বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৩ / ১৪০ · ৪,২০১৪,৩০০ / ১৪,০৮০

৪,২০১.
তথ্য প্রযুক্তির বৈপ্লবিক ও ব্যাপক বিকাশের সূচনা মূলত কোন ঘটনার মাধ্যমে ঘটে?
  1. উপগ্রহ যোগাযোগের সূচনা
  2. মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
  3. ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ব্যবহার
  4. ইন্টেলস্যাট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার — ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার ও সফল কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ শুরু হয়।

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ:
- আধুনিক যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ।
- এ প্রযুক্তির বিকাশ মানুষের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফল।
- প্রাচীনকালে মানুষ আকার-ইঙ্গিতে তথ্য আদান-প্রদান করত।
- পরবর্তীতে দেয়ালে আঁচড় কেটে, পাথর খোদাই করে তথ্য সংরক্ষণ করা হতো।
- কাগজ-কলমের আবির্ভাব তথ্য সংরক্ষণে নতুন ধাপ সৃষ্টি করে।
- আধুনিক সভ্যতার উন্নয়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভরশীল।

• ইলেক্ট্রনিক্স ও উপগ্রহ যোগাযোগ:
- ইলেক্ট্রনিক্স, ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ, কম্পিউটার প্রযুক্তির সমন্বয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে।
- ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটিং, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্সকে পৃথকভাবে কল্পনা করা যায় না।
- ষাটের দশকে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগে নতুন অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৫ সালে প্রতিটি ইন্টেলস্যাট উপগ্রহে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট অথবা একটি টেলিভিশন চ্যানেল পরিবহনের ব্যবস্থা ছিল।

• তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ:
- ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার তথ্য প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।
- ১৯৭৬ সালে মাইক্রোকম্পিউটার, ১৯৮১ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার, ১৯৮৪ সালে মেকিনটোশ, ১৯৯৬ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ডাটা নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এ প্রযুক্তির ভিত্তি।

• ডিজিটাল যুগ ও ফাইবার অপটিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বশেষ ধারা হলো ডিজিটাল প্রযুক্তি।
- ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত্তি বাইনারি পদ্ধতি।
- বর্তমান যুগকে ডিজিটাল যুগ বলা হয়।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
- ফাইবার অপটিক সংকেতের মান উপগ্রহ সংকেতের তুলনায় উন্নত।

• অন্যান্য অপশন:
- উপগ্রহ যোগাযোগের সূচনা → ষাটের দশকে টেলিযোগাযোগে নতুন ধাপের সূচনা করে।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ব্যবহার → আন্তর্জাতিক যোগাযোগে উচ্চগতির ডাটা পরিবহনে ব্যবহৃত।
- ইন্টেলস্যাট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ → ১৯৬৫ সালে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট পরিবহনের সক্ষমতা ছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২০২.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১২ ভাগ
  2. ১৩ ভাগ
  3. ১৭ ভাগ
  4. ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ। 
 
উল্লেখ্য যে, 
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা- 
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২০৩.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক কোনটি?
  1. সেন্টিবল
  2. হার্জ
  3. ডেসিবল
  4. ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দদূষণ: 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। 
সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৪.
সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি? 
  1. তৈল
  2. চর্বি
  3. সাবান
  4. ডিটারজেন্ট
সঠিক উত্তর:
চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্বি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড, স্টেয়ারিক এসিড এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড, লিনোলিক এসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়। 
(৩) তৈল উদ্ভিদ দেহে কিন্তু চর্বি প্রাণি দেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন - সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।
৪,২০৫.
পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করছে তার নাম কী?
  1. সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
  2. মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
  3. অ্যান্ড্রোমিডা
  4. প্রক্সিমা সেন্টোরি
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করছে, তার নাম হলো মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ।

• মহাবিশ্ব (Universe): 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- মহাবিশ্ব যে কত বড় তা কেউ জানে না এবং কেউ জানে না মহাবিশ্বের আকার বা আকৃতি কেমন। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। 
- গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

• অন্যান্য অপশন:
- সোমব্রেরো গ্যালাক্সি: এটি একটি বিখ্যাত সর্পিলাকার গ্যালাক্সি, যা আমাদের মিল্কিওয়ে থেকে প্রায় ২৮ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অ্যান্ড্রোমিডা: এটি আমাদের নিকটতম বৃহৎ প্রতিবেশী গ্যালাক্সি।
- প্রক্সিমা সেন্টোরি: এটি কোনো গ্যালাক্সি নয়, বরং আমাদের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৪,২০৬.
কৃষিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে কোন লবণ ব্যবহার করা হয়? 
  1. NaCl
  2. KNO3
  3. CuSO4
  4. NH4NO3
সঠিক উত্তর:
CuSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

লবণের ব্যবহার: 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) লবণ। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) লবণ। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় যা মূলত লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২০৭.
আলট্রাসনোগ্রাফি হলো -
  1. ক) এক প্রকার আলোক তরঙ্গ
  2. খ) এক্স-রে এর মাধ্যমে ইমেজিং
  3. গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
  4. ঘ) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
ব্যাখ্যা
আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়।
এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২০৮.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির ওপর নির্ভরশীল? 
  1. সিপিইউ
  2. হার্ডডিস্ক
  3. সফটওয়্যার
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
ব্যাখ্যা
সিপিইউ (CPU): 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে। 
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। মূলত সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট ও 
- রেজিস্টার স্মৃতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৯.
নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ এক ধরনের- 
  1. শুষ্ক কোষ
  2. ড্যানিয়েল কোষ
  3. সেকেন্ডারি কোষ
  4. প্রাথমিক কোষ
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,২১০.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. বল
  2. ত্বরণ
  3. বেগ
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২১১.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,২১২.
কোন যৌগটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. সোডিয়াম সিলিকেট
  3. সোডিয়াম গ্লটামেট
  4. সোডিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R- COOK)।
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট(Na2SiO3) ' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। 
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২১৩.
পেনিসিলিন মূলত কোন ধরনের সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ভাইরাস সংক্রমণ
  2. ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
  3. ফাংগাস সংক্রমণ
  4. পরজীবী সংক্রমণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
ব্যাখ্যা
• পেনিসিলিন মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• পেনিসিলিন:

- পেনিসিলিন হলো একি ধরণের এন্টিবায়োটিক।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ধ্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. National Library of Medicine. [Link]
৪,২১৪.
নিচের কোন রোগটির জন্য H1N1 ভাইরাস দায়ী?
  1. ডেঙ্গু
  2. সোয়াইন ফ্লু
  3. বার্ড ফ্লু
  4. এইডস্
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
ব্যাখ্যা
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে, এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 
 
উৎস:
1. WHO Website [লিঙ্ক]।
2. Britannica [লিংক]. 
৪,২১৫.
‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা গ্রহের কুচকাওয়াজ কী?
  1. যখন সব গ্রহ সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণন বন্ধ করে
  2. যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
  3. যখন শুধুমাত্র চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় আসে
  4. যখন একটি গ্রহ অন্য গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
ব্যাখ্যা
প্ল্যানেটারি প্যারেড:
- ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ (Planetary Parade) বা গ্রহের কুচকাওয়াজ হলো একটি মহাজাগতিক ঘটনা।
- যখন আমাদের সৌরজগতের একাধিক গ্রহ একই সরলরেখায় বা আকাশের একই অঞ্চলে অবস্থান করে এবং পৃথিবী থেকে দেখা যায়।
- জোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা গ্রহের কুচকাওয়াজ।
- পৃথিবীসহ সৌরজগতের আটটি গ্রহ একই কক্ষপথে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তবে তাদের প্রদক্ষিণ করার গতি ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- গ্রহগুলোর গতি ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় কখনো কখনো কিছু গ্রহ সূর্যের একই পাশে সারিবদ্ধ হয়ে প্রদক্ষিণ করতে থাকে।
- গ্রহগুলো যদি সূর্যের ডানদিকে থেকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে, তখন সেগুলো পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়।

সম্প্রতি,
- সাতটি গ্রহের দেখা পাওয়ার এ এক বিরল সুযোগ পেয়েছে বিশ্ববাসী।
- সৌরজগতের যে সাত গ্রহ এককাতারে এসেছে সেগুলো হলো মঙ্গল, বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শুক্র, নেপচুন, বুধ ও শনি।
- আগামী প্ল্যানেটারি প্যারেড  ২০৪০ সালে দেখা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৪,২১৬.
ভরবেগের একক কোনটি? 
  1. N
  2. m/s 
  3. kg m/s
  4. kg m/s2
সঠিক উত্তর:
kg m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg m/s
ব্যাখ্যা

ভরবেগ (Momentum): 
- ভরবেগ হচ্ছে গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভৌত রাশি। 
- এটি গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের উপর নির্ভরশীল। 
যেমন- টেবিল টেনিস বলকে থামানোর চেয়ে একটি গতিশীল ট্রাক থামানো অনেক কঠিন কেন যদিও বস্তু দুটি সমদ্রুতিতে চলছে; কারণ টেবিল টেনিস বল এবং প্রাইভেট গাড়ি একই দ্রুতিতে গতিশীল থাকা সত্ত্বেও প্রাইভেট গাড়ির ভরবেগ বেশি। 
- কোন গতিশীল বস্তুকে থামানো কত কঠিন তা নির্ভর করে গতিশীল বস্তুটির ভরবেগের পরিমাপের উপর। 
- কোন বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে এর ভরবেগ বলে। 
একটি বস্তুর ভর = m এবং বেগ= v হলে, ভরবেগ, p = mv  । 
- ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি, এর দিক বেগের দিকে। 
- ভরবেগের একক kgms-1 এবং মাত্রা MLT -1 । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২১৭.
আয়োডিন প্রধানত কোন উপাদানে সবচেয়ে বেশি থাকে? 
  1. আপেল 
  2. গাজর 
  3. সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
  4. বাদাম
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

খনিজ লবণ: 
- দেহ কোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যক। 
- মানব দেহে Ca, Fe, S, Zn, Na, K, I ইত্যাদি খনিজ লবণ থাকে। 
- এগুলো খাদ্য ও মানব দেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব ও অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ, নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসব্জি, লাল শাক, কঁচু শাক ইত্যাদিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম। 
- কলিজা, মাংস, ডিমের কুসুম, কঁচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, বাদাম, ডাল হতে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল, গাজর ইত্যাদিতে পটাসিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস ও খাবার লবণে ক্লোরিন থাকে। 
- সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস ও শ্যাওলায় আয়োডিন থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২১৮.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মৌলসমূহ কোন ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে? 
  1. পারমাণবিক ভর
  2. পারমাণবিক সংখ্যা
  3. যোজন ইলেকট্রন
  4. আয়নীকরণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
ব্যাখ্যা

◉ আধুনিক পর্যায় সারণি (Modern Periodic Table) মূলত মোজলি (Henry Moseley, 1913)-এর প্রস্তাবিত নীতি অনুসারে সাজানো। তিনি প্রমাণ করেন যে, মৌলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে পারমাণবিক সংখ্যা (proton সংখ্যা) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই পর্যায় সারণিতে মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।

আধুনিক পর্যায় সারণি: 
- আবিষ্কৃত মৌল সমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলির সামঞ্জস্য রেখে যে সারণিতে পর্যায় ক্রমে স্থান দেয়া হয়েছে তাকে পর্যায় সারণি (Periodic table) বলে।
- আধুনিক পর্যায় সারণিতে (Modern Periodic Table) মৌলগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার ক্রম অনুসারে সাজানো হয়েছে।
- ১৯১৩ সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।
- এর পূর্বে মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো তাদের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজানো ছিলো। 

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) অনুসারে সাজানো হয়।
- পর্যায় সারণিতে 18টি গ্রুপ এবং 7টি পর্যায় রয়েছে।
- একটি গ্রুপ হল পর্যায় সারণীর উল্লম্ব কলাম, যা মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- একটি পর্যায় হল পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারি।
- প্রতিটি পর্যায় বামদিকের গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মূল পর্যায় সারণির নিচে ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারির মৌল হিসেবেও দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে ৬ এবং ৭ পর্যায়ের অংশ।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৪,২১৯.
নিচের কোনটি মুক্তি বেগ (Escape Velocity)-এর সঠিক সংজ্ঞা?
  1. সর্বোচ্চ বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যায়
  2. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে
  3. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
  4. যে কোনও বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু কিছু সময়ের জন্য স্থিতিশীল থাকে
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
ব্যাখ্যা

সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- এক টুকরো পাথরকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে অভিকর্ষের টানে তা আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পুনরায় একে দ্বিগুণ বলে ছুড়ে দিলে এটির বেগ বেশি হবে, আরও উপরে উঠবে বটে কিন্তু আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পৃথিবীর অভিকর্ষ বল ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত পাথর খন্ডকে এভাবে টেনে আনে। কিন্তু যদি পাথর খন্ডের উপর এমন বল প্রয়োগ করা যায় যাতে এটি এমন বেগ প্রাপ্ত হয় যে পৃথিবীর আকর্ষণ সীমা বা অভিকর্ষ ক্ষেত্র অতিক্রম করে যায় তাহলে আর এটি ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে না।
- এটি পৃথিীবীর আকর্ষণ মুক্ত হয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে।
- এই বেগ হবে অভিকর্ষের থেকে মুক্তির পাওয়ার বেগ।
- সুতরাং মুক্তি বেগকে নিম্ন রূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২২০.
এককোষী জীবের উদাহরণ কোনটি? 
  1. ব্যাঙ 
  2. মানুষ 
  3. ব্যাকটেরিয়া 
  4. বৃক্ষ 
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া 
ব্যাখ্যা

জীবের বৈশিষ্ট্য: 
- জীবদেহ জীবকোষ (Cell) দ্বারা গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ইত্যাদি জীব মাত্র একটি কোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা এককোষী (Unicellular) জীব। 
- বৃক্ষ, গুল্ম, পশু-পাখি, মানুষ প্রভৃতি জীব অসংখ্য জীবকোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা বহুকোষী (Multicellular) জীব। 
- জীবকোষে সজীব প্রোটোপ্লাজম থাকে। 
- নিউক্লিয়াসসহ অন্যান্য কোষাঙ্গাণু প্রোটোপ্লাজমে অবস্থান করে। তাই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি বলা হয়। 
- জড়বস্তু কোন জীবকোষ দ্বারা গঠিত নয় এবং জড়বস্তুতে কোন প্রোটোপ্লাজম নেই। 
- জীবের বংশবৃদ্ধির (Reproduction) তথা শিশু জীব জন্ম দেয়ার ক্ষমতা থাকে যা জড়বস্তুতে নেই। 
-  জীবদেহে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় (Physiological) কার্যকলাপ, যেমন- শ্বসন, পরিপাক, বৃদ্ধি, উত্তেজনায় সাড়া দেয়া, পরিবেশের সাথে অভিযোজন ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- জড় বস্তুতে কোন শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ ঘটে না। 
- জীবের মৃত্যু আছে, জড় বস্তুর মৃত্যু নেই। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২২১.
সিডর ২০০৭ সালের কত তারিখে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে?
  1. ১১ নভেম্বর
  2. ৫ নভেম্বর
  3. ১৯ নভেম্বর
  4. ১৫ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
সিডর (Sidr) এ যাবৎকালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী।
- ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে।
- বঙ্গোপসাগরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভের পরই ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে।
- এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ২৬০ কিমি সাফাইর-সিম্পসন (Saffire-Simpson scale) অনুযায়ী ৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের সমতুল্য।
- ঘূর্ণিঝড় এবং তদুপরি জলোচ্ছাসের প্রভাবে প্রায় দশ সহস্রাধিক মানুষ প্রাণ হারায়।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় ছাড়াও ভারতের চেন্নাই, তামিলনাড়ু এবং আরও কিছু রাজ্য সিডর এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,২২২.
তেজস্ক্রিয়তার এস.আই লব্ধ একক কোনটি? 
  1. ওহম 
  2. রন্টজেন 
  3. বেকেরেল 
  4. কুরী 
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২২৩.
তরঙ্গ সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ
  2. আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
  3. শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
ব্যাখ্যা

আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান, এই বিবৃতিটি সত্য নয়।
- আলো যখন শূন্যস্থান ছাড়া অন্য যেকোনো মাধ্যমে (যেমন বাতাস, জল, কাঁচ) প্রবেশ করে, তখন সেই মাধ্যমের ঘনত্বের (বা প্রতিসরাঙ্কের) কারণে আলোর বেগ পরিবর্তিত হয়।
- মাধ্যম পরিবর্তনের সাথে সাথে আলোর বেগও পরিবর্তিত হয়।

• তরঙ্গ:
- তরঙ্গ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো মাধ্যম ছাড়া বা মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলির কোনো স্থায়ী সরণ ঘটে না। কণাগুলি কেবল তাদের সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে স্পন্দিত বা কম্পিত হয়।
• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- মাধ্যমের প্রয়োজন অনুসারে:
১। যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন (যেমন: শব্দ, পানির ঢেউ)
২। তড়িৎচুম্বক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন নেই (যেমন: আলো, রেডিও তরঙ্গ)

- কম্পনের দিক অনুসারে:
১। অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের লম্বভাবে কম্পিত হয় (যেমন: আলো)।
২। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের সমান্তরালে কম্পিত হয় (যেমন: শব্দ)।

তরঙ্গের সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
- তরঙ্গের মূল কাজ হলো স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করা।
- তরঙ্গ প্রবাহের সময় মাধ্যমের কণাগুলির স্থান পরিবর্তন হয় না, কণাগুলি কেবল সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে কম্পিত হয়।
- অধিকাংশ তরঙ্গই (আলো, শব্দ, ইত্যাদি) প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার এবং অপবর্তন ধর্মগুলি প্রদর্শন করে।
- তরঙ্গবেগ (v), কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো: v = fλ.
- যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে (যেমন কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি)।

অপশন আলোচনা:
ক) শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ: 
- আলো হলো একটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। শূন্যস্থান (ভ্যাকুয়াম) হলো সবচেয়ে কম ঘনত্বের মাধ্যম। শূন্যস্থানে আলোর বেগ (c) প্রায় 3 × 108 মি./সে., যা এই ধরনের তরঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ সীমা।
খ) আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান:
- এটি সত্য নয়। আলোর বেগ মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (n) দ্বারা নির্ধারিত হয়। যেহেতু পানি, কাঁচ, বাতাস ইত্যাদির প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন ভিন্ন, তাই আলোর বেগও এই মাধ্যমগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন হবে। যেমন, পানিতে আলোর বেগ কাঁচের চেয়ে বেশি।
গ) শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
- শব্দ তরঙ্গ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। এর সঞ্চালনের সময় মাধ্যমের কণাগুলি তরঙ্গের গতির দিকের সমান্তরালে স্পন্দিত হয় (সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে), তাই এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
ঘ) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল:
- v = fλ। অর্থাৎ, তরঙ্গবেগ তার কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ) গুণফলের সমান।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৪,২২৪.
কোন ধরনের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফায ভাইরাস
  2. রোটা ভাইরাস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
  4. হেপাটাইটিস ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ফায ভাইরাস, ব্যাকটেরিওফায (bacteriophage) নামে পরিচিত, এটি এক ধরনের ভাইরাস যা বিশেষভাবে ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং মেরে ফেলে। কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদির ওষুধ তৈরিতে এই ফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিওফায ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে ফায থেরাপি (phage therapy) বলা হয় এবং এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি। 

ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যেমন- 
• বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশলে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
• কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হচ্ছে। 
• জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
• লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২২৫.
কোনটি হাইড্রোলিক মেশিন?
  1. ক) ইঞ্জিন
  2. খ) পাম্প
  3. গ) মোটর
  4. ঘ) কম্প্রেসর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
ব্যাখ্যা
হাইড্রোলিক পাম্প: 
- হাইড্রোলিক পাম্প হাইড্রোলিক টুলের মাধ্যমে হাইড্রোলিক তরলকে স্থানান্তরিত করে এবং যান্ত্রিক গতি এবং শক্তিকে জলবাহী শক্তিতে রূপান্তর করে।
- পাম্প একটি বৈদ্যুতিক মোটর, অভ্যন্তরীণ জ্বলন ইঞ্জিন, বায়ুচাপ বা পাওয়ার টেক অফ থেকে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
- পিস্টন, ভ্যান এবং গিয়ার সহ বিভিন্ন ধরনের পাম্প রয়েছে।
- সকল হাইড্রোলিক পাম্প একই নীতিতে কাজ করে যার মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধী চাপ বা লোডের বিরুদ্ধে তরলের পরিমাণ স্থানান্তর করা।

উৎস: metrohydraulic.
৪,২২৬.
সিমেন্টে চুনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ৪০ - ৫০%
  2. খ) ৫০ - ৬০%
  3. গ) ৬০ - ৭০%
  4. ঘ) ৭০ - ৭৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০ - ৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০ - ৭০%
ব্যাখ্যা
সিমেন্টে বিভিন্ন উপাদানের সংযুক্তিঃ
৪,২২৭.
কোনো মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান-
  1. বাড়ে
  2. কমে
  3. একই থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন আসক্তি: 

- গ্যাসীয় অবস্থায় কোন মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 

- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপের মৌল। 
- এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি। 
আবার, Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,২২৮.
ভূ-ত্বকের গড় গভীরতা প্রায় কত কিলোমিটার?
  1. ১০ কিলোমিটার
  2. ১৫ কিলোমিটার
  3. ২০ কিলোমিটার
  4. ২৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন: 
- সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় পৃথিবী একটি জলন্তগ্যাসপিণ্ড ছিল। 
- সময়ের পরিবর্তনে তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে গ্যাসীয় অবস্থা পরিবর্তিত হয়ে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। 
- ফলে ভারী পদার্থসমূহ পৃথিবীর কেন্দ্রে এবং হালকা পদার্থসমূহ পৃথিবীর উপরের দিকে জমা হয়ে ভূ-অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গঠনে ভিন্নতা তৈরি করেছে। 
- বর্তুলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৪০০ কিলোমিটার। 
- পৃথিবীর বহিরাবরণকে ভূ-ত্বক বলে। 
- পৃথিবীর উপরিভাগের শক্ত আবরণ ভূ-ত্বক বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শিলা দ্বারা গঠিত। 
- ভূ-ত্বক অশ্মমণ্ডলেরই উপরিভাগ যার মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকনের পরিমাণ বেশি। 
- আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট ১০৫ টি মৌলিক উপাদানের মধ্যে ২০ টি উপাদান ভূ-ত্বকের প্রায় শতকরা ৯৯.৫ অংশ দখল করে আছে। 
- পৃথিবীর গভীরতা সর্বত্র সমান নয়, তবে এর গড় গভীরতা ২০ কিলোমিটার। 
- ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলারাশির ঘনত্ব ২.৭৫ থেকে ৩.০ পর্যন্ত। 
- ভূ-ত্বক বা অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগেই পৃথিবীর বাহ্যিক দিকগুলো দেখা যায়। যেমন: সমভূমি, মালভূমি, পাহাড়, পর্বত, নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,২২৯.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
  3. বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে
  4. তরল পদার্থের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২৩০.
স্যাকারিন প্রস্তুত হয়-
  1. বেনজিন থেকে
  2. টলুইন থেকে
  3. ফেনল থেকে
  4. এলডিহাইড থেকে
সঠিক উত্তর:
টলুইন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টলুইন থেকে
ব্যাখ্যা
• স্যাকারিন:
- স্যাকারিন হলো একটি কৃত্রিম মিষ্টি, যা প্রকৃত চিনি থেকে প্রায় ৩০০-৪০০ গুণ বেশি মিষ্টি।
- এটি সাধারণত টলুইন (Toluene) থেকে প্রস্তুত করা হয়।
- রাসায়নিক নাম: o-Benzosulfimide
- ব্যবহার: ডায়েট খাবার, ডায়াবেটিকদের জন্য বিকল্প মিষ্টি, সফট ড্রিঙ্ক, ওষুধে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,২৩১.
কোনটির কারণে মরিচ ঝাল লাগে?
  1. ক) ভিটামিন কে
  2. খ) ক্যাপসিসিন
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) চিলিক্যাল
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিসিন
ব্যাখ্যা
ক্যাপসিসিনের কারণে মরিচে ঝাল লাগে। ক্যাপসিসিন গন্ধহীন একধরনের অ্যালকালয়েড। যে মরিচে যত বেশি ক্যাপসিসিন থাকে সে মরিচ তত বেশি ঝাল।
৪,২৩২.
তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ভোল্টামিটার
  2. ভেলাটোমিটার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা

- কোনো তড়িৎ-বিশ্লেষ্য পদার্থের ভিতর দিয়ে তড়িৎ চালনা করার সময় পদার্থটিকে জলে দ্রবীভূত বা গলিত অবস্থায় একটি পাত্রের মধ্য রেখে তড়িৎ-বিশ্লেষণ করা হয় । এই পাত্রটিকে ভোল্টামিটার বলে ।
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার।
- তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,২৩৩.
তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) নাইট্রিক এসিড
  3. গ) কপার সালফেট
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
ব্যাখ্যা

যেসব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন করে না, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না তাদেরকে তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। যেমন- পানি, চিনি, কেরোসিন ইত্যাদি।
যেসব পদার্থ তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। যেমন- সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, কপার সালফেট।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণির বই।

৪,২৩৪.
ফাইটোহরমোনের মধ্যে কোনটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে? 
  1. সালফার
  2. নাইট্রোজেন
  3. অক্সিজেন
  4. অক্সিন
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত অপশনের মধ্যে 'অক্সিন' ই একমাত্র ফাইটোহরমোন, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে। 

ফাইটোহরমোন: 

- উদ্ভিদদেহে উৎপাদিত হয় এক বিশেষ ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ। এর প্রভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে এবং বিভিন্ন অঙ্গের সৃষ্টি হয়। 
- জৈব পদার্থটি উদ্ভিদের সকল কাজকেই নিয়ন্ত্রণ করে, এ পদার্থকে হরমোন বা প্রাণরস বলা হয়। 
- এ হরমোনটি উদ্ভিদদেহে তৈরি হয় ও অবস্থান করে বিধায় একে ফাইটোহরমোন বলা হয়। 
- একে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক রাসায়নিক বস্তুও বলা হয়। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মতে এগুলো উদ্ভিদের কোষে উৎপাদিত হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কলাসমূহের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে সক্ষম। 
- এরা কোন পুষ্টি দ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্র মাত্রায় উৎপন্ন হয়ে কোষের ভিন্নতা সৃষ্টি ও দেহের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। 
- উদ্ভিদে যে সব ফাইটোহরমোন পাওয়া যায় সেগুলো হলো- অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোকাইনিন, অ্যাবসিসিক অ্যাসিড এবং ইথিলিন। 
- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, এদেরকে পস্টুলেটেড হরমোন (Postulated hormone) বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৩৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসের গঠন উপাদান?
  1. লিপিড
  2. প্রোটিন
  3. ফ্লাজেলা
  4. পলিস্যাকারাইড
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। সাধারণ ভাবে ভাইরাসের গঠন নিম্নরূপ-
প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা-প্রোটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও নিউক্লিক এসিড।
ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রোটিন আবরণটি হলো ক্যাপসিড। এ প্রোটিন আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার (capsomere) বলে। এ ক্যাপসোমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের। কোনো কোনো প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপোপ্রোটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলোমার (pelpomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপোভাইরাস (lipovirus) বলে।
নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড। নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা- DNA (ডি অক্সি-রাইবো নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৪,২৩৬.
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরিকৃত করোনা ভাইরাসের টিকার নাম-
  1. ক) Covaccine
  2. খ) COVAX
  3. গ) Covishield
  4. ঘ) CoviDefender
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি
১৩ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড (Covishield)' পেতে ভারতের সেরাম ইনষ্টিটিউটের সাথে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ভ্যাকসিন প্রাপ্যতার নিশ্চয়তা, গুণগতমান, কার্যকারিতা ও উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ বিবেচনায় রেখে প্রথম ধাপে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনা হবে। এতে সরকারের খরচ হবে ১,৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের খরচ হবে ৬.২৫ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬০ টাকা।
১৩ কোটির বেশি মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। সারা দেশে করোনা টিকা দেয়ার খসড়া জাতীয় পরিকল্পনায় বলা হয়, সুষ্ঠুভাবে টিকা কেনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭,২৮,০৯,৩৮৫। টিকা পাবে ১৩,৮২,৪৭,৫০৮ (মোট জনসংখ্যার ৮০%)।

৪,২৩৭.
নিচের কোনটির ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন?
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
• আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।

• আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

• আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৩৮.
লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ-
  1. লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  2. লোকভর্তি হল ঘরে মানুষের সোরগোল হয়।
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  4. শুন্য ঘরে শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হয়।
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
ব্যাখ্যা
শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।
যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়।
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়।
৪,২৩৯.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় কোনটি উৎপাদন করা হয়?
  1. ক) বেনজিন
  2. খ) ইথানল
  3. গ) অ্যালডিহাইড
  4. ঘ) ফ্যাটি এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 

- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্যে শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৪০.
হাইড্রোজেন অপেক্ষাকৃত হালকা হয়া সত্ত্বেও কেন হিলিয়াম দ্বারা বেলুন ভর্তি করা হয়?
  1. হিলিয়াম সহজলভ্য
  2. হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
  3. হিলিয়াম গ্যাসের দাম কম
  4. উপরের সবকটিই
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন অপেক্ষাকৃত হালকা হয়া সত্ত্বেও হিলিয়াম দ্বারা বেলুন ভর্তি করা হয় কারণ হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। 

নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 

- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।
৪,২৪১.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখায়?
  1. নীল
  2. কালো
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা

একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়।

৪,২৪২.
কোনটি  জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ?
  1. Cycas
  2. Pinus
  3. Netum
  4. Royal Plam
সঠিক উত্তর:
Cycas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cycas
ব্যাখ্যা

• জীবন্ত জীবাশ্ম বা “living fossil” হলো এমন উদ্ভিদ বা প্রাণী যা পৃথিবীতে বহু মিলিয়ন বছর ধরে কম পরিবর্তিত অবস্থায় টিকে আছে। এই প্রজাতিগুলি প্রায় প্রাচীন রূপে বর্তমানেও বিদ্যমান থাকে। প্রশ্নে যে চারটি উদ্ভিদ উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে Cycas জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। Cycas উদ্ভিদটি প্রায় ২ কোটি বছরের বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে রয়েছে এবং এর গঠন ও জীবনচক্র প্রায় অপ্রচলিত অবস্থায় রয়ে গেছে। অন্যদিকে Pinus, Netum এবং Royal Palm তুলনামূলকভাবে আধুনিক উদ্ভিদ এবং জীবন্ত জীবাশ্মের সংজ্ঞায় পড়ে না। তাই প্রাচীন গঠন ও ইতিহাসের কারণে Cycas পরিচিত জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

• Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ:
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত।
- এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৪৩.
তাপীয় ইঞ্জিনের মূল কাজ কোনটি? 
  1. তাপ শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর
  2. বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপ শক্তিকে রূপান্তর
  3. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
  4. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
ব্যাখ্যা

- তাপীয় ইঞ্জিন (heat engine) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতি অনুসারে তাপ শক্তিকে (thermal energy) যান্ত্রিক কাজে (mechanical work) রূপান্তর করে। 

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৪৪.
জিংক এর খনিজ উৎস কোনটি?
  1. ক) গ্যালেনা
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) ক্যালামাইন
  4. ঘ) সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা
• গ্যালেনা - সীসা এর খনিজ উৎস।
• বক্সাইট - অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
• ক্যালামাইন - জিংক এর খনিজ উৎস।
• সিন্নাবার - মার্কারির খনিজ উৎস।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৪,২৪৫.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৩ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ১৭ ভাগ
  4. ২০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

উল্লেখ্য যে,
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কেননা-
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৪৬.
অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কোন বিকিরণ প্রধানত ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি 
  2. গামা রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

◉ অপটিক্যাল ফাইবারে সাধারণত ৮৫০ nm, ১৩১০ nm এবং ১৫৫০ nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হয়। এগুলো অবলোহিত (Infrared) অঞ্চলের আলো।

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২৪৭.
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধাপ নয় কোনটি?
  1. ক) Reduce
  2. খ) Reuse
  3. গ) Recycle
  4. ঘ) Rearrange
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rearrange
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rearrange
ব্যাখ্যা
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উল্লেখযোগ্য তিনটি ধাপ হলো Reduce (হ্রাস করা), Reuse (পুনঃব্যবহার) ও Recycle (পুনঃসঞ্চালন)।
- রিসাইকেল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যবহার অনুপযোগী বা পরিত্যক্ত দ্রব্যাদিকে পরিবর্তন করে নতুন ভাবে ব্যবহার উপযোগী পণ্য সামগ্রী তৈরী করা। - আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহার্য দ্রব্যাদি যেমন- ধাতব আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, কাঁচ, প্লাস্টিক, সামগ্রী ইত্যাদি পুরাতন বা পরিত্যক্ত হলে সেগুলোকে বর্জ্য হিসেবে যত্রতত্র ফেলে দিই, ফলে এতে পরিবেশ দূষণ ঘটে ।
- বর্তমানে বিজ্ঞানের আর্শিবাদে এসব বর্জ্যকে রিসাইকেল করে পুর্বের ব্যবহৃত সামগ্রী প্রস্তুত করা সম্ভব। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দুষণ হ্রাস পায় অপরদিকে নতুন কাঁচামালের ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক উৎসসমূহ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।

সূত্র: ৩৩১ পৃষ্ঠা, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
৪,২৪৮.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৬০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৫০০ ন্যানোমিটার থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র - নবম - দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই
৪,২৪৯.
নিচের কোনটি RNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাস বেসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) এডিনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) থাইমিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
ব্যাখ্যা
DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-থাইমিন।
DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি বেস মিলিতভাবে একটি জেনেটিক কোড গঠন করে। প্রতিটি কোড ২০ প্রকার এমাইনো এসিডের যেকোন একটিকে নির্দেশ করে।

অপরদিকে RNA এর নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-ইউরাসিল।

ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে।
DNA পূর্ণরূপ- Deoxyribonucleic acid

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২৫০.
নক্ষত্রের মধ্যে পদার্থ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) কঠিন অবস্থায়
  2. খ) তরল অবস্থায়
  3. গ) গ্যাসীয় অবস্থায়
  4. ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
ব্যাখ্যা

প্লাজমা অবস্থা (Plasma state):
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থ তার সর্বোচ্চ গতিশক্তি প্রাপ্ত হয়। পদার্থ তার উপাদান কণায় বিয়োজিত হয়ে প্রতিটি কণা আধানযুক্ত হয় এবং প্রচন্ড গতিশক্তির কারণে ছুটাছুটি করতে থাকে, কিন্তু বিপরীত আধানের মধ্যে কোনরূপ আকর্ষণ বল অনুভূত হয় না।
- সাধারণত ১০৪ থেকে  ১০ কেল্ভিন তাপমাত্রায় বেশ কিছু পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র মন্ডলের মধ্যে পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করে।
- পারমাণবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,২৫১.
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে কী তৈরি হয়?
  1. হিলিয়াম ও বেরিয়াম
  2. ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
  3. হিলিয়াম ও ক্রিপ্টন
  4. হাইড্রোজেন ও ক্রিপ্টন
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
• বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

• পারমাণবিক শক্তি:

- ফ্রেঞ্চ পদার্থবিদ হেনরি বেকেরেল সর্বপ্রথম ১৮৯৬ সালে পারমাণবিক শক্তি উদ্ভাবন করেন।
- যে প্রক্রিয়ায় পরমাণুর সংযোজন বা বিভাজন ঘটিয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি পাওয়া যায় তাকে পারমাণবিক বিক্রিয়া বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিইয়াসই পারমাণবিক শক্তির উৎস।
- পারমাণবিক শক্তি মূলত দুই ভাবে পাওয়া যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া,
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর হতে শক্তির রূপান্তর আইনস্টাইনের E = mc2 শক্তির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে E = উৎপন্ন শক্তি, m = শক্তি উৎপন্নকারী পদার্থের ভর এবং c = আলোর গতিবেগ (শূণ্য মাধ্যমে)।
- নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রয়োজন মত সঠিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন করে যা বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে যা খুবই বিপজ্জনক। পারমাণবিক বোমা মূলত অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ধাতু পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

উৎস:
১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
৪,২৫২.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৮৮.১ শতাংশ
  2. ৯২.৩৬ শতাংশ
  3. ৯৭.২৫ শতাংশ
  4. ৯৯.০২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর জলভাগের অবস্থানভিত্তিক বণ্টন:
- সমুদ্র : ৯৭.২৫ শতাংশ
- হিমবাহ : ২.০৫ শতাংশ
- ভূগর্ভস্থ পানি : ০.৬৮ শতাংশ
- হ্রদ : ০.০১ শতাংশ
- মাটির আর্দ্রতা : ০.০০৫ শতাংশ
- বায়ুমণ্ডল : ০.০০১ শতাংশ
- নদী : ০.০০০১ শতাংশ
- জীবমণ্ডল : ০.০০০০৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,২৫৩.
দূষণহীন শক্তি উৎস কোনটি?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. সৌরশক্তি
  4. পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
ব্যাখ্যা
• সৌরশক্তি হলো দূষণহীণ শক্তি উৎস। 

• সৌরশক্তি:

- সৌরশক্তি (Solar Energy) হলো সূর্য থেকে আগত তাপ ও আলোক শক্তি।
- সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সৌরশক্তি সংগ্রহ করে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়। এটি একটি নবায়নযোগ্য এবং দূষণহীন শক্তি উৎস।

• সৌরশক্তির বৈশিষ্ট্য:
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বা দূষিত গ্যাস ছড়ায় না।
- অত্যন্ত টেকসই ও নিরাপদ শক্তির উৎস।
- দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশবান্ধব ও খরচ সাশ্রয়ী।

• দূষণহীন শক্তি উৎস:
- দূষণহীন শক্তি উৎস হলো সেইসব শক্তি যা ব্যবহারের সময় বায়ু, মাটি বা পানি দূষণ করে না এবং গ্রিনহাউস গ্যাস (CO2, NOx) নির্গত করে না।
- এগুলো সাধারণত নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র:
- International Energy Agency (IEA). 
- ব্রিটানিকা। 
৪,২৫৪.
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে- এটি কী?
  1. হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
  2. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা
  3. হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
  4. ফুসফুসে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা
ব্যাখ্যা
• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধার ফলে স্ট্রোক হয়। যাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যা একটি রক্ত সঞ্চালনের জনিত একটি রোগ।

• স্ট্রোক:
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়।

• স্ট্রোকের কারণ:
- সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্ত চাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ হতে পারে।
- অনেক সময় অত্যধিক স্নায়ুবিক চাপ, যেমন: উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
- নির্গত রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে, রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বরে ও মাথার খুলিতে ঢুকে গেলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

• লক্ষণ:
- প্রচন্ড মাথা ব্যথা,
- ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া,
- কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারিয়ে যাওয়া,
- মাংস পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া,
- শ্বসন ও নাড়ির স্পন্দন কমে যাওয়া,
- মুখমন্ডল লালবর্ণ ধারণ করা ইত্যাদি।

• প্রতিরোধের উপায়:
- ধূমপান চিরতরে পরিহার করা,
- যারা উচ্চ রক্ত চাপে ভুগছেন তা নিয়ন্ত্রণে রাখা,
- যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তা নিয়ন্ত্রণে রাখা,
- দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, সুন্দর ও সাধারণ জীবন যাপনকরা,
- সুষম খাবার, পরিমিত ঘুম এবং ব্যায়াম করা ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২৫৫.
ড্রাই সেলে ধনাত্মক পাত হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) কার্বন দণ্ড
  2. খ) সীসার কৌটা
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ কোষ প্রধাণত দুই প্রকার। যথা- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ ও শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ।

শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দন্ড ব্যবহৃত হয়। দস্তার চোঙে নিশাদল, কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে লেই বা কাদার মত অবস্থায় দস্তার চোঙের মধ্যে ভর্তি করা হয়। চোঙের মধ্যে একি কার্বনের দন্ড এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা চোঙটিকে স্পর্শ না করে।
কার্বন দন্ডটির মাথায় পিতলের টুপি লাগানো থাকে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচের স্তর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

এ কোষের দস্তার চোঙটি ঋণ-মেরু এবং কার্বন দন্ড ধন-মেরু হিসেবে কাজ করে। এ কোষে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড পোলারন নিবারনের কাজ করে।
এতে সাধারণত ১.৫ ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৪,২৫৬.
কোন খাদ্য উপাদানটিতে স্নেহ পদার্থ থাকে না?
  1. ভুট্টার তেল
  2. ডিমের কুসুম
  3. ঘি
  4. ডিমের সাদা অংশ
সঠিক উত্তর:
ডিমের সাদা অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিমের সাদা অংশ
ব্যাখ্যা
• ডিমের সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। 

• স্নেহ:
- সুষম খাদ্য উপাদানের মধ্যে স্নেহ একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন দিয়ে তৈরি এই উপাদানটির মুখ্য কাজ হলো তাপ উৎপাদন করা।
- শর্করা ও আমিষের তুলনায় চর্বিতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ ক্যালরি থাকে।

• উৎস অনুযায়ী স্নেহপদার্থ দুই ধরনের, যথা
- উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থ এবং
- প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।

→ উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থ:
- উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থের মধ্যে সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখী এবং ভুট্টার তেল ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।

→ প্রাণিজ স্নেহপদার্থ:
- চর্বি, ঘি ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।
- ডিমের কুসুমে স্নেহপদার্থ থাকে কিন্তু সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,২৫৭.
জীবাশ্ম জ্বালানির সীমাবদ্ধতা কোনটি?
  1. সহজলভ্য
  2. নবায়নযোগ্য
  3. দূষণ
  4. উচ্চ উৎপাদনশীলতা
সঠিক উত্তর:
দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূষণ
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি:  
- জীবাশ্ম জ্বালানি হলো এক প্রকার জ্বালানি যা মৃত গাছপালা এবং প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে লাখ লাখ বছর ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরে চাপা পড়ে তৈরি হয়।
- কয়লা, পেট্রোলিয়াম (তেল) এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান উদাহরণ। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান সীমাবদ্ধতাসমূহ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট দূষণ এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা।
- এটি পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি:
→ বায়ুদূষণ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) সহ নানা বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়।
→ জলবায়ু পরিবর্তন:
- দূষণের ফলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধি পেয়ে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঘটায়।
→ স্বাস্থ্য ঝুঁকি:
- দূষণের কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
→ সীমিত মজুদ:
- এগুলো অপুনরায় উৎপাদনযোগ্য নয়, তাই একবার ফুরিয়ে গেলে তা দ্রুত পুনরায় পাওয়া যায় না।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
৪,২৫৮.
ধানের পাতা ধ্বসা রোগের জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) পোকা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে গাছের কিছু কিছু অংশ খুব দ্রুত বিবর্ণ হয়। ফলে রোগাক্রান্ত গাছগুলো মরে যায়।
অনেক সময় মৃত অংশ পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। একে ব্লাইট বা মড়ক বলা হয়।
যেমন- ধানের পাতা ধ্বসা রোগ। এর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া হলো- Xanthomonas oryzae
৪,২৫৯.
তেজস্ক্রিয় বিকিরণে কোন কণিকা নির্গত হয়?
  1. ক) ইলেকট্রন ও প্রোটন
  2. খ) প্রোটন ও নিউট্রন
  3. গ) প্রোটন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য :
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ।  এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। 
- গামা রশ্মি তড়িৎ নিরপেক্ষে।  গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২৬০.
উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা কোনটি?
  1. হর্টিকালচার
  2. এপিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. এভিকালচার
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা : এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা : সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা : পিসিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা : প্রণকালচার।
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা : হর্টিকালচার।
- পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা : এভিকালচার।
- সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা : মেরিকালচার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,২৬১.
বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে কত ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি
  2. ৪৫ ডিগ্রি
  3.  ৯০ ডিগ্রি
  4. ৭৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
 ৯০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রিনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।।

৪,২৬২.
‘ORS’ ব্যবহৃত হয় —
  1. গ্যাস দূর করতে
  2. পানিশূন্যতা রোধে
  3. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
  4. হজম বাড়াতে
সঠিক উত্তর:
পানিশূন্যতা রোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিশূন্যতা রোধে
ব্যাখ্যা
• পানিশূন্যতা হলো এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যখন দেহে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও লবণের ঘাটতি ঘটে। 

এর কারন
- ডায়রিয়া (পাতলা পায়খানা)
- বমি
- অতিরিক্ত ঘাম
- জ্বর
- অল্প পানি পান করা

ORS হলো এক ধরনের দানাদার মিশ্রণ যা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয় শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ বা পূরণ করার জন্য। 
- এটি সাধারণত ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হওয়ার সময় ব্যবহৃত হয়, যখন শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়।

ORS-এ থাকা উপাদান
- লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড)
- গ্লুকোজ
- পটাশিয়াম ক্লোরাইড
-সোডিয়াম বাইকার্বনেট বা সাইট্রেট। 

এই উপাদানগুলো শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ (UNICEF)। 
৪,২৬৩.
ঘড়ির কাটার গতি কি রকম গতি?
  1. রৈখিত গতি
  2. উপবৃত্তাকার গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. স্পন্দন গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।  
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,২৬৪.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সৌর বছর
  2. পলিসার
  3. আলোক বর্ষ
  4. গ্যালাকটিক ইয়ার
সঠিক উত্তর:
গ্যালাকটিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাকটিক ইয়ার
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ:
- ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কসমিক ইয়ার বলে।
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।

উৎস: Britannica.com

৪,২৬৫.
BTS এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) Base Transceiver System
  2. খ) Base Transceiver Station
  3. গ) Base Transmission System
  4. ঘ) Base Transmission Station
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
ব্যাখ্যা
প্রত্যেক টি সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS-Base Transceiver Station) থাকে । একটি এলাকার অনেকগুলো বেস স্টেশন একটা বেস স্টেশন কন্ট্রোলারের(BSC-Base station controller) মাধ্যমে মোবাইল সুইচিং কেন্দ্রের (MSC - Mobile service switching) সাথে যোগাযোগ করে ।  

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
৪,২৬৬.
এন্ডােস্কোপিতে প্রয়ােগ করা হয়-
  1. ক) আলাের প্রতিসরণ ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  2. খ) বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ ও আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. গ) আলোর প্রতিফলন ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডােসকোপি যন্ত্রে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় যেখানে আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলন হয়ে আঁকাবাকা পথে যেতে পারে।
বর্তমানে অত্যন্ত ক্ষুদ্র সিসিডি ক্যামেরার প্রযুক্তির কারণে এন্ডোসকপি যন্ত্রের নলের মাথায় একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা বসিয়ে সেটি সরাসরি শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে ভিডিও সিগন্যাল দেখা সম্ভবপর হচ্ছে।
যে অঙ্গগুলাে পরীক্ষা করার জন্য এন্ডােসকপি ব্যবহার করা হয় সেগুলাে হচ্ছে-
১। ফুসফুস এবং বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ;
২। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র বা কোলন;
৩। স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ;
৪। উদর এবং পেলভিস;
৫। মূত্রনালির অভ্যন্তর ভাগ;
৬। নাসা গহ্বর, নাকের চারপাশের সাইনাস এবং কান।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৪,২৬৭.
কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভারী
  2. খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
  3. গ) অস্তরীভূত
  4. ঘ) সুদৃঢ়
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
ভূ-অভ্যন্তরে উত্তপ্ত ম্যাগমা শীতল ও কেলাসিত হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়।
অগ্নিময় অবস্থা থেকে এই শিলার সৃষ্টি বলে এক আগ্নেয় শিলা বলা হয়।
আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ের শিলা বলে একে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।
এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই এই শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা।
এই শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই।
এই শিলা অপেক্ষাকৃত ভারী ও সুদৃঢ়।
এই শিলা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন- বহিঃজ বা নিঃসারী আগ্নেয় শিলা ও অন্তঃজ বা উদ্বেধী আগ্নেয় শিলা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম;  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬৮.
একটি পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতেও নিজে থেকেই চুম্বকত্ব প্রদর্শন করে। নিচের কোনটি এই প্রকার পদার্থের উদাহরণ?
  1. প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ
  2. ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ
  3. ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
  4. অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
ব্যাখ্যা

• ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Ferromagnetic Materials):
- এই ধরনের পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র ছাড়াও স্থায়ীভাবে চৌম্বকত্ব ধারণ করতে সক্ষম।
- এদের মধ্যে ইলেকট্রনের স্পিন ও কক্ষপথীয় চৌম্বক মুহূর্ত (magnetic moment) একই দিকে সজ্জিত থাকে।
- উদাহরণ: লোহা (Fe), কোবাল্ট (Co), নিকেল (Ni), এবং কিছু সংকর ধাতু।

• প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ (Paramagnetic Materials):
- এদের মধ্যে অসম জোড় ইলেকট্রন থাকে, ফলে বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগে চৌম্বকত্ব দেখা দেয়।
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম।

• ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ (Diamagnetic Materials):
- এরা বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে।
- চৌম্বকত্ব সাধারণত খুবই দুর্বল এবং বিপরীতমুখী।
- উদাহরণ: বিসমাথ, তামা।

• অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Antiferromagnetic Materials):
- এদের পরমাণবিক ডাইপোল বিপরীতমুখী এবং সমান মানের, ফলে নিট চৌম্বকত্ব থাকে না।
- উদাহরণ: ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড (MnO)

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

৪,২৬৯.
টিংচার আয়োডিন কোন ধরনের পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. জৈব সার 
  2. কীটনাশক 
  3. চেতনানাশক
  4. অ্যান্টিসেপটিক 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিসেপটিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিসেপটিক 
ব্যাখ্যা

কৃষিকাজে রসায়ন: 
- কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), অ্যামোনিয়াম সালফেট ও জৈব সার ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয়। 
- তাছাড়া জীবাণুনাশক ও কীটনাশক যেমন এনড্রিন, ডায়াজিনন, ফুরাডন প্রভৃতিও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়। 
- কাঁচা ফল পাকাতে এবং শস্যকে সংরক্ষণ করার জন্যও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন- MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে। 
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

শিল্পক্ষেত্রে রসায়ন: 
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য সাবান, ডিটারজেন্ট, টুথপেস্ট, ম্যালামাইনের তৈজসপত্র, প্লাস্টিক সামগ্রী, কৃত্রিম নাইলন, সিল্ক, রাবার, প্রসাধনী ইত্যাদি সকল কিছুই নানা প্রকার রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হয়। 
- ইস্পাত, কাগজ, চিনি, বস্ত্র, কাচ ও চামড়া ইত্যাদি সকল শিল্পেই রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। 
- তাছাড়া ব্যাটারি, পেট্রোল, কেরোসিন ও ডিজেল ইত্যাদি শক্তির উৎসগুলোও রসায়নের অবদান রয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৭০.
সূর্যের প্রখর উত্তাপে গরম হয় না কোনটি?
  1. ক) গাছের পাতা
  2. খ) বায়ুমন্ডল
  3. গ) ফল
  4. ঘ) মাটি
সঠিক উত্তর:
ক) গাছের পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাছের পাতা
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদকোষ থেকে বাষ্পাকারে পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রণালীকে বলে প্রস্বেদন। 
-প্রস্বেদনের জন্য সূর্যের প্রখর উত্তাপেও গাছের পাতা গরম হয় না।
শীত বা গ্রীষ্মের পূর্বে প্রস্বেদন কমাতে গাছের পাতা ঝরে যায়।
প্রস্বেদন ৩ প্রকার। যথা- পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,২৭১.
'ঘটনা দিগন্ত' বলতে বুঝায় -
  1. ক) বায়ু মণ্ডলের শেষ স্তর
  2. খ) মানুষের দৃষ্টির শেষ সীমা
  3. গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ারের নিচের অংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক হোলের সীমানা থেকে আলোক রশ্মি পর্যন্তও বের হয়ে আসতে পারে না। তাই এর অভ্যন্তরে কী ঘটছে সেটা আমরা দেখতে পাই না।
এজন্য ব্ল্যাক হোলের সীমানাকে ঘটনা দিগন্ত বলে আখ্যায়িত করা হয়।

কৃষ্ণবিবর (Black hole):
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।

নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। বাস্তবে g এর মান এত বেশি হয় যে, এমনকি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়  Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা; ব্রিটানিকা ও পদার্থবিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এইচএসসি প্রোগ্রাম।
৪,২৭২.
দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কোনটি? 
  1. শুষ্ক কোষ
  2. গ্যালভানিক কোষ
  3. ড্রাই সেল
  4. সরল ভোল্টায়িক কোষ
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
ব্যাখ্যা
দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে গ্যালভানিক কোষ। 
- এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল এবং সরল ভোল্টায়িক কোষ। 

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 

- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,২৭৩.
কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে কোন শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. নিউক্লিয় শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. চৌম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর (Energy transformation): 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৭৪.
টেকটনিক তত্ত্বের প্রবক্তা-
  1. ক) আলফ্রেড গেংগা
  2. খ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
  3. গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
  4. ঘ) আলফ্রেড ম্যাজিনা
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
টেকটনিক তত্ত্বের প্রবক্তা আলফ্রেড ওয়েগেনার। সূত্রঃ Earth: Portrait of a Planet by Stephen Marshak
৪,২৭৫.
কোন বিষয়ে অবদানের জন্যে ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ক) ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির বিকাশ
  2. খ) লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
  3. গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
  4. ঘ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা। জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)

৪,২৭৬.
কিসমিস পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফুলে ওঠার কারণ কী? 
  1. গলন
  2. বাষ্পীভবন
  3. বহিঃঅভিস্রবণ
  4. অন্তঃঅভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
অন্তঃঅভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঃঅভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 
- অভিস্রবণ দু'ধরনের। 
যথা- 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৭৭.
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
  1. ভোল্টে
  2. ওয়াটে
  3. ওয়াট আওয়ারে
  4. কিলোওয়াট আওয়ারে
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট আওয়ারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট আওয়ারে
ব্যাখ্যা
কিলোওয়াট-ঘণ্টা:
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
- ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা
- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা ১০০০ ওয়াট ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
- অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়।
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে।
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে হিসেব করা হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৭৮.
ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক
  2. গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র
  3. এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে
  4. দের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে
ব্যাখ্যা
ব্রায়োফাইটা:
- কিছু কিছু উদ্ভিদের ফুল হয় না। এদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্রায়োফাইটা এবং টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদসমূহ হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ।

ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য:
১) এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) অর্থাৎ গ্যামিট উৎপাদনকারী।
২) গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র।
৩) এরা থ্যালয়েড হতে পারে অথবা দেহ রাইজয়েড, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত।
৪) দেহে মূল সৃষ্টি হয় না। মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়।
৫) এদের দেহে কোন পরিবহন টিস্যু থাকে না ।
৬) জাইগোট হতে মাইটোটিক বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়।
৭) এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের। অর্থাৎ সচল ছোট শুক্রাণুর সাথে নিশ্চল বড় ডিম্বাণুর মিলন ঘটে।
৮) জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে।
৯) এদের স্পোরোফাইট সর্বদাই পুষ্টি ও আশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল।

তথ্যসূত্র - উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৭৯.
নিচের কোন উদ্ভিদের পাতার পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়? 
  1. মিষ্টি আলু
  2. ডালিয়া 
  3. পাথরকুচি
  4. কাঁকরোল
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
ব্যাখ্যা

দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। 
যথা- 
(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং 
(খ) কৃত্রিম অঙ্গজ জনন। 

স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি। 

- কতিপয় উদ্ভিদের কাণ্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি। 

- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যথা- পাথরকুচি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৮০.
নিচের কোনটি পরজীবীঘটিত রোগ?
  1. কুষ্ঠ
  2. কালাজ্বর
  3. পীতজ্বর
  4. পোলিও
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
ব্যাখ্যা

- ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, জিয়ার্ডিয়াসিস ইত্যাদি হলো গুরুত্বপূর্ণ পরজীবীঘটিত রোগ।
- কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, ধনুষ্টংকার, এনথ্রাক্স, কলেরা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি হলো ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।
- পোলিও, ডেঙ্গু, পীতজ্বর, হাম, রুবেলা ইত্যাদি হলো ভাইরাসঘটিত রোগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,২৮১.
এসিডীয় দ্রবণের pH কত?
  1. 7 এর কম
  2. 7 এর বেশি
  3. 7 এর সমান
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
7 এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 এর কম
ব্যাখ্যা
কোনো দ্রবনের pH = 7 তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি
কোনো দ্রবনের pH < 7 তা এসিডীয় দ্রবণ হবে
কোনো দ্রবনের pH > 7 তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে।

[উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণি বিজ্ঞান ,পৃষ্ঠা -১৪৫]
৪,২৮২.
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মহাকাশের কোন স্থানে অবস্থান করছে?
  1. পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে
  2. চাঁদের কক্ষপথে
  3. ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
  4. মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথ থেকে ১৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে
সঠিক উত্তর:
ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
ব্যাখ্যা

◉ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিমি দূরে ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ২ (L2) তে অবস্থান করছে। এখানে পৃথিবী ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান এমনভাবে ভারসাম্য তৈরি করে যে স্যাটেলাইট স্থিতিশীলভাবে ঘুরতে পারে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- এটি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন।
- মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা। 

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। স্পেস ডট কম। 

৪,২৮৩.
What vitamin is not naturally present in significant amounts in eggs and milk?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin D
  3. Vitamin B12
  4. Vitamin C
  5. Vitamin K
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
ব্যাখ্যা
• ডিম ও দুধে ভিটামিন-সি ছাড়া সকল ভিটামিন রয়েছে।  
 
- ভিটামিন ‘এ’ : দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
 
- ভিটামিন ‘বি’: ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম,
শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদি।

- ভিটামিন ‘সি’: পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস,
কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদি।

- ভিটামিন ‘ডি’: ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
 
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৮৪.
'মাশরুম' বিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. Pyrology
  2. Cytology
  3. Mycology
  4. Myology
সঠিক উত্তর:
Mycology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mycology
ব্যাখ্যা
- ফাংগাস বহুবচনে ফানজাই, একটি ল্যাটিন শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ‘মাশরুম' বা ব্যাঙের ছাতা সদৃশ বস্তু।
- ফানজাই বা ছত্রাক এমন একটি উদ্ভিদ গোষ্ঠী যারা বিভিন্ন পরিবেশে মৃতজীবী অথবা পরজীবী হিসেবে বসবাস করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
- এদের সকলেই আমাদের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে না, অনেক ছত্রাক আমাদের প্রভূত উপকার করে থাকে।
- এরা এককোষী সরলতম গঠন থেকে শুরু করে বহু-কোষী জটিল দেহের অধিকারী।
-  উদ্ভিদ বিজ্ঞানের যে শাখায় ছত্রাক সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে ছত্রাক বিজ্ঞান বা মাইকোলজি (Mycology গ্রীক শব্দ, mykes অর্থ ছত্রাক এবং logos অর্থ mজ্ঞান) বলে।
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,২৮৫.
What is caused by refraction of light?
  1. Rainbow
  2. Solar Eclipse
  3. Loner Eclipse
  4. UV rays
সঠিক উত্তর:
Rainbow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rainbow
ব্যাখ্যা
• রংধনু গঠিত হয় যখন সূর্যের আলো বৃষ্টির জলকণায় পড়ে এবং সেই আলো বিকরণ (refraction), পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (total reflection) এবং বিচ্ছুরণ (dispersion) এর মাধ্যমে ভেঙে যায়। এই বিকরণের ফলেই বিভিন্ন রঙের আলো আলাদা হয়ে চোখে পৌঁছে রংধনু দেখা যায়।

• রংধনু:
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে।
- শুধু তা-ই নয় যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারোনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছ।
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়।
- রংধনু সব সময়ই সূর্যের বিপরীত আকাশে দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৮৬.
মানব অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে যে রোগ হয় তার নাম কী?
  1. ক) দীর্ঘদৃষ্টি
  2. খ) হ্রসদৃষ্টি
  3. গ) গ্লোকোমা
  4. ঘ) পুঞ্জাক্ষি
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
ব্যাখ্যা
- যখন কোন চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে।
- সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ত্রুটি দেখা যায়।
- দুটি কারণে এই ত্রুটি ঘটে-
(i) চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে অথবা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে।
(ii) কোন কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধের কমে গেলে। 

- এর ফলে দূর থেকে আসা আলো সঠিকভাবে চোখের রেটিনাতে প্রতিবিম্ব তৈরি করলেও কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোকরশ্মি চোখের লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর রেটিনার ঠিক উপরে না হয়ে পিছনে মিলিত হয়। ফলে চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৪,২৮৭.
সুনামির কারন হলো-
  1. জলবায়ুর পরিবর্তন
  2. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  3. মৌসুমী বায়ুর প্রভাব
  4. সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- তবে, ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়।
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেয়ু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৮৮.
রক্তে pH এর মাত্রা কত?
  1. ক) ৪.৬
  2. খ) ৫.৮
  3. গ) ৭.৪
  4. ঘ) ১০.২
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭.৪
ব্যাখ্যা
রক্ত :
• রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
• রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪
• সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
• অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।

রক্তের উপাদান
মানব দেহের রক্ত প্রধানত:রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২৮৯.
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. অডিওমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. অডিওফোন
  4. অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- অ্যামিটার তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪,২৯০.
একই ফুলে বা একই গাছের অন্য ফুলে পরাগরেণু স্থানান্তর হলে তাকে কী বলে? 
  1. স্ব-পরাগায়ন 
  2. প্রাকৃতিক পরাগায়ন 
  3. কৃত্রিম পরাগায়ন 
  4. পর-পরাগায়ন 
সঠিক উত্তর:
স্ব-পরাগায়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-পরাগায়ন 
ব্যাখ্যা

পরাগায়ন (pollination): 
- পরাগায়নকে পরাগ সংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফুল এবং বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুই ধরনের। 
যথা- 
১। স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে, তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে থাকে। 
- স্ব-পরাগায়নের ফলে পরাগরেণুর অপচয় কম হয়, পরাগায়নের জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না এবং পরাগায়ন নিশ্চিত হয়। এর ফলে নতুন যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, তাতে বৈশিষ্ট্যেরও কোনো পরিবর্তন আসে না এবং কোনো একটি প্রজাতির চরিত্রগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে। 
- তবে এতে জিনগত বৈচিত্র্য কম থাকে। 
- এই বীজের থেকে জন্ম নেওয়া নতুন গাছের অভিযোজন ক্ষমতা কমে যায় এবং অচিরেই প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। 

২। পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে, তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 
- পর-পরাগায়নের ফলে নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়, বীজের অংকুরোদগমের হার বৃদ্ধি পায়, বীজ অধিক জীবনীশক্তিসম্পন্ন হয় এবং নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয়। 
- দুটি ভিন্ন গুণসম্পন্ন গাছের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তাই এর ফলে যে বীজ উৎপন্ন হয় তা নতুন গুণসম্পন্ন হয় এবং বীজ থেকে যে গাছ জন্মায় তাও নতুন গুণসম্পন্ন হয়। এ কারণে এসব গাছে নতুন বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। 
- তবে এটি বাহকনির্ভর প্রক্রিয়া হওয়ায় পরাগায়নের নিশ্চয়তা থাকে না, এতে প্রচুর পরাগরেণুর অপচয় ঘটে। ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হওযার সম্ভাবনা থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২৯১.
কোন বলের প্রভাবে মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ বল:
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে।
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে।
-মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি।
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কার্যকর হয়।
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯২.
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোসোম কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
ব্যাখ্যা
- বংশগতি বস্তুর মুখ্য উপাদান হলো ক্রোমোসোম।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্য অনুসারে প্রত্যেক কোষের নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোসোম থাকে।
- ক্রোমোসোমের আকার সাধারণত লম্বা। ক্রোমোসোমে সেন্ট্রোমিয়ার থাকে।
- এ সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোসোম চার প্রকার। যথা- মধ্যকেন্দ্রিক, উপ মধ্যকেন্দ্রিক, উপ প্রান্তকেন্দ্রিক এবং প্রান্তকেন্দ্রিক।
- ক্রোমোসোমের রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে রয়েছে-
(১) নিউক্লিক অ্যাসিড,
(২) প্রোটিন এবং
(৩) অন্যান্য উপাদান।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৩.
পাতা ঝলসানো রোগ কী দ্বারা সংক্রমণ হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. নেমাটোড
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
পাতা পোড়া বা পাতা ঝলসানো রোগ:
⇒ কারণ:
- ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনে হয়।

⇒ লক্ষণ:
১) চারা অবস্থায় এ রোগ হলে আক্রান্ত গাছের গোড়া পত্রফলক, বাইরের পাতা হলদে হয়ে আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়।
২) বয়স্ক গাছে থোড় অবস্থা থেকে পাতা পোড়া রোগের লক্ষণ দেখা যায়।

⇒ দমন ব্যবস্থা:
১) রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করা। যেমন- বিআর-২, বিআর-৪, ব্রিধান-২৭, ব্রিধান- ২৮, ব্রিধান-২৯, ব্রিধান-৩১ ইত্যাদি।
২) আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা।
৩) সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করা।
৪) আক্রান্ত জমির পানি শুকিয়ে আবার সেচ দেয়া।
৫) ফসল কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে ফেলা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৪.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য?
  1. সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়
  2. উৎপাদনে বেশি দূষণ ঘটে
  3. একবার ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায়
  4. প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
ব্যাখ্যা

- নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের।
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত।
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে।
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়।
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না।
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে।
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৯৫.
নিচের কোনটি 'ট্রপিক অব ক্যান্সার' নামে পরিচিত?
  1. মকরক্রান্তি রেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মূল মধ্যরেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৪,২৯৬.
মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড কয়টি?
  1. ২০টি
  2. ১৬টি
  3. ৮টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• অ্যামাইনো এসিড:
- অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে।
- এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি।
এগুলো হলো:
- লাইসিন
- ট্রিপেটোফ্যান
- মিথিওনিন
- ভ্যালিন
- লিউসিন
- আইসোলিউসিন
- ফিনাইল অ্যালানিন ও
- থ্রিওনাইন।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৪,২৯৭.
সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের প্রাথমিক উৎপাদক কারা?
  1. ছোট মাছ
  2. ফাইটোপ্ল্যাংকটন
  3. জুপ্ল্যাংকটন
  4. সামুদ্রিক শৈবাল
সঠিক উত্তর:
ফাইটোপ্ল্যাংকটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইটোপ্ল্যাংকটন
ব্যাখ্যা
◉  ফাইটোপ্ল্যাংকটন হলো অণুজীবীয় জলজ উদ্ভিদ, যা সূর্যালোক ব্যবহার করে প্রকাশ-সংস্লেষণ (Photosynthesis) করে খাদ্য তৈরি করে।
- এরা সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের প্রাথমিক উৎপাদক, কারণ তারা নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে এবং খাদ্যশৃঙ্খলের পরবর্তী স্তরের জন্য শক্তি সরবরাহ করে।
- জুপ্ল্যাংকটন, ফাইটোপ্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে।

বাস্তুসংস্থান (Ecology): 
- পরিবেশের সাথে জীবের যে পারস্পরিক ক্রিয়া তার একটি শৃঙ্খলা রয়েছে যাকে বাস্তুসংস্থান বলা হয়। 
- বাস্তুসংস্থানকে ইংরেজিতে Ecology বলা হয়। এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ Oikos যার অর্থ ঘর বা বসতি স্থান এবং Logos হচ্ছে বিজ্ঞান বা অধ্যয়ন। 
সুতরাং বাস্তুসংস্থান শব্দটির আভিধানিক অর্থ পৃথিবী বাসগৃহের তত্ত্বাবধায়ক বিজ্ঞান। তবে বাস্তুসংস্থান শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। 
- বৃহৎ অর্থে বাস্তুসংস্থান হলো পৃথিবীতে বসবাসকারী জীবগোষ্ঠির সাথে পরিবেশের সম্পর্ক অর্থাৎ জীবের সাথে পরিবেশের পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হলো বাস্তুসংস্থান। 
যেমন- জলজ বাস্তুসংস্থান, স্থলজ বাস্তুসংস্থান, বনজ বাস্তুসংস্থান ইত্যাদি। 

উৎপাদক :
উৎপাদক হচ্ছে পুকুরে বসবাসকারী সালোকসংশ্লেষণকারী বিভিন্ন প্রকার ভাসমান ও সঞ্চারমান ক্ষুদ্র জীব। পানিতে ভাসমান জীবদেরকে প্লাঙ্কটন (plankton) বলে। প্লাঙ্কটন জাতীয় ক্ষুদ্র উদ্ভিদকে উদ্ভিদ প্লাঙ্কটন বা ফাইটোপ্লাঙ্কটন (phytoplankton) বলে। এ ছাড়া পানিতে অবস্থিত সবুজ শেওলা ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে, এ সমস্ত উদ্ভিদকে উৎপাদক বলে ।

প্রথম স্তরের খাদক :
পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্রাকার পোকা, মশার শুককীট, প্রাণি প্লাঙ্কটন (zoo plankton) ইত্যাদি প্রথম স্তরের খাদক হিসেবে কাজ করে। এ সমস্ত খাদক নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং সরাসরি উৎপাদককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে ।

দ্বিতীয় স্তরের খাদক :
এরা প্রথম স্তরের খাদককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। ছোট ছোট মাছ, জলজ পতঙ্গ, চিংড়ি, ব্যাঙ প্রভৃতি দ্বিতীয় স্তরের খাদকের অন্তর্ভুক্ত।

তৃতীয় স্তরের খাদক :
শোল, বোয়াল, ভেটকি প্রভৃতি বড় আকারের মাছ, বক, গাংচিল প্রভৃতি তৃতীয় স্তরের খাদক। এরা দ্বিতীয় স্তরের খাদককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

বিয়োজক : 
পুকুরের পানিতে ভাসমান অথবা নিচের কাদায় বিভিন্ন ধরনের অনুজীব (যেমন : ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস ইত্যাদি) বাস করে, এদেরকে বিয়োজক জীব বলা হয়। এরা জীবিত বা মৃত খাদক প্রাণিদের আক্রমণ করে ও পচন ঘটায়, ফলে উৎপাদকের রাসায়নিক পদার্থের সৃষ্টি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৮.
ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. স্থির তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. বেতার তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্পের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে যে শক্তির মুক্তি ঘটে তা তরঙ্গের আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে সিসমিক তরঙ্গ (Seismic Wave) বলে। এই তরঙ্গগুলো সঞ্চালনের জন্য কঠিন, তরল বা বায়বীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। আমরা জানি, যে সকল তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, তাদের যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave) বলা হয়।

তরঙ্গ: 
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়া যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, সে তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মির তরঙ্গ, গামারশ্মির তরঙ্গ ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৯৯.
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাবল্য
  2. খ) তীক্ষ্মতা
  3. গ) গুণ
  4. ঘ) বিস্তার 
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
ব্যাখ্যা
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য (Charectaristics of Musical Sound) সুরযুক্ত শব্দের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকে ।
যথা-

১। তীব্রতা বা প্রাবল্য (Intensity)
২। তীক্ষ্ণতা (Pitch)
৩। গুণ বা জাতি (Quality)

বিস্তার সুরযুক্ত শব্দের কোনো বৈশিষ্ঠ্য নয়।
৪,৩০০.
কোলাজেন কী?
  1. একটি কার্বোহাইড্রেট
  2. একটি প্রোটিন
  3. একটি লিপিড
  4. একটি নিউক্লিক এসিড
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটিন
ব্যাখ্যা
- কোলাজেন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন যা আমাদের ত্বক, চুল, নখ এবং সংযোগকারী টিস্যুগুলির গঠন প্রদান করে।
- আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোলাজেনের উৎপাদন কমে যায়, যার ফলে বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দেয় যেমন বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখা।
- কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা তারুণ্য এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে যেসব প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে তার মধ্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও ডাল উল্লেখযোগ্য।
- রান্না করলে উত্তাপে প্রোটিন জমাট বাঁধে, পেশির কোলাজেন, ইলাস্টিন ইত্যাদি নরম হয়ে জিলাটিনে পরিণত হয়। প্রোটিনের এই রূপান্তর পরিপাকে সাহায্য করে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।