বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৮ / ১৪০ · ৪,৭০১৪,৮০০ / ১৪,০৮০

৪,৭০১.
একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য পরিবর্তন না করে এর উপর প্রযুক্ত টান নয়গুণ করা হলে, তারের কম্পাঙ্কের কত পরিবর্তন হবে?
  1. ৮১ গুণ
  2. ১ গুণ
  3. ৩ গুণ
  4. ৯ গুণ
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুণ
ব্যাখ্যা
- কম্পমান তারের দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাঙ্ক (f), টানের(T) বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
- f ∝ √T
- অতএব, টান নয়গুণ করলে কম্পাঙ্ক তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। 

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০২.
বিজারকের ধর্ম -
  1. ক) ইলেকট্রন গ্রহণ
  2. খ) একই সাথে ইলেক্ট্রন গ্রহণ ও বর্জন
  3. গ) ইলেকট্রন বর্জন
  4. ঘ) প্রোটন গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন বর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন বর্জন
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na+Cl2=2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
এটি বিজারণ বিক্রিয়ার সাথে একইসাথে সংঘটিত হয়।
যেমন উপরের উদাহরণে একইসাথে ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক

Na -e→Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)

Cl+e→Cl (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৭০৩.
মৃততারা বলা হয় কোনটিকে?
  1. লোহিত বামন
  2. শ্বেত বামন
  3. কৃষ্ণ বামন
  4. নিউট্রন তারকা
সঠিক উত্তর:
শ্বেত বামন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত বামন
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামনকে মৃততারা বলা হয়।

শ্বেত বামন:

- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
- শ্বেত বামনের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয়, যা আমাদের মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সের চেয়েও বেশি।
- শ্বেত বামন এর জীবনকাল শেষে কৃষ্ণ বামনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
৪,৭০৪.
কোনটির নিয়ন্ত্রণহীন অস্বাভাবিক বিভাজনের ফলে টিউমার এমনকি ক্যান্সার রোগের সৃষ্টি হয়?
  1. ক) হ্রাসমূলক বিভাজন
  2. খ) সমীকরণিক বিভাজন
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন
সঠিক উত্তর:
খ) সমীকরণিক বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমীকরণিক বিভাজন
ব্যাখ্যা
উন্নত শ্রেণির প্রাণীর ও উদ্ভিদের দেহ কোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। এ প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয়ে সমআকৃতির সমগুণ সম্পন্ন ও সমসংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে। এ ধরনের বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমোজোম লম্বালম্বিভাবে দুভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দুটিতে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সমান থাকে। তাই মাইটোসিসকে ইকুয়েশনাল বা সমীকরণিক বিভাজনও বলা হয়। এটির নিয়ন্ত্রণহীন অস্বাভাবিক বিভাজনের ফলে টিউমার এমনকি ক্যান্সার রোগের সৃষ্টি হয়। সূত্রঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণি এবং জীববীজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৭০৫.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ডায়োড
  2. ক্যাপাসিটর
  3. অ্যামপ্লিফায়ার
  4. রেজিস্টার 
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। - এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামেও পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭০৬.
কোন ঘটনা থেকে শব্দ উৎপন্ন হয়?
  1. বস্তুর কম্পন
  2. বস্তুর প্রসারণ
  3. মাধ্যমের সংকোচন
  4. মাধ্যমের প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি।
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে।
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে কানে প্রবেশ করে।
- কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তাই শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
যেমন- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০৭.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ-
  1. ৮০ - ৮৫%
  2. ৮৫ - ৯০ %
  3. ৯০ - ৯২ %
  4. ৯৫ - ৯৯%
সঠিক উত্তর:
৯৫ - ৯৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ - ৯৯%
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas):
- সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসের বিভিন্ন উপাদানের অনুপাত তার প্রাকৃতিক উৎসের ভিত্তিতে ভিন্ন হয়ে থাকে।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (৪০%)।
- এছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন (7%), প্রোপেন (6%), বিউটেন ও আইসোবিউটেন (4%) এবং পেন্টেন (3%) থাকে।
- কিন্তু বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গেছে তাতে 95-99% মিথেন থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৪,৭০৮.
ডোপামিন হরমোনের স্বল্পতার কারণে কোন রোগটি হয়? 
  1. এপিলেপসি 
  2. পারকিনসন
  3. প্যারালাইসিস
  4. স্ট্রোক
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
ব্যাখ্যা
• পারকিনসন: 
- স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে।
- মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না।
- ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।
- এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়।
- তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক যুবতীদেরও হতে পারে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৭০৯.
নিম্নের কোনটি বিয়োজক?
  1. ছত্রাক
  2. পাখি
  3. পোকামাকড়
  4. ব্যাঙ
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
বায়োম: 
- ইকোসিস্টেম যখন বৃহৎ এলাকা নিয়ে গড়ে উঠে তখন তাকে বায়োম বলে। 
- নির্দিষ্ট পরিবেশ ও জলবায়ুর প্রভাবে বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীদের পারস্পরিক ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে গড়ে উঠা জীবমণ্ডলের বৃহৎ ভৌগোলিক এককই বায়োম। তাই বায়োম হচ্ছে জীবমণ্ডলের সর্ববৃহৎ একক। 
বাংলাদেশের বায়োম: 
- বাংলাদেশে পরিবেশের অজীব উপাদান (যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন গ্যাস ইত্যাদি), মাটির জৈব উপাদান (যেমন- মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ পচে সৃষ্ট ইউরিয়া ও হিউমাস, ভূপ্রকৃতি ও মাটি ইত্যাদি) এবং সজীব উপাদানের (যেমিন- উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক ইত্যাদি) প্রভাবে সেখানকার উদ্ভিদ ও প্রাণীদের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার ভিত্তিতে যে বাস্তুতন্ত্রের একক গড়ে উঠে তাকেই বাংলাদেশী বায়োম বলা হয়। 
- এতে উদ্ভিদ ও প্রাণীদের মধ্যে পুষ্টিচক্র সক্রিয় হয় অর্থাৎ শক্তির প্রবাহ অক্ষুণ্ণ থাকে। 
- বাংলাদেশের বায়োম দুই প্রকার। 
যথা-
(ক) বাংলাদেশের স্থলজ বায়োম: 
১। শস্যক্ষেত্রের বায়োম (Biome of Crops): 
- বাংলাদেশের শস্যক্ষেত্রের প্রধান উদ্ভিদ হচ্ছে ধান, পাট, ঘাস, আগাছা ইত্যাদি। 
- এখানে ইকোসিস্টেমের উৎপাদক হচ্ছে ঐ সকল উদ্ভিদসমূহ। 
- কীট-পতঙ্গ প্রথম স্তরের খাদক। 
- দ্বিতীয় স্তরের খাদক ব্যাঙ, পাখি, গরু, ছাগল, ভেড়া, মানুষ ইত্যাদি। 
- তৃতীয় স্তরের খাদক হলো সাপ ও শিকারী পাখি। 
এখানে, মাটিতে বিয়োজক সৃষ্টি হয় ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এবং কাক, শিয়াল ও পাখির গলিত মৃতদেহের সমন্বয়ে। 

২। বনভূমির বায়োম (Biome of Forest): 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় যেসব বনভূমি রয়েছে তাদের বায়োম প্রায় একই প্রকার। 
- তবে খাদ্য শৃঙ্খলে বিভিন্ন স্তরের উৎসগুলো এক প্রকার নয়। এখানে উৎপাদক হচ্ছে তৃণ, গুল্ম, ঘাস, গাছপালা ইত্যাদি। 
- আর প্রথম স্তরের খাদক বানর, হরিণ, বাদুড়, হাতি নানা ধরনে পোকামাকড় ইত্যাদি। 
- দ্বিতীয় স্তরের খাদ্য হচ্ছে- পাখি, ফড়িং, ব্যাঙ, বাঘ। 
- তৃতীয় স্তরের খাদক হচ্ছে- বেজি, সাপ, চিল প্রভৃতি। 
- বনভূমির গাছের পাতা, বিভিন্ন মৃত প্রাণীদের দেহ মাটিতে পঁচে গিয়ে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাকের প্রভাবে বিয়োজক সৃষ্টি হয়, পরিশেষে পুষ্টিচক্র সক্রিয় থাকে। 
- বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে বনভূমির বায়োমকে কতিপয় বায়োম-এ ভাগ করা যায়। 
যেমন- (১) সুন্দর বনের বায়োম, (২) মধুপুর অরণ্যের বায়োম (৩) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বায়োম এবং (৪) সিলেট অঞ্চলের বনভূমির বায়োম। 

(খ) বাংলাদেশের জলজ বায়োম: 
- বাংলাদেশের জলজ বায়োম আবার দুই প্রকার। 
যথা- স্বাদু পানির বায়োম এবং লবণাক্ত পানির বায়োম। 
- বাংলাদেশের হাওড়, বাঁওড়, বিল প্রভৃতি এলাকার বায়োমকে স্বাদু পানির বায়োম বলা হয়। 
যেমিন- নেত্রকোনা এবং কিশোরগঞ্জের হাওড়, দক্ষিণ-পশ্চিমা অঞ্চলের বাঁওড়, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জের বিল প্রভৃতি বাংলাদেশের স্বাদু পানির বায়োমের উদাহরণ। 
- বাংলাদেশের উপকূলীয় সাগর ও মহাসাগরের লবণাক্ত পানির বায়োমকে লবণাক্ত পানির বায়োম বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৪,৭১০.
ফোটন কণা কোন ধরনের বল বহন করে? 
  1. তড়িৎ বল
  2. চৌম্বক বল
  3. তড়িৎচৌম্বক বল
  4. মাধ্যাকর্ষণ বল
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক বল
ব্যাখ্যা
ফোটন: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১১.
বৈদ্যুতিক উপায়ে, AC কে DC তে রূপান্তর করে একমুখীকরণ করতে কোন মেশিন ব্যবহার করা হয়?
  1. ট্রান্সফর্মার
  2. রেকটিফায়ার
  3. ডায়নামো
  4. মোটর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
• রেকটিফায়ার:
- যে সার্কিট অলটারনেটিং বা AC কারন্টকে ডাইরেক্ট বা DC কারেন্টে রূপান্তর করে তা রেকটিফায়ার।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
- এটি মূলত AC কারেন্টকে পালসেটিং DC তে রূপান্তর করে।
- অধিকাংশ ইলেকট্রিক সার্কিট লো- ভোল্টেজ এবং লো-ডি.সি. কারেন্টে চলে।
- এই বিপুল পরিমাণ পাওয়ারের চাহিদা মেটাতে সেল ব্যবহার সাশ্রয়ী নয়।
- তাই এ.সি. কে প্রয়োজনীয় মানে কমিয়ে ডি.সি. তে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়।

• রেকটিফায়ার সার্কিটের প্রকারভেদ:
১. হাফ ওয়েভ রেকটিফায়ার (Half Wave Rectifier)
২. ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Full Wave Rectifier)
৩. সেন্টার ট্যাপ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Center Tape Full Wave Rectifier)
৪.ব্রীজ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Bridge Full Wave Rectifier)।

উৎস:
১. পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. www.eeebangla.com.
৪,৭১২.
এসিডীয় দ্রবণের pH কত?
  1. pH = 7
  2. pH > 7
  3. pH < 7
  4. pH < -7
সঠিক উত্তর:
pH < 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pH < 7
ব্যাখ্যা

কোনো দ্রবনের pH = 7 তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি
কোনো দ্রবনের pH < 7 তা এসিডীয় দ্রবণ হবে
কোনো দ্রবনের pH > 7 তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে।
[উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণি বিজ্ঞান ,পৃষ্ঠা -১৪৫]

৪,৭১৩.
মুক্তা হলো ঝিনুকের-
  1. খোলসের টুকরা
  2. প্রদাহের ফল
  3. চোখের মণি
  4. জমাট হরমোন
সঠিক উত্তর:
প্রদাহের ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদাহের ফল
ব্যাখ্যা
ঝিনুকের খোলসের ভিতরে কোনো শক্ত বস্তু প্রবেশ করলে ঐ স্থানে প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং ঐ বস্তুকে জড়িয়ে ঝিনুকের শরীর থেকে এক ধরনের পদার্থ নির্গত হয়। যা পরে মুক্তায় রূপ নেয়। তাই বলা যায় মুক্তা হলো ঝিনুকের প্রদাহের ফল।

উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৭১৪.
What type of vitamin is vitamin B2 known for its solubility?
  1. Fat-soluble
  2. Water-soluble
  3. Oil-soluble
  4. Protein-soluble
  5. Alcohol-soluble
সঠিক উত্তর:
Water-soluble
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Water-soluble
ব্যাখ্যা
খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: 
- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিনের পরিমাণ খুব কম হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য ভিটামিন আবশ্যক। 
- ভিটামিনকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও 
(খ) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। 

চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
• ভিটামিন এ, 
• ভিটামিন ডি, 
• ভিটামিন ই এবং 
• ভিটামিন কে। 

পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
• ভিটামিন বি২ কমপ্লেক্স এবং 
• ভিটামিন সি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৫.
Motor এর equation-
  1. V = Eb - IaRa
  2. V = Eb + IaRa
  3. Eb = IaRa - V
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
V = Eb + IaRa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = Eb + IaRa
ব্যাখ্যা

মোটরের সূত্র
Eb = V - IaRa
⇒ V = Eb + IaRa

এখানে, Eb = back EMF
V = terminal voltage
Ia = armature current
Ra = armature resistance

৪,৭১৬.
পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কোথায়?
  1. ক) মূল মধ্যরেখায়
  2. খ) নিরক্ষরেখায়
  3. গ) উপক্রান্তীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) মেরুবৃত্তে
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে নিয়ত আবর্তনশীল। পৃথিবীর এই আবর্তনের গতি আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।

- পৃথিবীর সর্বত্র আহ্নিক গতি সমান নয়। নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে আবর্তন গতিও সবচেয়ে বেশি যা প্রায় ১,৭০০ কিলোমিটার।

- নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তন বেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ঢাকায় পৃথিবীর আর্বতন বেগ ১,৬০০ কিলোমিটার।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৭১৭.
তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীতে কোন রশ্মির শক্তি সবচেয়ে বেশি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. অতিবেগুনী রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4.  রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর মধ্যে গামা রশ্মি-এর শক্তি সবচেয়ে বেশি।

তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালী এবং শক্তির সম্পর্ক:
-
তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালী হলো বিভিন্ন ধরনের বিকিরণের একটি বিন্যাস, যা তাদের কম্পাঙ্ক (frequency), তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) এবং শক্তির (energy) ভিত্তিতে সাজানো হয়। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য পরস্পর সম্পর্কিত।
- শক্তির সাথে কম্পাঙ্কের সম্পর্ক হলো সমানুপাতিক (E ∝ ν) এবং শক্তির সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক হলো ব্যস্তানুপাতিক (E ∝ 1/λ)। 
- যে রশ্মির কম্পাঙ্ক যত বেশি, তার শক্তিও তত বেশি।
- যে রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার শক্তিও তত বেশি।
- তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীতে যে রশ্মিগুলোর কম্পাঙ্ক সর্বোচ্চ এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন, সেগুলোর শক্তিও সর্বোচ্চ হবে।

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি):
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোনো কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ।
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে।
- তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর মধ্যে গামা রশ্মির কম্পাঙ্ক সর্বোচ্চ এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন, তাই এর শক্তিও সবচেয়ে বেশি।
- এই রশ্মিগুলো এতটাই শক্তিশালী যে এদের ভেদন ক্ষমতা (penetrating power) অত্যন্ত বেশি এবং এরা জীবন্ত কোষের ডিএনএ-এর ক্ষতি করতে পারে। 
- এই কারণে, ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য রেডিয়েশন থেরাপিতে এগুলো ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
- রঞ্জন রশ্মি (X-rays): গামা রশ্মির ঠিক পরেই এদের অবস্থান। এদেরও উচ্চ শক্তি এবং ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য রয়েছে, যা শরীরের নরম টিস্যু ভেদ করে হাড়ের ছবি তুলতে সক্ষম। যদিও এদের শক্তি অনেক বেশি, এটি গামা রশ্মির চেয়ে কম।
- অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet rays): রঞ্জন রশ্মির চেয়ে কম শক্তি সম্পন্ন এবং দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি শক্তি সম্পন্ন। সূর্যের আলোয় এটি থাকে এবং এর অতিরিক্ত সংস্পর্শে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
- মাইক্রোওয়েভ (Microwaves): বর্ণালীর সর্বনিম্ন শক্তির দিকে এদের অবস্থান। এদের শক্তি অতিবেগুনী রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মির চেয়ে অনেক কম। এগুলো সাধারণত মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করতে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় (যেমন: ওয়াইফাই) ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১। উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী ও নাগ। 
২। ব্রিটানিকা।

৪,৭১৮.
পৃথিবী থেকে নক্ষত্রের দূরত্ব মাপার একক কী?
  1. কিলোমিটার 
  2. মাইল 
  3. আলোক বর্ষ
  4. নটিক্যাল মাইল 
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা

- মহাকাশের বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য আলোক বর্ষ ব্যবহৃত হয়। এটি সময়ের একক নয়, বরং দূরত্বের একক। এক আলোক বর্ষ হলো এক বছরে শূন্য মাধ্যমে আলো যে দূরত্ব অতিক্রম করে। নক্ষত্রগুলো পৃথিবী থেকে এতটাই দূরে যে কিলোমিটার বা মাইলে সেই দূরত্ব প্রকাশ করা হলে সংখ্যাটি অনেক বড় হয়ে যায়, তাই আলোক বর্ষ ব্যবহার করা সুবিধাজনক। 

নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭১৯.
'এটম' শব্দটির প্রবক্তা কে?
  1. জন ডাল্টন
  2. প্লেটো
  3. অ্যারিস্টটল
  4. ডেমোক্রিটাস
সঠিক উত্তর:
ডেমোক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেমোক্রিটাস
ব্যাখ্যা

পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকগণ নানারকম মতবাদ ব্যক্ত করেছেন। গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হিসাবে মতবাদ পোষণ করেন। তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক শব্দ এটোমোস থেকে যার অর্থ হলো অবিভাজ্য।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৪,৭২০.
দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক কে?
  1. লুই পাস্তুর
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. এরিস্টটল
  4. থিও ফ্রাস্টাস
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
• 1758 সালে ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রাণীর দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তন করেন।

• দ্বিপদ নামকরণ:

- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।

• নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দু'টি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতিক পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে হবে। হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দু'অংশে দু'টি টানা দাগ দিতে হবে; যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.
৬. দ্বিপদ নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম উল্লেখ করতে হয়, যেমন- Mangifera indica L., L. হলো লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ। এ নামটি লিনিয়াস দিয়েছিলেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২১.
পরিবেশ বান্ধব শক্তি কোনটি? 
  1. কয়লা
  2. সৌর শক্তি
  3. নিউক্লিয় শক্তি
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
- পরিবেশ বান্ধব শক্তি - সৌর শক্তি। 

শক্তি: 
- শক্তির উৎস হচ্ছে দুইটি। 
যথা - 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা হয়। 
- এই শক্তি পরিবেশ বান্ধব। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম অনবায়নযোগ্য শক্তির উপর নির্ভরশীল। 
- প্রতি বছর জাতীয় রাজস্বের একটি বড় বরাদ্দ শক্তি আমদানীর পিছনে ব্যয় হয়। 
- বাংলাদেশে সীমিত পরিমান অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস আছে। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২২.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের ক্ষেত্রে সত্য কোনটি?
  1. বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  2. আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  3. রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  4. বিদ্যুৎ শক্তি থেকে আলোক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৩.
Cycas উদ্ভিদের পরাগায়ন কিসের মাধ্যমে ঘটে? 
  1. দেহ-অঙ্গের মাধ্যমে
  2. বাতাসের মাধ্যমে
  3. স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে
  4. কীট-পতঙ্গের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বাতাসের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
নগ্নবীজী উদ্ভিদ বা জিমনোস্পার্ম (Gymnosperms): 
- বীজ উৎপাদনকারী ভাস্কুলার উদ্ভিদ গোষ্ঠীকে বলা হয় সবীজ উদ্ভিদ বা স্পার্মাটোফাইটা (Spermatophyta)। 
- এ গোষ্ঠীটি দুটি উপগোষ্ঠীতে বিভক্ত। যথা-ব্যক্তবীজী বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperms) এবং গুপ্তবীজী বা আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Angiosperms)। 
- Gymnosperm উদ্ভিদের বাংলা প্রতিশব্দ করা হয়েছে নগ্নবীজী উদ্ভিদ। 
- জিমনোস্পার্ম শব্দের অর্থ হলো naked seed বা নগ্নবীজী। 
- উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক থিওফ্রাস্টাস তাঁর Enquiry into Plants নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম Gymnosperm শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- যেসব সবীজী উদ্ভিদে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না এবং বীজ নগ্ন অবস্থায় জন্মে তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে। 
- বাংলাদেশে প্রায় ৪০০০ প্রজাতির আবৃতবীজী উদ্ভিদ থাকলেও মাত্র কয়েক প্রজাতির নগ্নবীজী উদ্ভিদ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে থাকে। 
যেমন- 
• Cycas pectinata যা চট্টগ্রামের বাড়িয়াডালা পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়; 
• Podocarpus neriifolius, বাংলাদেশে এটি বাঁশপাতা নামে পরিচিত এবং চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট বনাঞ্চলে এখনো পাওয়া যায় এবং 
• Gnetum নামক একটি কাষ্ঠল লতানো উদ্ভিদ যা সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন বনে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে Gnetum (নিটাম) এর ২/৩টি প্রজাতি আছে বলে ধারণা করা হয়। 

Cycas (সাইকাস): 
- Cycas উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য- 
১। Cycas উদ্ভিদ স্পোরোফাইট। দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
২। উদ্ভিদ খাড়া পাম জাতীয়। 
৩। পাতা বৃহৎ, পক্ষল যৌগিক, কাণ্ডের মাথার দিকে সর্পিলাকারে সজ্জিত। 
৪। কচি পাতার ভার্নেশন সারসিনেট (কুগুলিত)। 
৫। পাতায় ট্রান্সফিউশন টিস্যু বিদ্যমান। 
৬। গৌন অস্থানিক কোরালয়েড মূল বিদ্যমান। 
৭। গর্ভাশয় না থাকায় এদের ফল সৃষ্টি হয় না, বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
৮। পুংরেণুপত্রগুলো একত্রিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে কিন্তু স্ত্রীরেণুপত্র সত্যিকার স্ট্রোবিলাস গঠন করে না। 
১। হেটারোস্পোরিক অর্থাৎ যৌন জননে মেগা ও মাইক্রোস্পোর সৃষ্টি হয়। 
১০। Cycas উদ্ভিদে বাতাসের মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটে। 
১১। Cycas-এর শুক্রাণু উদ্ভিদকূলে সর্ববৃহৎ, লাটিমের মতো, সচল ও বহু ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৪,৭২৪.
হিউম্যান প্যাপিলোমা কী ?
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) অণুজীব
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• হিউম্যান প্যাপিলোমা একধরনের ভাইরাস।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (Human papillomavirus-HPV): হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস Papovaviridae ফ্যামেলি অন্তর্গত ভাইরাসগুলোর একটি উপগোষ্ঠী যা মানুষকে সংক্রামিত করে।
- এর ফলে আঁচিল এবং টিউমারের পাশাপাশি যৌনাঙ্গের ক্যান্সার হয়।
- বিশেষ করে মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৭২৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. প্লেগ
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. পীতজ্বর
  4. জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
ব্যাখ্যা


তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৬.
ভূগর্ভে চাপাপড়া উদ্ভিদের কয়লায় রূপান্তরের প্রাথমিক রূপ কোনটি?
  1. পিট কয়লা
  2. লিগনাইট কয়লা
  3. বিটুমিনাস কয়লা
  4. অ্যানথ্রাসাইট কয়লা
সঠিক উত্তর:
পিট কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিট কয়লা
ব্যাখ্যা
কয়লা (Coal): 
- প্রাকৃতিক কারণে গাছপালা ভূগর্ভে মাটির নিচে চাপা পড়ে। 
- দীর্ঘকাল যাবৎ অধিক চাপ ও তাপের প্রভাবে চাপাপড়া গাছপালার মধ্যে ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। 
- তখন স্তরীভূত ও কঠিন পদার্থরূপে পরিণত ঐ দহনযোগ্য জীবাশ্মকে কয়লা বলে। 
- ভূগর্ভে চাপাপড়া উদ্ভিদের কয়লায় রূপান্তরের প্রাথমিক রূপ হলো পিট কয়লা। 
- তারপর ধারাবাহিক রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে লিগনাইট কয়লা, বিটুমিনাস কয়লা ও শেষে উন্নত অ্যানথ্রাসাইট কয়লায় পরিণত হয়। 

বাংলাদেশের কয়লা ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলো কয়লা। 
- অনেক দেশে কয়লাকে black diamond বলা হয়। 
- বাংলাদেশের রাজশাহীর বগুড়া জেলার জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ি ও দীঘিপাড়া এবং রংপুর জেলার খালিসপুর ইত্যাদি পাঁচটি খনিতে উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা আছে। 
- সিলেট জেলায় উন্নতমানের বিটুমিনাস ও লিগনাইট কয়লার খনি আছে। 
- ফরিদপুরে বাঘিয়া ও চান্দাবিল, খুলনার কোলা বিল ও সিলেটে পীট (peat) জাতীয় নিম্নমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৪,৭২৭.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) কয়লা
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ু
ব্যাখ্যা
নবায়নযােগ্য শক্তি (Renewable Energy):
- যে জ্বালানি পুন: পুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, নদীর বহমান পানি, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

অনবায়নযােগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy):
অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

তথ্যসূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৮.
ইনসুলিন গঠনে মোট কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে? 
  1. ৪১ টি 
  2. ৪৮ টি 
  3. ৪৯ টি 
  4. ৫১ টি 
সঠিক উত্তর:
৫১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি 
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৯.
রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন:

- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩০.
কোন যন্ত্র লো ভোল্টেজকে হাই ভোল্টেজে রূপান্তর করে?
  1. জেনারেটর
  2. ডায়নামো
  3. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  4. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র।
- এটি পরিবর্তী প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলতঃ দুটি কুন্ডলী থাকে।
- কুন্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমাণ চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়।
- একটি কুন্ডলীতে পরিবর্তী প্রবাহ করলে অপর কুন্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ।
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। যথা:
 → স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও
 → স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।


figure: Step-up Transformer (image source: arrow.com)

 → স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: এটি লো ভোল্টেজকে হাই ভোল্টেজে রূপান্তর করে।
 → স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: এটি উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩১.
যকৃৎ থেকে নিঃসৃত রসের নাম কী?
  1. পাচক রস
  2. আন্ত্রিক রস
  3. পিত্তরস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিত্তরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিত্তরস
ব্যাখ্যা

• যকৃৎ (Liver):
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত। এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। এর রং লালচে খয়েরি।
যকৃতের ডান খণ্ডটি বাম খণ্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত। প্রতিটি খণ্ড ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোবিউল দিয়ে তৈরি। প্রত্যেকটি লোবিউলে অসংখ্য কোষ থাকে। এ কোষ পিত্তরস (bile) তৈরি করে।
- যকৃৎ পিত্তরস তৈরি করে। পিত্তরসের মধ্যে পানি, পিত্ত-লবণ, কোলেস্টেরল ও খনিজ লবণ প্রধান।
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণ সম্পন্ন। যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।
- যকৃতের নিচের অংশ পিত্তথলি বা পিত্তাশয় সংলগ্ন থাকে। এখানে পিত্তরস জমা হয়। পিত্তরস গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তরস ডিওডেনামে এসে পরোক্ষভাবে পরিপাকে অংশ নেয়। পিত্তরসে কোনো উৎসেচক বা এনজাইম থাকে না। 
- পিত্তরস খাদ্যের অম্লভাব প্রশমিত করে এবং ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই পরিবেশ খাদ্য পরিপাকের অনুকূল। কেননা আম্লিক পরিবেশে খাদ্য পরিপাক হয় না।
- পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে, যা লাইপেজ সহযোগে পরিপাকে সহায়তা করে।
- যকৃৎ উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজদেহে গ্লাইকোজেনরূপে সঞ্চয় করে রাখে।
- পিত্তথলি পিত্তনালির সাহায্যে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়। এটি যকৃৎ-অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

• গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি (Gastric glands):
গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি পাকস্থলীর প্রাচীরে থাকে। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস (ট্রিপসিন, লাইপেজ, অ্যামাইলেজ) গ্যাস্ট্রিক রস বা পাচক রস নামে পরিচিত।

• আন্ত্রিকগ্রন্থি (Intestinal glands):
ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীরে ভিলাইয়ে আন্ত্রিকগ্রন্থি থাকে। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসের নাম আন্ত্রিক রস।

উৎস: জীববিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৭৩২.
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প হলে সৃষ্টি হয়- 
  1. টর্নেডো 
  2. সুনামি 
  3. ঘূর্ণিঝড় 
  4. বন্যা 
সঠিক উত্তর:
সুনামি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭৩৩.
রাফেজ কী?
  1. এক ধরনের এন্টিবায়োটিক
  2. এক ধরনের প্রোটিন
  3. এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া
  4. খাদ্য আঁশ
সঠিক উত্তর:
খাদ্য আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য আঁশ
ব্যাখ্যা
• খাদ্য আঁশ (Fibre) বা রাফেজ:
- শস্যদানার বহিরাবরণ, সবজি, ফলের খোসা, শাঁস, বীজ এবং উদ্ভিদের ডাঁটা, মূল ও পাতায় যে আঁশ থাকে তাই রাফেজ বা খাদ্য আঁশ।
- এগুলো মূলত কোষপ্রাচীরের সেলুলোজ এবং লিগনিন।
- হাড় যেমন মানবদেহের কাঠামো তৈরি করে, সেলুলোজ এবং রাফেজ তেমনি উদ্ভিদের কাঠামো তৈরি করে।
- এগুলো জটিল শর্করা।
- গবাদিপশু, যেমন: গরু, ছাগল, মহিষ ইত্যাদি সেলুলোজ হজম করতে পারে।
- কিন্তু মানুষ এগুলো হজম করতে পারে না।
-রাফেজ পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
- রাফেজযুক্ত খাবার বিষাক্ত বর্জনীয় বস্তুকে খাদ্যনালি থেকে পরিশোষণ করে।
- ধারণা করা হয়, এরূপ খাবার খাদ্যনালির ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস করে।
- আঁশযুক্ত খাবার স্থূলতা হ্রাস, ক্ষুধাপ্রবণতা এবং চর্বি জমার প্রবণতা হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৩৪.
নিচের কোন উদ্ভিদ শাখা কলমের মাধ্যমে চাষ করা যায়?
  1. পটল
  2. ডালিয়া
  3. গোলাপ
  4. মিষ্টি আলু
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা
গোলাপ শাখা কলমের মাধ্যমে চাষ করা যায়।

• দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়।

• এটা আবার দু'ভাবে হয়।
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং
(খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন।

(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন:
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি।
- কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি।
- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যথা- পাঁথরকুচি।

(খ) কৃত্রিম অঙ্গজ জনন: এটি বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে। যথা-
১। শাখা কলম দ্বারা - কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে স্বাভাবিকভাবে নতুন উদ্ভিদ জন্মায় না কিন্তু উদ্ভিদের শাখা কেঁটে ভেজা মাটিতে রোপন করলে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যেমন- গোলাপ, চাঁপা, জবা ইত্যাদি।

২। গুটি কলমের মাধ্যমে - অনেক উদ্ভিদের শাখার চারপাশের বাকল ছাড়িয়ে নিয়ে তার চারদিকে সার ও গোবর মাটির প্রলেপ দিয়ে তার উপরে খড় বা চটের বস্তা বেঁধে রাখলে, উক্ত স্থানে শিকড় গজায় তখন শিকড়সহ শাখাটি মাতৃ উদ্ভিদ থেকে আলাদা করে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- গোলাপ, আম, লেবু, লিচু ইত্যাদি।

৩। দাবা কলমের দ্বারা - এক্ষেত্রে গাছের একটি শাখাকে মাটির সাথে আবদ্ধ করে প্রত্যেক দিন উক্ত স্থানে পানি দেয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যে মাটিতে আবদ্ধ শাখার পর্ব থেকে মূল গজায়। পরে মূলসহ শাখাটিকে কেটে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- চন্দ্রমল্লিকা, পুদিনা, লেবু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৫.
অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান কোনটি? 
  1. ট্রাকিয়া
  2. ট্রাকিড
  3. জাইলেম তন্তু
  4. জাইলেম প্যারেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
ব্যাখ্যা
ট্রাকিয়া বা ভেসেল: 
- ট্রাকিয়া বা ভেসেল অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান। 
- এর কোষগুলো সাধারণত মোটা ও খাটো। 
- এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং এদের প্রস্থ প্রাচীর বিলুপ্তির ফলে লম্বা ফাঁপা নলের ন্যায় গঠন তৈরি করে। 
- ভেসেল কোষের পরিপূর্ণতার সময় প্রোটোপ্লাজম বিনষ্ট হয়। তাই পরিণত অবস্থায় এরা মৃত কোষ। 
- এদের কোষ প্রাচীর লিগনিনযুক্ত এবং ট্রাকিডের ন্যায়। 
- এরাও বলয়াকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, মই আকার ও কৃপাকার হতে পারে। 

- নলাকার ট্রাকিয়ার গহ্বরের আকারের ভিত্তিতে ট্রাকিয়া দু'রকম। যথা- 
• প্রোটোজাইলেম ও 
• মেটাজাইলেম। 
- সরু ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা প্রথমে সৃষ্টি হয়) প্রোটোজাইলেম এবং মোটা ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা পরে সৃষ্টি হয়) মেটাজাইলেম বলা হয়। 
- প্রধানত অ্যানজিওস্পার্মে ট্রাকিয়া থাকে। 
- এরা মূল থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৬.
বায়োগ্যাসের কোন উপাদান জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) মিথেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন
ব্যাখ্যা
- বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসাবে বায়োগ্যাস একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
- বিভিন্ন পচনশীল জৈব পদার্থ বা বর্জ্যপদার্থ যেমন গোবর, হাঁস- মুরগীর মলমূত্র, গৃহস্থালীর বর্জ্য ইত্যাদি বাতাসের অনুপস্থিতিতে পচনের ফলে যে গ্যাস তৈরী হয় তাকে বায়োগ্যাস বলে।
- এ জাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন।

উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়।
৪,৭৩৭.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হল -
  1. ৭৫ ডেসিবেল
  2. ৯৫ ডেসিবেল
  3. ১০৫ ডেসিবেল
  4. ১২৫ ডেসিবেল
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডেসিবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডেসিবেল
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতানুসারে, 
- সাধারণত ৬০ ডিবি শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে বধির করে ফেলতে পারে এবং ১০০ ডিবি শব্দ সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে। 

বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, 
- যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আঁধা-ঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে। 
যেহেতু, ১০০ ডিবি অপশনে নেই সেহেতু অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে ১০৫ ডিবি নেয়া হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৭৩৮.
মৌচাকে কয় ধরনের মৌমাছি থাকে? 
  1. এক ধরনের 
  2. দুই ধরনের 
  3. তিন ধরনের 
  4. চার ধরনের 
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের 
ব্যাখ্যা

মৌমাছির জাত: 
- মৌমাছির কলোনিতে তিন জাতের মৌমাছি থাকে। 
যেমন- একটি রাণী, কয়েক হাজার কর্মী ও কয়েকশত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন লক্ষ করা যায়। 
- তিন ধরনের মৌমাছির দৈহিক গঠনে ভিন্নতা দেখা যায়, এদের এরূপ অবস্থাকে বহুরূপতা বলে। 

রাণী মৌমাছি গঠন: 
- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে অনেক বড়। 
- এদের উদর বেশ প্রশস্ত। 
- এদের ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্ত ক্রমশ সরু। 
- এ সরু প্রান্তে বাঁকানো হুল থাকে যা রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- এদের প্রোবোসিস ও রেণুখলি থাকে না, পদ ক্ষুদ্রাকৃতির, ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ, মোম ও মধু সৃষ্টি করতে পারে না, লালাগ্রন্থি নেই। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৩৯.
নিচের কোন শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা যায়?
  1. কয়লা 
  2. পানি
  3. গ্যাস
  4. তেল
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা

- জলবিদ্যুৎ অর্থাৎ পানির স্রোত একটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

শক্তির উৎস:
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসগুলো হচ্ছে- 
- সৌর শক্তি, 
- জলবিদ্যুৎ, 
- বায়ুশক্তি, 
- ভূতাপীয় শক্তি, 
- জোয়ার ভাটা ও 
- সমুদ্রের ঢেউ ইত্যাদি

অন্যদিকে, 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজদের পরিমাণ খুব বেশি নয়।
- পেট্রোলিয়াম, পারমাণবিক জ্বালানি এবং ফুয়েল সেল হলো অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৪০.
রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কোন তিনটি মৌলিক রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে?
  1. হলুদ, লাল ও নীল
  2. কালো, নীল ও সবুজ
  3. লাল, নীল ও সাদা
  4. লাল, নীল ও সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন: 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি মৌলিক রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৪১.
গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশে STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0° C
  2. 25° C
  3. - 298° C
  4. 298 K
সঠিক উত্তর:
0° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে। 
যেমন- 
(১) STP পদ্ধতি: 
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure. 
- STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol-1

(২) SATP পদ্ধতি: 
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure. 
- এ পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 25°C বা 298K ও চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, Vmθ = 24.789 Lmol-1

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৪,৭৪২.
লেজার রশ্মি কে কত সালে আবিষ্কার করেন?
  1. মাইম্যান, ১৯৬০
  2. রাদারফোর্ড, ১৯১৯
  3. বোর, ১৯৬৩
  4. হাইগ্যান, ১৯৬১
সঠিক উত্তর:
মাইম্যান, ১৯৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইম্যান, ১৯৬০
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।
১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৭৪৩.
মানুষের সুষুম্না স্নায়ু কয় জোড়া?
  1. ক) ১২
  2. খ) ৩১
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ১৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো স্নায়ুকোষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- মানুষের সুষুম্না স্নায়ু ৩১ জোড়া।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭৪৪.
টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে এটি সেরে যায়
  2. দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
  3. শরীর অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
ব্যাখ্যা

• বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস (Diabetes): 
- ইনসুলিন একটি হরমোন, এটি অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে, এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে গ্লুকোজ নির্গত হয়। এ অবস্থাকে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (সংক্ষেপে: ডায়াবেটিস) বলে। 
- ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের। যথা- টাইপ-1 এবং টাইপ-2। 
- টাইপ-১ ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী অটো-ইমিউন অবস্থা। এই রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী বিটা কোষগুলোকে (Beta cells) আক্রমণ করে ধ্বংস করে ফেলে যার ফলে অগ্ন্যাশয় শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা একেবারেই সামান্য তৈরি করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যধিক বেড়ে যায়। 
- টাইপ-1 এ আক্রান্ত রোগীর দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাই নিয়মিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়। 
- অন্যদিকে টাইপ-2 রোগীর দেহে আংশিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ, অগ্ন্যাশয় কোষকে শরীরের জন্য পরিমিত ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসেও কোনো না কোনো পর্যায়ে ইনসুলিনের স্থায়ী ঘাটতি হয়ে যেতে পারে কিংবা বিভিন্ন অসুখ বা চিকিৎসাপদ্ধতির অংশ হিসেবে সেই সব ঔষধ বন্ধ রাখতে হতে পারে, তখন ইনসুলিন ছাড়া উপায় থাকে না। এ রোগটি সাধারণত বংশগতি এবং পরিবেশের প্রভাবে হয়ে থাকে। 

- এই বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ নয়।
- রক্ত ও প্রস্রাবে গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাণের চেয়ে বেড়ে গেলে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। 
- লক্ষণগুলো হলো ঘন-ঘন প্রস্রাব হওয়া, অধিক পিপাসা লাগা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, পর্যাপ্ত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও দেহের ওজন কমতে থাকা, দুর্বল বোধ করা, চোখে কম দেখা, চামড়া খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, ক্ষতস্থান সহজে না শুকানো ইত্যাদি। 
- পূর্বে ধারণা করা হতো কেবল বয়স্কদের এ রোগটি হয়। এ ধারণাটি সঠিক নয়। ছোট-বড় সব বয়সে এ রোগ হতে পারে। তবে যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না, দিনের বেশির ভাগ সময় বসে কাজ করেন অথবা অলস জীবন যাপন করেন, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। 
- তাছাড়া স্থূলকায় ব্যক্তিদের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। যেহেতু এ রোগ বংশগত, তাই কোনো ব্যক্তির বাবা, মা, দাদা, দাদির এ রোগ থাকলে তার এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি। 
- বংশগতভাবে অনেক শিশুর দেহে ইনসুলিন উৎপাদন কম হয়, ফলে শিশুটি ইনসুলিন ঘাটতিজনিত অসুস্থতায় ভুগতে থাকে।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৪৫.
রক্তে রক্তরসের পরিমান কত?
  1. ৪৫%
  2. ৫৫%
  3. ৬৫%
  4. ৩৫%
সঠিক উত্তর:
৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫%
ব্যাখ্যা
রক্তের উপাদান:
- মানব দেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে।
- নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা বলে।
- রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৪৬.
সম্পূর্ণ ঘর আলোকিত হয় নিচের কোনটির কারণে?
  1. ক) নিয়মিত প্রতিফলন 
  2. খ) ব্যাপ্ত প্রতিফলন
  3. গ) প্রতিসরণ 
  4. ঘ) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাপ্ত প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাপ্ত প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
ব্যাপ্ত প্রতিফলন
যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোন পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর অসমান্তরাল হয় বা অভিসারী বা অপসারীগুচ্ছে পরিণত না হয় তবে আলোর সেই প্রতিফলনকে ব্যাপ্ত বা বিক্ষিপ্ত বা অনিয়মিত প্রতিফলন বলে।  

প্রশ্নে উল্লেখিত সম্পূর্ণ ঘর আলোকিত হয় ব্যাপ্ত প্রতিফলন এর মাধ্যমে।

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
৪,৭৪৭.
এক নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে কী বলা হয়? 
  1. পরম আর্দ্রতা
  2. বায়বীয় আর্দ্রতা
  3. গ্যাসীয় আর্দ্রতা
  4. আপেক্ষিক আর্দ্রতা
সঠিক উত্তর:
পরম আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরম আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৪৮.
ভূত্বকের গড় গভীরতা কত কিলোমিটার?
  1. ক) ০৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২০ কি.মি.
  4. ঘ) ৩৫ কি.মি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ‘ভূত্বক’ নামে পরিচিত।
- ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।
- মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা ‘সিয়াল’ (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
- মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা ‘সিমা’ (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৭৪৯.
জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান কোনটি?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. পটাশিয়াম
  3. নাইট্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
যেমন- 
ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 

পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদে পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষ বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 
- জীবকোষের DNA, RNA প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭৫০.
আর্কিমিডিসের জন্মস্থান-
  1. সিসিলি
  2. বার্সিলোনা
  3. ইস্তাম্বুল
  4. টরেন্টো
সঠিক উত্তর:
সিসিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসিলি
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও দার্শনিক আর্কিমিডিস আনুমানিক ২৮৭ খৃস্টপূর্বাব্দে তৎকালীন বৃহত্তর গ্রিসের উপনিবেশ সিসিলি দ্বীপের সিরাকিউজ নামের বন্দর নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। 

আর্কিমিডিসের নীতি: 
- বস্তুকে কোন তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে ডুবালে বস্তুটির ওজন কম মনে হয়।
- বস্তুটির উপর ক্রিয়াশীল ঊর্ধ্ব চাপজনিত বল বস্তুর ওজনের বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে, একে প্লবতা বলে। 
- তাই কোন কঠিন পদার্থকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবালে ওজন কম মনে হয় যার মূল কারণ প্লবতা। এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। আর্কিমিডিসের নীতি তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৪,৭৫১.
সরল দোলকের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধীরে চলে।
  2. শীতকালে দোলকঘড়ি ধীরে চলে।
  3. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে।
  4. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে।
সঠিক উত্তর:
শীতকালে দোলকঘড়ি ধীরে চলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতকালে দোলকঘড়ি ধীরে চলে।
ব্যাখ্যা
একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, T = দোলনকাল, L = কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ), g = অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধীরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।
৪,৭৫২.
কোনটি NaCl এর ব্যবহার নয়-
  1. বেকিং সোডা প্রস্তুতি
  2. সোডিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড তৈরি
  3. খাবার স্যালাইন তৈরি
  4. ব্লিচিং পাউডার তৈরি
সঠিক উত্তর:
ব্লিচিং পাউডার তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লিচিং পাউডার তৈরি
ব্যাখ্যা
NaCl এর ব্যবহার:
- NaCl অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়।
যেমন:
- ভাত-এর সাথে আমরা তরকারি খাই। তরকারিতে NaCl লবণ না দিলে তরকারি সুস্বাদু হয় না।
- শিল্পকারখানায় NaOH যৌগ প্রস্তুত করার জন্য NaCl ব্যবহৃত হয়।
- ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা পূরণের জন্য ওষুধ শিল্পে স্যালাইনের মধ্যে NaCl প্রয়োজন হয়।
- বেকিং সোডা তৈরিতে NaCl ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- 40°C তাপমাত্রায় কঠিন ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মধ্যে ক্লোরিন গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার, Ca(OCl)Cl উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৭৫৩.
মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় -
  1. ক) শব্দশক্তি
  2. খ) তড়িৎশক্তি
  3. গ) আলোকশক্তি
  4. ঘ) চৌম্বকশক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) তড়িৎশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তড়িৎশক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
৪,৭৫৪.
আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
  1. গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
  2. গাছপালা O₂ ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
  3. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
  4. ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়
সঠিক উত্তর:
গাছপালা O₂ ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছপালা O₂ ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

উল্লেখ্য যে,
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৫৫.
আলোক নিরপেক্ষ দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. তামাক
  2. আফিম
  3. আউশ ধান
  4. সয়াবিন
সঠিক উত্তর:
আউশ ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউশ ধান
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়। 
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 

১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 

২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়। 
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 

৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৭৫৬.
নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. তামাক
  2. সয়াবিন
  3. আফিম
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
দিবালোকের দীর্ঘতা ভিত্তিক পুষ্পক উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ: 
- সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান থাকে না, কখনও দিন ছোট ও রাত বড় আবার কখনও দিন বড় ও রাত ছোট থাকে। 
- দিবাকালের দীর্ঘতার উপর ভিত্তি করে পুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
যথা- 
ছোট দিনের উদ্ভিদ: 
- দিনের দৈর্ঘ্য কম হলে যেসব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় ছোট দিনের উদ্ভিদ। 
- দিন ছোট হলে রাত বড় হয় তথা অন্ধকার কাল বেশি থাকে। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, তামাক, শিম, রোপা আমন, পাট ইত্যাদি ছোট দিনের উদ্ভিদ।

বড় দিনের উদ্ভিদ: 
- রাতের অন্ধকারের চেয়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হলে যে সব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় বড়দিনের উদ্ভিদ। 
- উদ্ভিদের বিভিন্নতায় দিনের এ দৈর্ঘ্যকাল ১৪-১৮ ঘন্টা হতে পারে। 
যেমন- পালংশাক, লেটুস, আফিম, ভুট্টা, যব, ঝিঙা ইত্যাদি বড় দিনের উদ্ভিদ। 

নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদের ফুল ধারণের উপর দিন রাতের তুলনামূলক দৈর্ঘ্যের কোন প্রভাব নাই এরাই নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ। 
- প্রয়োজনীয় দৈহিক বৃদ্ধি হলেই এদের ফুল ধরে। 
- এদেরকে বছরের বিভিন্ন সময়ে জন্মানো যায়। 
যেমন- টমেটো, শশা, কার্পাস, সূর্যমুখী, আউশ ধান ইত্যাদি নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৫৭.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় সালোকসংশ্লেষণের আলোচনা হয়?
  1. ক) হিস্টোলজি
  2. খ) কোষবিদ্যা
  3. গ) শারীরবিদ্যা
  4. ঘ) এন্ডোক্রাইনোলজি
সঠিক উত্তর:
গ) শারীরবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শারীরবিদ্যা
ব্যাখ্যা
শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈব রাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালােকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলােচিত হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়।
হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলােচনা করা হয়।
এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): এ শাখায় জীবদেহের হরমোনের কার্যকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৫৮.
কোন প্রকার বায়ু চাপবলয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. নিয়ত বায়ু
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. সাময়িক বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বায়ু: 
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার। 
- যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু, মেরু বায়ু। 
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে। 
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে। 
- মেরু বায়ু প্রবাহিত হয় মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৫৯.
কোন এনজাইম দ্বারা প্লাজমিডের নির্দিষ্ট অংশ কাটা হয়?
  1. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  2. এমাইলেজ এনজাইম
  3. প্রোটিয়েজ এনজাইম
  4. কাটিং এনজাইম
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
• রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ:
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো-
-  প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ,
- বাহক নির্বাচন,
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন,
- ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং
-পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন।

• প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন:
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে।
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়।
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে।
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে।
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৬০.
এন্টাসিড ঔষধে মূলত কোনটি থাকে?
  1. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. সোডিয়াম অক্সাইড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
এন্টাসিড ঔষধ:
- এন্টাসিড ঔষধ হলো মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Mg(OH)2] যা সাসপেনশান ও ট্যাবলেট দুভাবেই পাওয়া যায়।
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Mg(OH)2] এর সাসপেনশান মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া (Milk of Magnesia) নামেই অধিক পরিচিত।
- কখনো কখনো এন্টাসিডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডও [Al(OH)3] থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৭৬১.
লসিকায় কোন রক্তকণিকা উপস্থিত? 
  1. অণুচক্রিকা 
  2. শ্বেত রক্তকণিকা 
  3. লোহিত রক্তকণিকা 
  4. লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকা উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকণিকা 
ব্যাখ্যা

লসিকাতন্ত্র: 
- মানব দেহে রক্ত একটি অন্যতম পরিবহন মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন কোষ কলায় পৌঁছে এবং বিভিন্ন বিপাকীয় পদার্থ রেচনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গে বাহিত হয়। 
- অন্যদিকে দেহের সমস্ত কলা রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। 
- রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালির প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে লসিকা (Lymph) বলে। 
- কৈশিক জালিকা ছাড়াও কিছু পরিমাণ কলারস এক ধরনের বদ্ধ নালি দিয়ে গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে আসে। এ সব নালিকে “লসিকা নালি” বলে। 
- অতএব লসিকা, লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি সমন্বয়ে গঠিত অন্ত্রকে “লসিকাতন্ত্র” বলে। 

লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- লসিকায় লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৬২.
আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে-
  1. অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  2. অক্সিজেনে ও রক্তের আমিষ
  3. ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
  4. এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহে সকল কাজের জন্য অক্সিজেন দরকার। 
- অক্সিজেন না হলে জীবকোষ বাঁচতে পারে না। 
- রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। 
- অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে প্রতিটি কোষে বহন করে। 
- দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৭৬৩.
সলিনয়েডের মধ্যে এক খন্ড লৌহ স্থাপন করলে তা -
  1. ক) তড়িৎ আধারে পরিণত হয়
  2. খ) ইলেক্ট্রন নির্গত করে
  3. গ) ইস্পাতে পরিণত হয়
  4. ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সলিনয়েডের মধ্যে এক খন্ড লৌহ স্থাপন করলে তা তড়িৎ চুম্বকে পরিণত হয়।

একটি লম্বা অন্তরীত পরিবাহী তারকে স্প্রিং-এর মতাে বহুপাকে ঘন সন্নিবিষ্ট করে সাজিয়ে বা কয়েল তৈরি করে তা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে একটি দন্ড চুম্বকের ন্যায় চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এরকম কুন্ডলীকে সলিনয়েড বলে।

যতক্ষণ পর্যন্ত তড়িৎ প্রবাহ চলবে ততক্ষণ পর্যন্ত লোহার দন্ডটি শক্তিশালী চুম্বক হিসাবে কাজ করবে। কিন্তু তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করলে এর চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হবে। স্পষ্টত:ই এটি অস্থায়ী চুম্বক। এ ধরনের চুম্বককে তড়িৎচুম্বক বলা হয়। সিলিন্ডারের মধ্যে কাঁটা লোহার পরিবর্তে ইস্পাতের দণ্ড ব্যবহার করলে সেটি স্থায়ী চুম্বকে পরিণত হবে।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৭৬৪.
১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে তাপকে অণুগুলোর গতির ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. কাউন্ট রামফোর্ড
  2. জে. জে. থমসন
  3. হেনরি বেকেরেল
  4. মাদাম কুরি
সঠিক উত্তর:
কাউন্ট রামফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউন্ট রামফোর্ড
ব্যাখ্যা

• কাউন্ট রামফোর্ড ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে প্রমাণ করেন যে তাপ পদার্থের অণুগুলোর গতির ফল।

• তাপ ও তাপমাত্রা:
- এক খণ্ড বরফ হাতে নিলে ঠান্ডা এবং ফুটন্ত পানিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়।
- এই অনুভূতির কারণই তাপ।
- তাপ এক প্রকার শক্তি যার অভাবে ঠান্ডা এবং যার প্রভাবে বস্তু গরম হয়।
- এক সময় ধারণা ছিল তাপ ক্যালরিক নামে সূক্ষ্ম তরল বা বায়বীয় পদার্থ।
- কোনো বস্তুতে ক্যালরিক কম হলে বস্তু ঠান্ডা এবং বেশি হলে বস্তু গরম হয় বলে মনে করা হতো।
- ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে কাউন্ট রামফোর্ড আবিষ্কার করেন, পদার্থের অণুসমূহের গতির ফলই তাপ।

• অণুর গতি ও তাপ:
- পদার্থের অণুগুলো সর্বদা গতিশীল অবস্থায় থাকে।
- বাইরে থেকে শক্তি প্রয়োগ করলে অণুর গতি বৃদ্ধি পায়।
- অণুর গতি বৃদ্ধি পেলে বস্তু গরম হয়।
- তাপ হলো বস্তুর অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত শক্তি।
- তাপ শক্তি দ্বারা কাজ সম্পাদন হয়।
- তাপ শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায় এবং অন্য শক্তিকেও তাপ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- বৈদ্যুতিক বাতিতে বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তিতে এবং তাপ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপমাত্রা:
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার গরমের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- গরমের মাত্রা প্রকাশ করতে উষ্ণতা বা তাপমাত্রা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- দুইটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে আনলে তাপের আদান প্রদান ঘটে।
- তাপের আদান প্রদান তাপের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না।
- এটি বস্তুর তাপীয় অবস্থার উপর নির্ভর করে।
- বস্তুর তাপীয় অবস্থা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপ গরম বস্তু থেকে ঠান্ডা বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়।
- বস্তুর এই তাপীয় অবস্থাকেই উষ্ণতা বা তাপমাত্রা বলে।

• অন্যান্য অপশন:
- জে. জে. থমসন → ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- হেনরি বেকেরেল → তেজস্ক্রিয় রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- মাদাম কুরি → তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৬৫.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়? 
  1. কুষ্ঠ 
  2. পোলিও 
  3. গনোরিয়া 
  4. টাইফয়েড 
সঠিক উত্তর:
পোলিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোলিও 
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়- পোলিও, এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। 

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

ভাইরাসজনিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৬৬.
উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. প্রস্বেদন
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:

• একই তাপমাত্রা ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিক ঘন স্থান থেকে কম ঘন স্থানে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে।
• মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি হলে ব্যাপনের হার বাড়ে।
• অণুগুলোর ঘনত্ব সমান হলে পদার্থের ব্যাপন বন্ধ হয়ে যায়।

ব্যাপনের গুরুত্ব:

• উদ্ভিদের জীবনে ব্যাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান কার্বন ডাইঅক্সাইড উদ্ভিদ ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ু থেকে গ্রহণ করে।
• পাতার স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা স্তরে এ কাজ হয়।
• শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বায়ু থেকে কোষ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।
• উদ্ভিদের দেহের অভ্যন্তরে পানি এবং লবণের বিভিন্ন অংশে যাতায়াত ব্যাপন প্রক্রিয়াতে হয়।
• উদ্ভিদের বায়বীয় অংশ থেকে পানি হারাবার জন্যেও ব্যাপন প্রক্রিয়া দায়ী।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি। 
৪,৭৬৭.
বিএমআই- এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
  2. বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
  3. বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
  4. বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
সঠিক উত্তর:
বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)
ব্যাখ্যা
বিএমআই (Body Mass Index): 
- বিএমআই (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। 
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এটি খুবই উপযোগী।

◉ বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার)। 

বিএমআই মান ⇒ করণীয়: 
• ১৮.৫ -এর নিচে ⇒ শরীরের ওজন কম। পরিমিত খাদ্যগ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে। 
• ১৮.৫-২৪.৯ ⇒ এটি সুস্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ মান। 

• ২৫.০-২৯.৯ ⇒ শরীরের ওজন অতিরিক্ত। ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন। 
• ৩০.০-৩৪.৯ ⇒ মোটা হওয়ার প্রথম স্তর। বেছে খাদ্যগ্রহণ ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 

• ৩৫.০-৩৯.৯ ⇒ মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর। পরিমিত খাদ্য গ্রহন ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
• ৪০.০ -এর উপরে ⇒ অতিরিক্ত মোটাত্ব।মৃত্যুঝুঁকির আশঙ্কা। ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৬৮.
নিম্নের কোন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে?
  1. পৃথিবী
  2. শুত্রু
  3. মঙ্গল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পৃথিবী, শুত্রু ও মঙ্গল এই তিন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে। 
 
Both Venus and Mars have atmospheres made of about 96 percent carbon dioxide. 
Earth's atmosphere started out like Venus' atmosphere. 
But Earth's ocean absorbed much of this carbon dioxide, and as photosynthesis evolved, plants converted carbon dioxide to oxygen, increasing oxygen levels in the air from 0.01 percent to 21 percent today.
 
Source: Nasa Website
 
 
৪,৭৬৯.
আধুনিক চাষে “হাইড্রোপনিক্স” বলতে কী বোঝায়?
  1. পানির নিচে চাষ
  2. মাটি ছাড়া চাষ
  3. সূর্যালোক ছাড়া চাষ
  4. রোবট দ্বারা চাষ
সঠিক উত্তর:
মাটি ছাড়া চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি ছাড়া চাষ
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোপনিক্স (Hydroponics) হলো একটি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যেখানে মাটি ব্যবহার না করে উদ্ভিদকে পুষ্টিকর তরল দ্রবণে জন্মানো হয়। 

- এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদ সরাসরি প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ ও পুষ্টি গ্রহণ করে, ফলে বৃদ্ধি হয় দ্রুত ও স্বাস্থ্যকরভাবে।
 
মূল ধারণা:
- হাইড্রোপনিক্স শব্দটি এসেছে “Hydro” (পানি) এবং “Ponos” (পরিশ্রম) শব্দ থেকে।
- এটি এমন এক চাষপদ্ধতি যেখানে পানি ও পুষ্টি মিশ্রণই উদ্ভিদের প্রধান মাধ্যম।

চাষ পদ্ধতি:
- উদ্ভিদ মাটির পরিবর্তে পানি, বালু, কঙ্কর, পারলাইট, বা কোকোপিট ইত্যাদির ওপর জন্মায়।
- এই মাধ্যমে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সালফার, আয়রন, জিংক, বোরন ইত্যাদি খনিজ দ্রবীভূত করে দেওয়া হয়।

অবশ্যক শর্ত:
সূর্যালোক, পানি, পুষ্টি দ্রবণ, অক্সিজেন ও নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা।

সুবিধা:
- মাটির রোগ ও কীটনাশকের সমস্যা থাকে না।
- পানি খরচ কম (প্রায় ৮০–৯০% পর্যন্ত সাশ্রয়)।
- শহুরে ছাদ বা নিয়ন্ত্রিত গ্রীনহাউসে সহজে চাষ সম্ভব।
- উৎপাদন বেশি ও সময় কম লাগে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৪,৭৭০.
CO2 কী ধরনের অণু?
  1. যৌগের অণু
  2. মৌলের অণু
  3. একক পরমাণুর অণু
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
যৌগের অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগের অণু
ব্যাখ্যা
পরমাণু: 
- পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার মধ্যে মৌলের গুণাগুণ বর্তমান থাকে। 
যেমন- নাইট্রোজেনের পরমাণুতে নাইট্রোজেনের ধর্ম বিদ্যমান আর অক্সিজেনের পরমাণুতে অক্সিজেনের ধর্ম বিদ্যমান থাকে। 

অণু: 
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 
- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠিত হয়। আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠিত হয়। 
- একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হলে তাকে মৌলের অণু বলে। 
যেমন- O2 । 
- ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু পরস্পর যুক্ত হলে তাকে যৌগের অণু বলে। 
যেমন- CO2 । 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৭১.
মানবদেহে ইনসুলিন নির্গত করে কোন গ্রন্থি?
  1. ক) সাবম্যান্ডিবুলার
  2. খ) পিটুইটারি
  3. গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
  4. ঘ) প্যারোটিড
সঠিক উত্তর:
গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়ের ভিতর আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক এক ধরনের গ্রন্থি আছে যা থেকে ইনসুলিন নির্গত হয়। ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,৭৭২.
পানিতে রাখা মুদ্রা প্রকৃত অবস্থানের তুলনায় সামান্য উপরের দিকে দেখতে পাওয়ার মূল কারণ কী?'
  1. আলোর প্রতিফলন
  2. আলোর প্রতিসরণ
  3. আলোর বিচ্ছুরণ
  4. আলোর শোষণ
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

• প্রতিসরণের কারণে পানিতে রাখা মুদ্রার অবস্থান পরিবর্তন হয়ে একটু উপরে মনে হয়।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে তির্যকভাবে আপতিত আলোকরশ্মির দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- প্রতিসরনের সূত্র আপতিত রশ্নি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব ও প্রতিসরিত রশ্নি একই সমতলে থাকে।
- একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম বা আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত ধ্রুব থাকে।
- এটি (স্নেলের সূত্র নামে পরিচিত এবং এই ধ্রুব সংখ্যাটিকে বলা হয় প্রতিসরণাঙ্ক।

• আলোর প্রতিসরণের বাস্তব প্রয়োগ:
- লাঠিকে পানিতে ডুবালে সেটি ছোট, মোটা ও উপরে দেখা যাবে প্রতিসরণের কারণে।
- প্রতিসরণের কারণে পানিতে রাখা মুদ্রার অবস্থান পরিবর্তন হয়ে একটু উপরে মনে হয়।
- প্রতিসরণের কারণে পানিতে মাছের অবস্থানের পরিবর্তন হয়ে একটু উপরে মনে হয়।
- প্রতিসরণের কারণে সূর্যোদয়ের কিছুটা আগে ও পরে সূর্যকে (বড় দেখায়)।
- চাঁদকে দিগন্তের কাছে বড় দেখায়।
- রাতের আকাশে তারা ঝিকঝিক করে জ্বলে।
- পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায় আলোর প্রতিসরণের কারণে।
- বিভিন্ন চশমায় ব্যবহৃত লেন্স প্রতিসরণ ঘটিয়ে দেখতে সাহায্য করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৭৩.
ব্লু ভিট্রিওল যৌগে কত অণু পানি যুক্ত থাকে?
  1. ৩ অণু
  2. ৫ অণু
  3. ৭ অণু
  4. ১০ অণু
সঠিক উত্তর:
৫ অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ অণু
ব্যাখ্যা

- তুঁতে বা ব্লু ভিট্রিওল (Blue Vitriol) হলো আর্দ্র কপার সালফেট, এর রাসায়নিক সংকেত হলো  CuSO4.5H2O । এই সংকেত থেকে দেখা যায় যে, প্রতি অণু কপার সালফেটের সাথে ৫ অণু স্ফটিক পানি (Water of crystallization) যুক্ত থাকে। 

রাসায়নিক যৌগ ও তাদের সংকেত: 

- ভিনেগারের রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH. 
- চুনের রাসায়নিক সংকেত- CaO. 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- তুঁতে বা ব্লু ভিট্রিওল যৌগের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭৭৪.
লাল আলোতে হলুদ রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. লাল
  2. হলুদ
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে লাল দেখায়।

যেহেতু হলুদ আলো লাল এবং সবুজ আলোর মিশ্রণ, তাই হলুদ রঙের বস্তু লাল এবং সবুজ আলোকে প্রতিফলিত করবে।
- এর অর্থ হল একটি হলুদ বস্তু লাল আলোর নীচে লাল এবং সবুজ আলোর নীচে সবুজ দেখাবে।
- হলুদ বর্ণে নীল রঙের উপস্থিতি নেই, তাই এটি নীল আলোর নিচে কালো দেখাবে।

উৎস: এডেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট 
৪,৭৭৫.
নিচের কোনটি আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব এসেছে? 
  1. ট্রানজিস্টর
  2. অসিলেটর
  3. টেলিভিশন
  4. কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৭৬.
ক্রোমোজোমে জিনের অবস্থানকে কী বলে?
  1. ক) অ্যালিল
  2. খ) জিনোটাইপ
  3. গ) লোকাস
  4. ঘ) ফিনোটাইপ
সঠিক উত্তর:
গ) লোকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লোকাস
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমে জিনের অবস্থানকে লোকাস বলে। 

-জীববিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখায় সকল প্রকার জীবের বংশগতি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে বংশগতিবিদ্যা বলে।

-বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি হচ্ছে DNA।

-বিজ্ঞানী Strasburger (১৮৭৫) সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।

- জিনোটাইপ হচ্ছে কোনো জীবের জিনের গঠন বা অবস্থান। অপরদিকে, জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যকে এর ফিনোটাইপ বলে।

- বংশগতিবিদ্যার সর্বপ্রথম বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা বা জনক বলা হয়। দীর্ঘ সাত বছর বিভিন্ন মটরশুঁটি গাছের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তিনি বংশগতির দুটি সূত্র প্রবর্তন করেন। তার সূত্রগুলোকে মেন্ডেলবাদ বলে আখ্যায়িত করা হয়। মেন্ডেলবাদকে আধুনিক জিনতত্ত্বের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

সূত্র- ২৫৯ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৭৭.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে -
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের
  4. সিলভার ফ্লোরাইডের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের। 
- সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr. 
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার হ্যালাইডের (ব্রোমাইড বা আয়োডাইড) আবরণ থাকে। 
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে। 
- এটি −১ (Br) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু। 
যেমন- সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br) এর প্রতি। 
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়। 

Dry plate, in photography, glass plate coated with a gelatin emulsion of silver bromide. It can be stored until exposure, and after exposure it can be brought back to a darkroom for development at leisure.

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৭৭৮.
যক্ষ্মা (TB) রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্ট্রেপটোমাইসিন হলো- 
  1. অ্যান্টিবায়োটিক
  2. ব্যথানাশক
  3. অ্যান্টিসেপটিক
  4. চেতনানাশক 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবায়োটিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবায়োটিক
ব্যাখ্যা

- যক্ষ্মা (TB) রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্ট্রেপটোমাইসিন হলো একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত এবং ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে বা তাদের বৃদ্ধি রোধে কাজ করে, বিশেষত Mycobacterium tuberculosis-এর বিরুদ্ধে এটি কার্যকর। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 

- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন- MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষ্মায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে। 
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনানাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৭৯.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
  1. ধূলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
ব্যাখ্যা

- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ- বৃষ্টির কণা। 
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। 
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। 
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। 
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। 
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে। 
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।  
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই। 
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ  প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭৮০.
দেহে পানির সমতা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে নিচের কোনটি?
  1. ক) নেফ্রন
  2. খ) ক্যাপসুল
  3. গ) বৃক্ক
  4. ঘ) মেডুলা 
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
ব্যাখ্যা
বৃক্ক: মানবদেহের রেচন অঙ্গের নাম বৃক্ক। 
নেফ্রন: বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ ও কার্যকরী একককে নেফ্রন বলে।

বৃক্কের কাজ
১। রক্ত থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা।
২। দেহে ও রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
৩। রক্তে বিভিন্ন লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।
৪। রক্ত অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
৫। হরমোন ও এনজাইম নিঃসরণ করা।
৬। দেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
৭। ভিটামিন ডি ও লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে অংশগ্রহণ করা।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৭৮১.
পতঙ্গনাশক হিসেবে কোন ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?
  1. Bacillus thuringiensis
  2. Lactobacillus
  3. Escherichia coli
  4. Bacillus megaterium
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী একদল আণুবীক্ষণিক জীব।

- Bacillus thuringiensis (Bt) হলো একটি গ্রাম-পজিটিভ, মাটি-বাসি ব্যাকটেরিয়া, যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের কীটপতঙ্গ ধ্বংস করতে সক্ষম।
- এটি জৈবিক পতঙ্গনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি এমন একটি প্রোটিন তৈরি করে যা নির্দিষ্ট পোকামাকড়ের লার্ভা বা শূককীট (larvae) ধ্বংস করে দেয়।

• ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন পরিবেশে, যেমন- মাটি, জল, বাতাস এবং মানুষের শরীরে, বসবাস করে এবং জীবন্ত জিনিসের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করে।  

খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া, যেমন ল্যাক্টোব্যাসিলাস, দই ও পনির তৈরিতে সাহায্য করে.  

রোগ প্রতিরোধে সহায়ক:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে প্রাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন- স্ট্রেপ্টোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন) রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে.  

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া বর্জ্য পদার্থ, যেমন- পচনশীল পদার্থ এবং তেল দূষণকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে.  

জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহার:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তিগত কাজে, যেমন- জিন প্রযুক্তি, এবং অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়.  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,৭৮২.
কোনটি ধাতুর বৈশিষ্ট্য নয়? 
  1. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
  2. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী
  3. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করে
  4. পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)।  
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৮৩.
তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ কোনটি? 
  1. ফার্ন 
  2. লাইকেন
  3. জিমনোস্পার্ম
  4. অ্যানজিওস্পার্ম
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
ব্যাখ্যা
তুন্দ্রা: 
- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে। 
- দীর্ঘ শীতের সময় তুন্দ্রা অঞ্চলে বরফ জমা থাকে। 
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন। 
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম। 
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৮৪.
Lack of what the Leaves are Yellow in color?
  1. ক) Zinc
  2. খ) Sulphur
  3. গ) Phosphorus
  4. ঘ) Nitrogen
সঠিক উত্তর:
ঘ) Nitrogen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Nitrogen
ব্যাখ্যা
- নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে। তাই এর অভাবে পাতা হলুদ বা পীত বর্ণের হয়। এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে।
- কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন হ্রাস পায়। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৮৫.
নিচের কোনটি রক্তরসের কাজ?
  1. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
  2. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহণ করা।
  3. শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহণ করা।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• রক্তরস বা প্লাজমা:
- রক্তের তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে।
- রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।
- অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন O2, CO2 এবং নাইট্রোজেন জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।
- জৈব পদার্থগুলো হলো:
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।
৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি।
৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যান্ড্রুটিনিন ইত্যাদি।
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন।
৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।

• রক্তরসের কাজগুলো হচ্ছে:
১. রক্তকোষসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা।
২. টিস্যু থেকে বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে, সেগুলো রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহণ করা।
৩. শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহণ করা।
৪. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহণ করা।
৫. হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা।
৬. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৭৮৬.
জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞান কোনটি? 
  1. প্যালিয়েন্টোলজি
  2. ফসিওলজি
  3. ফাইটোজেনি
  4. মরফোলজি
সঠিক উত্তর:
প্যালিয়েন্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যালিয়েন্টোলজি
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম (Fossil): 
✔ জীবাশ্ম বা ফসিল শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "Fossilis" থেকে, যার অর্থ "খুঁড়ে তোলা" (dug out)। 
✔ প্রাচীনকালে মাটি খুঁড়ে পাওয়া যেকোনো কিছুই জীবাশ্ম হিসেবে গণ্য করা হতো। 
✔ তবে আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা তাদের চিহ্নকে জীবাশ্ম বলে। 

বিভিন্ন ধরনের জীবাশ্ম: 
- ট্রেস ফসিল (Trace Fossil): জীবের চলাচলের চিহ্ন, যেমন—গমন পথ, ট্রেইল, জীবজনিত গর্ত। 
- ইকনোফসিল (Ichnofossil): ট্রেস ফসিলের আরেকটি নাম। 
- জার্মান ভাষায় "Lebenspuren" নামেও পরিচিত। 

জীবাশ্মবিদ্যা (Palaeontology): 
- জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞান "প্যালিয়েন্টোলজি" নামে পরিচিত। 
- এই শাস্ত্র প্রাগৈতিহাসিক জীব ও তাদের বিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৮৭.
রেশম উৎপাদনের জন্য রেশমকীট মূলত কোন গাছের পাতায় পালন করা হয়?
  1. অর্জুন
  2. আম
  3. বহেরা
  4. তুঁত
সঠিক উত্তর:
তুঁত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুঁত
ব্যাখ্যা

• সেরিকালচার (Sericulture):
- রেশমকীট মূলত তুঁত গাছের পাতা খেয়ে বেড়ে ওঠে এবং কোকুন তৈরি করে, যা থেকে রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture) বলা হয়।
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়।
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত।
- এ দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম)- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৮৮.
Which one is a saturated hydrocarbon?
  1. Ethene
  2. Propene
  3. Ethane
  4. Butene
  5. Ethyne
সঠিক উত্তর:
Ethane
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ethane
ব্যাখ্যা
• ইথেন হলো সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো CnH2n+2 যেখানে n=1,2,3 ইত্যাদি।

• ইথেন:
- ইথেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। ইথেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C2H6
- এটি হলো ২ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। এতে ২ টি কার্বনের সাথে ৬ টি হাইড্রোজেন পরমাণু একক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৮৯.
লা-শাতেলিয়ার নীতির সাথে সম্পৃক্ত নয় কোনটি?
  1. তাপ
  2. চাপ
  3. ঘনমাত্রা
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর
ব্যাখ্যা

লা-শাতেলিয়ার নীতি:
কোনো রসায়নিক সমীকরণ সমান্তরাল অবস্থায় থাকলে, যদি বাহ্যিক প্রভাব (যেমন তাপ, চাপ, বা ঘনত্ব) প্রয়োগ করা হয়, প্রতিক্রিয়া সেই প্রভাবকে কমাতে সচেষ্ট হবে।

সম্পৃক্ত বাহ্যিক প্রভাব:
তাপ: তাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস প্রতিক্রিয়ার সমীকরণকে সামঞ্জস্য করে।
চাপ: গ্যাসীয় প্রতিক্রিয়ায় চাপ পরিবর্তন সমীকরণের দিকে প্রভাব ফেলে।
ঘনমাত্রা : পদার্থের ঘনত্ব পরিবর্তন প্রতিক্রিয়ার দিক পরিবর্তন করে।

অসম্পৃক্ত:
ভর (Mass): রসায়নে স্থির থাকে, লা-শাতেলিয়ার প্রভাবের অংশ নয়।


তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

৪,৭৯০.
নিচের কোনটি জৈব যৌগ নয়? 
  1. প্রোপিন 
  2. পেন্টাইন 
  3. মরিচা 
  4. ইথেন 
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
ব্যাখ্যা

জৈব যৌগ:  
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।  
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ।  
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে।  
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।  
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার।  

অজৈব যৌগ:  
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে।  
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

৪,৭৯১.
বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিম্নের কোন বিক্রিয়াটি বহুল ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) হাইড্রোলাইসিস
  4. ঘ) বিযোজন
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশন
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু পরমাণুকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণুতে পরিণত করলে অর্থাৎ ফিশন বিক্রিয়া ঘটালে প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি বের হয়। এই তাপশক্তি ব্যবহার করে জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। আমরা সেটিকে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বলি।
উৎস: নবম শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান
৪,৭৯২.
ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ কোনটি?
  1. হাম
  2. প্লেগ
  3. রুবেলা
  4. মাম্পস
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেগ
ব্যাখ্যা



তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৭৯৩.
হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) ফসফরাস-32
  2. খ) প্লুটোনিয়াম -২৩৮
  3. গ) আয়োডিন-131
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম -২৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম -২৩৮
ব্যাখ্যা
১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৯৪.
এক কেজি বস্তুর ভর পৃথিবীতে এবং চাঁদের মধ্যে কোথায় বেশি?
  1. চাঁদে বেশি
  2. পৃথিবীতে বেশি
  3. চাঁদে ভর নেই
  4. সমান
সঠিক উত্তর:
সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমান
ব্যাখ্যা
• "ভর" (Mass) হলো কোনো বস্তুর বস্তুগত পরিমাণ, যা তার অণু-পরমাণুর সংখ্যার ওপর নির্ভর করে।
-  এটি একটি মৌলিক ভৌত রাশি এবং এটি নির্দিষ্ট স্থানে পরিবর্তিত হয় না। অর্থাৎ, এক কেজি বস্তুর ভর পৃথিবীতে যেমন, চাঁদেও তেমনই থাকবে।

অন্যদিকে,
ওজন (Weight) ভিন্ন একটি রাশি। 

ওজনের সূত্র থেকে আমরা জানি,
W = mg 

এখানে,
W = বস্তুর ওজন
m = বস্তুর ভর
g= অভিকর্ষজ ত্বরণ 
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে বস্তুর ওজন নির্ভর করে বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর। 
• চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ১/৬ হওয়ায়, বস্তুর ওজন চাঁদে কম হবে, কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকবে কারন ভর মৌলিক রাশি। 

তথ্যসূত্র:

- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৪,৭৯৫.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মোট কতটি গ্রুপ আছে? 
  1. ১৭ 
  2. ১৬ 
  3. ১৯ 
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা

আধুনিক পর্যায় সারণি: 
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়। 
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি। 
- আধুনিক পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- সমগ্র আধুনিক পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে। 
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৯৬.
ফুসফুসের বায়ুথলিগুলোকে কী বলে?
  1. নিউরন
  2. মেনিনজিস
  3. প্লুরা
  4. অ্যালভিওলাস
সঠিক উত্তর:
অ্যালভিওলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালভিওলাস
ব্যাখ্যা
• ফুসফুস (Lung):
- ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। বক্ষগহ্বরের ভিতর হৃৎপিণ্ডের দুই পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত।
- এটি স্পঞ্জের মতো নরম এবং কোমল, হালকা লালচে রঙের।
- ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে এবং বাম ফুসফুস দুই খণ্ডে বিভক্ত।
- ফুসফুস দুই ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দিয়ে আবৃত।
- দুই ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়।
- ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনো ঘর্ষণ হয় না।
- ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। বায়ুথলিগুলোকে বলে অ্যালভিওলাস (Alveolus) I
- অ্যালভিওলাস ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক।
- অ্যালভিওলাসগুলো ক্ষুদ্র বুদবুদ সদৃশ বায়ুকুঠুরী বিশেষ।
- ডান ফুসফুসে ১০টি ও বাম ফুসফুসে ৮টি লোবিউল থাকে।
- প্রতিটি লোবিউলে ৫০-৮০টি অ্যালভিওলি থাকে।

অন্যদিকে,
- প্লুরা - ফুসফুসের আবরণ।
- নিউরন - স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যক্রমের একক।
- মেনিনজিস - মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
৪,৭৯৭.
শ্বসন প্রক্রিয়া কখন সক্রিয় থাকে?
  1. সকাল ১০-১১ টায়
  2. গভীর রাতে
  3. বিকালে
  4. দিবা-রাত্রি সবসময়ই
সঠিক উত্তর:
দিবা-রাত্রি সবসময়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিবা-রাত্রি সবসময়ই
ব্যাখ্যা
• শ্বসন-
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ জটিল জৈবযৌগ (খাদ্যবস্তু) জারিত হয়, ফলে জৈবযৌগে সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তি বা রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে শ্বসন বলে। 

শ্বসনে যে প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয় তা নিম্নরূপ-
C6H12O6 + 6O2 + 6H2O +36ADP +36Pi   →     6CO2 + 12H2O+ 36ATP
যা বিভিন্ন এনজাইম ও কো-এনজাইম এর উপস্থিতিতে ঘটে থাকে। 

• শ্বসন অঙ্গ: 
- কোষীয় সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াই শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান অঙ্গ। 

সময়:
- যেহেতু শ্বসনের জন্য সূর্যালোকের প্রয়োজন হয় না তাই উদ্ভিদের প্রতিটি জীবন্ত কোষেই দিন-রাত্রি ২৪ ঘণ্টা শ্বসনকার্য চলতে থাকে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,৭৯৮.
গোধূলির কারণ কী?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) বিক্ষেপণ
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) ব্যতিচার
সঠিক উত্তর:
খ) বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
• গোধুলির মূল কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ
- সূর্য যখন দিগন্তের নিচের দিকে অবস্থান করে, তখন নীল আর সবুজ রং ভেঙে যায় এবং আমরা কমলা এবং লাল রং-এর আভা দেখতে পাই। এসময় সূর্যকে লাল দেখায়। এটাই গোধুলি নামে পরিচিত।
- এর কারণ, আলোর যে রংগুলোর তরঙ্গদৈঘ্য ছোট (যেমন, বেগুনি এবং নীল) সেগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো যেমন, কমলা এবং লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে এর বিক্ষেপণ কম হওয়ায় এরা সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে।

উৎস: বিবিসি।
৪,৭৯৯.
কোনটিকে প্রকৃতির লাঙ্গল বা কৃষকের বন্ধু বলা হয়?
  1. ক) ঝোঁক
  2. খ) কেঁচো
  3. গ) সিংহ
  4. ঘ) শজারু
সঠিক উত্তর:
খ) কেঁচো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেঁচো
ব্যাখ্যা

- কেঁচো ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য সম্পন্ন করে।
- এরা মাটির নিচে বাস করে।
- কেঁচো মাটির উর্বরা শক্তির জন্য বিশাল আশীর্বাদ।
- এরা ফসলের জমি ওলট-পালট করে উপরের মাটি নিচে ও নিচের মাটি উপরে তুলে আনে।
- তাই কেঁচোকে প্রকৃতির লাঙ্গল বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮০০.
মহাকর্ষীয় বিভব কোন রাশির উপর নির্ভর করে?
  1. ক্ষুদ্র ভরের বস্তুটির ভর
  2. বৃহৎ ভরের বস্তুটির ভর
  3. বৃহৎ ভরের বস্তুটির ব্যাসার্ধ
  4. ক্ষুদ্র ভরের বস্তুটির ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর:
বৃহৎ ভরের বস্তুটির ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহৎ ভরের বস্তুটির ভর
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষীয় বিভব:
কোনো বৃহৎ ভরের বস্তুর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের বাইরের কোনো স্থান তথা অসীম দূরত্ব থেকে একক ভরের একটি বস্তুকে, ঐ ক্ষেত্রের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে আনতে মহাকর্ষের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ কাজ করতে হয়, তাকে ঐ নির্দিষ্ট বিন্দুর মহাকর্ষীয় বিভব বলে।
- এটি একটি স্কেলার রাশি।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মহাকর্ষীয় বিভবের একক Jkg-1। এর মাত্রা L-2T-2

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।