উত্তর
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার — ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার ও সফল কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ শুরু হয়।
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ:
- আধুনিক যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ।
- এ প্রযুক্তির বিকাশ মানুষের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফল।
- প্রাচীনকালে মানুষ আকার-ইঙ্গিতে তথ্য আদান-প্রদান করত।
- পরবর্তীতে দেয়ালে আঁচড় কেটে, পাথর খোদাই করে তথ্য সংরক্ষণ করা হতো।
- কাগজ-কলমের আবির্ভাব তথ্য সংরক্ষণে নতুন ধাপ সৃষ্টি করে।
- আধুনিক সভ্যতার উন্নয়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভরশীল।
• ইলেক্ট্রনিক্স ও উপগ্রহ যোগাযোগ:
- ইলেক্ট্রনিক্স, ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ, কম্পিউটার প্রযুক্তির সমন্বয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে।
- ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটিং, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্সকে পৃথকভাবে কল্পনা করা যায় না।
- ষাটের দশকে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগে নতুন অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৫ সালে প্রতিটি ইন্টেলস্যাট উপগ্রহে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট অথবা একটি টেলিভিশন চ্যানেল পরিবহনের ব্যবস্থা ছিল।
• তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ:
- ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার তথ্য প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।
- ১৯৭৬ সালে মাইক্রোকম্পিউটার, ১৯৮১ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার, ১৯৮৪ সালে মেকিনটোশ, ১৯৯৬ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ডাটা নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এ প্রযুক্তির ভিত্তি।
• ডিজিটাল যুগ ও ফাইবার অপটিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বশেষ ধারা হলো ডিজিটাল প্রযুক্তি।
- ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত্তি বাইনারি পদ্ধতি।
- বর্তমান যুগকে ডিজিটাল যুগ বলা হয়।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
- ফাইবার অপটিক সংকেতের মান উপগ্রহ সংকেতের তুলনায় উন্নত।
• অন্যান্য অপশন:
- উপগ্রহ যোগাযোগের সূচনা → ষাটের দশকে টেলিযোগাযোগে নতুন ধাপের সূচনা করে।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ব্যবহার → আন্তর্জাতিক যোগাযোগে উচ্চগতির ডাটা পরিবহনে ব্যবহৃত।
- ইন্টেলস্যাট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ → ১৯৬৫ সালে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট পরিবহনের সক্ষমতা ছিল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।