বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৭ / ১৪০ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ১৪,০৮০

৪,৬০১.
সবজি চাষ বিদ্যাকে কী বলে?
  1. Horticulture
  2. Aroboriculture
  3. Floriculture
  4. Vegiculture
সঠিক উত্তর:
Horticulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Horticulture
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: 
- সবজি চাষ পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- অলেরিকালচার  (Olericulture)। 
- অলেরিকালচার হলো হর্টিকালচারের একটি শাখা যা শাকসবজি উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং বাজারজাতকরণের সাথে সম্পর্কিত। যেহেতু অপশনে অলেরিকালচার নেই, তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে হর্টিকালচার নেওয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে, 
- বৃক্ষবিদ্যার ইংরেজি আর্বোরিকালচার (Arboriculture) শব্দটি ইংরেজি "Arbor" শব্দ থেকে এসেছে। 
- Arbor শব্দের অর্থ "নিকুঞ্জ" (অর্থাৎ, বৃক্ষছায়ায় ঘাস আচ্ছাদিত স্থান)। 
- বৃক্ষবিদ্যায় মূলত সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বিভিন্ন উদ্ভিদ চাষ ও ব্যবস্থাপনা (অর্থাৎ, নিকুঞ্জ তৈরি) সংক্রান্ত আলোচনা রয়েছে বলে এর এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
[Aroboriculture ও Vegiculture বানান দুইটি মূল পরীক্ষার অপশনে ভুল রয়েছে যার সঠিক বানান হবে Arboriculture ও Vegeculture]
- ফুল ও ফুলগাছের চাষাবাদকে বলা হয়- ফ্লোরিকালচার (Floriculture)। 
- Vegeculture মূলত কন্দাল ফসল যেমন আলু, মিষ্টিআলু, কচু, মেটেআলু, কাসাভা ইত্যাদি চাষকে বুঝায়।


অন্যান্য আধুনিক চাষ: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৪,৬০২.
একটি পরমাণুর চার্জ
  1. ক) =+1
  2. খ) 1
  3. গ) -1
  4. ঘ) 0
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
ব্যাখ্যা
প্রোটন এবং ইলেকট্রনের চার্জ একে অপরের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী হওয়ায় একটি পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ শূন্য।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৬০৩.
ব্যাঙের ছাতার আরেক নাম কি?
  1. ক) মিউকর
  2. খ) এগারিকাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা
  4. ঘ) ক্লোরেলা
সঠিক উত্তর:
খ) এগারিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এগারিকাস
ব্যাখ্যা
- পঁচা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ভাপসা আবহাওয়ায় ব্যাঙের ছাতা জন্মাতে দেখা যায়। এই ব্যাঙের ছাতার আরেকটি নাম হলো এগারিকাস। 

- বাসি, পঁচা রুটির উপর তুলার আঁশের মত এক প্রকার বস্তু জন্মাতে দেখা যায়। একে রুটির ছত্রাক বা মিউকর বলে। এসব উদ্ভিদ ক্লোরোফিলবিহীন। এ কারণে এদের রঙ সাদা।

- স্পাইরোগাইরা, ক্লোরেলা সবুজ শৈবালের উদাহারণ। এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে বলে এরা সবুজ হয়।

সূত্র: পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৪.
আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির স্বীকার্যের সংখ্যা কত?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরি দুটি প্রধান স্বীকার্যের উপর নির্ভর করে। প্রথমটি হলো লাইটের গতির ধ্রুবকতা, অর্থাৎ শূন্য স্থানেও আলো সর্বদা একই গতিতে (প্রায় ২.৯৯৭৯ × ১০ মি/সেকেন্ড) প্রবাহিত হয়, পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভর করে না। দ্বিতীয়টি হলো সাপেক্ষিকতার নীতি, যার অর্থ প্রাকৃতিক আইন সব অবজারভারদের জন্য একই, তারা স্থির থাকুক বা সমান গতিতে চলুক। এই দুটি মূল ধারণা স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির ভিত্তি গঠন করে এবং এর ফলশ্রুতিতে সময়ের সম্প্রসারণ, দৈর্ঘ্য সংকোচন, ভর-শক্তির সমীকরণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল উদ্ভূত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) দুইটি।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 

যথা - 
১। প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

২। দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬০৫.
p- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্যালিয়াম
  2. খ) আর্সেনিক
  3. গ) এন্টিমনি
  4. ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিয়াম
ব্যাখ্যা

- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৬০৬.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।


সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
৪,৬০৭.
দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. Corvus splendens
  2. Passer domesticus
  3. Copsychus saularis
  4. Nymphaea nouchali
সঠিক উত্তর:
Copsychus saularis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Copsychus saularis
ব্যাখ্যা
- Copsychus saularis - দোয়েল।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম:
- Oryza sativa - ধান;
- Mangifera indica - আম;
- Artocarpus heterophyllus - কাঁঠাল;
Apis indica - মৌমাছি;
- Allium cepa - পেঁয়াজ;
- Nymphaea nouchali - শাপলা, 
Periplaneta americana আরশোলা;
- Panthera tigris - রয়েল বেঙ্গল টাইগার;
- Hilsa ilisha - ইলিশ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬০৮.
মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম কী?
  1. রেডিও আলনা
  2. ফিমার
  3. এনামেল
  4. চুল
সঠিক উত্তর:
এনামেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনামেল
ব্যাখ্যা
• এনামেল:
- মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম এনামেল।
- এনামেল হল মানবদেহের দাঁতের উপরিভাগে থাকা একটি কঠিন, সাদা স্তর যা দাঁতের অভ্যন্তরীণ অংশকে সুরক্ষা দেয়।
- এটি হাইড্রোক্সিপাটাইট স্ফটিক (ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট আয়ন) দ্বারা গঠিত।
- যা এটিকে মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন ও শক্ত পদার্থে পরিণত কর

অন্যদিকে,
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি। ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী অস্থি।তবে এটি এনামেলের মতো কঠিন নয়।
- রেডিও আলনা অস্থিটি রেডিয়াস ও আলনা নামক পৃথক অথচ পরস্পরের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ দুটি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- রেডিয়াস লম্বা এবং মস্তক বর্তমান।অন্যদিকে আলনা লম্বা ও নলাকার।
- চুল মূলত ক্যারাটিন (Keratin) দিয়ে তৈরি, যা শক্ত কিন্তু এনামেলের মতো কঠিন নয়।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ও ব্রিটানিকা।
৪,৬০৯.
রক্তের কোন উপাদান আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌছে দেয়?
  1. ক) শ্বেত কণিকা
  2. খ) বেসোফিল
  3. গ) গ্র‍্যানুলোসাইট
  4. ঘ) লোহিত কণিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত কণিকা
ব্যাখ্যা

নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বা শ্বসন প্রক্রিয়ায় আমরা বাতাস থেকে যে অক্সিজেন গ্রহণ করি, সেটি ফুসফুসে আমাদের রক্তের সাথে মিশে যায়।
রক্তের লােহিত কণিকা এই অক্সিজেন আমাদের শরীরের কোষে পৌঁছে দেয়৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৬১০.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১৯ সালে
  3. গ) ২০২০ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- উৎক্ষেপণের তারিখ: ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ ।
- ১০ বিলিয়ন ডলারের জেমস ওয়েব নামধারী স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
- হাবল টেলিস্কোপ ছিল মহাকাশে ভাসমান প্রথম কোনো টেলিস্কোপ।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট
৪,৬১১.
প্রিন্টারের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও ওয়েব
  2. খ) মাইক্রো ওয়েব
  3. গ) ইনফ্রারেড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা ৩০০ GHz থেকে ৪০০THz হয়ে থাকে।
খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৬১২.
ভ্যাক্সিন বা টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. রবার্ট কচ
  3. লুই পাস্তুর
  4. জ্যাকব হেইন
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা
• টিকা আবিষ্কারের ইতিহাস:
- বসন্তের প্রথম টিকা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮ শতকের শেষভাগে ১৭৯৬ সালে।
- এডওয়ার্ড জেনার এ টিকা আবিষ্কার করেন।
- এটিই ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল টিকা।
- পোলিও টিকার আবিষ্কারক জোনাস এডওয়ার্ড সক।
- যক্ষার জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ।
- বিসিজি (যক্ষার টিকা) আবিষ্কার করেন ক্যালসাট ও গুয়োচিন।

উৎস:  ব্রিটানিকা।
৪,৬১৩.
আধান বা চার্জের একক কি?
  1. ক) অ্যাম্পিয়ার
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) ওহম
  4. ঘ) ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
ব্যাখ্যা

- চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪,৬১৪.
সমুদ্র তারা কোন ধরনের প্রতিসাম্যযুক্ত প্রাণী? 
  1. অরীয়
  2. দ্বি-অরীয়
  3. দ্বি-পার্শ্বীয়
  4. অপ্রতিসাম্য
সঠিক উত্তর:
অরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরীয়
ব্যাখ্যা
প্রতিসাম্য: 
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে। 
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)। 

খ. অরীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)। 

গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: 
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)। 

ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: 
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)। 

ঙ. অপ্রতিসাম্য: 
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৫.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুযায়ী নিচের কোনটিকে পরম ধরা হয়-
  1. ক) স্থান
  2. খ) সময়
  3. গ) ভর
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

চিরায়ত বলবিদ্যা অনুযায়ী স্থান,কাল এবং ভরকে পরম বলে ধরা হয়।
কিন্তু আলবার্ট আইনস্টাইন সর্বপ্রথম দাবী করেন যে পরমস্থান, পরমকাল এবং পরমভর বলতে কিছুই নেই।
- স্থান,কাল এবং ভর তিনটিকেই আপেক্ষিক ধরে তিনি তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।

৪,৬১৬.
রুটি তৈরির কারখানায় ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) Pseudomonas
  2. খ) Saccharomyces
  3. গ) Clostridium
  4. ঘ) Nitrosomonas
সঠিক উত্তর:
খ) Saccharomyces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Saccharomyces
ব্যাখ্যা
রুটি তৈরির কারখানায় Saccharomyces cerevisiae ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়। 

- ব্যাকটেরিয়াকে এককোষী প্রোটিন (single cell protein) হিসেবে পশু ও মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরণের জৈব প্রযুক্তিতে একদিকে যেমন বর্জ্য পদার্থের পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা করে, অন্যদিকে মানুষসহ অন্যান্য পশুর প্রোটিনের চাহিদা পুরন হয়।
- কাগজ ও কাগজের মন্ড (pulp এবং paper industry) থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থে বিভিন্ন ইস্ট (যেমন- Torula, Saccharomyces ইত্যাদি) জন্মায়, যেগুলো অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশে এ ধরণের জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক নয়, তবে চিনি কল থেকে উৎপন্ন পরিত্যক্ত বর্জ্য ঝোলাগুড় (molasses) কে আমরা মিডিয়াম হিসেবে ব্যবহার করে Saccharomyces cerevisiae কে ব্যাপক ভাবে চাষ করতে পারি।

সূত্র: ৪০১ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।       
৪,৬১৭.
কার্বোহাইড্রেট C, H এবং O-এর অনুপাত কত? 
  1. ১ : ১ : ২
  2. ১ : ২ : ১
  3. ১ : ৩ : ২
  4. ১ : ৩ : ১
সঠিক উত্তর:
১ : ২ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ : ২ : ১
ব্যাখ্যা
কার্বোহাইড্রেট: 
- উদ্ভিদের সবুজ অংশে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানির বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয় কার্বোহাইড্রেট। 
- জীবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ গাঠনিক ও সঞ্চয়ী উপাদান হলো কার্বোহাইড্রেট। 
- আমাদের খাদ্য তালিকার প্রধান উপাদানও কার্বোহাইড্রেট। 
- কার্বোহাইড্রেটকে হাইড্রেট্স অব কার্বন থেকে নামকরণ করা হয়েছে, এর অর্থ হলো কার্বনের জলায়ন। 
- কার্বোহাইড্রেটের প্রতি অণু কার্বনের সাথে দুই অণু হাইড্রোজেন ও এক অণু অক্সিজেন থাকে। 
- কাজেই কার্বোহাইড্রেট হলো কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেনের (O) সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ যেখানে এদের অনুপাত ১ : ২ : ১। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৮.
নীল তিমি কোন শ্রেণির প্রাণী?
  1. স্তন্যপায়ী
  2. পক্ষীকুল
  3. মৎস্যকুল
  4. সরীসৃপ
সঠিক উত্তর:
স্তন্যপায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্তন্যপায়ী
ব্যাখ্যা
Chordata পর্বের Mammalia শ্রেণির স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- নীল তিমি
- বাদুড়, 
- ডলফিন, 
- মানুষ, 
- বানর ইত্যাদি। 

Chordata পর্বের Reptalia শ্রেণির সরীসৃপ প্রাণী: 
- ঘড়িয়াল, 
- কুমির, 
- কচ্ছপ, 
- সাপ, 
- টিকটিকি ইত্যাদি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬১৯.
n-p-n ট্রানজিস্টরে 'p' অংশটি কী?
  1. নিঃসারক
  2. সংগ্রাহক
  3. ভিত্তি
  4. বিবর্ধক
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি
ব্যাখ্যা
• p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ বা ভিত্তি এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়।

• ট্রানজিস্টর:
• ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে (Bell Laboratory) প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টার ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক (Charge carrier) থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টার বলে।
- পয়েন্ট কন্টাক্ট (Point contact) এবং জাংশন পদ্ধতিতে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দু'ধরনের। যথা- n-p-n এবং এ p-n-pl
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় দুটি p-n জাংশন পাশাপাশি সংযোগ করলে n-p-n বা p-n-p ট্রানজিস্টর পাওয়া যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২০.
বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড টাইম ও গ্রীনউইচ মান টাইম-এর মধ্যে পার্থক্য হল-
  1. ক) ১০ ঘণ্টা
  2. খ) ৮ ঘণ্টা
  3. গ) ৭ ঘণ্টা
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)

৪,৬২১.
pH স্কেলে কোন pH মান নিরপেক্ষ দ্রবণকে নির্দেশ করে?
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH-এর মান জানার প্রয়োজনীয়তা: 
- কোনো একটি পদার্থ এসিড, ক্ষার না নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। 
- কিন্তু তাতে কী পরিমাণ এসিড বা ক্ষার আছে, সেটি বোঝা যায় pH-এর মান পরিমাপ করে। 
- নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি যেখানে কোনো এসিড বা ক্ষার থাকে না, তার pH হয় ৭ । 
- আর যদি এতে এসিড যোগ করা হয় তাহলে pH-এর মান কমে যায়। যত বেশি এসিড যোগ করা যায়, pH-এর মান ততই কমে যায়। 
- পক্ষান্তরে যদি বিশুদ্ধ পানি বা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণে ক্ষার যোগ করা হয়, তাহলে এর pH বাড়তে থাকে। যত বেশি ক্ষার যোগ করা হয়, pH-এর মান ততই বাড়তে থাকে। 
সুতরাং বলা যায়, 
কোনো দ্রবণের pH = ৭ হলে তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি হবে। 
• কোনো দ্রবণের pH < ৭ হলে (৭ থেকে কম হলে) তা অম্লীয় বা এসিডিয় দ্রবণ হবে। 
• কোনো দ্রবণের pH > ৭ হলে (৭ থেকে বেশি হলে) তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে। 
- pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি কম হবে, এসিডটি তত শক্তিশালী, আবার pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি হবে, ক্ষারকত্বও তত বেশি শক্তিশালী হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬২২.
A light-sensitive device that converts drawing, printed text, or other images into digital form is-
  1. Scanner
  2. Plotter
  3. Keyboard
  4. OMR
  5. Printer
সঠিক উত্তর:
Scanner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Scanner
ব্যাখ্যা

- A light-sensitive device that converts drawings, printed text, or other images into digital form is a Scanner.

Scanner:
- স্ক্যানার হলো এমন একটি ডিভাইস যা মুদ্রিত লেখা বা আলোকচিত্রের মতো ভৌত উৎস থেকে ছবি ধারণ করে এবং সেগুলোকে ডিজিটাল রূপে রূপান্তর করে, যাতে সেগুলো সংরক্ষণ, সম্পাদনা বা ইলেকট্রনিকভাবে প্রেরণ করা যায়।
- স্ক্যানার একটি আলোক-সংবেদনশীল সেন্সর ব্যবহার করে ছবি ধারণ করে, এরপর সেটিকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করা হয়, যা সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্ক্যানার সাধারণত নথিপত্র ডিজিটাল করা, ছবি সংরক্ষণ (আর্কাইভ করা) এবং ডিজিটাল আর্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। 

• অন্যান্য অপশন:
Plotter:
প্লটার একটি আউটপুট ডিভাইস। এটি কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে বড় আকারের নকশা বা চিত্র কাগজে আঁকে, কিন্তু কোনো চিত্রকে ডিজিটাল করে না।

Keyboard:
কীবোর্ড একটি ইনপুট ডিভাইস, তবে এটি শুধু অক্ষর, সংখ্যা ও নির্দেশ (command) প্রবেশ করানোর জন্য ব্যবহৃত হয়—চিত্র বা ছবি নয়।

OMR (Optical Mark Reader):
ওএমআর শুধু নির্দিষ্ট ফরম্যাটের কাগজে চিহ্নিত বৃত্ত বা ঘর (যেমন MCQ উত্তরপত্র) শনাক্ত করতে পারে। এটি সাধারণ ছবি বা লেখা ডিজিটাল করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

Printer:
প্রিন্টার একটি আউটপুট ডিভাইস, যা ডিজিটাল তথ্যকে কাগজে মুদ্রণ করে; ডিজিটাল রূপে রূপান্তর করে না।

উৎস: Lenovo [Link]

৪,৬২৩.
মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা -
  1. মেরিকালচার
  2. পিসিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা

- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা : এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা :  সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা : পিসিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা : প্রণকালচার।
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা : হর্টিকালচার।
- পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা : এভিকালচার।
- সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা : মেরিকালচার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৬২৪.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) কবে আবিষ্কৃত হয়? 
  1. ১৯৫৫ সালে 
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়। 
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে। 
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০। 
 
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৪,৬২৫.
সৌরজগতের আর কোন স্থানে পৃথিবীর অনুরূপ নদী ও হ্রদ রয়েছে?
  1. Mercury (liquid lead)
  2. Saturn's moon Titan (liquid methane)
  3. Saturn (liquid oxygen)
  4. Neptune's moon Triton (liquid ammonia)
সঠিক উত্তর:
Saturn's moon Titan (liquid methane)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Saturn's moon Titan (liquid methane)
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতে নদী ও হ্রদে ঘেরা পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ নয়। 
- শনির উপগ্রহ টাইটানে একই বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- টাইটানে সক্রিয়ভাবে প্রবাহিত নদী রয়েছে, যদিও সেখানে পানির পরিবর্তে তরল মিথেন প্রবাহিত হয়।
 
Clouds condense and rain down on the surface, feeding rivers that flow into oceans and lakes.
Outside of Earth, Titan is the only other planetary body in the solar system with actively flowing rivers, though they’re fed by liquid methane instead of water.
 
উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, https://news.mit.edu/। 
৪,৬২৬.
সমূদ্র উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
  1. মহীঢাল
  2. মহীসোপান
  3. সমুদ্রখাত
  4. শৈলশিলা
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারিদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের মধ্যে নেমে গেছে। 
- এরূপ সমূদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে ‘মহীসোপান’ বলে। 
- মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার। 
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে। 
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার। 
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৬২৭.
RADAR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Radio Data And Relay
  2. Rapid Detection And Ranging
  3. Radio Detection And Ranging
  4. Radio Direction And Response
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
ব্যাখ্যা

রাডার (RADAR):
- 'RADAR' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Detection And Ranging.
- এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়।
- রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়।
- যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৪,৬২৮.
বাংলাদেশে প্রথম করােনা রােগী সনাক্ত হয় কবে?
  1. ক) ৬ মার্চ, ২০২০
  2. খ) ৭ মার্চ, ২০২০
  3. গ) ৮ মার্চ, ২০২০
  4. ঘ) ১৭ মার্চ, ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সর্বপ্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগী মারা যায়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখে দেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে করোনা ইস্যুতে সারাদেশ ব্যাপী প্রথমবারের লকডাউন ঘোষণা করা হয়।
- ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটি উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকাদান শুরু হয়।

(তথ্যসূত্র: করোনা ইনফো, বাংলাদেশ সরকার এবং বিবিসি বাংলা)
৪,৬২৯.
ক্রান্তি তাপমাত্রায় নিচের কোন অবস্থা পরিলক্ষিত হয়?
  1. গ্যাস কখনো তরলে পরিণত হয় না
  2. গ্যাসকে তরল করতে খুব বেশি চাপ লাগে
  3. গ্যাসকে তরল করা যায়
  4. গ্যাস কঠিনে পরিণত হয়
সঠিক উত্তর:
গ্যাসকে তরল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসকে তরল করা যায়
ব্যাখ্যা

- প্রতিটি গ্যাসের ক্ষেত্রেই একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আছে যে তাপমাত্রার নিচে গ্যাস কে চাপ প্রয়োগে তরলে পরিণত করা যায়।
- এই তাপমাত্রা কে বলা হয় গ্যাসের সংকট বা ক্রান্তি তাপমাত্রা (Critical Temperature)।
- যেমন: কারবন-ডাই-অক্সাইড (CO2) এর ক্রান্তি তাপমাত্রা 31.1°C।

- ক্রান্তি তাপমাত্রার নিচে থাকলে গ্যাসকে যথেষ্ট চাপ প্রয়োগ করে সহজেই তরলে পরিণত করা যায়।

- ক্রান্তি তাপমাত্রার উপরে পদার্থের বায়বীয় অবস্থাকে গ্যাস বলে।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

৪,৬৩০.
অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাকে বলা হয়-
  1. ক) অবাত শ্বসন
  2. খ) সবাত শ্বসন
  3. গ) ক ও খ উভয়ই
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অবাত শ্বসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবাত শ্বসন
ব্যাখ্যা

অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দুভাগে ভাগ করা হয়−
যথাঃ
ক) সবাত শ্বসন বা বায়বীয় শ্বসন (aerobic respiration); অক্সিজেনের উপস্থিতিতে হয়
খ) অবাত শ্বসন, অবায়বীয় শ্বসন (anaerobic respiration); অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয়।

- সবাৎ শ্বসনই উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বভাবিক শ্বশন প্রক্রিয়া। 

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৬৩১.
ভাইরাসের কোন বৈশিষ্ট্যটি জীব বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. ভাইরাস অকোষীয় 
  2. ভাইরাসে কোষঝিল্লী অনুপস্থিত 
  3. ভাইরাসে DNA বা RNA থাকে 
  4. ভাইরাসে রাইবোসোম থাকে না 
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসে DNA বা RNA থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসে DNA বা RNA থাকে 
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের বেশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে। আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
যেমন- 
ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
- ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। 
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন- প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৩২.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে কোন বইয়ে?
  1. ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
  2. খ) হিস্ট্রি অফ নেচার
  3. গ) দ্যা ইলিমেন্টস
  4. ঘ) দ্য ইউনিভার্স
সঠিক উত্তর:
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
ব্যাখ্যা
A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes is a popular-science book on cosmology (the study of the universe) by British physicist Stephen Hawking. It was first published in 1988. Hawking wrote the book for readers who had no prior knowledge of physics and people who are interested in learning something new about interesting subjects.
source:goodreads.com
৪,৬৩৩.
নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় কী ঘটে?
  1. পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিব্যাপ্তি ঘটে
  2. গ্যাস পাত্রের ভেতরে এবং বাইরে সমান চাপ থাকে
  3. বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
  4. গ্যাসের কণা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মন্থরভাবে চলাচল করে
সঠিক উত্তর:
বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- একটি উদাহরণ হলো গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র দিয়ে বাতাস বের হয়ে যাওয়া। 
- নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে, যেখানে পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থায় থাকে। 
- নিঃসরণ হলো গ্যাসের দ্রুত প্রক্রিয়া যা অধিক চাপের প্রভাবে ঘটে। 

ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্তি ঘটানোর প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- উদাহরণস্বরূপ, ফুলের সুগন্ধ বা H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- এই প্রক্রিয়া ঘটে পদার্থের কণা বা অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে। 
- ব্যাপন হলো সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত, মন্থর প্রক্রিয়া, যেখানে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একে অপরের সাথে সমান বায়ু চাপ থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৪,৬৩৪.
কোন গ্যাসকে অত্যধিক চাপে তরল করে সোডা ওয়াটার তৈরি করা হয়?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• কার্বনেটেড ওয়াটার:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে অত্যধিক চাপে তরল করে সোডা ওয়াটার বা কার্বনেটেড ওয়াটার তৈরি করা হয়। 
- এটি মিষ্টি কোমল পানীয়ের প্রধান উপাদান (90% এর বেশি)।
- এটি একটি বুদবুদ পানীয় তৈরি করে যা স্পার্কলিং ওয়াটার, ক্লাব সোডা, সোডা ওয়াটার, সেল্টজার ওয়াটার এবং ফিজি ওয়াটার নামেও পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,৬৩৫.
ফ্যারাডের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, তাড়িতচালক শক্তি উৎপন্ন হয় -
  1. চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক অনুযায়ী
  2. চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
  3.  চৌম্বক ফ্লাক্সের মানের উপর নির্ভর না করে
  4. চৌম্বক ক্ষেত্রের ঘনত্বের সাথে সরাসরি সমানুপাতিকভাবে
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
ব্যাখ্যা

• ফ্যারাডের তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী-
- যখন কোনো বন্ধ বর্তনীতে চৌম্বক ফ্লাক্স পরিবর্তিত হয়, তখন তাতে একটি তাড়িতচালক শক্তি আবিষ্ট হয়।
- সুত্র, e = - (dΦ/dt)
- তাড়িতচালক শক্তি (e)-এর মান চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হার এর সমানুপাতিক।
- ঋণাত্মক চিহ্ন (-) নির্দেশ করে লেন্জের সূত্র, উৎপন্ন তাড়িতচালক শক্তির দিক এমন হবে যা মূল ফ্লাক্সের পরিবর্তনকে প্রতিহত করবে।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ- শ্রেণি।

৪,৬৩৬.
মরিচার রাসায়নিক সংকেত কোনটি? 
  1. NaHCO3
  2. Fe2O3.nH2O
  3. CaCO3
  4. Na2CO3.10H2O
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক নাম ও সংকেত: 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO). 
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক সংকেত হলো Fe2O3.nH2O

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৩৭.
ধনচার্জ যুক্ত ইলেকট্রন কে কী বলা হয়?
  1. ক) নিউট্রিনো
  2. খ) পজিট্রিনো
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পজিট্রন
ব্যাখ্যা

- পজিট্রন পরমাণুর একটি অস্থায়ী মূল কণিকা। ১৯৩২ সালে অ্যান্ডারসন পজিট্রন আবিষ্কার করেন।
- এটি আসলে ধনচার্জ যুক্ত ইলেকট্রন। একে অ্যান্টি ইলেকট্রনও বলা হয়।
- নিউট্রন একটি স্থায়ী মূল কণিকা এবং নিউট্রিনো ও পজিট্রিনো পরমাণুর দুইটি অস্থায়ী মূল কণিকা।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৬৩৮.
তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ কোনটি? 
  1. লাইকেন
  2. বাঁশ
  3. নারকেল
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
ব্যাখ্যা
তুন্দ্রা: 
- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে। 
- দীর্ঘ শীতের সময় এখানে বরফ জমা থাকে। 
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলে বৃক্ষ প্রজাতি কম। 
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৯.
ম্যারি ও পিয়েরে কুরি কোন মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) রেডিয়াম
  2. খ) প্লাটিনাম
  3. গ) সিজিয়াম
  4. ঘ) টারবিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) রেডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেডিয়াম
ব্যাখ্যা

ম্যারি ও পিয়েরে কুরি ১৮৯৮ সালে পোলনিয়াম ও রেডিয়াম নামের নতুন দুটি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন।
১৯০৩ সালে তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।

৪,৬৪০.
কোন বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. নিয়ত বায়ু 
  2. সাময়িক বায়ু 
  3. স্থানীয় বায়ু 
  4. অনিয়মিত বায়ু 
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪১.
প্রাণী টিস্যু তার গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত পদার্থের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রধানত-
  1. ক) ২ ধরনের
  2. খ) ৩ ধরনের
  3. গ) ৪ ধরনের
  4. ঘ) ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা

• প্রাণী টিস্যু তার গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত পদার্থের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রধানত ৪ ধরনের হয়। যথাঃ
- আবরণী টিস্যু,
- যোজক টিস্যু,
- পেশি টিস্যু এবং
- স্নায়ু টিস্যু।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৪২.
শিরার প্রধান কাজ কী? 
  1. রক্তে পুষ্টি সরবরাহ করা
  2. রক্তের প্রবাহ দ্রুত করানো
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিণ্ডে নিয়ে আসা
  4. অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত দেহে পৌঁছে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিণ্ডে নিয়ে আসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিণ্ডে নিয়ে আসা
ব্যাখ্যা
শিরা: 
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিণ্ডে বহন করে নিয়ে আসে, তাদের শিরা বলে। 
- ব্যতিক্রম পালমোনারি শিরাটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে এবং Umbilical Vein মাতৃদেহ থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ভ্রূণে নিয়ে আসে। 
- শিরার প্রাচীর ধমনির মতো ৩টি স্তরে গঠিত হলেও প্রাচীর বেশ পাতলা ও গহ্বর বড়। 
- শিরায় কপাটিকা থাকায় শিরা দিয়ে রক্ত ধীরে ধীরে একমুখে প্রবাহিত হয়। 
- ধমনি প্রান্তের কৌশিক জালিকাগুলো ক্রমশ একত্রিত হয়ে প্রথমে সূক্ষ্ম শিরা বা উপশিরা গঠন করে। 
- উপশিরাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে পরে শিরা গঠন করে। 
- কতগুলো শিরা মিলে মহাশিরা গঠন করে, এভাবে শিরা কৈশিক জালিকা থেকে শুরু হয় এবং হৃৎপিণ্ডে শেষ হয়। 

ধমনি: 
- যে সব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি (Artory) বলে। 
- ধমনির প্রাচীর পুরু এবং তিনটি স্তরে গঠিত, এদের গহ্বর (Lumen) ছোট। 
- ধমনিতে কোনো কপাটিকা থাকে না, ফলে ধমনি দিয়ে রক্ত বেগে প্রবাহিত হয়। 
- ধমনির স্পন্দন আছে। 
- ধমনি দেহের বিভিন্ন অংশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়, এদের শাখা ধমনি (Arteriol) বলে। এগুলো ক্রমশ শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে অবশেষে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কৈশিক জালিকায় শেষ হয়। এভাবে ধমনি হৃদপিণ্ড থেকে শুরু হয়ে কৈশিক জালিকায় শেষ হয়। 
- ধমনির মাধ্যমে হৃদপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশ অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়। 
- তবে ব্যতিক্রম হলো পালমোনারি ধমনি যা কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) যুক্ত রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে আসে এবং Umbilical artery CO2 যুক্ত রক্ত ভ্রূণ থেকে মাতৃদেহে নিয়ে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৩.
জীববিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. থিওফ্রাসটাস
  3. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের জনক: 
- বিজ্ঞানের যে কোনো শাখায় প্রথম বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা বা গবেষণার যিনি সূত্রপাত করেন তাকে বিজ্ঞানের ঐ শাখার জনক বলা হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রকৃতি নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল, তাই অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তবে এরও বেশ আগে ভারতীয় উপমহাদেশে ঋিষি অথর্বান, সুম্ভূত প্রভৃতি ব্যক্তিগণ উদ্ভিদ ও চিকিৎসা শাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে ছিলেন।
এছাড়া,
- ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণের জনক।
- থিওফ্রাসটাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতিবিদ্যার জনক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৪.
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. উত্তর-পশ্চিম
  2. দক্ষিণ
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম
  4. মধ্য অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। 
- ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-গাঠনিক কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। 
- ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- 
• রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭ হলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, 
• রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬ হলে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং 
• রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫ হলে কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে। 

- তাত্ত্বিক গঠনগত দিক থেকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা যথাক্রমে- 
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত। 
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের মধ্যাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত। 
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৫.
গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে আয়তন কিভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. আয়তন একই থাকে
  2. গ্যাসের চাপ বাড়ালে আয়তন বাড়ে
  3. গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে আয়তন কমে
  4. পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা
গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থ যেমন- বাতাসের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- একই পরিমাণ গ্যাস ছোট পাত্রে রাখলে এর আয়তন কম হয় আবার বড় পাত্রে রাখলে এর আয়তন বেশি হয়। 
যেমন- যদি সমপরিমাণ গ্যাস দুইটি সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে তা ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ গ্যাস বড় সিলিন্ডরে রাখলেও তা সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে। অর্থ্যাৎ, গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন। 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই, দৃঢ়তা তো একবারেই নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৬৪৬.
BMI = 30 - 34.9 kg/m2 হলে মানুষটি কোন শ্রেণীর?
  1. স্থূলতার ৩য় স্তর
  2. স্থূলতার ২য় স্তর
  3. স্থূলতার ১ম স্তর
  4. অতিরিক্ত ওজন
সঠিক উত্তর:
স্থূলতার ১ম স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থূলতার ১ম স্তর
ব্যাখ্যা

• BMI বা Body Mass Index হলো ওজন ও উচ্চতার অনুপাত মাপার একটি সূচক, যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি নির্ধারণে সাহায্য করে। যখন BMI 30 থেকে 34.9 kg/m2 এর মধ্যে থাকে, তখন এটি স্থূলতার ১ম স্তর (Obesity Class I) হিসেবে চিহ্নিত হয়। অর্থাৎ, এই পরিসরে একজন ব্যক্তির শরীরের অতিরিক্ত চর্বি রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যেমন হৃৎপিণ্ডের সমস্যা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি। তবে এটি অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার উচ্চতর স্তরের চেয়ে কম।
- সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্প গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) স্থূলতার ১ম স্তর।

 
• বিএমআই (BMI): 
- বডি মাস ইনডেক্স (BMI- Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে ।
- অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট বয়সে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের দৈর্ঘ্যের সাথে চর্বির পরিমাণগত সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী।

বিএমআই (BMI) মান নির্ণয়:
বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)

মান নির্দেশিকা:
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান।
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার।
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪৭.
স্ট্রিট ভাইরাস (Street Virus) কোন রোগের জীবাণুর নাম?
  1. টিটেনাস
  2. রেবিস
  3. হাম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রেবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেবিস
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- মানুষ র‍্যাবিস ভাইরাস দ্বারা 'জলাতঙ্ক' রোগে আক্রান্ত হয়। 
- স্টিট ভাইরাস (Street Virus) র‍্যাবিস রোগের জীবাণুর নাম।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [Link]
৪,৬৪৮.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত? 
  1. ১ কেজি
  2. ৯.৮ নিউটন
  3. শূন্য
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
-  শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
- প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৯.
কোন রঙের আলোতে সালোক সংশ্লেষণ ভালো হয় না?
  1. ক) লাল
  2. খ) নীল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনি
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
আলোক বর্ণালির লাল, নীল, কমলা ও বেগুনি অংশটুকুতে সালোক সংশ্লেষণ ভালো হয়।
আবার, সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোক সংশ্লেষণ ভালো হয় না।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৫০.
নিম্নের কোনটি পাললিক শিলা নয়? 
  1. কাঁদাপাথর
  2. বেলেপাথর
  3. চুনাপাথর
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
ব্যাখ্যা

• ভুত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
- যথাঃ আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।

• পাললিক শিলাঃ
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

• রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

• অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা: 
- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 

৪,৬৫১.
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৫০ নিউটন হলে চাঁদে তার মান কেমন হবে?
  1. হ্রাস পাবে
  2. বৃদ্ধি পাবে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. শূন্য হবে
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পাবে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৫০ নিউটন হলে চাঁদে তার মান হবে ১/৬ অংশ অর্থাৎ হ্রাস পাবে। 

• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলে প্রভাব মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়তে থাকা বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

• একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- g - মান নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে।
- ব্যাসার্ধ বেশি হলে g এর মান কম হয় এবং ব্যাসার্ধ কম হলে g এর মান বেশি হয়।
- বিষুব রেখা থেকে যতই মেরুর দিকে যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ R-এর মান ততই কমতে থাকে এবং মেরু বিন্দুতে সর্ব নিম্ন হয়।
- বিষুব অক্ষরে g এর মান কম কারণ সেখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি। বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান প্রায় 9.78 ms-2.
- অপরদিকে মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ার কারণে g এর মান সেখানে বেশি হয় যা সর্বাধিক। মেরু এলাকায় g-এর মান প্রায় 9.83 ms-2.

• ওজন:
- কোনো বস্তুর ওজন বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভর করে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হলে বস্তুর ওজন কম হবে এবং ত্বরণের মান বেশি হলে ওজনও বেশি হবে।
- চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ১/৬ অংশ।
- অর্থাৎ পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন যত হবে চাঁদে তার ১/৬ অংশ হবে অর্থাৎ ওজন হ্রাস পাবে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
৪,৬৫২.
মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনীতে উপাদান থাকে -
  1. প্রায় ১০ টি
  2. প্রায় ১০০ টি
  3. প্রায় ১০০০ টি
  4. প্রায় ১০০০০ টি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০০ টি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 

- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits)
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে। 

২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits)
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০টি উপাদান থাকে। 

৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits)
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৩.
বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে কোনটি? 
  1. স্পিকার
  2. মোটর
  3. ব্যাটারি
  4. জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
স্পিকার: 
-  স্পিকার মাইক্রোফোনের ঠিক বিপরীত কাজটি করে অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিটিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মাইক্রোফোনের ডায়াফ্রামের বদলে স্পিকারে চলকুন্ডলী বা Coil টি কাগজ বা হালকা ধাতুর তৈরি একটি কোন (Cone) বা শঙ্কুর সাথে লাগানো থাকে। 
- যখন শব্দ থেকে তৈরি বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফায়ার দিয়ে বিবর্ধিত করে স্পিকারে পাঠানো হয় তখন কাগজ বা হালকা ধাতুর তৈরি শঙ্কু বা কোনটি সামনে-পেছনে কম্পিত হয়ে যথাযথ শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৫৪.
ফরমালিন হলো ফরমালডিহাইডের-
  1. ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
  2. খ) ৩০% জলীয় দ্রবণ
  3. গ) ২০% জলীয় দ্রবণ
  4. ঘ) ১০% জলীয় দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
ব্যাখ্যা
• ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- ফরমালিনে ৪০ ভাগ মিথান্যাল ও ৬০ ভাগ পানি থাকে। 
- ফরমালিন মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৬৫৫.
কোন রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি?
  1. এইডস
  2. কলেরা
  3. জলাতঙ্ক
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের উপকারিতা:
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে
সক্ষম হয়েছেন। যথা-
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়।
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়।
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান।
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৫৬.
কোনটি অ্যান্টিবায়োটিক?
  1. ইথিলিন
  2. পেনিসিলিন
  3. ইনসুলিন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পেনিসিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেনিসিলিন
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন-MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষ্মায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়। তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৭.
ডায়াবেটিস হলে রক্তে কিসের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়?
  1. আমিষ
  2. শর্করা
  3. স্নেহ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্করা
ব্যাখ্যা

ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ:
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- আমরা যখন কিছু খাই, এটি শর্করায় পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে।
- প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই শর্করাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- কারও ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মানুষের রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৩.৯-৫.৬ mmole\L কিংবা (৭০-১০০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)।
- ডায়াবেটিস হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়
- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
- ডায়াবেটিস হৃদ্যন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
- ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে।
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি বা হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
- এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে পারে।
- এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।
- উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ।
- ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান,নবম-দশম শ্রেণী।

৪,৬৫৮.
তরঙ্গ বেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক কোনটি? 
  1. v = 1/f
  2. v = fλ
  3. v = f/t
  4. v = t/f
সঠিক উত্তর:
v = fλ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
v = fλ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও বেগের সম্পর্ক: 
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী মাধ্যমের স্পন্দনশীল একটি কণা একটি পূর্ণ স্পন্দন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ সামনের দিকে এগিয়ে যায়। 
- তরঙ্গের অতিক্রান্ত এই দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ । 
- আর পূর্ণ স্পন্দনের সময়কে বলা হয় পর্যায়কাল। 
- পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, T সেকেন্ডে তরঙ্গে অতিক্রান্ত দূরত্ব λ । 
∴ এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হবে λ/T
- কোনো বস্তুর একক সময়ে অর্থাৎ এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে। 
অতএব এক্ষত্রে তরঙ্গের বেগ, v = λ/T 
বা, v = (1/T) × λ 
v = fλ [যেহেতু পর্যায়কাল T এবং কম্পাঙ্ক f হলে, f = 1/T]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৯.
চুন বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. ক্যালসিয়াম সালফেট
  4. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম অক্সাইড হলো চুন।
- স্ল্যাক লাইম বা চুনের পানি হলো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। 
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট হলো চক পাউডার।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৬৬০.
কোনটি অনৈচ্ছিক পেশি?
  1. ক) হাতের পেশি
  2. খ) পায়ের পেশি
  3. গ) বুকের পেশি
  4. ঘ) হৃৎপিন্ডের পেশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) হৃৎপিন্ডের পেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হৃৎপিন্ডের পেশি
ব্যাখ্যা
হৃৎপিন্ডের পেশি দেখতে ঐচ্ছিক পেশির মত হলেও কাজ করে অনৈচ্ছিক পেশির মত৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,৬৬১.
মাটির উর্বরতা শক্তি বিনষ্টকরণে দায়ী অণুজীবটি কী?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা

মাটির উর্বরতা শক্তি বিনষ্টকরণ:
-  নাইট্রেট জাতীয় উপাদান মাটিকে উর্বর করে থাকে।
- কিন্তু কতিপয় ব্যাকটেরিয়া মাটিস্থ নাইট্রেটকে ভেঙ্গে মুক্ত নাইট্রেটে পরিণত করে মাটির উর্বরতা শক্তি হ্রাস করে ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়।

তাছাড়াও
- খাদ্য দ্রব্যের পঁচন ও বিষাক্তকরণ:
- ব্যাকটেরিয়া নানা রকম টাটকা ও সংরক্ষিত খাদ্য দ্রব্যের পঁচন ঘটিয়ে আমাদের প্রচুর আর্থিক ক্ষতি সাধন করে।
- যেমন Clostridium botulinum নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া খাদ্যে বটুলিন নামক বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে।
- এতে মানুষের দেহে বটুলিজম রোগ সৃষ্টি হয় যার ফলে মানুষের মৃত্যুও ঘটতে পারে।

পানি দূষণ:
-  বিভিন্ন রকমের ব্যাকটেরিয়া পানিকে দূষিত করে এবং দূষিত পানি নানা প্রকার রোগের সৃষ্টি করে।
- যেমন-কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয়, ডায়রিয়া প্রভৃতি দূষিত পানি পানের মাধ্যমে হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া যেমন কলিফর্ম, ফিকাল কলিফর্ম, Salmonella, Shigella, Bacillus, Pseudomonas, Vibrio, Escherichia coli প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া পানি দূষিতকরণের জন্য দায়ী।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৬২.
ভাইরাসের দেহে উপস্থিত থাকে কোনটি?
  1. সাইটোপ্লাজম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. নিউক্লিক এসিড
  4. রাইবোসোম
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক এসিড
ব্যাখ্যা

ভাইরাস হলো অকোষীয়। ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।
কোনো সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস কিংবা অন্যান্য কোষীয় অঙ্গানু ভাইরাসে উপস্থিত থাকে না।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৬৬৩.
ঘড়ির কাঁটার গতি কি ধরনের গতি?
  1. রৈখিক গতি
  2. পর্যায়বৃত্ত গতি
  3. স্পন্দন গতি
  4. উপবৃত্তাকার গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।  
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৬৬৪.
কোনো কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. বাষ্পীভবন
  2. গলন
  3. ঊর্ধ্বপাতন
  4. ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
ঊর্ধ্বপাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊর্ধ্বপাতন
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ঊর্ধ্বপাতন। 
যেমন: নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- তাই এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়। 
- কঠিন অবস্থায় ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থে তাপ প্রয়োগ করতে থাকলে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ সহজেই বাষ্পীভূত হয়। 
- আয়োডিন মিশ্রিত খাদ্য লবণের মধ্যে আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৬৫.
কোন গাছে ভাইরাস মোজাইক রোগ উৎপন্ন করে?
  1. ধান গাছে
  2. তামাক গাছে
  3. বেগুন গাছে
  4. পাট গাছে
সঠিক উত্তর:
তামাক গাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক গাছে
ব্যাখ্যা
- 'তামাক গাছে' মোজাইক রোগ সৃষ্টি করে TMV নামক ভাইরাস। 

টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV): 
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস। 
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ। 
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm এবং প্রস্থ ১৫ nm. 
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত। 
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়। 
- এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে। 
- কিছু সংখ্যক ভাইরাস ছাড়া (যেমন- TMV) প্রায় সব জীব কোষেই DNA বিদ্যমান। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬৬.
স্টিফেন হকিং কোন তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত?
  1. ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
  2. ওয়ার্মহোল তত্ত্ব
  3. কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি
  4. স্ট্রিং তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
ব্যাখ্যা

◉ স্টিফেন হকিং মূলত ব্ল্যাক হোল বিকিরণ (Hawking Radiation) তত্ত্বের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। তিনি প্রমাণ করেন যে ব্ল্যাক হোল একেবারে নিঃসঙ্গ ও চিরন্তন নয়। কোয়ান্টাম প্রভাবের কারণে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরণ নির্গত হতে পারে। এই বিকিরণকে বলা হয় Hawking Radiation.

​স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ।
- তিনি ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অক্সফোর্ডে পদার্থবিদ্যার ওপর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী অর্জন করে ক্যামব্রিজে কসমোলজির উপর স্নাতকোত্তর গবেষণা করেন।
- ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিলো কসমোলজি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি।
- কেমব্রিজে গবেষণা করার সময় তাঁর মোটর নিউরন রোগ ধরা পরে যেটা তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টিফেন হকিং গুরুতর নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথা বলা রপ্ত করেন।
- ১৯৮৮ সালে তিনি তার বই 'A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes' প্রকাশ করেন।
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে খুব সহজবোধ্য ভাষায় সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তিনি লিখেছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ ছিয়াত্তর বছর বয়সে এই বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি করেন।
- ব্ল্যাকহোল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করে তিনি তাত্ত্বিকভাবে দেখিয়েছিলেন, ইভেন্ট হরাইজনের সীমানায় এক ধরনের বিকিরণ হয়।
- কোয়ান্টাম শূন্যতার মাঝে যেসব ভার্চুয়াল কণা এবং প্রতিকণার উদ্ভব হয় তারই কিছুটা ইভেন্ট হরাইজনের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে।
- এই কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে ব্ল্যাকহোল ধীরে ধীরে তার ভর হারায়।
- অত্যন্ত কম তাপমাত্রার এই বিকিরণকে বলা হয়, হকিং রেডিয়েশন।

উৎস: Britannica ও নাসা ওয়েবসাইট। 

৪,৬৬৭.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে অর্ধপরিবাহীর রোধের কী পরিবর্তন ঘটে?
  1. রোধ হ্রাস পায়
  2. রোধ বৃদ্ধি পায়
  3. রোধ অপরিবর্তিত থাকে
  4. রোধ অসীম হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
রোধ হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে অর্ধপরিবাহীর রোধ বা রেজিস্ট্যান্স হ্রাস পায় এবং এর পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। তাপমাত্রা বাড়লে আরও বেশি সংখ্যক ইলেকট্রন শক্তি অর্জন করে এবং যোজ্যতা ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে, যার ফলে চার্জ বাহকের সংখ্যা বাড়ে এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজ হয়। 

অর্ধ-পরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor): 
- আধুনিক জগৎ এবং আধুনিক সভ্যতা পুরোটাই ইলেকট্রনিকসের উপরে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এই ইলেকট্রনিকসের জন্য যদি কোনো এক ধরনের পদার্থের বলা হয় তাহলে সেইই পদার্থটি হবে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর। 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- সিলিকন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ। 
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় এবং অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৬৮.
শুষ্ক কোষে ছদন নিবারক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) KMnO4
  2. খ) MnO2
  3. গ) SiO2
  4. ঘ) K2Cr2O7
সঠিক উত্তর:
খ) MnO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MnO2
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ। 
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে। 
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
৪,৬৬৯.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্টেনিয়াম 
  2. নাইক্রোম 
  3. প্লাটিনাম
  4. টাংস্টেন 
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
ব্যাখ্যা

নাইক্রোম তার: 
- বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৭০.
কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই?
  1. স্ফটিক
  2. কঠিন 
  3. তরল 
  4. বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
বায়বীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয়
ব্যাখ্যা

পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৭১.
কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?
  1. শনি
  2. মঙ্গল
  3. বৃহস্পতি
  4. ইউরেনাস
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়। 

মঙ্গলে প্রেরিত ‘কিউরিওসিটি’: 
- মঙ্গল গ্রহে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার যান ‘কিউরিওসিটি’। 
- ২০১২ সালের ৫ আগস্ট মহাকাশযানটি মঙ্গলের পৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করে। 
- ‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলে গবেষণাকাজে এটাকে বড় একটি অর্জন বিবেচনা করা হয়। পরের বছরের একই দিনে মহাকাশযানটিতে বাজানো হয় ‘হ্যাপি বার্থডে’ গান। এর মধ্য দিয়ে মঙ্গলে প্রথমবারের মতো কোনো সুর বেজে ওঠে। 
- মঙ্গল গ্রহে মাকড়সার জালের মতো দেখতে বেশ রহস্যময় একটি অঞ্চলের সন্ধান পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গল গ্রহে থাকা মাকড়সার জালটি আসলে একধরনের স্ফটিকযুক্ত খনিজের কাঠামো। 
- সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহে মাকড়সার জালের মতো দেখতে রহস্যময় অঞ্চলের ছবি তুলেছে নাসার কিউরিওসিটি রোভার। 
- কিউরিওসিটি রোভার বর্তমানে ‘গেল ক্রেটার’ নামের বিশাল খাদের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে। 
- মঙ্গল গ্রহে কিউরিওসিটির রোভার অবতরণ করার পর থেকেই মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছে রোভারটি। 
- বর্তমানে রোভারটি মঙ্গল গ্রহে থাকা বক্সওয়ার্ক প্যাটার্ন নামের শক্ত নিচু শৈলশিরা বিশ্লেষণ করছে। 

- প্রবালের মতো পাথরের ছবি মঙ্গলবুকে ধারণ করেছে রোভার কিউরিওসিটির রিমোট মাইক্রো ইমেজার। 
- নাসার কিউরিওসিটি মার্স রোভার সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে একটি পাথরের কালো ও সাদা ছবি পাঠিয়েছে। সে পাথরটি দেখতে পৃথিবীতে পাওয়া প্রবালের টুকরার মতো। 
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা–নাসার তথ্যমতে, হালকা রঙের পাথরটি বাতাসের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। শিলাটি মঙ্গল গ্রহের অববাহিকা গ্যাল ক্রেটারে নামের খাদে পাওয়া গেছে। শিলাটি প্রায় এক ইঞ্চি প্রশস্ত। 
- সমুদ্রের তলদেশে সাধারণভাবে দেখা প্রবালের মতো শাখা–প্রশাখা দেখা যাচ্ছে। শিলাটির বর্ণহীন ছবিটি কিউরিওসিটির রিমোট মাইক্রো ইমেজারের মাধ্যমে তোলা হয়েছে। এটি একটি উচ্চ রেজল্যুশনের টেলিস্কোপিক ক্যামেরা। 
- এখন পর্যন্ত কিউরিওসিটি ১৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাদের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। চলার পথটি আঁকাবাঁকা হওয়ার কারণে ধীরভাবে কাজ করছে রোভারটি। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।

৪,৬৭২.
কোন ভিটামিনের অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়? 
  1. ভিটামিন-কে
  2. ভিটামিন-ই
  3. ভিটামিন-বি
  4. ভিটামিন-সি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন-ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন-ই
ব্যাখ্যা
ভিটামিন: 
- 'ভিটামিন-ই' এর অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়, বন্ধ্যাত্ব হয়, জরায়ুর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু হয়। 

অন্যদিকে, 
- ভিটামিন-ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। 
- ভিটামিন-বি এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। 
- ভিটামিন-এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। 
- ভিটামিন-সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। 
- ভিটামিন-কে এর অভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৭৩.
বায়োগ্যাস প্লান্টের মূল অসুবিধা কী?
  1. এটি দুষণমুক্ত জ্বালানী উৎপাদন করে
  2. উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
  3. পরিবেশ বান্ধব 
  4. রান্নাঘরের ধোঁয়া কমায়
সঠিক উত্তর:
উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের একটি অন্যতম বড় অসুবিধা হলো এর নিম্ন উৎপাদন দক্ষতা। বর্তমানে ব্যবহৃত সিস্টেমগুলো খুব একটা আধুনিক নয় এবং অল্প খরচে বিশাল জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর মতো বড় আকারের উৎপাদন ব্যবস্থা এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি। এছাড়া এর উৎপাদন প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট আবহাওয়া ও কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো বা নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কষ্টসাধ্য। 

বায়োগ্যাস প্লান্ট: 
- বায়োগ্যাসমূলত বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ, যাতে মিথেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, হাইড্রোজেন, বায়োগ্যাস ইত্যাদি মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। গ্যাস মিশ্রনে উপাদানের সম্ভাব্য শতকরা হার নিম্নরূপ- 

- বায়োগ্যাস প্লান্ট একটি অন্যতম নবায়নযোগ্য জ্বালানী উৎপাদন পদ্ধতি। যে সব স্থানে ঘন বসতি এবং অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সে সকল স্থানে এ পদ্ধতি ব্যবহার করার উপযোগী। জৈব বর্জ, শিল্পবর্জ, পৌর বর্জ্য হতেও এধরণের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এধরণের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট আমাদের দেশের জন্য খুবই উপযোগী। 
- এ ধরনের প্লান্ট ব্যবস্থাপনা একটু অস্বাস্থ্যকর বিধায় আমাদের দেশে এটি এখনও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু উপযুক্ত ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করা গেলে এ ধরণের প্লান্ট খুব তাড়াতাড়ি জনপ্রিয়তা পাবে যদিও খুব অল্পসংখক প্লান্ট প্রত্যন্ত অঞ্চলে সফলতার মুখ দেখেছে। 
- এধরণের প্লান্টে তিন ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জালানীগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কম্পোস্ট সার উৎপাদন। 
- বর্তমানে উন্নত দেশেও এ গ্যাসকে বিশুদ্ধ করে সি.এন.জি. হিসাবে গাড়ী ও অন্যান্য ট্রান্সপোর্টে জ্বালানী হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এ গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- নিম্নে বায়োগ্যাস প্লান্টের গঠন প্রণালী দেখানো হলো- 

- এধরণের ট্যাংকে একটি গম্বুজের মত পাত্র থাকে যার নিচের অংশকে ডাইজেষ্টার বলে এবং উপরের অংশকে বলে গ্যাস স্টোরেজ। মিশ্রণ ট্যাংকে গোবর বা গোবাদির মলমূত্র এমনকি মানুষের মলমূত্র পানির সাথে ভালভাবে মিশ্রিত করে ইনলেট ড্রেইন এর মাধ্যমে ডাইজেষ্টারে পাঠানো হয় যেখানে জীবাণুর মাধ্যমে বিক্রিয়ার দ্বারা মিথেন ও অন্যান্য গ্যাস উৎপন্ন হয়ে গম্বুজ আকৃতির গ্যাস স্টোরেজ অংশে জমা হয়। এর উপরের অংশে একটি নল যুক্ত থাকে যার মাধ্যমে গ্যাস বিভিন্ন যন্ত্রে পাঠানো হয়। এই নলে গ্যাস প্রবাহ নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি ভাল্ব লাগানো থাকে। গোবর বা মলমূত্রের মিশ্রন আউটলেট ড্রেইন এর মাধ্যমে বের হয়ে আসে যা পরবর্তিতে কম্পোস্ট সার হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

বায়ো গ্যাসপ্লান্টের সুবিধা-অসুবিধা: 
সুবিধা: 
১) এটি দুষনমুক্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানী সরবরাহ করে। 
২) এটি জ্বালানী কাঠ সংগ্রহের কষ্ট হতে মুক্তি দেয়। 
৩) রান্না ঘরের ধুয়া ও ময়লা হতে মুক্তি দেয়। 
৪) এটি থেকে বাইপ্রডাক্ট হিসাবে জৈব সার পাওয়া যায় যা পরিবেশ বান্ধব ও শস্য উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে দেয়। 
৫) বর্জ ব্যবস্থাপনায় সহায়তার মাধ্যমে পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখে। 
৬) বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যায় যাতে দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটায়। 
৭) যে কোন পচনশীল বস্তু এতে ফিড হিসাবে ব্যবহার করা যায় ফলে পরিবেশে দূর্গন্ধ ছড়ায় না। 

অসুবিধা: 
১) পদ্ধতিগতভাবে এটি অস্বাস্থ্যকর। 
২) উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর। 
৩) এটির মিশ্রণে কিছু ক্ষয়কর উপাদান থাকে যা ব্যবহার্য ধাতব যন্ত্রে ক্ষতি করে। 
৪) এটি সব জায়গায় স্থাপন করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭৪.
উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক শ্বসন ক্রিয়া কোনটি?
  1. অবাত শ্বসন
  2. সবাত শ্বসন
  3. অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংঘটিত শ্বসন
  4. আনারোবিক শ্বসন
সঠিক উত্তর:
সবাত শ্বসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাত শ্বসন
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক শ্বসন ক্রিয়া হলো সবাত শ্বসন বা অ্যারোবিক রেসপিরেশন। 

• শ্বসন: 

- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ জটিল জৈবযৌগ (খাদ্যবস্তু) জারিত হয়, ফলে জৈবযৌগে সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তি বা রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে শ্বসন বলা হয়।
- শ্বসনের ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা জীবের বিভিন্ন শক্তি শোষণকারী কার্যকলাপে ব্যয় হয়।

• শ্বসনের প্রকারভেদ:
অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়; যথা:
- সবাত শ্বসন (Aerobic respiration): যে শ্বসন ক্রিয়ার জন্য মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে সবাত শ্বসন বলে। 
- অবাত শ্বসন (Anaerobic respiration): যে শ্বসন ক্রিয়া মুক্ত অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তাকে অবাত শ্বসন বলে।

• সবাত শ্বসন:
- যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় মুক্ত আক্সজেনের প্রয়োজন হয় এবং শুসনিক বস্তু সম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে CO2, H2O ও বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে তাকে সবাত শ্বসন বলে।
- অক্সিজেনের উপস্থিতি অর্থাৎ বায়ুর উপস্থিতির প্রয়োজন হয় বলে এ শ্বসনকে সবাত শ্বসন বলা হয়। 
- এটি হলো উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক শ্বসন ক্রিয়া। 

• সবাত শ্বসনের প্রধান ধাপগুলো হলো:
- গ্লাইকোলাইসিস,
- পাইরুভেট জারণ,
- ক্রেবস চক্র,
- ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন। 

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,৬৭৫.
কুরি তাপমাত্রা বলতে কী বুঝায়?
  1. যে তাপমাত্রায় কোন বস্তু তার চৌম্বকত্ব হারায়
  2. যে তাপমাত্রায় কোন বস্তু তার ভৌত গঠন পরিবর্তন করে
  3. যে তাপমাত্রায় কোন বস্তু তার রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যে তাপমাত্রায় কোন বস্তু তার চৌম্বকত্ব হারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে তাপমাত্রায় কোন বস্তু তার চৌম্বকত্ব হারায়
ব্যাখ্যা
কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। 

চৌম্বক ধারকত্ব: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পরেও কোনো চৌম্বব পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। 
- ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম। 

চৌম্বক সহনশীলতা: 
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

রিমেনেন্স: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৬.
উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কীরূপ হবে?
  1. বাড়বে
  2. কমবে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমবে
ব্যাখ্যা
শব্দের তীব্রতা: 
- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ। 
- শব্দের তীব্রতা বলতে বুঝি, শব্দ সঞ্চালনের পথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- শব্দের তীব্রতা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে- 
যেমন- 
১। মাধ্যমের ঘনত্ব: 
- যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হবে তার ঘনত্ব বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

২। মাধ্যমের বেগ: 
- মাধ্যমের বেগের দিকে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিপরীত দিকে সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়। 

৩। উৎসের আকার: 
- উৎসের আকার বড় হলে শব্দ তরঙ্গ বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চালিত রতে পারে ফলে তীব্রতা বেড়ে যায়। 

৪। উৎসের বিস্তার: 
- শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পনের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- শব্দের তীব্রতা I এবং বিস্তার A হলে, I ∞ A2

৫। উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব: 
- উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কমে যাবে কারণ বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ফলে শব্দ তরঙ্গের শক্তি কমে যায়। 
- তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 
- যদি তীব্রতা I এবং দূরত্ব r হয় তাহলে, I ∞ 1/r2. 

৬। অনুনাদী বস্তুর উপস্থিতি: 
- উৎসের কাছে কোনো অনুনাদী বস্তু থাকলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায়। 
- একটি সুরশলাকাকে বাতাসে স্পন্দিত করলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় টেবিল বা কোনো ফাঁপা কাঠের বাক্সের সাথে লাগিয়ে স্পন্দিত করলে শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। 
- এক্ষেত্রে বেশি আয়তনের বায়ু কম্পিত হয় বলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৪,৬৭৭.
কোন যৌগের ক্ষার হবার শর্ত হলো-
  1. ক) যৌগটিতে হাইড্রক্সাইড যৌগমূলক থাকতে হবে
  2. খ) যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে
  3. গ) পানিতে দ্রবীভূত হবে না
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধাতু বা ধাতুর মত ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের হাইড্রোক্সাইড যৌগ যা পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। কোন যৌগের ক্ষার হবার শর্ত হলো- যৌগটিতে হাইড্রক্সাইড যৌগমূলক থাকতে হবে এবং যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে।
উৎসঃ রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৭৮.
নিচের কোনটি হাইড্রোকার্বন?
  1. NaHCO3
  2. NaCl
  3. C6H6
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
C6H6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C6H6
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C2H12), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। 
- হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার: (i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও (ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

 (i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- অ্যালিফেটিক কথাটির অর্থ হলো চর্বিজাত। এই শ্রেণির হাইড্রোকার্বন মূলত প্রাণীর চর্বি থেকে পাওয়া গিয়েছিল। তাই এ ধরনের হাইড্রোকার্বনের নাম অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দেওয়া হয়েছে। 
- মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), সাইক্লোবিউটিন হচ্ছে অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ। 

(ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন:
- গ্রিক শব্দ অ্যারোমা (Aroma) থেকে অ্যারোমেটিক শব্দটি এসেছে। অ্যারোমেটিক শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধযুক্ত। প্রথমে যে অ্যারোমেটিক যৌগগুলো পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো ছিল সুগন্ধযুক্ত, তাই এ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে।
- বেনজিন (C6H6) বা ন্যাপথলিন (C10H8) হচ্ছে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ।

- অপরদিকে NaHCO3 এবং NaCl হচ্ছে অজৈব লবণ।

উৎস: রসায়ন- নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৬৭৯.
ভুট্টার জেইন (Zein) কী ধরনের প্রোটিন? 
  1. সম্পূর্ণ প্রোটিন
  2. অসম্পূর্ণ প্রোটিন 
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিন  
  4. উচ্চ ঘনত্ববিশিষ্ট প্রোটিন 
সঠিক উত্তর:
অসম্পূর্ণ প্রোটিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পূর্ণ প্রোটিন 
ব্যাখ্যা

প্রোটিন: 
- 'প্রোটিন' শব্দটা গ্রিক শব্দ প্রোটিওজ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো সর্বপ্রথম অবস্থান। 
- যেখানেই প্রাণের অস্তিত্ব সেখানেই থাকে প্রোটিন। তাই প্রোটিন ছাড়া কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব কল্পনা করা সম্ভব না। 
- প্রাণী এবং উদ্ভিদ জগতে প্রোটিন একটা প্রধান অংশ, এজন্য প্রোটিনকে মুখ্য উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- সব প্রোটিনই কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন নিয়ে গঠিত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সালফার, ফসফরাস, লৌহ ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ যুক্ত থাকে। 
- প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে অ্যামাইনো এসিড এবং পরে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। 

প্রোটিনের শ্রেণি বিভাগ: 
- উৎস অনুযায়ী প্রোটিনকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
(১) প্রাণিজ প্রোটিন: যে প্রোটিনগুলো প্রাণিজগৎ থেকে পাওয়া যায় তাকে প্রাণিজ প্রোটিন বলে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি প্রাণিজ প্রোটিন। 
(২) উদ্ভিজ্জ প্রোটিন: উদ্ভিদ জগৎ থেকে প্রাপ্ত প্রোটিনকে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন বলে। যেমন- ডাল, বাদাম, সয়াবিন, সিমের বিচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। 

- অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে ৩ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
(১) সম্পূর্ণ বা প্রথম শ্রেণির প্রোটিন: 
- যেসব প্রোটিনে অত্যাবশকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো দেহের প্রোটিন গঠনের উপযোগী অনুপাতে বর্তমান থাকে সেই প্রোটিনকে সম্পূর্ণ প্রোটিন বা প্রথম শ্রেণির প্রোটিন বলে। মাছ, মাংস ইত্যাদি প্রাণিজ প্রোটিনে অত্যাবশ্যক অ্যামাইনো এসিডগুলো দেহের প্রোটিন গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণে বর্তমান থাকে। এজন্য এই প্রাণিজ প্রোটিনগুলো সম্পূর্ণ বা প্রথম শ্রেণির প্রোটিন। 

(২) আংশিক পূর্ণ বা দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিন: 
- কোনো কোনো প্রোটিনে একটা বা দুইটা অত্যাবশ্যক অ্যামাইনো এসিড দেহ গঠনের জন্য উপযোগী অনুপাতে থাকে না ফলে দেহের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এইসব প্রোটিনকে কম উপযোগী বা আংশিক পূর্ণ বা দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিন বলে। যেমন-চাল, ডাল, আটা, বাদাম, আলু ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্ভিদজাত প্রোটিনে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডগুলো কম পরিমাণে থাকে। যেমন-ডালে মেথিওনিন, চালে লাইসিনের পরিমাণ কম থাকে। 

(৩) অসম্পূর্ণ বা তৃতীয় শ্রেণির প্রোটিন: 
- যে প্রোটিনে দেহের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল অ্যামাইনো এসিডগুলো পরিমিত পরিমাণে বিদ্যমান থাকে না সেগুলোকে অসম্পূর্ণ প্রোটিন বলে। যেমন- ভুট্টার প্রোটিন জেইন (Zein)। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৮০.
অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)-এর আদর্শ মান কত?
  1. ৯.৬ মিটার/সেকেন্ড
  2. ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
  3. ১০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ৮.৯ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মানের উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৬৮১.
কোয়ান্টাম মেকানিক্সে Zero-point energy কী?
  1. বস্তু বা কণার সর্বাধিক শক্তি
  2. কোন কণার ইলেকট্রন হারানো
  3. বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
  4. পরমাণুর ভাঙ্গনের সময় উৎপন্ন শক্তি
সঠিক উত্তর:
বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম মেকানিক্সে Zero-point energy বলতে বোঝায় বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি।

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয় ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের ফলে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া, দ্য ব্রগলি তরঙ্গ, কম্পটন প্রভাব ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- ১৯০৫ সালে আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তিত হয়।
- আইনষ্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে ভর ও শক্তির, E = mc2 বিখ্যাত সম্পর্কটি বের করেন।
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো - কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
২.পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৪,৬৮২.
"Dead Star" বলা হয় কোনটিকে?
  1. Neutron star
  2. Brown dwarf
  3. White dwarf
  4. Red dwarf
সঠিক উত্তর:
White dwarf
উত্তর
সঠিক উত্তর:
White dwarf
ব্যাখ্যা
• (White dwarf) শ্বেত বামনকে মৃততারা ("Dead Star") বলা হয়।

শ্বেত বামন:
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
- শ্বেত বামনের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয়, যা আমাদের মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সের চেয়েও বেশি।
- শ্বেত বামন এর জীবনকাল শেষে কৃষ্ণ বামনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।

অপশন আলোচনা:
ক) Neutron star: নিউট্রন তারকা হল একটি অত্যন্ত ঘনস্তর বিশিষ্ট তারকা, যা একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর গঠন হয়।

খ) Brown dwarf: ব্রাউন ডোয়ার্ফ হল একটি ছোট ও ঠান্ডা তারকা, যার তেজস্ক্রিয়তা সাধারণত অন্যান্য তারকার তুলনায় কম।

ঘ) Red dwarf: লাল ডোয়ার্ফ হল একটি ছোট ও ঠান্ডা তারকা, যা দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ীভাবে ফিউশন প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। [লিংক]
৪,৬৮৩.
নিচের কোনটিকে সাবান বললে তা সঠিক হবে?
  1. ক) সোডিয়াম স্টিবোগ্লুকোনেট
  2. খ) পটাশিয়াম সাইট্রেট
  3. গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম পামিটেট
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
প্রকৃতপক্ষে সোডিয়াম বা পটাশিয়াম এর স্টিয়ারেট লবণকে সাবান বলা হয়।
সাবানের সংকেত হলো C17H35COONa অথবা C17H35COOK
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৬৮৪.
প্রতিটি শেলে সর্বাধিক ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ণয় করতে কোন সূত্র ব্যবহার করা হয়? 
  1. 2n2
  2. n3
  3. 2n
  4. n2
সঠিক উত্তর:
2n2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2n2
ব্যাখ্যা

বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম: 
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
- নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
- নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। 
- দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 
- প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন (যেখানে n = 1, 2, 3......) থাকতে পারে। 
• ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 টি = 2 × (1)2 টি = 2 টি, 
• ২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 টি = 2 × (2)2 টি = 8 টি, 
• ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 টি = 2 × (3)2 টি = 18 টি এবং 
• ৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 টি = 2 × (4)2 টি = 32 টি । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮৫.
‘ইকোলজি’ শব্দটি কিসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
  1. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  2. পরিবেশ
  3. অর্থনীতি
  4. চিকিৎসাশাস্ত্র
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
ব্যাখ্যা
‘ইকোলজি’:
- গ্রিক ‘Oikos’ অর্থ "বাসস্থান" এবং "logos" অর্থ "বিদ্যা" ইংরেজি Ecology পরিভাষাটি এসেছে।
- ‘ইকোলজি’ হলো পরিবেশের সাথে প্রাণীজগতের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যা।
- ১৮৬৯ সালে ‘ইকোলজি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান ভূতাত্ত্বিক আর্নেস্ট হেকেল।
- জীববিজ্ঞানের যে বিশিষ্ট শাখায় পরিবেশে বিন্যস্ত বিভিন্ন জীব ও তার পারিপার্শ্বিক জড় উপাদান এবং তাদের পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি বলে।
- জীব একে অপরের সাথে এবং তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে সম্পর্কিত অধ্যয়ন হল ইকোলজি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৬৮৬.
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত স্যুগার হল-
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) ফ্রুক্টোজ
  3. গ) সুক্রোজ
  4. ঘ) গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
যকৃৎ (Liver):
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত।
- এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
- প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত। যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।

যকৃতের কাজ:
- যকৃৎ পিত্তরস তৈরি করে।
- যকৃৎ উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজদেহে গ্লাইকোজেনরূপে সঞ্চয় করে রাখে।
- পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে, যা লাইপেজ সহযোগে পরিপাকে সহায়তা করে। রক্তে কখনো গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে যকৃতের সঞ্চিত গ্লাইকোজেনের কিছুটা অংশ গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তস্রোতে মিশে যায়। এভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে।

উৎস: জীবিবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৬৮৭.
কোনটি উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত? 
  1. ফার্ন
  2. নিটাম
  3. নারিকেল
  4. স্ফোনোডন
সঠিক উত্তর:
নিটাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিটাম
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। আর ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৮৮.
আয়রনের অভাবে পাতার ক্লোরোসিস কোথায় শুরু হয়? 
  1. মূল কাণ্ড 
  2. পুরো পাতা 
  3. শিরার মধ্যবর্তী অংশ 
  4. পাতা কিনারা 
সঠিক উত্তর:
শিরার মধ্যবর্তী অংশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরার মধ্যবর্তী অংশ 
ব্যাখ্যা

ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে। 
- পাতার সরু শিরাসমূহের মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

সালফার (S): 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- কান্ডের শীর্ষ মরে যায় এবং ডাইব্যাক রোগের সৃষ্টি হয়। 
- কান্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় তাই উদ্ভিদ খর্বাকৃতির হয়। 

আয়রন (Fe): 
- আয়রনের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথমে হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনও কখনও সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়। 
- কান্ড দুর্বল ও ছোট হয়। 

বোরন (B): 
- বোরনের অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে এবং পাতা বিকৃত হয়, কান্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮৯.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর ক্ষেত্রে ভুল তথ্য কোনটি?
  1. কোনো স্থানের জলবায়ু অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে।
  2. কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে।
  3. আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান ভিন্ন।
  4. কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম হয়।
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের জলবায়ু অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের জলবায়ু অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া: 
- আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বোঝায়। 
- বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়। 
যেমন- কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ গরম, আবার কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। আবার আকাশ মেঘলা অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন- এরকম অবস্থাও স্বল্প সময়ের আবহাওয়া নির্দেশ করে। 

জলবায়ু: 
- জলবায়ু সহসা বদলায় না, জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল। 
যেমন- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র- থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে। আবার রাশিয়ার জলবায়ু শীতপ্রধান; এ থেকে বুঝা যায় রাশিয়ায় সাধারণত খুব শীত পড়ে। 

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য: 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান মূলত একই। 
- বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা (জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক পরিমাণ), বৃষ্টিপাত সবগুলোই আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান। 
- উপাদানসমূহ একই হলে আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে- 
১। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পকালীন অবস্থাই আবহাওয়া, আর কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাই জলবায়ু। 
২। কোনো স্থানের আবহাওয়া অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু কোনো স্থানের জলবায়ু সহসা পরিবর্তন হয় না, পরিবর্তন হতে অনেক বছর লেগে যায়। 
৩। কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে। 
যেমন- কোনো নির্দিষ্ট দিনে ফরিদপুরে বৃষ্টি হতে পারে কিন্তু বরিশালে বৃষ্টি নাও হতে পারে। 
- কিন্তু কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম। 
যেমন- বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু একই রকম। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৬৯০.
'চিলি সল্টপিটার' কোন ধাতুর আকরিক? 
  1. ক্যালসিয়াম 
  2. অ্যালুমিনিয়াম 
  3. সোডিয়াম 
  4. আয়রন 
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম 
ব্যাখ্যা
• আয়রন বা লোহার আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
৪,৬৯১.
ট্রানজিস্টর তৈরিতে কোন প্রকার পদার্থ ব‍্যবহৃত হয়?
  1. প্লাস্টিক (Plastic)
  2. অর্ধ-পরিবাহী (Semiconductor)
  3. পরিবাহী (Conductor)
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-পরিবাহী (Semiconductor)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-পরিবাহী (Semiconductor)
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর (অর্ধ-পরিবাহী) দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৯২.
এক্রোলিন পরীক্ষা দ্বারা কোনটি শনাক্ত করা হয়?
  1. ইথানল
  2. গ্লিসারিন
  3. গ্লুকোজ
  4. ইথান্যাল
সঠিক উত্তর:
গ্লিসারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লিসারিন
ব্যাখ্যা
গ্লিসারিন: 
- গ্লিসারিন ও ফেনল উভয় যৌগে অ্যালকোহলের মতো -OH মূলক কার্যকরী মূলকরূপে থাকলেও উভয় যৌগের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য সাধারণ অ্যালকোহল থেকে ভিন্ন। 
- প্রকৃতিতে প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ সব ফ্যাট বা চর্বি ও তৈল হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের ট্রাই গ্লিসারাইড। 
- গ্লিসারিন ছাড়া এ তৈল ও চর্বি গঠন সম্ভব নয়। 
- গ্লিসারিন এর অপর নাম হলো গ্লিসারল বা প্রোপেন-1, 2, 3- ট্রাইঅল, HO-CH2-CH(OH)-CH2-OH. 

গ্লিসারিন প্রস্তুতি (Glycerine Preparation): 
- নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে গ্লিাসারিন উৎপন্ন করা হয়। 
যেমন- 
(১) তৈল বা চর্বির ক্ষারীয় আর্দ্র বিশ্লেষণ: সাবানায়ন প্রক্রিয়া, 
(২) তৈল বা চর্বির অম্লীয় আর্দ্র বিশ্লেষণ: গ্লিসারিন ও ফ্যাটি এসিড উৎপাদন, 
(৩) প্রোপিন থেকে গ্লিসারিন: আধুনিক সংশ্লেষণ পদ্ধতি। 

অপসারণ বিক্রিয়া: 
- নিরুদক পটাসিয়াম হাইড্রোজেন সালফেট (KHSO4) এর উপস্থিতিতে অথবা উচ্চ তাপমাত্রায় গ্লিসারিনকে উত্তপ্ত করলে গ্লিসারিন অণু থেকে দুই অণু পানি অপসারিত হয়ে দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস রোধক ঝাঁঝালো এক্রোলিন উৎপন্ন হয়। 
- এটি গ্লিসারিন শনাক্তকরণের এক্রোলিন টেস্ট। 
- তৈল ও চর্বি আগুনে পড়লে বিষাক্ত এক্রোলিনের ঝাঁঝালো গন্ধ বের হয়। 


উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৪,৬৯৩.
কোন বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারিদিকে ঘুরতে থাকে?
  1. সবল নিউক্লিয় বল
  2. তাড়িতচৌম্বক বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৪.
মানুষ কোন পর্বের প্রাণী?
  1. ক) হোমো সেপিয়েন্স
  2. খ) একাইনোডার্মাটা
  3. গ) অ্যানেলিডা
  4. ঘ) কর্ডাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্ডাটা
ব্যাখ্যা

কর্ডাটা পর্বের প্রাণি- মানুষ, কুনােব্যাঙ, রুই মাছ ইত্যাদি।
একাইনােডারমাটা পর্বের প্রাণি- তারামাছ, সমুদ্র শশা ইত্যাদি।
অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণি হলাে- কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।
হোমো সেপিয়েন্স মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৬৯৫.
জোয়ারের প্রধান কারণ কী?
  1. বায়ুর চাপ
  2. চন্দ্র ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান
  3. সমুদ্রের তাপমাত্রা
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান
ব্যাখ্যা
• জোয়ার ভাঁটার প্রধান কারণ চন্দ্র ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক বল। 

• জোয়ার-ভাঁটা:

- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘটিত  হয়। অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।

- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- Encyclopedia Britannica.
৪,৬৯৬.
পর্যায় সারণির কোন পর্যায়কে অতি দীর্ঘ পর্যায় বলা হয়?
  1. চতুর্থ পর্যায়কে
  2. পঞ্চম পর্যায়কে
  3. দ্বিতীয় পর্যায়কে
  4. সপ্তম পর্যায়কে
সঠিক উত্তর:
সপ্তম পর্যায়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম পর্যায়কে
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণীতে মোট ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ রয়েছে।

পর্যায় তালিকার 
- ১ম পর্যায়ে মাত্র দুটি মৌল, H ও He.
- ২য় পর্যায়ে মৌলের সংখ্যা ৮টি।
- ৩য় পর্যায়ে মৌলের সংখ্যা ৮টি।
- ৪র্থ পর্যায়ে মৌলের সংখ্যা ১৮টি।
- ৫ম পর্যায়ে মৌলের সংখ্যা ১৮টি।
- ৬ষ্ঠ পর্যায়ে মৌলের সংখ্যা ৩২টি।
- ৭ম পর্যায়েও মৌলর সংখ্যা ৩২টি।

ল্যান্থানাম, La(57) সহ পরবর্তী আরো ১৪টি মৌল অর্থাৎ এ ১৫টি মৌলকে ল্যান্থানাইড সিরিজের মৌল বলা হয়।
একইভাবে অ্যাক্টেনিয়াম, Ac(89) সহ পরবর্তি আরো ১৪টি মৌল অর্থাৎ এ ১৫টি মৌলকে অ্যাক্টেনাইড সিরিজের মৌল বলা হয়।

সুতরাং, পর্যায় সারণীর ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায় দুটোই অতি দীর্ঘ পর্যায় বলে বিবেচিত হবে।
৪,৬৯৭.
কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ না অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) গলনাঙ্ক
  2. খ) স্ফুটনাঙ্ক
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
ব্যাখ্যা
স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।
৪,৬৯৮.
ভারি পানি গঠনে নিচের কোনটি অংশ নেয়?
  1. প্রোটিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. টিট্রিয়াম
  4. ডিউটেরিয়াম
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
হাইড্রোজেনের তিনটি প্রাকৃতিক আইসোটোপ হলো প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, টিট্রিয়াম। এদের মধ্যে পানি গঠন করে হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম। আর ভারি পানি গঠন করে ডিউটেরিয়াম।
ডিউটেরিয়ামের ভর সংখ্যা ২, প্রোটন সংখ্যা ১ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৬৯৯.
ব্রহ্মাণ্ডে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা কত হতে পারে?
  1. 0 Kelvin
  2. -273.15 Kelvin
  3. 0°C
  4. -100°C
সঠিক উত্তর:
0 Kelvin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 Kelvin
ব্যাখ্যা
• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় চার্লস বা গে-লুসাকের সূত্রানুসারে কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- এ পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো - ২৭৩°C ।
- অর্থাৎ - ২৭৩°C বা ০ কেলভিন তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়।
- ব্রহ্মাণ্ডে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ০ কেলভিন।

- আমরা জানি, - ২৭৩°C = ০ কেলভিন।
 - তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বা কেলভিন স্কেল বলে।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০০.
পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষ থেকে কোন রাসায়নিক পদার্থটি নিঃসৃত হয়?
  1. H2SO4
  2. HCl
  3. HNO3
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
HCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HCl
ব্যাখ্যা

পরিপাক নালি:
- মানবদেহে পরিপাক ও পরিশোষণ পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
- পরিপাকতন্ত্র পরিপাক নালি ও পরিপাক গ্রন্থি নিয়ে গঠিত।
- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার বিস্তৃত দীর্ঘ নালি বিশেষ যা কোথাও থলির ন্যায় স্ফীত আবার কোথাও  কুণ্ডলীকৃত।
- বিভিন্ন অংশ যেমন- মুখছিদ্র, মুখবিবর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্ত্র (ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম), বৃহদন্ত্র (সিকাম, কোলন ও মলাশয়) দ্বারা পরিপাক নালি গঠিত।

• পাকস্থলি:
- বক্ষ গহ্বরের ডায়াফ্রামের নীচে উদরের উপরের অংশে অন্ননালি ও ক্ষুদ্রান্ত্রের মাঝখানে বাঁকানো থলির মত অংশই পাকস্থলি।
- একে কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। যেমন- কার্ডিয়া, ফার্নডাস ও ছোট-বড় বাঁক, পাইরোলাস ও গ্রাসনালি।
- পাকস্থলির প্রত্যেক অংশের মিউকোসা স্তরে অসংখ্য গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থাকে। এই গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় দু'লিটার গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়।
- পাকস্থলির প্রাচীর পেশীবহুল এবং নলাকার গ্রন্থি সমৃদ্ধ। 

• কাজ:
- খাদ্যদ্রব্যকে সাময়িকভাবে জমা রাখে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে।
- গ্যাস্ট্রিন হরমোন গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। গ্যাস্ট্রিক জুসের ৯৯.৪৫% পানি।
- পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষ থেকে নিঃসৃত HCI জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।
- মিউসিন HCI-এর ক্ষতিকর ভূমিকা থেকে পাকস্থলীর প্রাচীরকে রক্ষা করে।
- গ্যাস্ট্রিক রসের এনজাইমগুলো HCI-এর উপস্থিতিতে আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।