বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৯ / ১৪০ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ১৪,০৮০

৪,৮০১.
মস্তিষ্কের কোন অংশটি স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. সেরেবেলাম
  2. মেডুলা অবলংগাটা
  3. পনস
  4. হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
পনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পনস
ব্যাখ্যা
পশ্চাৎ মস্তিষ্ক:
- এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
(ক) সেরেবেলাম,
(খ) মেডুলা অবলংগাটা এবং
(গ) পনস।
 
• সেরেবেলাম:
-  পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেরেবেলাম যা সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
- দুটি কুণ্ডলীকৃত সমগোলার্ধ নিয়ে গঠিত যারা ভার্নিস নামে একটি ক্ষুদ্র যোজকের সাহায্যে যুক্ত।
- এটি বাইরের দিকে কর্টেক্স এবং ভেতরের দিকে মেডুলা নিয়ে গঠিত।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।
 
• মেডুলা অবলংগাটা:
- এটি পনস ও সুষুম্মাকাণ্ডের মধ্যবর্তী অনেকটা ত্রিকোণাকার পুরু গঠন বিশেষ।
- এটি সুষুম্মাকাণ্ড ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে।
- এটি পৌষ্টিক নালির পেরিস্টালসিস, রক্তনালির সংকোচন- শ্লথন, হৃদস্পন্দন, ফুসফুসের সংকোচন-প্রসারণ, লালাগ্রন্থির ক্ষরণ, মলমূত্র ত্যাগ, বমি ইত্যাদি শরীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
 
• পনস:
- এটি সেরেবেলামের অঙ্কভাগে মেডুলার সামনের দিকে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি পিণ্ডাকার গঠন।
- এটি সেরেবেলাম ও মেডুলাকে মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে।
- স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।
 
তথ্যসূত্র - প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০২.
২০°-২৭°C তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানির pH কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্তশীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 

গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে।  
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

তড়িৎ পরিবাহিতা: 
- বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ অপরিবাহী। 
- তবে পানিতে আয়নিক লবণ দ্রবীভূত থাকলে তা তড়িৎ পরিবহন করে। 
- তাই নদী পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী।  

দ্রাবক: 
- পানি একটি ভাল দ্রাবক। 
-  এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে। 
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। 

ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার। 
অর্থাৎ, ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি। 

অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: 
- বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 
অর্থাৎ, বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না। 
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে। 
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭, তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে। 

পানির রাসায়নিক গঠন: 
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। 
- পানির আনবিক সংকেত H2O এবং আণবিক ভর ১৮। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৩.
মৌলিক রাশির অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. সময়
  2. তাপমাত্রা
  3. ত্বরণ
  4. পদার্থের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে। 
- রাশিগুলোকে পরিমাপ করতে অন্য কোন এককের উপর নির্ভর করতে হয় না। 

লব্ধ রাশি: 
- যে রাশিগুলো মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল তাদেরকে লব্ধ রাশি বলে। 
যেমন- বেগ, কাজ, ত্বরণ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৪.
পরমশূন্য তাপমাত্রা কত?  
  1. - 100°C
  2. 0°C
  3. - 273°C
  4. 273°K
সঠিক উত্তর:
- 273°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 273°C
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো -273°C । 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৪,৮০৫.
আইনস্টাইন নােবেল পুরস্কার পান-
  1. আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
  2. মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
  3. কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
  4. আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
সঠিক উত্তর:
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,৮০৬.
ধান ভাঙার প্রক্রিয়ায় ঢেঁকির শক্তি কোন কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. আলো ও বিদ্যুৎ শক্তি 
  2. আলোক ও চৌম্বক শক্তি
  3. রাসায়নিক ও তাপ শক্তি 
  4. তাপ ও শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
তাপ ও শব্দ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও শব্দ শক্তি
ব্যাখ্যা

• ধান ভাঙার প্রক্রিয়ায় ঢেঁকি ব্যবহার করলে মানুষের পেশিশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন হয়। এই যান্ত্রিক শক্তি যখন ধানের ওপর প্রয়োগ করা হয়, তখন ঢেঁকি ও ধানের মধ্যে ঘর্ষণ সৃষ্টি হয় এবং আঘাতের ফলে শক্তির রূপান্তর ঘটে। ঘর্ষণের কারণে কিছু শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, যার ফলে সামান্য উষ্ণতা অনুভূত হয়। আবার ঢেঁকি পড়া ও ধান ভাঙার সময় যে শব্দ হয়, তা থেকে বোঝা যায় যে কিছু শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। তাই ধান ভাঙার প্রক্রিয়ায় ঢেঁকির শক্তি মূলত তাপ ও শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) তাপ ও শব্দ শক্তি।

 
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয় ফলে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বাঁশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এক খন্ড পাথরের উপর একটি ধাতব দন্ড দ্বারা জোরে আঘাত করলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হতে দেখা যায় এবং এক ধরনের শব্দেরও সৃষ্টি হয়। ধাতব দণ্ড ও পাথর খন্ডটি খানিকটা উত্তপ্ত হয়ে যান্ত্রিক শক্তি তাপ, শব্দ ও আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় এতে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- একই ভাবে দোলনার ক্ষেত্রে স্থিতি ও গতিশক্তির রূপান্তর ঘটে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৪,৮০৭.
মানুষের দেহে অটোসোমের সংখ্যা কত?
  1. ২২ জোড়া
  2. ২৩ জোড়া
  3. ২৪ জোড়া
  4. ১৮ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
• মানুষের দেহে অটোসোমের সংখ্যা ২২ জোড়া।

• ক্রোমোজোম:

- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৮.
নিচের কোনটিতে স্থির তড়িৎ এর ব্যবহার হয়?
  1. স্প্রের সাহায্যে কোন বস্তু রং করতে
  2. ক্যামেরায়
  3. ফটোকপি মেশিনে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কল কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোয়ার কারণে বায়ুদূষণ মুক্ত করা, ছোট বা অসম আকৃতির বস্তুকে স্প্রের সাহায্যে রং করা, উচ্চ বিভব সৃষ্টি করা ইত্যাদির জন্য আমরা স্থির তড়িৎ ব্যবহার করে থাকি।
ফটোকপি মেশিনে স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।

এমনকি বর্তমানে যে সব মুভি ক্যামেরা এবং স্থির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় সেগুলোও পরিচালনার জন্য স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৯.
কোন স্থানের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন রেখাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অক্ষরেখা
  2. মেরুবৃত্তীয় রেখা
  3. দ্রাঘিমারেখা
  4. নিরক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
- দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়।
- পুরো পৃথিবীকে মোট ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- মূল মধ্যরেখা বা ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে প্রমাণ সময় বিবেচনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখার পূর্বদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে যোগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- মূল মধ্যরেখার পশ্চিমদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে সময় বিয়োগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৮১০.
কোন রংয়ের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
  1. ক) সাদা
  2. খ) কাল
  3. গ) লাল
  4. ঘ) ধূসর
সঠিক উত্তর:
খ) কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাল
ব্যাখ্যা
কালো রঙ্গের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমান তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হবে।
৪,৮১১.
কোষের শক্তিকেন্দ্র বলা হয় কাকে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গলগি বডি
  4. রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা
• মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)-
-
দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমস্থ যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।

• প্রকৃত জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
• কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা শক্তিঘর বলা হয়।
•  এ অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া প্রভৃতি ঘটে থাকে। এ প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয় যা কোষের শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যায় হয়। 
- এখানে গ্লাইকোলাইসিস ঘটে না। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,৮১২.
পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ কোনটি?
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ইস্পাত
  3. গ) হীরক
  4. ঘ) পাথর
সঠিক উত্তর:
গ) হীরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হীরক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ হলো হীরক যা কার্বনের একটি রুপভেদ। 
• অসংখ্য কার্বন পরমাণু পরস্পরের সাথে বন্ধনযুক্ত হয়ে এ অণু তৈরি করে।
• একটি হীরক খণ্ডকে টুকরো করতে হলে অনেকগুলো শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন ছিন্ন করতে হয় বলে হীরক অত্যন্ত কঠিন।
• ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো: লোহা (Fe), তামা  (Cu), সোনা (Au), কিংবা রূপা  (Ag)।
•  অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ।
•  আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮১৩.
কোন কৃষ্ণবস্তু থেকে সর্বাধিক শক্তি বিকিরণের জন্য তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কৃষ্ণবস্তুটির পরম তাপমাত্রার -
  1. সমানুপাতিক
  2. ব্যস্তানুপাতিক
  3. সমান
  4. বর্গের সমানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
- ভীনের সরণ সূত্র জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ জে ভীন ( জার্মান শব্দ Wien এর উচ্চারণ ভীন) ১৮৯৬ সালে তাপ গতিবিদ্যার তত্ত্ব প্ৰয়োগ করে কৃষ্ণবস্তুর বর্ণালীতে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য শক্তি বন্টন বিষয়ক দুটি সূত্র প্রদান করেন।
- এই সূত্র দুটির নাম যথাক্রমে ভীনের সরণ সূত্র ও পঞ্চঘাত সূত্র।

-ভীনের সরণ সূত্রটি হলো:
কোন কৃষ্ণবস্তু থেকে সর্বাধিক শক্তি বিকিরণের জন্য তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কৃষ্ণবস্তুটির পরম তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮১৪.
নিচের কোনটি ভেক্টর রাশির ধর্ম?
  1. ক) সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়।
  2. খ) ভেক্টর রাশির মান নেই।
  3. গ) ভেক্টর রাশির দিক নেই।
  4. ঘ) ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে।
সঠিক উত্তর:
ক) সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়।
ব্যাখ্যা
ভেক্টর রাশি:

- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।
- যেমন, সরণ, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি ।
- ভেক্টর রাশির ধর্ম -
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

তথ্যসূত্র – পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮১৫.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৬০° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. দুপুর ১ টা
  2. দুপুর ১২টা
  3. বিকাল ৩টা
  4. রাত ১২টা
সঠিক উত্তর:
দুপুর ১ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুপুর ১ টা
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° -  ৬০° = ৩০°

সময়ের পার্থক্য হবে ৩০ × ৪ = ১২০মিনিট অর্থাৎ ২ ঘণ্টা

প্রশ্নে উল্লিখিত,
৬০° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত।
তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ২ ঘণ্টা বাদ যাবে।

রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= বিকাল৩টা – ২ ঘণ্টা ।

এখানে বিকাল ৩টা বলতে ১৫টা হবে।]

= ১৫টা - ২ ঘণ্টা= ১৩টা অর্থাৎ দুপুর ১ টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে দুপুর ১ টা
৪,৮১৬.
কোন পদার্থ থেকে আলফা, বিটা ও গামা কণিকা নির্গত হয়?
  1. সাধারণ ধাতব পদার্থ 
  2. তাপীয় পদার্থ
  3. বিদ্যুৎ চুম্বকীয় পদার্থ
  4. তেজস্ক্রিয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় পদার্থ
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় রশ্মি: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় পরমাণু। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি"। 
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত। 

তেজস্ক্রিয়তার প্রকারভেদ: 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা। 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়- 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ) নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮১৭.
সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর ওজন কত হলে তাকে কম ওজনের শিশু বলা হয়?
  1. ক) ৩.৫ কেজির কম
  2. খ) ১.৫ কেজির কম
  3. গ) ২ কেজির কম
  4. ঘ) ২.৫ কেজির কম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.৫ কেজির কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.৫ কেজির কম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু বলা হয়।
মায়ের অপুষ্টি, মা ও গর্ভস্থ শিশুর বিভিন্ন রোগের কারণে শিশু কম ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে পারে।
উৎসঃ প্রথম আলো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন আর্কাইভ।

৪,৮১৮.
এইডস রোগ রক্তের কোন কণিকা ধ্বংস করে দেয়?
  1. লোহিত কণিকা
  2. শ্বেত কণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত কণিকা
ব্যাখ্যা
• এইডস:
- এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome) রোগটি HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের কারণে হয়।
- এই ভাইরাসটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়।
- HIV প্রধানত CD4 + T lymphocyte নামক একটি বিশেষ ধরনের শ্বেত কণিকা আক্রমণ করে এবং ধীরে ধীরে এগুলিকে ধ্বংস করে।
- এই কোষগুলো শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মূল সেনা, যারা বিভিন্ন রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে।
- যখন এই কোষের সংখ্যা খুব কমে যায়, তখন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই নানা ধরনের সংক্রমণ ও কিছু ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়  এ অবস্থাকেই বলা হয় এইডস।

উৎস: National Institutes of Health (NIH)।
৪,৮১৯.
কোনো রোগীর রক্তের pH 6.90; এই অবস্থাকে কী বলে?
  1. অ্যাসিডোসিস
  2. অ্যালকোলাসিস
  3. হাইড্রোসিস
  4. অ্যালকালিমিয়া
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিডোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিডোসিস
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিডোসিস:
- মানবদেহে রক্তের স্বাভাবিক pH মান 7.35 থেকে 7.45 এর মধ্যে থাকে।
- এটি সামান্য ক্ষারীয় (alkaline) স্বভাবের।
- রক্তের pH 7.35 এর নিচে নেমে গেলে সেটিকে অ্যাসিডোসিস (Acidosis) বলে।
- এর ফলে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায় বা ক্ষারীয় উপাদান কমে যায়।

অবস্থার বিশ্লেষণ:
- এখানে রক্তের pH মান 6.90, যা স্বাভাবিক pH-এর থেকে অনেক কম এবং এটি খুবই অ্যাসিডিক।
- এই অবস্থায় শরীরের কার্যপ্রক্রিয়াগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেমন:
- শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা,
- হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া,
- কোষে অক্সিজেন পরিবহন ব্যাহত হওয়া।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- খ) অ্যালকোলাসিস (Alkalosis):
- যখন রক্তের pH 7.45 এর বেশি হয়ে যায় (অত্যধিক ক্ষারীয়), তখন এই অবস্থাকে অ্যালকোলাসিস বলে।

- গ) হাইড্রোসিস (Hydrosis):
- এটি আসলে তাপ বা পানি সংশ্লিষ্ট অবস্থা বোঝায় এবং রক্তের pH এর সাথে সম্পর্কিত নয়।

- ঘ) অ্যালকালিমিয়া (Alkalemia):
- এটি রক্তের pH অত্যধিক ক্ষারীয় হলে (7.45 এর বেশি) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৪,৮২০.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস- 
  1. খনিজ তেল
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  3. পাহাড়ী নদী
  4. উপরের সব সঠিক
সঠিক উত্তর:
উপরের সব সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সব সঠিক
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তরটি হলো ঘ) উপরের সব সঠিক।
• বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উল্লেখিত সবগুলো উৎসই ব্যবহার করা হয়। 
প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas):
- এটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস। মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বৃহৎ অংশ গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসে (প্রায় ৪০% এর বেশি)।
খনিজ তেল (Oil/Liquid Fuel):
- তেল-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিশেষ করে ফার্নেস তেল (HFO) এবং ডিজেল (HSD) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এটিও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস (প্রায় ২০% এর কাছাকাছি)।
পাহাড়ী নদী (Hydro/জলবিদ্যুৎ):
- বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হলো কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (কাপ্তাই বাঁধ) যা পাহাড়ী নদী কর্ণফুলী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। যদিও মোট উৎপাদনে এর ভাগ খুব কম, কিন্তু এটি একটি ব্যবহৃত উৎস।

-  উপরিউক্ত তিনটি প্রধান উৎস ছাড়াও, বাংলাদেশে বর্তমানে কয়লা (Coal), আমদানিকৃত বিদ্যুৎ (Imported Electricity) এবং নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy - সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি) ব্যবহার করেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- যদিও সবগুলোই উৎস, তবে বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস।

উৎস: বিজ্ঞান , সপ্তম শ্রেণি।

৪,৮২১.
একটি উত্তল লেন্স দ্বারা সাধারণত কী ধরনের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?
  1. সর্বদা সোজা ও বাস্তব
  2. সর্বদা উল্টো ও কাল্পনিক
  3. সাধারণত উল্টো ও বাস্তব
  4. সর্বদা সোজা ও কাল্পনিক
সঠিক উত্তর:
সাধারণত উল্টো ও বাস্তব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণত উল্টো ও বাস্তব
ব্যাখ্যা

• একটি উত্তল লেন্স দ্বারা সাধারণত বাস্তব ও উল্টো প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

• লেন্স:
- লেন্স হলো এমন একটি স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম যা দুইটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে।
- এটি আলোর প্রতিসরণ (Refraction) ঘটিয়ে বস্তুর প্রতিবিম্ব (Image) তৈরি করে।

লেন্স প্রধানত ২ প্রকার:
১. উত্তল লেন্স (Convex Lens) এবং 
২. অবতল লেন্স (Concave Lens)। 

• উত্তল লেন্সের বৈশিষ্ট্য:
- সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে এক বিন্দুতে সমবেত করে।
- সাধারণত বাস্তব ও উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করে।

• উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
• ফটোগ্রাফি ক্যামেরায় ছবি তৈরির জন্য।
• অণুবীক্ষণ যন্ত্রে (Microscope) ক্ষুদ্র বস্তু বড় করে দেখার জন্য।
• বিবর্ধক কাচ / ম্যাগনিফাইং গ্লাস হিসেবে ছোট বস্তু বড় করে দেখাতে।
• আতিশী কাচ হিসেবে সূর্যের আলোকে একত্র করে আগুন জ্বালাতে (প্রচলিতভাবে আর্কিমিডিসের সাথে উল্লেখ করা হয়)।
• চশমায় ব্যবহার করা হয় দূরদৃষ্টি (Hypermetropia) সংশোধনের জন্য।
• সিনেমাস্কোপ বা প্রজেক্টরে বড় পর্দায় ছবি প্রক্ষেপণের জন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী। পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮২২.
নিচের কোনটি পরিবহন টিস্যুর উদাহরণ?
  1. ক) প্যারেনকাইমা
  2. খ) অ্যারেনকাইমা
  3. গ) ফ্লোয়েম
  4. ঘ) স্ক্লেরেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লোয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লোয়েম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়।
এ টিস্যু দুই ধরনেরঃ জাইলেম এবং ফ্লোয়েম
জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৮২৩.
কতগুলো তরঙ্গ পাদ এবং তরঙ্গ শীর্ষের সমন্বয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসংখ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসংখ্য
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ শীর্ষ ও তরঙ্গ পাদ (Wave crest and wave trough):
- তরঙ্গের সাম্যাবস্থান থেকে সর্বোচ্চ (ধনাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ শীর্ষ এবং সর্বনিম্ন (ঋণাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ পাদ বলা হয়।
- অসংখ্য তরঙ্গ পাদ এবং তরঙ্গ শীর্ষ নিয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৪.
নিউট্রন কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৩২ সালে
  2. খ) ১৯৩৬ সালে
  3. গ) ১৯৪০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা
নিউট্রন:

- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 গ্রাম।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৫.
কাচ তৈরির কাচামাল কোনটি?
  1. ক) সিলিকোন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) সিলোক্সেন
  4. ঘ) সিলিকন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলিকন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলিকন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• কাচ তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে বালু এবং বালুর প্রধান উপাদান হলো সিলিকা অর্থাৎ সিলিকন-ডাই-অক্সাইড

- কাচ স্বচ্ছ পদার্থ এবং এটি স্বচ্ছ বলেই এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি ভেদ করে চলে যেতে পারে।
- কাচ হচ্ছে মূলত সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণ। 
- রাসয়নিকভাবে কাচ একটি ক্ষারীয় দ্বি-লবণ।  
- সোডিয়াম সিলিকেট এবং ক্যালসিয়াম সিলিকেট এর মিশ্রণকে উত্তপ্ত করে সম্পূর্ণরূপে গলিয়ে শীতল করলে যে শক্ত, অনিয়তাকার স্বচ্ছ ও ভঙ্গুর কঠিন পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কাচ বলে। 

• সিলিকন (Silicon) হচ্ছে অর্ধপরিবাহী, যা ট্রানজিস্টারে সেমি-কন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• সিলিকোন (silicone) হল পলিসিলোক্সেন যা সিলোক্সেন এর পলিমার।

সূত্র: রসায়ন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৬.
নিচের কোনটি বায়ু পরাগী ফুল?
  1. ধান
  2. কদম
  3. কলা
  4. শিমুল
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
• পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে ।
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।
- পর-পরাগায়নের ফলে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি হয়, বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়।
- দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয়।
- যে পরাগ বহন করে গর্ভমুন্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়।
- বায়ু, পানি, কীট-পতঙ্গ, পাখি, বাদুড়, শামুক এমনকি মানুষ এ ধরনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
- বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। যেমন- ধান
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। যেমন- পাতা শ্যাওলা।
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৭.
কোষ বিভাজনের কোন ধাপে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়? 
  1. ক) প্রোফেজ
  2. খ) মেটাফেজ
  3. গ) এনাফেজ
  4. ঘ) টেলোফেজ
সঠিক উত্তর:
খ) মেটাফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেটাফেজ
ব্যাখ্যা
কোষ বিভাজনের মেটাফেজ ধাপের শেষ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন শুরু হয়।

মেটাফেজ (Metaphase):
- ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে বিন্নস্ত হয়। একে মেটাকাইনেসিস বলা হয়।
- এ পর্যায়েই ক্রোমোসোমগুলোকে সবচেয়ে খাটো ও মোটা দেখায়।
- এ পর্যায়ের শেষদিকে সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন ঘটে।
- নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার মেমব্রেন   সম্পূর্ন রুপে বিলুপ্তি  ঘটে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৮২৮.
এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন এর মৌলিক উপাদান _____।
  1. লবণ
  2. ভিটামিন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন:
- প্রোটিন জীবদেহের একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ।
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। আর অ্যামাইনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক।
-  প্রোটিন অণু বহু সংখ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি। প্রোটিন শব্দটি সর্বপ্রথম প্রয়োগ করেন জি. মুলার ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 

- প্রোটিন অসংখ্য অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত বৃহদাকার যৌগিক জৈব অণু। 
- একটি কোষের অভ্যন্তরে সারাক্ষণ শত শত প্রকার প্রোটিন তৈরি হয়।
- জীবদেহের প্রায় সর্বত্রই প্রোটিন বিরাজমান। জৈব ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এনজাইম, অ্যান্টিবডি, হরমোন। এগুলো সবই প্রোটিন।
-  সব এনজাইম প্রোটিন কিন্তু সব প্রোটিন এনজাইম নয়।
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৯.
রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) যক্ষা
  4. ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

অ্যাজমা সাধারণত রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনাে একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরােধ-ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানাের কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রােগও নয়।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৮৩০.
লোহিত রক্তকণিকা সঞ্চিত হয়-
  1. প্লীহায়
  2. হৃৎপিন্ডে
  3. ফুসফুসে
  4. যকৃতে
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লীহায়
ব্যাখ্যা
• লোহিত কণিকা প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

• লোহিত রক্তকণিকা:

- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি- অবতল এবং চাকতি আকৃতির।
- হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়।
- এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহন করতে পারে।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না।
- কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।

• লোহিত রক্তকণিকার কাজ:
- দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
- নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা।
- হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৩১.
রক্তের গ্রুপ কখন পরিবর্তিত হয়? 
  1. শৈশবের পর 
  2. বয়স বাড়লে 
  3. রক্তদানের পর 
  4. কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
সঠিক উত্তর:
কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
ব্যাখ্যা
রক্তের গ্রুপ (Blood Group): 
- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় দুটি প্রধান ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে, যেগুলো হলো 'A' এবং 'B'। পাশাপাশি, রক্ত রসে 'a' এবং 'b' নামক দুটি ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। 
- অ্যান্টিজেন হলো এক প্রকারের পদার্থ যা যদি কোনো জীবদেহে প্রবেশ করে, তবে সেই জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। অপরদিকে, অ্যান্টিবডি হলো এমন একটি পদার্থ যা জীবদেহকে বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 
- অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়, যা রক্তের গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- কার্লল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে, তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB’-এই চারটি গ্রুপে ভাগ করেন। 
- রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন হয় না; একজন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ জীবনের শেষ পর্যন্ত একই রকম থাকে। ফলে, রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করা সম্ভব হয় অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির মাধ্যমে। 
- নিচে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সম্পর্কিত একটি টেবিল দেওয়া হলো, যা রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। 


উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৩২.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. ক) শূন্যতায়
  2. খ) কঠিন পদার্থে
  3. গ) তরল পদার্থে
  4. ঘ) বায়বীয় পদার্থে
সঠিক উত্তর:
খ) কঠিন পদার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কঠিন পদার্থে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি কঠিন মাধ্যমে এবং সবচেয়ে কম বায়বীয় মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, শব্দ মাধ্যম ছাড়া পরিবাহিত হতে পারে না।
তাই শূণ্যতায় শব্দের কোন অস্তিত্বই নেই, গতি কম বা বেশি হওয়ার তো প্রশেই আসে না।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই
৪,৮৩৩.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কত?
  1. 130 Jkg- 1K- 1
  2. 400 Jkg- 1K- 1
  3. 4200 Jkg- 1K- 1
  4. 2100 Jkg- 1K- 1
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg- 1K- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg- 1K- 1
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) 2100 Jkg- 1K- 1

• আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat):

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়।
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- তাই 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg- 1K- 1.
- বরফের আপেক্ষিক তাপ 2100 Jkg- 1K- 1 বলতে বুঝায় 1kg বরফের তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 2100 J তাপের প্রয়োজন।
- কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ: 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৪.
ক্লোরোফিলবিহীন উদ্ভিদ হলো -
  1. ক) ব্যাঙের ছাতা
  2. খ) ইউগ্লিনা
  3. গ) ক্রাইসামিবা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাঙের ছাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাঙের ছাতা
ব্যাখ্যা
• ছাতা একটি সমাঙ্গদেহী অপুষ্পক উদ্ভিদ।
• এরা স্বভোজী নয়, কেননা এদের ক্লোরোফিল নেই।
• ব্যাঙ্গের ছাতা। ছত্রাক জাতের এ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম। 
• এদের কোষে সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

উৎস: বিজ্ঞান,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৩৫.
'গ্রানাইট' কোন ধরনের শিলার উদাহরণ?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. স্তরীভূত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

- জন্মের প্রথমে পৃথিবী ছিলো একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। এর পর আবার তাপ বিকিরণ করে উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে বলে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় বলে তাকে প্রাথমিক শিলা ও অস্তরীভূত শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলায় কোন জীবাশ্ম নেই।
- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক, সিল, ব্যাসল্ট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ।
- পাললিক শিলার উদাহরণঃ চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।
- আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- নিস, মার্বেল, স্লেট, গ্রাফাইট, কোয়ার্টাজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রুপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টাজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হলে নিস।
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৩৬.
প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি? 
  1. স্পুটনিক-১
  2. টেলস্টার-১
  3. এক্সপ্লোরার-৩
  4. ভ্যানগার্ড-১
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহটি হলো স্পুটনিক-১।

• কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 
- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 
- ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয় বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এ পর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

অন্যান্য অপশন:
- টেলস্টার-১: এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ (১৯৬২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক উৎক্ষেপিত)।
- এক্সপ্লোরার-৩: এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক উপগ্রহ (১৯৫৮ সালে উৎক্ষেপিত)।
- ভ্যানগার্ড-১: এটি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সফলভাবে উৎক্ষেপিত প্রথম সৌরশক্তিচালিত উপগ্রহ (১৯৫৮ সালে উৎক্ষেপিত)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৪,৮৩৭.
পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমান দুই ভাগে বিভক্তকারী রেখার নাম কী?
  1. গ্রিনউইচ রেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই গোলার্ধে বিভক্তকারী রেখাটির নাম নিরক্ষরেখা।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- নিরক্ষরেখার (০০) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়।
- অর্থাৎ অক্ষরেখাগুলো নিরক্ষরেখার সাথে কৌণিক দুরত্বে কল্পিত কতিপয় সমাক্ষরেখা।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৮.
মিরাজ ডাবল নেয়ার জন্য অপরপ্রান্তের উইকেটের দিকে দ্রুত দৌড়ে ২০ মিটার গেলো। এখানে ২০ মিটার-
  1. ক) গতি
  2. খ) দ্রুতি
  3. গ) সরণ
  4. ঘ) দূরত্ব
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সরণ
ব্যাখ্যা
আমরা জানি কোনো নির্দিষ্ট দিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ বলে যা একটি ভেক্টর রাশি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,৮৩৯.
চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বকে কী বলে? 
  1. চৌম্বক মধ্যতল
  2. চৌম্বক মেরু 
  3. ভৌগোলিক মধ্যতল 
  4. চৌম্বক দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা

চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

চৌম্বক মেরু (Magnetic pole): 
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে।
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মেরু N ও S দেখানো হয়েছে।

N = North Pole (উত্তরমেরু),
S = South Pole (দক্ষিণমেরু)।

চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis): 
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।
চিত্রে, AB দন্ড চুম্বকের অক্ষ।

চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length): 
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে
চিত্রে, NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য।

চৌম্বক মধ্যতল (Magnetic meridian): 
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে।

ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographical meridian): 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে।
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৪০.
ভয়েজার-২ মহাকাশে প্রেরণ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
২০ আগস্ট ১৯৭৭ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভয়েজার-২ যানটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করে।
এবং একই বছরে ৫ সেপ্টেম্বর ভয়েজার-১ প্রেরণ করা হয়। 

১ আগস্ট ২০১২ সালে ভয়েজার-১ এবং ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ ভয়েজার-২ ইন্টারস্টেলার স্পেসে প্রবেশ করে।

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট
৪,৮৪১.
উপকূলের কোনো একটি স্থানে জোয়ারের কত ঘন্টা পর ভাঁটা হয়?
  1. ৬ ঘন্টা
  2. ১২ ঘন্টা
  3. ১৮ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাঁটা: 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো প্রায় ১২ ঘণ্টা। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষন শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দের শক্তি প্রভৃতি কারনে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় পরপর এক জায়গায় ফুলে উঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা হয়। 
- জোয়ারের ৬ ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৪২.
ব্যাকটেরিয়ার কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক নয়? 
  1. এরা অকোষীয় 
  2. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক 
  3. এরা আণুবীক্ষণিক জীব 
  4. এরা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
এরা অকোষীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরা অকোষীয় 
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য: 
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। 
- ব্যাকটেরিয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- 
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর।
- এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৪৩.
কোনো অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে কী বলা হয়?
  1. জীবমণ্ডল
  2. পরিবেশ
  3. বাস্তুতন্ত্র
  4. খাদ্যশৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• কোন অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) বলা হয়।

• পরিবেশ ও এর উপাদান:
- পরিবেশ গঠিত হয় জীব উপাদান ও জড় উপাদান নিয়ে।
- জীব উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীব অন্তর্ভুক্ত।
- জড় উপাদানের মধ্যে বায়ু, পানি, মাটি, আলো, তাপ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- পরিবেশে জীব ও জড় উপাদান সবসময় পারস্পরিক ক্রিয়া ও আদান-প্রদানে যুক্ত থাকে।
 
• বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem):
- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র বলা হয়।
- বাস্তুতন্ত্রে জীব উপাদান জড় উপাদানের উপর নির্ভরশীল।
- একইভাবে জীব উপাদানও একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- এই নির্ভরশীলতার মাধ্যমেই জীবের বেঁচে থাকা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
 
• জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক সম্পর্ক:
- উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির জন্য সূর্যালোক, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে।
- প্রাণী খাদ্য ও অক্সিজেনের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- বায়ু, পানি ও মাটি ছাড়া কোনো জীবের জীবনধারণ সম্ভব নয়।
- এ সম্পর্ক কখনো সহজ, আবার কখনো জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
 
• বাস্তুতন্ত্রে প্রক্রিয়াসমূহ:
- সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদ ও জড় উপাদানের সম্পর্কের প্রধান প্রক্রিয়া।
- শ্বসন উদ্ভিদ ও প্রাণীর শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এই দুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবেশে গ্যাস ও শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।
- ফলে জীবমণ্ডলে একটি সামগ্রিক ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- জীবমণ্ডল → পৃথিবীর সকল বাস্তুতন্ত্রের সমষ্টি।
- পরিবেশ → জীব ও জড় উপাদানের সামগ্রিক অবস্থা।
- খাদ্যশৃঙ্খল → জীবের মধ্যে খাদ্যনির্ভর সম্পর্কের ধারা।

 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৪,৮৪৪.
কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) মাছ
  3. গ) কেঁচো
  4. ঘ) টিকটিকি
সঠিক উত্তর:
গ) কেঁচো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেঁচো
ব্যাখ্যা
- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- অমেরুদণ্ডী ও মেরুদণ্ডী।
অমেরুদণ্ডী প্রাণী: এদের মেরুদণ্ড নেই তাই এরা অমেরুদণ্ডী প্রাণী। যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি।
মেরুদণ্ডী প্রাণী: এদের মেরুদণ্ড আছে বলে এরা মেরুদণ্ডী প্রাণী। যেমন: মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৮৪৫.
আলো দেখতে হলে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত হতে হবে? 
  1. 100 nm – 300 nm
  2. 300 nm – 500 nm
  3. 400 nm – 700 nm
  4. 700 nm – 1000 nm
সঠিক উত্তর:
400 nm – 700 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
400 nm – 700 nm
ব্যাখ্যা

আলো: 
- আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এটি পর্যাবৃত্ত তরঙ্গও বটে। সকল পর্যাবৃত্ত তরঙ্গের একটা তরঙ্গদের্ঘ্য থাকে, তেমনি আলোরও তরঙ্গদৈর্ঘ্য আছে। 
- আলোর নানা ধরনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকতে পারে। যেমন- বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের দৈর্ঘ্য কয়েক কিলোমিটার থেকেও বেশি হতে পারে, আবার এক মিটারের ট্রিলিয়ান ট্রিলিয়ান ভাগের এক ভাগও হতে পারে (1 ট্রিলিয়ান=1012)। 
- এই সম্ভাব্য বিশাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ছোট একটা অংশের আলো দেখা যায়, কিন্তু তরঙ্গদৈর্ঘ্যে এর থেকে বেশি হলে বা এর থেকে ছোট হলে এই আলো দেখা যায় না। 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400 nm থেকে 700 nm -এর ভেতর হলে যে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে পাওয়া যায় সেটাই হচ্ছে আলো। 

- চোখ যে নানান রং দেখতে পাই, সেগুলো আসলে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো। 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যখন ছোট হয় সেটা হয় বেগুনি। 
- যখন তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে, তখন সেটা নীল সবুজ হলুদ কমলা লাল হয়ে চোখের কাছে অদৃশ্য হয়ে যায়। মানুষের চোখ এই ব্যাপ্তির বাইরে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায় না, কিন্তু পোকামাকড় বা অন্য অনেক প্রাণী এর বাইরেও দেখতে পায়। 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকেও ছোট হয়, সেই আলোকে বলা হয় আলট্রা ভায়োলেট বা অতিবেগুণী আলো, আরো ছোট হলে এক্স-রে, আরো ছোট হলে গামা রে-যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। 
- আবার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকেও বড় হয়, সেই আলোকে বলা হয় ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো, আরো বড় হলে মাইক্রোওয়েভ, আরো বড় হলে রেডিও ওয়েভ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৪৬.
বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ কী? 
  1. নিম্নচাপ
  2. অতিবৃষ্টি
  3. উচ্চচাপ
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী ঝড়: 

• কালবৈখাশী ঝড় বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
• এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। 
• সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায়। 
• কালবৈশাখী ঝড়ে বাৎসরিক এক পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত হয় 
• এ ঝড়ের ফলে উষ্ণতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫-১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস কমে যায়।
• কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ (Depression)। 
• নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এর ফলে সৃষ্ট ফাঁকা জায়গা পূরণের জন্য ঠান্ডা বাতাস প্রচন্ড বেগে ঐ ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়। ফলে ঝড়ের উৎপত্তি হয়। 
• এ ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৪০ কি. মি. থেকে ৮০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
• এ ঝড় দেশের পূর্বাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সংঘটিত হয় এবং এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বেশি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪,৮৪৭.
পোলিও টিকা দেওয়া শুরু করার শেষ বয়স সীমা কত?
  1. ৬ সপ্তাহ
  2. ৬ মাস
  3. ২ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• পোলিও টিকার ১ম ডোজের উপযুক্ত বয়স ৬ সপ্তাহ এবং টিকা শুরু করার শেষ বয়স সীমা ২ বছর।

- পোলিও এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি:

উৎস:
১. পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৮৪৮.
'Fauna' বলতে বুঝায়-
  1. ক) উদ্ভিদকূল
  2. খ) মৎস্যকূল
  3. গ) প্রাণিকূল
  4. ঘ) পক্ষীকূল
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাণিকূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাণিকূল
ব্যাখ্যা

- 'Fauna' বলতে বুঝায় পৃথিবীর সকল প্রাণীকে।
- Flora বলতে বুঝায় পৃথিবীর সকল উদ্ভিদকে।
- তাই Fauna অর্থ প্রাণিকূল এবং Flora অর্থ উদ্ভিদকূল।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৮৪৯.
'ধনুষ্টংকার' রোগ কোনটির সংক্রমনে হয়?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৫০.
পাউরুটি ফোলানোর জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. টি-২ ফাজ
  2. ঈস্ট
  3. অ্যামিবা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঈস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈস্ট
ব্যাখ্যা
ইস্ট:
- পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়।
- ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেড ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন CO₂ বা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে।
- পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়।
- উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO₂ উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৫১.
উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল-
  1. ক) কপার
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কপার
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান ১০টি।
যথা: নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, সালফার এবং লৌহ।
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে৷
উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৬ টি।
যথা: দস্তা বা জিংক, ম্যাংগানিজ, মোলিবডেনাম, বোরন, তামা বা কপার এবং ক্লোরিন।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৫২.
ঈস্টে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ক) ভিটামিন ‘এ’
  2. খ) ভিটামিন ‘বি’
  3. গ) ভিটামিন ‘সি’
  4. ঘ) ভিটামিন ‘ডি’
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন ‘বি’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিটামিন ‘বি’
ব্যাখ্যা
ঈস্টে ভিটামিন ‘বি’ পাওয়া যায়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৫৩.
কোনটি শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় না?
  1. ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. খ) পানি
  3. গ) তাপশক্তি
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
শ্বসন :
যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।

•শ্বসনের দু'টি পর্যায় থাকে। যথা:
বহিঃশ্বসন (External respiration)
অন্তঃশ্বসন (Internall respiration)

 •ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে।
 •অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে। এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে—
C6H12O6 + 6O2 = 6CO2 + 6H2O + শক্তি (তাপ বা ATP)

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৮৫৪.
ইউরিয়াতে নাইট্রোজেনর শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ক) ২২
  2. খ) ৪৬
  3. গ) ৫৬
  4. ঘ) ৭০
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৬
ব্যাখ্যা
মাটিতে নাইট্রোজেনর উৎস নাইট্রোজেন লবণ। বায়ুমন্ডলের শতকরা ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
- ইউরিয়াতে শতকরা ৪৬ ভাগ এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটে শতকরা ২০.৫ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।

সূত্র: এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৫৫.
Alternating current (AC)-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. প্রবাহের মান স্থির থাকে
  2. প্রবাহ কেবল ধনাত্মক মান গ্রহণ করে
  3. প্রবাহ একদিকে স্থায়ীভাবে চলতে থাকে 
  4. প্রবাহের দিক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
প্রবাহের দিক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহের দিক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা

• প্রবাহের দিক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হওয়াই Alternating Current (AC)-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য।

• Alternating Current (AC):
- Alternating Current হলো এমন এক ধরনের বৈদ্যুতিক প্রবাহ যেখানে ইলেকট্রনের গতি সময়ের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন করে।
- AC-তে তড়িৎধারা একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়।
- AC-তে ভোল্টেজ ও কারেন্ট উভয়ের মান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়।
- AC সাধারণত sine wave আকারে পরিবর্তিত হয়।
- এক পূর্ণ চক্রে মান শূন্য, ধনাত্মক, পুনরায় শূন্য, ঋণাত্মক, আবার শূন্য অবস্থায় ফিরে আসে।

• AC ও DC-এর পার্থক্য:
- DC (Direct Current) একদিকে স্থায়ীভাবে প্রবাহিত হয়।
- AC নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে।
- DC-তে ভোল্টেজ সাধারণত স্থির থাকে।
- AC-তে ভোল্টেজ ও কারেন্ট পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়।

• AC-এর ব্যবহারিক গুরুত্ব:
- AC সহজেই ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ভোল্টেজ বৃদ্ধি ও হ্রাস করা যায়।
- উচ্চ ভোল্টেজে শক্তি দূরদূরান্তে পরিবহন করা যায়।
- গৃহস্থালী ও শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহে AC ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- প্রবাহের মান স্থির থাকে → এটি DC-এর বৈশিষ্ট্য।
- প্রবাহ কেবল ধনাত্মক মান গ্রহণ করে → এটি একমুখী প্রবাহের ধারণা।
- প্রবাহ একদিকে স্থায়ীভাবে চলতে থাকে → এটি Direct Current-এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস: ব্রিটানিকা [লিংক]।

৪,৮৫৬.
আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯০৫ সালে
  2. খ) ১৯১১ সালে
  3. গ) ১৯১৬ সালে
  4. ঘ) ১৯০০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৮৫৭.
জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্যাস কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন গ্যাস
  2. অক্সিজেন গ্যাস
  3. নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস
  4. নাইট্রোজেন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস
ব্যাখ্যা
পরিবেশের উপর জৈব যৌগের প্রভাব: 
• বিভিন্ন জৈব যৌগ যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করার পর তা আশেপাশের পরিবেশে ফেলা হয়। 
- সে সব পদার্থ পচনশীল হলে তা ছত্রাক ও ব্যকটেরিয়া দ্বারা বিযোজিত হয়ে মাটির 'হিউমাস' বৃদ্ধি করে। 
- হিউমাস মাটির পানি, বাতাস ও পুষ্টি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মাটির গঠন সংযুক্তিতে পরিবর্তন আনে। 
- এসব পদার্থ হলো আমাদের নিত্যদিনের ব্যবহৃত শাকসবজি জাতীয় প্রাকৃতিক পলিমারের অংশ বিশেষ। 
- এসব প্রাকৃতিক জৈব বর্জকে নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে মাটি চাপা দিতে হয়, না হলে পরিবেশ দুষণ ঘটায়। 

• পরিবহনের ইঞ্জিন হতে পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস দহনের ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড ও পানি বের হয়ে আসে যেগুলো গ্রীন হাউজ গ্যাস হিসাবে পরিচিত। 
- এই গ্রীন হাউজ গ্যাস (কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি) -এর কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। 

• বিভিন্ন সাংশ্লেষিক পলিমার যেমন- পলিথিন ব্যাগ, বিভিন্ন প্যাকেজিং সামগ্রী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক দ্বারা বিযোজিত হয় না অর্থাৎ অবিকৃত অবস্থায় মাটিতে ও পানির তলদেশে থেকে যায়।
- এগুলো মাটি ও পানির যেরূপ ক্ষতি করে তেমনি ভাবে জলজ প্রাণীও এগুলোর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 

• ফসলের জমিতে বিভিন্ন পোকামাকড়, জীবানু ধ্বংস করতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় যেগুলো বৃষ্টির পানির মাধ্যমে খাল-বিল, নদী-নালায় ছড়িয়ে পরে যা পানি ও বায়ুর দূষণ ঘটায়। ফলে পানির DO হ্রাস পায়। 
- এতে পানির মাছ ও জলজ প্রাণি মরে যায় ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। 

• শিল্প কারখানা হতে বিভিন্ন জৈব দ্রাবক রাসায়নিক পদার্থ বর্জ্যরূপে বেড়িয়ে আসে। 
- এগুলো সাধারণত উদ্বায়ী, ফলে এগুলো খুব সহজেই বায়ুতে মিশ্রিত হয়ে বায়ু দূষণ ঘটায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৫৮.
মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক কে ছিলেন?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. রন্টজেন
  3. ভিক্টর হেস
  4. গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর হেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর হেস
ব্যাখ্যা

• মহাজাগতিক রশ্মি হলো উচ্চ-শক্তির কণা, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। এর আবিষ্কারক ছিলেন ভিক্টর হেস। ১৯১২ সালে হেস বেলুনের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের উচ্চতার সঙ্গে কণার তীব্রতা পরিমাপ করেন। তিনি দেখেন, উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কণার পরিমাণও বাড়ছে, যা নির্দেশ করে যে এই কণাগুলো পৃথিবীর বাইরে থেকে আসছে। তাই তিনি প্রমাণ করেন যে মহাজাগতিক রশ্মি একটি মহাকাশীয় উৎস থেকে আসে। অন্যান্য অপশন  যেমন স্টিফেন হকিং ছিলেন কালো গহ্বর ও মহাবিশ্ব বিজ্ঞানের গবেষক, রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কারক এবং গ্যালিলিও খগোলীয় পর্যবেক্ষক, তারা এই আবিষ্কারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) ভিক্টর হেস।
 
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন স্টিফেন হকিং।
- গ্যালিলিও মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর জন্য তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা

৪,৮৫৯.
ফসল উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের মাটি উত্তম?
  1. এঁটেল মাটি
  2. পলি মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. দো-আঁশ মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
দো-আঁশ মাটি: 

- ফসল উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি উত্তম।
- কারণ, দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি, কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে।
- এ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে তাই চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী।
- এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয় বেশি।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি দো-আঁশ মাটি।
- কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়। 
 
উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৮৬০.
কোন নদীকে মা মাছের মেটারনিটি ক্লিনিক বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হালদা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- চট্টগ্রামের হালদা নদী এশিয়ার বৃহত্তম একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র।
- হালদা নদীর বৈশিষ্ট্য হলো এটি এমন একটি নদী যা বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশে পতিত হয়েছে।
- হালদা নদীকে মা মাছের মেটারনিটি ক্লিনিকও বলা হয়ে থাকে
- হালদা নদী থেকেই রুই জাতীয় মাছ, যেমন রুই, মৃগেল, কাতলা, কালিবাউস মাছের ডিম সরাসরি সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৮৬১.
কোন ধরনের কণার পারস্পরিক বিনিময়ের ফলে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল হয়?
  1. বোসন
  2. গ্রাভিটন
  3. মেসন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- এ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬২.
রেশম পোকা থেকে তৈরি গুটিকে কী বলা হয়?
  1. ক) ফাইব্রেয়ন
  2. খ) বোরাক্স
  3. গ) কোকুন
  4. ঘ) কেরাটিন
সঠিক উত্তর:
গ) কোকুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোকুন
ব্যাখ্যা
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- রেশম পোকা থেকে তৈরি গুটিকে কোকুন (Cocoon) বলা হয়।

--------------------------------
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৩.
রক্তরসে পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৫৫%
  2. খ) ৭০%
  3. গ) ৯১%
  4. ঘ) ৭৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৯১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯১%
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)।
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৪,৮৬৪.
ফোটন কণা-
  1. ক) ভরহীন
  2. খ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
  3. গ) স্থিতিশীল
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা
আলাে যে ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট রুপে নির্গত হয় তাকে ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন, তড়িৎ নিরপেক্ষ স্থিতিশীল/সুস্থিত। ফোটন এর দুইটি সম্ভাব্য সমবর্তন দশা রয়েছে।
ফোটন এর কোনো চার্জ না থাকার কারনে তড়িৎ বা চুম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা। কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।
৪,৮৬৫.
০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ কত?
  1. ৫১০০ মিটার/সেকেন্ড
  2. ১৪৯০ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৫৬০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৩৩০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩০ মিটার। তবে ২০° সেলসিয়াস সাধারণ তাপমাত্রায় এই বেগ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৪৩-৩৪৪ মিটার/সেকেন্ড।
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়।
- শব্দ নামক যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। তরলে শব্দের বেগ বাতাসে বেগের থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তার থেকেও বেশি।

- বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ:



উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৮৬৬.
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য মূলত কোন প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়?
  1. পারমাণবিক সংযোজন
  2. পারমাণবিক বিভাজন
  3. তেজস্ক্রিয় ক্ষয়
  4. আয়নীকরণ
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক বিভাজন
ব্যাখ্যা

◉ পারমাণবিক বিভাজন (Nuclear Fission) হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239) ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।
- এই শক্তি পানিকে বাষ্পে রূপান্তরিত করতে ব্যবহৃত হয়, যা টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিশন হল এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।
- একে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়।
- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
পারমাণবিক সংযোজন (Nuclear Fusion) — হালকা পরমাণু মিলিয়ে ভারী পরমাণু তৈরি, যা সূর্যের শক্তির উৎস, তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে এখনো বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগযোগ্য নয়।
তেজস্ক্রিয় ক্ষয় (Radioactive Decay) — স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিউক্লিয়াস থেকে কণা বা বিকিরণ নির্গমন, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া নয়।
আয়নীকরণ (Ionization) — ইলেকট্রন যোগ-বিয়োগ করে আয়ন তৈরি, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া নয়। 

উৎস: রসায়ন (নবম-দশম শ্রেণি)।

৪,৮৬৭.
হাঙ্গর মাছের তেলে কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ক) ভিটামিন E এবং D
  2. খ) ভিটামিন C এবং D
  3. গ) ভিটামিন A এবং D
  4. ঘ) ভিটামিন B এবং D
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন A এবং D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন A এবং D
ব্যাখ্যা
The liver oil extracted from the deep sea shark is found to be a good source of fat soluble vitamins such as A, D, and K.
Source: ncbi.nlm.nih.gov
৪,৮৬৮.
পানিতে কি পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড আছে?
  1. ক) ০.৩%
  2. খ) ০.০৩%
  3. গ) ০.০১%
  4. ঘ) ০.১%
সঠিক উত্তর:
ক) ০.৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.৩%
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানিতে ০.৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড আছে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৯.
উদ্ভিদের ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট নয় কোনটি? 
  1. জিংক
  2. সালফার
  3. আয়রন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
জিংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন: 
ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ বা আয়রন (Fe)। 

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৭০.
What is the typical body temperature considered normal for most people?
  1. 33°C
  2. 34.5°C
  3. 36.9°C
  4. 39.9°C
  5. 41.5°C
সঠিক উত্তর:
36.9°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36.9°C
ব্যাখ্যা
মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।
- কেলভিন স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩১০.১৫ কেলভিন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৭১.
সরলরেখায় গতিশীল একটি গাড়ীর আদিবেগ u ; এবং সুষম ত্বরণ at2। t সময় পর বেগ v হলে নিচের কোন সমীকরণটি সঠিক?
  1. ক) v = u + at
  2. খ) v = u + at3
  3. গ) v = 4 + at3/2
  4. ঘ) v = 4 + at4/2
সঠিক উত্তর:
খ) v = u + at3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) v = u + at3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:সরলরেখায় গতিশীল একটি গাড়ীর আদিবেগ u ; এবং সুষম ত্বরণ at2। t সময় পর বেগ v হলে নিচের কোন সমীকরণটি সঠিক? 

সমাধান:
আমরা জানি,
ত্বরণ = (শেষ বেগ - আদি বেগ)/অতিক্রান্ত সময়
⇒ at2 = (v - u)/t
⇒ at3 = v - u
∴ v = u + at3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৭২.
বক্সাইট কোন ধাতুর আকরিক?
  1. Al
  2. Ca
  3. Na
  4. Fe
সঠিক উত্তর:
Al
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Al
ব্যাখ্যা
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
বক্সাইট
• কোরান্ডাম, 
• ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

সোডিয়ামের আকরিক: 
• রকসল্ট, 
• চিলি সল্টপিটার, 
• ন্যাট্রোন, 
• বোরাক্স ইত্যাদি। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
• চুনাপাথর, 
• জিপসাম, 
• ডলোমাইট ইত্যাদি। 

আয়রনের আকরিক: 
• ম্যাগনেটাইট, 
• হেমাটাইট, 
• আয়রন পাইরাইটস, 
• লিমোনাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৮৭৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. গ) আয়োনোস্ফিয়ার
  4. ঘ) এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ওজোন গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে। এই স্তর ভূ-পৃষ্ট থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রঃ বিজ্ঞান ৬ষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৮৭৪.
কোনটি জারক পদার্থ নয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরিন
  4. ব্রোমিন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

• জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা।
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ। 
- ফ্লোরিন, ক্লোরিন, অক্সিজেন, ওজোন ইত্যাদি হলো গ্যাসীয় জারক পদার্থ।
- তরল ব্রোমিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড ইত্যাদি হলো তরল জারক পদার্থ।
- আয়োডিন, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, ফেরিক ক্লোরাইড ইত্যাদি হলো কঠিন জারক পদার্থ।

• বিজারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা।
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়।
- হাইড্রোজেন, হাইড্রোজেন সালফাইড, সালফিউরাস এসিড ইত্যাদি হলো বিজারক পদার্থের উদাহরণ।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির, (হাজারী-নাগ)।

৪,৮৭৫.
পৃথিবীর পরিধি কত ডিগ্রি?
  1. ক) ৩৬০ ডিগ্রি
  2. খ) ২৬০ ডিগ্রি
  3. গ) ১৮০ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৯০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:

- পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৭৬.
জৈব যৌগ কোনটি?
  1. CO
  2. CO2
  3. CH4
  4. Na2CO3
সঠিক উত্তর:
CH4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CH4
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। 
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে। 
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। 
যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি। 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে। 
যেমন- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৭৭.
আলফ্রেড নোবেল কী আবিষ্কার করেন?
  1. ক) বিদ্যুৎ
  2. খ) পলিও টিকা
  3. গ) ডিনামাইট
  4. ঘ) কয়লা
সঠিক উত্তর:
গ) ডিনামাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিনামাইট
ব্যাখ্যা

- সুইডেনের বৈজ্ঞানিক আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিস্কার করেন।
মানবকল্যানের জন্য তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করলেও যখন এটি ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যবহৃত হতে থাকে তখন তিনি ডিনামাইট আবিস্কার বাবদ প্রাপ্ত অর্থ মানবকল্যানে দান করেন।
সে অর্থে তিনি ১৮৯৬ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন যা ১৯০১ সাল থেকে ৬ টি বিষয়ে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সারা বিশ্বে প্রদান করা হয়।

- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : অক্টোবর সংখ্যা

৪,৮৭৮.
তাড়িতচৌম্বক বিকিরণের কণাকে কী বলা হয়?
  1. ফোটন
  2. প্রোটন 
  3. ইলেকট্রন
  4. নিউট্রন 
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা

ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
- প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭৯.
আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক বলা হয় কাকে?
  1. গ্যালিলিও
  2. হাবল
  3. টলেমি
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- নিকোলাস কোপার্নিকাস প্রথম আধুনিক সুর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন।
- নিকোলাস কোপার্নিকাস হলেন, আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক।
- গ্যালিলিও দৃঢ়ভাবে কোপার্নিকাস এর সূর্যকেন্দ্রিক তত্ত্বকে সমর্থন করেছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৮৮০.
Copsychus saularis কোন প্রাণীর দ্বিপদ নাম?
  1. ধান
  2. কুনোব্যাঙ
  3. দোয়েল পাখি
  4. বট গাছ
সঠিক উত্তর:
দোয়েল পাখি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়েল পাখি
ব্যাখ্যা

গ) দোয়েল পাখি

দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali, ইত্যাদি।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৪,৮৮১.
অ্যানোড তড়িৎদ্বারে কোন ক্রিয়া সম্পন্ন হয়? 
  1. প্রশমন
  2. অধঃক্ষেপ
  3. জারণ
  4. বিজারণ
সঠিক উত্তর:
জারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ
ব্যাখ্যা
তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিগলিত অথবা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে দুটি ধাতব পরিবাহী অথবা গ্রাফাইট দন্ড এমনভাবে রেখে দেয়া হয় যেন একটি দিয়ে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে যায়। 
- এ দুটি ধাতব অথবা গ্রাফাইট পরিবাহীকে তড়িৎদ্বার বলা হয়। 
- তড়িৎদ্বার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে কোষ বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যথা- 
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং 
২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার। 

অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮২.
কোয়াসার কী?
  1. মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু
  2. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ
  3. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ
  4. একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের অবশেষ
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু
ব্যাখ্যা
• কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু, যা সাধারণত অনেক দূরের গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থান করে। এগুলো একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের চারপাশে গঠিত গ্যাস ও ধূলিকণার ঘূর্ণনের ফলে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে অত্যন্ত উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কোয়াসার এতটাই উজ্জ্বল যে এটি একটি গোটা গ্যালাক্সিকে ছাপিয়ে আলো দিতে পারে, যদিও এর আকার তুলনামূলকভাবে ছোট। এরা মূলত মহাবিশ্বের প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু।


কোয়াসার (Quasar): 

- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়াসার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়াসারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস ব্ল্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো: কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৩.
প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য কোনটি? 
  1. স্টার্চ
  2. শ্বেতসার
  3. কাইটিন
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
প্রাণী কোষের বৈশিষ্ট্য: 
- প্রাণী কোষে কোন কোষ প্রাচীর থাকে না। পাতলা স্থিতিস্থাপক প্লাজমা ঝিল্লী দ্বারা প্রাণী কোষ আবৃত অবস্থায় থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত প্লাস্টিড থাকে না। 
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন। 
- প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত কোন কোষ গহ্বর থাকে না। থাকলেও আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং ক্ষণস্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণী কোষের আকার পরিবর্তিত হয়। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকে। 
- সকল কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য অর্ধতরল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৪.
নিচের কোনটি এসিডের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এটি লাল লিটমাসকে নীল করে।
  2. খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
  3. গ) ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন করে।
  4. ঘ) প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহন করতে পারে।
সঠিক উত্তর:
খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
ব্যাখ্যা
এসিড:

- নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয় এসিডের কারণে।
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
- যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।
- এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. এসিড স্বাদে টক।
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী।

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৮৫.
বিপরীত আধানযুক্ত আয়নের মধ্যে যে রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলা হয়? 
  1. সমযোজী বন্ধন
  2. ধাতব বন্ধন
  3. আয়নিক বন্ধন
  4. হাইড্রোজেন বন্ধন
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
ব্যাখ্যা
আয়নিক বন্ধন: 
- দুটি বিপরীতধর্মী আধানের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে যে বন্ধনের সৃষ্টি হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। 

সমযোজী বন্ধন: 
- দুটি অধাতব মৌলের পরমাণুর যোজ্যতা স্তরের বিজোড় ইলেকট্রনকে উভয় পরমাণুই শেয়ার করে যে রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করে তাকে সমযোজী বন্ধন বলে। 

বন্ধন গঠন: 
- পরমাণুর যোজ্যতাস্তরের বিজোড় ইলেকট্রন বন্ধন গঠনে অংশগ্রহণ করে। 

একক বন্ধন: 
- দুটি পরমাণুর প্রত্যেকের ১টি করে ইলেকট্রনের শেয়ারের মাধ্যমে একক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 

ক্যাটায়ন: 
- ধনাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে ক্যাটায়ন বলে। 

অ্যানায়ন: 
- ঋণাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে অ্যানায়ন বলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৬.
আকাশ নীল দেখায় কেন?
  1. নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
  2. নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
  3. নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  4. নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
সঠিক উত্তর:
নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ব্যাখ্যা
• বিক্ষেপণ:
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে।
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে।
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি।
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়।
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়।
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৮৭.
Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) -এর চতুর্থ মূল্যায়ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৮০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কত সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে?
  1. ৩০ সেন্টিমিটার
  2. ৩৮ সেন্টিমিটার
  3. ৩৪ সেন্টিমিটার
  4. ৪০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৪ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য গঠিত Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC)-এর চতুর্থ মূল্যায়ন রিপোর্ট (AR4) অনুযায়ী, জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের প্রভাব অনেক মারাত্মক এবং তা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে। 
- পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে প্রায় ০.৭° সেলসিয়াস বেড়েছে। 
- ১৯৬১-২০০৩ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা গড়ে প্রতি বছরে ১.৮ সেন্টিমিটার করে বেড়েছে। 
- ১৯৯৫-২০০৬ পর্যন্ত ১২ বছরের মধ্যে ১১ বছরই প্রচন্ড গরম পড়েছে। পরবর্তী দুই দশকে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা প্রতি দশ বছরে গড়ে ০.২°-০.৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাবে। 
- ২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.১°-৬.৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। 
- ২০৮০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। 
- প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়, আইলা, সিডর, নার্গিস, ক্যাটরিনার মতো ভয়াবহ দুর্যোগ আরো ঘন ঘন হবে এবং তার মাত্রা আরো ভয়ানক হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৮৮.
Biotechnology শব্দটি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) কার্ল এরেকি
  2. খ) জেমস হুইটনার
  3. গ) জেনিস বার্গার
  4. ঘ) রবার্ট থম্পসন
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল এরেকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল এরেকি
ব্যাখ্যা

- জৈবপ্রযুক্তি হলো বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে জীবদের ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য প্রয়োজনীয় মালামাল তৈরির বিশেষ প্রযুক্তি। এটি মূলত জীববিদ্যাভিত্তিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি কৃষি, খাদ্য বিজ্ঞান, এবং ঔষধশিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- কার্ল এরেকি ছিলেন একজন হাঙ্গেরিয়ান কৃষি প্রকৌশলী।
- 'বায়োটেকনোলজি' শব্দটি ১৯১৯ সালে তিনি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন।
- কেউ কেউ তাকে জৈবপ্রযুক্তির ''পিতা'' বলে মনে করেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৪,৮৮৯.
মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, কারণ সেখানে- 
  1. তড়িৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি (Electrical Energy): 
- শক্তির রূপান্তরের সবার আগে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তির কথা বলা হয় কারণ এই শক্তিকে সবচেয়ে সহজে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- শুধু তা-ই নয় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ।
- দৈনন্দিন জীবনে বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
(যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে হয়।) - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎশক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- শব্দশক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয় যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। যেমন- স্পিকারে বিদ্যুৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯০.
চিন্তার সঙ্গে মস্তিস্কের যে অংশের সম্পর্ক তাকে কী বলা হয়?
  1. সেরিবেলাম
  2. সেরেব্রাম
  3. থ্যালামাস
  4. হাইপোথ্যালামাস
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরেব্রাম
ব্যাখ্যা
• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে) এবং মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশকে ঢেকে রাখে।
- দুটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার সমন্বয়ে সেরেব্রাম গঠিত।
কাজঃ বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট এবং সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

অন্যদিকে,
- থ্যালামাস: সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়। মানুষের ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায়। ঘুমন্ত মানুষকে হঠাৎ জাগিয়ে তোলা ও পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক করে তোলে।
- হাইপোথ্যালামাস: স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- সেরেবেলাম: দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে। পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস:প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯১.
কোন রোগের কারণে ফল গাছে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়?
  1. পাতার দাগ
  2. পাতা পোড়া
  3. মিলডিউ
  4. সুটিমোল্ড
সঠিক উত্তর:
সুটিমোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুটিমোল্ড
ব্যাখ্যা

স্যূটিমোল্ড রোগের কারণে ফল গাছে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
- এ রোগের আক্রমনে পাতায়, ফলে ও কান্ডে কাল ময়লা জমে। মিলিবাগ বা সাদা মাছির আক্রমন এ রোগ ডেকে আনে।
- প্রোপিকোনাজল জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন টিল্ট ৫ মিলি/১ মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৮৯২.
কোন বিজ্ঞানী আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কিত 'অপটিকস' নামক গ্রন্থটি লিখেছিলেন?
  1. এরিস্টটল
  2. টলেমি
  3. ইউক্লিড
  4. লুক্রেটিয়াস
সঠিক উত্তর:
টলেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টলেমি
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রীক ও হেলেনিক তত্ত্ব: 
- খ্রিষ্ট পূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীকরা বিশ্বাস করতেন সব বস্তু আগুন, বায়ু, মাটি ও পানি এই ৪টি মূল উপাদানে তৈরি হয়। 
- দেবী আফ্রেদিতি এই চার উপাদান দিয়ে মানুষের চোখ সৃষ্টি করেছেন। তিনি চোখের মধ্যে আগুন জ্বালান। এটি চোখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং বস্তুর উপর পড়লে বস্তু দেখা যায়, এটি সত্য হলে রাতের বেলা দেখতে না পাওয়ার কারণ নাই। 

- খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে পিথাগোরাস মনে করতেন দৃশ্যমান বস্তু থেকে আলো উৎপন্ন হয়। 
- আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে ইউক্লিড অপটিকা নামে একটি বই লিখেন। তিনি সিদ্ধান্ত দেন আলো সরলরেখায় চলে। তিনি আলোর প্রতিফলনের সূত্র দেন, গাণিতিক ভাবে সূত্রটি প্রমাণ করেন। চোখ থেকে রশ্মি বেরিয়ে দেখতে সাহায্য করে এটি তিনি মেনে নিতে পারেন নাই। তিনি প্রশ্ন তোলেন তাহলে বন্ধ চোখ খুললেই আকাশের অসীম দূরের তারা দেখা যায় কিভাবে? 

- খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে এরিস্টটল বৃষ্টি কণার মধ্যে আলোর প্রতিসরণের ফলে রঙধনু সৃষ্টি হয় উল্লেখ করেন। ইউক্লিড আলোর প্রতিফলনের সূত্র এবং দর্পণের ধর্ম বর্ণনা করেন। আলোর প্রতিসরণ প্রক্রিয়া পরিমাপ করেন, কিন্তু তিনি এর গাণিতিক সূত্র জানতেন না। 

- টলেমি খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে অপটিকস নামে একটি বই লিখেন, তাতে তিনি আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কে বর্ণনা দেন। প্রথম আলোক সম্পর্কীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তথ্যাদি সংগ্রহ করেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন চোখ থেকে আলো এসে বস্তুর উপর পড়ে বলে দেখা যায়। 

- খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫ অব্দে রোমান দার্শনিক লুক্রেটিয়াস উল্লেখ করেন সূর্যের আলো এবং তাপ অতি ক্ষুদ্র পরমাণু দ্বারা গঠিত। এগুলো যখন নির্গত হয় তৎক্ষণাৎ নিমেষে মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে ছুটে যায়। এটি কণা তত্ত্বের সদৃশ হলেও এই ধারণা গৃহীত হয় নাই। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯৩.
প্রােটিন তৈরি হয় ____________ দিয়ে।
  1. অক্সালিক এসিড 
  2. সাইট্রিক এসিড
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. অ্যামিনাে এসিড 
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিনাে এসিড 
ব্যাখ্যা

• প্রােটিন তৈরি হয় অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে।

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
- প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

- এই ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে:
১. লাইসিন,
২. লিউসিন,
৩. আইসােলিউসিন,
৪. মিথিওনিন,
৫. ট্রিপটোফ্যান,
৬. ভ্যালিন,
৭. ফিনাইল অ্যালানিন,
৮. থ্রিওনিন।

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

৪,৮৯৪.
তেজস্ক্রিয়তার এস. আই. লব্ধ একক কোনটি? 
  1. ওহম 
  2. বেকেরেল
  3. কুরী
  4. রন্টজেন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯৫.
কে প্রথম বোসন কণার ধারণা ব্যবহার করে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন?
  1. ম্যাক্স প্ল্যাংক
  2. জগদীশচন্দ্র বসু
  3. প্রফুল্ল চন্দ্র বসু 
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয়। 
- 1803 সালে ডাল্টন পারমাণবিক তত্ত্ব দিয়েছেন, 1897 সালে থমসন সেই পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেছেন, 1911 সালে রাদারফোর্ড দেখিয়েছেন, পরমাণুর কেন্দ্রে খুবই ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসে পজিটিভ চার্জগুলো থাকে। কিন্তু দেখা গেল নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরন্ত ইলেকট্রনের মডেলটি কোনোভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না, কারণ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় সূত্র অনুযায়ী এই অবস্থায় ইলেকট্রন তার শক্তি বিকিরণ করে নিউক্লিয়াসের ভেতর পড়ে যাবে; কিন্তু বাস্তবে তা কখনো ঘটে না। 
- 1900 সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন, যা ব্যবহার করে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানী বোর পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করার জন্য কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করেন। 
- বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করে বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন। এজন্য বিজ্ঞানী বসুকে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্বের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়, এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একশ্রেণির মৌলিক কণাকে বোসন (Boson) নাম দেওয়া হয়। 
- 1900 থেকে 1930 সাল পর্যন্ত এই সময়টিতে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকসহ অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন। 

- বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে ইথার নামে একটি বিষয় কল্পনা করে নেওয়া হয়েছিল এবং 1887 সালে মাইকেলসন ও মোরলি তার অস্তিত্ব আবিষ্কার করার চেষ্টা করে দেখান যে প্রকৃতপক্ষে ইথার বলে কিছু নেই এবং আলোর বেগ স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান। 
- 1905 সালে আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে এই বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E = mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানো হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে থিওরি অব রিলেটিভিটি ব্যবহার করে ডিরাক 1931 সালে প্রতি কণা (Anti Particle) অস্তিত্ব ঘোষণা করেন, যেটি পরের বছরেই আবিষ্কৃত হয়ে যায়।
- 1895 সালে রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 
- 1896 সালে বেকেরেল দেখান যে পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হচ্ছে। 
- 1899 সালে পিয়ারে ও মেরি কুরি রেডিয়াম আবিষ্কার করেন এবং বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন পরমাণুগুলো আসলে অবিনশ্বর নয়, সেগুলো ভেঙে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯৬.
নিষেকের পর রূপান্তরের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. গর্ভাশয় - ফল
  2. ডিম্বক - বীজ
  3. এক্সাইন - টেগমেন
  4. ডিম্বাণু - ভ্রূণ
সঠিক উত্তর:
এক্সাইন - টেগমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সাইন - টেগমেন
ব্যাখ্যা
নিষেকের পর রূপান্তর:
নিষেকের আগে - নিষেকের পরে:
- গর্ভাশয় - ফল
- গর্ভাশয়ত্বক - ফলত্বক।
- ডিম্বক - বীজ
- এক্সাইন - টেস্টা।
- ইন্টাইন - টেগমেন
- মাইক্রোফাইল - মাইক্রোফাইল।
- ডিম্বাণু - ভ্রূণ
- সাহায্যকারী কোষ - নষ্ট হয়ে যায়।
- প্রতিপাদ কোষ - নষ্ট হয়ে যায়।
- ডিম্বকনাড়ী - বীজবৃন্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৮৯৭.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য কোন বিজ্ঞানীরা নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন? 
  1. ওয়াল্টার ব্রাটেইন, আইনস্টাইন ও ফ্রেমিং 
  2. উইলিয়াম শকলি, ম্যারি কুরি ও পিয়েরে কুরি 
  3. জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি 
  4. নিউটন, জন বারডিন ও গ্যালিলিও 
সঠিক উত্তর:
জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন ও উইলিয়াম শকলি 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- এই ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। 
- এই ট্রানজিস্টর কত দ্রুত এবং কত ব্যাপকভাবে পুরো পৃথিবীকে পাল্টে দেবে সেটি তখনো কেউ অনুমান করতে পারেনি। 
- ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতোই কাজ করতে পারে কিন্তু ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় এটি অতি ক্ষুদ্র এবং ওজন খুবই কম, এটি ব্যবহার করতে খুব অল্প বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, এটি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে বড় কথা এটি অনেক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব। 
- কাজেই ট্রানজিস্টর খুব দ্রুত ভ্যাকুয়াম টিউবকে সরিয়ে তার স্থান দখল করে নিতে শুরু করল এবং পৃথিবীর মানুষ স্বল্প মূল্যে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে তৈরি নানা ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পেতে শুরু করল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯৮.
রংধনুতে কয়টি রং আছে?
  1. ক) সাতটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) নয়টি
  4. ঘ) ছয়টি
সঠিক উত্তর:
ক) সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতটি
ব্যাখ্যা

- রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯৯.
রক্ত কোন ধরনের টিস্যু?
  1. যোজক টিস্যু
  2. পেশি টিস্যু
  3. স্নায়ু টিস্যু
  4. আবরণী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
যোজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
যোজক টিস্যু (Connective Tissue):

• যোজক বা কানেকটিভ টিস্যুতে মাতৃকার (Matrix) পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম।
• গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে কানেকটিভ টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা-
(i) ফাইব্রাস যোজক টিস্যু;
(ii) স্কেলিটাল যোজক টিস্যু;
(iii) তরল যোজক টিস্যু। 

রক্ত: 

• রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
• ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
• উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
• রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা (৪৫%)।
• রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় ৯১-৯২% অংশ পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৯০০.
টিস্যু সম্পর্কিত আলোচনাকে কী বলা হয়?
  1. এন্ডোক্রাইনোলজি
  2. হিস্টোলজি
  3. সাইটোলজি
  4. ট্যাক্সোনমি
সঠিক উত্তর:
হিস্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিস্টোলজি
ব্যাখ্যা
• ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে হিস্টোলজি অন্যতম। 

• হিস্টোলজি (Histology) হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে কোষের সমন্বয়ে গঠিত টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়। 

অন্যদিকে,
• এন্ডোক্রাইনোলজি: এ শাখায় হরমোন এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
•  সাইটোলজি: এ শাখায় কোষ (Cell) সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়।
•  ট্যাক্সোনমি: এ শখায় জীবদের শ্রেণিবিন্যাস ও নামকরণ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।