বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৫ / ১৪০ · ৪,৪০১৪,৫০০ / ১৪,০৮০

৪,৪০১.
চোখ, জিহ্বা ও গলবিলের পেশি কোন ধরনের পেশি?
  1. অরৈখিক পেশি 
  2. মসৃণ পেশি
  3. হৃদপিণ্ড পেশি
  4. ঐচ্ছিক পেশি
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক পেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক পেশি
ব্যাখ্যা

ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ বা রৈখিক পেশি: 
- যেসব পেশি স্নায়ুবিক অথবা হরমোন উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত হয়ে কর্মতৎপর হয় অর্থাৎ যেসব পেশি স্বেচ্ছায় সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহ সঞ্চালনের মুখ্য ভূমিকা পালন করে তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলে। 
- এসব পেশি কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে বলে এদেরকে কঙ্কাল পেশি বলে। 
- এসকল পেশির কোষগুলো তন্তুর মতো, তাই এদেরকে পেশিতন্ত্র বলে। 
- প্রতিটি পেশিকোষ এন্ডোমাইসিয়াম নামক যোজক কলার আবরণে আবৃত। 
- কোষগুলো বিক্ষিপ্ত না থেকে গুচ্ছাকারে বান্ডল সৃষ্টি করে। এ গুচ্ছাকার বান্ডলকে ফ্যাসিকুলাস বলে। এ বান্ডলগুলো পেরিমাইসিয়াম আবরণে আবৃত থাকে। 
- পেশিকোষগুলো নলাকার লম্বা, দৈর্ঘ্যে ১-৪০ মিলিমিটার, প্রস্থে ০.০১-০.১০ মিলিমিটার হয়। 

- কোষগুলো সারকোলেমা নামক আবরণে আবৃত থাকে। এদের সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
- কোষের অভ্যন্তরে অসংখ্য ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস থাকে। 
- প্রতিটি পেশিকোষের অভ্যন্তরে কতকগুলো অতিসূক্ষ্ম তন্তু বা মায়োফাইব্রিল পাওয়া যায়। 
- প্রধানতঃ অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে মায়োফাইব্রিল গঠিত। 
- বিভিন্ন অস্থির সাথে, চোখে, জিহ্বায়, গলবিল ইত্যাদিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে। 
- ঐচ্ছিক পেশির সংকোচন প্রসারণে প্রাণীরা স্থানান্তরিত হয় এবং ইচ্ছানুসারে অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪০২.
বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান-
  1. 9.75 ms-2
  2. 9.78 ms-2
  3. 9.81 ms-2
  4. 9.83 ms-2
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৩.
পৃথিবীর পরিধি প্রায় -
  1. ২৫,০০০ কি.মি.
  2. ৪০,০০০ কি.মি.
  3. ৪৮,০০০ কি.মি.
  4. ৫১,০০০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৪০,০০০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০,০০০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি:
- পৃথিবী একটি অভিগত গোলক।
- অর্থাৎ এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ, অর্থাৎ নিরক্ষরেখা বরাবর অঞ্চলটি কিঞ্চিত স্ফীত।
- সৌরজগত পরিবারের মাঝারি আকারের গ্রহ পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কি.মি.।
- পৃথিবীর গড় ব্যাস ১২,৭৩৪.৫ কি.মি. (প্রায়)।
- পৃথিবীর গোলাকৃতি আকার সম্পর্কে নানা প্রমাণ উপস্থাপন করা যায়।
- আধুনিক মহাকাশ চিত্রসমূহ থেকে পৃথিবীর আকার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৪.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় কাকে? 
  1. জন রে 
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. জোহান মেন্ডেল
  4. অ্যারিস্টটল 
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 
- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন, যা শ্রেণিবিন্যাসের সর্বনিম্ন মৌলিক একক। 
- তিনি প্রাণিজগতের দ্বিপদ নামকরণ বা দুই অংশবিশিষ্ট নামকরণের নিয়ম প্রবর্তন করেন; তাই শ্রেণিবিন্যাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens. 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৪০৫.
নিম্নের কোনটি পরিবেশের জীব উপাদান? 
  1. নদী
  2. মাটি
  3. গাছপালা
  4. আলো
সঠিক উত্তর:
গাছপালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছপালা
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ধারণা: 
- প্রকৃতির সকল দান মিলেমিশে তৈরি হয় পরিবেশ। 
যেমন- নদী, নালা, সাগর, মহাসাগর, পাহাড়, পর্বত, বন, জঙ্গল, ঘর, বাড়ি, রাস্তাঘাট, উদ্ভিদ, প্রাণী, পানি, মাটি ও বায়ু নিয়ে গড়ে ওঠে পরিবেশ। 
- কোনো জীবের চারপাশের সকল জীব ও জড় উপাদানের সর্বসমেত প্রভাব ও সংঘটিত ঘটনা হলো ঐ জীবের পরিবেশ। 
- পরিবেশ বিজ্ঞানী আর্মসের (Arms) মতে, জীবসম্প্রদায়ের পারিপার্শ্বিক জৈব ও প্রাকৃতিক অবস্থাকে পরিবেশ বলে। 
- পার্ক (C. C. Park) বলেছেন, পরিবেশ বলতে স্থান ও কালের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে মানুষকে ঘিরে থাকা সকল অবস্থার যোগফল বোঝায়। 
- স্থান ও কালের পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবেশও পরিবর্তিত হয়। 
যেমন-শুরুতে মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে ছিল মানুষের পরিবেশ। 
- পরবর্তীকালে এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কার্যাবলি, ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের পরিবেশ। 

পরিবেশের উপাদান: 
- পরিবেশের উপাদান দুই প্রকার। 
যেমন- জড় উপাদান ও জীব উপাদান। 
- যাদের জীবন আছে, যারা খাবার খায়, যাদের বৃদ্ধি আছে, জন্ম আছে এবং মৃত্যু আছে তাদের বলে জীব। যেমন- গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী হলো পরিবেশের জীব উপাদান। জীবদের নিয়ে গড়া পরিবেশ হলো জীব পরিবেশ। 
- মাটি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, আলো, উষ্ণতা ও আর্দ্রতা হলো পরিবেশের জড় উপাদান। এই জড় উপাদান নিয়ে গড়া পরিবেশ হলো জড় পরিবেশ। 

পরিবেশের প্রকারভেদ: 
- পরিবেশ দুই প্রকার। 
যেমন- ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ। 
- প্রকৃতির জড় ও জীব উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ, তাকে ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। এই পরিবেশে থাকে মাটি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, আলো, গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী।
- মানুষের তৈরি পরিবেশ হলো সামাজিক পরিবেশ। মানুষের আচার-আচরণ, উৎসব-অনুষ্ঠান, রীতি-নীতি, শিক্ষা, মূল্যবোধ, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে, তা হলো সামাজিক পরিবেশ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪০৬.
পিয়ালের বুদ্ধ্যঙ্ক ৪৫। পিয়াল একজন -
  1. স্বাভাবিক ব্যক্তি
  2. মৃদু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
  3. মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
  4. চরম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
সঠিক উত্তর:
মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
ব্যাখ্যা
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:

• মৃদু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী:
- এদের মানসিক বয়স বা বুদ্ধি ১৮ বা তদুর্ধ্ব বয়সে সর্বোচ্চ ১১ বছরের স্বাভাবিক শিশুর মত।
- বুদ্ধ্যঙ্ক ৫৫-৬৯ থাকে।
- এদের মনোযোগের মাত্রা কম ফলে এরা ধীর গতিতে শেখে।
- ভাল মন্দের বিচার করার ক্ষমতা কম হলেও এরা স্বনির্ভর জীবনযাপন করতে পারে।

• মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী:
- শারীরিক বৈকল্য ও জড়তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্তমান থাকে। ১৮ বা তদুর্ধ্ব বয়সে এদের মানসিক বয়স ৫-৮ বছরের শিশুর মতো।
- এদের বুদ্ধ্যঙ্ক ৪০-৫৪ ।
- এরা ভাবের আদান প্রদান করতে পারে ।

• চরম বুদ্ধি প্রতিবন্ধী:
- শারীরিক অক্ষমতা বা বিকলাঙ্গতা থাকে।
- প্রাপ্ত বয়স্ক বা ১৮ বছর বয়সে এদের মানসিক বয়স ৩ বছরের চেয়েও কম থাকে।
- এদের বুদ্ধ্যঙ্ক ২৪ ।
- অন্যের সহযোগিতা ছাড়া এরা চলতে পারে না।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৭.
কোন পদার্থের কণাগুলো একে অপরের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ দ্বারা যুক্ত থাকে? 
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. বায়বীয় 
  4. আর্দ্র পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ (Solids): 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল থাকে। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে, ফলে কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার হয়। 
- কঠিন পদার্থের উপর চাপ প্রয়োগ করলে এরা সংকুচিত হয় না। আবার, তাপমাত্রা বাড়ালে কঠিন পদার্থের আয়তন খুবই কম পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো চলাচল বা স্থান ত্যাগ করতে পারেনা, তবে নিজস্ব স্থানে কম্পন সৃষ্টি করতে পারে। 

তরল পদার্থ (Liquids): 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করলে আয়তন হ্রাস পায় না, তবে তাপ প্রয়োগ করলে তরল পদার্থের আয়তন বৃদ্ধি পায়। এই আয়তন বৃদ্ধির পরিমাণ কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ (Gases): 
- গ্যাসীয় পদার্থের নিদিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন আয়তনের পাত্রে রাখলে পদার্থটি ধারক পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরল পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 
- চাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক কমে যায়। আবার, তাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪০৮.
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় কোন বিজ্ঞানী এনট্রপি ধারণা প্রদান করেন?
  1. নিউটন
  2. জুল
  3. ক্লসিয়াস
  4. বোল্টজম্যান
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
ব্যাখ্যা

- তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় ক্লসিয়াস (Rudolf Clausius) এনট্রপির ধারণা প্রদান করেন, যিনি ১৮৬৫ সালে 'এনট্রপি' শব্দটি চালু করেন এবং এটি তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের মূল ভিত্তি স্থাপন করে, যা কোনো বিচ্ছিন্ন সিস্টেমের বিশৃঙ্খলার পরিমাণকে বোঝায়। 

এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয় যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৪,৪০৯.
পিঁপড়া কামড়ালে জ্বালা-পোড়া করে কোন রাসায়নিক পদার্থের জন্য?
  1. ক) ফরমিক অ্যাসিড
  2. খ) অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
  3. গ) অক্সালিক অ্যাসিড
  4. ঘ) টারটারিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
ক) ফরমিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরমিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
• পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক অ্যাসিড থাকে।
- আবার মৌমাছির হুলেও ফরমিক অ্যাসিড থাকে এবং এর সাথে মেলাটিন এবং অ্যাপামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়।
- ফলে ঐ স্থান জ্বালা-পোড়া করে ও ফুলে যায়।
- এই এসিড নিষ্ক্রিয় করতে আমরা এই জাতীয় ক্ষারীয় বস্তুগুলো ব্যবহার করে থাকি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১০.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনবিহীন।
  3. গ) রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক বেশি।
  4. ঘ) ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক বেশি।
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা:

- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম।
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১১.
NaOH কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. চুন প্রস্তুতিতে 
  2. টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
  3. অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনে
  4. দাঁত পরিষ্কার করতে
সঠিক উত্তর:
টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
ব্যাখ্যা

NaOH বা সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড হলো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্ষার, যা কস্টিক সোডা নামে পরিচিত। এটি শিল্পক্ষেত্রে এবং গৃহস্থালির পরিষ্কারক হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।

- যেসব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের বলে ক্ষার।
- NaOH, KOH, Ca(OH)2, NH4OH এরা সবাই ক্ষার। এদের কিন্তু ক্ষারকও বলা হয়।
- কোনো ক্ষারক একটি এসিডকে প্রশমন করলে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।
- বাসাবাড়িতে পরিচ্ছন্নতা কাজে ক্ষারজাতীয় পদার্থের বেশ ব্যবহার আছে।
- যেমন: NaOH টয়লেট ক্লিনার হিসেবে, NH4OH কাচ পরিষ্কারক হিসেবে, Ca(OH)2 দেওয়াল চুনকাম করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।

৪,৪১২.
কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও জৈব যৌগ নয় কোনটি?
  1. ক) অ্যালকোহল
  2. খ) অ্যামিনো এসিড
  3. গ) গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড
  4. ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
ব্যাখ্যা
• অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন, অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যামিনো এসিড, কার্বক্সিলিক এসিড প্রভৃতি হলো জৈব যৌগ। এজন্য গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড, এবসোলিউট এলকোহল হলো জৈব যৌগ।
- ব্লু ভিট্রিওল হলো ৫ অণু পানি বিশিষ্ট কপার(II) সালফেট কেলাস। এটি জৈব যৌগ নয় এবং এতে কোনো কার্বন পরমাণুও নেই।
- খাবার সোডা হলো সোডিয়াম বাই কার্বনেট
- এতে কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও এটি জৈব যৌগ নয়। এটি একটি অজৈব যৌগ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,৪১৩.
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড কত প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট?
  1. ২ প্রকোষ্ঠ
  2. ৪ প্রকোষ্ঠ
  3. ৩ প্রকোষ্ঠ
  4. ৫ প্রকোষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকোষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকোষ্ঠ
ব্যাখ্যা

স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
১. এদের দেহ রোমে আবৃত থাকে। 
২. পরিণত স্ত্রী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে। 
৩. এরা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট প্রাণী। 
৪. এদের শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়। 
৫. এদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। 
৬. এদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৪১৪.
বলের একক কি?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) জুল
  3. গ) ওয়াট
  4. ঘ) মিটার
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
ব্যাখ্যা
S.I (international system) পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন, কাজের একক জুল ক্ষমতার একক ওয়াট,এবং দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
৪,৪১৫.
একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলে ২০০ টার্ন এবং সেকেন্ডারি কয়েলে ৮০০ টার্ন রয়েছে। প্রাইমারিতে 12 V দেওয়া হলে সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হবে?
  1. 24 V
  2. 48 V
  3. 72 V
  4. 96 V
সঠিক উত্তর:
48 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48 V
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
Vs = (Ns/Np) Vp
যেখানে,
Vp = প্রাইমারি ভোল্টেজ
Vs = সেকেন্ডারি ভোল্টেজ
Np = প্রাইমারি টার্ন সংখ্যা
Ns = সেকেন্ডারি টার্ন সংখ্যা 

∴ Vs = (Ns/Np)Vp
       = (800/200)12
       = 4 × 12
       = 48
সুতরাং, সেকেন্ডারি ভোল্টেজ 48 V.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৪১৬.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে নিচের কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. মহাকর্ষ
  2. নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব: 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রুতিকে বেগ বলা হয়। 
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। 
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি। 
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান । তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১৭.
কাঠ উৎপাদনের জন্য বন ও বনজ সম্পদের চাষাবাদ ও ব্যবস্থাপনাকে কী বলে?
  1. Myciculture
  2. Olericulture
  3. Silviculture
  4. Viticulture
সঠিক উত্তর:
Silviculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Silviculture
ব্যাখ্যা
• Silviculture: কাঠ উৎপাদনের জন্য বন ও বনজ সম্পদের চাষাবাদ ও ব্যবস্থাপনা।

অপশন আলোচনা:
→ Myciculture - খাদ্য, ঔষধ, বা শিল্পে ব্যবহারের জন্য ছত্রাক চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান। (একে Fungiculture- ও বলা হয়)।
→ Olericulture- সবজি চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান।
→ Viticulture - মদ বা ওয়াইন তৈরির জন্য আঙ্গুর চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান।

সূত্র: The Food and Agriculture Organization of the United Nations (FAO).
৪,৪১৮.
পাটের বৈজ্ঞানিক নাম-
  1. ক) Oryza sativa
  2. খ) Corchorus capsularis
  3. গ) Apis indica
  4. ঘ) Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
খ) Corchorus capsularis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Corchorus capsularis
ব্যাখ্যা
Corchorus capsularis - পাট।
Oryza sativa - ধান।
Apis indica - মৌমাছি।
Artocarpus heterophyllus - কাঁঠাল।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪১৯.
ইলেকট্রনের প্রতিকণিকা কোনটি?
  1. মিউয়ন
  2. গ্রাভিটন
  3. গ্লুঅন
  4. পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকাগুলো দুই রকমের হতে পারে- কণা এবং প্রতিকণা। কোনো কণার প্রতিকণার ভর ঐ কণাটির ভরের সমান কিন্তু চার্জ সমমানের হলেও বিপরীতধর্মী। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পল ডিরাক ইলেকট্রনের বিপরীত কণা এন্টিইলেকট্রন বা পজিট্রন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাঁকে ১৯৩২ সালে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৪২০.
চুনের রাসায়নিক নাম কোনটি?
  1. সোডিয়াম বাইকার্বনেট
  2. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  3. ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
  4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক নাম ও সংকেত: 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO)
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2. চুন (CaO) এর সাথে পানির (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার জলযুক্ত রাসায়নিক নাম সোডিয়াম কার্বনেট ডেকাহাইড্রেট সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক নাম হচ্ছে হাইড্রেটেড আয়রন(III) অক্সাইড বা জলযোজিত ফেরিক অক্সাইড এবং সংকেত হলো Fe2O3.nH2O. 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪২১.
অধাতব খনিজ পদার্থ কোনটি? 
  1. পারদ
  2. তামা 
  3. মাইকা 
  4. সোনা 
সঠিক উত্তর:
মাইকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকা 
ব্যাখ্যা

• মাইকা (Mica) বা অভ্র একটি স্তরীভূত অধাতব খনিজ যা ইলেকট্রনিক্স শিল্পে ইনসুলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে সোনা, তামা এবং পারদ (তরল ধাতু হলেও) হলো ধাতব খনিজ।

ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যেমন- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
• জিপসাম, 
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৪২২.
“The origin of species by means of natural selection” বইটির লেখক কে?
  1. ক) ল্যামার্ক
  2. খ) ডারউইন
  3. গ) ডে ভ্রিস
  4. ঘ) ভাইজম্যান
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডারউইন
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ দেন।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,৪২৩.
যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. জেনারেটর 
  2. বৈদ্যুতিক মোটর
  3. লাউড স্পিকার
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
ব্যাখ্যা

• শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪২৪.
ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ক) চল বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
  2. খ) ভোল্টেজ পরীক্ষার জন্য
  3. গ) রোধ পরীক্ষার জন্য
  4. ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। 
এখানে চার্জের অস্তিত্ব বােঝার জন্য রয়েছে খুবই হালকা সােনা, অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য কোনাে ধাতুর দুটি পাত। 

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
৪,৪২৫.
চাঁদে সর্বশেষ কত সালে মানুষ গিয়েছে?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭০
  3. ১৯৭১
  4. ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
ব্যাখ্যা
- চাঁদের বুকে শেষবার মানুষ নেমেছিল ১৯৭২ সালে। 
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার সেই শেষ মুন মিশনে ছিলেন রন এভান্স, কম্যান্ডার ইউজিন সারনান, এবং ভূতত্ত্ববিদ হ্যারিসন শ্মিট এই তিনজন নভোচারী। 
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা চাঁদের বুকে শেষবারের মতো মানুষ পাঠিয়েছিল যে রকেটে করে তার নাম ছিল অ্যাপোলো-১৭। 
- 'অ্যাপোলো ১৭' মিশনের দলনায়ক ছিলেন কম্যান্ডার ইউজিন সারনান। 
- চাঁদে মানুষের শেষ মিশনের পর অ্যাপোলো-১৭র কম্যান্ড মডিউল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে ১৯৭২ সালের ১৯ শে ডিসেম্বর। 
- হ্যারিসন শ্মিট এবং তার সঙ্গী নভোচারীরা মোট ১৩ দিন কাটিয়েছিলেন মহাশূন্যে। 
- আমেরিকার পূর্ব উপকুলে সময় তখন সন্ধ্যে ৫টা ৫৫ মিনিট ঠিক সেই মুহূর্তে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখেন কম্যান্ডার ইউজিন সারনান। 

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা [লিঙ্ক]।
৪,৪২৬.
কোনটির অভাবে উদ্ভিদের ডাইব্যাক (dieback) রোগটি দেখা যায়?
  1. ম্যাগনেশিয়াম
  2. নাইট্রোজেন
  3. আয়রন
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

লৌহ বা আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

ম্যাগনেশিয়াম: 
- ম্যাগনেশিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪২৭.
প্যারালাইসিসের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
  1. ক) এইডস
  2. খ) স্ট্রোক
  3. গ) কোভিড-১৯
  4. ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্রোক
ব্যাখ্যা
সাধারণত প্যারালাইসিসের এর জন্য স্ট্রোক দায়ী। 

- স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ।
- রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ।
- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাই-প্রেসার, হাই-কোলেস্টেরল, ধূমপান, পারিবারিক স্ট্রোকের ইতিহাস, হার্টের অসুখ যেমন- অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, রক্তজমাট বাঁধা - অসুখ, ক্যান্সার ইত্যাদি অনেক কারণ রয়েছে স্ট্রোকের পেছনে। 
- স্ট্রোক তিন ধরনের হয়ে থাকে। মাইল্ড স্ট্রোক, ইসকেমিক স্ট্রোক ও হেমোরেজিক স্ট্রোক।
- প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততা হচ্ছে মানুষের শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারানো। 
- এছাড়া স্নায়ু রোগ, সুষুম্নাকাণ্ডের কিংবা কশেরুকার ক্ষয় রোগও পারালাইসিসের কারণ হতে পারে। 

সূত্র- ২২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৪২৮.
The water reaches its maximum density at which temperature?
  1. 50°C
  2. 25°C
  3. 10°C
  4. 4°C
  5. 0°C
সঠিক উত্তর:
4°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4°C
ব্যাখ্যা
• পানির ঘনত্ব:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।  
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- অর্থাৎ, ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪২৯.
জিহ্বার কোন অংশে স্বাদ গ্রহণের জন্য স্বাদ কোরক থাকে?
  1. জিহ্বার পেশিতে
  2. জিহ্বার নিচের অংশে
  3. জিহ্বার উপরের আস্তরণে
  4. জিহ্বার অগ্রপ্রান্তের নিচে
সঠিক উত্তর:
জিহ্বার উপরের আস্তরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিহ্বার উপরের আস্তরণে
ব্যাখ্যা

• জিহ্বার উপরের আস্তরণে স্বাদ কোরক থাকে, যেগুলোর মাধ্যমে আমরা খাদ্যের বিভিন্ন স্বাদ অনুভব করি।

• জিহ্বা (Tongue):
- জিহ্বা হলো মুখগহ্বরে অবস্থিত একটি লম্বা পেশিবহুল অঙ্গ।
- এটি মানুষের স্বাদ ইন্দ্রিয় হিসেবে কাজ করে।
- জিহ্বা দিয়ে আমরা টক, ঝাল, মিষ্টি ও তিতা স্বাদ গ্রহণ করি।
- জিহ্বার উপরিভাগে একটি বিশেষ আস্তরণ (epithelium) থাকে।
- এই আস্তরণের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে স্বাদ কোরক (Taste buds) অবস্থান করে।
- স্বাদ কোরক রাসায়নিক উদ্দীপনার মাধ্যমে মস্তিষ্কে স্বাদের অনুভূতি পৌঁছে দেয়।
- জিহ্বার বিভিন্ন অংশে স্বাদের সংবেদন তুলনামূলকভাবে ভিন্ন হতে পারে।
 
• জিহ্বার কাজ:
- খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করা।
- খাদ্য গিলতে সাহায্য করা।
- খাদ্যবস্তুকে নেড়েচেড়ে দাঁতের নিকট পৌঁছে দেওয়া।
- খাদ্যবস্তুকে লালার সাথে মিশ্রিত করতে সহায়তা করা।
- কথা বলতে সাহায্য করা।
 
• জিহ্বার যত্ন:
- দাঁত ব্রাশ করার সময় নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিত।
- শিশুদের জিহ্বা পরিষ্কার না করলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।
- জ্বর বা কিছু রোগে জিহ্বার উপর সাদা বা হলদে পর্দা পড়তে পারে।
- এ সময় পানিতে লবণ গুলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায়।
- জিহ্বায় ঘা বা অস্বাভাবিক দাগ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- জিহ্বার পেশিতে → পেশি জিহ্বার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- জিহ্বার নিচের অংশে → লালাগ্রন্থির নালির অবস্থান থাকে।
- জিহ্বার অগ্রপ্রান্তের নিচে → রক্তনালি ও স্নায়ুর উপস্থিতি বেশি থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৪,৪৩০.
সূর্যে শক্তি তৈরি হচ্ছে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়
  2. খ) আণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  3. গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  4. ঘ) বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
সূর্য সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া।

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

৪,৪৩১.
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে-
  1. তামার দণ্ড ও দস্তার দণ্ড
  2. তামার পাত ও দস্তার পাত
  3. কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
  4. তামার দণ্ড ও দস্তার কৌটা
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
ব্যাখ্যা
- সাধারণত ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা থাকে। 
- ড্রাইসেলের কিছু বৈশিষ্ট্য- 
• এতে তরল ইলেকট্রোডের পরিবর্তে পেষ্ট ব্যবহার করা হয়, 
• এর পাত্রটি একটি ইলেকট্রোড নেগেটিভ হিসাবে কাজ করে, 
• প্রয়োজনে ইলেকট্রোড ও পানি যোগ করে ব্যবহার করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৩২.
পেলেগ্রা রোগের প্রধান উপসর্গ কোন ভিটামিনের অভাবে হয়?
  1. B1
  2. B2
  3. B3
  4. B6
সঠিক উত্তর:
B3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B3
ব্যাখ্যা

ভিটামিন B কমপ্লেক্স: 
- পানিতে দ্রবণীয় ১২টি ভিটামিন B রয়েছে, ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়। 
- দেহের স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য খাবারে ভিটামিন B কমপ্লেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক। 
- ভিটামিন B কমপ্লেক্সভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনগুলোর উৎস এবং অভাবজনিত রোগ নিচে দেওয়া হলো- 
১। থায়ামিন (B1): 
• উৎস: ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, ডাল, তেলবীজ, বাদাম, যকৃৎ, টাটকা ফল ও সবজি। প্রাণিজ উৎসের মাঝে রয়েছে যকৃত, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি। 
• অভাবজনিত রোগ: দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। 

২। রাইবোফ্ল্যাভিন (B2): 
• উৎস: যকৃৎ, দুধ, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গাছের কচি ডগা, অঙ্কুরিত বীজ। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। 

৩। নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3): 
• উৎস: মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, ছোলা, শাকসবজি। 
• অভাবজনিত রোগ: ভিটামিন B3 এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়, পেলেগ্রা রোগের প্রধান উপসর্গ হলো ত্বকে প্রদাহ, ডায়রিয়া এবং স্মৃতিভ্রংশ হওয়া। 

৪। পাইরিডক্সিন (B6): 
• উৎস: চাল, আটা, মাছ, মাংস, শাকসবজি, ছোলা, ছত্রাক, বৃক্ক, ডিমের কুসুম। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে খাওয়ায় অরুচি, বমিভাব ও অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 

৫। কোবালামিন বা (B12) সায়ানোকোবালামিন: 
• উৎস: যকৃৎ, দুধ, মাছ, মাংস, ডিম, পনির, বৃক্ক প্রভৃতি। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে রক্তস্বল্পতা রোগ দেখা দেয়। স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৩৩.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. রেকটিফাইড স্পিরিট
  2. মেথিলেটেড স্পিরিট
  3. পাওয়ার অ্যালকোহল
  4. ডেনেচার্ড অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩৪.
সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক কী?
  1. ক) কিলোগ্রাম
  2. খ) পাউন্ড
  3. গ) গ্রাম
  4. ঘ) আউন্স
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
ব্যাখ্যা

Thecentimetre–gram–second system of units (abbreviated CGS or cgs) is a variant
of the metric system based on the centimetre as the unit of length, the gram as the 
unit of mass, and the second as the unit of time.

৪,৪৩৫.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ইরিডিয়াম
  2. আয়োডিন
  3. ফসফেট
  4. টেকনেশিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৩৬.
উদ্ভিদ দেহের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে থাকে -
  1. ভাজক টিস্যু
  2. স্থায়ী টিস্যু
  3. জটিল টিস্যু
  4. ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
• ভাজক টিস্যু: 
- যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে। 
- সাধারণত উদ্ভিদ দেহের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (যে স্থানে উদ্ভিদ বৃদ্ধি পায়) অর্থাৎ মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থাকে। 
- ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ এরা লম্বা হয় এবং এদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়। 
- ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়। 

• স্থায়ী টিস্যু:
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন যে টিস্যুগুলো বিভাজনে অক্ষম তাদেরকে বলা হয় স্থায়ী টিস্যু।
- ভাজক টিস্যুগুলো বিভাজন ক্ষমতা লোপ পাওয়ার পর তা বৃদ্ধি পেয়ে একটি নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে এবং স্থায়ী টিস্যুতে পরিণত হয়।
- স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলো বিভাজন ক্ষমতাহীন, পূর্ণভাবে বিকশিত এবং সঠিক আকৃতিপ্রাপ্ত।
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা, দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে।
- স্থায়ী টিস্যু তিন ধরনের। যথা- সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী (ক্ষরণকারী) টিস্যু৷

উৎস:
১. বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩৭.
লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ কী ধরণের কোষ?
  1. ক) প্রাইমারী কোষ
  2. খ) সেকেন্ডারী কোষ
  3. গ) উভমুখী কোষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়কি কোষগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কোষ।

প্রাইমারী কোষ (Primary Cells) বা প্রাথমিক কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষ নিজেই নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে তাকে প্রাইমারী বা প্রাথমিক কোষ বলে। এ ধরনের কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় এবং একবার ব্যবহারে এ কোষগুলো ডিসচার্জ হয়ে পড়ে, সে কারণে একে পুনরায় চার্জিত করে ব্যবহার করা যায় না।

সেকেন্ডারী কোষ (Secondary Cells) বা গৌণ কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে সঞ্চিত রেখে পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারী কোষ বা গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বলে। এ ধরনের কোষগুলো বিদ্যুৎ
প্রবাহ চালিয়ে বার বার চার্জিত করা যায় এবং ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ। 

সূত্র: রসায়ন, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩৮.
'শুষ্ক বরফ' বলা হয় - 
  1. হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
  2. ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
  3. হিমায়িত অক্সিজেনকে
  4. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2). 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাই, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৪,৪৩৯.
কত শতাংশ স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে?
  1. ২৫% 
  2. ২০%
  3. ১০%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
২৫% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫% 
ব্যাখ্যা

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা পাওয়াকে স্ট্রোক বলে। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন- স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪,৪৪০.
গ্যাসীয় পদার্থে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কেমন থাকে? 
  1. সর্বনিম্ন 
  2. অপরিবর্তনীয়
  3. মধ্যম 
  4. সবচেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক আকর্ষণ খুবই কম থাকে এবং আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- তাই গ্যাসীয় পদার্থকে নিম্ন তাপমাত্রায় শীতল করলে তাদের আন্তঃআণবিক দূরত্ব হ্রাস পেয়ে খুব নিকটে আসে ও তরলে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, গ্যাসের স্ফুটনাঙ্ক কক্ষতাপমাত্রা থেকে অনেক কম হয়। 
যেমন- নাইট্রোজেন (N2) গ্যাসের স্ফুটনাঙ্ক হল –196°C । 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।

৪,৪৪১.
Na এর যোজনী কত?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম বা Na এর যোজনী ১৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৪৪২.
কোনটির ভাঙ্গনের ফলে বিলিরুবিন তৈরি হয়?
  1. পিত্তথলি
  2. লোহিত রক্তকণিকা
  3. শ্বেত রক্তকণিকা
  4. অনুচক্রিকা 
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা

বিলিরুবিন তৈরি হয় লোহিত রক্তকণিকা ভাঙ্গনের ফলে।

বিলিরুবিন:
- বিলিরুবিন হলো একটি হলুদ-বাদামী পিগমেন্ট, যা পুরানো বা ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত রক্তকণিকার ভাঙ্গনের ফলে তৈরি হয়।
- যকৃত (লিভার) এই বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে এবং পিত্তের (bile) মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
- লোহিত রক্ত কণিকার অধিক ভাঙন কিংবা যকৃত বা পিত্তনালীর কোনো সমস্যার কারণে রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যেতে পারে।
- এই বিলিরুবিন তখন শরীরের বিভিন্ন অংশে জমা হতে থাকে। এ অবস্থাকে বলা হয় জন্ডিস।
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন মূলত প্লীহা ও যকৃতের ম্যাক্রোফেজেসে (যেখানে পুরোনো লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়) উৎপন্ন হয়।

লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cells):
-  লোহিত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম হলো ইরিথ্রোসাইট (Erythrocyte)।
- এদের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন পরিবহন করা এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনা।
-  লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) নামক একটি বিশেষ প্রোটিন থাকে, যা অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। হিমোগ্লোবিন রক্তকে লাল দেখায়।
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকাগুলোতে কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না।
- এদের গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন।
- লোহিত রক্তকণিকা মূলত অস্থি মজ্জা (Bone marrow) থেকে উৎপন্ন হয়।
- পুরানো বা ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত রক্তকণিকাগুলি প্লীহা (spleen) এবং যকৃত (liver) এ ভেঙে যায়। এই ভাঙ্গনের ফলেই হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন তৈরি হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৪,৪৪৩.
ট্রানজিস্টরের প্রধান ব্যবহার কী? 
  1. বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন 
  2. নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ 
  3. দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
  4. শক্তিশালী আলোর উৎস সৃষ্টি 
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ। 
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত করেছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ সক্লে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে। 
সুতরাং, একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার। 
যথা- (১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং (২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৪৪.
নিচের কোনটি প্রাণীপরাগী ফুল?
  1. ক) কচু
  2. খ) ধান
  3. গ) পাতাশেওলা
  4. ঘ) সরিষা
সঠিক উত্তর:
ক) কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কচু
ব্যাখ্যা
পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
যেমন- ধান।
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
যেমন- পাতাশেওলা।
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৪,৪৪৫.
বিবর্তন বলতে কী বোঝায়? 
  1. জীবের পুনর্জন্ম
  2. জীবের মৃত্যুর প্রক্রিয়া
  3. চলমান কোনো পরিবর্তন যা নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে
  4. কোনো জীবের দ্রুত পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
চলমান কোনো পরিবর্তন যা নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলমান কোনো পরিবর্তন যা নতুন প্রজাতি সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
বিবর্তন: 
- আধুনিক মানুষের ধারণা অনুযায়ী, জীব সৃষ্টির মূল ভিত্তি হলো বিবর্তন, যা গভীর যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রমাণিত হয়েছে। 
- ল্যাটিন শব্দ “Evolveri” থেকে বিবর্তন শব্দটি এসেছে। 
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেনসার (Herbert Spencer) প্রথম 'ইভোলিউশন' শব্দটি ব্যবহারের জন্য পরিচিত। 
- বিবর্তন বা ইভোলিউশন হলো একটি ধীর, অবিরাম এবং চলমান পরিবর্তন প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সরলতর উদবংশীয় জীবগুলো পরিবর্তিত হয়ে জটিল এবং উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটায়
- যখন জীবের পরিবর্তনের ফলে নতুন কোনো প্রজাতি সৃষ্টি হয়, তখন তাকে বলা হয় জৈব বিবর্তন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৪৪৬.
Which hormone is responsible for increasing the level of glucose in the bloodstream?
  1. Insulin 
  2. Melatonin
  3. Testosterone
  4. Glucagon
  5. Vasopressin
সঠিক উত্তর:
Glucagon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Glucagon
ব্যাখ্যা

• গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, তখন এটি যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে ভেঙে ফেলে রক্তে সরবরাহ করে, যা শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখে।

- খাবার গ্রহণের দীর্ঘ বিরতিতে, যখন রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়, তখন গ্লুকাগন যকৃতে গ্লাইকোজেনোলাইসিস (Glycogenolysis) প্রক্রিয়া সক্রিয় করে এবং রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- মস্তিষ্ক তার শক্তির জন্য সরাসরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, গ্লুকাগন মূলত হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা নিম্ন রক্তশর্করা জনিত জটিলতা থেকে আমাদের রক্ষা করে।
- কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার (যেমন: ভাত, রুটি, ফল) পরিপাক হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে সরাসরি রক্তে গ্লুকোজ হিসেবে শোষিত হয়।
- রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকলে ইনসুলিন তা যকৃৎ এবং পেশিতে 'গ্লাইকোজেন' হিসেবে জমা রাখে, যা বিপদের সময় বা না খেয়ে থাকলে শক্তির জোগান দেয়।

অন্যান্য অপশন:
- Insulin: ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং এটি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
- Melatonin: মেলাটোনিন ঘুম ও জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- Testosterone: টেস্টোস্টেরন মূলত পুরুষের প্রজননতন্ত্রের বিকাশ ও গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
- Vasopressin: ভ্যাসোপ্রেসিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং বৃক্কের মাধ্যমে পানি পুনঃশোষণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

৪,৪৪৭.
রজঃচক্রের সূচনাকে কী বলা হয়?
  1. মেনোপজ
  2. ইমপ্লান্ট্যাশন
  3. মেনার্কি
  4. গ্যাস্ট্রুলেশন
সঠিক উত্তর:
মেনার্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেনার্কি
ব্যাখ্যা
• রজঃচক্রের সূচনাকে মেনার্কি (menarche) বলা হয়। 

• রজঃচক্র:
- স্ত্রীলোকের সমগ্র যৌন জীবনকালে প্রতি ২৮ দিন (২৪-৩২ দিন) অন্তর ৩-৫ দিন ধরে জরায়ুর অন্তঃস্থ স্তর বা এন্ডোমেট্রিয়ামের অবক্ষয়ের ফলে রজঃস্রাব এবং পরে দেহের অন্যান্য জননাঙ্গসমূহের যেমন-ডিম্বাশয়, জরায়ু ইত্যাদির যে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন ঘটে তাকে রজঃচক্র বলে। 

• রজঃচক্রের মূল বিষয়গুলো হলো:  
→ পিরিয়ড বা মাসিক স্রাব:
- এটি রজঃচক্রের প্রথম পর্যায়, যেখানে জরায়ুর ভেতরের স্তর (এন্ডোমেট্রিয়াম) ভেঙে রক্ত ও টিস্যু আকারে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
→ ডিম্বাশয় চক্র:
- ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় এবং ডিম্বস্ফোটন (Ovulation) ঘটে, অর্থাৎ ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয়ে আসে।
→ জরায়ু চক্র:
- ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে জরায়ুর ভেতরের স্তরটি ভেঙে যায় এবং মাসিক চক্র আবার শুরু হয়।

• সাধারণত, রজঃচক্র ১০ থেকে ১৬ বছর বয়সের মধ্যে শুরু হয়।
- তবে এটি ভৌগলিক অবস্থান এবং শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন হতে পারে। 

• প্রথম রজচক্রকে অর্থাৎ রজঃচক্রের সূচনাকে মেনার্কি (menarche) বলা হয়।
- যৌন জীবনকালের শেষে রজঃচক্রের নিবৃত্তি বা বন্ধ হওয়াকে মেনোপজ (menopause) বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৪,৪৪৮.
এসিড কী দান করে? 
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোক্সাইড আয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা
- এসিড জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) বা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে। 

এসিড: 

- এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। 
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে। 
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। 
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. এসিড স্বাদে টক। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে। 
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে। 
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে। 
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে। 
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৪৯.
পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন কে?
  1. ক) আলবার্ট সাবিন
  2. খ) জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌
  3. গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  4. ঘ) জ্যাকব হেইনার
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
- জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের La Zola নামক শহরে মারা যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৪৫০.
'মানুষ' কোন স্তরী প্রাণী?
  1. একস্তরী
  2. দ্বিস্তরী
  3. ত্রিস্তরী
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 

ক. একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum) । 

খ. দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita) । 

গ. ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens) । 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৪৫১.
চাঁদের বিস্ফোরনের শব্দ পৃথিবীতে শোনা যাবে বিস্ফোরণের কত সময় পরে?
  1. ক) ৩.৩৭ মিনিট পর
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পর
  3. গ) ৬.২১ মিনিট পর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যেকোন কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। ভ্যাকুয়াম বা শূণ্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না।
চাঁদ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত দূরত্বের বেশির ভাগই শূণ্য। তাই চাঁদে কোনো বিস্ফোরণ হলে জড় মাধ্যমের অভাবে শব্দ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় না।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

৪,৪৫২.
Renewable energy source নিচের কোনটি? 
  1. কয়লা 
  2. খনিজ তেল 
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  4. বায়োগ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস একটি Renewable energy source অর্থাৎ নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। এই শক্তি পরিবেশ বান্ধব তাই এই শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়। 

শক্তি: 

- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না, শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধান করে চলছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy): 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable energy): 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৫৩.
পৃথিবী তার নিজ অক্ষে কোন দিকে আবর্তন করছে?
  1. দক্ষিণ থেকে উত্তর
  2. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  3. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  4. উত্তর থেকে দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন: 
- পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে। 
- সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতি ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময়ে আবর্তন করে। 
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫৪.
জাইলেম ও ফ্লোয়েম কোন ধরনের টিস্যুর অন্তর্গত?
  1. সরল টিস্যু
  2. জটিল টিস্যু
  3. ভাজক টিস্যু
  4. ক্ষরণকারী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
জটিল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল টিস্যু
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে।
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৪,৪৫৫.
নিচের কোনটি সংক্রামক রোগ নয়?
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) অ্যানথ্রাক্স
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) কলেরা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো যা আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে খাবার, পানি, বায়ু, সংস্পর্শ ইত্যাদি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলে।
ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্স ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ।
- যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ, ক্যান্সার ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৪৫৬.
প্রাইমারি দূষক কোনটি?
  1. সালফার ডাইঅক্সাইড
  2. নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড
  3. মিথেন
  4. পারঅক্সিঅ্যাসিটাইল নাইট্রেট (PAN)
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাইঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)

• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
- যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂)
- ওজোন (O3)

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৫৭.
নিচের কোনটি ফেরো চৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
  2. খ) এদের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন থাকে না।
  3. গ) এদের চৌম্বক ধারকত্ব নেই।
  4. ঘ) এদের কুরী বিন্দু নেই।
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে শক্তিশালী চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

ফেরােচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট:
১) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২) এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩) এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪) এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে। কুরী বিন্দুর ওপরে এর কোনাে চুম্বকত্ব থাকে না। যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা ১০৪৩ K.

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
৪,৪৫৮.
গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা বা এসিডিটি প্রশমনে কোনটি কাজ করে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
ব্যাখ্যা
- খাদ্য পরিপাকের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পাকস্থলী থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয় যার কারণে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির উদ্রেক হয়।
- এ এসিড কে প্রশমিত করতে এন্টাসিড হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Mg(OH)2] ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড [Al(OH)3] নামক ক্ষার ব্যবহার করা হয়।
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাসপেনশন মিল্ক অব ম্যাগনেসিয়া নামেই অধিক পরিচিত।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৪৫৯.
কার্বনের কোন আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়?
  1. 12C
  2. 13C
  3. 14C
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
14C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14C
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয়তা:
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা: প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা : কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।
কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা : কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।

- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা ৮২ অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- পরমাণুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তার ইলেকট্রনের সংখ্যা দিয়ে, যেটা প্রোটনের সংখ্যার সমান। একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- কোনো একটি মৌলের পরমাণুতে তার ইলেকট্রন এবং প্রোটনের সংখ্যা সুনির্দিষ্ট হলেও নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন নিউট্রন সংখ্যায় নিউট্রনযুক্ত একই প্রোটন সংখা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসের পরমাণুকে বলা হয় সেই মৌলের আইসোটোপ।
- কোনো একটি মৌলের একটি আইসোটোপ স্থিতিশীল হতে পারে আবার সেই মৌলের অন্য একটি আইসোটোপ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয় হতে পারে।

- উদাহরণ হিসেবে কার্বন মৌলটির কথা বলা যেতে পারে যার নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন এবং এর প্রধাণত তিনটি আইসোটোপ:

12C : 6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন
13C : 6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন
14C : 6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন

কার্বনের এই তিনটি আইসোটোপের মাঝে 14C আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়।
- 14C (কার্বন–১৪) স্বতঃস্ফূর্তভাবে β-কণা নির্গত করে নাইট্রোজেন–১৪ এ রূপান্তরিত হয়।
- এই আইসোটোপটি রেডিওকার্বন ডেটিং-এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
২। পদার্থ বিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৬০.
QR কোড মূলত কোন কাজে তৈরি করা হয়েছিল?
  1. বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য
  2. টিকিটিং ব্যবস্থার জন্য
  3. অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
  4. ব্যাংকিং সেবার জন্য
সঠিক উত্তর:
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
ব্যাখ্যা

QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।

 • QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।

 • QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৪৬১.
পরমাণু বোমার বিস্ফোরণে কোন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়?
  1. নিউক্লিয়ার ফিশন
  2. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  3. নিউক্লিয়ার মডিউল
  4. নিউক্লিয়ার মেসন
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়।
প্রক্রিয়া দুটি হল :
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন 
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন 

নিউক্লিয়ার ফিশন :
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি
খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

- ১৯৩৮ সালে ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০) প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য ।
- অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং
প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়।
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল ।

নিউক্লিয়ার ফিউশন:
যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়
এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে। সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে। 


উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬২.
‘ডুরালুমিন’ কোনটির সংকর ধাতু?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) লোহা
  3. গ) কপার
  4. ঘ) সিলভার
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

ডুরালুমিন এর উপাদানঃ
অ্যালুমিনিয়াম (Al) - ৯৫%
কপার (Cu) - ৪%
লােহা (Fe) - ১%
ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও
ম্যাগনেসিয়াম (Mg),

ব্যবহারঃ
উড়ােজাহাজের কাঠামাে (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেনির রসায়ন।

৪,৪৬৩.
ব্যাটারিতে সাধারণত কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং ইলেকট্রোলাইট।
সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৪,৪৬৪.
তীব্র এসিড + তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ কেমন হয়? 
  1. নিরপেক্ষ 
  2. এসিডিক 
  3. ক্ষারীয় 
  4. অক্সাইডিক 
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। 
- লবণের ধনাত্মক আয়নটি ক্ষার থেকে আসে, তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয়মূলক (Basic radical) বলে। 
- আর লবণের ঋণাত্মক আয়নটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে, তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক (Acid radical) বলে। 
- তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ প্রকৃতির। 
যেমন- NaCl, Na2SO4 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ। 
- তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 
যেমন- FeCl3, Zn(NO3)2 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ অম্লীয়। 
- তীব্র ক্ষার ও মৃদু এসিডের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 
যেমন- Na2CO3, CH3COONa (সোডিয়াম ইথানয়েট) ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৬৫.
কোন রোগে অস্থিমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. থ্যালাসেমিয়া
  2. হিমোফিলিয়া
  3. ম্যালেরিয়া
  4. যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা
◉ থ্যালাসেমিয়া একটি জিনগত রক্তরোগ, যেখানে হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ঘটে। এই রোগে অস্থিমজ্জা (Bone Marrow) অতিরিক্ত পরিমাণে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনের চেষ্টা করে, যা দীর্ঘমেয়াদে অস্থিমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হাড় বিকৃতির ঝুঁকি বাড়ায়।

থ্যালাসেমিয়া:
- থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে একটি রক্তজনিত সমস্যা।
- থ্যালাসেমিয়া হচ্ছে এমন একটি রোগ, যেটি উত্তরাধিকারসূত্রে হয়ে থাকে।
- আর এ রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে রক্তের ব্যাধি হয়ে থাকে, যা শরীরের হিমোগ্লোবিন এবং লোহিত রক্তকণিকা তৈরির ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
হিমোফিলিয়া: রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা।
ম্যালেরিয়া: Plasmodium পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণ।
যক্ষ্মা: Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 
৪,৪৬৬.
কোনটি Multiple fruit?
  1. স্ট্রবেরি
  2. আনারস
  3. সরিষা
  4. গাজর
সঠিক উত্তর:
আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনারস
ব্যাখ্যা
আনারস একটি Multiple fruit.

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

• ফল (Fruits)
- প্রকৃত ফল (True fruit): গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আম, জাম, লিচু।

- অপ্রকৃত ফল (False fruit): গর্ভাশয় ব্যতীত অন্য অংশ থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আপেল, কাঁঠাল।

- সরল ফল (Simple fruit): একটি পুষ্প হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন আম, ধান।

-গুচ্ছিত ফল (Aggregate fruit): একটি মাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- আতা, স্ট্রবেরি।

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- লিগিউম (Legume): ফল উপর থেকে নিচে দুটি কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- শিম, মটর।

- ক্যাপসুল (Capsule): ফল উপর থেকে নিচে বহু কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- ধুতুরা, ঢেঁড়স, পাট।

- ক্যারিঅপসিস (Caryopsis): ফল এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এবং একটি মাত্র বীজযুক্ত। ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পর সংলগ্ন থাকে।
যেমন-  ধান, গম।

- সিলিকুয়া (Siliqua): শুষ্ক বিদারী ফল যা পরিপক্ব হলে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ ফেটে যায়। এই ফল লম্বা ও নলাকার হয়।
যেমন- সরিষা, মূলা।

- বেরি (Berry): ফল এক বা একাধিক গর্ভপত্রী এবং বহুবীজী। এদের বহিঃত্বক পাতলা। অন্তঃত্বক ও মধ্যত্বক সংযুক্ত থাকে।
যেমন কলা, টমেটো।

- সাইজোকার্প (Schizocarp): শুষ্ক অবিদারী ফল।
যেমন- ধনে, গাজর।

- সরোসিস (Sorosis): এক্ষেত্রে স্পাইক বা স্প্যাডিক্স মঞ্জরীটি একটি একক রসালো যৌগিক ফলে পরিণত হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- পেপো (Pepo): বহু বীজযুক্ত সরস ফল যাদের অমরাবিন্যাস বহুপ্রান্তীয় এবং গর্ভাশয় অধোগর্ভ। বহিঃত্বক চামড়ার মতো এবং বীজগুলো অমরার সাথে সংযুক্ত।
যেমন- কুমড়া, শসা।

- ড্রপ (Drupe): এক বা একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট গর্ভাশয়তে একক বীজযুক্ত ফলের সৃষ্টি হয়। এর বহিঃত্বক পাতলা, মধ্যত্বক রসালো ও পুরু এবং অজ্ঞত্বক কাষ্ঠল।
যেমন- আম, কুল ও আমড়া।

-  হেসপেরিডিয়াম (Hesperidium): সরস অবিদারী ফল। ফলের অন্তঃত্বক রসালো ও কোয়া গঠন করে।
যেমন- কমলা, বাতাবীলেবু।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৪,৪৬৭.
নিচের কোন পদার্থটির স্থিতিস্থাপকতা সর্বাপেক্ষা বেশি? 
  1. তামা 
  2. রাবার 
  3. সোনা
  4. ইস্পাত
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা

স্থিতিস্থাপকতা: 
- বল প্রয়োগ যদি কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বস্তু বিকৃত হয় তাহলে প্রযুক্ত বল সরিয়ে নিলে যে ধর্মের ফলে বিকৃত বস্তু আগের আকার ও আয়তন ফিরে পায় তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে। 
- যে বস্তুর বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতাও বেশি হবে। 
- লোহা ও রাবারের মধ্যে বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা লোহার বেশি তাই লোহা রাবারের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক। 

স্থিতিস্থাপক সীমা: 
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। 
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়। 
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন। 
যেমন- ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রাবারের খুব কম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। 

৪,৪৬৮.
অম্লধর্মী বাদামী গ্যাস কোনটি?
  1. N2O
  2. NO2
  3. N2O3
  4. N2O5
সঠিক উত্তর:
NO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NO2
ব্যাখ্যা
• NO₂ অম্লধর্মী বাদামী গ্যাস।

- NO₂ একটি বাদামী বর্ণের গ্যাস, যা বায়ুর সংস্পর্শে দৃশ্যমান হয়।
- এটি সাধারণত বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে পরিচিত।
- NO₂ পানির(H₂O) এর সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) এবং নাইট্রাস অ্যাসিড (HNO₂) উৎপন্ন করে, যা অম্লীয়।
     2NO2 ​+ H2​O → HNO3 ​+ HNO2
- এর অর্থ, NO₂ পানির সাথে মিশে অম্ল তৈরি করে, তাই এটি অম্লধর্মী গ্যাস।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৪৬৯.
স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকরী একককে কী বলা হয়?
  1. অ্যাক্সন 
  2. নিউরন
  3. নেফ্রন 
  4. ডেক্সন 
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৭০.
বোলতা এবং বিচ্ছুর হুলে থাকে -
  1. ক) হিস্টামিন
  2. খ) ফরমিক এসিড
  3. গ) অ্যাপামিন
  4. ঘ) মেলিটিন
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টামিন
ব্যাখ্যা
- বোলতা এবং বিচ্ছুর হুলে থাকে হিস্টামিন নামে এক ধরনের ক্ষারক পদার্থ।
- জ্বালা নিবারণের জন্য যে মলম ব্যবহার করা হয়, তাতে থাকে ভিনেগার অথবা বেকিং সোডা, যেগুলো এসিড কিংবা এসিড—জাতীয়। এগুলো ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে; ফলে জ্বালা আর থাকে না।

---------------------------
- পিঁপড়ার কামড়ে থাকে ফরমিক এসিড।
- মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন, এবং অ্যাপামিন নামক এসিটিক এসিড নিঃসৃত হয়।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৪,৪৭১.
তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে বলে -
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
ব্যাখ্যা
উর্ধ্বপাতন (Sublimation):
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

গলন: কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়।
গলনাঙ্ক: যে স্থির তাপমাত্রায় কোন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
স্ফুটনাঙ্ক: যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের বাষ্পীয় চাপ বায়ুমন্ডলীয় চাপের সমান হওয়ার কারণে ঐ তরল উপাদানটি তার অবস্থান থেকে বুদ্ বুদ্ গঠনসহ ফুটতে শুরু করে। ঐ তাপমাত্রাকে ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭২.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ডোপিং
  2. ক্যাপিং
  3. মিক্সিং
  4. ট্রান্সেন্ডিং
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৩.
জমিতে নাইট্রোজেনের অভাবজনিত সমস্যায় কোন সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ইউরিয়া সার
  2. টিএসপি সার
  3. সবুজ সার
  4. পটাশ সার 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া [(NH2)2C=O]: 
- উদ্ভিদের মৌলিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়
- মাটিতে ইউরিয়েজ নামক এক প্রকার এনজাইম ইউরিয়াকে ধীরে ধীরে বিয়োজিত করে এ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করে।
- উৎপন্ন এ্যামোনিয়া মাটিতে উপস্থিত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড পানিতে আংশিক বিয়োজিত হয়ে ও আয়ন উৎপন্ন করে।
- উদ্ভিদ আয়ন পুষ্টি উপাদান হিসেবে শোষণ করে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ ঊন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৪.
পেট্রোল বা ডিজেল পোড়ালে কোন ধরণের শক্তি পাওয়া যায়?
  1. ক) রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) আলোক শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
ব্যাখ্যা

পেট্রোল অথবা, ডিজেল পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। এছাড়া গ্যাস, কয়লা, কাঠ এর অনুরূপ।
রান্না করতে, মোটর গাড়ী বা, রেলগাড়ির ইঞ্জিন চালাতে যে শক্তি ব্যবহার করা হয়, তাকে তাপ শক্তি বলে।
তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী, উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

৪,৪৭৫.
জিনতত্ত্বের জনক কে?
  1. ক) চার্লস ডারউইন
  2. খ) থিওফ্রাস্টাস
  3. গ) কার্ল করেন্স
  4. ঘ) জোহান মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোহান মেন্ডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোহান মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
মেন্ডেল এর সূত্র অনুযায়ী জীবের বৈশিষ্ট্যসমূহ বংশগতিতে সঞ্চারণের যে ব্যাখ্যা দেয়া হয় তাকেই মেন্ডেলতত্ত্ব বলে।
মেন্ডেলতত্ত্ব আধুনিক জেনেটিক্স এর প্রধান ভিত্তি। একারণেই মেন্ডেলকে জেনেটিক্স এর জনক বলা হয়ে থাকে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৬.
টেকটোনিক প্লেট ধারণাটি নিচের কোন বিষয়ের সাথে জড়িত?
  1. মহাকাশ
  2. জলবায়ু
  3. ভূমিকম্প
  4. বায়ুমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
- টেকটোনিক প্লেট তত্ত্ব দ্বারা 'ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি'র উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়। 

টেকটোনিক প্লেট তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলা হয়। 
- এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। 
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। 
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। 
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। 
- একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে। 
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে। 
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয় । 
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে। 
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। 
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। 
- আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৪৭৭.
মেট্রিক পদ্ধতিতে ভরের একক কোনটি?
  1. গ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. কিলোগ্রাম
  4. মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm), ভরের একক গ্রাম (g) এবং সময়ের একক (s). 

এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m), ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং সময়ের একক (s). 

এফ.পি.এস পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft), ভরের একক পাউন্ড (lb) এবং সময়ের একক (s). 

উৎস: britannica.com এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৮.
কোন উদ্ভিদের পুষ্পায়নে আলো কোনো প্রভাব ফেলে না?
  1. তামাক
  2. আফিম
  3. টমেটো
  4. সয়াবিন
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ বিকাশের ক্ষেত্রে আলো ও উষ্ণতার প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। 
- এ সকল উদ্দীপনার ফলে বিভিন্ন সংশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান উৎপন্ন হয়ে নতুন অঙ্গের সৃষ্টি করে এবং কোষের উপাদানগুলো নিচের দিকে স্থানান্তরিত হয়। 
- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়। 
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 

২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়। 
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 

৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৯.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Diode
  2. Resistor
  3. Capacitor
  4. Transistor
সঠিক উত্তর:
Transistor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transistor
ব্যাখ্যা
• ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য সাধারণত ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। ট্রানজিস্টর একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। এটি ইনপুটে ছোট সিগন্যাল নেয় এবং আউটপুটে বড় সিগন্যাল দেয়, যা রেডিও, টিভি, এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ডায়োড সিগন্যালের দিক নির্ধারণ করে, রেজিস্টর বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং ক্যাপাসিটার সঞ্চিত চার্জ ধরে রাখে বা ছেড়ে দেয়, কিন্তু তারা সিগন্যাল বড় করার কাজ করে না।
- তাই, ছোট সিগন্যাল বড় করার জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) ট্রানজিস্টর।


ট্রানজিস্টর:

- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে।
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)।
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো।
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়।
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার।
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৮০.
ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক স্কোর বাের্ড ডিসপ্লে সাধারণত কী ধরনের অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরি?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
  3. গ) সৌরকোষ
  4. ঘ) ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
ব্যাখ্যা
Light Emiting Diode (LED) বা আলােক নিঃসারক ডায়ােড হলো সম্মুখ ঝোকবিশিষ্ট একটি p-n জাংশন ডায়ােড যা আলােক নি:সরণ করতে পারে। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৪,৪৮১.
'গ্যালিলিও' কি?
  1. মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
  2. বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
  3. শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
  4. পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
- গ্যালিলিও হলো পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।
- গ্যালিলিও মহাকাশযানটি নাসা কর্তৃক বৃহস্পতি গ্রহের গবেষণার জন্য প্রেরিত হয়েছিল।
- ১৯৮৯ সালের ১৮ অক্টোবর এটি উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৫ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বৃহস্পতি ও এর উপগ্রহসমূহের উপর গবেষণা পরিচালনা করে।
- গ্যালিলিও বৃহস্পতির প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হয়। মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল: বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের অধ্যয়ন, বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্রের পর্যবেক্ষণ, বৃহস্পতির প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোর গবেষণা, বৃহস্পতির বলয় ব্যবস্থার অধ্যয়ন।
- ২০০৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, গ্যালিলিও মহাকাশযানটি বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নাসা।
৪,৪৮২.
পৃথিবীতে ৫০ কেজি ভরের ব্যক্তির ভর চাঁদে কত হবে?
  1. ৮ কেজি
  2. ৩০ কেজি
  3. ৫০ কেজি
  4. ৯০ কেজি
সঠিক উত্তর:
৫০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ কেজি
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে ৫০ কেজি ভরের ব্যক্তির ভর চাঁদেও একই অর্থাৎ অপরিবর্তিত থাকবে। 

• মহাকর্ষ বল:

- মহাবিশ্বে সব বস্তুই পরস্পরকে আকর্ষণ করে বা নিজের দিকে টানে।এই আকর্ষণ বল কে বলা হয় মহাকর্ষ বল।
• চাঁদের মহাকর্ষ বল পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ গুণ কম। 
• চাঁদের মহাকর্ষ বলের কারণে, চাঁদে একজন মানুষের ওজন পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম হয়। অন্য কথায়, চাঁদে গেলে একজন মানুষের ওজন পৃথিবীর ওজনের ৬ ভাগের ১ ভাগ হবে। 
- কিন্তু চাঁদে ও পৃথিবীতে বস্তুর বা মানুষের ভর একই থাকবে। কারণ বস্তুর ভর স্থান নিরপেক্ষ।

• চাঁদের মহাকর্ষ বল কম হওয়ার প্রধান কারণ হল এর ভর এবং আকার।
- চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে অনেক ছোট এবং এর ভরও অনেক কম। মহাকর্ষ বল (F) বস্তুর ভর (m) এবং আকারের উপর নির্ভর করে।
- কোনো বস্তুর ভর যত বেশি এবং আকার তত বড়, তার মহাকর্ষ বলও তত বেশি হবে। যেহেতু চাঁদের ভর ও আকার পৃথিবীর চেয়ে কম, তাই এর মহাকর্ষ বলও কম। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
৪,৪৮৩.
নিচের কোনগুলো একটি ব্যাটারি সেলের কাঠামোগত অপরিহার্য অংশ?
  1. অ্যানোড, রোধ, সুইচ
  2. অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
  3. ক্যাথোড, ট্রানজিস্টর, ইলেকট্রোলাইট
  4. ডায়োড, পরিবাহী তার, রেজিস্টর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
ব্যাখ্যা

• অ্যানোড, ক্যাথোড ও ইলেকট্রোলাইট—এই তিনটি অংশের সমন্বয়েই একটি ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

• ব্যাটারির কার্যক্রম:
- দৈনন্দিন জীবনে টর্চ লাইট, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে আমরা ব্যাটারি সেল ব্যবহার করি।
- সাধারণ কথায় একটি সেলকেই ব্যাটারি বলা হলেও বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাটারি বলতে একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয় বোঝায়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি প্রকৃতপক্ষে একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়ে গঠিত।
- ব্যাটারি সেলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তি আকারে সঞ্চিত থাকে।

• ব্যাটারি সেলের গঠন:
- একটি অ্যানোড।
- একটি ক্যাথোড।
- মাঝখানে একটি ইলেকট্রোলাইট।

• ব্যাটারিতে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি:
- ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন অপসারিত হয়।
- এই ইলেকট্রনগুলো ক্যাথোডে জমা হয়।
- ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে তড়িৎ বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

• বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক:
- অ্যানোড ও ক্যাথোডকে পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রন অ্যানোডের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিককে বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক ধরা হয়।
- তাই বলা হয় অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে।

• ব্যাটারি নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণ:
- সাধারণ ব্যাটারি সেলের রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- তখন অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে আর বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে না।
- ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

• রিচার্জযোগ্য ব্যাটারি:
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারি পুনরায় চার্জ করা যায়।
- চার্জ দেওয়ার ফলে রাসায়নিক পদার্থ পুনরায় সক্রিয় হয়।
- তখন ব্যাটারি আবার বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী হয়ে ওঠে।

• প্রশ্নের অপশনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ টার্ম:
- অ্যানোড → ইলেকট্রন নির্গমন ঘটে এমন ইলেকট্রোড।
- ক্যাথোড → ইলেকট্রন গ্রহণ ঘটে এমন ইলেকট্রোড।
- ইলেকট্রোলাইট → আয়ন পরিবহনকারী রাসায়নিক মাধ্যম।
- রোধ → তড়িৎ প্রবাহে বাধা প্রদানকারী উপাদান।
- সুইচ → তড়িৎ বর্তনী চালু বা বন্ধ করার যন্ত্র।
- ট্রানজিস্টর → তড়িৎ সংকেত নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্ধনের উপাদান।
- ডায়োড → একমুখী তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী অর্ধপরিবাহী উপাদান।
- পরিবাহী তার → তড়িৎ প্রবাহ পরিবহনের মাধ্যম।
- রেজিস্টর → নির্দিষ্ট মানের রোধ প্রদানকারী উপাদান।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৪৮৪.
মাটির নিচ থেকে যে অপরিশোধিত তেল তোলা হয় তাকে কি বলা হয়?
  1. পেট্রোল
  2. ডিজেল
  3. ক্রুড অয়েল
  4. কেরোসিন
সঠিক উত্তর:
ক্রুড অয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রুড অয়েল
ব্যাখ্যা
• জ্বালানি শক্তি:
- জ্বালানি বলতে সেই সব পদার্থকে বোঝায় যাদের ভৌত বা রাসায়নিক গঠন বা অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে।

• এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে তেল, গ্যাস এবং কয়লা।
- তেল, গ্যাস এবং কয়লা তিনটিই হচ্ছে ফসিল জ্বালানি, অর্থাৎ লক্ষ-কোটি বছর আগে গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘদিনের তাপ আর চাপে এই রূপ নিয়েছে।
- মাটির নিচ থেকে কয়লা, তেল আর গ্যাসকে তুলতে হয়।
- মাটির নিচ থেকে যে তেল তোলা হয় তাকে বলা হয় ক্রুড অয়েল। প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো অনেক ঘন থাকে।
- রিফাইনারিতে সেগুলো পরিশোধন করে পেট্রল, ডিজেল বা কেরোসিনে রূপান্তর করা হয় এবং সাথে সাথে আরো ব্যবহারযোগ্য পদার্থ বের হয়ে আসে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৪,৪৮৫.
টিভির রিমােট কন্ট্রোলে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবলােহিত রশ্মি
  2. খ) আলফা রশ্মি
  3. গ) রঞ্জন রশ্মি
  4. ঘ) গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ক) অবলােহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবলােহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
অবলােহিত রশ্মি: একধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারন আলাে এর চেয়ে কম থাকে।
- ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলাে ৭-৩০০ মাইক্রোমিটার, যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হিসেবে ১-৪৩০ টেরাহার্জ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট।
- এই ক্ষুদ্র আলাে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না।
- এটি টিভির রিমােট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে, কুয়াশার মধ্যে ছবি তুলতে, ফলকে শুষ্ক করতে, মাংসপেশির ব্যথা বা টান এর চিকিৎসায় এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস- এইচ.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
৪,৪৮৬.
GAVI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Global Access to Vaccine Innovation
  2. General Agency for Vaccine Initiative
  3. Global Alliance for Vaccines and Immunization
  4. Global Association for Vaccine and Immunization
সঠিক উত্তর:
Global Alliance for Vaccines and Immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Alliance for Vaccines and Immunization
ব্যাখ্যা
• GAVI:
- পূর্ণরূপ: Global Alliance for Vaccines and Immunizasion।
- বৈশ্বিক টিকা বা ভ্যাকসিন বিষয়ক জোট।
- এটি ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করে। GAVI বিশ্বব্যাপী বিশেষত অনুন্নত বিশ্বে মরণব্যাধি ও সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ, বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন প্রভৃতি সহযোগীদের মাধ্যমে GAVI এর কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে।

উৎস: GAVI ওয়েবসাইট।
৪,৪৮৭.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশি? 
  1. তাপমাত্রা
  2. ত্বরণ
  3. তড়িৎপ্রবাহ
  4. দীপন তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- কিছু কিছু মূল রাশি আছে, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয়। এসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে। 
- রাশিগুলোকে পরিমাপ করতে অন্য কোন এককের উপর নির্ভর করতে হয় না। 

যৌগিক বা লব্ধ রাশি: 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। 
- যে গুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৮.
বিবর্তনের উপর ১ম বিশ্লেষণীতত্ত্ব -
  1. চার্লস ডারউইনের
  2. ল্যামার্কের
  3. ক্যারোলাস লিনিয়াসের
  4. এরিস্টটলের
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্কের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্কের
ব্যাখ্যা
বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জিনরাশি ছড়িয়ে পড়ে তারাই বংশপ্রবাহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে।
ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
সর্বপ্রথম, জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।
-হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বির্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, ২০২১
৪,৪৮৯.
পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহন করে-
  1. ক) স্ক্লেরাইড
  2. খ) ভেসেল
  3. গ) জাইলেম
  4. ঘ) ফ্লোয়েম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্লোয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্লোয়েম
ব্যাখ্যা

- ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহন করে।
- জাইলেম খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে।‌
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৯০.
অধাতুর উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়রন
  2. জিংক
  3. ক্লোরিন
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ:
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে।
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে।
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতু:
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি।

অধাতু:
- অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯১.
ধাতুর ক্ষয়রোধের উপায় নয় কোনটি?
  1. ক) রঙ করা
  2. খ) ইলেকট্রোপ্লেটিং
  3. গ) গ্যালভানাইজিং
  4. ঘ) ভলকানাইজিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভলকানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভলকানাইজিং
ব্যাখ্যা

ধাতু বা সংকর ধাতু যদি বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সংস্পর্শে না আসে তবে ধাতু ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
- এটা বিভিন্নভাবে করা যায়, যেমন- রঙ করা, ইলেকট্রোপ্লেটিং, গ্যালভানাইজিং ইত্যাদি।

- রাবারের তৈরী জিনিসপত্রের সাথে সালফার বা গন্ধক মেশানোর প্রক্রিয়াকে ভলকানাইজিং বলে।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৪৯২.
ভূ-সংযোগ তারের প্রধান কাজ কী?
  1. বিদ্যুৎ বিল কমানো
  2. যন্ত্রের ভোল্টেজ বাড়ানো
  3. অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহের গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা

• গ্রাউন্ড বা ভূ-সংযোগ:

- হাত দিয়ে ধরে ব্যবহার করা বা যে সব তড়িৎ যন্ত্রকে সব সময় স্পর্শ করে ব্যবহার করা হয় যেমন কম্পিউটার, ফ্রিজ, হেয়ার ড্রায়ার, ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক রেজার, ওভেন, কল কারখানার বড় বড় দামী তড়িৎ যন্ত্র ইত্যাদিতে দুইটি তারের অতিরিক্ত আরও একটি তার যুক্ত থাকে। এই তারটি যন্ত্রগুলোর দেহের (Body) সাথে যুক্ত থাকে। তারের অপর প্রান্ত দৃঢ় ভাবে ভূমির সাথে যুক্ত। এই তারকে ভূ-সংযোগ তার বা গ্রাউন্ডেড তার বলে।
- যদি কোনো কারণে যন্ত্রপাতি তড়িতাহিত হয়ে যায় তাহলে এই তার বেয়ে তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি ভূমিতে চলে যায়। কাজেই যন্ত্রটিকে স্পর্শ করে বা ধরে কাজ করলেও ইলেকট্রিক শক খাওয়ার আশংকা থাকে না
- অপর দিকে যদি সংযোগ ত্রুটি বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমগ্র যন্ত্রটির দেহ উচ্চ বিভবের সাথে সংযোগ হয়ে যায় তাহলে ভূ-সংযোগের কারণে উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে প্রবাহিত হয়ে যায় এবং এর ফলে ফিউজ তার গলে গিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেজন্য যন্ত্রটি বিপদমুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯৩.
কোন বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশী?
  1. খনির ভিতরে
  2. পাহাড়ের উপর
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. বিষুব অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।  
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৪৯৪.
নক্ষত্রসমূহে শক্তি উৎপাদিত হয়-
  1. রাসায়নিক বিক্রিয়ায়
  2. নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়ায়
  3. নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
  4. ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একসঙ্গে জুড়ে অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং ভারী একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে নিউক্লীয় সংযোজন বা ফিউশন বলা হয়।

সূর্য ও বিভিন্ন নক্ষত্রগুলির অভ্যন্তরে তাপ নিউক্লীয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়। এদের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের কয়েক কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা এই ধরনের নিউক্লীয় সংযোজনের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী।
বর্তমান স্বীকৃত তত্ত্ব হল: সূর্যের অভ্যন্তরে কয়েকটি ধাপে তাপ নিউক্লীয় বিক্রিয়ার একটি চক্র সম্পূর্ণ হয়, প্রতি চক্রে মূলত চারটি প্রোটনের নিউক্লীয় সংযোজনের ফলে তৈরি হয় একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং দুটি পজিট্রন।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯৫.
চাল কোন জাতীয় খাদ্য বলে বিবেচিত?
  1. কার্বোহাইড্রেট জাতীয়
  2. স্নেহজাতীয়
  3. ধাতব লবণ জাতীয়
  4. ভিটামিন জাতীয়
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট জাতীয়
ব্যাখ্যা
- চাল শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য বলে বিবেচিত। 

শর্করা বা শ্বেতসার: 

- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়। 
- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হল এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ। 
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে। 
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র। 
- গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 

- সাধারণত চাল, গম, আলু থেকে শর্করা বা শ্বেতসার পাওয়া যায়। 
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না বলে একে চাল, আটা, আলু ইত্যাদির সাথে রান্না করে খাোয়া হয়। 
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 
- দ্বি-শর্করা ও বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়। 
- কারণ মানবদেহে শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৯৬.
কোন গ্যাসটি নোবেল গ্যাস নয়?
  1. আর্গন
  2. জেনন
  3. রেডন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

ক্লোরিন (Cl) হলো হ্যালোজেন গ্যাস, নোবেল গ্যাস নয়। 

নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এ গ্রুপের মৌল গুলো হলো—
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

৪,৪৯৭.
কোন ভিটামিন এ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে? 
  1. ভিটামিন ডি
  2. ভিটামিন কে 
  3. ভিটামিন এ
  4. ভিটামিন ই
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
ব্যাখ্যা

ভিটামিন ই: 
- বাদাম, অংকুরিত ছোলা, বীজ জাতীয় খাদ্য, পামতেল, সূর্যমুখী তেল, লেটুস পাতা ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস। 
- ভিটামিন ই হচ্ছে এটি একটি এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ধমনীতে চর্বি জমা রোধ করে, ত্বক সুস্থ রাখে, সন্তান জন্মদান ক্ষমতা দেয়। 
- ভিটামিন ই-এর অভাবে জরায়ুর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু হতে পারে। 
- প্রাপ্ত বয়স্কদের দৈনিক ৫-১০ মিলিগ্রাম এবং শিশু-কিশোরদের ১০-৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই-এর প্রয়োজন হয়। 

ভিটামিন কে: 
- সবুজ শাক সবজি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা, ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছ, মাংস ইত্যাদি ভিটামিন কে-এর ভালো উৎস। 
- ভিটামিন কে রক্তপাত নিরাময়ে সাহায্য করে। 
- ভিটামিন কে-এর অভাবে গর্ভবতী মহিলাদের রক্তপাত বেশি হয়। 
- শিশুদের দৈনিক ২০ মাইক্রোগ্রাম, প্রাপ্ত বয়স্কদের ৪০ মাইক্রোগ্রাম এবং গর্ভবতীদের ১-২ মিলিগ্রাম ভিটামিন কে-এর প্রয়োজন হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯৮.
কোনটির উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক) তড়িৎ আবেশ
  2. খ) চৌম্বকীয় আবেশ
  3. গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
  4. ঘ) স্থির তড়িৎ আবেশ
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator):
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর। 
-  এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৯৯.
রংধনুর সাতটি রঙের মধ্যে সর্বশেষ রঙ কোনটি?
  1. ক) হলুদ
  2. খ) নীল
  3. গ) লাল
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
ব্যাখ্যা

রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ সাতটি রঙের মধ্যে সর্বশেষ রং - লাল।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫০০.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ৪৫ ভাগ
  2. খ) ৫৭ ভাগ
  3. গ) ৭৩ ভাগ
  4. ঘ) ৮৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৩ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়া
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু।
- শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে ডিএনএ, আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
- শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর ভিতরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।