বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৪ / ১৪০ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ১৪,০৮০

৩,৩০১.
কত ডিগ্রী সেলসিয়ায় তাপমাত্রাকে কক্ষ তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়? 
  1. 0°C
  2. 25°C
  3. 100°C
  4. 272°C
সঠিক উত্তর:
25°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25°C
ব্যাখ্যা
কক্ষ তাপমাত্রা: 
- সাধারণ অবস্থা বলতে 25°C (298K) তাপমাত্রা ও এক বায়ুমণ্ডল (1 atm) চাপকে বোঝায়। 
- 25°C তাপমাত্রাকে কক্ষ তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়। 
- আমরা জানি যে, কক্ষ তাপমাত্রায় পানি তরল, অথচ লবণ কঠিন, নাইট্রোজেন গ্যাসীয়। 
- যে সব পদার্থের গলনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার উপরে তা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ হিসেবে থাকে। 
- যে সব পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার নিচে তা কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে। 
- যে সব পদার্থের গলনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার নিচে ও স্ফুটনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার উপরে সে সব পদার্থ কক্ষ তাপমাত্রায় তরল হিসেবে থাকে। 
- NaCl লবণের গলনাঙ্ক (815°C) কক্ষ তাপমাত্রার উপরে। সুতরাং তা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন। 
- নাইট্রোজেনের স্ফুটনাঙ্ক (– 196°C) কক্ষ তাপমাত্রার নিচে। সুতরাং তা কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাস। 
- অন্যদিকে পানির স্ফুটনাঙ্ক (100°C) কক্ষ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি এবং গলনাঙ্ক (0°C) কক্ষ তাপমাত্রা অপেক্ষা কম হওয়ায় পানি কক্ষ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৩,৩০২.
মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপের ক্ষেত্রে কোন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়?
  1. মিটার স্কেল
  2. ফুট স্কেল
  3. সেন্টিমিটার স্কেল
  4. ভার্নিয়ার স্কেল
সঠিক উত্তর:
ভার্নিয়ার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্নিয়ার স্কেল
ব্যাখ্যা
• ভার্নিয়ার স্কেল:
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- মিলিমিটারের ভগ্নাংশ যেমন, 0.2 মিমি, 0.5 মিমি বা 0.9 মিমি ইত্যাদি মাপার জন্য আমাদের ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করতে হয়।
- ফরাসী গণিত শাস্ত্রবিদ পিয়েরে ভার্নিয়ার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন।
- এজন্য তাঁর নামানুসারে এ স্কেলের নামকরণ করা হয় ভার্নিয়ার স্কেল ।
- মিটার স্কেলের সাথে ভার্নিয়ার স্কেল সংযুক্ত করে মিলিমিটারের ভগ্নাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- ভার্নিয়ার স্কেল আকারে মূল স্কেল অপেক্ষা ছোট হয়।
- এই স্কেলটি মূল স্কেল বা প্রধান স্কেলের পাশে সংযুক্ত থাকে, ভার্নিয়ার স্কেলকে প্রধান স্কেলের পাশ দিয়ে সামনে বা পেছনে সরানো যায়।
- প্রধান স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্য এবং ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier constant) V.C বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩০৩.
পরাগরেণু বিশ্লেষণ বিদ্যাকে বলা হয়-
  1. ক) অস্টিওলজি
  2. খ) সাইটোলজি
  3. গ) এমব্রায়োলজি
  4. ঘ) প্যালিনলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যালিনলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যালিনলজি
ব্যাখ্যা
পরাগরেণু বিশ্লেষণ বিদ্যাকে বলা হয় প্যালিনলজি।
৩,৩০৪.
HIV ভাইরাস মূলত কোন কোষ ধ্বংস করে? 
  1. প্লেটলেট
  2. নিউরন
  3. লোহিত রক্ত কণিকা
  4. T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
ব্যাখ্যা

এইডস: 
- AIDS হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 
অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে। 
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। 
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়। 
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 

AIDS এর বিস্তার: 
- বিভিন্ন উপায়ে এইডসের ভাইরাস একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
যেমন-
• নারী পুরুষের অস্বাভাবিক ও অসামাজিক যৌন আচরণ,
• সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার,
• সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ,
• সংক্রমিত মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী শিশু,
• সেলুনে একই ব্লেড বা ক্ষুর বিভিন্ন জনে ব্যবহার করা,
• দন্ত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা গ্রহণকারী ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩০৫.
তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত আলফা কণা একটি-
  1. ঋণাত্মক কণা
  2. হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  3. হাউড্রোজেন নিউক্লিয়াস
  4. তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- আলফা রশ্মি দুইটি প্রোটন ও দুইটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। যা মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 
- এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
- এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আয়নিত করার ক্ষমতা অনেক বেশি। 
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩০৬.
প্লেগরোগের ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
  1. ক) Plagie vincenna
  2. খ) Yarsenia indinna
  3. গ) Yersenia pestis
  4. ঘ) Plagia tropica
সঠিক উত্তর:
গ) Yersenia pestis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Yersenia pestis
ব্যাখ্যা

- প্লেগ একটি জীবনঘাতী রোগ যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট।
- এই ব্যাকটেরিয়াটি ফ্রান্স-সুইস ব্যাকটেরিওলজিস্ট আলেকজেন্ডার ইরসিন কর্তৃক আবিস্কৃত।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,৩০৭.
গ্রিনহাউজ কি?
  1. কাঁচের তৈরি ঘর
  2. সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
  3. সবুজ ভবনের নাম
  4. সবুজ গাছপালা
সঠিক উত্তর:
কাঁচের তৈরি ঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচের তৈরি ঘর
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউস অত্যধিক ঠান্ডা বা তাপের বিরুদ্ধে কোমল বা ঋতু-বহির্ভূত উদ্ভিদের সুরক্ষার জন্য ডিজাইন করা ভবন। 
- গ্রিনহাউসটি একটি ন্যূনতম কাঠের বা ধাতব কঙ্কাল সহ কাঁচের তৈরি একটি ছাদযুক্ত এবং প্রাচীরযুক্ত কাঠামোতে বিকশিত হয়। 
- আধুনিক গ্রিনহাউস সাধারণত একটি গ্লাস বা প্লাস্টিক-ঘেরা ফ্রেমযুক্ত কাঠামো যা ফল, শাকসবজি, ফুল এবং অন্য যেকোনো উদ্ভিদের উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং যার জন্য তাপমাত্রার বিশেষ প্রয়োজন হয়। 


উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৩০৮.
কোন এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজ ইথানলে পরিণত হয়?
  1. মন্টেজ
  2. জাইমেজ
  3. ইনভাটেজ
  4. ডায়াসটেজ
সঠিক উত্তর:
জাইমেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাইমেজ
ব্যাখ্যা

• গ্লুকোজ থেকে ইথানল রূপান্তর:
- গ্লুকোজ থেকে ইথানল তৈরির প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন (Fermentation) বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত ইস্ট (Yeast) এর উপস্থিতিতে ঘটে।
- ফারমেন্টেশনের সময় গ্লুকোজ ভেঙে ইথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
- এই জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট এনজাইমের প্রয়োজন হয়।

• জাইমেজ (Zymase):
- জাইমেজ হলো এক ধরনের এনজাইম কমপ্লেক্স যা ইস্ট কোষে পাওয়া যায়।
- এটি গ্লুকোজকে ধাপে ধাপে ভেঙে ইথানলে রূপান্তর করে।
- অ্যালকোহলিক ফারমেন্টেশনের জন্য জাইমেজ অপরিহার্য।
- জাইমেজের উপস্থিতিতেই গ্লুকোজ থেকে ইথানল উৎপাদন সম্ভব হয়।

• ইনভাটেজ (Invertase):
- ইনভাটেজ এনজাইম সুক্রোজকে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে ভেঙে দেয়।
- এটি সরাসরি গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে না।
- তাই ইথানল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি প্রধান এনজাইম নয়।

• ডায়াসটেজ (Diastase):
- ডায়াসটেজ স্টার্চকে মালটোজ বা গ্লুকোজে রূপান্তর করে।
- এটি হজম ও অঙ্কুরোদ্গম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
- তবে এটি গ্লুকোজকে ইথানলে পরিণত করে না।

• মন্টেজ (Montase):
- মন্টেজ নামে কোনো পরিচিত এনজাইম নেই যা গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে।
- এটি এই প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।

সুতরাং, গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তরের জন্য দায়ী এনজাইম হলো জাইমেজ।
সঠিক উত্তর: খ) জাইমেজ।

সূত্র - sciencedirect journal.

৩,৩০৯.
কোন প্রাণী পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে?
  1. ক) হাঙ্গর
  2. খ) ইঁদুর
  3. গ) তিমি
  4. ঘ) কুকুর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
ব্যাখ্যা

মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। যেমন বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য, তিমি পরম্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৩১০.
বিএমআই এর মান কত হলে ওজন বেশি বিবেচনা করা হয়?
  1. ক) 15.00-18.40
  2. খ) 18.50-24.90
  3. গ) 25.00-29.90
  4. ঘ) 30.00-35.00
সঠিক উত্তর:
গ) 25.00-29.90
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 25.00-29.90
ব্যাখ্যা
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক বিএমআই হওয়া উচিত ১৮.৫০ থেকে ২৪.৯০ এর মধ্যে। ১৮.৫ এর কম হলে ওজন কম এবং ২৫-২৯.৯ হলে ওজন বেশি ধরা হয়। বিএমআই এর মান ৩০ এর বেশি হলে স্থুলাকায় বলা হবে সেই ব্যক্তিকে।
উৎসঃ বিজ্ঞা্‌ন নবম-দশম শ্রেণী
৩,৩১১.
হ্যালির ধূমকেতু আবার কত সালে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) ২০৬০
  2. খ) ২০৬১
  3. গ) ২০৬২
  4. ঘ) ২০৬৩
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
ব্যাখ্যা

- ধূমকেতু হলো ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৫ বছর পর পর দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ২০৬১ সালে আবার দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: Spcae.com এবং somoynews.tv

৩,৩১২.
চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
  1. ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
  2. খ) আলোর বিচ্ছুরণে
  3. গ) অপাবর্তনে
  4. ঘ) মরীচিকা
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
ব্যাখ্যা
- চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে।
- দিগন্তের কাছে তা অধিক পরিমাণে বেঁকে যায় বলেই চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায়।
৩,৩১৩.
জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণির বেঁচে থাকার জন্য সুবিধাজনক pH এর মান কত?
  1. ক) ৩ - ১০
  2. খ) ৩ - ৭
  3. গ) ৬ - ৮
  4. ঘ) ৮ - ৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ - ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ - ৮
ব্যাখ্যা
পানির pH: pH দ্বারা পানির অম্লত্ব বা ক্ষারকত্ব বোঝায়। 
পানি অ্যাসিড ধর্মী বা ক্ষার ধর্মী তা নির্ভর করে পানির pH এর উপর ।
যদি pH এর মান ৭ হয় তবে পানি নিরপেক্ষ হয়।
যদি pH এর মান ৭ অপেক্ষা বেশি হয় তবে পানি ক্ষারধর্মী হয়।
আবার pH এর মান ৭ অপেক্ষা কম হলে পানি অ্যাসিডধর্মী হয়।
প্রাকৃতিক পরিবেশের পানির pH এর মান অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণত খাল-বিল, নদ-নদী, পুকুর ইত্যাদিতে পানি ক্ষার ধর্মী হয়ে থাকে।
যদি pH এর মান ৬-৮ এর মধ্যে হয় তবে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণির জন্য কোনো অসুবিধা হয় না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৪.
ইস্পাতে কী কী উপাদান থাকে?
  1. লোহা ও কার্বন
  2. লোহা ও জিংক
  3. লোহা ও ক্রোমিয়াম
  4. লোহা ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
লোহা ও কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা ও কার্বন
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর: ক) লোহা ও কার্বন।

- ইস্পাত (Steel) হলো একটি মিশ্রধাতু, যার প্রধান উপাদান:
- লোহা (Iron),
- কার্বন (Carbon)।

- কার্বন যোগ করার ফলে লোহার মজবুতি, দৃঢ়তা ও নমনীয়তা বেড়ে যায়।

⚪ অপশন আলোচনা:
লোহা ও জিংক → এটি গ্যালভানাইজড লোহা তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ইস্পাত নয়।

লোহা ও ক্রোমিয়াম → এতে তৈরি হয় স্টেইনলেস স্টিল, কিন্তু সাধারণ ইস্পাত নয়।

লোহা ও নিকেল → ব্যবহৃত হয় বিশেষ ধরণের সংকর ধাতুতে, কিন্তু এগুলোও সাধারণ ইস্পাত নয়।

তাই, ইস্পাত তৈরি হয় লোহা ও কার্বনের সংমিশ্রণে।

⚪ সংকর ধাতু:

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৫.
রেকটিফাইড স্পিরিট হলো-
  1. ৯৫% মিথানল + ৪% পানি
  2. ৯০% গ্লিসারলের দ্রবণ
  3. ইথানলের ৫০% জলীয় দ্রবণ
  4. ৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
সঠিক উত্তর:
৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
ব্যাখ্যা

• রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি।

• অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়।
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে।
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩১৬.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক? 
  1. 0° C
  2. 4° K
  3. 4° C
  4. 100° C
সঠিক উত্তর:
4° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° C
ব্যাখ্যা

ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব 4° C তাপমাত্রায় সবচেয়ে বেশি হয়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবলমাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩১৭.
নিচের কোনটি দুর্লভ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
মৌলগুলাে হলাে:
হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)এবং ওগানেসন (og)।
এই মৌলগুলাের সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়ােজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোনাে যৌগ গঠন করতে চায় না।
রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।

--------------------------
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
- আবার বায়ুতে এদের পরিমাণ খুবই কম (<1%); এ কারণে এদেরকে বিরল বা দুর্লভ গ্যাসও বলা হয়।
- এই গ্যাসগুলো খুব একটা ক্ষতিকরও নয়; তাই এদেরকে ‍উত্তম গ্যাসও বলা হয়।
- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে।
- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩১৮.
ডোপামিন উৎপাদনকারী মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট হলে কোন রোগের সৃষ্টি হয়?
  1. কোয়াশিওরকর
  2. এপিলেপ্‌সি
  3. পারকিন্‌সন
  4. পক্ষাঘাত
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
ব্যাখ্যা

• ডোপামিন উৎপাদনকারী মস্তিষ্কের কোষ যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে এটি পারকিনসনের রোগের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডোপামিন একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা মস্তিষ্কের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে সংকেত পাঠায়। যখন এই কোষগুলি ধ্বংস হয়, তখন মস্তিষ্ক সঠিকভাবে নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে শারীরিক নড়াচড়ায় ধীরতা, হাত কাঁপা, শরীরের জোরালো অচলতা এবং চলাফেরায় অসুবিধা দেখা দেয়। পারকিনসন রোগ সাধারণত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং প্রাথমিকভাবে হাত বা পায়ে ছোট কাঁপানি বা স্থিরতার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়। সময়ে সময়ে রোগটি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৈনন্দিন কাজকর্মও কঠিন হয়ে যায়। সঠিক চিকিৎসা এবং থেরাপির মাধ্যমে লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) পারকিনসন।

• পারকিন্‌সন রোগ:
- এ রোগ মস্তিষ্কে এমন এক অবস্থা যাতে হাতে ও পায়ের কাঁপুনী হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাটি করতে অপারগ হয়।
- এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়।
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।
- এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• পক্ষাঘাত:
- শরীরের কোনো অংশের মাংস পেশির কার্য ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে পক্ষাঘাত বলে।
- সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।
- আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, যাতে শরীরের এক পাশের কোনো অঙ্গ বা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
যেমন- দু'হাত ও পায়ের পক্ষাঘাত।

• এপিলেপ্‌সি:
- এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়।
- আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়। অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
- কোনো কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে মারা যায়।
- এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে ৫ থেকে ২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।

• কোয়াশিওরকর:
- প্রোটিন বা আমিষের অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
- কোয়াশিওরকর (Kwashiorkor) শিশুদের প্রোটিন ঘাটতিজনিত এক রোগ। বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করার পরে সাধারণত এ রোগ দেখা দেয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩১৯.
হরমোন ডোপামিন এর কাজ কি?
  1. মস্তিষ্কের ভারসাম্য ঠিক রাখা
  2. ফুস্ফুসের রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে।
মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক যুবতীদেরও হতে পারে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৩২০.
নিচের কোনটিকে আত্নঘাতী থলিকা বলা হয়?
  1. ক) রাইবোজোম
  2. খ) লাইসোজোম
  3. গ) কোষগহবর
  4. ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
খ) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা

লাইসােজোম (Lysosome)
লাইসােজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে বক্ষা করে। এর উতসেচক আগত জীবাণুগুলােকে হজম করে ফেলে। এর পরিপাক করার উৎসেচকগুলাে একটি পর্দা দিয়ে আলাদা করা থাকে তাই অন্যান্য অঙ্গাণু এর সংস্পর্শে এলেও হজম হয় না।
দেহে আক্সজেনের অভাব হলে বা বিভিন্ন কারণে লাইসােজোমের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তখন এর আশেপাশের অঙ্গগুলাে নষ্ট হয়ে যায়। কখনাে কোষটিই মারা যায়।

৩,৩২১.
নদী ভরাট বা দখল পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে?
  1. নদীর গভীরতা বাড়ে।
  2. মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  3. বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  4. পানির প্রবাহ দ্রুত হয়।
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
ব্যাখ্যা
• নদী ভরাট বা দখল করার ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। যার ফলে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 

এতে যা ঘটে থাকে —
-  নদীর ধারণক্ষমতা কমে যায়।
-  বর্ষার সময় অতিরিক্ত পানি নদীতে জায়গা না পেয়ে প্লাবিত হয়।
ফলে বন্যার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।

এছাড়াও,
• নদী ভরাট বা দখলের কারণে— 
- জলজ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
-  মৎস্য সম্পদ হ্রাস পায়।
- জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়।

তথ্যসূত্র: 
-  সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান ও পরিবেশ ; জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। 
-  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB): নদী ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ বিষয়ে প্রতিবেদন।
৩,৩২২.
বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH কত? 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্তশীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 

• গলনাংক: 
- শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

• স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

• অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: 
- বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 
অর্থাৎ, বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না। 
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে। 
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭, তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে। 

• দ্রাবক: 
- পানি একটি ভাল দ্রাবক। 
- এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে। 
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। 

• ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার। 
অর্থাৎ, ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩২৩.
কম্পিউটার মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হওয়ার কারণ কোনটি?
  1. ক) চৌম্বক আবেশ
  2. খ) চল তড়িৎ
  3. গ) আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি
  4. ঘ) স্থির তড়িৎ
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির তড়িৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির তড়িৎ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হওয়ার কারণ স্থির তড়িৎ। 

টেলিভিশন ও কম্পিউটার মনিটরের ভিতরে ইলেকট্রন গান ব্যবহার করা হয়।
ইলেকট্রন গান থেকে নির্গত ইলেকট্রন মনিটরের পর্দার ভিতর দিকে লাগানো ফসফর পদার্থের উপর এসে আঘাত করলে ফসফর দৃশ্যমান আলো তৈরি করে ।
এই ইলেকট্রনের কারণে পর্দা কিছুটা ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং এর প্রভাবে পর্দার সামনে কাচের বিপরীত পৃষ্ঠ (যে পৃষ্ঠে আমরা ছবি দেখি) সে পৃষ্ঠও ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।
এই আধানের আকর্ষণে বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা আকৃষ্ট হয় এবং কাচের গায়ে লেগে যায়। সেজন্য টেলিভিশন ও মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়।

উৎস : পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩২৪.
ডিএনএ কাটার জন্য এনজাইম কোনটি?
  1. পলিমারেজ
  2. লেকটেজ
  3. নিউক্লিয়েজ
  4. রেস্ট্রিকশন
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ: 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো - 
(ক) প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ, 
(খ) বাহক নির্বাচন, 
(গ) প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন, 
(ঘ) ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং 
(ঙ) পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন। 

প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন: 
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়। 
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। 
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়। 
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে। 
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। 
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৫.
শ্বেত বামন কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. ব্লাকহোল
  4. গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডোয়ার্ফ তারকা: 
- শ্বেত বামন হলো এক ধরনের ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা, যা মাঝারি ও নিম্ন ভরের তারকাদের জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে গঠিত হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রথম আবিষ্কৃত তারকাগুলোর সাদা রঙের কারণে এদের হোয়াইট ডোয়ার্ফ বলা হয়।
- কম উজ্জ্বলতা সম্পন্ন হয়।
- ভর প্রায় সূর্যের সমান, কিন্তু ব্যাস পৃথিবীর সমান।
- অত্যন্ত ঘন এবং সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়।
- গড় ঘনত্ব পানি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ গুণ বেশি।
- এই তারকারা মহাকাশে নিভে যাওয়া সূর্যের মতো ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে এবং একসময় সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় কালো ডোয়ার্ফে পরিণত হয়।

উৎস: Britannica.
৩,৩২৬.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল—
  1. ক) অপরিবর্তিত থাকে
  2. খ) কমে যায়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) প্রথমে কমে, পরে বাড়ে
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ বল:

- পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল কমে যায়
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষন তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল
- পৃথিবীর কেন্দ্রে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি শূন্য মানের হয়
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারনে পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্র আবিষ্কার করেন নিউটন

তথ্যসূত্র - Britannica.com এবং নাসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৩২৭.
দুর্বলতম মৌলিক বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) সবল নিউক্লিয় বল
  4. ঘ) দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
মৌলিক বল হলো চারটি- মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বল, সবল নিউক্লিয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল।
ভরের কারণে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে। মহাকর্ষ একটি সার্বজনীন বল৷ চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ হলো দুর্বলতম বল।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;

৩,৩২৮.
ফোটন কণা -
  1. ক) ভর সম্পন্ন
  2. খ) গতিশীল
  3. গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
  4. ঘ) প্রতিটি ফোটন কণা শব্দের বেগে চলে
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

আলাে যে ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট রুপে নির্গত হয় তাকে ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন, তড়িৎ নিরপেক্ষ স্থিতিশীল/সুস্থিত। ফোটন এর দুইটি সম্ভাব্য সমবর্তন দশা রয়েছে।
ফোটন এর কোনো চার্জ না থাকার কারনে তড়িৎ বা চুম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।

৩,৩২৯.
নিচের কোনটি বৃক্কের বাইরের আবরণ হিসেবে থাকে?
  1. প্লুরা
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. পেরিটোনিয়াম
  4. মেনিনজিস
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিটোনিয়াম
ব্যাখ্যা

বৃক্কের গঠন:
- বৃক্ক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- মানুষের উদরগহ্বরের পশ্চাৎ মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি বৃক্ক থাকে।
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতিটি বৃক্ক প্রায় ১১-১২ সে.মি. লম্বা, ৫-৬ সে.মি. প্রস্থ এবং ৩ সে.মি. পুরু হয়।
- সজীব অবস্থায় বৃক্কের রং খয়েরি লাল।
- আকৃতিতে অনেকটা শীম বীজের মত। এর বাইরের দিক উত্তল এবং ভেতরের দিক অবতল।
- অবতল অংশের ভাঁজকে হাইলাম (hilum) বলে। এর ভেতর দিয়ে ইউরেটার ও রেনাল শিরা বের হয় এবং রেনাল ধমনী ও স্নায়ু বৃক্কে প্রবেশ করে।
- সমগ্র বৃক্ক স্বচ্ছ, পাতলা পেরিটোনিয়াম ঝিল্লী দ্বারা আবৃত থাকে

অন্যদিকে,
- প্লুরা: ফুসফুস আবৃতকারী ঝিল্লী।
- পেরিকার্ডিয়াম: হৃৎপিণ্ড আবৃতকারী ঝিল্লী।
- মেনিনজিস: মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জুকে আবৃত করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩০.
Adult Cell ক্লোন করে ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্ম নেয়া প্রথম ঘোড়ার নাম-
  1. ক) ডলি
  2. খ) সিসি
  3. গ) টেট্রা
  4. ঘ) প্রমিথিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রমিথিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রমিথিয়া
ব্যাখ্যা
The foal, called Prometea, was created in the lab by fusing an adult skin cell and an empty egg from a female horse, then returning the resulting embryo to the female's womb after a few days. She is perfectly healthy and genetically identical to her mother, says team leader Cesare Galli of the Laboratory of Reproductive Technologies in Cremona, Italy. সূত্রঃ nature.com
৩,৩৩১.
গর্ভবতী মায়ের রক্ত স্বল্পতাকালীন সময় কোন ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়? 
  1. জিঙ্ক
  2. ভিটামিন
  3. আয়োডিন
  4. আয়রন ও ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়রন ও ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন ও ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩২.
শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয় কী দিয়ে?
  1. ডেসিবল
  2. অ্যাম্পিয়ার
  3. ক্যালরি
  4. জুল
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা

• প্রকৃতপক্ষে শব্দের তীক্ষ্ণতা (pitch) হার্জ (Hz)–এ মাপা হয়। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র শব্দ-সম্পর্কিত একক হলো ডেসিবল (dB), যা শব্দের তীব্রতা বা জোর (loudness) মাপতে ব্যবহৃত হয়।

• অপশন আলোচনা -
ক) ডেসিবল - শব্দের তীব্রতা বা জোর পরিমাপের একক।
খ) অ্যাম্পিয়ার - বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাত্রা পরিমাপের একক।
গ) ক্যালরি - খাদ্যের শক্তিমান বা শক্তি পরিমাপের একক।
ঘ) জুল - যান্ত্রিক শক্তি বা কাজ পরিমাপের একক।

শব্দের তীক্ষ্ণতা: 
- যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে কোন সুর চড়া বা সরু এবং কোন সুর মোটা বা খাদের তা বুঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে। 
- শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্কের ওপর নির্ভর করে। 
- কপাঙ্ক যত বেশি হবে শব্দের তীক্ষ্ণতা তত বৃদ্ধি পাবে। 
- ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা বেশি ও বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা কম। 
- পুরুষ অপেক্ষা মহিলা ও শিশুদের কন্ঠস্বরের কম্পাঙ্ক বেশি বলে তাদের স্বরও চড়া হয়। 
- মনে রাখতে হবে তীক্ষ্ণতা কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক হলেও দুটি এক জিনিস নয়। 
- কম্পাঙ্ক হলো যান্ত্রিক আন্দোলন যা নিখুঁতভাবে মাপা যায় আর তীক্ষ্ণতা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি। 
- কম্পাঙ্ক কারণ, আর তীক্ষ্ণতা তার ফল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩৩.
যেসব নিউক্লিয়াসের ভরসংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান তাদের কী বলে?
  1. আইসোমার
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোটোন
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

অন্যদিকে,
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৩৪.
একটি পরমাণুর দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ৩২
  2. ১৮
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

⚪ ইলেকট্রন বিন্যাস:
- পরমাণুর কক্ষপথগুলোতে 2n² (যেখানে n = 1, 2, 3. ..কক্ষপথের ক্রমিক নম্বর) সূত্রানুযায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যক ইলেকট্রন বিন্যাস্ত থাকতে পারে।
- সে সূত্রানুযায়ী, ১টি লিথিয়াম পরমাণুতে ৩টি ইলেকট্রন আছে। এদের মধ্যে ২টি ইলেকট্রন প্রথম কক্ষপথে থাকে আর তৃতীয়টি দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে।
- একইভাবে কার্বন পরমাণুতে ৬টি ইলেকট্রন থাকায় এদের ২টি ইলেকট্রন প্রথম কক্ষপথে এবং বাকি ৪টি ইলেকট্রন দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে।
- এভাবে প্রথম কক্ষপথে সর্বোচ্চ ২টি, দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ৮টি এবং তৃতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ১৮টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

⚪ সঠিক উত্তর: ক) ৮

একটি পরমাণুর নির্দিষ্ট কক্ষপথে (শেল বা shell) সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে, তা নির্ধারণ করা হয় এই সূত্র দিয়ে:

সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = 2n2

যেখানে,

n = কক্ষপথের ক্রমসংখ্যা (shell number)

দ্বিতীয় কক্ষপথে (L-shell):

n = 2

2n2 = 2 × 22 = 2 × 4 = 8

তাই, দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ৮টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

অন্যান্য শেল উদাহরণ:

প্রথম কক্ষপথ (K-shell): 2 × 12 = 2

তৃতীয় কক্ষপথ (M-shell): 2 × 32 = 18

চতুর্থ কক্ষপথ (N-shell): 2 × 42 = 32

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৩৩৫.
ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমানো হলে বিদ্যুৎ খরচ -
  1. ক) কম হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) একই হয়
  4. ঘ) হয় না বললেই চলে
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলত ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তন করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
৩,৩৩৬.
বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ব্যবহৃত প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. স্পুটনিক-২
  2. ইনটেলসেট-১
  3. ল্যান্ডসেট-১
  4. এক্সপ্লোরার-১
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
ব্যাখ্যা

- ইনটেলসেট-১, যা 'আর্লি বার্ড (Early Bird)' নামেও পরিচিত, ১৯৬৫ সালের ৬ এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ।

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 

- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 

- বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয়। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এপর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৩,৩৩৭.
বার্ড ফ্লু রোগটি প্রথম কোন দেশে শনাক্ত করা হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) চায়না
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চায়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চায়না
ব্যাখ্যা
বার্ড ফ্লু রোগটির অস্তিত্ব প্রথম চায়নায় পাওয়া যায়।  

- বার্ড ফ্লু একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগ এটি।
- এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে।
- ভাইরাসটি সাধারণত পাখির শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পাখিরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজেই চলে যায় বলে রোগটিও দ্রুত ছড়ায়।
- বার্ড ফ্লু বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণসমূহ-
১. এ ভাইরাস সংক্রমণের পর রোগীর দেহে প্রাথমিকভাবে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
২. জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, কাশি, মাথা ব্যথা, মাংসপেশী ব্যথা, বমি, পেট খারাপ- এ ধরনের উপসর্গ থাকে।
৩. অনেক সময় ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে মারাত্মক নিউমোনিয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রচণ্ড কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং এআরডিএস অর্থাৎ অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেসের ঝুঁকি থাকে।
৪. এনসেফেলাইটিস, হৃদপিণ্ডের সংক্রমণ, মায়োসাইটিস হয়। 

সূত্র: Centers for Disease Control & Prevention [লিঙ্ক]
৩,৩৩৮.
কোনটির অভাবে উদ্ভিদের পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়?
  1. পটাশিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
• পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত লক্ষণ:
• নাইট্রোজেন (N):
- ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- পাতা হ্লুদ বা পীত বর্ণ হয়ে যায়। পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (chlorosis) বলে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।

• ফসফরাস (P): 
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়। 

• পটাশিয়াম (K):
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

• ক্যালসিয়াম (Ca): 
- ক্যালসিয়ামের অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল শীর্ষ অঞ্চল, বিশেষ করে পাতার কিনারা বরাবর অঞ্চলগুলো মরে যায়। 
- পাতা কুঁকড়ে যায়, ফুল ফোটার সময় উদ্ভিদের কাণ্ড শুকিয়ে যায় এবং উদ্ভিদ হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে।

• ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায়।
- সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

• লৌহ (Fe): 
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

• সালফার (S):
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লালএবং বেগুনি দাগ দেখা যায়।
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়।
- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- কাণ্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

• বোরন (B):
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায়।
- পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৩,৩৩৯.
পাতার সাহায্যে বংশবৃদ্ধি করে নিচে কোন উদ্ভিদ?
  1. ক) ফনিমনসা
  2. খ) গোলাপ
  3. গ) পাথরকুচি
  4. ঘ) গোল আলু
সঠিক উত্তর:
গ) পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাথরকুচি
ব্যাখ্যা
কিছু উদ্ভিদের কান্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে। এসব কান্ডের অংশ থেকে নতুন গাছ জন্মে। যেমন- ফনিমনসা।
- পাতার সাহায্যে কিছু কিছু উদ্ভিদের পাতা মাটিতে ফেললে পাতার কিনার থেকে অস্থানিক মুকুল বের হয়ে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- পাথর কুচি।
- শাখা কলম প্রক্রিয়ায় গাছের একটি শাখা কেটে নিয়ে রসালো মাটিতে রোপন করা হয়। শাখাটি স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে নতুন গাছে পরিণত হয়। যেমন- গোলাপ, পাতাবাহার, আঁখ ইত্যাদি।
- কন্দের চোখ বা মুকুল থেকে নতুন গাছ জন্মে। যেমন- গোল আলু।

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৪০.
বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন-
  1. ক) ২২ জুলাই
  2. খ) ২০ জুন
  3. গ) ২২ জুন
  4. ঘ) ২১ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম দিন:

- পৃথিবীর দীর্ঘতম দিন ২১ জুন
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতন দিন ২৩ ডিসেম্বর
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ,নবম - দশম শ্রেণি।
৩,৩৪১.
মল্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইম কোনটি?
  1. মলটেস
  2. ডায়াস্টেস
  3. জাইমেস
  4. ইনভারটেস
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন (Manufacture of alcohol): 

মিথানল: 
- মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। 
- প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। 
- এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit)। 

ইথানল: 
- সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। 
- প্রাপ্ত কাঁচামালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। 
- ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 

ফারমেন্টেশন: 
- জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। 
যেমন - শ্বেতসার হতে ইথানল উৎপাদন। 

ঈস্ট (Yeast): 
- ঈস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। 
- পঁচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ঈস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। 
- ঈস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। 

মল্ট(Mould): 
- বার্লির দানাকে পানিতে 15°C তাপমাত্রায় অন্ধকারে খোলা অবস্থায় রেখে দিলে বার্লির দানা অংকুরিত হয় এবং অংকুরিত শুষ্ক বার্লির দানাকে গুঁড়া করে নিলে মল্ট গুড়া পাওয়া যায়। 
- মল্ট থেকে ডায়াস্টেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। 

এনজাইম: 
- এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। 
- ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। 
যেমন - ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। 
- এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪২.
মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ত্বকে কোন ধরনের আবরণী টিস্যু বিদ্যমান?
  1. ক) সাধারণ আবরণী টিস্যু
  2. খ) স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু
  3. গ) সিউডো-স্ট্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু
  4. ঘ) গ্রন্থি আবরণী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু
ব্যাখ্যা
মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ত্বকে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বিদ্যমান। 

স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু- ভিত্তিপর্দার উপর কোষগুলো একাধিক স্তরে সজ্জিত। এই ধরনের আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যে পাল্টে যায়। কখনো কখনো তিনটি-চারটি আবার কখনো সাত-আটটি, তাই একে Transitional Epithelial Tissue বলা হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৩৪৩.
হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৯৯.৯৮
  2. খ) ৯৯.৯৯
  3. গ) ১
  4. ঘ) ১.০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.০০৮
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের তিন ধরনের আইসোটোপের শতকরা পর্যাপ্ততার পরিমাণকে গড় করলে এর ভর পাওয়া যায় ১.০০৮।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৩৪৪.
পেপসিন কোন ধরনের খাদ্য পদার্থ ভেঙে পরিপাক করে? 
  1. আমিষ 
  2. শর্করা 
  3. স্নেহ 
  4. মিনারেল 
সঠিক উত্তর:
আমিষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ 
ব্যাখ্যা

পেপসিন (Pepsin): 
- পেপসিন এক ধরনের এনজাইম, যা আমিষকে ভেঙে দুই বা ততোধিক অ্যামাইনো এসিড দিয়ে তৈরি যৌগ গঠন করে, যা পলিপেপটাইড নামে পরিচিত।
• আমিষ → পলিপেপটাইড
- শর্করা এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য সাধারণত পাকস্থলীতে পরিপাক হয় না, কারণ এদের পরিপাকের জন্য গ্যাস্ট্রিক রসে নির্দিষ্ট কোনো এনজাইম থাকে না। 
- পাকস্থলীতে খাদ্যদ্রব্য পৌঁছানো মাত্র উপরোক্ত রসগুলো নিঃসৃত হয়। 
- পাকস্থলীর অনবরত সংকোচন ও প্রসারণ এবং এনজাইমের ক্রিয়ার ফলে খাদ্য মিশ্র মণ্ডে পরিণত হয়, একে পাকমণ্ড বা কাইম (chyme) বলে। 
- এই মণ্ড অনেকটা স্যুপের মতো এবং কপাটিকা ভেদ করে ক্ষুদ্রান্দ্রে প্রবেশ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৪৫.
'Big Bang Theory'র ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন-
  1. বার্নার
  2. স্টিফেন হকিং
  3. ডারউইন
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা

৩,৩৪৬.
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা-
  1. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  2. তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৭.
শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে কী ঘটে?
  1. লিউকেমিয়া
  2. অ্যানিমিয়া
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. পারপুরা
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
লিউকেমিয়া
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা:


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ-মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান।
৩,৩৪৮.
নিচের কোনটি সেকেন্ডারী দূষক? 
  1. CO
  2. O3
  3. CO2
  4. SO2
সঠিক উত্তর:
O3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O3
ব্যাখ্যা
দূষক (Pollutant): 
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে। 
- কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে (40 ppm) বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- দূষক দুই প্রকার। 
যথা - 
১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক ও 
২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক। 

প্রাইমারী দূষক: 
- যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। 
যেমন- SO2, CO, CO2, NOx হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি। 

সেকেন্ডারী দূষক: 
- এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। 
- পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। 
যেমন- পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], SO3, NO2, O3, H2SO4 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৯.
যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক '৭০ থেকে ৭৯' এর মধ্যে তাদের বলা হয় -
  1. প্রতিভাশালী
  2. সীমান্তবর্তী
  3. সাধারণ
  4. মানসিক প্রতিবন্ধী
সঠিক উত্তর:
সীমান্তবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমান্তবর্তী
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
- ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
- কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

• তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো - 
- বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০। 

⇒ যাদের বুদ্ধ্যঙ্ক '৭০ থেকে ৭৯' এর মধ্যে তাদের বলা হয় - সীমান্তবর্তী। 



উৎস: শিক্ষা মনোবিজ্ঞান- ২, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫০.
'টু এভরি অ্যাকশন দেয়ার ইজ অ্যান ইকুয়্যাল অ্যান্ড অপজিট রিয়েকশন'-এ সূত্রটি কার?
  1. আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. ফ্যারাডে
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
নিউটনের গতি সংক্রান্ত সূত্র: 
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 
- নিউটনের গতি বিষয়ক সূত্র তিনটি: 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 

৩। তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে (To every action there is an equal and opposite reaction)। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৫১.
"Radiative activation" কোন ধরনের প্রক্রিয়া দ্বারা চিহ্নিত হয়?
  1. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
  2. প্রত্যাবর্তনযোগ্য এবং তাপ-মুক্তকারী
  3. পরিবর্তনীয় এবং রূদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. রূদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া এবং তাপ-মুক্তকারী
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
ব্যাখ্যা
• "Radioactive decay" - এর ক্ষেত্রে সাধারণত শক্তি মুক্তি ঘটে বা নির্গত হয়, শক্তি শোষণ নয়।
• আর "Radiative activation" - অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি শোষণকারী।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু ক্ষেত্রে, একটি পদার্থ উচ্চ-শক্তির রেডিয়েশন (যেমন গামা রশ্মি বা নিউট্রন) শোষণ করতে পারে এবং একটিভেটেড বা উত্তেজিত অবস্থায় চলে যেতে পারে।
- এটি "Radioactive decay" - এর চেয়ে আলাদা প্রক্রিয়া, এবং এতে শক্তি শোষণ হওয়া সম্ভব।

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়- 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫২.
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে (CFC+O302+…..)। এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে। উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির রসায়ন
৩,৩৫৩.
Resistive এবং Inductive লোডে পাওয়ার সরবরাহকারী একটি অল্টারনেটরের ভোল্টেজ রেগুলেশন হলো-
  1. Always negative
  2. Always positive
  3. Either positive or negative
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Either positive or negative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either positive or negative
ব্যাখ্যা
- Resistiveএবং Inductive লোডে শক্তি সরবরাহকারী অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ ধনাত্মক বা নেতিবাচক উভয়ই হতে পারে। 
- বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে যেমন লোডের ধরন এবং মাত্রা, অল্টারনেটরের বৈশিষ্ট্য এবং সিস্টেমের কনফিগারেশন।

- সাধারণভাবে, প্রতিরোধক লোডগুলি একটি অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকে স্থিতিশীল করে, যা সম্ভাব্যভাবে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ ভোল্টেজ আউটপুটের দিকে পরিচালিত করে।
- অন্যদিকে, ইন্ডাকটিভ লোড, তাদের প্রতিক্রিয়াশীল প্রকৃতির কারণে, ভোল্টেজ ড্রপ এবং ওঠানামা হতে পারে, সম্ভাব্যভাবে অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
৩,৩৫৪.
শক্তির এককে এক কিলোওয়াট ঘন্টা সমান কত জুল?
  1. ক) ৩.৬ জুল
  2. খ) ৩.৬ মেগা জুল
  3. গ) ৩৬০০ মেগা জুল
  4. ঘ) ৩৬০০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬ মেগা জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬ মেগা জুল
ব্যাখ্যা

এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।
রেফারেন্সঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,৩৫৫.
মানব দেহের রক্তে রক্তকণিকা ও রক্তরসের অনুপাত -
  1. ক) ৯ : ১১
  2. খ) ৫ : ৪
  3. গ) ৪ : ৩
  4. ঘ) ৯ : ৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ : ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ : ১১
ব্যাখ্যা
- মানব দেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং 
- নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 
 
 উৎস: প্রাণী বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৫৬.
ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা কোন সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. E = mc2
  2. F = ma
  3. V = IR
  4. P = VI
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের এই সূত্র অনুযায়ী ভর ও শক্তি পরস্পর রূপান্তরযোগ্য; অর্থাৎ ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা E = mc2 সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।

• প্রাকৃতিক নিয়ম ব্যবহার করে প্রযুক্তির বিকাশ:
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্ব থেকে E = mc2 সূত্র প্রদান করেন, যার মাধ্যমে ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা ব্যাখ্যা করা হয়।
- ১৯৩৮ সালে অটোহান ও স্ট্রেসম্যান পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস বিভাজিত হলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- নিউক্লিয়ার বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি বিকশিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ার বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Nuclear Power Plant) স্থাপন করা হয়।
- আধুনিক সভ্যতায় শক্তি উৎপাদনে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা হলো কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid State Physics), যেখানে অর্ধপরিবাহী পদার্থ নিয়ে গবেষণা করা হয়।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের বিশেষ ধর্ম কাজে লাগিয়ে ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করা হয়।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- প্রাকৃতিক নিয়ম ও সূত্রের ব্যবহার প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

• Other Options:
F = ma → এটি নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্রের সাথে সম্পর্কিত।
V = IR → এটি ওহমের সূত্র; তড়িৎ বর্তনী সংক্রান্ত।
P = VI → এটি তড়িৎ ক্ষমতার সূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,৩৫৭.
কেপলারের কোন সূত্র গ্রহের কক্ষপথের আকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেয়?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) ৪র্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
• কেপলারের প্রথম সূত্র -
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে


কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র -
প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

কেপলারের তৃতীয় সূত্র -
সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক,এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10 -11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 । আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৮.
‘এভিকালচার’ কি?
  1. ক) মৎস্য চাষ
  2. খ) পাখি পালন বিদ্যা
  3. গ) মৌমাছি চাষ
  4. ঘ) রেশম চাষ
সঠিক উত্তর:
খ) পাখি পালন বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাখি পালন বিদ্যা
ব্যাখ্যা
‘Avis’-এর অর্থ পাখি এবং ‘Culuture’-এর অর্থ পরিচর্যা। সুতরাং এভিকালচার হচ্ছে পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যা

এরুপ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হচ্ছে-
এপিকালচার - মৌমাছি পালন বিদ্যা,
পিসিকালচার - মৎস্য চাষ বিদ্যা,
সেরিকালচার - রেশম চাষ বিদ্যা,
হর্টিকালচার – উদ্যান পালন বিদ্যা,
সাইটোলজি – কোষ সংক্রান্ত বিদ্যা ইত্যাদি।

উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৫৯.
কোন পদ্ধতিতে এইডস রোগ ছড়ায় না?
  1. অনিরাপদ রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে
  2. অনিরাপদ যৌনসংসর্গের মাধ্যমে
  3. শিরাপথে মাদক গ্রহণের মাধ্যমে
  4. দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাসের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
HIV বহনকারী কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে HIV প্রবেশ করালেই কেবল এইডস ছড়াতে পারে। HIV বহনকারী ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য স্বাভাবিক কোনো ব্যক্তির শরীরে HIV প্রবেশের কয়েকটি মাধ্যম রয়েছে-
১। HIV বহণকারী ব্যক্তির সঙ্গে অরক্ষিত অবস্থায় অনিরাপদ যৌনসংসর্গের মাধ্যমে।
২। HIV বহনকারী ব্যক্তির শরীরের রক্ত অন্য কোনো শরীরে প্রবেশ করালে।
৩। HIV বহনকারী ব্যক্তির ইনজেকশনের সিরিঞ্জ যা এইচআইভি বহণ করছে তা ব্যবহার করলে।
৪। HIV বহনকারী মা যখন সন্তান সম্ভবা হন অথবা সন্তান জন্মদানের সময়ে অথবা সন্তানকে দুধ পান করানোর মাধ্যমে শিশুর শরীরে HIV অনুপ্রবেশ করতে পারে।
৫। HIV বহনকারী কোনো ব্যক্তির ব্যবহৃত কোনো জিনিসপত্রে যদি সংক্রামক রক্ত লেগে থাকে এবং তা ব্যবহারের ফলে যদি শরীরের উন্মুক্ত বা কাটাছেড়া ত্বকের সংস্পর্শে আসে।
সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
৩,৩৬০.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ- 
  1. তাপের প্রভাব
  2. অণুর বিন্যাস
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রায়ায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন: বই, খাতা, কলম, চেয়ার টেবিল, বাতাস, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সবই পদার্থ। 
- এদের ভর ও আয়তন আছে। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন অর্থাৎ তাপের প্রভাব পদার্থের এই তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬১.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ওডোমিটার
  2. ক্রনমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রেসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
ক্রেসকোগ্রাফ: 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম 'ক্রেসকোগ্রাফ'। 
- এটি আবিষ্কারক হলেন জগদীশচন্দ্র বসু। 
- তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে। 

অন্যদিকে, 
- উড়োজাহাজের গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৩৬২.
মানুষের চোয়ালে কয় ধরনের স্থায়ী দাঁত থাকে?
  1. ১৬
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• মানুষের চোয়ালে ৪ ধরনের স্থায়ী দাঁত থাকে। 

• দাঁত:
- মানবদেহে সবচেয়ে শক্ত অংশ দাঁত।

• প্রাপ্ত বয়সে মুখগহ্বরে উপরে ও নিচের চোয়ালে সাধারণত ১৬ টি করে মোট ৩২ টি দাঁত থাকে।
• মানবদেহে দাঁত দুইবার গজায়। প্রথমবার শিশুকালে দুধদাঁত, দুধদাঁত পড়ে গিয়ে ১৮ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার স্থায়ী দাঁত গজায়।

মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। সেগুলো হলো:
(i) কর্তন দাঁত (Incisor): এই দাঁত দিয়ে খাবার কেটে টুকরা করা হয়।
(ii) ছেদন দাঁত (Canine): এই দাঁত দিয়ে খাবার ছেঁড়া হয়।
(iii) অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar): এই দাঁত দিয়ে চর্বণ, পেষণ উভয় কাজ করা হয়।
(iv) পেষণ দাঁত (Molar): এই দাঁত খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণে ব্যবহৃত হয়।

• মানুষের দন্তসংকেত হলো:  ICPM/ ICPM = (৮ × ২) / (৮ × ২) = ১৬ + ১৬ = ৩২

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩৬৩.
কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়?
  1. জেমস ওয়েব
  2. পাথ ফাইন্ডার
  3. স্পিটজার
  4. জন কেপলার
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়। 

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ: 
- মহাকাশে পাঠানো এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি)। 
- মহাজাগতিক রহস্য অনুসন্ধানের পাশাপাশি মহাবিশ্বের প্রান্তে কী আছে, তা নিয়েও আশ্চর্যজনক ছবি প্রকাশ করছে টেলিস্কোপটি। 
- ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশে পাঠানোর পর থেকে টানা তিন বছর টেলিস্কোপটির মাধ্যমে দূরবর্তী বিভিন্ন গ্রহের বায়ুমণ্ডলের তথ্য বিশ্লেষণসহ মহাজাগতিক রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 
- তিন বছর আগে এই দিনে দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপকে বিখ্যাত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে
- প্রায় ৩০ বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে টেলিস্কোপটি, খরচ হয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার। 
- বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হলেও মাত্র তিন বছরের মধ্যেই টেলিস্কোপটি মহাজাগতিক তথ্য সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। 

- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এমন গ্যালাক্সির খোঁজ পেয়েছে যেটি পৃথিবী থেকে ১৩.৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- ২০২৩ সালে টেলিস্কোপটি প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট বা বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ আবিষ্কার করে।
- এলএইচএস ৪৭৫বি নামের গ্রহটি পৃথিবীর মতোই দেখতে।
- জেমস ওয়েব বেশ কয়েকটি ব্ল্যাকহোলও আবিষ্কার করেছে। আর তাই টেলিস্কোপটির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও অনেক চমকের খোঁজ পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।

৩,৩৬৪.
একজন ব্যক্তির ওজন ৬০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৬ মিটার। তার BMI কত?
  1. ২১.৩
  2. ২২.৭
  3. ২৩.৫
  4. ২৪.২
সঠিক উত্তর:
২৩.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫
ব্যাখ্যা
BMI:
- BMI এর পূর্ণরূপ হলো Body Mass Index.
- BMI মূলত একটি পরিমাপ যাতে একজন মানুষের ওজন ও উচ্চতার সমন্বয়ে মানুষটির শরীরের চর্বির পরিমাণের উপরে একটা ধারণা করা।
- অধিক বিএমআই হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় একটা মানুষের শরীরে চর্বির পরিমাণ বেশি আর Body Mass Index কম হলে দেখা যায় প্রয়োজনীয় পরিমাণে চর্বিও ওই মানুষের মাঝে নেই। 

BMI= ওজন (কিলোগ্রাম) / উচ্চত্ব (মিটার)²
= ৬০ কেজি / (১.৬)²
=  ২৩.৪৩৭৫
৩,৩৬৫.
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) তাল
  4. ঘ) আম 
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম 
ব্যাখ্যা
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৩,৩৬৬.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. অটোহ্যান
  3. রোজেনবার্গ
  4. ওপেন হেইমার
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
ব্যাখ্যা
পারমানবিক বোমা: 
- পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন। 
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। 
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। 
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। 

উৎস: Britannica.com
৩,৩৬৭.
এক্সরের সাহায্যে কোন রোগ সনাক্ত করা হয়? 
  1. চর্মরোগ
  2. ক্যান্সার
  3. মুত্রথলির পাথর
  4. সকল উল্লিখিত
সঠিক উত্তর:
সকল উল্লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল উল্লিখিত
ব্যাখ্যা
এক্সরের ব্যবহার (Uses of X-ray): 
- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১. শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়। 
- কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। 
- কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় যুগান্তকারী উন্নতি সাধনের জন্য এক্সরের অবদান অকল্পনীয়। 
- এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে। 
- বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

৩. বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে: 
- কেলাসের গঠণ সংক্রান্ত পরীক্ষায়, অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় এক্সরের ব্যবহার করা হয়। 

৪. গোয়েন্দা বিভাগে: 
- চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৮.
কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ নয়?
  1. ক) নারিকেল
  2. খ) আম
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আম
ব্যাখ্যা
যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
যেমন: আম, জাম, কাঁঠাল।
যেসব উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, নারিকেল, খেজুর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩,৩৬৯.
'প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে'- সূত্রটি কে প্রদান করেন?
  1. আর্কিমিডিস
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা

নিউটনের গতি সূত্র:
- ১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত। 
- নিউটনের সূত্র তিনটি। যথা:

• প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

• দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

• তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৭০.
কোন শ্বেত রক্তকণিকায় হেপারিন থাকে?
  1. লিম্ফোসাইট
  2. নিউট্রিফিল
  3. বেসোফিল
  4. ইউসিনোফিল
সঠিক উত্তর:
বেসোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসোফিল
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): 
- শ্বেত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম leucocytes. 
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতি ঘন মি. লি. রক্তে প্রায় ৬০০০টি বিভিন্ন ধরনের শ্বেত কণিকা থাকে। 
- শ্বেতকণিকা আকারে লোহিত কণিকা অপেক্ষা বড়। 
- এদের নিউক্লিয়াস আছে। 
- রক্তে লোহিত ও শ্বেত কণিকার অনুপাত সাধারণত ৫০০:১। 
- শ্বেত কণিকা লোহিত অস্থিমজ্জা, প্লীহা ও লসিকা গ্রন্থি ইত্যাদি হতে উৎপন্ন হয়। 
- সাইটোপ্লাজমের গঠনের ভিত্তিতে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দু ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১। দানাদার শ্বেত কণিকা (Granulocyte): 
- নিউক্লিয়াসের বৈশিষ্ট্য, গঠন ও রঞ্জকধারণ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দানাদার শ্বেত কণিকাসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
ক) নিউট্রোফিল (Neutrophil): 
- কোষের দানাগুলো সূক্ষ্ম ও বেগুনি রঙের। কোষসমূহ আকারে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র। 
- পরিণত কোষে নিউক্লিয়াস ২-৭ টি ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। 

খ) ইওসিনোফিল (Eosinophil): 
- কোষগুলো গোলাকার, সাধারণত নিউক্লিয়াস ২ খণ্ডে বিভক্ত, সাইটোপ্লাজমে অপেক্ষাকৃত বড় দানা থাকে। 

গ) বেসোফিল (Basophil): 
- কোষগুলো গোলাকার, সাইটোপ্লাজমের দানাগুলো ক্ষারধর্মী রঞ্জক দ্বারা রঞ্জিত হয় এবং স্থূল ধরনের। 
- বেসোফিল হেপারিন উপাদান ধারণ করে। 

২। অদানাদার শ্বেতকণিকা (Agranulocyte): 
- আকার ও আকৃতির ওপর ভিত্তি করে অদানাদার শ্বেত কণিকাকে আবার ২ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
ক) মনোসাইট: 
- এদের সাইটোপ্লাজম দানাবিহীন। 
- কোষগুলো মোটামুটি গোলাকার। 
- আকৃতিতে সর্ববৃহৎ। 

খ) লিম্ফোসাইট: 
- লিম্ফোসাইটের সাইটোপ্লাজমে কোনো দানা থাকে না। 
- লিম্ফোসাইট আবার দুই প্রকার। 
• বড় লিম্ফোসাইট এবং 
• ছোট লিম্ফোসাইট। 

শ্বেত কণিকার কাজ: 
- শ্বেত কণিকা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। 
যথা: 
১। ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis) প্রক্রিয়ায় এরা ক্ষণপদের সাহায্যে রোগ-জীবাণুকে ভক্ষণ করে ধ্বংস করে। 
২। লিম্ফোসাইট তৈরি করে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে, এজন্য এদেরকে দেহের আণুবীক্ষণিক সৈনিক বলে। 
৩। বেসোফিল নিঃসৃত হেপারিন রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তপ্রবাহ অব্যাহত রাখে। 
৪। এন্টিবডি তৈরি করে জীবাণু ধ্বংস করে। 
৫। হিস্টামিনের মাধ্যমে এলার্জিক বিক্রিয়া হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৩,৩৭১.
নিচের কোনটি উভচর প্রাণী?
  1. সিলাকান্থ
  2. কড়িকাইট্টা
  3. কুকা
  4. আসমতিব্যাঙ
সঠিক উত্তর:
আসমতিব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসমতিব্যাঙ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- সিলাকান্থ, অস্ট্রেলিয়ান কিংবা আফ্রিকান লাংফিশ এসবই Sarcopterygii শ্রেণিভুক্ত প্রাণী।
- কড়িকাইট্টা, টিকটিকি, ঘড়িয়াল, সাপ ইত্যাদি হলো সরীসৃপ প্রাণী।
- তিতির, দোয়েল, কুকা ইত্যাদি হলো Aves শ্রেণিভুক্ত তথা পাখি।
- স্যালামান্ডার, সোনাব্যাঙ, আসমতিব্যাঙ, গেছোব্যাঙ ইত্যাদি হলো Amphibian অর্থাৎ উভচর।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৩৭২.
মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত কত?
  1. ১ : ২
  2. ১ : ৩
  3. ১ : ৪
  4. ১ : ৫
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন। 

• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH₄
এখানে- 
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি

সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৩.
নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শক্তিস্তর কোনটি?
  1. K-শেল 
  2. L-শেল
  3. N-শেল
  4. M-শেল
সঠিক উত্তর:
K-শেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K-শেল 
ব্যাখ্যা

বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম: 
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 
n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
- নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
- নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 

- প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন ( যেখানে, n = 1, 2, 3 ......) থাকতে পারে। 
• ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (1)2} = 2 টি, 
• ২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (2)2} = 8 টি, 
• ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (3)2} = 18 টি এবং 
• ৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (4)2} = 32 টি । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৪.
কিসের সাহায্যে সমুদের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিধ্বনি
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) প্রতিসরাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 

- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকেই শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।
শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
হাইড্রোফোন নামে এক রকমের যন্ত্রের সাহায্যে মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।

প্রতিধ্বনির ব্যবহারসমূহ- 
১. হিমশৈল জাহাজের অস্তিত্ব নির্ণয়ে
২. বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয়ে
৩. পাতলা পাতের পুরুত্ব নির্ণয়ে
৪. ক্ষতিকারক অণুজীব ধ্বংস করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়
৫. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করবার ক্ষেত্রে। 

সূত্র: National Ocean Service
৩,৩৭৫.
মানবদেহে কোন ধরনের শর্করা সরাসরি শোষিত হয়?
  1. সরল শর্করা
  2. দ্বি-শর্করা
  3. বহু শর্করা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সরল শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল শর্করা
ব্যাখ্যা

শর্করা বা শ্বেতসার: 
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়। 
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন। 

উৎস: 
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে।
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র। গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- নিম্নের সারণিতে তিন ধরনের শর্করার গঠন ও উৎস দেখানো হলো- 

- সাধারণতঃ চাল, গম, আলু থেকে শর্করা বা শ্বেতসার বেশি পাওয়া যায়। 
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না বলে চাল, আটা, আলু ইত্যাদি রান্না করে খাওয়া হয়। খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 
- দ্বি-শর্করা ও বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়, কারণ মানবদেহে শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৬.
প্রোপেনের রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী কার্বনের সংখ্যা কত?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা

• প্রোপেন একটি হাইড্রোকার্বন যা অ্যালকেন পরিবারে অন্তর্ভুক্ত। এর রাসায়নিক সূত্র হলো C3H6, যা নির্দেশ করে এতে ৩টি কার্বন পরমাণু এবং ৬টি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। প্রোপেনের কাঠামোতে তিনটি কার্বন পরমাণুর মধ্যে দুটি কার্বন একত্রে সাধারণ একক বন্ধনে এবং একটি কার্বন দ্বিগুণ বন্ধনে যুক্ত থাকে। এই দ্বিগুণ বন্ধনটি প্রোপেনকে আলাদা করে সাধারণ অ্যালকেন থেকে এবং এটি রাসায়নিকভাবে সক্রিয় করে তোলে। সুতরাং, প্রোপেনের রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী কার্বনের সংখ্যা হলো ৩, যা অপশন গ-তে দেওয়া হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: গ) ৩ টি। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• প্রোপেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। প্রোপেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C3H8
অর্থাৎ এটি হলো ৩ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। যাতে ৩ টি কার্বনের সাথে ৮ টি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৭.
নিচের কোনটি এসিডের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এসিড টক স্বাদযুক্ত।
  2. এসিড ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
  3. এসিড নীল বর্ণের লিটমাস লাল করে।
  4. এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
ব্যাখ্যা
এসিড:
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
- যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
-এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
১. এসিড টক-স্বাদযুক্ত। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

অন্যদিকে, 
- ক্ষারক লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে। 

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৭৮.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো- 
  1. ১২.৪ মিটার 
  2. ১৬.৬ মিটার 
  3. ১৫.৫ মিটার
  4. ১৮.৫ মিটার 
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
ব্যাখ্যা
• শব্দের প্রতিধ্বনি:
- কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যখন দূরবর্তী কোনো মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- এককথায়, প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় প্রতিধ্বনি।
- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব ন্যূনতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
- শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৭৯.
পানির ঘনত্ব থেকে পারদের ঘনত্ব কতগুণ বেশি?
  1. ক) ১১.৬
  2. খ) ১২.৬
  3. গ) ১৩.৬
  4. ঘ) ১৪.৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬
ব্যাখ্যা

কোন বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। ঘনত্ব পদার্থের একটি সাধারণ ধর্ম । ঘনত্ব বস্তুর উপাদানের ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।

পানির ঘনত্ব থেকে পারদের ঘনত্ব  ১৩.৬ গুণ বেশি।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 

৩,৩৮০.
ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয় মূলত কোন খনিজের অভাবে?
  1. লৌহ
  2. বোরন
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা

বোরন (B): 
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়। 
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে। 
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- বোরন নামক খনিজের অভাবে ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

সালফার (S): 
- সালফার উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই শুধু নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- কাণ্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

লৌহ (Fe): 
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৮১.
ছত্রাক কী উপায়ে বংশবৃদ্ধিসম্পন্ন করে?
  1. অযৌন উপায়
  2. যৌন উপায়ে
  3. ক ও খ দুইটিই সঠিক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই সঠিক
ব্যাখ্যা
ছত্রাক:
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত।
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়।
- আর্দ্রতা, উষ্ণতা, খাদ্যসমৃদ্ধ ছাঁয়াযুক্ত বা অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশেই ছত্রাকের উপযুক্ত বাসস্থান।
- ছত্রাক সাধারণত অযৌন এবং যৌন উভয় উপায়ে বংশবৃদ্ধিসম্পন্ন করে। 
- কিছু কিছু ছত্রাক প্রজাতির সমস্ত দেহটিই জনন কাজে অংশ নেয়।
- এ ধরনের ছত্রাকের দৈহিক ও জননাঙ্গের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না। এরূপ ছত্রাককে হলোকাপিক ছত্রাক বলা হয়।
- অধিকাংশ ছত্রাকের দেহের অংশবিশেষ থেকে জননযন্ত্রের সৃষ্টি হয় কিন্তু অন্য অংশ স্বাভাবিক থাকে। এরূপ ছত্রাককে বলা হয় ইউকারপিক ছত্রাক।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮২.
কোনটি উভমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়?
  1. রেডিও
  2. ইমেইল
  3. মোবাইল
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা
রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 

অন্যদিকে, 
- অপরপক্ষে যদিও মোবাইল বা টেলিফোনে রেডিও যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, তারপরও মোবাইল বা টেলিফোন উভয়মুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা। 
- ইমেইল এর মাধ্যমে প্রেরক ও গ্রহণকারী উভয়ে বার্তা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৩৮৩.
ঐচ্ছিক পেশির অভ্যন্তরে কোন দুটি প্রোটিন মায়োফাইব্রিল গঠন করে? 
  1. গ্লুকোজ ও ইনসুলিন
  2. হিমোগ্লোবিন ও ফাইব্রিন
  3. কোলাজেন ও ক্যারাটিন
  4. অ্যাকটিন ও মায়োসিন
সঠিক উত্তর:
অ্যাকটিন ও মায়োসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকটিন ও মায়োসিন
ব্যাখ্যা
ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ বা রৈখিক পেশি: 
- যেসব পেশি স্নায়ুবিক অথবা হরমোন উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত হয়ে কর্মতৎপর হয় অর্থাৎ যেসব পেশি স্বেচ্ছায় সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহ সঞ্চালনের মুখ্য ভূমিকা পালন করে তাদের ঐচ্ছিক পেশি বলে। 
- এসব পেশি কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে বলে এদেরকে কঙ্কাল পেশি বলে। 
- এসকল পেশির কোষগুলো তন্তুর মতো, তাই এদেরকে পেশিতন্ত্র বলে। 
- প্রতিটি পেশিকোষ এন্ডোমাইসিয়াম নামক যোজক কলার আবরণে আবৃত। 
- কোষগুলো বিক্ষিপ্ত না থেকে গুচ্ছাকারে বান্ডল সৃষ্টি করে। এ গুচ্ছাকার বান্ডলকে ফ্যাসিকুলাস বলে। এ বান্ডলগুলো পেরিমাইসিয়াম আবরণে আবৃত থাকে। 
- পেশিকোষগুলো নলাকার লম্বা, দৈর্ঘ্যে ১-৪০ মিলিমিটার, প্রস্থে ০.০১-০.১০ মিলিমিটার হয়। 

- কোষগুলো সারকোলেমা নামক আবরণে আবৃত থাকে। এদের সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
- কোষের অভ্যন্তরে অসংখ্য ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস থাকে। 
- প্রতিটি পেশিকোষের অভ্যন্তরে কতকগুলো অতিসূক্ষ্ম তন্তু বা মায়োফাইব্রিল পাওয়া যায়। 
- প্রধানতঃ অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে মায়োফাইব্রিল গঠিত। 
- বিভিন্ন অস্থির সাথে, চোখে, জিহ্বায়, গলবিল ইত্যাদিতে ঐচ্ছিক পেশি থাকে। 
- ঐচ্ছিক পেশির সংকোচন প্রসারণে প্রাণীরা স্থানান্তরিত হয় এবং ইচ্ছানুসারে অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৪.
বায়ুপরাগী ফুলের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) শিমুল
  2. খ) কদম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) সরিষা
সঠিক উত্তর:
গ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধান
ব্যাখ্যা



সূত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী।

৩,৩৮৫.
উদ্ভিদে খাদ্য পরিবহন করে -
  1. মেসোফিল
  2. সিভ প্লেট
  3. জাইলেম
  4. ফ্লোয়েম
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে খাদ্য তৈরি ও পরিবহন: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে।
- এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। 
- খাদ্য তৈরির পর ফ্লোয়েমের কোষসমূহ বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু।
-  এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৬.
মানব দেহের দীর্ঘতম কোষ কোনটি?
  1. নেফ্রন
  2. নিউরন
  3. শুক্রাণু
  4. লোহিত রক্তকণিকা
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা
• নিউরন:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, আর অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত হয়েছে মস্তিষ্ক।
- প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে, বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তন্ত্রকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরন যা প্রায় 1.37 মিটার লম্বা।
- প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত- কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ।
- প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের: (i) ডেনড্রন (ii)অ্যাক্সন।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৩,৩৮৭.
বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার- 
  1. সমানুপাতিক
  2. বর্গমূলের সমানুপাতিক
  3. ব্যস্তানুপাতিক
  4. বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা

• শব্দের বেগের পার্থক্য: 
- বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∞ √T 
এখানে তাপমাত্রা কিন্তু সেলসিয়াস তাপমাত্রা নয়। কেলভিন স্কেলে তাপমাত্রা। 
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। 
- তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। 
- তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়। 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- এটি মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। 
- তরলে শব্দের বেগ বাতাস থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তরল থেকেও বেশি। 
- প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় ০.৬ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৮৮.
কোন বস্তু যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তার পরিমাণকে কী বলে?
  1. ক) ভর
  2. খ) ওজন
  3. গ) ঘনত্ব
  4. ঘ) মোলারিটি
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
ব্যাখ্যা

ভর: প্রত্যেক বস্তু পদার্থ দ্বারা গঠিত। ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ। বস্তুর ধর্ম এর অবস্থান, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তিত হয় না। যে পরমাণু ও অণু দিয়ে বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর বস্তুটির ভর নির্ভর করে।

ওজন: কোনো বস্তুকে বা কোনো বস্তুর ভরকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, তাকে বস্তুটির ওজন বলে।

ঘনত্ব: কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে ঘনত্ব বলে।

মোলারিটি: কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যা বা গ্রাম আণবিক ভর সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে। এক কথায় বলা যায় যে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রব্যের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮৯.
পদার্থের পরিমাণ পরিমাপের একক কোনটি? 
  1. ক্যান্ডেলা
  2. মোল
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোল
ব্যাখ্যা
মোল: 
- পদার্থের পরিমাণ পরিমাপের একক মোল। 
- যে পরিমান পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-12 এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ) থাকে, তাকে 1 মোল বলে। 

কিলোগ্রাম: 
- ভরের একক কিলোগ্রাম। 
- কিলোগ্রাম ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস এ সংরক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 কিলোগ্রাম (kg) বলে। 
- এই সিলিন্ডারটির উচ্চতা ও ব্যাস উভয়ই 3.9 cm. 

অ্যাম্পিয়ার: 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- শূন্য মাধ্যমে 1m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষনীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2×10-7 N নিউটন বল উৎপন্ন হয়, তাকে 1 ampere (অ্যাম্পিয়ার) বলে। 

ক্যান্ডেলা: 
- দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা। 
- ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540×1012 হার্জ কম্পাঙ্কের এক বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরোডিয়ান ঘনকোণে 1/863 ওয়াট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯০.
পরমাণু চুল্লীতে সচরাচর কোন্‌ জ্বালানী ব্যবহার করা হয়?
  1. ইউরেনিয়াম-২৩৫
  2. ইউরেনিয়াম-২৩৮
  3. থোরিয়াম-১৩২
  4. প্লুটোনিয়াম-২৪০
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম-২৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম-২৩৫
ব্যাখ্যা

- পারমাণবিক চুল্লিতে প্রধানত বিভাজনযোগ্য আইসোটোপ ব্যবহার করা হয় যা নিউট্রন আঘাত করলে ভেঙে গিয়ে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন করে। ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া একমাত্র আইসোটোপ যা এই শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) বজায় রাখতে সক্ষম। 

নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়াগুলোই মূলত নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া (Chain Reaction)। 
- যে বিক্রিয়া একবার শুরু হলে তাকে চালু রাখার জন্য অতিরিক্ত কোনো শক্তির প্রয়োজন হয় না তাকে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া বলে। 
- একটি আইসোটোপকে একটি নিউট্রন দিয়ে আঘাত করা হলে আইসোটোপটি ভেঙে একটি নিউক্লিয়াস, একটি নিউক্লিয়াস, 3টি নিউট্রন এবং প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এই 3টি নিউট্রনের গতি কমানো সম্ভব হলে সেগুলোর একটি অংশ আবার অন্য আইসোটোপকে আঘাত করে, এভাবে আরো নিউট্রন উৎপন্ন হয়।
- সেই নিউট্রনগুলোর গতিবেগ কমানো হলে তাদের একটি অংশ আবার অন্য কে আঘাত করে ফলে আবার নিউট্রন উৎপন্ন হয়। এভাবে চলমান বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যথেষ্ট জটিল এবং এই বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে পারমাণবিক চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৯১.
কোনটি প্রমাণ তাপমাত্রা হিসাবে গণ্য করা হয়? 
  1. 0°C
  2. 25°C
  3. 100°C
  4. 273°C
সঠিক উত্তর:
0°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0°C
ব্যাখ্যা
মোলার আয়তন: 
- যে কোনো উপাদানের এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা ভেদে মোলার আয়তন ভিন্ন ভিন্ন। 
- কঠিন ও তরল উপাদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মোলার আয়তন বিভিন্ন হয়। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে একই তাপমাত্রা ও চাপে সকল গ্যাসের এক মোলার আয়তন একই হয়। 
- প্রমাণ অবস্থায় এক মোল যে কোনো গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার। 
- 0°C তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা এবং 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপকে প্রমাণ চাপ বলে। 
- তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটালে গ্যাসের আয়তনের বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রার হ্রাস ঘটালে গ্যাসের আয়তনের হ্রাস ঘটে। 
- আবার গ্যাসের উপর আরোপিত চাপের বৃদ্ধি ঘটালে আয়তনের হ্রাস ঘটে। আরোপিত চাপের হ্রাস ঘটালে আয়তনের বৃদ্ধি ঘটে। 
- এক মোল অণু = গ্রাম আণবিক ভর = 6.023×1023 টি অণু। আর প্রতিটির সম্পর্ক হলো যে কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় 22.4 লিটার। 
অর্থাৎ, 
• এক মোল অণু হাইড্রোজেন = 2 গ্রাম হাইড্রোজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অণু অক্সিজেন = 32 গ্রাম অক্সিজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অ্যামোনিয়া = 17 গ্রাম অ্যামোনিয়া = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল কার্বন ডাই-অক্সাইড = 44 গ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯২.
অ্যান্টিবায়োটিক কেন ভাইরাসজনিত রোগ নিরাময়ে কার্যকর নয়?
  1. অ্যান্টিবায়োটিক যথেষ্ট শক্তিশালী নয়
  2. ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
  3. ভাইরাস আকারে খুব ছোট বলে
  4. ভাইরাস দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসের নিজস্ব কোষীয় গঠন নেই
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবায়োটিক মূলত ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর, প্রোটিন উৎপাদন বা বিপাক প্রক্রিয়া ধ্বংস করে। ভাইরাসের কোনো কোষপ্রাচীর বা নিজস্ব বিপাক প্রক্রিয়া নেই। বরং তারা জীবিত প্রাণীর কোষে প্রবেশ করে সেই কোষের উপাদান ব্যবহার করে নিজেদের সংখ্যা বাড়ায়। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কার্যকারিতা ভাইরাসে দেখা যায় না, কারণ টার্গেট করার মতো কোনো গঠন ভাইরাসের নেই।

ভাইরাস:
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে।
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে।
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে।
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে।
- ভাইরাস হলো অকোষীয়।
- ভাইরাস সাধারণত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- যেমন- প্রোটিন আবরণ এবং নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ কিংবা আরএনএ)।

উৎস:
১। World Health Organization (WHO) ওয়েবসাইট। 
২। উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৩৯৩.
নিচের কোনটি সাবানের ক্ষেত্রে মিথ্যা?
  1. খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
  2. সাবান উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে সাপনিফিকেশন বলে।
  3. সাবান তৈরির মূল উপাদান চর্বি।
  4. সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর:
খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাবান হলো দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- এটি খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে না।
- ডিটারজেন্টের চেয়ে পরিষ্কারকরণের ক্ষমতা কম।
- অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করলে ক্ষার হাতের ক্ষতি করে।
- সাবানের রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa.
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- চর্বি বা ট্যাল্লো, ক্ষার, অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি যেমন সোডিয়াম-বাই-কার্বনেট, সোডিয়াম সিলিকেট এবং বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধি ও রঞ্জক পদার্থ সাবান তৈরির মূল উপাদান।
- সাবান উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বা সাপনিফিকেশন (Saponification) বলে।

উৎস: 
১. রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি[২০১৯ সংস্করণ]
২. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৪.
বেকিং সোডা হচ্ছে মূলত-
  1. ক) পটাশিয়াম বাই-টারটারেট
  2. খ) সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট
  3. গ) সোডিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
ব্যাখ্যা
বেকিং সোডা (Baking Soda):
বেকিং সোডা (NaHCO3) বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- বেকিং সোডা ব্যবহার করে খাবার তৈরির বেলায় খাবারের উপাদান হিসেবে ভিনেগার বা লেবুর রস বা টক দই অথবা অন্য এমন কোন  উপাদান থাকে যা অম্লধর্মী।
- এক্ষেত্রে NaHCO3 খাবারের অম্ল উপাদানের (যেমন- ভিনেগার) সাথে বিক্রিয়া করে H2CO3 এসিড উৎপন্ন করে। H2CO3 সহজেই বিয়োজিত হয় এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে।

বেকিং পাউডার :
বেকিং পাউডার হচ্ছে NaHCO3 ও পটাশিয়াম বাই-টারটারেটের অথবা সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এর মিশ্রণ।
- উত্তপ্ত করলে বেকিং পাউডার থেকে CO2 গ্যাস নির্গত হয় যা কেক বা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৫.
আলোর প্রতিসরণের ফলে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. আয়নার সামনে দাঁড়ালে প্রতিবিম্ব দেখা যায়।
  2. জলাশয়ের পানিতে আকাশ বা গাছের প্রতিবিম্ব দেখা যায়। 
  3. প্রিজমের মাধ্যমে সাদা আলো রংধনু রঙে বিভক্ত হয়।
  4. পানির নিচে ডুবে থাকা পয়সা প্রকৃত অবস্থান থেকে উপরে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর:
পানির নিচে ডুবে থাকা পয়সা প্রকৃত অবস্থান থেকে উপরে দেখা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির নিচে ডুবে থাকা পয়সা প্রকৃত অবস্থান থেকে উপরে দেখা যায়।
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিসরণ:
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে।
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না।

• আলোর প্রতিসরণের ফলে:
- পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়।
- একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়।
- পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়।
- খাঁড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়।
- পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) আয়নার সামনে দাঁড়ালে প্রতিবিম্ব দেখা যায়। (প্রতিফলন) 
খ) জলাশয়ের পানিতে আকাশ বা গাছের প্রতিবিম্ব দেখা যায়। (প্রতিফলন) 
গ) প্রিজমের মাধ্যমে সাদা আলো রংধনু রঙে বিভক্ত হয়। (বিচ্ছুরণ) 

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৯৬.
যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়তা বেশি, তার অর্ধায়ু-
  1. বেশি হয়
  2. কম হয়
  3. অসীম হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম হয়
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু (Half Life): 
- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। 
- সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য 'অর্ধায়ু' (Half Life)-এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অর্ধায়ু। 
- কাজেই যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে 'অসীম' বলে বিবেচনা করতে পারি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। 
- ভিন্ন নিউক্লিয়াস চার্জহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৯৭.
বাংলাদেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীতে নিচের কোন রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. কলেরা
  3. জলবসন্ত
  4. হাম
সঠিক উত্তর:
হাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI) হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এ কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা।
- এটি জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলিতে শিশুদের সংক্রামক রোগগুলির বিরুদ্ধে টিকাদানের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিচালিত একটি চলমান কর্মসূচি।
- ৭ এপ্রিল ১৯৭৯ বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের বহুল পরিচালিত সংক্রামক রোগ- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, হাম, পোলিও এবং মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার বিষয়ে কাজ শুরুকরে।
- পরবর্তীকালে এর অধীনে ২০০৩ সাল থেকে হেপাটাইটিস রোগের টিকা, ২০০৯ সাল থেকে হিমোফাইলাস রোগের টিকা এবং ২০১৫ সাল থেকে নিউমোনিয়ার (ফুসফুস প্রদাহ) টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: জাতীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
৩,৩৯৮.
পর্যায় সারণিকে কতটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণি:

- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন।
- এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে।
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে।
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৯.
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কী বলে?
  1. ক) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  2. খ) তরঙ্গ বেগ
  3. গ) বিস্তার
  4. ঘ) কম্পাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
কম্পাঙ্ক: তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা বা কম্পনশীল বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতটি স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
কোনাে কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক, f = N/t
কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
কোনাে কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।

উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
৩,৪০০.
কোন পরমাণু মডেলটি সৌর মডেল নামে পরিচিত?
  1. অ্যাভোগেড্রোর পরমাণু মডেল
  2. বোর পরমাণু মডেল
  3. রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
  4. ডাল্টনের পরমাণু মডেল
সঠিক উত্তর:
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
ব্যাখ্যা
পরমাণু মডেল (Atom Model): 
- ১৮৯৭-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিজ্ঞানী পরমাণুর উপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রাপ্ত তথ্য থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে যে মতবাদ উপস্থাপন করেন, তা পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। 
যেমন- থমসন পরমাণু মডেল, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল, বোর পরমাণু মডেল ইত্যাদি। 

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল: 
- পরমাণুতে মৌলিক কণিকাগুলো কিভাবে সজ্জিত আছে সে সম্পর্কে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড একটি মডেল প্রস্তাব করেন যা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। 
- তিনি পরমাণুর গঠনকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন, তাই তাঁর প্রস্তাবিত মডেলকে পরমাণুর সৌর মডেলও বলা হয়। 
- তাঁর প্রস্তাবগুলো হলো- 
(১) পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট ভারী কেন্দ্র বিদ্যমান যা পরমাণুর প্রায় সব ভর বহন করে। এর নাম নিউক্লিয়াস। এর আয়তন সমগ্র পরমাণুর আয়তনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। 
(২) সকল পরমাণু আধান নিরপেক্ষ। অতএব, নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক আধানের সমান সংখ্যক ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারিদিকে আবর্তন করে। 
(৩) সৌরমন্ডলে গ্রহগুলো যেমন সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান তেমনি পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের চারিদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে সর্বদা ঘূর্ণায়মান। ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস এবং ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট ইলেকট্রনের মধ্যে পারস্পরিক কেন্দ্রমুখী স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল এবং ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্রবিমুখী বল পরস্পর সমান ও বিপরীতমুখী। 

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা: 
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল পরমাণুতে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসের চারিদিকে পরিভ্রমণরত ইলেকট্রনের অস্তিত্ব সম্পর্কে সঠিক নির্দেশনা প্রদান করলেও এর সীমাবদ্ধতার কারণে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
- এর সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিসমূহ নিম্নরূপ: 
১. সৌরমন্ডলের গ্রহগুলো তড়িৎ নিরপেক্ষ। কিন্তু পরমাণুর কক্ষপথে আবর্তনকারী ইলেকট্রনসমূহ ঋণাত্মক চার্জযুক্ত এবং এরা পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। 
২. ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বানুসারে চার্জযুক্ত ইলেকট্রন কণা বৃত্তাকার পথে ঘূর্ণায়মান থাকলে তা অবিচ্ছিন্নভাবে (Continuous) শক্তি বিকিরণ করার কথা। এভাবে শক্তি হারাতে থাকলে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণে ইলেকট্রনের কক্ষপথ সর্পিলাকারে হ্রাস পেয়ে এক সময় ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে পতিত হবে। 
অর্থাৎ, রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলেরই আর কোন অস্তিত্ব থাকে না। অথচ পরমাণু হতে ক্রমাগত শক্তি বিকিরণ বা ইলেকট্রনসমূহের নিউক্লিয়াসে পতন কখনই ঘটে না। 
৩. আবর্তনশীল ইলেকট্রনের কক্ষপথের আকার ও আকৃতি সম্বন্ধে কোনো ধারণা রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলে পাওয়া যায় না। 
৪. একাধিক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো কিভাবে পরিভ্রমণ করে তার কোনো উল্লেখ এ মডেলে নেই। 
৫. পরমাণুর বর্ণালী সম্বন্ধে কোনো সুষ্ঠু ব্যাখ্যা এ মডেলে নেই। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।