বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৬ / ১৪০ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ১৪,০৮০

৪,৫০১.
একটি কাঁচ দণ্ডকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. ক) ধনাত্মক আধান
  2. খ) ঋণাত্মক আধান
  3. গ) রেজিনাস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
ব্যাখ্যা
- সাধারণ অবস্থায় পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে।
- তবে প্রত্যেক পরমাণুই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ থাকে। ইলেকট্রনের প্রতি এই আসক্তি বিভিন্ন বস্তুতে বিভিন্ন রকম। তাই দুটি বস্তুকে যখন পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হয়, তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তুটি অপর বস্তুটি থেকে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।   

- সাধারণ অবস্থায় কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহে প্রোটন এবং ইলেকট্রণের সংখ্যা সমান থাকায় তা তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে।  
- কাচদণ্ডকে রেশমের কাপড় দিয়ে ঘর্ষণের ফলে কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহ থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন বিচ্ছিন্ন হয়ে রেশমের কাপড়ের সাথে যুক্ত হয়।  
- রেশমের কাপড়ে ইলেকট্রন যুক্ত হওয়ায় এটি ঋণাত্মক তড়িতাহিত হয়।  
- অন্যদিকে কাচদণ্ডে ইলেকট্রন কমে যাওয়ায়, এতে ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে প্রোটনের সংখ্যা বেশি হয়, ফলে এটা ধনাত্মক তড়িতাহিত হয়। 

উৎস- এস.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
৪,৫০২.
নিচের কোনটি DNA ভাইরাস?
  1. TMV
  2. HIV
  3. TIV
  4. Flavi
সঠিক উত্তর:
TIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TIV
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridescent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,৫০৩.
জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে কোনটি রক্ষা করে?
  1. ক) কোষগহবর
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গ) প্লাস্টিড
  4. ঘ) লাইসোজোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা
লাইসোজোম জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে ফেলে।

একক পর্দা আবৃত পাচক উৎসেচক যুক্ত অতি সূক্ষ্ম থলিবৎ কোষীয় অঙ্গাণু, যা কোষীয় বস্তুর পাচনে এবং জীবাণু ধ্বংসে অংশগ্রহণ করে তাদের লাইসোজোম বলে।  

লাইসোজোমের কাজসমূহ-
১. এরা ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis) পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে।
২. বিগলনকারী এনজাইমসমূহকে আবদ্ধ করে রেখে এটি কোষের অন্যান্য অঙ্গাণুকে রক্ষা করে। 
৩. লাইসোসোম অন্তঃকোষীয় পরিপাক কাজে সাহায্য করে।
৪. কোষ বিভাজনকালে এরা কোষীয় ও নিউক্লীয় আবরণী ভাঙ্গতে সাহায্য করে।
৫. এরা জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে অটোলাইসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে বলে এদের আত্মঘাতী থলিকা বা স্কোয়াড বলা হয়। 
৬. টিস্যু বিগলনকারী অ্যাসিড ফসফেটেজ এনজাইম থাকে।
৭. ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। 


সূত্র: ২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫০৪.
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির কারণে আমরা যে এন্টাসিড খাই তা হল-
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, খাদ্য পরিপাকের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পাকস্থলী থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয় যার কারণে আমাদের গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির উদ্রেক হয়। এ এসিড কে প্রশমিত করতে আমরা এন্টাসিড হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড নামক ক্ষার ব্যবহার করে থাকি।
৪,৫০৫.
প্রতিসাম্যতার ভিত্তিতে 'যকৃত কৃমি' কী ধরনের প্রাণী?
  1. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
  2. অপ্রতিসাম্য
  3. অরীয় প্রতিসাম্য
  4. গোলীয় প্রতিসাম্য
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য
ব্যাখ্যা
অ্যানিমেল ডাইভারসিটি বা প্রাণি বৈচিত্র্য: 

প্রকৃতির বিভিন্ন অঞ্চলে সাফল্যমণ্ডিতভাবে বংশবিস্তার করে টিকে থাকার উদ্দেশ্যে প্রাণি প্রজাতিগুলোর বহিঃঅঙ্গসংস্থান ও অন্তঃঅঙ্গসংস্থান, আকার, আকৃতি, প্রকৃতি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে অভিযোজিত হওয়ার ফলে প্রাণীদের মধ্যে যে বৈচিত্র্যময়তার উদ্ভব ঘটে, তাকে প্রাণিবৈচিত্র্য বলে।

প্রতিসাম্য:
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে।
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)।
খ. অরীয় প্রতিসাম্য- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে খ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)।
গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)।
ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)।
ঙ. অপ্রতিসাম্য- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।



উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৫০৬.
পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে কোন রেখা?
  1. ক) সমাক্ষ রেখা
  2. খ) নিরক্ষরেখা
  3. গ) মেরু রেখা
  4. ঘ) দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষরেখা:
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

উৎস :ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫০৭.
হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ?
  1. ক) আমিষ
  2. খ) স্নেহ
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) লৌহ
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষ
ব্যাখ্যা
হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ জাতীয় রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্ত কণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়। রক্তে উপযুক্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্ত স্বল্পতা বা রক্তশূন্যত দেখা দেয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
৪,৫০৮.
সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে শুক্র গ্রহের কত দিন সময় লাগে?
  1. ১৬৭ দিন
  2. ২২৫ দিন
  3. ২৮১ দিন
  4. ৩১০ দিন 
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিন
ব্যাখ্যা

• শুক্র:
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫০৯.
কোনো বস্তুর ভর ১ কেজি হলে বস্তুর ওজন-
  1. ক) ১ নিউটন
  2. খ) ৯.৮ নিউটন
  3. গ) ১০ নিউটন
  4. ঘ) ৯৮ নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৮ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৮ নিউটন
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
W = mg
= ১ X ৯.৮
= ৯.৮ নিউটন।

৪,৫১০.
পেরিস্কোপ কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:

- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৫১১.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
  1. ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) স্ট্রেসম্যান
সঠিক উত্তর:
ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৫১২.
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লাটিলেটের স্তর হ্রাস পায়, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. থ্রম্বোসাইটোসিস
  2. থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
  3. পলিসাইথিমিয়া
  4. অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন তাকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।

• রক্ত:

- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

১. থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া:

- ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন সেটিকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
- এটি সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে ঘটে।
- প্লাটিলেটের অভাবের কারণে রক্তপাত এবং সহজে ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

২. পলিসাইথিমিয়া:

- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

৩. অ্যানিমিয়া:
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।

৪. পারপুরা:
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

৫. লিউকোসাইটোসিস:
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে।
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

৬. লিউকেমিয়া:
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

৭. থ্রম্বোসাইটোসিস:
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়।
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে।
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫১৩.
গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. একটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র: 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- সূত্রগুলাে হচ্ছে - 

প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∞ t 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∞ t2 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫১৪.
প্রাণিজগতের বংশসম্বন্ধীয় বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. জেনেটিক্স 
  2. ইকোলজি 
  3. আর্কিওলোজি 
  4. ইভোলিউশন 
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক্স 
ব্যাখ্যা

জেনেটিক্স: 
- জেনেটিক্স বা বংশগতি হলো বাবা-মা হতে সন্তান-সন্ততিতে জিনগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরিত হওয়া যার মাধ্যমে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের অনেক সামঞ্জস্যতা দেখা যায়।
- জীবের বংশগতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা। 

ইভোলিউশন: 
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। 

ইকোলজি: 
- প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে ইকোলজি বা বাস্তবিদ্যা বলে। 

আর্কিওলোজি: 
- বস্তুগত নিদর্শনের ভিত্তিতে অতীত পুনঃনির্মাণ করার বিজ্ঞানকেই আর্কিওলোজি বা প্রত্নতত্ত্ব বলে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫১৫.
এস. আই এককে গ্যাসের এক বায়ুমন্ডল চাপের পরিমাণ কত?
  1. ক) 101.32 kPa
  2. খ) 100.00 kPa
  3. গ) 10.132 kPa
  4. ঘ) 100.352 kPa
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
ব্যাখ্যা
এক বায়ুমণ্ডল চাপ: 
- বাহ্যিক চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্কের হ্রাস বা বৃদ্ধি হবে। 
- পাহাড়ের উপরে বায়ুমণ্ডল তাই পাহাড়ের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে; যেমন মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গে (8848 m) পানির স্ফুটনাঙ্ক হয় 71°C । 
- সুতরাং প্রমাণ চাপ হিসেবে এক বায়ুমণ্ডল চাপ বলতে 760 mm উচ্চতাবিশিষ্ট পারদ স্তম্ভের চাপকে ধরা হয়। 
অর্থাৎ 1 atm = 760mm (Hg) = 101.32 kPa (কিলো প্যাসকেল)। 
- কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বাহ্যিক চাপের উপর কিছুটা নির্ভরশীল, তবে এ নির্ভরশীলতা খুবই কম। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)। 
৪,৫১৬.
ছোট দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) চন্দ্রমল্লিকা
  2. খ) ঝিঙ্গা
  3. গ) লেটুস
  4. ঘ) সূর্যমূখী
সঠিক উত্তর:
ক) চন্দ্রমল্লিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চন্দ্রমল্লিকা
ব্যাখ্যা
দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হলে ছোট দিনের উদ্ভিদে ফুল ফোটে। যেমন: আলু, ইক্ষু, কসমস, শিম, ডালিয়া, তামাক, চন্দ্রমল্লিকা, রোপা আমন, পাট। এদের বড় রাতের উদ্ভিদও বলা হয়।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৪,৫১৭.
ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম-
  1. ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
  2. খ) স্ত্রী Aedes aegypti মশকী
  3. গ) স্ত্রী aedes albopictus মশকী
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম স্ত্রী Anopheles মশকী। Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৪,৫১৮.
সৌর সেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রধানত কোন উপাদান ব্যবহার করা হয়?
  1. Gold
  2. Copper
  3. Silicon
  4. Iron
সঠিক উত্তর:
Silicon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Silicon
ব্যাখ্যা
◉ সিলিকন হলো একটি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ, যা সৌর সেলের ফটোভোল্টায়িক স্তরে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের আলো পড়লে এটি ফোটোভোল্টায়িক প্রভাবের মাধ্যমে আলোক শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,৫১৯.
মানুষের দেহে সাধারণ ওজনের কত শতাংশ রক্ত থাকে?
  1. ১০%
  2. ৫%
  3. ৮%
  4. ৭%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৫২০.
রক্তের লোহিত কণিকার প্রধান কাজ কোনটি? 
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা 
  2. রোগ প্রতিরোধ করা 
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করা 
  4. নাইট্রোজেন পরিবহন করা 
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন পরিবহন করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন পরিবহন করা 
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ু ১২০ দিন। 
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- লোহিত রক্তকণিকা শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫২১.
পাকস্থলিতে শর্করা পরিপাকের জন্য কোন এনজাইম থাকে? 
  1. মলটেজ
  2. পেপসিন
  3. অ্যামাইলেজ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলত তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু'প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 
- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে- 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ। 

মিউসিন: 
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 

টায়ালিন: 
- টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে। 

মলটেজ: 
- ক্লোরিনের উপস্থিতিতে মলটেজ এনজাইম সামান্য পরিমাণ মলটোজের উপর ক্রিয়া করে গ্লুকোজে পরিণত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫২২.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. তেলুসর
  2. গর্জন
  3. সেগুন
  4. গজারি
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের মধুপুর গড়, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- এছাড়া অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে: পলাশ, সিধা জারুল, বহেড়া, হরীতকী, শীলকরই, শিমুল ইত্যাদি।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৪,৫২৩.
চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কতক্ষণ পরে পৃথিবীতে শোনা যাবে?
  1. ক) সাথে সাথেই
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পরে
  3. গ) ১.৩ মিনিট পরে
  4. ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
ব্যাখ্যা

- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ আরো কম৷
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। কারণ শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়।
- চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কখনোই পৃথিবী থেকে শোনা যাবে না।
- কারণ চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই- তাই শব্দ সঞ্চালিত হয়ে পৃথিবীতে পৌছাতে পারবে না।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৫২৪.
ফল ও বীজ উৎপাদনের পূর্বশর্ত কোনটি?
  1. অঙ্কুরোদগম
  2. পরাগায়ন 
  3. শ্বাসক্রিয়া
  4. আলোক সংশ্লেষণ 
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন 
ব্যাখ্যা

পরাগায়ন: 
- পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন হচ্ছে ফল এবং বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুই প্রকার। 
যথা-
১। স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়। 
যেমন- ধুতুরা, সরিষা, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে। 
 
২। পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
যেমন- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছে পর-পরাগায়ন ঘটে। 

উল্লেখ্য যে, 
- সরিষা ও কুমড়ায় স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন দুইভাবেই পরাগ সংযোগ ঘটে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৪,৫২৫.
ফ্যাট বা স্নেহ পদার্থ কোন ভিটামিনগুলোর শোষণে সাহায্য করে?
  1. ভিটামিন A ও C
  2. ভিটামিন B ও C
  3. ভিটামিন A, D, E, K
  4. ভিটামিন D ও B
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A, D, E, K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A, D, E, K
ব্যাখ্যা

স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন-A, D, E, এবং K শোষণে ফ্যাট সাহায্য করে।

• স্নেহ পদার্থ:
- তেল ও চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদানকে স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাট বলা হয়।
- ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলের সমন্বয়ে স্নেহ পদার্থে গঠিত।
- ফ্যাটি অ্যাসিডেরবৈশিষ্ট্যের উপর স্নেহ পদার্থ বা ফ্যাটের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে।
- খাদ্যে প্রায় ২০ ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়।
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন স্নেহ পদার্থগুলোকে চর্বি বলে। যেমন-মাছ ও মাংসের চর্বি।
- চর্বি হলো সম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড।
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল স্নেহ পদার্থকে তেল বলে। যেমন সয়াবিন তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি।
- তেলগুলো অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড।
- তেল ও চর্বি অর্থাৎ স্নেহ পদার্থ দেহের প্রয়োজনীয় তাপ ও শক্তির ভালো উৎস।
- ১ গ্রাম স্নেহ পদার্থ হতে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
- খাদ্য উপাদানগুলোর মধ্যে শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফ্যাটই সর্বোচ্চ।

• স্নেহ পদার্থের কাজ:
১। স্নেহ পদর্থের প্রধান কাজ দেহে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করা।
২। স্নেহ পদার্থ দেহের তাপমাত্রা বজায় রাখে।
৩। দেহে সঞ্চিত হয়ে ভবিষ্যতের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
৪। ত্বকের মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখে।
৫। চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।
৬। স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন-এ, ডি, ই এবং কে শোষণে ফ্যাট সাহায্য করে।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫২৬.
মানুষের শরীরের মোট ওজনের প্রায় কত শতাংশ ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত?
  1. ২.০%
  2. ০.৫%
  3. ৫.০%
  4. ৮.০%
সঠিক উত্তর:
২.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.০%
ব্যাখ্যা

- মানবদেহের মোট ওজনের গড়ে প্রায় ২% ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত হয়। 

ক্যালসিয়াম: 

- ক্যালসিয়াম (Ca) হলো অস্থি ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের প্রায় ২% ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত। শরীরে থাকা মোট খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সর্বাধিক। 
- এটি ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ৯০% পরিমাণে অস্থি ও দাঁতে সংরক্ষিত থাকে। এছাড়া, রক্ত ও লসিকাতেও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান। 
- উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি, ফল ইত্যাদি। 
- প্রাণিজ উৎস: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।

- হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। 
- রক্ত সঞ্চালন ও হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে সহায়তা করে। 
- স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখে। 
- শিশুদের রিকেটস (Rickets)- এতে হাড় নরম ও বিকৃত হয়ে যায়। বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া (Osteomalacia) হলে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। 
- দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা দেয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫২৭.
উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ব্যাপন 
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) দহন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা

উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। 

নিঃসরণ বা অণুব্যাপন (Effusion) : সরু ছিদ্র পথ দিয়ে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে দ্রুত বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। উচ্চ চাপের প্রভাবে এটি একটি গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। এটি ছিদ্র পথে অর্থাৎ নিয়ন্ত্রিত পথে ঘটে। যেমন- প্রেসার কুকারের গ্যাস বের হওয়া নিঃসরণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। গাড়ির চাকার গ্যাস লিকের মাধ্যমে বের হওয়া।
ব্যাপন/গ্যাসের ব্যাপন (Diffusion of gases): উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফুর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
নিঃসরণের ক্ষতিকর দিকঃ
১. সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্যাস দ্রুত ছড়িয়ে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
২. নিউক্লিয়ার চুল্লীতে গ্যাস নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটাতে পারে।
৩. বডি স্প্রে হতে সুগন্ধি দ্রব্যসমূহ বের হয়ে আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৫২৮.
ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের কোন রোগ হয়? 
  1. স্কার্ভি 
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেটস
  4. অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
ব্যাখ্যা

ভিটামিন ডি:
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়।
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস।
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে।
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়।
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে।

অন্যদিকে,
- স্কার্ভি (Scurvy): ভিটামিন সি (C) অভাবে এ রোগ হয়।
- বেরিবেরি (Beriberi): ভিটামিন বি১ (B1/থায়ামিন) অভাবে এ রোগ হয়। 
- অ্যানিমিয়া (Anemia): ভিটামিন বি১২/বি৯ (B12/Folic acid) বা আয়রন অভাবে এ রোগ হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫২৯.
ডেসি মোল দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত? 
  1. ১.০ মোল 
  2. ০.০০১ মোল
  3. ০.০১ মোল
  4. ০.১ মোল 
সঠিক উত্তর:
০.১ মোল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.১ মোল 
ব্যাখ্যা

মোলার দ্রবণ: 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার। 
- একে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি।


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৩০.
ইনসুলিন কী?
  1. এক প্রকার ভিটামিন
  2. এক প্রকার মানব হরমোন 
  3. কার্বোহাইড্রেট
  4. প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার মানব হরমোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার মানব হরমোন 
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৩১.
কে আধুনিক পর্যায় সারণির তত্ত্ব দেন? 
  1. জন ডাল্টন
  2. দিমিত্রি মেন্ডেলিভ
  3. হেনরি মোসলে
  4. নীলস বোর
সঠিক উত্তর:
হেনরি মোসলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি মোসলে
ব্যাখ্যা

• আধুনিক পর্যায় সারণি পারমাণবিক সংখ্যা ভিত্তিক, যার তত্ত্ব প্রমাণ করেন হেনরি মোসলে (Henry Moseley)।
- তিনি দেখান, মৌলের রাসায়নিক ধর্মের প্রকৃত কারণ ইলেকট্রন বিন্যাস, যা নির্ধারিত হয় পারমাণবিক সংখ্যা দ্বারা।
- তার তত্ত্ব ছাড়া আধুনিক পর্যায় সারণিতে ৭ম পর্যায় সম্পূর্ণ করা বা নতুন মৌলের স্থান নির্ধারণ অসম্ভব হতো।

• পর্যায় সারণির বিবর্তন:
- প্রথমদিককার রসায়নবিদেরা মৌলগুলোর বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে তাদের শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা দেন, তবে এই শ্রেণিবিন্যাস ছিল অসম্পূর্ণ ও সীমাবদ্ধ।
- মেন্ডেলিভ মৌলগুলোকে পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়ে প্রথম কার্যকর পর্যায় সারণি তৈরি করেন।
- কিন্তু কিছু মৌলের অবস্থান ও ধর্ম তার সূত্রে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি।

• আধুনিক পর্যায় সারণির ভিত্তি:
- আধুনিক পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number), যা কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটন সংখ্যা নির্দেশ করে।
- পারমাণবিক সংখ্যার এই ধারণা বিশ্বের রসায়নচর্চাকে পরিবর্তন করে দেয়, কারণ মৌলের ধর্ম ও অবস্থান নির্ধারণে এটিই একমাত্র সঠিক বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড।

• হেনরি মোসলে অবদান:
- ১৯১৩ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরি মোসলে (Henry Moseley) এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি ব্যবহার করে প্রমাণ করেন যে প্রতিটি মৌলের একটি স্বতন্ত্র পারমাণবিক সংখ্যা আছে, এবং মৌলের ধর্ম এই সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল।
- তার গবেষণায় দেখা যায় যে পর্যায় সারণিতে যেসব মৌল ভুল স্থানে ছিল, তাদের সঠিকভাবে সাজালে সব অসঙ্গতি দূর হয়ে যায়।
- এর ফলে মেন্ডেলিভের ভর-ভিত্তিক সারণি আধুনিক রূপ পায় এবং বর্তমানের ইলেকট্রন বিন্যাস ও গ্রুপ-পর্যায়ভিত্তিক বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪,৫৩২.
To measure the potential difference between two points, which instrument is used?
  1. Ammeter
  2. Hygrometer
  3. Voltmeter
  4. Barometer
  5. Thermometer
সঠিক উত্তর:
Voltmeter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voltmeter
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। 
যথা- 
১। এসি প্রবাহ এবং 
২। ডিসি প্রবাহ। 

- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। 
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। 
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার। 
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৫৩৩.
নিচের কোন ঘটনাটি পৃষ্ঠটানের উদাহরণ?
  1. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
  2. সুঁচ পানিতে ভাসা।
  3. বৃষ্টির পানি গোলাকার আকার ধারন করা।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তলটান বা পৃষ্ঠটান:
- তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
- পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা। 
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

• পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারনে। 
- পানির ফোঁটাগুলি পৃষ্ঠ স্তরের সমন্বিত শক্তি দ্বারা একটি গোলাকার আকৃতি হয়। 
- মাধ্যাকর্ষণ সহ অন্যান্য শক্তির অনুপস্থিতিতে, কার্যত সমস্ত তরলের ফোঁটাগুলি প্রায় গোলাকার হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৩৪.
বাংলাদেশের বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. ময়মনসিংহ
  3. বরিশাল
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৪,৫৩৫.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উর্ধ্বের স্তর কোনটি?
  1. তাপমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
এক্সোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তর হলো এক্সোমণ্ডল। তাপমণ্ডল থেকে উপরের দিকে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত এক্সোমণ্ডল বিস্তৃত।
- এক্সোমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম স্তরের প্রাধান্য বেশি। এছাড়া সামান্য পরিমাণে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও আর্গন গ্যাসও বিদ্যমান রয়েছে।
- এই স্তরের তাপমাত্রা ৩০০ ডিগ্রি থেকে প্রায় ১৬৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
- এক্সোমণ্ডলের পর থেকে আন্তগ্রহ বা ইন্টারপ্লানারি স্পেসের শুরু হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৫৩৬.
শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র অনুযায়ী- 
  1. শক্তি সৃষ্টি করা যায়
  2. শক্তি ধ্বংস করা যায়
  3. শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
  4. শক্তি কেবল কমে যায়
সঠিক উত্তর:
শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
ব্যাখ্যা

- শক্তির সংরক্ষণশীলতা বা নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী, মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনীয়। এই সূত্রের মূল কথা হলো শক্তিকে নতুন করে সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তিকে চিরতরে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করা যায় না। শক্তি কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত বা রূপান্তরিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র: 

- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। 
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না। 
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না। 
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে। 
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৩৭.
শব্দ তরঙ্গ চলতে পারে না-
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. কঠিন মাধ্যমে
  3. তরল মাধ্যমে
  4. বায়বীয় মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ: 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

শব্দের বেগ: 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 m/s। 
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 m/s পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 m/s, পানি মাধ্যমে 1450m/s এবং লোহার মধ্যে 5220 m/s। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উল্লেখ্য, মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৮.
চোখের জন্য উপকারী ভিটামিন কোনটি, যা সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূলে পাওয়া যায়?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন বি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন এ
ব্যাখ্যা

• ভিটামিন এ চোখের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

• চোখের যত্ন:
- চোখ মানুষের একটি কোমল ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
- সঠিকভাবে যত্ন না নিলে চোখে বিভিন্ন ধরনের রোগ ও সংক্রমণ হতে পারে।
- চোখ সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ করা জরুরি।
 
• চোখের যত্ন নেওয়ার উপায়:
- ঘুম থেকে উঠে এবং বাইরে থেকে আসার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া উচিত।
- চোখ মোছার সময় অবশ্যই পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করতে হবে।
- নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খেতে হবে।
- এসব খাদ্যে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের জন্য উপকারী।
- ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- পর্যাপ্ত ভিটামিন এ গ্রহণ করলে রাতকানা রোগ এড়ানো যায়।
 
• ভিটামিন এ:
- ভিটামিন এ চোখের রেটিনা সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
- এটি অল্প আলোতে দেখার ক্ষমতা উন্নত করে।
- ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা ও চোখ শুষ্ক হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- ভিটামিন বি → স্নায়ু ও শক্তি উৎপাদনে সহায়ক।
- ভিটামিন সি → রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- ভিটামিন ডি → হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
 
 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৪,৫৩৯.
কোন বৈচিত্র্যের কারণে মঙ্গোলয়েড ও নিগ্রয়েড জাতির মানুষের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
  1. জিনগত বৈচিত্র্য
  2. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  3. স্বভাবগত বৈচিত্র্য
  4. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
জিনগত বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিনগত বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা

জীব-বৈচিত্র্য: 
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। 
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়। 
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর। 
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়। 
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়। 
 
প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity): 
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে। 
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়।
যথা- 
১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): 
- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। 
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। 
যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।
- আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। 
 
২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity): 
- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। 
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। 
- একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে। 
 
৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): 
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। 
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । 
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। 
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৪০.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে বায়ুপ্রবাহ কোন দিকে বাঁক নেয়? 
  1. বাম দিকে
  2. ডান দিকে
  3. উত্তর দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ (Movement of Wind): 
- বায়ুর তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল বায়ু চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে। 
- বায়ুপ্রবাহ সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। 
যেমন- 
১। নিম্নচাপমণ্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হলে বায়ুমণ্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে উচ্চচাপমণ্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সর্বদা নিম্নচাপমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
২। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এ উভয় কারণে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীপৃষ্ঠে গতিশীল পদার্থ (যেমন- বায়ুপ্রবাহ ও জলস্রোত) সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। ফেরেলের সূত্র (Ferrel's Law) অনুসারে ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয়। 

চাপ বলয় (Pressure Belts): 
- ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অক্ষাংশের তাপের পার্থক্য এবং গোলাকার পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বায়ুমণ্ডলে কয়েকটি চাপমণ্ডলের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- (১) নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়, (২) ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়, (৩) উপ-মেরুবৃত্তের নিম্নচাপ বলয় এবং (৪) মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৪১.
যে কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাকে কী বলা হয়? 
  1. আদি কোষ
  2. প্রকৃত কোষ
  3. দেহ কোষ
  4. রাইবোজোম কোষ
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত কোষ
ব্যাখ্যা
কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান যে প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন Cell । 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- প্রকৃত কোষ এবং আদি কোষ। 
১। প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 
- আবার, অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 

২। আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪২.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু কোনটি?
  1. হীরক
  2. লিথিয়াম
  3. প্লাটিনাম
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
ধাতু: 
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। 
- ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম। 

অন্যদিকে, 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক। 
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম। 
- পারদ হলো সর্বনিম্ন গলনাঙ্কের ধাতু। 
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৪৩.
E.coli এক ধরনের-
  1. ভাইরাস
  2. শৈবাল
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে।
- যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। ব্যাকটেরিয়া (এক বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক, উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 

- ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, বাতাসে, জীবদেহের বাইরে এবং ভেতরে বাস করে।
- এমনকি মানুষের অন্ত্রেও ব্যাকটেরিয়া বাস করে।
যেমন- Escherichia coli 
- এরা আমাদেরকে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সরবরাহ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৪.
"গামা রশ্মির" ছেদন ক্ষমতা "আলফা কণার" চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. 100 গুণ
  2. 10000 গুণ
  3. 10 গুণ
  4. 100000 গুণ
সঠিক উত্তর:
10000 গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10000 গুণ
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মি:
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে।
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ।
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।

• ছেদন ক্ষমতা:
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি।
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই।
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি।

• আলফা কণা বা আলফা রশ্মি:
- বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে বা চৌম্বক ক্ষেত্রে আলফা রশ্মির বেঁকে যাওয়ার দিক থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, এটি ধনাত্মক আধানযুক্ত।
- বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এটি প্রকৃতপক্ষে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা কণার ছেদন ক্ষমতা খুব কম, কিন্তু পদার্থকে আয়নিত করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৪,৫৪৫.
Fungi-এর কোষ প্রাচীর সাধারণত কী দিয়ে গঠিত? 
  1. পেকটিন
  2. সেলুলোজ
  3. কাইটিন
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাইটিন
ব্যাখ্যা
Fungi: 
- এদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 
যথা- 
• এরা সাধারণত বহুকোষী এবং দেহ মাইসেলিয়া দ্বারা গঠিত। 
• এদের দেহ সাধারণত শাখান্বিত, ফিলামেন্ট সিনোসাইটিক (ব্যবধায়ক প্রাচীরবিহীন)। 
এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত। 
• সালোকসংশ্লেষণকারী বর্ণ কণিকা অনুপস্থিত তাই এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না বলে এরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে। 
• এরা শোষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে। 
• এদের পরিবহন টিস্যু নেই। 
• হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে। 
• এদের অধিকাংশই স্থলজ, অল্প কিছু সংখ্যক জলজ। 
উদাহরণ- Mucor, Agaricus ও Penicillium ইত্যাদি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৬.
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ কী?
  1. ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
  2. অগ্নুৎপাত
  3. আগ্নেয় পর্বত ক্ষয়
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত: 
- স্তরীভূত পাললিক শিলা পার্শ্ব ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। 
⇒ এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। 
- সমুদ্র তলদেশের বিশাল অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। 
- উপরের পলির চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। 
- পরবর্তী পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখন্ডের প্ৰবল পার্শ্বচাপের কারণে উর্ধ্বভাঁজ ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। 
- বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত উর্ধ্ব ও অধঃভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৭.
গ্লুকোজের আণবিক সংকেত কী?
  1. C6H12O5
  2. CH2O
  3. C6H12O6
  4. C6H10O6
সঠিক উত্তর:
C6H12O6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C6H12O6
ব্যাখ্যা
সংকেত (Formula):  
- দুই বা ততোধিক মৌলের নির্দিষ্ট সংখ্যক পরমাণু রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত হয়ে যৌগিক অণু গঠন করে। 
- যৌগের অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের প্রতীক ও তাদের পরমাণু সংখ্যার সাহায্যে যৌগের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকেই যৌগের সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানির একটি অণুর ক্ষেত্রে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি পানির অণু গঠন করে। সুতরাং পানির সংকেত H2O. 
- রসায়নে অনেক ধরনের সংকেতের ব্যবহার আছে। 
যেমন- 
(i) রাসায়নিক সংকেত (Chemical Formula): 
- যৌগিক অণুর ক্ষেত্রে দেখা যায় দুই বা ততোধিক মৌল বা মূলক ওদের যোজ্যতার বিপরীত অণুপাতে যুক্ত হয়ে অণুগঠন করে। 
যেমন- Al মৌলটির যোজ্যতা 3 এবং O মৌলটির যোজ্যতা 2, সুতরাং Al এর 2টি পরমাণু O এর 3 তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করবে। অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত Al2O3
- যৌগের অণুতে মৌল ও যৌগমূলকের যোজ্যতাভিত্তিক সংকেতকে রাসায়নিক সংকেত বলা হয়। 

(ii) আণবিক সংকেত (Molecular Formula): 
- কোনো অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে যে সংকেত প্রকাশ করা হয় তাকে আণবিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- অক্সিজেনের আনিবক সংকেত O2, পানির আণবিক সংকেত H2O, গ্লুকোজের আণবিক সংকেত C6H12O6

(iii) স্কুল সংকেত (Empirical Formula): 
- কোনো যৌগের অণুতে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রকাশ না করে কেবল ওদের ক্ষুদ্রতম অণুপাতকে প্রকাশ করা হয়, তখন ওই সংকেতকে ওই যৌগের স্থূল সংকেত বলা হয়। 
যেমন- গ্লুকোজ এর আণবিক সংকেত C6H12O6
- C, H ও O পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যার অণুপাত 6 : 12 : 6 হলেও ক্ষুদ্রতম অণুপাত 1 : 2 : 1. সুতরাং গ্লুকোজের স্থূল সংকেত CH2O. 

(iv) গাঠনিক সংকেত (Structural Formula): 
- মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের অণুর মধ্যে বিভিন্ন পরমাণু পরস্পরের সাথে যেভাবে সংযুক্ত থাকে তা যে সংকেত এর মাধ্যমে দেখানো হয় তাকে ওই অণুর গাঠনিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O) অণুর গাঠনিক সংকেত H-O-H, হাইড্রোজেন (H2) অণুর গাঠনিক সংকেত H-H ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৮.
এক গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে কত কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়?
  1. প্রায় ৬ কিলোক্যালরি
  2. প্রায় ৭ কিলোক্যালরি
  3. প্রায় ৪ কিলোক্যালরি
  4. প্রায় ৯ কিলোক্যালরি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৪ কিলোক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৪ কিলোক্যালরি
ব্যাখ্যা
ক্যালরি: 
- কর্মশক্তি পরিমাপের একক হলো ক্যালরি। 
- পুষ্টিবিজ্ঞানে খাদ্য হতে উৎপন্ন তাপ বা শক্তি ক্যালরি দিয়ে পরিমাপ করা হয়। 
- আমরা জানি যে ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- এ হিসাবে আমাদের দেহের শক্তি চাহিদাও কিলোক্যালরি দিয়ে নির্ণয় করা হয়। 
- খাদ্য উপাদানগুলোর মধ্যে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট হতে উল্লেখযোগ্য ও যথেষ্ট পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- ১ গ্রাম প্রোটিন হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম তেল বা চর্বি হতে ৯ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৯.
ভূমিকম্পের কারণে কোন নদীর গতিপথ বদলে গিয়ে ছিলো? 
  1. যমুনা
  2. মেঘনা
  3. পদ্মা
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে।
- ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়ে ছিলো। 
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। 
- ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। 
- ভুমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভুমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 
- ১৮৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৫০.
প্রাণী কোষে সাধারণত কোন অঙ্গানুটি থাকে না?
  1. সেন্ট্রোসোম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. প্লাস্টিড
  4. লাইসোসোম
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা
প্রাণী কোষের বৈশিষ্ট্য: 
- প্রাণী কোষে কোন কোষ প্রাচীর থাকে না।
- পাতলা স্থিতিস্থাপক প্লাজমা ঝিল্লী দ্বারা প্রাণী কোষ আবৃত অবস্থায় থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত প্লাস্টিড থাকে না। 
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন। 
- প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- প্রাণী কোষে সাধারণত কোন কোষ গহ্বর থাকে না; থাকলেও আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং ক্ষণস্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণী কোষের আকার পরিবর্তিত হয়। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকে। 
- সকল কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য অর্ধতরল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৫১.
সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করতে কোন উপাদান ব্যবহৃত হয়?
  1. ফেলস্পার
  2. সিলিকা
  3. চায়না ক্লে 
  4. ক্ষারীয় অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
ব্যাখ্যা

সিরামিক: 
- সিরামিক বলতে মৃৎশিল্প (pottery), টেবিল সামগ্রী (table ware), চীনামাটির বাসনপত্র (crockery), স্যানিটারি সামগ্রী (sanitary ware), ঘর সজ্জার চীনামাটির পাত্র (decorateir) ইত্যাদিকে বোঝায়। 

সিরামিক উৎপাদনের উপাদানসমূহ: 
- সিরামিক সামগ্রী উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল তিনটি। 
যথা- 
১. চায়না ক্লে (কেওলিন বা কাদা মাটি): 
- চায়না ক্লে হলো হাইড্রেটেড অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট (Al2O3.2SiO2.2H2O)। 

২. সিলিকা (কোয়ার্টজ বা ফ্রিন্ট): 
- সিলিকন ডাই-অক্সাইড (SiO2) একটি উচ্চ তাপসহ রিফ্লেকক্টরি দ্রব্য। ক্লে-কণাগুলোর বাইন্ডাররূপে সিলিকা কাজ করে। সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য সিলিকা ব্যবহৃত হয়। 

৩. ফেলস্পার (felspar): 
- অ্যালুমিনা (Al2O3), সিলিকা (SiO2) ও ক্ষারীয় অক্সাইডের মিশ্রণে গঠিত পদার্থ হলো ফেলস্পার। এটি বিগালক বা ফ্লাক্সিং পদার্থ (flux) রূপে ব্যবহৃত হয়। 
- তিন ধরনের  ফেলস্পার সিরামিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- (i) পটাশ ফেলস্পার (K2O.Al2O3.6SiO2); (ii) সোডা ফেলস্পার (Na2O.Al2O3.6SiO2) এবং (iii) লাইম ফেলস্পার (CaO.Al2O3. 6SiO2)। 

উৎস: রয়ায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৪,৫৫২.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. 0° সেলসিয়াস
  2. 4° সেলসিয়াস
  3. 25° সেলসিয়াস
  4. 100° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
4° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• পানি:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে।
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৷
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ।

৪,৫৫৩.
নিচের কোনটি একটি লবণ?
  1. NH₃
  2. Na₂CO₃
  3. Ca(OH)₂
  4. NH₄OH
সঠিক উত্তর:
Na₂CO₃
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na₂CO₃
ব্যাখ্যা
• Na₂CO₃ (সোডিয়াম কার্বোনেট) হলো একটি লবণ,
এটি সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) ও কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়।

•  2NaOH+H2CO3→Na2​CO3​+2H2​O
- এখানে, NaOH একটি ক্ষার ও H2CO3 একটি দ্বিমূলীয় অম্ল প্রতিক্রিয়া করে লবণ ও পানি তৈরি করেছে।

অন্যদিকে,
- Ca(OH)₂ ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড এটি একটি ক্ষারক, লবণ নয়।
- NH₄OHঅ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড এটি ক্ষারীয় দ্রবণ, লবণ নয়।
- NH₃অ্যামোনিয়া ক্ষারধর্মী গ্যাস লবণ নয়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৫৫৪.
পোলার দ্রাবকের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় নয়।
  2. খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
  3. গ) কার্বন ডাই-সালফাইড (CS) পোলার দ্রাবক।
  4. ঘ) বেনজিন (CH) পোলার দ্রাবক।
সঠিক উত্তর:
খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
ব্যাখ্যা
দ্রাব্যতা: 

- আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- সমযোজী যৌগগুলো অপোলায় দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- পানি (H2O) পোলার দ্রাবক। 
- কার্বন ডাই-সালফাইড (CS)), কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (ccl 4), বেনজিন (CH) অপোলার দ্রাবক। 

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৫৫.
কোষের সজীব অংশের রক্ষা করা কোনটির কাজ?
  1. ক) কোষপ্রাচীর
  2. খ) প্রোটোপ্লাজম
  3. গ) কোষগহবর
  4. ঘ) প্লাস্টিড
সঠিক উত্তর:
ক) কোষপ্রাচীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোষপ্রাচীর
ব্যাখ্যা

কোষের সজীব অংশের রক্ষা করা এবং কোষের সীমারেখা নির্দেশ করা কোষপ্রাচীরের প্রধান কাজ।
কোষ প্রাচীর বলতে কোষের সেই অংশকে বুঝানো হয় যা উদ্ভিদকোষের সর্বাপেক্ষা বাইরের দিকে থাকে। কোষের প্রোটোপ্লাজম যে শক্ত, পুরু, সেলুলোজ নির্মিত নির্জীব আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে তাকে কোষ প্রাচীর বলে।

কোষপ্রাচীরের কাজ-
কোষ প্রাচীর কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে। কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে।
পানি ও খনিজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: বিজ্ঞান বই, সপ্তম শ্রেণি। 

৪,৫৫৬.
তলটান বা পৃষ্ঠটানের কারণে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. ক) নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা
  2. খ) সুঁচ পানিতে ভাসা
  3. গ) পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
তলটান বা পৃষ্ঠটানঃ
তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে ঐ তরলের পৃষ্ঠটান বলে। পৃষ্ঠটান/surface tension এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো-
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া
৫. কলমের নিবে কালির প্রবাহ
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৫৭.
সিরকা তৈরিতে কোন অম্ল ব্যবহৃত হয়?
  1. এসকরবিক এসিড
  2. সাইট্রিক এসিড
  3. ইথানয়িক এসিড
  4. টারটারিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যা

- আমলকি, কমলালেবু ইত্যাদি টক ফলে থাকে ভিটামিন- সি বা এসকরবিক এসিড।
- লেবুস রসে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- অ্যাসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিডের ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে বলা হয় ভিনেগার বা সিরকা।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৫৫৮.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস
  3. ম্যাক্সওয়েল
  4. আইজ্যাক নিউটন
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

সূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৫৯.
নিচের কোন বীজে মৃৎগত অঙ্কুরোদগম হয়?
  1. ক) রেডি
  2. খ) মিষ্টি কুমড়া
  3. গ) আম
  4. ঘ) সীম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আম
ব্যাখ্যা

বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
বীজের অঙ্কুরোদগম প্রধানত তিন প্রকার।
যথা-
ক) মৃদগত
খ) মৃদভেদী এবং
গ) জরায়ুজ।
মৃদগত অঙ্কুরোদগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাদি কাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে ভ্রূণ মুকুল মাটির ওপরে কিন্তু বীজপত্র মাটির নিচে থেকে যায় তাকে মৃৎগত অঙ্কুরোগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- আম, ছোলা, মটরশুটি, ধান, গম ইত্যাদি।

মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাবকাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে বীজপত্র বীজত্বক ফেটে মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে তাকে মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- তেঁতুল, লাউ, পিঁয়াজ, কুমড়া, শিম ইত্যাদি।

জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বা ভিভিপেরাস জারমিনেশনঃ
লোনা মাটির অধিকাংশ উদ্ভিদে যে বিশেষ অঙ্কুরোদগম দেখা যায় তাকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলে।
যেমন- সুন্দরী, গরান, কেওড়া, কাকড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৫৬০.
শক্তি পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করে নিচের কোনটি? 
  1. খাদক
  2. চূড়ান্ত খাদক
  3. উৎপাদক
  4. সেকেন্ডারি খাদক
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত খাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত খাদক
ব্যাখ্যা
শক্তি পিরামিড: 
- একটি বাস্তুতন্ত্রের নির্দিষ্ট এলাকাতে এবং নির্দিষ্ট সময়কালে বিভিন্ন খাদ্যস্তরের (লেভেল) জীব কর্তৃক ব্যবহৃত মোট শক্তির হিসাব অনুযায়ী অঙ্কিত লৈখিক চিত্রকে শক্তির পিরামিড বলা হয়। 
- সাধারণত কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকা এবং এক বছর সময়কালের একক হিসেবে ব্যবহৃত শক্তির হিসাব করা হয়। 
- কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকায় এক বছর সময়কালে প্রথম খাদ্যস্তরের জীব তথা উৎপাদক যে পরিমাণ শক্তি সংগ্রহ করে, তা দ্বিতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি, আবার দ্বিতীয় স্তরের সংগৃহীত শক্তি তৃতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি। 
- চতুর্থ স্তরের জীব সবচেয়ে কম শক্তি ব্যবহার করে। 
- এজন্য উৎপাদক পিরামিডের ভূমিতে এবং চূড়ান্ত খাদক শীর্ষে অবস্থান করে। 


খাদ্য শৃঙ্খল সীমিত রাখতে শক্তি পিরামিডের প্রভাব: 
- খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তির প্রবাহ সব সময়ই একমুখী, এ শক্তি প্রবাহকে কখনও বিপরীতমুখী করা যায় না। 
- প্রতিটি ধাপে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ শক্তি কমে। 
- শক্তির এ ক্রমবর্ধমান ক্ষয় খাদ্য শিকলের আকারকে ৪ বা ৫ টি ধাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে। 
- খাদ্য শিকল যত দীর্ঘ হবে উর্ধ্বতম ট্রফিক লেভেলে শক্তির পরিমাণ ততই কমতে থাকবে এবং এক পর্যায়ে এসে কোন শক্তিই অবশিষ্ট থাকবে না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬১.
এন্টিবায়োটিকের কাজ-
  1. রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  2. জীবাণু ধ্বংস করা
  3. ভাইরাস ধ্বংস করা
  4. দ্রুত রোগ নিরাময় করা
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাণু ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
- এন্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক: 
- এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর। 

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক: 
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে। 
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। 

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়: 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা। 
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা। 
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া। 
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৫৬২.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে কত ধরনের রশ্মি নির্গত হয়?
  1. দুই ধরনের
  2. পাঁচ ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় বিকিরণের বৈশিষ্ট্য: 
-  বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাদাম কুরী একটি সহজ পরীক্ষা দ্বারা তেজস্ক্রিয় বিকিরণে তিন ধরনের রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধানযুক্ত। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধানযুক্ত। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধানযুক্ত রশ্মিকে আলফা রশ্মি, ঋণাত্মক আধানযুক্ত রশ্মিকে বিটা রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা রশ্মি বলে। 
- আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৫৬৩.
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি? 
  1. আন্ত্রিক গ্রন্থি
  2. লালাগ্রন্থি
  3. যকৃত গ্রন্থি
  4. গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
যকৃত গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত গ্রন্থি
ব্যাখ্যা
যকৃত: 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। 
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ। 
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে। 
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে। 
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 

- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে। 
- ক্ষারীয় পিত্তরস পিত্তথলিতে জামা রাখে। 
- পিত্তরসে কোন এনজাইম থাকে না, তাই যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত রাখে। 
- রক্তে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে গ্লুকোজ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- পিত্তরস চর্বি জাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে পরিপাকে সহায়তা করে। 
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রোজনজনিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬৪.
কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপভুক্ত? 
  1. ক) Na
  2. খ) Ca
  3. গ) F
  4. ঘ) Mg
সঠিক উত্তর:
গ) F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) F
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণীতে গ্রুপ ১৭ এর অন্তর্ভুক্ত গ্যাস সমূহ ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন কে হ্যালোজেন বলে।  
হ্যালোজেন অর্থ সামুদ্রিক লবণ উৎপাদনকারী।
৪,৫৬৫.
পাতন বলতে কী বুঝায়?
  1. বাষ্পীভবন
  2. ঘনীভবন
  3. বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
• পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন।

- পাতন (Distillation) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তরল পদার্থকে প্রথমে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পে রূপান্তর করা হয় এবং পরে সেই বাষ্পকে ঘনীভবনের মাধ্যমে তরলে রূপান্তর করে আলাদা করা হয়।
- এটি মূলত ভিন্ন ভিন্ন গলনাঙ্ক বা স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট পদার্থগুলোকে পৃথক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৫৬৬.
কোন গ্যাসের প্রভাবে ইউরেনাস গ্রহ নীলাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে?
  1. ক) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  2. খ) একুয়া রেজিয়া
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন
ব্যাখ্যা
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল। ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়। তাই একে সবুজ গ্রহও বলে।
Source: NASA
৪,৫৬৭.
IQ এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Intelligent Quality
  2. খ) Intelligence Query
  3. গ) Intelligent Question
  4. ঘ) Intelligence Quotient
সঠিক উত্তর:
ঘ) Intelligence Quotient
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Intelligence Quotient
ব্যাখ্যা
• IQ এর পূর্ণরূপ Intelligence Quotient. 
- একজন ব্যক্তির আপেক্ষিক বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত একটি সংখ্যা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৫৬৮.
ডোপামিন তৈরীর কোষ নষ্ট হয় কোন রোগের ফলে?
  1. ক) গ্রেগরি ডিজিজ
  2. খ) পারকিনসন ডিজিজ
  3. গ) আলঝেইমার
  4. ঘ) কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
খ) পারকিনসন ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারকিনসন ডিজিজ
ব্যাখ্যা
স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে যার একটি হল ডোপামিন। ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগে আক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৪,৫৬৯.
তাপ উৎসের তাপমাত্রা কেমন হতে হবে? 
  1. তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
  2. তাপগ্রাহকের চেয়ে কম
  3. তাপগ্রাহকের চেয়ে সমান
  4. তাপগ্রাহকের চেয়ে প্রায় সমান 
সঠিক উত্তর:
তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
ব্যাখ্যা

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। 
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। 
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৭০.
জৈব যৌগের নামকরণের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ইউপ্যাক (IUPAC) পদ্ধতি
  2. ট্রিভিয়াল পদ্ধতি
  3. ডেকেন পদ্ধতি
  4. উদ্ভূত পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• জৈব যৌগ:
-  হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে। হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতক সমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 

•  জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সার্বজনিনভাবে কিছু বিধি বিধান অনুসরণ করা হয়।

• বর্তমানে প্রচলিত তিনটি পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণ করা হয়। যথা-
- সাধারণ বা ট্রিভিয়াল পদ্ধতি (Common or trivial system)
- উদ্ভূত বা জাত পদ্ধতি (Derived system)
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা ইউপ্যাক পদ্ধতি (International system or Genava system or
IUPAC system) .

অন্যদিকে,
• ডেকেন কোন নামকরণ পদ্ধতি নয়। এটি একটি উচ্চতর অ্যালকেন। এর সংকেত হলো C10H22

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৭১.
একমাত্র কোন সরীসৃপ প্রাণী হাঁটার সময় Vertical limb ব্যবহার করে?
  1. Turtle (কচ্ছপ)
  2. Lizard (টিকটিকি)
  3. Snake (সাপ)
  4. Crocodile (কুমির)
সঠিক উত্তর:
Crocodile (কুমির)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Crocodile (কুমির)
ব্যাখ্যা
- একমাত্র সরীসৃপ প্রাণী কুমির হাঁটার সময় Vertical limb ব্যবহার করে। 
 
- The only living reptiles that use a vertical limb posture in walking are the crocodiles. 
- When walking on land, crocodiles hold themselves high on all four legs.
- The characteristic sinusoidal (side-to side) flexure of the body is caused by the movement of a front leg in concert with the opposing hind leg during each step.
- A cantilevered tail also balances the body. 
- When moving quickly into the water from a bank, crocodiles slide on their bellies and push themselves forward with the feet. Crocodiles are also capable of galloping short distances.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৪,৫৭২.
পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় - 
  1. অ্যামাইটোসিস
  2. ক্লোরোসিস
  3. ফ্লোরোসিস
  4. মিয়োসিস
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোসিস
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার এ প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস (Chlorosis) বলে। 
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে কেননা এগুলো ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। 
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৭৩.
উদ্ভিদের পুষ্টি শোষণের জন্য কোনটির প্রয়োজন?
  1. আলো
  2. পানি
  3. মাটি
  4. বায়ু
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বেচে থাকার জন্য পানি প্রয়ােজন। উদ্ভিদের দেহের প্রায় ৯০ ভাগ পানি।
উদ্ভিদ খাদ্য তৈরিতেও পানি ব্যবহার করে।
মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ ও বিভিন্ন অংশে পরিবহনের জন্য উদ্ভিদের পানি প্রয়ােজন। পানি ছাড়া উদ্ভিদ মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান শােষণ করতে পারে না।
প্রচণ্ড গরমে পানি উদ্ভিদের দেহ শীতল করতে সাহায্য করে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৫ম শ্রেণি
৪,৫৭৪.
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শনি
  3. নেপচুন
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

বুধ (Mercury):
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৫৭৫.
Which particle lacks neutrons?
  1. Oxygen (O)
  2. Carbon (C)
  3. Chlorine (Cl)
  4. Hydrogen (H)
  5. Helium (He)
সঠিক উত্তর:
Hydrogen (H)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydrogen (H)
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোন নিউট্রন থাকে না। 

• নিউট্রন:
- বৈদ্যুতিক আধানবিহীন যে মৌলিক কণা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে তাকে নিউট্রন বলা হয়। 

• নিউট্রনের বৈশিষ্ট্য:
- এর কোনো বৈদ্যুতিক আধান নেই, অর্থাৎ এটি চার্জ নিরপেক্ষ।
- এর ভর প্রোটনের ভরের প্রায় সমান। 

• হাইড্রোজেন পরমাণুর আইসোটোপ প্রোটিয়ামে কোন নিউট্রন থাকে না।
- প্রোটিয়াম (1H) হলো সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণু। 
- এর ভরসংখ্যা ১ এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১ হওয়ার কারণে এর নিউট্রন সংখ্যা হয় (১ - ১) বা ০।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,৫৭৬.
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে - 
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ট্রানজিস্টর
  3. রেফটিফায়ার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেফটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফটিফায়ার
ব্যাখ্যা
রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৭.
উদ্ভিদের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণকারী জৈব রাসায়নিক পদার্থ কোনটি?
  1. ফাইটোহরমোন
  2. অক্সিন
  3. জিবেরেলিন
  4. প্রোটোহরমোন
সঠিক উত্তর:
ফাইটোহরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইটোহরমোন
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি উদ্ভিদ দেহে উৎপাদিত বিশেষ কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হয়ে থাকে।
উদ্ভিদের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণকারী এই জৈব রাসায়নিক পদার্থটিকে ফাইটোহরমোন বা বৃদ্ধিকারক বস্তু বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৪,৫৭৮.
H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর হচ্ছে:
  1. 32
  2. 16
  3. 2
  4. 18
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর: 
- পানির অণুতে ২ পরমাণু হাইড্রোজেন ও ১ পরমাণু অক্সিজেন রয়েছে। 
- হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 1 এবং অক্সিজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 16. 
সুতরাং, H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = {(1 × 2) + (16 x 1)}
∴ H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = 18

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৭৯.
পানি সংবহনতন্ত্রের সাহায্যে কোন পর্বে চলন ও শ্বসনক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
  1. Mollusca
  2. Cnidaria
  3. Nematoda
  4. Echinodermata
সঠিক উত্তর:
Echinodermata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Echinodermata
ব্যাখ্যা
Echinodermata পর্ব: 
- এরা কণ্টকত্বকী প্রাণী। 
- এদের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৭,৫৫০। 
- Echinodermata শব্দটি গ্রিক শব্দ Echinus (কণ্টক) এবং Derma (ত্বক)-এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।  
- ১৭৩৪ সালে Jacob Kline এর নামকরণ করেন। 

Echinodermata পর্বের বৈশিষ্ট্য: 
১। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম অথবা পাঁচটি সমভাগে বিভাজ্য। 
২। এদের দেহ কণ্টকময়, স্পাইন ও পেডিসিলারি নামক বহিঃকঙ্কালযুক্ত। 
৩। এই পর্বে পানি সংবহনতন্ত্রের সাহায্যে চলন ও শ্বসনক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
৪। মস্তক অনুপস্থিত। 
৫। দেহে সুস্পষ্ট মৌখিক তল (oral) ও বিমৌখিক তল (aboral) বিদ্যমান। 
৬। এ পর্বের সকল প্রাণীই সামুদ্রিক। 
৭। রেচনতন্ত্র নেই। 
উদাহরণ: Astropecten (এস্ট্রোপেকটেন), Echinus (একাইনাস), Cucumaria (কুকুমারিয়া) ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৪,৫৮০.
পৃথিবীর মোট জলরাশির মধ্যে মিঠা পানির পরিমাণ কত?
  1. ৯৭.৩%
  2. ২%
  3. ০.৬%
  4. ২.৭%
সঠিক উত্তর:
২.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৭%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর মোট জলরাশির ৯৭.৩% হলো সামুদ্রিক পানি এবং অবশিষ্ট ২.৭% হলো মিঠা পানি।
এই ২.৭% এর মাঝে হিমবাহ ও তুষার ২%, ভূগর্ভস্থ পানি ০.৬% এবং মিঠাপানির হ্রদ ও নদীতে প্রায় ০.০১%।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৫৮১.
তেজ কটাল কখন ঘটে? 
  1. অষ্টমী তিথিতে 
  2. একাদশীতেে 
  3. চন্দ্র ও সূর্য সমকোণে থাকলে 
  4. অমাবস্যা তিথিতে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
ব্যাখ্যা

পানির উচ্চতা ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ: 
- পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জোয়ার-ভাটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. তেজ কটাল বা ভরা কটাল এবং 
২. মরা কটাল। 
 
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে, এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮২.
কোন বিজ্ঞানীর মতে 'পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে'?
  1. ল্যামার্ক
  2. জেনোফেন
  3. ডারউইন
  4. ভাইসম্যান
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
ল্যামার্কিজম (Lamarckism): 
- ফরাসী প্রকৃতি বিজ্ঞানী Jcan Baptist Lamarck (১৭৪৪-১৮২৯), ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে ফিলোসফিক জুলজিক (Philosophic Zoologique) গ্রন্থে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি (theory of inheritance of acquired character) নামক বিবর্তন সম্পর্কীত মতবাদ প্রকাশ করেন। 
- ল্যামার্কের মতবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে। 
- পরিবেশের প্রভাবে জীবের দৈহিক গঠনের পরিবর্তন হয়। 
- তাঁর মতে বিবর্তন কতিপয় রীতি-নীতি মেনে চলে। এই রীতি-নীতিগুলোই বিবর্তনের ক্রম ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 
- ল্যামার্ক তাঁর বিবর্তন তত্ত্বেও এ রীতি-নীতিগুলোই ব্যাখ্যা করেছেন। 
- আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে Dodson, 1960 ল্যামার্কের একজন বিশিষ্ট সমর্থক। 
- Dodson ল্যামার্কবাদকে চারটি সূত্রে ব্যাখ্যা করেছেন যা ল্যামার্কীয় সুত্র বলেও পরিচিত। 
সূত্র ১. জীবদেহ এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আকারে ক্রমবর্ধিত হওয়ার একটি লক্ষণ সর্বদাই পরিলক্ষিত হয়। 
সূত্র ২. জীবন ধারণের প্রয়োজনে কোন নতুন চাহিদা এবং এ চাহিদার ফলে জীবন অভ্যাসের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেই নতুন প্রত্যঙ্গের উৎপত্তি হয়। 
সূত্র ৩. কোন একটি অঙ্গ প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হলে তা উন্নত এবং সুগঠিত হয়, কিন্তু ব্যবহৃত না হলে ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ সুত্রটি ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র ৪. কোন একটি জীবের দেহে উন্নতি বা ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয় তা অর্জিত বৈশিষ্ট্যরূপে অঙ্গীভূত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে (Generation) সঞ্চারিত ও বিকশিত হয়। এ সূত্রটি অর্জিত বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণের সূত্র (Law of inhertance of acquired character) নামে অভিহিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮৩.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 19
  2. 39
  3. 58
  4. 20
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: 
- কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে। 
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। 
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z. 
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়। 

এখানে, 
X = মৌলের প্রতীক। 
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে। 
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়। 

পটাশিয়াম (K) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়:

- পটাশিয়ামের প্রোটন সংখ্যা 19 এবং 
- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণবিক ভর 39 
অতএব, পটাশিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হবে = 39 - 19 = 20 । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮৪.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে কত জোড়া ক্রোমোজোম থাকে?
  1. ২১ জোড়া
  2. ১৮ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. ২০ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
ব্যাখ্যা

ক্রোমোজোম:
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮৫.
পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে -
  1. প্রায় ৩৬৪ দিন ৬ ঘণ্টা
  2. প্রায় ৩৬৪ দিন ৮ ঘণ্টা
  3. প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
  4. প্রায় ৩৬৫ দিন ৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর সুর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার ।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড (প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা )।
- পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল (১,০৭,০০০ কিলোমিটার) বেগে প্রতি ঘন্টায় ঘুরতে থাকে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।

উৎস: i) NASA (.gov).
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৮৬.
গ্যালভানিক কোষে লবণ সেতুর প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ক্যাথোডকে তৈরি করা
  2. অ্যানোডকে তৈরি করা
  3. দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
  4. ব্যাটারি সংযুক্ত করা 
সঠিক উত্তর:
দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
ব্যাখ্যা

- গ্যালভানিক কোষে লবণ সেতুর প্রধান ভূমিকা হচ্ছে দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা। 

গ্যালভানিক কোষ: 

- গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠনের পদ্ধতি তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- একটি ধাতব দন্ডকে ঐ ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করা হয়। 
- এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধাতুর দন্ডকে ঐ স্ব স্ব ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠন করা হয়। তবে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার নির্ধারিত হয় ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে। 
- তড়িৎদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত ধাতব দন্ড দুটোর মধ্যে অধিক সক্রিয় ধাতব দন্ডটি অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতব দন্ডটি ক্যাথোড তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বারকে ব্যাটারির সাহায্যে সংযুক্ত না করে শুধু পরিবাহি তারের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। তবে নির্দেশক বাল্ব যুক্ত করে তড়িৎ প্রবাহকে নিশ্চিত করা হয়। 
- দুটো তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণকে লবণ সেতু দ্বারা সংযোগ করা হয়। 
- লবণ সেতুর মধ্যস্থ তড়িৎ বিশ্লেষ্য উভয় তড়িৎদ্বারের সাথে যুক্ত ধাতব লবণের দ্রবণের সাথে কোন বিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. ক) সাদামাটি
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান।
- বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। 
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন, সারের কাঁচামাল, পরিবহন, গৃহস্থালি প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৮৮.
থার্মোমিটারে পারদ কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. গলনাঙ্ক কম
  2. অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
  3. একমাত্র তরল ধাতু
  4. স্ফুটনাংক বেশি
সঠিক উত্তর:
অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
ব্যাখ্যা
• পারদ:
- পারদ (Mercury) থার্মোমিটারে ব্যবহারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো:
- এটি তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনে আয়তনে অনেক বেশি প্রসারিত হয়।
- অর্থাৎ, এটি তাপের প্রতি সংবেদনশীল। ফলে খুব সহজে তাপমাত্রা মাপা যায়।
- এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
- এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৫৮৯.
ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে কী উৎপন্ন হয়? 
  1. ভিনেগার
  2. ডেলরিন পলিমার
  3. পলিইথিন
  4. ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন
সঠিক উত্তর:
ডেলরিন পলিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলরিন পলিমার
ব্যাখ্যা
অ্যালডিহাইড: 
- অ্যালডিহাইড এর পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বিভিন্ন প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড (মিথান্যাল) এর জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে ডেলরিন পলিমার উৎপন্ন হয়। 
- ডেলরিন পলিমার দিয়ে চেয়ার, ডাইনিং টেবিল, বালতি ইত্যাদি প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড ও ইউরিয়া থেকে ঘনীভবন পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন উৎপন্ন হয় যা গৃহের প্লেট, গ্লাস, মগ ইত্যাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিডসমূহ অজৈব এসিডের তুলনায় দুর্বল। 
- জৈব এসিড মানুষের খাদ্যোপযোগী উপাদান। 
যেমন- লেবুর রস (সাইট্রিক এসিড), তেঁতুল (টারটারিক এসিড), দধি (ল্যাকটিক এসিড) ইত্যাদি জৈব এসিডকে খাবার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- জৈব এসিডের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকায় একে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানয়িক এসিডের 4% থেকে 10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়। 
- ভিনেগার সস ও আচার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৯০.
Na - e → Na+ এই বিক্রিয়ায় কি ঘটেছে?
  1. ক) জারণ
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) সংযোজন
  4. ঘ) বিয়োজন
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 = 2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
এটি বিজারণ বিক্রিয়ার সাথে একইসাথে সংঘটিত হয়।
যেমন উপরের উদাহরণে একইসাথে ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ


উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৫৯১.
জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন ইত্যাদি জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Cytology
  2. Ecology
  3. Physiology
  4. Embryology
সঠিক উত্তর:
Physiology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Physiology
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা: 
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে। 
- এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো - 

অঙ্গসংস্থান (Morphology): 
- এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
- বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে। 

শারীরবিদ্যা (Physiology): 
- জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): 
- ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

বংশগতিবিদ্যা (Genetics): 
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

বিবর্তন (Evolution): 
- আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল। কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে। 
- জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৫৯২.
বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- 
  1. Embryology 
  2. Evolution 
  3. Microbiology 
  4. Mycology
সঠিক উত্তর:
Evolution 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution 
ব্যাখ্যা

– বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয়- Evolution
 
অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology, 
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫৯৩.
সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. প্রণকালচার 
  2. সেরিকালচার 
  3. পিসিকালচার 
  4. মেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ বিদ্যা: 
- সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে মেরিকালচার বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- সাধারণ মৎস্য চাষবিদ্যাকে পিসিকালচার বলা হয়। 
- রেশম কীট পালন ও রেশম উৎপাদনের বিদ্যাকে সেরিকালচার বলা হয়। 
- চিংড়ি ও অন্যান্য শেলফিশ চাষবিদ্যাকে প্রণকালচার বলা হয়। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৪,৫৯৪.
সমগোত্রীয় শ্রেণির যৌগগুলোর মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তা হলো-
  1. ক) একই কার্যকরী মূলক
  2. খ) একই আণবিক ওজন
  3. গ) ক্যাটিনেশন
  4. ঘ) সমাবয়বতা
সঠিক উত্তর:
ক) একই কার্যকরী মূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একই কার্যকরী মূলক
ব্যাখ্যা
সমগোত্রীয় শ্রেণি:
- কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে কার্বন যৌগ তথা জৈব যৌগের সংখ্যা আট মিলিয়নের অধিক। জৈব যৌগসমূহকে গঠন ও ধর্মের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে কথিপয় সমধর্মী যৌগ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ সব সমধর্মী যৌগ শ্রেণির নাম সমগোত্রীয় শ্রেণি। যেমন: অ্যালকেন (CnH2n+2) একটি সমগোত্রীয় শ্রেণি। 
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
- একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহকে প্রকাশ করা যায়।
- আণবিক ভরের ভিত্তিতে পাশাপাশি দুটি সমগোত্রকের মধ্যে -CH2- মূলকের পার্থক্য বিদ্যমান।
- প্রত্যেক সমগোত্রীয় শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট কার্যকরীমূলক থাকে
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহের রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- একই সাধারণ নিয়মে সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ তৈরি করা যায়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৫.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং কী কী?
  1. লাল, হলুদ ও সবুজ
  2. লাল, সবুজ ও কমলা
  3. বেগুনি, লাল ও সবুজ
  4. লাল, সবুজ ও নীল
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও নীল
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন: 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি মৌলিক রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৯৬.
পরিবহন টিস্যুর অপর নাম কী?
  1. প্যারেনকাইমা টিস্যু
  2. সরল টিস্যু
  3. জটিল টিস্যু
  4. ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
জটিল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল টিস্যু
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু (Complex tissues): 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এ টিস্যু দুই ধরনের। যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ (vascular bundle) গঠন করে। 

জাইলেম (Xylem): 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৫৯৭.
X-ray is-
  1. The flow of positive charge
  2. Electromagnetic wave
  3. The flow of natural particles
  4. The flow of electron
সঠিক উত্তর:
Electromagnetic wave
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electromagnetic wave
ব্যাখ্যা
এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (Electromagnetic wave) (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় ।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারণত ২ ধরনের হয়।
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস: একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
৪,৫৯৮.
দুটি ভিন্ন মানের রোধ সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত করা হলে-
  1. ক) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ সমান হবে
  2. খ) রোধ দুটির দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ভিন্ন হবে
  3. গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
  4. ঘ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ এবং দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য সমান হবে
সঠিক উত্তর:
গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
ব্যাখ্যা

সমান্তরাল সংযোগঃ যদি রোধ ও অন্যান্য উপকরণগুলোকে (যেমনঃ গ্যালভানোমিটার, ভোল্টমিটার ইত্যাদি) পরস্পরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত করা হয় যেন প্রত্যেকটির এক প্রান্তগুলো একটি সাধারণ বিন্দুতে এবং অপর প্রান্তগুলো অপর একটি সাধারণ বিন্দুতে যুক্ত থাকে তবে এই প্রকার সংযোগকে সমান্তরাল সংযোগ বলে।
যেহেতু সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত সকল উপকরণগুলো দুই প্রান্ত দুটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে যুক্ত হয় সেহেতু সকল উপকরণগুলোর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য সমান থাকবে।
ভিন্ন ভিন্ন উপকরণের মধ্য দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হবে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৫৯৯.
মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় -
  1. ১২.২৫ বিলিয়ন বছর আগে
  2. ১২.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
  3. ১৩.২৫ বিলিয়ন বছর আগে
  4. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের বয়স:
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে তার মধ্যে বহুর প্রচলিত হল ‘বিগব্যাঙ’ তত্ত্ব।
- বাংলায় একে বলা হয় ‘মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব’।
- এই তত্ত্বের মতে মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘনরূপে বা ঘন অবস্থায় ছিল যা অতি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছিল।
- দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
- জানা গেছে, বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে।
- এটাই মহাবিশ্বের বয়স।

 উৎস: i) Las Cumbres Observatory.
          ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০০.
ডিজিটাল সংকেতের স্তরকে কোন রূপে প্রকাশ করা হয়?
  1. লাল ও নীল
  2. ধ্রুব ও পরিবর্তনশীল
  3. সত্য ও মিথ্যা
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সত্য ও মিথ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য ও মিথ্যা
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল সংকেত বাইনারি (Binary) পদ্ধতিতে কাজ করে, যেখানে শুধুমাত্র দুটি অবস্থা থাকে- একটি উচ্চ (High) এবং একটি নিম্ন (Low)। এই দুটি অবস্থাকে লজিক্যালি সত্য ও মিথ্যা (True/False) অথবা বাইনারি অঙ্ক ১ ও ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 

- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system) এবং 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত হচ্ছে চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিংবা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।