বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ১৪০ · ১০১২০০ / ১৪,০৮০

১০১.
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে বলা হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ব্রঙ্কাইটিস
  4. ঘ) যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রঙ্কাইটিস
ব্যাখ্যা
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রঙ্কাইটিস বলে। 

 শ্বসনতন্ত্রের প্রদাহজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস অন্যতম। দেখা যায়,শিশু এবং পুরুষদের মধ্যে ব্রঙ্কাইটিস বেশি হয়। শ্বাসনালির ভেতরে আবৃত ঝিল্লিতে এক ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেই ব্রংকাইটিস হয়। এটি শ্বাসনালির মিউকাস আবরণীর প্রদাহ। তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী— এই দুই ধরনের ব্রংকাইটিস হতে দেখা যায়।

কারণঃ ধূমপান ব্রঙ্কাইটিসের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। অামাদের শ্বাসনালীতে চুলের মতো দেখতে কিছু স্ট্রাকচার থাকে, যার নাম সিলিয়া। ধূলাবালি,বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ যা ফুসফুসে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে তাদের ফুসফুসে যেতে বাধা দেয়াই এদের কাজ। ধূমপানের ফলে এসব সিলিয়া তাদের কার্যকারিতা হারায়। যার কারণে খুব সহজেই ব্রঙ্কাইটিস ডেভেলপ করতে পারে। এছাড়া যানবাহনের কালো ধোঁয়া, ধূলাবালি,বায়ু দূষণ এগুলো ব্রঙ্কাইটিসের কারণ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণসমূহঃ ব্রঙ্কাইটিসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো কাশি,শ্বাসকষ্ট, হালকা কাঁপুনিসহ জ্বর,সর্দি, নাসাবদ্ধতা, মাথাব্যথা ইত্যাদি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০২.
মঙ্গল গ্রহের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় -
  1. অর্ধেক
  2. সমান
  3. দ্বিগুণ
  4. তিনগুণ
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৩.
তড়িৎ তীব্রতার একক হচ্ছে -
  1. N
  2. Nm
  3. Nm -1
  4. NC-1
সঠিক উত্তর:
NC-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NC-1
ব্যাখ্যা
তড়িৎ তীব্রতার একক হচ্ছে NC-1
 
স্থির তড়িৎ বল F, আধান q ও তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা E-এর মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে, 
     F = qE
বা, E = F/q
১০৪.
পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় -
  1. গ্রাফাইট
  2. ইউরেনিয়াম
  3. কয়লা
  4. হীরক
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
কার্বন:
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক্।  
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক।

গ্রাফাইটের ব্যবহার:
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান।
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
- এ ছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- গলিত ধাতব লবণের তড়িৎ বিশ্লেষণে গ্রাফাইট অ্যানোড ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ- NaCl-এর তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে সোডিয়াম নিষ্কাশনে, KCI থেকে K, MgCl2 থেকে Mg, CaCl2 থেকে Ca প্রভৃতি ধাতু আহরণে গ্রাফাইট ইলেকট্রোড ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক/মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১০৫.
বাংলাদেশে কালবৈশাখীর ঝড় কখন হয়?
  1. শীতকালে
  2. মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
  3. শীত-বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে
  4. প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
সঠিক উত্তর:
প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী ঝড়:
- কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের অতিপরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় বৈশাখ মাসে আরম্ভ হয়ে বর্ষা মৌসুমের পূর্ব পর্যন্ত সংঘটিত হয়।
- ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাতের সাথে কখনও কখনও শিলা বৃষ্টি হয়ে থাকে।
- এরূপ এক ব্যাপক শিলা বৃষ্টির ফলে গত ৬ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে কয়েক হাজার পাখি মারা যায়।
- বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে (বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ) মাসে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৬.
নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম কী?
  1. স্যালমোনেলা
  2. ই. কোলাই
  3. ল্যাক্টোব্যাসিলাস
  4. রাইজোবিয়াম
সঠিক উত্তর:
রাইজোবিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইজোবিয়াম
ব্যাখ্যা

• নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রধান ব্যাকটেরিয়ার হলো রাইজোবিয়াম। এটি মাটিতে বা গাছের মূলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে কাজ করে। বিশেষ করে শিম, মটরশুঁটি, সয়াবিনের মতো ফলনশীল শস্যের মূলগুঁড়োর নডিউলে এই ব্যাকটেরিয়া বাস করে। রাইজোবিয়াম বাতাস থেকে নাইট্রোজেন ধরে নিয়ে আমোনিয়ার আকারে রূপান্তরিত করে, যা গাছের জন্য পুষ্টি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায় এবং কৃষকদের জন্য রাসায়নিক সার ব্যবহারের পরিমাণ কমে। অন্য দিকে, স্যালমোনেলা এবং ই. কোলাই সাধারণত মানুষের অন্ত্রে রোগ সৃষ্টি করে, আর ল্যাক্টোব্যাসিলাস দুধজাত খাবারে ল্যাকটোজ ফার্মেন্টেশনের কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী নয়।

• নাইট্রোজেন সংবন্ধন:
- নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাসকে এমন একটি রূপে পরিবর্তন করা হয় যা উদ্ভিদ ও অন্যান্য জীব ব্যবহার করতে পারে।
- সাধারণভাবে, বায়ুর নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় থাকে এবং সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
- এই গ্যাসকে অ্যামোনিয়াম (NH4 +) বা অন্যান্য উপযোগী যৌগে রূপান্তরিত করাই হলো নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ। 

• নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণের গুরুত্ব:  
- উদ্ভিদের পুষ্টি: নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি প্রোটিন, নিউক্লিক অ্যাসিড এবং ক্লোরোফিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ অণু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- খাদ্য শৃঙ্খল: নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত অ্যামোনিয়াম ও অন্যান্য যৌগ উদ্ভিদ গ্রহণ করে এবং খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে অন্যান্য প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে।
- পরিবেশের ভারসাম্য: নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ পরিবেশে নাইট্রোজেনের স্বাভাবিক চক্র বজায় রাখতে সাহায্য করে।

• রাইজোবিয়াম হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া যা শিম জাতীয় উদ্ভিদের (লিগিউম) শিকড়ের সাথে মিথোজীবী সম্পর্ক গঠন করে।

• রাইজোবিয়ামের কার্যপ্রণালী:
- এটি শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে প্রবেশ করে এবং নডিউল (গুটিকা) তৈরি করে।
- নডিউলের ভিতরে ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেনেজ এনজাইমের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলীয় N2 কে NH3 তে রূপান্তর করে।
- উদ্ভিদ এই অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে প্রোটিন তৈরি করে, এবং ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদ থেকে কার্বোহাইড্রেট পায়।
 
• কৃষিতে রাইজোবিয়ামের গুরুত্ব:
- রাইজোবিয়াম সমৃদ্ধ জৈব সারের ব্যবহার মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কমায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 

১০৭.
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় -
  1. শিরার ভিতর দিয়ে
  2. স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  3. ধমনীর ভিতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভিতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভিতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
- নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভেতর দিয়ে। 
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাকে ধমনী বলে। 
- ধমনীর প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু। 
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৮.
বৃক্কে অবস্থিত প্রতিটি নেফ্রনের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩ সে.মি. (প্রায়)
  2. ৭ সে.মি. (প্রায়)
  3. ৯ সে.মি. (প্রায়)
  4. ১০ সে.মি. (প্রায়)
সঠিক উত্তর:
৩ সে.মি. (প্রায়)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ সে.মি. (প্রায়)
ব্যাখ্যা
• বৃক্কে অবস্থিত প্রতিটি নেফ্রনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ সে.মি.।

• একটি নেফ্রনের গঠন:
- বৃক্কের লম্বচ্ছেদ অনুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, এর ভেতরে অসংখ্য কুণ্ডলীকৃত সূক্ষ্ম নালিকা দেখা যায়।
- এদেরকে নেফ্রন বলে।
- নেফ্রন হলো বৃক্কের গাঠনিক ও কাজের একক।
- প্রচুর রক্তনালি ও কিছু যোজক কলাসহ প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে।
- প্রতিটি নেফ্রনের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ সে.মি.।

• প্রতিটি নেফ্রনকে ৬টি অঞ্চলে ভাগ করা যায়। যথা-
১. রেনাল করপাসল,
২. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা,
৩. হেনলির লুপের অবরোহন বাহু,
৪. হেনলির লুপের আরোহন বাহু,
৫. দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকা ও
৬. সংগ্রাহী নালিকা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদ?
  1. সাইকাস
  2. ধান
  3. মাশরুম
  4. নারকেল
সঠিক উত্তর:
মাশরুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাশরুম
ব্যাখ্যা

- যে সকল উদ্ভিদে কখনো ফুল হয় না, তাকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
- ছত্রাক (মাশরুম), নস্টক, ক্লোরেলা ইত্যাদি সবই অপুষ্পক।

- ধান, নারকেল, সাইকাস এদের সবারই ফুল হয়। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ।
- সাইকাসের ফুলে গর্ভাশয় উপস্থিত থাকে না।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১০.
ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা কোন উদ্ভিদের মধ্যে অনুপস্থিত? 
  1. ফার্ন
  2. নগ্নবীজী
  3. দ্বিবীজপত্রী
  4. একবীজপত্রী
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু (Complex tissues): 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দুই ধরনের। যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে। 

ফ্লোয়েম (Phloem): 
- উদ্ভিদ কাণ্ডে এরা জাইলেমের সাথে একত্রে পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ তৈরি করে। 
- সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু নিয়ে ফ্লোয়েম টিস্যু গঠিত হয়। 
- জাইলেম যেমন খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে, তেমনি ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করে। 

(i) সিভকোষ (Sieve cell): 
- এগুলো বিশেষ ধরনের কোষ। দীর্ঘ, পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত এবং জীবিত এ কোষগুলো লম্বালম্বিভাবে একটির উপর একটি সজ্জিত হয়ে সিভনল (Sieve tube) গঠন করে। এ কোষগুলো চালুনির মতো ছিদ্রযুক্ত সিভপ্লেট দিয়ে পরস্পর থেকে আলাদা থাকে। 
- সিভকোষে প্রোটোপ্লাজম প্রাচীর ঘেঁষে থাকে বলে একটি কেন্দ্রীয় ফাঁপা জায়গার সৃষ্টি হয়, যেটা খাদ্য পরিবহনের নল হিসেবে কাজ করে। 
- এদের প্রাচীর লিগনিনযুক্ত, পরিণত সিভকোষে কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- সকল ধরনের গুপ্তবীজী উদ্ভিদের ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ এবং সিভনল থাকে। 
- পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা এদের প্রধান কাজ। 

(ii) সঙ্গীকোষ (Companion cell): 
- প্রতিটি সিভকোষের সাথে একটি করে প্যারেনকাইমা জাতীয় কোষ অবস্থান করে, এদের কেন্দ্রিকা বা নিউক্লিয়াস বেশ বড়। 
- ধারণা করা হয় এই নিউক্লিয়াস সিভকোষের কার্যাবলি কিছু পরিমাণে হলেও নিয়ন্ত্রণ করে। এ কোষ প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ এবং পাতলা প্রাচীরযুক্ত। 
- ফার্ন ও ব্যক্তবীজী উদ্ভিদে এদের উপস্থিতি নেই। 

(iii) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা (Phloem parenchayma): 
- ফ্লোয়েমে উপস্থিত প্যারেনকাইমা কোষগুলোই ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা, এদের কোষ সাধারণ প্যারেনকাইমার মতো পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজমযুক্ত। 
- এরা খাদ্য সঞ্চয় করে এবং খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। 
- ফার্ন জাতীয় (Pteridophyta) উদ্ভিদ, নগ্নবীজী (Gymnosperm) উদ্ভিদ এবং দ্বিবীজপত্রী (Dicotyledonous) উদ্ভিদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে। একবীজপত্রী উদ্ভিদে ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে না। 

(iv) ফ্লোয়েম ফাইবার বা তন্তু (Phloem fibre): 
- স্ক্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে ফ্লোয়েম ফাইবার তৈরি হয়, এগুলো এক ধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এদের বাস্ট ফাইবারও বলে, পাটের আঁশ এক ধরনের বাস্ট ফাইবার। 
- উদ্ভিদ অঙ্গের গৌণবৃদ্ধির সময় এ ফাইবার উৎপন্ন হয়, এসব কোষের প্রাচীরে কূপ দেখা যায়। 
- ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে পাতায় উৎপাদিত শর্করা এবং মূলে সঞ্চিত খাদ্য একই সাথে উপরে নিচে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১১.
পানিকে রাসায়নিকভাবে ভাঙলে কোন মৌলগুলো পাওয়া যায়? 
  1. হিলিয়াম ও নাইট্রোজেন 
  2. কার্বন ও অক্সিজেন 
  3. হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন 
  4. নাইট্রোজেন ও ফসফরাস 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন 
ব্যাখ্যা

মৌলিক পদার্থ: 
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি। 
- এই পর্যন্ত ১১৮ টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলোর মধ্যে ৯৮টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে যেগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলে। 

যৌগিক পদার্থ: 
- মৌলিক পদার্থকে ভাঙলে শুধু ঐ পদার্থই পাওয়া যাবে। 
- যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের অধিক মৌল পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগ বা যৌগিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানিকে যদি ভাঙা হয় (অর্থাৎ রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা যায়) তবে কিন্তু দুটি ভিন্ন মৌল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পাওয়া যাবে। আবার, লেখার চককে যদি ভাঙা যায় তাহলে সেখানে ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন এ তিনটি মৌল পাওয়া যাবে। 
- যৌগের মধ্যে মৌলসমূহের সংখ্যার অনুপাত সব সময় একই থাকে। 
যেমন- পানিকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে অর্থাৎ পানিতে
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 2: 1 । 
- যৌগের ধর্ম কিন্তু মৌলসমূহের ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। 
যেমন- সাধারণ তাপমাত্রায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসীয় কিন্তু এদের থেকে উৎপন্ন যৌগ পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১২.
ভাইরাস জনিত রোগ নয়-
  1. ক) জন্ডিস
  2. খ) কুষ্ঠ
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) চোখ ওঠা
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্ঠ
ব্যাখ্যা
কুষ্ঠ বা লেপ্রোসি একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ।
সূত্রঃ ৩৬তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
১১৩.
ইথানল ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশে প্রধানত কোন প্রভাবটি পড়ে? 
  1. সূর্যের আলো কমে 
  2. বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে 
  3. জলবায়ুর তাপমাত্রা বাড়ে 
  4. জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমে 
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমে 
ব্যাখ্যা

ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার: 
- ইথানল-এর অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল। 
- ইথানল-এর রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH । 
- জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন- কেরোসিন, ডিজেল, পেট্রল প্রভৃতির মতো ইথানলকে পোড়ালেও তাপ উৎপন্ন হয়। 
- তাই জীবাশ্ম জ্বালানির মতো ইথানলকেও তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান, জাহাজ প্রভৃতি চালানো যেতে পারে। 
- উত্তর আমেরিকাসহ অনেক দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে ইথানলকে মিশিয়ে তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সব গাড়িতে পেট্রলের সাথে শতকরা 10 ভাগ ইথানল মিশিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই যত ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে ততই জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৪.
নিচের কোন পদার্থ ফটো ইলেকট্রিক ক্রিয়া প্রদর্শন করে না?
  1. আয়রন
  2. ক্যালসিয়াম
  3. পটাশিয়াম
  4. রুবিডিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম প্রভৃতি ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেক্ট্রন নির্গত হতে দেখা যায়। ফটো- ইলেক্ট্রিক কোষ এই নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। এরূপ একটি কোষে আলো ফেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১৫.
ব্লাক হোল সম্পর্কিত ভুল তথ্য কোনটি?
  1. ক) এর ভর অনেক কম
  2. খ) এর মহাকর্ষীয় শক্তি অনেক বেশি
  3. গ) এটির আবিষ্কারক বিজ্ঞানী জন হুইলার
  4. ঘ) এটি মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি ধারণা
সঠিক উত্তর:
ক) এর ভর অনেক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এর ভর অনেক কম
ব্যাখ্যা
ব্লাক হোল বা কৃষ্ণবিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে ব্লাক হোল আবিষ্কার করেন।
১১৬.
কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হলো -----
  1. ক) অ্যামিটার
  2. খ) ভোল্টামিটার
  3. গ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
  5. ঙ) বিদ্যুৎনিরীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১১৭.
বর্তনীতে কত প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়?
  1. দুই
  2. চার
  3. তিন
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
কে সর্বপ্রথম ‘Geography’ শব্দটি ব্যবহার করেন?
  1. কার্ল রিটার
  2. এরিস্টটল
  3. ইরাটোসথেনিস 
  4. ডাডলি স্ট্যাম্প
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১১৯.
মানুষের রক্তের গ্রুপকে কী দ্বারা শ্রেণিবিন্যাস করা হয়? 
  1. রক্তের চাপ ও গতির ভিত্তিতে 
  2. হরমোন ও এনজাইমের ভিত্তিতে
  3. রক্তের রঙ ও ঘনত্বের ভিত্তিতে
  4. অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
ব্লাড গ্রুপ বা রক্তের গ্রুপ: 
- অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে। 
- নিচের সারণিতে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিবডি এবং অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি দেখানো হলো- 

- গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে। 
- গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে। 
- গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। 
- গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২০.
সূর্য, চাঁদ ও তারা এগুলোকে একত্রে কি বলে?
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) গ্রহ
  3. গ) নীহারিকা
  4. ঘ) জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) জ্যোতিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জ্যোতিষ্ক
ব্যাখ্যা
মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে। যথা-নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, ধূমকেতু এবং উল্কা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২১.
রামসার সাইট এর সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. বনভূমি
  2. মরুভূমি
  3. জলাভূমি
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি
ব্যাখ্যা
• রামসার সাইট এর সাথে সম্পর্কিত হলো জলাভূমি। 

• রামসার সাইট:
- রামসার সাইট হলো এমন সব জলাভূমি (Wetlands), যেগুলো আন্তর্জাতিক গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে স্বীকৃত।
- এই সাইটগুলোকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার নাম "রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention)"।
- এটি ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালে স্বাক্ষরিত একটি পরিবেশ চুক্তি, যা ইউনেস্কোর পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত হয়েছিল।

• রামসার সাইট চিহ্নিতকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো:
- জলাভূমিগুলোর সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- জলাভূমিগুলোর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করা।
- জলাভূমিগুলোর উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের অধিকার রক্ষা করা। 

• রামসার সাইট চিহ্নিতকরণের বিবেচ্য বিষয়:
- জলাভূমির প্রকারভেদ (যেমন: ম্যানগ্রোভ, হ্রদ, বিল ইত্যাদি)।
- জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য (যেমন: বিভিন্ন ধরনের পাখি, মাছ, উদ্ভিদ ইত্যাদি)।
- জলাভূমি অঞ্চলের জলবায়ু ও পরিবেশগত গুরুত্ব।
- জলাভূমি অঞ্চলের মানুষের উপর প্রভাব।

তথ্যসূত্র:
- Ramsar website [link]
- ব্রিটানিকা।
১২২.
বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু কোন ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান?
  1. অপটিক্স
  2. ব্যাটারি ডিজাইন
  3. তাপগতিবিজ্ঞান 
  4. তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৩.
উদ্ভিদের ফুলের পাপড়ি ও ফলের ত্বকে বিভিন্ন রঙের বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয় কোনটির প্রভাবে?
  1. ক) ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
  3. গ) লিউকোপ্লাস্ট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
ক্রোমোপ্লাস্ট এর প্রভাবে উদ্ভিদের ফুলের পাপড়ি ও ফলের ত্বকে বিভিন্ন রঙের বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। 

উদ্ভিদের সবুজ বর্ণ ব্যাতিত অন্য যেকোন রকমের রঙের প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলে ।
অনেক ফুল বা ফলের রঙ সবুজ বর্ণ ব্যাতিত অন্য বর্ণের হয় ক্রোমোপ্লাস্ট এর কারণেই ।

ক্রোমোপ্লাস্ট এর কাজসমূহ- 
১) ক্রোমোপ্লাস্ট পরোক্ষ ভাবে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে 
২) উদ্ভিদের সবুজ বর্ণ ছাড়া অন্যান্য সব বর্ণ গুলি ক্রোমোপ্লাস্ট প্রদান করে থাকে। 
৩) ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে উদ্ভিদ এর ফুল রঙিন প্রকৃতির হয় যার ফলে দেখতে সৌন্দর্য পরায়ণ হয় এছাড়া কীটপতঙ্গ আকর্ষিত হয় যার ফলে পরাগমিলনে সুবিধা হয়। 

সূত্র- ১২ পৃষ্ঠা, বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১২৪.
সেরিকালচার বলতে কী বোঝায়? 
  1. মৎস্য চাষ
  2. পাখিপালন
  3. রেশম চাষ
  4. মৌমাছি পালন
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা
সেরিকালচার (Sericulture): 
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

এভিকালচার (Aviculture):

- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।
- যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

এপিকালচার (Apiculture):

- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

পিসিকালচার (Pisciculture):

- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২৫.
নিচের কোনটি অর্ধ-পরিবাহী নয়?
  1. সিলিকন
  2. জার্মেনিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী:
- অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি আপেক্ষিক রোধের কয়েকটি পদার্থ আছে সেগুলোকে বলা হয় সেমিকন্ডাক্টর। যেমন—জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী। 
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের। কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই সেমিকন্ডাক্টর চিহ্নিত করা হয় না।
- কেননা কিছু সংকরও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু সেগুলো সেমিকন্ডাক্টর নয়। 

• অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
- এর আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের।
- এতে কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় (0K, শূন্য কেলভিন) এরা অপরিবাহী।
-  একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
 - দু প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বৃদ্ধি করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
-  এদের পরিবহণ ও যোজনব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর কম।

জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী হলেও অ্যালুমিনিয়াম অর্ধপরিবাহী নয় , বরং এটি একটি পরিবাহী পদার্থ। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১২৬.
নিচের কোন পদার্থ সাধারণত বিজারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. হাইড্রোজেন 
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরিন 
  4. ব্রোমিন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেন সাধারণত বিজারক হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে। বিজারক পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। অন্যদিকে অক্সিজেন, ক্লোরিন এবং ব্রোমিন ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাই এরা জারক পদার্থ। 

বিজারক পদার্থ (Reductant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H), লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2) প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

জারক পদার্থ (Oxidant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), অক্সিজেন (O), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), নাইট্রিক এসিড (HNO3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4), হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2)ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2) সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।

১২৭.
এক্সোপ্ল্যানেট বলতে কী বোঝায়?
  1. সৌরজগতের গ্রহসমূহ
  2. পৃথিবীর উপগ্রহ (চাঁদ)
  3. মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো ছোট পাথুরে বস্তু (গ্রহাণু)
  4. সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
সঠিক উত্তর:
সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
ব্যাখ্যা

◉ যেসব গ্রহ আমাদের সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে, তাদের বলা হয় এক্সোপ্ল্যানেট

এক্সোপ্ল্যানেট (Exoplanet):
- Exoplanet হলো যেকোনো গ্রহ যা আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থান করে।
- বেশিরভাগ Exoplanet অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- কিছু Exoplanet তারার সাথে যুক্ত নয়, এগুলোকে বলা হয় Rogue Planet.
- এখন পর্যন্ত প্রায় ৬,০০০টি Exoplanet নিশ্চিতভাবে আবিষ্কৃত হয়েছে। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বে গ্রহের সংখ্যা তারার সংখ্যার চেয়েও বেশি।
- আবিষ্কৃত Exoplanet গুলোর বেশিরভাগই আমাদের গ্যালাক্সি Milky Way-এর একটি ছোট অঞ্চলে পাওয়া গেছে।
- পৃথিবীর নিকটতম Exoplanet হলো Proxima Centauri b, যা প্রায় ৪ আলোকবর্ষ দূরে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে এমন এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজছেন যেগুলো “হ্যাবিটেবল জোনে” (তারার চারপাশে এমন অঞ্চলে যেখানে তরল পানি থাকতে পারে), কারণ এগুলোতে জীবনের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। 

১২৮.
একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য কত?
  1. ক) ১.০V
  2. খ) ১.৫V
  3. গ) ২.০V
  4. ঘ) ২.৫V
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫V
ব্যাখ্যা
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট।

- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।

- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 

- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V। সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V.

- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি। আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১২৯.
ট্রান্সফরমারে বিভব বৃদ্ধি করলে কী ঘটে?
  1. শক্তি কমে যায়
  2. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
  3. তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়
  4. তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সফরমারে যখন ভোল্টেজ বা বিভব বৃদ্ধি করা হয় (যাকে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার বলা হয়), তখন শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি অনুযায়ী তড়িৎ প্রবাহ বা কারেন্ট কমে যায়। যেহেতু ট্রান্সফরমারের আদর্শ অবস্থায় ইনপুট ক্ষমতা এবং আউটপুট ক্ষমতা সমান থাকে (P = V × I), তাই ভোল্টেজ (V) বৃদ্ধি পেলে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে তড়িৎ প্রবাহের (I) মান হ্রাস পেতে হয়। 

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
নিচের কোনটির মাধ্যমে দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশ করা হয়?
  1. মোলারিটি
  2. মোলালিটি
  3. নরমালিটি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
দ্রবণের শক্তি বা ঘনমাত্রা
দ্রবণের ঘনমাত্রা নিম্নলিখিত স্কেলে বা এককে প্রকাশ করা হয়।
যেমন-
১। শতকরা মাত্রা,
২। নরমালিটি,
৩। মোলারিটি,
81 মোলালিটি,
৫ ৷ মোল-ভগ্নাংশ ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
রাফেজ বা আঁশের কাজ -
  1. ক) খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করা।
  2. খ) দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করা।
  3. গ) দেহ থেকে অপাচ্য বস্তু বের করে দিতে সাহায্য করা।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
- আঁশ বা রাফেজ খাদ্য উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি মূলত খাদ্যের মধ্যে থাকা দীর্ঘ তন্তুময় বা আঁশসদৃশ্য অংশ। উদ্ভিজ্জ খাদ্যের সেলুলোজ অংশই রাফেজ বা আঁশ। শাক-সবজি, খোসাসমেত টাটকা ফল, মটরশুঁটি, ধনিয়া, ডাল, শস্যবীজ ইত্যাদিতে রাজেফ বা আঁশ পাওয়া যায়।

- এটি আমাদের দেহে কোনো পুষ্টি যোগায় না। তবে, খাদ্যের মধ্যে অবস্থান করে অন্যান্য খাদ্যের সাথে গৃহীত হয় এবং সরাসরি খাদ্য নালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়ে অপরিপাককৃত অবস্থায় মলের সাথে নির্গত হয়।

- এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়বেটিস, হৃদরোগ, স্থুলতা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে। রাফেজ বা আঁশ কোনো খাদ্য উপাদান না হলেও মানবদেহের জন্য অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান যা সুস্থ জীবনের জন্য অতি জরুরী ।

- আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অন্যান্য খাদ্য উপাদানের সাথে ২০-৩০ গ্রাম রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাদ্যের উপস্থিতি থাকা প্রয়োজন। 

রাফেজ বা আঁশের গুরুত্ব- 
১. খাদ্য পরিপাকের সাহায্য করে
২. পানি শোষণ করে মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
৩. শরীর থেকে অপাচ্য বস্তু বের করে দিতে সাহায্য করে
৪. দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে
৫. মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ, অ্যাপেন্ডিকস, পিত্তথলির রোগ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ইত্যাদি রোগ হ্রাসে সাহায্য করে।

সূত্র: ২১ পৃষ্ঠা, বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন-
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) মাইকেল ফ্যারাডে
  4. ঘ) আলফ্রেড নোবেল
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে। ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩৩.
নিচের কোন ধমনি গলবিলে রক্ত বহন করে? 
  1. লিঙ্গুয়াল ধমনি
  2. ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
  3. অক্সিপিটাল ধমনি
  4. ফেসিয়াল ধমনি
সঠিক উত্তর:
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
ব্যাখ্যা
বহিঃক্যারোটিড ধমনি: 
- এটি মাথার ত্বক এবং ঘাড়ে রক্ত সরবরাহ করে। 
- বহিঃক্যারোটিড ধমনি থেকে উৎপন্ন শাখাগুলো - 
সুপিরিয়র থাইরয়েড ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি ও ল্যারিংক্সে রক্ত বহন করে। 
লিঙ্গুয়াল ধমনি: জিহ্বা ও সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থিতে রক্ত বহন করে। 
ফেসিয়াল ধমনি: মুখমণ্ডল, চোখ, সাব-ম্যাক্সিলারি গ্রন্থি এবং মুখমণ্ডলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
অক্সিপিটাল ধমনি: অক্সিপিটাল অঞ্চলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত বহন করে। 
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি: গলবিলে রক্ত বহন করে। 
- এছাড়া বহিঃক্যারোটিড ধমনি আন্তঃম্যাক্সিলারি ও সুপারফিসিয়াল টেমপোরাল ধমনিতে বিভক্ত হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
কোনটি মৌলিক পদার্থ?
  1. চিনি
  2. নিয়ন
  3. পানি
  4. লবণ
সঠিক উত্তর:
নিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, কার্বন, গন্ধক, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রুপা, লৌহ, নিয়ন, আর্গন প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ। 

যৌগিক পদার্থ: 
- যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবণ, চিনি, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হলো যৌগিক পদার্থ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৩৫.
কাঁচ ও সিরিজ কাগজ তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইকা
  2. কোয়ার্টজ
  3. চুনাপাথর
  4. ম্যাগনেটাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।  
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।
ধাতব খনিজ পদার্থ: 
• লোহা (Fe), 
• তামা  (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

অধাতব খনিজ পদার্থ: 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 

- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাঁচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর (CaCO3) খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৬.
সর্বপ্রথম পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ দেখান-
  1. ক) বেকরেল
  2. খ) রন্টজেন
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) বেইন
সঠিক উত্তর:
ক) বেকরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেকরেল
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম বেকেরেল ১৮৯৬ সালে পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ দেখান।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১৩৭.
মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরীর জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
Microsporum - নামক একপ্রকার ছত্রাকের জন্য মানুষের মাথার চুল পড়ে গিয়ে টাক তৈরি করে।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১৩৮.
ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত রোগ নয় কোনটি?
  1. হাম
  2. যক্ষ্মা
  3. ডিপথেরিয়া
  4. সিফিলিস
সঠিক উত্তর:
হাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম
ব্যাখ্যা

ভাইরাসজনিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: কোভিড-১৯, পোলিও, জন্ডিস, জলাতঙ্ক, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:

- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: কলেরা, যক্ষ্মা, আমাশয়, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া, মেনিনজাইটিস, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩৯.
1 মোলের 1 লিটার NaOH দ্রবণ তৈরীতে 40 গ্রাম দ্রব প্রয়োজন। একই দ্রবের একই পরিমাণ 0.01 মোলার দ্রবণ তৈরীতে কত গ্রাম দ্রব প্রয়োজন?
  1. ক) 0.4 g
  2. খ) 4 g
  3. গ) 0.8 g
  4. ঘ) 10 g
সঠিক উত্তর:
ক) 0.4 g
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0.4 g
ব্যাখ্যা
• 1 মোলের 1 লিটার NaOH দ্রবণ তৈরীতে 40 গ্রাম দ্রব প্রয়োজন। একই দ্রবের একই পরিমাণ 0.01 মোলার দ্রবণ তৈরীতে 0.4 g দ্রব প্রয়োজন।
১৪০.
"শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।"
- এই তত্ত্বটি কে প্রদান করেন?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. আইজ্যাক নিউটন
  3. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ব্যাখ্যা
কোয়ান্টাম তত্ত্বঃ ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।

প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।

কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৪১.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. ইনডাক্টর
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ইনভার্টার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

• রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
অন্যদিকে,
- ইনডাক্টর হলো একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা চুম্বকীয় ক্ষেত্রে শক্তি সঞ্চয় করে এবং এসি প্রবাহের পরিবর্তনে বাধা দেয়।
- ট্রান্সফরমার কেবল এসি ভোল্টেজের মান কমায় বা বাড়ায় কিন্তু প্রবাহের প্রকৃতি এসি থেকে ডিসিতে পরিবর্তন করতে পারে না।
- ইনভার্টার রেকটিফায়ারের ঠিক বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ এটি ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।
- একমুখীকারক দুই প্রকার। যথা-
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।

• ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।

১৪২.
ডায়োডে কয়টি তড়িৎদ্বার থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
ডায়োডে দুইটি তড়িৎদ্বার থাকে।
১৪৩.
বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) ক্রোমোজোম
  2. খ) আরএনএ
  3. গ) ডিএনএ
  4. ঘ) অটোজোম
সঠিক উত্তর:
গ) ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিএনএ
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্স বা বংশগতির ভৌত ভিত্তি হলো ক্রোমোজোম৷ আর রাসায়নিক ভিত্তি হলো ডিএনএ (DNA) যার পূর্ণরূপ Deoxyribo Nucleic Acid.
DNA থাকে ক্রোমোজোমের ভেতর আর ক্রোমোজোম থাকে নিউক্লিয়াসের ভেতর।
বিজ্ঞানী Watson ও Crick ১৯৫৩ সালে DNA অণুর Double Helix বা দ্বিসূত্র কাঠামোর বর্ণনা দেন৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৪.
নিচের কোন মৌলিক কণিকার সংখ্যা কখনো সমান কিংবা কখনো বেশি থাকে? 
  1. ইলেকট্রন 
  2. নিউট্রন 
  3. প্রোটন 
  4. পজিট্রন 
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন, ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি কণিকাকে পরমাণুর স্থায়ী কণিকাও বলা হয়। 
- পরমাণুর কণিকাগুলো বিভিন্ন সংখ্যায় একত্রিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু সৃষ্টি করে। 
- মৌলিক কণিকাগুলোর আধান এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভর খুব সামান্য। 
- স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। 
- কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা কখনো সমান আবার কখনো বেশি থাকে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে, আর প্রোটন ও নিউট্রন এই নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থান করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৫.
সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর অভ্যন্তরে কোন কণিকাগুলো বিদ্যমান?
  1. ১ টি প্রোটন ও ১ টি নিউট্রন
  2. ১ টি ইলেকট্রন, ১ টি প্রোটন ও ১ টি নিউট্রন
  3. ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি নিউট্রন
  4. ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন 
সঠিক উত্তর:
১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন 
ব্যাখ্যা

- সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোনো নিউট্রন থাকে না। হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১, যার অর্থ এতে একটি প্রোটন রয়েছে। একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে প্রোটন এবং ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, তাই এতে একটি ইলেকট্রনও থাকে। 

পরমাণুর মূল কণিকা: 

- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়, এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের হয়। 
যেমন- 
• স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে, তাই এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

• অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

• কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়-
  1. ক) Thyroxin Hormone
  2. খ) Thymuses Hormone
  3. গ) Hormone
  4. ঘ) Insulin Hormone
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Thyroxin Hormone
ব্যাখ্যা
থাইরয়েড গ্রন্থি:
- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

পিটুইটারী গ্রন্থি:
- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে।
- কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইমাস গ্রন্থি:
- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
- এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস:
 এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
নিচের কোন পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি সবচেয়ে বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. বরফ
  3. পানি
  4. জলীয় বাষ্প
সঠিক উত্তর:
বরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরফ
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি:

• যে আকর্ষণ শক্তির জন্যে কোনো পদার্থের কণাগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে তাকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি বলে। অপরদিকে, আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তির কারণে কণাগুলোর মধ্যবর্তী দুরত্বকে আন্তঃআণবিক দুরত্ব বলে।
• কঠিন পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি সবচেয়ে বেশি। 

• পদার্থের বিভিন্ন অবস্থা:

কঠিন অবস্থা:     

- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে।
- এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি।
- উদাহরণ: লোহা, বরফ, কাঠ ইত্যাদি               

তরল অবস্থা:
- নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু আয়তন আছে।
- এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কঠিন থেকে কম কিন্তু বায়বীয় থেকে বেশি।
-  উদাহরণ: পানি, কেরোসিন ইত্যাদি।       

বায়বীয় অবস্থা:
- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন নেই।
-  এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম।
-  উদাহরণ: অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, রসায়ন।
১৪৮.
মাথার চুলে থাকা সেবাম (Sebum) নামক প্রাকৃতিক তেলের pH এর মান কত?
  1. ৫.৭
  2. ৫.০
  3. ৬ থেকে বেশী
  4. ৬.০
সঠিক উত্তর:
৫.০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.০
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH এর ৫.৫। ত্বকের pH এর মান ৫.৫
থেকে ৬.৫ এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে। ত্বকের pH এর মান
আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়।
মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল। এর pH এর মান হলো ৫.০।
চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH এর মান ৫.৫ এর কাছাকাছি থাকাই উচিত।
চুলের pH এর মান ৬ এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯.
পরিণত বয়সের আদর্শ রক্তচাপ কত?
  1. 90/60 mmHg
  2. 100/70 mmHg 
  3. 140/90 mmHg
  4. 120/80 mmHg
সঠিক উত্তর:
120/80 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120/80 mmHg
ব্যাখ্যা

- পরিণত বয়সের আদর্শ রক্তচাপ হলো 120/80 mmHg, যা সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্বাভাবিক সীমার মধ্যে ধরা হয়। 

রক্তচাপ (Blood Pressure): 
- রক্তপ্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনির গায়ে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে, একে সিস্টোলিক চাপ (Systolic Pressure) বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের (প্রকৃতপক্ষে নিলয়ের) প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে, একে ডায়াস্টোলিক চাপ (Diastolic Pressure) বলে। 

আদর্শ রক্তচাপ: 
- চিকিৎসকদের মতে, পরিণত বয়সে একজন মানুষের আদর্শ রক্তচাপ (Blood pressure) সাধারণত 120/80 mmHg মানের কাছাকাছি। 
- রক্তচাপকে দুটি সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় যেখানে প্রথমটি উচ্চমান এবং দ্বিতীয়টি নিম্নমান। রক্তের উচ্চ চাপকে সিস্টোলিক (Systolic) চাপ বলে, যার আদর্শ মান 120 mmHg নিচে। নিম্নচাপকে ডায়াস্টোলিক (Diastolic) চাপ বলে, এই চাপটির আদর্শ মান 80 mmHg নিচে। এই চাপটি হৃৎপিণ্ডের দুটি বিটের মাঝামাঝি সময় রক্তনালিতে সৃষ্টি হয়। 
- দুই ধরনের রক্তচাপের পার্থক্যকে ধমনিঘাত বা নাড়িঘাত চাপ (Pulse pressure) বলা হয়। 
- সাধারণত সুস্থ অবস্থায় হাতের কব্জিতে রেট তথা হৃৎস্পন্দনের মান প্রতি মিনিটে 60-100 mmHg । 
- হাতের কব্জিতে হালকা করে চাপ দিয়ে ধরে পালস রেট বের করা যায়। 
- স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) বা সংক্ষেপে বিপি যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়। 
- এই যন্ত্র দিয়ে ডায়াস্টোলিক ও সিস্টোলিক চাপ দেখে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫০.
বিশ্বে জ্বালানির কত শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আসে? 
  1. প্রায় ৮০ শতাংশ
  2. প্রায় ৭০ শতাংশ
  3. প্রায় ৬০ শতাংশ
  4. প্রায় ৯০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- বিশ্বে জ্বালানির প্রায় ৮০ শতাংশই জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আসে। 

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু সংকটের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি মূলত দায়ী। 
- তাই জাতিসংঘ প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধে একমত হতে আগেই দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। 
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে জাতিসংঘের কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলনে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে সরে আসার জন্য সব দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন। 

উৎস: ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১৫১.
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইম-
  1. ক) টায়ালিন
  2. খ) পেপসিন
  3. গ) রেনিন
  4. ঘ) লাইপেজ
সঠিক উত্তর:
ক) টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন।
টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫২.
নিম্নলিখিত কোনটি ভাইরাসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ভাইরাস পোষক কোষের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
  2. এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটে না।
  3. ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে সক্ষম।
  4. ভাইরাসে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না।
সঠিক উত্তর:
এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটে না।
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয় এমন অপশনটি হলো খ) এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটে না। কারণ বাস্তবে ভাইরাসে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে পারে, বিশেষ করে যখন একই পোষক কোষে একাধিক ভাইরাস সংক্রমণ করে। ক) বিকল্পটি সঠিক, কারণ ভাইরাস শুধু পোষক কোষের ভেতরেই সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। গ) বিকল্পটিও সঠিক, কারণ ভাইরাসে মিউটেশন খুব দ্রুত ঘটে, যা তাদের অভিযোজনে সাহায্য করে। ঘ) বিকল্পটিও সঠিক, কারণ ভাইরাসে মাইটোকন্ড্রিয়াসহ কোনো কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। তাই খ) অপশনটি ভাইরাসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়।

ভাইরাসের বেশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে। আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
যেমন- 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
• পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
• এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
• ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
• নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
• ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাস অকোষীয়। 
• এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
• এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
• এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
• ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
• জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৩.
মানব হৃদপিন্ড সম্পূর্ণভাবে কয়টি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ড:
- রক্ত সংবহন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হৃদপিন্ড।
- এটা পাম্পের মতো কাজ করে, ফলে রক্ত সংবহনতন্ত্রে রক্ত প্রবাহ সচল থাকে।
- হৃদপিন্ড বক্ষ গহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝখানে একই বাম দিকে অবস্থিত।
- মানব হৃদপিন্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
- এর উপরের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান নিলয় নামে পরিচিত।
- নিলয় অলিন্দের তুলনায় আকারে বড়, প্রাচীর পুরু ও পেশিবহুল।
- প্রকোষ্ঠ বিভক্ত থাকলেও গোটা হৃদপিন্ড একটি একক হিসাবে কাজ করে এবং পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিন্ড এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না?
  1. ক) লাল
  2. খ) কমলা
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনি
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
ব্যাখ্যা
আলােক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালােকসংশ্লেষণ ভালাে হয়।
সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না।
আলাের পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরােফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালােকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
১৫৫.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) ২৮০ m/s
  2. খ) ৩৩২ m/s
  3. গ) ৩৫০ m/s
  4. ঘ) বেগ নাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগ নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগ নাই
ব্যাখ্যা

শব্দ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।
শব্দ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়ােজন। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশিও বায়বীয় বা গ্যাসীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
শূন্য মাধ্যমে শব্দের কোন বেগ থাকে না।

১৫৬.
নীচের কোনটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক?
  1. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
• কার্বন মনোক্সাইড:
- দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
- কার্বন মনোক্সাইড ইংরেজিতে Carbon Monoxide (রাসায়নিক সংকেত: CO) হলো একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম।
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত।

• কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে:
- দুর্বলতা,
- বমি বমি ভাব,
- মাথা ঘোরানো,
- ক্লান্তি,
- ক্ষুধা,
- মাথা ব্যাথা,
- অজ্ঞান হওয়া,
- খিঁচুনি ইত্যাদি।

উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website.
১৫৭.
স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা ______।
  1. কম থাকে
  2. বেশী থাকে
  3. সমান থাকে
  4. যেকোনোটিই হতে পারে
সঠিক উত্তর:
বেশী থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশী থাকে
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র।
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলতঃ দুটি কুন্ডলী থাকে।
- কুন্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়।
- একটি কুন্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুন্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ।
- ট্রান্সফরমার যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী থাকে।
- অপর দিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৮.
নিচের কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে গাছের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়?
  1. মলিবডেনাম
  2. বোরন
  3. লৌহ
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা
• বোরন (B) এর অভাবজনিত লক্ষণ:
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।

অন্যদিকে,
- মোলিবডেনাম অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম আবশ্যক।
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
১৫৯.
গর্ববতী মায়ের রক্ত স্বল্পতা দেখা দিলে প্রথম মাস থেকে কোন এসিড খেতে বলা হয়? 
  1. ফলিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. এসেটিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কঁচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
নিচের কোনটি 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' এর নির্দিষ্ট অভীষ্ট নয়?
  1. দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
  2. ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার
  3. পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি
  4. জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০: 

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে প্রাথমিকভাবে একুশ শতকের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব-দ্বীপের সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তারিত রূপকল্প প্রণয়নের প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। ফলশ্রুতিতে, একটি সমন্বিত, বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি ব-দ্বীপ রূপকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
• রূপকল্প: “নিরাপদ, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিঘাতসহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা”।

• অভিলক্ষ্য:  “দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল কার্যকরী কৌশল অবলম্বন এবং পানিসম্পদ 66 ব্যবস্থাপনায় ন্যায়সঙ্গত সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবেলা করে দীর্ঘমেয়াদে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ”।

এ দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটিকে নির্দিষ্ট অভীষ্ট বা লক্ষ্যে রূপান্তর করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ফলাফল হিসেবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন, পানি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকি কমানো এবং তার সাথে পরিবেশগত সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা যুক্ত করে এটি সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন করা যায়।

• অভীষ্ট: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

• উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট: 
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

• ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ: 
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)। 
১৬১.
'ভাইরাস' একটি-
  1. এককোষী জীব
  2. বহুকোষী জীব
  3. কোষহীন জীব
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোষহীন জীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষহীন জীব
ব্যাখ্যা
ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 
- ভাইরাস হলো অকোষীয়।
- ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত। যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬২.
মোট নিষ্ক্রিয় মৌলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- যে সব গ্যাসীয় মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় অর্থাৎ অন্য কোনো মৌলের সাথে সংযুক্ত হয় না, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংযুক্ত হয় না, সর্বদা এক পরমাণুক অবস্থা বিরাজ করে তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) বলে।
- নিষ্ক্রিয় মৌল মোট ৭টি -  হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)। 
- সাধারণ অবস্থায় এগুলো বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং এক পরমাণুক গ্যাস। এছাড়াও এগুলোর স্ফুটনাংক ও গলনাংক খুবই কম।
- আলোকসজ্জা, ওয়েল্ডিং এবং মহাশূন্য প্রযুক্তিতে এই গ্যাসগুলোর অনেক ব্যবহার রয়েছে।
- ওগানেসন পর্যায় সারণীর ১৮-তম গ্রুপের একমাত্র নিষ্ক্রিয় মৌল কিন্তু গ্যাস নয়।

সূত্র- ৬৪ পৃষ্ঠা, রসায়ন প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।    
১৬৩.
হুপিং কাশি রোগের টীকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
পোলিও রোগের টিকা - ওপিভি (Oral Polio Vaccine) ;
যক্ষার টিকা - বিসিজি ;
ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা - ডিপিটি;
হাম রোগের টিকা - এমএমআর ভ্যাকসিন।
[তথ্য ব্রিটানিকা থেকে যাচাইকৃত]
১৬৪.
আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল কি আবিষ্কার করেন?
  1. ক) টেলিফোন
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) তড়িৎ
  4. ঘ) টেলিগ্রাফিক সংকেত
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিফোন
ব্যাখ্যা
- ১৮৭৬ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- টেলিফোনের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা-
সুইচ,
রিংগার,
কি প্যাড,
মাইক্রোফোন,
এবং স্পিকার।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
১৬৫.
অম্লের স্বাদ কেমন?
  1. ক) মিষ্টি
  2. খ) তেতো
  3. গ) টক
  4. ঘ) নোনতা
সঠিক উত্তর:
গ) টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টক
ব্যাখ্যা
এসিড টক স্বাদ যুক্ত। তেঁতুলের ভেতর টারটারিক এসিড থাকে বলেই তেতুল এত টক হয়৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৬৬.
কোন তেজস্ক্রিয় রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্সরে
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা:

• তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (আলফা, বিটা ও গামা) নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
• এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত নিউক্লীয় ও স্বাভাবিক ঘটনা। 
• পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর বেশি তারাই মূলত তেজস্ক্রিয় পদার্থ।
• যেমন: ইউরোনিয়াম, প্লুটোনিয়াম, নেপচুনিয়াম, রেডিয়াম, রেডন, থোরিয়াম ইত্যাদি।
• ভরের বিবেচনায় তিনটি কণা বা রশ্মির মাঝে সম্পর্ক হবে (বেশি হতে কম) আলফা রশ্মি > বিটা রশ্মি > গামা রশ্মি।
• ভেদন ক্ষমতার বিবেচনায় তিনটি কণা বা রশ্মির মাঝে সম্পর্ক হবে: গামা রশ্মি > বিটা রশ্মি> আলফা রশ্মি।

উল্লেখ্য,
• 1896 খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল (Henry Becquerel) সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
• তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য দুটি একক রয়েছে, যথা- 
(১) কুরী (Curie) এবং (২) বেকেরেল (Becquerel)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৬৭.
অস্থি ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান কোনটি?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. ক্লোরিন
  3. ফ্লুরাইড
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা

ক্যালসিয়াম:
- ক্যালসিয়াম (Ca) হলো অস্থি ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের প্রায় ২% ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত।
- শরীরে থাকা মোট খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সর্বাধিক।
- এটি ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ৯০% পরিমাণে অস্থি ও দাঁতে সংরক্ষিত থাকে।
- এছাড়া, রক্ত ও লসিকাতেও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান।
- উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি, ফল ইত্যাদি।
- প্রাণিজ উৎস: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।

ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতা:
- হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে।
- রক্ত সঞ্চালন ও হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে সহায়তা করে।
- স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখে।
- শিশুদের রিকেটস (Rickets)- এতে হাড় নরম ও বিকৃত হয়ে যায়।
- বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া (Osteomalacia) – এতে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
- দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা দেয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১৬৮.
উদ্ভিদের শুকনো বীজ, কাঠ, ইত্যাদি পানির সংস্পর্শে আসলে পানি শোষণ করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ইমবাইবিশন
  2. খ) অভিস্রবণ
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) পরিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
ক) ইমবাইবিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যা
ইমবাইবিশন
- উদ্ভিদের শুকনো বীজ, কাঠ, ইত্যাদি পানির সংস্পর্শে আসলে এগুলো পানি শোষণ করে।
- শুকনো বস্তুর এ ধরনের পানি শোষণ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন।
- সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন, পেকটিন, প্রোটোপ্লাজমের প্রোটিন এবং উদ্ভিদ কোষের অন্যান্য জৈব রাসায়নিক পদার্থের ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর পানি শোষণের ক্ষমতা রয়েছে।
- ইমবাইবিশনের মাধ্যমে পানি শোষণের ফলে এসব জিনিসের আয়তন বাড়ে। 

অভিস্রবণ
- একই দ্রাবকবিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে আলাদা রাখলে দেখা যায় দ্রাবক পাতলা দ্রবণ থেকে (অর্থাৎ দ্রাবকের পরিমাণ যেখানে বেশি) পর্দার ভেতর দিয়ে ঘন দ্রবণের দিকে যায়।
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব এক না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরই নাম অভিস্রবণ।
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মাটি থেকে পানি শোষণ করে।

ব্যাপন
- যে প্রক্রিয়ায় কোনও পদার্থের অণু নিজস্ব গতি শক্তির সাহায্যে বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলা হয়।
- এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া।
- একই তাপমাত্রা এবং চাপে কোনও পদার্থের বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বের দিকে ব্যাপিত হবার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাকে ব্যাপন চাপ বলা হয়।
- একই বায়ু চাপে কোনও একটি দ্রবণ এবং দ্রাবকের ব্যাপন চাপের যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তাকে ব্যাপন চাপ ঘাটতি বলা হয়।
- উদ্ভিদের পাতার মেসোফিল টিস্যুতে এ ব্যাপন চাপ ঘাটতির ফলে পানির ঘাটতি থাকা কোষগুলো পাশের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৬৯.
হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে জলীয়শক্তি কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তিতে
  2. আলোক শক্তিতে
  3. বৈদ্যুতিক শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে জলীয়শক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

• হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্ল্যান্ট:

- হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্ট হল এক ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যেখানে পানিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

• সাধারণত, একটি উঁচু স্থান থেকে পানি ছেড়ে দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এই টারবাইনগুলো জেনারেটরের সাথে যুক্ত থাকে এবং টারবাইনের ঘূর্ণনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। 

• কাজের ধাপ:
- উঁচু জলাধার থেকে পানি ছাড়া হয়। 
- পানির কারণে টারবাইন ঘুরে → গতিশক্তি উৎপন্ন হয়। 
- টারবাইন জেনারেটরের সাথে যুক্ত থাকে → জেনারেটর ঘুরে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 

• হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে শক্তি রূপান্তরের ধারা:
জলীয়শক্তি → গতিশক্তি → যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৭০.
কোন গ্যাসটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে? 
  1. মিথেন
  2. ওজোন
  3. হিলিয়াম
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের গঠন উপাদান: 
- জীবন ধারণের জন্য পৃথিবীর জীবকুলের কাছে যেসব জিনিস অপরিহার্য বায়ুমণ্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে। 
- বায়ুমণ্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই, তাই একে খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। 
- তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। 
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত বিভিন্ন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। 
যেমন- 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar) ⇒ ০.৮০, 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩, 
• অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ⇒ ০.০২, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কণিকা ⇒ ০.০১ । 

- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে। 
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে। 
ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭১.
নিচের কেনাটি আমিষের গঠনের একক?
  1. কার্বন
  2. অ্যামিনো অ্যাসিড
  3. হাইড্রোজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনো অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনো অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
- আমিষের গঠন একক কোনটি অ্যামাইনো অ্যাসিড।

• আমিষের গঠন:

- আমিষ বা প্রোটিনের গঠন উপাদান হলো-
- কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H₂), অক্সিজেন (O₂) এবং নাইট্রোজেন (N₂)।
- আমিষে ১৬% নাইট্রোজেন থাকে।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন মৌল সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিনের গঠন একক অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।
- একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে পলিপেপটাইড ও পরিশেষে প্রোটিন গঠিত হয়।
- তাই প্রোটিনের রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফলে বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ, পরিপাকের পর আমিষ বা প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, মটরশুঁটি শিমেরবিচি, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য।
- এসব খাদ্যে যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ পাওয়া যায়।
 
উৎস:  সাধারণ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
১৭২.
জীব দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় কোন ধরনের খাদ্য থেকে-
  1. ক) শর্করা
  2. খ) স্নেহ
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা
মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা, ডাল, চিনা বাদাম ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
উৎস: নবম দশম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান
১৭৩.
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-
  1. ভোল্ট
  2. জুল
  3. ওয়াট
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- অর্থাৎ কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

অন্যদিকে, 
- ক্ষমতার একক ওয়াট।  
- কাজ ও তাপের একক জুল। 
- তড়িৎ বিভব মাপার জন্য ব্যবহৃত হয় ভোল্ট। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭৪.
স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH কত?
  1. 6.6
  2. 7.4
  3. 7.8
  4. 8.2
সঠিক উত্তর:
7.4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7.4
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
ফাইলেরিয়া কৃমি কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী?
  1. ক) Platyhelminthes
  2. খ) Cnidaria
  3. গ) Annelida
  4. ঘ) Nematoda
সঠিক উত্তর:
ঘ) Nematoda
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Nematoda
ব্যাখ্যা

ফাইলেরিয়া কৃমি নেমাটোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।

এ পর্বের অনেক প্রানিরা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য প্রাণীর রক্তে এবং অন্ত্রে বসবাস করে। এই ধরনের পরজীবী বিভিন্ন প্রাণীর ও মানবদেহে বাস করে নানারকম ক্ষতি সাধন করে। তবে, এদের অনেকে মুক্তজীবী, যারা পানি ও মাটিতে বসবাস করেন।
নেমাটোডা প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. নেমাটোডা ( Nematoda ) পর্বের প্রাণীদের দেহ লম্বা, নলাকার, সুতার ন্যায়, অখণ্ডায়িত ও দু'দিক ক্রমশ সরু।
২. দেহ নমনীয় ও ইলাস্টিন নির্মিত অকোষীয় কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
৩. নেমাটোডা ( Nematoda ) পর্বের প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি সোজা ও শাখাহীন এবং মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত । পৌষ্টিক গ্রন্থি অনুপস্থিত। এ কারণে এসব প্রাণীর দেহকে 'নলের ভেতর নল’ (‘tube within a tube) ধরনের গঠনের মতো দেখায়।
৪.এদের অপ্রকৃত সিলোম বা সিউডোসিলোম (pseudocoelom) উপস্থিত এবং অখণ্ডায়িত
৫. মুখছিদ্র সাধারণত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠ দ্বারা পরিবেষ্টিত।
৬. নেমাটোডা বা গোলকৃমি ত্রিস্তরী প্রাণী; দেহে অঙ্গ-তন্ত্র গঠিত হয়।
৭.শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত। রেচনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র উপস্থিত।

নেমাটোডা বা গোলকৃমির পর্বের প্রাণীদের বৈজ্ঞানিক নাম
গোলকৃমি- Ascaris lumbricoides
চোখ কৃমি - Loa loa
হুকওয়ার্ম - Ancylostoma duodenale
মাইক্রোফাইলেরিয়া - Microflaria sp.
গুড়াকৃমি - Enterobius vermicularis
ফাইলেরিয়া কৃমি বা গোদকৃমি - Wuchereria bancrofti
চাবুক কৃমি - Trichinella spiralis
বিড়ালের গোলকৃমি - toxocara cati

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান, Animal Diversity Website (animaldiversity.org)

১৭৬.
মাইটোসিস কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলে?
  1. ক) সাইটোকাইনেসিস
  2. খ) নিউক্লোকাইনেসিস
  3. গ) প্লুটোকাইনেসিস
  4. ঘ) ক্যারিওকাইনেসিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যারিওকাইনেসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যারিওকাইনেসিস
ব্যাখ্যা
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
- মাইটোসিস বিভাজনটি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়।
- প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াসের এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন হয়।
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে।
- মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি। 
- সাধারণভাবে মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে পাঁচটি ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে। ধাপগুলো—
১. প্রোফেজ,
২. প্রো-মেটাফেজ,
৩. মেটাফেজ,
৪. অ্যানাফেজ ও
৫. টেলোফেজ।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
১৭৭.
মানুষের অটোজোম সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৩ জোড়া
  2. খ) ২০ জোড়া
  3. গ) ২২ জোড়া
  4. ঘ) ২৪ জোড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১৭৮.
নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিনের অত্যাবশ্যকীয় খনিজ উপাদান কোনটি? 
  1. পটাসিয়াম
  2. ম্যাগনেসিয়াম
  3. নাইট্রোজেন
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 
পটাসিয়াম (K): 
- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 

ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

নাইট্রোজেন (N): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলে নাইট্রোজেন। 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 

ফসফরাস (P): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। 
- উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৯.
'Plate Tectonic Theory' সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) জেভিয়ার লি-পিনচন
  2. খ) হার্ভে জে অল্টার
  3. গ) চার্লস এম রাইস
  4. ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড ওয়েগনার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের তলদেশ, মহাদেশ, মালভমি, পর্বত প্রভৃতি গঠন সংক্রান্ত বিভিন্ন মতবাদের মধ্যে সর্বাধুনিক মতবাদ পাত সঞ্চালন মতবাদ (Plate Tectonic Theory)।
এ মতবাদটি ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগনার (Alfred Wegner) সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন যা মহাদেশীয় ভূ-ভাগ সঞ্চালন মতবাদ নামে পরিচিত ছিল।
পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে ফরাসী ভূ-বিজ্ঞানী জেভিয়ার লি-পিনচন (Xebier-le-Pinchon) এ মতবাদ প্রদান করেন। 
উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১৮০.
যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. রিমেনেন্স
  2. চৌম্বক ধারকতা 
  3. কুরি তাপমাত্রা
  4. চৌম্বক সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। 

রিমেনেন্স: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে। 

চৌম্বক ধারকত্ব: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পরেও কোনো চৌম্বব পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। 
- ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম। 

চৌম্বক সহনশীলতা: 
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৮১.
বরফের গলণাঙ্ক কত?
  1. ক) 0K
  2. খ) -273K
  3. গ) 273K
  4. ঘ) 373k
সঠিক উত্তর:
গ) 273K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 273K
ব্যাখ্যা
• যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
• বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস বা ২৭৩ কেলভিন। 
• অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
• আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।
• ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
----------------------
সেলসিয়াস স্কেলের সাথে ২৭৩.১৫ যোগ করলেই কেলভিন স্কেল পাওয়া যায়৷
কেলভিন স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ক ২৭৩ এবং ঊর্ধ স্থিরাঙ্ক ৩৭৩ ধরে মৌলিক দৈর্ঘ্যকে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
তাই ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস আর ২৭৩ কেল্ভিন একই তাপমাত্রা নির্দেশ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮২.
নিচের কোনটিকে জীবনের ভিত্তি বলা হয়?
  1. ক) কোষপ্রাচীর
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) প্রোটোপ্লাজম
  4. ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
গ) প্রোটোপ্লাজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রোটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা

প্রোটোপ্লাজম উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের সকল মৌলিক ও জৈবিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসকে একত্রে প্রোটোপ্লাজম বলে।
নিউক্লিয়াস কোষের প্রাণকেন্দ্র যা কোষের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
জীবনের অস্তিত্ব প্রকাশে সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বিত প্রোটোপ্লাজম মূল কোষের প্রতিনিধিত্ব করে, এ জন্যই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভিত্তি বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি

১৮৩.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
  1. ক) ১০ কিমি
  2. খ) ২৭ কিমি
  3. গ) ৫ কিমি
  4. ঘ) ১০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্টে বায়ু চাপ ১০ নিউটন বা 10m/atm(m=meter, atm=atmosphere)। এবং যেহেতু পানির ঘনত্ব সমান তাই তলদেশের দিকে যেতে থাকলে চাপ একই হারে বাড়তে থাকে। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১৮৪.
রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. Panthera tigress
  2. Panthera tigris
  3. Panthera tigris tigris
  4. Panthera tigris attaica
সঠিক উত্তর:
Panthera tigris tigris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Panthera tigris tigris
ব্যাখ্যা
• রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম- Panthera tigris tigris

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈজ্ঞানিক নাম: 
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo sapiens; 
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম- Nymphaea nouchali; 
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম- Oryza sativa; 
- আমের বৈজ্ঞানিক নাম- Mangifera indica; 
- কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম- Artocarpus heterophyllus; 
- মৌমাছির বৈজ্ঞানিক নাম- Apis indica; 
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম- Copsychus saularis; 
- আরশোলার বৈজ্ঞানিক নাম- Periplaneta americana; 
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম- Hilsa ilisha. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮৫.
নিচের কোন গ্রহকে পৃথিবীর evil twin বলা হয়?
  1. শনি
  2. শুক্র
  3. মঙ্গল
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা

• শুক্রকে পৃথিবীর দুষ্ট যমজ বলার কারণ:

⇒ শুক্র এবং পৃথিবীকে মাঝে মাঝে যমজ বলা হয় কারণ তারা প্রায় একই আকারের। শুক্র গ্রহ প্রায় পৃথিবীর মতোই বড়। তারা সৌরজগতের একই অভ্যন্তরীণ অংশে গঠিত হয়েছিল। শুক্র আসলে পৃথিবীর আমাদের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী। তাই তারা সৌরজগতের একই অংশে গঠিত হয়েছিল, একই উপকরণ দিয়ে তৈরি। তারা প্রায় একই আকারের।

• শুক্র গ্রহ:
- শুক্র সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ।
- এটি সূর্য ও চাঁদের পর আকাশের তৃতীয় উজ্জ্বল বস্তু।
- শুক্র ধীরে এবং অধিকাংশ গ্রহের বিপরীত দিকে ঘূর্ণন করে।
- এর গঠন ও আকার পৃথিবীর অনুরূপ, তাই একে কখনও পৃথিবীর দুষ্ট যমজ (evil twin) বলা হয়।
- শুক্রের ঘন বায়ুমণ্ডল তাপ ধরে রাখে, যা গ্রীনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ, যেখানে তাপমাত্রা সীসা গলানোর মতো বেশি।
- ঘন মেঘের নিচে এর পৃষ্ঠে আগ্নেয়গিরি এবং বিকৃত পর্বত রয়েছে।

উৎস: NASA. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৮৬.
Spirogyra কী?
  1. ক) শৈবাল
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) মস
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শৈবাল
ব্যাখ্যা
Spirogyra: 
• Spirogyra একটি সাধারণ সূত্রাকার সবুজ শৈবাল। এরা খাল, বিল, পুকুর, ডোবা প্রভৃতি স্বাদু পানিতে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। অনেকগুলি Spirogyra একত্রে এক প্রকার পিচ্ছিল আবরণী দিয়ে আবৃত অবস্থায় থাকে। এদের অনেকগুলো প্রজাতি স্রোতস্বিনী নদী, খাল ও ঝর্ণার পানিতেও জন্মায়।

খাদ্য তৈরী :
Spirogyra-র দেহে ক্লোরোফিল থাকায় এরা সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা (Carbohydrate) জাতীয় খাদ্য তৈরী করে থাকে, অর্থাৎ এরা স্বভোজী।

• বৃদ্ধি:
মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে এদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে। কোষ বিভাজনের কোন নির্দিষ্ট অঞ্চল নেই। দেহের যে কোন কোষ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে, অর্থাৎ বৃদ্ধি নিবেশিত।

• বংশবৃদ্ধি ও জনন:
Spirogyra তিনটি প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সমাধা করে থাকে-
১. অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি,
২. অযৌন জনন,
৩. যৌন জনন

• Spirogyra উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১. এটি গাঢ় সবুজ বর্ণের সূত্রাকার শৈবাল।
২. এদের দেহের বহিরাংশ পিচ্ছিল।
৩. এরা সাধারণত স্থির মিঠা পানিতে বাস করে ।
৪. এদের ক্লোরোপ্লাস্ট সর্পিলাকার বা স্পাইরাল ।
৫. প্রত্যেক কোষে বড় কোষ গহ্বর এবং একটি নিউক্লিয়াস থাকে ।
৬. কোষের ক্লোরোপ্লাষ্টে পাইরিনয়েড থাকে।
৭. যৌন জনন কনজুগেশন প্রক্রিয়ায় ঘটে।
৮. কনজুগেশন দুভাবে ঘটে । যথা-
    - সোপানাকার বা মই আকার কনজুগেশন
    - পার্শ্বীয় কনজুগেশন
৯. উদ্ভিদ হ্যাপ্লয়েড তবে জাইগোস্পোর ডিপ্লয়েড ।

• Spirogyra-র অর্থনৈতিক গুরুত্ব:
১. জলজ পরিবেশে খাদ্য শৃংখলের প্রাথমিক উৎপাদক হিসেবে Spirogyra ব্যবহৃত হয়।
২. অনেক দেশে মানুষ Spirogyra-কে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
৩. Spirogyra-তে প্রচুর ভিটামিন-এ ও ই আছে।
৪. মাছ চাষের পুকুরে Spirogyra চাষ করা হয়।

সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৭.
সবুজ বিপ্লব বলতে কী বুঝায়?
  1. হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  2. সবুজ সারের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  3. পতিত জমির সবুজায়ন
  4. ফলন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
ব্যাখ্যা
সবুজ বিপ্লব:

- বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উচ্চ ফলনশীল বীজ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, জলসেচ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় যার ফলস্বরূপ ফসলের উৎপাদন অত্যাধিক পরিমানে বৃদ্ধি পায়, যাকে সবুজ বিপ্লব বলে।
- সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোয়।
- সবুজ বিপ্লবের প্রধান ফসল হল গম ও ধান।
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরম্যান বোরলগ।
- তাই তাকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ USAID-এর পরিচালক উইলয়াম, এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ্ল­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

উৎস: Britannica.
১৮৮.
এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন-এর মৌলিক উপাদান -
  1. ক) প্রোটিন
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
ক) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
- প্রোটিন জীবদেহের একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ। 
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। আর অ্যামাইনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক।
-  প্রোটিন অণু বহু সংখ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি। প্রোটিন শব্দটি সর্বপ্রথম প্রয়োগ করেন জি. মুলার ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 

- প্রোটিন অসংখ্য অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত বৃহদাকার যৌগিক জৈব অণু। 
- একটি কোষের অভ্যন্তরে সারাক্ষণ শত শত প্রকার প্রোটিন তৈরি হয়।
- জীবদেহের প্রায় সর্বত্রই প্রোটিন বিরাজমান। জৈব ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এনজাইম, অ্যান্টিবডি, হরমোন। এগুলো , সবই প্রোটিন।
-  সব এনজাইম প্রোটিন কিন্তু সব প্রোটিন এনজাইম নয়।
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮৯.
এক্স-রের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার কোথায় দেখা যায়? 
  1. শিল্প ক্ষেত্রে
  2. চিকিৎসা ক্ষেত্রে
  3. গোয়েন্দা বিভাগে
  4. বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
এক্সরের ব্যবহার (Uses of X-ray): 
- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১। শিল্প ক্ষেত্রে: 
- এক্স-রে শিল্পে নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ধাতুর ঢালাইয়ের ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি শনাক্তকরণ, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান, এবং ঝালাইয়ের ত্রুটি নির্ণয় ইত্যাদি। 
- এছাড়া টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান পরীক্ষা এবং ক্ষতিকর বস্তু সনাক্তকরণেও এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

২। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্স-রের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। 
- এক্স-রের ভেদন ক্ষমতার মাধ্যমে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়, যা রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। 
- কোমল এক্স-রে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে, কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করতে পারে না। এর মাধ্যমে হাড়ের ফাঁটল, দুর্ঘটনায় প্রবেশ করা ধাতব বস্তু, পাকস্থলিতে পাথর, ফুসফুসের ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের আলসার ইত্যাদি নির্ণয় করা সম্ভব। 
- বর্তমান সময়ে ক্যান্সার চিকিৎসা এবং কিছু চর্মরোগ নিরাময়ে এক্স-রের ভূমিকা অপরিহার্য। 

৩। বৈজ্ঞানিক গবেষণায়: 
- এক্স-রে কেলাসের গঠন এবং অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- এটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং গবেষণার জন্য একটি অপরিহার্য সরঞ্জাম। 

৪। গোয়েন্দা বিভাগে: 
- এক্স-রে গোয়েন্দা বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। 
- এটি চোরাচালানী বা নিষিদ্ধ বস্তু, বিস্ফোরক, গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- এমনকি হত্যাকাণ্ডের তদন্তেও এক্স-রের ব্যবহার দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯০.
কোন সরল দোলককে পাহাড়ের উপরে নিয়ে গেলে কী ঘটবে?
  1. ক) দোলনকাল কমবে
  2. খ) দোলনকাল বাড়বে।
  3. গ) দোলনকাল একই থাকবে
  4. ঘ) দোলনকাল অর্ধেক হবে।
সঠিক উত্তর:
খ) দোলনকাল বাড়বে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দোলনকাল বাড়বে।
ব্যাখ্যা
একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, t= দোলনকাল, L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ), g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।
১৯১.
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কোন রক্ত কণিকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়? 
  1. প্লাজমা
  2. অনুচক্রিকা
  3. লোহিত কণিকা
  4. শ্বেত কণিকা
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
ব্যাখ্যা
এইডস: 
- AIDS হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 
অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে। 
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। 
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়। 
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 

AIDS এর বিস্তার: 
- বিভিন্ন উপায়ে এইডসের ভাইরাস একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। 
যেমন- 
• নারী পুরুষের অস্বাভাবিক ও অসামাজিক যৌন আচরণ, 
• সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার, 
• সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ, 
• সংক্রমিত মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী শিশু, 
• সেলুনে একই ব্লেড বা ক্ষুর বিভিন্ন জনে ব্যবহার করা, 
• দন্ত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা গ্রহণকারী ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯২.
হাইড্রোকার্বনকে কোন ধরনের রাসায়নিক যৌগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
  1. অজৈব যৌগ 
  2. লবণ 
  3. জৈব যৌগ 
  4. এসিড
সঠিক উত্তর:
জৈব যৌগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব যৌগ 
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোকার্বনকে জৈব যৌগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো গ) জৈব যৌগ। হাইড্রোকার্বন মূলত কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণু দিয়ে গঠিত রাসায়নিক যৌগ, যা জৈব রসায়নের মূল ভিত্তি। জীবদেহে উপস্থিত বিভিন্ন জৈব পদার্থ যেমন প্রোটিন, চর্বি ও শর্করার গঠনেও কার্বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল ও কেরোসিনের মতো জ্বালানিও হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ। কার্বনের বিশেষ বন্ধন ক্ষমতার কারণে এই যৌগগুলো নানা গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যা অজৈব যৌগ, লবণ বা এসিডের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
 
জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার। 

অজৈব যৌগ: 
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে। 
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৩.
সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ কোন খনিজ উপাদানের ভালো উৎস?
  1. আয়োডিন
  2. সোডিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম 
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
ব্যাখ্যা

খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৪.
নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
  1. ভাত
  2. মাছ
  3. দুধ
  4. ফল
সঠিক উত্তর:
দুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুধ
ব্যাখ্যা
- শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য দুধ অপরিহার্য। দুধ পুষ্টিকর খাদ্যসমূহের অন্যতম।
- পুষ্টিগুণের বিবেচনায় এটি আদর্শ খাদ্য। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ক্লোরিন) ও পানি খাদ্যের সকল উপাদানই দুধে বিদ্যমান।
- দুধের গড় উপাদানে আছে ৮৭.৬% পানি, ৩.৭% চর্বি, ৩.২% প্রোটিন, ৪.২% ল্যাকটোজ ও ০.৭২% খনিজ, ভিটামিন বি-১২ (২৬.১%)। 
- একশ মিলিলিটার দুধ থেকে ৬৫.৩ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
- এছাড়া দুধে আয়রনের পরিমাণ ০.২৭ মিলিগ্রাম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট, National Library of Medicine.
১৯৫.
আর্কিমিডিসের নীতি প্রযোজ্য-
  1. ক) কঠিন ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
  2. খ) তরল ও কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে
  3. গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের নীতিঃ
বস্তুকে কোন তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ডুবালে বস্তুটির ওজন কম মনে হয়। বস্তুটির উপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বচাপজনিত বল বস্তুর ওজনের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে, একে প্লবতা বলে। তাই, কোন কঠিন পদার্থকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবালে ওজন কম মনে হয় যার মূল কারণ প্লবতা। এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। আর্কিমিডিসের নীতি তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।।
১৯৬.
তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বিটা রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় কোন বলের কারণে?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. তড়িৎ চৌম্বক বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
দুর্বল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
দুর্বল নিউক্লিয় বল:
- যে স্বল্প পাল্লার ও স্বল্প মানের বল নিউক্লিয়াসের মধ্যে মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে অনেক নিউক্লিয়াসের অস্থিতিশীলতার উদ্ভব ঘটায় তাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলে।
- নিউক্লিয়াস থেকে বিটা কণিকা ক্ষয়ের জন্য এই মৌলিক বল ক্রিয়াশীল থাকে। 

• প্রকৃতিতে বেশ কিছু মৌলিক পদার্থ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যায় (যেমন ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি)।  
•  এই সমস্ত নিউক্লিয়াস থেকে তিন ধরনের কণিকা ও রশ্মি নির্গত হয় যাদেরকে আলফা কণিকা (a-particle), বিটা কণিকা (B-particle) এবং গামা রশ্মি (y-ray) বলা হয়।
•   β রশ্মির নির্গমনের সময় নিউক্লিয়াস থেকে একটি ইলেকট্রন এবং একটি অনাহিত কণা নিউট্রিনো (neutrino) নির্গত হয়।

•  দুর্বল নিউক্লিয় বল মহাকর্ষ বল অপেক্ষা শক্তিশালী কিন্তু তাড়িতচৌম্বক বল অপেক্ষা কম শক্তিশালী। এই বলের পাল্লা অত্যন্ত কম, যেখানে সৃষ্টি হয় সেখানেই শুধুমাত্র কার্যকর থাকে। এর পাল্লা 10-m।
• মাধ্যমিক ভেক্টর বোসন (Intermediate vector bosons) নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
টেলিফোনের উপাংশ নয় কোনটি?
  1. সুইচ
  2. মাইক্রোফোন
  3. ট্রানজিস্টার
  4. রিংগার
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টার
ব্যাখ্যা
টেলিফোন
- টেলিফোন মানুষের মুখের কথা তাত্ক্ষণিক প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- ১৮৭৫ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- টেলিফোনে পাঁচটি উপাংশ পাঁচটি। যথা- সুইচ, রিংগার, কী প্যাড, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার। 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে ডাটা ট্রান্সমিট করে।
-  ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।

- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। 
যথা- এনালগ ও ডিজিটাল। 
 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৮.
খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে কী বলে?
  1. পুষ্টি
  2. পরিপোষক
  3. মুখ্য উপাদান
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
পরিপোষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপোষক
ব্যাখ্যা
পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়ােজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পুরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা। পুষ্টির ইংরেজি প্রতিশব্দ Nutrition.
অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে পরিপোষক বা নিউট্রিয়েন্টস বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১৯৯.
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ-
  1. ক) রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
  2. খ) বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
  3. গ) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
  4. ঘ) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ, কুকারের ভেতরের পানি ফুটন্ত অবস্থায় বাষ্পে পরিণত হয়েই বাইরে আসতে পারে না।
ফলে উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। এতে বাড়তি তাপ সৃষ্টি হয়ে রান্না হয় তাড়াতাড়ি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বই।
২০০.
পরমাণুর অস্থায়ী মূল কণিকা নয় কোনটি?
  1. মেসন
  2. নিউট্রিনো
  3. অ্যান্টি নিউট্রিনো
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• নিউট্রন পরমাণুর অস্থায়ী মূল কণিকা নয় , এটি পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা। 

• পরমাণু ও পরমাণুর মূল কণিকা:
- পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি। এ সব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়।

• পরমাণুর মূল কণিকা তিন ধরনের।
যথা:
- স্থায়ী মূল কণিকা,
- অস্থায়ী মূল কণিকা,
- কম্পোজিট কণিকা।

•  স্থায়ী মূল কণিকা:
- যে সব মূল কণিকা স্থায়ীভাবে সকল মৌলের পরমাণুতেই উপস্থিত থাকে তাদেরকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে।
- উদাহরণ- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে।  এতে কোন নিউট্রন নেই।

• অস্থায়ী মূল কণিকা:
- যে সকল কণিকা কোনো কোনো মৌলের পরমাণুতে ক্ষণস্থায়ীভাবে অবস্থান করে তাকে অস্থায়ী মূল কণিকা(Temporary Core Particle) বলা হয়। 
- উদাহরণ- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন ইত্যাদি। 

• কম্পোজিট কণিকা (Composite particles):
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়।
- উদাহরণ- আলফা কণিকা, ডিউটেরন কণিকা। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।