বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ২০১৩০০ / ১৪,০৮০

২০১.
তুলায় সেলুলোজের পরিমাণ শতকরা -
  1. ৫০ ভাগ
  2. ৯৪ ভাগ
  3. ৬০ ভাগ
  4. ৮০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৯৪ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ ভাগ
ব্যাখ্যা
সেলুলোজ: 
- উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে গঠিত। 
- অসংখ্য β-D গ্লুকোজ অণু পরস্পর β-১-৪ কার্বন বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সেলুলোজ গঠন করে। 
- উদ্ভিদের অবকাঠামো নির্মাণে সেলুলোজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- উদ্ভিদদেহে যেহেতু কোন কঙ্কাল নেই সেহেতু উদ্ভিদের ভার বহনের দায়িত্ব পালন করে সেলুলোজ। 
- সেলুলোজের পরিমাণ তুলায় ৯৪%, লিনেনে ৯০% এবং কাঁঠে ৬০%। 
- সেলুলোজকে ঘন H2SO4 বা HCl বা NaOH দ্বারা হাইড্রোলাইসিস করে গ্লুকোজে পরিণত করা যায়। 
- মানুষের পাকস্থলি বা অস্ত্রে সেলুলেজ এনজাইম না থাকায় সেলুলোজ জাতীয় পদার্থ হজম হয় না অর্থাৎ পুষ্টিতে কোন কাজে আসে না। 
- তবে সেলুলোজ গরু-ছাগলে পুষ্টি হিসেবেও কাজ করতে পারে। 
- বস্ত্র ও বন শিল্পে প্রধান উপাদান সেলুলোজ, তাই মানব সভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। 

সেলুলোজের বৈশিষ্ট্য: 
- সেলুলোজ গন্ধহীন, স্বাদহীন, সাদা ও কঠিন জৈব রাসায়নিক পদার্থ। 
- এটি পানিতে অদ্রবণীয়, এটি অবিজারক। 
- এর আণবিক ওজন দু'লক্ষ থেকে কয়েক লক্ষ। 
- এটি ফাইবার সদৃশ ও শক্ত এবং এর কোন পুষ্টিগুণ নেই। 

সেলুলোজের কাজ: 
- উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। 

সেলুলোজের ব্যবহার: 
- সেলুলোজ কাগজ ও বস্ত্র শিল্পের প্রধান উপাদান, একে অ্যাসিটেট ফটোগ্রাফিক ফিল্মো ব্যবহৃত হয়।
- একে নাইট্রেট বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- আসবাবপত্র ও নির্মাণ সামগ্রী তৈরিতে যান্ত্রিক সাহায্য প্রদানকারী প্রধান উপাদান সেলুলোজ। 
- কাঠখেকো কীটপতঙ্গের পুষ্টিনালিতে বসবাসকারী এক ধরনের পরজীবী সেলুলোজ নামক উৎসেচক নিঃসৃত করে কাঠ হজমে সাহায্য করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে কী বায়ু বলে? 
  1. সাময়িক বায়ু
  2. নিয়ত বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৩.
কেমোথেরাপির ভিত্তি কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. চৌম্বকক্ষেত্রে
  3. কোষ বিভাজন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
কোমোথেরাপি (Camotherapy): 
- কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনের কোষ ধ্বংস করা হয়। 
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। 
- জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত। 
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। 
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। 
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। 
যেমন- প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। 
- সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। 

- কেমোথেরাপিতে রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহারের ফলে বিভাজনের কোষ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের সাথে সাথে অন্যান্য কোষ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে রক্ত কণিকাসমূহের উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হয়। 
- হজম সমস্যার ফলে ডায়রিয়া, মাথার চুল পড়ে যাওয়া, পানিশুন্যতা, বমি প্রভৃতি সমস্যা দেখা যায়। 
- এছাড়া রাসায়নিক ঔষধের কারণে চুল পড়ে যায় ও চামড়া পুড়ে যায়। 
- কিছু সচেতনামূলক কর্মকান্ড এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমূহকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। 
যেমন- 
(i) শরীরের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ্য রাখা, যাতে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে চামড়া পুড়ে না যায় বা চুল না পড়ে যায়। 
(ii) তরল বা নরম খাবার খাওয়া উচিৎ যা সহজে হজম হয়। 
(iii) শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিৎ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৪.
নিচের কোনটি পানির স্ফুটনাংক?
  1. ক) ০° সেলসিয়াস
  2. খ) ১০০° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৭৩° সেলসিয়াস
  4. ঘ) -২৭৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
তরল:

- বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- পানির স্ফুটনাংক হলো ১০০° সেলসিয়াস। 
- এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে।

অন্যদিকে,
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম / সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০৫.
'স্টিল'-এ কত ভাগ লোহা থাকে?
  1. ক) ৯৯
  2. খ) ৯৮
  3. গ) ৯৭
  4. ঘ) ৯৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৯
ব্যাখ্যা
স্টিল একটি সংকর ধাতু। এতে ৯৯ ভাগ লোহা এবং ১ ভাগ কার্বন থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২০৬.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, নাসার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. পেনসিলভেনিয়া
  2. কেপ কেনেডি
  3. ফ্লোরিডা
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

২০৭.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম? 
  1. রাজকাঁকড়া
  2. স্ফোনোডন
  3. প্লাটিপাস
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০৮.
ক্যালসিয়ামের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. ক) কোয়াশিয়রকর
  2. খ) মেরাসমাস
  3. গ) অস্টিওপোরোসিস
  4. ঘ) পারকিনসন
সঠিক উত্তর:
গ) অস্টিওপোরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অস্টিওপোরোসিস
ব্যাখ্যা

- অস্টিওপোরোসিস রোগ হয় ক্যালসিয়ামের অভাবে।
- কোয়াশিয়রকর ও মেরাসমাস রোগ হয় আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে।
- রিকেটস রোগ হয় ভিটামিন ডি এর অভাবে।
- পারকিনসন মানুষের মস্তিষ্কের একটি রোগ।

২০৯.
হাঁটুতে কান থাকে
  1. বাঁদর এর
  2. পিপিলিকার
  3. সাপ এর
  4. ফড়িং এর
সঠিক উত্তর:
ফড়িং এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফড়িং এর
ব্যাখ্যা
- ফড়িং ওডোনাটা বর্গভুক্ত ও এপিপ্রোকটা উপবর্গের এক ধরনের বড় যৌগিক চোখবিশিষ্ট পতঙ্গ।
- এদের দুই জোড়া শক্তিশালী ও স্বচ্ছ পাখা আছে। এ পাখার সাহায্যে ফড়িং উড়ে বেড়ায়। ব
- সে থাকার সময় পাখা অনুভূমিক এবং শরীরের সঙ্গে সমকোণে থাকে।
- ফড়িং এর হাটুতে কান থাকে। 



উৎস: royalsocietypublishing.org [লিঙ্ক]।
২১০.
উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল হওয়ার কারণে প্রধানত গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়- 
  1. বৈদ্যুতিক তারে
  2. প্লাস্টিক শিল্পে
  3. ক্রুসিবল তৈরিতে
  4. কাঁচ তৈরিতে
সঠিক উত্তর:
ক্রুসিবল তৈরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রুসিবল তৈরিতে
ব্যাখ্যা

উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতার কারণে গ্রাফাইট প্রধানত ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি গলিত ধাতু বা কাঁচের মতো পদার্থকে উচ্চ তাপে গলানো ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য উপযুক্ত, যা হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন সহ্য করতে পারে এবং দূষণ প্রতিরোধ করে। 

কার্বন: 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক। 
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক। 

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে এটি ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

২১১.
আলো চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সরল রৈখিক ভাবে সমবর্তিত হয় এটি প্রমাণ করেন-
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) এলবার্ট মাইকেলসন
  3. গ) মাইকেল ফ্যারাডে
  4. ঘ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেল ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেল ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব:
- ১৮৪৫ সালে মাইকেল ফ্যারাডে (Michael Faraday) আবিষ্কার করেন, আলো চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সরল রৈখিক ভাবে সমবর্তিত (polarized) হয়
- আলোর সমবর্তন তল মাধ্যমের মধ্যে ঘুরে যায়।
- এ থেকে প্রমাণ হয় আলোর উপর তড়িৎ চুম্বকের প্রভাব আছে।
- ১৮৪৬ সালে তিনি অনুমান করেন চুম্বক ক্ষেত্রের বল রেখার সঞ্চালনের কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার (disturbance) ফলে আলো উৎপন্ন হয়।
- ১৮৪৭ সালে মাইকেল ফ্যারাডে প্রস্তাব দেন আলো উচ্চ কম্পাঙ্কের তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ, যা যেকোনো মাধ্যমের মধ্যে এমনকি মাধ্যম ছাড়াও সঞ্চালিত হতে পারে।  - এজন্য ইথার বা অনুরূপ কোন মাধ্যমের প্রয়োজন নাই। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১২.
কোন খাদ্য উপাদান থেকে শরীরে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. শর্করা
  2. আমিষ
  3. ভিটামিন
  4. চর্বি
সঠিক উত্তর:
চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্বি
ব্যাখ্যা
• চর্বি - থেকে শরীরে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়।

- চর্বি হল এমন একটি খাদ্য উপাদান যা শরীরে সবচেয়ে বেশি শক্তি (ক্যালরি) উৎপন্ন করে। এর কারণ হল:

- প্রতি গ্রাম চর্বিতে থাকে 9 ক্যালোরি, যা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের তুলনায় অনেক বেশি। যেমন:

- প্রোটিন: প্রতি গ্রামে 4 ক্যালোরি
- কার্বোহাইড্রেট: প্রতি গ্রামে 4 ক্যালোরি
- চর্বি: প্রতি গ্রামে 9 ক্যালোরি

শরীর চর্বিকে এমনভাবে সংরক্ষণ করে যা দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহ করতে পারে।
সাধারণভাবে বলতে গেলে, যে খাদ্য পদার্থে বেশি চর্বি থাকবে, তার শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতাও তত বেশি হবে।

খাদ্য উপাদান: 

- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন: 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
২১৩.
অক্সিন ও ইথিলিন কিসের উদাহরণ? 
  1. হরমোন 
  2. প্রোটিন 
  3. ভিটামিন 
  4. এনজাইম 
সঠিক উত্তর:
হরমোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন 
ব্যাখ্যা

ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এই হরমোনগুলো কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
- এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
যেমন- ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২১৪.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) নিম্বাস
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
২১৫.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়াকে কী বলে?
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) লেপ্টন
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর নিউক্লিয়াসে একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়াকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
• পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা:
১.  নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন।
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন।
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।
- উচ্চ শক্তিসম্পন্ন প্রোটন, নিউট্রন বা ডিউটেরনের আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস ৩টি নিউট্রনসহ দুটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে পড়ে। 
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- অত্যধিক উচ্চ তাপে ফিউশন সংঘটিত হয়।
- চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস ফিউশন প্রক্রিয়াতে জড়িত হয়ে একটি করে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৬.
ইনসুলিন হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের এনজাইম
  2. খ) এক ধরনের হরমোন
  3. গ) এক ধরনের ঔষধ
  4. ঘ) এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ
সঠিক উত্তর:
খ) এক ধরনের হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক ধরনের হরমোন
ব্যাখ্যা
প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়৷

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই৷
২১৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয়?
  1. থার্মোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. ট্রপোস্ফিয়ার
  4. মেসোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল অঞ্চলসমূহ: 
- বায়ুমণ্ডলকে চাপ ও তাপমাত্রার পরিবর্তন অনুসারে চারটি স্তর বা অঞ্চলে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
(১) ট্রপোস্ফিয়ার, 
(২) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার, 
(৩) মেসোস্ফিয়ার এবং 
(৪) থার্মোস্ফিয়ার। 
 
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের পর ওপর দিকে 15km থেকে 50km উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (stratoshere) 35 km বিস্তৃত। 
- এ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে তাপমাত্রা -55°C (218K) থেকে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে 50km উচ্চতায় 2°C (বা 275K) তাপমাত্রায় পৌঁছে। কিন্তু তাপমাত্রা ট্রপোস্ফিয়ারের মতো ওপর দিকে একইভাবে কমতে থাকে। 
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার নামক স্তরে ওজোন নামক গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, একে ওজোন স্তর বলে। 
- ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সূর্যরশ্মির অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে সূর্যের আলোর মধ্যস্থ ক্ষতিকারক UV- রশ্মি শোষণকারী ওজোন (O3) স্তর অক্সিজেন (O2) থেকে সৃষ্টি হয়। 
- এ ওজোনস্তর ছাতার মতো পৃথিবীকে আচ্ছাদন করে রাখে, ফলে পৃথিবীর প্রাণিকুল UV- রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৮.
ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?
  1. ভিটামিন বি ১২
  2. ভিটামিন বি ৬
  3. ভিটামিন বি ১
  4. ভিটামিন বি ৯
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি ৯
ব্যাখ্যা
- ফলিক এসিডের অপর নাম ভিটামিন বি ৯। 

ফলিক এসিডের উৎস: 
- কলিজা, মাংস, মাছ, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, যকৃত ও বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড পাওয়া যায়। 

ফলিক এসিডের কাজ: 
১. হিমোগ্লোবিনের লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ফলিক এসিড প্রয়োজন হয়। 
২. বংশগতির জন্য দায়ী জিন এর গঠন উপাদান নিউক্লিয়িক এসিডের ডিএনএ অণুর গঠনে বা সংশ্লেষণে কাজ করে। 
৩. কোষ বিভাজনে ও বর্ধনে কাজ করে। 

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৯.
এক গ্রাম তৈল বা চর্বি = কত ক্যালরি?
  1. 9.2 cal
  2. 9.0 cal
  3. 9.3 cal
  4. 9.4 cal
সঠিক উত্তর:
9.0 cal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.0 cal
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20° C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20° C এর অধিক হয়। 
(৩) তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান। 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং, বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন, সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)। 
২২০.
নিচের কোনটিতে লিপিড দ্রবীভূত হয় না?
  1. ক) পানি
  2. খ) ক্লোরোফরম
  3. গ) বেনজিন
  4. ঘ) অ্যাসিটোন
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
পানিতে লিপিড দ্রবীভূত হয় না। 

লিপিড:
- লিপিড একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ, যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত।
- এগুলো সাধারণত স্নেহ পদার্থ নামে পরিচিত। মাছ, মাংসের চর্বি, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদিতে লিপিড বিদ্যমান থাকে।
- লিপিড কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন সমন্বয়ে গঠিত কিন্তু এখানে তুলনামূলকভাবে কার্বোহাইড্রেট হতে কম পরিমাণে অক্সিজেন থাকে।
- লিপিড সম্পৃক্ত বা অসম্পৃক্ত যৌগিক পদার্থ।
- এটি পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু ইথার, জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২১.
রাইবোসোমের প্রধান কাজ কী? 
  1. শক্তি উৎপাদন 
  2. প্রোটিন সংশ্লেষণ 
  3. লিপিড ভাঙা 
  4. ডিএনএ সংরক্ষণ 
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন সংশ্লেষণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন সংশ্লেষণ 
ব্যাখ্যা

রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে বলা হয় রাইবোসোম। 
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই উপস্থিত থাকে। 
- সাধারণত অমসৃণ অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার উভয় দিকে এরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
- আবার সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায়ও রাইবোসোম থাকতে পারে। 
- মুক্ত রাইবোসোম আদি কোষের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। 

রাইবোসোমের কাজ: 
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন
- রাইবোসোম আমিষ সংশ্লেষণের স্থান নির্ধারণ করে, 
- প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন করে এবং 
- এ ধরনের সকল কাজে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২২২.
কোনটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস নয়?
  1. He
  2. Xe
  3. Rn
  4. Cl
সঠিক উত্তর:
Cl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
মৌলগুলাে হলাে:
হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) । 

হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল।
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২২৩.
Which of the following is not present in pancreatic juice? 
  1. Pepsin 
  2. Lipase
  3. Trypsin
  4. Amylase
  5. None of the them
সঠিক উত্তর:
Pepsin 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pepsin 
ব্যাখ্যা

- অগ্ন্যাশয় রসে পেপসিন (Pepsin) থাকে না, পেপসিন পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং এটি প্রোটিন হজমে সাহায্য করে। 

অগ্ন্যাশয়: 
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলির পেছনে এবং ডিওডেনামের দু'বাহুর মধ্যে প্রায় আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। 
- অগ্ন্যাশয়নালি পিত্তনালির সাথে মিলিত হয়ে যকৃত অগ্ন্যাশয়নালি গঠন করে ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়। 
- অগ্ন্যাশয়ে নালীযুক্ত ও নালিবিহীন উভয় প্রকার গ্রন্থি থাকে বলে একে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়। 
- নালিযুক্ত গ্রন্থির নিঃসৃত রসকে অগ্ন্যাশয় রস এবং নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন তৈরি হয়। 
- অগ্ন্যাশয় রসে থাকে ট্রিপসিন, অ্যামাইলেজ ও লাইপেজ নামক উৎসেচক। 
- অগ্ন্যাশয় রস খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, খাদ্যের পরিপাকে অম্ল ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা দেহ তাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে, ইনসুলিন ও গ্লুকাগন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৪.
এক আলোক বর্ষ বলতে কী বোঝায়? 
  1. এক বছরে উৎপন্ন আলোর পরিমাণ
  2. পৃথিবী এক বছরে যত আলো পায়
  3. সূর্য এক বছরে যতটা ঘোরে
  4. আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
সঠিক উত্তর:
আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
ব্যাখ্যা
নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। 
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। 
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
২২৫.
'জে ০৪১০-০১৩৯' কী?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. কৃষ্ণগহ্বর
  4. মহাকাশযান
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
 - সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর (Black hole)।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- পৃথিবী থেকে ১ হাজার ২৯০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা এক সুপার ম্যাসিভ বা বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বর হচ্ছে জে০৪১০-০১৩৯।
- কৃষ্ণগহ্বরটির ভর প্রায় ৭০ কোটি সূর্যের সমান।

সম্প্রতি,
- এই কৃষ্ণগহ্বর (ব্ল্যাকহোল) থেকে অতি শক্তিশালী রশ্মি সরাসরি আমাদের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
- বিগ ব্যাং বিস্ফোরণের প্রায় ১০ কোটি বছর পর এই রশ্মি নির্গত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বড় আকারের কৃষ্ণগহ্বরটি মহাবিশ্বের প্রথম সময়কার তথ্যাদি জানতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২২৬.
রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে থাকে -
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) কর্ণিয়া
  3. গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  4. ঘ) অ্যাকুয়া রিজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিট্রিয়াস হিউমার
ব্যাখ্যা
অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour):
লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।

ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour):
লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গােলকের গােলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৭.
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:
- বর্তমানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সরকার কর্তৃক ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯) চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও অভিযোজন কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP), 2009' বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
- এই কর্মপরিকল্পনায় ৬টি থিমেটিক এরিয়ায় ৪৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার জন্য এবং BCCSAP, ২০০৯ এ উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয়েছিল ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বলবৎ করা হয় জলবায়ু ট্রাস্ট আইন-২০১০।

সূত্র: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৩।
২২৮.
মানবদেহে প্রধানত কত প্রকার রক্ত কণিকা রয়েছে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। 
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ। 
- সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্ত কণিকার জন্ম। 
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা- 
১। লোহিত রক্ত কণিকা, 
২। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং 
৩। অণুচক্রিকা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB.
২২৯.
আয়রনের অভাবে উদ্ভিদের কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়? 
  1. উদ্ভিদের সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায় 
  2. উদ্ভিদের পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থান হালকা হয়ে ক্লোরোসিস রোগের সৃষ্টি হয় 
  3. উদ্ভিদের কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হয়ে যায় 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

আয়রন (Fe): 
- আয়রনের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথমে হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- উদ্ভিদের সম্পূর্ণ পাতা কখনো কখনো বিবর্ণ হয়। 
- উদ্ভিদের কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হয়। 

সালফার (S): 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- কান্ডের শীর্ষ মরে যায় এবং ডাইব্যাক রোগের সৃষ্টি হয়। 
- কান্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় তাই উদ্ভিদ খর্বাকৃতির হয়। 

বোরন (B): 
- বোরনের অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে এবং পাতা বিকৃত হয়, কান্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩০.
গতিশীল গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলে যাত্রীরা সামনে ঝুঁকে পরেনে এটি কিসের উদাহরণ
  1. ক) গতি জড়তা
  2. খ) স্থিতি জড়তা
  3. গ) গতি
  4. ঘ) ভরবেগ
সঠিক উত্তর:
ক) গতি জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গতি জড়তা
ব্যাখ্যা
পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা, তাকে জড়তা বলে।
এটি দুই প্রকার:
১. স্থিতি জড়তা
২. গতি জড়তা

গতিশীল ঘোড়ার গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলে গাড়িতে বসা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। গাড়ি যখন গতিশীল ছিল তখন যাত্রীর শরীরের উপরের অংশ এবং নিচের অংশ উভয়ই গতিশীল ছিল। কিন্তু গাড়ি হঠাৎ থেমে যাওয়ায় গাড়ি সংলগ্ন শরীরের নিচের অংশ সর্বপ্রথম থেমে যায় বা স্থির হয়। কিন্তু উপরের অংশ তখনও গতিশীল থাকায় তা গতিশীলই থাকতে চায়। ফলে আরোহী বা যাত্রী পিছনের দিকে ঝুঁকে পরে।
২৩১.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে যাওয়া সম্ভব, কারণ- 
  1. আলো দ্রুত চলে 
  2. আলো শক্তিশালী 
  3. কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ খুবই কম 
  4. কোর বড় হওয়ায়
সঠিক উত্তর:
কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ খুবই কম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ খুবই কম 
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তনু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩২.
সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে ছোট গ্রহটির নাম কী?
  1. ক) শুক্র
  2. খ) বুধ
  3. গ) ইউরেনাস
  4. ঘ) পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
খ) বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুধ
ব্যাখ্যা
বুধ হচ্ছে সৌরজগতের সূর্যের সবচেয়ে ছোট গ্রহ। 

বুধ গ্রহটি সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে। 
এই গ্রহটি আয়তনের শুধুমাত্র পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় বড়। 
এটি পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়। 

সূত্র- Space.com Website [লিঙ্ক]
২৩৩.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ সর্বদা -
  1. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের কম
  2. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
  3. ১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৮০ মিমি পারদচাপের কম
  4. ১৫০ মিমি পারদচাপের কম ও ৯৮ মিমি পারদচাপের বেশি
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ মিমি পারদচাপের বেশি ও ৯৫ মিমি পারদচাপের বেশি
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে। হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃদপিন্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমিন গাত্রে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।
উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি।
২৩৪.
মানুষ কোন পর্বের অর্ন্তভুক্ত?
  1. ক) মলাস্কা
  2. খ) কর্ডাটা
  3. গ) পরিফেরা
  4. ঘ) অ্যামফিবিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ডাটা
ব্যাখ্যা
মানুষ (Homo Sapiens) হলো কর্ডাটা (Chordata) পর্বের প্রাণি।

কর্ডাটা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১. ভ্রূণ অবস্থায় অথবা সারা জীবন পৃষ্ঠ মধ্যরেখা বরাবর নিরেট (Solid), দণ্ডাকৃতির (Rod-shaped) ও স্থিতিস্থাপক (Elastic) নটোকর্ড (Notochord) বর্তমান যা মেরুদণ্ডীদের (Vertebrates) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
২. নটোকর্ডের (Notochord) পৃষ্ঠদেশ (Dorsal side) বরাবর ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ু-রজ্জু (Nerve cord) উপস্থিত। মেরুদণ্ডীদের ক্ষেত্রে এটির অগ্রপ্রান্তে মস্তিষ্ক (Brain) এবং এর পশ্চাতে সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal cord) গঠিত হয়।
৩. উন্নত কর্ডেট (Higher Chordates) ছাড়া অধিকাংশ প্রাণীতে সারা জীবন অথবা জীবনের যে কোন দশায় গলবিলে পার্শ্বীয়ভাবে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র (Gill slits) বর্তমান।
৪. মেরুদণ্ডীদের অন্তঃকঙ্কাল বিশিষ্ট দু’জোড়া পদ (অগ্রপদ ও পশ্চাৎ পদ) বর্তমান।
৫. এন্ডোস্টাইল (Endostyle) উপস্থিত যা পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে (Thyroid glands) রূপান্তরিত হয়।
৬. পায়ু (Anus) পরবর্তী পেশীবহুল ও স্থিতিস্থাপক লেজ (Tail) উপস্থিত।
৭. উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিপাক গ্রন্থিবিশিষ্ট এবং পাকস্থলী (Stomach) ও অন্ত্র (Intestine) সুস্পষ্টভাবে আলাদা।
৮. রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির। অঙ্কীয় দিকে অবস্থিত হৃদযন্ত্র, পৃষ্ঠীয় ও অঙ্কীয় রক্তনালী নিয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত। হেপাটিক পোর্টাল তন্ত্র (Hepatic portal system) উন্নত প্রকৃতির।
৯. জলজ শ্বসন (Aquatic respiration) ফুলকার (Gill) সাহায্যে এবং বায়বীয় শ্বসন (Arial respiration) ফুসফুসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
১০. অধিকাংশ প্রাণীতে কোমলাস্থি (Cartilage) অথবা অস্থি (Bone) নির্মিত কঙ্কাল দৈহিক অবকাঠামো তৈরি করে।
১১. বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া সকলেই একলিঙ্গ (Dioecious) প্রাণী।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
২৩৫.
ডেরলিন প্লাস্টিক কোন মৌলিক উপাদান থেকে প্রস্তুত হয়?
  1. ইউরিয়া
  2. ইথানল
  3. মিথান্যাল
  4. ফেনল
সঠিক উত্তর:
মিথান্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথান্যাল
ব্যাখ্যা
অ্যালডিহাইড: 
- অ্যালডিহাইড যৌগ থেকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত মানের পলিমার প্রস্তুত করা যায়। 
- অ্যালডিহাইড যৌগের প্রথম সদস্য মিথান্যাল থেকে ডেরলিন নামক পলিমার প্রস্তুত করা যায়। 
- ডেরলিন এর ব্যবহার খুবই ব্যাপক, প্লাস্টিকের চেয়ার, টেবিল, বালতি, জগ, মগ, প্লেট ইত্যাদি প্রস্তুতিতে ডেরলিন ব্যবহৃত হয়। 
- মিথান্যাল ইউরিয়ার ঘনীভবনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় মেলামাইন। 
- মেলামাইন দ্বারা প্লেট, মগ, গ্লাস, কাপ, প্রিজ, গামলা, বাটি ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়। 
- মিথান্যাল ও ফেনল থেকে প্রস্তুত করা হয় ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, এটি খুবই শক্ত ও সুদৃঢ় পলিমার। 
- এ থেকে বৈদ্যুতিক সুইচ, চিরুনি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির হাতল, কলমের বডি প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া মেলামাইন ও মিথান্যালের ঘনীভবন বিক্রিয়ার ফলে মেলাডুর নামক মেলামাইন রেজিন ব্যবহার করা হয়। 

- মিথান্যাল পানিতে দ্রবীভূত করে ফরমালিন প্রস্তুত করা হয়। 
- 40% মিথান্যাল 52% পানি ও ৪% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রণ ফরমালিন। 
- মৃত জীবদেহ সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়। 
- ফরমালিন শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও জীবাণুজনিত পচন নিরোধক। 
- সংক্রামক রোগীর ব্যবহৃত বিছানা, আসবাব ও ঘর জীবাণুমুক্ত করতে ফরমালিনকে ব্যবহার করা হয়। 
- কিছু অসাধু অর্থলোভী ব্যবসায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ফল, শাক-সবজি সংরক্ষণে ফরমালিনকে ব্যবহার করে থাকে। 
- ফরমালিন ব্যবহারে খাদ্যের অস্বাভাবিক খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে যায়, ফলে খাদ্যের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ ও খাদ্যমান বিনষ্ট হয়। 
- ফরমালিনযুক্ত খাবার খেলে মানুষের কিডনি, যকৃত, হৃৎপিন্ড ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৬.
কোন মৌলের পরমাণু স্বাধীন বা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) হিলিয়াম

• পরমাণু:

- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

• পরমাণুর বৈশিষ্ট্য: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একমাত্র হাইড্রোজেন ছাড়া সকল পদার্থের পরমাণু তিনটি কণা দিয়ে তৈরি। সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundamental) বা মৌলিক কণা বলে।
৫. পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। 


♦ নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gases) মৌলগুলোর পরমাণু স্বাধীন বা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। এদের সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস পূর্ণ থাকায় এরা অন্য কোনো পরমাণুর সাথে বিক্রিয়া করে না বা অণু গঠন করে না। যেমন: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন  এবং রেডন।  
 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩৭.
এইডস রোগের লক্ষণ নয় কোনটি?
  1. ক) শরীরের ওজন দ্রুত কমতে থাকে
  2. খ) শুকনো কাশি
  3. গ) সারাদেহে চুলকানি
  4. ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত কলেস্টোরেলের ফলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। 

এইডস হল Human Immunodeficiency Virus (HIV) অর্থাৎ "মানব প্রতিরক্ষা অভাব সৃষ্টিকারী ভাইরাস"।
এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষের শরীরের T-helper cell আক্রমণ করে যেগুলি শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।

AIDS বা Aids এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হলো acquired immunodeficiency syndrome  বা acquired immune deficiency syndrome.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট 

২৩৮.
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. লিপিড
  2. কোলাজেন
  3. লিগনিন 
  4. পেপটিডোগ্লাইকান
সঠিক উত্তর:
পেপটিডোগ্লাইকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপটিডোগ্লাইকান
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত একটি কার্বোহাইড্রেট পলিমার দ্বারা গঠিত যাকে পেপটিডোগ্লাইকান বা মিউরিন বলা হয়। এটি শর্করা এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত একটি জালের মতো গঠন, যা কোষকে নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে এবং বাইরের প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে। 

ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য: 
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।
- এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- 
১। ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২। এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩। এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪। এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক; তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না। 
৫। এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
৬। এদের কোষপ্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭। ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮। এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯। এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০। এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার ডিএনএ (DNA) অণু থাকে, এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১। কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত। 

অ্যদিকে, 
- লিপিড বা চর্বি জাতীয় উপাদান সাধারণত কোষ ঝিল্লিতে বেশি থাকে। যদিও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বাইরের স্তরে কিছু পরিমাণ লিপোপলিস্যাকারাইড থাকে, তবে এটি মূল গঠনগত উপাদান নয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৯.
বস্তুর ধর্ম ধারণ করে এরূপ ক্ষুদ্রতম কণিকার নাম -
  1. পরমাণু
  2. অণু
  3. কণা
  4. মৌল
সঠিক উত্তর:
অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অণু
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রতম কণার মতবাদ: 
- মৌলিক বা যৌগিক পদার্থকে ক্রমাগত ভাঙতে ভাঙতে এক পর্যায়ে এটি ক্ষুদ্রতম কণায় পরিণত হয়। 
- এই ক্ষুদ্রতম কণার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকগণ নানা রকম মতবাদ ব্যক্ত করেছেন। 
- গ্রিক দার্শনিক ডেমক্রিটাস (Democritus) খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা নিয়ে মতবাদ পোষণ করেন। 
- তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য (যা আর ভাঙা যায় না কণা দিয়ে তৈরি।
- তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক শব্দ এটমস (Atomos) থেকে, যার অর্থ হলো অবিভাজ্য (Indivisible) বা যা ভাঙা যায় না। 
- তাঁর সমসাময়িক আরও দুজন দার্শনিক প্লেটো (Plato) এবং অ্যারিস্টটল ( Aristotle) তাঁর মতবাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। 
- অ্যারিস্টটলের মতে, পদার্থসমূহ অবিচ্ছেদ্য (Continuous) এবং ভাঙনের কোনো সীমা নেই অর্থাৎ যতই ভাঙা হোক না কেন, পদার্থের কণাগুলো ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হতে থাকবে। 

অণু ও পরমাণু: 
- আমরা ডাল্টনের মতবাদ থেকে জানলাম যে, পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। এ ক্ষুদ্র কণাদেরকে পরমাণু বলা হয়। 
- তবে পরমাণু স্বাধীন বা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না। 
- এরা একে অন্যের সাথে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে। 
- অণুরা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। 
- মৌলিক পদার্থের বেলায় শুধু ঐ পদার্থের পরমাণুরা যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে। 
যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে একটি অক্সিজেন অণু গঠন করে। 

- পরমাণু নামক ক্ষুদ্র কণা দ্বারা পদার্থ গঠিত। 
- এরা স্বাধীন অবস্থায় থাকতে পারে না। 
- দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলে অণু গঠন করে। 
- একই ধরনের পরমাণু মিলে মৌলিক পদার্থের অণু গঠন করে। 
- আর দুই বা ততোধিক পদার্থের পরমাণু মিলে যৌগিক পদার্থের অণু গঠন করে। 
অর্থাৎ, বস্তুর ধর্ম ধারণ করে এরূপ ক্ষুদ্রতম কণিকার নাম অণু। 
- অণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২৪০.
ইনসুলিন কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন? 
  1. ৫০টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪১.
কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. ক) আলােক
  2. খ) বেতার তরঙ্গ
  3. গ) শব্দ তরঙ্গ
  4. ঘ) রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
২৪২.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়? 
  1. তাপমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল 
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
ব্যাখ্যা
ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমণ্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার। 
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। 
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ। 
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে থাকে। 
- ট্রপোমণ্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না। ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৩.
ফোটনের বেগ-
  1. ক) শূন্য
  2. খ) ৩০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
  3. গ) ৩০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়। আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,
ড. আমির হোসেন,
প্রফেসর মোহাম্মদ ইসহাক
এবং ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
২৪৪.
নিচের কোনটি ধাতু বিশুদ্ধকরণের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয়?
  1. লোহা
  2. সোনা
  3. কপার
  4. প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার
ব্যাখ্যা
ধাতু বিশুদ্ধকরণ: 
- আকরিক থেকে ধাতু নিষ্কাশনের পর প্রাপ্ত ধাতুতে যথেষ্ট পরিমাণে ভেজাল দ্রব্য মিশ্রিত থাকে। 
- এ সকল ধাতুকে বিশুদ্ধ করতে তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। 
- কপার, জিংক, লেড, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ধাতুকে বিশুদ্ধকরণের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- যে ভেজাল মিশ্রিত ধাতু থেকে ভেজাল অপসারণ করে বিশুদ্ধ ধাতু তৈরি করা হয় সেই ভেজাল মিশ্রিত ধাতুর দণ্ডকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুকে বিশুদ্ধ করতে চাওয়া হয় ঐ ধাতুর একটি বিশুদ্ধ দণ্ড ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে ভেজাল মিশ্রিত অবিশুদ্ধ ধাতুর দণ্ড থেকে ধাতব আয়ন দ্রবণে চলে যায় এবং দ্রবণ থেকে ঐ ধাতব আয়ন বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ডে জমা পড়ে, ফলে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড মোটা হতে থাকে। 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ চলাকালে একদিকে ভেজাল মিশ্রিত অবিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড ক্ষয় হতে থাকে, অন্যদিকে বিশুদ্ধ ধাতব দণ্ড মোটা হতে থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪৫.
রক্ত আমাশয়ের জীবাণুর নাম-
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) সিলেগাসনি
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ভাইরাস
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
রক্ত আমাশয়ের প্রধাণ কারণ হলো এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া যার নাম শিগেলা। এই শিগেলা নামক ব্যাকটেরিয়া দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।
২৪৬.
যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে কী বলে?
  1. সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
  2. অপসারী সীমা
  3. পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা যখন একে অপরের দিকে অগ্রসরমান দুটি প্লেট কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে অবশেষে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন একটি প্লেট অপরটির নিচে চাপা পড়ে। এই ধরনের প্লেট সংঘর্ষের ফলে পর্বতমালার সৃষ্টি হয় এবং প্লেট প্রান্তিকের আশেপাশে আগ্নেয়গিরির কর্মকান্ড সংঘটিত হয়।
অপসারী সীমা এই ক্ষেত্রে দুটি প্লেট একে অপরের থেকে সরে যেতে থাকে। এই ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে পরিবর্তক চ্যুতি সীমা বলে। তিন ধরনের প্লেট বিচলনেই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২৪৭.
ডারউইনের মতবাদ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৭৫৯ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

- ব্রিটিশ প্রকৃতিবিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন।
- ১৮৫৯ সালে ''Origin of species by means of natural selection'' নামে একটি বইয়ে এসব বৈশিষ্ট্য পর্যালোচনা করে তাঁর মতবাদ 'ডারউইনিজম' প্রকাশ করেন।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৪৮.
বুদ্ধাঙ্ক (IQ) এর পরিমাপ অনুযায়ী প্রতিভাবানদের বুদ্ধাঙ্ক মাত্রা-
  1. ক) IQ > 90
  2. খ) IQ < 130
  3. গ) IQ > 120
  4. ঘ) IQ > 100
সঠিক উত্তর:
গ) IQ > 120
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) IQ > 120
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
- ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
- কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো
বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০

উৎস: শিক্ষা মনোবিজ্ঞান- ২, প্রোগ্রাম: Bachelor of Agriculture Education, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৯.
"ফেনলফথ্যালিন" নির্দেশক ক্ষারকে কোন রং প্রদর্শন করে?
  1. গোলাপী
  2. নীল
  3. বেগুনী
  4. বর্ণহীন
সঠিক উত্তর:
গোলাপী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপী
ব্যাখ্যা
• ফেনলফথ্যালিন - নির্দেশকের বর্ণ বর্ণহীন, এসিডে বর্ণহীন এবং ক্ষারকে গোলাপী বর্ণ প্রদর্শন করে।

এছাড়া আরো কিছু নির্দেশক হলো-
- লিটমাস কাগজ - এসিডে লাল এবং ক্ষারকে নীল বর্ণ প্রদর্শন করে।

- মিথাইল রেড - নির্দেশকের বর্ণ লাল।
- মিথাইল রেড এসিডে লাল এবং ক্ষারকে হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করে।

- মিথাইল অরেঞ্জ নির্দেশকের বর্ণ হচ্ছে কমলা।
- এটি এসিডে গোলাপী এবং ক্ষারকে হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করে।

সুত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির রসায়ন বই।
২৫০.
স্পুটনিক-১ মহাকাশযান কোন দেশ তৈরি করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- স্পুটনিক ছিল একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের একটি সিরিজ, যার প্রথমটি ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন(রাশিয়া) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমেই শুরু হয় মহাকাশ যুগ।
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এটি একটি ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের ধাতব ক্যাপসুল ছিল।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকে—যার সর্বোচ্চ দূরত্ব (অ্যাপোজি) ছিল ৯৪০ কিমি এবং সর্বনিম্ন দূরত্ব (পেরিজি) ছিল ২৩০ কিমি।
- প্রতি ৯৬ মিনিটে এটি একবার করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত।
- স্পুটনিক ১ প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ঘুরে ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যায়।
- এই উৎক্ষেপণ আমেরিকানদের মাঝে প্রবল আলোড়ন তোলে—কারণ তারা ভাবত, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ে এগিয়ে।
- এই ঘটনার পর শুরু হয় মহাকাশ প্রতিযোগিতা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
২৫১.
উদ্ভিদের ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট কোনটি? 
  1. জিংক 
  2. ম্যাঙ্গানিজ 
  3. কার্বন 
  4. বোরন 
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) এবং সালফার (S)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৭ টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), লৌহ (Fe) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫২.
'ভলভক্স' কোন প্রতিসাম্য প্রাণীর উদাহরণ?
  1. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
  2. গোলীয় প্রতিসাম্য
  3. অরীয় প্রতিসাম্য
  4. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য
সঠিক উত্তর:
গোলীয় প্রতিসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলীয় প্রতিসাম্য
ব্যাখ্যা
প্রতিসাম্য: 
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে। 
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 

ক. গোলীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)। 

খ. অরীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)। 

গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: 
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)। 

ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: 
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)। 

ঙ. অপ্রতিসাম্য: 
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৩.
শর্করা জাতীয় খাদ্য যে কাজে ব্যয় হয় -
  1. দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
  2. ক্ষয়রোধের জন্য
  3. পুষ্টির অভাব পূরণে
  4. হাড় গঠনে
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
ব্যাখ্যা

Carbohydrates serve as energy sources and as essential structural components in organisms; in addition, part of the structure of nucleic acids, which contain genetic information, consists of carbohydrate.

শর্করার কাজ
১। দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
২। শক্তি যোগান দেয়া
৩। প্রোট্রিনের অপচয় রোধ করা
৪। বিপাকীয় কাজে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করা
৫। সেলুলোজ নামক আঁশযুক্ত শর্করা দেহের অপাচ্য পদার্থ বের করতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে সাহায্য করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা

২৫৪.
চাঁদে কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
  1. ক) চাঁদে কোন জীব নেই তাই
  2. খ) চাঁদে কোন পানি নেই তাই
  3. গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
  4. ঘ) চাঁদের মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
ব্যাখ্যা
চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না।
শব্দ শূণ্য মাধ্যমে প্রবাহিত হতে পারে না।

উৎস : বিবিসি
২৫৫.
আদিকোষে পাওয়া যায়-
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  3. রাইবোজোম
  4. প্লাস্টিড
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
ব্যাখ্যা

• আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell) :
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না।
- এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না।
- তবে রাইবোজোম থাকে।
- ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে।
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫৬.
নাইট্রিক এসিডের মৌলিক পদার্থ কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. সোডিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

নাইট্রিক এসিডের মৌলিক পদার্থ হল হাইড্রোজেন।
- নাইট্রিক এসিডে(HNO3) হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন থাকলেও এখানে অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন নাইট্রেট যৌগমূলক রূপে অবস্থান করে|
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন মৌলের মধ্যে অবস্থান করে ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি

২৫৭.
কোনটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হিসেবে পরিচিত?
  1. FPGA
  2. VLSI
  3. LSI
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো একটি ছোট চিপে হাজার হাজার বা মিলিয়ন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদান একত্রিত করা। FPGA হলো প্রোগ্রামেবল লজিক ডিভাইস যা বিভিন্ন ডিজাইন অনুযায়ী কনফিগার করা যায়। LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) হল বড় আকারের ইন্টিগ্রেশন প্রযুক্তি, যেখানে ক্রমশ আরও বেশি ট্রানজিস্টর একটি চিপে সংযুক্ত করা হয়।
- তাই FPGA, LSI এবং VLSI - তিনটিই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের উদাহরণ। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলোই।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

২৫৮.
High AC voltage পরিমাপের জন্য কোন পদ্ধতিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Capacitance potential divider
  2. Sphere gaps
  3. Electro static voltmeter
  4. উপরের সব কয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সব কয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সব কয়টি
ব্যাখ্যা
High AC voltage পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়- 
Capacitance potential divider:
- এটি প্রকৃতপক্ষে উচ্চ-ভোল্টেজ এসি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- এতে ক্যাপাসিটর সিরিজে যুক্ত থাকে। 
- এতে voltage divider circuit তৈরি হয়। 

Sphere gaps 
Sphere gaps হল এক ধরনের উচ্চ-ভোল্টেজ পরিমাপক যন্ত্র যা প্রাথমিকভাবে উচ্চ-ভোল্টেজ এসি বা ডিসি সিস্টেমের ভোল্টেজের মাত্রা নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলি বায়ুমণ্ডলীয় চাপে গ্যাস বা বাতাসে ভরা একটি ছোট গ্যাপ দ্বারা পৃথক দুটি সমকেন্দ্রিক গোলক বা ইলেক্ট্রোড নিয়ে গঠিত।

Electro static voltmeter
- একটি ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক ভোল্টমিটার হল একটি উচ্চ-প্রতিবন্ধক ভোল্টমিটার যা উচ্চ ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে কিলোভোল্ট (কেভি) এবং মেগাভোল্ট (এমভি) রেঞ্জে।
- এটি চার্জযুক্ত প্লেটের মধ্যে ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক আকর্ষণ বা বিকর্ষণ নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
২৫৯.
পারপুরা রোগে রক্তের কোন উপাদানের সংখ্যা কমে যায়? 
  1. শ্বেত রক্ত কণিকা 
  2. লোহিত রক্ত কণিকা 
  3. অনুচক্রিকা 
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা 
ব্যাখ্যা

রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন-
অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

পারপুরা: 
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এই রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

পলিসাইথিমিয়া: 
- দেহে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়াকে পলিসাইথিমিয়া রোগ বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬০.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্ব শুরুতে যা ছিল তাকে কী বলা হয়? 
  1. অনন্যতা
  2. হ্যাড্রন
  3. ডার্ক ম্যাটার 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অনন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্যতা
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে। 

- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাং তত্ত্ব। 
- বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংয়ের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে ঘটেছিল। 
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
- বিগ ব্যাং-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে যাকে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬১.
তরল যোজক টিস্যু কয় প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
তরল যোজক টিস্যু: 
- তরল যোজক টিস্যুর মাতৃকা তরল। 
- মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ কলয়েড এবং দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- তরল যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ দেহের ভেতরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা, রোগ প্রতিরোধ এবং রক্ত জমাট বাঁধায় বিশেষ ভূমিকা রাখা। 
- তরল যোজক টিস্যু দু'প্রকারের হয়। 
যথা- ক) রক্ত এবং খ) লসিকা। 

লসিকা: 
- বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী স্থানে যে জলীয় পদার্থ জমা হয় তা কতগুলো ছোট নালীর মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। ছোট নালীগুলো মিলিত হয়ে আবার বৃহত্তর নালীতে পরিণত হয়। এভাবে যে নালিকাতন্ত্র গঠিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলা হয়। 
- নালীগুলোকে লসিকানালী এবং সংগৃহীত রসকে লসিকা বলা হয়। 
- লসিকার মধ্যে কিছু কোষও থাকে, এদেরকে লসিকা কোষ বলা হয়। 
- লসিকা ঈষৎ ক্ষারীয়, স্বচ্ছ এবং হলুদ বর্ণের তরল পদার্থ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
'বেকরেল' নিচের কোনটির একক?
  1. এক্সরে
  2. দীপন ক্ষমতা
  3. তেজস্ক্রিয়তা
  4. লেন্সের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করার জন্য যে একক ধরা হয় তাকে বলা হয় বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা হলো যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।
- ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরণ নির্গত হয়।
- তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি।
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।

উৎস: Britannica.com
২৬৩.
TMV এক ধরণের -
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
TMV (Tobacco Mosaic Virus)
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়।
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm (কারও কারও মতে ৩০০ nm) এবং প্রস্থ ১৫ nm (কারও কারও মতে ১৮ nm)।
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত।
-  এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- এতে প্রায় ২২০০ ক্যাপসোমিয়ার থাকে ।
- প্রত্যেকটি ক্যাপসোমিয়ারে ১৫৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে।
- ক্যাপসিডের অভ্যন্তরে এক সূত্রক RNA কোর থাকে।
- RNA সূত্রটি ৬৫০০ নিউক্লিয়োটাইড দ্বারা গঠিত।
- ওজন এর দিক বিবেচনায় এর শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগই প্রোটিন।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৬৪.
পানি 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে তখন বায়ুমন্ডলীয় চাপ কত থাকে?
  1. ক) 1 atm
  2. খ) 2 atm
  3. গ) 3 atm
  4. ঘ) 0 atm
সঠিক উত্তর:
ক) 1 atm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1 atm
ব্যাখ্যা
যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে তাকে স্ফুটনাংক বলে যেমন 1 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100 ডিগ্রী সেলসিয়াস। স্ফুটনাংক এর বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন।
২৬৫.
হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে -
  1. লোহিত রক্তকণিকায়
  2. শ্বেত রক্তকণিকায়
  3. অণুচক্রিকায়
  4. প্লাজমায়
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকায়
ব্যাখ্যা
হিমোগ্লোবিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ।
লোহিত রক্ত কণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়।
রক্তে উপযুক্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্ত স্বল্পতা বা রক্তশূন্যত দেখা দেয়।

[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
২৬৬.
রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থানে থাকে -
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  3. গ) কর্ণিয়া
  4. ঘ) অ্যাকুয়া রিজিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ভিট্রিয়াস হিউমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিট্রিয়াস হিউমার
ব্যাখ্যা

অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour):
লেন্স ও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।

ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour):
লেন্স ও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলাের প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গােলকের গােলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৭.
শিশু যখন ৯ মাস বয়সে পৌঁছায়, তখন কোন টিকা দেওয়ার সুপারিশ থাকে?
  1. Diphtheria and Tetanus Vaccine
  2. BCG Vaccine
  3. Measles Vaccine
  4. Oral Polio Vaccine
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
ব্যাখ্যা

• ৯ মাস বয়সে শিশুকে সাধারণত Measles Vaccine (গ) দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এটি শিশুদের ক measles রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়, যা খুব সংক্রামক এবং জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। Diphtheria, Tetanus, এবং Pertussis এর জন্য শিশুকে আগেই DTP টিকা দেওয়া হয়, আর BCG টিকা জন্মের সময় দেওয়া হয় যা যক্ষ্মা থেকে সুরক্ষা দেয়। Oral Polio Vaccine বিভিন্ন ডোজে জন্মের পর থেকে প্রদান করা হয়, তবে ৯ মাস বয়সে মূল লক্ষ্য থাকে measles প্রতিরোধ। তাই ৯ মাস বয়সে শিশুর টিকাকরণে Measles Vaccine প্রধান এবং অপরিহার্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৮.
মানুষের রক্তের PH কত?
  1. ক) ৭.১ - ৭.৪
  2. খ) ৭.২ - ৭.৪
  3. গ) ৭.৩ - ৭.৪
  4. ঘ) ৭.৪ - ৭.৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৩ - ৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
এর PH এর মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
মানবদেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
 স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
 
উৎস: প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৬৯.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম কী?
  1. ক) Wuchereria bancrofti
  2. খ) Mycobacterium tuberculosis
  3. গ) Vibrio cholerae
  4. ঘ) Polio Virus
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mycobacterium tuberculosis
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা রোগের জীবাণুর নাম হচ্ছে Mycobacterium tuberculosis. 

যক্ষ্মা  Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ। সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়। এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে। শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। রোগটি অন্যদের তুলনায় একই পরিবারের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে সংক্রমিত হয়ে থাকে, কেননা এক পরিবারের সদস্যরা একই বাড়িতে বসবাস করে, একই টেবিলে খাবার খায় ও পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসে, তবে যক্ষ্মা বংশানুক্রমিক নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।


২৭০.
নিলস বোরের পরমাণু মডেলের নাম কী?
  1. ক) সোলার মডেল
  2. খ) লুনার মডেল
  3. গ) কিশমিশ পুডিং মডেল
  4. ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
ব্যাখ্যা

থমসনের পরমাণু মডেলের নাম - কিশমিশ পুডিং মডেল
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের নাম - সৌর মডেল
বোরের পরমাণু মডেলের নাম - কোয়ান্টাম মডেল৷

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

২৭১.
এক মাইক্রোফ্যারাডে বলতে বুঝায়-
  1. এক ফ্যারাডের এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  2. এক ফ্যারাডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  3. এক ফ্যারাডের এক কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. এক ফ্যারাডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
সঠিক উত্তর:
এক ফ্যারাডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ফ্যারাডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
পরিবাহীর ধারকত্ব: 
- কোনো বিভব একক পরিমাণ বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ আধানের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ পরিবাহকের ধারকত্ব বলে। 
মনে করি, কোনো পরিবাহকের বিভব V পরিমাণ বৃদ্ধি করতে Q পরিমাণ আধান প্রয়োজন হয়। 
সুতরাং, পরিবাহকের ধারকত্ব, Q ∞ V 
বা, Q/V = ধ্রবক = ধারকত্ব 
∴ C = Q/V. 

একক: 
- এস. আই বা S.I পদ্ধতিতে ধারকত্বের একক ফ্যারাড (F)। 
- উপরের সমীকরণ থেকে দেখা যায় যে, V = 1 ভোল্ট (V) এবং Q = 1 কুলম্ব (C) হলে C = 1 ফ্যারাড (F) হয়। 

ফ্যারাডের সংজ্ঞা: 
- কোনো পরিবাহীর বিভব এক ভোল্ট (1V) বৃদ্ধি করতে যদি এক কুলম্ব (1C) আধানের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঐ পরিবাহীর ধারকত্বকে এক ফ্যারাড (1F) বলে।
∴ 1F= 1C/1V = 1 CV-1
- এক ফ্যারাড (1F) বেশ বড় একক বিধায়, একে সচরাচর ব্যবহার করা হয় না, মাইক্রোফ্যারাড (µF) কেই ধারাকত্বের একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এক ফ্যারাডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগকে এক মাইক্রোফ্যারাড বলে। 
অর্থাৎ, 1µF = 10-6F. 
- মাইক্রোফ্যারাড ছাড়াও ন্যানোফ্যারাড (nF), পিকোফ্যারাড বা মাইক্রো মাইক্রোফ্যারাড (µµF) এককও ব্যবহার করা হয়। 
1nF = 10-9F এবং 1pF = 1µµF =10-12F. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭২.
খাদ্যে প্রোটিনের অভাবে কোন রোগ হয়? 
  1. স্কার্ভি
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেটস
  4. কোয়াশিওরকর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিওরকর
ব্যাখ্যা

• কোয়াশিওরক হলো একটি প্রোটিন-অভাবজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে দেখা যায় যারা পর্যাপ্ত প্রোটিনযুক্ত খাদ্য খায় না।  

- প্রোটিন হলো মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
- এটি কোষ গঠন, অঙ্গপ্রতঙ্গ বৃদ্ধি, অ্যান্টিবডি ও হরমোন উৎপাদন, এনজাইম কার্যক্রম, এবং শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অপরিহার্য।
- প্রোটিনের অভাব হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ এবং কোষ ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, এবং এর ফলে কিছু বিশেষ রোগ দেখা দেয়।

কোয়াশিওরকের প্রধান কারণ:
- খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের ঘাটতি।
- শিশুদের বৃদ্ধি পর্যায়ে পর্যাপ্ত দুধ বা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য না পাওয়া।

কোয়াশিওরকের লক্ষণসমূহ:
- পেশী কমজোরি হয়ে যায়।
- শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও ওজন ঠিকমতো হয় না।
- এডিমা বা শরীরে পানি জমে পেট ফোলা দেখা দেয়।
- চুল সহজে ছিঁড়ে যায়, ত্বক শুষ্ক ও ক্ষীণ হয়ে যায়।
- রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই।  

২৭৩.
নিচের কোন শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়?
  1. সৌর শক্তি
  2. কয়লা
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস তাই এ শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৪.
দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব কত?
  1. ২.৫ সে.মি.
  2. ২৫ মি.
  3. ২৫ সে.মি.
  4. ২.৫ মি.
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি.
ব্যাখ্যা
দর্শনের ন্যুনতম দূরত্ব:
- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে।
- কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে.মি.।
- চোখের লেন্স থেকে ২৫ সে.মি. দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এর থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান গ্যাস কোনটি? 
  1. আর্গন 
  2. অক্সিজেন 
  3. নাইট্রোজেন 
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ:
নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৬.
অর্ধপরিবাহী পদার্থ কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম
  2. খ) গেলিয়াম
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) গেলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেলিয়াম
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী পদার্থ
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

-  পরম শূন্য তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী পদার্থগুলো অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
- অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
- এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৭.
জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রধানত কোন খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়?
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. প্রোটিন
  3. স্নেহজাতীয় খাদ্য
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
ব্যাখ্যা

• জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রধানত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়।

• পুষ্টিগত গুরুত্ব (শর্করা/কার্বোহাইড্রেট):
- শর্করা দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
- জীবদেহে বিপাকীয় (Metabolic) কাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি কার্বোহাইড্রেট জারণে পাওয়া যায়।
- রক্তে অক্সিজেন কোষে পৌঁছে গ্লুকোজের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি নির্গত করে।
- এই শক্তিই দেহের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মূল শক্তির উৎস।
 
• গ্লাইকোজেন ও সেলুলোজ:
- গ্লাইকোজেন প্রাণীদেহে খাদ্যঘাটতি বা অধিক পরিশ্রমের সময় শক্তি সরবরাহ করে।
- সেলুলোজ একটি অপাচ্য শর্করা এবং আঁশযুক্ত খাদ্য।
- সেলুলোজ মলত্যাগে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।
 
• শর্করার অতিরিক্ত ও ঘাটতির প্রভাব:
- খাদ্যে শর্করার অভাবজনিত রোগ থেকে বাঁচতে প্রতিদিন প্রয়োজনীয় শর্করা গ্রহণ জরুরি।
- শর্করা চাহিদার তুলনায় বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ মেদ হিসেবে জমা হয়।
- এতে স্থূলকায়তা এবং কখনো কখনো বহুমূত্র রোগ দেখা দিতে পারে।
- খাদ্যে প্রোটিন বা ফ্যাটের অভাব হলে শর্করা থেকে এগুলো সংশ্লেষ হতে পারে।
 
• খাদ্য ক্যালরি ও শক্তিমূল্য:
- খাদ্যের শক্তি ক্যালরি বা কিলোক্যালরি (kcal) এককে মাপা হয়।
- ১ ক্যালরি হলো ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপশক্তি।
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি (Food Calorie).
- শর্করা ও প্রোটিনের শক্তিমূল্য প্রায় ৪ kcal/g.
- স্নেহজাতীয় খাদ্য (ফ্যাট)-এর শক্তিমূল্য সবচেয়ে বেশি, ৯ kcal/g.
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দৈনিক প্রায় ২৫০০ kcal এবং নারীর প্রায় ২০০০ kcal প্রয়োজন।
 
• অন্যান্য অপশন:
- প্রোটিন → দেহগঠন, বৃদ্ধি ও এন্টিবডি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ।
- স্নেহজাতীয় খাদ্য → উচ্চ শক্তিমূল্যসম্পন্ন, সঞ্চিত শক্তির উৎস।
- ভিটামিন → শক্তি উৎপাদন নয়, দেহীয় কার্যাবলির সহায়ক।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

২৭৮.
নিম্নের কোনটি স্বভোজী জীব?
  1. ক) ইস্ট
  2. খ) মাশরুম
  3. গ) ফার্ণ
  4. ঘ) পেনিসিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ফার্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফার্ণ
ব্যাখ্যা

ফানজাই বা ছত্রাক- এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়। দেহে ক্লোরোফিল নেই তাই এরা পরভোজী। উদাহরণঃ ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম ইত্যাদি।

ফার্ন প্লান্টি রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এরা স্বভোজী এবং এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণি]

২৭৯.
কোন খনিজ উপাদানের অভাবে রিকেটস রোগ হয়? 
  1. আয়রন
  2. পটাসিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:  
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮০.
একটি Transformer এর দক্ষতা 80%, 100v, 4kw। যদি সেকেন্ডারি ভোল্টেজ 240v হয়, তবে প্রাইমারি কারেন্ট কত?
  1. 40A
  2. 30A
  3. 20A
  4. 10A
সঠিক উত্তর:
40A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
40A
ব্যাখ্যা
Input = 4 Kw

primary current = 4000/100
= 40 A
২৮১.
পরমাণুতে ইলেকট্রন সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে কী বলে? 
  1. নিউট্রন
  2. পজিট্রন
  3. ক্যাটায়ন
  4. অ্যানায়ন
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বিশ্লেষণ: 
- কোনো অম্ল, ক্ষারক বা লবণ জাতীয় পদার্থের দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর দ্রব পদার্থের প্রত্যেকটি অণু দুটি তড়িতাহিত অংশে বিভক্ত হয় যায়। 
অর্থাৎ, “কোনো দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে”। 
- তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবনের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। 
- সকল অ্যাসিড, ক্ষার, কয়েকটি নিরপেক্ষ লবণ, অ্যাসিড মেশানো পানি ইত্যাদি তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। 
যেমন- H2SO4, NaOH, NaCl ইত্যাদি। 

- তড়িৎ বিশ্লেষণে পদার্থের মূলকগুলো আয়নিক হয়। 
- কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকে যদি স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম বা বেশী ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে আয়ন বলে।
- যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়ন বলে। 
- আর যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তাকে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন বলে। 
- স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকের মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা নিউক্লিয়াসে অবস্থিত মোট প্রোটনের সংখ্যার সমান হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮২.
কোন পদার্থ আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে?
  1. HCl
  2. HNO3
  3. H2O
  4. K2Cr2O7
সঠিক উত্তর:
K2Cr2O7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K2Cr2O7
ব্যাখ্যা

• আর্দ্রতা শোষণ: এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে একটি পদার্থ বায়ু থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে।

K2Cr2O7 (পটাসিয়াম ডাইক্রোমেট):
- এটি একটি হাইজ্রোস্কোপিক যৌগ, অর্থাৎ এটি বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় যৌগটি পানির সাথে মিশে গলে যেতে পারে।
- HNO3 (নাইট্রিক এসিড): সাধারণত সোনা গলাতে ব্যবহার করা হয়, আর্দ্রতা শোষণ প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- HCl (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড): গ্যাস আকারে থাকে, আর্দ্রতা শোষণ প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- H₂O (পানি): এটি নিজেই পানি, শোষণ করার অর্থ নেই।

সুতরাং, আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে K2Cr2O7

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।    

২৮৩.
তরল পদার্থের ক্ষেত্রে সঠিক কোনটি? 
  1. নির্দিষ্ট আকার আছে, আয়তন নেই 
  2. নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই নেই 
  3. নির্দিষ্ট আকার নেই, নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
  4. অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই 
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই, নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই, নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি এ সকল তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার।
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৪.
নিচের কোনটি একটি আদর্শ ব্যকটেরিয়ামের অংশ?
  1. ক) ফ্ল্যাজেলা
  2. খ) পিলি
  3. গ) ক্যাপসিউল
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো- ফ্ল্যাজেলা, ক্যাপসিউল, কোষ প্রাচীর, প্লাজমামেমব্রেন, মেসোসোম, সাইটোপ্লাজম, ক্রোমোসোম এবং প্লাজমিড।

ফ্ল্যাজেলা:
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে।

• পিলি:
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে।
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।

ক্যাপসিউল:
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে।
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে।
- একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

মেসোসোম:
- ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়।
- এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৫.
পালসার কী? 
  1. ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
  2. ব্ল্যাক হোলের প্রকার
  3. গ্যালাক্সির কেন্দ্র
  4. সাদা বামন তারকা
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
ব্যাখ্যা

◉ পালসার (Pulsar) হলো একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার, যা সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর তৈরি হয়। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র বহন করে এবং ঘূর্ণনের সময় থেকে রেডিও, এক্স-রে, গামা রে তরঙ্গ আকারে বিকিরণ নির্গত করে। এই বিকিরণ ঘূর্ণনের সাথে সাথে পৃথিবীর দিকে নিয়মিত বিরতিতে পৌঁছে, ফলে আমরা একে পালস (pulse) আকারে পাই। তাই নাম হয়েছে Pulsar.

​কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর:
- একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলো সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। সেই তারকার পৃষ্ঠ হতে নির্গত আলো বেশি দূরে যাওয়ার আগেই তারকাটির মহাকর্ষীয় আকর্ষণ তাকে পেছনে টেনে নিয়ে আসবে। ঐ সব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না। তবে এদের মহাকর্ষ আকর্ষণ আমাদের বোধগম্য হবে, এই সমস্ত বস্তুপিণ্ডকে কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর বলে।

​ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য বস্তু:
- গ্যালাক্সিতে বিপুল পরিমাণ ভর রয়েছে যা মহাকর্ষ বল সরবরাহ করে কিন্তু কোনো তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নিঃসরণ না করায় তা' দৃশ্যমান হয় না, এদেরকেই অদৃশ্য ভর বা ডার্ক ম্যাটার বলে। ধারণা করা হয় গ্যালাক্সিতে অদৃশ্য ভরের পরিমাণ দৃশ্যমান ভরের প্রায় দশগুণ।

​ডার্ক এনার্জি বা অদৃশ্য শক্তি:
- মহাবিশ্বে মহাকর্ষের বিপরীতে একটি বল ক্রিয়াশীল রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যা মহাবিশ্বের প্রসারণকে ত্বরান্বিত করছে। একে অদৃশ্য শক্তি বা ডার্ক এনার্জি বলা হয় ।

​নিউট্রন নক্ষত্র বা পালসার:
- কোনো নক্ষত্র যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। তাই একে নিউট্রন নক্ষত্র বলা হয়। নিউট্রন নক্ষত্রের সাথে জড়িত থাকে অতি উচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্র। এটি তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর রেডিওপাল্‌স বা বেতার স্পন্দন নির্গমন করে, তাই একে পালসার বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)

২৮৬.
আপেক্ষিকতাবাদের আবিষ্কারক-
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
ক) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
থিওরি অফ রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতাবাদের প্রণেতা আলবার্ট আইনস্টাইন। নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়। কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে। আপেক্ষিকতা অর্থ কোন কিছুর সাপেক্ষে। যেমন- আপেক্ষিক ভর বলতে কোন প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর ভর পরিমাপ করেন তা বোঝায়। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮৭.
ORS সাধারণত কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. জন্ডিস
  2. ডায়রিয়া
  3. টাইফয়েড
  4. পোলিও
সঠিক উত্তর:
ডায়রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়রিয়া
ব্যাখ্যা

- ORS (Oral Rehydration Solution) ডায়রিয়া, কলেরা বা বমি ইত্যাদির ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের হয়ে যাওয়া রোধে ব্যবহৃত হয়।
- ORS হলো এক ধরনের দানাদার মিশ্রণ যা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয় শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ বা পূরণ করার জন্য।
- এটি সাধারণত ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হওয়ার সময় ব্যবহৃত হয়, যখন শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়।
- এটি শরীরের পানিশূন্যতা (Dehydration) প্রতিরোধ করে এবং লবণ-পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।
- ORS-এ থাকা উপাদানসমূহ:
১। লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড),
২। গ্লুকোজ,
৩। পটাশিয়াম ক্লোরাইড,
৪। সোডিয়াম বাইকার্বনেট বা সাইট্রেট।

উৎস: ১। জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ (UNICEF) ওয়েবসাইট।

২৮৮.
আমরা নিঃশ্বাসে যা গ্রহণ করি -
  1. ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) সালফার ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
আমরা নিঃশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং নিঃশ্বাস ত্যাগ করবার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ত্যাগ করি। 

- শ্বসনের সময় পরিবেশ থেকে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করার পর রক্তের মাধ্যমে দেহের প্রতি কোষে পৌঁছে কোষস্থ খাদ্যকে জারিত করে জৈব শক্তি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে আসে এবং প্রশ্বাসের সময় দেহ থেকে নির্গত হয়। কাজেই অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন একটি জটিল প্রক্রিয়া। 
- রক্তের মাধ্যমে দু'ভাবে কোষে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়।
- ৯৭ ৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে এবং ২-৩% পরিবাহিত হয় প্লাজমায় দ্রবীভূত হয়ে।
- প্রতিটি হিমোগ্লোবিন অণু ৪টি লৌহ যুক্ত হিম ও ৪টি গ্লোবিনের সমন্বয়ে গঠিত। একটি করে লৌহ অণু প্রতিটি হিম গ্রুপের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং প্রতিটি লৌহ - অণুর সাথে একটি করে অক্সিজেন অণুযুক্ত হতে পারে। ফলে একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।

সূত্র: ১৩৪ পৃষ্ঠা, প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
এক্স-রে কোন সালে আবিষ্কৃত হয়? 
  1. ১৮৮৫ সালে
  2. ১৮৯৫ সালে
  3. ১৮৯৯ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
এক্স-রে: 
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m এর কাছাকাছি। 
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে। 

এক্স-রের ব্যবহার: 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। 
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়। 
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯০.
নিচের কোনটি মুদ্রা ধাতু নয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) রূপা
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) দস্তা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দস্তা
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর ৪টি মৌল হচ্ছে- তামা, রূপা, সোনা এবং রন্টজেনিয়াম।
- এই চারটি মৌলের মধ্যে প্রথম ৩টি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে।
- কারণ এই গ্রুপের রন্টজেনিয়াম ছাড়া অন্য ৩টি মৌল দিয়ে প্রাচীনকালে মুদ্রা তৈরি হতো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হতো।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২৯১.
কোন শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়? 
  1. খনিজ তেল
  2. কয়লা
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. বায়োগ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
- 'বায়োগ্যাস' একটি নবায়নযোগ্য শক্তি, এই শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯২.
নিচের কোনটিতে PVC এর ব্যবহার হয়?
  1. ক) পানির পাইপ
  2. খ) প্লাস্টিক বোতল
  3. গ) দাঁতের ব্রাশ
  4. ঘ) প্লাস্টিক ব্যাগ
সঠিক উত্তর:
ক) পানির পাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানির পাইপ
ব্যাখ্যা

- পানির পাইপ তৈরিতে PVC ব্যবহার করা হয়।
- প্লাস্টিক বোতল তৈরিতে পলিপ্রোপিন ব্যবহার করা হয়।
- দাঁতের ব্রাশ তৈরিতে নাইলন ৬ : ৬ ব্যবহার করা হয়।
- প্লাস্টিক ব্যাগ তৈরিতে পলিথিন ব্যবহার করা হয়।
[তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২৮৩।]

২৯৩.
চোখের লেন্সের ধরণ কোনটি?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. দ্বি-উত্তল
  4.  দ্বি-অবতল
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
ব্যাখ্যা

মানুষের চোখের লেন্সটি হলো একটি দ্বি-উত্তল লেন্স, যা উভয় দিকেই উত্তল আকৃতির। 
- এই লেন্সটি অভিসারী লেন্স হিসেবে কাজ করে এবং আলোকরশ্মিকে প্রতিসারিত করে রেটিনার উপর ফোকাস করতে সাহায্য করে, যার ফলে আমরা কোনো বস্তুর স্পষ্ট প্রতিবিম্ব দেখতে পাই।

দ্বি-উত্তল লেন্স:
- দ্বি-উত্তল লেন্স হলো একটি বিশেষ ধরনের উত্তল লেন্স, যার উভয় পৃষ্ঠই বাইরের দিকে বক্রাকার বা উত্তল আকৃতির।
- এটি অভিসারী (converging) লেন্স হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি এর মধ্য দিয়ে যাওয়া সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে (ফোকাস বিন্দুতে) একত্রিত করে।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এটি এর মধ্য দিয়ে আপতিত সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে প্রতিসরণের পর একটি বিন্দুতে মিলিত করে।
- এটি সাধারণত বাস্তব (real) এবং উল্টো (inverted) প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- রেটিনায় সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বের তথ্য অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়, এবং মস্তিষ্ক সেই সংকেতগুলোকে প্রক্রিয়াজাত করে সোজা করে দেখায়।

চোখে দ্বি-উত্তল লেন্সের কার্যকারিতা:
- চোখের লেন্স হলো একটি প্রাকৃতিক, নমনীয় এবং স্বচ্ছ দ্বি-উত্তল লেন্স। 
- এর মূল কাজ হলো বিভিন্ন দূরত্বে থাকা বস্তু থেকে আসা আলোকরশ্মিকে রেটিনার ওপর সঠিকভাবে ফোকাস করা, যাতে একটি স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

উপযোজন (Accommodation) প্রক্রিয়া:
- চোখের লেন্সের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর উপযোজন ক্ষমতা। এটি চোখের সিলিয়ারি পেশী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- দূরের বস্তু দেখার জন্য চোখের লেন্স পাতলা হয়ে যায়, যার ফলে ফোকাস দূরত্ব বেড়ে যায় এবং রেটিনার উপর স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।
- আর কাছের বস্তু দেখার সময় লেন্সটি মোটা হয়ে যায়, যার কারণে ফোকাস দূরত্ব কমে যায় এবং রেটিনার উপর প্রতিবিম্ব সঠিকভাবে গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়াটিই উপযোজন নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য-
- উত্তল: এটি লেন্সের একটি সাধারণ প্রকার, কিন্তু চোখের লেন্সের সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট ধরণ হলো দ্বি-উত্তল।
- অবতল: এটি একটি অপসারী লেন্স এবং এটি দৃষ্টি ত্রুটি (যেমন: মায়োপিয়া) সংশোধনের জন্য চশমায় ব্যবহৃত হয়, চোখে নয়।
- দ্বি-অবতল: এটি অবতল লেন্সের একটি প্রকারভেদ এবং এটিও সাধারণত চশমা ও কিছু বিশেষ আলোকীয় যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৯৪.
প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
  1. ১৮
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়।
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 । যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
এ সূত্রানুসারে,
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1, অতএব
- K শেল অর্থাৎ প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 = ( 2 x 12) টি = 2 টি।  
এভাবে প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৫.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে-
  1. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
  3. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষ দাঁত থাকে। 
- বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়- 
ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি
• ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা, 
• কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
২৯৬.
কোন বল শুধুই আকর্ষণধর্মী?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎচৌম্বক বল
  3. সবল নিউক্লিয় বল
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ বল শুধুই আকর্ষণধর্মী।

• মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। অর্থাৎ, এই বল শুধু আকর্ষণধর্মী।
- বল দুইটি বস্তুর ভর ও দূরত্বের উপর নির্ভর করে।
- এই বলের পাল্লা অসীম অর্থাৎ অসীম পর্যন্ত এই বল কার্যকর।
- এই বলের বাহক কণা হলো গ্রেভিটন।

• তড়িৎচৌম্বক বল:
- এই বল আকর্ষণ ও বিকর্ষণধর্মী হয়।
- সমধর্মী চার্জ পরষ্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী চার্জ পরষ্পরকে আকর্ষণ করে।
- চৌম্বকের সমমেরু পরষ্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীত মেরু পরষ্পরকে আকর্ষণ করে।
- এই বলের বাহক কণা হলো ফোটন।

• সবল নিউক্লিয় বল:
- নিউক্লিয়াসে থাকা অবস্থায় দুটি নিউক্লিয়নের মধ্যে (নিউক্লিয়াসের ভিতর প্রোটন ও নিউট্রন নামে যে কণা থাকে তাদেরকে এক কথায় নিউক্লিয়ন বলে) যে প্রবল আকর্ষণ বল বিদ্যমান তাকে সবল নিউক্লিয় বল বলে।
- এ বল আকর্ষণধর্মী, স্বল্প পাল্লা বিশিষ্ট এবং চার্জ নিরপেক্ষ। নিউক্লিয়াসের বাইরে এ বলের কোনো প্রভাব নেই।
- দুটি নিউক্লিয়নের মধ্যে মেসন (meson) নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়।
- এর পাল্লা 10-15 m যা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধের সমান।

- সবল নিউক্লিয় বল প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে খুব শক্তিশালী আকর্ষণ সৃষ্টি করে, যা পারমাণবিক কোর (nucleus) কে একসাথে ধরে রাখে।
- তবে, খুব ছোট দূরত্বে (প্রায় ০.৮ ফেমটোমিটার বা তার কম) এর মধ্যে একটি বিকর্ষণধর্মী অংশও থাকে, যা পারমাণবিক কোরের মধ্যে অংশগুলিকে একে অপর থেকে খুব বেশি কাছে যেতে বাধা দেয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, শাহাজাহান তপন।
২৯৭.
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়? 
  1. গ্রহ মন্ডল 
  2. নীহারিকা
  3. সৌরজগৎ
  4. গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যা

গ্যালাক্সি (Galaxy):
- মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।
- মহাকাশে একশত বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে ।
- এদের বিভিন্ন আকার ও আকৃতি রয়েছে, তবে এদের অধিকাংশই সর্পিলাকার বা উপবৃত্তাকার।
- সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল।
- এরা পরস্পর ব্যাপক ব্যবধানে অবস্থিত।
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২৯৮.
“Response in the Living and Non-living” গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. রাদারফোর্ড
  4. জগদীশচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

• “Response in the Living and Non-living” গ্রন্থটি জগদীশচন্দ্র বসুর রচনা, যেখানে তিনি জীব ও জড়বস্তুর প্রতিক্রিয়ার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করেছেন।

• জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান (Contributions of Jagadish Chandra Bose):
-জগদীশচন্দ্র বসু (১৮৫৮–১৯৩৭) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী।
- তিনি মূলত উদ্ভিদবিদ্যা, পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
 
• বৈজ্ঞানিক অবদান:
- তিনি প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদও উদ্দীপনায় সাড়া দেয় এবং উদ্ভিদের মধ্যেও সংবেদনশীলতা বিদ্যমান।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি, উদ্দীপনা ও প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণের জন্য তিনি ক্রেস্কোগ্রাফ (Crescograph) নামক একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ভিদের সূক্ষ্মতম বৃদ্ধি ও প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করা সম্ভব হয়।
 
• তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ গবেষণা:
- জগদীশচন্দ্র বসু তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করেন এবং রেডিও তরঙ্গের ধর্ম ব্যাখ্যায় অবদান রাখেন।
- তিনি বেতার যোগাযোগ গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
 
• স্বীকৃতি ও সম্মান:
- তিনি রয়্যাল সোসাইটি (Fellow of the Royal Society – FRS)–এর ফেলো নির্বাচিত হন।
- তার গবেষণা কাজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়।
 
• গ্রন্থ:
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “Response in the Living and Non-living”, যেখানে জীব ও জড়বস্তুর প্রতিক্রিয়ার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

২৯৯.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা কত ডিবি?
  1. ৪৫-৫৫ ডিবি
  2. ৩৫-৪৫ ডিবি
  3. ৫৫-৬৫ ডিবি
  4. ২৫-৩৫ ডিবি
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫-৫৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
- যে কোনো বস্তুতে ঘর্ষণের ফলে এক ধরনের তরঙ্গ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ ধ্বনি মূলত এক প্রকার শক্তি। 
- এই তরঙ্গ শক্তি মানুষের কানে প্রবেশ করে শ্রবণ অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে আমরা শুনতে পাই। একে শব্দ বলে। 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ধারণ ক্ষমতার ঊর্ধ্বে সৃষ্ট যে শব্দ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাকে শব্দ দূষণ বলে। 
-  National Center for Environmental Health (NCEH) এর তথ্যমতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫-৫৫ ডেসিবল। 

 
উৎস: National Center for Environmental Health (NCEH) এবং পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০০.
বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বড়?
  1. ১৩ গুণ
  2. ১৩০ গুণ
  3. ১৩০০ গুণ
  4. ১৩০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি (নাসার তথ্য অনুসারে ৯৫টি)।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।