Na2CO3, CuSO4 ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৫.
২০১০ সালের জুন মাসে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা কোন উদ্ভিদের জন্ম রহস্য আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) পাট
  4. ঘ) তুলা
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
ব্যাখ্যা
ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ। তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
উৎসঃ বিবিসি এবং ডয়েচ ভেলে
৩৩৬.
ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইরিডিয়াম আইসোটোপ
  2. কোবাল্ট আইসোটোপ
  3. ইউরেনিয়াম আইসোটোপ
  4. আয়োডিন আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্নি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৩৩৭.
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোন ভিটামিন প্রয়োজন?
  1. A
  2. D
  3. K
  4. E
সঠিক উত্তর:
K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন- কে রক্ত তঞ্চন (Blood Clotting) করার প্রয়োজনীয় প্রোটিন ফিব্রিনোজেন তৈরি করে। এর অভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়।
- ভিটামিন- ডি এর অভাবে রিকেটস ও অস্টিওম্যালাসিয়া রোগ হতে পারে।
- ভিটামিন- এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।

সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৩৩৮.
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে ঘটে?
  1. ডিওডেনামে
  2. ইলিয়ামে
  3. মলাশয়ে
  4. জেজুনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা - 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৯.
প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে যে PET লেখা থাকে, তার পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) PolyEthylene Tetrachloride
  2. খ) PolyEthylene Trichloride
  3. গ) PolyEthylene Terephthalate
  4. ঘ) PolyEthylene Tetraphenol
সঠিক উত্তর:
গ) PolyEthylene Terephthalate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) PolyEthylene Terephthalate
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে যে PET লেখা থাকে, তার পূর্ণরূপ - PolyEthylene Terephthalate.

Polyethylene terephthalate (PET or PETE) হচ্ছে একধরনের শক্ত সিন্থেটিক ফাইবার। এটি পলিমারের পলিয়েস্টার পরিবারের সদস্য।
- PET ইথিলিন গ্লাইকোল এবং টেরেফথালিক অ্যাসিডের পলিমারাইজেশন দ্বারা উত্পাদিত হয়।
- ইথিলিন গ্লাইকোল হল ইথিলিন থেকে প্রাপ্ত একটি বর্ণহীন তরল পদার্থ।
- টেরেফথালিক অ্যাসিড হল জাইলিন থেকে প্রাপ্ত একটি স্ফটিক কঠিন।
- রাসায়নিক অনুঘটকের প্রভাবে একসাথে উত্তপ্ত হলে, ইথিলিন গ্লাইকোল এবং টেরেফথালিক অ্যাসিড গলিত আকারে PET তৈরি করে।
- এটিকে সরাসরি ফাইবারে প্রক্রিয়াজাত করা যায় অথবা পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের জন্য শক্ত প্লাস্টিকে রূপান্তর করা যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৪০.
রক্তের লাল রঙের জন্য কোন পদার্থ দায়ী?
  1. রেনিন
  2. প্লাজমা 
  3. লিউকোসাইট
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা

রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ ৯২% পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের - সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪১.
শূন্য ঘরের চেয়ে লোক ভর্তি ঘরে শব্দ কম হয়, কারণ-
  1. শূন্য ঘর নীরব থাকে
  2. লোক ভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয়
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়
  4. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়। 
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪২.
পঁচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী কোন গ্যাস?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন সালফাইড
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন সালফাইড:
- এটি একটি রাসায়নিক যৌগ। এর রাসায়নিক সংকেত H2S.
- ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শিলি হাইড্রোজেন সালফাইড আবিষ্কার করেন।
- এটি বর্ণহীন গ্যাস।
- এতে রয়েছে পচা ডিমের গন্ধ।
- সাধারণ প্রাকৃতিক বাতাসের থেকে এই গ্যাস একটু ভারি।
- জীবের জন্য এই গ্যাস বিষাক্ত।
৩৪৩.
নিচের কোন পদার্থটি ঊর্ধ্বপাতিত হয় না?
  1. বেজয়িক এসিড
  2. আয়োডিন
  3. নিশাদল
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
ব্যাখ্যা
• বেনজিন ঊর্ধ্বপাতিত হয় না।
- কারণ এটি কঠিন নয়, বরং একটি উদ্বায়ী তরল, যা গরম করলে বাষ্পে পরিণত হয়।

• ঊর্ধ্বপাতন:

- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
যেমন -
• বেজয়িক এসিড,
• নিশাদল (NH4CI),
• কপূর (C10H16O),
• ন্যাপথলিন (C10H8),
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂),
• আয়োডিন (I2),
• অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AICI₃)।
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৪.
হিমোগ্লোবিন হলো- 
  1. Fat
  2. Antigen
  3. Platelet 
  4. Protein
সঠিক উত্তর:
Protein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protein
ব্যাখ্যা
• হিমোগ্লোবিন:
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- হিমোগ্লোবিনথাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের
- সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৫.
হিমোগ্লোবিন প্রধানত কীভাবে অক্সিজেন পরিবহন করে? 
  1. সরাসরি কোষের মাধ্যমে
  2. বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে
  3. অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে
  4. প্লাজমায় দ্রবীভূত অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে
ব্যাখ্যা

- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহন করে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে, কারণ হিমোগ্লোবিন নামক প্রোটিন অক্সিজেনকে লোহিত রক্তকণিকায় ধরে রাখে এবং অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক একটি যৌগ তৈরি করে, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন করে এবং কোষে ছেড়ে দেয়।

রক্ত: 

- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪৬.
ইস্ট হচ্ছে এক ধরনের -
  1. ক) শৈবাল
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়। ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৩৪৭.
ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ কয় কার্বনবিশিষ্ট?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের পাথওয়ে:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড হতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেট সৃষ্টির তিনটি স্বীকৃত গতিপথ আবিষ্কৃত হয়েছে।
যথা- (ক) ক্যালভিন চক্র (খ) হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র এবং (গ) CAM পথ। 

ক্যালভিন চক্র: 
- ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাই এ চক্রকে C3 চক্রও বলা হয়। 
- যে সব উদ্ভিদে C3 চক্র বর্তমান তাদেরকে C3 উদ্ভিদ বলা হয়।
- পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদই C3 উদ্ভিদ।
যেমন- ধান, গম, পাট, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি।

হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র: 
- হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড। তাই একে C4 চক্রও বলা হয়। 
- যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
যেমন- ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি।

CAM পথ: 
- CAM চক্র C3 ও C4 চক্র হতে ভিন্নতর। 
- এটি প্রথমে ক্রাসিলুসি গোত্রের উদ্ভিদসমূহে পরিলক্ষিত হয়, তাই একে CAM চক্র বলে। 
- CAM উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র দিনে বন্ধ এবং রাতে খোলা থাকে। 
- অধিকাংশ মরুজ উদ্ভিদ CAM জাতীয় উদ্ভিদ। 
- শুষ্ক পরিবেশে আনারস গাছে C4 চক্র চলে কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পেলে C3 চক্র চলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৮.
পরপর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ বা পরপর দুটি তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বকে কী বলা হয়?
  1. কম্পাঙ্ক
  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  3. বিস্তার
  4. পর্যায়কাল
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: 
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। 
- তরঙ্গের উপর পরপর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে গ্রীক বর্ণ λ (ল্যামডা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- পর পর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ বা পরপর দুটি তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বও একটি তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

বিস্তার: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে। 

পর্যায়কাল: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। 
- পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)। 

কম্পাঙ্ক: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। 
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত ƒ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৯.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ নয়?
  1. লোহা
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. নিকেল
  4. গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- কয়লা
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র)
৩৫০.
শব্দ সঞ্চালনের জন্য কোনটি অপরিহার্য? 
  1. মাধ্যম 
  2. আলো 
  3. উচ্চ তাপমাত্রা 
  4. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
মাধ্যম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যম 
ব্যাখ্যা

- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা পদার্থের কণাগুলোর কম্পনের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়। কোনো স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম (যেমন: কঠিন, তরল বা বায়বীয় পদার্থ) ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারে না। 

শব্দ সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টি করে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়। আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩৫১.
কোনটিকে মস্তিষ্কের যোজক বলা হয়?
  1. পনস
  2. মেডুলা
  3. সেরিব্রাম
  4. সেরিবেলাম
সঠিক উত্তর:
পনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পনস
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র: 
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশ হলো মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জু। 
- মস্তিষ্ক হলো সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রের চালক। 
- মানুষের মস্তিষ্ক করোটির মধ্যে সুরক্ষিত। 
- মস্তিষ্ক মেনিনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত। 
- মানুষের মস্তিষ্কের প্রধান অংশ তিনটি। 
যথা- (ক) গুরুমস্তিষ্ক (খ) মধ্যমস্তিষ্ক (গ) পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক। 

গুরুমস্তিষ্ক: 
- মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। 
- এটা ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত, এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। 
- মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত, এই দুইখণ্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত। 
- এর উপরিভাগ ঢেউ তোলা ও ধূসর বর্ণের, দেখতে ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে ধূসর পদার্থ বা গ্রে ম্যাটার বলে। 
- গুরুমস্তিষ্কের অন্তঃস্তরে কেবলমাত্র স্নায়ুতন্ত্র থাকে, স্নায়ুতন্তুর রং সাদা। 
- তাই মস্তিষ্কের ভিতরের স্তরের নাম শ্বেত পদার্থ বা হোয়াইট ম্যাটার। 
- শ্বেত পদার্থের ভিতর দিয়ে স্নায়ুতন্তু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। 
- ধূসর পদার্থের কয়েকটি স্তরে বিশেষ আকারে স্নায়ুকোষ দেখা যায়, এই স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে। 
- এগুলো বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত। 
- সেরিব্রামের নিচের অংশ হলো- থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাস। 
- এগুলো ধূসর পদার্থের পুঞ্জ। 
- ক্রোধ, লজ্জা, গরম, শীত, নিদ্রা, তাপ সংরক্ষণ ও চলন এই অংশের কাজ। 

মধ্যমস্তিস্ক: 
- গুরুমস্তিষ্ক ও পনস-এর মাঝখানে মধ্যমস্তিষ্ক অবস্থিত। 
- মধ্যমস্তিষ্ক দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তির সাথেও সম্পর্কযুক্ত। 

পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক: 
- লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থিত। 
- এটা গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোট। 
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্কের প্রধান কাজ। 
- এছাড়া লঘুমস্তিষ্ক কথা বলা ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এর তিনটি অংশ- গনস সেরিবেলাম: পনসের বিপরীতদিকে অবস্থিত খন্ডাংশটি হলো সেরিবেলাম। 
- এটা অনেকটা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। 
- সেরিবেলাম ডান ও বাম দু'অংশে বিভক্ত। 

পনস: 
- পনস লঘুমস্তিষ্কের সামনে ও নিচে অবস্থিত। 
- পনসকে মস্তিষ্কের যোজক বলা হয়। 
- এটা গুরুমস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক ও মধ্যমস্তিষ্ককে সুষুম্নাশীর্ষকের সাথে সংযোজিত করে। 

মেডুলা: 
- এটা মস্তিষ্কের নিচের অংশ। 
- সুষুম্নাশীর্ষক পনসের নিম্নভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। 
অর্থাৎ, এটা মস্তিষ্ককে মেরুরজ্জুর সাথে সংযোজিত করে, এজন্য একে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়। 
- মস্তিষ্কের এ অংশ হৃৎস্পন্দন, খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩৫২.
কোন বিজ্ঞানীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় 'পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে'?
  1. ল্যামার্ক
  2. ডারউইন
  3. ভাইসম্যান
  4. জেনোফেন
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
ল্যামার্কিজম (Lamarckism): 
- ফরাসী প্রকৃতি বিজ্ঞানী Jcan Baptist Lamarck (১৭৪৪-১৮২৯), ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে ফিলোসফিক জুলজিক (Philosophic Zoologique) গ্রন্থে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি (theory of inheritance of acquired character) নামক বিবর্তন সম্পর্কীত মতবাদ প্রকাশ করেন। 
- ল্যামার্কের মতবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে। 
- পরিবেশের প্রভাবে জীবের দৈহিক গঠনের পরিবর্তন হয়। 
- তাঁর মতে বিবর্তন কতিপয় রীতি-নীতি মেনে চলে। এই রীতি-নীতিগুলোই বিবর্তনের ক্রম ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 
- ল্যামার্ক তাঁর বিবর্তন তত্ত্বেও এ রীতি-নীতিগুলোই ব্যাখ্যা করেছেন। 
- আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে Dodson, 1960 ল্যামার্কের একজন বিশিষ্ট সমর্থক। 
- Dodson ল্যামার্কবাদকে চারটি সূত্রে ব্যাখ্যা করেছেন যা ল্যামার্কীয় সুত্র বলেও পরিচিত। 

সূত্র ১. জীবদেহ এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আকারে ক্রমবর্ধিত হওয়ার একটি লক্ষণ সর্বদাই পরিলক্ষিত হয়। 

সূত্র ২. জীবন ধারণের প্রয়োজনে কোন নতুন চাহিদা এবং এ চাহিদার ফলে জীবন অভ্যাসের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেই নতুন প্রত্যঙ্গের উৎপত্তি হয়। 

সূত্র ৩. কোন একটি অঙ্গ প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হলে তা উন্নত এবং সুগঠিত হয়, কিন্তু ব্যবহৃত না হলে ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ সুত্রটি ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র নামে পরিচিত। 

সূত্র ৪. কোন একটি জীবের দেহে উন্নতি বা ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয় তা অর্জিত বৈশিষ্ট্যরূপে অঙ্গীভূত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে (Generation) সঞ্চারিত ও বিকশিত হয়। এ সূত্রটি অর্জিত বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণের সূত্র (Law of inhertance of acquired character) নামে অভিহিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৫৩.
সুন্দরী গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
  1. ক) Cocos nucifera
  2. খ) Heritiera fomes
  3. গ) Sonneratia apetala
  4. ঘ) Avicennia alba
সঠিক উত্তর:
খ) Heritiera fomes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Heritiera fomes
ব্যাখ্যা
কেওড়া (Sonneratia apetala),
সুন্দরী (Heritiera fomes),
বাইন (Avicennia alba),
রাইজোফোরা (Rhizophora),
পশুর (Xylocarpus mekongensis),
নারিকেল (Cocos nucifera),
সুপারি (Areca catechu),
গাব (Diospyros peregrina),
বিলাতি গাব (Diospyros discolor)

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৪.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. ওডোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করতে অডিওমিটার ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩৫৫.
প্রাণিবিজ্ঞানের জনক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. রবার্ট হুক
  3. থিওফ্রাস্টাস
  4. উইলিয়াম হার্ভে
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
• অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

• জীববিজ্ঞান:

- জীবজগতের বিজ্ঞানভিত্তিক পঠন-পাঠন, আলোচনা, গবেষণা এবং প্রয়োগই হলো Biology বা জীববিজ্ঞান।
- ফরাসী বিজ্ঞানী ল্যামার্ক জীবনের বিজ্ঞান বোঝাতে Biology শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- দু'টি গ্রীক শব্দ Bios (অর্থ জীবন) এবং Logos (অর্থ জ্ঞান)-এর সমন্বয়ে ইংরেজি Biology শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি। যথা-
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany):
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের উদ্ভিদ, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, পূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো উদ্ভিদবিজ্ঞান।
- গ্রীক দার্শনিক থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

২. প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology):
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের প্রাণী, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো প্রাণিবিজ্ঞান।
- গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- কোষ বিদ্যার জনক রবার্ট হুক।
- শারীর বিদ্যার জনক উইলিয়াম হার্ভে।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৬.
হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোন কণিকা নেই? 
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

পরমাণুর মূল কণিকা: 
- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের। 
যেমন- 
স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৭.
ইউরিয়া যখন মাটিতে প্রয়োগ করা হয়, তখন কোন এনজাইমের মাধ্যমে NH4+ উৎপন্ন হয়? 
  1. প্রোটিয়েজ 
  2. লিপেজ
  3. অ্যামিলেজ 
  4. ইউরিয়েজ 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়েজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়েজ 
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া (Urea): 
- ইউরিয়া মূল্যবান পদার্থ।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চ চাপে এবং 130°-150°C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট (NH2COONH4) উৎপন্ন হয়। 
- পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙে ইউরিয়া (NH2-CO-NH2) প্রস্তুত হয়। 
• CO2 + 2NH3 → NH2COONH4
• NH2COONH4 → NH2-CO-NH2 + H2

- শিল্পক্ষেত্রে এবং কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়ার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে ম্যালামাইন পলিমার তৈরি করা হয়।
- কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়াকে সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জমিতে ইউরিয়া সার দেওয়া হয় যাতে গাছ ইউরিয়া সার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে।
- উদ্ভিদ বায়ু থেকে সরাসরি N2 গ্রহণ করে না। মাটিতে ইউরিয়েজ (urease) এনজাইমের উপস্থিতিতে ইউরিয়া পানির সাথে বিক্রিয়া করে NH4+, OH- এবং CO2 তৈরি করে। উদ্ভিদ এই NH4+ শোষণ করে। 
• NH2-CO-NH2 + 3H2O → 2NH4+ + 2OH- + CO2

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫৮.
এইচআইভি (HIV) কোন রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ডেঙ্গু
  2. এইডস
  3. জলাতংক
  4. পোলিও
সঠিক উত্তর:
এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইডস
ব্যাখ্যা

• HIV ভাইরাস মানুষের AIDS রোগের সৃষ্টি করে।

• ভাইরাসজনিত রোগ (উদাহরণ):

- এইচআইভি (HIV):
- পোষক: মানুষ,
- রোগ: এইডস।

- র‌্যাবিস ভাইরাস:
- পোষক: মানুষ,
- রোগ: জলাতঙ্ক।

- ডেঙ্গু ভাইরাস:
- পোষক: মানুষ,
- রোগ: ডেঙ্গু।

- পোলিও ভাইরাস:
- পোষক: মানুষ,
- রোগ: পোলিওমাইলাইটিস।

- ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ ভাইরাস:
- পোষক: গরু, ভেড়া, ছাগল, মহিষ,
- রোগ: পা ও মুখের ক্ষত।



উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৫৯.
পানীয় হিসেবে গ্রহণযোগ্য একমাত্র অ্যালকোহল কোনটি? 
  1. ইথানল
  2. মিথানল 
  3. প্রোপানল 
  4. বিউটানল 
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা

মিথানল: 
- মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। 
- প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। 
- এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit) । 

ইথানল: 
- সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। 
- প্রাপ্ত কাচাঁমালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। 
- ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 

মেথিলেটেড স্পিরিট: 
- ইথানল একমাত্র অ্যালকোহল যা পানীয় হিসেবে পান করা যায়। 
- অধিক পরিমাণ ইথানল পান বিষ ক্রিয়া প্রদর্শন করে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে বা শিল্পে ব্যবহৃত ইথানলকে মানুষের পানের অযোগ্য করার জন্য এতে বিষাক্ত মিথানল (৪%) মিশিয়ে দেয়া হয়। 
- মিথানল মিশ্রিত এ ধরনের রেকটিফাইড স্পিরিটকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। একে ডিনেচারড অ্যালকোহলও (Denatured alcohol) বলা হয়ে থাকে। 

ফারমেন্টেশন: 
- জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। 
যেমন: শ্বেতসার হতে ইথানল উৎপাদন। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬০.
নন-রেডক্স বিক্রিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে
  2. শুধুমাত্র অক্সিডেশন ঘটে
  3. জারণ সংখ্যা পরিবর্তিত হয়
  4. জারণ সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

নন-রেডক্স বিক্রিয়া: 
- নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময় মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না। 
- এক বা একাধিক বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার সময় বিক্রিয়ক অণুতে বর্তমান মৌল সমূহের মধ্যে কোনো মৌলের পরমাণুতেই যদি ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ না ঘটে তবে তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে। 
- পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ না ঘটার কারণে বিক্রিয়া শেষে কোনো বিক্রিয়ক বা উৎপাদ মৌলের পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না। 
- ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না এরূপ বিক্রিয়াকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপ বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬১.
একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানো যায় কোনটির দ্বারা?
  1. ক) একটা কাগজের পৃষ্ঠা দ্বারা
  2. খ) কয়েক মিলিমিটার পুরু সিসার পাত দ্বারা
  3. গ) কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সিসার পাত দ্বারা
  4. ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা
ব্যাখ্যা
আলফা কণা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না। একটা কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। বিটা কণা বা ইলেকট্রনের ভেদনক্ষমতা অনেক বেশি। কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দ্বারা একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানো সম্ভব। আলফা বা বিটা কণার সমান গামা রশ্মিকে থামাতে কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সিসার পাতের দরকার হয়।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৩৬২.
নিচের কোন ধাতুটি সবচেয়ে কম সক্রিয়?
  1. গোল্ড
  2. লিথিয়াম
  3. পটাসিয়াম
  4. সিলভার
সঠিক উত্তর:
গোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ড
ব্যাখ্যা
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল।
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়।
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়।
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক।
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে।
- অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলা
৩৬৩.
সেলুলোজ কোন ধরনের শর্করা অণু দ্বারা গঠিত?
  1. ফ্রুক্টোজ
  2. ল্যাকটোজ
  3. β-D গ্লুকোজ
  4. α-D গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
β-D গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
β-D গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

সেলুলোজ: 
- উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে গঠিত। 
- অসংখ্য β-D গ্লুকোজ অণু পরস্পর β-১-৪ কার্বন বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সেলুলোজ গঠন করে। 
- উদ্ভিদের অবকাঠামো নির্মাণে সেলুলোজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্ভিদদেহে যেহেতু কোন কঙ্কাল নেই সেহেতু উদ্ভিদের ভার বহনের দায়িত্ব পালন করে সেলুলোজ। 
- সেলুলোজের পরিমাণ তুলায় ৯৪%, লিনেনে ৯০% এবং কাঠে ৬০%। 
- সেলুলোজকে ঘন H2SO4 বা HCI বা NaOH দ্বারা হাইড্রোলাইসিস করে গ্লুকোজে পরিণত করা যায়। 
- মানুষের পাকস্থলি বা অন্ত্রে সেলুলেজ এনজাইম না থাকায় সেলুলোজ জাতীয় পদার্থ হজম হয় না অর্থাৎ পুষ্টিতে কোন কাজে আসে না। তবে সেলুলোজ গরু-ছাগলে পুষ্টি হিসেবেও কাজ করতে পারে। 
- বস্ত্র ও বন শিল্পে প্রধান উপাদান সেলুলোজ, তাই মানব সভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। 
- সেলুলোজের কাজ হচ্ছে উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করা। 

সেলুলোজের ব্যবহার: 
- সেলুলোজ কাগজ ও বস্ত্র শিল্পের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হিসেবে থাকে। 
- সেলুলোজকে অ্যাসিটেট ফটোগ্রাফিক ফিল্মে ব্যবহৃত হয়। 
- সেলুলোজকে নাইট্রেট বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- আসবাবপত্র ও নির্মাণ সামগ্রী তৈরিতে যান্ত্রিক সাহায্য প্রদানকারী প্রধান উপাদান সেলুলোজ, কাঠখেকো কীটপতঙ্গের পুষ্টিনালিতে বসবাসকারী এক ধরনের পরজীবী সেলুলোজ নামক উৎসেচক নিঃসৃত করে কাঠ হজমে সাহায্য করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৪.
কোন জোড়াটি বেমানান?
  1. যক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কচ
  2. হোমিওপ্যাথি: হ্যানিম্যান
  3. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
  4. এনাটমি : ভেসলিয়াস
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক জোড়াটি সঠিক নয়। 

ব্যাকটেরিয়া: 

- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 

অন্যদিকে, 
- যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়াজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা মাইকো-ব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক জীবাণু দিয়ে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে। ড. রবার্ট কচ ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ জার্মানির বার্লিনে যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন। 
- ক্রিস্টিয়ান ফ্রিডরিখ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান জার্মানির একজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন, তাকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জনক বলা হয়।
 - আন্দ্রেয়াস ভেসলিয়াস ছিলেন একজন বেলজিয়ান অ্যানাটমিস্ট এবং চিকিৎসক। তাকে আধুনিক শারীরবিদ্যার জনক বলে মনে করা হয় এবং তার কাজ ধরে  আধুনিক চিকিৎসার সূচনা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩৬৫.
নিচের কোনটি প্রকৃতিতে প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) সীসা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা

প্লাটিনাম এবং সোনা দুইটি প্রায় অসক্রিয় ধাতু। এদের অবস্থান ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজের একেবারে নিচে। তাই পারতপক্ষে অন্য কোনো মৌলের সাথে এরা বিক্রিয়া করতে চায় না।
তাই প্রকৃতিতে এদের প্রায় বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৩৬৬.
T2 ভাইরাসের দেহকে কয়টি অংশে ভাগ করা হয়?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
ব্যাখ্যা
T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের গঠন
- প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যে সকল ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে T2 ব্যাকটেরিওফায সবচেয়ে পরিচিত ভাইরাস। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়। 
- তাই এর নাম ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ভক্ষণকারী। 
- এটি সর্বাধিক পরিচিত ব্যাঙাচি আকৃতির একটি DNA ভাইরাস। 
- বিজ্ঞানী দ্য হেরেলি ১৯১৭ সালে ভাইরাসকে ব্যাকটেরিওফায বা ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস বা ফায ভাইরাস নাম দেন। 
- T2 ভাইরাসের দেহকে দুটি প্রধান অংশে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। মাথা ও 
২। লেজ। 

মাথা
- মাথাটি স্ফীত ও ষড়ভূজাকৃতির এবং প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত। 
- এর দৈর্ঘ্য ৯৩-১০০ nm (ন্যানোমিটার) এবং প্রস্থ ৬৫ nm। 
- মাথার স্ফীত অংশের ভেতরে রিং আকৃতির দ্বিসূত্রক একটি DNA অণু প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে। 
- ৬০,০০০ জোড়া নিউক্লিয়োটাইড দিয়ে DNA গঠিত। 
- এতে প্রায় ১৫০টি জিন থাকে। 
- মাথার অধিকাংশ স্থানই ফাঁপা বলে মনে হয়। 

লেজ
- মাথার পরবর্তী লম্বা সরু অংশটিকে বলা হয় লেজ। 
- লেজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫-১১০ nm এবং ব্যাস প্রায় ১৫-২৫ nm। 
- লেজের উপরিভাগে সুস্পষ্ট চাকতির ন্যায় একটি কলার আছে এবং লেজের প্রধান অংশটি একটি ফাঁপা নলের ন্যায়। 
- এর অভ্যন্তরে কোন DNA থাকে না। 
- লেজের নিচের দিকে ১টি বেসপ্লেট, কাঁটার মত স্পাইক এবং ছয়টি স্পর্শক তন্ত্র থাকে। 
- লেজ, কলার, বেসপ্লেট, স্পাইক এবং স্পর্শক তন্ত্র সবই প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- এতে লাইসোজাইম নামক এনজাইম থাকে যা পোষক কোষের আবরণ বিনষ্ট করতে পারে। 
- স্পর্শক তন্ত্রর সাহায্যে ভাইরাস পোষকের দেহে অবস্থান করে এবং কাঁটা দিয়ে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাঙ্ক স্বাভাবিকের চেয়ে-
  1. বেশি থাকে
  2. কম থাকে
  3. স্বাভাবিক থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেশি থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি থাকে
ব্যাখ্যা
• স্ফুটনাঙ্ক:
- তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে।
- 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রদানের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উত্ত তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ তরলের একটি নির্দিষ্ট স্ফুটনাঙ্ক থাকে।
- যেমন 1 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C।
- স্ফুটনের বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন।
- স্ফুটনের জন্যে তাপ দিতে হয়, ঘনীভবনের সময় তাপ সরিয়ে নিতে হয়।
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে।
- স্থির আয়তনে প্রেসার কুকারে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে পানির স্ফুটনাংক বেড়ে যায়।
- প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ, কুকারের ভেতরের পানি ফুটন্ত অবস্থায় বাষ্পে পরিণত হয়েই বাইরে আসতে পারে না।
- ফলে উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। এতে বাড়তি তাপ সৃষ্টি হয়ে রান্না হয় তাড়াতাড়ি।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬৮.
থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ কোনটি?
  1. ক) রিকেটস
  2. খ) রাতকানা
  3. গ) গলগন্ড
  4. ঘ) রক্তশূন্যতা
সঠিক উত্তর:
গ) গলগন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গলগন্ড
ব্যাখ্যা
গলগন্ড (Goitre):
- গলগন্ড থাইরয়েড গ্রন্থির একটি রোগ
- খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের গ্রন্থির আয়তন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গলগন্ডের সৃষ্টি করে।
- যে সকল এলাকার মাটিতে আয়োডিনের পরিমাণ কম সে সকল এলাকার শিশুদের এমন রোগ বেশি দেখা যায়।
যেমন- সমুদ্র থেকে দূরের (যেমন : জামালপুর, রংপুর ইত্যাদি) এলাকার মাটিতে লবণের পরিমাণ কম তাই এ সকল এলাকার শিশুদের বেশি পরিমাণে গলগন্ড রোগ দেখা দেয়।
- গলগন্ড দু'প্রকার। যথা-

(ক) সরল গলগন্ড:
- আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থিদ্বয় অথবা যে কোনো একটি ফুলে যায়।
- ফলে গলার কিছু অংশ ফুলে নিচের দিকে ঝুলে পড়ে। এটিই সরল গলগন্ড নামে পরিচিত।

লক্ষণ:
- আলসেমি বা কুঁড়েমি, নিদ্রাহীনতা, শুকনো চামড়া, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, পড়াশুনায় অমনোযোগী হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।

প্রতিরোধ:
- যে অঞ্চলে এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেবে সে অঞ্চলের খাওয়ার পানির সাথে অতি সামান্য মাত্রায় আয়োডিন মেশানো যেতে পারে। আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা।

(খ) টক্সিক গলগন্ড:
- অতিমাত্রায় থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণের ফলে এ রোগ দেখা দেয়।

লক্ষণ:
- হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বুক ধড়পড় করা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও অধিক ঘাম হওয়া ইত্যাদি।

প্রতিরোধ:
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেডিওঅ্যাক্টিভ আয়োডিন ব্যবহার করার মাধ্যমে এ গ্রন্থির বৃদ্ধি রোধ করা যায়। আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন- সামুদ্রিক শৈবাল, সামুদ্রিক মাছ, ইত্যাদি খাওয়া।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬৯.
'স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন' চাষাবাদ হলো -
  1. জমিতে সার দেওয়া হয়
  2. জমিতে পানি দেওয়া হয়
  3. জল-চাষ মৃত্তিকাবিহীন কৃষি
  4. পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
ব্যাখ্যা
• স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন:
- এটি একটি পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম) পদ্ধতি।

- স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন কৃষি এমন একটি চাষ পদ্ধতি, যেখানে বনভূমিকে প্রথমে কেটে ফেলা হয় এবং পরে পুড়িয়ে ফেলে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়।
- এই পদ্ধতি সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে মূলত ছোট কৃষকরা এটি ব্যবহার করেন।
- দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় এটি পশু চরানোর জন্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে শুকনো ধান চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পুড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ছাই কিছু পরিমাণে সার হিসেবে কাজ করে এবং চাষের জমিকে আগাছামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
- তবে কয়েক বছর চাষের পর মাটির উর্বরতা কমে আসে এবং জমিতে আগাছার বৃদ্ধি ঘটে, ফলে সেই জমি কিছু সময়ের জন্য পরিত্যক্ত রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া।
৩৭০.
এস্টারের অম্লীয় আর্দ্র বিশ্লেষণে কী উৎপন্ন হয়?
  1. অ্যামাইড
  2. অ্যালডিহাইড
  3. জৈব এসিড
  4. অ্যানহাইড্রাইড
সঠিক উত্তর:
জৈব এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব এসিড
ব্যাখ্যা
এস্টার (R-COOR): 
- উদ্ভিজ্জ্ব তৈল ও প্রাণিজ চর্বি হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের ট্রাইগ্লিসারাইড এস্টার। 
- এ এস্টারকে লঘু HCI এসিডসহ আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে উচ্চতর ফ্যাটি এসিড (জৈব এসিড) ও গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। 
- সাধারণ এস্টারও ব্যবহার করা যায়। 


ফরমিক এসিড বা মিথানোয়িক এসিড প্রস্তুতি: 
- প্রায় 200°C ও 8 atm চাপে CO ও NaOH বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ফরমেট উৎপন্ন করে। 
- এটিকে লঘু H2SO4 সহ অর্দ্র বিশ্লেষণের পর উৎপন্ন ফরমিক এসিডকে 101°C-এ পাতিত তরলরূপে সংগ্রহ করা হয়। 


অ্যাসিটিক এসিড প্রস্তুতি: 
- পেট্রোলিয়াম তাপ বিযোজনে উৎপন্ন অ্যাসিটিলিনকে 60°C এ 2%HgS04 ও 20% H2SO4 এর মিশ্রণে চালনা করলে ইথান্যাল উৎপন্ন হয়। 
- ইথান্যালকে ম্যাঙ্গানাস অ্যাসিটেট প্রভাবকের উপস্থিতিতে 60°C-এ বায়ুর অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে উৎপন্ন অ্যাসিটিক এসিডকে 118°C-এ পাতন করা হয়। 


উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৩৭১.
এরোপ্লেন ও ডুবুরিদের কাছে যে নিষ্ক্রিয় গ্যাস প্রয়োজন তা হলো-
  1. হিলিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
হিলিয়াম: 
১। অত্যন্ত হালকা এবং অদাহ্য গ্যাস হওয়ায় পর্যবেক্ষণ বেলুন এবং উড়োজাহাজে হিলিয়াম গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
২। রক্তে নাইট্রোজেনের তুলনায় হিলিয়াম কম দ্রবীভূত হয়। এজন্য গভীর সমুদ্রে ডুবুরিরা বাতাসের পরিবর্তে অক্সিজেন এবং হিলিয়াম গ্যাসের মিশ্রণ শ্বাসকার্যের জন্য ব্যবহার করেন। যদি বাতাস ব্যবহার করা হয় তাহলে সমুদ্রের গভীরে উচ্চ চাপে রক্তের মধ্যে নাইট্রোজেন দ্রবীভূত হয় এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে উঠে আসার সাথে সাথে রক্ত থেকে নাইট্রোজেন গ্যাস বুদবুদ আকারে বের হয়ে আসে যা প্রচন্ড ব্যথার সৃষ্টি করে। 
৩। যেসব ধাতু সহজে জারিত হয় সেগুলি গলানো এবং ঝালাই করার জন্য হিলিয়াম গ্যাসের নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া সৃষ্টি করা হয়। 
৪। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে যেখানে অতি নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় সেখানে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭২.
উদ্ভিদ কোন পুষ্টি উপাদান বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে?
  1. পটাশিয়াম
  2. কার্বন 
  3. হাইড্রোজেন 
  4. সালফার 
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদ তার বৃদ্ধির জন্য মোট ১৬টি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান গ্রহণ করে। এর মধ্যে কার্বন (C) এবং অক্সিজেন (O) উদ্ভিদ প্রধানত বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে। উদ্ভিদ তার শ্বসন প্রক্রিয়ার জন্য বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- অন্যদিকে, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফসফরাস হলো খনিজ উপাদান যা উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলরোমের সাহায্যে পানির সাথে শোষণ করে।

• পুষ্টি উপাদানের উৎস: 

- উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O) বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে। 
- হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) পানি থেকে গ্রহণ করে। 
- অন্য সব উপাদান মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষণ করে। 
- এ উপাদানগুলো মাটিতে বিভিন্ন লবণ হিসেবে থাকে কিন্তু এগুলোকে উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে না। 
- এরা বিভিন্ন আয়ন হিসেবে শোষিত হয়। 
যেমন- Ca++, Mg++, NH4+, NO3-, K+ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৩.
ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের জনক -
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
ব্যাখ্যা
নিউটন  হলেন ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের জনক। 

- ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স ম্যাক্রোস্কোপিক শাখাগুলো নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা এবং গবেষণা করা হয়।
- মেক্রোস্কোপিক স্ট্যাটিক্সগুলি ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের অধীন আলোচনা করা হয়।
- ক্লাসিক্যাল মেকানিক্সের তিনটি শাখা রয়েছে,  যথা, নিউটনিয়ান মেকানিক্স, লেগ্রেঞ্জিয়ান মেকানিক্স এবং হ্যামিল্টোনিয়ান মেকানিক্স।
- উপরোক্ত এই তিনটি শাখা গাণিতিক পদ্ধতি এবং গতি গবেষণা অধ্যয়ন ব্যবহৃত পরিমাণে উপর ভিত্তি করে। 
- ১৬৮৭ সালে প্রকাশিত Philosophiae Naturalis Principia Mathematica বইতে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন তিনটি গতিসূত্র প্রকাশ করেন, যা পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি ঘটনা।

সূত্র: ২ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৭৪.
উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে কোন ধমনী?
  1. ক) সিলিয়াক ধমনি
  2. খ) ইলিয়াক ধমনি
  3. গ) মেসেন্টেরিক ধমনি
  4. ঘ) ভার্টিব্রাল ধমনি
সঠিক উত্তর:
খ) ইলিয়াক ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলিয়াক ধমনি
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনিঃ -
দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে।
যেমন -

১. আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে।
২. থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৩. সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৪. ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদন্ডের রক্ত সরবরাহ করে।
৫. সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে।
৬. ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে।
৭. বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে।
৮. মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
৯. জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে।
১০. ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩৭৫.
নিচের কোনটি পদার্থের অবস্থা বিবেচনা করা হয় না?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. প্লাজমা
  4. ভয়েড
সঠিক উত্তর:
ভয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েড
ব্যাখ্যা

• পদার্থের অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা আছে যার নাম প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে। সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়।
- আমাদের ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, নিয়ন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায় সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে।
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায় সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।
- বর্তমানে ফিশন পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়।
- হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশান পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

• ভয়েড:
- পদার্থের কণার মধ্যে ফাঁকা স্থান থাকাকে ভয়েড বা Void বলা হয়।
- প্রত্যেক পদার্থের কণার মধ্যে ছোট বা বড় পরিমাণে ভয়েড (শূন্যস্থান) থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭৬.
ভেদন ক্ষমতার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. গামা < আলফা < বিটা
  2. আলফা < বিটা < গামা
  3. বিটা < গামা < আলফা
  4. গামা < বিটা < আলফা
সঠিক উত্তর:
আলফা < বিটা < গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা < বিটা < গামা
ব্যাখ্যা
• ভেদন ক্ষমতার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম হলো আলফা < বিটা < গামা। 

• ভেদন ক্ষমতা:
- ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) বলতে বোঝায় কোনো বিকিরণ পদার্থের কতটুকু গভীরে বা কতদূর ভেদ করে যেতে পারে।
- এটি নির্ভর করে কণার শক্তি, ভর ও আধান-এর উপর।

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা
- বিটা
- গামা 

• আলফা কণার ধর্ম:
- আলফা কণার ধনাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 3.2 × 10-19 C । 
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- এ কণা তীব্র আয়নায়ন সৃষ্টি করতে পারে।
- এর ভর বেশি হওয়ায় ভেদনক্ষমতা কম।

• বিটা কণার ধর্ম:
- এ কণা ঋণাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 1.6 × 10 -19 C ।
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এ কণা অত্যন্ত দ্রুত নির্গত হয়। এর দ্রুতি আলোর দ্রুতির শতকরা 98 ভাগ পর্যন্ত হতে পারে।
- এ কণা অতি উচ্চ দ্রুতিসম্পন্ন ইলেকট্রনের প্রবাহ। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

• গামা রশ্মির ধর্ম:
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এ রশ্মি তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।
- এর বেগ আলোর বেগের সমান অর্থাৎ ৪.3 × 108 ms-1
- আলফা ও বিটা কণার চেয়ে এ রশ্মির ভেদনক্ষমতা বেশি। এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত ভেদ করে যেতে পারে।

• তিনটি বিকিরণের মধ্যে গামা রশ্মি সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। সবচেয়ে কম ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো আলফা। বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৩৭৭.
কোন পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে?
  1. প্লাস্টিক
  2. সিলিকন
  3. রূপা 
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৮.
ভেসেল (Vessel) কোন শ্রেণির উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান?
  1. জিমনোস্পার্ম
  2. শৈবাল
  3. অ্যানজিওস্পার্ম
  4. টেরিডোফাইট
সঠিক উত্তর:
অ্যানজিওস্পার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানজিওস্পার্ম
ব্যাখ্যা

• ট্রাকিয়া বা ভেসেল: 
- ট্রাকিয়া বা ভেসেল অ্যানজিওস্পার্ম (আবৃতবীজী) উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান। 
- এর কোষগুলো সাধারণত মোটা ও খাটো। 
- এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং এদের প্রস্থ প্রাচীর বিলুপ্তির ফলে লম্বা ফাঁপা নলের ন্যায় গঠন তৈরি করে। 
- ভেসেল কোষের পরিপূর্ণতার সময় প্রোটোপ্লাজম বিনষ্ট হয়। তাই পরিণত অবস্থায় এরা মৃত কোষ। 
- এদের কোষ প্রাচীর লিগনিনযুক্ত এবং ট্রাকিডের ন্যায়। 
- এরাও বলয়াকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, মই আকার ও কৃপাকার হতে পারে। 
- নলাকার ট্রাকিয়ার গহ্বরের আকারের ভিত্তিতে ট্রাকিয়া দু'রকম। 
যথা- প্রোটোজাইলেম ও মেটাজাইলেম। 
- সরু ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা প্রথমে সৃষ্টি হয়) প্রোটোজাইলেম এবং মোটা ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা পরে সৃষ্টি হয়) মেটাজাইলেম বলা হয়। 
- প্রধানত অ্যানজিওস্পার্মে ট্রাকিয়া থাকে। 
- এরা মূল থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৯.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় হরমোনের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Ecology
  2. খ) Endocrinology
  3. গ) Cytology
  4. ঘ) Embryology
সঠিক উত্তর:
খ) Endocrinology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Endocrinology
ব্যাখ্যা

এন্ডোক্রিনোলজি শখায় জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
ইকোলজি শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
সাইটলজি শাখায় জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলী ও বিভাজন সম্পর্কে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।
ভ্রূণবিদ্যা শাখায় জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগট থেকে ভ্রুনের সৃষ্টি, গঠন, বিকাশ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৩৮০.
মাইটোটিক ডিভিশন হয়-
  1. ক) সোমাটিক সেল এ
  2. খ) নিওরোন এ
  3. গ) লেট স্টেজ অব sex cell এ
  4. ঘ) cardiac muscle
সঠিক উত্তর:
ক) সোমাটিক সেল এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোমাটিক সেল এ
ব্যাখ্যা
যে কোষ বিভাজনে একটি সোমাটিক সেল বা দেহ কোষের নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে সমআকৃতি এবং সমগুণসম্পন্ন দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টির মাধ্যমে দুটি অপত্য কোষে পরিণত হয় সেই কোষ বিভাজনকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
৩৮১.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মে কোন যৌগ আলোর সংস্পর্শে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় চিত্র তৈরি করে? 
  1. সিলভার নাইট্রেট
  2. সিলভার ব্রোমাইড
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিত্র তৈরি হয়। 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইড (AgBr) বা সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে; ফলে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → তাপ শক্তি: 
- হারিকেনের চিমনির কাচ স্পর্শ করলে গরম লাগে, কারণ আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি: 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপন্ন হলে পরে তা গ্রহণকারী প্রাণীর দেহে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩৮২.
নিচের কোন গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই?
  1. বুধ
  2. বৃহস্পতি
  3. মঙ্গল
  4. পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা
গ্রহ: 
- গ্রহসমূহ সাধারণত গোলাকৃতির, গ্রহগুলোতে বিভিন্ন গ্যাসীয় পদার্থ রয়েছে। 
- কিন্তু গ্রহগুলো নিজেরা শক্তি উৎপাদন করে না, তাই কোনো গ্রহ নিজে আলো বা তাপ নিঃসরণ করে না। 
- পৃথিবী থেকে সূর্যের অন্যান্য গ্রহকে উজ্জ্বল দেখালেও এগুলো আসলে সূর্যের আলোতে আলোকিত। 
- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ। 
যেমন- 
বুধ: 
- বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ। 
- বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। 

শুরু: 
- পৃথিবী থেকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরবেলায় শুকতারা রূপে যে তারাটি দেখা যায়, সেটি কোনো নক্ষত্র নয়। এটি আসলে সূর্যের একটি গ্রহ, যার নাম শুক্র। 
- সূর্যের আলো এ গ্রহের উপরে পড়ে, তাই একে আলোকিত দেখা যায়। 

পৃথিবী: 
- কেবল পৃথিবীতেই জীবনের জন্য উপযোগী উপকরণ ও পরিবেশ রয়েছে। 
- পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে তৃতীয় গ্রহ। 

মঙ্গল: 
- মঙ্গলকে কখনো কখনো লাল গ্রহ বলা হয় কারণ এর পৃষ্ঠ লাল রঙের। এর পৃষ্ঠ ধূলিময় এবং খুবই পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে। 
- মঙ্গলের মাটির নিচে পানি থাকার সম্ভাবনা আছে বলে বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন। 

বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সূর্যের সবচেয়ে বড়ো গ্রহ। 
- এটিতে শুধু গ্যাসই রয়েছে, কোনো কঠিন পৃষ্ঠ নেই। 

শনি: 
- শনি গ্রহটিও কেবল গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটিকে ঘিরে কতগুলো রিং বা আংটা রয়েছে। 

ইউরেনাস: 
- ইউরেনাস গ্যাস ও বরফ দিয়ে গঠিত। 

নেপচুন: 
- নেপচুনও অনেকটা ইউরেনাসের মতো একটি গ্রহ। 
- এছাড়া প্লুটো নামক একটি জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলা হতো। কিন্তু ২০০৬ সালে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন যে, এটি একটি ক্ষুদ্র অসম্পূর্ণ গ্রহাণু। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩৮৩.
মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাকে কী বলে?
  1. তড়িৎ বল
  2. চৌম্বক বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. ঘর্ষণ বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে, তাকে মহাকর্ষ বল বলা হয়।

• মহাকর্ষের ধারণা:
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু অন্য সব বস্তুকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে।
- এই সার্বজনীন আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ বল নামে পরিচিত।
- মহাকর্ষ বল সর্বদা আকর্ষণমূলক এবং সব বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল।

• মহাকর্ষ বলের বৈশিষ্ট্য:
- বলের মান বস্তুর ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
- বলের মান বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
- বলটি বস্তুর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে কার্যকর হয়।

• পৃথিবী ও মহাকর্ষের সম্পর্ক:
- পৃথিবী অন্যান্য বস্তুকে আকর্ষণ করে যে বল দ্বারা, সেটি অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল হিসেবে পরিচিত—এটি মহাকর্ষ বলেরই একটি বিশেষ রূপ।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- তড়িৎ বল: বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল।
- চৌম্বক বল: চুম্বক বা চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সৃষ্টি হয়।
- ঘর্ষণ বল: সংস্পর্শে থাকা পৃষ্ঠের মধ্যে ক্রিয়াশীল।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩৮৪.
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রতি কিলোমিটার উচ্চতায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস করে তাপমাত্রা হ্রাস পায়?
  1. ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  3. ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
‍ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রতি কিলোমিটার উচ্চতায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে তাপমাত্রা হ্রাস পায়। এ কারণে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন উচ্চতার স্থানের তাপমাত্রা ভিন্ন হয়।
যেমন: দিনাজপুর ও ভারতের শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত কিন্তু শিলংয়ের উচ্চতা অধিক হওয়ায় সেখানে তাপমাত্রা দিনাজপুর অপেক্ষা কম।

তবে বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোবিরতি ও মেসোবিরতিতে তাপমাত্রা স্থিতাবস্থায় থাকে এবং তাপমণ্ডল থেকে উপরের দিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৮৫.
কোন ভিটামিনটি সূর্য কিরণ থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) D
  2. খ) C
  3. গ) B
  4. ঘ) A
সঠিক উত্তর:
ক) D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) D
ব্যাখ্যা
একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এই ভিটামিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়।
বাঁধাকপি, যকৃত, তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
৩৮৬.
মৌলের স্থায়ী কণিকা কোনটি?
  1. ক) পজিট্রন
  2. খ) নিউট্রিনো
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- যে সকল মূল কণিকা সকল মৌলের পরমাণুতেই উপস্থিত থাকে, তাকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে। 
- স্থায়ী মূল কণিকা হলো ৩ টি, যেমন- ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। 

- যে সকল মূল কণিকা কোনো কোনো মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে অবস্থান করে, তাকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। এদের সংখ্যা প্রায় ১০০।
- নিউট্রিনো, অ্যান্টিনিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন ইত্যাদি হলো অস্থায়ী মূল কণিকা। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩৮৭.
শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল কত? 
  1. ১.০ সেকেন্ড
  2. ০.০০১ সেকেন্ড
  3. ০.১ সেকেন্ড
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

• আমাদের মস্তিষ্কে কোনো শব্দের অনুভূতি শোনার পর তা প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়। একে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বা শব্দের ক্ষণস্থায়িত্ব বলা হয়।

• শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
অর্থাৎ, এই 0.1 সেকেন্ড সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
- সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৮.
'কোভিড-১৯'-এর জন্য তৈরি টিকা কীভাবে কাজ করে?
  1. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উদ্দীপিত করার জন্য দুর্বল ভাইরাসের একটি রূপ প্রবর্তন করে
  2. পরিশোধিত ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট প্রবিষ্ট করানোর মাধ্যমে
  3. হোস্ট কোষে জেনেটিক উপাদান বহন করার জন্য একটি ভাইরাস ঘটিত বাহক ব্যবহার করে
  4. mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
সঠিক উত্তর:
mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়
ব্যাখ্যা

- 'কোভিড-১৯'-এর জন্য তৈরি টিকা mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়, কারণ mRNA টিকা শরীরের কোষে প্রবেশ করে এবং কোষকে নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন (যেমন- SARS-CoV-2 স্পাইক প্রোটিন) তৈরি করতে নির্দেশ দেয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ওই প্রোটিন চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে
অন্যদিকে, ভাইরাল ভেক্টর টিকা (যেমন- অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জ্যানসেন) একটি দুর্বল ভাইরাস (vector) ব্যবহার করে স্পাইক প্রোটিনের জেনেটিক উপাদান কোষে পৌঁছে দেওয়া হয়। কোষ প্রোটিন তৈরি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়। দুর্বল ভাইরাস বা প্রোটিন-ভিত্তিক টিকা (যেমন- সিনোফার্ম, নোভাভ্যাক্স) দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় ভাইরাস অথবা ভাইরাল প্রোটিনের সাবইউনিট সরাসরি শরীরে প্রবেশ করানো হয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিক্রিয়া জানায় এবং অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
উপর্যুক্ত  আলোচনা থেকে ঘ) 'mRNA সরবরাহ করে যা হোস্ট কোষ গুলোকে একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয়' অপশনকে সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে

সহজে বলা যায়,
- কোভিড-১৯ টিকার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রযুক্তি থাকলেও, সবচেয়ে আধুনিক ও বহুল ব্যবহৃত টিকাগুলো (যেমন Pfizer-BioNTech, Moderna) হলো mRNA টিকা।
- এই টিকাগুলোতে-
- শরীরে mRNA প্রবেশ করানো হয়,
- সেই mRNA হোস্ট কোষকে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ দেয়,
- ইমিউন সিস্টেম ওই প্রোটিনকে চিনে অ্যান্টিবডি তৈরি করে,
- ভবিষ্যতে আসল ভাইরাস এলে শরীর দ্রুত প্রতিরোধ করতে পারে। 

COVID-19 টিকা: 
- COVID-19 টিকা হলো এমন একটি প্রতিরোধমূলক টিকা যা SARS-CoV-2 করোনাভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (COVID-19) প্রতিরোধের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই টিকা বিভিন্ন ধরনের সাসপেনশনের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে, যেমন- পরিবর্তিত মেসেঞ্জার RNA (mRNA), রিকম্বিন্যান্ট প্রোটিন অথবা ভাইরাসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী উপাদান (Antigen)। 
- টিকাটি সাধারণত ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশনের মাধ্যমে (পেশিতে ইনজেকশন) প্রয়োগ করা হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) সক্রিয় করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ও ইমিউন মেমোরি তৈরি করে, ফলে ভবিষ্যতে ভাইরাস সংক্রমণ হলেও রোগের তীব্রতা কমে যায়। COVID-19 রোগ প্রধানত জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট দ্বারা চিহ্নিত, যা গুরুতর ক্ষেত্রে তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। 

mRNA টিকা (Messenger RNA Vaccine): 
- mRNA টিকা এমন একটি আধুনিক টিকা প্রযুক্তি যেখানে শরীরে সিন্থেটিক মেসেঞ্জার RNA (mRNA) প্রবেশ করানো হয়। এই mRNA কোষকে নির্দিষ্ট একটি ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ দেয়, ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ওই প্রোটিনকে চিনে ভবিষ্যতে প্রকৃত রোগজীবাণুকে ধ্বংস করতে শেখে।
- mRNA টিকার বড় বৈশিষ্ট্য হলো এতে জীবিত বা নিষ্ক্রিয় রোগজীবাণু ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ঐতিহ্যবাহী টিকার থেকে ভিন্ন। মানুষের ব্যবহারের জন্য প্রথম অনুমোদিত mRNA টিকা হলো ফাইজার-বায়োএনটেক ও মডার্না COVID-19 টিকা, যা ২০২০ সালের শেষে SARS-CoV-2 সংক্রমণ প্রতিরোধে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পায়।
- mRNA ভ্যাকসিন কোষের স্বাভাবিক প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকে কাজে লাগায়। mRNA সাধারণত DNA থেকে রাইবোসোমে প্রোটিন তৈরির নির্দেশ বহন করে। ভ্যাকসিনে কৃত্রিম (সিন্থেটিক) mRNA ব্যবহার করে রোগজীবাণুর নির্দিষ্ট প্রোটিন (যেমন- SARS-CoV-2 এর স্পাইক প্রোটিন) তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রোটিন কোষের পৃষ্ঠে প্রদর্শিত হলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তা শনাক্ত করে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে প্রকৃত রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। সিন্থেটিক mRNA কোষে প্রবেশ করানো হয় লিপিড ন্যানোপার্টিকেল বা অন্যান্য বাহকের মাধ্যমে, অথবা সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে।
- কৃত্রিম mRNA টিকা বার্ড ফ্লু, HIV/AIDS, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মার মতো রোগ প্রতিরোধে বড় সম্ভাবনা রাখে। পুরোনো টিকার তুলনায় এটি দ্রুত তৈরি করা যায়, কারণ জীবন্ত ভাইরাস চাষের প্রয়োজন নেই। mRNA সহজে পরিবর্তন করা যায়, তাই নতুন ভাইরাসের রূপ বা নতুন রোগের জন্য দ্রুত টিকা তৈরি সম্ভব। 
- দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কম, কারণ mRNA দ্রুত ভেঙে শরীর থেকে অপসারিত হয়। স্বল্পমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (মাথাব্যথা, ক্লান্তি ইত্যাদি) হতে পারে। 
- mRNA টিকার প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো কোল্ড স্টোরেজের প্রয়োজন, কম স্থিতিশীলতা এবং উচ্চ উৎপাদন খরচ, যা গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
 - জনসন অ্যান্ড জনসনের জ্যানসেন টিকা একটি রিকম্বিন্যান্ট (ভাইরাল ভেক্টর) টিকা, যা মাঝারি থেকে গুরুতর COVID-19 রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ছিল। এছাড়াও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা ছিল ভাইরাল ভেক্টরভিত্তিক যা ২০২০ সালের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যে প্রথম অনুমোদিত হয়েছিল এবং নোভাভ্যাক্স টিকা ছিল প্রোটিন-ভিত্তিক টিকা যা ২০২১ সালে ইউরোপে প্রথম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

উৎস: britannica.com ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]।

৩৮৯.
mRNA ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রবেশের পর প্রধানত কী কাজ করে?
  1. রোগজীবাণুর সম্পূর্ণ গঠন তৈরি করে
  2. মানব ডিএনএ পরিবর্তন করে
  3. প্রস্তুত অ্যান্টিবডি সরাসরি শরীরে প্রবেশ করায়
  4. নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ভাইরাল প্রোটিন তৈরির নির্দেশ প্রদান করে — কারণ mRNA ভ্যাকসিন দেহের কোষকে ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন (যেমন স্পাইক প্রোটিন) তৈরি করতে নির্দেশ দেয়, যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে।

• mRNA ভ্যাকসিন:
- mRNA এর পূর্ণরূপ messenger Ribonucleic Acid.
- এটি একটি জেনেটিক নির্দেশবাহী অণু, যা কোষকে নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির তথ্য প্রদান করে।
- mRNA ভ্যাকসিন মানবদেহে প্রবেশ করার পর কোষের রাইবোজোমে পৌঁছে।
- রাইবোজোম mRNA–এর নির্দেশ অনুসারে ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরি করে।
- এই প্রোটিন নিজে রোগ সৃষ্টি করে না, তবে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এটিকে বিদেশি হিসেবে শনাক্ত করে।
- ফলস্বরূপ অ্যান্টিবডি ও স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন প্রতিরক্ষা কোষ তৈরি হয়।
- ভবিষ্যতে প্রকৃত ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হয়।

• কার্যপ্রক্রিয়া:
- mRNA কোষের নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করে না।
- এটি মানব ডিএনএ–এর সঙ্গে যুক্ত বা পরিবর্তন করে না।
- কোষে সাময়িকভাবে অবস্থান করে এবং পরে ভেঙে যায়।

• প্রয়োগ:
- COVID-19 প্রতিরোধে mRNA প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Pfizer-BioNTech ও Moderna ভ্যাকসিন এই প্রযুক্তির উদাহরণ।

উৎস: Britannica, Messenger RNA Vaccine Overview.

৩৯০.
বিএমআই এর আদর্শ মান কত? 
  1. ২৫-২৯.৯ কেজি/মি
  2. ১৫-১৮.৪ কেজি/মি
  3. ১৮.৫-২৪.৯ কেজি/মি
  4. ৩০-৩৪.৯ কেজি/মি
সঠিক উত্তর:
১৮.৫-২৪.৯ কেজি/মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৫-২৪.৯ কেজি/মি
ব্যাখ্যা
বিএমআর ও ব্যয়িত শক্তির সম্পর্ক: 
- বিএমআই (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। 
- বিএমআই মান বয়স, লিঙ্গ, খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের গঠনের উপর নির্ভরশীল। 
- দৈনিক খাদ্য চাহিদার সাথে বিএমআই এর মান নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা যায়। 
- বিএমআই শরীরে ৬০-৭৫ ভাগ শক্তি উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে, শরীর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে মাত্র ১০-২০ শতাংশ ও শ্রমের মাধ্যমে ২০-৩০ শতাংশ শক্তি পেয়ে থাকে। 
- মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিএমআই এর মান কমতে থাকে, আবার অনেকেই শুকনো থাকার জন্য খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। এতে বিএমআই মান আরও কমে যায়, ফলে আর শুকানো যায় না। তাই খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ না কমিয়ে যদি প্রতিদিন পরিমিত শারীরিক পরিশ্রম করা হয় তাতে বিএমআই মান বেড়ে যাবে এবং স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে শরীরকে সুস্থ সবল রাখা যাবে। 
- বিএমআই (BMI) মান নির্ণয়: বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)  । 

মান নির্দেশিকা: 
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান। 
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার। 
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯১.
এক আলােকবর্ষ হলাে -
  1. ক) 9.4 x 1012 km
  2. খ) 9.4 x 1015 km
  3. গ) 9.4 x 1018 km
  4. ঘ) 9.4 x 1021 km
সঠিক উত্তর:
ক) 9.4 x 1012 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 9.4 x 1012 km
ব্যাখ্যা

আলােক বর্ষ বা লাইট ইয়ার (ly ) : আলাে 3 x 10m/s বেগে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলােক বর্ষ বলে। 1 ly = 9.46 x 1012 km (উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৩৯২.
 নিচের কোনটির স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে কম?
  1. রাবার
  2. ইস্পাত
  3. হীরা
  4. পিতল
সঠিক উত্তর:
রাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবার
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত অপশনসমূহের মধ্যে রাবার সবচেয়ে কম স্থিতিস্থাপক।

স্থিতিস্থাপকতা:
- বল প্রয়োগ যদি কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বস্তু বিকৃত হয় তাহলে প্রযুক্ত বল সরিয়ে নিলে যে ধর্মের ফলে বিকৃত বস্তু আগের আকার ও আয়তন ফিরে পায় তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে।
- যে বস্তুর বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতাও বেশি হবে।
- লোহা ও রাবারের মধ্যে বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা লোহার বেশি তাই লোহা রাবারের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক।

স্থিতিস্থাপক সীমা:
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক।
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়।
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন।
- যেমন- ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রাবারের খুব কম।

অপশনসমূহ:
- ইস্পাত: ইস্পাত রাবারের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিস্থাপক।
- হীরা: হীরা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন এবং অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক একটি পদার্থ।
- পিতল: পিতল একটি সংকর ধাতু যা ইস্পাত এবং হীরার চেয়ে কম স্থিতিস্থাপক হলেও রাবারের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিস্থাপক।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৩৯৩.
রাদারফোর্ড, পিয়ের কুরি ও মেরি কুরির তেজস্ক্রিয়তার ওপর গবেষণার প্রধান অবদান কী ছিল? 
  1. রেডিওঅ্যাক্টিভ ধাতু আবিষ্কার
  2.  তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রকার নির্ধারণ
  3. নিউট্রনের গঠন ব্যাখ্যা 
  4. আলফা রশ্মির শক্তি পরিমাপ
সঠিক উত্তর:
 তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রকার নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রকার নির্ধারণ
ব্যাখ্যা

• মেরি কুরি ও পিয়ের কুরির তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ক অবদান
- মেরি কুরি ও পিয়ের কুরি ইউরেনিয়াম যৌগ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে লক্ষ্য করেন যে, কিছু পদার্থ নিজে থেকেই শক্তিশালী বিকিরণ নির্গত করে, যা বাহ্যিক কোনো প্রভাব ছাড়াই ঘটে।তাঁরা গবেষণার মাধ্যমে দুটি নতুন তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম (Ra) ও পোলোনিয়াম (Po) আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কার তেজস্ক্রিয়তার ধারণাকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং আধুনিক পরমাণুবিজ্ঞানের ভিত্তি গঠনে সহায়তা করে।
- মেরি কুরি 1903 সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (বেকেরেল ও পিয়ের কুরির সঙ্গে) এবং 1911 সালে রসায়নে এককভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁরা প্রমাণ করেন যে তেজস্ক্রিয়তা কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়, বরং এটি পরমাণুর অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনজনিত প্রক্রিয়া।

- রাদারফোর্ড তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে বিশ্লেষণ করে তিনটি প্রধান রশ্মি শনাক্ত করেন 
(i) আলফা (α) রশ্মি: ধনাত্মক চার্জযুক্ত, ভারী ও কম অনুপ্রবেশক্ষম।
(ii) বিটা (β) রশ্মি: ঋণাত্মক চার্জযুক্ত, ইলেকট্রন সদৃশ কণা।
(iii) গামা (γ) রশ্মি: কোনো চার্জ নেই, তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ, প্রবেশক্ষমতা সর্বাধিক।

উল্লেখ্য,
ক) রেডিওঅ্যাক্টিভ ধাতু আবিষ্কার - পিয়ের কুরি ও মেরি কুরির একটি অবদান কিন্তু,
খ) তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রকার নির্ধারণ - সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
মেরি ও পিয়ের কুরি রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেছিলেন, কিন্তু এটি তাদের প্রধান অবদান নয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।

৩৯৪.
ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে কোনটির সাহায্য?
  1. ক) পিল্লি
  2. খ) ফ্লাজেলা
  3. গ) শীথ
  4. ঘ) ক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯৫.
উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য -
  1. শর্করা
  2. গ্লাইকোজেন
  3. মাইক্রোভিলাই
  4. লাইসোসোম
সঠিক উত্তর:
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্করা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ কোষ বৈশিষ্ট্য: 
- উদ্ভিদ কোষের চারদিকে সেলুলোজ নির্মিত জড় কোষ প্রাচীর বিদ্যমান থাকে। এর নিচে প্লাজমা ঝিল্লী থাকে। 
- কিছু নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ ব্যতীত অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। ব্যতিক্রম- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে প্লাস্টিড থাকে না। 
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য সাধারণত শ্বেতসার বা শর্করা। 
- উদ্ভিদ কোষে কোন সেন্ট্রোসোম থাকে না, ব্যতিক্রম- কিছু শৈবাল, মস ও ছত্রাকে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- উদ্ভিদ কোষে সাধারণত বড় আকারের এক বা একাধিক কোষ গহ্বর থাকে এবং স্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ কোষের আকার সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে না। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের পরিধির দিকে থাকে। 
- শুধুমাত্র ভাজক কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য তরল অবস্থায় থাকে। 
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য- গ্লাইকোজেন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৬.
পোলিও টীকা আবিস্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম-
  1. La Martini
  2. La Zola
  3. San Antonio
  4. San Hose
সঠিক উত্তর:
La Zola
উত্তর
সঠিক উত্তর:
La Zola
ব্যাখ্যা
পোলিও:
- পোলিও (পোলিওমাইলাইটিস) হল পোলিওভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি পঙ্গু করে দেওয়া এবং প্রাণ-সংশয়কারী রোগ, যা একজন ব্যক্তির মেরুদন্ডকে সংক্রামিত করতে পারে, যার ফলে পক্ষাঘাত হতে পারে।
- পোলিও টিকা পোলিও প্রতিরোধ করতে পারে।
- OPV-এর পূর্ণরূপ: Oral Polio Vaccine যা পোলিও রোগের টীকা।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ জোনাস সাল্ক:
- ১৯১৪ সালে নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া জোনাস সাল্ক ভাইরাস নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ১৯৩০-এর দশকে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্লুর প্রতিষেধকের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। 
- ১৯৪৮ সালে পোলিও ভাইরাস নিয়ে গবেষণা এবং প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টার জন্য বৃত্তি পান।
- ১৯৫০ সালের দিকে পোলিও ভ্যাকসিনের প্রাথমিক একটি সংস্করণ তৈরিতে সফল হোন।
- ১৯৫২ সালে সাল্কের নেতৃত্বে একটি দল প্রথম পোলিও টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে।
- ১৯৫৪ সালে এই টিকার পরীক্ষাগার প্রয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৫৫ সালে এই টিকা কার্যকর এবং নিরাপদ বলে ঘোষণা করা হয়।
-  ১৯৯৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোলা নামক শহরে মারা যান জোনাস সাল্ক। 

উৎস: Britannica.
৩৯৭.
ZnCO3 কোনটি নির্দেশ করে?
  1. বেকিং সোডা
  2. ক্যালামিন
  3. মিল্ক অফ লাইম
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামিন
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সংকেত: 
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH.
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO. 
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O. 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৮.
এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়-
  1. গনোরিয়া
  2. সিফিলিস
  3. এইডস
  4. ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইডস
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে এইচআইভির আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- HIV এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Human Immunodeficiency Virus.
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- তাই এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- 'AIDS' এর পূর্ণরূপ- Acquired Immunodeficiency Syndrome।
- ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এইডস রোগের সন্ধান পাওয়া যায়।

৩৯৯.
কোন উদ্ভিদ পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল থেকে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে? 
  1. আলু 
  2. হলুদ 
  3. পাথরকুচি 
  4. আদা 
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি 
ব্যাখ্যা

দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। 
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং (খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন।

স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি। 

- কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি। 

- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যথা- পাথরকুচি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০০.
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু কোনটি? 
  1. কোয়াসার
  2. নিউট্রন স্টার
  3. কৃষ্ণবিবর
  4. বোসন কণা
সঠিক উত্তর:
কোয়াসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াসার
ব্যাখ্যা
কোয়াসার (Quasar): 
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। 
- অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বণ্ঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বণ্ঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।