বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪১ / ১৪০ · ৪,০০১৪,১০০ / ১৪,০৮০

৪,০০১.
পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহন করে -
  1. স্ক্লেরাইড
  2. ভেসেল
  3. জাইলেম
  4. ফ্লোয়েম
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম
ব্যাখ্যা
- ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহন করে।
- জাইলেম খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে।‌ 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০০২.
আলু বংশবৃদ্ধি করে -
  1. স্টোলনের মাধ্যমে
  2. বাল্বের মাধ্যমে
  3. টিউবারের মাধ্যমে
  4. রাইজোমের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
টিউবারের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিউবারের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন:

• টিউবার - কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে।
যেমন - আলু।


• স্টোলন - কিছু কিছু উদ্ভিদের শাখা কান্ড জননের জন্য পরিবর্তিত হয়। এদের স্টোলন বলে। স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়।
যেমন - কচু, পুদিনা।

• বাল্ব - এরা অতিক্ষুদ্র কান্ড। এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।
যেমন - পেঁয়াজ, রসুন।

• রাইজোম - এরা মাটির নিচে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। পর্বসন্ধিতে শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। অনুকূল পরিবেশে মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
যেমন - আদা।

• অফসেট - জলজ উদ্ভিদের শাখাকান্ড বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
যেমন - কচুরিপানা।

• বুলবিল - কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথ না হয়ে একটি পিন্ডের আকার ধারণ করে। এদের বুলবিল বলে। এসব বুলবিল পরবর্তীতে মাটিতে খসে পড়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।
যেমন -  চুপড়ি আলু। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
৪,০০৩.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) বিজারক
  2. খ) জারক
  3. গ) বিকারক
  4. ঘ) প্রভাবক
সঠিক উত্তর:
খ) জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,০০৪.
নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়?
  1. ক) বেনজয়িক এসিড
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। আয়োডিন, বেনজয়িক এসিড কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথলিন, কার্বন, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড, অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড প্রভৃতি পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে উর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়।
[সূত্রঃ রসায়নবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৪,০০৫.
পোকা নিধনে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইথিলিন
  2. খ) ফেরোমন
  3. গ) অক্সিন
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
খ) ফেরোমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেরোমন
ব্যাখ্যা
- হরমোনের কারণে প্রাণী তার কার্যকলাপ অর্থাৎ আচরণের পরিবর্তন করে থাকে।
- হরমোন দেহের নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- নালিবিহীন গ্রন্থিগুলো একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- নালিবিহীন গ্রন্থিগুলোর কার্যকলাপ আবার স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে।
- সমন্বয় সাধনে প্রাণী হরমোন ব্যবহার করে। যেমন- পিপঁড়া খাদ্যের খোঁজ নেয় খাদ্য উৎস থেকে বাসায় আসার পথে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত করে। একে ফেরোমন  বলে। এর উপর নির্ভর করে অন্য পিপঁড়াগুলোও খাদ্য উৎসে যায় এবং খাদ্য সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসে।
- এ কারণে পিপঁড়াদের এক সারিতে চলতে দেখা যায়। কোন কোন পতঙ্গ ফেরোমন দিয়ে তার স্বপ্রজাতির সঙ্গীকে খুঁজে নেয়।
- শস্য ক্ষেতে অনিষ্টকারী পোকা দমনে বা ধ্বংসে ফেরোমন ব্যবহার করা হয়।
- ফেরোমনের কারণে আকৃষ্ট হয়ে অনিষ্টকারী পোকা ফাঁদে ও পানিতে ডুবে মারা যায়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিবেশ বান্ধব।

সূত্র: ১৩৩ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০০৬.
ফোটন কণার চার্জের ধরন কী? 
  1. ধনাত্মক 
  2. নিরপেক্ষ 
  3. ঋণাত্মক 
  4. পরিবর্তনশীল 
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা

ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
- প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০০৭.
হরমোন প্রয়োগে বীজহীন ফল উৎপাদন প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোপ্রোপাইগেশন
  2. পার্থেনোকার্পি
  3. গর্ভাধান
  4. সিনগ্যামি
সঠিক উত্তর:
পার্থেনোকার্পি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্থেনোকার্পি
ব্যাখ্যা
পার্থেনোজেনেসিস (Parthenogenesis) বা অপুংজনি:
- উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে সাধারণত ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণুর মিলন তথা নিষেকের ফলে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়ে থাকে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিম্বাণু নিষিক্ত না হয়ে সরাসরি ভ্রূণ সৃষ্টি করে থকে।
- যে প্রজনন প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণুটি নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ সৃষ্টি করে এবং ডিম্বক স্বাভাবিক বীজে পরিণত হয় তাকে পার্থেনোজেনেসিস বা অপুংজনি বলে।

• পার্থেনোকার্পি: 
হরমোন প্রয়োগে বীজহীন ফল উৎপাদন প্রক্রিয়াকে পার্থেনোকার্পি (parthenocarny) বলে।
 উদাহরণ- লেবু, কমলালেবু প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
• অতি ক্ষুদ্র একটু টিস্যু থেকে অসংখ্য চারা সৃষ্টি করার পদ্ধতি কে বলা হয় মাইক্রোপ্রোপাগেইশন।

• পরাগনালিকা হতে ভ্রূণথলিতে  নিক্ষিপ্ত দুটি পুংগ্যামিটের মধ্যে একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত ও একীভূত হয়ে যায় অর্থাৎ নিষেকক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ প্রকার মিলনকে সিনগ্যামি (syngamy) বলে। 

• অপেক্ষাকৃত বড় ও নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের (ডিম্বাণুর) সাথে ছোট ও সচল পুংগ্যামিটের শুক্রাণুর) যৌন মিলনকে ফার্টিলাইজেশন (fertilization) তথা নিষেকক্রিয়া, নিষেক বা গর্ভাধান বলে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,০০৮.
যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে-
  1. ক) টেন্ডন
  2. খ) প্যাটেলা
  3. গ) লিগামেন্ট
  4. ঘ) রিকম্বিনেন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
ব্যাখ্যা
পাতলা কাপড়ের মত কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,০০৯.
ডান ফুসফুস কতটি খণ্ডে বিভক্ত? 
  1. এক খণ্ডে
  2. দুই খণ্ডে
  3. তিন খণ্ডে
  4. চার খণ্ডে
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
ব্যাখ্যা
ফুসফুস: 
- ফুসফুস শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। 
- বক্ষগহ্ববরের ভেতর হৃদপিন্ডের দু'পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। 
- এটি স্পঞ্জের ন্যায় নরম ও কোমল, হালকা লালচে রঙের। 
- ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে ও বাম ফুসফুস দু'খণ্ডে বিভক্ত। 


- ফুসফুস দু'ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত।
- দু'ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোন ঘর্ষণ লাগে না। 
- ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। 
- বায়ু থলিগুলোই হলো অ্যালভিওলাস (Alveolus)। 
- বায়ুথলি পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত হয়, প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত। 
- এ বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকাগুলোর ভেতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান প্রদান ঘটে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১০.
যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা অভিন্ন কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন তাদেরকে কী বলে?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোমার
  4. আইসোটোন
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
আইসোবার : প্রকৃতিতে এমন কিছু পরমাণু রয়েছে যাদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন কিন্তু ভর সংখ্যা অভিন্ন। এ ধরনের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোবার বলে।
যেমন- 146C ও 147N পরস্পর আইসোবার। কারণ কার্বন ও নাইট্রোজেন প্রত্যেকেরই ভর সংখ্যা ১৪ করে কিন্তু কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ ও নাইট্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৭।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১১.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে কয়টি ক্রোমোজম থাকে?
  1. ৪০টি
  2. ৪২টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজম:

- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু ।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোক্রোমোজমমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১২.
কোনটির অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা

প্রোটিন বা আমিষের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৪,০১৩.
pH স্কেলের সর্বোচ্চ সীমা কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. 6
  2. 7
  3. 18
  4. 14
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন বা নিরপেক্ষ হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৪.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. জি.লেমেটার
  3. এডউইন হাবল
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
জি.লেমেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি.লেমেটার
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- বেলজিয়ামের জ্যোর্তিবিজ্ঞানি জি.লেমেটার বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা।
- ১৯৩১ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক পাদ্রী জর্জ লেমিটার প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বিগ ব্যাং তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব ১৯৩০-এর দশকে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে একটি বিপ্লবাত্মক বিচ্যুতি ছিল, যা আজ প্রায় সব জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দ্বারা গৃহীত,।
- সেই সময়ে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এখনও মহাবিশ্বের প্রসারণশীল ধারণা মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।
- সমগ্র দৃশ্যমান মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি সমূহের বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছিল, তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
- এই তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) তাঁর 'A Brief History of Time' বইয়ে।

উৎস: American Museum of Natural History.
৪,০১৫.
ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়-
  1. Aedes aegypti মশা
  2. House flies
  3. Anopheles মশা
  4. ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
- ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা।
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
- এই টিকাগুলোর ডেঙ্গু প্রতিরোধ ক্ষমতা ৮০ শতাংশের বেশি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়।

ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ও উপসর্গ:
- তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা,
- বমি,
- পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।

ডেঙ্গু রোগের টিকা:
- বিশ্বে বর্তমানে ডেঙ্গুর দুটি ভ্যাকসিন রয়েছে, যেগুলো ইতোমধ্যে ২০টির মতো দেশে অনুমোদন পেয়েছে।
- এসব টিকা প্রয়োগে ৯০ শতাংশ ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
- টিকা দুইটি হলো ডেঙ্গভ্যাক্সিয়া ও কিউডেঙ্গা।

অন্যদিকে,
- স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ছড়ায়।
- বাংলাদেশে মোট ৩৬ প্রজাতির অ্যানোফিলিস মশা দেখা যায়, এদের মধ্যে সাতটি প্রজাতি বাংলাদেশে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,০১৬.
ক্যালভিন চক্রে CO2 গ্রহিতা কোনটি?
  1. ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড
  2. ৩-ফসফোগ্লিসার‍্যাল্ডিহাইড
  3. রাইবুলোজ ১,৫- বিসফসফেট
  4. জাইলুলোজ ১,৫- বিসফসফেট
সঠিক উত্তর:
রাইবুলোজ ১,৫- বিসফসফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবুলোজ ১,৫- বিসফসফেট
ব্যাখ্যা
• ক্যালভিন চক্রে CO2 গ্রহিতা হলো রাইবুলোজ-১,৫-বিসফসফেট।

• C3 উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদে ক্যালভিন চক্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা তৈরি হয় এবং প্রথম উৎপন্ন স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাদের C3 উদ্ভিদ বলে।

• C3 প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়েছে এর আবিষ্কারক বিজ্ঞানী মেলভিন কেলভিনের নামানুসারে।
- C3 উদ্ভিদে ক্যালভিন চক্র-এর প্রথম ধাপে রুবিসকো (RuBisCO) এনজাইম বায়ুমণ্ডলীয় CO2 কে রাইবুলোজ-১, ৫-বিসফসফেট (RuBP)-এর সাথে যুক্ত করে ৬-কার্বন বিশিষ্ট অস্থায়ী কিটো এসিড তৈরি করে।
- কাজেই ক্যালভিন চক্রে CO2 এর গ্রহিতা হলো রাইবুলোজ-১,৫-বিসফসফেট।
- ৬-কার্বন বিশিষ্ট অস্থায়ী কিটো এসিড এক অণু H2O গ্রহন করে দুই অণু ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড উৎপন্ন করে।
- ২, ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ।
- বেশিরভাগ উদ্ভিদে C3 চক্র ঘটে থাকে, তাই এদের C3 উদ্ভিদ বলা হয়।

• C3 চক্রের কার্যাবলী:

- কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ: C3 উদ্ভিদের পাতার স্টোমাটা (stomata) দিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করা হয়।
- কার্বন ফিক্সেশন: RuBisCO এনজাইম কার্বন ডাই অক্সাইডকে RuBP-এর সাথে যুক্ত করে একটি C3 যৌগ (৩-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড) তৈরি করে।
- শর্করা তৈরি: C3 যৌগটি বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে অবশেষে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
৪,০১৭.
সূর্যের উন্নতি কোণ পরিমাপ করা যায় নিম্নের কোন যন্ত্রের সাহায্যে?
  1. রিফ্রাক্টোমিটার
  2. রিখটার স্কেল
  3. স্পেকস্ট্রোস্কোপ
  4. সেক্সট্যান্ট
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
সেক্সট্যান্ট:
- আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

⇒ সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায়।
- এ যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নর্ণয় করা যায়।

উৎস: Britannica.
৪,০১৮.
কোনটি গুচ্ছ ফলের উদাহরণ?
  1. আনারস
  2. কাঁঠাল
  3. কলা
  4. শরীফা
সঠিক উত্তর:
শরীফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফা
ব্যাখ্যা

- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে। যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি।
- আনারস, কাঁঠাল হলো যৌগিক ফলের উদাহরণ।
- আম, জাম, কলা, শিম ইত্যাদি হলো সরল ফল।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৪,০১৯.
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে নিম্নের কোনটি?
  1. ক) আইসি
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ট্রান্সফরমার
  4. ঘ) হাব
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
 - দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n- টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ।
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ শকলে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
- একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার: 
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০২০.
সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা কে প্রস্তাব করেছিলেন?
  1. Paul Dirac
  2. Albert Einstein
  3. Isaac Newton
  4. Marie Curie
সঠিক উত্তর:
Paul Dirac
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paul Dirac
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা প্রস্তাব করেছিলেন - Paul Dirac.
- ১৯২৮ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী Paul Dirac কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে একত্রিত করে একটি গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করেন।
- এই সমীকরণ থেকে দেখা যায়, ইলেকট্রনের মতো কণা থাকা সম্ভব যার চার্জ ইলেকট্রনের বিপরীত, অর্থাৎ ধনাত্মক।
- পরে এই কণাকে পজিট্রন (Positron) নামে অভিহিত করা হয়, যা ইলেকট্রনের অ্যান্টিম্যাটার।
- পজিট্রন বাস্তবে আবিষ্কার হয় ১৯৩২ সালে।
- এই তত্ত্বই অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণার ভিত্তি।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- খ) Albert Einstein:
- তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব দিয়েছেন এবং E=mc² সূত্রটি তৈরি করেছেন, যা পদার্থ থেকে শক্তি উৎপন্নের ধারণা দেয়।
- কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার আবিষ্কার বা ধারণার সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত নন।

- গ) Isaac Newton:
- তিনি মাধ্যাকর্ষণ এবং গতি-সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন, তবে অ্যান্টিম্যাটারের ধারণা তাঁর সময়ের আগে আসেনি।

- ঘ) Marie Curie:
- তিনি তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) নিয়ে গবেষণা করেছেন, কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার নিয়ে নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,০২১.
হাইলামের মধ্য দিয়ে কোনটি বৃক্কে প্রবেশ করে? 
  1. ইউরেটার
  2. পেলভিস
  3. রেনাল ধমনি
  4. রেনাল শিরা
সঠিক উত্তর:
রেনাল ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেনাল ধমনি
ব্যাখ্যা
বৃক্কের বাহ্যিক গঠন: 
- প্রত্যেক বৃক্ক নিরেট, চাপা দেখতে অনেকটা শিম বীজ বা বাংলা "৫” সংখ্যার মতো এবং কালচে লাল রংয়ের। 
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থূলত্ব ৩ সেন্টিমিটার। 
- একেকটির ওজন পুরুষে ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং নারীদেহে ১৩০-১৫০ গ্রাম। 
- বৃক্কের বাইরের দিক উত্তল ও ভিতরের দিক অবতল। 
- অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম (hilum) বলে। 
- হাইলামের মধ্য দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বহির্গত হয় এবং রেনাল ধমনি ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে। 
- বৃক্কে প্রবেশকারী রেনাল শিরা দেহের সবচেয়ে বড় শিরা। 
- সম্পূর্ণ বৃক্ক ক্যাপসুল (capsule) নামক তন্তুময় যোজক টিস্যুর সুদৃঢ় আবরণে বেষ্টিত। 
- বৃক্কের অগ্রপ্রান্তে অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (adrenal gland) টুপির মতো আচ্ছাদন তৈরি করে সংযুক্ত থাকে। 

বৃক্কের অন্তর্গঠন: 
- বৃক্কের লম্বচ্ছেদে তিনটি সুস্পষ্ট অংশ দেখা যায়। 
যেমন- বাইরে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত গাঢ় অঞ্চলটি কর্টেক্স রেনাল ক্যাপসুল (cortex), মধ্যখানে হালকা লাল রঙের মেডুলা (medulla) এবং ভিতরে সাদাটে পেলভিস (pelvis)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
৪,০২২.
নিচের কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়?
  1. ক) ব্যাঙের ছাতা
  2. খ) নষ্টক
  3. গ) ক্লোরেলা
  4. ঘ) শিমুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিমুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিমুল
ব্যাখ্যা
শিমুল অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়।
- শিমুল সপুষ্পক উদ্ভিদ।

• অপুষ্পক উদ্ভিদ: যে সকল উদ্ভিদে কখনো ফুল ও ফল হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়।
যেমন- ক্লোরেলা, নস্টক, শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ন ইত্যাদি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৪,০২৩.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  2. তড়িৎ বিভব 
  3. ইলেকট্রোলাইসিস
  4. লেকট্রোফোরেসিস
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোপ্লেটিং (Electroplating): 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 
যেমন-লোহার উপর কপার ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার জন্য CuSO4 এর একটি দ্রবণ নেওয়া হয় এবং কপার দণ্ডকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে এবং লোহা দণ্ডকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করে দ্রবণে তড়িৎ প্রবাহিত করা হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহকালে Cu দণ্ডের কপার 2টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Cu2+ হিসেবে দ্রবণে চলে যায়। 
• Cu → Cu2+ + 2e-  [জারণ বিক্রিয়া] 
- এবার এই Cu2+ দ্রবণের মধ্য দিয়ে Fe দণ্ড থেকে ২টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cu এ পরিণত হয় এবং Fe দণ্ডের উপর লেগে যায়। 
• Cu2+ + 2e- → Cu  [বিজারণ বিক্রিয়া] । 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০২৪.
উদ্ভিদের কিসের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রস্বেদন হয়?
  1. ক) পত্ররন্ধ্র
  2. খ) কিউটিকল
  3. গ) লেন্টিসেল
  4. ঘ) মুলো রুম
সঠিক উত্তর:
ক) পত্ররন্ধ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পত্ররন্ধ্র
ব্যাখ্যা
পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদন (stromatal transpiration): পাতায়, কচিকাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ (Guard cell) বেষ্টিত এক ধরনের রন্ধ্র থাকে। এদেরকে পত্ররন্ধ্র (একবচন stoma, বহুবচন stomata) বলে। কোনাে উদ্ভিদের মােট প্রস্বেদনের 90-95% হয় পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০২৫.
অস্থি বিন্যাস অনুযায়ী মানুষের অন্তঃকঙ্কালকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত। 
- এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকঙ্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা— (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০২৬.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত কত হয়?
  1. ক) ৮৯ এর বেশি
  2. খ) ৮২ এর বেশি
  3. গ) ১০৫ এর বেশি
  4. ঘ) ৮৫ এর বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ৮২ এর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮২ এর বেশি
ব্যাখ্যা
- কোনো প্রাকৃতিক পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা ঘটলে সেসব পদার্থকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- যেমন- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল।
- এসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত ৮২ বা তার থেকে বেশি হয়ে থাকে। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,০২৭.
জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগােট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলােচনা হয় কোথায়?
  1. ক) শারীরবিদ্যা (Physiology)
  2. খ) হিস্টোলজি (Histology)
  3. গ) ভ্রূণবিদ্যা (Embryology)
  4. ঘ) কোষবিদ্যা (Cytology)
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রূণবিদ্যা (Embryology)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রূণবিদ্যা (Embryology)
ব্যাখ্যা

শারীরবিদ্যাঃ জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈব রাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালােকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলােচিত হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়।
হিস্টোলজিঃ জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলােচনা করা হয়।
ভ্রূণবিদ্যাঃ জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগােট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলােচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
(উৎসঃ ১ থেকে ৪০ নং সবগুলো প্রশ্নের ব্যাখ্যাই ৯ম- ১০ম শ্রেণির জীববিজ্ঞান থেকে নেয়া)

৪,০২৮.
উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য কোন খনিজ উপাদান অপরিহার্য? 
  1. আয়রন 
  2. পটাশিয়াম 
  3. ফসফরাস
  4. নাইট্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- কিছু ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ভূমিকার কথা নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১। নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেন নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাঁধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 

২। ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হবে। 

৩। পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষ বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

৪। ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 
- উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

৫। আয়রন: 
- আয়রন সাইটোক্রোমের সাংগঠনিক উপাদান, কাজেই বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। 
- ক্লোরোফিল সৃষ্টিতেও আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০২৯.
সালফারের অভাবে উদ্ভিদের কোন অংশে বেশি ক্লোরোসিস দেখা যায়? 
  1. কাণ্ড 
  2. মূল 
  3. বয়োবৃদ্ধ পাতা
  4. কচি পাতা 
সঠিক উত্তর:
কচি পাতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচি পাতা 
ব্যাখ্যা

সালফার: 
- সালফার (S) উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- সালফারের অভাবে উদ্ভিদের কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০৩০.
অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর ১৬, নিউট্রন সংখ্যা ৮, এর পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৪
  2. খ) ১২
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
ব্যাখ্যা
কোনো মৌলের একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়। হাইড্রোজেনের একটি পরমাণুতে একটি প্রোটন আছে। তাই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। অক্সিজেনের একটি পরমাণুতে ৮টি প্রোটন আছে। তাই অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮। 
 কোনো মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা হিসাবে প্রকাশ করা হয়।

অর্থাৎ কোনো মৌলের ভরসংখ্যা = ঐ মৌলের পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা + নিউট্রনের সংখ্যা
যেমন অক্সিজেনের ভরসংখ্যা ১৬, নিউট্রন সংখ্যা ৮, তাহলে প্রোটন সংখ্যা ৮। প্রোটন সংখ্যাকেই পারমাণবিক সংখ্যা বলে।
অতএব, অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী
৪,০৩১.
সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের কতদিন সময় লাগে?
  1. ৩৬৭ দিন 
  2. ২২৫ দিন 
  3. ৫৬৭ দিন 
  4. ৬৮৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,০৩২.
নিচের কোন রশ্মিটির ভেদন ক্ষমতা সবথেকে বেশি?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) রঞ্জন রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি:

- গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
- স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
- এর কোন ভর নেই।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৩৩.
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. পোষক কোষের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে
  2. ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে অক্ষম
  3. ভাইরাসে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে
  4. এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটে না 
সঠিক উত্তর:
পোষক কোষের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোষক কোষের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের বেশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে। আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
যেমন- 
ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
• ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাস অকোষীয়।
- এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
• এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
• এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
• ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
• জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৩৪.
নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরে 'ভারী জল' কী হিসেবে ভূমিকা পালন করে? 
  1. ফুয়েল হিসেবে 
  2. মডারেটর হিসেবে 
  3. প্রোটেকশন হিসেবে 
  4. তাপশক্তি উৎপাদনের জন্য 
সঠিক উত্তর:
মডারেটর হিসেবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডারেটর হিসেবে 
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরে 'ভারী জল' মডারেটর হিসেবে হিসেবে ভূমিকা পালন করে। 

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 

- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

মডারেটর: 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181 MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড এবং গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৩৫.
লোহা ও নিকেল কোন ধরণের চৌম্বক পদার্থ?
  1. ক) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) প্যারা চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• ডায়া চৌম্বক পদার্থ:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
- অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়।
- এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• প্যারা চৌম্বক পদার্থ:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়।
- এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরো চৌম্বক পদার্থ:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়।
- এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৪,০৩৬.
2 মিটার ফোকাস দূরত্ব বিশিষ্ট উত্তল লেন্সের ক্ষমতা কত হবে?
  1. + 0.5 D
  2. + 1.0 D
  3. - 2.0 D 
  4. - 0.5 D
সঠিক উত্তর:
+ 0.5 D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+ 0.5 D
ব্যাখ্যা

- 2 মিটার ফোকাস দূরত্ব বিশিষ্ট উত্তল লেন্সের ক্ষমতা হবে +0.5 D, কারণ লেন্সের ক্ষমতা (P)) হলো ফোকাস দূরত্বের (f)) ব্যস্তানুপাতিক (P = 1/f) এবং উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ধনাত্মক (positive) হওয়ায় ক্ষমতাও ধনাত্মক হয়, তাই P = 1/2 মিটার = +0.5 ডায়াপ্টর (D)। 

লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়। 
• ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর = ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক উভয়ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- একইভাবে, লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে, লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০৩৭.
কোনটির উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়েছে? 
  1. চৌম্বকীয় আবেশ
  2. তড়িৎ আবেশ
  3. তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
  4. স্থির তড়িৎ আবেশ
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator): 
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে। 
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়। 
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে। 
যেমন- ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর।  
- এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই। 
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৮.
কোনটি একমুখী বিক্রিয়া?
  1. অ্যামোনিয়া উৎপাদন 
  2. CO2 উৎপন্ন
  3. এস্টার সংশ্লেষণ
  4. CaCO3 তাপীয় বিয়োজন
সঠিক উত্তর:
CO2 উৎপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2 উৎপন্ন
ব্যাখ্যা

CO2 উৎপন্ন এটি একমুখী বিক্রিয়া। 

রাসায়নিক বিক্রিয়ার দিক (Direction of Reaction)
রাসায়নিক বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:

ক) একমুখী বিক্রিয়া (Irreversible Reaction)
- এই ধরনের বিক্রিয়ায় শুধুমাত্র বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয়।
- উৎপাদসমূহ পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে পরিবর্তিত হয় না।
- সম্মুখ বিক্রিয়ার গতিবেগই বর্তমান থাকে, পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়ার কোনো গতিবেগ নেই।

উদাহরণসমূহ:
1. গাছে পাতা, ফুল, ফল ঝরে পড়া; খাদ্যদ্রব্যের পরিপাক; জীবদেহের বার্ধক্য ও মৃত্যু।
2. কার্বনকে আগুনে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) উৎপন্ন হয়: C(s) + O₂(g) → CO₂(g)
3. পটাশিয়াম ক্লোরেট (KClO₃) উত্তাপে KCl ও O₂ উৎপন্ন করে:
2KClO₃(s) → 2KCl(s) + 3O₂(g)
4. আয়নিক বিক্রিয়া: NaCl(aq) + AgNO₃(aq) → AgCl↓ + NaNO₃(aq)

খ) উভমুখী বিক্রিয়া (Reversible Reaction)
- উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ উৎপাদে পরিণত হয় এবং উৎপাদ পদার্থও পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে ফিরে যায়।
- সম্মুখ ও পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়া একসাথে চলতে থাকে।
- উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণে ⇌ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণসমূহ:
1. নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের বিক্রিয়া অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে:
N₂(g) + 3H₂(g) ⇌ 2NH₃(g)
- উৎপন্ন NH₃ তাপ শোষণ করে পুনরায় N₂ ও H₂ তে পরিণত হয়।

2. আবদ্ধ পাত্রে কঠিন চুনাপাথরের (CaCO₃) তাপীয় বিয়োজন:
CaCO₃(s) ⇌ CaO(s) + CO₂(g)
- উৎপন্ন CaO ও CO₂ পুনরায় CaCO₃ এ ফিরে আসে।

3. এস্টার সংশ্লেষণ (ইথানল + ইথানোয়িক এসিড):
CH₃-CH₂OH + CH₃-COOH ⇌ CH₃-CO-O-CH₂-CH₃ + H₂O

4. হাইড্রোজেন ও আয়োডিনের বিক্রিয়া:
H₂ + I₂ ⇌ 2HI
- দীর্ঘ সময় পরেও বিক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় না। কারণ HI গ্যাসও পুনরায় H₂ ও I₂ তে বিয়োজিত হয়।
- উভমুখী বিক্রিয়ায় বদ্ধ পাত্রে H₂, I₂ ও HI তিনটি উপাদানই উপস্থিত থাকে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৩৯.
মানবদেহের কোষে কত জোড়া অটোজোম থাকে?
  1. ক) ২০ জোড়া
  2. খ) ২১ জোড়া
  3. গ) ২২ জোড়া
  4. ঘ) ২৩ জোড়া
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি।
- এর মধ্যে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোসোম এবং ২২ জোড়া বা ৪৪ টি থাকে অটোসোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
- বাকি এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম। যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,০৪০.
পাটের আঁশ ছাড়াতে কোন ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে?
  1. Clostridium
  2. Rhizobium
  3. Escherichia coli
  4. Corynebacterium
সঠিক উত্তর:
Clostridium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clostridium
ব্যাখ্যা
• পাট শিল্পে ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়াজনিত পঁচন ক্রিয়ার ফলেই পাটের কান্ড থেকে আঁশগুলো পৃথক হয়।
- ফলে আমরা পাটের আঁশ পেয়ে থাকি।
- এক্ষেত্রে Clostridium ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও, 
- মানুষের অস্ত্রে বসবাসকারী Escherichia coli, Aerobacter aerogenes এবং অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াগুলো ভিটামিন 'বি', থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিকোটিনিক অ্যাসিড, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, বায়োটিন, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন-কে ইত্যাদি প্রস্তুত ও সরবরাহ করে থাকে।
- Azotobacter, Pseudomonas, Clostridium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে স্থাপন করে, ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- ব্যাকটেরিয়া হতে কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা প্রভৃতি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রস্তুত করা হয়। ডি.পি.টি. রোগের প্রতিষেধকও ব্যাকটেরিয়া হতে প্রস্তুত করা হয়। যেমন- Corynebacterium diptheriae (D), Bordetalla pertussis (P) এবং Clostridium tetani (T) এ তিনটি শব্দের সমন্বয়ে DPT নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪১.
কোনটি অম্লীয় যৌগ?
  1. ক) FeCI3
  2. খ) KCI
  3. গ) CH3CI
  4. ঘ) C6H5CI
সঠিক উত্তর:
ক) FeCI3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) FeCI3
ব্যাখ্যা
- FeCl3 একটি লুইস এসিড।
- FeCl3 লুইস কাঠামোতে, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে Fe +3 অক্সিডেশন অবস্থা এবং এটির d অরবিটালে পাঁচটি ইলেকট্রন রয়েছে এবং d অরবিটালে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইলেকট্রন জমা হয় 10।
- সুতরাং, এটি তার d অরবিটালে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে। এটি লুইস এসিড হিসাবে কাজ করে।
- অর্থাৎ FeCl3 একটি অম্লীয় যৌগ।
৪,০৪২.
গুরুমস্তিস্ক বলা হয় কোনটিকে?
  1. সেরিব্রাম
  2. মেডুলা অবলংগাটা
  3. করোটি
  4. পনস
সঠিক উত্তর:
সেরিব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিব্রাম
ব্যাখ্যা
• মস্তিস্কের সেরিব্রামকে গুরুমস্তিস্কও বলা হয়।

- মস্তিষ্কের মধ্যে অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম সবচেয়ে বড়।
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সামনের অংশ স্ফীত হয়ে করোটিকা বা খুলির মধ্যে মস্তিষ্ক গঠন করে।
- করোটিকার ভেতরে মেনিনজেস নামক পর্দা দ্বারা মস্তিষ্ক আবৃত থাকে।
- আমাদের সকল চিন্তা-ভাবনা এবং কার্যক্রম পরিচালিত হয় মস্তিষ্ক থেকে।
- অসংখ্য নিউরন এবং হরমোনের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কাজগুলো সম্পন্ন হয়।
- মস্তিষ্ক তিনটি অংশে বিভক্ত থাকে। যথা-
১. অগ্রমস্তিষ্ক(Forebrain or Prosencephalon),
২. মধ্যমস্তিষ্ক(Midbrain or Mesencephalon) ও
৩. পশ্চাৎমস্তিষ্ক(Hindbrain or Rhombencephalon)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৪৩.
হেনলি-র লুপ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) পাকস্থলী
  2. খ) অগ্ন্যাশয়
  3. গ) বৃক্ক
  4. ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
ব্যাখ্যা
নেফ্রন
•বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ এবং কাজ করার একককে নেফ্রন বলে।
•মানবদেহের প্রতিটি বৃক্কে প্রায় 10-12 লক্ষ নেফ্রন থাকে।
•প্রতিটি নেফ্রন একটি রেনাল করপাসল (Renal corpuscle) বা মালপিজিয়ান অঙ্গ এবং রেনাল টিউব্যুল (Renal tubule) নিয়ে গঠিত । •প্রতিটি রেনাল করপাসল আবার গ্লোমেরুলাস (Glomerulus) এবং বোম্যান্স ক্যাপসুল— এ দুটি অংশে বিভক্ত।
• বোমলেন্স ক্যাপসুলে অক্ষিয়দেশ থেকে সংগ্রাহী নালি পর্যন্ত বিস্তৃত চওড়া নালিকাটিকে রেনাল টিউব্যুল বলে।
প্রতিটি রেনাল টিউব্যুল ৩ টি অংশে বিভক্ত:
১. গোড়াদেশীয় বা নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা (Proximal convoluted tubule)
২. হেনলি-র লুপ (Henle's loop) 
৩. প্রান্তীয় প্যাঁচানো নালিকা (Distal convoluted tubule)


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,০৪৪.
কোন টিস্যু উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায়?
  1. যোজক টিস্যু
  2. পরিবহন টিস্যু
  3. ক্ষরণকারী টিস্যু
  4. ভাজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা

ভাজক টিস্যুর (Meristematic Tissue) কোষগুলো বারবার বিভাজিত হতে পারে, যা উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য (এপিকাল মেরিস্টেম দ্বারা) এবং প্রস্থ (ল্যাটারাল মেরিস্টেম দ্বারা) বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
- অন্যদিকে, যোজক টিস্যু প্রাণিদেহে থাকে এবং পরিবহন ও ক্ষরণকারী টিস্যু হলো উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যু যা সাধারণত বিভাজিত হয় না।

• টিস্যু: 
- একই উৎস থেকে উৎপন্ন নিরবিচ্ছিন্নভাবে একই কাজ সম্পন্নকারী একগুচ্ছ কোষকে টিস্যু বলে। 

• উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- ক) ভাজক টিস্যু ও খ) স্থায়ী টিস্যু। 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৪,০৪৫.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
  1. ক) হ্রদের পানি
  2. খ) ঝরনার পানি
  3. গ) পুকুরের পানি
  4. ঘ) সাগরের পানি
সঠিক উত্তর:
খ) ঝরনার পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঝরনার পানি
ব্যাখ্যা
আবদ্ধ পানি (যেমন: হ্রদের পানি, পুকুরের পানি) এর চেয়ে দ্রুত চলমান পানিতে (যেমন: পাহাড়ি ঝরনা, নদী) অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। 
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.

Source: usgs.gov and others.
৪,০৪৬.
ক্যারিওকাইনেসিস বলতে মূলত কোনটির বিভাজনকে বোঝায়?
  1. ক) নিউক্লিয়াসের
  2. খ) সাইটোপ্লাজমের
  3. গ) রাইবোজোমের
  4. ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) নিউক্লিয়াসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউক্লিয়াসের
ব্যাখ্যা

ক্যারিওকাইনেসিস বলতে মূলত নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলা হয় মাইটোসিসে ক্যারিওকাইনেসিস পাঁচটি ধাপে সম্পন্ন হয়
ধাপগুলাে-
১. প্রােফেজ,
২. প্রাে-মেটাফেজ,
৩. মেটাফেজ,
৪. অ্যানাফেজ ও
৫. টেলােফেজ।
সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে মূলত সাইটোকাইনেসিস বলে। নিউক্লিয়াসের বিভাজন শেষ হওয়ার সাথে সাথে সাইটোকাইনেসিস শুরু হয়। প্রকৃতপক্ষে টেলােফেজ দশাতেই সাইটোকাইনেসিস শুরু হয়।

৪,০৪৭.
হাট বাজারে শব্দের তীব্রতার স্তর কত ডেসিবল? 
  1. ৩০ ডেসিবল 
  2. ৫০ ডেসিবল 
  3. ৪০ ডেসিবল 
  4. ৭০ ডেসিবল 
সঠিক উত্তর:
৭০ ডেসিবল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ ডেসিবল 
ব্যাখ্যা

- হাট বাজারে শব্দের তীব্রতার স্তর বা শব্দের তীব্রতা লেভেল হচ্ছে ৭০ ডেসিবল। 

শব্দের তীব্রতা: 
- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- শব্দের তীব্রতার মূল একক Wm-2  । 
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্বনিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা যার মান 10-12 Wm-2 কে বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা (threshold of audibility) হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৪৮.
পেয়ারার এ্যানথ্রাকনোজ কী জাতীয় রোগ?
  1. ছত্রাক
  2. ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
পেয়ারা:
- পেয়ারা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি সুস্বাদু ফল।
- পেয়ারার জন্য ২৩০-২৮০ সে. তাপমাত্রা উত্তম।
- সুনিষ্কাশিত উঁচু দোআঁশ মাটি উপযোগী।
- পেয়ারা সাধারণত: গুটি কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়।
- পেয়ারার এ্যানথ্রাকনোজ, ঢলে পড়া, ডাইব্যাক রোগে আক্রান্ত হয়।
- ফলের মাছি পোকা, মিলি বাগ পোকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। ফল হলদে সবুজ রং ধারণ করলে সংগ্রহ করতে হবে।

⇒ রোগ ও পোকা মাকড় দমন:
এনথ্রাকনোজ রোগ:
- ইহা একটি ছত্রাকজনিত রোগ।
- পেয়ারার পাতা, কান্ড, শাখা ও ফল আক্রান্ত হয়।
- প্রথম দিকে পেয়ারার গায়ে ছোট ছোট বাদামি দাগ হয় তা ক্রমান্বয়ে বড় হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে।
- ফলের শাঁস শক্ত হয় এবং ফল ফেটে যায়।
- গাছের নিচে আক্রান্ত পাতা ও ফল পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
- আক্রমণ বেশি হলে টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি. অনুপাতে মিশিয়ে ১৫দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৯.
ইলেক্ট্রনের আসক্তির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) কাচ>সিল্ক
  2. খ) প্লাস্টিক>ফ্লানেল
  3. গ) কাচ<সিল্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ>সিল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ>সিল্ক
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনের জন্য কাচের যত আসক্তি সিল্কের আসক্তি তার থেকে বেশি। আবার যদি এক টুকরাে প্লাস্টিককে ফ্লানেল (বা পশমি কাপড়) দিয়ে ঘষা হয় তাহলে ফ্লানেল থেকে ইলেকট্রন চলে আসবে প্লাস্টিকের টুকরােতে। তার কারণ ইলেকট্রনের জন্য প্লাস্টিকের আকর্ষণ ফ্লানেল থেকে বেশি। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৪,০৫০.
"একসময় পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল, কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।" - এই তত্ত্বকে বলা হয় -
  1. ক) বিগ ব্যাং তত্ত্ব
  2. খ) সম্প্রসারণ তত্ত্ব
  3. গ) সঞ্চালন তত্ত্ব
  4. ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।
- ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
৪,০৫১.
কোনটি টুথপেষ্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সিডার উড
  2. খ) তারপিনল
  3. গ) লিনানল
  4. ঘ) মেনথল
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেনথল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেনথল
ব্যাখ্যা
টুথপেস্ট তৈরিতে উপাদান হিসেবে মেনথল ব্যবহৃত হয়। দাঁত ব্রাশ করলে শীতল এবং ফ্রেশ অনুভূতির উৎস মেনথল।
৪,০৫২.
মানুষের মস্তিষ্কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল কত?
  1. ক) ১/১০ সেকেন্ড
  2. খ) ১/১০০ সেকেন্ড
  3. গ) ১ সেকেন্ড
  4. ঘ) ১/১০০০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ক) ১/১০ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১/১০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
মানুষের মস্তিষ্কে মূল শব্দের অনুভূতি বা শব্দানুভূতির স্থায়িত্ব কাল বা শ্রুতি রেশ ০.১ সেকেন্ড বা ১/১০ সেকেন্ড।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,০৫৩.
মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে নিচের কোনটি কাজ করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেতরক্তকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকা মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে কাজ করে। 

শ্বেত রক্ত কনিকার কাজসমূহ- 
i.মনোসাইট ও নিউট্রিফিল  ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে ।
ii. নিউট্রোফিলের বিষাক্ত দানা জীবাণু ধ্বংস করে ।
iii.দানাদার লিকোসাইট হিস্টাসিন সৃষ্টি করে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ।
iv.লিস্ফোসাইট অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ করে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।  

৪,০৫৪.
‘ড্রাই আইস’ (dry ice) হলো -
  1. ক) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. খ) কঠিন অবস্থায় সালফার ডাইঅক্সাইড
  3. গ) শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ
  4. ঘ) হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের কঠিন অবস্থা
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাইঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কঠিন অবস্থায় কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
Dry ice, carbon dioxide in its solid form, a dense, snowlike substance that sublimes (passes directly into the vapour without melting) at −78.5 °C (−109.3 °F), used as a refrigerant, especially during shipping of perishable products such as meats or ice cream. Source: britannica.com
৪,০৫৫.
কোন মৌলটির আয়নীকরণ শক্তি বেশি?
  1. ক) Li
  2. খ) B
  3. গ) C
  4. ঘ) Ne
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ne
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ne
ব্যাখ্যা
• আয়নীকরণ শক্তি: গ্যাসীয় অবস্থায় কোন মৌলের নিরপেক্ষ পরমাণু থেকে ইলেকট্রন অপসারণ করে ধনাত্বক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয় তাকে মৌলটির আয়নীকরণ শক্তি বলা হয়।
- পরমাণুর বাইরের স্তর থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয় তাকে প্রথম আয়নীকরণ শক্তি, পরের ১টি ইলেকট্রন অপসারণ করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয় তাকে দ্বিতীয় আয়নীকরণ শক্তি বলা হয়।

- দেখা যাচ্ছে যে পর্যায়ের বাম থেকে ডান দিকে গেলে সাধারণত  ১ম আয়নীকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- পর্যায় সারণির বাম থেকে ডান দিকে গেলে পরমাণুর আকার ছোট হতে থাকে।
- এতে বাইরের স্তরের ইলেকট্রনের সাথে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বাড়তে থাকে।
- ফলে ইলেকট্রন অপসারণ কষ্টকর হয়, তাই আয়নীকরণ শক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৬.
ফটোস্ট্যাট মেশিনে ব্যবহৃত মৌলিক পদার্থটির নাম কী?
  1. সেলেনিয়াম
  2. মলিবডেনাম
  3. সিলভার
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সেলেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলেনিয়াম
ব্যাখ্যা
সেলেনিয়াম:
• সেলেনিয়াম একটি রাসায়নিক মৌল যার প্রতীক Se এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৪।
• এটি পর্যায় সারণীতে সালফার এবং টেলুরিয়াম উপাদান গুলোর মধ্যে থাকা একটি অধাতু।
ফটোস্ট্যাট মেশিনে সেলেনিয়াম ব্যবহার করা হয়


উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,০৫৭.
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ কী নামে পরিচিত?
  1. বিষুবরেখা
  2. অক্ষরেখা
  3. দ্রাঘিমারেখা
  4. সুমেরু রেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১° অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৮.
নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) মহাকাশযান উৎক্ষেপণ
  2. খ) একজন মাঝির নৌকা চালানো
  3. গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
  4. ঘ) বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র: বল প্রয়ােগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে। উদাহরণঃ চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র: বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়ােগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
নিউটনের তৃতীয় সূত্র: যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। উদাহরণঃ
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৫৯.
কোনটি সরল ছন্দিত স্পন্দনের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সরল রৈখিক গতি
  2. ত্বরণ সর্বদা নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী
  3. ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের ব্যস্তানুপাতিক
  4. পর্যাবৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
• যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক।

• সরল ছন্দিত স্পন্দন:

- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। যেমন-
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচে গতি।
- তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি।
- পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি।

• সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য:
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি,
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি,
৩. এটি সরল রৈখিক গতি,
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক,
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬০.
চিকুনগুনিয়ার বাহক কোনটি?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) সকল ধরণের মশা
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। 

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।

লক্ষণ- 
সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকিৎসা-
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪,০৬১.
নিচের কোনটি প্রাথমিক তড়িৎ রাসায়নিক কোষের উদাহরণ নয়?
  1. ড্যানিয়েল কোষ
  2. শুষ্ক কোষ
  3. লেড–এসিড সঞ্চয়ী কোষ
  4. ভোল্টা কোষ
সঠিক উত্তর:
লেড–এসিড সঞ্চয়ী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড–এসিড সঞ্চয়ী কোষ
ব্যাখ্যা

• লেড–এসিড সঞ্চয়ী কোষ সেকেন্ডারি তড়িৎ রাসায়নিক কোষের উদাহরণ।

• তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। - তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ:
যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ:
যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,০৬২.
বিএমআই মতে, মোটা হওয়ার প্রথম স্তরের মান হিসেবে কোন মানটি বিবেচনা করা হয়?
  1. ২৫ - ২৯.৯
  2. ৩০ - ৩৪.৯
  3. ৩৫.০-৩৯.৯
  4. ১৮.৫ - ২৪.৯
সঠিক উত্তর:
৩০ - ৩৪.৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ - ৩৪.৯
ব্যাখ্যা
বিএমআই (Body Mass Index): 
- বিএমআই (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। 
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এটি খুবই উপযোগী। 
     বিএমআই = দেহের ওজন (কেজি)/দেহের উচ্চতা (মিটার) 

বিএমআই মান ⇒ করণীয়: 
• ১৮.৫ -এর নিচে ⇒ শরীরের ওজন কম। পরিমিত খাদ্যগ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে। 
• ১৮.৫-২৪.৯ ⇒ এটি সুস্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ মান। 
• ২৫.০-২৯.৯ ⇒ শরীরের ওজন অতিরিক্ত। ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন। 
৩০.০-৩৪.৯ ⇒ মোটা হওয়ার প্রথম স্তর। বেছে খাদ্যগ্রহণ ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
• ৩৫.০-৩৯.৯ ⇒ মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর। পরিমিত খাদ্য গ্রহন ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
• ৪০.০ -এর উপরে ⇒ অতিরিক্ত মোটাত্ব।মৃত্যুঝুঁকির আশঙ্কা। ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৬৩.
বাতাসে শব্দের বেগ কত?
  1. 330 m/s
  2. 1284 m/s
  3. 1493 m/s
  4. 1450 m/s
সঠিক উত্তর:
330 m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
330 m/s
ব্যাখ্যা
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩০ মি/সে,
- পানিতে শব্দের বেগ ১৪৯৩ মি/সে এবং
- লোহাতে শব্দের বেগ ৫১৩০ মি/সে।
- হাইড্রোজেনে  শব্দের বেগ ১২৮৪ মি/সে,
- পারদে শব্দের বেগ  ১৪৫০ মি/সে,

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
৪,০৬৪.
নিম্নের কোন জলজ প্রাণিটির ফুলকা নেই?
  1. স্কুইড
  2. তিমি
  3. অক্টোপাস
  4. ক্লাউন মাছ
সঠিক উত্তর:
তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিমি
ব্যাখ্যা

তিমি ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়, তাই তাদের ফুলকা নেই। 
- তিমি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, মাছ নয়।

জলজ প্রাণী:
- জলজ প্রাণী হলো এমন প্রাণী যেগুলো পানিতে বাস করে এবং সাধারণত পানির মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাস, খাদ্য গ্রহণ এবং প্রজনন করে।
- উদাহরণ: মাছ, তিমি, অক্টোপাস, স্কুইড ইত্যাদি।

ফুলকা ব্যবহারকারী জলজ প্রাণী:
- ফুলকা হলো পাতলা পর্দাযুক্ত অঙ্গ, যেখানে পানির সংস্পর্শে আসার পর অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড পানি থেকে বের হয়ে যায়।
- সাধারণত মাছ, অক্টোপাস, স্কুইড, ক্রাস্টেসিয়ান (যেমন কাঁকড়া) ইত্যাদি ফুলকা দিয়ে শ্বাস নেয়।

ফুসফুস ব্যবহারকারী জলজ প্রাণী:
- জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন তিমি, ডলফিন, সামুদ্রিক কচ্ছপ ইত্যাদি ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
- এরা বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে। এই প্রাণীরা শ্বাস নেওয়ার জন্য নিয়মিত পানির উপরে ভেসে ওঠে।
- তিমিরা তাদের ফুসফুসে বাতাস ধরে রেখে দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে থাকে এবং যখন তাদের অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তখন তারা পানির উপরে ভেসে ওঠে এবং "ব্লোহোল" (blowhole) নামক নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাস নেয়।

উল্লেখ্য-
- স্কুইড এবং অক্টোপাস উভয়ই Mollusca পর্বের Cephalopoda শ্রেণীর প্রাণী এবং এদের ফুলকা আছে, যা দিয়ে তারা পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- ক্লাউন মাছ (Clownfish) একটি মাছ এবং মাছের শ্বাসযন্ত্র হিসেবে ফুলকা ব্যবহার করে।

উৎস: 
১। প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৪,০৬৫.
এক হর্স পাওয়ার = কত ওয়াট?
  1. ৭৪৬
  2. ৭৬৪
  3. ৭৮৬
  4. ৭৬৮
সঠিক উত্তর:
৭৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪৬
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 

- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৬.
কে গণিতবিদ নন?
  1. ক) ওমর খৈয়াম
  2. খ) আল-খারিজমী
  3. গ) ইবনে খলদুন
  4. ঘ) উলুগ বেগ
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে খলদুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে খলদুন
ব্যাখ্যা
Ibn Khaldūn, the greatest Arab historian, who developed one of the earliest nonreligious philosophies of history, contained in his masterpiece, the Muqaddimah (''Introduction''). He also wrote a definitive history of Muslim North Africa.
Source: Cambridge Dictionary
৪,০৬৭.
শৈবাল কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. ক) মৃতজীবী
  2. খ) স্বভোজী
  3. গ) পরভোজী
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্বভোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বভোজী
ব্যাখ্যা
শৈবালের বৈশিষ্ট্য : শৈবালে নিম্ন লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়
১। এরা সবাই অপুষ্পক।
২। এরা স্বভোজী অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে।
৩। এরা প্রকৃতকোষী, এককোষী অথবা বহুকোষী হয়। এরা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ অর্থাৎ এদেরকে মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত করা যায় না।
৪। এদের দেহে ভাস্কুলার টিস্যু (পরিবহন টিস্যু) থাকে না।
৫। অধিকাংশ শৈবালের জননাঙ্গ এককোষী।
৬। এদের রেণুথলী (স্পোরাঞ্জিয়া) সব সময় এককোষী।
৭। এদের জাইগোট স্ত্রীজননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না।
৮। এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত।
৯। গ্যামিটের মিলনের পরেও এদের বহুকোষী ভ্রূণ গঠিত হয় না।
১০। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,০৬৮.
দীপন তীব্রতার একককে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) cd
  2. খ) ca
  3. গ) ad
  4. ঘ) cc
সঠিক উত্তর:
ক) cd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) cd
ব্যাখ্যা

দীপন তীব্রতা (Luminous intensity)
আমরা বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন প্রকার আলোক উৎস ব্যবহার করি। কোনোটি বেশি আলো দেয়, আবার কোনোটি কম আলো দেয়। একটি উৎস কি পরিমাণ আলো দেয় তার পরিমাণকে বলা হয় দীপন উৎসের তীব্রতা।
অর্থাৎ উৎসের দীপন তীব্রতা বলতে বুঝায় এটি প্রতি সেকেন্ডে কি পরিমাণ আলো দেয় বা এ থেকে কি পরিমাণ আলোক শক্তি নির্গত হয়।
একটি বিন্দু উৎস থেকে নির্দিষ্ট দিকে, প্রতি সেকেন্ডে একক ঘনকোণে যে পরিমাণ আলোক নির্গত হয় তাকে ঐ উৎসের দীপন তীব্রতা বলে। এর সংকেত I.
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা (cd)।

আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ১৯৮৯ সালে ক্যান্ডেলার নিম্নরূপ সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়েছে।
এক ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে  540 × 1012  হার্জ কম্পাঙ্কের এক বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে 1/683 ওয়াট।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৬৯.
নিচের কোনটি প্রাথমিক দূষক?
  1. ওজোন
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা

দূষক (Pollutant): 
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে, কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে 40 ppm বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- দূষক দুই প্রকার।
যথা-
১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক: 
- যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। 
যেমন- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), NOx, হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি। 

২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক: 
- এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। 
- পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। ওজোন
যেমন- পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], সালফার ট্রাই-অক্সাইড (SO3), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2), ওজোন (O3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭০.
শুক্রাশয় গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?
  1. অ্যাড্রানালিন
  2. অ্যান্ড্রোজেন
  3. রিলাক্সিন
  4. প্রোজেস্টেরন
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ড্রোজেন
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোন: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশী বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে। দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোন গ্রন্থি গুলো হলো- পিটুইটারী গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি, ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি। 
• পিটুইটারী গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন।

• থাইরয়েড গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো থাইরক্সিন হরমোন।

• অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি - এ গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো অ্যাড্রানালিন হরমোন।

• শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন ।
 
কাজ - শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায় ।

•ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি - এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং রিলাক্সিন।
কাজ - নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

 অমরা নিঃসৃত হরমোন হলো- গোনাডোট্রপিক এবং প্রোজেস্টেরন। 
কাজ- ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭১.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. তির্যকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. কৌণিকভাবে
  4. আড়াআড়িভাবে
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা: 
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়। 
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। 
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। 
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪,০৭২.
এইডস রোগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এইচআইভি সংক্রমণের প্রথম পর্যায় হলো এইডস।
  2. খ) মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৭-১০ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।
  3. গ) এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  4. ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
ব্যাখ্যা
এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 

এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ্য করা যায় এবং মায়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।

২০০৭ সালে পৃথিবীতে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩.২ মিলিয়ন, আর মারা যায় ২.১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ৩,৩০,০০০ জন ছিল নিরপরাধ শিশু। বাংলাদেশী জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এইডস বিস্তার রোধের সহায়ক।


- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৪,০৭৩.
খাদ্য আহারের পর শর্করা পরিপাক হয়ে কীসে পরিণত হয়?
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) অ্যামিনো এসিড
  3. গ) ফ্যাটি এসিড
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
শর্করা বা শ্বেতসার:
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়।
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 

উৎস:
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে। 
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র।

প্রকারভেদ
- গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এক শর্করা: এক অণুবিশিষ্ট শর্করা গ্লুকোজ। উৎস: মধু, ফলের রস।
- দ্বি-শর্করা: দু’অণুবিশিষ্ট শর্করা সুক্রোজ, ল্যাকটোজ। উৎস: চিনি ও দুধ।
- বহু শর্করা: বহু অণুবিশিষ্ট শর্করা শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন। উৎস: চাল, আটা, আলু, সবুজ পাতা, শাকসবজি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৪.
রেকটিফাইড স্পিরিট কী?  
  1. মিথানলের জলীয় দ্রবণ 
  2. ইথানলের জলীয় দ্রবণ  
  3. মিথোনয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ 
  4. ইথোনয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ 
সঠিক উত্তর:
ইথানলের জলীয় দ্রবণ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানলের জলীয় দ্রবণ  
ব্যাখ্যা

অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 

- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭৫.
এসিড বৃষ্টি কেন হয়?
  1. ক) আগ্নেয় গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে
  2. খ) দাবানলের কারণে
  3. গ) গাছপালার পচনের কারণে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ি দাবানল, বজ্রপাত, গাছপালার পচন, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং সালফার ডাই অক্সাইড বের হয়, যা পরে বাতাসের অক্সিজেন ও বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করে।
একইভাবে বিভিন্ন শিল্প কারখানা বিশেষ করে কয়লা বা গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, ইট ভাটা, যানবাহন, চুলা ইত্যাদি উৎস থেকে সালফার ডাই অক্সাইড বের হয়, যা এসিডে পরিনত হয় এবং বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি তৈরি করে। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৪,০৭৬.
উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ হচ্ছে -
  1. ক) ডিটারজেন্ট
  2. খ) খাবার লবণ
  3. গ) সাবান
  4. ঘ) বেকিং সোডা
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
ব্যাখ্যা
সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।
সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৪,০৭৭.
মৃৎক্ষার ধাতু কোনটি?
  1. বেরিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. সিজিয়াম
  4. রুবিডিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (Alkali Metals): 
- পর্যায় সারণির 1নং গ্রুপের মৌলগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি মৌলগুলোকে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই মৌলগুলোর প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 
যেমন- 
• লিথিয়াম (Li), 
সোডিয়াম (Na), 
• পটাসিয়াম (K), 
রুবিডিয়াম (Rb), 
সিজিয়াম (Cs) এবং 
• ফ্রান্সিয়াম (Fr)। 

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals): 
- পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপের মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
যেমন- 
• বেরিলিয়াম (Be), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• স্ট্রনসিয়াম (Sr), 
বেরিয়াম (Ba) এবং 
• রেডিয়াম (Ra)। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। 
- এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৭৮.
কক্ষতাপমাত্রায় গ্যাসের ঘনত্ব -
  1. অনেক বেশি
  2. তরলের তুলনায় বেশি
  3. খুবই কম
  4. তরল অবস্থার সমান
সঠিক উত্তর:
খুবই কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুবই কম
ব্যাখ্যা

গ্যাসের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Gas):
- কক্ষ তাপমাত্রায় যে সব উপাদান বায়বীয় অবস্থায় থাকে তাকে গ্যাস বলা হয়।
- যেমন- O2, N2, H2, CO2, He এ সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ।

গ্যাসীয় পদার্থগুলো বেশিকিছু বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়। যেমন-
১। আকার ও আয়তন: গ্যাসীয় পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। সাধারণত যে পাত্রে গ্যাসকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন বলে ধরা হয়।
২। সম্প্রসারণশীলতা: গ্যাসের সম্প্রসারণ ক্ষমতা অস্বাভাবিকভাবে বেশি। যে পাত্রে গ্যাস রাখা হয় খুব দ্রুত ঐ পাত্রের সমস্ত জায়গায় গ্যাস বিস্তৃত হয়ে পড়ে।
৩। ব্যাপন: গ্যাসের ব্যাপনের ক্ষমতা খুব বেশি। দুই বা ততোধিক গ্যাস পরস্পরের মধ্যে দ্রুত গতিতে পরিব্যাপ্ত হয়ে সমসত্ত্ব মিশ্রণ তৈরি করে থাকে। গ্যাস অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক শূন্য স্থান থাকে বলে এটি সম্ভব হয়।
৪। আন্তঃকণা আকর্ষণ বল: গ্যাস অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই নগণ্য। এ বলের মান ততই কম যে সাধারণভাবে একে শূন্য বলে ধরে নেয়া হয়।
৫। ঘনত্ব: কক্ষতাপমাত্রায় গ্যাসের ঘনত্ব খুবই কম। উপাদানের একক আয়তনের ভরকে উপাদানের ঘনত্ব বলা হয়। গ্যাসীয় অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক দূরত্ব অধিক হওয়ায় একক আয়তনে গ্যাস অণুর সংখ্যা কম হয়। এ কারণে একক আয়তনের ভর তথা ঘনত্ব কম হয়।
৬। গ্যাসের চাপ: যে পাত্রে গ্যাস রাখা থাকে ঐ গাত্রের দেয়ালের উপর গ্যাস চাপ প্রয়োগ করে। গ্যাস অণুগুলো গতিশীল থাকায় পাত্রের দেয়ালে চাপ বা বল প্রয়োগ করে। গ্যাস অণুগুলো কর্তৃক আরোপিত এ চাপ পাত্রের উপরে, নিচে, পার্শ্বে সব জায়গায় সমান থাকে। প্রকৃত পক্ষে স্থির তাপমাত্রায় একক ক্ষেত্রফলের উপর পাত্রের দেয়ালে গ্যাস যে বল প্রয়োগ করে তাকে গ্যাসের চাপ বলা হয়।
৭। অণুর গতি: গ্যাস অণুগুলোর গতিশক্তি যথেষ্টভাবে অধিক এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি জনিত কারণে অণুগুলোর গতিশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। গ্যাস অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম হওয়ায় অণুগুলো স্বাধীন এবং বিক্ষিপ্তভাবে গতিশীল থাকে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,০৭৯.
তাপমাত্রা কমলে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা-
  1. ক) কমে
  2. খ) বাড়ে
  3. গ) অপরিবর্তিত থাকে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমে
ব্যাখ্যা
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। তাপমাত্রা বাড়লে এই ধারণ ক্ষমতা বাড়ে আবার তাপমাত্রা কমলে ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।
[সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
৪,০৮০.
ভার্টিব্রাল ধমনি দেহের কোন অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ করে?
  1. বৃক্ক
  2. ডায়াফ্রাম
  3. পাকস্থলী 
  4. মেরুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মেরুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরুদণ্ড
ব্যাখ্যা

সাবক্লেভিয়াল ধমনি ও তার শাখাসমূহ: 
- সাবক্লেভিয়াল ধমনি দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। 
- সাবক্লেভিয়াল ধমনির শাখাগুলোর কাজ হলো বিভিন্ন অঙ্গের রক্ত সরবরাহ করা। 
- প্রধান শাখাগুলোর রক্ত সরবরাহের অঞ্চলসমূহ হচ্ছে- 
• সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
• মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
• ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
• আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত সরবরাহ করে। 
• থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৮১.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে-
  1. ৭৫ ডিবি
  2. ৯০ ডিবি
  3. ১০৫ ডিবি
  4. ১২০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (DB)।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে সাধারণত 60 ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং 100 ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে অতি-শব্দ মানুষের মানসিক এবং দৈহিক ক্ষতির কারণ।
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
- বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে।

[১০০ ডিবি অপশনে না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১০৫ ডিবি সঠিক উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে]

উৎস:
১. পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বাংলাপিডিয়া।
৪,০৮২.
বেশিরভাগ গ্রহাণুর অবস্থান কোথায়?
  1. শনি এবং বৃহস্পতির মাঝে
  2. মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
  3. পৃথিবী ও মঙ্গল এর মাঝে
  4. শনি ও ইউরেনাস এর মাঝে
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
ব্যাখ্যা
গ্রহাণু: 
- গ্রহাণু, যেগুলোকে কখনও বামন গ্রহ বলা হয়, সৌরজগতের প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে গঠনের সময় অবশিষ্ট থাকা শিলাময় এবং বায়ুহীন অংশ।
- বেশিরভাগ গ্রহাণুর মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মধ্যে অ্যাস্টারয়েড বেল্টে অবস্থান। 
- বৃহত্তম গ্রহাণু ভেস্তা, যার ব্যাস প্রায় ৩২৯ মাইল (৫৩০ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট গ্রহাণুর আকার ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এর চেয়েও কম।
- সব গ্রহাণুর মোট ভর একত্র করলে তা পৃথিবীর চাঁদের ভরের চেয়েও কম।

উৎস: NASA
৪,০৮৩.
ট্রপোমণ্ডলে প্রতি কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে হ্রাস পায়-
  1. ৭.৩° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  2. ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  3. ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  4. ৬.৯° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

⇒ ট্রপোমণ্ডলে প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হল - ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার। 

• ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৮৪.
Among these scientists, who first proposed that "Earth itself is a big magnet"?
  1. Galileo Galilei
  2. Nikola Tesla
  3. Michael Faraday
  4. William Gilbert
  5. Isaac Newton
সঠিক উত্তর:
William Gilbert
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Gilbert
ব্যাখ্যা
চুম্বকত্ব: 
- যে বস্তু অন্য বিশেষ ধর্ম বিশিষ্ট বস্তুকে আকর্ষণ করতে পারে এবং যাকে মুক্তভাবে ঝুলিয়ে দিয়ে সাম্যাবস্থায় একটি নির্দিষ্ট দিকে (উত্তর -দক্ষিণে) মুখ করে থাকে, তাকেই সাধারণ ভাবে চুম্বক বলা হয়। 
- যে ধর্মের জন্য একটি চুম্বক অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে সেই ধর্মকে বলা হয় চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের একটি ভৌত ধর্ম। 

- কোন পদার্থকে কৃত্রিম উপায়ে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন, তাপমাত্রা ইত্যাদির তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- আর যেসব বস্তু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত বা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ (Magnetic substance) বলা হয়। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থ। 

- একটি চুম্বক শলাকাকে এর ভারকেন্দ্রে অনুভূমিকভাবে ঝুলিয়ে দিলে শলাকাটি সর্বদাই উত্তর-দক্ষিণ দিকে মুখ করে থাকে। 
- চুম্বকের এই অবস্থায় সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে রানী এলিজাবেথের গৃহ চিকিৎসক ড. গিলবার্ট সর্বপ্রথম এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, একটি চুম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে অর্থাৎ পৃথিবী নিজেই একটি বড় চুম্বক। 
- পৃথিবীর এ চুম্বকত্বকে ভূ-চুম্বকত্ব বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৫.
বিদ্যুৎ পরিবাহকের রোধের একক-
  1. ওয়াট
  2. কুলম্ব
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. ওহম
সঠিক উত্তর:
ওহম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওহম
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহীর ধর্ম।
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাই হলো রোধ।
- রোধের এসআই (SI) একক ও’ম (Ω)।

অন্যদিকে, 
ক্ষমতার একক ওয়াট। 
চার্জের একক কুলম্ব। 
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৪,০৮৬.
নিচের কোনটি সালোকসংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক নয়?
  1. ক) আলো
  2. খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. গ) তাপমাত্রা
  4. ঘ) পাতার সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতার সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাতার সংখ্যা
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের অভ্যন্তরীণ প্রভাবকসমূহ-
- ক্লোরোফিল,
- পাতার বয়স এবং সংখ্যা,
- শর্করার পরিমাণ,
- পটাশিয়াম,
- এনজাইম।

সালোকসংশ্লেষণে বাহ্যিক প্রভাবকসমূহ-
- আলো,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- তাপমাত্রা,
- অক্সিজেন,
- পানি ইত্যাদি।

সালোকসংশ্লেষণ হচ্ছে সবুজ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া। গ্রিক শব্দ photos (অর্থ: আলোক; এখানে সূর্যালোক) ও synthesis (অর্থ: সংশ্লেষণ, বা তৈরি করা) এর সমন্বয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
ক্লোরোফিল হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের সবুজ অংশ, বিশেষ করে পাতাতেই ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকে। কান্ড বা মূল এসবে ক্লোরোফিল থাকে না। তাই সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের পাতায় সম্পন্ন হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,০৮৭.
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে?
  1. ফিটকিরি
  2. চুন
  3. সেভিং সোপ
  4. কস্টিক সোডা
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা
[এলুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা ফিটকিরি যার রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O]
(পটাশিয়াম সালফেট এলুমিনিয়াম সালফেট. ২৪ অণু পানি); একে পটাশ এলামও বলা হয়ে থাকে।]

• পটাশ অ্যালাম:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ।
- পটাশ অ্যালাম সাধারণ মানুষের কাছে ফিটকিরি নামে পরিচিত।
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- পটাস অ্যালামে 24 অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ও রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৮.
ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা (GIS) কী?
  1. ভূগোল বিষয়ক বই
  2. সফটওয়্যার
  3. বিশেষ ধরনের যন্ত্র
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা (Geographic Information System):
- ভৌগোলিক তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে যে প্রক্রিয়ায় ডাটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় তাকে বলা হয় ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা বা Geographic Information System (GIS)।
- এটি মূলত ভৌগোলিক তথ্য বিশ্লেষণের জন্য নির্মিত সফটওয়্যার।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে.

⇒ জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
- জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
১. হার্ডওয়্যার,
২. সফট্ওয়্যার,
৩. উপাত্ত,
৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং,
৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৯.
বৃক্কের বাইরের আবরণ হিসেবে কোন ঝিল্লী থাকে? 
  1. পেরিটোনিয়াম
  2. মেনিনজিস
  3. প্লুরা
  4. পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
ব্যাখ্যা

• রেচন ও রেচনতন্ত্র: 
- প্রাণীদেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রকার জৈবিক (biological) বা শারীরবৃত্তীয় (physiological) কার্যাবলী সংঘটিত হয়। 
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন (Excretion) বলে এবং যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র (Excretory system) বলে। 
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ। 

বৃক্কের গঠন ও কাজ (Structure and function of kidney): 
- বৃক্ক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ। 
- মানুষের উদরগহ্বরের পশ্চাৎ মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি বৃক্ক থাকে। 
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতিটি বৃক্ক প্রায় ১১-১২ সে.মি. লম্বা, ৫-৬ সে.মি. প্রস্থ এবং ৩ সে.মি. পুরু হয়। 
- সজীব অবস্থায় বৃক্কের রং খয়েরি লাল। 
- আকৃতিতে অনেকটা শীম বীজের মত। এর বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল। 
- অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম (hilum) বলে। এর ভেতর দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনী ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে। 
- সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ, পাতলা পেরিটোনিয়াম ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে। 

অন্যদিকে, 
- মেনিনজিস: মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জুকে আবৃত করে। 
- প্লুরা: ফুসফুস আবৃতকারী ঝিল্লী। 
- পেরিকার্ডিয়াম: হৃৎপিণ্ড আবৃতকারী ঝিল্লী। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯০.
সবল নিউক্লীয় বল নিচের কোন দূরত্বে কাজ করে?
  1. 10-8 m
  2. 10-15 m
  3. 10-10 m
  4. 10-25 m
সঠিক উত্তর:
10-15 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-15 m
ব্যাখ্যা
বল
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে।
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে।
যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিয়ন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০⁻¹⁸ m) কাজ করে।
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০গুন বেশি শক্তিশালি।
- কিন্তু সবল নিউক্লীয় বলও খুবই অল্প দূরত্বে (10⁻¹⁵ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৯১.
যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়-
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোমার
  4. আইসোটোন
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা

যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা (Mass number) সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়, তাদেরকে আইসোবার (Isobar) বলা হয়।

• আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

অন্যদিকে,
• আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।

• আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

• আইসোমার (Isomer): 
- যাদের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গাঠনিক সংকেত বা পরমাণুর বিন্যাস ভিন্ন। এটি মূলত জৈব যৌগের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯২.
নিম্নের কোন গ্রহ 'Blue Planet' নামে পরিচিত?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) নেপচুন
  3. গ) জুপিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নেপচুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেপচুন
ব্যাখ্যা
সৌরজগতে পৃথিবীর পর অন্য যে গ্রহটি নীল গ্রহ (Blue Planet) নামে পরিচিত, তার নাম হলো নেপচুন। 

সৌরজগতের গ্রহসমূহের রং:
Mercury – Grey
Venus – Brown and grey
Earth – Blue, brown green and white
Mars – Red, brown and tan
Jupiter – Brown, orange and tan, with white cloud stripes
Saturn – Golden, brown, and blue-grey
Uranus – Blue-green
Neptune – Blue

উৎসঃ নাসা ওয়েবসাইট, স্পেস.কম ওয়েবসাইট।
৪,০৯৩.
নিচের কোনটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. জেনারেটর
  2. সৌর প্যানেল
  3. তাপীয় পাম্প
  4. থার্মোস্ট্যাট
সঠিক উত্তর:
তাপীয় পাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপীয় পাম্প
ব্যাখ্যা

- একটি তাপ ইঞ্জিন উচ্চ তাপমাত্রা থেকে তাপ গ্রহণ করে কাজ সম্পাদন করে, কিন্তু তাপীয় পাম্প তার বিপরীত কাজ করে। এটি বিদ্যুৎ বা অন্য কোনো শক্তির সাহায্যে কাজ সম্পাদন করে তাপকে নিম্ন তাপমাত্রা থেকে উচ্চ তাপমাত্রার দিকে স্থানান্তর করে ৷
- রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারও একই মূলনীতিতে কাজ করে।

• তাপীয় ইঞ্জিন:

- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে ।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ
করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে ।

অন্যদিকে,
• তাপীয় পাম্প:
- তাপীয় পাম্প (Heat Pump) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতির ওপর ভিত্তি করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। এটি রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের মতোই কাজ করে।
- একটি তাপীয় পাম্প যান্ত্রিক কাজ (বিদ্যুৎ) ব্যবহার করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে, যা তাপ ইঞ্জিনের কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- অর্থাৎ, তাপ ইঞ্জিন তাপকে কাজে পরিণত করে, আর তাপীয় পাম্প কাজকে তাপ স্থানান্তরে পরিণত করে।

উল্লেখ্য,
- জেনারেটর কোনো তাপীয় যন্ত্র নয়, বরং এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সৌর প্যানেল আলোক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীত নয় ।
- থার্মোস্ট্যাট হলো একটি নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, যা তাপমাত্ৰা নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু নিজে তাপ স্থানান্তর করে না ।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯৪.
অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
পেশি কলা: 
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত যে কলা অসংখ্য তন্ত্রর মতো কোষের সমন্বয়ে গঠিত এবং সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণী দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায় তাকে পেশি কলা বলে। 
যেমন- মসৃণ পেশি, অমসৃণ পেশি, হৃদপেশি। 
- দেহ ওজনের শতকরা প্রায় ৪০-৫০ ভাগ পেশি কলা। 

পেশিকলার বৈশিষ্ট্য: 

• ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে পেশি কলা উৎপন্ন হয়। 
• মায়োব্লাস্ট নামক আদিকোষ রূপান্তরিত হয়ে তন্তুর মতো লম্বা পেশিকোষে রূপান্তরিত হয়। 
• পেশিকোষের আবরণীকে সারকোলেমা এবং সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
• সারকোপ্লাজমের মধ্যে পরস্পর সমান্তরালভাবে অবস্থিত অসংখ্য মায়োফাইব্রিল নামক সূক্ষ্ম তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিলগুলো অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
• পেশি কলার কোষগুলোর সংকোচন প্রসারণ ক্ষমতা খুব বেশী। এদের ৭৫% পানি এবং অবশিষ্টাংশ বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ। 

বিভিন্ন প্রকার পেশির গঠন: 
- অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ পেশি, 
২। অনৈচ্ছিক বা অরৈখিক বা মসৃণ পেশি এবং 
৩। হৃদপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯৫.
সলিনয়েড কী?
  1. ক) লোহার দন্ড
  2. খ) পিতলের গুড়া
  3. গ) তারের কুণ্ডলী
  4. ঘ) বিদ্যুৎ পরিবাহী তার
সঠিক উত্তর:
গ) তারের কুণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারের কুণ্ডলী
ব্যাখ্যা
একটি লম্বা অন্তরীত পরিবাহী তারকে স্প্রিং-এর মতাে বহুপাকে ঘন সন্নিবিষ্ট করে সাজিয়ে বা কয়েল তৈরি করে তা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে একটি দন্ড চুম্বকের ন্যায় চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। এরকম কুন্ডলীকে সলিনয়েড বলে।
৪,০৯৬.
পৃথিবীর সঙ্গে একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তাকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়? 
  1. পীড়ন
  2. স্থিতিস্থাপকতা
  3. অভিকর্ষ বল
  4. তাড়িতচৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

• অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৯৭.
ধানের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. Oryza sativa
  2. Nymphaea nouchali
  3. Nipa fruticans
  4. Bufo melanostictus
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
ব্যাখ্যা
• দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী এবং প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature)- এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens.
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis.
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris.
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica.
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis.
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus.
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha.
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa.
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali.

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৪,০৯৮.
অ্যামিবা (Amoeba proteus) কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত? 
  1. স্তরবিহীন
  2. একস্তরী
  3. দ্বিস্তরী
  4. ত্রিস্তরী
সঠিক উত্তর:
স্তরবিহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্তরবিহীন
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
ক) একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)। 

খ) দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)। 

গ) ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens)। 

ঘ) স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯৯.
একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে জিনগত পার্থক্যের ফলে যে বৈচিত্র্য দেখা যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রাণিক বৈচিত্র্য
  2. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  3. বংশগতীয় বৈচিত্র্য
  4. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
বংশগতীয় বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বংশগতীয় বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
জীববৈচিত্র্য (Biodiversity): 
- পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর প্রাচুর্য এবং ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য (Biodiversity)। 

জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ: 
- জীববৈচিত্র্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity), বংশগতীয় বৈচিত্র্য (Genetical diversity) এবং বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)। 

১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য: 
- প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে সাধারণত পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বুঝায়। 
- পৃথকযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কারণেই এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতি ভিন্নতর হয়। 
যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা বৃদ্ধির ধরন ভিন্ন হয়ে থাকে। 
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নতাই প্রজাতিগত বৈচিত্র্য। 

২। বংশগতীয় বৈচিত্র্য: 
- একই প্রজাতিভুক্ত সদস্যগণের মধ্যেও অনেক বিষয়ে পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- একই প্রজাতি কিন্তু তাদের গড়ন, আকার, রোগ-প্রতিরোধ এবং পরিবেশ প্রতিকূলতা সহ্য করার ক্ষমতা ভিন্ন। এই পার্থক্যগুলো তৈরি হয় তাদের জিন সংগঠনের সামান্য বৈচিত্র্যের কারণে। কারণ জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয়। 
- প্রত্যেক বৈশিষ্ট্যের জন্য নির্দিষ্ট জিন থাকে। বিভিন্ন কারণে এই জিনের গঠন এবং বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হয় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে, তাকেই বলা হয় বংশগতীয় বৈচিত্র্য। 

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য: 
- একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান, রাসায়নিক উপাদান এবং জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোনো প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে। এসব পরিবর্তন অবশ্যই ধীর এবং ধারাবাহিক। এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়। ফলে যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়, তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। 
- একটি ছোট পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যেসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর। 
- বন, তৃণভূমি, হ্রদ, নদী, জলাভূমি, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ এক একটি জীব সম্প্রদায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১০০.
সবল নিউক্লিয় বল সাধারণত কোথায় কাজ করে? 
  1. বিভিন্ন অণুর মধ্যে
  2. ইলেকট্রন ও নিউট্রনের মধ্যে
  3. নিউট্রন ও প্রোটনের মাঝে
  4. পরমাণুর বাইরের ইলেকট্রনে
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটনের মাঝে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন ও প্রোটনের মাঝে
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force)। 

সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।