বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪২ / ১৪০ · ৪,১০১৪,২০০ / ১৪,০৮০

৪,১০১.
কোন মাধ্যমে শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলাচল করে?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) বায়ু 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন
ব্যাখ্যা

শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। শব্দ সবচেয়ে বেশি দ্রুত চলাচল করে থাকে কঠিন মাধ্যমে, এরপর যথাক্রমে তরল এবং গ্যাসীয় মাধ্যমে।
শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

৪,১০২.
ডিজিটাল সংকেত সাধারণত কোন দুটি স্তর প্রদর্শন করে? 
  1. উচ্চ এবং নিম্ন
  2. দুর্বল ও শক্তিশালী
  3. ধনাত্মক ও ঋণাত্মক
  4. সংকীর্ণ ও বিস্তৃত
সঠিক উত্তর:
উচ্চ এবং নিম্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ এবং নিম্ন
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system) এবং 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- ডিজিটাল সংকেত একটি বিশেষ ধরনের সংকেত যা একটি নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ মান ধারণ করে। এই সংকেতের মধ্যে অন্য কোনো স্তর বা মধ্যবর্তী মান থাকে না। 
- এই ধরনের সংকেতকে চৌকো তরঙ্গ (square waves) বলা হয়, কারণ এটি কেবল দুটি স্তরের (উচ্চ এবং নিম্ন) মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
- ডিজিটাল সিগন্যালের ক্ষেত্রে ক্রমানুসারে পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহৃত হয়।
- ইলেকট্রনিক্সে এই ধরনের সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারি (binary) সংকেত বলা হয়।
- ডিজিটাল সংকেতের জন্য, দুটি আলাদা অবস্থায় কাজ করা যন্ত্রাংশ প্রয়োজন হয়।
উদাহরণস্বরূপ, ট্রানজিস্টরের সচল (on) বা অচল (off) অবস্থা দ্বারা এই সংকেতকে বোঝানো সম্ভব।
- এছাড়াও, প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি, অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা এবং অচৌম্বকায়িত অবস্থা ব্যবহার করেও ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটি চিহ্নিত করা যায়।
- ডিজিটাল সংকেতের দুটি স্তরকে সাধারণত 0 এবং 1, সত্য এবং মিথ্যা, অথবা উচ্চ এবং নিম্ন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি জনপ্রিয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১০৩.
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোন দেশের এক জন পদার্থবিজ্ঞানী?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
- জন্ম ২৩ এপ্রিল, ১৮৫৮, কিয়েল , শ্লেসউইগ [জার্মানি]।
- তিনি ছিলেন একজন জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিদ।
- যিনি কোয়ান্টাম তত্ত্বের উদ্ভব করেছিলেন ।
- এ অবদানের  জন্য ১৯১৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- প্ল্যাঙ্ক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অনেক অবদান রেখেছিলেন , কিন্তু তার খ্যাতি মূলত তার প্রবর্তক হিসাবে তার ভূমিকার উপর নির্ভর করে।
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব . এই তত্ত্বটি পারমাণবিক এবং উপপারমাণবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের বোঝার বিপ্লব ঘটিয়েছে।
-  বিংশ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক তত্ত্ব গঠন করে । 
- মৃত্যু ৪ অক্টোবর, ১৯৪৭ গটিংজেন , জার্মানি। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,১০৪.
কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক মতবাদ প্রকাশ করেন?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. এডুইন হাবল
  3. জর্জ ল্যামেটার
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
এডুইন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডুইন হাবল
ব্যাখ্যা

১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল তার ২.৫ মি. টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

১৯২৯ সালে হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।

হাবলের সূত্রানুসারে-
গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,১০৫.
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে কী বলা হয়?
  1. পরমাণু
  2. অণু
  3. ইলেকট্রন
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
ব্যাখ্যা
• পরমাণু:
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে।

• পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক।
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি।
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না।

• অণু:

- মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলী অক্ষুন্ন রেখে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে তাকে অণু বলে। দুই বা ততোধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে।

• ইলেকট্রন:
ইলেকট্রন একটি অধঃ-পরমাণু মৌলিক কণা যা একটি ঋণাত্মক তড়িৎ আধান বহন করে।

• নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন (Neutral) বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১০৬.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের বয়স কত?
  1. ১০ বিলিয়ন বছর
  2. ৫.৭ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
  4. ১৫.৩ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

◉ বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের উৎপত্তি প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি অতিশয় ঘন এবং উত্তপ্ত বিন্দু থেকে বিস্তার লাভ করে। এরপর থেকে মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। 
​- নাসা (NASA) এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ESA) বিভিন্ন গবেষণা (যেমন: WMAP ও Planck স্যাটেলাইটের পর্যবেক্ষণ) থেকেও মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স ১৩.৮ বিলিয়ন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

​বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.
সুতরাং, বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৪,১০৭.
MCH এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Maternal and Care Health
  2. খ) Maternal and Caring Health
  3. গ) Maternal and Child Health
  4. ঘ) Mother and Child Health
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
ব্যাখ্যা
MCH এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Maternal and Child Health. 

মা ও শিশুর বিদ্যালয় পূর্ব বয়স পর্যন্ত প্রদেয় উন্নয়নমূলক, প্রতিরোধমূলক, আরোগ্য সহায়ক এবং পুনর্বাসনমূলক স্বাস্থ্য সেবাকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা বলে।

উদ্দেশ্যঃ
1.মাতৃ মৃত্যু, নবজাতক মৃত্যু হার হ্রাস করা;
2.প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নয়ন;
3.পরিবারে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ।
4.মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উপাদান সমূহঃ
5.মাতৃ স্বাস্থ্য;
6.পরিবার পরিকল্পনা;
7.শিশু স্বাস্থ্য;
8.স্কুল স্বাস্থ্য;
9.প্রতিবন্ধী শিশুর যত্ন;
10.শেষ স্থানে শিশুর যত্ন যেমন, ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুর যত্ন।

সূত্র: World Vision Website.
৪,১০৮.
নিচের কোনটি মহাবিশ্ব বল নয়?
  1. ক) তাড়িৎচৌম্বকীয় বল
  2. খ) দুর্বল নিউক্লিয়ার বল
  3. গ) অভিকর্ষ বল
  4. ঘ) শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল
সঠিক উত্তর:
গ) অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের চার ধরনের বল রয়েছে। যথা-মহাকর্ষ, তাড়িৎচৌম্বকীয়, দুর্বল নিউক্লিয়ার বল এবং শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১০৯.
চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে কি কারণে?
  1. ক) ত্বরণ
  2. খ) বেগ
  3. গ) গতি
  4. ঘ) জড়তা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জড়তা
ব্যাখ্যা
স্থির বস্তুর স্থির এবং গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকার প্রবণতা কে জড়তা বলে। চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে বসে থাকা যাত্রীর নিচের অংশ স্থির হয়ে গেলেও জড়তার কারণে উপরের অংশ গতিশীল থাকে তাই যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
৪,১১০.
স্ফুটন শুরু হওয়ার কত মিনিট ধরে স্ফুটন করলে পানি জীবাণুমুক্ত হয়?
  1. ক) ১৫-২০ মিনিট
  2. খ) ২০-২৫ মিনিট
  3. গ) ২৫-৩০ মিনিট
  4. ঘ) ১২-১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫-২০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫-২০ মিনিট
ব্যাখ্যা
পানি ফুটতে শুরু করার পর আরও ২০ মিনিট তাপ দিলে পানিতে থাকা জীবাণু মারা যায়।
৪,১১১.
ক্ষার ধাতু পর্যায় সারণির কোন গ্রুপে অবস্থিত? 
  1. গ্রুপ-1
  2. গ্রুপ-2
  3. গ্রুপ-11
  4. গ্রুপ-17
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-1
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১২.
বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি -
  1. অপরিবর্তিত থাকে
  2. কমে যায়
  3. তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে
  4. বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
• বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।

• শব্দের বেগের পরিবর্তন:

- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms- 1 নির্দিষ্ট।
- কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms- 1.
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা I K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms- 1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৩.
নিচের কোনটি মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড নয়?
  1. গ্লাইসিন
  2. ভ্যালিন
  3. লিউসিন
  4. থ্রিওনাইন
সঠিক উত্তর:
গ্লাইসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইসিন
ব্যাখ্যা
আমিষ: 

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 
- ২০ টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়। 
- এগুলো হলো:
• লাইসিন,
• ট্রিপেটোফ্যান,
• মিথিওনিন,
• ভ্যালিন,
• লিউসিন,
• আইসোলিউসিন,
• ফিনাইল অ্যালানিন ও
• থ্রিওনাইন। 

- এই ৮ টি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি। 
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম।
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য।
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং ইত্যাদি সবগুলোই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়।
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১১৪.
কোন দর্পণে প্রতিবিম্বের আকার সবসময় লক্ষ্যবস্তুর সমান হয়? 
  1. উত্তল দর্পণে 
  2. অবতল লেন্সে 
  3. সমতল দর্পণে 
  4. অবতল দর্পণে 
সঠিক উত্তর:
সমতল দর্পণে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতল দর্পণে 
ব্যাখ্যা
রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়, কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৫.
ম্যান্ডেলের ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্রানুযায়ী ফিনোটাইপের অনুপাত কত?
  1. ৯:৩:৩:১
  2. ৩:১
  3. ১:২:১
  4. ৭:৫:৩:১
সঠিক উত্তর:
৯:৩:৩:১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯:৩:৩:১
ব্যাখ্যা
জিনোটাইপ (Genotype): 
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। যেমন: লম্বা হওয়ার জিন, খাটো হওয়ার জিন।
- জিনোটাইপ বাহ্যিক ভাবে দেখা যায় না।

ফিনোটাইপ (Phenotype): 
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। যেমন: লম্বা, সুন্দর, খাটো, কালো।
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ। 

মেন্ডেলের সূত্র: 
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩ : ১ এবং জিনোটাইপের অনুপাত ১ : ২ : .১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ফিনোটাইপের অনুপাত ৯:৩:৩:১ ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৬.
৮ নিউটন বল কোন বস্তুর ২ সেকেন্ড ব্যপী ক্রিয়া করলে, ভরবেগের পরিবর্তন কত হবে?
  1. ক) ৪ kgms-1
  2. খ) ৮ kgms-1
  3. গ) ১৬ kgms-1
  4. ঘ) ৩২ kgms-1
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ kgms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ kgms-1
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
বল = ভরবেগের পরিবর্তন / সময় 
⇒ ভরবেগের পরিবর্তন = বল × সময় 
= ৮ × ২ kgms-1
= ১৬ kgms-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৭.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. তড়িৎ চৌম্বক বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১১৮.
কোনটি উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় ম্যাক্রো খনিজ পুষ্টি উপাদান?
  1. দস্তা
  2. লৌহ
  3. সালফার
  4. কপার
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। 
- এ ৬০টি উপাদানের মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

২। মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৯.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ড্রাগ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র অবৈধ মাদকদ্রব্য
  2. এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
  3. কেবল নেশাজাতীয় দ্রব্য
  4. রোগ নিরাময়ের ওষুধ
সঠিক উত্তর:
এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, ড্রাগ হলো এমন পদার্থ যা জীবিত প্রাণী গ্রহণ করলে তার এক বা একাধিক স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন ঘটে।

• মাদকাসক্তি (Drug Addiction):
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ড্রাগের একটি আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা দিয়েছে।
- WHO-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, ড্রাগ এমন পদার্থ যা গ্রহণ করলে জীবের স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন ঘটে।
- ড্রাগ মানেই সবসময় মাদক নয়, তবে সাধারণ ভাষায় ড্রাগকে মাদক বলা হয়।
- ড্রাগ গ্রহণের ফলে শারীরিক, মানসিক বা আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
 
• মাদকাসক্তি বা ড্রাগ নির্ভরতা:
- যখন কোনো ব্যক্তি ক্রমাগত ড্রাগ সেবন করে।
- তখন ড্রাগের সাথে তার একটি দৈহিক ও মানসিক সম্পর্ক তৈরি হয়।
- নিয়মিত ড্রাগ গ্রহণ না করলে সে ব্যক্তি শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়ে।
- এই অবস্থাকেই বলা হয় মাদকাসক্তি বা ড্রাগ নির্ভরতা।
 
• আসক্তি সৃষ্টি করে এমন উল্লেখযোগ্য ড্রাগ:
- বিড়ি ও সিগারেট,
- আফিম ও আফিমজাত পদার্থ,
- হেরোইন,
- মদ,
- পেথিড্রিন,
- বারবিচুরেট,
- কোকেন,
- ভাং, চরস ও ম্যারিজুয়ানা,
- এলএসডি।
- এদের মধ্যে হেরোইন একটি মারাত্মক ড্রাগ।
 
• ড্রাগে আসক্ত হওয়ার কারণ:
- কৌতূহল,
- সঙ্গদোষ,
- হতাশা দূর করার প্রচেষ্টা,
- মানসিক যন্ত্রণা ভুলে থাকার চেষ্টা,
- নিজেকে বেশি কার্যক্ষম মনে করার আকাঙ্ক্ষা,
- পারিবারিক অশান্তি থেকে মুক্তির ইচ্ছা,
- পারিবারিক অভ্যাসগত প্রভাব,
- বাবা বা মা মাদকে আসক্ত হলে সন্তানের আসক্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- শুধুমাত্র অবৈধ মাদকদ্রব্য → WHO-এর সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- কেবল নেশাজাতীয় দ্রব্য → ড্রাগের ব্যাপ্তি এর চেয়ে বেশি।
- রোগ নিরাময়ের ওষুধ → সব ওষুধ ড্রাগ হলেও সব ড্রাগ রোগ নিরাময়ের জন্য নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,১২০.
রাতের বেলা উদ্ভিদে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয় না? 
  1. H
  2. O2
  3. N
  4. CO
সঠিক উত্তর:
O2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O2
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদে গ্যাসীয় বিনিময়: 
- উদ্ভিদের জীবনে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) এবং শ্বসন (Respiration) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রক্রিয়া। 
- মূলত এই দুটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদের গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে থাকে, এই প্রক্রিয়া দুটি ঘটে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে। 
- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে এবং O2 ত্যাগ করে, অন্যদিকে শ্বসন প্রক্রিয়ায় জন্য O2 গ্রহণ করে এবং CO2 ত্যাগ করে। 
- উদ্ভিদে প্রাণীর মতো শ্বাস নেওয়ার জন্য কোনো বিশেষ অঙ্গ নেই, তবে পাতার স্টোমাটা ও পরিণত কাণ্ডের বাকলে অবস্থিত লেন্টিসেলের (Lenticel) মাধ্যমে অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য গ্যাসের বিনিময় ঘটে। 
- দিনের বেলা বা পর্যাপ্ত আলোর উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণের হার অধিক হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত অক্সিজেন গ্যাসের কিছু অংশ শ্বসন প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয়। 
- আবার শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের কিছু অংশ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহার হয়, তাই আদান-প্রদানকৃত অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় সমান।

- রাতের বেলা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক পর্যায় বন্ধ থাকে, তাই অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
- অন্যদিকে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টা শ্বসন প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়, ফলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের উৎপাদন চলতে থাকে। এ জন্য বড় গাছের নিচে রাত্রিবেলা ঘুমালে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। 
- উদ্ভিদ তার পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় গ্যাস সংগ্রহ করে। 
- উদ্ভিদের পাতা যেরকম বাতাস থেকে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস সংগ্রহ করে, তেমনি মূল মাটি থেকে পানি শোষণ করে। 
- শোষিত সেই পানির সাথে CO2 এর বিক্রিয়ার ফলে O2 গ্যাস উৎপাদন হয়, যা বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। এভাবে উদ্ভিদদেহে গ্যাস বিনিময় চলতে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১২১.
ডিএনএ-এর ডাবল-হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ডারউইন ও ওয়ালেস
  2. ওয়াটসন ও ক্রিক
  3. মেন্ডেল ও জেনসেন
  4. ল্যামার্ক ও ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন (James Watson) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick) ডিএনএ-এর Double Helix Structure প্রস্তাব করেন।
 
ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো: 
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক এবং মার্কিন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর বর্ণনা দেন। 
- এই ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- ডিএনএ হলো একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- ডিএনএ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো প্রথম আবিষ্কার করেন জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক। 
- এজন্য জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিককে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনকও বলা হয়। 
- উল্লেখ্য, ডিএনএ প্রথম উপস্থাপন করেন ফ্রেডরিক মাসচার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১২২.
প্রাথমিক জাইলেম কোন টিস্যু থেকে সৃষ্ট হয়? 
  1. প্রোক্যাম্বিয়াম 
  2. প্যারেনকাইমা
  3. ফ্লোয়েম 
  4. স্ক্লেরেনকাইমা 
সঠিক উত্তর:
প্রোক্যাম্বিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোক্যাম্বিয়াম 
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু: 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এই টিস্যু উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
-  জটিল টিস্যু দুই ধরনের। 
যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ (vascular bundle) গঠন করে। 

জাইলেম (Xylem) টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যু দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক জাইলেম টিস্যু ও গৌণ জাইলেম টিস্যু। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১২৩.
সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত সূত্র কে দেন?
  1. গ্যালিলিও
  2. কোপারনিকাস
  3. কেপলার
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেপলার
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন।
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন।
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে।
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- তিনি সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত

• প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্ৰ সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৪.
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অনিশ্চয়তা নীতির প্রবক্তা কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. হাইজেনবার্গ
  3. বোর
  4. শ্রোডিঞ্জার 
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
ব্যাখ্যা

◉ ভার্নার হাইজেনবার্গ (Heisenberg) ১৯২৭ সালে Uncertainty Principle (অনিশ্চয়তা নীতি) প্রবর্তন করেন।

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Uncertainty Principle): 
- জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ভার্নার হাইজেনবার্গ ১৯২৭ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- কোনো কণার অবস্থান (position) এবং বেগ/ভরবেগ (velocity/momentum) একসাথে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। প্রকৃতিতে “একই সাথে সঠিক অবস্থান ও সঠিক ভরবেগ”-এর ধারণাটির কোনো বাস্তব অর্থ নেই।
- পরমাণু বা পরমাণু কণার (যেমন: ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করতে গেলে অবস্থান পরিবর্তিত হয়, আর অবস্থান মাপতে গেলে বেগের তথ্য অনিশ্চিত হয়।
- অনিশ্চয়তা নীতির ধারণা থেকেই তৈরি হয়েছে কণা ত্বরক বা পার্টিকল অ্যাকসিলারেটর যন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার।

গাণিতিক রূপ:
Δx⋅Δp ≥ h/4π

এখানে, 
Δx = অবস্থান নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
Δp = ভরবেগ নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
আলবার্ট আইনস্টাইন (Einstein): আপেক্ষিকতার বিশেষ ও সাধারণ তত্ত্বের প্রবক্তা।
নিলস বোর (Bohr): পরমাণুর গঠন ও বোর মডেলের প্রবক্তা।
এরউইন শ্রোডিঙ্গার (Schrödinger): তরঙ্গ যান্ত্রিকতায় (wave mechanics) অবদান ও Schrödinger সমীকরণ প্রদান করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪,১২৫.
২য় শেল (L-শেল) সর্বাধিক কতটি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে? 
  1. 18
  2. 2
  3. 8
  4. 32
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাস: 
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 
n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
- নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
- নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। 
- দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 
- প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন ( যেখানে, n = 1, 2, 3......) থাকতে পারে। 
যেমন- 
• ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (1)2 = 2 টি, 
২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (2)2 = 8 টি
• ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (3)2 = 18 টি এবং 
• ৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (4)2 = 32 টি । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১২৬.
রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।

• টেলিভিশন:

- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

• রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৭.
সোডিয়ামের আকরিক নিচের কোনটি?
  1. চুনাপাথর
  2. হেমাটাইট
  3. বক্সাইট
  4. রকসল্ট
সঠিক উত্তর:
রকসল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকসল্ট
ব্যাখ্যা
• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১২৮.
মশা দ্বারা সংক্রমিত রোগ নয় কোনটি?
  1. ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. খ) ফাইলেরিয়া
  3. গ) পীতজ্বর
  4. ঘ) গোদ
সঠিক উত্তর:
ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা
- মশা এক প্রকার পতঙ্গ শ্রেণির প্রাণী। অস্বাস্থ্যকর নোংরা পানিতে এরা জন্মায়। এনেফিলিস, কিউলেক্স ও অ্যাডিস এই তিন প্রকার মশা হয়ে থাকে।

- ফাইলেরিয়া রোগের সাধারণ নাম হলো গোদ। বিভিন্ন প্রজাতির কিউলেক্স মশকী এই রোগের বাহক। এ রোগের প্রধান লক্ষণ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন: হাত, পা ইত্যাদি ফুলে যাওয়া।

- পীতজ্বর ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি ব্যাধী। বিভিন্ন প্রজাতির অ্যাডিস মশকী এ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস প্রাণীর দেহে সংক্রমিত করে। এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রচন্ড জ্বর ও তাপের সাথে মাথায় যন্ত্রণা অনুভুত হয়। মুখ ফুলে যায় এবং মুখ লালচে রং ধারণ করে।

- ভাইরাস অতি সূক্ষ, কোষবিহীন রোগ সৃষ্টিকারী জীব। এরা পোষক জীবকোষে দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করে থাকে। হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, এইডস প্রভৃতি নানাবিধ মারাত্মক রোগ বিভিন্ন ভাইরাস দিয়ে সংগঠিত হয়।

 সূত্র: পরিবেশ শিক্ষা-বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৯.
নিচের কোনটি ভাইরাস ঘটিত রোগ?
  1. যক্ষ্মা
  2. ডেঙ্গু
  3. কলেরা
  4. প্লেগ
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস ল্যাটিন ভাষা হতে গৃহীত একটি শব্দ।
- এর অর্থ হল বিষ।
- ভাইরাস বলতে এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক অকোষীয় রোগ সৃষ্টিকারী বস্তুকে বোঝায়।
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: এইডস, জন্ডিস, কোভিড - ১৯, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা ইত্যাদি।

• ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ।
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি।
- এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকা(Platelet) এর মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনোবা ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

অপরদিকে,
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ট ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান এবং ব্রিটানিকা।
৪,১৩০.
FPGA refers to-
  1. ক) Field Programming Gate Array
  2. খ) Field Programmable Gate Array
  3. গ) Field Programming Gate Area
  4. ঘ) Field Programmable Gate Area
সঠিক উত্তর:
খ) Field Programmable Gate Array
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Field Programmable Gate Array
ব্যাখ্যা
FPGA refers to Field Programmable Gate Array.
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৩১.
বজ্রপাতের মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন কীভাবে পৌঁছায়?
  1. বাতাসের চাপের মাধ্যমে
  2. বজ্রপাত দ্বারা নাইট্রোজেন অ্যামোনিয়াম ও নাইট্রেটে রূপান্তর, বৃষ্টিতে মাটিতে পৌঁছানো
  3. সূর্যালোকের বিকিরণ দ্বারা
  4. অক্সিজেনের সরাসরি আঘাতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত দ্বারা নাইট্রোজেন অ্যামোনিয়াম ও নাইট্রেটে রূপান্তর, বৃষ্টিতে মাটিতে পৌঁছানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত দ্বারা নাইট্রোজেন অ্যামোনিয়াম ও নাইট্রেটে রূপান্তর, বৃষ্টিতে মাটিতে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত নাইট্রোজেনকে অ্যামোনিয়াম (NH4+) এবং নাইট্রেটে (NO3-) রূপান্তরিত করে, পরে বৃষ্টির মাধ্যমে মাটিতে পৌঁছায়।

- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ।
- বায়ুমন্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
 - উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার।
- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট।
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে, বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে।
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়।
- গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে।
- যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৩২.
Sericulture শব্দের 'Serio' অর্থ কী? 
  1. রেশম 
  2. তন্তু 
  3. মৌমাছি
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
রেশম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম 
ব্যাখ্যা

সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। 
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়। 
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম। 
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়। 
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত। 
- এই দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৩৩.
পদার্থের চতুর্থ অবস্থাটির নাম কী?
  1. গ্যাস
  2. প্লাজমা
  3. তরল স্ফটিক
  4. বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
ব্যাখ্যা

• পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা।
- এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস। প্লাজমার বড় উৎস হচ্ছে সূর্য। তাছাড়াও অন্যান্য নক্ষত্রগুলোও প্লাজমার উৎস। প্রায় কয়েক হাজার ডিগ্রী সেলসিয়অস তাপমাত্রায় প্লাজমা অবস্থার উৎপত্তি হয়। 

• বৈশিষ্ট্যসমূহ-
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থের এই অবস্থাটি আয়নিত রূপে থাকে।
- প্লাজমা অবস্থার মূল উৎস হচ্ছে সূর্য। 
- সূর্য ব্যতীত মহাবিশ্বের তারা বা নক্ষত্র পদার্থের এই চতুর্থ অবস্থার উৎস হিসেবে কাজ করে।
- অত্যাধিক তাপমাত্রায় (প্রায় ১-২ হাজার ডিগ্রী ) প্লাজমা অবস্থার উদ্ভব ঘটে।
- গবেষণাগারে নিম্নচাপে গ্যাসীয় পদার্থকে উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়। 
- গ্যাসীয় পদার্থের মতো প্লাজমার নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নেই। 
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায়ও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে। 

অন্যান্য অপশন:
- গ্যাস (Gas): এটি পদার্থের তৃতীয় অবস্থা।
- তরল স্ফটিক (Liquid Crystal): এটি পদার্থের একটি মধ্যবর্তী বিশেষ অবস্থা, যা সাধারণত বৈদ্যুতিক ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হয়। এটি পদার্থের মূল অবস্থাগুলোর মধ্যে গণ্য হয় না।
- বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট (BEC): এটি হলো পদার্থের পঞ্চম অবস্থা, যা অতি নিম্ন তাপমাত্রায় তৈরি হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৪,১৩৪.
কুকুরের মুখে দাঁতের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৮
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৪৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৪
ব্যাখ্যা
• কুকুরের দুই সেট দাঁত থাকে।
- তাদের চোয়ালের উপরে ২০টি এবং নীচে ২২টি দাঁত থাকে। 
- ২৮টি দাঁত ছয় থেকে আট সপ্তাহ বয়সের মধ্যে ফুটে ওঠে কুকুরছানার। 
- ছয় থেকে সাত মাস বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক কুকুরের ৪২টি দাঁত হয়।
- তবে কুকুর Chow Chow অন্য সব কুকুরের থেকে ভিন্ন। তাদের ৪৪টি দাঁত আছে। 

* অপশনে ৪২ না থাকায় কুকুরের মুখে দাঁতের সংখ্যা ৪৪টি সঠিক উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,১৩৫.
কোন লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর আবার ছড়িয়ে পড়ে?
  1. উত্তল লেন্স
  2. অবতল লেন্স
  3. অপসারী লেন্স
  4. সমতল লেন্স
সঠিক উত্তর:
উত্তল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল লেন্স
ব্যাখ্যা
লেন্স: 
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- অধিকাংশ লেন্স কাচের তৈরি হয়। তবে কোয়ার্টজ এবং প্লাস্টিক দিয়েও আজকাল লেন্স তৈরি হয় এবং এদের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। 
- লেন্স সাধারণত দুই ধরনের। 
যথা- 
(ক) উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex lens): 
- উত্তল বা অভিসারী লেন্সে আলো রশ্মি হচ্ছে অভিসারী অর্থাৎ এক বিন্দুতে মিলিত হয়। 
- উত্তল লেন্সের মাঝখানে মোটা ও প্রান্ত সরু, তাই এটিকে কখনো কখনো স্থূলমধ্য লেন্সও বলা হয়। 
- আলোকরশ্মি উত্তল লেন্সের উত্তল পৃষ্ঠে আপতিত হয়। 
- এই লেন্স সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে কোনো একটি বিন্দুতে মিলিত করে। এই বিন্দুটি হচ্ছে লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 
- উত্তল লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর সেটি আবার ছড়িয়ে পড়ে। 

(খ) অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave lens): 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি অপসারী অর্থাৎ পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। 
- অবতল লেন্সের মাঝখানে সরু ও প্রান্তের দিকটা মোটা। 
- এই লেন্সের অবতল পৃষ্ঠে সমান্তরাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে আলোকরশ্মি অপসারী হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। 
- যদি অপসারিত রশ্মিগুচ্ছ সোজা পিছনের দিকে বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে কল্পনা করে নিলে সেগুলো একটি বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়। এই বিন্দুটি হচ্ছে অবতল লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 

উল্লেখ্য, 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি মিলিত না হয়ে ছড়িয়ে যায়, কল্পিতভাবে পেছনের দিকে এক বিন্দুতে মিলিত হতে দেখা যায়। 
- সমতল লেন্সে সাধারণত আলো কোনো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৩৬.
দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) আলু
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) আউশ ধান
সঠিক উত্তর:
ক) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়। 
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-

১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 

২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়।
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 

৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৭.
উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. বোরন
  2. ক্লোরিন
  3. ম্যাঙ্গানিজ
  4. মোলিবডেনাম
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
যেমন: 

ম্যাঙ্গানিজ: 
- ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাংগানিজ প্রয়োজন। 

কপার: 
- টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কপার বা তামার প্রয়োজন, শ্বসন প্রক্রিয়ার উপরও কপারের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 

বোরন: 
- উদ্ভিদের সক্রিয়ভাবে বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন, চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 

মোলিবডেনাম: 
- অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম আবশ্যক। 

ক্লোরিন: 
- সুপারবিট এর মূল এবং কান্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৩৮.
শরীরের ব্যথা-বেদনা উপশমে নিচের কোন রশ্মিটি ব্যবহৃত হয় ?
  1. ক) অতিবেগুনি রশ্মি
  2. খ) এক্স রশ্মি
  3. গ) অবলােহিত রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) অবলােহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অবলােহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন রােগের চিকিৎসায়, জ্যোতির্বিদ্যায়, শিল্প কারখানায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়। অন্ধকারে দেখার জন্য নাইট গগলস হিসেবে এবং অন্ধকারে ছবি তােলার জন্য এই রশ্মির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। মাংসপেশীর ব্যথা ও টান এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৪,১৩৯.
লিউকোপ্লাস্ট কোথায় পাওয়া যায়?
  1. মূলে
  2. ভ্রূণে
  3. জনন কোষে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
১। ক্লোরোপ্লাস্ট, 
২। ক্রোমোপ্লাস্ট এবং 
৩। লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটি হলুদ, কোনটি নীল আবার কোনটি লাল দেখায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৪০.
তড়িৎ বলরেখার ধারণা সর্বপ্রথম কে দেন?
  1. নিউটন 
  2. কেপলার 
  3. আইনস্টাইন 
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। এই বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। 
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়। 
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে। 
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে। 
- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। 
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। 
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়। 

- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। 
যেমন- 
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়। 
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা। 
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়। 
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1 C আধান থেকে 1/∈° সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৪১.
সর্বোচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট ধাতু কোনটি?
  1. টাইটেনিয়াম
  2. প্লাটিনাম
  3. টাংস্টেন
  4. জারকানিয়াম
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন
ব্যাখ্যা
- একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন দিয়ে তৈরি কারণ টাংস্টেন সর্বোচ্চ গলনাঙ্ক (৩৪২২ ডিগ্রী সেলসিয়াস) বিশিষ্ট, সর্বনিম্ন বাষ্পীয় চাপ বিশিষ্ট এবং ইহা ধাতুগুলোর মাঝে সর্বাধিক প্রসারণযোগ্য। 
- এটি গলে যাওয়ার আগে উচ্চ তাপমাত্রায় পৌঁছাতে পারে। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন। 
- টাংস্টেনের (Wolfram) এর সংকেত W. 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৪২.
প্রতিটি জীবদেহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. পেশি 
  2. নেফ্রন অণু 
  3. টিস্যু 
  4. কোষ 
সঠিক উত্তর:
কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ 
ব্যাখ্যা

- কোষ হলো জীবনের মৌলিক গাঠনিক ও কার্যকরী একক। কিছু জীব এককোষী, আবার কিছু জীব বহুকোষী, কিন্তু প্রত্যেকের ভিত্তি হল কোষ। 

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান। তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন "Cell"। 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
(ক) অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) দেহ কোষ এবং (ii) জনন কোষ। 

(খ) নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) আদি কোষ এবং (ii) প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৪৩.
পৃথিবী থেকে কোনো বস্তুর মুক্তিবেগের (Escape velocity) মান কত?
  1. 9.8 km/s
  2. 11.2 km/s
  3. 15.8 km/s2
  4. 25 km/s
সঠিক উত্তর:
11.2 km/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 km/s
ব্যাখ্যা

- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে খাড়া ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সে বেগকে মুক্তিবেগ বলে।

• মুক্তিবেগের মান:
- কোনো বস্তুকে এমন গতিশক্তি দিতে হবে যাতে সেটি পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যেতে পারে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুকে অসীমে নিয়ে যেতে যে কাজ করতে হবে বস্তুটিকে নিক্ষেপের সময় সে গতিশক্তি প্রদান করতে হবে। এরূপ গতিশক্তি অর্জন করতে যে বেগ দিতে হবে তাই মুক্তিবেগ Ve .
- পৃথিবীর মুক্তিবেগের মান 11.2 kms- 1 .
- অর্থাৎ, কোন বস্তুকে এই বেগে নিক্ষেপ করলে তা পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ড. শাহজাহান তপন।

৪,১৪৪.
কোন মৌলটি DNA তে নেই?
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন
  3. ফসফরাস
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- DNA (ডিএনএ) মৌলগঠনে সোডিয়াম (Na) থাকে না। 
- DNA একটি নিউক্লিক এসিড, যা নাইট্রোজেন, কার্বন, ফসফরাস এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। 
- DNA (ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) একটি দ্বি-সূত্রাকার অণুযৌগ যা জীবনের মৌলিক একক। 

১। নাইট্রোজেনযুক্ত বেজ: 
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে। 
যথা- এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন। 
- পুরিন বেজ: এডিনিন ও গুয়ানিন। 
- পাইরিমিডিন বেজ: সাইটোসিন ও থাইমিন। 

২। পেন্টোজ সুগার: 
- এটি ৫ কার্বন পরমাণুর সাইক্লিক সুগার যা বেজগুলোর সাথে বন্ধিত। 

৩। ফসফেট গ্রুপ: 
- ফসফরাস ও অক্সিজেন পরমাণুর একটি গ্রুপ যা ডি-অক্সিরাইবোজ মলিকিউলগুলোর মধ্যে বন্ধন তৈরি করে। 

- DNA এর দুটি সূত্র বৈদ্যুতিক আকর্ষণের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে বন্ধিত থাকে এবং এদের মধ্যে বেজ-জোড় গঠন করে। 
- এডিনিন সর্বদা থাইমিনের সাথে এবং গুয়ানিন সর্বদা সাইটোসিনের সাথে বন্ধন গঠন করে। 
- এই গঠনে সোডিয়াম (Na) কোনো ভূমিকা রাখে না। 

সুতরাং, DNA মৌলগঠনে সোডিয়াম উপস্থিত থাকে না, অপরদিকে নাইট্রোজেন, কার্বন, ফসফরাস এবং অক্সিজেন DNA এর মৌলিক গঠনে অবশ্যই উপস্থিত থাকে। 
৪,১৪৫.
পোলিওমাইলাইটিস প্রতিরোধে কোন ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়?
  1. TT
  2. OPV
  3. DPT
  4. BCG
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা

• পোলিওমাইলাইটিস (পোলিও রোগ) প্রতিরোধে OPV (Oral Polio Vaccine) ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়।

• ভ্যাকসিনেশন:
- ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দেহের মধ্যে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার পদ্ধতিতে টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনেশন বলে।

• টিকাকরণের নীতি- রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেহে প্রবেশ করিয়ে ইমিউনিটি গড়ে তোলা হয়।

• টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা:
- টিকা দেওয়ার ফলে দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগাক্রমণ প্রতিরোধ করা হয়।
- ভ্যাকসিন দেহের মধ্যে প্রবিষ্ট ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াদের প্রজনন ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়।
- টিকার মাধ্যমে যে সব রোগ- প্রতিরোধ করা হয় সে রকম কয়েকটি হলো- যক্ষ্মা, টিটেনাস, কলেরা, জলাতঙ্ক, হুপিংকাশি, গুটি বসন্ত, ডিপথেরিয়া, পোলিও, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-B ইত্যাদি।
- টিকা দেওয়ার ফলে কৃত্রিম শক্তির ইমিউনিটি সৃষ্টি করা হয়।

• OPV (Oral Polio Vaccine):
- এটি পোলিও রোগ প্রতিরোধের প্রধান টিকা।
- এতে জীবন্ত কিন্তু দুর্বল পোলিও ভাইরাস থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

• পোলিও টিকার প্রকারভেদ:
- OPV (মুখে খাওয়ার টিকা) – বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।
- IPV (Inactivated Polio Vaccine) – ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশে নবজাতক ও শিশুদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় পোলিও রোগের ভ্যাকসিন (OPV) দেওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা। 

৪,১৪৬.
নিচের কোনটি প্রোটিনের উৎস নয়?
  1. ক) মাছ
  2. খ) মাংস
  3. গ) শিম
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
ভুট্টা শর্করা জাতীয় খাদ্য। 

আমাদের শরীর যেসব খাবার থেকে শক্তি সঞ্চয় করে, তার একটি হচ্ছে শর্করা জাতীয় খাবার। যার মধ্যে রয়েছে স্টার্চ বা শ্বেতসার , চিনি এবং আঁশ।
আলু, আটা, চাল ও পাস্তার মধ্যে অনেক শ্বেতসার জাতীয় শর্করা রয়েছে।
প্রোটিন হলো অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি, যা কোষের “বিল্ডিং ব্লকস” হিসাবে কাজ করে।
প্রেটিন শরীরে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন: প্রোটিন কোষগুলিতে বেশিরভাগ কাজ করে এবং দেহের টিস্যু এবং অঙ্গগুলির গঠন, কার্যকারিতা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি খুবই প্রয়োজনীয়।
মাংস, মাছ, হাঁস-মুরগি, ডিম, শিং এবং দুগ্ধজাত খাবারের মতো অনেক খাবারেই প্রোটিন পাওয়া যায়।

উৎস: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান

৪,১৪৭.
বর্ণহীন প্লাস্টিড কোনটি?
  1. ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. লিউকোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. ক্রোমাটোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
লিউকোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- সাইটোপ্লাজমের মধ্যে যে সকল ক্ষুদ্র, দানাদার বিভিন্ন আকারের বস্তু দেখা যায় তাদেরকে বলা হয় প্লাস্টিড। 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য, এর উপস্থিতির কারণে উদ্ভিদের পাতা, ফুল ও ফলের বর্ণ বৈচিত্র্য দেখা যায়। 
- প্লাস্টিড খাদ্য প্রস্তুত করে, খাদ্য সঞ্চয় করে, পরাগায়নে সাহায্য করে এবং ক্লোরোপ্লাস্টের প্রয়োজনে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড তৈরি করে। 
- উদ্ভিদ কোষে সাধারণত তিন প্রকার প্লাস্টিড থাকে। 
যথা- 
১। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- সবুজ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ যেমন- লাল, হলুদ ইত্যাদি বহনকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। 
- ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল বেশি পরিমাণে এবং ক্লোরোফিল অল্প পরিমাণে থাকে। 
- ফুলের পাপড়িতে ও ফলে ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে, এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। 
- ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পতঙ্গ ও পাখি পরাগায়নে এবং বংশবিস্তারে সাহায্য করে। 

২। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণ কণিকা থাকে, এজন্য পাতা ও কচি শাখা প্রশাখা সবুজ দেখায়। 
- এতে ক্লোরোফিল ব্যতীত অন্যান্য বর্ণ কণিকাও অল্প পরিমাণে থাকে। 
যেমন- হলুদ বর্ণ কণিকা জ্যান্থোফিল ও কমলা বর্ণ কণিকা ক্যারোটিন। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট বিভিন্ন আকৃতির হয়, তবে বড় বড় উদ্ভিদে সাধারণত লেন্স আকৃতির হয়। 
- এটি প্রধানত সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে। 

৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
- বর্ণহীন প্লাস্টিড হচ্ছে লিউকোপ্লাস্ট। 
- মাটির নিচের অংশ তথা- রাইজোম, ভূ-নিম্নস্থ কান্ড, মূল প্রভৃতিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকে। 
- এটি খাদ্য সঞ্চয় করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৪৮.
ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা -
  1. বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
  2. বহুগুণ হ্রাস পায়
  3. সমান থাকে
  4. কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৪৯.
নিচের কোনটি ডিএনএ ভাইরাস?
  1. HIV
  2. TMV
  3. Variola
  4. Polio
সঠিক উত্তর:
Variola
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Variola
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
→ DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- ভ্যাকসিনিয়া,
- ভ্যারিওলা,
- TIV (Tipula Iridescent Virus),
- এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি।

২. RNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
→ RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- TMV,
- HIV,
- ডেঙ্গু,
- পোলিও,
- মাম্পস,
- র‍্যাবিস,
- নভেল করোনা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,১৫০.
'রুপান্তরিত' পাতার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) নারিকেল পাতা
  2. খ) শল্কপত্র
  3. গ) জবা পাতা
  4. ঘ) গোল পাতা
সঠিক উত্তর:
খ) শল্কপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শল্কপত্র
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত পাতাঃ বিশেষ কাজ সমাধা করার জন্য পাতার রূপ পরিবর্তিত হয়।
ক) আকর্ষী: পাতার শীর্ষভাগ অথবা পত্রক অনেক সময় প্যাচানো স্প্রিং এর ন্যায় রূপ ধারন করে। এগুলো আকর্ষি। এর সাহায্যে গাছ কোন কিছু আকড়ে ধরতে পারে। জংলী মটর গাছে এ ধরনের আকর্ষি দেখা যায়।
খ) খাদ্য সঞ্চয়: পেঁয়াজ, রসুন বা ঘৃতকুমারী গাছের পাতা পুরুও রসালো হয়। এসব পাতায় খাদ্য জমা থাকে।
গ) পতঙ্গ ফাঁদ: কলসী উদ্ভিদ এক ধরণের লতানো গাছ ও ঝাঁঝি নামক জলজ উদ্ভিদের পাতা রূপান্তরিত হয়ে কলসি বা থলের ন্যায় রূপ ধারণ করে। এর মধ্যে পোকামাকড় ঢুকলে কলসির ঢাকনাটি বন্ধ হয়ে যায় পরে গাছ তার দেহ থেকে রস শুষে নেয়।
ঘ) প্রজনন: কোন কোন উদ্ভিদে পাতার কিনারা থেকে কুঁড়ি গজায়। ধীরে ধীরে এসব কুঁড়ি থেকে নিচের দিকে গুচ্ছ মূল ও গজায়। কোন এক সময় এরা মুক্ত হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন-পাথরকুঁচি।
ঙ) কণ্টক পত্র: পাতা কখনও কাঁটায় রূপান্তরিত হয়, যথা- লেবু।
চ) শল্কপত্র: কখনও ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ডের পাতা পাতলা আঁশ এর ন্যায় আকার ধারণ করে। যেমন- আলু, আদা, হলুদ ইত্যাদি। এরাই শল্কপত্র। রসালো শল্কপত্র খাদ্য সঞ্চয় করে এবং কাক্ষিক মুকুলকে রক্ষা করে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৪,১৫১.
ট্রান্সফরমার এর মাধ্যমে কি প্রবাহিত হয়?
  1. বিদ্যুৎ
  2. ভোল্টেজ
  3. ফ্রিকোয়েন্সি
  4. বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত ও নিম্ন বিভক্তির ছবি ভাবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলেv
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ এবং তড়িৎ প্রবাহকে রূপান্তর করে।
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার । -

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

৪,১৫২.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি অপরিবর্তনীয় ?
  1. ক) বস্তুর ভর
  2. খ) যে কোন স্থান
  3. গ) সময়
  4. ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করে । এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন ।আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয় ,আপেক্ষিক ।
বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে ।
ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর,এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয় ।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্যঃ
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
প্রথম স্বীকার্যঃ- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
দ্বিতীয় স্বীকার্যঃ- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

৪,১৫৩.
ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে কী বলা হয়?
  1. Transformer
  2. Emitter
  3. Collector
  4. Base
সঠিক উত্তর:
Base
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Base
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে Base বলা হয়। ট্রানজিস্টর মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত—Emitter, Base, এবং Collector। Emitter হলো সেই অংশ যেখান থেকে ইলেকট্রন বা হোল প্রবাহ শুরু হয়, আর Collector হলো যেখানে তারা জমা হয়। Base অংশটি খুবই পাতলা এবং এটি Emitter এবং Collector এর মাঝখানে অবস্থান করে। Base এর মাধ্যমে ছোট একটি সিগন্যাল প্রবাহিত হলে Emitter থেকে Collector পর্যন্ত বড় সিগন্যালের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই Base ট্রানজিস্টরের নিয়ন্ত্রণকারী অংশ হিসেবে কাজ করে এবং এর মাধ্যমে ট্রানজিস্টর সুইচ বা অ্যাম্প্লিফায়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) Base.

ট্রানজিস্টর (Transistor):

- ট্রানজিস্টর হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া n-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে।
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
- আর একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে তিনযোজী পরমাণু প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।

- তাই একটি ট্রানজিস্টরকে দুটি ডায়োডকে পিঠাপিঠি (Back to back) যুক্ত বলে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে ট্রানজিস্টরের বেস (Base) বা ভূমি বলে।
- প্রান্তের যে অংশের চওড়া অপর প্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক কম এবং অপদ্রব্যের অনুপাত একটু বেশি তাকে এমিটার (Emiter) বা নিঃসারক বলে।
- যে প্রান্তের চওড়া একটু বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কালেক্টর (Collector) বা সংগ্রাহক বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫৪.
‘এপিকালচার’ কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
  1. গুটিপোকা এবং রেশম
  2. মৌমাছি এবং মধু
  3. মৎস চাষ
  4. তামাক চাষ
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
ব্যাখ্যা

♦ কালচার:
- কালচার মানে হল চাষ, পালন, লালন-পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি।

♦ এপিকালচার:
- এপিকালচারে মৌমাছি এবং মধু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- মৌমাছি পালন প্রাণি পালনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতিগুলোর একটি।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।
- প্রথমদিকে মধু সংগ্রহ করতে হলে মৌমাছির বাসা ধ্বংস করতে হতো।
- কিন্তু আধুনিক মৌমাছি পালকরা এক্সট্র্যাক্টর ব্যবহার করেন, যা মধুমাখা কোষগুলো থেকে মধু বের করে, কিন্তু কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

♣ মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালকদের প্রয়োজন হয়:
• নেট বা পর্দাযুক্ত হেলমেট, যা কামড় থেকে রক্ষা করে।
• কোষ কাটা যন্ত্র।
• স্মোকার, যা মৌমাছিকে শান্ত করে।

♦ উল্লেখ্য:
- সেরিকালচার: রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- পিসিকালচার: মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- প্রণকালচার: চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- হর্টিকালচার: উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা।
- এভিকালচার: পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা।
- মেরিকালচার: সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,১৫৫.
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে-
  1. ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
  2. ভূমি ও আয়নোস্ফেয়ারের মধ্যে প্রতিফলন হতে হবে
  3. বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে
  4. খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
সঠিক উত্তর:
খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় সঠিক উত্তরটি হল "ঘ) খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়"।

এর কারণগুলো হল:
1) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির (সাধারণত 300 MHz থেকে 300 GHz) হওয়ায় এটি সরল রেখায় চলে।
2) দুটি মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) থাকা আবশ্যক।

3) এই পদ্ধতিতে অন্যান্য মাধ্যম যেমন ক্যাবল বা ওয়েভগাইডের প্রয়োজন হয় না।
4) আয়নোস্ফিয়ার প্রতিফলনের প্রয়োজন নেই, কারণ মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ার ভেদ করে যায়।

এই কারণে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় টাওয়ারগুলি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) বজায় থাকে এবং সিগন্যাল খোলা আকাশের মধ্য দিয়ে সরল রেখায় যেতে পারে।

৪,১৫৬.
বর্ণালীর প্রান্তীয় বর্ণ কি কি?
  1. বেগুনি ও হলুদ
  2. লাল ও নীল
  3. নীল ও সবুজ
  4. বেগুনি ও লাল
সঠিক উত্তর:
বেগুনি ও লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি ও লাল
ব্যাখ্যা
- বর্ণালির প্রান্তীয় বৰ্ণগুলো হচ্ছে- বেগুনী এবং লাল। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- আবার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়। 
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫৭.
পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ক) ৩ লিটার
  2. খ) ৫ লিটার
  3. গ) ৬ লিটার
  4. ঘ) ৮ লিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ লিটার
ব্যাখ্যা
• পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা ৬ লিটার
ফুসফুস (Lungs): মানুষের হালকা গোলাপী বর্ণের স্পঞ্জের মত নরম দুটি ফুসফুস থাকে।
- বাম ফুসফুসটি আকারে ছোট, দুই লোব বিশিষ্ট এবং ডান ফুসফুসটি আকারে বড় ও তিন লোব বিশিষ্ট।
- ফুসফুস দুই স্তর যুক্ত প্লিউরা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- ভেতরের পর্দাকে ভিসেরাল প্লিউরা এবং বাইরের পর্দাকে প্যারাইটাল প্লিউরা বলে।
- ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা ৬ লিটার।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫৮.
সময়ের সাথে সরণের পরিবর্তনের হারকে কী বলে?
  1. ক) দ্রুতি
  2. খ) বেগ
  3. গ) গতি
  4. ঘ) ত্বরণ
সঠিক উত্তর:
খ) বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগ
ব্যাখ্যা
বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের পরিবর্তনের হারকে বেগ বলে।
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে দ্রুতিকে বলা হয় বেগ।
- বেগের মান বলার সাথে দিকও উল্লেখ করতে হয়। কারণ, বেগের মান ও দিক উভয়ই আছে।
- নির্দিষ্ট কোনো দিকে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হলো বেগ। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৪,১৫৯.
বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো-
  1. ৫০ হার্জ
  2. ২২০ হার্জ
  3. ২০০ হার্জ
  4. ১০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ: 
- যে তড়িৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে তাকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ (Alternating Current ) বলে।
- আমাদের দেশে বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে।
অর্থাৎ, বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ। 

- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়। 
যথা- 
১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট। 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি। 
-বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি । 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি । 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

উৎস: desco.org.b; বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,১৬০.
আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ওয়াকিটকি কোন ট্রান্সমিশন মোডে কাজ করে? 
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কো-ডুপ্লেক্স
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৬১.
পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী-
  1. বিলিরুবিন
  2. জারক রস
  3. ভিটামিন
  4. পিত্তরস
সঠিক উত্তর:
বিলিরুবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলিরুবিন
ব্যাখ্যা
• বিলিরুবিন (Bilirubin):
- বিলিরুবিন (Bilirubin) হলো একটি পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ, যা লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভাঙনের ফলে উৎপন্ন হয়।
- এটি প্রধানত যকৃত (লিভার) দ্বারা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে পিত্তরসে (Bile) প্রবেশ করে এবং অন্ত্রে নিঃসৃত হয়।
- বিলিরুবিনের উপস্থিতির কারণেই পিত্তরস হলুদ-সবুজ বর্ণ ধারণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,১৬২.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের Frequency কত?
  1. ক) ৫০ হার্জ
  2. খ) ৬০ হার্জ
  3. গ) ৩৩ হার্জ
  4. ঘ) ৬৬ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ ফ্রিকোয়েন্সিঃ ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।

১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি
 -বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

উৎস: Source: desco.org.bd, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link].
৪,১৬৩.
যে ভৌত রাশিগুলোর মান ও দিক উভয়ই আছে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ঘূর্ণন রাশি
  3. অদিক রাশি 
  4. ভেক্টর রাশি 
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি 
ব্যাখ্যা

• যে সকল ভৌত রাশির মানের পাশাপাশি নির্দিষ্ট দিকও থাকে, সেগুলোকে ভেক্টর রাশি বলা হয়। ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে শুধু পরিমাণ জানলেই যথেষ্ট নয়, কোন দিকে ক্রিয়া করছে তাও জানা জরুরি। উদাহরণ হিসেবে বল, বেগ, ত্বরণ ও বল উল্লেখযোগ্য। এর বিপরীতে স্কেলার রাশির শুধু মান থাকে, দিক থাকে না, যেমন ভর বা তাপমাত্রা। 

রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এই জন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 

১। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

২। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৬৪.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি?
  1. ডিপিটি
  2. টিটি
  3. এমএমআর
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা:

• যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
• কারণ: সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।
• অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
• লক্ষণ: 
- রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
- সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
- খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়।
- রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে। দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
- বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
- অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।

• যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
• টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
• ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
• ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
• টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং WHO এর ওয়েবসাইট।
৪,১৬৫.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) ওজোন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- সাধারণভাবে বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২%, অক্সিজেন ২০.৭১%, আর্গন ০.৮০%, জলীয়বাষ্প ০.৪১% এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।
- সুতরাং বলা যায়, সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৬৬.
কোন বিজ্ঞানী ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন?
  1. ক) Watson & Crick
  2. খ) Strasburger
  3. গ) Gregor Mendel
  4. ঘ) H.Henking
সঠিক উত্তর:
খ) Strasburger
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Strasburger
ব্যাখ্যা
• ক্রোমোজোম (Chromosome ) বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
• এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দিয়ে গঠিত।
বিজ্ঞানী Strasburger (1875) প্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন
• প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে কোষে এর ডিপ্লয়েড (দুই সেট ক্রোমোজোম, যার একসেট পিতা থেকে আসে এবং আর একসেট মাতা থেকে আসে) সংখ্যা 2 হতে 1600 পর্যন্ত হতে পারে।
•একটি ক্রোমোজোম দৈর্ঘ্যে সাধারণত 3.5 থেকে 30.0 মাইক্রন এবং প্রস্থে 0.2 থেকে 2.0 মাইক্রন হয়ে থাকে। (1 মাইক্রন = 1/1000 মিমি)। • ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতাপিতা থেকে জিন (যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে সন্তান সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া। মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি (Physical basis of heredity) বলে আখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,১৬৭.
নিচের কোনটি ক্ষারকীয় অক্সাইড?
  1. P4O10
  2. MgO
  3. CO
  4. ZnO
সঠিক উত্তর:
MgO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MgO
ব্যাখ্যা
- ক্ষারকীয় অক্সাইড হলো এমন অক্সাইড যা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষার তৈরি করে। 
- এদের মধ্যে (MgO) ধাতব অক্সাইড সাধারণত ক্ষারকীয় হয়। 
- MgO পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Mg(OH)2 গঠন করে, যা একটি ক্ষার। 

Magnesium oxide (MgO) is again a simple basic oxide, because it also contains oxide ions.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,১৬৮.
নিচের কোনটি ডেঙ্গু রোগের বিস্তার ঘটায় না?
  1. ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
  2. খ) এডিস এজিপটাই
  3. গ) এডিস এলবোপিকটাস
  4. ঘ) ‘খ’ এবং ‘গ’ উভয়ই
  5. ঙ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ত্রী Anopheles মশকী
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম স্ত্রী Anopheles মশকী। Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে। উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৪,১৬৯.
পৃষ্ঠটান প্রধানত কোন বলের কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ঘর্ষণ বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. বাহ্যিক চাপ
  4. আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

• আন্তঃআণবিক আকর্ষণ — তরলের পৃষ্ঠে অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বলের অসম বণ্টনের ফলেই পৃষ্ঠটান সৃষ্টি হয়।

• পৃষ্ঠটান:
- তরলের পৃষ্ঠে অবস্থিত অণুগুলোর উপর ভেতরের দিকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে।
- পৃষ্ঠের অণুগুলো চারদিক থেকে সমান বল পায় না।
- ভেতরের অণুগুলো চারদিক থেকে সমান আকর্ষণ পায়, কিন্তু পৃষ্ঠের অণুগুলো নিচের ও পাশের দিক থেকে আকর্ষণ পায়। ফলে পৃষ্ঠটি সংকুচিত হয়ে টানটান অবস্থায় থাকতে চায়। এই প্রবণতাকে পৃষ্ঠটান বলা হয়।

• পৃষ্ঠটানের বৈশিষ্ট্য:
- তরলের পৃষ্ঠকে স্থিতিস্থাপক পর্দার মতো আচরণ করতে দেখা যায়।
- পৃষ্ঠটান কম হলে তরল সহজে ছড়িয়ে পড়ে।
- পৃষ্ঠটান বেশি হলে তরল ফোঁটার আকার ধারণ করে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে পৃষ্ঠটান হ্রাস পায়।

• পৃষ্ঠটানের উদাহরণ:
- পানির ফোঁটা গোলাকার হয়।
- ক্ষুদ্র পোকা পানির উপর ভাসতে পারে।
- সাবান মেশালে পানির পৃষ্ঠটান কমে যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- অভিকর্ষ বল → তরলকে নিচের দিকে টানে, পৃষ্ঠটানের কারণ নয়।
- ঘর্ষণ বল → সংস্পর্শে গতির প্রতিবন্ধক বল।
- বাহ্যিক চাপ → পৃষ্ঠটানের মৌলিক কারণ নয়।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৪,১৭০.
দুধের রং সাদা হয় কেন?
  1. ক) প্রোটিনের জন্য
  2. খ) ফ্যাটের জন্য
  3. গ) মিনারেলের জন্য
  4. ঘ) কার্বোহাইড্রেটের জন্য
সঠিক উত্তর:
ক) প্রোটিনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রোটিনের জন্য
ব্যাখ্যা
প্রোটিনের জন্য দুধের রং সাদা হয়।
- ক্যাসেন এক ধরনের প্রোটিন।
- দুধে এই প্রোটিনটি-ই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।
- এই ক্যাসেনে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম।
- ক্যালসিয়াম দেহের হাড়গুলোকে শক্ত রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪,১৭১.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা নয়?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. গ্রাফাইট
  3. ব্যাসল্ট
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
ব্যাসল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাসল্ট
ব্যাখ্যা
ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
যথা:
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড তাপ, তাপ ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে নতুন যে শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- মার্বেল
- কোয়ার্টজাইট
- নিস
- গ্রাফাইট
- স্লেট।

অন্যদিকে:
- ব্যাসল্ট হলো বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,১৭২.
সুন্দরবনে কয় প্রকারের ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ পাওয়া যায়?
  1. ক) ২৭ প্রজাতির
  2. খ) ৩০ প্রজাতির
  3. গ) ৩৫ প্রজাতির
  4. ঘ) ৩৭ প্রজাতির
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ প্রজাতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫ প্রজাতির
ব্যাখ্যা
‘সুন্দরবন’ বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্য ৩৫টি প্রজাতি হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের।
সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ হলো সুন্দরী ও গেওয়া।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- কেওড়া
- ধুন্দল
- বাইন
- গোলপাতা
- ওড়া
- পশুর প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৪,১৭৩.
ঐচ্ছিক পেশীর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তনালী
  2. খ) পৌষ্টিকনালী
  3. গ) হৃদপেশী
  4. ঘ) হাতের পেশী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাতের পেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাতের পেশী
ব্যাখ্যা
মানুষের হাত এবং পায়ের পেশী ঐচ্ছিক পেশীর উদাহরণ।

- মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন এবং অসংখ্য তন্তুর সমন্বয়ে গঠিত যে টিস্যু সংকোচন ও প্রসারণে সক্ষম তাকে পেশি বলে ।
- মানবদেহে পেশি যথাক্রমে তিন প্রকার । ১) কঙ্কাল পেশী ২) হৃদ পেশী ৩) মসৃণ পেশী।

- পেশির কাজসমূহ- 
১) দেহের নির্দিষ্ট আকার গঠন করা।
২) শক্তি সংরক্ষন করা।
৩) হৃদপেশী দেহে রক্ত সঞ্চালনে সহয়তা করে।
৪) দেহের অঙ্গগুলিকে রক্ষা করা।
৫) দেহের আকৃতি দান করা ও অস্থি চলাচলে সহায়তা করা।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,১৭৪.
পানির ঘনত্ব -
  1. ক) 1 gm/cc
  2. খ) 1 gm/m
  3. গ) 1 cm/m2
  4. ঘ) 1 kg/m
সঠিক উত্তর:
ক) 1 gm/cc
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1 gm/cc
ব্যাখ্যা
পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/মিলিলিটার (আসলে 4°C তাপমাত্রায় এই মানটা ১ এর চেয়ে একটু কম, ০.৯৯৯৮৩৯৫ g/ml) অথবা ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার (1 g/cm3)
৪,১৭৫.
কোন পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে? 
  1. লোহা
  2. ইস্পাত
  3. প্লাস্টিক
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা
- জার্মেনিয়ামের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর পদার্থের মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে। 

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন - রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না, সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন - কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৭৬.
কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই?
  1. তরল
  2. গ্যাসীয়
  3. কঠিন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৭৭.
নিউটনের গতিবিষয়ক সূত্র কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত। 

নিউটনের সূত্র তিনটি। যথা:

প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 
৪,১৭৮.
দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে -
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ক্যালসিয়ামফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।

• ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খাদ্যের উৎস:
- ম্যাকরেল মাছ, স্যামন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, সয়া মিল্ক, দুধ, মাশরুম, চিজ, কমলালেবুর রস ইত্যাদি। 

(অপশনে শুধুমাত্র ক্যালসিয়াম উল্লেখ আছে, ফসফরাস নেই। তাই সঠিক উত্তর হবে ক্যালসিয়াম)

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৭৯.
ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো-
  1. আলফা রেস (Alpha rays)
  2. বিটা রেস (Beta rays)
  3. গামা রেস (Gama rays)
  4. এক্স (এক্স) রেস (X-rays)
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
ব্যাখ্যা
• চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়।
- এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৪,১৮০.
রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কার করেন কে?
  1. মেরি কুরি
  2. পিয়ের কুরি
  3. হেনরি বেকেরেল
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
হেনরি বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি বেকেরেল
ব্যাখ্যা

◉ হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণের উপর গবেষণা করতে গিয়ে রেডিওঅ্যাক্টিভিটির আবিষ্কার করেন।

তেজস্ক্রিয়তা:
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে।
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”।
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথাঃ- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।

উৎস: Britannica.

৪,১৮১.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়?
  1. নিউমোনিয়া
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. টাইফয়েড
  4. ডিপথেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা

ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) হলো একটি তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (প্রধানত টাইপ A, B, এবং C) দ্বারা ঘটে।
- এটি সাধারণত ফ্লু (Flu) নামে পরিচিত।
- এই ভাইরাসটি হাঁচি-কাশি বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,১৮২.
কোন রং আলোর প্রায় সব রং প্রতিফলিত করে?
  1. কালো
  2. সাদা
  3. লাল
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা
ব্যাখ্যা
রঙ: 
- কোনো বস্তু তার নিজস্ব রঙে দেখা যায়, কারণ নির্দিষ্ট রঙের বস্তুটি নিজের রঙ ছাড়া সকল রঙ শোষণ করে এবং নিজের রঙ প্রতিফলিত করে। 
- তাই বস্তু তার নিজের রঙে দেখা যায়। 
- সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রঙ হয়, সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য কালো রঙ হয়। 
- যে বস্তু আলোর সব রঙ প্রতিফলিত করে তা সাদা দেখায়। 
- কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে কালো দেখায়। 
যেমন- আলোর সকল বর্ণ প্রতিফলিত করে বলে বরফ সাদা দেখায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,১৮৩.
তুঁতে বা কপার সালফেটের কৃষিতে প্রধান ব্যবহার কী? 
  1. খাদ্যের স্বাদ বৃদ্ধি
  2. পানি বিশুদ্ধকরণ
  3. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি
  4. ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) লবণ। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) লবণ। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় যা মূলত এক ধরনের লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৮৪.
জলভাগের পরিমাণ বেশি-
  1. ক) পূর্ব গোলার্ধে
  2. খ) পশ্চিম গোলার্ধে
  3. গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
  4. ঘ) উত্তর গোলার্ধে
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীপৃষ্ঠের মোট আয়তন ৫১ কোটি বর্গকিলোমিটার তম্মধ্যে এর পানি সঞ্চিত অংশসমূহকে বারিমন্ডল বলে।
এই বারিমন্ডলের আয়তন প্রায় ৩৬ কোটি ২৫ লক্ষ বর্গকিলোমিটার যা ভূ-পৃষ্ঠের শতকরা ৭১ ভাগ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।
উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধে আবার বারিমন্ডলের ভিন্নতা রয়েছে।
যেমন উত্তর গোলার্ধে পানি রাশির পরিমাণ ৬০.৭ শতাংশ এবং দক্ষিণ গোলার্ধে পানি রাশির পরিমাণ ৮০.৯ শতাংশ।
বারিমন্ডলের তলদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ গঠন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য বারিমন্ডলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৮৫.
ক্ষার ধাতু সমূহের জারণ সংখ্যা সাধারণত কত?
  1. 0
  2. +1
  3. -1
  4. +2
সঠিক উত্তর:
+1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+1
ব্যাখ্যা

- ক্ষার ধাতুগুলো (যেমন- লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম) পর্যায় সারণির গ্রুপ-১ এর অন্তর্ভুক্ত। এদের ইলেকট্রন বিন্যাসের শেষ কক্ষপথে মাত্র একটি ইলেকট্রন থাকে, যা ত্যাগ করে এরা সহজেই স্থিতিশীলতা অর্জন করে এবং +1 আধানযুক্ত আয়নে পরিণত হয়। 

জারণ সংখ্যা নির্ণয়: 
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। 
- ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +1. 
- ধাতব হাইড্রাইড ব্যতিত অন্য সব মৌলের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা +1. 
- ধাতব হাইড্রাইডের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা -1. 
- অক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -2. 
- পারঅক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -1. 
- ধাতব হ্যালাইডে হ্যালোজেনের জারণ সংখ্যা -1. 
- মৃৎক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +2. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৮৬.
কোন জাতীয় খাদ্যের কারণে মুত্রের অম্লতা বৃদ্ধি পায়?
  1. প্রোটিন
  2. লিপিড
  3. কার্বোহাইড্রেট
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের কারণে মুত্রের অম্লতা বৃদ্ধি পায়।

• রেচন পদার্থ:
- রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝায়।
- মানবদেহের রেচন পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে আসে।
- স্বাভাবিক মূত্রের ভর হিসেবে প্রায় 95% হলো পানি।
- অন্যান্য উপাদানের মধ্যে আছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন ও বিভিন্ন ধরনের লবণ।
- ইউরোক্রোম নামে এক ধরনের রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতিতে মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়।
- আমিষ-জাতীয় খাদ্য খেলে মূত্রের অম্লতা বৃদ্ধি পায়।
- আবার ফলমূল এবং তরিতরকারি খেলে সাধারণত ক্ষারীয় মূত্র তৈরি হয়।

• বৃক্ক (Kidney):
- মানবদেহের উদরগহ্বরের পিছনের অংশে, মেরুদণ্ডের দুদিকে বক্ষপিঞ্জরের নিচে পিঠ-সংলগ্ন অবস্থায় দুটি বৃক্ক অবস্থান করে।
- প্রতিটি বৃক্ক দেখতে শিমবিচির মতো এবং এর রং লালচে হয়।
- বৃক্কের বাইরের পার্শ্ব উত্তল এবং ভিতরের পার্শ্ব অবতল হয়।
- বৃক্ক সম্পূর্ণরূপে এক ধরনের তন্তুময় আবরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে, একে রেনাল ক্যাপসুল বলে।
- বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ এবং কাজ করার একককে নেফ্রন বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৮৭.
দ্রবণে সাধারণত দ্রাবকের পরিমাণ দ্রবের তুলনায় কেমন হয়?
  1. বেশি
  2. কম
  3. সমান
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
• দ্রবণ (Solution) হলো দুই বা ততোধিক পদার্থের মিশ্রণ, যেখানে একটি পদার্থ প্রধানত দ্রাবক (Solvent) এবং অন্যগুলো দ্রব (Solute)। 

দ্রাবক হলো সেই পদার্থ যার পরিমাণ দ্রবণে তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে এবং যেটিতে অন্য পদার্থ (দ্রব) দ্রবীভূত হয়।

• দ্রব হলো সেই পদার্থ যার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং যা দ্রাবকে মিশে যায়।

উদাহারণ:-
- সাধারণ লবণ পানি: এখানে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (দ্রাবক >> দ্রাব)। 
- চিনির সিরাপ: এখানেও পানি প্রধান উপাদান।   

ব্যতিক্রম:-
- অ্যালকোহল-পানি মিশ্রণ: কখনো কখনো সমান অনুপাতে থাকতে পারে। 
- অম্ল: H₂SO₄ এর ক্ষেত্রে দ্রাব বেশি হতে পারে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
৪,১৮৮.
কোনটি তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ নয়?
  1. ক) গামা
  2. খ) এক্সরে
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) অতিবেগুণী
সঠিক উত্তর:
গ) বিটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিটা
ব্যাখ্যা
তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ: 
- যে তরঙ্গ চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না তাকে তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ বলে।
- যেমন: 
রেডিও তরঙ্গ,
মাইক্রোওয়েভ,
অবলোহিত রশ্মি,
দৃশ্যমান আলো,
অতিবেগুণী রশ্মি, 
এক্সরে,
গামা রশ্মি।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,১৮৯.
পদার্থের অবিভাজ্য একক সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারনা দেন কে?
  1. ক) জন ডাল্টন
  2. খ) জন ডাল্টন
  3. গ) পিথাগোরাস
  4. ঘ) ডেমোক্রিটাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেমোক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেমোক্রিটাস
ব্যাখ্যা
• পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকগণ নানারকম মতবাদ ব্যক্ত করেছেন।
- গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হিসাবে মতবাদ পোষণ করেন। 
- তিনি সর্বপ্রথম ধারণা দেন যে, পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে, যার নাম এটম।

- তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক শব্দ এটোমোস থেকে যার অর্থ হলো অবিভাজ্য। 


সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান; বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি। 
৪,১৯০.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোকসম্পাত করলে আলোক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. বৈদ্যুতিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর:
• হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়।
এখানে, আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়।
এখানে, আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯১.
লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. বেগুনী
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়। 
- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়। 
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে। 
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না। 
সুতরাং, লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৯২.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ৪০০
  2. ৩৫০
  3. ৪৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ   [λ = ক্ষয়ধ্রুবক] 
বা, 200 = 0.693/λ
বা, λ = 0.693/200 
∴ λ = 0.003465

আবার, 
মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 75)% 
= 25% 

∴ তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র: 
N = N0e- tλ
বা, N/N0 = e- tλ
বা, e- tλ = 25% = 1/4
বা, ln(e- tλ) = ln(1/4)
বা, - tλ = -1.39 
বা, t = 1.39 /0.003465
∴ t = 401.15 বছর 

এই মান অপশন ক) ৪০০ বছর এর কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণ করা হলো।
৪,১৯৩.
জুটন কী?
  1. ক) পাট থেকে তৈরি ঢেউটিন
  2. খ) পাট থেকে তৈরি পলিথিন
  3. গ) পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
  4. ঘ) পাটের ফাইবার থেকে তৈরি বোতল
সঠিক উত্তর:
গ) পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
ব্যাখ্যা
জুটন: 
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

জুটিন:

- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
৪,১৯৪.
বিশুদ্ধ বায়ুর ৯৯ শতাংশই কোন দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. নাইট্রোজেন ও আর্গণ
  2. আর্গণ ও অক্সিজেন
  3. ওজোন ও অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান (Elements of the Atmosphere):
- বায়ুমণ্ডল জলীয় বাষ্প, ধুলিকণা এবং বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বিশুদ্ধ বায়ুর ৯৯ শতাংশই নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত।
- বায়ুর বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড এর পরিমাণ ০.০০৩ শতাংশ হলেও এটি বায়ুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- এর মূল কারণ পৃথিবী থেকে বিকিরণকৃত তাপশক্তি শোষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে।
- কিন্তু বর্তমানে কার্বন ডাইঅক্সাইড এর মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি বায়ুমণ্ডলের জন্য হুমকি কারণ এতে পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা এবং তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বিশুদ্ধ বায়ুতে নাইট্রোজেন (N₂) ৭৮.০২ শতাংশ, অক্সিজেন (O2) ২০.৭১ শতাংশ, অবশিষ্ট ১ শতাংশ আর্গণ (Ar), কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), ওজোন (O₃) এবং অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপ্টন, জেনন এবং নাইট্রাস অক্সাইড), জলীয় বাষ্প এবং ধূলিকণা রয়েছে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯৫.
অক্টোপাসের রক্তের রঙ -
  1. সাদা
  2. লাল
  3. সবুজ
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল
ব্যাখ্যা
অক্টোপাস:
- অক্টোপাস সামুদ্রিক প্রাণী। 
- অক্টোপাসের রক্তের রঙ নীল। 
- হিমোসায়ানিন নামক রাসায়নিকের জন্য এদের রক্তের রং নীল।
- এটি মলাস্কা পর্ব ও সেফালোপডা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। 
- এটি আট বাহুবিশিষ্ট। 
- অক্টোপাসের তিনটি হৃৎপিণ্ড রয়েছে। 
- অক্টোপাসের বাহ্যিক গঠন ভীতির সৃষ্টি করে বলে একে ডেভিল ফিশ বলা হয়। 

উৎস: Natural History Museum।
৪,১৯৬.
চিকুনগুনিয়া রোগের ভ্যাকসিন কোনটি?
  1. কনভিডেসিয়া
  2. ইক্সচিক
  3. পিসিভি
  4. কোভিশিল্ড
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া ভ্যাকসিন
- মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশ্বে প্রথম টিকা অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)।
- বিশ্বে অনুমোদন দেওয়া টিকাটির নাম ‘ইক্সচিক’।
- চিকুনগুনিয়া মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এ রোগের উপসর্গ হল জ্বর ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
-  ‘ইক্সচিক’ নামের এই টিকা তৈরি করেছে ইউরোপের ভালনেভা সংস্থা। 
- চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত হলে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অনেক জ্বর আসে। এছাড়াও থাকে গাঁটে গাঁটে প্রচণ্ড ব্যথা।
- আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশে এ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে বেশি।

সূত্র- বিবিসি। 
৪,১৯৭.
প্রতিফলক তলের মসৃণতা বৃদ্ধি পেলে আলোর প্রতিফলনের উপর কী প্রভাব পড়ে?
  1. প্রতিফলনের পরিমাণ হ্রাস পায়
  2. প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  3. প্রতিসরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  4. আলোর শোষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

• প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়।

• আলোর প্রতিফলন :
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে।
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি।
- সাধারণতঃ দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না।
পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
 তা হলো -
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ।

 - প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়।
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়।
- যেমন সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়।
- কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে।
- কাচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়।
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়।
- রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়।

- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে;
তা হলো-
১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং
২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯৮.
আলফা কণিকা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল? 
  1. আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে।
  2. আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
  3. আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
  4. আলফা কণিকা চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আবার যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা (α) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মিকে বিটা (β) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (γ) রশ্মি বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৯.
বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলে কোন ধরনের টিস্যু বিদ্যমান?
  1. ক) Cuboidal Epithelial Tissue
  2. খ) Squamous Epithelial Tissue
  3. গ) Columnar Epithelial Tissue
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
খ) Squamous Epithelial Tissue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Squamous Epithelial Tissue
ব্যাখ্যা

বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলে স্কোয়ামাস আবরণী টিস্যু বিদ্যমান।

এ ধরনের টিস্যুগুলো মাছের আঁশের মতো চ্যাপ্টা এবং এদের নিউক্লিয়াস বড় আকারের হয়। এ টিস্যু প্রধানত আবরণ ছাড়াও ছাঁকনির কাজ করে থাকে।
কিউবয়ডাল আবরণী টিস্যুগুলো ঘনাকার অর্থাৎ, কোষগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা প্রায় সমান। যেমন- বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা। এই টিস্যু প্রধানত পরিশোষণ এবং আবরণী কাজে লিপ্ত থাকে।
কলামনার আবরণী টিস্যুগুলো দেখতে স্তম্ভের মতো সরু এবং লম্বা। যেমন- প্রাণীর অন্ত্রের অন্ত্রপ্রাচীরের কোষগুলো প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণ এর কাজ করে থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৪,২০০.
‘হিগস বোসন’ কণার আবিষ্কারক কে?
  1. স্টিভেন হকিং
  2. জন বারডিন
  3. পিটার হিগস
  4. জেমস ফ্রাংক
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস
ব্যাখ্যা
‘হিগস বোসন’ কণা
- হিগস বোসন বা ঈশ্বর কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের প্রস্তাবিত মৌলিক কণা।
- হিগস ক্ষেত্র এবং তার সহযোগী হিগস বোসন অস্তিত্ব সহজ কয়েকটি পদ্ধতির মাধ্যমে কিভাবে কিছু প্রাথমিক কণা ভর আছে ব্যাখ্যা করা হবে।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল বলছে এই কণার হিগস ক্ষেত্র, যা অ শূন্য শক্তি আছে সর্বত্র এমনকি অন্যথায় ফাঁকা জায়গাও, সাথে আলাপচারিতার দ্বারা ভর অর্জন।
- ‘হিগস বোসন’ কণার আবিষ্কার করেন পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস। 
- পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ও সত্যেন বোস-এর নামে এই কণার নামকরণ করা হয়।
- যে তত্ত্বের মাধ্যমে আমরা ভাগ করতে পারি তাকে The Standard Model of Particle Physics বলে।
- এই তথ্য অনুসারে মহাবিশ্বের ব্যারিওনিক ম্যাটার অর্থ্যাত যাদের প্রোটন এবং নিউট্রন রয়েছে কিন্তু ইলেকট্রন বা নিউট্রিনো নেই, তাদের দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি হলো ফার্মিওন যেখানে কণাগুলোর ভর আছে এবং ইলেকট্রিক চার্জ আছে।
- অন্যদিকে, আরেকটি ভাগ হল বোসন যেখানে কণাগুলো প্রকৃতির বল ধারণ করে।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে আরেকটি অভিনব কণার সন্ধান মিলতে পারে বলে ১৯৬০ সাল থেকে আশাবাদী ছিলেন পদার্থবিদেরা।
- অবশেষে ৪ জুলাই, ২০১২ সালে CERN এ অবস্থিত Large Hadron Collider(LHC) দিয়ে সেই অভিনব কণার সন্ধান মেলে।
- এই হিগস-বোসন এর চিহ্ন হলো H0।

সূত্র- openspace.org.bd.